(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: -)
سؤالات ابن الجنيد ليحيى بن معين القسم: العلل والسؤلات الحديثية
الكتاب: سؤالات ابن الجنيد لأبي زكريا يحيى بن معين
المؤلف: أبو إسحاق إبراهيم بن عبد الله [بن الجنيد] الختلي (ت 260 هـ تقريبا)
المحقق: أحمد محمد نور سيف
دار النشر: مكتبة الدار - المدينة المنورة
الطبعة: الأولى، 1408 هـ - 1988 م
عدد الصفحات: 491
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনের প্রতি ইবনুল জুনায়েদের প্রশ্নসমূহ বিভাগ: হাদিসের ইল্লাত (ত্রুটি) ও প্রশ্নসমূহ
গ্রন্থ: আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনের প্রতি ইবনুল জুনায়েদের প্রশ্নসমূহ
লেখক: আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ [ইবনুল জুনায়েদ] আল-খাত্তালি (মৃত্যু আনুমানিক ২৬০ হিজরি)
তাহকিক: আহমদ মুহাম্মদ নূর সাইফ
প্রকাশনী: মাকতাবাতুদ দার - মদিনা মুনাওয়ারা
সংস্করণ: প্রথম، ১৪০৮ হিজরি - ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৯১
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭১)
بسم الله الرحمن الرحيم
أخبرنا الشيخ أبو محمد عبد الوهاب بن ظافر بن علي الأزدي عرف بان رواج بقراءت عليه بثغر الاسكندرية المحروس في مسجده قال أخبرنا الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن سلفة الأصبهاني قراءة عليه وأنا أسمع من أصله العتيق وأجاز لي جميع رواياته أخبرنا أبو الحسن المبارك بن عبد الجبار بن أحمد بن القاسم الطيوري الصيرفي قراءة عليه ببغداد من أصل سماعه في ذي القعدة سنة أربع وتسعين وأربعمائة أخبرنا أبو محمد الحسن بن علي بن محمد الجوهري قراءة عليه أخبرنا أبو عمر محمد بن العباس بن محمد بن زكريا بن حيوية الخزاز حدثنا أبو الطيب محمد بن القاسم بن جعفر الكوكبي قراءة عليه وهو ينظر في أصله سنة ست عشرة وثلاثمائة حدثنا أبو اسحاق إبراهيم بن عبد الله بن الجنيد الختلي قال:
(1) سمعت أبا زكريا يحيى بن معين يقول: «أبو هارون العبدي غير ثقة، يكذب، واسمه: عمارة بن جوين» .
(2) وسئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن عبد الله بن نافع مولى ابن عمر، فقال: «ضعيف» .
(3) وسئل عن أخويه عمر بن نافع وأبي بكر بن نافع فقال: «ثقتان» .
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফির বিন আলি আল-আযদি, যিনি ইবনে রাওয়াজ নামে পরিচিত। আমি এটি সংরক্ষিত আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরে তাঁর মসজিদে তাঁর নিকট পাঠ করেছি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু তাহের আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সিলাফাহ আল-আসফাহানি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তাঁর প্রাচীন মূল পাণ্ডুলিপি থেকে শুনছিলাম। তিনি আমাকে তাঁর বর্ণিত সকল বিষয়ের অনুমতি প্রদান করেছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুবারক বিন আব্দুল জাব্বার বিন আহমাদ বিন আল-কাসিম আত-তুয়ুরি আস-সাইরাফি, চারশ চুরানব্বই হিজরির জিলকদ মাসে বাগদাদে তাঁর শ্রবণকৃত মূল পাণ্ডুলিপি থেকে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন আলি বিন মুহাম্মাদ আল-জাওহারি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর মুহাম্মাদ বিন আল-আব্বাস বিন মুহাম্মাদ বিন জাকারিয়া বিন হাইয়ুয়াহ আল-খাজ্জাজ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আত-তৈয়িব মুহাম্মাদ বিন আল-কাসিম বিন জাফর আল-কাওকাবি, তিনশ ষোলো হিজরিতে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন তিনি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি দেখছিলেন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-জুনায়েদ আল-খুতালি, তিনি বলেন:
(১) আমি আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন মাইনকে বলতে শুনেছি: «আবু হারুন আল-আবদি নির্ভরযোগ্য নয়, সে মিথ্যা বলে, এবং তার নাম হলো: উমারাহ বিন জুয়াইন»।
(২) ইয়াহইয়া বিন মাইনকে ইবনে উমরের মুক্তদাস আব্দুল্লাহ বিন নাফে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বললেন: «দুর্বল»।
(৩) তাঁর দুই ভাই উমর বিন নাফে এবং আবু বকর বিন নাফে সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: «তাঁরা দুজনই নির্ভরযোগ্য»।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭২)
(4) سئل يحيى بن معين عن عبيد الله بن الأخنس فقال: «ليس به بأس، بصري، روى عنه يحيى القطان، وسعيد بن أبي عروبة» . قال يحيى بن معين: «وكان خزازاً مولى الأزد، ويكنى أبا مالك» يعني: عبيد الله بن الأخنس. قال يحيى: «وقد سمع منه عبد الوهاب الخفاف» .
