(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: -)
الشكر لابن أبي الدنيا (ابن أبي الدنيا)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الشكر
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
المحقق: بدر البدر
الناشر: المكتب الإسلامي - الكويت
الطبعة: الثالثة، 1400 - 1980
عدد الصفحات: 71
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে আবিদ দুনিয়া রচিত আশ-শুকর (ইবনে আবিদ দুনিয়া)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আশ-শুকর
লেখক: আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন সুফিয়ান বিন কায়েস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, ইবনে আবিদ দুনিয়া হিসেবে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)
সম্পাদক: বদর আল-বদর
প্রকাশক: আল-মাকতাব আল-ইসলামি - কুয়েত
সংস্করণ: তৃতীয়, ১৪০০ - ১৯৮০
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭১
[কিতাবের নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٥)
1 - حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ الصَّبَّاحِ، ثنا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، ثنا عِيسَى بْنُ عَوْنٍ الْحَنَفِيُّ، عَنْ حَفْصِ بْنِ الْفُرَافِصَةِ الْحَنَفِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ زُرَارَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " مَا أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَى عَبْدِهِ نِعْمَةً فِي أَهْلٍ أَوْ مَالٍ أَوْ وَلَدٍ فَيَقُولُ: مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، فَيَرَى فِيهِ آفَةً دُونَ الْمَوْتِ "
১ - হাসান ইবনুল সাব্বাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা ইবনে আওন আল-হানাফী হাফস ইবনুল ফুরাফিসাহ আল-হানাফী থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবনে জুরারাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ কোনো বান্দার পরিবার, সম্পদ বা সন্তানের ক্ষেত্রে এমন কোনো নিয়ামত দান করেন না যার প্রেক্ষিতে সে বলে: ‘আল্লাহ যা চেয়েছেন (তা-ই হয়েছে), আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি নেই’, আর সে তাতে মৃত্যু ব্যতীত অন্য কোনো বিপদ প্রত্যক্ষ করে।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٦)
2 - حَدَّثَنَا حَاجِبُ بْنُ الْوَلِيدِ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: دَخَلَ النَّبِيُّ فَرَأَى كِسْرَةً مُلْقَاةً، فَمَسَحَهَا فَقَالَ: «يَا عَائِشَةُ، أَحْسِنِي جِوَارَ نِعَمِ اللَّهِ، فَإِنَّهَا قَلَّمَا نَفَرَتْ عَنْ أَهْلِ بَيْتٍ فَكَادَتْ أَنْ تَرْجِعَ إِلَيْهِمْ»
২ - আমাদের নিকট হাজিব ইবনুল ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-ওয়ালিদ ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আয-যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘরে প্রবেশ করে এক টুকরো রুটি পড়ে থাকতে দেখলেন। অতঃপর তিনি তা পরিষ্কার করলেন এবং বললেন: «হে আয়েশা, আল্লাহর নেয়ামতসমূহের সাথে উত্তম আচরণ করো; কেননা তা যখন কোনো পরিবার থেকে চলে যায়, তখন খুব কমই তাদের কাছে পুনরায় ফিরে আসে।»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٦)
3 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ دَاوُدَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، ثنا أَبُو زُهَيْرٍ يَحْيَى بْنُ عُطَارِدٍ الْقُرَشِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لَا يَرْزُقُ اللَّهُ عَبْدًا الشُّكْرَ فَيَحْرِمُهُ الزِّيَادَةَ، لَأَنَّ اللَّهَ يَقُولُ: {لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ} [إبراهيم: 7] "
৩ - আলী বিন দাউদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু জুহাইর ইয়াহইয়া বিন উতারিদ আল-কুরাশী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: " আল্লাহ কোনো বান্দাকে কৃতজ্ঞতা আদায়ের তাওফিক দান করেন না অথচ তাকে (নিয়ামত) বৃদ্ধি করা থেকে বঞ্চিত করেন, কেননা আল্লাহ বলেন: {যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদেরকে আরও বাড়িয়ে দেবো} [ইব্রাহীম: ৭] "
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٦)
