(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
إحياء الآثار دراسة عقدية القسم: العقيدة
الكتاب: إحياء الآثار (دراسة عقدية)
المؤلف: منيرة بنت عبد العزيز بن عبد الرحمن المقوشي
أصل الكتاب: رسالة ماجستير - كلية أصول الدين، جامعة الإمام محمد بن سعود، بإشراف د محمد بن ناصر السحيباني، 1440 هـ
الناشر: دار الأماجد للطباعة والنشر -[الرياض]
الطبعة: الثالثة، 1445 هـ
عدد الصفحات: 654
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 ربيع الأول 1445
ইহয়াউল আসার: আকিদাহ বিষয়ক গবেষণা বিভাগ: আকিদাহ
বই: ইহয়াউল আসার (আকিদাহ বিষয়ক গবেষণা)
লেখক: মুনিরা বিনতে আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল রহমান আল-মাকুশী
বইয়ের উৎস: মাস্টার্স থিসিস - উসুলুদ্দীন অনুষদ, ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়, ড. মুহাম্মদ বিন নাসির আস-সুহাইবানী-এর তত্ত্বাবধানে, ১৪৪০ হিজরি
প্রকাশক: দার আল-আমাযেদ প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং -[রিয়াদ]
সংস্করণ: তৃতীয়, ১৪৪৫ হিজরি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৫৪
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২)
تقديم الوالدة حفظها الله الحمد لله الذي أنعم فأكرم، الحمد لله الذي منّ فأجزل، الحمد لله الذي أعطى فأكثر، الحمد لله الذي بنعمته تتم الصالحات، أحمده سبحانه حمد الشاكرين، وأثني عليه ثناء الذّاكرين، لا أحصي ثناءً عليه، هو كما أثنى على نفسه، له الفضل وله النعمة وله الثناء الحسن، أحمدهُ تبارك وتعالى حمدًا كثيرًا طيبًا مباركًا فيه كما يحب ربنا ويرضى، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله صلى الله وسلم عليه، وعلى آله وصحبه أجمعين. أما بعد
فقد روى الإمام مسلم في صحيحه، من حديث أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول صلى الله عليه وسلم قال: «إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلَاثَةٍ: صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ، أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ، أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ»، أسأل الله أن يجمع لنا هذه الخصال.
ابنتي: أعجز عن وصف شعوري لما رأيت الكتاب مطبوعًا بين يديّ
… لطالما دعوت ربي ورجوته أن أنفع ديني وأخدم أمتي، وأن أنشر العلم
… ، فلم يسعني الوصول لما أتطلّع إليه، فمنَّ عليّ الكريم بفضله سبحانه وتعالى بمن يواصل مسيرتي وينفعني، ويحيي كتبي، ويستعمل مكتبتي فيما يرضي ربي عز وجل.
فجنينا بفضل الله وتوفيقه ثمرة ذلك في هذه الرسالة المباركة، التي أسأل الله أن يجعلها من العلم النافع الذي يكون حجة لكِ لا عليكِ، وأن ينفع بها الأمة الإسلامية؛ تنفعها في سلامة عقيدتها، التي هي أُس الدين وأساسه.
মাতার ভূমিকা (আল্লাহ তাঁকে হেফাযত করুন)সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি নিআমত দান করেছেন এবং সম্মানিত করেছেন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি অনুগ্রহ করেছেন এবং অঢেল দান করেছেন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি দান করেছেন এবং প্রাচুর্য দিয়েছেন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যাঁর নিআমতে নেক কাজসমূহ পূর্ণতা লাভ করে। আমি মহান পবিত্র আল্লাহর প্রশংসা করছি কৃতজ্ঞদের ন্যায় এবং তাঁর গুণগান করছি যিকিরকারীদের ন্যায়। আমি তাঁর প্রশংসার কোনো ইয়ত্তা করতে পারি না, তিনি ঠিক তেমনই যেমন তিনি নিজের প্রশংসা করেছেন। সমস্ত কৃপা তাঁরই, সকল নিআমত তাঁরই এবং সকল সুন্দর প্রশংসা কেবল তাঁরই জন্য। আমি আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলার অনেক অনেক পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা করছি ঠিক যেমনটি আমাদের রব ভালোবাসেন এবং যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক এবং তাঁর কোনো শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর—
ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে, তখন তিনটি বিষয় ছাড়া তার সকল আমল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়: সদকায়ে জারিয়া, অথবা এমন ইলম যার দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়, অথবা এমন নেককার সন্তান যে তার জন্য দুআ করে।” আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি তিনি যেন আমাদের মাঝে এই গুণাবলিগুলো একত্রিত করে দেন।
আমার কন্যা: আমার সামনে যখন বইটি মুদ্রিত অবস্থায় দেখলাম, তখন আমার অনুভূতি বর্ণনা করতে আমি অক্ষম... আমি দীর্ঘকাল আমার রবের নিকট দুআ করেছি এবং তাঁর কাছে আশা পোষণ করেছি যেন আমি আমার দ্বীনের উপকার করতে পারি, উম্মতের সেবা করতে পারি এবং ইলম প্রচার করতে পারি... কিন্তু আমি যা প্রত্যাশা করেছিলাম তা অর্জন করতে সমর্থ হইনি। অতঃপর মহান দয়াময় আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহে আমাকে এমন একজনকে দান করেছেন যিনি আমার পথ চলাকে অব্যাহত রাখবেন, আমাকে উপকৃত করবেন, আমার বইগুলোকে পুনর্জীবিত করবেন এবং আমার লাইব্রেরিটিকে আমার সুমহান রবের সন্তুষ্টির কাজে ব্যবহার করবেন।
ফলস্বরূপ আমরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাওফীকে এই বরকতময় পুস্তিকার মাধ্যমে সেই ফল লাভ করেছি। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন একে এমন উপকারী ইলম হিসেবে কবুল করেন যা তোমার পক্ষে দলীল হবে, তোমার বিরুদ্ধে নয় এবং এর দ্বারা যেন মুসলিম উম্মাহ উপকৃত হয়; বিশেষ করে তাদের আকিদাহর বিশুদ্ধতার ক্ষেত্রে যা এই দ্বীনের মূল ও ভিত্তি।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
ابنتي: أوصيك بتقوى الله وهي الوصية التي أوصى الله جل جلاله بها الأولين والآخرين:
{وَلِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَلَقَدْ وَصَّيْنَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَإِيَّاكُمْ أَنِ اتَّقُوا اللَّهَ وَإِنْ تَكْفُرُوا فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَكَانَ اللَّهُ غَنِيًّا حَمِيدًا *} [النساء: 131].
واعلمي بارك الله فيكِ أن قيمة المرء بالعلم النافع، كما قال الناظم:
وقيمة المرء ما قد كان يُحسنه
والجاهلون لأهل العلم أعداءُ
فقم بعلم ولا تطلب به بدلاً فال
ناس موتى وأهل العلم أحياءُ
واحرصي على العمل بالعلم؛ فإن العلم ثمرته العمل:
وعالم بعلمه لم يعملن
معذب من قبل عباد الوثن
وختامًا: أسأل الله لكِ يا ابنتي مزيدًا من التوفيق والتفوّق والنجاح، وأن لا يحرمنا الأجر، وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم تسليمًا كثيرًا إلى يوم الدين.
والدتك .. حرر يوم الخميس 21/ 7/ 1440 هـ
হে আমার কন্যা: আমি তোমাকে আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের উপদেশ দিচ্ছি, আর এটিই সেই উপদেশ যা মহামহিম আল্লাহ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সকলকেই দিয়েছেন:
“আর আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সব আল্লাহরই। তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আমরা নির্দেশ দিয়েছি যে, তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো। আর যদি তোমরা কুফরি করো তবে জেনে রেখো আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সব আল্লাহরই এবং আল্লাহ অভাবহীন, প্রশংসিত।” [আন-নিসা: ১৩১]।
আর জেনে রেখো—আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন—ব্যক্তির মূল্য নিহিত থাকে উপকারী ইলমের মাধ্যমে, যেমনটি কবি বলেছেন:
মানুষের মর্যাদা তা-ই যা সে সুন্দরভাবে আয়ত্ত করেছে
আর জ্ঞানহীনরা হলো জ্ঞানীদের শত্রু
সুতরাং জ্ঞান নিয়ে দাঁড়িয়ে যাও, এর কোনো বিকল্প তালাশ করো না; কেননা
মানুষ তো মৃত, কিন্তু জ্ঞানীরাই হলো জীবিত
আর ইলম অনুযায়ী আমল করার ব্যাপারে যত্নশীল হও; কেননা ইলমের ফসলই হলো আমল:
আর এমন আলেম যে তার ইলম অনুযায়ী আমল করে না
তাকে মূর্তিপূজারীদের পূর্বেই শাস্তি প্রদান করা হবে
পরিশেষে: হে আমার কন্যা, আমি আল্লাহর কাছে তোমার জন্য আরও বেশি তাওফিক, শ্রেষ্ঠত্ব এবং সফলতা কামনা করছি। আল্লাহ যেন আমাদের সওয়াব থেকে বঞ্চিত না করেন। আর আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সাহাবীদের ওপর কিয়ামত পর্যন্ত অসংখ্য দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
তোমার মা .. লিখিত হয়েছে বৃহস্পতিবার, ২১/ ০৭/ ১৪৪০ হিজরি।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
تقديم الوالد حفظه الله ابنتي وسميّةُ أمي:
أرى أمامك مستقبلاً مشرقًا
زاخرًا بالإنجازات المميزة
ومفعمًا بالنجاحات الباهرة
كم أنا فخورٌ بكِ يا ابنتي ..
وفّقك ربّي وسدّدك
وأسعدك في الدنيا والآخرة ..
والدك
পিতার নিবেদন (আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন)হে আমার কন্যা এবং আমার মায়ের নামধারী:
আমি তোমার সামনে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি
যা বিশিষ্ট অর্জনে সমৃদ্ধ
এবং চমৎকার সাফল্যে ভরপুর
হে আমার কন্যা, আমি তোমার জন্য কতটা গর্বিত ..
আমার রব তোমাকে তাওফিক দান করুন এবং তোমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন
আর তোমাকে দুনিয়া ও আখেরাতে সুখী করুন ..
তোমার পিতা
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
تقريظ المشرف الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين، وبعد
فإن الاهتمام بالآثار والعناية بها والسعي لإحيائها من الموضوعات المهمة في هذا العصر، وتأتي هذه الأهمية من جوانب متعددة منها:
من جانب صلة ذلك بالجانب العقدي والآثار المترتبة عليه، ومما لا شك فيه أن إحياء الآثار له صلة كبيرة وواضحة بالجانب العقدي، إذ أول شرك وقع بين الناس كان بسبب إحياء الآثار، كما حصل لقوم نوح عليه السلام، وأن كثيرًا من البدع والانحرافات في هذه الأمة كانت بسبب إحياء آثار، سواء كانت آثار كتب ومؤلفات أو آثار مشاهد وأماكن ومزارات.
من جانب الاهتمام بموضوع الإحياء سواء اهتمامًا بإقامة الفعاليات الخاصة بذلك أو بكتابة المقالات والبحوث في تقرير ذلك والدعوة إلى تبنيه والعناية به، أو السعي في اكتشاف الآثار وإعادة بنائها وترميمها وتسهيل الوصول إليها لعامة الناس.
وقد كثرت في هذا الزمن وتعددت الدعوات لإحياء الآثار، وإبراز آثارها الإيجابية حسب زعمهم من الناحية التاريخية والاقتصادية والاجتماعية.
حتى التبس ذلك على كثير من الناس، وخفي عليهم الحكم الشرعي، والموقف الصحيح من ذلك.
فأصبحت هناك حاجة ماسة لدراسة ذلك الأمر دراسة علمية شرعية،
তত্ত্বাবধায়কের অভিমতসকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আম্বিয়া ও মুরসালীনদের শ্রেষ্ঠ আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাথীদের উপর। অতঃপর:
বর্তমান যুগে পুরাকীর্তি ও নিদর্শনসমূহের প্রতি গুরুত্বারোপ, সেগুলোর যত্ন নেওয়া এবং তা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই গুরুত্বের নানাবিধ দিক রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো:
আকিদাহ বা বিশ্বাসের সাথে এর সম্পর্ক এবং এর পরিণামগত প্রভাবের দিক থেকে। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, প্রাচীন নিদর্শনাবলি পুনরুজ্জীবিত করার সাথে আকিদাগত দিকের একটি বড় ও সুস্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। কেননা মানুষের মধ্যে সংঘটিত প্রথম শিরক ছিল এই নিদর্শনাবলিকে পুনরুজ্জীবিত করার কারণেই, যেমনটি নূহ আলাইহিস সালামের কওমের ক্ষেত্রে ঘটেছিল। এছাড়া এই উম্মতের মধ্যে অনেক বিদআত ও বিচ্যুতির কারণও ছিল বিভিন্ন নিদর্শনকে পুনরুজ্জীবিত করা—চাই তা কিতাব ও রচনার নিদর্শন হোক কিংবা মাজার ও দর্শনীয় স্থানসমূহের নিদর্শন হোক।
পুনরুজ্জীবনের বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপের দিক থেকে; তা এই সংক্রান্ত বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন কিংবা এই বিষয়ে প্রবন্ধ ও গবেষণাপত্র রচনার মাধ্যমে একে প্রতিষ্ঠিত করা এবং তা গ্রহণ ও রক্ষণাবেক্ষণের আহ্বান জানানো হোক, অথবা নিদর্শনসমূহ আবিষ্কার, পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের চেষ্টা এবং সাধারণ মানুষের জন্য সেখানে পৌঁছানো সহজ করার মাধ্যমে হোক।
বর্তমান যুগে পুরাকীর্তি ও নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান এবং তাদের দাবি অনুযায়ী ঐতিহাসিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে এর ইতিবাচক প্রভাবগুলোকে ফুটিয়ে তোলার প্রবণতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা বহুমুখী হয়েছে।
ফলে এটি অনেক মানুষের কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেছে এবং এ বিষয়ে শরয়ি বিধান ও সঠিক অবস্থান তাদের কাছে অগোচরে থেকে গেছে।
তাই এই বিষয়টি নিয়ে একটি ইলমি ও শরয়ি গবেষণার তীব্র প্রয়োজন দেখা দিয়েছে,
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
وتحرير الحكم الشرعي، وبيان الموقف الصحيح من ذلك وفق ما دلت عليه الأدلة الشرعية من نصوص الكتاب والسنة ومن أقوال العلماء من سلف هذه الأمة.
من هنا جاءت هذه الرسالة العلمية الموسومة ب (إحياء الآثار دراسة عقدية) من إعداد الأخت الباحثة الفاضلة: منيرة بنت عبد العزيز المقوشي، والذي هدفت فيه إلى جمع شتات الموضوع ودراسته بدقة، وتأصيل علمي؛ لحماية جناب التوحيد، ولسدّ طرق الشرك ووسائله؛ من خلال جمع الجهود العملية، والدعوة إلى التمسك بالسنة وتجنب البدعة.
ومن خلال إشرافي على الباحثة في إعداد هذه الرسالة، تبين لي اجتهادها في تحرير المسائل تحريرًا علميًّا مبنيًّا على الأدلة الشرعية الصحيحة، وفق فهم السلف الصالح، والضوابط العلمية السليمة، متوخية فيه الحق، ومتحرية الصدق والإنصاف، وأرادت فيه الخير للمسلمين، أحسبها كذلك والله حسيبها ولا أزكي على الله أحدًا.
وقد حرصت الباحثة وسعت في استيعاب جميع المسائل المتعلقة بهذا الموضوع، فلم تدخر جهدًا ولا وقتًا في تحرير ذلك وبيانه بيانًا يزيل الاشتباه والإشكال حوله.
ومن ذلك أن تحرير مصطلح الآثار، والذي يكاد ينحصر في كثير من الأذهان حول مفهوم محدد محصور في الآثار المكانية المحسوسة المرئية غير المشروعة.
فلم تقف الباحثة عند هذا المفهوم المحصور، وتكتفِ به في رسالتها، وإنما اجتهدت في تحرير هذا المصطلح وتوسعة مدلوله جمعًا بين ما لدى علماء السلف وأهل اللغة وأهل علم الآثار بعد تأسيسه كعلم مستقل؛ فانتهت إلى أن الآثار تشمل: الآثار المروية والمرئية، كما يشمل الآثار الزمانية والمكانية، وسواء كانت آثارًا شرعية أو بدعية أو شركية، مادية أو معنوية، ثابتة أو مزيفة، اندرست أو ما زالت باقية، فاستوعبت ذلك كله حسب ما وقفت عليه، مع اجتهاد وحرص كبيرين في ذلك.