(5) وسئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن أبي النضر فقال: «أبو النضر سالم مولى عمر بن عبيد الله ثقة، كان يقاتل مع عمر بن عبيد الله الخوارج، قاتل أبي فديك لعنه الله،
(6) ولأبي النضر ابن يقال له: إبراهيم بن سالم بن بردان، يحدث عنه سليمان بن بلال، وحاتم بن إسماعيل، وصفوان بن عيسى» ،
(৪) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে উবায়দুল্লাহ ইবনে আল-আখনাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: «তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তিনি বসরার অধিবাসী, তাঁর থেকে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এবং সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ বর্ণনা করেছেন।’ ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: «তিনি রেশম বিক্রেতা ছিলেন, আযদ গোত্রের মুক্তদাস, এবং তাঁর উপনাম ছিল আবু মালিক» অর্থাৎ: উবায়দুল্লাহ ইবনে আল-আখনাস। ইয়াহইয়া বলেন: «তাঁর থেকে আব্দুল ওয়াহহাব আল-খাফফাফ হাদীস শ্রবণ করেছেন।’
(৫) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে আবু আন-নাদর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তখন তিনি বলেন: «আবু আন-নাদর সালিম হলেন উমর ইবনে উবায়দুল্লাহর মুক্তদাস, তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), তিনি উমর ইবনে উবায়দুল্লাহর সাথে খারিজিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেন, তিনি অভিশপ্ত আবু ফুদায়িকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।»
(৬) এবং আবু আন-নাদরের একজন পুত্র ছিল যাকে ইবরাহিম ইবনে সালিম ইবনে বারদান বলা হয়, তাঁর থেকে সুলায়মান ইবনে বিলাল, হাতিম ইবনে ইসমাঈল এবং সাফওয়ান ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭৩)
قلت ليحيى: (كيف هو؟) ، قال: «ليس به بأس» ، يعني: إبراهيم بن بردان.
(7) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن سلمة بن وردان، فقال: «ليس بشيء» .
(8) سمعت يحيى بن معين يقول: «سلمة بن كهيل يكنى أبا يحيى» .
(9) سئل يحيى وأنا أسمع عن أبي الضحى مسلم بن صبيح، فقال: «كان عطاراً» ، فقال ابن الغلابي: (كان من موالي سعيد بن العاص) ، فما أنكر ذلك يحيى.
(10) قال ابن الغلابي: (وكان يحيى بن أبي كثير عطاراً، مولى طي) .
আমি ইয়াহইয়াকে বললাম: (তিনি কেমন?), তিনি বললেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই", অর্থাৎ: ইবরাহিম বিন বারদান।
(৭) ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে সালামা বিন ওয়ারদান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো এবং আমি তা শুনছিলাম, তখন তিনি বললেন: "তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু নন"।
(৮) আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে বলতে শুনেছি: "সালামা বিন কুহায়লের উপনাম (কুনিয়াত) হলো আবু ইয়াহইয়া"।
(৯) ইয়াহইয়াকে আবুয যুহা মুসলিম বিন সাবিহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো এবং আমি তা শুনছিলাম, তখন তিনি বললেন: "তিনি একজন আতর বিক্রেতা ছিলেন", তখন ইবনুল গাল্লাবি বললেন: (তিনি সাঈদ বিন আল-আসের মুক্তদাসদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন), ইয়াহইয়া তা অস্বীকার করেননি।
(১০) ইবনুল গাল্লাবি বললেন: (এবং ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীরও একজন আতর বিক্রেতা ছিলেন, যিনি ত্বায়ি গোত্রের মুক্তদাস ছিলেন)।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭৪)
(11) سئل يحيى بن معين عن الفضل بن غانم الذي يحدث عن سلمة بالمغازي، فقال: «ضعيف، ليس بشيء» .
(12) حدثنا يحيى بن معين، حدثنا عبد الله بن إدريس، قال: «ما رأيت أحداً يكتب عند أشعث بن سوار إلا حفص بن غياث» (1) .
(13) حدثنا يحيى بن معين، نا أبو قطن، عن شعبة قال: «نهاني أيوب أن أحدث: (زينوا القرآن بأصواتكم) » .
