(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
جزء ابن ثرثال - ط العلمية   (ابن ثرثال)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء ابن ثرثال (ضمن مجموع مطبوع باسم الفوائد لابن منده!)

المؤلف: أَبُو الحَسَنِ أَحْمَدُ بنُ عَبْدِ العَزِيْزِ بنِ أَحْمَدَ بنِ حَامِدِ بنِ مَحْمُوْدِ بنِ ثَرْثَالٍ التَّيْمِيُّ (ت 408هـ)

تحقيق: خلاف محمود عبد السميع

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م

عدد الصفحات: 92

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

জুযউ ইবনু থারথাল - ইলমিয়্যাহ প্রকাশনী   (ইবনু থারথাল)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: জুযউ ইবনু থারথাল (ইবনু মানদাহ-এর 'আল-ফাওয়াইদ' নামে মুদ্রিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত!)

লেখক: আবুল হাসান আহমাদ বিন আব্দুল আযীয বিন আহমাদ বিন হামিদ বিন মাহমুদ বিন থারথাল আত-তাইমি (মৃত্যু ৪০৮ হিজরি)

সম্পাদনা: খিলাফ মাহমুদ আব্দুস সামি'

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯২

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৬৮)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا مُسْنَدُ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

153 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ حَامِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ ثَرْثَالِ بْنِ مُشْرِقَةَ بْنِ غِيَاثِ بْنِ مَنِيحِ بْنِ صَخْرٍ الْبَغْدَادِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ مِنْ سَنَةِ سَبْعٍ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْقَاضِي الْمَحَامِلِيُّ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، وَمُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، وَاللَّفْظُ لِجَرِيرٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ:‌‌ لَمَّا نَزَلَتْ " {إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} [الأحزاب: 56] .

قَالَ: سَأَلْنَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الصَّلاةِ عَلَيْهِ، فَقَالَ: اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ ".

قَالَ: وَنَحْنُ نَقُولُ: وَعَلَيْنَا مَعَهُمْ "

 

154 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ، ثُمَّ خَرَجَ عَامِدًا إِلَى الصَّلاةِ، فَلا يُشَبِّكَنَّ أَصَابِعَهُ فَإِنَّهُ فِي صَلاةٍ»

 

155 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، حَدَّثَنَا مِسْعَرُ بْنُ كِدَامٍ، وَشُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে আমার প্রতিপালক! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন। কাব ইবনে উজরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এর মুসনাদ, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত।

১৫৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান ইবন আবদিল আযীয ইবন আহমদ ইবন মাহমুদ ইবন হামিদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ছারছাল ইবন মুশরিকা ইবন গিয়াছ ইবন মানীহ ইবন সাখর আল-বাগদাদী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম চারশ সাত হিজরী সনের জুমার দিনে। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন ইসমাঈল আল-কাযী আল-মাহামিলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবন মুসা আল-কাত্তান, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জারীর ও মুহাম্মদ ইবন ফুযাইল—আর শব্দাবলী জারীরের—তিনি ইয়াযীদ ইবন আবি যিয়াদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবন আবি লায়লা থেকে, তিনি কাব ইবন উজরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন নাযিল হলো " {নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ পাঠাও এবং যথাযথভাবে সালাম পেশ করো} [আল-আহযাব: ৫৬]।

তিনি বলেন: আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তাঁর ওপর দরূদ পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের বংশধরদের ওপর দরূদ বর্ষণ করুন, যেভাবে আপনি ইব্রাহীম এবং ইব্রাহীমের বংশধরদের ওপর দরূদ বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের বংশধরদের ওপর বরকত নাযিল করুন, যেভাবে আপনি ইব্রাহীম এবং ইব্রাহীমের বংশধরদের ওপর বরকত নাযিল করেছিলেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।"

তিনি বলেন: আর আমরা বলি: "এবং তাদের সাথে আমাদের ওপরও।"

 

১৫৪ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবন মুসা, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জারীর, তিনি মুহাম্মদ ইবন আজলান থেকে, তিনি সাঈদ ইবন আবি সাঈদ আল-মাকবুরী থেকে, তিনি কাব ইবন উজরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন ওযু করে এবং তার ওযু উত্তমরূপে সম্পন্ন করে, অতঃপর সালাতের উদ্দেশ্যে বের হয়, তখন সে যেন তার আঙ্গুলসমূহ একটির ভেতর অন্যটি প্রবেশ না করায় (আঙ্গুলে আঙ্গুল না জড়ায়); কেননা সে তখন সালাতের মধ্যেই থাকে।"

 

১৫৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াকী ইবনুল জাররাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মিসআর ইবন কিদাম ও শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ, তাঁরা হাকাম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবন আবি লায়লা থেকে, তিনি কাব থেকে বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৬৯)
بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ أَلا أُهْدِي لَكَ هَدِيَّةً؟ قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ عَرَفْنَا كَيْفَ السَّلامُ عَلَيْكَ، فَكَيْفَ الصَّلاةُ عَلَيْكَ؟ فَقَالَ: قُولُوا: اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ "

 

156 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مُعَقِّبَاتٌ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاةٍ، لا يَخِيبُ قَائِلُهُنَّ وَفَاعِلُهُنَّ: تَسْبِيحُ اللَّهِ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَتَحْمِيدُهُ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ مَرَّةً، وَتَكْبِيرُهُ أَرْبَعًا وَثَلاثِينَ "

 

157 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ: "‌‌ خَرَجْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَاجًّا وَلِي وَفْرَةٌ، فَقَمَّلْتُ وَأَخَذَنِي الصِّبْيَانُ، فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَفِي أَصْلِ كُلِّ شَعْرَةٍ، أَوْ بِأَعْلَاهَا قَمْلَةٌ أَوْ صَوَانِفُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ هَذَا لأَذًى أَتَجِدُ نُسُكًا؟ قُلْتُ: لا.

قَالَ: احْلِقْهُ أَوْ جُزَّهُ فَإِنْ شِئْتَ فَصُمْ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ، أَوْ أَطْعِمْ سِتَّةَ مَسَاكِينَ بَيْنَ كُلِّ مِسْكِينَيْنِ صَاعٌ مِنْ تَمْرٍ "
ইবনে উজরাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ আমি কি তোমাকে একটি উপহার দেব না? আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার প্রতি সালাম কীভাবে পেশ করতে হয় তা তো আমরা জেনেছি, কিন্তু আপনার প্রতি সালাত (দরুদ) কীভাবে পাঠ করব? তিনি বললেন: তোমরা বলো: হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইবরাহীম ও ইবরাহীমের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইবরাহীম ও ইবরাহীমের পরিবারের ওপর বরকত দান করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। "

 

১৫৬ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন আউন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি লায়লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাকাম হতে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি লায়লা হতে, তিনি কাব বিন উজরাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ প্রত্যেক সালাতের পরে পঠিতব্য এমন কিছু আমল রয়েছে, যার পাঠকারী বা পালনকারী কখনো বিফল হয় না: তেত্রিশ বার আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করা, তেত্রিশ বার তাঁর তাহমীদ পাঠ করা এবং চৌত্রিশ বার তাঁর তাকবীর পাঠ করা।"

 

১৫৭ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ বিন আবি হিন্দ আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন শা’বী হতে, তিনি কাব বিন উজরাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "‌‌ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে হজ্জ করার উদ্দেশ্যে বের হলাম এবং আমার মাথায় প্রচুর চুল ছিল। অতঃপর আমার মাথায় উকুন হলো এবং কীটপতঙ্গ আমাকে কষ্ট দিতে লাগল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এমতাবস্থায় যে, প্রতিটি চুলের গোড়ায় অথবা মাথায় উকুন বা উকুনের ডিম ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: এটি সত্যিই যন্ত্রণাদায়ক। তোমার কি কোনো কোরবানির পশু আছে? আমি বললাম: না।

তিনি বললেন: মাথা মুণ্ডন করো অথবা চুল ছেঁটে ফেলো; এরপর তুমি চাইলে তিন দিন রোজা রাখো অথবা ছয়জন মিসকীনকে খাবার খাওয়াও, প্রতি দুইজন মিসকীনের মাঝে এক সা’ পরিমাণ খেজুর প্রদান করো।"
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭০)
158 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ ابْنِ الأَصْبَهَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْقِلٍ، قَالَ: " جَلَسْتُ إِلَى كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ فِي هَذَا الْمَسْجِدِ، فَسَأَلْتُهُ عَنْ هَذِهِ الآيَةِ: ‌‌{فَمَنْ كَانَ مِنْكُمْ مَرِيضًا أَوْ بِهِ أَذًى مِنْ رَأْسِهِ فَفِدْيَةٌ مِنْ صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ} [البقرة: 196] ، قَالَ: فِيَّ نَزَلَتْ، حُمِلْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْقَمْلُ يَتَنَاثَرُ عَلَى وَجْهِي مِنَ الْجُهْدِ، فَقَالَ: «مَا كُنْتُ أَرَى الْجُهْدَ أَوِ الْوَجَعَ بَلَغَ بِكَ مَا أَرَى احْلِقْ رَأْسَكَ أَوِ اذْبَحْ شَاةً» .

قَالَ: فَنَزَلَتْ: فَعِدَّتُهُ مِنْ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ أَوْ صَدَقَةٍ ثَلاثَةَ آصُعٍ بَيْنَ سِتَّةِ مَسَاكِينَ، أَوْ نُسُكٍ، فَنَزَلَتْ فِيَّ خَاصَّةً وَلَكُمْ عَامَّةً "

 

159 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَأَبُو أُسامَةَ، وَاللَّفْظُ لأَبِي أُسامَةَ، قَالا: حَدَّثَنَا شعبة، حَدَّثَنِي الحكم، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي لَيْلَى، حَدَّثَنَا كَعْبُ بْنُ عُجْرَةَ، قَالَ: وَفَدْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحُدَيْبِيَةِ، قَالَ: وَرَأْسِي يَتَهَافَتُ قَمْلا، فَقَالَ: ‌‌«أَيُؤْذِيكَ هَوَامُّكَ؟» قُلْتُ: نَعَمْ.

قَالَ: فَأَمَرَنِي أَنْ أَحْلِقَ رَأْسِي، قَالَ: ثُمَّ دَعَانِي، فقَرَأَ عَلَيَّ هَذِهِ الآيَةَ، وَفِيَّ
نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ: {أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ} [البقرة: 196] .

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «صُمْ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ أَوْ تَصَدَّقْ بِعِذْقٍ بَيْنَ سِتَّةٍ أَوْ نَسِّكْ مَا شِئْتَ»

مِمَّا أَسْنَدَهُ رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

 

160 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا
১৫৮ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ ইবনুল আসবাহানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ বিন মা'কিল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি এই মসজিদে কা'ব বিন 'উজরাহ-এর কাছে বসলাম এবং তাকে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: ‌‌{তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ অথবা যার মাথায় কষ্টদায়ক কোনো বিষয় আছে, সে যেন সিয়াম বা সাদাকা কিংবা কুরবানীর মাধ্যমে ফিদয়া প্রদান করে} [বাকারা: ১৯৬]। তিনি বললেন: এটি আমার ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে। আমাকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে যাওয়া হলো এমতাবস্থায় যে, কষ্টের কারণে আমার মুখমণ্ডলে উকুন ঝরে পড়ছিল। তিনি বললেন: «আমি ভাবিনি যে কষ্ট বা ব্যথা তোমাকে এমন পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে যা আমি দেখছি। তুমি তোমার মাথা মুণ্ডন করো অথবা একটি বকরি যবেহ করো»।

তিনি বলেন: এরপর অবতীর্ণ হলো: তার বিনিময় হলো তিন দিন রোজা রাখা, অথবা ছয়জন মিসকীনের মধ্যে তিন সা' সাদাকা করা, অথবা একটি কুরবানী। এটি বিশেষভাবে আমার জন্য এবং সাধারণভাবে তোমাদের সকলের জন্য অবতীর্ণ হয়েছে।"

 

১৫৯ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' এবং আবু উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—আর শব্দ বিন্যাস আবু উসামাহর—তারা উভয়ে বলেন: শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাকাম আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা আমাকে বর্ণনা করেছেন, কা'ব বিন 'উজরাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হুদায়বিয়ায় আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হলাম। তিনি বলেন: আমার মাথা থেকে উকুন ঝরে পড়ছিল। তিনি বললেন: ‌‌«তোমার মাথার পোকাগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?» আমি বললাম: হ্যাঁ।

তিনি বলেন: এরপর তিনি আমাকে মাথা মুণ্ডন করার নির্দেশ দিলেন। তিনি বলেন: তারপর তিনি আমাকে ডাকলেন এবং আমার সামনে এই আয়াতটি পাঠ করলেন। আমার ব্যাপারেই এই আয়াতটি
অবতীর্ণ হয়েছে: {অথবা সাদাকা কিংবা কুরবানী} [বাকারা: ১৯৬]।

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তিন দিন রোজা রাখো অথবা ছয়জনের মাঝে এক ইদক (খেজুরের ঝুড়ি/কাঁদি) সাদাকা করো অথবা যা ইচ্ছা কুরবানী করো»

যা রাফি' বিন খাদীজ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

১৬০ - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭১)
شَيْبَانُ النَّحْوِيُّ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ: " نَهَانَا عَنْ أَمْرٍ وَكَانَ رَافِقًا بِنَا، وَطَاعَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْفَعُ لَنَا مِمَّا سِوَاهَا، كُنَّا نَشْتَرِطُ الثُّلُثَ مِمَّا تُنْبِتُ مِنَ السَّوَاقِي، فَقَالَ:‌‌ مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلْيَهَبْهَا أَوْ لِيَعْمُرْهَا "

 

161 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عِبَايَةَ بْنِ رِفَاعَةَ، عَنْ جَدِّهِ رَافِعٍ، هَكَذَا قَالَ وَكِيعٌ: " أَنَّ‌‌ جِبْرِيلَ، أَوْ مَلَكًا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: مَا تَعُدُّونَ مَنْ شَهِدَ بَدْرًا فِيكُمْ؟ قَالَ: خِيَارُنَا.

