(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: -)
حديث نضر الله امرأ - ابن ممك   (ابن ممك)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء فيه قول النبي صلى الله عليه وسلم «نضر الله امرأ سمع مقالتي فأداها»

المؤلف: أحمد بن محمد بن إبراهيم بن حكيم المديني، أبو عمرو الأصبهاني، ويعرف بابن مَمَّك (ت 333هـ)

الناشر: دار ابن حزم - بيروت

الطبعة: الأولى، 1994

تحقيق: بدر بن عبد الله البدر

عدد الصفحات: 59

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হাদিস: আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সতেজ ও উজ্জ্বল করুন - ইবনে মাম্মাক   (ইবনে মাম্মাক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: একটি সংকলন যাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণী বর্ণিত হয়েছে: «আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সতেজ ও উজ্জ্বল করুন, যে আমার কথা শুনেছে এবং তা পৌঁছে দিয়েছে»

লেখক: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন হাকিম আল-মাদিনী, আবু আমর আল-আসফাহানি, যিনি ইবনে মাম্মাক নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৩৩ হিজরি)

প্রকাশক: দার ইবনে হাজম - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৯৯৪

তাহকিক: বদর বিন আব্দুল্লাহ আল-বদর

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৯

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ১৫)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْأَدِيبُ أَبُو الرَّجَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَيْثَمِ بْنِ يَحْيَى بْنِ فَرْقَدٍ الْمَدِينِيُّ أَبْقَاهُ اللَّهُ أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ فِيلَةَ الْبَزَّازُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَكِيمٍ الْمَدِينيُّ ⦗ص: 16⦘ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ الدَّنْدَانِيُّ بِطَرَسُوسَ ، وَأَبُو الْمُثَنَّى مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى بْنِ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ بِبَغْدَادَ قَالَا: حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ صَالِحٍ حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «نَضَّرَ اللَّهُ امْرَأً سَمِعَ مِنَّا حَدِيثًا ، فَبَلَّغَهُ كَمَا سَمِعَهُ ، فَرُبَّ مُبَلَّغٍ أَوْعَى مِنْ سَامِعٍ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আদীব শাইখ আবু আল-রজা আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-হায়সাম বিন ইয়াহইয়া বিন ফারকাদ আল-মাদিনী, আল্লাহ তাকে দীর্ঘজীবী করুন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন ফিলাহ আল-বাজ্জায, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন হাকিম আল-মাদিনী ⦗পৃষ্ঠা: ১৬⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন সাঈদ আদ-দানদানী তারসুসে, এবং আবু আল-মুসান্না মুআয বিন আল-মুসান্না বিন মুআয বিন মুআয আল-আনবারী বাগদাদে; তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন দাউদ, আলী বিন সালিহ থেকে, তিনি সিমাক বিন হারব থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ থেকে, আর তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও প্রফুল্ল রাখুন যে আমাদের থেকে কোনো হাদীস শ্রবণ করেছে, অতঃপর তা যেভাবে শুনেছে সেভাবেই পৌঁছে দিয়েছে; কেননা অনেক সময় যাকে পৌঁছে দেওয়া হয় সে শ্রবণকারীর তুলনায় অধিক সংরক্ষণকারী হয়ে থাকে।»
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ১৭)
2 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ فَهِدِ بْنِ حَكِيمٍ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا مُوسَى هُوَ ابْنُ إِسْمَاعِيلَ التَّبُوذَكِيُّ ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ وَهُوَ ابْنُ سَلَمَةَ ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «نَضَّرَ اللَّهُ رَجُلًا سَمِعَ مِنَّا كَلِمَةً فَبَلَّغَهَا كَمَا سَمِعَ ، فَإِنَّهُ رُبَّ مُبَلَّغٍ أَوْعَى مِنْ سَامِعٍ»
২ - ইব্রাহিম ইবনে ফাহদ ইবনে হাকিম আল-বাসরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুসা (যিনি ইবনে ইসমাইল আত-তাবুজাকি) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ (যিনি ইবনে সালামাহ) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সিমাক ইবনে হারব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও উজ্জ্বল রাখুন যে আমাদের থেকে কোনো কথা শুনেছে, অতঃপর তা যেভাবে শুনেছে সেভাবেই পৌঁছে দিয়েছে। কেননা অনেক সময় যাকে পৌঁছানো হয় সে সরাসরি শ্রবণকারীর চেয়েও অধিক সংরক্ষণকারী হয়ে থাকে।»
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ১৭)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعِينٍ الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الرَّازِيُّ ، بِهَا ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ هُوَ ابْنُ حَنْبَلٍ ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ عُمَيْرٍ ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ» .

⦗ص: 18⦘

 

4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ التُّسْتَرِيُّ حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ حَدَّثَنَا مِهْرَانُ بْنُ أَبِي عُمَرَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مِثْلَ حَدِيثِ «نَضَّرَ اللَّهُ» .

