(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: -)
جزء في مسائل عن أبي عبد الله أحمد بن حنبل القسم: الفقه الحنبلي
الكتاب: جزء في مسائل عن أبي عبد الله أحمد بن حنبل
المؤلف: أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز بن المَرْزُبان بن سابور بن شاهنشاه البغوي (ت 317هـ)
تحقيق: أبي عبد الله محمود بن محمد الحداد
الناشر: دار العاصمة، الرياض
الطبعة: الأولى، 1407 هـ
عدد الصفحات: 117
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবন হাম্বল থেকে বর্ণিত মাসআলাসমূহ সম্বলিত একটি পুস্তিকা বিভাগ: হাম্বলি ফিকহ
বই: আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবন হাম্বল থেকে বর্ণিত মাসআলাসমূহ সম্বলিত একটি পুস্তিকা
লেখক: আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল আজিজ ইবন আল-মারজুবান ইবন সাবুর ইবন শাহানশাহ আল-বাগাওয়ী (মৃত্যু: ৩১৭ হিজরি)
তাহকীক: আবু আবদুল্লাহ মাহমুদ ইবন মুহাম্মদ আল-হাদ্দাদ
প্রকাশক: দারুল আসিমাহ, রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৭ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১৭
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণপত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْحَقِّ بْنُ عَبْدِ الْخَالِقِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ، أَنْبَا أَبُو الْحُسَيْنِ الْمُبَارَكُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصَّيْرَفِيُّ إِجَازَةً، أَنْبَأَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْخَلالُ، أَنْبَأَ أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ حَيُّوَيْهِ الْخَزَّازُ ، قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ:
1 - رَأَيْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ رحمه الله ، إِذَا افْتَتَحَ الصَّلاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا أُذُنَيْهِ ، وَإِذَا رَكَعَ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ فَعَلَ ذَلِكَ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আল-হুসাইন আবদুল হক বিন আবদুল খালিক বিন আহমাদ বিন ইউসুফ, আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-হুসাইন আল-মুবারাক বিন আবদুল জাব্বার আস-সাইরাফি অনুমতিসূত্রে, আমাদের অবহিত করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-খাল্লাল, আমাদের অবহিত করেছেন আবু উমর মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন যাকারিয়া বিন হাইয়ুওয়াইহি আল-খাজ্জায, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাভি, তিনি বলেন:
১ - আমি আবু আবদুল্লাহ আহমাদ বিন হাম্বল (রাহিমাহুল্লাহ)-কে দেখেছি, যখন তিনি সালাত শুরু করতেন তখন তিনি তাঁর উভয় হাত তাঁর কান বরাবর হওয়া পর্যন্ত উত্তোলন করতেন, আর যখন তিনি রুকু করতেন এবং যখন রুকু থেকে তাঁর মাথা তুলতেন তখনও তিনি অনুরূপ করতেন।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ১৭)
2 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ ، يَقُولُ: الْوَلِيدُ بْنُ أَبِي هِشَامٍ ثِقَةُ الْحَدِيثِ جِدًّا.
3 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، وَجَدِّي ، قَالا: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ أَبِي هِشَامٍ ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ وَهُوَ قَاعِدٌ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ قَامَ قَدْرَ مَا يَقْرَأُ الإِنْسَانُ أَرْبَعِينَ آيَةً.
২ - আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: ওয়ালিদ বিন আবি হিশাম হাদিসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য।
৩ - আহমদ এবং আমার দাদা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি ওয়ালিদ বিন আবি হিশাম থেকে, তিনি আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন আমর বিন হাযম থেকে, তিনি আমরাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে কিরাত পাঠ করতেন, এরপর যখন তিনি রুকু করার ইচ্ছা করতেন, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং একজন মানুষ সাধারণত চল্লিশটি আয়াত পাঠ করতে যতটুকু সময় নেয়, সেই পরিমাণ সময় তিনি দাঁড়িয়ে কিরাত পাঠ করতেন।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ১৮)
4 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ ، يَقُولُ: أَبُو الْمُهَاجِرِ الرَّقِّيُّ اسْمُهُ سَالِمٌ وَهُوَ ثِقَةُ الْحَدِيثِ وَكَانَ رَجُلا صَالِحًا.
