(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: -)
البر والصلة للحسين بن حرب   (الحسين بن حرب)

القسم: كتب السنة


الكتاب: البر والصلة (عن ابن المبارك وغيره)

المؤلف: أبو عبد الله الحسين بن الحسن بن حرب السلمي المروزي (ت 246هـ)

المحقق: د. محمد سعيد بخاري

الناشر: دار الوطن - الرياض

الطبعة: الأولى، 1419

عدد الصفحات: 182

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-হুসাইন বিন হারব-এর আল-বিররু ওয়াস-সিলাহ   (আল-হুসাইন বিন হারব)

বিভাগ: হাদিসের কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আল-বিররু ওয়াস-সিলাহ (ইবনুল মুবারক ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণিত)

লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন হারব আস-সুলামি আল-মারওয়াযি (মৃত্যু ২৪৬ হিজরি)

তাহকিক: ড. মুহাম্মদ সাঈদ বুখারি

প্রকাশক: দারুল ওয়াতান - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৯

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮২

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١)
1 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ وَمُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ ابْنَ مَسْعُودٍ: أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ فَقَالَ: سَأَلْتَنِي عَمَّا سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «الصَّلَاةُ لِوَقْتِهَا، وَبِرُّ الْوَالِدَيْنِ، وَالْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুবারক এবং মুহাম্মাদ বিন উবাইদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাঈল বিন আবূ খালিদ, তিনি আওন বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি ইবনে মাসউদকে জিজ্ঞাসা করলেন: কোন আমলটি সর্বোত্তম? তিনি বললেন: তুমি আমাকে সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছো যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন: «যথাসময়ে সালাত আদায় করা, পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করা এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করা»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٢)
2 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ الْعَيْزَارِ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: «الصَّلَاةُ لِمِيقَاتِهَا» ، قُلْتُ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «بِرُّ الْوَالِدَيْنِ» ، قُلْتُ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «ثُمّ الجِهَادٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» قَالَ: ثُمَّ سَكَتُّ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَلَوِ اسْتَزَدْتُهُ لَزَادَنِي
২ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মাসউদী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনুল আয়যার থেকে, তিনি আবু আমর আশ-শায়বানী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলাম: কোন আমলটি সর্বোত্তম? তিনি বললেন: «নামাজ তার নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা», আমি বললাম: এরপর কোনটি? তিনি বললেন: «পিতামাতার প্রতি সদাচার», আমি বললাম: এরপর কোনটি? তিনি বললেন: «অতঃপর আল্লাহর পথে জিহাদ»। তিনি (ইবনে মাসউদ) বললেন: এরপর আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট নীরব থাকলাম; আমি যদি তাঁর কাছে আরও জানতে চাইতাম, তবে তিনি অবশ্যই আমার জন্য আরও বৃদ্ধি করতেন।
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٣)
3 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ شَيْخٍ لَهُ سَمَّاهُ ⦗ص: 4⦘، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، سَمِعَهُ مِنْ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، يَقُولُ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: «إِيمَانٌ بِاللَّهِ، وَجِهَادٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» قُلْتُ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: «الصَّلَاةُ لِوَقْتِهَا» . قُلْتُ: ثُمَّ أَيٌّ؟ فَقَالَ: «بِرُّ الْوَالِدَيْنِ» ، قُلْتُ: فَأَيُّ الْعَمَلِ أَشَرُّ؟ قَالَ: «أَنْ تَجْعَلَ لِلَّهِ نِدًّا وَقدْ خَلَقَكَ» ، قُلْتُ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: «أَنْ تَقْتُلَ وَلَدَكَ مِنْ أَجْلِ أَنْ يَأْكُلَ مَعَكَ» ، قُلْتُ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: «أَنْ تُزَانِيَ حَلِيلَةَ جَارِكَ» ثُمَّ قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " {وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ} [الفرقان: 68] "
