(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: -)
المعجم الصغير للطبراني القسم: كتب السنة
الكتاب: الروض الداني (المعجم الصغير)
المؤلف: سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير اللخمي الشامي، أبو القاسم الطبراني (ت 360هـ)
المحقق: محمد شكور محمود الحاج أمرير
الناشر: المكتب الإسلامي , دار عمار - بيروت , عمان
الطبعة: الأولى، 1405 - 1985
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আত-তাবারানির আল-মু'জাম আস-সাগির বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আর-রাওদ আদ-দানি (আল-মু'জাম আস-সাগির)
লেখক: সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব বিন মুতির আল-লাখমি আশ-শামি، আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি (মৃত্যু ৩৬০ হিজরি)
সম্পাদক: মুহাম্মাদ শাকুর মাহমুদ আল-হাজ আমরির
প্রকাশক: আল-মাকতাব আল-ইসলামি , দার আম্মার - বৈরুত , আম্মান
সংস্করণ: প্রথম، ১৪০৫ - ১৯৮৫
খণ্ড সংখ্যা: ২
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ১)
الْمُعْجَمُ الصَّغِيرُ لِلطَّبَرَانِيِّ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ اللَّخْمِيُّ الطَّبَرَانِيُّ رحمه الله قَالَ: هَذَا أَوَّلُ كِتَابِ فَوَائِدِ مَشَايِخِي الَّذِينَ كَتَبْتُ عَنْهُمْ بِالْأَمْصَارِ، خَرَّجْتُ عَنْ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمْ حَدِيثًا وَاحِدًا وَجَعَلْتُ أَسْمَاءَهُمْ عَلَى حُرُوفِ الْمُعْجَمِ
আত-তাবারানি সংকলিত আল-মু'জাম আস-সাগীর। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সাহাবীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। ইমাম হাফিজ আবুল কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আল-লাখমি আত-তাবারানি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: এটি আমার সেই শাইখদের নিকট থেকে সংগৃহীত জ্ঞানগর্ভ হাদিসসমূহের গ্রন্থের সূচনা, যাঁদের নিকট থেকে আমি বিভিন্ন জনপদে হাদিস লিপিবদ্ধ করেছি। আমি তাঁদের প্রত্যেকের পক্ষ থেকে একটি করে হাদিস চয়ন করেছি এবং তাঁদের নামসমূহকে বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
بَابُ الْأَلِفِ
আলিফ অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
مَنِ اسْمُهُ أَحْمَدُ
যাঁদের নাম আহমদ
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
1 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ نَجْدَةَ الْحَوْطِيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بِمَدِينَةِ جَبَلَةَ سَنَةَ تِسْعٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا جُنَادَةُ بْنُ مَرْوَانَ الْأَزْدِيُّ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا مُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: «سَأَلْتُ رَبِّي عز وجل ثَلَاثَ خِصَالٍ فَأَعْطَانِي اثْنَتَيْنِ وَمَنَعَنِي وَاحِدَةً سَأَلْتُهُ أَنْ لَا يُسَلِّطَ عَلَى أُمَّتِي عَدُوًّا مِنْ غَيْرِهِمْ فَأَعْطَانِيهَا ، وَسَأَلْتُهُ أَنْ لَا يَقْتُلَ أُمَّتِي بِالسَّنَةِ فَأَعْطَانِيهَا ، وَسَأَلْتُهُ أَنْ لَا يَلْبِسَهُمْ شِيَعًا فَأَبَى عَلَيَّ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ مُبَارَكِ بْنِ فَضَالَةَ إِلَّا جُنَادَةُ
১ - আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে নাজদাহ আল-হাওতী আবু আব্দুল্লাহ দুইশত উনআশি হিজরি সনে জাবালাহ শহরে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জুনাহদাহ ইবনে মারওয়ান আল-আযদি আল-হিমসি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুবারাক ইবনে ফাদালাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাসান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর এবং তাঁর পরিবারের উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «আমি আমার প্রতিপালক মহা মহিমান্বিতের নিকট তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেছি; তিনি আমাকে দুটি দান করেছেন এবং একটি প্রদান করা হতে বিরত থেকেছেন। আমি তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছি যেন তিনি আমার উম্মতের ওপর তাদের বহির্ভূত কোনো শত্রুকে চাপিয়ে না দেন, তিনি আমাকে তা দান করেছেন। আমি তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছি যেন তিনি দুর্ভিক্ষ দিয়ে আমার উম্মতকে ধ্বংস না করেন, তিনি আমাকে তা দান করেছেন। এবং আমি তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছি যেন তিনি তাদেরকে দল-উপদলে বিভক্ত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করেন, কিন্তু তিনি আমার এ প্রার্থনাটি মঞ্জুর করেননি।’ জুনাহদাহ ব্যতীত অন্য কেউ মুবারাক ইবনে ফাদালাহ থেকে এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
2 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ أَبُو زَيْدٍ الْحَوْطِيُّ، بِجَبَلَةَ سَنَةَ تِسْعٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ الحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ يَحْيَى الْأَطْرَابُلُسِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ ذِي حِمَايَةَ، عَنْ غَيْلَانَ بْنِ جَامِعٍ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِرَجُلٍ: «أَنْتَ وَمَالُكَ لِأَبِيكَ» لَا يُرْوَى عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُ ذِي حِمَايَةَ ، وَكَانَ مِنْ ثِقَاتِ الْمُسْلِمِينَ
২ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবন আবদুর রহীম আবু যায়িদ আল-হাওতী জাবালাহ নামক স্থানে দুইশত ঊনআশি হিজরি সনে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলী ইবন আইয়াশ আল-হিমসী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুয়াবিয়াহ ইবন ইয়াহইয়া আল-অত্রাবুলুসী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবন আবদুল হামীদ ইবন যী হিমায়াহ বর্ণনা করেছেন, তিনি গায়লান ইবন জামি' থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবন আবী সুলাইমান থেকে, তিনি ইবরাহীম আন-নাখায়ী থেকে, তিনি আলক্বামাহ ইবন ক্বায়স থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তিকে বলেছিলেন: «তুমি এবং তোমার সম্পদ তোমার পিতার জন্য»। ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই সনদ ব্যতীত এটি বর্ণিত হয়নি; ইবনু যী হিমায়াহ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি নির্ভরযোগ্য মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
3 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَمْزَةَ الدِّمَشْقِيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ الْمُلَائِيِّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَّمَ رَجُلًا أَنْ يَقُولَ إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ: «اللَّهُمَّ ، وَجَّهْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ ، وَأَلْجَأْتُ ظَهْرِي إِلَيْكَ ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ ، وَأَسْلَمْتُ نَفْسِي إِلَيْكَ؛ رَهْبَةً مِنْكَ وَرَغْبَةً إِلَيْكَ ، لَا مَلْجَأَ وَلَا مَنْجَا مِنْكَ إِلَّا إِلَيْكَ ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ ، وَنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ ، فَإِنْ مَاتَ مِنْ لَيْلَتِهِ غُفِرَ لَهُ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ إِلَّا ثَوْرٌ ، وَلَا عَنْ ثَوْرٍ إِلَّا يَحْيَى تَفَرَّدَ بِهِ وَلَدُهُ عَنْهُ
৩ - আমাদের নিকট আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হামজাহ আদ-দিমাশকি আবু আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আমার পিতা তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাওর ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি আমর ইবনে কায়স আল-মুলায়ী থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে এবং তিনি বারা ইবনে আযিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে শিক্ষা দিয়েছেন যেন সে যখন শয্যা গ্রহণ করে তখন বলে: «হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারা আপনার অভিমুখী করেছি, আমার পিঠ আপনার আশ্রয়ে সোপর্দ করেছি, আমার যাবতীয় বিষয় আপনার নিকট সমর্পণ করেছি এবং আমার সত্তাকে আপনার নিকট সোপর্দ করেছি; আপনার প্রতি ভয় ও অনুরাগবশত। আপনার নিকট ব্যতীত আপনার (শাস্তি) থেকে বাঁচার কোনো আশ্রয়স্থল ও পরিত্রাণস্থল নেই। আমি ঈমান এনেছি আপনার অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি এবং আপনার প্রেরিত নবীর প্রতি। সুতরাং যদি সে ওই রাতে মৃত্যুবরণ করে, তবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।» আমর ইবনে কায়স থেকে সাওর ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি এবং সাওর থেকে ইয়াহইয়া ব্যতীত কেউ এটি বর্ণনা করেননি; তাঁর থেকে তাঁর পুত্র এটি বর্ণনায় একক ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
4 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَبُو عَبْدِ الْمَلِكِ الْقُرَشِيُّ الْبُسْرِيُّ الدِّمَشْقِيُّ بِدِمَشْقَ سَنَةَ تِسْعٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الصَّلْتُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّبَيْدِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رضي الله عنه أَنَّ عِيَاضَ بْنَ حِمَارٍ الْمُجَاشِعِيَّ ثُمَّ النَّهْشَلِيَّ رضي الله عنه أَهْدَى لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَسًا قَبْلَ أَنْ يُسْلِمَ فَقَالَ: «إِنِّي أَكْرَهُ زَبْدَ الْمُشْرِكِينَ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ سُفْيَانَ إِلَّا الصَّلْتُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ تَفَرَّدَ بِهِ سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ
৪ - ২৭৯ হিজরি সালে দামেস্কে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আবু আব্দুল মালিক আল-কুরাশি আল-বুসরি আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে আব্দুর রহমান আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আস-সালত ইবনে আব্দুর রহমান আজ-জুবাইদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি ইবনে আউন থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, ইয়াদ ইবনে হিমার আল-মুজাশিয়ি অতঃপর আন-নাহশালি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইসলাম গ্রহণের পূর্বে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি ঘোড়া উপহার দিয়েছিলেন। তখন তিনি (রাসুলুল্লাহ) বলেছিলেন: «নিশ্চয়ই আমি মুশরিকদের হাদিয়া অপছন্দ করি»। সুফিয়ান থেকে আস-সালত ইবনে আব্দুর রহমান ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, এটি বর্ণনায় সুলাইমান ইবনে আব্দুর রহমান একক হয়ে গেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
5 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَسْعُودٍ الْمَقْدِسِيُّ الْخَيَّاطُ، بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي سَلَمَةَ التِّنِّيسِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ التَّيْمِيِّ ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أُمَّتِي أُمَّةٌ مَرْحُومَةٌ ، جَعَلَ اللَّهُ عَذَابَهَا بِأَيْدِيهَا ، فَإِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ دَفَعَ إِلَى كُلِّ رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ الْأَدْيَانِ ، فَكَانَ فِدَاءَهُ مِنَ النَّارِ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ سَالِمٍ وَابْنِ خُثَيْمٍ إِلَّا زُهَيْرٌ، تَفَرَّدَ بِهِ عَمْرٌو
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মাসউদ আল-মাকদিসী আল-খাইয়্যাত, বাইতুল মাকদিসে ২৭৪ হিজরী সনে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আবু সালামাহ আত-তিন্নিসী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহাইর বিন মুহাম্মাদ আত-তামিমী, সালেম আবু আন-নাদর—যিনি উমর বিন উবাইদিল্লাহ বিন মামার আত-তাইমীর মুক্তদাস—এবং আবদুল্লাহ বিন উসমান বিন খুসাইম থেকে, তিনি আবু বুরদাহ বিন আবু মূসা থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «আমার উম্মত এক রহমতপ্রাপ্ত উম্মত, আল্লাহ এদের আজাব বা শাস্তি এদের নিজেদের হাতেই ন্যস্ত করেছেন। যখন কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে, তখন প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির নিকট অন্য ধর্মাবলম্বীদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তিকে সোপর্দ করা হবে, যে হবে জাহান্নামের আগুন থেকে তার মুক্তিপণ স্বরূপ।» সালেম ও ইবনে খুসাইম থেকে জুহাইর ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, আর আমরের মাধ্যমে এটি এককভাবে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
6 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ الدِّمَشْقِيُّ الْمُقْرِي، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هِشَامِ بْنِ يَحْيَى الْغَسَّانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ جَدِّي، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «الْقَطْعُ فِي رُبْعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى إِلَّا وَلَدُهُ
৬ - আহমাদ ইবন আনাস ইবন মালিক আদ-দিমাশকি আল-মুকরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবন হিশাম ইবন ইয়াহইয়া আল-গাসসানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা তাঁর দাদা থেকে, তিনি আমরাহ বিনত আবদুর রহমান থেকে এবং তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «এক চতুর্থাংশ দিনার বা তার অধিক (পরিমাণ চুরির) ক্ষেত্রে হাত কাটা হবে»। ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া থেকে তাঁর সন্তান ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
7 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عِرْقٍ الْحِمْصِيُّ الْيَحْصِبِيُّ بِحِمْصَ سَنَةَ 278 ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِي كَرِبَ الزُّبَيْدِيِّ رضي الله عنه ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ أَصْفَرُ وَأَبْيَضُ لَمْ يَتْهَنْ بِالْعَيْشِ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ إِلَّا بَقِيَّةُ تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُ عِرْقٍ، وَلَا يُرْوَى عَنِ الْمِقْدَامِ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ
৭ - আমাদের নিকট আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হারিস বিন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন ইরক আল-হিমসি আল-ইয়াহসুবি হিমস শহরে ২৭৮ (দুইশত আটাত্তর) হিজরি সনে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবু মারিয়াম থেকে, তিনি হাবিব বিন উবাইদ থেকে, তিনি মিকদাম বিন মা’দি কারিব আজ-জুবাইদি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «মানুষের ওপর এমন এক সময় আসবে যখন যার নিকট হলুদ (স্বর্ণ) এবং সাদা (রৌপ্য) থাকবে না, সে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারবে না।» আবু বকর বিন আবু মারিয়াম থেকে বাকিয়্যাহ ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি, ইবনে ইরক এটি বর্ণনায় একক। আর মিকদাম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এই সনদ ব্যতীত এটি বর্ণিত হয়নি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
8 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ زَكَرِيَّا الْإِيَادِيُّ الْأَعْرَجُ، بِجَبَلَةَ سَنَةَ تِسْعٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ قَيْسٍ، حَدَّثَنَا الْمُعَافَى بْنُ عِمْرَانَ الطُّهَوِيُّ الْحِمْصِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ ثَوْبَانَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اسْتَقِيمُوا وَلَنْ تُحْصُوا ، وَاعْلَمُوا أَنَّ خَيْرَ أَعْمَالِكُمُ الصَّلَاةُ ، وَلَا يُحَافِظُ عَلَى الْوُضُوءِ إِلَّا مُؤْمِنٌ» لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْحَكَمِ إِلَّا عَبْدُ الْعَزِيزِ ، وَلَا عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَّا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ تَفَرَّدَ بِهِ الْمُعَافَى بْنُ عِمْرَانَ الطُّهَوِيُّ ، وَلَيْسَ بِالْمَوْصِلِيِّ ، وَالْمَشْهُورُ مِنْ حَدِيثِ مَنْصُورٍ وَالْأَعْمَشِ وَيَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে জাকারিয়া আল-ইয়াদি আল-আ'রাজ, জাবালাহ নামক স্থানে দুইশত উনআশি হিজরি সনে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে কাইস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-মু'আফা ইবনে ইমরান আত-তুহাবি আল-হিমসি, ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি আল-হাকাম ইবনে উতাইবাহ থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবিল জা'দ থেকে, তিনি সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা অটল থাকো, তবে তোমরা তা পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারবে না। জেনে রেখো, তোমাদের আমলসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো সালাত; আর মুমিন ব্যতীত অন্য কেউ ওযুর প্রতি বিশেষ যত্নবান হয় না।’ আল-হাকাম থেকে আব্দুল আজিজ ছাড়া এবং আব্দুল আজিজ থেকে ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি। আল-মু'আফা ইবনে ইমরান আত-তুহাবি এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি মাওসিলি নন। তবে মানসুর, আল-আ'মাশ এবং ইয়াজিদ ইবনে আবি জিয়াদ-এর সূত্রে সালিম ইবনে আবিল জা'দ থেকে বর্ণিত হাদিসটি অধিক প্রসিদ্ধ।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُعْفِيُّ ابْنُ أَخِي حُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الْجُعْفِيِّ ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ الطَّاطَرِيُّ ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ السِّمْطِ، عَنِ الْوَضِينِ بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ مَحْفُوظِ بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ ، ثُمَّ قَلَبَ جُبَّةً كَانَتْ عَلَيْهِ ، فَمَسَحَ بِهَا وَجْهَهُ» لَا يُرْوَى عَنْ سَلْمَانَ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ، تَفَرَّدَ بِهِ مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ الطَّاطَرِيُّ ، وَكُلُّ مَنْ يَبِيعُ الْكَرَابِيسَ بِدِمَشْقَ يُسَمَّى الطَّاطَرِيُّ
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন হাসান বিন আলী বিন ইব্রাহিম আদ-দিমাশকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুফী—যিনি হুসাইন বিন আলী আল-জুফীর ভ্রাতুষ্পুত্র, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন মুহাম্মদ আত-তাতারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন আস-সিমত, তিনি ওয়াদীন বিন আতা থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন মারসাদ থেকে, তিনি মাহফুজ বিন আলক্বামাহ থেকে, তিনি সালমান আল-ফারিসি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: «আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অজু করলেন, অতঃপর তিনি তার পরিহিত জুব্বাটি উল্টে দিলেন এবং তা দিয়ে নিজের মুখমণ্ডল মুছলেন।» সালমান থেকে এই সনদ ব্যতীত এটি বর্ণিত হয়নি। মারওয়ান বিন মুহাম্মদ আত-তাতারি এটি বর্ণনায় একক। দামেস্কে যারা মোটা সুতি কাপড় বিক্রি করত, তাদের প্রত্যেককেই 'তাতারি' বলা হতো।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
حَدَّثَنَا
⦗ص: 29⦘
10 - أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْقَاهِرِ بْنِ الْعَنْبَرِيِّ اللَّخْمِيُّ الدِّمَشْقِيُّ نَزِيلٌ بِدِمَشْقَ سَنَةَ تِسْعٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا مُنَبِّهُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا الْوَضِينُ بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ مَحْفُوظِ بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَائِذٍ الْأَزْدِيِّ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَشْرَفُ الْإِيمَانِ أَنْ يَأْمَنَكَ النَّاسُ ، وَأَشْرَفُ الْإِسْلَامِ أَنْ يَسْلَمَ النَّاسُ مِنْ لِسَانِكَ وَيَدِكَ ، وَأَشْرَفُ الْهِجْرَةِ أَنْ تَهْجُرَ السَّيِّئَاتِ ، وَأَشْرَفُ الْجِهَادِ أَنْ تَقْتُلَ وَتَعْقِرَ فَرَسَكَ» لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْوَضِينِ إِلَّا صَدَقَةُ، تَفَرَّدَ بِهِ مُنَبِّهُ بْنُ عُثْمَانَ
আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘
১০ - আহমদ ইবনে আবদুল কাহের ইবনে আল-আনবারী আল-লাখমী আদ-দিমাশকী, যিনি দুইশত ঊনআশি হিজরি সনে দামেস্কে অবস্থান করেছিলেন; তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুনাবেহ ইবনে উসমান; তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাদাকা ইবনে আব্দুল্লাহ; তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-ওয়াদিন ইবনে আতা; তিনি মাহফুজ ইবনে আলকামা থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আইজ আল-আজদী থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ঈমানের সর্বশ্রেষ্ঠ স্তর হলো মানুষ তোমার থেকে নিরাপদ থাকা, ইসলামের সর্বশ্রেষ্ঠ স্তর হলো মানুষ তোমার জিহ্বা ও হাত থেকে নিরাপদ থাকা, হিজরতের সর্বশ্রেষ্ঠ স্তর হলো পাপসমূহ বর্জন করা এবং জিহাদের সর্বশ্রেষ্ঠ স্তর হলো তুমি (আল্লাহর পথে) নিহত হওয়া এবং তোমার ঘোড়াটিকে জখম করা (বা যুদ্ধে হারানো)»। আল-ওয়াদিন থেকে সাদাকা ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, মুনাবেহ ইবনে উসমান এটি বর্ণনায় একক ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ২৯)
11 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَلِيدِ بْنِ سَعْدٍ الْمُرِّيُّ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الْمُطْعِمُ بْنُ الْمِقْدَامٍ الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا نَافِعٌ قَالَ: كُنْتُ رِدْفَ ابْنِ عُمَرَ ، " إِذْ مَرَّ بِرَاعٍ يَزْمِرُ ، فَضَرَبَ وَجْهَ النَّاقَةِ ، وَصَرَفَهَا عَنِ الطَّرِيقِ ، وَوَضَعَ أُصْبُعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ وَهُوَ يَقُولُ: أَتَسْمَعُ أَتَسْمَعُ؟ حَتَّى انْقَطَعَ الصَّوْتُ ، فَقُلْتُ: لَا أَسْمَعُ ، فَرَدَّهَا إِلَى الطَّرِيقِ قَالَ: هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُ، لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْمُطْعِمِ إِلَّا خَالِدٌ تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُهُ مَحْمُودٌ ، وَلَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ نَافِعٍ إِلَّا الْمُطْعِمٌ ، وَمَيْمُونُ بْنُ مِهْرَانَ ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى، تَفَرَّدَ بِهِ عَنْ مَيْمُونٍ أَبُو الْمَلِيحِ الْحَسَنُ بْنُ عُمَرَ الرَّقِّيُّ ، وَتَفَرَّدَ بِهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ
১১ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে সাদ আল-মুররি আদ-দিমাশকি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মাহমুদ ইবনে খালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-মুতিম ইবনুল মিকদাম আস-সানআনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, নাফি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইবনে উমরের পেছনে সওয়ার ছিলেন, "যখন তিনি একজন রাখালের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে বাঁশি বাজাচ্ছিল, তখন তিনি উটনীর মুখে আঘাত করলেন এবং তাকে পথ থেকে সরিয়ে নিলেন এবং তাঁর দুই কানে তাঁর দুই আঙ্গুল রাখলেন। তিনি বলছিলেন: তুমি কি শুনতে পাচ্ছ? তুমি কি শুনতে পাচ্ছ? শেষ পর্যন্ত যখন শব্দ বন্ধ হলো, তখন আমি বললাম: আমি শুনতে পাচ্ছি না। তখন তিনি উটনীকে পথে ফিরিয়ে আনলেন। তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এভাবেই করতে দেখেছি। মুতিম থেকে খালিদ ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, তাঁর পুত্র মাহমুদ তাঁর থেকে বর্ণনায় একক হয়েছেন। নাফি থেকে এই হাদীসটি মুতিম, মায়মুন ইবনে মিহরান এবং সুলায়মান ইবনে মুসা ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি। মায়মুন থেকে বর্ণনায় আবু আল-মালিহ আল-হাসান ইবনে উমর আর-রাক্কি একক হয়েছেন এবং সুলায়মান ইবনে মুসা থেকে বর্ণনায় সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩০)
12 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سَعْدٍ الْقَاضِي الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ زِيَادٍ الْبَسْتِيُّ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ الْمُهَلَّبِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «صَلَاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى ، فَإِذَا خَشِيتَ الصُّبْحَ فَأَوْتِرْ بِوَاحِدَةٍ» ، لَمْ يَرْوِهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ نَافِعٍ إِلَّا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ تَفَرَّدَ بِهِ الْفَضْلُ بْنُ زِيَادٍ ، وَقَدْ رَوَاهُ جَمَاعَةٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ وَهُمَا صَحِيحَانِ
১২ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সা’দ আল-কাদী আল-হিমসী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল ইবনে যিয়াদ আল-বাসতী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্বাদ ইবনে আব্বাদ আল-মুহাল্লাবী, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আলক্বামাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «রাতের সালাত দুই দুই (রাকাত করে), অতঃপর যদি তুমি সকাল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কর, তবে এক রাকাতের মাধ্যমে বিতর আদায় কর», আব্বাদ ইবনে আব্বাদ ব্যতীত আর কেউ এটি মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেননি। ফাদল ইবনে যিয়াদ এটি বর্ণনায় একক। একদল বর্ণনাকারী এটি মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং উভয়টিই সহীহ।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩১)
13 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مُوسَى الْأَنْطَاكِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَهْلٍ الْأَنْطَاكِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ يَحْيَى، وَمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ لِكُلِّ دِينٍ خُلُقًا ، وَخُلُقُ الْإِسْلَامِ الْحَيَاءُ» ، لَمْ يَرْوِهِ عَنْ مَالِكٍ إِلَّا عِيسَى بْنُ يُونُسَ تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُ سَهْمٍ
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবি মুসা আল-আনতাকি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে সাহল আল-আনতাকি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইউনুস, মুয়াবিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ও মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই প্রতিটি দ্বীনের একটি স্বভাবচরিত্র রয়েছে, আর ইসলামের স্বভাবচরিত্র হলো লজ্জা»; এটি মালিক থেকে ঈসা ইবনে ইউনুস ব্যতীত কেউ বর্ণনা করেননি, ইবনে সাহম এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩১)
14 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْخَشَّابُ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ جُنَادٍ الْحَلَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ مُسْلِمٍ الْخَفَّافُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَوْذَبٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ رَوْحِ بْنِ زِنْبَاعٍ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى تَمِيمٍ الدَّارِيِّ وَهُوَ أَمِيرٌ عَلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ وَهُوَ يُنَقِّي لِفَرَسِهِ شَعِيرًا ، فَقُلْتُ لَهُ: أَيُّهَا الْأَمِيرُ ، أَمَا كَانَ لَكَ مَنْ يَكْفِيكَ هَذَا؟ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ نَقَّى لِفَرَسٍ شَعِيرًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ ، ثُمَّ قَامَ بِهِ حَتَّى يُعَلِّقَهُ عَلَيْهِ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِكُلِّ شَعِيرَةٍ حَسَنَةً» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ إِلَّا ابْنُ شَوْذَبٍ ، وَلَا عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ إِلَّا عَطَاءُ بْنُ مُسْلِمٍ تَفَرَّدَ بِهِ عُبَيْدُ بْنُ جُنَادٍ
১৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনু ইসহাক আল-খাশশাব আর-রাক্কি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনু জুনাইদ আল-হালাবি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আতা ইবনু মুসলিম আল-খাফফাফ, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু শাওযাব থেকে, তিনি ইবরাহিম ইবনু আবি আবলাহ থেকে, তিনি রাওহ ইবনু যিনবা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তামীম আদ-দারীর নিকট প্রবেশ করলাম যখন তিনি বায়তুল মাকদিসের আমীর ছিলেন। তিনি তখন তার ঘোড়ার জন্য যব পরিষ্কার করছিলেন। আমি তাকে বললাম: হে আমীর! আপনার কি এমন কেউ নেই যে আপনার হয়ে এই কাজটি করে দিবে? তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় ঘোড়ার জন্য যব পরিষ্কার করে, অতঃপর তা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে যতক্ষণ না সে তা তার (ঘোড়ার) ওপর ঝুলিয়ে দেয়, আল্লাহ তার জন্য প্রতিটি যব দানার বিনিময়ে একটি করে নেকি লিখে দেন।’ ইবরাহিম ইবনু আবি আবলাহ থেকে ইবনু শাওযাব ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি এবং ইবনু শাওযাব থেকে আতা ইবনু মুসলিম ছাড়া কেউ এটি বর্ণনা করেননি; উবাইদ ইবনু জুনাইদ এটি বর্ণনায় একক ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩২)
15 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْخَشَّابُ الْبَلَدِيُّ بِبَلَدٍ ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حَصِيرَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم " لَعَنَ الْمُخَنَّثِينَ وَقَالَ: «لَا تُدْخِلُوهُمْ بُيُوتَكُمْ» لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْحَارِثِ إِلَّا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ ، وَلَا عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ إِلَّا عَفَّانُ
১৫ - আহমদ ইবনে ইসহাক আল-খাশ্শাব আল-বালাদি বালাদ শহরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আফফান ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবনে হাসিরাহ থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নারীসুলভ পুরুষদের প্রতি লানত করেছেন এবং বলেছেন: «তোমরা তাদেরকে তোমাদের ঘরে প্রবেশ করতে দিও না।» আল-হারিস থেকে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, এবং আবদুল ওয়াহিদ থেকে আফফান ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩২)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عِقَالٍ أَبُو الْفَوَارِسِ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِمْرَانَ الْحَجَبِيُّ، عَنْ جَدَّتِهِ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَتْ: إِنِّي وُلِدَ لِي غُلَامٌ ، فَسَمَّيْتُهُ مُحَمَّدًا ، وَكَنَّيْتُهُ أَبَا الْقَاسِمِ ، فَذُكِرَ لِي أَنَّكَ تَكْرَهُ ذَلِكَ ، فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: «مَا الَّذِي أَحَلَّ اسْمِي وَحَرَّمَ كُنْيَتِي ، وَمَا الَّذِي حَرَّمَ كُنْيَتِي وَأَحَلَّ اسْمِي» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ صَفِيَّةَ إِلَّا مُحَمَّدُ بْنُ عِمْرَانَ ، وَلَا يُرْوَى عَنْ عَائِشَةَ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ইকাল আবুল ফাওয়ারিস আল-হাররানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আন-নুফাইলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইমরান আল-হাজাবি, তিনি তাঁর দাদি সাফিয়্যাহ বিনতে শায়বাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক মহিলা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন: "আমার একটি পুত্রসন্তান জন্ম নিয়েছে, তাই আমি তার নাম রেখেছি মুহাম্মাদ এবং উপনাম দিয়েছি আবুল কাসিম। আমার নিকট উল্লেখ করা হয়েছে যে, আপনি এটি অপছন্দ করেন।" তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "কোন বিষয়টি আমার নামকে বৈধ আর উপনামকে অবৈধ করল? এবং কোন বিষয়টি আমার উপনামকে অবৈধ আর নামকে বৈধ করল?" সাফিয়্যাহ থেকে মুহাম্মাদ ইবনে ইমরান ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি এবং আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে কেবল এই সনদেই এটি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَطِيرٍ أَبُو جَعْفَرٍ الرَّمْلِيُّ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي السَّرِيِّ الْعَسْقَلَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كَانَ دَاوُدُ عليه السلام لَا يَأْكُلُ إِلَّا مِنْ كَسْبِ يَدِهِ» لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ إِلَّا الْوَلِيدُ تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ
১৭ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে মুতায়ের আবু জাফর আর-রামলি আল-কাজী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আবিস সারী আল-আসকালানী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম বর্ণনা করেছেন আল-আওযাঈ থেকে, তিনি মা'মার থেকে, তিনি হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «দাউদ (আলাইহিস সালাম) কেবল নিজ হাতের উপার্জন থেকেই আহার করতেন»। আল-আওযাঈ থেকে আল-ওয়ালিদ ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, ইবনে আবিস সারী এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
18 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ الْحَلَبِيُّ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، بِحَلَبَ سَنَةَ 278 ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يُونُسَ الْأَفْطَسُ أَخُو أَبِي مُسْلِمٍ الْمُسْتَمْلِي ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ دَعَا اللَّهُ عَبْدًا مِنْ عَبِيدِهِ ، فَيُوقَفُ بَيْنَ يَدَيْهِ ، فَيَسْأَلُهُ عَنْ جَاهِهِ كَمَا يَسْأَلُهُ عَنْ مَالِهِ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ إِلَّا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ تَفَرَّدَ بِهِ يُوسُفُ بْنُ يُونُسَ
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে খালিদ আল-হালাবি আবু আব্দুল্লাহ, হালাব শহরে ২৭৮ হিজরি সনে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে ইউনুস আল-আফতাস, যিনি আবু মুসলিম আল-মুস্তামলির ভাই; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে বিলাল, আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যখন কিয়ামত দিবস হবে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্য হতে একজন বান্দাকে ডাকবেন, অতঃপর তাকে আল্লাহর দুই হাতের সামনে দাঁড় করানো হবে, এরপর তিনি তাকে তার সামাজিক মর্যাদা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন যেমনটি তিনি তাকে তার সম্পদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।” আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে সুলায়মান ইবনে বিলাল ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি এবং ইউসুফ ইবনে ইউনুস এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
19 - حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يُونُسَ الرَّقِّيُّ الْفَقِيهُ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي سَمِينَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «قَالَ لِي جِبْرِيلُ بَشِّرْ خَدِيجَةَ بِبَيْتٍ فِي الْجَنَّةِ مِنْ قَصَبٍ لَا صَخَبَ فِيهِ وَلَا نَصَبَ» يَعْنِي قَصَبَ اللُّؤْلُؤِ لَمْ يَرْوِهِ عَنْ سُلَيْمَانَ إِلَّا أَبُو بَكْرٍ تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُ أَبِي سَمِينَةَ
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামাহ আহমাদ বিন আবদুর রহমান বিন ইউনুস আর-রাক্কি আল-ফকিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আবি সামিনা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আইয়াশ, সুলাইমান আশ-শাইবানি হতে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "জিবরাঈল আমাকে বলেছেন, খাদিজাকে জান্নাতে মুক্তাখচিত এমন একটি গৃহের সুসংবাদ দাও, যার মধ্যে কোনো শোরগোল নেই এবং কোনো ক্লান্তি নেই।" অর্থাৎ মুক্তার তৈরি। আবু বকর ব্যতীত আর কেউ এটি সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেননি, ইবনে আবি সামিনা এটি বর্ণনায় একক।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
20 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الْأَنْطَاكِيُّ قَرْقَرْةَ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَصْرٍ الْأَنْطَاكِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «ذَكَاةُ الْجَنِينِ ذَكَاةُ أُمِّهِ» لَمْ يَرْوِهِ مَرْفُوعًا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ إِلَّا أَبُو أُسَامَةَ تَفَرَّدَ بِهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَصْرٍ
20 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-আনতাকি কারকারাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে নাসর আল-আনতাকি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামাহ, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ভ্রূণের যবেহ হলো তার মায়ের যবেহ।" উবায়দুল্লাহ থেকে এটি মারফু হিসেবে আবু উসামাহ ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি, আর এটি বর্ণনায় আব্দুল্লাহ ইবনে নাসর একক।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
21 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُمَيْرِ بْنِ جُوصَا الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو تَقِيٍّ هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ وَرْقَاءَ بْنِ عُمَرَ وَابْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ» لَمْ يَرْوِهِ عَنِ ابْنِ ثَوْبَانَ إِلَّا بَقِيَّةُ ، وَلَا عَنْ بَقِيَّةَ إِلَّا أَبُو تَقِيٍّ، تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُ جُوصَا وَكَانَ مِنْ ثِقَاتِ الْمُسْلِمِينَ وَجُلَّتِهِمْ
২১ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে উমাইর ইবনে জুসা আদ-দিমাশকি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু তাকি হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, তিনি ওয়ারকা ইবনে উমর ও ইবনে সাওবান থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন নামাযের ইকামত প্রদান করা হয়, তখন নির্ধারিত ফরয নামায ব্যতীত আর কোনো নামায নেই।’ ইবনে সাওবান থেকে হাদীসটি কেবল বাকিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, আর বাকিয়্যাহ থেকে কেবল আবু তাকি এটি বর্ণনা করেছেন। ইবনে জুসা এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন এবং তিনি মুসলিমদের নির্ভরযোগ্য ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
22 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ بِشْرِ بْنِ حَبِيبٍ الْبَيْرُوتِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُصَفًّى، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ عَطِيَّةَ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ عَاصِمٍ إِلَّا الْحَكَمُ بْنُ عَطِيَّةَ ، وَلَا عَنِ الْحَكَمِ إِلَّا الْعَبَّاسُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبَصْرِيُّ تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُ الْمُصَفَّى
২২ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে বিশর ইবনে হাবীব আল-বৈরুতী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে মুসাফফা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্বাস ইবনে ইসমাঈল আল-হাশিমী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হাকাম ইবনে আতিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ» আসিম থেকে হাকাম ইবনে আতিয়্যাহ ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি এবং হাকাম থেকে আব্বাস ইবনে ইসমাঈল আল-বাসরী ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি; ইবনুল মুসাফফা এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
23 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُورَانِيُّ بِمَدِينَةِ الْحَدِيثَةِ بِالْجَزِيرَةِ ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْمَدَائِنِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ غُرَابٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الْحَرْبُ خُدْعَةٌ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ هِشَامٍ إِلَّا عَلِيٌّ تَفَرَّدَ بِهِ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ
২৩ - আল-জাজিরার আল-হাদিসা নগরীতে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বুরানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-মাদায়িনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে গুরাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যুদ্ধ হলো একটি কৌশল»। আলী ব্যতীত হিশাম থেকে আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, জাফর ইবনে মুহাম্মদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
24 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ بْنِ طُعْمَةَ الْحَلَبِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ مُصْعَبُ بْنُ سَعِيدٍ ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ أَعْيَنَ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلَاةِ فَلَا يُغْمِضْ عَيْنَيْهِ» ، لَا يُرْوَى عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ تَفَرَّدَ بِهِ مُوسَى بْنُ أَعْيَنَ الْجَزَرِيُّ الْحَرَّانِيُّ
24 - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনুল মুসাইয়িব ইবনু তু’মাহ আল-হালাবী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু খাইসামাহ মুসআব ইবনু সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মূসা ইবনু আইয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি লাইস ইবনু আবী সুলাইম থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে যেন তার দুই চোখ বন্ধ না করে।» ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে কেবল এই সনদেই এটি বর্ণিত হয়েছে; মূসা ইবনু আইয়ান আল-জাজারী আল-হাররানী এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
25 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ السُّلَمِيُّ بِمَدِينَةِ جُونِيَّةَ ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ حِصْنِ بْنِ حَسَّانَ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ هَاشِم الْبَيْرُوتِيُّ ٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الشُّفْعَةُ فِي كُلِّ شِرْكٍ فِي رَبْعٍ أَوْ حَائِطٍ، لَا يَصْلُحُ لَهُ أَنْ يَبِيعَهُ حَتَّى يُؤْذِنَ شَرِيكَهُ فَيَأْخُذَ أَوْ يَدَعَ» لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ إِلَّا عُمَرُ، وَتَفَرَّدَ بِهِ إِسْمَاعِيلُ
২৫ - আমাদের কাছে জুনিয়া শহরে আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ আস-সুলামী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইসমাঈল ইবনে হিসন ইবনে হাসান আল-কুরাশী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আমর ইবনে হাশিম আল-বায়েরুতী বর্ণনা করেছেন আওযাঈ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (আল্লাহ তাঁর উপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন) বলেছেন: «বসতভিটা বা বাগানের প্রতিটি যৌথ মালিকানায় অগ্রক্রয়াধিকার (শুফআ) রয়েছে; তার জন্য এটি বিক্রি করা বৈধ নয় যতক্ষণ না সে তার অংশীদারকে অবহিত করে, অতঃপর সে (অংশীদার) তা গ্রহণ করবে অথবা ছেড়ে দেবে।» আওযাঈ থেকে এটি উমর ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি এবং ইসমাঈল এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুজামুস সাগীর লিত তাবারানী
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
26 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ الرَّمْلِيُّ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَبِي الزَّرْقَاءِ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شِبْلُ بْنُ عَبَّادٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: مَا نَدِمْتُ عَلَى شَيْءٍ مَا نَدِمْتُ عَلَى أَنِّي لَمْ أَسْأَلْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الرِّيحِ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَقُلْتُ: قَدْ سَأَلْتُهُ عَنْهَا ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، الرِّيحُ مِمَّ هِيَ؟ فَقَالَ: «مِنْ رُوحِ اللَّهِ يَبْعَثُهَا بِالرَّحْمَةِ ، وَيَبْعَثُهَا بِالْعَذَابِ» ، لَمْ يَرْوِهِ عَنْ شِبْلٍ إِلَّا زَيْدُ بْنُ أَبِي الزَّرْقَاءِ تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُهُ
২৬ - আহমাদ ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার আর-রামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারুন ইবনে যায়েদ ইবনে আবিল যারকা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শিবল ইবনে আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: “আমি কোনো বিষয়ের জন্য তেমন অনুতপ্ত হইনি, যেমন অনুতপ্ত হয়েছি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বাতাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা না করার কারণে।” আবু হুরায়রা বলেন: তখন আমি বললাম: “আমি তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছি।” আমি বললাম: “হে আল্লাহর রাসূল, বাতাস কিসের থেকে?” তিনি বললেন: «তা আল্লাহর রূহ থেকে, তিনি একে রহমত হিসেবে প্রেরণ করেন এবং একে আযাব হিসেবে প্রেরণ করেন», শিবল থেকে যায়েদ ইবনে আবিল যারকা ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, তাঁর পুত্র এটি বর্ণনায় একক।