(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: -)
أنموذج اللبيب في خصائص الحبيب القسم: السيرة النبوية
الكتاب: أنموذج اللبيب في خصائص الحبيب (مطبوع مع شرح محمد بن أحمد عبد الباري الأهدل، المسمى: فتح الكريم القريب شرح أنموذج اللبيب)
المؤلف: عبد الرحمن بن أبي بكر، جلال الدين السيوطي (ت 911هـ)
طُبع بإذن من: وزارة الإعلام بجدة
الطبعة: الثالثة، 1406 هـ
عدد الأجزاء: 1
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসাইসিল হাবীব বিভাগ: সীরাতুন নবী
গ্রন্থ: আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসাইসিল হাবীব (মুহাম্মাদ বিন আহমদ আব্দুল বারী আল-আহদাল-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থসহ মুদ্রিত، যা নিম্নোক্ত নামে অভিহিত: ফাতহুল কারীমিল কারীব শারহু আনমুযাজিল লাবীব)
লেখক: আব্দুর রহমান বিন আবু বকর, জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী (মৃত্যু ৯১১ হিজরী)
যার অনুমতিতে মুদ্রিত: তথ্য মন্ত্রণালয়, জেদ্দা
সংস্করণ: তৃতীয়, ১৪০৬ হিজরী
খণ্ড সংখ্যা: ১
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুলহিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: -)
أنموذج اللبيب في خصائص الحبيب
تأليف
الإمام العلامة جلال الدين السيوطي
المتوفي سنة911 هـ
بسم الله الرحمن الرحيم
وبالله العظيم نستعين
প্রিয় নবীর অনন্য বৈশিষ্ট্যের বর্ণনায় বুদ্ধিমানদের জন্য আদর্শ
গ্রন্থনায়
ইমাম আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী
মৃত্যু ৯১১ হিজরী
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
এবং আমরা মহান আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছি
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ১৫)
الحمدُ لله الذي أتقن بحكمته كل شيء فاحتبك، وبعث حبيبه محمداً صلى الله عليه وآله وسلم فأنار به كل حلك، وآتاه من المعجزات والخصائص ما لم يُؤتَه نبي ولا مَلَك،
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি স্বীয় প্রজ্ঞা দ্বারা প্রতিটি বস্তুকে নিপুণভাবে সুসংবদ্ধ করেছেন; এবং তিনি তাঁর প্রিয়তম মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামকে প্রেরণ করেছেন, যাঁর মাধ্যমে তিনি সকল অন্ধকারকে আলোকিত করেছেন এবং তাঁকে এমন সব মুজিযা ও বৈশিষ্ট্য প্রদান করেছেন, যা কোনো নবী কিংবা ফেরেশতাকেও প্রদান করা হয়নি।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وجعل جنده الملائكة تسير معه حيث سَلَك، صلى الله عليه وعلى آله وصحبه ما سار فُلك ودار فَلك.
هذا أنموذج لطيف، وعنوان شريف، لخصته من كتابي الكبير الذي جمعت فيه المعجزات والخصائص النبوية بدلائلها،
এবং তিনি তাঁর ফেরেশতা বাহিনীকে তাঁর সাথে চলার অনুগামী করেছেন তিনি যে পথেই গমন করেছেন; তাঁর প্রতি এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীবর্গের প্রতি আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক যতক্ষণ কোনো তরী চলবে এবং কোনো কক্ষপথ আবর্তিত হবে।
এটি একটি সূক্ষ্ম নিদর্শন এবং একটি সুউচ্চ শিরোনাম, যা আমি আমার সেই বৃহৎ গ্রন্থ থেকে সংক্ষেপ করেছি যাতে আমি নববী মুজিজা ও অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহ সেগুলোর প্রমাণাদিসহ একত্রিত করেছি।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وتتبعت فيه الأحاديث الواردة في منصب النبوة وعظيم فضائلها،
এতে আমি নবুওয়াতের পদমর্যাদা এবং এর সুমহান ফযীলতসমূহ সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসসমূহ অনুসন্ধান করেছি,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ১৮)
قصرته على إيراد الخصائص سرداً وجيزاً، وميزت فيه كل نوع من أنواعها تمييزاً، وسميته:
أنموذج اللبيب في خصائص الحبيب صلى الله عليه وعلى آله وسلم
وما توفيقي إلا بالله عليه توكلت وإليه أنيب، وينحصر في بابين:
الباب الأولفي الخصائص التي اختص بها عن جميع الأنبياء ولم يؤتها نبي قبلهوفيه أربعة فصول
আমি এটিকে সংক্ষিপ্ত বর্ণনার মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছি এবং আমি এতে এর প্রত্যেকটি প্রকারকে স্পষ্টভাবে পৃথক করেছি। আর আমি এর নামকরণ করেছি:
প্রিয়তমের বৈশিষ্ট্য বর্ণনায় বুদ্ধিমানের আদর্শ, তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক
আর আমার সামর্থ্য কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই; তাঁরই ওপর আমি ভরসা করেছি এবং তাঁরই দিকে আমি প্রত্যাবর্তন করি। এটি দুটি অধ্যায়ে সীমাবদ্ধ:
প্রথম অধ্যায়ঐসব বৈশিষ্ট্য প্রসঙ্গে যা তাঁকে সকল নবীগণের ওপর এককভাবে প্রদান করা হয়েছে এবং তাঁর পূর্ববর্তী কোনো নবীকে তা দেওয়া হয়নিএবং এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ১৯)
الفصل الأولفيما اختص به صلى الله عليه وآله وسلم في ذاته من الدنيا
… اُختص صلى الله عليه وآله وسلم بأنه أول النبيين خلقاً، وبتقدم نبوته، فكان نبياً وآدم
প্রথম অধ্যায়দুনিয়াতে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঐ সকল অনন্য বৈশিষ্ট্য যা তাঁর সত্তার সাথে সম্পৃক্ত
… নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-কে এই অনন্য বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যে, তিনি সৃষ্টির দিক থেকে সকল নবীর আদি এবং তাঁর নবুওয়াতের অগ্রবর্তিতার মাধ্যমে; সুতরাং তিনি নবী ছিলেন এমতাবস্থায় যে আদম...
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২০)
بين الماء والطين، وبتقدم أخذ الميثاق عليه، وأنه أول من قال: بلى يوم ((ألست بربكم)) ،
পানি ও কাদার অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে, এবং তাঁর থেকে অঙ্গীকার গ্রহণের অগ্রবর্তীতার মাধ্যমে, আর নিশ্চয় তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি 'হ্যাঁ' বলেছিলেন সেই দিনে [যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল]: ((আমি কি তোমাদের রব নই?)) ,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২১)
وخلق آدم وجميع المخلوقات لأجله، وكتابة اسمه الشريف على العرش، وكل سماء وما فيها والجنان وسائر الملكوت، وذكر الملائكة له في كل ساعة،
এবং আদম ও সমস্ত মাখলুকাতকে তাঁরই জন্য সৃষ্টি করা, আর আরশের ওপর তাঁর মহিমান্বিত নাম লিপিবদ্ধ করা, এবং প্রতিটি আসমান ও তাতে যা কিছু রয়েছে, জান্নাতসমূহ এবং সমগ্র মালাকুত, এবং ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে প্রতি মুহূর্তে তাঁর আলোচনা করা,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২২)
وذكر اسمه في الأذان في عهد آدم وفي الملكوت الأعلى،
এবং আদমের যুগে আযানে এবং ঊর্ধ্বজগতে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وأخذ الميثاق على النبيين آدم فمن بعده أن يؤمنوا به وينصروه،
এবং নবীগণের নিকট থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়েছে—আদম এবং তাঁর পরবর্তী সকলের নিকট থেকে—এই মর্মে যে তাঁরা তাঁর প্রতি ঈমান আনবেন এবং তাঁকে সাহায্য করবেন,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২৪)
والتبشير به في الكتب السابقة، ونعته فيها ونعت أصحابه
এবং পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে তাঁর সম্পর্কে সুসংবাদ প্রদান এবং সেগুলোতে তাঁর ও তাঁর সাহাবীগণের গুণাবলির বর্ণনা।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২৫)
وخلفائه وأمته،
এবং তাঁর উত্তরসূরিগণ ও তাঁর উম্মতের প্রতি,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وحجب إبليس من السموات لمولده وشق صدره في أحد القولين، وهو الأصح،
তাঁর জন্মের কারণে ইবলিসকে আসমানসমূহ থেকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল এবং দুই মতের একটি অনুযায়ী তাঁর বক্ষ বিদীর্ণ করা হয়েছিল, আর এটিই অধিকতর বিশুদ্ধ,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وجعل خاتم النبوة بظهره بإزاء قلبه حيث يدخل الشيطان، وسائر الأنبياء كان الخاتم في يمينهم، وبأن له ألف إسم،
এবং তাঁর পিঠের অংশে তাঁর হৃদপিণ্ড বরাবর নবুওয়াতের মোহর স্থাপন করা হয়েছে যেখান দিয়ে শয়তান প্রবেশ করে, আর অন্যান্য সকল নবীর মোহর ছিল তাঁদের ডান দিকে, এবং তাঁর এক হাজারটি নাম রয়েছে,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وباشتقاق اسمه من اسم الله، وبأنه سمي من أسماء الله بنحو سبعين اسماً، وبأنه سُمي أحمد ولم يُسم به أحد قبله،
এবং আল্লাহর নাম থেকে তাঁর নামের বুৎপত্তি হওয়ার দ্বারা, এবং আল্লাহর নামসমূহ হতে প্রায় সত্তরটি নামে তাঁর নামকরণ হওয়ার দ্বারা, এবং তাঁর নাম ‘আহমাদ’ রাখার দ্বারা, যে নামে তাঁর পূর্বে আর কাউকে নামকরণ করা হয়নি,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ২৯)
وقد عُدَّت هذه الخصائص في حديث "مسلم".
وبإظلال الملائكة له في سفره، وبأنه أرجح الناس عقلاً، وبأنه أوتي كل الحسن
আর এই বৈশিষ্ট্যসমূহ "মুসলিম"-এর হাদীসে পরিগণিত হয়েছে।
এবং তাঁর সফরে ফেরেশতাগণের তাঁকে ছায়া প্রদান করার দ্বারা, এবং তিনি বিবেক-বুদ্ধিতে মানুষের মধ্যে সর্বাধিক শ্রেষ্ঠ হওয়ার দ্বারা, এবং তাঁকে সমস্ত সৌন্দর্য প্রদান করার দ্বারা।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩০)
ولم يؤت يوسف إلا شطره، وبغطه ثلاثاً عند ابتداء الوحي، وبرؤيته جبريل في صورته التي خلق عليها، عد هذه "البيهقي".
وبانقطاع الكهانة لمبعثه،
এবং ইউসুফকে কেবল তার অর্ধেক প্রদান করা হয়েছিল, এবং ওহী শুরুর প্রারম্ভে তাঁকে তিনবার জাপটে ধরা, এবং জিবরাঈলকে তাঁর সেই সৃষ্টিগত আকৃতিতে দেখা যে রূপে তাঁকে সৃষ্টি করা হয়েছে, "বাইহাকী" এগুলো গণনা করেছেন।
এবং তাঁর প্রেরিত হওয়ার কারণে গণকগিরির ধারা বিচ্ছিন্ন হওয়া,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩১)
وحراسة السماء من استراق السمع، والرمي بالشهب، عدّ هذه "ابن سبع".
আড়ি পেতে শ্রবণ থেকে আসমানকে রক্ষা করা এবং উল্কাপিণ্ড নিক্ষেপ করা; ইবনে সাব' এগুলোকে গণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩২)
وبإحياء أبويه له حتى آمنا به،
এবং তাঁর পিতামাতাকে তাঁর জন্য পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে, যাতে তাঁরা তাঁর প্রতি ঈমান আনয়ন করেন,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
وبوعده بالعصمة من الناس، وبالإسراء وما تضمنه من اختراق السموات السبع والعلو إلى قاب قوسين،
এবং মানুষের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করার তাঁর প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে, এবং ইসরা ও এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ—যেমন সাত আসমান ভেদ করা এবং দুই ধনুকের দূরত্ব পর্যন্ত উপরে আরোহণ করার মাধ্যমে,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
ووطئه مكاناً ما وطئه نبي مرسل، ولا مَلَكٌ مُقرب، وإحياء الأنبياء له
এবং তিনি এমন এক স্থানে পদার্পণ করেছিলেন যেখানে কোনো প্রেরিত নবী কিংবা কোনো নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাও পদার্পণ করেননি, এবং তাঁর জন্য নবীদের পুনর্জীবিত করা হয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
وصلاته إماماً بهم وبالملائكة، وإطلاعه على الجنة والنار، عدَّ هذه "البيهقي".
ورؤيته من آيات ربه الكبرى،
তাদের এবং ফেরেশতাদের ইমাম হয়ে তাঁর সালাত আদায় করা এবং জান্নাত ও জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করা—বায়হাকী এগুলো গণনা করেছেন।
এবং তাঁর প্রতিপালকের মহান নিদর্শনসমূহ প্রত্যক্ষ করা,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
وحفظه حتى ما زاغ البصر وما طغى، وبرؤيته للباري تعالى مرتين، وبركوب البراق
এবং তিনি তাঁকে সংরক্ষণ করেছেন এমনকি তাঁর দৃষ্টি বিভ্রান্ত হয়নি এবং সীমা লঙ্ঘন করেনি, এবং মহান সৃষ্টিকর্তাকে তাঁর দু’বার দর্শন করা এবং বুরাকে আরোহণ করার বিষয়ে।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
في أحد القولين، وقتال الملائكة معه، وسيرهم معه حيث سار يمشون خلف ظهره، وبإيتائه الكتاب وهو أمي
দুইটি অভিমতের একটি অনুযায়ী, এবং তাঁর সাথে ফেরেশতাগণের যুদ্ধ করা, এবং তিনি যেখানেই গমন করতেন তাঁদের তাঁর সাথে পথ চলা—তাঁরা তাঁর পিঠের পশ্চাতে চলতেন—এবং তিনি উম্মি হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে কিতাব প্রদানের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
لا يقرأ ولا يكتب، وبأن كتابه مُعجِزٌ ومحفوظ من التبديل والتحريف على ممر الدهور، ومشتمل على ما اشتملت عليه جميع الكتب وزيادة، وجامع لكل شيء،
তিনি পাঠ করেন না এবং লিখেন না, এবং তাঁর কিতাব মুজিজাপূর্ণ ও মহাকালের পরিক্রমায় পরিবর্তন ও বিকৃতি থেকে সংরক্ষিত, আর তা সমস্ত কিতাব যা কিছু অন্তর্ভুক্ত করেছিল তা এবং তদুপরি অতিরিক্ত বিষয়াদিও অন্তর্ভুক্তকারী এবং সবকিছুর সংকলক,
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
ومستغن عن غيره، ومُيسر للحفظ، ونزل منجماً، وعلى سبعة أحرف، ومن سبعة أبواب،
এবং তা অন্যের থেকে অমুখাপেক্ষী, মুখস্থকরণের জন্য সহজসাধ্য, পর্যায়ক্রমে অবতীর্ণ, সাতটি হারফ বা উপভাষার ওপর এবং সাতটি দরজা হতে [আগত],
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৪০)
وبكل لغة، عدَّ هذه "ابن نقيب".
وقراءته بكل حرف عشر حسنات، عدَّ هذه "الزركشي".
وقال صاحب التحرير: فُضِّل القرآن على سائر الكتب المنزلة بثلاثين خصلة لم تكن في غيره.
এবং প্রতিটি ভাষায়; এটিকে "ইবনে নাকীব" গণ্য করেছেন।
এবং এর প্রতিটি অক্ষর পাঠে দশটি নেকি রয়েছে; এটিকে "যারকাশী" গণ্য করেছেন।
এবং 'আত-তাহরীর' গ্রন্থের রচয়িতা বলেছেন: কুরআনকে অন্যান্য সকল অবতীর্ণ আসমানি কিতাবের ওপর ত্রিশটি বৈশিষ্ট্যের দ্বারা শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে, যা অন্য কোনো কিতাবে ছিল না।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৪১)
وقال الحليمي في "المنهاج": ومن عظيم قدر القرآن أن الله خصه بأنه دعوةٌ وحُجةٌ ولم يكن هذا لنبي قط، إنما كان يكون لكل منهم دعوة ثم تكون له حُجةٌ غيرها، وقد جمعهما الله لرسوله صلى الله عليه وآله وسلم في القرآن، فهو دعوة بمعانيه، حُجةٌ بألفاظه،
এবং আল-হালিমি 'আল-মিনহাজ' গ্রন্থে বলেন: আর কুরআনের সুমহান মর্যাদার অন্তর্ভুক্ত হলো এই যে, আল্লাহ তাআলা একে এই বৈশিষ্ট্যে ভূষিত করেছেন যে এটি একইসাথে একটি দাওয়াত এবং একটি হুজ্জাত। এটি ইতিপূর্বে অন্য কোনো নবীর ক্ষেত্রে ছিল না; বরং তাঁদের প্রত্যেকের জন্য একটি দাওয়াত থাকতো এবং তার বিপরীতে অন্য একটি হুজ্জাত থাকতো। আর আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য কুরআনের মধ্যে এই উভয়টির সমাহার ঘটিয়েছেন। সুতরাং এটি তার অর্থের দিক থেকে একটি দাওয়াত এবং তার শব্দমালার দিক থেকে একটি হুজ্জাত।
(খণ্ড: ১)
আনমুযাজুল লাবীব ফী খাসায়িসিল হাবীব
(পৃষ্ঠা: ৪২)
وكفى الدعوة شرفاً أن تكون حُجتها معها، وكفى الحُجة شرفاً أن لا تنفصل الدعوة عنها، وأعطي من كنز العرش ولم يُعط منه أحدٌ، وخُصَّ بالبسملة والفاتحة وآية الكرسي وخواتيم سورة البقرة
দাওয়াতের মর্যাদার জন্য এটিই যথেষ্ট যে, তার প্রমাণ তার সাথেই বিদ্যমান; আর প্রমাণের মর্যাদার জন্য এটিই যথেষ্ট যে, দাওয়াত তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না। তাঁকে আরশের ধনভাণ্ডার হতে দান করা হয়েছে যা অন্য কাউকে প্রদান করা হয়নি; এবং তাঁকে বিসমিল্লাহ, সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি ও সূরা বাকারার শেষাংশ দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করা হয়েছে।