(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: -)
الزيادات على كتاب المزني   (ابن زياد النيسابوري)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الزيادات على كتاب المزني

المؤلف: أبو بكر، عبد الله بن محمد بن زياد النيسابوري (ت 324هـ)

دراسة وتحقيق: الدكتور خالد بن هايف بن عريج المطيري

الناشر: دار أضواء السلف، الرياض، دار الكوثر، الكويت

الطبعة: الأولى، 1426 هـ - 2005 م

عدد الصفحات: 585

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

কিতাবুল মুযানীর ওপর অতিরিক্ত সংযোজন   (ইবনে যিয়াদ আন-নিশাপুরী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: কিতাবুল মুযানীর ওপর অতিরিক্ত সংযোজন

লেখক: আবু বকর, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আন-নিশাপুরী (মৃত্যু ৩২৪ হিজরি)

গবেষণা ও সম্পাদনা: ডক্টর খালিদ বিন হাইফ বিন উরাইজ আল-মুতাইরী

প্রকাশক: দার আদওয়াউস সালাফ, রিয়াদ; দারুল কাওসার, কুয়েত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৮৫

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ١٩٦)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌بَابُ الآنِيَةِ

1 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي الشَّرِيفُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ رضي الله عنه، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَهُوَ يَسْمَعُ، وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ، فَأَقَرَّ بِهِ بِبَغْدَاذَ فِي الْجَانِبِ الْغَرْبِيِّ مِنْهَا، فِي شَعْبَانَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌পাত্র সম্পর্কিত অধ্যায়

১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সম্মানিত বিচারক (আল-কাজী আল-শরিফ) আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন আবদ আল-সামাদ ইবন আল-মুহতাদী বিল্লাহ, আমীরুল মুমিনীন (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন); তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং তিনি তা শুনছিলেন, এমতাবস্থায় আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম। অতঃপর তিনি চারশত চুয়ান্ন হিজরি সালের শাবান মাসে বাগদাদের পশ্চিম অংশে এটি স্বীকার করেছেন। তাঁকে বলা হয়েছিল: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন আলী ইবন আল-হুসাইন...
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ١٩٧)
الْمُقْرِئُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الصَّيْدَلانِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ النَّيْسَابُورِيِّ الْفَقِيهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ: نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَانِئٍ، نا عَمْرُو بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ طَارِقٍ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ يُونُسَ
ইবনে সাইদালানি নামে পরিচিত ক্বারি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি শ্রবণ করছিলেন; তিনি বলেন: ফকিহ আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ আন-নাইসাবুরির নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন হানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আর-রবি বিন তারিক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব, ইউনুস থেকে।
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ١٩٨)
وَعَقِيلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، مَرَّ بِشَاةٍ مَيِّتَةٍ تُطْرَحُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام: «أَلا اسْتَمْتَعْتُمْ بِجِلْدِهَا؟» .

قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهَا مَيْتَةٌ.

قَالَ: «إِنَّمَا حَرُمَ أَكْلُهَا» .

وَزَادَ عَقِيلٌ فِي حَدِيثِهِ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: «أَوَلَيْسَ فِي الْمَاءِ وَالْقَرَظِ مَا يُطَهِّرُهَا؟»
এবং আকীল, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি ফেলে রাখা মৃত ছাগলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: «তোমরা কেন এর চামড়াটি ব্যবহার করলে না?»।

তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এটি তো মৃত।

তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই কেবল এর ভক্ষণ হারাম করা হয়েছে»।

এবং আকীল তার বর্ণিত হাদিসে আরও বৃদ্ধি করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «পানি এবং কারায (চামড়া শোধনের বিশেষ পাতা) কি একে পবিত্র করার জন্য যথেষ্ট নয়?»
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ١٩٩)
‌‌بَابُ السِّوَاكِ

2 - أنا أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَرْزُوقٍ، قَالَ: أنا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، نا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام، قَالَ: «لَوْلا أَنْ
সিওয়াক পরিচ্ছেদ

২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাইসাবুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া, ইবরাহিম ইবন মারযূক থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিশর ইবন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, ইবনু শিহাব থেকে, হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান থেকে, আবু হুরায়রা থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যদি না
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠٠)
أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ»

 

‌‌بَابُ سُنَّةِ الْوُضُوءِ

3 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ، قَالا: نا
...আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে, তবে অবশ্যই আমি তাদেরকে মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।"

 

‌‌উযুর সুন্নাতসমূহ সম্পর্কিত অধ্যায়

৩ - তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাইসাবুরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সা'দান ইবনে নাসর এবং আবদুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম, তাঁরা উভয়েই বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন—
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠١)
سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ، عليه الصلاة والسلام، قَالَ: «إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ، فَلا يَغْمِسْ يَدَهُ فِي وَضُوئِهِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ثَلاثًا» .

زَادَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: «فَإِنَّهُ لا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ»

4 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ، نا الْمُزَنِيُّ، قَالَ: قَالَ الشَّافِعِيُّ: أنا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ
সুফিয়ান, যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (তাঁর ওপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, তখন সে যেন ওযুর পানির পাত্রে তার হাত না ডুবায় যতক্ষণ না সে তা তিনবার ধৌত করে।»

আবদুর রহমান অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: «কেননা সে জানে না যে তার হাত রাতে কোথায় ছিল।»

৪ - আবু কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আন-নাইসাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুযানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শাফেয়ী বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যুহরি থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠٢)
أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام، قَالَ: «إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ، فَلا يَغْمِسْ يَدَهُ فِي الإِنَاءِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ثَلاثًا، فَإِنَّهُ لا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ»

5 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا يُوسُفُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ الْمِصِّيصِيُّ، وَأَبُو حُمَيْدٍ، قَالا: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ كَثِيرٍ،
আবু সালামাহ হতে, তিনি আবু হুরায়রাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে কেউ যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, তখন সে যেন তার হাত পাত্রে না ডোবায় যতক্ষণ না সে তা তিনবার ধৌত করে, কারণ সে জানে না তার হাতটি কোথায় রাত্রিযাপন করেছে।"

৫ - আবুল কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নিসাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউসুফ বিন সাঈদ বিন মুসলিম আল-মিসসিসী এবং আবু হুমাইদ আমাদের বলেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: হাজ্জাজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন কাসীর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠٣)
عَنْ عَاصِمِ بْنِ لَقِيطِ بْنِ صَبِرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام، قَالَ: «إِذَا أَرَدْتَ الصَّلاةَ، فَأَسْبِغِ الْوُضُوءَ، وَخَلِّلِ الأَصَابِعَ، وَإِذَا اسْتَنْشَقْتَ، فَبَالِغْ إِلا أَنْ تَكُونَ صَائِمًا»

6 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: نا النَّيْسَابُورِيُّ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ
আসিম ইবনে লাকীত ইবনে সাবুরা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন তুমি সালাতের ইচ্ছা করবে, তখন পরিপূর্ণভাবে ওযু সম্পাদন করবে, আঙুলসমূহ খিলাল করবে এবং যখন নাকে পানি দেবে, তখন পূর্ণরূপে দেবে, তবে রোযা রাখা অবস্থায় থাকলে নয়।"

৬ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নায়সাবুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবনে...
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠٤)
بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ، قَالَ: نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ ابْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِيهِ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام، تَوَضَّأَ، وَمَسَحَ بِنَاصِيَتِهِ، وَمَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ وَالْعِمَامَةِ.

قَالَ بَكْرٌ: «وَقَدْ سَمِعْتُهُ مِنَ ابْنِ الْمُغِيرَةِ»
বিশর ইবনুল হাকাম বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন সুলায়মান আত-তায়মী থেকে, তিনি বাকর ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইবনুল মুগীরা ইবনে শু'বা থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযু করলেন এবং তাঁর কপালের অগ্রভাগের চুল (নাসিয়া) মাসেহ করলেন এবং মোজা ও পাগড়ির ওপর মাসেহ করলেন।

বাকর বলেন: «আমি এটি ইবনুল মুগীরা থেকে শুনেছি»
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠٦)
‌‌بَابٌ فِي الاسْتِطَابَةِ

7 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: نا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ، قَالا: نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلانَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ
শৌচকার্য বিষয়ক অধ্যায়

৭ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানী তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাইসাবুরী, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাফওয়ান বিন ঈসা এবং আবদুর রহমান বিন বিশর, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, তিনি ইবনে আজলান থেকে, তিনি আল-কাক্কা বিন হাকিম থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে,
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠٧)
رَسُولَ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " إِنَّمَا أَنَا لِكُم مِثْلُ الْوَالِدِ أُعَلِّمُكُمْ: لا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ وَلا تَسْتَدْبِرُوهَا بِغَائِطٍ وَلا بَوْلٍ ".