এবং শরয়ী বিধানের বিশ্লেষণ ও এই উম্মতের সালাফদের উক্তি, কিতাব ও সুন্নাহর নসসমূহ থেকে প্রাপ্ত শরয়ী দলীলসমূহের আলোকে এ বিষয়ে সঠিক অবস্থান বর্ণনা করা।
এ প্রেক্ষাপটেই 'নিদর্শনাবলির পুনর্জাগরণ: একটি আকিদাগত গবেষণা' শিরোনামের এই ইলমী অভিসন্দর্ভটি প্রস্তুত করেছেন বিদুষী গবেষক বোন: মুনিরা বিনতে আব্দুল আজিজ আল-মাকুশি। এতে তিনি তাওহীদের গৌরব রক্ষা করার জন্য এবং শিরকের পথ ও মাধ্যমসমূহ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে বিষয়টির বিক্ষিপ্ত অংশগুলো একত্রিত করার এবং নিখুঁতভাবে ও তাত্ত্বিক ভিত্তির ওপর তা অধ্যয়ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন; যা আমলী প্রচেষ্টাসমূহকে একত্রিত করা এবং সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার ও বিদআত পরিহার করার আহ্বানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
এই অভিসন্দর্ভটি প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে গবেষকের ওপর আমার তত্ত্বাবধান চলাকালে মাসআলাগুলো তাহকীক করার ক্ষেত্রে তার কঠোর পরিশ্রম আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে। তিনি সহীহ শরয়ী দলীলের ভিত্তিতে, সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী এবং সঠিক ইলমী মানদণ্ড অনুসরণ করে বিষয়গুলো জ্ঞানতাত্ত্বিকভাবে বিশ্লেষণ করেছেন। এতে তিনি সত্যের অন্বেষণ করেছেন এবং সততা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রেখেছেন। এর মাধ্যমে তিনি মুসলিমদের কল্যাণ কামনা করেছেন; আমি তাকে তেমনই মনে করি, আর আল্লাহই তার হিসাব গ্রহণকারী, আমি আল্লাহর সামনে কারো পবিত্রতা নিশ্চিত করছি না।
গবেষক এই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত মাসআলা অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে যত্নবান ছিলেন এবং চেষ্টা করেছেন। এর বিশ্লেষণ ও বর্ণনায় তিনি শ্রম বা সময় দিতে কোনো কার্পণ্য করেননি, যাতে এ সংক্রান্ত সকল সন্দেহ ও অস্পষ্টতা দূর হয়ে যায়।
এরই অংশ হিসেবে তিনি 'আসার' (নিদর্শনাবলি) পরিভাষাটির বিশ্লেষণ করেছেন, যা অনেকের মনে কেবল একটি নির্দিষ্ট ধারণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে—তা হলো দৃশ্যমান ও অনুভবযোগ্য অবৈধ স্থানভিত্তিক নিদর্শনাবলি।
গবেষক এই সংকীর্ণ ধারণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি এবং তার অভিসন্দর্ভে একেই যথেষ্ট মনে করেননি; বরং তিনি এই পরিভাষাটির বিশ্লেষণ এবং এর অর্থের সম্প্রসারণে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তিনি সালাফী আলেমগণ, ভাষাবিদগণ এবং একটি স্বতন্ত্র বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতামতের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়েছেন। তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, 'নিদর্শনাবলি' বর্ণিত এবং দৃশ্যমান—উভয় প্রকারকেই অন্তর্ভুক্ত করে। একইভাবে এটি কালগত ও স্থানগত নিদর্শনসমূহকেও শামিল করে; চাই সেগুলো শরীয়তসম্মত হোক বা বিদআতী অথবা শিরকী; বস্তুগত হোক বা আত্মিক; প্রমাণিত হোক বা জাল; বিলুপ্ত হয়ে যাক বা এখনও অবশিষ্ট থাকুক। তিনি অত্যন্ত পরিশ্রম ও ঐকান্তিকতার সাথে যা কিছু পেয়েছেন, তার সবটুকুই এতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
فجاءت الرسالة مشتملة على: نحو ستين مسألة مصنفة في تسعة وثلاثين مطلبًا متضمنة في اثني عشر مبحثًا تحت ثلاثة فصول رئيسة.
كما لم تدخر الباحثة في جمع ما يثيره المخالفون من شبه يزعمون أنها استدلالات تؤيد ما ذهبوا إليه من إحياء الآثار والعناية بها وتشريع ذلك، وقد بلغت الشبه ثلاثين شبهة، وقامت الباحثة بتفنيدها، وبيان فسادها وبطلانها في مجموع نحو مائة وجه.
وقد اجتهدت الباحثة في تصنيف الآثار، فصنفتها تصنيفًا، قد لا تجده لدى من كتب في ذلك، فجاءت في خمسة أصناف هي الآثار: النبوية، والدينية، والوثنية والجاهلية، وآثار القبور والمشاهد.
وهذه الآثار في الجملة لا تخرج عن أحد هذه الحالات:
آثار ثابت إحياؤها، وخص الشرع قصدها إما للتعبد بها أو عندها أو للاتعاظ والاعتبار والتذكير بالآخرة.
أو آثار غير ثابت إحياؤها، وليس لها خصوصية في الشرع، ولا تقصد لا بالعبادة ولا بالزيارة، فضلاً عن شد الرحال إليها.
وساقت نماذج وأمثلة لتلك الآثار، مع بيان الحكم الشرعي لإحياء تلك الأصناف، وأبرز صور المخالفات المترتبة على إحياء الآثار في تلك التصنيفات.
وعنيت الباحثة بتحرير بعض الأنواع التي يغفل عنها ولا يتطرق لها كالآثار النبوية سواء كانت:
آثارًا حديثية مروية وبيان أنها أعظم وأشرف ما خلّفه النبي صلى الله عليه وسلم من آثار، والأدلة على وجوب إحيائها واهتمام السلف بها وحثهم على إحيائها.
أو آثارًا نبوية منفصلة عن جسد الرسول صلى الله عليه وسلم، وبيان أن دعوى وجود آثار النبي صلى الله عليه وسلم المحسوسة في زماننا هذا، دعوى مجردة عن البرهان والدليل القاطع، إذ إنها تصنف ضمن الآثار المزيفة.
كما لم تغفل عن موقف المخالفين من أتباع الفرق والمستشرقين فأبانت حرصهم على إحياء آثار الوثنية الجاهلية والأمم الهالكة، أو مما لم يثبت
ফলে গবেষণাপত্রটি তিনটি প্রধান অধ্যায়ের অধীনে বারোটি পরিচ্ছেদ ও ঊনচল্লিশটি উপ-পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত প্রায় ষাটটি মাসআলা নিয়ে গঠিত হয়েছে।
অনুরূপভাবে গবেষক বিরোধীদের উত্থাপিত সেই সমস্ত সংশয়সমূহ সংগ্রহ করতে কোনো কার্পণ্য করেননি যা তারা এই দাবিতে পেশ করে যে, নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করা, সেগুলোর যত্ন নেওয়া এবং একে শরীয়তসম্মত সাব্যস্ত করার পেছনে এগুলো তাদের স্বপক্ষে দলীল। এই সংশয়গুলোর সংখ্যা ত্রিশটিতে পৌঁছেছে এবং গবেষক প্রায় একশত আঙ্গিকে সেগুলোকে খণ্ডন করেছেন এবং সেগুলোর অসারতা ও ভিত্তিহীনতা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করেছেন।
গবেষক নিদর্শনসমূহের শ্রেণীবিভাগে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন। তিনি এগুলোকে এমনভাবে বিন্যস্ত করেছেন যা এই বিষয়ে ইতিপূর্বেকার লেখকদের মাঝে সম্ভবত পাওয়া যাবে না। তিনি এগুলোকে পাঁচটি শ্রেণীতে বিন্যস্ত করেছেন, যা হলো: নববী নিদর্শন, ধর্মীয় নিদর্শন, মূর্তিপূজা ও জাহেলী যুগের নিদর্শন এবং কবরের নিদর্শন ও মাশহাদসমূহ (স্মৃতিচিহ্ন)।
এই নিদর্শনসমূহ সামগ্রিকভাবে নিম্নোক্ত যেকোনো একটি অবস্থার বাইরে নয়:
এমন নিদর্শন যেগুলোর পুনরুজ্জীবন (শরীয়ত সমর্থিত উপায়ে) প্রমাণিত এবং শরীয়ত সেগুলোর উদ্দেশ্যে গমনকে নির্দিষ্ট করেছে, হয় সেখানে ইবাদত করার জন্য, অথবা সেগুলোর কাছে ইবাদত করার জন্য, অথবা শিক্ষা গ্রহণ, উপদেশ লাভ এবং পরকালের কথা স্মরণ করার জন্য।
অথবা এমন নিদর্শন যেগুলোর পুনরুজ্জীবন প্রমাণিত নয় এবং শরীয়তেও সেগুলোর কোনো বিশেষত্ব নেই। ইবাদত বা যিয়ারত কোনো উদ্দেশ্যেই সেখানে যাওয়ার নিয়ম নেই, আর সেগুলোর উদ্দেশ্যে সফর করার তো প্রশ্নই আসে না।
তিনি সেই নিদর্শনগুলোর নমুনা ও উদাহরণ পেশ করেছেন এবং এই শ্রেণীগুলোর পুনরুজ্জীবনের শরীয়তী বিধান বর্ণনা করেছেন। সেই সঙ্গে নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার ফলে এই শ্রেণীগুলোতে যে সমস্ত প্রধান প্রধান শরীয়তবিরোধী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয় তাও তুলে ধরেছেন।
গবেষক এমন কিছু প্রকারের পর্যালোচনায় মনোযোগ দিয়েছেন যেগুলোর ব্যাপারে সাধারণত উদাসীনতা দেখানো হয় এবং যা আলোচনা করা হয় না, যেমন নববী নিদর্শনসমূহ, তা চাই এমন হোক:
বর্ণিত হাদীসভিত্তিক নিদর্শনসমূহ; তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এগুলোই হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রেখে যাওয়া নিদর্শনগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ। তিনি এগুলোকে জীবিত রাখার আবশ্যকতা এবং এগুলোর প্রতি সালাফদের গুরুত্বারোপ ও উৎসাহ প্রদানের দলীলসমূহ উপস্থাপন করেছেন।
অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া নববী নিদর্শনসমূহ। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, বর্তমান যুগে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৃশ্যমান (ভৌত) নিদর্শনের অস্তিত্ব থাকার দাবিটি অকাট্য প্রমাণ ও দলীলবর্জিত; বরং এগুলোকে জাল নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অনুরূপভাবে তিনি বিভিন্ন দল-উপদল এবং প্রাচ্যবিদদের ন্যায় বিরোধীদের অবস্থানের ব্যাপারেও উদাসীনতা প্রদর্শন করেননি। তিনি জাহেলী মূর্তিপূজার নিদর্শন এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিসমূহের নিদর্শন অথবা যা প্রমাণিত নয়, এমন সব নিদর্শন পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহের কথা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
صحة نسبته للرسول صلى الله عليه وسلم من آثاره، وإهمال الآثار المروية الصحيحة وتعطيلها، وفندت ما تشبثوا به من شبهات وأباطيل.
واختتمت الرسالة ببيان المخالفات العقدية المترتبة على إحياء الآثار، وبيان أسباب تلك المخالفات، والمفاسد المترتبة على إحياء الآثار من عودة المظاهر الشركية، وزعزعة الولاء والبراء لدى المسلمين، وإساءة سمعة الدين الإسلامي، وتفشي القومية والعنصرية، ووقوع الكذب بكل أشكاله.
وأحسب أن الباحثة اجتهدت في إخراج البحث بأتم تحرير وأكمل صورة، ولم تدخر جهدًا ولا وقتًا في تحقيق هذا الهدف وهذه الغاية.
أسأل الله أن يبارك في الباحثة وهذا البحث، وأن يقيم به الحجة، ويزيل به الشبهة، وأن يعم بنفعه المسلمين.
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه ومن سار على هديه واتبع سنته إلى يوم الدين.
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি এর সম্বন্ধের বিশুদ্ধতা তাঁর নিদর্শনসমূহ থেকে এবং সহীহ বর্ণনামূলক নিদর্শনসমূহের অবহেলা ও তা অকেজো করে রাখা; আর তারা যে সকল সংশয় ও বাতিলের আশ্রয় নিয়েছিল, তা তিনি খণ্ডন করেছেন।
আর থিসিসটি শেষ হয়েছে নিদর্শনাদির পুনরুজ্জীবনের ফলে সৃষ্ট আকিদাগত বিচ্যুতিসমূহের বর্ণনা, সেই বিচ্যুতিগুলোর কারণসমূহ এবং নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার ফলে সৃষ্ট অনিষ্টসমূহ বর্ণনার মাধ্যমে; যার মধ্যে রয়েছে শিরকি কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি, মুসলমানদের মাঝে আনুগত্য ও বিমুখতার (আল-ওয়ালা ওয়াল-বারা) ভিত্তি নড়বড়ে হওয়া, ইসলাম ধর্মের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়া, জাতীয়তাবাদ ও বর্ণবাদের প্রসার এবং সর্বপ্রকার মিথ্যার অনুপ্রবেশ।
আমি মনে করি, গবেষিকা অত্যন্ত নিখুঁত সম্পাদনা ও পূর্ণাঙ্গ অবয়বে গবেষণাটি উপস্থাপনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে তিনি কোনো প্রচেষ্টা বা সময়ের সামান্যতম ত্রুটিও করেননি।
আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি গবেষিকা ও এই গবেষণার মধ্যে বরকত দান করেন, এর মাধ্যমে সত্য প্রমাণ সুপ্রতিষ্ঠিত করেন ও সংশয় দূরীভূত করেন এবং এর উপকার যেন সকল মুসলমানের জন্য ব্যাপক করে দেন।
আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীগণের প্রতি এবং কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যারা তাঁর হেদায়াতের পথে চলবে ও তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করবে, তাদের প্রতি আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
مقدمة الرسالة إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مُضل له، ومن يُضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله صلى الله عليه وسلم، أما بعد
فقد قال الله تعالى: {كَانَ النَّاسُ أُمَّةً وَاحِدَةً فَبَعَثَ اللَّهُ النَّبِيِّينَ مُبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ وَأَنْزَلَ مَعَهُمُ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ لِيَحْكُمَ بَيْنَ النَّاسِ فِيمَا اخْتَلَفُوا فِيهِ} [البقرة: 213].
فطر الله سبحانه وتعالى البشر على التوحيد، وهو الأصل الذي كانوا عليه، ثم بعد ذلك تفرقوا واختلفوا بسبب الشرك، والذي كانت بدايته إحياء آثار قوم صالحين.
فأول شرك حصل على وجه الأرض كان في قوم نوح عليه السلام، ولم يظهر ذلك إلا بعد مرور نحو عشرة قرون بعد آدم عليه السلام، حيث إنهم كانوا على التوحيد، ولم يزل الشيطان دائبًا جادًّا مشمرًا في عداوة بني آدم، فزين لقوم نوح إحياء آثار الصالحين بنصب صورهم، ففعلوا ولم تعبد، حتى إذا هلك أولئك وذهب العلم وجاء جيل جاهل عُبدت، كما جاء في الأثر الصحيح عن ابن عباس رضي الله عنهما أنه قال: صارت الأوثان التي كانت في قوم نوح في العرب بعد، أَمَّا وَدٌّ: كانت لِكَلْبٍ بِدَوْمَةِ الْجَنْدَلِ، وَأَمَّا سُوَاعٌ: كانت لِهُذَيْلٍ، وَأَمَّا يَغُوثُ: فكانت لِمُرَادٍ، ثم لِبَنِي غُطَيْفٍ بِالْجَوْفِ عند سَبَأٍ، وَأَمَّا يَعُوقُ: فكانت لِهَمْدَانَ، وَأَمَّا نَسْرٌ: فكانت لِحِمْيَرَ، لآِلِ ذِي الْكَلَاعِ.
রিসালার ভূমিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তার কোনো পথভ্রষ্টকারী নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার কোনো পথপ্রদর্শক নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। অতঃপর
মহান আল্লাহ বলেছেন: {মানুষ ছিল এক উম্মত, অতঃপর আল্লাহ নবীগণকে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে পাঠালেন এবং সত্যসহ তাঁদের সাথে কিতাব নাযিল করলেন, যাতে তা মানুষের মধ্যে সেই বিষয়ে ফয়সালা করে দেয় যে বিষয়ে তারা মতভেদ করেছিল} [সূরা আল-বাকারা: ২১৩]।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মানবজাতিকে তাওহীদের ওপর সৃষ্টি করেছেন এবং এটিই ছিল সেই মূল ভিত্তি যার ওপর তারা প্রতিষ্ঠিত ছিল। এরপর শিরকের কারণে তারা বিচ্ছিন্ন ও মতভেদে লিপ্ত হয়, যার সূচনা হয়েছিল নেককার লোকদের স্মৃতিচিহ্নসমূহ পুনর্জীবিত করার মাধ্যমে।
পৃথিবীর বুকে সর্বপ্রথম শিরক সংঘটিত হয়েছিল নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর সম্প্রদায়ের মধ্যে। আদম (আলাইহিস সালাম)-এর পর প্রায় দশটি শতাব্দী অতিবাহিত হওয়ার আগে তা প্রকাশ পায়নি, কারণ তারা তাওহীদের ওপর ছিল। শয়তান নিরন্তর ও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বনী আদমের শত্রুতায় কোমর বেঁধে লেগে ছিল। ফলে সে নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর সম্প্রদায়ের নিকট নেককারদের ছবি বা প্রতিকৃতি স্থাপনের মাধ্যমে তাদের স্মৃতিচিহ্ন পুনর্জীবিত করার বিষয়টিকে সুশোভিত করে তুলল। তারা তা করল কিন্তু সেগুলোর ইবাদত করা হয়নি; যতক্ষণ না সেই প্রজন্ম ধ্বংস হলো এবং ইলম বিলুপ্ত হলো এবং এক মূর্খ প্রজন্মের আবির্ভাব ঘটল, তখন সেগুলোর ইবাদত শুরু হলো। যেমনটি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত সহীহ আছারে এসেছে যে, তিনি বলেন: নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর সম্প্রদায়ের মাঝে যে মূর্তিগুলো ছিল, পরবর্তীতে সেগুলো আরবদের মধ্যে প্রচলিত হয়। 'ওয়াদ্দ' ছিল দূমাতুল জান্দালে কালব গোত্রের জন্য, 'সুওয়া' ছিল হুযাইল গোত্রের জন্য, 'ইয়াগূছ' ছিল মুরাদ এবং অতঃপর সাবার নিকটবর্তী জাওফে বনু গুতায়েফ গোত্রের জন্য, 'ইয়াঊক' ছিল হামদান গোত্রের জন্য এবং 'নাসর' ছিল হিমইয়ারের যিল-কালা পরিবারের জন্য।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
أسماء رجال صالحين من قوم نوح فلما هلكوا أوحى الشيطان إلى قومهم: أن انصبوا إلى مجالسهم التي كانوا يجلسون أنصابًا وسمّوها بأسمائهم ففعلوا فلم تعبد حتى إذا هلك أولئك، وَتَنَسَّخَ العلم عُبِدَتْ
(1).
