(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: -)
العمر والشيب لابن أبي الدنيا   (ابن أبي الدنيا)

القسم: كتب السنة


الكتاب: العمر والشيب

المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)

المحقق: د. نجم عبد الله خلف

الناشر: مكتبة الرشد - الرياض

الطبعة: الأولى، 1412

عدد الصفحات: 81

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আবিদ দুনিয়া রচিত আল-উমরু ওয়াশ শায়ব (জীবনকাল ও বার্ধক্য)   (ইবনে আবিদ দুনিয়া)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আল-উমরু ওয়াশ শায়ব (জীবনকাল ও বার্ধক্য)

লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)

গবেষক: ড. নাজমু আবদুল্লাহ খালাফ

প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১২

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮১

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৪৫)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْحَافِظُ مَجْدُ الدِّينِ شَيْخُ الْإِسْلَامِ أَبُو الْفَرَجِ يَحْيَى بْنُ مَحْمُودِ بْنِ سَعْدٍ الثَّقَفِيُّ الْأَصْفَهَانِيُّ رضي الله عنه أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى الْمُقْرِئُ أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ الْبَاطِرْقَانِيُّ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يُوهَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ الْقُرَشِيُّ يَوْمَ الثُّلَاثَاءِ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الَآخَرِ سَنَةَ ثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ مِنْ كِتَابِهِ

 

1 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ الْجَوْهَرِيُّ، وَسَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْوَاسِطِيُّ، عَنْ ⦗ص: 46⦘ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ الْكِنْدِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُسْرٍ، قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيَّانِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَحَدُهُمَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ النَّاسِ خَيْرٌ؟ قَالَ: «مَنْ طَالَ عُمُرُهُ وَحَسُنَ عَمَلُهُ» وَقَالَ الْآخَرُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ شَرَائِعَ الْإِسْلَامِ قَدْ كَثُرَتْ عَلَيَّ، فَمُرْنِي بِأَمْرٍ أَتَثَبَّتُ بِهِ. فَقَالَ: «لَا يَزَالُ لِسَانُكَ رَطْبًا بِذِكْرِ اللَّهِ عز وجل»
শেখ ইমাম হাফেজ মাজদুদ্দীন শাইখুল ইসলাম আবু আল-ফারাজ ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ বিন সাদ আস-সাকাফী আল-আসবাহানী (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, শেখ আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুসা আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইমাম আবু বকর আহমদ বিন আল-ফদল আল-বাতিরকানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইউহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আবু আল-হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ আল-কুরাশি তাঁর কিতাব থেকে ২৮০ হিজরি সালের রবিউস সানি মাসের মঙ্গলবার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন:

 

