(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: -)
المفاريد لأبي يعلى الموصلي   (أبو يعلى الموصلي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: المفاريد عن رسول الله صلى الله عليه وسلم

المؤلف: أبو يعلى أحمد بن علي بن المثُنى بن يحيى بن عيسى بن هلال التميمي، الموصلي (ت 307هـ)

المحقق: عبد الله بن يوسف الجديع

الناشر: مكتبة دار الأقصى - الكويت

الطبعة: الأولى، 1405

عدد الصفحات: 113

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু ইয়ালা আল-মাওসিলির আল-মুফারিদ   (আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত একক বর্ণনাসমূহ

লেখক: আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না বিন ইয়াহইয়া বিন ঈসা বিন হিলাল আত-তামীমী, আল-মাওসিলি (মৃত্যু: ৩০৭ হিজরি)

তাহকীক: আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ আল-জুদি

প্রকাশক: মাকতাবাতু দারিল আকসা - কুয়েত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৫

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১৩

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
-1 -‌‌ مُعَاذُ بْنُ أَنَسٍ الْجُهَنِيُّ
-1 - মুআয ইবন আনাস আল-জুহানী
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
1 - أَخْبَرَنَا السَّيِّدُ الْإِمَامُ الْأَوْحَدُ الصَّدْرُ الْكَامِلُ الرَّئِيسُ الْمُرْتَضَى قَاضِي الْقُضَاةِ كَمَالُ الدِّينِ شَمْسُ الْإِسْلَامِ سَيِّدُ الْحُكَّامِ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْمُظَفَّرِ الشَّهْرَزُورِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ. . . مِنْ سَنَةِ سَبْعٍ وَسِتِّينَ وَخَمسِمِائَةٍ بِدِمَشْقَ قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ طَوْقٍ جَدِّي لِأُمِّي، وَأَبُو الْبَرَكَاتِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ خَمِيسٍ الْمَوْصِلِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا قَالَا: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ طَوْقٍ الْمُعَدَّلُ فِي جَامِعِ الْمَوْصِلِ فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ قَالَ: أنبأ أَبُو الْقَاسِمِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْخَلِيلِ الْفَقِيهُ الْمُرَجَّي قَالَ: ثنا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى بْنِ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ قَالَ: ثنا دَاوُدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ زُهَيْرٍ الضَّبِّيُّ، قَالَ: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أُسَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ فَرْوَةَ بْنِ مُجَاهِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ الْجُهَنِيِّ قَالَ: غَزَوْتُ مَعَ أَبِي الصَّائِفَةَ فِي زَمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَرْوَانَ ، وَعَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ ، فَنَزَلْنَا عَلَى حِصْنِ سنان فَضَيَّقَ النَّاسُ الْمَنَازِلَ ، وَقَطَعُوا الطَّرِيقَ ، فَقَامَ أَبِي فِي النَّاسِ فَقَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ ، إِنِّي غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَزْوَةَ كَذَا وَكَذَا ، فَضَيَّقَ النَّاسُ الْمَنَازِلَ ، وَقَطَعُوا الطَّرِيقَ ، فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُنَادِيًا فَنَادَى فِي النَّاسِ: «أَنَّ مَنْ ضَيَّقَ مَنْزِلًا ، أَوْ قَطَعَ طَرِيقًا ، فَلَا جِهَادَ لَهُ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাইয়্যিদ, ইমাম, অদ্বিতীয়, শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, প্রধান, পসন্দনীয় ব্যক্তি, প্রধান বিচারপতি কামালুদ্দীন শামসুল ইসলাম বিচারকদের নেতা আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-কাসিম বিন আল-মুজাফফর আশ-শাহরাজুরি; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম... পাঁচশত সাতষট্টি হিজরি সালের এক দিনে দামেস্কে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ—আবু আল-হাসান আলী বিন আহমাদ বিন আব্দুল বাকি বিন তওক, যিনি আমার মাতামহ, এবং আবু আল-বারাকাত মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন খামিস আল-মাওসিলি; তাঁদের উভয়ের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু নাসর আহমাদ বিন আব্দুল বাকি বিন তওক আল-মুয়াদ্দাল, মাওসিলের জামে মসজিদে, চারশত আটান্ন হিজরি সালের জিলহজ মাসে। তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-কাসিম নাসর বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-খালিল আল-ফকিহ আল-মুরাজ্জা। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমাদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না বিন ইয়াহইয়া আত-তামিমি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন দাউদ বিন আমর বিন জুহাইর আদ-দাব্বি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসমাইল বিন আইয়াশ। তিনি বলেন: আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উসাইদ বিন আব্দুর রহমান, তিনি ফারওয়া বিন মুজাহিদ থেকে, তিনি সাহল বিন মুয়াজ আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি আমার পিতার সাথে আব্দুল্লাহ বিন মারওয়ানের যুগে গ্রীষ্মকালীন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম, আর আমাদের ওপর সেনাপতি ছিলেন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মালিক। আমরা সিনান দুর্গের নিকট অবতরন করলাম। তখন লোকেরা আবাসস্থলকে সংকুচিত করে ফেলল এবং পথ বন্ধ করে দিল। অতঃপর আমার পিতা লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেন: হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে অমুক অমুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। তখন লোকেরা আবাসস্থল সংকুচিত করেছিল এবং পথ বন্ধ করেছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন ঘোষক পাঠালেন, সে লোকদের মাঝে ঘোষণা করল: «যে ব্যক্তি আবাসস্থল সংকুচিত করবে অথবা পথ বন্ধ করবে, তার কোনো জিহাদ থাকবে না (অর্থাৎ তার জিহাদ পূর্ণাঙ্গ হবে না)»।
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
2 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى التَّمِيمِيُّ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الدَّوْرَقِيِّ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ مَيْمُونٍ أَبُو مَرْحُومٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَرَكَ اللِّبَاسَ وَهُوَ يَقْدِرُ عَلَيْهِ تَوَاضُعًا لِلَّهِ دَعَاهُ اللَّهُ تبارك وتعالى يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى رُءُوسِ الْخَلَائِقِ ، يُخَيِّرُهُ مِنْ حُلَلِ الْإِيمَانِ يَلْبَسُ أَيَّهَا شَاءَ»
২ - আবু ইয়ালা আত-তামিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারুন ইবনে মারুফ এবং আহমদ ইবনে ইবরাহিম আদ-দাওরাকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবু আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহিম ইবনে মায়মুন আবু মারহুম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সাহল ইবনে মুআজ ইবনে আনাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে বিনয়বশত (জাঁকজমকপূর্ণ) পোশাক পরিধান করা ত্যাগ করে, অথচ সে তা পরিধান করতে সক্ষম, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা কিয়ামতের দিন তাকে সমস্ত সৃষ্টির সামনে ডাকবেন এবং তাকে ঈমানের পোশাকসমূহের মধ্য থেকে পছন্দ করার সুযোগ দেবেন যে, সে সেগুলোর মধ্য থেকে যেটি ইচ্ছা পরিধান করবে।»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: ثنا سَعِيدٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَعْطَى لِلَّهِ ، وَمَنَعَ لِلَّهِ ، وَأَحَبَّ لِلَّهِ ، وَأَبْغَضَ لِلَّهِ ، وَأَنْكَحَ لِلَّهِ ، فَقَدِ اسْتَكْمَلَ إِيمَانَهُ»
৩ - আমাদের নিকট আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হারুন ইবনে মারুফ ও আহমাদ ইবনে ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আবু আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহীম ইবনে মাইমুন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সাহল ইবনে মুআজ ইবনে আনাস থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য দান করল, আল্লাহর জন্য প্রদান থেকে বিরত থাকল, আল্লাহর জন্য ভালোবাসল, আল্লাহর জন্য ঘৃণা করল এবং আল্লাহর জন্য বিয়ে দিল, সে তার ঈমান পূর্ণ করল।’»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
[ز]⦗ص: 25⦘ حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ زَبَّانِ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ ، مُتَطَوِّعًا فِي غَيْرِ رَمَضَانَ ، بَعُدَ مِنَ النَّارِ مِائَةَ عَامٍ مَسِيرَ الْمُضَمَّرِ الْمُجِيدِ»
[য]⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ঈসা আল-মিসরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, যাব্বান ইবনে ফাইদ থেকে, তিনি সাহল ইবনে মুআজ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি রমজান মাস ব্যতীত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একদিন নফল রোজা রাখবে, সে জাহান্নামের আগুন থেকে একশত বছরের পথের দূরত্বে থাকবে, যা একটি সুশিক্ষিত ও দ্রুতগামী ঘোড়ার অতিক্রান্ত দূরত্বের সমান।»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
[ز] حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى أَبُو صَالِحٍ، قَالَ: ثنا بَقِيَّةُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الْحَجَّاجِ الْمُحَارِبِيُّ، حَدَّثَنَا زَبَّانُ بْنُ فَائِدٍ، عَنِ ابْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صَلَّى صَلَاةَ الْفَجْرِ ، ثُمَّ قَعَدَ يَذْكُرُ اللَّهَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ»

[য] আমাদের নিকট আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হাকাম ইবনে মুসা আবু সালিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাকিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবুল হাজ্জাজ আল-মুহারিবী হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি যাব্বান ইবনে ফাইদ থেকে, তিনি ইবনে মুয়ায থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করল, অতঃপর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত বসে আল্লাহর যিকর করল, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে গেল।"

