(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: -)
من اسمه عطاء من رواة الحديث   (الطبراني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: من اسمه عطاء من رواة الحديث

المؤلف: سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير اللخمي الشامي، أبو القاسم الطبراني (ت 360هـ)

تحقيق: أبي إسماعيل هشام بن إسماعيل السقا

مراجعة: أبي عبد الله محمود بن محمد الحداد

الناشر: دار عالم الكتب للنشر والتوزيع، الرياض

عام النشر: 1405 هـ - 1985 م

عدد الصفحات: 34

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে যাদের নাম আতা   (আত-তাবারানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে যাদের নাম আতা

লেখক: সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব বিন মুতয়ির আল-লাখমি আশ-শামি, আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি (মৃত্যু ৩৬০ হিজরি)

তাহকিক: আবু ইসমাইল হিশাম বিন ইসমাইল আস-সাক্কা

পর্যালোচনা: আবু আব্দুল্লাহ মাহমুদ বিন মুহাম্মদ আল-হাদ্দাদ

প্রকাশক: দার আলম আল-কুতুব প্রকাশনী ও বিতরণী, রিয়াদ

প্রকাশকাল: ১৪০৫ হিজরি - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৪

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌ذِكْرُ مَنْ يُسَمَّى عَطَاءً مِنْ رُوَاةِ الْحَدِيثِ

‌‌عَطَاءٌ الشَّيْبِيُّ

: مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الإِمَامِ الْحَافِظِ شَمْسِ الدِّينِ أَبِي الْحَجَّاجِ يُوسُفَ بْنِ خَلِيلِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ نَصْرٍ الصَّيْدَلانِيُّ سِبْطُ حُسَيْنِ بْنِ مَنْدَهْ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، قَرَأَهُ عَلَيْهِ وَأَنْتَ حَاضِرٌ تَسْمَعُ فِي صَفَرٍ سَنَةَ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ وَخَمْسِ مِائَةٍ فَأَقَرَّ بِهِ: ثنا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

 

‌হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে যাদের নাম আতা তাদের আলোচনা

‌আতা আশ-শায়বী

: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত: আমি শাইখ, ইমাম, হাফেজ শামসুদ্দিন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে খলিল ইবনে আব্দুল্লাহর নিকট পাঠ করেছি, আমি তাঁকে বলেছি: আবু জাফর আহমদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি—যিনি হুসাইন ইবনে মানদাহর দৌহিত্র—আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান ইবনে আহমদ ইবনে হাসান আল-হাদ্দাদ তাঁর নিকট এটি পাঠ করেছেন এবং আপনি উপস্থিত থেকে শুনছিলেন ৫১২ হিজরির সফর মাসে, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১০)
الْحَافِظُ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ

1 - ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُضْرِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ حَكَمٍ الأَوْدِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ الأَسْدِيُّ، ثنا فِطْرُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنْ عَطَاءٍ رَجُلٍ مِنْ بَنِي شَيْبَةَ أَدْرَكَهُ فِطْرٌ بِهِمْ وَهُوَ كَبِيرٌ قَالَ:
আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব আবুল কাসিম আত-তাবারানি

১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-খুদরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে উসমান ইবনে হাকাম আল-আওদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসিম আল-আসাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফিতর ইবনে খলিফা, আতা নামক বনু শায়বা গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত—যাঁকে ফিতর তাদের মাঝে বার্ধক্য অবস্থায় পেয়েছিলেন—তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১১)
«رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي عِنْدَ الْمَقَامِ وَعَلَيْهِ نَعْلانِ سَبْتِيَّتَانِ» .

قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ: لا نَعْلَمُهُ رَوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ وَلَيْسَ لَهُ طَرِيقٌ غَيْرَ هَذَا.
«আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাকামের নিকটে সালাত আদায় করতে দেখেছি এবং তাঁর পায়ে পশমহীন চামড়ার তৈরি এক জোড়া জুতা ছিল»।

আবু আল-কাসিম বলেন: আমরা তাঁর পক্ষ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে এই হাদিসটি ব্যতীত অন্য কোনো বর্ণনা জানি না এবং এই পথটি ব্যতীত এর অন্য কোনো সূত্র নেই।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌عَطَاءُ بْنُ يَسَارٍ

: مَوْلَى مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، مِنْ كِبَارِ التَّابِعِينَ كَانَ يَنْزِلُ الْمَدِينَةَ، لَهُ رِوَايَةٌ كَثِيرَةٌ ، رَوَى عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَعَائِشَةَ، وَابْنِ عُمَرَ، وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَغَيْرِهِمْ.

2 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَائِشَةَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ
আতা ইবনে ইয়াসার

: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহধর্মিণী মায়মুনাহর মুক্তদাস, তিনি প্রবীণ তাবেয়ীগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং মদীনায় বসবাস করতেন। তাঁর অনেক বর্ণনা রয়েছে; তিনি আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ আল-খুদরী, আয়িশাহ, ইবনে উমর, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

২ - আলী ইবনে আব্দুল আযীয আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আয়িশাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১৩)
بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُرَيْطٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَعَرَفَ حُدُودَهُ وَتَحَفَّظَ مِمَّا يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَتَحَفَّظَ مِنْهُ كَفَّرَ مَا قَبْلَهُ» .

قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ: لا نَعْلَمُ هَذَا الْحَدِيثَ يُرْوَى بِهَذَا اللَّفْظِ عَنْ رَسُولِ
ইবনুল মুবারক, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে কুরাইত হতে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার হতে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখল, এর সীমারেখাগুলো জানল এবং যা থেকে বেঁচে থাকা তার জন্য সমীচীন তা থেকে নিজেকে রক্ষা করল, তবে তা তার পূর্ববর্তী গুনাহের কাফফারা হয়ে যাবে»।

আবু আল-কাসিম বলেন: এই হাদীসটি এই শব্দপ্রয়োগে আল্লাহর রাসূল হতে বর্ণিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই...
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১৪)
اللَّهِ إِلا مِنْ حَدِيثِ عَطَاءٍ ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - بِهَذَا الإِسْنَادِ.

