(খণ্ড: ১) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث ومرويات في الميزان 2 - حديث الفينة   (محمد عمرو بن عبد اللطيف)

القسم: التخريج والأطراف

الكتاب: أحاديث ومرويات في الميزان 2 - حديث الفينة

المؤلف: محمد عمرو بن عبد اللطيف بن محمد بن عبد القادر بن رضوان بن سليمان بن مفتاح بن شاهين الشنقيطي (ت 1429هـ)

الناشر: ملتقى أهل الحديث، مكة المكرمة

عدد الصفحات: 186

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফায়নাহ   (মুহাম্মদ আমরু ইবনে আব্দুল লতিফ)

বিভাগ: আত-তাখরিজ ওয়াল আতরাফ

গ্রন্থ: আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফায়নাহ

লেখক: মুহাম্মদ আমরু ইবনে আব্দুল লতিফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল কাদির ইবনে রিদওয়ান ইবনে সুলাইমান ইবনে মিফতাহ ইবনে শাহীন আশ-শিনকিতি (মৃত্যু ১৪২৯ হিজরি)

প্রকাশক: মুলতাকা আহলিল হাদিস, মক্কা মুকাররমা

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮৬

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌المقدمة

إن الحمد لله، نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له.

وأشهد أن لا إله إلا الله وحده، لا شريك له، وأشهد أن محمداً عبده ورسوله.

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَاّ وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ ?.

يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُواْ رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيرًا وَنِسَاء وَاتَّقُواْ اللَّهَ الَّذِي تَسَاءلُونَ بِهِ وَالأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا?.

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلاً سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَن يُطِعْ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا (71) ?.

أما بعد، فإن خير الحديث كتاب الله، وخير الهدي هدي محمد، وشر الأمور محدثاتها، وكل (1)

بدعة ضلالة.

--------------------------------------------

(1) هذا هو الثابت المحفوظ عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم عند مسلم وغيره كما رواه جمهور أصحاب جعفر بن محمد: عبد الوهاب الثقفي، وسليمان بن بلال، ووهيب بن خالد، ويحيى بن سعيد القطان، وعبد العزيز بن محمد، ويحيى بن سليم وآخرون، ومقتضى صنيع مسلم أن يكون هو لفظ وكيع عن الثوري عن جعفر به، حيث أحال على رواية الثقفي وقال: " ثم ساق الحديث بمثل حديث الثقفي ".

لكن رواه أحمد، وابن أبي عاصم عن وكيع بلفظ: " وكل محدثة بدعة " وجمع بينهما البيهقي.

وخالف جميع هؤلاء: عبد الله بن المبارك، فرواه عن الثوري عن جعفر به بلفظ: " وشرالأمور محدثاتها، وكل محدثة بدعة، وكل بدعة ضلالة، وكل ضلالة في النار".

وهذه اللفظة تحاشاها الإمام مسلم في "صحيحه"، وكذلك ابن حبان، وأوردها ابن خزيمة في "صحيحه" بالتحويل مع رواية أنس بن عياض عن جعفر وقال: " ولفظ أنس بن عياض مخالف لهذا اللفظ ".

وفي الحقيقة أن لفظ جمهور الرواة عن جعفر كذلك في هذه الزيادة وفي السياق نفسه.

وشيخ الإسلام رحمه الله وإن صحح لفظ النسائي بالزيادة في "إقامة الدليل على إبطال التحليل" من الفتاوى (3 / 58) كما في خطبة الحاجة للعلامة الألباني رحمه الله (ص 30) ، فقد طعن في ثبوتها عن النبي صلى الله عليه وسلم في "مجموع الفتاوى" (19/191) فقال: " ولم يقل: وكل ضلالة في النار "، ثم شرع في بيان عدم صحة هذا المعنى.

ولولا أن الله عز وجل قيّض لي أخاً كريماً يسألني عن هذه اللفظة منذ عدة سنوات، ما تفطنت إلى شذوذها بعد التقصي التام لطرق هذا الحديث، وإن رُويتْ عن عمر وابن مسعود ـ رضوان الله عليهما ـ.
ভূমিকা

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই।

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।

হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।

হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার স্ত্রীকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।

হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য লাভ করবে। (৭১)।

অতপর, নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম পথনির্দেশ মুহাম্মদের পথনির্দেশ। আর নিকৃষ্টতম বিষয় হলো দ্বীনের মধ্যে নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ, এবং প্রতিটি (১)

বিদআতই হলো পথভ্রষ্টতা।

--------------------------------------------

(১) এটিই জাফর বিন মুহাম্মদ, তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রাপ্ত সুসাব্যস্ত ও সংরক্ষিত বর্ণনা, যা মুসলিম ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। যেমনটি জাফর বিন মুহাম্মদের অধিকাংশ ছাত্র বর্ণনা করেছেন: আবদুল ওয়াহাব আস-সাকাফি, সুলাইমান বিন বিলাল, উহাইব বিন খালিদ, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান, আবদুল আজিজ বিন মুহাম্মদ, ইয়াহইয়া বিন সুলাইম এবং অন্যান্যরা। ইমাম মুসলিমের কর্মপন্থা অনুযায়ী এটি সাওরি থেকে ওয়াকি'-এর বর্ণিত শব্দ হওয়ার কথা, যা তিনি জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন। কারণ তিনি আস-সাকাফির বর্ণনার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন: "অতপর তিনি সাকাফির হাদিসের অনুরূপ হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।"

তবে আহমদ ও ইবনে আবি আসিম ওয়াকি' থেকে "এবং প্রতিটি নব উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত" শব্দে বর্ণনা করেছেন এবং বায়হাকি এই উভয় শব্দের মধ্যে সমন্বয় করেছেন।

আর আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক এই সকলের বিরোধিতা করেছেন। তিনি সাওরি থেকে জাফর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন এই শব্দে: "আর নিকৃষ্টতম বিষয় হলো নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ, প্রতিটি নব উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত, প্রতিটি বিদআতই পথভ্রষ্টতা এবং প্রতিটি পথভ্রষ্টতাই জাহান্নামে।"

আর ইমাম মুসলিম তাঁর "সহিহ"-তে এই শব্দটি পরিহার করেছেন, তেমনিভাবে ইবনে হিব্বানও। ইবনে খুজাইমা তাঁর "সহিহ"-তে আনাস বিন আইয়াজ থেকে জাফরের বর্ণনার সাথে এটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আনাস বিন আইয়াজের শব্দ এই শব্দের বিপরীত।"

প্রকৃতপক্ষে জাফরের অধিকাংশ বর্ণনাকারীর শব্দও এই অতিরিক্ত অংশের ক্ষেত্রে এবং একই প্রসঙ্গের ক্ষেত্রে এমনই (অর্থাৎ তারা এই অতিরিক্ত অংশ আনেননি)।

শাইখুল ইসলাম রহিমাহুল্লাহ যদিও ফাতাওয়া (৩/৫৮) এর "ইকামাতুদ দালিল আলা ইবতালিত তাহলিল"-এ নাসায়ীর এই অতিরিক্ত শব্দ সংবলিত বর্ণনাটিকে সহিহ বলেছেন—যেমনটি আল্লামা আলবানী রহিমাহুল্লাহর "খুতবাতুল হাজাহ" (পৃ. ৩০) বইতেও রয়েছে—তবুও তিনি "মাজমুউল ফাতাওয়া" (১৯/১৯১)-তে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর সাব্যস্ত হওয়ার ব্যাপারে আপত্তি তুলেছেন। তিনি বলেছেন: "এবং তিনি বলেননি: 'আর প্রতিটি পথভ্রষ্টতাই জাহান্নামে'।" অতপর তিনি এই অর্থের সঠিক না হওয়ার কারণ বর্ণনা করতে শুরু করেছেন।

যদি আল্লাহ তাআলা কয়েক বছর আগে জনৈক সম্মানিত ভাইকে এই শব্দটির ব্যাপারে আমাকে প্রশ্ন করার তৌফিক না দিতেন, তবে আমি এই হাদিসের সকল সূত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধানের পর এর 'শাজ' (বিচ্যুতি) হওয়ার বিষয়টি অনুধাবন করতে পারতাম না; যদিও এটি ওমর ও ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৬)
اللهم صل على محمد وعلى آل محمد، كما صليت على آل إبراهيم، إنك حميد مجيد.

اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد، كما باركت على آل إبراهيم، إنك حميد مجيد.

فهذه هي الحلقة الثانية من سلسلة " أحاديث ومرويات في الميزان "، بعنوان: " حديث: (ما من عبد مؤمن إلا وله ذنب يعتاده الفينة بعد الفينة … ) في الميزان "، بعد انقطاع طويل بلغ أحد عشر عاماً، وهو يمثل
হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহীমের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন; নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।

হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইব্রাহীমের পরিবারের ওপর বরকত দান করেছেন; নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।

এটি হলো "পরিমাপদণ্ডে হাদিস ও বর্ণনা" সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব, যার শিরোনাম: "পরিমাপদণ্ডে হাদিস: (এমন কোনো মুমিন বান্দা নেই যার কোনো পাপ নেই, যাতে সে সময়ে সময়ে লিপ্ত হয় … )", দীর্ঘ এগারো বছরের বিরতির পর, যা উপস্থাপন করছে
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৭)
المدة التي تلت خروج الحلقة الأولى من هذه السلسلة التي أرجو الله عز وجل أن يبارك لي فيها، وكانت: (حديث " قلب القرآن يس " في الميزان) .

وكان ذلك لأسباب يطول ذكرها، والتي يعلم الكثيرون منها: المعاناة من اشتداد (مرض السكريِّ) لكنه ـ بلطف ربي وفضله ـ لم يعقني تماماً عن البحث والدراسة، ولو كنت من أنصار الاستعجال في التصنيف لرُؤي لي العديد منها.

ولاشك أن طالب العلم ـ بمضي الزمان ـ يتلقى معارف واستفادات

ويحصل ثماراً طيبة أثناء بحثه في العمل، ومحادثته مع إخوانه.

أما بخصوص هذا الحديث، فقصته معي قديمة.

فمنذ أيام الشباب، وأنا أقف ـ من حين لآخر ـ على قول الحافظ الهيثمي رحمه الله فيه: " رجاله ثقات "، واستشهادِ آخرين بهذا القول أحياناً؛ وأنا متعجب ومتحير بعض الشيء في هذا الحكم، لاسيّما أنه قد أتى عليَّ وعلى كثيرين غيري زمان كنا نظن فيه أن عبارة: " رجاله ثقات " من نحو المنذري والهيثمي تعني صحة الحديث الذي قيلت فيه.

وذلك قبل أن يمن الله عز وجل علينا بالشيخ العلامة أبي عبد الرحمن الألباني رحمه الله وجزاه عن الإسلام والسنة خيراً ـ فيبين لنا سقم هذا الفهم، وعوار هذا المسلك.

وكنت قد جمعت عدداً كثيراً من الأحاديث التي وصفها الحافظ الهيثمي رحمه الله بهذا الوصف أو جوَّدَ أسانيدها أو حسنها في "مجمع الزوائد"،
এই সিরিজের প্রথম পর্ব প্রকাশের পর থেকে যে সময়কাল অতিবাহিত হয়েছে, যে কাজে আমি মহান আল্লাহর কাছে বরকত প্রার্থনা করি, আর তা ছিল: (যাচাইয়ের মানদণ্ডে "কুরআনের হৃৎপিণ্ড ইয়াসিন" হাদিসটি)।

এর পেছনে এমন সব কারণ রয়েছে যা বর্ণনা করা দীর্ঘ হবে, যার অনেকগুলো সম্পর্কে অনেকেই জানেন: (ডায়াবেটিস রোগের) তীব্রতার যন্ত্রণা ভোগ করা, তবে আমার রবের দয়া ও অনুগ্রহে এটি আমাকে গবেষণা ও অধ্যয়ন থেকে পুরোপুরি বিরত রাখতে পারেনি। আমি যদি গ্রন্থ রচনায় তাড়াহুড়োকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম, তবে আমার অনেক রচনা দেখা যেত।

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইলম অন্বেষণকারী সময়ের আবর্তনে বিভিন্ন জ্ঞান ও উপকারিতা অর্জন করে।

এবং সে তার গবেষণার কাজ চলাকালীন এবং তার ভাইদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে উত্তম ফল লাভ করে।

আর এই হাদিসটির প্রসঙ্গে আমার সাথে এর সংশ্লিষ্টতা বেশ পুরোনো।

যৌবনকাল থেকেই আমি মাঝে মাঝে এই হাদিসটি সম্পর্কে হাফেজ হাইসামি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর উক্তি: "এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য" এবং কখনও কখনও অন্যদের এই উক্তিটি দ্বারা দলিল পেশ করার বিষয়টি দেখতাম; আর আমি এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে কিছুটা আশ্চর্যান্বিত ও বিভ্রান্ত ছিলাম। বিশেষ করে আমার এবং আমার মতো আরও অনেকের ওপর এমন একটি সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন আমরা ধারণা করতাম যে, মুনযিরি ও হাইসামির মতো ইমামদের "এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য" কথাটির অর্থ হলো সেই হাদিসটি সহিহ হওয়া যে সম্পর্কে এটি বলা হয়েছে।

এটি সেই সময়ের কথা যখন মহান আল্লাহ আমাদের ওপর শাইখ আল্লামা আবু আব্দুর রহমান আল-আলবানি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর মাধ্যমে অনুগ্রহ করেননি—আল্লাহ তাঁকে ইসলাম ও সুন্নাহর পক্ষ থেকে উত্তম প্রতিদান দান করুন—যিনি আমাদের কাছে এই বুঝের দুর্বলতা এবং এই পদ্ধতির ত্রুটি স্পষ্ট করেছেন।

আর আমি এমন অনেক হাদিস সংগ্রহ করেছিলাম যেগুলোকে হাফেজ হাইসামি (রাহিমাহুল্লাহ) "মাজমাউয যাওয়াইদ" গ্রন্থে এই বিশেষণে বিশেষিত করেছেন অথবা সেগুলোর সনদকে শক্তিশালী কিংবা হাসান বলেছেন।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৮)
وهممت بجد في إيراد طائفة منها في كتاب سميته (فضل المرأة الصالحة) الذي شاء العليم القدير أن يفقد من الأخ الفاضل الذي دفعته إليه لنشره، ولو كان تم على هذه الصورة، لعرَّضني لكثير من الحرج.

ويقدِّرُ ربي ـ العليُّ القديرـ أن تقع عيناي ذات يوم أو ليلة على ترجمة (عتبة بن عمرو المكتب) من "تلخيص المتشابه" للخطيب البغدادي (2/779) ـ وهذا كتاب لا يفطن الكثيرون لما فيه من الكنوز ـ فذكر عن البخاري رواية هذا الرجل لحديث: " للمؤمن ذنب يعتاده الفينة بعد الفينة … " فكتبت تحت اسمه:

" وثقه ابن حبان (7 / … ) ـ كذا بترك موضع الصفحة ـ وقال أبوحاتم (لا أعرفه) ووهم بعضهم فرواه عن علي بن حفص المدائني عن عبيدة المكتب عن عكرمة ـ كذا كتبتها ـ به (الكبير 11/ … ) ".

هكذا كان تعليقي من الحافظة وقتها، ومنذ تلك اللحظة وأنا معتقد أن في

ثبوت هذا الحديث نظراً، دون تفكير في سائر طرقه أو تطلب لها، لكن الإثبات العلمي لهذا الاعتقادلم يخرج إلى حيز التنفيذ إلا بعد نحو بضع عشرة سنة من هذه الواقعة!

