(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: -)
الفوائد العوالي المؤرخة من الصحاح والغرائب لمحمد بن علي الصوري القسم: كتب السنة
الكتاب: الفوائد العوالي المؤرخة من الصحاح والغرائب لمحمد بن علي الصوري
تخريج الحافظ: محمد بن علي بن عبد الله بن محمد بن رحيم الشامي الساحلي، أبي عبد الله الصوري (ت 441هـ)
للقاضي: أبي القاسم علي بن المحسن التنوخي (ت 447 هـ)
تحقيق الدكتور: عمر عبد السلام التّدمُري
الناشر: مؤسسة الرسالة، دار الإيمان
الطبعة: الأولى، 1406 هـ - 1985 م
عدد الصفحات: 162
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মুহাম্মদ বিন আলী আস-সুরী-এর সহীহ ও গারিব বর্ণনাসমূহ থেকে সংকলিত উচ্চতর ও তারিখভিত্তিক ফায়দাসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মুহাম্মদ বিন আলী আস-সুরী-এর সহীহ ও গারিব বর্ণনাসমূহ থেকে সংকলিত উচ্চতর ও তারিখভিত্তিক ফায়দাসমূহ
হাফেজ কর্তৃক তাখরিজ: মুহাম্মদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন রাহীম আশ-শামী আস-সাহিলি، আবু আব্দুল্লাহ আস-সুরী (মৃত্যু ৪৪১ হিজরি)
কাজী: আবুল কাসেম আলী বিন আল-মুহাসসিন আত-তানুখী (মৃত্যু ৪৪৭ হিজরি)-এর জন্য
ডক্টর কর্তৃক তাহকিক: ওমর আব্দুস সালাম আত-তাদমুরী
প্রকাশক: মুআসসাসাতুর রিসালাহ، দারুল ইমান
সংস্করণ: প্রথম، ১৪০৬ হিজরি - ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬২
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
أَخْبَرَنَا الْفَقِيهُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ بَقِيَّةُ السَّلَفِ قُدْوَةُ الْخَلَفِ نَاصِحُ الدِّينِ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنِ عَبْدِ الْقَاهِرِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ أَبِي الْفَهْمِ، وَالْحَافِظُ شَمْسُ الدِّينِ يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ الدِّمَشْقِيُّ وَالشَّيْخُ الصَّالِحُ الْمُقْرِئُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَتِيقُ عَبْدُونَ الرَّهَاوِيُّ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ وَسِتِّمَايَةَ قَالُوا:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকীহ, ইমাম, আলিম, সালাফদের অবশিষ্টাংশ, পরবর্তী প্রজন্মের আদর্শ, নাসিহুদ্দীন আবদুল কাদির বিন আবদুল কাহির বিন আবদুল মুনইম বিন আবিল ফাহম; হাফিজ শামসুদ্দীন ইউসুফ বিন খলিল আদ-দিমাশকী এবং পুণ্যবান শাইখ, ক্বারী আবদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ আতীক আবদুন আর-রাহাবী। তারা ছয়শত আটাশ হিজরি সনের যুল-হিজ্জাহ মাসে বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ أَسْعَدَ بْنِ يَحْيَى بْنِ بُوشَ التَّاجِرُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِمَايَةَ أنبأنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَخْلَدٍ الْبَاقَرْحِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ مِنْ رَبِيعٍ الْآخَرِ مِنْ سَنَةِ سِتِّ عَشْرَةَ وَخَمْسِمَايَةَ أَنْبَأَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْمُحْسِنِ بْنِ عَلِيٍّ التَّنُوخِيُّ فِي يَوْمِ الثُّلَاثَاءِ الْعَاشِرُ مِنَ الْمُحَرَّمِ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِمَايَةَ بِقِرَاءَةِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَيْضَاوِيِّ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفِ بْنُ حَيَّانَ الْخَلَّالُ الشَّافِعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইয়াহইয়া বিন আসআদ বিন ইয়াহইয়া বিন বুশ আল-তাজির, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমরা শ্রবণ করছিলাম ৫৮৮ হিজরি সনের যিলহজ মাসে। আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন মাখলাদ আল-বাকারহি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম ৫১৬ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের এক জুমুআবারে। আমাদের অবহিত করেছেন কাজী আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-মুহসিন বিন আলী আল-তানুখি, ৪৪৪ হিজরি সনের ১০ই মহররম মঙ্গলবার দিনে, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-বায়দাউই-এর পাঠের মাধ্যমে। আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন খালাফ বিন হাইয়্যান আল-খাল্লাল আল-শাফেয়ি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ...
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ৮০)
ابْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّسَّاجُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ شَبِيبٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ:
ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দি, আমাদের নিকট উবায়দ বিন মুহাম্মাদ আন-নাসসাজ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ বিন শাবীব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, ইউনুস বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব আয-যুহরী থেকে:
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ৮১)
1 - أَخْبَرَنِي رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ يُقَالَ لَهُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، عَنْ عَمَّتِهِ، عَنِ الْفُرَيْعَةِ:
⦗ص: 82⦘ «أَنَّ زَوْجَهَا خَرَجَ فِي سَفَرٍ فَقَتَلَتْهُ أَعْلَاجٌ» وَذَكَرَ الْحَدِيثَ هَكَذَا فِي أَصْلِهِ، هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ الْأَصْبَحِيِّ، وَغَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ الْأَيْلِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ.
لَا أَعْلَمُ حَدَّثَ بِهِ عَنْ يُونُسَ غَيْرُ شَبِيبِ بْنِ سَعِيدٍ، وَلَا عَنْ شَبِيبٍ غَيْرُ ابْنِهِ أَحْمَدَ بْنِ شَبِيبٍ، وَمَا رَأَيْنَاهُ إِلَّا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ،
وَحَدَّثَ بِهِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدِ بْنِ حَفْصٍ الْعَطَّارُ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الْبَاغَنْدِيِّ، فَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَخْلَدٍ، وَمَاتَ ابْنُ مَخْلَدٍ فِي جُمَادَى الْآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَثَلَاثِمَايَةٍ،
⦗ص: 83⦘ وَكَانَ مَوْلِدُهُ فِي سَنَةِ ثَلَاثٍ وَثَلَاثِينَ وَمَايَتَيْنِ، فِي السَّنَةِ الَّتِي مَاتَ فِيهَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، وَتُوفِّيَ وَقَدِ اسْتَكْمَلَ سَبْعًا وَتِسْعِينَ سَنَةً وَثَمَانِيَةَ أَشْهُرٍ، وَوَاحِدًا وَعِشْرِينَ يَوْمًا.
حَدَّثَنَاهُ عَالِيًا بِطُولِهِ: أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمَتُّوثِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ
⦗ص: 84⦘ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُصْعَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، عَنْ عَمَّتِهِ زَيْنَبَ بِنْتِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، عَنِ الْفُرَيْعَةِ بِنْتِ مَالِكِ بْنِ سِنَانٍ، وَهِيَ أُخْتُ سَعْدٍ، أَخْبَرَتْهَا:
⦗ص: 85⦘ أَنَّهَا جَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَسْأَلُهُ أَنْ تَرْجِعَ إِلَى أَهْلِهَا فِي بَنِي خُدْرَةَ، فَإِنَّ
زَوْجَهَا خَرَجَ فِي أَعْبُدٍ لَهُ أَبَقُوا، حَتَّى إِذَا كَانُوا بِطَرَفِ الْقَدُومِ لَحِقَهُمْ، فَقَتَلُوهُ، فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْجِعُ إِلَى أَهْلِي فَإِنَّ زَوْجِي لَمْ يَتْرُكْنِي فِي مَسْكَنٍ يَمْلِكُهُ وَلَا نَفَقَةٍ، قَالَتْ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «نَعَمْ» ، قَالَتْ: فَانْصَرَفْتُ، حَتَّى إِذَا كُنْتُ فِي الْحُجْرَةِ أَوْ فِي الْمَسْجِدِ دَعَانِي أَوْ أَمَرَ بِي، فَدُعِيتُ لَهُ، فَقَالَ: «كَيْفَ قُلْتِ؟» ، فَرَدَدْتُ عَلَيْهِ الْقِصَّةَ الَّتِي ذَكَرْتُ لَهُ مِنْ شَأْنِ زَوْجِي، فَقَالَ: «امْكُثِي فِي بَيْتِكِ حَتَّى يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ» ، قَالَتْ: فَاعْتَدَدْتُ فِيهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا، فَلَمَّا كَانَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ، أَرْسَلَ إِلَيَّ فَسَأَلَنِي عَنْ ذَلِكَ، فَأَخْبَرْتُهُ، فَقَضَى بِهِ. هَكَذَا كَانَ فِي الْأَصْلِ، وَهِيَ أُخْتُ سَعْدٍ الْخُدْرِيِّ، وَاسْمُ أَبِي سَعِيدٍ: سَعْدُ بْنُ مَالِكِ بْنِ سِنَانٍ،
১ - মদীনার অধিবাসী জনৈক ব্যক্তি যাকে মালিক ইবনে আনাস বলা হয়, তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সাদ ইবনে ইসহাক ইবনে কাব ইবনে উজরা থেকে, তিনি তাঁর ফুফু থেকে, তিনি ফুরাইআ থেকে বর্ণনা করেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৮২⦘ "তাঁর স্বামী এক সফরে বের হয়েছিলেন এবং কিছু অনারব কাফির তাঁকে হত্যা করেছিল।" হাদিসটি তাঁর মূলে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে। এটি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম আজ-জুহরি থেকে বর্ণিত আবু আব্দুল্লাহ মালিক ইবনে আনাস আল-আসবাহির হাদিস হিসেবে একটি গারিব হাদিস; এবং জুহরি থেকে ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আল-আইলির হাদিস হিসেবেও এটি গারিব হাদিস।
আমি জানি না যে শাবিব ইবনে সাইদ ব্যতীত অন্য কেউ এটি ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন, অথবা শাবিবের পুত্র আহমদ ইবনে শাবিব ব্যতীত অন্য কেউ এটি শাবিব থেকে বর্ণনা করেছেন। আমরা এটি কেবল এই মাধ্যমেই দেখেছি।
আর আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ ইবনে হাফস আল-আত্তার এটি আবু বকর আল-বাগিন্দি থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আমি যেন এটি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মাখলাদ থেকেই শুনেছি। আর ইবনে মাখলাদ ৩৩১ হিজরির জমাদিউল আখের মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
⦗পৃষ্ঠা: ৮৩⦘ তাঁর জন্ম হয়েছিল ২৩৩ হিজরিতে, যে বছর ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন মৃত্যুবরণ করেছিলেন। তিনি যখন ইন্তেকাল করেন তখন তাঁর বয়স হয়েছিল সাতানব্বই বছর আট মাস একুশ দিন।
আবু আল-কাসিম উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে সুলায়মান আল-মাত্তুসি—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—আলী সূত্রে পূর্ণাঙ্গভাবে এটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল
⦗পৃষ্ঠা: ৮৪⦘ আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসআব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সাদ ইবনে ইসহাক ইবনে কাব ইবনে উজরা থেকে, তিনি তাঁর ফুফু জয়নব বিনতে কাব ইবনে উজরা থেকে, তিনি ফুরাইআ বিনতে মালিক ইবনে সিনান থেকে—যিনি সাদের বোন—তিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন:
⦗পৃষ্ঠা: ৮৫⦘ তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে আবেদন জানালেন যে তিনি যেন বনু খুদরার অন্তর্গত তাঁর নিজ পরিবারে ফিরে যেতে পারেন। কেননা,
তাঁর স্বামী তাঁর কয়েকজন পলায়নকারী দাসের খোঁজে বের হয়েছিলেন। যখন তিনি আল-কাদুম নামক স্থানে পৌঁছালেন, তখন তিনি তাদের ধরে ফেলেন এবং তারা তাঁকে হত্যা করে। অতঃপর আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি কি আমার পরিবারের নিকট ফিরে যাব? কারণ আমার স্বামী তো তাঁর মালিকানাধীন কোনো বাসস্থানে আমাকে রেখে যাননি এবং কোনো ভরণ-পোষণের ব্যবস্থাও করেননি। তিনি বলেন: তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি বলেন: এরপর আমি চলে আসছিলাম, এমনকি আমি যখন কামরায় অথবা মসজিদে ছিলাম, তখন তিনি আমাকে ডাকলেন অথবা আমার জন্য আদেশ দিলেন। ফলে আমাকে তাঁর নিকট ডাকা হলো। তখন তিনি বললেন: "তুমি কী বলেছিলে?" তখন আমি তাঁর নিকট আমার স্বামীর বিষয়ে যে ঘটনা উল্লেখ করেছিলাম তা পুনরায় ব্যক্ত করলাম। তখন তিনি বললেন: "তুমি তোমার ঘরেই অবস্থান করো যতক্ষণ না নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ হয়।" তিনি বলেন: সুতরাং আমি সেখানে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করলাম। অতঃপর যখন উসমান ইবনে আফফানের সময় এলো, তিনি আমার নিকট লোক পাঠালেন এবং এ বিষয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন। আমি তাঁকে সব জানালাম এবং তিনি সে অনুযায়ী ফয়সালা দিলেন। মূল গ্রন্থে এভাবেই ছিল। আর তিনি ছিলেন সাদ আল-খুদরির বোন। আর আবু সাঈদের নাম হলো: সাদ ইবনে মালিক ইবনে সিনান।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
فَكَأَنَّ شَيْخَنَا فِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ حَدَّثَ بِهِ عَنِ الزُّهْرِيِّ. وَاخْتُلِفَ فِي مَوْتِ الزُّهْرِيِّ، فَقِيلَ إِنَّهُ مَاتَ فِي سَنَةِ ثَلَاثٍ وَعِشْرِينَ وَمَايَةٍ، وَقِيلَ سَنَةَ أَرْبَعٍ، وَقِيلَ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ، مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ، وَأَثْبَتُهَا وَأَشْهَرُهَا سَنَةُ أَرْبَعٍ، وَكَأَنَّهُ سَمِعَهُ مِنْ أَبِي يَزِيدَ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ أَبِي النِّجَادِ الْأَيْلِيِّ مَوْلَى بَنِي أُمَيَّةَ، وَمَاتَ يُونُسُ سَنَةَ إِحْدَى وَخَمْسِينَ وَمَايَةٍ، وَقِيلَ: سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَخَمْسِينَ وَمَايَةٍ، وَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ شَبِيبِ بْنِ سَعْدٍ، وَمَاتَ شَبِيبٌ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَمَايَةٍ، وَيَكُونُ مَنْ سَمِعَهُ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ شَيْخِ الْبَاغَنْدِيِّ، وَمَاتَ الْبَاغَنْدِيُّ سَنَةَ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ وَثَلَاثِمَايَةٍ.
