(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: -)
الأدب المفرد - ت عبد الباقي   (البخاري)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأدب المفرد

المؤلف: محمد بن إسماعيل البخاري (ت 256 هـ)

المحقق: محمد فؤاد عبد الباقي [ت 1388 هـ]

الناشر: المطبعة السلفية ومكتبتها - القاهرة

الطبعة: الثانية 1379 هـ

ثم صَوّرتْها وأضافت لها فهارس: دار البشائر الإسلامية 1409 هـ - 1989 م

عدد الصفحات: 448

تنبيه: تعليقات الشيخ الألباني على الأحاديث، مضافة في هذه النسخة الإلكترونية، وليست من المطبوع

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 26 ربيع الآخر 1443

আল-আদাবুল মুফরাদ - সম্পাদনা: আব্দুল বাকী   (বুখারী)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


বই: আল-আদাবুল মুফরাদ

লেখক: মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল আল-বুখারী (মৃত্যু ২৫৬ হি.)

গবেষক: মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকী [মৃত্যু ১৩৮৮ হি.]

প্রকাশক: আল-মাতবাআহ আস-সালাফিয়্যাহ ও এর পাঠাগার - কায়রো

সংস্করণ: দ্বিতীয় ১৩৭৯ হি.

পরবর্তীতে পুনর্মুদ্রণ ও নির্ঘণ্ট সংযোজন: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ ১৪০৯ হি. - ১৯৮৯ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৪৮

সতর্কবার্তা: হাদিসসমূহের ওপর শাইখ আলবানীর মন্তব্যসমূহ এই ইলেকট্রনিক সংস্করণে যুক্ত করা হয়েছে, যা মূল মুদ্রিত কপিতে নেই

[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২৬ রবিউস সানী ১৪৪৩

(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٤)
‌‌بَابُ قَوْلِهِ تَعَالَى: {وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حُسْنًا} [العنكبوت: 8]
মহান আল্লাহর বাণী সংক্রান্ত অধ্যায়: "আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার প্রতি সদয় ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি।" [আনকাবুত: ৮]
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٤)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْن مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ حَامِدِ بْنِ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ الجْبَّارِ البُخَارِيُّ المَعْرُوفُ بِابْنِ النَّيَازِكِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقْرَّ بِهِ قَدِمَ عَلَيْنَا حَاجًا فِي صَفَرَ سَنَةَ سَبْعِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَناَ أَبُو الْخَيْرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمِّدِ بْنِ الجَلِيلِ بْنِ خَالِدِ بْنِ حُرَيْثٍ البُخَارِيُّ الْكِرْمَانِيُّ الْعَبْقَسِيُّ البَزَّارُ سَنَة اثْنَتَيْنِ وَعِشْرِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ المُغَيرَةِ بْنِ الْأَحْنَفِ الْجُعْفِيُّ البُخَاِرُّي قال: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ: الْوَلِيدُ بْنُ الْعَيْزَارِ أَخْبَرَنِي قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَمْرٍو الشَّيْبَانِيَّ يَقُولُ: حَدَّثَنَا صَاحِبُ هَذِهِ الدَّارِ، وَأَوْمَأَ بِيَدِهِ إِلَى دَارِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: أَيُّ الْعَمَلِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل؟ قَالَ: «الصَّلَاةُ عَلَى وَقْتِهَا» ، قُلْتُ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: «ثُمَّ بِرُّ الْوَالِدَيْنِ» ، قُلْتُ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: «ثُمَّ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» قَالَ: حَدَّثَنِي بِهِنَّ، وَلَوِ اسْتَزَدْتُهُ لَزَادَنِي

صحيح
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান বিন হামিদ বিন হারুন বিন আবদুল জাব্বার আল-বুখারি, যিনি ইবনুন নিয়াজ্যিকি নামে পরিচিত; তাঁর নিকট পাঠ করা হলে তিনি তা স্বীকার করে নেন। তিনি ৩৭০ হিজরি সনের সফর মাসে হজ পালনকারী হিসেবে আমাদের নিকট আগমন করেছিলেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খায়ের আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-জালীল বিন খালিদ বিন হুরাইস আল-বুখারি আল-কিরমানি আল-আবকাসি আল-বাযযার ৩২২ হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন আল-মুগীরা বিন আল-আহনাফ আল-জু'ফি আল-বুখারি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ওয়ালীদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ। তিনি বলেন: আল-ওয়ালীদ বিন আল-আইযার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আমর আশ-শাইবানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট এই গৃহের অধিবাসী বর্ণনা করেছেন—একথা বলে তিনি তাঁর হাত দিয়ে আব্দুল্লাহর গৃহের দিকে ইশারা করলেন—তিনি (আব্দুল্লাহ) বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম: মহাপরাক্রমশালী ও মহান আল্লাহর নিকট কোন আমলটি সর্বাধিক প্রিয়? তিনি বললেন: «সময়মতো সালাত আদায় করা»। আমি জিজ্ঞাসা করলাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: «তারপর পিতামাতার প্রতি সদাচরণ»। আমি জিজ্ঞাসা করলাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: «তারপর আল্লাহর পথে জিহাদ করা»। তিনি (ইবনে মাসউদ) বলেন: তিনি আমাকে এই কথাগুলো বর্ণনা করেছেন; যদি আমি তাঁর নিকট আরও জানতে চাইতাম, তবে তিনি আমার জন্য আরও বর্ণনা করতেন।

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٤)
2 - حَدَّثَنَا آدَمُ قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ: رِضَا الرَّبِّ فِي رِضَا الْوَالِدِ، وَسَخَطُ الرَّبِّ فِي سَخَطِ الْوَالِدِ

حسن موقوفا وصح مرفوعا
২ - আমাদের কাছে আদম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে শু'বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইয়ালা ইবনে আতা তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রবের সন্তুষ্টি পিতার সন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত, আর রবের অসন্তুষ্টি পিতার অসন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত।

মৌকুফ হিসেবে হাসান এবং মারফূ হিসেবে সহীহ।
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٥)
‌‌بَابُ بِرِّ الْأُمِّ
মায়ের প্রতি সদাচরণের অধ্যায়
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٥)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ أَبَرُّ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» ، قُلْتُ: مَنْ أَبَرُّ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» ، قُلْتُ: مَنْ أَبَرُّ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» ، قُلْتُ: مَنْ أَبَرُّ؟ قَالَ: «أَبَاكَ، ثُمَّ الْأَقْرَبَ فَالْأَقْرَبَ»

حسن
৩ - আবু আসিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বাহয ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কার প্রতি সদাচার করব? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি», আমি বললাম: আমি কার প্রতি সদাচার করব? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি», আমি বললাম: আমি কার প্রতি সদাচার করব? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের প্রতি», আমি বললাম: আমি কার প্রতি সদাচার করব? তিনি বললেন: «তোমার পিতার প্রতি, অতঃপর পর্যায়ক্রমে যারা নিকটতর তাদের প্রতি»

হাসান
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٥)
4 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ أَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ: إِنِّي خَطَبْتُ امْرَأَةً، فَأَبَتْ أَنْ تَنْكِحَنِي، وَخَطَبَهَا غَيْرِي، فَأَحَبَّتْ أَنْ تَنْكِحَهُ، فَغِرْتُ عَلَيْهَا فَقَتَلْتُهَا، فَهَلْ لِي مِنْ تَوْبَةٍ؟ قَالَ: أُمُّكَ حَيَّةٌ؟ قَالَ: لَا، قَالَ: تُبْ إِلَى اللَّهِ عز وجل، وَتَقَرَّبْ إِلَيْهِ مَا اسْتَطَعْتَ. فَذَهَبْتُ فَسَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ: لِمَ سَأَلْتَهُ عَنْ حَيَاةِ أُمِّهِ؟ فَقَالَ: إِنِّي لَا أَعْلَمُ عَمَلًا أَقْرَبَ إِلَى اللَّهِ عز وجل مِنْ بِرِّ الْوَالِدَةِ

صحيح
৪ - সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসীর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: যায়দ ইবনে আসলাম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আতা ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল: "আমি এক নারীকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলাম, কিন্তু সে আমাকে বিবাহ করতে অস্বীকার করেছিল। অতঃপর অন্য একজন তাকে প্রস্তাব দিলে সে তাকে বিবাহ করতে পছন্দ করল। এতে আমি তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে হত্যা করে ফেললাম। এখন আমার জন্য কি তাওবার কোনো সুযোগ আছে?" তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: "তোমার মা কি জীবিত?" সে বলল: "না।" তিনি বললেন: "তবে মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট তাওবা করো এবং সাধ্যমতো তাঁর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করো।" (আতা বলেন) অতঃপর আমি ইবনে আব্বাসের নিকট গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম: "আপনি কেন তাকে তার মায়ের জীবনের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেন?" তিনি বললেন: "মায়ের প্রতি সদাচরণের চেয়ে মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর অধিক নিকটবর্তী করে দেয় এমন কোনো আমল সম্পর্কে আমি জানি না।"