قَالَ: كَذَلِكَ هُمْ عِنْدَنَا خِيَارُ الْمَلائِكَةِ "،

 

162 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ الزُّرْقِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، نَحْوَهُ، هَكَذَا قَالَ جَرِيرٌ

 

163 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ شُرَحْبِيلَ، حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ: "‌‌ دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعِنْدَهُمْ قِدْرٌ تَفُورُ بِلَحْمٍ، فَأَعْجَبَنِي شَحْمَةٌ فَأَخَذْتُهَا فَازْدَرَتُّهَا، فَاشْتَكَيْتُ عَنْهَا سَنَةً، ثُمَّ إِنِّي ذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: إِنَّهُ كَانَ فِيهَا أَنْفُسُ سَبْعَةِ أُنَاسٍ، ثُمَّ مَسَحَ بَطْنِي فَأَلْقَيْتُهَا خَضْرَاءَ، فَوَالَّذِي بَعَثَهُ بِالْحَقِّ مَا اشْتَكَيْتُ بَطْنِي حَتَّى السَّاعَةِ "

 

164 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، قَالا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَسْفِرُوا بِالْفَجْرِ فَكُلَّمَا أَسْفَرْتُمْ كَانَ أَعْظَمَ لِلأَجْرِ أَوْ أَجْرِكُمْ»
শায়বান আন-নাহবী, আমাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি রাফে ইবনে খাদীজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের একটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন এবং তিনি আমাদের প্রতি দয়ালু ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনুগত্য আমাদের জন্য অন্য সব কিছুর চেয়ে বেশি উপকারী। আমরা নালার মাধ্যমে উৎপাদিত ফসলের এক-তৃতীয়াংশের শর্তে জমি দিতাম। তখন তিনি বললেন: ‌‌ যার জমি আছে সে যেন তা দান করে দেয় অথবা তা নিজে আবাদ করে। "

 

১৬১ - আমাদের কাছে হুসাইন বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ওয়াকী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবায়াহ ইবনে রিফআহ থেকে, তিনি তার দাদা রাফে থেকে বর্ণনা করেন—এভাবেই ওয়াকী বলেছেন—: "নিশ্চয়ই ‌‌ জিবরীল, অথবা একজন ফেরেশতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন এবং বললেন: আপনাদের মাঝে যারা বদর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন তাদেরকে আপনারা কী হিসেবে গণ্য করেন? তিনি বললেন: আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি।

তিনি (ফেরেশতা) বললেন: আমাদের কাছেও ফেরেশতাদের মধ্যে তারা (বদরীরা) সর্বোত্তম।",

 

১৬২ - আমাদের কাছে হুসাইন বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, জারীর আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুয়ায ইবনে রিফআহ ইবনে রাফে আয-যুরাকী থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; জারীর এভাবেই বলেছেন।

 

১৬৩ - আমাদের কাছে হুসাইন বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে শুরাহবীল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, লায়স ইবনে সাদ আমাদের কাছে খালিদ ইবনে ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে রিফআহ থেকে, তিনি রাফে ইবনে খাদীজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "‌‌ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে প্রবেশ করলাম, তখন তাদের নিকট গোশতসহ একটি পাতিল টগবগ করে ফুটছিল। একটি চর্বিযুক্ত টুকরো আমার পছন্দ হলো, তাই আমি তা নিলাম এবং গিলে ফেললাম। এরপর আমি এক বছর যাবৎ সেই কারণে অসুস্থতায় ভুগলাম। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এতে সাতজন মানুষের নজর (কুদৃষ্টি) লেগেছিল। তারপর তিনি আমার পেটে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং আমি তা সবুজ অবস্থায় বের করে দিলাম। অতঃপর সেই সত্তার কসম, যিনি তাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আজ পর্যন্ত আমি পেটের কোনো সমস্যায় ভুগিনি।"

 

১৬৪ - আমাদের কাছে হুসাইন বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ফাদল ইবনে দুকাইন এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেন: সুফিয়ান আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আসিম ইবনে উমর থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি মাহমুদ ইবনে লাবীদ থেকে, তিনি রাফে ইবনে খাদীজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌"তোমরা ফজরকে ফর্সা (আলোময়) করো, কেননা তোমরা ফজরকে যত বেশি ফর্সা করবে, তা সওয়াবের ক্ষেত্রে তত মহত্তর হবে অথবা তোমাদের সওয়াব তত বেশি হবে।"
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭২)
165 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي نُعْمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يَذْكُرُ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، «أنه‌‌ نَهَى عَنِ الْمُزَارَعَةِ»

 

166 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، وَاللَّفْظُ لأَبِي نُعَيْمٍ، قَالا: حَدَّثَنَا بُكَيْرُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ، أَنَّهُ " زَرَعَ أَرْضًا فَمَرَّ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَسْقِيهَا فَسَأَلَهُ‌‌ لِمَنِ الزَّرْعُ؟ قَالَ: زَرْعِي بِيَدِي وَعَمَلِي، لِي الشَّطْرُ وَلِبَنِي فُلانٍ الشَّطْرُ.

قَالَ: إِنْ أَبَيْتَ فَرُدَّ الأَرْضَ عَلَى أَهْلِهَا وَخُذْ نَفَقَتَكَ "

 

167 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ جَدَّتِهِ امْرَأَةِ رَافِعٍ، قَالَتْ: "‌‌ أُصِيبَ رَافِعٌ يَوْمَ أُحُدٍ أَوْ يَوْمَ خَيْبَرَ بِسَهْمٍ فِي ثَنْدُوتِهِ وَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، انْزِعِ السَّهْمَ؟ فَقَالَ: إِنْ شِئْتَ نَزَعْتُ السَّهْمَ وَالْقُطْبَةَ، وَإِنْ شِئْتَ نَزَعْتُ السَّهْمَ وَتَرَكْتُ الْقُطْبَةَ، وَشَهِدْتُ لَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنَّكَ شَهِيدٌ ".

فَقَالَ: رِوَايَةُ الْبُوصِيرِيِّ، قَالَ: بَلِ انْزِعِ السَّهْمَ وَاتْرُكِ الْقُطْبَةَ وَاشْهَدْ لِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنِّي شَهِيدٌ.

قَالَ: ففَعَلَ ذَلِكَ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَعَاشَ حَيَاةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ رضي الله عنهم، فَلَمَّا كَانَ زَمَنُ مُعَاوِيَةَ انْتَفَضَ بِهِ جُرْحُهُ فَهَلَكَ عِنْدَ الْعَصْرِ، فَأُتِيَ ابْنَ عُمَرَ، فَقِيلَ: إِنَّ رَافِعًا قَدْ مَاتَ وَهُمْ يُريِدُونَ أَنْ يُخْرِجُوهُ.

فَقَالَ: إِنَّ مِثْلَ رَافِعٍ لا يَخْرُجُ حَتَّى يُؤْذَنَ مَنْ حَوْلَنَا مِنَ الْفُرْسِ، قَالَ: فَحُبِسَ إِلَى الْغَدِ، فَلَمَّا
165 - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফাদল বিন দুকাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাকাম বিন আবদুর রহমান বিন আবি নু'ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে রাফে বিন খাদীজ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, «তিনি‌ বর্গা চাষ (মুজারা'আ) করতে নিষেধ করেছেন»

 

166 - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফাদল বিন দুকাইন ও উবাইদুল্লাহ বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং শব্দগুলো আবু নুআইমের—তাঁরা দুজনেই বলেন: বুকাইর বিন আমির আমাদের নিকট আবু নুআইম থেকে বর্ণনা করেছেন, রাফে বিন খাদীজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, "তিনি একটি জমিতে চাষাবাদ করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন তিনি তাতে পানি দিচ্ছিলেন। তখন তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: এই ফসল কার? তিনি বললেন: আমার নিজের হাতের পরিশ্রমে ও আমার কাজ; অর্ধেক আমার জন্য আর অমুক গোত্রের লোকদের জন্য অর্ধেক।

তিনি (নবী) বললেন: যদি তুমি (এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে) অস্বীকার করো, তবে জমিটি তার মালিকদের নিকট ফিরিয়ে দাও এবং তোমার খরচ বুঝে নাও।"

 

167 - হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন আব্দুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বিন মারযুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন আব্দুল হামীদ বিন রাফে তাঁর দাদি—যিনি রাফের স্ত্রী ছিলেন—থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "উহুদ অথবা খয়বরের দিন রাফের বুকের পাজরে একটি তীর বিদ্ধ হয়েছিল। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি তীরটি বের করবেন? তিনি বললেন: তুমি যদি চাও তবে আমি তীর এবং তার অগ্রভাগ উভয়ই বের করে দেব, আর যদি চাও তবে আমি তীরটি বের করব এবং অগ্রভাগটি (শরীরের ভেতরে) রেখে দেব, আর কিয়ামতের দিন আমি তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেব যে তুমি একজন শহীদ।"

তিনি বললেন: বুসাইরির বর্ণনায় রয়েছে, রাফে বললেন: বরং আপনি তীরটি বের করে দিন এবং অগ্রভাগটি রেখে দিন এবং কিয়ামতের দিন আমার জন্য সাক্ষ্য দিন যে আমি একজন শহীদ।

বর্ণনাকারী বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথে তাই করলেন। এরপর তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর, উমর এবং উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুমের জীবদ্দশায় বেঁচে ছিলেন। যখন মুয়াবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাসনকাল এলো, তখন তাঁর সেই ক্ষতটি পুনরায় ফেটে গেল এবং আসরের সময় তিনি ইন্তেকাল করলেন। তখন ইবনে উমরের নিকট সংবাদ দেওয়া হলো যে, রাফে ইন্তেকাল করেছেন এবং লোকেরা তাঁকে (দাফনের জন্য) বের করার ইচ্ছা করছে।

ইবনে উমর বললেন: রাফের মতো ব্যক্তিত্বকে ততক্ষণ বের করা যাবে না যতক্ষণ না আমাদের চারপাশের পারস্যবাসীদের খবর দেওয়া হয়। বর্ণনাকারী বলেন: ফলে তাঁকে পরের দিন পর্যন্ত রাখা হলো, অতঃপর যখন...
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭৩)
أُخْرِجَ بِجِنَازَتِهِ فَأَتَتْ مَوْلاةٌ لَهُ تَبْكِي عِنْدَ قَبْرِهِ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ: هَذِهِ السَّفِيهَةُ، إِنَّ الشَّيْخَ لا طَاقَةَ لَهُ أَوْ يَدِينُ بِعَذَابِ اللَّهِ "

 

168 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ رَبِيعَةَ الرَّأْيِ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ قَيْسٍ الزُّرْقِيِّ، قَالَ: «سَأَلْتُ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ» عَنْ‌‌ كَرْيِ الأَرْضِ الْبَيْضَاءِ بِالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ؟ فَقَالَ: حَلالٌ لا بَأْسَ بِهِ إِنَّمَا نُهِيَ عَنِ الإِرْمَاثِ "

 

169 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنِي إِسْرَائِيلُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ: "‌‌ مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى أَرْضِ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ، وَقَدْ عَرَفَ أَنَّهُ مُحْتَاجٌ، فَقَالَ: لِمَنْ هَذِهِ الأَرْضُ؟ فَقَالَ: لِفُلانٍ.

فَأَعْطَانِيهَا بِالأَجْرِ، فَقَالَ: لَوْ مَنَحَهَا أَخَاهُ.

فَأَتَى رَافِعٌ الأَنْصَارِيَّ، فَقَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ نَهَاكُمْ عَنْ أَمْرٍ كَانَ لَكُمْ نَافِعًا وَطَاعَةُ اللَّهِ وَرَسُولِهِ أَنْفَعُ لَكُمْ "

وَمِنْ مُسْنَدِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

 

170 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا خَلَّادُ بْنُ أَسْلَمَ، أَنْبَأَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ قُدَامَةَ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دِينَارٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّ وَفْدًا قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَسْلَمُوا، فَسَأَلُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَشْيَاءَ مِنْ أُمُورِهِمْ، فَخَرَجُوا حَتَّى إِذَا كَانُوا بِعَقَبَةِ مِنًى ذَكَرُوا شَرَابًا لَهُمْ، فَقَالُوا: نَسِينَا أَنْ نَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ شَرَابٍ لَنَا
তাঁর জানাযা বের করা হলো, তখন তাঁর এক আযাদকৃত দাসী তাঁর কবরের পাশে এসে কাঁদতে লাগল। তখন ইবনে উমর বললেন: "এই নির্বোধ মহিলাটি, নিশ্চয়ই এই বৃদ্ধের আল্লাহর আযাব সহ্য করার ক্ষমতা নেই অথবা তিনি আল্লাহর আযাবের অধীন।"

 

১৬৮ - আল-হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইউসুফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, কাবিছাহ ইবনে উকবাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, রাবিয়াহ আর-রায় থেকে, তিনি হানযালাহ ইবনে কাইস আয-যুরকী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাফি ইবনে খাদীজকে স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে খালি জমি ইজারা দেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বললেন: এটি হালাল, এতে কোনো সমস্যা নেই। কেবল নিষেধ করা হয়েছে ইরমাছ থেকে।

 

১৬৯ - আল-হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইউসুফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উবাইদুল্লাহ ইবনে মূসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইসরাঈল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম ইবনে মুহাজির থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি রাফি ইবনে খাদীজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক আনসারী ব্যক্তির জমির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তিনি লক্ষ্য করলেন যে লোকটি অভাবী। তখন তিনি বললেন: এটি কার এই জমি? তিনি বললেন: অমুক ব্যক্তির।

সে আমাকে এটি পারিশ্রমিকের (ভাড়ার) বিনিময়ে দিয়েছে। তিনি বললেন: যদি সে তার ভাইকে এটি দান করত (বিনা ভাড়ায় দিতো)!