(14)--------------------------------------------
(১১) ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে আল-ফদল ইবনে গানিম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যিনি সালামাহর সূত্রে মাগাজি (যুদ্ধাভিযান) বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: «তিনি দুর্বল, উল্লেখযোগ্য কিছুই নন»।
(১২) ইয়াহিয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ইদ্রিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমি হাফস ইবনে গিয়াস ব্যতীত আর কাউকে আশআছ ইবনে সাওয়ারের নিকট (হাদিস) লিখতে দেখিনি» (১)।
(১৩) ইয়াহিয়া ইবনে মাঈন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ক্বাতান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুবা থেকে, তিনি বলেন: «আইয়ুব আমাকে এটি বর্ণনা করতে নিষেধ করেছেন: (তোমরা তোমাদের কণ্ঠস্বর দ্বারা কুরআনকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করো)»।
(১৪)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭৫)
سئل يحيى بن معين / وأنا أسمع عن أبي سعيد الأشج، فقال: «ليس به بأس» .
(15) وسئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن أبي بشر ختن المقرئ، فقال: «ليس به بأس» .
(16) وسئل يحيى عن علي بن حكيم الأودي، فقال: «ليس به بأس، ثقة» .
(17) ذُكر ليحيى بن معين وأنا أسمع حديث أبي هارون العبدي عن أبي سعيد الخدري أنه قال: (مرحباً بوصية رسول الله صلى الله عليه وسلم)
ইয়াহইয়া ইবন মাঈন-কে আবু সাঈদ আল-আশাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—আর আমি তা শুনছিলাম—তখন তিনি বললেন: «তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই»।
(১৫) এবং ইয়াহইয়া ইবন মাঈন-কে আবু বিশর—যিনি আল-মুকরির জামাতা—সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তখন তিনি বললেন: «তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই»।
(১৬) এবং ইয়াহইয়া-কে আলী ইবন হাকিম আল-আউদী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: «তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তিনি নির্ভরযোগ্য»।
(১৭) ইয়াহইয়া ইবন মাঈনের নিকট আবু হারুন আল-আবদী কর্তৃক আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণিত হাদীসটি উল্লেখ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম যে, তিনি বলেছিলেন: (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অসিয়তের প্রতি স্বাগতম)
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭৬)
فقال يحيى: «قد رواه ليث بن أبي سليم، عن شهر بن حوشب، عن أبي سعيد مثله» ، فقال رجل ليحيى: (هذا أيضاً ضعيف مثل أبي هارون) ، قال: «لا، هذا أقوى من ذاك وأحسن» . حدثناه ابن أبي مريم عن يحيى بن أيوب عن ليث.
(18) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن حصين بن عمر الأحمسي، فقال: «ليس بشيء» .
(19) وسئل يحيى بن معين عن بشر بن عمارة الذي يحدث عن أبي روق وأنا أسمع، فقال: «ضعيف الحديث» .
অতঃপর ইয়াহইয়া বললেন: "লাইস ইবনে আবি সুলাইম এটি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।" তখন এক ব্যক্তি ইয়াহইয়াকে বললেন: "(এটিও আবু হারুনের মতোই দুর্বল)"। তিনি বললেন: "না, এটি তার চেয়ে শক্তিশালী এবং উত্তম।" ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের কাছে এটি ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে, তিনি লাইস থেকে বর্ণনা করেছেন।
(১৮) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে হুসাইন ইবনে উমর আল-আহমাসি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তখন তিনি বললেন: "সে কিছুই নয়।"
(১৯) এবং ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বিশর ইবনে আম্মারা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল—যিনি আবু রাওক থেকে বর্ণনা করেন—এবং আমি তা শুনছিলাম, তখন তিনি বললেন: "সে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল।"
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭৭)
(20) قلت ليحيى بن معين: ما تفسير قول سعيد بن المسيب في الرجل يعطي الشيء في سبيل الله، قال: «إذا بلغ رأس مغزاه فهو كبعض ماله» ، ما يعني رأس مغزاه؟ قال: «الموضع الذي يريد أن يغزو منه» ، قلت: مثل طرسوس؟ قال: «نعم» .
(21) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن عبد الرحمن بن صفوان، هل رأي النبي صلى الله عليه وسلم وصحبه؟ فقال: «زعم أبو بكر بن عياش، عن حنظلة بن أبي سفيان الجمحي، أن عبد الرحمن بن صفوان الجمحي لم ير النبي صلى الله عليه وسلم» . فقال ابن الغلابي ليحيى: (حنظلة هذا ابن ابنه، هو حنظلة بن أبي سفيان عن عبد الرحمن بن صفوان بن أمية الجمحي) .