4 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَجَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، قَالَ: كَانَ مِنْ دُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ: «اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ»
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইসমাঈল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুআবিয়া এবং জাফর বিন আওন, হিশাম বিন উরওয়া থেকে, তিনি ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূলের দুআসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল: «হে আল্লাহ, আপনার জিকির, আপনার শোকর এবং আপনার সুন্দর ইবাদত পালনে আমাকে সাহায্য করুন»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٧)
5 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ بَسَّامٍ، حَدَّثَنِي صَالِحٌ الْمُرِّيُّ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ أَبِي الْجِلْدِ، قَالَ: قَرَأْتُ فِي مَسْأَلَةِ دَاوُدَ عليه السلام أَنَّهُ قَالَ: أَيْ رَبِّ، كَيْفَ لِي أَنْ أَشْكُرَكَ، وَإِنِّي لَا أَصِلُ شُكْرَكَ إِلَّا بِنِعْمَتِكَ؟ قَالَ: فَأَتَاهُ الْوَحْيُ: أَنْ يَا دَاوُدُ، أَلَيْسَ تَعْلَمُ أَنَّ الَّذِيَ بِكَ مِنَ النَّعَمِ مِنِّي؟ " قَالَ: بَلَى يَا رَبِّ، قَالَ: «فَإِنِّي أَرْضَى بِذَلِكَ مِنْكَ»
৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম ইবনে বাসসাম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সালিহ আল-মুররি, তিনি আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে, তিনি আবুল জিলদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি দাউদ আলাইহিস সালামের প্রার্থনায় পাঠ করেছি যে তিনি বলেছিলেন: হে আমার প্রতিপালক, আমি কীভাবে আপনার শুকরিয়া আদায় করব, অথচ আমি আপনার নিআমত ব্যতীত আপনার শুকরিয়া পর্যন্ত পৌঁছাতে পারি না? তিনি বলেন: তখন তাঁর নিকট ওহী অবতীর্ণ হলো: হে দাউদ, তুমি কি জান না যে তোমার নিকট যে সকল নিআমত রয়েছে তা আমার পক্ষ থেকেই? তিনি বললেন: অবশ্যই হে আমার প্রতিপালক। তিনি বললেন: "আমি তোমার পক্ষ থেকে তাতেই সন্তুষ্ট হলাম।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٧)
6 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمُرِّيُّ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ أَبِي الْجِلْدِ، قَالَ: قَرَأْتُ فِي مَسْأَلَةِ مُوسَى عليه السلام أَنَّهُ قَالَ: " يَا رَبِّ، كَيْفَ لِي أَنْ أَشْكُرَكَ وَأَصْغَرُ نِعْمَةٍ وَضَعْتَهَا عِنْدِي مِنْ نِعَمِكَ لَا يُجَازِي بِهَا عَمَلِي كُلُّهُ؟ قَالَ: فَأَتَاهُ الْوَحْي: «أَنْ يَا مُوسَى، الْآنَ شَكَرْتَنِي»
৬ - ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম আল-মুররি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে, তিনি আবুল জিলদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মুসা আলাইহিস সালাম-এর একটি বিবরণে পড়েছি যে তিনি বলেছিলেন: "হে আমার প্রতিপালক! আমি কীভাবে আপনার শুকরিয়া আদায় করব, অথচ আপনার নেয়ামতসমূহের মধ্য হতে আপনি আমাকে যে ক্ষুদ্রতম নেয়ামতটি দান করেছেন, আমার সামগ্রিক আমল তার বিনিময় হিসেবে যথেষ্ট নয়? তিনি বলেন: তখন তাঁর নিকট ওহি আসলো: «হে মুসা, এখন তুমি আমার শুকরিয়া আদায় করলে»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٧)
7 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ بَحْرٍ، أنا أَبُو عَقِيلٍ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: " مَا قَالَ عَبْدٌ قَطُّ: الْحَمْدُ لِلَّهِ إِلَّا وَجَبَتْ عَلَيْهِ نِعْمَةٌ بِقَوْلِهِ الْحَمْدُ لِلَّهِ فَمَا جَزَاءُ تِلْكَ النِّعْمَةِ؟ جَزَاؤُهَا أَنْ يَقُولَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ، فَحَازَ أُخْرَى، وَلَا تَنْفَدُ نِعَمُ اللَّهِ عز وجل "
7 - আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ ইবনে বাহর বর্ণনা করেছেন, আবু আকীল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বকর ইবনে আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: "কোনো বান্দা যখনই বলে: 'আলহামদুলিল্লাহ' (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য), তখনই তার এই 'আলহামদুলিল্লাহ' বলার কারণে তার ওপর একটি নিয়ামত অবধারিত হয়ে যায়। তবে সেই নিয়ামতের বিনিময় কী? তার বিনিময় হলো এই যে, সে বলবে: 'আলহামদুলিল্লাহ', ফলে সে আরও একটি (নিয়ামত) অর্জন করল। আর মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর নিয়ামতরাজি কখনো শেষ হয় না।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٧)