যেন আমাদের শাইখ এই বর্ণনায় এটি জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। জুহরির মৃত্যু নিয়ে মতভেদ রয়েছে; বলা হয়েছে যে তিনি একশত তেইশ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেছেন, আবার বলা হয়েছে একশত চব্বিশ সনে, আর এও বলা হয়েছে একশত পঁচিশ সনের রমজান মাসে। তবে এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রমাণিত ও প্রসিদ্ধ মত হলো একশত চব্বিশ সন। আর সম্ভবত তিনি এটি আবু ইয়াজিদ ইউনুস বিন ইয়াজিদ বিন আবি আন-নিযাদ আল-আইলি থেকে শুনেছেন, যিনি বনু উমাইয়ার মুক্তদাস ছিলেন। ইউনুস একশত একান্ন হিজরি সনে ইন্তেকাল করেছেন, আবার বলা হয়েছে একশত বায়ান্ন সনে। আর আমি যেন এটি শাবিব বিন সা’দ থেকে শুনেছি, আর শাবিব একশত ছিয়াশি সনে ইন্তেকাল করেছেন। আর যে ব্যক্তি আমার থেকে এটি শুনেছেন, তিনি আল-বাগান্দির শাইখের সমপর্যায়ে হবেন। আল-বাগান্দি তিনশত বারো হিজরি সনে ইন্তেকাল করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
وَهَذَا الْحَدِيثُ يَدْخُلُ فِي رِوَايَةِ الْكِبَارِ عَنِ الصِّغَارِ؛ لِأَنَّ الزُّهْرِيَّ رَوَاهُ عَنْ مَالِكٍ، وَهُوَ شَيْخُهُ، وَمَاتَ مَالِكٌ بَعْدَهُ بِخَمْسٍ وَخَمْسِينَ سَنَةً، وَأَوَّلُ مَنْ حَدَّثَ بِهِ عَنْ مَالِكٍ: الزُّهْرِيُّ، وَآخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ: أَبُو حُذَافَةَ، يَوْمَ الْفِطْرِ مِنْ سَنَةِ تِسْعٍ وَخَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ، فَبَيْنَ أَوَّلِ مَنْ حَدَّثَ بِهِ عَنْ مَالِكٍ وَآخَرِ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ مَايَةٌ وَخَمْسٌ وَثَلَاثُونَ سَنَةً
এই হাদিসটি বড়দের থেকে ছোটদের বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত; কারণ যুহরী এটি মালেকের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন, অথচ তিনি ছিলেন তাঁর শিক্ষক। আর মালেক তাঁর পঞ্চান্ন বছর পর ইন্তেকাল করেন। মালেকের নিকট থেকে প্রথম যিনি এটি বর্ণনা করেছেন তিনি হলেন যুহরী, আর তাঁর থেকে সর্বশেষ বর্ণনাকারী হলেন আবু হুজাফাহ, দুইশত উনষাট হিজরি সনের ঈদুল ফিতরের দিনে। সুতরাং মালেকের নিকট থেকে প্রথম বর্ণনাকারী এবং সর্বশেষ বর্ণনাকারীর মধ্যবর্তী ব্যবধান হলো একশত পঁয়ত্রিশ বছর।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْخِرَقِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا ابْنُ ذُرَيْحٍ يَعْنِي مُحَمَّدَ بْنَ صَالِحٍ الْعُكْبَرِيَّ، حَدَّثَنَا أَبُو ⦗ص: 88⦘ إِبْرَاهِيمَ التَّرْجُمَانِيُّ، حَدَّثَنَا حُدَيْجُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْأَشْعَثِ، صَاحِبِ التَّوَابِيتِ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: صَلَّى بِنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِحْدَى صَلَاتَيِ الْعَشِيِّ رَكْعَتَيْنِ، ⦗ص: 89⦘ فَأَتَاهُ ذُو الْيَدَيْنِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ إِلَّا رَكْعَتَيْنِ، فَأَخَذَ بِهِ، فَذَهَبَ بِهِ إِلَى أَبِي بَكْرٍ، وَعُمَرَ، وَالْقَوْمُ مَعَهُمْ، فَقَالَ: «صَدَقَ هَذَا إِنِّي لَمْ أُصَلِّ إِلَّا رَكْعَتَيْنِ؟» ، فَقَالُوا: نَعَمْ، فَقَامَ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَتَيْنِ أُخْرَيَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ، ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ، ثُمَّ سَلَّمَ وَصَلَّى عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَهْلِهِ وَسَلَّمَ ". هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي إِسْحَاقَ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّبِيعِيِّ، وَالسَّبِيعُ بَطْنٌ مِنْ هَمْدَانَ، عَنِ الْأَشْعَثِ صَاحِبِ التَّوَابِيتِ، وَهُوَ أَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ الْكِنْدِيُّ الْكُوفِيُّ، وَهُوَ أَشْعَثُ مَوْلَى ثَقِيفٍ، وَهُوَ ⦗ص: 90⦘ أَشْعَثُ النَّجَّارُ، وَهُوَ أَشْعَثُ الْأَفْوَقُ، وَهُوَ أَشْعَثُ الْأَثْرَمُ، وَقِيلَ: هُوَ الْمُنْبَعِثُ الْأَثْرَمُ، قَالَ لَنَا شَيْخُنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْغَنِيِّ بْنِ سَعِيدٍ الْأَزْدِيُّ الْحَافِظُ، وَكَانَ قَاضِيَ الْأَهْوَازِ، وَرِوَايَةُ أَبِي إِسْحَاقَ السَّبِيعِيِّ عَنْهُ تَدْخُلُ فِي رِوَايَةِ الْأَكَابِرِ، عَنِ الْأَصَاغِرِ، ⦗ص: 91⦘ لِأَنَّ أَبَا إِسْحَاقَ مِنْ جُلَّةِ التَّابِعِينَ، رَوَى عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنَ الصَّحَابَةِ رضي الله عنهم، وَرَأَى عَلِيًّا عليه السلام، وَالْأَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ يَرْوِي عَنْ نُظَرَاءِ أَبِي إِسْحَاقَ، كَأَبِي عَمْرٍو الشَّعْبِيِّ، وَأَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، وَمُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، وَنَافِعٍ مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ، وَنُظَرَائِهِمْ، ⦗ص: 92⦘ وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ ابْنُ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَوْنٍ، عَنْ حُدَيْجِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، وَلَمْ يَذْكُرْ فِي حَدِيثِهِ الزِّيَادَةَ الَّتِي وَقَعَتْ لَنَا فِي آخِرِهِ مِنَ الصَّلَاةِ عَلَى النَّبِيِّ وَأَهْلِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَيْهِمْ، وَهِيَ غَرِيبَةٌ جِدًّا، فَكَأَنِّي حُدِّثْتُ بِهِ عَنْ يَحْيَى. وَمَاتَ يَحْيَى يَوْمَ الْخَمِيسِ النِّصْفَ مِنْ شَوَّالٍ سَنَةَ خَمْسٍ وَسَبْعِينَ، وَهُوَ يَحْيَى بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الزِّبْرِقَانِ، يُكْنَى أَبَا بَكْرٍ، حَدَّثَ عَنْهُ رُفَعَاءُ النَّاسِ، كَابْنِ أَبِي دَاوُدَ، ⦗ص: 93⦘ وَابْنُ صَاعِدٍ، وَالْمَحَامِلِيِّ، وَابْنِ مَخْلَدٍ، وَطَبَقَتِهِمْ "
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল আজিজ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ আল-খিরাকি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে যুরাইহ অর্থাৎ মুহাম্মদ বিন সালিহ আল-উকবারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ⦗পৃষ্ঠা: ৮৮⦘ ইবরাহিম আত-তারজুমানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুদাইজ বিন মুয়াবিয়া, আবু ইসহাক থেকে, আল-আশআস থেকে যিনি সিন্দুকওয়ালা নামে পরিচিত, ইবনে সিরিন থেকে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে অপরাহ্নের দুই সালাতের কোনো একটিতে দুই রাকাত পড়লেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৮৯⦘ অতঃপর যুল-ইয়াদাইন তাঁর কাছে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি তো কেবল দুই রাকাত পড়েছেন। তখন তিনি তাঁকে নিয়ে আবু বকর, উমর এবং তাঁদের সাথে থাকা লোকজনের কাছে গেলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন: «এ কি সত্য বলছে যে আমি কেবল দুই রাকাত পড়েছি?» , তাঁরা বললেন: হ্যাঁ, তখন তিনি দাঁড়িয়ে তাঁদের নিয়ে আরও দুই রাকাত পড়লেন, অতঃপর সালাম ফেরালেন, এরপর সহু সিজদাহ (ভুল সংশোধনের সিজদাহ) করলেন, পুনরায় সালাম ফেরালেন এবং মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর দরুদ ও সালাম পাঠ করলেন। এটি আবু ইসহাক আমর বিন আব্দুল্লাহ আস-সাবিয়ি-এর সূত্রে বর্ণিত একটি গরীব হাদিস। আস-সাবিয়ি হলো হামদান গোত্রের একটি শাখা। আর আল-আশআস সিন্দুকওয়ালা হলেন মূলত আশআস বিন সাউওয়ার আল-কিন্দি আল-কুফি। তিনি সাকিফের মুক্তদাস আশআস, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৯০⦘ আশআস আন-নাজ্জার, তিনি আশআস আল-আফওয়াক, তিনি আশআস আল-আশরাম এবং বলা হয়ে থাকে যে তিনি মুনবাইস আল-আশরাম। আমাদের শায়খ হাফিজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি বিন সাঈদ আল-আযদি আমাদের বলেছেন—তিনি আহওয়াজের বিচারক ছিলেন—আবু ইসহাক আস-সাবিয়ি-এর তাঁর থেকে বর্ণিত হাদিসটি বড়দের থেকে ছোটদের বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত, ⦗পৃষ্ঠা: ৯১⦘ কারণ আবু ইসহাক প্রবীণ তাবেয়িদের অন্যতম, তিনি একাধিক সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আলী (আলাইহিস সালাম)-কে দেখেছেন। আর আশআস বিন সাউওয়ার আবু ইসহাকের সমপর্যায়ের ব্যক্তিদের থেকে বর্ণনা করেন, যেমন আবু আমর আশ-শা’বি, আবু যুবায়ের আল-মাক্কি, মুহাম্মদ বিন সিরিন, ইবনে উমরের মুক্তদাস নাফি এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। ⦗পৃষ্ঠা: ৯২⦘ ইবনে আবু তালিব এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আমর বিন আউন থেকে, তিনি হুদাইজ বিন মুয়াবিয়া থেকে; তবে তিনি তাঁর হাদিসে সেই অতিরিক্ত অংশটি উল্লেখ করেননি যা আমাদের হাদিসের শেষে নবী ও তাঁর পরিবারের ওপর দরুদ ও সালাম পাঠের বর্ণনায় এসেছে। এই অংশটি অত্যন্ত গরীব। মনে হচ্ছে যেন ইয়াহইয়া থেকে এটি আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে। আর ইয়াহইয়া পঁচাত্তর হিজরি সালের শাওয়াল মাসের মাঝামাঝি এক বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন। তিনি হলেন ইয়াহইয়া বিন জাফর বিন আয-যিবরিকান, তাঁর উপনাম আবু বকর। তাঁর থেকে উচ্চমর্যাদার ব্যক্তিবর্গ বর্ণনা করেছেন, যেমন ইবনে আবু দাউদ, ⦗পৃষ্ঠা: ৯৩⦘ ইবনে সাইদ, আল-মাহামিলি, ইবনে মাখলাদ এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى بْنِ عِيسَى الْحَافِظُ، فِيمَا أَجَازَهُ لَنَا، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ حَدَّثَهُمْ، حَدَّثَنَا يَاسِينُ بْنُ عَبْدِ الْأَحَدِ بْنِ أَبِي زُرَارَةَ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي
⦗ص: 95⦘ حَبِيبٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ أَبِي تَمِيمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ
⦗ص: 96⦘ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: " أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
صَلَّى إِحْدَى صَلَاتَيِ الْعِشَاءِ رَكْعَتَيْنِ، فَقَالَ ذُو الْيَدَيْنِ: أَقُصِرَتِ الصَّلَاةُ أَمْ نَسِيتَ؟، فَقَالَ: «لَمْ تُقْصَرْ وَلَمْ أَنَسَ» ، فَصَلَّى بِهِمْ وَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ بَعْدَمَا سَلَّمَ. هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي رَجَاءٍ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، وَهُوَ يَدْخُلُ فِي رِوَايَةِ الْكِبَارِ عَنِ الصِّغَارِ؛ لِأَنَّ يَزِيدَ بْنَ أَبِي حَبِيبٍ تَابِعِيٌّ جَلِيلٌ مِنْ تَابِعِي مِصْرَ، يَرْوِي عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ جَزْءٍ الزُّبَيْدِيِّ، وَأَبِي الطُّفَيْلِ عَامِرِ بْنِ وَاثِلَةَ الْكِنَانِيِّ، وَهُمَا صَحَابِيَّانِ
⦗ص: 97⦘ وَخَلْقٍ كَثِيرٍ مِنْ كِبَارِ التَّابِعِينَ رحمهم الله أَجْمَعِينَ، وَجَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ يَرْوِي عَنْ أَبِي رَجَاءٍ الْعُطَارِدِيِّ، وَمُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، وَنَافِعٍ، وَمَاتَ يَزِيدُ سَنَةَ ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَةٍ، وَمَاتَ جَرِيرٌ سَنَةَ سَبْعِينَ وَمِائَةٍ، بَعْدَهُ بِاثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ سَنَةً
⦗ص: 104⦘ 4 -. . . . أَرْبَعٍ وَسَبْعِينَ وَمَايَةَ وَكَانَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَهُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ لَهِيعَةَ بْنِ عُقْبَةَ بْنِ فَرْعَانَ بْنِ رَبِيعَةَ الْحَضْرَمِيُّ ثُمَّ الْأَعْدُولِيُّ مِنْ أَنْفَسِهِمْ يُكَنَّى أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَكَانَ قَاضِي مِصْرَ. وَحَدَّثَ عَنْ جَمَاعَةٍ مِنَ الرُّفَعَاءِ مِنْ نُظَرَائِهِ وَغَيْرِهِمْ كَعَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، وَاللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ وَطَبَقَتُهُمَا وَمَنْ هُوَ دُونَهُمَا وَأَدْرَكَ جَمَاعَةً مِنَ التَّابِعِينَ وَكَأَنِّي مِنْ مِثْلِ عَبْدِ الْأَحَدِ بْنِ أَبِي زُرَارَةَ وَاسْمُ أَبِي زُرَارَةَ لَيْثُ بْنُ
⦗ص: 105⦘ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبِ بْنِ جَبَّارِ بْنِ جَبْرِ بْنِ أَسْعَدَ الْقَتْبَانِيُّ. وَمَاتَ عَبْدُ الْأَحَدِ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ انْسِلَاخَ رَجَبٍ سَنَةَ ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَتَيْنِ وَكَانَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ وَمَايَةَ وَيُكَنَّى أَبَا زُرْعَةَ وَيَكُونُ مَنْ يَسْمَعُهُ مِنِّي مِثْلُ يَاسِينَ بْنِ عَبْدِ الْأَحَدِ ابْنُهُ وَمَاتَ يَاسِينُ يَوْمَ السَّبْتِ لِعَشْرٍ خَلَوْنَ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ مِنْ سَنَةِ تِسْعٍ وَسِتِّينَ وَمَائَتَيْنِ وَكُنْيَتُهُ أَبُو الْيَمَنِ. وَيَكُونُ بِمَنْزِلَةِ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا أَبِي الْحُسَيْنِ بْنِ الْمُظَفَّرِ
৩ - আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফ্ফর ইবনে মুসা ইবনে ঈসা আল-হাফিজ আমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি আমাদের যা ইজাজত প্রদান করেছেন তাতে উল্লেখ আছে যে, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াসিন ইবনে আবদিল আহাদ ইবনে আবি জুরারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে লাহিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে আবি
⦗পৃষ্ঠা: ৯৫⦘ হাবিব থেকে, তিনি জারির ইবনে হাজিম থেকে, তিনি আইয়ুব ইবনে আবি তামিমাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ৯৬⦘ সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
এশার দুই সালাতের (জোহর বা আসর) কোনো একটিতে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। তখন জুল ইয়াদাইন বললেন: সালাত কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে নাকি আপনি ভুলে গেছেন? তিনি বললেন: «সংক্ষিপ্তও করা হয়নি আর আমি ভুলেও যাইনি»। এরপর তিনি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন এবং সালাম ফেরানোর পর দুটি সিজদাহ করলেন। আবু রাজা ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে বর্ণিত আবু আন-নাজর জারির ইবনে হাজিমের এই হাদিসটি গরিব (একক)। এটি বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের থেকে বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত; কারণ ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব মিসরের একজন বিশিষ্ট তাবিঈ, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনে জায আজ-জুবাইদি এবং আবু তুফাইল আমির ইবনে ওয়াসিলা আল-কিনানি থেকে বর্ণনা করেন—আর তাঁরা উভয়েই সাহাবী ছিলেন—
⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘ এবং আরও অনেক বড় বড় তাবিঈদের থেকে (বর্ণনা করেছেন), আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি দয়া করুন। জারির ইবনে হাজিম বর্ণনা করেছেন আবু রাজা আল-উতারিদি, মুহাম্মদ ইবনে সিরিন এবং নাফি থেকে। ইয়াজিদ একশত আটাশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং জারির মৃত্যুবরণ করেন একশত সত্তর হিজরিতে, ইয়াজিদের বিয়াল্লিশ বছর পর।
⦗পৃষ্ঠা: ১০৪⦘ ৪ -. . . . একশত চুয়াত্তর সালে। আর তাঁর জন্ম ছিল সাতানব্বই সালে। তিনি হলেন আবদুল্লাহ ইবনে লাহিয়া ইবনে উকবা ইবনে ফারআন ইবনে রাবিআ আল-হাদরামি, অতঃপর আল-আদুলি। তিনি আবু আবদুর রহমান উপনাম গ্রহণ করতেন এবং মিসরের বিচারক ছিলেন। তিনি তাঁর সমসাময়িক এবং অন্যদের মধ্য থেকে একদল উচ্চপদস্থ ব্যক্তির নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমন আমর ইবনুল হারিস, লাইস ইবনে সাদ এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ও তাঁদের নিচের পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। তিনি একদল তাবিঈকে পেয়েছিলেন। আমি যেন আবদিল আহাদ ইবনে আবি জুরারাহ-র মতো (কোনো স্তর থেকে বর্ণনা করছি)। আবু জুরারাহ-র নাম ছিল লাইস ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘ আসিম ইবনে কুলাইব ইবনে জাব্বার ইবনে জাবর ইবনে আসআদ আল-কাতবানি। আবদিল আহাদ দুইশত আটাশ হিজরি সনের রজব মাসের শেষ শুক্রবার রাতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর জন্ম ছিল একশত বিয়াল্লিশ সালে। তাঁর উপনাম ছিল আবু জুরআ। আর যারা আমার থেকে এটি শুনছে, তারা ইয়াসিন ইবনে আবদিল আহাদের মতো, যিনি তাঁর পুত্র। ইয়াসিন দুইশত উনসত্তর হিজরি সনের রমজান মাসের দশ তারিখ শনিবার মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর উপনাম ছিল আবু আল-ইয়ামান। আর তিনি আমাদের শায়খের শায়খের শায়খ আবু আল-হুসাইন ইবনুল মুজাফ্ফরের সমপর্যায়ের।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১০৫)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ شَاهِينَ، فِيمَا أَجَازَهُ لَنَا، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ جَعْفَرٍ السَّبِيعِيَّ حَدَّثَهُمْ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ
⦗ص: 106⦘ جَابِرٍ الْمِصِّيصِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ
⦗ص: 107⦘ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ
⦗ص: 108⦘ رَجُلًا مِنَ الْأَزْدِ، يُقَالُ لَهُ ابْنُ اللُّتْبِيَّةِ عَلَى الصَّدَقَةِ، فَقَدِمَ عَلَيْهِ بِمَالٍ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذَا لَكُمْ، وَهَذِهِ هَدِيَّةٌ أُهْدِيَتْ لِي، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«هَلَّا قَعَدْتَ فِي بَيْتِ أَبِيكَ وَأُمِّكَ حَتَّى يُهْدَى لَكَ؟» ، ثُمَّ قَامَ بَيْنَ ظَهْرَانَيْ أَصْحَابِهِ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ، فَقَالَ: " إِنِّي بَعَثْتُ رِجَالًا عَلَى أَعْمَالٍ، فَيَأْتِي الرَّجُلُ، فَيَقُولُ: هَذَا لَكُمْ، وَهَذَا أُهْدِيَ لِي، فَهَلَّا يَقْعُدُ أَحَدُهُمْ فِي بَيْتِ أَبِيهِ وَأُمِّهِ حَتَّى يُهْدَى إِلَيْهِ؟، وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ، لَا يَغُلُّ رَجُلٌ مِنْهُمْ بَعِيرًا إِلَّا جَاءَ بِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى عُنُقِهِ، لَهُ رُغَاءٌ، وَلَا يَأْخُذُ بَقَرَةً إِلَّا جَاءَ بِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَهَا خُوَارٌ، وَلَا شَاةً إِلَّا جَاءَ بِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ لَهَا يُعَارٌ "، ثُمَّ قَالَ: «اللَّهُمَّ هَلْ بَلَّغْتُ؟» . هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، مِنْ حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ يَسَارٍ صَاحِبِ الْمَغَازِي، وَهُوَ يَدْخُلُ فِي رِوَايَةِ الْأَكَابِرِ عَنِ الْأَصَاغِرِ، لِأَنَّ يَزِيدَ بْنَ أَبِي حَبِيبٍ هُوَ شَيْخُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، وَحَدَّثَ عَنْهُ كَثِيرًا، وَمَاتَ يَزِيدُ قَبْلَهُ بِثَلَاثٍ وَعِشْرِينَ سَنَةً عَلَى قَوْلِ مَنْ يَقُولُ إِنَّ ابْنَ إِسْحَاقَ تُوفِّيَ سَنَةَ إِحْدَى وَخَمْسِينَ وَمَايَةٍ، وَهُوَ الْأَكْثَرُ.