5 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ، ثنا عَلِيُّ بْنُ ثَابِتٍ ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الْمُهَاجِرِ الرَّقِّيُّ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ ، قَالَ: كَانَ الْمُهَاجِرُونَ إِذَا رَأَوْا رَجُلا رَاكِبًا يَمْشِي مَعَهُ الرِّجَالُ ، قَالُوا: قَاتَلَهُ اللَّهُ جَبَّارًا
4 - আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবু আল-মুহাজির আর-রাক্কি, তাঁর নাম সালিম; তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য এবং তিনি একজন নেককার ব্যক্তি ছিলেন।
5 - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন সাবিত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-মুহাজির আর-রাক্কি মায়মুন বিন মিহরান থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাজিরগণ যখন এমন কোনো ব্যক্তিকে বাহনে আরোহিত অবস্থায় দেখতেন যার সাথে অন্য লোকেরা পায়ে হেঁটে চলছে, তখন তাঁরা বলতেন: আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন, সে একজন উদ্ধত স্বৈরাচারী।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ১৯)
6 - وَسَأَلَ رَجُلٌ أَحْمَدَ وَأَنَا أَسْمَعُ: كَمْ أُصَلِّي يَوْمَ الْجُمُعَةِ؟ قَالَ: مَا شِئْتَ، إِنْ شِئْتَ صَلَّيْتَ سِتًّا وَإِنْ شِئْتَ صَلَّيْتَ أَرْبَعًا.
৬ - জনৈক ব্যক্তি আহমাদকে প্রশ্ন করলেন এবং আমি তা শুনছিলাম: জুমার দিন আমি কত (রাকাত) সালাত আদায় করব? তিনি বললেন: তোমার যা ইচ্ছা; তুমি ইচ্ছা করলে ছয় রাকাত সালাত আদায় করতে পারো এবং ইচ্ছা করলে চার রাকাত সালাত আদায় করতে পারো।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ২০)
7 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ وَأَنَا أَسْمَعُ: مَنْ صَلَّى بَعْدَ الْجُمُعَةِ أَرْبَعًا أَوْ سِتًّا أَيُسَلِّمُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ؟ ! قَالَ: أَنَا أَخْتَارُ أَنْ يُسَلِّمَ، وَإِنْ لَمْ يُسَلِّمْ لَمْ يَضُرَّهُ.
8 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ وَأَنَا أَسْمَعُ: وَأَصُومُ فِي السَّفَرِ، قَالَ: لا.
৭ - আহমাদকে জিজ্ঞেস করা হলো এবং আমি শুনছিলাম: যে ব্যক্তি জুমার পর চার বা ছয় রাকাত সালাত পড়বে, সে কি প্রতি দুই রাকাতে সালাম ফেরাবে? তিনি বললেন: আমি সালাম ফেরানোকেই পছন্দ করি, তবে যদি সে সালাম না ফেরায় তবে তা তার কোনো ক্ষতি করবে না।
৮ - আহমাদকে জিজ্ঞেস করা হলো এবং আমি শুনছিলাম: আমি কি সফরে সিয়াম পালন করব? তিনি বললেন: না।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ২১)
9 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ ، يَقُولُ: السَّائِمَةُ الَّتِي تَرْعَى، وَالسَّائِبَةُ الَّتِي تُسِيبُ وَلَيْسَ لَهَا رَعْيٌ، وَفِي السَّائِمَةِ الزَّكَاةُ.