৩ - আল-হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তাঁর জনৈক উস্তাদ থেকে যার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৪⦘, তিনি আবু আমর আশ-শাইবানী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম: কোন আমলটি সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন: «আল্লাহর প্রতি ঈমান এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করা»। আমি বললাম: এরপর কোনটি? তিনি বললেন: «ঠিক সময়ে সালাত আদায় করা»। আমি বললাম: এরপর কোনটি? তিনি বললেন: «পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা»। আমি বললাম: তবে কোন আমলটি সবচেয়ে নিকৃষ্ট? তিনি বললেন: «আল্লাহর সাথে কাউকে সমকক্ষ সাব্যস্ত করা, অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন»। আমি বললাম: এরপর কোনটি? তিনি বললেন: «তোমার সাথে আহার করবে এই আশঙ্কায় তোমার সন্তানকে হত্যা করা»। আমি বললাম: এরপর কোনটি? তিনি বললেন: «তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করা»। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেন: "{এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্যকে ডাকে না এবং আল্লাহ যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং তারা ব্যভিচার করে না} [আল-ফুরকান: ৬৮]"
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٥)
4 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ أَبَرُّ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» ، قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» ، قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «ثُمَّ أَبَاكَ، ثُمَّ الْأَقْرَبَ فَالْأَقْرَبَ»
৪ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বাহয ইবনে হাকিম আমাদের নিকট তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কার প্রতি সদাচরণ করব? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি», আমি বললাম: তারপর কার প্রতি? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি», আমি বললাম: তারপর কার প্রতি? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি», আমি বললাম: তারপর কার প্রতি? তিনি বললেন: «তারপর তোমার পিতার প্রতি, এরপর পর্যায়ক্রমে যারা অধিকতর নিকটাত্মীয় তাদের প্রতি»।
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٥)
5 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّ الْعُلَمَاءَ كَانُوا يَقُولُونَ: «حَقُّ الْأُمِّ أَفْضَلُ مِنْ حَقِّ الْأَبِ وَلكلٍّ حَقٌّ»
৫ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইবনে লাহিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াযীদ ইবনে আবী হাবীব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আলেমগণ বলতেন: “মায়ের হক পিতার হকের চেয়ে শ্রেষ্ঠ এবং প্রত্যেকেরই হক রয়েছে।”
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٦)
6 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: مَا تَأْمُرُنِي؟ قَالَ: «بِرَّ أُمَّكَ» ، ثُمَّ عَادَ فَقَالَ: «بِرَّ أُمَّكَ» ، ثُمَّ عَادَ فَقَالَ: «بِرَّ أُمَّكَ» ، ثُمَّ عَادَ فَقَالَ: «بِرَّ أَبَاكَ»
৬ - আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু যুরআহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরাইরা থেকে, তিনি বলেছেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: আপনি আমাকে কী নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি সদাচরণ করো», এরপর তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, তখন তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি সদাচরণ করো», এরপর তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, তখন তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি সদাচরণ করো», এরপর তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, তখন তিনি বললেন: «তোমার পিতার প্রতি সদাচরণ করো»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٦)
7 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ النَّاجِيِّ، أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ وَالِدَيَّ أَعْظَمُ عَلَيَّ حَقًّا؟ قَالَ: «كِلَاهُمَا» ثُمَّ عَادَ فَقَالَ: «كِلَاهُمَا» ثُمَّ عَادَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ وَالِدِيَّ أَعْظَمُ عَلَيَّ حَقًّا؟ قَالَ: «أُمُّكَ»
৭ - আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনুল মুবারক সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে মুসলিম বর্ণনা করেছেন, আবু আল-মুতাওয়াক্কিল আন-নাজি থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতার মধ্যে কার হক আমার ওপর সবচেয়ে বেশি? তিনি বললেন: «উভয়েরই», এরপর তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: «উভয়েরই», অতঃপর তিনি পুনরায় বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতার মধ্যে কার হক আমার ওপর সবচেয়ে বেশি? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٧)
8 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، - أَوْ قَالَ: رَجُلٌ ، عَنْ هِشَامٍ - عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ الْحُسَيْنُ: الشَّكُّ مِنِّي قَالَ: «لِلْأُمِّ الثُّلُثَانِ مِنَ الْبِرِّ وَالطَّاعَةِ، وَلِلْأَبِ الثُّلُثُ»
৮ - আমাদের নিকট আল-হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হিশাম বর্ণনা করেছেন — অথবা তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন — আল-হাসান থেকে বর্ণিত, আল-হুসাইন বলেন: এই সন্দেহটি আমার পক্ষ থেকে; তিনি (আল-হাসান) বলেন: “সদ্ব্যবহার ও আনুগত্যের দুই-তৃতীয়াংশ মায়ের প্রাপ্য এবং এক-তৃতীয়াংশ পিতার প্রাপ্য।”
