(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: -)
الزهد والرقائق - ابن المبارك - ت الأعظمي   (ابن المبارك)

القسم: كتب السنة

الكتاب: الزهد والرقائق لابن المبارك، من رواية الحسين المروزي (وملحق بآخره زيادات من رواية نعيم بن حماد)

المؤلف: عبد الله بن المبارك المروزي (ت 181 هـ)

حققه وعلق عليه: حبيب الرحمن الأعظمي [ت 1412 هـ]

قام بنشره: محمد عفيف الزعبي، بإذن خطي من محققه حبيب الرحمن الأعظمي، ووكيل مجلس إحياء المعارف بـ (ماليكاون) ناسك (الهند)

عدد الصفحات: 715

تنبيه: قال المحقق: «وقد نقلت في التعليق زيادات نعيم في مواضعها، سواء كانت ما انفرد به نعيم عن ابن المبارك، أو رواها عن شيخ آخر وأما الأبواب التي تفرد بها نعيم أو الأحاديث التي لم أنقلها في تعليق بسبب، فسألحقها بآخر نسخة المروزي من طبعتنا هذه».

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আজ-জুহদ ওয়ার-রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - তাহকীক আল-আ'জামী   (ইবনুল মুবারক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

কিতাব: ইবনুল মুবারক বিরচিত আজ-জুহদ ওয়ার-রাকায়িক, হুসাইন আল-মারওয়াজীর বর্ণনা থেকে (এবং এর শেষে নুয়াইম ইবন হাম্মাদের বর্ণনার বর্ধিত অংশ সংযুক্ত করা হয়েছে)

লেখক: আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক আল-মারওয়াজী (ওফাত ১৮১ হিজরি)

তাহকীক ও টীকা: হাবিবুর রহমান আল-আ'জামী [ওফাত ১৪১২ হিজরি]

প্রকাশক: মুহাম্মদ আফিফ আজ-জু'বি, গবেষক হাবিবুর রহমান আল-আ'জামীর লিখিত অনুমতি এবং মালেগাঁও নাসিক (ভারত)-এর ‘মাজলিসু ইহয়ায়িল মাআরিফ’-এর প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রকাশিত।

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭১৫

সতর্কবার্তা: গবেষক বলেছেন: «আমি টীকায় নুয়াইমের বর্ধিত অংশগুলো তাদের নিজ নিজ স্থানে উল্লেখ করেছি; চাই সেগুলো নুয়াইম এককভাবে ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করে থাকুন অথবা অন্য কোনো শাইখ থেকে বর্ণনা করে থাকুন। আর যেসব অধ্যায় নুয়াইম এককভাবে বর্ণনা করেছেন অথবা যেসব হাদিস কোনো কারণে টীকায় উল্লেখ করিনি, সেগুলো আমাদের এই সংস্করণে মারওয়াজীর পাণ্ডুলিপির শেষে সংযুক্ত করে দেব।»