فلو جاءهم الشيطان نعوذ بالله منه من أول مرة وأمر قوم نوح بعبادتهم لم يطيعوه ولم يقبلوا ذلك؛ بل أمر الأولين بنصب الصور لتكون ذريعة لمن بعدهم أن يعبدوا الله عندها، ثم تكون عبادة الله عندها ذريعة إلى عبادتها ممن يخلفهم.
وللأمم المتأخرة ورث من الأمم الأولى فالأصنام التي في الأمم البائدة قد انتقلت إلى العرب كما جاء في الأثر الصحيح الموقوف عن ابن عباس رضي الله عنهما المذكور آنفًا.
والتي لم تضمحل إلا بعد أن بعث الله محمدًا صلى الله عليه وسلم بالدعوة إلى التوحيد والنهي عن الشرك، فقام صلى الله عليه وسلم بتبليغ ما بعثه الله به أكمل قيام، وأوذي في الله أشد الأذى فصبر على ذلك وصبر معه أصحابه رضي الله عنهم على تبليغ الدعوة.
حتى أزال الله من الجزيرة العربية جميع الأصنام والأوثان التي كانت تُعبد من دون الله، ودخل الناس في دين الله أفواجًا، وكسرت الأصنام، وهدمت الأوثان، وعلت كلمة التوحيد وظهر الإسلام.
ولعل من خلال الإشارة إلى ما سبق، وجب التنبه إلى ما حدث في هذا الزمان الذي عج بالفتن، وتخبط الناس فيه بين الشبهات والشهوات، وكثرت فيه الدعوات حول إحياء معالم الماضي والتراث، والتباكي على اندراس الآثار، والمناداة بإحيائها، والافتتان بتتبعها، والعناية بها في مواضعها أو في معارض مخصصة، ولا يزال الجدال قائمًا بين الكثير من الناس حولها.
فالحديث عن هذا الموضوع الشائك يحتاج إلى بحث علمي دقيق رصين، بعيدًا عن الأحاسيس والعواطف الجياشة، من منظور شرعي عقدي
--------------------------------------------
এগুলো নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর সম্প্রদায়ের কিছু নেককার লোকের নাম। যখন তারা মৃত্যুবরণ করলেন, তখন শয়তান তাদের সম্প্রদায়ের লোকদের অন্তরে এই প্ররোচনা দিল যে: তারা যেন তাদের বসার মজলিসগুলোতে কিছু স্মারক স্তম্ভ স্থাপন করে এবং সেগুলোকে তাদের নামে নামকরণ করে। তারা তা-ই করল। তখন পর্যন্ত সেগুলোর ইবাদত করা হতো না। কিন্তু যখন ওই প্রজন্মের লোকেরা মৃত্যুবরণ করল এবং সঠিক ইলম বা জ্ঞান বিলুপ্ত হয়ে গেল, তখন সেগুলোর ইবাদত শুরু হলো
(১)।
শয়তান—আমরা তার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই—যদি প্রথমবারই তাদের কাছে এসে নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর সম্প্রদায়কে মূর্তিপূজার নির্দেশ দিত, তবে তারা তার আনুগত্য করত না এবং তা গ্রহণ করত না। বরং সে পূর্ববর্তীদের স্মারক স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিল যাতে তা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সেখানে আল্লাহর ইবাদত করার একটি উসিলা হয়; অতঃপর সেখানে আল্লাহর ইবাদত করাটাই পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ওই মূর্তিগুলোর ইবাদত করার উসিলায় পরিণত হলো।
পরবর্তী উম্মতগুলো পূর্ববর্তী উম্মতদের থেকে উত্তরাধিকার লাভ করেছে। তাই প্রাচীন বিলুপ্ত জাতিগুলোর মাঝে যে প্রতিমাগুলো ছিল, তা আরবদের মাঝেও স্থানান্তরিত হয়েছে, যেমনটি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত ইতিপূর্বে উল্লিখিত সহীহ মাওকুফ বর্ণনায় এসেছে।
আর এগুলো ততক্ষণ পর্যন্ত বিলুপ্ত হয়নি যতক্ষণ না আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাওহীদের দাওয়াত ও শিরক প্রতিরোধের মিশন দিয়ে প্রেরণ করেছেন। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ প্রেরিত রিসালাতের দায়িত্ব পূর্ণাঙ্গভাবে আঞ্জাম দিলেন এবং আল্লাহর পথে চরম নির্যাতনের শিকার হলেন। তিনি এর ওপর ধৈর্য ধারণ করলেন এবং তাঁর সাহাবীগণও (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার কাজে তাঁর সাথে ধৈর্য ধারণ করলেন।
পরিশেষে আল্লাহ তাআলা আরব উপদ্বীপ থেকে সেই সকল প্রতিমা ও মূর্তি অপসারিত করলেন যেগুলোর আল্লাহকে বাদ দিয়ে ইবাদত করা হতো। মানুষ দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করল, প্রতিমাগুলো চূর্ণ করা হলো, মূর্তিসমূহ ধ্বংস করা হলো, তাওহীদের বাণী সমুন্নত হলো এবং ইসলাম বিজয়ী হলো।
সম্ভবত পূর্বোল্লিখিত প্রসঙ্গের আলোকে সেই বিষয়ের প্রতি সতর্ক হওয়া আবশ্যক যা এই ফিতনা সংকুল যুগে ঘটছে, যেখানে মানুষ সংশয় ও প্রবৃত্তির তাড়নায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছে। বর্তমানে অতীতের নিদর্শন ও ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করা, বিলুপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য বিলাপ করা, সেগুলো পুনর্নির্মাণের আহ্বান জানানো, সেগুলোর মোহে আবিষ্ট হওয়া এবং সেগুলোকে তাদের নিজ স্থানে বা বিশেষ প্রদর্শনীতে সংরক্ষণের বিষয়ে বহু তৎপরতা চলছে। এ নিয়ে অনেক মানুষের মধ্যে এখনো বিতর্ক বিদ্যমান।
তাই এই জটিল বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য আবেগ ও উচ্ছ্বাসের ঊর্ধ্বে উঠে শারঈ আকিদাহর দৃষ্টিভিকোণ থেকে একটি সূক্ষ্ম ও সুদৃঢ় গবেষণার প্রয়োজন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
بحت؛ حفاظًا على الدين، وصيانة له من الوثنيات الجاهلية، وتجنبًا للانجراف في مستنقع الشرك والبدع.
ونظرًا لما يؤدي إليه إحياء الآثار من مخاطر تمس العقيدة، تقدمت بأطروحة ماجستير في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية تحت عنوان:
إحياءُ الآثارِ دراسة عقدية
تحريًا للحق، وتقصيًا لما كتبه أهل العلم الراسخون في ذلك؛ لكشف الشبهة، وإيضاح الحجة، والنصح لله ولرسوله ولكتابه ولأئمة المسلمين وعامتهم.
أهمية الموضوع وأسباب اختياره:1 الإفراط والغلو في الآثار المرئية الجاهلية، والتفريط والإهمال للآثار النبوية الحديثية المروية.
2 كثرة الدعوات المؤيدة لإحياء الآثار المرئية والاهتمام والاعتناء بها، وإغفال النتائج الوخيمة المترتبة على إحيائها.
3 ازدياد عدد المقالات والكتب المؤلفة في إحياء الآثار والمطالبة بالعناية بها؛ بحجة الحفاظ على الآثار والتراث وامتلاؤها بالشبهات والانحرافات العقدية.
4 كثرة الافتتان بالآثار الوثنية والجاهلية، والولاء لها، والتهاون بإحيائها واستبعاد وقوع المخالفات العقدية.
5 أن التنقيب عن الآثار والبحث عنها لم يظهر إلا في القرن الماضي، حيث يعدّ من العلوم الحديثة التي يُخشى أن تعارض أصولها أصول الدين الإسلامي.
أهداف الموضوع:1 حماية جناب التوحيد، وسد ذرائع الشرك ووسائله.
2 الدعوة إلى التمسك بالسُّنَّة وتجنب البدعة، من خلال الرد على شبهات المخالفين لأهل السُّنَّة في تعظيمهم للآثار وتبركهم بها واعتبارها وسائل وأسباب شفائية.
নিছক; দীন সংরক্ষণের লক্ষ্যে, জাহেলিয়াতের মূর্তিপূজা থেকে তাকে রক্ষা করতে এবং শিরক ও বিদআতের পঙ্কিলতায় তলিয়ে যাওয়া এড়াতে।
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের পুনরুজ্জীবন আকিদাহ বা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে যেসব ঝুঁকির সৃষ্টি করে তা বিবেচনা করে, আমি ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মাস্টার্স থিসিস পেশ করেছি, যার শিরোনাম হলো:
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের পুনরুজ্জীবন: একটি আকিদাহগত গবেষণা
সত্যের অনুসন্ধান এবং এ বিষয়ে গভীর জ্ঞানের অধিকারী আলেমদের লেখনীসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করার উদ্দেশ্যে; যেন সংশয় উন্মোচন করা যায়, প্রমাণাদি স্পষ্ট করা যায় এবং আল্লাহ, তাঁর রাসূল, তাঁর কিতাব, মুসলিমদের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণের কল্যাণ কামনা করা যায়।
বিষয়ের গুরুত্ব ও এটি নির্বাচনের কারণসমূহ:১. জাহেলি যুগের দৃশ্যমান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর প্রতি অতি বাড়াবাড়ি ও অতিরঞ্জন, এবং বর্ণিত হাদীস ভিত্তিক নববী নিদর্শনগুলোর প্রতি অবহেলা ও উদাসীনতা।
২. দৃশ্যমান নিদর্শনগুলোর পুনরুজ্জীবন এবং সেগুলোর প্রতি যত্ন ও গুরুত্ব প্রদানের পক্ষে আহ্বানের আধিক্য, এবং এর ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে অসতর্কতা।
৩. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সংরক্ষণ ও ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে সেগুলোর পুনরুজ্জীবন ও যত্নের দাবিতে রচিত প্রবন্ধ ও গ্রন্থের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া; অথচ সেগুলো আকিদাহগত সংশয় ও বিচ্যুতিতে পূর্ণ।
৪. মূর্তিপূজা ও জাহেলি যুগের নিদর্শনগুলোর প্রতি মুগ্ধতা ও অনুরাগের আধিক্য, সেগুলো পুনরুজ্জীবিত করার ব্যাপারে শিথিলতা প্রদর্শন এবং আকিদাহগত বিচ্যুতি ঘটার সম্ভাবনাকে সুদূরপরাহত মনে করা।
৫. প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ও অনুসন্ধান কেবল গত শতাব্দীতেই বিকাশ লাভ করেছে, যা এমন এক আধুনিক বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত যার মূলনীতিগুলো ইসলামি দীনের মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিষয়ের লক্ষ্যসমূহ:১. তাওহীদের মর্যাদা রক্ষা করা এবং শিরকের সকল পথ ও মাধ্যম রুদ্ধ করা।
২. সুন্নাহ আঁকড়ে ধরা এবং বিদআত পরিহার করার আহ্বান জানানো; প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের অতিমূল্যায়ন, তা থেকে বরকত গ্রহণ এবং সেগুলোকে আরোগ্যের মাধ্যম ও উসিলা হিসেবে গণ্য করার ক্ষেত্রে আহলে সুন্নাতের বিরোধীদের সংশয়সমূহ খণ্ডন করার মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
3 تتبع الردود العلمية المتفرقة، والجهود العملية للعلماء المتعلقة بإحياء الآثار، وجمع شتات الموضوع ودراسته بدقة؛ للوصول إلى المنهج الحق وتمييزه عن غيره من المناهج البدعية وهذا الأمر من الواجبات التي ينبغي أن يقوم بها طلاب العلم.
الدِّراسات السَّابقة:لم أجد بعد التتبع في المكتبات العامَّة والتِّجاريَّة والرَّسائل الجامعيَّة من تناول هذا الموضوع بالبحث على نحو مستوفٍ.
وقد وجدت بعض العناوين المقاربة، والتي تتداخل مع جزئيات بعض عناوين الرسالة، وهي كما يلي:
1 الآثار والمشاهد وأثر تعظيمها في الأمة الإسلامية، للدكتور: عبد العزيز بن عبد الله الجفير:
رسالة علميَّة مقدمة لنيل درجة الماجستير في قسم العقيدة بكلية الدعوة وأصول الدين في جامعة أم القرى، عام 1417 هـ 1997 م، وهذه الرسالة تناولت ما يتعلق بالآثار والمشاهد وأثر تعظيمهما على الأمة الإسلامية.
وكحال أي عمل بشري لن يبلغ الكمال؛ فالكمال لله عز وجل، ولكتابه، ولدينه، فقد تبيَّن على حد علمي القاصر أن هذه الرسالة على أصالتها، وقيمتها العلمية، ووفرة معلوماتها، إلا أنها تفتقر إلى السبر والتقسيم، والتفصيل في أقسام الآثار وأنواعها والمخالفات العقدية الناشئة عن تعظيم الآثار.
حيث إن دائرة تعظيم الآثار أضيق من دائرة الإحياء والعناية والاهتمام بها؛ وبسبب انفتاح دائرة الإحياء واشتمالها على الغلو والتعظيم وما هو أكثر من ذلك أو أقل منه بكثير، حصل التساهل به وهذه حجة أغلب من يتهاون في مسألة إحياء الآثار المرئية الوثنية الجاهلية بأنهم لم يقصدوا تعظيمها ولا تقديسها.
৩. নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার সাথে সংশ্লিষ্ট আলেমদের বিক্ষিপ্ত ইলমি খণ্ডন এবং ব্যবহারিক প্রচেষ্টাসমূহ অনুসরণ করা এবং এই বিষয়ের অসংলগ্ন দিকগুলো একত্রিত করা ও সূক্ষ্মভাবে অধ্যয়ন করা; যাতে সত্য মানহাজে উপনীত হওয়া যায় এবং বিদআতি মানহাজ থেকে একে পৃথক করা সম্ভব হয়। আর এটি এমন একটি আবশ্যিক কাজ যা ইলম অন্বেষণকারীদের পালন করা উচিত।
পূর্ববর্তী অধ্যয়নসমূহ:পাবলিক ও বাণিজ্যিক লাইব্রেরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের থিসিসগুলোতে অনুসন্ধানের পর, আমি এমন কাউকে পাইনি যিনি এই বিষয়টি গবেষণার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গভাবে আলোচনা করেছেন।
আমি কিছু কাছাকাছি শিরোনাম পেয়েছি, যেগুলোর সাথে এই গবেষণাপত্রের কিছু অংশের মিল রয়েছে, সেগুলো নিম্নরূপ:
১. আল-আসার ওয়াল মাশাহিদ ওয়া আসারু তাজিমিহা ফিল উম্মাতিল ইসলামিয়্যাহ (ইসলামী উম্মাহর মধ্যে প্রাচীন নিদর্শন ও স্মৃতিস্তম্ভসমূহ এবং সেগুলোকে সম্মান প্রদর্শনের প্রভাব), লেখক: ড. আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুফাইর:
এটি ১৪১৭ হিজরি (১৯৯৭ খ্রি.) সালে উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াহ ও উসুলুদ্দিন অনুষদের আকীদাহ বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভের জন্য উপস্থাপিত একটি গবেষণাপত্র। এই থিসিসটি প্রাচীন নিদর্শন ও স্মৃতিস্তম্ভের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি এবং ইসলামী উম্মাহর ওপর এগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছে।
অন্য যেকোনো মানবিক কাজের মতোই এটিও পূর্ণতা লাভ করেনি; কারণ পূর্ণতা কেবল মহান আল্লাহ তাআলা, তাঁর কিতাব এবং তাঁর দ্বীনের জন্য। আমার সীমাবদ্ধ জ্ঞান অনুযায়ী এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, এই গবেষণাপত্রটি তার মৌলিকত্ব, ইলমি গুরুত্ব এবং তথ্যের প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও এতে নিবিড় বিশ্লেষণ ও শ্রেণীবিন্যাস এবং প্রাচীন নিদর্শনের শ্রেণি ও প্রকারভেদ এবং এগুলোকে সম্মান প্রদর্শনের ফলে উদ্ভূত আকীদাগত বিচ্যুতিসমূহের বিস্তারিত বর্ণনার অভাব রয়েছে।
যেহেতু নিদর্শনাবলিকে সম্মান করার ক্ষেত্রটি এগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা ও রক্ষণাবেক্ষণ করার গণ্ডির চেয়ে সংকীর্ণ; আর পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়টি উন্মুক্ত হওয়ার কারণে এবং এতে অতিশয়োক্তি (গুলু), অতিরিক্ত সম্মান প্রদর্শনসহ আরও নানা বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকার ফলে এ ব্যাপারে শিথিলতা দেখা দিয়েছে। আর এটিই অধিকাংশ লোকের যুক্তি যারা দৃশ্যমান মূর্তিপূজক জাহেলি নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে শিথিলতা প্রদর্শন করে থাকে যে, তাদের উদ্দেশ্য এগুলোকে সম্মান করা বা পবিত্র জ্ঞান করা নয়।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
لهذا السبب أتت هذه الرسالة توضح أن إحياء الآثار الوثنية والجاهلية وسيلة موصلة للشرك، وسد الذرائع الموصلة إلى الشرك أصل عظيم من أصول الدين الإسلامي، يجب الاهتمام به؛ حتى لا تصل الأمة إلى مرحلة لا تحمد عقباها.
وكما أن الرسالة التي بين أيديكم تناولت الآثار بالعموم ولم تقتصر على الآثار المحسوسة، وكذلك هي إعادة ترتيب وتقسيم مع تكميل الناقص وإضافة بعض المباحث والفصول مثل:
1 الآثار بأنواعها من خلال اعتبارات مختلفة، ومن حيثيات متنوعة؛ كالآثار باعتبار: المروي والمرئي، الشرعي والشركي، المكاني والزماني، المادي والمعنوي، الثابت والمزيف، الباقي والمندرس، وحكم إحياء كل نوع منها من حيث الزيارة والتردد، وأيضًا من ناحية الاهتمام بعين الآثار وتهيئتها؛ لتسهيل الوصول إليها.
2 إحياء الآثار المروية الحديثية، وموقف المخالفين في هذا الجانب وتفنيد شبهاتهم.
3 ربطها بالواقع ك:
أ ضرب الأمثلة على الآثار المتواجدة حاليًّا.
ب ذكر الأمصار ذوات الآثار وانشغال الناس بها.
ج عرض للمحاولات المعاصرة لإحياء الآثار وردود العلماء العلمية وجهودهم العملية في إزالة الآثار والقضاء عليها.
4 أسباب المخالفات العقدية والمفاسد المترتبة على إحياء الآثار.
5 شبهات المبتدعة، والمستشرقين حول الآثار بأنواعها، وتفنيدها.
ومن الدراسات السابقة أيضًا:
2 أحكام الآثار في الشريعة الإسلامية دراسة عقدية، للدكتور: خالد بن عبد العزيز السيف:
এই কারণে এই পুস্তিকাটি এটি স্পষ্ট করার জন্য এসেছে যে, মূর্তিপূজা এবং জাহেলিয়াতের নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করা শিরকের দিকে ধাবিত করার একটি মাধ্যম। শিরকের দিকে পরিচালিত পথসমূহ রুদ্ধ করা ইসলামি দ্বীনের একটি মহান মূলনীতি, যার প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা আবশ্যক; যাতে উম্মাহ এমন এক পর্যায়ে না পৌঁছে যার পরিণতি শুভ নয়।
আপনার হাতে থাকা এই পুস্তিকাটি যেমন সাধারণভাবে প্রাচীন নিদর্শনসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছে এবং কেবল দৃশ্যমান নিদর্শনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, তেমনি এটি অসম্পূর্ণ বিষয়গুলোর পরিপূরণ এবং কিছু নতুন পরিচ্ছেদ ও অধ্যায় সংযোজনের মাধ্যমে একটি পুনর্বিন্যাস ও উপবিভাজন। যেমন:
১. বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিবিধ প্রেক্ষিত থেকে প্রাচীন নিদর্শনের প্রকারভেদ; যেমন: বর্ণিত ও দৃশ্যমান, শরয়ি ও শিরকি, স্থানিক ও কালিক, বস্তুগত ও আত্মিক, প্রমাণিত ও জাল, বিদ্যমান ও বিলুপ্ত নিদর্শনের বিবেচনা। পাশাপাশি পরিদর্শন ও যাতায়াতের বিচারে এগুলোর প্রতিটি প্রকার পুনরুজ্জীবিত করার বিধান এবং নিদর্শনের মূল কাঠামোর প্রতি গুরুত্বারোপ ও সেখানে পৌঁছানো সহজ করার জন্য তা প্রস্তুত করার বিষয়টিও আলোচনা করা হয়েছে।
২. হাদিসে বর্ণিত প্রাচীন নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করা এবং এই বিষয়ে বিরোধীদের অবস্থান ও তাদের সংশয়গুলোর খণ্ডন।
৩. বাস্তবতার সাথে এর সংশ্লিষ্টতা, যেমন:
ক. বর্তমানে বিদ্যমান নিদর্শনগুলোর উদাহরণ পেশ করা।
খ. প্রাচীন নিদর্শন সমৃদ্ধ শহরগুলোর উল্লেখ এবং সেসব নিয়ে মানুষের ব্যস্ততা।
গ. প্রাচীন নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার সমকালীন প্রচেষ্টাসমূহ উপস্থাপন এবং এগুলো অপসারণ ও নির্মূল করার ক্ষেত্রে আলেমদের ইলমি জবাব ও ব্যবহারিক প্রচেষ্টাসমূহ।
৪. আকিদাগত বিচ্যুতিসমূহের কারণ এবং প্রাচীন নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার ফলে উদ্ভূত অনিষ্টসমূহ।
৫. বিভিন্ন প্রকার প্রাচীন নিদর্শন সম্পর্কে বিদয়াতি ও প্রাচ্যবিদদের সংশয়সমূহ এবং সেগুলোর খণ্ডন।
পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহের মধ্যে আরও রয়েছে:
২. ইসলামি শরিয়তে প্রাচীন নিদর্শনের বিধানসমূহ: একটি আকিদাগত অধ্যয়ন, লেখক ডক্টর খালিদ বিন আব্দুল আজিজ আস-সাইফ:
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
بحث قصير مؤلَّف من (55) صفحة منشور في مجلة الدراسات العقدية في العدد: (16)، 1437 هـ.
تناول هذا البحث بعض الآثار المرئية المحسوسة وأحكامها إجمالاً، اعتمد على ضابط معنى الآثار عند خبراء الآثار: بأن الأثر ما كانت قيمته من تراكم الزمن، وتباعد التاريخ عليه، وما عدا ذلك ليس بأثر.
فتحديد معنى الأثر في هذه الرسالة مرتكز على قيمته، بحيث إنه إذا كان الأثر متعلقًا بشخص أو غيره لا يسمى أثرًا لعدم سريان مقولة التاريخ عليه.
3 التبرك بآثار النبي صلى الله عليه وسلم دراسة عقدية، للدكتور: فهد بن سعد المقرن:
بحث مؤلَّف من (52) صفحة منشور في مجلة دراسات إسلامية، في العدد: (25)، 1435 هـ 1436 هـ، ورد في البحث الإجابة عن عدة تساؤلات، اشتملت على: حكم التبرك بآثار النبي صلى الله عليه وسلم في حال حياته، وبعد مماته، وصحة آثاره الباقية إلى يومنا هذا في عدة متاحف، والمنهج الشرعي اتجاه آثار النبي صلى الله عليه وسلم.
4 أحكام الآثار في الفقه الإسلامي، للدكتور: عبد الله الرميح:
رسالة علميَّة مقدمة لنيل درجة الدُّكتوراه في قسم الفقه بكلية الشريعة، في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، تناول فيها الباحث الأحكام الفقهيَّة المتعلقة بالآثار.
5 الآثار والمشاهد وحكم المحافظة عليها في الشريعة الإسلامية، للباحث: نائل إبراهيم نجم الصرايرة: رسالة علميَّة مقدمة لنيل درجة الماجستير في الفقه وأصوله بجامعة مؤته، 2011 م.
6 حماية الآثار في الفقه الإسلامي، للباحث: أحمد خالد أحمد نوفل: رسالة علميَّة مقدمة لنيل درجة الماجستير في الفقه المقارن بكلية الشريعة والقانون بغزة، 1438 هـ 2017 م.
৫৫ পৃষ্ঠা সম্বলিত একটি সংক্ষিপ্ত গবেষণা প্রবন্ধ, যা ১৪৩৭ হিজরির আকীদা বিষয়ক গবেষণা সাময়িকীর ১৬তম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
এই গবেষণায় দৃশ্যমান ও অনুভূত কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং সেগুলোর বিধান নিয়ে সামগ্রিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এটি প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের নিকট নিদর্শনের সংজ্ঞার মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে রচিত: যা হলো, নিদর্শন তা-ই যার মূল্য সময়ের পরিক্রমা এবং ইতিহাসের প্রাচীনত্বের কারণে অর্জিত হয়; এর বাইরে যা কিছু আছে তা নিদর্শন হিসেবে গণ্য নয়।
সুতরাং এই গবেষণা পত্রে নিদর্শনের অর্থ নির্ধারণ করা হয়েছে এর মূল্যের ওপর ভিত্তি করে; ফলে কোনো নিদর্শন যদি কোনো ব্যক্তি বা অন্য কিছুর সাথে সংশ্লিষ্ট হয়, তবে ইতিহাসের পরিভাষা অনুযায়ী তার ওপর ঐতিহাসিক প্রাচীনত্ব কার্যকর না হলে তাকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলা যাবে না।
৩. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিদর্শনাদির মাধ্যমে বরকত গ্রহণ: একটি আকীদাগত অধ্যয়ন, ড. ফাহাদ বিন সাদ আল-মুকরিন কর্তৃক রচিত:
৫২ পৃষ্ঠা সম্বলিত এই গবেষণাটি ইসলামি শিক্ষা সাময়িকীর ২৫তম সংখ্যায় (১৪৩৫ হি. - ১৪৩৬ হি.) প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবিত অবস্থায় এবং ইন্তেকালের পর তাঁর নিদর্শনাদির মাধ্যমে বরকত গ্রহণের বিধান, বিভিন্ন জাদুঘরে আজও অবশিষ্ট থাকা তাঁর নিদর্শনাদির বিশুদ্ধতা এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিদর্শনাদির ব্যাপারে শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গি।
৪. ইসলামি ফিকহে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বিধানসমূহ, ড. আবদুল্লাহ আল-রুমাইহ কর্তৃক রচিত:
এটি ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীয়াহ অনুষদের ফিকহ বিভাগে পিএইচডি ডিগ্রির জন্য উপস্থাপিত একটি গবেষণাপত্র, যাতে গবেষক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংশ্লিষ্ট ফিকহী বিধানসমূহ আলোচনা করেছেন।
৫. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থানসমূহ এবং ইসলামি শরীয়তে সেগুলো সংরক্ষণের বিধান, গবেষক: নায়েল ইবরাহিম নাজিম আল-সরায়িরাহ: এটি মুতাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিকহ ও উসুলুল ফিকহ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য উপস্থাপিত একটি গবেষণাপত্র, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দ।
৬. ইসলামি ফিকহে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সুরক্ষা, গবেষক: আহমদ খালিদ আহমদ নওফল: এটি গাজার শরীয়াহ ও আইন অনুষদে তুলনামূলক ফিকহ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য উপস্থাপিত একটি গবেষণাপত্র, ১৪৩৮ হি. ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দ।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
7 الآثار وتعظيمها بزيارتها لاستعادة تلك الأمجاد، للشيخ الفقيه عبد الله بن حميد رحمه الله: رسالة قيّمة لا تتجاوز صفحاتها (4) صفحات، فيها رد على من طالب بإحياء آثار مقامات النبي صلى الله عليه وسلم.
8 حكم الإسلام في إحياء الآثار، لسماحة الوالد الشيخ عبد العزيز بن باز رحمه الله: رسالة قيّمة لا تتجاوز صفحاتها (10) صفحات، فيها رد على من طالب بإحياء آثار مقامات النبي صلى الله عليه وسلم، وكذلك كتب الشيخ رحمه الله مقالين عنوانهما: الرد على مصطفى أمين، والرد على صالح محمد جمال وكلها مدرجة في مجموع فتاوى ومقالات الشيخ رحمه الله.
9 إحياء الآثار الدينية والوثنية، للشيخ سعد بن عبد الرحمن الحصيّن رحمه الله: رسالة قيّمة لا تتجاوز صفحاتها (10) صفحات، وكذلك للشيخ مقالات أخرى حول الآثار بعنوان: الآثار والصّحافة الجاهلة والقدوة الضالة، الآثار بين الوحي والفقه وبين الفكر المخالف لهما، بل هو سد لذرائع الشرك.
10 التحذير من تعظيم الآثار غير المشروعة، للشيخ: عبد المحسن العباد البدر: رسالة قيّمة مؤلَّفة من (47) صفحة، حذّر فيها المؤلف من تعظيم الآثار، وأنها وسيلة مفضية إلى الشرك.
11 إحياء الآثار مقالات وبحوث، لمعالي الشيخ: د. صالح الفوزان: مجموعة مقالات وبحوث، بلغ عددها تقريبًا (13) مقالاً وبحثًا، تدور أغلبها حول الآثار المتعلقة بالنبي صلى الله عليه وسلم، اعتنى بها وجمعها الشيخ: فهد بن إبراهيم الفعيم.
12 حكم زيارة أماكن السيرة النبوية، للشيخ: د. سعد بن ناصر الشثري: رسالة مؤلَّفة من (51) صفحة، تناول فيها المؤلف حكم زيارة المواضع المتعلقة بالسيرة النبوية على جهة: العبادة وكذلك السياحة، كما تناول فيها حكم تهيئتها للزيارة.
7 প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং সেই গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য সেগুলো যিয়ারতের মাধ্যমে সেগুলোর সম্মান প্রদর্শন; লেখক: শাইখ ফকিহ আবদুল্লাহ বিন হুমাইদ রহিমাহুল্লাহ: এটি একটি মূল্যবান রিসালাহ যার পৃষ্ঠা সংখ্যা (৪) পৃষ্ঠার বেশি নয়, এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাকামসমূহ বা স্মৃতিচিহ্নগুলো পুনরুজ্জীবিত করার দাবি উত্থাপনকারীদের জবাব দেওয়া হয়েছে।
8 প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে ইসলামের বিধান; লেখক: সামাহাতুশ শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বাজ রহিমাহুল্লাহ: এটি একটি মূল্যবান রিসালাহ যার পৃষ্ঠা সংখ্যা (১০) পৃষ্ঠার বেশি নয়, এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাকামসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার দাবি উত্থাপনকারীদের জবাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও শাইখ রহিমাহুল্লাহ দুটি নিবন্ধ লিখেছেন যেগুলোর শিরোনাম হলো: 'মুস্তফা আমিনের জবাব', এবং 'সালেহ মুহাম্মদ জামালের জবাব'; এবং এই সবগুলোই শাইখ রহিমাহুল্লাহ-এর ফাতাওয়া ও নিবন্ধ সংকলনে (মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাত) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
9 ধর্মীয় ও পৌত্তলিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিতকরণ; লেখক: শাইখ সাদ বিন আব্দুর রহমান আল-হুসাইন রহিমাহুল্লাহ: এটি একটি মূল্যবান রিসালাহ যার পৃষ্ঠা সংখ্যা (১০) পৃষ্ঠার বেশি নয়। এছাড়াও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সম্পর্কে শাইখের আরও কিছু নিবন্ধ রয়েছে যেগুলোর শিরোনাম হলো: 'প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ, অজ্ঞ সাংবাদিকতা ও ভ্রান্ত আদর্শ', 'ওহী ও ফিকহ এবং এগুলোর বিরোধী চিন্তাধারার মাঝে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ', বরং এটি শিরকের পথসমূহ রুদ্ধ করার নামান্তর।
10 অবৈধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ব্যাপারে সতর্কীকরণ; লেখক: শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ আল-বাদর: এটি (৪৭) পৃষ্ঠা বিশিষ্ট একটি মূল্যবান রিসালাহ, যাতে লেখক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন এবং বর্ণনা করেছেন যে এটি শিরকের দিকে ধাবিত করার একটি মাধ্যম।
11 প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পুনরুজ্জীবিতকরণ বিষয়ক নিবন্ধ ও গবেষণাসমূহ; লেখক: সম্মানিত শাইখ ড. সালেহ আল-ফাওজান: এটি প্রবন্ধ ও গবেষণার একটি সংকলন, যার সংখ্যা প্রায় (১৩) টি। এগুলোর অধিকাংশ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সম্পর্কিত নিদর্শনসমূহ কেন্দ্রিক। এগুলো তত্ত্বাবধান ও সংগ্রহ করেছেন শাইখ ফাহাদ বিন ইব্রাহিম আল-ফুয়াইম।
12 সীরাতে নববী সম্পর্কিত স্থানসমূহ যিয়ারতের বিধান; লেখক: শাইখ ড. সাদ বিন নাসের আল-শাতরি: এটি (৫১) পৃষ্ঠা বিশিষ্ট একটি রিসালাহ, যাতে লেখক ইবাদত এবং পর্যটনের উদ্দেশ্যে সীরাতে নববী সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ যিয়ারতের বিধান আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি সেগুলো যিয়ারতের উপযোগী করে প্রস্তুত করার বিধান নিয়েও আলোচনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
خطة البحث:تشتمل الرسالة على مقدمة، وتمهيد، وثلاثة فصول، وخاتمة، وفهارس.
المقدمة، وفيها:
أهمية الموضوع، أسباب اختياره، أهدافه، الدراسات السابقة، خطة البحث، منهج البحث، شكر وتقدير.
التمهيد، وفيه: التعريف بمفردات العنوان إحياء الآثار.
* الفصل الأول: أنواع الآثار؛ وفيه تمهيد، وخمسة مباحث:
المبحث الأول: الآثار النبوية؛ وفيه ثلاثة مطالب:
المطلب الأول: الآثار النبوية الحديثية المروية.
المطلب الثاني: الآثار المنفصلة عن جسد النبي صلى الله عليه وسلم وما أُلحق بها.
المطلب الثالث: آثار مقامات النبي صلى الله عليه وسلم المكانية.
المبحث الثاني: الآثار الدينية؛ وفيه مطلبان:
المطلب الأول: آثار المواسم الدينية الزمانية.
المطلب الثاني: آثار المساجد وأماكن التعبّد.
المبحث الثالث: آثار الأمم الهالكة؛ وفيه ستة مطالب:
المطلب الأول: سفينة نوح عليه السلام بجبل الجودي.
المطلب الثاني: ديار عاد بالأحقاف.
المطلب الثالث: ديار ثمود بالحجر.
المطلب الرابع: ديار قوم لوط بالسدوم.
المطلب الخامس: ديار أصحاب مدين بالبدع.
المطلب السادس: حكم إحياء آثار الأمم الهالكة.
المبحث الرابع: الآثار الوثنية والجاهلية؛ وفيه خمسة مطالب:
المطلب الأول: الآثار الفرعونية.
المطلب الثاني: الآثار الفينيقية.
المطلب الثالث: الآثار البابلية.
المطلب الرابع: الآثار الجاهلية.
গবেষণার রূপরেখা:এই গবেষণাপত্রটি একটি ভূমিকা, একটি উপক্রমণিকা, তিনটি অধ্যায়, একটি উপসংহার এবং নির্ঘণ্টের সমন্বয়ে গঠিত।
ভূমিকা, এতে রয়েছে:
বিষয়ের গুরুত্ব, এটি নির্বাচনের কারণসমূহ, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ, পূর্ববর্তী অধ্যয়নসমূহ, গবেষণার রূপরেখা, গবেষণা পদ্ধতি, কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন।
উপক্রমণিকা, এতে রয়েছে: শিরোনামের শব্দাবলীর পরিচিতি: "আছার" বা নিদর্শনসমূহের পুনর্জাগরণ।
* প্রথম অধ্যায়: নিদর্শনসমূহের প্রকারভেদ; এতে রয়েছে একটি উপক্রমণিকা এবং পাঁচটি পরিচ্ছেদ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: নববী নিদর্শনসমূহ; এতে রয়েছে তিনটি উপ-পরিচ্ছেদ:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: বর্ণিত নববী হাদীস সংক্রান্ত নিদর্শনসমূহ।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেহ মোবারক থেকে পৃথক হওয়া নিদর্শনসমূহ এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি।
তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবস্থানস্থল সংক্রান্ত নিদর্শনসমূহ।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ধর্মীয় নিদর্শনসমূহ; এতে রয়েছে দুইটি উপ-পরিচ্ছেদ:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: সময়-নির্ভর ধর্মীয় মৌসুমসমূহের নিদর্শনসমূহ।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: মসজিদ এবং ইবাদতগাহসমূহের নিদর্শনসমূহ।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিসমূহের নিদর্শনসমূহ; এতে রয়েছে ছয়টি উপ-পরিচ্ছেদ:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: জুদি পাহাড়ে নূহ আলাইহিস সালামের নৌকা।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: আহকাফে আদ জাতির আবাসস্থল।
তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: হিজরে ছামুদ জাতির আবাসস্থল।
চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: সাদুমে কওমে লূতের আবাসস্থল।
পঞ্চম উপ-পরিচ্ছেদ: আল-বাদা’-এ মাদইয়ানবাসীদের আবাসস্থল।
ষষ্ঠ উপ-পরিচ্ছেদ: ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিসমূহের নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার বিধান।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: পৌত্তলিক ও জাহেলি যুগের নিদর্শনসমূহ; এতে রয়েছে পাঁচটি উপ-পরিচ্ছেদ:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: ফেরাউনি নিদর্শনসমূহ।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ফিনিশীয় নিদর্শনসমূহ।
তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ব্যাবিলনীয় নিদর্শনসমূহ।
চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: জাহেলি যুগের নিদর্শনসমূহ।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
المطلب الخامس: حكم إحياء الآثار الوثنية والجاهلية.
المبحث الخامس: آثار القبور والمشاهد؛ وفيه مطلبان:
المطلب الأول: المراد بالقبور والمشاهد.
المطلب الثاني: حكم إحياء آثار القبور والمشاهد.
* الفصل الثاني: موقف الفرق والمستشرقين من الآثار وتفنيد شبهاتهم؛ وفيه تمهيد، ومبحثان:
المبحث الأول: موقف الفرق والمستشرقين من الآثار؛ وفيه مطلبان:
المطلب الأول: موقف الفرق المخالفة لأهل السُّنَّة من الآثار.
المطلب الثاني: موقف المستشرقين من الآثار.
المبحث الثاني: تفنيد أبرز شبهات الفرق والمستشرقين حول الآثار؛ وفيه مطلبان:
المطلب الأول: أبرز الشبهات حول الآثار الحديثية والمروية وآثار المواسم الزمانية.
المطلب الثاني: أبرز الشبهات حول الآثار المرئية.
* الفصل الثالث: المخالفات العقدية المترتبة على إحياء الآثار؛ وفيه تمهيد، وخمسة مباحث:
المبحث الأول: المخالفة المتعلقة بكلمة التوحيد؛ وفيه ثلاثة مطالب:
المطلب الأول: المراد بكلمة التوحيد وحكم مخالفتها.
المطلب الثاني: سبب الانحراف عن كلمة التوحيد.
المطلب الثالث: عواقب مخالفة كلمة التوحيد وثمار تحقيقها.
المبحث الثاني: المخالفة المتعلقة بالتبرك بالآثار؛ وفيه أربعة مطالب:
المطلب الأول: المراد من التبرك بالآثار.
المطلب الثاني: أقسام التبرك بالآثار وأحكامه.
المطلب الثالث: أسباب الانحراف في التبرك بالآثار.
المطلب الرابع: عواقب التبرك بالآثار.
المبحث الثالث: المخالفة المتعلقة بالتوسل بالآثار؛ وفيه أربعة مطالب:
পঞ্চম অনুচ্ছেদ: পৌত্তলিক ও জাহেলি যুগের নিদর্শনাবলী পুনরুজ্জীবিত করার বিধান।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: কবরের নিদর্শন ও মাযারসমূহ; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: কবরের নিদর্শন ও মাযার বলতে যা বোঝায়।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: কবরের নিদর্শন ও মাযারসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার বিধান।
* দ্বিতীয় অধ্যায়: নিদর্শনাবলীর ব্যাপারে বিভিন্ন দল ও প্রাচ্যবিদদের অবস্থান এবং তাদের সংশয়সমূহের খণ্ডন; এতে একটি ভূমিকা ও দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: নিদর্শনাবলীর ব্যাপারে বিভিন্ন দল ও প্রাচ্যবিদদের অবস্থান; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: আহলে সুন্নাহর বিরোধী দলসমূহের অবস্থান প্রত্ননিদর্শন বা ঐতিহ্যের ব্যাপারে।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: নিদর্শনাবলীর ব্যাপারে প্রাচ্যবিদদের অবস্থান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নিদর্শনাবলী সম্পর্কে বিভিন্ন দল ও প্রাচ্যবিদদের প্রধান সংশয়সমূহের খণ্ডন; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: হাদিসভিত্তিক বর্ণিত নিদর্শন এবং সাময়িক মৌসুমী নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে প্রধান সংশয়সমূহ।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: দৃশ্যমান নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে প্রধান সংশয়সমূহ।
* তৃতীয় অধ্যায়: নিদর্শনাবলী পুনরুজ্জীবিত করার ফলে সৃষ্ট আকিদাগত বিচ্যুতিসমূহ; এতে একটি ভূমিকা ও পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: কালিমায়ে তাওহিদ সংশ্লিষ্ট বিচ্যুতি; এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: কালিমায়ে তাওহিদের মর্মার্থ এবং তা লঙ্ঘনের বিধান।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: কালিমায়ে তাওহিদ থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণ।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: কালিমায়ে তাওহিদ লঙ্ঘনের পরিণাম এবং তা বাস্তবায়নের সুফল।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নিদর্শনাবলী হতে বরকত গ্রহণ সংশ্লিষ্ট বিচ্যুতি; এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: নিদর্শনাবলী হতে বরকত গ্রহণের মর্মার্থ।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: নিদর্শনাবলী হতে বরকত গ্রহণের প্রকারভেদ ও এর বিধানসমূহ।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: নিদর্শনাবলী হতে বরকত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচ্যুতির কারণসমূহ।
চতুর্থ অনুচ্ছেদ: নিদর্শনাবলী হতে বরকত গ্রহণের পরিণাম।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: নিদর্শনাবলীর মাধ্যমে উসিলা গ্রহণ সংশ্লিষ্ট বিচ্যুতি; এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
المطلب الأول: المراد من التوسل.
المطلب الثاني: أقسام التوسل وأحكامه.
المطلب الثالث: أسباب الانحراف في التوسل بالآثار.
المطلب الرابع: عواقب التوسل بالآثار.
المبحث الرابع: أبرز صور المخالفات التعبّدية المترتبة على إحياء الآثار، وفيه أربعة مطالب:
المطلب الأول: أبرز صور المخالفات التعبدية في الآثار النبوية.
المطلب الثاني: أبرز صور المخالفات التعبدية في الآثار الدينية.
المطلب الثالث: أبرز صور المخالفات التعبدية في آثار الأمم الهالكة والآثار الوثنية.
المطلب الرابع: أبرز صور المخالفات التعبدية في آثار القبور والمشاهد.
المبحث الخامس: أسباب المخالفات العقدية والمفاسد المترتبة على إحياء الآثار، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: أسباب المخالفات العقدية المترتبة على إحياء الآثار.
المطلب الثاني: المفاسد المترتبة على إحياء الآثار.
الخاتمة، وفيها: أهم التوصيات والنتائج.
الفهارس، وفيها:
1 فهرس الآيات القرآنية.
2 فهرس الآثار المروية المرفوعة إلى النبي صلى الله عليه وسلم.
3 فهرس الآثار المروية الموقوفة على الصحابة رضي الله عنهم.
4 فهرس الآثار المرئية.
5 فهرس المصادر والمراجع.
6 فهرس الرموز.
7 فهرس الموضوعات.
প্রথম অনুচ্ছেদ: অসীলা গ্রহণের উদ্দেশ্য বা তাৎপর্য।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: অসীলা গ্রহণের প্রকারভেদ এবং এর বিধানসমূহ।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: নিদর্শনসমূহের মাধ্যমে অসীলা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচ্যুতির কারণসমূহ।
চতুর্থ অনুচ্ছেদ: নিদর্শনসমূহের মাধ্যমে অসীলা গ্রহণের পরিণতি।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার ফলে উদ্ভূত প্রধান ইবাদতগত বিধি-লঙ্ঘনসমূহ, এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: নববী নিদর্শনসমূহের ক্ষেত্রে প্রধান ইবাদতগত বিধি-লঙ্ঘনসমূহ।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ধর্মীয় নিদর্শনসমূহের ক্ষেত্রে প্রধান ইবাদতগত বিধি-লঙ্ঘনসমূহ।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিসমূহ এবং পৌত্তলিক নিদর্শনসমূহের ক্ষেত্রে প্রধান ইবাদতগত বিধি-লঙ্ঘনসমূহ।
চতুর্থ অনুচ্ছেদ: কবর ও মাজার সংশ্লিষ্ট নিদর্শনসমূহের ক্ষেত্রে প্রধান ইবাদতগত বিধি-লঙ্ঘনসমূহ।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার আকিদাগত বিধি-লঙ্ঘনসমূহের কারণ এবং এর ফলে সৃষ্ট ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার কারণে সৃষ্ট আকিদাগত বিধি-লঙ্ঘনসমূহের কারণসমূহ।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: নিদর্শনসমূহ পুনরুজ্জীবিত করার ফলে সৃষ্ট ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ।
উপসংহার, এতে রয়েছে: গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশমালা এবং ফলাফলসমূহ।
নির্ঘণ্টসমূহ, এতে রয়েছে:
১. কুরআনের আয়াতসমূহের নির্ঘণ্ট।
২. নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে সম্বন্ধযুক্ত (মারফূ) বর্ণিত আসার বা বর্ণনাদির নির্ঘণ্ট।
৩. সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের ওপর স্থগিত (মাওকূফ) বর্ণিত আসার বা বর্ণনাদির নির্ঘণ্ট।
৪. দৃশ্যমান নিদর্শনসমূহের নির্ঘণ্ট।
৫. উৎস ও তথ্যসূত্রসমূহের নির্ঘণ্ট।
৬. প্রতীকসমূহের নির্ঘণ্ট।
৭. বিষয়সূচি।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
منهج البحث:اعتمدت على المنهج التاريخي التحليلي النقدي، حيث تمّ جمع المادة العلمية من المصادر التاريخية، ودراستها دراسة تحليلية نقدية برؤية شرعية عقدية، وذلك ببيان:
1 أنواع الآثار وأقسامها.
2 الحكم الشرعي من إحياء جميع أنواع الآثار.
3 موقف المبتدعة، والمستشرقين من الآثار.
4 تفنيد أبرز شبهات الفرق والمستشرقين حول الآثار، وذلك باستقراء ردود العلماء العلمية، وجهودهم العملية في الرد على أهل البدع، وبيان مخالفتهم لمنهج أهل السُّنَّة والجماعة، وتحليل جهودهم على أسس علمية منهجية دقيقة؛ بقصد التوصل إلى حقائق ذات براهين علمية واضحة.
5 أبرز صور المخالفات العقدية المترتبة على إحياء الآثار.
6 أسباب المخالفات العقدية المترتبة على إحياء الآثار.
7 المفاسد المترتبة على إحياء الآثار.
أما عن
المنهج المتبع في كتابة الرسالة فعلى النحو التالي:
1 إيراد المسائل من غير توسع في تقريرها إلا ما تدعو الحاجة المُلحّة إليه.
2 عزو الآيات بذكر السورة ورقم الآية مع كتابتها بالرسم العثماني.
3 تخريج الأحاديث من مظانها فإن كان في الصحيحين أو أحدهما اكتفيت بالعزو إلى موضعه فيهما، وإن لم يكن فيهما، اجتهدت في تخريجه من كتب السُّنَّة الأخرى، مع ذكر حكم أهل العلم عليها صحةً أو ضعفًا ما أمكن.
4 توثيق النقول بعزوها إلى مصادرها الأصلية إن وجدت، أو الإحالة إلى الكتب المعتمدة التي نقلتها.
5 بيان معاني الألفاظ الغريبة من كتب اللغة وغريب الحديث.
6 الاقتصار في الترجمة على من احتيج إلى بيان حاله من الأعلام.
গবেষণার পদ্ধতি:আমি ঐতিহাসিক-বিশ্লেষণাত্মক ও সমালোচনামূলক পদ্ধতির ওপর নির্ভর করেছি, যেখানে ঐতিহাসিক উৎসসমূহ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেগুলোকে শরয়ী ও আকিদাগত দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণাত্মক ও সমালোচনামূলকভাবে অধ্যয়ন করা হয়েছে, যা নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর বর্ণনার মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে:
১. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা ঐতিহ্যের ধরন ও এর বিভাগসমূহ।
২. সকল প্রকার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করার শরয়ী বিধান।
৩. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ব্যাপারে বিদআতী এবং প্রাচ্যবিদদের অবস্থান।
৪. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বিষয়ে বিভিন্ন দল এবং প্রাচ্যবিদদের প্রধান সংশয়গুলো খণ্ডন করা। এটি করা হয়েছে আলেমদের জ্ঞানভিত্তিক উত্তরসমূহ অনুসন্ধান করার মাধ্যমে এবং বিদআতিদের খণ্ডনে তাদের ব্যবহারিক প্রচেষ্টাসমূহ পর্যালোচনার মাধ্যমে, পাশাপাশি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের মানহাজের সাথে তাদের বিরোধের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। সেই সাথে তাদের প্রচেষ্টাসমূহকে সঠিক জ্ঞানভিত্তিক ও পদ্ধতিগত ভিত্তির ওপর বিশ্লেষণ করা হয়েছে; যার উদ্দেশ্য হলো স্পষ্ট জ্ঞানভিত্তিক দলিলের মাধ্যমে প্রকৃত সত্যে উপনীত হওয়া।
৫. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করার ফলে উদ্ভূত আকিদাগত বিচ্যুতির প্রধান দিকসমূহ।
৬. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করার ফলে উদ্ভূত আকিদাগত বিচ্যুতির কারণসমূহ।
৭. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বা ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করার ফলে সৃষ্ট ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ।
আর
এই গবেষণা নিবন্ধ (রিসালাহ) রচনার ক্ষেত্রে অনুসৃত পদ্ধতি হলো নিম্নরূপ:
১. অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মাসআলাগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা না করে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা।
২. সূরা ও আয়াত নম্বর উল্লেখ করার মাধ্যমে আয়াতগুলোর উদ্ধৃতি প্রদান করা এবং তা উসমানি লিপিতে লিপিবদ্ধ করা।
৩. হাদিসসমূহ সেগুলোর মূল উৎস থেকে চয়ন করা (তাখরিজ)। যদি হাদিসটি সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম) বা তাদের যেকোনো একটিতে থাকে, তবে সেখানে উদ্ধৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই আমি ক্ষান্ত হয়েছি। আর যদি সেগুলোতে না থাকে, তবে সুন্নাহর অন্যান্য গ্রন্থ থেকে তা চয়ন করার চেষ্টা করেছি এবং যথাসম্ভব সেগুলোর বিশুদ্ধতা (সহিহ) বা দুর্বলতা (জঈফ) বিষয়ে আলেমদের মন্তব্য উল্লেখ করেছি।
৪. উদ্ধৃতিগুলোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্ভব হলে সেগুলোকে মূল উৎসের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা, অথবা সেই নির্ভরযোগ্য গ্রন্থগুলোর উদ্ধৃতি প্রদান করা যা থেকে সেগুলো সংগৃহীত হয়েছে।
৫. ভাষা ও গরিবুল হাদিস (হাদিসের দুর্বোধ্য শব্দ) বিষয়ক গ্রন্থসমূহ থেকে অপ্রচলিত ও দুর্বোধ্য শব্দগুলোর অর্থ বর্ণনা করা।
৬. জীবনী আলোচনার ক্ষেত্রে কেবল তাদের জীবনী বর্ণনায় সীমাবদ্ধ থাকা, যাদের অবস্থা স্পষ্ট করার প্রয়োজন রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
7 الالتزام بتدوين سنة الوفاة للعالم في حال النقل عن مجموعة من العلماء؛ لمعرفة المتقدّم من المتأخر من الأقوال والرمز له ب (ت:
… )، ولم ألتزم بتدوينه عند النقل عن عالم أو عالمين.
8 عند الرجوع لمصدر أو مرجع واحد لكن بطبعات أو دور نشر مختلفة، يتم الإشارة في الحاشية ب [ط:
… ]، بعد اسم الكتاب والمؤلف، وقبل رقم الجزء والصفحة للكتاب؛ لتمييز طبعة الكتاب أو دار النشر التي تم الرجوع لها.
9 استخدمت الأقواس التالية:
أ الآيات القرآنية: {
… }
ب الآثار النبوية المروية الحديثية «
… ».
ج الآثار المروية الموقوفة على الصحابة رضي الله عنهم ....
د النص المقتبس
… ، وفي بعض المواضع استخدمت:
… إذا أسندت النص إلى قائله.
هـ تخصيص كلمة أو تمييز مصطلح ....
و تمييز الأرقام (
… ).
ز إدراج إضافة على نص منقول في صلب البحث، وكذلك استُخدم في الحاشية لتوضيح طبعة الكتاب [
… ].
* * *
৭ একদল আলেম থেকে উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে আলেমদের মৃত্যুর বছর উল্লেখ করার নীতি অনুসরণ করা হয়েছে; যাতে বক্তব্যসমূহের মধ্যে পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণের পার্থক্য করা যায় এবং একে (মৃ:
… ) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে একজন বা দুইজন আলেম থেকে উদ্ধৃতি প্রদানের সময় এটি উল্লেখ করার নীতি আমি অনুসরণ করিনি।
৮ যখন কোনো একটি মূল উৎস বা রেফারেন্সের একাধিক সংস্করণ বা ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশনী ব্যবহার করা হয়েছে, তখন টীকায় [সং:
… ] চিহ্নের মাধ্যমে তা নির্দেশ করা হয়েছে। এটি বই ও লেখকের নামের পরে এবং খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বরের আগে দেওয়া হয়েছে; যাতে ব্যবহৃত বইয়ের সংস্করণ বা প্রকাশনীটি আলাদাভাবে চেনা যায়।
৯ আমি নিম্নোক্ত বন্ধনীসমূহ ব্যবহার করেছি:
ক কুরআনের আয়াতসমূহ: {
… }
খ হাদিস হিসেবে বর্ণিত নবিজি (সা.)-এর বাণীসমূহ: «
… »।
গ সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর নিকট থেকে বর্ণিত আছারসমূহ ....
ঘ উদ্ধৃত পাঠ্য
… , এবং কিছু স্থানে ব্যবহার করা হয়েছে:
… যখন কোনো বক্তব্য তার বক্তার উদ্ধৃতি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
ঙ কোনো শব্দকে সুনির্দিষ্ট করা বা কোনো পারিভাষিক শব্দকে পৃথক করে দেখানো ....
চ সংখ্যাসমূহকে চিহ্নিত করা (
… )।
ছ গবেষণার মূল পাঠ্যে উদ্ধৃত কোনো লেখার ভেতরে কোনো কিছু সংযোজন করা, একইভাবে টীকায় বইয়ের সংস্করণ স্পষ্ট করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে [
… ]।
* * *
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
شكر وتقديرولا يفوتني في ختام هذه المقدمة أن أحمد ربي وأشكره، أول الشكر وآخره، المستحق سبحانه للحمد والثناء كله، المنعم والمتفضل سبحانه وتعالى، فأحمده حمدًا يليق بجلاله وعظيم سلطانه على عونه وتوفيقه وتيسيره فهو أهل الثناء والمجد، فله الحمد والشكر من قبل ومن بعد.
قال تعالى: {رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَى وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَأَدْخِلْنِي بِرَحْمَتِكَ فِي عِبَادِكَ الصَّالِحِينَ *} [النمل].
والفضل لله سبحانه وتعالى ثم لوالديّ الغاليين اللذين لهما الأثر الكبير في تفاصيل حياتي، ولن أبلغ ما حييت شكرهما، فأسأله سبحانه أن يرزقني برهما ويحفظهما ويُلبسهما لباس الصحة والعافية، ويغفر لهما ويرحمهما كما ربياني صغيرة.
وأشكره سبحانه الذي رزقني إخوة لم يدخروا جهدًا لمساعدتي، والذين كانوا وما زالوا بعد الله سبحانه وتعالى عونًا وسندًا لي في هذه الحياة، لا حرمني الله منهم وحفظهم ورعاهم وأسعدهم في الدنيا والآخرة.
واعترافًا بالفضل أتقدّم بالشكر الجزيل لمعلّمي ومشرفي الفاضل: د. محمد بن ناصر السحيباني، الذي لم يألُ جهدًا في توجيهي وإرشادي لتقويم الرسالة، ولم يتوانَ عن إسداء المرئيات السديدة، وإبداء الملاحظات الدقيقة، جزاه الله خيرًا وأحسن إليه.
كما أتقدم بجزيل الشكر والعرفان للمناقِشَيْنِ الكريمين: أ. د. فهد بن سعد المقرن، ود. عبد الرحمن بن عبد الله الشدي؛ لتفضلهما بتقويم الرسالة وتقييمها، مواصلين السعي لإكمال الفائدة المرجوة منها، وبذل ما في وسعهما لرفع مستوى الرسالة تقبل الله منهما، وأجزل لهما المثوبة.
كما أشكر فضيلة الشيخ أ. د فهد بن سليمان الفهيد على تفضله بالتقديم
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাএই ভূমিকার শেষে আমি আমার রবের প্রশংসা ও শুকরিয়া প্রকাশ করছি, আদি ও অন্ত সকল শুকরিয়া তাঁরই; তিনি সুবহানাহু সকল প্রশংসা ও স্তুতির একমাত্র যোগ্য। তিনি নিআমতদাতা এবং দাতা, সুবহানাহু ওয়া তাআলা। আমি তাঁর সাহায্য, তাওফিক এবং সহজীকরণের জন্য তাঁর মর্যাদা ও সুমহান রাজত্বের উপযোগী প্রশংসা করছি; তিনিই প্রশংসা ও গৌরবের যোগ্য। সুতরাং আদিতে ও অন্তে সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা তাঁরই জন্য প্রাপ্য।
আল্লাহ তাআলা বলেন: {হে আমার রব! আমাকে সামর্থ্য দাও যাতে আমি তোমার সেই নিআমতের শুকরিয়া আদায় করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতামাতাকে দান করেছ এবং যাতে আমি এমন নেক আমল করতে পারি যা তুমি পছন্দ করো; আর তোমার রহমতে আমাকে তোমার নেককার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করো।} [আন-নামল]।
সকল অনুগ্রহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার, অতঃপর আমার পরম শ্রদ্ধেয় পিতামাতার, যাদের আমার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব রয়েছে। আমি আমৃত্যু তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেষ করতে পারব না। সুতরাং আমি আল্লাহ সুবহানাহু-এর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাকে তাঁদের প্রতি সদাচরণ করার তাওফিক দান করেন, তাঁদের হিফাযত করেন, তাঁদেরকে সুস্থতা ও আফিয়াতের পোশাক পরিয়ে দেন এবং তাঁদের ক্ষমা ও রহম করেন যেভাবে তাঁরা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছিলেন।
আমি সেই মহান সত্তার (সুবহানাহু) শুকরিয়া আদায় করছি যিনি আমাকে এমন ভাই-বোন দান করেছেন যারা আমাকে সাহায্য করতে কোনো প্রচেষ্টাই বাকি রাখেননি এবং যারা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার পর এই জীবনে আমার জন্য বড় সাহায্য ও অবলম্বন হিসেবে ছিলেন ও আছেন। আল্লাহ যেন আমাকে তাঁদের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত না করেন, তাঁদের হিফাযত ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে তাঁদের সুখী করেন।
অনুগ্রহের স্বীকৃতিস্বরূপ আমি আমার সম্মানিত উস্তাদ ও তত্ত্বাবধায়ক ড. মুহাম্মদ বিন নাসের আস-সুহাইবানি-এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যিনি এই থিসিসটি সংশোধনে আমাকে দিকনির্দেশনা ও পথপ্রদর্শনে কোনো কার্পণ্য করেননি এবং সঠিক মতামত প্রদান ও সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণে বিন্দুমাত্র বিলম্ব করেননি। আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন এবং তাঁর প্রতি দয়া ও ইহসান করুন।
একইভাবে আমি সম্মানিত দুই পরীক্ষক প্রফেসর ড. ফাহাদ বিন সাদ আল-মুকরিন এবং ড. আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ আশ-শিদ্দী-এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি; তাঁরা অনুগ্রহ করে এই গবেষণা পত্রটির সংশোধন ও মূল্যায়ন করেছেন এবং এর কাঙ্ক্ষিত ফায়দা পূর্ণ করতে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়েছেন ও থিসিসের মান বৃদ্ধিতে তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ তাঁদের পক্ষ থেকে তা কবুল করুন এবং তাঁদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
এছাড়াও আমি ফযীলাতুশ শাইখ প্রফেসর ড. ফাহাদ বিন সুলাইমান আল-ফুহাইদ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাঁর অনুগ্রহপূর্বক ভূমিকা লিখে দেওয়ার জন্য।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
للرسالة، وتقويمها بالملاحظات الموفقة، والاقتراحات المسددة جزاه الله خيرًا وأحسن الله إليه وبارك في علمه.
ولن أنسى في هذا المقام أن أتقدم بصادق الشكر والعرفان للأخت الفاضلة: حصة الحارثي، التي اقترحت عنوان الرسالة في عام (1435 هـ)، مشيرةً لأهمية هذا الموضوع في وقتنا الحالي جزاها الله خير الجزاء، وجعله في موازين حسناتها.
وكذلك الشكر موصول للشيخ الفاضل: عبد الجبار بن عبد العظيم آل ماجد على تعاونه، واعتنائه لنشر هذا الكتاب، ومتابعته لمراحل طباعته بحرص واهتمام شكر الله سعيه وأثابه وجزاه عنّي خير الجزاء.
وكذلك أشكر الأستاذ الفاضل: غسان البابا صاحب مؤسسة السنابل للصف الإلكتروني، على سرعة إنجازه ودقة عمله، وتنفيذه للمطلوب بصدر رحب بارك الله في جهوده وجعلها ذخرًا للإسلام والمسلمين.
كما أشكر كل من قدّم لي عونًا، أو أسدى إليّ يدًا، أو كان له دورًا في إتمام هذه المسيرة العلمية بالإفادات، والتوجيهات والنصائح أو حتى بالدعاء.
وأسدي بالفضل إلى جامعتي، جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، ممثّلة في كلية أصول الدين، وفي قسم العقيدة والمذاهب المعاصرة جزاء ما قدموه لي ولطلاب وطالبات الدراسات العليا من خدمات جليلة؛ تسهيلاً، وترغيبًا لطلب العلم والبحث والتحصيل العلمي المنضبط أدام الله الجامعة ومنسوبيها ذخرًا للإسلام والمسلمين.
هذا وأسأل الله سبحانه أن ينفع بهذا الجهد المقل اليسير، ويجعله خالصًا صوابًا، وأن يعم نفعه العباد وأرجاء البلاد، ويجعله حجة لي يوم ألقاه، وأصلي وأسلم على نبيّنا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.
গবেষণাপত্রের জন্য, এবং সঠিক পর্যবেক্ষণ ও যথাযথ প্রস্তাবনার মাধ্যমে একে সংশোধন করার জন্য; আল্লাহ তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন, তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করুন এবং তাঁর জ্ঞানে বরকত দান করুন।
এই পর্যায়ে আমি মহীয়সী বোন হিসসা আল-হারিসির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতি জানাতে ভুলব না, যিনি ১৪৩৫ হিজরি সনে এই গবেষণাপত্রের শিরোনামের প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং বর্তমান সময়ে এই বিষয়ের গুরুত্বের দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন। আল্লাহ তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন এবং একে তাঁর নেক আমলের পাল্লায় যুক্ত করুন।
একইভাবে শ্রদ্ধেয় শায়খ আব্দুল জাব্বার বিন আব্দুল আজিম আল-মাজেদকেও ধন্যবাদ জানাই তাঁর সহযোগিতা এবং এই বইটি প্রকাশের ক্ষেত্রে যত্নশীলতা ও মুদ্রণের পর্যায়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদারকি করার জন্য। আল্লাহ তাঁর প্রচেষ্টাকে কবুল করুন, তাঁকে সওয়াব দান করুন এবং আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।
এছাড়া আমি শ্রদ্ধেয় উস্তাদ গাসসান আল-বাবা, যিনি আস-সানাবিল ইলেকট্রনিক টাইপসেটিং প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী, তাঁকে ধন্যবাদ জানাই তাঁর দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা, কাজের নিখুঁততা এবং হাসিমুখে চাহিদা অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য। আল্লাহ তাঁর প্রচেষ্টায় বরকত দিন এবং একে ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য পাথেয় হিসেবে কবুল করুন।
সেই সঙ্গে আমি তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই যাঁরা আমাকে সাহায্য করেছেন, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন কিংবা তথ্য প্রদান, দিকনির্দেশনা ও নসিহতের মাধ্যমে অথবা দুআর মাধ্যমে এই ইলমি পথচলা সম্পন্ন করতে ভূমিকা রেখেছেন।
আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়, ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, বিশেষ করে উসুলুদ্দীন অনুষদ এবং আকীদাহ ও সমকালীন মতবাদ বিভাগের প্রতি; তাঁরা আমার জন্য এবং উচ্চতর গবেষণার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যে মহান সেবা প্রদান করেছেন তার প্রতিদান হিসেবে। এটি ছিল জ্ঞান অন্বেষণ, গবেষণা ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান অর্জনকে সহজতর ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে। আল্লাহ এই বিশ্ববিদ্যালয় ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য সম্পদ হিসেবে দীর্ঘস্থায়ী করুন।
পরিশেষে, আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এই নগণ্য ও সামান্য প্রচেষ্টার দ্বারা উপকৃত করেন, একে ইখলাসপূর্ণ ও সঠিক হিসেবে কবুল করেন, এবং এর উপকারিতা বান্দাদের ও দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেন। আর যেদিন আমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করব, সেদিন যেন এটি আমার পক্ষে দলিল হিসেবে গণ্য হয়। আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
التمهيدالتعريف بمفردات العنوان إحياء الآثار
أولاً: التعريف ب إحياء:لغةً: إحياء مفرد، مصدره أَحْيَا
(1)، وأصلها حيي، وجاء في مقاييس اللغة أن: الحاء والياء والحرف المعتل، لها أصلان:
(2)1 الاستحياء الذي هو ضد الوقاحة، وليس هو المعنى المراد.
2 الحَياةُ التي هي ضد الموت
(3)، والإحياء من الإنشار، والنشور هو البعث بعد الموت
(4)، فأحياه: جعله حيًّا، واستحياه: استبقاه
(5).
وأحيا الليل: قام فيه وسهره، وأحيا النار: نفخ فيها حتى تحيا، وأحيا الأرض: أخصبها
(6)، ويقال: أحْيوا ما بين العشاءَين؛ أي: اشْتَغلوا بالصلاة والعبادة والذكر ولا تعطلوه فتجعلوه كالميتة بعُطْلَته
(7).
والأصل الثاني هو المعنى المراد من الإحياء في هذه الرسالة.
الإحياء في اصطلاح اللغويين:1 المباشرة بالتأثير على الشيء من عناية وإحاطة واهتمام
(8).
--------------------------------------------
উপক্রমণিকাশিরোনামের শব্দাবলির পরিচয়: ইহইয়াউল আসার (নিদর্শনাদির পুনরুজ্জীবন)
প্রথমত: ‘ইহইয়া’ (পুনরুজ্জীবন)-এর পরিচয়:আভিধানিক অর্থে: ইহইয়া শব্দটি একবচন, এর মাসদার বা ক্রিয়ামূল হলো ‘আহয়া’
(১), আর এর মূল উৎস হলো ‘হ-ই-য়’। মাকায়িসুল লুগাহ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে: হা, ইয়া এবং দুর্বল বর্ণটির দুটি মূল উৎস রয়েছে:
(২)১. ‘আল-ইস্তিহয়া’ বা লজ্জা, যা নির্লজ্জতার বিপরীত; তবে এখানে এই অর্থটি উদ্দেশ্য নয়।
২. ‘আল-হায়াত’ বা জীবন, যা মৃত্যুর বিপরীত
(৩)। আর ‘ইহইয়া’ শব্দটি ‘ইনশার’ থেকে উদ্ভূত, আর ‘নুশুর’ হলো মৃত্যুর পর পুনরুত্থান
(৪)। সুতরাং ‘আহয়াহু’ অর্থ: তিনি তাকে জীবিত করেছেন। আর ‘ইস্তাহয়াহু’ অর্থ: তিনি তাকে জীবিত রেখেছেন
(৫)।
আর ‘আহয়াল লাইল’ অর্থ: তিনি রাতে ইবাদতের জন্য দাঁড়িয়েছেন এবং জেগে কাটিয়েছেন। ‘আহয়ান নার’ অর্থ: তিনি আগুনে ফুঁ দিয়েছেন যাতে তা প্রজ্বলিত বা জীবন্ত হয়। ‘আহয়াল আরদ’ অর্থ: তিনি জমিনকে উর্বর করেছেন
(৬)। আরও বলা হয়: ‘তোমরা দুই এশার মধ্যবর্তী সময়কে (মাগরিব ও এশার মাঝখানের সময়) জীবিত করো’; অর্থাৎ নামাজ, ইবাদত ও জিকিরের মাধ্যমে ব্যস্ত থাকো এবং একে অবহেলায় ফেলে রেখো না, নতুবা একে অলসতার মাধ্যমে মৃতবৎ করে ফেলবে
(৭)।
আর এই গবেষণাপত্রে ‘ইহইয়া’ বলতে দ্বিতীয় মূল অর্থটিই উদ্দেশ্য।
ভাষাবিদদের পরিভাষায় পুনরুজ্জীবন (ইহইয়া):১. যত্ন, বেষ্টনী ও গুরুত্ব প্রদানের মাধ্যমে কোনো বিষয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব বিস্তার করা
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
2 بعث الحيوية والنشاط والإنعاش والتجديد
(1).
3 هو جعل الشيء حيًّا ذا قوة إحساسية
(2).
العلاقة بين المعنى اللّغوي والاصطلاحي عند أهل اللغة:تكمن العلاقة بينهما في أن الإحياء هو مباشرة الشيء واستبقاؤه بالعناية والاهتمام، وإعادة الحياة له قبل أن يموت ذكره، أو يندثر أثره.
الإحياء في اصطلاح علماء الشرع:1 إعادة الأجسام بعد صيرورتها رميمًا
(3).
2 إحياء الميت وإيجاد الحياة فيه
(4).
3 إعادة الأمر بعد إهماله، والاشتغال به، ودوام مواصلته، وعدم الانقطاع عنه، أو تعطيله وجعله كالميت في عطلته
(5).
نلحظ من خلال هذه التعريفات أن الإحياء في مفهوم العلماء المتقدمين يدور حول الإحياء الذي يعود أصله إلى خلاف الموت، دون الإشارة إلى المفهوم الاصطلاحي الآخر وهو إعادة الشيء وتجديده، وإحياؤه بالتهيئة وتسهيل الوصول إليه.
بينما عُرف هذا عند المتأخرين والمعاصرين من العلماء، وهذا يدل كما سيأتي على أنه لم يكن الإحياء بالمفهوم الاصطلاحي عند المتقدمين معروفًا ولا متداولاً لديهم.
العلاقة بين معنى الإحياء عند أهل اللغة وعلماء الشرع:يتبين أن للإحياء معانٍ مترابطة، ولا يخرج بعضها عن بعض، إذ إن الإحياء بالعموم هو إعادة الشيء وتجديده أو استبقاؤه من خلال الاهتمام
--------------------------------------------
2 জীবনীশক্তি, প্রাণবন্ততা, পুনরুজ্জীবন এবং নবায়ন জাগ্রত করা।
(১).
3 তা হলো কোনো বস্তুকে অনুভূতিসম্পন্ন ও জীবিত করা।
(২).
ভাষাবিদদের নিকট আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থের মধ্যে সম্পর্ক:এ দুইয়ের মধ্যে সম্পর্কটি এই যে, ‘ইহইয়া’ (পুনরুজ্জীবন) হলো কোনো বিষয়ের সরাসরি তদারকি করা এবং যত্ন ও মনোযোগের মাধ্যমে তা বজায় রাখা, আর তার চর্চা বিলুপ্ত হওয়ার বা তার প্রভাব মুছে যাওয়ার আগেই তাকে পুনরায় জীবন দান করা।
শরীয়াহ বিশেষজ্ঞদের পরিভাষায় ‘ইহইয়া’ (পুনরুজ্জীবন):1 দেহসমূহ জরাজীর্ণ ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হওয়ার পর সেগুলোকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা।
(৩).
2 মৃতকে জীবিত করা এবং তার মধ্যে প্রাণের সঞ্চার করা।
(৪).
3 কোনো বিষয় পরিত্যক্ত হওয়ার পর তা পুনরায় ফিরিয়ে আনা, তাতে আত্মনিয়োগ করা, তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং তা থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়া, কিংবা তাকে অকেজো হওয়া থেকে রক্ষা করা এবং অকেজো অবস্থায় তাকে মৃতের মতো ফেলে না রাখা।
(৫).
এই সংজ্ঞাগুলো থেকে আমরা লক্ষ্য করি যে, পূর্ববর্তী আলেমদের ধারণায় ‘ইহইয়া’ বিষয়টি আক্ষরিক অর্থে মৃত্যুর বিপরীতে জীবন দান করা কেন্দ্রিক আবর্তিত হয়েছে। এখানে অন্য পারিভাষিক ধারণাটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়নি, যা হলো কোনো বস্তুকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা ও নবায়ন করা এবং প্রস্তুতি ও সহজলভ্য করার মাধ্যমে তাকে পুনরুজ্জীবিত করা।
পক্ষান্তরে পরবর্তী এবং সমসাময়িক আলেমদের কাছে এই বিষয়টি পরিচিত। এটি প্রমাণ করে—যেমনটি সামনে আসবে—যে পূর্ববর্তী আলেমদের কাছে ‘ইহইয়া’ শব্দটির এই পারিভাষিক অর্থটি পরিচিত বা প্রচলিত ছিল না।
ভাষাবিদ ও শরীয়াহ বিশেষজ্ঞদের নিকট ‘ইহইয়া’র অর্থের মধ্যে সম্পর্ক:এটি স্পষ্ট হয় যে, ‘ইহইয়া’র অর্থসমূহ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এবং একটি অন্যটি থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। কেননা সাধারণভাবে ‘ইহইয়া’ হলো কোনো বিষয়কে পুনরায় ফিরিয়ে আনা ও নবায়ন করা অথবা যত্নের মাধ্যমে তাকে টিকিয়ে রাখা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
والإحاطة والحفظ والصون والحماية، بعد أن أُهمل وكاد أن يموت ويندثر ويختفي.
ثانيًا: التعريف ب «الآثار»:لغة: الآثار أصلها أثر، وجمع الأثر آثار وأُثور
(1)، وجاء في مقاييس اللغة أن: الهمزة، والثاء، والراء، لها ثلاثة أصول:
(2)1 تقديم الشيء وتفضيله، وأصلها قوله تعالى: {قَالُوا تاللَّهِ لَقَدْ آثَرَكَ اللَّهُ عَلَيْنَا} [يوسف: 91]؛ أي: لقد قدّمك الله علينا، وفضلك بالعلم والحلم والفضل
(3)، وليس هو المعنى المراد هنا.
2 ذكر الشيء وخبره، وأصلها قوله تعالى: {إِنَّا نَحْنُ نُحْيِي الْمَوْتَى وَنَكْتُبُ مَا قَدَّمُوا وَآثَارَهُمْ} [يس: 12]؛ أي: أخبارهم ومساعيهم، وخطاهم وسننهم
(4).
فيقصد بالأَثَرِ: الخَبَرُ
(5)، ويسمى الحديث مأثور:
(6) أي: منقول قرنًا عن قرن
(7)، وأَثَرَ الحديث: نَقَلهُ
(8)، ويقال أيضًا: أَثَرَتُ الحديث بمعنى رويته، ويسمى كذلك المحدّث أثريًّا نسبة للأثر
(9)، ويقال كذلك الأثريّ: العالم بالآثار
(10)، والآثار: الأعْلام
(11).
3 رسم الشيء الباقي وعلامته: وأصلها قوله تعالى: {أَوْ أَثَارَةٍ مِنْ
--------------------------------------------
এবং বেষ্টন, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সুরক্ষা, যা অবহেলিত হওয়ার পর প্রায় বিলুপ্ত ও অদৃশ্য হওয়ার পথে ছিল।
দ্বিতীয়ত: ‘আসার’ (নিদর্শন/বর্ণনা)-এর পরিচয়:শাব্দিক অর্থ: ‘আসার’ (الآثار) শব্দটির মূল হলো ‘আসার’ (أثر), আর এর বহুবচন হলো ‘আসার’ এবং ‘উসুর’
(১)। ‘মাকায়িসুল লুগাহ’ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে যে: হামযাহ, সা এবং রা—এই তিনটি বর্ণের তিনটি মূল অর্থ রয়েছে:
(২)১. কোনো বিষয়কে অগ্রগণ্য করা এবং তাকে শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া। এর মূল হলো মহান আল্লাহর বাণী: {তারা বলল, আল্লাহর কসম! আল্লাহ অবশ্যই তোমাকে আমাদের ওপর অগ্রাধিকার দিয়েছেন} [সূরা ইউসুফ: ৯১]; অর্থাৎ: আল্লাহ তোমাকে আমাদের ওপর অগ্রগণ্য করেছেন এবং জ্ঞান, সহনশীলতা ও বিশেষ মর্যাদার মাধ্যমে তোমাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন
(৩)। তবে এখানে এই অর্থটি উদ্দেশ্য নয়।
২. কোনো বিষয়ের উল্লেখ ও সংবাদ প্রদান করা। এর মূল হলো মহান আল্লাহর বাণী: {নিশ্চয়ই আমি মৃতদের জীবিত করি এবং তারা যা অগ্রিম পাঠিয়েছে ও তাদের পদচিহ্নসমূহ (আসার) লিখে রাখি} [সূরা ইয়াসিন: ১২]; অর্থাৎ: তাদের সংবাদসমূহ, প্রচেষ্টা, পদক্ষেপ এবং রীতিনীতি
(৪)।
সুতরাং ‘আসার’ বলতে ‘সংবাদ’ (খবর) বোঝানো হয়
(৫)। আর হাদিসকে ‘মা’সুর’ বলা হয়
(৬); অর্থাৎ যা যুগ যুগ ধরে পরম্পরাগতভাবে বর্ণিত হয়ে আসছে
(৭)। আর হাদিস ‘আসার’ করার অর্থ হলো তা বর্ণনা করা
(৮)। আরও বলা হয়: ‘আমি হাদিসটি আসার করেছি’ অর্থাৎ আমি এটি বর্ণনা করেছি। একইভাবে মুহাদ্দিসকে ‘আসার’-এর দিকে সম্বন্ধ করে ‘আসারি’ বলা হয়
(৯)। আরও বলা হয়, ‘আসারি’ মানে আসার বা বর্ণনা সম্পর্কে অভিজ্ঞ আলেম
(১০)। আর ‘আসার’ এর আরেকটি অর্থ হলো নিদর্শনসমূহ
(১১)।
৩. কোনো বিষয়ের অবশিষ্ট চিহ্ন ও প্রতীক: এর মূল হলো মহান আল্লাহর বাণী: {অথবা জ্ঞানের কোনো অবশিষ্ট...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
عِلْمٍ} [الأحقاف: 4]؛ أي: عَلامة مِنْ عِلْم، ويجوز أن يكون على معنى بقية من علم، ويجوز أن يكون على معنى ما يؤثر من العلم
(1).
الآثار في اصطلاح اللغويين:1 هي اللوازم المعلّلة بالشيء
(2).
2 بقيّة ما يُرَى من كلّ شيء وما لا يرى بعد أن تبقى فيه علقة
(3).
3 حصول ما يدل على وجود الشيء والنتيجة
(4).
العلاقة بين المعنى اللّغوي والاصطلاحي للآثار عند أهل اللغة:تكمن العلاقة بينهما في أن الأثر هو بقية الشيء المنقول من قرن إلى قرن سواء كان مرويًّا أو مرئيًّا، وهذا مقتضى ورودها اللغوي، وكما أنه هو المعنى المراد به في هذه الرسالة.
الآثار في اصطلاح علماء الشرع:1 ما أُثر عن النبي صلى الله عليه وسلم من قولٍ أو فعلٍ أو تقرير
(5).
2 ما يروى من السُّنَّة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرفوعًا، أو موقوفًا على الصحابة رضي الله عنهم
(6).
--------------------------------------------
জ্ঞান (এর চিহ্ন)} [আল-আহকাফ: ৪]; অর্থাৎ: জ্ঞানের কোনো আলামত বা চিহ্ন। এটি জ্ঞানের অবশিষ্টাংশ অর্থে হওয়াও সম্ভব, আবার জ্ঞান থেকে যা বর্ণিত বা উত্তরসূরিদের মাঝে সঞ্চারিত হয় সেই অর্থে হওয়াও সম্ভব
(১).
ভাষাবিদদের পরিভাষায় 'আসার' (চিহ্ন/নিদর্শন):১. এগুলো হলো এমন বিষয় যা কোনো জিনিসের কারণ হিসেবে তার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে থাকে
(২)।
২. কোনো বস্তুর দৃশ্যমান অবশিষ্টাংশ, অথবা যা দেখা যায় না কিন্তু তার সাথে কোনো না কোনো সম্পর্ক অবশিষ্ট থেকে যায়
(৩)।
৩. এমন কিছুর প্রকাশ যা কোনো বস্তুর অস্তিত্ব ও ফলাফলকে নির্দেশ করে
(৪)।
ভাষা বিশেষজ্ঞদের নিকট 'আসার'-এর শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থের মধ্যকার সম্পর্ক:এই দুটির মধ্যে সম্পর্ক হলো এই যে, 'আসার' হলো কোনো জিনিসের অবশিষ্টাংশ যা এক যুগ থেকে অন্য যুগে স্থানান্তরিত হয়ে এসেছে, চাই তা বর্ণিত হোক বা দৃশ্যমান হোক। আর এটাই হলো এর আভিধানিক প্রয়োগের দাবি, যেমনটি এই গবেষণাপত্রে কাঙ্ক্ষিত অর্থ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
শরয়ি আলেমদের পরিভাষায় 'আসার' (পরম্পরা/বর্ণনা):১. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত তাঁর কথা, কাজ বা মৌন সম্মতি
(৫)।
২. সুন্নাহর মধ্য থেকে যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে 'মারফু' (সরাসরি বর্ণিত) হিসেবে অথবা সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে 'মাউকুফ' (তাঁদের বক্তব্য হিসেবে) বর্ণিত হয়
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
3 ما رُوي عن الصحابة رضي الله عنهم موقوفًا، وعن التابعين مقطوعًا
(1).
4 كل علم روي بالإسناد عن من يُقبل قوله، وقيّد وصل سنده بالكتابة
(2).
5 هو ما أُثر عمن سلف؛ أي: نُقل عنهم وبقي أثرًا من آثارهم
(3).
6 ما يدل على بقية الشيء
(4).
7 ما يُستدل به على آثار الأقدام وما يتصل بها من القافة ك أريه القافة
(5).
8 ما يترتب على الشيء، كقولهم: أثر النكاح
(6).
العلاقة بين معنى الآثار عند أهل اللغة وعلماء الشرع:اشترك علماء الشرع في أن معنى الآثار: ما روي عن النبي صلى الله عليه وسلم من قولٍ أو فعلٍ أو تقرير، وإن كان لهم معانٍ أخرى أعم من تخصيص الأثر بما روي عن النبي صلى الله عليه وسلم لكنهم لم يختلفوا في نسبة الأثر للحديث المرفوع.
وهذا المعنى الشرعي مرتبط بالمعنى اللغوي في أصله، حيث إن معنى الأثر عند أهل اللغة المذكور آنفًا هو بقية الشيء المنقول من قرن إلى قرن ويدخل ضمنه الخبر المروي.
--------------------------------------------
3 যা সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত (মাওকুফ হিসেবে), এবং যা তাবিঈগণ থেকে বর্ণিত (মাকতু' হিসেবে)
(১)।
4 প্রতিটি সেই জ্ঞান যা এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে সনদসহ বর্ণিত হয়েছে যার কথা গ্রহণযোগ্য, এবং যার সনদের অবিচ্ছিন্নতা লেখনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত করা হয়েছে
(২)।
5 এটি হলো তা যা সালাফদের থেকে বর্ণিত হয়েছে; অর্থাৎ: যা তাঁদের থেকে বর্ণিত হয়েছে এবং তাঁদের রেখে যাওয়া নিদর্শন হিসেবে অবশিষ্ট রয়েছে
(৩)।
6 যা কোনো বস্তুর অবশিষ্টাংশ নির্দেশ করে
(৪)।
7 যার মাধ্যমে পদচিহ্ন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি দ্বারা বিশেষজ্ঞগণ কোনো কিছুর হদিস পায়, যেমন তাকে পদচিহ্ন বিশেষজ্ঞের কাছে প্রদর্শন করা
(৫)।
8 যা কোনো বিষয়ের পরিণাম বা ফল হিসেবে প্রকাশ পায়, যেমন তাঁদের উক্তি: বিবাহের ফল
(৬)।
ভাষাবিদ এবং শরীয়তবিদদের নিকট 'আসার'-এর সংজ্ঞার মধ্যকার সম্পর্ক:শরীয়তবিদগণ এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, 'আসার'-এর অর্থ হলো: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত কথা, কাজ বা মৌনসম্মতি। যদিও তাঁদের নিকট 'আসার'-এর আরও ব্যাপক অর্থ রয়েছে যা কেবল নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত বিষয়সমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তবে মারফু' হাদীসের সাথে 'আসার' শব্দটির সম্বন্ধযুক্ত করার ব্যাপারে তাঁরা দ্বিমত পোষণ করেননি।
আর এই শরঈ অর্থটি মূলত আভিধানিক অর্থের সাথে তার উৎসে সম্পৃক্ত, কেননা ভাষাবিদদের নিকট পূর্বে উল্লিখিত 'আসার'-এর অর্থ হলো কোনো বস্তুর অবশিষ্টাংশ যা এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয় এবং বর্ণিত সংবাদও এর অন্তর্ভুক্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
فالآثار بالمعنى الشرعي واللغوي هو المراد والمقصود في المطلب الأول من هذه الرسالة، إذ إنه يتضمن معنى أحد أنواع الآثار.
علم الآثار في اصطلاح خبراء الآثار:لم يتفق خبراء الآثار على تعريف موحد لعلم الآثار؛ وذلك بسبب حداثته، حيث إنه يعتبر وليد القرن الماضي
(1)، ولم يُوضع له حد معين، إلا أنه يمكن ذكر خلاصة ما نهجه أصحاب هذا الفن في بيان المعنى الاصطلاحي لعلم الآثار، حيث لا تخرج عن مسلكين:
المسلك الأول: ذهب أصحابه إلى أن علم الآثار يشمل الموروثات المادية المحسوسة، والتي تسمى ب أركيولوجيا Archaeology وكذلك يشمل الموروثات البشرية المعنوية والفكرية والاعتقادية والثقافية، والتي تسمى ب أنثروبولوجيا Anthropology.
وبناء على هذا المسلك وضعوا تعريفات تشمل المورثات الحسية والمعنوية، ومن هذه التعريفات التي سلكت هذا المسلك
(2):
1 مخلفات الأمم السابقة سواء المادية منها أو الفكرية، الثابتة أو المنقولة، الظاهرة منها أو المطمورة
(3).
2 كل ما أنتجه الإنسان من عناصر مادية، أو نتاج ثقافي خلال تاريخه الحضاري
(4).
3 ما خلّفه السابق للاحق
(5).
--------------------------------------------
শরয়ী ও ভাষাগত অর্থে 'আসার' (নিদর্শন) শব্দটিই এই নিবন্ধের প্রথম পরিচ্ছেদে কাঙ্ক্ষিত ও উদ্দিষ্ট, কেননা এটি আসার-এর প্রকারভেদসমূহের একটি অর্থকে অন্তর্ভুক্ত করে।
প্রত্নতত্ত্ববিদদের পরিভাষায় প্রত্নতত্ত্ব:প্রত্নতত্ত্ববিদগণ প্রত্নতত্ত্বের কোনো একক সংজ্ঞার ওপর একমত হতে পারেননি; আর তা এর নতুনত্বের কারণে, কারণ এটি বিগত শতাব্দীর সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত
(১)। এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়নি, তবে প্রত্নতত্ত্বের পারিভাষিক অর্থ বর্ণনায় এই শাস্ত্রের পণ্ডিতগণ যে পথ অবলম্বন করেছেন তার সারসংক্ষেপ উল্লেখ করা যেতে পারে, যা মূলত দুটি পদ্ধতির বাইরে নয়:
প্রথম পদ্ধতি: এই মতের প্রবক্তাগণ মনে করেন যে, প্রত্নতত্ত্ব দৃশ্যমান বস্তুগত ঐতিহ্যসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে, যাকে 'আর্কিওলজি' (Archaeology) বলা হয়; এবং একইভাবে এটি মানুষের অবস্তুগত, বুদ্ধিবৃত্তিক, বিশ্বাসগত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও অন্তর্ভুক্ত করে, যাকে 'অ্যানথ্রোপোলজি' (Anthropology) বলা হয়।
এই পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে তাঁরা এমন কিছু সংজ্ঞা প্রদান করেছেন যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য এবং অবস্তুগত উভয় প্রকার ঐতিহ্যকেই অন্তর্ভুক্ত করে। এই পদ্ধতির অনুসারী সংজ্ঞাগুলোর মধ্যে রয়েছে
(২):
১. পূর্ববর্তী জাতিসমূহের রেখে যাওয়া নিদর্শন, চাই তা বস্তুগত হোক বা বুদ্ধিবৃত্তিক, স্থাবর হোক বা অস্থাবর, দৃশ্যমান হোক বা ভূগর্ভস্থ
(৩)।
২. মানুষ তার সভ্যতার ইতিহাসে যা কিছু বস্তুগত উপাদান বা সাংস্কৃতিক ফসল তৈরি করেছে তার সবকিছুই
(৪)।
৩. পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদের জন্য যা রেখে গেছেন
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
المسلك الثاني: ذهب أصحابه إلى أن علم الآثار يختص بالموروثات البشرية المادية المحسوسة فقط والتي يطلق عليها أركيولوجيا Archaeology.
فمن هذه التعريفات التي سلكت هذا المسلك
(1):
1 دراسة بقايا الماضي، من خلال التعرف على أبنيتها وتماثيلها ومحنطاتها ونقودها وما شاكل ذلك
(2).
2 جميع الأشكال الملموسة والمنظورة التي تحفظ أثر النشاط البشري، أو هي الأثر الحقيقي أو العظيم للصناعة والفن البشري خلال القرون
(3).
3 هو أحد العلوم الذي يتعرف على ماضي البشرية من خلال أنشطته المادية
(4).
4 موروثات مادية محسوسة خلفها الإنسان في مكان ما، واكتسبت قيمتها الأثرية من تراكم الزمن عليها وتباعده
(5).
يمكن الجمع لمعنى الآثار بالإجمال عند اصطلاح أهل اللغة وأهل الشرع وخبراء الآثار بأنه: ما تركه السابق للاحق من موروثات فكرية أو مادية.
والمتأمل لما سبق يجد أن معاني الآثار الاصطلاحية عند أهل كل فن، والمعنية في هذه الرسالة، لا تخرج عن أحد معنيين، وهما:
1 الآثار الحديثية المروية: والتي هي ما روي عن النبي صلى الله عليه وسلم من قولٍ أو فعلٍ أو تقرير أو صفة خُلقية أو خَلقية، وهذا المعنى الشرعي.
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পন্থা: এর প্রবক্তাগণ মনে করেন যে, প্রত্নতত্ত্ব কেবল মানুষের বস্তুগত ও দৃশ্যমান উত্তরাধিকারের সাথে সম্পর্কিত, যাকে আর্কিওলজি (Archaeology) বলা হয়।
এই পন্থার অন্তর্ভুক্ত কিছু সংজ্ঞা হলো যা এই পথ অনুসরণ করেছে
(১):
১. অতীতের অবশিষ্টাংশ নিয়ে অধ্যয়ন করা, যা তাদের ইমারত, ভাস্কর্য, মমি, মুদ্রা এবং এই জাতীয় বিষয়ের পরিচয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়
(২)।
২. সকল স্পর্শযোগ্য ও দৃশ্যমান রূপ যা মানুষের কর্মকাণ্ডের চিহ্ন ধারণ করে, অথবা যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের শিল্প ও কারুকার্যের প্রকৃত বা মহান নিদর্শন
(৩)।
৩. এটি এমন একটি বিজ্ঞান যা মানুষের বস্তুগত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানবজাতির অতীতকে তুলে ধরে
(৪)।
৪. মানুষের রেখে যাওয়া কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বস্তুগত ও স্পর্শযোগ্য উত্তরাধিকার, যা সময়ের দীর্ঘ পরিক্রমায় প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব লাভ করেছে
(৫)।
ভাষাবিদ, শরীয়াহ বিশেষজ্ঞ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের পরিভাষায় 'আসার' (নিদর্শনসমূহ) এর অর্থকে সামগ্রিকভাবে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়: পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদের জন্য যেসকল বুদ্ধিবৃত্তিক বা বস্তুগত উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।
পূর্বোক্ত আলোচনাগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, প্রতিটি শাস্ত্রের পণ্ডিতদের নিকট 'আসার' এর যে পারিভাষিক অর্থ রয়েছে এবং যা এই গবেষণাপত্রে উদ্দিষ্ট, তা দুটি অর্থের বাইরে নয়, যথা:
১. বর্ণিত হাদিসভিত্তিক আসার: যা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাঁর কথা, কাজ, মৌনসম্মতি কিংবা তাঁর চারিত্রিক বা শারীরিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে বর্ণিত হয়েছে; আর এটাই হলো এর শরয়ী অর্থ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
ইহইয়াউল আসার দিরাসাহ আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
2 الآثار المحسوسة المرئية: والتي هي الموروثات البشرية سواء كانت الفكرية أو المادية، وهذا المعنى الاصطلاحي.
وأما عن
معنى إحياء الآثار كمصطلح مركب فلم أقف على معنى يشتمل على المراد ويستوعب المقصود، فاجتهدت:
أولاً: في بيان تعريف إحياء الآثار، بأنه:
العناية والاهتمام بما خلفه السابق للاحق من موروثات مروية أو مرئية، سواء كان بالمحافظة عليها وإبقائها، أو بالتنقيب عنها واستخراجها بعد أن كانت مندثرة، وإعادة ترميمها وتجديدها وتهيئتها.
ثانيًا: في تحديد بيان المعاني التي يتضمنها هذا المصطلح، وهي:
1 إحياء الآثار المروية بالعلم والحفظ والدراسة والمذاكرة.
2 إحياء الآثار المرئية يشمل عدة معاني، منها ما يلي:
أ إحياؤها بالزيارة والتردد عليها.
ب إحياؤها بالتنقيب عنها ونبش الأرض لاستخراجها بعد أن كانت مطمورة.
ج إحياؤها بالاهتمام بها والترميم والتحسين وعمارتها والبناء عليها، وتهيئتها، وتسهيل الوصول إليها، وتزيينها بالجص والزخارف ونحو ذلك.
ولعل من المناسب الإشارة إلى أن علم الآثار والتنقيب عن القطع والهياكل الأثرية بصورته الحديثة علمٌ غربي محض، لا اهتمام للمسلمين به ولا عناية؛ بل اهملوه؛ لعدم أهميته.
ويُلاحظ ذلك من خلال ما تم عرضه من معاني الآثار المذكورة آنفًا عند السلف المتقدمين والمصنفين المتأخرين إذا ذُكر علم الآثار فإنه يقصد به: المرويات النبوية التي من أقواله وأفعاله وسيرته صلى الله عليه وسلم، فتلك الكتب التي تجمع سُنَّة الرسول صلى الله عليه وسلم هي كتب الآثار، وكذلك آثار السلف الصالح.
২. ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য দৃশ্যমান নিদর্শনসমূহ: যা হলো মানবীয় ঐতিহ্য, চাই তা বুদ্ধিবৃত্তিক হোক বা বস্তুগত; আর এটিই হলো পারিভাষিক অর্থ।
আর একটি যৌগিক পরিভাষা হিসেবে
‘নিদর্শনসমূহের পুনরুজ্জীবন’-এর অর্থের ব্যাপারে আমি এমন কোনো সংজ্ঞার সন্ধান পাইনি যা উদ্দিষ্ট বিষয়কে পূর্ণরূপে বেষ্টন করে এবং উদ্দেশ্যকে পুরোপুরি তুলে ধরে। তাই আমি প্রচেষ্টা চালিয়েছি:
প্রথমত: নিদর্শনসমূহের পুনরুজ্জীবনের সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে, তা হলো:
পূর্বসূরিরা উত্তরসূরিদের জন্য যেসব বর্ণিত বা দৃশ্যমান ঐতিহ্য রেখে গেছেন, সেগুলোর প্রতি যত্নবান হওয়া এবং গুরুত্ব প্রদান করা; চাই তা সংরক্ষণের মাধ্যমে হোক, অথবা বিলুপ্ত হওয়ার পর অনুসন্ধান ও খননের মাধ্যমে তা বের করে আনা, কিংবা পুনরায় সংস্কার, নবায়ন ও ব্যবহারের উপযোগী করার মাধ্যমে হোক।
দ্বিতীয়ত: এই পরিভাষাটি যে সকল অর্থকে অন্তর্ভুক্ত করে তা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে, আর সেগুলো হলো:
১. জ্ঞানার্জন, মুখস্থকরণ, পঠন-পাঠন এবং পর্যালোচনার মাধ্যমে বর্ণিত নিদর্শনসমূহের পুনরুজ্জীবন।
২. দৃশ্যমান নিদর্শনসমূহের পুনরুজ্জীবন বেশ কিছু অর্থ অন্তর্ভুক্ত করে, যার মধ্যে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো রয়েছে:
ক. পরিদর্শনের মাধ্যমে এবং সেখানে বারবার যাতায়াতের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবন।
খ. খননকার্য এবং মাটি খুঁড়ে সেগুলো বের করে আনার মাধ্যমে পুনরুজ্জীবন, যখন সেগুলো মাটিচাপা পড়ে থাকে।
গ. এগুলোর প্রতি যত্নশীল হওয়া, সংস্কার, উন্নয়ন, আবাদ করা, এর উপর ইমারত নির্মাণ, ব্যবহারের উপযোগী করা, যাতায়াত সহজ করা এবং চুনকাম ও নকশা ইত্যাদির মাধ্যমে সুশোভিত করার দ্বারা পুনরুজ্জীবন।
সম্ভবত এখানে এটি উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক যে, আধুনিক রূপে প্রত্নতত্ত্ব এবং প্রাচীন বস্তু ও কাঠামোর অনুসন্ধান একটি বিশুদ্ধ পশ্চিমা বিজ্ঞান, যার প্রতি মুসলিমদের কোনো ভ্রূক্ষেপ বা আগ্রহ ছিল না; বরং তারা গুরুত্বহীনতার কারণে একে উপেক্ষা করেছেন।
পূর্ববর্তী সালাফ এবং পরবর্তী গ্রন্থকারদের বক্তব্যে উপরে বর্ণিত ‘আসার’ (নিদর্শনসমূহ)-এর অর্থসমূহ যা উপস্থাপন করা হয়েছে, তার মাধ্যমেই বিষয়টি লক্ষ্য করা যায় যে, যখনই ‘ইলমুল আসার’ (নিদর্শন শাস্ত্র) উল্লেখ করা হয়, তখন তার দ্বারা উদ্দেশ্য থাকে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী, কর্ম এবং সীরাত সম্পর্কিত বর্ণনাগুলো। সুতরাং যে সকল কিতাব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহকে একত্রিত করেছে, সেগুলোই হলো ‘আসার’-এর গ্রন্থ (কুতুবুল আসার), এবং অনুরূপভাবে সালাফে সালেহীনের আসার বা বর্ণনাসমূহ।