10 - وَقَالَ: وَسَأَلَ رَجُلٌ أَحْمَدَ وَأَنَا أَسْمَعُ: بَلَغَنِي أَنَّ نَصَارَى يَكْتُبُونَ الْمَصَاحِفَ فَهَلْ يَكُونُ ذَلِكَ؟ قَالَ: نَعَمْ نَصَارَى الْحَيْرَةِ كَانُوا يَكْتُبُونَ الْمَصَاحِفَ، وَإِنَّمَا كَانُوا يَكْتُبُونَهَا لِقِلَّةِ مَنْ كَانَ يَكْتُبُهَا.
فَقَالَ رَجُلٌ: يُعْجِبُكَ ذَلِكَ؟ ! قَالَ: لا مَا يُعْجِبُنِي.
9 - এবং আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: সায়িমা হলো সেই পশু যা চরে বেড়ায়, আর সাইবা হলো যা বিচরণ করে বেড়ায় এবং যার কোনো নির্দিষ্ট চারণ নেই; আর সায়িমা পশুর ক্ষেত্রে জাকাত প্রযোজ্য।
10 - এবং তিনি বললেন: আমি শ্রবণরত অবস্থায় জনৈক ব্যক্তি আহমাদকে জিজ্ঞেস করলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে নাসারারা মাসহাফসমূহ লিখত, এটি কি হতে পারে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, হিরার নাসারারা মাসহাফসমূহ লিখত, আর তারা তা কেবল লেখকগণের স্বল্পতার কারণেই লিখত।
অতঃপর এক ব্যক্তি বললেন: আপনি কি তা পছন্দ করেন?! তিনি বললেন: না, আমি তা পছন্দ করি না।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ২৩)
11 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ ، يَقُولُ: السُّجُودُ فِي الْفَرِيضَةِ سُنَّةٌ يَعْنِي فِي صَلاةِ الْمَكْتُوبَةِ.
12 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنْ رَجُلٍ نَذَرَ أَنْ يَصُومَ شَهْرًا: أَيَصُومُهُ مُفَرَّقًا؟ قَالَ: لا، فَإِنْ قَالَ ثَلاثِينَ يَوْمًا إِنْ شَاءَ فَرَّقَ.
১১ - আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: ফরয সালাতে সিজদা (তিলাওয়াতের সিজদা) হলো সুন্নাহ; অর্থাৎ নির্ধারিত সালাতে।
১২ - আহমাদকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো এবং আমি তা শুনছিলাম, যে ব্যক্তি এক মাস রোজা রাখার মান্নত করেছে: সে কি তা বিচ্ছিন্নভাবে পালন করবে? তিনি বললেন: না। তবে সে যদি 'ত্রিশ দিন' বলে থাকে, তবে সে চাইলে তা বিচ্ছিন্নভাবে পালন করতে পারে।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ২৫)
13 - وَسَأَلَ رَجُلٌ أَحْمَدَ وَأَنَا أَسْمَعُ ، فَقَالَ: إِنِّي فِي مَوْضِعٍ أَكْرَهُهُ وَمَعِي فِيهِ أُمِّي وَأُرِيدُ التَّحْوِيلَ مِنْهُ وَلَيْسَ تُطَاوِعُنِي ، قَالَ: وَلِمَ تَكْرَهُهُ؟ .
قَالَ: هِيَ بِلادُ غَصْبٍ.
قَالَ: إِنْ كَانَ بِلادُ غَصْبٍ فَدَعْ أُمَّكَ وَاخْرُجْ مِنْهُ وَإِنْ لَمْ تُطَاوِعْكَ.
১৩ - এক ব্যক্তি আহমদকে জিজ্ঞাসা করলেন আর আমি তা শুনছিলাম। তিনি বললেন: আমি এমন এক স্থানে আছি যা আমি অপছন্দ করি এবং সেখানে আমার মা-ও আমার সাথে আছেন। আমি সেখান থেকে অন্যত্র সরে যেতে চাই কিন্তু তিনি আমার অবাধ্যতা করছেন (আমার কথা মানছেন না)। তিনি বললেন: তুমি কেন তা অপছন্দ করো?