(22) قال يحيى بن معين وأنا أسمع: «والذي يُروى عن عبد الرحمن
(২০) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে জিজ্ঞাসা করলাম: সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের সেই উক্তিটির ব্যাখ্যা কী যেখানে তিনি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন যে আল্লাহর পথে কোনো কিছু দান করে—তিনি বলেছিলেন: «যখন সে তার যুদ্ধের গন্তব্যের শুরুতে পৌঁছাবে, তখন তা তার সাধারণ সম্পদের মতো গণ্য হবে»; ‘যুদ্ধের গন্তব্যের শুরু’ বলতে কী বোঝায়? তিনি বললেন: «সেই স্থান যেখান থেকে সে যুদ্ধ করার সংকল্প করে»; আমি বললাম: «যেমন তারসুস?» তিনি বললেন: «হ্যাঁ»।
(২১) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে আবদুর রহমান ইবনে সাফওয়ান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো এবং আমি তা শুনছিলাম যে, তিনি কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছিলেন এবং তাঁর সাহচর্য পেয়েছিলেন? তিনি বললেন: «আবু বকর ইবনে আইয়াশ হানজালা ইবনে আবি সুফিয়ান আল-জুমাহি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুর রহমান ইবনে সাফওয়ান আল-জুমাহি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেননি»। তখন ইবনুল গালাবি ইয়াহইয়াকে বললেন: (এই হানজালা হলো তাঁর পৌত্র, তিনি হলেন হানজালা ইবনে আবি সুফিয়ান, যিনি আবদুর রহমান ইবনে সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া আল-জুমাহি থেকে বর্ণনা করেছেন)।
(২২) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বললেন এবং আমি তা শুনছিলাম: «আর যা আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭৮)
بن صفوان حديثٌ واحد، يرويه يزيد بن أبي زياد» ، كأنه يضعف الحديث.
(23) سمعت يحيى بن معين يقول: «بريدة هو ابن حصيب الأسلمي، ومن قال: (خصيب) فقد صحَّف» .
(24) سمعت يحيى بن معين يقول: «محرش الكعبي، وهو من خزاعة» .
(25) سمعت يحيى بن معين يقول: «الناس يقولون: (أبو عسيب) حشرج وغيره، ما خلا حماد بن سلمة، فإنه يقول: (أبو عسيم) » .
...ইবনে সাফওয়ান থেকে একটি মাত্র হাদিস, যা ইয়াজিদ ইবনে আবি জিয়াদ বর্ণনা করেন; যেন তিনি হাদিসটিকে দুর্বল সাব্যস্ত করছেন।
(২৩) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «বুরাইদাহ হলেন ইবনে হুসাইব আল-আসলামি, আর যে ব্যক্তি (খুসাইব) বলবে, সে শব্দে ভুল করেছে»।
(২৪) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «মুহাররিশ আল-কা'বি, এবং তিনি খুযাআ গোত্রের»।
(২৫) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «লোকেরা বলে: (আবু আসিব), যেমন হাশরাজ এবং অন্যান্যরা, কেবল হাম্মাদ ইবনে সালামাহ ব্যতীত, কেননা তিনি বলেন: (আবু আসিম)»।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৭৯)
قلت ليحيى: فأيما الصواب؟ فكأنه مال إلى (أبي عسيب) .
(26) سألت يحيى بن معين عن أنيس بن أبي يحيى وأخيه محمد بن أبي يحيى وأخيه سحبل، فقال: «هؤلاء ثلاثة إخوة ثقات» . قال يحيى بن معين: «وإبراهيم بن أبي يحيى هو ابن محمد هذا، وليس بشيء» .
(27) سئل يحيى بن معين عن زيد بن جبيرة، فقال: «شيخ يحدث عنه البصريون، ليس بشيء» .
(28) سألت يحيى بن معين عن الزبير بن جنادة، فقال: «شيخ خراساني ثقة، يحدث عنه أبو تميلة وأبو الحسين العكلي» ،
(29) قال يحيى: «وأبو تميلة ثقة» .
আমি ইয়াহইয়াকে বললাম: তবে কোনটি সঠিক? মনে হলো তিনি (আবু আসিব)-এর মতের দিকেই ঝুঁকেছেন।
(২৬) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে উনাইস ইবনে আবি ইয়াহইয়া, তাঁর ভাই মুহাম্মদ ইবনে আবি ইয়াহইয়া এবং তাঁর ভাই সাহবাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: «এই তিন ভাই-ই নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)»। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বললেন: «আর ইব্রাহিম ইবনে আবি ইয়াহইয়া হলো এই মুহাম্মদের পুত্র, সে উল্লেখযোগ্য কিছু নয়»।
(২৭) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে যায়েদ ইবনে জুবায়রা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: «তিনি একজন শায়খ যার নিকট থেকে বসরার অধিবাসীরা বর্ণনা করেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নন (উল্লেখযোগ্য কিছু নন)»।
(২৮) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে যুবায়ের ইবনে জুনাদা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: «তিনি খোরাসানের একজন নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) শায়খ, তাঁর নিকট থেকে আবু তামিলা এবং আবু আল-হুসাইন আল-উকলি বর্ণনা করেন»,
(২৯) ইয়াহইয়া বললেন: «এবং আবু তামিলাও নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)»।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮০)
(30) سئل يحيى بن معين عن عبد المؤمن بن خالد الذي يحدث عنه أبو تميلة، فقال: «ثقة» .