(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ الدَّوْرَقِيِّ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو مَرْحُومٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " مَنْ أَكَلَ طَعَامًا فَقَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعِمْنِي هَذَا ، وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ، وَمَنْ لَبِسَ ثَوْبًا فَقَالَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَكْسَانِي هَذَا ، وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ "
৬ - আমাদের নিকট আবুুর রাবী‘ আয-যাহরানী এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন আদ-দাওরাকী বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযীদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ বিন আবু আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু মারহুম আব্দুর রাহীম বিন মাইমুন বর্ণনা করেছেন, সাহল বিন মুয়ায বিন আনাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো খাবার আহার করে এবং বলে: ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে এটি খাইয়েছেন এবং আমার কোনো চেষ্টা ও শক্তি ছাড়াই আমাকে এটি রিযিক হিসেবে দান করেছেন’, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি কোনো পোশাক পরিধান করে এবং বলে: ‘সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে এটি পরিয়েছেন এবং আমার কোনো চেষ্টা ও শক্তি ছাড়াই আমাকে এটি রিযিক হিসেবে দান করেছেন’, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
[ز] حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا مُحْرِزُ بْنُ عَوْنِ بْنِ أَبِي عَوْنٍ أَبُو الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زَبَّانِ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ قَرَأَ أَلْفَ آيَةٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ تبارك وتعالى ، كُتِبَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ وَحَسُنَ أُولَئِكَ رَفِيقًا إِنَّ شَاءَ اللَّهُ»
[য] আমাদের নিকট আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহরিজ ইবনে আউন ইবনে আবি আউন আবুল ফজল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট রিশদিন ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন জাব্বান ইবনে ফায়েদ থেকে, তিনি সাহল ইবনে মুয়াজ থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহর পথে এক হাজার আয়াত পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তাকে নবীগণ, সত্যনিষ্ঠগণ, শহীদগণ এবং নেককারদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং তারা কতই না চমৎকার সঙ্গী, যদি আল্লাহ চান।’
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
[ز]⦗ص: 27⦘ حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا مُحْرِزُ بْنُ عَوْنٍ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زَبَّانِ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " مَنْ حَرَسٍ مِنْ وَرَاءِ الْمُسْلِمِينَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل مُتَطَوِّعًا لَا يَأْخُذُهُ سُلْطَانٌ ، لَمْ يَرَ النَّارَ بِعَيْنِهِ إِلَّا تَحِلَّةَ الْقَسَمِ، فَإِنَّ اللَّهَ سُبْحَانَهُ يَقُولُ: {وَإِنْ مِنْكُمْ إِلَّا وَارِدُهَا} [مريم: 71] "
[জ]⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘ আমাদের নিকট আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহরিজ ইবনে আউন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট রিশদিন ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি জাব্বান ইবনে ফায়িদ থেকে, তিনি সাহল ইবনে মুয়ায থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, নবী (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর উপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর পথে কোনো শাসকের নির্দেশ ছাড়াই স্বেচ্ছায় মুসলমানদের পশ্চাৎভাগ পাহারাদারি করবে, সে স্বচক্ষে জাহান্নাম দেখবে না; কেবল শপথ পূর্ণ করার জন্য যতটুকু প্রয়োজন (ততটুকু ব্যতীত)। কেননা মহান আল্লাহ বলেন: {তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যাকে তা অতিক্রম করতে হবে না} [মারইয়াম: ৭১]"
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
9 - حَدَّثَنَا مُحْرِزُ بْنُ عَوْنٍ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زَبَّانِ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ تَخَطَّى النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ اتُّخِذَ جِسْرًا إِلَى جَهَنَّمَ»
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহরিজ ইবনে আওন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রুশদীন ইবনে সাদ, তিনি যাব্বান ইবনে ফায়িদ থেকে, তিনি সাহল ইবনে মুআয থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি জুমার দিন মানুষের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে অগ্রসর হয়, তাকে জাহান্নামের দিকে যাওয়ার একটি সেতু হিসেবে গ্রহণ করা হবে।»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: ثنا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي أَبُو مَرْحُومٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ الْجُهَنِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم «أَنَّهُ نَهَى عَنِ الْحُبْوَةِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ» قَالَ ابْنُ الدَّوْرَقِيِّ: قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِي: لَيْسَ هُوَ بِالْمَعْرُوفِ عِنْدَ النَّاسِ ، وَلَمْ يَزَلِ النَّاسُ يَحْتَبُونَ