⦗ص: 19⦘

 

5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا طَاهِرُ بْنُ خَالِدِ بْنِ نِزَارٍ حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ بِإِسْنَادِهِ وَمَتْنِهِ
৩ - আবু মাঈন আল-হুসাইন ইবনুল হাসান আর-রাজি আমাদের কাছে সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আহমাদ—যিনি ইবনে হাম্বল—আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, ওয়াহাব ইবনে জারীর আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল মালিক ইবনে উমাইরকে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহর সূত্রে তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমার পরে তোমরা কাফির হয়ে ফিরে যেও না, যেখানে তোমরা একে অপরের ঘাড় কাটবে (পরস্পরকে হত্যা করবে)» ।

⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘

 

৪ - মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আত-তুস্তারি আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনে মুসা আল-কাত্তান আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, মিহরান ইবনে আবি উমর আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ প্রফুল্ল রাখুন» শীর্ষক হাদিসের অনুরূপ।

⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘

 

৫ - মুহাম্মাদ ইবনে জাফর আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাহির ইবনে খালিদ ইবনে নিজার আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে তাহমান আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর তাঁর সনদ ও মূল পাঠসহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ১৯)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ مَاجَهْ بِقَزْوِينَ ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ تَوْبَةَ حَدَّثَنَا زَافِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ أَبِي سِنَانٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى نَاقَتِهِ الْمُخَضْرَمَةِ بِعَرَفَاتٍ فَقَالَ: «أَتَدْرُونَ أَيَّ يَوْمٍ هَذَا ، وَأَيَّ شَهْرٍ هَذَا وَأَيَّ بَلَدٍ هَذَا» قَالُوا: هَذَا بَلَدٌ حَرَامٌ وَشَهْرٌ حَرَامٌ وَيَوْمٌ حَرَامٌ ، فَقَالَ: " أَلَا إِنَّ أَمْوَالَكُمْ وَدِمَاءَكُمْ عَلَيْكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ شَهْرِكُمْ هَذَا ، فِي بَلَدِكُمْ هَذَا ، وَيَوْمِكُمْ هَذَا ، أَلَا وَإِنِّي فَرَطُكُمْ عَلَى الْحَوْضِ ، وَمُكَاثِرٌ بِكُمُ الْأُمَمَ ، فَلَا ⦗ص: 20⦘ تُسَوِّدُوا وَجْهِيَ ، إِلَّا إِنِّي مُسْتَنْقِذٌ النَّاسَ ، وَمُسْتَنْقَذٌ مِنِّي أُنَاسٌ ، فَأَقُولُ: يَا رَبِّ أَصْحَابِي ، فَيَقُولُ: إِنَّكَ لَا تَدْرِي مَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ "
৬ - আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মাজাহ কাজভিনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে তাওবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাফির ইবনে সুলাইমান আবু সিনান থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি মুররাহ থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরাফাতের ময়দানে তাঁর কান-কাটা উটনীর ওপর সওয়ার থাকা অবস্থায় বললেন: “তোমরা কি জানো এটি কোন দিন, এটি কোন মাস এবং এটি কোন শহর?” তারা বললেন: “এটি পবিত্র শহর, পবিত্র মাস এবং পবিত্র দিন।” তিনি বললেন: “জেনে রেখো, নিশ্চয়ই তোমাদের ধন-সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের জন্য তেমনি পবিত্র, যেমন পবিত্র তোমাদের এই মাস, তোমাদের এই শহর এবং তোমাদের এই দিন। জেনে রেখো, আমি হাউজ-এ কাওসারে তোমাদের অগ্রগামী হব এবং তোমাদের আধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মতদের সামনে গর্ব করব। সুতরাং তোমরা ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ আমার মুখ কালো করো না। জেনে রেখো, আমি অনেক মানুষকে উদ্ধার করব, আবার অনেক মানুষকে আমার নিকট থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। তখন আমি বলব: ‘হে আমার রব! এরা তো আমার সঙ্গী।’ তখন তিনি বলবেন: ‘নিশ্চয়ই আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কী নতুন বিষয় (বিদআত) উদ্ভাবন করেছিল’।”
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌معاذُ بْنُ جَبَلٍ رضي الله عنه
মুআয ইবনে জাবাল (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২১)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ وَارَةَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ الصُّورِيُّ وَكَانَ ثِقَةً ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ وَاقِدٍ عَنْ يُونُسَ بْنِ مَيْسَرَةَ بْنِ حَلْبَسٍ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " ثَلَاثٌ لَا يُغِلُّ قَلْبُ مُؤْمِنٍ عَلَيْهِنَّ: الْإِخْلَاصُ لِلَّهِ عز وجل ، وَالْمُنَاصَحَةُ لِولَاةِ الْأَمْرِ ، وَالِاعْتِصَامُ بِجَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ "
৭ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন ওয়ারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-মুবারক আস-সূরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন, আমর বিন ওয়াকিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন মাইসারা বিন হালবাস থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস থেকে, তিনি মুয়াজ বিন জাবাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তিনটি বিষয় এমন যাতে কোনো মুমিনের অন্তর খিয়ানত বা বিদ্বেষ পোষণ করে না: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠতা অবলম্বন করা, শাসকবর্গের প্রতি শুভাকাঙ্ক্ষা পোষণ করা এবং মুসলিমদের জামাতকে আঁকড়ে ধরা; কেননা তাদের আহ্বান (বা দোয়া) তাদের পেছন থেকে তাদের বেষ্টন করে রাখে।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ
আম্মার ইবনে ইয়াসির
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২২)
8 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْكِسَائِيُّ بِالرِّيِّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ جَبَلَةَ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ النُّعْمَانِ عَنْ كَثِيرٍ أَبِي الْفَضْلِ عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: سَمِعْتُ عَمَّارَ بْنَ يَاسِرٍ قَالَ: خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «أَيُّ يَوْمٍ هَذَا» قُلْنَا: يَوْمُ النَّحْرِ ، قَالَ: «فَأَيُّ شَهْرٍ هَذَا» قُلْنَا: ذُو الْحِجَّةِ شَهْرُ الْحَرَامِ ، قَالَ: «فَأَيُّ بَلَدٍ هَذَا» قُلْنَا: بَلَدُ الْحَرَامِ ، قَالَ: «فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ عَلَيْكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا ، وَفِي شَهْرِكُمْ هَذَا ، فِي بَلَدِكُمْ هَذَا ، أَلَا فَلْيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ»
৮ - আমাদের নিকট আবু সাঈদ মুহাম্মাদ ইবনুল মুসা আল-কিসাঈ রাই শহরে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহমান ইবনে জাবালাহ ইবনে আবী রওয়াদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আমর ইবনু আন-নু'মান কাসীর আবুল ফাদল থেকে এবং তিনি মুতাররিফ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আম্মার ইবনে ইয়াসিরকে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে ভাষণ প্রদান করলেন এবং বললেন: «আজ কোন্ দিন?» আমরা বললাম: নহরের (কুরবানির) দিন। তিনি বললেন: «তবে এটি কোন্ মাস?» আমরা বললাম: যিলহজ মাস, যা সম্মানিত মাস। তিনি বললেন: «তবে এটি কোন্ শহর?» আমরা বললাম: সম্মানিত শহর। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ এবং তোমাদের সম্মান তোমাদের জন্য তেমনিভাবে হারাম, যেমন মর্যাদা রয়েছে তোমাদের আজকের এই দিনে, তোমাদের এই মাসে এবং তোমাদের এই শহরে। সাবধান! উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট পৌঁছে দেয়।»
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ رضي الله عنه
যায়েদ বিন সাবিত (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৪)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الطَّرَسُوسِيُّ بِطَرَسُوسَ ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عُمَرَ بْنِ سُلَيْمَانَ مِنْ آلِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " نَضَّرَ اللَّهُ امْرَأً سَمِعَ مِنَّا ، حَدِيثًا فَبَلَّغَهُ ، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ لَيْسَ بِفَقِيهٍ ، ثَلَاثٌ لَا يُغِلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ مُسْلِمٍ: إِخْلَاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ عز وجل ، وَمُنَاصَحَةُ ولَاةِ الْأَمْرِ ، وَلُزُومُ جَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ "

 

10 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ وَارَةَ حَدَّثَنِي الرَّبِيعُ بْنُ رَوْحٍ ح قَالَ: وَحَدَّثَنِي حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ قَالَا: حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ حَيْوَةُ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سُلَيْمَانَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ ⦗ص: 25⦘ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «نَضَّرَ اللَّهُ امْرَأً» وَذَكَرَ الْحَدِيثَ
9 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমাইয়্যাহ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আত-তারসুসি তারসুস নামক স্থানে, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর বংশধর উমর ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবান ইবনে উসমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও উজ্জ্বল রাখুন যে আমাদের থেকে কোনো হাদিস শুনল এবং তা পৌঁছে দিল। কেননা অনেক ফিকহ (দীনি জ্ঞান) বহনকারী এমন ব্যক্তির কাছে তা পৌঁছে দেয় যে তার চেয়ে অধিক ফকিহ (প্রজ্ঞাবান), আবার অনেক ফিকহ বহনকারী নিজে ফকিহ নয়। তিনটি বিষয় এমন যাতে কোনো মুসলিমের অন্তর খেয়ানত বা সংকীর্ণতা পোষণ করে না: মহান আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠভাবে আমল করা, শাসকবর্গকে নসিহত করা এবং মুসলিমদের জামাআতকে আঁকড়ে ধরা; কেননা তাদের দোয়া বা আহ্বান তাদের পেছন থেকে তাদের পরিবেষ্টন করে রাখে (হেফাজত করে)।"