(31) قلت ليحيى بن معين: حديث الليث بن سعد، عن أبي الزبير عن طاوس، وعن سعيد بن جبير عن ابن عباس: كان النبي صلى الله عليه وسلم يعلمنا التشهد، قلت: ورواه معتمر بن سليمان، عن أيمن بن نابل، عن أبي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله، قال يحيى: «هذا خطأ، الحديث حديث الليث بن سعد» .
(32) قلت ليحيى بن معين: يحدث الوحاظي عن شيخ يقال له: إسحاق بن يحيى العوصي، يحدث عن الزهري، قال: «لا أعرفه» .
(৩০) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে আবদুল মুমিন ইবনে খালিদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যাঁর থেকে আবু তামীলা বর্ণনা করেন। তিনি বললেন: «নির্ভরযোগ্য»।
(৩১) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: লাইস ইবনে সা'দ বর্ণিত হাদীস, যা তিনি আবুল জুবায়র থেকে, তিনি তাউস থেকে এবং সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন। আমি বললাম: মু'তামির ইবনে সুলাইমান এটি আয়মান ইবনে নাবিল থেকে, তিনি আবুল জুবায়র থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া বললেন: «এটি ভুল, হাদীসটি মূলত লাইস ইবনে সা'দ-এর বর্ণিত হাদীস»।
(৩২) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: আল-উহাজি জনৈক শায়খ থেকে বর্ণনা করেন যাঁকে ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া আল-আওসী বলা হয়, যিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বললেন: «আমি তাঁকে চিনি না»।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮১)
(33) قلت ليحيى بن معين: حبيب بن أبي ثابت، عن أبي أرطأة، عن أبي سعيد الخدري. من أبو أرطأة؟ قال: «شيخ له» .
(34) سئل يحيى بن معين عن سلم بن قادم، فقال: «ليس به بأس، ثقة» .
(35) سمعت يحيى بن معين وذكر ابن الشاذكوني، فقال: «قد سمع، إلا أنه يكذب ويضع الحديث» .
(36) سمعت يحيى بن معين وسئل غير مرة عن محمد بن عباد المكي، صاحب ابن عيينة، فقال: «لا أعرفه» .
(37) سمعت يحيى بن معين يقول: «لم يكن لحماد بن زيد كتاب، إلا كتاب يحيى بن سعيد» .
(38) سألت يحيى بن معين عن المشمعل بن إياس، فقال: «شيخ بصري، يحدث عنه يحيى القطان وابن مهدي، ليس به بأس» .
(39) سألت يحيى قلت: يزيد بن هارون كتب عن الجريري؟ قال: «نعم» ، قال يحيى: «وكان كهمس بن الحسن يقول: إن الجريري
(৩৩) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: হাবিব ইবনে আবি সাবিত, আবু আরতাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু আরতাহ কে? তিনি বললেন: «তিনি তাঁর একজন শিক্ষক (শায়খ)»।
(৩৪) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে সালাম ইবনে কাদিম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন: «তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)»।
(৩৫) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে ইবনুল শাজকুনি সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি, তিনি বললেন: «সে (হাদিস) শুনেছে সত্য, তবে সে মিথ্যা বলে এবং হাদিস জাল করে»।
(৩৬) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে শুনেছি, তাঁকে একাধিকবার ইবনে উইয়াইনাহর সঙ্গী মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ আল-মাক্কি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: «আমি তাঁকে চিনি না»।
(৩৭) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «হাম্মাদ ইবনে যাইদের কাছে কোনো কিতাব ছিল না, কেবল ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদের কিতাবটি ছাড়া»।
(৩৮) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে আল-মুশমামিল ইবনে ইয়াস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন: «তিনি বসরার একজন শায়খ, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এবং ইবনে মাহদি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই»।
(৩৯) আমি ইয়াহইয়াকে জিজ্ঞেস করলাম: ইয়াজিদ ইবনে হারুন কি আল-জুরারি থেকে লিখেছেন? তিনি বললেন: «হ্যাঁ», ইয়াহইয়া বললেন: «কাহমাস ইবনে আল-হাসান বলতেন: নিশ্চয়ই আল-জুরারি...
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮২)
اختلط بعد ذلك بكثير» .
(40) سألت يحيى عن خالد بن رباح، فقال: «بصري، ليس به بأس، يحدث عنه يحيى وغيره» .
(41) قلت ليحيى: إن يحيى القطان يحدث عن عمران أبي بكر، فقال: «هذا عمران القصير، ليس بشيء» .
(42) سئل يحيى بن معين عن بشر بن رافع، يحدث عنه عبد الرزاق، قال: «كان من قريته -يعني: قرية عبد الرزاق-، ليس بشيء» .
