(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: -)
بيان خطأ من أخطأ على الشافعي للبيهقي القسم: كتب السنة
الكتاب: بيان خطأ من أخطأ على الشافعي
المؤلف: أحمد بن الحسين بن علي بن موسى الخُسْرَوْجِردي الخراساني، أبو بكر البيهقي (ت 458هـ)
المحقق: د. الشريف نايف الدعيس
الناشر: مؤسسة الرسالة - بيروت
الطبعة: الأولى، 1402
عدد الصفحات: 335
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইমাম শাফিঈর বিষয়ে যারা ভুল করেছেন তাদের ভুল বর্ণনা - বায়হাকী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইমাম শাফিঈর বিষয়ে যারা ভুল করেছেন তাদের ভুল বর্ণনা
লেখক: আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন মুসা আল-খুসরাওজিরদী আল-খুরাসানী, আবু বকর আল-বায়হাকী (মৃত্যু ৪৫৮ হি.)
সম্পাদক: ড. আশ-শরিফ নায়েফ আদ-দুআইস
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০২
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৩৫
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٣)
مُقَدِّمَةُ الْمُؤَلِّفِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ كِفَاءً حَقَّهُ، وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى رَسُولِهِ مُحَمَّدٍ خَيْرِ خَلْقِهِ وَعَلَى الطَّاهِرِينَ مِنْ آلِهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَقَامَ الْحُجَّةَ عَلَى مَنْ جَعَلَهُ مُكَلَّفًا مِنْ بَرِيَّتِهِ بِوَحْدَانِيَّتِهِ وَاصْطَفَى مَنْ شَاءَ مِنْهُمْ بِرِسَالَتِهِ، واجْتَبَى مَنْ أَرَادَ مِنَ الْأُمَمِ بِلْطُفِهِ وهِدَايَتِهِ، وَخَصَّنَا بِالنَّبِيِّ الْأُمِيِّ وَالرَّسُولِ الْمَكِّيِّ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم وَعَلَى آلِهِ أَجْمَعِينَ، فَقَامَ فِي أُمَّتِهِ بِتَبْلِيغِ الرِّسَالَةِ وَتَعْلِيمِ الشَّرِيعَةِ، وَأَدَاءِ النُّصْحِ لِلْأُمَّةِ حَتَّى تَرَكَهُمْ حِينَ فَارَقَهُمْ عَلَى الْوَاضِحَةِ، فَقَالَ فِيمَا ثَبَتَ عَنْهُ صلى الله عليه وسلم «لَا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِينَ لَا يَضُرُّهُمُ مَنْ خَذَلَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللَّهِ عز وجل» ، فَوَجَدْنَا خَبَرَهُ صِدْقًا، وَوَعْدَهُ حَقًّا فِي طَائِفَةٍ مِنْ أُمَّتِهِ قَامُوا بِنَقْلِ شَرِيعَتِهِ عَلَى الصِّحَّةِ وَإِظْهَارِ مِلَّتِهِ بَعْدَ الْمَعْرِفَةِ، مِنْ يَوْمِ قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
লেখকের ভূমিকা। সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, যা তাঁর হকের যথাযথ প্রাপ্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর, যিনি তাঁর সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, এবং তাঁর পবিত্র পরিবারবর্গের ওপর। সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর সৃষ্টির মধ্য হতে যাদেরকে জিম্মাদার করেছেন তাদের নিকট তাঁর একত্বের প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত করেছেন, এবং তাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা করেছেন তাঁর রিসালাতের জন্য মনোনীত করেছেন। আর জাতিসমূহের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা করেছেন তাঁর অনুগ্রহ ও হিদায়াতের মাধ্যমে নির্বাচন করেছেন। এবং তিনি আমাদের বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছেন নিরক্ষর নবী এবং মক্কি রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সকল পরিবারবর্গের মাধ্যমে। অতঃপর তিনি তাঁর উম্মতের নিকট রিসালাত পৌঁছানো, শরিয়ত শিক্ষা দেওয়া এবং উম্মতকে উপদেশ প্রদানের দায়িত্ব পালন করেছেন; এমনকি যখন তিনি তাদের ছেড়ে বিদায় নিলেন, তখন তাদের এক সুস্পষ্ট পথের ওপর রেখে গেছেন। তাঁর থেকে যা সুসাব্যস্ত হয়েছে তাতে তিনি বলেছেন: "আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা হকের ওপর বিজয়ী থাকবে, যারা তাদের সহযোগিতা বর্জন করবে তারা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, যতক্ষণ না মহান আল্লাহর নির্দেশ আসে।" আমরা তাঁর দেওয়া সংবাদকে সত্য এবং তাঁর প্রতিশ্রুতিকে যথার্থ হিসেবে পেয়েছি তাঁর উম্মতের এমন এক দলের মধ্যে, যারা সঠিকভাবে তাঁর শরিয়ত বর্ণনা করার এবং সঠিক জ্ঞান অর্জনের পর তাঁর ধর্মাদর্শকে প্রকাশ করার দায়িত্ব পালন করেছেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের দিন থেকেই।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٤)
إِلَى يَوْمِنَا هَذَا يَتْبَعُ بَعْضُهُمْ بَعْضًا، وَكَانَ فِيمَا نُقِلَ إِلَيْنَا مِنَ أَخْبَارِهِ صلى الله عليه وسلم تَخْصِيصُ قُرَيْشٍ بِرِيَادَةِ الْعِلْمِ، وتَخْصِيصُ الْأُمَّةِ عَلَى مُتَابَعَةِ مَنْ كَانَ مِنْهُمْ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ لِقَوْلِهِ صلى الله عليه وسلم: «الْأَئِمَّةُ فِي قُرَيْشٍ» وَقَوْلِهِ عليه الصلاة والسلام: «تَعَلَّمُوا مِنْ قُرَيْشٍ وَلَا تُعَلِّمُوهَا» وَقَوْلِهِ: «قَدِّمُوا قُرَيْشًا وَلَا تَقَدَّمُوهَا» وَقَوْلِهِ: «لِلْقُرَشِيِّ مِثْلُ قُوَّةِ الرَّجُلَيْنِ مِنْ غَيْرِهِمْ» قَالَ الزُّهْرِيُّ: يَعْنِي بِهِ نُبْلَ الرَّأْيِ. وَكَانَ فِيمَا رُوِيَ عَنْهُ عليه الصلاة والسلام: «لَا تَسُبُّوا قُرَيْشًا فَإِنَّ عَالِمَهَا يَمْلَأُ الْأَرْضَ عِلْمًا» فَنَظَرْنَا فَلَمْ نَجِدْ فِيمَنْ بَعْدَ الصَّحَابَةِ قُرَشِيًّا مَلَأَ طِبَاقَ الْأَرْضِ عِلْمًا
আজ অবধি তারা একে অপরকে অনুসরণ করে আসছে। এবং তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সংবাদসমূহ থেকে আমাদের নিকট যা বর্ণিত হয়েছে, তাতে ইলমের নেতৃত্বে কুরাইশদের বিশেষিত করা হয়েছে এবং উম্মতকে তাদের মধ্যকার আহলে ইলমদের অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। কেননা তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ইমামগণ কুরাইশদের মধ্য থেকে হবেন» এবং তাঁর (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বাণী: «তোমরা কুরাইশদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করো এবং তাদের শিক্ষা দিতে যেও না» এবং তাঁর বাণী: «তোমরা কুরাইশদের অগ্রবর্তী রাখো এবং তাদের অগ্রবর্তী হতে যেও না» এবং তাঁর বাণী: «একজন কুরাইশ ব্যক্তির শক্তি অন্যদের মধ্য থেকে দুই ব্যক্তির শক্তির সমান»; ইমাম যুহরী বলেন: এর দ্বারা তিনি মতামতের শ্রেষ্ঠত্ব বা বুদ্ধিমত্তাকে বুঝিয়েছেন। এবং তাঁর (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) থেকে বর্ণিত বর্ণনাসমূহের মধ্যে রয়েছে: «তোমরা কুরাইশদের গালি দিয়ো না, কেননা তাদের মধ্যকার একজন আলিম জমিনের স্তরসমূহকে ইলম দ্বারা পরিপূর্ণ করে দেবেন।» অতঃপর আমরা লক্ষ্য করলাম, কিন্তু সাহাবায়ে কিরামের পরবর্তী স্তরে এমন কোনো কুরাইশ ব্যক্তিকে খুঁজে পেলাম না যিনি পৃথিবীকে ইলম দ্বারা পরিপূর্ণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٥)
إِلَّا الشَّافِعِيَّ الْمُطَّلِبِيَّ رضي الله عنه مُحَمَّدَ بْنَ إِدْرِيسَ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ شَافِعِ بْنِ السَّائِبِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عَبْدِ يَزِيدَ بْنِ هَاشِمِ بْنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ مَنَافٍ ابْنِ عَمِّ الْمُصْطَفَى صلى الله عليه وسلم. وَوَجَدْنَا طَائِفَةً مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ مِمَّنْ أَدْرَكُوا زَمَانَهُ أَوْ جَاءُوا بَعْدَهُ اسْتَعْمَلُوا هَذِهِ فِي كُتُبِهِ وَسُلُوكِ طَرِيقَتِهِ فِي مَعْرِفَةِ الشَّرِيعَةِ بِالْأَعْلَامِ الْمَنْصُوبَةِ عَلَى سُبُلِ الْحَقِّ نَصًّا أَوْ دَلَالَةً وَبَارَكَ اللَّهُ عز وجل لَهُمْ فِي اسْتِعْمَالِهَا وَنَفَعَهُمْ بِهِ فَتَبِعْنَاهُمْ فِي ذَلِكَ وَنَحْنُ نَرْجُو يُمْنَهَا وَبَرَكَتَهَا وَالِانْتِفَاعَ بِهِ. وَنَظَرْنَا فِي كُتُبِهِ فَوَجَدْنَا أَبَا إِبْرَاهِيمَ إِسْمَاعِيلَ بْنَ يَحْيَى الْمُزَنِيَّ رحمه الله وَإِيَّاهُ جَعَلَ مِنْهَا مُخْتَصَرًا، وَاتَّخَذَ أَبُو عَمْرِو بْنُ مَطَرٍ النَّيْسَابُورِيُّ أَوْ غَيْرُهُ مِنَ الْأَحَادِيثِ الَّتِي أَوْرَدَهَا فِيمَا صَنَّفَهُ بِمِصْرَ، وَرَوَاهُ عَنْهُ الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمُرَادِيُّ مُسْنِدًا مُخَرَّجًا مِنْ مَسْمُوعَاتِ أَبِي الْعَبَّاسِ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ الْأَصَمِّ، وَكُنْتُ قَدْ نَظَرْتُ فِي كُتُبِ أَهْلِ الْعِلْمِ بِالْحَدِيثِ وَالْفِقْهِ، وجَالَسْتُ أَهْلَهَا وَذَاكَرْتُهُمْ وَعَرَفْتُ شَيْئًا مِنْ عُلُومِهِمْ فَوَجَدْتُ فِي بَعْضِ مَا نُقِلَ مِنْ كُتُبِهِ وَحُوِّلَ مِنْهَا إِلَى غَيْرِهِ خَلَلًا فِي النَّقْلِ، وَعُدُولًا