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٧)
9 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا مُؤَمَّلٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، قَالَ: قُلْتُ لِلشَّعْبِيِّ: الْأُمُّ وَالْأَبُ فِي الْبِرِّ سَوَاءٌ؟ قَالَ: «الْأُمُّ أَحَقُّ»
৯ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুয়াম্মিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বানী থেকে, তিনি বলেন: আমি শা'বীকে বললাম: সদাচরণের ক্ষেত্রে কি মাতা ও পিতা সমান? তিনি বললেন: "মাতা অধিক হকদার।"
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٧)
10 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنِ الْبِرِّ وَالْعُقُوقِ، فَقَالَ: «الْبِرُّ أَنْ تَبْذُلَ لَهُمَا مَا مَلَكْتَ، وَأَنْ تُطِيعَهُمَا فِيمَا أَمَرَاكَ بِهِ مَا لَمْ يَأْمُرَاكَ بِمَعْصِيَةِ اللَّهِ، وَالْعُقُوقُ أَنْ تَهْجُرَهُمَا وَتَحْرِمَهُمَا»
১০ - আমাদের নিকট আল-হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের ইবনুল মুবারক সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হিশাম আমাদের নিকট হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁকে পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ ও অবাধ্যতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: «সদাচরণ হলো তোমার যা কিছু মালিকানায় আছে তা তাঁদের জন্য ব্যয় করা এবং তাঁরা তোমাকে যা আদেশ করেন তাতে তাঁদের আনুগত্য করা, যতক্ষণ না তাঁরা আল্লাহর অবাধ্যতার আদেশ দেন। আর অবাধ্যতা হলো তাঁদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং তাঁদেরকে বঞ্চিত করা।»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٨)
11 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، فِي قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ} [الإسراء: 24] قَالَ: «لَا تَمْتَنِعُ مِنْ شَيْءٍ أَرَادَاهُ»
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল মুবারক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: {এবং দয়াপরবশ হয়ে তাদের প্রতি বিনয়ের ডানা অবনমিত কর} [আল-ইসরা: ২৪]। তিনি বলেন: «তাঁরা যা কিছু কামনা করেন, তা থেকে তুমি নিজেকে বিরত রাখবে না (অর্থাৎ তাঁদের প্রতিটি ইচ্ছা পূরণ করবে)»।
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٨)
12 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، قَالَ: قَالَ لِي أَبِي: هَلْ تَدْرِي مَا قَوْلُهُ: {وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحِ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ} [الإسراء: 24] «أَنْ لَا تَمْتَنِعَ مِنْ شَيْءٍ أَرَادَاهُ»
১২ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে যাকারিয়া, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি যায়িদাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বললেন: তুমি কি জানো মহান আল্লাহর এই বাণীর অর্থ কী: {আর তাদের প্রতি দয়া ও নম্রতার ডানা নত করো} [আল-ইসরা: ২৪]? (এর অর্থ হলো) তারা যা কিছু করতে চান, তুমি তার কোনো কিছুতেই বাধা দেবে না।
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٨)
13 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْوَلِيدِ الْوَصَّافِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءً يَقُولُ فِيهَا: «لَا تَرْفَعْ يَدَكَ عَلَيْهِمَا»
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনুল ওয়ালীদ আল-ওয়াসসাফী, তিনি বলেন: আমি আতাকে এ বিষয়ে বলতে শুনেছি: "তুমি তাদের উভয়ের ওপর তোমার হাত তুলবে না।"
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٩)
14 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، قَالَ: " دَخَلَ دَاخِلٌ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ وَهُوَ عِنْدَ أُمِّهِ فَقَالَ: مَا شَأْنُ مُحَمَّدٍ أَيَشْتَكِي شَيْئًا؟ قَالُوا: لَا، وَلَكِنْ هَكَذَا يَكُونُ إِذَا كَانَ عِنْدَ أُمِّهِ "
১৪ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আওন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "এক ব্যক্তি মুহাম্মদ ইবনে সিরিনের নিকট প্রবেশ করলেন যখন তিনি তাঁর মায়ের নিকট ছিলেন। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন: মুহাম্মদের কী হয়েছে? তিনি কি কোনো অসুস্থতায় ভুগছেন? তাঁরা বললেন: না, বরং তিনি যখন তাঁর মায়ের নিকট থাকেন তখন এমনই হয়ে থাকেন।"
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ٩)
15 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا حَزْمُ بْنُ مِهْرَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَارَةُ الْمِعْوَلِيُّ، قَالَ: سَأَلْتُ الْحَسَنَ: مَا الْبِرُّ؟ قَالَ: «الْحُبُّ وَالْبَذْلُ» فَقُلْتُ: مَا الْعُقُوقُ؟ قَالَ: «أَنْ تُحْرِمَهُمَا وَتَهْجُرَهُمَا» ، ثُمَّ قَالَ: «وَيْحَكَ، مَا شَعَرْتَ أَنَّ نَظَرَكَ فِي وَجْهِ وَالِدَيْكَ عِبَادَةٌ؟ فَكَيْفَ بِالْبِرِّ بِهِمَا؟»
১৫ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফাযল ইবনে মূসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাযম ইবনে মিহরান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমারা আল-মিউয়ালী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাসানকে জিজ্ঞাসা করলাম: সদাচরণ কী? তিনি বললেন: «ভালোবাসা ও অকাতরে দান করা»। আমি বললাম: অবাধ্যতা কী? তিনি বললেন: «তাদেরকে বঞ্চিত করা এবং তাদের পরিত্যাগ করা»। অতঃপর তিনি বললেন: «তোমার জন্য আফসোস! তুমি কি উপলব্ধি করোনি যে তোমার পিতামাতার চেহারার দিকে তাকানোই একটি ইবাদত? তাহলে তাদের প্রতি সদাচরণ করার বিষয়টি কত মহান হবে?»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٠)
16 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَحْوَصُ بْنُ جَوَّابٍ الضَّبِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ رُزَيْقٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، قَالَ: وَكَانَ ابْنُ شُبْرُمَةَ عَمَّهُ ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ أَحَقُّ النَّاسِ مِنِّي بِحُسْنِ الصُّحْبَةِ؟ قَالَ: «أُمُّكَ» قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «ثُمَّ أُمُّكَ» فَقُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «أُمُّكَ» ثَلَاثًا قُلْتُ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «ثُمَّ أَبَاكَ»
১৬ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-আহওয়াস ইবনে জাওয়াব আদ-দাব্বি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আম্মার ইবনে রুজাইক, উমারাহ ইবনুল কা'কা' থেকে বর্ণিত—আর ইবনে শুবরুমাহ ছিলেন তাঁর চাচা—তিনি আবু জুরআহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার নিকট থেকে উত্তম সাহচর্য পাওয়ার সর্বাধিক হকদার কে? তিনি বললেন: "তোমার মা।" আমি বললাম: তারপর কে? তিনি বললেন: "তারপর তোমার মা।" আমি পুনরায় বললাম: তারপর কে? তিনি বললেন: "তোমার মা"—এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। আমি বললাম: তারপর কে? তিনি বললেন: "তারপর তোমার পিতা।"
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٠)
17 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ⦗ص: 11⦘ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مَنْصُورِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، اخْتَصَمَ إِلَيْهِ رَجُلٌ وَابْنُهُ، فَقَالَ عُمَرُ حِينَ جَلَسَا بَيْنَ يَدَيْهِ: «أَمَا لِهَذَا أَحَدٌ» ؟ أَيْ لِلِابْنِ يَجْلِسُ مَعَ أَبِيهِ، فَقَامَ عَمهُ فَجَلَسَ مَكَانَ أَبِيهِ، فَخَاصَمَ عَنِ ابْنِهِ. قَالَ الْحُسَيْنُ: تَعْظِيمًا لِأَبِيهِ
১৭ - আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ⦗পৃষ্ঠা: ১১⦘ আবদুর রহমান আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন মানসুর বিন আবদুর রহমানের সূত্রে যে, উমর বিন আবদুল আজিজের নিকট এক ব্যক্তি ও তার পুত্র একটি বিবাদ নিয়ে উপস্থিত হলো। যখন তারা উভয়ে তাঁর সম্মুখে বসলেন, তখন উমর বললেন: “এই ব্যক্তির জন্য কি কেউ নেই?” অর্থাৎ সেই পুত্রের জন্য যে তার পিতার সাথে (প্রতিপক্ষ হিসেবে) বসেছিল। তখন তার চাচা উঠে দাঁড়ালেন এবং তার পিতার স্থানে বসলেন, অতঃপর তিনি তার ভাতিজার পক্ষ হয়ে বিবাদ (যুক্তি পেশ) করলেন। আল-হুসাইন বলেন: (এটি করা হয়েছিল) তার পিতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য।
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١١)
18 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «انْتَهَتِ الْقَطِيعَةُ إِلَى أَنْ يُجَالِسَ الرَّجُلُ أَبَاهُ عِنْدَ السُّلْطَانِ»
১৮ - আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ থেকে, তিনি আল-হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, একজন লোক তার পিতার সাথে কেবল সুলতানের নিকটই একত্রে বসে।»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١١)
19 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ مُوَرِّقًا، «كَانَ يَفْلِي رَأْسَ أُمِّهِ»
১৯ - আল-হুসাইন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মু'তামির ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, মুওয়াররিক তাঁর মায়ের মাথার উকুন বেছে দিতেন।
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١١)
20 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: «لَا يَؤُمُّ الرَّجُلُ أَبَاهُ وَإِنْ كَانَ أَفْقَهَ مِنْهُ»
২০ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে জুরাইজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আতা থেকে, তিনি বলেন: "কোনো ব্যক্তি তার পিতার ইমামতি করবে না, যদিও সে তার চেয়ে অধিক ফকীহ হয়।"
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٢)
21 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عُرْوَةَ، قَالَ: «مَا بَرَّ وَالِدَهُ مَنْ شَدَّ» قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: الطَّرْفَ إِلَيْهِ. وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: الْبَصَرَ إِلَيْهِ.

 

22 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا الْمُؤَمَّلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ نَحْوَهُ
২১ - আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ এবং আবদুর রহমান ইবনে মাহদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «সে ব্যক্তি তার পিতার প্রতি সদাচার করেনি, যে (তার দিকে) তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়েছে»। আবদুল্লাহ বলেন: তার দিকে চোখের পলক (স্থির করে)। আর আবদুর রহমান বলেন: তার দিকে দৃষ্টি (নিবদ্ধ করে)।

 

২২ - আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মুআম্মাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান এই সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٢)
23 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يَكُونُ لَهُ وَالِدَانِ أَيَخْرُجُ لِلتِّجَارَةِ؟ قَالَ: «إِنْ كَانَتْ لَهُ مِنْهَا مَنْدُوحَةٌ فَلَا يَخْرُجْ»
২৩ - আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জাফর বিন সুলায়মান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশামের সূত্রে হাসান থেকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যার পিতা-মাতা জীবিত আছেন—সে কি ব্যবসার উদ্দেশ্যে বের হতে পারে? তিনি বললেন: «যদি তার নিকট এ থেকে কোনো বিকল্প ব্যবস্থা থাকে, তবে সে যেন বের না হয়।»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٣)
24 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ ذَكْوَانَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ، قَالَ: رَآنِي عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَأَنَا أَمْشِي، إِلَى جَنْبِ أَبِي فَقَالَ: «لَا تَمْشِ إِلَى جَنْبِ أَبِيكَ، إِنَّمَا يَنْبَغِي لَكَ أَنْ تَمْشِيَ وَرَاءَهُ» ، قَالَ: فَإِنِّي أَتَوَكُّأُ عَلَى يَدِهِ. قَالَ: «فَهَاهُ»
২৪ - আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে যাকওয়ান বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদ আল-কারি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর ইবনে আবদুল আজিজ আমাকে আমার পিতার পাশে হাঁটতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন: «তোমার পিতার পাশে হেঁটো না, বরং তোমার জন্য সমীচীন হলো তার পেছনে হাঁটা», তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: আমি তো তাঁর হাতের ওপর ভর দিয়ে হাঁটছিলাম। তিনি (উমর) বললেন: «তবে তো ঠিক আছে»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٣)
25 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا دَاوُدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، فِي قَوْلِهِ عز وجل: {رَبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَا فِي نُفُوسِكُمْ إِنْ تَكُونُوا صَالِحِينَ} [الإسراء: 25] قَالَ: «تَكُونُ الْبَادِرَةُ مِنَ الْوَلَدِ إِلَى الْوَالِدِ» . وَقَالَ اللَّهُ عز وجل: {إِنْ تَكُونُوا صَالِحِينَ} [الإسراء: 25] قَالَ: «أَنْ تَكُونَ النِّيَّةُ صَادِقَةً» ، {فَإِنَّهُ كَانَ لِلْأَوَّابِينَ غَفُورًا} [الإسراء: 25] «لِلْبَادِرَةِ الَّتِي بَدَرَتْ مِنْهُ»
২৫ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে ইয়াজিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাবীব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন: {তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে অধিক অবগত; যদি তোমরা সৎকর্মপরায়ণ হও} [আল-ইসরা: ২৫]। তিনি বলেন: «সন্তানের পক্ষ থেকে পিতা-মাতার প্রতি কোনো অসংযত আচরণ বা রূঢ় কথা প্রকাশ পেয়ে যেতে পারে»। আর মহান আল্লাহ বলেছেন: {যদি তোমরা সৎকর্মপরায়ণ হও} [আল-ইসরা: ২৫]। তিনি বলেন: «অর্থাৎ নিয়ত বা সংকল্প সত্যনিষ্ঠ হওয়া», {তবে তিনি তওবাকারীদের প্রতি ক্ষমাশীল} [আল-ইসরা: ২৫] «তার পক্ষ থেকে যে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ প্রকাশ পেয়েছিল সেটির জন্য»।
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٤)
26 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، فِي قَوْلِهِ عز وجل: " {إِنَّهُ كَانَ لِلْأَوَّابِينَ غَفُورًا} قَالَ: هُوَ الَّذِي يَنْدَمُ، ثُمَّ يُصِيبُ، ثُمَّ يَنْدَمُ، ثُمَّ يُصِيبُ، ثُمَّ يَتُوبُ "
২৬ - আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে: "নিশ্চয়ই তিনি প্রত্যাবর্তনকারীদের জন্য পরম ক্ষমাশীল।" তিনি বলেন: "তিনি হলেন সেই ব্যক্তি যিনি অনুতপ্ত হন, অতঃপর পাপে লিপ্ত হন, পুনরায় অনুতপ্ত হন, পুনরায় পাপে লিপ্ত হন, অতঃপর তাওবা করেন।"
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٤)
27 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنِ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: «هُمُ الرَّجَّاعُونَ إِلَى التَّوْبَةِ»
২৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল মুবারাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম, আবু বিশর হতে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «তারা হলো তওবার দিকে বারবার প্রত্যাবর্তনকারী»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٤)
28 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ: قَالَ لِي مُجَاهِدٌ: «لَا يَرْفَعْ وَلَدٌ يَدَ وَالِدِهِ عَنْهُ يَدَعُهُ يَصْنَعُ بِهِ مَا شَاءَ»
২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুশাইম, আল-আওয়াম ইবনুল হাওশাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মুজাহিদ আমাকে বলেছেন: “কোনো সন্তান যেন তার ওপর থেকে তার পিতার হাত সরিয়ে না দেয়; বরং সে তাকে তার সাথে যা ইচ্ছা তা করার জন্য ছেড়ে দেবে।”
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٤)
29 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: «بَلَغَنَا أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، لَمْ يَكُنْ يَحُجُّ حَتَّى مَاتَتْ أُمُّهُ لِصُحْبَتِهَا»
২৯ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউনুস আমাদের নিকট যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আবু হুরায়রা (রা.) তাঁর মায়ের সাহচর্যের কারণে তিনি মারা না যাওয়া পর্যন্ত হজ্জ করেননি।»
(খণ্ড: ১) আল-বিররু ওয়াস সিলাতু লিল-হুসাইন বিন হারব (পৃষ্ঠা: ١٥)
30 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي رَجُلٌ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، " كَانَ إِذَا غَدَا مِنْ مَنْزِلِهِ لَبِسَ ثِيَابَهُ ثُمَّ وَقَفَ عَلَى أُمِّهِ فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أُمَّتَاهُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، جَزَاكِ اللَّهُ عنِّي خَيْرًا كَمَا رَبَّيْتِنِي صَغِيرًا، فَتَرُدُّ عَلَيْهِ: وَأَنْتَ يَا بُنَيَّ، فَجَزَاكَ اللَّهُ عَنِّي خَيْرًا، كَمَا بَرَرْتَنِي كَبِيرَةً. ثُمَّ يَخْرُجُ، فَإِذَا رَجَعَ قَالَ مِثْلَ ذَلِكَ "
৩০ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে কায়স আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু হুরায়রা (রা.) যখন সকালে নিজ ঘর থেকে বের হতেন, তখন পোশাক পরিধান করে তাঁর মায়ের কাছে গিয়ে দাঁড়াতেন এবং বলতেন: হে জননী! আপনার ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আপনি আমাকে শৈশবে যেভাবে লালন-পালন করেছেন, তার বিনিময়ে আল্লাহ আপনাকে আমার পক্ষ থেকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। তখন তাঁর মা উত্তরে বলতেন: হে আমার বৎস! তোমার ওপরও (অনুরূপ শান্তি বর্ষিত হোক), আল্লাহ তোমাকে আমার পক্ষ থেকে উত্তম প্রতিদান দান করুন যেমনটি তুমি আমার বার্ধক্যে আমার প্রতি সদ্ব্যবহার করেছ। অতঃপর তিনি বের হয়ে যেতেন এবং পুনরায় যখন ফিরে আসতেন, তখনও ঠিক অনুরূপ বলতেন।