والأعجب من ذلك أنني كلما وقفت على متن هذا الحديث لم أكن أقف ـ أبداً ـ عند قوله: " أو ذنب هو مقيم عليه لا يفارقه حتى يفارق الدنيا " حتى شرعت عملياً في إخراج هذه الرسالة، مع أنني أعلم من الحديث الضعيف: " … والمستغفر من الذنب وهو مقيم عليه كالمستهزئ بربه " أن معنى (الإقامة على الذنب) هو الإصرار عليه.
আমি 'ফাযলুল মারআতিস সালিহা' (নেককার নারীর মর্যাদা) নামক একটি কিতাবে এগুলোর একটি সংকলন অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সংকল্প করেছিলাম। কিন্তু সর্বজ্ঞাত ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ চাইলেন যে, এটি সেই সম্মানিত ভাইয়ের কাছ থেকে হারিয়ে যাক যাকে আমি এটি প্রকাশের জন্য দিয়েছিলাম। যদি এটি সেই রূপেই সমাপ্ত হতো, তবে তা আমাকে অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন করত।

আমার রব—যিনি সমুন্নত ও সর্বশক্তিমান—ফয়সালা করলেন যে, একদিন বা এক রাতে খতিব আল-বাগদাদির 'তালখিসুল মুতাশাবিহ' (২/৭৭৯) গ্রন্থে 'উতবাহ ইবনে আমর আল-মাকতাব'-এর জীবনীর ওপর আমার দৃষ্টি পড়ল—এটি এমন একটি কিতাব যার ভেতরে থাকা মণি-মুক্তার কথা অনেকেই উপলব্ধি করেন না। সেখানে তিনি ইমাম বুখারি থেকে এই ব্যক্তির বর্ণিত একটি হাদিস উল্লেখ করেছেন: "মুমিনের জন্য এমন একটি গুনাহ রয়েছে যাতে সে মাঝেমধ্যে লিপ্ত হয়ে পড়ে … " সুতরাং আমি তার নামের নিচে লিখলাম:

"ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (৭ / … ) —পৃষ্ঠা নম্বরের স্থানটি এভাবেই খালি রেখেছিলাম— এবং আবু হাতিম বলেছেন (আমি তাকে চিনি না)। কেউ কেউ ভুলবশত একে আলী ইবনে হাফস আল-মাদায়িনি, উবাইদাহ আল-মাকতাব ও ইকরিমাহ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন—আমি এটি এভাবেই লিখেছিলাম—তার মাধ্যমে (আল-কাবির ১১/ … ) ।"

সেই সময়ে স্মৃতিশক্তি থেকে করা আমার মন্তব্য এমনই ছিল। আর সেই মুহূর্ত থেকেই আমি বিশ্বাস করে আসছি যে এই হাদিসটির সাব্যস্ত হওয়ার ব্যাপারে সংশয় রয়েছে, এর অন্যান্য সূত্রসমূহ নিয়ে চিন্তা করা বা সেগুলো তালাশ করা ছাড়াই। কিন্তু এই বিশ্বাসের তাত্ত্বিক প্রমাণ এই ঘটনার প্রায় এক যুগ পরেই কেবল বাস্তবায়িত হতে পেরেছিল!

আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমি যখনই এই হাদিসের মূল পাঠের ওপর দৃষ্টি দিতাম, তখন—কখনোই—তার এই উক্তিটির ওপর গুরুত্ব দেইনি: "অথবা এমন গুনাহ যা সে আঁকড়ে ধরে থাকে এবং দুনিয়া ত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত তা ত্যাগ করে না", যতক্ষণ না আমি বাস্তবিকভাবে এই পুস্তিকাটি প্রকাশের কাজ শুরু করেছি। অথচ আমি একটি দুর্বল হাদিস থেকে জানতাম যে: " … এবং যে ব্যক্তি গুনাহে লিপ্ত থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে যেন তার রবের সাথে উপহাসকারী," যার মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে, 'গুনাহে লিপ্ত থাকা'-এর অর্থ হলো তাতে অবিচল থাকা বা জেদ বজায় রাখা।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৯)
ثم إنني ـ بعد الفراغ من الكتاب ـ بحثتُ مادة (قَوَمَ) من "لسان العرب" (5/3781: 3787) ، فلم أجد ابن منظور رحمه الله يورد (أقام على الشيء) ، ولكنه فسر: (أقام الشيء) بـ (أدامه) من قوله تعالى: " ويقيمون الصلاة " وغيره.

(وأقام بالمكان) بمعنى: الثبات، كما فسر: (قام) و (قام على الشيء) بمعنى: (ثبت) و (واظب) و (دام) و (تمسك) كما تأيد هذا لدي ببعض شروح الحديث المذكور آنفاً في " إتحاف السادة المتقين " و" فيض القدير " وشرح الشيخ محمد خليل هراس رحمه الله لـ "الترغيب والترهيب"، وكان أوضحها.

ثم العجب أن حديث: " التائب من الذنب كمن لا ذنب له، والمستغفر من الذنب وهو مقيم عليه كالمستهزئ بربه، ومن آذى مسلماً … " إلخ المروي عن ابن عباس؛ قال المناوي في " الفيض " (3/277) : " … وقال المنذري: الأشبه وقفه، وقال في الفتح: الراجح أن قوله: والمستغفر إلخ، موقوف ".

فإن صح موقوفاً على ابن عباس رضي الله عنهما فظاهره يعارض ما نسب

إليه عن النبي صلى الله عليه وسلم أن جميع المؤمنين، إما للواحد منهم ذنب يعتاد إتيانه الحين بعد الحين، أو ذنب هو مقيم، وثابت، ومداوم، ويصر عليه، لا يحول بينه وبينه إلا الموت!

وسوف أناقش هذه القضية في نهاية البحث بإذن الله.
অতঃপর আমি—গ্রন্থটি সমাপ্ত করার পর—"লিসানুল আরব" (৫/৩৭৮১-৩৭৮৭) হতে ‘ক্ব-ও-ম’ মূলধাতুটি অনুসন্ধান করেছি। সেখানে ইবনে মানজুর (রাহিমাহুল্লাহ)-কে আমি ‘আক্বামা আলাশ শাই’ (কোনো বিষয়ে অটল থাকা) পরিভাষাটি উল্লেখ করতে দেখিনি। তবে তিনি ‘আক্বামা আল-শাই’ এর ব্যাখ্যা করেছেন ‘অবিরাম রাখা’ বা ‘স্থায়িত্ব দান করা’ হিসেবে, যা মহান আল্লাহর বাণী: "তারা নামাজ কায়েম করে" এবং অন্যান্য উদ্ধৃতি থেকে গৃহীত।

আর ‘আক্বামা বিল মাকান’ এর অর্থ হলো: ‘স্থির থাকা’। যেমন তিনি ‘ক্ব-মা’ এবং ‘ক্ব-মা আলাশ শাই’ এর ব্যাখ্যা করেছেন ‘অটল থাকা’, ‘নিয়মিত করা’, ‘অবিরাম রাখা’ এবং ‘আঁকড়ে ধরা’ অর্থে। ইতিপূর্বে উল্লিখিত হাদিসের কিছু ব্যাখ্যাগ্রন্থের মাধ্যমেও বিষয়টি আমার নিকট সমর্থিত হয়েছে, যেমন: "ইতহাফুস সাদাতিল মুত্তাকিন", "ফায়দুল কাদির" এবং শাইখ মুহাম্মাদ খলিল হাররাস (রাহিমাহুল্লাহ) কৃত "আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব"-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ; আর শেষোক্ত ব্যাখ্যাটিই ছিল সর্বাধিক স্পষ্ট।

অতঃপর আশ্চর্যের বিষয় হলো যে, ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত এই হাদিসটি: "পাপ থেকে তওবাকারী ব্যক্তি সেই ব্যক্তির মতো যার কোনো পাপ নেই। আর যে ব্যক্তি পাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে যেন তার রবের সাথে উপহাসকারী। আর যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমকে কষ্ট দিল …" ইত্যাদি; এ সম্পর্কে আল-মুনাওয়ি "আল-ফায়দ" (৩/২৭৭) গ্রন্থে বলেছেন: "… আল-মুনজিরি বলেছেন: এটি ‘মাওকুফ’ (সাহাবির উক্তি) হওয়াই অধিক সদৃশ। আর ‘আল-ফাতহ’ গ্রন্থে বলা হয়েছে: সঠিক মত হলো—'আর যে ক্ষমা প্রার্থনা করে' অংশটি মাওকুফ।"

যদি এটি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ওপর ‘মাওকুফ’ হিসেবে প্রমাণিত হয়, তবে এর বাহ্যিক অর্থ নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সূত্রে বর্ণিত ওই বর্ণনার বিরোধী হয় যা তাঁর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে—যে সকল মুমিনের অবস্থা এমন যে, হয় তাদের কারো এমন কোনো পাপ রয়েছে যা সে মাঝেমধ্যে করে থাকে, অথবা এমন কোনো পাপ যাতে সে লিপ্ত, অবিচল ও নিয়মিত এবং সেটির ওপর অটল থাকে, যা থেকে মৃত্যু ব্যতীত অন্য কিছু তাকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে না!

ইনশাআল্লাহ, আমি গবেষণার শেষে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ১০)
ثم إنني توكلت على الله عز وجل في الشروع في كتابة هذا الجزء واختياره من بدائل شتى كانت أمامي، قد يتلوه حديث: " لا يدخل الجنة عجوز "، إن يسَّر الله الاستخارة على تحسينه ـ ولي فيه سلف ـ لأن من الناس من اتهمني بعدم الاعتراف بـ (اعتضاد الأحاديث الضعيفة إذا ضم بعضها إلى بعض) ، ولعل بعضهم يقول: (عدم الاحتجاج بالحديث الحسن لغيره) مع أنني أفهم أنني لو سميته حسناً، لكان عندي حجة، وتجوز نسبته إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو المختار والمترجح الذي استقر عليه الاصطلاح عند المتأخرين، خلافاً لابن حزم ومن جرى مجراه ممن رفضوا المسألة برمتها.

نعم، لا أرى التحسين سائغاً بمجرد ورود الحديث من طريقين أو ثلاثة فيها ضعف يسير، لاسيما المستنكر على الرواة الذين لم يشتد ضعفهم عند أهل العلم فإن (المنكر أبداً منكر) كما قال الإمام أحمد ـ رحمة الله عليه ـ.

وأشير أيضاً إلى مجازفات أخرى أُطلقَتْ، لم يكلف مطلقوها أو مصدقوها أنفسهم الرجوع إليَّ للتحقق من صحتها.

فقد قيل: (الإخوة في دار التأصيل يضعفون كل ما ورد في تحريم المعازف) ثم تحرفت إلى:

(فلان يضعف … ) إلخ.

وهذا محض افتراء، ولعل بعض من كانوا يعملون بالدار ثم تركوها هم

الذين يرون ذلك، فقد بلغني عن بعضهم كلام شنيع وتطاول على الحافظ ابن حجر رحمه الله.
অতঃপর আমি আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার ওপর ভরসা করে এই খণ্ডটি লেখা এবং আমার সামনে থাকা বিভিন্ন বিকল্পের মধ্য থেকে এটি নির্বাচন করার কাজ শুরু করেছি। সম্ভবত এরপরে "কোনো বৃদ্ধা জান্নাতে প্রবেশ করবে না" হাদীসটি আসবে, যদি আল্লাহ একে হাসান (গ্রহণযোগ্য) করার ব্যাপারে ইস্তিখারা সহজ করে দেন - আর এ ব্যাপারে আমার পূর্বসূরি রয়েছেন। কারণ কিছু মানুষ আমাকে অভিযুক্ত করেছেন যে, আমি (দুর্বল হাদীসগুলো একে অপরের সাথে মিলিত হলে শক্তিশালী হওয়া) বিষয়টি স্বীকার করি না। সম্ভবত তাদের কেউ কেউ বলেন: (হাসান লি-গাইরিহি হাদীস দ্বারা দলিল পেশ না করা), অথচ আমি বুঝি যে, আমি যদি একে হাসান বলি, তবে তা আমার নিকট দলিল হিসেবে গণ্য হবে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এর সম্বন্ধ করা বৈধ হবে। পরবর্তী যুগের আলিমদের নিকট এই পরিভাষাটিই মনোনীত ও প্রাধান্যপ্রাপ্ত হিসেবে স্থির হয়েছে; ইবনে হাজম এবং যারা তার পথ অনুসরণ করে এই বিষয়টি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন, তাদের মতের বিপরীতে।

হ্যাঁ, আমি কেবল দুই বা তিনটি সামান্য দুর্বল সূত্রের মাধ্যমে বর্ণিত হলেই কোনো হাদীসকে হাসান বলা বৈধ মনে করি না, বিশেষ করে এমন বর্ণনাকারীদের হাদীস যা মুনকার হিসেবে চিহ্নিত, যদিও আহলে ইলমদের নিকট তাদের দুর্বলতা খুব তীব্র নয়। কারণ ইমাম আহমাদ রহমতুল্লাহি আলাইহি যেমনটি বলেছেন, "মুনকার সর্বদাই মুনকার"।

আমি আরও কিছু ভিত্তিহীন দাবির প্রতি ইঙ্গিত করছি যা রটানো হয়েছে, যেগুলোর প্রবক্তা বা বিশ্বাসীরা এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমার কাছে ফিরে আসার সামান্য প্রয়োজনও বোধ করেননি।

বলা হয়েছে যে: (দারুত তাসীলের ভাইয়েরা বাদ্যযন্ত্র হারাম হওয়া সংক্রান্ত বর্ণিত সকল হাদীসকে দুর্বল বলেন), যা পরবর্তীতে বিকৃত হয়ে দাঁড়িয়েছে:

(অমুক ব্যক্তি দুর্বল বলছেন … ) ইত্যাদি।

এটি ডাহা মিথ্যাচার। সম্ভবত যারা পূর্বে এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন এবং পরে ছেড়ে চলে গেছেন, তারাই

এমন ধারণা পোষণ করেন। কারণ তাদের কারো কারো পক্ষ থেকে হাফিজ ইবনে হাজার রহমতুল্লাহি আলাইহির প্রতি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং ধৃষ্টতার কথা আমার নিকট পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ১১)
فإن صحَّ ذلك عنهم ـ والذي أخبرني ثقة جليل ـ فأسأل الله لهم الهداية، والتوبة من هذه الغواية أما أن يُظلَمَ آخرون بسببهم، فهذا لا يقره ولا يرضَى به أحد.

هناك أيضاً مجازفة وفرية حاصلها أنني لا أقر شيئاً من جميع ما صححه إمامنا العلامة الألباني رحمه الله أو أنني لا أحبه!!!

ولا ينبيء هذا إلا عن رِقّة ديانة الذي تولّى كبره، وسوء أدبه وخلقه.

أسأل الله لي ولإخواني المحبين الصادقين المحتسبين السلامة.

وفي الجملة، لا أجعل في حل من نسب إليَّ، أو شاع عني كلاماً قبل الرجوع إليَّ وعرضه عليَّ، وإن كنتُ قد قلتُه في وقت من الأوقات؛ فهل ما زلتُ على ذلك أم رجعتُ؟ وهل في المسألة تفصيل أم هي على الإطلاق الذي بلغه؟

تنبيه أخير:

كنت قد ذكرت أثناء تلخيص الأمور التي خلصت إليها من تراجم أهل العلم لـ (عتبة بن عمرو المكتب) أن ابن حبان رحمه الله في كتابه (مشاهير علماء الأمصار) قد نصّ على إتقان جماعة ووثقهم بصيغ رفيعة جداً، وغيره من النقاد يرون فيهم عكس ذلك، ولم يكن الكتاب بين يديّ وقتها، ثم وجدته ونقلت عنه في موضعين.

وأذكر الآن بعض الأمثلة، للتنبيه بعدها على أمر آخر لعله أعظم خطورة،

لأن أغلب طلبة العلم يعلمون تساهل ابن حبان رحمه الله.
যদি তাদের সম্পর্কে এটি সঠিক হয়ে থাকে—আর আমাকে একজন বিশ্বস্ত ও মহান ব্যক্তি সংবাদ দিয়েছেন—তবে আমি আল্লাহর কাছে তাদের জন্য হেদায়েত এবং এই গোমরাহি থেকে তওবা করার প্রার্থনা করি। আর তাদের কারণে অন্যদের প্রতি জুলুম করা হবে, এটি কেউ সমর্থন করে না এবং এতে কেউ সন্তুষ্টও নয়।

সেখানে আরও একটি দুঃসাহস ও অপবাদ রয়েছে যার সারকথা হলো, আমি আমাদের ইমাম আল্লামা আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) যা কিছু সহীহ বলেছেন তার কিছুই স্বীকার করি না অথবা আমি তাকে ভালোবাসি না!!!

আর এটি কেবল সেই ব্যক্তির দ্বীনদারির দুর্বলতা এবং তার কু-আদব ও দুশ্চরিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ, যে এই অপবাদের মূল দায়িত্ব নিয়েছে।

আমি আমার জন্য এবং আমার সত্যবাদী, নিষ্ঠাবান ও আল্লাহর সন্তুষ্টিপ্রত্যাশী ভাইদের জন্য আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি।

সারকথা হলো, যে ব্যক্তি আমার সাথে যোগাযোগ না করে এবং আমার কাছে তা পেশ না করে আমার দিকে কোনো কথা সম্বন্ধ করল বা আমার নামে তা ছড়িয়ে দিল, আমি তাকে দায়মুক্ত করছি না। এমনকি আমি যদি কোনো এক সময় তা বলেও থাকি; তবুও কি আমি এখনও সেই মতের ওপর অটল আছি নাকি তা থেকে ফিরে এসেছি? আর সেই মাসআলায় কি কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা আছে নাকি তা কেবল সেই ঢালাও অর্থেই প্রযোজ্য যেমনটি তার কাছে পৌঁছেছে?

