(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: -)
جزء فيه أحاديث نافع بن أبي نعيم لابن المقرئ   (ابن المقرئ)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء فيه أحاديث نافع بن أبي نعيم

المؤلف: أبو بكر محمد بن إبراهيم بن علي بن عاصم بن زاذان الأصبهاني الخازن، المشهور بابن المقرئ (ت 381هـ)

المحقق: أبو الفضل الحويني الأثري

الناشر: دار الصحابة للتراث - طنطا

الطبعة: الأولى، 1411

عدد الصفحات: 66

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 15 صفر 1433

ইবনুল মুকরি'র নাফে' বিন আবি নুআইমের হাদিসসমূহ সম্বলিত জুয   (ইবনুল মুকরি')

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: নাফে' বিন আবি নুআইমের হাদিসসমূহ সম্বলিত জুয

লেখক: আবু বকর মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন আলি বিন আসিম বিন জাযান আল-আসবাহানি আল-খাযিন, যিনি ইবনুল মুকরি' নামে প্রসিদ্ধ (মৃত্যু ৩৮১ হিজরি)

গবেষক: আবু আল-ফজল আল-হুওয়াইনি আল-আসারি

প্রকাশক: দারুস সাহাবাহ লিত-তুরাস - তান্তা

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১১

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৬

[বইয়ের নম্বরকরণ মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ১৫ সফর ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ১৯)
1 - قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الْإِمَامِ الْحَافِظِ الْعَلَّامَةِ حَافِظِ الْعَصْرِ قَاضِي الْقُضَاةِ شَيْخِ الْإِسْلَامِ أَبِي الْفَضلِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَجَرٍ الْعَسْقَلَانِيِّ، ثُمَّ الْمِصْرِيِّ، فَيِ لَيْلَةِ الْأَحَدِ التَّاسِعِ مِنْ شَوَّالٍ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَلَاثِينَ وَثَمَانِمِائَةٍ قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي مُحَمَّدٍ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ صِدِّيقٍ الرَّسَّامِ أبَيِ الْمُؤَذِّنِ هَوُ بِالمْسَجْدِ الْحَرَامِ، الدِّمَشْقِيِّ بِمَكَّةَ فِي السَّابِعَ عَشَرَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ خَمْسٍ وَثَمَانِمِائَةٍ بِحّقِّ إِجَازَتِهِ مِنَ الْجَمَالِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقَزْوِينِيِّ، أنا جَدِّي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدٍ الْقَزْوِينِيِّ، ح ⦗ص: 20⦘، قَالَ شَيْخُنَا الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ ابْنُ حَجَرٍ، وَقَرَأْتُ عَلَى أُمِّ الْحَسَنِ فَاطِمَةَ بِنْتِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنَجَّا التَّنُّوخِيَّةِ بِدِمَشْقَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَثَمَانِمِائَةٍ بِإِجَازَتِهَا مِنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ النَّحَّاسِ بِسَمَاعِهِ مِنْ صَقْرِ بْنِ يَحْيَى الْحَلَبِيِّ قَالَا: أنا أَبُو الْفَرَجِ يَحْيَى بْنُ مَحْمُودِ بْنِ سَعْدٍ الثَّقَفِيُّ، أنا أَبُو الْفَضْلِ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الثَّقَفِيُّ، أنا أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الرَّازِقِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخَطِيبُ، أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَاصِمِ بْنِ الْمُقْرِئِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ زُهَيْرٍ التُّسْتَرِيِّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الْخَطِيبِ الْأَهْوَازِيِّ، قَالَا: ثنا أَبُو الرَّبِيعِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى النَّاقِدِ الْحَارِثِيِّ، ثنا مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ، ثنا نَافِعُ بْنُ أَبِي نُعَيْمٍ الْقَارِئُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 21⦘: " 23 - نَزَلَ نَبِيُّ مِنَ الْأنْبِيَاءِ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَدَغَتْهُ نَمْلَةٌ، فَأَمَرَ بِجَهَازِهِ، فَأُخْرِجَ مِنْ تَحْتِهَا، ثُمَّ أَمَرَ بِهَا، فَأُحْرِقَتْ بِالنَّارِ، فَأَوْحَى اللَّهُ عز وجل إِلَيْهِ: فَهَلَّا وَاحِدَةٌ"
১ - আমি পাঠ করেছি শায়খ, ইমাম, হাফেজ, আল্লামা, যুগের শ্রেষ্ঠ হাফেজ, প্রধান বিচারপতি, শায়খুল ইসলাম আবুল ফজল আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমদ বিন হাজার আল-আসকালানী, অতঃপর আল-মিসরীর নিকট; ৮৩৮ হিজরীর শাওয়াল মাসের নয় তারিখ রবিবার দিবাগত রাতে। তিনি বলেন: আমি পাঠ করেছি আবু মুহাম্মদ ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন সিদ্দিক আর-রাসসাম আল-মুয়াজ্জিন আদ-দিমাশকীর নিকট মক্কার মসজিদে হারামে ৮০৫ হিজরীর ১৭ই জিলহজ তারিখে, আল-জামাল আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ আল-কাযওয়ীনীর নিকট প্রাপ্ত তাঁর ইজাজতের (অনুমতি) ভিত্তিতে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবুল কাসিম বিন আবু বকর মুহাম্মদ আল-কাযওয়ীনী। ح ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘, আমাদের শায়খ হাফেজ আবুল ফজল ইবনে হাজার বলেন, এবং আমি পাঠ করেছি উম্মুল হাসান ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুনাজ্জা আত-তানুখীয়ার নিকট দামেস্কে ৮০২ হিজরীতে, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবু বকর আন-নাহহাসের নিকট থেকে প্রাপ্ত তাঁর ইজাজতের ভিত্তিতে, যা তিনি সাকর বিন ইয়াহইয়া আল-হালাবীর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ বিন সাদ আস-সাকাফী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ আস-সাকাফী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আবদুর রাজ্জাক বিন আহমদ বিন আবদুর রহমান আল-খতিব। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আলী বিন আসিম আল-মুকরি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন যুহাইর আত-তুস্তারি এবং মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-খতিব আল-আহওয়াযী। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু রবি ঈসা বিন আলী বিন ঈসা আন-নাকিদ আল-হারিছী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবু ফুদাইক। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে বিন আবু নুয়াইম আল-কারি, তিনি আবুল যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘: "২৩ - নবীদের মধ্য থেকে একজন নবী একটি গাছের নিচে অবতরণ করলেন, তখন তাঁকে একটি পিঁপড়া দংশন করল। ফলে তিনি তাঁর আসবাবপত্রের বিষয়ে নির্দেশ দিলেন এবং তা গাছের নিচ থেকে বের করা হলো। এরপর তিনি সেই পিঁপড়ার (বাসার) বিষয়ে নির্দেশ দিলেন এবং তা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হলো। তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর নিকট ওহী পাঠালেন: তবে কেন কেবল একটি (পিঁপড়াকে শাস্তি দিলে না)?"
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ২১)
2 - وَحَدَّثَنَا نَافِعٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«ذَرُونِي مَا تَرَكْتُمْ، فَإِنَّمَا هَلَكَ الَّذِينَ قَبْلَكُمْ بِسُؤَالِهِمْ وَاخْتِلَافِهِمْ عَلَى أَنْبِيَائِهِمْ، فَإِذَا نَهَيْتُكُمْ عَنْ شَيْءٍ فَاجْتَنِبُوهُ، وَإِذَا أَمَرْتُكُمْ بِشَيْءٍ فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ»
2 - নাফি' আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আমি তোমাদের যে অবস্থায় ছেড়ে দিয়েছি, (তা নিয়ে প্রশ্ন করা থেকে) তোমরা আমাকে সে অবস্থায় ছেড়ে দাও। কেননা তোমাদের পূর্ববর্তীরা তাদের নবীদের নিকট অধিক প্রশ্ন করা এবং তাদের সাথে মতবিরোধ করার কারণেই ধ্বংস হয়েছে। সুতরাং আমি যখন তোমাদের কোনো কিছু নিষেধ করি, তখন তা বর্জন করো; আর যখন তোমাদের কোনো কাজের আদেশ করি, তখন তোমাদের সাধ্যানুসারে তা পালন করো।’»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ২১)
3 - وَحَدَّثَنَا نَافِعٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اللَّهُمَّ إِنِّي أَتَّخِذُ عِنْدَكَ عَهْدًا لَنْ تُخَلِفَهُ، إِنَّمَا أَنَا بِشْرٌ فَأَيُّ الْمُؤْمِنِينَ آذَيْتُهُ، لَعَنْتُهُ، شَتَمْتُهُ، جَلَدْتُهُ، فَاجْعَلْهَا صَلَاةً لَهُ، وَزَكَاةً، وَقُرْبَةً، تُقَرِّبُهُ بِهَا إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
৩ - নাফি‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আয-যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ‘রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এমন একটি অঙ্গীকার করছি যা আপনি কখনো ভঙ্গ করবেন না। আমি তো কেবল একজন মানুষ; তাই মুমিনদের মধ্যে যাকে আমি কষ্ট দিয়েছি, লানত করেছি, গালি দিয়েছি কিংবা প্রহার করেছি, আপনি সেটাকে তার জন্য রহমত, পবিত্রতা ও এমন নৈকট্য বানিয়ে দিন যার মাধ্যমে কিয়ামতের দিন আপনি তাকে আপনার নিকটবর্তী করবেন।»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ২৩)
4 - وَحَدَّثَنَا نَافِعٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا نَظَرَ أَحَدُكُمْ إِلَى مِنْ فُضِّلَ عَلَيْهِ فِي الْمَالِ وَالْخَلْقِ، فَلْيَنْظُرْ إِلَى مِنْ هُوَ أَسْفَلُ مِنْهُ مِمَّنْ فُضِّلَ عَلَيْهِ»
৪ - এবং নাফে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«তোমাদের মধ্যে কেউ যখন এমন ব্যক্তির দিকে তাকায় যাকে ধন-সম্পদ ও শারীরিক অবয়বের দিক থেকে তার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে, তখন সে যেন তার দিকে তাকায় যে তার চেয়ে নিম্নাবস্থায় রয়েছে যাদের ওপর তাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ২৮)
5 - وَحَدَّثَنَا نَافِعٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَا يَجْمَعُ الرَّجُلُ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَعَمَّتِهَا، وَبَيْنَهَا وَبَيْنَ خَالَتِهَا»
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফি, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কোনো ব্যক্তি কোনো নারী ও তার ফুফুকে এবং উক্ত নারী ও তার খালাকে (একই সাথে বিবাহের অধীনে) একত্র করবে না»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৩০)
6 - وَبِهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا انْتَعَلَ أَحَدُكُمْ، فَلْيَبْدَأَ بِالْيَمِينِ، وَإِذَا نَزَعَ، فَلْيَبْدَأَ بِالشِّمَالِ، فَلْتَكُنِ الْيَمِينُ أَوَّلَ مَا يُلْبَسُ وَآخِرَ مَا يُنْزَعُ»
৬ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন জুতো পরিধান করবে, তখন সে যেন ডান দিক থেকে শুরু করে, আর যখন তা খুলবে, তখন যেন বাম দিক থেকে শুরু করে; সুতরাং ডানটি যেন প্রথম পরিধান করা হয় এবং সর্বশেষ খোলা হয়»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৩৩)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ، ثنا مُحَمَّدٌ، ثنا نَافِعٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَا يَدْخُلُ أَحَدٌ الْجَنَّةَ إِلَّا أُرِيَ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ، لِيَزْدَادَ شُكْرًا وَلَا يَدْخُلُ النَّارَ أَحَدٌ إِلَّا أُرِيَ مَقْعَدَهُ مِنَ الْجَنَّةِ، لِتَكُونَ عَلَيْهِ حَسْرَةً»
৭ - আবুর রবি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নাফে' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «জান্নাতে প্রবেশকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে অবশ্যই জাহান্নামে তার ঠিকানা দেখানো হবে, যাতে তার কৃতজ্ঞতা বৃদ্ধি পায়। আর জাহান্নামে প্রবেশকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে অবশ্যই জান্নাতে তার ঠিকানা দেখানো হবে, যাতে তা তার জন্য আক্ষেপের কারণ হয়।»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৩৫)
8 - وَبِهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ لِلنَّاسِ، فَلْيُخَفِّفْ فَإِنَّ فِيهِمُ الضَّعِيفَ، وَإِنَّ فِيهِمُ السَّقِيمَ، وَإِنَّ فِيهِمُ الْكَبِيرَ، وَإِذَا صَلَّى وَحْدَهُ فَلْيُصَلِّ مَا شَاءَ»
৮ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করবে, সে যেন তা সংক্ষেপ করে; কেননা তাদের মধ্যে দুর্বল, অসুস্থ ও বৃদ্ধ লোক রয়েছে। আর যখন সে সালাত আদায় করবে একাকী, তখন সে তার ইচ্ছামতো দীর্ঘ করতে পারে।”
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৩৬)
9 - وَبِهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَا يُصَلِّ أَحَدُكُمْ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ لَيْسَ عَلَى عَاتِقِهِ مِنْهُ شَيْءٌ»
৯ - এবং এই একই সূত্রে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যেন এক কাপড়ে এমনভাবে সালাত আদায় না করে যে, তার কাঁধের ওপর সেই কাপড়ের কোনো অংশ না থাকে।»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৩৭)
10 - وَبِهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ يُسْتَجَابُ لَهُ، وَأُرِيدُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ أَنْ أَخْتَبِئَ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لِأُمَّتِي فِي الْآخِرَةِ»
10 - এবং তাঁর সূত্রে আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«প্রত্যেক নবীর জন্য একটি কবুলযোগ্য দুআ রয়েছে; আর আমি ইচ্ছা করি যে, ইনশাআল্লাহ, আমি আমার সেই দুআটি আমার উম্মতের সুপারিশের জন্য সঞ্চিত রাখব পরকালে»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৪০)
11 - وَبِهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«تَجِدُونَ مِنْ شِرَارِ النَّاسِ ذَا الْوَجْهَيْنِ، الَّذِي يَأْتِي هَؤُلَاءِ بِوَجْهٍ، وَهَؤُلَاءِ بِوَجْهٍ»
১১ - এবং তাঁর থেকে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “তোমরা মানুষের মধ্যে সর্বনিকৃষ্ট হিসেবে দু’মুখো ব্যক্তিকে পাবে; যে এদের নিকট এক চেহারা নিয়ে আসে এবং অন্যদের নিকট অন্য চেহারা নিয়ে আসে।”
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৪২)
12 - وَبِهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ‌‌ أَحَدَكُمْ فِي الصَّلَاةِ مَا دَامَ فِي مُصَلَّاهِ، لَا يَحْبِسُهُ، وَلَا يَمْنَعُهُ تَقَلُّبُهُ إِلَى أَهْلِهِ إِلَّا انْتِظَارُ الصَّلَاةِ»
১২ - এবং তাঁর সূত্রেই আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমাদের কেউ যতক্ষণ তার সালাতের স্থানে অবস্থান করে, সে সালাতেই থাকে; সালাতের অপেক্ষা ব্যতীত অন্য কোনো কিছু তাকে তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে বাধা দেয় না বা আটকে রাখে না»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৪৩)
13 - وَبِهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ،‌‌ لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلًا وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا»
১৩ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে,‌‌ যদি তোমরা তা জানতে যা আমি জানি, তবে অবশ্যই তোমরা অল্প হাসতে এবং অধিক কাঁদতে।»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৪৫)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنِي جَهْمُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنِّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«اصْنَعِ الْمَعْرُوفَ إِلَى مِنْ هُوَ أَهْلُهُ، وَإلَى مِنْ لَيْسَ أَهْلَهُ، فَإِنْ كَانَ أَهْلَهَ فَهُوَ أَهْلُهُ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ أَهْلَهَ، فَأَنْتَ أَهْلُهُ»
১৪ - আমাদের নিকট আবু রাবী বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আবি ফুদাইক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাহম বিন উসমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন জাফর বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তুমি সৎ কাজ করো তার প্রতি যে তার যোগ্য এবং তার প্রতিও যে তার যোগ্য নয়। যদি সে তার যোগ্য হয় তবে তো সে এর যোগ্যই, আর যদি সে তার যোগ্য না হয় তবে তুমি এর যোগ্য ব্যক্তি।»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৪৬)
15 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنُ حَدْبٍ أَبُو عُبَيْدَ، قَاضِي مِصْرُ بِالرَّقَّةِ، ثنا عَلِيُّ بْنُ شُعَيْبٍ، ثنا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، ثنا نَافِعُ بْنُ أَبِي نُعَيْمٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَكْمَلُ الْمُؤْمِنِينَ إِيمَانًا أَحْسَنُهُمْ خُلُقًا، وَخَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِنِسَائِهِ»
১৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রাক্কায় মিসরের বিচারক আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে হাদব আবু উবাইদ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে শুআইব, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি ফুদাইক, তিনি নাফে ইবনে আবি নুআইম থেকে, তিনি আবুল জিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«মুমিনদের মধ্যে ঈমানে সেই ব্যক্তিই পূর্ণাঙ্গতম, যে চরিত্রে সবচেয়ে সুন্দর; আর তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম তারা, যারা তাদের স্ত্রীদের নিকট সবচেয়ে উত্তম»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৪৮)
16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الْأَهْوَازِيُّ، أنا مَعْمَرُ بْنُ سَهْلٍ، ثنا أَبُو دَاوُدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«بُعِثْتُ بِرَفْعِ قَوْمٍ وَوَضْعِ آخَرِينَ»
১৬ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আল-আহওয়াজি বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার বিন সাহল, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, সুলাইমান বিন মুআয থেকে, তিনি সিমাক বিন হারব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«আমি এক সম্প্রদায়কে উচ্চ মর্যাদা প্রদান এবং অন্যকে অবনত করার জন্য প্রেরিত হয়েছি»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৪৯)
17 - حَدَّثَنَا أَبُو أَيُّوبٍ سُلَيْمَانُ بْنُ عِيسَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْجَوْهَرِيِّ، بِالْأَهْوَازِ، ثنا الزُّبَيْرُ بْنُ بَكَّارٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ أَبُو غَسَّانَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كُلُّ الْبِلَادِ افْتُتِحَتْ بِالسَّيْفِ وَالرُّمْحِ، وَافْتُتِحَتِ الْمَدِينَةُ بِالْقُرْآنِ، وَهِيَ مُهَاجِرُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَمَحَلُ أَزْوَاجِهِ وَفِيهَا قَبْرُهُ، وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْمَدِينَةُ مُهَاجَرِي، وَفِيهَا قَبْرِي، وَحَقٌّ عَلَى أُمَّتِي حِفْظُ جِيرَانِي»
১৭ - আমাদের নিকট আহওয়াজে আবু আইয়ুব সুলাইমান বিন ঈসা বিন মুহাম্মদ বিন আল-জাওহারী বর্ণনা করেছেন, আয-যুবাইর বিন বাক্কার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবু গাসসান মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল হামিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সমস্ত জনপদ তলোয়ার ও বল্লমের মাধ্যমে বিজিত হয়েছে, কিন্তু মদিনা বিজিত হয়েছে কুরআনের মাধ্যমে। আর এটি হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হিজরতস্থল এবং তাঁর স্ত্রীদের আবাসস্থল এবং এখানেই তাঁর কবরের অবস্থান। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মদিনা আমার হিজরতস্থল এবং এখানেই আমার কবর; আর আমার উম্মতের ওপর আমার প্রতিবেশীদের অধিকার রক্ষা করা অপরিহার্য কর্তব্য»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৫১)
18 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا الْمِقْدَامُ، ثنا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«الْمَدِينَةُ مُهَاجَرِي، وَفِيهَا قَبْرِي»
১৮ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মিকদাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি তাউস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, আর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «মদিনা আমার হিজরতস্থল এবং সেখানেই আমার কবর হবে»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৫১)
وَقَالَ: ‌‌«صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيتَ الصُّبْحَ فَوَاحِدَةٌ»
এবং তিনি বললেন: «রাতের সালাত দুই দুই রাকাত, অতঃপর যখন তুমি ভোরের আশঙ্কা করবে তখন এক রাকাত পড়বে»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৫৩)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمُقدَامِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَوَّارٍ، ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ غُلَامًا‌‌ صَادَ أَرْنَبًا، فَذَبَحَهَا بِمَرْوَةٍ، فَتَعَلَّقَهَا بِيَدِهِ، فَسَأَلَ عَنْهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «فَأَمَرَ بِأَكْلِهَا»
১৯ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনুল মিকদাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনু সাউওয়ার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনু আবী আরুবাহ বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আশ-শাবি থেকে, আর তিনি জাবির ইবনু আবদিল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, এক বালক একটি খরগোশ শিকার করল, অতঃপর সেটিকে একটি ধারালো পাথর দিয়ে যবেহ করল এবং তা নিজের হাতে ঝুলিয়ে নিল। এরপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি নির্দেশ দিলেন তা খাওয়ার।
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৫৪)
20 - قَالَ مُحَمَّدٌ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَفْصٍ الشَّيْبَانِيِّ، ثنا عَبْدِ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ أَبِي صَخْرٍ حُمَيْدٍ الْحَرَّانِيِّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي سَعْدٍ يَعْنِي سَهْلًا، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«إِنَّ الْإِسْلَامَ بَدَأَ غَرِيبًا، وَسَيَعُودُ غَرِيبًا كَمَا بَدَأَ»
20 - মুহাম্মাদ বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে হাফস আশ-শায়বানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি আবু সাখর হুমাইদ আল-হাররানি থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু সাদ অর্থাৎ সাহল থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই ইসলাম অপরিচিত অবস্থায় শুরু হয়েছে এবং অচিরেই তা যেভাবে শুরু হয়েছিল তেমনি অপরিচিত অবস্থায় ফিরে যাবে»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৫৫)
21 - حَدَّثَنَا عَبْدَةُ الصَّفَّارُ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ هَوْذَةَ، عَنْ جُرْمُوزٍ الْهُجَيْمِيِّ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوْصِنِي، قَالَ: ‌‌«لَا تَكُنْ لَعَّانًا»
২১ - আমাদের নিকট আবদাহ আস-সাফফার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুস সামাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ—যিনি ইবনে হাওযাহ—বর্ণনা করেছেন জুরুমুজ আল-হুজাইমি থেকে; তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: «তুমি অধিক লানতকারী হয়ো না»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৫৭)
22 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ سُفْيَانَ، ثنا عِيسَى بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ‌‌ يُصَلِّي قَبْلَ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا»
২২ - আমাদের নিকট মুসা ইবনে সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ঈসা ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরি বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি জিব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, «নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাগরিবের আগে দুই রাকাত এবং পরে দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন।»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৫৯)
23 - وَبِهِ إِلَى أَبِي مَنْصُورٍ عَبْدِ الرَّزَّاقِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ يُوسُفَ الطَّرَائِفَيِّ، بِمِصْرَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، ثنا أَبُو ضَمْرَةَ أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، ح وَأَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ مَنْصُورٍ الْإِمَامُ، بِحِمْصَ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مَسْرُوقٍ، ثنا جُنَادَةُ بْنُ مَسْرُورٌ، ثنا ابْنُ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ وَهُوَ مُحَمَّدٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرو، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ‌‌ اللَّهَ عز وجل لَا يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا يَنْتَزِعُهُ مِنَ النَّاسِ، وَلَكِنْ يَقْبِضُهُ بِقَبْضِ الْعُلَمَاءِ، حَتَّى إِذَا لَمْ يُبْقِ عَالِمًا اتَّخَذَ النَّاسَ رُءُوسًا جُهَّالًا، فَسُئِلُوا، فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا»
২৩ - এবং উক্ত সনদে আবু মানসুর আব্দুর রাজ্জাক ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মান্দাহ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে ইউসুফ আত-তরাইফি, মিসরে; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু দামরা আনাস ইবনে ইয়াদ, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে। (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম হাসান ইবনে মানসুর, হিমসে; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে মাসরুক; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জুনাদাহ ইবনে মাসরুর; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহর পুত্র—যিনি হলেন মুহাম্মদ—তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা উরওয়াহ ইবনে যুবাইর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত, তিনি মানুষের মধ্য থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে ইলম উঠিয়ে নেবেন না, বরং তিনি আলেমদের উঠিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে ইলম উঠিয়ে নেবেন। এমনকি যখন তিনি কোনো আলেমকে অবশিষ্ট রাখবেন না, তখন মানুষ মূর্খদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। এরপর তাদের নিকট প্রশ্ন করা হবে, তখন তারা জ্ঞান ছাড়াই ফতোয়া দেবে; ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে।»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৬০)
24 - أَخْبَرَنَا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ أَبُو الْحَسَنِ، بِطَرَابُلْسَ ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ أَبِي الْحَنَاجِرِ، ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ الْبَصْرِيُّ، ثنا سَعِيدٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَعَنِ الْحَكَمِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«مِنْ أَتَى الْجُمُعَةَ، فَلْيَغْتَسِلْ»
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খায়সামাহ বিন সুলায়মান আবুল হাসান, ত্রিপোলিতে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াজিদ বিন আবিল হানাজির; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদ আল-বাসরি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি নাফি‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে; এবং আল-হাকাম থেকে, তিনি নাফি‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি জুমায় আসবে, সে যেন গোসল করে»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৬২)
25 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ هَارُونَ أَبُو عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، بِتِنِّيسَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ سَيِّبَانَ الرَّمْلِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم‌‌ بَعَثَهُمْ فِي سَرِيَّةٍ، فَبَلَغَتْ سُهْمَانُهُمُ اثْنَيْ عَشَرَ بَعِيرًا، وَنَفَّلَنَا بَعِيرًا بَعِيرًا»
২৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে হারুন আবু উমর আস-সামারকান্দি, তিন্নীসে; তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে সাইবান আর-রামলি; তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, যুহরি থেকে, তিনি নাফি' থেকে, আর তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের একটি ক্ষুদ্র সেনাদলে প্রেরণ করেন, অতঃপর তাঁদের প্রত্যেকের প্রাপ্য অংশ বারোটি উট হয়েছিল এবং তিনি আমাদের অতিরিক্ত একটি করে উট প্রদান করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৬৩)
26 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النَّضْرِ بْنِ أَبِي هُرَيْرَةَ الْأَصْبَهَانِيُّ فِي سَنَةِ عِشْرِينَ وَثَلَثِمِائَةٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَزِيدَ الْقَطَّانُ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ شَابُورَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، وَأَنَا لِحَدِيثِ ابْنِ عَجْلَانَ أَحْفَظُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ يُحْشَرُ الْمُتَكَبِّرُونَ فِي صَوَّرٍ كَالذَّرِّ، تَعْلُوهُمُ الصَّغَارُ، وَيُسَاقُوُنَ إِلَى نَهَرٍ يُقَالُ لَهُ: بُولِسُ، يَعْلُوهُ نَارُ الْأَنْيَارِ، يَسْقُونَ مِنْ طِينَةِ الْخَبَالِ، عُصَارَةُ أَهْلِ النَّارِ "
২৬ - আবু আলী আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনুন নাদর ইবনে আবি হুরায়রা আল-আসবাহানি ৩২০ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে ইয়াজিদ আল-কাত্তান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ আমাদের কাছে দাউদ ইবনে শাবুর এবং মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে বর্ণনা করেছেন—আর আমি ইবনে আজলানের হাদিসটি অধিক স্মরণ রেখেছি—তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, আর তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ অহংকারীদের কিয়ামতের দিন ক্ষুদ্র পিপীলিকার ন্যায় আকৃতিতে হাশরের ময়দানে সমবেত করা হবে, লাঞ্ছনা ও অপমান তাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে। তাদেরকে 'বুলাস' নামক একটি নদীর দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, যার উপর আগুনের আগুন (সর্বোচ্চ অগ্নিশিখা) ছেয়ে থাকবে। সেখানে তাদেরকে 'তিনাতুল খাবাল' পান করানো হবে, যা হলো জাহান্নামীদের দেহ হতে নিসৃত নির্যাস।"
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৬৫)
27 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الْقَطَّانِ، بِنَيْسَابُورَ سَنَةِ ثَلَاثِينَ وَثَلَثِمِائَةٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَزَّارِ، قَالَا: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ، أَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ عَمِّهِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: ‌‌«صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَا وَيَتِيمٌ، وَصَلَّتْ وَرَاءَنَا أُمُّ سُلَيْمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا»
২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল হাসান আল-কাত্তান, ৩৩০ হিজরি সনে নিশাপুরে এবং আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ আল-বাযযার; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনু বিশর ইবনুল হাকাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ, ইসহাক ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবি তালহা থেকে, তিনি তাঁর চাচা আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি এবং একজন এতিম আল্লাহর রাসূল—আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক—এর পেছনে সালাত আদায় করেছি এবং আমাদের পেছনে উম্মু সুলাইম সালাত আদায় করেছেন, আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন তাঁর প্রতি।»
(খণ্ড: ১) জুযউ ফীহি আহাদীছু নাফে ইবনু আবী নুআইম লিবনিল মুকরি (পৃষ্ঠা: ৬৬)
28 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ الزَّعْفَرَانِيُّ، ح وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَطَّانُ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَزَّارُ، بِنَيْسَابُورَ، قَالَا: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنُ الْحَكَمِ، ح وَأَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُّوبٍ الْمُخَرِّمِيُّ، ح وَأَخْبَرَنَا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، قَالَا: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ حِبَّانَ، ح ⦗ص: 67⦘ وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَاصِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ ح وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الطَّائِيُّ الْمَوْصِلِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ الطَّائِيُّ ح وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ، قَالَا: ثنا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، ح وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ يُوسُفَ النَّجَاحِيُّ، قَالُوا: ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يَتَحَاذَى مَنْكِبَيْهِ، وَإِذَا رَكَعَ، وَبَعْدَمَا يَرْفَعُ مِنَ الرُّكُوعِ، وَلَا يَرْفَعُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ»
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আয-যাফরানি, (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-কাত্তান ও আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-বাযযার নিশাপুরে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন বিশর বিন আল-হাকাম, (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আইয়ুব আল-মুখাররামি, (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খাইসামাহ বিন সুলাইমান ও আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন হিব্বান, (হ) ⦗পৃষ্ঠা: ৬৭⦘ এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন উমর বিন হাফস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আসিম বিন আবদুল্লাহ আস-সাকাফি, (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আত-তায়ি আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন হারব আত-তায়ি, (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ ও ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা'দান বিন নাসর, (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আন-নাজাহি, তাঁরা সকলে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, যুহরি থেকে, তিনি সালিম বিন আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি যখন তিনি সালাত শুরু করতেন তখন তাঁর হাত দুটি উঠাতেন যাতে তা তাঁর কাঁধ বরাবর হতো, এবং যখন তিনি রুকু করতেন, আর রুকু থেকে মাথা উঠানোর পর; কিন্তু তিনি দুই সিজদার মাঝে হাত উঠাতেন না।»