 

10 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম ইবনে ওয়ারাহ, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রবি ইবনে রাউহ, (অন্য সনদে) তিনি বলেন: এবং আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ, তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, তিনি শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ থেকে, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে সুলাইমান ইবনে আসিম ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব, হাইওয়াহ বলেন: উমর ইবনে সুলাইমান থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবান ইবনে উসমান ইবনে আফফান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে সাবিত ⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও উজ্জ্বল রাখুন...» এবং তিনি অবশিষ্ট হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৫)
11 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ خَالِدٍ بِبَالِسَ ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَعْوَرُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عُمَرَ بْنِ سُلَيْمَانَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: خَرَجَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ مِنْ عِنْدِ مَرْوَانَ بِنِصْفِ النَّهَارِ ، قُلْنَا: مَا خَرَجَ هَذِهِ السَّاعَةَ مِنْ عِنْدِهِ إِلَّا لِشَيْءٍ سَأَلَهُ عَنْهُ ، قَالَ: فَأَتَيْتُهُ فَسَأَلْتُهُ ، فَقَالَ: أَجَلْ ، سَأَلْنَا عَنْ أَشْيَاءَ سَمِعْنَاهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " نَضَّرَ اللَّهُ امْرَأً سَمِعَ مِنَّا حَدِيثًا فَحَفِظَهُ حَتَّى يُبَلِّغَهُ إِلَى غَيْرِهِ ، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ ، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ غَيْرُ فَقِيهٍ ، ثَلَاثُ خِصَالٍ لَا يُغِلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ مُسْلِمٍ: إِخْلَاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ ، وَمُنَاصَحَةُ ولَاةِ الْأَمْرِ ، وَلُزُومُ الْجَمَاعَةِ ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ "
১১ - ইসহাক ইবনে খালিদ বালেসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ আল-আওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওমর ইবনে সুলায়মান থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবান ইবনে উসমান থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যায়েদ ইবনে সাবিত দুপুর বেলায় মারওয়ানের নিকট থেকে বের হলেন। আমরা বললাম: তিনি এই মুহূর্তে তার নিকট থেকে বের হননি তবে এমন কোনো বিশেষ কারণেই যা সম্পর্কে মারওয়ান তাকে জিজ্ঞাসা করেছেন। তিনি (আবান) বলেন: আমি তার কাছে আসলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি আমাদের এমন কিছু বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন যা আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও প্রফুল্ল রাখুন যে আমাদের থেকে কোনো হাদিস শুনল, অতঃপর তা সংরক্ষণ করল যতক্ষণ না তা অন্যের কাছে পৌঁছে দিল। কেননা অনেক ইলম বহনকারী এমন আছে যে তার চেয়ে অধিক ফকীহ (বিচক্ষণ) ব্যক্তির নিকট তা পৌঁছে দেয়, আবার অনেক ইলম বহনকারী নিজে ফকীহ নয়। তিনটি বিষয় এমন যাতে কোনো মুসলিমের অন্তর খিয়ানত বা বিদ্বেষ পোষণ করে না: আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠভাবে আমল করা, দায়িত্বশীলদের কল্যাণকামনা করা এবং মুসলিম জামাআতকে আঁকড়ে ধরা। কেননা তাদের দোয়া তাদের পিছন থেকে তাদের বেষ্টন করে রাখে।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৫)
قَالَ: «وَمَنْ كَانَتْ نِيَّتُهُ الْآخِرَةَ جَمَعَ اللَّهُ لَهُ شَمْلَهُ ، وَجَعَلَ غِنَاهُ فِي قَلْبِهِ ، وَأَتَتْهُ الدُّنْيَا وَهِيَ رَاغِمَةٌ ، وَمَنْ كَانَتْ نِيَّتُهُ الدُّنْيَا فَرَّقَ اللَّهُ عَلَيْهِ أَمْرَهُ ، وَجَعَلَ فَقْرَهُ بَيْنَ عَيْنَيْهِ ، وَلَمْ يَأْتِهِ مِنَ الدُّنْيَا إِلَّا مَا كَتَبَ اللَّهُ عز وجل»
তিনি বললেন: "যার সংকল্প হবে পরকাল, আল্লাহ তার যাবতীয় বিষয়কে সুসংহত করে দেবেন, তার অন্তরে সচ্ছলতা দান করবেন এবং দুনিয়া লাঞ্ছিত অবস্থায় তার নিকট আসবে। আর যার সংকল্প হবে দুনিয়া, আল্লাহ তার বিষয়সমূহকে বিক্ষিপ্ত করে দেবেন, দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে স্থাপন করবেন এবং দুনিয়া থেকে তার কাছে কেবল ততটুকুই পৌঁছাবে যা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তার জন্য লিখে রেখেছেন।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৫)
قَالَ: وَسَأَلْتُهُ عَنِ الصَّلَاةِ الْوسْطَى فَقَالَ: «هِيَ الْعَصْرُ»
তিনি বললেন: এবং আমি তাঁকে মধ্যবর্তী সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: “তা হলো আসর।”
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيُّ رضي الله عنه
জরীর বিন আবদুল্লাহ আল-বাজালী (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৭)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعْنٍ الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الرَّازِيُّ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُدْرِكٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ بْنَ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ ، يُحَدِّثُ ، عَنْ جَرِيرٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ لِجَرِيرٍ: «اسْتَنْصِتِ النَّاسَ» ، وَقَالَ: «لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ»