শেষ সতর্কতা:

'উতবা বিন আমর আল-মুকাত্তিব'-এর জীবনী থেকে আমি যে বিষয়গুলো সারসংক্ষেপ করেছিলাম, সেখানে উল্লেখ করেছিলাম যে ইবনে হিব্বান (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'মাশাহিরু উলামাইল আমসার' গ্রন্থে একদল ব্যক্তির পারদর্শিতার কথা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন এবং অত্যন্ত উচ্চমর্যাদাপূর্ণ শব্দে তাদের নির্ভরযোগ্য বলেছেন, অথচ অন্যান্য সমালোচকগণ তাদের ব্যাপারে এর বিপরীত মত পোষণ করেন। সেই সময় বইটি আমার হাতের নাগালে ছিল না, পরবর্তীতে আমি তা পেয়েছি এবং দুটি স্থান থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছি।

আমি এখন কিছু উদাহরণ উল্লেখ করছি, যাতে এরপর অন্য একটি বিষয়ে সতর্ক করা যায় যা সম্ভবত আরও বেশি বিপজ্জনক,

কারণ ইলম অন্বেষণকারীদের অধিকাংশই ইবনে হিব্বান (রাহিমাহুল্লাহ)-এর শিথিলতা সম্পর্কে অবগত আছেন।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ১২)
1 ـ قال في ترجمة (فليح بن سليمان) (رقم1117) : " من متقني أهل المدينة وحفاظهم ". قارن بترجمته في "هدي الساري" (ص457) .

2 ـ قال في ترجمة (عبد الله بن عياش بن عباس القتباني) (رقم1516) :

"من ثقات أهل مصر". وقد ضعفه أبو داود، والنسائي، وقال ابن يونس ـ وإليه المرجع في المصريين ـ: " منكر الحديث "، وروى له مسلم استشهاداً، وهو صاحب الحديث الذي فيه " إلعنوهن، فإنهن ملعونات "، والذي تعقب الذهبيُّ فيه الحاكمَ على تصحيحه.

3 ـ قال في ترجمة (سليمان بن حيان أبي خالد الأحمر) (رقم 1361) :

"من متقني أهل الكوفة، وكان ثبتاً" ومعروف حال أبي خالد ـ على صدقه ـ من كثرة أوهامه ومخالفاته للثقات.

أنظر ترجمته ـ مثلاً ـ في " الكامل " و " التقريب ".

4 ـ قال في ترجمة (يحيى بن علي بن يحيى بن خلاد الزرقي) (رقم 1101) :

" وكان متقناً " ويحيى هذا فيه جهالة، ولا يعرف إلا بحديث واحد. أنظر ترجمته في " الميزان " و " تهذيب الكمال " مع الحواشي.

5 ـ قال في ترجمة (عثمان بن أبي العاتكة) (رقم 1449) :

" من متقني أهلها ـ يعني الشام ـ وقدماء مشايخهم ".
১ — (ফুলায়হ বিন সুলাইমান) (ক্রম ১১১৭)-এর জীবনীতে তিনি বলেছেন: "তিনি মদিনার অধিবাসীদের মধ্যে সুনিপুণ ও দক্ষ এবং তাদের হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত।" "হাদিউস সারি" (পৃ. ৪৫৭)-তে তার জীবনীর সাথে তুলনা করুন।

২ — (আবদুল্লাহ বিন আইয়াশ বিন আব্বাস আল-কিতবানি) (ক্রম ১৫১৬)-এর জীবনীতে তিনি বলেছেন:

"তিনি মিসরের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত।" অথচ আবু দাউদ এবং নাসায়ী তাকে দুর্বল বলেছেন, এবং ইবনে ইউনুস—যিনি মিসরীয়দের ব্যাপারে প্রধান নির্ভরযোগ্য কর্তৃপক্ষ—বলেছেন: "তিনি মুনকারুল হাদিস (পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী)", এবং ইমাম মুসলিম তার থেকে সমর্থক বর্ণনা হিসেবে হাদিস গ্রহণ করেছেন। তিনি সেই হাদিসের বর্ণনাকারী যাতে রয়েছে "তোমরা তাদের অভিশাপ দাও, কারণ তারা অভিশপ্ত", যার শুদ্ধিকরণের ব্যাপারে আয-যাহাবি ইমাম হাকিমের ওপর আপত্তি জানিয়েছেন।

৩ — (সুলাইমান বিন হাইয়ান আবু খালিদ আল-আহমার) (ক্রম ১৩৬১)-এর জীবনীতে তিনি বলেছেন:

"তিনি কুফাবাসীদের মধ্যে দক্ষ ছিলেন এবং তিনি দৃঢ় ছিলেন।" অথচ আবু খালিদের অবস্থা—তার সত্যবাদিতা সত্ত্বেও—তার প্রচুর ভুলভ্রান্তি এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বিরোধিতার কারণে সুপরিচিত।

উদাহরণস্বরূপ "আল-কামিল" এবং "আত-তাকরিব"-এ তার জীবনী দেখুন।

৪ — (ইয়াহইয়া বিন আলী বিন ইয়াহইয়া বিন খাল্লাদ আয-যুরকি) (ক্রম ১১০১)-এর জীবনীতে তিনি বলেছেন:

"তিনি দক্ষ ছিলেন।" অথচ এই ইয়াহইয়া অজ্ঞাত পরিচয়ের, এবং তিনি মাত্র একটি হাদিস ছাড়া পরিচিত নন। টীকাসহ "আল-মিজান" এবং "তাহজিবুল কামাল"-এ তার জীবনী দেখুন।

৫ — (উসমান বিন আবিল আতিকা) (ক্রম ১৪৪৯)-এর জীবনীতে তিনি বলেছেন:

"তিনি সেখানকার—অর্থাৎ সিরিয়ার—সুনিপুণ দক্ষ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাদের প্রাচীন শায়খদের অন্যতম।"
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ১৩)
والرجل أحسن أحواله أن يكون صدوقاً إذا روى عن غير (علي بن يزيد الألهاني) ـ ذاك المتروك ـ أنظر " تهذيب الكمال " بحواشيه.

وفي المقابل وصف جماعة من الثقات والصدوقين برداءة الحفظ، حتى ولو

كان يقصد أنهم يعتمدون في الرواية على كتبهم، لكن ظاهر صنيعه أنهم مجروحون

بجرح مفسر، وهذا ما يعرفه عامة المبتدئين في الطلب.

فمن هؤلاء:

1 ـ علي بن الحكم البناني (رقم 1217) .

2 ـ عبد الله بن عبد الرحمن بن معمر أبو طوالة (رقم 576) .

3 ـ غالب القطان (رقم 1231) . وغالب لم يُصب ابنُ عديّ بإيراده في (الكامل) لأن البلاء من الراوي عنه.

4 ـ غسان بن مضر الأزدي (رقم 1261) .

5 ـ برد بن سنان (رقم 1228) .

6 ـ حزم بن أبي حزم القطعي (رقم 1237) .

7 ـ بل قال في الثقة الثبت القاسم بن الفضل الحداني (رقم 1259) :

" من المتيقظين في الروايات على سوء حفظه ". والحداني وثقه الناس، وأورده العقيلي في "الضعفاء" (3/477، 478) متعلقاً بحديث لمَّا علم شعبةُ أن القاسم سمعه من أبي نضرة ولم يأخذه من شهر بن حوشب سكت، وهو حديث صحيح.
সেই ব্যক্তির সর্বোত্তম অবস্থা হলো যে সে সত্যনিষ্ঠ (সদুক), যদি সে (আলী ইবনে ইয়াজিদ আল-আলহানি) ব্যতীত অন্য কারো থেকে বর্ণনা করে — সেই আলী তো পরিত্যক্ত (মাতরুক) — দেখুন "তহজীবুল কামাল" ও এর টীকাগুলো।

অপরপক্ষে, তিনি একদল নির্ভরযোগ্য ও সত্যনিষ্ঠ বর্ণনাকারীকে মুখস্থশক্তির দুর্বলতার বিশেষণে বিশেষায়িত করেছেন, এমনকি যদিও

তার উদ্দেশ্য এটি হয়ে থাকে যে তারা বর্ণনার ক্ষেত্রে তাদের কিতাবসমূহের ওপর নির্ভর করতেন, কিন্তু তার কাজের বাহ্যিক দিক এটাই নির্দেশ করে যে তারা অভিযুক্ত

একটি ব্যাখ্যাকৃত দোষারোপের (জরাহ মুফাসসার) মাধ্যমে, আর এটি এমন বিষয় যা ইলম অন্বেষণে সাধারণ নবীনরাও জানে।

তাদের মধ্যে রয়েছেন:

১ — আলী ইবনে আল-হাকাম আল-বুনানি (নম্বর ১২১৭)।

২ — আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুয়াম্মার আবু তুওয়ালা (নম্বর ৫৭৬)।

৩ — গালিব আল-কাত্তান (নম্বর ১২৩১)। আর ইবনে আদি গালিবকে (আল-কামিল) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করে সঠিক কাজ করেননি, কারণ মূল ত্রুটি ছিল তার নিকট থেকে বর্ণনাকারীর মধ্যে।

৪ — গাসসান ইবনে মুদার আল-আজদি (নম্বর ১২৬১)।

৫ — বুরদ ইবনে সিনান (নম্বর ১২২৮)।

৬ — হাযম ইবনে আবি হাযম আল-কাতয়ী (নম্বর ১২৩৭)।

৭ — এমনকি তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় (সিকাহ সাবত) কাসিম ইবনে আল-ফাদল আল-হাদ্দানি (নম্বর ১২৫৯) সম্পর্কে বলেছেন:

"বর্ণনার ক্ষেত্রে সজাগ হওয়া সত্ত্বেও তার মুখস্থশক্তি দুর্বল"। অথচ লোকেরা আল-হাদ্দানিকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন, আর আল-উকায়লি তাকে "আদ-দুয়াফা" (৩/৪৭৭, ৪৭৮) গ্রন্থে এমন একটি হাদিস সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উল্লেখ করেছেন যে, যখন শু’বাহ জানতে পারলেন যে কাসিম এটি আবু নাদারা থেকে শুনেছেন এবং শাহর ইবনে হাওশাব থেকে গ্রহণ করেননি, তখন তিনি নীরব হয়ে যান; আর এটি একটি সহিহ হাদিস।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ১৪)
8 ـ وقال في (يزيد بن عبد الله بن خصيفة) (رقم 1066) :

" وكان يهِمُ كثيراً إذا حدث من حفظه " وهذا وصفٌ لم أر أحداً سبقه إليه، ولو كان ابنُ خصيفة كذلك لكان مثل (عبد العزيز بن محمد الدراوردي) وحاشاه.

نعم، روى الآجري عن أبي داود أن الإمام أحمد قال: " منكر الحديث "، والثابت عن الإمام أحمد توثيقه كما رواه عنه الأثرم. وفي القلب من بعض ما يرويه الآجري عن أبي داود. فالله أعلم.

وأخيراً، فإني بانتظار مقترحات إخواني الأفاضل، وما يرونه من تنبيهات وملاحظات، سواء ما يتعلق بالإطالة في أحوال الرواة الذين لا يحتاج بيان أمرهم إلى ذلك، أو غير ذلك من الأمور.

كذلك أرجو أن تقر عيني بإجابات سديدة عن (الاختبار) أو (الألغاز) التي وضعتها في آخر الكتاب، ولعل أحسن إجابة أو ثلاث إجابات ينال أصحابها ما تقرُّ به أعينهم إن شاء الله.

والله المستعان، وعليه التكلان، ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم.

وصلى الله وسلم وبارك على رسولنا وقدوتنا محمد صلى الله عليه وسلم وعلى آله الطيبين الطاهرين، ورضي الله عن صحابته الغرِّ الميامين، وتابعيهم بإحسان إلى يوم الدين.

(ربنا تقبل منا إنك أنت السميع العليم) .
৮ — এবং তিনি (ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খুসাইফা) সম্পর্কে (১০৬৬ নং) বলেছেন:

"তিনি যখন তাঁর মুখস্থ থেকে বর্ণনা করতেন তখন প্রচুর ভুল করতেন।" এটি এমন এক বর্ণনা যা আমি কাউকে তাঁর পূর্বে উল্লেখ করতে দেখিনি। যদি ইবনে খুসাইফা এমন হতেন তবে তিনি (আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আদ-দারাওয়ার্দি)-এর মতো হতেন, অথচ তিনি এর ঊর্ধ্বে ছিলেন।

হ্যাঁ, আল-আজুরি আবু দাউদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে ইমাম আহমদ বলেছেন: "তিনি মুনকারুল হাদিস (পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী)"। তবে ইমাম আহমদ থেকে যা প্রমাণিত তা হলো তাঁর বিশ্বস্ততা, যেমনটি আল-আছরাম তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-আজুরি আবু দাউদ থেকে যা বর্ণনা করেছেন তার কিছু বিষয়ে মনে সংশয় রয়েছে। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

সবশেষে, আমি আমার শ্রদ্ধেয় ভাইদের প্রস্তাবনা এবং তাদের দেওয়া সতর্কবার্তা ও মন্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছি; তা বর্ণনাকারীদের জীবনী দীর্ঘ করার বিষয়ে হোক যাদের অবস্থা ব্যাখ্যা করার জন্য তেমন দীর্ঘ বর্ণনার প্রয়োজন নেই, অথবা অন্য কোনো বিষয়ে।

তেমনি আমি আশা করি যে, বইয়ের শেষে আমি যে 'পরীক্ষা' বা 'ধাঁধাগুলো' দিয়েছি সেগুলোর সঠিক উত্তরের মাধ্যমে আমার চোখ জুড়াবে। সম্ভবত সেরা একটি বা তিনটি উত্তরের জন্য উত্তরদাতারা এমন কিছু পাবেন যা তাদের চোখ জুড়িয়ে দেবে, ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া হচ্ছে, তাঁর ওপরই ভরসা এবং সুউচ্চ মহান আল্লাহ ব্যতীত কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই।

আমাদের রসূল এবং আমাদের আদর্শ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর পবিত্র পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত, শান্তি ও বরকত বর্ষিত হোক। আর তাঁর মহিমান্বিত বরকতময় সাহাবীদের ওপর এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবে তাদের ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন।

(হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পক্ষ থেকে কবুল করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ)।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ১৫)
وكتبه: أبو عبد الرحمن محمد عمرو بن عبد اللطيف بن محمد بن عبد القادر بن رضوان بن سليمان بن مفتاح بن شاهين الشنقيطيّ ـ عفا الله عنه ـ.

بمنزله بمدينة نصر يوم السبت الخامس والعشرين من شعبان 1425 هـ الموافق للتاسع من أكتوبر 2004 م.

والحمد لله رب العالمين.
এটি লিখেছেন: আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ আমরু ইবন আবদুল লতিফ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল কাদির ইবন রিদওয়ান ইবন সুলাইমান ইবন মিফতাহ ইবন শাহীন আশ-শানকিতী — আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন —।

নাসর সিটিতে তার নিজ বাসভবনে, শনিবার, ২৫শে শাবান ১৪২৫ হিজরি মোতাবেক ৯ই অক্টোবর ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ।

সকল প্রশংসা সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ১৯)
رُوي هذا المتن عن النبي صلى الله عليه وسلم من حديث ابن عباس وحده ـ فيما أعلم ـ من طريق كل من: عكرمة مولاه، وسعيد بن جبير، وداود البصري عنه.

ورُوي شطره الآخر ـ حَسْبُ ـ من طريق ابنه علي بن عبد الله بن عباس عنه.

ولا يصح منها شيء، بل كلها ما بين إسناد مُعَلٍّ، أو ظاهر الضعف، وهاك بيان ذلك.

‌‌1 ـ طريق عكرمة عن ابن عباس.