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ১)
مَا رَوَاهُ نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ فِي نُسْخَتِهِ زَائِدًا عَلَى مَا رَوَاهُ الْمَرْوَزِيُّ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ فِي كِتَابِ الزُّهْدِ
ইবনুল মুবারক থেকে ‘কিতাবুয যুহদ’ গ্রন্থে আল-মারওয়াযীর বর্ণনার অতিরিক্ত হিসেবে নুয়াইম ইবনে হাম্মাদ তাঁর পাণ্ডুলিপিতে যা বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ১)
أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ قَالَ: لَقِيَ الْحَسَنَ، رَجُلٌ يُرِيدُ الْمَسْجِدَ لِصَلَاةِ الْعِشَاءِ فِي لَيْلَةٍ مُظْلِمَةٍ أُظنُّهَا ذَاتَ رِدَاغٍ فَقَالَ: أَفِي مِثْلِ هَذِهِ اللَّيْلَةِ يَا أَبَا سَعِيدٍ؟ فَقَالَ الْحَسَنُ: «هُوَ التَّشْدِيدُ أَوِ الْهَلَكَةُ»
মা’মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: এক অন্ধকার রাতে জনৈক ব্যক্তি এশার সালাতের উদ্দেশ্যে মসজিদের দিকে যাওয়ার সময় হাসান (বসরি)-র সাথে সাক্ষাৎ করলেন—আমার ধারণা সেটি ছিল কর্দমাক্ত (রাত)। সে বলল: হে আবু সাঈদ, এমন এক রাতেও? হাসান বললেন: “এটিই হলো কঠোরতা অথবা ধ্বংস।”
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ১)
أَخْبَرَ عَبْدُ الْحَكِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي فَرْوَةَ، عَنْ رَجُلٍ قَالَ: كَانَ طَارِقٌ قَالَ: إِنْ لَمْ يُبَايِعْ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ لَأَقْتُلَنَّهُ قَالَ: فَدَخَلْنَا عَلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، فَقُلْنَا لَهُ، فَقَالَ: «لَا أُبَايِعُ لِرَجُلَيْنِ» فَقِيلَ لَهُ تَغَيَّبْ، فَقَالَ: «أَحَيْثُ لَا يَقْدِرُ عَلَيَّ اللَّهُ؟» فَقُلْنَا: اجْلِسْ فِي بَيْتِكَ، فَقَالَ: «أُدْعَى إِلَى الْفَلَاحِ فَلَا أُجِيبُ»
আবদুল হাকিম বিন আবদুল্লাহ বিন আবি ফারওয়া একজন ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তারিক বলেছিলেন, "যদি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব আনুগত্যের শপথ না করেন, তবে আমি অবশ্যই তাকে হত্যা করব।" বর্ণনাকারী বলেন: এরপর আমরা সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিবের নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাকে বিষয়টি বললাম। তখন তিনি বললেন, "আমি দুই ব্যক্তির নিকট আনুগত্যের শপথ করব না।" তাকে বলা হলো, "আপনি আত্মগোপন করুন।" তিনি বললেন, "এমন কোনো স্থান আছে কি যেখানে আল্লাহ আমার ওপর ক্ষমতা রাখেন না?" আমরা বললাম, "আপনি আপনার ঘরে অবস্থান করুন।" তিনি বললেন, "আমাকে সফলতার দিকে আহ্বান করা হবে আর আমি তাতে সাড়া দেব না?"
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ১)
أَخْبَرَنَا حَكِيمُ بْنُ رُزَيْقٍ قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ، سَأَلَهُ أَبِي فَقَالَ: إِحْضَارُ الْجِنَازَةِ أَحَبُّ إِلَيْكَ أَوِ الْقُعُودُ فِي الْمَسْجِدِ؟ فَقَالَ: " مَنْ صَلَّى عَلَى جِنَازَةٍ فَلَهُ قِيرَاطٌ، وَمَنْ تَبِعَهَا حَتَّى تُقْبَرَ فَلَهُ قِيرَاطَانِ، وَالْجُلُوسُ فِي الْمَسْجِدِ أَحَبُّ إِلَيَّ أَنْ يُسَبِّحَ لِلَّهِ وَيُهَلِّلَ وَيَسْتَغْفِرَ، فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تَقُولُ: آمِينَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ، فَإِذَا فَعَلْتَ ذَاكَ فَقُلِ: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ "
হাকীম ইবনে রুজাইক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে বলতে শুনেছি, আমার পিতা তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: "জানাজায় উপস্থিত হওয়া আপনার কাছে বেশি প্রিয় নাকি মসজিদে বসে থাকা?" তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি জানাজার সালাত আদায় করে, তার জন্য এক কিরাত (নেকি) রয়েছে। আর যে ব্যক্তি দাফন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকে, তার জন্য দুই কিরাত রয়েছে। তবে মসজিদে বসে আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করা, তাহলিল পাঠ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা আমার কাছে বেশি প্রিয়। কারণ ফেরেশতারা তখন বলতে থাকে: 'আমিন, হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ! তার প্রতি দয়া করুন।' সুতরাং যখন তুমি তা করবে, তখন বলো: 'হে আল্লাহ! সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে ক্ষমা করে দিন'।"
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ১)
أَخْبَرَ عُثْمَانُ بْنُ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ: «اتِّبَاعُ الْجَنَائِزِ أَفْضَلُ مِنَ النَّوَافِلِ»
ওসমান ইবনে আবিল আসওয়াদ মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “জানাযার অনুসরণ করা নফল ইবাদত অপেক্ষা উত্তম।”
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ২)
أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ: حَدَّثَتْنِي أُمُّ الدَّرْدَاءِ، أَنَّ أَبَا الدَّرْدَاءِ، أَتَى بَابَ مُعَاوِيَةَ، فَاسْتَأْذَنَ فَلَمْ يُؤْذَنْ لَهُ، فَرَجِعَ إِلَى جُلَسَائِهِ، ثُمَّ عَادَ فَلَمْ يُؤْذَنْ لَهُ، فَقَالَ: «مَنْ يَغْشَ سُدَّةَ السُّلْطَانِ يَقُمْ وَيَقْعُدْ، وَمَنْ يَجِدْ بَابًا مُغْلَقًا يَجِدْ إِلَى جَانِبِهِ بَابًا فَيْحًا رَحْبًا إِنْ دَعَا أُجِيبَ وَإِنْ سَأَلَ أُعْطِيَ»

আবদুর রহমান ইবন ইয়াজিদ ইবন জাবির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাঈল ইবন উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উম্মুদ দারদা আমাকে জানিয়েছেন যে, আবু দর্দা মুয়াবিয়ার দরজায় আসলেন এবং ভেতরে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন, কিন্তু তাকে অনুমতি দেওয়া হলো না। তখন তিনি তাঁর সঙ্গীদের নিকট ফিরে গেলেন। অতঃপর তিনি পুনরায় ফিরে এলেন, তখনও তাকে অনুমতি দেওয়া হলো না। তখন তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি শাসকের দ্বারে ধরণা দেয় তাকে দাঁড়াতে ও বসতে হয় (অপেক্ষা ও লাঞ্ছনা সহ্য করতে হয়); আর যে ব্যক্তি একটি দরজা বন্ধ পায়, সে তার পাশেই এক অতি প্রশস্ত ও উন্মুক্ত দরজা খুঁজে পায়—সেখানে ডাকলে সাড়া দেওয়া হয় এবং প্রার্থনা করলে দান করা হয়।"

(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ২)
أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ قَالَ: كَانَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُونَ: «إِنَّ بُيُوتَ اللَّهِ فِي الْأَرْضِ الْمَسَاجِدُ، وَإِنَّ حَقًّا عَلَى اللَّهِ أَنْ يُكرِمُ مَنْ زَارَهُ فِيهَا»

ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক এবং আবদুর রহমান আল-মাসউদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা আবি ইসহাক থেকে, তিনি আমর ইবনে মাইমুন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ বলতেন: "নিশ্চয়ই জমিনে আল্লাহর ঘরসমূহ হলো মসজিদসমূহ, আর আল্লাহর ওপর এটি পাওনা যে, তিনি সেখানে তাঁর যিয়ারতকারীকে (সাক্ষাৎপ্রার্থীকে) সম্মানিত করবেন।"

(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ২)
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ قَالَ: نا رَجُلٌ، مِنْ أَهْلِ الشَّامِ، وَكَانَ يَتْبَعُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ فَيَسْمَعُ مِنْهُ قَالَ: كُنْتُ مَعَهُ فَلَقِيَ نَوْفًا، فَقَالَ نَوْفٌ: " ذُكِرَ لَنَا أَنَّ اللَّهَ قَالَ لِمَلَائِكَتِهِ: ادْعُوا إِلَيَّ عِبَادِي، فَقَالُوا: يَا رَبُّ وَكَيْفَ وَالسَّمَوَاتُ السَّبْعُ دُونَهُمْ وَالْعَرْشُ فَوْقَ ذَلِكَ؟ فَقَالَ: إِنَّهُمْ إِذَا قَالُوا: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَدِ اسْتَجَابُوا لِي "

সুলায়মান ইবনুল মুগীরাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সিরিয়াবাসীদের একজন ব্যক্তি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—যিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের অনুসারী ছিলেন এবং তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করতেন—তিনি বলেন: আমি তাঁর সাথে ছিলাম, এমতাবস্থায় নাওফ-এর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। তখন নাওফ বললেন: "আমাদের নিকট বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদের বললেন: তোমরা আমার বান্দাদের আমার দিকে আহ্বান করো। তখন তারা বলল: হে রব! তা কীভাবে সম্ভব, অথচ সাত আসমান তাদের নিচে (আড়াল স্বরূপ) রয়েছে এবং আরশ তারও উপরে? তিনি বললেন: তারা যখন 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে, তখন তারা মূলত আমার আহ্বানেই সাড়া দেয়।"

(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ২)
قَالَ: يَقُولُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو: - قَالَ الشَّامِيُّ: وَإِنَّ يَدَهُ لَعَلَى عَاتِقِي أَوْ قَالَ: ذَقْنِي ـ صَلَّيْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَاةَ الْمَغْرِبِ، أَوْ قَالَ: غَيْرَهَا - شَكَّ سُلَيْمَانُ - فَقَعَدَ رَهْطٌ أَنَا فِيهِمْ يَنْتَظِرُونَ الصَّلَاةَ الْأُخْرَى، فَأَقْبَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُسْرِعُ الْمَشْيَ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى رَفْعِهِ إِزَارَهُ، كَيْ يَكُونَ أَحَثَّ لَهُ فِي الْمَشْيِ، فَانْتَهَى إِلَيَّ فَقَالَ: " أَلَا أَبْشِرُوا هَذَا رَبُّكُمْ أَمَرَ بِبَابِ السَّمَاءِ الْوُسْطَى - أَوْ قَالَ: السَّمَاءِ - فَفَتَحَهُ فَفَاخَرَ بِكُمُ الْمَلَائِكَةَ، فَقَالَ: انْظُرُوا إِلَى عِبَادِي أَدُّوا حَقًّا مِنْ حَقِّي ثُمَّ انْتَظَرُوا أَدَاءَ حَقٍّ آخَرَ يُؤَدُّونَهُ "
তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আমর বলছেন: — শামি (বর্ণনাকারী) বলেন: আর তখন তাঁর (আবদুল্লাহর) হাত ছিল আমার কাঁধের ওপর অথবা তিনি বলেছিলেন: আমার থুতনির ওপর — আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করলাম, অথবা তিনি অন্য কোনো সালাতের কথা বলেছিলেন — সুলায়মান এ বিষয়ে সন্দেহ করেছেন — অতঃপর একদল লোক বসে রইল যাদের মধ্যে আমিও ছিলাম, তারা পরবর্তী সালাতের অপেক্ষা করছিল। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্রুত পায়ে হেঁটে আসলেন, আমি যেন তাঁর লুঙ্গি উপরে তুলে ধরার দৃশ্যের দিকে তাকাচ্ছি যাতে তাঁর হাঁটতে দ্রুততা আসে। এরপর তিনি আমার কাছে পৌঁছে বললেন: “তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো! এই যে তোমাদের রব; তিনি আসমানের মধ্যম একটি দরজা — অথবা বলেছিলেন: আসমানের দরজা — খোলার নির্দেশ দিলেন এবং তা খোলা হলো। অতঃপর তিনি ফেরেশতাদের সামনে তোমাদের নিয়ে গর্ব করে বললেন: ‘তোমরা আমার বান্দাদের দিকে তাকাও, তারা আমার নির্ধারিত হকসমূহের একটি হক আদায় করেছে, অতঃপর তারা পরবর্তী আরেকটি হক আদায়ের জন্য অপেক্ষা করছে’।”
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ২)
أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ ‌‌⦗ص: 3⦘: أَتَانِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَّامٍ، وَأَنَا فِي الْمَسْجِدِ، فَقَالَ: «يَا مُسيِّبُ إِنَّ لِهَذَا الْمَسْجِدِ أَوْتَادًا هُمْ أَوْ. . . يَتَعَاهَدُونَ الرَّجُلَ، فَإِنْ كَانَ مَرِيضًا عَادُوهُ، وَإِنْ كَانَ فِي حَاجَةٍ أَعَانُوهُ»
সুফইয়ান ইবনে উয়াইনা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাজিম থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩⦘: আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম আমার নিকট আসলেন যখন আমি মসজিদে ছিলাম। তিনি বললেন: «হে মুসাইয়িব! নিশ্চয়ই এই মসজিদের জন্য কিছু খুঁটি (অবিচল ব্যক্তি) রয়েছে, তারা অথবা... সেই ব্যক্তির খোঁজখবর নেয়। যদি সে অসুস্থ হয় তবে তারা তাকে দেখতে যায়, আর যদি সে কোনো প্রয়োজনে থাকে তবে তারা তাকে সাহায্য করে।»
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌بَابٌ فِي الْمَشْيِ إِلَى الْمَسْجِدِ
মসজিদের দিকে হেঁটে যাওয়া সংক্রান্ত অধ্যায়
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৩)
أنا شُعْبَةُ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ فَرَاهِيجَ، عَنْ مَوْلًى لِسُفْيَانَ بْنِ مَزْيَدٍ، أَوْ قَالَ: مَرْثَدٍ أَنَّهُ كَانَ يَنْطَلِقُ إِلَى الْمَسْجِدِ وَهُوَ مُستَعْجِلٌ، فَلَقِيَ الزُّبَيْرَ بْنَ الْعَوَّامِ، فَقَالَ: " اقْصُدْ فِي مَشْيِكَ؛ فَإِنَّكَ فِي صَلَاةٍ، وَلَنْ تَخْطُوَ خُطْوَةً إِلَّا رَفَعَكَ اللَّهُ بِهَا دَرَجَةً وَحَطَّ بِهَا عَنْكَ خَطِيئَةً

আমি শু'বাহ, দাউদ ইবনে ফুরাহীজ থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে মাযয়িদ—অথবা তিনি বলেছেন: মারসাদ—এর জনৈক আযাদকৃত গোলাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাড়াহুড়ো করে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় যুবায়ের ইবনুল আওয়ামের সাথে তার সাক্ষাৎ হলো। তিনি (যুবায়ের) বললেন: "তোমার হাঁটায় পরিমিতিবোধ বজায় রাখো; কেননা তুমি নামাজের মধ্যেই আছ। আর তুমি প্রতিটি যে কদম ফেলবে, তার বিনিময়ে আল্লাহ তোমার মর্যাদা এক স্তর বৃদ্ধি করবেন এবং তোমার একটি পাপ মোচন করবেন।"

(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৩)
أنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى الْغَسَّانِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَشْيُكَ إِلَى الْمَسْجِدِ، وَرُجُوعُكَ إِلَى بَيْتِكَ فِي الْأَجْرِ سَوَاءٌ» سَمِعْتُ ابْنَ الْمُبَارَكِ قَالَ: أَفَادَنِي هَذَا الْحَدِيثُ حَدِيثُ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى الْغَسَّانِيِّ بِالرَّقَّةِ فَرَجَعْتُ بَعْدُ إِلَى حِمْصَ حَتَّى سَأَلْتُهُ
আবু বকর ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-গাসসানি থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমার মসজিদে গমন এবং তোমার গৃহে প্রত্যাবর্তন সওয়াবের ক্ষেত্রে সমান»। আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-গাসসানির এই হাদিসটি রাক্কাহ নামক স্থানে আমাকে উপকৃত করেছে, অতঃপর আমি হিমস-এ ফিরে আসি এবং তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করি।
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌بَابٌ فِي الْعُزْلَةِ
নির্জনতা অবলম্বন বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৩)
أنا شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ: «خُذُوا بِحَظِّكُمْ مِنَ الْعُزْلَةِ»
আমি শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজ, খুবাইব ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: «তোমরা নির্জনতা থেকে তোমাদের অংশ গ্রহণ করো।»
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৩)
أنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ قَالَ: سَمِعْتُ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ يَقُولُ: «إِنَّ أَقَلَّ الْعَيْبِ عَلَى الْمَرْءِ أَنْ يَجْلِسَ فِي دَارِهِ»
আমি ইসমাঈল ইবনে আবু খালিদ, কায়স ইবনে আবু হাজিম থেকে বর্ণনা করছি, তিনি বলেন: আমি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই একজন মানুষের জন্য সবচেয়ে কম দোষের বিষয় হলো নিজ ঘরে অবস্থান করা।"
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৪)
أنا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ عَدَسَةَ الطَّائِيِّ قَالَ: مَرَّ بِنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ وَنَحْنُ بِزُبَالَةٍ أَتَيْنَا بِطَيْرٍ فَقَالَ: مِنْ أَيْنَ صِيدَ؟ أَوْ مِنْ أَيْنَ أُصِيبَ هَذَا الطَّيْرُ؟، فَقُلْنَا: مِنْ مَسِيرَةِ ثَلَاثٍ، فَقَالَ: لَوَدِدْتُ أَنِّي حَيْثُ أُصِيبَ هَذَا الطَّيْرُ لَا يُكَلِّمُنِي بَشَرٌ وَلَا أُكَلِّمُهُ
আমি সুফিয়ান থেকে, তিনি সুলাইমান থেকে, তিনি মুসলিম আল-বাতীন থেকে এবং তিনি আদাসাহ আত-তাঈ থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আমাদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করলেন যখন আমরা যুবায়লাহ নামক স্থানে ছিলাম। এমতাবস্থায় আমাদের নিকট একটি পাখি আনা হলো। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন: এটি কোথা থেকে শিকার করা হয়েছে? অথবা এই পাখিটি কোথা থেকে পাওয়া গিয়েছে? আমরা বললাম: তিন দিনের সফরের দূরত্ব থেকে। তখন তিনি বললেন: আমি যদি সেই স্থানে থাকতাম যেখান থেকে এই পাখিটি ধরা হয়েছে, যেখানে কোনো মানুষ আমার সাথে কথা বলত না এবং আমিও কারো সাথে কথা বলতাম না।
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৪)
نا ابْنُ الْمُبَارَكِ قَالَ: بَلَغَنِي عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ: «نِعْمَ صَوْمَعَةُ الْمَرْءِ الْمُسْلِمِ بَيْتُهُ، يَحْفَظُ عَلَيْهِ نَفْسَهُ وَسَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، وَإِيَّاكُمْ وَمَجَالِسَ السُّوقِ؛ فَإِنَّهَا تُلْهِي وَتُطْغِي»
ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ছাওর থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে, তিনি মুসলিম থেকে, তিনি আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেন: “একজন মুসলিম ব্যক্তির ঘর তার জন্য কতই না চমৎকার নির্জন ইবাদতখানা, সেখানে সে তার নফসকে এবং তার শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিকে রক্ষা করতে পারে। আর তোমরা বাজারের মজলিসসমূহ থেকে বেঁচে থাকো; কেননা তা (মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে) গাফেল করে দেয় এবং অবাধ্যতার দিকে নিয়ে যায়।”
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৪)
أنا الْمُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنِ الْحَسَنِ قَالَ: " مَا كُنْتَ تَلْقَى الْمُسْلِمِينَ إِلَّا فِي مَسَاجِدِهِمْ أَوْ فِي صَوَامِعِهِمْ، يَعْنِي بُيُوتَهُمْ أَوْ حِلًّا مِنَ الدُّنْيَا يُعْذَرُونَ بِهَا، فَلَمْ يَكُونُوا أَسْقَطَ بَيْنَ ذَلِكَ، يَحْثِي النِّسَاءُ فِي وُجُوهِهِمْ، كَأَنَّهُ يَعْنِي الْمَجَانِينَ
মুবারক ইবন ফাদালা হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “তুমি মুসলিমদের কেবল তাদের মসজিদে অথবা তাদের নির্জন কক্ষে—অর্থাৎ তাদের ঘরে—অথবা পার্থিব এমন কোনো প্রয়োজনে দেখতে পেতে যাতে তারা ওজরপ্রাপ্ত। তারা এর বাইরে এমন হীন ছিল না যে, মহিলারা তাদের মুখে (ধুলা) ছিটাবে; যেন তিনি এর মাধ্যমে পাগলদের বুঝিয়েছেন।”
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৪)
أنا ابْنُ لَهِيعَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ سَوَادَةَ قَالَ: كَانَ رَجُلٌ يَعْتَزِلُ النَّاسَ إِنَّمَا هُوَ وَحْدَهُ، فَجَاءَهُ أَبُو الدَّرْدَاءِ فَقَالَ: «أَنْشُدُكَ اللَّهَ مَا يَحْمِلُكَ عَلَى أَنْ تَعْتَزِلَ النَّاسَ» فَقَالَ: إِنِّي أَخْشَى أَنْ أُسْلَبَ دِينِي وَلَا أَشْعُرَ، فَقَالَ: «أَتَرَى فِي الْجُنْدِ مِائَةً يَخَافُونَ اللَّهَ مَا تَخَافُهُ؟» قَالَ: «فَلَمْ يَزَلْ يُنْقِصُ حَتَّى بَلَغَ عَشَرَةً» قَالَ: فَحَدَّثْتُ بِهِ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ الشَّامِ فَقَالَ: ذَاكَ شُرَحْبِيلُ بْنُ السِّمْطِ
ইবনে লাহিয়া বলেন: বকর ইবনে সাওয়াদাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী বসবাস করতেন। আবু দারদা (রা.) তাঁর নিকট এলেন এবং বললেন: “আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, কিসে আপনাকে লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন হতে উদ্বুদ্ধ করেছে?” তিনি বললেন: “আমি ভয় করি যে, আমার অজান্তেই আমার দ্বীন ছিনিয়ে নেওয়া হবে।” তিনি (আবু দারদা) বললেন: “আপনি কি মনে করেন সেনাবাহিনীতে এমন একশত লোক আছে যারা আল্লাহকে আপনার মতোই ভয় করে?” তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: অতঃপর তিনি সংখ্যা কমাতে থাকলেন এমনকি দশজনে পৌঁছালেন। তিনি (বকর) বলেন: আমি শাম দেশের এক লোকের কাছে এটি বর্ণনা করলাম, তখন তিনি বললেন: “তিনি ছিলেন শুরাহবিল ইবনে আস-সিমত।”
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৪)
أنا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ غَزِيَّةَ قَالَ: كَانَ أَبُو الْجَهْمِ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ الصِّمَّةِ ‌‌⦗ص: 5⦘، لَا يُجَالِسُ النَّاسَ، فَإِذَا قِيلَ لَهُ، قَالَ: «النَّاسُ شَرٌّ مِنَ الْوَحْدَةِ» وَكَانَ يَقُولُ: «لَا أَؤُمُّ أَحَدًا مَا عِشْتُ، وَلَا أَرْكَبُ دَابَّةً إِلَّا وَأَنَا ضَامِنٌ يُرِيدُ عَلَى اللَّهِ وَكَانَ ـ زَعَمُوا ـ مِنْ أَعْبَدِ النَّاسِ وَأَشَدِّهِمُ اجْتِهَادًا، وَكَانَ لَا يُفَارِقُ الْمَسْجِدَ»
আমি ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুব, ইবন গাজিয়্যাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু আল-জাহম ইবন আল-হারিস ইবন আস-সিম্মাহ ‌⦗পৃষ্ঠা: ৫⦘, লোকদের সাথে উঠাবসা করতেন না। যখন তাঁকে এ বিষয়ে বলা হতো, তিনি বলতেন: «মানুষ নির্জনতার চেয়েও মন্দ»; তিনি আরও বলতেন: «আমি যতদিন বেঁচে থাকব কারও ইমামতি করব না, এবং কোনো পশুর পিঠে আরোহণ করব না যতক্ষণ না আমি (তার বিষয়ে) জিম্মাদার হই—এর মাধ্যমে তিনি আল্লাহর নিকট (প্রতিদান) প্রত্যাশা করতেন»; তারা দাবি করত যে, তিনি ছিলেন লোকদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদতকারী এবং সাধনায় অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রমী, আর তিনি মসজিদ ত্যাগ করতেন না।
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৫)
أنا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ: لَمَّا قَدِمَ مُعَاوِيَةُ يُرِيدُ الْحَجَّ تَلَقَّاهُ أُنَاسٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ فَقِيلَ لِأَبِي هُرَيْرَةَ: أَلَا تَرْكَبُ؟ فَتَلْقَى أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ؟ فَقَالَ: «إِنِّي أَكْرَهُ أَنْ أَرْكَبَ مَرْكَبًا لَا أَكُونُ فِيهِ ضَامِنًا عَلَى اللَّهِ»
আমি আল-আওযাঈ, ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে বর্ণনা করছি, তিনি বলেন: যখন মুয়াবিয়া হজ্জের উদ্দেশ্যে আসলেন, মদীনার একদল লোক তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তখন আবু হুরায়রাকে বলা হলো: আপনি কি সওয়ার হয়ে আমীরুল মুমিনীন-এর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবেন না? তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই আমি এমন কোনো বাহনে আরোহণ করা অপছন্দ করি যাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে আমার কোনো নিশ্চয়তা নেই।”
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৫)
أنا ابْنُ لَهِيعَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ غَزِيَّةَ، أَنَّ حَمْزَةَ، مِنْ بَعْضِ وَلَدِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: «طُوبَى لِمَنْ أَخْلَصَ دُعَاءَهُ وَعِبَادَتَهُ لِلَّهِ، وَلَمْ يَشْغَلْ قَلْبَهُ بِمَا تَرَى عَيْنَاهُ، وَلَمْ يُنْسِهِ ذِكْرَ اللَّهِ مَا تَسْمَعُ أُذُنَاهُ، وَلَمْ يُحْزِنْ نَفْسَهُ بِمَا أُعْطِيَ غَيْرُهُ»
ইবনু লাহিয়াহ বলেন: ইবনু গাজিয়্যাহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু মাসউদের জনৈক বংশধর হামজাহ বলেছেন: «সেই ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ, যে আল্লাহর জন্য তার দুআ ও ইবাদতকে একনিষ্ঠ করেছে, তার চোখ যা দেখে তা দিয়ে সে তার অন্তরকে ব্যতিব্যস্ত করেনি, তার কান যা শোনে তা তাকে আল্লাহর স্মরণ থেকে বিস্মৃত করেনি এবং অন্যকে যা দান করা হয়েছে তার কারণে সে নিজের নফসকে ব্যথিত করেনি»।
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৫)
أنا زَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أُمِّهِ - قَالَ سُلَيْمَانُ: وَأُمُّهُ بِنْتُ حُذَيْفَةَ - عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ: «وَاللَّهِ لَوَدِدْتُ أَنَّ لِي مَنْ يُصْلِحُ لِي فِي مَالِي، ثُمَّ أَغْلَقْتُ عَلَيَّ بَابِي فَلَمْ يَدْخُلْ عَلَيَّ بَشَرٌ وَلَمْ أَخْرُجْ إِلَيْهِ حَتَّى أَلْحَقَ بِاللَّهِ»
যাইদাহ ইবন কুদামাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সুলাইমান থেকে, তিনি মুসা ইবন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে—সুলাইমান বলেন: এবং তাঁর মা ছিলেন হুযাইফার কন্যা—তিনি হুযাইফা (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই আকাঙ্ক্ষা করি যে, আমার যদি এমন কেউ থাকত যে আমার সম্পদের দেখাশোনা করত, অতঃপর আমি আমার দরজা বন্ধ করে দিতাম; ফলে কোনো মানুষ আমার নিকট প্রবেশ করত না এবং আমিও তাদের নিকট বের হতাম না, যতক্ষণ না আমি আল্লাহর সাথে মিলিত হই»।
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৫)
أنا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّعْبِيُّ قَالَ: مَا جَلَسَ رَبِيعُ بْنُ خُثَيْمٍ عَلَى مَجْلِسٍ وَلَا ظَهْرِ طَرِيقِ كَذَا وَكَذَا: قَالَ: «أَخَافُ أَنْ يُظْلَمَ رَجُلٌ فَلَا أَنْصُرُهُ، أَوْ يَفْتَرِيَ رَجُلٌ عَلَى آخَرَ وَأُكلَّفَ عَلَيْهِ الشَّهَادَةَ، أَوْ يُسَلِّمَ عَلَيَّ فَلَا أَرُدَّ السَّلَامَ، أَوْ يَقَعَ عَنْ حَامِلَةٍ حَمْلَهَا وَلَا أَحْمِلُ عَلَيْهَا» قَالَ: فَأَنْشَأَ يَذْكُرُ مِنْ هَذَا قَالَ ‌‌⦗ص: 6⦘: وَكُنَّا نَدْخُلُ عَلَيْهِ بَيْتَهُ
মালিক ইবনে মিগওয়াল বলেন: শাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: রাবি ইবনে খুসাইম কোনো মজলিসে কিংবা রাস্তার ওপর এমন এমন কোনো স্থানে বসতেন না। তিনি বলেন: "আমি ভয় পাই যে, কোনো ব্যক্তির ওপর জুলুম করা হবে আর আমি তাকে সাহায্য করতে পারব না, অথবা এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপবাদ দিবে আর আমাকে তার সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা হবে, অথবা কেউ আমাকে সালাম দিবে আর আমি সালামের উত্তর দেব না, অথবা কোনো আরোহী পশুর পিঠ থেকে তার বোঝা পড়ে যাবে আর আমি তা তুলে দেব না।" তিনি বলেন: অতঃপর তিনি এই বিষয়গুলো উল্লেখ করতে লাগলেন। তিনি বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ৬⦘: এবং আমরা তাঁর বাড়িতে তাঁর নিকট প্রবেশ করতাম।
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৬)
أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ قَالَ: «لَمْ يُرَ رَبِيعُ بْنُ خُثَيْمٍ فِي الْمَجْلِسِ قَطُّ»
সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: "রবী' ইবনে খুসাইমকে মজলিসে কখনোই দেখা যায়নি।"
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৬)
أنا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: قَالَ فُلَانٌ: «مَا أَرَى رَبِيعَ بْنَ خُثَيْمٍ، تَكَلَّمَ مُنْذُ عِشْرِينَ سَنَةً بِكَلِمَةٍ إِلَّا تَصَعَّدَ»
আমি সুফিয়ান, মনসুর থেকে, ইবরাহিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি বলেছেন: «আমি রাবী বিন খুসাইমকে গত বিশ বছর যাবত এমন কোনো কথা বলতে দেখিনি যা (আল্লাহর দরবারে) উন্নীত হয়নি»
(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৬)
أنا سُفْيَانُ، عَنْ نُسَيْرِ بْنِ ذُعْلُوقٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ قَالَ: حَدَّثَنِي مَنْ صَحِبَ رَبِيعَ بْنَ خُثَيْمٍ عِشْرِينَ عَامًا «فَلَمْ يَسْمَعْ مِنْهُ كَلِمَةً تُعَابُ عَلَيْهِ»

আমি সুফিয়ান, নুসাইর বিন যু’লূক থেকে, তিনি ইবরাহীম আত-তাইমী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি (ইবরাহীম) বলেন: আমার নিকট এমন এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যিনি বিশ বছর যাবত রবী’ বিন খুসাইমের সাহচর্যে ছিলেন— “তিনি তাঁর নিকট থেকে এমন কোনো কথা শোনেননি যার জন্য তাঁকে দোষারোপ করা যায়।”

(খণ্ড: ১) আয-যুহদু ওয়ার রাকায়িক - ইবনুল মুবারক - ত আল-আযমি (পৃষ্ঠা: ৬)
قَالَ: وَنا أَيْضًا قَالَ: جَالَسَ رَجُلٌ أُرَاهُ مِنْ تَيْمٍ رَبِيعَ بْنَ خُثَيْمٍ عَشْرَ سِنِينَ قَالَ: فَمَا سَأَلَنِي عَنْ شَيْءٍ إِلَّا أَنَّهُ قَالَ: «وَالدِتُكَ حَيَّةٌ؟» وَقَالَ: «كَمْ لَكُمْ مِنْ مَسْجِدٍ؟»
তিনি বলেন: তিনি আমাদের নিকট আরও বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তায়ম গোত্রের এক ব্যক্তি—যাকে আমি মনে করি—দশ বছর যাবৎ রবি বিন খুসায়মের সাথে উঠাবসা করেছেন। তিনি বলেন: তিনি আমাকে কোনো কিছু সম্পর্কেই জিজ্ঞেস করেননি, কেবল এইটুকু ছাড়া যে তিনি বললেন: "তোমার মা কি জীবিত আছেন?" এবং তিনি বললেন: "তোমাদের কয়টি মসজিদ রয়েছে?"