(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: -)
الضعفاء الكبير للعقيلي   (العقيلي)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: الضعفاء الكبير

المؤلف: أبو جعفر محمد بن عمرو بن موسى بن حماد العقيلي المكي (ت 322هـ)

المحقق: عبد المعطي أمين قلعجي

الناشر: دار المكتبة العلمية - بيروت

الطبعة: الأولى، 1404هـ - 1984م

عدد الأجزاء: 4

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

উকাইলির আদ-দুয়াফা আল-কাবীর   (উকাইলি)

বিভাগ: হাদিস শাস্ত্রীয় ইল্লাত (ত্রুটি) ও প্রশ্নসমূহ


গ্রন্থ: আদ-দুয়াফা আল-কাবীর

লেখক: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আমর বিন মুসা বিন হাম্মাদ আল-উকাইলি আল-মাক্কি (মৃত্যু ৩২২ হিজরি)

সম্পাদক: আবদুল মুতি আমিন কাল'আজি

প্রকাশক: দার আল-কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪০৪ হিজরি - ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৪

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ২)
‌‌بَابُ تَبَيُّنِ أَحْوَالِ مَنْ نُقِلَ عَنْهُ الْحَدِيثُ مِمَّنْ لَمْ يُنْقَلْ عَلَى صَحْبِهِ
যাদের থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে অথচ যাদের সাহচর্য লাভের বিষয়টি বর্ণিত হয়নি, তাদের অবস্থাসমূহ স্পষ্টীকরণের পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৩)
أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ حَسْنَوَيْهِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ الْحَجَّاجِ الْمُقْرِئُ فِي جُمَادَى الْآخِرَةِ سَنَةَ سَبْعٍ وَأَرْبَعِمِائَةٍ قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَيَّانَ قُلْتُ: حَدَّثَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ نَافِعٍ الْخُزَاعِيُّ بِمَكَّةَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُوسَى بْنِ حَمَّادٍ الْعُقَيْلِيُّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي ، ح وَحَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى قَالَا: حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ قَالَ: سَأَلْتُ شُعْبَةَ وَسُفْيَانَ بْنَ سَعِيدٍ وَسُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ وَمَالِكَ بْنَ أَنَسٍ عَنِ الرَّجُلِ لَا يَحْفَظُ وَيُتَّهَمُ فِي الْحَدِيثِ، فَقَالُوا جَمِيعًا: «يُبَيَّنُ أَمْرُهُ»

আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম ইবনে হাসনুবাইহ ইবনে ইউসুফ ইবনুল হাজ্জাজ আল-মুকরি চারশ সাত হিজরি সনের জুমাদাল আখিরা মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু বকর আব্দুল মুনয়িম ইবনে উমর ইবনে হাইয়ানের সামনে পাঠ করেছি, আমি বলেছি: মক্কায় আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে নাফি আল-খুজায়ি কি আপনাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন? তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে মুসা ইবনে হাম্মাদ আল-উকাইলি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। (সনদ পরিবর্তন) এবং আমাদের নিকট যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট আফফান হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি শু’বাহ, সুফিয়ান ইবনে সাঈদ, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ এবং মালিক ইবনে আনাসকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে (হাদিস) মুখস্থ রাখতে পারে না এবং হাদিসের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত, তখন তারা সকলেই বললেন: "তার প্রকৃত অবস্থা বর্ণনা করে দিতে হবে।"