وقد اختُلِف على اسم الراوي عنه ـ بنفس الإسناد والمخرج ـ على وجهين:

الأول: عبيد المُكْتِب الكوفي عنه:

قال أبو القاسم الطبراني رحمه الله في (المعجم الكبير) له (11 / 304 رقم 11810) : " حدثنا الحسن (1) بن عباس الرازي ثنا أحمد بن أبي سريج الرازي ثنا علي بن حفص المدائني ثنا عبيد المكتب الكوفي عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ما من عبد مؤمن إلا وله ذنب يعتاده الفينة بعد الفينة، أو ذنب هو مقيم عليه

--------------------------------------------

(1) تحرف اسمه في مطبوع " الكبير " إلى: (الحسين بن العباس) والمثبت في جميع مصادر النقل عنه والتراجم: (الحسن) .
এই মতনটি (মূল পাঠ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইবনে আব্বাসের একক হাদিস হিসেবে বর্ণিত হয়েছে—আমার জানামতে—তার থেকে নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের সূত্রে: তার মুক্তদাস ইকরিমা, সাঈদ ইবনে জুবায়ের এবং দাউদ আল-বসরী।

আর এর অন্য অর্ধাংশ—শুধুমাত্র—তার পুত্র আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের সূত্রে তার থেকে বর্ণিত হয়েছে।

এগুলোর কোনোটিই বিশুদ্ধ নয়; বরং এগুলোর সবকটিই হয় ত্রুটিযুক্ত (মু'আল্লাল) সনদ অথবা প্রকাশ্য দুর্বলতার অন্তর্ভুক্ত, আর এখানে তার বিবরণ দেওয়া হলো।

১. ইবনে আব্বাস থেকে ইকরিমার সূত্র

একই সনদ ও উৎস হতে তার থেকে বর্ণনাকারীর নামের ক্ষেত্রে দুটি মতভেদ পাওয়া যায়:

প্রথম: তার থেকে উবাইদ আল-মুকতিব আল-কুফি:

আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি (রাহিমাহুল্লাহ) তার (আল-মুজাম আল-কাবীর) গ্রন্থে (১১/৩০৪, নং ১১৮১০) বলেছেন: "আমাদের নিকট হাসান (১) বিন আব্বাস আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমদ বিন আবি সুরাইজ আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলী বিন হাফস আল-মাদায়েনি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদ আল-মুকতিব আল-কুফি বর্ণনা করেছেন ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: 'এমন কোনো মুমিন বান্দা নেই যার কোনো গুনাহ নেই যা সে মাঝে মাঝে করে থাকে, অথবা এমন কোনো গুনাহ নেই যাতে সে লিপ্ত থাকে...

--------------------------------------------

(১) 'আল-কাবীর'-এর মুদ্রিত কপিতে তার নাম বিকৃত হয়ে (আল-হুসাইন বিন আল-আব্বাস) হয়ে গেছে, তবে তার থেকে উদ্ধৃত সকল উৎস এবং জীবনীগ্রন্থগুলোতে যা সাব্যস্ত হয়েছে তা হলো: (আল-হাসান)।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২০)
لا يفارقه حتى يفارق الدنيا (1) ، إن المؤمن خلق مُفَتَّناً توَّاباً نَسَّاءً (2) ، إذا ذُكِّرَ ذَكَرَ ".

تفرد الطبراني رحمه الله بروايته في " الكبير " من هذا الوجه ـ فيما أعلم ـ،

ورجاله كلهم ثقات على مقال يسير في (علي بن حفص المدائني) ، إلا أنه معلول بهذا الإسناد كما يأتي بيانه في موضعه بحول الله وقوته.

وهذه تراجم رجال هذا الإسناد مع شيء من الإطالة:

1 ـ الحسن بن العباس الرازي ـ شيخ الطبراني ـ:

هو: (أبو علي الحسن بن العباس بن أبي مهران الرازي المقريء) نزيل بغداد، ويعرف بـ (الجَمَّال) .

قال الخطيب البغدادي رحمه الله في ترجمته من "تاريخ بغداد" (7 /397 رقم 3935) : " سكن بغداد، وحدث بها عن سهل بن عثمان العسكري، وعبد المؤمن بن علي الزعفراني، وعبد الله بن هارون الفروي، ويعقوب بن حميد ابن كاسب. روى عنه: يحيى بن محمد بن صاعد، ومحمد بن

--------------------------------------------

(1) في المطبوع: " لا يفارقه حتى يفارق " حَسْبُ. والتصويب بإثبات الزيادة من المخطوط كما في "الصحيحة" (2276) ، وفي عدة مصادر نقلت عن "المعجم الكبير".

‌‌(2) في المطبوع و "كنز العمال" (10234) : " نسيّاً "، وفي نقل العلامة الألباني في "الصحيحة" عن المخطوط والحافظ الديلمي في "مسند الفردوس" عن "الكبير" والحافظ الهيثمي في "المجمع" عنه: " نسَّاءً "، فهو الصواب ـ إن شاء الله ـ.
এটি তাকে ছেড়ে যাবে না যতক্ষণ না সে দুনিয়া ছেড়ে যায় (১), নিশ্চয়ই মুমিনকে সৃষ্টি করা হয়েছে এমনভাবে যে সে বারবার পরীক্ষায় পড়ে, বারবার তাওবা করে এবং অধিক বিস্মৃতিপরায়ণ (২), যখন তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, সে স্মরণ করে।"

তাবারানি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'আল-মু'জামুল কাবীর' গ্রন্থে এই সূত্রে এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন—যতটুকু আমি জানি—

এবং এর বর্ণনাকারীগণ সকলে বিশ্বস্ত, তবে (আলী বিন হাফস আল-মাদায়িনী)-এর ব্যাপারে সামান্য আলোচনা রয়েছে, তবে এই সনদটি ত্রুটিযুক্ত, যা যথাস্থানে আল্লাহর শক্তি ও সামর্থ্যে বিস্তারিত বর্ণিত হবে।

আর এই সনদের বর্ণনাকারীদের জীবনী কিছুটা বিস্তারিতভাবে নিম্নরূপ:

১ — হাসান বিন আব্বাস আল-রাজি —তাবারানির শিক্ষক—:

তিনি হলেন: (আবু আলী হাসান বিন আব্বাস বিন আবি মিহরান আল-রাজি আল-মুকরি), বাগদাদের বাসিন্দা এবং তিনি (আল-জাম্মাল) নামে পরিচিত।

খতিব বাগদাদি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর জীবনীতে 'তারিখে বাগদাদ' (৭/৩৯৭, নং ৩৯৩৫)-এ বলেছেন: "তিনি বাগদাদে বসবাস করতেন এবং সেখানে সাহল বিন উসমান আল-আসকারি, আবদুল মুমিন বিন আলী আল-জাফরানি, আবদুল্লাহ বিন হারুন আল-ফারভি এবং ইয়াকুব বিন হুমাইদ ইবনে কাসিব থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ এবং মুহাম্মদ বিন

--------------------------------------------

(১) মুদ্রিত কপিতে শুধুমাত্র: "এটি তাকে ছেড়ে যাবে না যতক্ষণ না সে ছেড়ে যায়" রয়েছে। পাণ্ডুলিপি অনুযায়ী অতিরিক্ত অংশটি যুক্ত করে সংশোধন করা হয়েছে, যেমনটি 'আস-সহিহা' (২২৭৬)-এ রয়েছে এবং 'আল-মু'জামুল কাবীর' থেকে উদ্ধৃত বেশ কিছু উৎসে বর্ণিত হয়েছে।

‌‌(২) মুদ্রিত কপি এবং 'কানজুল উম্মাল' (১০২৩৪)-এ রয়েছে: "নাসিয়্যান", কিন্তু আল্লামা আলবানি 'আস-সহিহা' গ্রন্থে পাণ্ডুলিপি থেকে এবং হাফেজ দাইলামি 'মুসনাদুল ফিরদাউস'-এ 'আল-কাবীর' থেকে এবং হাফেজ হাইসামি 'আল-মাজমা' গ্রন্থে তা থেকে যে বর্ণনা করেছেন তাতে রয়েছে: "নাসসাআন"; আর এটাই সঠিক—ইনশাআল্লাহ।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২১)
مخلد، وأبو عمرو ابن السماك، وعبد الصمد بن علي الطستي، وأبو سهل بن زياد، ومحمد بن الحسن النقاش المقريء، وعبد الباقي بن قانع (1) ، وغيرهم، وكان ثقة ".

ثم روى بإسناده إليه: " حدثنا عبد الله بن هارون بن موسى الفروي … " فذكر بإسناده إلى أنس مرفوعاً: " من عَزَّى أخاه المؤمن من مصيبة، كساه الله حلة خضراء يحبر بها يوم القيامة "، قيل: يا رسول الله، ما يحبر؟ قال: " يغبط بها يوم القيامة ".

وبإسناده إلى ابن المنادي قال: " والحسن بن العباس بن أبي مهران الجَمَّال

الرازي المقريء ـ يعني: مات ـ في شهر رمضان لأيام خلت منه سنة تسع وثمانين. وكان بالجانب الغربي في دار القطن، ثم انتقل إلى كرخايا، وهناك مات".

قلت: والحديث الذي أورده له الخطيب عن عبد الله بن هارون

--------------------------------------------

(1) والملاحظ أن الخطيب رحمه الله لم ينص على تحديث الجَمَّال عن (أحمد بن أبي سريج الرازي) ولا على رواية الطبراني عنه، فزدهما في نسختك من " تاريخ بغداد " غير مأمور. ويجاب للخطيب عن الأول أنه قيَّد أولئك بتحديثه ببغداد، فلعل الطبراني سمعه منه بالرَّيّ أو غيرها، ويجاب له عن الثاني بأن الطبراني داخل في قوله: "وغيرهم". فالمتعين علينا أن نتلمس الأعذار لأهل العلم والفضل ما استطعنا إلى ذلك سبيلاً، فلولاهم ما رُحْنا ولا جئنا!
মাখলাদ, আবু আমর ইবনুল সাম্মাক, আবদুস সামাদ ইবনে আলী আল-তাস্তি, আবু সাহল ইবনে জিয়াদ, মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-নাক্কাশ আল-মুকরি, আবদুল বাকি ইবনে কানি (১) এবং অন্যান্যরা; আর তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য।

অতঃপর তিনি তার নিকট নিজের সনদে বর্ণনা করেন: "আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে হারুন ইবনে মুসা আল-ফারবি …" অতঃপর তিনি তার সনদে আনাস (রা.) থেকে মারফু হিসেবে উল্লেখ করেন: "যে ব্যক্তি তার মুমিন ভাইকে কোনো বিপদে সান্ত্বনা প্রদান করে, আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন একটি সবুজ পোশাক পরিয়ে দেবেন যাতে সে আনন্দিত হবে।" জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, আনন্দিত হওয়া কী? তিনি বললেন: "কিয়ামতের দিন এর কারণে তাকে ঈর্ষা করা হবে (অর্থাৎ তার মর্যাদা দেখে অন্যরা ঈর্ষা করবে)।"

এবং ইবনুল মুনাদির সনদে তিনি বলেন: "আর আল-হাসান ইবনুল আব্বাস ইবনে আবি মিহরান আল-জাম্মাল

আর-রাজি আল-মুকরি — অর্থাৎ: তিনি ইন্তেকাল করেন — ঊননব্বই হিজরি সনের রমজান মাসের কয়েক দিন অতিবাহিত হওয়ার পর। তিনি পশ্চিম পার্শ্বে দারুল কুতনে ছিলেন, এরপর কারখায়ায় স্থানান্তরিত হন এবং সেখানেই ইন্তেকাল করেন।"

আমি বলছি: আল-খতিব আবদুল্লাহ ইবনে হারুন থেকে তার যে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন

--------------------------------------------

(১) লক্ষণীয় যে, আল-খতিব (রহিমাহুল্লাহ) আল-জাম্মাল কর্তৃক (আহমদ ইবনে আবি সুরাইজ আর-রাজি) থেকে হাদিস বর্ণনা করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি, আর না তাবরানি কর্তৃক তার থেকে বর্ণনা করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। সুতরাং আপনি আপনার 'তারিখে বাগদাদ'-এর কপিতে স্বউদ্যোগে এগুলো যুক্ত করে নিন। প্রথম বিষয়টির ব্যাপারে খতিবের পক্ষ থেকে উত্তর হলো, তিনি ওই বর্ণনাকারীদের বাগদাদে হাদিস শোনার বিষয়ের সাথে সীমাবদ্ধ করেছেন; সম্ভবত তাবরানি তার থেকে 'রায়' শহর বা অন্য কোথাও শুনেছেন। আর দ্বিতীয়টির উত্তর হলো, তাবরানি তার 'এবং অন্যান্যরা' বক্তব্যের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং আমাদের উচিত ইলম ও মর্যাদার অধিকারীদের জন্য যথাসম্ভব ওজর খুঁজে বের করা; কারণ তারা না থাকলে আমরা কোনো কূলকিনারাই পেতাম না!
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২২)
الفروي لم يتفرد به، بل تابعه عليه محمد بن عبد الله بن عبد السلام مكحول البيروتي الحافظ فيما كتب إلى ابن عدي رحمه الله كما في ترجمة الفروي من "الكامل" (4/ 1572) وتابعه أيضا عبد الجبار بن أحمد السمرقندي عند ابن عساكر في "تاريخه" ـ وضَلَّ عني موضعه لأنه في الأجزاء التي لم تصلني بعد ـ وهو في (المحمدين) ، والراوي عنه سكت عليه ابن عساكر. ثم وجدت الديلمي رواه من طريق أحمد بن منصور المروزي عن الفروي به كما في حاشية "الفردوس" (ح 6148) فالحمد لله رب العالمين.

وترجم له الخطيب أيضاً في "تلخيص المتشابه في الرسم" (1/403) تحت (باب ذكر الخلاف في حرفين: الحسن بن عياش، والحسن بن عباس) باسم: (الحسن بن عباس بن أبي مهران المقريء الرازي) .

قال: " ويعرف بالجَمَّال. حدث عن سهل بن عثمان، ومحمد بن حميد، وأحمد بن عبد الرحمن الدشتكي، وغيرهم.

روى عنه: أبو عمرو بن السماك، وأبو سهل بن زياد. وقلما تجيء عنه الرواية بحذف الألف واللام اللذين للتعريف من اسم أبيه ".

ثم ساق له حديثاً من طريق أبي سهل بن زياد القطان عنه مقروناً بأبي يحيى الزعفراني، عن الدشتكي بإسناده إلى أُبيّ بن كعب ـ رضي الله تعالى عنه ـ.
আল-ফারুয়ী এতে একক নন, বরং মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল সালাম মাকহুল আল-বাইরুতী আল-হাফিজ ইবনে আদী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট যা লিখেছেন তাতে তাঁর অনুসরণ করেছেন, যেমনটি 'আল-কামিল' (৪/১৫৭২) গ্রন্থে আল-ফারুয়ীর জীবনীতে রয়েছে। আব্দুল জাব্বার বিন আহমদ আস-সামারকান্দীও ইবনে আসাকিরের 'তারিখ'-এ তাঁর অনুসরণ করেছেন—তবে এর সঠিক অবস্থানটি আমার নিকট অস্পষ্ট কারণ এটি সেই খণ্ডগুলোতে রয়েছে যা এখনও আমার নিকট পৌঁছেনি—আর তিনি (মুহাম্মদুন) অধ্যায়ে রয়েছেন, এবং তাঁর থেকে বর্ণনাকারীর ব্যাপারে ইবনে আসাকির নীরব থেকেছেন। এরপর আমি দাইলামীকে আহমদ বিন মানসুর আল-মারওয়াযীর সূত্রে আল-ফারুয়ী থেকে এটি বর্ণনা করতে দেখেছি, যেমনটি 'আল-ফিরদাউস'-এর টীকায় (হাদিস ৬১৪৮) রয়েছে, সুতরাং সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

আল-খাতিবও 'তালখিসুল মুতাশাবিহ ফিল রাসম' (১/৪০৩) গ্রন্থে (দুই অক্ষরের মধ্যকার মতপার্থক্য উল্লেখ সংক্রান্ত অধ্যায়: আল-হাসান বিন আইয়াশ এবং আল-হাসান বিন আব্বাস) শিরোনামের অধীনে তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন এই নামে: (আল-হাসান বিন আব্বাস বিন আবি মিহরান আল-মুকরি আল-রাজি)।

তিনি বলেছেন: "তিনি আল-জাম্মাল নামে পরিচিত। তিনি সাহল বিন উসমান, মুহাম্মদ বিন হুমাইদ, আহমদ বিন আব্দুর রহমান আদ-দাশতাকী এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আমর বিন আস-সাম্মাক এবং আবু সাহল বিন যিয়াদ। তাঁর পিতার নাম থেকে নির্দিষ্টকারী আলিফ এবং লাম বাদ দিয়ে তাঁর থেকে বর্ণনা খুব কমই আসে।"

এরপর তিনি আবু সাহল বিন যিয়াদ আল-কাত্তানের সূত্রে তাঁর থেকে একটি হাদিস উদ্ধৃত করেছেন আবু ইয়াহইয়া আয-যা'ফারানীর সাথে সমন্বিতভাবে, আদ-দাশতাকী থেকে তাঁর সনদে উবাই বিন কাব (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) পর্যন্ত।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২৩)
وأبو يحيى الزعفراني هو: (جعفر بن محمد بن الحسن الرازي) ويعرف

(بالتفسيري) وهو ثقة حافظ لاسيما لمرويات التفسير (1) .

