(খণ্ড: ১) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: -)
الجزء 13 من حديث أبي الطاهر الذهلي انتقاء الدارقطني   (أبو الطاهر الذهلي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الجزء الثالث عشر من حديث أبي الطاهر الذهلي

المؤلف: محمد بن أحمد بن عبد الله بن نصر الذُّهْلي، أبو الطاهر المالكي (ت 367 هـ)

انتقاء: أبو الحسن علي بن عمر الدارقطني (ت 385 هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

عدد الصفحات: 12

[الكتاب مخطوط]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু তাহের আয-যুহলীর হাদিসের ১৩তম অংশ, আদ-দারাকুতনীর চয়ন   (আবু তাহের আয-যুহলী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু তাহের আয-যুহলীর হাদিসের ১৩তম অংশ

লেখক: মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নাসর আয-যুহলী, আবু তাহের আল-মালিকী (মৃত্যু ৩৬৭ হিজরি)

চয়ন: আবুল হাসান আলী বিন উমর আদ-দারাকুতনী (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলাম ওয়েব সাইটের অধীনস্থ ফ্রি 'জাওয়ামি আল-কালিম' প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

শামেলার প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ١)
فِيهِ عَشَرَةُ أَحَادِيثَ مُنْتَخَبَةٍ مِنَ الْجُزْءِ الثَّالِثَ عَشَرَ مِنَ الْفَوَائِدِ الْمُنْتَقَاةِ مِنَ الأُصُولِ مِنْ حَدِيثِ الْقَاضِي أَبِي طَاهِرٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرِ بْنِ بُجَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الذُّهْلِيِّ.

انْتِقَاءَ الْحَافِظِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَ بْنِ مَهْدِيٍّ الدَّارَقُطْنِيِّ لَهُ.

بسم الله الرحمن الرحيم
এতে কাজী আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন নাসর বিন বুজাইর বিন আবদুল্লাহ আদ-দুহলী বর্ণিত হাদীসসমূহের 'আল-ফাওয়াইদুল মুন্তাকাত মিনাল উসুল'-এর ত্রয়োদশ খণ্ড থেকে নির্বাচিত দশটি হাদীস রয়েছে।

এটি তাঁর জন্য হাফেজ আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন মাহদী আদ-দারা কুতনী কর্তৃক নির্বাচিত।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ٢)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْبَرَكَاتِ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَسَاكِرَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ إِحْدَى وَعِشْرِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الدَّارَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ، فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ سَادِسِ وَعِشْرِينَ جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أَنْبَاَ الشَّيْخُ أَبُو الْفَرَجِ سَهْلُ بْنُ بِشْرِ بْنِ أَحْمَدَ الإِسْفَرَايِينِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الأَوَّلِ مِنْ سَنَةِ تِسْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أنبا الشَّيْخُ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَينِ بْنِ أَحْمَدَ السُّدِّيُّ، يَوْمَ الاثْنَيْنِ السَّادِسِ مِنْ شَعْبَانَ سَنَةَ تِسْعٍ وَسِتِّينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنْبَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَصْرِ بْنِ بُجَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَالِحِ بْنِ أُسَامَةَ الذُّهْلِيُّ الْقَاضِي، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سُلَيْمَانَ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: نُهِينَا أَنْ نَسْأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنْ شَيْءٍ، فَكَانَ يُعْجِبُنَا أَنْ يَجِيءَ الرَّجُلُ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ الْعَاقِلُ فَيَسْأَلُهُ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، إِنَّ رَسُولَكَ أَتَانَا فَزَعَمَ أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ اللَّهَ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: ‌‌«صَدَقَ» ، قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ السَّمَاءَ؟ قَالَ: «اللَّهُ» ، قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ الأَرْضَ؟ قَالَ: «اللَّهُ» ، قَالَ: فَمَنْ نَصَبَ الْجِبَالَ؟ قَالَ: «اللَّهُ» ، قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَاءَ وَخَلَقَ الأَرْضَ وَنَصَبَ الْجِبَالَ آللَّهُ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: «نَعَمْ» ، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي يَوْمِنَا وَلَيْلَتِنَا؟ قَالَ: «صَدَقَ» ، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَا؟ قَالَ: «نَعَمْ» .

قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا زَكَاةً فِي أَمْوَالِنَا، قَالَ: «صَدَقَ» ، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَا؟ قَالَ: «نَعَمْ» ، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا صَوْمَ شَهْرٍ فِي سَنَتِنَا؟ قَالَ: «صَدَقَ» ، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ» ، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا حَجَّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلا؟ قَالَ: «صَدَقَ» ، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ» ، قَالَ: ثُمَّ وَلَّى الرَّجُلُ، فَقَالَ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ، لا أَزِيدُ عَلَيْهِنَّ وَلا أَنْقُصُ مِنْهُنَّ شَيْئًا.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنْ صَدَقَ لَيَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ»
১ - আবুল বারাকাত আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে আসাকির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম, ৬২১ হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসে। তাঁকে বলা হলো: শেখ আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে আবিল হাসান ইবনে ইব্রাহিম আদ-দারানি কি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আপনি শুনছিলেন? এটি ছিল ৫৫৬ হিজরি সনের ২৬শে জুমাদাল উলা, বৃহস্পতিবার। তিনি বললেন: শেখ আবুল ফরাজ সাহল ইবনে বিশর ইবনে আহমদ আল-ইসফারাঈনী ৪৯০ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল। তিনি বললেন: শেখ আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আহমদ আস-সুদ্দী ৪৬৯ হিজরি সনের ৬ই শাবান সোমবার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নাসর ইবনে বুজাইর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ ইবনে উসামা আদ-দুহলী আল-কাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম। আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইমান আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আসিম ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। সুলাইমান ইবনে আল-মুগীরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। সাবেত থেকে বর্ণিত, আনাস (রা.) বলেন: আমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তাই মরুঅঞ্চল থেকে কোনো বুদ্ধিমান লোক এসে তাঁকে প্রশ্ন করবে আর আমরা তা শুনব—এটা আমাদের কাছে খুব ভালো লাগত। এরপর মরুঅঞ্চলের এক ব্যক্তি এসে বলল: হে মুহাম্মদ, আপনার প্রেরিত দূত আমাদের কাছে এসেছিলেন এবং দাবি করেছেন যে, আপনি নাকি দাবি করেন যে আল্লাহ আপনাকে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: ‌"সে সত্য বলেছে।" সে বলল: তবে আকাশ কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: "আল্লাহ।" সে বলল: জমিন কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: "আল্লাহ।" সে বলল: পাহাড়সমূহকে কে স্থাপন করেছেন? তিনি বললেন: "আল্লাহ।" সে বলল: তবে যিনি আকাশ সৃষ্টি করেছেন, জমিন সৃষ্টি করেছেন এবং পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন, তাঁর কসম করে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" সে বলল: আপনার দূত দাবি করেছেন যে, আমাদের ওপর দিন ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ? তিনি বললেন: "সে সত্য বলেছে।" সে বলল: তবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

সে বলল: আপনার দূত দাবি করেছেন যে, আমাদের সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ? তিনি বললেন: "সে সত্য বলেছে।" সে বলল: তবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" সে বলল: আপনার দূত দাবি করেছেন যে, আমাদের ওপর বছরে এক মাস রোজা রাখা ফরজ? তিনি বললেন: "সে সত্য বলেছে।" সে বলল: তবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" সে বলল: আপনার দূত দাবি করেছেন যে, সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর বায়তুল্লাহর হজ ফরজ? তিনি বললেন: "সে সত্য বলেছে।" সে বলল: তবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" এরপর লোকটি পিঠ ফিরিয়ে চলে যাওয়ার সময় বলল: সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি এর চেয়ে বেশি কিছু করব না এবং এর থেকে কিছু কমাবও না।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "যদি সে সত্য বলে থাকে, তবে অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ٣)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، ثنا عَاصِمٌ، ثنا سُلَيْمَانُ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: "‌‌ مَا شَمَمْتُ قَطُّ عَنْبَرًا وَلا مِسْكًا أَطْيَبَ مِنْ رِيحِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَمَا مَسَسْتُ شَيْئًا قَطُّ دِيبَاجًا وَلا حَرِيرًا أَلْيَنَ مِنْ كَفِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