(43) قلت ليحيى بن معين: يحدث مالك بن أنس عن أيوب بن حبيب مولى أبي زهرة؟ قال: «نعم، هذا شيخ لمالك» .
(44) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن مؤثر بن عفازة، فقال: «مرثد بن عفازة كذا قال هشيم وغيره» ، ثم قال يحيى بن معين: «مؤثر ومرثد واحد» .
(45)
...তার অনেক পরে তিনি অত্যন্ত স্মৃতিবিভ্রমে আক্রান্ত হন।
(40) আমি ইয়াহইয়াকে খালিদ ইবনে রাবাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "তিনি বসরার অধিবাসী, তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, ইয়াহইয়া এবং অন্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেন।"
(41) আমি ইয়াহইয়াকে বললাম: ইয়াহইয়া আল-কাত্তান ইমরান আবু বকর থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বললেন: "ইনি ইমরান আল-কাসীর, তিনি কিছুই নন (অর্থাৎ নির্ভরযোগ্য নন)।"
(42) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বিশর ইবনে রাফে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যাঁর থেকে আব্দুর রাজ্জাক বর্ণনা করেন। তিনি বললেন: "তিনি তাঁর গ্রামের লোক ছিলেন—অর্থাৎ আব্দুর রাজ্জাকের গ্রামের—তিনি কিছুই নন।"
(43) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: মালিক ইবনে আনাস কি আবু জাহরার মুক্তদাস আইয়ুব ইবনে হাবীব থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, তিনি মালিকের একজন উস্তাদ।"
(44) আমি শুনছিলাম এমন অবস্থায় ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে মুআছছির ইবনে আফাযাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তিনি বললেন: "মারছাদ ইবনে আফাযাহ; হুশাইম এবং অন্যরা এমনই বলেছেন।" এরপর ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বললেন: "মুআছছির এবং মারছাদ একই ব্যক্তি।"
(45)
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮৩)
سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن محمد بن عبد الله بن أبي رافع الذي يحدث عنه علي بن هاشم وحبان بن علي، قال: «ليس بثقة» ، قال ليحيى: فأبوه عبيد الله بن أبي رافع، قال: «ثقة» .
(46) قيل ليحيى بن معين: أيما أمثل: محمد بن عبيد الله بن أبي رافع أو العرزمي؟ فقال: «ما فيهما ماثل» .
(47) سمعت يحيى بن معين وسئل عن حوط العبدي: حوط ابن مَنْ؟ فقال: «حوط بن رافع، كذا نسبه عبيد الله بن عمر» .
(48) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن مجاهد قال: سمعت
ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে জিজ্ঞেস করা হলো এবং আমি শুনছিলাম—মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি রাফে সম্পর্কে, যাঁর থেকে আলি ইবনে হাশিম এবং হিব্বান ইবনে আলি বর্ণনা করেন; তিনি বললেন: "সে নির্ভরযোগ্য নয়।" ইয়াহিয়াকে বলা হলো: তবে তাঁর পিতা উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি রাফে? তিনি বললেন: "নির্ভরযোগ্য।"
(৪৬) ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে বলা হলো: মুহাম্মাদ ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি রাফে নাকি আরজামি—এই দুইজনের মধ্যে কে অধিক উত্তম? তিনি বললেন: "তাদের মধ্যে কেউই উত্তম নয়।"
(৪৭) আমি ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে শুনতে পেলাম যখন তাঁকে হাওত আল-আবদি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: হাওত কার পুত্র? তিনি বললেন: "হাওত ইবনে রাফে; উবায়দুল্লাহ ইবনে ওমর এভাবেই তাঁর বংশপরিচয় উল্লেখ করেছেন।"
(৪৮) ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে জিজ্ঞেস করা হলো এবং আমি শুনছিলাম—মুজাহিদ সম্পর্কে, তিনি বলেন: আমি শুনেছি...
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮৪)
عائشة. فقال: «كان يحيى / القطان ينكر ذلك، ويروى في حديث عن مجاهد قال: سمعت عائشة» .
(49) وسمعت يحيى بن معين يقول: «الدنيا دار مكروه وحتوف» .
(50) وسئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن كنية تميم الداري، فقال: «أبو رقية» ، قال يحيى: «وهو يُروى في حديث» .
(51) سمعت يحيى بن معين وسئل عن عمر بن إسماعيل بن مجالد بن سعيد، فقال: «كذاب، يحدث أيضاً بحديث أبي
আয়েশা। তিনি বললেন: «ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এটি অস্বীকার করতেন, এবং মুজাহিদ বর্ণিত একটি হাদিসে আছে, তিনি বলেন: আমি আয়েশাকে শুনেছি»।
(৪৯) এবং আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «পৃথিবী হলো অপ্রীতিকর বিষয় এবং ধ্বংসের আবাস»।
(৫০) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে তামিম আদ-দারির উপনাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বললেন: «আবু রুকাইয়াহ», ইয়াহইয়া বলেন: «এটি একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে»।
(৫১) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে শুনেছি যখন তাকে উমর ইবনে ইসমাইল ইবনে মুজালিদ ইবনে সাঈদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: «চরম মিথ্যাবাদী, সে তার পিতার হাদিসও বর্ণনা করে...