فكان مقصود الخطيب بإيراد هذا الحديث أنه سُمِّي فيه (الحسن بن عباس) بالتنكير خلافاً لأكثر الروايات التي يأتي فيها باسم (الحسن بن العباس) مع أن أبا سهل بن زياد القطان نفسه سمَّاه (الحسن بن العباس) في الحديث الذي أورده له الخطيب في "تاريخه".

ثم إن محققة "تلخيص المتشابه" ـ السيدة: سكينة الشهابي ـ عفا الله عنهاى ـ عزته في حاشية الكتاب إلى "أنساب السمعاني" وحده.

والحق أنها نبهتني إلى وجوده فيه (2/ 83، 84) (دار الجنان) تحت نسبة (الجَمَّال) حيث قال السمعاني رحمه الله: " والحسن بن عباس بن أبي مهران الجمال المقريء الرازي حدث عن … " فذكر عَيْن الشيوخ والرواة الذين في "تلخيص المتشابه" بزيادة: (وغيرهما) .

--------------------------------------------

(1) مترجم في "الجرح" (2 / 488، 489) وقال ابن أبي حاتم: " صدوق "، و "تاريخ بغداد" (7 / 184، 185) ولفظ ابن أبي حاتم فيه: " صدوق ثقة " ومعناها ـ بالاستقراء عندي ـ: " ثقة حافظ ". وقال الداراقطني: " صدوق " كما في "سؤالات الحاكم" (69) . وذكره المزي في جملة الرواة عن (أحمد بن عبد الرحمن الدشتكي) في ترجمة هذا من "تهذيب الكمال" (1 / 386) ونعته بـ (الحافظ) . وقال الذهبي في "السير" (14/ 108) أثناء ترجمة (جعفر بن محمد الفريابي الحافظ) في سرده لأَجَلِّ من اسمه (جعفر بن محمد) من العلماء: " وجعفر بن محمد بن الحسن أبو يحيى الزعفراني الرازي … ثقة مفسر … ".
আবু ইয়াহইয়া আয-জাফরানী হলেন: (জাফর বিন মুহাম্মদ বিন হাসান আর-রাযী) এবং তিনি

(আত-তাফসিরী) নামে পরিচিত। তিনি একজন নির্ভরযোগ্য হাফিয, বিশেষ করে তাফসির সংক্রান্ত বর্ণনার ক্ষেত্রে (১)।

এই হাদিসটি উল্লেখ করার মাধ্যমে খতিবের উদ্দেশ্য ছিল এই যে, এতে (হাসান বিন আব্বাস) নামটি নাকেরা (অনির্দিষ্ট) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা অধিকাংশ বর্ণনার বিপরীত যেখানে তার নাম (আল-হাসান বিন আল-আব্বাস) হিসেবে আসে; যদিও আবু সাহল বিন যিয়াদ আল-কাত্তান নিজেই তাকে (আল-হাসান বিন আল-আব্বাস) নামে অভিহিত করেছেন সেই হাদিসে যা খতিব তার "তারিখ" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

অতঃপর "তালখিসুল মুতাশাবিহ" গ্রন্থের গবেষক — সাইয়্যেদাহ: সাকীনাহ আশ-শিহাবী — আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন — কিতাবের টীকাভাষ্যে এটিকে কেবল "আনসাবুস সামআনী"র দিকে নিসবত করেছেন।

প্রকৃতপক্ষে তিনি আমাকে সেখানে এর অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন করেছেন (২/ ৮৩, ৮৪) (দারুল জিনান), যা "আল-জাম্মাল" নিসবতের অধীনে রয়েছে। যেখানে সামআনী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "এবং হাসান বিন আব্বাস বিন আবি মিহরান আল-জাম্মাল আল-মুকরি আর-রাযী বর্ণনা করেছেন … থেকে।" অতঃপর তিনি "তালখিসুল মুতাশাবিহ"-এ বিদ্যমান হুবহু সেই সব শায়খ ও বর্ণনাকারীদের উল্লেখ করেছেন এবং অতিরিক্ত হিসেবে যোগ করেছেন: (এবং তারা দু'জন ছাড়াও আরও অনেকে)।

--------------------------------------------

(১) "আল-জারহ" (২/ ৪৮৮, ৪৮৯) গ্রন্থে তার জীবনী বর্ণিত হয়েছে এবং ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: "সাদুক", এবং "তারিখে বাগদাদ" (৭/ ১৮৪, ১৮৫) গ্রন্থে সেখানে ইবনে আবি হাতিমের শব্দাবলী এমন: "সাদুক সিকাহ", আর আমার নিকট পর্যালোচনার ভিত্তিতে এর অর্থ হলো: "সিকাহ হাফিয"। দারাকুতনী বলেছেন: "সাদুক" যেমনটি "সুয়ালাতুল হাকিম" (৬৯) গ্রন্থে রয়েছে। আল-মিযযি "তাহযিবুল কামাল" (১/ ৩৮৬) গ্রন্থে (আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আদ-দাশটাকি)-এর জীবনীতে তার থেকে বর্ণনাকারী রাবীদের তালিকায় তাকে উল্লেখ করেছেন এবং তাকে (আল-হাফিয) হিসেবে বিশেষিত করেছেন। আয-যাহাবী "আস-সিয়ার" (১৪/ ১০৮) গ্রন্থে (হাফিয জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরিয়াবী)-এর জীবনী আলোচনা করার সময় "জাফর বিন মুহাম্মদ" নামের শ্রেষ্ঠ আলেমদের তালিকায় বলেছেন: "এবং জাফর বিন মুহাম্মদ বিন হাসান আবু ইয়াহইয়া আয-জাফরানী আর-রাযী … নির্ভরযোগ্য মুফাসসির …"।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২৪)
كأنه انتزع الترجمة منه بقرينة أنه ذُكر اسم أبيه مُنَكّراً، بخلاف ما في "التاريخ" وغيره. وترجم له الذهبي رحمه الله في "تاريخ الإسلام" (وفيات 281 ـ 290) (ص 152) وقال: " المقريء المجود "، وقال أيضاً: " تصدر للإقراء، وكان من كبار المحققين للقراءات " حتى قال: " وثقة الخطيب ".

وترجم له ترجمة أوسع من هذه في "معرفة القراء الكبار" (1/235 رقم 134) ، فقال: " فقال روى عن سهل بن عثمان، وعبد المؤمن بن علي الزعفراني، ويعقوب بن حميد بن كاسب. وعني بالقراءات، فقرأ على الأحمدين: ابن قالون والحلواني، ومحمد بن عيسى الأصبهاني، وأحمد بن صالح المصري " حتى قال: " وكان إليه المنتهى في الضبط والتحرير، أقرأ ببغداد وغيرها. قرأ عليه ابن مجاهد، وابن شبنوذ، والنقاش، وأحمد بن حماد صاحب المشطاح. وحَدَّثَ عنه ابن السماك، وابن قانع، وعبد الصمد الطستي، وأبو سهل القطان، وأبو القاسم الطبراني "، ثم حكى توثيق الخطيب وتأريخ وفاته باختصار.

وترجم له أيضاً ابن الجزري رحمه الله في "غاية النهاية" (1/216 رقم 986) ، وقال: " شيخ عارف حاذق مصدر ثقة، إليه المنتهى في الضبط والتحرير ".

وزاد على الذهبي فيمن قرأ عليهم وقرأوا عليه قليلاً.
মনে হচ্ছে তিনি জীবনীটি সেখান থেকেই গ্রহণ করেছেন এই যুক্তিতে যে, তার পিতার নাম সেখানে অনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা 'তারিখ' এবং অন্যান্য গ্রন্থের বিপরীত। ইমাম যাহাবী (রাহিমাহুল্লাহ) 'তারিখুল ইসলাম'-এ (মৃত্যু ২৮১-২৯০ হিজরি) (পৃষ্ঠা ১৫২) তার জীবনী উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "তিনি একজন দক্ষ ক্বারী", তিনি আরও বলেছেন: "তিনি কুরআন পাঠদানের জন্য নিবেদিত ছিলেন এবং কিরাআত শাস্ত্রের বড় গবেষকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।" এমনকি তিনি বলেছেন: "খতিব তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন।"

আর তিনি 'মা'রিফাতুল কুররাউল কিবার' গ্রন্থে (১/২৩৫, নং ১৩৪) এর চেয়েও বিস্তারিত জীবনী বর্ণনা করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন: "তিনি সাহল ইবনে উসমান, আব্দুল মুমিন ইবনে আলী আয-জাফরানী এবং ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ ইবনে কাসিব থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি কিরাআত শাস্ত্রের প্রতি মনোনিবেশ করেছিলেন, ফলে তিনি 'দুই আহমাদ' অর্থাৎ ইবনে কালুন ও আল-হালওয়ানী, এবং মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আল-আসবাহানী ও আহমাদ ইবনে সালেহ আল-মিসরীর নিকট পাঠ করেছেন।" এমনকি তিনি আরও বলেছেন: "নির্ভুলতা ও যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন চূড়ান্ত পর্যায়ের। তিনি বাগদাদ ও অন্যান্য স্থানে পাঠদান করেছেন। তার নিকট কিরাআত পাঠ করেছেন ইবনে মুজাহিদ, ইবনে শাবনুয, আন-নাক্কাশ এবং আল-মিশতাহ গ্রন্থের রচয়িতা আহমাদ ইবনে হাম্মাদ। তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবনে আস-সাম্মাক, ইবনে কানি', আব্দুল সামাদ আত-তাস্তী, আবু সাহল আল-কাত্তান এবং আবুল কাসিম আত-তাবারানী।" এরপর তিনি সংক্ষেপে খতিব বাগদাদীর সত্যায়ন এবং তার মৃত্যুর তারিখ বর্ণনা করেছেন।

ইবনুল জাযারী (রাহিমাহুল্লাহ) 'গায়াতুন নিহায়াহ' গ্রন্থেও (১/২১৬, নং ৯৮৬) তার জীবনী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: "তিনি একজন প্রাজ্ঞ, দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষক, যার নিকট নির্ভুলতা ও যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ লাভ করেছিল।"

যাদের নিকট তিনি পাঠ করেছেন এবং যারা তার নিকট পাঠ করেছেন—তাদের তালিকায় তিনি (ইবনুল জাযারী) যাহাবীর চেয়ে সামান্য কিছু নাম বৃদ্ধি করেছেন।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২৫)
فالحاصل أن الرجل ـ مع تثبته وإتقانه في القراءة ـ ثقة أيضاً في الحديث، لا أعلم فيه مَطْعَناً، ولم أجد أحداً قد أخذ عليه شيئاً يقدح في عدالته أو ضبطه.

وقد مَرَّ عليَّ أثناء رحلتي مع هذا العلم الشريف أن بعض الناس ـ ممن لا أستحضره الآن ـ كان إذا وجد الخطيب انفرد بتوثيق رجل، أو شاركه مثل ابن حبان؛ لا يتابعه على هذا التوثيق، ولا يرقى حديثه إلى مرتبة الصحة، بل يحطه إلى مرتبة (الصدوق) حَسْب. ولم أدْرِ ما الحامل له على ذلك.

نعم، ما الخطيب كأحمد والبخاري وأبي حاتم وأضرابهم في المعرفة والإتقان والدقِّة.

بل تكلم بعضهم في تحامله على أهل الرأي والحنابلة، وهذه قضية أخرى لا أستطيع الخوض فيها الآن إذ لم أُحِط بأطرافها، وإذ الأصل في توثيق الخطيب الاعتماد والقبول، لكنني أريد أن أنبه على أن الراوي الثقة ليس معصوماً أو مُبَرَّأً من الوهم والغلط، لاسيّما إن لم يكن من المبرزين في الحفظ والإتقان بحيث تتساوى كِفَّتُه بكفة راوٍ آخر ممن وصفتُ حالهم.

بل الحكم عند المخالفة في حديث بخصوصه للأرجح منه حفظاً وإتقاناً أو عدداً، إلا أن تقوم قرينةٌ تجعلنا نقضي بالضد من ذلك.

فكيف إذا كان المخالف لصاحب هذا الحديث ـ الحسن بن العباس
সংক্ষেপে কথা হলো, এই ব্যক্তি—কুরআন পাঠে তার ধীরস্থিরতা ও পারদর্শিতার পাশাপাশি—হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রেও নির্ভরযোগ্য, তার ব্যাপারে কোনো ত্রুটি আমার জানা নেই এবং আমি এমন কাউকে পাইনি যিনি তার ন্যায়পরায়ণতা বা স্মরণশক্তির সঠিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন কিছু উত্থাপন করেছেন।

এই মহান ইলমের সাথে আমার পথচলার সময় এমনটি নজরে এসেছে যে, কিছু লোক—যাদের নাম এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না—যখন দেখতেন যে খতিব একাকী কোনো বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন অথবা তার সাথে ইবনে হিব্বানের মতো কেউ শরিক হয়েছেন; তখন তারা এই নির্ভরযোগ্যতাকে সমর্থন করতেন না এবং তার হাদিসকে সহিহ স্তরে উন্নীত করতেন না, বরং কেবল 'সত্যবাদী' (সদুক) স্তরে নামিয়ে রাখতেন। আমি জানি না তাদের এরূপ করার পেছনে কারণ কী ছিল।

হ্যাঁ, জ্ঞান, পারদর্শিতা ও সূক্ষ্মতার দিক থেকে খতিব ইমাম আহমাদ, বুখারি, আবু হাতিম ও তাদের সমপর্যায়ের নন।

বরং কেউ কেউ আহলে রায় এবং হাম্বলিদের প্রতি তার কঠোরতার বিষয়ে কথা বলেছেন। এটি অন্য একটি বিষয় যা নিয়ে আমি এখন বিস্তারিত আলোচনায় যেতে পারছি না, কারণ আমি এর সকল দিক এখনো পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারিনি। খতিবের নির্ভরযোগ্যতা প্রদানই মূল ভিত্তি এবং তা গ্রহণযোগ্য; তবে আমি এ বিষয়ে সতর্ক করতে চাই যে, একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী ভুল বা ভ্রান্তি থেকে নিষ্পাপ নন, বিশেষ করে যদি তিনি হিফজ ও পারদর্শিতার ক্ষেত্রে অতটা অগ্রগামী না হন যার ফলে তার পাল্লা উপরে বর্ণিত অন্য বর্ণনাকারীদের সমান হতে পারে।

বরং কোনো নির্দিষ্ট হাদিসের ক্ষেত্রে বর্ণনার বৈপরীত্য দেখা দিলে ফয়সালা হবে হিফজ ও পারদর্শিতার দিক থেকে অধিক অগ্রগণ্য অথবা বর্ণনাকারীর সংখ্যার আধিক্যের ভিত্তিতে, যদি না এমন কোনো বিশেষ প্রমাণ পাওয়া যায় যা আমাদের এর বিপরীত সিদ্ধান্ত নিতে পরিচালিত করে।

তাহলে বিষয়টি কেমন দাঁড়াবে যখন এই হাদিসের বর্ণনাকারী—হাসান ইবনুল আব্বাসের—বিরোধিতাকারী হবেন...
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২৬)
الرازيّ ـ هو الجبل الأشَمُّ أستاذ الأستاذِين، الإمام أبو عبد الله محمد بن إسماعيل البخاري نفسه؟

هذا ما سنراه قريباً بحول الملك وطَوْله.

2 ـ أحمد بن أبي سريج الرازي:

هو (أبو جعفر أحمد بن الصباح ـ ويقال: أحمد بن عمر بن الصباح الدارمي النهشلي ـ ويقال: الأزدي الجهضمي ـ الرَّازي البغدادي المقريء، أحد الثقات من رجال " التهذيب " ومن شيوخ البخاري، وأبي داود، والنسائي) .

* قال ابن أبي حاتم في " الجرح والتعديل " (2/56 رقم 75) : " وسُئل أبي عنه، فقال: صدوق ".

* وقال يعقوب بن شيبة السَّدُوسي: " وابن أبي سريج هذا أحد أصحاب الحديث، كان ينزل المخرم، ونزع إلى الري ومات بها قديماً قبل أن يحدّث (1) ، وكان ثبتاً ".

* وقال النسائي: " أحمد بن الصباح رازي ثقة ".