তিনি বললেন: এটি জোরপূর্বক দখলকৃত ভূমি।
তিনি বললেন: যদি তা জোরপূর্বক দখলকৃত ভূমি হয়, তবে তোমার মাকে রেখে তুমি সেখান থেকে বেরিয়ে যাও, যদিও তিনি তোমার কথা না মানেন।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ২৬)
14 - وَسَأَلَ رَجُلٌ أَحْمَدَ ، فَقَالَ: إِنَّ لِي قَرَابَةً وَأَنَا وَصِيُّهُ وَهُوَ مُفْسِدٌ وَيُبَدِّدُ مَالَهُ أَفَأُعْطِيهِ؟ ! قَالَ: لا.
قَالَ: فَإِنَّهُ قَدْ قَدَّمَنِي غَيْرَ مَرَّةٍ إِلَى الْوَالِي وَقَدْ أَبْلَغَ إِلَيَّ؟ ! قَالَ: إِنْ لَمْ تَقْدِرْ لَهُ عَلَى حِيلَةٍ فَأَعْطِهِ.
১৪ - এক ব্যক্তি আহমাদকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: আমার এক আত্মীয় আছে এবং আমি তার অসি (অভিভাবক), অথচ সে দুশ্চরিত্র এবং নিজের সম্পদ নষ্ট করে; আমি কি তাকে (তার সম্পদ) প্রদান করব? তিনি বললেন: না।
তিনি বললেন: সে তো আমাকে একাধিকবার শাসকের নিকট সোপর্দ করেছে এবং আমার ক্ষতি সাধন করেছে? তিনি বললেন: যদি তুমি কোনো উপায় বা কৌশল অবলম্বন করতে সক্ষম না হও, তবে তাকে দিয়ে দাও।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ২৭)
15 - وَسَأَلَ رَجُلٌ أَحْمَدَ وَأَنَا أَسْمَعُ ، فَقَالَ: مَعِي دِرْهَمٌ صَحِيحٌ أُرِيدُ بِهِ فِضَّةً أَفَآخُذُ لَهُ صَرْفًا؟ ! قَالَ: لا، خُذْ وَزْنًا بِوَزْنٍ ، قَالَ فَإِنْ كَانَ مَعِي دِينَارٌ أُبَدِّلُهُ دَرَاهِمَ؟ قَالَ: انْظُرْ مَا بَلَغَ قِيمَتَهُ فَخُذْهُ.
১৫ - এক ব্যক্তি (ইমাম) আহমাদকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বললেন: "আমার কাছে একটি নিখুঁত দিরহাম আছে, আমি এর বিনিময়ে রূপা চাই। আমি কি এর বিনিময়ে মুদ্রার বিনিময় (কম-বেশি) গ্রহণ করতে পারি?" তিনি বললেন: "না, সম ওজনে গ্রহণ করো।" তিনি বললেন: "যদি আমার কাছে একটি দিনার থাকে যা আমি দিরহাম দিয়ে পরিবর্তন করতে চাই?" তিনি বললেন: "তার মূল্য যা হয় তা দেখো এবং তা গ্রহণ করো।"
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ২৮)
16 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً فَأَعْطَاهَا أَلْفَ دِرْهَمٍ فَجَاءَ أَبُوهَا ، فَقَالَ: لَيْسَ عِنْدِي مَا أُجَهِّزُهَا بِهِ إِنْ أَرَدْتَهَا بِلا جِهَازٍ فَخُذْهَا؟ ! قَالَ: إِنَّمَا يُرِيدُ الْمَرَأَةَ لَيْسَ يُرِيدُ الْجِهَازَ فَخُذْهَا بِلا جِهَازٍ.
