(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: -)
المسند الجامع القسم: كتب السنة
الكتاب: المسند الجامع
حققه ورتبه وضبط نصه: بشار عواد معروف - السيد أبو المعاطي محمد النوري [ت 1401 هـ]- أحمد عبد الرزاق عيد - أيمن إبراهيم الزاملي - محمود محمد خليل
الناشر: دار الجيل للطباعة والنشر والتوزيع، بيروت، الشركة المتحدة لتوزيع الصحف والمطبوعات، الكويت
الطبعة: الأولى، 1413 هـ - 1993 م
عدد الأجزاء: 22 (آخر 2 فهارس)
تنبيه: هذه النسخة مصدرها الشيخ محمود محمد خليل الصعيدي، وهو أحد المشاركين في تأليف الكتاب، وفيها تعديلات عن النسخة الورقية بالنقص والزيادة.
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-মুসনাদ আল-জামি' বিভাগ: হাদীসের কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-মুসনাদ আল-জামি'
তাহকীক, বিন্যাস ও পাঠ্য-সম্পাদনা করেছেন: বাশার আওয়াদ মারুফ - আস-সাইয়্যিদ আবু আল-মাআতি মুহাম্মাদ আন-নূরী [মৃত্যু ১৪০১ হিজরী]- আহমাদ আবদুর রাজ্জাক ঈদ - আয়মান ইব্রাহীম আয-যামিলী - মাহমুদ মুহাম্মাদ খলীল
প্রকাশক: দারুল জীল লিত-তিবাআ ওয়ান নাশর ওয়াত তাওযী, বৈরুত, আশ-শারিকাতুল মুত্তাহিদা লিতাওযী আস-সুহুফ ওয়াল মাতবুআত, কুয়েত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হিজরী - ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২২ (শেষের ২ খণ্ড নির্ঘণ্ট)
সতর্কবার্তা: এই কপির উৎস হলেন শায়খ মাহমুদ মুহাম্মাদ খলীল আস-সাঈদী, যিনি এই গ্রন্থটি রচনার অন্যতম অংশগ্রহণকারী, এবং এতে মুদ্রিত সংস্করণের তুলনায় হ্রাস-বৃদ্ধিমূলক কিছু সংশোধন রয়েছে.
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১)
المسنَدُ الجَامِع
لأحَادِيث الكُتب الستّة، ومُؤلّفات ِ أصحَابهَا الأخرى، وموطأ مَالك، ومَسَانيد الحُمَيدي، وأحمَد بن حَنبَل، وعَبد بن حُمَيْد، وسُنَن الدارمي، وصحيح ابن خُزيمَة.
حَققه ورَتبه وضبَط نصَّه
الدكتور بشار عوّاد معروُف
السيد أبو المعاطي محمّد النُّوريّ
أحمد عبْد الرزّاق عيد
أيمَن إبراهيم الزاملي
محمُود محمَّد خليل
دَارُ الجيل بَيروت
الشركة المتّحدة الكويت
আল-মুসনাদ আল-জামি‘
সিত্তাহ বা ছয়টি কিতাবের হাদিসসমূহ, এগুলোর লেখকদের অন্যান্য রচনাবলি, মুয়াত্তা মালিক, আল-হুমায়দী, আহমাদ বিন হাম্বল ও আবদ বিন হুমাইদের মুসনাদসমূহ, সুনানে দারেমী এবং সহিহ ইবনে খুজাইমাহ-এর সংকলন।
তাহকিক, বিন্যাস ও পাঠ-সম্পাদনায়
ডক্টর বাশার আওয়াদ মারুফ
সাইয়্যেদ আবু আল-মাআতি মুহাম্মদ আল-নূরী
আহমাদ আবদুর রাজ্জাক ঈদ
আয়মান ইব্রাহিম আল-জামিলি
মাহমুদ মুহাম্মদ খলিল
দারুল জীল, বৈরুত
আল-শারিকাহ আল-মুত্তাহিদা, কুয়েত
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২)
جَميع الحقوق محفوظة
الطبعَة الأولى
1413 هـ - 1993 م
دَارُ الجيل لِلطِّباعة والنشر والتوزيع - بَيروت
الشركة المتَّحِدَة لتوزيع الصّحف والمطبوعات - الكويت
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪১৩ হিজরী - ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ
দার আল-জিল মুদ্রণ, প্রকাশনা এবং বিতরণ - বৈরুত
সংযুক্ত সংবাদপত্র এবং প্রকাশনা বিতরণ কোম্পানি - কুয়েত
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ৪)
إن هذا المسند الجامع قد حوى الأحاديث الواردة في مصادره صحيحها وضعيفها،
وعلى المسلم التأكد من صحة كل حديث في هذا الكتاب قبل العمل به أو بما يستفاد منه.
নিশ্চয়ই এই সংকলিত মুসনাদ গ্রন্থটি এর উৎসসমূহে বর্ণিত সহীহ ও যয়ীফ হাদীসসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
আর এই কিতাবে বিদ্যমান প্রতিটি হাদীসের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক, তার ওপর আমল করার আগে কিংবা তা থেকে যা আহরিত হয় তার ওপর আমল করার আগে।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله الذي أَكملَ لنا ديننَا، وأتمَّ علَينا نعمتَه، ورضيَ لنا الإِسلامَ دينًا وصلَّى اللَّهُ وسلم على عَبْدِهِ ونبيهِ مُحَمَّد الأميّ إمام المتقين وخاتم النبيين، ورضوان الله تعالى على السابقين الأولين من المهاجرين والأنصار، والَّذين اتبعوهم بإحسان، رضيَ اللَّهُ عنهم ورضوا عنه، وأعدَّ لهم جنَّاتٍ تجري تحتها الأنهار خالدين فيها أبدًا، وذلك الفوز العظيم.
أما بعد،
فإن أعظم ما يعول عليه الإِنسان في دينه هو الكتابُ العزيز الذي لا يأتيه الباطلُ من بين يديه ولا من خلْفه تنزيلٌ من حكيمٍ حميدٍ، وسنةُ الرسولِ الكريم التي يعجز كلُّ أَحَدٍ من البشر عن معارضتها والإِتيان بمثلها. وهذان المصدران هما أصل العلم النافع المؤدي إلى العمل الصالح الذي ينشده المسلم المخلص بعيدًا عن التعصب واتباع أهواء الآخرين.
فأما الكتابُ العزيزُ فَإنَّ الله تعالى تَوَلَّى حِفظه بنفسه ولم يكل ذلك إلى أحد من خلقه، فقال تعالى: {إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ}. فظهر مصداقُ ذلك مع طول المدة وامتداد الأيام وتوالي الشهور وتعاقب السنين وانتشار أهل الإِسلام واتساع رقعته.
وأما السنة، فإنَّ الله تعالى وَفَّق لها حُفَّاظًا عارفين وجَهَابِذةً عالمينَ وصَيَارِفةً ناقدينَ يَنْفُون عنها تحريفَ الغالين وانتحال المبطلين وتأويلَ الجاهلين،
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জন্য আমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করেছেন, আমাদের উপর তাঁর নেয়ামত সম্পূর্ণ করেছেন এবং আমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করেছেন। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর বান্দা ও নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি, যিনি মুত্তাকীদের ইমাম এবং নবীদের সমাপ্তিকারী। আর আল্লাহর সন্তুষ্টি বর্ষিত হোক মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে যারা প্রথম অগ্রগামী ছিলেন তাদের প্রতি এবং যারা নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসরণ করেছেন তাদের প্রতি; আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত করেছেন জান্নাত, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। আর এটাই মহাসাফল্য।
অতঃপর,
নিশ্চয়ই মানুষ তার দ্বীনের ব্যাপারে যে বিষয়ের ওপর সর্বাধিক নির্ভর করে, তা হলো এই মহাগ্রন্থ (আল-কুরআন), যার সম্মুখে বা পশ্চাৎ হতে কোনো বাতিল আসতে পারে না। এটি প্রজ্ঞাময় ও চিরপ্রশংসিত সত্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। আর অপরটি হলো সম্মানিত রাসূলের সুন্নাহ, যার বিরোধিতা করতে বা যার অনুরূপ কিছু নিয়ে আসতে সমস্ত মানুষ অক্ষম। এই উৎস দুটিই হলো সেই উপকারী জ্ঞানের মূলভিত্তি, যা এমন নেক আমলের দিকে পরিচালিত করে যা একজন একনিষ্ঠ মুসলিম গোঁড়ামি এবং অন্যের খেয়ালখুশির অনুসরণ থেকে দূরে থেকে অনুসন্ধান করে।
মহান আল-কুরআনের কথা যদি বলি, তবে আল্লাহ তাআলা স্বয়ং এটি সংরক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং তাঁর সৃষ্টির অন্য কারও ওপর তা ন্যস্ত করেননি। মহান আল্লাহ বলেন: "নিশ্চয়ই আমি উপদেশবাণী অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই এর সংরক্ষক।" দীর্ঘকাল অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও, দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর অতিক্রান্ত হওয়া এবং ইসলামের অনুসারীদের সংখ্যা ও এর সীমানা বিস্তৃত হওয়া সত্ত্বেও এর সত্যতা প্রকাশ পেয়েছে।
আর সুন্নাহর কথা যদি বলি, তবে আল্লাহ তাআলা এর জন্য এমন বিজ্ঞ হাফেজ, অভিজ্ঞ আলেম এবং দক্ষ সমালোচকদের তাওফিক দিয়েছেন, যারা এর থেকে সীমালঙ্ঘনকারীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যা আরোপ এবং জাহেলদের অপব্যাখ্যা দূর করেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ৬)
فتنوعوا في تصنيفِها وتفننوا في تدوينها على أنحاء كثيرة وضروب عديدة، حرصًا على حفظها وخوفًا من إضاعتها، وتسهيلًا لطلابها، فظهرت "المصنفات" و "المسانيد" و "السنن" و "الجوامع" ونحوها.
وقد رأينا في هذه الأعْصر التي تطور فيها العلمُ وتنوعت فيها أساليبُ البحث العلمي أَنَّ من واجبِ المسلمينَ تَيْسير سنَّة رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى طلابها العاملين بها وفق طرائق من التنظيم والترتيبِ والتخريج تُعين المُستفيدَ منها أقصى إعانة، بحيث يجد الحديث الواحدَ الَّذي تكرر في الكتاب الواحدِ أو وردَ في مجموعةٍ من الكتب قد تجمَّعَ في مكانٍ واحد بينما كان يجد صعوبةً في العثور عليه بسبب تنوع أساليب التنظيم والترتيب وكثرة الكتب واختلاف مناهجها.
لقد قمنا باختيارِ مجموعةٍ نفيسة من كتب الحديث لتكون أساسًا لهذا الكتاب هي في حقيقتها الأمهات في هذا الموضوع، وانتقينا لعملنا منها أجود الطبعات التي وقفنا عليها، فأصبح كتابنا هذا يجمع جميع الأحاديث وطرقها الواردة في الكتب الآتية:
1 - الموطأ: لأبي عبد الله مالك بن أنس، المتوفى سنة 179 برواية يحيى بن يحيى الليثي المتوفى سنة 234 عنه، طبعة الشعب بالقاهرة، بعناية محمد فؤاد عبد الباقي.
2 - المسند: لأبي بكر عبد الله بن الزبير الحميدي، المتوفى سنة 219، طبعة عالم الكتب في بيروت بتحقيق الشيخ حبيب الرحمان الأعظمي.
3 - المسند: لأبي عبد الله أحمد بن حنبل، المتوفى سنة 241،
তারা হাদীসসমূহকে বিন্যস্তকরণে বৈচিত্র্য এনেছেন এবং বিভিন্ন পদ্ধতিতে ও প্রকারে সেগুলো সংকলনে নিপুণতা দেখিয়েছেন। এর লক্ষ্য ছিল হাদীস সংরক্ষণে সচেষ্ট হওয়া, তা হারিয়ে যাওয়ার ভয় দূর করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ করা। ফলশ্রুতিতে "মুসান্নাফ", "মুসনাদ", "সুনান", "জামি" এবং এই জাতীয় গ্রন্থাবলি আত্মপ্রকাশ করেছে।
বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের অগ্রগতি হয়েছে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার পদ্ধতিসমূহ বৈচিত্র্যময় হয়েছে। আমরা মনে করি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহকে এর শিক্ষার্থী ও আমলকারীদের জন্য সহজতর করা মুসলমানদের অন্যতম কর্তব্য। এটি এমন বিন্যাস, সজ্জা এবং তাখরীজ পদ্ধতির মাধ্যমে হওয়া উচিত যা পাঠকদের সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করবে। ফলে একজন পাঠক একই হাদীস, যা কোনো একটি নির্দিষ্ট গ্রন্থে বারবার এসেছে অথবা একগুচ্ছ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, তা এক স্থানেই পেয়ে যাবে। ইতিপূর্বে বিন্যাস ও সজ্জার পদ্ধতির ভিন্নতা এবং গ্রন্থের আধিক্য ও বিভিন্ন মানহাজের কারণে যা খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল।
আমরা হাদীসের কতিপয় মূল্যবান গ্রন্থ বেছে নিয়েছি এই কিতাবের মূল ভিত্তি হিসেবে, যা প্রকৃতপক্ষে এই বিষয়ের মূল উৎসগ্রন্থ (উম্মাহাত)। আমাদের এই কাজের জন্য আমরা সেগুলোর সর্বোত্তম সংস্করণসমূহ নির্বাচন করেছি যা আমাদের হস্তগত হয়েছে। ফলে আমাদের এই গ্রন্থটি নিম্নোক্ত কিতাবসমূহে বর্ণিত সকল হাদীস ও সেগুলোর সূত্রসমূহকে একত্রিত করেছে:
১ - আল-মুয়াত্তা: আবু আব্দুল্লাহ মালিক ইবনে আনাস রহ.-এর রচিত, মৃত্যু ১৭৯ হিজরি। এটি তাঁর থেকে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-লাইসী (মৃত্যু ২৩৪ হিজরি)-এর বর্ণনা অনুযায়ী। কায়রোর আশ-শা'ব সংস্করণ, মুহাম্মাদ ফুয়াদ আব্দুল বাকীর সম্পাদনায়।
২ - আল-মুসনাদ: আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে জুবায়ের আল-হুমাইদী রহ.-এর রচিত, মৃত্যু ২১৯ হিজরি। বৈরুতের আলমুল কুতুব সংস্করণ, শাইখ হাবিবুর রহমান আল-আ’জমীর তাহকীকসহ।
৩ - আল-মুসনাদ: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ.-এর রচিত, মৃত্যু ২৪১ হিজরি।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ৭)
القاهرة، المطبعة الميمنية 1896.
4 - المسند: لأبي محمد عَبْد بن حُمَيد، المتوفى سنة 249 عن نسخة مخطوطة مصورة عن دار الكتب الظاهرية بدمشق تحت رقم 1066 (وقمنا بترقيم أحاديثها والإِحالة على رقم الحديث).
5 - السنن: لأبي محمد عبد الله عبد الرحمان الدارمي، المتوفى سنة 255 طبعة شركة الطباعة الفنية المتحدة - القاهرة.
6 - الجامع الصحيح: لأبي عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري، المتوفى سنة 256، طبعة الشعب المصورة عن الطبعة السلطانية في تسعة أجزاء.
7 - الأدب المفرد: للبخاري أيضًا، طبعة القاهرة، نشره قصي محب الدين الخطيب.
8 - رفع اليدين: للبخاري أيضًا، نشره دار الأرقم - الكويت.
9 - جزء القراءة خلف الإِمام: للبخاري أيضًا، نشره دار الحديث - القاهرة.
10 - خلق أفعال العباد: للبخاري أيضًا، طبع مكتبة ومطبعة النهضة الحديثة - مكة المكرمة - 1390 هـ.
11 - الجامع الصحيح: لأبي الحسين مسلم بن الحجاج القشيري المتوفى سنة 261 طبعة استانبول المحققة المطبوعة عام 1329 هجرية.
12 - السنن: لأبي داود سليمان بن الأشعث، المتوفى سنة 275، طبعة دار إحياء السنة النبوية، بعناية محمد محيي الدين عبد الحميد.
কায়রো, আল-মাতবাআতুল মায়মানিয়া ১৮৯৬।
৪ - আল-মুসনাদ: আবু মুহাম্মদ আবদ বিন হুমাইদ (মৃত্যু ২৪৯ হি.), দামেস্কের দারুল কুতুব আজ-জাহিরিয়াতে সংরক্ষিত ১০৬৬ নম্বর পাণ্ডুলিপির একটি ফটোগ্রাফিক সংস্করণের ভিত্তিতে (আমরা এর হাদিসগুলোকে সংখ্যায়িত করেছি এবং হাদিস নম্বরের মাধ্যমে উদ্ধৃতি প্রদান করেছি)।
৫ - আস-সুনান: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আবদুর রহমান আদ-দারিমি (মৃত্যু ২৫৫ হি.), প্রকাশনী: শিরকাতুত তিবায়াতিল ফান্নিয়াতিল মুত্তাহিদা - কায়রো।
৬ - আল-জামেউস সহিহ: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি (মৃত্যু ২৫৬ হি.), নয় খণ্ডে সুলতানিয়া সংস্করণের ভিত্তিতে আশ-শাআব কর্তৃক প্রকাশিত ফটোগ্রাফিক সংস্করণ।
৭ - আল-আদাবুল মুফরাদ: ইমাম বুখারি রচিত, কায়রো সংস্করণ, প্রকাশনায়: কুসাই মুহিবুদ্দিন আল-খাতিব।
৮ - রাফউল ইয়াদাইন: ইমাম বুখারি রচিত, প্রকাশনায়: দারুল আরকাম - কুয়েত।
৯ - জুজউল কিরাআতি খালফাল ইমাম: ইমাম বুখারি রচিত, প্রকাশনায়: দারুল হাদিস - কায়রো।
১০ - খালকু আফআলিল ইবাদ: ইমাম বুখারি রচিত, মাকতাবা ও মাতবাআ আন-নাহদাতুল হাদিসা কর্তৃক মুদ্রিত - মক্কা মুকাররামা - ১৩৯০ হিজরি।
১১ - আল-জামেউস সহিহ: আবুল হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ আল-কুশাইরি (মৃত্যু ২৬১ হি.), ১৩২৯ হিজরিতে ইস্তাম্বুলে মুদ্রিত তাহকিককৃত সংস্করণ।
১২ - আস-সুনান: আবু দাউদ সুলাইমান বিন আল-আশআস (মৃত্যু ২৭৫ হি.), দারু ইহইয়ায়িস সুন্নাহ আন-নাবাবিয়া সংস্করণ, সম্পাদনায়: মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন আবদুল হামিদ।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ৮)
13 - السنن: لأبي عبد الله محمد بن يزيد الربعي (ابن ماجة) المتوفى سنة 275، دار إحياء التراث العربي بالقاهرة بعناية محمد فؤاد عبد الباقي.
