(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: -)
نظم اللآلي بالمائة العوالي   (ابن حجر العسقلاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: نظم اللآلي بالمائة العوالي

المؤلف: أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن أحمد بن حجر العسقلاني (ت 852هـ)

تحقيق: كمال يوسف الحوت

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1410 هـ - 1990 م

عدد الصفحات: 144

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

নাজমুুল লাআলি বিল মায়াতিল আ’ওয়ালি   (ইবনে হাজার আল-আসকালানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: নাজমুুল লাআলি বিল মায়াতিল আ’ওয়ালি

লেখক: আবুল ফজল আহমাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাজার আল-আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হিজরি)

তাহকিক: কামাল ইউসুফ আল-হুত

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১০ হিজরি - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৪

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: -)
كِتَابُ نَظْمِ اللآلِئِ بِالْمِائَةِ الْعَوَالِي

تَخْرِيجُ الإِمَامِ الْحَافِظِ قَاضِي الْقُضَاةِ أَبِي الْفَضْلِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حُجْرٍ الْوَاسِطِيِّ أَبْقَاهُ اللَّهُ تَعَالَى آمِينَ،

مِمَّا سَمِعَهُ هُوَ، وَكَانَتْ هَذِهِ الأَحْرُفُ فِي مَجْلِسٍ وَاحِدٍ فِي يَوْمِ الأَحَدِ ثَانِي عَشَرَ رَجَبٍ الْفردِ سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ عَلَى شَيْخِنَا الإِمَامِ الْعَالِمِ الرَّحَّالَةِ بُرْهَانِ الدِّينِ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الشَّامِيِّ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى،

كَتَبَهُ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ سُلَيْمِ بْنِ قَايمَازَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عُمَرَ الْكَتَّانِيُّ الْبُوصِيرِيُّ الشَّافِعِيُّ لَطَّفَ بِهِ وَبِمَشَايِخِهِ حَاشِيَةً مُصَلِّيًا، وَمُسْلِمًا
কিতাব নাযমুল লাআলি বিল মিআতিল আওয়ালি

ইমাম, হাফেজ, কাযিল কুযাত আবুল ফযল আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন হাজার আল-ওয়াসিতি (আল্লাহ তায়ালা তাকে দীর্ঘজীবী করুন, আমিন) কর্তৃক চয়নকৃত,

যা তিনি স্বয়ং শ্রবণ করেছেন; আর এই লিপিগুলো লিখিত হয়েছে এক মজলিসে, সাতশত সাতানব্বই হিজরি সনের বারোই রজব আল-ফারদ, রবিবার দিনে; আমাদের শাইখ ইমাম, বিজ্ঞ আলিম ও পর্যটক বুরহানুদ্দীন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শামির নিকট (আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রতি রহম করুন),

এটি লিখেছেন আহমদ বিন আবু বকর বিন ইসমাইল বিন সুলাইম বিন কায়মায বিন উসমান বিন উমর আল-কাত্তানি আল-বুসিরি আশ-শাফিয়ি (আল্লাহ তাঁর ও তাঁর শাইখদের প্রতি অনুগ্রহ করুন) পার্শ্বটীকা হিসেবে, দরুদ ও সালাম পাঠান্তে।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
بسم الله الرحمن الرحيم

صَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ

أَمَّا بَعْدُ، حَمْدًا لِلَّهِ عَلَى نِعَمٍ عَظُمَتْ أَنْ تَبْلُغَ الأَلْسُنُ حَقَّ حَمْدِهِ، وَاتَّصَلَتْ فَانْتَهَتِ الآمَالُ دُونَ إِحْصَاءِ عَدِّهَا، وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الَّذِي صَحَّتْ بِهِ نُفُوسُ الْمُهْتَدِينَ بَعْدَ ضَعْفِ جَدِّهَا، وَعَلَتْ بِهِ سُيُوفُ التَّوْحِيدِ أَعْنَاقَ الْمَلاحِدَةِ فَوَقَفَتْ بِحَمْدِ اللَّهِ عِنْدَ حَدِّهَا، فَمَا أَشْرَفَهُ مِنْ مُرْسَلٍ لَمْ تَتَعَارَضْ عَلَى تَفْضِيلِهِ الأَدِلَّةُ وَمَا شُهِدَ فِعْلٌ حَسَنٌ إِلا كَانَ أَحَقَّ بِهِ وَأَهْلَهَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَعِتْرَتِهِ وَحِزْبِهِ وَسَلَّمَ وَشَرَّفَ وَكَرَّمَ، فَإِنَّ الْحَدِيثَ النَّبَوِيَّ الْمَرْفُوعَ الرُّتْبَةِ تَحْتَهُ عُلُومُ الإِسْلامِ مُدْرَجَةٌ، وَإِنِ اخْتَلَفَ مِنْهَا الْمَوْضُوعُ، وَبَقَاءُ سِلْسِلَةِ الإِسْنَادِ شَرَفٌ تَفَرَّدَتْ بِهِ هَذِهِ الأُمَّةُ الْمُحَمَّدِيَّةُ، وَهُوَ عَلَى مَمَرِّ الزَّمَانِ غَيْرُ مَقْطُوعٍ، وَلَمَّا مَنَّ اللَّهُ تَعَالَى وَلَهُ الْحَمْدُ عَلَيَّ بِسَمَاعِهِ وَإِحْيَائِهِ إِلَى أَوَانِ إِيصَالِهِ إِلَى أَهْلِهِ وَإِسْمَاعِهِ، وَتَأَمَّلْتُ مَا ذَكَرَهُ عُلَمَاءُ الأُمَّةِ، وَقُدَمَاءُ الأَئِمَّةِ مِنْ شَرَفِ الْحَدِيثِ لا سِيَّمَا إِنْ كَانَ إِسْنَادُهُ عَالِيًا وَمَا نَصُّوا عَلَيْهِ مِنْ تَقْدِمَةِ بَحْثِهِ بِحَيْثُ يَكُونُ الْعُلُوُّ لَهَا تَالِيًا، فَقَدْ قَالَ الإِمَامُ أَحْمَدُ: طَلَبُ عُلُوِّ الإِسْنَادِ مِنَ الدِّينِ.

وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ الطُّوسِيُّ: قُرْبُ الإِسْنَادِ قُرْبٌ إِلَى اللَّهِ عز وجل وَإِلَى رَسُولِهِ.

وَسُئِلَ الإِمَامُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَدِيثِ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ مَرْفُوعًا: «لا تَزَالُ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।

অতঃপর, আল্লাহর প্রশংসা সেই সকল নিয়ামতের জন্য যা এতই মহান যে জিহ্বা তার যথাযথ প্রশংসা করতে অক্ষম, এবং যা এমনভাবে অবিচ্ছিন্ন যে সেগুলো গণনা করার পূর্বেই মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ফুরিয়ে যায়। আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদের ওপর, যাঁর মাধ্যমে হেদায়েতপ্রাপ্তদের আত্মা তাদের প্রচেষ্টার দুর্বলতার পর সুস্থতা লাভ করেছে এবং যাঁর মাধ্যমে তাওহীদের তলোয়ারগুলো নাস্তিকদের গ্রীবায় বিজয়ী হয়েছে, ফলে আল্লাহর প্রশংসায় তা তার সীমানায় এসে থেমেছে। তিনি কতই না সম্মানিত রাসূল, যাঁর শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণাদির মাঝে কোনো বৈপরীত্য নেই এবং এমন কোনো উত্তম কাজ পরিলক্ষিত হয় না যাতে তিনি তার সর্বাধিক হকদার ও যোগ্য না হন। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার, সাহাবী, বংশধর ও তাঁর দলের ওপর রহমত, শান্তি, সম্মান ও মর্যাদা বর্ষণ করুন। নিশ্চয়ই সুউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন নববী হাদীসের মাঝেই ইসলামের যাবতীয় জ্ঞান নিহিত রয়েছে, যদিও সেগুলোর বিষয়বস্তু ভিন্ন ভিন্ন। আর ইসনাদের (সনদ) ধারাবাহিকতা বজায় থাকা এমন এক অনন্য মর্যাদা যা কেবল এই মুহাম্মদী উম্মত লাভ করেছে এবং মহাকালের আবর্তনে তা কখনও বিচ্ছিন্ন হয়নি। যখন আল্লাহ তাআলা—সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই—আমার প্রতি অনুগ্রহ করলেন হাদীস শ্রবণের ও তা পুনর্জীবিত করার মাধ্যমে এর উপযুক্ত ব্যক্তিদের নিকট পৌঁছানো ও শোনানোর সময় পর্যন্ত, এবং আমি উম্মতের ওলামায়ে কেরাম ও প্রাচীন ইমামগণের বর্ণিত হাদীসের মর্যাদা নিয়ে চিন্তা করলাম—বিশেষ করে যদি তার সনদ সুউচ্চ হয়—এবং তাঁরা হাদীস অন্বেষণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যাপারে যা ব্যক্ত করেছেন যাতে উচ্চতা তার অনুগামী হয়; কেননা ইমাম আহমাদ বলেছেন: ‘সনদের উচ্চতা অন্বেষণ করা দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত।’

মুহাম্মদ ইবনে আসলাম আত-তুসী বলেছেন: ‘সনদের নৈকট্য হলো আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এবং তাঁর রাসূলের নৈকট্য।’

ইমাম আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে ইমরান ইবনে হুসাইনের সূত্রে বর্ণিত মারফু হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো: «একটি দল সর্বদা...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرَةً عَلَى الْحَقِّ لا يَضُرُّهُمْ خذْلانُ مَنْ خَذَلَهُمْ» .

فَقَالَ: هُمْ أَصْحَابُ الْحَدِيثِ.

وَقِيلَ لأَحْمَدَ: حَدِيثُ «تَفْتَرِقُ أُمَّتِي» مِنَ النَّاجيةُ؟ قَالَ: إِنْ لَمْ يَكُونُوا أَصْحَابَ الْحَدِيثِ فَلا أَدْرِي مَنْ هُمْ؟ وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَدْهَمَ: إِنَّ اللَّهَ لَيَدْفَعُ الْبَلاءَ عَنْ هَذِهِ الأُمَّةِ بِرِحْلَةِ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ.

وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ: لَيْسَ فِي الدُّنْيَا مُبْتَدِعٌ إِلا وَهُوَ يُبْغِضُ أَصْحَابَ أَهْلِ الْحَدِيثِ.

وَقِيلَ لِبَعْضِ الْفُضَلاءِ: نَرَاكَ تُحِبُّ الْحَدِيثَ وَكِتَابَتَهُ؟ قَالَ: أَوَلا أُحِبُّ أَنْ يُكْتَبَ اسْمِي، وَاسْمُ الْمُصْطَفَى فِي سَطْرٍ.

وَسُئِلَ الإِمَامُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ عِنْدَ مَوْتِهِ مَا تَشْتَهِي؟ قَالَ: إِسْنَادٌ عَالٍ، وَبَيْتٌ خَالٍ.

وَمَعَ مَا قَدَّمْنَاهُ مِنْ شَرَفِ عُلُوِّ الإِسْنَادِ فَلا فَائِدَةَ فِيهِ إِنْ لَمْ يَصْلُحْ لِلاحْتِجَاجِ بِهِ عَلَى رَأْيِ أُولِي الاجْتِهَادِ، وَلِلَّهِ دَرُّ السِّلَفِيِّ حَيْثُ قَالَ وَأَجَادَ فِيمَا رَوَيْنَاهُ عَنْهُ:

لَيْسَ حُسْنُ الْحَدِيثِ قُرْبُ رِجَالٍ … عِنْدَ أَرْبَابِ عِلْمِهِ النّقَادِ

بَلْ عُلُوُّ الْحَدِيثِ عِنْدَ أُولِي … الْحِفْظِ وَالإِتْقَانِ صِحَّةُ الإِسْنَادِ

وَإِذَا مَا تَجَمَّعَا فِي حَدِيثٍ … فَاغْتَنِمْهُ فَذَاكَ أَقْصَى الْمُرَادِ
আমার উম্মতের একটি দল সত্যের ওপর বিজয়ী থাকবে, যারা তাদের লাঞ্ছিত করতে চায় তারা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।

তিনি বললেন: তারা হলো আসহাবুল হাদিস (হাদিসবিদগণ)।

এবং ইমাম আহমাদকে বলা হলো: 'আমার উম্মত বিভক্ত হবে'—এই হাদিসে উল্লিখিত নাজাতপ্রাপ্ত দল কারা? তিনি বললেন: যদি তারা আসহাবুল হাদিস না হয়, তবে আমি জানি না তারা আর কে? এবং ইব্রাহিম ইবনে আদহাম বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আসহাবুল হাদিসের সফরের কারণে এই উম্মত থেকে বিপদ-আপদ দূর করে দেন।

এবং আহমাদ ইবনে সিনান বললেন: পৃথিবীতে এমন কোনো বিদআতি নেই যে আসহাবুল হাদিসকে ঘৃণা করে না।

এবং জনৈক বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বলা হলো: আমরা আপনাকে হাদিস এবং তা লিপিবদ্ধ করা পছন্দ করতে দেখি? তিনি বললেন: আমি কি এটা পছন্দ করব না যে, আমার নাম এবং আল-মুস্তফার (রাসূলুল্লাহ ﷺ) নাম একই পঙ্ক্তিতে লেখা হবে?

এবং ইমাম ইয়াহইয়া ইবনে মায়িনকে তাঁর মৃত্যুর সময় জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি কী আকাঙ্ক্ষা করেন? তিনি বললেন: উচ্চতর সনদ এবং একটি নির্জন ঘর।

আমরা উচ্চতর সনদের যে মর্যাদার কথা উল্লেখ করেছি, তা কোনো কাজে আসবে না যদি মুজতাহিদগণের নিকট তা দলিল হিসেবে পেশ করার উপযোগী না হয়। আস-সিলাফি কতই না চমৎকার বলেছেন এবং আমরা তাঁর থেকে যা বর্ণনা করেছি তাতে তিনি অত্যন্ত নিপুণতা দেখিয়েছেন:

হাদিস বিশারদ সমালোচকদের নিকট হাদিসের সৌন্দর্য কেবল বর্ণনাকারীদের নৈকট্য বা সংখ্যাস্বল্পতা নয়; …

বরং হিফজ ও পারদর্শিতায় অভিজ্ঞগণের নিকট হাদিসের শ্রেষ্ঠত্ব হলো সনদের বিশুদ্ধতা। …

আর যখন কোনো হাদিসে এই উভয়টি একত্রিত হয়, … তবে তা লুফে নাও; কারণ সেটাই হচ্ছে চূড়ান্ত লক্ষ্য।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
فَاسْتَعَنْتُ بِاللَّهِ فِي السِّرِّ، وَالْعَلانِيَةِ، وَأَخْلَصْتُ النِّيَّةَ لِلَّهِ، فَبِذَلِكَ يَنَالُ الْمَرَامَ مَنْ كَانَ لَهُ فِي الْعَلانِيَةِ، لِمَا

أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ بَيَانٍ الْحَنَفِيُّ، أنا الْحُسَيْنُ بْنُ الْمُبَارَكِ الْحَنْبَلِيُّ، أنا عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدٍ الصُّوفِيُّ، أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّافِعِيُّ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا الْحُمَيْدِيُّ، ثنا سُفْيَانُ.

ح.

وَأَخْبَرَنَا بِهِ عَالِيًا أُمُّ مُحَمَّدٍ سِتُّ الْفُقَهَاءِ، بِنْتُ الشَّيْخِ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْفَضْلِ الْوَاسِطِيُّ، بِدِمَشْقَ إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ يُوسُفَ الْكَاشغرِيِّ، وَأَبِي مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْقُبَّيْطِيِّ، وَعَلِيِّ بْنِ أَبِي الْفخَارِ بْنِ أَبِي مَنْصُورٍ الْهَاشِمِيِّ، قَالُوا: أنا أَبُو الْفُتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْحَاجِبُ زَاد الْكَاشغرِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ تَاجِ الْقُرَّاءِ، قَالا: أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مَالِكُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَانيَاسِيُّ، أنا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى بْنِ الصَّلْتِ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ الْهَاشِمِيُّ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ، هُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ حُصَيْنٍ الْكِنْدِيُّ الأَشَجُّ، ثنا الْمُحَارِبِيُّ.

ح، وَأَخْبَرَنَا بِهِ عَالِيًا مُتَّصِلا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ الصَّالِحِيُّ، أنا أَبُو الْمُنَجَّا بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ الْبَغْدَادِيُّ، أنا أَبُو الْفَتْحِ مَسْعُودُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شُنَيْفٍ، أنا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ السّرَاجُ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْعَطَّارُ، قَالا: أنا أَبُو عَلِيِّ بْنُ شَاذَانَ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الزُّبَيْرِ الْكُوفِيُّ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ الْعَامِرِيُّ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ الْعمرِيُّ.

ح، وَأَخْبَرَنَا بِهِ مُوَافَقَةً وَبَدَلا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، فَمُشَافَهَةً، أنا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ الصَّيْقَلِ، أنا الْمَشَايِخُ الثَّلاثَةُ الإِمَامُ أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَلِيٍّ الصُّوفِيُّ، وَأَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ الْعَطَّارُ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعمرِيُّ، سَمَاعًا عَلَيْهِمْ، قَالُوا: أنا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، أنا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَيْلانَ الْبَزَّازُ، أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوْحٍ الْمَدَائِنِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ ربحٍ الْبَزَّازُ، قَالا: ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالُوا: ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ
অতএব আমি প্রকাশ্যে ও গোপনে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছি এবং আল্লাহর জন্য নিয়তকে বিশুদ্ধ করেছি; কেননা এর মাধ্যমেই সেই ব্যক্তি নিজ উদ্দেশ্য হাসিল করে, যার জন্য তা প্রকাশ্যে আনা হয়, কারণ

আবুল আব্বাস বিন বায়ান আল-হানাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন বিন আল-মুবারক আল-হাম্বলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল আওয়াল বিন আবি মুহাম্মদ আস-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আশ-শাফেয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুমাইদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

হ (তথা সূত্রের রূপান্তর)।

এবং উচ্চতর সূত্রে (আলি সানাদে) আমাদেরকে দামেশকে এটি সংবাদ দিয়েছেন উম্মু মুহাম্মদ সিততুল ফুকাহা বিনতে শাইখ আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন আলি বিন আহমদ বিন আল-ফজল আল-ওয়াসিতি, ইজাজত হিসেবে যদি শ্রবণ না হয়ে থাকে; তিনি বর্ণনা করেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন উসমান বিন ইউসুফ আল-কাশগারি, আবু মুহাম্মদ বিন আবদুল লতিফ বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন আল-কুব্বাইতি এবং আলি বিন আবিল ফাখার বিন আবি মনসুর আল-হাশেমি থেকে। তাঁরা বলেন: আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আবদুল বাকি আল-হাজিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আল-কাশগারি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, এবং আবুল হাসান আলি বিন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন তাজুল কুররা, তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু আবদুল্লাহ মালিক বিন আহমদ বিন আলি বিন ইবরাহিম আল-বানিয়াসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আস-সালত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন আবদুস সামাদ আল-হাশেমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সাইদ —তিনি হলেন আবদুল্লাহ বিন সাইদ বিন হুসাইন আল-কিন্দি আল-আশাজ— আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মুহারিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

হ (তথা সূত্রের রূপান্তর), এবং উচ্চতর অবিচ্ছিন্ন সূত্রে (আলি মুত্তাসিল) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আবি তালিব আস-সালিহি, তিনি বলেন: আবুল মুনাজ্জা বিন উমর বিন আলি আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল ফাতহ মাসউদ বিন মুহাম্মদ বিন শুনাইফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আস-সিরাজ এবং মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-আত্তার, তাঁরা উভয়ে বলেন: আবু আলি বিন শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলি বিন মুহাম্মদ বিন আজ-যুবাইর আল-কুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলি বিন আফফান আল-আমিরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাফর বিন আউন আল-উমারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

হ (তথা সূত্রের রূপান্তর), এবং মুওয়াফাকাত ও বদল হিসেবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-খতিব, যদি শ্রবণ না হয়ে থাকে তবে সরাসরি মৌখিকভাবে; তিনি বলেন: আবুল ফরাজ আবদুল লতিফ বিন আবদুল মুনইম বিন আস-সাইকাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তিন শাইখ—ইমাম আবু আহমদ আবদুল ওয়াহহাব বিন আলি বিন আলি আস-সুফি, আবু তাহির আল-মুবারক বিন আল-মুবারক বিন হিবাতুল্লাহ আল-আত্তার এবং আবুল হাসান আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-উমারি—তাঁদের নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে, তাঁরা বলেন: হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তালিব মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন গাইলান আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আশ-শাফেয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন রাওহ আল-মাদায়িনি এবং মুহাম্মদ বিন রিবহ আল-বাযযায, তাঁরা উভয়ে বলেন: ইয়াযিদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলে বলেন: ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
الأَنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلْقَمَةَ بْنَ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، عَلَى الْمِنْبَرِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى دُنْيَا يُصِيبُهَا، أَوِ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ» .

لَفْظُ الْحُمَيْدِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ، وَفِي رِوَايَةِ الآخَرِينَ «فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ....

» .

وَالْبَاقِي نَحْوُهُ.

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ جِدًّا بِالنِّسْبَةِ إِلَى أَوَّلِهِ لا يَصِحُّ مُسْنَدًا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلا مِنْ حَدِيثِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، وَلَمْ يَرْوِهِ، عَنْ عُمَرَ إِلا عَلْقَمَةُ بْنُ وَقَّاصٍ كَمَا لَمْ يَرْوِهِ عَنْ عَلْقَمَةَ إِلا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَلا عَنْهُ إِلا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَهُمْ ثَلاثَةٌ كُلُّهُمْ تَابِعٌ يَرْوِي بَعْضُهُمْ عَنْ بَعْضٍ مَشْهُورًا بِالنِّسْبَةِ إِلَى آخِرِهِ.

وَرَوَاهُ عَنْ يَحْيَى، الْعَدَدُ الْكَثِيرُ، وَالْجَمُّ الْغَفِيرُ، وَأَخْرَجَهُ الأَئِمَّةُ السِّتَّةُ فِي كُتُبِهِمْ، عَنْ أَصْحَابِ أَصْحَابِهِ، وَهُوَ حَدِيثٌ جَلِيلٌ عَظِيمُ الْمَوْقعِ كَبِيرُ الْغنَاءِ.

قَالَ الإِمَامُ الشَّافِعِيُّ رضي الله عنه: يَدْخُلُ فِي حَدِيثِ النِّيَّةِ ثُلُثُ الْعِلْمِ، وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ: مَنْ صَنَّفَ كِتَابًا فَلْيَبْدَأْ فِيهِ بِحَدِيثِ الأَعْمَالِ،
আনসারী বলেন, আমাকে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আত-তাইমি সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আলকামাহ ইবনে ওয়াক্কাস আল-লায়সীকে বলতে শুনেছেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-কে মিম্বারের ওপর বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-কে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তা-ই পাবে যা সে নিয়ত করবে। সুতরাং যার হিজরত দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে হবে যা সে লাভ করতে চায়, অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।» .

এটি সুফিয়ান থেকে বর্ণিত আল-হুমায়দীর শব্দাবলী, আর অন্যান্যদের বর্ণনায় রয়েছে «সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে হবে, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকেই হবে, আর যার....

» .

এবং অবশিষ্টাংশ এর অনুরূপ।

এটি একটি সহীহ হাদীস যা এর শুরুর অংশ বিবেচনায় অত্যন্ত গারীব (একক সূত্রে বর্ণিত)। এটি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) থেকে আমীরুল মুমিনীন উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর হাদীস ছাড়া মুসনাদ হিসেবে বিশুদ্ধ প্রমাণিত নয়। আর উমর থেকে আলকামাহ ইবনে ওয়াক্কাস ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, যেমন আলকামাহ থেকে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ছাড়া কেউ এটি বর্ণনা করেননি এবং তাঁর থেকেও ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ছাড়া কেউ এটি বর্ণনা করেননি। তাঁরা তিনজনই তাবিঈ ছিলেন যারা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে শেষাংশের দিক থেকে এটি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ।

ইয়াহইয়া থেকে বহুসংখ্যক ও বিশাল এক জনসমষ্টি এটি বর্ণনা করেছেন এবং ছয়জন ইমাম তাদের কিতাবসমূহে তাঁর ছাত্রদের ছাত্রদের থেকে এটি সংকলন করেছেন। এটি একটি মহান মর্যাদা সম্পন্ন, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যন্ত উপকারী হাদীস।

ইমাম শাফিঈ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন: নিয়তের হাদীসে ইলমের এক-তৃতীয়াংশ প্রবেশ করে। আর আবদুর রহমান ইবনে মাহদী বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো কিতাব রচনা করবে, সে যেন তাতে আমলের হাদীস দিয়ে শুরু করে।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٠)
وَقَدْ رَوَاهُ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، رضي الله عنه فِي مُسْنَدِهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، عَنْ يَحْيَى، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً لَهُ عَالِيَةً، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الْجِهَادِ، عَنِ ابْنِ نُمَيْرٍ.

وَابْنُ مَاجَهْ فِي الزُّهْدِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ كِلاهُمَا عَنْ يَزِيدَ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُمَا عَالِيًا وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

وَقَدْ جَمَعْتُ مِنْ عَوَالِي مَا وَقَعَ لِي سَمَاعُهُ، وَأَبَاحَ لِي رِوَايَتَهُ أَصْحَابُ هَذَا الْفَنِّ، وَأَتْبَاعُهُ مَا يَهُزُّ اللَّبِيبَ عَلَى سَمَاعِهِ عَطْفًا، وَيَعْلَمُ أَنَّ مِائَةً صَابِرَةً مِنْ مَرْوِيَّاتِي تَغْلِبُ أَلْفًا، وَالأَكْثَرُ مِنْهَا مَا هُوَ مَرْوِيٌّ لِشَيْخَيِ الْجَمَاعَةِ، وَإِمَامَيِ الصِّنَاعَةِ الْبُخَارِيِّ، وَمُسْلِمٍ، أَوْ مَا انْفَرَدَ بِهِ أَحَدُهُمْ وَالْقَلِيلُ مِنْهَا مَا هُوَ مَرْوِيٌّ فِي كُتُبِ السُّنَنِ الْمَشْهُورَةِ، وَالْمَسَانِيدِ الْمَأْثُورَةِ، كَمُسْنَدِ الإِمَامِ أَحْمَدَ، وَالسُّنَنِ لأَبِي دَاوُدَ، وَالتِّرْمِذِيِّ، وَالنَّسَائِيِّ، وَالْقَزْوِينِيِّ، مُبَيِّنًا عَقِبَ كُلِّ حَدِيثٍ مَنْ أَخْرَجَهُ، مُوَضِّحًا تَفَاوُتَ مَا بَيْنِي وَبَيْنَ أَصْحَابِ الْكُتُبِ مِنْ سِتِّ دَرَجَاتٍ إِلَى دَرَجَةٍ فَهِيَ مِائَةٌ عشَارِيَّةُ الإِسْنَادِ، سَالِكَةٌ مَسَالِكَ السدَادِ، زَاهِرَةٌ بِالْحِكَمِ النَّبَوِيَّةِ، فَهِيَ مُرَادُ الْعَيْنِ كَمَا أَنَّهَا عَيْنُ الْمُرَادِ.

وَالإِسْنَادُ الْعُشَارِيُّ فَهُوَ أَعْلَى مَا يَقَعُ الْيَوْمَ لِلشُّيُوخِ بِبِلادِ الإِسْلامِ، وَإِنْ وَقَعَ أَعْلَى فَمِنَ الأَحَادِيثِ الْوَاهِيَةِ أَوْ مِنَ النُّسَخِ الَّتِي تُعَجِّلُ وَاضِعَهَا إِلَى أُمِّهِ الْهَاوِيَةِ، كَنُسْخَةِ خِرَاشٍ، وَدِينَارٍ مِمَّا لا يَفْرَحُ بِعوَالِيهَا إِلا الأَغْمَارُ، وَخَتَمْتُ الْمِائَةَ بِحَدِيثٍ هُوَ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ عُشَارِيًّا فَهُوَ بِالنِّسْبَةِ إِلَى الْعُلُوِّ النِّسْبِيِّ أَعْلَى وَأَتْحَفْتُ بِهِ طُلابًا قَوْلُهُمْ إِنْ رَأَوْهُ مَرْحَبًا وَأَهْلا.

وَقَفَوْتُ ذَلِكَ بِآثَارٍ وَمَوَاعِظَ وَأَشْعَارٍ تَرْتَاحُ لَهَا النُّفُوسُ، وَيَبْتَسِمُ لِلُطْفِهَا السِّنُّ الْعَبُوسُ ، ثُمَّ خَتَمْتُ بِحَدِيثٍ عُشَارِيٌّ غَرِيبٌ، وَأَكْمَلْتُ بِهِ الْعِدَّةَ فَنَفَيْتُ عَنِ التَّسْمِيَةِ اعْتِرَاضَ الْمُرِيبِ.

وَوَسَمْتُ هَذَا التَّخْرِيجَ الْبَدِيعَ بِنَظْمِ اللآلِئِ بِالْمِائَةِ الْعَوَالِي ، وَاللَّهَ أَسْأَلُ الْعِصْمَةَ مِنَ الْخَطَإِ وَالْخطلِ، وَأَسْتَعِيذُهُ مِنَ الذَّلَلِ فِي قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَرِضَاهُ عَنَّا مُنْتَهَى التَّأْمِيلِ، وَهُوَ حَسْبُنَا وَنِعْمَ الْوَكِيلُ.
ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এটি তাঁর মুসনাদে ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য তাঁর সাথে একটি উচ্চপর্যায়ের ঐক্যসূত্র (মুয়াফাকাত) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর মুসলিম এটি জিহাদ অধ্যায়ে ইবনে নুমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে মাজাহ জুহদ অধ্যায়ে আবু বকর ইবনে আবি শায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়েই ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য তাঁদের উভয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের বিকল্প উচ্চসূত্র (বাদাল) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহর জন্য।

আমি আমার শ্রুত উচ্চ সনদবিশিষ্ট বর্ণনাসমূহ (আওয়ালি) থেকে এমন কিছু সংগ্রহ করেছি, যা বর্ণনা করার অনুমতি আমাকে এই শিল্পের পণ্ডিতগণ ও তাঁদের অনুসারীগণ প্রদান করেছেন। এটি বুদ্ধিমান ব্যক্তিকে শোনার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। সে জানতে পারবে যে, আমার বর্ণিত শত ধৈর্যশীল উচ্চপর্যায়ের বর্ণনা হাজারের ওপর প্রবল হবে। এগুলোর অধিকাংশই সেই সমস্ত বর্ণনা যা জামাআতের দুই শায়খ এবং এই শিল্পের দুই ইমাম—বুখারি ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন। অথবা তাঁদের মধ্যে কোনো একজন এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সামান্য কিছু রয়েছে যা প্রসিদ্ধ সুনান গ্রন্থসমূহ এবং বর্ণিত মুসনাদসমূহে রয়েছে, যেমন ইমাম আহমদের মুসনাদ এবং আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসায়ি ও কাজভিনি (ইবনে মাজাহ)-এর সুনান গ্রন্থসমূহ। আমি প্রতিটি হাদিসের পর সেটি কে বের করেছেন (তাখরিজ) তা উল্লেখ করেছি এবং কুতুবে সিত্তাহর সংকলকদের ও আমার মধ্যকার ছয় স্তর থেকে এক স্তর পর্যন্ত পার্থক্যের বিষয়টি স্পষ্ট করেছি। এটি একটি শতক যা দশ স্তরবিশিষ্ট সনদে বিন্যস্ত এবং সঠিক পথে পরিচালিত। এটি নববী হিকমত দ্বারা উদ্ভাসিত। এটি নয়নের তৃপ্তি এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যবস্তু।

দশ স্তরবিশিষ্ট সনদ হলো বর্তমান সময়ে মুসলিম ভূখণ্ডের শায়খদের নিকট বিদ্যমান সর্বোচ্চ সনদ। যদি এর চেয়ে উচ্চ কোনো সনদ পাওয়া যায়, তবে তা হয় অত্যন্ত দুর্বল হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত অথবা এমন পাণ্ডুলিপিসমূহ থেকে প্রাপ্ত যা তার সংকলককে দ্রুত জাহান্নামের অতল গহ্বরে নিক্ষেপ করবে। যেমন খিরাশ ও দিনারের পাণ্ডুলিপি, যেগুলোর উচ্চ সনদ নিয়ে কেবল অজ্ঞরাই আনন্দিত হয়। আমি এই শতককে এমন একটি হাদিস দিয়ে শেষ করেছি যা দশ স্তরবিশিষ্ট না হলেও আপেক্ষিক উচ্চতার দিক থেকে অত্যন্ত উচ্চ। আমি এটি সেই সব ছাত্রদের উপহার দিয়েছি যাদের উক্তি হলো, যখন তারা এটি দেখে তখন বলে—স্বাগতম ও সুস্বাগতম।

আমি এর পরে এমন কিছু আসার (সাহাবী ও তাবিঈদের বাণী), উপদেশ এবং কবিতা যুক্ত করেছি যাতে মন প্রফুল্ল হয় এবং যার কমনীয়তায় গোমড়া মুখও হাস্যোজ্জ্বল হয়ে ওঠে। অতঃপর আমি একটি দশ স্তরবিশিষ্ট বিরল হাদিস দ্বারা সমাপ্ত করেছি এবং এর মাধ্যমে সংখ্যা পূর্ণ করেছি। ফলে এই নামকরণের ক্ষেত্রে সংশয়বাদীদের আপত্তি নাকচ করে দিয়েছি।

আমি এই চমৎকার সংকলনটির নাম দিয়েছি ‘উচ্চ সনদবিশিষ্ট শত হাদিসের মুক্তামালা’। আমি আল্লাহর নিকট ভুল ও ভ্রান্তি থেকে হিফাজত কামনা করছি। কথা বা কাজে পদস্খলন থেকে তাঁর আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তাঁর সন্তুষ্টিই আমাদের কামনার চূড়ান্ত লক্ষ্য। তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣١)
‌‌الْحَدِيثُ الأَوَّلُ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الأَجَلُّ الْكَبِيرُ الْمُهَذِّبُ الْمُعَمِّرُ مُسْنِدُ الدُّنْيَا رِحْلَةُ الآفَاقِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبِ بْنِ نِعْمَةَ بْنِ حَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ بَيَانٍ الْحَجَّارُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ بِدِمَشْقَ حَمَاهَا اللَّهُ وَسَائِرَ بِلادِ الإِسْلامِ، وَالشَّيْخَانِ الْكَبِيرَانِ الْمُسْنِدَانِ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو بَكْرِ بْنُ الإِمَامِ الْمُحَدِّثِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عِيسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَعَالِي بْنِ حَمْدٍ الْغطَافِيُّ الْمَقْدِسِيَّانِ، إِجَازَةَ بِاسْتِدْعَاءِ الْحَافِظِ عَلَمِ الدِّينِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبِرْزَالِيِّ ، سَنَةَ سِتَّ عَشْرَةَ وَسَبْعِ مِائَةٍ ، قَالُوا: أنا الشَّيْخُ الْمُحَدِّثُ الْمُسْنِدُ سِرَاجُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُبَارَكِ بْنِ يَحْيَى الْحَنْبَلِيُّ الْوَاعِظُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ ، وَأَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْقَطِيعِيُّ ، وَعَلِيُّ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ رُوزْبَةَ الْقَلانِسِيُّ ، كِتَابَةً قَالُوا: أنا مُسْنِدُ الدُّنْيَا سَدِيدُ الدِّينِ أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبٍ السِّجْزِيُّ الْهَرَوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أنا جَمَالُ الإِسْلامِ أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ الدّوَادِيُّ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمُّوَيْهِ السَّرَخْسِيُّ.

أنا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَطَرٍ الْفَرَبْرِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبُخَارِيُّ الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، ثنا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا يَزِيدُ بْنُ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «مَنْ يَقُلْ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُسْلِمٍ، وَقِيلَ أَبِي إِيَاسٍ، وَأَبِي عَامِرٍ سَلَمَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ سِنَانٍ ، وَهُوَ الأَكْوَعُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُشَيْرِ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ مَالِكِ بْنِ
প্রথম হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুমহান, মহানুভব, শিষ্টাচারী, দীর্ঘজীবী শায়খ, বিশ্বের মুসনিদ, দিগন্তের শ্রেষ্ঠ পর্যটক আবু আব্বাস আহমদ বিন আবি তালিব বিন নি'মাহ বিন হাসান বিন আলী বিন বায়ান আল-হাজ্জার। এটি তাঁর নিকট পড়া হয়েছে আর আমি দামেস্কে বসে শ্রবণ করেছি—আল্লাহ একে এবং সকল মুসলিম দেশকে হেফাযত করুন। আরও সংবাদ দিয়েছেন দুই প্রবীণ শায়খ ও মুসনিদ যায়নুদ্দীন আবু বকর বিন ইমাম মুহাদ্দিস আবু আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল দায়িম এবং আবু মুহাম্মদ ঈসা বিন আব্দুর রহমান বিন মাআলি বিন হামদ আল-গুতাফি আল-মাকদিসিদ্বয়। তাঁদের থেকে হাফেজ আলামুদ্দীন আবু মুহাম্মদ কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-বিরজালির আবেদনের প্রেক্ষিতে ৭১৬ হিজরি সনে ইজাযাহপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ মুহাদ্দিস মুসনিদ সিরাজুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবি বকর আল-মুবারক বিন ইয়াহইয়া আল-হানবালি আল-ওয়াইজ—তাঁকে পড়ে শোনানো হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম। আরও সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-কাতী'ঈ এবং আলী বিন আবি বকর বিন রূযবাহ আল-কালানিসি—লিখিতভাবে। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিশ্বের মুসনিদ সাদীদুদ্দীন আবু আল-ওয়াকত আব্দুল আউয়াল বিন ঈসা বিন শুআইব আস-সিজযি আল-হারাওয়ি—তাঁকে পড়ে শোনানো হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জামালুল ইসলাম আবু আল-হাসান আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুজাফ্ফর আদ-দাওয়াদি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্মুওয়াইহ আস-সারাকসি।

তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মাতার আল-ফারাবরি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইমাম হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আল-বুখারি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মক্কি বিন ইব্রাহিম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন আবি উবায়দ, সালামাহ বিন আল-আকওয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আমার ওপর এমন কথা বলবে যা আমি বলিনি, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়»।

এটি আবু মুসলিম থেকে বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস। তাকে আবু ইয়াস এবং আবু আমির সালামাহ বিন আমর বিন সিনানও বলা হয়। তিনি হলেন আল-আকওয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন কুশাইর বিন খুযাইমাহ বিন মালিক বিন...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٢)
سَلامَانِ بْنِ أَسْلَمَ بْنِ أَفْصَى الأَسْلَمِيُّ ، سَكَنَ الرَّبَذَةَ وَتُوُفِّيَ بِالْمَدِينَةِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ وَهُوَ ابْنُ ثَمَانِينَ سَنَةً، رَوَاهُ عَنْهُ مَوْلاهُ يَزِيدُ بْنُ أَبِي عُبَيْدٍ ، وَهُوَ ثِقَةٌ مَاتَ سَنَةَ 146، انْفَرَدَ بِإِخْرَاجِهِ الْبُخَارِيُّ، فَرَوَاهُ فِي كِتَابِ الْعِلْمِ كَمَا أَوْرَدْنَاهُ ، وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، وَالزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ، وَأَبِي هُرَيْرَةَ، وَأنَسَ، وَغَيْرِهِمْ بِأَلْفَاظٍ مُتَقَارِبَةٍ.

وَهَذَا الْحَدِيثُ أَصْلٌ عَظِيمٌ فِي التَّحْذِيرِ مِنَ الْكَذِبِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهِ بِالْوَعِيدِ الشَّدِيدِ، وَقَدْ رَوَاهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا يُنِيفُ عَلَى مِائَةِ نَفْسٍ مِنَ الصَّحَابَةِ مِنْهُمُ الْعَشَرَةُ الْمَشْهُودُ لَهُمْ بِالْجَنَّةِ وَلا يُعْرَفُ حَدِيثٌ رَوَاهُ الْعَشْرَةُ غَيْرُهُ وَغَيْرُ رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاةِ وَالْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ مَعَ كَلامٍ فِيهِمَا وَاللَّهُ أَعْلَمُ.

 

‌‌الْحَدِيثُ الثَّانِي

أَخْبَرَنَا شَيْخُ الإِسْلامِ، وَعَلَمُ الْحُفَّاظِ، وَقُدْوَةُ الْمُحَدِّثِينَ، جَمَالُ الدِّينِ أَبُو الْحَجَّاجِ يُوسُفُ بْنُ الذَّكِيِّ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمِزِّيِّ، وَالْحَافِظُ الْمُؤَرِّخُ عَلَمُ الدِّينِ الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبِرْزَالِيُّ، وَالشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْمُسْنِدُ بَدْرُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَجْمِ الدِّينِ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي التَّائِبِ الأَنْصَارِيُّ، وَأَقْضَى الْقُضَاةِ مُحْيِي الدِّينِ أَبُو الْفِدَاءِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَحْيَى بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ طَاهِرِ بْنِ جَهْبَلٍ الْحَلَبِيُّ، وَالشَّيْخُ الإِمَامُ الزَّاهِدُ عِزُّ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الشَّيْخِ عِزِّ الدِّينِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْخَطِيبِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عُمَرَ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ قُدَامَةَ الْمَقْدِسِيُّ ، وَالشَّيْخُ الزَّاهِدُ شَمْسُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ تَمَّامٍ التَّلِّيُّ الْحَنْبَلِيُّ ، وَالإِمَامُ الْعَلامَةُ الْكَامِلُ الْمَنِينِيُّ شَيْخُ الْكُتَّابِ عَلاءُ الدِّينِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ حَمَائِل الْمَقْدِسِيُّ، ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ غَانِمٍ ، وَالصَّدْرُ الرَّئِيسُ جَمَالُ الدِّينِ أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ الْعَلامَةِ بَدْرِ الدِّينِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْفويرَةَ ، وَالشَّيْخُ الصَّالِحُ الْعَارِفُ شَمْسُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي
সালামান ইবন আসলাম ইবন আফসা আল-আসলামী, তিনি রাবাযা নামক স্থানে বাস করতেন এবং চৌষট্টি হিজরীতে আশি বছর বয়সে মদীনায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর থেকে তাঁর আযাদকৃত গোলাম ইয়াজিদ ইবন আবু উবায়দ এটি বর্ণনা করেছেন, যিনি একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী এবং ১৪৬ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। ইমাম বুখারী এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি 'ইলম' বা জ্ঞান অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি। এছাড়াও তিনি এটি আলী ইবন আবু তালিব, যুবায়ের ইবনুল আওয়াম, আবু হুরায়রা, আনাস এবং আরও অনেকের থেকেও কাছাকাছি শব্দে বর্ণনা করেছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর মিথ্যা আরোপ করার বিরুদ্ধে সতর্ক করার ক্ষেত্রে এই হাদীসটি একটি সুমহান মূলভিত্তি, যাতে অত্যন্ত কঠোর হুঁশিয়ারি রয়েছে। একশ জনেরও বেশি সাহাবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সেই দশজন সাহাবীও রয়েছেন। এই হাদীসটি এবং নামাযে দুই হাত তোলা (রাফউল ইয়াদাইন) ও মোজার ওপর মাসাহ করার হাদীস ব্যতীত অন্য কোনো হাদীস সম্পর্কে জানা নেই যা এই দশজন সাহাবীই বর্ণনা করেছেন, যদিও শেষোক্ত দুটির বর্ণনাসূত্রের ব্যাপারে কিছুটা কথা রয়েছে। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

 

‌‌দ্বিতীয় হাদীস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খুল ইসলাম, হাফেজদের শিরোমণি ও মুহাদ্দিসদের আদর্শ জামালুদ্দীন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবন আয-যাকী আবদুর রহমান আল-মিযযী; হাফেজ ও ইতিহাসবিদ আলামুদ্দীন আল-কাসিম ইবন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ আল-বিরজালী; প্রবীণ শায়খ ও মুসনিদ বদরুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন নাজমুদ্দীন আল-হুসাইন ইবন আবু আত-তায়িব আল-আনসারী; প্রধান বিচারপতি মুহিউদ্দীন আবুল ফিদা ইসমাইল ইবন ইয়াহইয়া ইবন ইসমাইল ইবন তাহির ইবন জাহবাল আল-হালাবী; শায়খ ইমাম ও যাহেদ ইজ্জুদ্দীন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন শায়খ ইজ্জুদ্দীন ইবরাহীম ইবনুল খতীব আবদুল্লাহ ইবন আবু উমর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন কুদামা আল-মাকদিসী; শায়খ যাহেদ শামসুদ্দীন মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন তাম্মাম আত-তাল্লী আল-হাম্বলী; ইমাম আল্লামা আল-কামিল আল-মানীনী ও লেখকদের প্রধান আলাউদ্দীন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন সুলায়মান ইবন হামায়েল আল-মাকদিসী, অতঃপর আদ-দিমাশকী, যিনি ইবন গানিম নামে পরিচিত; নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব জামালুদ্দীন আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনুল আল্লামা বদরুদ্দীন মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান ইবনুল ফুয়াইরাহ; এবং সৎ ও আরিফ শায়খ শামসুদ্দীন মুহাম্মদ ইবন আবু...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٣)
الزّهْرِ بْنِ سَالِمٍ الْغَسُولِيُّ ، وَالْمُحَدِّثُ شَمْسُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَنَائِمَ بْنِ وَاقِدِ بْنِ الْمُهَنْدِسِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ، وَأنا أَسْمَعُ، قَالَ الْمِزِّيُّ ، وَالْبِرْزَالِيُّ: أَنبانا الْمَشَايِخُ الاثْنَا عَشْرَةَ قَاضِي الْقُضَاةِ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عُمَرَ بْنِ قُدَامَةَ، وَفَخْرُ الدِّينِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيُّ ، وَالْمُسْلِمُ بْنُ علانَ الدِّمَشْقِيُّ، وَبَدْرُ الدِّينِ أَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ، وَمُحْيِي الدِّينِ عُمَرُ بْنُ أَبِي عَصْرُونَ، وَنَجِيبُ الدِّينِ الْمِقْدَادُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ الْقَيْسِيُّ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْعَسْقَلانِيُّ، وَشَرَفُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْقَوَّاسُ، وَشَمْسُ الدِّينِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الزَّيْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمَقْدِسِيُّ، وَرَشِيدُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْعَامِرِيُّ، وَزَيْنَبُ بِنْتُ مَكِّيِّ بْنِ عَلِيِّ بْنِ كَامِلٍ الْحَرَّانِيُّ، وَسِتُّ الْعَرَبِ بِنْتُ يَحْيَى بْنِ قَايمَازَ الْكِنْدِيَّةُ، زَادَ الْمِزِّيُّ، وَمُؤَمَّلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَالِسِيُّ، وَالْكَمَالُ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمَقْدِسِيُّ، وَقَالَ ابْنُ أَبِي التَّائِبِ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ ابْنُ قَاضِي الْقُضَاةِ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ الْحَرَسْتَانِيِّ، وَعَلِيُّ بْنُ مُظَفَّرٍ النّشبِيُّ، وَفَرَجُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَبَشِيُّ، وَقَالَ ابْنُ جَهْبَلٍ: أنا الشَّرَفُ بْنُ الْقَوَّاسِ، وَقَالَ الْعِزُّ بْنُ قُدَامَةَ: أنا أَبِي قَاضِي الْقُضَاةِ ابْنُ أَبِي عُمَرَ ، وَالْفَخْرُ عَلِيٌّ، وَقَالَ ابْنُ تَمَّامٍ: أنبا مُحِبُّ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ الرَّضِيِّ، وَالْمُحَدِّثُ زَيْنُ الدِّينِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، وَالْعِزُّ إِبْرَاهِيمُ، وَالْفَخْرُ عَلِيٌّ، وَجَمَالُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْحَقِّ بْنِ خَلَفٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ جَمِيلِ بْنِ حَمْدٍ الْمَقْدِسِيُّ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيُّ، وَعِزُّ الدِّينِ بْنُ الْحَافِظِ، وَقَالَ ابْنُ غَانِمٍ: أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الأَنْمَاطِيُّ، وَقَالَ ابْنُ الْفُوَيْرَةَ: أنبا جَمَالُ الدِّينِ يَحْيَى بْن أَبِي مَنْصُورٍ الصَّيْرَفِيُّ، وَالْفَخْرُ عَلِيٌّ، وَالرَّشِيدُ الْعَامِرِيُّ، وَمُؤَمَّلٌ الْبَالِسِيُّ، وَالشَّرَفُ الْقَوَّاسُ، وَقَالَ ابْنُ أَبِي الزَّاهِرَةِ: أنبا عَبْدُ الْمَوْلَى حبَارَةُ، وَابْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ، وَالإِمَامُ ابْنُ أَبِي عُمَرَ، وَالْعِزُّ إِبْرَاهِيمُ، وَأَبُو بَكْرٍ الْهَرَوِيُّ، وَابْنُ جَمِيلٍ، وَقَالَ ابْنُ الْمُهَنْدِسِ: أنبا الْفَخْرُ عَلِيٌّ، وَابْنُ شَيْبَانَ، وَابْنُ الزَّيْنِ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، وَزَيْنَبُ بِنْتُ مَكِّيٍّ، وَالْكَمَالُ عَبْدُ الرَّحِيمِ، وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ ، وَالْفَخْرُ عَلِيٌّ، وَالْمُسْلِمُ بْنُ عَلانَ، وَأَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ، وَالْكَمَالُ عَبْدُ الرَّحِيمِ وَعَلِيٌّ الْمنشيُّ ، وَعِزُّ الدِّينِ بْنُ الْحَافِظِ: أنبا الْعَلامَةُ تَاجُ الدِّينِ أَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ الْكِنْدِيُّ، وَأَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرِ بْنِ طَبَرْزُدَ، سَمَاعًا عَلَيْهِمَا خَلا الْعِزِّ ، فَحُضُورًا عَلَى ابْنِ طَبَرْزُدَ، وَقَالَ ابْنُ أَبِي عَصْرُونَ: أَنْبَأَ ابْنُ طَبَرْزُدَ وَحْدَهُ، وَقَالَ الْمِقْدَادُ: أنبا الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ

আজ-জুহুর বিন সালিম আল-গাসুলি এবং মুহাদ্দিস শামসুদ্দিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন গানাইম বিন ওয়াকিদ বিন আল-মুহান্দিস; তাদের উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। আল-মিযযি এবং আল-বিরযালি বলেছেন: বারোজন শাইখ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: কাযিল কুযাত শামসুদ্দিন আবু আল-ফারাজ আবদুর রহমান বিন আবি উমর বিন কুদামাহ, ফাখরুদ্দিন আবু আল-হাসান আলি বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি, আল-মুসলিম বিন আল্লান আদ-দিমাশকি, বদরুদ্দিন আহমাদ বিন শায়বান, মুহিউদ্দিন উমর বিন আবি আসরুন, নাজিবুদ্দিন আল-মিকদাদ বিন হিবাতুল্লাহ আল-কাইসি, ইসমাইল বিন আবি আব্দুল্লাহ আল-আসকালানি, শরাফুদ্দিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মুনইম আল-কাওয়াস, শামসুদ্দিন আবদুর রহমান বিন আয-যাইন আহমাদ বিন আব্দুল মালিক আল-মাকদিসি, রাশিদুদ্দিন মুহাম্মাদ বিন আবি বকর আল-আমিরি, যয়নব বিনতে মক্কি বিন আলি বিন কামিল আল-হাররানি এবং সিত্তুল আরব বিনতে ইয়াহইয়া বিন কায়মায আল-কিন্দিইয়াহ। আল-মিযযি আরও উল্লেখ করেছেন— মুআম্মাল বিন মুহাম্মাদ আল-বালিসি এবং আল-কামাল আব্দুর রহিম বিন আব্দুল মালিক আল-মাকদিসি। ইবনে আবি আত-তাইব বলেছেন: আমাকে আবু মুহাম্মাদ আব্দুল কারিম বিন কাযিল কুযাত আবুল কাসিম আব্দুস সামাদ বিন আল-হারাসতানি, আলি বিন মুযাফফর আন-নাশিবি এবং ফারাজ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাবাশি সংবাদ দিয়েছেন। ইবনে জাহবাল বলেছেন: আমাকে আশ-শরাফ বিন আল-কাওয়াস সংবাদ দিয়েছেন। আল-ইযয বিন কুদামাহ বলেছেন: আমাকে আমার পিতা কাযিল কুযাত ইবনে আবি উমর এবং ফাখর আলি সংবাদ দিয়েছেন। ইবনে তামমাম বলেছেন: মুহিব্বুদ্দিন মুহাম্মাদ বিন আর-রাদি, মুহাদ্দিস যয়নুদ্দিন আহমাদ বিন আব্দুদ দায়িম বিন নি'মাহ, ইবনে আবি উমর, আল-ইযয ইবরাহিম, ফাখর আলি, জামালুদ্দিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল হক বিন খালাফ, আহমাদ বিন জামিল বিন হামাদ আল-মাকদিসি, আবু বকর বিন মুহাম্মাদ আল-হারাওয়ি এবং ইযযুদ্দিন বিন আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইবনে গানিম বলেছেন: আমাকে আবু বকর মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-আনমাতি সংবাদ দিয়েছেন। ইবনে আল-ফুওয়ায়রাহ বলেছেন: জামালুদ্দিন ইয়াহইয়া বিন আবি মানসুর আস-সাইরাফি, ফাখর আলি, আর-রাশিদ আল-আমিরি, মুআম্মাল আল-বালিসি এবং আশ-শরাফ আল-কাওয়াস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইবনে আবি আয-যাহিরাহ বলেছেন: আব্দুল মাওলা হুবাহরাহ, ইবনে আব্দুদ দায়িম, ইমাম ইবনে আবি উমর, আল-ইযয ইবরাহিম, আবু বকর আল-হারাওয়ি এবং ইবনে জামিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইবনে আল-মুহান্দিস বলেছেন: ফাখর আলি, ইবনে শায়বান, ইবনে আয-যাইন, ইবনে আবি উমর, যয়নব বিনতে মক্কি এবং আল-কামাল আব্দুর রহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং ইবনে উমর, ফাখর আলি, আল-মুসলিম বিন আল্লান, আহমাদ বিন শায়বান, আল-কামাল আব্দুর রহিম, আলি আল-মুনশি এবং ইযযুদ্দিন বিন আল-হাফিয বলেছেন: আল্লামা তাজউদ্দিন আবু আল-ইউমন যায়দ বিন আল-হাসান আল-কিন্দি এবং আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মাদ বিন মা'মার বিন তাবারযাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাদের উভয়ের নিকট শ্রবণের মাধ্যমে লাভ করেছি, তবে আল-ইযয ব্যতীত, তিনি ইবনে তাবারযাদের নিকট উপস্থিতির মাধ্যমে লাভ করেছেন। ইবনে আবি আসরুন বলেছেন: শুধুমাত্র ইবনে তাবারযাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আল-মিকদাদ বলেছেন: হাফিয আবু মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ বিন মাহমুদ বিন...

(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٤)
الأَخْضَرِ ، وَقَالَ فَرَجٌ الْحَبَشِيُّ: أنبا الْمَشَايِخُ الثَّلاثَةُ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ شَيْخِ الشُّيُوخِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي سَعْدٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ تزمشَ بْنِ بكتمرَ، وَالْكِنْدِيُّ، وَقَالَ ابْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ: أنبا الْمَشَايِخُ الثَّلاثَةُ الْحَافِظُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيِّ ابْنِ الْجَوْزِيِّ، وَالْمُكرَمُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ الْمُكْرَمِ الصُّوفِيُّ، وَأَبُو الْمُظَفَّرِ عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ فَيْرُوزَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْهَرِيُّ، وَقَالَ الْجَمَالُ الصَّيْرَفِيُّ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مَعَالِي بْنِ منينَا، وَالْكِنْدِيُّ، وَقَالَ الْبَاقُونَ: أنبا الْكِنْدِيُّ وَحْدَهُ ، قَالَ الْمَشَايِخُ التِّسْعَةُ: ابْنُ طَبَرْزُدَ، وَالْكِنْدِيُّ، وَابْنُ الأَخْضَرِ، وَعَبْدُ اللَّطِيفِ، وَأَحْمَدُ بْنُ تزمش، وَابْنُ الْجَوْزِيِّ، وَالْمُكْرَمُ، وَعَبْدُ الْخَالِقِ، وَابْنُ منينا: أنبا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الأَنْصَارِيُّ، أنبا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ الْبَزَّازُ.

ح.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي النّعمِ، أنا أَبُو الْمُنَجَّا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ، أنبا أَبُو الْفَتْحِ يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي الْحَاجِبُ، أنبا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَاقِلانِيُّ، أنبا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، أنبا شُجَاعُ بْنُ جَعْفَرٍ الصُّوفِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ الْكَجِّيُّ الْبَصْرِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رضي الله عنه، قَالَ: عَطَسَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، رَجُلانِ فَشَمَّتَ أَوْ فَسَمَّتَ أَحَدَهُمَا، وَلَمْ يُشَمِّتِ الآخَرَ، أَوْ فَسَمَّتَهُ وَلَمْ يُسَمِّتَ الآخَرَ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ عَطَسَ عِنْدَكَ رَجُلانِ فَشَمَّتَّ أَحَدَهُمَا، وَلَمْ تُشَمِّتِ الآخَرَ، أَوْ فَسَمَّتَّهُ وَلَمْ تُسَمِّتِ الآخَرَ؟ فَقَالَ: «إِنَّ هَذَا حَمِدَ اللَّهَ فَسَمَّتُّهُ، وَإِنَّ هَذَا لَمْ يَحْمَدِ اللَّهَ فَلَمْ أُسَمِّتْهُ» .

لَفْظُ ابْنِ مَاسِيٍّ، وَالثَّانِي أَخْصَرُ مِنْهُ.

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ أَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ عَنْ مُعْتَمِرٍ، عَنْ أَبِيهِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ عَالِيًا.
আল-আখদার থেকে; এবং ফারাজ আল-হাবাশি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তিন শায়খ আব্দুল লতিফ বিন শায়খুশ শুয়ূখ ইসমাইল বিন আবি সা’দ, আহমদ বিন তাজমাশ বিন বকতুমুর এবং আল-কিন্দি। ইবনে আব্দুল দায়িম বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তিন শায়খ হাফেজ আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আলী ইবনুল জাওযি, আল-মুকাররাম বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-মুকাররাম আস-সুফি এবং আবু মুজাফফর আব্দুল খালিক বিন ফাইরুজ বিন আব্দুল্লাহ আল-জাওহারি। জামাল আস-সাইরাফি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন মাআলি বিন মুনিনা এবং আল-কিন্দি। অবশিষ্টগণ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন একমাত্র আল-কিন্দি। নয়জন শায়খ—ইবনে তাবারজাদ, আল-কিন্দি, ইবনুল আখদার, আব্দুল লতিফ, আহমদ বিন তাজমাশ, ইবনুল জাওযি, আল-মুকাররাম, আব্দুল খালিক এবং ইবনে মুনিনা—বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন উমর বিন আহমদ আল-বারমাকি (তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম); তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন আইয়ুব বিন মাসি আল-বাজ্জায।

হ.

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবিন নু'ম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুঞ্জা আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আলী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ ইয়াহইয়া বিন আলী বিন আব্দুল বাকি আল-হাজিব; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মদ বিন হাসান বিন আহমদ আল-বাকিল্লানি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান বিন আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুজা বিন জাফর আস-সুফি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম আল-কাজ্জি আল-বাসরি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমি; তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দুই ব্যক্তি হাঁচি দিল। তিনি তাদের একজনের হাঁচির জবাব দিলেন, কিন্তু অপরজনের হাঁচির জবাব দিলেন না। তখন জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট দুই ব্যক্তি হাঁচি দিল, আপনি একজনের হাঁচির জবাব দিলেন কিন্তু অপরজনের হাঁচির জবাব দিলেন না? তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই এ ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেছে, তাই আমি তার হাঁচির জবাব দিয়েছি; আর ও ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেনি, তাই আমি তার হাঁচির জবাব দিইনি»।

এটি ইবনে মাসির বর্ণনা অনুযায়ী শব্দবিন্যাস, আর দ্বিতীয় বর্ণনাটি এর চেয়ে সংক্ষিপ্ত।

এটি একটি সহিহ হাদিস এবং এর বিশুদ্ধতার ওপর ঐক্যমত রয়েছে। ইমাম আহমদ এটি তাঁর মুসনাদে মুতামির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের (আলি) বিকল্প সনদ হিসেবে গণ্য হয়েছে।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٥)
وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، وَعَنْ آدَمَ عَنْ شُعْبَةَ بِلَفْظٍ ، فَقَالَ الرَّجُلُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ سَمَّتَّ هَذَا وَلَمْ تُشَمِّتْنِي، وَمُسْلِمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، وَعَنْ أَبِي كُرَيْبٍ، عَنْ أَبِي خَالِدٍ الأَحْمَرِ، وَأَبُو دَاوُدَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ سُفْيَانَ، وَعَنْ أَحْمَدَ بْنِ يُونُسَ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ.

وَالتِّرْمِذِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ.

وَالنَّسَائِيُّ فِي الْكُبْرَى، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُعْتَمِرٍ، وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ.

وَابْنُ مَاجَهْ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ تِسْعَتُهُمْ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِالنِّسْبَةِ لِرِوَايَةِ الْبُخَارِيِّ بِدَرَجَةٍ وَلِرِوَايَةِ الْبَاقِينَ بِدَرَجَتَيْنِ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

 

‌‌الْحَدِيثُ الثَّالِثُ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْكَبِيرُ الْمُعَمِّرُ مُسْنِدُ الْعَصْرِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ نِعْمَةَ الصَّالِحِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، وَأَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْفَرَجِ بْنِ مَعَالِي بْنِ الْمُطْعِمِ، وَأَبُو الفرج بْنُ الزَّيْنِ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيُّ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَكْتُومٍ الْقَيْسِيُّ، فِيمَا سَوَّغُوا إِلَيَّ فِي الرِّوَايَةِ عَنْهُمْ قَالُوا كُلُّهُمْ: أنبا الشَّيْخُ الْمُبَارَكُ الْمُسْنِدُ أَبُو الْمُنَجَّا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ
এবং ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে এবং আদম থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে এই শব্দে যে, লোকটি বলল: হে আল্লাহর রাসুল! আপনি এর জন্য তাশমিত (দোয়া) করলেন কিন্তু আমার জন্য করলেন না। আর মুসলিম বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি হাফস ইবনে গিয়াস থেকে এবং আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু খালিদ আল-আহমার থেকে। আর আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে এবং আহমাদ ইবনে ইউনুস থেকে, তিনি জুহাইর ইবনে হারব থেকে।

এবং তিরমিজি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবু উমর থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে।

এবং নাসাঈ তাঁর ‘আল-কুবরা’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি মুতামির থেকে এবং ইমরান ইবনে মুসা থেকে, তিনি আব্দুল ওয়ারিস থেকে।

এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবু শায়বাহ থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে—তাঁরা নয়জনই বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমি থেকে। ফলে এটি আমাদের নিকট বুখারির বর্ণনার তুলনায় এক স্তর উচ্চ এবং অবশিষ্টদের বর্ণনার তুলনায় দুই স্তর উচ্চ সূত্রে পৌঁছেছে। আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহরই প্রাপ্য।

 

তৃতীয় হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুমহান, সুপ্রবীণ শায়খ, যুগের শ্রেষ্ঠ মুসনিদ আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবনে নিমাহ আস-সালিহি—তাঁকে পাঠ করে শোনানো হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি—এবং আবু মুহাম্মদ ইবনে আবু আল-ফারাজ ইবনে মাআলি ইবনে আল-মুতয়িম এবং আবুল ফারাজ বিন জাইন আহমাদ আল-মাকদিসি এবং ইসমাইল ইবনে ইউসুফ ইবনে মাকতুম আল-কায়সি—তাঁরা আমাকে তাঁদের থেকে বর্ণনার যে অনুমতি প্রদান করেছেন তার ভিত্তিতে তাঁরা সকলে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বরকতময় শায়খ, মুসনিদ আবু আল-মুনাজ্জা আব্দুল্লাহ ইবনে
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٦)
عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ اللَّتِّيِّ، سَمَاعًا عَلَيْهِ خَلا ابْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ، فَقَالَ: إِذْنًا ، زَادَ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ سَمَاعًا عَلَيْهِ، قَالا: أنبا أَبُو الْوَقْتِ بْنُ عِيسَى بْنِ أَبِي مُحَمَّدٍ الصُّوفِيُّ، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْفَارِسِيُّ، أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي شُرَيْحٍ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا أَبُو الْجَهْمِ الْعَلاءُ بْنُ مُوسَى الْبَاهِلِيُّ ، إِمْلاءً مِنْ كِتَابِهِ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ، رضي الله عنه، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، أَيَرْقُدُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ؟ قَالَ: «نَعَمْ إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرْقُدْ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الطَّهَارَةِ عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ عَالِيًا، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، وَأَبُو دَاوُدَ مِنْ حَدِيثِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، فَرَوَاهُ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، زَادَ مُسْلِمٌ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، كِلاهُمَا، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، عَنْهُ بِهِ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِثَلاثِ دَرَجَاتٍ ، كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ فَقِيهِ الْحَرَمِ، وَأَصْحَابِ الْخَطِيبِ أَبِي بَكْرٍ، وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ مِنْ طُرُقٍ مِنْهَا، عَنْ بُنْدَارٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، فَكَأَنَّ شُيُوخِي بِاعْتِبَارِ الْعَدَدِ إِلَى ابْنِ عُمَرَ سَمِعُوهُ مِنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ السُّنِّيِّ صَاحِبِ النَّسَائِيِّ، وَصَافَحُوهُ بِهِ ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ كَثِيرًا

 

‌‌الْحَدِيثُ الرَّابِعُ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الْمُعَمِّرُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبِ بْنِ الشِّحْنَةِ، سَمَاعًا عَلَيْهِ ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي حَفْصٍ الْبَغْدَادِيُّ، سَمَاعًا وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْعُودٍ
উমর ইবনে আলী ইবনুল লাত্তি, তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে (ইবনু আবদুদ দায়িম ব্যতীত, তিনি অনুমতির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন)। তিনি আরও বলেন: আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াকত ইবনে ঈসা ইবনে আবু মুহাম্মদ আস-সুফী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-ফারিসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে আবু শুরাইহ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল জাহম আল-আলা ইবনে মুসা আল-বাহিলি, তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতলিপি হিসেবে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস ইবনে সাদ, নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন: আমাদের কেউ কি জুনুবি (অপবিত্র) অবস্থায় ঘুমাতে পারে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, যখন তোমাদের কেউ অজু করবে, তখন সে যেন ঘুমায়।»

এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম বুখারি এটি তাহারাত (পবিত্রতা) অধ্যায়ে কুতাইবাহ থেকে, তিনি লাইস ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর সনদে (বদল হিসেবে) উপনীত হয়েছে। ইমাম মুসলিম ও আবু দাউদ এটি উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে' থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আবু বকর ইবনে আবু শাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম ও মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে আবু উসামাহ থেকে, তিনি তাঁর থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট তিন স্তর বিশিষ্ট উচ্চতর সনদে উপনীত হয়েছে, যেন আমি এটি হারামের ফকিহ এবং খতিব আবু বকরের সাথীদের থেকে শুনেছি। ইমাম নাসায়ি এটি বিভিন্ন পথে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে: বান্দার থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে মাহদি থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মনসুর থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবু জাদ থেকে, তিনি সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে। ফলে বর্ণনাকারীর সংখ্যার বিচারে আমার শাইখগণ ইবনে উমর পর্যন্ত যেন আবু বকর ইবনুস সুন্নি (যিনি ইমাম নাসায়ির ছাত্র) থেকে হাদিসটি শুনেছেন এবং তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছেন। আল্লাহর জন্য অশেষ প্রশংসা ও অনুগ্রহ।

 

‌‌চতুর্থ হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রবীণ মুসনিদ শাইখ আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আবু তালিব ইবনুশ শিহনাহ, তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আবু হাফস আল-বাগদাদি শ্রবণের মাধ্যমে এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মাসউদ...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٧)
الْبَغْدَادِيُّ، فِي كِتَابِهِ مِنْهَا، قَالا: أنبا عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ الْمَالِينِيُّ، أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُوشَنْجِيُّ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمَّوَيْهِ، أنبا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ خُزَيْمٍ الشَّاشِيُّ، أنبا الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ الْكَشِّيُّ، أنبا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنبا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ عَمَّهُ غَابَ عَنْ قِتَالِ بَدْرٍ، فَقَالَ: غِبْتُ عَنْ أَوَّلِ قِتَالٍ قَاتَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمُشْرِكِينَ، لَئِنِ اللَّهُ تَعَالَى أَشْهَدَنِي قِتَالا لَيَرَيَنَّ اللَّهُ مَا أَصْنَعُ، قَالَ: فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ أُحُدٍ انْكَشَفَ الْمُسْلِمُونَ، فَقَالَ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَبْرَأُ إِلَيْكَ مِمَّا جَاءَ بِهِ هَؤُلاءِ، يَعْنِي الْمُشْرِكِينَ ، وَأَعْتَذِرُ إِلَيْكَ مِمَّا صَنَعَ هَؤُلاءِ يَعْنِي أَصْحَابَهُ، ثُمَّ تَقَدَّمَ فَلَقِيَهُ سَعْدٌ بِآخِرِهَا دُونَ أَحَدٍ، قَالَ: قُلْتُ: أَنَا مَعَكَ ، قَالَ: فَلَمْ أَسْتَطِعْ َأَنْ أَصْنَعَ مَا صَنَعَ، فَوَجَدَ فِيهِ بِضْعًا وَثَمَانِينَ ضَرْبَةً بِسَيْفٍ وَطَعْنَةٍ بِرُمْحٍ وَرَمْيَةٍ بِسَهْمٍ، قَالَ: وَكُنَّا نَقُولُ فِيهِ وَفِي أَصْحَابِهِ: نَزَلَتْ {فَمِنْهُمْ مَنْ قَضَى نَحْبَهُ وَمِنْهُمْ مَنْ يَنْتَظِرُ} [الأحزاب: 23] قَالَ يَزِيدُ: يَعْنِي الآيَةَ.

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ زُرَارَةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الطُّفَيْلِ، وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْخُزَاعِيِّ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى فَرَّقَهُمَا، عَنْ حُمَيْدٍ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَةٍ.

وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ ، عَنْ عَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ.

وَالنَّسَائِيُّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ كِلاهُمَا، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً لِلتِّرْمِذِيِّ، وَبَدَلا عَالِيًا لِلنَّسَائِيِّ بِدَرَجَتَيْنِ ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

 

‌‌الْحَدِيثُ الْخَامِسُ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الأَجَلُّ بَقِيَّةُ الْمَشَايِخِ الْمُسْنِدِينَ شِهَابُ الدِّينِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي النُّعَيْمِ الْخَيَّاطُ ، سَمَاعًا عَلَيْهِ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ، وَعِيسَى بْنُ
আল-বাগদাদি তাঁর কিতাবে বলেছেন, তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আউয়াল ইবনে আবি ইমরান আল-মালিনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-বুশাঞ্জি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্মুয়াহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে খুজাইম আশ-শাশি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম হাফিজ আবু মুহাম্মদ আবদ ইবনে হুমাইদ আল-কাশশি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ আত-তবিল, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তাঁর চাচা বদর যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুশরিকদের বিরুদ্ধে যে প্রথম যুদ্ধটি করেছেন তাতে আমি অনুপস্থিত ছিলাম। মহান আল্লাহ যদি আমাকে কোনো যুদ্ধে উপস্থিত রাখেন, তবে আল্লাহ অবশ্যই দেখবেন আমি কী করি।” বর্ণনাকারী বলেন, যখন ওহুদ যুদ্ধের দিন এলো এবং মুসলিমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, তখন তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! এরা (অর্থাৎ মুশরিকরা) যা নিয়ে এসেছে তা থেকে আমি আপনার কাছে বিমুক্তি ঘোষণা করছি এবং এরা (অর্থাৎ তাঁর সাথীরা) যা করেছে তা থেকে আপনার কাছে ওজর পেশ করছি।” অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন। পথিমধ্যে সা’দ ইবনে মুয়াজের সাথে তাঁর দেখা হলো। সা’দ বললেন, “আমি তোমার সাথে আছি।” সা’দ (পরবর্তীতে) বললেন, “কিন্তু তিনি যা করতে পেরেছেন আমি তা করতে সক্ষম হইনি।” তাঁকে (আনাস ইবনে নাদরকে) যখন পাওয়া গেল, তাঁর শরীরে তলোয়ারের আঘাত, বর্শার বিদ্ধ হওয়া এবং তীরের জখম মিলিয়ে আশিটিরও বেশি চিহ্ন ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা তাঁর ও তাঁর সাথীদের সম্পর্কে বলতাম যে, এই আয়াতটি তাঁদের সম্বন্ধেই নাযিল হয়েছে: “মুয়মিনদের মধ্যে কেউ কেউ আল্লাহর সাথে কৃত তাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ তার শপথ পূর্ণ করেছে (শহীদ হয়েছে), আবার কেউ কেউ প্রতীক্ষায় রয়েছে।” [আল-আহযাব: ২৩]। ইয়াজিদ বলেন, অর্থাৎ এই আয়াতটি।

এটি একটি হাসান সহিহ হাদিস। ইমাম বুখারি এটি আমর ইবনে জুরারা থেকে, তিনি জিয়াদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে তুফাইল থেকে এবং মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-খুজায়ি থেকে, তিনি আবদ আল-আ’লা থেকে—উভয়কেই আলাদাভাবে বর্ণনা করেছেন—হুমাইদ থেকে রেওয়ায়েত করেছেন। ফলে এটি আমাদের কাছে এক স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

ইমাম তিরমিযি এটি আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে এবং ইমাম নাসায়ি ইসহাক ইবনে ইবরাহিম থেকে—উভয়েই ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে—বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য তিরমিযির সনদের সাথে উচ্চ স্তরের ‘মুওয়াফাকাত’ (সঙ্গতি) এবং নাসায়ির জন্য দুই স্তর উচ্চ ‘বাদাল’ (বিকল্প) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।

 

‌‌পঞ্চম হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অত্যন্ত সম্মানিত শাইখ, অবশিষ্ট মুসনিদ মাশায়েখদের অন্যতম শিহাব উদ্দিন আহমাদ ইবনে আবি আল-নুয়াইম আল-খাইয়্যাত, তাঁর নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে, এবং আবু বকর ইবনে আহমাদ ইবনে আবদ আল-দায়িম ইবনে নিমাহ, এবং ঈসা ইবনে...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٨)
مَعَالِي بْنِ الْمُطْعِمِ الْمَقْدِسِيَّانِ، إِذْنًا مِنْهُمَا، قَالُوا: أنبا الإِمَامُ الْمُسْنِدُ الصَّالِحُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الرَّبَعِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، وَأَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، وَعَلِيُّ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْبَغْدَادِيَّانِ، إِجَازَةً مِنْهُمَا ، قَالُوا: أنبا عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى الْهَرَوِيُّ، أنبا جَمَالُ الإِسْلامِ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُظَفَّرِ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، ثنا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجُعْفِيُّ، ثنا الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ ، قَالَ: غَزَوْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم سَبْعَ غَزَوَاتٍ، وَغَزَوْتُ مَعَ ابْنِ حَارِثَةَ سَبْعَ غَزَوَاتٍ اسْتَعْمَلَهُ عَلَيْنَا ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ هَكَذَا، كَمَا أَخْرَجْنَاهُ.

وَأَخْرَجَهُ هُوَ، وَمُسْلِمٌ أَيْضًا، عَنْ قُتَيْبَةَ، زَادَ مُسْلِمٌ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ كِلاهُمَا، عَنْ حَاتِمِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ.

وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ أَيْضًا، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ مَسْعَدَةَ، كِلاهُمَا عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِالنِّسْبَةِ لِرِوَايَةِ مُسْلِمٍ بِدَرَجَتَيْنِ

 

‌‌الْحَدِيثُ السَّادِسُ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبِ بْنِ أَبِي النّعمِ بْنِ حَسَنٍ الدِّمَشْقِيُّ، سَمَاعًا، وَأَبُو مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَرَجِ بْنِ عطَافٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ بْنِ نِعْمَةَ، وَأَبُو الْفِدَاءِ بْنُ أَبِي الْمَحَاسِنِ الْقَيْسِيُّ، إِجَازَةً مِنْ ثَلاثَتِهِمْ، قَالُوا أَرْبَعَتُهُمْ: أنبا أَبُو الْمُنَجَّا بْنُ أَبِي حَفْصٍ الْعَتَّابِيُّ ، سَمَاعًا عَلَيْهِ إِلا ابْنَ الْقوينِ، فَقَالَ: أنبا الزُّبَيْدِيُّ، سَمَاعًا عَلَيْهِ، قَالا: أنبا أَبُو الْوَقْتِ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ الزَّاهِدُ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ الْفَسَوِيُّ، أنبا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْصَارِيُّ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ
মাআলি ও ইবনুল মুতয়িম আল-মাকদিসীদ্বয়, তাঁদের উভয়ের অনুমতিক্রমে, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম, মুসনিদ, নেককার আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আবি বকর আর-রাবায়ি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শ্রবণ করছিলাম; এবং আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ও আলী ইবনে আবি বকর আল-বাগদাদীদ্বয়, তাঁদের উভয়ের অনুমতিক্রমে, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদ আল-আউয়াল ইবনে ঈসা আল-হারাওয়ী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জামামুল ইসলাম আবু আল-হাসান ইবনে আবি আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুজাফ্ফর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবিল আব্বাস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-জুফী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মাক্কী ইবনে ইব্রাহিম, ইয়াজিদ ইবনে আবি উবাইদ থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে আল-আকওয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি এবং ইবনে হারিসার সাথেও সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, যাঁকে তিনি আমাদের ওপর সেনাপতি নিযুক্ত করেছিলেন।"

এটি একটি সহীহ হাদীস যা মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারী এটি এভাবেই বর্ণনা করেছেন, যেভাবে আমরা বর্ণনা করেছি।

বুখারী ও মুসলিম উভয়েই এটি কুতায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ—তাঁরা উভয়েই হাতিম ইবনে ইসমাইল থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং বুখারী এটি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে মাসআদা থেকে—তাঁরা উভয়েই ইয়াজিদ ইবনে আবি উবাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে মুসলিমের বর্ণনার তুলনায় আমাদের এই সনদটি দুই স্তর উচ্চতর (আলী) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

 

‌ষষ্ঠ হাদীস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে আবি তালিব ইবনে আবি আন-নিম ইবনে হাসান আদ-দিমাশকি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে, এবং আবু মুহাম্মদ ইবনে আবিল ফারাজ ইবনে আতাফ, আবু বকর ইবনে আবিল আব্বাস ইবনে নি'মাহ এবং আবু আল-ফিদা ইবনে আবিল মাহাসিন আল-কায়সি তাঁদের তিনজনের অনুমতিক্রমে। তাঁদের চারজনই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মুনাজ্জা ইবনে আবি হাফস আল-আত্তাবি—ইবনুল কাইন ব্যতীত অন্য সবার থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে। অতঃপর তিনি (ইবনুল কাইন) বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আজ-জুবাইদি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াক্ত ইবনে আবি ইমরান আজ-জাহিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ ইবনে আবি মাসউদ আল-ফাসাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আল-আনসারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٣٩)
بِنْتِ مَنِيعٍ، ثنا الْعَلاءُ بْنُ مُوسَى ، إِمْلاءً، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، ثنا نَافِعٌ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَالَ: «إِنَّ امْرَأَةً وُجِدَتْ فِي بَعْضِ مَغَازِي النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَقْتُولَةً فَأَنْكَرَ رَسُولُ اللَّهِ قَتْلَ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلْيِه أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ.

وَمُسْلِمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، وَأَبُو دَاوُدَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خَالِدٍ، وَهُوَ وَالتِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ، جَمِيعُهُمْ عَنِ اللَّيْثِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا لِخَمْسَتِهِمْ

 

‌‌الْحَدِيثُ السَّابِعُ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ نِعْمَةَ الدّيرمقرنِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ، وَعِيسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَعَالِي الدِّمَشْقِيَّانِ، إِذْنًا، أنبا الْحُسَيْنُ بْنُ الْمُبَارَكِ الْوَاعِظُ الْيَمَنِيُّ، سَمَاعًا، وَمُحَمَّدٌ، وَعَلِيٌّ الْبَغْدَادِيَّانِ، إِجَازَةً، قَالُوا: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْوَقْتِ بْنِ عِيسَى شُعَيْبٍ الزَّاهِدِ الْهَرَوِيِّ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُوَشَنْجِيُّ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْحَمَوِيُّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَطَرٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، ثنا الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا يَزِيدُ، يَعْنِي ابْنَ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ رضي الله عنه قَالَ: " خَرَجْتُ ذَاهِبًا نَحْوَ الْغَابَةِ حَتَّى إِذَا كُنْتُ بِثَنِيَّةِ الْغَابَةِ، لَقِيَنِي غُلامٌ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ قُلْتُ: وَيْحَكَ مَا بِكَ؟ قَالَ: أُخِذَتْ لِقَاحُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ: مَنْ أَخَذَهَا؟ قَالَ: غَطَفَانُ، وَفَزَارَةُ فَصَرَخْتُ ثَلاثَ صَرَخَاتٍ أَسْمَعْتُ مَا بَيْنَ لابَتَيْهَا يَا صَبَاحَاهْ يَا صَبَاحَاهْ، ثُمَّ انْدَفَعْتُ حَتَّى أَلْقَاهُمْ وَقَدْ أَخَذُوهَا فَجَعَلْتُ أَرْمِيهِمْ وَأَقُولُ: أَنَا ابْنُ الأَكْوَعِ، وَالْيَوْمُ يَوْمُ الرُّضَّعِ فَاسْتَنْقَذْتُهَا مِنْهُمْ قَبْلَ أَنْ يَشْرَبُوا، فَأَقْبَلْتُ بِهَا أَسُوقُهَا فَلَقِيَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ
বিনতে মানী' হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আলা ইবনে মূসা শ্রুতিলিপি অনুযায়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট লাইস ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট নাফে' বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কোনো এক যুদ্ধে একজন মহিলাকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নারী ও শিশুদের হত্যা করতে নিষেধ করলেন।"

এটি একটি সহীহ হাদীস এবং মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারী এটি আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, আবু দাউদ ইয়াযীদ ইবনে খালিদ থেকে, আর তিনি এবং তিরমিযী ও নাসাঈ কুতাইবা ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলে লাইস থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আমাদের নিকট এই পাঁচজনের সূত্রে এটি একটি উচ্চমানের সমান্তরাল বর্ণনা (বাদল আ'লী) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

 

‌‌সপ্তম হাদীস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে নি'মাহ আদ-দাইরমাকরিনী, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম; এবং আবু বকর ইবনে আহমদ ইবনে আবদুদ দায়িম ইবনে নি'মাহ ও ঈসা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মা'আলী আদ-দিমাশকী (অনুমতি সাপেক্ষে); তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুসাইন ইবনে মুবারক আল-ওয়ায়েজ আল-ইয়ামানী (শ্রবণের মাধ্যমে), এবং মুহাম্মদ ও আলী আল-বাগদাদী (অনুমতি সাপেক্ষে)। তাঁরা সকলে বলেন: আবু আল-ওয়াক্ত ইবনে ঈসা শুআইব আল-যাহিদ আল-হারাভীর নিকট পাঠ করা হয়েছে যখন আমরা শ্রবণ করছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-বুশাঞ্জী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আল-হামাভী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে মাতার; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাক্কী ইবনে ইবরাহিম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ—অর্থাৎ ইবনে আবু উবাইদ—সালামাহ ইবনুল আকওয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: "আমি বনের (আল-গাবাহ) দিকে রওয়ানা হলাম। যখন আমি বনের পাহাড়ী পথে পৌঁছালাম, তখন আবদুর রহমান ইবনে আউফের এক দাসের সাথে আমার দেখা হলো। আমি বললাম: তোমার কী হয়েছে? সে বলল: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দুগ্ধবতী উটগুলো ছিনতাই করা হয়েছে। আমি বললাম: কে সেগুলো নিয়েছে? সে বলল: গাতাফান ও ফাযারাহ গোত্র। তখন আমি উচ্চস্বরে তিনবার চিৎকার করে উঠলাম, যা মদীনার দুই কঙ্করময় প্রান্তের মধ্যবর্তী সকলকে শুনিয়ে দিলাম—'ইয়া সাবাহাহ! ইয়া সাবাহাহ!' (হে সকালের বিপদ!)। এরপর আমি দ্রুত বেগে ছুটলাম যতক্ষণ না তাদের নাগাল পেলাম। তারা উটগুলো নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাদের দিকে তীর নিক্ষেপ করতে লাগলাম আর বলতে লাগলাম: 'আমি ইবনুল আকওয়া, আর আজ হলো হীনদের ধ্বংসের দিন।' এভাবে তারা পানি পান করার আগেই আমি তাদের কাছ থেকে উটগুলো উদ্ধার করলাম। এরপর আমি উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে আসতে লাগলাম। এমতাবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই..."
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٠)
الْقَوْمَ عِطَاشٌ فَإِنِّي أَعْجَلْتُهُمْ قَبْلَ أَنْ يَشْرَبُوا سِقْيَهُمْ، فَابْعَثْ فِي إِثْرِهِمْ فَقَالَ: «يَابْنَ الأَكْوَعِ مَلَكْتَ فَأسْجِحْ إِنَّ الْقَوْمَ يُقْرَوْنَ فِي قَوْمِهِمْ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ هَكَذَا فِي صَحِيحِهِ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا، وَالنَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ حَاتِمِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدَةَ، فَوَقَعَ أَعْلَى عَالِيًا بِدَرَجَةٍ بِالنِّسْبَةِ لِرِوَايَةِ الْبُخَارِيِّ، وَبِدَرَجَتَيْنِ لِمُسْلِمٍ، وَالنَّسَائِيِّ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

 

‌‌الْحَدِيثُ الثَّامِنُ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ شِهَابُ الدِّينِ الْبيَانِيُّ الْحَنَفِيُّ، سَمَاعًا وَكَتَبَ لِي أَبُو الْفِدَاءِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ يُوسُفَ السُّوَيْدِيُّ، وَزَيْنَبُ بِنْتُ شُكْرٍ الْمَقْدِسِيَّةُ، وَغَيْرُهُمَا، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ الْعَتَّابِيَّ أَخْبَرَهُمْ سَمَاعًا عَلَيْهِمْ، أنبا عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى السِّجْزِيُّ، سَمَاعًا، أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُظَفَّرِ الْفَقِيهُ، أنبا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَمَّوَيْهِ، أنبا أَبُو عِمْرَانَ عِيسَى بْنُ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، أنبا الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أنبا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنبا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، رضي الله عنه، قَالَ: أَهْدَى بَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَيْهِ قَصْعَةً فِيهَا ثَرِيدٌ وَهُوَ فِي بَيْتِ بَعْضِ أَزْوَاجِهِ فَقَرَّبَ الْقَصْعَةَ فَانْكَسَرَتْ، فَجَعَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَأْخُذُ الثَّرِيدَ، فَيَرُدُّهُ فِي الصَّحْفَةِ وَهُوَ يَقُولُ: «كُلُوا غَارَتْ أُمُّكُمْ» .

فَانْتَظَرَ حَتَّى جَاءَتْ قَصْعَةٌ صَحِيحَةٌ فَأَخَذَهَا فَأَعْطَاهَا صَاحِبَةَ الْقَصْعَةِ الْمَكْسُورَةِ.

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَدِيٍّ جَمِيعًا، عَنْ حُمَيْدٍ فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيًا فِي أَحَدِ شَيْخَيْهِ، وَبَدَلا فِي الآخَرِ.
“লোকেরা তৃষ্ণার্থ, আর আমি তাদের পানীয় পান করার আগেই তাদের তাড়িয়ে এনেছি, তাই তাদের পেছনে লোক পাঠান।” তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ) বললেন: “হে ইবনুল আকওয়া! তুমি বিজয়ী হয়েছ, সুতরাং এখন উদারতা প্রদর্শন করো; নিশ্চয়ই তারা এখন তাদের গোত্রের মেহমানদারি পাচ্ছে।”

এটি একটি সহিহ হাদিস যা মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থে এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিমও এটি বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম নাসায়ি ‘আল-ইয়াউম ওয়াল লাইলা’ গ্রন্থে কুতায়বা থেকে, তিনি হাতেম বিন ইসমাইল থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন আবি উবায়দাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি বুখারির বর্ণনার তুলনায় এক স্তর এবং মুসলিম ও নাসায়ির তুলনায় দুই স্তর উচ্চতর সনদে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

 

‌অষ্টম হাদিস

আমাদের নিকট শেখ আল-মুসনিদ শিহাব উদ্দিন আল-বায়ানি আল-হানাফি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন এবং আবু আল-ফিদা ইসমাইল বিন ইউসুফ আস-সুওয়াইদি ও যয়নাব বিনতে শুকর আল-মাকদিসিয়া এবং অন্যান্যরা আমার নিকট লিখেছেন যে, আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-আত্তাবি তাঁদের নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যে, আব্দুল আওয়াল বিন ঈসা আস-সিজজি সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন, আব্দুর রহমান বিন আল-মুজাফ্ফর আল-ফকিহ আমাদের জানিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ বিন হাম্মুওয়াইহ আমাদের জানিয়েছেন, আবু ইমরান ঈসা বিন উমর আস-সামারকান্দি আমাদের জানিয়েছেন, ইমাম হাফিজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আমাদের জানিয়েছেন, ইয়াজিদ বিন হারুন আমাদের জানিয়েছেন, হুমাইদ আমাদের জানিয়েছেন আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কোনো এক স্ত্রী তাঁর নিকট একটি বড় পাত্রে করে সারীদ (গোশত ও রুটির ঝোলযুক্ত খাবার) উপহার পাঠালেন, তখন তিনি তাঁর অন্য এক স্ত্রীর ঘরে অবস্থান করছিলেন। এরপর তিনি পাত্রটি কাছে আনলে সেটি ভেঙে গেল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সারীদটুকু কুড়িয়ে পাত্রে ফিরিয়ে নিতে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন: “তোমরা খাও, তোমাদের মা ঈর্ষান্বিত হয়েছেন।”

অতঃপর তিনি অপেক্ষা করলেন যতক্ষণ না একটি অক্ষত পাত্র এল, তখন তিনি সেটি গ্রহণ করলেন এবং যাঁর পাত্র ভেঙেছিল তাঁকে সেই অক্ষত পাত্রটি প্রদান করলেন।

এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম আহমাদ তাঁর মুসনাদে এটি ইয়াজিদ বিন হারুন এবং মুহাম্মদ বিন আবি আদি উভয়ের সূত্রে হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাঁর দুইজন উস্তাদের একজনের মাধ্যমে আমাদের জন্য উচ্চতর সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ সনদ হিসেবে এবং অন্যজনের মাধ্যমে উচ্চতর বিকল্প সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤١)
وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي النِّكَاحِ، عَنْ عَلِيِّ ابْنِ الْمَدِينِيِّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ.

وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الْبُيُوعِ، وَالنَّسَائِيُّ فِي عشرَةِ النِّسَاءِ، وَابْنُ مَاجَهْ فِي الأَحْكَامِ، جَمِيعًا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى، عَنْ خَالِدِ بْنِ الْحَارِثِ الْعَجَمِيِّ.

وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الأَحْكَامِ عَنْ مَحْمُودِ بْنِ غَيْلانَ، عَنْ أَبِي دَاوُدَ الْحَفَرِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِالنِّسْبَةِ لِرِوَايَةِ الْبُخَارِيِّ بِدَرَجَةٍ وَلِرِوَايَةِ الْبَاقِينَ خَلا التِّرْمِذِيِّ بِدَرَجَتَيْنِ، وَبِالنِّسْبَةِ لِرِوَايَتِهِ بِثَلاثِ دَرَجَاتٍ كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي نَصْرٍ التّرْيَاقِيِّ، وَطَبَقَتِهِ، وَكَانَتْ وَفَاتُهُ سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَمَانِينَ، وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ.

 

‌‌الْحَدِيثُ التَّاسِعُ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُعَمِّرُ الْمُبَارَكُ صَالِحُ شِهَابُ الدِّينِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الشِّحْنَةِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنْبَأَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ اللَّتِّيِّ سَمَاعًا، وَمُحَمَّدُ بْنُ مَسْعُودٍ فِي كِتَابِهِ، أنبا أَبُو الْوَقْتِ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ الْهَرَوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أنبا جَمَالُ الإِسْلامِ أَبُو الْحَسَنِ، أَنْبَأَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، أَنْبَأَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ خُرَيْمِ بْنِ قَمَرٍ اللَّخْمِيُّ الشَّاشِيُّ، أَنْبَأَ أَبُو مُحَمَّدِ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَنْبَأَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَ حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلامٍ، أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ فَقَالَ: إِنِّي أَسْأَلُكَ عَنْ ثَلاثَةِ أَشْيَاءَ لا يَعْلَمُهُنَّ إِلا نَبِيٌّ: مَا أَوَّلُ أَمْرِ السَّاعَةِ أَوْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ؟ وَمَا أَوَّلُ مَا يَأْكُلُ أَهْلُ الْجَنَّةِ؟ وَمَا يَنْزِعُ الْوَلَدُ إِلَى أَبِيهِ وَالْوَلَدُ إِلَى أُمِّهِ قَالَ: أَخْبَرَنِي بِهِنَّ جِبْرِيلُ آنِفًا.

قَالَ: جِبْرِيلُ؟ قَالَ: «نَعَمْ» قَالَ: ذَاكَ عَدُوُّ الْيَهُودِ مِنَ الْمَلائِكَةِ، أَمَّا أَشْرَاطُ السَّاعَةِ فَنَارٌ تَخْرُجُ مِنَ الْمَشْرِقِ فَتَحْشُرُ النَّاسَ إِلَى الْمَغْرِبِ، وَأَمَّا مَا يَأْكُلُ أَهْلُ الْجَنَّةِ فَزِيَادَةُ
এবং ইমাম বুখারি এটি নিকাহ পর্বে আলী ইবনুল মাদিনী থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম—অর্থাৎ ইবনে উলাইয়্যাহ—থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম আবু দাউদ ক্রয়-বিক্রয় পর্বে, ইমাম নাসায়ি স্ত্রীদের সাথে সদাচরণ পর্বে এবং ইবনে মাজাহ আহকাম পর্বে এটি বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলেই মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি খালিদ ইবনুল হারিস আল-আজামি থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম তিরমিজি এটি আহকাম পর্বে মাহমুদ ইবনে গাইলান থেকে, তিনি আবু দাউদ আল-হাফারি থেকে, তিনি সুফিয়ান সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন। এই তিনজনই হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট ইমাম বুখারির বর্ণনার তুলনায় এক স্তর উচ্চে, এবং তিরমিজি ব্যতীত অন্যদের বর্ণনার তুলনায় দুই স্তর উচ্চে এবং তাঁর (তিরমিজির) বর্ণনার তুলনায় তিন স্তর উচ্চে পৌঁছেছে; যেন আমি এটি আবু নাসর আত-তিরয়াকি ও তাঁর সমপর্যায়ের ব্যক্তিদের থেকে শুনেছি। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল চারশত তিরাশি হিজরি সালে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

 

‌‌নবম হাদিস

আমাদের নিকট প্রবীণ ও বরকতময় শায়খ সলিহ শিহাবুদ্দিন ইবনে আহমাদ ইবনে আল-শিহনা পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমি তা শুনছিলাম। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল লাত্তি শ্রবণের মাধ্যমে এবং মুহাম্মদ ইবনে মাসউদ তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল ওয়াক্ত ইবনে আবি ইমরান আল-হারাউয়ি তাঁদের নিকট পাঠ করেছেন এবং আমরা তা শুনছিলাম। ইসলাম-সৌন্দর্য আবুল হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইবরাহিম ইবনে খুরিম ইবনে কামার আল-লাখমি আশ-শাশি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু মুহাম্মদ আব্দ ইবনে হুমাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। হুমাইদ আত-তবিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে যে, আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলেন যখন তিনি মদিনায় আগমন করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমি আপনাকে এমন তিনটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব যা নবী ছাড়া অন্য কেউ জানে না: কিয়ামতের প্রথম বিষয় বা কিয়ামতের আলামতসমূহ কী? জান্নাতবাসীরা সর্বপ্রথম কী খাবার খাবে? আর কেন সন্তান পিতার সদৃশ হয় কিংবা কেন সন্তান মাতার সদৃশ হয়?" তিনি (নবীজি) বললেন: "এইমাত্র জিবরাইল (আ.) আমাকে এগুলোর সংবাদ দিয়ে গেলেন।"

তিনি বললেন: "জিবরাইল?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তিনি তো ফেরেশতাদের মধ্যে ইহুদিদের শত্রু। কিয়ামতের আলামতসমূহের প্রথমটি হলো আগুন, যা পূর্ব দিক থেকে নির্গত হয়ে মানুষকে পশ্চিম দিকে একত্রিত করবে। আর জান্নাতবাসীরা সর্বপ্রথম যা খাবে তা হলো অতিরিক্ত অংশ..."

(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٢)
كَبِدِ الْحُوتِ، وَأَمَّا مَا يَنْزِعُ الْوَلَدُ إِلَى أَبِيهِ وَيَنْزِعُ الْوَلَدُ إِلَى أُمِّهِ فَإِذَا سَبَقَ مَاءُ الرَّجُلِ مَاءَ الْمَرْأَةِ نَزَعَ إِلَى أَبِيهِ وَإِذَا سَبَقَ مَاءُ الْمَرْأَةِ مَاءَ الرَّجُلِ نَزَعَ إِلَى أُمِّهِ، قَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْيَهُودَ قَوْمٌ بُهْتَةٌ فَأَخْبِئْنِي لَهُمْ ثُمَّ سَلْهُمْ عَنِّي قَبْلَ أَنْ يَعْلَمُوا بِإِسْلامِي، أَيُّ رَجُلٍ أَنَا فِيهِمْ؟ فَجَاءَ نَفَرٌ مِنْهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ: «أَيُّ رَجُلٍ عَبْدُ اللَّهِ فِيكُمْ؟» .

قَالُوا: خَيْرُنَا وَابْنُ خَيْرِنَا وَسَيِّدُنَا وَابْنُ سَيِّدِنَا، وَأَعْلَمُنَا وَابْنُ أَعْلَمِنَا، قَالَ: " أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَسْلَمَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ؟ قَالُوا أَعَاذَهُ اللَّهُ مِنْ ذَلِكَ قَالَ: فَخَرَجَ عَلَيْهِمْ عَبْدُ اللَّهِ فَقَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالُوا: شَرُّنَا، وَابْنُ شَرِّنَا وَنَحْوَ ذَلِكَ قَالَ: يَقُولُ عَبْدُ اللَّهِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا الَّذِي كُنْتُ أَخَافُ.

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الْهِجْرَةِ عَنْ حَامِدِ بْنِ عُمَرَ، وَالنَّسَائِيِّ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مَسْعُودٍ كِلاهُمَا عَنْ بِشْرِ بْنِ الْمُفَضَّلِ، عَنْ حُمَيْدٍ، ثنا أَنَسٌ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ.

 

‌‌الْحَدِيثُ الْعَاشِرُ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الْمُعَمِّرُ رِحْلَةُ عَصْرِهِ، وَفَرِيدُ دَهْرِهِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبِ بْنِ نِعْمَةَ بْنِ حَسَنٍ الْحَجَّارُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أنبا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي الْمَحَاسِنِ بْنِ مَكْتُومٍ الْقَيْسِيُّ، قَالا: أنبا أَبُو الْمُنَجَّا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ اللَّتِّيِّ، سَمَاعًا، أنبا عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى الزَّاهِدُ، أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَقِيهُ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محَمْدِ بْنِ حموَيْهِ، أنا عِيسَى بْنُ عُمَرَ بْنِ الْعَبَّاسِ، قَالا: أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السَّمَرْقَنْدِيُّ، أنبا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنبا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: إِنَّ فِي الْجَنَّةِ لَسُوقًا ".