অতঃপর রাফি সেই আনসারী ব্যক্তির নিকট আসলেন এবং বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের এমন একটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন যা তোমাদের জন্য উপকারী ছিল, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য তোমাদের জন্য অধিকতর উপকারী।"

এবং ইবনে উমরের মুসনাদ থেকে, যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত।

 

১৭০ - আল-হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, খাল্লাদ ইবনে আসলাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আন-নাদর ইবনে শুমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল মালিক ইবনে কুদামাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে দীনারকে বলতে শুনেছি, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি যে, একটি প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করলেন। তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাঁদের পার্থিব অনেক বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন। অতঃপর তাঁরা বের হয়ে গেলেন এবং যখন তাঁরা মিনার আকাবায় পৌঁছালেন, তখন তাঁদের একটি পানীয়ের কথা মনে পড়ল। তাঁরা বললেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমাদের পানীয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গিয়েছি।
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭৪)
بِبِلادِنَا لا يَصْلُحُ لَنَا غَيْرُهُ.

قَالُوا: فَرَجَعَ رَجُلٌ مِنْهُمُ انْتَهَى إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: إِنَّ أَصْحَابِي نَسُوا أَنْ يَسْأَلُوكَ عَنْ شَرَابٍ لَهُمْ بِبِلادِهِمْ لا يَصْلُحُ لَهُمْ غَيْرُهُ، وَإِنَّ أَرْضَنَا بَارِدَةٌ، وَإِنَّ أَرْضَنَا أَرْضٌ نَخْمَةٌ، وَإِنَّا قَوْمٌ نَحْرُثُ فَلا نَقْوَى عَلَى أَعْمَالِنَا إِلا بِهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَيُسْكِرُ؟ قَالُوا: نَعَمْ.

قَالَ: كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ.

قَالَ: فَاكْتَفَى الرَّجُلُ بِمَا قَالَ، فَرَجَعَ فَأَخْبَرَهُمْ بِمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالُوا: إِنَّا لا نَرَاكَ أَخْبَرْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَا يَدْخُلُ عَلَيْنَا مِنَ الْمَرْفَقِ.

قَالَ: فَرَجَعُوا بِأَجْمَعِهِمْ حَتَّى انْتَهَوْا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا نَسِينَا أَنْ نَسْأَلَكَ عَنْ شَرَابٍ لَنَا بِبِلادِنَا لا يَصْلُحُ لَنَا غَيْرُهُ، وَإِنَّ أَرْضَنَا أَرْضٌ بَارِدَةٌ، وَإِنَّ أَرْضَنَا نَخِمَةٌ.

قَالَ: مَا هُوَ؟ قَالُوا: الْمَدَرُ.

قَالَ: أَيُسْكِرُ؟ قَالُوا: نَعَمْ.

قَالَ:‌‌ كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ، إِنَّ عَلَى اللَّهِ حَتْمًا أَنْ لا يَشْرَبَهَا أَحَدٌ فِي الدُّنْيَا إِلا سَقَاهُ اللَّهُ عز وجل يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ طِينَةِ الْخَبَالِ، وَهَلْ تَدْرِي مَا طِينَةُ الْخَبَالِ؟ قَالَ: عَرَقُ أَهْلِ النَّارِ "

 

171 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم "‌‌ يُشِيرُ إِلَى الشَّرْقِ وَيَقُولُ: هَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَاهُنَا إِنَّ الْفِتْنَةَ هَاهُنَا مِنْ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ "

 

172 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ كَرَامَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم‌‌ عَنْ بَيْعِ الْوَلاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ»

 

173 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ كَرَامَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهُ بْنُ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا تَبِيعُوا التَّمْرَ حَتَّى يَبْدُوَ صَلاحُهُ»
আমাদের দেশে এটি ছাড়া আমাদের চলে না।

তারা বললেন: অতঃপর তাদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি ফিরে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছালেন এবং বললেন: আমার সঙ্গীরা তাদের দেশের একটি পানীয় সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গিয়েছিলেন যা ছাড়া তাদের চলে না। আমাদের ভূমি অত্যন্ত শীতল এবং আমাদের ভূমি রোগব্যাধিপ্রবণ। আমরা এমন এক কওম যারা চাষাবাদ করি, তাই এটি ছাড়া আমরা আমাদের কাজকর্মে শক্তি পাই না। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: তা কি নেশাগ্রস্ত করে? তারা বলল: হ্যাঁ।

তিনি বললেন: প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম।

বর্ণনাকারী বলেন: লোকটি তাঁর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হলেন এবং ফিরে গিয়ে তাদের রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা বলেছিলেন তা অবহিত করলেন। তারা বলল: আমরা মনে করি না যে তুমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আমাদের প্রয়োজনীয়তা ও অভাবের বিষয়টি (পুরোপুরি) অবহিত করেছ।

বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তারা সকলে মিলে ফিরে আসলেন এবং রাসুলুল্লাহ-এর কাছে পৌঁছালেন। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের দেশে আমাদের একটি পানীয় সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে আমরা ভুলে গিয়েছিলাম, যা ছাড়া আমাদের চলে না। আমাদের ভূমি অত্যন্ত শীতল এবং আমাদের ভূমি রোগব্যাধিপ্রবণ।

তিনি বললেন: সেটি কী? তারা বলল: আল-মাদার (মধু থেকে প্রস্তুতকৃত মদ)।

তিনি বললেন: তা কি নেশাগ্রস্ত করে? তারা বলল: হ্যাঁ।

তিনি বললেন:‌‌ প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম। আল্লাহর ওপর এটি অবধারিত যে, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে তা পান করবে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল কিয়ামতের দিন তাকে ত্বীনাতুল খাবাল পান করাবেন। আর তুমি কি জানো ত্বীনাতুল খাবাল কী? তিনি বললেন: জাহান্নামীদের ঘাম। "

 

১৭১ - আল-হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আলী ইবনে শুআইব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আন-নাদর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ওয়ারকা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেছি "‌‌তিনি পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলছেন: সাবধান! নিশ্চয়ই ফিতনা এই দিকে, নিশ্চয়ই ফিতনা এই দিকে যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়। "

 

১৭২ - আল-হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে কারামাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, খালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলাইমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে দীনার আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)‌‌ ওয়ালা (মুক্তদাসের উত্তরাধিকার সত্ত্ব) বিক্রয় করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।»

 

১৭৩ - আল-হুসাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে কারামাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, খালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলাইমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে দীনার আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«তোমরা খেজুর পরিপক্ক (ভালো হওয়া স্পষ্ট) না হওয়া পর্যন্ত তা বিক্রয় করো না।»
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭৫)
174 - وَبِهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنِ ابْتَاعَ طَعَامًا فَلا يَبِعْهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ»

 

175 - وَبِهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: "‌‌ أُتِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَهُودِيٍّ وَيَهُودِيَّةٍ قَدْ أَحْدَثَا جَمِيعًا، فَقَالَ لَهُمْ: «مَا تَجِدُونَ فِي كِتَابِكُمْ» .

فَذَكَرَ الرَّجْمَ

 

176 - وَبِهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ رَجُلٌ‌‌ يُخْدَعُ فِي الْبُيُوعِ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «» مَنْ بَايَعْتَ فَقُلْ: لا خِلابَةَ «» .

فَكَانَ إِذَا بَايَعَ يَقُولُ: لا خِلابَةَ

 

177 - وَبِهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «»‌‌ كُلُّ بَيِّعَيْنِ لا بَيْعَ بَيْنَهُمَا إِلا أَنْ يَتَفَرَّقَا إِلا بَيْعَ الْخِيَارِ «»

 

178 - وَبِهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «»‌‌ الْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنَ السُّفْلَى «»

 

179 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، أَنْبَأَنَا أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ
১৭৪ - এবং এই সনদেই তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করবে, সে যেন তা হস্তগত করার আগে পুনরায় বিক্রি না করে»

 

১৭৫ - এবং এই সনদেই ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "‌‌ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একজন ইহুদি পুরুষ ও একজন ইহুদি নারীকে আনা হলো যারা উভয়েই ব্যভিচার করেছিল। তিনি তাদের বললেন: «তোমরা তোমাদের কিতাবে কী পাও?»।

অতঃপর তিনি পাথর নিক্ষেপ (রজম) এর কথা উল্লেখ করলেন।

 

১৭৬ - এবং এই সনদেই ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি বেচাকেনায় প্রতারিত হতেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: «» যার সাথেই তুমি বেচাকেনা করবে তাকে বলবে: কোনো প্রতারণা «» নেই।

অতঃপর তিনি যখন বেচাকেনা করতেন তখন বলতেন: কোনো প্রতারণা নেই।

 

১৭৭ - এবং এই সনদেই ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «»‌‌ বেচাকেনাকারী দুই পক্ষের মধ্যে কেনাবেচা চূড়ান্ত হয় না যতক্ষণ না তারা পরস্পর পৃথক হয়, তবে খিয়ার (পছন্দের অধিকার) যুক্ত কেনাবেচা ব্যতীত «»

 

১৭৮ - এবং এই সনদেই ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «»‌‌ উঁচু হাত নিচু হাতের চেয়ে উত্তম «»

 

১৭৯ - আমাদের নিকট হুসাইন বর্ণনা করেছেন, আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উবায়দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭৬)
الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا حُسَامُ بْنُ الْمِصَكِّ، حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، " كَانَ فِي مَسِيرٍ لَهُ فَحَضَرَتِ الصَّلاةُ، فَنَزَلَ الْقَوْمُ فَطَلَبُوا بِلالا لِيُؤَذِّنَ، فَلَمْ يَجِدُوهُ فَأَذَّنَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ، فَجَاءَ بِلالٌ بَعْدَ ذَلِكَ فَأَرَادَ أَنْ يُؤَذِّنَ، فَقِيلَ لَهُ: إِنَّ الرَّجُلَ قَدْ أَذَّنَ فَلَبِثُوا هَوِيًّا، ثُمَّ أَرَادَ أَنْ يُقِيمَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: مَهْلا يَا بِلالُ، إِنَّمَا‌‌ يُقِيمُ مَنْ أَذَّنَ "

 

180 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا حُسَامُ بْنُ الْمِصَكِّ، حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «كَانَ‌‌ لا يَتَعَارَّ مِنَ اللَّيْلِ سَاعَةً إِلا أَجْرَى السِّوَاكَ عَلَى فِيهِ»

 

181 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ الْبَحْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ ابْنَ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ تَدْرُونَ مَا الشَّجَرَةُ الطَّيِّبَةُ؟ فَأَرَدْتُ أَنْ أَقُولَ هِيَ النَّخْلَةُ، فَنَظَرْتُ فَإِذَا أَنَا أَصْغَرُ الْقَوْمِ فَسَكَتُّ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: هِيَ النَّخْلَةُ "

 

182 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ صَاعِقَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَيَّاةَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَقِلُّوا التَّعَرِّيَ، فَإِنَّ مَعَكُمْ مَنْ لا يُفَارِقُكُمْ إِلا عِنْدَ الْغَائِطِ، وَإِتْيَانِ الرَّجُلِ أَهْلَهُ فَأَكْرِمُوهُمْ وَاسْتَحْيُوهُمْ»

 

183 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَحْرَمَ أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا قَيْسٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: "‌‌ اعْتَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَرْبَعَ عُمَرٍ، إِحْدَاهَا فِي رَجَبٍ، فَسَمِعْنَا حَرَكَةَ عَائِشَةَ رضي الله عنها فِي الْحُجْرَةِ، فَقَالَ لَهَا عُرْوَةُ: هَذَا ابْنُ عُمَرَ
আল-হানাফি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুসাম ইবনুল মিসাক, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আতা, ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক সফরে ছিলেন, তখন নামাজের সময় হলো। লোকেরা (কাফেলা) অবতরণ করল এবং তারা আজান দেওয়ার জন্য বিলালকে খুঁজলেন, কিন্তু তাকে পেলেন না। তখন দলের একজন লোক আজান দিলেন। এরপর বিলাল (রা.) এলেন এবং আজান দিতে চাইলেন, তখন তাকে বলা হলো: এক ব্যক্তি আজান দিয়ে ফেলেছে। তারা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেন, এরপর তিনি (বিলাল) একামত দিতে চাইলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "ধৈর্য ধরো হে বিলাল! নিশ্চয়ই যে আজান দিয়েছে সেই একামত দিবে"

 

১৮০ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুসা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ আল-হানাফি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুসাম ইবনুল মিসাক, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আতা, ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে যখনই জাগ্রত হতেন, তখনই মুখে মিসওয়াক করতেন।

 

১৮১ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস ইবনে ইয়াজিদ আল-বাহরানি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শাইবান ইবনে উইয়াইনাহ, ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা কি জানো পবিত্র গাছ কোনটি? আমি বলতে চেয়েছিলাম যে এটি খেজুর গাছ, কিন্তু আমি দেখলাম যে আমি উপস্থিতদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ, তাই আমি চুপ থাকলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: এটি হলো খেজুর গাছ।"

 

১৮২ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহিম ইবনে সা'ইকাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাকির, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাইয়্যাহ, লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা নগ্ন হওয়া পরিহার করো, কারণ তোমাদের সাথে এমন সত্ত্বা (ফেরেশতা) রয়েছেন যারা মলত্যাগ এবং স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার সময় ব্যতীত কখনো তোমাদের থেকে পৃথক হন না। সুতরাং তোমরা তাঁদের সম্মান করো এবং তাঁদের লজ্জা করো।»

 

১৮৩ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাইদ ইবনে আহরাম আবু দাউদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কাইস, মানসুর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চারবার উমরা করেছেন, যার মধ্যে একটি ছিল রজব মাসে। অতঃপর আমরা হুজরার ভেতর থেকে আয়েশা (রা.)-এর নড়াচড়ার শব্দ শুনতে পেলাম, তখন উরওয়াহ তাকে বললেন: ইনি ইবনে উমর..."
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭৭)
يَزْعُمُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم اعْتَمَرَ أَرْبَعَ عُمَرٍ، إِحْدَاهُمَا فِي رَجَبٍ.