8 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: قَالَ سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ: «إِنَّ اللَّهَ أَنْعَمَ عَلَى الْعِبَادِ عَلَى قَدْرِهِ، وَكَلَّفَهُمُ الشُّكْرَ عَلَى قَدْرِهِمْ»
৮ - মুহাম্মদ ইবনুস সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়াহইয়া আল-বাহিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান আত-তাইমি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ বান্দাদের ওপর তাঁর মহিমা অনুযায়ী অনুগ্রহ করেছেন, এবং তাদের ওপর তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٨)
9 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَدِينِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، سَمِعْتُ أَبَا الْأَشْهَبِ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: سَمِعَ نَبِيُّ اللَّهِ رَجُلًا يَقُولُ: الْحَمْدُ لِلَّهِ بِالْإِسْلَامِ، فَقَالَ: «إِنَّكَ لَتَحْمَدُ اللَّهَ عَلَى نِعْمَةٍ عَظِيمَةٍ»
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাদিনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মু'তামির ইবনে সুলাইমান, আমি আবু আল-আশহাবকে বলতে শুনেছি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর নবী জনৈক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেন: ইসলামের জন্য আল্লাহর সকল প্রশংসা। তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই তুমি এক মহান নিআমতের জন্য আল্লাহর প্রশংসা করছ»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٨)
10 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْفَرَجِ الْفَرَّاءُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الزِّبْرِقَانِ، عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ مَرْوَانَ، يَقُولُ: " مَا قَالَ عَبْدٌ كَلِمَةً أَحَبَّ إِلَيْهِ وَأَبْلَغَ فِي الشُّكْرِ عِنْدَهُ مِنْ أَنْ يَقُولَ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْعَمَ عَلَيْنَا، وَهَدَانَا لِلْإِسْلَامِ "
১০ - মুহাম্মদ ইবনুল ফারাজ আল-ফাররা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনুয যিবরিকান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাওর থেকে, তিনি খালিদ ইবনে মাদান থেকে বর্ণনা করেন, আমি আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: " কোনো বান্দা এমন কোনো কথা বলেনি যা তাঁর নিকট অধিক প্রিয় এবং তাঁর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ক্ষেত্রে অধিক পূর্ণাঙ্গ এই বলা অপেক্ষা যে: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন, এবং আমাদের ইসলামের দিকে পরিচালিত করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٨)
11 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ السَّدُوسِيُّ أَبُو عُبَيْدَةَ، قَالَ: كَانَ الْحَسَنُ يَقُولُ إِذَا ابْتَدَأَ حَدِيثَهُ: «الْحَمْدُ لِلَّهِ، اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ كَمَا خَلَقْتَنَا، وَرَزَقْتَنَا، وَهَدَيْتَنَا، وَعَلَّمْتَنَا، وَأَنْقَذْتَنَا، وَفَرَّجْتَ عَنَّا، لَكَ الْحَمْدُ بِالْإِسْلَامِ، وَالْقُرْآنِ، وَلَكَ الْحَمْدُ بِالْأَهْلِ وَالْمَالِ وَالْمُعَافَاةِ، كَبَتَّ عَدُوَّنَا، وَبَسَطْتَ رِزْقَنَا، وَأَظْهَرْتَ أَمْنَنَا، وَجَمَعَتْ فُرْقَتَنَا، وَأَحْسَنْتَ مُعَافَاتَنَا، وَمِنْ كُلِّ وَاللَّهِ مَا سَأَلْنَاكَ رَبَّنَا أَعْطَيْتَنَا، فَلَكَ الْحَمْدُ عَلَى ذَلِكَ حَمْدًا كَثِيرًا، لَكَ الْحَمْدُ بِكُلِّ نِعْمَةٍ أَنْعَمْتَ بِهَا عَلَيْنَا فِي قَدِيمٍ وَحَدِيثٍ، أَوْ سِرًّا أَوْ عَلَانِيَةً، أَوْ خَاصَّةً أَوْ عَامَّةً، أَوْ حَيٍّ أَوْ مَيِّتٍ، أَوْ شَاهِدٍ أَوْ غَائِبٍ، لَكَ الْحَمْدُ حَتَّى تَرْضَى، وَلَكَ الْحَمْدُ إِذَا رَضِيتَ»
১১ - ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মুমিন ইবনে উবাইদুল্লাহ আস-সাদুসী আবু উবায়দাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান যখন তাঁর আলোচনা শুরু করতেন তখন বলতেন: «সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। হে আল্লাহ, হে আমাদের প্রতিপালক! আপনারই জন্য প্রশংসা যেভাবে আপনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, আমাদের রিযিক দিয়েছেন, আমাদের হিদায়াত দিয়েছেন, আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন, আমাদের রক্ষা করেছেন এবং আমাদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করেছেন; আপনারই জন্য প্রশংসা ইসলামের কারণে, কুরআনের কারণে; আপনারই জন্য প্রশংসা পরিবার, সম্পদ ও সুস্থতার কারণে। আপনি আমাদের শত্রুকে অবদমিত করেছেন, আমাদের রিযিক প্রশস্ত করেছেন, আমাদের নিরাপত্তা প্রকাশ করেছেন, আমাদের বিচ্ছিন্নতাকে একত্রিত করেছেন এবং আমাদের সুন্দরভাবে সুস্থতা দান করেছেন। আল্লাহর কসম! হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা আপনার কাছে যা কিছু চেয়েছি আপনি আমাদের তা দান করেছেন। সুতরাং এর ওপর আপনার জন্য অনেক অনেক প্রশংসা। আপনার জন্য প্রশংসা সেই প্রতিটি নিআমতের জন্য যা আপনি আমাদের প্রদান করেছেন—অতীতের বা বর্তমানের, গোপনে বা প্রকাশ্যে, বিশেষ বা সাধারণ, জীবিত বা মৃত এবং উপস্থিত বা অনুপস্থিত সকলের জন্য। আপনারই প্রশংসা যতক্ষণ না আপনি সন্তুষ্ট হন এবং আপনারই প্রশংসা যখন আপনি সন্তুষ্ট হন।»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٩)
12 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ يُوسُفَ الصَّبَّاغِ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: قَالَ مُوسَى عليه السلام: " يَا رَبِّ، كَيْفَ يَسْتَطِيعُ آدَمُ أَنْ يُؤَدِّيَ شُكْرَ مَا صَنَعْتَهُ إِلَيْهِ؟ خَلَقْتَهُ بِيَدِكَ، وَنَفَخْتَ فِيهِ مِنْ رُوحِكَ، وَأَسْكَنْتَهُ جَنَّتَكَ، وَأَمَرْتَ الْمَلَائِكَةَ فَسَجَدُوا لَهُ، فَقَالَ: «يَا مُوسَى، عَلِمَ أَنَّ ذَلِكَ مِنِّي فَحَمِدَنِي، فَكَانَ ذَلِكَ شُكْرًا لِمَا صَنَعْتُهُ لَهُ»
১২ - উমর ইবনে ইসমাইল আল-হামদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ আস-সাব্বাগ থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মুসা আলাইহিস সালাম বলেছেন: "হে আমার রব! আদম কীভাবে আপনার সেই অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায় করতে সক্ষম হবে যা আপনি তার প্রতি করেছেন? আপনি তাকে আপনার হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, তার মধ্যে আপনার পক্ষ থেকে রুহ ফুঁকে দিয়েছেন এবং তাকে আপনার জান্নাতে বসবাস করতে দিয়েছেন, আর আপনি ফেরেশতাদের নির্দেশ প্রদান করেছেন ফলে তারা তাকে সিজদাহ করেছে। তখন আল্লাহ বললেন: «হে মুসা, সে অবগত হয়েছে যে তা আমার পক্ষ থেকেই ছিল, তাই সে আমার প্রশংসা করেছে। আর এটাই ছিল তার প্রতি আমি যা করেছি তার শুকরিয়া স্বরূপ»।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٩)
13 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ عَلِيٍّ الْعُمَرِيُّ، عَنْ سَعْدٍ يَعْنِي ابْنَ طَرِيفٍ، عَنِ الْأُصْبَعِ بْنِ نُبَاتَةَ، قَالَ: كَانَ عَلِيٌّ إِذَا دَخَلَ الْخَلَاءَ قَالَ: بِسْمِ اللَّهِ الْحَافِظِ الْمُؤَدِّي، وَإِذَا خَرَجَ مَسَحَ بِيَدَيْهِ بَطْنَهُ ثُمَّ قَالَ: يَا لَهَا مِنْ نِعْمَةٍ لَوْ يَعْلَمُ الْعِبَادُ شُكْرَهَا "
১৩ - আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হিব্বান ইবনে আলী আল-উমারী বর্ণনা করেছেন সা'দ অর্থাৎ ইবনে তরীফ থেকে, তিনি আসবা' ইবনে নুবাতাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন: আল্লাহর নামে, যিনি হেফাযতকারী ও আদায়কারী। আর যখন তিনি বের হতেন, তখন উভয় হাত দিয়ে স্বীয় উদর মাসাহ করতেন এবং বলতেন: ওহ! এটি কতই না বড় নেয়ামত, যদি বান্দাগণ এর কৃতজ্ঞতা সম্পর্কে জানত! "
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٩)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ مَسْعُودٍ الثَّقَفِيِّ، قَالَ: «إِنَّمَا سُمِّيَ نُوحٌ عليه السلام عَبْدًا شَكُورًا؛ لِأَنَّهُ لَمْ يَلْبَسْ جَدِيدًا، وَلَمْ يَأْكُلْ طَعَامًا إِلَّا حَمِدَ»
১৪ - আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান ইবনে সালেহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে আয়্যাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হুসাইন থেকে, সা’দ ইবনে মাসউদ আস-সাকাফী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই নূহ আলাইহিস সালামকে ‘শুকুরগুজার বান্দা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে; কারণ তিনি নতুন কোনো পোশাক পরিধান করলে কিংবা কোনো খাবার গ্রহণ করলে আল্লাহর প্রশংসা করা ব্যতিরেকে তা করতেন না।»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٠)
15 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، وَأَزْهَرُ بْنُ مَرْوَانَ الرَّقَاشِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَأَزْهَرُ السَّلِيمِيُّ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: دَعَا رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ مِنْ أَهْلِ قُبَاءَ النَّبِيَّ، فَانْطَلَقَ مَعَهُ، فَلَمَّا طَعِمَ وَغَسَلَ يَدَهُ قَالَ: «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي يُطْعِمُ وَلَا يُطْعَمُ، مَنَّ عَلَيْنَا فَهَدَانَا، وَأَطْعَمَنَا وَسَقَانَا، وَكُلَّ بَلَاءٍ حَسَنٍ أَبْلَانَا، الْحَمْدُ لِلَّهِ غَيْرَ مُوَدَّعٍ رَبِّي وَلَا مُكَافَأٍ، وَلَا مَكْفُورٍ وَلَا مُسْتَغْنًى عَنْهُ، الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَ مِنَ الطَّعَامِ، وَسَقَى مِنَ الشَّرَابِ، وَكَسَى مِنَ الْعُرْيِ، وَهَدَى مِنَ الضَّلَالَةِ، وَبَصَّرَ مِنَ الْعَمَى، وَفَضَّلَنَا عَلَى كَثِيرٍ مِنْ خَلْقِهِ تَفْضِيلًا، الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ»
১৫ - আব্দুল আ'লা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসি এবং আযহার ইবনে মারওয়ান আর-রাকাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: বিশর ইবনে মানসুর এবং আযহার আস-সালিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহাইর ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি সুহাইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কুবাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত আনসারী এক ব্যক্তি নবী (সা.)-কে দাওয়াত দিলেন, অতঃপর তিনি তাঁর সাথে গমন করলেন। যখন তিনি আহার করলেন এবং হাত ধৌত করলেন, তখন তিনি বললেন: “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আহার করান এবং যাঁকে আহার করানো হয় না। তিনি আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন ও আমাদের হিদায়াত দান করেছেন, আমাদের আহার করিয়েছেন ও পান করিয়েছেন এবং প্রতিটি উত্তম পরীক্ষার মাধ্যমে আমাদের ধন্য করেছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; হে আমার রব, আপনার থেকে বিদায় নেওয়া যায় না, আপনার নি'য়ামতের সমকক্ষ কিছু হয় না, আপনার প্রতি অকৃতজ্ঞ হওয়া যায় না এবং আপনার থেকে অমুখাপেক্ষী হওয়া যায় না। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি খাদ্য দ্বারা আহার করিয়েছেন, পানীয় দ্বারা পান করিয়েছেন, বস্ত্র দ্বারা নগ্নতা নিবারণ করেছেন, পথভ্রষ্টতা থেকে পথ প্রদর্শন করেছেন, অন্ধত্ব থেকে দৃষ্টি দান করেছেন এবং তাঁর অনেক সৃষ্টির ওপর আমাদের বিশেষভাবে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সকল প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য।”
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٠)
16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ مَخْلَدٍ الْمَرْوَزِيُّ، عَنْ وَرْقَاءَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَفَجْأَةِ نِقْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ»
১৬ - মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুকাতিল আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাশিম ইবনে মাখলাদ আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়ারকা থেকে, তিনি আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলতেন: «হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আপনার নিয়ামত চলে যাওয়া, আপনার আকস্মিক শাস্তি, আপনার দেওয়া সুস্থতা পরিবর্তন হওয়া এবং আপনার যাবতীয় অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١١)
17 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي يَزِيدَ الضُّبَعِيُّ، أَنَا الْفَضْلُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنِ الْمُبَارَكِ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: إِنَّ اللَّهَ لَيُمَتِّعُ بِالنِّعْمَةِ مَا شَاءَ، فَإِذَا لَمْ يُشْكَرْ قَلَبَهَا عَلَيْهِمْ عَذَابًا "
১৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াজিদ ইবনে আবি ইয়াজিদ আদ-দুবায়ি বর্ণনা করেছেন, আল-ফাদল ইবনে সালামাহ আমাদের অবহিত করেছেন মুবারক থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “নিশ্চয় আল্লাহ নিআমত দ্বারা যতক্ষণ ইচ্ছা ভোগ করার সুযোগ দেন, কিন্তু যখন তার শুকরিয়া আদায় করা হয় না, তখন তিনি সেটিকে তাদের ওপর আযাবে পরিণত করেন।”
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١١)
18 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، قَالَ: يُرْوَى عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّهُ قَالَ لِرَجُلٍ مِنْ هَمْدَانَ: «إِنَّ النِّعْمَةَ مُوَصَّلَةٌ بِالشُّكْرِ، وَالشُّكْرُ مُعَلَّقٌ بِالْمَزِيدِ، وَهُمَا مَقْرُونَانِ فِي قَرْنٍ، فَلَنْ يَنْقَطِعَ الْمَزِيدُ مِنَ اللَّهِ حَتَّى يَنْقَطِعَ الشُّكْرُ مِنَ الْعَبْدِ»
১৮ - মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি হামদান গোত্রের এক ব্যক্তিকে বলেছিলেন: “নিশ্চয়ই নেয়ামত শুকরিয়ার সাথে যুক্ত, আর শুকরিয়া নেয়ামত বৃদ্ধির সাথে সংশ্লিষ্ট। তারা উভয়ই একই বন্ধনে আবদ্ধ। সুতরাং অধিক নেয়ামত লাভ আল্লাহর পক্ষ হতে বন্ধ হবে না যতক্ষণ না বান্দার পক্ষ হতে শুকরিয়া আদায় করা বন্ধ হয়।”
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١١)
19 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَةَ بْنَ سُلَيْمَانَ، سَمِعْتُ مَخْلَدَ بْنَ حُسَيْنٍ، يَقُولُ: كَانَ يُقَالُ: «الشُّكْرُ تَرْكُ الْمَعَاصِي»
১৯ - মুহাম্মাদ ইবনে ইদরীস আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদাহ ইবনে সুলাইমানকে বলতে শুনেছি, আমি মাখলাদ ইবনে হুসাইনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: বলা হতো: «শুকর বা কৃতজ্ঞতা হলো গুনাহসমূহ বর্জন করা»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١١)
20 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَاتِمٍ الْمَدَائِنِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا بَعْضُ أَهْلِ الْحِجَازِ، قَالَ أَبُو حَازِمٍ: «كُلُّ نِعْمَةٍ لَا تُقَرِّبُ مِنَ اللَّهِ فَهِيَ بَلِيَّةٌ»
২০ - আমাদের নিকট ইসহাক ইবন হাতিম আল-মাদায়িনী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন কাসীর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হিজাযের জনৈক অধিবাসী বর্ণনা করেছেন, আবু হাযিম বলেছেন: «প্রতিটি নেয়ামত যা আল্লাহর নিকটবর্তী করে না, তা-ই বিপদ»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١١)
21 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ أَبِي الْحَوَارِي، سَمِعْتُ عَبْدَ الْعَزِيزِ بْنَ عُمَيْرٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا سُلَيْمَانَ الْوَاسِطِيَّ، يَقُولُ: «ذِكْرُ النِّعْمَةِ يُوَرِّثُ الْحُبَّ لِلَّهِ»
২১ - মুহাম্মাদ ইবনে ইদরিস আমাকে বর্ণনা করেছেন, আমি আহমাদ ইবনে আবিল হাওয়ারীকে বলতে শুনেছি, আমি আব্দুল আযীয ইবনে উমায়েরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু সুলাইমান আল-ওয়াসিতীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «নিআমতের আলোচনা আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার জন্ম দেয়»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٢)
22 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْجُشَمِيُّ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَلَقِيتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلَامٍ فَقَالَ لِي: " أَلَا تَدْخُلُ بَيْتًا دَخَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنُطْعِمُكَ سَوِيقًا وَتَمْرًا؟ ثُمَّ قَالَ: إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ إِذَا جَمَعَ النَّاسَ غَدًا ذَكَّرَهُمْ مَا أَنْعَمَ عَلَيْهِمْ فَيَقُولُ الْعَبْدُ: بِآيَةِ مَاذَا؟ فَيَقُولُ: إِنَّهُ ذَاكَ أَنَّكَ كُنْتَ فِي كُرْبَةِ كَذَا وَكَذَا فَدَعَوْتَنِي فَكَشَفْتُهَا عَنْكَ، وَإِنَّهُ ذَاكَ أَنَّكَ كُنْتَ فِي سَفَرِ كَذَا فَاسْتَصْحَبْتَنِي فَصَحِبْتُكَ، قَالَ: وَيُذَكِّرُهُ حَتَّى يَذْكُرَ يَقُولُ: وَإِنَّهُ ذَاكَ أَنَّكَ خَطَبْتَ فُلَانَةَ بِنْتَ فُلَانٍ وَخَطَبَهَا مَعَكَ خَاطِبٌ فَزَوَّجْتُكَ وَرَدَدْتُهُمْ "
২২ - উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর আল-জুশামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বুরদাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি মদিনায় আসলাম এবং আব্দুল্লাহ ইবনে সালামের সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি আমাকে বললেন: " তুমি কি এমন এক গৃহে প্রবেশ করবে না যেখানে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রবেশ করেছিলেন এবং আমরা তোমাকে ছাতু ও খেজুর খাওয়াব? অতঃপর তিনি বললেন: নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ যখন কিয়ামতের দিন মানুষকে একত্রিত করবেন, তখন তাদের প্রতি তাঁর নেয়ামতরাজির কথা স্মরণ করিয়ে দেবেন। তখন বান্দা বলবে: কোন নিদর্শনের মাধ্যমে? তখন তিনি বলবেন: তা হলো এই যে, তুমি অমুক অমুক বিপদে ছিলে, অতঃপর তুমি আমাকে ডেকেছিলে এবং আমি তোমার থেকে তা অপসারিত করেছিলাম। আর তা হলো এই যে, তুমি অমুক সফরে ছিলে এবং তুমি আমাকে সঙ্গী হিসেবে চেয়েছিলে, আর আমি তোমার সঙ্গী হয়েছিলাম। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তিনি তাকে স্মরণ করাতে থাকবেন যতক্ষণ না সে তা স্মরণ করবে। তিনি বলবেন: আর তা হলো এই যে, তুমি অমুকের কন্যা অমুককে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলে এবং তোমার সাথে অন্য একজন প্রস্তাবকারীও প্রস্তাব দিয়েছিল, অতঃপর আমি তোমার সাথেই তার বিয়ে সম্পন্ন করেছিলাম এবং তাদেরকে বিমুখ করেছিলাম।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٢)
23 - قَالَ نَصْرَ بْنَ عَلِيٍّ: وَحَدَّثَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، عَنْ أَبِي أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيِّ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَامٍ: " أَنْ اللَّهَ، عز وجل يُقْعِدُ عَبْدَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُعَدِّدُ عَلَيْهِ نِعَمَهُ، هَذَا الْحَدِيثَ، فَبَكَى ثُمَّ بَكَى ثُمَّ قَالَ: «إِنِّي لَأَرْجُو أَنْ لَا يُقْعِدَ اللَّهُ عَبْدًا بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُعَذِّبَهُ»
২৩ - নাসর বিন আলী বলেছেন: মুহাম্মাদ বিন আব্বাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ আয-যুবাইরী থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, আর তিনি আবদুল্লাহ বিন সালাম থেকে বর্ণনা করেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর বান্দাকে তাঁর দুই হাতের সামনে বসাবেন এবং তার প্রতি তাঁর নেয়ামতসমূহ গণনা করবেন", এই হাদীসটি বর্ণনা করে তিনি কাঁদলেন, পুনরায় কাঁদলেন, তারপর বললেন: «নিশ্চয়ই আমি আশা করি যে, আল্লাহ কোনো বান্দাকে তাঁর দুই হাতের সামনে বসিয়ে তাকে শাস্তি দেবেন না»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٢)
24 - حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا صَالِحُ بْنُ مُوسَى، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يُؤْتَى بِالنَّعَمِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالْحَسَنَاتِ وَالسَّيِّئَاتِ فَيَقُولُ لِنِعْمَةٍ مِنْ نِعَمِهِ: خُذِي حَقَّكِ مِنْ حَسَنَاتِهِ، فَمَا تَتْرُكُ لَهُ حَسَنَةً إِلَّا ذَهَبَتْ بِهَا "
২৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ইবন সাঈদ, তিনি সালিহ ইবন মূসা থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "কিয়ামতের দিন নেয়ামতসমূহ, নেক আমল এবং গুনাহসমূহ উপস্থিত করা হবে। অতঃপর তিনি তাঁর নেয়ামতসমূহের মধ্য থেকে একটি নেয়ামতকে বলবেন: এর নেক আমল থেকে তোমার পাওনা গ্রহণ করো। আর তা তার কোনো নেক আমলই অবশিষ্ট রাখবে না বরং সব নিয়ে যাবে।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٣)
25 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْجُشَمِيُّ، ثنا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ، ثنا الْحَسَنُ، قَالَ: قَالَ دَاوُدُ عليه السلام: «إِلَهِي، لَوْ أَنَّ لِكُلِّ شَعْرَةٍ مِنِّي لِسَانَيْنِ يُسَبِّحَانِكَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ مَا قَضَيْتُ نِعْمَةً مِنْ نِعَمِكَ»
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আল-জুশামি, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে আব্দুল কারিম থেকে, তিনি আল-হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ আলাইহিস সালাম বলেছেন: «হে আমার ইলাহ, যদি আমার প্রতিটি লোমের জন্য দু’টি করে জিহ্বা থাকত যা দিনরাত আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করত, তবুও আমি আপনার নেয়ামতসমূহের মধ্য হতে একটি নেয়ামতেরও শুকরিয়া আদায় করে শেষ করতে পারতাম না।»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٣)
26 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، ثنا عَوْنُ بْنُ مُوسَى، سَمِعْتُ بَكْرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيَّ، يَقُولُ: " يَنْزِلُ بِالْعَبْدِ الْأَمْرُ فَيَدْعُو فَيَصْرِفُهُ عَنْهُ، فَيَأْتِيهِ الشَّيْطَانُ فَيُضْعِفُ شُكْرَهُ، فَيَقُولُ: إِنَّ الْأَمْرَ كَانَ أَيْسَرَ مِمَّا تَذْهَبُ إِلَيْهِ، قَالَ: وَيَقُولُ الْعَبْدُ: كَانَ الْأَمْرُ بِأَشَدَّ مِمَّا أَذْهَبُ إِلَيْهِ، وَلَكِنَّ اللَّهَ صَرَفَهُ عَنِّي "
২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবন উমার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আউন ইবন মূসা, তিনি বলেন: আমি বকর ইবন আবদুল্লাহ আল-মুজানীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: " বান্দার ওপর কোনো বিষয় আপতিত হয়, তখন সে দুআ করে এবং আল্লাহ তা তার থেকে সরিয়ে নেন। অতঃপর শয়তান তার নিকট আসে এবং তার কৃতজ্ঞতাকে দুর্বল করে দেয়। সে বলে: নিশ্চয়ই বিষয়টি অনেক সহজ ছিল তুমি যা মনে করছিলে তার চেয়ে। তিনি বলেন: তখন বান্দা বলে: বিষয়টি আমি যা ভাবছিলাম তার চেয়েও অনেক বেশি কঠিন ছিল, কিন্তু আল্লাহ তা আমার থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।"
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٣)
27 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ صُدْرَانَ الْأَزْدِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خِرَاشٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ أَبِي يَزِيدَ، سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، يَقُولُ: «قَيِّدُوا النِّعَمَ بِالشُّكْرِ»
২৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে সুদরান আল-আযদি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে খিরাশ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াযিদ ইবনে আবি ইয়াযিদ বর্ণনা করেছেন, আমি উমর ইবনে আব্দুল আযীযকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «তোমরা শুকরিয়ার (কৃতজ্ঞতার) মাধ্যমে নেয়ামতসমূহকে আবদ্ধ করো»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٤)
28 - حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامِ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «لَأَنْ أُعَافَى فَأَشْكُرَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أُبْتَلَى فَأَصْبِرَ»
২৮ - আমাদের নিকট খালাফ ইবন হিশাম বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি মুতাররিফ ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি সুস্থতা ও নিরাপত্তা লাভ করি এবং শুকরিয়া আদায় করি—এটি আমার কাছে বিপদে আক্রান্ত হওয়া এবং ধৈর্য ধারণ করার চেয়ে অধিক প্রিয়।»
(খণ্ড: ১)
আশ-শুকর লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٤)
29 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ التَّمِيمِيُّ، ثنا سُفْيَانُ، قَالَ: رَأَى وُهَيْبٌ قَوْمًا يَضْحَكُونَ يَوْمَ الْفِطْرِ فَقَالَ: «إِنْ كَانَ هَؤُلَاءِ تُقُبِّلَ مِنْهُمْ صِيَامُهُمْ فَمَا هَذَا فِعْلُ الشَّاكِرِينَ، وَإِنْ كَانَ هَؤُلَاءِ لَمْ يُتَقَبَّلْ مِنْهُمْ صِيَامُهُمْ فَمَا هَذَا فِعْلُ الْخَائِفِينَ»
২৯ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মাজিদ আত-তামিমি আমাকে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উহাইব ঈদুল ফিতরের দিন একদল লোককে হাসাহাসি করতে দেখলেন এবং বললেন: «যদি এদের পক্ষ থেকে তাদের সিয়াম কবুল করা হয়ে থাকে, তবে এটি কৃতজ্ঞদের কাজ নয়; আর যদি এদের থেকে সিয়াম কবুল করা না হয়ে থাকে, তবে এটি ভীতদের কাজ নয়»