১৬ - ইমাম আহমাদকে জিজ্ঞাসা করা হলো এবং আমি শুনছিলাম এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে এক নারীকে বিবাহ করেছে এবং তাকে এক হাজার দিরহাম প্রদান করেছে। অতঃপর তার পিতা এসে বলল: "আমার কাছে তাকে সজ্জিত করার মতো (আসবাবপত্র) কিছু নেই; তুমি যদি তাকে আসবাবপত্র ছাড়াই চাও তবে নিয়ে যাও।" তিনি (ইমাম আহমাদ) বললেন: "সে তো নারীটিকেই চায়, আসবাবপত্র চায় না; সুতরাং তাকে আসবাবপত্র ছাড়াই নিয়ে নাও।"
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ২৯)
17 - وَقَالَ أَحْمَدُ: إِذَا قَالَ الرَّجُلُ لِلْمَرْأَةِ: أَمْرُكِ بِيَدِكِ ، فَقَالَتْ: أَنَا عَلَيْكَ حَرَامٌ فَقَدْ حَرُمَتْ عَلَيْهِ.
17 - এবং আহমদ বলেছেন: যখন কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলে: তোমার বিষয় তোমার হাতে, আর স্ত্রী বলে: আমি তোমার জন্য হারাম, তবে সে তার জন্য হারাম হয়ে যাবে।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩০)
18 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ ، يَقُولُ: إِنْ تَزَوَّجَ الرَّجُلُ بِغَيْرِ إِذْنِ وَلِيِّ الْمَرْأَةِ وَقَدْ وَلَدَتْ مِنَ الرَّجُلِ أَوْلادًا أَلِلْوَلِيِّ أَنْ يُفَرِّقَ بَيْنَهُمَا، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: فَكَذَاكَ كَانَ يَقُولُ ابْنُ الْمُبَارَكِ.
১৮ - এবং আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: যদি কোনো পুরুষ মহিলার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ করে এবং সে মহিলার গর্ভে ওই পুরুষের সন্তান জন্ম নেয়, তবে অভিভাবক কি তাদের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিতে পারে? আবু আব্দুল্লাহ বললেন: ইবনুল মুবারকও এরূপই বলতেন।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩১)
19 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ عَنْ رَجُلٍ لَهُ عِنْدَ رَجُلٍ رَهْنٌ فَاحْتَاجَ الْمَرْهُونُ عِنْدَهُ إِلَى دَرَاهِمِهِ ، فَقَالَ لَهُ: بِعْ رَهْنَكَ وَأَعْطِنِي ، قَالَ: إِنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ مَا يُعْطِيهِ وَلَمْ يَبِعْ رَهْنَهُ لَهُ أَنْ يَحْبِسَهُ وَيَسْتَعْدِي عَلَيْهِ.
قَالَ أَحْمَدُ: وَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَبِيعَ الرَّهْنَ إِلا بِإِذْنِ صَاحِبِهِ.
১৯ - এবং আহমাদকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যার নিকট অন্য এক ব্যক্তির একটি বন্ধকী বস্তু রয়েছে, এমতাবস্থায় যার নিকট বন্ধক রাখা হয়েছে তার দিরহামের (অর্থের) প্রয়োজন হলো। তখন সে তাকে বলল: "তোমার বন্ধকী বস্তুটি বিক্রি করো এবং আমাকে (আমার প্রাপ্য) প্রদান করো।" তিনি বললেন: "যদি তার নিকট পরিশোধ করার মতো কিছু না থাকে এবং সে তার বন্ধকী বস্তু বিক্রি না করে, তবে তাকে আটকে রাখার এবং তার বিরুদ্ধে বিচার প্রার্থনা করার অধিকার তার (পাওনাদারের) রয়েছে।"
আহমাদ বলেন: "এবং মালিকের অনুমতি ব্যতীত বন্ধকী বস্তু বিক্রি করার অধিকার তার নেই।"
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩২)
20 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَتَيْنِ وَسُئِلَ عَنْ مُحْرِمٍ قَتَلَ صَيْدًا؟ ! قَالَ: يُكَفِّرُهَا فِي الْقُرْآنِ.
২০ - এবং আমি দুইশত আটাশ হিজরি সালে আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তাঁকে এমন এক ইহরাম পরিহিত ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে শিকার হত্যা করেছে? তিনি বললেন: সে কুরআনে বর্ণিত বিধান অনুযায়ী এর কাফফারা আদায় করবে।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
21 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ ، يَقُولُ: كُلُّ شَيْءٍ فِي الْقُرْآنِ أَوْ أَوْ فَهُوَ تَخْيِيرٌ.
২১ - এবং আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: কুরআনের যেখানেই ‘অথবা’ ‘অথবা’ রয়েছে, তা হলো (বিধান পালনের ক্ষেত্রে) ঐচ্ছিক বিষয়।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
22 - قَالَ: وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ ، يَقُولُ: قَالَ يَحْيَى: قَالَ شُعْبَةُ: لَمْ يُسْمَعِ الْحُكْمُ مِنْ مِقْسَمٍ ، يَعْنِي حَدِيثَ الْحِجَامَةِ.
22 - তিনি বলেন: আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বলেছেন: শু'বাহ বলেছেন: হাকাম মিকসাম থেকে শোনেননি, অর্থাৎ হিজামা (রক্তমোক্ষণ) সংক্রান্ত হাদীসটি।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
23 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ، وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً عَلَى عَبْدٍ فَأَعْتَقَ الرَّجُلُ الْعَبْدَ، قَالَ: لَيْسَ عِتْقُهُ بِشَيْءٍ قَدْ صَارَ الْعَبْدُ لِلْمَرْأَةِ.
২৩ - এবং আমি শুনছিলাম এমন অবস্থায় ইমাম আহমাদকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে এক দাসের বিনিময়ে এক নারীকে বিবাহ করেছে, অতঃপর ওই ব্যক্তি (স্বামী) দাসটিকে মুক্ত করে দিয়েছে। তিনি বললেন: তার এই দাস মুক্ত করা কার্যকর হবে না; কারণ দাসটি ওই নারীর মালিকানাধীন হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
24 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ وَأَنَا أَسَمْعُ عَنِ الرَّجُلِ يُوَلِّي ، يَعْنِي الرَّجُلَ الْوَلِيَّ عَلَى أُخْتِهِ وَابْنَتِهِ يَقُولُ لَهُ: إِذَا وَجَدْتَ مَنْ تَرْضَاهُ فَزَوِّجْهُ ، قَالَ: تَزْوِيجُهُ جَائِزٌ.
২৪ - এবং ইমাম আহমাদকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এমতাবস্থায় যে আমি শুনছিলাম—এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করে, অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার বোন ও কন্যার অভিভাবক, সে তাকে বলে: "যখন আপনি এমন কাউকে পাবেন যাকে আপনি পছন্দ করেন, তখন তার বিবাহ দিয়ে দিন।" তিনি (ইমাম আহমাদ) বললেন: "তার (ঐ ব্যক্তির) মাধ্যমে বিবাহ দেওয়া জায়েজ।"
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
25 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ ، يَقُولُ: أَرَى إِذَا أَوْتَرَ الرَّجُلُ أَنْ يُسَلِّمَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ.
২৫ - আমি আহমদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমার অভিমত এই যে, যখন কোনো ব্যক্তি বিতর পড়বে, তখন সে যেন দুই রাকাত শেষে সালাম ফিরিয়ে নেয়।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
26 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ رَجُلٍ أَعْطَى رَجُلا دِرْهَمًا يَشْتَرِي لَهُ بِهِ شَيْئًا فَأَخْلَطَهُ مَعَ دِرْهَمٍ لَهُ فَضَاعَا ، فَقَالَ: لَيْسَ عَلَيْهِ شَيْءٌ.
