(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: -)
الهم والحزن لابن أبي الدنيا (ابن أبي الدنيا)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الهم والحزن
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
المحقق: مجدي فتحي السيد
الناشر: دار السلام - القاهرة
الطبعة: الأولى، 1412 - 1991
عدد الصفحات: 100
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে আবিদ দুনিয়ার দুশ্চিন্তা ও দুঃখ (ইবনে আবিদ দুনিয়া)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: দুশ্চিন্তা ও দুঃখ
লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হি.)
গবেষক/সম্পাদক: মাজদি ফাতহি আস-সাইয়্যিদ
প্রকাশক: দারুস সালাম - কায়রো
সংস্করণ: প্রথম، ১৪১২ - ১৯৯১
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০০
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: -)
مُتَوَاصِلُ الْأَحْزَانِ دَائِمُ الْفِكْرَةِ
নিরন্তর শোকমগ্ন ও সর্বদা চিন্তাশীল
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ رحمه الله قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ يَوْمَ الْأَرْبَعَاءِ تَاسِعَ عَشَرَ مِنْ جُمَادَى الْآخِرَةِ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَسِتِّينَ وَخَمْسِمِائَةٍ قِيلَ لَهُ: أَنْبَأَكَ أَبُو الْحُسَيْنِ عَاصِمُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الْمُعَدِّلُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّبِهِ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْذَعِيُّ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ أَرْبَعِينَ وَثَلَثِمِائَةٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ سُفْيَانَ الْقُرَشِيُّ قَالَ: 1 - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ بْنِ مَلِيحٍ الرُّوَاسِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا جُمَيْعُ بْنُ عَمٍّ الْعِجْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ يُكَنَّى أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنٍ لِأَبِي هَالَةَ التَّمِيمِيِّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ عليه السلام، عَنْ خَالِهِ هِنْدَ بْنِ أَبِي هَالَةَ قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُتَواصِلَ الْأَحْزَانِ، دَائِمَ الْفِكْرَةِ، لَيْسَتْ لَهُ رَاحَةٌ، طَوِيلَ السَكْتِ، لَا يَتَكَلَّمُ فِي غَيْرِ حَاجَةٍ»
সালেহ শায়খ আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি ইবনে আহমাদ ইবনে সালমান (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—৫৬৩ হিজরীর ১৯শে জুমাদাল আখিরাত বুধবার তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম—তাঁকে বলা হয়েছে: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আসেম ইবনে হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান আল-মুয়াদ্দিল—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে সাফওয়ান আল-বারযাঈ ৩৪০ হিজরীর মহররম মাসে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান আল-কুরাশি, তিনি বলেন:
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে ওয়াকি ইবনুল জাররাহ ইবনে মালিহ আর-রুওয়াসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুমাই ইবনে আম আল-ইজলি, তিনি বলেন: বনু তামীম গোত্রের জনৈক ব্যক্তি—যার উপনাম আবু আব্দুল্লাহ—আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু হালা আত-তামিমীর এক পুত্র থেকে, তিনি হাসান ইবনে আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে, তিনি তাঁর মামা হিন্দ ইবনে আবু হালা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিরবচ্ছিন্ন চিন্তামগ্ন ও সর্বদা গবেষণায় মগ্ন থাকতেন, তাঁর কোনো বিশ্রাম ছিল না। তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন এবং প্রয়োজন ছাড়া কথা বলতেন না।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
هَلْ يُحِبُّ اللَّهُ كُلَّ قَلْبٍ حَزِينٍ؟
আল্লাহ কি প্রতিটি ব্যথিত অন্তরকে ভালোবাসেন?
