(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: -)
كتاب الأربعين في صفات رب العالمين القسم: كتب السنة
الكتاب: كتاب الأربعين في صفات رب العالمين
المؤلف: شمس الدين أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان بن قَايْماز الذهبي (ت 748هـ)
قدم له وحقق نصوصه وخرج أحاديثه وعلق عليه: عبد القادر بن محمد عطا صوفي
الناشر: مكتبة العلوم والحكم، المدينة المنورة
الطبعة: الأولى، 1413 هـ
عدد الصفحات: 168
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
রব্বুল আলামীনের গুণাবলি বিষয়ে চল্লিশ হাদিসের কিতাব বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: রব্বুল আলামীনের গুণাবলি বিষয়ে চল্লিশ হাদিসের কিতাব
লেখক: শামসুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন উসমান বিন কাইমায আয-যাহাবী (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি)
ভূমিকা, পাঠ্য সংশোধন, হাদিস বিশ্লেষণ ও টীকা প্রদান করেছেন: আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মাদ আতা সূফি
প্রকাশক: মাকতাবাতুল উলুম ওয়াল হিকাম, মদিনা মুনাওয়ারাহ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬৮
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ২৯)
بسم الله الرحمن الرحيم الحمد لله الحي القيوم، الواحد الأحد، الفرد الصمد، الذي لم يلد ولم يولد، ولم يكن له كفوا أحد.
و {الحمد لله الذي لم يتخذ ولدا ولم يكن له شريك في الملك ولم يكن له ولي من الذل} .
والحمد لله العلي الكبير، الذي {ليس كمثله شيء وهو السميع البصير} ، الذي باين صفاته العلي صفات المخلوقين وإن اتفقت أسماؤهما.
والحمد لله الذي لم يزل متصفا بصفاته العلي، متسميا بأسمائه الحسنى، فـ {سبحان ربك رب العزة عما يصفون} ، وسبحانه وتعال عما يقولون المشبهون والجاحدون، {ألا له الخلق والأمر تبارك الله رب العالمين} ، وصلى الله على سيدنا محمد النبي الأمي، وعلى آله وصحبه صلاة دائمة إلى يوم الدين.
أما بعد: -
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী, একক, অদ্বিতীয়, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং যাকে জন্ম দেওয়া হয়নি, এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।
এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে যাঁর কোনো শরীক নেই এবং হীনতা প্রযুক্ত তাঁর কোনো সাহায্যকারীর প্রয়োজন নেই।
এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সুউচ্চ, সুমহান; যাঁর সদৃশ কিছুই নেই এবং তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা। যাঁর উচ্চতর গুণাবলি সৃষ্টির গুণাবলি থেকে ভিন্ন, যদিও তাদের নামসমূহ অভিন্ন হয়ে থাকে।
এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সর্বদা তাঁর সুউচ্চ গুণাবলিতে গুণান্বিত এবং তাঁর সুন্দর নামসমূহে নামাঙ্কিত। সুতরাং আপনার প্রতিপালক, সম্মানের অধিকারী প্রতিপালক পবিত্র, তারা যা বর্ণনা করে তা থেকে। এবং তিনি পবিত্র ও সুউচ্চ তা থেকে যা সাদৃশ্যদানকারী ও অস্বীকারকারীরা বলে থাকে। জেনে রেখো, সৃষ্টি এবং নির্দেশ তাঁরই; বরকতময় আল্লাহ, যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক। আর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক আমাদের নেতা উম্মী নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর—অবিরাম রহমত বিচার দিবস পর্যন্ত।
অতঃপর: -
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩০)
فإني أكتب إن شاء الله تعالى في هذا الكتاب أربعين حديثا في صفات الله عز وجل وأورد فيها بعض ما نقل عن السلف من القول فيها، والله الموفق لما يحبه ويرضاه.