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٥)
‌‌بَابُ بِرِّ الْأَبِ
পিতার প্রতি সদাচরণের অধ্যায়
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٥)
5 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَةَ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، مَنْ أَبَرُّ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» ، قَالَ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» ، قَالَ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «أُمَّكَ» ، قَالَ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: «أَبَاكَ»

صحيح
৫ - সুলাইমান ইবন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উহাইব ইবন খালিদ আমাদের নিকট ইবন শুবরুমাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু যুরআহ থেকে শুনেছি, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আমি কার সাথে সবচেয়ে বেশি সদাচরণ করব? তিনি বললেন: “তোমার মা।” তিনি বললেন: তারপর কে? তিনি বললেন: “তোমার মা।” তিনি বললেন: তারপর কে? তিনি বললেন: “তোমার মা।” তিনি বললেন: তারপর কে? তিনি বললেন: “তোমার পিতা।”

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٦)
6 - حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَتَى رَجُلٌ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: مَا تَأْمُرُنِي؟ فَقَالَ: «بِرَّ أُمَّكَ» ، ثُمَّ عَادَ، فَقَالَ: «بِرَّ أُمَّكَ» ، ثُمَّ عَادَ، فَقَالَ: «بِرَّ أُمَّكَ» ، ثُمَّ عَادَ الرَّابِعَةَ، فَقَالَ: «بِرَّ أَبَاكَ»

صحيح
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ্, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআহ্, তিনি আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: আপনি আমাকে কী নির্দেশ দেন? তিনি বললেন: «তোমার মায়ের সাথে সদাচরণ করো», অতঃপর তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন: «তোমার মায়ের সাথে সদাচরণ করো», অতঃপর তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন: «তোমার মায়ের সাথে সদাচরণ করো», অতঃপর তিনি চতুর্থবার জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: «তোমার বাবার সাথে সদাচরণ করো»

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٦)
‌‌بَابُ بِرِّ وَالِدَيْهِ وَإِنْ ظَلَمَا
পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহারের অধ্যায়, যদিও তারা জুলুম করে
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٦)
7 - حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ هُوَ ابْنُ سَلَمَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ الْقَيْسِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: مَا مِنْ مُسْلِمٍ لَهُ وَالِدَانِ مُسْلِمَانِ يُصْبِحُ إِلَيْهِمَا مُحْتَسِبًا، إِلَّا فَتْحَ لَهُ اللَّهُ بَابَيْنِ - يَعْنِي: مِنَ الْجَنَّةِ - وَإِنْ كَانَ وَاحِدًا فَوَاحِدٌ، وَإِنْ أَغْضَبَ أَحَدَهُمَا لَمْ يَرْضَ اللَّهُ عَنْهُ حَتَّى يَرْضَى عَنْهُ "، قِيلَ: وَإِنْ ظَلَمَاهُ؟ قَالَ: «وَإِنْ ظَلَمَاهُ»

ضعيف
৭ - হাজ্জাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ—যিনি ইবনে সালামাহ—আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুলায়মান আত-তায়মী থেকে, তিনি সাঈদ আল-কায়সী থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “এমন কোনো মুসলিম নেই যার দুইজন মুসলিম পিতা-মাতা রয়েছেন এবং সে সওয়াবের আশায় তাঁদের সান্নিধ্যে সকাল অতিবাহিত করে, তবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের দুইটি দরজা খুলে দেন। আর যদি একজন থাকেন, তবে একটি দরজা। আর যদি সে তাঁদের কোনো একজনকে অসন্তুষ্ট করে, তবে আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হন না যতক্ষণ না সেই ব্যক্তি তার ওপর সন্তুষ্ট হন।” জিজ্ঞেস করা হলো: যদি তাঁরা তার ওপর জুলুম করেন? তিনি বললেন: “যদিও তাঁরা তার ওপর জুলুম করেন।”