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮৫)
معاوية، عن الأعمش، عن مجاهد، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «أنا مدينة العلم وعلي بابها» ، وهذا حديث كذب، ليس له أصل» .
(52) سمعت أحمد بن إبراهيم الدورقي يقول: «مات أبو النضر هاشم بن القاسم في سنة سبع ومائتين» .
(53) قلت ليحيى بن معين: بلغك في تفسير حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يقتل مسلم بكافر، ولا ذو عهد في عهده» ؟ فقال لي يحيى بن معين: «ما سمعت فيه تفسيراً من ثقة» ، قلت: فإن أناساً يقولون: تفسيره: لا يقتل مسلم بكافر حربي، ولا يقتل ذو عهد في عهده بكافر حربي، فلم يرد عليَّ يحيى شيئاً.
(54)
মুয়াবিয়া, আমাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: «আমি ইলমের শহর এবং আলী তার দরজা», এটি একটি মিথ্যা হাদীস, এর কোনো ভিত্তি নেই।
(৫২) আমি আহমাদ ইবন ইবরাহীম আদ-দাওরাকীকে বলতে শুনেছি: «আবু আন-নাদর হাশিম ইবনুল কাসিম দুইশত সাত হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন»।
(৫৩) আমি ইয়াহইয়া ইবন মাঈনকে বললাম: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই হাদীসের ব্যাখ্যা কি আপনার কাছে পৌঁছেছে: «কোনো মুসলিমকে কোনো কাফিরের বদলে হত্যা করা যাবে না, এবং কোনো চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তিকে তার চুক্তিকালীন সময়ে (কোনো কাফিরের বদলে) হত্যা করা যাবে না»? তখন ইয়াহইয়া ইবন মাঈন আমাকে বললেন: «আমি কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির কাছ থেকে এর কোনো ব্যাখ্যা শুনিনি», আমি বললাম: নিশ্চয়ই কিছু লোক বলে থাকে এর ব্যাখ্যা হলো: কোনো মুসলিমকে কোনো হারবী (যুদ্ধরত) কাফিরের বদলে হত্যা করা যাবে না, এবং কোনো চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তিকে তার চুক্তিকালীন সময়ে কোনো হারবী কাফিরের বদলে হত্যা করা যাবে না, তখন ইয়াহইয়া আমাকে কোনো উত্তর দিলেন না।
(৫৪)
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮৬)
سمعت يحيى بن معين يقول: «حبيب بن أبي ثابت يكنى أبا يحيى، وهو حبيب بن قيس» .
(55) سمعت يحيى بن معين يقول: «ما رأيت رجلاً أثبت في الحديث من عبد الرحمن بن مهدي، وأسن، يسأل عبد الرحمن عن الحديث ما يسأله إلا لينيله شيئاً» ، فقال ابن الغلابي ليحيى: (ينبغي أن يكون هذا بهز) ، فسكت يحيى.
(56) سمعت يحيى بن معين يقول: «إذا وَلَدَت المرأة فبقيت البشيمة، يؤخذ مُرٌّ وزن درهم، وقدحٌ من نبيذ، وقدحٌ من
আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «হাবীব ইবনে আবি সাবিত-এর উপনাম হলো আবু ইয়াহইয়া, এবং তিনি হলেন হাবীব ইবনে কাইস।» .
(৫৫) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «আমি হাদীসের ক্ষেত্রে আবদুর রহমান ইবনে মাহদী অপেক্ষা অধিক নির্ভরযোগ্য এবং বয়োজ্যেষ্ঠ কোনো ব্যক্তিকে দেখিনি। আবদুর রহমানকে হাদীস সম্পর্কে যা জিজ্ঞাসা করা হতো, তা কেবল তাঁকে কোনো কিছু প্রদানের (সুযোগ করে দেওয়ার) জন্যই করা হতো», তখন ইবনুল গাল্লাবী ইয়াহইয়াকে বললেন: (এটি বাহয হওয়া উচিত), অতঃপর ইয়াহইয়া চুপ থাকলেন।
(৫৬) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «যখন কোনো নারী সন্তান প্রসব করে এবং গর্ভফুল রয়ে যায়, তখন এক দিরহাম ওজন পরিমাণ মুর (এক প্রকার ভেষজ আঠা), এক পেয়ালা নাবীয এবং এক পেয়ালা...
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮৭)
عسل، يطبخ حتى يصير قدحاً واحداً، ثم تشربه، نافع إن شاء الله تعالى» .