শাফেঈ আল-মুত্তালিবী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ব্যতীত—যিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবন ইদ্রিস ইবন আল-আব্বাস ইবন উসমান ইবন শাফে' ইবন আস-সাইব ইবন উবাইদ ইবন আবদ ইয়াযীদ ইবন হাশিম ইবন আল-মুত্তালিব ইবন আবদ মানাফ, মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর চাচাতো ভাই। আমরা এই উম্মতের এমন একদল লোককে পেয়েছি যারা তাঁর যুগ পেয়েছিলেন কিংবা তাঁর পরবর্তীকালে এসেছেন, তাঁরা শরীয়ত সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে তাঁর কিতাবসমূহ ব্যবহার করেছেন এবং তাঁর কর্মপন্থা অনুসরণ করেছেন; সত্যের পথে স্থাপিত নিদর্শনাবলি—সুস্পষ্ট বক্তব্য (নস) কিংবা ইঙ্গিত (দালালাত)-এর মাধ্যমে। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁদের জন্য সেই ব্যবহারের মধ্যে বরকত দিয়েছেন এবং এর দ্বারা তাঁদের উপকৃত করেছেন। ফলে আমরাও এক্ষেত্রে তাঁদের অনুবর্তী হয়েছি এবং আমরা এর কল্যাণ, বরকত ও তদ্দ্বারা উপকৃত হওয়ার আশা রাখি। আমরা তাঁর কিতাবসমূহ পর্যালোচনা করেছি এবং দেখেছি যে, আবু ইবরাহিম ইসমাইল ইবন ইয়াহইয়া আল-মুযানী (রাহিমাহুল্লাহ) সেগুলো থেকে একটি সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করেছেন। আর আবু আমর ইবন মাতার আন-নায়সাবুরী অথবা অন্য কেউ মিশরে তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ থেকে সংকলিত হাদিসগুলো গ্রহণ করেছেন এবং রাবি' ইবন সুলাইমান আল-মুরাদী তাঁর থেকে সেগুলো সনদসহ বর্ণনা করেছেন, যা আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ ইবন ইয়াকুব আল-আসাম-এর শ্রবণকৃত সংকলনসমূহ থেকে গৃহীত হয়েছে। আমি হাদিস ও ফিকহ শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞগণের কিতাবসমূহ অধ্যয়ন করেছি, তাঁদের সংশ্রবে বসেছি, তাঁদের সাথে জ্ঞানতাত্ত্বিক আলোচনা করেছি এবং তাঁদের ইলম সম্পর্কে কিছুটা অবগতি লাভ করেছি। অতঃপর তাঁর কিতাবসমূহ থেকে যা কিছু উদ্ধৃত হয়েছে এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয়েছে, তার কয়েকটিতে আমি বর্ণনার ক্ষেত্রে ত্রুটি ও বিচ্যুতি দেখতে পেয়েছি।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٦)
عَنِ الصِّحَّةِ بِالتَّحْوِيلِ، فَرَدَدْتُ مَبْسُوطَ كُتُبِهِ الْقَدِيمَةِ وَالْجَدِيدَةِ إِلَى تَرْتِيبِ الْمُخْتَصَرِ. لِيَتَبَيَّنَ لِمَنْ تَفَكَّرَ فِي مَسَائِلِهِ مِنْ أَهْلِ الْفِقْهِ مَا وَقَعَ فِيهِ مِنَ التَّحْرِيفِ وَالتَّبْدِيلِ، وَيَظْهَرَ لِمَنْ نَظَرَ فِي أَخْبَارِهِ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ بِالْحَدِيثِ مَا وَقَعَ فِيهِ الْخَلَلُ بِالتَّقْصِيرِ فِي النَّقْلِ، ثُمَّ حِينَ صَنَّفْتُ كِتَابَ مَعْرِفَةِ السُّنَنِ وَالْآثَارِ عَنِ الشَّافِعِيِّ بَيَّنْتُ فِيهِ مَا عَثَرْتُ عَلَيْهِ مِنْ خَطَأِ مَنْ أَخْطَأَ عَلَيْهِ فِي الْأَخْبَارِ، فَسَأَلَنِي بَعْضُ إِخْوَانِي مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ بِالْحَدِيثِ إِفْرَادَهُ بِالذِّكْرِ عَنْ كِتَابِ الْمَعْرِفَةِ، لِمَا فِيهِ مِنْ زِيَادَةِ الْمَنْفَعَةِ لِمَنْ تَتَبَّعَ الْمُسْنَدَ أَوِ الْمُخْتَصَرَ فِي الْوُقُوفِ عَلَيْهِ وَلَمْ يَهْتَدِ فِي كِتَابِ الْمَعْرِفَةِ إِلَيْهِ، فَأَجَبْتُهُ إِلَى مُلْتَمَسِهِ مُسْتَعِينًا بِاللَّهِ عز وجل فِي إِتْمَامِهِ وَانْتِفَاعِ النَّاظِرِينَ فِيهِ بِهِ مُتُوَكِّلًا عَلَيْهِ فِيهِ، وَفِي جَمِيعِ أُمُورِنَا، وَهُوَ حَسْبُنَا وَنِعْمَ الْوَكِيلُ، وَنِعْمَ الْمُعِينُ
সঠিকতা থেকে পরিবর্তনের মাধ্যমে বিচ্যুত হওয়ার কারণে আমি তাঁর প্রাচীন ও নতুন বিস্তৃত কিতাবগুলোকে ‘আল-মুখতাসার’-এর বিন্যাস অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি; যাতে ফিকহবিদদের মধ্য থেকে যারা এর মাসআলাসমূহ নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করবেন, তাদের নিকট এতে সংঘটিত হওয়া বিকৃতি ও পরিবর্তনসমূহ স্পষ্ট হয়ে যায় এবং হাদিস বিশারদদের মধ্য থেকে যারা এর বর্ণনাগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন, তাদের নিকট বর্ণনায় ত্রুটির কারণে এতে যে বিচ্যুতি ঘটেছে তা প্রতিভাত হয়। অতঃপর আমি যখন ইমাম শাফিঈর সূত্রে ‘মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আসার’ কিতাবটি সংকলন করলাম, তখন তাতে আমি বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁর ওপর ভুল আরোপকারীদের সেই সব ভুলগুলো বর্ণনা করেছি যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। অতঃপর হাদিস শাস্ত্রের পণ্ডিত আমার জনৈক ভাই আমাকে অনুরোধ করলেন যেন আমি এই অংশটুকু ‘কিতাবুল মা’রিফাহ’ থেকে পৃথক করে স্বতন্ত্রভাবে উল্লেখ করি। কেননা যারা ‘আল-মুসনাদ’ অথবা ‘আল-মুখতাসার’ অনুসরণ করে প্রকৃত বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হতে চান, অথচ ‘কিতাবুল মা’রিফাহ’-তে এর দিশা পাননি, তাদের জন্য এতে অধিক উপকার রয়েছে। সুতরাং আমি তাঁর সেই অনুরোধ রক্ষা করেছি; এটি সম্পন্ন করতে এবং এর পাঠকদের জন্য একে ফলপ্রসূ করতে মহান আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং এই বিষয়ে ও আমাদের যাবতীয় বিষয়ে তাঁরই ওপর ভরসা করছি। তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট, কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক এবং কতই না উত্তম সাহায্যকারী।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٦)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى السُّلَمِيُّ، أبنا الْحَسَنُ بْنُ رشيقٍ، إِجَازَةً، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ سَمِعْتُ الْمُزَنِيَّ، يَقُولُ: " مَنْ شَاءَ مِنْ خَلْقِ اللَّهِ عز وجل نَاظَرْتُهُ عَلَى خَطَأِ الشَّافِعِيِّ أَنَّ الْخَطَأَ مِنَ الْكَاتِبِ لَيْسَ مِنْهُ
আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা আস-সুলামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে রাশীক ইজাজতসূত্রে আমাদের জানিয়েছেন, আহমদ ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আল-মুযানীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সৃষ্টির মধ্যে যে কেউ চাইলে আমি শাফিঈর ভুলের বিষয়ে তার সাথে বাহাস করব যে, সেই ভুলটি লেখকের পক্ষ থেকে হয়েছে, তাঁর পক্ষ থেকে নয়।"
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٦)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيُّ سَمِعْتُ الشَّيْخَ أَبَا الْوَلِيدِ حَسَّانَ بْنَ مُحَمَّدٍ ⦗ص: 97⦘ الْفَقِيهَ، سَمِعْتُ أَبَا بَكْرِ بْنَ أَبِي دَاوُدَ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: «لَيْسَ مِنَ الْعُلَمَاءِ أَحَدٌ إِلَّا وَقَدْ أَخْطَأَ فِي حَدِيثِهِ إِلَّا بِشْرَ بْنَ الْمُفَضَّلِ، وَمَا أعْرِفُ لِلشَّافِعِيِّ حَدِيثًا خَطَأً» وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أبنا أَبُو الْوَلِيدِ الْفَقِيهُ فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ إِلَّا أَنَّهُ قَالَ: «غَيْرَ ابْنِ عُلَيَّةَ وَبِشْرِ بْنِ الْمُفَضَّلِ، وَمَا أَعْلَمُ لِلشَّافِعِيِّ حَدِيثًا خَطَأً» وَأَبُو دَاوُدَ هَذَا هُوَ سُلَيْمَانُ بْنُ الْأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ أَحَدُ أَئِمَّةِ أَهْلِ الْمَعْرِفَةِ بِالْحَدِيثِ، وَمِمَّنْ أَدْرَكَ أَصْحَابَ الشَّافِعِيِّ، وَوَقَفَ عَلَى رِوَايَاتِهِ قَدِيمَةً وَجَدِيدَةً
আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি শেখ আবুল ওয়ালিদ হাসান ইবনে মুহাম্মদ ⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘ আল-ফকিহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু বকর ইবনে আবু দাউদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: «আলেমদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে তাঁর বর্ণিত হাদিসে ভুল করেনি, বিশর ইবনুল মুফাযযাল ব্যতীত; আর আমি ইমাম শাফিঈর কোনো ভুল হাদিস সম্পর্কে জানি না।» এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (তিনি বলেন) আবুল ওয়ালিদ আল-ফকিহ আমাদের জানিয়েছেন; অতঃপর তিনি এটি তাঁর সনদে উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি বলেছেন: «ইবনে উলাইয়্যাহ এবং বিশর ইবনুল মুফাযযাল ব্যতীত অন্য কেউ নেই, আর আমি ইমাম শাফিঈর কোনো ভুল হাদিস সম্পর্কে জানি না।» আর এই আবু দাউদ হলেন সুলাইমান ইবনুল আশ‘আস আস-সিজিস্তানি, যিনি হাদিস বিশারদ ইমামদের অন্যতম এবং তাঁদের অন্তর্ভুক্ত যারা ইমাম শাফিঈর অনুসারীদের সাহচর্য পেয়েছিলেন এবং তাঁর প্রাচীন ও নতুন সকল বর্ণনার ব্যাপারে সম্যক অবগত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٧)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أبنا الزُّبَيْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْحَافِظُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْقَزْوِينِيَّ سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ الرَّازِيَّ، يَقُولُ: مَا عِنْدَ الشَّافِعِيِّ حَدِيثٌ غَلِطَ فِيهِ قُلْتُ: أَبُو زُرْعَةَ هَذَا هُوَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ الرَّازِيُّ، أَحَدُ أَرْكَانِ الْحَدِيثِ وَحُفَّاظِهِ، وَمِمَّنْ سَمِعَ كُتُبَ الشَّافِعِيِّ وَوَقَفَ عَلَى رِوَايَاتِهِ
আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যুবায়ের বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-কাযউইনীকে বলতে শুনেছি, আমি আবু যুরআহ আর-রাযীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইমাম শাফি'ঈর নিকট এমন কোনো হাদিস নেই যাতে তিনি ভুল করেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: এই আবু যুরআহ হলেন উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল কারীম আর-রাযী, যিনি ইলমে হাদিসের অন্যতম রুকন ও হাফেজদের একজন এবং যিনি ইমাম শাফি'ঈর কিতাবসমূহ শ্রবণ করেছেন এবং তাঁর বর্ণনাগুলো সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٧)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أَخْبَرَنِي الزُّبَيْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْحَافِظُ أبنا مَكْحُولٌ الْبَيْرُوتِيُّ حَدَّثَنِي أَبُو عَمْرٍو الْقَزْوِينِيُّ سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ الْأَثْرَمَ ⦗ص: 98⦘، يَقُولُ: قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ: الشَّافِعِيُّ كَانَ صَاحِبَ حَدِيثٍ؟ قَالَ: إِي وَاللَّهِ صَاحِبُ حَدِيثٍ قُلْتُ: وَإِنَّمَا أَرَادَ بِهِ أَنَّهُ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْمَعْرِفَةِ بِالْحَدِيثِ، وَمِنَ الْقَائِلِينَ بِهِ، وَلِأَجْلِ ذَلِكَ كَانَ يَدْعُو اللَّهَ لَهُ وَرُوِّينَا عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ، وَكَانَ أَقْدَمَ مِنْهُ سِنًّا وَمَوْتًا أَنَّهُ قَالَ: إِنِّي لَأَدْعُو اللَّهَ لِلشَّافِعِيِّ أَخُصُّهُ بِهِ
মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আয-যুবাইর বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাফিয আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, মাকহুল আল-বাইরুতী আমাদের জানিয়েছেন, আবু আমর আল-কাযওয়িনী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আবু বকর আল-আছরামকে ⦗পৃষ্ঠা: ৯৮⦘ বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন হাম্বলকে বললাম: আশ-শাফিঈ কি হাদিস বিশারদ ছিলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহর কসম, তিনি হাদিস বিশারদ ছিলেন। আমি বলি: এর দ্বারা তিনি কেবল এটাই বুঝাতে চেয়েছেন যে, তিনি হাদিসের গভীর জ্ঞানসম্পন্ন এবং হাদিস অনুযায়ী মত ব্যক্তকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আর একারণেই তিনি তাঁর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন। এবং ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান থেকে আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে—যিনি বয়সে তাঁর চেয়ে বড় ছিলেন এবং তাঁর পূর্বেই ইন্তেকাল করেছিলেন—যে তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর কাছে আশ-শাফিঈর জন্য বিশেষভাবে দোয়া করি।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٨)
وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أبنا أَبُو الْوَلِيدِ الْفَقِيهُ ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَحْمُودٍ ثنا أَبُو سُلَيْمَانَ يَعْنِي دَاوُدَ الْأَصْبَهَانِيَّ ثنا الْحَارِثُ بْنُ سُرَيْجٍ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، يَقُولُ: «إِنِّي لَأَدْعُو اللَّهَ لِلشَّافِعِيِّ وَحْدَهُ» وَرُوِّينَا عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، وَكَانَ أَيْضًا أَكْبَرَ مِنْهُ سِنًّا، وَأَقْدَمَ مِنْهُ مَوْتًا، أَنَّهَ قَالَ: بَعَثَ الشَّافِعِيُّ بِكِتَابِ الرِّسَالَةِ إِلَيْهِ بِمَسْأَلَتِهِ، مَا أُصَلِّي صَلَاةً إِلَّا وَأَدْعُو لِلشَّافِعِيِّ فِيهَا
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের জানিয়েছেন আবুল ওয়ালিদ আল-ফকিহ, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে মাহমুদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু সুলায়মান অর্থাৎ দাউদ আল-আসফাহানি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবনে সুরাইজ: আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন, "নিশ্চয়ই আমি কেবল শাফিয়ীর জন্যই আল্লাহর নিকট দুআ করি।" আর আমাদের নিকট আব্দুর রহমান ইবনে মাহদি থেকেও বর্ণিত হয়েছে—যিনি বয়সে তাঁর চেয়ে বড় ছিলেন এবং তাঁর পূর্বেই ইন্তেকাল করেছিলেন—যে তিনি বলেছেন: শাফিয়ী তাঁর নিকট জিজ্ঞাসিত মাসআলাসহ 'কিতাবুর রিসালাহ' পাঠিয়েছিলেন। (তিনি বলেন:) "আমি এমন কোনো নামাজ আদায় করি না যাতে আমি শাফিয়ীর জন্য দুআ করি না।"
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٩)
وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ مُقَدَّمَانِ فِي عِلْمِ الْحَدِيثِ، وعَنْهُمَا أَخَذَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَعَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، وَيَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، وَغَيْرُهُمْ مِنَ الْأَقْرَانِ فِي عِلْمِ الْحَدِيثِ. وَرُوِّينَا عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ، وَإِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيِّ أَنَّهُمَا قَالَا: الشَّافِعِيُّ إِمَامٌ، وَسَمِعَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ مِنْهُ كِتَابَ الْمُوَطَّأِ بَعْدَ أَنْ كَانَ سَمِعَهُ مِنْ جَمَاعَةٍ، وَقَالَ: إِنِّي رَأَيْتُهُ فِيهِ ثَبْتًا
ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান এবং আব্দুর রহমান বিন মাহদী ইলমে হাদীসে শীর্ষস্থানীয় ছিলেন; এবং তাঁদের নিকট থেকেই আহমাদ বিন হাম্বল, আলী বিন মাদীনী, ইয়াহইয়া বিন মাঈন এবং ইলমে হাদীসের অন্যান্য সমসাময়িক পণ্ডিতগণ জ্ঞান অর্জন করেছেন। আমাদের নিকট কুতাইবা বিন সাঈদ এবং ইসহাক বিন ইবরাহীম আল-হানযালী থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তাঁরা উভয়েই বলেছেন: "শাফিঈ একজন ইমাম।" আর আহমাদ বিন হাম্বল ইতিপূর্বে একদল লোকের নিকট 'মুয়াত্তা' গ্রন্থটি শ্রবণ করার পর পুনরায় তাঁর নিকট থেকে তা শ্রবণ করেছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই আমি তাঁকে এতে অত্যন্ত সুদৃঢ় ও নির্ভরযোগ্য পেয়েছি।"
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٩)
وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حِبَّانَ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادٍ ثنا أَبُو الطِّيِّبِ أَحْمَدُ بْنُ رَوْحٍ الشَّعْرَانِيُّ، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ مَاجَهِ الْقَزْوِينِيَّ قَالَ: جَاءَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ إِلَى أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: فَمَرَّ بِهِ الشَّافِعِيُّ عَلَى بَغْلَتِهِ، فَقَامَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ إِلَى الشَّافِعِيِّ فَتَبِعَهُ وَأَبْطَأَ عَلَى يَحْيَى، فَقَالَ لَهُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ كَمْ هَذَا؟ قَالَ: فَقَالَ: دَعْ عَنْكَ، الْزَمْ ذَنَبَ الْبَغْلَةِ. قُلْتُ: وَأَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ رحمه الله وَإِيَّاهُ كَأَنَّهُ يَأْخُذُهُ شَيْءٌ مِمَّا يَأْخُذُ بَعْضَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنَ الْحَسَدِ وَمَعَ هَذَا فَكَانَ يُحْسِنُ الْقَوْلَ فِي الشَّافِعِيِّ
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হিব্বান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আত-তৈয়িব আহমাদ ইবনে রাউহ আশ-শা'রানি, আমি মুহাম্মাদ ইবনে মাজাহ আল-কাযউইনিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আহমাদ ইবনে হানবালের নিকট আসলেন। তিনি বলেন: এমতাবস্থায় শাফিঈ তাঁর খচ্চরের পিঠে চড়ে তাঁর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন আহমাদ ইবনে হানবাল শাফিঈর দিকে উঠে দাঁড়ালেন এবং তাঁর অনুসরণ করলেন, ফলে ইয়াহইয়ার নিকট ফিরতে তাঁর বিলম্ব হলো। তখন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন তাঁকে বললেন: হে আবু আব্দুল্লাহ! এ আর কতক্ষণ? তিনি বললেন: তখন তিনি (আহমাদ) বললেন: এসব কথা বাদ দিন, আপনি বরং এই খচ্চরের লেজ আঁকড়ে ধরুন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন —আল্লাহ তাঁর ও আমাদের প্রতি রহম করুন— মনে হচ্ছে তাঁর মধ্যে এমন কিছু পরিলক্ষিত হয়েছিল যা কিছু জ্ঞানীদের মধ্যে ঈর্ষা হিসেবে প্রকাশ পায়; তবে এতদসত্ত্বেও তিনি শাফিঈর ব্যাপারে উত্তম ও সপ্রশংস উক্তি করতেন।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ٩٩)
أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَالِينِيُّ، أبنا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَدِيٍّ الْحَافِظُ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ زَكَرِيَّا، بِهِ حَيْوَةُ، سَمِعْتُ هَاشِمَ بْنَ مَرْثَدٍ الطَّبَرَانِيَّ ⦗ص: 100⦘ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مَعِينٍ، يَقُولُ: «الشَّافِعِيُّ صَدُوقٌ لَا بَأْسَ بِهِ» وَكَذَلِكَ رَوَاهُ جَمَاعَةٌ غَيْرُ هَاشِمِ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ يَحْيَى
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মালিনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ আবদুল্লাহ ইবনে আদি আল-হাফিজ, আমি ইয়াহইয়া ইবনে যাকারিয়াকে বলতে শুনেছি, তাঁর সূত্রে হাইওয়াহ বর্ণনা করেছেন, আমি হাশিম ইবনে মারসাদ আল-তাবারানিকে বলতে শুনেছি ⦗পৃষ্ঠা: ১০০⦘ আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «শাফেঈ সত্যবাদী, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই» এবং একইভাবে হাশিম ইবনে মারসাদ ব্যতীত একদল বর্ণনাকারী ইয়াহইয়া থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠٠)
وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيُّ أبنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي جَعْفَرِ بْنُ أَبِي خَالِدٍ ثنا أَبُو جَعْفَرٍ الْأَصْبَهَانِيُّ ثنا أَحْمَدُ بْنُ رَوْحِ أَبَنَا الزَّعْفَرَانِيُّ قَالَ: سَأَلْتُ يَحْيَى بْنَ مَعِينٍ عَنِ الشَّافِعِيِّ، قَالَ: لَوْ كَانَ الْكَذِبُ مُطْلَقًا لَهُ، لِمَنَعَتْهُ مُرُوءَتُهُ عَنْ أَنْ يَكْذِبَ
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আবি জাফর বিন আবি খালিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আল-আসবাহানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন রউহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আয-যা'ফরানী; তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে শাফিঈ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: "যদি মিথ্যা বলা তার জন্য বৈধও হতো, তবুও তার মর্যাদাবোধ তাকে মিথ্যা বলা থেকে বিরত রাখত।"
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠٠)
وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أَخْبَرَنِي أَبُو الطِّيِّبِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَقِيهُ أبنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثنا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ رَوْحٍ الْبَغْدَادِيَّ سَمِعْتُ الزَّعْفَرَانِيَّ يَقُولُ: كُنْتُ مَعَ يَحْيَى بْنِ مَعِينٍ فِي جَنَازَةٍ فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَبَا زَكَرِيَّا مَا تَقُولُ فِي الشَّافِعِيِّ؟ قَالَ: دَعْنَا لَوْ كَانَ الْكَذِبُ لَهُ مُطْلَقًا لَكَانَتْ مُرُوءَتُهُ تَمْنَعُهُ أَنْ يَكْذِبَ، هَكَذَا أَتَى بِهِ شَيْخُنَا، وَأَخْبَرَنَا بِهِ فِي مَوْضِعَيْنِ آخَرَيْنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حِبَّانَ هَذَا دُونَ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى السَّاجِيِّ فِي إِسْنَادِهِ وَاللَّهُ أَعْلَمُ وَإِنَّمَا كَانُوا يَسْأَلُونَ يَحْيَى عَنْهُ، لِمَا كَانَ قَدِ اشْتُهِرَ مِنْ حَسَدِ يَحْيَى إِيَّاهُ، وَإِفْرَاطِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ فِي تَوْقِيرِهِ وَتَعْظِيمِهِ وَتَقْدِيمِهِ، وَالِاعْتِرَافِ بِفَضْلِهِ وَعَقْلِهِ وَعِلْمِهِ وَالْأَخْذِ عَنْهُ
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিয, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-তাইয়্যিব আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-ফকিহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া, আমি আহমদ ইবন রাওহ আল-বাগদাদিকে বলতে শুনেছি, আমি আল-জাফরানিকে বলতে শুনেছি: আমি ইয়াহইয়া ইবন মাঈনের সাথে একটি জানাজায় ছিলাম, তখন আমি তাঁকে বললাম: হে আবু যাকারিয়া, শাফিঈ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: আমাদের ছেড়ে দাও, যদি মিথ্যা বলা তার জন্য বৈধও হতো, তবুও তার পৌরুষ ও ব্যক্তিত্ব তাকে মিথ্যা বলা থেকে বিরত রাখত। আমাদের শায়খ এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি অন্য দুটি স্থানেও আমাদের এটি জানিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন হিব্বান থেকে, তবে এর সনদে যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া আল-সাজি নেই। আর আল্লাহই ভালো জানেন। তারা মূলত ইয়াহইয়াকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করত একারণে যে, তাঁর প্রতি ইয়াহইয়ার ঈর্ষার কথা প্রসিদ্ধ ছিল, এবং তাঁর প্রতি আহমদ ইবন হাম্বলের অত্যধিক শ্রদ্ধা, সম্মান, তাঁকে অগ্রাধিকার প্রদান এবং তাঁর মর্যাদা, প্রজ্ঞা ও জ্ঞানকে স্বীকৃতি দেওয়া ও তাঁর থেকে ইলম গ্রহণ করার কারণে।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠٠)
أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ الْمَالِينِيُّ أبنا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ الْحَافِظُ سَمِعْتُ مُوسَى بْنَ الْقَاسِمِ بْنِ مُوسَى بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُوسَى الْأَشْيَبُ، يَذْكُرُ عَنْ بَعْضِ مَشَايخِهِ ⦗ص: 101⦘، قَالَ: لَمَّا قَدِمَ الشَّافِعِيُّ بَغْدَادَ لَزِمَهُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ يَمْشِي مَعَ بَغْلَتِهِ، فَأَخَذَ بِالْحَلْقَةِ الَّتِي يَقْعُدُ فِيهَا أَحْمَدُ وَيَحْيَى وَأَبُو خَيْثَمَةَ وَغَيْرُهُمْ، فَوَجَّهَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ إِلَى أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ أَنَّكَ تَمْشِي مَعَ بَغْلَةِ هَذَا الرَّجُلِ يَعْنِي الشَّافِعِيَّ، فَوَجَّهَ أَحْمَدُ لَوْ كُنْتَ فِي الْجَانِبِ الْآخَرِ لَكَانَ أَنْفَعَ لَكَ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ আল-মালিনি, আমাদের খবর দিয়েছেন হাফিয আবু আহমাদ বিন আদি, আমি মুসা বিন আল-কাসিম বিন মুসা বিন আল-হাসান বিন মুসা আল-আশইয়াবকে তাঁর জনৈক শিক্ষকের সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি ⦗পৃষ্ঠা: ১০১⦘, তিনি বলেন: যখন আশ-শাফিঈ বাগদাদে আসলেন, আহমাদ বিন হাম্বল তাঁর সান্নিধ্যে থাকতে লাগলেন এবং তাঁর খচ্চরের সাথে সাথে হাঁটতেন। এতে সেই ইলমি মজলিসটি আলোড়িত হলো যেখানে আহমাদ, ইয়াহইয়া, আবু খাইসামা এবং অন্যান্যরা বসতেন। এমতাবস্থায় ইয়াহইয়া বিন মাঈন আহমাদ বিন হাম্বলের নিকট বার্তা পাঠালেন যে, আপনি কি এই ব্যক্তির—অর্থাৎ আশ-শাফিঈর—খচ্চরের সাথে সাথে হাঁটছেন? আহমাদ (উত্তরে) বার্তা পাঠালেন: আপনি যদি (খচ্চরের) অপর পাশে থাকতেন, তবে তা আপনার জন্য অধিক কল্যাণকর হতো।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠١)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أَخْبَرَنِي أَبُو أَحْمَدَ بْنُ خَمْرَوَيْهِ ثنا أَبُو نُعَيْمٍ ثنا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمُرَادِيُّ سَمِعْتُ حُمَيْدَ بْنَ زَنْجُوَيْهِ سَمِعْتُ إِسْحَاقَ بْنِ رَاهُوَيْهِ يَقُولُ: أَخَذَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ بِيَدِي فَقَالَ: تَعَالَ أذْهَبُ بِكَ إِلَى رَجُلٍ لَمْ تَرَ عَيْنَاكَ مِثْلَهُ فَذَهَبَ بِي إِلَى الشَّافِعِيِّ
আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ বিন খামরাওয়াইহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রাবি বিন সুলাইমান আল-মুরাদি, তিনি বলেন: আমি হুমাইদ বিন যানজুওয়াইহ-কে বলতে শুনেছি, আমি ইসহাক বিন রাহওয়াইহ-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আহমাদ বিন হাম্বল আমার হাত ধরলেন এবং বললেন, "এসো, আমি তোমাকে এমন এক ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাব যার সমতুল্য তোমার দুই চোখ কখনো দেখেনি।" অতঃপর তিনি আমাকে আশ-শাফিঈ-এর নিকট নিয়ে গেলেন।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠١)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أَخْبَرَنِي أَبُو تُرَابٍ الْمُذَكِّرُ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْمُنْذِرِ الْهَرَوِيَّ، يَقُولُ: لَمَّا قَدِمَ عَلَيْهِمُ الشَّافِعِيُّ الْعِرَاقَ، سَمِعَ الْكُتُبَ مِنْهُ حُسَيْنٌ الْكَرَابِيسِيُّ وَأَبُو ثَوْرٍ وَالزَعَفْرَانِيُّ وَغَيْرُهُمْ وَحَدَّثَهُمْ بِأَحَادِيثَ كَثِيرَةٍ، فَسَمِعَ مِنْهُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ وَإِسْحَاقُ بْنُ رَاهُوَيْهِ وَغَيْرُهُمْ، فَسَمِعْتُ الزَّعْفَرَانِيَّ يَقُولُ: مَا دَخَلْتُ عَلَى الشَّافِعِيِّ قَطُّ إِلَّا وَأَحْمَدُ كَانَ قَدْ سَبَقَنِي إِلَيْهِ
আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের অবহিত করেছেন, আবু তুরাব আল-মুজাক্কির আমাকে অবহিত করেছেন, আমি মুহাম্মদ ইবনুল মুনজির আল-হারাউয়ীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন শাফিঈ ইরাকে তাঁদের নিকট আগমন করলেন, তখন হুসাইন আল-কারাবিসি, আবু সাওর, জাফরানি এবং অন্যান্যরা তাঁর নিকট থেকে গ্রন্থসমূহ শ্রবণ করলেন এবং তিনি তাঁদের নিকট অনেক হাদিস বর্ণনা করলেন। এরপর আহমাদ ইবনে হাম্বল, ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ এবং অন্যান্যরা তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করলেন। আমি জাফরানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি যখনই শাফিঈর নিকট প্রবেশ করেছি, তখনই দেখেছি যে আহমাদ আমার পূর্বেই তাঁর নিকট পৌঁছে গিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠١)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، أبنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ مَنْصُورٍ أبنا أَبُو نُعَيْمٍ الْإِسْتَرَابَاذِيُّ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي عِمْرَانَ سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ الصَّوْمَعِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، يَقُولُ: صَاحِبُ الْحَدِيثِ لَا يَشْبَعُ مِنْ كُتُبِ الشَّافِعِيِّ، كَذَا قَالَ، وَقَالَ غَيْرُهُ: لَا يُسْتَغْنَى ⦗ص: 102⦘ وَقَدْ رُوِّينَا عَنْ جَمَاعَةٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ بِالْحَدِيثِ مِمَّنْ جَالَسَ الشَّافِعِيَّ وَسَمِعَ مِنْهُ أَوْ نَظَرَ فِي كُتُبِهِ وَوَقَفَ عَلَى صِحَّةِ رِوَايَاتِهِ وَإِتْقَانِهِ فِيهَا مَا يُسْتَدَلُّ بِهِ عَلَى أَنَّ الْخَطَأَ الَّذِي يُرَى فِيهَا فِي بَعْضِ الْأَحَادِيثِ غَيْرُ وَاقِعٍ مِنْ جِهَتِهِ وَنَحْنُ نُبَيِّنُ مِنْ ذَلِكَ مَا يَقَعُ بِهِ الْإِحَاطَةُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَى تَرْتِيبِ كِتَابِ الْمَعْرِفَةِ، وَنُضِيفُ إِلَيْهِ بَيَانَ مَا يُتَوَهَّمُ أَنَّهُ خَطَأٌ، وَلَيْسَ بِخَطَأٍ وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ
মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনুল হুসাইন ইবনে মানসুর আমাদের জানিয়েছেন, আবু নুআইম আল-ইস্তারাবাদযী ইসহাক ইবনে আবু ইমরান থেকে আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু বকর আস-সাওমায়ীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: হাদীস অন্বেষণকারী শাফিঈর কিতাবসমূহ থেকে তৃপ্ত হতে পারে না। তিনি এভাবেই বলেছেন। আর অন্যরা বলেছেন: এটি থেকে অমুখাপেক্ষী হওয়া সম্ভব নয় ⦗পৃষ্ঠা: ১০২⦘ এবং আমরা হাদীস বিশারদদের এমন এক জামাত থেকে বর্ণনা করেছি—যারা শাফিঈর মজলিসে বসেছেন, তাঁর থেকে শ্রবণ করেছেন অথবা তাঁর কিতাবসমূহ পর্যালোচনা করেছেন এবং তাঁর বর্ণনাসমূহের বিশুদ্ধতা ও তাতে তাঁর নিপুণতা সম্পর্কে অবগত হয়েছেন—এমন কিছু বিষয় যা প্রমাণ করে যে, কোনো কোনো হাদীসে যে ভুল পরিলক্ষিত হয়, তা তাঁর পক্ষ থেকে ঘটেনি। আর আমরা ইনশাআল্লাহ তাআলা কিতাবুল মা'রিফাহ-এর বিন্যাস অনুযায়ী এ বিষয়ে যতটুকু আয়ত্ত করা সম্ভব তা বর্ণনা করব। এর সাথে আমরা এমন বিষয়ের ব্যাখ্যাও যুক্ত করব যা ভুল বলে ধারণা করা হয়, অথচ তা ভুল নয়। আর আল্লাহর পক্ষ থেকেই তাওফীক আসে।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠٣)
حَدِيثٌ فِي الْعُقُولِ
আকল বা বুদ্ধি-বিবেচনা বিষয়ক একটি বর্ণনা
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠٣)
أَخْبَرَنَا أَبُو زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ وَأَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَاضِي، قَالَا: ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، أبنا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ أبنا الشَّافِعِيُّ أبنَا مُسْلِمُ بْنُ خَالِدٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ: أَنَّ عِنْدَهُ كِتَابًا مِنَ الْعُقُولِ نَزَلَ بِهِ الْوَحْيُ ⦗ص: 104⦘ وَمَا فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ صَدَقَةٍ وَعُقُولٍ، فَإِنَّمَا نَزَلَ بِهِ الْوَحْيُ. وَقِيلَ لَمْ يَسُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا قَطُّ إِلَّا بِوَحْيِ اللَّهِ عز وجل، فَمِنَ الْوَحْيِ مَا يُتْلَى وَمِنْهُ مَا يَكُونُ وَحْيًا إِلَى رَسُولِهِ، فَيَسُنُّ بِهِ. هَكَذَا أبنا بِهِ فِي الْمُسْنَدِ، وَكَذَلِكَ نَقَلَهُ أَبُو الْعَبَّاسِ مِنَ الْمَبْسُوطِ إِلَى الْمُسْنَدِ، وَأَدْرَجَ كَلَامَ الشَّافِعِيِّ فِي كَلَامِ طَاوُسٍ، وَكَلَامُ طَاوُسٍ انْتَهَى إِلَى قَوْلِهِ: فَإِنَّمَا نَزَلَ بِهِ الْوَحْيُ. وَقَوْلُهُ لَمْ يَسُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئًا قَطُّ إِلَّا بِوَحْيِ اللَّهِ وَإِلَى آخِرِهِ مِنْ كَلَامِ الشَّافِعِيِّ رحمه الله مُسْتَنْبَطًا مِنَ الْأَثَرِ الَّذِي رَوَاهُ عَنْ طَاوُسٍ، ثُمَّ أَرْدَفَهُ بِحَدِيثِ الْمُطَّلِبِ بْنِ حَنْطَبٍ الَّذِي
