(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: -)
جزء أبي عروبة الحراني برواية الحاكم القسم: كتب السنة
الكتاب: أحاديث أبي عروبة الحراني برواية أبي أحمد الحاكم
المؤلف: أبو عروبة الحسين بن محمد بن أبي معشر مودود السُّلَمي الجَزَري الحرَّاني (ت 318هـ)
المحقق: د عبد الرحيم محمد أحمد القشقري
الناشر: شركة الرياض - السعودية - الرياض
الطبعة: الأولى، 1419هـ - 1998م
عدد الصفحات: 59
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু আহমাদ আল-হাকিমের বর্ণনায় জুয আবু আরূবাহ আল-হাররানী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আবু আহমাদ আল-হাকিমের বর্ণনায় আবু আরূবাহ আল-হাররানীর হাদিসসমূহ
লেখক: আবু আরূবাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আবি মা'শার মাওদুদ আস-সুলামি আল-জাযারি আল-হাররানী (মৃত্যু ৩১৮ হি.)
সম্পাদক: ড. আব্দুর রহিম মুহাম্মদ আহমাদ আল-কাশকারি
প্রকাশক: রিয়াদ কোম্পানি - সৌদি আরব - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হি. - ১৯৯৮ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৯
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩০)
أَخْبَرَنَا أَبُو رَوْحٍ عَبْدُ الْمُعِزِّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الْبَزَّارُ الْهَرَوِيُّ بِهَا، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي جُمَادَى الْأُولَى، سَنَةَ عَشْرٍ وَسِتِّمَائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشِّحَامِيُّ، فِي ذِي الْقِعْدَةِ، سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِمَائَةٍ "، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَنْجَرُوذِيُّ فِي جُمَادَى الْأُولَى سَنَةَ إِحْدَى وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِمَائَةٍ، أَخْبَرَنَا الْحَاكِمُ أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ فِي سَنَةِ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَثَلَاثِمَائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي مَعْشَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مَوْدُودٍ الْحَرَّانِيُّ بِحَرَّانَ، ثنا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَأَتَى عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ تَطْلِيقَةً وَهِيَ حَائِضٌ، قَالَ: «فَمُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا فَإِذَا طَهُرَتْ ثُمَّ حَاضَتْ، ثُمَّ طَهُرَتْ، فَإِنْ شَاءَ فَلْيُمْسِكْهَا، وَإِنْ أَرَادَ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَلَا يَغْشَيَنَّهَا فَإِنَّهَا الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ عز وجل بِهَا»
আবু রাওহ আব্দুল মুয়িজ বিন মুহাম্মদ বিন আবিল ফাদল আল-বাযযার আল-হারাবী ৬১০ হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে হেরাতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি তাঁর নিকট এটি পাঠ করেছিলাম; তিনি বলেন: আবুল কাসিম যাহির বিন তাহির বিন মুহাম্মদ আশ-শিহামি ৫২৯ হিজরীর যিলকদ মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি শ্রবণরত থাকা অবস্থায় তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আবু সাদ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-কানজারুযি ৪৫১ হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: হাফিয হাকিম আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইসহাক ৩৭৭ হিজরীতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু আরুবা আল-হুসাইন বিন আবি মাশার মুহাম্মদ বিন মাওদুদ আল-হাররানি হাররানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মুসাইয়্যাব বিন ওয়াদিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আব্দুল্লাহ বিন আল-মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। অতঃপর উমর ইবনুল খাত্তাব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন: আব্দুল্লাহ তার স্ত্রীকে এক তালাক দিয়েছে এমতাবস্থায় যে সে ঋতুবতী। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «তুমি তাকে নির্দেশ দাও যেন সে তাকে ফিরিয়ে নেয়; অতঃপর সে যখন পবিত্র হবে এবং পুনরায় ঋতুবতী হবে, এরপর পুনরায় যখন সে পবিত্র হবে, তখন সে চাইলে তাকে নিজের কাছে রেখে দিবে, আর যদি তাকে তালাক দিতে চায় তবে যেন (সহবাসের মাধ্যমে) তাকে স্পর্শ না করে; কেননা এটাই সেই ইদ্দত বা নির্ধারিত সময়কাল যার নির্দেশ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল দিয়েছেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩১)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ، أَخْبَرَنَا ثنا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي حَفْصَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَذَكَرَ ذَلِكَ لِعُمَرَ، فَأَتَى عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، فَأَخْبَرَهُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مُرْهُ فَلْيُمْسِكْهَا حَتَّى تَحِيضَ غَيْرَ هَذِهِ الْحَيْضَةِ، ثُمَّ تَطْهُرَ، فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَلْيُطَلِّقْهَا كَمَا أَمَرَ اللَّهُ عز وجل، وَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُمْسِكَهَا فَلْيُمْسِكْهَا»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আরূবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুসাইয়্যাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, মুহাম্মদ বিন আবি হাফসাহ থেকে, তিনি আয-যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। অতঃপর বিষয়টি উমর-এর নিকট উল্লেখ করা হলে উমর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসলেন এবং তাঁকে তা জানালেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «তাকে নির্দেশ দাও যেন সে তাকে ফিরিয়ে রাখে যতক্ষণ না এই ঋতুস্রাব ব্যতিরেকে সে পুনরায় ঋতুবতী হয় এবং এরপর পবিত্র হয়। অতঃপর যদি তার তাকে তালাক দেওয়ার ইচ্ছা হয়, তবে সে যেন তালাক দেয় যেমনটি আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন মহান ও প্রতাপশালী, আর যদি তার তাকে রেখে দেওয়ার ইচ্ছা হয়, তবে সে যেন তাকে রেখে দেয়।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩১)
3 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ، ثنا سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: قِيلَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ ابْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، قَالَ: «فَلْيُرَاجِعْهَا، فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا طَاهِرًا أَوْ حَامِلًا»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুসাইয়্যাব, তিনি ইবনুল মুবারাক থেকে, তিনি সুফইয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি তালহা পরিবারের আযাদকৃত দাস মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিম ইবন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হলো যে, ইবন উমর তার স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় তালাক দিয়েছেন। তিনি বললেন: «সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। অতঃপর যখন সে পবিত্র হবে, তখন পবিত্র অবস্থায় অথবা গর্ভবতী অবস্থায় তাকে তালাক দেয়»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩১)
4 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رِفَاعَةَ الْقُرَظِيَّ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ فَبَتَّ طَلَاقَهَا، فَتَزَوَّجَهَا بَعْدَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الزُّبَيْرِ، فَجَاءَتْ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ ⦗ص: 32⦘: إِنَّهَا كَانَتْ عِنْدَ رِفَاعَةَ فَطَلَّقَهَا ثَلَاثَ تَطْلِيقَاتٍ، فَتَزَوَّجَهَا بَعْدَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الزُّبَيْرِ، وَإِنَّهُ وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا مَعَهُ إِلَّا مِثْلُ هَذِهِ الْهُدْبَةِ - لِهُدْبَةٍ أَخَذَتْهَا مِنْ جِلْبَابِهَا - قَالَ: وَأَبُو بَكْرٍ جَالِسٌ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَخَالِدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ جَالِسٌ بِبَابِ الْحُجْرَةِ لَمْ يُؤْذَنْ لَهُ، فَطَفِقَ خَالِدٌ، يُنَادِي أَبَا بَكْرٍ: أَلَا تَزْجُرُ هَذِهِ عَمَّا تَجْهَرُ بِهِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: وَمَا يَزِيدُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى التَّبَسُّمِ ، ثُمَّ قَالَ لَهَا: «لَعَلَّكِ تُرِيدِينَ أَنْ تَرْجِعِي إِلَى رِفَاعَةَ؟ لَا، حَتَّى تَذُوقِي عُسَيْلَتَهُ وَيَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ»