(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৬)
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ قَالَ: ذَكَرَ أَيُّوبُ لِمُحَمَّدٍ حَدِيثًا عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، فَقَالَ: أَبُو قِلَابَةَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ رَجُلٌ صَالِحٌ وَلَكِنْ عَنْ مَنْ ذَكَرَهُ أَبُو قِلَابَةَ"
জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আওন থেকে, তিনি বলেন: আইয়ুব মুহাম্মাদের নিকট আবু কিলাবা থেকে একটি হাদিস উল্লেখ করলেন, তখন তিনি বললেন: আবু কিলাবা ইনশাআল্লাহ একজন নেককার লোক, কিন্তু আবু কিলাবা এটি কার থেকে বর্ণনা করেছেন?
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৭)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ الْمَسْمَعِيُّ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ: " كَانَ يَقُولُ: إِنَّ هَذَا الْعِلْمَ دِينٌ فَانْظُرُوا عَنْ مَنْ تَأْخُذُونَهُ " قَالَ: وَذَكَرَ عِنْدَ مُحَمَّدٍ حَدِيثًا عَنْ أَبِي قِلَابَةَ فَقَالَ: «لَا يُتَّهَمُ أَبُو قِلَابَةَ وَلَكِنْ عَنْ مَنْ أَخَذَهُ أَبُو قِلَابَةَ»
আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন উসমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট নুআইম বিন হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন সালামাহ আল-মাসমায়ি বর্ণনা করেছেন ইবনে আউন থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন: "নিশ্চয় এই ইলম হলো দীন, সুতরাং তোমরা দেখো কার নিকট থেকে তোমরা তোমাদের দীন গ্রহণ করছো।" তিনি বলেন: মুহাম্মদের নিকট আবু কিলাবাহ থেকে বর্ণিত একটি হাদিস উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন: "আবু কিলাবাহ অভিযুক্ত নন, কিন্তু আবু কিলাবাহ এটি কার নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন (তা দেখতে হবে)।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৭)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَ: قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ: «إِنَّ الرَّجُلَ لَيُحَدِّثُنِي بِالْحَدِيثِ وَمَا أَتَّهِمُهُ ، وَلَكِنْ أَتَّهِمُ مَنْ حَدَّثَهُ ، وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيُحَدِثَنِي بِالْحَدِيثِ عَنِ الرَّجُلِ فَمَا أَتَّهِمُ الرَّجُلَ ، وَلَكِنْ أَتَّهِمُ مَنْ حَدَّثَنِي»
মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন আবী আস-সারী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন রাজা’ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ ইবন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন সীরীন বলেছেন: «নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তি যখন আমার নিকট কোনো হাদীস বর্ণনা করেন, তখন আমি তাকে অভিযুক্ত করি না; বরং আমি তাকে অভিযুক্ত করি যে তাকে হাদীসটি বর্ণনা করেছে। আর যখন কোনো ব্যক্তি আমার নিকট অন্য কোনো ব্যক্তির সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেন, তখন আমি সেই ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করি না; বরং আমি তাকেই অভিযুক্ত করি যে আমার নিকট তা বর্ণনা করেছে»।
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৭)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ قَالَ: سَمِعْتُ يَزِيدَ بْنَ هَارُونَ يَقُولُ: حَدَّثَ سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ بِحَدِيثٍ عَنِ ابْنَ سِيرِينَ فَذَكَرَ لَهُ الْحَدِيثَ ، فَقَالَ ابْنُ سِيرِينَ: " مَا هَذَا؟ قُلْ لِسُلَيْمَانَ: اتَّقِ اللَّهَ وَلَا تَكْذِبْ عَلَيَّ " ، فَأَتَى سُلَيْمَانَ فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ ، فَقَالَ سُلَيْمَانُ: يَا هَذَا إِنَّمَا حَدَّثَنِي مُؤَذِّنُنَا أَيْنَ هُوَ؟ فَجَاءَ الْمُؤَذِّنُ ، فَقَالَ سُلَيْمَانُ: أَلَيْسَ حَدَّثَتْنَا عَنِ ابْنِ سِيرِينَ بِكَذَا وَكَذَا ، فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ: إِنَّمَا حَدَّثَنِيهِ رَجُلٌ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ
মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াযীদ ইবনে হারুনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: সুলায়মান আত-তায়মী ইবনে সীরীনের বরাতে একটি হাদীস বর্ণনা করলেন। অতঃপর তাঁর (ইবনে সীরীনের) নিকট হাদীসটি উল্লেখ করা হলে ইবনে সীরীন বললেন: "এ আবার কী? সুলায়মানকে বলো: আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার নামে মিথ্যা বলো না।" তখন সেই ব্যক্তি সুলায়মানের কাছে এসে বিষয়টি তাঁকে জানালেন। সুলায়মান বললেন: হে ব্যক্তি! আমাদের মুয়াযযিনই তো আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছে; সে কোথায়? তখন মুয়াযযিন আসলে সুলায়মান বললেন: তুমি কি আমাদের নিকট ইবনে সীরীনের বরাতে অমুক অমুক হাদীস বর্ণনা করোনি? মুয়াযযিন বলল: প্রকৃতপক্ষে জনৈক ব্যক্তি ইবনে সীরীনের সূত্রে আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছিল।
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৭)
وحَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ قَالَ ⦗ص: 8⦘: حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَيْرٍ قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ بَلِيلٍ أَنَّ التَّيْمِيَّ ذَكَرَ عَنِ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ زَارَ قَبْرًا ، أَوْ صَلَّى إِلَيْهِ ، أَوْ تَعَلَّمَهُ ، فَقَدْ بَرِئَ مِنْهُ الذِّمَّةُ ، قَالَ عِمْرَانُ: فَقُلْتُ لِمُحَمَّدٍ - عِنْدَ أَبِي مِجْلَزٍ -: إِنَّ رَجُلًا ذَكَرَ عَنْكَ أَنَّكَ قُلْتَ: مَنْ زَارَ قَبْرًا ، أَوْ صَلَّى إِلَيْهِ، أَوْ تَعَلَّمَهُ، فَقَدْ بَرِئَ اللَّهُ مِنْهُ ، قَالَ فَقَالَ أَبُو مِجْلَزٍ: كُنْتُ أَحْسِبُكَ أَنَّكَ أَشَدُّ اتِّقَاءً ، قَالَ: «إِذَا لَقِيتَ صَاحِبَكَ فَأَقْرِئْهُ السَّلَامَ ، وَأَخْبِرْهُ أَنَّهُ قَدْ كَذَبَ ، وَلَكِنْ هُوَ يَكْرَهُ» . قَالَ: فَرَأَيْتُ سُلَيْمَانَ عِنْدَ أَبِي مِجْلَزٍ قَالَ: فَذَكَرْتُ لَهُ ، فَقَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ إِنَّمَا حَدَّثَنِيهِ مُؤَذِّنٌ لَنَا ، وَلَمْ أَظُنُّهُ يَكْذِبُ
এবং মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আফফান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনুল হারিস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৮⦘: ইমরান ইবনে হুদাইর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইবনে বালীল আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আত-তাইমি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো কবর যিয়ারত করল, অথবা তার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করল, অথবা তাকে চিহ্নিত করল, তার থেকে নিরাপত্তা (জিম্মা) দায়মুক্ত হয়ে গেল।" ইমরান বলেন: অতঃপর আমি মুহাম্মদ (ইবনে সিরীন)-কে বললাম—আবু মিজলাযের উপস্থিতিতে—: "জনৈক ব্যক্তি আপনার পক্ষ থেকে উল্লেখ করেছেন যে আপনি বলেছেন: 'যে ব্যক্তি কোনো কবর যিয়ারত করল, অথবা তার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করল, অথবা তাকে চিহ্নিত করল, আল্লাহ তার থেকে দায়মুক্ত'।" তিনি (ইমরান) বলেন: তখন আবু মিজলায বললেন: "আমি আপনাকে এর চেয়েও বেশি সাবধানী মনে করতাম।" তিনি (ইবনে সিরীন) বললেন: "যখন তুমি তোমার সেই সঙ্গীর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তাকে আমার সালাম দিয়ো এবং তাকে জানিও যে সে মিথ্যা বলেছে; বরং তিনি (ইবনে সিরীন) কেবল বিষয়টি অপছন্দ করেন।" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি আবু মিজলাযের নিকট সুলাইমানকে দেখলাম। তিনি বলেন: অতঃপর আমি তার কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম, তখন তিনি বললেন: "সুবহানাল্লাহ! আমাদের এক মুআজ্জিন আমার কাছে এটি বর্ণনা করেছিলেন এবং আমি ভাবিনি যে তিনি মিথ্যা বলবেন।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৮)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا عَلِيٌّ قَالَ: قُلْتُ لِيَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ: إِنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ يَقُولُ: اتْرُكْ مَنْ كَانَ رَأْسًا فِي الْبِدْعَةِ يَدْعُو إِلَيْهَا ، قَالَ يَحْيَى: «كَيْفَ تَصْنَعُ بِقَتَادَةَ؟ كَيْفَ تَصْنَعُ بِابْنِ أَبِي رَوَّادَ وَعُمَرَ بْنِ ذَرٍّ؟» وَعَدَّ يَحْيَى قَوْمًا ، ثُمَّ قَالَ يَحْيَى: «هَذَا إِنْ تَرَكَ هَذَا الضَّرْبَ تَرَكَ نَاسًا كَثِيرًا»

মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালেহ ইবনে সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদকে বললাম: নিশ্চয়ই আবদুর রহমান বলছেন, বিদআতের ক্ষেত্রে যে মূলহোতা এবং যে ব্যক্তি সেদিকে আহ্বান জানায় তাকে বর্জন করো। তখন ইয়াহইয়া বললেন: "কাতাদাহর ব্যাপারে তুমি কী করবে? ইবনে আবি রাউওয়াদ এবং উমর ইবনে যারর-এর ব্যাপারে তুমি কী করবে?" ইয়াহইয়া একদল লোকের নাম গণনা করলেন। অতঃপর ইয়াহইয়া বললেন: "যদি তিনি এই শ্রেণীর লোকদের বর্জন করেন, তবে তিনি বহু মানুষকে বর্জন করবেন।"

(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৮)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ الْبَاهِلِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ يَقُولُ: «ثَلَاثَةٌ لَا يُحْمَلُ عَنْهُمُ ، الرَّجُلُ الْمُتَّهَمُ بِالْكَذِبِ ، وَالرَّجُلُ كَثِيرُ الْوَهْمِ وَالْغَلَطِ ، وَرَجُلٌ صَاحِبُ هَوًى يَدْعُو إِلَى بِدْعَةٍ»
আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু বকর ইবনে খাল্লাদ আল-বাহিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আব্দুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "তিন প্রকার ব্যক্তি থেকে (হাদিস) গ্রহণ করা যাবে না: এমন ব্যক্তি যে মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত, এমন ব্যক্তি যার ভুল ও বিভ্রান্তি অত্যধিক, এবং প্রবৃত্তির অনুসারী এমন ব্যক্তি যে বিদআতের দিকে আহ্বান জানায়।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৯)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ يَقُولُ: «لَا يَكُونُ إِمَامًا مَنْ يُحَدِّثُ بِكُلَّ مَا يَسْمَعُ ، وَلَا يَكُونُ إِمَامًا مَنْ يُحَدِّثُ عَنْ كُلِّ أَحَدٍ»
আবদুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবন খাল্লাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবন মাহদীকে বলতে শুনেছি: «সে ব্যক্তি ইমাম হতে পারে না যে যা শোনে তার সবই বর্ণনা করে, এবং সে ব্যক্তি ইমাম হতে পারে না যে প্রত্যেকের নিকট হতে (যাচাই-বাছাই ছাড়া) বর্ণনা করে।»
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৯)
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ قَالَ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ سِنَانٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ يَقُولُ: " خَصْلَتَانِ لَا يَسْتَقِيمُ فِيهِمَا حُسْنُ الظَّنِّ: الْحُكْمُ وَالْحَدِيثُ "

আমাদের নিকট জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে সিনানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "দুটি বিষয় এমন যাতে সুধারণা পোষণ করা সঠিক নয়: বিচার ফয়সালা এবং হাদিস।"

(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৯)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ زُكَيْرٍ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ قَعْنَبٍ قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اطَّلَعَ عَلَى أَحَدٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ كَذَبَ كَذْبَةً لَمْ يَزَلْ مُعْرِضًا عَنْهُ حَتَّى يُحْدِثَ لِلَّهِ التَّوْبَةَ»
আহমাদ ইবনে ঝুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আব্দুল মুমিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে কা'নাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁর পরিবারের কারো কোনো মিথ্যার সংবাদ পেতেন, তখন তিনি তার থেকে বিমুখ থাকতেন যতক্ষণ না সে আল্লাহর উদ্দেশ্যে তওবা করত»।
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৯)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ خُزَيْمَةَ الرَّمْلِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الرَّمْلِيُّ وَيُعْرَفُ بِالْوَاسِطِيِّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ ، عَنْ رزِيْقٍ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْأَلْهَانِيِّ عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَحْمِلُ هَذَا الْعِلْمَ مِنْ كُلِّ خَلَفٍ عُدُولُهُ ، يَنْفُقُونَ عَنْهُ تَحْرِيفَ الْغَالِينَ ، وَانْتِحَالَ الْمُبْطِلِينَ ، وَتَأْوِيلَ الْجَاهِلِينَ»
মুহাম্মাদ ইবন দাউদ ইবন খুজাইমাহ আর-রামলি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল আজিজ আর-রামলি—যিনি আল-ওয়াসিতি হিসেবে পরিচিত—আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন রুজাইক আবু আব্দুল্লাহ আল-আলহানি থেকে, তিনি আল-কাসিম আবু আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «প্রত্যেক প্রজন্মের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিরা এই ইলম (জ্ঞান) বহন করবেন; তাঁরা তা থেকে সীমালঙ্ঘনকারীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যা দাবি এবং মূর্খদের অপব্যাখ্যা দূর করবেন।»
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ৯)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ دَاوُدَ الْقُومَسِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْخَطَّابِيُّ قَالَ ⦗ص: 10⦘: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ لَيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ أَبِي قَبِيلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، وَأَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَا: قَالَ: «يَحْمِلُ هَذَا الْعِلْمَ مِنْ كُلِّ خَلَفٍ عُدُولُهُ ، يَنْفُونَ عَنْهُ تَحْرِيفَ الْغَالِينَ ، وَانْتِحَالَ الْمُبْطِلِينَ ، وَتَأْوِيلَ الْجَاهِلِينَ»
আহমাদ ইবনে দাউদ আল-কুমাসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-খাত্তাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃ: ১০⦘: খালিদ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস ইবনে সা’দ থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবু কাবিল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ও আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ) বলেছেন: «প্রত্যেক পরবর্তী প্রজন্মের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগণ এই ইলম (জ্ঞান) বহন করবেন; তাঁরা তা থেকে সীমালঙ্ঘনকারীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যা দাবি এবং মূর্খদের অপব্যাখ্যা বিদূরিত করবেন।»
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১০)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ: " كَانُوا لَا يَسْأَلُونَ عَنِ الْإِسْنَادِ فَلَمَّا وَقَعَتِ الْفِتْنَةُ قَالُوا: سَمُّوا لَنَا رِجَالَكُمْ ، فَنَنْظُرُ إِلَى أَهْلِ السُّنَّةِ فَيُؤْخَذُ مِنْهُمْ ، وَإِلَى أَهْلِ الْبِدْعَةِ فَلَا يُؤْخَذُ مِنْهُمْ "

আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে জাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "তাঁরা সনদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন না, কিন্তু যখন ফিতনা প্রকাশ পেল, তখন তাঁরা বললেন: 'তোমাদের বর্ণনাকারীদের নাম আমাদের নিকট উল্লেখ করো'। তখন আহলে সুন্নাতের লোকদের প্রতি লক্ষ করা হতো এবং তাঁদের থেকে (হাদিস) গ্রহণ করা হতো, আর আহলে বিদআতের লোকদের প্রতি লক্ষ করা হতো এবং তাঁদের থেকে (হাদিস) গ্রহণ করা হতো না।"

(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১০)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ قَالَ: ذَكَرَ أَيُّوبُ رَجُلًا يَوْمًا فَقَالَ: «هُوَ يُزِيدُ فِي الرَّقْمِ» قَالَ: وَذَكَرَ رَجُلًا آخَرَ فَقَالَ: «لَمْ يَكُنْ بِمُسْتَقِيمِ اللِّسَانِ»
আহমাদ ইবনুল হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনু ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী হাম্মাদ ইবনু যাইদ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব একদিন এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন এবং বললেন: «সে সংখ্যায় বাড়িয়ে বলত»। তিনি বলেন: এবং তিনি অন্য এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করে বললেন: «সে সঠিক জিহ্বার অধিকারী ছিল না»।
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১০)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الْمَرْوَزِيُّ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ مَعْبَدٍ أَبُو دَاوُدَ قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَصْمَعِيُّ قَالَ: " قِيلَ لِلْكَذَّابِ: مَا يَحْمِلُكَ عَلَى الْكَذِبِ؟ قَالَ: لَوْ تَغَرْغَرْتَ بِهِ مَرَّةً مَا نَسِيتَ حَلَاوَتَهُ "
মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-মারওয়াজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে মাবাদ আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আসমায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "এক মিথ্যাবাদীকে জিজ্ঞাসা করা হলো: 'কোন বিষয়টি তোমাকে মিথ্যা বলতে প্ররোচিত করে?' সে বলল: 'যদি তুমি একবার তা দিয়ে কুলি করতে (অর্থাৎ এর স্বাদ আস্বাদন করতে), তবে তুমি কখনো এর মিষ্টতা ভুলতে পারতে না'।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১০)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ الْأَصْبَهَانِيُّ ، عَنِ ابْنِ أَخِي الْأَصْمَعِيِّ عَنْ عَمِّهِ ، قَالَ: " قَالَ كَذَّابٌ: إِذَا رَأَيْتُ مَنَ هُوَ أَكْذَبُ مِنِّي دِيرَ بِي حَسَدًا لَهُ "
আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসমায়ীর ভ্রাতুষ্পুত্র থেকে, তিনি তাঁর চাচার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "একজন মিথ্যাবাদী বলেছে: যখন আমি আমার চেয়ে বড় কোনো মিথ্যাবাদীকে দেখি, তখন তার প্রতি হিংসায় আমি দিশেহারা হয়ে পড়ি।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১০)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ مَرْوَانَ الْقُرَشِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَصْمَعِيُّ قَالَ: قَالَ أَبِي: قُلْتُ لِرَجُلٍ كَانَ يُعْرَفُ بِالْكَذِبِ: هَلْ صَدَقْتَ قَطُّ؟ قَالَ: «أَكْرَهُ أَنْ أَقُولَ لَا ، فَأَكُونُ قَدْ صَدَقْتُ»

আহমাদ ইবনে আবি মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান আল-কুরাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আসমাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা বলেছেন: আমি এমন এক ব্যক্তিকে বললাম যে মিথ্যার জন্য পরিচিত ছিল: তুমি কি কখনো সত্য বলেছ? সে বলল: "আমি 'না' বলতে অপছন্দ করি, কারণ তাতে আমি সত্যবাদী হয়ে যাব।"

(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১০)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الطَّالْقَانِيِّ ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ مُوسَى قَالَ: قَالَ ابْنُ أَبِي لَيْلَى: «إِذَا كُنْتَ كَذَّابًا فَكُنْ حَافِظًا»
আহমদ বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আত-তালকানি থেকে, ফাদল বিন মুসা থেকে, তিনি বলেন: ইবন আবি লায়লা বলেছেন: "যদি তুমি মিথ্যাবাদী হও, তবে স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন হও।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১০)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَتَّابِ بْنِ الْمُرَبَّعِ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ الْمَرْوَزِيُّ ⦗ص: 11⦘ قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ هَارُونَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ قَالَ: سَمِعْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ عز وجل أَعَانَنَا عَلَى الْكَذَّابِينَ بِالنِّسْيَانِ»
মুহাম্মদ ইবনে আত্তাব ইবনুল মুরাব্বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মাজীদ আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১১⦘ তিনি বলেন: আমর ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি বলেন: আমি কাসিম ইবনে মুহাম্মদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ বিস্মৃতির মাধ্যমে মিথ্যাবাদীদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করেছেন।’»
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১১)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ حَيَّانَ الْبَصْرِيُّ ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ كَعْبٍ الْقُرَظِيَّ يَقُولُ: «لَا يَكْذِبُ الْكَاذِبُ حِينَ يَكْذِبُ إِلَّا مِنْ مَهَانَةِ نَفْسِهِ عَلَيْهِ»
মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনুল মুনযির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু দামরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিহ ইবন হাইয়ান আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবন কাব আল-কুরাযীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "কোনো মিথ্যাবাদী যখন মিথ্যা বলে, তখন সে কেবল নিজের নিকট নিজের নফসের হীনতার কারণেই তা করে থাকে।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১১)
حَدَّثَنَا الْمُطَّلِبُ بْنُ شُعَيْبٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدٍ الْمَكِّيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ يَقُولُ: كَانَ شُعْبَةُ يَقُولُ: «تَعَالَوْا حَتَّى نَغْتَابَ فِي اللَّهِ»
মুত্তালিব ইবনে শুয়াইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাক্কীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: শু'বাহ বলতেন: "এসো, আমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে গিবত করি।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১১)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ قَالَ: سَمِعْتُ عَفَّانَ يَقُولُ: كُنْتُ عِنْدَ ابْنِ عُلَيَّةَ ، فَقَالَ رَجُلٌ: فُلَانٌ لَيْسَ مِمَّنْ يُؤْخَذُ عَنْهُ ، قال: فَقَالَ لَهُ الْآخَرُ: قَدِ اغْتَبْتَ الرَّجُلَ ، فَقَالَ رَجُلٌ: لَيْسَتْ هَذِهِ بِغَيْبَةٍ ، إِنَّمَا هَذَا حُكْمٌ ، قَالَ ابْنُ عُلَيَّةَ ⦗ص: 12⦘: «صَدَّقَكَ الرَّجُلُ» يَعْنِي الَّذِي قَالَ هَذَا حُكْمٌ
মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আফফানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনে উলাইয়্যার নিকট ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি বললেন: অমুক ব্যক্তি এমন কেউ নন যার নিকট থেকে (ইলম) গ্রহণ করা যায়। তিনি বলেন: তখন অপর এক ব্যক্তি তাকে বললেন: আপনি লোকটির গীবত করেছেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন: এটি গীবত নয়, বরং এটি একটি হুকুম (সিদ্ধান্ত)। ইবনে উলাইয়্যাহ বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ১২⦘: "ঐ ব্যক্তি তোমার নিকট সত্য বলেছে", অর্থাৎ যিনি বলেছিলেন এটি একটি হুকুম।
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১২)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ قَالَ: حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ أَيُّوبَ ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ: أَنَّهُ كَانَ إِذَا حَدَّثَهُ الرَّجُلُ بِالْحَدِيثِ يُنْكِرُهُ لَمْ يُقْبِلْ عَلَيْهِ ذَلِكَ الْإِقْبَالَ ، ثُمَّ يَقُولُ لَهُ: «إِنِّي لَا أَتَّهِمُكَ وَلَا أَتَّهِمُ ذَاكَ ، وَلَكِنْ لَا أَدْرِي مَنْ بَيْنَكُمْ»
ইয়াহইয়া ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নুআইম ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে উলাইয়্যাহ আইয়ুব থেকে, তিনি ইবনে সিরীন থেকে বর্ণনা করেছেন যে, যখন কোনো ব্যক্তি তাঁর নিকট এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করত যা তিনি প্রত্যাখ্যান করতেন, তখন তিনি তার প্রতি তেমন ভ্রুক্ষেপ করতেন না। অতঃপর তিনি তাকে বলতেন: "আমি তোমাকে অভিযুক্ত করছি না এবং তাকেও অভিযুক্ত করছি না, কিন্তু তোমাদের উভয়ের মাঝখানে কারা রয়েছে আমি তা জানি না।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১২)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى ، وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ ، حَدَّثَنَا أَصْبَغُ ، قَالَا: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى أَوْ مُوسَى بْنِ سُلَيْمَانَ - شَكَّ الْحَسَنُ وَلَمْ يَشُكَّ عِيسَى - قَالَ: لَقِيتُ طَاوُسًا ، فَقُلْتُ: حَدَّثَنِي فُلَانٌ، وَحَدَّثَنِي فُلَانٌ ، فَقَالَ: «إِنْ كَانَ مَلِيئًا فَخُذْ عَنْهُ»

হাসান ইবনে আলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনে মূসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, এবং ইয়াহইয়া ইবনে উসমান ও আসবাগ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে মূসা অথবা মূসা ইবনে সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেন—হাসান এ বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন কিন্তু ঈসা সন্দেহ করেননি—তিনি বলেন: আমি তাউসের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং বললাম: আমাকে অমুক বর্ণনা করেছেন এবং অমুক বর্ণনা করেছেন। তখন তিনি বললেন: "যদি সে নির্ভরযোগ্য হয়, তবে তার থেকে গ্রহণ করো।"

(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১২)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ قَالَ: حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ مِسْعَرٍ ، سَمِعَ سَعْدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ ، يَقُولُ: «لَا يَرْوِي الْحَدِيثَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَّا الثِّقَاتُ»
ইয়াহইয়া ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নুয়াইম ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে উয়াইনা আমাদের নিকট মিসআর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সা'দ ইবনে ইবরাহিমকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলছিলেন: "নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কেউ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করবেন না।"
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১২)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ قَالَ: حَدَّثَنَا نُعَيْمُ قَالَ: حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعُرْيَانِ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَجَاءَ بْنَ حَيْوَةَ ، يَقُولُ: «حَدِّثْنَا يَا أَبَا قِلَابَةَ وَلَا تُحَدِّثْنَا عَنْ مُتَمَاوِتٍ وَلَا طَعَّانٍ»
ইয়াহইয়া ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান ইবনুল উরইয়ান ইবনে আওন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাজা ইবনে হাইওয়াহ-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: «হে আবু কিলাবাহ! আপনি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করুন, তবে এমন কোনো ব্যক্তি থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করবেন না যে কৃত্রিম নিস্তেজতা প্রদর্শনকারী কিংবা মানুষের অত্যন্ত নিন্দা ও ছিদ্রান্বেষণকারী।»
(খণ্ড: ১) আদ-দুয়াফাউল কাবীর লিল উকাইলী (পৃষ্ঠা: ১২)
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ عَنْ مُنَخِّلٍ عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، قَالَ: كَانَ رَجُلٌ يَسْأَلُ الشَّعْبِيَّ فَكُنَّا نَقُولُ: «إِذَا مَاتَ الشَّعْبِيُّ كُسِرَ عَلَى هَذَا بَابُهُ» ؛ قَالَ: مُنَخِّلٌ ، قَالَ ابْنُ عَوْنٍ: فَبَلَغَنِي أَنَّهُ لَا يَحْفَظُ
জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনুল মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন দাউদ মুনাখ্খিলের সূত্রে ইবনে আউন থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আশ-শা'বীকে প্রশ্ন করত, তখন আমরা বলতাম: «যখন আশ-শা'বী মারা যাবেন, তখন এই ব্যক্তির ওপর তার (জ্ঞানের) দরজা রুদ্ধ হয়ে যাবে»; মুনাখ্খিল বলেন, ইবনে আউন বলেছেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, সে (ব্যক্তিটি জ্ঞান) সংরক্ষণ করত না।