⦗ص: 109⦘ أَخْبَرَنَاهُ عَالِيًا: أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ مِهْرَانَ الصَّفَّارُ الضَّرِيرُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ وَرْدَانَ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ الْأَنْصَارِيِّ أَخِي بَنِي سَاعِدَةَ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَعْمَلَ ابْنَ اللُّتْبِيَّةَ الْأَسَدِيَّ عَلَى صَدَقَاتِ بَنِي سُلَيْمٍ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «هَلَّا جَلَسْتَ فِي بَيْتِ أَبِيكَ وَأُمِّكَ حَتَّى تَأْتِيَكَ هَدِيَّتُكَ؟» الْحَدِيثُ هَكَذَا كَانَ فِي الْأَصْلِ مُخْتَصَرًا،
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، مِنْ حَدِيثِ أَبِي الْمُنْذِرِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ
⦗ص: 110⦘ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ وَاسْمُهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعْدِ بْنِ الْمُنْذِرِ. اتَّفَقَ الشَّيْخَانِ عَلَى إِخْرَاجِهِ، فَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مُوسَى، وَعُبَيْدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ
وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدَةَ،
⦗ص: 111⦘ وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي كُرَيْبٍ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، وَابْنِ نُمَيْرٍ، وَأَبِي مُعَاوِيَةَ،
⦗ص: 112⦘ وَعَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ سُلَيْمَانَ، وَعنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ، عَنْ سُفْيَانَ، كُلُّهُمْ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ،
⦗ص: 113⦘ وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ أَبِي الْيَمَانِ، عَنْ شُعَيْبٍ، وَعنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ، وَعَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ، كِلَاهُمَا عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ،
⦗ص: 114⦘ وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، وَعَمْرٍو النَّاقِدِ، وَابْنِ أَبِي عُمَرَ، عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، وَعنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدِ بْنِ
⦗ص: 115⦘ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، كُلُّهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ،
⦗ص: 116⦘ وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيِّ،
⦗ص: 117⦘ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، كُلُّهُمْ عَنْ عُرْوَةَ، فَشَيْخُنَا يُسَاوِي مُسْلِمًا فِي رِوَايَةِ مَعْمَرٍ، إِلَى الزُّهْرِيِّ، وَفِي رِوَايَةِ أَبِي إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيِّ إِلَى عُرْوَةَ. أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْحَضْرَمِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ،
⦗ص: 118⦘ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ رَجُلًا عَلَى الصَّدَقَةِ، فَلَمَّا جَاءَ بَعَثَ إِلَيْهِ مَنْ يُحَاسِبُهُ» . وَأَخْبَرَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ،
⦗ص: 119⦘ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الضَّحَّاكِ الْعُرْضِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، وَهِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ
⦗ص: 120⦘ السَّاعِدِيِّ ابْنِ أَخِي بَنِي سَاعِدَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ رَجُلًا عَلَى الصَّدَقَةِ» ، وَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ. ثُمَّ قَامَ فَقَالَ: «أَلَا هَلْ بَلَّغْتُ؟ ثَلَاثًا» ، قَالَ أَبُو حُمَيْدٍ: بَصُرَ عَيْني، وَسَمِعَ أُذُنِي، فَكَأَنَّ شَيْخَنَا فِي هَذَيْنِ الطَّرِيقَيْنِ وَشَيْخَنَا أَبَا بَكْرٍ الصَّفَّارَ قَبْلَهُ، سَمِعَاهُ مِنَ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، وَمَاتَ اللَّيْثُ لِلنِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَسَبْعِينَ وَمَايَةٍ، وَكَانَ مَوْلِدُهُ فِي شَعْبَانَ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَ، وَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي صَالِحٍ كَاتِبِ اللَّيْثِ، وَمَاتَ أَبُو صَالِحٍ يَوْمَ الْأَرْبِعَاءِ الْعَاشِرِ مِنَ الْمُحَرَّمِ، مِنْ سَنَةِ ثَلَاثٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَتَيْنِ، وَكَانَ مَوْلِدُهُ فِي سَنَةِ سَبْعٍ وَثَلَاثِينَ وَمَايَةٍ، وَأَكُونُ مِثْلَ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا أَبِي حَفْصِ بْنِ شَاهِينَ. وَقَدْ رَوَاهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ. مُخْتَصَرًا، وَسَاقَهُ بِلَفْظِ لَا أَعْلَمُ لَهُ مُتَابِعًا عَلَيْهِ
৫ - আবু হাফস উমর ইবনে আহমদ ইবনে উসমান ইবনে শাহীন আমাদের নিকট যা অনুমোদন করেছেন তাতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, উসমান ইবনে জাফর আস-সাবিঈ তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ১০৬⦘ জাবির আল-মিসসিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি হিশাম ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ১০৭⦘ উরওয়াহ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আবু হুমাইদ আস-সাঈদী থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
⦗পৃষ্ঠা: ১০৮⦘ আযদ গোত্রের এক ব্যক্তিকে সাদাকা সংগ্রহের জন্য নিয়োজিত করেন, যাকে ইবনুল লুতবিয়াহ বলা হতো। অতঃপর সে কিছু সম্পদ নিয়ে তাঁর নিকট আসলো এবং বলল: হে আল্লাহর রাসুল, এটি আপনাদের জন্য, আর এটি একটি উপহার যা আমাকে দেওয়া হয়েছে। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
“তুমি তোমার বাবা-মায়ের ঘরে বসে থাকলে না কেন, তখন দেখতে তোমাকে উপহার দেওয়া হয় কি না?” অতঃপর তিনি তাঁর সাহাবীদের মাঝে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন যেভাবে তিনি তার যোগ্য, তারপর বললেন: “আমি কিছু লোককে বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়ে থাকি, অতঃপর তাদের কেউ এসে বলে: এটি আপনাদের জন্য, আর এটি আমাকে উপহার দেওয়া হয়েছে। সে তার বাবা-মায়ের ঘরে বসে থাকল না কেন, তখন দেখতে তাকে উপহার দেওয়া হয় কি না? সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ রয়েছে, তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি যা কিছু আত্মসাৎ করবে তা কিয়ামতের দিন সে নিজ ঘাড়ে বহন করে নিয়ে আসবে; যদি তা উট হয় তবে তা ডাকতে থাকবে, যদি তা গরু হয় তবে তাও ডাকতে থাকবে, আর যদি তা ছাগল হয় তবে তা চিৎকার করতে থাকবে।” অতঃপর তিনি বললেন: “হে আল্লাহ, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি?” এটি ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিবের সূত্র থেকে বর্ণিত একটি গরীব (একক) হাদিস, যা মাগাজি শাস্ত্রের রচয়িতা মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণিত। এটি বড়দের থেকে ছোটদের বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত, কারণ ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব হলেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাকের শিক্ষক এবং তিনি তাঁর থেকে অনেক বর্ণনা করেছেন। ইয়াজিদ তাঁর ২৩ বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন, তাদের কথা অনুযায়ী যারা বলেন যে ইবনে ইসহাক ১৫১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন এবং এটিই অধিকাংশের মত।
⦗পৃষ্ঠা: ১০৯⦘ আমাদের এটি উচ্চতর সনদে সংবাদ দিয়েছেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মিহরান আস-সাফফার আদ-দারীর তাঁর নিকট কিরাআতের মাধ্যমে, তিনি বলেন, ইসমাইল ইবনে দাউদ ইবনে ওয়ারদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-মুফাদ্দাল ইবনে ফাদালাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি বনী সাঈদাহর ভাই আবু হুমাইদ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসাদি গোত্রের ইবনুল লুতবিয়াহকে বনী সুলাইমের সাদাকা আদায়ের জন্য নিয়োজিত করেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: “তুমি তোমার বাবা-মায়ের ঘরে বসে থাকলে না কেন, যতক্ষণ না তোমার নিকট তোমার উপহার আসে?” মূল পাণ্ডুলিপিতে হাদিসটি এভাবেই সংক্ষেপে ছিল।
এই হাদিসটি সহীহ, যা আবু আল-মুনজির হিশাম ইবনে উরওয়াহ ইবনে আজ-জুবায়ের এর সূত্রে বর্ণিত
⦗পৃষ্ঠা: ১১০⦘ তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুমাইদ আস-সাঈদী থেকে, আর তাঁর নাম হলো আবদুর রহমান ইবনে সাদ ইবনে আল-মুনজির। শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) এটি বর্ণনার ক্ষেত্রে একমত হয়েছেন। ইমাম বুখারী এটি ইউসুফ ইবনে মুসা এবং উবাইদ ইবনে ইসমাইলের সূত্রে আবু উসামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন
এবং মুহাম্মাদ ইবনে আবদাহ থেকে,
⦗পৃষ্ঠা: ১১১⦘ আর ইমাম মুসলিম এটি আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু উসামাহ থেকে, ইবনে নুমাইর ও আবু মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ১১২⦘ এবং আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি আবদুর রাহিম ইবনে সুলাইমান থেকে, এবং মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবি উমর থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁদের সকলেই হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ১১৩⦘ আর ইমাম বুখারী এটি আবু আল-ইয়ামান থেকে, তিনি শুআইব থেকে, এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ও আলী ইবনে আল-মাদিনী থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই ইবনে উয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ১১৪⦘ আর ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর, আমর আন-নাকিদ এবং ইবনে আবি উমর থেকে, তাঁরা ইবনে উয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ও আবদ ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ১১৫⦘ হুমাইদ থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলেই যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ১১৬⦘ আর ইমাম মুসলিম এটি ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি জারীর থেকে, তিনি আবু ইসহাক আশ-শায়বানী থেকে,
⦗পৃষ্ঠা: ১১৭⦘ তিনি আবু যিনাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলেই উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে মা’মার থেকে যুহরী পর্যন্ত বর্ণনায় আমাদের উস্তাদ ইমাম মুসলিমের সমপর্যায়ের, এবং আবু ইসহাক আশ-শায়বানী থেকে উরওয়াহ পর্যন্ত বর্ণনায়ও। আমাদের এটি আবু আল-হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান আল-হাদরামি তাঁর নিকট কিরাআতের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, উসমান ইবনে আবি শাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ১১৮⦘ আবদাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুমাইদ আস-সাঈদী থেকে বর্ণনা করেন যে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে সাদাকা আদায়ের জন্য পাঠালেন। অতঃপর যখন সে ফিরে আসলো, তিনি তার নিকট হিসাব গ্রহণকারীকে পাঠালেন।” এবং আমাদের এটি আলী ইবনে উমর আল-হাদরামি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ১১৯⦘ আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আদ-দাহহাক আল-উরজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ও হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তাঁরা উরওয়াহ থেকে, তিনি বনী সাঈদাহর ভাই আবু হুমাইদ
⦗পৃষ্ঠা: ১২০⦘ আস-সাঈদী থেকে বর্ণনা করেন যে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে সাদাকা আদায়ের জন্য পাঠালেন”, এবং তিনি দীর্ঘ হাদিসটি উল্লেখ করেন। অতঃপর তিনি দাঁড়ালেন এবং বললেন: “শোনো, আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? (একথাটি তিনি তিনবার বললেন)।” আবু হুমাইদ বলেন: আমার চক্ষু দেখেছে এবং আমার কর্ণ শুনেছে। যেন আমাদের এই দুই সূত্রের উস্তাদ এবং তাঁর পূর্বের উস্তাদ আবু বকর আস-সাফফার এটি লাইস ইবনে সাদ থেকে শুনেছেন। লাইস ১৭৫ হিজরির ১৫ই শাবান মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর জন্ম হয়েছিল ৯৪ হিজরির শাবান মাসে। আর আমি যেন এটি লাইসের লেখক আবু সালিহ থেকে শুনেছি। আবু সালিহ ২২৩ হিজরির ১০ই মহরম বুধবার মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৩৭ হিজরিতে। আর আমি হলাম আমার উস্তাদের উস্তাদের উস্তাদ আবু হাফস ইবনে শাহীনের মতো। ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ এটি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আবু হুমাইদ থেকে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এমন শব্দে তা বর্ণনা করেছেন যার কোনো অনুসারী বর্ণনাকারী আছে বলে আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১২০)
6 - وَهُوَ مَا أَخْبَرَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ ⦗ص: 121⦘ بْنِ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الضَّحَّاكِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «هَدَايَا الْأُمَرَاءِ غُلُولٌ» . هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، لَا أَعْلَمُ حَدَّثَ بِهِ عَنْهُ غَيْرَ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ بِهَذَا اللَّفْظِ
৬ - এবং এটিই আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-হাদরামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ⦗পৃষ্ঠা: ১২১⦘ ইবনে সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আদ-দাহহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আবু হুমাইদ আস-সাঈদী থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «শাসকদের প্রদত্ত উপহার হলো আত্মসাৎকৃত সম্পদ (খিয়ানত)»। এটি একটি গরিব হাদিস, যা আবু সাঈদ ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারির হাদিস হতে, আবু আব্দুল্লাহ উরওয়াহ ইবনে আয-যুবাইর থেকে বর্ণিত, আমার জানা মতে ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ ব্যতীত আর কেউ তাঁর থেকে এই শব্দে এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১২১)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الزَّيَّاتِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنْبَأَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ شَيْبَةَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِي، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ دَاوُدَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا ⦗ص: 122⦘ أَشْعَثُ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادٍ، ⦗ص: 123⦘ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ ". أَخْبَرَنَاهُ عَالِيًا: أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ حَيُّوَيْهِ الْخَزَّازُ ⦗ص: 124⦘ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى يَعْنِي ابْنَ حَمَّادٍ النَّرْسِيَّ، وَأنبأنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ النَّاقِدُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بِسْطَامٍ الزَّعْفَرَانِيُّ بِالْأُبُلَّةِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، وَأَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمَتُّوثِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنِي حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، ⦗ص: 125⦘ عَنْ جَابِرٍ. زَادَ النَّاقِدُ، وَالْخَزَّازُ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ يَوْمَ الْفَتْحِ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ، وَقَالَ الْخَزَّازُ: إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ، وَقَالَ الْمَتُّوثِيُّ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ يَوْمَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ، هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، مِنْ حَدِيثِ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، انْفَرَدَ مُسْلِمٌ بِإِخْرَاجِهِ، فَأَخْرَجَهُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ عَمَّارٍ ⦗ص: 126⦘ الدُّهْنِيِّ، وَعنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، وَقُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ عَمَّارٍ ⦗ص: 127⦘ الدُّهْنِيِّ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، وَكَأَنَّ شُيُوخَنَا فِي الطَّرِيقِ الْعَالِيَةِ سَمِعُوهُ مِنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ، وَمَاتَ أَبُو إِسْحَاقَ سَنَةَ خَمْسٍ وَثَمَانِينَ وَمَايَةٍ بِالْمَصِّيصَةِ، وَقِيلَ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ، وَالْأَوَّلُ أَكْثَرُ، وَكَانَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ خَمْسٍ وَمَايَةٍ، وَاسْمُهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَرْثِ بْنِ أَسْمَاءَ بْنِ خَارِجَةَ بْنِ حِصْنِ بْنِ حُذَيْفَةَ بْنِ بَدْرٍ، ⦗ص: 128⦘ وَكَانَ جَلِيلًا فِي نَسَبِهِ، حَدَّثَ عَنْهُ أَبُو عَمْرٍو الْأَوْزَاعِيُّ، وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন আয-যাইয়াত তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইয়াকূব ইবন শাইবাহ আমার বাড়িতে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবন দাউদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমর ইবন খালিদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১২২⦘ আশআস, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১২৩⦘ তিনি আবু যুবায়র থেকে, তিনি জাবির থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন প্রবেশ করলেন "এবং তাঁর মাথায় একটি কালো পাগড়ি ছিল।" এটি আমাদের উচ্চ সনদে সংবাদ দিয়েছেন: আবু উমর মুহাম্মদ ইবন আব্বাস ইবন মুহাম্মদ ইবন যাকারিয়া ইবন হাইয়ুওয়াইহ আল-খাযযায ⦗পৃষ্ঠা: ১২৪⦘ তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন সুলাইমান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল আলা অর্থাৎ ইবন হাম্মাদ আন-নারসী, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী আন-নাক্বিদ তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলী আল-হুসাইন ইবন আহমদ ইবন বিস্তাম আয-যা'ফরানি উবুল্লাহতে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন মুআবিয়া, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ, এবং এটি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম উবাইদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন সুলাইমান আল-মাততূসী তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল আজিজ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনুল জা'দ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ, আবু যুবায়র থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১২৫⦘ তিনি জাবির থেকে। নাক্বিদ এবং খাযযায (ইবন আবদুল্লাহ) বৃদ্ধি করেছেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিজয়ের দিন মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং তাঁর মাথায় একটি কালো পাগড়ি ছিল। খাযযায বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং তাঁর মাথায় একটি কালো পাগড়ি ছিল। মাততূসী বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিজয়ের দিন প্রবেশ করলেন এবং তাঁর মাথায় একটি কালো পাগড়ি ছিল। এটি আবু যুবায়র থেকে জাবিরের বর্ণনায় একটি সহীহ হাদীস, ইমাম মুসলিম এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি আলী ইবন হাকিম থেকে, তিনি শারীক থেকে, তিনি আম্মার ⦗পৃষ্ঠা: ১২৬⦘ আদ-দুহনী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া ও কুতাইবাহ ইবন সাঈদ থেকে, তারা মুআবিয়া ইবন আম্মার ⦗পৃষ্ঠা: ১২৭⦘ আদ-দুহনী থেকে, সকলেই আবু যুবায়র থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন। আর মনে হয় আমাদের শায়খগণ উচ্চ সনদে এটি আবু ইসহাক আল-ফাযারি থেকে শুনেছেন। আবু ইসহাক ১৮৫ হিজরীতে মাসসীসাহ নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন; কেউ কেউ বলেন ১৮৬ হিজরীতে, তবে প্রথমটিই অধিক প্রসিদ্ধ। তাঁর জন্ম ১০৫ হিজরীতে। তাঁর নাম হলো ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হারিস ইবন আসমা ইবন খারিজাহ ইবন হিসন ইবন হুযাইফাহ ইবন বদর। ⦗পৃষ্ঠা: ১২৮⦘ তিনি বংশমর্যাদায় অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন। তাঁর থেকে আবু আমর আল-আওযায়ী এবং সুফিয়ান আস-সাওরী হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১২৯)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ الزُّهْرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَّادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، يَقُولُ: ⦗ص: 130⦘ قَالَ لِي أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ: أُدْخِلْتُ عَلَى هَارُونَ الرَّشِيدِ، فَلَمَّا رَآنِي رَفَعَ رَأْسَهُ إِلَيَّ، ثُمَّ قَالَ لِي: يَا أَبَا إِسْحَاقَ، إِنَّكَ فِي مَوْضِعٍ وَفِي شَرَفٍ، فَقُلْتُ: «أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، إِنَّ ذَلِكَ لَا يُغْنِي عَنِّي فِي الْآخِرَةِ شَيْئًا» . أَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَيَّانَ الْخَلَّالُ الشَّافِعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ هِلَالٍ الشَّطَوِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: ⦗ص: 131⦘ سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ يَقُولُ: قَالَ هَارُونُ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ لِأَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ: أَيُّهَا الشَّيْخُ إِنَّكَ فِي مَوْضِعٍ مِنَ الْعَرَبِ، قَالَ: «إِنَّ ذَاكَ لَنْ يُغْنِيَ عَنِّي مِنَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَيْئًا» . وَرِوَايَةُ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ تَدْخُلُ فِي رِوَايَةِ الْأَقْرَانِ بَعْضُهُمْ عَنْ بَعْضٍ؛ لِأَنَّهُ كَانَ مِنْ أَقْرَانِهِ، وَكَانَ أَبُو إِسْحَاقَ أَسَنَّ مِنْهُ؛ لِأَنَّ ابْنَ الْمُبَارَكِ مَاتَ لِثَلَاثَةَ عَشَرَ خَلَوْنَ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ مِنْ سَنَةِ إِحْدَى وَثَمَانِينَ وَمَايَةٍ، وَلَهُ ثَلَاثٌ وَسِتُّونَ سَنَةً. وَكَأَنِّي فِي حَدِيثِ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ مِثْلُ عَمْرِو بْنِ خَالِدٍ، وَمَاتَ عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ يَوْمَ الِاثْنَيْنِ لِتِسْعِ لَيَالٍ خَلَوْنَ مِنْ شَوَّالٍ مِنْ سَنَةِ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَمَايَتَيْنِ، وَهُوَ عَمْرُو بْنُ خَالِدِ بْنِ فَرُّوخَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَاقِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَنْظَلِيُّ التَّمِيمِيُّ، يُكْنَى أَبَا الْحَسَنِ، حَرَّانِيٌّ، أَقَامَ بِمِصْرَ إِلَى أَنْ تُوفِّيَ بِهَا، أَخْرَجَ عَنْهُ الْبُخَارِيُّ كَثِيرًا فِي جَامِعِهِ الصَّحِيحِ. ⦗ص: 132⦘ وَكَأَنَّ مَنْ يَسْمَعُهُ مِنِّي مِثْلَ عَلِيِّ بْنِ دَاوُدَ الْقَنْطَرِيِّ، وَمَاتَ الْقَنْطَرِيُّ فِي ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ اثْنَتَيْنِ وَسَبْعِينَ وَمَايَتَيْنِ، فَإِنِّي فِيهِ مِثْلُ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا أَبِي حَفْصِ بْنِ الزَّيَّاتِ، وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، مِثْلَ رِوَايَةِ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، وَهُوَ غَرِيبٌ جِدًّا
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন সা'দ আজ-জুহরী, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন খাল্লাদ। তিনি বলেন, আমি সুফিয়ান বিন উয়াইনাহকে বলতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ১৩০⦘ আবু ইসহাক আল-ফাজারী আমাকে বললেন: আমাকে হারুনুর রশিদের নিকট নিয়ে যাওয়া হলো। তিনি যখন আমাকে দেখলেন, আমার দিকে মাথা তুললেন, তারপর আমাকে বললেন: হে আবু ইসহাক, আপনি একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে এবং সম্মানের মধ্যে আছেন। আমি বললাম: «হে আমিরুল মুমিনীন, নিশ্চয়ই তা পরকালে আমার কোনো উপকারে আসবে না»। আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন খালাফ বিন মুহাম্মাদ বিন হাইয়ান আল-খাল্লাল আশ-শাফিঈ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন হিলাল আশ-শাতওয়ী। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আমর আল-বাহিলী। তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১৩১⦘ আমি সুফিয়ান বিন উয়াইনাহকে বলতে শুনেছি: আমিরুল মুমিনীন হারুন আবু ইসহাক আল-ফাজারীকে বললেন: হে শায়খ, আরবদের মাঝে আপনার একটি বিশেষ অবস্থান রয়েছে। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট তা আমার কোনো উপকারে আসবে না»। আব্দুল্লাহ বিন মুবারক থেকে আবু ইসহাক আল-ফাজারীর বর্ণনাটি সমসাময়িকদের একে অপরের থেকে বর্ণনার (রিওয়ায়াতুল আকরান) অন্তর্ভুক্ত; কারণ তিনি তাঁর সমসাময়িক ছিলেন, যদিও আবু ইসহাক বয়সে তাঁর বড় ছিলেন। কারণ ইবনুল মুবারক ১৮১ হিজরি সালের ১৩ই রমজান ইন্তেকাল করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ৬৩ বছর। ইবনুল মুবারক থেকে আবু ইসহাক বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে আমি যেন আমর বিন খালিদের মতো। আমর বিন খালিদ ২২৯ হিজরি সালের ৯ই শাওয়াল সোমবার ইন্তেকাল করেন। তিনি হলেন আমর বিন খালিদ বিন ফাররুখ বিন সাঈদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওয়াকিদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হানজালী আত-তামিমী, তাঁর উপনাম আবুল হাসান, তিনি হাররানের অধিবাসী ছিলেন, তবে মৃত্যু পর্যন্ত মিসরে বসবাস করেছেন। ইমাম বুখারী তাঁর জামে সহীহ-তে তাঁর থেকে প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১৩২⦘ আর আমার থেকে যিনি এটি শুনছেন, তিনি যেন আলী বিন দাউদ আল-কান্তারীর মতো। আল-কান্তারী ২৭২ হিজরি সালের জিলহজ মাসে ইন্তেকাল করেন। এ বিষয়ে আমি আমাদের উস্তাদের উস্তাদের উস্তাদ আবু হাফস বিন আজ-জায়্যাতের মতো। এই হাদিসটি জুহরী থেকে, আনাসের সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যেমনটি বর্ণিত হয়েছে জাবিরের সূত্রে আবু জুবায়েরের বর্ণনায়; আর এটি অত্যন্ত বিরল (গরীব)।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৩২)
9 - أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّرَّاجُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْأَشْعَثِ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ الْأَخْيَلِ ⦗ص: 133⦘ الْعَبْسِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الْمَوَالِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ» . هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، وَهَذَا اللَّفْظُ مَا كَتَبْنَاهُ عَنْهُ إِلَّا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، وَالصَّحِيحُ الْمَحْفُوظُ عَنِ الزُّهْرِيِّ فِي ذَلِكَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ يَوْمَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ، وَقِيلَ فِيهِ، وَعَلَى رَأْسِهِ مِغْفَرٌ مِنْ حَدِيدٍ، وَقَدْ خَرَّجْنَاهُ مِنْ عِدَّةِ طُرُقٍ، فِيمَا تَقَدَّمَ قَبْلَ هَذَا الْجُزْءِ
৯ - আবু আল-কাসিম মুসা বিন ঈসা বিন আবদুল্লাহ আস-সাররাজ তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন সুলায়মান বিন আল-আশআস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন আল-আখয়িল ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৩⦘ আল-আবসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবিল মাওয়াল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আজ-জুহরি থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন প্রবেশ করেন এবং তাঁর মাথায় একটি কালো পাগড়ি ছিল।» এটি একটি গারিব হাদিস, আজ-জুহরি থেকে আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বর্ণনায় এটি গারিব, আর এই শব্দে আমরা এটি কেবল এই সূত্র থেকেই লিপিবদ্ধ করেছি। এ বিষয়ে আজ-জুহরি থেকে বর্ণিত বিশুদ্ধ ও সংরক্ষিত (মাহফুজ) বর্ণনা হলো যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিজয়ের দিন প্রবেশ করেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। কোনো কোনো বর্ণনায় বলা হয়েছে, তাঁর মাথায় লোহার শিরস্ত্রাণ ছিল। আমরা এই খণ্ডের পূর্বে এটি একাধিক সূত্রে বর্ণনা করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৩৩)
10 - أَخْبَرَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جيَّانَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَيُّوبَ السَّقَطِيُّ، ⦗ص: 134⦘ وَأَخْبَرَنَاهُ مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ لُوَيْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، وَقَالَ ابْنُ جيَّانَ: عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ مِغْفَرٌ، فَقِيلَ: هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ، فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ» . ⦗ص: 135⦘ وَهَذَا لَفْظُ مُوسَى، وَقَالَ ابْنُ جيَّانَ: إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَى رَأْسِهِ مِغْفَرٌ، فَقِيلَ لَهُ: هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِالْأَسْتَارِ، فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ»
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন খালাফ ইবন মুহাম্মদ ইবন জিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবন আইয়ুব আস-সাকাতি, ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৪⦘ এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুসা ইবন ঈসা ইবন আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন সুলাইমান; তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন সুলাইমান লুয়াইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবন আনাস, যুহরি থেকে; আর ইবন জিয়ান বলেছেন: ইবন শিহাব থেকে, আনাস ইবন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। তখন বলা হলো: এই যে ইবন খাতাল কাবার পর্দার সাথে ঝুলে আছে। তিনি বললেন: «তাকে হত্যা করো»। ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৫⦘ আর এটি মুসার শব্দবিন্যাস। ইবন জিয়ান বলেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। তখন তাঁকে বলা হলো: এই যে ইবন খাতাল পর্দার সাথে ঝুলে আছে। তিনি বললেন: «তাকে হত্যা করো»।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৩৫)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّاقِدُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا ⦗ص: 136⦘ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الدَّالَانِيُّ يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، ⦗ص: 137⦘ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «رَحِمَ اللَّهُ عَبْدًا كَانَتْ لِأَخِيهِ عِنْدَهُ مَظْلِمَةٌ فِي عِرْضٍ أَوْ مَالٍ فَاسْتَحَلَّهَا مِنْهُ قَبْلَ أَنْ يُؤْخَذَ مِنْهُ، وَلَيْسَ ثَمَّ دِينَارٌ وَلَا دِرْهَمٌ، فَإِنْ كَانَ لَهُ حَسَنَاتٌ أَخَذَهَا مِنْ حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ حَسَنَاتٌ حَمَلُوا عَلَيْهِ مِنْ سَيِّئَاتِهِمْ» . لَمْ يَسْمَعْ زَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ هَذَا الْحَدِيثَ مِنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، بَيْنَهُمَا فِيهِ مَالِكٌ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাক্বিদ, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল জব্বার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-কুরাশী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৬⦘ আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-মুহারিবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খালিদ আদ-দালানি ইয়াযিদ ইবনে আব্দুর রহমান, যায়েদ ইবনে আবি আনাইসাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১৩৭⦘ তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আল্লাহ সেই বান্দার প্রতি দয়া করুন, যার নিকট তার ভাইয়ের সম্মানহানি বা ধন-সম্পদ সংক্রান্ত কোনো জুলুম (হক) পাওনা রয়েছে, অতঃপর সে তা থেকে (বিচারের দিনে) পাকড়াও হওয়ার পূর্বেই তার কাছ থেকে তা ক্ষমা করিয়ে নিল; অথচ সেখানে কোনো দিনার বা দিরহাম থাকবে না। সুতরাং যদি তার কোনো নেক আমল থাকে, তবে তার নেক আমল থেকে (পাওনাদারের পাওনা পরিমাণ) গ্রহণ করা হবে। আর যদি তার কোনো নেক আমল না থাকে, তবে তাদের (পাওনাদারদের) গুনাহসমূহ তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।" যায়েদ ইবনে আবি আনাইসাহ এই হাদিসটি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে শোনেননি, তাঁদের উভয়ের মাঝে (সূত্রে) মালেক রয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৩৮)
12 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ شَاهِينَ، فِيمَا أَجَازَهُ لَنَا، أَنَّ أَحْمَدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيٍّ الرَّازِيَّ حَدَّثَهُمْ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الطَّرَائِفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُعَافَى بْنُ أَبِي كَرِيمَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَتْ بَيْنَهُ وَبَيْنَ أَخِيهِ مَظْلَمَةٌ فَلْيَسْتَحِلَّهُ قَبْلَ لَا دِينَارَ وَلَا دِرْهَمَ»
১২ - উমর ইবনে আহমদ ইবনে উসমান ইবনে শাহীন আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন তাঁর সেই বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত যা তিনি আমাদের অনুমতি (ইজাজত) দিয়েছেন যে, আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আলী আর-রাযী তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আলী আত-তরাইফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল মুয়াফা ইবনে আবি কারীমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আব্দুর রাহীম থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আবি আনাইসাহ থেকে, তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যার এবং তার ভাইয়ের মধ্যে কোনো জুলুম (বা অধিকারের বিষয়) থাকে, সে যেন দিনার ও দিরহাম (না থাকার দিন) আসার পূর্বেই তার নিকট থেকে তা হালাল করিয়ে নেয় (অর্থাৎ নিষ্পত্তি করে নেয়)।’
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৩৯)
13 - أَخْبَرَنَاهُ عَالِيًا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ حُبَابَةَ الْمَتُّوثِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَنْبَأَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ كَانَتْ لِأَخِيهِ عِنْدَهُ مَظْلِمَةٌ فِي عِرْضِهِ، أَوْ مَالِهِ، فَلْيَسْتَحْلِلْهُ الْيَوْمَ قَبْلَ أَنْ يُؤْخَذَ مِنْهُ يَوْمَ لَا دِينَارَ وَلَا دِرْهَمَ، فَإِنْ كَانَ لَهُ عَمَلٌ صَالِحٌ أُخِذَ مِنْهُ بِقَدْرِ مَظْلِمَتِهِ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ عَمَلٌ أُخِذَ مِنْ سَيِّئَاتِهِ فَجُعِلَتْ عَلَيْهِ» . هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، مِنْ حَدِيثِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، انْفَرَدَ الْبُخَارِيُّ بِإِخْرَاجِهِ، فَأَخْرَجَهُ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي ⦗ص: 140⦘ أُوَيْسٍ، عَنْ مَالِكٍ، وَعنْ آدَمَ بْنِ أَبِي إِيَاسٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، ⦗ص: 141⦘ فَكَأَنَّ شَيْخَنَا فِي الرِّوَايَةِ الْعَالِيَةِ حُدِّثَ بِهِ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، وَمَاتَ زَيْدٌ فِي سَنَةِ سِتٍّ وَعِشْرِينَ، وَقِيلَ: سَنَةِ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ وَمَايَةٍ، وَلَهُ إِذْ ذَاكَ خَمْسٌ وَثَلَاثُونَ سَنَةً، وَكَانَ يُكْنَى بِأَبِي أُسَامَةَ، وَهُوَ مَوْلًى لِغَنْمٍ، وَكَانَ جَلِيلًا، حَدَّثَ عَنْهُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَمِسْعَرُ بْنُ كِدَامٍ، وَجَمَاعَةٌ مِنَ الرُّفَعَاءِ، وَمَاتَ قَبْلَ مَالِكٍ بِأَرْبَعٍ وَخَمْسِينَ سَنَةً، وَكَأَنِّي سَمِعْتُهُ مِنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَلَمَةَ، وَمَاتَ مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَتِسْعِينَ وَمَايَةٍ، وَهُوَ: مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَيُكْنَى أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، حَرَّانِيٌّ ثِقَةٌ، ⦗ص: 142⦘ وَكَأَنِّي فِيهِ مِثْلَ أَبِي الْمُعَافَى، وَاسْمُهُ: مُحَمَّدُ بْنُ وَهْبِ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَبِي كَرِيمَةَ، وَمَاتَ أَبُو الْمُعَافَى فِي شَهْرِ رَمَضَانَ مِنْ سَنَةِ ثَلَاثٍ وَأَرْبَعِينَ وَمِائَتَيْنِ، وَكَأَنَّ مَنْ يَسْمَعُهُ مِنِّي مِثْلَ شَيْخِ شَيْخِ شَيْخِنَا أَبِي حَفْصِ بْنِ شَاهِينَ، وَاسْمُ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، الرَّاوِي عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ: خَالِدِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ بْنِ سِمَاكِ بْنِ رُسْتُمَ، وَهُوَ مَوْلَى عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، وَكَأَنِّي فِي حَدِيثِ الْمُحَارِبِيِّ، عَنِ الدَّالَانِيِّ سَمِعْتُهُ مِنَ الْمُحَارِبِيِّ بِزِيَادَةِ مَالِكٍ فِيهِ، وَمَاتَ الْمُحَارِبِيُّ سَنَةَ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَمِائَةٍ، وَقِيلَ: سَنَةَ سِتٍّ، وَالْأَوَّلُ أَكْثَرُ. وَكَأَنَّ مَنْ يَسْمَعُهُ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيِّ، وَمَاتَ الصُّوفِيُّ فِي رَجَبَ سَنَةَ سِتٍّ وَثَلَاثِمَايَةٍ
১৩ - উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন হুবাবাহ আল-মাতুসি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে এটি বর্ণনা করেছেন তার সামনে পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আলী বিন আল-জা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইবনে আবি যিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «যার কাছে তার ভাইয়ের মান-সম্মান বা ধন-সম্পদ সংক্রান্ত কোনো জুলুম বা পাওনা থাকে, সে যেন আজই (দুনিয়াতে) তার কাছ থেকে ক্ষমা করিয়ে নেয় এমন দিন আসার আগে যখন কোনো দিনার এবং দিরহাম থাকবে না। যদি তার কোনো নেক আমল থাকে তবে তার জুলুমের পরিমাণ অনুযায়ী তা থেকে কেটে নেয়া হবে। আর যদি তার কোনো নেক আমল না থাকে তবে (মজলুম) ব্যক্তির গুনাহসমূহ থেকে নিয়ে তার ওপর চাপিয়ে দেয়া হবে»। এটি একটি সহীহ হাদীস, যা সাঈদ বিন আবু সাঈদ আল-মাকবুরি-এর সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত। ইমাম বুখারী এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি ইসমাইল বিন আবু ⦗পৃষ্ঠা: ১৪০⦘ উওয়াইস থেকে, তিনি মালিক থেকে এবং আদম বিন আবু ইয়াস থেকে, তিনি ইবনে আবি যিব থেকে বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১৪১⦘ যেন উচ্চ সনদের বর্ণনায় আমাদের শায়েখ এটি যাইদ বিন আবু আনাইসা থেকে শুনেছেন। যাইদ ১২৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং বলা হয় যে ১২৫ হিজরিতে। সে সময় তার বয়স ছিল ৩৫ বছর। তার উপনাম ছিল আবু উসামাহ এবং তিনি ছিলেন গানম গোত্রের মুক্তদাস। তিনি একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন, তার থেকে ইমাম মালিক বিন আনাস, মিসআর বিন কিদাম এবং একদল উচ্চপদস্থ বর্ণনাকারী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ইমাম মালিকের ৫৪ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন। আর যেন আমি এটি মুহাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে শুনেছি। মুহাম্মাদ বিন সালামাহ ১৯২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন সালামাহ বিন আব্দুল্লাহ, যার উপনাম আবু আব্দুল্লাহ; তিনি হাররানের বাসিন্দা এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী ছিলেন। ⦗পৃষ্ঠা: ১৪২⦘ আর যেন আমি এতে আবু আল-মু'আফার সমপর্যায়ের। তার নাম মুহাম্মাদ বিন ওয়াহাব বিন উমর বিন আবু কারিমাহ। আবু আল-মু'আফা ২৪৩ হিজরির রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করেন। আর যে ব্যক্তি আমার থেকে এটি শুনবে সে যেন আমাদের শায়েখের শায়েখের শায়েখ আবু হাফস বিন শাহীনের সমপর্যায়ের হবে। যাইদ বিন আবু আনাইসা থেকে বর্ণনাকারী আবু আব্দুর রহমানের নাম হলো: খালিদ বিন আবু ইয়াজিদ বিন সিমাক বিন রুস্তম, তিনি ছিলেন উসমান বিন আফফানের মুক্তদাস। আর আদ-দালানি থেকে বর্ণিত আল-মুহারিবীর হাদীসে যেন আমি সেটি আল-মুহারিবী থেকেই শুনেছি যাতে মালিকের বর্ণনাও অতিরিক্ত রয়েছে। আল-মুহারিবী ১৯৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ১৯৬ হিজরিতে, তবে প্রথমটিই অধিক প্রসিদ্ধ। আর যে ব্যক্তি আমার থেকে এটি শুনবে সে যেন আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন হাসান বিন আব্দুল জব্বার আস-সুফির স্তরের। আস-সুফি ৩০৬ হিজরির রজব মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৪৩)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ نُصَيْرِ بْنِ عَرَفَةَ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ لُؤْلُؤٍ الْوَرَّاقِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَزْمٍ الشَّاشِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْكَجِّيُّ، عَنْ أَبِي قُرَّةَ مُوسَى بْنِ طَارِقٍ، قَالَ: وَذَكَرَ ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ الرَّبِيعِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا ⦗ص: 144⦘ إِسْحَاقَ يَقُولُ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بُصَيْرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ، يُخْبِرُ ⦗ص: 145⦘ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ تَفَقَّدَ رِجَالًا فِي الصُّبْحِ: «أَيْنَ فُلَانٌ، أَيْنَ فُلَانٌ؟» ثُمَّ قَالَ: «مَا مِنْ صَلَاةٍ أَثْقَلُ عَلَى الْمُنَافِقِينَ مِنْ صَلَاةِ الْعِشَاءِ، وَصَلَاةِ الصُّبْحِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا» أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ لُؤْلُؤٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الزَّرْدِ الْأُبُلِّيِّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ وَاصِلٍ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ أَيُّوبَ ⦗ص: 146⦘ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، مِثْلَهُ
১৪ - আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন নুসায়ের বিন আরাফাহ, যিনি ইবনুল লুলু আল-ওয়াররাক নামে পরিচিত, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমরা সংবাদপ্রাপ্ত হয়েছি: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আল-বাগান্দি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হাজম আশ-শাশী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী আল-কাজ্জি, আবু কুররাহ মুসা বিন তারিক থেকে। তিনি বলেন: ইবনু জুরাইজ কায়েস বিন আল-রাবী থেকে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি আবু ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৪⦘ ইসহাককে বলতে শুনেছেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আবি বুসাইর যে, তিনি উবাই বিন কাব (রা.)-কে সংবাদ দিতে শুনেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৫⦘ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যে, তিনি ফজরের সময় কিছু লোককে অনুপস্থিত পেলেন। তখন তিনি বললেন: «অমুক কোথায়? অমুক কোথায়?» এরপর তিনি বললেন: «মুনাফিকদের জন্য এশা এবং ফজরের সালাতের চেয়ে অধিক ভারী অন্য কোনো সালাত নেই। যদি তারা জানত এই দুই সালাতের মধ্যে কী (ফজিলত) রয়েছে, তবে তারা তাতে উপস্থিত হতো হামাগুড়ি দিয়ে হলেও।» আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন লুলু, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবিয জারদ আল-উবুল্লি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন ওয়াসিল, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উহাইব, আইয়ুব ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৬⦘ আস-সাখতিয়ানি থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আবি বুসাইর থেকে, তিনি উবাই বিন কাব থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৪৬)
15 - أَخْبَرَنَاهُ بِطُولِهِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْمَتُّوثِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْأَشْعَثِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُفْيَانَ بْنِ أَبِي الزَّرْدِ الْأُبُلِّيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ وَاصِلٍ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ صَلَّى الصُّبْحَ فَقَالَ: «أَشَاهِدٌ فُلَانٌ؟» قَالُوا: لَا، قَالَ: «أَشَاهِدٌ فُلَانٌ؟» قَالُوا: لَا، قَالَ: «أَمَّا
هَاتَيْنِ الصَّلَاتَيْنِ أَثْقَلُ الصَّلَوَاتِ عَلَى الْمُنَافِقِينَ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا، وَالصَّفُّ الْمُقَدَّمُ عَلَيَّ مِثْلُ صَفِّ الْمَلَائِكَةِ، وَلَوْ تَعْلَمُونَ فَضِيلَتَهُ لَأَتَيْتُمُوهُ، وَصَلَاةُ الرَّجُلِ
⦗ص: 147⦘ مَعَ الرَّجُلِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ وَحْدَهُ، وَصَلَاةُ الرَّجُلِ مَعَ الرَّجُلَيْنِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِهِ مَعَ الرَّجُلِ، وَمَا كَانَ أَكْثَرُ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل» . قَالَ سَعِيدٌ: فَحَدَّثَنَا بِهِ شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «الصَّفُّ الْمُقَدَّمُ عَلَيَّ مِثْلُ صَفِّ الْمَلَائِكَةِ» . قَالَ أَبُو بَكْرٍ: تَفَرَّدَ بِهَا أَهْلُ الْكُوفَةِ
16 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ لُؤْلُؤٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ،
⦗ص: 148⦘ وَأَبُو مُوسَى، قَالَا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ. قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ: وَقَدْ سَمِعْتُهُ مِنَ ابْنِ أَبِي بَصِيرٍ
১৫ - ওবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-মাতুসি আমাদের এটি পূর্ণাঙ্গভাবে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে আবিল জারদ আল-উবুলি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে ওয়াসিল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: উহাইব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি বসীর থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন এবং বললেন: «অমুক কি উপস্থিত আছে?» তারা বললেন: না, তিনি বললেন: «অমুক কি উপস্থিত আছে?» তারা বললেন: না, তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই
এই দুই সালাত মুনাফিকদের জন্য সবচাইতে ভারী সালাত। আর যদি তারা জানত এই দুই সালাতে কী (মর্যাদা) রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতে উপস্থিত হতো। আর প্রথম কাতার আমার নিকট ফেরেশতাদের কাতারের মতো; তোমরা যদি এর ফযীলত জানতে তবে অবশ্যই তাতে উপস্থিত হতে। আর এক ব্যক্তির
⦗পৃষ্ঠা: ১৪৭⦘ অন্য ব্যক্তির সাথে সালাত আদায় করা একা সালাত আদায়ের চেয়ে অধিক উত্তম। এবং এক ব্যক্তির দুই ব্যক্তির সাথে সালাত আদায় করা, তার এক ব্যক্তির সাথে সালাত আদায়ের চেয়ে অধিক উত্তম। আর যা সংখ্যায় অধিক হবে, তা মহান আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়»। সাঈদ বলেন: শু'বাহ এটি আমাদের নিকট আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি বসীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: «প্রথম কাতার আমার নিকট ফেরেশতাদের কাতারের মতো»। আবু বকর বলেন: কুফাবাসীরা এটি এককভাবে বর্ণনা করেছে।
১৬ - আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে লুলু আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, বুন্দার
⦗পৃষ্ঠা: ১৪৮⦘ এবং আবু মুসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তাঁরা বলেন: মুহাম্মদ ইবনে জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, শু'বাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি বসীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু ইসহাক বলেন: আমি এটি ইবনে আবি বসীরের নিকট থেকে শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৪৮)
17 - أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَتُّوثِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ، ⦗ص: 149⦘ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ يُونُسَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: ⦗ص: 150⦘ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «صَلَاةُ الرَّجُلِ فِي الْجَمِيعِ تَفْضُلُ عَلَى صَلَاتِهِ وَحْدَهُ أَرْبَعًا وَعِشْرِينَ. . .» . وَسَاقَ الْحَدِيثَ. كَذَا فِي الْأَصْلِ، هَذَا حَدِيثٌ مُخْتَلَفٌ فِيهِ عَلَى أَبِي إِسْحَاقَ السَّبِيعِيِّ، فَقِيلَ عَنْهُ: فِيهِ أَقَاوِيلُ، وَهُوَ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ الرَّبِيعِ، مَا كَتَبْنَاهُ عَنْهُ إِلَّا مِنْ حَدِيثِ أَبِي قُرَّةَ مُوسَى بْنِ طَارِقٍ، وَهُوَ يَدْخُلُ فِي رِوَايَةِ الْكِبَارِ عَنِ الصِّغَارِ، وَمَاتَ ابْنُ جُرَيْجٍ سَنَةَ خَمْسِينَ وَمِائَةٍ، وَكَانَ مَوْلِدُهُ سَنَةَ ثَمَانِينَ، وَمَاتَ قَيْسٌ سَنَةَ سَبْعٍ وَسِتِّينَ وَمِائَةٍ، بَعْدَهُ بِسَبْعَةَ عَشَرَ سَنَةً، وَغَرِيبٌ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنْ شُعْبَةَ، مَا كَتَبْنَاهُ عَنْهُ إِلَّا مِنْ حَدِيثِ سَعِيدِ بْنِ وَاصِلٍ، عَنْ وُهَيْبِ بْنِ خَالِدٍ عَنْهُ، وَلَا رَأَيْنَاهُ إِلَّا مِنْ حَدِيثِ ابْنِ أَبِي الزَّرْدِ الْأُبُلِّيِّ، وَهُوَ يَدْخُلُ فِي رِوَايَةِ الْأَكَابِرِ عَنِ الْأَصَاغِرِ أَيْضًا، وَمَاتَ أَيُّوبُ فِي سَنَةِ إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَةٍ، وَمَاتَ شُعْبَةُ فِي سَنَةِ سِتِّينَ وَمِائَةٍ
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-মাত্তুসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান, ⦗পৃষ্ঠা: ১৪৯⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন মা'মার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আল-হানাফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু ইউনুস, আবু ইসহাক থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি বাসির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উবাই বিন কা’ব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১৫০⦘ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জামাতের সাথে একজন ব্যক্তির সালাত তার একাকী সালাতের তুলনায় চব্বিশ গুণ বেশি মর্যাদা রাখে...» তিনি হাদিসটি পূর্ণ বর্ণনা করেছেন। মূল কপিতে এভাবেই রয়েছে। এই হাদিসটি আবু ইসহাক আস-সাবি'ঈর বর্ণনায় মতভেদপূর্ণ; তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: এতে বিভিন্ন বক্তব্য রয়েছে। আর কায়েস বিন আর-রাবি' থেকে ইবনু জুরাইজের বর্ণনায় এটি গারিব (বিরল)। আমরা এটি আবু কুররাহ মুসা বিন তারিকের হাদিস ছাড়া অন্য কারও থেকে লিপিবদ্ধ করিনি। এটি বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত। ইবনু জুরাইজ ১৫০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর জন্ম ছিল ৮০ হিজরিতে। আর কায়েস ১৬৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, যা তাঁর সতের বছর পর। এটি শু'বা থেকে আইয়ুব আস-সাখতিয়ানির বর্ণনায়ও গারিব; আমরা এটি সাঈদ বিন ওয়াসিলের হাদিস ছাড়া অন্য সূত্রে লিপিবদ্ধ করিনি, যিনি উহাইব বিন খালিদ থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইবনু আবিয যারদ আল-উবুল্লির হাদিস ছাড়া আমরা এটি অন্য কোথাও দেখিনি। এটিও বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত। আইয়ুব ১৩১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং শু'বা ১৬০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৫০)
18 - أَخْبَرَنَاهُ عَالِيًا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَنْبَأَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ⦗ص: 151⦘ بْنِ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ، فَلَقِيتُ أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ، فَقُلْتُ: يَا أَبَا الْمُنْذِرِ حَدِّثْنِي بِأَعْجَبِ حَدِيثٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: صَلَّى بِنَا، أَوْ صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَاةَ الْغَدَاةِ، ثُمَّ قَالَ: «أَشَاهِدٌ فُلَانٌ؟» قُلْنَا: نَعَمْ، وَلَمْ يَشْهَدِ الصَّلَاةَ، قَالَ: «إِنَّ أَثْقَلَ الصَّلَوَاتِ عَلَى الْمُنَافِقِينَ صَلَاةُ الْعِشَاءِ وَصَلَاةُ الْفَجْرِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا، وَإِنَّ الصَّفَّ الْأَوَّلَ عَلَيَّ مِثْلُ صَفِّ الْمَلَائِكَةِ، وَلَوْ تَعْلَمُونَ فَضِيلَتَهُ لَابْتَدَرْتُمُوهُ، وَإِنَّ صَلَاتَكَ مَعَ رَجُلٍ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِكَ وَحْدَكَ، وَإِنَّ صَلَاتَكَ مَعَ رَجُلَيْنِ أَزْكَى مِنْ صَلَاتِكِ مَعَ رَجُلٍ، وَمَا أَكْثَرْتَ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل»
১৮ - উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাজ্জায উচ্চ সনদে আমাদের এটি জানিয়েছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আল-জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহায়ের আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ১৫১⦘ বিন আবি বাসীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মদীনায় আসলাম এবং উবাই ইবনে কাবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। আমি বললাম: হে আবুল মুনযির, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আপনি শুনেছেন এমন সবচেয়ে বিস্ময়কর হাদীসটি আমার কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে অথবা আমাদের তরে ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: «অমুক কি উপস্থিত আছে?» আমরা বললাম: হ্যাঁ, কিন্তু সে সালাতে উপস্থিত ছিল না। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই মুনাফিকদের উপর সবচেয়ে ভারী সালাত হলো এশার সালাত ও ফজরের সালাত। আর তারা যদি জানত এই দুই সালাতের মধ্যে কী (নেকী ও মর্যাদা) রয়েছে, তবে তারা অবশ্যই হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতে উপস্থিত হতো। আর নিশ্চয়ই প্রথম কাতার আমার নিকট ফেরেশতাদের কাতারের ন্যায়; যদি তোমরা এর মর্যাদা সম্পর্কে জানতে তবে অবশ্যই এর দিকে দ্রুত ধাবিত হতে। আর তোমার একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে অন্য এক ব্যক্তির সাথে সালাত আদায় করা অধিক উত্তম। আর একজনের সাথে সালাত আদায়ের চেয়ে দুইজনের সাথে তোমার সালাত আদায় করা অধিক উত্তম। আর সংখ্যায় যত বেশি হবে, তা মহান আল্লাহর নিকট তত বেশি প্রিয়।’
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৫১)
19 - أَخْبَرَنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ ⦗ص: 152⦘ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ، وَخَلَفٌ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، قَالُوا: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، ⦗ص: 153⦘ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْفَجْرَ، فَلَمَّا قَضَى الصَّلَاةَ رَأَى مِنْ أَهْلِ الْمَسْجِدِ قِلَّةً، فَقَالَ: «أَشَاهِدٌ فُلَانٌ؟» ، قَالَ: فَقُلْنَا: نَعَمْ، حَتَّى عَدَّ ثَلَاثَةَ نَفَرٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّهُ لَيْسَ صَلَاةٌ أَثْقَلَ عَلَى الْمُنَافِقِينَ مِنْ صَلَاةِ الْعِشَاءِ الْآخِرَةِ، وَمِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا، وَإِنَّ الصَّفَّ الْأَوَّلَ عَلَيَّ مِثْلُ صَفِّ الْمَلَائِكَةِ، وَلَوْ تَعْلَمُونَ مَا فِيهِ لَابْتَدَرْتُمُوهُ، وَإِنَّ صَلَاةَ الرَّجُلِ مَعَ الرَّجُلِ أَزْكَى مِنْ صَلَاةِ الرَّجُلِ وَحْدَهُ، وَصَلَاةُ الثَّلَاثَةِ أَزْكَى مِنْ صَلَاةِ الِاثْنَيْنِ، وَمَا كَثُرَ فَهُوَ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل» . أَخْبَرَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ لُؤْلُؤٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ أَبِي بَصِيرٍ، عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِهِ. ⦗ص: 154⦘ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ لُؤْلُؤٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْأَنْمَاطِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ الْفَرَّاءُ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ مِثْلَهُ. لَا أَعْلَمُ أَحَدًا قَالَ فِيهِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ أَبِي بَصِيرٍ، غَيْرَ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سُفْيَانَ، وَعنْ أَبِي إِسْحَاقَ سَلَّامِ بْنِ سُلَيْمٍ، فَكَأَنَّ شَيْخَنَا فِي الطُّرُقِ الْعَالِيَةِ حَدَّثُوا بِهِ عَنْ أَيُّوبَ، وَابْنِ جُرَيْجٍ، وَقَدْ قُدِّمَ ذِكْرُ وَفَاتَيْهِمَا، فَكَأَنِّي فِيهِمَا بِمَنْزِلَةِ شَيْخِ أَبِي بَكْرٍ الْبَاغَنْدِيُّ، وَأَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي دَاوُدَ، وَكَأَنِّي مِثْلَ الْبَاغَنْدِيِّ فِي رِوَايَةِ الْفَزَارِيِّ
১৯ - আমাদের নিকট এটি সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহ ⦗পৃ: ১৫২⦘ তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ ইবনে শুজা, খালাফ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আমর, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহওয়াস, ⦗পৃ: ১৫৩⦘ আবু ইসহাক থেকে, তিনি আইজার ইবনে হুরাইস থেকে, তিনি আবু বাসীর থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিদের সংখ্যা কম দেখলেন। অতঃপর তিনি বললেন: "অমুক কি উপস্থিত আছে?" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমরা বললাম: হ্যাঁ, এভাবে তিনি তিন ব্যক্তিকে গণনা করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয়ই মুনাফিকদের নিকট এশার সালাত এবং ফজরের সালাতের চেয়ে অধিক ভারী অন্য কোনো সালাত নেই। যদি তারা জানত এই দুই সালাতে কী রয়েছে, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতে উপস্থিত হতো। আর নিশ্চয়ই প্রথম কাতার আমার নিকট ফেরেশতাদের কাতারের মতো। যদি তোমরা জানতে এতে কী রয়েছে, তবে তোমরা এর জন্য প্রতিযোগিতা করতে। আর একজনের সাথে কোনো ব্যক্তির সালাত একা সালাত পড়ার চেয়ে অধিক উত্তম এবং তিনজনের সালাত দুইজনের সালাতের চেয়ে অধিক উত্তম। আর সংখ্যা যত বেশি হবে, তা মহান আল্লাহর নিকট তত বেশি প্রিয়।" আমাদের নিকট এটি সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে লুলু, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আবু শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহওয়াস, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আইজার ইবনে হুরাইস থেকে, তিনি আবু বাসীর থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ⦗পৃ: ১৫৪⦘ আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে লুলু, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আল-আনমাতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ আল-ফাররা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক আল-ফাজারি, সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আইজার ইবনে হুরাইস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু ইসহাক থেকে, আইজার ইবনে হুরাইস থেকে, আবু বাসীর-এর সূত্রে বর্ণনাকারী হিসেবে আবু ইসহাক ব্যতীত অন্য কাউকে আমি জানি না, যিনি সুফিয়ান ও আবু ইসহাক সাল্লাম ইবনে সুলাইম থেকে বর্ণনা করেছেন। অতএব মনে হচ্ছে উচ্চতর সনদের সূত্রে আমাদের শায়খগণ এটি আইয়ুব ও ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন, যাদের মৃত্যুর কথা ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এই দুইজনের ক্ষেত্রে আমি যেন আবু বকর আল-বাগন্দি ও আবু বকর ইবনে আবু দাউদের শায়খের মর্যাদায় রয়েছি, আর ফাজারির বর্ণনায় আমি যেন আল-বাগন্দির মতো।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৫৪)
20 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ⦗ص: 155⦘ بْنِ الْعَبَّاسِ الصَّيْرَفِيُّ، حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ الْمُلَائِيِّ، عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، ⦗ص: 156⦘ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ: ⦗ص: 157⦘ {وَمَا أَنْفَقْتُمْ مِنْ شَيْءٍ فَهُوَ يُخْلِفُهُ} [سبأ: 39] ، «فِي غَيْرِ إِسْرَافٍ وَلَا تَقْتِيرٍ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবন উমর ইবন মুহাম্মদ আল-হাদরামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ⦗পৃষ্ঠা: ১৫৫⦘ ইবন আল-আব্বাস আস-সায়রাফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লুওয়াইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবন যাকারিয়া, আমর ইবন কায়স আল-মুলায়ি থেকে, তিনি আল-মিনহাল ইবন আমর থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবাইর থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১৫৬⦘ তিনি ইবন আব্বাস (রাযি.) থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১৫৭⦘ {আর তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার বিনিময় দান করেন} [সাবা: ৩৯], “অপব্যয় এবং কৃপণতা ব্যতিরেকে।”
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৫৭)
21 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ بِلَالِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: ⦗ص: 158⦘ «زَاهِدُكُمْ رَاغِبٌ، وَمُجْتَهِدُكُمْ مُقَصِّرٌ، وَعَالِمُكُمْ جَاهِلٌ، وَجَاهِلُكُمْ مُغْتَرٌّ»
২১ - আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-হাদরামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আবদিল জাব্বার আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে উসমান আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আইয়াশ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আওযাঈ থেকে, তিনি বিলাল ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১৫৮⦘ “তোমাদের মধ্যকার দুনিয়াবিমুখ ব্যক্তি মূলত দুনিয়ালোভী, তোমাদের পরিশ্রমী ইবাদতকারী মূলত ত্রুটিপূর্ণ, তোমাদের আলেম মূলত অজ্ঞ এবং তোমাদের অজ্ঞ ব্যক্তি মূলত আত্মপ্রবঞ্চিত।”
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৫৮)
22 - أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّيِّبِ عُثْمَانُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْمُنْتَابِ الْهَمْدَانِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَرْوَزِيُّ، أَنْبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الْأَوْزَاعِيَّ، يَقُولُ: ⦗ص: 159⦘ سَمِعْتُ بِلَالَ بْنَ سَعْدٍ، يَقُولُ: «كَفَى بِهِ وَاللَّهِ ذَنْبًا أَنْ يَكُونَ اللَّهُ يُزَهِّدُنَا فِي الدُّنْيَا وَنَحْنُ نَرْغَبُ فِيهَا، فَزَاهِدُكُمْ رَاغِبٌ، وَعَالِمُكُمْ جَاهِلٌ، وَعَابِدُكُمْ مُقَصِّرٌ»
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আত-তাইয়িব উসমান ইবনে আমর ইবনুল মুনতাব আল-হামদানি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়িদ; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনুল হাসান আল-মারওয়াযি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, তিনি বলেন: আমি আল-আওযায়ীকে বলতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ১৫৯⦘ আমি বিলাল ইবনে সাদকে বলতে শুনেছি: «আল্লাহর শপথ! পাপ হিসেবে এটাই যথেষ্ট যে, আল্লাহ আমাদের দুনিয়ার প্রতি বিমুখ হতে উৎসাহিত করছেন অথচ আমরা এতে আসক্ত হচ্ছি; ফলে তোমাদের দুনিয়া-বিমুখ ব্যক্তিও দুনিয়া-সন্ধানী, তোমাদের জ্ঞানী ব্যক্তিও অজ্ঞ, এবং তোমাদের ইবাদতকারী ব্যক্তিও ত্রুটিপূর্ণ।»
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৫৯)
23 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ، حَدَّثَنَا سُرَيْجٌ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، ⦗ص: 160⦘ وَأَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، أَنْبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الْأَوْزَاعِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ بِلَالَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ: - زَادَ ابْنَ صَاعِدٍ: فِي مَوَاعِظِهِ -: " يَا أَهْلَ الْخُلُودِ، وَيَا أَهْلَ الْبَقَاءِ -. . . . وَقَالَ ابْنُ صَاعِدٍ: وَأَهْلُ الْبَقَاءِ -، ثُمَّ اتَّفَقَا فَقَالَا: إِنَّكُمْ لَمْ تُخْلَقُوا لِلْفَنَاءِ - زَادَ سُرَيْجٌ: وَإِنَّمَا خُلِقْتُمْ لِلْبَقَاءِ -، ثُمَّ اتَّفَقَا فَقَالَا: وَإِنَّمَا تُنْقَلُونَ مِنْ دَارٍ إِلَى دَارٍ ". آخِرُ حَدِيثِ الْمَرْوَزِيِّ، وَزَادَ سُرَيْجٌ: قَالَ الْوَلِيدُ: كَانَ بِلَالُ بْنُ سَعْدٍ بِالشَّامِ مِثْلَ الْحَسَنِ ⦗ص: 161⦘ بِالْبَصْرَةِ، قَدْ حَفِظُوا عَنْهُ مَوَاعِظَهُ
২৩ - আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-হাদরামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুল জাব্বার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুরাইজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ১৬০⦘ এবং উসমান ইবনে আমর ইবনে মুহাম্মদ আল-হামদানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হুসাইন ইবনুল হাসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আওযাঈকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিলাল ইবনে সা’দকে বলতে শুনেছি - ইবনে সাঈদ তাঁর উপদেশের বর্ণনায় অতিরিক্ত বলেছেন -: "হে চিরস্থায়িত্বের অধিবাসীগণ, এবং হে অবিনশ্বরতার অধিবাসীগণ - . . . . এবং ইবনে সাঈদ বলেছেন: এবং অবিনশ্বরতার অধিবাসীগণ -, অতঃপর তাঁরা উভয়ে একমত হয়ে বলেছেন: নিশ্চয়ই তোমাদের ধ্বংস হওয়ার জন্য সৃষ্টি করা হয়নি - সুরাইজ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: বরং তোমাদের অবিনশ্বরতার জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে -, অতঃপর তাঁরা উভয়ে একমত হয়ে বলেছেন: বরং তোমাদের কেবল এক ঘর থেকে অন্য ঘরে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।" এটি আল-মারওয়াযীর হাদীসের শেষাংশ। এবং সুরাইজ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: ওয়ালীদ বলেছেন: শামে বিলাল ইবনে সা’দ ছিলেন বসরার হাসানের মতো ⦗পৃষ্ঠা: ১৬১⦘, তারা তাঁর থেকে তাঁর উপদেশগুলো মুখস্থ করে রাখত।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৬১)
24 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، أَنْبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ بْنُ تَمِيمٍ: سَمِعْتُ بِلَالَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ: ⦗ص: 162⦘ «يَا أَهْلَ الْخُلُودِ، يَا أَهْلَ الْبَقَاءِ، إِنَّكُمْ لَمْ تُخْلَقُوا لِلْفَنَاءِ، وَإِنَّمَا تُنْقَلُونَ مِنْ دَارٍ إِلَى دَارٍ، كَمَا نُقِلْتُمْ مِنَ الْأَصْلَابِ إِلَى الْأَرْحَامِ، وَمِنَ الْأَرْحَامِ إِلَى الدُّنْيَا، وَمِنَ الدُّنْيَا إِلَى الْقُبُورِ، وَمَنَ الْقُبُورِ إِلَى الْمَوْقِفِ، وَمَنَ الْمَوْقِفِ إِلَى الْخُلُودِ فِي الْجَنَّةِ أَوِ النَّارِ»
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনে আমর ইবনে মুহাম্মদ আল-হামদানী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হুসাইন ইবনুল হাসান, আমাদের অবহিত করেছেন ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াযিদ ইবনে তামীম বলেছেন: আমি বিলাল ইবনে সা’দকে বলতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ১৬২⦘ «হে চিরস্থায়িত্বের অধিবাসীগণ, হে অক্ষয়ত্বের অধিবাসীগণ, নিশ্চয়ই তোমরা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য সৃষ্টি হওনি, বরং তোমাদের এক গৃহ থেকে অন্য গৃহে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে, যেমনভাবে তোমরা পৃষ্ঠদেশ থেকে জরায়ুতে স্থানান্তরিত হয়েছিলে, এবং জরায়ু থেকে দুনিয়াতে, দুনিয়া থেকে কবরে, কবর থেকে হাশরের ময়দানে, এবং হাশরের ময়দান থেকে জান্নাত বা জাহান্নামের চিরস্থায়িত্বের দিকে।»
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়েদুল আওয়ালিল মুআররাখাহ মিনাস সিহাহি ওয়াল গারাইবি লি-মুহাম্মাদ বিন আলী আস-সুরী
(পৃষ্ঠা: ১৬২)
25 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ، أَنْبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، سَمِعْتُ الْأَوْزَاعِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ بِلَالَ بْنَ سَعْدٍ، يَقُولُ: «أَخٌ لَكَ كُلَّمَا لَقِيَكَ ذَكَّرَكَ بِحَظِّكَ مِنَ اللَّهِ خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَخٍ لَكَ كُلَّمَا لَقِيَكَ وَضَعَ فِي كَفِّكِ دِينَارًا»
২৫ - উসমান ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মাদ আল-হামদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সায়িদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন ইবনুল হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের অবহিত করেছেন, আমি আল-আওযাঈকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিলাল ইবনে সা’দকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: «তোমার এমন এক ভাই যার সঙ্গে যখনই তোমার সাক্ষাৎ হয় সে তোমাকে আল্লাহর নিকট তোমার প্রাপ্য অংশ সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেয়, সে তোমার নিকট ওই ভাইয়ের চেয়ে উত্তম যার সঙ্গে যখনই তোমার সাক্ষাৎ হয় সে তোমার হাতের তালুতে একটি দিনার প্রদান করে।»