দুর্বল
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌بَابُ لِينِ الْكَلَامِ لِوَالِدَيْهِ
পিতা-মাতার সাথে নম্রভাবে কথা বলার অধ্যায়
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٧)
8 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ مِخْرَاقٍ قَالَ: حَدَّثَنِي طَيْسَلَةُ بْنُ مَيَّاسٍ قَالَ: كُنْتُ مَعَ النَّجَدَاتِ، فَأَصَبْتُ ذُنُوبًا لَا أَرَاهَا إِلَّا مِنَ الْكَبَائِرِ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِابْنِ عُمَرَ قَالَ: مَا هِيَ؟ قُلْتُ: كَذَا وَكَذَا، قَالَ: لَيْسَتْ هَذِهِ مِنَ الْكَبَائِرِ، هُنَّ تِسْعٌ: الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، وَقَتْلُ نَسَمَةٍ، وَالْفِرَارُ مِنَ الزَّحْفِ، وَقَذْفُ الْمُحْصَنَةِ، وَأَكْلُ الرِّبَا، وَأَكْلُ مَالِ الْيَتِيمِ، وَإِلْحَادٌ فِي الْمَسْجِدِ، وَالَّذِي يَسْتَسْخِرُ، وَبُكَاءُ الْوَالِدَيْنِ مِنَ الْعُقُوقِ. قَالَ لِي ابْنُ عُمَرَ: أَتَفْرَقُ النَّارَ، وَتُحِبُّ أَنْ تَدْخُلَ الْجَنَّةَ؟ قُلْتُ: إِي وَاللَّهِ، قَالَ: أَحَيٌّ وَالِدُكَ؟ قُلْتُ: عِنْدِي أُمِّي، قَالَ: فَوَاللَّهِ لَوْ أَلَنْتَ لَهَا الْكَلَامَ، وَأَطْعَمْتَهَا الطَّعَامَ، لَتَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ مَا اجْتَنَبْتَ الْكَبَائِرَ

صحيح
৮ - মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যিয়াদ ইবনে মিখরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তায়সালাহ ইবনে মাইয়াস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নাজদাতদের (একটি খারেজী উপদল) সাথে ছিলাম। এমতাবস্থায় আমি এমন কিছু পাপে লিপ্ত হলাম যেগুলোকে আমি কবিরা গুনাহ ব্যতীত আর কিছুই মনে করতাম না। অতঃপর আমি ইবনে উমরের নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: সেগুলো কী? আমি বললাম: এই এই। তিনি বললেন: এগুলো কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত নয়। কবিরা গুনাহ হলো নয়টি: আল্লাহর সাথে শিরক করা, কোনো প্রাণ হত্যা করা, রণক্ষেত্র হতে পলায়ন করা, সতী নারীর প্রতি অপবাদ দেওয়া, সুদ খাওয়া, ইয়াতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা, মসজিদে (হারামে) অবমাননাকর বা পবিত্রতা লঙ্ঘনকারী কাজ করা, বিদ্রূপ করা এবং অবাধ্যতার মাধ্যমে পিতা-মাতাকে কাঁদানো। ইবনে উমর আমাকে বললেন: তুমি কি জাহান্নামকে ভয় পাও এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে ভালোবাসো? আমি বললাম: হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ। তিনি বললেন: তোমার পিতা কি জীবিত আছেন? আমি বললাম: আমার নিকট আমার মা আছেন। তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ, যদি তুমি তাঁর সাথে কোমল ভাষায় কথা বলো এবং তাঁকে আহার করাও, তবে তুমি অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে—যতক্ষণ তুমি কবিরা গুনাহসমূহ হতে বেঁচে থাকবে।

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٧)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: {وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ} [الإسراء: 24] ، قَالَ: لَا تَمْتَنِعْ مِنْ شَيْءٍ أَحَبَّاهُ

صحيح
৯ - আমাদের নিকট আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি {আর মমতাবশে তাদের প্রতি নম্রতার ডানা অবনমিত করো} [আল-ইসরা: ২৪] প্রসঙ্গে বলেছেন: তারা যা কিছু পছন্দ করেন, তার কোনোটি থেকেই তুমি বিরত থেকো না।

সহিহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌بَابُ جَزَاءِ الْوَالِدَيْنِ
পিতা-মাতার প্রতিদান সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٧)
10 - حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَجْزِي وَلَدٌ وَالِدَهُ، إِلَّا أَنْ يَجِدَهُ مَمْلُوكًا فَيَشْتَرِيَهُ فَيُعْتِقَهُ»

صحيح
১০ - আমাদের নিকট কাবীসাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন সুহাইল ইবনে আবী সালিহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আবু হুরাইরাহ হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «কোনো সন্তানই তার পিতার প্রতিদান দিতে পারে না, তবে যদি সে তাকে ক্রীতদাস অবস্থায় পায়, অতঃপর তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দেয়।»

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٨)
11 - حَدَّثَنَا آدَمُ قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي بُرْدَةَ قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ، أَنَّهُ شَهِدَ ابْنَ عُمَرَ وَرَجُلٌ يَمَانِيٌّ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ، حَمَلَ أُمَّهُ وَرَاءَ ظَهْرِهِ، يَقُولُ:

[البحر الرجز]

إِنِّي لَهَا بَعِيرُهَا الْمُذَلَّلُ … إِنْ أُذْعِرَتْ رِكَابُهَا لَمْ أُذْعَرِ.

ثُمَّ قَالَ: يَا ابْنَ عُمَرَ أَتُرَانِي جَزَيْتُهَا؟ قَالَ: لَا، وَلَا بِزَفْرَةٍ وَاحِدَةٍ

صحيح
১১ - আদম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সা'ঈদ ইবনে আবি বুরদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি ইবনে উমরকে দেখেছেন এমতাবস্থায় যে, একজন ইয়ামানি ব্যক্তি নিজের মাকে পিঠে বহন করে কা'বা ঘর তাওয়াফ করছেন এবং বলছেন:

[রাজায ছন্দ]

আমি তার জন্য এক অনুগত উট ... যদি তার অন্যান্য সওয়ারীরা ভীত হয়ে পড়ে, তবুও আমি ভীত হই না।

অতঃপর সে বলল: হে ইবনে উমর! আপনি কি মনে করেন আমি তার প্রতিদান দিয়েছি? তিনি বললেন: না, এমনকি (প্রসবকালীন) একটি দীর্ঘশ্বাসেরও নয়।

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٨)
ثُمَّ طَافَ ابْنُ عُمَرَ، فَأَتَى الْمَقَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ قَالَ: يَا ابْنَ أَبِي مُوسَى، إِنَّ كُلَّ رَكْعَتَيْنِ تُكَفِّرَانِ مَا أَمَامَهُمَا

অতঃপর ইবনে উমর তাওয়াফ করলেন, তারপর তিনি মাকামে এসে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি বললেন: হে আবু মুসার পুত্র! নিশ্চয়ই প্রতি দুই রাকাত সালাত তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহের কাফফারা স্বরূপ।

(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٨)
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ قَالَ: حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي مُرَّةَ مَوْلَى عَقِيلٍ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يَسْتَخْلِفُهُ مَرْوَانُ، وَكَانَ يَكُونُ بِذِي الْحُلَيْفَةِ، فَكَانَتْ أُمُّهُ فِي بَيْتٍ وَهُوَ فِي آخَرَ. قَالَ: فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ وَقَفَ عَلَى بَابِهَا فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكِ يَا أُمَّتَاهُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، فَتَقُولُ: وَعَلَيْكَ السَّلَامُ يَا بُنَيَّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، فَيَقُولُ: رَحِمَكِ اللَّهُ كَمَا رَبَّيْتِنِي صَغِيرًا، فَتَقُولُ: رَحِمَكَ اللَّهُ كَمَا بَرَرْتَنِي كَبِيرًا، ثُمَّ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَدْخُلَ صَنَعَ مِثْلَهُ

ضعيف
১২ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন সালিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট লায়স বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট খালিদ বিন ইয়াযিদ বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি হিলাল থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আকীলের মুক্ত দাস আবু মুররাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু হুরায়রাকে মারওয়ান (মদিনার) প্রতিনিধি নিযুক্ত করতেন এবং তিনি যুল-হুলাইফায় অবস্থান করতেন। তাঁর মা এক ঘরে থাকতেন এবং তিনি অন্য এক ঘরে থাকতেন। রাবী বলেন: তিনি যখন বের হওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন মায়ের দরজায় গিয়ে দাঁড়াতেন এবং বলতেন: হে আমার মা! আপনার ওপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকতসমূহ বর্ষিত হোক। তখন মা বলতেন: হে আমার পুত্র! তোমার ওপরও শান্তি, আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকতসমূহ বর্ষিত হোক। এরপর তিনি বলতেন: আপনি শৈশবে আমাকে যেভাবে লালন-পালন করেছেন, আল্লাহ আপনার প্রতি সেভাবে দয়া করুন। মা বলতেন: তুমি বড় হওয়ার পর আমার প্রতি যেভাবে সদাচরণ করেছ, আল্লাহ তোমার প্রতি সেভাবে দয়া করুন। এরপর যখন তিনি পুনরায় ঘরে প্রবেশ করতে চাইতেন, তখনও অনুরুপ করতেন।

যয়ীফ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٨)
قَالَ:

⦗ص: 19⦘

 

13 - وَحَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُبَايِعُهُ عَلَى الْهِجْرَةِ، وَتَرَكَ أَبَوَيْهِ يَبْكِيَانِ، فَقَالَ: «ارْجِعْ إِلَيْهِمَا، وَأَضْحِكْهُمَا كَمَا أَبْكَيْتَهُمَا»

صحيح
তিনি বলেন:

⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘

 

১৩ - আমাদের নিকট আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, আতা ইবনুস সাইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একজন ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হিজরতের ওপর বায়আত করতে আসলেন, এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর পিতামাতাকে ক্রন্দনরত অবস্থায় রেখে এসেছেন। অতঃপর তিনি বললেন: «তুমি তাদের উভয়ের নিকট ফিরে যাও এবং তাদেরকে হাসাও যেমনটি তুমি তাদের কাঁদিয়েছ»

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٩)
قَالَ:

 

14 - وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شَيْبَةَ قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي الْفُدَيْكِ قَالَ: حَدَّثَنِي مُوسَى، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، أَنَّ أَبَا مُرَّةَ، مَوْلَى أُمِّ هَانِئِ ابْنَةِ أَبِي طَالِبٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّهُ رَكِبَ مَعَ أَبِي هُرَيْرَةَ إِلَى أَرْضِهِ بِالْعَقِيقِ فَإِذَا دَخَلَ أَرْضَهُ صَاحَ بِأَعْلَى صَوْتِهِ: عَلَيْكِ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ يَا أُمَّتَاهُ، تَقُولُ: وَعَلَيْكَ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، يَقُولُ: رَحِمَكِ اللَّهُ رَبَّيْتِنِي صَغِيرًا، فَتَقُولُ: يَا بُنَيَّ، وَأَنْتَ فَجَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا وَرَضِيَ عَنْكَ كَمَا بَرَرْتَنِي كَبِيرًا قَالَ مُوسَى: كَانَ اسْمُ أَبِي هُرَيْرَةَ: عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو

حسن
তিনি বললেন:

 

১৪ - এবং আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বিন শায়বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবু ফুদাইক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুসা আমার নিকট আবু হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উম্মে হানি বিনতে আবু তালিবের মুক্তদাস আবু মুররাহ তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু হুরায়রার সাথে আকিক-এ অবস্থিত তাঁর জমির দিকে আরোহণ করে যাচ্ছিলেন। অতঃপর যখন তিনি তাঁর জমিতে প্রবেশ করলেন, তখন উচ্চস্বরে ডেকে বললেন: হে আমার মা, আপনার ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। তিনি (মা) উত্তর দিলেন: এবং তোমার ওপরও শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। তিনি (আবু হুরায়রা) বলতেন: আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া করুন যেভাবে আপনি আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন। তখন তিনি বলতেন: হে আমার বৎস, তোমাকেও আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন এবং তোমার ওপর সন্তুষ্ট হোন, যেভাবে তুমি আমার বার্ধক্যে আমার প্রতি সদ্ব্যবহার করেছ। মুসা বলেন: আবু হুরায়রার নাম ছিল আব্দুল্লাহ বিন আমর।

হাসান
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٩)
‌‌بَابُ عُقُوقِ الْوَالِدَيْنِ
পিতামাতার অবাধ্যতা পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ١٩)
15 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْفَضْلِ قَالَ: حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِأَكْبَرِ الْكَبَائِرِ؟» ثَلَاثًا، قَالُوا: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ - وَجَلَسَ وَكَانَ مُتَّكِئًا - أَلَا وَقَوْلُ الزُّورِ» ، مَا زَالَ يُكَرِّرُهَا حَتَّى قُلْتُ: لَيْتَهُ سَكَتَ

صحيح
১৫ - মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনুল ফাযল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-জুরায়রী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমি কি তোমাদেরকে কবীরা গুনাহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড়টি সম্পর্কে অবহিত করব না?» কথাটি তিনি তিনবার বললেন। তাঁরা বললেন: অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন: «আল্লাহর সাথে শিরক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া — তিনি হেলান দিয়ে বসা ছিলেন, অতঃপর সোজা হয়ে বসলেন — সাবধান! আর মিথ্যা কথা বলা (বা মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া)»। তিনি কথাটি বারবার বলতে থাকলেন, এমনকি আমি (মনে মনে) বললাম: হায়! তিনি যদি এখন থামতেন।

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَّامٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ وَرَّادٍ، كَاتِبِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ: كَتَبَ مُعَاوِيَةُ إِلَى الْمُغِيرَةِ: اكْتُبْ إِلَيَّ بِمَا سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم. قَالَ وَرَّادٌ: فَأَمْلَى عَلَيَّ وَكَتَبْتُ بِيَدَيَّ: إِنِّي سَمِعْتُهُ يَنْهَى عَنْ كَثْرَةِ السُّؤَالِ، وَإِضَاعَةِ الْمَالِ، وَعَنْ قِيلَ وَقَالَ

صحيح
১৬ - মুহাম্মাদ ইবনে সাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারীর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি মুগীরা ইবনে শু'বার লেখক ওয়াররাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআবিয়া মুগীরা ইবনে শু'বার নিকট লিখে পাঠালেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থেকে আপনি যা শুনেছেন তা আমার নিকট লিখে পাঠান। ওয়াররাদ বলেন: অতঃপর তিনি আমাকে মুখে মুখে বললেন এবং আমি নিজ হাতে লিখলাম: নিশ্চয় আমি তাঁকে অধিক সওয়াল (প্রশ্ন) করা, সম্পদ অপচয় করা এবং বৃথা কথাবার্তা বলা থেকে নিষেধ করতে শুনেছি।

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
‌‌بَابُ لَعَنَ اللَّهُ مَنْ لَعَنَ وَالِدَيْهِ
পরিচ্ছেদ: আল্লাহ ঐ ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন যে তার পিতামাতাকে অভিশাপ দেয়
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
17 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي بَزَّةَ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ قَالَ: سُئِلَ عَلِيٌّ: هَلْ خَصَّكُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِشَيْءٍ لَمْ يَخُصَّ بِهِ النَّاسَ كَافَّةً؟ قَالَ: مَا خَصَّنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِشَيْءٍ لَمْ يَخُصَّ بِهِ النَّاسَ، إِلَّا مَا فِي قِرَابِ سَيْفِي، ثُمَّ أَخْرَجَ صَحِيفَةً، فَإِذَا فِيهَا مَكْتُوبٌ: «لَعَنَ اللَّهُ مَنْ ذَبَحَ لِغَيْرِ اللَّهِ، لَعَنَ اللَّهُ مَنْ سَرَقَ مَنَارَ الْأَرْضِ، لَعَنَ اللَّهُ مَنْ لَعَنَ وَالِدَيْهِ، لَعَنَ اللَّهُ مَنْ آوَى مُحْدِثًا»

صحيح
১৭ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মারযূক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন শু’বাহ, তিনি আল-কাসিম ইবনে আবি বাযযাহ থেকে, তিনি আবু তুফাইল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আপনাদের বিশেষ কোনো কিছু দিয়ে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করেছেন যা তিনি সকল মানুষের জন্য করেননি? তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বিশেষ কোনো কিছু প্রদান করেননি যা তিনি সকল মানুষের জন্য করেননি, তবে আমার তলোয়ারের খাপের ভেতরে যা আছে তা ব্যতীত। অতঃপর তিনি একটি সহীফা (পুস্তিকা) বের করলেন, যাতে লিখিত ছিল: «আল্লাহর লানত তার ওপর যে আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে জবাই করে, আল্লাহর লানত তার ওপর যে জমিনের সীমানা চিহ্ন চুরি করে, আল্লাহর লানত তার ওপর যে তার পিতামাতাকে লানত বা অভিশাপ দেয় এবং আল্লাহর লানত তার ওপর যে কোনো বিদআত প্রবর্তনকারী বা অপরাধীকে আশ্রয় দেয়।»