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যাকারিয়া বিন আবি ইসহাক এবং আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-কাদি, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাবি বিন সুলাইমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম শাফিঈ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসলিম বিন খালিদ, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে: তাঁর নিকট রক্তপণ সংক্রান্ত একটি কিতাব ছিল যা ওহী হিসেবে নাযিল হয়েছিল ⦗পৃষ্ঠা: ১০৪⦘ এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদাকাহ ও রক্তপণ বিষয়ে যা কিছু ফরয করেছেন, তা কেবল ওহীর মাধ্যমেই নাযিল হয়েছে। আর বলা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার ওহী ব্যতীত কখনোই কোনো সুন্নাহ প্রবর্তন করেননি। সুতরাং ওহীর মধ্যে কিছু রয়েছে যা তিলাওয়াত করা হয়, আর কিছু রয়েছে যা তাঁর রাসূলের প্রতি ওহী হিসেবে অবতীর্ণ হয় এবং তিনি তার মাধ্যমে সুন্নাহ নির্ধারণ করেন। আল-মুসনাদ গ্রন্থে এভাবেই আমাদের সংবাদ দেওয়া হয়েছে, এবং একইভাবে আবু আল-আব্বাস আল-মাবসুত থেকে আল-মুসনাদে তা স্থানান্তর করেছেন, এবং ইমাম শাফিঈর বক্তব্যকে তাউসের বক্তব্যের অন্তর্ভুক্ত করে দিয়েছেন; অথচ তাউসের বক্তব্য "তা ওহীর মাধ্যমেই নাযিল হয়েছে" পর্যন্ত শেষ হয়েছে। আর তাঁর বক্তব্য "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর ওহী ব্যতীত কোনো সুন্নাহ প্রবর্তন করেননি" থেকে শেষ পর্যন্ত এটি ইমাম শাফিঈ রহমতুল্লাহি আলাইহির কথা, যা তিনি তাউস থেকে বর্ণিত আসার থেকে উদ্ভাবন করেছেন। অতঃপর তিনি এটিকে আল-মুত্তালিব বিন হানতাবের হাদীস দ্বারা অনুসরণ করেছেন যা...
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠٤)
أبنا بِهِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، وَأَبُو زَكَرِيَّا، وَأَبُو بَكْرٍ، قَالُوا: ثنا ⦗ص: 105⦘ أَبُو الْعَبَّاسِ، أبنا الرَّبِيعُ، أبنا الشَّافِعِيُّ، أبنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو مَوْلَى الْمُطَّلِبِ، عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ حَنْطَبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَا تَرَكْتُ شَيْئًا مِمَّا أَمَرَكُمُ اللَّهُ بِهِ إِلَّا قَدْ أَمَرْتُكُمْ بِهِ، وَلَا تَرَكْتُ شَيْئًا مِمَّا نَهَاكُمُ اللَّهُ عَنْهُ إِلَّا وَقَدْ نَهَيْتُكُمْ عَنْهُ، وَإِنَّ الرُّوحُ الْأَمِينَ قَدْ نَفَثَ فِي رُوعِي أَنَّهُ لَنْ تَمُوتَ نَفْسٌ حَتَّى تَسْتَوْفِيَ رِزْقَهَا، فَأَجْمِلُوا فِي الطَّلَبِ» وَقَالَ فِي مَوْضِعٍ آخَرَ: «أَلْقَى فِي رُوعِي» . ثُمَّ اسْتَنْبَطَ مِنْهُ الشَّافِعِيُّ الْقَوْلَ الْآخَرَ فِيمَا سَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 106⦘ قَالَ: وَقَدْ قِيلَ مَا لَمْ يَتْلُ بِهِ قُرْآنًا فَإِنَّمَا أَلْقَاهُ جِبْرِيلُ عليه السلام فِي رُوعِهِ بِأَمْرِ اللَّهِ عز وجل، فَكَانَ وَحْيًا إِلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: وَقَدْ قِيلَ: جَعَلَ اللَّهُ إِلَيْهِ بِمَا شَهِدَ لَهُ بِهِ مِنَ أَنَّهُ يَهْدِي إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ أَنْ يَسُنَّ، ثُمَّ جَعَلَ مَا اسْتَنْبَطَهُ مِنْ أَثَرِ طَاوُسٍ وَمَا اسْتَنْبَطَهُ مِنْ أَثَرِ الْمُطَّلِبِ كَالْوَاحِدِ، فَكِلَاهُمَا مِمَّا أَتَى بِهِ جِبْرِيلُ عليه السلام، وَجَعَلَ مَا بَعْدَهُمَا الْقَوْلَ الْآخَرَ، فَقَالَ: وَأَيُّهُمَا كَانَ فَقَدْ أَلْزَمَهُ اللَّهُ عز وجل خَلْقَهُ، وَلَمْ يَجْعَلْ لَهُمُ الْخِيَرَةَ مِنْ أَمْرِهُمْ فِيمَا سَنَّ وَفَرَضَ عَلَيْهِمُ اتِّبَاعَ سُنَّتِهِ أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدِ بْنُ أَبِي عَمْرٍو، فِي الْمَبْسُوطِ، أبنا أَبُو الْعَبَّاسِ، أبنا الرَّبِيعُ، أبنا الشَّافِعِيُّ فَذَكَرَ الْأَثَرَ، وَذَكَرَ كَلَامَهُ عَلَيْهِمَا عَلَى مَا نَقَلْتُ مُفَصَّلًا عَنِ الْأَثَرَيْنِ. وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ
আবু আবদুল্লাহ আল-হাফেজ, আবু জাকারিয়া এবং আবু বকর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘ আবু আব্বাস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-রাবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-শাফিঈ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ, আমর ইবনে আবি আমর আল-মুত্তালিবের মুক্তদাসের সূত্রে, তিনি মুত্তালিব ইবনে হানতাব থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ তোমাদের যা যা আদেশ করেছেন তার এমন কিছুই আমি ত্যাগ করিনি যা তোমাদের আমি আদেশ করিনি; এবং আল্লাহ তোমাদের যা যা নিষেধ করেছেন তার এমন কিছুই আমি ত্যাগ করিনি যা তোমাদের আমি নিষেধ করিনি। আর নিশ্চয়ই রুহুল আমিন (জিবরাঈল) আমার হৃদয়ে এই কথা ফুঁকে দিয়েছেন যে, কোনো প্রাণ ততক্ষণ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করবে না যতক্ষণ না সে তার রিজিক পূর্ণরূপে গ্রহণ করে; সুতরাং তোমরা রিজিক অনুসন্ধানে মধ্যপন্থা অবলম্বন করো» এবং তিনি অন্য এক স্থানে বলেছেন: «আমার হৃদয়ে ঢেলে দিয়েছেন»। এরপর আল-শাফিঈ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা সুন্নাত হিসেবে প্রবর্তন করেছেন সে সম্পর্কে এখান থেকে অন্য একটি অভিমত উদ্ঘাটন করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১০৬⦘ তিনি বলেন: এবং বলা হয়েছে যে, যা তিনি কুরআন হিসেবে তিলাওয়াত করেননি, জিবরাঈল আলাইহিস সালাম মহান আল্লাহর নির্দেশে তা কেবল তাঁর হৃদয়ে ঢেলে দিয়েছেন, ফলে তা ছিল তাঁর প্রতি এক প্রকার অহী। অতঃপর তিনি বলেন: আবার এও বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তাঁর ব্যাপারে এই সাক্ষ্য দিয়েছেন যে তিনি সরল পথের দিকে হেদায়াত দান করেন, সেই সাক্ষ্যের প্রেক্ষিতে আল্লাহ তাঁর ওপর সুন্নাত প্রবর্তনের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। অতঃপর তিনি তাউসের বর্ণনা থেকে যা উদ্ঘাটন করেছেন এবং মুত্তালিবের বর্ণনা থেকে যা উদ্ঘাটন করেছেন সেগুলোকে অভিন্ন হিসেবে গণ্য করেছেন; কারণ উভয়ই জিবরাঈল আলাইহিস সালাম নিয়ে এসেছিলেন। আর তিনি এদের পরবর্তী কথাগুলোকে অন্য অভিমত হিসেবে গণ্য করে বলেছেন: এই দুইয়ের মধ্যে যেটাই হোক না কেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর সৃষ্টির ওপর তা পালন করা আবশ্যক করে দিয়েছেন এবং তিনি যা সুন্নাত ও ফরজ করেছেন তাতে তাদের জন্য কোনো এখতিয়ার রাখেননি, বরং তাঁর সুন্নাহর অনুসরণ করা তাদের ওপর আবশ্যক করেছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ ইবনে আবি আমর 'আল-মাবসুত' গ্রন্থে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-রাবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-শাফিঈ; এরপর তিনি উক্ত বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন এবং আমি ওই বর্ণনাদ্বয় থেকে বিস্তারিতভাবে যা উদ্ধৃত করেছি সেই অনুযায়ী তিনি উভয়টির ওপর তাঁর ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। আল্লাহর পক্ষ থেকেই সকল তাওফিক আসে।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠٧)
حَدِيثٌ فِي السِّوَاكِ
মেসওয়াক সম্পর্কে হাদীস
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١٠٧)
أَخْبَرَنَا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى، أبنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدُوسٍ الطَّرَائِفِيُّ ثنا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ الدَّارِمِيُّ، (ح) وأبنا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْمِهْرَجَانِيُّ قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمُزَكِّي، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْعَبْدِيُّ، قَالَا: ثنا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ ثنا مَالِكٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: لَوْلَا أَنْ يَشُقَّ، عَلَى أُمَّتِهِ لَأَمَرَهُمْ بِالسِّوَاكِ هَكَذَا رَوَى مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ هَذَا الْحَدِيثَ فِي الْمُوَطَّأِ مَوْقُوفًا عَلَى ⦗ص: 108⦘ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَرَوَاهُ حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى فِي كِتَابِ السُّنَنِ، عَنِ الشَّافِعِيِّ، عَنْ مَالِكٍ مَرْفُوعًا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ سَمِعْتُ أَبَا عَمْرٍو الْعَاصِي قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ بْنَ خُزَيْمَةَ يَقُولُ: كَانَ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ السُّكَّرِيُّ وَهُوَ أَحَدُ حُفَّاظِ الْحَدِيثِ مِنْ أَهْلِ الْمَعْرِفَةِ، قَالَ لِي حِدْثَانَ مَا دَخَلْتُ الْفُسْطَاطَ قَبْلَ سَمَاعِي الْكُتُبَ: لَمْ أَرَ فِي كُتُبِ الشَّافِعِيِّ حَدِيثًا غَلِطَ فِيهِ الشَّافِعِيُّ، فَلَمَّا رَأَيْتُ هَذَا الْخَبَرَ يَعْنِي حَدِيثَ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، عَنْ ⦗ص: 109⦘ أَبِي سَعْدٍ الْبَقَّالِ، عَنْ نَصْرِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ فَرْوَةَ بْنِ نَوْفَلٍ فِي أَخْذِ الْجِزْيَةِ مِنَ الْمَجُوسِ تَوَهَّمْتُ أَنَّ الشَّافِعِيَّ وَهَمَ فِيهِ حَيْثُ قَالَ: عَنْ نَصْرِ بْنِ عَاصِمٍ إِنَّمَا هُوَ عَنْ عِيسَى بْنِ عَاصِمٍ فَإِذَا الْوَهْمُ مِنْ غَيْرِهِ لَا مِنْهُ رَوَاهُ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ غَيْرُ الشَّافِعِيِّ، فَقَالَ عَنْ نَصْرِ بْنِ عَاصِمٍ ⦗ص: 110⦘. قَالَ: وَذَكَرَ لِي السُّكَّرِيُّ حَدِيثًا آخَرَ وَهُوَ خَبَرٌ - يَعْنِي - رَوَاهُ مَالِكٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَوَى الشَّافِعِيُّ فَقَالَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: " لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ صَلَاةٍ أَوْ مَعَ كُلِّ وُضُوءٍ، وَهَذَا الْخَبَرُ فِي الْمُوَطَّأِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: لَوْلَا أَنْ يَشُقَّ عَلَى أُمَّتِهِ. وَرَوَاهُ رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ وَبِشْرُ بْنُ عُمَرَ وَغَيْرُهُمَا، عَنْ مَالِكٍ، كَمَا رَوَاهُ الشَّافِعِيُّ، وَيُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ مَالِكٌ إِذَا شَكَّ فِي الشَيْءِ انْخَفَضَ وَالنَّاسُ إِذَا شَكُّوا ارْتَفَعُوا
আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুস আত-তরাইফি আমাদের জানিয়েছেন, উসমান ইবনে সাঈদ আদ-দারিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, (পরবর্তী সনদ) এবং আবু আহমদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আল-মিহরাজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-মুযাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আল-আবদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আমাদের নিকট ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যদি উম্মতের জন্য কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তবে তিনি তাদের মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। মালিক ইবনে আনাস 'মুওয়াত্তা' গ্রন্থে এই হাদীসটি এভাবেই আবু হুরায়রা (রা.)-এর ওপর ⦗পৃষ্ঠা: ১০৮⦘ মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর হারমালা ইবনে ইয়াহইয়া 'কিতাবুস সুনান'-এ শাফেয়ী থেকে, তিনি মালিক থেকে এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি আবু আমর আল-আসিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুযাইমাকে বলতে শুনেছি: আহমদ ইবনে হাসান আস-সুক্কারি হাদীসের একজন হাফেজ এবং বিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি আমাকে কিতাবসমূহ শ্রবণের উদ্দেশ্যে ফুসতাতে প্রবেশ করার প্রাক্কালে বলেছিলেন: আমি শাফেয়ীর কিতাবসমূহে এমন কোনো হাদীস দেখিনি যাতে শাফেয়ী ভুল করেছেন। অতঃপর যখন আমি এই খবরটি দেখলাম—অর্থাৎ সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে বর্ণিত হাদীস, যা ⦗পৃষ্ঠা: ১০৯⦘ আবু সাদ আল-বাক্কাল থেকে, তিনি নাসর ইবনে আসিম থেকে, তিনি ফাওরা ইবনে নাওফাল থেকে অগ্নিপূজকদের (মাজুস) নিকট থেকে জিযিয়া গ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে বর্ণনা করেছেন—তখন আমার ধারণা হয়েছিল যে শাফেয়ী হয়তো এতে ভুল করেছেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন: 'নাসর ইবনে আসিম থেকে', অথচ এটি আসলে 'ঈসা ইবনে আসিম থেকে'। কিন্তু পরে দেখা গেল ভুলটি শাফেয়ীর নয় বরং অন্যের; কারণ শাফেয়ী ব্যতীত অন্যরাও ইবনে উয়াইনা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তারা 'নাসর ইবনে আসিম' ই বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১১০⦘। তিনি বলেন: আস-সুক্কারি আমার নিকট আরও একটি হাদীসের কথা উল্লেখ করেছেন, আর তা হলো সেই খবর যা মালিক যুহরি থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। শাফেয়ী এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করে বলেছেন: "যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তবে আমি তাদের প্রত্যেক সালাতের সাথে অথবা প্রত্যেক ওযুর সাথে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।" অথচ এই খবরটি 'মুওয়াত্তা' গ্রন্থে আবু হুরায়রা থেকে (মাওকুফ ভাবে) বর্ণিত হয়েছে: "যদি তার উম্মতের জন্য কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না থাকত..."। রওহ ইবনে উবাদাহ, বিশর ইবনে উমর এবং অন্যরাও এটি ইমাম মালিক থেকে ইমাম শাফেয়ীর মতোই বর্ণনা করেছেন। আর সম্ভবত মালিক যখন কোনো বিষয়ে সন্দেহ করতেন তখন নিচে নেমে যেতেন (মাওকুফ করতেন), কিন্তু অন্য লোকেরা যখন সন্দেহ করে তখন তারা উপরে উঠে যায় (মারফু করে)।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١١٠)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ مُحَمَّدٍ الدَّارِمِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ سَمِعْتُ الرَّبِيعَ بْنَ سُلَيْمَانَ، سَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ، يَقُولُ: النَّاسُ إِذَا شَكُّوا فِي الْحَدِيثِ ارْتَفَعُوا، وَكَانَ مَالِكٌ إِذَا شَكَّ فِي الْحَدِيثِ انْخَفَضَ ⦗ص: 111⦘ أبنا بِصِحَّةِ مَا قَالَ ابْنُ خُزَيْمَةَ مِنْ مُتَابَعَةِ رَوْحِ بْنِ عُبَادَةَ وَغَيْرِهِ الشَّافِعِيُّ فِي رَفْعِ الْحَدِيثِ أَبُو زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ الْمُزَكِّي، أبنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْفَقِيهُ، أبنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ
আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি হাসান বিন মুহাম্মাদ আদ-দারিমিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু বকর মুহাম্মাদ বিন ইসহাককে বলতে শুনেছি, আমি রাবি বিন সুলায়মানকে বলতে শুনেছি, আমি শাফেয়ীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "মানুষ যখন হাদিসের ব্যাপারে সন্দেহে পড়ে তখন তারা একে উন্নত (মারফু) করে দেয়, আর মালেক যখন হাদিসের ব্যাপারে সন্দেহে পড়তেন তখন তিনি একে অবনমিত করতেন।" ⦗পৃষ্ঠা: ১১১⦘ হাদিস মারফু করার ক্ষেত্রে রাওহ বিন উবাদাহ ও অন্যদের মাধ্যমে শাফেয়ীর অনুসরণের বিষয়ে ইবনু খুযাইমাহ যা বলেছেন, তার বিশুদ্ধতা সম্পর্কে আমাদের অবহিত করা হয়েছে। আবু যাকারিয়া বিন আবি ইসহাক আল-মুযাক্কি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন সালমান আল-ফকিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হারিস বিন মুহাম্মাদ।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١١١)
(ح) وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أبنا أَبُو بَكْرٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الضَّرِيرُ بِالرِّيِّ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ ثنا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ وُضُوءٍ»
(হ) এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ আদ-দারীর আর-রাই-এ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারিস ইবনে আবু উসামাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, রাওহ ইবনে উবাদাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমায়দ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে অবশ্যই তাদের প্রত্যেক ওযুর সাথে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।"
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١١١)
وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَاضِي، ثنا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَعْقِلٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ ثنا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ ⦗ص: 112⦘ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ وُضُوءٍ ورُوِّينَاهُ فِي كِتَابِ السُّنَنِ مِنْ حَدِيثِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ، وَفِي كِتَابِ الْمَعْرِفَةِ مِنْ حَدِيثِ الْقَعْنَبِيِّ عَنْ مَالِكٍ كَذَلِكَ مَرْفُوعًا، وَفِي مُتَابَعَةِ هَؤُلَاءِ الشَّافِعِيَّ فِي رَفْعِ الْحَدِيثِ دَلِيلٌ عَلَى صِحَّةِ رِوَايَةِ الشَّافِعِيِّ. قَالَ الْإِمَامُ أَحْمَدُ رحمه الله: وَقَدْ وَجَدْتُ سَمَاعِي فِي الْخَامِسِ مِنْ جَمْعِ شَيْخِنَا أَبِي عَبْدِ اللَّهِ لِحَدِيثِ مَالِكٍ، فَوَجَدْتُ فِيهِ حَدِيثَ الْقَعْنَبِيِّ مَوْقُوفًا ⦗ص: 113⦘ كَمَا أبنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أبنا عَبْدُ اللَّهِ الصَّفَّارُ ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَاضِي، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: وَأَخْبَرنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي نَصْرٍ ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى،. قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ، أبنا مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبٍ، قَالُوا: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، فِيمَا قَرَأَ عَلَى مَالِكٍ فَذَكَرَهُ مَوْقُوفًا، وَوَجَدْتُهُ فِيهِ مَرْفُوعًا مِنْ حَدِيثِ بِشْرِ بْنِ عُمَرَ الزَّهْرَانِيِّ، وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، وَرَوْحِ بْنِ عُبَادَةَ، وَإِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ، وَأَبِي قُرَّةَ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَافِعٍ، وَيَحْيَى بْنِ صَالِحٍ، وَعُبَيْدِ بْنِ حَيَّانَ
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে হাসান আল-কাজী, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মাকিল, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আদ-যুহলী, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে উমর, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস ⦗পৃষ্ঠা: ১১২⦘ ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে আমি তাদের প্রত্যেক ওযুর সাথে মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।" এবং আমরা এটি 'কিতাবুস সুনান'-এ ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইসের হাদীস থেকে বর্ণনা করেছি, এবং 'কিতাবুল মা'রিফাহ'-তে কানবী থেকে মালিকের সূত্রে একইভাবে মারফূ (রাসূলুল্লাহ পর্যন্ত উন্নীত) হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদীসটিকে মারফূ করার ক্ষেত্রে ইমাম শাফেয়ীর সাথে এদের ঐক্যমত ইমাম শাফেয়ীর বর্ণনার বিশুদ্ধতার প্রমাণ। ইমাম আহমদ (রহ.) বলেন: আমি আমাদের শাইখ আবু আব্দুল্লাহর মালিকের হাদীসের সংকলনের পঞ্চম খণ্ডে আমার শ্রবণ করা অংশটি পেয়েছি, সেখানে আমি কানবীর হাদীসটি মাওকুফ (সাহাবী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ) হিসেবে পেয়েছি ⦗পৃষ্ঠা: ১১৩⦘ যেমন আমাদের জানিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ, আমাদের জানিয়েছেন আব্দুল্লাহ আস-সাফফার, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে ইসহাক আল-কাজী। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আবি নাসর, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: এবং আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে ইসহাক, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে গালিব; তারা বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা, তিনি মালিকের নিকট যা পাঠ করেছেন তাতে তিনি এটি মাওকুফ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এবং আমি তা মারফূ হিসেবে পেয়েছি বিশর ইবনে উমর আজ-যাহরানি, আবদুর রহমান ইবনে মাহদী, রাওহ ইবনে উবাদাহ, ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইস, আবু কুররাহ, আব্দুল্লাহ ইবনে নাফি, ইয়াহইয়া ইবনে সলিহ এবং উবাইদ ইবনে হাইয়্যানের হাদীস থেকে।
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١١٣)
(ح) أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْفَقِيهُ، بِبَغْدَادَ ⦗ص: 114⦘، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِِ الرَّقَاشِيُّ ثنا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَوْلَا أَشُقُّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ وُضُوءٍ»
(হ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে সালমান আল-ফকিহ, বাগদাদে ⦗পৃষ্ঠা: ১১৪⦘, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ আর-রাকাশি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বিশর ইবনে উমর, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক ইবনে আনাস, যুহরি থেকে, তিনি হুমায়দ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তবে আমি তাদের প্রত্যেক ওযুর সাথে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।»
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١١٤)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ أبنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ أبنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، عَنْ مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ وُضُوءٍ»
আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে জাফর আল-কাতিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রহমান ইবনে মাহদির নিকট পাঠ করেছি, তিনি মালেক হতে, তিনি ইবনে শিহাব হতে, তিনি হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান হতে এবং তিনি আবু হুরাইরা হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তবে আমি তাদের প্রত্যেক ওযুর সাথে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।"
(খণ্ড: ১)
বায়ানুল খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ١١٤)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ الْأَخْرَمِ الْحَافِظُ إِمْلَاءً، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السَّعْدِيُّ أبنا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، ح قَالَ: وأبنا ⦗ص: 115⦘ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنِي أَبِي ثنا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، ح قَالَ: وَثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَافِظُ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ الْأَصْبَهَانِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ أَخُو رُسَتَةَ الْأَصْبَهَانِيِّ، ثنا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ وَرَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ قَالُوا: ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ وُضُوءٍ»
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আল-আখরাম আল-হাফিয শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাদী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাওহ ইবনে উবাদাহ। (সনদ রূপান্তর) তিনি বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১১৫⦘ আহমাদ ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন রাওহ ইবনে উবাদাহ। (সনদ রূপান্তর) তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাফিয আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে মুসলিম আল-আসবাহানী, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর—যিনি রুস্তাহ আল-আসবাহানীর ভাই—তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে উমর ও রাওহ ইবনে উবাদাহ, তাঁরা বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রাহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে অবশ্যই তাদের প্রত্যেক ওযুর সাথে মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।»