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
2 - ثنا الْحَسَنُ بْنُ مَهْدِيٍّ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ الْحَجَّاجِ الْحِمْصِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ كُلَّ قَلْبٍ حَزِينٍ»
২ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাসান বিন মাহদী আল-বাসরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল কুদ্দুস বিন আল-হাজ্জাজ আল-হিমসী, তিনি আবু বকর বিন আবি মারিয়াম থেকে, তিনি দামরাহ বিন হাবীব থেকে, তিনি আবু দারদা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিটি ব্যথিত হৃদয়কে ভালোবাসেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
الْهَمُّ وَالْحُزْنُ يُكَفِّرَانِ الذُّنُوبَ
উদ্বেগ ও বিষাদ পাপসমূহ মোচন করে
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
3 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ: ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْعِجْلِيُّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا كَثُرَتْ ذُنُوبُ الْعَبْدِ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ ما يُكَفِّرُهَا، ابْتَلَاهُ اللَّهُ بِالْحُزْنِ لِيُكَفِّرَهَا عَنْهُ»
৩ - ইসহাক ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন ইবনে আলী আল-ইজলী আমাদের নিকট যায়িদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যখন বান্দার গুনাহসমূহ অধিক হয়ে যায় এবং তা মোচন করার মতো কোনো আমল তার না থাকে, তখন আল্লাহ তাকে দুঃখ-চিন্তায় লিপ্ত করেন যাতে এর মাধ্যমে তার গুনাহসমূহ মোচন করে দেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
حَدِيثُ آدَمَ عليه السلام عَنِ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ
উদ্বেগ ও দুঃখ সম্পর্কে আদম আলাইহিস সালামের বর্ণনা
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
4 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْفَرَجِ الْعَابِدُ، عَنْ فَتْحٍ الْمَوْصِلِيِّ قَالَ: قَالَ آدَمُ عليه السلام: «كُنَّا نَسْلَا مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ فِي الْجَنَّةِ، أَمَّا إِلَى الدُّنْيَا، فَلَيْسَ لَنَا فِيهَا إِلَّا الْهَمُّ وَالْحُزْنُ حَتَّى نَرُدَّ إِلَى الدَّارِ الَّتِي خَرَجْنَا مِنْهَا»
4 - মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল ফরাজ আল-আবিদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, ফাতহ আল-মাওসিলী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আদম আলাইহিস সালাম বলেছেন: «জান্নাতে আমরা দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে মুক্ত ছিলাম; কিন্তু দুনিয়াতে আমাদের জন্য দুশ্চিন্তা ও দুঃখ ছাড়া আর কিছুই নেই যতক্ষণ না আমরা সেই আবাসে ফিরে যাই যেখান থেকে আমরা বের হয়েছি।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
5 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْفَرَجِ، عَنْ فَتْحٍ الْمَوْصِلِيِّ، قَالَ: قَالَ آدَمُ عليه السلام: «بَنِيَ طَالَ حُزْنِي عَلَى، أُخْرِجَ مِنْهَا أَبُوكَ لَزَهَقَتْ نَفْسُكَ»
৫ - মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনুল ফরাজ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ফাতহ আল-মাওসিলী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আদম (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: «হে আমার সন্তান, তোমার পিতাকে যেখান থেকে বের করা হয়েছে, তার জন্য আমার দুঃখ দীর্ঘায়িত হয়েছে; (তা যদি তুমি জানতে) তবে তোমার প্রাণ বেরিয়ে যেত।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
صُوَرٌ مِنْ أَحْزَانِ يَعْقُوبَ عَلَى يُوسُفَ عليهما السلام
ইউসুফের জন্য ইয়াকুবের শোকের কিছু চিত্র (তাঁদের উভয়ের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
6 - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: كَانَ مُنْذُ خَرَجَ يُوسُفُ عليه السلام مِنْ عِنْدِ يَعْقُوبَ عليهما السلام، إِلَى أَنْ رَجَعَ ثَمَانِينَ سَنَةً فَمَا فَارَقَ الْحُزْنُ قَلْبَهُ، وَمَازَالَ يَبْكِي حَتَّى ذَهَبَ بَصَرُهُ " قَالَ الْحَسَنُ: «وَاللَّهِ إِنْ كَانَ عَلَى الْأَرْضِ يَوْمَئِذٍ بَشَرٌ أَكْرَمَ عَلَى اللَّهِ عز وجل مِنْ يَعْقُوبَ»
৬ - আবদুল্লাহ ইবনে রাজা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে বাশির আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম থেকে, হাসান (আল-বাসরি) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইউসুফ (আলাইহিস সালাম) ইয়াকুব (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর ফিরে আসা পর্যন্ত আশি বছর অতিবাহিত হয়েছিল। এই দীর্ঘ সময়ে দুঃখ তাঁর অন্তর থেকে কখনও বিচ্ছিন্ন হয়নি এবং তিনি অবিরত কাঁদতে থাকেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর দৃষ্টিশক্তি চলে যায়। হাসান বলেন: "আল্লাহর শপথ! তৎকালীন সময়ে পৃথিবীতে ইয়াকুব (আলাইহিস সালাম)-এর চেয়ে পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত আর কোনো মানুষ ছিল না।"
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣١)
7 - حَدَّثَنِي سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، قَالَ: ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه: «مَا اكْتَحَلَ رَجُلٌ بِمِثْلِ مَلْمُولَ الْحُزْنَ»
৭ - সুফিয়ান ইবনে ওয়াকি‘ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে উয়াইনাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সূকাহ থেকে, তিনি আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবু তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: «কোনো ব্যক্তি দুঃখের সুরমাদানির ন্যায় অন্য কিছু দিয়ে চোখে সুরমা লাগায়নি।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
الْقَلْبُ الْخَالِي مِنَ الْحُزْنِ خَرَابٌ
বিষাদহীন অন্তর একটি ধ্বংসস্তূপ
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
8 - ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ الْجُشَمِيِّ، وَنُعَيْمُ بْنُ هَيْصَمٍ وَغَيْرُهُمَا قَالُوا: ثنا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ دِينَارٍ، قَالَ: «إِنَّ الْقَلْبَ إِذَا لَمْ يَكُنْ فِيهِ حُزْنٌ خَرِبَ، كَمَا أَنَّ الْبَيْتَ إِذَا لَمْ يَسْكُنْ خَرِبَ»
৮ - উবায়দুল্লাহ বিন উমর বিন মাইসারা আল-জুশামি, নুয়াইম বিন হাইসাম এবং আরও অনেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেন: জাফর বিন সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক বিন দীনারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই অন্তরে যখন কোনো দুঃখ থাকে না, তখন তা ধ্বংস হয়ে যায়; যেমন ঘর যখন জনশূন্য থাকে তখন তা ধ্বংস হয়ে যায়।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
الدُّنْيَا وَالْآخِرَةُ ضُرَّتَانِ
দুনিয়া এবং আখিরাত হলো দুই সতীনের ন্যায়
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
9 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدِ بْنِ رِفَاعَةَ، قَالَ: ثنا أَبُو الْحُسَيْنِ الْعُكْلِيُّ، ثنا سُهَيْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ دِينَارٍ، يَقُولُ: " حُزْنُكَ عَلَى الدُّنْيَا لِلدُّنْيَا يَذْهَبُ بِحَلَاوَةِ الْآخِرَةِ مِنْ قَلْبِكَ، وَفَرَحُكَ بِالدُّنْيَا لِلدُّنْيَا يَذْهَبُ بِحَلَاوَةِ الْآخِرَةِ مِنْ قَلْبِكَ
৯ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াজীদ ইবনে রিফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হুসাইন আল-উকিলী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুহাইল ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবনে দীনারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "দুনিয়ার স্বার্থে দুনিয়ার জন্য তোমার দুঃখবোধ তোমার অন্তর থেকে আখিরাতের মিষ্টতা দূর করে দেয়, এবং দুনিয়ার স্বার্থে দুনিয়ার জন্য তোমার আনন্দ তোমার অন্তর থেকে আখিরাতের মিষ্টতা দূর করে দেয়।"
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
10 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ النُّمَيْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ طُفَيْلٍ، قَالَ: قَالَ: فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ: " فَرَحُكَ بِالدُّنْيَا لِلدُّنْيَا يَذْهَبُ بِحَلَاوَةِ الْعِبَادَةِ، وَهَمُّكَ بِالدُّنْيَا يَذْهَبُ بِالْعِبَادَةِ كُلِّهَا
১০ - আমার নিকট আহমাদ ইবনুল আব্বাস আন-নুমাইরী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার নিকট মুহাম্মাদ ইবনু তুফাইল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ফুদ্বাইল ইবনু ইয়াদ বলেছেন: "দুনিয়ার উদ্দেশ্যে দুনিয়া নিয়ে তোমার আনন্দিত হওয়া ইবাদতের মিষ্টতা দূর করে দেয়, আর দুনিয়া নিয়ে তোমার দুশ্চিন্তা সমগ্র ইবাদতকেই নষ্ট করে দেয়।"
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
11 - حَدَّثَنِي الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْفَزَارِيُّ، قَالَ: سَمِعَ الْحَسَنُ رَجُلًا يَقُولُ: وَاحُزْنَاهُ عَلَى الْحُزْنِ، فَقَالَ لَهُ الْحَسَنُ: «يَا هَذَا فَهَلَّا عَلَى مَا سَلَفَ مِنْ عَلْمِهِ فِيكَ»
১১ - আল-হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান আল-ফাযারি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেন, ‘হায় আমার দুঃখের ওপর দুঃখ!’ তখন হাসান তাকে বললেন: “হে লোক! তোমার ব্যাপারে তাঁর (আল্লাহর) ইলমে যা গত হয়েছে, তার ওপর কেন তুমি (দুঃখ) করছ না?”