قَالُوا: وَمَا هِيَ؟ قَالَ: " كُثْبَانٌ مِنْ مِسْكٍ يَخْرُجُونَ إِلَيْهَا فَيُجْمَعُونَ فِيهَا فَيَبْعَثُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ رِيحًا، فَتُدْخِلُهُمْ بُيُوتَهُمْ فَيَقُولُ لَهُمْ أَهْلُوهُمْ: لَقَدِ ازْدَدْتُمْ بَعْدَنَا حُسْنًا وَيَقُولُونَ لأَهْلِيهِمْ كَذَلِكَ ".
মাছের কলিজার উপরিভাগ। আর সন্তানের তার পিতার সাদৃশ্য গ্রহণ করা বা তার মাতার সাদৃশ্য গ্রহণ করার বিষয়টি হলো, যখন পুরুষের বীর্য স্ত্রীর বীর্যের ওপর প্রাধান্য লাভ করে, তখন সন্তান তার পিতার সদৃশ হয়। আর যখন স্ত্রীর বীর্য পুরুষের বীর্যের ওপর প্রাধান্য লাভ করে, তখন সন্তান তার মাতার সদৃশ হয়। তিনি (আব্দুল্লাহ বিন সালাম) বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসূল। তিনি আরও বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ইহুদিরা চরম অপবাদ দানকারী এক জাতি। অতএব আপনি আমাকে তাদের থেকে লুকিয়ে রাখুন, অতঃপর তারা আমার ইসলাম গ্রহণের কথা জানার আগেই তাদের কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন যে, তাদের মাঝে আমি কেমন ব্যক্তি? তখন তাদের একটি দল সেখানে উপস্থিত হলো। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তোমাদের মধ্যে আব্দুল্লাহ বিন সালাম কেমন ব্যক্তি?"

তারা বলল: তিনি আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং সর্বোত্তম ব্যক্তির সন্তান, আমাদের নেতা এবং আমাদের নেতার সন্তান, আমাদের মাঝে সবচাইতে বড় আলিম এবং সবচাইতে বড় আলিমের সন্তান। তিনি বললেন: "তোমরা কী মনে করো, যদি আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম ইসলাম গ্রহণ করেন?" তারা বলল: আল্লাহ তাকে তা থেকে রক্ষা করুন। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আব্দুল্লাহ তাদের সামনে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল। তখন তারা বলল: সে আমাদের মাঝে সবচাইতে নিকৃষ্ট ব্যক্তি এবং সবচাইতে নিকৃষ্টের সন্তান - এবং এই জাতীয় আরও মন্দ কথাবার্তা বলল। আব্দুল্লাহ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! এটিই ছিল সেই বিষয় যা আমি ভয় পাচ্ছিলাম।

এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম বুখারি হিজরত অধ্যায়ে হামিদ বিন উমর থেকে এবং ইমাম নাসায়ি ইসমাইল বিন মাসউদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়েই বিশর বিন মুফাদদাল থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে, আর তিনি আনাস (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের কাছে উচ্চতর সনদে পৌঁছেছে, আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ একমাত্র আল্লাহর জন্য।

 

‌‌দশম হাদিস

শাইখুল মুসনিদ, দীর্ঘায়ুপ্রাপ্ত, নিজ যুগের মহান ভ্রমণকারী এবং স্বীয় সময়ের অনন্য ব্যক্তিত্ব আবুল আব্বাস আহমদ বিন আবি তালিব বিন নেয়ামাহ বিন হাসান আল-হাজ্জার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আমি তার নিকট পাঠ করা অবস্থায় তা শ্রবণ করেছি। ইসমাইল বিন আবিল মাহাসিন বিন মাকতূম আল-কায়সি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তারা উভয়েই বলেছেন: আবুল মুনজি আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আলি ইবনে আল-লাতি আমাদের শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। জাহেদ আব্দুল আউয়াল বিন ঈসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ফকিহ আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন হামাওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ঈসা বিন উমর বিন আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তারা উভয়েই বলেছেন: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান সামারকান্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। ইয়াজিদ বিন হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। হুমাইদ আনাস (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "জান্নাতে একটি বাজার রয়েছে।"

তারা জিজ্ঞাসা করলেন: সেটি কী? তিনি বললেন: "তা হলো মিশকের ঢিবি। তারা সেদিকে বেরিয়ে যাবে এবং সেখানে সমবেত হবে। এরপর আল্লাহ তাদের ওপর একটি বাতাস প্রবাহিত করবেন, যা তাদেরকে তাদের ঘরে পৌঁছে দেবে। তখন তাদের পরিবারের লোকেরা তাদের বলবে: আমাদের ছেড়ে যাওয়ার পর তোমাদের সৌন্দর্য অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তারাও তাদের পরিবারের লোকদের লক্ষ্য করে অনুরূপ কথা বলবে।"
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٣)
هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ مِنْ حَدِيثِ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ صَحِيحٍ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِثَلاثِ دَرَجَاتٍ

آخِرُ الْجُزْءِ الأَوَّلِ مِنْ نَظْمِ اللآلِئِ بِالْمِائَةِ الْجُزْءُ الثَّانِي مِنْ نَظْمِ اللآلئِ بِالْمِائَةِ الْعَوَالِي تَخْرِيجُ الشَّيْخِ شِهَابِ الدِّينِ أَحْمَدَ بْنِ حُجْرٍ مَسْمُوعَاتُ الشَّيْخِ بُرْهَانَ الدِّينِ الشَّامِيِّ الْبَعْلَبَكِّيِّ
এটি হুমাইদ-এর সূত্রে আনাস হতে বর্ণিত একটি হাসান হাদিস, যা সহিহ। ইমাম মুসলিম এটি সাঈদ ইবনে আব্দুল জব্বার, হাম্মাদ, সাবিত ও আনাস-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি আমাদের নিকট তিন স্তরের উচ্চতর সনদে পৌঁছেছে।

‘নাজমুল লাআলি বিল মিআতি’ গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের সমাপ্তি। ‘নাজমুল লাআলি বিল মিআতি আল-আওয়ালি’ গ্রন্থের দ্বিতীয় খণ্ড। শাইখ শিহাবুদ্দীন আহমদ ইবনে হাজারের তাখরিজ। শাইখ বুরহানুদ্দীন আশ-শামি আল-বালবাক্কির শ্রবণকৃত হাদিসসমূহ।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٤)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌الْحَدِيثُ الْحَادِي عَشَرَ

أَخْبَرَنَا الإِمَامُ الْعَالِمُ الزَّاهِدُ الْحَافِظُ مُحِبُّ الدِّينِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الشَّيْخِ شِهَابِ الدِّينِ أَحْمَدَ بْنِ مُحِبِّ الدِّينِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمَقْدِسِيُّ، وَالإِمَامُ الْعَدْلُ زَيْنُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الإِمَامِ أَبِي الْمَحَاسِنِ عَبْدِ الْحَلِيمِ بْنِ شَيْخِ الإِسْلامِ مَجْدِ الدِّينِ أَبِي الْبَرَكَاتِ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ تَيْمِيَةَ الْحَرَّانِيُّ، وَابْنُ ابْنِ عَمِّهِ الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْعَدْلُ عِزُّ الدِّينِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْخَطِيبِ نَجْمِ الدِّينِ عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ الْمُحَدِّثِ عِزِّ الدِّينِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الإِمَامِ مَجْدِ الدِّينِ، وَالإِمَامُ الْعَدْلُ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الأَحَدِ بْنِ سَلامَةَ بْنِ خَلِيفَةَ بْنِ شُقَيْرٍ الْحَرَّانِيُّ الْحَنْبَلِيُّ، وَالإِمَامُ الْفَاضِلُ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الشَّيْخِ زَيْنِ الدِّينِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَرْخَانَ الدِّمَشْقِيُّ، وَالْفَقِيهُ الْفَاضِلُ شَرَفُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلاءِ الدِّينِ عَلِيِّ بْنِ الأَمِيرِ سَابِقِ الدِّينِ بِشَارَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الشِّبْلِيُّ، وَالشَّيْخُ الإِمَامُ الْمُحَدِّثُ شَمْسُ الدِّينِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَسَنِ بْنِ نبَاتَةَ الْفَارِقِيُّ، وَالإِمَامُ الْمُقْرِئُ الْمُفْتِي شَمْسُ الدِّينِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْغَنِيِّ بْنِ بَرَكَاتٍ الرَّقِّيُّ، وَالصَّدْرُ الرَّئِيسُ الْعَدْلُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الشَّيْخِ نَجْمِ الدِّينِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ هِلالٍ الأَزْدِيُّ، وَالصَّدْرُ الرَّئِيسُ بَهَاءُ الدِّينِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عِزِّ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

একাদশ হাদীস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম, আলিম, যাহেদ, হাফেয মুহিব্বুদ্দীন আব্দুল্লাহ বিন শাইখ শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন মুহিব্বুদ্দীন বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আল-মাকদিসী; এবং ন্যায়পরায়ণ ইমাম যাইনুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন ইমাম আবুল মাহাসিন আব্দুল হালীম বিন শাইখুল ইসলাম মাজদুদ্দীন আবিল বারাকাত আব্দুস সালাম বিন আব্দুল্লাহ বিন আবিল কাসিম বিন তাইমিয়্যাহ আল-হাররানী; এবং তাঁর চাচাতো ভাইয়ের পুত্র, মহান ও ন্যায়পরায়ণ শাইখ ইযযুদ্দীন আব্দুল আযীয বিন খাতীব নাজমুদ্দীন আব্দুল লতীফ বিন মুহাদ্দিস ইযযুদ্দীন বিন আব্দুল আযীয আল-ইমাম মাজদুদ্দীন; এবং ন্যায়পরায়ণ ইমাম তাক্বীউদ্দীন আবু হাফস উমর বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আহাদ বিন সালামাহ বিন খালীফাহ বিন শুকাইর আল-হাররানী আল-হাম্বলী; এবং বিদগ্ধ ইমাম শামসুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন শাইখ যাইনুদ্দীন আবু বকর বিন মুহাম্মাদ বিন ত্বারখান আদ-দিমাশকী; এবং বিদগ্ধ ফকীহ শারাফুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আলাউদ্দীন আলী বিন আল-আমীর সাবিকুদ্দীন বিশারাহ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শিবলী; এবং শাইখ, ইমাম, মুহাদ্দিস শামসুদ্দীন বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন নুবাতাহ আল-ফারিকী; এবং ইমাম, ক্বারী, মুফতী শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আলী বিন আব্দুল গনী বিন বারাকাত আর-রাক্কী; এবং প্রধান ও ন্যায়পরায়ণ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি শিহাবুদ্দীন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন শাইখ নাজমুদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন হিলাল আল-আযদী; এবং প্রধান ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি বাহাউদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন ইয
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٥)
الدِّينِ عِيسَى بْنُ نَجْمِ الدِّينِ أَبِي غَالِبٍ الْمُظَفَّرِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ إِلْيَاسَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْصَارِيِّ بْنِ الشِّيرَجِيِّ، وَغَيْرُهُمْ، قَالَ ابْنُ الْمُحِبِّ: أنبا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْمُسْنِدُ فَخْرُ الدِّينِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيُّ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ تَغْلِبَ بْنِ شَيْبَانَ ، وَزَيْنَبُ بِنْتُ مَكِّيٍّ الْحَرَّانِيِّ، وَقَالَ الزَّيْنُ بْنُ تَيْمِيَةَ: أنبا جَمَالُ الدِّينِ يَحْيَى بْنُ أَبِي مَنْصُورٍ الصَّيْرَفِيُّ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي الْيَسَرِ التَّنُوخِيُّ، وَجَمَالُ الدِّينِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلْمَانَ بْنِ سَعِيدٍ الْبَغْدَادِيُّ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيُّ، وَالسَّيْفُ يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَنْبَلِيُّ، وَالْفَخْرُ عَلِيُّ بْنُ الْبُخَارِيِّ، وَقَالَ الْعِزُّ بْنُ تَيْمِيَةَ: أنبا ابْنُ شَيْبَانَ، وَالْجَمَالُ الصَّيْرَفِيُّ، وَابْنُ سَلْمَانَ، وَقَالَ ابْنُ شُقَيْرٍ، وَابْنُ بِشَارَةَ: أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْقَوَّاسُ، وَقَالَ ابْنُ طَرْخَانَ: أنبا زَيْنُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ، وَالإِمَامُ الْعَلامَةُ شَيْخُ الإِسْلامِ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ، وَالشَّيْخُ عِزُّ الدِّينِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْخَطِيبِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عُمَرَ، وَأَحْمَدُ بْنُ جَمِيلِ بْنِ حَمْدٍ، وَالْكَمَالُ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، وَابْنُ الْبُخَارِيِّ، وَأَبُو بَكْرٍ الْهَرَوِيُّ، وَقَالَ ابْنُ نبَاتَةَ: أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الأَنْمَاطِيِّ، وَقَالَ الرَّقِّيُّ: أنبا شَمْسُ الدِّينِ بْنُ الزَّيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ ، وَالْفَخْرُ عَلِيٌّ، وَقَالَ ابْنُ هِلالٍ: أنبا الْمُسْلِمُ بْنُ عَلانَ، وَابْنُ شَيْبَانَ، وَقَالَ ابْنُ الشِّيرَجِيِّ: أنبا جَدِّي الْمُظَفَّرُ ، وَجَمَالُ الدِّينِ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سَالِمٍ الأَنْبَارِيُّ، وَقَالَ ابْنُ الْبُخَارِيِّ، وَابْنُ شَيْبَانَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، وَالْكَمَالُ عَبْدُ الرَّحِيمِ، وَابْنُ عَلانَ: أنبا الشَّيْخَانِ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْن مَعْمَرِ بْنِ طَبَرْزُدَ، وَأَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ الْكِنْدِيُّ، وَقَالَتْ زَيْنَبُ: أنبا ابْنُ طَبَرْزُدَ فَقَطْ، وَقَالَ الصَّيْرَفِيُّ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مَعَالِي بْنِ منينا، وَالْكِنْدِيُّ، وَقَالَ ابْنُ أَبِي الْيسرِ: أنبا الْمَشَايِخُ الثَّلاثَةُ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ شَيْخِ الشُّيُوخِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي سَعْدٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ تزمش بْنِ بكتمر، وَابْنُ طَبَرْزُدَ، وَقَالَ الْجَمَالُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلْمَانَ، وَالسَّيْفُ الْحَنْبَلِيُّ، وَأَبُو بَكْرٍ الْهَرَوِيُّ، وَابْنُ الْقَوَّاسِ، وَالْعِزُّ بْنُ الْخَطِيبِ، وَابْنُ جَمِيلٍ، وَابْنُ الأَنْمَاطِيِّ، وَابْنُ الزَّيْنِ، وَابْنُ سَالِمٍ: أنبا الْكِنْدِيُّ فَقَطْ، وَقَالَ ابْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ: أنبا
দ্বীন ঈসা বিন নাজমুদ্দীন আবু গালিব আল-মুজাফ্ফর বিন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইলিয়াস বিন আব্দুর রহমান আল-আনসারি বিন আল-শিরাজি এবং অন্যান্যগণ। ইবনুল মুহিব্ব বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, মুসনিদ ফখরুদ্দীন আলী বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি, আবুল আব্বাস আহমাদ বিন তাগলিব বিন শায়বান এবং যায়নাব বিনতে মাক্কি আল-হাররানি। যায়ন বিন তাইমিয়্যাহ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জামালুদ্দীন ইয়াহইয়া বিন আবু মানসুর আস-সাইরাফি, ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন আবুল ইয়াসার আত-তানুখি, জামালুদ্দীন আব্দুর রহমান বিন সালমান বিন সাঈদ আল-বাগদাদি, আবু বকর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-হারাউয়ি, সাইফ ইয়াহইয়া বিন আব্দুর রহমান আল-হাম্বলি এবং ফখর আলী বিন আল-বুখারি। ইযযুদ্দীন বিন তাইমিয়্যাহ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনু শায়বান, আল-জামাল আস-সাইরাফি এবং ইবনু সালমান। ইবনু শুকাইর এবং ইবনু বিশারাহ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুনইম আল-কাওয়াস। ইবনু তারখান বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাইনুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল দায়েম বিন নি'মাহ, ইমাম, আল্লামা, শাইখুল ইসলাম শামসুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন উমর, শাইখ ইযযুদ্দীন ইব্রাহিম বিন খতিব আব্দুল্লাহ বিন আবু উমর, আহমাদ বিন জামিল বিন হামদ, আল-কামাল আব্দুর রহিম বিন আব্দুল মালিক, ইবনুল বুখারি এবং আবু বকর আল-হারাউয়ি। ইবনু নুবাতাহ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আল-আনমাতি। আর-রাক্কি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শামসুদ্দীন বিন আয-যায়ন আহমাদ বিন আব্দুল মালিক এবং ফখর আলী। ইবনু হিলাল বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসলিম বিন আল্লান এবং ইবনু শায়বান। ইবনুশ শিরাজি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আল-মুজাফ্ফর এবং জামালুদ্দীন আব্দুর রহিম বিন সালিম আল-আনবারি। ইবনুল বুখারি, ইবনু শায়বান, ইবনু আবু উমর, আল-কামাল আব্দুর রহিম এবং ইবনু আল্লান বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন মা'মার বিন তাবারযাদ এবং আবুল ইয়ামন যায়েদ বিন হাসান বিন যায়েদ আল-কিন্দি। যায়নাব বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কেবল ইবনু তাবারযাদ। আস-সাইরাফি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আযীয বিন মা'আলি বিন মুনাইনা এবং আল-কিন্দি। ইবনু আবুল ইয়াসার বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তিন শাইখ—আব্দুল লতিফ বিন শাইখুশ শুয়ুখ ইসমাইল বিন আবু সা'দ, আহমাদ বিন তুযমুশ বিন বাক্তমুর এবং ইবনু তাবারযাদ। জামাল আব্দুর রহমান বিন সালমান, সাইফ আল-হাম্বলি, আবু বকর আল-হারাউয়ি, ইবনুল কাওয়াস, ইযযুদ্দীন ইবনুল খতিব, ইবনু জামিল, ইবনুল আনমাতি, ইবনুয যায়ন এবং ইবনু সালিম বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কেবল আল-কিন্দি। ইবনু আব্দুল দায়েম বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٦)
الإِمَامُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْجَوْزِيِّ، وَالْمُكْرَمُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ الْمُكْرَمِ الصُّوفِيُّ، وَعَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ فَيْرُوزَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْهَرِيُّ، وَقَالَ الْمُظَفَّرُ ابْنُ الشِّيرَجِيِّ: أنبا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ شَيْخِ الشُّيُوخِ، وَابْنُ طَبَرْزُدَ، قَالُوا كُلُّهُمْ ثَمَانِيَتُهُمْ: أنبا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ عَبْدِ الْبَاقِي الْكَعْبِيُّ، أنبا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ.

ح وَأَخْبَرَنِي بِهِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ يَحْيَى الأُمَوِيُّ، إِجَازَةً أنبا الْمَكِّيُّ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ عَلانَ، سَمَاعًا، أنبا الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَسَاكِرَ، أنبا أَبُو بَكْرِ بْنُ طَاهِرٍ الْمُهَنْدِسُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي إِسْحَاقَ الْبَرْمَكِيِّ، وَأَنَا حَاضِرٌ.

ح وَأَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ، إِذْنًا، أنبا النَّجِيبُ أَبُو الْفَرَجِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَزرِيُّ، سَمَاعًا أنبا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمَعْطُوشِ، أنبا أَبُو الْغَنَائِمِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ، قَالَ: أنبا أَبُو إِسْحَاقَ الْبَرْمَكِيُّ، سَمَاعًا عَلَيْهِ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ.

ح وَأَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ نِعْمَةَ الدِّمَشْقِيُّ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي حَفْصٍ الْعَتَّابِيُّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ الْبَطِّيِّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ.

ح قَالَ الْعَتَّابِيُّ: وَأنبا أَحْمَدُ بْنُ بُنَيْمَانَ بْنِ عُمَرَ الْمُسْتَعْملُ، عَنْ أَبِي الْفَضْلِ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ خَيْرُونٍ، قَالا: أنبا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، أنبا شُجَاعُ بْنُ جَعْفَرٍ الصُّوفِيُّ، قَالا: ثنا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكَجِّيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، دَخَلَ عَلَى أُمِّ سُلَيْمٍ، فَرَأَى أَبَا عُمَيْرٍ حَزِينًا، فَقَالَ: «يَا أُمَّ سُلَيْمٍ مَا بَالُ أَبِي عُمَيْرٍ حَزِينًا؟» .

فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَاتَ نُغَرُهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَبَا عُمَيْرٍ مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ» .

أَخْبَرَنَا بِهِ الْمُسْنِدُ أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ نِعْمَةَ، قِرَاءَةِ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أنبا أَبُو الْمُنَجَّا بْنُ أَبِي حَفْصٍ الْقَزَّازُ، سَمَاعًا، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ بَهْرُوز إِذْنًا، قَالا: أنبا أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ الصُّوفِيُّ، أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ الدَّاوُدِيُّ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ السَّرَخْسِيُّ، أنبا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خُزَيْمٍ، أنبا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنبا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ
ইমাম আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ ইবনুল জাওযী, আল-মুকাররাম বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-মুকাররাম আস-সূফী এবং আবদুল খালিক বিন ফিরোজ বিন আবদুল্লাহ আল-জাওহারী; এবং মুজাফফার ইবনুশ শিরজী বলেছেন: শাইখুশ শুয়ুখের পুত্র আবদুল লতিফ এবং ইবনু তাবারযাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তারা আটজনই বলেছেন: কাযী আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আবু তাহের আবদুল বাকী আল-কাব্বী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন উমর বিন আহমদ আল-বারমাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম।

বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন: এবং আমাকে এটি ইজাজতক্রমে জানিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহিম বিন ইয়াহইয়া আল-উমাবী; মাক্কী বিন মুসলিম বিন আল্লান শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; হাফেয আবুল কাসিম আলী বিন হাসান বিন আসাকির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু বকর বিন তাহের আল-মুহান্দিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু ইসহাক আল-বারমাকীর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তখন উপস্থিত ছিলাম।

বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন: এবং আমাদের এটি অনুমতিক্রমে জানিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আল-খাতীব; আল-নাজীব আবুল ফারাজ বিন আবদুল মুনইম বিন আলী আল-জাযারী শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু তাহের আল-মুবারক বিন আল-মুবারক বিন আল-মাতুশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আল-গানাইম মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমদ আল-মুহতাদী বিল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু ইসহাক আল-বারমাকী তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন আইয়ুব বিন মাসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন নিমাহ আদ-দিমাশকী; আবদুল্লাহ বিন আবু হাফস আল-ইত্তাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মুহাম্মাদ বিন আবদুল বাকী ইবনুল বাত্তি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মুহাম্মাদ বিন হাসান বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন: আল-ইত্তাবী বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন বুনাইমান বিন উমর আল-মুসতামিল, আবুল ফজল আহমদ বিন আল-হাসান বিন খাইরুন থেকে; তারা উভয়ে বলেন: আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; শুজা বিন জাফর আস-সূফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তারা উভয়ে বলেন: আবু মুসলিম ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ আল-কাজ্জী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; হুমাইদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মে সুলাইমের নিকট প্রবেশ করলেন, অতঃপর তিনি আবু উমায়েরকে বিষণ্ন দেখলেন। তিনি বললেন: «হে উম্মে সুলাইম! আবু উমায়েরের কী হয়েছে যে সে বিষণ্ন?»।

অতঃপর তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তার নুগাইর (ছোট পাখি) মারা গেছে। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «হে আবু উমায়ের! নুগাইর পাখিটি কী করেছে?»।

আল-মুসনিদ আবু আল-আব্বাস বিন নিমাহ এটি আমাদের জানিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আর আমি শ্রবণ করছিলাম; আবু আল-মুনজা বিন আবু হাফস আল-কাযযায শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন এবং আবু বকর বিন বাহরুজ অনুমতিক্রমে; তারা উভয়ে বলেন: আবু আল-ওয়াক্ত আবদুল আউয়াল আস-সূফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবদুর রহমান আদ-দাউদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবদুল্লাহ বিন আহমদ আস-সারখাসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; ইব্রাহিম বিন খুযাইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবদ বিন হুমাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; ইয়াযিদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; হুমাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আনাস থেকে যে...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٧)
ابْنًا لأُمِّ سُلَيْمٍ كَانَ يُقَالُ لَهُ أَبَا عُمَيْرٍ، فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ يُضَاحِكُهُ فَدَخَلَ عَلَيْهِ فَرَآهُ حَزِينًا، فَقَالَ: «مَا لأَبِي عُمَيْرٍ حَزِينًا؟» قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَاتَ نُغَيْرُهُ، قَالَ: فَجَعَلَ يَقُولُ: «يَا أَبَا عُمَيْرٍ مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ؟» .

وَبِهِ إِلَى عَبْدٍ، أنبا أَبُو وَهْبٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ السَّهْمِيُّ، ثنا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ ابْنٌ لأَبِي طَلْحَةَ، يُقَالُ لَهُ: أَبُو عُمَيْرٍ وَكَانَ لَهُ نُغَيْرٌ يَلْعَبُ بِهِ، فَكَانَ يُنَاغِيهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ فَجَاءَ وَقَدْ مَاتَ نُغَرُهُ، فَرَآهُ حَزِينًا، فَقَالَ: «مَا بَالُ أَبِي عُمَيْرٍ حَزِينًا؟» .

قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَاتَ نُغَيْرُهُ ، فَقَالَ: «يَا أَبَا عُمَيْرٍ مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ؟» .

وَأَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَسْلَمَةَ الأُمَوِيُّ فِي كِتَابِهِ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ مَكِّيُّ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ عَلانَ ، سَمَاعًا، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ الْحَافِظِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ الشَّيْبَانِيُّ بِبَغْدَادَ غَيْرَ مَرَّةٍ.

ح وَأَنبا بِهِ أَبُو بَكْرِ بْنُ الشَّيْخِ الإِمَامِ الْمُحَدِّثِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الدَّائِمِ، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُسْلِمٍ الإِرْبِلِيُّ، حُضُورًا، أنبا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النَّقُّورِ، سَمَاعًا عَلَيْهِ، بِقِرَاءَةِ الْحَافِظِ أَبِي مُحَمَّدٍ الأَخْضَرِ، أنبا الشَّيْخُ الْعَدْلُ أَبُو طَاهِرٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ النَّرْسِيِّ الْبَزَّازُ سَنَةَ 496 هـ، قَالا: أنبا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَيْلانَ الْبَزَّازُ، سَنَةَ سَبْعٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ، ثنا الْقَاضِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، ثنا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ ابْنُ لأُمِّ سُلَيْمٍ يُقَالُ لَهُ: أَبُو عُمَيْرٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُمَازِحُهُ إِذَا دَخَلَ عَلَى أُمِّ سُلَيْمٍ، فَدَخَلَ يَوْمًا، فَوَجَدَهُ حَزِينًا، فَقَالَ: «مَا لأَبِي عُمَيْرٍ حَزِينًا؟» قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَاتَ نُغَيْرُهُ الَّذِي كَانَ يَلْعَبُ بِهِ، فَجَعَلَ يَقُولُ: «أَبَا عُمَيْرٍ مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ؟» .

وَبِهِ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الشَّافِعِيِّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْوَاسِطِيُّ، قَالَ: سَأَلْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيَّ، فَقَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ لِي أَخٌ يُقَالُ لَهُ: أَبَا عُمَيْرٌ وَكَانَتْ لَهُ عُصْفُورٌ يَلْعَبُ بِهِ فَمَاتَ الْعُصْفُورُ وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَدْخُلُ بَيْتَنَا فَيَقُولُ: «يَا أَبَا عُمَيْرٍ مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ؟» .
উম্মে সুলাইমের এক পুত্র ছিল যাকে আবু উমাইর বলা হতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রবেশ করতেন তখন তার সাথে হাসিতামাশা করতেন। একবার তিনি তার নিকট প্রবেশ করে তাকে বিষণ্ণ দেখলেন। তিনি বললেন: "আবু উমাইরের কী হয়েছে যে সে বিষণ্ণ?" তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তার নুগাইর (ছোট পাখি) মারা গেছে। আনাস (রা.) বলেন: এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে লাগলেন: "হে আবু উমাইর! নুগাইর কী করেছে?"

এবং উক্ত সনদে আবদ-এর মাধ্যমে বর্ণিত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ওয়াহাব আব্দুল্লাহ ইবনে বকর আস-সাহমী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুমায়দ, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু তালহার এক পুত্র ছিল যাকে আবু উমাইর বলা হতো। তার একটি নুগাইর পাখি ছিল যা দিয়ে সে খেলা করত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রবেশ করতেন তখন তাকে আদর করে কথা বলতেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন এমতাবস্থায় যে তার নুগাইর মারা গেছে। তিনি তাকে বিষণ্ণ দেখে বললেন: "আবু উমাইরের কী হলো যে সে বিষণ্ণ?"

তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! তার নুগাইর মারা গেছে। তখন তিনি বললেন: "হে আবু উমাইর! নুগাইর কী করেছে?"

এবং আমাদের নিকট এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহীম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুর রহীম ইবনে আলী ইবনে মাসলামাহ আল-উমাবী তার কিতাবে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ মাক্কী ইবনে মুসলিম ইবনে আল্লান শ্রবণের মাধ্যমে। তিনি বলেন: হাফেজ আবুল কাসিম আলী ইবনে হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আল-হুসাইন আশ-শাইবানী বাগদাদে একাধিকবার।

হ এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম মুহাদ্দিস আবু আব্বাস আহমদ ইবনে আব্দুল দাইমের পুত্র আবু বকর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুসলিম আল-ইরবিলি উপস্থিতিতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আন-নাক্কুর শ্রবণের মাধ্যমে, হাফেজ আবু মুহাম্মদ আল-আখদারের পাঠকালে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আদল আবু তাহির হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আন-নারসি আল-বায্যায ৪৯৬ হিজরীতে। তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে গায়লান আল-বায্যায ৪৩৭ হিজরীতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আশ-শাফিঈ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন বিচারক ইসমাইল ইবনে ইসহাক ইবনে ইসমাইল ইবনে হাম্মাদ ইবনে যাইদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুমায়দ আত-তাবীল, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উম্মে সুলাইমের এক পুত্র ছিল যাকে আবু উমাইর বলা হতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সুলাইমের নিকট প্রবেশ করলে তার সাথে কৌতুক করতেন। একদিন তিনি প্রবেশ করে তাকে বিষণ্ণ পেলেন এবং বললেন: "আবু উমাইরের কী হয়েছে যে সে বিষণ্ণ?" তারা বলল: "হে আল্লাহর রাসূল! তার নুগাইর মারা গেছে যা দিয়ে সে খেলা করত।" তখন তিনি বলতে লাগলেন: "আবু উমাইর! নুগাইর কী করেছে?"

এবং উক্ত সনদে আবু বকর আশ-শাফিঈর মাধ্যমে বর্ণিত, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-ওয়াসিতি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারীকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: আমার নিকট হুমায়দ বর্ণনা করেছেন আনাস (রা.) থেকে, তিনি বলেন: আমার এক ভাই ছিল যাকে আবু উমাইর বলা হতো। তার একটি চড়ুই পাখি ছিল যা দিয়ে সে খেলা করত। চড়ুইটি মারা গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ঘরে প্রবেশ করে বলতেন: "হে আবু উমাইর! নুগাইর কী করেছে?"
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٨)
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَوَاهُ عَنْهُ حُمَيْدٌ، وَأَبُو التَّيَّاحِ يَزِيدُ بْنُ حُمَيْدٍ الضُّبَعِيُّ الْبَصْرِيُّ، أَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَحْمَدُ، فِي مُسْنَدِهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ، قَاضِي الْبَصْرَةِ فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً لَهُ عَالِيَةً، وَمِنْ حَدِيثِ أَبِي التَّيَّاحِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، وَمُسْلِمٌ، وَالتِّرْمِذِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، وَابْنُ مَاجَهْ، فَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي الأَدَبِ، عَنْ آدَمَ، عَنْ شُعْبَةَ، وَعَنْ مُسَدَّدٍ، عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ، وَمُسْلِمٍ فِي الصَّلاةِ وَالاسْتِئْذَانِ، وَالْفَضَائِلِ عَنْ أَبِي الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيِّ، وَشَيْبَانَ بْنِ فَرُّوخٍ كِلاهُمَا، عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ.

وَالتِّرْمِذِيِّ فِي الصَّلاةِ عَنْ هَنَّادٍ، عَنْ وَكِيعٍ، وَفِي الْبِرِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَضَّاحٍ، عَنِ ابْنِ إِدْرِيسَ كِلاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، وَالنَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ، وَعَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ وَكِيعٍ، كِلاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، وَعَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَزْهَرِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ مُثَنَّى بْنِ سَعِيدٍ الضَّبِّيُّ،
এটি আনাস ইবনে মালিকের হাদীস হতে বর্ণিত একটি সহীহ হাদীস। তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন হুমাইদ এবং আবু তাইয়্যাহ ইয়াযীদ ইবনে হুমাইদ আদ-দুবায়ী আল-বাসরী। ইমাম আহমাদ এটি তাঁর মুসনাদে বাসরাহর বিচারক মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যার ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর সামঞ্জস্যপূর্ণ (মুওয়াফাকাত আলিয়া) সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আবু তাইয়্যাহর হাদীস হতে এটি বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ উদ্ধৃত করেছেন। বুখারী এটি 'আল-আদাব' অধ্যায়ে আদম সূত্রে শু'বাহ থেকে এবং মুসাদ্দাদ সূত্রে আবদুল ওয়ারিস থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি 'সালাত', 'অনুমতি প্রার্থনা' ও 'ফাযায়িল' অধ্যায়ে আবু রাবী' আয-যাহরানী এবং শায়বান ইবনে ফাররুখ থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই আবদুল ওয়ারিস থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী এটি 'সালাত' অধ্যায়ে হান্নাদ সূত্রে ওয়াকী' থেকে এবং 'সদাচরণ' অধ্যায়ে আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াদদাহ সূত্রে ইবনে ইদরীস থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এটি 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ' গ্রন্থে ইসমাইল ইবনে মাসউদ সূত্রে ইয়াযীদ ইবনে যুরায়' থেকে এবং ইসহাক ইবনে ইবরাহীম সূত্রে ওয়াকী' থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই শু'বাহ থেকে। এছাড়া তিনি ইসহাক ইবনে ইবরাহীম সূত্রে আযহার ইবনে কাসিম থেকে, তিনি মুসান্না ইবনে সাঈদ আদ-দাব্বী থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٤٩)
وَابْنُ مَاجَهْ فِي الأَدَبِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الطّنَافِسِيِّ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ سَعِيدٍ كِلاهُمَا، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِالنِّسْبَةِ لِرِوَايَةِ الْبُخَارِيِّ بِدَرَجَةٍ، وَمُسْلِمٌ بِدَرَجَتَيْنِ وَالْبَاقِينَ بِثَلاثِ دَرَجَاتٍ وَانْفَرَدَ النَّسَائِيُّ إِخْرَاجَهُ مِنْ حَدِيثِ حُمَيْدٍ، فَرَوَاهُ فِي السُّنَنِ الْكُبْرَى، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ بَكَّارٍ الْحِمْصِيِّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ حُمَيْرٍ، عَنِ الْجَرَّاحِ بْنِ مليحٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِسِتِّ دَرَجَاتٍ كَأَنَّ شُيُوخَ شُيُوخِي لَقُوا النَّسَائِيَّ، وَصَافَحُوهُ بِهِ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ.

قَالَ أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ عَقِبَ هَذَا الْحَدِيثِ: فَفِي هَذَا الْحَدِيثِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُمَازِحُ، وَفِيهِ أَنَّهُ كَنَّى غُلامًا صَغِيرًا وَفِيهِ أَنَّهُ لا بَأْسَ أَنْ يُعْطَى الصَّبِيُّ الطَّيْرَ لِيَلْعَبَ بِهِ، انْتَهَى، وَقَالَ الإِمَامُ أَبُو حَاتِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الرَّازِيُّ: وَفِيهِ أَنَّهُ لَمْ يَنْهَ عَنْ صَيْدِ الطَّيْرِ الْمَدَنيَّةِ، وَفِيهِ أَنَّهُ صَغَّرَ الطَّيْرَ، وَهُوَ خَلْقٌ مِنْ خَلْقِ اللَّهِ، وَمِمَّنْ تَكَلَّمَ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ الإِمَامُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْقَاصِّ الطَّبَرِيُّ الْفَقِيهُ الشَّافِعِيُّ، فَقَدْ أَفْرَدَ جُزْءًا سَاقَ فِيهِ هَذَا الْحَدِيثَ مِنْ عِدَّةِ طُرُقٍ، ثُمَّ قَالَ: فِي هَذَا الْحَدِيثِ فَوَائِدُ كَثِيرَةٌ لَمْ يَفْهَمْهَا مَنِ اعْتَرَضَ عَلَى أَصْحَابِ الْحَدِيثِ أَنَّهُمْ يَرَوْنَ أَشْيَاءَ لا فَائِدَةَ فِيهَا، وَلا مَعْنَى تَحْتَهَا، وَذَكَرَ مِنْ جُمْلَتِهَا هَذَا الْحَدِيثَ فَإِنَّ فِيمَا رَوَيْنَاهُ مِنْ قِصَّةِ أَبِي عُمَيْرٍ سِتِّينَ وَجْهًا مِنَ الْفِقْهِ وَالسُّنَّةِ، وَفُنُونِ الْفَوَائِدِ، وَالْحِكْمَةِ، قُلْتُ: وَسَاقَ مَا قَدَّمْنَا، وَزَادَ وَوَفَّى بِالْمَوَادِّ وَلَوْلا خَوْفُ التَّطْوِيلِ لَسُقْتُ مِنْ ذَلِكَ جُمْلَةً مُخْتَارَةً، وَفِيمَا تَقَدَّمَ كِفَايَةٌ، وَاللَّهُ وَلِيُّ التَّوْفِيقِ

 

‌‌الْحَدِيثُ الثَّانِّي عَشَرَ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الْمُكْثِرُ شِهَابُ الدِّينِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي النّعمِ، أنبا الْمُسْنِدُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي حَفْصِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ الْقَزَّازُ، أنا عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبٍ
ইবনে মাজাহ শিষ্টাচার (আল-আদব) অধ্যায়ে আলী ইবনে মুহাম্মদ আত-তানাফিসি থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে, তিনি সাঈদ থেকে—তাঁরা উভয়েই আবু আত-তাইয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি বুখারীর বর্ণনার তুলনায় এক স্তর উচ্চে (আলি), মুসলিমের তুলনায় দুই স্তর এবং অন্যান্যদের তুলনায় তিন স্তর উচ্চে আমাদের কাছে পৌঁছেছে। আর নাসায়ী এককভাবে হুমাইদের হাদিস থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন। তিনি এটি 'আস-সুনানুল কুবরা'-তে ইমরান ইবনে বাক্কার আল-হিমসি থেকে, তিনি হাসান ইবনে হুমাইর থেকে, তিনি জাররাহ ইবনে মালিহ থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে কাইস থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের কাছে ছয় স্তর উচ্চে পৌঁছেছে, যেন মনে হয় আমার উস্তাদদের উস্তাদগণ নাসায়ীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং এর মাধ্যমে তাঁর সাথে মুসাফাহা করেছেন। আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই জন্য।

ইমাম আবু ঈসা আত-তিরমিযী এই হাদিসের শেষে বলেছেন: এই হাদিসে প্রমাণিত হয় যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কৌতুক করতেন। এতে আরও রয়েছে যে, তিনি একজন ছোট বালককে উপনাম (কুনিয়াত) দিয়েছিলেন। এতে আরও রয়েছে যে, ছোট শিশুকে খেলার জন্য পাখি দেওয়ায় কোনো দোষ নেই। (সমাপ্ত)। ইমাম আবু হাতিম মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস আর-রাযী বলেছেন: এতে প্রমাণিত হয় যে তিনি মদীনার পাখি শিকার করতে নিষেধ করেননি। এতে আরও রয়েছে যে তিনি পাখিকে ছোট (নুয়াইর) করে উল্লেখ করেছেন, অথচ তা আল্লাহর সৃষ্টির অন্যতম একটি সৃষ্টি। আর যারা এই হাদিসের ওপর আলোচনা করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ইমাম আবুল আব্বাস আহমদ ইবনুল কাস আত-তাবারী আশ-শাফিঈ ফকিহ। তিনি একটি স্বতন্ত্র পুস্তিকা রচনা করেছেন যাতে তিনি এই হাদিসটি একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেন: এই হাদিসে অনেক ফায়দা রয়েছে যা তারা বুঝতে পারেনি যারা হাদিস বিশারদদের ওপর এই বলে আপত্তি করে যে তারা এমন বিষয় বর্ণনা করেন যাতে কোনো ফায়দা নেই এবং যার কোনো অর্থ নেই। তিনি সেই সকল বিষয়ের মধ্যে এই হাদিসটির কথা উল্লেখ করেছেন। আমরা আবু উমাইরের যে কাহিনী বর্ণনা করেছি তাতে ফিকহ, সুন্নাহ, বিভিন্ন প্রকার ফায়দা ও হিকমতের ষাটটি দিক রয়েছে। আমি (লেখক) বলছি: তিনি আমরা যা আগে উল্লেখ করেছি তা বর্ণনা করেছেন এবং আরও অনেক বিষয় যোগ করে পূর্ণতা দান করেছেন। দীর্ঘ হওয়ার ভয় না থাকলে আমি সেখান থেকে একটি নির্বাচিত অংশ উদ্ধৃত করতাম। তবে যা বর্ণিত হয়েছে তাই যথেষ্ট। আল্লাহই তাওফিক দাতা।

 

‌‌দ্বাদশ হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অধিক হাদিস বর্ণনাকারী শায়খ আল-মুসনিদ শিহাবুদ্দিন আহমদ ইবনে আবিন নু'আম। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুসনিদ আবদুল্লাহ ইবনে আবি হাফস ইবনে আলী ইবনে যাইদ আল-কাযযায। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আউয়াল ইবনে ঈসা ইবনে শুআইব।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٥٠)
الْهَرَوِيُّ، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ، أنبا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا الْعَلاءُ بْنُ مُوسَى إِمْلاءً، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ الْمِصْرِيُّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يَدْخُلُ أَحَدٌ مِمَّنْ بَايَعَ تَحْتَ الشَّجَرَةِ النَّارَ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي السُّنَّةِ عَنْ قُتَيْبَةَ، وَيَزِيدُ بْنُ خَالِدٍ وَالتِّرْمِذِيُّ فِي الْمَنَاقِبِ، وَالنَّسَائِيُّ فِي الْيَقِينِ، جَمِيعًا، عَنْ قُتَيْبَةَ كِلاهُمَا عَنِ اللَّيْثِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُمْ عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ قَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.

 

‌‌الْحَدِيثُ الثَّالِثَ عَشَرَ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الشِّحْنَةِ، أنبا أَبُو الْمُنَجَّا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْبَغْدَادِيُّ، أنبا الشَّيْخُ سَدِيدُ الدِّينِ الصُّوفِيُّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي مَسْعُودٍ، أنبا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي شُرَيْحٍ، أنبا الإِمَامُ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَنِيعِيُّ، ثنا أَبُو الْجَهْمِ الْبَاهِلِيُّ، إِمْلاءً، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ الْفَهْمِيُّ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، وَجَدَ بَرْدًا شَدِيدًا، وَهُوَ فِي السَّفَرِ فَأَمَرَ الْمُؤَذِّنَ فَأَذَّنَ مَنْ مَعَهُ أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُ بِذَلِكَ إِذَا كَانَ مِثْلُ هَذَا ".

هَذَا الْحَدِيثُ صَحِيحٌ أَخْرَجَاهُ بِمَعْنَاهُ فَرَوَاهُ الْجُعْفِيُّ، عَنْ مُسَدَّدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعْدٍ، وَالْقُشَيْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، كِلاهُمَا، عَنْ نَافِعٍ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِالنِّسْبَةِ لِرِوَايَةِ ابْنِ الْحُسَيْنِ بِدَرَجَتَيْنِ
আল-হারাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি মাসউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ বিন আবিল আব্বাস বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-আলা বিন মূসা আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আল-লাইস বিন সাদ আল-মিসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুবায়ের আল-মাক্কী থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "গাছের নিচে যারা আনুগত্যের শপথ (বায়আত) গ্রহণ করেছিল, তাদের কেউই জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।"

এটি একটি সহীহ হাদিস। আবু দাউদ এটি 'আস-সুন্নাহ' অধ্যায়ে কুতাইবা ও ইয়াযীদ বিন খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং তিরমিযী 'আল-মানাকিব' অধ্যায়ে ও নাসাঈ 'আল-ইয়াকীন' অধ্যায়ে সবাই কুতাইবা থেকে এবং তারা উভয়ই লাইস থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি তাদের তুলনায় আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। তিরমিযী বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহীহ।

 

‌‌ত্রয়োদশ হাদিস

শায়খ আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন আল-শিহনাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-মুনাজ্জা আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শায়খ সাদীদ উদ্দীন আস-সূফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল আযীয বিন আবি মাসউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন আবি শুরায়হ্ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইমাম আবু আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-মানি’ঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-জাহম আল-বাহিলী আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আল-লাইস বিন সাদ আল-ফাহমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে যে, আব্দুল্লাহ বিন উমর (সফরে থাকাকালীন) প্রচণ্ড শীত অনুভব করলেন। তখন তিনি মুয়াযযিনকে নির্দেশ দিলেন, ফলে সে আযান দিল এবং তার সাথে থাকা লোকদের জানাল যে— তোমরা তোমাদের ডেরায় (আবাসস্থলে) সালাত আদায় করে নাও। (ইবনে উমর বলেন) কেননা আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেছি, যখন এমন পরিস্থিতি হতো তখন তিনি এইরূপ নির্দেশ দিতেন।

এই হাদিসটি সহীহ। ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম এর অর্থগত বর্ণনা করেছেন। ইমাম জু’ফী (বুখারী) এটি মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম কুশায়রী (মুসলিম) এটি আবু বকর বিন আবি শায়বাহ ও মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর থেকে—তাঁরা উভয়ই নাফে’ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি ইবনুল হুসাইনের বর্ণনার তুলনায় আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٥١)
‌‌الْحَدِيثُ الرَّابِعَ عَشَرَ

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْكَبِيرُ الْمُهَذِّبُ أَحْمَدُ بْنُ حَسَنٍ الدّيرمقرنِيُّ، سَمَاعًا عَلَيْهِ، وَأنبا غَيْرُ وَاحِدٍ، أَنَّ الإِمَامَ الْمُسْنِدَ الْوَاعِظَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ الْيَمَنِيَّ، أَخْبَرَهُمْ سَمَاعًا، وَغَيْرُهُ إِذْنًا، قَالُوا: قُرِئَ عَلَى عَبْدِ الأَوَّلِ بْنِ أَبِي عِمْرَانَ بْنِ الشَّيْخِ أَبِي مَدْيَنَ الزَّاهِدِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْفَقِيهُ الْخُرَاسَانِيُّ، أَنْبَأَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَطَرٍ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحَافِظُ، ثنا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا يَزِيدُ بْنُ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، قَالَ: «كُنَّا نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْمَغْرِبَ إِذَا تَوَارَتْ بِالْحِجَابِ» .

أَخْبَرَنَا بِهِ مُسْنِدُ الْعَصْرِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ بَيَانٍ الصَّالِحِيُّ، سَمَاعًا، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ إِجَازَةً.

ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْفِدَاءِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَكْتُومٍ، وَزَيْنَبُ بِنْتُ شُكْرٍ الْمَقْدِسِيَّةُ، إِذْنًا مِنْهُمَا، قَالا: أنا أَبُو الْمُنَجَّا بْنُ اللَّتِّيِّ، سَمَاعًا، أنا عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى الْمَالِينِيُّ، أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنْبَأَ أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ، أَنْبَأَ إِبْرَاهِيمُ، أنبا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَنْبَأَ صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي الْمَغْرِبَ سَاعَةَ تَغْرُبُ الشَّمْسُ إِذَا غَابَ حَاجِبُهَا» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّلاةِ كَمَا سُقْنَاهُ أَوَّلا، وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ، وَالتِّرْمِذِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ حَاتِمٍ، وَأَبُو دَاوُدَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ صَفْوَانَ، وَابْنُ مَاجَهْ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍ، عَنِ الْمُغِيرَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْ يَزِيدَ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ وَبَدَلا لأَبِي دَاوُدَ مِنْ رِوَايَتِنَا الثَّانِيَةِ عَالِيًا وَلِلَّهِ الْحَمْدُ،
চতুর্দশ হাদিস

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রবীণ ও সুসংস্কৃত শাইখ আহমাদ বিন হাসান আদ-দায়রমাকরানি, তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে; এবং একাধিক ব্যক্তি আমাদের জানিয়েছেন যে, ইমাম, মুসনিদ ও ওয়ায়েজ আবু আব্দুল্লাহ বিন আবি বকর আল-ইয়ামানি তাঁদেরকে শ্রবণের মাধ্যমে এবং অন্যরা অনুমতির মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: আমাদের শ্রবণকালে যাহিদ শাইখ আবু মাদইয়ানের পুত্র আব্দুল আওয়াল বিন আবি ইমরানের নিকট পাঠ করা হয়েছে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আবু আব্দুল্লাহ আল-ফকিহ আল-খুরাসানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইউসুফ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মাতার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাক্কি বিন ইবরাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন আবি উবায়দ, তিনি সালামাহ বিন আল-আকওয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করতাম যখন তা (সূর্য) পর্দার অন্তরালে আত্মগোপন করত।»

এই হাদিসটি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এই যুগের মুসনিদ আবু আব্বাস আহমাদ বিন বায়ান আস-সালিহি শ্রবণের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন উমার অনুমতির মাধ্যমে।

হ এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফিদা ইসমাইল বিন ইউসুফ বিন মাকতুম এবং যায়নাব বিনতে শুকর আল-মাকদিসিয়্যাহ তাঁদের অনুমতির মাধ্যমে, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুনাজ্জা বিন আল-লাত্তি শ্রবণের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আওয়াল বিন ঈসা আল-মালিনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ বিন আবিল আব্বাস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দ বিন হুমাইদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাফওয়ান বিন ঈসা, ইয়াজিদ বিন আবি উবায়দ থেকে, তিনি সালামাহ বিন আল-আকওয়া থেকে বর্ণনা করেন যে, «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় মাগরিবের সালাত আদায় করতেন যখন তার উপরিভাগ অদৃশ্য হয়ে যেত।»

এটি একটি সহিহ হাদিস যা ইমাম বুখারি সালাত অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন যেভাবে আমরা প্রথমে উল্লেখ করেছি। এবং এটি ইমাম মুসলিম ও ইমাম তিরমিজি কুতায়বাহ থেকে, তিনি হাতিম থেকে বর্ণনা করেছেন; ইমাম আবু দাউদ আমর বিন আলী থেকে, তিনি সাফওয়ান থেকে এবং ইবনে মাজাহ ইয়াকুব বিন হুমাইদ বিন কাসিব থেকে, তিনি মুগিরাহ বিন আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা তিনজনেই ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে এবং আবু দাউদের বর্ণনার বিপরীতে আমাদের দ্বিতীয় বর্ণনাটি উচ্চতর সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٥٢)
قَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ

 

‌‌الْحَدِيثُ الْخَامِسَ عَشَرَ

أَخْبَرَنَا مُسْنِدُ الدُّنْيَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ أَبِي طَالِبِ بْنِ أَبِي النّعمِ الْحَجَّارُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِدِمَشْقَ قَالَ: قُرِئَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْبَغْدَادِيِّ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، وَكَتَبَ لَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ مَسْعُودِ بْنِ بَهْرُوزَ، قَالا: أنبا أَبُو الْوَقْتِ بْنُ عِيسَى الصُّوفِيُّ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ، أنبا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَمَّوَيْهِ، أنبا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ خُزَيْمٍ الشَّاشِيُّ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ الْحَافِظُ، أنبا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنبا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لا يَتَمَنَّى أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ لِضُرٍّ نَزَلَ بِهِ أَوْ يَنْزِلُ بِهِ وَلَكِنْ لِيَقُلْ: اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي ".

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنُ الإِسْنَادِ صَحِيحٌ اتَّفَقَ الشَّيْخَانِ عَلَى إِخْرَاجِهِ مِنْ حَدِيثِ أَنَسٍ.

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ مِنْ عِدَّةِ طُرُقٍ مِنْهَا فِي الْجَنَائِزِ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَهْمَانَ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ حَجَّاجٍ الْبَصْرِيِّ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِخَمْسِ دَرَجَاتٍ فَبِاعْتِبَارِ الْعَدَدِ كَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي نَصْرِ بْنِ الْكَسَّارِ صَاحِبِ صَاحِبِ النَّسَائِيِّ.

وَكَانَتْ وَفَاتُهُ سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ

 

‌‌الْحَدِيثُ السَّادِسَ عَشَرَ

قُرِئَ عَلَى الشَّيْخِ الصَّالِحِ شِهَابِ الدِّينِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، وَأَجَازَ لِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ الْحَنْبَلِيُّ، وَعِيسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْمُطْعِمِ الْمَقْدِسِيَّانِ، قَالُوا: أنبا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ سِرَاجُ الدِّينِ الْحُسَيْنِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ الْيَمَانِيُّ سَمَاعًا، وَكَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، وَعَلِيُّ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْبَغْدَادِيَّانِ، مِنْهَا قَالُوا: أنبا الشَّيْخُ
তিরমিযী বলেছেন: এটি একটি সহীহ হাদীস।

 

‌‌পঞ্চদশ হাদীস

মুসনিদুদ দুনিয়া আবু আল-আব্বাস বিন আবু তালিব বিন আবু আল-নু'ম আল-হাজ্জার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, দামেশকে আমি শ্রবণরত অবস্থায় তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে। তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-বাগদাদীর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শ্রবণ করেছি। আবু বকর বিন মাসউদ বিন বাহরুজ আমাদের লিখে দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াক্ত বিন ঈসা আস-সুফি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুজাফ্ফর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ বিন হাম্মুয়াহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক বিন খুযাইম আশ-শাশী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদ বিন হুমাইদ আল-হাফিয, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযিদ বিন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ, আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন তার ওপর আপতিত বা আপতিত হতে পারে এমন বিপদের কারণে মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা না করে। তবে সে যেন বলে: হে আল্লাহ! যতক্ষণ আমার জন্য বেঁচে থাকা কল্যাণকর হয় ততক্ষণ আমাকে জীবিত রাখুন, আর যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয় তখন আমাকে মৃত্যু দান করুন।"

এই হাদীসটির সনদ হাসান এবং এটি সহীহ। শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) আনাস থেকে বর্ণিত এই হাদীসটি উদ্ধৃত করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

ইমাম নাসাঈ এটি একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে জানাযা অধ্যায়ে রয়েছে; আহমদ বিন হাফস বিন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন তাহমান থেকে, তিনি হাজ্জাজ বিন হাজ্জাজ আল-বাসরী থেকে, তিনি ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে। এর মাধ্যমে আমরা এটি উচ্চ পর্যায়ের পাঁচটি স্তরে প্রাপ্ত হয়েছি। সেই গণনার ভিত্তিতে মনে হয় যেন আমি এটি নাসাঈর ছাত্রের ছাত্র আবু নাসর বিন আল-কাসসারের নিকট থেকে শুনেছি।

তাঁর মৃত্যু হয়েছিল চারশত তেত্রিশ হিজরিতে। সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।

 

‌‌ষোড়শ হাদীস

পুণ্যবান শায়খ শিহাবুদ্দীন আহমদ বিন আবু তালিবের সামনে পাঠ করা হয়েছে, আর আমি শ্রবণ করেছি। আবু বকর বিন আবুল আব্বাস আল-হাম্বলী এবং ঈসা বিন আবদুর রহমান বিন আল-মুতয়িম আল-মাকদিসী আমাকে অনুমতি দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খুল মুসনিদ সিরাজুদ্দীন হুসাইনী বিন আল-মুবারক আল-ইয়ামানী শ্রবণ করানোর মাধ্যমে। আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ এবং আলী বিন আবু বকর আল-বাগদাদী আমাদের লিখে পাঠিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ...
(খণ্ড: ১) নাযমুল লাআলী বিল মিয়াতিল আওয়ালী (পৃষ্ঠা: ٥٣)
أَبُو الْوَقْتِ الْهَرَوِيُّ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُوشَنْجِيُّ، أنبا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ بْنِ أَعْيَنَ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفَرَبْرِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْيَمَانِيُّ الْجُعْفِيُّ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ يَعْنِي الضَّحَّاكَ بْنَ مَخْلَدٍ النَّبِيلَ، ثنا يَزِيدُ بْنُ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ ضَحَّى مِنْكُمْ فَلا يُصْبِحَنَّ بَعْدَ ثَالِثَةٍ فِي بَيْتِهِ مِنْهُ شَيْءٌ» .

فَلَمَّا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ نَفْعَلُ كَمَا فَعَلْنَا فِي الْعَامِ الْمَاضِي؟ قَالَ عليه السلام: «كُلُوا وَأَطْعِمُوا وَادَّخِرُوا فَإِنَّ ذَلِكَ الْعَامَ كَانَ بِالنَّاسِ جُهْدٌ فَأَرَدْتُ أَنْ تُعِينُوا فِيهَا» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ كَمَا سُقْنَاهُ فِي الضَّحَايَا هَكَذَا كَمَا سُقْنَاهُ.

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي عَاصِمٍ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ وَهُوَ مِنْ عَزِيزِ الأَبْدَالِ وَاللَّهُ الْمُعِينُ

 

‌‌الْحَدِيثُ السَّابِعَ عَشَرَ

أَخْبَرَنَا مُسْنِدُ الْعَصْرِ أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ أَبِي النّعمِ بْنِ الْحَسَنِ، أنبا الشَّيْخُ الْمزِيدُ أَبُو الْمُنَجَّا بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ اللَّتِّيِّ، أنبا شَيْخُ الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ الْمَالِينِيُّ، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْفَارِسِيُّ، أنبا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَبِي الْعَبَّاسِ الأَنْصَارِيُّ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا الْعَلاءُ بْنُ مُوسَى إِمْلاءً، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي فَإِنَّهُ لا يَنْبَغِي لِلشَّيْطَانِ أَنْ يَتَمَثَّلَ بِصُورَتِي» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، وَالنَّسَائِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ.
আবু আল-ওয়াক্ত আল-হারাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-বুশাঞ্জী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ ইবনে আবু আল-আব্বাস ইবনে আ'য়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-ফিরাবরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আল-ইয়ামানি আল-জু'ফী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু আসিম অর্থাৎ দাহহাক ইবনে মাখলাদ আন-নাবিল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে আবু উবাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সালামাহ ইবনুল আকওয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে যে কুরবানী করবে, সে যেন তৃতীয় দিনের পর এমন অবস্থায় ভোরে উপনীত না হয় যে তার ঘরে কুরবানীর গোশতের কিছু অবশিষ্ট থাকে»।

অতঃপর যখন পরবর্তী বছর আসলো, তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি গত বছরের মতোই করব? তিনি (আলাইহিস সালাম) বললেন: «তোমরা খাও, খাওয়াও এবং জমা করে রাখো; কেননা গত বছর মানুষ কষ্টের মধ্যে ছিল, তাই আমি চেয়েছিলাম তোমরা তাতে তাদের সাহায্য করো»।

এটি একটি সহীহ হাদীস এবং এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। ইমাম বুখারী এটি কুরবানী অধ্যায়ে যেভাবে আমরা বর্ণনা করেছি সেভাবেই উল্লেখ করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম এটি ইসহাক ইবনে মনসুরের সূত্রে আবু আসিম থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য দুই স্তরের উচ্চতর সনদসহ ‘বদলে আলী’ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে এবং এটি বিরল ‘আবদাল’ বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত; আর আল্লাহই সাহায্যকারী।

 

‌‌সপ্তদশ হাদীস

যুগের শ্রেষ্ঠ মুসনিদ আবু আল-আব্বাস ইবনে আবু আন-নি'আম ইবনে আল-হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শাইখ আবু আল-মুনাজ্জা ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনুল লাততি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সময়ের শ্রেষ্ঠ শাইখ আবদুল আওয়াল আল-মালিনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আবদুল্লাহ আল-ফারিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ ইবনে আবু আল-আব্বাস আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-আলা ইবনে মূসা শ্রুতলিপি হিসেবে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, লাইস ইবনে সাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আয-যুবাইর থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে প্রকৃতপক্ষে আমাকেই দেখল। কেননা শয়তানের পক্ষে আমার আকৃতি ধারণ করা সম্ভব নয়»।

এটি একটি সহীহ হাদীস। ইমাম মুসলিম কুতায়বা ও মুহাম্মদ ইবনে রুমহ থেকে এবং ইমাম নাসায়ী কুতায়বা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।