قَالَ أَحْمَدُ: وَلَوْ ضَاعَ أَحَدُهُمَا وَلا يَدْرِي أَيُّهُمَا ضَاعَ: دِرْهَمُهُ أَوْ دِرْهَمُ الرَّجُلِ يُغَرَّمُهُ.
২৬ - আমি শুনছিলাম এমতাবস্থায় আহমদকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যে ব্যক্তি অন্য একজনকে তার জন্য কিছু কেনার জন্য একটি দিরহাম প্রদান করেছিল, অতঃপর সে ব্যক্তি তা তার নিজের একটি দিরহামের সাথে মিশিয়ে ফেলল এবং উভয়টিই হারিয়ে গেল। তিনি বললেন: তার ওপর কোনো দায়বদ্ধতা নেই।
আহমদ বলেন: আর যদি সে দুটির কোনো একটি হারিয়ে যায় এবং সে না জানে যে কোনটি হারিয়েছে—তার নিজের দিরহাম নাকি ঐ ব্যক্তির দিরহাম—তবে তাকে জরিমানা দিতে হবে।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪০)
27 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ رَجُلٍ ضَاعَ هَدْيُهُ فَاشْتَرَى غَيْرَهُ ثُمَّ أَصَابَ الأَوَّلَ ، قَالَ: يَنْحَرُهُمَا جَمِيعًا.
২৭ - ইমাম আহমাদকে জিজ্ঞাসা করা হলো—এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম—এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যার হাদির পশু হারিয়ে গিয়েছিল, এরপর সে অন্য একটি ক্রয় করল, অতঃপর সে প্রথমটিও ফিরে পেল। তিনি বললেন: সে উভয়টিই নহর করবে।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪১)
28 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ يَقُولُ فِي قَوْلِهِ: {وَالْهَدْيَ مَعْكُوفًا أَنْ يَبْلُغَ مَحِلَّهُ.
الفتح: 25} قَالَ: حَتَّى يَبْلُغَ الْحَرَمَ.
29 - وَسُئِلَ أَحْمَدُ، وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنْ رَجُلٍ خَرَجَ لِحَاجَةٍ وَهُوَ لا يُرِيدُ الْحَجَّ فَجَازَ ذَا الْحُلَيْفَةِ ثُمَّ أَرَادَ الْحَجَّ ، قَالَ: يَرْجِعُ إِلَى ذِي الْحُلَيْفَةِ فَيُحْرِمُ.
২৮ - এবং আমি আহমাদকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বলতে শুনেছি: {আর কুরবানীর পশুগুলোও আবদ্ধ ছিল যাতে সেগুলো তাদের নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে না পারে।
আল-ফাতহ: ২৫} তিনি বলেন: যতক্ষণ না তা হারামে পৌঁছায়।
২৯ - এবং আহমাদকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আর আমি তা শুনছিলাম, এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে কোনো প্রয়োজনে বের হয়েছে এবং সে হজ্জের ইচ্ছা করেনি, ফলে সে যুল-হুলাইফা অতিক্রম করে গেছে, অতঃপর সে হজ্জের সংকল্প করেছে। তিনি বলেন: সে যুল-হুলাইফাতে ফিরে যাবে এবং সেখান থেকে ইহরাম বাঁধবে।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
30 - قَالَ أَحْمَدُ: وَلَوْ أَنَّ نَصْرَانِيًّا أَسْلَمَ بِمَكَّةَ ثُمَّ أَرَادَ الْحَجَّ ، قَالَ: يَرْجِعُ إِلَى ذِي الْحُلَيْفَةِ فَيُحْرِمُ.
30 - আহমাদ বলেন: যদি কোনো খ্রিষ্টান মক্কায় ইসলাম গ্রহণ করে অতঃপর হজ্জ করার ইচ্ছা করে, তবে তিনি বলেন: সে যুল-হুলাইফায় ফিরে যাবে এবং সেখান থেকে ইহরাম বাঁধবে।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
31 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ ، قَالَ: قَالَ سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ: إِذَا سَافَرَ سَفَرًا يَقْصُرُ فِيهِ الصَّلاةَ نُسِخَتْ عُمْرَتُهُ.
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: أَيِ انْتَقَضَتْ عُمْرَتُهُ
৩১ - আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে বর্ণনা করেছেন: যখন কেউ এমন সফর করে যাতে সালাত কসর করতে হয়, তখন তার উমরাহ রহিত হয়ে যায়।
আবু আব্দুল্লাহ বলেন: অর্থাৎ তার উমরাহ ভঙ্গ হয়ে গেল।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
32 - سَمِعْتُ أَحْمَدَ ، يَقُولُ: ثنا يَزِيدُ بِحَدِيثٍ قثنا شُعْبَةُ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ سُلَيْمٍ ، قَالَ: وَإِنَّمَا كَانَ يَعْنِي الْحَدِيثَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ أَبِي بَلْجٍ ، قَالَ: فَقَالَ: قَدْ سَمِعْتُ الْحَدِيثَ، وَأَنَا فِيهِ شَاكٌّ مُنْذُ سَمِعْتُهُ، وَسَمِعْتُهُ بِبَغْدَادَ يَعْنِي مِنْ شُعْبَةَ.
وَكُنْتُ فِي آخِرِ النَّاسِ اجْعَلُوهُ عَنْ رَجُلٍ
৩২ - আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: ইয়াযীদ আমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আশ'আছ ইবনে সুলাইম থেকে। তিনি (আহমাদ) বলেন: মূলত তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি সুলাইম আবু বালজ থেকে বর্ণিত হাদীসটিই বুঝিয়েছেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: অতঃপর তিনি (শু'বাহ) বললেন: আমি হাদীসটি শুনেছি এবং এটি শোনার পর থেকেই আমি এ বিষয়ে সন্দিহান। আমি এটি বাগদাদে শুনেছি অর্থাৎ শু'বাহর নিকট থেকে।
আর আমি ছিলাম উপস্থিত লোকদের মধ্যে সবার শেষে; তোমরা একে একজন ব্যক্তি হতে বর্ণিত হিসেবে গণ্য করো।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
33 - وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ يَقُولُ: إِنَّ الدَّرَاوَرْدِيَّ يَجِيءُ بِأَحَادِيثَ مَا أَدْرِي مَا هِيَ كَأَنَّهُ أَنْكَرَهَا.
৩৩ - আমি আহমদকে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই দারাওয়ার্দী এমন কিছু হাদিস নিয়ে আসেন যা কী তা আমি জানি না; মনে হচ্ছিল যেন তিনি সেগুলো প্রত্যাখ্যান করছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
34 - وَرَأَيْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ صَلَّى بِنَا فَلَمَّا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ الْتَفَتَ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ وَقالَ: اسْتَوُوُا.
৩৪ - আর আমি আবু আবদুল্লাহকে দেখেছি, তিনি আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন; অতঃপর যখন সালাতের ইকামত দেওয়া হলো, তখন তিনি তাঁর ডানে ও বামে তাকালেন এবং বললেন: তোমরা কাতার সোজা করো।
(খণ্ড: ১)
জুযু ফি মাসায়িলা আন আবী আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
35 - وَرَأَيْتُ أَحْمَدَ إِذَا سَلَّمَ حَوَّلَ وَجْهَهُ عَنِ الْقِبْلَةِ وَقَعَدَ يُسَبِّحُ وَيَذْكُرُ اللَّهَ.
৩৫ - আমি আহমাদকে দেখেছি যে, তিনি যখন সালাম ফিরাতেন, তখন কিবলা থেকে নিজের মুখ ঘুরিয়ে নিতেন এবং বসে তাসবিহ পাঠ ও আল্লাহর যিকর করতেন।