قَالَ: قُلْتُ: يَا أَبَا حَمْزَةَ، أَلَيْسَ كَأَنَّكَ تَنْظُرُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَكَأَنَّكَ تَسْمَعُ نَغْمَتَهُ؟ قَالَ: بَلَى وَاللَّهِ، إِنِّي لأَرْجُو أَنْ أَلْقَاهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَأَقُولَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، خُوَيْدِمُكَ "
২ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আসিম থেকে, তিনি সুলাইমান থেকে, তিনি সাবিত থেকে এবং সাবিত আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "‌‌ আমি কখনো আম্বর বা কস্তুরীর এমন সুঘ্রাণ ঘ্রাণ নিইনি যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুঘ্রাণের চেয়ে অধিক উত্তম ছিল, আর আমি কখনো এমন কোনো মোটা রেশম বা চিকন রেশম স্পর্শ করিনি যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালুর চেয়ে অধিক কোমল ছিল।

তিনি (সাবিত) বলেন: আমি বললাম, হে আবু হামজা! আপনি কি এখনো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে তাকিয়ে আছেন এবং তাঁর কণ্ঠস্বর শুনছেন বলে মনে হয় না? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই আশা রাখি যে কিয়ামতের দিন তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হবে, তখন আমি বলব: হে আল্লাহর রাসুল! আপনার এই ছোট্ট খাদেম।"
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ٤)
3 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَافَ عَلَى نِسَائِهِ جَمِيعًا فِي يَوْمٍ وَاحِدٍ »
৩ - ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ছাবিত থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন যে: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিনে তাঁর সকল স্ত্রীর নিকট গমন করেছেন।»
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ٥)
4 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: "‌‌ لا تَدْعُوا بِالْمَوْتِ وَلا تَتَمَنَّوْهُ، فَمَنْ كَانَ دَاعِيًا لا بُدَّ فَلْيَقُلِ: اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِي وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي "
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে হারুন ইবনে আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হাফস, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে তাহমান, হাজ্জাজ থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ তোমরা মৃত্যুর জন্য প্রার্থনা করো না এবং তার আকাঙ্ক্ষাও করো না। যদি কাউকে একান্তই প্রার্থনা করতে হয়, তবে সে যেন বলে: হে আল্লাহ, আমাকে ততক্ষণ পর্যন্ত জীবিত রাখুন যতক্ষণ জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয় এবং যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয় তখন আমার মৃত্যু দান করুন।"
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ٦)
5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبْدُوسٍ، نا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أنبا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا دَعَا جَعَلَ ظَاهِرَ كَفَّيْهِ مِمَّا يَلِي وَجْهَهُ وَبَاطِنَهُمَا مِمَّا يَلِي الأَرْضَ »
৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুস, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল জা'দ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ্, সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন দুআ করতেন, তখন তিনি তাঁর দুই হাতের তালুর বহির্ভাগ তাঁর চেহারার দিকমুখী রাখতেন এবং সে দুটির অভ্যন্তরীণ ভাগ যমীনের দিকমুখী রাখতেন।
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ٧)
6 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ، ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: ‌‌«مَا بَقِيَ مَعَ النَّبِيِّ يَوْمَ أُحُدٍ إِلا أَرْبَعَةٌ أَحَدُهُمْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ»
৬ - মুসা ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে সালামাহ ইবনে কুহাইল তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ‌‌«উহুদ যুদ্ধের দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে চারজন ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট ছিলেন না, তাঁদের একজন ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ।»
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ٨)
7 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ، ثنا قُتَيْبَةُ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَطِيَّةَ الْقُرَظِيِّ، قَالَ: ‌‌«كُنْتُ فِيمَنْ حَكَمَ فِيهِ سَعْدٌ، فَكَشَفُوا عَنْ عَانَتِي، فَوَجَدُونِي لَمْ أُنْبِتْ، فَجَعَلُونِي فِي السَّبْيِ»
৭ - মুসা ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুতাইবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের হতে বর্ণিত, আতিয়্যা আল-কুরাজি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম যাদের ব্যাপারে সা’দ ফয়সালা দিয়েছিলেন। তারা আমার নাভির নিচের পশম পরীক্ষা করে দেখল এবং দেখল যে তা গজায়নি। ফলে তারা আমাকে যুদ্ধবন্দীদের অন্তর্ভুক্ত করল।»
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ٩)
8 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْكُمَيْتِ، ثنا مُعَلَّى بْنُ مَهْدِيٍّ، أَنْبَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قالَ: سَمِعْتُ حَفْصَةَ، تَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«الْمَلائِكَةُ لا تَصْحَبُ عِيرًا فِيهَا جَرَسٌ»
৮ - হুসাইন ইবনুল কুমাইত আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুআল্লা ইবনে মাহদী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাবির থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি হাফসাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি ইরশাদ করেছেন: ‌‌«ফিরিশতারা এমন কাফেলার সঙ্গী হয় না যাতে ঘণ্টা থাকে»
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبْدُوسٍ، ثنا الْقَوَارِيرِيُّ، ثنا الْمُعْتَمِرُ، حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَقُولُ: ‌‌«كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصْبِحُ جُنُبًا مِنْ غَيْرِ حُلُمٍ فَيَصُومُ»
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আবদুস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাওয়ারিরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মু’তামির, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবন যায়িদ, তিনি বলেন: আমি আবু বকর ইবন আবদুর রহমানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বপ্নদোষ ব্যতীতই নাপাক অবস্থায় ভোর করতেন, অতঃপর তিনি রোজা রাখতেন।»
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ١١)
10 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ الْحَجَّاجِ الْبَاهِلِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَمِقِ: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِعَبْدٍ خَيْرًا اسْتَعْمَلَهُ» .

قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَكَيْفَ يَسْتَعْمِلُهُ؟ قَالَ: «يَهْدِيهِ لِعَمَلٍ صَالِحٍ قَبْلَ مَوْتِهِ»
১০ - মুসা ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে হাফস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবনে তাহমান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনে হাজ্জাজ আল-বাহিলি থেকে, তিনি কাতাদা থেকে, তিনি হাসান থেকে এবং তিনি আমর ইবনে আল-হামিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন আল্লাহ কোনো বান্দার কল্যাণ চান, তখন তাকে কাজে লাগান»।

জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, তিনি তাকে কীভাবে কাজে লাগান? তিনি বললেন: «মৃত্যুর পূর্বে তাকে সৎকাজের তাওফিক দান করেন»
(খণ্ড: ١٣) আল জুযউ ২৩ মিন হাদীসি আবিত তাহিরিয যুহলী ইনতিকাউদ দারাকুতনী (পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَسَاكِرَ، قَالَ: أَنْبَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الدَّارَانِيُّ، قَالَ: أَنْبَا الشَّيْخُ أَبُو الْفَرَجِ سَهْلُ بْنُ بِشْرٍ الإِسْفَرَايِينِيُّ، فِي صَفَرٍ مِنْ سَنَةِ تِسْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أَنْبَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، أَنْبَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْقَاضِي، ثنا مُوسَى بْنُ سَهْلِ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ أَبُو عِمْرَانَ الْجُوَيْنِيُّ، ثنا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، ثنا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ هِلالٍ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: عَلَّمَتْنِي أَسْمَاءُ بِنْتُ عُمَيْسٍ كَلِمَاتٍ عَلَّمَهَا إِيَّاهُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،‌‌ أَقُولُهُنَّ عِنْدَ الْكَرْبِ: «اللَّهُ اللَّهُ اللَّهُ رَبِّي لا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا»

وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وحده.
১১ - আমাদের কাছে আল-হাসান বিন আসাকির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন শেখ আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন আবিল হাসান আদ-দারানি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন শেখ আবুল ফরাজ সাহল বিন বিশর আল-ইসফারায়িনি, চারশত নব্বই হিজরি সনের সফর মাসে। আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন, আমাদের অবহিত করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-কাদি। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসা বিন সাহল বিন আবদুল হামিদ আবু ইমরান আল-জুওয়াইনি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন আম্মার, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন ইয়াহইয়া, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ বিন উমর বিন আবদুল আজিজ, হিলাল থেকে—যিনি উমর বিন আবদুল আজিজের মুক্তদাস—তিনি উমর বিন আবদুল আজিজ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আসমা বিনতে উমাইস আমাকে এমন কিছু বাক্য শিক্ষা দিয়েছেন যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে শিখিয়েছিলেন, আমি বিপদের সময় সেগুলো বলি: ‘আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ আমার রব, আমি তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করি না।’

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য।