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
قُلْ وَاحُزْنَاهُ عَلَى الْحُزْنِ
বলুন, দুঃখের ওপর হায় আক্ষেপ!
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
12 - ثَنِي أَبُو بَكْرٍ الصَّيْرَفِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، قَالَ: سَمِعَ ابْنُ السَّمَّاكِ رَجُلًا يَقُولُ: وَاحُزْنَاهُ، فَقَالَ: «قُلْ وَاحُزْنَاهُ عَلَى الْحُزْنِ، أَلَا أَكُونُ مِنْ أَهْلِهِ، وَهَلْ رَأَيْتُ مَحْزُونًا»
১২ - আবু বকর আস-সাইরাফি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইবনাস সাম্মাক জনৈক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছেন: ‘হায় আমার দুঃখ!’ তখন তিনি বললেন: ‘বলো—হায় আমার দুঃখ সেই দুঃখের জন্য (যা আমার মাঝে নেই), যে আমি কেন প্রকৃত দুঃখীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারলাম না? আর তুমি কি কখনো কোনো প্রকৃত দুঃখী ব্যক্তি দেখেছ?’
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
13 - قَالَ: وَبَلَغَنِي، عَنْ حَامِدِ بْنِ عُمَرَ الْبَكْرَاوِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ثَعْلَبَةَ، يَقُولُ لِسُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ: " يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، وَاحُزْنَاهُ عَلَى الْحُزْنِ، فَقَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ: «هَلْ حَزِنْتَ قَطُّ لِعِلْمِ اللَّهِ فِيكَ؟» قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: «تَرَكْتَنِي لَا أَفْرَحُ»
১৩ - তিনি বলেন: আমার নিকট হামিদ ইবনে উমর আল-বাকরাবি থেকে সংবাদ পৌঁছেছে, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে ছালাবাহকে সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহর উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: "হে আবু মুহাম্মদ, দুঃখের ওপর কতই না পরিতাপ!" তখন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ বললেন: "আপনার বিষয়ে আল্লাহর যে জ্ঞান রয়েছে, তজ্জন্য কি আপনি কখনো দুঃখিত হয়েছেন?" আব্দুল্লাহ বললেন: "আপনি আমাকে এমন অবস্থায় ছেড়ে দিলেন যে আমি আর আনন্দিত হতে পারছি না।"
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
14 - حَدَّثَنِي عَيَّاشٌ الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنِي قَاسِمٌ الْخَوَّاصُ، قَالَ: قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ: «أَبْكَاكَ قَطُّ سَابِقُ عِلْمِ اللَّهِ فِيكَ»
14 - আয়াশ আল-কাত্তান আমাকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাসিম আল-খাওওয়াস আমাকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে রাফি বলেছেন: "তোমার সম্পর্কে আল্লাহর পূর্বজ্ঞান কি তোমাকে কখনো কাঁদিয়েছে?"
