(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: -)
الأوهام التي في مدخل الحاكم للأزدي القسم: كتب السنة
الكتاب: الأوهام التي في مدخل أبي عبد الله الحاكم النيسابوري
المؤلف: أبو محمد عبد الغني بن سعيد بن علي بن بشر بن مروان الأزدي المصري (ت 409هـ)
المحقق: مشهور حسن محمود سلمان
الناشر: مكتبة المنار - الزرقاء - الأردن
الطبعة: الأولى، 1407
عدد الصفحات: 142
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-হাকিম রচিত ‘মাদখাল’-এর ভুলসমূহ (আজদী কৃত) বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু আব্দুল্লাহ হাকিম নিশাপুরী রচিত মাদখাল-এ বিদ্যমান ভুলসমূহ
লেখক: আবু মুহাম্মদ আব্দুল গণি বিন সাঈদ বিন আলী বিন বিশর বিন মারওয়ান আল-আজদী আল-মিসরী (মৃত্যু ৪০৯ হিজরি)
তাহকিক: মাশহুর হাসান মাহমুদ সালমান
প্রকাশক: মাকতাবাতুল মানার - যারকা - জর্ডান
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৭
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪২
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: -)
الْأَوْهَامُ الَّتِي فِي مَدْخَلِ الْحَاكِمِ لْلْأَزْدِيِّ
আল-হাকিমের ‘মাদখাল’ গ্রন্থে বিদ্যমান ভুলত্রুটিসমূহ — আল-আজদি কৃত
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ كَمَا يَنْبَغِي لَهُ وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِهِ وَإِيَّاهُ أَسْأَلُ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَى مُحَمَّدٍ نَبِيِّهِ وَأَهْلِ بَيْتِهِ الطَّيِّبِينَ وَأَنْ يُسَلِّمَ عَلَيْهِ وَعَلَيْهِمْ تَسْلِيمًا، أَمَّا بَعْدُ فَإِنِّي نَظَرْتُ فِي كِتَابِ الْمَدْخَلِ الَّذِي صَنَّفَهُ الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّيْسَابُورِيُّ مَعَ أَبِي سَعِيدٍ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ السِّجْزِيِّ، فَإِذَا فِيهِ أَغْلَاطٌ وَتَصْحِيفَاتٌ أَعْظَمْتُ أَنْ تَكُونَ غَابَتْ عَنْهُ وَأَكْثَرْتُ جَوَازَهَا عَلَيْهِ وَجَوَّزْتُ أَنْ يَكُونَ ذَلِكَ جَرَى مِنْ ناقلِ الْكِتَابِ لَهُ أَوْ حَامِلِهِ عَنْهُ مَعَ أَنَّهُ لَا يُعَرَّى بَشَرٌ مِنَ السَّهْوِ وَالْغَلَطِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যেভাবে তাঁর জন্য সমীচীন এবং আমার তাওফিক কেবল তাঁরই মাধ্যমে। আমি তাঁর নিকটই প্রার্থনা করি যেন তিনি তাঁর নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পবিত্র পরিবারবর্গের উপর রহমত ও পূর্ণ শান্তি বর্ষণ করেন। অতঃপর, আমি হাকেম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আন-নাইসাবুরি এবং আবু সাঈদ উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আস-সিজজি কর্তৃক সংকলিত 'আল-মাদখাল' নামক গ্রন্থটি পাঠ করেছি। সেখানে আমি এমন কিছু ভুল ও বর্ণগত বিকৃতি লক্ষ্য করেছি যা তাঁর নজর এড়িয়ে যাওয়া আমার নিকট গুরুতর মনে হয়েছে, যদিও তাঁর ক্ষেত্রে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা আমি উড়িয়ে দিই না। আমি এটিও সম্ভবপর মনে করি যে, এসব হয়তো কিতাবটির অনুলিপিকারক বা বর্ণনাকারীর পক্ষ থেকে ঘটেছে; তা সত্ত্বেও কোনো মানুষই ভুল ও বিচ্যুতি থেকে মুক্ত নয়।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
فَاسْتَخَرْتُ اللَّهَ تَعَالَى وَجَرَّدْتُ ذَلِكَ فِي هَذِهِ الْأَوْرَاقِ وَبَيَّنْتُهُ وَأَوْضَحْتُهُ وَاسْتَشْهَدْتُ عَلَيْهِ بِأَقَاوِيلِ الْعُلَمَاءِ مُجْتَهِدًا فِي تَصْحِيحِهِ مُتَوَخِّيًا إِظْهَارَ الصَّوَابِ فِيهِ، وَبِاللَّهِ أَسْتَعِينُ وَإِيَّاهُ أَسْأَلُ السَّدَادَ وَالتَّوْفِيقَ بِمَنِّهِ وَكَرَمِهِ فَمِنْ ذَلِكَ حَدِيثٌ سَقَطَ مِنْ إِسْنَادِهِ رَجُلٌ، وَهُوَ حَدِيثٌ ذَكَرَهُ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ بُخْتٍ، عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النَّصْرِيِّ، عَنْ وَاثِلَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: أَفْرَى الْفِرَى. وَالْحَدِيثُ مَشْهُورٌ سَقَطَ مِنْهُ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ النَّصْرِيُّ فَلَمْ يَذْكُرْهُ، وَقَالَ فِيهِ عَبْدُ الْوَهَّابِ عَنْ وَاثِلَةَ
অতঃপর আমি মহান আল্লাহর নিকট ইস্তিখারা করলাম এবং এই পৃষ্ঠাগুলোতে তা পৃথকভাবে লিপিবদ্ধ করলাম এবং তা বর্ণনা ও স্পষ্ট করলাম। আর এর স্বপক্ষে আলেমগণের বক্তব্যসমূহ দলিল হিসেবে পেশ করেছি, এটি শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি এবং এতে সঠিক বিষয়টি ফুটিয়ে তোলার সংকল্প করেছি। আর আল্লাহর কাছেই আমি সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট তাঁর অনুগ্রহ ও দয়ায় সঠিক পথ ও তাওফীক প্রার্থনা করি। তো সেগুলোর মধ্যে এমন একটি হাদীস রয়েছে যার সনদ থেকে একজন ব্যক্তি বাদ পড়েছেন। আর সেটি এমন একটি হাদীস যা তিনি আবদুল ওয়াহহাব ইবনে বুখত-এর সূত্রে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আবদুল্লাহ আন-নাসরি থেকে, তিনি ওয়াসিলা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো..."। হাদীসটি প্রসিদ্ধ, তবে এর সনদ থেকে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আবদুল্লাহ আন-নাসরির নাম বাদ পড়েছে, ফলে তিনি তাঁকে উল্লেখ করেননি এবং এতে বলেছেন, আবদুল ওয়াহহাব ওয়াসিলা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ جَعْفَرٍ فِي الضُّعَفَاءِ فَقَالَ: جَعْفَرُ بْنُ أَبَانَ الْمِصْرِيُّ وَسَمَّى شُيُوخَهُ، وَهَذَا رَجُلٌ مَشْهُورٌ بِبَلَدِنَا
এর অন্তর্ভুক্ত হলো: তিনি ‘আদ-দু’আফা’ (দুর্বল বর্ণনাকারী) গ্রন্থের জাফর অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: জাফর ইবনে আবান আল-মিসরি, এবং তিনি তাঁর শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করেছেন; আর এই ব্যক্তি আমাদের ভূখণ্ডে সুপরিচিত।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৫০)
بِالْكَذِبِ كَمَا ذُكِرَ، تَرَكَ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدِيثَهُ فَمَا حَدَّثَ عنه، غير أَنَّهُ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ بَيَانٍ، وَيُعْرَفُ بِابْنِ الْمَاسِحِ، وَلَيْسَ فِي نِسْبَتِهِ أَبَانُ، بِالْأَلِفِ قَبْلَ الْبَاءِ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ فَقَالَ: سُلَيْمَانُ بْنُ يَسَارٍ بِغَيْرِ إِعْجَامٍ أَبُو أَيُّوبَ الْخُرَاسَانِيُّ، حَدَّثَ بِمِصْرَ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، وَعِيسَى بْنِ يُونُسَ، وَأَسَاءَ عَلَيْهِ الثَّنَاءَ فَلَمْ أُنْكِرْ سُوءَ ثَنَائِهِ أَنِّي أَنْكَرْتُ التَّصْحِيفَ فِي اسْمِ أَبِيهِ؛ لِأَنَّهُ بَشَّارٌ بِالْبَاءِ الْمُعْجَمَةِ وَالشِّينِ الْمُعْجَمَةِ، آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ بِمِصْرَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِشْدِينَ وَأَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ كَمُّونَةَ، حَدَّثَنِي أَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْرُورٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يُونُسَ أَنَّهُ ذَكَرَهُ فِي تَارِيخِهِ
উল্লিখিত মিথ্যাচারের অভিযোগে হামজা ইবনে মুহাম্মাদ তার হাদিস পরিত্যাগ করেছেন এবং তার থেকে কোনো বর্ণনা করেননি। তবে তিনি হলেন জাফর ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে বায়ান, যিনি ইবনুল মাসিহ নামে পরিচিত; আর তার নিসবতে (বংশনামে) 'বা'-এর আগে 'আলিফ' সহযোগে 'আবান' নেই। এর অন্তর্ভুক্ত বিষয় হলো: তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসারের অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন যে: সুলাইমান ইবনে ইয়াসার—যাতে কোনো নুকতা নেই—আবু আইয়ুব আল-খুরাসানি; তিনি মিসরে ইবনে উয়াইনা এবং ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি তার অত্যন্ত কড়া সমালোচনা করেছেন। তবে আমি তার এই কড়া সমালোচনার জন্য আপত্তি করছি না, বরং আমি আপত্তি করছি তার পিতার নামের বানান বিভ্রাটের (তাশহিফ) ব্যাপারে; কারণ এটি হলো 'বা' এবং 'শিন'-এ নুকতাযুক্ত 'বাশশার'। মিসরে তার থেকে সর্বশেষ যারা বর্ণনা করেছেন তারা হলেন আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে রুশদিন এবং আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে কামমুনা। আবুল ফাতহ আবদুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাসরুর আমার কাছে আবু সাঈদ আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাকে স্বীয় ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৫১)
، فَقَالَ: سُلَيْمَانُ بْنُ بَشَّارٍ بِالْبَاءِ الْمُعْجَمَةِ بِوَاحِدَةٍ وَالشِّينِ الْمُعْجَمَةِ مَرْوَزِيُّ صَاحِبُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُعَادِلِ، يُكَنَّى أَبَا أَيُّوبَ قَدِمَ مِصْرَ فَحَدَّثَ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ وَهُشَيْمِ بْنِ بَشِيرٍ وَسُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ تُوُفِّيَ بِمِصْرَ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ، قَالَ عَبْدُ الْغَنِيِّ بْنُ سَعِيدٍ: وَمَا ذَكَرَ لَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ فِيهِ شَيْئًا مِنْ حَالِهِ، وَلَا ذَكَرَهُ بِقُوَّةٍ وَلَا ضَعْفٍ
অতঃপর তিনি বললেন: সুলাইমান বিন বাশশার; একক নুকতাযুক্ত 'বা' এবং নুকতাযুক্ত 'শীন' সহযোগে। তিনি মারওয়াজি এবং আব্দুল্লাহ বিন আল-মুয়াদিলের সঙ্গী। তাঁর উপনাম আবু আইয়ুব। তিনি মিশরে আগমন করেন এবং ইবনুল মুবারক, হুশাইম বিন বাশির ও সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে হাদিস বর্ণনা করেন। তিনি দুইশত উনষাট হিজরির শাবান মাসে মিশরে ইন্তেকাল করেন। আব্দুল গনি বিন সাঈদ বলেন: আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ আবু সাঈদ থেকে আমাদের নিকট তাঁর অবস্থা সম্পর্কে কিছুই উল্লেখ করেননি এবং তাঁর নির্ভরযোগ্যতা বা দুর্বলতা সম্পর্কেও কোনো কিছু উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৫১)
حَدَّثَنِي أَبُو رِفَاعَةَ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَاسِينَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ جَرِيرٍ النَّحْوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بَشَّارٍ أَبُو أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنِ الْحَكَمِ وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَتَى عَلَيَّ يَوْمٌ لَا أَزْدَادُ فِيهِ خَيْرًا يُقَرِّبُنِي إِلَى رَبِّي فَلَا بُورِكَ فِي طُلُوعِ الشَّمْسِ ذَلِكَ الْيَوْمَ» ⦗ص: 52⦘ وَقَدْ حَدَّثَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنْ بَقِيَّةَ، وَهُوَ مَشْهُورٌ مِنْ حَدِيثِ بَقِيَّةَ، غَيْرَ أَنَّهُ غَرِيبٌ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنْهُ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ عُرْوَةَ يُقَالُ لَهُ ابْنُ زَذَانَ وَهَذَا وَهْمٌ بَعِيدٌ ⦗ص: 53⦘. هَذَا رَجُلٌ مَشْهُورٌ مِنْ وَلَدِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ حَدَّثَ عَنْهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ بِنُسْخَةٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، فَمِنْ غَرَائِبِهَا
আবু রিফায়া আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াসিন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে জারীর আন-নাহবী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান ইবনে বাশার আবু আইয়ুব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ আল-হাকাম থেকে (যিনি ইবনে আব্দুল্লাহ), তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যদি আমার ওপর এমন কোনো দিন আসে যাতে আমি এমন কোনো কল্যাণ বৃদ্ধি করতে না পারি যা আমাকে আমার রবের নিকটবর্তী করবে, তবে সেই দিনের সূর্যোদয়ে কোনো বরকত নেই» ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ ইয়াজিদ ইবনে হারুন বাকিয়্যাহর সূত্রে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং এটি বাকিয়্যাহর বর্ণিত হাদিস হিসেবে প্রসিদ্ধ। তবে সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহর সূত্রে এটি একটি বিরল বর্ণনা। আর এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি আব্দুল্লাহর পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উরওয়াহ, তাকে ইবনে যাজান বলা হয়। আর এটি একটি সুদূরপ্রসারী বিভ্রান্তি ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘। তিনি উরওয়াহ ইবনে যুবায়ের ইবনুল আওয়ামের বংশধরদের মধ্যে একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তি। ইব্রাহিম ইবনুল মুনযির হিশাম ইবনে উরওয়াহর একটি পাণ্ডুলিপি সূত্রে তার থেকে বর্ণনা করেছেন; আর এর বিরল বর্ণনাসমূহ থেকে রয়েছে:
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
مَا حَدَّثَنَاهُ أَبُو أَحْمَدَ الْحُسَيْنُ بْنُ جَعْفَرٍ الزَّيَّاتُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَجَّاجِ بْنِ رِشْدِينَ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «نَهَى عَنْ إِخْصَاءِ الْخَيْلِ» ⦗ص: 55⦘ وعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَذَانَ رَجُلٌ مِنْأَهْلِ الْمَدِينَةِ يُحَدِّثُ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَيْضًا. رَوَى عَنْهُ دُحَيْمٌ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَمْزَةَ الزُّبَيْرِيُّ أَخُو إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَمْزَةَ قَالَ