ولا حول ولا قوة إلا بالله
নিশ্চয়ই আমি মহান আল্লাহর ইচ্ছায় এই গ্রন্থে মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী আল্লাহর গুণাবলি সম্পর্কে চল্লিশটি হাদিস লিপিবদ্ধ করব এবং এই বিষয়ে সালাফদের পক্ষ থেকে বর্ণিত কিছু বক্তব্যও এতে উল্লেখ করব; আর আল্লাহই তাঁর পছন্দনীয় ও সন্তোষজনক কাজের তাওফিকদাতা।
আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় নেই এবং কোনো শক্তি নেই।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الحديث الأول في قوله تعالى: {قل هو الله أحد}1 - أخبرنا الشيخ أبو الفضل أحمد بن هبة الله بن أحمد بن محمد الدمشقي، عن أبي المظفر السمعاني، ثنا عبد الله الفروي، أنا عثمان بن محمد أبو عمرو المحمي، أنا أبو نعيم الأزهري، أنا أبو عوانة
মহান আল্লাহর বাণী: {বলুন, তিনি আল্লাহ, এক} সম্পর্কিত প্রথম হাদিস১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-ফাদল আহমদ ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আদ-দিমাশকি, আবু আল-মুজাফফর আস-সামআনি হতে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ আল-ফারউয়ি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনে মুহাম্মদ আবু আমর আল-মাহমি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আল-আজহারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আওয়ানা।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩২)
الحافظ، أنا أبو عبد الله ابن أخي ابن وهب، أنا عمي عبد الله بن وهب، نا عمرو بن الحارث، عن سعيد بن أبي هلال، أن أبا الرجال حدثه، عن أمه عمرة، عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث رجلا على سرية، وكان يقرأ لأصحابه في صلاتهم فيختم بـ {قل هو الله أحد} ، فلما رجعوا ذكروا ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «سلوه لأي شيء يصنع ذلك؟» ، فسألوه، فقال: لأنها صفة الرحمن عز وجل،
আল-হাফিজ বলেন, আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আখি ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার চাচা আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনুল হারিস আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু আর-রিজাল তাঁকে তাঁর মা আমরাহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একটি বিশেষ অভিযানে পাঠালেন। তিনি তাঁর সাথীদের সালাত পড়াতেন এবং 'কুল হুয়াল্লাহু আহাদ' (সুরা ইখলাস) পাঠের মাধ্যমে কিরাত শেষ করতেন। যখন তাঁরা ফিরে আসলেন, তখন তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন: "তাকে জিজ্ঞাসা করো, সে কেন এমনটি করে?" অতঃপর তাঁরা তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: "কেননা এটি দয়াময় (আর-রাহমান) মহান আল্লাহর গুণাবলি,"
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
فأنا أحب أن أقرأ بها.
فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «فأخبروه أن الله يحبه» .
أخرجاه من حديث ابن وهب.
وإثبات هذه الصفة لم يخالف فيها أحد من أهل القبلة.
তাই আমি এটি দিয়ে পাঠ করতে ভালোবাসি।
অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তাকে সংবাদ দাও যে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন»।
তাঁরা উভয়ে ইবনে ওয়াহবের হাদিস থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।
আর এই গুণটি সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে আহলে কিবলার কেউই দ্বিমত করেননি।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
الحديث الثاني في قوله تعالى: {الرحمن على العرش استوى}2 - أخبرنا أبو عبد الله محمد بن الحسين القوي بمصر، أنا محمد بن عماد، أنا عبد الله بن رفاعة، أنا أحمد بن محمد بن الحاج، أنا أحمد بن محمد الصابوني إملاء، ثنا الربيع بن
মহান আল্লাহর বাণী: {পরম করুণাময় আরশের উপর উঠেছেন} বিষয়ক দ্বিতীয় হাদিস২ - মিসরে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-কাভী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইমাদ আমাদের জানিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে রিফাআহ আমাদের জানিয়েছেন, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাজ আমাদের জানিয়েছেন, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাবুনী আমাদের শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে জানিয়েছেন, রাবী ইবনে... আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
سليمان، نا الشافعي، أنا إبراهيم بن محمد، حدثني موسى بن عبيدة، حدثني معاوية بن إسحاق بن طلحة، عن عبد الله بن عبيد بن عمير أنه، سمع أنس بن مالك يقول: " أتى جبريل بمرآة بيضاء، فقال: ما هذه؟ قال: الجمعة، وهو اليوم الذي استوى فيه ربك على العرش «.
هذا حديث غريب، رواه الشافعي في»
সুলাইমান, শাফিঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবন মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মূসা ইবন উবাইদাহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, মুআবিয়াহ ইবন ইসহাক ইবন তালহা আমাকে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন উবাইদ ইবন উমাইর থেকে যে, তিনি আনাস ইবন মালিককে বলতে শুনেছেন: "জিবরীল একটি সাদা আয়না নিয়ে আসলেন এবং বললেন: এটি কী? তিনি বললেন: এটি জুমুআ, আর এটি সেই দিন যাতে আপনার রব আরশের উপর উঠেছেন।"
এটি একটি গারীব হাদিস, শাফিঈ এটি বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
مسنده "
3 - قال إسحاق بن راهويه: سمعت بشر بن عمر يقول: سمعت غير واحد من المفسرين يقولون: {الرحمن على العرش استوى} أي: ارتفع.
وقاله أبو العالية.