فَقَالَتْ: يَرْحَمُ اللَّهُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَا اعْتَمَرَ مِنْ عُمْرَةٍ إِلا وَهُوَ مَعَهُ وَمَا اعْتَمَرَ فِي رَجَبٍ "

 

184 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْجَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ، وَبِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، قَالا: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، أَنَّ رَجُلا جَاءَ إِلَى ابْنِ عُمَرَ، فَقَالَ "‌‌ بِمَ أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: بِالْحَجِّ، فَانْصَرَفَ ثُمَّ جَاءَ الْعَامَ الْمُقْبِلَ، فَقَالَ: بِمَ أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: أَلَمْ تَأْتِنِي عَامَ أَوَّلٍ؟ قَالَ: بَلَى، وَلَكِنَّ أَنَسًا زَعَمَ أَنَّهُ قَرَنَ.

فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ: إِنَّ أَنَسًا كَانَ يَتَوَلَّجُ عَلَى النِّسَاءِ مُكَشَّفَاتِ الرُّءُوسِ وَإِنِّي كُنْتُ تَحْتَ نَاقَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمَسُّنِي كِفَافُهَا أَسْمَعُهُ يُلَبِّي بِالْحَجِّ "

 

185 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أُحِلَّتْ لَنَا مَيْتَتَانِ وَدَمَانِ، فَأَمَّا الْمَيْتَتَانِ فَالْحُوتُ وَالْجَرَادُ، وَأَمَّا الدَّمَانِ فَالْكَبِدُ وَالطِّحَالُ»

 

186 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنِي شُعْبَةُ، وَسَمِعْتُه أَيْضًا يُحَدِّثُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، يَقُولُ: سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ " عَنْ بَيْعِ الْخَمْرِ.

فَقَالَ: وَمَا بَلَغَكَ حَدِيثُ شُرْبِهَا وَبَيْعِهَا؟ أَوْ قَالَ: ثَمَنِهَا ".

 

187 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ: قَالَ شُعْبَةُ وَحَدَّثَنِي حَمَّادٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، فَقَالَ أَحَدُهُمَا: بَيْعُهَا.

وَقَالَ الآخَرُ قَالَ ثَمَنُهَا "

 

188 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا أَبُو حَاتِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمُؤْمِنِ
তিনি দাবি করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চারটি উমরাহ করেছেন, যার একটি ছিল রজব মাসে।

তখন তিনি (আয়েশা) বললেন: আল্লাহ আবু আব্দুর রহমানের ওপর রহম করুন, নবী যে উমরাহই করেছেন তিনি (আবু আব্দুর রহমান) তাতে তাঁর সাথে ছিলেন, আর তিনি (নবী) রজব মাসে কখনোই উমরাহ করেননি।

 

১৮৪ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আব্দুল আযীয আল-জারাবী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু হাফস ও বিশর ইবনে বকর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: সাঈদ ইবনে আব্দুল আযীয আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যায়িদ ইবনে আসলাম থেকে যে, এক ব্যক্তি ইবনে উমরের কাছে এসে বলল, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিসের ইহরাম বেঁধেছিলেন? তিনি বললেন: হজের। অতঃপর সে চলে গেল এবং পরবর্তী বছর পুনরায় এসে বলল: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিসের ইহরাম বেঁধেছিলেন? তিনি বললেন: তুমি কি প্রথম বছর আমার কাছে আসোনি? সে বলল: হ্যাঁ এসেছিলাম, তবে আনাস দাবি করেছেন যে তিনি হজে কিরান (হজ ও উমরাহ একত্রে) করেছিলেন।

তখন ইবনে উমর বললেন: আনাস নারীদের নিকট এমন অবস্থায় যাতায়াত করতেন যখন তাদের মাথা অনাবৃত থাকত, আর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উটের নিচে এমন অবস্থায় ছিলাম যে তার জিনের অংশ আমাকে স্পর্শ করছিল এবং আমি তাঁকে হজের তালবিয়াহ পাঠ করতে শুনছিলাম।”

 

১৮৫ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনে যায়িদ ইবনে আসলাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমাদের জন্য দুই প্রকারের মৃত জীব এবং দুই প্রকারের রক্ত হালাল করা হয়েছে; মৃত জীব দুটি হলো মাছ ও পঙ্গপাল, আর রক্ত দুটি হলো কলিজা ও প্লীহা।»

 

১৮৬ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ফাদল ইবনে সাহল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, এবং আমি তাকে আমর ইবনে মুররাহ থেকেও বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনে জুবাইরকে বলতে শুনেছি যে, আমি ইবনে উমরকে শরাব (মদ) বিক্রয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম।

তিনি বললেন: তোমার কাছে কি তা পান করা এবং বিক্রয় করা সম্পর্কে হাদীস পৌঁছেনি? অথবা তিনি বলেছেন: এর মূল্য সম্পর্কে।

 

১৮৭ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ফাদল ইবনে সাহল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ বলেছেন এবং হাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাদের একজন বললেন: এর বিক্রয় সম্পর্কে।

আর অন্যজন বললেন: এর মূল্য সম্পর্কে।

 

১৮৮ - হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু হাতেম মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মুমিন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭৮)
يَعْنِي ابْنَ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ، عَنْ يَزِيدَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِذَا اشْتَرَيْتَ الذَّهَبَ بِالْفِضَّةِ فَلا تُفَارِقْهُ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ لَبْسٌ»

 

189 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ قَطَنِ بْنِ وَهْبٍ بْنِ عُوَيْمِرِ بْنِ الأَجْدَعِ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ سَمِعَهُ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ ثَلاثَةٌ قَدْ حَرَّمَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِمُ الْجَنَّةُ: مُدْمِنُ الْخَمْرِ، وَالْعَاقُّ، وَالدَّيُّوثُ، وَالدَّيُّوثُ الَّذِي يُقِرُّ فِي أَهْلِهِ الْخَبَثَ "

 

190 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنِي وَكَانَ صَدُوقًا، مُثَنَّى بْنُ حَبِيبٍ الْعَطَّارُ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَسَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُمَا أَنَّهُ كَانَ عِنْدَ الْمِنْبَرِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ فَسَأَلَهُ عَنْ‌‌ صَلاةِ اللَّيْلِ، فَقَالَ: «مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيتَ أَنْ يُرْهِقَكَ أَوْ يُدْرِكَكَ الصُّبْحُ، فَارْكَعْ رَكْعَةً تُوتِرُ لَكَ مَا مَضَى»

 

191 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا حَمْدَانُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ عَبْدُ الْغَنِيِّ: يَنْبَغِي أَنْ يَكُونَ عَنِ النَّضْرِ، حَدَّثَنَا أَبُو عُقَيْلٍ الثَّقَفِيُّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ حَمْزَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَبِي. . . بَكْر: «قَوْلُ الشَّاعِرِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ‌‌ يَسْتَسْقِي فَلا يَنْزِلُ حَتَّى يَجِيشَ كُلُّ مِيزَابٍ» .

وَأَبْيَضَ يَسْتَسْقِي الْغَمَامَ بِوَجْهِهِ … ثِمَالُ الْيَتَامَى عِصْمَةٌ
لِلأَرَامِلِ

وَهُوَ قَوْلُ أَبِي طَالِبٍ

 

191م - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ السَّلامِ الْمَخْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ
অর্থাৎ ইবনে আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম, তিনি ইয়াজিদ থেকে, তিনি সিমাক থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: ‌‌«যখন তুমি রূপার বিনিময়ে সোনা ক্রয় করবে, তখন তার থেকে পৃথক হয়ো না যতক্ষণ না তোমাদের উভয়ের মাঝে লেনদেন সম্পন্ন হয়»

 

১৮৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল ইবনে سهل, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি ওয়ালিদ ইবনে কাসির থেকে, তিনি কতন ইবনে ওয়াহাব ইবনে উওয়াইমির ইবনুল আজদা' থেকে, তিনি তাঁর নিকট বর্ণনাকারীর সূত্রে সালেম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবদুল্লাহ ইবনে উমর বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌তিন ব্যক্তি এমন যাদের জন্য আল্লাহ তাআলা জান্নাত হারাম করেছেন: মদ্যপানে আসক্ত ব্যক্তি, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান এবং দাইয়ুস; আর দাইয়ুস হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে তার পরিবারে অশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দেয়।"

 

১৯০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে উমর, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—আর তিনি সত্যবাদী ছিলেন—মুসান্না ইবনে হাবিব আল-াত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ এবং সালেম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর তাঁদের উভয়ের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মিম্বরের নিকটে ছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরের উপর ছিলেন। এমতাবস্থায় মরুভূমির অধিবাসীদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি এসে তাঁকে রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: «দুই দুই রাকাত করে। অতঃপর যদি তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করো, তবে এক রাকাত পড়বে যা তোমার পূর্ববর্তী সালাতকে বিতর করে দেবে»

 

১৯১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামদান ইবনে উমর, আবদুল গনি বলেন: এটি নাদর থেকে হওয়া উচিত, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আকিল আস-সাকাফি, তিনি উমর ইবনে হামজাহ থেকে, তিনি সালেম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, আমার পিতা... বকর বলেছেন: «কবির উক্তি, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরের উপর দাঁড়িয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করতেন, অতঃপর তিনি নামতেন না যতক্ষণ না প্রতিটি নালা (বৃষ্টির পানিতে) উপচে পড়ত»।

এবং সেই শুভ্র কান্তি, যাঁর চেহারার উসিলায় মেঘের কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হয়... তিনি ইয়াতিমদের আশ্রয়স্থল এবং
বিধবাদের রক্ষক

আর এটি আবু তালিবের উক্তি

 

১৯১ম - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুস সালাম আল-মাখরামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭৯)
آدَمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ لِلْحَجَّاجِ: ‌‌«أَدْخَلْتَ السِّلاحَ حَرَمَ اللَّهِ، وَلَمْ يَكُنْ يَدْخُلُ»

 

192 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا أَبُو السَّائِبِ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ، عَنْ زَاذَانَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ ثَلاثَةٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى كُثْبَانِ الْمِسْكِ يُغْبَطُونَ: رَجُلٌ يُنَادِي فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ لِخَمْسِ صَلَوَاتٍ، وَإِمَامٌ أَمَّ قَوْمًا وَهُمْ لَهُ رَاضُونَ، وَعَبْدٌ أَحْسَنَ عِبَادَةَ رَبِّهِ عز وجل وَأَدَّى حَقَّ مَوَالِيهِ "

 

193 - حَدَّثَنَا الْمَحَامِلِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ أَبِي قُرَّةَ، حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي قَبِيلٍ، عَنْ أَبِي مَيْسَرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْعَبَّاسَ رحمه الله، يَقُولُ: " كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ لَيْلَةٍ، فَقَالَ:‌‌ انْظُرْ هَلْ تَرَى فِي السَّمَاءِ مِنْ شَيْءٍ؟ قَالَ: قُلْتُ: نَعَمْ.

قَالَ: مَا تَرَى؟ قَالَ: قُلْتُ: أَرَى
الثُّرَيَّا.

قَالَ: أَمَا إِنَّهُ يَمْلِكُ هَذِهِ الأُمَّةَ بِعَدَدِهَا مِنْ صُلْبِكَ "

 

194 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ يَعْنِي: الْحَضْرَمِيَّ، حَدَّثَنِي شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي أَبُو عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَاطِبٍ " سَأَلْتُ عَلِيًّا عليه السلام عَنْ‌‌ عُثْمَانَ رضي الله عنه، فَقَالَ: كَانَ مِنَ الَّذِينَ آمَنُوا، ثُمَّ اتَّقَوْا، ثُمَّ آمَنُوا، ثُمَّ اتَّقَوْا "

 

195 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنَّهَا قَالَتْ: " جَاءَ سَائِلٌ إِلَى بَيْتِ عَائِشَةَ رضي الله عنها، فَقَالَتْ لِجَارِيَتِهَا: أَطْعِمِيهِ.
আদম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম বিন হারব, আতা বিন সায়িব থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি হাজ্জাজকে বলতে শুনেছেন: “তুমি আল্লাহর হারামে অস্ত্র প্রবেশ করিয়েছ, অথচ তা আগে প্রবেশ করানো হতো না।”

 

192 - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুস সাইব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াকি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আবু ইয়াকজান থেকে, তিনি যাদান থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌কিয়ামতের দিন তিন ব্যক্তি কস্তুরীর টিলার উপর থাকবে, যাদের ঈর্ষা করা হবে: এমন ব্যক্তি যে প্রতিদিন ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের আযান দেয়, এবং এমন ইমাম যে কোনো সম্প্রদায়ের ইমামতি করে এবং তারা তার প্রতি সন্তুষ্ট থাকে, আর এমন দাস যে তার মহান রবের ইবাদত সুন্দরভাবে পালন করে এবং তার মনিবদের হক আদায় করে।"

 

193 - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-মাহামিলি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়েদ বিন আবু কুররাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস বিন সাদ, আবু কাবিল থেকে, তিনি আবু মায়সারাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আব্বাস (রাহিমাহুল্লাহ)-কে বলতে শুনেছি: "আমি এক রাতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ছিলাম, তিনি বললেন: ‌দেখ তো আকাশে কিছু দেখতে পাও কি? তিনি বললেন: আমি বললাম: হ্যাঁ।

তিনি বললেন: কী দেখতে পাচ্ছ? তিনি বললেন: আমি
সুরাইয়া (নক্ষত্রপুঞ্জ) দেখতে পাচ্ছি।

তিনি বললেন: জেনে রেখো, তোমার বংশধর হতে এই উম্মতের শাসনভার গ্রহণ করবে এই নক্ষত্রগুলোর সমসংখ্যক ব্যক্তি।"

 

194 - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন শুআইব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব অর্থাৎ আল-হাদরামি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শুবা, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আউন, মুহাম্মদ বিন হাতিব থেকে: "আমি আলী (আলাইহিস সালাম)-কে উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঈমান এনেছে, অতঃপর তাকওয়া অবলম্বন করেছে, পুনরায় ঈমান এনেছে, পুনরায় তাকওয়া অবলম্বন করেছে।"

 

195 - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন শাবীব, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ এবং আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন আমর থেকে, তিনি আমরাহ থেকে, তিনি আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "জনৈক ভিক্ষুক আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর ঘরে এল, তখন তিনি তার দাসীকে বললেন: তাকে আহার করাও।"
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮০)
فَذَهَبَتْ ثُمَّ رَجَعَتْ، فَقَالَتْ: مَا أَجِدُ شَيْئًا أُطْعِمُهُ.