وَكَانَ يَأْمُرُ بِثَلاثَةِ أَحْجَارٍ، وَيَنْهَى عَنِ الرَّوْثِ وَالرِّمَّةِ

 

‌‌بَابٌ فِيمَا يُوجِبُ الْغُسْلَ

8 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ مَزْيَدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، نا
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি তোমাদের জন্য কেবল একজন পিতার মতো, আমি তোমাদের শিক্ষা দেই: মলত্যাগ বা প্রস্রাবের সময় তোমরা কিবলার দিকে মুখ করবে না এবং কিবলার দিকে পিঠও করবে না।"

আর তিনি তিনটি পাথর ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও পুরনো হাড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন।

 

‌‌গোসল ওয়াজিব হওয়ার কারণ সম্পর্কিত অধ্যায়

৮ - আবুল কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আন-নিসাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে মাজইয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন-
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠٨)
الأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ: إِذَا الْتَقَى الْخِتَانَانِ وَجَبَ الْغُسْلُ، فَعَلْتُهُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام، فَاغْتَسَلْنَا

9 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا
আওযায়ী বলেন: আমার নিকট আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: যখন দুটি খতনাকৃত স্থান মিলিত হয়, তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। আমি এবং আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) তা করেছি, অতঃপর আমরা গোসল করেছি।

৯ - আবুল কাসিম আস-সাইদালানী তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নায়সাবুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٠٩)
حَاجِبُ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا الْتَقَى الْخِتَانَانِ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ»
হাজিব ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুয়াম্মাল ইবনে ইসমাঈল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন দুই খতনা করা অঙ্গ পরস্পর মিলিত হয়, তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়।"
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٠)
‌‌بَابٌ مِنَ الْحَيْضِ

10 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَنْصُورِ ابْنِ صَفِيَّةَ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ: أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتِ النَّبِيَّ، عليه الصلاة والسلام، عَنْ غُسْلِهَا مِنَ الْمَحِيضِ، فَأَمَرَهَا كَيْفَ تَغْتَسِلُ، قَالَ: «خُذِي فِرْصَةً مِنْ مِسْكٍ فَتَطَهَّرِي بِهَا» .

قَالَتْ: كَيْفَ أَتَطَهَّرُ بِهَا؟ قَالَ: «تَطَهَّرِي بِهَا» .

قَالَتْ: كَيْفَ أَتَطَهَّرُ بِهَا؟ قَالَتْ: فَاسْتَتَرَ هَكَذَا، فَقَالَ: «سُبْحَانَ اللَّهِ!
ঋতুস্রাব সম্পর্কিত একটি পরিচ্ছেদ

১০ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নায়সাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সা'দান ইবনে নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফইয়ান ইবনে উয়ায়নাহ মানসুর ইবনে সাফিয়্যাহ থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন: এক মহিলা নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-কে ঋতুস্রাব পরবর্তী গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি তাকে কীভাবে গোসল করতে হবে তার নির্দেশ দিলেন এবং বললেন: «এক টুকরো কস্তুরিমাখা তুলা (বা কাপড়) নাও এবং তা দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করো।»

তিনি বললেন: আমি তা দিয়ে কীভাবে পবিত্র হবো? তিনি বললেন: «তা দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করো।»

তিনি বললেন: আমি তা দিয়ে কীভাবে পবিত্র হবো? আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: অতঃপর তিনি এভাবে নিজেকে আড়াল করলেন এবং বললেন: «সুবহানাল্লাহ (আল্লাহ অতি পবিত্র)!»
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١١)
تَطَهَّرِي بِهَا» .

قَالَتْ عَائِشَةُ، رضي الله عنها: اجْتَذَبْتُهَا إِلَيَّ، فَقُلْتُ: تَتَبَّعِي بِهَا أَثَرَ الدَّمِ

11 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّبَّاحُ، نا أَبُو مُعَاوِيَةَ، نا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي رَزِينٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: رَأَيْتُهُ يَضْرِبُ جَبْهَتَهُ، وَيَقُولُ: يَا أَهْلَ
এটি দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করো।" .

আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: আমি তাকে নিজের দিকে টেনে নিলাম এবং বললাম: "এটি দিয়ে রক্তের চিহ্ন অনুসরণ করো।"

১১ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নাইসাবুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান বিন মুহাম্মাদ আস-সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু রাজীন থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তাঁকে তাঁর কপালে আঘাত করতে এবং বলতে দেখেছি: হে...
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٢)
الْعِرَاقِ، تَزْعُمُونَ أَنِّي أَكْذِبُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام! فَيَكُونُ لَكُمُ الْمَهْنَأُ وَعَلَيَّ الإِثْمُ؟ أَشْهَدُ لَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام، يَقُولُ: " إِذَا انْقَطَعَ شِسْعُ أَحَدِكُمْ فَلا يَمْشِ فِي الأُخْرَى حَتَّى يُصْلِحَهَا

وَإِذَا وَلَغَ الْكَلْبُ فِي إِنَاءِ أَحَدِكُمْ فَلا يَتَوَضَّأْ فِيهِ حَتَّى يَغْسِلَهُ سَبْعَ مَرَّاتٍ "