সহীহ
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
‌‌بَابُ يَبَرُّ وَالِدَيْهِ مَا لَمْ يَكُنْ مَعْصِيَةً
পরিচ্ছেদ: পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করা যতক্ষণ না তা কোনো পাপের কাজ হয়
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
18 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْخَطَّابِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ الْبَصْرِيُّ - لَقِيتُهُ بِالرَّمْلَةِ - قَالَ: حَدَّثَنِي رَاشِدٌ أَبُو مُحَمَّدٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ: أَوْصَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِتِسْعٍ: لَا تُشْرِكْ بِاللَّهِ شَيْئًا؛ وَإِنْ قُطِّعْتَ أَوْ حُرِّقْتَ، وَلَا تَتْرُكَنَّ الصَّلَاةَ الْمَكْتُوبَةَ مُتَعَمِّدًا، وَمَنْ تَرَكَهَا مُتَعَمِّدًا بَرِئَتْ مِنْهُ الذِّمَّةُ، وَلَا تَشْرَبَنَّ الْخَمْرَ، فَإِنَّهَا مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ، وَأَطِعْ وَالِدَيْكَ، وَإِنْ أَمَرَاكَ أَنْ تَخْرُجَ مِنْ دُنْيَاكَ فَاخْرُجْ لَهُمَا، وَلَا تُنَازِعَنَّ وُلَاةَ الْأَمْرِ وَإِنْ رَأَيْتَ أَنَّكَ أَنْتَ، وَلَا تَفْرُرْ مِنَ الزَّحْفِ، وَإِنْ هَلَكْتَ وَفَرَّ أَصْحَابُكَ، وَأَنْفِقْ مِنْ طَوْلِكَ عَلَى أَهْلِكَ، وَلَا تَرْفَعْ عَصَاكَ عَنْ أَهْلِكَ، وَأَخِفْهُمْ فِي اللَّهِ عز وجل "

حسن
১৮ - মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল আযীয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক ইবনুল খাত্তাব ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আবী বাকরাহ আল-বাসরী — আমি তাঁর সাথে রামলায় সাক্ষাৎ করেছি — তিনি বলেন: রাশিদ আবু মুহাম্মাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নয়টি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন: আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরীক করো না; যদিও তোমাকে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয় অথবা পুড়িয়ে ফেলা হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে ফরয নামায ত্যাগ করো না, কারণ যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে তা ত্যাগ করে, তার থেকে (আল্লাহর) নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়। মদ পান করো না, কেননা তা সকল মন্দের চাবিকাঠি। তোমার পিতা-মাতার আনুগত্য করো, যদিও তারা তোমাকে তোমার পার্থিব সম্পদ থেকে বের হয়ে যেতে নির্দেশ দেন, তবে তাদের খাতিরে তুমি তা থেকে বের হয়ে যেও। শাসনকর্তাদের সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়ো না, যদিও তুমি মনে করো যে তুমিই হকের ওপর আছ। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করো না, যদিও তুমি ধ্বংস হয়ে যাও এবং তোমার সাথীরা পলায়ন করে। তোমার সামর্থ্য অনুযায়ী তোমার পরিবারের জন্য ব্যয় করো। তোমার পরিবারের ওপর থেকে শাসনের লাঠি তুলে নিও না এবং আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার ব্যাপারে তাদের মনে ভয় তৈরি করো।

হাসান
(খণ্ড: ১) আল-আদাবুল মুফরাদ - তাহকীক আব্দুল বাকী (পৃষ্ঠা: ٢١)
19 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: جِئْتُ أُبَايِعُكَ عَلَى الْهِجْرَةِ، وَتَرَكْتُ أَبَوَيَّ يَبْكِيَانِ؟ قَالَ: «ارْجِعْ إِلَيْهِمَا فَأَضْحِكْهُمَا كَمَا أَبْكَيْتَهُمَا»

صحيح
১৯ - মুহাম্মাদ ইবনু কাসীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আতা ইবনুস সাইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল: আমি হিজরতের উদ্দেশ্যে আপনার নিকট বাইআত হতে এসেছি এবং আমি আমার পিতা-মাতাকে ক্রন্দনরত অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেন: «তুমি তাদের নিকট ফিরে যাও এবং তাদের সেভাবেই হাসাও যেভাবে তাদের কাঁদিয়েছ»

সহীহ