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুসাইয়্যাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, মা’মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রিফা’আ আল-কুরাযী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিলেন এবং তাঁর তালাককে চূড়ান্ত করলেন। এরপর আব্দুর রহমান ইবনুয যুবাইর তাঁকে বিবাহ করলেন। অতঃপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘: তিনি রিফা’আ-এর স্ত্রী ছিলেন এবং তিনি তাকে তিন তালাক দিয়েছিলেন। এরপর আব্দুর রহমান ইবনুয যুবাইর তাঁকে বিবাহ করলেন। হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম, তাঁর সাথে তো এই ঝালরের মতো বস্তু ছাড়া আর কিছুই নেই - তিনি তাঁর চাদর থেকে একটি ঝালর ধরে দেখালেন - বর্ণনাকারী বলেন: আবু বকর (রা.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপবিষ্ট ছিলেন এবং খালিদ ইবনে সাঈদ ইবনুল আস হুজরার দরজায় বসা ছিলেন, তাঁকে তখনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। তখন খালিদ আবু বকর (রা.)-কে ডেকে বলতে লাগলেন: আপনি কি এই মহিলাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে এমন উচ্চস্বরে কথা বলা থেকে বিরত করবেন না? বর্ণনাকারী বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল মৃদু হাসছিলেন, অতঃপর তিনি মহিলাটিকে বললেন: «সম্ভবত তুমি রিফা’আ-এর নিকট ফিরে যেতে চাচ্ছ? না, যতক্ষণ না তুমি তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহণ করো এবং সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহণ করে»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩২)
5 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ لِلْمَرْأَةِ الَّتِي أَبَتَّهَا طَلَاقُ زَوْجِهَا: «لَا تَحِلِّينَ لِلْأَوَّلِ، حَتَّى تَذُوقِي عُسَيْلَتَهُ، وَيَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ الْآخَرُ»
৫ - মুসাইয়্যাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি সেই নারীকে বলেছিলেন যাকে তার স্বামী চূড়ান্তভাবে তালাক দিয়েছিল: «তুমি প্রথম স্বামীর জন্য বৈধ হবে না, যতক্ষণ না তুমি পরবর্তী জনের মধুর স্বাদ আস্বাদন করো এবং সে তোমার মধুর স্বাদ আস্বাদন করে।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
6 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَكَّارٍ، ثنا وَكِيعٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «تُصَلِّي الْمُسْتَحَاضَةُ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ»
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে বাক্কার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকী‘, তিনি আল-আ‘মাশ থেকে, তিনি হাবীব ইবনে আবী সাবিত থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ইস্তিহাযাগ্রস্ত নারী সালাত আদায় করবে, যদিও চাটাইয়ের উপর রক্ত চুইয়ে পড়ে»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
7 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، «أَنَّ سُبَيْعَةَ، تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا ، فَوَلَدَتْ بَعْدَ وَفَاتِهِ بِيَسِيرٍ، فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، أَنْ تَنْكِحَ»
৭ - আমাদের নিকট আল-মুসাইয়্যাব বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উয়ায়না আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আল-মিসওয়ার ইবনে মাখরামা থেকে বর্ণনা করেন যে, সুবাইআহ-এর স্বামী ইন্তেকাল করেন, অতঃপর তিনি স্বামীর মৃত্যুর অল্পকাল পরেই সন্তান প্রসব করেন; অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বিবাহের নির্দেশ প্রদান করেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
8 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، أَخْبَرَهُ: أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَابْنَ عَبَّاسٍ، كَانَا عِنْدَ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَذَكَرَ لَهُ الَّتِي تَنْفَسُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا، فَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ: إِذَا نَفِسَتْ فَقَدْ حَلَّتْ لِلْأَزْوَاجِ، وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: لَا تَحِلُّ لَهُ حَتَّى تَقْضِيَ آخِرَ الْأَجَلَيْنِ، فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: أَنَا مَعَ ابْنِ أَخِي - يَعْنِي أَبَا سَلَمَةَ - فَبَعَثُوا كُرَيْبًا إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ فَسَأَلَهَا عَنْ ذَلِكَ ، فَقَالَتْ: «إِنَّ سُبَيْعَةَ بِنْتَ الْحَارِثِ نَفِسَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِقَلِيلٍ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ تَتَزَوَّجَ»
৮ - আমাদের নিকট মুসাইয়্যাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, সুলাইমান ইবনে ইয়াসার তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে: আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান এবং ইবনে আব্বাস আবু হুরায়রা (রাযি.)-এর নিকট ছিলেন। অতঃপর তাদের কাছে সেই মহিলার কথা আলোচিত হলো যে তার স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তান প্রসব করে। তখন আবু সালামাহ বললেন: যখন সে সন্তান প্রসব করবে তখন সে বিবাহের জন্য হালাল হয়ে যাবে। ইবনে আব্বাস বললেন: দুই মেয়াদের শেষটি (দীর্ঘতমটি) অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত সে হালাল হবে না। আবু হুরায়রা বললেন: আমি আমার ভাতিজার সাথে আছি —অর্থাৎ আবু সালামাহ। এরপর তারা কুরাইবকে উম্মে সালামাহ (রাযি.)-এর নিকট পাঠালেন এবং তিনি তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: সুবাইয়াহ বিনতে আল-হারিস তার স্বামীর মৃত্যুর অল্পকাল পরেই সন্তান প্রসব করেছিলেন, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহের নির্দেশ দেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
9 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، ثنا عَامِرٌ، حَدَّثَتْنِي فَاطِمَةُ بِنْتُ قَيْسٍ، أُخْتُ الضَّحَّاكِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَتْ: «طَلَّقَهَا زَوْجُهَا ثَلَاثًا، فَأَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَأَمَرَهَا فَانْتَقَلَتْ» ، فَنَزَلَتْ عَلَى عَمْرِو بْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ أَعْمَى، وَهُوَ ابْنُ عَمِّهَا. قَالَ عَامِرٌ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: لَا نَدَعُ كِتَابَ رَبِّنَا عز وجل وَنُصَدِّقُ امْرَأَةً
৯ - আল-মুসাইয়্যাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবী ইসহাক থেকে, আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাহহাক ইবনে কায়সের বোন ফাতেমা বিনতে কায়স আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তাঁর স্বামী তাঁকে তিন তালাক দিয়েছিলেন, অতঃপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন, তিনি তাঁকে নির্দেশ দিলেন এবং তিনি স্থানান্তরিত হলেন», অতঃপর তিনি আমর ইবনে উম্মে মাকতূম নামক একজন অন্ধ ব্যক্তির নিকট গিয়ে উঠলেন, যিনি ছিলেন তাঁর চাচাতো ভাই। আমির বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: আমরা আমাদের মহান ও পরাক্রমশালী রবের কিতাব বর্জন করতে পারি না এবং একজন মহিলার কথাকে ধ্রুব সত্য বলে গ্রহণ করতে পারি না।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
10 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، أَخْبَرَنِي الزُّهْرِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ» ⦗ص: 36⦘. حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، بِمِثْلِهِ
১০ - মুসাইয়্যাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু উয়ায়নাহ থেকে, যুহরী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এমন কোনো নারীর জন্য তার স্বামী ব্যতীত অন্য কোনো মৃত ব্যক্তির ওপর তিন দিনের অধিক শোক পালন করা বৈধ নয়।» ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘। মুসাইয়্যাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু উয়ায়নাহ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
11 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ حَفْصَةَ، أَوْ عَائِشَةَ أَوْ هُمَا جَمِيعًا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلَاثٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ»
১১ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-মুসাইয়্যাব, তিনি হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি ইবনে আবি যিব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি সাফিয়্যাহ বিনতে আবি উবাইদ থেকে, তিনি হাফসাহ অথবা আয়েশাহ অথবা তাঁরা উভয় থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন কোনো মহিলার জন্য কোনো মৃতের ওপর তিন দিনের অধিক শোক পালন করা বৈধ নয়, তবে স্বামীর ওপর ব্যতীত»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
12 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ، عَنِ النَّخَعِيِّ، عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، عَنْ زَوْجِ بَرِيرَةَ؟ فَقَالَتْ: «كَانَ حُرًّا»
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মুসাইয়্যাব, তিনি বলেন: ইবনুল মুবারাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ থেকে, তিনি আবু মা'শার থেকে, তিনি আন-নাখায়ী থেকে, তিনি আল-আসওয়াদ ইবনে ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়িশাকে বারীরার স্বামী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি বলেন: «সে স্বাধীন ছিল»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
13 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، وَحُرَيْثٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ امْرَأَةً أَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتِ: ابْنِي ⦗ص: 37⦘ هَذَا كَانَ بَطْنِي لَهُ وِعَاءً، وَحِجْرِي لَهُ حِوَاءً، وَثَدْيَيَّ لَهُ سِقَاءً، فَزَعَمَ أَبُوهُ أَنَّهُ انْتَزَعَهُ مِنِّي، قَالَ: «أَنْتِ أَحَقُّ مَا لَمْ تَنْكِحِي»
১৩ - আমাদের নিকট আল-মুসাইয়্যাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবনুল মুবারাক ও হুরাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, এক নারী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: আমার এই পুত্র ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ - আমার পেট ছিল তার আধার, আমার কোল ছিল তার আশ্রয়স্থল এবং আমার স্তন ছিল তার পানপাত্র; অথচ তার পিতা দাবি করছে যে সে তাকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেবে। তিনি বললেন: «যতক্ষণ না তুমি পুনরায় বিবাহ করছ, ততক্ষণ তুমিই তার (লালন-পালনের) অধিক হকদার»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
14 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، ثنا زِيَادُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ هِلَالِ بْنِ أُسَامَةَ، أَنَّ أَبَا مَيْمُونَةَ سُلَيْمًا، مَوْلًى مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، رَجُلُ صِدْقٍ حَدَّثَهُ قَالَ: بَيْنَا أَنَا جَالِسٌ عِنْدَ أَبِي هُرَيْرَةَ، إِذْ جَاءَتْهُ امْرَأَةٌ فَارِسِيَّةٌ، وَمَعَهَا ابْنٌ لَهَا فَادَّعَيَاهُ، وَقَدْ طَلَّقَهَا زَوْجُهَا، فَقَالَتْ: يَا أَبَا هُرَيرَةَ، ثُمَّ رَاطَنَتْهُ بِالْفَارِسِيَّةِ: زَوْجِي يُرِيدُ أَنْ يَذْهَبَ بِابْنِي مِنِّي، قَالَ: تَسَاهَمَا عَلَيْهِ - وَرَاطَنَهَا بِذَلِكَ - فَجَاءَ زَوْجُهَا، وَقَالَ: مَنْ يُحَاقُّنِي فِي وَلَدِي.؟ قَالَ أَبُو هُرَيرَةَ: اللَّهُمَّ إِنِّي لَا أَقُولُ هَذَا، إِنِّي سَمِعْتُ امْرَأَةً جَاءَتْ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا عِنْدَهُ قَاعِدٌ، فَقَالَتْ: فِدَاكَ أَبِي يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ زَوْجِي يُرِيدُ أَنْ يَذْهَبَ بِابْنِي، وَقَدْ سَقَانِي مِنْ بِئْرِ أَبِي عِنَبَةَ، وَقَدْ نَفَعَنِي، قَالَ: «اسْتَهِمَا عَلَيْهِ» ، فَقَالَ زَوْجُهَا: مَنْ يُحَاقُّنِي فِي وَلَدِي يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَقَالَ: «يَا غُلَامُ، هَذَا أَبُوكَ ، وَهَذِهِ أُمُّكَ، فَخُذْ بِيَدِ أَيِّهِمَا شِئْتَ» ، فَأَخَذَ بِيَدِ أُمِّهِ، فَانْطَلَقَتْ
১৪ - আল-মুসাইয়্যাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ ইবনে সা'দ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিলাল ইবনে উসামা থেকে, তিনি আবু মায়মুনা সুলাইম থেকে বর্ণনা করেন—যিনি মদীনার অধিবাসী এবং একজন সত্যবাদী ব্যক্তি ছিলেন—তিনি তাঁকে হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন: আমি আবু হুরায়রা (রা.)-এর নিকট বসা ছিলাম, এমতাবস্থায় এক পারস্যদেশীয় নারী তাঁর নিকট এলেন এবং তাঁর সাথে তাঁর এক পুত্র ছিল। তাঁর স্বামী তাঁকে তালাক দিয়েছিলেন এবং তাঁরা উভয়েই সন্তানটির দাবি করছিলেন। মহিলাটি বলল: হে আবু হুরায়রা! এরপর সে তাঁর সাথে ফারসি ভাষায় কথা বলল: আমার স্বামী আমার থেকে আমার পুত্রকে ছিনিয়ে নিতে চায়। তিনি (আবু হুরায়রা) বললেন: তোমরা এই বিষয়ে লটারি করো—এবং তিনি তাঁর সাথে ফারসি ভাষাতেই এ কথাটি বললেন। এমতাবস্থায় তাঁর স্বামী এলেন এবং বললেন: আমার সন্তানের বিষয়ে কে আমার সাথে বিবাদে লিপ্ত হতে চায়? আবু হুরায়রা (রা.) বললেন: হে আল্লাহ! আমি এটি নিজের পক্ষ থেকে বলছি না, বরং আমি একজন নারীকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসতে দেখেছি যখন আমি তাঁর নিকট বসা ছিলাম। মহিলাটি বলেছিল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার প্রতি আমার পিতা উৎসর্গিত হোন, আমার স্বামী আমার পুত্রকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে, অথচ সে আবু ইনাবাহ্-এর কূপ থেকে আমাকে পানি পান করিয়েছে এবং সে আমার উপকার করেছে। তিনি (রাসূল) বললেন: তোমরা এই বিষয়ে লটারি করো। তখন তার স্বামী বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমার সন্তানের ব্যাপারে কে আমার সাথে বিতর্ক করবে? তখন তিনি (রাসূল) বললেন: হে বালক! এটি তোমার পিতা এবং এটি তোমার মা; তুমি তাদের মধ্যে যার হাত ইচ্ছা ধরো। তখন সে তার মায়ের হাত ধরল এবং সে (মা) তাকে নিয়ে চলে গেল।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
15 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، حَدَّثَنِي ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ هِلَالِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، وَلَيْسَ بِأَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيرَةَ، أَنَّهُ أُتِيَ فِي غُلَامٍ بَيْنَ أَبَوَيْهِ، فَقَالَ: «يَا غُلَامُ، هَذَا أَبُوكَ، وَهَذِهِ أُمُّكَ، فَاخْتَرْ أَيَّهُمَا شِئْتَ»
১৫ - আল-মুসাইয়্যাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে উইয়াইনাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ ইবনে সা'দ থেকে, তিনি হিলাল ইবনে আবি মাইমূনাহ থেকে—এবং তিনি তাঁর পিতা নন—আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত যে, তাঁর নিকট এমন এক বালককে আনা হলো যে তার পিতা-মাতার মাঝে (বিবাদমান) ছিল, তখন তিনি বললেন: «হে বালক! এই তোমার পিতা এবং এই তোমার মাতা; সুতরাং তুমি তাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা পছন্দ করে নাও।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
16 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَأَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ:
«لَا نِكَاحَ إِلَّا بِوَلِيٍّ، وَالسُّلْطَانُ وَلِيُّ مَنْ لَا وَلِيَّ لَهُ» .
17 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَجَّاجٍ، قَالَ: قَالَ عِكْرِمَةُ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، نَحْوَهُ
১৬ - আল-মুসায়্যিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবনে আরতাত থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
«অভিভাবক ব্যতীত কোনো বিবাহ নেই; আর রাষ্ট্রপ্রধান হচ্ছে তার অভিভাবক, যার কোনো অভিভাবক নেই।».
১৭ - আল-মুসায়্যিব ইবনে ওয়াদিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ থেকে, তিনি বলেন: ইকরিমাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
18 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ أُنْكِحَتْ بِغَيْرِ إِذْنِ وَلِيِّهَا فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ - ثَلَاثَ مَرَّاتٍ - فَإِنْ كَانَ دَخَلَ بِهَا فَلَهَا الصَّدَاقُ بِمَا اسْتَحَلَّ مِنْ فَرْجِهَا، فَإِنِ اشْتَجَرُوا، فَالسُّلْطَانُ وَلِيُّ مَنْ لَا وَلِيَّ لَهُ»
১৮ - আমাদের নিকট আল-মুসাইয়িব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে মুসা থেকে, তিনি আয-যুহরি থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে কোনো নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করে, তবে তার বিবাহ বাতিল - তিনি এটি তিনবার বলেন - অতঃপর যদি স্বামী তার সাথে সহবাস করে থাকে, তবে সে মোহর পাবে তার লজ্জাস্থান হালাল করার বিনিময়ে। আর যদি তারা বিবাদে লিপ্ত হয়, তবে যার কোনো অভিভাবক নেই, সুলতান (রাষ্ট্রপ্রধান) তার অভিভাবক।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
19 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " لَا نِكَاحَ إِلَّا بِوَلِيٍّ - أَوْ قَالَ -: بِإِذْنِ وَلِيٍّ
১৯ - মুসাইয়াব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু বুরদা থেকে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: " অভিভাবক ছাড়া কোনো বিবাহ নেই - অথবা তিনি বলেছেন - অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪০)
20 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ زَوَّجَهَا وَلِيَّانِ لَهَا، فَهِيَ لِلْأَوَّلِ مِنْهُمَا، وَمَنْ بَاعَ بَيْعًا مِنْ رَجُلَيْنِ فَهُوَ لِلْأَوَّلِ مِنْهُمَا»
২০ - মুসাইয়্যিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, কাতাদাহ থেকে, হাসান থেকে, সামুরাহ ইবনে জুনদুব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাহ বলেছেন: «যে কোনো নারীকে তার দুইজন অভিভাবক বিবাহ দেন, তবে সে তাদের মধ্যে প্রথমজনের জন্য (সাব্যস্ত) হবে; আর যে ব্যক্তি দুই ব্যক্তির নিকট কোনো পণ্য বিক্রয় করে, তবে তা তাদের মধ্যে প্রথমজনের জন্য (সাব্যস্ত) হবে।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪০)
21 - حَدَّثَنَا الْمُسَيَّبُ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «تُسْتَأْمَرُ الْيَتِيمَةُ فِي نَفْسِهَا، فَإِنْ سَكَتَتْ فَقَدْ أَذِنَتْ، وَإِنْ كَرِهَتْ لَمْ تُكْرَهْ»
২১ - আল-মুসায়্যাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক ইউনুস থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «এতিম মেয়ের বিবাহের ব্যাপারে তার মতামত গ্রহণ করতে হবে; যদি সে চুপ থাকে তবে সেটাই তার সম্মতি, আর যদি সে অপছন্দ করে তবে তাকে বাধ্য করা যাবে না।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪১)
22 - حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنْبَأَ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «اعْتَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثَلَاثَ عُمَرَ قَبْلَ أَنْ يَحُجَّ»
২২ - আবদাহ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আইয়ুব ইবনে জাবির থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ করার পূর্বে তিনবার উমরাহ পালন করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪১)
23 - حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنْبَأَ إِسْحَاقُ بْنُ إِدْرِيسَ، ثنا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ، ثنا مَطَرٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، نَهَى أَنْ تُتَّخَذَ جُلُودُ السِّبَاعِ فُرُشًا " أَوْ كَمَا قَالَ
২৩ - আমাদের নিকট আবদাহ ইবনে আবদুল্লাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক ইবনে ইদরীস, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবান ইবনে ইয়াযীদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মাতার, তিনি আবুল মালীহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, "হিংস্র প্রাণীর চামড়াকে বিছানা হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন" অথবা যেমন তিনি বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪২)
24 - حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدَ، عَنْ رَجُلٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، إِذَا مَشَى مَشَى مَشْيًا مُجْتَمِعًا، لَيْسَ فِيهِ كَسَلٌ»
২৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদাহ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ থেকে, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি জনৈক ব্যক্তি থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন হাঁটতেন, তখন সুসংহতভাবে হাঁটতেন, তাতে কোনো অলসতা ছিল না।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪২)
25 - حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ، ثنا أَبُو هَمَّامٍ مُحَمَّدُ بْنُ الزِّبْرِقَانِ، ثنا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَخِيهِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ، «أَنَّهُ كَانَ رَدِيفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَبَّى حَتَّى رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ يَوْمَ النَّحْرِ»
২৫ - জামীল ইবনুল হাসান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু হাম্মাম মুহাম্মদ ইবনুষ যিবরিকান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি তাঁর ভাই ফজল ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, «তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে সওয়ার ছিলেন, অতঃপর তিনি কুরবানির দিন জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করতে থাকেন।»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
26 - حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ، ثنا عَبْدُ الْأَعْلَى، ثنا سَعِيدٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي يَحْيَى، وَعَنْ أَيُّوبَ - وَلَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ أَيُّوبَ - كِلَاهُمَا حَدَّثَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَ «أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ كَانَ يُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ يَأْتِي قَوْمَهُ فَيَؤُمُّهُمْ فِي الصَّلَاةِ الَّتِي صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تِلْكَ الصَّلَاةَ»
২৬ - জামিল বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আ'লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি ইয়াহইয়া থেকে এবং আইয়ুব থেকে - আর আমি এটি আইয়ুবের নিকট থেকে সরাসরি শুনিনি - তাঁরা উভয়েই আমর বিন দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন যে, জাবির বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন যে, «মুয়াজ বিন জাবাল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করতেন, অতঃপর তিনি তাঁর সম্প্রদায়ের নিকট ফিরে আসতেন এবং রাসূলুল্লাহর সাথে যে সালাতটি আদায় করেছিলেন সেই সালাতেই তাদের ইমামতি করতেন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই সালাতটি»।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
27 - حَدَّثَنَا أَبُو عَرُوبَةَ الْحَرَّانِيُّ إِمْلَاءً، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْقُطَعِيُّ، ثنا عَاصِمُ بْنُ هِلَالٍ، ثنا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 44⦘: " {يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ} [المطففين: 6] يَوْمَ الْقِيَامَةِ، حَتَّى يَبْلُغَ الرَّشْحُ أَنْصَافَ آذَانِهِمْ ". قَالَ عَاصِمٌ: وَالرَّشْحُ: الْعَرَقُ
২৭ - আমাদের নিকট আবু আরুবাহ আল-হাররানি শ্রুতিলিখন হিসেবে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-কুতাঈ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আসিম ইবনে হিলাল হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আইয়ুব হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফি থেকে, আর তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘: " {যেদিন মানুষ জগতসমূহের রবের উদ্দেশ্যে দণ্ডায়মান হবে} [আল-মুতাফফিফিন: ৬] কিয়ামতের দিন, এমনকি ঘাম তাদের কানের অর্ধেক পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। " আসিম বলেন : আর-রাসহ্ হলো ঘাম।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
28 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْقُطَعِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ رَاشِدٍ، ثنا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَا طَلَاقَ إِلَّا بَعْدَ نِكَاحٍ»
২৮ - আবু আরুবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া আল-কুতাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন রাশিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন আল-মুয়াল্লিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবন শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিকাহ ব্যতীত কোনো তালাক নেই»
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
29 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَرُوبَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ كَرَامَةَ، قَالَا: ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، وَأَنَا أَبْكِي، فَقَالَ: «مَا يُبْكِيكِ؟» قُلْتُ: سَبَّتْنِي فَاطِمَةُ. قَالَ: «يَا بُنَيَّةُ أَلَيْسَ تُحِبِّينَ مَنْ أُحِبُّ، وَتُبْغِضِينَ مَنْ أَبْغَضُ.؟» قَالَتْ: بَلَى، قَالَ: «فَأَحِبِّي عَائِشَةَ فَإِنِّي أُحِبُّهَا» ، فَقَالَتْ فَاطِمَةُ: مَا أَقُولُ لِعَائِشَةَ شَيْئًا تَكْرَهُهُ
২৯ - আবু আরূবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা এবং মুহাম্মাদ ইবনু উসমান ইবনু কারামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুজালিদ থেকে, তিনি শা’বী থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে আমি কাঁদছিলাম। তিনি বললেন: «তুমি কেন কাঁদছো?» আমি বললাম: ফাতিমাহ আমাকে গালি দিয়েছে। তিনি বললেন: «হে প্রিয় কন্যা, আমি যাকে ভালোবাসি তুমি কি তাকে ভালোবাসো না এবং আমি যাকে অপছন্দ করি তাকে কি তুমি অপছন্দ করো না?» তিনি বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: «তবে আয়িশাকে ভালোবাসো, কেননা আমি তাকে ভালোবাসি»। তখন ফাতিমাহ বললেন: আমি আয়িশার নিকট এমন কিছু আর বলব না যা তিনি অপছন্দ করেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ আবী আরুবাহ আল হাররানী বিরিওয়ায়াতিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
30 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَا: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ غَالِبٍ، قَالَ: نَالَ رَجُلٌ مِنْ عَائِشَةَ عِنْدَ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ، فَقَالَ: «مَقْبُوجًا، مَشْقُوجًا تُؤْذِي حَبِيبَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»
৩০ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার এবং মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুসান্না বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আমর ইবনে গালিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আম্মার ইবনে ইয়াসিরের উপস্থিতিতে আয়েশা সম্পর্কে নিন্দাবাদ করল, তখন তিনি বললেন: “রে ধিক্কৃত ও লাঞ্ছিত! তুই কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয়তমাকে কষ্ট দিচ্ছিস?”