(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: -)
مشيخة الآبنوسي القسم: كتب السنة
الكتاب: المشيخة
المؤلف: أَبُو الحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بنُ أَحْمَدَ بنِ مُحَمَّدِ بنِ عَلِيٍّ الصيرفي، ابْنُ الآبَنُوْسِيِّ البَغْدَادِيُّ (ت 457هـ)
المحقق: د/ خليل حسن حمادة
الناشر: جامعة الملك سعود - كلية التربية - قسم الدراسات الإسلامية
الطبعة: الأولى 1421هـ
عدد الأجزاء: 2
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মাশয়াখাতুল আবনূসী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মাশয়াখাহ্
লেখক: আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আস-সাইরাফী, ইবনুল আবনূসী আল-বাগদাদী (মৃত্যু ৪৫৭ হিজরী)
সম্পাদক: ড/ খলিল হাসান হামাদাহ
প্রকাশক: কিং সাউদ ইউনিভার্সিটি - শিক্ষা অনুষদ - ইসলামি শিক্ষা বিভাগ
সংস্করণ: প্রথম ১৪২১ হিজরী
খণ্ড সংখ্যা: ২
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: হে কল্যাণকামী, অগ্রসর হও
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: -)
المملكة العربية السعودية - وزارة التعليم العالي - جامعة الملك سعود
مركز البحوث - كلية الآدب
(76) كتاب
المشيخة
لأبي الحسين محمد بن أحمد بن محمد بن علي الصيرفي الآبنوسي البغدادي
ت 457 هـ
دراسة وتحقيق وتعليق
د/ خليل حسن حمادة
جامعة الملك سعود - كلية التربية
قسم الدراسات الإسلامية
الطبعة الأولى
1421هـ
সৌদি আরব রাজতন্ত্র - উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় - কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়
গবেষণা কেন্দ্র - কলা অনুষদ
(৭৬) গ্রন্থ
আল-মাশয়াখাহ
আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আস-সাইরাফি আল-আবনুসি আল-বাগদাদি-এর রচিত
মৃত্যু ৪৫৭ হিজরি
গবেষণা, সম্পাদনা ও টীকা প্রদান
ডক্টর খলিল হাসান হামাদাহ
কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয় - শিক্ষা অনুষদ
ইসলামি শিক্ষা বিভাগ
প্রথম সংস্করণ
১৪২১ হিজরি
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
جزء فيهفوائد عوال حسان منتقاة وغرابرواية الشيخ أبي الحسين محمد بن أحمد بن محمد بن علي الآبنوسي عن شيوخه رضي الله عنهم
رواية أبي عبد الله يحيى وأبي غالب أحمد ابني الحسن بن أحمد البناء كلاهما عنه رواية أبي حفص عمر بن محمد بن معمر بن طبرزد عن أبي غالب أحمد بن الحسن.
একটি পুস্তিকা, যাতে রয়েছেউচ্চমানের এবং চমৎকার নির্বাচিত ফায়েদা ও বিরল বর্ণনাসমূহশায়খ আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আবনূসীর বর্ণনা, তাঁর শায়খদের থেকে—আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
আবু আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া এবং আবু গালিব আহমদ—আল-হাসান ইবনে আহমদ আল-বান্নার দুই পুত্রের বর্ণনা, তাঁরা উভয়েই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মা'মার ইবনে তাবারযাদের বর্ণনা, আবু গালিব আহমদ ইবনে হাসানের থেকে।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
رواية أبي عبد الله محمد بن الحسن بن علي بن عساكر عن أبي حفص عمر بن طبرزد.
بسم الله الرحمن الرحيم
رب يسر خيراً
أخبرنا الشيخ الأجل شمس الدين أبو عبد الله محمد بن الحسن بن عساكر قراءة عليه ونحن نسمع بالقاهرة أنا الشيخ المسند أبو حفص عمر بن محمد بن معمر بن طبرزد قراءة عليه ونحن نسمع أنا أبو غالب أحمد بن الحسن بن أحمد بن البناء أنا الشيخ أبو الحسين محمد بن أحمد بن علي الآبنوسي:
1- أخبرنا أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي الدارقطني قراءة عليه وأنا أسمع في سنة خمس وثمانين وثلاثمائة
⦗ص: 38⦘ أخبرنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي أخبرنا أبو نصر التمار عبد الملك بن عبد العزيز حدثنا حماد بن سلمة عن إسحاق بن عبد الله بن
⦗ص: 39⦘ أبي طلحة عن عبيد الله بن مقسم عن ابن عمر قال قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم على منبره {وما قدروا الله حق قدره والأرض جميعا قبضته يوم القيامة} فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هكذا يمجد نفسه أنا العزيز أنا الجبار أنا المتكبر يعني بذلك الله عز وجل، فرجف به المنبر حتى قلنا ليخرن الأرض.
⦗ص: 40⦘ قال الدارقطني تفرد به حماد بن سلمة عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة.