১২ - আমাদের নিকট আবু মা'ন আল-হুসাইন ইবনুল হাসান আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু'বাহ আলী ইবনে মুদরিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু যুরআ ইবনে আমর ইবনে জারীরকে জারীর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিদায় হজের সময় জারীরকে বললেন: "মানুষকে নীরব থাকতে বলো।" এবং তিনি বললেন: "আমার পরে তোমরা পুনরায় কাফির হয়ে যেও না, যার ফলে তোমরা একে অপরের ঘাড় কাটবে।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌شَيْبَةُ بْنُ عُثْمَانَ التَّيْمِيُّ رضي الله عنه
শাইবা ইবনে উসমান আত-তাইমি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৮)
13 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَيُّوبَ ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ عَنْ ثَابِتٍ الثُّمَالِيِّ عَنْ بُجَيَّةَ عَنْ شَيْبَةَ بْنِ عُثْمَانَ التَّيْمِيِّ قَالَ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَسْجِدِ الْخَيْفِ ، فَقَالَ: " ثَلَاثٌ لَا يُغَلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ مُؤْمِنٍ: إِخْلَاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ ، وَالنُّصْحُ لِأَئِمَّةِ الْمُسْلِمِينَ. وَلُزُومُ جَمَاعَتِهِمْ ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ "
১৩ - আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ —যিনি ইবনে মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব— আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর বিন আইয়াশ আমাদের নিকট সাবিত আস-সুমালী থেকে, তিনি বুজাইয়্যাহ থেকে, তিনি শাইবা বিন উসমান আত-তায়মী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাসজিদুল খাইফে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, অতঃপর বললেন: "তিনটি বিষয় এমন যাতে কোনো মুমিনের অন্তর খেয়ানত বা বিদ্বেষ পোষণ করে না: আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠভাবে আমল করা, মুসলিমদের ইমাম বা নেতাদের সদুপদেশ প্রদান করা এবং তাদের জামাআতকে আঁকড়ে ধরা। কেননা তাদের আহ্বান তাদের পশ্চাৎভাগকেও পরিবেষ্টন করে রাখে।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌جُبَيْرُ بْنُ مُطْعِمٍ رضي الله عنه
জুবাইর ইবনে মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহু
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ২৯)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحَيْفِ مِنْ مِنًى ، فَقَالَ: " نَضَّرَ اللَّهُ عَبْدًا سَمِعَ مَقَالَتِي فَوَعَاهَا ، ثُمَّ أَدَّاهَا إِلَى مَنْ لَمْ يَسْمَعْهَا ، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ لَا فِقْهَ لَهُ ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ ، ثَلَاثٌ لَا يُغَلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ مُؤْمِنٍ: إِخْلَاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ ، وَالنَّصِيحَةُ لِأُولِي الْأَمْرِ وَلُزُومُ الْجَمَاعَةِ ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ "
১৪ - আবু উমাইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়ালা ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি জুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুত'িম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনার খাইফে দণ্ডায়মান হলেন এবং বললেন: "আল্লাহ সেই বান্দাকে সজীব ও উজ্জ্বল রাখুন যে আমার কথা শুনল, অতঃপর তা ধারণ করল এবং এমন ব্যক্তির নিকট পৌঁছে দিল যে তা শোনেনি। কেননা অনেক ইলমের বাহক নিজেই তা সঠিকভাবে অনুধাবনকারী নয়, আবার অনেকে এমন ব্যক্তির নিকট ইলম পৌঁছে দেয় যে তার চেয়েও অধিক অনুধাবনকারী। তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যাতে কোনো মুমিনের অন্তর বিদ্বেষ বা খেয়ানত পোষণ করে না: আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠভাবে আমল করা, শাসকবর্গের প্রতি শুভাকাঙ্ক্ষা পোষণ করা এবং মুসলিম জামাআতের সাথে লেগে থাকা। কারণ তাদের আহ্বান তাদের পেছনের সকলকেও পরিবেষ্টন করে রাখে।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ رضي الله عنه
আবু সাঈদ আল-খুদরি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩১)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ وَارَةَ حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ وَاقِعٍ حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه: خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى ، فَقَالَ: " رَحِمَ اللَّهُ عَبْدًا سَمِعَ مَقَالَتِي فَوَعَاهَا ، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ غَيْرُ فَقِيهٍ ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ ، ثَلَاثٌ لَا يُغَلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ مُسْلِمٍ: النَّصِيحَةُ لِلَّهِ عز وجل ، وَلِرَسُولِهِ وَلِكِتَابِهِ ، وَلُوُلَاةِ الْأَمْرِ ، وَلُزُومُ جَمَاعَتِهِمْ ، فَإِنَّ يَدَ اللَّهِ تَعَالَى عَلَى الْجَمَاعَةِ "
১৫ - আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম ইবনে ওয়ারাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনে ওয়াকি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দামরাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে শাওযাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ থেকে, তিনি আবু নাদ রাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনায় আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রদান করলেন। তিনি বললেন: "আল্লাহ সেই বান্দার প্রতি রহম করুন যে আমার কথা শুনল এবং তা স্মরণ রাখল। কেননা অনেক ইলমের বাহক নিজে ফকীহ নয়, আবার অনেক ইলমের বাহক এমন ব্যক্তির নিকট তা পৌঁছে দেয় যে তার চেয়েও অধিক ফকীহ। তিনটি বিষয়ে কোনো মুসলিমের অন্তর খেয়ানত করে না: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি, তাঁর কিতাবের প্রতি এবং মুসলিম শাসকবর্গের প্রতি একনিষ্ঠ হওয়া, আর তাদের জামাতকে আঁকড়ে ধরা। কেননা আল্লাহর হাত জামাতের উপর থাকে।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩২)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ طَالِبٍ بِبَغْدَادَ ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ يَعْنِي الْخَفَّافَ ، أَخْبَرَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي مَنْ شَهِدَ خُطْبَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى فِي أَيَّامِ التَّشْرِيقِ - أَوْ فِي وَسَطِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ، شَكَّ الْجُرَيْرِيُّ - أَنَّهُ قَالَ: " يَا أَيُّهَا النَّاسُ ، إِنَّ رَبَّكُمْ وَاحِدٌ ، وَإِنَّ أَبَاكُمْ وَاحِدٌ ، وَلَيْسَ لِعَرَبِيٍّ عَلَى عَجَمِيٍّ فَضْلٌ - قَالَ عَبْدُ الْوَهَّابِ: أَحْسِبُهُ قَالَ: إِلَّا بِالتَّقْوَى - أَلَا هَلْ بَلَّغْتُ؟ " ، قَالُوا: نَعَمْ ، قَالَ: «فَلْيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ» ، ثُمَّ قَالَ: «أَيُّ يَوْمٍ هَذَا؟» قَالُوا: يَوْمٌ حَرَامٌ ، قَالَ: «فَأَيُّ شَهْرٍ هَذَا» قَالُوا: شَهْرٌ حَرَامٌ ، قَالَ: «فَأَيُّ بَلَدٍ هَذَا» قَالُوا: بَلَدٌ حَرَامٌ ، قَالَ: " فَإِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ - قَالَ الْجُرَيْرِيُّ وَأَحْسِبُهُ قَالَ: وَأَعْرَاضَكُمْ - عَلَيْكُمْ حَرَامٌ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا ، فِي شَهْرِكُمْ هَذَا ، فِي بَلَدِكُمْ هَذَا ، أَلَا هَلْ بَلَّغْتُ " قَالُوا: نَعَمْ ، قَالَ: «فَلْيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ»
১৬ - বাগদাদে আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে তালিব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহহাব অর্থাৎ আল-খাফফাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাঈদ আল-জুরায়রী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসরাহ থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট এমন এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যিনি মিনায় আইয়ামে তাশরীকের দিনগুলোতে - অথবা আইয়ামে তাশরীকের মধ্যবর্তী সময়ে, আল-জুরায়রী এখানে সন্দেহ করেছেন - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খুতবা প্রত্যক্ষ করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "হে লোকসকল! নিশ্চয়ই তোমাদের রব একজন এবং তোমাদের পিতাও একজন। কোনো অনারবের ওপর কোনো আরবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই - আব্দুল ওয়াহহাব বলেন: আমার ধারণা তিনি বলেছেন: তাকওয়া ব্যতীত - শোনো, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?" তারা বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "তবে উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট তা পৌঁছে দেয়।" অতঃপর তিনি বললেন: "এটি কোন দিন?" তারা বললেন: এটি পবিত্র দিন। তিনি বললেন: "তবে এটি কোন মাস?" তারা বললেন: এটি পবিত্র মাস। তিনি বললেন: "তবে এটি কোন শহর?" তারা বললেন: এটি পবিত্র শহর। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তোমাদের রক্ত ও তোমাদের সম্পদ - আল-জুরায়রী বলেন, আমার ধারণা তিনি এও বলেছেন: এবং তোমাদের সম্মান - তোমাদের ওপর তেমনি পবিত্র, যেমন পবিত্র তোমাদের আজকের এই দিন, তোমাদের এই মাস এবং তোমাদের এই শহর। শোনো, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?" তারা বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "তবে উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট তা পৌঁছে দেয়।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌أَبُو بَكْرَةَ رضي الله عنه
আবু বাকরাহ্ আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩৩)
17 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُتَوَكِّلِ ، بِبَغْدَادَ ، حَدَّثَنَا هَوْذَةُ هُوَ ابْنُ خَلِيفَةَ الْبَكْرَاوِيُّ ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ عَنْ أَبِي بَكْرَةَ قَالَ: لَمَّا كَانَ ذَلِكَ الْيَوْمُ رَكِبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَاقَتَهُ ، ثُمَّ وَقَفَ فَقَالَ: " أَتَدْرُونَ أَيَّ يَوْمٍ هَذَا؟ فَسَكَتْنَا حَتَّى رَأَيْنَا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ ، فَقَالَ: «أَلَيْسَ يَوْمَ النَّحْرِ؟» ، فَقُلْنَا: بَلَى ، قَالَ: «أَتَدْرُونَ أَيَّ شَهْرٍ هَذَا؟» فَسَكَتْنَا حَتَّى رَأَيْنَا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ ، فَقَالَ: «أَلَيْسَ ذَا الْحِجَّةِ؟» قَالُوا: بَلَى ، قَالَ: «أَتَدْرُونَ أَيَّ بَلَدٍ هَذَا؟» قَالَ: فَسَكَتْنَا حَتَّى رَأَيْنَا أَنَّهُ سَيُسَمِّيهِ سِوَى اسْمِهِ ، فَقَالَ: «أَلَيْسَ الْبَلْدَةَ الْحَرَامَ؟» فَقُلْنَا: بَلَى ، فَقَالَ: «إِنَّ أَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ وَدِمَاءَكُمْ حَرَامٌ بَيْنَكُمْ فِي مِثْلِ يَوْمِكُمْ هَذَا ، فِي شَهْرِكُمْ هَذَا ، فِي مِثْلِ بَلَدِكُمْ هَذَا ، فَلْيُبَلِّغِ الشَّاهِدُ الْغَائِبَ، مَرَّتَيْنِ، فَرُبَّ مُبَلَّغٍ هُوَ أَوْعَى مِنْ مُبَلِّغِ» ، ثُمَّ قَالَ عَلَى نَاقَتِهِ إِلَى غُنَيْمَاتٍ ، فَجَعَلَ يَقْسِمُهُنَّ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ الشَّاةَ ، وَالثَّلَاثَةِ الشَّاةَ.

⦗ص: 34⦘

 

18 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ وَارَةَ وَأَبُو أُمَيَّةَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَا: حَدَّثَنَا هَوْذَةُ بْنُ خَلِيفَةَ الْبَكْرَاوِيُّ بِإِسْنَادِهِ وَمَتْنِهِ ، وَفِي آخِرِهِ: وَفِي الثَّلَاثَةِ الشَّاةَ
১৭ - বাগদাদে আল-হাসান ইবনে আলী ইবনুল মুতাওয়াক্কিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাওজাহ (তিনি হলেন ইবনে খলিফা আল-বাকরাবি) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আউন মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন সেই দিনটি এল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উষ্ট্রীর ওপর আরোহণ করলেন, অতঃপর তিনি থামলেন এবং বললেন: "তোমরা কি জানো এটি কোন দিন?" তখন আমরা চুপ থাকলাম, এমনকি আমরা মনে করলাম যে তিনি এর প্রচলিত নাম ব্যতীত অন্য কোনো নাম দেবেন। এরপর তিনি বললেন: "এটি কি কুরবানির দিন নয়?" আমরা বললাম: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তোমরা কি জানো এটি কোন মাস?" তখন আমরা চুপ থাকলাম, এমনকি আমরা মনে করলাম যে তিনি এর প্রচলিত নাম ব্যতীত অন্য কোনো নাম দেবেন। তিনি বললেন: "এটি কি জিলহজ মাস নয়?" তাঁরা বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তোমরা কি জানো এটি কোন শহর?" বর্ণনাকারী বলেন: তখন আমরা চুপ থাকলাম, এমনকি আমরা মনে করলাম যে তিনি এর প্রচলিত নাম ব্যতীত অন্য কোনো নাম দেবেন। তিনি বললেন: "এটি কি পবিত্র শহর নয়?" আমরা বললাম: "হ্যাঁ।" তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তোমাদের সম্পদ, তোমাদের সম্মান এবং তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের মাঝে হারাম (পবিত্র ও অলঙ্ঘনীয়), যেমন তোমাদের আজকের এই দিনটি, তোমাদের এই মাসটি এবং তোমাদের এই শহরটি পবিত্র। অতএব উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির কাছে সংবাদটি পৌঁছে দেয়—তিনি এটি দুইবার বললেন—কেননা অনেক সময় যাকে সংবাদটি পৌঁছানো হয় সে মূল শ্রবণকারীর চেয়েও অধিক সংরক্ষণকারী হয়ে থাকে।" এরপর তিনি তাঁর উষ্ট্রীর ওপর থাকা অবস্থাতেই কিছু বকরির পালের দিকে গেলেন এবং সেগুলো দুই ব্যক্তির মাঝে একটি বকরি এবং তিন ব্যক্তির মাঝে একটি বকরি হিসেবে বণ্টন করতে লাগলেন।

⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘

 

১৮ - মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম ইবনে ওয়ারাহ এবং আবু উমাইয়াহ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: হাওজাহ ইবনে খলিফা আল-বাকরাবি তাঁর সনদ ও মূল পাঠসহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং এর শেষে রয়েছে: "এবং তিনজনের জন্য একটি বকরি।"
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩৪)
19 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْهِسِنْجَانِيُّ ، بِالرِّيِّ ، حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي بَكْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي ضُلَّالًا»
১৯ - আমাদের কাছে আলী ইবনুল হাসান আল-হিসিনজানী রাই শহরে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুসাদ্দাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আব্দুল ওয়ারিস ইবনু সাঈদ বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনু সীরীন থেকে, তিনি আবু বাকরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা আমার পরে পথভ্রষ্ট হয়ে ফিরে যেও না।»
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩৪)
20 - حَدَّثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ عَنْ أَيُّوبَ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ عَنِ ابْنِ أَبِي بَكْرَةَ عَنْ أَبِي بَكْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «إِنَّ الزَّمَانَ قَدِ اسْتَدَارَ كَهَيْئَتِهِ يَوْمَ خَلَقَ اللَّهُ السَّماوَاتِ وَالْأَرْضَ ، السَّنَةُ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا»
২০ - আমাদের নিকট আবু উমাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আবি শাইবাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল ওয়াহহাব আস-সাকাফী আইয়ুব থেকে, তিনি ইবনে সিরীন থেকে, তিনি ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই সময় আবর্তিত হয়ে তার সেই আদি অবস্থায় ফিরে গিয়েছে যেমনটি ছিল যেদিন আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি করেছিলেন। বছর হলো বারো মাস।»
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩৫)
21 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعِينٍ الرَّازِيُّ الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ هُوَ ابْنُ حَنْبَلٍ ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا قُرَّةُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ وَعَنْ رَجُلٍ آخَرَ هُوَ فِي نَفْسِي أَفْضَلُ مِنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَطَبَ النَّاسَ قَالَ: «لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ»
২১ - আবু মাঈন আর-রাজি আল-হুসাইন বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ—তিনি হলেন ইবনে হাম্বল—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরা থেকে এবং অন্য এক ব্যক্তি থেকে—যিনি আমার দৃষ্টিতে আব্দুর রহমান বিন আবি বাকরা অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ—তিনি আবু বাকরা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রদানকালে বললেন: «তোমরা আমার পরে পুনরায় কাফির হয়ে যেও না, যেখানে তোমরা একে অপরের গর্দান আঘাত করবে।’»
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩৬)
‌‌عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه
আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আল-খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)
(খণ্ড: ১) হাদীছু নাদ্দারাল্লাহু ইমরাআন - ইবনু মাম্মাক (পৃষ্ঠা: ৩৬)
0

 

22 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْهِسِنْجَانِيُّ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ شَبِيبِ بْنِ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ يُونُسَ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ: لَقِيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ ، فَقَالَ: يَا أَبَا إِسْحَاقَ ، أَلَا تَرَى إِلَى أُمَّةِ مُحَمَّدٍ كَيْفَ كَفَرُوا بَعْدُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ: «اللَّهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ لَا تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ» وَهَؤُلَاءِ يَتَضَارَبُونَ بِهَا غَيْرَ مُصْفِحَةٍ
0

 

২২ - আমাদের নিকট আলী ইবনুল হাসান আল-হিসিনজানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে শাবিব ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন ইউনুস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে ওমর সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং বললেন: হে আবু ইসহাক, আপনি কি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উম্মতের অবস্থা দেখছেন না যে তারা পরবর্তীতে কীভাবে কুফরিতে লিপ্ত হয়েছে? অথচ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বিদায় হজের সময় বলতে শুনেছি: «হে আল্লাহ! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? আমার পরে তোমরা একে অপরের ঘাড় কর্তন করে পুনরায় কাফেরে পরিণত হয়ো না»; অথচ এরা তরবারির ধারালো দিক দিয়ে একে অপরকে আঘাত করছে।