(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: -)
مسند خليفة بن خياط   (خليفة بن خياط)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مسند خليفة بن خياط

المؤلف: أبو عمرو خليفة بن خياط بن خليفة الشيباني العصفري البصري (ت 240هـ)

دراسة وتحقيق: الدكتور أكرم ضياء العمري

الناشر: مؤسسة الرسالة، بيروت

الطبعة: الأولى، 1405 هـ - 1985 م

عدد الصفحات: 82

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুসনাদে খলিফা বিন খাইয়াত   (খলিফা বিন খাইয়াত)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মুসনাদে খলিফা বিন খাইয়াত

লেখক: আবু আমর খলিফা বিন খাইয়াত বিন খলিফা আশ-শায়বানি আল-উসফুরি আল-বাসরি (মৃত্যু ২৪০ হিজরি)

গবেষণা ও সম্পাদনা: ডক্টর আকরাম জিয়া আল-উমারি

প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৫ হিজরি - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৮২

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার মাধ্যমে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ

1 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَحْبُوبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ.

وَقَالَ لِي خَلِيفَةُ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَهُوَ يَخْطُبُ بِالْمَدِينَةِ، فَقَالَ: قَحَطَ الْمَطَرُ فَاسْتَسْقِ رَبَّكَ، فَنَظَرَ إِلَى السَّمَاءِ وَمَا نَرَى مِنْ سَحَابٍ، فَاسْتَسْقَى فَنَشَأَ السَّحَابُ بَعْضُهُ عَنْ بَعْضٍ، ثُمَّ مُطِرُوا حَتَّى سَالَتْ مَثَاعِبُ الْمَدِينَةِ، فَمَا زَالَتْ إِلَى الْجُمُعَةِ الْمُقْبِلَةِ مَا تُقْلِعُ، ثُمَّ قَامَ ذَلِكَ الرَّجُلُ - أَوْ غَيْرُهُ - وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ فَقَالَ: غَرِقْنَا فَادْعُ رَبَّكَ يَحْبِسْهَا عَنَّا.

فَضَحِكَ ثُمَّ قَالَ: «اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلا عَلَيْنَا» - مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا - فَجَعَلَ السَّحَابُ يَتَصَدَّعُ عَنِ الْمَدِينَةِ يَمِينًا وَشِمَالا، يُمْطِرُ مَا حَوَالَيْنَا، وَلا يُمْطِرُ مِنْهَا شَيْءٌ، يُرِيهُمُ اللَّهُ كَرَامَةَ نَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم وَإِجَابَةَ دَعْوَتِهِ.

2 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ.
আনাস ইবন মালিক

১ - মুহাম্মাদ ইবন মাহবূব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবূ আওয়ানাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং খালীফাহ আমাকে বলেছেন: ইয়াযীদ ইবন যুরায় আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি জুমুআর দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন যখন তিনি মদীনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। সে বলল: বৃষ্টি বন্ধ হয়ে অনাবৃষ্টি দেখা দিয়েছে, সুতরাং আপনার রবের কাছে বৃষ্টির প্রার্থনা করুন। তখন তিনি আসমানের দিকে তাকালেন, অথচ আমরা কোনো মেঘ দেখতে পাচ্ছিলাম না। এরপর তিনি বৃষ্টির প্রার্থনা করলেন, ফলে খণ্ড খণ্ড মেঘপুঞ্জ জমা হতে শুরু করল। অতঃপর তারা বৃষ্টিস্নাত হলো এমনকি মদীনার নর্দমাগুলো প্রবাহিত হতে লাগল। পরবর্তী জুমুআ পর্যন্ত বৃষ্টি আর থামল না। এরপর সেই ব্যক্তি—অথবা অন্য কেউ—দাঁড়ালেন যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুতবা দিচ্ছিলেন। সে বলল: আমরা ডুবে যাচ্ছি, সুতরাং আপনার রবের নিকট দুআ করুন যেন তিনি আমাদের থেকে তা থামিয়ে দেন।

এতে তিনি হাসলেন এবং বললেন: "হে আল্লাহ! আমাদের আশেপাশে (বৃষ্টি দিন), আমাদের উপরে নয়" —দুই বা তিনবার বললেন। ফলে মেঘগুলো মদীনা থেকে ডানে ও বামে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে লাগল। আমাদের আশেপাশে বৃষ্টি হচ্ছিল, কিন্তু মদীনার ভেতরে কিছুই পড়ছিল না। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদেরকে তাঁর নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মর্যাদা এবং তাঁর দুআ কবুল হওয়ার নিদর্শন দেখালেন।

২ - মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবন যুরায় আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ١٤)
وقَالَ لِي خَلِيفَةُ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ، وَكَهْمَسُ بْنُ الْمِنْهَالِ، قَالا: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ: صَعِدَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أُحُدًا وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ، فَرَجَفَ بِهِمْ، فَضَرَبَهُ بِرِجْلِهِ قَالَ: «اثْبُتْ أُحُدُ فَمَا عَلَيْكَ إِلا نَبِيٌّ أَوْ صِدِّيقٌ أَوْ شَهِيدَانِ» .

3 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَعْلا، وَذَكْوَانَ، وَعُصَيَّةَ، وَبَنِي لَحْيَانَ
খালীফা আমাকে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সাওয়া এবং কাহমাস ইবনুল মিনহাল, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদ পাহাড়ে আরোহণ করলেন এবং তাঁর সাথে ছিলেন আবু বকর, উমর ও উসমান। তখন পাহাড়টি তাঁদের নিয়ে কেঁপে উঠল। তিনি একে তাঁর পা দিয়ে আঘাত করলেন এবং বললেন: “হে উহুদ! স্থির থাকো, কেননা তোমার উপরে একজন নবী, একজন সিদ্দিক অথবা দুইজন শহীদ ছাড়া আর কেউ নেই।”

৩ - আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আ’লা ইবনে হাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবনে যুরাই’, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন: নিশ্চয়ই রি’ল, যাকওয়ান, উসাইয়্যাহ এবং বনু লিহয়ান...
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣١)
اسْتَمَدُّوا رَسُولَ.........

أَنَا أَضْرِبُهَا، فقَالَ: «مَهْ وَزَجَرَهَا فَقَامَتْ» .
তারা রাসূলের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করল.........

আমি একে প্রহার করছি, তখন তিনি বললেন: "থামো" এবং তাকে ধমক দিলেন, ফলে সে দাঁড়িয়ে গেল।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣٢)
خَارِجَةُ بْنُ زَيْدٍ رَاجع خُبَيْب بْن إِسَافٍ.

 

‌‌خُبَيْبُ بْنُ أَسَافٍ الأَنْصَارِيُّ

28 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ زَكَرِيَّا التُّسْتَرِيُّ، ثنا شَبَابٌ الْعُصْفُرِيُّ، ثنا بَكْرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، وَوَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ: نَزَلَ أَبُو بَكْرٍ عَلَى خُبَيْبِ بْنِ أَسَافٍ أَخِي بِلْحَارِثِ بْنِ الْخَزْرَجِ بِالسَّنْحِ، وَيُقَالُ: بَلْ نَزَلَ عَلَى خَارِجَةَ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَبِي زُهَيْرٍ أَخِي بَنِي الْحَارِثِ بْنِ الْخَزْرَجِ.
খারিজাহ ইবনে যায়েদ, খুবাইব ইবনে আসাফ দেখুন।

 

‌‌খুবাইব ইবনে আসাফ আল-আনসারী

২৮ - মূসা ইবনে যাকারিয়া আত-তুসতারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শাবাব আল-উসফুরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বাকর ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে ইসহাক থেকে, এবং ওয়াহাব ইবনে জারীর তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু বকর আস-সুন্‌হ নামক স্থানে বনু আল-হারিস ইবনুল খাযরাজের ভাই খুবাইব ইবনে আসাফের নিকট অবস্থান করেছিলেন। এবং বলা হয়: বরং তিনি বনু আল-হারিস ইবনুল খাযরাজের ভাই খারিজাহ ইবনে যায়েদ ইবনে আবু যুহাইরের নিকট অবস্থান করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣٣)
‌‌خَوَّاتُ بْنُ جُبَيْرٍ

29 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ يَعْقُوبَ الثَّقَفِيُّ، ثنا مُوسَى بْنُ زَكَرِيَّا، ثنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ خَوَّاتِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَآلِهِ وَسَلّمَ قَالَ: «مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ» .

قَالَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ آبَائِهِ: إِنَّ خَوَّاتَ بْنَ جُبَيْرٍ مَاتَ سَنَةَ أَرْبَعِينَ.
খাওয়াত বিন জুবাইর

২৯ - আবু সাঈদ আহমদ বিন ইয়াকুব আস-সাকাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা বিন যাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খলীফা বিন খাইয়াত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন সালিহ বিন ইসহাক বিন সালিহ বিন খাওয়াত বিন জুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা খাওয়াত বিন জুবাইর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: “যে বস্তুর অধিক পরিমাণ নেশা সৃষ্টি করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম।”

আবদুল্লাহ বিন সালিহ বিন ইসহাক তাঁর পিতৃপুরুষদের সূত্রে বর্ণনা করেন: নিশ্চয়ই খাওয়াত বিন জুবাইর চল্লিশ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣٤)
30 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَعْقُوبَ الثَّقَفِيُّ، ثنا مُوسَى بْنُ زَكَرِيَّا التُّسْتَرِيُّ، ثنا شَبَابُ بْنُ خَيَّاطٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَالَ أَبِي خَوَّاتُ بْنُ جُبَيْرٍ: مَرِضْتُ فَعَادَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَآلِهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا بَرِئْتُ قَالَ: «صَحَّ جِسْمُكَ يَا خَوَّاتُ فَاللَّهُ تَعَالَى بِمَا وَعَدْتَهُ» .

قُلْتُ: وَمَا وَعَدْتُ اللَّهَ شَيْئًا؛ قَالَ: «إِنَّهُ لَيْسَ مِنْ مَرِيضٍ يَمْرَضُ إِلا نَذَرَ شَيْئًا أَوْ نَوَى فَفِ للَّهِ عز وجل بِمَا وَعَدْتَهُ» .

 

‌‌أَبُو خَيْرَةَ الصَّبَّاحِيُّ

31 - أُخْبِرْتُ عَنْ خَلِيفَةَ بْنِ خَيَّاطٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَوْنُ بْنُ كَهْمَسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ الْمُسَاوِرِ، عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ هَمَّامٍ، عَنْ أَبِي خَيْرَةَ الصَّبَّاحِيُّ، قَالَ: كُنْتُ فِي الْوَفْدِ الَّذِي أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ فَزَوَّدَنَا
30 - আহমদ ইবনে ইয়াকুব আস-সাকাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে জাকারিয়া আত-তুস্তারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাবাব ইবনে খাইয়াত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক ইবনে সালিহ ইবনে খাওয়াত ইবনে জুবায়ের আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার পিতা খাওয়াত ইবনে জুবায়ের বলেছেন: আমি অসুস্থ হয়েছিলাম, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন। যখন আমি সুস্থ হলাম, তিনি বললেন: «হে খাওয়াত, তোমার শরীর সুস্থ হয়েছে, সুতরাং আল্লাহর জন্য তা পূরণ করো যা তুমি তাঁর সাথে ওয়াদা করেছিলে»।

আমি বললাম: আমি তো আল্লাহর সাথে কোনো কিছুর ওয়াদা করিনি। তিনি বললেন: «এমন কোনো রোগী নেই যে অসুস্থ হয় অথচ সে কোনো মানত করে না অথবা কোনো সংকল্প করে না; সুতরাং তুমি মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর সাথে যা ওয়াদা করেছিলে তা পূর্ণ করো»।

 

‌‌আবু খায়রাহ আস-সাব্বাহি

31 - খলিফা ইবনে খাইয়াত থেকে আমাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে, তিনি বলেন: আউন ইবনে কাহমাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে আল-মুসাওয়ির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুকাতিল ইবনে হাম্মাম থেকে এবং তিনি আবু খায়রাহ আস-সাব্বাহি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল কায়েস গোত্রের সেই প্রতিনিধি দলে ছিলাম যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসেছিল, অতঃপর তিনি আমাদের পাথেয় প্রদান করলেন...
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣٥)
الأَرَاكَ نَسْتَاكُ بِهِ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ عِنْدَنَا الْجَرِيدُ، وَلَكِنْ نَقْبَلُ كَرَامَتَكَ وَعَطِيَّتَكَ.

فَقَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِعَبْدِ الْقَيْسِ إِذَا أَسْلَمُوا طَائِعِينَ غَيْرَ مُكْرَهِينَ، إِذْ بَعْضُ قَوْمٍ لَمْ يُسْلِمُوا إِلا خَزَايَا مَزْبُورِينَ» .

 

‌‌أَبُو الدَّرْدَاءِ

32 - وقَالَ خَلِيفَةُ، عَنْ أَبِي دَاوُدَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي شِمْرٍ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «لا صَلاةَ لِلْمُلْتَفِتِ» وَهُوَ مُرْسَلٌ.
আরাক গাছ, যা দ্বারা আমরা মিসওয়াক করি। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের নিকট খেজুরের ডাল রয়েছে, তবে আমরা আপনার সম্মাননা ও উপহার গ্রহণ করছি।

অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "হে আল্লাহ! আপনি আবদ আল-কায়স গোত্রকে ক্ষমা করুন, যেহেতু তারা স্বেচ্ছায় অনুগত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছে, বাধ্য হয়ে নয়; যেখানে কিছু সম্প্রদায় অপদস্থ ও লাঞ্ছিত হওয়া ব্যতীত ইসলাম গ্রহণ করেনি।"

 

‌‌আবু দারদা

৩২ - এবং খলিফা বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি আবু শিমর থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "সালাতে এদিক-ওদিক তাকানো ব্যক্তির কোনো সালাত নেই।" আর এটি মুরসাল।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣٦)
‌‌ذُو اللِّحْيَةِ الْكِلابِيُّ

33 - خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ أَسْلَمَ، سَمِعَ يَزِيدَ بْنَ أَبِي مَنْصُورٍ، عَنْ ذِي اللِّحْيَةِ الْكِلابِيِّ، أَنَّهُ قَالَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: " نَعْمَلُ فِي أَمْرٍ مُسْتَأْنَفٍ؟ قَالَ: «كُلٌّ مُيَسَّرٌ لِمَا خُلِقَ لَهُ» .

 

‌‌سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ

34 - ثنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ الْعُصْفُرِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، ثنا
যুল লিহইয়াহ আল-কিলাবি

৩৩ - খলিফা ইবনে খইয়্যাত বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে আসলাম, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি মানসুর থেকে শুনেছেন, তিনি যুল লিহইয়াহ আল-কিলাবি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলেছিলেন: "আমরা কি নতুন করে কোনো বিষয়ের ওপর আমল করছি?" তিনি বললেন: "প্রত্যেককে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, তার জন্য তা সহজ করে দেওয়া হয়েছে।"

 

সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস

৩৪ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খলিফা ইবনে খইয়্যাত আল-উসফুরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣٧)
أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا مِنْ نَفْسٍ إِلا وَقَدْ كَتَبَ اللَّهُ تَعَالَى مَدْخَلَهَا وَمَخْرَجَهَا وَمَا هِيَ لاقِيَةٌ» .

فقَالَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ: فَفِيمَ الْعَمَلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «مَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ يُسِّرَ لِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ، وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ النَّارِ يُسِّرَ لِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ» .

فقَالَ الأَنْصَارِيُّ: الآنَ حَقَّ الْعَمَلُ.

 

‌‌أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ

35 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي الأَسْوَدِ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، سَمِعْتُ أَبِي، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: أَنَّهُ ذَكَرَ رَجُلا فِيمَنْ سَلَفَ - أَوْ فِيمَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ - قَالَ كَلِمَةً -
আবু হানিফা বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ ইবনে রুফাই থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "এমন কোনো আত্মা নেই যার প্রবেশস্থল, বহির্গমনস্থল এবং সে যা কিছুর সম্মুখীন হবে, তা আল্লাহ তাআলা লিপিবদ্ধ করেননি।"

জনৈক আনসারি ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আমল কিসের জন্য? তিনি বললেন: "যে জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত, তার জন্য জান্নাতবাসীদের কাজ সহজ করে দেওয়া হয়; আর যে জাহান্নামবাসীদের অন্তর্ভুক্ত, তার জন্য জাহান্নামবাসীদের কাজ সহজ করে দেওয়া হয়।"

তখন সেই আনসারি বললেন: এখন আমল করাই যথার্থ।

 

আবু সাইদ আল-খুদরি

৩৫ - আবদুল্লাহ ইবনে আবুল আসওয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, কাতাদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উকবা ইবনে আবদিল গাফির থেকে, তিনি আবু সাইদ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন: তিনি পূর্ববর্তী যুগের — অথবা তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেদের মধ্য থেকে — একজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যে একটি কথা বলেছিল —
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣٨)
يَعْنِي أَعْطَاهُ اللَّهُ مَالا وَوَلَدًا.

فَلَمَّا حَضَرَتِ الْوَفَاةُ قَالَ لِبَنِيهِ: أَيُّ أَبٍ كُنْتُ لَكُمْ؟ قَالُوا: خَيْرُ أَبٍ.

قَالَ: فَإِنَّهُ لَمْ يَبْتَئِرْ - أَوْ لَمْ يَنْبَئِزْ - عِنْدَ اللَّهِ خَيْرًا، وَإِنْ يَقْدِرْ اللَّهُ عَلَيْهِ يُعَذِّبْهُ.

فَانْظُرُوا إِذَا مِتُّ فَأَحْرِقُونِي حَتَّى إِذَا صِرْتُ فَحْمًا فَاسْحَقُونِي - أَوْ قَالَ: فَاسْحَكُونِي - فَإِذَا كَانَ يَوْمُ رِيحٍ عَاصِفٍ فَأَذْرُونِي فِيهَا.

فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " فَأَخَذَ مَوَاثِيقَهُمْ عَلَى ذَلِكَ وَرَبِّي.

فَفَعَلُوا، ثُمَّ أَذْرَوْهُ فِي يَوْمٍ عَاصِفٍ.

فقَالَ اللَّهُ عز وجل: كُنْ فَإِذَا هُوَ رَجُلٌ قَائِمٌ.

قَالَ اللَّهُ: أَيْ عَبْدِي مَا حَمَلَكَ عَلَى أَنْ فَعَلْتَ مَا فَعَلْتَ؟ قَالَ: مَخَافَتُكَ - أَوْ فَرَقٌ مِنْكَ - قَالَ: فَمَا تَلَافَاهُ أَنْ رَحِمَهُ عِنْدَهَا.

وقَالَ مَرَّةً أُخْرَى: فَمَا تَلافَاهُ غَيْرُهَا ".

فَحَدَّثَ بِهِ أَبَا عُثْمَانَ، فقَالَ: سَمِعْتُ هَذَا مِنْ سَلْمَانَ غَيْرَ أَنَّهُ زَادَ فِيهِ: أَذْرَوْنِي فِي الْبَحْرِ - أَوْ كَمَا حَدَّثَ.

حَدَّثَنَا مُوسَى، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ وقَالَ: لَمْ يَبْتَئِرْ.

وقَالَ خَلِيفَةُ: حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ وقَالَ: لَمْ يَبْتَئِرْ.

فَسَّرَهُ قَتَادَةُ: لَمْ يَدَّخِرْ.

 

‌‌سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ

36 - ثنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحُرِّ
অর্থাৎ আল্লাহ তাকে সম্পদ ও সন্তান সন্ততি দান করেছিলেন।

অতঃপর যখন তার মৃত্যু উপস্থিত হলো, তখন সে তার সন্তানদের বলল: "আমি তোমাদের কেমন পিতা ছিলাম?" তারা বলল: "আপনি অত্যন্ত উত্তম পিতা ছিলেন।"

সে বলল: "নিশ্চয়ই সে আল্লাহর কাছে কোনো কল্যাণ সঞ্চয় করেনি—অথবা কোনো নেক আমল জমা করেনি—আর যদি আল্লাহ তাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হন তবে তিনি তাকে শাস্তি দেবেন।"

"সুতরাং শোনো, যখন আমি মারা যাব, তখন তোমরা আমাকে পুড়িয়ে ফেলবে; এমনকি যখন আমি কয়লা হয়ে যাব তখন আমাকে পিষে ফেলবে—অথবা সে বলল: আমাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলবে—অতঃপর কোনো প্রবল বাতাসের দিনে আমাকে তাতে উড়িয়ে দিও।"

আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "সে তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করল, আমার রবের কসম।"

তারা তা-ই করল, অতঃপর তারা তাকে এক প্রবল বাতাসের দিনে উড়িয়ে দিল।

আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা বললেন: "হয়ে যাও," অমনি সে একজন দণ্ডায়মান মানুষ হয়ে গেল।

আল্লাহ বললেন: "হে আমার বান্দা! তুমি যা করেছ তা করতে তোমাকে কিসে উদ্বুদ্ধ করল?" সে বলল: "আপনার ভয়—অথবা আপনার প্রতি ভীতি।" তিনি বলেন: অতঃপর তখন তাকে রহমত করা ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি।

তিনি অন্যবার বললেন: "সে সময় এটি (আল্লাহর ভয়) ছাড়া আর কিছুই তাকে উদ্ধার করেনি।"

অতঃপর তিনি এটি আবু উসমানের নিকট বর্ণনা করলেন, তখন তিনি বললেন: "আমি এটি সালমান থেকে শুনেছি, তবে তিনি এতে আরও যোগ করেছিলেন: আমাকে সমুদ্রে উড়িয়ে দিও—অথবা তিনি যেমন বর্ণনা করেছেন।"

মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: "সে সঞ্চয় করেনি" (লাম ইয়াবতা'ইর)।

খলিফা বলেন: মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: "সে সঞ্চয় করেনি" (লাম ইয়াবতা'ইর)।

কাতাদাহ এর ব্যাখ্যা করেছেন: "সে সঞ্চয় করেনি"।

 

‌‌সাঈদ ইবনে যায়িদ

৩৬ - খলিফা ইবনে খাইয়াত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বা থেকে, আল-হুর থেকে।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٣٩)
بْنِ الصَّبَّاحِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْجَنَّةِ، وَأَبُو بَكْرٍ فِي الْجَنَّةِ، وَعُمَرُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَلِيٌّ فِي الْجَنَّةِ، وَعُثْمَانُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ فِي الْجَنَّةِ، وَطَلْحَةُ فِي الْجَنَّةِ، وَالزُّبَيْرُ فِي الْجَنَّةِ، وَسَعْدٌ فِي الْجَنَّةِ، وَأَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ فِي الْجَنَّةِ» ثُمَّ قَالَ: إِنْ شِئْتُمْ أَخْبَرْتُكُمْ مَنِ الْعَاشِرُ، ثُمَّ ذَكَرَ نَفْسَهُ.

 

‌‌سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ السَّاعِدِيُّ

37 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:
...ইবনে আস-সাব্বাহ হতে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আল-আখনাস হতে, তিনি সাঈদ ইবনে যায়েদ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জান্নাতি, আবু বকর জান্নাতি, উমর জান্নাতি, আলী জান্নাতি, উসমান জান্নাতি, আবদুর রহমান জান্নাতি, তালহা জান্নাতি, যুবাইর জান্নাতি, সাদ জান্নাতি এবং আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ জান্নাতি»। অতঃপর তিনি বললেন: «যদি তোমরা চাও তবে আমি তোমাদের দশম ব্যক্তির নাম বলতে পারি», এরপর তিনি নিজের নাম উল্লেখ করলেন।

 

‌সাহল ইবনে সাদ আস-সাঈদী

৩৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আবু বকর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি উমর ইবনে আলী হতে, তিনি আবু হাযেম হতে, তিনি সাহল ইবনে সাদ আস-সাঈদী হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٠)
«مَنْ تَوَكَّلَ لِي مَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ وَمَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ تَوَكَّلْتُ لَهُ بِالْجَنَّةِ»

 

‌‌أَبُو طَلْحَةَ الأَنْصَارِيُّ

38 - وقَالَ لِي خَلِيفَةُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي طَلْحَةَ رضي الله عنهما قَالَ: كُنْتُ فِيمَنْ تَغَشَّاهُ النُّعَاسُ يَوْمَ أُحُدٍ، حَتَّى سَقَطَ سَيْفِي مِنْ يَدِي مِرَارًا يَسْقُطُ وَآخُذُهُ، وَيَسْقُطُ فَآخُذُهُ.

 

‌‌عَائِذُ بْنُ عَمْرٍو الْمُزَنِيُّ

39 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ حَمْزَةَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْحَدَّاءُ.

ثنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ،

ثنا حَشْرَجٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، عَنْ عَائِذِ بْنِ عَمْرٍو:
«যে ব্যক্তি আমার জন্য তার দুই পায়ের মধ্যবর্তী স্থান এবং তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী স্থানের জিম্মাদার হবে, আমি তার জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব।»

 

‌‌আবু তালহা আল-আনসারী

৩৮ - এবং খলিফা আমাকে বলেছেন, ইয়াজিদ ইবনে জুরাই আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস থেকে, তিনি আবু তালহা (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওহুদের যুদ্ধের দিন যারা তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম, এমনকি বারবার আমার হাত থেকে তলোয়ার পড়ে যাচ্ছিল; এটি পড়ে যেত আর আমি তা তুলে নিতাম, আবার পড়ে যেত আর আমি তা তুলে নিতাম।

 

‌‌আইজ ইবনে আমর আল-মুজানী

৩৯ - আবু ইসহাক ইবনে হামজাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আল-হুসাইন আল-হাদ্দাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।

খলিফা ইবনে খাইয়াত আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন,

হাশরাজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আমার দাদা থেকে, তিনি আইজ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন:
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤١)
أَنَّهُ جَاءَ مَعَ أَبِي سُفْيَانَ يَوْمَ الْفَتْحِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَالِسٌ حَوْلَهُ الْمُهَاجِرُونَ وَالأَنْصَارُ، فَقَالُوا: هَذَا أَبُو سُفْيَانَ وَعَائِذُ بْنُ عَمْرٍو.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «هَذَا عَائِذُ بْنُ عَمْرٍو وَأَبُو سُفْيَانَ، الإِسْلامُ أَعَزُّ مِنْ ذَلِكَ، الإِسْلامُ يَعْلُو وَلا يُعْلَى» .

 

‌‌الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ

40 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ، أبنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِدْرِيسَ الْبَصْرِيُّ، ثنا عُمَرُ بْنُ
তিনি মক্কা বিজয়ের দিন আবু সুফিয়ানের সাথে আসলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন এবং তাঁর চারদিকে মুহাজির ও আনসারগণ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বললেন: "ইনি আবু সুফিয়ান এবং আইজ ইবনে আমর।"

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "ইনি আইজ ইবনে আমর এবং আবু সুফিয়ান। ইসলাম এর চেয়েও অধিক মর্যাদাবান। ইসলাম সর্বদা বিজয়ী হয় এবং অন্য কোনো কিছু এর ওপর বিজয়ী হতে পারে না।"

 

‌আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব

৪০ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মূসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, খলিফা ইবনে খাইয়্যাত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক ইবনে ইদরীস আল-বাসরী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উমর ইবনে...
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٢)
عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَبَّارُ، حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ تَمَّامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: «لَوْلا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَفَرَضْتُ عَلَيْهِمُ السِّوَاكَ عِنْدَ كُلِّ صَلاةٍ كَمَا فَرَضْتُ عَلَيْهِمُ الْوُضُوءَ» .

 

‌‌عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَبَّابٍ السُّلَمِيُّ

41 - أُخْبِرْتُ عَنْ خَلِيفَةَ بْنِ خَيَّاطٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَكَنُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْوَلِيدُ بْنُ أَبِي هِشَامٍ، عَنْ فَرْقَدٍ أَبِي
আবদুর রহমান আল-আব্বার, তিনি বলেন: মানসুর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে তাম্মাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "আমি যদি আমার উম্মতের ওপর কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না করতাম, তবে আমি তাদের ওপর প্রতি সালাতের সময় মিসওয়াক করা ফরজ করে দিতাম যেমনিভাবে তাদের ওপর অজু ফরজ করেছি।"

 

‌আবদুর রহমান ইবনে খাব্বাব আস-সুলামী

৪১ - আমাকে খলিফা ইবনে খাইয়্যাত থেকে অবহিত করা হয়েছে, তিনি বলেন: আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাকান ইবনে আল-মুগিরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়ালিদ ইবনে আবি হিশাম ফারকাদ আবু... থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٣)
طَلْحَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خَبَّابٍ السُّلَمِيِّ قَالَ: شَهِدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم.

وَهُوَ يَحُثُّ عَلَى جَيْشِ الْعُسْرَةِ.

فقَالَ عُثْمَانُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ عَلَيَّ مِائَةُ بَعِيرٍ بِأَحْلاسِهَا وَأَقْتَابِهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ.

ثُمَّ حَضَّ، فقَالَ عُثْمَانُ: مِائَتَا بَعِيرٍ.

ثُمَّ حَضَّ فَقَالَ: ثَلاثُ مِائَةِ بَعِيرٍ.

قَالَ فَأَنَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَنْزِلُ مِنَ الْمِنْبَرِ، وَهُوَ يَقُولُ: «مَا عَلَى عُثْمَانَ مَا عَمِلَ بَعْدَ هَذَا» - مَرَّتَيْنِ -.

 

‌‌عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ

42 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي شَبَابٌ الْعُصْفُرِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدَائِنِيُّ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ
তালহা থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুর রহমান ইবনে খাব্বাব আস-সুলামী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেছি।

তিনি যখন জাইশে উসরাহ (সংকটের বাহিনী)-এর জন্য উদ্বুদ্ধ করছিলেন।

তখন উসমান বললেন: হে আল্লাহর নবী, আল্লাহর রাস্তায় জিনের গদি ও সাজসরঞ্জামসহ একশত উট প্রদানের দায়িত্ব আমার ওপর।

অতঃপর তিনি পুনরায় উদ্বুদ্ধ করলেন, তখন উসমান বললেন: দুইশত উট।

এরপর তিনি আবার উদ্বুদ্ধ করলেন, তখন তিনি বললেন: তিনশত উট।

বর্ণনাকারী বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মিম্বর থেকে নামতে দেখলাম, আর তিনি বলছিলেন: "আজকের পর উসমান যা-ই করুক না কেন, তাতে তার কোনো ক্ষতি হবে না" - এটি তিনি দুইবার বললেন।

 

‌‌আবদুর রহমান ইবনে আওফ

৪২ - আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল বর্ণনা করেছেন, আমার কাছে শাবাব আল-উসফুরি বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মাদায়িনি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে আবি যি'ব থেকে, তিনি আল-হারেস ইবনে... থেকে।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٤)
عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «فَضْلُ عَائِشَةَ عَلَى النِّسَاءِ كَفَضْلِ الثَّرِيدِ عَلَى سَائِرِ الطَّعَامِ» .

عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَيْثَمَةَ رَاجِعْ قراطَ بْنَ خَيْثَمَة

 

‌‌عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ

43 - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَزْهَرُ السَّمَّانُ، عَنِ ابْنِ
আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি আবু সালামা বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “অন্যান্য নারীদের ওপর আয়েশার শ্রেষ্ঠত্ব তেমন, যেমন সকল খাদ্যের ওপর সারীদের (গোশত ও রুটির ঝোলযুক্ত বিশেষ খাবার) শ্রেষ্ঠত্ব।”

আবদুল্লাহ ইবনে খাইসামাহ; কিরাত ইবনে খাইসামাহ অনুচ্ছেদটি দেখুন।

 

আবদুল্লাহ বিন সালাম

৪৩ - আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আযহার আস-সাম্মান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে... থেকে।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٥)
عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ عَبَّادٍ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا فِي مَسْجِدِ الْمَدِينَةِ، فَدَخَلَ رَجُلٌ عَلَى وَجْهِهِ أَثَرُ الْخُشُوعِ، فَقَالُوا: هَذَا رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ، فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ تَجَوَّزَ فِيهِمَا، ثُمَّ خَرَجَ، وَتَبِعْتُهُ، فَقُلْتُ: إِنَّكَ حِينَ دَخَلْتَ الْمَسْجِدَ قَالُوا: هَذَا رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ.

قَالَ: وَاللَّهِ مَا يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يَقُولَ مَالا يَعْلَمُ، وَسَأُحَدِّثُكَ لِمَ ذَاكَ.

رَأَيْتُ رُؤْيَا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَصَصْتُهَا عَلَيْهِ، وَرَأَيْتُ كَأَنِّي فِي رَوْضَةٍ، ذَكَرَ مِنْ سَعَتِهَا وَخُضْرَتِهَا - وَسَطَهَا عَمُودٌ مِنْ حَدِيدِ، أَسْفَلُهُ فِي الأَرْضِ، وَأَعْلاهُ فِي السَّمَاءِ، فِي أَعْلاهُ عُرْوَةٌ، فَقِيلَ لِي: ارْقَهْ.

قُلْتُ: لا أَسْتَطِيعُ.

فَأَتَانِي مِنْصَفٌ فَرَفَعَ ثِيَابِي مِنْ خَلْفِي فَرَقِيتُ حَتَّى كُنْتُ فِي أَعْلاهَا فَأَخَذْتُ بِالْعُرْوَةِ فَقِيلَ لَهُ: اسْتَمْسِكْ، فَاسْتَيْقَظْتُ وَإِنَّهَا لَفِي يَدِي، فَقَصَصْتُهَا عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «تِلْكَ الرَّوْضَةُ الإِسْلامُ، وَذَلِكَ الْعَمُودُ عَمُودُ الإِسْلامِ، وَتِلْكَ الْعُرْوَةُ عُرْوَةُ الْوُثْقَى، فَأَنْتَ عَلَى الإِسْلامِ حَتَّى تَمُوتَ» .

وَذَاكَ الرَّجُلُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ.

وقَالَ لِي خَلِيفَةُ: حَدَّثَنَا مُعَاذٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ عَبَّادٍ، عَنِ ابْنِ سَلامٍ، قَالَ: وَصِيفٌ مَكَانَ
আউন থেকে, মুহাম্মদ থেকে, কায়েস ইবনে আব্বাদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি মদীনার মসজিদে বসা ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি প্রবেশ করলেন যার চেহারায় বিনয়-নম্রতার চিহ্ন প্রকাশ পাচ্ছিল। লোকজন বলল: ইনি জান্নাতী ব্যক্তিদের একজন। এরপর তিনি সংক্ষেপে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন এবং বেরিয়ে গেলেন। আমি তাঁর অনুসরণ করলাম এবং বললাম: আপনি যখন মসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন লোকজন বলছিল যে আপনি জান্নাতী ব্যক্তিদের একজন।

তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ! কারো জন্য এমন কিছু বলা উচিত নয় যা সে জানে না। আমি তোমাকে বলছি কেন তারা এমন বলেছে।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে আমি একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম এবং তা তাঁর কাছে বর্ণনা করেছিলাম। আমি দেখলাম যেন আমি একটি বাগানে আছি—তিনি বাগানটির প্রশস্ততা ও শ্যামলতার কথা উল্লেখ করলেন—তার মাঝখানে একটি লোহার খুঁটি রয়েছে, যার নিচের অংশ মাটিতে এবং উপরের অংশ আকাশে। তার শীর্ষে একটি হাতল রয়েছে। আমাকে বলা হলো: এতে আরোহণ করো।

আমি বললাম: আমি সামর্থ্য রাখি না।

তখন একজন খাদেম এলেন এবং পেছন থেকে আমার কাপড় তুলে ধরলেন, ফলে আমি আরোহণ করলাম এবং একদম শীর্ষে পৌঁছে গেলাম। অতঃপর আমি হাতলটি ধরলাম। তখন তাকে বলা হলো: শক্ত করে ধরে রাখো। এরপর আমার ঘুম ভেঙে গেল এবং সেটি তখনো আমার হাতেই ছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এটি বর্ণনা করলে তিনি বললেন: «ঐ বাগানটি হলো ইসলাম, ঐ খুঁটিটি হলো ইসলামের স্তম্ভ এবং ঐ হাতলটি হলো সবচেয়ে মজবুত হাতল। তুমি আমৃত্যু ইসলামের ওপর অবিচল থাকবে»।

আর সেই ব্যক্তিটি ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে সালাম।

খলিফা আমাকে বলেছেন: মুয়াজ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনে আউন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ থেকে, কায়েস ইবনে আব্বাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে সালাম থেকে, তিনি (খাদেম শব্দের) স্থলে 'ভৃত্য' শব্দটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٦)
مِنْصَفٌ.

44 - قَالَ لِي خَلِيفَةُ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ صَفْوَانَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يُوسُفَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلامٍ، حَدَّثَ الْحَجَّاجَ، عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ: أَنَّ عُثْمَانَ قَالَ لِكَثِيرِ بْنِ الصَّلْتِ: إِنِّي مَقْتُولٌ، رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَمَعَهُ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، فقَالَ لِي: «يَا عُثْمَانُ أَنْتَ عِنْدَنَا غَدًا، وَأَنْتَ مَقْتُولٌ غَدًا» .

45 - قَالَ خَلِيفَةُ: حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، سَمِعَ ابْنَ أَبِي يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ خُنَيْسٍ الْغِفَارِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ
ন্যায়নিষ্ঠ।

৪৪ - খলীফা আমাকে বলেছেন: আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুআইব ইবনে সাফওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম হাজ্জাজের নিকট তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন: উসমান কাসীর ইবনে সালতকে বললেন: আমাকে হত্যা করা হবে। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তাঁর সাথে আবু বকর ও উমর ছিলেন। তিনি আমাকে বললেন: «হে উসমান! তুমি আগামীকাল আমাদের নিকট থাকবে, আর আগামীকাল তোমাকে হত্যা করা হবে»।

৪৫ - খলীফা বলেছেন: ফুযাইল ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে আবু ইয়াহইয়া থেকে শুনেছেন, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে খুনাইস আল-গিফারী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে...
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٧)
سَلامٍ، قَالَ: إِنَّمَا بَيْنَ عِيرٍ وَأُحُدٍ حَرَامٌ حَرَّمَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

 

‌‌عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ

46 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ زَكَرِيَّا، ثنا شَبَابٌ، ثنا عَبْدُ الْمَجِيدِ أَبُو خِدَاشٍ، ثنا مَنْصُورُ بْنُ وَرْدَانَ، ثنا أَبُو حَمْزَةَ الثُّمَالِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَسْجِدِ الْخَيْفِ، فَحَمِدَ اللَّهَ، وَأَثْنَى عَلَيْهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ، ثُمَّ قَالَ: " نَضَّرَ اللَّهُ امْرَءًا سَمِعَ مَقَالَتِي فَوَعَاهَا، ثُمَّ بَلَّغَهَا مَنْ لَمْ يَسْمَعْهَا، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ غَيْرِ فَقِيهٍ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ، ثَلاثٌ لا يُغِلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ مُسْلِمٍ: إِخْلاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ، وَالنَّصِيحَةُ لأَئِمَّةِ الْمُسْلِمِينَ، وَالدَّعْوَةُ لأَئِمَّتِهِمْ، فَإِنَّ الدَّعْوَةَ تُحِيطُ
সালাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই ‘ঈর’ ও ‘উহুদ’ পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকা হারাম (পবিত্র ও নিষিদ্ধ এলাকা), যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারাম করেছেন।

 

‌‌আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব

৪৬ - মূসা ইবনে জাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মাজীদ আবু খিদাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানসুর ইবনে ওয়ারদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হামজাহ আস-সুমালী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদ-এ-খাইফে আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। অতঃপর তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং তাঁর উপযুক্ত গুণগান গাইলেন, এরপর বললেন: "আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও প্রফুল্ল রাখুন, যে আমার কথা শুনল এবং তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করল, অতঃপর যে তা শোনেনি তার নিকট তা পৌঁছে দিল। কেননা অনেক ইলম বা জ্ঞানের বাহক নিজে ফকীহ (গভীর প্রজ্ঞাবান) নয়, আবার অনেক ইলমের বাহক এমন ব্যক্তির নিকট ইলম পৌঁছে দেয় যে তার চেয়ে অধিক ফকীহ। তিনটি বিষয়ে কোনো মুসলিমের অন্তর খিয়ানত (বা বিদ্বেষ পোষণ) করে না: আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমল একনিষ্ঠ করা, মুসলিমদের ইমামদের প্রতি সদুপদেশ প্রদান করা এবং তাদের দাওয়াতকে আঁকড়ে ধরা; কেননা দাওয়াত তাদের বেষ্টন করে..."
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٨)
مِنْ وَرَائِهِمْ.

مَنْ تَكُنِ الدُّنْيَا نِيَّتَهُ وَأَكْبَرَ هَمِّهِ جَعَلَ اللَّهُ فَقْرَهُ بَيْنَ عَيْنَيْهِ، وَفَرَّقَ عَلَيْهِ شَمْلَهُ، وَلَمْ يَأْتِهِ مِنَ الدُّنْيَا إِلا مَا كُتِبَ لَهُ، وَمَنْ تَكُنِ الآخِرَةُ نِيَّتَهُ وَأَكْبَرَ هَمِّهِ جَعَلَ اللَّهُ غِنَاهُ بَيْنَ عَيْنَيْهِ وَلَمْ يُفَرِّقْ عَلَيْهِ شَمْلَهُ، وَتَأْتِيهِ الدُّنْيَا وَهِيَ رَاغِمَةٌ ".

47 - قَالَ خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ: حَدَّثَنَا حُبَابُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الدَّارِمِيُّ، قَالَ: نا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حُنَيْنٍ.

مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ:
তাদের পেছন থেকে।

যে ব্যক্তির নিয়ত এবং সবচেয়ে বড় চিন্তা হবে দুনিয়া, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার দুই চোখের সামনে রেখে দেন, তার বিষয়াবলিকে এলোমেলো করে দেন এবং দুনিয়া থেকে তার নিকট কেবল সেটুকুই আসে যা তার জন্য লিখে রাখা হয়েছে। আর যার নিয়ত এবং সবচেয়ে বড় চিন্তা হবে আখেরাত, আল্লাহ তার সচ্ছলতাকে তার দুই চোখের সামনে স্থাপন করেন এবং তার বিষয়াবলিকে গুছিয়ে দেন, আর দুনিয়া তার কাছে লাঞ্ছিত হয়ে উপস্থিত হয়।

৪৭ - খলিফা ইবনে খইয়্যাত বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুবাব ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দারিমি, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম ইবনে হুনাইন।

যিনি ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস ছিলেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٤٩)
بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ، فَنَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ اسْتَيْقَظَ فَتَوَضَّأَ وَاسْتَاكَ، فَعَلَ ذَلِكَ مِنَ اللَّيْلِ مِرَارًا.

48 - وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «السِّوَاكُ يُطَيِّبُ الْفَمَ، وَيُرْضِي الرَّبَّ» .

49 - حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ الأَسْفَاطِيُّ، ثنا شَبَابٌ الْعُصْفُورِيُّ،
আমি আমার খালা মায়মুনার নিকট রাত অতিবাহিত করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমালেন, তারপর জাগ্রত হলেন, অতঃপর ওযু করলেন ও মেসওয়াক করলেন। তিনি রাতে কয়েকবার এরূপ করলেন।

৪৮ - ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: "মেসওয়াক মুখকে পবিত্র করে এবং রবের সন্তুষ্টি বিধান করে।"

৪৯ - আব্বাস ইবনুল ফযল আল-আসফাতি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শাবাব আল-উসফুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٥٠)
ثنا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، ثنا صَالِحٌ الْمُرِّيُّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ يَنْفَعُ الدَّوَاءُ مِنَ الْقَدَرِ؟ قَالَ: «الدَّوَاءُ مِنَ الْقَدَرِ وَقَدْ يَنْفَعُ بِإِذْنِ اللَّهِ» .

 

‌‌عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ

50 - حَدَّثَنَا خَلِيفَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي جَدِّي، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَيْقَظَ أَخَذَ السِّوَاكَ.
আমাদের নিকট আমর ইবন আসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি সালিহ আল-মুররি থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি যুরারাহ ইবন আওফা থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসুল! ঔষধ কি তাকদিরের মোকাবিলায় কোনো উপকারে আসে? তিনি বললেন: "ঔষধও তাকদিরের অংশ এবং আল্লাহর অনুমতিতে তা উপকারে আসতে পারে।"

 

আবদুল্লাহ ইবন উমর ইবনুল খাত্তাব

৫০ - আমাদের নিকট খলিফা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন মুসলিম আল-কুফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার দাদা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবন উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘুম থেকে উঠতেন, তখন মিসওয়াক হাতে নিতেন।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٥١)
51 - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُدَيْلٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: نَذَرْتُ أَعْتَكِفُ يَوْمًا؟ قَالَ: «اعْتَكِفْ وَصُمْ» .

حَدَّثَنِي خَلِيفَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ وقَالَ: «وَلَيْلَةً» وَلَمْ يَقُلْ: «صُمْ» .

52 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي شَبَابٌ الْعُصْفُرِيُّ، ثنا سَهْلٌ أَبُو عَتَّابٍ، ثنا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ قَيْسِ بْنِ
৫১ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমির আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে বুদাইল আমাদের বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বললেন: আমি একদিন ইতিকাফ করার মানত করেছি? তিনি বললেন: «ইতিকাফ করো এবং রোজা রাখো»।

খলিফা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু দাউদ আমাদের আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: «এবং এক রাত» আর তিনি «রোজা রাখো» কথাটি বলেননি।

৫২ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের বর্ণনা করেছেন, শাবাব আল-উসফুরি আমাকে বর্ণনা করেছেন, সাহল আবু আত্তাব আমাদের বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবনে সুলাইমান আমাদের বর্ণনা করেছেন কাইস ইবনে... থেকে।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٥٢)
مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: عَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلا مِنْ أَصْحَابِهِ مَرِيضًا وَأَنَا مَعَهُ، فَدَخَلَ عَلَيْهِ وَهُوَ يُصَلِّي عَلَى عُودٍ، فَوَضَعَ جَبْهَتَهُ عَلَى الْعُودِ، فَأَوْمَأَ إِلَيْهِ فَطَرَحَ الْعُودَ وَأَخَذَ وِسَادَةً، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «دَعْهَا عَنْكَ إِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَسْجُدَ عَلَى الأَرْضِ، وَإِلا فَأَوْمِئْ إِيمَاءً، وَاجْعَلْ سُجُودَكَ أَخْفَضَ مِنْ رُكُوعِكَ» .

53 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ الْعُصْفُرِيُّ، ثنا زِيَادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ - يَعْنِي ابْنَ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ: رَأَيْتُ ابْنَ عُمَرَ يُزَاحِمُ عَلَى الرُّكْنَيْنِ زِحَامًا شَدِيدًا، وقَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُزَاحِمُ عَلَيْهِ، وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: «لا يَضَعُ
মুসলিম, তারিক বিন শিহাব থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর একজন অসুস্থ সাহাবীকে দেখতে গেলেন এবং আমি তাঁর সাথে ছিলাম। তিনি তাঁর নিকট প্রবেশ করে দেখলেন যে, তিনি একটি কাঠের ওপর সালাত আদায় করছেন এবং কাঠের ওপর নিজের কপাল রাখছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে ইশারা করলেন, ফলে তিনি কাঠটি সরিয়ে দিলেন এবং একটি বালিশ গ্রহণ করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: “এটি তোমার থেকে সরিয়ে দাও। যদি তুমি জমিনের ওপর সিজদাহ করতে সক্ষম হও তবে করো, অন্যথায় ইশারায় সিজদাহ করো এবং তোমার সিজদাহকে রুকুর চেয়ে নিচু করো।”

৫৩ - আবদান বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খলিফা বিন খাইয়্যাত আল-উসফুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক—অর্থাৎ ইবনে আবি সুলাইমান—আতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি উবাইদ বিন উমাইর থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে রুকনদ্বয়ের ওপর প্রচণ্ড ভিড় করতে দেখেছি এবং তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এর ওপর ভিড় করতে দেখেছি এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: “সে রাখে না...”
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٥٣)
قَدَمًا وَلا يَرْفَعُ إِلا كُتِبَ لَهُ بِهَا حَسَنَةٌ» .

 

‌‌عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ

54 - قَالَ عَيَّاشٌ: نا عَبْدُ الأَعْلَى، سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْلَى، عَنْ يَزِيدَ بْنِ مَسْرُوحٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الذَّهَبُ بِالذَّهَبِ، وَالْوَرِقُ بِالْوَرِقِ، لا فَضْلَ بَيْنَهُمَا إِلا هَا وَهَا» .
পা রাখেন না এবং তা উত্তোলন করেন না, কেবল তার বিনিময়ে তার জন্য একটি নেকি লিখে দেওয়া হয়।» .

 

‌‌আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস

৫৪ - আয়্যাশ বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আলা, তিনি শুনেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে ইয়ায়লা থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে মাসরুহ থেকে, তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «সোনার বদলে সোনা এবং রূপার বদলে রূপা; এদের মাঝে কোনো কম-বেশি নেই, তবে তা হতে হবে হাতে হাতে (নগদ) লেনদেন।» .
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٥٤)
وقَالَ خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ: نا أَبِي، سَمِعَ خَلِيفَةَ بْنَ غَالِبٍ، سَمِعَ أَبَا عُرْوَةَ، عَنْ عَمْرٍو، أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

55 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُلاثَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْعَلاءُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ حَنَانَ بْنَ خَارِجَةَ حَدَّثَهُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ ثِيَابِ الْجَنَّةِ، قَالَ: «تُشَقَّقُ عَنْهَا ثَمَرَةُ الْجَنَّةِ» .
খলীফা ইবনে খইয়্যাত বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি খলীফা ইবনে গালিব থেকে শুনেছেন, তিনি আবু উরওয়া থেকে শুনেছেন, তিনি আমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে তাঁর পিতা তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।

৫৫ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উলাসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলা ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, হানান ইবনে খারিজা তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জান্নাতের পোশাক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: “জান্নাতের ফলসমূহ বিদীর্ণ হয়ে তা (পোশাক) নির্গত হয়।”
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٥٥)
وقَالَ خَلِيفَةُ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي الْوَضَّاحِ، سَمِعَ الْعَلاءَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ حَنَانِ بْنِ خَارِجَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: مِثْلَهُ.

 

‌‌عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ

56 - قَالَ خَلِيفَةُ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ جَامِعٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي عَلْقَمَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ
খালীফা বলেন: আমাদের নিকট আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আবিল ওয়াদদাহ থেকে শুনেছেন, তিনি আলা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রাফে থেকে শুনেছেন, তিনি হানান ইবনে খারিজাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে: এর অনুরূপ।

 

‌‌আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ

৫৬ - খালীফা বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি শু’বা থেকে, তিনি জামি’ থেকে, আমি আব্দুর রহমান ইবনে আবী আলক্বামাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে...
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٥٦)
مَسْعُودٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَفَلْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْحُدَيْبِيَةِ، فَنَامَ عَنِ الصَّلاةِ، وَأُنْزِلَ عَلَيْهِ: {إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا.

الفتح: 1} .

57 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، ثنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ، ثنا الْفَضْلُ بْنُ الْعَلاءِ، ثنا الْهَجَرِيُّ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «الأَرْوَاحُ جُنُودٌ مُجَنَّدَةٌ، فَمَا تَعَارَفَ مِنَّا ائْتَلَفَ، وَمَا تَنَاكَرَ مِنْهَا اخْتَلَفَ» .
ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে হুদায়বিয়া হতে ফিরছিলাম, তখন তিনি সালাত হতে ঘুমিয়ে পড়লেন, এবং তাঁর প্রতি অবতীর্ণ হলো: {নিশ্চয় আমি আপনার জন্য এক সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি। [আল-ফাতহ: ১]}।

৫৭ - আমাদের নিকট আবদান বর্ণনা করেছেন, তিনি খালিফা ইবনে খইয়্যাত হতে, তিনি ফজল ইবনুল আলা হতে, তিনি হাজারী হতে, তিনি আবু আহওয়াস হতে, তিনি আব্দুল্লাহ হতে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন: «রূহসমূহ সুসংবদ্ধ সেনাদল সদৃশ, সুতরাং তাদের মধ্যে যাদের পরস্পর পরিচয় ঘটে তারা একাত্ম হয়, আর যাদের মধ্যে পরিচয় ঘটে না তারা ভিন্ন পথে থাকে (বিচ্ছিন্ন হয়)»।
(খণ্ড: ১) মুসনাদু খলীফা ইবনু খাইয়্যাত (পৃষ্ঠা: ٥٧)
58 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: ثنا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: ثنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ، قَالَ: ثنا يَعْقُوبُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ فَرْقَدٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لا تَكُونُ زَاهِدًا حَتَّى تَكُونَ مُتَوَاضِعًا» .

قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ: لا أَعْلَمُ أَحَدًا رَفَعَهُ مِنْ حَدِيثِ عَلْقَمَةَ إِلا فَرْقَدًا وَهُوَ السَّبَخِيُّ الْبَصْرِيُّ.

59 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا خَلِيفَةُ بْنُ خَيَّاطٍ، ثنا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ، ثنا حَفْصُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا قَيْسُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ
৫৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদান ইবনে আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খলীফা ইবনে খইয়্যাত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াকূব ইবনে ইউসুফ, ফারকাদ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি আলক্বামাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তুমি ততক্ষণ পর্যন্ত যাহিদ (সংসারবিরাগী) হতে পারবে না, যতক্ষণ না তুমি বিনয়ী হও»।

আবু নুআইম বলেন: আলক্বামাহর হাদীস থেকে ফারকাদ ব্যতীত অন্য কেউ একে মারফূ (রাসূলুল্লাহর কথা হিসেবে) বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, আর তিনি হলেন আস-সাবাকী আল-বাসরী।

৫৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খলীফা ইবনে খইয়্যাত, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে হাম্মাদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কায়স ইবনে মুসলিম, তারিক থেকে...