আবু হাফস উমর বিন তাবারযাদ থেকে বর্ণিত আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন হাসান বিন আলী বিন আসাকিরের বর্ণনা।
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে রব! কল্যাণের সাথে সহজ করে দিন।
মহান শায়খ শামসউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন হাসান বিন আসাকির কায়রোতে আমাদের কাছে পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমরা তা শুনছিলাম: মুসনিদ শায়খ আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন মুয়াম্মার বিন তাবারযাদ আমাদের কাছে পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমরা তা শুনছিলাম: আবু গালিব আহমদ বিন হাসান বিন আহমদ বিন আল-বান্না আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: শায়খ আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী আল-আবনূসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন:
১- আবু আল-হাসান আলী বিন উমর বিন আহমদ বিন মাহদী আদ-দারাকুতনী আমাদের কাছে পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমি তা শুনছিলাম তিনশ পঁচাশি হিজরি সনে
⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘ আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউই আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু নাসর আত-তাম্মার আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আজিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন
⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ আবু তালহা থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন মিকসাম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে এই আয়াতটি পাঠ করলেন: {আর তারা আল্লাহকে যথার্থ মর্যাদা দেয়নি, অথচ কিয়ামতের দিন সমগ্র পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোয়}। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হাত দিয়ে) এভাবে ইশারা করে আল্লাহ নিজের মহিমা বর্ণনা করে বলতে লাগলেন: "আমিই মহাপরাক্রমশালী, আমিই প্রবল প্রতাপশালী, আমিই পরম অহংকারী"—এর মাধ্যমে তিনি মহান আল্লাহকে বোঝাচ্ছিলেন। তখন মিম্বরটি তাঁকে নিয়ে এমনভাবে কাঁপতে লাগল যে, আমরা ভাবলাম এটি তাঁকে নিয়ে মাটিতে ধসে পড়বে।
⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ দারাকুতনী বলেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু তালহা থেকে এই বর্ণনাটিতে একক হয়েছেন।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
2- أخبرنا علي أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي حدثنا عبيد الله بن محمد العيشي حدثنا حماد بن سلمة عن محمد بن عمرو عن
⦗ص: 41⦘ أبي سلمة عن أبي هريرة أن عمرو بن قيس كان له رِبا في الجاهلية فكان يمنعه ذلك الربا من الإسلام حتى يأخذه ثم يسلم، فجاء ذات يوم ورسول الله صلى الله عليه وسلم بأحد فقال لقومه أين سعد بن معاذ قالوا هو بأحد قال فأين فلان قالوا هو بأحد فسأل عن قومه فقالوا هم بأحد فأخذ سيفه ورمحه ولبس لأمته ثم أتى أحدا، فلما رآه المسلمون قالوا إليك يا عمرو قال آمنت فحمل فقاتل فحمل إلى أهله جريحا. فدخل عليه سعد بن معاذ فقال لأخته ناديه فقولي له أجئت غضبا لله ولرسوله أم حمية لقومك فنادت فقال بل جئت غضبا لله ولرسوله. فمات فدخل الجنة ولم يصل لله قط.
⦗ص: 42⦘قال الدارقطني: غريب من حديث محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة تفرد به حماد بن سلمة عنه. وقال أصحاب المغازي عمرو بن أقيش.
২- আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আইশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আমর থেকে, তিনি
⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবনে কায়েসের জাহেলি যুগে কিছু সুদি কারবার ছিল। সেই সুদই তাকে ইসলাম গ্রহণ থেকে বিরত রেখেছিল যতক্ষণ না তিনি তা গ্রহণ করেন এবং তারপর ইসলাম গ্রহণ করেন। একদিন তিনি আসলেন এমতাবস্থায় যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ ময়দানে ছিলেন। তিনি তাঁর গোত্রের লোকদের জিজ্ঞেস করলেন, "সা'দ ইবনে মুআয কোথায়?" তারা বলল, "তিনি উহুদে।" তিনি বললেন, "অমুক কোথায়?" তারা বলল, "তিনি উহুদে।" তিনি তাঁর কওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, "তারা উহুদে আছে।" অতঃপর তিনি তাঁর তলোয়ার ও বর্শা নিলেন এবং যুদ্ধের পোশাক পরিধান করে উহুদে আসলেন। যখন মুসলমানরা তাঁকে দেখল, তারা বলল, "আমাদের থেকে দূরে থাক, হে আমর!" তিনি বললেন, "আমি ঈমান এনেছি।" এরপর তিনি আক্রমণ করলেন এবং যুদ্ধ করলেন। পরে তাঁকে আহত অবস্থায় তাঁর পরিবারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো। সা'দ ইবনে মুআয তাঁর কাছে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর বোনকে বললেন, তাঁকে ডাকো এবং বলো: "তুমি কি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্য রাগান্বিত হয়ে এসেছ, নাকি তোমার কওমের প্রতি পক্ষপাতের টানে এসেছ?" বোন তাঁকে ডাকলে তিনি বললেন, "বরং আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে রাগান্বিত হয়ে এসেছি।" এরপর তিনি মৃত্যুবরণ করলেন এবং জান্নাতে প্রবেশ করলেন, অথচ তিনি আল্লাহর উদ্দেশ্যে কখনো সালাত আদায় করেননি।
⦗পৃষ্ঠা: ৪২⦘আদ-দারাকুতনী বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আমরের বর্ণনায় আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত এটি একটি 'গরীব' (সূত্র পরম্পরায় একক) হাদিস, যা কেবল হাম্মাদ ইবনে সালামাহ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর মাগাযী (যুদ্ধ-বিগ্রহ বিষয়ক) বিশেষজ্ঞগণ বলেন, তাঁর নাম 'আমর ইবনে উকাইশ'।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
3- أخبرنا علي حدثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن
⦗ص: 43⦘ عبد العزيز حدثنا أبو الحارث سريج بن يونس حدثنا الحسن بن يزيد صاحب السدي عن السدي عن أوس بن ضمعج عن أبي مسعود الأنصاري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم
⦗ص: 44⦘ يؤم القوم أقرؤهم لكتاب الله فإن كانوا في القراءة سواء فأعلمهم بالسنة فإن كانوا في العلم سواء فأقدمهم هجرة فإن كانوا في الهجرة سواء فأقدمهم سنا ولا يؤم الرجل في سلطانه ولا يقعد على تكرمته في بيته إلا بإذنه.
⦗ص: 46⦘قال الدارقطني تفرد به الحسن بن يزيد عن إسماعيل السدي.
৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ আবদুল আজীজ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হারিস সুরাইজ ইবনে ইউনুস, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান ইবনে ইয়াজিদ—যিনি আস-সুদ্দীর সঙ্গী—তিনি আস-সুদ্দী থেকে, তিনি আউস ইবনে দ্বাময়াজ থেকে, তিনি আবু মাসউদ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ এক সম্প্রদায়ের ইমামতি করবে তাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব (কুরআন) পাঠে সবচেয়ে পারদর্শী ব্যক্তি। যদি তারা কিরাআতের ক্ষেত্রে সমান হয়, তবে তাদের মধ্যে সুন্নাহ সম্পর্কে অধিক জ্ঞানী ব্যক্তি। যদি তারা জ্ঞানের ক্ষেত্রে সমান হয়, তবে তাদের মধ্যে হিজরতে অগ্রগামী ব্যক্তি। যদি তারা হিজরতের ক্ষেত্রে সমান হয়, তবে তাদের মধ্যে বয়সে বড় ব্যক্তি। কোনো ব্যক্তি যেন অন্যের কর্তৃত্বাধীন স্থানে তার ইমামতি না করে এবং তার বাড়িতে তার বিশেষ আসনে তার অনুমতি ছাড়া না বসে।
⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘আদ-দারাকুতনী বলেন: হাসান ইবনে ইয়াজিদ এটি ইসমাঈল আস-সুদ্দী থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
4- أخبرنا علي قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا سريج بن يونس قال حدثنا الحسن بن يزيد قال حدثنا السدي عن أبي عبد الرحمن السلمي عن علي قال لما توفي أبو طالب أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن عمك الشيخ قد مات، قال اذهب فواره ثم لا تحدث شيئا حتى تأتيني، فواريته ثم أتيته فقال اذهب فاغتسل ولا تحدث شيئا حتى تأتيني، قال فاغتسلت فأتيته فدعا لي بدعوات ما يسرني أن لي بها حمر النعم.
৪- আমাদের নিকট আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট সুরাইজ বিন ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাসান বিন ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আস-সুদ্দী বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন আবু তালিব মৃত্যুবরণ করলেন, তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললাম যে, আপনার বৃদ্ধ চাচা মারা গেছেন। তিনি বললেন: "যাও এবং তাকে মাটি দাও (দাফন করো), আর আমার নিকট ফিরে না আসা পর্যন্ত অন্য কিছু করো না।" আমি তাকে দাফন করলাম এবং তাঁর নিকট আসলাম। এরপর তিনি বললেন: "যাও, গোসল করো এবং আমার নিকট আসার আগে অন্য কিছু করো না।" তিনি (আলী) বলেন: আমি গোসল করলাম এবং তাঁর নিকট আসলাম; তখন তিনি আমার জন্য এমন কিছু দোয়া করলেন যে, তার বিনিময়ে লাল উট লাভ করাও আমার নিকট অধিক আনন্দদায়ক হতো না।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
5- أخبرنا علي قال حدثنا عبد الله قال حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة قال حدثنا محمد بن سليمان الأصبهاني
⦗ص: 48⦘ عن سهيل عن أبيه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلى في يوم ثنتي عشرة ركعة بني له بيت في الجنة.
⦗ص: 49⦘قال الدارقطني: تفرد به محمد بن سليمان عن سهيل عن أبيه عن أبي هريرة.
৫- আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-আসফাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ সুহাইলের সূত্রে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি এক দিনে বারো রাকাত সালাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে।
⦗পৃষ্ঠা: ৪৯⦘আদ-দারা কুতনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান এককভাবে এটি সুহাইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
6- أخبرنا علي قال حدثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز قال حدثنا أبو بكر يعني ابن أبي شيبة قال حدثنا محمد بن سليمان الأصبهاني عن سهيل عن أبيه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مدمن خمر كعابد اللات والعزى.
⦗ص: 50⦘قال الدارقطني تفرد به محمد بن سليمان عن سهيل عن أبيه عن أبي هريرة.
৬- আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু বকর অর্থাৎ ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুহাইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মদপানে আসক্ত ব্যক্তি লাত ও উযযার উপাসকের ন্যায়।
⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘আদ-দারাকুতনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান এটি সুহাইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
7- أخبرنا علي قال حدثنا أبو بكر عبد الله بن سليمان بن
⦗ص: 51⦘ الأشعث إملاء سنة ست عشرة وثلاثمائة قال حدثنا علي بن محمد الزيادآباذي قال حدثنا معن بن عيسى قال حدثنا مالك عن سهيل بن [أبي] صالح عن أبيه عن أبي هريرة
⦗ص: 52⦘ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا مرض العبد بعث الله إليه ملكين فيقول انظروا ماذا لعواده فإن هو إذا دخلوا عليه حمد الله عز وجل رفعا ذلك إلى الله وهو أعلم فيقول لعبدي إن أنا توفيته أن أدخله الجنة وإن أنا شفيته أن أبدله لحما خير من لحمه ودما خير من دمه وأن أكفر عنه سيئاته.
قال الدارقطني تفرد به علي بن محمد عن معن عن مالك وما نكتبه إلا عن ابن أبي داود.
৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে সুলায়মান ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ আল-আশআস ৩১৬ হিজরি সনে শ্রুতিলিপি হিসেবে, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জিয়াদআবাদি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'ন ইবনে ঈসা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি সুহাইল ইবনে [আবি] সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা
⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয়, তখন আল্লাহ তার কাছে দুইজন ফেরেশতা পাঠান এবং বলেন, তোমরা লক্ষ্য করো সে তার সেবাশুশ্রূষাকারীদের কী বলে। অতঃপর যখন তারা তার কাছে প্রবেশ করে, সে যদি মহান আল্লাহর প্রশংসা করে, তবে তারা তা আল্লাহর সমীপে উত্তোলন করে—অথচ তিনি এ বিষয়ে সম্যক অবগত—অতঃপর আল্লাহ বলেন: আমার এই বান্দার জন্য আমার প্রতিশ্রুতি হলো, যদি আমি তাকে মৃত্যু দান করি তবে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবো, আর যদি আমি তাকে আরোগ্য দান করি তবে তাকে তার বর্তমান গোশতের চেয়ে উত্তম গোশত এবং তার বর্তমান রক্তের চেয়ে উত্তম রক্ত দান করব এবং তার গুনাহসমূহ মোচন করে দেব।
আদ-দারাকুতনী বলেন, আলী ইবনে মুহাম্মদ মা'ন থেকে এবং তিনি মালিক থেকে এই হাদিসটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আমরা এটি কেবল ইবনে আবি দাউদ থেকেই লিপিবদ্ধ করি।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
8- أخبرنا علي قال حدثنا محمد بن جعفر المطيري قال حدثنا
⦗ص: 53⦘ جعفر بن عامر البزاز قال حدثنا عفان بن مسلم قال حدثنا ابن يحيى بن سعيد عن أبيه قال ما رأيت الصالحين في شيء أكذب منهم في الحديث.
آخر ما كتب عن الدارقطني.
৮- আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে জাফর আল-মুতাইরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ জাফর ইবনে আমির আল-বাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, আফফান ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ তার পিতার সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নেককার লোকদের হাদীস বর্ণনার চেয়ে অন্য কোনো বিষয়ে অধিক মিথ্যুক হতে দেখিনি।
দারা কুতনী থেকে যা লিখিত হয়েছে তার শেষাংশ।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
[2] شيخ آخر
9- أخبرنا أبو حفص عمر بن أحمد بن عثمان بن
⦗ص: 54⦘ أحمد بن شاهين قراءة عليه وأنا أسمع فأقر به قال حدثنا عبد الله بن محمد يعني البغوي قال حدثنا أحمد بن حنبل قال حدثنا يعقوب بن إبراهيم قال حدثنا أبي عن محمد
⦗ص: 55⦘ بن إسحاق قال حدثني سعيد بن عبيد بن السباق عن محمد بن أسامة بن زيد عن أبيه أسامة بن زيد قال لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم هبطت وهبط الناس معي إلى المدينة فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أصمت فلا يتكلم فجعل يرفع يده إلى السماء ثم يصبها علي أعرف أنه
⦗ص: 56⦘ يدعو لي.
[২] অন্য একজন শাইখ
৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন উসমান বিন
⦗পৃষ্ঠা: ৫৪⦘ আহমাদ বিন শাহীন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ অর্থাৎ আল-বাগাবী, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন হানবাল, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াকুব বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমার পিতা, মুহাম্মাদ
⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ বিন ইসহাক থেকে, তিনি বলেন, আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন সাঈদ বিন উবাইদ বিন আস-সাব্বাক, মুহাম্মাদ বিন উসামা বিন যাইদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা উসামা বিন যাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসুস্থতায় ভারাক্রান্ত হলেন, তখন আমি এবং আমার সাথে অন্যান্যরা মদিনার অভিমুখে আসলাম। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এমন এক দিনে প্রবেশ করলাম যখন তিনি অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে নিশ্চুপ ছিলেন এবং কোনো কথা বলছিলেন না। তখন তিনি আসমানের দিকে তাঁর হাত উঠাতে লাগলেন এবং তারপর তা আমার ওপর প্রসারিত করতে লাগলেন; আমি বুঝতে পারলাম যে তিনি
⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘ আমার জন্য দোয়া করছেন।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
10- أخبرنا عمر قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا داود بن عمرو الضبي قال حدثنا محمد بن مسلم عن عمرو بن دينار (ح) .
⦗ص: 57⦘11- وحدثنا عبد الله قال حدثنا محمد بن عباد المكي قال حدثنا سفيان عن عمرو بن دينار عن أبي صالح قال سمعت أبا سعيد الخدري قال قال لي ابن عباس حدثني أسامة بن زيد أن النبي صلى الله عليه وسلم قال إنما الربا في النسيئة
لفظ ابن عيينة.
১০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন দাউদ ইবনে আমর আদ-দাব্বি, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম, আমর ইবনে দিনার থেকে (হ)।
⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘১১- এবং আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ আল-মাক্কি, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি বলেন, আমি আবু সাঈদ আল-খুদরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ইবনে আব্বাস আমাকে বলেছেন, আমার কাছে উসামা ইবনে যায়েদ বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: সুদ কেবল বাকিতে (নাসিয়া) লেনদেনের মধ্যেই হয়।
এটি ইবনে উয়াইনার শব্দ।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
12- أخبرنا عمر قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا علي بن الجعد قال أخبرنا زهير يعني ابن معاوية عن زياد بن علاقة عن أسامة بن شريك قال كنت عند ⦗ص: 60⦘ رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءت الأعراب من كل مكان فقالوا يا رسول الله أعلينا حرج في كذا وكذا فقال يا عباد الله وضع الله الحرج إلا من اقترض امرءاً مسلماً فذلك الذي حرج وهلك، قالوا يا رسول الله أنتداوى قال نعم يا عباد الله إن الله لم يترك أو لم يضع داء إلا أنزل له شفاء غير داء واحد الهرم قالوا يا رسول الله فما خير ما أعطي الإنسان أو المسلم قال حسن الخلق.
১২- উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আলী ইবনুল জা'দ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, যুহাইর অর্থাৎ ইবন মুয়াবিয়া যিয়াদ ইবন আলাকা থেকে এবং তিনি উসামা ইবন শারীক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম। এমতাবস্থায় বিভিন্ন স্থান থেকে বেদুইনরা এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের জন্য কি অমুক অমুক বিষয়ে কোনো গুনাহ বা সংকীর্ণতা আছে? তিনি বললেন: হে আল্লাহর বান্দারা! আল্লাহ সংকীর্ণতা উঠিয়ে নিয়েছেন, তবে যে ব্যক্তি কোনো মুসলিম ব্যক্তির সম্মানহানি করল, সেই মূলত গুনাহগার ও ধ্বংসপ্রাপ্ত হলো। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি চিকিৎসা গ্রহণ করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ, হে আল্লাহর বান্দারা! নিশ্চয়ই আল্লাহ এমন কোনো রোগ রাখেননি বা সৃষ্টি করেননি যার নিরাময় তিনি নাযিল করেননি, কেবল একটি রোগ ব্যতীত; আর তা হলো বার্ধক্য। তারা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! মানুষকে অথবা মুসলিমকে যা কিছু দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে সর্বোত্তম কোনটি? তিনি বললেন: উত্তম চরিত্র।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٦١)
13- أخبرنا عمر قال حدثنا عبد الله [بن محمد] قال حدثنا علي بن الجعد قال أخبرنا أبو معاوية العباداني قال سمعت أبا المليح
⦗ص: 62⦘ ابن أسامة يحدث عن أبيه قال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة حنين في ثماني عشرة من شهر رمضان فوافق يوم جمعة يوم مطير فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم مناديا فنادى أن صلوا في رحالكم.
قال عبد الله بن محمد وأبو معاوية العباداني لم يسمه لنا علي بن الجعد وهو عندي سعيد بن زربي [وقد حدث بهذا الحديث يزيد بن هارون ويونس بن محمد عن سعيد بن زربي] عن أبي المليح.
১৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ [ইবন মুহাম্মাদ], তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল জা'দ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুআবিয়াহ আল-আবাদানি, তিনি বলেন, আমি আবুল মালিহ
⦗পৃষ্ঠা: ৬২⦘ ইবন উসামাহকে তার পিতা থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে রমজান মাসের আঠারো তারিখে হুনাইনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। দিনটি ছিল জুমার দিন এবং বৃষ্টির দিন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজন আহ্বানকারীকে নির্দেশ দিলেন, আর সে ঘোষণা করল যে, তোমরা তোমাদের আবাসস্থলে সালাত আদায় করো।
আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ বলেন, আলী ইবনুল জা'দ আমাদের কাছে আবু মুআবিয়াহ আল-আবাদানির নাম উল্লেখ করেননি, তবে আমার নিকট তিনি হলেন সাঈদ ইবন যারবী [এবং ইয়াজিদ ইবন হারুন ও ইউনুস ইবন মুহাম্মাদ এই হাদিসটি সাঈদ ইবন যারবী থেকে বর্ণনা করেছেন], তিনি আবুল মালিহ থেকে।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
14- أخبرنا عمر قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا هارون بن إسحاق قال حدثنا محمد بن عبد الوهاب السكري عن سفيان عن سعيد بن إياس الجريري عن أبي السليل
⦗ص: 63⦘ عن عبد الله بن رباح عن أبي بن كعب أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له أي آية في كتاب الله أعظم قال قلت الله ورسوله أعلم حتى أعادها علي ثلاثاً ثم قلت الله الحي القيوم قال فضرب صدري ثم قال ليهنك العلم أبا المنذر.
أخبرنا عمر حدثنا عبد الله حدثنا إبراهيم بن هانئ عن أحمد بن حنبل قال: اسم أبي السليل ضريب بن نقير.
১৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন বিন ইসহাক, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব আস-সুক্কারি, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি সাঈদ বিন ইয়াস আল-জুরাইরি থেকে, তিনি আবুল সালীল থেকে
⦗পৃষ্ঠা: ৬৩⦘ তিনি আবদুল্লাহ বিন রাবাহ থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন: আল্লাহর কিতাবের কোন আয়াতটি সবচেয়ে মহান? উবাই বলেন, আমি বললাম: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই সবচেয়ে ভালো জানেন। এভাবে তিনি তিনবার প্রশ্নটি পুনরাবৃত্তি করলেন। অতঃপর আমি বললাম: আল্লাহু হাইয়ুল কাইয়ুম। উবাই বলেন, তখন তিনি আমার বুকে হাত চাপড়ালেন এবং বললেন: হে আবুল মুনযির! তোমার জ্ঞান তোমার জন্য কল্যাণকর ও সহজ হোক।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন হানি, তিনি আহমদ বিন হাম্বল থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আবুল সালীল-এর নাম হলো যুরাইব বিন নুকাইর।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
15- أخبرنا عمر قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا حجاج بن يوسف قال حدثنا وهب بن جرير قال حدثنا أبي قال سمعت أيوب يحدث عن سعيد بن جبير عن ابن عباس ⦗ص: 66⦘ عن أبي بن كعب عن النبي صلى الله عليه وسلم أن جبريل حين ركض زمزم بعقبه جعلت أم إسماعيل تجمع البطحاء فقال النبي صلى الله عليه وسلم رحم الله هاجر أم إسماعيل لو تركتها كانت عيناً معيناً.
১৫- ওমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, হাজ্জাজ বিন ইউসুফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, ওয়াহাব বিন জারীর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমি আইয়ুবকে সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৬৬⦘ এবং তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে, আর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, জিবরাঈল যখন তাঁর গোড়ালি দ্বারা যমযমকে আঘাত করলেন, তখন ইসমাইলের মাতা বালু একত্রিত করতে শুরু করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আল্লাহ ইসমাইলের মাতা হাজেরার প্রতি রহম করুন, তিনি যদি ওভাবে ছেড়ে দিতেন তবে তা একটি প্রবহমান প্রস্রবণে পরিণত হতো।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٦٦)
16- أخبرنا عمر قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا علي بن الجعد قال أخبرنا شعبة عن قتادة ⦗ص: 67⦘ قال سمعت زرارة يحدث عن رجل من قومه يقال له أبي بن مالك أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول من أدرك والديه أو أحدهما فدخل النار بعد ذلك فأبعده الله وأسحقه.
16- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী ইবনে আল-জাদ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুবা, কাতাদাহ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৬৭⦘ তিনি বলেন, আমি যুরারাহ-কে তার গোত্রের উবাই ইবনে মালিক নামক জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি তার পিতামাতাকে অথবা তাদের একজনকে পেল, এরপর সে জাহান্নামে প্রবেশ করল, আল্লাহ তাকে (রহমত থেকে) দূরে সরিয়ে দিন এবং তাকে ধ্বংস করে দিন।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
17- أخبرنا عمر قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا محمد بن الهيثم قال حدثنا ابن أبي مريم قال أخبرنا يحيى بن أيوب
⦗ص: 69⦘ قال حدثني عبد الرحمن بن رزين عن محمد بن يزيد بن أبي زياد عن عبادة بن نسي عن أبي بن عمارة وكان رسول الله قد صلى في بيت عمارة القبلتين أنه قال يا رسول الله أمسح على الخفين؟ قال نعم قلت يوماً قال ويومين قلت ويومين قال وثلاثة حتى بلغ سبعاً. ثم قال نعم ما بدا لك
⦗ص: 71⦘قال عبد الله لا أعلم رواه غيره.
১৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-হাইসাম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবি মারইয়াম, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব
⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘ তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন রাযীন, তিনি মুহাম্মদ বিন ইয়াযীদ বিন আবি যিয়াদ থেকে, তিনি উবাদাহ বিন নাসি থেকে, তিনি উবাই বিন উমারাহ থেকে বর্ণনা করেন—আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই কিবলার অধিকারী উমারাহর বাড়িতে সালাত আদায় করেছিলেন—যে তিনি (উবাই) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি চামড়ার মোজার উপর মাসাহ করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, একদিন? তিনি বললেন, এবং দুই দিন। আমি বললাম, এবং দুই দিন? তিনি বললেন, এবং তিন দিন; এভাবে তিনি সাত দিন পর্যন্ত পৌঁছালেন। অতঃপর তিনি বললেন, হ্যাঁ, তোমার যতক্ষণ ইচ্ছা।
⦗পৃষ্ঠা: ৭১⦘আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٧١)
18- أخبرنا عمر قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثني جدي قال حدثنا هاشم بن القاسم قال حدثنا سليمان بن المغيرة (ح) وحدثنا عبد الله أيضاً قال حدثنا عبد الله بن الهيثم العبدي قال حدثنا أبو داود الطيالسي قال حدثنا حماد بن سلمة
⦗ص: 72⦘ وسليمان بن المغيرة جميعاً عن ثابت عن أنس قال كان أنس بن النضر عمي فسميت به لم يشهد مع النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر فشق عليه وقال أول مشهد شهده رسول الله صلى الله عليه وسلم غبت عنه أما والله لئن أراني الله مشهدا فيما بعد ليرين الله ما أصنع فهاب أن يقول غيرها. فشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد واستقبله سعد بن معاذ فقال له أبشر يا أبا عمرو واها لريح الجنة دون أحد، فقاتلهم حتى قتل رضي الله عنه قال فوجد في جسده بضع وثمانون ضربة وطعنة ورمية. فقالت الربيع بنت النضر عمتي فما عرفت أخي إلا ببنانه.
قال ونزلت هذه الآية {من المؤمنين رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه} الآية.
قال أنس يرون أنها نزلت فيه وفي أصحابه.
⦗ص: 73⦘ وهذا لفظ حديث جدي
آخر ما كتبت عن ابن شاهين
১৮- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেছেন: আমার দাদা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাশিম ইবনুল কাসিম, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুলাইমান ইবনুল মুগীরা (হ) এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহও, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হাইসাম আল-আবদী, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ
⦗পৃষ্ঠা: ৭২⦘ এবং সুলাইমান ইবনুল মুগীরা—উভয়েই সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আনাস ইবনুন নাদর আমার চাচা ছিলেন এবং তাঁর নামানুসারেই আমার নামকরণ করা হয়েছে। তিনি বদরের যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে উপস্থিত থাকতে পারেননি, যা তাঁর নিকট অত্যন্ত কঠিন মনে হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রথম যুদ্ধেই আমি অনুপস্থিত থাকলাম! আল্লাহর কসম, যদি আল্লাহ পরবর্তীতে আমাকে কোনো যুদ্ধে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ দেন, তবে আল্লাহ অবশ্যই দেখে নেবেন আমি কী করি।" তিনি এর অতিরিক্ত কিছু বলতে ভয় পেলেন। অতঃপর তিনি উহুদ যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে শরিক হলেন এবং সাদ ইবনে মুআয তাঁর মুখোমুখি হলেন। তিনি তাকে বললেন: "হে আবু আমর, সুসংবাদ গ্রহণ করুন! উহুদের এ পাশ থেকেই আমি জান্নাতের সুঘ্রাণ পাচ্ছি।" অতঃপর তিনি তাদের সাথে যুদ্ধ করলেন এবং শেষ পর্যন্ত শহীদ হলেন (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)। বর্ণনাকারী বলেন: তাঁর দেহে তলোয়ারের আঘাত, বর্শার খোঁচা এবং তীরের জখম মিলিয়ে আশিরও বেশি চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল। আমার ফুফু রুবায়্যি বিনতে নাদর বলেছিলেন: "আমি আমার ভাইকে কেবল তাঁর আঙুলের ডগা দেখেই চিনতে পেরেছিলাম।"
তিনি বলেন: আর এই আয়াতটি নাযিল হয়েছে— {মুমিনদের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছে...} শেষ পর্যন্ত।
আনাস বলেন: তারা মনে করেন যে, এই আয়াতটি তাঁর এবং তাঁর সাথীদের ব্যাপারেই নাযিল হয়েছে।
⦗পৃষ্ঠা: ৭৩⦘ এটি আমার দাদার বর্ণিত হাদীসের শব্দাবলি।
ইবনে শাহীনের নিকট থেকে আমার লিখে নেওয়া শেষ অংশ।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٧٣)
[3] شيخ آخر
19- أخبرنا أبو القاسم عبيد الله بن محمد بن إسحاق بن سليمان بن مخلد بن إبراهيم بن تميم بن حبابة قراءة عليه وأنا أسمع في شهر ربيع
⦗ص: 74⦘ الأول سنة خمس وثمانين وثلاثمائة قال حدثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي قال حدثنا طالوت بن عباد أبو عثمان قال حدثنا فضال بن جبير قال سمعت أبا أمامة الباهلي يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول اكفلوا لي بست أكفل لكم بالجنة إذا حدث أحدكم فلا يكذب وإذا ائتمن فلا يخن وإذا وعد فلا يخلف غضوا أبصاركم وكفوا
⦗ص: 75⦘ أيديكم واحفظوا فروجكم.
[৩] অন্য একজন শাইখ
১৯- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন সুলাইমান বিন মাখলাদ বিন ইবরাহিম বিন তামিম বিন হাবাবাহ, তাঁর নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি তা শুনছিলাম তিনশত পঁচাশি হিজরি সালের রবিউল
⦗পৃষ্ঠা: ৭৪⦘ আউয়াল মাসে। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তালুত বিন আব্বাদ আবু উসমান। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ফাযযাল বিন জুবাইর। তিনি বলেন, আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: তোমরা আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের জিম্মাদার হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব; যখন তোমাদের কেউ কথা বলে তখন যেন সে মিথ্যা না বলে, যখন আমানত রাখা হয় তখন যেন খিয়ানত না করে, যখন ওয়াদা করে তখন যেন তা ভঙ্গ না করে, তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত রাখো এবং
⦗পৃষ্ঠা: ৭৫⦘ তোমাদের হাতসমূহকে বিরত রাখো এবং তোমাদের লজ্জাস্থানের হিফাজত করো।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٧٥)
20- أخبرنا عبيد الله قال حدثنا عبد الله قال حدثنا طالوت ⦗ص: 76⦘ بن عباد قال حدثنا فضال قال حدثنا أبو أمامة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ثلاث من كن فيه وجد حلاوة الإيمان أن يكون الله ورسوله أحب إليه مما سواهما وأن يحب العبد لا يحبه إلا لله وأن يكره أن يرجع في الكفر بعدما أنقذه الله منه كما يكره أن يلقى في النار.
২০- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালূত ⦗পৃষ্ঠা: ৭৬⦘ ইবনে আব্বাদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফাদ্বাল, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমামাহ, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “তিনটি বিষয় যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের মিষ্টতা আস্বাদন করবে: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তাঁর নিকট অন্য সবকিছুর চেয়ে অধিক প্রিয় হওয়া, কোনো বান্দাকে কেবল আল্লাহর জন্যই ভালোবাসা এবং আল্লাহ তাকে কুফর থেকে মুক্তি দেওয়ার পর পুনরায় কুফরে ফিরে যাওয়াকে তেমনি অপছন্দ করা যেমন সে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অপছন্দ করে।”
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٧٦)
21- أخبرنا عبيد الله قال حدثنا عبد الله قال حدثنا ⦗ص: 77⦘ طالوت قال حدثنا فضال بن جبير قال حدثنا أبو أمامة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إن أول الآيات طلوع الشمس من مغربها.
২১- উবায়দুল্লাহ আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৭৭⦘ তালুত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ফাযযাল বিন জুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু উমামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই নিদর্শনসমূহের প্রথমটি হলো পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়া।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٧٧)
22- أخبرنا عبيد الله قال حدثنا عبد الله قال حدثني جدي قال حدثني أبو الأحوص محمد بن حيان البغوي عن مالك بن أنس ⦗ص: 78⦘ عن هشيم بن أبي خازم عن يعلى بن عطاء عن عمارة بن حديد أن النبي صلى الله عليه وسلم قال اللهم بارك لأمتي في بكورها.
২২- উবাইদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার দাদা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবুল আহওয়াস মুহাম্মদ ইবন হাইয়ান আল-বাগাওয়ী মালিক ইবন আনাস থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৭৮⦘ বর্ণনা করেছেন, তিনি হুশাইম ইবন আবি খাযিম থেকে, তিনি ইয়ালা ইবন আতা থেকে, তিনি উমারা ইবন হাদিদ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: হে আল্লাহ, আপনি আমার উম্মতের জন্য তাদের ভোরবেলায় বরকত দান করুন।
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٧٩)
23- أخبرنا عبيد الله قال حدثنا عبد الله قال حدثنا أحمد بن إبراهيم الموصلي قال كنت بالشماسية ⦗ص: 80⦘ والمأمون يجري الحبلة فسمعته يقول ليحيى بن أكثم وهو ينظر إلى كثرة الناس أما ترى أما ترى ثم قال حدثنا يوسف بن عطية عن ثابت عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم قال الخلق كلهم عباد الله فأحب خلقه إليه أنفعهم لعياله.
২৩- ওবায়দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আল-মাওসিলি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি শামাসিয়াহ নামক স্থানে ছিলাম ⦗পৃষ্ঠা: ৮০⦘ এবং আল-মামুন তখন ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা পরিচালনা করছিলেন। এমতাবস্থায় আমি তাকে ইয়াহইয়া ইবনে আকসামকে বলতে শুনলাম, যখন তিনি বিপুল জনসমাবেশের দিকে লক্ষ্য করছিলেন, "তুমি কি দেখছ না? তুমি কি দেখছ না?" এরপর তিনি বললেন, ইউসুফ ইবনে আতিয়্যাহ আমাদের নিকট সাবিত থেকে, তিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "সমগ্র সৃষ্টি আল্লাহর বান্দা, আর আল্লাহর নিকট তাঁর সৃষ্টির মধ্যে তারাই সবচেয়ে বেশি প্রিয় যারা তাঁর পরিবারের (নির্ভরশীলদের) জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।"
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٨٢)
24- أخبرنا عبيد الله قال حدثنا عبد الله قال حدثنا أبو النضر التمار قال حدثنا القاسم بن الفضل الحداني عن النضر يعني ابن شيبان قال قلت لأبي سلمة حدثني بشيء سمعته من أبيك يحدث به عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال حدثني أبي في شهر رمضان قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تعالى فرض عليكم شهر رمضان وسننت عليكم قيامه ⦗ص: 83⦘ فمن صامه وقامه إيماناً واحتساباً خرج من الذنوب كيوم ولدته أمه.
২৪- আমাদের অবহিত করেছেন উবায়দুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নাজর আত-তাম্মার, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাসেম ইবনুল ফজল আল-হাদ্দানি, নজ্র অর্থাৎ ইবনে শায়বান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু সালামাহকে বললাম, "আপনি আপনার পিতার নিকট থেকে শুনেছেন এবং তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন এমন কোনো হাদীস আমাকে শোনান।" তিনি বললেন, আমার পিতা রমজান মাসে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদের ওপর রমজান মাসের রোজা ফরজ করেছেন এবং আমি তোমাদের জন্য এর কিয়ামকে (রাতের ইবাদত) সুন্নাত করেছি। ⦗পৃষ্ঠা: ৮৩⦘ সুতরাং যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের আশায় এই মাসে রোজা রাখবে এবং কিয়াম করবে, সে গুনাহ থেকে এমনভাবে মুক্ত হয়ে বের হবে যেমন তার মা তাকে ভূমিষ্ঠ করার দিন সে নিষ্পাপ ছিল।"
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٨٤)
25- أخبرنا عبيد الله وعيسى بن علي الوزير قالا حدثنا عبد الله ⦗ص: 85⦘ بن محمد بن عبد العزيز قال حدثنا هدبة بن خالد قال حدثنا حماد بن سلمة عن ثابت عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن صهيب قال قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم {للذين أحسنوا الحسنى وزيادة} فقال إذا دخل أهل الجنة - زاد عيسى الجنة - وأهل النار - زاد عيسى النار -[ثم انغلقتا] نادى مناد إن لكم عند الله موعدا يريد أن ينجزكموه فيقولون ما هو ألم يثقل الله موازيننا ويبيض وجوهنا ويدخلنا الجنة ويجرنا من النار فيكشف لهم عن الحجاب فينظرون إلى الله تعالى فما شيء أعطوه أحب إليهم من النظر إليه وهي الزيادة.
২৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ এবং ঈসা ইবনে আলী আল-ওয়াযীর, তাঁরা উভয়ে বলেছেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ৮৫⦘ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আযীয, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুদবাহ ইবনে খালিদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি সুহাইব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেন: "যারা কল্যাণকর কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত এবং আরও অধিক।" অতঃপর তিনি বললেন, "যখন জান্নাতবাসীরা—ঈসা 'জান্নাতে' শব্দটুকু যোগ করেছেন—এবং জাহান্নামীরা—ঈসা 'জাহান্নামে' শব্দটুকু যোগ করেছেন—প্রবেশ করবে [অতঃপর যখন উভয় রুদ্ধ হয়ে যাবে], তখন একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করবেন, 'আল্লাহর কাছে তোমাদের জন্য একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তিনি তোমাদের জন্য পূর্ণ করতে চান।' তখন তারা বলবে, 'সেটি কী? আল্লাহ কি আমাদের নেকির পাল্লা ভারী করে দেননি, আমাদের মুখমণ্ডল উজ্জ্বল করে দেননি, আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি?' অতঃপর তাদের সামনে থেকে পর্দা উন্মোচন করা হবে এবং তারা মহান আল্লাহর দিকে তাকাবেন। তখন তাদের যা কিছু প্রদান করা হয়েছে, তার মধ্যে আল্লাহর দিকে তাকানোর চেয়ে প্রিয়তর আর কিছুই হবে না; আর এটাই হলো 'অধিক' (যিয়াদাহ)।"
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٨٦)
26- أخبرنا عبيد الله قال حدثنا عبد الله قال حدثنا هدبة ⦗ص: 87⦘ قال حدثنا سهيل بن أبي حزم قال حدثنا ثابت البناني عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من وعده الله عز وجل على عمل ثوابا فهو منجزه له ومن وعده الله على عمل عقابا فهو فيه بالخيار.
২৬- উবায়দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হুদবাহ ⦗পৃষ্ঠা: ৮৭⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুহাইল বিন আবি হাযম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সাবিত আল-বুনানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস বিন মালিক থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ আযযা ওয়া জাল কোনো আমলের বিনিময়ে যাকে পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি তা তার জন্য অবশ্যই পূর্ণ করবেন। আর আল্লাহ কোনো আমলের জন্য যাকে শাস্তির হুমকি দিয়েছেন, তবে তিনি সে বিষয়ে ইচ্ছাধিকার রাখেন।"
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٨٧)
27- أخبرنا عبيد الله قال حدثنا عبد الله قال حدثنا هدبة قال حدثنا سهيل بن أبي حزم قال حدثنا ثابت البناني عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في هذه الآية {هو أهل التقوى وأهل المغفرة} قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ربكم عز وجل أنا أهل أن أتقى فلا يشرك بي عبدي وأنا أهل لمن ⦗ص: 88⦘ اتقى أن يشرك بي أن أغفر له.
২৭- উবাইদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আব্দুল্লাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন হুদবা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন সুহাইল ইবনে আবি হাযম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন সাবিত আল-বুনানী আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াতের বিষয়ে বলেছেন {তিনিই তাকওয়ার যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী}। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মহান ও পরাক্রমশালী প্রতিপালক বলেছেন: "আমিই এর যোগ্য যে আমাকে ভয় করা হবে, সুতরাং আমার বান্দা যেন আমার সাথে কাউকে শরীক না করে। আর যে ব্যক্তি ⦗পৃষ্ঠা: ৮৮⦘ আমার সাথে শিরক করা থেকে বিরত থাকল, আমি তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার যোগ্য।"
(খণ্ড: ١)
মাশইয়খাতুল আবনুসি
(পৃষ্ঠা: ٨٨)
28- أخبرنا عبيد الله قال حدثنا عبد الله بن محمد قال حدثنا هدبة بن خالد قال حدثنا حماد عن ثابت عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم عاد رجلا قد صار مثل الفرخ فقال النبي صلى الله عليه وسلم له هل دعوت بشيء قال نعم قلت اللهم ما كنت معاقبني به في الآخرة فعجله في الدنيا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم سبحان الله لا طاقة لك بعذاب الله فهلا قلت اللهم ربنا آتنا ⦗ص: 89⦘ في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار.
২৮- উবাইদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হুদবা ইবনে খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাম্মাদ সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে দেখতে গেলেন যে (অসুস্থতার কারণে) পাখির ছানার মতো (দুর্বল ও শীর্ণ) হয়ে গিয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, "তুমি কি কোনো বিষয়ে দুআ করেছিলে?" সে বলল, "হ্যাঁ, আমি বলেছিলাম— হে আল্লাহ! পরকালে আপনি আমাকে যে শাস্তি দিতেন, তা ইহকালেই দ্রুত দিয়ে দিন।" রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সুবহানাল্লাহ! আল্লাহর আযাব সহ্য করার শক্তি তোমার নেই। তুমি কেন বললে না— হে আল্লাহ! হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ⦗পৃষ্ঠা: ৮৯⦘ ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদের আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।"