(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: -)
جزء ما رواه الزبير عن غير جابر لأبي الشيخ الأصبهاني (أبو الشيخ الأصبهاني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: أحاديث ابي الزبير
المؤلف: أبو محمد عبد الله بن محمد بن جعفر بن حيان الأنصاري المعروف بأبِي الشيخ الأصبهاني (ت 369هـ)
المحقق: بدر بن عبد الله البدر
الناشر: مكتبة الرشيد - الرياض
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 206
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু আল-শেখ আল-আসবাহানি কর্তৃক সংকলিত জুবায়ের হতে বর্ণিত (জাবির ব্যতীত অন্যদের থেকে) হাদিসসমূহের সংকলন (আবু আল-শেখ আল-আসবাহানি)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আবু জুবায়েরের হাদিসসমূহ
লেখক: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন হাইয়ান আল-আনসারী, যিনি আবু আল-শেখ আল-আসবাহানি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৬৯ হিজরি)
সম্পাদক: বদর বিন আবদুল্লাহ আল-বদর
প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০৬
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: -)
مُقَدِّمَةٌ⦗ص: 41⦘ 1 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَانِئٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ، وَابْنُ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: " كُنَّا نَكُونُ عِنْدَ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُنَا فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِ تَذَاكَرْنَا حَدِيثَهُ قَالَ: وَكَانَ أَبُو الزُّبَيْرِ أَحْفَظَنَا"
উপোদ্ঘাত⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ ১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে হানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে হাম্বল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাজ্জাজ এবং ইবনে আবি লায়লা, তাঁরা আতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা জাবির ইবনে আবদুল্লাহর নিকট উপস্থিত থাকতাম এবং তিনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করতেন। অতঃপর যখন আমরা তাঁর নিকট থেকে বের হতাম, তখন আমরা তাঁর বর্ণিত হাদিসগুলো নিয়ে পরস্পর আলোচনা করতাম। তিনি বলেন: আবু যুবাইর আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন ছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
أَبُو الزُّبَيْرِ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ تَدْرُسَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، رضي الله عنهما
আবু যুবাইর মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম ইবনে তাদরুস, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে।
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
2 - أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ بَدْرُ الدِّينِ بَدَلُ بْنُ أَبِي الْمُعَمَّرِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ التَّبْرِيزِيُّ، وَوَلَدُهُ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدٌ بِإِقْرَائِهِ فِي رَجَبٍ سَنَةَ تِسْعٍ، وَقَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ صَائِنُ الدِّينِ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ أَبِي الْمُطَهَّرِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ الصَّيْدَلَانِيُّ رحمه الله، وَذَلِكَ فِي جُمَادَى الْآخِرَةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي ذَرٍّ الصَّالِحَانِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سِلْخِ شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِمِائِةٍ، أَنْبَأَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحُمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي سَنَةِ خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ رحمه الله، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَانِئٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ، وَابْنُ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: " كُنَّا نَكُونُ عِنْدَ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُنَا فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِ تَذَاكَرْنَا حَدِيثَهُ قَالَ: وَكَانَ أَبُو الزُّبَيْرِ أَحْفَظَنَا " لحديثه أَخْبَرَنَا أَبُو خُبَيْبٍ الْعَبَّاسُ بْنُ أَحْمَدَ الْبِرْتِيُّ، حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ: قَرَأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم «فَطَلِّقُوهُنَّ فِي قُبُلِ عِدَّتِهِنَّ»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ বদরউদ্দিন বদল ইবনে আবিল মুআম্মার ইবনে ইসমাইল আত-তাবরিজি এবং তাঁর পুত্র শামসউদ্দিন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে নয় সনের রজব মাসে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম সায়েনুদ্দিন আবুল কাসিম আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আবিল মুতাহহার আল-কাসিম ইবনুল ফাদল আস-সাইদালানি (রহিমাহুল্লাহ), আর তা ছিল পাঁচশত আটানব্বই সনের জুমাদাল আখিরা মাসে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবি যার আস-সালিহানি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম, পাঁচশত ছাব্বিশ সনের রমজান মাসের শেষে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহিম তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম, পঁয়তাল্লিশ সনে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান (রহিমাহুল্লাহ); আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে হানি; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হাম্বল; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুশাইম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাজ্জাজ এবং ইবনে আবি লায়লা আতা থেকে, তিনি বলেন: "আমরা জাবির ইবনে আব্দুল্লাহর নিকট উপস্থিত থাকতাম, তিনি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করতেন। অতঃপর যখন আমরা তাঁর নিকট থেকে বের হতাম, তখন আমরা তাঁর বর্ণিত হাদীসগুলো নিয়ে পরস্পর আলোচনা করতাম।" তিনি বলেন: "আর আবু যুবাইর ছিলেন তাঁর হাদীসের ব্যাপারে আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় হাফিজ (সংরক্ষণকারী)।" আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু খুবাইব আব্বাস ইবনে আহমদ আল-বিরতি; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মাহমুদ ইবনে গাইলান; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে জুরাইজ; আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু যুবাইর; আমি ইবনে ওমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করেছেন: "অতঃপর তোমরা তাদেরকে তাদের ইদ্দত শুরুর সময় তালাক দাও।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، وَإِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ ⦗ص: 43⦘، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا: سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمُؤْمِنُ يَأْكُلُ فِي مِعًى وَاحِدٍ ، وَالْكَافِرُ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أَمْعَاءٍ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ এবং ইসহাক বিন আহমাদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুরায়ব ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া বিন হিশাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান আস-সাওরি, আবু যুবাইর থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মুমিন এক নাড়িতে আহার করে এবং কাফির সাত নাড়িতে আহার করে»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
4 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ جَرِيرِ بْنِ جَبَلَةَ، حَدَّثَنَا الشُّعَيْثِيُّ، حَدَّثَنَا عَزْرَةُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، وَابْنِ عُمَرَ «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ، وَالدُّبَّاءِ، وَالْمُزَفَّتِ»
৪ - আমাদের নিকট আলী ইবনে ইসমাঈল আস-সাফফার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ ইবনে জারীর ইবনে জাবালাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আশ-শুআইসী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আযরাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির এবং ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাটির পাত্র, কদুর পাত্র এবং আলকাতরা মাখানো পাত্রের নাবিয পান করতে নিষেধ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥١)
5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَعْدَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ ابْنُ أَخِي ابْنِ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا عَمِّي، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، يَقُولُ: «إِنَّهُ طَلَّقَ زَوْجَتَهُ امْرَأَةً وَهِيَ حَائِضٌ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل عِنْدَ ذَلِكَ» يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ فِي قَبِلِ عِدَّتِهِنَّ "
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মা'দান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন ওয়াহাবের ভ্রাতুষ্পুত্র আবু উবাইদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন লাহিয়া, আবু যুবাইর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন উমরকে বলতে শুনেছি: «তিনি তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন যখন তিনি ঋতুবতী ছিলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বিষয়টি উল্লেখ করা হলে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল তখন অবতীর্ণ করেন: "হে নবী! তোমরা যখন স্ত্রীদের তালাক দেবে, তখন তাদের ইদ্দতের প্রারম্ভে তালাক দাও।"»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ وَاضِحٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى ، وَالْوِتْرُ رَكْعَةٌ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ»
৬ - মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে ওয়াদিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে ওয়াকিদ থেকে, তিনি আবুয যুবাইর থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «রাতের সালাত দুই রাকাত দুই রাকাত করে, এবং বিতর হলো রাতের শেষ ভাগের এক রাকাত।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
7 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بِلَالٍ الْأَشْعَرِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ «يَنْهَى رَجُلًا عَنْ صَوْمِ شَهْرِ رَمَضَانَ فِي السَّفَرِ وَشَدَّدَ عَلَيْهِ فِي ذَلِكَ»
৭ - মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বিলাল আল-আশআরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যুবায়ের থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে এক ব্যক্তিকে সফর অবস্থায় রমজান মাসের রোজা রাখা থেকে নিষেধ করতে শুনেছি এবং তিনি এ বিষয়ে তার ওপর কঠোরতা অবলম্বন করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
أَبُو الزُّبَيْرِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما
ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে আবু যুবায়ের
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
8 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ سِنَانٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَارِقٍ، عَنْ طَاوُسٍ، وَأَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَائِشَةَ «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَخَّرَ طَوَافَ الزِّيَارَةِ إِلَى اللَّيْلِ»
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতিম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে সিনান আল-বসরী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে তারিক, তিনি তাউস ও আবু যুবায়ের থেকে, তাঁরা ইবনে আব্বাস ও আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তওয়াফে যিয়ারত রাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেছিলেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الْعَبَّاسِ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَائِشَةَ «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَخَّرَ الطَّوَافَ يَوْمَ النَّحْرِ إِلَى اللَّيْلِ»
৯ - আমাদের নিকট আবদান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আমর ইবনুল আব্বাস হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবনে মাহদী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুফিয়ান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস ও আয়েশা (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নহরের দিনের তাওয়াফ রাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم زَارَ الْبَيْتَ لَيْلًا»
১০ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া আর-রাজি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে উসমান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াকি, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু আয-যুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে কা’বা ঘর যিয়ারত করেছেন»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «أَفَاضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ النَّحْرِ لَيْلًا»
১১ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু কুরাইব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুআবিয়াহ ইবনে হিশাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরী বর্ণনা করেছেন আবু যুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানির দিনের রাতে (তাওয়াফে ইফাযার জন্য) প্রস্থান করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
12 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، عَنْ أَجْلَحَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: " أَنْكَحَتْ عَائِشَةُ ذَاتَ قَرَابَةٍ مِنْ رَجُلٍ مِنَ الْأَنْصَارِ فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «أَهْدَيْتُمُ الْفَتَاةَ» . فَقَالُوا: نَعَمْ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " لَوْ بَعَثْتُمْ مَعَهَا قَوْمًا يَقُولُونَ: أَتَيْنَاكُمْ أَتَيْنَاكُمْ فَحَيَّانَا وَحَيَّاكُمْ "
১২ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু কুরাইব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট জাফর ইবনে আউন বর্ণনা করেছেন, আজলাহ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আয়েশা তাঁর এক নারী আত্মীয়কে জনৈক আনসারী ব্যক্তির সাথে বিবাহ দিলেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন এবং বললেন: «তোমরা কি তরুণীটিকে (তার স্বামীর নিকট) পাঠিয়েছ?» তাঁরা বললেন: হ্যাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "যদি তোমরা তার সাথে এমন কিছু লোক পাঠাতে যারা বলবে: আমরা তোমাদের নিকট এসেছি, আমরা তোমাদের নিকট এসেছি, অতএব তিনি আমাদের দীর্ঘজীবী করুন এবং তোমাদেরও দীর্ঘজীবী করুন"
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو أَيُّوبَ سُلَيْمَانُ بْنُ الْحَسَنِ السُّلَمِيُّ، بِالْبَصْرَةِ ، حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ " أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ بَعْدَ التَّكْبِيرِ وَبَعْدَ الْقَوْلِ أَنْ يَقُولَ وَجَّهْتُ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَاوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ» وَذَكَرَ الْحَدِيثَ
১৩ - আমাদের নিকট আবু আইয়ুব সুলায়মান ইবনে আল-হাসান আস-সুলামী বসরায় বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু কামিল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-ফুদায়ল ইবনে সুলায়মান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মূসা ইবনে উকবাহ বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট আবু আল-যুবাইর বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস থেকে যে, "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রাতে (সালাতে) দাঁড়াতেন, তাকবিরের পর এবং 'আমি আমার চেহারা নিবদ্ধ করলাম' কথাটি বলার পর তিনি বলতেন: «হে আল্লাহ, আপনার জন্যই সকল প্রশংসা, আসমানসমূহ পূর্ণ করে এবং জমিন পূর্ণ করে»" এবং তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
14 - حَدَّثَنَا ابْنُ رَاشِدٍ، حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ، حَدَّثَنَا زُفَرُ، حَدَّثَنِي ابْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَمَّا أُصِيبَ إِخْوَانُكُمْ بِأُحُدٍ جَعَلَ اللَّهُ تَعَالَى أَرْوَاحَهُمْ فِي أَجْوَافِ طَيْرٍ خُضْرٍ»
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে রাশিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুফার, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ইসহাক, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে উমাইয়্যাহ, আবু যুবাইর থেকে, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন ওহুদ যুদ্ধে তোমাদের ভাইয়েরা শহীদ হলেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাদের রূহগুলোকে সবুজ পাখির পেটের ভেতর স্থাপন করলেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
أَبُو الزُّبَيْرِ عَنْ أَبِي أُسَيْدٍ
আবু যুবাইর আবু উসাইদ থেকে
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
15 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَتِيقُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُسَيْدٍ، وَابْنَ عَبَّاسٍ يُفْتِي: «الدِّينَارُ بِالدِّينَارَيْنِ» فَأَغْلَظَ لَهُ أَبُو أُسَيْدٍ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «مَا كُنْتُ أَظُنَّ أَحَدًا يَعْرِفُ قَرَابَتِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مِثْلَ هَذَا يَا أَبَا أُسَيْدٍ» فَقَالَ أَبُو أُسَيْدٍ: أَشْهَدُ لَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «الدِّينَارُ بِالدِّينَارِ ، وَالدِّرْهَمُ بِالدِّرْهَمِ ، وَصَاعُ حِنْطَةٍ بِصَاعِ حِنْطَةٍ ، وَصَاعُ شَعِيرٍ بِصَاعِ شَعِيرٍ ، وَصَاعُ مِلْحٍ بِصَاعِ مِلْحٍ ، لَا فَضْلَ بَيْنَ ذَلِكَ» فَقَالَ لَهُ ابْنُ عَبَّاسٍ: «هَذَا الَّذِي كُنْتُ أَقُولُهُ بِرَأْيِي وَلَمْ أَسْمَعْ فِيهِ بِشَيْءٍ»
১৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে আবি হাতিম, তিনি বলেছেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হারব, তিনি বলেছেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আতিক ইবনে ইয়াকুব, তিনি বলেছেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি ইব্রাহিম ইবনে তাহমান থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু উসাইদকে শুনেছি, আর ইবনে আব্বাস ফতোয়া দিচ্ছিলেন: "এক দিনারের বিনিময়ে দুই দিনার।" তখন আবু উসাইদ তার প্রতি কঠোরতা প্রদর্শন করলেন। ইবনে আব্বাস বললেন: "হে আবু উসাইদ! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আমার আত্মীয়তার কথা জানেন এমন কেউ এ ধরণের কথা বলবেন বলে আমি মনে করিনি।" তখন আবু উসাইদ বললেন: "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: 'এক দিনারের বিনিময়ে এক দিনার, এক দিরহামের বিনিময়ে এক দিরহাম, এক সা গমের বিনিময়ে এক সা গম, এক সা যবের বিনিময়ে এক সা যব এবং এক সা লবণের বিনিময়ে এক সা লবণ; এর মধ্যে কোনো কম-বেশি নেই'।" তখন ইবনে আব্বাস তাকে বললেন: "আমি যা বলছিলাম তা আমার নিজস্ব মত ছিল, এ বিষয়ে আমি (রাসূলুল্লাহ থেকে) কিছুই শুনিনি।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
أَبُو الزُّبَيْرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ
আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস হতে আবুয যুবাইর
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ نَصْرٍ الْجَمَالُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قوهي، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو الْفُقَيْمِيِّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم سَمِعْتُهُ يَقُولُ: " إِذَا رَأَيْتَ أُمَّتِيَ تَهَابُ الظَّالِمَ أَنْ يُقَالَ لَهُ: إِنَّكَ ظَالِمٌ فَقَدْ تُوُدِّعَ مِنْهُمْ "
১৬ - আহমদ ইবন জাফর ইবন নাসর আল-জাম্মাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন কুহী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবন আমর আল-ফুকাইমী থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: "যখন তুমি দেখবে যে আমার উম্মত কোনো জালেমকে 'নিশ্চয়ই তুমি জালেম' বলতে ভয় পাচ্ছে, তখন তাদের থেকে বিদায় নেওয়া হয়েছে।"
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قوهي، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرِو الْفُقَيْمِيِّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إنَّ فِي أُمَّتِي مَسْخًا، وَقَذْفًا، وَخَسْفًا»⦗ص: 60⦘ 18 - حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا سَيْفٌ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو مِثْلَ حَدِيثِ الْأَوَّلِ
১৭ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কুহি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে নুমায়র বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আমর আল-ফুকাইমি থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আমার উম্মতের মধ্যে বিকৃতি, পাথর বর্ষণ এবং ভূমিধস ঘটবে।»⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘ ১৮ - আমাদের নিকট মাহমুদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাইফ বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আমর থেকে, তিনি বলেন: আমাকে আবু যুবাইর সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে প্রথম হাদীসের অনুরূপ।
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦١)
19 - حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ خَلَفٍ الدُّورِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو هَمَّامِ بْنُ شُجَاعٍ، حَدَّثَنِي أَبَى، عَنْ زِيَادِ بْنِ خَيْثَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ الْمَاءِ»
১৯ - আল-হাইসাম বিন খালাফ আদ-দুরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হাম্মাম বিন শুজা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ বিন খাইসামাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন জুহাদাহ থেকে, তিনি আবু আয-যুবায়ের থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
20 - حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو الْفُقَيْمِيِّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا رَأَيْتُمْ أُمَّتِي تَهَابُ الظَّالِمَ أَنْ تَقُولَ لَهُ إِنَّكَ ظَالِمٌ فَقَدْ تُوُدِّعَ مِنْهُمْ»
২০ - আবু ইয়াহইয়া আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাহল বিন উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুহারিবি আল-হাসান বিন আমর আল-ফুকাইমি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আয-যুবাইর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন তোমরা দেখবে আমার উম্মত কোনো জালেমকে ‘নিশ্চয়ই তুমি একজন জালেম’ বলতে ভয় পাচ্ছে, তখন তাদের থেকে বিদায় নেওয়া হয়েছে (অর্থাৎ তাদের মধ্যে আর কোনো কল্যাণ অবশিষ্ট নেই)»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
21 - حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى، حَدَّثَنَا سَهْلٌ، حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ فِي أُمَّتِي خَسَفًا، وَمَسْخًا، وَقَذْفًا»
২১ - আবু ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুহারিবি হাসান ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমার উম্মতের মধ্যে ভূমিধস, বিকৃতি এবং পাথর বর্ষণ ঘটবে»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
أَبُو الزُّبَيْرِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
আবু যুবায়র আবু হুরায়রা থেকে
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
22 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو سَهْلٍ مُوسَى بْنُ نَصْرٍ ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «عَهِدَ إِلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ثَلَاثٍ لَا أَدَعُهُنَّ أَبَدًا أَنْ لَا أَنَامَ إِلَّا عَلَى وِتْرٍ ، وَفِي صَلَاةِ الضُّحَى ، وَفِي صِيَامِ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ»
২২ - ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন আলী আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সাহল মূসা বিন নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারীর বিন আব্দুল হামীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াজীদ বিন আবী যিয়াদ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে এবং তিনি আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন যা আমি কখনোই বর্জন করব না: বিতর নামাজ আদায় না করে যেন আমি না ঘুমাই, চাশতের (দুহা) নামাজ আদায় করা এবং প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা।
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
أَبُو الزُّبَيْرِ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدِ السَّاعِدِيِّ
সাহল ইবনে সা’দ আস-সা’ঈদী হতে আবুয যুবাইর
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦٤)
23 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَاجِيَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَارَةَ بْنِ صُبَيْحٍ، حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ عَامِرٍ الْبَجَلِيُّ، حَدَّثَنَا مَيْمُونُ بْنُ عَمْرٍو الْبَصْرِيُّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «النَّاسُ سَوَاسِيَةٌ كَأَسْنَانِ الْمِشْطِ وَإِنَّمَا يَتَفَاضَلُونَ بِالْعَافِيَةِ ، وَالْمَرْءُ كَثِيرٌ بِأَخِيهِ ، وَلَا خَيْرَ فِي صُحْبَةِ مَنْ لَا يَرَى لَكَ مِنَ الْحَقِّ مِثْلَ مَا تَرَى لَهُ»
২৩ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাজিয়াহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে উমারা ইবনে সুবাইহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সাহল ইবনে আমির আল-বাজালী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মাইমুন ইবনে আমর আল-বাসরী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু যুবায়ের থেকে এবং তিনি সাহল ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মানুষ চিরুনির দাঁতের মতো সমান, তারা কেবল সুস্থতা ও কল্যাণের মাধ্যমেই একে অপরের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করে। মানুষ তার ভাইয়ের মাধ্যমে শক্তিশালী হয় এবং সেই ব্যক্তির সাহচর্যে কোনো কল্যাণ নেই, যে তোমার জন্য তেমন অধিকার বা মর্যাদা দেখে না যেমনটি তুমি তার জন্য দেখে থাকো।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ মা রাওয়াহুয যুবাইর আন গইরি জাবির লি আবীশ শাইখ আল-আসবাহানী
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
أَبُو الزُّبَيْرِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ
আবু আল-যুবাইর, আনাস ইবনে মালিক হতে