১ - আলী বিন আল-জাদ আল-জাওহারী এবং সাঈদ বিন সুলাইমান আল-ওয়াসিতী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ ইসমাইল বিন আইয়াশ থেকে, তিনি আমর বিন কায়স আল-কিন্দি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন বুসর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: দুজন গ্রাম্য ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। তাদের একজন বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, মানুষের মধ্যে কে সর্বোত্তম? তিনি বললেন: "যার আয়ু দীর্ঘ হয়েছে এবং যার আমল সুন্দর হয়েছে।" আর অন্যজন বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, নিশ্চয়ই ইসলামের বিধানসমূহ আমার জন্য অনেক বেশি হয়ে গিয়েছে, তাই আমাকে এমন কিছুর নির্দেশ দিন যা আমি দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে পারি। তখন তিনি বললেন: "তোমার জিহ্বা যেন সর্বদা আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লার জিকিরে সিক্ত থাকে।"
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৪৭)
2 - حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ ⦗ص: 48⦘ ذَكْوَانَ، عَنْ أَخِيهِ أَيُّوبَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يَقُولُ اللَّهُ: إِنِّي لَأَسْتَحِي مِنْ عَبْدِي وَأَمَتِي يَشِيبَانِ فِي الْإِسْلَامِ أُعَذِّبُهُمَا بَعْدَ ذَلِكَ "
২ - সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুওয়াইদ ইবনে আব্দুল আযীয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নূহ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ যাকওয়ান, তাঁর ভাই আইয়ুব থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ বলেন: 'নিশ্চয়ই আমি আমার সেই দাস ও দাসীর প্রতি লজ্জাবোধ করি যারা ইসলামের মধ্যে বার্ধক্যে উপনীত হয়েছে, যে এরপর আমি তাদের আজাব প্রদান করব।'"
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৪৮)
3 - حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَسْلَمَةَ قَالَ: «رَأَيْتُ الْحَجَّاجَ بْنَ أَرْطَأَةَ يَخْضِبُ بِالسَّوَادِ. وَرَأَيْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى يَخْضِبُ بِالسَّوَادِ. وَرَأَيْتُ أَبَا يَعْقُوبَ الْعَامِرِيَّ يَخْضِبُ بِالسَّوَادِ، وَرَأَيْتُ ابْنَ جُرَيْحٍ يَخْضِبُ بِالسَّوَادِ. ثُمَّ تَرَكَ بَعْدُ، فَجَعَلَ يَخْضِبُ بِالْحِنَّاءِ وَالْكَتَمِ»
৩ - আমাদের নিকট আল-ফজল ইবনে ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে মাসলামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি হাজ্জাজ ইবনে আরতাতকে কালো রঙ দ্বারা খিজাব লাগাতে দেখেছি। আমি ইবনে আবি লায়লাকেও কালো রঙ দ্বারা খিজাব লাগাতে দেখেছি। আমি আবু ইয়াকুব আল-আমিরিকেও কালো রঙ দ্বারা খিজাব লাগাতে দেখেছি এবং ইবনে জুরাইজকেও কালো রঙ দ্বারা খিজাব লাগাতে দেখেছি। পরবর্তীতে তিনি তা বর্জন করেন এবং মেহেদি ও কাতাম দ্বারা খিজাব লাগাতে শুরু করেন।»
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৪৯)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، عَنْ زَاجِرِ بْنِ الصَّلْتِ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ الْبُحْتُرِيِّ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ: «نِعْمَ الْخِضَابُ السَّوَادُ؛ هَيْبَةٌ لِلْعَدُوِّ وَمَسْكَنَةٌ لِلزَّوْجَةِ»
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাকারিয়া ইবনে আদি, তিনি যাজির ইবনে সালত থেকে, তিনি হারিস ইবনে আমর থেকে, তিনি বুহুতরি ইবনে আব্দুল হামিদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নিশ্চয় উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন: "কালো খেজাব কতই না চমৎকার; এটি শত্রুর জন্য ভীতিপ্রদ এবং স্ত্রীর নিকট প্রশান্তিদায়ক।"
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৪৯)
5 - حَدَّثَنَا الْمُثَنَّى بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ: " أَوَّلُ مَنْ خَضَبَ بِالسَّوَادِ فِرْعَوْنُ، فَقَالَتْ لَهُ امْرَأَتُهُ: ذَاكَ إِنْ لَمْ يَنْصُلْ "
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসান্না ইবনে মুয়ায, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে মাহদী, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি আবু রাবাহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "প্রথম যে ব্যক্তি কালো রঙ দ্বারা খেযাব লাগিয়েছিল সে হলো ফেরাউন। তখন তার স্ত্রী তাকে বলেছিল: ওটা তখনই (ভালো) যদি তার রঙ উঠে না যায়।"
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৪৯)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ جُمَيْعٍ ⦗ص: 50⦘ قَالَ: كَانَ نَافِعُ بْنُ جُبَيْرٍ يَخْضِبُ بِالْوَسْمَةِ
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব মুহাম্মাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ফুযাইল, আল-ওয়ালিদ ইবনে জুমাই থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ তিনি বলেন: নাফে ইবনে জুবায়ের ওয়াসমা দিয়ে খিযাব লাগাতেন।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫০)
7 - أَخْبَرَنِي الْعَبَّاسُ بْنُ هِشَامِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ عَبْدَ الْمُطَّلِبِ أَوَّلُ مَنْ خَضَبَ بِالْوَسْمَةِ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ، وَذَاكَ أَنَّهُ قَدِمَ الْيَمَنَ فَنَظَرَ إِلَيْهِ بَعْضُ مُلُوكِهَا فَقَالَ: يَا عَبْدَ الْمُطَّلِبِ هَلْ لَكَ أَنْ أُغَيِّرَ لَكَ هَذَا الْبَيَاضَ، فَتَعُودَ شَابًّا؟ قَالَ: ذَاكَ إِلَيْكَ، فَخَضَبَهُ بِالْحِنَّاءِ، ثُمَّ عَلَاهُ بِالْوَسْمَةِ، فَلَمَّا أَرَادَ الِانْصِرَافَ زَوَّدَهُ مِنْهُ شَيْئًا كَثِيرًا، وَأَقْبَلَ عَبْدُ الْمُطَّلِبِ فَلَمَّا دَنَا مِنْ مَكَّةَ اخْتَضَبَ، ثُمَّ دَخَلَ مَكَّةَ كَأَنَّ رَأْسَهُ وَلِحْيَتَهُ حَنَكُ الْغُرَابِ، فَقَالَتْ لَهُ نُتَيْلَةُ بِنْتُ خَبَّابِ بْنِ كُلَيْبٍ أُمِّ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ ⦗ص: 51⦘ الْمُطَّلِبِ: يَا شَيْبَةَ الْحَمْدِ مَا أَحْسَنَ هَذَا الْخِضَابَ لَوْ دَامَ. فَقَالَ عَبْدُ الْمُطَّلِبِ:

[البحر الطويل]

لَوْ دَامَ لِي هَذَا السَّوَادُ حَمِدْتُهُ … وَكَانَ بَدِيلًا مِنْ شَبَابٍ قَدِ انْصَرَمْ

تَمَتَّعْتُ مِنْهُ وَالْحَيَاةُ قَصِيرَةٌ … وَلَا بُدَّ مِنْ مَوْتٍ تَنُولُهُ أَوْ هِرَمْ

وَمَنْ ذَا الَّذِي يَجْرِي عَلَى الْمَرْءِ خَفْضُهُ … وَنِعْمَتُهُ يَوْمًا إِذَا عَرْشُهُ انْهَدَمْ

فَمَوْتٌ جَهِيرٌ عَاجِلٌ لَا سِوَى لَهُ … أَحَبُّ إِلَيْنَا مِنْ مَقَالِهِمُ حَكَمْ

قَالَ: فَخَضَبَ بَعْدَ ذَلِكَ أَهْلُ مَكَّةَ
৭ - আল-আব্বাস ইবনে হিশাম ইবনে মুহাম্মদ আমাকে তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, মক্কাবাসীদের মধ্যে আব্দুল মুত্তালিব সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি 'ওয়াসমা' (এক ধরণের উদ্ভিদ) দিয়ে চুল ও দাড়ি রাঙিয়েছিলেন। ঘটনাটি ছিল এই যে, তিনি ইয়ামেন ভ্রমণে গিয়েছিলেন, তখন সেখানকার জনৈক রাজা তাঁর দিকে লক্ষ্য করে বললেন: হে আব্দুল মুত্তালিব! আমি কি আপনার এই শুভ্রতা পরিবর্তন করে দিতে পারি, যাতে আপনি পুনরায় যুবকের মতো হয়ে যান? তিনি বললেন: সেটি আপনার মর্জি। অতঃপর রাজা তাঁকে মেহেদি দিয়ে রাঙালেন এবং তার ওপর 'ওয়াসমা'র প্রলেপ দিলেন। যখন তিনি প্রস্থানের ইচ্ছা করলেন, তখন রাজা তাঁকে প্রচুর পরিমাণে সেই রঞ্জক দ্রব্য প্রদান করলেন। আব্দুল মুত্তালিব ফিরে আসলেন এবং যখন মক্কার নিকটবর্তী হলেন, তখন তিনি চুল-দাড়ি রাঙালেন। এরপর তিনি মক্কায় এমনভাবে প্রবেশ করলেন যে, তাঁর মাথা ও দাড়ি যেন দাঁড়কাকের কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করেছিল। তখন আল-আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের জননী নুতাইলা বিনতে খাব্বাব ইবনে কুলাইব তাঁকে বললেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ হে শায়বাতুল হামদ! এই রঙ কতই না চমৎকার হতো যদি তা স্থায়ী হতো। তখন আব্দুল মুত্তালিব বললেন:

[তওয়ীল ছন্দ]

এই কৃষ্ণতা যদি আমার তরে স্থায়িত্ব পেত তবে আমি তার প্রশংসা করতাম … আর তা হতো অতিবাহিত হওয়া যৌবনের এক উৎকৃষ্ট বিকল্প।

আমি এ থেকে আনন্দ লাভ করছি অথচ জীবন সংক্ষিপ্ত … আর মৃত্যু অথবা জরাগ্রস্ত বার্ধক্য তো অনিবার্য যা মানুষকে গ্রাস করবেই।

এমন কে আছে যার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও নেয়ামত অব্যাহত থাকবে … যখন তার জীবনের সিংহাসন একদিন ধসে পড়বে?

সুতরাং অবধারিত ও দ্রুত মৃত্যু যার কোনো গত্যন্তর নেই … তা আমাদের কাছে মানুষের করা মন্তব্যের চেয়ে অধিক কাম্য।

বর্ণনাকারী বলেন: এরপর থেকে মক্কাবাসীরা চুল ও দাড়ি রাঙানো শুরু করে।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫১)
8 - قَالَ: وَأَنْشَدَنِي الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ:

[البحر الهزج]

إِذَا احْتَجْتَ إِلَى تَسْوِيدِ … مَا ابْيَضَّ مِنَ الشَّعْرِ

وَتَبْيِيضِ الَّذِي غَيَّرَهُ … الدَّهْرُ مِنَ الثَّغْرِ

فَوَطِّنْ لِلْبِلَى نَفْسًا … وَأَذْعِنْ لِشَبَا الدَّهْرِ

وَصَبْرًا وُدَّ مَنْ تَجْزَعُ … أَوَابِدَ بِالصَّبِرِ
৮ - তিনি বললেন: আল-হুসাইন বিন আবদুর রহমান আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:

[আল-বাহরুল হাজাজ ছন্দ]

যখন তোমার প্রয়োজন হবে কালো করার … চুলের সেই অংশ যা সাদা হয়ে গিয়েছে

এবং সাদা করার সেই অংশকে যা পরিবর্তন করে দিয়েছে … কালচক্র দাঁতের শুভ্রতা হতে

তবে জরাজীর্ণ হওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করো … এবং সময়ের তীক্ষ্ণতার কাছে নতি স্বীকার করো

আর ধৈর্য ধারণ করো সেই ব্যক্তির ন্যায় যে অস্থির হয়ে পড়ে … কঠিন বিপদসমূহে তিক্ত ধৈর্যের সাথে।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫১)
9 - حَدَّثَنَا خَلَّادُ بْنُ أَسْلَمَ، أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْعَيْزَارِ يَعْنِي ابْنَ حُرَيْثٍ قَالَ: رَأَيْتُ الْحُسَيْنَ بْنَ عَلِيٍّ يَخْضِبُ بِالْوَسْمَةِ
৯ - আমাদের নিকট খাল্লাদ ইবনে আসলাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নাদর ইবনে শুমাইল সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট শু'বা বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-আইযার অর্থাৎ ইবনে হুরাইস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি হুসাইন ইবনে আলীকে ওয়াসমা (এক প্রকার উদ্ভিজ্জ রং) দিয়ে খিযাব লাগাতে দেখেছি।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫২)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ الْقُرَشِيِّ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدٍ أَخْبَرَنَا عُمَرُ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ رِشْدِينَ بْنِ كُرَيْبٍ قَالَ: رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ جَعْفَرٍ يَخْضِبُ بِالْوَسْمَةِ
১০ - আবুল ফজল আল-কুরাশী উবায়দুল্লাহ ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শারীক হতে, তিনি রিশদীন ইবনে কুরাইব হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে জাফরকে দেখেছি তিনি ওয়াসমা দিয়ে খিযাব (রং) করছেন।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫২)
11 - حَدَّثَنِي أَبُو عُمَرَ التَّمِيمِيُّ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِي بَكْرٍ النَّهْشَلِيِّ قَالَ: رَأَيْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْأَسْوَدِ يَخْضِبُ بِالْوَسْمَةِ
১১ - আবু উমর আত-তামিমী আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আবু বকর আন-নাহশালি থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদকে ওয়াসমাহ দ্বারা খেজাব লাগাতে দেখেছি।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫২)
12 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَزْهَرُ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ قَالَ: رَأَيْتُ مُوسَى بْنَ طَلْحَةَ يَخْضِبُ بِالسَّوَادِ
১২ - ইবরাহীম বিন সাঈদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, আযহার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আউন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি মূসা বিন তালহাকে কালো রং দিয়ে খিযাব করতে দেখেছি।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫২)
13 - حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الرَّقِّيُّ، عَنِ ابْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عَطَّافِ بْنِ خَالِدٍ قَالَ: رَأَيْتُ عَلِيَّ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ أَسْوَدَ الرَّأْسِ وَاللِّحْيَةِ
১৩ - আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আর-রাক্কী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি মারইয়াম থেকে, তিনি আত্তাফ ইবনে খালিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসকে দেখেছি, তাঁর মাথার চুল ও দাড়ি কালো ছিল।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৩)
‌‌بَابٌ
পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৩)
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ بَيَانٍ الْجُرَشِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي شَيْخٌ مِنَ الْأَنْصَارِ يُقَالُ لَهُ أَبُو الرَّحَّالِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا أَكْرَمَ شَابٌّ شَيْخًا لِسِنِّهِ إِلَّا قَيَّضَ اللَّهُ لَهُ مَنْ يُكْرِمُهُ عِنْدَ سِنِّهِ»

মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ আল-কুরাশি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াযিদ ইবনে বায়ান আল-জুরাশি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আনসারদের একজন শাইখ যাকে আবু আর-রাহহাল বলা হয়, তিনি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো যুবক যদি কোনো বৃদ্ধ ব্যক্তিকে তার বয়সের কারণে সম্মান করে, তবে আল্লাহ তার জন্য এমন কাউকে নির্ধারণ করে দেবেন যে তার বার্ধক্যের সময় তাকে সম্মান করবে।»

(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৩)
15 - حَدَّثَنِي الْعَبَّاسُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ صِرْمَةَ الْأَنْصَارِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ قَالَ: بَلَغَنَا أَنَّهَ مَنْ أَهَانَ ذَا شَيْبَةٍ لَمْ يَمُتْ حَتَّى يَبْعَثَ اللَّهُ عَلَيْهِ مَنْ يُهِينُ شَيْبَهُ إِذَا شَابَ
১৫ - আল-আব্বাস ইবনে জাফর আমাকে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম ইবনে সিরমাহ আল-আনসারী আমাকে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের কাছে পৌঁছেছে যে, যে ব্যক্তি কোনো বৃদ্ধ ব্যক্তিকে অপমান করবে, সে ততক্ষণ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করবে না যতক্ষণ না আল্লাহ তার উপরে এমন কাউকে প্রেরণ করেন, যে তার বার্ধক্যে তাকে অপমান করবে।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৪)
16 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، حَدَّثَنِي أَبُو الْفَضْلِ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ قَالَ: قِيلَ لِرَجُلٍ: كَيْفَ أَصْبَحْتَ؟ فَقَالَ:

[البحر الكامل]

الْعُمُرُ يَنْقُصُ وَالذُّنُوبُ تَزِيدُ … وَتُقَالُ عَثْرَتُهُ الْفَتَى فَيَعُودُ

 

17 - وَزَادَنِي غَيْرُهُ:

وَالْمَرْءُ يُسْأَلُ عَنْ سِنِيهِ … فَيَشْتَهِي تَقْلِيلَهَا وَعَنِ الْمَمَاتِ يَحِيدُ

 

18 - قَالَ: أَنْشَدَنِي عِيسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَوْلَهُ:

[البحر السريع]

عُمُرُكَ قَدْ أَفْنَيْتَهُ تَحْتَمِي … فِيهِ مِنَ الْبَارِدِ وَالْحَارِ

وَكَانَ أَوْلَى بِكَ أَنْ تَحْتَمِي … مِنَ الْمَعَاصِي خَشْيَةَ النَّارِ
১৬ - মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, বনু হাশিমের আযাদকৃত দাস আবুল ফজল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হলো, "আপনার সকাল কেমন কাটল?" তখন সে বলল:

[কামিল ছন্দ]

আয়ু কমে যাচ্ছে আর গুনাহ বেড়ে যাচ্ছে … এবং যুবকের পদস্খলন ক্ষমা করা হয়, ফলে সে পুনরায় (গুনাহে) লিপ্ত হয়

 

১৭ - অন্য একজন আমার নিকট আরও বর্ণনা করেছেন:

মানুষকে তার বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় … তখন সে তা কমিয়ে বলতে চায় এবং মৃত্যু থেকে বিমুখ থাকে

 

১৮ - তিনি বলেন: ঈসা ইবনে আব্দুর রহমান আমাকে তার এই কবিতাটি শুনিয়েছেন:

[সারী ছন্দ]

তোমার আয়ু তুমি শেষ করেছ নিজেকে রক্ষা করতে … প্রচণ্ড শীত এবং প্রচণ্ড গরম থেকে

অথচ তোমার জন্য অধিক সমীচীন ছিল নিজেকে রক্ষা করা … জাহান্নামের আগুনের ভয়ে পাপাচার থেকে
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৪)
19 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو هُرْمُزَ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: قِيلَ لِنُوحٍ صلى الله عليه وسلم: يَا أَطْوَلَ النَّبِيِّينَ عُمُرًا، وَيَا أَفْضَلَهُمْ شُكْرًا، كَيْفَ وَجَدْتَ الدُّنْيَا وَالْعَيْشَ فِيهَا؟ قَالَ: كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ فَأَقَامَ فِي الْبَيْتِ هُنَيْهَةً ثُمَّ خَرَجَ
১৯ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আসিম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হুরমুজ, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নূহ (আলাইহিস সালাম)-কে বলা হলো: হে নবীদের মধ্যে দীর্ঘতম আয়ুপ্রাপ্ত এবং তাঁদের মধ্যে কৃতজ্ঞতায় শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, আপনি দুনিয়া এবং এতে জীবনযাপনকে কেমন পেলেন? তিনি বললেন: এমন এক ব্যক্তির মতো, যে দুই দরজাবিশিষ্ট একটি ঘরে প্রবেশ করল, অতঃপর সেখানে সামান্য সময় অবস্থান করল, তারপর বের হয়ে গেল।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৫)
20 - حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ بَاهِلَةَ قَالَ: دَخَلَ قَوْمٌ عَلَى أَعْرَابِيٍّ يَعُودُونَهُ، فَقَالَ لَهُ بَعْضُهُمْ: كَمْ أَتَى عَلَيْكَ؟ قَالَ: خَمْسُونَ وَمِائَةُ سَنَةٍ. فَقَالُوا: عُمُرٌ وَاللَّهِ. فَقَالَ: لَا تَقُولُوا ذَاكَ فَوَاللَّهِ لَوِ اسْتَكْمَلْتُمُوهَا لَاسْتَقْلَلْتُمُوهَا
২০ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন আইয়ুব বাজিলা গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদল লোক এক মরুবাসীর অসুস্থতা দেখতে তার নিকট উপস্থিত হলেন। তাদের কেউ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন: আপনার বয়স কত হয়েছে? তিনি বললেন: একশ পঞ্চাশ বছর। তারা বললেন: আল্লাহর কসম, এটি তো দীর্ঘ জীবন! তিনি বললেন: তোমরা তা বলো না। কারণ আল্লাহর কসম, তোমরা যদি তা পূর্ণ করতে, তবে একে খুবই সামান্যই মনে করতে।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৫)
21 - حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ الْمُحَبَّرِ، عَنْ صَالِحٍ الْمُرِّيِّ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ أَبِي الْجَلْدِ أَنَّ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ مَرَّ بِمَشْيَخَةٍ فَقَالَ: مَعَاشِرَ الشُّيُوخِ أَمَا عَلِمْتُمْ أَنَّ الزَّرْعَ إِذَا ابْيَضَّ وَيَبِسَ وَاشْتَدَّ فَقَدْ دَنَا حَصَادُهُ؟ قَالُوا: بَلَى قَالَ: فَاسْتَعِدُّوا فَقَدْ دَنَا حَصَادُكُمْ. ثُمَّ مَرَّ بِشَبَابٍ فَقَالَ: مَعَاشِرَ الشَّبَابِ أَمَا تَعْلَمُونَ أَنَّ رَبَّ الزَّرْعِ رُبَّمَا حَصَدَهُ قَصِيلًا؟ ⦗ص: 56⦘. قَالُوا: بَلَى قَالَ: فَاسْتَعِدُّوا؛ فَإِنَّكُمْ لَا تَدْرُونَ مَتَى تُحْصَدُونَ
২১ - ইসমাইল ইবনুল হারিস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ ইবনুল মুহাব্বর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ আল-মুররি থেকে বর্ণিত, আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে বর্ণিত, আবুল জালদ থেকে বর্ণিত যে, মরিয়ম-পুত্র ঈসা একদল বৃদ্ধ লোকের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: হে প্রবীণ দল! তোমরা কি জানো না যে, শস্য যখন সাদা হয়ে যায়, শুকিয়ে যায় এবং শক্ত হয়, তখন তা কাটার সময় ঘনিয়ে আসে? তারা বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: তবে তোমরা প্রস্তুতি গ্রহণ করো, কারণ তোমাদের ফসল কাটার সময় ঘনিয়ে এসেছে। এরপর তিনি একদল যুবকের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: হে যুবক দল! তোমরা কি জানো না যে, শস্যের মালিক অনেক সময় তা কাঁচা অবস্থাতেই কেটে ফেলেন? ⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘। তারা বললেন: অবশ্যই। তিনি বললেন: তবে তোমরা প্রস্তুতি গ্রহণ করো; কেননা তোমরা জানো না কখন তোমাদের কেটে নেওয়া হবে।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৬)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ الْمِصْرِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُسَامَةَ الْمِصْرِيَّ الْعَابِدَ قَالَ: بَيْنَا أَبُو شُرَيْحٍ يَمْشِي إِذْ جَلَسَ، فَتَقَنَّعَ بِكِسَائِهِ فَجَعَلَ يَبْكِي. فَقُلْنَا: مَا يُبْكِيكَ؟ قَالَ: تَفَكَّرْتُ فِي ذَهَابِ عُمُرِي، وَقِلَّةِ عَمَلِي، وَاقْتِرَابِ أَجَلِي
২২ - মুহাম্মাদ ইবনে ইদরীস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম আল-মিসরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইবাদতগুজার আবু উসামা আল-মিসরীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আবু শুরাইহ যখন হাঁটছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি বসে পড়লেন এবং নিজের চাদর দিয়ে মাথা ও মুখ ঢেকে নিলেন, অতঃপর কাঁদতে লাগলেন। আমরা বললাম: আপনাকে কিসে কাঁদাচ্ছে? তিনি বললেন: আমি আমার আয়ু ফুরিয়ে যাওয়া, আমলের স্বল্পতা এবং আমার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসার কথা চিন্তা করলাম।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৬)
23 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِي، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سُلَيْمَانَ يَقُولُ: يَعْرِضُ اللَّهُ عَلَى ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عُمُرَهُ مِنْ أَوَّلِهِ إِلَى آخِرِهِ سَاعَةً سَاعَةً، يَقُولُ: «ابْنَ آدَمَ أَتَتْ عَلَيْكَ سَاعَةٌ كُنْتَ تُطِيعُنِي، وَسَاعَةٌ كُنْتَ تَعْصِينِي، وَسَاعَةٌ كُنْتَ تَذْكُرُنِي، وَسَاعَةٌ كُنْتَ غَافِلًا»
২৩ - মুহাম্মাদ ইবনে ইদরিস আমাকে বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আবিল হাওয়ারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: আল্লাহ কিয়ামত দিবসে আদম সন্তানের সামনে তার জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত পেশ করবেন। তিনি বলবেন: «হে আদম সন্তান! তোমার নিকট এমন এক মুহূর্ত এসেছিল যখন তুমি আমার আনুগত্য করছিলে, এমন এক মুহূর্ত যখন তুমি আমার অবাধ্যতা করছিলে, এমন এক মুহূর্ত যখন তুমি আমাকে স্মরণ করছিলে এবং এমন এক মুহূর্ত যখন তুমি গাফেল ছিলে।»
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৬)
24 - حَدَّثَنِي ابْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِي، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْهِرْمَاسِ أَبُو عَلِيٍّ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ الْعُكَّاشِيُّ الْأَسَدِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَدْهَمَ يَقُولُ لِلْأَوْزَاعِيِّ: يَا أَبَا عَمْرٍو، وَكَانَ مَالِكُ بْنُ دِينَارٍ كَثِيرًا مَا يَقُولُ: مَنْ عَرَفَ اللَّهَ فَهُوَ فِي شُغُلٍ شَاغِلٍ، وَيْلٌ لِمَنْ ذَهَبَ عُمُرُهُ بَاطِلًا
২৪ - ইবনে ইদ্রিস আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আবু আল-হাওয়ারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আল-হিরমাস আবু আলী আল-হানাফি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন ইসহাক আল-উক্কাশি আল-আসাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম বিন আদহামকে আওযায়ি-কে বলতে শুনেছি: হে আবু আমর, মালিক বিন দিনার প্রায়ই বলতেন: যে ব্যক্তি আল্লাহকে চিনেছে সে এক মগ্নকারী কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে; ধ্বংস তার জন্য যার জীবন বৃথা অতিবাহিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৬)
25 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدٍ الطَّنَافِسِيَّ قَالَ: قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ: مَا أَسْرَعَ هَذِهِ الْأَيَّامَ فِي هَدْمِ عُمُرِنَا، وَأَسْرَعَ هَذَا الْعَامَ فِي هَدْمِ شَهْرِهِ، وَأَسْرَعَ هَذَا الشَّهْرَ فِي هَدْمِ يَوْمِهِ
২৫ - মুহাম্মদ ইবন ইদ্রিস আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আলী ইবন মুহাম্মদ আত-তানাফিসিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইবনুল মুবারক বলেছেন: আমাদের আয়ু বিনাশ করার ক্ষেত্রে এই দিনগুলো কতই না দ্রুত, আর এই বছরটি তার মাসসমূহকে বিনাশ করার ক্ষেত্রে কতই না দ্রুত, আর এই মাসটি তার দিবসসমূহকে বিনাশ করার ক্ষেত্রে কতই না দ্রুত!
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৬)
26 - حَدَّثَنِي أَبُو حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْجُرَشِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ ⦗ص: 57⦘، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لِابْنِهِ: أَمَا يَنْهَاكَ شَمَطَاتُكَ عَنْ مَعَاصِي اللَّهِ
২৬ - আবু হাতিম আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-জুরাশি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব তাঁর পুত্রকে উদ্দেশ্য করে বললেন: তোমার চুলের শুভ্রতা কি তোমাকে আল্লাহর নাফরমানি থেকে বিরত রাখে না?
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৭)
27 - حَدَّثَنِي أَبُو حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِي، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ كَامِلٍ الْعَبْسِيُّ، قَالَ: أَتَيْتُ عِرَاكَ بْنَ خَالِدٍ وَهُوَ جَالِسٌ فِي مَجْلِسِ ابْنِ مُرَّةَ فِي فِتْنَةِ ابْنِ مُحْرِزٍ، فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَبَا الضَّحَّاكِ طَابَ الْمَوْتُ. قَالَ: يَا ابْنَ أَخِي لَا تَفْعَلْ؛ لَسَاعَةٌ تَعِيشُ فِيهَا تَسْتَغْفِرُ اللَّهَ خَيْرٌ لَكَ مِنْ مَوْتِ الدَّهْرِ
২৭ - আবু হাতিম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আবিল হাওয়ারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন কামিল আল-আবসী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইরাক বিন খালিদের কাছে আসলাম এমতাবস্থায় যে তিনি ইবনে মুহরিজের ফিতনার সময় ইবনে মুররার মজলিসে উপবিষ্ট ছিলেন। অতঃপর আমি তাকে বললাম: হে আবুয যাহহাক! মৃত্যু এখন কতই না আকাঙ্ক্ষিত হতো। তিনি বললেন: হে ভ্রাতুষ্পুত্র! এমন করো না; কেননা তোমার জীবনের একটি মুহূর্ত যাতে তুমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, তা তোমার জন্য মহাকালের মৃত্যুর চেয়েও উত্তম।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৭)
28 - حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخُرَاسَانِيُّ، قَالَ: قِيلَ لِشَيْخٍ: مَا بَقِيَ مِنْكَ مِمَّا تُحِبُّ لَهُ الْحَيَاةَ؟ قَالَ: الْبُكَاءُ عَلَى الذُّنُوبِ
২৮ - আমার নিকট জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-খুরাসানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক শায়খকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার মাঝে এমন কী অবশিষ্ট আছে যার কারণে আপনি বেঁচে থাকতে পছন্দ করেন? তিনি বললেন: পাপের জন্য ক্রন্দন।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৭)
29 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا الْأَصْمَعِيُّ قَالَ: دَخَلَ سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمَسْجِدَ فَرَأَى شَيْخًا كَبِيرًا، فَدَعَا بِهِ فَقَالَ: يَا شَيْخُ: أَتُحِبُّ الْمَوْتَ؟ قَالَ: لَا. قَالَ: بِمَ؟ ⦗ص: 58⦘ قَالَ: ذَهَبَ الشَّبَابُ وَشَرُّهُ، وَجَاءَ الْكِبَرُ وَخَيْرُهُ، فَإِذَا قُمْتُ قُلْتُ: بِسْمِ اللَّهِ، وَإِذَا قَعَدْتُ قُلْتُ: الْحَمْدُ لِلَّهِ، فَأَنَا أُحِبُّ أَنْ يَبْقَى لِي هَذَا
২৯ - মুহাম্মাদ ইবন নাসর ইবনুল ওয়ালিদ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আল-আসমাঈ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবন আব্দুল মালিক মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং একজন বৃদ্ধ লোককে দেখতে পেলেন। তিনি তাকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন: হে শাইখ! আপনি কি মৃত্যুকে ভালোবাসেন? তিনি বললেন: না। তিনি বললেন: কেন? ⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ তিনি বললেন: যৌবন ও তার মন্দ বিদায় নিয়েছে এবং বার্ধক্য ও তার কল্যাণ এসেছে। ফলে যখন আমি দাঁড়াই, তখন বলি: আল্লাহর নামে (বিসমিল্লাহ), আর যখন আমি বসি, তখন বলি: আল্লাহর জন্য প্রশংসা (আলহামদুলিল্লাহ)। সুতরাং আমি পছন্দ করি যে আমার এই অবস্থাটি অবশিষ্ট থাকুক।
(খণ্ড: ১) আল-উমরু ওয়াশ শাইব লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া (পৃষ্ঠা: ৫৮)
30 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنِ الْمَسْعُودِيِّ، قَالَ: كَانَ عَوْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ يَضَعُ يَدَهُ تَحْتَ لِحْيَتِهِ، ثُمَّ يُمِيلُهَا إِلَى وَجْهِهِ، ثُمَّ يَنْظُرُ إِلَيْهَا فَيَبْكِي وَيَقُولُ: إِلَهِي ارْحَمْ شَيْبَتِي
৩০ - মুহাম্মাদ ইবনে ইদরীস আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, হায়ওয়াহ ইবনে শুরাইহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, বাকিয়্যাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি মাসউদী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আউন ইবনে আব্দুল্লাহ তাঁর হাত নিজের দাড়ির নিচে রাখতেন, অতঃপর তা তাঁর চেহারার দিকে ঝোঁকাতেন, এরপর সেটির দিকে তাকিয়ে কাঁদতেন এবং বলতেন: হে আমার ইলাহ! আমার বার্ধক্যের প্রতি দয়া করুন।