আমাদের কাছে আবু আহমদ আল-হুসাইন ইবনে জাফর আল-যাইয়্যাত যা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাজ্জাজ ইবনে রুশদিন ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইব্রাহিম ইবনে আল-মুনজির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উরওয়াহ বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম): «ঘোড়া খোজা করা থেকে নিষেধ করেছেন» ⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ আর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যাদান মদিনার অধিবাসী একজন ব্যক্তি, তিনিও হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেন। তার থেকে দুহায়ম আবদুর রহমান ইবনে ইব্রাহিম এবং আবদুল্লাহ ইবনে হামজাহ আল-যুবাইরি—যিনি ইব্রাহিম ইবনে হামযাহর ভাই—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَمْزَةَ الزُّبَيْرِيُّ بِمَكَّةَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ،: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَذَانَ مَدِينِيُّ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ عز وجل لَا يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا يَنْتَزِعُهُ مِنَ النَّاسِ وَلَكِنْ يَقْبِضُ الْعِلْمَ بِقَبْضِ الْعُلَمَاءِ حَتَّى إِذَا لَمْ يَتْرُكْ عَالِمًا اتَّخَذَ النَّاسَ رُءُوسًا جُهَّالًا فَسُئِلُوا فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا» ⦗ص: 58⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ حَسَنٍ فَقَالَ: حَسَنُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِشْكَابَ وَالصَّوَابُ حُسَيْنٌ وَهُوَ وَالِدُ مُحَمَّدٍ وَعَلِيٍّ ابْنَيِ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، وَقَدْ أَعَادَ ذِكْرَهُ فِي بَابِ الْحُسَيْنِ الَّذِي هُوَ الصَّوَابُ، فَأَغْنَى عَنِ الْحُجَّةِ فِي ذَلِكَ ⦗ص: 59⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ كَنَّى رَوْحَ بْنَ جَنَاحٍ بِأَبِي سَعِيدٍ وَإِنَّمَا هُوَ أَبُو سَعْدٍ بِحَذْفِ الْيَاءِ، وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ الذَّالِ فَقَالَ: ذَرُّ بْنُ عُمَرَ الْمُرْهِبِيُّ، وَفِي مَكَانٍ آخَرَ ⦗ص: 60⦘: ذَرُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَمْدَانِيُّ فَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا وَجَعَلَهُمَا رَجُلَيْنِ وَهُمَا وَاحِدٌ غَيْرَ أَنَّهُ ذَرُّ بْنُ عَبدِ اللهِ الْأكْبَرُ وَالِدِ عُمَرَ بْنِ ذَرٍّ وَلَيْسَ هُوَ ذَرُّ بْنُ عُمَرَ الْأَصْغَرُ، وَذَرُّ بْنُ عُمَرَ الْأَصْغَرُ هُوَ ابْنُ ابْنِ هَذَا، وَهَذَا نَجْلُهُ، وَذَرٌّ الْأَصْغَرُ تُوُفِّيَ قَبْلَ ابْنِ عُمَرَ وَتَكَلَّمَ أَبُوهُ عُمَرُ عِنْدَ مَوْتِهِ بِكَلَامٍ مَحْفُوظٍ مِنْهُ: يَا ذَرُّ شَغَلَنِي الْحُزْنُ بِكَ عَنِ الْحُزْنِ عَلَيْكَ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ الْعَبِيدِ فَقَالَ ⦗ص: 61⦘: عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ وَاقِدٍ، وَإِنَّمَا هُوَ ابْنُ زَيْدِ بْنِ وَاقِدٍ بِحَذْفِ الْيَاءِ الْأُولَى
ইয়াকুব ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মক্কায় মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হামজা আস-জুবাইরি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে যাদান মাদানি হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয় মহান আল্লাহ মানুষের মধ্য থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে ইলম উঠিয়ে নেবেন না, বরং আলেমদের বিদায়ের মাধ্যমে ইলম উঠিয়ে নেবেন। এমনকি যখন তিনি কোনো আলেমকে অবশিষ্ট রাখবেন না, তখন মানুষ মূর্খদেরকে নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। এরপর তাদেরকে মাসআলা জিজ্ঞাসা করা হবে আর তারা ইলম ছাড়াই ফতোয়া দেবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে» ⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ এ জাতীয় ভুলের মধ্যে রয়েছে: তিনি 'হাসান' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন যে: হাসান ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইশকাব; অথচ সঠিক হলো 'হুসাইন'। তিনি হলেন মুহাম্মদ এবং আলী—হুসাইন ইবনে ইব্রাহিমের দুই পুত্র—তাদের পিতা। তিনি পুনরায় 'হুসাইন' অধ্যায়ে তার নাম উল্লেখ করেছেন যা সঠিক ছিল, তাই এ বিষয়ে প্রমাণের আর প্রয়োজন নেই। ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ এ জাতীয় ভুলের মধ্যে রয়েছে: তিনি রাওহ ইবনে জানাহ-এর কুনিয়া (উপনাম) 'আবু সাঈদ' উল্লেখ করেছেন, অথচ এটি হবে 'ইয়া' বাদ দিয়ে 'আবু সাদ'। আরও রয়েছে: তিনি 'যাল' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন যে: যারর ইবনে উমর আল-মুরহিবি, এবং অন্য স্থানে ⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘: যারর ইবনে আবদুল্লাহ আল-হামদানি। তিনি এই দুইজনের মধ্যে পার্থক্য করেছেন এবং তাদেরকে দুইজন ব্যক্তি সাব্যস্ত করেছেন, অথচ তারা একই ব্যক্তি। মূলত তিনি হলেন যারর ইবনে আবদুল্লাহ আল-আকবার, যিনি উমর ইবনে যারর-এর পিতা। তিনি যারর ইবনে উমর আল-আসগার নন। যারর ইবনে উমর আল-আসগার হলেন উনার নাতি, আর এটি উনার পুত্র। যারর আল-আসগার উমর (ইবনে যারর)-এর পূর্বেই ইন্তেকাল করেন এবং তার পিতা উমর তার মৃত্যুর সময় কিছু কথা বলেছিলেন যা সংরক্ষিত আছে: "হে যারর! তোমার (বিয়োগের) শোক আমাকে তোমার জন্য কান্নাকাটি করা থেকে বিমুখ করে রেখেছে (অর্থাৎ তোমার চিন্তাই আমাকে বেশি আচ্ছন্ন করে রেখেছে)।" এ জাতীয় ভুলের মধ্যে রয়েছে: তিনি 'আবদ' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৬১⦘: আবদুল খালিক ইবনে ইয়াজিদ ইবনে ওয়াকিদ; অথচ তিনি হলেন 'ইবনে যাইদ ইবনে ওয়াকিদ', প্রথম 'ইয়া' অক্ষরটি বাদ দিয়ে।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৬১)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُفَسِّرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ حَازِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ زَيْدِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ طَلَبَ عِلْمًا لِيُبَاهِيَ بِهِ النَّاسَ فَهُوَ فِي النَّارِ» ⦗ص: 62⦘ وَزَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ مَشْهُورٌ بِالشَّامِ لَهُ أَحَادِيثُ كَثِيرَةٌ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ كَنَّى مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيَّ الضَّعِيفَ صَاحِبَ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ ⦗ص: 63⦘ بِأَبِي مَسْلَمَةَ، وَإِنَّمَا هُوَ أَبُو سَلَمَةَ بِحَذْفِ الْمِيمِ الْأُولَى، وَهَذَا هو غير الْقَاضِي كَمَا ذَكَرَهُ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ مُحَمَّدَ بْنَ مِحْصَنٍ الْأَسَدِيَّ فَقَالَ ⦗ص: 64⦘: رَوَى عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ وَغَيْرِهِ أَحَادِيثَ مَوْضُوعَةً، ثُمَّ ذَكَرَ فِي الْبَابِ بَعْدَ ثَلَاثَةِ أَسْمَاءَ مِنَ الْمُحَمَّدِينَ سِوَاهُ فَقَالَ: مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْعُكَّاشِيُّ مِنْ وَلَدِ عُكَّاشَةَ بْنِ مِحْصَنٍ، رَوَى عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ وَإِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ وَالزُّبَيْدِيِّ وَمَكْحُولٍ أَحَادِيثَ مَوْضُوعَةً، فَفَرَّقَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ مَا تَقَدَّمَ وَهُمَا وَاحِدٌ؛ لِأَنَّ النَّاسَ كَانُوا يَنْسُبُونَهُ مَرَّةً ⦗ص: 65⦘ بِالنِّسْبَةِ لِلْأُولَى، وَمَرَّةً بِالْأُخْرَى كَمَا يَفْعَلُونَ بِمُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَصْلُوبِ وَأَشْبَاهِهِ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي الْمُحَمَّدِينَ أَيْضًا فَقَالَ: مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ جَارِيَةَ، وَمُحَمَّدٌ تَصْحِيفٌ إِنَّمَا هُوَ مُجَمِّعُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ جَارِيَةَ، وَقَدْ كَرَّرَهُ فِي ⦗ص: 66⦘ بَابِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، فَذَكَرَهُ عَلَى الصَّوَابِ فِي اسْتِشْهَادِ الْبُخَارِيِّ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ الْأَلِفِ فَقَالَ: أُسَيْرُ بْنُ جَابِرٍ وَأُسَيْرُ بْنُ عَمْرٍو، وَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا وَهُمَا واحد غير أَنَّ أَهْلَ الْبَصْرَةِ يَقُولُونَ: أُسَيْرُ بْنُ جَابِرٍ بِالْأَلِفِ وَيَنْسُبُونَهُ إِلَى جَابِرٍ، وَأَهْلُ الْكُوفَةِ يَقُولُونَ: يُسَيْرُ بْنُ عَمْرٍو بِالْيَاءِ وَيَنْسُبُونَهُ إِلَى عَمْرٍو ⦗ص: 67⦘، وَيُسَيْرُ يُكَنَّى أَبَا الْخِيَارِ وَهُوَ مُخَضْرَمٌ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْوَرْدِ قَالَ ⦗ص: 68⦘: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ السَّلَامِ الْخَفَّافُ النَّيْسَابُورِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْحُسَيْنِ مُسْلِمَ بْنَ الْحَجَّاجِ يَقُولُ فِي الطَّبَقَةِ الْأُولَى مِنْ تَابِعِي أَهْلِ الْكُوفَةِ: أُسَيْرُ بْنُ عَمْرٍو وَيُقَالُ: ابْنُ جَابِرٍ، وَأَهْلُ الْكُوفَةِ يَقُولُونَ يُسَيْرُ بْنُ عَمْرٍو، وَيَعْنِي بِالْيَاءِ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ إِبْرَاهِيمَ مِمَّا اتَّفَقَ عَلَيْهِ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ فَقَالَ: إِبْرَاهِيمُ ابْنُ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، وَأَعَادَهُ فِي بَابِ إِبْرَاهِيمَ الَّذِي انْفَرَدَ بِهِ الْبُخَارِيُّ وَهَذَا يَسْتَحِيلُ فَلْيُتَأَمَّلْ ⦗ص: 69⦘، وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ أَحْمَدَ فَقَالَ: أَحْمَدُ بْنُ حُمَيْدٍ الْكُوفِيُّ جَارُ أَبِي سَلَمَةَ مِنَ الْجِوَارِ وَأَضَافَهُ إِلَى أَبِي سَلَمَةَ بِأَلِفٍ وَبَاءٍ وَيَاءٍ، وَهَذَا تَصْحِيفٌ، وَالصَّوَابُ دَارُ أُمِّ سَلَمَةَ بِالدَّالِ وَالْمِيمِ. وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ الْبَاءِ فَقَالَ: بَجَالَةُ بْنُ عَبْدٍ فَحَذَفَ الْهَاءَ الَّتِي بَعْدَ الدَّالِّ وَهُوَ ⦗ص: 70⦘ بَجَالَةُ بْنُ عَبْدَةَ بِفَتْحِ الْعَيْنِ وَالْبَاءِ وَالدَّالِ وَإِثْبَاتِ الْهَاءِ، وَمِنْ حَدِيثِهِ الْمَشْهُورِ
আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুফাসসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে হাযিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল খালিক ইবনে যাইদ ইবনে ওয়াকিদ তাঁর পিতা হতে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি উম্মে সালামাহ হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি মানুষের নিকট গৌরব করার জন্য ইলম অন্বেষণ করবে, সে জাহান্নামী» ⦗পৃষ্ঠা: ৬২⦘ যাইদ ইবনে ওয়াকিদ শামে (সিরিয়া অঞ্চলে) প্রসিদ্ধ, তাঁর বর্ণিত অনেক হাদিস রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো: তিনি মালিক ইবনে দীনারের সঙ্গী দুর্বল বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারীকে ⦗পৃষ্ঠা: ৬৩⦘ 'আবু মাসলামাহ' উপনামে (কুনিয়ত) অভিহিত করেছেন। অথচ এটি মূলত প্রথম 'মীম' বর্ণটি বাদ দিয়ে 'আবু সালামাহ' হবে। আর ইনি সেই কাজী (বিচারক) নন, যেমনটি তিনি উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি মুহাম্মদ ইবনে মিহসান আল-আসাদীর কথা উল্লেখ করে বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৬৪⦘: তিনি আওযায়ী এবং অন্যদের থেকে জাল (মওজু) হাদিস বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি এই অধ্যায়ে তাঁর ব্যতীত 'মুহাম্মদ' নামধারী আরও তিনজনের পর উল্লেখ করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-উক্কাশি, যিনি উক্কাশাহ ইবনে মিহসানের বংশধর। তিনি আওযায়ী, ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ, যুবাইদি এবং মাকহুল থেকে জাল হাদিস বর্ণনা করেছেন। সুতরাং তিনি এই ব্যক্তি এবং পূর্ববর্তী ব্যক্তির মাঝে পার্থক্য করেছেন, অথচ তারা মূলত একই ব্যক্তি; কারণ মানুষ তাঁকে কখনও প্রথম পরিচয়ে এবং ⦗পৃষ্ঠা: ৬৫⦘ কখনও অন্য পরিচয়ে সম্বন্ধ করত, যেমনটি তারা মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মাসলুব এবং তাঁর সমজাতীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে করে থাকে। এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'মুহাম্মদ' নামধারীদের মধ্যে আরও একজনের নাম উল্লেখ করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে জারিয়াহ। এখানে 'মুহাম্মদ' নামটি লেখনীগত ভুল (তাসহিফ), মূলত নামটি হলো মুজাম্মি' ইবনে ইয়াজিদ ইবনে জারিয়াহ। তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৬৬⦘ আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াজিদের অধ্যায়ে এটি পুনরায় উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি ইমাম বুখারীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সঠিকটিই উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'আলিফ' (অক্ষরের) অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন: উসাইর ইবনে জাবির এবং উসাইর ইবনে আমর। তিনি এই দুজনের মাঝে পার্থক্য করেছেন, অথচ তারা একই ব্যক্তি। তবে পার্থক্য শুধু এই যে, বসরার অধিবাসীরা আলিফ দিয়ে 'উসাইর ইবনে জাবির' বলে এবং জাবিরের দিকে সম্বন্ধ করে। আর কুফাবাসীরা ইয়া দিয়ে 'ইউসাইর ইবনে আমর' বলে এবং আমরের দিকে সম্বন্ধ করে ⦗পৃষ্ঠা: ৬৭⦘। ইউসাইরের উপনাম আবু আল-খিয়ার এবং তিনি একজন মুখাদরাম। আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনুল ওয়ারদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৬৮⦘: আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুস সালাম আল-খাফফাফ আন-নাইসাবুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজকে কুফাবাসী তাবিঈদের প্রথম স্তরের বর্ণনায় বলতে শুনেছি: উসাইর ইবনে আমর, যাকে ইবনে জাবিরও বলা হয়। কুফাবাসীরা তাকে 'ইউসাইর ইবনে আমর' বলে, অর্থাৎ ইয়া অক্ষর দিয়ে। এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'ইব্রাহিম' অধ্যায়ে ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম যে সব বর্ণনাকারীর ব্যাপারে একমত হয়েছেন তাদের আলোচনায় বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস। আবার তিনি সেই ইব্রাহিম অধ্যায়েও তাকে পুনরায় উল্লেখ করেছেন যেখানে ইমাম বুখারী এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এটি অসম্ভব, বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন ⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘। এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'আহমদ' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন: আহমদ ইবনে হুমাইদ আল-কুফি, আবু সালামাহর প্রতিবেশী। তিনি আলিফ, বা এবং ইয়া যোগ করে একে আবু সালামাহর সাথে সম্বন্ধ করেছেন। এটি একটি লেখনীগত ভুল (তাসহিফ)। সঠিক হলো: 'দারু উম্মে সালামাহ' (উম্মে সালামাহর ঘর), যা দাল এবং মীম দিয়ে গঠিত। এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'বা' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন: বাজাহলা ইবনে আবদ। এখানে তিনি দাল অক্ষরের পরবর্তী 'হা' বর্ণটি বাদ দিয়েছেন। অথচ তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৭০⦘ হলেন বাজাহলা ইবনে আবদাহ, যেখানে আইন, বা এবং দাল অক্ষরে ফাতহাহ (যবর) হবে এবং শেষে 'হা' বর্ণটি বহাল থাকবে। এটি তাঁর প্রসিদ্ধ হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত...