--------------------------------------------

(1) بينما يقول الخطيب رحمه الله في أول ترجمته من " تاريخ بغداد ": " وكان يسكن المخرم ببغداد، ثم أنتقل إلى الري فسكنها وأقرأ بها، وحدث إلى حين وفاته "، وقول يعقوب فيه إشكال، فإن كان الرجل مات بالري قبل أن يحدث بها، لايستقيم قول ابن حبان "حدثنا عنه بن خزيمة وأهل الري " ولا تستقيم روايته عن جماعة من أهلها وإن كان مات قبل أن يحدث مطلقاً لا يستقيم القول بأنه (ثقة ثبت) و (أحد أصحاب الحديث) فتأمل.
রাজি—তিনি কি সেই সুউচ্চ পর্বত, শিক্ষকদের শিক্ষক, ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি নিজেই?

মহান অধিপতির শক্তি ও অনুগ্রহে আমরা শীঘ্রই তা দেখতে পাব।

২. আহমদ বিন আবি সুরাইজ আল-রাজি:

তিনি হলেন (আবু জাফর আহমদ বিন আল-সাব্বাহ—বলা হয়: আহমদ বিন উমর বিন আল-সাব্বাহ আদ-দারিমি আন-নাহশালি—আরও বলা হয়: আল-আজদি আল-জাহদামি—আর-রাজি আল-বাগদাদি আল-মুকরি, 'আত-তাহজিব' গ্রন্থের নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের একজন এবং ইমাম বুখারি, আবু দাউদ ও নাসায়ির অন্যতম শিক্ষক)।

* ইবনে আবি হাতিম 'আল-জারহ ওয়াত তাদিল' গ্রন্থে (২/৫৬, নং ৭৫) বলেছেন: "আমার পিতাকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: তিনি সত্যবাদী।"

* ইয়াকুব বিন শাইবা আস-সাদুসি বলেছেন: "এই ইবনে আবি সুরাইজ হাদিসের পণ্ডিতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি আল-মুখরমে বসবাস করতেন, তারপর রাই শহরে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করার পূর্বেই (১) অনেক আগে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য।"

* ইমাম নাসায়ি বলেছেন: "আহমদ বিন আল-সাব্বাহ নির্ভরযোগ্য রাজি।"

--------------------------------------------

(১) পক্ষান্তরে আল-খাতিব (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর জীবনী আলোচনার শুরুতে 'তারিখ বাগদাদ'-এ বলেছেন: "তিনি বাগদাদের মুখরমে বসবাস করতেন, এরপর রাই শহরে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানে বসবাস করে কিরাআত শিক্ষা দেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত হাদিস বর্ণনা করেন।" ইয়াকুবের বক্তব্যে জটিলতা রয়েছে; কারণ যদি তিনি রাই শহরে হাদিস বর্ণনা করার আগেই মারা যেতেন, তবে ইবনে হিব্বানের এই উক্তিটি সঠিক হতো না যে—"ইবনে খুজাইমা এবং রাইয়ের অধিবাসীরা তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।" এছাড়া তাঁর সেই শহরের একদল লোকের নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করার বিষয়টিরও কোনো ভিত্তি থাকত না। আর যদি তিনি সামগ্রিকভাবেই হাদিস বর্ণনা করার পূর্বে মারা যেতেন, তবে তাঁকে 'নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ়' এবং 'হাদিসের অন্যতম পণ্ডিত' বলার কোনো সুযোগ থাকত না। বিষয়টি ভেবে দেখুন।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২৭)
وهذان النصان رواهما الخطيب في ترجمته من " تاريخ بغداد " (4/206) بعد تعليق قول ابن أبي حاتم المذكور آنفاً (1) .

* وقال ابن حبان في "الثقات" (8/38) : " يُغْرِبُ على استقامة فيه ".

* وقال مغلطاي: " وخرج ابن خزيمة والحاكم حديثه في صحيحهما، وقال مسلمة بن قاسم الأندلسي: " هو ثقة … " وقال الحبال: رازي ثقة " كما في حاشية ترجمته من "تهذيب الكمال" (1/357) نقلا عن "الإكمال" (1/الورقة 16) أما ابن خزيمة فحدث عنه كما تقدم عن ابن حبان. وأما الحاكم فلا يسمى "مستدركه" صحيحاً إلا تجوزاً، ولا يُستدل على ثقة من خرج له فيه وصحح حديثه بمجرده، وحسبه أنه من شيوخ البخاري في "الصحيح" مع توثيق من تقدم ذكره.

* وقال الخطيب البغدادي في أول ترجمته من "تاريخ بغداد" (4 /205 رقم 189) :

" هبة الله بن الحسن الطبري (وهو الأمام اللالكائي) يذكر أنه

--------------------------------------------

(1) إلا أنه قال: " قال ابن أبي حاتم: … يُعَدُّ في البغداديين " والحق أنه قال بعد ذلك: "سمعت أبي وأبا زرعة يقولان ذلك " فلم يقله استقلالاً، والله أعلم.
এবং এই দুটি পাঠ খতিব (আল-বাগদাদী) তার 'তারিখে বাগদাদ' (৪/২০৬)-এর জীবনী অংশে বর্ণনা করেছেন, যা পূর্বে উল্লেখিত ইবনে আবি হাতিমের বক্তব্যের উপর টীকা প্রদানের পর এসেছে (১)।

* এবং ইবনে হিব্বান 'আস-সিকাত' (৮/৩৮)-এ বলেছেন: "তার মধ্যে দৃঢ়তা থাকা সত্ত্বেও তিনি বিরল বর্ণনা নিয়ে আসেন।"

* এবং মুগলাতাই বলেছেন: "ইবনে খুজাইমা এবং হাকেম তাদের নিজ নিজ সহীহ গ্রন্থে তার হাদিস বর্ণনা করেছেন। মাসলামাহ বিন কাসিম আল-আন্দালুসি বলেছেন: 'তিনি বিশ্বস্ত...' এবং আল-হাব্বাল বলেছেন: 'তিনি একজন বিশ্বস্ত রাজি (রে শহরের অধিবাসী)' যেমনটি তার জীবনী সংক্রান্ত 'তাহজিবুল কামাল' (১/৩৫৭)-এর টীকায় 'আল-ইকমাল' (১/পত্র ১৬) থেকে উদ্ধৃত হয়েছে। ইবনে খুজাইমা তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, যেমনটি ইবনে হিব্বানের বরাতে পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। আর হাকেমের ক্ষেত্রে কথা হলো, তার 'মুস্তাদরাক'-কে কেবলমাত্র রূপক অর্থেই 'সহীহ' বলা হয়; যার হাদিস তিনি এতে বর্ণনা করেছেন এবং সহীহ বলেছেন, কেবলমাত্র সেই কারণে তাকে বিশ্বস্ত হিসেবে সাব্যস্ত করা যায় না। তবে তার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, তিনি 'সহীহ' বুখারিতে ইমাম বুখারির অন্যতম উস্তাদ ছিলেন, পাশাপাশি পূর্বে উল্লেখিত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে তার নির্ভরযোগ্যতার সত্যায়ন তো রয়েছেই।

* এবং খতিব আল-বাগদাদি 'তারিখে বাগদাদ' (৪/২০৫, নং ১৮৯)-এ তার জীবনীর শুরুতে বলেছেন:

"হিবাতুল্লাহ বিন হাসান আত-তাবারী (যিনি ইমাম আল-লালকায়ী) উল্লেখ করেছেন যে তিনি

--------------------------------------------

(১) তবে তিনি বলেছেন: "ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: ... তাকে বাগদাদীদের মধ্যে গণ্য করা হয়।" প্রকৃত সত্য হলো, এর পর তিনি বলেছেন: "আমি আমার পিতা এবং আবু জুরআহকে তা বলতে শুনেছি।" সুতরাং তিনি এটি স্বতন্ত্রভাবে বলেননি। আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২৮)
مولى (1) آل جرير بن حازم. وهو أحد القرآء المعروفين، قرأ على على بن حمزة الكسائي، وسمع إسماعيل بن علية، ومروان بن معاوية، وكيع بن الجراح، وأبا أحمد الزبيري، وكان يسكن المخرم … " إلخ.

* وقال الذهبي في "معرفة القراء الكبار" (1/219 رقم 117) : " قرأ على الكسائي، قرأ عليه العباس بن فضل الرازي، وغيره.

وروى عن شعيب بن حرب، وأبي معاوية الضرير، وجماعة حدث عنه البخاري، وأبو داود والنسائي في كتبهم، وأبو بكر بن أبي داود، وأبو حاتم، وقال: صدوق ".

وقال في وفيات (241 ـ 250) (ص 155 ـ 156) من "تاريخ الإسلام": " قرأ القرآن على أبي الحسن الكسائي، وأقرأه، وسمع شعيب بن حرب، وأبا معاوية الضرير، وابن علية ووكيعاً، وجماعة.

وعنه: خ. د. ن.، وأبوبكر بن أبي داود، وأهل الري، وقرأ عليه: العباس ابن الفضل الرازي. وقال النسائي: ثقة، وروى عنه أيضاً: أبو زرعة، وأبوحاتم، وقال أبوحاتم: صدوق ".

* وقال ابن الجزري في "غاية النهاية" (1/63 رقم 269) : " ثقة ضابط كبير، وهو شيخ البخاري وأحد أصحاب الشافعي، قرأ على الكسائي وله عنه نسخة، وأخذ أيضا عن عبيد الله بن موسى،

--------------------------------------------

(1) وعليه يكون (أزدياً جهضمياً) لكن الأكثرين جزموا بأنه (نهشلي) لأنه كان مولى خزيمة بن حازم النهشلي القائد العباسي المشهور، وبه جزم الحافظ المزيّ.
জারীর ইবনে হাযিমের পরিবারের আযাদকৃত গোলাম (১)। তিনি প্রসিদ্ধ ক্বারীগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি আলী ইবনে হামযাহ আল-কিসাঈর নিকট তিলাওয়াত করেছেন এবং ইসমাঈল ইবনে উলাইয়্যাহ, মারওয়ান ইবনে মুআবিয়াহ, ওয়াকী ইবনুল জাররাহ ও আবু আহমাদ আয-যুবাইরীর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি আল-মুখাররাম এলাকায় বাস করতেন … " ইত্যাদি।

* এবং ইমাম আয-যাহাবী ‘মা’রিফাতুল কুররা আল-কিবার’ (১/২১৯, নং ১১৭) গ্রন্থে বলেন: "তিনি আল-কিসাঈর নিকট তিলাওয়াত করেছেন এবং তাঁর নিকট আব্বাস ইবনুল ফযল আর-রাযী ও অন্যান্যরা তিলাওয়াত করেছেন।

তিনি শুআইব ইবনে হারব, আবু মুআবিয়াহ আদ-যরীর এবং একদল (মুহাদ্দিস) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী, আবু দাউদ ও নাসাঈ তাঁদের কিতাবসমূহে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; এছাড়াও আবু বকর ইবনে আবি দাউদ ও আবু হাতিম তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: ‘সত্যবাদী’।"

তিনি তাঁর ‘তারিখুল ইসলাম’ গ্রন্থের ওফাত (২৪১-২৫০ হি.) অংশে (পৃষ্ঠা ১৫৫-১৫৬) বলেন: "তিনি আবুল হাসান আল-কিসাঈর নিকট কুরআন তিলাওয়াত করেছেন এবং তিনি তাঁকে পড়িয়েছেন। তিনি শুআইব ইবনে হারব, আবু মুআবিয়াহ আদ-যরীর, ইবনে উলাইয়্যাহ, ওয়াকী ও একদল (উলামা) থেকে শ্রবণ করেছেন।

তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, আবু বকর ইবনে আবি দাউদ এবং রাই অঞ্চলের অধিবাসীগণ। তাঁর নিকট আব্বাস ইবনুল ফযল আর-রাযী তিলাওয়াত করেছেন। ইমাম নাসাঈ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। আবু যুরআহ ও আবু হাতিমও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আবু হাতিম বলেছেন: সত্যবাদী।"

* ইবনুল জাযারী ‘গায়াতুন নিহায়াহ’ (১/৬৩, নং ২৬৯) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় স্মৃতিসম্পন্ন মহান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ইমাম বুখারীর শাইখ এবং ইমাম শাফিয়ীর অন্যতম সঙ্গী। তিনি আল-কিসাঈর নিকট তিলাওয়াত করেছেন এবং তাঁর নিকট থেকে কিসাঈর একটি বর্ণনা সংকলন রয়েছে। তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা থেকেও গ্রহণ করেছেন,

--------------------------------------------

(১) আর এর ভিত্তিতে তিনি (আযদী জাহদামী) প্রতিপন্ন হন, কিন্তু অধিকাংশ বিশেষজ্ঞই নিশ্চিত করেছেন যে তিনি (নাহশালী)। কারণ তিনি বিখ্যাত আব্বাসীয় সেনাপতি খুযাইমা ইবনে হাযিম আন-নাহশালীর আযাদকৃত গোলাম ছিলেন এবং হাফেজ আল-মিযযী এটিই নিশ্চিত করেছেন।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ২৯)
وعبد الوهاب بن عطاء (1) صاحب أبي عمرو … " حتى قال: " توفي سنة ثلاثين ومائتين ".

قلت: اختلف في تأريخ وفاته على أقوال هذا أحدها وأبعدها عن الصواب كما يأتي بيانه.

والثاني: أنه مات بعد الأربعين ومائتين. قاله الذهبي في "التذهيب" (1/الورقة 15) كما في حاشية " تهذيب الكمال "، ونقله الحافظ في "التهذيب" (1/44) من خطه أيضاً، قال:

" وكذا كتب ابن سيد الناس على حاشية الكمال ".

وأكد الذهبي هذا القول بإيراده في الطبقة الخامسة والعشرين من "التاريخ" كما تقدم.

والثالث: قال الحافظ: " وقال غيره ـ يعني: غير ابن حبان ـ: (مات بعد البخاري) ".

يعني: بعد ست وخمسين ومائتين، أو بعد شوال منها، وهذا فيه بُعد، ولم أرَ أحداً سمى القائل به، أما القول الأول فهو خطأ بيقين، فإن أبا بكر بن أبي داود السجستاني ـ رحمهما الله تعالى ـ ولد في تلك السنة ـ أعني سنة ثلاثين ومائتين (2) ـ

--------------------------------------------

(1) هو عبد الوهاب بن عطاء العجلي البصري الخفاف رحمه الله المحدث الصدوق المشهور، وهو من أخص الناس بسعيد بن أبي عروبة، وراوية مصنفاته، وذكر ابن الجزري في ترجمته أنه روى القراءة عن أبي عمرو (وهو بن العلاء المازني) ، وأن أحمد ابن أبي سريج النهشلي ممن رَوَوْا عنه الحروف. والله أعلى وأعلم.