قَالَتْ: ارْجِعِي فَابْتَاعِي لَهُ.

فَرَجَعَتْ فَوَجَدَتْ تَمْرَةً فَأَتَتْ بِهَا عَائِشَةَ، فَقَالَتْ عَائِشَةُ رضي الله عنها: أَعْطِيهِ إِيَّاهَا فَإِنَّ فِيهَا مَثَاقِيلَ ذَرٍّ إِنْ تُقُبِّلَتْ.

"

196 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَبَّاسِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي سَعْدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: ‌‌«مَا تَزَالُ الْخُصُومَةُ بَيْنَ النَّاسِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى خَاصَمَ الْجَسَدُ الرُّوحَ»

آخِرُ حَدِيثِ الْمَحَامِلِيِّ وَمِنْ حَدِيثِ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَطْحَاءَ

 

197 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ بَطْحَاءَ، مِنْ كِتَابِهِ عَلَى بَابِ دَارِهِ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ الطَّائِيُّ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، أَنَّ أَبَا الزُّبَيْرِ الْمَكِّيَّ، حَدَّثَهُ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، أَنَّ أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَهُمْ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ، قَالَ: "‌‌ كُنَّا فِي غَزْوَةٍ فَحَبَسَنَا الْمُشْرِكُونَ عَنْ صَلاةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ، فَكَثُرَ ذَاكَ عَلَيَّ، فَقُلْتُ: فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَمَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

فَلَمَّا انْصَرَفَ أَمَرَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُنَادِيًا لَهُ فَأَقَامَ لِصَلاةِ الظُّهْرِ فَصَلَّيْنَا، وَأَقَامَ لِصَلاةِ الْعَصْرِ فَصَلَّيْنَا، وَأَقَامَ لِصَلاةِ الْمَغْرِبِ فَصَلَّيْنَا، وَأَقَامَ لِصَلاةِ الْعِشَاءِ فَصَلَّيْنَا، ثُمَّ طَافَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: مَا عَلَى الأَرْضِ عِصَابَةٌ يَذْكُرُونَ اللَّهَ غَيْرُكُمْ "

 

198 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بَكِيرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُرَحْبِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»

 

199 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ
অতঃপর তিনি চলে গেলেন এবং পুনরায় ফিরে এলেন, তারপর বললেন: আমি তাকে খাওয়ানোর মতো কিছুই পাচ্ছি না।

তিনি বললেন: ফিরে যাও এবং তার জন্য কিছু ক্রয় করো।

অতঃপর তিনি ফিরে গেলেন এবং একটি খেজুর খুঁজে পেলেন, এরপর সেটি আয়েশা (রা.)-এর কাছে নিয়ে এলেন। আয়েশা (রা.) বললেন: এটি তাকে দিয়ে দাও, কারণ যদি এটি কবুল করা হয় তবে এতে অণু পরিমাণ ওজন (সওয়াব) রয়েছে।

"

১৯৬ - আল-হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সা'দ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে বিবাদ চলতেই থাকবে, এমনকি দেহও আত্মার সাথে বিবাদে লিপ্ত হবে»

আল-মাহামিলির হাদিসের শেষ অংশ এবং আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন বাথআ-এর হাদিস থেকে

 

১৯৭ - আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন বাথআ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তার পাণ্ডুলিপি থেকে তার ঘরের দরজায় বসে ৩২৬ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসে; আলী বিন হারব আত-তাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়িদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন আবি আরুবাহ থেকে, হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবুয যুবাইর আল-মাক্কি তার নিকট বর্ণনা করেছেন নাফি বিন জুবাইর থেকে, আবু উবাইদাহ বিন আবদুল্লাহ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন: "আমরা একটি যুদ্ধে ছিলাম, তখন মুশরিকরা আমাদের জোহর, আসর, মাগরিব এবং এশার সালাত থেকে আটকে রেখেছিল। এতে আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল, আমি মনে মনে বলছিলাম: আল্লাহর পথে এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে (থাকা অবস্থায় এটি হচ্ছে)।

অতঃপর যখন তিনি (যুদ্ধ থেকে) ফিরলেন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার একজন আহ্বানকারীকে নির্দেশ দিলেন। সে জোহরের সালাতের জন্য একামত দিল এবং আমরা সালাত আদায় করলাম। তারপর আসরের সালাতের জন্য একামত দিল এবং আমরা সালাত আদায় করলাম। এরপর মাগরিবের সালাতের জন্য একামত দিল এবং আমরা সালাত আদায় করলাম। তারপর এশার সালাতের জন্য একামত দিল এবং আমরা সালাত আদায় করলাম। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে ঘুরে বেড়ালেন এবং বললেন: পৃথিবীতে তোমরা ছাড়া আর কোনো দল নেই যারা আল্লাহর জিকির করছে।"

 

১৯৮ - ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন আব্দুল জাব্বার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস বিন বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ থেকে, তিনি তালহা বিন মুসাররিফ থেকে, তিনি আমর বিন শুরাহবিল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়»

 

১৯৯ - ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ আল-কায়সী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন...
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮১)
الصَّلْتِ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، " كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم‌‌ يَنَامُ، يَعْنِي: سَاجِدًا، وَكَانَ يُعْرَفُ نَوْمُهُ بِنَفْخِهِ، ثُمَّ يَقُومُ فَيَمْضِي فِي صَلاتِهِ "

 

200 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ شُعَيْبٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: "‌‌ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي غَارٍ، إِذْ نَزَلَتْ عَلَيْهِ: {وَالْمُرْسَلاتِ عُرْفًا} [المرسلات: 1] ، قَالَ: فَأَتَى لا يَلْقَاهَا مِنْ فِيهِ وَإِنَّ فَاهُ بِهَا لَرَطْبٌ، إِذْ خَرَجَتْ عَلَيْنَا حَيَّةٌ، فَقَالَ: عَلَيْكُمْ بِهَا.

فَابْتَدَرْنَاهَا لِنَقْتُلَهَا فَسَبَقَتْنَا، فَقَالَ: وُقِيَتْ شَرَّكُمْ كَمَا وُقِيتُمْ شَرَّهَا "

 

201 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَرْزُوقٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ قَادِمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ‌‌«كَانَتْ لَيْلَةُ بَدْرٍ لَيْلَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ»

 

202 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ الطَّائِيُّ، حَدَّثَنَا فُضَيْلٌ، حَدَّثَنَا بَيَانٌ، عَنْ وَبَرَةَ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لابْنِ عُمَرَ: " أَتَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَقَدْ أَهْلَلْتَ بِالْحَجِّ؟ قَالَ: وَمَا بَأْسُ ذَلِكَ؟ قَالَ: ابْنُ عَبَّاسٍ يَنْهَى عَنْ ذَلِكَ.

قَالَ: قَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ أَحْرَمَ بِالْحَجِّ وَطَافَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ "

 

203 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ حَمَّادُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا رَاحَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ»
সালত থেকে, তিনি মানসুর ইবনে আবিল আসওয়াদ থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমাতেন—অর্থাৎ সিজদারত অবস্থায়—এবং তাঁর নিঃশ্বাসের শব্দে তাঁর ঘুম বোঝা যেত। এরপর তিনি উঠতেন এবং তাঁর সালাত চালিয়ে যেতেন।"

 

২০০ - ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে আহমদ ইবনে কাসির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসিম ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে শুআইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি একটি গুহায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, এমতাবস্থায় তাঁর ওপর অবতীর্ণ হলো: {শপথ একের পর এক প্রেরিতদের} [আল-মুরসালাত: ১]। তিনি বলেন: তিনি তা পাঠ করছিলেন আর আমি তা সরাসরি তাঁর মুখ থেকে গ্রহণ করছিলাম এমতাবস্থায় যে তাঁর মুখমণ্ডল তখনো তা উচ্চারণে সিক্ত ছিল। ঠিক তখনই আমাদের সামনে একটি সাপ বের হয়ে এল। তিনি বললেন: তোমরা একে ধরো (বধ করো)।

আমরা তাকে মারার জন্য দ্রুত এগিয়ে গেলাম কিন্তু সেটি আমাদের আগেই চলে গেল। তখন তিনি বললেন: সে তোমাদের অনিষ্ট থেকে রক্ষা পেয়েছে যেমন তোমরা তার অনিষ্ট থেকে রক্ষা পেয়েছ।"

 

২০১ - ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনে মারজুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে কাদিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «বদরের রাত ছিল রমজানের উনবিংশতম রাত»

 

২০২ - ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে হারব আত-তাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফুদাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বায়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াবারাহ থেকে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ইবনে উমরকে বললেন: "আপনি কি হজের ইহরাম বাঁধা অবস্থায় বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করবেন?" তিনি বললেন: "তাতে সমস্যা কী?" লোকটি বলল: "ইবনে আব্বাস তা করতে নিষেধ করেন।"

তিনি বললেন: "আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি হজের ইহরাম বেঁধেছিলেন এবং বায়তুল্লাহ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ করেছিলেন।"

 

২০৩ - ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উবাইদুল্লাহ হাম্মাদ ইবনে হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে সাবিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনে তাহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানসুর থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন জুমার সালাতের জন্য যাবে, সে যেন গোসল করে নেয়»
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮২)
204 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ: وَلَمَّا كَانَ مِنْ أَمْرِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطِيعٍ مَا كَانَ أَتَاهُ ابْنُ عُمَرَ وَأَنَا مَعَهُ، فَلَمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ أَلْقَى لَهُ وِسَادَةً، فَقَالَ: إِنِّي لَمْ أَجِئْ لأَجْلِسَ، لَكِنْ جِئْتُ أُحَدِّثُكَ حَدِيثَيْنِ سَمِعْتُهُمَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَنْ نَكَثَ صَفْقَتَهُ فَلا حُجَّةَ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» وَ «مَنْ مَاتَ وَهُوَ مُفَارِقٌ لِلْجَمَاعَةِ فَمِيتَتُهُ مِيتَةٌ جَاهِلِيَّةٌ»

 

205 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، أَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم "‌‌ إِذَا رَأَى الْمَطَرَ قَالَ: اللَّهُمَّ صَبًّا صَبًّا "

 

206 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ حُسَيْنٍ، حَدَّثَنَا مَنْدَلٌ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا إِيمَانَ لِمَنْ لا أَمَانَةَ لَهُ، وَلا صَلاةَ لِمَنْ لا طُهْرَ لَهُ، وَلا دِينَ لِمَنْ لا صَلاةَ لَهُ، وَمَوْضِعُ الصَّلاةِ مِنَ الدِّينِ كَمَوْضِعِ الرَّأْسِ مِنَ الْجَسَدِ»
204 - ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে মুকরম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন আবদুল্লাহ ইবনে মুতি’র সেই ঘটনাটি ঘটল, তখন ইবনে উমর তাঁর নিকট আসলেন এবং আমি তাঁর সাথে ছিলাম। যখন তিনি তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন, তিনি তাঁর জন্য একটি বালিশ রাখলেন। তখন তিনি (ইবনে উমর) বললেন: আমি এখানে বসার জন্য আসিনি, বরং আমি আপনার নিকট দুটি হাদিস বর্ণনা করতে এসেছি যা আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি। তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার বায়আত (আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি) ভঙ্গ করবে, কিয়ামতের দিন তার স্বপক্ষে কোনো দলিল থাকবে না» এবং «যে ব্যক্তি জামাত থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মারা যাবে, তার মৃত্যু হবে জাহেলিয়াতের মৃত্যু»।

 

205 - ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের নিকট নাফে থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বৃষ্টি দেখতেন তখন বলতেন: হে আল্লাহ! মুষলধারে বর্ষণ করুন, মুষলধারে বর্ষণ করুন

 

206 - ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনুল হাকাম ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনে হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানদাল আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যার আমানতদারি নেই তার ইমান নেই, যার পবিত্রতা নেই তার সালাত নেই, আর যার সালাত নেই তার কোনো দ্বীন নেই; আর দ্বীনের মধ্যে সালাতের অবস্থান ঠিক শরীরের মধ্যে মাথার অবস্থানের মতো»।
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮৩)
207 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدَكَ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ: ‌‌«مَنْ صَلَّى مِنَ اللَّيْلِ فَلْيَجْعَلْ آخِرَ صَلاةٍ وِتْرًا قَبْلَ الصُّبْحِ» .

كَذَلِكَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُهُمْ

 

208 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ وَاضِحٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ شَمَّاسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ، وَعُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «كَانَ‌‌ يَجْعَلُ فَصَّ خَاتَمِهِ فِي بَاطِنِ كَفِّهِ»

 

209 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ جَعْفَرٍ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ‌‌ جِبْرِيلَ عليه السلام، إِذَا جَاءَ بِالْوَحْيِ كَانَ أَوَّلُ مَا يُلْقِي عَلَيَّ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ»

 

210 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الزِّبْرِقَانِ، أَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دِينَارٍ يُحَدِّثُ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ»

 

211 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُلَيْمَانَ الصُّغْدِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا سَيْفٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، " إِنِّي‌‌ أُخْدَعُ فِي الْبَيْعِ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَنْ بَايَعْتَ فَقُلْ: لا خِلابَةَ "
২০৭ - আমাদের কাছে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন আবদাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন ইবনে জুরাইজ বলেছেন, আমাকে নাফে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে উমর বলতেন: “যে ব্যক্তি রাতে সালাত আদায় করে, সে যেন সকাল হওয়ার আগে তার শেষ সালাতকে বিতর করে নেয়।”

অনুরূপভাবে আল্লাহর রাসুল (শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাদেরকে নির্দেশ দিতেন।

 

২০৮ - আমাদের কাছে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আলী বিন আব্বাস বিন ওয়াদিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে ইব্রাহিম বিন শামমাস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আব্দুল্লাহ বিন মুবারক বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল আজিজ বিন আবি রাওয়াদ, উবাইদুল্লাহ বিন উমর এবং উসামা বিন যাইদ থেকে, তারা নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে: আল্লাহর রাসুল (শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) “তাঁর আংটির পাথর হাতের তালুর ভেতরের দিকে রাখতেন।”

 

২০৯ - আমাদের কাছে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে হুসাইন বিন জাফর আল-কুফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে দাউদ বিন আতা বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: “নিশ্চয়ই জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) যখন ওহী নিয়ে আসতেন, তখন তিনি আমার কাছে সর্বপ্রথম যা পেশ করতেন তা হলো—বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম (পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে)।”

 

২১০ - আমাদের কাছে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বিন জাফর বিন যিবরাকান বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে রাওহ বিন উবাদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমি আব্দুল্লাহ বিন দীনারকে ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী (শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: “মাস হলো ঊনত্রিশ দিনের।”

 

২১১ - আমাদের কাছে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আইয়ুব বিন সুলায়মান আস-সুগদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে আব্দুল আজিজ বিন মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে সাইফ বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসুল (শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর কাছে এসে বলল: হে আল্লাহর রাসুল, “নিশ্চয়ই আমি কেনাবেচায় প্রতারিত হই।”

তখন আল্লাহর রাসুল (শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বললেন: “তুমি যার সাথে কেনাবেচা করবে তাকে বলবে: কোন প্রতারণা চলবে না।”
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮৪)
212 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّيَّانُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا قَيْسٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ‌‌ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُؤْمِنَ الْمُحْتَرِفَ»

 

213 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي أَبِي مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ رحمه الله حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحِ بْنِ سَلْمٍ، حَدَّثَنَا مَنْدَلٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا تَدَعُوا رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ فَإِنَّ فِيهِمَا الرَّغَائِبَ»

 

214 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَلَبِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ الْفَرَّاءُ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ " كُنَّا فِي حَلْقَةٍ وَفِيهَا عُبَيْدُ بْنُ عُمَيْرٍ فَجَاءَ رَجُلٌ فَوَقَفَ عَلَى الْقَوْمِ، فَقَالَ: أَجِيبُوا فُلانًا.

فَنَكَّسَ ابْنُ عُمَرَ رَأْسَهُ، وَنَكَّسَ ابْنُ عُمَيْرٍ رَأْسَهُ، وَرَفَعَ ابْنُ عُمَيْرٍ رَأْسَهُ، فَقَالَ: يَا ابْنَ أَخٍ، اعْفِنَا، يَا ابْنَ أَخٍ، اعْفِنَا.

فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ: قُومُوا فَلَيْسَ فِيهَا عَافِيَةٌ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ مَنْ دُعِيَ فَلَمْ يُجِبْ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ «

215 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُؤَمَّلٍ، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ» مَنْ فَضَّلَ عَلِيًّا عليه السلام عَلَى أَبِي بَكْرٍ فَقَدْ أَزْرَى عَلَى الْمُهَاجِرِينَ وَالأَنْصَارِ، وَأَخَافُ أَنْ لا يُرْفَعَ لَهُ عَمَلٌ ".

216 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَوْفَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ مُبَارَكٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُبَارَكٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، أَنَّهُ قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ: {لَقَدْ خَلَقْنَا الإِنْسَانَ فِي كَبَدٍ} [البلد: 4] ، قَالَ: يُكَابِدُ
২১২ - ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রাইয়্যান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কায়েস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ কর্মজীবী মুমিনকে ভালোবাসেন।”

 

২১৩ - ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা মুহাম্মাদ ইবনে আলী (রাহিমাহুল্লাহ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ ইবনে সালম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানদাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা ফজরের দুই রাকাত ছেড়ো না, কেননা তাতে অনেক পছন্দনীয় কল্যাণ নিহিত রয়েছে।”

 

২১৪ - ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাহমুদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হালাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালিহ আল-ফাররা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আউন থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা একটি মজলিসে ছিলাম যেখানে উবাইদ ইবনে উমাইর উপস্থিত ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি এসে লোকদের সামনে দাঁড়ালো এবং বলল: অমুক ব্যক্তির আহ্বানে সাড়া দিন।

তখন ইবনে উমর তাঁর মাথা নিচু করলেন এবং ইবনে উমাইরও তাঁর মাথা নিচু করলেন। এরপর ইবনে উমাইর তাঁর মাথা তুললেন এবং বললেন: হে ভ্রাতুষ্পুত্র, আমাদের অব্যাহতি দাও; হে ভ্রাতুষ্পুত্র, আমাদের অব্যাহতি দাও।

তখন ইবনে উমর বললেন: তোমরা উঠে দাঁড়াও, এতে কোনো অব্যাহতির সুযোগ নেই। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যাকে দাওয়াত দেওয়া হলো কিন্তু সে তাতে সাড়া দিল না, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলো।”

২১৫ - ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মুআম্মিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবিদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “যে ব্যক্তি আলীকে (আলাইহিস সালাম) আবু বকরের ওপর প্রাধান্য দিল, সে মুহাজির ও আনসারদের তুচ্ছজ্ঞান করল। আর আমি আশঙ্কা করি যে তার কোনো আমলই (আল্লাহর কাছে) উঠানো হবে না।”

২১৬ - ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নাওফাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল হামিদ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে মুবারক থেকে, তিনি আলী ইবনে মুবারক থেকে, তিনি আলী ইবনে আলী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবিল হাসান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এই আয়াতটি পাঠ করলেন: {নিশ্চয়ই আমি মানুষকে শ্রমনির্ভর (কষ্ট-ক্লেশের মাঝে) সৃষ্টি করেছি} [আল-বালাদ: ৪], তিনি বললেন: সে কঠোর পরিশ্রম করে।
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮৫)
مَضَايِقَ الدُّنْيَا وَشَدَائِدَ الآخِرَةِ " آخِرُ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ بَطْحَاءَ وَمِنْ حَدِيثِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ مَخْلَدِ بْنِ حَفْصٍ الْعَطَّارِ

 

217 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدِ بْنِ حَفْصٍ الْعَطَّارُ، إِمْلاءً سَنَةَ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِشْكَابَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: «نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ‌‌ يَتَزَعْفَرَ الرَّجُلُ»

 

218 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانِ بْنِ فَيْرُوزَ الأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ أَبُو سَعِيدٍ سَيِّدُ الْمُحَدِّثِينَ إِلا مَنْ كَانَ مِثْلَهُ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«ضَالَّةُ الْمُسْلِمِ حَرَقُ النَّارِ»

 

219 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، حَدَّثَنَا عَلِيٌّ أَبُو الْحَسَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِشْكَابَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: قَالَ سَمُرَةُ: "‌‌ حَفِظْتُ سَكْتَتَيْنِ فِي الصَّلاةِ: سَكْتَةٌ إِذَا كَبَّرَ الإِمَامُ حَتَّى يَقْرَأَ، وَسَكْتَةٌ إِذَا فَرَغَ مِنْ قِرَاءَتِهِ ": قَالَ: فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عَلَيَّ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ، وَكَتَبُوا إِلَى أَبِي مُصَدِّقٍ سَمُرَةَ

 

220 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانٍ الأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الّتَيْمِيُّ، وَسَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ " قَالَ فِي‌‌ رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ: هُمَا أَحَبُّ إِلَيَّ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا "
দুনিয়ার সংকীর্ণতা এবং আখিরাতের কঠোরতা। ইব্রাহিম ইবনে বাথা-এর হাদিসের শেষাংশ এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ ইবনে হাফস আল-আত্তারের হাদিসের অংশবিশেষ।

 

২১৭ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ ইবনে হাফস আল-আত্তার ৩২৬ হিজরি সনে শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইশকাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে সুহাইব থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পুরুষদের জাফরান মাখতে নিষেধ করেছেন।

 

২১৮ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে হাসান ইবনে ফাইরুজ আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান আবু সাঈদ—যিনি ছিলেন মুহাদ্দিসগণের সর্দার, কেবল তার সমকক্ষ ব্যক্তিরা ছাড়া—হুমাইদ আত-তবিল থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি মুতাররিফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে শিখখির থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: “মুসলমানের হারানো বস্তু জাহান্নামের আগুনের লেলিহান শিখা।”

 

২১৯ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী আবুল হাসান ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইশকাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ ইউনুস থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সামুরা (রা.) বলেছেন: “আমি সালাতে দু’টি নীরবতা (সাকতাহ) মুখস্থ রেখেছি: একটি সাকতাহ যখন ইমাম তাকবির দেন কিরাত শুরু করার আগ পর্যন্ত, এবং অপর সাকতাহ যখন তিনি কিরাত শেষ করেন।” তিনি বলেন: এমতাবস্থায় ইমরান ইবনে হুসাইন (রা.) আমার এই কথার বিরোধিতা করেন এবং তারা আবু মুসাদ্দিক সামুরার কাছে (এটি নিশ্চিত হতে) চিঠি লিখেছিলেন।

 

২২০ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে হাসান আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আত-তাইমি এবং সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ কাতাদা থেকে, তিনি যুরারা ইবনে আওফা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ফজরের দুই রাকাত সম্পর্কে বলেছেন: “এই দুটি আমার কাছে পৃথিবী এবং এতে যা কিছু আছে তার চেয়েও বেশি প্রিয়।”
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮৬)
221 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُّوبَ الْمَخْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ بَكَّارٍ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: قَالَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ: ‌‌«كُنَّا مَعَ نَبِيِّنَا صلى الله عليه وسلم وَوَجْهُنَا وَاحِدٌ، فَلَمَّا قُبِضَ نَظَرْنَا هَكَذَا وَهَكَذَا»

 

222 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ أَبُو عِكْرِمَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو قَطَنٍ عَمْرُو بْنُ الْهَيْثَمِ بْنُ قَطَنٍ، عَنْ أَبِي حُرَّةَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: الْعَالِمُ الزَّاهِدُ فِي الدُّنْيَا، الْمُجْتَهِدُ فِي الْعِبَادَةِ، وَالْمُقِيمُ عَلَى سُنَّةِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم "

 

223 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عِكْرِمَةَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجُعْفِيُّ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، قَالَ: قَالَ مُجَاهِدٌ «الْعَالِمُ بِاللَّهِ الَّذِي يَخَافُ اللَّهَ»

 

224 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عِكْرِمَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قُلْتُ: " أَفْتِنِي أَيُّهَا الْعَالِمُ؟ قَالَ: الْعَالِمُ الَّذِي يَخْشَى اللَّهَ "

 

225 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عِلي، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَلا إِنِّي‌‌ أَبْرَأُ إِلَى كُلِّ خَلِيلٌ مِنْ خُلَّةٍ، وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلا لاتَّخَذْتُ أَبَا بَكْرٍ خَلِيلا، إِنَّ صَاحِبَكُمْ خَلِيلُ اللَّهِ تَعَالَى»

 

226 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، أَنَّ عَمْرَو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ رَجَعَ مِنْ غَزْوَةٍ ذَاتِ السَّلاسِلِ، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، "‌‌ مَنْ أَحَبُّ النَّاسِ إِلَيْكَ؟ قَالَ: عَائِشَةُ.