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৭০)
مَا حَدَّثَنَاهُ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي رَافِعٍ قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى قَالَ: حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ: قَالَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُبَيْدٍ قَالَ: سَمِعْتُ بَجَالَةَ يَقُولُ: لَمْ يَكُنْ عُمَرُ يَأْخُذُ الْجِزْيَةَ مِنَ الْمَجُوسِ حَتَّى شَهِدَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «أَخَذَهَا مِنْ مَجُوسِ أَهْلِ هَجَرَ» ⦗ص: 72⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ الْحَاءِ فَقَالَ: أَبُو عُبَيْدٍ حَاجِبُ بْنُ سُلَيْمَانَ وَقَالَ: اسْمُهُ حَيُّ وَقِيلَ حَوَايَا بِالْأَلِفِ، وَهَذَا خَطَأٌ وَالصَّوَابُ مِنْ ذَلِكَ حَيُّ وَيُكَنَّى أَبَا عُبَيْدٍ وَهُوَ مَوْلَى سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ وَحَاجِبُهُ، وَلَيْسَ اسْمُهُ حَاجِبَ بْنَ سُلَيْمَانَ، وَإِنَّمَا هُوَ حَاجِبُ سُلَيْمَانَ مِنَ الْحَجَبَةِ ⦗ص: 73⦘ وَقَوْلُهُ حَوَا بِالْأَلِفِ خَطَأٌ، وَإِنَّمَا هُوَ حُوَيٌّ بِالْيَاءِ، وَقَدْ زَعَمَ قَوْمٌ أَنَّ حُوَيًّا أَخُو أَبِي عُبَيْدٍ، وَلِأَخِيهِ عَقِبٌ، وَهُمْ بِبَيْتِ لِهْيَا مِنْ دِمَشْقَ، وَقَدْ أَعَادَ ذِكْرَ أَبِي عُبَيْدٍ هَذَا فِي بَابِ أَسْمَاءِ الْمَعْرُوفِينَ عَلَى الصَّوَابِ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ الْحَاءِ فَقَالَ: حُمْرَانُ بِالرَّاءِ بْنُ عُمَرَ وَإِنَّمَا هُوَ حَمْدَانُ - بِالدَّالِ - بْنُ عُمَرَ وَهُوَ أَحْمَدُ وَهُوَ مِمَّنْ حَدَّثَ عَنْهُ الْبُخَارِيُّ ⦗ص: 74⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ الْحَاءِ فَقَالَ: حَزْنُ بْنُ عَمْرٍو أَبُو وَهْبٍ، وَهَذَا تَخْلِيطٌ، وَإِنَّمَا هُوَ حَزْنُ بْنُ أَبِي وَهْبِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَايِذِ بْنِ عِمْرَانَ ⦗ص: 75⦘، وَهُوَ جَدُّ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي بَابِ الْحَاءِ أَيْضًا فَقَالَ: حُمَيْدُ بْنُ بَشِيرٍ، رَوَى عَنْهُ قَتَادَةُ كُنْيَتُهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، وَقَوْلُهُ حُمَيْدٌ تَصْحِيفٌ وَإِنَّمَا هُوَ حِمْيَرِيُّ بِالْيَاءِ بَعْدَ الْمِيمِ وَرَاءٍ يَلِيهَا وَيَاءٍ أُخْرَى بَعْدَ الرَّاءِ، ابْنُ بَشِيرٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْعَنَزِيُّ الْجَسْرِيُّ مِنْ جِسْرِ عَنَزَةَ صَاحِبُ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، وَهُوَ يَرْوِي عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ وَهُوَ عَزِيزُ الْحَدِيثِ ⦗ص: 76⦘ وَمِنْ حَدِيثِهِ الْمَشْهُورِ الصَّحِيحِ
আব্দুল আজীজ ইবনে আবি রাফে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুমায়দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বাজালাকে বলতে শুনেছি: উমর (রা.) অগ্নিপূজকদের নিকট থেকে জিজিয়া গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না আব্দুর রহমান ইবনে আউফ সাক্ষ্য দিলেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «হাজার অঞ্চলের অগ্নিপূজকদের থেকে তা গ্রহণ করেছিলেন» ⦗পৃষ্ঠা: ৭২⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'হা' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আবু উবাইদ হাজিব ইবনে সুলাইমান। তিনি বলেছেন: তার নাম হাইয়্যি এবং কেউ কেউ আলিফ যোগে 'হাওয়ায়া' বলেছেন। এটি ভুল; সঠিক হলো হাইয়্যি এবং তার উপনাম (কুনিয়াত) আবু উবাইদ। তিনি সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালিকের মুক্তদাস ও তার দ্বাররক্ষী (হাজিব); তার নাম হাজিব ইবনে সুলাইমান নয়, বরং তিনি সুলাইমানের দ্বাররক্ষীদের একজন ছিলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৭৩⦘ এবং আলিফ সহযোগে 'হাওয়া' বলা ভুল, বরং এটি ইয়া সহযোগে 'হুওয়াইয়্যি'। একদল লোক ধারণা করেছেন যে, হুওয়াইয়্যি হলেন আবু উবাইদের ভাই এবং তার ভাইয়ের বংশধর রয়েছে; তারা দামেস্কের বাইত লাহয়া নামক স্থানে বসবাস করেন। তিনি পুনরায় এই আবু উবাইদ সম্পর্কে প্রসিদ্ধ ব্যক্তিবর্গের নাম অধ্যায়ে সঠিকভাবে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'হা' অধ্যায়ে উল্লেখ করে বলেছেন: হুমরান ('রা' সহযোগে) ইবনে উমর। অথচ এটি হবে হামদান ('দাল' সহযোগে) ইবনে উমর। তিনি মূলত আহমাদ এবং তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত যাদের থেকে ইমাম বুখারী হাদীস বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৭৪⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'হা' অধ্যায়ে উল্লেখ করে বলেছেন: হাজন ইবনে আমর আবু ওয়াহাব। এটি একটি বিভ্রান্তি; মূলত তিনি হলেন হাজন ইবনে আবি ওয়াহাব ইবনে আমর ইবনে আয়িয ইবনে ইমরান ⦗পৃষ্ঠা: ৭৫⦘, এবং তিনি হলেন সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের দাদা। এর মধ্যে আরও রয়েছে: তিনি 'হা' অধ্যায়ে পুনরায় উল্লেখ করে বলেছেন: হুমাইদ ইবনে বাশীর, তার থেকে কাতাদাহ বর্ণনা করেছেন এবং তার উপনাম (কুনিয়াত) আবু আব্দুল্লাহ। তার 'হুমাইদ' বলাটি শব্দের ভুল লিখন (তাসহিফ); মূলত এটি হলো হিময়ারি — মীম-এর পরে ইয়া এবং রা-এর পরে পুনরায় ইয়া সহযোগে। তিনি হলেন হিময়ারি ইবনে বাশীর আবু আব্দুল্লাহ আল-আনাযী আল-জাসরী (আনাযাহ সেতুর অধিবাসী), যিনি মা’কিল ইবনে ইয়াসারের সঙ্গী ছিলেন। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সামিত থেকে বর্ণনা করেন এবং তার বর্ণিত হাদীস সংখ্যায় অত্যন্ত বিরল ⦗পৃষ্ঠা: ৭৬⦘ এবং তার প্রসিদ্ধ সহীহ হাদীসের মধ্য থেকে...
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
مَا حَدَّثَنَاهُ يَعْقُوبُ بْنُ الْمُبَارَكِ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَحْمَدُ بْنُ شُعَيْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ وَهُوَ الْمِقْسَمِيُّ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي شُعْبَةُ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْجَسْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: أَيُّ الْعَمَلِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 77⦘: «أَحَبُّ الْكَلَامِ إِلَى اللَّهِ عز وجل سُبْحَانَ رَبِّي وَبِحَمْدِهِ» وَلَهُ عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ حَدِيثٌ فِي تَحْرِيمِ الْفَضِيخِ
যা আমাদের নিকট ইয়াকুব ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আব্দুর রহমান আহমাদ বিন শুআইব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে ইব্রাহিম বিন আল-হাসান সংবাদ দিয়েছেন—আর তিনি হলেন আল-মিকসামি—আমাদের নিকট হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট শু'বা বর্ণনা করেছেন আল-জুরাইরি থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ আল-জাসরি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আস-সামিত থেকে, তিনি আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল কোনটি? অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন ⦗পৃষ্ঠা: ৭৭⦘: “মহামহিম আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালাম হলো: ‘আমার প্রতিপালক পবিত্র এবং তাঁরই প্রশংসা’।” এবং মা'কিল বিন ইয়াসার থেকে বর্ণিত একটি হাদীস যা হারাম হওয়া প্রসঙ্গে আল-ফাযিখের (এক প্রকার খেজুরের পানীয়)।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
حَدَّثَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْبَغْدَادِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَحْيَى بْنِ جَنَّادٍ قَالَ: حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ ⦗ص: 78⦘ بَكَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُثَنَّى بْنُ عَوْفٍ أَبُو مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْعَنَزِيِّ عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ: كُنْتُ بِالْمَدِينَةِ وَهِيَ كَثِيرَةُ التَّمْرِ «فَحَرَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْفَضِيخَ» فَجَاءَ رَجُلٌ فَقَالَ إِنَّ أُمِّي مَرِيضَةٌ أَأَسْقِيهَا النَّبِيذَ؟ قُلْتُ لمَعْقِلٍ: مَا قُلْتَ لَهُ؟ قَالَ: نَهَيْتُهُ أَنْ يَسْقِيَهَا النَّبِيذَ وَلَهُ حَدِيثٌ آخَرُ غَرِيبٌ عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ
আলী ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক আল-বাগদাদী আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে জান্নাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাহল ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৭৮⦘ বাক্কার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মুসান্না ইবনে আউফ আবু মনসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-আনাযী থেকে, তিনি মা’কিল ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মদীনায় ছিলাম এবং সেখানে প্রচুর খেজুর ছিল, "অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাযীখ (খেজুরের মদ) হারাম করলেন।" তখন এক ব্যক্তি এসে বলল: আমার মা অসুস্থ, আমি কি তাকে নাবীয পান করাতে পারি? আমি বলেছিলাম মা’কিলকে: আপনি তাকে কী বলেছিলেন? তিনি বললেন: আমি তাকে তার মাকে নাবীয পান করাতে নিষেধ করেছি। মা’কিল ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণিত তার আরও একটি বিরল (গারীব) হাদিস রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
حَدَّثَنَاهُ أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّمَرْقَنْدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الطَّرَسُوسِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ حِمْيَرِيِّ بْنِ بَشِيرٍ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كُرِهَ لَكُمْ ثَلَاثٌ عُقُوقُ الْأُمَّهَاتِ وَوَأْدُ الْبَنَاتِ وَمَنْعٌ وَهَاتِ» ⦗ص: 79⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: أَنَّهُ ذَكَرَ فِي الْخَاءِ فَقَالَ خَلِيفَةُ بْنُ حَيَّانَ وَحَيَّانُ خَطَأٌ وَالصَّوَابُ خَيَّاطٌ ⦗ص: 80⦘. وَخَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطِ بْنِ خَلِيفَةَ بْنِ خَيَّاطٍ، وَخَلِيفَةُ الْأَوَّلُ هُوَ أَبُو عَمْرٍو شَبَابٌ الْعُصْفُرِيُّ وَجَدُّهُ يُكَنَّى أَبَا هُبَيْرَةَ يَرْوِي عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ الْخَاءِ فَقَالَ: خَلَفُ بْنُ خَالِدٍ أَبُو الْمُثَنَّى الْبَصْرِيُّ، وَإِنَّمَا هُوَ أَبُو الْمَهْنَأِ خَلَفُ بْنُ خَالِدٍ بِالْهَاءِ الْمَشْقُوقَةِ وَهُوَ الْمِصْرِيُّ بِالْمِيمِ مِنْ أَهْلِ مِصْرَ. حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدٍ أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ، ذَكَرَهُ فِي تَارِيخِهِ فَقَالَ: خَلَفُ بْنُ خَالِدٍ مَوْلَى قُرَيْشٍ يُكَنَّى أَبَا الْمَهْنَأِ يَرْوِي عَنْ بَكْرِ بْنِ مُضَرٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ لَهِيعَةَ، تُوُفِّيَ قَبْلَ الثَّلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ
আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ আস-সামারকান্দি আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উমাইয়াহ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আত-তারসুসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনে বিশর আল-কুফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাকাম ইবনে আব্দুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাতাদাহ হিমইয়ারি ইবনে বাশির থেকে, তিনি মা’কিল ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের জন্য তিনটি বিষয় অপছন্দ করা হয়েছে: মায়েদের অবাধ্য হওয়া, কন্যা সন্তানদের জীবন্ত কবর দেওয়া এবং (অধিকার) প্রদান না করা ও (অন্যায়ভাবে) যাচনা করা» ⦗পৃষ্ঠা: ৭৯⦘ এবং এরই অন্তর্ভুক্ত হলো: তিনি 'খা' বর্ণের অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন খলিফা ইবনে হাইয়ান; অথচ হাইয়ান বলাটি ভুল, আর সঠিক হলো খইয়াত ⦗পৃষ্ঠা: ৮০⦘। এবং (সঠিক নাম হলো) খলিফা ইবনে খইয়াত ইবনে খলিফা ইবনে খইয়াত। আর প্রথম খলিফা হলেন আবু আমর শাবাব আল-উসফুরি এবং তাঁর দাদার উপনাম ছিল আবু হুবাইরাহ, তিনি আমর ইবনে শুয়াইব থেকে বর্ণনা করেন। এবং এরই অন্তর্ভুক্ত হলো: যা তিনি 'খা' বর্ণের অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: খালাফ ইবনে খালিদ আবু আল-মুসান্না আল-বাসরি; অথচ প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন আবু আল-মুহান্না খালাফ ইবনে খালিদ—'হা' (বিদীর্ণ হা) বর্ণসহ—এবং তিনি আল-মিসরি (মিম বর্ণসহ), অর্থাৎ মিসর অধিবাসী। আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু সাঈদ এটি তাঁর ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: খালাফ ইবনে খালিদ কুরাইশদের মুক্তদাস, তাঁর উপনাম আবু আল-মুহান্না, তিনি বকর ইবনে মুদার এবং আব্দুল্লাহ ইবনে লাহিয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি দুইশত ত্রিশ হিজরির পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৮১)
قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْبَغْدَادِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا حَبُوشُ بْنُ رِزْقِ اللَّهِ بْنِ بَيَانٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْمَهْنَأِ خَلَفُ بْنُ خَالِدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ أَبِي مَرْزُوقٍ، عَنْ حَنَشٍ الصَّنْعَانِيِّ، عَنْ رُوَيْفِعِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَوْ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَسْقِي مَاءَهُ وَلَدَ غَيْرِهِ» وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ سَعِيدٍ فَقَالَ: سَعِيدُ بْنُ يَسَارٍ وَهُوَ سَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ ⦗ص: 82⦘ وَهَذَا غَلَطٌ لِأَنَّ سَعِيدَ بْنَ يَسَارٍ هُوَ أَبُو الْحُبَابِ وَسَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ هُوَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، وَاسْمُ أَبِي سَعِيدٍ كَيْسَانُ ⦗ص: 83⦘ وَسَعِيدٌ يُكَنَّى أَبَا سَعْدٍ كَنَّاهُ مُخَوْئلُ بْنُ رَاشِدٍ وَغَيْرُهُ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ سَعِيدٍ أَيْضًا فَقَالَ: سَعِيدُ بْنُ عَمْرٍو أَبُو السَّفَرِ وَعَمْرٌو خَطَأٌ وَإِنَّمَا هُوَ يَحْمَدُ بِالْيَاءِ وَالْحَاءِ وَالْمِيمِ وَالدَّالِ، وَذَكَرَهُ فِي الْكُنَى عَلَى الصَّوَابِ ⦗ص: 85⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ سَالِمٍ فَقَالَ: سَالِمٌ مَوْلَى شَدَّادٌ ثُمَّ ذَكَرَ بَعْدَهُ فَقَالَ: سَالِمٌ مَوْلَى الْمِصْرِيِّينَ بِالْمِيمِ، وَقَالَ: عَلَى أَثَرِهِ بِغَيْرِ فَاصِلَةٍ هُوَ سَالِمُ بْنُ أَبِي سَالِمٍ الْجَيْشَانِيُّ، وَهَذَا كُلُّهُ تَخْلِيطٌ، وَالصَّوَابُ مِنْ ذَلِكَ ⦗ص: 86⦘ أَنَّ سَالِمًا مَوْلَى شَدَّادٍ هُوَ مَوْلَى شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ وَهُوَ الْمَدِينِيُّ وَهُوَ سَالِمٌ مَوْلَى النَّصْرِيِّينَ بِالنُّونِ وَهُوَ سَالِمٌ مَوْلَى دَوْسٍ وَهُوَ سَالِمٌ سَبَلَانُ وَهُوَ سَالِمٌ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الَّذِي يَرْوِي عَنْهُ بُكَيْرُ بْنُ الْأَشَجِّ فَيُكَنِّيهِ وَلَا ⦗ص: 87⦘ يُسَمِّيهِ فِي حَدِيثِ الصَّرْفِ الَّذِي رَوَاهُ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، وَفِي رِوَايَةِ مَخْرَمَةَ ابْنُهُ يُسَمِّيهِ وَيُكَنِّيهِ، وَهُوَ سَالِمٌ مَوْلَى ابْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ، وَلَيْسَ سَالِمٌ هَذَا بِسَالِمِ بْنِ أَبِي سَالِمٍ الْجَيْشَانِيِّ ذَاكَ رَجُلٌ آخَرُ مِنْ أَهْلِ مِصْرَ، يَرْوِي عَنْ أَبِيهِ أَبِي سَالِمٍ سُفْيَانَ بْنِ هَانِئٍ، وَقَالَ الْبُخَارِيُّ: وَيُقَالُ: سَالِمٌ مَوْلَى شَدَّادٍ النَّصْرِيِّ، وَقَالَ: هُوَ مَوْلَى دَوْسٍ وَذَكَرَ لَهُ أَحَادِيثَ أَنَا أَذْكُرُهُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ، فَأَمَّا سَالِمٌ مَوْلَى شَدَّادٍ الَّذِي شَرَحْنَا أَمْرَهُ وَمَيَّزْنَاهُ مِنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي سَالِمٍ الْجَيْشَانِيِّ الْمِصْرِيِّ، فَقَدْ ذَكَرَهُ جَمَاعَةٌ مِنَ الْعُلَمَاءِ فِي كُتُبِهِمْ فَمِنْهُمْ ⦗ص: 88⦘: مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْوَرْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ السَّلَامِ الْخَفَّافُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْحُسَيْنِ مُسْلِمَ بْنَ الْحَجَّاجِ ذَكَرَ فِي الطَّبَقَةِ الثَّالِثَةِ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ فَقَالَ: سَالِمٌ مَوْلَى دَوْسٍ، وَيُقَالُ سَالِمٌ سَبَلَانُ ⦗ص: 89⦘ وَمِنْهُمْ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ ذَكَرَهُ فِي تَارِيخِهِ الَّذِي رَوَاهُ شَيْخِنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَطِيَّةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيِّ عَنْهِ، فَقَالَ ⦗ص: 90⦘: سَالِمٌ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى مَالِكِ بْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ وَهُوَ سَالِمٌ سَبَلَانُ الْمَدِينِيُّ وَذَكَرَ لَهُ أَحَادِيثَ، مِنْهَا
তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে ইসহাক আল-বাগদাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবুশ ইবনে রিজকুল্লাহ ইবনে বায়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-মহনা খালাফ ইবনে খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকর ইবনে মুদার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে রাবিয়া, আবু মারজুক থেকে, তিনি হানাশ আস-সানআনি থেকে, তিনি রুওয়াইফি ইবনে সাবিত থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, অথবা যে আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, তার জন্য অন্য কারো সন্তানকে নিজের পানি (বীর্য) দ্বারা সিক্ত করা বৈধ নয়»। এর মধ্যে রয়েছে যা তিনি সাঈদ অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: সাঈদ ইবনে ইয়াসার, আর তিনি হলেন সাঈদ আল-মাকবুরি ⦗পৃষ্ঠা: ৮২⦘। আর এটি ভুল; কারণ সাঈদ ইবনে ইয়াসার হলেন আবু আল-হুবাব, আর সাঈদ আল-মাকবুরি হলেন সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ। আর আবু সাঈদের নাম হলো কায়সান ⦗পৃষ্ঠা: ৮৩⦘। আর সাঈদের কুনিয়ত (উপনাম) হলো আবু সা'দ, মুখাওয়িল ইবনে রাশিদ এবং অন্যরা তাঁকে এই উপনামে ডেকেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে যা তিনি পুনরায় সাঈদ অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: সাঈদ ইবনে আমর আবু আস-সাফার। এখানে 'আমর' নামটি ভুল, বরং এটি হলো 'ইয়াহমাদ'— ইয়া, হা, মিম এবং দাল অক্ষর দিয়ে। তিনি কুনিয়ত অধ্যায়ে এটি সঠিকভাবেই উল্লেখ করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৮৫⦘। এর মধ্যে আরও রয়েছে যা তিনি সালিম অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: সালিম, শাদ্দাদের মুক্তদাস। এরপর তিনি এরপরে উল্লেখ করেছেন: সালিম, মিসরীয়দের (মিম দিয়ে) মুক্তদাস। এবং তিনি এর পরপরই কোনো ব্যবধান ছাড়াই বলেছেন: তিনি হলেন সালিম ইবনে আবি সালিম আল-জাইশানি। আর এই পুরোটাই একটি সংমিশ্রণ (ভ্রান্তি)। এর সঠিক বিষয় হলো ⦗পৃষ্ঠা: ৮৬⦘ যে, শাদ্দাদের মুক্তদাস সালিম হলেন শাদ্দাদ ইবনুল হাদ-এর মুক্তদাস এবং তিনি মদিনাবাসী। আর তিনি হলেন নাসরিদের (নুন দিয়ে) মুক্তদাস সালিম। তিনি দাওস-এর মুক্তদাস সালিম, তিনি হলেন সালিম সাবলান, এবং তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ সালিম যার থেকে বুকাইর ইবনুল আশাজ্জ বর্ণনা করেছেন। তিনি (বুকাইর) তাঁর কুনিয়ত উল্লেখ করেছেন কিন্তু তাঁর নাম ⦗পৃষ্ঠা: ৮৭⦘ উল্লেখ করেননি সেই মুদ্রা বিনিময় সংক্রান্ত হাদিসে যা লাইস ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন। তবে মাখরামার বর্ণনায় তাঁর পুত্র তাঁর নাম ও কুনিয়ত উভয়ই উল্লেখ করেছেন। তিনি ইবনে আওস ইবনুল হাদাসান-এর মুক্তদাস সালিম। এই সালিম, সালিম ইবনে আবি সালিম আল-জাইশানি নন; কারণ তিনি (আল-জাইশানি) মিসরের অধিবাসী অন্য একজন ব্যক্তি, যিনি তাঁর পিতা আবু সালিম সুফিয়ান ইবনে হানি থেকে বর্ণনা করেন। বুখারি বলেছেন: বলা হয়, তিনি শাদ্দাদ আন-নাসরি-এর মুক্তদাস সালিম। তিনি আরও বলেছেন: তিনি দাওস-এর মুক্তদাস এবং তাঁর বর্ণিত বেশ কিছু হাদিস উল্লেখ করেছেন যা আমি ইনশাআল্লাহ উল্লেখ করব। আর শাদ্দাদের মুক্তদাস সালিম—যাঁর বিষয়টি আমরা ব্যাখ্যা করলাম এবং তাঁকে মিসরীয় সালিম ইবনে আবি সালিম আল-জাইশানি থেকে পৃথক করলাম—তাঁর কথা একদল আলেম তাঁদের কিতাবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৮৮⦘: মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনুল ওয়ার্দ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুস সালাম আল-খাফফাফ, তিনি বলেন: আমি আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজকে মদিনাবাসীদের তৃতীয় স্তরে তাঁর কথা উল্লেখ করতে শুনেছি; তিনি বলেছেন: দাওস-এর মুক্তদাস সালিম, এবং তাঁকে সালিম সাবলানও বলা হয় ⦗পৃষ্ঠা: ৮৯⦘। তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি; তিনি তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন যা আমাদের শাইখ আবু বকর আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আতিয়্যাহ, আব্দুর রহমান ইবনে ইসমাইল আল-ফারিসি থেকে, তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৯০⦘: সালিম আবু আব্দুল্লাহ, মালিক ইবনে আওস ইবনুল হাদাসান-এর মুক্তদাস, এবং তিনি হলেন মদিনাবাসী সালিম সাবলান। তিনি তাঁর কিছু হাদিস উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে—
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৯০)
مَا حَدَّثَنَاهُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْوَرْدِ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ ح ⦗ص: 91⦘ وَحَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَصْرِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ جَمِيعًا عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى النَّصْرِيِّينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّمَا مُحَمَّدٌ بَشَرٌ يَغْضَبُ كَمَا يَغْضَبُ الْبَشَرُ وَإِنِّي قَدِ اتَّخَذْتُ عِنْدَكَ عَهْدًا لَا تُخْلِفْنِيهِ، فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ آذَيْتُهُ أَوْ شَتَمْتُهُ أَوْ جَلَدْتُهُ فَاجْعَلْهَا لَهُ كَفَّارَةً وَقُرْبَةً تُقَرِّبُهُ إِلَيْكَ بِهَا يَوْمَ الدِّينِ»
আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনুল ওয়ারদ আমাদের কাছে যা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বুকাইর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (হ) ⦗পৃষ্ঠা: ৯১⦘ এবং আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আল-বাসরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে হাম্মাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে লাইস ইবনে সা'দ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি নাসরিদের মুক্তদাস সালিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয় মুহাম্মদ একজন মানুষ, তিনি সেভাবেই রাগান্বিত হন যেভাবে মানুষ রাগান্বিত হয়। আর আমি আপনার নিকট এমন একটি অঙ্গীকার গ্রহণ করেছি যা আপনি আমার জন্য ভঙ্গ করবেন না; সুতরাং যে কোনো মুমিনকে আমি কষ্ট দিয়েছি কিংবা গালমন্দ করেছি অথবা চাবুক দিয়ে আঘাত করেছি, তবে বিচার দিবসে আপনি একে তার জন্য পাপমোচন এবং আপনার নৈকট্য লাভের উপায় বানিয়ে দিন, যার মাধ্যমে আপনি তাকে আপনার নিকটবর্তী করবেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৯২)
وَمِنْهَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الذِّرَاعُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَبَّانَ قَالَ: حَدَّثَنَا أبو الطاهر بْنُ السَّرْحِ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ بُكَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى شَدَّادٍ قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ تُوُفِّيَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ، فَدَخَلَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ فَتَوَضَّأَ عِنْدَهَا فَقَالَتْ: يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ أَسْبِغِ الْوُضُوءَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ»
এবং সেগুলোর মধ্যে একটি হলো যা আমাদের নিকট আবু বকর আদ-দিরা' আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে যাব্বান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু তাহির ইবনে আস-সারহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব মাখরামা ইবনে বুকাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি শাদ্দাদের মুক্তদাস সালিম থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা-এর নিকট সেদিন প্রবেশ করলাম যেদিন সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস ইন্তেকাল করেন। এমতাবস্থায় আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর প্রবেশ করলেন এবং তাঁর নিকট অজু করলেন। অতঃপর তিনি (আয়েশা) বললেন: হে আবদুর রহমান, পূর্ণাঙ্গভাবে অজু করো, কেননা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: «আগুনের কারণে গোড়ালিগুলোর জন্য ধ্বংস»
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْقُرَشِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ بْنِ الصَّبَّاحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبَّادٍ وَهُوَ يَحْيَى بْنُ عَبَّادٍ عَنْ فُلَيْحٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي نُعَيْمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُجْمِرُ، قَالَ: حَدَّثَنِي سَالِمٌ، مَوْلَى شَدَّادٍ قَالَ: كُنْتُ أُبَايِعُ عَائِشَةَ وَأَدْخُلُ عَلَيْهَا وَأَنَا مُكَاتَبٌ، فَقَالَتْ لِي: إِنَّمَا بَيْنَكَ أَلَّا تَرَانِي أَنْ تَقْضِيَ بَقِيَّةَ مُكَاتَبَتِكَ، قَالَ ⦗ص: 94⦘ فَقُلْتُ: فَوَاللَّهِ لَا أَقْضِيهَا مَا عِشْتُ، فَدَخَلَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَتَوَضَّأَ فَقَالَتْ لَهُ: يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ أَسْبِغْ وُضُوءَكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ»
তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আল-হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ আল-কুরাশি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদ আলী ইবনুল হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনাস সাব্বাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাদ —আর তিনি হলেন ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাদ— ফুলাইহ থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন নুআইম ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুজমির, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন শাদ্দাদের মুক্তদাস সালিম। তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রা.)-এর সাথে লেনদেন করতাম এবং তাঁর নিকট প্রবেশ করতাম, তখন আমি ছিলাম একজন মুকাতাব (চুক্তিভুক্ত দাস)। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন: তোমার জন্য আমাকে দেখা বন্ধ হওয়ার বিষয়টি কেবল তখনই ঘটবে যখন তুমি তোমার চুক্তির অবশিষ্টাংশ পরিশোধ করে দেবে। তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৯৪⦘ অতঃপর আমি বললাম: আল্লাহর কসম, আমি জীবিত থাকা অবস্থায় তা পরিশোধ করব না। এরপর আব্দুর রহমান প্রবেশ করলেন এবং অযু করলেন, তখন আয়েশা (রা.) তাঁকে বললেন: হে আব্দুর রহমান, তুমি পূর্ণাঙ্গরূপে অযু করো, কেননা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «অগ্নির কারণে গোড়ালিগুলোর জন্য ধ্বংস রয়েছে»।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ الْقَاسِمِ الْمَيَانَجِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْبُ بْنُ شَدَّادٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ: حَدَّثَنِي سَالِمٌ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الدَّوْسِيُّ أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ هُوَ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، فَدَعَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بِالْوَضُوءِ، فَقَالَتْ عَائِشَةُ: يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ أَسْبِغِ الْوُضُوءَ فَإِنِّي سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ»
তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন আল-কাসিম আল-মায়ানাজী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু খালীফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন রাজা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হারব বিন শাদ্দাদ, ইয়াহইয়া বিন আবী কাসীর থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সালিম আবু আব্দুল্লাহ আদ-দাওসী যে, তিনি এবং আব্দুর রহমান বিন আবী বকর আয়িশার নিকট প্রবেশ করলেন। অতঃপর আব্দুর রহমান ওযুর পানি চাইলেন। তখন আয়িশা বললেন: হে আব্দুর রহমান! ওযু পরিপূর্ণরূপে সম্পন্ন করো; কেননা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আগুনের কারণে গোড়ালিগুলোর জন্য দুর্ভোগ রয়েছে»
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
قَالَ ⦗ص: 95⦘: حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُفَسِّرُ قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ، وَالْوَلِيدُ، ح قَالَ: وَحَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا مَحْمُودٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنِي سَالِمٌ الدَّوْسِيُّ، قَالَ: دَخَلْتُ مَعَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَلَى عَائِشَةَ، فَدَعَا بِوَضُوءٍ، فَقَالَتْ: يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ أَسْبِغِ الْوُضُوءَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ»
তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৯৫⦘ বললেন: আবু আহমাদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুফাসসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে দুহায়ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল হামিদ এবং আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; (হা) তিনি বলেন: এবং আবু আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে দুহায়ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এবং মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আওযায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিম আদ-দাওসি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে আবি বকরের সাথে আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট প্রবেশ করলাম। অতঃপর তিনি অজুর পানি চাইলেন। তখন তিনি (আয়িশা) বললেন: হে আবদুর রহমান! পূর্ণাঙ্গরূপে অজু সম্পন্ন করো, কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: «আগুনের কারণে পায়ের গোড়ালিগুলোর জন্য ধ্বংস বা দুর্ভোগ রয়েছে»
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الْحَرَّانِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْمَرْوَزِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ الْقَاسِمُ بْنُ سَلَّامٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرٍ، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ سَالِمٍ مَوْلَى دَوْسٍ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ ذَلِكَ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَحَدَّثَنَا عَلِيٌّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ الْيَمَامِيُّ ⦗ص: 97⦘ عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَالِمٍ قَالَ: سَالِمٌ مَوْلَى الْمَهْرِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ عَائِشَةَ تَقُولُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ أَيْضًا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ⦗ص: 98⦘ وَذَكَرَ أَبُو الْقَاسِمِ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنَّ أبَا الطَّاهِرِ الْحُسَيْنَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ حَيَّوْنَ أَخْبَرَهُمْ قَالَ ⦗ص: 99⦘: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَنَّ إِبْرَاهِيمَ بْنَ عَمْرِو بْنِ ثَوْرٍ أَخْبَرَهُمْ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ جَمِيعًا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَهْبٍ عَنْ حَيْوَةَ بْنِ شُرَيْحٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ حَدَّثَ أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَعِنْدَهَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي ⦗ص: 100⦘ بَكْرٍ فَتَوَضَّأَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ ثُمَّ قَامَ فَأَدْبَرَ، فَنَادَتْهُ عَائِشَةُ فَقَالَتْ: يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ، فَأَقْبَلَ عَلَيْهَا فَقَالَتْ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ»
তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-হাররানী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আন-নাদর বর্ণনা করেছেন শাইবান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি দাওস গোত্রের মুক্তদাস সালিম থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আব্দুর রহমানকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে তা বলেছিলেন। অতঃপর আমাদের নিকট আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উমর ইবনে ইউনুস আল-য়ামামী বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘ ইকরিমাহ ইবনে আম্মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু সালিম বর্ণনা করেছেন—তিনি হলেন আল-মাহরির মুক্তদাস সালিম—যে তিনি আয়েশাকে আব্দুর রহমানের উদ্দেশ্যেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে বলতে শুনেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৯৮⦘। এবং আবু আল-কাসিম হামযা ইবনে মুহাম্মদ উল্লেখ করেছেন যে, আবু আত-তাহির আল-হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে হাইয়ুন তাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৯৯⦘: আমাদের নিকট হারমালা ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন যে, ইব্রাহিম ইবনে আমর ইবনে সাওর তাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে সালিহ সবাই বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি হাইওয়াহ ইবনে শুরাইহ থেকে, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আমাকে জানিয়েছেন যে, শাদ্দাদ ইবনে আল-হাদের মুক্তদাস আবু আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশার নিকট প্রবেশ করেন, তখন তাঁর নিকট আব্দুর রহমান ইবনে আবি ⦗পৃষ্ঠা: ১০০⦘ বকর ছিলেন। অতঃপর আব্দুর রহমান ওজু করলেন, তারপর উঠে চলে যেতে লাগলেন। তখন আয়েশা তাঁকে ডেকে বললেন: হে আব্দুর রহমান! তখন তিনি তাঁর দিকে এগিয়ে এলেন। তিনি (আয়েশা) বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আগুনের কারণে গোড়ালিগুলোর জন্য দুর্ভোগ রয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ১০০)
قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ الْحَرَّانِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ بَشِيرٍ، عَنْ سَالِمٍ سَبَلَانَ قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ عَائِشَةَ إِلَى مَكَّةَ، وَكَانَتْ تَخْرُجُ مَعَنَا بِأَبِي يَحْيَى التَّيْمِيِّ وَيُصَلِّي بِهَا قَالَ ⦗ص: 101⦘: فَأَدْرَكْنَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ فَأَسَاءَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ الْوُضُوءَ فَقَالَتْ عَائِشَةُ: يَا عَبْدَ الرَّحْمَنِ أَسْبِغِ الْوُضُوءَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنَ النَّارِ»
তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-হাররানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আসিম ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে আবি যিব বর্ণনা করেছেন ইমরান ইবনে বশির থেকে, তিনি সালিম সাবালান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আয়েশা (রা.)-এর সাথে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলাম। তিনি আমাদের সাথে আবু ইয়াহইয়া আত-তাইমিকে নিয়ে বের হতেন এবং তিনি তাঁর ইমামতি করতেন। তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ১০১⦘: অতঃপর আমরা আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকরের দেখা পেলাম। আব্দুর রহমান অসম্পূর্ণভাবে উযু করলেন। তখন আয়েশা (রা.) বললেন: হে আব্দুর রহমান! উযু পরিপূর্ণভাবে করো; কারণ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «কিয়ামতের দিন (শুষ্ক) পায়ের গোড়ালিগুলোর জন্য জাহান্নামের আগুনের দুর্ভোগ রয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ১০১)
حَدَّثَنَا عَلِيٌّ ⦗ص: 102⦘ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ بَشِيرٍ عَنْ سَالِمٍ سَبَلَانَ قَالَ: كُنْتُ خَادِمًا لِعَائِشَةَ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «الْمُكَاتَبُ عَبْدٌ مَا بَقِيَ عَلَيْهِ دِرْهَمٌ»
আমাদের নিকট আলী হাদীস বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১০২⦘ তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আসিম ইবনে আলী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবন আবু যিব হাদীস বর্ণনা করেছেন ইমরান ইবনে বশীর হতে, তিনি সালিম সাবলান হতে, তিনি বলেন: আমি আয়েশার (রা.) সেবক ছিলাম; আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: “মুকাতাব (চুক্তিভুক্ত দাস) ততক্ষণ পর্যন্ত দাস হিসেবেই গণ্য হবে, যতক্ষণ তার নিকট একটি দিরহামও অবশিষ্ট থাকবে।”
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ১০৩)
قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْوَرْدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ الْعَلَّافُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ شَيْخًا مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ حَدَّثَهُ قَالَ: لَا أَعْلَمُ بِالْمَدِينَةِ يَوْمَئِذٍ شَيْخًا أَكْبَرَ مِنْهُ يُقَالُ لَهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: انْطَلَقْتُ بِدَرَاهِمَ جِيَادٍ مِنَ الْمَدِينَةِ فَصَرَفْتُهَا بِالْعِرَاقِ بِدَرَاهِمَ دُونَهَا يَدًا بِيَدٍ، وَازْدَدْتُ عَلَيْهَا، فَقِيلَ لِي: هَذَا لَا يَصْلُحُ، فَقُلْتُ لِلَّذِي بِعْتُ مِنْهُ دَرَاهِمِي: أَحْبِسُهَا حَتَّى أَقْدَمَ الْمَدِينَةَ فَإِنْ كَانَتْ حَرَامًا فَدَرَاهِمِي بِدَرَاهِمِكَ، قَالَ: فَقَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَبَدَأْتُ بِابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ: لَا بَأْسَ بِذَلِكَ، ثُمَّ جِئْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ فَأَنْبَأْتُهُ بِفُتْيَتِي ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ: قَدْ نَهَيْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَلَمْ يَنْتَهِ ثُمَّ نَهَيْتُهُ وَسَأَلْقَاهُ فَأَنْهَاهُ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «الدِّينَارُ بِالدِّينَارِ وَالدِّرْهَمُ بِالدِّرْهَمِ لَا فَضْلَ بَيْنَهَا إِلَّا وَزْنًا بِوَزْنٍ» ⦗ص: 105⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ سُلَيْمَانَ، فَقَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ مُعَاذٍ الضَّبِّيُّ، وَقَالَ فِي مَكَانٍ آخَرَ قَبْلَهُ سُلَيْمَانُ بْنُ قَرْمٍ فَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا وَهُمَا وَاحِدٌ ⦗ص: 106⦘ رَوَى عَنْ: سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ وَالْأَعْمَشِ وَسَعِيدِ بْنِ حَنْظَلَةَ رَوَى عَنْهُ: أَبُو الْجَوَّابِ وَمُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ وَغَيْرُهُمَا ⦗ص: 107⦘. وَنَسَبُوهُ إِلَى قَرْمٍ وَنَسَبَهُ أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ إِلَى مُعَاذٍ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ الشِّينِ فَقَالَ: شَرَاحِيلُ بْنُ آدَمَ بِالْمِيمِ أَبُو الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيُّ، وَالصَّوَابُ ابْنُ آدَهْ بِالْهَاءِ وَالدَّالِ مُخَفَّفَةً مَفْتُوحَةً وَقَدْ ذَكَرَهُ فِي الْكُنَى عَلَى الصَّوَابِ ⦗ص: 108⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الْعَبَادِلَةِ فَقَالَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جُبَيْرٍ بِالْجِيمِ وَالرَّاءِ وَإِنَّمَا هُوَ بِالنُّونِ وَالْحَاءِ وَهُوَ وَالِدُ إِبْرَاهِيمَ ⦗ص: 109⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الْعَبَادِلَةِ أَيْضًا فَقَالَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ النُّمَيْرِيُّ وَهُوَ النَّمَرِيُّ بِحَذْفِ الْيَاءِ الْأُولَى ⦗ص: 110⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الْعَبَادِلَةِ أَيْضًا فَقَالَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَعْنٍ، وَزَعَمَ أَنَّهُ أَبُو مَعْنٍ الرَّقَاشِيُّ، وَهَذَا وَهْمٌ بَعِيدٌ؛ لِأَنَّ أَبَا مَعْنٍ الرَّقَاشِيَّ مِنْ شُيُوخِ مُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْنٍ مِنَ التَّابِعِينَ، هُوَ يَرْوِي عَنْ أُمِّ هِشَامٍ الْأَنْصَارِيَّةِ، وَلَهَا صُحْبَةٌ، وَيَرْوِي عَنْهُ حَبِيبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَبُو مَعْنٍ الرَّقَاشِيُّ، فَهُوَ زَيْدُ بْنُ يَزِيدَ، وَقَدْ ذَكَرَهُ عَلَى الصَّوَابِ فِي بَابِ الزَّايِ ⦗ص: 111⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ فِي بَابِ عَبْدِ الْمَلِكِ فَقَالَ: عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مَيْسَرَةَ وَذَكَرَهُ فِي انْفِرَادِ مُسْلِمٍ فَقَالَ: عَبْدُ الْمَلِكِ أَبُو زَيْدٍ، وَهَذَا غَلَطٌ أَعْنِي التَّفْرِقَةَ بَيْنَهُمَا وَهُمَا وَاحِدٌ ⦗ص: 112⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ الْعَيْنِ: عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ وَنَسَبَهُ إِلَى جُهَيْنَةَ وَإِنَّمَا هُوَ مَنْسُوبٌ إِلَى جَمَلٍ وَجَمَلٌ بَطْنٌ مِنْ مُرَادٍ، وَأَمَّا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ الْمَنْسُوبُ إِلَى جُهَيْنَةَ، فَذَاكَ مِنَ الصَّحَابَةِ ⦗ص: 113⦘ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ الطَّاءِ فَقَالَ: طَلْحَةُ بْنُ زَيْدٍ الْأَنْصَارِيُّ وَإِنَّمَا هُوَ طَلْحَةُ بْنُ يَزِيدَ أَبُو حَمْزَةَ بِالْيَاءِ قَبْلَ الزَّايِ صَاحِبُ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَقَالَ: عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بَشِيرٍ بِالْيَاءِ بِنُقْطَتَيْنِ مِنْ تَحْتِهَا ابْنُ مَسْعُودٍ وَإِنَّمَا هُوَ بِشْرٌ بِحَذْفِ الْيَاءِ ⦗ص: 114⦘، وَمَسْعُودٌ جَدُّهُ، وَأَمَّا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بَشِيرٍ فَهُوَ دُونَ ذَا فِي الطَّبَقَةِ ذَاكَ يَرْوِي عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، رُوِيَ عَنْهُ دُحَيْمٌ وَسُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فَقَالَ: عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَوْنٍ شَاذَانُ أَخُو عَبْدَانَ وَهُوَ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُثْمَانَ وَعَوْنٌ خَطَأٌ ⦗ص: 115⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي بَابِ الْعَبِيدِ فَقَالَ: عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ رَافِعٍ بِالرَّاءِ، وَإِنَّمَا هُوَ بِالنُّونِ وَهُوَ أَبُو شِهَابٍ الْحَنَّاطُ، وَقَدْ ذَكَرَهُ فِي بَابِ الْكُنَى عَلَى الصَّوَابِ ⦗ص: 116⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: فِي بَابِ الْفَاءِ فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْجَحْدَرِيُّ، وَإِنَّمَا هُوَ فُضَيْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ. وَمِنْ ذَلِكَ: فِي بَابِ الْقَافِ مُرَّةُ بْنُ حَبِيبٍ الْغَنَوِيُّ بِالْغَيْنِ الْمُعْجَمَةِ بِوَاحِدَةٍ، وَإِنَّمَا هُوَ الْقَنَوِيُّ بِالْقَافِ وَمَنْسُوبًا إِلَى الْقَنَا ⦗ص: 118⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: فِي بَابِ الْعَيْنِ عُمَرُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ نَافِعٍ بِالنُّونِ، وَإِنَّمَا هُوَ رَافِعٌ بِالرَّاءِ ⦗ص: 119⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: فِي الْقَافِ قَالَ: قَيْسُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْعَنَزِيُّ إِنَّمَا هُوَ قَيْسُ بْنُ سُلَيْمٍ بِحَذْفِ النُّونِ، وَهُوَ الْعَنْبَرِيُّ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ فِي بَابِ الْمِيمِ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْقَطْرِيُّ بِالْقَافِ ⦗ص: 120⦘ وَإِنَّمَا هُوَ بِالْفَاءِ الْمُعْجَمَةِ بِوَاحِدَةٍ، رُوِيَ عَنْهُ خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ فِي بَابِ الْمِيمِ: مُعَاوِيَةُ بْنُ سَمُرَةَ بِالْمِيمِ فِي سَمُرَةَ ⦗ص: 121⦘، وَإِنَّمَا هُوَ بِالْبَاءِ الْمُعْجَمَةِ بِوَاحِدَةٍ، وَهُوَ أَبُو الْعُبَيْدَيْنِ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ فِي مَشَايِخِ الْبُخَارِيِّ: الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَرْوَزِيُّ بِالْيَاءِ ⦗ص: 122⦘، وَإِنَّمَا هُوَ الْحَسَنُ بِلَا يَاءٍ، وَقَدْ ذَكَرَهُ فِي مَوْضِعٍ آخَرَ عَلَى الصَّوَابِ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الرُّوَاةِ الَّذِينَ عِيبَ عَلَى مُسْلِمٍ بِالْإِخْرَاجِ عَنْهُمْ مَنْصُورُ بْنُ صُقَيْرٍ، فَقَالَ: ذَكَرَاهُ جَمِيعًا وَمَا ذَكَرَهَا فِي بَابِ الِاتِّفَاقِ وَلَا أُعْلِمْتُ أَنَّ أَحَدًا ذَكَرَ أَنَّ الرَّجُلَيْنِ أَخْرَجَا عَنْ هَذَا فِي الصَّحِيحِ وَاللَّهُ أَعْلَمُ ⦗ص: 123⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ فِي بَابِ يَحْيَى فَقَالَ: يَحْيَى بْنُ هَانِئٍ أَبُو هَانِئٍ، وَإِنَّمَا هُوَ حُمَيْدُ بْنُ هَانِئٍ، وَهُوَ مِصْرِيُّ، لَنَا وَلَهُ أَحَادِيثُ كَثِيرَةٌ ⦗ص: 124⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ فِي بَابِ الْيَاءِ فَقَالَ: يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُذَيْنَةَ أَبُو كَثِيرٍ السُّحَيْمِيُّ، وَإِنَّمَا هُوَ يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَهُوَ وَالِدُ زُفَرَ رَوَى عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ وَالْأَوْزَاعِيِّ وَعُقْبَةَ بْنِ التَّوْأَمِ ⦗ص: 125⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ يَحْيَى بْنُ أُمِّ الْحُصَيْنِ وَإِنَّمَا هُوَ يَحْيَى بْنُ الْحُصَيْنِ بِلَا أُمٍّ وَهُوَ الْبَجَلِيُّ الْأَحْمَسِيُّ سَمِعَ جَدَّتَهُ أُمَّ الْحُصَيْنِ، وَطَارِقَ بْنَ شِهَابٍ، رُوِيَ عَنْهُ شُعْبَةُ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي شُيُوخِ الْبُخَارِيِّ فَقَالَ: سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، وَإِنَّمَا هُوَ سَعِيدُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ نَفْسُهُ ⦗ص: 126⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ أَنَّ الْبُخَارِيَّ اسْتَشْهَدَ بِعَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، وَكَنَّى عَطَاءً فِي ذَلِكَ الْمَوْضِعِ بِأَبِي مَالِكٍ، وَإِنَّمَا هُوَ أَبُو زَيْدٍ ⦗ص: 127⦘. وَكَذَلِكَ كَنَّاهُ الْبُخَارِيُّ فِي تَارِيخِهِ، وَإِنَّمَا مَالِكٌ اسْمُ جَدِّهِ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ فِي هَذَا الْبَابِ: الْفَضْلُ بْنُ عَطَاءٍ وَإِنَّمَا هُوَ الْفَضْلُ بْنُ الْعَلَاءِ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الْكُنَى فَقَالَ: أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى شَدَّادٍ وَزَعَمَ أَنَّهُ سَالِمٌ الْبَرَّادُ ⦗ص: 128⦘. وَهَذَا أَيْضًا وَهْمٌ؛ لِأَنَّ سَالِمًا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مَوْلَى شَدَّادٍ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، وَهُوَ الَّذِي قَدَّمْنَا ذِكْرَهُ فِي بَابِ السِّينِ، وَسَالِمٌ الْبَرَّادُ هُوَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ حَدَّثَ عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ وَابْنِ عُمَرَ، رُوِيَ عَنْهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ وَعَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الْكُنَى فَقَالَ: أَبُو الْحَكَمِ عِمْرَانُ بْنُ الْحَارِثِ السُّلَمِيُّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَابْنِ عُمَرَ ⦗ص: 129⦘ وَفِي هَذَا وَهْمٌ لِأَنَّ صَاحِبَ ابْنِ عَبَّاسٍ هُوَ السُّلَمِيُّ الَّذِي ذَكَرَهُوَصَاحِبُ ⦗ص: 130⦘ ابْنِ عُمَرَ هُوَ الْبَجَلِيُّ وَهُوَ الَّذِي رَوَى عَنْهُ قَتَادَةُ وَزُرَارَةُ بْنُ أَوْفَى، وَهُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي نُعْمٍ الْكُوفِيُّ وَالِدُ الْحَكَمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَبَجِيلَةُ مِنَ الْيَمَنِ وَسُلَيْمَانُ بْنُ قَيْسٍ مِنْ مُضَرَ، وَقَدْ رُوِيَ عَنِ الْبَجَلِيِّ يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، وَفُضَيْلُ بْنُ غَزْوَانَ وَالسُّلَمِيُّ الْمُقَدَّمُ ذِكْرُهُ الْمُسَمَّى عِمْرَانَ بْنَ الْحَارِثِ، رَوَى عَنْهُ سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ، وَحُصَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ⦗ص: 131⦘، وَلَهُ أَخٌ يُقَالُ لَهُ مَلِكُ بْنُ الْحَارِثِ يَرْوِي عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ فِي النَّبِيذِ وَلَيْسَ بِمَلِكِ بْنِ الْحَارِثِ الْهَمْدَانِيِّ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الْكُنَى فَقَالَ: أَبُو الْوَلِيدِ يَسَارُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، رُوِيَ عَنْهُ زَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ، وَهَذَا وَهْمٌ وَالتَّسْمِيَةُ لَهُ خَطَأٌ، وَإِنَّمَا هُوَ سَعِيدُ بْنُ مِينَا الْمَكِّيُّ الَّذِي يَرْوِي عَنْهُ أَيُّوبُ السِّخْتِيَانِيُّ، وَسُلَيْمُ بْنُ حَيَّانَ، وَزَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الْكُنَى فَقَالَ ⦗ص: 132⦘: أَبُو مُجَاهِدٍ الطَّائِيُّ وَسَمَّاهُ سَعْدَانَ بْنَ بِشْرٍ، وَهَذَا وَهْمٌ عَظِيمٌ؛ لِأَنَّ أَبَا مُجَاهِدٍ هُوَ سَعْدٌ الطَّائِيُّ، وَسَعْدَانُ بْنُ بِشْرٍ هُوَ رَجُلٌ آخَرُ، وَهُوَ الرَّاوِي عَنْ أَبِي مُجَاهِدٍ هَذَا. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَ فِي الْكُنَى أَبَا عُبَيْدَةَ الْحَدَّادَ فَسَمَّاهُ عَبْدَ الْأَعْلَى بْنَ وَاصِلٍ، وَإِنَّمَا هُوَ عَبْدُ الْوَاحِدِ ⦗ص: 133⦘. وَمِنْ ذَلِكَ: مَا ذَكَرَهُ فِي الْكُنَى فَقَالَ: أَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ وَسَمَّاهُ الْبَرَاءَ بْنَ قَيْسٍ، وَهَذَا وَهْمٌ لِأَنَّ أَبَا كَبْشَةَ السَّلُولِيَّ رَجُلٌ يُعَدُّ فِي الشَّامِيِّينَ ⦗ص: 134⦘ وَهُوَ الَّذِي يَرْوِي عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، وَيُحَدِّثُ عَنْهُ حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ بِحَدِيثَيْنِ، وَفِي أَحَدِهِمَا ثَلَاثَةُ أَحَادِيثَ وَالْبَرَاءُ بْنُ قَيْسٍ كُوفِيُّ، وَأَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ فَلَا أَعْلَمُ أَحَدًا أَسْنَدَ عَنْهُ حَدِيثًا إِلَّا حَسَّانَ بْنَ عَطِيَّةَ
তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনুল ওয়ারদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আল-আল্লাফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে বুকাইর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস ইবনে সাদ, বুকাইর ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, মদীনার একজন প্রবীণ ব্যক্তি তাকে জানিয়েছেন—তিনি বলেন: সেই সময় মদীনায় তার চেয়ে বড় কোনো প্রবীণ ব্যক্তি সম্পর্কে আমার জানা ছিল না, যাকে আবু আবদুল্লাহ বলা হতো—তিনি বলেন: আমি মদীনা থেকে কিছু উন্নত মানের দিরহাম নিয়ে বের হলাম এবং ইরাকে সেগুলো তার চেয়ে নিম্নমানের দিরহামের সাথে সরাসরি লেনদেনের মাধ্যমে বিনিময় করলাম এবং পরিমাণে কিছু বেশি গ্রহণ করলাম। আমাকে বলা হলো: এটি সঠিক নয়। তখন আমি যার কাছে দিরহাম বিক্রি করেছিলাম তাকে বললাম: এগুলো আটকে রাখুন যতক্ষণ না আমি মদীনা পৌঁছাই। যদি এটি হারাম হয় তবে আমার দিরহাম আপনার দিরহামের বিনিময়ে (ফেরত নিব)। তিনি বলেন: আমি মদীনা পৌঁছে প্রথমে ইবনে আব্বাসের নিকট গেলাম। তিনি বললেন: এতে কোনো সমস্যা নেই। এরপর আমি আবু সাঈদ আল-খুদরীর নিকট আসলাম এবং তাকে ইবনে আব্বাসের ফতোয়া সম্পর্কে অবহিত করলাম। তিনি বললেন: আমি ইবনে আব্বাসকে নিষেধ করেছি কিন্তু তিনি বিরত হননি। আমি শীঘ্রই তার সাথে দেখা করে তাকে পুনরায় নিষেধ করব। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «দীনারের বিনিময়ে দীনার এবং দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম, ওজনে সমান সমান হওয়া ছাড়া এতে কোনো কমবেশি করা যাবে না।» ⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: সুলাইমান অধ্যায়ে তিনি যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন সুলাইমান ইবনে মুয়ায আদ-দব্বী, আবার এর আগে অন্য এক স্থানে বলেছেন সুলাইমান ইবনে ক্বরম। তিনি উভয়কে পৃথক করেছেন অথচ তারা একই ব্যক্তি। ⦗পৃষ্ঠা: ১০৬⦘ তিনি সিমাক ইবনে হারব, আল-আমাশ ও সাঈদ ইবনে হানজালা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু জাওয়াব, মুহাম্মদ ইবনে ফুযাইল ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১০৭⦘ তারা তাকে ক্বরমের দিকে সম্বন্ধ করেছেন, আর আবু দাউদ আত-তায়ালিসি তাকে মুয়াযের দিকে সম্বন্ধ করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: শীন অধ্যায়ে তিনি যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: শারাহীল ইবনে আদম (মীম দিয়ে), আবু আল-আশআস আস-সানআনী। সঠিক হলো ইবনে আদাহ (হা এবং দাল দিয়ে, যা হালকাভাবে এবং যবরসহ উচ্চারিত)। আর কুনিয়াত অধ্যায়ে তিনি এটি সঠিকভাবে উল্লেখ করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১০৮⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: 'আবাদিলা' (আবদুল্লাহ নামীয় ব্যক্তিবর্গ) অধ্যায়ে তিনি যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়ের (জীম ও রা দিয়ে), অথচ এটি হবে নূন ও হা দিয়ে (নুহাইর), এবং তিনি ইব্রাহীমের পিতা। ⦗পৃষ্ঠা: ১০৯⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: 'আবাদিলা' অধ্যায়ে আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর আন-নুমাইরী। অথচ এটি হবে আন-নামারী, প্রথম ইয়া বিলুপ্ত করে। ⦗পৃষ্ঠা: ১১০⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: 'আবাদিলা' অধ্যায়ে আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মা'ন, এবং দাবি করেছেন যে তিনি আবু মা'ন আর-রাকাশী। এটি একটি সুদূরপ্রসারী বিভ্রম; কারণ আবু মা'ন আর-রাকাশী হলেন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজের উস্তাদদের একজন, আর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মা'ন হলেন তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি উম্মে হিশাম আল-আনসারীয়া থেকে বর্ণনা করেন, যার সাহচর্য (সাহাবিয়াত) রয়েছে। আর তার থেকে হাবীব ইবনে আবদুর রহমান ও আবু মা'ন আর-রাকাশী বর্ণনা করেন। তিনি হলেন যায়দ ইবনে ইয়াযীদ, যা তিনি ঝা (যায়) অধ্যায়ে সঠিকভাবে উল্লেখ করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১১১⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: আবদুল মালিক অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবদুল মালিক ইবনে মাইসারা, আবার মুসলিমের একক বর্ণনাকারীদের মধ্যে তাকে উল্লেখ করে বলেছেন: আবদুল মালিক আবু যায়দ। এটি ভুল, অর্থাৎ উভয়ের মধ্যে পার্থক্য করা ভুল অথচ তারা একই ব্যক্তি। ⦗পৃষ্ঠা: ১১২⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: আইন অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন: আমর ইবনে মুররাহ এবং তাকে জুহাইনার দিকে সম্বন্ধ করেছেন। অথচ তিনি জামালের দিকে সম্বন্ধিত, আর জামাল হলো মুরাদের একটি উপগোত্র। আর জুহাইনার দিকে সম্বন্ধিত আমর ইবনে মুররাহ হলেন একজন সাহাবী। ⦗পৃষ্ঠা: ১১৩⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: ত (ত্বা) অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: ত্বালহা ইবনে যায়দ আল-আনসারী। অথচ তিনি হলেন ত্বালহা ইবনে ইয়াযীদ আবু হামযা (যায়ের আগে ইয়া দিয়ে), যায়দ ইবনে আরকামের সঙ্গী। এর মধ্যে আরও রয়েছে: আবদুর রহমান অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবদুর রহমান ইবনে বাশীর (নিচে দুই নুক্তাওয়ালা ইয়া সহ) ইবনে মাসউদ। অথচ এটি হবে বিশর (ইয়া বিলুপ্ত করে), ⦗পৃষ্ঠা: ১১৪⦘ আর মাসউদ তার দাদা। আর আবদুর রহমান ইবনে বাশীর স্তরের দিক থেকে তার নিচে; তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন এবং তার থেকে দুহাইম ও সুলাইমান ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: আবদুল আযীয অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবদুল আযীয ইবনে আওন শাযান, আবদানের ভাই। অথচ তিনি হলেন আবদুল আযীয ইবনে উসমান, আর আওন বলা ভুল। ⦗পৃষ্ঠা: ১১৫⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: আবদ (দাস) অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবদ রাব্বিহি ইবনে রাফি (রা দিয়ে)। অথচ এটি হবে নূন দিয়ে (নাফি'), এবং তিনি হলেন আবু শিহাব আল-হান্নাত। কুনিয়াত অধ্যায়ে তিনি এটি সঠিকভাবে উল্লেখ করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১১৬⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: ফা অধ্যায়ে ফুযাইল ইবনে সুলাইমান আল-জাহদারী। অথচ তিনি হলেন ফুযাইল ইবনুল হুসাইন আবু কামিল আল-জাহদারী। এর মধ্যে আরও রয়েছে: ক্বাফ অধ্যায়ে মুররাহ ইবনে হাবীব আল-গানাবী (এক নুক্তাওয়ালা গাইন দিয়ে)। অথচ এটি হবে আল-ক্বানাভী (ক্বাফ দিয়ে), যা আল-ক্বানা এর দিকে সম্বন্ধিত। ⦗পৃষ্ঠা: ১১৮⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: আইন অধ্যায়ে উমর ইবনুল হাকাম ইবনে নাফি (নূন দিয়ে)। অথচ এটি হবে রাফি (রা দিয়ে)। ⦗পৃষ্ঠা: ১১৯⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: ক্বাফ অধ্যায়ে তিনি বলেছেন: ক্বাইস ইবনে সুলাইমান আল-আনাযী। অথচ এটি হবে ক্বাইস ইবনে সুলাইম (নূন বিলুপ্ত করে), এবং তিনি বনী তামীম গোত্রের আল-আনবারী। এর মধ্যে আরও রয়েছে: মীম অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মূসা আল-ক্বাতারী (ক্বাফ দিয়ে) ⦗পৃষ্ঠা: ১২০⦘ অথচ এটি হবে ফা (এক নুক্তাওয়ালা) দিয়ে (ফাতারী)। তার থেকে খালিদ ইবনে মাখলাদ ও কুতায়বা ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: মীম অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন: মুয়াবিয়া ইবনে সামুরাহ (সামুরাহ-তে মীম দিয়ে) ⦗পৃষ্ঠা: ১২১⦘ অথচ এটি হবে বা (এক নুক্তাওয়ালা) দিয়ে (সাবুরাহ), এবং তিনি হলেন আবু আল-উবাইদাইন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: বুখারীর উস্তাদদের মধ্যে যা উল্লেখ করেছেন: আল-হুসাইন ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াযী (ইয়া সহ) ⦗পৃষ্ঠা: ১২২⦘ অথচ এটি হবে আল-হাসান (ইয়া ছাড়া)। অন্য এক স্থানে তিনি এটি সঠিকভাবে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: যে সকল বর্ণনাকারীদের থেকে বর্ণনা নেওয়ার কারণে মুসলিমের সমালোচনা করা হয়েছে তাদের মধ্যে মানসূর ইবনে সুক্বাইর। তিনি বলেছেন: তারা উভয়ই তাকে উল্লেখ করেছেন। অথচ তিনি তাকে ঐকমত্যের অধ্যায়ে উল্লেখ করেননি। আর আমার জানা নেই যে কেউ উল্লেখ করেছেন যে তারা দুজন সহীহ গ্রন্থে তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহই ভালো জানেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১২৩⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: ইয়াহইয়া অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে হানি আবু হানি। অথচ তিনি হলেন হুমাইদ ইবনে হানি, এবং তিনি একজন মিশরীয়। আমাদের নিকট তার থেকে অনেক হাদীস রয়েছে। ⦗পৃষ্ঠা: ১২৪⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: ইয়া অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: ইয়াযীদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উযাইনাহ আবু কাসীর আস-সুহাইমী। অথচ তিনি হলেন ইয়াযীদ ইবনে আবদুর রহমান এবং তিনি যুফারের পিতা। তিনি ইকরিমাহ ইবনে আম্মার, আল-আওযাঈ এবং উকবাহ ইবনে তাওআম থেকে বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১২৫⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: যা উল্লেখ করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে উম্মুল হুসাইন। অথচ তিনি হলেন ইয়াহইয়া ইবনুল হুসাইন (উম্ম ছাড়া), এবং তিনি আল-বাজালী আল-আহমাসী। তিনি তার দাদী উম্মুল হুসাইন এবং তারেক ইবনে শিহাব থেকে শুনেছেন। তার থেকে শু’বা বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: বুখারীর উস্তাদদের মধ্যে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: সাঈদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল হাকাম ইবনে আবু মারইয়াম। অথচ তিনি হলেন স্বয়ং সাঈদ ইবনুল হাকাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু মারইয়াম। ⦗পৃষ্ঠা: ১২৬⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: যা উল্লেখ করেছেন যে ইমাম বুখারী আতা ইবনে সাইবের বর্ণনাকে দলীল হিসেবে পেশ করেছেন এবং সেই স্থানে আতার কুনিয়াত আবু মালিক বলেছেন। অথচ তা হবে আবু যায়দ। ⦗পৃষ্ঠা: ১২৭⦘ ইমাম বুখারী তার তারিখেও অনুরূপ কুনিয়াত উল্লেখ করেছেন। প্রকৃতপক্ষে মালিক তার দাদার নাম। এর মধ্যে আরও রয়েছে: এই অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন: আল-ফযল ইবনে আতা। অথচ এটি হবে আল-ফযল ইবনুল আলা। এর মধ্যে আরও রয়েছে: কুনিয়াত অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবু আবদুল্লাহ মাওলা শাদ্দাদ এবং দাবি করেছেন যে তিনি সালিম আল-বাররাদ। ⦗পৃষ্ঠা: ১২৮⦘ এটিও একটি বিভ্রম; কারণ সালিম আবু আবদুল্লাহ মাওলা শাদ্দাদ হলেন মদীনার অধিবাসী একজন ব্যক্তি, যার কথা আমরা ইতিপূর্বে সীন অধ্যায়ে উল্লেখ করেছি। আর সালিম আল-বাররাদ হলেন আবু আবদুল্লাহ, যিনি কূফার অধিবাসী। তিনি আবু মাসউদ ও ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে ইসমাঈল ইবনে আবু খালিদ ও আতা ইবনে সাইব বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: কুনিয়াত অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবু আল-হাকাম ইমরান ইবনুল হারিস আস-সুলামী, ইবনে আব্বাস ও ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১২৯⦘ এতে বিভ্রম রয়েছে কারণ ইবনে আব্বাসের সঙ্গী হলেন আস-সুলামী যাকে তিনি উল্লেখ করেছেন, আর ⦗পৃষ্ঠা: ১৩০⦘ ইবনে উমরের সঙ্গী হলেন আল-বাজালী। তিনি ঐ ব্যক্তি যার থেকে কাতাদাহ ও যুরারাহ ইবনে আওফা বর্ণনা করেছেন। তিনি হলেন আবদুর রহমান ইবনে আবু নু'ম আল-কূফী, যিনি হাকাম ইবনে আবদুর রহমানের পিতা। বাজীলা গোত্র ইয়ামানের অন্তর্ভুক্ত এবং সুলাইমান ইবনে কাইস মুযার গোত্রের। আল-বাজালী থেকে ইয়াযীদ ইবনে আবু যিয়াদ ও ফুযাইল ইবনে গাযওয়ান বর্ণনা করেছেন। আর পূর্বে উল্লিখিত আস-সুলামী যার নাম ইমরান ইবনুল হারিস, তার থেকে সালামাহ ইবনে কুহাইল ও হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১৩১⦘ তার মালিক ইবনুল হারিস নামক এক ভাই আছে যিনি নবীয সম্পর্কে আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন; তিনি মালিক ইবনুল হারিস আল-হামদানী নন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: কুনিয়াত অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবু আল-ওয়ালীদ ইয়াসার ইবনে আবদুর রহমান জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে যায়দ ইবনে আবু উনাইসাহ বর্ণনা করেছেন। এটি একটি বিভ্রম এবং তার নামোল্লেখ করা ভুল। তিনি হলেন মূলত সাঈদ ইবনে মীনা আল-মাক্কী, যার থেকে আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী, সুলাইম ইবনে হাইয়ান এবং যায়দ ইবনে আবু উনাইসাহ বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে: কুনিয়াত অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৩২⦘: আবু মুজাহিদ আত-তাঈ এবং তার নাম সা'দান ইবনে বিশর বলেছেন। এটি একটি বড় ধরণের বিভ্রম; কারণ আবু মুজাহিদ হলেন সা'দ আত-তাঈ, আর সা'দান ইবনে বিশর হলেন অন্য এক ব্যক্তি এবং তিনি এই আবু মুজাহিদের থেকে বর্ণনাকারী। এর মধ্যে আরও রয়েছে: কুনিয়াত অধ্যায়ে আবু উবায়দাহ আল-হাদ্দাদকে উল্লেখ করে তার নাম আবদুল আলা ইবনে ওয়াসিল বলেছেন। অথচ তা হবে আবদুল ওয়াহিদ। ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৩⦘ এর মধ্যে আরও রয়েছে: কুনিয়াত অধ্যায়ে যা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আবু কাবশাহ আস-সালুলী এবং তার নাম বলেছেন বারা ইবনে কাইস। এটি একটি বিভ্রম কারণ আবু কাবশাহ আস-সালুলী শামের অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত একজন ব্যক্তি। ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৪⦘ তিনি ঐ ব্যক্তি যিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন এবং হাসসান ইবনে আতিয়্যাহ তার থেকে দুটি হাদীস বর্ণনা করেন, যার একটিতে তিনটি হাদীস রয়েছে। আর বারা ইবনে কাইস হলেন কূফার অধিবাসী। আর আবু কাবশাহ আস-সালুলী সম্পর্কে আমার জানা নেই যে হাসসান ইবনে আতিয়্যাহ ছাড়া অন্য কেউ তার থেকে কোনো হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ১৩৪)
قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ حَسَّانَ بْنِ عَطِيَّةَ عَنْ أَبِي كَبْشَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ ⦗ص: 135⦘: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মদ আস-সামারকন্দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমাইয়্যাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম আন-নাবিল, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি হাসান ইবনে আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু কাবশাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৫⦘: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়»
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ১৩৬)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُفَسِّرُ، قَالَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ دُحَيْمٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ ح قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ وَعَبْدُ الْمَلِكِ قَالَا: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ ح قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: وَحَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ قَالَ: وَحَدَّثَنَا مَحْمُودٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ قَالَ: حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ قَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو قَالَ الْوَلِيدُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَا حَرَجَ، وَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-মুফাসসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবরাহীম বিন দুহায়ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-ওয়ালীদ বিন মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। (সূত্রান্তর) তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-ওয়ালীদ এবং আব্দুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন, আল-আওযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। (সূত্রান্তর) তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উমর আল-আওযাঈ হতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাসান বিন আতিয়্যাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক বলেন, আবু কাবশাহ আস-সালুলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ বিন আমরকে বলতে শুনেছি, আল-ওয়ালীদ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার পক্ষ হতে পৌঁছে দাও যদিও তা একটি আয়াত হয়, আর বনী ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করো, এতে কোনো দোষ নেই। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন তার ঠিকানা নির্ধারণ করে নেয় জাহান্নামে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ১৩৭)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُفَسِّرِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ ح قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ ح قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ قَالُوا: حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ ح قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَحْمُودٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفِرْيَابِيُّ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ قَالَ: حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو قَال: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَرْبَعُونَ حَسَنَةً أَعْلَاهُنَّ مِنْحَةُ الْعَنْزِ لَا يَعْمَلُ الرَّجُلُ بِخَصْلَةٍ مِنْهَا رَجَاءَ ثَوَابِهَا وَتَصْدِيقًا بِمَوْعُودِهَا إِلَّا أَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ» ⦗ص: 138⦘ قَالَ الْفِرْيَابِيُّ: «إِلَّا أَثَابَهُ اللَّهُ بِهِ الْجَنَّةَ» ، وَقَالَ عَبْدُ الْحَمِيدِ: «وَتَصْدِيقُ مَوْعُودِهَا» وَمِمَّا يَتَمَيَّزُ بِهِ أَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ قَيْسٍ أَنَّ أَبَا كَبْشَةَ رَجُلٌ مِنْ هَوَازِنَ، وَهَوَازِنُ تَرْجِعُ إِلَى مُضَرَ وَالْبَرَاءُ بْنُ قَيْسٍ رَجُلٌ مِنَ السَّكُونِ، وَالسَّكُونُ مِنَ الْيَمَنِ وَيُمَيِّزُهُ أَيْضًا مِنَ الْبَرَاءِ بْنِ قَيْسٍ أَمْرٌ آخَرُ، وَذَاكَ أَنَّ الْكُنْيَةَ مُتَّفِقَةٌ فِي الْخَطِّ مُخْتَلِفَةٌ فِي اللَّفْظِ وَالْمَعْنَى، وَذَاكَ أَنَّ السَّلُولِيَّ يُكَنَّى أَبَا كَبْشَةَ بِالْبَاءِ الْمُعْجَمَةِ بِوَاحِدَةٍ وَبِالشِّينِ الْمُعْجَمَةِ، وَالْبَرَاءُ بْنُ قَيْسٍ يُكَنَّى بِأَبِي كَيْسَةَ بِالْيَاءِ الْمُعْجَمَةِ بِاثْنَتَيْنِ مِنْ تَحْتِهَا وَسِينٍ لَا تُعْجَمُ ⦗ص: 139⦘ وَلِقَوْلِنَا إِنَّ السَّلُولِيَّ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الشَّامِ حُجَّةٌ، حَدَّثَنَا بِهَا أَبُو سُلَيْمَانَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّبْعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُمَيْعٍ أَنَّهُ ذَكَرَ فِي تَارِيخِهِ فِي الطَّبَقَةِ الثَّالِثَةِ مِنْ تَابِعِي أَهْلِ الشَّامِ أَبَا كَبْشَةَ السَّلُولِيَّ فَقَالَ: وَأَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ مِنْ قَيْسٍ قَدِمَ عَلَى عَبْدِ الْمَلِكِ ⦗ص: 140⦘. وَلِقَوْلِنَا فِي الْبَرَاءِ بْنِ قَيْسٍ حُجَّةٌ أُخْرَى هِيَ تَفْرِيقُ مُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ بَيْنَهَا، فَذَكَرَ السَّلُولِيَّ فِي الشَّامِيِّينَ وَذَكَرَ الْبَرَاءَ فِي الْكُوفِيِّينَ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الْوَرْدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْخَفَّافِ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ، أَنَّهُ ذَكَرَ أَبَا كَبْشَةَ السَّلُولِيَّ فِي تَابِعِي أَهْلِ الشَّامِ قَالَ: وَحَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ وَرْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْحَقَّافُ قَالَ: حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، أَنَّهُ ذَكَرَ فِي الطَّبَقَةِ الْأُولَى مِنْ تَابِعِي أَهْلِ الْكُوفَةِ الْبَرَاءَ بْنَ قَيْسٍ، قَالَ: وَأَخْبَرَنِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ زُكُرُونَ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ أَنَّ أَبَا مُسْلِمٍ صَالِحَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَالِحٍ الْكُوفِيَّ حَدَّثَهُمْ أَنَّ أَبَاهُ ذَكَرَ فِي تَارِيخِهِ فِي تَابِعِي أَهْلِ الْكُوفَةِ فَقَالَ ⦗ص: 141⦘: أَبُو كَيْسَةَ كُوفِيُّ تَابِعِيُّ ثِقَةٌ بِالْيَاءِ مُعْجَمَةً بِنُقْطَتَيْنِ مِنْ تَحْتِهَا مُعْجَمَةً، وَمَا أُرِيَ الْوَهْمُ فِي هَذَيْنِ الرَّجُلَيْنِ إِلَّا قَدِيمًا، لِأَنِّي رَأَيْتُهُ فِي بَعْضِ النُّسَخِ فِي تَارِيخِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيِّ فِي بَابِ الْبَاءِ، كَمَا ذَكَرَ هَذَا الرَّجُلَ فِي كِتَابِهِ الْمُلَقَّبِ بِالْمَدْخَلِ إِلَى مَعْرِفَةِ الصَّحِيحِ، وَلَعَلَّهُ وَهْمٌ مِمَّنْ دُونَ الْبُخَارِيِّ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ، وَإِنْ كَانَ الْوَهْمُ مِنْهُ فَهُوَ أَعْظَمُ فَسُبْحَانَ مَنْ لَا يَغْلَطُ. ذِكْرُ مَنْ نَسَبَ الْبَرَاءَ بْنَ قَيْسٍ إِلَى السَّكُونِ
আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-মুফাসসির আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবন আম্মার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল হামিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (হ)। তিনি (ইব্রাহিম) বলেন: এবং আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়ালিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (হ)। তিনি (ইব্রাহিম) বলেন: এবং আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবন আমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাকিয়্যাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন; তারা সবাই বলেছেন: আল-অওযাঈ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (হ)। তিনি (ইব্রাহিম) বলেন: এবং আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাহমুদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফিরয়াবি আল-অওযাঈ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসসান ইবন আতিয়্যাহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু কাবশাহ আস-সালুলি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবন আমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «চল্লিশটি নেক আমল রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ হলো (দুধ পানের জন্য) বকরি দান করা। কোনো ব্যক্তি যখন সওয়াবের আশায় এবং তার প্রতিশ্রুতির সত্যতায় বিশ্বাস রেখে এগুলোর কোনো একটির ওপর আমল করবে, তখন আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।» ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৮⦘ আল-ফিরয়াবি বলেছেন: "তবে আল্লাহ তাকে এর বিনিময়ে জান্নাত দান করবেন।" আর আব্দুল হামিদ বলেছেন: "এবং তার প্রতিশ্রুতির সত্যায়ন।" আবু কাবশাহ আস-সালুলি এবং আল-বারা ইবন কায়সের মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে তা হলো—আবু কাবশাহ হাওয়াযিন গোত্রের এক ব্যক্তি, আর হাওয়াযিন গোত্র মুযার বংশের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে আল-বারা ইবন কায়স সাকুন গোত্রের এক ব্যক্তি, আর সাকুন হলো ইয়ামেনের অন্তর্ভুক্ত। তাদের দুজনের মধ্যে আরও একটি পার্থক্য রয়েছে, আর তা হলো—তাদের উপনাম (কুনিয়াত) লেখার ক্ষেত্রে এক হলেও উচ্চারণ এবং অর্থে ভিন্ন। সালুলির উপনাম হলো 'আবু কাবশাহ' যা এক নুকতাযুক্ত 'বা' এবং তিন নুকতাযুক্ত 'শীন' দিয়ে গঠিত, আর আল-বারা ইবন কায়সের উপনাম হলো 'আবু কায়সাহ' যা নিচে দুই নুকতাযুক্ত 'ইয়া' এবং নুকতাহীন 'সীন' দিয়ে গঠিত। ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৯⦘ আমাদের এই বক্তব্যের সপক্ষে যে সালুলি শামের অধিবাসী ছিলেন, তার প্রমাণ হলো—আবু সুলায়মান মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আর-রিবঈ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবন উমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাহমুদ ইবন ইব্রাহিম ইবন সুমাই' তাঁর ইতিহাসে শাম অঞ্চলের তাবেয়ীদের তৃতীয় স্তরে আবু কাবশাহ আস-সালুলির কথা উল্লেখ করে বর্ণনা করেছেন যে: আবু কাবশাহ আস-সালুলি কায়স গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, তিনি আব্দুল মালিকের দরবারে এসেছিলেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১৪০⦘ আল-বারা ইবন কায়স সম্পর্কে আমাদের বক্তব্যের সপক্ষে আরও একটি প্রমাণ হলো মুসলিম ইবন আল-হাজ্জাজের কৃত পার্থক্য। তিনি আস-সালুলিকে শামবাসীদের তালিকায় এবং আল-বারাকে কুফাবাসীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন জাফর ইবন আল-ওয়ারদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবন আহমদ আল-খাফফাফ থেকে, তিনি মুসলিম ইবন আল-হাজ্জাজ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি শাম অঞ্চলের তাবেয়ীদের মধ্যে আবু কাবশাহ আস-সালুলিকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবন ওয়ারদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন আহমদ আল-হাক্কাফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসলিম ইবন আল-হাজ্জাজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি কুফা অঞ্চলের প্রথম স্তরের তাবেয়ীদের মধ্যে আল-বারা ইবন কায়সের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আলী ইবন আহমদ ইবন যুকরুন তাঁর চিঠিতে আমাকে জানিয়েছেন যে, আবু মুসলিম সালিহ ইবন আহমদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুফি তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর পিতা কুফাবাসী তাবেয়ীদের ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন যে, ⦗পৃষ্ঠা: ১৪১⦘ আবু কায়সাহ একজন কুফাবাসী নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) তাবেয়ী—এটি নিচে দুই নুকতাযুক্ত 'ইয়া' দিয়ে গঠিত। আমার মতে, এই দুই ব্যক্তির ব্যাপারে ভ্রমটি অনেক পুরনো। কারণ আমি মুহাম্মদ ইবন ইসমাইল আল-বুখারীর ইতিহাসের কোনো কোনো কপিতে 'বা' (ب) অধ্যায়ে এটি দেখেছি, যেমনটি তিনি তাঁর 'আল-মাদখাল ইলা মা'রিফাতিস সহীহ' নামক কিতাবেও এই ব্যক্তিকে উল্লেখ করেছেন। হতে পারে এটি বুখারীর পরবর্তী কারো ভুল, আল্লাহই ভালো জানেন। আর যদি ভুলটি তাঁর নিজেরও হয়ে থাকে, তবে তা আরও বিস্ময়কর; সেই সত্তা পবিত্র যিনি কোনো ভুল করেন না। যারা আল-বারা ইবন কায়সকে সাকুন গোত্রের অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করেছেন তাদের আলোচনা।
(খণ্ড: ১)
আল-আওহামুল্লাতী ফী মাদখালিল হাকিম লিল-আজদী
(পৃষ্ঠা: ১৪২)
قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ السَّدُوسِيُّ قَاضِي مِصْرَ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يَحْيَى الْمَرْوَزِيَّ حَدَّثَهُمْ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ إِيَادِ بْنِ لَقِيطٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِيَادٌ عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ قَيْسٍ السَّكُونِيِّ قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ وَهُوَ يُحَدِّثُ أَصْحَابَهُ فَقَالَ فِي آخِرِ حَدِيثِهِ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللَّهَ عز وجل أَرَادَ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَمْ يُرِدْ بِكُمُ الْعُسْرَ، وَاللَّهِ لَغَزْوَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ حَجَّتَيْنِ، وَلَحَجَّةٌ أَحُجُّهَا إِلَى بَيْتِ اللَّهِ عز وجل أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ عُمْرَتَيْنِ، وَلَعُمْرَةٌ أَعْتَمِرُهَا أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ ثَلَاثٍ أَبِيتُهُنَّ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ»
তিনি বলেন: মিসরের বিচারক আবু তাহের আস-সাদূসী আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযী তাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আসিম ইবনে আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ ইবনে ইয়াদ ইবনে লাকীত আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: ইয়াদ আমাদের নিকট বারা ইবনে কায়েস আস-সাকুনী থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস-এর সাথে বসা ছিলাম এবং তিনি তাঁর সাথীদের নিকট হাদীস বর্ণনা করছিলেন। অতঃপর তিনি তাঁর বক্তব্যের শেষে বললেন: «হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তোমাদের জন্য সহজতা চান এবং তোমাদের জন্য কাঠিন্য চান না। আল্লাহর শপথ! আল্লাহর পথে একটি যুদ্ধ আমার নিকট দুটি হজের চেয়ে অধিক প্রিয়, আর আল্লাহর ঘরের উদ্দেশ্যে আমার একটি হজ পালন করা আমার নিকট দুটি উমরার চেয়ে অধিক প্রিয়, এবং একটি উমরা পালন করা আমার নিকট বায়তুল মাকদিসে কাটানো তিনটি রাতের চেয়ে অধিক প্রিয়।»