১০ - আমাদের নিকট আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হারুন ইবনে মারুফ এবং আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আদ-দাওরাকী বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট আবু মারহুম আবদুর রাহিম ইবনে মাইমুন বর্ণনা করেছেন, সাহল ইবনে মুআয ইবনে আনাস আল-জুহানি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, «নিশ্চয়ই তিনি জুমার দিন ইমামের খুতবা প্রদানকালে হাঁটু গেড়ে (হাত বা কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে) বসতে নিষেধ করেছেন।» ইবনুল দাওরাকী বলেন: আবু আবদুর রহমান আল-মুক্বরি বলেছেন: এটি মানুষের নিকট সুপরিচিত নয় এবং মানুষ সর্বদা এভাবেই (হাঁটু গেড়ে) বসছে।
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا أَبُو هَمَّامٍ الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ زَبَّانِ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ الْجُهَنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ وَعَمِلَ بِمَا فِيهِ، أُلْبِسَ وَالِدَاهُ تَاجًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، ضَوْؤُهُ أَحْسَنُ مِنْ ضَوْءِ الشَّمْسِ فِي بُيُوتِ أَهْلِ الدُّنْيَا لَوْ كَانَتْ فِيهِ ، فَمَا ظَنُّكُمْ بِالَّذِي عَمِلَ هَذَا»
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাম্মাম আল-ওয়ালিদ ইবনে শুজা‘, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহব, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, জাব্বান ইবনে ফায়েদ থেকে, তিনি সাহল ইবনে মুয়াজ আল-জুহানী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করল এবং তাতে যা আছে সে অনুযায়ী আমল করল, কিয়ামতের দিন তার পিতা-মাতাকে এমন একটি মুকুট পরিধান করানো হবে যার আলো দুনিয়াবাসীদের ঘরের ভেতরে থাকা সূর্যের আলোর চেয়েও অধিক সুন্দর হবে, যদি সূর্যটি সেখানে থাকত। সুতরাং যে ব্যক্তি স্বয়ং এর ওপর আমল করেছে তার সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কী?»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
[ز] حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا أَبُو هَمَّامٍ، حَدَثنَا ابْنَ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ زَبَّانِ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ بَرَّ وَالِدَيْهِ طُوبَى لَهُ ، زَادَ اللَّهُ فِي عُمْرِهِ»
[য] আমাদের নিকট আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু হাম্মাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব বর্ণনা করেছেন যাব্বান ইবনে ফায়েদ থেকে, তিনি সাহল ইবনে মুয়াজ ইবনে আনাস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার পিতামাতার প্রতি সদাচরণ করে, তার জন্য শুভসংবাদ; আল্লাহ তার আয়ু বৃদ্ধি করবেন»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ ، حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي أَبُو مَرْحُومٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ كَظَمَ غَيْظًا وَهُوَ قَادِرٌ عَلَى أَنْ يُنْفِذَهُ دَعَاهُ اللَّهُ عَلَى رُءُؤسِ الْخَلَائِقِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، فَيُخَيِّرُهُ فِي أَيِّ الْحُورِ شَاءَ»
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন ইব্রাহিম আদ-দাওরাকি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি আইয়ুব, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মারহুম, তিনি সাহল বিন মুআয থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের রাগকে সংবরণ করবে অথচ সে তা প্রয়োগ করতে সক্ষম ছিল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে সমস্ত সৃষ্টির সামনে ডাকবেন, অতঃপর তাকে জান্নাতের হুরদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা বেছে নেওয়ার সুযোগ দেবেন।»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
‌‌عَرْفَجَةُ بْنُ أَسْعَدَ
আরফাজা ইবনে আসআদ
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا حَوْثَرَةُ بْنُ أَشْرَسَ أَبُو عَامِرٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الْأَشْهَبِ، جَعْفَرُ بْنُ حَيَّانَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ طَرَفَةَ بْنِ عَرْفَجَةَ بْنِ أَسْعَدَ بْنِ مِنْقَرٍ، قَالَ أَبُو عَامِرٍ: هَؤُلَاءِ أَخْوَالِي بَنِي سَعْدٍ ، أَنَّ جَدَّهُ عَرْفَجَةَ أُصِيبَ أَنْفُهُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ يَوْمَ الْكُلَابِ ، فَاتَّخَذَ أَنْفًا مِنْ وَرِقٍ ، فَأَنْتَنَ عَلَيْهِ ، فَذَكَرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، «فَأَمَرَهُ أَنْ يَتَّخِذَ أَنْفًا مِنْ ذَهَبٍ» قَالَ حَوْثَرَةُ: وَزَعَمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ أَنَّهُ قَدْ رَأَى جَدَّهُ
১৪ - আমাদের নিকট আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাওসারাহ বিন আশরাস আবু আমির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাকে আবুল আশহাব জাফর বিন হাইয়ান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুর রহমান বিন তারাফাহ বিন আরফাজাহ বিন আসাদ বিন মিনকার থেকে বর্ণনা করেছেন; আবু আমির বলেন: এরা বনু সাদ গোত্রের আমার মামা। তাঁর (আবদুর রহমানের) দাদা আরফাজাহ জাহেলী যুগে কুলাবের যুদ্ধে নাকে আঘাত পেয়েছিলেন (বা নাক হারিয়েছিলেন)। অতঃপর তিনি রূপার একটি নাক তৈরি করলেন, কিন্তু তাতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হলো। পরে তিনি বিষয়টি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উল্লেখ করলেন। তখন তিনি তাকে স্বর্ণের একটি নাক তৈরি করার নির্দেশ দিলেন। হাওসারাহ বলেন: আবদুর রহমান দাবি করেছেন যে তিনি তাঁর দাদাকে দেখেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْأَشْهَبِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ طَرَفَةَ بْنِ عَرْفَجَةَ، وَزَعَمَ، أَنَّهُ رَأَى عَرْفَجَةَ جَدَّهُ ، قَالَ: أُصِيبَ أَنْفُ عَرْفَجَةَ يَوْمَ الْكُلَابِ ، فَاتَّخَذَ أَنْفًا مِنْ وَرِقٍ ، فَأَنْتَنَ عَلَيْهِ ، «فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَتَّخِذَ أَنْفًا مِنْ ذَهَبٍ»
১৫ - আবু ইয়ালা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, শায়বান ইবনে ফাররুখ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু আল-আশহাব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে তরাফাহ ইবনে আরফাজাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তাঁর দাদা আরফাজাহকে দেখেছেন; তিনি বলেন: কুলাব যুদ্ধের দিন আরফাজাহর নাক জখম হয়েছিল, ফলে তিনি রূপার একটি নাক তৈরি করে নিলেন, অতঃপর তাতে দুর্গন্ধ হয়ে গেল, “তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে স্বর্ণের একটি নাক তৈরি করার নির্দেশ দিলেন।”
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣١)
‌‌أَبُو الْعُشَرَاءِ الدَّارِمِيُّ
আবু আল-উশারা আদ-দারিমি
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣١)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، وَهُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، وَعَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، وَحَوْثَرَةُ بْنُ أَشْرَسَ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ السَّامِيُّ، قَالُوا: حَدَّثَنَا ابْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الْعُشَرَاءِ الدَّارِمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمَا تَكُونُ الذَّكَاةُ إِلَّا مِنَ اللَّبَّةِ أَوِ الْحَلْقِ؟ قَالَ: «لَوْ طُعِنَتْ فِي فَخِذِهَا لَأَجْزَأَ عَنْكَ»
১৬ - আমাদের নিকট আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আলী ইবনুল জাদ, হুদবাহ ইবনে খালিদ, আবদুল আ’লা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসি, হাওসারাহ ইবনে আশরাস এবং ইব্রাহিম ইবনুল হাজ্জাজ আস-সামি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট ইবনে সালামাহ আবু আল-উশারা আদ-দারিমি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! যবেহ কি কেবল কণ্ঠনালী বা বক্ষস্থলের উপরিভাগ ছাড়া হয় না? তিনি বললেন: «যদি তুমি এর উরুতেও আঘাত করতে, তবে তা তোমার জন্য যথেষ্ট হতো।»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣١)
‌‌عِتْبَانُ بْنُ مَالِكٍ
ইতবান ইবনে মালিক
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣١)
17 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ يعنى ابْنَ الْمُغِيرَةِ ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ ، فَلَقِيتُ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ فَقُلْتُ: حَدِيثًا بَلَغَنِي ⦗ص: 32⦘ عَنْكَ قَالَ: أَصَابَنِي فِي بَصَرِي شَيْءٌ ، فَبَعَثْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنِّي أُحِبُّ أَنْ تَأْتِيَنِي ، فَتُصَلِّي فِي مَنْزِلِي فَأَتَّخِذَهُ مُصَلًّى ، قَالَ: فَأَتَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ شَاءَ اللَّهُ مِنْ أَصْحَابِهِ ، فَدَخَلَ عَلِيَّ فَهُوَ يُصَلِّي فِي مَنْزِلِي ، وَأَصْحَابُهُ يَتَحَدَّثُونَ بَيْنَهُمْ ، ثُمَّ أَسْنَدُوا عِظَمَ ذَلِكَ وَكُبْرَهُ إِلَى مَالِكِ بْنِ دُخْشُمٍ ، قَالَ: وَدُّوا أَنَّهُ دَعَا عَلَيْهِ فَهَلَكَ ، وَدُّوا أَنَّهُ أَصَابَهُ سَقَمٌ، فَقُضِيَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَلَيْسَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ؟» قَالُوا: إِنَّهُ يَقُولُ ذَلِكَ وَمَا هُوَ فِي قَلْبِهِ قَالَ: «لَا يَشْهَدُ أَحَدٌ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ فَيَدْخُلُ النَّارَ أَوْ تَطْعَمُهُ النَّارُ» قَالَ: فَأَعْجَبَنِي هَذَا الْحَدِيثَ ، فَقُلْتُ لِابْنِي: اكْتُبْهُ ، فَكَتَبَهُ.

 

18 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ، نَحْوًا مِنْهُ ، وَزَادَ فِيهِ: وَأَصْحَابُهُ يَتَحَدَّثُونَ بَيْنَهُمْ، وَيَتَذَكَّرُونَ مَا يَلْقُونَ مِنَ الْمُنَافِقِينَ ، ثُمَّ أَسْنَدُوا ذَلِكَ إِلَى مَالِكِ بْنِ دُخْشُمٍ ، قَالَ: وَدُّوا أَنَّهُ دَعَا عَلَيْهِ ، يَحْمِلُونَهُ عَلَيْهِ ، فَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَاتَهُ فَذَكَرَ نَحْوًا مِنْهُ
১৭ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শায়বান বিন ফাররূখ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুলাইমান—অর্থাৎ ইবনুল মুগীরা—তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাবিত, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মাহমুদ ইবনুর রাবী’ ইতবান বিন মালিক (রা.) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। আনাস (রা.) বলেন: আমি মদিনায় আসলাম এবং ইতবান বিন মালিকের সাথে দেখা করলাম। আমি বললাম: আপনার পক্ষ থেকে একটি হাদিস আমার কাছে পৌঁছেছে ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ তিনি বললেন: আমার দৃষ্টিশক্তিতে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তাই আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে সংবাদ পাঠালাম যে, আমি পছন্দ করি যে আপনি আমার কাছে আসবেন এবং আমার ঘরে সালাত আদায় করবেন যেন আমি সেটাকে সালাত আদায়ের স্থান হিসেবে গ্রহণ করতে পারি। তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আল্লাহর সাহাবীদের মধ্যে যারা চাইলেন তারা আমার কাছে আসলেন। তিনি আমার ঘরে প্রবেশ করলেন এবং সেখানে সালাত আদায় করছিলেন, আর তাঁর সাহাবীরা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন। এরপর তারা এই বিষয়ের বিশালত্ব ও গুরুত্বের দায় মালিক বিন দুখশুমের ওপর অর্পণ করলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: তারা চাইলেন যে তিনি (রাসূল) যেন তার বিরুদ্ধে বদদোয়া করেন এবং সে ধ্বংস হয়ে যায়; তারা চাইলেন যে সে যেন কোনো রোগে আক্রান্ত হয় এবং তার মৃত্যু ঘটে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «সে কি সাক্ষ্য দেয় না যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল?» তারা বললেন: সে তা বলে ঠিকই কিন্তু তা তার অন্তরে নেই। তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিবে যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না অথবা আগুন তাকে ভক্ষণ করবে না।» আনাস (রা.) বলেন: এই হাদিসটি আমাকে মুগ্ধ করল, তাই আমি আমার ছেলেকে বললাম: এটি লিখে রাখো। অতঃপর সে তা লিখে নিল।

 

১৮ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাশিম বিন কাসিম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন মুগীরা, সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি ইতবান বিন মালিক থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর তিনি এতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: এবং তাঁর সাহাবীরা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন এবং মুনাফিকদের পক্ষ থেকে তারা যা কিছুর সম্মুখীন হন তা নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এরপর তারা তার দায় মালিক বিন দুখশুমের ওপর অর্পণ করলেন। তিনি বললেন: তারা চাইলেন যে তিনি যেন তার বিরুদ্ধে বদদোয়া করেন, তারা তাকে সেই (মুনাফিকির) দায়ে অভিযুক্ত করছিলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সালাত শেষ করলেন এবং এর অনুরূপ বর্ণনা করলেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
19 - حَدَّثَنَا أَبُو حَمْزَةَ هُرَيْمُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى الْأَسَدِيُّ ، قَالَ: ثنا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، قَالَ: ثنا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ ، عَنْ عِتْبَانِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: لَقِيتُ عِتْبَانَ بَعْدَ ذَلِكَ فَحَدَّثَنِي ، فَأَعْجَبَنِي، فَقُلْتُ لِابْنِي: اكْتُبْهُ ، فَكَتَبَهُ قَالَ: وَكَانَ قَدْ ذَهَبَ بَصَرُهُ ، قَالَ: قُلْتُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ ، لَوْ أَتَيْتَنِي فَصَلَّيْتَ عِنْدِي فِي مَكَانٍ أَتَّخِذُهُ مَسْجِدًا ، قَالَ: فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَجَعَلَ يُصَلِّي وَجَعَلَ أَصْحَابُهُ يَتَحَدَّثُونَ ، قَالَ: فَذَكَرُوا مَا يَلْقُونَ مِنَ الْمُنَافِقِينَ مِنَ الْأَذَى ، فَحَمَلُوا عِظَمَ ذَلِكَ إِلَى مَالِكِ بْنِ دُخْشُمٍ ، فَكَانَ يُعْجِبُهُمْ أَنْ يَحْمِلُوا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَيَدْعُو عَلَيْهِ فَيَهْلِكُ ، فَقَالُوا: يَا نَبِيَّ اللَّهِ ، إِنَّ مِنْ أَمَرِهِ كَذَا وَكَذَا قَالَ: فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَلَيْسَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ، وَأَنِّي مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ؟» قَالُوا: إِنَّمَا يَقُولُ ذَلِكَ بِلِسَانِهِ وَلَيْسَ لَهُ حَقِيقَةٌ فِي قَلْبِهِ فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لَا يَشْهَدُ أَحَدٌ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ فَيُدْخِلَهُ اللَّهُ النَّارَ أَوْ قَالَ: تَطْعَمَهُ النَّارُ أَبَدًا " قَالَ الْمُعْتَمِرُ: قَالَ أَبِي: سَمِعْتُهُ مِنْ أَنَسٍ فَمَا حَدَّثْتُ بِهِ أَحَدًا
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামযাহ হুরায়ম বিন আব্দুল আলা আল-আসাদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতামির বিন সুলাইমান, সুলাইমান বিন মুগীরা থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত, আনাস থেকে, তিনি মাহমুদ বিন রাবী’ থেকে, তিনি ইতবান বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। মাহমুদ বলেন: আমি এর পরে ইতবানের সাথে সাক্ষাৎ করলাম, তখন তিনি আমার নিকট হাদীসটি বর্ণনা করলেন এবং তা আমাকে মুগ্ধ করল। তখন আমি আমার ছেলেকে বললাম: এটি লিখে নাও, ফলে সে তা লিখে নিল। মাহমুদ বলেন: তখন ইতবান দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। ইতবান বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আপনি যদি আমার কাছে আসতেন এবং আমার গৃহে এমন একটি স্থানে সালাত আদায় করতেন যেটিকে আমি সালাতের স্থান হিসেবে গ্রহণ করতে পারি। তিনি বলেন: এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন এবং সালাত আদায় করতে শুরু করলেন, আর তাঁর সাহাবীগণ কথা বলতে লাগলেন। তিনি বলেন: তাঁরা মুনাফিকদের পক্ষ থেকে যে কষ্ট ও যাতনা পেতেন সে সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তাঁরা এর প্রধান দায়ভার মালিক বিন দুখশুমের ওপর চাপালেন। তাঁরা চাইলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্ররোচিত করবেন যাতে তিনি তার বিরুদ্ধে বদদোয়া করেন এবং সে ধ্বংস হয়ে যায়। তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর নবী! তার কর্মকাণ্ড তো এই এই রূপ। তিনি বলেন: তখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «সে কি এই সাক্ষ্য দেয় না যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল?» তাঁরা বললেন: সে তো কেবল মুখেই তা বলে, তার অন্তরে এর কোনো বাস্তবতা নেই। তখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "কোনো ব্যক্তি এমন নেই যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসুল বলে সাক্ষ্য দেয়, আর আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করান (অর্থাৎ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন না); অথবা তিনি বলেছেন: জাহান্নামের আগুন তাকে কখনো ভক্ষণ করবে না।" মুতামির বলেন: আমার পিতা বলেছেন: আমি এটি আনাস থেকে শুনেছি এবং ইতিপূর্বে কারো নিকট এটি বর্ণনা করিনি।
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
‌‌عَمْرُو بْنُ خَارِجَةَ
আমর ইবন খারিজা
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
20 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ خَارِجَةَ قَالَ: خَطَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى نَاقَةٍ وَأَنَا تَحْتُ جِرَّانِهَا وَهِيَ تَقْصَعُ بِجَرَّةٍ وَلُعَابُهَا يَسِيلُ بَيْنَ كَتِفَيَّ ، فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ ، إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَعْطَى كُلَّ ذِي حَقٍّ حَقَّهُ ، فَلَا وَصِيَّةَ لِوَارِثٍ ، وَالْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ ، وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ، وَمَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ أَوِ انْتَمَى إِلَى غَيْرِ مَوَالِيهِ رَغْبَةً عَنْهُمْ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ ، لَا يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ صَرْفًا وَلَا عَدْلًا»
২০ - আবু ইয়ালা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালাফ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে গানাম থেকে, তিনি আমর ইবনে খারি জাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি উটনীর পিঠে আরোহী অবস্থায় ভাষণ প্রদান করলেন, আর আমি তখন উটনীটির ঘাড়ের নিচে ছিলাম। উটনীটি জাবর কাটছিল এবং তার লালা আমার দুই কাঁধের মাঝখানে ঝরছিল। তখন তিনি বললেন: «হে লোকসকল, নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রত্যেক হকদারকে তার প্রাপ্য অধিকার প্রদান করেছেন। সুতরাং কোনো উত্তরাধিকারীর (ওয়ারিশ) অনুকূলে অসিয়ত করা বৈধ নয়। সন্তান বিছানার মালিকের (অর্থাৎ বৈধ স্বামী বা মালিকের) জন্য নির্ধারিত, আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (নিষ্ফলতা)। যে ব্যক্তি নিজ পিতা ব্যতীত অন্য কাউকে পিতা বলে দাবি করে অথবা নিজের প্রকৃত অভিভাবক (মাওলা) থেকে বিমুখ হয়ে অন্য কারো সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে, তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ (লানত), ফেরেশতাদের অভিশাপ এবং সকল মানুষের অভিশাপ। আল্লাহ তার কোনো ফরজ কিংবা নফল ইবাদত কবুল করবেন না।’»
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
‌‌عُمَارَةُ بْنُ أَوْسٍ
উমারা ইবনে আওস
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
[ز] حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحِمَّانِيُّ، حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلَاقَةَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ أَوْسٍ، وَقَدْ كَانَ صَلَّى الْقِبْلَتَيْنِ جَمِيعًا ، قَالَ: إِنِّي لَفِي مَنْزِلِي إِذَا مُنَادٍ يُنَادِي عَلَى الْبَابِ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «قَدْ حَوَّلَ الْقِبْلَةَ ، فَأَشْهَدُ عَلَى إِمَامِنَا وَالرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ لَقَدْ صَلُّوا إِلَى هَهُنَا - يَعْنِي بَيْتَ الْمَقْدِسِ - وَإِلَى هَهُنَا - يَعْنِي الْكَعْبَةَ»
[য] আবু ইয়ালা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ আল-হিমমানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাইস ইবনুর রাবি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ ইবনে ইলাকাহ থেকে, উমারা ইবনে আওস থেকে বর্ণিত—যিনি উভয় কিবলার দিকেই সালাত আদায় করেছিলেন—তিনি বলেন: আমি আমার বাড়িতে ছিলাম, এমতাবস্থায় একজন আহ্বানকারী দরজায় দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে ঘোষণা করলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলা পরিবর্তন করেছেন। আমি আমাদের ইমাম, পুরুষগণ, নারীগণ এবং শিশুদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তাঁরা এদিকেও—অর্থাৎ বাইতুল মাকদিসের দিকে—এবং এদিকেও—অর্থাৎ কাবার দিকে—সালাত আদায় করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
‌‌سَعْدُ بْنُ الْأَطْوَلِ
সা'দ ইবন আল-আতওয়াল
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ الْأَطْوَلِ أَنَّ رَجُلًا مَاتَ وَتَرَكَ ثَلَاثَ مِائَةِ دِرْهَمٍ ، وَعِيَالًا ، قَالَ: فَأَرَدْتُ أَنْ أُنْفِقَهَا عَلَى عِيَالِهِ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَخَاكَ مَحْبُوسٌ بِدَيْنِهِ ، فَاقْضِ عَنْهُ» فَقَضَى عَنْهُ ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، قَدْ قَضَيْتُ عَنْهُ إِلَّا امْرَأَةً ادَّعَتْ دِينَارَيْنِ وَلَيْسَ لَهَا بَيِّنَةٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَعْطِهَا ، فَإِنَّهَا صَادِقَةٌ»
২২ - আবু ইয়ালা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আলা ইবন হাম্মাদ আন-নারসি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবন সালামাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবন জাফর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু নাদরা থেকে বর্ণিত, সাদ ইবনুল আতওয়াল থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলেন এবং তিনশত দিরহাম ও পরিবার-পরিজন রেখে গেলেন। তিনি (সাদ) বললেন: আমি তা তার পরিবারের জন্য ব্যয় করতে চাইলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “নিশ্চয়ই তোমার ভাই তার ঋণের কারণে আটকে আছে, সুতরাং তার পক্ষ থেকে তা পরিশোধ করে দাও।” অতঃপর তিনি তা পরিশোধ করলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি তার পক্ষ থেকে পরিশোধ করেছি, কেবল এক মহিলা ব্যতীত যে দুই দিনার দাবি করেছে অথচ তার কাছে কোনো প্রমাণ নেই। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “তাকে দিয়ে দাও, কেননা সে সত্যবাদী।”
(খণ্ড: ১) আল-মুফারীদ লি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
[ز] حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنُ بَدَلِ بْنِ وَاصِلِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدِ بْنِ الْأَطْوَلِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدَلِ بْنِ وَاصِلِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدِ بْنِ الْأَطْوَلِ، قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدٍ يَخْرُجُ إِلَى أَصْحَابِهِ بِتَسْتَرَ يَزُورُهُمْ ، فَيُقِيمُ يَوْمَ دُخُولِهِ ، وَالثَّانِي ، وَيَخْرُجُ فِي الثَّالِثِ ، فَيَقُولُونَ: لَوْ أَقَمْتَ ، فَيَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «يَنْهَى عَنِ التَّنَاوَةِ» ، فَمَنْ أَقَامَ بِبَلَدِ الْخَرَاجِ ثَلَاثًا فَقَدْ تَنَأَ ، فَأَنَا أَكْرَهُ أَنْ أُقِيمَ
[জ] আমাদের নিকট আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বাদাল ইবনে ওয়াসিল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাদ ইবনুল আতওয়াল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে বাদাল ইবনে ওয়াসিল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাদ ইবনুল আতওয়াল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সাদ তুস্তারে তাঁর সঙ্গীদের নিকট সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে যেতেন। তিনি সেখানে তাঁর প্রবেশের দিন ও দ্বিতীয় দিন অবস্থান করতেন এবং তৃতীয় দিনে প্রস্থান করতেন। তখন তারা বলতেন: ‘আপনি যদি আরও অবস্থান করতেন!’ তিনি বলতেন: ‘আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) “তানাওয়া” (দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান) থেকে নিষেধ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি কোনো খারাজি শহরে তিন দিন অবস্থান করল, সে যেন সেখানে দীর্ঘস্থায়ী বসতি স্থাপন করল। তাই আমি সেখানে (অধিককাল) অবস্থান করা অপছন্দ করি।’