قَالَ: إِنَّمَا أَقُولُ مِنَ الرِّجَالِ؟ قَالَ: أَبُوهَا "

 

227 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ رَاشِدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا
২২১ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবদুল্লাহ বিন আইয়ুব আল-মাখরামী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে বকর বিন বক্কার আল-কায়সী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইবনে আউন বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে, তিনি বলেন: উবাই বিন কা'ব বলেছেন: «আমরা আমাদের নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাথে ছিলাম এবং আমাদের লক্ষ্য ছিল এক, কিন্তু যখন তাঁর ইন্তেকাল হলো, তখন আমরা এদিকে-সেদিকে তাকাতে লাগলাম»

 

২২২ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আল-হুসাইন বিন মানসুর আবু ইকরিমা বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবু ক্বাতান আমর বিন আল-হাইসাম বিন ক্বাতান বর্ণনা করেছেন আবু হুররা থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আলিম হলেন সেই ব্যক্তি যিনি দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত, ইবাদতে কঠোর পরিশ্রমী এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সুন্নাতের ওপর অবিচল।"

 

২২৩ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবু ইকরিমা বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে হুসাইন বিন আলী আল-জু'ফী বর্ণনা করেছেন লাইস বিন আবি সুলাইম থেকে, তিনি বলেন: মুজাহিদ বলেছেন, "আল্লাহর ব্যাপারে সেই ব্যক্তিই আলিম যে আল্লাহকে ভয় করে।"

 

২২৪ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবু ইকরিমা বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইবনে নুমাইর বর্ণনা করেছেন মালিক বিন মিগওয়াল থেকে, তিনি শাবী থেকে বর্ণনা করেন, আমি বললাম: "হে আলিম, আমাকে ফাতওয়া দিন? তিনি বললেন: আলিম তো সেই ব্যক্তি যে আল্লাহকে ভয় করে।"

 

২২৫ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবু আলী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ওয়াকী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আ'মাশ বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুররা থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «জেনে রেখো, আমি প্রত্যেক বন্ধুর বন্ধুত্ব থেকে (আল্লাহর সমীপে) দায়মুক্ত হচ্ছি; আর যদি আমি কাউকে খলিল (অন্তরঙ্গ বন্ধু) হিসেবে গ্রহণ করতাম, তবে আবু বকরকেই খলিল হিসেবে গ্রহণ করতাম। নিশ্চয়ই তোমাদের সাথী (নবী নিজে) মহান আল্লাহর খলিল»

 

২২৬ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আল-হুসাইন বিন মানসুর বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ওয়াকী বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইসমাইল বিন আবি খালিদ বর্ণনা করেছেন কায়স বিন আবি হাযিম থেকে যে, আমর ইবনুল আস (রা.) যাতুস সালাসিল যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, «মানুষের মধ্যে আপনার কাছে সবচেয়ে প্রিয় কে? তিনি বললেন: আয়েশা।

তিনি বললেন: আমি পুরুষদের মধ্য থেকে জিজ্ঞেস করছি? তিনি বললেন: তাঁর পিতা»

 

২২৭ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ইব্রাহিম বিন রাশিদ বিন সুলাইমান আল-আযদিও বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮৭)
حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ لَمَّا عَافَى اللَّهُ أَيُّوبَ عليه السلام أَمْطَرَ عَلَيْهِ جَرَادًا مِنْ ذَهَبٍ، فَجَعَلَ يَجْمَعُهُ فِي يَوْمِهِ، فَقِيلَ: يَا أَيُّوبُ، أَمَا تَشْبَعُ؟ قَالَ: وَمَنْ يَشْبَعُ مِنْ فَضْلِ اللَّهِ عز وجل "

 

228 - وبه، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ وَكِيعِ بْنِ عُدُسٍ، عَنْ أَبي رَزِينٍ الْعُقَيْلِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَثَلُ الْمُؤْمِنِ مَثَلُ النَّحْلَةِ، لا تَأْكُلُ إِلا طَيِّبًا وَلا تَضَعُ إِلا طَيِّبًا»

 

229 - وَبِهِ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ‌‌ خَاتَمِ الذَّهَبِ»

 

230 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ رَاشِدٍ، حَدَّثَنَا مَعْمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَلْمَى جَدَّتِهِمْ، قَالَتْ: " شَكَى إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ رَجُلٌ يَجِدُ فِي قَدَمَيْهِ ضَرَبَانًا، فَقَالَ: اخْضِبْهُمَا بِالْحِنَّاءِ، وَأَلْقِ فِي الْحِنَّاءِ شَيْئًا مِنْ مِلْحٍ "

 

231 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانٍ الأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ الأَزْدِيُّ، وَكَانَ قُرَّةُ عَيْنٍ، حَدَّثَنَا سُفَيْانُ الثَّوْرِيَّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، وَابْنِ عُمَرَ، قَالا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمُؤْمِنُ يَأْكُلُ فِي مِعَاءٍ وَاحِدٍ،
হাজ্জাজ ইবনে নুসায়র, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি নাযর ইবনে আনাস থেকে, তিনি বাশির ইবনে নাহিক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "‌‌যখন আল্লাহ আইয়ুব আলাইহিস সালামকে রোগমুক্ত করলেন, তখন তাঁর ওপর স্বর্ণের পঙ্গপাল বর্ষণ করলেন। ফলে তিনি তা সংগ্রহ করে তাঁর কাপড়ে জমা করতে লাগলেন। তখন বলা হলো: হে আইয়ুব! আপনি কি তৃপ্ত হন না? তিনি বললেন: মহান আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে কে তৃপ্ত হতে পারে?"

 

২২৮ - এবং একই সূত্রে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, ইয়ালা ইবনে আতা থেকে, তিনি ওয়াকি ইবনে উদুস থেকে, তিনি আবু রাজিন আল-উকাইলি থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌"মুমিনের উদাহরণ হলো মৌমাছির ন্যায়; সে যা ভক্ষণ করে তা পবিত্র এবং যা সে উৎপন্ন বা প্রদান করে তাও পবিত্র।"

 

২২৯ - এবং একই সূত্রে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি নাযর ইবনে আনাস থেকে, তিনি বাশির ইবনে নাহিক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‌‌স্বর্ণের আংটি পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।"

 

২৩০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে রাশিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি রাফে, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁদের দাদী সালমা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ‌‌এক ব্যক্তি তার দুই পায়ে ব্যথার অভিযোগ করলেন। তিনি বললেন: পা দুটিতে মেহেদি লাগাও এবং মেহেদিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে নাও।"

 

২৩১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হাসসান আল-আজরাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে মাহদি আল-আজদি—যিনি অত্যন্ত প্রিয়পাত্র ছিলেন—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি, আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির ও ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মুমিন এক অন্ত্রে আহার করে,
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮৮)
وَالْكَافِرُ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أَمْعَاءٍ»

 

232 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَجَّاجِ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي فَرْوَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ لَهُ: ‌‌«إِذَا كَانَ إِزَارُكَ وَاسِعًا فَتَوَشَّحْ بِهِ، وَإِذَا كَانَ ضَيِّقًا فَاتَّزِرْ بِهِ وَصَلِّ» .

 

233 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ الرَّمَادِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَلِيٍّ عليه السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: فَذَكَرَ نَحْوَهُ

 

234 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ بَكَّارِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبُو ضَمْرَةَ أَنَسَ بْنَ عِيَاضٍ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ يَتِيمِ عُرْوَةَ عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: ‌‌«خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمِنَّا مَنْ أَفْرَدَ الْحَجَّ، وَمِنَّا مَنْ قَرَنَ، وَمِنَّا مَنْ تَمَتَّعَ، فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُفْرِدًا»

 

235 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو يَعْقُوبَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذٌ الْعَنْبَرِيَّ، أَنْبَأَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَيْرٍ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ قَوْمِهِ، عَنْ حُمْرَانَ بْنِ أَبَانَ، عَنْ عُثْمَانَ، قَالُوا: وَكَانَ عُثْمَانُ قَلِيلَ الْحَدِيثِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَنْ عَلِمَ أَنَّ الصَّلاةَ عَلَيْهِ حَقٌّ وَاجِبٌ أَوْ حَقٌّ مَكْتُوبٌ دَخَلَ الْجَنَّةَ» .

وَكَانَ عُثْمَانُ يَرْوِي ذَلِكَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
আর কাফির সাত আঁতে আহার করে।

 

২৩২ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল ফযল মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জাজ আদ-দাব্বী, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম ইবনে হারব, তিনি ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি ফারওয়া থেকে, তিনি ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বলেছেন: “যদি তোমার নিচের কাপড় (লুঙ্গি) প্রশস্ত হয় তবে তা দিয়ে গায়ের ওপর পেঁচিয়ে নাও, আর যদি তা সংকীর্ণ হয় তবে তা কোমরে বেঁধে নাও এবং সালাত আদায় করো।”।

 

২৩৩ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মনসুর আর-রামাদি, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে মনসুর, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম, তিনি ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি আলী (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: এরপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

 

২৩৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যুবাইর ইবনে বাক্কার ইবনে আবদুল্লাহ, তিনি বলেন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু দামরা আনাস ইবনে ইয়াদ, তিনি উরওয়ার ইয়াতিম আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে বের হলাম; আমাদের মধ্যে কেউ হজ্জে ইফরাদ করেছিল, কেউ হজ্জে কিরান করেছিল, আবার কেউ হজ্জে তামাচ্ছু করেছিল। অতঃপর বের হলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইফরাদকারী হিসেবে।”

 

২৩৫ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবদুর রহমান আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুয়ায আল-আনবারি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমরান ইবনে হুদাইর, তিনি তার গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি হুমরান ইবনে আবান থেকে, তিনি উসমান থেকে বর্ণনা করেন। তারা বলেন: উসমান নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে খুব কম হাদিস বর্ণনা করতেন। তিনি (নবীজি) বলেছেন: “যে ব্যক্তি জানে যে সালাত আদায় করা তার ওপর একটি অপরিহার্য হক বা একটি অবধারিত হক, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”।

আর উসমান নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এটি বর্ণনা করতেন।
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৮৯)
236 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْوَلِيدِ أَبُو جَعْفَرٍ الْمَخْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عُمَارَةُ بْنُ زَاذَانَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا رَأَيْتُمُ الْمَدَّاحِينَ فَاحْثُوا فِي وُجُوهِهِمْ» .

يَعْنِي: التُّرَابَ

 

237 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَجَّاجٍ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حُصَيْرَةَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، قَالَ: "‌‌ لَمَّا رَجَمَ عَلِيٌّ عليه السلام الْمَرْأَةَ دَعَا أَوْلِيَاءَهَا، فَقَالَ: هَذَا ابْنُكُمْ تَرِثُونَهُ وَلا يَرِثُكُمْ، فَإِنْ جَنَى جِنَايَةً فَعَلَيْكُمْ "

وَمِنْ حَدِيثِ أَبِي الْقَاسِمِ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَسْكَرِيِّ

 

238 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ هَارُونَ الْعَسْكَرِيُّ الرَّفَّاءُ وَإِمْلاءً، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سِنَانٍ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا سَلامٌ أَبُو الْمُنْذِرِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حَسَّانٍ، قَالَ: "‌‌ مَرَرْتُ بِعَجُوزٍ بِالرَّبَذَةِ مُنْقَطَعٌ بِهَا مِنْ بَنِي تَمِيمٍ، فَقَالَتْ: أَيْنَ تُرِيدُونَ؟ فَقُلْتُ: نُرِيدُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

فَقَالَتْ: احْمِلُونِي، فَإِنَّ لِي إِلَيْهِ حَاجَةً.

قَالَ: فَجِئْنَا الْمَسْجِدَ فَإِذَا هُوَ غَاصٌّ بِالنَّاسِ، وَإِذَا رَايَةٌ تَخْفِقُ، قُلْتُ: مَا شَأْنُ النَّاسِ الْيَوْمَ؟ قَالُوا: هَذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُرِيدُ أَنْ يَبْعَثَ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ رَأَيْتَ
২৩৬ - মুহাম্মদ আমাদের বলেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ আবু জাফর আল-মাখরামি আমাদের বলেছেন, মুআম্মাল বিন ইসমাঈল আমাদের বলেছেন, উমারা বিন জাযান আমাদের বলেছেন, সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‌‌«যখন তোমরা চাটুকারদের দেখবে, তখন তাদের মুখে নিক্ষেপ করো» .

অর্থাৎ: মাটি

 

২৩৭ - মুহাম্মদ আমাদের বলেছেন, মুহাম্মদ বিন হাজ্জাজ আদ-দাব্বি আমাদের বলেছেন, আবদুস সালাম বিন হারব আমাদের বলেছেন, আল-হারিস বিন হুসাইরা থেকে, তিনি যায়েদ বিন ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "‌‌ যখন আলী আলাইহিস সালাম ওই নারীকে পাথর নিক্ষেপ (রজম) করলেন, তখন তিনি তার অভিভাবকদের ডাকলেন এবং বললেন: এটি তোমাদের সন্তান, তোমরা তার ওয়ারিশ হবে কিন্তু সে তোমাদের ওয়ারিশ হবে না। যদি সে কোনো অপরাধ করে, তবে তার দায় তোমাদের ওপর।"

এবং এটি আবু আল-কাসিম উমর বিন মুহাম্মদ আল-আসকারির হাদিস থেকে

 

২৩৮ - আবুল কাসিম উমর বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হারুন আল-আসকারি আর-রাফ্ফা শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের বলেছেন, ঈসা বিন আবদুল্লাহ বিন সিনান আত-তায়ালিসি আমাদের বলেছেন, আফফান বিন মুসলিম আমাদের বলেছেন, সালাম আবু আল-মুনজির আমাদের বলেছেন, আসিম বিন বাহদালা থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি আল-হারিস বিন হাসসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "‌‌ আমি রাবাযা নামক স্থানে বনু তামীম গোত্রের এক নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সে জিজ্ঞেস করল: তোমরা কোথায় যাচ্ছ? আমি বললাম: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যেতে চাচ্ছি।

তখন সে বলল: আমাকেও তোমাদের সাথে নিয়ে চলো, কারণ তাঁর কাছে আমার একটি প্রয়োজন আছে।

তিনি (হারিস) বললেন: এরপর আমরা মসজিদে এলাম এবং দেখলাম তা মানুষে পরিপূর্ণ, আর সেখানে একটি পতাকা উড়ছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম: আজ মানুষের কী হয়েছে? তারা বলল: ইনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তিনি আমর ইবনুল আসকে পাঠাতে চাচ্ছেন। তিনি বললেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! যদি আপনি সমীচীন মনে করেন...
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৯০)
أَنْ تَجْعَلَ الدَّهْنَاءَ حَاجِزًا بَيْنَنَا وَبَيْنَ بَنِي تَمِيمٍ فَافْعَلْ، فَاسْتَوْفَزَتِ الْعَجُوزُ وَأَخَذَتْهَا الْحَمِيَّةُ، وَقَالَتْ: وَأَيْنَ تَضْطَرُّ مُضَرِيَّ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي حَمَلْتُ هَذِهِ الْعَجُوزَ وَلا أَظُنُّ أَنَّهَا كَائِنَةٌ لِي خَصْمًا، فَأَعُوذُ بِاللَّهِ أَنْ أَكُونَ كَمَا قَالَ الأَوَّلُ.