‌‌(2) كما في ترجمته من "السير" (3 /222) . وما بعد ذلك مقتبس منه أيضاً.
এবং আবদুল ওয়াহহাব বিন আতা (১) আবু আমর-এর সাথী … " শেষ পর্যন্ত তিনি বলেছেন: "তিনি দুইশত ত্রিশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন।"

আমি বলছি: তাঁর মৃত্যুর তারিখ নিয়ে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে, যার মধ্যে এটি অন্যতম এবং সঠিকতা থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী, যেমনটি সামনে এর বর্ণনা আসবে।

দ্বিতীয়টি হলো: তিনি দুইশত চল্লিশ হিজরির পর মৃত্যুবরণ করেছেন। আয-যাহাবী এটি "আত-তাযহীব" (১/পৃষ্ঠা ১৫)-এ বলেছেন, যেমনটি "তাহযীবুল কামাল"-এর টীকায় রয়েছে এবং হাফিজ (ইবনে হাজার) "আত-তাহযীব" (১/৪৪)-এ তাঁর নিজের হস্তাক্ষর থেকেও এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:

"অনুরূপভাবে ইবনে সাইয়্যেদিন নাস 'আল-কামাল'-এর টীকায় লিখেছেন।"

আর আয-যাহাবী এই উক্তিটিকে তাঁর "আত-তারীখ" গ্রন্থের পঁচিশতম স্তরে উল্লেখ করার মাধ্যমে জোরালো করেছেন, যা পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে।

তৃতীয়টি হলো: হাফিজ (ইবনে হাজার) বলেছেন: "আর তিনি (অর্থাৎ ইবনে হিব্বান) ব্যতীত অন্য ব্যক্তিরা বলেছেন: (তিনি ইমাম বুখারীর পরে মৃত্যুবরণ করেছেন)।"

অর্থাৎ: দুইশত ছাপ্পান্ন হিজরির পর, অথবা সেই বছরের শাওয়ালের পর; আর এতে সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কম, এবং আমি এমন কাউকে দেখিনি যিনি এই মতের প্রবক্তার নাম উল্লেখ করেছেন। আর প্রথম মতটি নিশ্চিতভাবে ভুল, কেননা আবু বকর ইবনে আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি —আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন— সেই বছরে জন্মগ্রহণ করেছেন— অর্থাৎ দুইশত ত্রিশ হিজরি সনে (২)—

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন আবদুল ওয়াহহাব বিন আতা আল-ইজলি আল-বাসরি আল-খাফফাফ (রাহিমাহুল্লাহ), প্রখ্যাত সত্যবাদী মুহাদ্দিস। তিনি সাঈদ বিন আবু আরুবাহ-এর বিশেষ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁর সংকলনসমূহের বর্ণনাকারী। ইবনে আল-জাযারি তাঁর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আবু আমর (যিনি ইবনে আল-আলা আল-মাযিনী)-এর নিকট থেকে কিরাত বর্ণনা করেছেন এবং আহমদ ইবনে আবু সুরাইজ আন-নাহশালি সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা তাঁর নিকট থেকে 'হুরূফ' বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ।

‌‌(২) যেমনটি "আস-সিয়ার" (৩/২২২)-এ তাঁর জীবনীতে বর্ণিত হয়েছে। আর পরবর্তী অংশটুকুও সেখান থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৩০)
وقد ذكروه في جملة الرواة عن ابن أبي سريج. وسافر به أبوه من سجستان وهو صبي فشهد جنازة إسحاق بن راهويه في شعبان سنة ثمان وثلاثين. وكان أول شيخ سمع منه هو الإمام الربّاني محمد بن أسلم الطوسي ـ رحمة الله تعالى عليه ـ المتوفى سنة اثنتين وأربعين ومائتين. فالله أعلم بحقيقة الأمر".

وأحمد بن الصباح ـ أبي سريج ـ مترجم في مصادر أخرى ليس فيها ما يلفت الانتباه، إلا أن السبكي رحمه الله قد ترجم له في "طبقات الشافعية" (2/25) ناصَّاً على سماعه من الإمام الشافعي رحمه الله، فقد فات الخطيب والمزي ـ رحمهما الله ـ، وعامة مترجميه ـ سوى ابن الجزري فيما أعلم ـ ذِكْرُ الشافعي في جملة شيوخه.

فائدة: ومما سمعه من هذا الإمام الجليل، ما رواه أبو يعلى الخليلي في "الإرشاد" (2/478) بإسناده إليه: " سمعت الشافعي يقول: أتعجب من سفيان الثوري يروي الحديث عن الثقات ثم لايعمل به (1) . أورده في وسط أحاديث وحكايات تتعلق بشعبة رحمه الله.

هذا، وقد لخّص الحافظ رحمه الله حاله في "التقريب" (50) (ط. دار

--------------------------------------------

(1) سفيان رحمه الله من الأئمة المجتهدين والعلماء الربانيين، وحاشاه أن يتعمد مخالفة النبي صلى الله عليه وسلم ويترك العمل بحديثه بمجرد الهوى والتشهي، وهذا ينطبق على جميع الأئمة المتبوعين ـ رحمة الله عليهم ـ. وبَسْطُ هذه المسألة تجده في مثل "رفع الملام عن الأئمة الأعلام" لشيخ الإسلام رحمه الله.
তারা তাঁকে ইবনে আবি সুরাইজের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শৈশবে তাঁর পিতা তাঁকে নিয়ে সিজিস্তান থেকে সফর করেন, ফলে তিনি ২৩৮ হিজরীর শাবান মাসে ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ-এর জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। আর তিনি সর্বপ্রথম যার নিকট থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছিলেন, তিনি হলেন ইমাম রব্বানি মুহাম্মদ ইবনে আসলাম আত-তুসি—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক—যিনি ২৪২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। প্রকৃত বিষয়টি আল্লাহই ভালো জানেন।

আহমদ ইবনে আস-সাব্বাহ—আবু সুরাইজ—অন্যান্য উৎসেও তাঁর জীবনী বর্ণিত হয়েছে যেগুলোতে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষক কিছু নেই, তবে আস-সুবকি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) 'তাবাকাতুশ শাফেয়িয়্যাহ' (২/২৫) গ্রন্থে তাঁর জীবনী উল্লেখ করেছেন এবং তিনি ইমাম শাফেয়ি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) থেকে শ্রবণ করেছেন বলে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। আল-খাতিব এবং আল-মিযযি—আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন—এবং তাঁর অধিকাংশ জীবনীকারই (আমার জানামতে ইবনুল জাযারি ব্যতীত) তাঁর উস্তাদদের তালিকায় ইমাম শাফেয়ির নাম উল্লেখ করতে বাদ পড়েছেন।

ফায়দা: এই মহান ইমামের নিকট থেকে তিনি যা শ্রবণ করেছিলেন, তার মধ্যে একটি হলো যা আবু ইয়ালা আল-খালিলি 'আল-ইরশাদ' (২/৪৭৮) গ্রন্থে তাঁর সনদে বর্ণনা করেছেন: "আমি শাফেয়িকে বলতে শুনেছি: আমি সুফিয়ান আস-সাওরির ব্যাপারে বিস্মিত হই, তিনি নির্ভরযোগ্যদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেন অথচ তার ওপর আমল করেন না (১)।" এটি তিনি শু'বাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) সম্পর্কিত হাদিস ও ঘটনাবলির মাঝখানে উল্লেখ করেছেন।

আর হাফিজ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) 'আত-তাকরীব' (৫০) গ্রন্থে তাঁর অবস্থা সংক্ষেপে উল্লেখ করেছেন (দার...

--------------------------------------------

(১) সুফিয়ান (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) হলেন মুজতাহিদ ইমাম ও রব্বানি আলেমদের অন্তর্ভুক্ত; প্রবৃত্তি ও খেয়াল-খুশির বশবর্তী হয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরোধিতা করা এবং তাঁর হাদিসের ওপর আমল করা ছেড়ে দেওয়া থেকে তিনি অনেক ঊর্ধ্বে। আর এটি অনুসরণীয় সকল ইমামদের—আল্লাহর রহমত তাঁদের ওপর বর্ষিত হোক—ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এই মাসআলার বিস্তারিত আলোচনা আপনি শাইখুল ইসলাম (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর 'রাফউল মালাম আনিল আইম্মাতিল আলাম' এর মতো কিতাবে পাবেন।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৩১)
العاصمة) بقوله: " ثقة حافظ له غرائب، من العاشرة، مات بعد سنة أربعين "، كأن الحافظ تأثر بقول ابن حبان فيه: " يُغرب على استقامة فيه ".

وهو يُغرب حقاً، فإن ابن حبان نفسه روى له في "صحيحه" حديثاً واحداً (1) أغرب فيه (!) كما في "الإحسان" (6556) : " أخبرنا محمد بن إسحاق بن خزيمة، حدثنا أحمد بن أبي سريج، حدثنا شبابة بن سوار، حدثني ورقاء، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم كتب إلى حَبْرِ بَيْمَاء، فَسَلَّمَ عليه ".

وهذا الحديث لم أجده في مكان آخر بهذا الإسناد أو بغيره، وله علة من فوق، وهي أن العقيلي رحمه الله قال في ترجمته من "الضعفاء الكبير" (4/327) : "تكلموا فيه في حديثه عن منصور "، وأورد حواراً دار بين معاذ بن معاذ ويحيى القطان مؤداه أن حديثه عن منصور بن المعتمر لا يساوي شيئاً.

مع أن شبابة رحمه الله قد روى عنه خلقٌ وفيهم كبار الحفاظ كأحمد، وإسحاق، والحسن بن عرفة، وأبي خيثمة زهير بن حرب، وعباس العنبري، وعباس الدوري، وابني أبي شيبة ـ أبي بكر وعثمان ـ، وابن المديني، وعمرو بن محمد الناقد، ومحمد بن رافع، ومحمود بن غيلان، ويحيى بن معين، ويعقوب بن شيبة، هل أعرضوا جميعاً عن هذا الحديث الفائدة وتركوه لابن أبي سريج الرازي؟

--------------------------------------------

(1) على ما في (فهارس الإحسان) والعهدة على صانعها.
(আল-আসিমা) এই উক্তির মাধ্যমে: "তিনি বিশ্বস্ত ও হাফিজ, তবে তাঁর কিছু অপ্রচলিত বর্ণনা রয়েছে, তিনি দশম স্তরের অন্তর্ভুক্ত, চল্লিশ হিজরির পর ইন্তেকাল করেছেন," মনে হচ্ছে হাফিজ (ইবনে হাজার) তাঁর সম্পর্কে ইবনে হিব্বানের এই উক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন যে: "সততা থাকা সত্ত্বেও তিনি বিরল বা অপ্রচলিত বর্ণনা প্রদান করেন।"

আর তিনি সত্যিই বিরল বর্ণনা নিয়ে আসেন, কারণ স্বয়ং ইবনে হিব্বান তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে এমন একটি হাদীস (১) বর্ণনা করেছেন যাতে তিনি একাই বিরল বর্ণনা করেছেন (!), যেমনটি "আল-ইহসান" (৬৫৫৬) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে: "আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন খুজাইমা, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আবি সরাইজ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শাবাবাহ বিন সাওয়ার, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়ারকা, তিনি মানসুর থেকে, তিনি সালিম বিন আবিল জাদ থেকে, তিনি কুরাইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইমার প্রধান ধর্মগুরুর নিকট পত্র লিখেছিলেন এবং তাঁকে সালাম জানিয়েছিলেন।"

এই হাদীসটি আমি অন্য কোনো স্থানে এই সনদে বা অন্য কোনো সনদে খুঁজে পাইনি। এর ওপরের দিকে একটি ত্রুটি রয়েছে, আর তা হলো—আল-উকায়লি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর "আদ-দুয়াফা আল-কাবীর" (৪/৩২৭) গ্রন্থে উক্ত বর্ণনাকারীর জীবনীতে বলেছেন: "মানসুর থেকে বর্ণিত তাঁর হাদীসসমূহ সম্পর্কে মুহাদ্দিসগণ সমালোচনা করেছেন," এবং তিনি মুয়ায বিন মুয়ায ও ইয়াহইয়া আল-কাত্তানের মাঝে সংঘটিত একটি কথোপকথন উল্লেখ করেছেন যার সারমর্ম হলো—মানসুর বিন আল-মুতামির থেকে বর্ণিত তাঁর হাদীসগুলোর কোনো গুরুত্ব নেই।

অথচ শাবাবাহ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে এক বিশাল জামাত বর্ণনা করেছেন যাদের মধ্যে বড় বড় হাফিজগণ রয়েছেন, যেমন আহমাদ, ইসহাক, হাসান বিন আরাফাহ, আবু খাইসামা যুহাইর বিন হারব, আব্বাস আল-আনবারী, আব্বাস আদ-দাওরী, ইবনে আবি শাইবার দুই পুত্র—আবু বকর ও উসমান—, ইবনুল মাদিনী, আমর বিন মুহাম্মদ আন-নাকিদ, মুহাম্মদ বিন রাফি, মাহমুদ বিন গাইলান, ইয়াহইয়া বিন মাইন এবং ইয়াকুব বিন শাইবাহ। তারা কি সবাই এই বিশেষ হাদীসটি থেকে বিমুখ ছিলেন এবং এটি আহমাদ বিন আবি সরাইজ আর-রাজির জন্য রেখে গেছেন?

--------------------------------------------

(১) 'আল-ইহসান'-এর সূচিপত্র অনুযায়ী, আর এর দায়ভার এর সংকলকের ওপর।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৩২)
وله في "المعجم الأوسط" (7480، 7488) حديثان تفرد بهما.

الأول: يرويه عن شعيب بن حرب، نا كامل أبو العلاء، ثنا أبو صالح، عن أبي هريرة مرفوعاً: " إن امرأة دخلت النار في هرة لها كانت ربطتها، فلا تطعمها، ولا تخليها تأكل من خشاش (1) الأرض ".

والثاني: يرويه عن عمرو بن مجمع، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، قال: " أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن لا نرمي الجمرة حتى تطلع الشمس ".

والأول لم أجده في مصدر آخر من هذا الوجه، لكنه صحيح ثابت من أوجه أخرى عن أبي هريرة، ومن حديث ابن عمر، والثاني رواه أيضاً في "الكبير" (11/ 398 رقم 12120) وابن عدي في "الكامل" (5/1782) من طرق عنه عن عمرو بن مجمع به.

وقد رواه جماعة ـ غير إسماعيل بن أبي خالد ـ عن الحكم بنحوه، ورواه الحسن العرني عن ابن عباس أيضاً.

فالأول: الإغراب فيه دائر بينه وبين شيخ الطبراني (محمد بن شعيب الأصبهاني التاجر) قال أبوالشيخ رحمه الله في "الطبقات" (4/43 رقم

--------------------------------------------

(1) كان بأصل مخطوط " الأوسط ": " حشائش "، والمثبت هو الصواب كما بين محققو الكتاب ـ جزاهم الله خيراً ـ وهذا الحديث طلبت من أحد الكرام أن يبحث لي عنه ـ بهذا الإسناد ـ في " مسند إسحاق "، " ومسند البزار "، ولم يتيسر ذلك.
'আল-মু'জামুল আওসাত'-এ (৭৪৮০, ৭৪৮৮) তাঁর বর্ণিত দুটি হাদিস রয়েছে যেগুলোতে তিনি একক হয়েছেন।

প্রথমটি: তিনি শুআইব বিন হারব থেকে, তিনি কামিল আবুল আলা থেকে, তিনি আবু সালেহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযি.) থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: "নিশ্চয়ই এক মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে যাকে সে বেঁধে রেখেছিল; সে তাকে খাবারও দেয়নি এবং যমিনের পোকামাকড় (১) খাওয়ার জন্য ছেড়েও দেয়নি।"

দ্বিতীয়টি: তিনি আমর বিন মাজমা' থেকে, তিনি ইসমাঈল বিন আবু খালিদ থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি মিকসাম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সূর্যোদয়ের আগে জামরায় পাথর নিক্ষেপ না করার নির্দেশ দিয়েছেন।"

আমি প্রথম হাদিসটি এই সনদে অন্য কোনো উৎসে খুঁজে পাইনি, তবে এটি অন্যান্য সনদে আবু হুরায়রা (রাযি.) থেকে এবং ইবনে উমর (রাযি.)-এর হাদিস থেকে সহিহ ও সাব্যস্ত। আর দ্বিতীয় হাদিসটি তিনি 'আল-কাবীর'-এও (১১/৩৯৮, হাদিস নং ১২১২০) এবং ইবনে আদি 'আল-কামিল'-এ (৫/১৭৮২) তাঁর সূত্রে আমর বিন মাজমা' থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইসমাঈল বিন আবু খালিদ ছাড়াও একদল বর্ণনাকারী হাকাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং হাসান আল-উরানিও ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

প্রথম হাদিসটির ক্ষেত্রে: এর একক হওয়া বা বিরলতা তাঁর এবং তাবারানির উস্তাদ (মুহাম্মদ বিন শুআইব আল-আসবাহানি আত-তাজির)-এর মধ্যে আবর্তিত। আবুশ শাইখ (রহিমাহুল্লাহ) 'আত-তাবাকাত'-এ (৪/৪৩, নম্বর...) বলেছেন—

--------------------------------------------

(১) 'আল-আওসাত'-এর মূল পাণ্ডুলিপিতে 'হাশায়িশ' ছিল, তবে পাঠ্যভুক্ত শব্দটিই সঠিক যেমনটি কিতাবটির গবেষকগণ স্পষ্ট করেছেন—আল্লাহ তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আর এই হাদিসটি—এই সনদে—আমি জনৈক সম্মানিত ব্যক্তিকে 'মুসনাদে ইসহাক' ও 'মুসনাদে বাজ্জার'-এ খোঁজার জন্য অনুরোধ করেছিলাম, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৩৩)
540) : " حَدَّث عن الرازيين بما لم نجده بالري، ولم نكتب إلا عنه "، فساق له ثلاثة أحاديث أحدها عن عبد الرحمن بن سلمة الرازي، والآخران عن الحسن بن علي الخلال ـ وليس (1) رازياً ـ لكن يرويهما عن الفرات بن خالد الرازي.

وقال أبو نعيم في "ذكر أخبار أصبهان" (2/252) : " يروي عن الرازيين بغرائب " فساق له الحديث الأول عند أبي الشيخ، وحديثين آخرين.