14 - الجامع: لأبي عيسى محمد بن عيسى الترمذي، المتوفى سنة 279، طبعة مصطفى البابي الحلبي - القاهرة 1356 هجرية.
15 - الشمائل: للترمذي أيضًا، عن نسخة قديمة، قمنا بنسخه وترقيمه.
16 - الزوائد: وهي ما زاده عبد الله بن أحمد بن حنبل المتوفى سنة 290 على مسند أبيه وهي ضمن أحاديث "المسند".
17 - السنن: لأبي عبد الرحمان أحمد بن شعيب النسائي، المتوفى سنة 303 وهي (المجتبى)، طبعة المطبعة المصرية بالأزهر، الطبعة الأولى سنة 1348 هـ.
18 - عمل اليوم والليلة للنسائي: أيضًا طبعة مطبعة النجاح الجديدة، الدار البيضاء، المغرب سنة 1401 بتحقيق الدكتور فاروق حمادة.
19 - فضائل القرآن: للنسائي أيضًا وهو جزء من "السنن الكبرى"، طبعة مطبعة النجاح الجديدة، الدار البيضاء، المغرب سنة 1400 هـ بتحقيق الدكتور فاروق حمادة.
20 - فضائل الصحابة: للنسائي أيضًا، وهو جزء من "السنن الكبرى"، طبعة مطبعة النجاح الجديدة، الدار البيضاء، المغرب سنة 1404 بتحقيق الدكتور فاروق حمادة.
21 - صحيح ابن خزيمة: (وهو القسم الذي تم العثور عليه حتى الآن)، طبعة المكتب الإسلامي، تحقيق الدكتور مصطفى الأعظمي.
১৩ - আস-সুনান: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আল-রিবঈ (ইবনে মাজাহ) রচিত, মৃত্যু ২৭৫ হিজরি, দারু ইহয়াইত তুরাসিল আরাবি, কায়রো, মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকির তত্ত্বাবধানে।
১৪ - আল-জামে: আবু ঈসা মুহাম্মদ বিন ঈসা আত-তিরমিজি রচিত, মৃত্যু ২৭৯ হিজরি, মুস্তফা আল-বাবি আল-হালাবি মুদ্রণ - কায়রো ১৩৫৬ হিজরি।
১৫ - আশ-শামায়েল: এটিও তিরমিজির রচিত, একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি থেকে সংগৃহীত, আমরা এটি অনুলিপি ও নম্বর প্রদান করেছি।
১৬ - আজ-জাওয়াইদ: এটি সেই সব বর্ণনা যা আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল (মৃত্যু ২৯০ হিজরি) তার পিতার ‘মুসনাদ’-এ অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত করেছেন এবং এটি ‘মুসনাদ’-এর হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
১৭ - আস-সুনান: আবু আব্দুর রহমান আহমদ বিন শুয়াইব আন-নাসাঈ রচিত, মৃত্যু ৩০৩ হিজরি, যা (আল-মুজতাবা) নামে পরিচিত, আল-মাতবাআহ আল-মিসরিয়্যাহ বিল-আজহার মুদ্রণ, প্রথম সংস্করণ ১৩৪৮ হিজরি।
১৮ - আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ (নাসাঈ রচিত): এটিও মাতবাআতু আন-নাজাহ আল-জাদিদাহ মুদ্রণ, কাসাব্লাঙ্কা, মরক্কো ১৪০১ হিজরি, ডক্টর ফারুক হামাদার তাহকিকসহ।
১৯ - ফাদায়িলুল কুরআন: এটিও নাসাঈর রচিত এবং এটি ‘আস-সুনানুল কুবরা’-এর একটি অংশ, মাতবাআতু আন-নাজাহ আল-জাদিদাহ মুদ্রণ, কাসাব্লাঙ্কা, মরক্কো ১৪০০ হিজরি, ডক্টর ফারুক হামাদার তাহকিকসহ।
২০ - ফাদায়িলুস সাহাবা: এটিও নাসাঈর রচিত, এবং এটি ‘আস-সুনানুল কুবরা’-এর একটি অংশ, মাতবাআতু আন-নাজাহ আল-জাদিদাহ মুদ্রণ, কাসাব্লাঙ্কা, মরক্কো ১৪০৪ হিজরি, ডক্টর ফারুক হামাদার তাহকিকসহ।
২১ - সহিহ ইবনে খুজাইমা: (এটি সেই অংশ যা এ পর্যন্ত পাণ্ডুলিপি আকারে পাওয়া গিয়েছে), আল-মাকতাবুল ইসলামি মুদ্রণ, ডক্টর মুস্তফা আল-আজমির তাহকিকসহ।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ৯)
وأطلقنا على كتابنا هذا (المسند الجامع) لأمرين: أولهما لكونه مرتبًا على الصحابة، والآخر لأنه جمع أحاديث جميع المؤلفات المتقدم ذكرها، على وفق المنهج الآتي:
1 - جمعنا أحاديث كل صحابي على حدة، ورتبنا الصحابة على حروف المعجم.
2 - ثم رتبنا أحاديث كل صحابي على أبواب الفقه المعروفة في كتب "الجوامع" و "السنن". ولما كان ترتيب تسلسل ورود الأبواب المعروفة بـ "الكتب" يختلف اختلافًا يسيرًا بين كتاب وآخر، فقد اتخذنا لكتابنا هذا منهجًا موحدًا ينتظمها كما يأتي:
1 - الإيمان.
2 - الطهارة.
3 - الصلاة.
4 - الجنائز.
5 - الزكاة.
6 - الحج.
7 - الصوم.
8 - النكاح. الرضاع.
9 - الطلاق. اللعان.
10 - العتق.
11 - البيوع والمعاملات.
12 - اللقطة.
13 - المزارعة
14 - الوصايا.
15 - الفرائض.
আমরা আমাদের এই কিতাবটির নাম ‘আল-মুসনাদ আল-জামি’ রেখেছি দুটি কারণে: প্রথমত, এটি সাহাবীদের (নামের) ভিত্তিতে বিন্যস্ত হওয়ার কারণে; এবং দ্বিতীয়ত, এটি পূর্বে উল্লিখিত সকল গ্রন্থের হাদিসসমূহকে নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুযায়ী একত্রিত করার কারণে:
১ - আমরা প্রত্যেক সাহাবীর হাদিস পৃথকভাবে সংকলন করেছি এবং সাহাবীগণকে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি।
২ - অতঃপর আমরা প্রত্যেক সাহাবীর হাদিসসমূহকে ‘জাওয়ামি’ এবং ‘সুনান’ গ্রন্থসমূহে প্রচলিত ফিকহী পরিচ্ছেদ অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি। যেহেতু ‘কিতাব’ হিসেবে পরিচিত পরিচ্ছেদগুলোর ক্রমবিন্যাস এক গ্রন্থ থেকে অন্য গ্রন্থে সামান্য ভিন্ন হয়ে থাকে, তাই আমরা আমাদের এই কিতাবের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ পদ্ধতি গ্রহণ করেছি যা নিম্নরূপভাবে বিন্যস্ত:
১ - ঈমান।
২ - পবিত্রতা।
৩ - সালাত।
৪ - জানাজা।
৫ - জাকাত।
৬ - হজ।
৭ - সাওম।
৮ - বিবাহ। দুগ্ধপান।
৯ - তালাক। লি’আন।
১০ - দাসমুক্তি।
১১ - ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেন।
১২ - কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু।
১৩ - বর্গা চাষ।
১৪ - অসিয়ত।
১৫ - ফারায়িজ (উত্তরাধিকার)।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১০)
16 - الهبة.
17 - الأَيمان.
18 - النذور.
19 - الحدود والديات.
20 - الأقضية.
21 - الأطعمة والأشربة.
22 - اللباس والزينة.
23 - الصيد والذبائح.
24 - الأضاحي.
25 - الطب والمرض.
26 - الأدب.
27 - الذكر والدعاء.
28 - التوبة.
29 - الرؤيا.
30 - القرآن.
31 - العلم.
32 - السنة.
33 - الجهاد.
34 - الإِمارة.
35 - المناقب.
36 - الزهد والرقاق.
37 - الفتن.
38 - أشراط الساعة.
39 - القيامة. والجنة والنار.
وراعينا في ترتيب الأحاديث الواردة في الكتاب الواحد ما راعاه
16 - দান।
17 - শপথসমূহ।
18 - মানতসমূহ।
19 - দণ্ডবিধি ও রক্তপণ।
20 - বিচারব্যবস্থা।
21 - খাদ্য ও পানীয়।
22 - পোশাক ও সাজসজ্জা।
23 - শিকার ও যবেহ।
24 - কোরবানি।
25 - চিকিৎসা ও ব্যাধি।
26 - শিষ্টাচার।
27 - জিকির ও দোয়া।
28 - তওবা।
29 - স্বপ্ন।
30 - কুরআন।
31 - জ্ঞান।
32 - সুন্নাহ।
33 - জিহাদ।
34 - নেতৃত্ব।
35 - মর্যাদা।
36 - দুনিয়াবিমুখতা ও হৃদয়স্পর্শী বর্ণনা।
37 - ফিতনা।
38 - কিয়ামতের আলামতসমূহ।
39 - কিয়ামত, জান্নাত ও জাহান্নাম।
এবং আমরা প্রতিটি অধ্যায়ে বর্ণিত হাদিসগুলো বিন্যাসের ক্ষেত্রে সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছি যা মূল গ্রন্থকার অনুসরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১১)
البخاري ومسلم وغيرهما في ترتيب طريقة سرد الأحاديث، فأحاديث الصلاة في مسند صحابي معين مثلًا روعي في ترتيبها بأن تبدأ بفضائل الصلاة، ثم المواقيت، ثم الأذان، ثم ما يُصَلَّى عليه وإليه، ثم التكبير، وهلم جرًا، وروعي في أحاديث مناقب الصحابة البدء بمناقب أبي بكر، ثم عمر، ثم عثمان، ثم علي، ثم رتبنا باقي الصحابة رضوان الله عليهم على حروف المعجم.
3 - وقد قسمنا المسند إلى أبوابٍ ثلاثة: تضمن الباب الأول منها، مسند الصحابة رضي الله عنهم. وجعلنا الباب الثاني مسندًا لمن اشتهر بالكنى من الصحابة ثم الأبناء والمجهولين. وفي الباب الثالث، أثبتنا مسند النساء على النسق نفسه أعلاه، فبدأناه بالمعروفات منهن، ثم أتبعناه بالمشهورات بكناهنَّ، ثم أخيرًا بالمجهولات.
4 - بدأنا كل حديث بذكر مَنْ رواه عن الصحابي، سواء أكان الراوي عنه صحابيًا أم تابعيًا، ثم سقنا متن الحديث كاملًا مضبوطًا، بالشكل مأخوذًا من أصح الطرق إن كان صحيحًا أو من الرواية التي تجمع ما فيه إن لم يكن كذلك مع بيان الوجه الذي اقتصر عليه كل واحد منهم في رواية الحديث.
5 - على أننا لم ندخل في هذا "المسند الجامع" المقاطيع والمراسيل والمعلقات، ومجاهيل الاسم، وقصرناه على الأحاديث المسندة حسب، لأنها هي التي يمكن أن يجري عليها الحكم تقوية أو تضعيفًا.
6 - ثم عنينا بذكر مواطن الروايات الواقعة في جُمَّاع هذه الكتب مرتبة حسب قدم وفيات مؤلفيها لما في ذلك من علو السند، وأحقية السبق، وإفادة المتأخر من المتقدم وإن كان بعض أصحاب هذه الكتب قد امتازت كتبهم بالاقتصار على ما صح عندهم كالبخاري، ومسلم، وابن خزيمة.
7 - وتتبعنا بعد ذلك تشعب الأسانيد والطرق بدءًا من الشيخ الذي روى عنه صاحب الكتاب وانتهاءً بالصحابي أو التابعي الراوي عن الصحابي فبدأنا
বুখারি, মুসলিম ও অন্যদের হাদিস বর্ণনার বিন্যাস পদ্ধতি অনুসরণে করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একজন নির্দিষ্ট সাহাবীর মুসনাদে সালাত সংক্রান্ত হাদিসগুলোর বিন্যাসের ক্ষেত্রে সালাতের ফজিলত দিয়ে শুরু করা হয়েছে, এরপর ওয়াক্তসমূহ, এরপর আজান, এরপর যার ওপর ও যার দিকে সালাত আদায় করা হয়, এরপর তাকবির—এভাবেই পর্যায়ক্রমে সাজানো হয়েছে। আর সাহাবায়ে কেরামের মানাকিব (মর্যাদা) সংক্রান্ত হাদিসগুলোর ক্ষেত্রে আবু বকর, এরপর উমর, এরপর উসমান, এরপর আলীর মর্যাদা দিয়ে শুরু করা হয়েছে। এরপর অবশিষ্ট সাহাবীদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) নাম বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে।
৩ - আমরা এই মুসনাদকে তিনটি অধ্যায়ে বিভক্ত করেছি: প্রথম অধ্যায়ে সাহাবায়ে কেরামের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) মুসনাদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে সেই সমস্ত সাহাবীদের মুসনাদ রাখা হয়েছে যারা উপনামে (কুনিয়াত) প্রসিদ্ধ, এরপর সন্তানদের এবং নাম না জানা সাহাবীদের মুসনাদ। আর তৃতীয় অধ্যায়ে উপরে বর্ণিত একই পদ্ধতিতে নারী সাহাবীদের মুসনাদ স্থাপন করা হয়েছে; ফলে আমরা তা সুপরিচিত নারী সাহাবীদের মাধ্যমে শুরু করেছি, এরপর উপনামে প্রসিদ্ধদের এবং সবশেষে নাম না জানা নারী সাহাবীদের মুসনাদ উল্লেখ করেছি।
৪ - আমরা প্রতিটি হাদিস সাহাবীর নিকট থেকে যিনি বর্ণনা করেছেন তার উল্লেখের মাধ্যমে শুরু করেছি, বর্ণনাকারী সাহাবী হোন কিংবা তাবিঈ। এরপর আমরা হাদিসের পূর্ণাঙ্গ ও হরকতযুক্ত মূল পাঠ (মতন) উল্লেখ করেছি, যা সহিহ হলে সবচেয়ে বিশুদ্ধ সূত্র থেকে এবং তা না হলে সেই বর্ণনা থেকে নেওয়া হয়েছে যা হাদিসের বিস্তারিত তথ্যগুলো একত্রিত করে; সাথে সাথে হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীদের প্রত্যেকে যে বিশেষ দিকটির ওপর সীমাবদ্ধ ছিলেন তা-ও বর্ণনা করা হয়েছে।
৫ - তবে আমরা এই "মুসনাদ আল-জামি"-তে মাকতু (সাহাবীর পরবর্তী স্তরের বাণী), মুরসাল (তাবিঈর সরাসরি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা), মুআল্লাক (শুরু থেকে বর্ণনাকারী বাদ পড়া) এবং নাম না জানা বর্ণনাকারীদের হাদিস অন্তর্ভুক্ত করিনি। আমরা এটিকে কেবল মুসনাদ (নিরবচ্ছিন্ন সনদযুক্ত) হাদিসগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছি; কারণ কেবল এগুলোর ওপরই শক্তিশালী বা দুর্বল হওয়ার হুকুম প্রযোজ্য হতে পারে।
৬ - এরপর আমরা এই গ্রন্থসমূহের সংকলনে বিদ্যমান হাদিসগুলোর সূত্র নির্দেশ করার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছি এবং তা গ্রন্থকারদের মৃত্যু তারিখের প্রাচীনত্ব অনুসারে সাজিয়েছি। এর কারণ হলো উচ্চ সনদ (উলুউস সানাদ), অগ্রগণ্য হওয়ার অধিকার এবং পরবর্তীগণের জন্য পূর্ববর্তীগণের নিকট থেকে উপকৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা। যদিও এই গ্রন্থকারদের মধ্যে কারো কারো গ্রন্থ কেবল তাদের নিকট যা সহিহ তা উল্লেখ করার বৈশিষ্ট্যে বিশিষ্ট ছিল, যেমন: বুখারি, মুসলিম এবং ইবনে খুজাইমা।
৭ - এরপর আমরা সনদের শাখা-প্রশাখা ও বর্ণনাপথগুলো অনুসরণ করেছি—গ্রন্থকার যার নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন সেই শাইখ থেকে শুরু করে সাহাবী কিংবা সাহাবীর নিকট থেকে বর্ণনাকারী তাবিঈ পর্যন্ত। সুতরাং আমরা শুরু করেছি...
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১২)
بذكر شيخ صاحب الكتاب ثم الذي يليه إلى حين التقائه برواة الكتب الأخرى ثم التقاؤهم جميعًا بالرواية عن الصحابي أو التابعي الراوي عن الصحابي الذي جُمِعَت أحاديثُه، مع العناية بفصْلِ كل طريق مستقلٍ على حدة، كما يراه القارئ عند نظره إلى أيٍّ من الأحاديث في هذا الكتاب. 8 - لذلك جعلنا رواية كل من روى الحديث عن الصحابي حديثًا مستقلًا سواء أكان الراوي صحابيا أم تابعيا فإِذا رواه عن الصحابي اثنان عددناه حديثين وإذا رواه ثلاثة عددناه ثلاثة أحاديث وهلم جرا، وهو أَمرٌ يوضح طُرُقَ الحديثِ ويُعِينُ على معرفة قوة الأسانيد أو ضعفها لأن الحديث قد يأتي عن طريق تابعي من وجه صحيح، ويأتي معلولًا عن طريق تابعي آخر.
9 - ووضعنا لكل حديث رقمًا متسلسلًا من أول "المسند" إلى آخره لتكون الإِحالة عليه عند الإِفادة من الكتاب، ثم أتبعناه برقم تسلسل أحاديث كل صحابي تنتهي عند انتهاء مسند الصحابي، ليعرف عدد أحاديث كل صحابي ممن ورد في هذا الكتاب ويحال عليها أيضًا.
10 - وأشرنا عند الإحالة على المصادر إلى رقم الحديث فيها عدا موطأ مالك، ومسند أحمد وصحيحي البخاري ومسلم، والمجتبى فإن الإشارة إلى رقم الجزء والصفحة فيها.
11 - ولما كان من المعلوم عند أهل العناية بالسنة النبوية أن ما طبع من كتب السنة قد وقع فيها أخطاء كثيرة في أسانيد الأحاديث الواردة فيها كثيرة منها بسبب رداءة الطبع، وقليل منها بسبب أوهام الرواة، أصبح من المتعين علينا إعادة تدقيق هذه الأسانيد والأسماء ومراجعتها على أمهات كتب الرجال ونخص منها بالذكر كتابي الحافظ المتقن المدقق أبي الحجاج يوسف المزي "تحفة الأشراف" و "تهذيب الكمال" ثم كتاب "جامع المسانيد والسنن" لابن كثير الدمشقي فضلًا عن متابعة ما وقع من أوهام في أسانيد بعض الأحاديث مما أشار إليه العلماء على مدى العصور.
গ্রন্থের মূল লেখকের শাইখের বর্ণনার মাধ্যমে, এরপর তার পরবর্তী ব্যক্তির, যতক্ষণ না তা অন্যান্য গ্রন্থের বর্ণনাকারীদের সাথে মিলিত হয়, অতঃপর সাহাবী বা সেই সাহাবী থেকে বর্ণনাকারী তাবিঈর বর্ণনায় সকলের মিলিত হওয়া, যার হাদীসসমূহ একত্রিত করা হয়েছে; প্রতিটি স্বতন্ত্র সূত্রকে পৃথকভাবে বিন্যস্ত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, যেমনটি পাঠক এই গ্রন্থের যেকোনো হাদীসের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন। ৮ - একারণে আমরা সাহাবী থেকে হাদীস বর্ণনাকারী প্রত্যেকের বর্ণনাকে একটি স্বতন্ত্র হাদীস হিসেবে গণ্য করেছি, বর্ণনাকারী সাহাবী হোন বা তাবিঈ। সুতরাং যদি সাহাবী থেকে দুই জন বর্ণনা করেন, তবে আমরা সেটিকে দুইটি হাদীস হিসেবে গণনা করেছি, আর যদি তিন জন বর্ণনা করেন তবে সেটিকে তিনটি হাদীস হিসেবে গণ্য করেছি এবং এভাবেই চলতে থাকবে। এটি হাদীসের সূত্রসমূহকে স্পষ্ট করে এবং সনদের সবলতা বা দুর্বলতা নির্ণয়ে সহায়তা করে; কারণ কোনো হাদীস একজন তাবিঈর সূত্রে সহীহ হিসেবে আসতে পারে, আবার অন্য তাবিঈর সূত্রে ত্রুটিযুক্ত হিসেবে আসতে পারে।
৯ - আর আমরা 'আল-মুসনাদ'-এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি হাদীসের জন্য একটি ক্রমিক নম্বর প্রদান করেছি, যাতে গ্রন্থটি থেকে উপকৃত হওয়ার সময় তার উদ্ধৃতি দেওয়া সহজ হয়। অতঃপর আমরা প্রতিটি সাহাবীর হাদীসসমূহের জন্য আলাদা ক্রমিক নম্বর যুক্ত করেছি যা সেই সাহাবীর মুসনাদ শেষ হওয়ার সাথে সাথে শেষ হয়, যাতে এই গ্রন্থে বর্ণিত প্রত্যেক সাহাবীর হাদীস সংখ্যা জানা যায় এবং সেগুলোরও উদ্ধৃতি দেওয়া সম্ভব হয়।
১০ - উৎসগ্রন্থসমূহের উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা হাদীস নম্বর উল্লেখ করেছি; তবে মুওয়াত্তা মালিক, মুসনাদে আহমাদ, সহীহ বুখারী ও মুসলিম এবং আল-মুজতাবা-এর ক্ষেত্রে খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।
১১ - যেহেতু সুন্নাহে নববীর চর্চাকারীদের নিকট এটি পরিজ্ঞাত যে, হাদীস শাস্ত্রের মুদ্রিত গ্রন্থসমূহের হাদীসের সনদগুলোতে অনেক ভুল সংঘটিত হয়েছে, যার অধিকাংশই মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে এবং সামান্য কিছু বর্ণনাকারীদের বিভ্রমের কারণে; তাই আমাদের জন্য এই সনদ ও নামসমূহ পুনরায় যাচাই করা এবং রিজাল শাস্ত্রের মৌলিক গ্রন্থসমূহের আলোকে তা পর্যালোচনা করা অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে হাফেজ, সুনিপুণ গবেষক আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ আল-মিযযীর 'তুহফাতুল আশরাফ' ও 'তাহযীবুল কামাল', এবং ইবনে কাসীর আদ-দিমাশকীর 'জামেউল মাসানিদ ওয়াস সুনান' গ্রন্থের কথা উল্লেখযোগ্য। এর পাশাপাশি বিভিন্ন যুগে ওলামায়ে কেরাম হাদীসের সনদে যে সকল বিভ্রমের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, সেগুলোও অনুসরণ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - وكان بودنا أن يخرج (المسند الجامع) وفيه الحكم على صحة كل حديث أو ضعفهِ وبيان علله استنادًا إلى علم الجرح والتعديل وبالبناء والتشييد لا بالتقليد، لكننا توقفنا عن ذلك في الوقت الحاضر، مع توفر معظم المادة بين أيدينا لأمرين رئيسين: أولهما الخوف من تضخم الكتاب بحيث يصعب طبعه، والآخر: أنه قد تكون هناك طرق صحيحة في غير هذه الكتب لم نقف عليها مع علمنا بأن الكثير من كتب السنة لم يزل مخطوطًا مبعثرًا في خزائن الكتب بالخافقين.
ومن هنا ينبغي التنبيه على أن هذا "المسند الجامع" قد جمع الأحاديث الواردة في مصادره صحيحها وسقيمها وعلى المسلم التأكد من صحة الحديث قبل الأخذ به والعمل بمقتضاه أو بما يستفاد منه.
13 - وقد تختلف معنا آراء العلماء والقراء في ترتيب الكتاب على المسانيد، وإنما فعلنا ذلك لما وجدنا من سهولة هذا الترتيب وجزيل فوائده وعوائده لبيان الأسانيد وتشعب طرقها في جمع السنة النبوية المطهرة وتمييز صحيحها من سقيمها مستقبلًا. على أن الفهارس الكثيرة المختلفة الغنية ستتكفل من غير شك بتهيئة مادة "المسند الجامع" لطلابها، وتيسر - عليهم - الرجوع إليها، وتعينهم على ابتغاء طلبتهم بما يشتهون من غير عناء ولا تعب، فهناك فهارس جامعة لأحاديث الكتاب تنظمها مجددًا على كتب الفقه وأبوابه المتشعبة المفصلة بحيث تشير إلى جميع الأحاديث الواردة في أيَّة مسألة فقهية من مسائله الدقيقة، وأخرى تنظم أوائل الأحاديث على حروف المعجم، وثالثة تفهرس ألفاظها وهلم جرا مما سيسر طلبة العلم إن شاء الله تعالى.
إننا على يقين أن جمع أحاديث هذه الكتب الأمهات في كتاب واحد على وفق طرائق علمية مدروسة وبيان طرقها عند اختلافها وائتلافها، يعني أننا قمنا
১২ - আমাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল যে (আল-মুসনাদ আল-জামি) এমনভাবে প্রকাশিত হোক যেখানে প্রতিটি হাদিসের বিশুদ্ধতা বা দুর্বলতার বিধান থাকবে এবং জারহ ও তাদিল শাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে গবেষণালব্ধ ও বিশ্লেষণাত্মক উপায়ে তার ইল্লত (ত্রুটি) সমূহ বর্ণিত হবে, নিছক অনুকরণের মাধ্যমে নয়। তবে পর্যাপ্ত উপকরণ আমাদের নিকট থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে আমরা তা করা থেকে বিরত থেকেছি দুটি প্রধান কারণে: প্রথমত, কিতাবটি অত্যধিক বড় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা যাতে এটি মুদ্রণ করা দুরূহ হয়ে পড়বে; এবং দ্বিতীয়ত: এই কিতাবগুলোর বাইরে অন্যান্য গ্রন্থে এমন কোনো সহিহ সূত্র থাকতে পারে যা আমাদের নজরে আসেনি, কারণ আমরা জানি যে সুন্নাহর অনেক কিতাব এখনো বিশ্বের প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের পাঠাগারগুলোতে পাণ্ডুলিপি আকারে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
এখান থেকে এ বিষয়ে সতর্ক করা প্রয়োজন যে, এই "আল-মুসনাদ আল-জামি" তার উৎস গ্রন্থগুলোতে বর্ণিত সহিহ ও জয়িফ সকল হাদিসই একত্রিত করেছে। তাই একজন মুসলমানের উচিত হাদিসের ওপর আমল করার বা তা থেকে উপকৃত হওয়ার আগে তার বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করে নেওয়া।
১৩ - কিতাবটিকে মুসনাদ (বর্ণনাকারী) অনুযায়ী বিন্যস্ত করার ক্ষেত্রে উলামায়ে কেরাম ও পাঠকদের মতামত আমাদের থেকে ভিন্ন হতে পারে। তবে আমরা এটি করেছি কারণ আমরা দেখেছি যে এই বিন্যাসটি সহজ এবং সুন্নাহর সূত্রসমূহ স্পষ্ট করতে, হাদিসের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা একত্রিত করতে এবং ভবিষ্যতে সহিহ ও সাকিম (দুর্বল) হাদিসের মাঝে পার্থক্য নিরূপণে এর সুদূরপ্রসারী উপকারিতা ও কল্যাণ রয়েছে। তদুপরি, বিভিন্ন প্রকারের সমৃদ্ধ সূচিপত্রগুলো নিঃসন্দেহে শিক্ষার্থীদের জন্য "আল-মুসনাদ আল-জামি"-এর বিষয়বস্তু প্রস্তুত করে দেবে, তাদের জন্য এর সাহায্য নেওয়া সহজ করবে এবং তাদের কাঙ্ক্ষিত বিষয়টি কোনো কষ্ট বা ক্লান্তি ছাড়াই খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। কারণ এখানে কিতাবের হাদিসগুলোর জন্য এমন সব ব্যাপক সূচিপত্র রয়েছে যা হাদিসগুলোকে পুনরায় ফিকহ শাস্ত্রের কিতাব ও তার বিস্তারিত শাখা ও অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত করে, যেন তা যেকোনো সূক্ষ্ম ফিকহি মাসআলায় বর্ণিত সকল হাদিসের দিকে ইঙ্গিত করে। আবার কিছু সূচি হাদিসের প্রথমাংশ অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো, আবার কিছু শব্দানুক্রমিক এবং এভাবেই অন্যান্য বিন্যাস রয়েছে যা ইনশাআল্লাহ ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য সহজসাধ্য হবে।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, এই মূল কিতাবগুলোর হাদিসসমূহকে সুপরিকল্পিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে একটি কিতাবে সংকলন করা এবং তাদের ভিন্নতা ও ঐক্যের ক্ষেত্রে বর্ণনার সূত্রসমূহ স্পষ্ট করা মানে হলো যে আমরা...
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
في الوقت نفسه بتحقيق جميع هذه الكتب تحقيقًا علميًا جيدًا لا يقدره حق قدره إلا العارفون بما في هذه الكتب من صعوبات وملابسات جمة. ويكون حافزًا لكل عالم يقدر العلم النافع المؤدي إلى العمل الصالح أن يشمر عن ساعد الجد فيُسهم في هذا الصرح الشامخ الذي نتطلع جميعًا بشوق ولهفة إليه.
وبعد، فهذا هو المسند الجامع، نقدمه لعشاق السنة النبوية المطهرة قد بذلنا فيه الوسع واستفرغنا الجهد، وعمل فيه غير واحد ممن لم تذكر أسماؤهم على الغلاف حِسْبةً لله تعالى نذكر منهم على سبيل المثال لا الحصر الإخوة: أحمد عبد الرزاق، والدكتور محمد مهدي السيد، وإبراهيم محمد النوري، وأحمد منصور عبد الواحد، وأيمن إبراهيم علي الزاملي وحمدي طه إبراهيم وغيرهم، جزاهم الله عن عملهم خير ما يجازي به عباده الصالحين.
একই সাথে এই সকল কিতাবকে মানসম্মত ইলমী তাহকীক বা গবেষণালব্ধ সম্পাদনা করার মাধ্যমে—যার প্রকৃত মূল্য কেবল তারাই অনুধাবন করতে পারবেন যারা এই কিতাবগুলোর মাঝে বিদ্যমান বিবিধ জটিলতা ও বহুবিধ প্রতিকূলতা সম্পর্কে অবগত। আর এটি এমন প্রত্যেক আলিমের জন্য উদ্দীপক হবে যিনি নেক আমলের দিকে ধাবিতকারী উপকারী ইলমের কদর করেন, যেন তিনি পূর্ণ গুরুত্বের সাথে সচেষ্ট হন এবং এই সুউচ্চ ইমারত বিনির্মাণে অবদান রাখেন, যার দিকে আমরা সবাই অত্যন্ত আগ্রহ ও ব্যাকুলতার সাথে তাকিয়ে আছি।
অতঃপর, এটি হলো 'আল-মুসনাদ আল-জামি'। আমরা এটি পবিত্র সুন্নাহর প্রেমীদের খিদমতে পেশ করছি। এতে আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চেষ্টা ও শ্রম ব্যয় করেছি। প্রচ্ছদে যাদের নাম উল্লিখিত হয়নি এমন একাধিক ব্যক্তি কেবল মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় এতে কাজ করেছেন; উদাহরণস্বরূপ আমরা তাঁদের মধ্য থেকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করছি (তবে তাঁরাই একমাত্র নন): ভাই আহমাদ আব্দুর রাজ্জাক, ডক্টর মুহাম্মাদ মাহদী আস-সাইয়্যিদ, ইবরাহীম মুহাম্মাদ আন-নূরী, আহমাদ মানসূর আব্দুল ওয়াহিদ, আয়মান ইবরাহীম আলী আয-যামিলী এবং হামদী ত্বহা ইবরাহীমসহ অন্যান্যরা। আল্লাহ তাআলা তাঁদের এ কাজের বিনিময়ে সেই সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন, যা তিনি তাঁর নেককার বান্দাদের দিয়ে থাকেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
الباب الأول
مسند الصَّحَابة
(حرف الألف)
1 - آبي اللَّحْم الغِفَارِيُّ
1 - حَدِيثُ عُمَيْرٍ مَوْلَى آبِي اللَّحْمِ، عَنْ آبِي اللَّحْم ِ؛
أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ أَحْجَارِ الزَّيْتِ يَسْتَسْقِي، وَهُوَ مُقْنِعٌ بِكَفَّيْهِ يَدْعُو.
يأتي، إن شاء الله تعالى، في مسند عُمير مَوْلَى آبِي اللَّحْمِ، برقم (10934).
প্রথম পরিচ্ছেদ
সাহাবীগণের মুসনাদ
(আলিফ বর্ণ)
১ - আবি আল-লাহম আল-গিফারি
১ - আবি আল-লাহমের মুক্ত দাস উমাইরের হাদীস, আবি আল-লাহম থেকে বর্ণনা করেছেন;
তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আহজার আল-যাইত নামক স্থানে বৃষ্টি প্রার্থনা করতে দেখেছেন, এমতাবস্থায় তিনি তাঁর দুই হাতের তালু উপরে তুলে দু’আ করছিলেন।
এটি ইনশাআল্লাহ তা‘আলা আবি আল-লাহমের মুক্ত দাস উমাইরের মুসনাদে ১০৯৩৪ নম্বরে আসবে।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
2 - أُبَيُّ بن عِمَارَةَ الْمَدَنِيُّ
2 - عن أَيُّوب بن قَطَن، عن أُبَي بن عِمَارة؛
أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، أَمْسَحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: يَوْمًا؟ قَالَ: يَوْمًا. قَالَ: وَيَوْمَيْنِ؟ قَالَ: وَيَوْمَيْنِ. قَالَ: وَثَلَاثَةً؟ قَالَ: نَعَمْ، وَمَا شِئْتَ.
أخرجه أبو داود (158) قال: حدَّثنا يَحيى بن مَعِين، قال: حدَّثنا عَمْرو بن الرَّبِيع بن طارق.
كلاهما (يَحيى، وعَمْرو) عن يَحيى بن أَيُّوب، عن عَبْد الرَّحْمان بن رَزِين، عن مُحَمد بن يَزِيد، فذكره.
3 - عَنْ عُبَادَةَ بْنِ نُسَيٍّ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ عِمَارَةَ؛
أَنَّهُ قَالَ لِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم: أَمْسَحُ عَلَى الْخُفَّيْنِ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: يَوْمًا؟ قَالَ: وَيَوْمَيْنِ. قَالَ: وَثَلَاثًا، حَتَّى بَلَغَ سَبْعًا، قَالَ لَهُ: وَمَا بَدَا لَكَ.
أخرجه ابن ماجة (557) قال: حدَّثنا حَرْمَلَة بن يَحيى، وعَمْرو بن سَوَّاد، المِصْرِيان، قالا: حدَّثنا عَبْد الله بن وَهْب، قال: أنبأنا يَحيى بن أَيُّوب، عن عَبْد الرَّحْمان بن رَزِين، عن مُحَمد بن يَزِيد بن أَبي زِيَاد، عن أَيُّوب بن قَطَن، عن عُبَادَة بن نُسَيّ، فذكره.
২ - উবাই ইবনে ইমারা আল-মাদানী২ - আইয়ুব ইবনে ক্বাতান থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনে ইমারা থেকে বর্ণনা করেছেন;
তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি মোজার ওপর মাসেহ করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: একদিন? তিনি বললেন: একদিন। তিনি বললেন: এবং দুই দিন? তিনি বললেন: এবং দুই দিন। তিনি বললেন: এবং তিন দিন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং তোমার যতক্ষণ ইচ্ছা।
এটি আবু দাউদ (১৫৮) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমর ইবনুর রাবী' ইবনে তারিক বর্ণনা করেছেন।
তাঁরা উভয়ই (ইয়াহইয়া এবং আমর) ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে রাজীন থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
৩ - উবাদাহ ইবনে নুসাই থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনে ইমারা থেকে বর্ণনা করেছেন;
তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আমি কি মোজার ওপর মাসেহ করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: একদিন? তিনি বললেন: এবং দুই দিন। তিনি বললেন: এবং তিন দিন, এমনকি তিনি সাত দিন পর্যন্ত পৌঁছালেন। তিনি তাকে বললেন: এবং তোমার যা মনে চায়।
এটি ইবনে মাজাহ (৫৫৭) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হারমালাহ ইবনে ইয়াহইয়া এবং আমর ইবনে সাওয়াদ আল-মিসরিদ্বয় বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে রাজীন থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আবি যিয়াদ থেকে, তিনি আইয়ুব ইবনে ক্বাতান থেকে, তিনি উবাদাহ ইবনে নুসাই থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
3 - أُبَيُّ بن كَعْب الأَنْصَارِيُّالطهارة
4 - عَنْ أَبي أَيُّوبَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ؛
أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِذَا جَامَعَ الرَّجُلُ المَرأَةَ فَلَمْ يُنْزِلْ؟ قَالَ: يَغْسِلُ مَا مَسَّ الْمَرْأَةَ مِنْهُ، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وَيُصَلِّي.
أخرجه أحمد 5/ 113 (21403) قال: حدَّثنا يَحيى بن سَعِيد. وفي 5/ 113 (21404) قال: حدَّثنا أبو مُعَاوِيَة. وفي 5/ 114 (21405) قال: حدَّثنا مُحَمد بن جَعْفَر، قال: حدَّثنا شُعْبة. و"البُخَارِي" 1/ 81 (293) قال: حدَّثنا مُسَدَّد، قال: حدَّثنا يَحيى. و"مسلم" 1/ 185 (705) قال: حدَّثنا أبو الرَّبِيع الزَّهْرَانِي، قال: حدَّثنا حَمَّاد (ح) وحدَّثنا أبو كُرَيْب، مُحَمد بن العَلَاء، قال: حدَّثنا أبو مُعَاوِيَة. وفي 1/ 185 (706) قال: وحدَّثنا مُحَمد بن المُثَنَّى، قال: حدَّثنا مُحَمد بن جَعْفَر، قال: حدَّثنا شُعْبة. و"عَبْد الله بن أحمد" 5/ 114 (21406) قال: حدَّثني عُبَيْد الله بن عُمَر القَوَارِيرِي، قال: حدَّثنا حَمَّاد بن زَيْد.
أربعتهم (يَحيى بن سَعِيد، وأبو مُعَاوِيَة، وشُعْبة، وحَمَّاد بن زَيْد، وعَبْدَة) عن هِشَام بن عُرْوَة، عن أبيه، عن أَبي أَيُّوب الأَنْصَارِي، فذكره.
5 - عَنْ رِفَاعَة بْنِ رَافِعٍ ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ عُمَرَ ، فَقِيلَ
৩ - উবাই ইবনে কাব আল-আনসারীপবিত্রতা
৪ - আবু আইয়ুব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উবাই ইবনে কাব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন;
যে তিনি বলেছিলেন: হে আল্লাহর রাসুল, যদি কোনো পুরুষ স্ত্রীর সাথে সহবাস করে কিন্তু বীর্যপাত না হয়? তিনি বললেন: তার শরীরের যে অংশ স্ত্রীর শরীর স্পর্শ করেছে সেটুকু ধুয়ে ফেলবে, এরপর ওজু করবে এবং সালাত আদায় করবে।
আহমাদ এটি বর্ণনা করেছেন ৫/১১৩ (২১৪০৩), তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন। এবং ৫/১১৩ (২১৪০৪)-এ তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন। এবং ৫/১১৪ (২১৪০৫)-এ তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু’বা বর্ণনা করেছেন। এবং "বুখারি" ১/৮১ (২৯৩) তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসাদ্দাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন। এবং "মুসলিম" ১/১৮৫ (৭০৫) তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুুর রাবি’ আয-যাহরানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন (হ) এবং আমাদের নিকট আবু কুরাইব মুহাম্মদ ইবনুল আলা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন। এবং ১/১৮৫ (৭০৬)-এ তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু’বা বর্ণনা করেছেন। এবং "আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ" ৫/১১৪ (২১৪০৬) তিনি বলেন: আমার নিকট উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারীরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবনে যাইদ বর্ণনা করেছেন।
তাঁদের চারজনই (ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ, আবু মুয়াবিয়া, শু’বা, হাম্মাদ ইবনে যাইদ এবং আবদাহ) হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
৫ - রিফা’আ ইবনে রাফে’ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি উমর-এর নিকট ছিলাম, তখন বলা হলো
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
لَهُ: إِنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ يُفْتِي النَّاسَ فِي الْمَسْجِدِ فِي الَّذِي يُجَامِعُ وَلَا يُنْزِلُ ، فَقَالَ: أَعْجِلْ عَلَيَّ بِهِ ، فَأُتِيَ بِهِ ، فَقَالَ: يَا عَدُوَّ نَفْسِهِ ، أَوَ لَقَدْ بَلَغْتَ أَنْ تُفْتِيَ النَّاسَ فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِرَأْيِكَ؟ قَالَ: مَا فَعَلْتُ ، وَلَكِنْ حَدَّثَنِي عُمُومَتِي عَنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قال: أَيُّ عُمُومَتِكَ؟ قَالَ: أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ قَالَ زُهَيْرٌ: وَأَبُو أَيُّوبَ ، وَرِفَاعَةُ بْنُ رَافِعٍ فَالْتَفَتَ عُمَرُ إِلَيَّ، فَقَالَ: مَا يَقُولُ هَذَا الْفَتَى؟ فَقُلْتُ: كُنَّا نَفْعَلُهُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ،
قَالَ: فَسَأَلْتُمْ عَنْهُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: كُنَّا نَفْعَلُهُ عَلَى عَهْدِهِ، قال: فَجَمَعَ النَّاسَ ، وَأَصْفَقَ النَّاسُ عَلَى أَنَّ الْمَاءَ لَا يَكُونُ إِلَاّ مِنَ الْمَاءِ، إِلَاّ رَجُلَيْنِ: عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ ، وَمُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، قَالَا: إِذَا جَازَ الْخِتَانُ الْخِتَانَ ، وَجَبَ الْغُسْلُ، قال: فَقَالَ عَلِيٌّ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ ، إِنَّ أَعْلَمَ النَّاسِ بِهَذَا ، أَزْوَاجُ رَسُولِ الله صلى الله عليه وسلم. فَأَرْسَلَ إِلَى حَفْصَةَ، فَقَالَتْ: لَا عِلْمَ لِي ، فَأَرْسَلَ إِلَى عَائِشَةَ، فَقَالَتْ: إِذَا جَاوَزَ الْخِتَانُ الْخِتَانَ وَجَبَ الْغُسْلُ، قَالَ: فَتَحَطَّمَ عُمَرُ ، يَعْنِي تَغَيَّظَ ، ثُمَّ قَالَ: لَا يَبْلُغُنِي أَنَّ أَحَدًا فَعَلَهُ ، وَلَمْ يَغْتَسِلْ ، إِلَاّ أَنْهَكْتُهُ عُقُوبَة.
أخرجه أحمد 5/ 115 (21413) قال: حدَّثنا يَحيى بن آدم، قال: حدَّثنا زُهَيْر، وابن إِدْرِيس. و"عَبْد الله بن أحمد" 5/ 115 (21414) قال: حدَّثنا أبو بَكْر بن أَبِي شَيْبَة، قال: حدَّثنا عَبْد الأَعْلَى بن عَبْد الأَعْلَى.
كلاهما (ابن إِدْرِيس ، وعَبْد الأَعْلَى) عن مُحَمد بن إِسْحَاق، عن يَزِيد بن أَبِي حَبِيب، عن مَعْمَر بن أَبى حُيَيَّة، عن عُبَيْد بن رِفَاعَة بن رافع، عن أبيه، (قال زُهَيْر في حديثه: رِفَاعَة بن رافع، وكان عَقبيَّا بَدْرِيًّا)، فذكره.
6 - عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ ، قَالَ:
إِنَّمَا كَانَ الْمَاءُ مِنَ الْمَاءِ رُخْصَةً فِي أَوَّلِ الإِسْلَامِ ، ثُمَّ نُهِيَ عَنْهَا.
أخرجة أحمد 5/ 115 (21417) قال: حدَّثنا عُثْمَان بن عُمَر، أنبأنا يُونُس. وفي 5/ 115 (21418) قال: حدَّثنا علي بن إِسْحَاق، أنبأنا عَبْد الله، يَعْنِي ابن المُبَارك، أخبرني يُونُس. وفي 5/ 116 (21419) قال: حدَّثنا خَلَف بن الوليد، حدَّثنا ابن المُبَارك، عن يُونُس (ح) قال ابن المُبَارك: فأخبرني مَعْمَر ، بهذا الإسناد ، نَحْوَهُ. وفي (21420) قال: حدَّثنا مُحَمد بن بَكْر
তাকে বলা হলো: নিশ্চয়ই জায়েদ বিন সাবিত মসজিদে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে মানুষকে ফতোয়া দিচ্ছেন যে সহবাস করে কিন্তু তার বীর্যপাত হয় না। তখন তিনি (উমর) বললেন: তাকে দ্রুত আমার কাছে নিয়ে এসো। তাকে নিয়ে আসা হলো। তখন তিনি বললেন: হে নিজের নফসের শত্রু! তোমার কি এই স্পর্ধা হয়েছে যে, তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মসজিদে নিজের মতামত দিয়ে মানুষকে ফতোয়া দিচ্ছ? তিনি বললেন: আমি তা করিনি, বরং আমার চাচারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমার কোন চাচারা? তিনি বললেন: উবাই বিন কাব। জুহাইর বলেন: এবং আবু আইয়ুব ও রিফায়া বিন রাফে। অতঃপর উমর আমার দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: এই যুবক কী বলছে? আমি বললাম: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এমনটি করতাম।
তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমরা কি এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করেছিলে? তিনি বললেন: আমরা তাঁর যুগে এটি করতাম। তিনি (উমর) মানুষকে একত্রিত করলেন। অধিকাংশ মানুষ এই মতে একমত হলেন যে, বীর্যপাত হওয়া ছাড়া গোসল ওয়াজিব হয় না। তবে দুইজন ব্যক্তি ব্যতীত: আলী বিন আবি তালিব এবং মুয়াজ বিন জাবাল। তাঁরা বললেন: যখন দুই খাতনাস্থান (লজ্জাঙ্গ) পরস্পর মিলিত হয়, তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আলী (রা.) বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন, এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবগত হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণীগণ। তখন তিনি হাফসা (রা.)-এর নিকট লোক পাঠালেন। তিনি বললেন: এ বিষয়ে আমার জানা নেই। অতঃপর তিনি আয়েশা (রা.)-এর নিকট লোক পাঠালেন। তিনি বললেন: যখন দুই খাতনাস্থান পরস্পর অতিক্রম করে, তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। বর্ণনাকারী বলেন: এতে উমর (রা.) অত্যন্ত কঠোর হলেন, অর্থাৎ রাগান্বিত হলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমার কাছে যদি এমন সংবাদ আসে যে কেউ সহবাস করেছে অথচ গোসল করেনি, তবে আমি তাকে কঠোর শাস্তি প্রদান করব।
এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ ৫/১১৫ (২১৪১৩); তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আদম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন জুহাইর এবং ইবনে ইদ্রিস। এবং 'আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ' ৫/১১৫ (২১৪১৪); তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল আলা বিন আব্দুল আলা।
তাঁরা উভয়ই (ইবনে ইদ্রিস এবং আব্দুল আলা) মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব থেকে, তিনি মা'মার বিন আবি হুয়াইয়্যাহ থেকে, তিনি উবাইদ বিন রিফায়া বিন রাফে থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। (জুহাইর তাঁর হাদিসে বলেছেন: রিফায়া বিন রাফে, যিনি আকাবা ও বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছিলেন), অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।
৬ - সাহল বিন সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই বিন কাব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
নিশ্চয়ই ইসলামের শুরুতে 'বীর্যপাত ছাড়া গোসল নেই' এটি একটি সহজ সুযোগ (রুকসত) ছিল, পরবর্তীতে তা নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে।
এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ ৫/১১৫ (২১৪১৭); তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন উসমান বিন উমর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস। এবং ৫/১১৫ (২১৪১৮) অংশে; তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আলী বিন ইসহাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ অর্থাৎ ইবনুল মুবারক, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস। এবং ৫/১১৬ (২১৪১৯) অংশে; তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন আল-ওয়ালিদ, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, ইউনুস থেকে (হাদিসটি ভিন্ন সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে)। ইবনুল মুবারক বলেন: আমাকে মা'মার এই একই সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এবং (২১৪২০) নম্বরে; তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন বকর।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
، أنبأنا ابن جُرَيْج. وفي (21421) قال: حدَّثنا أبو اليَمَان، أنبأنا شُعَيْب. و"الدارِمِي" 759 قال: أخبرنا عَبْد الله بن صالح، حدَّثني اللَّيْث، حدَّثني عُقَيْل. و"ابن ماجة" 609 قال: حدَّثنا مُحَمد بن بَشَّار، حدَّثنا عُثْمَان بن عُمَر، أنبأنا يُونُس. والتِّرْمِذِيّ" 110 قال: حدَّثنا أحمد بن مَنِيع، حدَّثنا عَبْد الله بن المُبَارك، أخبرنا يُونُس بن يَزِيد. وفي (111) قال: حدَّثنا أحمد بن مَنِيع، حدَّثنا عَبْد الله بن المُبَارك، أخبرنا مَعْمَر. و"ابن خزيمة" 225 قال: حدَّثنا أبو مُوسَى، مُحَمد بن المُثَنَّى، ويَعْقُوب بن إبراهيم، قالا: حدَّثنا عُثْمَان بن عُمَر، أخبرنا يُونُس (ح) وحدثنا علي بن عَبْد الرَّحْمان بن المُغِيرَة المِصْرِي، حدَّثنا أبو اليَمَان، الحَكَم بن نافع، أخبرنا شُعَيْب بن أَبي حَمْزَة (ح) وحدثنا أحمد بن مَنِيع، حدَّثنا عَبْد الله بن المُبَارك، أخبرني يُونُس بن يَزِيد (ح) وحدثنا أحمد بن مَنِيع، حدَّثنا عَبْد الله بن المُبَارك، أخبرني مَعْمَر.
خمستهم (مَعْمَر، ويُونُس، وابن جُرَيْج، وشُعَيْب، وعُقَيْل) عن الزُّهْرِي، عن سَهْل، فذكره.
- أخرجه أحمد 5/ 116 (21422) قال: حدَّثنا يَحيى بن غَيْلَان، حدَّثنا رِشْدِين. و"أبو داود" 214 قال: حدَّثنا أحمد بن صالح، حدَّثنا ابن وَهْب. و"ابن خزيمة" 226 قال: حدَّثنا أحمد بن عَبْد الرَّحْمان بن وَهْب، حدَّثنا عَمِّي ، عن عَمْرو بن الحارث، عن الزُّهْرِي، قال: أخبرني بعض من أَرْضَى، عن سَهْل بن سَعْد، عن أُبَي بن كَعْب، فذكره.
7 - عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّهُ أَتَى أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ ، وَمَعَهُ عُمَرُ ، فَخَرَجَ عَلَيْهِمَا ، فَقَالَ: إِنِّي وَجَدْتُ مَذْيًا ، فَغَسَلْتُ ذَكَرِي ، وَتَوَضَّأْتُ ، فَقَالَ عُمَرُ: أَوَ يُجْزِئُ ذَلِكَ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: أَسَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: نَعَمْ.
, ইবনে জুরাইজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং (২১৪২১) এ তিনি বলেন: আবুল ইয়ামান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুআইব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং "আদ-দারিমি" ৭৫৯ বলেন: আবদুল্লাহ বিন সালিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, লাইস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, উকাইল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং "ইবনে মাজাহ" ৬০৯ বলেন: মুহাম্মদ বিন বাশশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং "আত-তিরমিজি" ১১০ বলেন: আহমাদ বিন মানি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস বিন ইয়াজিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং (১১১) এ তিনি বলেন: আহমাদ বিন মানি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং "ইবনে খুজাইমা" ২২৫ বলেন: আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না এবং ইয়াকুব বিন ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: উসমান বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হ) এবং আলী বিন আব্দুর রহমান বিন আল-মুগিরা আল-মিসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল ইয়ামান আল-হাকাম বিন নাফি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুআইব বিন আবি হামজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হ) এবং আহমাদ বিন মানি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস বিন ইয়াজিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন (হ) এবং আহমাদ বিন মানি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'মার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন।
তাঁদের পাঁচজন (মা'মার, ইউনুস, ইবনে জুরাইজ, শুআইব এবং উকাইল) আয-যুহরি থেকে, তিনি সাহল থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।
- এটি আহমাদ ৫/১১৬ (২১৪২২) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন গাইলান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রুশদিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং "আবু দাউদ" ২১৪ বলেন: আহমাদ বিন সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং "ইবনে খুজাইমা" ২২৬ বলেন: আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার চাচা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর বিন আল-হারিস থেকে, তিনি আয-যুহরি থেকে, তিনি বলেন: আমাকে এমন একজন সংবাদ দিয়েছেন যাঁকে আমি পছন্দ করি, তিনি সাহল বিন সা'দ থেকে, তিনি উবাই বিন কা'ব থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।
৭ - ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত যে, তিনি উবাই বিন কা'বের নিকট আসলেন এবং তাঁর সাথে উমরও ছিলেন। অতঃপর তিনি (উবাই) তাঁদের নিকট বের হয়ে আসলেন এবং বললেন: "আমি মজি (যৌন উত্তেজনায় নির্গত পাতলা তরল) অনুভব করেছি, তাই আমি আমার লিঙ্গ ধৌত করেছি এবং অজু করেছি।" উমর বললেন: "এটা কি যথেষ্ট হবে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" উমর বললেন: "আপনি কি তা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২০)
أخرجه أحمد 5/ 117 (21427). وابن ماجة (507) قال: حدَّثنا أبو بَكْر بن أَبي شَيْبَة.
كلاهما (أبو بَكْر، وأحمد) قالا: حدَّثنا مُحَمد بن بِشْر، قال: حدَّثنا مِسْعَر، عن مُصْعَب ابن شَيْبَة، عن أَبي حَبِيب بن يَعْلَى بن مُنْيَةَ، عن ابن عَبَّاس، فذكره.
8 - عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ؛
أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم دَعَا بِمَاءٍ، فَتَوَضَّأَ مَرَّةً مَرَّةً، فَقَالَ: هَذَا وَظِيفَةُ الْوُضُوءِ، أَوْ قَالَ: وُضُوءٌ مَنْ لَمْ يَتَوَضَّأْهُ لَمْ يَقْبَلِ اللَّهُ لَهُ صَلَاةً، ثُمَّ تَوَضَّأَ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ، ثُمَّ قَالَ: هَذَا وُضُوءٌ مَنْ تَوَضَّأَهُ أَعْطَاهُ اللَّهُ كِفْلَيْنِ مِنَ الأَجْرِ، ثُمَّ تَوَضَّأَ ثَلَاثًا ثَلَاثًا، فقَالَ: هَذَا وُضُوئِي، وَوُضُوءُ الْمُرْسَلِينَ مِنْ قَبْلِي.
أخرجه ابن ماجة (420) قال: حدَّثنا جَعْفَر بن مُسَافِر، قال: حدَّثنا إِسْمَاعِيل بن قَعْنَب، أبو بِشْر ، قال: حدَّثنا عَبْد الله بن عَرَادَة الشَّيْبَانِي، عن زَيْد بن الحَوَارِي، عن مُعَاوِيَة بن قُرَّة، عن عُبَيْد بن عُمَيْر، فذكره.
9 - عَنْ عُتَيِّ بْنِ ضَمْرَةَ السَّعْدِيِّ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم:
إِنَّ لِلْوُضُوءِ شَيْطَانًا يُقَالُ لَهُ: وَلْهَانُ، فَاتَّقُوا وَسْوَاسَ الْمَاءِ.
أخرجه ابن ماجة
এটি আহমাদ ৫/১১৭ (২১৪২৭) এবং ইবনু মাজাহ (৫০৭) বর্ণনা করেছেন। তিনি (ইবনু মাজাহ) বলেন: আমাদের কাছে আবু বকর ইবনু আবি শাইবাহ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
তারা উভয়ই (আবু বকর এবং আহমাদ) বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনু বিশর হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মিসআর হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসআব ইবনু শাইবাহ থেকে, তিনি আবু হাবিব ইবনু ইয়ালা ইবনু মুনইয়াহ থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
৮ - উবাইদ ইবনু উমাইর থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনু কাব থেকে বর্ণনা করেন;
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পানি চাইলেন এবং একবার একবার করে অজু করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: এটি অজুর অপরিহার্য পদ্ধতি, অথবা তিনি বললেন: এটি এমন অজু যা ব্যতীত আল্লাহ কারো সালাত কবুল করবেন না। এরপর তিনি দুই দুই বার করে অজু করলেন এবং বললেন: এটি এমন অজু যা করলে আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ প্রতিদান দান করবেন। এরপর তিনি তিন তিন বার করে অজু করলেন এবং বললেন: এটি আমার অজু এবং আমার পূর্ববর্তী রাসুলগণের অজু।
এটি ইবনু মাজাহ (৪২০) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: জাফর ইবনু মুসাফির আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনু কানাব আবু বিশর হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনু আরাদাহ আশ-শাইবানি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি যাইদ ইবনুল হাওয়ারি থেকে, তিনি মুআবিয়াহ ইবনু কুররাহ থেকে, তিনি উবাইদ ইবনু উমাইর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
৯ - উতাই ইবনু দামরাহ আস-সাদি থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনু কাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
নিশ্চয়ই অজুর জন্য একটি শয়তান রয়েছে যাকে ‘ওয়ালহান’ বলা হয়, সুতরাং তোমরা পানির ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকো।
এটি ইবনু মাজাহ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২১)
(421)، والتِّرْمِذِي (57) قالا: حدَّثنا مُحَمد بن بَشَّار. و"عَبْد الله بن أحمد" 5/ 136 (21558) قال: حدَّثني مُحَمد بن المُثَنَّى، أبو مُوسَى العَنَزِي. و"ابن خزيمة" 122 قال: حدَّثنا مُحَمد بن بَشَّار.
كلاهما (ابن بَشَّار، وابن المُثَنَّى) عن أَبي داود الطَّيَالِسِي، قال: حدَّثنا خارجة بن مُصْعَب، عن يُونُس بن عُبَيْد، عن الحَسَن، عن عُتَي، فذكره.
10 - عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ: كُنْتُ أَنَا وَأُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ وَأَبُو طَلْحَةَ جُلُوسًا ، فَأَكَلْنَا لَحْمًا وَخُبْزًا ، ثُمَّ دَعَوْتُ بِوَضُوءٍ ، فَقَالَا: لِمَ تَتَوَضَّأُ؟ فَقُلْتُ: لِهَذَا الطَّعَامِ الَّذِي أَكَلْنَا، فَقَالَا: أَتَتَوَضَّأُ مِنَ الطَّيِّبَاتِ؟ لَمْ يَتَوَضَّأْ مِنْهُ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنْكَ.
أخرجه أحمد 4/ 30 (16479) و 5/ 129 (21499) قال: حدَّثنا عَتَّاب بن زِيَاد، قال: حدَّثنا عَبْد الله ، يَعْنِي ابن المُبَارك، قال: حدَّثنا مُوسَى بن عُقْبَة ، عن عَبْد الرَّحْمان بن زَيْد بن عُقْبَة، عن أَنَس ، فذكره.
- وأخرجه مالك "الموطأ" 62 عن مُوسَى بن عُقْبَة ، عن عَبْد الرَّحْمان بن زَيْد الأَنْصَارِي؛ أَنَّ أَنَسَ بن مالكٍ قَدِمَ من العِراقِ ، فدخل عليه أبو طَلْحَة وأُبَي بن كَعْب، فَقَرَّبَ لهما طعامًا قد مَسَّتْهُ النَّار، فأكلوا منه، فقام أَنَسٌ فتوضأَ، فقال أبو طَلْحَة وأُبَيُّ بن كَعْبٍ: ما هذا يا أَنَسُ، أَعِرَاقيةٌ؟ فقال أَنَسٌ: ليتني لم أفعل، وقام أبو طَلْحَة وأُبَيُّ بن كَعْبٍ، فَصَلَّيَا، ولم يتوضآ. (موقوفٌ.
الصلاة
11 - عَنْ أَبِى عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ ، قَالَ:
كَانَ رَجُلٌ لَا أَعْلَمُ رَجُلاً أَبْعَدَ مِنَ الْمَسْجِدِ مِنْهُ ، وَكَانَ لَا تُخْطِئُهُ صَلَاةٌ ، قَالَ: فَقِيلَ لَهُ ، أَوْ قُلْتُ لَهُ: لَوِ اشْتَرَيْتَ حِمَارًا تَرْكَبُهُ فِى الظَّلْمَاءِ وَفِى الرَّمْضَاءِ ، قَالَ: مَا يَسُرُّنِي أَنَّ مَنْزِلِي إِلَى جَنْبِ الْمَسْجِدِ ، إِنِّي أُرِيدُ أَنْ يُكْتَبَ لِي مَمْشَايَ إِلَى الْمَسْجِدِ وَرُجُوعِي إِذَا رَجَعْتُ إِلَى أَهْلِي ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: قَدْ جَمَعَ اللَّهُ لَكَ ذَلِكَ كُلَّهُ.
(৪২১), এবং তিরমিযী (৫৭) তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাশশার। এবং "আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ" ৫/১৩৬ (২১৫৫৮) বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না, আবু মুসা আল-আনাযী। এবং "ইবনে খুযাইমাহ" ১২২ বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাশশার।
তাঁরা উভয়ে (ইবনে বাশশার এবং ইবনুল মুসান্না) আবু দাউদ আত-তায়ালিসি থেকে, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খারিজাহ ইবনে মুসআব, ইউনুস ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি উতাই থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
১০ - আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি, উবাই ইবনে কাব এবং আবু তালহা বসা ছিলাম, অতঃপর আমরা গোশত ও রুটি খেলাম। এরপর আমি ওযুর পানি চাইলাম, তখন তাঁরা উভয়ে বললেন: আপনি কেন ওযু করছেন? আমি বললাম: এই খাবারের কারণে যা আমরা খেলাম। তাঁরা বললেন: আপনি কি পবিত্র খাবার খেয়ে ওযু করছেন? এমন ব্যক্তি এর থেকে ওযু করেননি যিনি আপনার চেয়ে উত্তম ছিলেন।
এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ ৪/৩০ (১৬৪৭৯) এবং ৫/১২৯ (২১৪৯৯), তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আত্তাব ইবনে যিয়াদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ—অর্থাৎ ইবনুল মুবারাক—তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে উকবাহ, আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
- এবং এটি বর্ণনা করেছেন মালিক "আল-মুওয়াত্ত্বা" ৬২-তে মুসা ইবনে উকবাহ থেকে, আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ আল-আনসারী থেকে; যে আনাস ইবনে মালিক ইরাক থেকে আসলেন, তখন তাঁর নিকট আবু তালহা এবং উবাই ইবনে কাব আসলেন। তিনি তাঁদের সামনে আগুন স্পর্শ করেছে এমন খাবার পেশ করলেন এবং তাঁরা তা থেকে আহার করলেন। অতঃপর আনাস দাঁড়িয়ে ওযু করলেন। তখন আবু তালহা ও উবাই ইবনে কাব বললেন: হে আনাস, এটা কী? ইরাকি নিয়ম? আনাস বললেন: হায়, আমি যদি এটি না করতাম! আর আবু তালহা ও উবাই ইবনে কাব দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন এবং ওযু করলেন না। (এটি মাওকুফ বর্ণনা)।
সালাত (নামাজ)
১১ - আবু উসমান আন-নাহদী থেকে বর্ণিত, উবাই ইবনে কাব থেকে, তিনি বলেন:
জনৈক ব্যক্তি ছিল যার চেয়ে মসজিদ কারো দূরে বলে আমি জানতাম না, তবুও তার কোনো সালাত জামাত থেকে বাদ যেত না। উবাই বলেন: তাঁকে বলা হলো, অথবা আমিই তাকে বললাম: আপনি যদি একটি গাধা ক্রয় করতেন যার ওপর অন্ধকার রাতে এবং প্রচণ্ড উত্তাপে সওয়ার হতেন! তিনি বললেন: আমার ঘর মসজিদের পাশে হওয়া আমাকে আনন্দিত করবে না। আমি চাই যে আমার মসজিদে আসার পদক্ষেপগুলো এবং যখন আমি আমার পরিবারের কাছে ফিরে যাই তখনকার পদক্ষেপগুলো যেন আমার জন্য (সওয়াব হিসেবে) লিপিবদ্ধ করা হয়। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আল্লাহ তোমার জন্য এ সব কিছুই জমা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২২)
أخرجه أحمد 5/ 133 (21531) قال: حدَّثنا سُفْيان، عن عاصم. وفي (21532) قال: حدَّثنا علي بن إِسْحَاق، حدَّثنا عَبْد الله بن المُبَارك، أنبانا عاصم الأَحْوَل. وفي (21533) قال: حدَّثنا يَحيى ابن سَعِيد، عن التَّيْمِي. وفي (21534) قال: حدَّثنا مُحَمد بن جَعْفَر، حدَّثنا شُعْبة، عن عاصم. و"عَبد بن حُميد" 161 قال: أخبرنا يَزِيد بن هارون، أخبرنا سُلَيْمان التَّيْمِي. و"الدارِمِي" 1284 قال: أخبرنا يَزِيد بن هارون، حدَّثنا التَّيْمِي. و"مسلم" 2/ 130 (1459) قال: حدَّثنا يَحيى بن يَحيى، أخبرنا عَبْثَر، عن سُلَيْمان التَّيْمِي. وفي (1460) قال: وحدَّثنا مُحَمد بن عَبْد الأَعْلَى، حدَّثنا المُعْتَمِر (ح) وحدَّثنا إِسْحَاق بن إبراهيم، قال: أخبرنا جَرِير، كلاهما عن التَّيْمِي. وفي (1461) قال: حدَّثنا مُحَمد بن أَبي بَكْر المُقَدَّمِي، حدَّثنا عَبَّاد بن عَبَّاد، حدَّثنا عاصم. وفي (1462) قال: وحدَّثنا سَعِيد بن عَمْرو الأَشْعَثِي، ومُحَمد بن أَبي عُمَر، كلاهما عن ابن عُيَيْنَة (ح) وحدَّثنا سَعِيد بن أَزْهَر الواسطي، قال: حدَّثنا وَكِيع، حدَّثنا أَبي، كلهم عن عاصم. و"أبو داود" 557 قال: حدَّثنا عَبْد الله بن مُحَمد النُّفَيْلِي، حدَّثنا زُهَيْر، حدَّثنا سُلَيْمان التَّيْمِي. و"ابن ماجة" 783 قال: حدَّثنا أحمد بن عَبْدَة، حدَّثنا عَبَّاد بن عَبَّاد المُهَلَّبِي، حدَّثنا عاصم الأَحْوَل. و"عَبْد الله بن أحمد" 5/ 133 (21535) قال: حدَّثني عُبَيْد الله ابن مُعَاذ بن مُعَاذ العَنْبَرِي، حدَّثنا المُعْتَمِر، قال: قال أَبي رحمه الله. وفي (21536) قال: حدَّثنا مُحَمد بن أَبي بَكْر المُقَدَّمِي ، حدَّثنا عَبَّاد بن عَبَّاد ، حدَّثنا عاصم. و"ابن خزيمة" 450 و 1500 قال: حدَّثنا أحمد بن عَبْدَة الضَّبِّي، أخبرنا عَبَّاد، يَعْنِي ابن عَبَّاد المُهَلَّبِي،
عن عاصم. وفي (1500) قال: حدَّثنا مُحَمد بن عَبْد الأَعْلَى الصَّنْعَانِي، حدَّثنا المُعْتَمِر، عن أبيه (ح) وحدَّثنا يُوسُف بن مُوسَى، حدَّثنا جَرِير، عن سُلَيْمان التَّيْمِي.
كلاهما (سُلَيْمان التَّيْمِي، وعاصم) عن أَبي عُثْمَان النَّهْدِي، فذكره.
12 - عَنْ أَبِي نَضْرَةَ ، قَالَ: قَالَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ:
এটি আহমাদ ৫/ ১৩৩ (২১৫৩১) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, আসিম থেকে। এবং (২১৫৩২) নম্বরে তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে আলী ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আসিম আল-আহওয়াল। এবং (২১৫৩৩) নম্বরে তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আত-তাইমি থেকে। এবং (২১৫৩৪) নম্বরে তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে শু'বাহ বর্ণনা করেছেন, আসিম থেকে। এবং "আবদ ইবনে হুমাইদ" ১৬১, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান আত-তাইমি। এবং "আদ-দারিমি" ১২৮৪, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আত-তাইমি। এবং "মুসলিম" ২/ ১৩০ (১৪৫৯) তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবসার, সুলাইমান আত-তাইমি থেকে। এবং (১৪৬০) নম্বরে তিনি বলেছেন: এবং আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আলা বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে মুতামির বর্ণনা করেছেন (হাওলা) এবং আমাদের কাছে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জারীর, তাঁরা উভয়েই আত-তাইমি থেকে। এবং (১৪৬১) নম্বরে তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-মুকাদ্দামি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আব্বাদ ইবনে আব্বাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আসিম বর্ণনা করেছেন। এবং (১৪৬২) নম্বরে তিনি বলেছেন: এবং আমাদের কাছে সাঈদ ইবনে আমর আল-আশআসি এবং মুহাম্মদ ইবনে আবু উমর বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই ইবনে উয়াইনা থেকে (হাওলা) এবং আমাদের কাছে সাঈদ ইবনে আযহার আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে ওয়াকি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলেই আসিম থেকে। এবং "আবু দাউদ" ৫৫৭, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আন-নুফাইলি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে যুহাইর বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে সুলাইমান আত-তাইমি বর্ণনা করেছেন। এবং "ইবনে মাজাহ" ৭৮৩, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে আহমাদ ইবনে আবদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আব্বাদ ইবনে আব্বাদ আল-মুহাল্লাবি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আসিম আল-আহওয়াল বর্ণনা করেছেন। এবং "আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ" ৫/ ১৩৩ (২১৫৩৫) তিনি বলেছেন: আমার কাছে উবাইদুল্লাহ ইবনে মুয়ায ইবনে মুয়ায আল-আনবারি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে মুতামির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত করুন) বলেছেন। এবং (২১৫৩৬) নম্বরে তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-মুকাদ্দামি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আব্বাদ ইবনে আব্বাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে আসিম বর্ণনা করেছেন। এবং "ইবনে খুযাইমা" ৪৫০ ও ১৫০০, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে আহমাদ ইবনে আবদাহ আদ-দাব্বি বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্বাদ, অর্থাৎ ইবনে আব্বাদ আল-মুহাল্লাবি,
আসিম থেকে। এবং (১৫০০) নম্বরে তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আলা আস-সানআনি বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে মুতামির বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে (হাওলা) এবং আমাদের কাছে ইউসুফ ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে জারীর বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমি থেকে।
তাঁরা উভয়েই (সুলাইমান আত-তাইমি এবং আসিম) আবু উসমান আন-নাহদি থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
১২ - আবু নাদরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উবাই ইবনে কাব বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الصَّلَاةُ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ سُنَّةٌ ، كُنَّا نَفْعَلُهُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَلَا يُعَابُ عَلَيْنَا.
أخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 141 (21598) قال: حدَّثني مُحَمد بن أَبي بَكْر المُقَدَّمِي، قال: حدَّثنا عَبْد الوَهَّاب الثَّقَفِي (ح) وحدَّثني وَهْب بن بَقِيَّة، قال: أخبرنا خالد الواسطي.
كلاهما (عَبْد الوَهَّاب، وخالد) عن سعيدٍ الجُرَيْرِي، عن أَبي نَضْرَة، فذكره.
13 - عَنْ أَبِي الْجَوْزَاءِ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم:
يَا بِلَالُ، اجْعَلْ بَيْنَ أَذَانِكَ وَإِقَامَتِكَ نَفَسًا، يَفْرُغُ الآكِلُ مِنْ طَعَامِهِ فِي مَهَلٍ، وَيَقْضِي الْمُتَوَضِّئُ حَاجَتَهُ فِي مَهَلٍ.
أخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 143 (21610) قال: حدَّثني زكريا بن يَحيى بن عَبْد الله بن أَبي سَعِيد الرَّقَاشِي الخَزَّاز، قال: حدَّثنا سَلْم بن قُتَيْبَة، قال: حدَّثنا مالك بن مِغْوَل، عن أَبي الفَضْل ، عن أَبي الجَوْزَاء ، فذكره.
- أخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 143 (21611) قال: حدَّثني مُحَمد بن عَبْد الرَّحِيم البَزَّاز، قال: أخبرنا قُرَّة بن حَبِيب، قال: أخبرنا مُعَارِك بن عَبَّاد العَبْدِي، قال: أخبرنا عَبْد الله بن الفَضْل، عن عَبْد الله بن أَبي الجَوْزَاء، عن أُبَي بن كَعْب ، فذكره.
14 - عَنِ الطُّفَيْلِ بْنِ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:
كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي إِلَى جِذْعٍ، إِذْ كَانَ الْمَسْجِدُ عَرِيشًا، وَكَانَ يَخْطُبُ إِلَى ذَلِكَ الْجِذْعِ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ:
এক কাপড়ে সালাত আদায় করা সুন্নাহ; আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তা করতাম এবং এর জন্য আমাদের দোষারোপ করা হতো না।
এটি আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ৫/ ১৪১ (২১৫৯৮) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর আল-মুকাদ্দামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল ওয়াহহাব আস-সাকাফি বর্ণনা করেছেন (হ) এবং আমার নিকট ওয়াহাব ইবনে বাকিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের খালেদ আল-ওয়াসিতি সংবাদ দিয়েছেন।
তাঁরা উভয়েই (আবদুল ওয়াহহাব ও খালেদ) সাঈদ আল-জুরায়রি থেকে, তিনি আবু নাদাহ থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
১৩ - আবুল জাওযা থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
হে বিলাল, তোমার আযান ও ইকামতের মাঝে কিছুটা বিরতি দাও, যাতে আহারকারী ব্যক্তি ধীরস্থিরভাবে তার খাবার শেষ করতে পারে এবং ওযূকারী ব্যক্তি ধীরস্থিরভাবে তার প্রয়োজন পূরণ করতে পারে।
এটি আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ৫/ ১৪৩ (২১৬১০) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার নিকট যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি সাঈদ আর-রাক্কাশি আল-খাযযায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সালম ইবনে কুতাইবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মালেক ইবনে মিগওয়াল বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুল ফাদল থেকে, তিনি আবুল জাওযা থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
- এটি আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ৫/ ১৪৩ (২১৬১১) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহীম আল-বাযযায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কুররাহ ইবনে হাবীব সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুআরিক ইবনে আব্বাদ আল-আবদি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আল-ফাদল সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবিল জাওযা থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
১৪ - তুফায়েল ইবনে উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি গাছের খুঁটির দিকে ফিরে সালাত আদায় করতেন যখন মসজিদটি খেজুর পাতার ছাউনি বিশিষ্ট ছিল এবং তিনি সেই খুঁটির দিকে ফিরে খুতবা দিতেন। তখন তাঁর সাহাবীগণের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বললেন:
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
هَلْ لَكَ أَنْ نَجْعَلَ لَكَ شَيْئًا تَقُومُ عَلَيْهِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، حَتَّى يَرَاكَ النَّاسُ، وَتُسْمِعَهُمْ خُطْبَتَكَ؟ قَالَ: نَعَمْ، فَصَنَعَ لَهُ ثَلَاثَ دَرَجَاتٍ، فَهِيَ الَّتِي أَعْلَى الْمِنْبَرِ، فَلَمَّا وُضِعَ الْمِنْبَرُ وَضَعُوهُ فِي مَوْضِعِهِ الَّذِي هُوَ فِيهِ، فَلَمَّا أَرَادَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَقُومَ إِلَى الْمِنْبَرِ مَرَّ إِلَى الْجِذْعِ الَّذِي كَانَ يَخْطُبُ إِلَيْهِ، فَلَمَّا جَاوَزَ الْجِذْعَ، خَارَ حَتَّى تَصَدَّعَ وَانْشَقَّ، فَنَزَلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا سَمِعَ صَوْتَ الْجِذْعِ، فَمَسَحَهُ بِيَدِهِ حَتَّى سَكَنَ، ثُمَّ رَجَعَ إِلَى الْمِنْبَرِ، فَكَانَ إِذَا صَلَّى، صَلَّى إِلَيْهِ، فَلَمَّا هُدِمَ الْمَسْجِدُ وَغُيِّرَ أَخَذَ ذَلِكَ الْجِذْعَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ، وَكَانَ عِنْدَهُ فِي بَيْتِهِ حَتَّى بَلِيَ، فَأَكَلَتْهُ الأَرَضَةُ وَعَادَ رُفَاتًا.
أخرجه أحمد 5/ 137 (21568) قال: حدَّثنا زكريا بن عَدِي، أنبانا عُبَيْد الله بن عَمْرو. و"الدارِمِي" 36 قال: أخبرنا زكريا بن عَدِي، عن عُبَيْد الله بن عَمْرو. و"ابن ماجة" 1414 قال: حدَّثنا إِسْمَاعِيل بن عَبْد الله الرَّقِّي، حدَّثنا عُبَيْد الله بن عَمْرو الرَّقِّي. و"عَبْد الله بن أحمد" 5/ 138 (21572) قال: حدَّثنا سَعِيد بن أَبي الرَّبِيع السَّمَّان، أبو بَكْر، أخبرني سَعِيد بن سَلَمَة بن أَبي الحُسَام المَدِينِي. وفي (21580) قال: حدَّثنا عِيسَى بن سالم، أبو سَعِيد الشَّاشِي، في سَنَة ثلاثين ومئتين ، حدَّثنا عُبَيْد الله بن عَمْرو، يَعْنِي الرَّقِّي ، أبو وَهْب.
كلاهما (عُبَيْد الله، وسَعِيد) عن عَبْد الله بن مُحَمد بن عَقِيل، عن الطُّفَيْل بن أُبَي، فذكره.
15 - عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ؛
أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ تَبَارَكَ، وَهُوَ قَائِمٌ، فَذَكَّرَنَا
"আপনি কি পছন্দ করবেন যে আমরা আপনার জন্য এমন কিছু তৈরি করি যার ওপর দাঁড়িয়ে আপনি জুমার দিন লোকজনকে খুতবা শোনাবেন এবং তারা আপনাকে দেখতে পাবে?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।" ফলে তিনি তাঁর জন্য তিন ধাপ বিশিষ্ট একটি মিম্বর তৈরি করলেন, যা মিম্বরের উপরিভাগ। যখন মিম্বরটি তৈরি করা হলো এবং তা তার নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হলো, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন মিম্বরে ওঠার ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি সেই খেজুর গাছের কাণ্ডের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন যার ওপর দাঁড়িয়ে তিনি খুতবা দিতেন। যখন তিনি কাণ্ডটি অতিক্রম করলেন, সেটি এমনভাবে আর্তনাদ করতে শুরু করল যে মনে হলো সেটি ফেটে বিদীর্ণ হয়ে যাবে। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই কাণ্ডের শব্দ শুনে নেমে আসলেন এবং তাঁর হাত দিয়ে তা স্পর্শ করলেন যতক্ষণ না সেটি শান্ত হলো। অতঃপর তিনি পুনরায় মিম্বরে ফিরে গেলেন। তিনি যখন সালাত আদায় করতেন, তখন তার (মিম্বরের) দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন। পরবর্তীতে যখন মসজিদটি পুনঃনির্মাণ ও পরিবর্তন করা হলো, তখন উবাই ইবনে কাব সেই কাণ্ডটি গ্রহণ করেন এবং তা তাঁর ঘরেই ছিল যতক্ষণ না সেটি জীর্ণ হয়ে যায়; অতঃপর উইপোকা তা খেয়ে ফেলে এবং তা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে মাটিতে মিশে যায়।
আহমাদ ৫/১৩৭ (২১৫৬৮) এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যাকারিয়া ইবনে আদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আদ-দারিমি (৩৬) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যাকারিয়া ইবনে আদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে। ইবনে মাজাহ (১৪১৪) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ আর-রাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর আর-রাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ৫/১৩৮ (২১৫৭২) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু বকর সাঈদ ইবনে আবির রাবি আস-সাম্মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে সালামাহ ইবনে আবিল হুসাম আল-মাদিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। এবং (২১৫৮০) নং-এ তিনি বলেন: আবু সাঈদ ঈসা ইবনে সালিম আশ-শাশী ২৩০ হিজরি সনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর অর্থাৎ আবু ওয়াহাব আর-রাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
তাঁরা উভয়েই (উবায়দুল্লাহ ও সাঈদ) আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আকিল থেকে, তিনি তুফাইল ইবনে উবাই থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
১৫ - আতা ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন;
নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিন দাঁড়িয়ে সূরা তাবারাকা পাঠ করলেন এবং আমাদের উপদেশ দিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
بِأَيَّامِ اللهِ، وَأَبُو الدَّرْدَاءِ، أَوْ أَبُو ذَرٍّ يَغْمِزُنِي، فَقَالَ: مَتَى أُنْزِلَتْ هَذِهِ السُّورَةُ؟ إِنِّي لَمْ أَسْمَعْهَا إِلَاّ الآنَ؟.
فَأَشَارَ إِلَيْهِ أَنِ اسْكُتْ، فَلَمَّا انْصَرَفُوا قَالَ: سَأَلْتُكَ مَتَى أُنْزِلَتْ هَذِهِ السُّورَةُ، فَلَمْ تُخْبِرْنِي، فَقَالَ أُبَيٌّ: لَيْسَ لَكَ مِنْ صَلَاتِكَ الْيَوْمَ إِلَاّ مَا لَغَوْتَ، فَذَهَبَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ، وَأَخْبَرَهُ بِالَّذِي قَالَ أُبَيٌّ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: صَدَقَ أُبَيٌّ.
أخرجه ابن ماجة (1111) قال: حدَّثنا مُحْرِز بن سَلَمَة العَدَنِي، حدثنا عَبْد العَزِيز بن مُحَمد الدَّاراوَرْدِي، عن شَرِيك بن عَبْد الله بن أَبي نَمِر، عن عَطَاء بن يَسَار، فذكره.
- أخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 143 (21612) قال: حدَّثني مُصْعَب بن عَبْد الله الزُّبَيْرِي، حدثنا عبد العَزِيز بن مُحَمد، عن شَرِيك بن عَبْد الله بن أَبي نَمِر، عن عَطَاء بن يَسَار، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ؛
أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ بَرَاءَةٌ، وَهُوَ قَائِمٌ، يُذَكِّرُ بِأَيَّامِ اللَّهِ، وَأُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ وِجَاهَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَأَبُو الدَّرْدَاءِ، وَأَبُو ذَرٍّ، فَغَمَزَ أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ أَحَدُهُمَا، فَقَالَ: مَتَى أُنْزِلَتْ هَذِهِ السُّورَةُ يَا أُبَيُّ، فَإِنِّي لَمْ أَسْمَعْهَا إِلَاّ الآنَ؟ فَأَشَارَ إِلَيْهِ، أَنِ اسْكُتْ، فَلَمَّا انْصَرَفُوا، قَالَ: سَأَلْتُكَ مَتَى أُنْزِلَتْ هَذِهِ السُّورَةُ، فَلَمْ تُخْبِرْ، قَالَ أُبَيٌّ: لَيْسَ لَكَ مِنْ صَلَاتِكَ الْيَوْمَ إِلَاّ مَا لَغَوْتَ، فَذَهَبْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ، وَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي قَالَ أُبَيٌّ، فَقَالَ: صَدَقَ أُبَيٌّ.
ولم يتبين فيه الصحابي الذي رواه.
16 - عَنْ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم:
صَلَاةُ الرَّجُلِ فِي جَمَاعَةٍ تَزِيدُ عَلَى صَلَاةِ الرَّجُلِ وَحْدَهُ أَرْبَعًا وَعِشْرِينَ، أَوْ خَمْسًا وَعِشْرِينَ، دَرَجَةً.
أخرجه ابن ماجة (790) قال: حدَّثنا مُحَمد بن مَعْمَر، قال: حدَّثنا أبو بَكْر الحَنَفِي، قال: حدَّثنا يُونُس بن أَبي إِسْحَاق، عن أبيه، عن عَبْد الله بن أَبي بَصِير، عن أبيه، فذكره.
আল্লাহর দিনসমূহ সম্পর্কে (স্মরণ করাচ্ছিলেন), এমতাবস্থায় আবু দারদা অথবা আবু যার আমাকে ইশারা করলেন এবং বললেন: এই সূরাটি কখন নাযিল হয়েছে? আমি তো এটি এখন ছাড়া আগে কখনো শুনিনি।
তিনি তাকে চুপ থাকার জন্য ইশারা করলেন। যখন তারা ফিরে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন: আমি আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে এই সূরাটি কখন নাযিল হয়েছে, কিন্তু আপনি আমাকে জানাননি। তখন উবাই বললেন: আজকের এই সালাত থেকে আপনার পাওনা কেবল আপনার সেই অসার কথাটুকুই। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলেন এবং তাঁর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলেন এবং উবাই যা বলেছিলেন তা জানালেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: উবাই সত্য বলেছে।
এটি ইবনে মাজাহ (১১১১) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহরিজ ইবনে সালামাহ আল-আদানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আদ-দারওয়ারদী, শারিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি নামির থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
- এটি আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ৫/ ১৪৩ (২১৬১২) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুসআব ইবনে আব্দুল্লাহ আজ-জুবাইরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ, শারিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি নামির থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন;
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার দিনে সূরা বারাআত তিলাওয়াত করলেন। তিনি দাঁড়িয়ে আল্লাহর দিনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। উবাই ইবনে কাব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে ছিলেন এবং সেখানে আবু দারদা ও আবু যারও উপস্থিত ছিলেন। তাদের একজন উবাই ইবনে কাবকে ইশারা করে বললেন: হে উবাই, এই সূরাটি কখন নাযিল হয়েছে? কারণ আমি তো এটি এখন ছাড়া আগে শুনিনি। তিনি তাকে চুপ থাকার ইশারা করলেন। যখন তারা ফিরে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন: আমি আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম এই সূরাটি কখন নাযিল হয়েছে, কিন্তু আপনি জানাননি। উবাই বললেন: আজকের সালাত থেকে আপনার পাওনা কেবল আপনার অসার কথাবার্তাই। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলাম এবং তাঁর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম এবং উবাই যা বলেছিলেন তা জানালাম। তখন তিনি বললেন: উবাই সত্য বলেছে।
এতে যে সাহাবী এটি বর্ণনা করেছেন তাঁর নাম স্পষ্ট হয়নি।
১৬ - আবু বাসীর থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
জামাআতে কোনো ব্যক্তির সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায় করার চেয়ে চব্বিশ বা পঁচিশ গুণ বেশি মর্যাদা রাখে।
এটি ইবনে মাজাহ (৭৯০) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মামার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-হানাফি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি বাসীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
17 - عَنْ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ:
صَلَّى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا صَلَاةَ الصُّبْحِ، فَقَالَ: أَشَهِدَ فُلَانٌ الصَّلَاةَ؟ قَالُوا: لَا، قَالَ: فَفُلَانٌ؟ قَالُوا: لَا، قَالَ: إِنَّ هَاتَيْنِ الصَّلَاتَيْنِ مِنْ أَثْقَلِ الصَّلَاةِ عَلَى الْمُنَافِقِينَ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا، وَالصَّفُّ الأَوَّلُ عَلَى مِثْلِ صَفِّ الْمَلَائِكَةِ، وَلَوْ تَعْلَمُونَ فَضِيلَتَهُ لَابْتَدَرْتُمُوهُ، وَصَلَاةُ الرَّجُلِ مَعَ الرَّجُلِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ وَحْدَهُ، وَصَلَاةُ الرَّجُلِ مَعَ الرَّجُلَيْنِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ مَعَ الرَّجُلِ، وَمَا كَانُوا أَكْثَرَ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَى اللهِ، عز وجل.
أخرجه أحمد 5/ 141 (21591) قال: حدَّثنا أبو كامل، مُظَفَّر بن مُدْرِك ، حدَّثنا زُهَيْر. و"الدارِمِي" 1271 قال: أخبرنا أبو غَسَّان، حدَّثنا زُهَيْر. وفي (1272) قال: أخبرنا سَعِيد بن عامر، عن سَعِيد بن أَبي عَرُوبَة، عن خالد بن مَيْمُون. و"عَبْد الله بن أحمد" 5/ 140 (21590) قال: حدَّثنا أبو بَكْر، مُحَمد بن عَبْد الله بن جَعْفَر، حدَّثنا أبو عَوْن الزِّيَادِي، حدَّثنا عَبْد الواحد، يَعْنِي ابن زِيَاد، عن الأَعْمَش. وفي 5/ 141 (21592) قال: حدَّثنا يَحيى بن عَبْد الله، مَوْلى بني هاشم، حدَّثنا زُهَيْر. و"ابن خزيمة" 1476 قال: حدَّثنا مُحَمد بن عَبْد الله بن المُبَارك المُخَرِّمي، حدَّثنا يَحيى بن آدم، حدَّثنا زُهَيْر.
ثلاثتهم (زُهَيْر ، وخالد ، والأَعْمَش) عن أَبي إِسْحَاق ، عن عَبْد الله بن أَبي بَصِير ، عن أبيه ، فذكره.
- قال ابن خزيمة: ورواه شعبةُ، والثوريُّ، عن أبي إسحاق، عن عبد الله بن أبي بصير، عن أُبَي بن كعب، ولم يقولا: عن أبيه.
- أخرجه أحمد 5/ 140 (21587) قال: حدَّثنا مُحَمد بن جَعْفَر، حدَّثنا شُعْبة. وفي (21588) قال: حدَّثنا وَكِيع، عن سُفْيان. و"عَبد بن حُميد" 173 قال: حدَّثني سَعِيد بن عامر، عن شُعْبة. و"الدارِمِي" 1269 قال: أخبرنا سَعِيد بن عامر، حدَّثنا شُعْبة.
১৭ - আবু বাসীর থেকে বর্ণিত, উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: “অমুক কি সালাতে উপস্থিত আছে?” তারা বললেন: “না।” তিনি বললেন: “অমুক কি আছে?” তারা বললেন: “না।” তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই এই দুই সালাত মুনাফিকদের নিকট সবচেয়ে কষ্টকর সালাত। তারা যদি জানত এই দুই সালাতে কী (পুরস্কার) রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতে উপস্থিত হতো। আর প্রথম কাতার ফেরেশতাদের কাতারের ন্যায়। তোমরা যদি এর মর্যাদা জানতে তবে তোমরা অবশ্যই এর দিকে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে। আর একজনের সাথে অন্য ব্যক্তির সালাত একা সালাত পড়ার চেয়ে অধিক পবিত্র। আর দুই ব্যক্তির সাথে এক ব্যক্তির সালাত, এক ব্যক্তির সাথে সালাত পড়ার চেয়ে অধিক পবিত্র। (জামাতে) সংখ্যায় যত বেশি হবে, তা মহান আল্লাহর নিকট তত বেশি পছন্দনীয়।”
এটি আহমদ ৫/১৪১ (২১৫৯১) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু কামিল মুজাফফর ইবনে মুদরিক হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট যুহাইর হাদীস বর্ণনা করেছেন। এবং দারেমী ১২৭১, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু গাসসান সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট যুহাইর হাদীস বর্ণনা করেছেন। এবং ১২৭২-এ তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আমের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ থেকে, তিনি খালিদ ইবনে মাইমুন থেকে। এবং আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ৫/১৪০ (২১৫৯০), তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আউন আয-যিয়াদী হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল ওয়াহিদ অর্থাৎ ইবনে যিয়াদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাশ থেকে। এবং ৫/১৪১ (২১৫৯২)-এ তিনি বলেন: আমাদের নিকট বনী হাশিমের আযাদকৃত গোলাম ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল্লাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট যুহাইর হাদীস বর্ণনা করেছেন। এবং ইবনে খুজাইমা ১৪৭৬, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক আল-মুখরিমী হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আদম হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট যুহাইর হাদীস বর্ণনা করেছেন।
তারা তিনজনই (যুহাইর, খালিদ এবং আমাশ) আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবু বাসীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।
- ইবনে খুজাইমা বলেন: শুবা ও সাওরী এটি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবু বাসীর থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা ‘তাঁর পিতা থেকে’ কথাটি বলেননি।
- এটি আহমদ ৫/১৪০ (২১৫৮৭) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে জাফর হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শুবা হাদীস বর্ণনা করেছেন। এবং ২১৫৮৮-এ তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়াকী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে। এবং আবদ ইবনে হুমাইদ ১৭৩, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আমের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি শুবা থেকে। এবং দারেমী ১২৬৯, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আমের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট শুবা হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
و"أبو داود" 554 قال: حدَّثنا حَفْص بن عُمَر، حدَّثنا شُعْبة. و"عَبْد الله بن أحمد" 5/ 141 (21594) قال: حدَّثنا شَيْبَان ، حدَّثنا حَمَّاد بن سَلَمَة ، حدَّثنا الحَجَّاج بن أَرْطَاة. و"ابن خزيمة" 1477 قال: حدَّثناه بُنْدَار، حدَّثنا يَحيى بن سَعِيد ، ومُحَمد بن جَعْفَر ، عن شُعْبة.
ثلاثتهم (شُعْبة، وسفيان الثوري، والحَجَّاج) عن أَبي إِسْحَاق، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي بَصِيرٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّهُ قَالَ:
صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْفَجْرَ، فَلَمَّا صَلَّى، قَالَ: شَاهِدٌ فُلَانٌ؟ فَسَكَتَ الْقَوْمُ، قَالُوا: نَعَمْ، وَلَمْ يَحْضُرْ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ أَثْقَلَ الصَّلَاةِ عَلَى الْمُنَافِقِينَ، صَلاةُ الْعِشَاءِ، وَالْفَجْرِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا، لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا، وَإِنَّ الصَّفَّ الأَوَّلَ عَلَى مِثْلِ صَفِّ الْمَلَائِكَةِ، وَلَوْ تَعْلَمُونَ فَضِيلَتَهُ لَابْتَدَرْتُمُوهُ إِنَّ صَلَاتَكَ مَعَ رَجُلَيْنِ، أَزْكَى مِنْ صَلَاتِكَ مَعَ رَجُلٍ، وَصَلَاتَكَ مَعَ رَجُلٍ، أَزْكَى مِنْ صَلَاتِكَ وَحْدَكَ، وَمَا كَثُرَ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى.
قَالَ وَكِيعٌ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَصِيرٍ غَنْمِيٌّ.
- وفي رواية: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا الصُّبْحَ، فَقَالَ: أَشَاهِدٌ فُلَانٌ؟ قَالُوا: لَا، قَالَ: أَشَاهِدٌ فُلَانٌ؟ قَالُوا لَا، قَالَ: إِنَّ هَاتَيْنِ الصَّلَاتَيْنِ أَثْقَلُ الصَّلَوَاتِ عَلَى الْمُنَافِقِينَ، وَلَوْ تَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا، لأَتَيْتُمُوهُمَا وَلَوْ حَبْوًا عَلَى الرُّكَبِ، وَإِنَّ الصَّفَّ الأَوَّلَ عَلَى مِثْلِ صَفِّ الْمَلَائِكَةِ، وَلَوْ عَلِمْتُمْ مَا فَضِيلَتُهُ لَابْتَدَرْتُمُوهُ، وَإِنَّ صَلَاةَ الرَّجُلِ مَعَ الرَّجُلِ أَزْكَى مِنْ صَلاتِهِ وَحْدَهُ، وَصَلَاتَهُ مَعَ الرَّجُلَيْنِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ مَعَ الرَّجُلِ، وَمَا كَثُرَ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى.
- وفي رواية: عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لَوْ يَعْلَمُ النَّاسُ مَا فِي الْعِشَاءِ وَصَلَاةِ الْغَدَاةِ، مِنَ الْفَضْلِ، فِي جَمَاعَةٍ، لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا.
ليس فيه: أبو بَصِير.
- وأخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 141 (21593) قال: حدَّثني شَيْبَان بن أَبي شَيْبَة، حدَّثنا جَرِير بن حازم، حدَّثنا أبو إِسْحَاق، عن أَبي بَصِير العَبْدِي، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ:
صَلَّى نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْغَدَاةَ، ثُمَّ قَالَ: شَاهِدٌ فُلَانٌ. فَذَكَرَ الْحَدِيثَ.
ليس فيه: عَبْد الله بن أبي بصير.
- وأخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 140 (21589) قال: حدثنا مُحَمد بن أَبي بَكْر المُقَدَّمِي. و"النَّسائي" 2/ 104، وفي "الكبرى" 919 قال: أخبرنا إِسْمَاعِيل بن مَسْعُود.
ثلاثتهم (مُحَمد، وإِسْمَاعِيل، وعَبْد الله) عن خالد بن الحارث، عن شُعْبة، عن أَبي إِسْحَاق، أنه أخبرهم، عن عَبْد الله بن أَبي بَصِير، عن أبيه (قال شُعْبة: وقال أبو إِسْحَاق: وقد سَمِعْتُهُ منه، ومن أبيه) قال: سَمِعْتُ أُبَي بن كَعْب يَقُولُ:
صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَاةَ الصُّبْحِ يَوْمًا. فَذَكَرَ الْحَدِيثَ.
- وأخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 141 (21596) قال: حدَّثني عُبَيْد الله بن عُمَر القَوَارِيرِي، حدَّثنا جَعْفَر بن سُلَيْمان، حدَّثنا حُبَاب القُطَعِي، عن أَبي إِسْحَاق الهَمْدَانِي، عن رجلٍ من عَبْد القَيْس، عَنْ أُبِيٍّ، قَالَ:
صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَاةَ الصُّبْحِ، فَلَمَّا قَضَى صَلَاتَهُ، أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ، ثُمَّ قَالَ: إِنَّ أَثْقَلَ الصَّلَوَاتِ عَلَى الْمُنَافِقِينَ هَاتَانِ الصَّلَاتَانِ.
এবং "আবু দাউদ" ৫৫৪ নং হাদিসে বলেছেন: হাফস বিন উমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, শু'বা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। এবং "আবদুল্লাহ বিন আহমাদ" ৫/ ১৪১ (২১৫৯৪) বলেছেন: শাইবান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ বিন আরতাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। এবং "ইবনে খুযাইমাহ" ১৪৭৭ নং হাদিসে বলেছেন: বুন্দার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাইদ এবং মুহাম্মদ বিন জাফর আমাদের কাছে শু'বা থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁরা তিনজনই (শু'বা, সুফিয়ান সাওরি এবং হাজ্জাজ) আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবি বাসিরকে উবাই বিন কাব থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন:
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করলেন। যখন সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন: অমুক কি উপস্থিত আছে? তখন লোকেরা চুপ থাকল। তারা বলল: হ্যাঁ, কিন্তু সে উপস্থিত হয়নি। তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: মুনাফিকদের ওপর এশা ও ফজরের সালাত অপেক্ষা ভারী কোনো সালাত নেই। তারা যদি জানত এই দুই সালাতে কী (মর্যাদা) রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতে উপস্থিত হতো। আর প্রথম কাতার ফেরেশতাদের কাতারের ন্যায়। তোমরা যদি এর ফজিলত সম্পর্কে জানতে, তবে তোমরা তা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে। নিশ্চয়ই একজনের তুলনায় দুইজনের সঙ্গে তোমার সালাত আদায় করা অধিক উত্তম, আর একাকী পড়ার চেয়ে একজনের সঙ্গে তোমার সালাত আদায় করা অধিক উত্তম। আর যে জামাতে সংখ্যা যত বেশি হবে, তা মহান আল্লাহর কাছে তত বেশি প্রিয়।
ওয়াকি' বলেছেন: আবদুল্লাহ বিন আবি বাসির হলেন গানমি গোত্রের।
- অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন: অমুক কি উপস্থিত আছে? তারা বলল: না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন: অমুক কি উপস্থিত আছে? তারা বলল: না। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এই দুই সালাত মুনাফিকদের ওপর সবচেয়ে ভারী সালাত। যদি তোমরা জানতে এই দুই সালাতে কী রয়েছে, তবে তোমরা হাঁটু গেড়ে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও উপস্থিত হতে। আর প্রথম কাতার ফেরেশতাদের কাতারের ন্যায়। যদি তোমরা জানতে এর ফজিলত কী, তবে তোমরা এর জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে। আর এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তির সঙ্গে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে অধিক উত্তম, আর দুই ব্যক্তির সঙ্গে সালাত আদায় করা এক ব্যক্তির সঙ্গে সালাত আদায়ের চেয়ে অধিক উত্তম। আর সংখ্যায় যত বেশি হবে, তা মহান আল্লাহর নিকট তত বেশি পছন্দনীয়।
- অন্য বর্ণনায় উবাই বিন কাব থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: লোকেরা যদি জানত জামাতের সঙ্গে এশা ও ফজরের সালাতের মধ্যে কী পরিমাণ মর্যাদা রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতে উপস্থিত হতো। এতে আবু বাসির-এর উল্লেখ নেই।
- এবং এটি আবদুল্লাহ বিন আহমাদ ৫/ ১৪১ (২১৫৯৩) হাদিসে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: শাইবান বিন আবি শাইবাহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, জারির বিন হাযিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আমাদের কাছে আবু বাসির আল-আবদি থেকে, তিনি উবাই বিন কাব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:
আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করলেন, এরপর বললেন: অমুক কি উপস্থিত আছে? অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করলেন। এতে আবদুল্লাহ বিন আবি বাসির-এর নাম নেই।
- এবং এটি আবদুল্লাহ বিন আহমাদ ৫/ ১৪০ (২১৫৮৯) হাদিসে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আবি বকর আল-মুকাদ্দামি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। এবং "নাসায়ি" ২/ ১০৪, এবং "আল-কুবরা" ৯১৯ নং হাদিসে বলেছেন: ইসমাইল বিন মাসউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
তাঁরা তিনজনই (মুহাম্মদ, ইসমাইল এবং আবদুল্লাহ) খালিদ বিন আল-হারিস থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আবি বাসির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে (শু'বা বলেন: এবং আবু ইসহাক বলেছেন: আমি এটি তাঁর কাছ থেকে এবং তাঁর পিতার কাছ থেকে শুনেছি) যে তিনি বলেছেন: আমি উবাই বিন কাবকে বলতে শুনেছি:
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন।
- এবং এটি আবদুল্লাহ বিন আহমাদ ৫/ ১৪১ (২১৫৯৬) হাদিসে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: উবাইদুল্লাহ বিন উমর আল-কাওয়ারিরি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন সুলাইমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হুবাব আল-কুতাঈ আমাদের কাছে আবু ইসহাক আল-হামদানি থেকে, তিনি আবদ আল-কায়েস গোত্রের একজন ব্যক্তি থেকে, তিনি উবাই থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন তিনি আমাদের দিকে তাঁর চেহারা ফেরালেন, অতঃপর বললেন: মুনাফিকদের ওপর এই দুই সালাত সবচেয়ে ভারী।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
18 - عَنْ قَيْسِ بْنِ عُبَادٍ، قَالَ: قَالَ لَنَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم:
كُونُوا فِي الصَّفِّ الَّذِي يَلِينِي.
أخرجه أحمد 5/ 140 (21585) قال: حدَّثنا مُحَمد بن جَعْفَر ، حدَّثنا شُعْبة، قال: سَمِعْتُ أبا جمرة، حدَّثنا إِيَاس ابن قَتَادَة. وفي (21586) قال: حدَّثنا سُلَيْمان بن داود، ووَهْب بن جَرِير، قالا: حدَّثنا شُعْبة، عن أَبي جَمْرَة، قال: سَمِعْتُ إِيَاس بن قَتَادَة. و"عَبد بن حُميد" 177 قال: حدَّثني ابن أَبي شَيْبَة، حدَّثنا مُحَمد بن جَعْفَر، عن شُعْبة، عن أَبي جَمْرَة، قال: حدَّثنا إِيَاس بن قَتَادَة. و"النَّسائي" 2/ 88 ، وفي "الكبرى" 884 قال: أخبرنا مُحَمد بن عُمَر بن علي بن مُقَدَّم، قال: حدَّثنا يُوسُف بن يَعْقُوب، قال: أخبرني التَّيْمِي، عن أَبي مِجْلَز. و"ابن خزيمة" 1573 قال: حدَّثنا مُحَمد بن عُمَر بن علي بن عَطَاء بن مُقَدَّم، حدَّثنا يُوسُف بن يَعْقُوب بن أَبي القاسِم السَّدُوسِي، حدَّثنا التَّيْمِي، عن أَبي مِجْلَز.
كلاهما (إِيَاس بن قَتَادَة، وأبو مِجْلَز لاحِق بن حُميد) عن قَيْس بن عُبَاد، فذكره.
19 - عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَانِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ:
صَلَّى بِنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْفَجْرَ، وَتَرَكَ آيَةً، فَجَاءَ أُبَيٌّ وَقَدْ فَاتَهُ بَعْضُ الصَّلَاةِ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، نُسِخَتْ هَذِهِ الآيَةُ، أَوْ أُنْسِيتَهَا؟ قَالَ: لَا، بَلْ أُنْسِيتُهَا.
أخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 123 (21458) قال: حدَّثنا يَحيى بن داود الواسطي، حدَّثنا إِسْحَاق بن يُوسُف الأَزْرَق، عن سُفْيان، عن سَلَمَة بن كُهَيْل، عن ذَرّ، عن سَعِيد بن عَبْد الرَّحْمان بن أَبْزَى، عن أبيه، فذكره.
১৮ - কায়স ইবনে উবাদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেছেন:
তোমরা সেই কাতারে থাকো যা আমার নিকটবর্তী।
এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ ৫/১৪০ (২১৫৮৫), তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, তিনি বলেন: আমি আবু জামরাহ থেকে শুনেছি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াস ইবনে কাতাদাহ। এবং (২১৫৮৬) তে তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে দাউদ এবং ওয়াহাব ইবনে জারীর, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, আবু জামরাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি ইয়াস ইবনে কাতাদাহ থেকে শুনেছি। এবং "আবদ ইবনে হুমাইদ" ১৭৭, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবন আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর, শু’বাহ থেকে, আবু জামরাহ থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াস ইবনে কাতাদাহ। এবং "নাসায়ী" ২/৮৮, এবং "আল-কুবরা" ৮৮৪ তে তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে মুকাদ্দাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আত-তায়মী, আবু মিজলায থেকে। এবং "ইবনে খুজায়মাহ" ১৫৭৩, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে আতা ইবনে মুকাদ্দাম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব ইবনে আবুল কাসিম আস-সাদূসী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আত-তায়মী, আবু মিজলায থেকে।
তাঁরা উভয়ই (ইয়াস ইবনে কাতাদাহ এবং আবু মিজলায লাহিক ইবনে হুমাইদ) কায়স ইবনে উবাদ থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
১৯ - আবদুর রহমান ইবনে আবযা থেকে বর্ণিত, উবাই ইবনে কাব থেকে, তিনি বলেন:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন এবং একটি আয়াত ছেড়ে গেলেন। অতঃপর উবাই আসলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর সালাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হয়ে গিয়েছিল। যখন তিনি (সালাত থেকে) ফিরলেন, তিনি (উবাই) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এই আয়াতটি কি রহিত করা হয়েছে, নাকি আপনি তা ভুলে গেছেন? তিনি বললেন: না, বরং আমি তা ভুলে গেছি।
এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ৫/১২৩ (২১৪৫৮), তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে দাউদ আল-ওয়াসিতী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইউসুফ আল-আযরাক, সুফিয়ান থেকে, সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, যারর থেকে, সাঈদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবযা থেকে, তাঁর পিতা থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
- أخرجه ابن خُزَيْمَة (1647) قال: حدَّثنا بُنْدَار، وأبو مُوسَى، قالا: حدَّثنا يَحيى بن سَعِيد القَطَّان، حدَّثنا سُفْيان، حدَّثني سَلَمَة بن كُهَيْل، عن ذَرّ، عن ابن عَبْد الرَّحْمان بن أَبْزَى، عن أبيه، عن أُبَي بن كَعْب، قال:
صَلَّى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَتَرَكَ آيَةً، وَفِي الْقَوْمِ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، نُسِّيتَ آيةَ كَذَا وَكَذَا، أَوْ نُسِخَتْ؟ قَالَ: نُسِّيتُهَا.
قال ابن خزيمة: هذا حديثُ بُنْدَار،
وقال أبو موسى: عن سلمة، عن سعيد بن عبد الرحمن بن أبزي، عن أبيه، عن أُبَيٍّ؛
أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَسِيَ آيَةً مِنْ كِتَابِ اللهِ، وَفِي الْقَوْمِ أُبَيٌّ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، نَسِيتَ آيَةَ كَذَا وَكَذَا، أَوْ نُسِّيتَهَا؟ قَالَ: لَا، بَلْ نُسِّيتُهَا.
ليس فيه: عن ذَرّ.
20 - عَنِ الْجَارُودِ بْنِ أَبِي سَبْرَةَ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ؛
أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى بِالنَّاسِ، فَتَرَكَ آيَةً، فَقَالَ: أَيُّكُمْ أَخَذَ عَلَيَّ شَيْئًا مِنْ قِرَاءَتِي؟ فَقَالَ أُبَيٌّ: أَنَا يَا رَسُولَ اللهِ، تَرَكْتَ آيَةَ كَذَا وَكَذَا، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: قَدْ عَلِمْتُ إِنْ كَانَ أَحَدٌ أَخَذَهَا عَلَيَّ، فَإِنَّكَ أَنْتَ هُوَ.
أخرجه أحمد 5/ 142 (21605) قال: حدَّثنا عَبْد الرَّحْمان بن مَهْدِي، وأبو سَلَمَة الخُزَاعِي. و"عَبد بن حُميد" 174 قال: حدَّثني سُلَيْمان بن حَرْب. و"البُخَارِي" في) جزء القراءة) 192 قال: حدَّثنا مُوسَى بن إِسْمَاعِيل. و"عَبْد الله بن أحمد" 5/ 142 (21606) قال: حدَّثناه إبراهيم بن الحَجَّاج.
خمستهم (ابن مَهْدِي، وأبو سَلَمَة، وسُلَيْمان، ومُوسَى، وإبراهيم) عن حَمَّاد بن سَلَمَة، عن ثابت، عن الجارود ، فذكره.
21 - عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ ، قَالَ:
بَيْنَا نَحْنُ صُفُوفًا خَلْفَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِى الظُّهْرِ، أَوِ الْعَصْرِ ، إِذْ رَأَيْنَاهُ يَتَنَاوَلُ شَيْئًا بَيْنَ يَدَيْهِ وَهُوَ فِى الصَّلَاةِ لِيَأْخُذَهُ ، ثُمَّ تَنَاوَلَهُ لِيَأْخُذَهُ ، ثُمَّ حِيلَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ ، ثُمَّ تَأَخَّرَ وَتَأَخَّرْنَا ، ثُمَّ تَأَخَّرَ الثَّانِيَةَ وَتَأَخَّرْنَا ، فَلَمَّا
এটি ইবন খুযাইমাহ (১৬৪৭) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বুন্দার এবং আবু মূসা বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, সালামাহ বিন কুহাইল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, যর থেকে, তিনি ইবন আবদুর রহমান বিন আবযা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উবাই বিন কাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করলেন এবং একটি আয়াত ছেড়ে গেলেন। লোকজনের মাঝে উবাই বিন কাব উপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! অমুক অমুক আয়াত কি আপনি ভুলে গেছেন নাকি তা রহিত হয়ে গেছে? তিনি বললেন: আমি তা ভুলে গিয়েছি।
ইবন খুযাইমাহ বলেন: এটি বুন্দারের হাদীস,
আবু মূসা বলেন: সালামাহ থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবদুর রহমান বিন আবযা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উবাই থেকে;
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত ভুলে গিয়েছিলেন এবং লোকজনের মাঝে উবাই উপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছেন নাকি আপনাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে? তিনি বললেন: না, বরং আমাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এতে 'যর থেকে' কথাটি নেই।
২০ - আল-জারুদ বিন আবি সাবরাহ থেকে, তিনি উবাই বিন কাব থেকে বর্ণনা করেন;
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকজনকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন এবং একটি আয়াত ছেড়ে গেলেন। এরপর তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে কে আমার তিলাওয়াত থেকে কিছু সংশোধন করেছ? উবাই বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি; আপনি অমুক অমুক আয়াত ছেড়ে গিয়েছেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আমি জানতাম যে যদি কেউ এটি সংশোধন করে তবে তুমিই সেই ব্যক্তি।
এটি আহমাদ ৫/১৪২ (২১৬০৫) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুর রহমান বিন মাহদী এবং আবু সালামাহ আল-খুযায়ি বর্ণনা করেছেন। এবং "আবদ বিন হুমাইদ" ১৭৪ নং হাদীসে বলেন: সুলাইমান বিন হারব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং "আল-বুখারী" (জুযউল কিরাআত) গ্রন্থে ১৯২ নং হাদীসে বলেন: আমাদের নিকট মূসা বিন ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন। এবং "আবদুল্লাহ বিন আহমাদ" ৫/১৪২ (২১৬০৬) বলেন: আমাদের নিকট ইব্রাহিম বিন হাজ্জাজ এটি বর্ণনা করেছেন।
তাঁরা পাঁচজনই (ইবন মাহদী, আবু সালামাহ, সুলাইমান, মূসা এবং ইব্রাহিম) হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আল-জারুদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
২১ - আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আকিল থেকে, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমরা যখন যুহর অথবা আসরের সালাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেছনে কাতারবদ্ধ ছিলাম, তখন আমরা তাঁকে সালাত অবস্থায় তাঁর সামনের কোনো কিছু ধরার জন্য হাত বাড়াতে দেখলাম, এরপর তিনি তা ধরার জন্য পুনরায় হাত বাড়ালেন, অতঃপর তাঁর ও সেই জিনিসের মাঝে আড়াল সৃষ্টি হলো। এরপর তিনি পিছিয়ে আসলেন এবং আমরাও পিছিয়ে আসলাম, এরপর তিনি দ্বিতীয়বার পিছিয়ে আসলেন এবং আমরাও পিছিয়ে আসলাম, অতঃপর যখন...
(খণ্ড: ১)
আল মুসনাদুল জামি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
سَلَّمَ ، قَالَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ ، رضي الله عنه: يَا رَسُولَ اللهِ ، رَأَيْنَاكَ الْيَوْمَ تَصْنَعُ فِي صَلَاتِكَ شَيْئًا لَمْ تَكُنْ تَصْنَعُهُ؟ قَالَ: إِنَّهُ عُرِضَتْ عَلَيَّ الْجَنَّةُ بِمَا فِيهَا مِنَ الزَّهْرَةِ ، فَتَنَاوَلْتُ قِطْفًا مِنْ عِنَبِهَا لآتِيَكُمْ بِهِ، وَلَوْ أَخَذْتُهُ لأَكَلَ مِنْهُ مَنْ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ ، لَا يَتَنَقَّصُونَهُ ، فَحِيلَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ ، وَعُرِضَتْ عَلَيَّ النَّارُ ، فَلَمَّا وَجَدْتُ حَرَّ شُعَاعِهَا تَأَخَّرْتُ ، وَأَكْثَرُ مَنْ رَأَيْتُ فِيهَا النِّسَاءُ، الَّلاتِى إِنِ ائْتُمِنَّ أَفْشَيْنَ ، وَإِنْ سَأَلْنَ أَحْفَيْنَ ، وَإِنْ أُعْطِينَ لَمْ يَشْكُرْنَ، وَرَأَيْتُ فِيهَا لُحَيَّ بْنَ عَمْرٍو يَجُرُّ قُصْبَهُ ، وَأَشْبَهُ مَنْ رَأَيْتُ بِهِ مَعْبَدُ بْنُ أَكْثَمَ، قَالَ مَعْبَدٌ: أَيْ رَسُولَ اللهِ، يُخْشَى عَلَيَّ مِنْ شَبَهِهِ فَإِنَّهُ وَالِدٌ؟ قَالَ: لَا ، أَنْتَ مُؤْمِنٌ، وَهُوَ كَافِرٌ ، وَهُوَ أَوَّلُ مَنْ جَمَعَ الْعَرَبَ عَلَى الأَصْنَامِ.
أخرجه أحمد 5/ 138 (21570) قال: حدَّثنا أحمد بن عَبْد الملك، عن عُبَيْد الله بن عَمْرو، عن عَبْد الله بن مُحَمد بن عَقِيل، فذكره.
- وفي 5/ 138 (21571) قال أحمد: حدَّثنا أحمد بن عَبْد الملك، حدَّثنا عُبَيْد الله، يَعْنِي ابن عَمْرو، حدَّثنا عَبْد الله بن مُحَمد، عن الطُّفَيْل بن أُبَي، عن أبيه، عن النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. بمثله.
22 - عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ:
جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، عَمِلْتُ اللَّيْلَةَ عَمَلاً، قَالَ: مَا هُوَ؟ قَالَ: نِسْوَةٌ مَعِي فِي الدَّارِ قُلْنَ لِي: إِنَّكَ تَقْرَأُ وَلَا نَقْرَأُ، فَصَلِّ بِنَا، فَصَلَّيْتُ ثَمَانِيًا وَالْوِتْرَ، قَالَ: فَسَكَتَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: فَرَأَيْنَا أَنَّ سُكُوتَهُ رِضًا بِمَا كَانَ.
أخرجه عَبْد الله بن أحمد 5/ 115 (21415) قال: حدَّثنا أبو بَكْر بن أَبي شَيْبَة، عَبْد الله بن مُحَمد ، حدَّثنا
সালাম দিলেন। উবাই ইবনে কাব (রা.) বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আজ আমরা আপনাকে সালাতে এমন কিছু করতে দেখেছি যা আপনি আগে কখনও করেননি? তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আমার নিকট জান্নাত এবং এর মধ্যকার জৌলুস পেশ করা হয়েছিল। তখন আমি তোমাদের নিকট নিয়ে আসার জন্য জান্নাতের এক থোকা আঙুর ছিঁড়তে হাত বাড়িয়েছিলাম। আমি যদি তা নিয়ে নিতাম, তবে আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী সকল সৃষ্টি তা থেকে ভক্ষণ করতে পারত এবং তাতে কোনো কমতি হতো না। অতঃপর আমার ও তার মাঝে আড়াল করে দেওয়া হলো। এবং আমার নিকট জাহান্নাম পেশ করা হলো। যখন আমি তার উত্তাপের তেজ অনুভব করলাম তখন পিছিয়ে গেলাম। আর সেখানে আমি যাদের আধিক্য দেখেছি তারা হলো নারী; যাদের নিকট কোনো আমানত রাখা হলে তারা তা প্রকাশ করে দেয়, তারা চাইলে জোরাজুরি করে এবং যখন তাদের কিছু দেওয়া হয় তখন তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। সেখানে আমি লুহাই বিন আমরকে তার নাড়িভুঁড়ি টেনে টেনে চলতে দেখেছি। আমি যাদের দেখেছি তাদের মধ্যে মাবাদ ইবনে আকসাম তার সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। মাবাদ বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, তার সাথে আমার এই সাদৃশ্যের কারণে কি আমার কোনো ক্ষতির ভয় আছে? কারণ সে তো আমার পিতা। তিনি বললেন: না, তুমি মুমিন আর সে কাফির। আর সে-ই প্রথম ব্যক্তি যে আরবদের মূর্তিপূজার ওপর সমবেত করেছিল।
এটি আহমাদ ৫/১৩৮ (২১৫৭০) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আব্দুল মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আকিল থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
- এবং ৫/১৩৮ (২১৫৭১) এ আহমাদ বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আব্দুল মালিক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ অর্থাৎ ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি তুফাইল ইবনে উবাই থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
২২ - জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমি আজ রাতে একটি কাজ করেছি। তিনি বললেন: সেটি কী? তিনি বললেন: আমার বাড়িতে কিছু নারী ছিল, তারা আমাকে বলল: আপনি তো কিরাত পাঠ করেন কিন্তু আমরা পারি না, তাই আপনি আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করুন। তখন আমি তাদের নিয়ে আট রাকাত এবং বিতর সালাত আদায় করলাম। বর্ণনাকারী বলেন: এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব রইলেন। তিনি বলেন: আমরা তাঁর এই নীরবতাকে যা ঘটেছে তার প্রতি সন্তুষ্টি হিসেবে মনে করলাম।
এটি আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ৫/১১৫ (২১৪১৫) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর ইবনে আবি শায়বা ও আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন...