(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: -)
فوائد محمد بن مخلد   (محمد بن مخلد العطار)

القسم: كتب السنة


الكتاب: فوائد محمد بن مخلد

المؤلف: أبو عبد الله محمد بن مخلد بن حفص العطار الدوري البغدادي (ت 331هـ)

تحقيق: صلاح عايض الشلاحي

الناشر: مطبعة الفتح - مصر

عدد الصفحات: 35

[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ-এর ফাওয়াইদ   (মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ আল-আত্তার)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ-এর ফাওয়াইদ

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ ইবনে হাফস আল-আত্তার আদ-দাওরী আল-বাগদাদী (মৃত্যু ৩৩১ হি.)

তাহকীক: সালাহ আয়েজ আশ-শাল্লাহী

প্রকাশক: আল-ফাতহ মুদ্রণালয় - মিশর

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৫

[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত, যা মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১)
1 - أَخْبَرَتْنَا الشَّيْخَةُ فَرْحَةُ بِنْتُ قَرَاطَاشَ بْنِ طَنَطَاشَ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا قَالَتْ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ السَّمَرْقَنْدِيُّ قَالَ: أنبا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ الْخَطِيبُ قَالَ: أنبا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُوسَى بْنِ هَارُونَ بْنِ الصَّلْتِ الْأَهْوَازِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ ثَمَانٍ وَأَرْبَعِمِائَةٍ قَالَ قُرِئَ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ مَخْلَدٍ الْعَطَارِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي رَبِيعٍ الْآخَرِ سَنَةَ ثَلَاثِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ: قَالَ ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ السَّهْمِيُّ أَبُو حُذَافَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ وَاقِدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ مَسْعُودِ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم"‌‌ كَانَ يَقُومُ فِي الْجَنَازَةِ ثُمَّ يَجْلِسُ بَعْدُ"
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খা ফারহা বিনতে কারাতাস ইবনে তানতাস, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে তিনি বলেছেন: তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমাদ আস-সামারকান্দি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু বকর আল-খাতিব, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুসা ইবনে হারুন ইবনে আস-সালত আল-আহওয়াজি, চারশত আট হিজরি সনের জিলহজ মাসে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে তিনি বলেছেন যে, তিনশত ত্রিশ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ আল-আত্তার-এর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম: তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইসমাইল আস-সাহমি আবু হুজাফাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি ওয়াকিদ ইবনে আমর ইবনে সাদ ইবনে মুআয আল-আনসারি থেকে, তিনি নাফে ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতয়িম থেকে, তিনি মাসউদ ইবনে আল-হাকাম থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম "‌‌জানাজায় দাঁড়িয়ে থাকতেন, এরপর তিনি বসতেন।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ:

 

2 - ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ أَبُو حُذَافَةَ السَّهْمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "‌‌ لَا يَمُوتُ لِأَحَدٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ثَلَاثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ فَتَمَسَّهُ النَّارُ إِلَّا تَحِلَّةَ الْقَسَمِ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

 

২ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন ইসমাঈল আবু হুযাফা আস-সাহমী, তিনি বলেন: মালিক ইবন আনাস আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবন শিহাব থেকে, তিনি ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "‌‌ কোনো মুসলিমের তিনটি সন্তান মারা গেলে তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না, কেবল শপথ পূর্ণ করার পরিমাণ ব্যতীত। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ৩)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ:

 

3 - ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْوَلِيدِ الْبُسْرِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو مَسْعُودٍ الْجُرَيْرِيُّ، أَوْ غَيْرُهُ، وَأَكْثَرُ ظَنِّي أَنَّهُ الْجُرَيْرِيُّ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "‌‌ إِنَّ النَّاسَ يُحْبَسُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يُحْبَسُوا فَيَهْتَمُّ الْمُؤْمِنُونَ فَيَجْتَمِعُونَ فَيَقُولُونَ: انْظُرُوا مَنْ يَشْفَعُ لَنَا إِلَى رَبِّنَا فَيُرِيحَنَا مِنْ مَنْزِلَتِنَا هَذِهِ فَيَأْتُونَ آدَمَ فَيَقُولُونَ: اشْفَعْ لَنَا إِلَىَ رَبِّكَ فَيَقُولُ: لَسْتَ هُنَاكَ، فَيَسْتَقْرُونَ الْأَنْبِيَاءَ كُلَّهُمْ ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَىَ آدَمَ فَيَقُولُ: يَا بَنِيَّ أَرَأَيْتُمْ لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ خَبَأَ مَتَاعًا ثُمَّ خَتَمَ عَلَيْهَا، هَلْ يُؤْتَى مَتَاعُهُ إِلَّا مِنْ قِبَلِ الْخَاتَمِ، وَإِنَّ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم خَاتَمُ النَّبِيِّينَ، وَهُوَ يَفْتَحُ الشَّفَاعَةَ فَعَلَيْكُمْ بِهِ، فَأُوتَى فَأَقُومُ إِلَى بَابِ الْجَنَّةِ فَأَسْتَفْتِحُ فَيُفْتَحُ لِي فَإِذَا رَأَيْتُ رَبِّيَ خَرَرْتُ لَهُ سَاجِدًا فَيَدَعُنِي مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ يُعَلِّمُنِي مَحَامِدًا أَحْمَدُهُ بِهَا لَمْ يَحْمَدْهُ بِهَا أَحَدٌ قَبْلِي وَلَا يَحْمَدُهُ بِهَا أَحَدٌ مِنْ بَعْدِي، ثُمَّ يُقَالُ: يَا مُحَمَّدُ اشْفَعْ تُشَفَّعْ وَسَلْ تُعْطَى، فَأَقُولُ: يَا رَبِّ شَفِّعْنِي فِي كُلِّ طِفْلٍ مَاتَ صَغِيرًا، فَيَقُولُ: تِلْكَ لَيْسَتْ لَكَ يَا مُحَمَّدُ وَعِزَّتِي وَجَلَالِي وَعَظَمَتِي، لَا أَدَعُ فِي النَّارِ عَبْدًا مَاتَ لَا يُشْرِكُ بِي شَيْئًا إِلَّا أَخْرَجْتُهُ " فَذُكِرَ لَنَا أَنَّ رَجُلًا يَقُولُ: يَا رَبِّ إِنَّهُ كَانَ لِي صَدِيقٌ فَحَرِّمْ عَلَيَّ النَّارَ حَتَّى يَخْرُجَ صَدِيقِي فَتُحَرَّمُ عَلَيْهِ النَّارُ حَتَّى يَخْرُجَ صَدِيقُهُ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

 

৩ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল ওয়ালিদ আল-বুসরি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব আস-সাকাফি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মাসউদ আল-জুরায়রি অথবা অন্য কেউ—আর আমার প্রবল ধারণা যে তিনি আল-জুরায়রি—হাসান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন মানুষকে আটকে রাখা হবে যতক্ষণ আল্লাহ তাদের আটকে রাখতে চাইবেন। তখন মুমিনরা চিন্তিত হয়ে পড়বে এবং তারা একত্রিত হয়ে বলবে: 'দেখুন, কে আমাদের রবের কাছে আমাদের জন্য সুপারিশ করবেন যাতে তিনি আমাদের এই অবস্থান থেকে মুক্তি দেন।' এরপর তারা আদমের কাছে আসবে এবং বলবে: 'আপনার রবের কাছে আমাদের জন্য সুপারিশ করুন।' তিনি বলবেন: 'আমি সেই পদের যোগ্য নই।' এরপর তারা একে একে সকল নবীর কাছে যাবে এবং পুনরায় আদমের কাছে ফিরে আসবে। তখন তিনি বলবেন: 'হে আমার সন্তানগণ! তোমরা কি মনে করো, যদি তোমাদের কেউ কোনো আসবাবপত্র লুকিয়ে রাখে এবং তার ওপর মোহর মেরে দেয়, তবে কি সেই মোহর ছাড়া তার আসবাবপত্র বের করা সম্ভব? আর নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হলেন নবীদের মোহর (শেষ নবী), আর তিনিই সুপারিশের দ্বার উন্মোচন করবেন, সুতরাং তোমরা তাঁর কাছে যাও।' এরপর আমার কাছে আসা হবে এবং আমি জান্নাতের দরজায় গিয়ে তা খোলার অনুরোধ করব, ফলে আমার জন্য তা খুলে দেওয়া হবে। যখন আমি আমার রবকে দেখব, তখন আমি তাঁর উদ্দেশ্যে সেজদায় লুটিয়ে পড়ব। আল্লাহ যতক্ষণ চাইবেন আমাকে সে অবস্থায় রাখবেন, তারপর তিনি আমাকে এমন কিছু প্রশংসাবাক্য শিক্ষা দেবেন যা দিয়ে আমি তাঁর প্রশংসা করব, যা আমার পূর্বে কেউ করেনি এবং আমার পরেও কেউ করবে না। এরপর বলা হবে: 'হে মুহাম্মদ! সুপারিশ করুন, আপনার সুপারিশ কবুল করা হবে; আর চান, আপনাকে দান করা হবে।' তখন আমি বলব: 'হে আমার রব! শৈশবে মৃত্যুবরণকারী প্রতিটি শিশুর ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন।' তিনি বলবেন: 'হে মুহাম্মদ! ওটি আপনার জন্য নয়। আমার মর্যাদা, মহিমা এবং মহানুভবতার কসম! এমন কোনো বান্দা যে আমার সাথে কাউকে শরিক না করে মৃত্যুবরণ করেছে, তাকে আমি জাহান্নামে রেখে দেব না, বরং অবশ্যই তাকে সেখান থেকে বের করে আনব।' আমাদের কাছে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এক ব্যক্তি বলবে: 'হে আমার রব! আমার একজন বন্ধু ছিল, সুতরাং যতক্ষণ না আমার বন্ধু বের হয় ততক্ষণ আমার ওপর জাহান্নাম হারাম করে দিন।' এরপর তার বন্ধুর বের হওয়া পর্যন্ত তার ওপর জাহান্নাম হারাম করে দেওয়া হবে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ৪)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ:

 

4 - ثنا أَبُو عُمَرَ حَفْصُ بْنُ عَمْرٍو الرَّبَالِيُّ، ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، ثنا أَيُّوبُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ خَرَجَ مِنَ الْخَلَاءِ فَأُتِيَ بِطَعَامٍ فَعُرِضَ عَلَيْهِ الْوَضُوءُ فَقَالَ: " أُصَلِّي فَأَتَوَضَّأُ "
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন:

 

৪ - আবু উমর হাফস বিন আমর আর-রাবালি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল ওয়াহহাব আস-সাকাফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আইয়ুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমর বিন দীনার থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-হুয়াইরিস থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শৌচাগার থেকে বের হলেন, অতঃপর তাঁর নিকট খাবার আনা হলো এবং তাঁকে ওযুর প্রস্তাব দেওয়া হলো। তখন তিনি বললেন: "আমি কি নামায পড়ব যে ওযু করব?"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ৫)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

5 - ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ السَّمَيْدَعِ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ جَنَّادٍ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، فِي قِيَامِ رَمَضَانَ، أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَهُ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدٍ الْقَارِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، خَرَجَ ذَاتَ لَيْلَةٍ فِي رَمَضَانَ وَمَعَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدٍ الْقَارِّيُّ فَرَأَى النَّاسَ يُصَلُّونَ مُتَفَرِّقِينَ أَوْزَاعًا فِي الْمَسْجِدِ، فَقَالَ عُمَرُ:‌‌ لَوْ جَمَعْنَاهُمْ عَلَى رَجُلٍ وَاحِدٍ كَانَ أَمْثَلَ، فَجَمَعَهُمْ عَلَى أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ ثُمَّ خَرَجَ وَهُمْ يُصَلُّونَ خَلْفَ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ جَمِيعًا، فَقَالَ: نِعْمَتِ الْبِدْعَةُ وَالَّتِي يَنَامُونَ عَنْهَا أَفْضَلُ، هِيَ آخِرُ اللَّيْلِ، وَكَتَبَ بِهَا إِلَيَّ الْأَمْصَارِ
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

৫ - হুসাইন বিন আস-সুমাইদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদ বিন জান্নাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ বিন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল বিন আবি খালিদ থেকে, তিনি যুহরি থেকে রমজানের কিয়াম (তারাবিহ) সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, উরওয়াহ বিন যুবাইর তাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুর রহমান বিন আবদ আল-ক্বারি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উমর বিন আল-খাত্তাব রমজানের এক রাতে বের হলেন এবং তাঁর সাথে আবদুর রহমান বিন আবদ আল-ক্বারি ছিলেন। তখন তিনি মসজিদে লোকদের বিচ্ছিন্নভাবে ও বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে নামাজ পড়তে দেখলেন। তখন উমর বললেন:‌‌ “আমি যদি তাদের একজন ব্যক্তির (ইমামের) পেছনে একত্রিত করে দিতাম, তবে তা অধিকতর উত্তম হতো।” অতঃপর তিনি তাদের উবাই বিন কাবের পেছনে একত্রিত করলেন। এরপর তিনি (অন্য রাতে) বের হলেন এমতাবস্থায় যে, তারা সকলে উবাই বিন কাবের পেছনে নামাজ পড়ছিলেন। তখন তিনি বললেন: “এটি কতই না চমৎকার বিদআত (নতুন পদ্ধতি)! আর রাতের যে অংশে তারা ঘুমিয়ে থাকে (অর্থাৎ শেষ রাত), তা এই সময়ের নামাজের চেয়েও উত্তম।” এটি ছিল রাতের শেষাংশের কথা। আর তিনি বড় বড় শহরগুলোতে এই মর্মে নির্দেশ লিখে পাঠালেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ৬)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ:

 

6 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ أَبُو عَلِيٍّ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عُتَيٍّ، أَنَّ رَجُلًا، تَعَزَّى بِعُزَّى الْجَاهِلِيَّةِ فَقَالَ لَهُ أُبَيٌّ:‌‌ اعْضُضْ بِهَنِ أَبِيكَ، وَلَمْ يُكَنِّ، فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا ذَلِكَ، فَقَالَ أُبَيٌّ: إِنِّي قَدْ أَرَى الَّذِي فِي وُجُوهِهِمْ، إِنِّي لَمْ أَسْتَطِعْ إِلَّا ذَلِكَ، إِنَّا كُنَّا نُؤْمَرُ إِذَا الرَّجُلُ تَعَزَّى بِعُزَّى الْجَاهِلِيَّةِ فَأَعِضُّوهُ بِهَنِ أَبِيهِ وَلَا تُكَنُّوا "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

 

৬ - আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আবু আলী আজ-জা’ফরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, হাসান থেকে, উতাই থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি জাহেলি যুগের বংশগৌরব প্রকাশ করছিল, তখন উবাই তাকে বললেন:‌‌ "তোমার পিতার লিঙ্গ কামড়ে ধরো," এবং তিনি কোনো রূপক শব্দ ব্যবহার করেননি। এতে মানুষ যেন তা অপছন্দ করল, তখন উবাই বললেন: "আমি তাদের চেহারার অভিব্যক্তি দেখতে পাচ্ছি, আমি এছাড়া অন্য কিছু করতে সমর্থ হইনি। নিশ্চয়ই আমাদের আদেশ করা হতো যে, যখন কোনো ব্যক্তি জাহেলি যুগের বংশগৌরব প্রকাশ করে, তখন তোমরা তাকে তার পিতার লিঙ্গ কামড়ে ধরতে বলো এবং কোনো রূপক শব্দ ব্যবহার করো না।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ৭)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

7 - ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ سَيَّارٍ أَبُو بَكْرٍ الرَّمَادِيُّ، قَالَ: ثنا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ مُغِيرَةَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "‌‌ بَشِّرْ هَذِهِ الْأُمَّةَ بِالسَّنَا وَالرِّفْعَةِ، فَمَنْ عَمِلَ مِنْهُمْ عَمَلَ الْآخِرَةِ لِلدُّنْيَا لَمْ يَكُنْ لَهُ فِي الْآخِرَةِ نَصِيبٌ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

৭ - আহমাদ ইবন মানসুর ইবন সাইয়্যার আবু বকর আল-রাবাদী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট যায়দ ইবনুল হুবাব হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরী হাদীস বর্ণনা করেছেন মুগীরা ইবন মুসলিম থেকে, তিনি রবী ইবন আনাস থেকে, তিনি আবুল আলিয়া থেকে, তিনি উবাই ইবন কাব থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: " এই উম্মতকে মহিমা ও উচ্চ মর্যাদার সুসংবাদ দাও। অতঃপর তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি দুনিয়ার (স্বার্থের) জন্য আখেরাতের আমল করবে, আখেরাতে তার জন্য কোনো অংশ থাকবে না।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ৮)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

8 - ثنا رَوْحُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالَ: ثنا نَصْرُ بْنُ حَمَّادٍ، ثنا مُوسَى بْنُ كَرْدَمٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ مَتَى تَنْقَطِعُ مَعْرِفَةُ الْعَبْدِ مِنَ النَّاسِ، قَالَ: " إِذَا عَايَنَ "
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

৮ - রাওহ ইবনুল ফারাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাসর ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনে কারদাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে কাইস থেকে, আবু বুরদাহ থেকে, আবু মুসা আল-আশআরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম কখন মানুষের থেকে বান্দার পরিচয় বা চেনা-জানা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়? তিনি বললেন: "যখন সে প্রত্যক্ষ করে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ৯)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

9 - ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ زَاجٌ، ثنا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، قَالَ: ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، ثنا حُمَيْدُ بْنُ هِلَالٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُغَفَّلٍ، قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ يَجِيءُ مِنْ أَرْضٍ لَهُ عَلَى أَتَانٍ أَوْ حِمَارٍ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَيُبَكِّرُ، فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ أَتَى أَرْضَهُ، فَلَمَّا هَاجَ النَّاسُ بِعُثْمَانَ، قَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ،‌‌ لَا تَقْتُلُوا عُثْمَانَ وَاسْتَعْتِبُوهُ، فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا قَتَلَتْ أُمَّةٌ نَبِيَّهَا فَأَصْلَحَ اللَّهُ ذَاتَ بَيْنِهِمْ حَتَّى يُهْرِيقُوا دَمَ سَبْعِينَ أَلْفًا، وَمَا قَتَلَتْ أُمَّةٌ خَلِيفَتَهَا فَيُصْلِحُ اللَّهُ ذَاتَ بَيْنِهِمْ حَتَّى يُهَرِيقُوا دَمَ أَرْبَعِينَ أَلْفًا، وَمَا هَلَكَتْ أُمَّةٌ حَتَّى يَرْفَعُوا الْقُرْآنَ عَلَى السُّلْطَانِ، ثُمَّ قَالَ: لَا تَقْتُلُوهُ وَاسْتَعْتِبُوهُ، فَلَمْ يَنْظُرُوا فِيمَا قَالَ: وَقَتَلُوهُ، فَجَلَسَ عَلَى طَرِيقِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليه السلام، حَتَّى أُتِيَ عَلَيْهِ فَقَالَ: أَيْنَ تُرِيدُ؟ قَالَ: الْعِرَاقَ، قَالَ: لَا تَأْتِ الْعِرَاقَ وَعَلَيْكَ بِمِنْبَرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَالْزَمْهُ، فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَئِنْ تَرَكْتَهُ لَا تَرَاهُ أَبَدًا، قَالَ: فَقَالَ مَنْ حَوْلَهُ دَعْنَا فَلْنَقْتُلْهُ، فَقَالَ عَلِيُّ: دَعُوهُ، دَعُوا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلَامٍ، فَإِنَّهُ رَجُلٌ صَالِحٌ، فَقَالَ ابْنُ مُغَفَّلٍ: وَكُنْتُ اسْتَشَرْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلَامِ فِي أَرْضٍ إِلَى جَنْبِ أَرْضِهِ اشْتَرِيهَا، فَقَالَ بَعْدَ ذَلِكَ: هَذِهِ رَأْسُ أَرْبَعِينَ سَنَةً وَسَيَكُونُ بَعْدَهَا صُلْحٌ فَاشْتَرِيهَا. فَقَالَ سُلَيْمَانُ: فَقُلْتُ لِحُمَيْدٍ: كَيْفَ يَرْفَعُونَ الْقُرْآنَ عَلَى السُّلْطَانِ؟ قَالَ: أَلَمْ تَرَ الْخَوَارِجَ كَيْفَ يَتَأَوَّلُونَ الْقُرْآنَ عَلَى السُّلْطَانِ؟
আমাদেরকে মুহাম্মাদ সংবাদ দিয়েছেন

 

৯ - আহমাদ ইবনে মানসুর জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আন্-নাজর ইবনে শুমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনুল মুগীরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ ইবনে হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে সালাম জুমার দিনে তাঁর মালিকানাধীন জমি থেকে গাধী বা গাধার পিঠে চড়ে আসতেন এবং খুব ভোরে আসতেন। যখন সালাত শেষ হতো, তিনি তাঁর জমিতে ফিরে যেতেন। যখন লোকেরা উসমানের বিরুদ্ধে উত্তেজিত হয়ে উঠল, তিনি বললেন: হে লোকসকল,‌‌ তোমরা উসমানকে হত্যা করো না এবং তাঁর নিকট কৈফিয়ত তলব করো। সেই সত্তার কসম, যাঁর আল্লাহর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, কোনো জাতি তাদের নবীকে হত্যা করেনি যে আল্লাহ তাদের মধ্যকার বিবাদ মিটিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ না তারা সত্তর হাজার মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে। আর কোনো জাতি তাদের খলীফাকে হত্যা করেনি যে আল্লাহ তাদের মধ্যকার বিবাদ মিটিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ না তারা চল্লিশ হাজার মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে। আর কোনো জাতি ধ্বংস হয়নি যতক্ষণ না তারা সুলতানের (শাসকের) বিরুদ্ধে কুরআনকে তুলে ধরেছে। অতঃপর তিনি বললেন: তোমরা তাঁকে হত্যা করো না এবং তাঁর নিকট থেকে কৈফিয়ত তলব করো। কিন্তু তারা তাঁর কথার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করল না এবং তাঁকে হত্যা করল। এরপর তিনি আলী ইবনে আবি তালিব আলাইহিস সালাম এর পথের ওপর বসে রইলেন, যতক্ষণ না তিনি তাঁর নিকট আসলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা করছেন? তিনি বললেন: ইরাক। তিনি বললেন: আপনি ইরাকে যাবেন না এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মিম্বার আঁকড়ে ধরুন। সেই সত্তার কসম, যাঁর আল্লাহর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, যদি আপনি এটি ছেড়ে যান তবে তা আর কখনও দেখতে পাবেন না। বর্ণনাকারী বলেন: তখন তাঁর চারপাশের লোকেরা বলল: আমাদের সুযোগ দিন, আমরা তাকে হত্যা করি। তখন আলী বললেন: তাকে ছেড়ে দাও, আবদুল্লাহ ইবনে সালামকে ছেড়ে দাও, কেননা তিনি একজন নেককার মানুষ। ইবনে মুগাফফাল বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে সালামের নিকট তাঁর জমির পাশের একটি জমি ক্রয় করার বিষয়ে পরামর্শ চেয়েছিলাম। তিনি এর পরে বলেছিলেন: এটি চল্লিশ বছরের শেষ সময় এবং এরপর শান্তি আসবে, সুতরাং এটি কিনে নাও। সুলাইমান বলেন: আমি হুমাইদকে জিজ্ঞেস করলাম: তারা সুলতানের বিরুদ্ধে কীভাবে কুরআনকে তুলে ধরে? তিনি বললেন: তুমি কি দেখনি খারেজীরা কীভাবে সুলতানের বিরুদ্ধে কুরআনের অপব্যাখ্যা করে?
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১০)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

10 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانَ بْنِ فَيْرُوزَ أَبُو جَعْفَرٍ الْأَزْرَقُ، ثنا يَحْيَى بْنُ أَبِي الْحَجَّاجِ، حَدَّثَنِي أَبُو يُونُسَ حَاتِمُ بْنُ أَبِي صَغِيرَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أُمِّ هَانِئٍ، قَالَتْ: لَمَّا كَانَ يَوْمُ الْفَتْحِ كَانَ أَوَّلُ بَيْتٍ دَخَلَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَيْتَ أُمِّ هَانِئٍ، فَأُتِيَ بِإِنَاءٍ فِيهِ شَرَابٌ فَشَرِبَ، ثُمَّ نَاوَلَنِي وَأَنَا صَائِمَةٌ فَكَرِهْتُ أَنْ أَرُدَّ سُؤْرَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ فَعَلْتُ فَعْلَةً لَا أَدْرِي هَلْ تُوَافِقُكَ أَوْ لَا، قَالَ: " وَمَا هِيَ؟ " قَالَتْ: أَصْبَحْتُ صَائِمَةً وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أَرُدَّ سُؤْرَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَقَضَاءُ رَمَضَانَ أَمْ تَطَوُّعٌ؟ " فَقُلْتُ: لَا، بَلْ تَطَوُّعٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ الْمُتَطَوِّعُ بِالْخِيَارِ، إِنْ شَاءَ صَامَ، وَإِنْ شَاءَ أَفْطَرَ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

১০ - মুহাম্মদ ইবনে হাসসান ইবনে ফায়রুজ আবু জাফর আল-আজরাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আবিল হাজ্জাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু ইউনুস হাতিম ইবনে আবি সাগিরা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সিমাক থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি উম্মে হানি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মক্কা বিজয়ের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বপ্রথম যে ঘরে প্রবেশ করেছিলেন তা ছিল উম্মে হানির ঘর। তখন তাঁর নিকট পানীয় সম্বলিত একটি পাত্র আনা হলো এবং তিনি তা থেকে পান করলেন। এরপর তিনি তা আমাকে দিলেন, এমতাবস্থায় যে আমি রোজা রেখেছিলাম। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উচ্ছিষ্ট ফিরিয়ে দেওয়া অপছন্দ করলাম। তিনি (উম্মে হানি) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি এমন একটি কাজ করেছি যা আপনার মনঃপূত হবে কি না আমি জানি না। তিনি বললেন: "সেটি কী?" তিনি বললেন: আমি রোজা অবস্থায় সকাল করেছিলাম, কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উচ্ছিষ্ট ফিরিয়ে দেওয়া অপছন্দ করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "এটি কি রমজানের কাজা নাকি নফল?" আমি বললাম: না, বরং নফল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "‌‌ নফল রোজা পালনকারীর ইখতিয়ার রয়েছে; সে চাইলে রোজা রাখবে, আর চাইলে তা ভেঙে ফেলবে। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১১)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

11 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانَ بْنِ فَيْرُوزَ الْأَزْرَقُ، قثنا ابْنُ نُمَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنْ أَنَسٍ، " أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ كَبَّرَ عَلَى ابْنِهِ أَرْبَعًا " قَالَ الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ: عَطَاءٌ هُوَ عَطَاءُ بْنُ عَجْلَانَ.
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

১১ - মুহাম্মাদ ইবনে হাসসান ইবনে ফাইরুজ আল-আযরাক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনে নুমাইর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, "রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পুত্রের (জানাজায়) চারবার তকবির প্রদান করেছেন।" শায়খ আবু বকর বলেন: আতা হলেন আতা ইবনে আজলান।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১২)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

12 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، ثنا وَكِيعٌ، ثنا أَبِي، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ،‌‌ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُحِبُّ التَّيَمُّنَ فِي وُضُوئِهِ وَالتَّرَجُّلِ وَالِانْتِعَالِ
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

১২ - মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আশ'আস বিন আবিশ শা'সা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়েশা থেকে (বর্ণিত),‌‌ নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ওযু করা, চুল আঁচড়ানো এবং জুতা পরিধানের ক্ষেত্রে ডান দিক থেকে শুরু করা পছন্দ করতেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১৩)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

13 - ثنا أَبُو سَيَّارٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُسْتَوْرِدِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَالِكٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ خَالِدَ بْنَ عَلْقَمَةَ، وَعَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ سَلْعٍ، وَنَصْرَ بْنَ خَارِجَةَ، كُلُّهُمْ عَنْ عَبْدِ خَيْرِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ:‌‌ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ، هَذِهِ الْأُمَّةِ بَعْدَ نَبِيِّهَا صلى الله عليه وسلم: أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، وَقَدْ كَانَتْ مِنَّا أَشْيَاءُ فَإِنْ يَعْفُ اللَّهُ فَبِرَحْمَتِهِ وَإِنْ يُعَذِّبْ فَبِذُنُوبِنَا
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ।

 

১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাইয়্যার মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল মুস্তাওরিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর, আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মালিক আল-হামদানি, তিনি বলেন: আমি খালিদ ইবনে আলকামা, আব্দুল মালিক ইবনে সাল' এবং নাসর ইবনে খারিজা—তাদের প্রত্যেককে আবদ খাইর ইবনে ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আলী (রা.) বলেছেন:‌‌ আমি কি তোমাদেরকে এই উম্মতের তাঁর নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর সর্বোত্তম ব্যক্তি সম্পর্কে সংবাদ দেব না? তাঁরা হলেন আবু বকর ও উমর। আর আমাদের পক্ষ থেকে কিছু বিষয় সংঘটিত হয়েছিল, সুতরাং যদি আল্লাহ ক্ষমা করেন তবে তা তাঁর রহমতের কারণে, আর যদি তিনি শাস্তি দেন তবে তা আমাদের পাপের কারণে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১৪)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

14 - قَالَ: حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ فَرْقَدٍ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، قثنا أَيُّوبُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: قَالَ الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ: وَاللَّهِ لَأَعْلَمَنَّ مَا بَقَاءُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِينَا، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ النَّاسَ قَدْ آذَوْكَ فَلَوِ اتَّخَذْتَ عَرِيشًا تُكَلِّمُ مِنْهُ النَّاسَ. قَالَ: "‌‌ وَاللَّهِ لَا أَزَالُ بَيْنَ أَظْهُرِكُمْ يَطَئُونَ عَقِبِي وَيُنَازِعُونِي رِدَائِي، وَيُصِيبُنِي غُبَارُهُمْ حَتَّى يَكُونَ اللَّهُ يُرِيحُنِي مِنْهُمْ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

১৪ - তিনি বলেন: বাকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ফারকাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল ওয়াহহাব আস-সাকাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইকরিমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব বলেছেন: আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই জেনে নেব আমাদের মাঝে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অবস্থান আর কতদিন অবশিষ্ট আছে। তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, মানুষ আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে, আপনি যদি একটি উঁচু মাচা তৈরি করে নিতেন যেখান থেকে আপনি মানুষের সাথে কথা বলতেন। তিনি বললেন: "আল্লাহর কসম, আমি তোমাদের মাঝেই অবস্থান করতে থাকব, তারা আমার পায়ের গোড়ালি মাড়াবে, আমার চাদর ধরে টানাটানি করবে এবং তাদের ধূলিকণা আমার গায়ে লাগবে, যতক্ষণ না আল্লাহ আমাকে তাদের থেকে স্বস্তি দান করেন।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১৫)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

15 - ثنا عَبْدُ اللَّهِ الْعَبْدِيُّ، قثنا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، قثنا رَبَاحُ بْنُ أَبِي مَعْرُوفٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "‌‌ إِنَّ أَخَاكُمُ النَّجَاشِيَّ تُوُفِّيَ فَصَلُّوا عَلَيْهِ " قَالَ: فَصَفَّنَا صَفَّيْنِ فَصَلَّى عَلَيْهِ
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

১৫ - আবদুল্লাহ আল-আবদি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আমির আল-আকাদি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাবাহ ইবনে আবি মা'রুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌তোমাদের ভাই নাজাশি ইন্তেকাল করেছেন, সুতরাং তোমরা তাঁর জানাজার সালাত আদায় করো।" তিনি (জাবির) বললেন: এরপর তিনি আমাদের দুই কাতারে সারিবদ্ধ করলেন এবং তাঁর জানাজার সালাত আদায় করলেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১৬)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

16 - ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَرْوَانَ، ثنا عَمْرُو بْنُ حَفْصٍ الدِّمَشْقِيُّ، قَالَ: ثنا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَرَضِهِ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ فَرَأَيْتُهُ يَتَسَانَدُ إِلَى عَلِيٍّ، فَأَرَدْتُ أَنْ أُنْحِيَهُ وَأَجْلِسَ مَكَانَهُ فَقُلْتُ: يَا أَبَا الْحَسَنِ مَا أَرَاكَ إِلَّا تَعِبْتَ فِي لَيْلَتِكَ هَذِهِ، فَلَوْ تَنَحَّيْتَ فَأُعِينُكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ دَعْهُ فَهُوَ أَحَقُّ بِمَكَانِهِ مِنْكَ "، ادْنُ يَا حُذَيْفَةُ: " مَنْ شَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ دَخَلَ الْجَنَّةَ، يَا حُذَيْفَةَ، مَنْ أَطْعَمَ مِسْكِينًا لِلَّهِ عز وجل دَخَلَ الْجَنَّةَ " قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَكْتُمُ هَذَا أَمْ أَتَحَدَّثُ بِهِ؟ قَالَ: " بَلْ تَحَدَّثْ بِهِ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

১৬ - ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে হাফস আদ-দিমাশকি আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ ইবনে ইয়াজিদ আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তাঁর সেই অসুস্থতার সময় প্রবেশ করলাম যাতে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন। আমি তাঁকে দেখলাম যে তিনি আলীর ওপর হেলান দিয়ে আছেন। আমি তাঁকে সরিয়ে দিয়ে তাঁর স্থানে বসতে চাইলাম এবং বললাম: হে আবুল হাসান! আমি দেখছি যে আপনি এই রাতে খুবই ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। আপনি যদি একটু সরে যেতেন তবে আমি তাঁকে সাহায্য করতাম। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "‌‌ তাকে ছেড়ে দাও, কেননা সে তোমার চেয়ে এই স্থানের বেশি হকদার। হে হুজাইফা, কাছে এসো: যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসুল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। হে হুজাইফা, যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো মিসকিনকে খাবার খাওয়ায়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! আমি কি এটি গোপন রাখব নাকি মানুষকে বলব? তিনি বললেন: "বরং তুমি এটি মানুষকে বলো।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১৭)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

17 - ثنا الْعَلَاءُ بْنُ سَالِمٍ، ثنا أَبُو حَفْصٍ الْعَبْدِيُّ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ يَدُ اللَّهِ عَلَى رَأْسِ الْمُؤَذِّنِ حَتَّى يَفْرُغَ مِنْ أَذَانِهِ، وَإِنَّهُ لَيُغْفَرُ لَهُ مُدَّ صَوْتِهِ "
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

১৭ - আল-আলা ইবন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হাফস আল-আবদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহর হাত মুয়াজ্জিনের মাথার ওপর থাকে যতক্ষণ না সে তার আজান সম্পন্ন করে, এবং তার কণ্ঠস্বর যতদূর পৌঁছে সেই পরিমাণ তাকে ক্ষমা করা হয়।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১৮)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

18 - ثنا الْقَاسِمُ بْنُ هَاشِمٍ السِّمْسَارُ، ثنا الصَّبَّاحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّمْلِيُّ، ثنا صُبَيْحٌ، مَوْلَى عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ قَالَ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ شَرِبَ نَبِيذًا فَاقْشَعَرَّ مِنْهُ مَفْرِقُ رَأْسِهِ فَالْحَسْو مِنْهُ حَرَامٌ "
আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন।

 

১৮ - আমাদের নিকট কাসেম ইবনে হাশেম আস-সিমসার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আস-সাব্বাহ ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রামলি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উম্মুল মুমিনীন আয়েশার মুক্তদাস সুবাইহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আয়েশাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি নাবিয পান করল এবং তাতে তার মাথার তালু শিউরে উঠল, তবে তা এক চুমুক পান করাও হারাম। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ১৯)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

19 - ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ أَبُو عَلِيٍّ الزَّعْفَرَانِيُّ، قثنا أَبُو بَحْرٍ الْبَكْرَاوِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ، قثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: لَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ:‌‌ مَنْ كَانَ لَهُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَيْنٌ أَوْ عِدَةٌ فَلْيَقُمْ، فَقُمْتُ فَقُلْتُ: أَنَا أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ: " لَيْسَ عِنْدِي، فَإِذَا كَانَ عِنْدِي أَعْطَيْتُكَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا " فَأَتَى أَبَا بَكْرٍ مَالٌ فَأَعْطَانِي، فَإِذَا هِيَ أَلْفٌ وَخَمْسُمِائَةٍ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا زَادَتْ دِرْهَمًا وَلَا نَقَصَتْ
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

19 - হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল সাব্বাহ আবু আলী আল-জাফরানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু বাহর আল-বাকরাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হলো, তখন আবু বকর (রা.) দাঁড়িয়ে বললেন:‌‌ "যার নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো ঋণ বা প্রতিশ্রুতি পাওনা রয়েছে, সে যেন দাঁড়ায়।" তখন আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম: "আমি রাসূল আল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসেছিলাম এবং তাঁর কাছে চেয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন: 'আমার নিকট এখন কিছু নেই, যখন আমার কাছে আসবে আমি তোমাকে এভাবে, এভাবে এবং এভাবে দেব।' অতঃপর আবু বকর (রা.)-এর নিকট ধন-সম্পদ আসলে তিনি আমাকে প্রদান করলেন। দেখা গেল তা ছিল এক হাজার পাঁচশত। সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, তা এক দিরহাম বৃদ্ধিও পায়নি এবং হ্রাসও পায়নি।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২০)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

20 - ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ مِخْرَاقٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لَأَذْبَحُ الشَّاةَ فَأَرْحَمُهَا قَالَ: "‌‌ وَالشَّاةُ إِنْ رَحِمْتَهَا رَحِمَكَ اللَّهُ "
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ।

 

20 - হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আস-সাব্বাহ আয-যা'ফরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে উলইয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ ইবনে মিখরাক হতে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে কুররাহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি যখন বকরি জবাই করি তখন তার প্রতি দয়া অনুভব করি। তিনি বললেন: "‌‌ আর বকরিটির প্রতিও যদি তুমি দয়া করো, তবে আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করবেন। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২১)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

21 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مُوسَى بْنِ عَرَزَةَ بْنِ زِيَادٍ، قَالَ: ثنا الْخَلِيلُ بْنُ سَلْمٍ، ثنا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قُلْتُ لِأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: كَيْفَ صَنَعْتُمْ فِي حَجِّكُمْ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: يَقُولُ‌‌ لَبَّيْكَ عُمْرَةً وَحَجًّا، قَالَ: فَحَجَجْتُ فَلَقِيتُ ابْنَ عُمَرَ فَقُلْتُ لَهُ: وَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ: أَهْلَلْنَا بِالْحَجِّ، فَأَخْبَرْتُهُ بِقَوْلِ أَنَسٍ، فَقَالَ رحمه الله نَسِيَ. فَرَجَعْتُ فَأَخْبَرْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ بِقَوْلِ ابْنِ عُمَرَ فَغَضِبَ وَقَالَ كَأَنَّا صِبْيَانٌ
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

২১ - মুহাম্মাদ ইবনুল ফাযল ইবনে মুসা ইবনে আরাযা ইবনে যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-খলীল ইবনে সালম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকর ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (বাকর) বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে বললাম: আপনারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আপনাদের হজে কীভাবে করেছিলেন? তিনি বললেন: তিনি বলতেন:‌‌ ‘লাব্বাইকা উমরাতান ওয়া হাজ্জান’ (আমি উমরা ও হজের জন্য উপস্থিত)। তিনি বলেন: এরপর আমি হজ সম্পাদন করলাম এবং ইবনে উমরের সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। তখন আমি তাঁকে বললাম এবং তাঁকে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন: আমরা হজের ইহরাম বেঁধেছিলাম। তখন আমি তাঁকে আনাসের বক্তব্য জানালাম, তিনি (ইবনে উমর) বললেন: আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন, তিনি ভুলে গেছেন। এরপর আমি ফিরে গিয়ে আনাস ইবনে মালিককে ইবনে উমরের কথা জানালাম। এতে তিনি রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: আমরা কি তখন শিশু ছিলাম?
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২২)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

22 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ مُسْلِمٍ الصَّيْرَفِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، عَنْ مَنْصُورٍ الْغُدَانِيِّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ أَيُّمَا عَبْدٍ أَبَقَ مِنْ مَوَالِيهِ فَقَدْ كَفَرَ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

২২ - মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ বিন মুসলিম আস-সায়রাফি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মানসুর আল-গুদানি থেকে, তিনি আশ-শা'বি থেকে, তিনি জারীর বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌ যে কোনো দাস তার মনিবদের নিকট থেকে পালিয়ে যায়, সে কুফরী করল। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২৩)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

23 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سَعِيدٍ الْأَصْبَهَانِيُّ، ثنا بَكْرُ بْنُ بَكَّارٍ، ثنا حَمْزَةُ الزَّيَّاتُ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ يَقْرَأُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ الم تَنْزِيلُ السَّجْدَةَ وَهَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ سَعِيدٍ الْأَصْبَهَانِيُّ، ثنا بَكْرٌ يَعْنِي ابْنَ بَكَّارٍ، ثنا حَمْزَةُ الزَّيَّاتُ، ثنا أَبُو قُرَّةَ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: فَذَكَرَ مِثْلَهُ
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন

 

২৩ - মুহাম্মদ বিন হাসান বিন সাঈদ আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকর বিন বাক্কার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হামযাহ আয-যাইয়্যাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসলিম থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমুআর দিনে ফজরের সালাতে ‘আলিফ-লাম-মীম তানযীল আস-সাজদাহ’ এবং ‘হাল আতা আলাল ইনসান’ পাঠ করতেন। মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন হাসান বিন সাঈদ আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকর অর্থাৎ ইবনে বাক্কার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হামযাহ আয-যাইয়্যাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু কুররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন... অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২৪)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

25 - ثنا أَبُو الْحَسَنِ حُمَيْدُ بْنُ الرَّبِيعِ اللَّخْمِيُّ، ثنا ابْنُ نُمَيْرٍ، ثنا أَبُو الْجَوَّابِ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ رَزِيقٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم‌‌ كَانَ يَفْتَتِحُ الْقِرَاءَةَ بِ {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} [الفاتحة: 2] قَالَ الْأَعْمَشُ: قُلْتُ لِشُعْبَةَ: لَوْ كَانَ غَيْرُ قَتَادَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

25 - আবুল হাসান হুমাইদ ইবনুর রাবী' আল-লাখমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-জাওয়াব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আম্মার বিন রুযাইক থেকে বর্ণিত, আল-আমাশ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)‌‌ কিরাআত শুরু করতেন {সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য} [আল-ফাতিহা: ২] দিয়ে। আল-আমাশ বলেন: আমি শু'বাহকে বললাম: যদি কাতাদাহ ব্যতীত অন্য কেউ হতো, তবে তিনি বলতেন: সাবিত আমার নিকট আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২৫)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ:

 

26 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَرْوَانَ أَبُو إِسْحَاقَ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا قَيْسٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "‌‌ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُؤْمِنَ الْمُحْتَرِفَ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

 

২৬ - ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান আবু ইসহাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, উবায়দ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, কায়স আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "‌‌ নিশ্চয়ই আল্লাহ পেশাজীবী মুমিনকে ভালোবাসেন। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২৬)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

27 - حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، ثنا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ طَلَبُ الْحَلَالِ جِهَادٌ، وَإِنَّ اللَّهَ عز وجل لَيُحِبُّ الْمُؤْمِنَ الْمُحْتَرِفَ "
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

২৭ - আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল ফুদ্বাইল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌ হালাল উপার্জন অন্বেষণ করা জিহাদ, এবং নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ পরিশ্রমী মুমিনকে ভালোবাসেন। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২৭)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

28 - حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعٍ الْبَجَلِيُّ، ثنا فَضْلُ بْنُ مُهَلْهَلٍ، أَخُو مُفَضَّلِ بْنِ مُهَلْهَلٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ، قَالَ: كَانَ لِي عَلَى سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ شَيْءٌ فَجِئْتُ أَجْلِسُ إِلَيْهِ فَقَالَ: لَعَلَّكَ يَا حَبِيبُ جِئْتَ تَقَاضَانِي، قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: فَلَا تَقَاضَانِي حَتَّى آتِيَكَ، فَإِنِّي سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ مَشَى بِحَقِّهِ إِلَى أَخِيهِ يَقْضِيَهُ إِيَّاهُ، كَانَ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ دَرَجَةٌ، وَمَنْ أَمَاطَ الْأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ كَانَ لَهُ بِهِ صَدَقَةٌ، وَكُلُّ مَعْرُوفٍ صَدَقَةٌ "
মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

২৮ - মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনুর রবী আল-বাজালী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুফাদদাল ইবনে মুহালহাল-এর ভাই ফাদল ইবনে মুহালহাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবীব ইবনে আবী আমরাহ থেকে, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে জুবায়েরের নিকট আমার কিছু পাওনা ছিল, তাই আমি তাঁর নিকট গিয়ে বসলাম। তিনি বললেন: হে হাবীব, সম্ভবত তুমি আমার নিকট পাওনা আদায়ের দাবি জানাতে এসেছ? আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আমি তোমার নিকট না আসা পর্যন্ত তুমি আমার কাছে পাওনা দাবি করো না। কারণ আমি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের পাওনা পরিশোধ করার জন্য তার নিকট হেঁটে যায়, তার প্রতিটি পদক্ষেপে একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং যে ব্যক্তি রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেয়, তার জন্য এতে সদকা রয়েছে, আর প্রতিটি ভালো কাজই সদকা।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২৮)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

29 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحُرِّ بْنِ أَشْكَابَ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، ثنا هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ لَا يَمْنَعُ أَحَدُكُمْ جَارَهُ أَنْ يَضَعَ خَشَبَتَهُ عَلَى جِدَارِهِ "
মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

 

২৯ - আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে ইবরাহীম ইবনুল হুর ইবনে আশকাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুস সামাদ ইবনে আবদুল ওয়ারিস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হিশাম আদ-দাস্তুওয়ায়ী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মা’মার থেকে বর্ণিত, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌ তোমাদের কেউ যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে কাঠ স্থাপন করতে বাধা প্রদান না করে। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়াইদু মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ (পৃষ্ঠা: ২৯)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ

 

30 - ثنا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحُرِّ بْنِ إِشْكَابَ، ثنا أَبُو بَدْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي زِيَادُ بْنُ خَيْثَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ وَاسِعٍ، قَالَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءٍ:‌‌ أَوْصَانِي أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم بِحُبِّ الْمَسَاكِينِ وَالدُّنُوِّ مِنْهُمْ، وَأَنْ أَنْظُرَ إِلَى مَنْ دُونِي وَلَا أَنْظُرَ إِلَى مَنْ فَوْقِي وَأَنْ أَصِلَ رَحِمِي وَإِنْ أَدْبَرَتْ وَأَنْ أَتَكَلَّمَ بِالْحَقِّ وَإِنْ كَانَ مُرًّا وَلَا أَخَافَ فِي اللَّهِ لَوْمَةَ لَائِمٍ، وَأَنْ أُكْثِرَ مِنْ قَوْلِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، وَأَنْ لَا أَسْأَلَ النَّاسَ شَيْئًا قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَخْلَدٍ: كَذَا قَالَ: عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ غَيْرُ ابْنِ إِشْكَابَ: عَنْ أَبِي ذَرٍّ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ

 

৩০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে ইবরাহিম ইবনুল হুর ইবনে ইশকাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বদর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জিয়াদ ইবনে খাইসামাহ, মুহাম্মদ ইবনে জুহাদাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ওয়াসি‘ থেকে, তিনি বলেন: আবু দারদা (রা.) বলেছেন: আবুল কাসেম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মিসকিনদের ভালোবাসতে ও তাদের নিকটবর্তী হতে এবং আমার চেয়ে যারা নিচে তাদের দিকে তাকাতে ও যারা আমার চেয়ে উপরে তাদের দিকে না তাকাতে, এবং আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখতে যদিও তারা বিমুখ হয়, এবং সত্য কথা বলতে যদিও তা তিক্ত হয়, এবং আল্লাহর ব্যাপারে কোনো নিন্দুকের নিন্দার ভয় না করতে, এবং অধিক পরিমাণে ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ পাঠ করতে এবং মানুষের নিকট কোনো কিছু প্রার্থনা না করতে অসিয়ত করেছেন। আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাখলাদ বলেন: তিনি এভাবেই আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে ইবনে ইশকাব ব্যতীত অন্য বর্ণনাকারীগণ আবু যার (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।