والثاني: تفرده وإغرابه عن عمرو بن مجمع ـ وإن كان الإسناد بعد ذلك في غاية الشهرة ـ، فهو محتمل، لأن هذا الشيخ واهٍ.

* قال ابن عدي في آخر ترجمته من "الكامل" (5/1782) : " وعامة ما يرويه لا يتابع عليه، إما إسناداً وإما متناً ".

* وقال ابن معين: " ليس حديثه بشيء " كما في آخر ترجمته من "تاريخ بغداد" (12/195) ولعله قال: " لم يكن به بأس " ـ كما في "تاريخ الدوري" (2/454) ـ قبل أن يتبين له أمره.

--------------------------------------------

(1) يستفاد من ذلك أن قول الحافظ في راوٍ ما: " حدث عن أهل مدينة كذا وكذا " لا يلزم منه بالضرورة أن يكون جميع شيوخه في هذه الأحاديث من نفس هذا المكان، ولكن لابد أن يكون مخرج الحديث بعد ذلك منه، أما في حالتنا هذه، فقد روى التاجر عن العباس بن إسماعيل الرقي، وهو الطيالسي، وكان يسكن الري حقاً كما في ترجمته من"الجرح"، وشيخه أبو زهير عبد الرحمن بن مغراء كوفي نزل الري، والله أعلم.
৫৪০) : "তিনি রাই-বাসীদের পক্ষ থেকে এমন সব বর্ণনা করেছেন যা আমরা রাইতে পাইনি, এবং আমরা কেবল তাঁর মাধ্যমেই তা লিখেছি", এরপর তিনি তাঁর সূত্রে তিনটি হাদিস উল্লেখ করেছেন; যার একটি আবদুর রহমান ইবনে সালামাহ আল-রাযী থেকে, এবং অন্য দুটি হাসান ইবনে আলী আল-খাল্লাল থেকে—যিনি রাই-বাসী (১) ছিলেন না—তবে তিনি এই দুটি হাদিস ফুরাত ইবনে খালিদ আল-রাযী থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু নুআইম "যিকর আখবার আসবাহান" (২/২৫২) গ্রন্থে বলেছেন: "তিনি রাই-বাসীদের থেকে দুর্লভ হাদিস বর্ণনা করেন", অতঃপর তিনি আবু শায়খের নিকট থাকা তাঁর প্রথম হাদিসটি এবং অন্য দুটি হাদিস উল্লেখ করেছেন।

দ্বিতীয়ত: আমর ইবনে মাজমা' থেকে তাঁর এককভাবে এবং দুর্লভ বর্ণনা করা—যদিও এর পরবর্তী সনদটি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ—তবুও তা ত্রুটিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে, কারণ এই শায়খ অত্যন্ত দুর্বল।

* ইবনে আদি তাঁর "আল-কামিল" (৫/১৭৮২) গ্রন্থের জীবনীর শেষে বলেছেন: "তিনি যা বর্ণনা করেন তার অধিকাংশেরই কোনো সমর্থনকারী বর্ণনা নেই, সনদের ক্ষেত্রে হোক বা মতনের ক্ষেত্রে।"

* এবং ইবনে মাঈন বলেছেন: "তার হাদিস নির্ভরযোগ্য কিছু নয়" যেমনটি "তারিখ বাগদাদ" (১২/১৯৫) এর জীবনীর শেষে রয়েছে। সম্ভবত তিনি তাঁর প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হওয়ার আগে বলেছিলেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই" — যেমনটি "তারিখ আদ-দাওরি" (২/৪৫৪)-তে বর্ণিত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) এখান থেকে এটি বোঝা যায় যে, কোনো বর্ণনাকারী সম্পর্কে হাফিযের এই উক্তি: "তিনি অমুক শহরের অধিবাসীদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন", এর দ্বারা এটি আবশ্যক হয় না যে এই হাদিসগুলোতে তাঁর সকল শিক্ষক অবশ্যই সেই একই স্থানের হবেন। তবে হাদিসের মূল উৎস পরবর্তীতে অবশ্যই সেই স্থান থেকেই হতে হবে। আমাদের এই ঘটনার ক্ষেত্রে, আত-তাজির আল-আব্বাস ইবনে ইসমাইল আর-রাক্কি থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি মূলত আত-তায়ালিসি, এবং তিনি প্রকৃতপক্ষে রাই-তে বসবাস করতেন যেমনটি তাঁর জীবনীতে "আল-জারহ" গ্রন্থে উল্লেখ আছে; আর তাঁর শায়খ আবু জুহাইর আবদুর রহমান ইবনে মাগরা ছিলেন কুফাবাসী যিনি রাই-তে এসে অবস্থান করেছিলেন। আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৩৪)
* وقال أبو حاتم: " ضعيف الحديث " كما في "الجرح" (6/265) .

* وقال الداراقطني في "الضعفاء" (394) : " ضعيف كوفي ".

هذه نماذج مما أغرب فيه أحمد بن أبي سريج الرازي رحمه الله، يضم إليها الحديث الذي نحن بصدد تخريجه وبيان ما ترجح لدينا فيه.

ومن الله العون والسداد وسأذكر المزيد فيه عند الكلام على الوجه الثاني

للحديث عن عكرمة ـ بإذن الله ـ.

1 ـ علي بن حفص المدائني:

هو (أبو الحسن علي بن حفص المدائني البغدادي) وهو من رجال مسلم ـ احتجاجاً ـ وأبي داود، والترمذي، والنسائي، وأقل أحواله أنه (صدوق (1) لا بأس به) .

* قال محمد بن عبيد الله بن أبي داود المنادي: " حدثنا علي بن حفص المدائني وكان أحمد يحبه حباً شديداً" كما في ترجمته من "تاريخ بغداد" (11/416) .

* وقال أبو بكر المرُّوذي: " قال أحمد بن حنبل: " علي بن حفص أحبُّ إليَّ من شبابة "، وعنه الخطيب.

--------------------------------------------

(1) بل اختار أخي الحبيب عادل أبو تراب في ترجمته أنه (ثقة ربما وهم) .
* আবু হাতিম বলেছেন: "হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল" যেমনটি 'আল-জারহ' (৬/২৬৫) গ্রন্থে রয়েছে।

* আদ-দারা কুতনি 'আদ-দুয়াফা' (৩৯৪) গ্রন্থে বলেছেন: "কুফার একজন দুর্বল বর্ণনাকারী"।

এগুলো হলো সেই সবের কিছু নমুনা যাতে আহমাদ বিন আবু সুরাইজ আর-রাজি (রাহিমাহুল্লাহ) অদ্ভুত বা বিরল বর্ণনা করেছেন। এর সাথে সেই হাদিসটি যুক্ত করা হবে যা আমরা তাখরিজ করতে এবং আমাদের কাছে এতে যা অগ্রগণ্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে তা স্পষ্ট করার প্রক্রিয়ায় আছি।

আল্লাহর নিকট সাহায্য ও সঠিক পথের তাওফিক কামনা করছি এবং আমি দ্বিতীয় দিকটি আলোচনার সময় এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত বর্ণনা করব

ইকরিমাহ হতে বর্ণিত হাদিসটি সম্পর্কে — আল্লাহর অনুমতিক্রমে —।

১ — আলি বিন হাফস আল-মাদায়িনি:

তিনি হলেন (আবু হাসান আলি বিন হাফস আল-মাদায়িনি আল-বাগদাদি)। তিনি ইমাম মুসলিমের — দলিল হিসেবে গ্রহণের ক্ষেত্রে — এবং আবু দাউদ, তিরমিজি ও নাসায়ির বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত। তার সর্বনিম্ন অবস্থা হলো তিনি (সদুক (১) বা সত্যবাদী, যার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই)।

* মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন আবু দাউদ আল-মুনাদি বলেছেন: "আমাদের নিকট আলি বিন হাফস আল-মাদায়িনি বর্ণনা করেছেন এবং আহমাদ তাকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন" যেমনটি 'তারিখু বাগদাদ' (১১/৪১৬) গ্রন্থে তার জীবনীতে বর্ণিত হয়েছে।

* আবু বকর আল-মাররুজি বলেছেন: "আহমাদ বিন হাম্বল বলেছেন: 'আলি বিন হাফস আমার নিকট শাবাবাহ-এর চেয়েও অধিক প্রিয়'", তার থেকে আল-খাতিব এটি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) বরং আমার প্রিয় ভাই আদিল আবু তুরাব তার জীবনীতে বেছে নিয়েছেন যে তিনি (সিকাহ বা নির্ভরযোগ্য, তবে সম্ভবত মাঝে মাঝে ভ্রম বা ভুল করতেন)।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৩৫)
وقال أبو عبيد الآجري في "سؤلاته" (رقم 1937) :

" سئل أبوداود عن علي بن حفص قال: ثقة. قال لي الحسن بن علي (يعني: الخلال) قال لي أحمد بن حنبل: أكتُبْ عن علي بن حفص حديث حريز. قال: فوجدت يزيد (1) أروى منه ".

* وقال عثمان بن سعيد الدارمي في "تاريخه" (642) : " قلت ـ يعني: ليحيى ابن معين ـ: فعلي بن حفص، حدثنا عنه خلف المخرمي؟ فقال: المدائني ليس به بأس ".

* وقال ابن محرز في "معرفة الرجال" (1/97 رقم 406) : " سمعت يحيى يقول: علي بن حفص المدائني ثقة ".

* وقال ابن الجنيد في "سؤلاته" (314) : " قلت ليحيى بن معين: تفسير ورقاء عمن حملته؟ قال: كتبته عن شبابة وعن علي بن حفص، وكان شبابة أجرأ عليها وجميعاً ثقة ".

* وقال علي بن المديني: " علي بن حفص ثقة "، كما في "الجرح" (6/182) .

* وقال ابن أبي حاتم فيه: " سألت أبي عن علي بن حفص المدائني، فقال: صالح الحديث يكتب حديثه، ولا يحتج به ".

--------------------------------------------

(1) هو (يزيد بن هارون بن زاذي أبو خالد السلمي الواسطي) الحافظ الكبير، وستأتي له ترجمة مختصرة في أحد طرق الحديث.
আবু উবাইদ আল-আজুররী তাঁর "সুয়ালাত" (নং ১৯৩৭)-এ বলেছেন:

"আবু দাউদকে আলী বিন হাফস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেন: নির্ভরযোগ্য। হাসান বিন আলী (অর্থাৎ: আল-খাল্লাল) আমাকে বলেছেন, আহমাদ বিন হাম্বল আমাকে বলেছিলেন: আলী বিন হাফস থেকে হারীজ-এর হাদীস লিখে নাও। তিনি বলেন: তবে আমি ইয়াযীদকে (১) তাঁর চেয়ে অধিক বর্ণনাকারী হিসেবে পেয়েছি।"

* উসমান বিন সাঈদ আদ-দারিমি তাঁর "তারীখ" (৬৪২)-এ বলেছেন: "আমি বললাম—অর্থাৎ: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে—: আলী বিন হাফস সম্পর্কে বলুন, তাঁর থেকে খালাফ আল-মুখাররামী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: মাদায়েনী, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।"

* ইবনে মাহরায "মা'রিফাতুর রিজাল" (১/৯৭ নং ৪০৬)-এ বলেছেন: "আমি ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি: আলী বিন হাফস আল-মাদায়েনী নির্ভরযোগ্য।"

* ইবনুল জুনায়েদ তাঁর "সুয়ালাত" (৩১৪)-এ বলেছেন: "আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: আপনি ওয়ারকা-এর তাফসীর কার কাছ থেকে গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: আমি তা শাবাবাহ এবং আলী বিন হাফস থেকে লিখেছি; শাবাবাহ এ বিষয়ে অধিক সাহসী ছিলেন এবং তারা উভয়ই নির্ভরযোগ্য।"

* আলী বিন আল-মাদিনী বলেছেন: "আলী বিন হাফস নির্ভরযোগ্য", যেমনটি "আল-জারহ" (৬/১৮২)-তে বর্ণিত হয়েছে।

* ইবনে আবি হাতিম এ সম্পর্কে বলেছেন: "আমি আমার পিতাকে আলী বিন হাফস আল-মাদায়েনী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: হাদীসের ক্ষেত্রে তিনি সৎ, তাঁর হাদীস লিখে রাখা যাবে, কিন্তু তা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।"

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন (ইয়াযীদ বিন হারুন বিন যাযি আবু খালিদ আস-সুলামী আল-ওয়াসিতী) সুমহান হাফিয, অচিরেই হাদীসের একটি সূত্রে তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী আসবে।
(খণ্ড: ২) আহাদিস ওয়া মারউইয়্যাত ফিল মিজান ২ - হাদিসুল ফাইনা (পৃষ্ঠা: ৩৬)
* فرد عليه الذهبي في "الميزان" (3/125) بقوله: " قلت: احتج مسلم به ".

* وقال النسائي: " أبو الحسن علي بن حفص المدائني ليس به بأس "، كما في "تاريخ بغداد".

* وقال ابن حبان في "الثقات" (8/465) : " ربما أخطأ ".

* وقال بن أبي شيبة: " ثقة "، كما في ترجمته من "تهذيب الكمال" (20/410) .

* وقال الحاكم في "المستدرك" (1/112) : " وعلي بن حفص المدائني ثقة ".

* وقال الحافظ في "التقريب" (4753) : " صدوق ".

قلت: وقول ابن معين ـ في رواية عنه ـ والنسائي: " ليس به بأس " يؤيد قول ابن حبان فيه: " ربما أخطأ "، فقد قال أبو أحمد ابن عدي رحمه الله في ترجمة (المغيرة بن زياد الموصلي) من "الكامل" (6/ 2354) : " وعامة ما يرويه مغيرة بن زياد مستقيم إلا أنه يقع في حديثه كما يقع هذا في حديث مَنْ ليس به بأس من الغلط … ".

(ومما أخذ عليه) : ما رواه العسكري في " تصحيفات المحدثين " (1/138) من طريق حنبل بن إسحاق قال: " وسمعت أحمد يقول قال علي بن حفص يعني المديني (كذا) : في حديث: (وأما خالد،
* এর জবাবে আয-যাহাবি তাঁর "আল-মিজান" (৩/১২৫) গ্রন্থে বলেছেন: "আমি বলছি: মুসলিম তাঁকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।"

* আন-নাসায়ি বলেছেন: "আবুল হাসান আলি ইবনে হাফস আল-মাদায়িনির মধ্যে কোনো সমস্যা নেই", যেমনটি "তারিখ বাগদাদ"-এ বর্ণিত হয়েছে।

* ইবনে হিব্বান "আত-সিকাত" (৮/৪৬৫) গ্রন্থে বলেছেন: "মাঝে মাঝে তিনি ভুল করতেন।"

* ইবনে আবি শায়বা বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য", যেমনটি "তাহজিব আল-কামাল" (২০/৪১০) গ্রন্থে তাঁর জীবনীতে এসেছে।

* আল-হাকিম "আল-মুস্তাদরাক" (১/১১২) গ্রন্থে বলেছেন: "আলি ইবনে হাফস আল-মাদায়িনি নির্ভরযোগ্য।"

* হাফিজ (ইবনে হাজার) "আত-তাকরিব" (৪৭৫৩) গ্রন্থে বলেছেন: "সত্যবাদী।"

আমি বলছি: ইবনে মাঈন — তাঁর থেকে বর্ণিত এক বর্ণনা মতে — এবং আন-নাসায়ির উক্তি: "তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই" মূলত ইবনে হিব্বানের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে যে: "মাঝে মাঝে তিনি ভুল করতেন"। কেননা আবু আহমাদ ইবনে আদি (রহিমাহুল্লাহ) "আল-কামিল" (৬/২৩৫৪) গ্রন্থে (মুগিরা ইবনে জিয়াদ আল-মাওসিলি)-এর জীবনীতে বলেছেন: "মুগিরা ইবনে জিয়াদ যা বর্ণনা করেন তার অধিকাংশই সঠিক, তবে তাঁর হাদিসে ঠিক তেমনই ভুল হয়ে থাকে যেমনটি 'যার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই' এমন রাবির হাদিসে হয়ে থাকে … "।

(তাঁর সমালোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে): যা আল-আসকারি তাঁর "তাসহিফাত আল-মুহাদ্দিসিন" (১/১৩৮) গ্রন্থে হানবাল ইবনে ইসহাকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন যে আলি ইবনে হাফস — অর্থাৎ আল-মাদায়িনি (মূল পাঠে এভাবেই আছে) — একটি হাদিসে বলেছেন: (আর খালেদের ব্যাপারে তো,