قَالَ: وَمَا قَالَ الأَوَّلُ؟ قَالَ: عَلَى خَبِيرٍ سَقَطْتَ.

يَقُولُ سَلامٌ هَذَا الأَحْمَقُ، يَقُولُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: عَلَى الْخَبِيرِ سَقَطْتَ.

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: هِيهِ يَسْتَطْعِمُهُ. . . الْحَدِيثَ.

قَالَ: إِنَّ عَادًا أَرْسَلُوا وَافِدَهُمْ.

قِيلا: فَنَزَلُوا عَلَى بَكْرِ بْنِ مُعَاوِيَةَ شَهْرًا يَسْقِيهِ الْخَمْرَ وَتُغَنِّيهِ الْجَرَادَتَانِ، فَانْطَلَقَ حَتَّى أَتَى جِبَالَ مُهْرَةَ، فَقَالَ: أَمَا إِنِّي لَمْ آتِ أَسِيرًا فَأُفَادِيَهُ، وَلا لِمَرِيضٍ فَأُدَاوِيَهُ، فَاسْقِ عَبْدَكَ مَا كُنْتَ سَاقِيَهُ، وَاسْقِ مَعَهُ مُعَاوِيَةَ شَهْرًا يَشْكُرُ لَهُ الْخَمْرَ الَّتِي شَرِبَهَا عِنْدَهُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، قَالَ: فَمَرَّتْ سَحَابَاتٌ سُودٌ، قَالَ: فَنُودِيَ أَنْ خُذْهَا رَمَادًا رَمْدَدًا لا تَذَرْ مِنْ عَادٍ أَحَدًا ".

قَالَ أَبُو وَائِلٍ: فَبَلَغَنِي أَنَّ مَا أُرْسِلَ عَلَيْهِمْ مِنَ الرِّيحِ إِلا قَدْرَ مَا يَخْرُجُ مِنَ الْخَاتَمِ.
আপনি যদি দাহনাকে আমাদের এবং বনু তামীমের মধ্যে সীমানা প্রাচীর বানিয়ে দিতে চান তবে তা করুন। এতে বৃদ্ধা চঞ্চল হয়ে উঠলেন এবং তাঁর মাঝে গোত্রীয় চেতনা জেগে উঠল। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আপনার মুদার গোত্রীয় লোককে কোথায় নিরুপায় করে দিচ্ছেন? বর্ণনাকারী বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো এই বৃদ্ধাকে বহন করে নিয়ে এসেছি এবং আমি ভাবতেও পারিনি যে তিনি আমার বিপক্ষে দাঁড়াবেন। আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি যেন আমি সেই ব্যক্তির মতো না হই যে সম্পর্কে পূর্ববর্তীরা বলেছিল।

তিনি বললেন: পূর্ববর্তী ব্যক্তি কী বলেছিল? তিনি বললেন: আপনি একজন অভিজ্ঞ লোকের কাছে এসে পড়েছেন।

সালাম বলেন: এই নির্বোধ ব্যক্তিটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলছে—আপনি একজন অভিজ্ঞ লোকের কাছে এসে পড়েছেন!

বর্ণনাকারী বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: বলো দেখি—তিনি তাকে হাদীসটি পূর্ণ করতে উৎসাহ দিচ্ছিলেন... (হাদীসের অবশিষ্টাংশ)।

তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আদ জাতি তাদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল।

বলা হয় কাইল; তারা বকর বিন মুআবিয়ার নিকট এক মাস অবস্থান করল। সে তাকে মদ পান করাত এবং দুজন গায়িকা তাকে গান শোনাত। অতঃপর সে রওনা হলো এবং মুহরার পাহাড়ে পৌঁছাল। সে বলল: শোনো, আমি কোনো বন্দীর মুক্তিপণ দিতে আসিনি এবং কোনো অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার জন্যও আসিনি। সুতরাং আপনার বান্দাকে আপনি যা পান করাতে চান তা-ই পান করান এবং তার সাথে মুআবিয়াকেও এক মাস পান করান—জাহেলিয়াত যুগে তার নিকট যে মদ পান করেছিল তার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ। তিনি বললেন: তখন কিছু কালো মেঘমালা অতিক্রম করল। তখন তাকে ডেকে বলা হলো—একে ধ্বংসকারী ভস্ম হিসেবে গ্রহণ করো, যা আদ জাতির কাউকেও অবশিষ্ট রাখবে না।

আবু ওয়াইল বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তাদের ওপর আংটির ছিদ্র দিয়ে নির্গত হওয়ার মতো সামান্য পরিমাণ বাতাস ছাড়া আর কিছুই পাঠানো হয়নি।
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৯১)
239 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، سَمِعْتُ عِيسَى بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، سَمِعْتُ عَفَّانَ يَقُولُ: سَمِعْتُ هَذَا الْحَدِيثَ مِنْ سَلامٍ وَلِي ثَلاثَ عَشْرَةَ سَنَةً، وَحَدَّثْتُ بِهِ، وَأَنَا ابْنُ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ سَنَةً

 

240 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ الْهَاشِمِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فِي‌‌ كَلِمَاتِ الْفَرَجِ: «لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ الْحَكِيمُ الْعَلِيمُ الرَّحِيمُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ الْحَكِيمُ الْكَرِيمُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ»

 

241 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ بْنِ قَبِيصَةَ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عَلِيٍّ الْقَرَشِيُّ، حَدَّثَنَا الرَّضِيُّ مِنْ آلِ مُحَمَّدٍ عَلِيُّ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَرْطَأَةَ بْنِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ خَارِجَةَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ لا يَتَّخِذُهَا جُنَّةَ لِشَيْءٍ مِنَ الْكَبَائِرِ يَرْتَكِبُهُ، فَهُوَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ جَزْمًا "

 

242 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يُونُسَ السَّرَّاجُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلالِ بْنِ يَسَافٍ، عَنِ الأَغَرِّ، عن أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ أَنْجَتْهُ يَوْمًا مِنَ الدَّهْرِ أَصَابَهُ قَبْلَهَا مَا أَصَابَهُ "

 

243 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الزَّعْفَرَانِيُّ الْحَافِظُ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلامِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُوسَى بْنِ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليه السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الإِيمَانُ مَعْرِفَةٌ بِالْقَلْبِ، وَإِقْرَارٌ بِاللِّسَانِ، وَعَمَلٌ بِالأَبْدَانِ» .
২৩৯ - আবু আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি ঈসা ইবনে আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, আমি আফফানকে বলতে শুনেছি: আমি সালামের নিকট থেকে এই হাদীসটি শুনেছি যখন আমার বয়স ছিল তেরো বছর, আর আমি এটি বর্ণনা করেছি যখন আমার বয়স ছিল বারো বছর।

 

২৪০ - আবু আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে হাসান আল-হাশিমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু আল-আলিয়াহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, সংকট মুক্তির দুআসমূহ সম্পর্কে: "আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি প্রজ্ঞাবান, সর্বজ্ঞ ও পরম দয়ালু। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি প্রজ্ঞাবান ও অতি দয়ালু। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি সপ্তাকাশের রব এবং মহান আরশের রব।"

 

২৪১ - আবু আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে দাউদ ইবনে কাবিযাহ আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনে আলী আল-কুরাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলে মুহাম্মাদের সন্তোষভাজন ব্যক্তি আলী ইবনে মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আরতাআ ইবনে মুনযির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসমা ইবনে খারিজাহ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলবে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই' এবং একে তার কৃত কোনো কবিরা গুনাহের জন্য ঢাল হিসেবে গ্রহণ করবে না, সে নিশ্চিতভাবেই জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।"

 

২৪২ - আবু আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে ইউনুস আস-সাররাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান থেকে, তিনি মনসুর থেকে, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে, তিনি আগার্র থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলবে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই', এটি কোনো একদিন তাকে মুক্তি দেবে, তার আগে তার সাথে যা ঘটার তা ঘটে থাকলেও।"

 

২৪৩ - আবু আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফেজ আবু বকর আয-যাফরানী জাফর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুস সালাম ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মূসা ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা তাঁর থেকে, তিনি জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব আলাইহিস সালাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "ঈমান হলো অন্তর দিয়ে জানা, মুখ দিয়ে স্বীকার করা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আমল করা।"
(খণ্ড: ১) জুযু ইবনু ছারছাল - ত ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৯২)
244 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي حَسَنُ الإِسْكَافُ، عَنْ أَبِي الصَّلْتِ الْهَرَوِيِّ وَهُوَ عَبْدُ السَّلامِ بْنُ صَالِحٍ وَهُوَ عَبْدُ السَّلامِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُوسَى: فَذَكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ، قَالَ حَسَنٌ: فَذَهَبَ أَصْحَابُ الْحَدِيثِ بِهَذَا إِلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، فَقَالَ لَهُمْ: هَذَا إِسْنَادٌ هَاشِمِيٌّ وَعَلِيُّ بْنُ مُوسَى ثِقَةٌ رَضِيٌّ، وَهَذَا دِينِي: الإِيمَانُ قَوْلٌ وَعَمَلٌ، عَلَيْهِ أَحْيَا وَعَلَيْهِ أَمُوتُ وَعَلَيْهِ أُبْعَثُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

 

245 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ إِسْحَاقَ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ كُلَيْبٍ الْهَاشِمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى " ‌‌{كَزَرْعٍ} [الفتح: 29] ، قَالَ: أَصْلُ الزَّرْعِ عَبْدُ الْمُطَّلِبِ، {أَخْرَجَ شَطْأَهُ} [الفتح: 29] : مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، {فَآزَرَهُ} [الفتح: 29] : بِأَبِي بَكْرٍ، {فَاسْتَغْلَظَ} [الفتح: 29] : بِعُمَرَ، {فَاسْتَوَى} [الفتح: 29] : بِعُثْمَانَ، {عَلَى سُوقِهِ} [الفتح: 29] : عَلِيٌّ رضي الله عنهم، {يُعْجِبُ الزُّرَّاعَ لِيَغِيظَ بِهِمُ الْكُفَّارَ} [الفتح: 29] "

 

246 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْبَزَّارُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الْمُطَّلِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ‌‌ طَلَعَ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، فَلَمَّا نَظَرَ إِلَيْهِمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: وَهَذَانِ السَّمْعُ وَالْبَصَرُ ".

رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُما
২৪৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইসহাক ইবনে মুসা আল-আনসারী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান আল-ইসকাফ, তিনি আবু আস-সালত আল-হারাবী থেকে বর্ণনা করেন - আর তিনি হলেন আব্দুস সালাম ইবনে সালিহ - তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুসা: অতঃপর তিনি এই হাদীসটি উল্লেখ করেন। হাসান বলেন: হাদীস বিশারদগণ (আসহাবুল হাদীস) এটি নিয়ে আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বলের নিকট গেলেন। তিনি তাঁদের বললেন: "এটি একটি হাশেমী সনদ এবং আলী ইবনে মুসা নির্ভরযোগ্য ও পছন্দনীয় ব্যক্তি। আর এটিই আমার দ্বীন: ঈমান হলো কথা ও কাজের নাম, এর উপরেই আমি বেঁচে থাকি, এর উপরেই আমি মৃত্যুবরণ করব এবং ইনশাআল্লাহ এর উপরেই আমি পুনরুত্থিত হব।"

 

২৪৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইসহাক আল-আনসারী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আল-হারিস ইবনে কুলাইব আল-হাশেমী, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: "‌‌{একটি চারার মতো} [আল-ফাতহ: ২৯], তিনি বলেন: চারার মূল হলেন আব্দুল মুত্তালিব, {যা তার অঙ্কুর নির্গত করে} [আল-ফাতহ: ২৯]: তিনি হলেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, {অতঃপর তা তাকে শক্তিশালী করে} [আল-ফাতহ: ২৯]: আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মাধ্যমে, {অতঃপর তা হৃষ্টপুষ্ট হয়} [আল-ফাতহ: ২৯]: উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মাধ্যমে, {অতঃপর তা সোজা হয়ে উঠে} [আল-ফাতহ: ২৯]: উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মাধ্যমে, {নিজ কাণ্ডের ওপর} [আল-ফাতহ: ২৯]: আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু), আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হোন, {যা চাষীকে আনন্দ দেয়, যেন তাদের দ্বারা তিনি কাফিরদের ক্রোধান্বিত করতে পারেন} [আল-ফাতহ: ২৯]।"

 

২৪৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহীম আদ-দাওরাকী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আল-মুনযির আল-বাযযার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে আবি ফুদাইক, তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান, তিনি আব্দুল আযীয ইবনে আল-মুত্তালিব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আব্দুল্লাহ ইবনে হানতাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বসা ছিলাম এমতাবস্থায়‌ আবু বকর ও উমর উপস্থিত হলেন। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের দিকে তাকালেন, তখন তিনি বললেন: "এই দুজনেই হলো কান ও চোখ।"

আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন।