(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: -)
الحلم لابن أبي الدنيا القسم: كتب السنة
الكتاب: الحلم
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
المحقق: محمد عبد القادر أحمد عطا
الناشر: مؤسسة الكتب الثقافية - بيروت
الطبعة: الأولى، 1413
عدد الصفحات: 77
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবন আবিদ দুনিয়া রচিত আল-হিলম (সহনশীলতা) বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আল-হিলম (সহনশীলতা)
লেখক: আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন উবাইদ ইবন সুফিয়ান ইবন কায়স আল-বাগদাদি আল-উমাউয়ি আল-কুরাশি, যিনি ইবন আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হি.)
সম্পাদক: মুহাম্মদ আব্দুল কাদির আহমদ আতা
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুল কুতুব আস-সাকাফিয়াহ - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৭
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ١٩)
حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مِسِكَافٍ النَّشَوِيُّ رحمه الله قَالَ: حَدَّثنَا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ حُمْكَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ فِي الْجَامِعِ بِنَشْوَى يَوْمَ الْجُمُعَةِ سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، وَحَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ، وَيُوسُفُ بْنُ أَحْمَدَ، وَأَبُو زُرْعَةَ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ قَالُوا كُلُّهُمْ: حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ عُمَرُ بْنُ نَمِرِ بْنِ عِيسَى قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ هِلَالٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مِهْرَانَ، نا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، نَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ عَنْ عُمَرَ بْنَ نَمِرٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ دَرَّاجٍ أَبِي السَّمْحِ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا حَلِيمَ إِلَّا ذُو عَثْرَةٍ، وَلَا حَكِيمَ إِلَّا ذُو تَجْرِبَةٍ»
আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন মিসকাফ আন-নাশাউয়ি (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাজি আবু আব্দুল্লাহ হুমকান বিন মুহাম্মদ চারশত উনত্রিশ হিজরি সনের জুমআর দিনে নাশউয়ার জামে মসজিদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আলি বিন আব্দুল জাব্বার, ইউসুফ বিন আহমাদ এবং আবু জুরআ জাফর বিন আহমাদ বিন আলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে বলেছেন: শাইখুল ইমাম আবু বকর উমর বিন নামির বিন ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলি বিন মিহরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর বিন আবিদ দুনইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারুন বিন মারুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব উমর বিন নামির থেকে, তিনি আমর বিন আল-হারিস থেকে, তিনি দাররাজ আবুস সামহ থেকে, তিনি আবুল হাইসাম থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “হোঁচট খাওয়া ব্যতীত কেউ ধৈর্যশীল হতে পারে না এবং অভিজ্ঞতা লাভ করা ব্যতীত কেউ প্রজ্ঞাবান হতে পারে না।”
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
4 - طَلَبُ الْعِلْمِ وَالصَّبْرُ عَلَيْهِ
4 - ইলম অন্বেষণ এবং তাতে ধৈর্য ধারণ
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ نا أَبُو إِسْحَاقَ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُجَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ رَجَاءِ بْنِ حَيْوَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّمَا الْعِلْمُ بِالتَّعَلُّمِ، وَالْحِلْمُ بِالتَّحَلُّمِ، وَمَنْ يَتَحَرَّ الْخَيْرَ يُعْطَهُ، وَمَنْ يَتَّقِ الشَّرَّ يُوَقَّهُ»