12 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ، نا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، وَأَبِي رَزِينٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام: «إِذَا وَلَغَ الْكَلْبُ فِي إِنَاءِ أَحَدِكُمْ فَلْيُهْرِقْهُ وَلْيَغْسِلْهُ
হে ইরাকবাসী! তোমরা ধারণা করছ যে আমি আল্লাহর রাসূলের (সা.) ওপর মিথ্যা আরোপ করছি? তাহলে এর সুফল হবে তোমাদের আর পাপ হবে আমার? আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহর রাসূলকে (সা.) বলতে শুনেছি: "তোমাদের কারো জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে সে যেন অন্যটি পরে না হাঁটে যতক্ষণ না সে তা ঠিক করে।

এবং যখন তোমাদের কারো পাত্রে কুকুর মুখ দেয়, তখন সে যেন তাতে অজু না করে যতক্ষণ না সে তা সাতবার ধৌত করে।"

১২ - আবুল কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নিসাবুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে খালিল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে মুশহির, আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ ও আবু রাজিন থেকে, তারা আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন: "যখন তোমাদের কারো পাত্রে কুকুর মুখ দেয়, তখন সে যেন তা ঢেলে ফেলে দেয় এবং তা ধুয়ে নেয়।"
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٣)
سَبْعَ مَرَّاتٍ» .

قَالَ أَبُو بَكْرٍ: لَمْ يَذْكُرْ فِي هَذَا الْحَدِيثِ «فَلْيُهْرِقْهُ» غَيْرُ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ

13 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، قَالَ: حَدَّثَتْنِي فَاطِمَةُ بِنْتُ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ: أَنَّ امْرَأَةً أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ: إِحْدَانَا يُصِيبُ ثَوْبَهَا مَنْ دَمِ الْحَيْضِ؟ قَالَ: «تَحُتُّهُ، ثُمَّ تَقْرُصُهُ بِالْمَاءِ، ثُمَّ تَنْضَحُهُ، ثُمَّ تُصَلِّي فِيهِ»
সাতবার।»

আবু বকর বলেন: আলী ইবন মুসহির ব্যতীত আর কেউ এই হাদিসে «সে যেন তা ঢেলে ফেলে» কথাটি উল্লেখ করেননি।

১৩ - আবুল কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাইসাবুরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবন বিশর ইবন আল-হাকাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ, তিনি হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ফাতিমা বিনত আল-মুনজির আমার কাছে আসমা থেকে বর্ণনা করেছেন যে: এক নারী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: আমাদের কারও পোশাকে ঋতুর রক্ত লাগলে সে কী করবে? তিনি বললেন: «সেটি খুঁটে ফেলবে, এরপর পানি দিয়ে কচলে ধোবে, এরপর তাতে পানি ছিটিয়ে দেবে, তারপর তাতে সালাত আদায় করবে।»
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٤)
14 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا أَبُو مُعَاوِيَةَ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، قَالَتْ: أَتَتِ النَّبِيَّ، عليه الصلاة والسلام، امْرَأَةٌ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، امْرَأَةٌ يُصِيبُهَا مِنْ دَمِ حَيْضِهَا؟ قَالَتْ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام: «لِتَحُتَّهُ، ثُمَّ لِتَقْرُصْهُ، ثُمَّ لِتُصَلِّي فِيهِ»

 

‌‌بَابُ قَدْرِ الْمَاءِ الَّذِي يَنْجُسُ وَالَّذِي لا يَنْجُسُ

15 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَاجِبُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: نا أَبُو أُسَامَةَ، نا الْوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ
১৪ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নায়সাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ফাতিমা বিনতে আল-মুনজির থেকে বর্ণিত, আসমা বিনতে আবি বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, কোনো মহিলার কাপড়ে যদি তার ঋতুর রক্ত লেগে যায় (তবে সে কী করবে)? তিনি বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "সে যেন তা খুঁটিয়ে ঘষে ফেলে, তারপর তা পানি দিয়ে কচলে ধুয়ে নেয়, এরপর সে যেন তাতে সালাত আদায় করে।"

 

‌‌অধ্যায়: পানির সেই পরিমাণ যা অপবিত্র হয় এবং যা অপবিত্র হয় না

১৫ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আন-নায়সাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাজিব বিন সুলাইমান আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উসামা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-ওয়ালিদ বিন কাসির আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আল-জুবায়ের থেকে বর্ণিত, তিনি... থেকে।
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٥)
عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام، عَنِ الْمَاءِ يَكُونُ بِأَرْضِ الْفَلاةِ وَمَا يَنُوبُهُ مِنَ السِّبَاعِ وَالدَّوَابِّ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ»

16 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو حُمَيْدٍ الْمِصِّيصِيُّ، نا حَجَّاجٌ، نا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي مُحَمَّدٌ، أَنَّ يَحْيَى بْنَ عُقَيْلٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّ يَحْيَى بْنَ يَعْمُرَ حَدَّثَهُ: أَنَّ النَّبِيَّ،
উবাইদুল্লাহ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন উমর তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উন্মুক্ত প্রান্তরে থাকা পানি এবং তাতে হিংস্র প্রাণী ও চতুষ্পদ জন্তুর যাতায়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "পানি যখন দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করতে পারে না।"

১৬ - আবুল কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদেরকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আন-নায়সাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হুমাইদ আল-মিসসিসি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনু জুরাইজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ আমাকে অবহিত করেছেন যে, ইয়াহইয়া ইবনু উকাইল তাকে অবহিত করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়ামুর তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে: নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٦)
عَلَيْهِ الصَّلاةُ وَالسَّلامُ، قَالَ: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلْ نَجَسًا وَلا بَأْسًا» .

قَالَ: فَقُلْتُ لِيَحْيَى بْنِ عُقَيْلٍ: قِلالُ هَجَرَ؟ قَالَ: قِلالُ هَجَرَ.

قَالَ: وَأَظُنُّ كُلَّ قُلَّةٍ تَأْخُذُ قِرْبَتَيْنِ

17 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو حُمَيْدٍ، نا حَجَّاجٌ، قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: أَخْبَرَنِي لُوطٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ
তাঁর ওপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক, তিনি বলেছেন: «যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন তা কোনো নাপাকি বা অপবিত্রতা বহন করে না।» .

তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে উকাইলকে বললাম: হাজারের মটকা? তিনি বললেন: হাজারের মটকা।

তিনি বলেন: আর আমি মনে করি প্রতিটি মটকা দুই মশক পরিমাণ পানি ধারণ করে।

১৭ - আবুল কাসিম আস-সাইদালানি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নিশাপুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হুমাইদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ বলেন: লুত আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেছেন: «যখন পানি...
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٧)
قُلَّتَيْنِ فَصَاعِدًا لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ»

18 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا قَبِيصَةُ، نا سُفْيَانُ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ
দুই কুল্লা বা তার অধিক হলে কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করে না।

১৮ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আন-নায়সাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাবিছাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাবির থেকে, থেকে
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٨)
أَبِي الطُّفَيْلِ: «أَنَّ غُلامًا وَقَعَ فِي زَمْزَمَ فَنُزِحَتْ»

19 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ الرَّمَادِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ،
আবু তুফায়েল হতে বর্ণিত: «একটি বালক জমজম কূপে পড়ে গিয়েছিল, ফলে তার পানি সেঁচে নিষ্কাশন করা হয়েছিল»

১৯ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আন-নায়সাবুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মানসুর আর-রামাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢١٩)
قَالَ: حَدَّثَنِي هِشَامٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ: أَنَّ زِنْجِيًّا وَقَعَ فِي زَمْزَمَ، فَأَمَرَ بِهِ ابْنُ عَبَّاسٍ، فَأُخْرِجَ وَأُمِرَ بِهَا أَنْ تُنْزَحَ، فَغَلَبَتْهُمْ عَيْنٌ جَاءَتْهُمْ مِنَ الرُّكْنِ، قَالَ: فَأَمَرَ بِهَا فَرُسِّمَتْ بِالْقَبَاطِيِّ وَالْمَطَارِفِ حَتَّى نَزَحُوهَا، ثُمَّ انْفَجَرَتْ عَلَيْهِمْ

তিনি বলেন: হিশাম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে: একদা একজন কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জমজম কূপে পড়ে গিয়েছিল। তখন ইবনে আব্বাস (রা.) তার ব্যাপারে (উদ্ধারের) নির্দেশ দিলেন এবং তাকে বের করে আনা হলো। এরপর তিনি কূপটি সেঁচে পানি শূন্য করার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু রুকনের দিক থেকে আসা একটি ঝরনাধারা তাদের ওপর প্রবল হয়ে উঠল। তিনি বলেন: তখন তিনি (ইবনে আব্বাস) নির্দেশ দিলেন এবং কাবাতি ও মাতাৰিফ (বিশেষ প্রকার বস্ত্র) দিয়ে তা আটকে দেওয়া হলো যতক্ষণ না তারা তা সেঁচে শেষ করলেন। এরপর তা পুনরায় তাদের ওপর প্রবল বেগে উপচে পড়ল।

(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٢٠)
‌‌كِتَابُ الصَّلاةِ

20 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا أَبُو حُمَيْدٍ الْمِصِّيصِيُّ، نا الْحَجَّاجُ، قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ السَّائِبِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي وَأُمُّ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، قَالَ: لَمَّا خَرَجَ النَّبِيُّ، عليه الصلاة والسلام، إِلَى حُنَيْنٍ خَرَجْتُ عَاشِرَ عَشَرَةٍ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ نَطْلُبُهُمْ.

قَالَ: فَسَمِعْنَاهُمْ يُؤَذِّنُونَ لِلصَّلاةِ، فَقُمْنَا نُؤَذِّنُ نَسْتَهْزِئُ بِهِمْ، فَقَالَ النَّبِيُّ، عليه الصلاة والسلام: «لَقَدْ سَمِعْتُ مِنْ هَؤُلاءِ تَأْذِينَ إِنْسَانٍ حَسَنِ الصَّوْتِ» .
সালাত অধ্যায়

২০ - আবুল কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আন-নাইসাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু হুমাইদ আল-মিসসিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবন জুরাইজ বলেছেন: উসমান বিন আস-সাইব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা এবং উম্মু আব্দুল মালিক বিন আবু মাহজুরা আমাকে আবু মাহজুরা থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: যখন নবী (তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) হুনাইনের দিকে বের হলেন, তখন আমি মক্কাবাসীদের দশজনের মধ্যে দশম ব্যক্তি হিসেবে তাদের খোঁজে বের হলাম।

তিনি বলেন: অতঃপর আমরা তাদের সালাতের জন্য আযান দিতে শুনলাম, তখন আমরাও তাদের উপহাস করার উদ্দেশ্যে আযান দিতে দাঁড়ালাম। তখন নবী (তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) বললেন: «আমি এদের মধ্য থেকে একজন সুকণ্ঠী ব্যক্তির আযান শুনেছি।»
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٢١)
فَأَرْسَلَ إِلَيْنَا، فَأَذَنَّا رَجُلا رَجُلا كُنْتُ آخِرَهُمْ، فَقَالَ، حِينَ أَذَّنْتُ: «تَعَالَ» .

فَأَجْلَسَنِي بَيْنَ يَدَيْهِ، فَمَسَحَ عَلَى نَاصِيَتِي وَبَارَكَ عَلَيَّ ثَلاثَ مِرَارٍ، ثُمَّ قَالَ: «اذْهَبْ فَأَذِّنْ عِنْدَ الْبَيْتِ» .

قَالَ: قُلْتُ: كَيْفَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: فَعَلَّمَنِي الأُولَى كَمَا يُؤَذِّنُونَ الآنَ: اللَّهُ أَكْبَرُ.

اللَّهُ أَكْبَرُ.

اللَّهُ أَكْبَرُ.

اللَّهُ أَكْبَرُ.

أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.

أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.

أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ.

أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ.

أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.

أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.

أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ.

أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ.

حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ.

حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ.

حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ.

حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ.

الصَّلاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ.

الصَّلاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ.

فِي الأُولَى مِنَ الصُّبْحِ: اللَّهُ أَكْبَرُ.

اللَّهُ أَكْبَرُ.

لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.

قَالَ: وَعَلَّمَنِي الإِقَامَةَ مَرَّتَيْنِ: اللَّهُ أَكْبَرُ.

اللَّهُ أَكْبَرُ.

أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.

أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.

أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ.

أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ.

حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ.

حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ.

حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ.

حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ.

قَدْ قَامَتِ الصَّلاةُ.

قَدْ قَامَتِ الصَّلاةُ.

اللَّهُ أَكْبَرُ.

اللَّهُ أَكْبَرُ.

لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.

قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: أَخْبَرَنِي هَذَا الْخَبَرَ كُلَّهُ عُثْمَانُ، عَنْ أَبِيهِ، وَعَنْ أُمِّ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّهُمَا سَمِعَا ذَلِكَ مِنْ أَبِي مَحْذُورَةَ

21 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا أَبُو الأَزْهَرِ، قَالَ: نا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أنا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي
অতঃপর তিনি আমাদের কাছে লোক পাঠালেন, তখন আমরা একে একে আযান দিলাম এবং আমি ছিলাম তাদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি। যখন আমি আযান দিলাম, তখন তিনি বললেন: "এসো"।

অতঃপর তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন এবং আমার কপালে হাত বুলিয়ে দিলেন ও তিনবার আমার জন্য বরকতের দুআ করলেন। তারপর বললেন: "যাও এবং বাইতুল্লাহর (কাবা) নিকট আযান দাও।"

তিনি (আবু মাহজুরা) বললেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিভাবে? তিনি বললেন: অতঃপর তিনি আমাকে প্রথম (আযান) শিখিয়ে দিলেন যেভাবে তারা এখন আযান দেয়: আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি que, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।

নামাজের জন্য এসো।

নামাজের জন্য এসো।

কল্যাণের জন্য এসো।

কল্যাণের জন্য এসো।

ঘুম হতে নামাজ উত্তম।

ঘুম হতে নামাজ উত্তম।

ভোরের (ফজরের) প্রথম আযানে: আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

তিনি বললেন: এবং তিনি আমাকে ইকামত দুইবার করে শিখিয়েছেন: আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।

নামাজের জন্য এসো।

নামাজের জন্য এসো।

কল্যাণের জন্য এসো।

কল্যাণের জন্য এসো।

নিশ্চয়ই নামাজ শুরু হয়েছে।

নিশ্চয়ই নামাজ শুরু হয়েছে।

আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আল্লাহ সবচেয়ে মহান।

আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

ইবনে জুরাইজ বলেন: উসমান তাঁর পিতা থেকে এবং উম্মে আব্দুল মালিক বিন আবি মাহজুরা থেকে আমাকে এই পূর্ণ সংবাদটি দিয়েছেন যে, তাঁরা উভয়েই এটি আবু মাহজুরা থেকে শুনেছেন।

২১ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আন-নাইসাবুরি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-আযহার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তিনি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٢٢)
عُثْمَانُ بْنُ السَّائِبِ مَوْلاهُمْ، عَنْ أَبِيهِ السَّائِبِ، وَعَنْ أُمِّ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّهُمَا سَمِعَا ابْنَ أَبِي مَحْذُورَةَ، قَالَ: قَالَ أَبُو مَحْذُورَةَ: خَرَجْتُ فِي عَشَرَةِ فِتْيَانٍ مَعَ النَّبِيِّ، عليه الصلاة والسلام، إِلَى حُنَيْنٍ، وَهُوَ أَبْغَضُ النَّاسِ إِلَيْنَا، فَأَذَّنُوا وَقُمْنَا نُؤَذِّنُ نَسْتَهْزِئُ بِهِمْ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام: «ايتُونِي بِهَؤُلاءِ الْفِتْيَانِ» .

فَقَالَ: «أَذِّنُوا» .

فَأَذَّنُوا، وَكُنْتُ آخِرَهُمْ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ، عليه الصلاة والسلام: " نِعْمَ هَذَا الَّذِي سَمِعْتُ صَوْتَهُ، اذْهَبْ فَأَذِّنْ لأَهْلِ مَكَّةَ، وَقُلْ لِعَتَّابِ بْنِ أَسِيدٍ: أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أُؤَذِّنَ لأهْلِ مَكَّةَ.

وَمَسَحَ عَلَى نَاصِيَتِي، وَقَالَ: قُلِ: اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، مَرَّتَيْنِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، مَرَّتَيْنِ، ثُمَّ ارْجِعْ، فَاشْهَدْ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، مَرَّتَيْنِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، مَرَّتَيْنِ، حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ، مَرَّتَيْنِ، حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ، مَرَّتَيْنِ، اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَإِذَا أَذَّنْتَ بِالأُولَى مِنَ الصُّبْحِ، فَقُلِ: الصَّلاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ.

فَإِذَا أَقَمْتَ، فَقُلْهَا مَرَّتَيْنِ: قَدْ قَامَتِ الصَّلاةُ.

أَسَمِعْتَ؟ " قَالَ: فَكَانَ أَبُو مَحْذُورَةَ لا يَجُزُّ نَاصِيَتَهُ، وَلا يَفْرُقُهَا؛ لأَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ عَلَيْهَا.
ওসমান ইবন সাইব তাঁদের আযাদকৃত দাস, তাঁর পিতা সাইব থেকে এবং উম্মে আব্দুল মালিক ইবন আবু মাহজুরা থেকে বর্ণিত যে, তাঁরা দুজনেই ইবন আবু মাহজুরাকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আবু মাহজুরা বলেছেন: আমি দশজন যুবকের সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে হুনাইনের দিকে বের হলাম, আর তিনি তখন আমাদের কাছে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপ্রিয় ছিলেন। তাঁরা আযান দিলেন এবং আমরাও তাঁদের বিদ্রূপ করার জন্য আযান দিতে দাঁড়ালাম।

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "এই যুবকদের আমার কাছে নিয়ে এসো।"

অতঃপর তিনি বললেন: "তোমরা আযান দাও।"

ফলে তাঁরা আযান দিল এবং আমি ছিলাম তাদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি।

তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "আমি যার কণ্ঠস্বর শুনলাম সে কতই না উত্তম! তুমি যাও এবং মক্কাবাসীদের জন্য আযান দাও। আর আত্তাব ইবন আসিদকে বলো: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে মক্কাবাসীদের জন্য আযান দেওয়ার আদেশ করেছেন।"

এবং তিনি আমার কপালের উপরিভাগের চুলে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং বললেন: বলো: আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই—দুইবার। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল—দুইবার। এরপর পুনরায় ফিরে গিয়ে সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই—দুইবার। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল—দুইবার। সালাতের জন্য এসো—দুইবার। কল্যাণের জন্য এসো—দুইবার। আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আর যখন তুমি ফজরের প্রথম আযান দিবে, তখন বলবে: ঘুমের চেয়ে সালাত উত্তম।

আর যখন তুমি ইকামত দিবে, তখন দুইবার বলবে: সালাত শুরু হয়ে গেছে।

তুমি কি শুনেছ?" বর্ণনাকারী বলেন: ফলে আবু মাহজুরা তাঁর কপালের সেই চুল কাটতেন না এবং সেখানে সিঁথিও করতেন না; কারণ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখানে হাত বুলিয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٢٣)
قَالَ أَبُو بَكْرٍ: وَعِنْدَ ابْنِ جُرَيْجٍ حَدِيثٌ آخَرُ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ فِيهِ الأَذَانُ وَحْدَهُ، لَيْسَ فِيهِ: «الصَّلاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ» ، وَلا ذِكْرُ الإِقَامَةِ، وَهُوَ عِنْدَ الشَّافِعِيِّ.

22 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: نا
আবু বকর বলেন: আর ইবন জুরাইজের নিকট আব্দুল আযীয বিন আব্দুল মালিক বিন আবু মাহযূরাহ্ হতে, তিনি ইবন মুহাইরীয হতে, তিনি আবু মাহযূরাহ্ হতে বর্ণিত আরেকটি হাদীস রয়েছে; যাতে কেবল আযানের কথা আছে, তাতে "সালাত ঘুম অপেক্ষা উত্তম" বাক্যটি নেই এবং ইকামতেরও কোনো উল্লেখ নেই। আর এটি ইমাম শাফিঈর নিকট বর্ণিত হয়েছে।

২২ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আন-নাইসাবূরী আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٢٤)
الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا الشَّافِعِيُّ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ.

وَالَّذِي فِيهِ: «الصَّلاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ» ، وَفِيهِ الإِقَامَةُ، لَمْ أَرَهُ عِنْدَ الشَّافِعِيِّ.

أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْ

 

23- قَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو حُمَيْدٍ الْمِصِّيصِيُّ، نا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ.

24 - وَحَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَأَبُو أُمَيَّةَ وَغَيْرُهُمْ، قَالَ: أنا رَوْحٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، مِثْلَ حَدِيثِ الشَّافِعِيِّ عَنْ مُسْلِمٍ
রাবী ইবনে সুলাইমান, আমাদের বর্ণনা করেছেন শাফিঈ, তিনি মুসলিম ইবনে খালিদ থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে।

এবং যাতে (হাদীসে) রয়েছে: "ঘুমের চেয়ে নামায উত্তম", আর যাতে ইকামত রয়েছে, আমি তা শাফিঈর কাছে দেখতে পাইনি।

তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল

 

২৩- কাসিম আস-সাইদালানী, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাইসাবুরী, তিনি বলেছেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আবু হুমাইদ আল-মিসসীসী, আমাদের বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে।

২৪ - এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ, আবু উমাইয়্যাহ এবং অন্যান্যরা, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাওহ, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, মুসলিম থেকে বর্ণিত শাফিঈর হাদীসের অনুরূপ।
(খণ্ড: ১) আয-যিয়াদাতু আলা কিতাবিল মুযানী (পৃষ্ঠা: ٢٢٦)
‌‌بَابُ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ وَسُجُودِ الْقُرْآنِ

25 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ، نا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، نا أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: أَنَّ النَّبِيَّ، عليه الصلاة والسلام، قَنَتَ شَهْرًا يَدْعُو عَلَيْهِمْ، ثُمَّ تَرَكَهُ، وَأَمَّا فِي الصُّبْحِ فَلَمْ يَزَلْ يَقْنُتُ حَتَّى فَارَقَ الدُّنْيَا

26 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الصَّيْدَلانِيُّ، قَالَ: أنا النَّيْسَابُورِيُّ، نا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، نا أَبُو نُعَيْمٍ، نا أَبُو جَعْفَرٍ، يَعْنِي: الرَّازِيَّ،
কিবলামুখী হওয়া এবং কুরআনের সিজদা সংক্রান্ত অধ্যায়

২৫ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আন-নায়সাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন ইউসুফ আস-সুলামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উবাইদুল্লাহ বিন মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু জাফর আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, রাবি বিন আনাস থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন: নবী (তাঁর ওপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) এক মাস পর্যন্ত কুনুত পড়ে তাদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেছেন, এরপর তিনি তা ছেড়ে দিয়েছেন। তবে ফজরের সালাতে তিনি ইহকাল ত্যাগ করা পর্যন্ত সর্বদা কুনুত পড়তেন।

২৬ - আবু আল-কাসিম আস-সাইদালানি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আন-নায়সাবুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মানসুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু জাফর অর্থাৎ আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...