4 - وقال البخاري في «صحيحه» : قال مجاهد في (استوى) : علا على العرش.
৩ - ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহি বলেন: আমি বিশর বিন উমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি একাধিক তাফসীরবিশারদকে বলতে শুনেছি, তাঁরা বলেন: {আর-রাহমান আরশের উপর উঠেছেন} অর্থাৎ: তিনি উপরে উঠেছেন।
আর আবুল আলিয়াও তা-ই বলেছেন।
৪ - আর বুখারী তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থে বলেছেন: মুজাহিদ (ইস্তাওয়া) প্রসঙ্গে বলেছেন: তিনি আরশের উপরে উঠেছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
5 - وروى الدارقطني عن إسحاق الكاذي: سمعت أبا العباس ثعلب يقول في (استوى) : علا على العرش.
6 - وقال محمد بن جرير الطبري في «التفسير» : {ثم استوى على العرش} أي: علا وارتفع.
৫ - আদ-দারাকুতনি ইসহাক আল-কাযি থেকে বর্ণনা করেছেন: আমি আবুল আব্বাস ছা‘লাবকে ‘ইস্তিওয়া’ সম্পর্কে বলতে শুনেছি: তিনি আরশের উপর উঠেছেন।
৬ - মুহাম্মাদ ইবনে জারির আত-তাবারী তাঁর ‘তাফসীর’ গ্রন্থে বলেছেন: {অতঃপর তিনি আরশের উপর উঠেছেন} অর্থাৎ: তিনি উচ্চে উঠেছেন এবং উন্নত হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
7 - وقال الإمام أبو سليمان داود بن علي الأصبهاني: كنا عند ابن الأعرابي، فأتاه رجل فقال: ما معنى قوله: {الرحمن على العرش استوى} ؟ قال: هو على عرشه كما أخبر.
فقال: يا أبا عبد الله! إنما معناه: استولى.
فقال: اسكت! لا يقال: استولى على الشيء، أو يكون له مضاد فإذا غلب أحدهما قيل: استولى.
8 - وقال ابن وهب: كنا عند مالك فدخل رجل فقال: {الرحمن على العرش} كيف استوى؟ .
فأطرق مالك،
৭ - ইমাম আবু সুলাইমান দাউদ বিন আলী আল-আসবাহানী বলেন: আমরা ইবনুল আরাবীর কাছে ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল: "রাহমান আরশের উপর উঠেছেন"—এই বাণীর অর্থ কী? তিনি বললেন: তিনি তাঁর আরশের উপর আছেন যেমনটি তিনি সংবাদ দিয়েছেন।
সে বলল: হে আবু আব্দুল্লাহ! এর অর্থ তো কেবল: কর্তৃত্ব গ্রহণ করা।
তিনি বললেন: চুপ করো! কোনো কিছুর উপর কর্তৃত্ব গ্রহণ করা তখন বলা হয় না যতক্ষণ না সেখানে কোনো প্রতিপক্ষ থাকে, অতঃপর যখন তাদের মধ্যে একজন বিজয়ী হয় তখন বলা হয়: কর্তৃত্ব গ্রহণ করেছে।
৮ - ইবনে ওয়াহাব বলেন: আমরা মালিকের কাছে ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি প্রবেশ করে জিজ্ঞাসা করল: "রাহমান আরশের উপর", তিনি কীভাবে উঠেছেন? .
অতঃপর মালিক মাথা নিচু করে রইলেন,
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
وعلاه الرحضاء، ثم رفع رأسه وقال: {الرحمن على العرش استوى} كما وصف نفسه، فلا يقال: (كيف) ، و (كيف) عنه مرفوع، وأنت صاحب بدعة، أخرجوه.
9 - وقال مثله ربيعة الرأي شيخ مالك ويروى عن أم سلمة ووهب بن منبه.
এবং তিনি ঘর্মাক্ত হলেন, এরপর তিনি মাথা তুললেন এবং বললেন: {পরম করুণাময় আরশের উপর উঠেছেন} যেমন তিনি নিজের বর্ণনা দিয়েছেন, সুতরাং (কীভাবে) বলা যাবে না, এবং (কীভাবে) তাঁর ক্ষেত্রে অপ্রযোজ্য, আর তুমি একজন বিদআতি, একে বের করে দাও।
৯ - এবং ইমাম মালিকের উস্তাদ রবীআহ আর-রায়ও অনুরূপ বলেছেন এবং এটি উম্মে সালামাহ ও ওয়াহব বিন মুনাব্বিহ থেকেও বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪০)
10 - وقال علي بن الحسن بن شقيق: قلت لابن المبارك: كيف نعرف ربنا؟ قال: على السماء السابعة عرشه، فلا يقال كما تقول الجهمية: إنه هنا في الأرض.
১০ - আলী ইবনুল হাসান ইবনে শাকীক বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে জিজ্ঞেস করলাম: আমরা আমাদের রবকে কীভাবে চিনব? তিনি বললেন: সপ্তম আকাশের উপরে তাঁর আরশ; সুতরাং জাহমিয়্যারা যেমন বলে তেমনটি বলা যাবে না যে: তিনি এখানে জমিনে আছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪১)
فقيل هذا لأحمد بن حنبل، فقال: هكذا هو عندنا.
11 - وقال عبد الرحمن مهدي: إن الجهمية أرادوا أن ينفوا أن الله كلم موسى، وأن يكون على العرش استوى، أرى أن يستتابوا، فإن تابوا وإلا ضربت أعناقهم.
12 - قال الأصمعي: قدمت امرأة جهم، فقال رجل عندها: الله على عرشه.
فقالت: محدود على محدود.
فقال الأصمعي: هي كافرة بهذه المقالة.
এটি আহমাদ ইবনে হাম্বলকে বলা হলো, তখন তিনি বললেন: আমাদের নিকট বিষয়টি এমনই।
১১ - এবং আব্দুর রহমান মাহদী বলেন: নিশ্চয়ই জাহমিয়্যারা অস্বীকার করতে চেয়েছিল যে আল্লাহ মূসার সাথে কথা বলেছেন এবং তিনি আরশের উপর উঠেছেন; আমি মনে করি তাদেরকে তাওবা করতে বলা উচিত, যদি তারা তাওবা করে তবে ভালো, অন্যথায় তাদের ঘাড় উড়িয়ে দেওয়া উচিত।
১২ - আসমায়ী বলেন: জাহমের স্ত্রী আসলো, তখন তার নিকট এক ব্যক্তি বলল: আল্লাহ তাঁর আরশের উপরে।
সে বলল: সীমাবদ্ধ বস্তু সীমাবদ্ধ বস্তুর উপর।
তখন আসমায়ী বললেন: এই উক্তির কারণে সে একজন কাফির।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪২)
13 - وقال الأوزاعي: كنا والتابعون متوافرون نقول: إن الله فوق عرشه، ونؤمن بما وردت به السنة من صفاته.
14 - وقال سعيد بن عامر الضبعي إمام أهل البصرة: اجتمع أهل الأديان مع المسلمين أن الله على العرش، وقالت الجهمية: ليس هو على شيء.
15 - وقال الشافعي في عقيدته وفي وصيته: القول في السنة التي أنا عليها، ورأيت أهل الحديث عليها: أن الله على عرشه في سمائه، يقرب من خلقه كيف شاء، وينزل إلى السماء الدنيا كيف شاء.
13 - এবং আওযাঈ বলেছেন: আমরা ও তাবেয়ীনগণ যখন পর্যাপ্ত সংখ্যায় বিদ্যমান ছিলাম, তখন বলতাম: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর আরশের উপরে আছেন, এবং সুন্নাহতে তাঁর যে সকল গুণাবলি বর্ণিত হয়েছে আমরা তাতে ঈমান রাখি।
14 - এবং বসরার অধিবাসীদের ইমাম সাঈদ ইবনে আমির আদ-দাবয়ী বলেছেন: সকল ধর্মাবলম্বীরা মুসলিমদের সাথে এ বিষয়ে একমত হয়েছে যে, আল্লাহ আরশের উপরে আছেন, আর জাহমিয়্যাহরা বলেছে: তিনি কোনো কিছুর উপরে নেই।
15 - এবং শাফিঈ তাঁর আকিদাহ ও তাঁর ওসিয়তনামায় বলেছেন: সুন্নাহর বিষয়ে বক্তব্য—যার উপরে আমি রয়েছি এবং হাদীস বিশারদদেরও যার উপরে থাকতে দেখেছি তা হলো: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর আসমানে তাঁর আরশের উপরে আছেন, তিনি তাঁর সৃষ্টির নিকটবর্তী হন যেভাবে ইচ্ছা করেন এবং তিনি দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন যেভাবে ইচ্ছা করেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
16 - وذكر بشر الحافي في عقيدته الإيمان بأن الله على عرشه استوى كما شاء، وأنه عالم بكل ما كان.
17 - وقال عثمان بن سعيد الدارمي: قد اتفقت الكلمة من المسلمين أن الله فوق عرشه فوق سماواته.
18 - قلت: وكونه تعالى فوق العرش، رواه عن النبي صلى الله عليه وسلم جبير بن مطعم، والعباس بن عبد المطلب،
১৬ - বিশর আল-হাফি তাঁর আকিদায় উল্লেখ করেছেন যে, ঈমান হলো—আল্লাহ তাঁর আরশের উপর উঠেছেন যেভাবে তিনি চেয়েছেন এবং তিনি যা কিছু হয়েছে সে সম্পর্কে অবগত।
১৭ - উসমান বিন সাঈদ আদ-দারিমি বলেছেন: মুসলমানদের মধ্যে এই মর্মে ঐকমত্য হয়েছে যে, আল্লাহ তাঁর আসমানসমূহের ঊর্ধ্বে তাঁর আরশের উপর।
১৮ - আমি বলছি: মহান আল্লাহ আরশের উপরে থাকা সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন জুবাইর বিন মুতয়িম এবং আল-আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব,
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
وأبو هريرة، وسعد بن أبي وقاص، وجابر بن عبد الله، وأنس بن مالك، وابن عباس، وقتادة بن النعمان، وعبادة بن الصامت،
এবং আবু হুরায়রা, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, জাবির বিন আব্দুল্লাহ, আনাস বিন মালিক, ইবনে আব্বাস, কাতাদাহ বিন নুমান এবং উবাদাহ বিন সামিত,
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
وابن مسعود، وجابر بن سليم، وهو مروي عن غير واحد من الصحابة والتابعين.
وفي الكتب المنزلة: مثل ما صح عن كعب الأحبار قال: في التوراة: (أنا الله فوق عبادي على عرشي، أدبر أمور عبادي) .
এবং ইবনে মাসউদ ও জাবির ইবনে সুলাইম; আর এটি একাধিক সাহাবী ও তাবিঈ থেকে বর্ণিত হয়েছে।
এবং অবতীর্ণ কিতাবসমূহে রয়েছে: যেমন কাব আল-আহবার থেকে যা বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন: তাওরাতে রয়েছে: (আমি আল্লাহ, আমার বান্দাদের উপরে আমার আরশের উপর, আমি আমার বান্দাদের বিষয়াদি পরিচালনা করি)।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
الثالث في قوله: {إليه يصعد الكلم الطيب}19 - أخبرنا أحمد بن هبة الله بن عبد المعز بن محمد الهروي، أنا تميم بن أبي سعيد الجرجاني، أنا محمد بن عبد الرحمن الكنجروذي، أنا أبو عمرو بن حمدان، أنا أبو يعلى الموصلي، ثنا
তৃতীয়টি তাঁর এই বাণী সম্পর্কে: {পবিত্র বাক্য তাঁর দিকেই আরোহণ করে}১৯ - আহমাদ ইবন হিবাতুল্লাহ ইবন আব্দুল মুইয ইবন মুহাম্মদ আল-হারাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তামীম ইবন আবি সাঈদ আল-জোরজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন আব্দুর রহমান আল-কানজারুযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর ইবন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন-
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
داود بن عمرو، نا بن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل، وملائكة بالنهار، ويجتمعون في صلاة العصر وصلاة الفجر.
ثم يعرج إليه الذين باتوا فيكم، فيسألهم وهو أعلم بهم فيقول: كيف تركتم عبادي؟ فيقولون: أتيناهم وهم يصلون، وتركناهم وهم يصلون ".
متفق على صحته.
20 - وقال تعالى: {تعرج الملائكة والروح إليه} والعروج
দাউদ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবিয যিনাদ থেকে, তিনি আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের মাঝে রাতে একদল ফেরেশতা এবং দিনে একদল ফেরেশতা পালাক্রমে আগমন করেন এবং তারা আসরের সালাত ও ফজরের সালাতে একত্রিত হন।
অতঃপর যারা তোমাদের মাঝে রাত যাপন করেছিলেন তারা তাঁর দিকে উঠে যান, তখন তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করেন—অথচ তিনি তাদের সম্পর্কে সর্বাধিক অবগত—তিনি বলেন: তোমরা আমার বান্দাদের কোন অবস্থায় রেখে এসেছ? তারা বলেন: আমরা যখন তাদের নিকট গিয়েছিলাম তখন তারা সালাত আদায় করছিলেন এবং যখন আমরা তাদের ছেড়ে এসেছি তখনও তারা সালাত আদায় করছিলেন।"
এর বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে।
২০ - এবং মহান আল্লাহ বলেন: {ফেরেশতাগণ এবং রূহ তাঁর দিকে উঠে যায়} আর উপরে উঠা বা আরোহণ হলো
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
والصعود بمعنى واحد، ومنه معراج النبي صلى الله عليه وسلم إلى ربه، وعروج ملك الموت إلى ربه لما فقأ موسى عليه السلام عينه وعروج الروح إلى السماء التي فيها الله تعالى
21 - وإخباره عليه السلام أنه لا يصعد إلى الله إلا طيب،
22 - وإخباره عن ربه أنه يقول: «أنا أغنى الشركاء عن الشرك، لا يصعد إلي من الرياء شيء» .
وكلها أخبار صحاح.
23 - ومن ذلك ما يروى عن مالك بن دينار قال: قرأت في بعض الكتب المنزلة أن الله يقول: (يا ابن آدم! خيري ينزل
এবং আরোহণ একই অর্থবোধক; এর অন্তর্ভুক্ত হলো তাঁর রবের দিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিরাজ, এবং মৃত্যুর ফেরেশতার তাঁর রবের দিকে আরোহণ যখন মূসা আলাইহিস সালাম তাঁর চোখ উপড়ে ফেলেছিলেন, এবং সেই আসমানের দিকে রূহের আরোহণ যাতে আল্লাহ তাআলা রয়েছেন।
২১ - এবং তাঁর সংবাদ প্রদান যে, আল্লাহর দিকে কেবল পবিত্র বিষয়ই আরোহণ করে।
২২ - এবং তাঁর রবের পক্ষ থেকে সংবাদ প্রদান যে তিনি বলেন: «আমি অংশীদারদের শিরক থেকে সর্বাপেক্ষা অমুখাপেক্ষী; লোকদেখানো কোনো কিছুই আমার দিকে আরোহণ করে না»।
আর এ সবই সহীহ বর্ণনা।
২৩ - আর এর অন্তর্ভুক্ত হলো যা মালিক বিন দীনার থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: আমি অবতীর্ণ কিতাবসমূহের কোনোটিতে পড়েছি যে আল্লাহ বলেন: (হে আদম সন্তান! আমার কল্যাণ অবতীর্ণ হয়
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
عليك، وشرك يصعد إلي، ولا يزال ملك كريم قد عرج منك إلي بعمل قبيح) .
وفي الباب أحاديث وأخبار كثيرة، وآثار جمة.
তোমার প্রতি, এবং তোমার মন্দ আমার দিকে আরোহণ করে, আর সর্বদা কোনো এক সম্মানিত ফেরেশতা তোমার পক্ষ থেকে আমার কাছে কোনো কদর্য আমল নিয়ে আরোহণ করে থাকে) ।
আর এই পরিচ্ছেদে অনেক হাদিস ও সংবাদ এবং প্রচুর আছার রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৫০)
الرابع في قوله: {أأمنتم من في السماء أن يخسف بكم الأرض} وفي السماء رزقكم وما توعدون {في قراءة ابن محيصن وقوله:} إني متوفيك ورافعك إلي {بل رفعه الله إليه}24 - أخبرنا أحمد بن سلام المقرئ كتابة، عن مسعود بن أبي
চতুর্থ বিষয়, মহান আল্লাহর এই বাণী প্রসঙ্গে: {তোমরা কি তাঁর থেকে নিরাপদ হয়ে গিয়েছ, যিনি আসমানে রয়েছেন, যে তিনি তোমাদেরকে নিয়ে ভূমি ধসিয়ে দেবেন না?} এবং {আসমানে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও যা তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে} {ইবনে মুহায়সিনের কিরাআত অনুযায়ী এবং আল্লাহর বাণী:} {নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মৃত্যুদান করব এবং তোমাকে আমার নিজের কাছে উঠিয়ে নেব} {বরং আল্লাহ তাকে তাঁর নিজের কাছে উঠিয়ে নিয়েছেন}২৪ - আহমাদ ইবনে সালাম আল-মুক্বরি আমাদের লিখিতভাবে সংবাদ দিয়েছেন মাসউদ ইবনে আবি... থেকে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৫১)
منصور الجمال، أنا غانم البرجي سنة ثمان وخمسمائة وأنا محضر أنا أبو نعيم الحافظ، ثنا حبيب بن الحسن، نا عمر بن حفص السدوسي، نا عاصم بن علي، ثنا ابن أبي ذئب، عن
মনসুর আল-জাম্মাল; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন গানিম আল-বুরজি পাঁচশত আট হিজরি সালে এবং আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আল-হাফিজ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবিব বিন আল-হাসান; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন হাফস আস-সাদূসী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম বিন আলী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি যিব, তিনি... থেকে।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৫২)
محمد بن عمرو بن عطاء، عن سعيد بن يسار، عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " إن الميت تحضره الملائكة، فإذا كان الرجل الصالح، قال: اخرجي أيتها النفس الطيبة كانت في الجسد الطيب ثم يعرج بها إلى السماء، فيستفتح لها، فيقال: من هذه؟ فيقال: فلان.
فيقولون: مرحبا بالنفس الطيبة، ادخلي حميدة، وأبشري بروح وريحان ورب غير غضبان.
فلا يزال يقال لها ذلك حتى ينتهى بها إلى السماء التي فيها الله تعالى.
هذا حديث صحيح على شرط (خ) (م) ، ولم يخرجاه.
মুহাম্মদ বিন আমর বিন আতা, সাঈদ বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই মৃত ব্যক্তির নিকট ফেরেশতারা উপস্থিত হয়; অতঃপর যদি সে নেককার ব্যক্তি হয়, তবে ফেরেশতারা বলে: হে পবিত্র আত্মা! তুমি বের হয়ে আসো, যা এক পবিত্র শরীরে ছিলে। এরপর তাকে আসমানে উঠিয়ে নেওয়া হয় এবং তার জন্য আসমানের দরজা খোলার অনুরোধ করা হয়। তখন জিজ্ঞেস করা হয়: ইনি কে? বলা হয়: অমুক।
তখন তারা বলে: পবিত্র আত্মাকে স্বাগতম, প্রশংসিত অবস্থায় প্রবেশ করো এবং আরাম, সুগন্ধি ও এমন রবের সুসংবাদ গ্রহণ করো যিনি রাগান্বিত নন।
তাকে অনবরত এই কথা বলা হতে থাকে যতক্ষণ না তাকে সেই আসমান পর্যন্ত নিয়ে পৌঁছানো হয় যেখানে আল্লাহ তাআলা আছেন।
এই হাদিসটি ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী সহীহ, তবে তারা এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
25 - اعلم أنه ورد أن الله على العرش، وقد تقدم الكلام في ذلك وورد أنه عز وجل في السماء و (في) ترد كثيرا بمعنى (على) ، كقوله تعالى: {فسيحوا في الأرض} أي: في الأرض {فلأصلبنكم في جذوع النخل} أي: على جذوع النخل.
فكذلك قوله: {أأمنتم من في السماء} أي: من على السماء.
وكل ما علا فهو سماء، والمراد بالسماء في ذلك بأنه العرش، إذ هو على السماوات.
وكون عز وجل في السماء متواترا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم تواترا لفظيا،
২৫ - জেনে রাখুন যে, এটি বর্ণিত হয়েছে যে আল্লাহ আরশের উপরে আছেন, এবং এ বিষয়ে আলোচনা ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। আরও বর্ণিত হয়েছে যে তিনি মহান ও পরাক্রমশালী আসমানে আছেন; আর ‘মধ্যে’ অব্যয়টি অনেক ক্ষেত্রে ‘উপরে’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা যমীনে বিচরণ করো} অর্থাৎ: যমীনের উপরে। {আমি তোমাদের অবশ্যই খেজুর গাছের কাণ্ডে শূলে চড়াবো} অর্থাৎ: খেজুর গাছের কাণ্ডের উপরে।
অনুরূপভাবে তাঁর বাণী: {তোমরা কি তাঁর থেকে নিরাপদ হয়ে গেছো যিনি আসমানে আছেন} অর্থাৎ: যিনি আসমানের উপরে আছেন।
আর যা কিছু উচ্চে অবস্থিত তাই আসমান, আর এক্ষেত্রে আসমান দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আরশ, যেহেতু তা আসমানসমূহের উপরে অবস্থিত।
আর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর আসমানে হওয়ার বিষয়টি আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) থেকে শব্দগতভাবে মুতাওয়াতির।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
فمن ذلك: 25
26 - قوله للجارية: " أين الله؟ قالت: في السماء.
قال: «أعتقها فإنها مؤمنة» رواه أبو هريرة ومعاوية بن الحكم ومحمد بن الشريد وابن عباس.
27 - ومن ذلك: قوله: «ألا تأمنوني وأنا أمين من في السماء» .
এর মধ্যে রয়েছে: ২৫
২৬ - দাসীর প্রতি তাঁর উক্তি: "আল্লাহ কোথায়? সে বলল: আকাশে।
তিনি বললেন: «তাকে মুক্ত করে দাও, কারণ সে মুমিন» এটি বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা, মুয়াবিয়া ইবনুল হাকাম, মুহাম্মদ ইবনুশ শারীদ এবং ইবনে আব্বাস।
২৭ - এবং এর মধ্য থেকে রয়েছে তাঁর বাণী: «তোমরা কি আমাকে বিশ্বস্ত মনে করো না, অথচ আমি তাঁর বিশ্বস্ত প্রতিনিধি যিনি আকাশে আছেন?» ।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
28 - وقوله: «ما من رجل يدعو امرأته إلى فراشها فتأبى عليه، إلا كان الذي في السماء ساخطا عليها حتى يرضى عليها» رواه مسلم عن أبي هريرة.
29 - وعنه: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لما ألقي إبراهيم في النار قال: اللهم إنك واحد في السماء، وأنا واحد في الأرض أعبدك ".
وإسناده حسن.
30 - وعن أبي الدرداء قال: قال صلى الله عليه وسلم: " من اشتكى منكم فليقل: ربنا الله الذي في السماء ".
أخرجه أبو داود.
২৮ - এবং তাঁর বাণী: "এমন কোনো ব্যক্তি নেই যে তার স্ত্রীকে নিজের বিছানায় ডাকে আর সে তা অস্বীকার করে, তবে আসমানে যিনি আছেন তিনি তার ওপর রাগান্বিত থাকেন, যতক্ষণ না স্বামী তার ওপর সন্তুষ্ট হয়।" আবু হুরায়রা থেকে এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
২৯ - তাঁর থেকেই বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন ইবরাহীমকে আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: হে আল্লাহ, আপনি আসমানে এক এবং আমি জমিনে একমাত্র ব্যক্তি যে আপনার ইবাদত করছে।"
এর সনদ হাসান।
৩০ - আবু দারদা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে কেউ কোনো কষ্টে ভুগলে সে যেন বলে: আমাদের রব হলেন আল্লাহ, যিনি আসমানে রয়েছেন।"
এটি আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
31 - وقوله للحصين /. . . /: «كم تعبد إلها؟» .
قال: ستة في الأرض، وواحدا في السماء.
قال: «فأيهم تعد (لرغبتك ورهتك) » قال: الذي في السماء.
أخرجه الترمذي وحسنه.
32 - وقوله: «ارحم من في الأرض يرحمك من في السماء» .
صححه الترمذي من حديث عبد الله بن عمرو.
33 - وقول الصديق الأكبر: «من كان يعبد محمدا فإنه قد مات، ومن كان يعبد الذي في السماء فإنه حي لا يموت» .
31 - এবং হুসাইনের প্রতি তাঁর বাণী: «তুমি কতজন ইলাহের ইবাদত করো?»
তিনি বললেন: ছয়জন জমিনে এবং একজন আসমানে।
তিনি বললেন: «তাহলে তোমার আশা ও ভয়ের ক্ষেত্রে তুমি কাকে গণ্য করো?» তিনি বললেন: যিনি আসমানে আছেন তাঁকে।
এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং একে হাসান বলেছেন।
32 - এবং তাঁর বাণী: «তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তবে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।»
আবদুল্লাহ ইবনে আমর বর্ণিত হাদিস থেকে তিরমিযী একে সহিহ বলেছেন।
33 - এবং সিদ্দিকে আকবরের উক্তি: «যে ব্যক্তি মুহাম্মাদের ইবাদত করত, সে জেনে রাখুক যে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। আর যে ব্যক্তি আসমানে যিনি আছেন তাঁর ইবাদত করত, তবে নিশ্চয়ই তিনি চিরঞ্জীব, যাঁর মৃত্যু নেই।»
(খণ্ড: ১)
কিতাবুল আরবাঈন ফি সিফাতি রব্বিল আলামীন
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
رواه الدارمي بإسناد صحيح.
34 - وقوله عليه السلام: «إن الله خلق سبع سماوات فاختار العليا فسكنها، وأسكن سماواته من شاء من خلقه» تفرد به محمد بن ذكوان عن عمرو بن دينار عن ابن عمر، رواه عنه غير واحد من أهل العلم.
وهو مقال الأنبياء والأمم الماضية.
35 - وعن الحسن البصري قال: سمع يونس عليه السلام تسبيح الحصى والحيتان، فجعل يسبح ويقول: سيدي في السماء
আদ-দারিমী এটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।
৩৪ - এবং তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাণী: «নিশ্চয়ই আল্লাহ সাত আসমান সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর উচ্চতরটিকে বেছে নিয়েছেন এবং সেখানে অবস্থান করেছেন, আর তাঁর আসমানসমূহে তাঁর সৃষ্টির মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা বসবাস করতে দিয়েছেন» এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন যাকওয়ান, আমর বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে; আহলে ইলমদের (বিদ্বানদের) মধ্য থেকে একাধিক ব্যক্তি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
আর এটিই হলো নবীগণ এবং বিগত উম্মতগণের বক্তব্য।
৩৫ - হাসান বসরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইউনুস আলাইহিস সালাম কঙ্কর ও মাছের তাসবীহ শুনতে পেলেন, তখন তিনি তাসবীহ পাঠ করতে শুরু করলেন এবং বললেন: আমার প্রভু আসমানে রয়েছেন।