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
الْأَحْزَانُ فِي الدُّنْيَا ثَلَاثَةٌ
দুনিয়াতে দুঃখসমূহ হলো তিনটি
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
15 - حَدَّثَنِي الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَالِحِ بْنِ مُسْلِمٍ الْعِجْلِيِّ، قَالَ: كَانَ يُقَالُ: " الْأَحْزَانُ فِي الدُّنْيَا ثَلَاثَةٌ: خَلِيلٌ فَارَقَ خَلِيلَهُ، وَوَالِدٌ ثَكَلَ وَلَدَهُ، وَرَجُلٌ افْتَقَرَ بَعْدَ غِنًى "
১৫ - হুসাইন বিন আবদুর রহমান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ বিন সালিহ বিন মুসলিম আল-ইজলি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: বলা হতো: "দুনিয়াতে দুঃখ-বেদনা হলো তিনটি: এমন বন্ধু যে তার বন্ধুর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এমন পিতা যে তার সন্তানকে হারিয়ে শোকাতুর হয়েছে এবং এমন ব্যক্তি যে সচ্ছলতার পর দরিদ্র হয়ে পড়েছে।"
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
هَلِ الدُّعَاءُ يُسْتَجَابُ عِنْدَ الْأَحْزَانِ؟
দুঃখ-বেদনার সময় কি দুআ কবুল করা হয়?
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
16 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، عَنْ صَالِحٍ الْمُرِّيِّ، عَنْ يَزِيدَ الرَّقَاشِيِّ قَالَ: «الدُّعَاءُ الْمُسْتَجَابُ الَّذِي تُهَيِّجُهُ الْأَحْزَانُ، وَمِفْتَاحُ الرَّحْمَةِ التَضَرُّعُ»
১৬ - আবদুর রহমান ইবনে সালিহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আন-নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ আল-মুররি থেকে, তিনি ইয়াজিদ আর-রাকাশি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «কবুলযোগ্য দুআ হলো তা-ই যা দুঃখ-বেদনা দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়, আর রহমতের চাবিকাঠি হলো বিনয়াবনত প্রার্থনা।»
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
أَحْزَانٌ عَلَى ضَيَاعِ صَلَاةِ الْجَمَاعَةِ
জামাতে সালাত ছুটে যাওয়ার জন্য শোক
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
17 - ثني الْحَسَنُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالَ: ثنا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، عَنْ مُرْجِيٍّ، عَنْ غَالِبٍ الْقَطَّانِ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، فِي الرَّجُلِ يَخْرُجُ إِلَى الصَّلَاةِ فَتَفُوتُهُ فِي الْجَمَاعَةِ، فَإِذَا حَزِنَ لِذَلِكَ أَعْطَاهُ اللَّهُ فَضْلَ الْجَمَاعَةِ "
১৭ - হাসান বিন আল-সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যায়িদ বিন আল-হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুরজী থেকে, তিনি গালিব আল-কাত্তান থেকে, তিনি বাকর বিন আব্দুল্লাহ থেকে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যে সালাতের উদ্দেশ্যে বের হয় কিন্তু তার জামাআত ছুটে যায়; যদি সে এই কারণে ব্যথিত হয় তবে আল্লাহ তাকে জামাআতের মর্যাদা দান করবেন।
(খণ্ড: ১)
আল-হাম্মু ওয়াল হুযনু লি ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
18 - حَدَّثَنِي هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ أَبُو مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ هَانِئٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ أَسْبَاطٍ، عَنْ وُهَيْبِ بْنِ الْوَرْدِ قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأَ فِي بَيْتِهِ وَأَسْبِغَ الْوُضُوءَ، ثُمَّ خَرَجَ يُرِيدُ الصَّلَاةَ فِي جَمَاعَةٍ، فَاسْتَقْبَلَهُمْ مُنْصَرِفِينَ فَأَحْزَنَهُ ذَلِكَ أَعْطَاهُ اللَّهُ أَجْرَيْنِ، أَجْرًا لِحُزْنِهِ، وَأَجْرًا لِمَا فَاتَهُ مِنَ الْجَمَاعَةِ»
১৮ - হাশিম ইবনুল কাসিম আবু মুহাম্মাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনু হানি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনু আসবাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি উহাইব ইবনুল ওয়ারদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি নিজ বাড়িতে ওজু করল এবং ওজু পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করল, অতঃপর জামাতে সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে বের হলো, এরপর লোকদের ফিরে আসতে দেখল (সালাত শেষ করে) এবং বিষয়টি তাকে ব্যথিত করল, তবে আল্লাহ তাকে দুটি প্রতিদান দান করবেন—একটি তার ব্যথিত হওয়ার কারণে এবং অপরটি তার জামাত ছুটে যাওয়ার কারণে।"