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ اللَّيْثِيُّ

: مِنْ كِبَارِ التَّابِعِينَ، نَزَلَ الشَّامَ.

رَوَى عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَأَبِي سَعِيدٍ ، وَأَبِي أَيُّوبَ وَغَيْرِهِمْ.

رَوَى عَنْهُ: الزُّهْرِيُّ، وَهِلالُ بْنُ أَبِي مَيْمُونَةَ، وَابْنُهُ سُلَيْمَانُ بْنُ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ وَمِمَّا تَفَرَّدَ بِرِوَايَتِهِ. . هَذَا اللَّفْظُ يُرْوَى عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ حَدِيثِ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ بِهَذَا الإِسْنَادِ.

-

 

‌‌عَطَاءٌ الشَّامِيُّ

: غَيْرُ مَنْسُوبٍ لا نَعْلَمُهُ أَسْنَدَ إِلا حَدِيثًا وَاحِدًا:
আল্লাহর [রাসূল থেকে] আতা-এর হাদীস ব্যতীত নয়, আবু সাঈদ আল-খুদরী হতে—এই সনদে।

-

 

‌আতা ইবনে ইয়াযীদ আল-লাইসী

: তিনি প্রবীণ তাবিঈদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, সিরিয়ায় বসবাস করতেন।

তিনি আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ, আবু আইয়ুব এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: যুহরী, হিলাল ইবনে আবু মাইমুনা এবং তাঁর পুত্র সুলাইমান ইবনে আতা ইবনে ইয়াযীদ। এটি তাঁর একক বর্ণনাসমূহের অন্তর্ভুক্ত। এই শব্দগুলো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আতা আল-খুরাসানীর হাদীসে এই সনদে বর্ণিত হয়েছে।

-

 

‌আতা আল-শামী

: তিনি পরিচয়হীন; আমাদের জানামতে তিনি একটি হাদীস ব্যতীত অন্য কোনো মুসনাদ হাদীস বর্ণনা করেননি:
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১৫)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ خَالِدٍ الْحَرَّانِيُّ، ثنا أَبِي، ثنا زُهَيْرٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي أَسِيدٍ السَّاعِدِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كُلُوا الزَّيْتَ وَادَّهِنُوا بِهِ فَإِنَّهُ يُخْرَجُ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ» .

-

 

‌‌عَطَاءٌ الْعَطَّارُ

: بَصْرِيٌّ.

لا نَعْلَمُ أَسْنَدَ إِلا حَدِيثًا وَاحِدًا.
৩ - মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে খালিদ আল-হাররানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যুহাইর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ঈসা থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবু আসীদ আস-সাঈদী (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা যয়তুনের তেল খাও এবং তা শরীরে মাখো, কেননা এটি একটি বরকতময় বৃক্ষ হতে উৎপাদিত হয়।»

-

 

‌‌আতা আল-আত্তার

: তিনি বসরার অধিবাসী।

আমাদের জানামতে তিনি এই একটি হাদীস ব্যতীত অন্য কোনো হাদীস বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১৬)
يَرْوِي عَنْ عِكْرِمَةَ.

4 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ الْمِنْهَالِ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَطَاءٍ الْعَطَّارِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ وَقَعَ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ فَلْيَتَصَدَّقْ بِدِينَارٍ فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَبِنِصْفِ دِينَارٍ» .

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ فَرُّوخَ

: بَصْرِيٌّ.

لا نَعْلَمُهُ أَسْنَدَ إِلا حَدِيثًا وَاحِدًا.

5 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْحَاقَ التُّسْتَرِيُّ، ثنا ابْنُ عَائِشَةَ، ثنا حَمَّادُ بْنُ
তিনি ইকরিমাহ থেকে বর্ণনা করেন।

৪ - আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনুল মিনহাল থেকে, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা আল-আত্তার থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ঋতুবর্তী অবস্থায় সহবাস করবে, সে যেন এক দিনার সদকা করে; আর যদি সে সামর্থ্য না রাখে, তবে অর্ধেক দিনার সদকা করবে»।

-

 

‌‌আতা ইবনে ফাররুখ

: বসরাবাসী।

আমাদের জানা মতে তিনি একটি মাত্র হাদিস ছাড়া অন্য কোনো মুসনাদ হাদিস বর্ণনা করেননি।

৫ - আল-হুসাইন ইবনে ইসহাক আত-তুস্তারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আইশাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে...
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১৭)
سَلَمَةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ فَرُّوخَ ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ اشْتَرَى مِنْ رَجُلٍ أَرْضًا أَوْ دَارًا فَنَدِمَ الْبَائِعُ فَاسْتَقَالَ عُثْمَانَ فَأَقَالَهُ، قَالَ عُثْمَانُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «أَدْخَلَ اللَّهُ الْجَنَّةَ رَجُلا كَانَ سَهْلا بَائِعًا أَوْ مُشْتَرِيًا، قَاضِيًا أَوْ مُقْتَضِيًا» .

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ أَبِي مَيْمُونَةَ

، يُكَنَّى أَبَا مُعَاذٍ، بَصْرِيٌّ: رَوَى عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، وَعَنْ مُحَمَّدٍ أَبِي رَافِعٍ الصَّايِغِ.

وَمِمَّا تَفَرَّدَ بِهِ:

6 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الْقَاضِي، ثنا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، ثنا
সালামাহ থেকে বর্ণিত, তিনি ইউনুস ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি আতা ইবনে ফাররুখ থেকে বর্ণনা করেন যে, উসমান ইবনে আফফান এক ব্যক্তির নিকট থেকে একখণ্ড জমি অথবা একটি ঘর ক্রয় করলেন। অতঃপর বিক্রেতা অনুতপ্ত হলেন এবং উসমানের কাছে চুক্তি বাতিলের অনুরোধ করলেন, ফলে উসমান তা বাতিল করে দিলেন। উসমান বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ জান্নাতে এমন এক ব্যক্তিকে প্রবেশ করিয়েছেন, যে বিক্রেতা হিসেবে, ক্রেতা হিসেবে, বিচারক হিসেবে অথবা পাওনা আদায়কারী হিসেবে সহজ ও উদার ছিল।"

-

 

‌‌আতা ইবনে আবি মাইমুনাহ

তাকে আবু মুআয উপনামে ডাকা হয়, তিনি বসরার অধিবাসী: তিনি আনাস ইবনে মালিক এবং মুহাম্মদ আবু রাফে আস-সায়েগ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং যে সকল বিষয় তিনি এককভাবে বর্ণনা করেছেন তার মধ্যে রয়েছে:

৬ - আমাদের নিকট ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাজী বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ইবনে মারযুক থেকে, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১৮)
شُعْبَةُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْطَلِقُ لِقَضَاءِ الْحَاجَةِ فَأَنْطَلِقُ أَنَا وَغِلْمَان مِنَ الأَنْصَارِ مَعَنَا إِدَاوَةٌ - مِنْ مَاءٍ فِيهَا مَا يُسْتَنْجَى - فَيَسْتَنْجِي - مِنْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم.

لَمْ يَرْوِهِ عَنْ أَنَسٍ إِلا عَطَاءُ بْنُ أَبِي مَيْمُونَةَ بِهَذَا الإِسْنَادِ.

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ بُخْتٍ

: مَكِّيٌّ.

رَوَى عَنْ أَبِي سَعِيدٍ - الْخُدْرِيِّ - لا نَعْلَمُهُ أَسْنَدَ إِلا حَدِيثًا وَاحِدًا:

7 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الدَّبَرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي
শুবা, আতা ইবনে আবি মাইমুনা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হতেন, তখন আমি এবং আনসারদের কয়েকজন বালক একটি পানির পাত্র নিয়ে তাঁর সাথে যেতাম—যাতে শৌচকার্যের পানি থাকত—অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দিয়ে শৌচকার্য সম্পন্ন করতেন।

আতা ইবনে আবি মাইমুনা ব্যতীত অন্য কেউ এই সনদে আনাস থেকে এটি বর্ণনা করেননি।

-

 

‌‌আতা ইবনে বুখত

: মক্কী।

তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন—আমাদের জানা মতে তিনি একটি হাদীস ব্যতীত অন্য কোনো মুসনাদ হাদীস বর্ণনা করেননি:

৭ - ইসহাক আদ-দাবারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি বলেছেন: আমাকে অবহিত করেছেন...
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ১৯)
عُمَرُ بْنُ عَطَاءِ بْنِ أَبِي الْخَوَّارِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عِيَاضٍ، وَعَنْ عَطَاءِ بْنِ بُخْتٍ كِلاهُمَا، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّهُمَا سَمِعَاهُ يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «لا صَلاةَ بَعْدَ صَلاةِ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَلا صَلاةَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى اللَّيْلِ»

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ أَبِي مَرْوَانَ

: مَدِينِيٌّ رَوَى، عَنْ أَبِيهِ وَمِمَّا تَفَرَّدَ بِهِ:

8 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ الصَّنْعَانِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، ثنا ابْنُ
উমর ইবনে আতা ইবনে আবিল খাওয়ার বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে ইয়াদ এবং আতা ইবনে বুখত থেকে, তাঁরা উভয়ে আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে শুনেছেন যে তিনি বলতেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «ফজরের সালাতের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত কোনো সালাত নেই এবং আসরের সালাতের পর রাত হওয়া পর্যন্ত কোনো সালাত নেই»

-

 

‌‌আতা ইবনে আবি মারওয়ান

: তিনি মদিনার অধিবাসী, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর একক বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত হলো:

৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আল-মুবারক আস-সানআনি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আবি উওয়াইস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে...
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২০)
أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَرْوَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ كَعْبٍ الأَحْبَارِ، قَالَ: إِنَّا نَجِدُ فِي التَّوْرَاةِ: إِنَّ دَاوُدَ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا انْصَرَفَ مِنْ صَلاتِهِ قَالَ: «اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي جَعَلْتَهُ عِصْمَةَ - أَمْرِي - وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي جَعَلْتَ فِيهَا مَعَاشِي ، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي جَعَلْتَ إِلَيْهَا مَعَادِي ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِرَضَاكِ مِنْ سَخَطِكَ ، وَأَعُوذُ بِعَفْوِكَ مِنْ نِقْمَتِكَ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ ، وَلا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ» قَالَ كَعْبٌ الأَحْبَارِ: وَأَخْبَرَنِي صُهَيْبٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَنْصَرِفُ بِهَذَا الدُّعَاءِ مِنْ صَلاتِهِ.

وَلا نَعْلَمُ هَذَا الْحَدِيثَ يُرْوَى عَنْ صُهَيْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلا مِنْ حَدِيثِ عَطَاءِ - بْنِ أَبِي مَرْوَانَ - بِهَذَا الإِسْنَادِ.

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ مَسْعُودٍ الْكَعْبِيُّ

مَدِينِيٌّ - وَلا نَعْلَمُهُ أَسْنَدَ إِلا حَدِيثًا وَاحِدًا.
আবুয যিনাদ থেকে, তিনি মূসা ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি মারওয়ান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি কাব আল-আহবার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা তাওরাতে পাই যে, আল্লাহর নবী দাউদ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) যখন তাঁর সালাত শেষ করতেন, তখন বলতেন: "হে আল্লাহ, আমার জন্য আমার দীনকে সংশোধন করে দিন যাকে আপনি আমার যাবতীয় বিষয়ের সুরক্ষা বানিয়েছেন; এবং আমার জন্য আমার দুনিয়াকে সংশোধন করে দিন যাতে আপনি আমার জীবনোপকরণ রেখেছেন; এবং আমার জন্য আমার আখিরাতকে সংশোধন করে দিন যেখানে আপনি আমার প্রত্যাবর্তনস্থল নির্ধারণ করেছেন। হে আল্লাহ, আমি আপনার অসন্তুষ্টি হতে আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে আশ্রয় চাই, এবং আপনার শাস্তি হতে আপনার ক্ষমার মাধ্যমে আশ্রয় চাই। আমি আপনার নিকট হতে আপনারই আশ্রয় চাই। আপনি যা দান করেন তা রোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রোধ করেন তা দান করার কেউ নেই। আর কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার নিকট কোনো উপকারে আসবে না।" কাব আল-আহবার বলেন: সুহাইব (রা.) আমাকে অবহিত করেছেন যে, আল্লাহর রাসুল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) সালাত শেষে এই দোয়ার মাধ্যমেই সমাপ্তি টানতেন।

সুহাইব (রা.) থেকে বর্ণিত নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর এই হাদিসটি আতা ইবনে আবি মারওয়ানের এই সনদ ব্যতিরেকে আমাদের জানামতে অন্য কোনোভাবে বর্ণিত হয়নি।

-

 

‌‌আতা ইবনে মাসউদ আল-কাব-ঈ

তিনি মদিনার অধিবাসী - এবং আমাদের জানামতে তিনি একটি হাদিস ব্যতীত অন্য কোনো হাদিস বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২১)
9 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْحَسَنِ الْخَفَّافُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ، حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ يَعْقُوبَ الزَّمْعِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ مَسْعُودٍ الْكَعْبِيِّ، أَنَّ عَمَّتَهُ عَزَّةَ بِنْتَ خَايلٍ - خُزَاعِيَّةً - أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا جَاءَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي نِسْوَةٍ فَبَايَعَتْهُ فَأَخَذَ عَلَيْهَا عَلَى أَنَّكِ لا تَزْنِينَ وَلا تَسْرِقِينَ وَلا تَأْتِينَ بِبُهْتَانٍ تَفْتَرِينَهُ بَيْنَ يَدَيْكِ وَرِجَلَيْكِ.

قُلْتُ: أَمَّا الزِّنَا فَقَدْ عَرَفْتُهُ وَأَمَّا الْبُهْتَانُ فَلَمْ أَسْأَلْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْهُ وَقَدْ وَقَعَ فِي نَفْسِي أَنَّهُ إِفْسَادُ الْوَلَدِ فَلا أُفْسِدُ وَلَدًا لِي أَبَدًا.

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ خَبَّابٍ

: مَكِّيٌّ رَوَى عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ لا نَعْلَمُهُ أَسْنَدَ إِلا حَدِيثًا وَاحِدًا.
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনুল হাসান আল-খাফফাফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে সালিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে আবি ফুদাইক, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে ইয়াকুব আজ-জামঈ, আতা ইবনে মাসউদ আল-কাবি থেকে বর্ণিত যে, তাঁর ফুফু আজ্জাহ বিনতে খাইল—যিনি খুজাআ গোত্রের—তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি একদল নারীর সাথে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসেছিলেন এবং তাঁর নিকট বায়আত গ্রহণ করেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর নিকট থেকে এই মর্মে অঙ্গীকার গ্রহণ করেন যে, তুমি জিনা করবে না, চুরি করবে না এবং নিজের হাত ও পায়ের মাঝখানে কোনো মিথ্যা অপবাদ রটনা করবে না।

আমি বললাম: জিনা সম্পর্কে তো আমি জানতাম, কিন্তু অপবাদ সম্পর্কে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করিনি। তবে আমার মনে হলো যে, এটি দ্বারা সন্তান নষ্ট করাকে বোঝানো হচ্ছে, তাই আমি কখনও আমার কোনো সন্তান নষ্ট করব না।

-

 

‌‌আতা ইবনে খাব্বাব

: তিনি মক্কী, কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন। আমাদের জানামতে তিনি এই একটি হাদীস ব্যতীত অন্য কোনো হাদীস বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২২)
10 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ السُّمَيْدِعِ الأَنْطَاكِيُّ، ثنا مُوسَى بْنُ أَيُّوبَ النَّصِيبِيُّ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ خَبَّابٍ، أَنَّهُ سَمِعَ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَقُولُ: كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ تَدْخُلُ يَدَهُ وَيَدِي جَمِيعًا، فَإِنْ سَبَقْتُهُ إِلَى الإِنَاءِ لَمْ يَقْرَبْهُ.

وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَائِشَةَ - جَمَاعَةٌ، وَرَوَاهُ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ جَمَاعَةٌ مِنْهُمُ الزُّهْرِيُّ ، وَأَفْلَحُ بْنُ حُمَيْدٍ ، وَعِيسَى بْنُ مَيْمُونٍ فَلَمْ يَذْكُرْ هَذِهِ اللَّفْظَةَ، عَنْ عَائِشَةَ: فَإِنْ سَبَقْتُهُ إِلَى الإِنَاءِ لَمْ يَقْرَبْهُ، إِلا عَطَاءُ بْنُ خَبَّابٍ.
১০ - আল-হুসাইন ইবনুল সুমাইদি আল-আনতাকি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনু আইয়ুব আন-নাসিবি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালিদ ইবনু মুসলিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু লাহিআহ থেকে, তিনি আতা ইবনু খাব্বাব থেকে, তিনি আল-কাসিম ইবনু মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছেন: আমি আয়িশাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একই পাত্র থেকে গোসল করতাম, যেখানে তাঁর হাত এবং আমার হাত একত্রে প্রবেশ করত। অতঃপর যদি আমি তাঁর আগে পাত্রের নিকট পৌঁছে যেতাম, তবে তিনি সেটির নিকটবর্তী হতেন না।

আয়িশা থেকে একদল রাবী এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং আল-কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ থেকে একদল রাবী এটি বর্ণনা করেছেন যাদের মধ্যে যুহরি, আফলাহ ইবনু হুমাইদ এবং ঈসা ইবনু মায়মুন রয়েছেন। তবে আতা ইবনু খাব্বাব ব্যতীত অন্য কেউ আয়িশা থেকে এই শব্দগুলো উল্লেখ করেননি: "যদি আমি তাঁর আগে পাত্রের নিকট পৌঁছে যেতাম, তবে তিনি সেটির নিকটবর্তী হতেন না।"
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌عَطَاءُ بْنُ دِينَارٍ الْهُذَلِيُّ

: - مَوْلاهُمْ - مِصْرِيٌّ اخْتُلِفَ فِيهِ قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: ثِقَةٌ، وَقَالَ: أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ ضَعِيفٌ ، تَفَرَّدَ بِرِوَايَةِ هَذَا الْحَدِيثِ:

11 - حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَلُولٍ الْمِصْرِيُّ، ثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ - بِمِصْرَ - الْمُقْرِئُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ دِينَارٍ الْهُذَلِيِّ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ شَرِيكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي مَيْمُونٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ رَبِيعَةَ الْجَرَشِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تُجَالِسُوا أَهْلَ الْقَدَرِ وَلا تُفَاتِحُوهُمْ» .
আতা ইবনে দীনার আল-হুজালী

: - তাদের আযাদকৃত দাস - মিসরীয়, যার ব্যাপারে মতভেদ করা হয়েছে। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, এবং আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: দুর্বল; তিনি এই হাদীসটি বর্ণনায় একাকী হয়েছেন:

১১ - হারুন ইবনে মালুল আল-মিসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুর রহমান আল-মুকরি মিসরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবু আইয়ুব হতে, তিনি আতা ইবনে দীনার আল-হুজালী হতে, তিনি হাকীম ইবনে শারীক হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবু মাইমুন আল-হাদরামী হতে, তিনি রাবিয়া আল-জারাশী হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «তোমরা কদরপন্থীদের (তকদীর অস্বীকারকারী) সাথে বসবে না এবং তাদের সাথে কথোপকথন শুরু করবে না»।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২৪)
-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ قُرَّةَ

: شَامِيٌّ، رَوَى عَنْهُ الأَوْزَاعِيُّ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَابِتٍ.

12 - حَدَّثَنَا أَبُو يَزِيدَ الْقَرَاطِيسِيُّ، ثنا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، ثنا ابْنُ ثَوْبَانَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَنْهَارُ الْجَنَّةِ تُفَجَّرُ مِنْ جِبَالِ مِسْكٍ» .

قَالَ الْقَاسِمُ: وَلا نَعْلَمُ هَذَا اللَّفْظَ يُرْوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلا مِنْ حَدِيثِ عَطَاءٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ.

 

‌‌আতা ইবনে কুররাহ

: তিনি সিরীয় ছিলেন, তাঁর থেকে আওযাঈ এবং আবদুর রহমান ইবনে সাবিত হাদিস বর্ণনা করেছেন।

১২ - আবু ইয়াযিদ আল-কারাতীসি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আসাদ ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইবনে সাওবান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আতা ইবনে কুররাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দামরাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «জান্নাতের নদীসমূহ কস্তুরীর পাহাড় থেকে উৎসারিত হয়।»

কাসেম বলেন: আমাদের জানা মতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই শব্দে বর্ণিত হাদিসটি এই সনদযোগে আতা-এর হাদিস ছাড়া অন্য কোনো সূত্রে বর্ণিত হয়নি।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২৫)
-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ نَافِعٍ الْكَيْخَارَانِيُّ

: مَكِّيٌّ رَوَى عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ رَوَى عَنْهُ شُعْبَةُ ، وَمِسْعَرٌ ، وَمُطَرِّفُ بْنُ طَرِيفٍ ، وَابْنُ أَخِيهِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ نَافِعٍ.

13 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا أَبُو كُرَيْبٍ، ثنا خَيْثَمَةُ، عَنِ اللَّيْثِ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ طَرِيفٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَثْقَلُ مَا يُوضَعُ فِي الْمِيزَانِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حُسْنُ الْخُلُقِ - الْخُلُقُ الْحَسَنُ» .

 

‌‌আতা বিন নাফি আল-কাইখারানি

: মক্কিবাসী, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে শু'বা, মিসআর, মুতাররিফ বিন তারিফ এবং তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র ইবরাহিম বিন নাফি বর্ণনা করেছেন।

১৩ - মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু কুরাইব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, খাইসামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, লাইস থেকে, তিনি মুতাররিফ বিন তারিফ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «কিয়ামতের দিন মিজানে (আমলের পাল্লায়) সবচেয়ে ভারী যা রাখা হবে, তা হলো উত্তম চরিত্র - সুন্দর আচরণ»।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২৬)
-

 

‌‌عَطَاءٌ أَبُو يَعْلَى الطَّائِفِيُّ

: رَوَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، وَرَوَى عَنْهُ ابْنُهُ يَعْلَى بْنُ عَطَاءٍ وَمِمَّا تَفَرَّدَ بِهِ:

14 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْحَاقَ التُّسْتَرِيُّ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الأَسْوَدِ الْعِجْلِيُّ، ثنا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ سُفْيَانَ، وَسَعِيدٍ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «رِضَا الرَّبِّ عز وجل فِي رِضَا الْوَالِدِ ، وَسَخَطُ الرَّبِّ فِي سَخَطِ الْوَالِدِ» .

 

‌‌আতা আবু ইয়ালা আত-তাঈফি

: তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর থেকে তাঁর পুত্র ইয়ালা ইবনে আতা বর্ণনা করেছেন। তিনি এককভাবে যা বর্ণনা করেছেন তার অন্তর্ভুক্ত হলো:

১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসহাক আত-তুস্তারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে আলি ইবনুল আসওয়াদ আল-ইজলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, সুফিয়ান ও সাঈদ থেকে, তাঁরা ইয়ালা ইবনে আতা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «মহিমান্বিত রবের সন্তুষ্টি পিতার সন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত, এবং রবের অসন্তুষ্টি পিতার অসন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত»।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২৭)
-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ السَّايِبِ

: كُوفِيٌّ ثِقَةٌ اخْتَلَطَ فِي آخِرِ عُمْرِهِ فَمَا رَوَى عَنْهُ الْمُتَقَدِّمُونَ مِثْلَ سُفْيَانَ ، وَشُعْبَةَ ، وَزُهَيْرٍ ، وَزَايدة فَهُوَ صَحِيحٌ، تَفَرَّدَ بِغَيْرِ شَيْءٍ مِنْ ذَلِكَ:

15 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي الطَّاهِرِ الْمِصْرِيُّ، ثنا يُوسُفُ بْنُ عَدِيٍّ الْكُوفِيُّ، ثنا عَثَّامُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّايِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعْقِدُ لِلتَّسْبِيحِ» .

وَلا نَعْلَمُهُ يُرْوَى عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلا مِنْ حَدِيثِ عَطَاءِ بْنِ السَّايِبِ ، وَهُوَ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ الأَعْمَشِ، وَلَمْ يَرْوِهِ عَنِ الأَعْمَشِ إِلا عَثَّامُ بْنُ عَلِيٍّ ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ.

 

‌‌আতা ইবনুল সাইব

: তিনি একজন কুফী এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী। জীবনের শেষভাগে তাঁর স্মৃতিবিভ্রম ঘটেছিল। সুতরাং মুতাকাদ্দিমীন (অগ্রবর্তী) ওলামাগণ যেমন সুফিয়ান, শু'বাহ, যুহাইর এবং যায়িদাহ তাঁর থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা সহীহ। তিনি এ ছাড়াও কিছু একক বর্ণনা প্রদান করেছেন:

১৫ - আমর বিন আবুত তাহির আল-মিসরি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ বিন আদি আল-কুফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসসাম বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ'মাশ থেকে, তিনি আতা ইবনুল সাইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাসবীহ পাঠের সময় আঙ্গুলে গিট দিতে দেখেছি।"

আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আতা ইবনুল সাইবের হাদীস ব্যতীত এটি অন্য কোনো সূত্রে বর্ণিত হয়েছে বলে জানি না। আল-আ'মাশের হাদীস হিসেবে এটি একটি 'গরীব' (একক) বর্ণনা। আর আল-আ'মাশ থেকে আসসাম বিন আলী এবং আবু বকর বিন আইয়াশ ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২৮)
-

 

‌‌عَطَاءٌ الْبَزَّازُ

: وَاسِطِيٌّ رَوَى عَنْهُ ابْنُ عَوْنٍ لا نَعْلَمُهُ أَسْنَدَ إِلا حَدِيثًا.

16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ بِشْرٍ الْكُوفِيُّ، ثنا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَفَعَهُ قَالَ: «لا يَبْلُغُ عَبْدٌ حَقِيقَةَ الإِيمَانِ حَتَّى يَحْذَرَ مِنْ لِسَانِهِ» .

وَلا نَعْلَمُهُ رُوِيَ عَنْ نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلا بِهَذَا الإِسْنَادِ.

-

 

‌‌عَطَاءٌ أَبُو مُحَمَّدٍ

: مَوْلَى إِسْحَاقَ بْنِ يَحْيَى بْنِ ظلمة كُوفِيٌّ رَأَى عَلِيًّا.

 

‌‌আতা আল-বাজ্জায

: তিনি ওয়াসিত নিবাসী। তাঁর থেকে ইবন আউন বর্ণনা করেছেন। আমাদের জানা মতে তিনি একটি হাদিস ব্যতীত অন্য কোনো মুসনাদ হাদিস বর্ণনা করেননি।

১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবন বিশর আল-কুফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবন গিয়াস, ইবন আউন থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "কোনো বান্দা ঈমানের প্রকৃত হাকিকতে পৌঁছাতে পারবে না যতক্ষণ না সে তার জিহ্বা সম্পর্কে সতর্ক হয়।"

এবং আমাদের জানা মতে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই সনদ ব্যতীত এটি বর্ণিত হয়নি।

-

 

‌আতা আবু মুহাম্মদ

: তিনি ইসহাক ইবন ইয়াহইয়া ইবন জুলমাহর মুক্তদাস, কুফাবাসী। তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে দেখেছিলেন।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ২৯)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءً يَقُولُ: أَتَيْتُ مَعَ أَبِي عَلِيًّا فَقَالَ: مَنْ هَذَا مَعَكَ؟ قَالَ: ابْنِي فَمَسَحَ رَأْسِي وَدَعَا بِالْبَرَكَةِ ، فَوَاللَّهِ مَا زِلْتُ أَتَعَرَّفُ الْخَيْرَ بَعْدَهُ ، وَأَمَّا أَخِي عَطِيَّةُ فَأُصِيبَ بِصِفِّينَ.

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حسد، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ زَمْعَةَ الْكِلابِيِّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي عَطَاءٌ أَبُو مُحَمَّدٍ قَالَ: رَأَيْتُ عَلِيًّا اشْتَرَى ثَوْبًا سُنْبُلانِيًّا فَلَبِسَهُ وَلَمْ يَغْسِلْهُ وَصَلَّى فِيهِ.

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمٍ، ثنا عَطَاءٌ أَبُو مُحَمَّدٍ قَالَ: رَأَيْتُ عَلِيًّا يُصَلِّي الضُّحَى فِي الْمَسْجِدِ.

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ مُسْلِمٍ الصَّنْعَانِيُّ

: رَوَى عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ.

حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ - الْجُحَمِيُّ - ثنا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مِقْسَمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءَ بْنَ مُسْلِمٍ يَقُولُ: سَمِعْتُ وَهْبًا يَقُولُ: إِنَّ اللَّهَ عز وجل كَلَّمَ مُوسَى صلى الله عليه وسلم فِي أَلْفِ مَقَامٍ وَكَانَ إِذَا كَلَّمَهُ رُئِيَ النُّورُ عَلَى وَجْهِ مُوسَى ثَلاثَةَ أَيَّامٍ، وَلَمْ يَمَسَّ مُوسَى عليه السلام امْرَأَةً بَعْدَ مَا كَلَّمَهُ اللَّهُ تبارك وتعالى.
আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে আয়্যাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আতাকে বলতে শুনেছি: আমি আমার পিতার সাথে আলীর নিকট আসলাম। তিনি (আলী) জিজ্ঞেস করলেন: তোমার সাথে এ কে? তিনি (পিতা) বললেন: আমার পুত্র। তখন তিনি (আলী) আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন এবং বরকতের দোয়া করলেন। আল্লাহর কসম, এরপর থেকে আমি সর্বদা কল্যাণই প্রত্যক্ষ করছি। আর আমার ভাই আতিয়্যাহ সিফফীনের যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন।

আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম ইবনে হাসাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, যামআ আল-কিলাবি থেকে, আলী ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা আবু মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আলীকে দেখেছি যে তিনি একটি সুম্বুলানি (লম্বা ও প্রশস্ত) কাপড় ক্রয় করলেন, এরপর তা পরিধান করলেন এবং তা না ধুয়েই তাতে সালাত আদায় করলেন।

আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদাহ ইবনে সুলাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা আবু মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আলীকে মসজিদে চাশতের সালাত আদায় করতে দেখেছি।

-

 

‌‌আতা ইবনে মুসলিম আস-সানআনি

: তিনি ওয়াহব ইবনে মুনাব্বিহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু খলিফা আল-ফাদল ইবনুল হুবাব আল-জুহামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল মাদিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে মিকসাম আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমি আতা ইবনে মুসলিমকে বলতে শুনেছি, আমি ওয়াহবকে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই মহামহিমান্বিত আল্লাহ মূসা (সা.)-এর সাথে এক হাজার স্থানে কথা বলেছেন। আর যখন তিনি তাঁর সাথে কথা বলতেন, তখন তিন দিন পর্যন্ত মূসার চেহারায় নূর দেখা যেত। আর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা তাঁর সাথে কথা বলার পর মূসা (আ.) কোনো নারীকে স্পর্শ করেননি।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ৩০)
-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ مُسْلِمٍ الْحَلَبِيُّ الْخَفَّافُ

: تَفَرَّدَ بِأَحَادِيثَ مِنْهَا:

17 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الأَنْمَاطِيُّ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ جَنَّادٍ الْحَلَبِيُّ، ثنا عَطَاءُ

 

আতা ইবনে মুসলিম আল-হালাবি আল-খাফফাফ

: তিনি কিছু হাদিস এককভাবে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:

১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-আনমাতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনে জান্নাদ আল-হালাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতা।
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ৩১)
بْنُ مُسْلِمٍ الْخَفَّافُ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اغْدُ عَالِمًا أَوْ مُتَعَلِّمًا أَوْ مُسْتَمِعًا أَوْ مُحِبًّا وَلا تَكُنِ الْخَامِسَ فَتَهْلِكَ» .

وَلا نَعْلَمُ هَذَا الْحَدِيثَ يُرْوَى عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلا بِهَذَا اللَّفْظِ وَلا مِنْ حَدِيثِ عَطَاءِ بْنِ سَلَمٍ إِلا بِهَذَا الإِسْنَادِ.

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ جَبَلَةَ الْقراويُّ

: كُوفِيٌّ، رَوَى عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، وَالأَعْمَشِ وَغَيْرِهِمَا.

تَفَرَّدَ بِأَشْيَاءَ، مِنْ ذَلِكَ:

18 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْحَاقَ التُّسْتَرِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْجَرْجَرَائِيُّ،
... বিন মুসলিম আল-খাফফাফ, খালিদ আল-হাদ্দা থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তুমি আলেম হও, অথবা শিক্ষার্থী হও, অথবা শ্রবণকারী হও, অথবা মহব্বতকারী হও; আর পঞ্চম ব্যক্তি হয়ো না, নতুবা তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে।» ।

আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই হাদিসটি এই শব্দ ছাড়া অন্য কোনো শব্দে এবং আতা বিন সালামের হাদিস থেকে এই সনদ ছাড়া অন্য কোনো সনদে বর্ণিত হয়েছে বলে জানি না।

-

 

‌‌আতা বিন জাবালাহ আল-কারাউয়ি

: তিনি কুফাবাসী ছিলেন, ইবনে জুরাইজ, আল-আ’মাশ এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি কিছু বর্ণনায় একক (তাফাররুদ) হয়ে পড়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে:

১৮ - হুসাইন বিন ইসহাক আত-তুস্তারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আস-সাব্বাহ আল-জারজারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ৩২)
ثنا عَطَاءٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَتَيْتَ أَهْلَكَ فَاعْمَلْ عَمَلا كَيِّسًا» .

فَأَتَيْتُ أَهْلِي فَعَلْتُ.

إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِي: «إِذَا أَتَيْتَ أَهْلَكَ فَاعْمَلْ عَمَلا كَيِّسًا» .

فَقَالَتْ لِي: دُونَكَ.

وَلا نَعْلَمُ هَذَا الْحَدِيثَ يُرْوَى عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلا مِنْ حَدِيثِ عَطَاءِ بْنِ جَبَلَةَ بِهَذَا الإِسْنَادِ.

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ عَجْلانَ

: كُوفِيٌّ ضَعِيفٌ فِي رِوَايَتِهِ تَفَرَّدَ بِإِسْنَادٍ وَذَلِكَ:

19 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، ثنا حِبَّانُ بْنُ عَلِيٍّ،
আতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন তুমি তোমার স্ত্রীর নিকট আসবে, তখন বিচক্ষণতার সাথে কাজ করবে।"

অতঃপর আমি আমার স্ত্রীর নিকট আসলাম এবং তা করলাম।

নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন: "যখন তুমি তোমার স্ত্রীর নিকট আসবে, তখন বিচক্ষণতার সাথে কাজ করবে।"

তখন সে (স্ত্রী) আমাকে বলল: "আপনি এগিয়ে আসুন (আপনার যা ইচ্ছা)।"

আর আমরা জানি না যে এই হাদীসটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই সনদ ব্যতীত আতা ইবনে জাবালার হাদীস ছাড়া অন্য কোনোভাবে বর্ণিত হয়েছে।

-

 

‌আতা ইবনে আজলান

: তিনি কুফার অধিবাসী, তার বর্ণনায় তিনি দুর্বল, তিনি এককভাবে একটি সনদ বর্ণনা করেছেন এবং তা হলো:

১৯ - আল-হুসাইন ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু রাবি' আয-যাহরানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিব্বান ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ৩৩)
عَنْ عَطَاءِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلنَّفْسَاءِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا.

وَلا يَعْلَمُ هَذَا الْحَدِيثَ يُرْوَى عَنْ عَائِشَةَ إِلا مِنْ حَدِيثِ عَطَاءٍ وَلَمْ يَرْوِهِ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَكْيَةَ أَحَدٌ غَيْرَهُ.

-

 

‌‌عَطَاءٌ السُّلَيْمِيُّ

: بَصْرِيٌّ لَهُ زُهْدٌ وَفَضْلٌ رَوَى أَحَادِيثَ مُنْقَطِعَاتٍ لا نَعْلَمُهُ رَوَى حَدِيثًا مُسْنَدًا.

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى قَالَ: ثنا الْحُمَيْدِيُّ، ثنا سُفْيَانُ، ثنا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ: قُلْتُ لِعَطَاءٍ السُّلَيْمِيِّ: أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّ نَارًا اشْتَعَلَتْ ثُمَّ قِيلَ: مَنْ دَخَلَهَا نَجَا، تُرَى أَحَدًا كَانَ يَدْخُلُهَا؟ فَقَالَ عَطَاءٌ: لَوْ قِيلَ لِي ذَلِكَ لَخَشِيتُ أَنْ تَخْرُجَ نَفْسِي فَرَحًا قَبْلَ أَنْ أَصِلَ إِلَيْهَا.

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحُمَيْدِيُّ، ثنا سُفْيَانُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَرْزُوقٍ، ثنا شَدَّادُ بْنُ عَلِيٍّ الْهَزَّانِيُّ، ثنا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زَيْدٍ قَالَ: دَخَلْنَا عَلَى عَطَاءٍ السُّلَيْمِيِّ وَهُوَ فِي الْمَوْتِ فَنَظَرَ إِلَيَّ أَتَنَفَّسُ فَقَالَ: مَا لَكَ؟ فَقُلْتُ: مِنْ أَجْلِكَ، فَقَالَ: وَاللَّهِ لَوَدِدْتُ أَنْ نَفَسِي بَقِيَتْ بَيْنَ لُهَاثِي وَحَنْجَرَتِي تَتَرَدَّدُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَخَافَةَ أَنْ تُخْرَجَ إِلَى النَّارِ.
আতা ইবনে আজলান থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রসূতি নারীর (নিফাস) জন্য চল্লিশ দিন সময় নির্ধারণ করেছেন।

আয়িশা (রা.) থেকে এই হাদিসটি আতার বর্ণনা ব্যতীত অন্য কোনোভাবে বর্ণিত হয়েছে বলে জানা নেই এবং ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে তিনি ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি।

-

 

‌আতা আস-সুলাইমি

: তিনি বসরার অধিবাসী ছিলেন, তিনি অত্যন্ত দুনিয়াবিমুখতা ও ফযীলতের অধিকারী ছিলেন। তিনি বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি) হাদিসসমূহ বর্ণনা করেছেন; তিনি কোনো মুসনাদ (সংযুক্ত সনদ বিশিষ্ট) হাদিস বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই।

বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুমায়দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আতা আস-সুলাইমিকে বললাম: "আপনার কী মনে হয়, যদি আগুন জ্বালানো হয় এবং এরপর বলা হয়: যে ব্যক্তি এতে প্রবেশ করবে সে মুক্তি পাবে, তবে আপনি কি কাউকে দেখেন যে তাতে প্রবেশ করবে?" তখন আতা বললেন: "যদি আমাকে এমনটি বলা হতো, তবে আমি সেখানে পৌঁছানোর আগেই আনন্দের আতিশয্যে আমার প্রাণ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করতাম।"

বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুমায়দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মারযুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাদ্দাদ ইবনে আলী আল-হাজ্জানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা আতা আস-সুলাইমির নিকট প্রবেশ করলাম যখন তিনি মৃত্যুশয্যায় ছিলেন। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে দেখলেন আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলছি, তখন তিনি বললেন: "তোমার কী হয়েছে?" আমি বললাম: "আপনার (অবস্থার) কারণে।" তিনি বললেন: "আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই কামনা করতাম যে, আগুনের (ভয়ে) আমার প্রাণ কিয়ামত পর্যন্ত আমার তালু ও কণ্ঠনালীর মাঝে আটকে থাকুক।"
(খণ্ড: ১) মান ইসিমুহু আতা মিন রুওয়াতিল হাদীস (পৃষ্ঠা: ৩৪)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، ثنا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، ثنا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ: كَانَ عَطَاءٌ السُّلَيْمِيُّ يَقُولُ: رَبِّ ارْحَمْ فِي الدُّنْيَا غُرْبَتِي وَفِي الْقَبْرِ وِحْدَتِي وَطُولُ مُقَامِي غَدًا بَيْنَ يَدَيْكَ.

-

 

‌‌عَطَاءٌ مَوْلَى ابْنِ سباعٍ

: مَكِّيٌّ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: عَطَاءٌ مَوْلَى ابْنُ سباعٍ.

عَطَاءُ بْنُ يَعْقُوبَ.

-

 

‌‌عَطَاءُ بْنُ زُهَيْرٍ

بَصْرِيٌّ:

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: عَطَاءُ بْنُ زُهَيْرٍ رَوَى عَنِ الأَخْضَرِ بْنِ عَجْلانَ.

آخِرُهُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ وَالْمِنَّةُ.
আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর আলা ইবনে হাম্মাদ আন-নারসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আতা আস-সুলাইমি বলতেন: হে আমার রব, দুনিয়াতে আমার পরবাসের ওপর, কবরে আমার একাকীত্বের ওপর এবং আগামীকাল আপনার দুই হাতের সামনে আমার দীর্ঘ দণ্ডায়মান হওয়ার ওপর দয়া করুন।

-

 

‌‌ইবনে সিবায়ের মুক্তদাস আতা

: মক্কাবাসী

আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আতা হলেন ইবনে সিবায়ের মুক্তদাস।

আতা ইবনে ইয়াকুব।

-

 

‌‌আতা ইবনে জুহাইর

বসরাবাসী:

আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আতা ইবনে জুহাইর আল-আখদার ইবনে আজলান থেকে বর্ণনা করেছেন।

এটিই সমাপ্ত এবং সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই প্রাপ্য।