(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: -)
حديث محمد بن عبد الله الأنصاري القسم: كتب السنة
الكتاب: حديث محمد بن عبد الله الأنصاري
المؤلف: أبو عبد الله محمد بن عبد الله بن المثنى بن عبد الله بن أنس بن مالك البصري الأنصاري (ت 215هـ)
المحقق: مسعد عبد الحميد محمد السعدني
الناشر: أضواء السلف - الرياض / السعودية
الطبعة: الأولى، 1418 هـ - 1998م
عدد الصفحات: 78
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারীর হাদিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারীর হাদিস
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুসান্না বিন আব্দুল্লাহ বিন আনাস বিন মালিক আল-বাসরি আল-আনসারি (মৃত্যু ২১৫ হিজরি)
তাহকীককারী: মুসআদ আব্দুল হামিদ মুহাম্মাদ আস-সাদানি
প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ - রিয়াদ / সৌদি আরব
সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৮
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
1 - حَدِيثُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ أَبِي الْمُعْتَمِرِ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ
১ - আবু আল-মুতামির সুলাইমান আত-তাইমির সূত্রে মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারির বর্ণিত হাদিস, যা আনাস বিন মালিক হতে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيَّوبَ بْنِ مَاسِى الْبَزَّازُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا حَاضِرٌ فِي مَنْزِلِهِ فِي دَارِ كَعْبٍ لِثَلَاثِ لَيَالٍ بَقِينَ مِنَ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ 368، ثنا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُسْلِمٍ الْكَجَّيُّ الْبَصْرِيُّ رحمه الله قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا هِجْرَةَ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ فَوْقَ ثَلَاثة أَيَّامٍ» ، أَوْ قَالَ: «ثَلَاثِ لَيَالٍ»
আমি আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আইয়ুব বিন মাসি আল-বাজ্জাজ-এর নিকট এটি পঠনকালে উপস্থিত ছিলাম; এটি ছিল ৩৬৮ হিজরি সনের মুহাররম মাসের অবশিষ্ট তিন রাতে তাঁর দারুল কাব-এর বাসভবনে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইবরাহিম বিন আবদুল্লাহ বিন মুসলিম আল-কাজ্জি আল-বাসরি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমি, তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “কোনো মুসলমানের জন্য অন্য মুসলমানের সাথে তিন দিনের বেশি সময় সম্পর্ক ছিন্ন রাখা বৈধ নয়,” অথবা তিনি বলেছেন: “তিন রাতের বেশি।”
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
2 - حَدَّثَنا الْأَنْصَارِيِّ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
২ - আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আত-তাইমী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যা আরোপ করল, সে যেন আগুনের মধ্যে তার আবাসস্থল বানিয়ে নেয়।"
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
3 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، حَدَّثَنِي التَّيْمِيُّ، ثنا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: عَطَسَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجُلَانِ، فَشَمَّتَ أَوْ فَسَمَّتَ أَحَدَهُمَا وَلَمْ يُشَمِّتِ الْآخَرَ، أَوْ فَسَمَّتَهُ وَلَمْ يُسَمِّتِ الْآخَرَ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَطَسَ عِنْدَكَ رَجُلَانِ فَشَمَّتَّ أَحَدَهُمَا، وَلَمْ تُشَمِّتِ الْآخَرَ، أَوْ فَسَمَّتَّهُ وَلَمْ تُسَمِّتِ الْآخَرَ؟ فَقَالَ: «إِنَّ هَذَا حَمِدَ اللَّهَ عز وجل فَشَمَّتُّهُ، وَإِنَّ هَذَا لَمْ يَحْمَدِ اللَّهَ فَلَمْ أُشَمِّتْهُ»
৩ - আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাইমী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবন মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দুইজন লোক হাঁচি দিলেন। অতঃপর তিনি তাদের একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন কিন্তু অন্যজনের উত্তর দিলেন না। তখন জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট দুইজন লোক হাঁচি দিলেন, আপনি তাদের একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন কিন্তু অন্যজনের হাঁচির উত্তর দিলেন না? তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর প্রশংসা করেছে, তাই আমি তার হাঁচির উত্তর দিয়েছি; আর এই ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেনি, তাই আমি তার হাঁচির উত্তর দেইনি।”
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
4 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، أَنَّ أَنَسًا، كَانَ يَقْرَأُ {إِنِّي نَذَرْتُ لِلرَّحْمَنِ صَوْمًا} [مريم: 26] : «صَمْتًا»
4 - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আত-তাইমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আনাস (রা.) {নিশ্চয়ই আমি পরম করুণাময় আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাওম মানত করেছি} [মারইয়াম: ২৬] আয়াতটিকে ‘নীরবতা’ শব্দে পাঠ করতেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