আমাদের নিকট আবু বকর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবনে মুজালিদ আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি রাজা ইবনে হাইওয়াহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই জ্ঞান অর্জিত হয় শিক্ষার মাধ্যমে, আর সহনশীলতা অর্জিত হয় সহনশীলতা অনুশীলনের মাধ্যমে। যে ব্যক্তি কল্যাণ লাভের চেষ্টা করে তাকে তা দান করা হয়, আর যে অনিষ্ট থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে তাকে তা থেকে রক্ষা করা হয়।»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، قَالَ: كَانَ مِنْ دُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اللَّهُمَّ أَغْنِنِي بِالْعِلْمِ، وَزَيِّنِّي بِالْحِلْمِ، وَأَكْرِمْنِي بِالتَّقْوَى، وَجَمِّلْنِي بِالْعَافِيَةِ»
মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্যতম দুআ ছিল: «হে আল্লাহ, আমাকে ইলম দ্বারা সমৃদ্ধ করুন, হিলম দ্বারা সুশোভিত করুন, তাকওয়া দ্বারা সম্মানিত করুন এবং আফিয়াত দ্বারা সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
طَلَبُ الرِّفْعَةَ عِنْدَ اللَّهِ بالْحِلْمُ
সহনশীলতার মাধ্যমে আল্লাহর নিকট উচ্চমর্যাদা অন্বেষণ
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
حَدَّثَنِي إِدْرِيسُ بْنُ الْحَكَمِ الْعِيرِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْمَدَنِيُّ، نا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «ابْتَغُوا الرِّفْعَةَ عِنْدَ اللَّهِ» قَالُوا: وَمَا هِيَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «تَصِلُ مَنْ قَطَعَكَ وَتُعْطِي مَنْ حَرَمَكَ وَتَحْلُمُ عَمَّنْ جَهِلَ عَلَيْكَ»
ইদরীস বিন আল-হাকাম আল-ইরী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন উমর আল-মাদানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন আবি সুফিয়ান থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «তোমরা আল্লাহর নিকট উচ্চমর্যাদা অন্বেষণ করো»। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কী? তিনি বললেন: «যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে তুমি তার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে, যে তোমাকে বঞ্চিত করে তুমি তাকে প্রদান করবে এবং যে তোমার সাথে মূর্খতাসূলভ আচরণ করে তুমি তার প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করবে»।
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢١)
5 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، نا مُوسَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ ضَمْرَةَ، عَنْ رَجَاءِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: «الْحِلْمُ خَصْلَةٌ مِنْ خِصَالِ الْعَقْلِ»
৫ - ইব্রাহীম ইবনু সাঈদ আল-জাওহারী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনু আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দামরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি রাজা ইবনু আবী সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «সহনশীলতা হলো আকলের গুণাবলির অন্তর্ভুক্ত একটি গুণ»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
6 - حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، نا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَسْلَمِيِّ، عَنْ صَالِحِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْخَطِّيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " خَمْسٌ مِنْ سُنَنِ الْمُرْسَلِينَ: الْحَيَاءُ، وَالْحِلْمُ، وَالْحِجَامَةُ، وَالسِّوَاكُ، وَالتَّعَطُّرُ "
৬ - আলী বিন মুসলিম আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে আবী ফুদাইক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি উমর বিন মুহাম্মদ আল-আসলামী থেকে, তিনি সালিহ বিন আব্দুল্লাহ আল-খাত্তী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "পাঁচটি বিষয় রাসূলগণের সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত: লজ্জা, সহনশীলতা, হিজামা (রক্তমোক্ষণ), মিসওয়াক এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা।"
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
شَرَفُ الْحِلْمِ فِي يَوْمِ الْقِيَامَةِ
কিয়ামতের দিন সহিষ্ণুতার মর্যাদা
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
7 - وَقَالَ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَسْلَمِيُّ: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَبِيبٍ الْمَدِينِيُّ، ذَكَرَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الشَّامِيُّ، ذَكَرَ حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَحْيَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْمُنْذِرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَرْبَعٌ يَشْرُفُ بِهِنَّ الْإِنْسَانُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنْ تَصِلَ مَنْ قَطَعَكَ، وَتُعْطِيَ مَنْ حَرَمَكَ، وَتَعْفُوَ عَمَّنْ ظَلَمَكَ، وَتَحْلُمَ عَمَّنْ جَهِلَ عَلَيْكَ»
৭ - উমর ইবন মুহাম্মদ আল-আসলামী বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন শাবিব আল-মাদিনী, ইবরাহীম ইবন আবদুর রহমান আশ-শামী উল্লেখ করেছেন, হাতিম ইবন ইসমাঈল উল্লেখ করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আবী ইয়াহইয়া থেকে, তিনি সাঈদ ইবন আবিল মুনজির থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «চারটি বিষয় এমন যার মাধ্যমে কিয়ামতের দিন মানুষ মর্যাদা লাভ করবে: যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা, যে তোমাকে বঞ্চিত করে তাকে দান করা, যে তোমার প্রতি জুলুম করে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া এবং যে তোমার সাথে মূর্খতাসূলভ আচরণ করে তার সাথে সহনশীলতা প্রদর্শন করা।»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
8 - وَحَدَّثَنَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمَّارٍ الْمَوْصِلِيِّ، نا الْمُعَافَى بْنُ عِمْرَانَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ عَلِيٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ الرَّجُلَ الْمُسْلِمَ لَيُدْرِكُ بِالْحِلْمِ دَرَجَةَ الصَّائِمِ الْقَائِمِ، وَإِنَّهُ لَيُكْتَبُ جَارًا وَمَا يَمْلِكُ إِلَّا أَهْلَ بَيْتِهِ»
৮ - এবং তিনি আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আম্মার আল-মাওসিলি থেকে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুআফা ইবনে ইমরান বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আলী থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই একজন মুসলিম ব্যক্তি তার সহনশীলতার মাধ্যমে (দিনে) রোজা পালনকারী ও (রাতে ইবাদতে) দণ্ডায়মান ব্যক্তির মর্যাদা লাভ করে। আর তাকে স্বৈরাচারী হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়, অথচ সে তার পরিবারের সদস্যগণ ব্যতীত আর কারও ওপর কর্তৃত্ব রাখে না।’»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
9 - حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، نا أَبُو شِهَابٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي رَزِينٍ، فِي قَوْلِهِ " {كُونُوا رَبَّانِيِّينَ} [آل عمران: 79] قَالَ: حُلَمَاءَ عُلَمَاءَ "
৯ - খালাফ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু শিহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি আবু রাজীন থেকে আল্লাহর বাণী "{তোমরা রব্বানী হও}" [আলে ইমরান: ৭৯] সম্পর্কে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: "সহনশীল ও বিজ্ঞ আলিম।"
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
10 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أنا أَبُو الْأَشْهَبِ، عَنِ الْحَسَنِ، " {وَإِذَا خَاطَبَهُمُ الْجَاهِلُونَ قَالُوا سَلَامًا} [الفرقان: 63] قَالَ: حُلَمَاءُ وَإِنْ جُهِلَ عَلَيْهِمْ لَمْ يَجْهَلُوا "
১০ - আমাদের নিকট আলী ইবনুল জাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আশহাব, হাসান থেকে বর্ণিত, " {আর যখন অজ্ঞরা তাদের সম্বোধন করে, তখন তারা বলে, ‘সালাম’} [আল-ফুরকান: ৬৩] তিনি বলেন: (তারা হলো) সহনশীল ব্যক্তি; যদি তাদের প্রতি মূর্খতাসুলভ আচরণ করা হয়, তবে তারা মূর্খতাসুলভ আচরণ করে না।"
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
11 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أنا أَبُو زَيْدٍ الْجَزَّارُ، نا مَعْقِلُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاح ٍ، " {يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا} [الفرقان: 63] قَالَ: حُلَمَاءُ عُلَمَاءُ "
১১ - আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যাইদ আল-জাজ্জার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাকিল ইবনে উবাইদুল্লাহ, আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণিত, {তারা জমিনে নম্রভাবে চলাফেরা করে} [আল-ফুরকান: ৬৩] আয়াত সম্পর্কে তিনি বলেন: "তারা হলেন ধৈর্যশীল ও জ্ঞানী ব্যক্তি।"
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
الْحَلِيمُ وَأَعْوَانُهُ
পরম সহিষ্ণু এবং তাঁর সাহায্যকারীগণ
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
12 - حَدَّثَنِي الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ذَكَرَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ مُسْلِمٍ الْعِجْلِيِّ، قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ: «أَوَّلُ عِوَضِ الْحَلِيمِ مِنْ حِلْمِهِ أَنَّ النَّاسَ كُلَّهُمْ أَعْوَانُهُ عَلَى الْجَاهِلِ»
১২ - আল-হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ উল্লেখ করেছেন মুসলিম আল-ইজলি থেকে, তিনি বলেন: আলি ইবনে আবি তালিব বলেছেন: «সহনশীল ব্যক্তি তার সহনশীলতার বিনিময়ে সর্বপ্রথম যা লাভ করে তা হলো এই যে, সকল মানুষ মূর্খ ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার সাহায্যকারী হয়ে যায়।»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
13 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَمِيلٍ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمِنْهَالِ، أنا مَعْمَرٌ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ، قَالَ: قَالَ مُعَاوِيَةُ،: «لَا يَبْلُغُ الرَّجُلُ مَبْلَغَ الرَّأْيِ حَتَّى يَغْلِبَ حِلْمُهُ جَهِلَهُ وَصَبْرُهُ شَهْوَتَهُ، وَلَا يَبْلُغُ ذَلِكَ إِلَّا بِقُوَّةِ الْحِلْمِ»
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে জামিল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনুল মিনহাল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, জা’ফর ইবনে বুরকান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মুআবিয়া বলেছেন: “কোনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত বিচক্ষণতার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না, যতক্ষণ না তার সহনশীলতা তার মূর্খতাকে এবং তার ধৈর্য তার প্রবৃত্তিকে পরাভূত করে; আর তা কেবল সহনশীলতার শক্তির মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।”
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
14 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمِنْهَالِ، أنا حَبِيبُ بْنُ حُجْرٍ الْقَيْسِيُّ، قَالَ: كَانَ يُقَالُ: «مَا أُضِيفَ شَيْءٌ إِلَى شَيْءٍ مِثْلُ حِلْمٍ إِلَى عِلْمٍ»
১৪ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনুল মিনহাল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হাবীব ইবনে হুজর আল-কায়সী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বলা হতো: “একটি বিষয়ের সাথে অন্য কোনো বিষয়ের সংযুক্তি জ্ঞানের সাথে সহনশীলতার ন্যায় এত চমৎকার আর কিছু নেই।”
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
15 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ رَجَاءِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: «الْحِلْمُ أَرْفَعُ مِنَ الْعَقْلِ؛ لِأَنَّ اللَّهَ تَعَالَى تَسَمَّى بِهِ»
১৫ - আল-হাসান ইবন আবদিল আযীয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি দামরাহ ইবন রাবীআহ থেকে, তিনি রাজা ইবন আবী সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «সহনশীলতা বুদ্ধির চেয়েও উচ্চতর; কারণ আল্লাহ তাআলা নিজেকে এই নামে অভিহিত করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
16 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، نا سُنَيْدُ بْنُ دَاوُدَ، ذَكَرَ حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: قَالَ أَكْثَمُ بْنُ صَيْفِيٍّ: «دِعَامَةُ الْعَقْلِ الْحِلْمُ، وَجِمَاعُ الْأَمْرِ الصَّبْرُ، وَخَيْرُ الْأُمُورِ الْعَفْوُ»
১৬ - ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সুনাইদ বিন দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ উল্লেখ করেছেন উকবাহ বিন সিনান থেকে, তিনি বলেন: আকসাম বিন সাইফি বলেছেন: «বুদ্ধির স্তম্ভ হলো সহিষ্ণুতা, সকল বিষয়ের সার হলো ধৈর্য এবং সর্বোত্তম কাজ হলো ক্ষমা করা»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
17 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ الْأَزْدِيُّ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الْحَطَمِيِّ، أَنَّ جَدَّهُ عُمَيْرًا، وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ أَوْصَى بَنِيهِ: «يَا بَنِيَّ إِيَّاكُمْ وَمُجَالَسَةَ السُّفَهَاءِ، فَإِنَّ مُجَالَسَتَهُمْ دَنَاءَةٌ مَنْ يَحْلُمْ عَلَى السَّفِيهِ يُسَرَّ، بِحِلْمِهِ وَمَنْ يُجِبْهُ يَنْدَمْ وَمَنْ يَصْبِرْ عَلَى مَا يَكْرَهُ يُدْرِكْ مَا يُحِبُّ، وَإِذَا أَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْمُرَ بِالْمَعْرُوفِ، وَيَنْهَى عَنِ الْمُنْكَرِ فَلْيُوَطِّنْ نَفْسَهُ عَلَى الصَّبْرِ عَلَى الْأَذَى وَيَثِقْ بِالثَّوَابِ مِنَ اللَّهِ فَإِنَّ مَنْ وَثِقَ بِالثَّوَابِ لَمْ يَجِدْ مَسَّ الْأَذَى»
১৭ - আমার নিকট আব্দুর রহমান ইবনে সলিহ আল-আযদি বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি আবু জাফর আল-হাতামি থেকে, তিনি বর্ণনা করেন যে, তার দাদা উমাইর—যিনি সাহাবী ছিলেন—তার সন্তানদের অসিয়ত করে বলেছেন: «হে আমার সন্তানেরা, তোমরা নির্বোধদের সাথে উঠাবসা করা থেকে বিরত থাকো; কেননা তাদের মজলিস হীনতা ও নীচতা। যে ব্যক্তি নির্বোধের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করে, সে তার সহনশীলতার কারণে আনন্দিত হয়; আর যে তাকে উত্তর দেয়, সে লজ্জিত হয়। যে ব্যক্তি অপ্রীতিকর বিষয়ের ওপর ধৈর্য ধারণ করে, সে তার কাঙ্ক্ষিত বিষয় লাভ করে। তোমাদের মধ্যে কেউ যখন সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজের নিষেধ করতে চায়, সে যেন কষ্টের ওপর ধৈর্য ধারণের জন্য নিজের নফসকে প্রস্তুত করে নেয় এবং আল্লাহর নিকট থেকে প্রতিদানের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখে। কেননা, যে ব্যক্তি প্রতিদানের ওপর আস্থা রাখে, সে কষ্টের ছোঁয়া অনুভব করে না।»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣١)
18 - أَنْشَدَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْمَدَنِيُّ، أَنْشَدَنِي عُبَيْدُ بْنُ أَبِي الْحُلَيْلِ:
وَإِنِّي لَأَتْرُكُ عَوَرَ الْكَلَامِ
… لِئَلَّا أُجَابَ بِمَا أَكْرَهُ
وَأُغْضِي عَلَى الْكَلِمِ الْمُحْفِظَا
… ت وَأَحْلُمُ وَالْحِلْمُ بِي أَشْبَهُ
فَلَا تَغْتَرِرْ بِرُوَاءِ الرِّجَا
… لِ وَمَا زَخْرَفُوا لَكَ أَوْ مَوَّهُوا
فَكَمْ مِنْ فَتًى يُعْجِبُ النَّاظِرِيـ
… نَ لَهُ أَلَسْنٌ وَلَهُ أَوْجُهُ
يَنَامُ إِذَا حَضَرَ الْمَكْرُمَا
… تِ وَعِنْدَ الدَّنَاءَةِ يَسْتَنْبِهُ
১৮ - আবু সাঈদ আল-মাদানি আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, উবাইদ বিন আবিল হুলাইল আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:
নিশ্চয়ই আমি কুরুচিপূর্ণ কথা পরিহার করি
… পাছে আমাকে এমন উত্তর দেওয়া হয় যা আমি অপছন্দ করি
আমি ক্রোধোদ্দীপক কথাগুলো উপেক্ষা করি
… এবং সহনশীলতা অবলম্বন করি, আর সহনশীলতাই আমার জন্য অধিক শোভনীয়
সুতরাং তুমি পুরুষদের বাহ্যিক চাকচিক্য
… এবং তারা তোমার সামনে যা অলংকৃত বা ধোঁয়াশাপূর্ণ করেছে তা দেখে ধোঁকায় পড়ো না
কারণ এমন কতই না যুবক আছে যারা দর্শকদের মুগ্ধ করে
… যাদের রয়েছে বাকপটু জিহ্বা এবং (সুন্দর) চেহারা
যখন মহানুভবতার কাজ উপস্থিত হয় তখন সে ঘুমিয়ে থাকে
… আর যখন নীচতার বিষয় আসে তখন সে সচেতন হয়ে ওঠে
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣١)
19 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى " {يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا} [الفرقان: 63] قَالَ: «الْهَوْنُ فِي كَلَامِ الْعَرَبِ اللِّينُ وَالسَّكِينَةُ وَالْوَقَارُ»
১৯ - আলী ইবনুল জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুবারক ইবনে ফাদালা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান থেকে, মহান আল্লাহর এই বাণী প্রসঙ্গে: "{তারা জমিনের ওপর নম্রভাবে চলাফেরা করে}" [আল-ফুরকান: ৬৩], তিনি বলেন: "আরবদের ভাষায় 'হাওন' এর অর্থ হলো কোমলতা, প্রশান্তি ও গাম্ভীর্য।"
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
20 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادِ بْنِ مُوسَى، أَنَا عَمِّي، خَلِيفَةُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الشَّرْقِيِّ بْنِ الْقَطَّامِيِّ، قَالَ قَالَ الْأَفْوَهُ بْنُ مَالِكٍ الْأَزْدِيُّ: «الْحِلْمُ مَعْجَزَةٌ عَنِ الْغَيْظِ، وَالْفُحْشِ، مِنَ الْعِيِّ، وَالْعِيُّ مَهْدَمَةٌ لِلثَّنَاءِ وَمِنْ خَيْرِ مَا ظَفِرَ بِهِ الرِّجَالُ اللِّسَانُ الْحَسَنُ وَفِي تَرْكِ الْمِرَاءِ رَاحَةُ الْبُدْنِ»
২০ - মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ ইবনে মুসা আমাকে বর্ণনা করেছেন, আমার চাচা খালিফা ইবনে মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আশ-শারকি ইবনুল কাত্তামি থেকে, তিনি বলেন, আল-আফওয়াহ ইবনে মালিক আল-আজদি বলেছেন: «সহনশীলতা হলো ক্রোধের ক্ষেত্রে অক্ষমতা স্বরূপ, আর অশ্লীলতা হলো বাকজড়তার অন্তর্ভুক্ত। বাকজড়তা প্রশংসাকে ধ্বংস করে। আর পুরুষরা যা লাভ করে তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো সুন্দর জবান এবং বিতর্ক বর্জনের মধ্যে শরীরের প্রশান্তি রয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
خَصْلَتَانِ يُحِبُّهُمَا اللَّهُ الْحِلْمُ وَالْأَنَاةُ
দুটি স্বভাব যা আল্লাহ পছন্দ করেন: সহিষ্ণুতা ও ধীরস্থিরতা
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
21 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، نا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، نَا قَرَّةُ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِأَشَجِّ عَبْدِ الْقَيْسِ: «إِنَّ فِيكَ خَصْلَتَيْنِ يُحِبُّهُمَا اللَّهُ الْحِلْمُ، وَالْأَنَاةُ»
২১ - ইবরাহীম ইবন সাঈদ আল-জাওহারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবন আবদুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনুল মুফাদদাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জামরাহ থেকে বর্ণিত, ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশাজ্জ আবদুল কায়সকে বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমার মধ্যে এমন দুটি গুণ রয়েছে যা আল্লাহ ভালোবাসেন: সহনশীলতা ও ধীরস্থিরতা।»
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
22 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، نا عَبْدُ الْعَزِيزِ الْقُرَشِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ مُعَاوِيَةُ، لِعَمْرِو بْنِ الْأَهْتَمِ: أَيُّ الرِّجَالِ أَشْجَعُ؟ قَالَ: مَنْ رَدَّ جَهْلَهُ بِحِلْمِهِ، قَالَ: أَيُّ الرِّجَالِ أَسْمَى؟ قَالَ: مَنْ بَذَلَ دُنْيَاهُ فِي صَلَاحِ دِينِهِ "
২২ - ইবরাহীম ইবনে সাঈদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আযীয আল-কুরাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি বলেন, মুয়াবিয়া আমর ইবনুল আহতামকে জিজ্ঞেস করলেন: কোন ব্যক্তি সবচেয়ে সাহসী? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি তার সহনশীলতার দ্বারা নিজের মূর্খতাকে প্রতিহত করে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: কোন ব্যক্তি সবচেয়ে উচ্চমর্যাদাবান? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি তার দ্বীনের সংশোধনের জন্য নিজের দুনিয়াকে উৎসর্গ করে।
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
فَضِيلَةُ السُّكُوتُ عَنِ السَّفِيهِ
নির্বোধের প্রতি নীরবতা অবলম্বনের ফযীলত
(খণ্ড: ১)
আল-হিলমু লি-ইবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
23 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ بَشِيرٍ، قَالَ: أَنْشَدَ رَجُلٌ، مِسْعَرَ بْنَ كِدَامٍ:
لَا تَرْجِعَنَّ إِلَى السَّفِيهِ خِطَابَهُ
… إِلَّا جَوَابَ تَحِيَّةٍ حَيَّاكَهَا
فَمَتَى تُحَرِّكْهُ تُحَرِّكْ جِيفَةً
… تَزْدَادُ نَتْنًا إِنْ أَرَدْتَ حِرَاكَهَا
২৩ - আবদুর রহমান বিন সালিহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন বাশির আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি মিসআর বিন কিদামকে আবৃত্তি করে শোনালেন:
তুমি নির্বোধের কথার কোনো উত্তর দিও না
… সে তোমাকে যে অভিবাদন জানিয়েছে তার উত্তর প্রদান ব্যতীত।
কেননা যখনই তুমি তাকে নাড়াচাড়া করবে, তুমি যেন একটি পচা মৃতদেহকেই নাড়াচাড়া করলে
… তুমি যদি তাকে নাড়াতে চাও, তবে তার দুর্গন্ধ কেবল বৃদ্ধিই পাবে।