حَدِيثُ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، هُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُلٍّ
সুলায়মান আত-তায়মী কর্তৃক আবু উসমান আন-নাহদী থেকে বর্ণিত হাদিস, তিনি হলেন আবদুর রহমান ইবনে মুল্ল
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
5 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ، قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَرَقَيْنَا عَقَبَةً أَوْ ثَنِيَّةً، قَالَ: فَكَانَ الرَّجُلُ مِنَّا إِذَا مَا عَلَا قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّكُمْ لَا تُنَادُونَ أَصَمَّ، وَلَا غَائِبًا» ، وَهُوَ عَلَى بَغْلَتِهِ يَعْتَرِضُهَا ، فَقَالَ: «يَا أَبَا مُوسَى أَوْ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسٍ أَلَا أُعَلِّمُكَ كَلِمَةً مِنْ كَنْزِ الْجَنَّةِ؟» قُلْتُ: بَلَى، قَالَ: «لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ»
৫ - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান আত-তায়মি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসমান আন-নাহদি থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে এক সফরে ছিলাম। অতঃপর আমরা একটি পাহাড়ি পথ বা গিরিপথে আরোহণ করলাম। তিনি বলেন: আমাদের মধ্য থেকে কোনো ব্যক্তি যখনই উপরে উঠত, তখন সে উচ্চস্বরে বলত: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আল্লাহ অতি মহান। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «নিশ্চয়ই তোমরা কোনো বধির বা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছ না।» এমতাবস্থায় তিনি তাঁর খচ্চরের পিঠে আরোহী ছিলেন। তিনি বললেন: «হে আবু মুসা! অথবা হে আব্দুল্লাহ বিন কায়েস! আমি কি তোমাকে জান্নাতের গুপ্তধনসমূহের একটি বাক্যের কথা শিখিয়ে দেব না?» আমি বললাম: অবশ্যই। তিনি বললেন: «আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ থেকে ফেরার) কোনো উপায় নেই এবং (ইবাদত করার) কোনো শক্তি নেই।»
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
6 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، أَنَّ أَبَا عُثْمَانَ النَّهْدِيَّ، أَخْبَرَهُ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «قُمْتُ عَلَى بَابِ الْجَنَّةِ، فَإِذَا عَامَّةُ مَنْ دَخَلَهَا الْمَسَاكِينُ، وَقُمْتُ عَلَى بَابِ النَّارِ، فَإِذَا عَامَّةُ مَنْ دَخَلَهَا النِّسَاءُ»
৬ - আনসারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলাইমান আত-তাইমী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যে, আবু উসমান আন-নাহদী তাকে সংবাদ দিয়েছেন উসামা ইবনে যায়িদ থেকে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আমি জান্নাতের দরজায় দাঁড়ালাম, তখন দেখলাম যারা সেখানে প্রবেশ করেছে তাদের অধিকাংশই দরিদ্র মিসকীন। আর আমি জাহান্নামের দরজায় দাঁড়ালাম, তখন দেখলাম যারা সেখানে প্রবেশ করেছে তাদের অধিকাংশই নারী।»
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
7 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَكْثَرُ جُنُودِ اللَّهِ فِي الْأَرْضِ الْجَرَادُ، لَا آكُلُهُ وَلَا أُحَرِّمُهُ»
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনসারী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমী, আবু উসমান আন-নাহদী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «জমিনে আল্লাহর সর্বাধিক সৈন্যদল হলো পঙ্গপাল, আমি তা খাই না এবং তা হারামও করি না।»
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
8 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ: «لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ عَوْنَ اللَّهِ لِلضَّعِيفِ مَا غَالَوْا بِالظَّهْرِ»
৮ - আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান আত-তায়মী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসমান আন-নাহদী থেকে বর্ণিত, সালমান (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: “মানুষ যদি দুর্বলের প্রতি আল্লাহর সাহায্য সম্পর্কে জানত, তবে তারা সওয়ারির পশুর আধিক্য বা উচ্চমূল্য নিয়ে বাড়াবাড়ি করত না।”
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
حَدِيثُ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ الْعَبْدِيِّ
আবু নাদরা আল-আবদীর সূত্রে সুলায়মান আত-তায়মী কর্তৃক বর্ণিত হাদীস
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
9 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ، وَأَنْ يُخْلَطَ بُسْرٌ وَتَمْرٌ، وَأَنْ يُخْلَطَ تَمْرٌ وَزَبِيبٌ
৯ - আমাদের নিকট আনসারী বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান আত-তায়মী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু নাদরাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাটির পাত্রে প্রস্তুতকৃত নবীয এবং আধাপাকা খেজুর ও শুকনো খেজুর একত্রে মিশ্রিত করা এবং শুকনো খেজুর ও কিসমিস একত্রে মিশ্রিত করা নিষিদ্ধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
10 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ، مَوْلًى لِلْأَنْصَارِ، أَنَّ مَمْلُوكًا دَعَا أَبَا ذَرٍّ، وَحُذَيْفَةَ، وَابْنَ مَسْعُودٍ، فَلَمَّا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ تَقَدَّمَ أَبُو ذَرٍّ لِيُصَلِّيَ بِهِمْ، فَقَالَ لَهُ حُذَيْفَةُ: فَأَحَدُنَا يَا أَبَا ذَرٍّ، قَالَ أَبُو ذَرٍّ: وَرَاءَكَ يَا ابْنَ مَسْعُودٍ. قَالَ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: مِنَّا حُرٌّ، قَالَ سُلَيْمَانُ: يَعْنِي أَنَّ الرَّجُلَ أَحَقُّ بِبَيْتِهِ
১০ - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আত-তাইমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাদরা থেকে, তিনি আনসারদের আযাদকৃত দাস আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক ক্রীতদাস আবু যার, হুযাইফা এবং ইবনে মাসউদকে দাওয়াত দিলেন। অতঃপর যখন সালাতের সময় উপস্থিত হলো, তখন আবু যার তাদের নিয়ে সালাত আদায়ের জন্য সামনে অগ্রসর হলেন। তখন হুযাইফা তাকে বললেন: হে আবু যার, আমাদের মধ্য থেকেই কি কেউ (ইমামতি করবে)? আবু যার বললেন: হে ইবনে মাসউদ, আপনার পেছনেই (থাকব)। তিনি বললেন: হে আবু আব্দুর রহমান! তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আমাদের মধ্যে কি কোনো স্বাধীন ব্যক্তি আছে? সুলাইমান বলেন: অর্থাৎ ব্যক্তি তার নিজ ঘরে (ইমামতি করার) অধিক হকদার।
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
حَدِيثُ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ
আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে বর্ণিত সুলায়মান আত-তাইমির হাদিস
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
11 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، رضي الله عنه، قَالَ: " تُصَلِّي الْمَرْأَةُ فِي ثَلَاثَةِ أَثْوَابٍ: دِرْعٍ، وَخِمَارٍ، وَإِزَارٍ
১১ - আনসারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আত-তাইমী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নারী তিন প্রস্থ কাপড়ে সালাত আদায় করবে: কামিজ (জামা), ওড়না এবং ইজার (নিচের কাপড়)।"
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
حَدِيثُ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي صَالِحٍ
আবু সলিহ থেকে বর্ণিত আত-তয়মীর হাদীস
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
12 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: " الصَّلَاةُ الْوُسْطَى: صَلَاةُ الْعَصْرِ "
১২ - আমাদের নিকট আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, তিনি সুলাইমান আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "মধ্যবর্তী সালাত হলো আসরের সালাত।"
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
حَدِيثُ التَّيْمِيِّ عَنْ قَتَادَةَ بْنِ دِعَامَةَ
কাতাদাহ ইবনে দি’আমাহ হতে আত-তাইমীর হাদীস
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
13 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ قَتَادَةَ، ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " صَلَاةُ الْوُسْطَى: صَلَاةُ الْعَصْرِ "
১৩ - আনসারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান আত-তাইমী আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ্ থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে, আর তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: "সালাতুল উসতা (মধ্যবর্তী সালাত) হলো আসরের সালাত।"
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
14 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا التَّيْمِيُّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: " صَلَاةُ الْوُسْطَى: صَلَاةُ الْعَصْرِ "
১৪ - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আত-তাইমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ হতে, তিনি আবু আইয়ুব হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "সালাতুল উসতা (মধ্যবর্তী সালাত) হলো আসরের সালাত।"
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
حَدِيثُ التَّيْمِيِّ عَنْ أُمِّ خِدَاشٍ
উম্মু খিদাশের সূত্রে আত্তাইমির হাদিস
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
15 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا التَّيْمِيُّ، عَنْ أُمِّ خِدَاشٍ، قَالَتْ: «رَأَيْتُ عَلِيًّا رضي الله عنه يَضْطَجِعُ فِي حُلَّةٍ حَمْرَاءَ»
১৫ - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আত-তাইমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উম্মে খিদাশ থেকে, তিনি বলেন: «আমি আলী রাযিয়াল্লাহু আনহুকে একটি লাল পোশাক পরিহিত অবস্থায় কাত হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি।»
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
حَدِيثُ التَّيْمِيِّ عَنْ حَنَشٍ
হানাশ থেকে বর্ণিত আত-তায়মীর হাদিস
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
16 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا التَّيْمِيُّ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما قَالَ: «كُلُّ مِصْرٍ مَصَّرَهُ الْمُسْلِمُونَ لَا يُبْنَى فِيهِ بَيْعَةٌ، وَلَا كَنِيسَةٌ، وَلَا يُضْرَبُ فِيهِ بِنَاقُوسٍ، وَلَا يُبَاعُ فِيهِ لَحْمُ الْخِنْزِيرِ»
১৬ - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আত-তায়মী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হানাশ থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «মুসলিমগণ যে শহরই পত্তন করেছে, তাতে কোনো সিনাগগ নির্মাণ করা যাবে না, কোনো গির্জাও নির্মাণ করা যাবে না, তাতে ঘণ্টা বাজানো যাবে না এবং সেখানে শূকরের গোশত বিক্রি করা যাবে না»
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
حَدِيثُ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ تِيرَوَيْهِ الطَّوِيلِ
আবু উবায়দাহ ইবনে তীরাওয়াইহ আত-তবীল এর সূত্রে আল-আনসারীর বর্ণিত হাদিস
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
17 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا» ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنْصُرُهُ مَظْلُومًا، فَكَيْفَ أَنْصُرُهُ ظَالِمًا؟ قَالَ: «تَمْنَعُهُ مِنَ الظُّلْمِ، فَذَاكَ نَصْرُكَ إِيَّاهُ»
১৭ - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক বা মজলুম», তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, মজলুম অবস্থায় তো তাকে সাহায্য করব, কিন্তু জালেম অবস্থায় তাকে কীভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেন: «তুমি তাকে জুলুম করা থেকে বিরত রাখবে, আর এটাই তাকে তোমার সাহায্য করা»
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
18 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَى أُمِّ سُلَيْمٍ، فَرَأَى أَبَا عُمَيْرٍ حَزِينًا فَقَالَ: «يَا أُمَّ سُلَيْمٍ، مَا بَالُ أَبِي عُمَيْرٍ؟» قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَاتَ نُغَرُهُ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا أَبَا عُمَيْرٍ، مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ؟»
১৮ - আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুমাইদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মে সুলাইম (রা.)-এর নিকট প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি আবু উমাইরকে বিষণ্ণ অবস্থায় দেখে বললেন: «হে উম্মে সুলাইম! আবু উমাইরের কী হয়েছে?» তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তার ছোট বুলবুলি পাখিটি মারা গেছে। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «হে আবু উমাইর! নুগাইর (ছোট বুলবুলি পাখিটি) কী করেছে?»
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٤١)
19 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ، أَخَذَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ بِيَدِي فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذَا أَنَسٌ غُلَامٌ لَبِيبٌ كَاتِبٌ يَخْدُمُكَ، قَالَ: فَقَبِلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১৯ - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে, তিনি বলেন: যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনায় আগমন করলেন, তখন উম্মু সুলাইম আমার হাত ধরলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এ হলো আনাস, একজন বুদ্ধিমান এবং লিখতে জানা বালক; সে আপনার খেদমত করবে। তিনি (আনাস) বলেন: অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে গ্রহণ করলেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহিল আনসারী
(পৃষ্ঠা: ٤١)
20 - حَدَّثَنَا الْأَنْصَارِيِّ، ثنا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ النَّضْرِ، عَمَّتَهُ لَطَمَتْ جَارِيَةً فَكَسَرَتْ سِنَّهَا، فَعَرَضُوا عَلَيْهِمُ الْأَرْشَ، فَأَبَوْا، فَطَلَبُوا الْعَفْوَ فَأَبَوْا، فَأَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهُمْ بِالْقِصَاصِ، فَجَاءَ أَخُوهَا أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَتُكْسَرُ سِنُّ الرُّبَيِّعِ؟ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا تُكْسَرُ سِنُّهَا، فَقَالَ: «يَا أَنَسُ، كِتَابُ اللَّهِ الْقِصَاصُ» ، فَعَفَى الْقَوْمُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَّهُ»
২০ - আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে যে, নযরের কন্যা আর-রুবাইয়্যি‘—যিনি তাঁর ফুফু ছিলেন—একজন তরুণীকে চড় মারেন এবং তার দাঁত ভেঙে ফেলেন। অতঃপর তারা তাদের নিকট ক্ষতিপূরণ পেশ করল, কিন্তু তারা তা গ্রহণে অস্বীকার করল। এরপর তারা ক্ষমা চাইল, কিন্তু তারা তাও অস্বীকার করল। অতঃপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলে তিনি তাদের কিসাসের (প্রতিশোধের) নির্দেশ দিলেন। তখন তার ভাই আনাস ইবনুন নযর এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আর-রুবাইয়্যি‘র দাঁত কি ভেঙে ফেলা হবে? সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, তার দাঁত ভাঙা হবে না। তখন তিনি বললেন: «হে আনাস, আল্লাহর কিতাবের বিধান হলো কিসাস»। অতঃপর সেই লোকেরা ক্ষমা করে দিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি আছে, যে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তবে তিনি (আল্লাহ) তা পূর্ণ করে দেন»।