(57) سمعت يحيى بن معين وسئل عن مخرمة بن سليمان، فقال: «مديني ثقة، روى عنه مالك بن أنس» .
(58) سمعت يحيى بن معين وسئل عن مخرمة بن بكير، فكأنه ضعفه.
(59) وسئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن حسين بن عطاء بن يسار، روى عنه سعيد بن أبي هلال، قال: «هو ابن عطاء بن يسار، قد روى عنه أيضاً حاتم بن إسماعيل» قلت: كيف حديثه؟ قال: «وأيش روى شيئاً» يقلله، كأنه يعني: لا بأس به.
(60) سألت يحيى بن معين عن عمر بن مجاشع، فقال: «شيخ مدائني لا بأس به» . قلت: حدثنا إبراهيم بن ناصح، عن شبابة، عن عمر بن مجاشع، عن تميم بن الحارث، عن أبيه قال:
(كان علي يكره أن يتزوج الرجل أو يسافر في المحاق، وإذا نزل القمر العقرب) ، فلم ينكر يحيى بن معين / هذا الحديث. قلت ليحيى: (ما المحاق؟) ، قال: «إذا بقي من الشهر يوم أو يومان» .
মধু, এটি একটি পেয়ালা হওয়া পর্যন্ত রান্না করা হবে, তারপর আপনি এটি পান করবেন, আল্লাহ তাআলা চাইলে এটি উপকারী হবে।
(৫৭) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি যখন তাকে মাখরামা ইবনে সুলাইমান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: "তিনি মদিনার একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, তাঁর থেকে মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন।"
(৫৮) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি যখন তাকে মাখরামা ইবনে বুকাইর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন মনে হলো তিনি তাঁকে দুর্বল সাব্যস্ত করছেন।
(৫৯) আমি শুনছিলাম এমতাবস্থায় ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে হুসাইন ইবনে আতা ইবনে ইয়াসার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যাঁর থেকে সাঈদ ইবনে আবি হিলাল বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: "তিনি আতা ইবনে ইয়াসারের পুত্র, হাতেম ইবনে ইসমাঈলও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।" আমি বললাম: তাঁর হাদিস কেমন? তিনি বললেন: "তিনি এমন আর কী বর্ণনা করেছেন," তিনি তাঁর বর্ণনার স্বল্পতার কথা উল্লেখ করলেন, যেন তিনি বোঝাতে চাইলেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।
(৬০) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে উমর ইবনে মুজাশে' সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: "মাদায়েনের একজন শায়খ, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।" আমি বললাম: ইব্রাহিম ইবনে নাসিহ আমাদের কাছে শাবাবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি উমর ইবনে মুজাশে' থেকে, তিনি তামীম ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেন: (আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু অপছন্দ করতেন যে কোনো ব্যক্তি 'মুহাক' (চাঁদ অদৃশ্য হওয়ার সময়) চলাকালীন অথবা চাঁদ যখন বৃশ্চিক রাশিতে অবস্থান করে তখন বিবাহ করুক বা সফরে বের হোক)। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন এই হাদিসটি অস্বীকার করেননি। আমি ইয়াহইয়াকে বললাম: মুহাক কী? তিনি বললেন: "যখন মাসের মাত্র একদিন বা দুই দিন বাকি থাকে।"
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮৮)
(61) سئل يحيى عن عبد العزيز بن سياه، فقال: «ليس به بأس ثقة» .
(62) سمعت يحيى بن معين يقول: «ما أهلك الحديث أحد ما أهلكه أصحاب الإسناد» ، يعني: الذين يجمعون المسند، أي: يغمضون في الأخذ من الرجال.
(63) قلت ليحيى بن معين: حدثنا إبراهيم بن عرعرة، عن أبي عبيدة معمر بن المثنى، عن رؤبة بن العجاج، عن أبيه قال: أنشدت أبا هريرة:
طاف الخيالان فهاجا سَقَما
… خيالُ تكنى وخيال تكتما
إلى:. . . . . . . .
… وكعباً أدرما
فقال أبو هريرة: (كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعجبه مثل هذا) . فأنكر هذا يحيى بن معين، ودفعه، ورَدَّه.
(৬১) ইয়াহিয়াকে আবদুল আজিজ ইবনে সিয়াহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: «তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তিনি নির্ভরযোগ্য»।
(৬২) আমি ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «হাদিসকে কেউ তেমন ধ্বংস করেনি যেমনটি ধ্বংস করেছে ইসনাদ অন্বেষণকারীরা», অর্থাৎ: যারা মুসনাদ সংকলন করে, অর্থাৎ: যারা বর্ণনাকারীদের থেকে হাদিস গ্রহণের ক্ষেত্রে শিথিলতা প্রদর্শন করে বা চোখ বন্ধ করে রাখে।
(৬৩) আমি ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: আমাদের কাছে ইবরাহিম ইবনে আরআরআ বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদাহ মা'মার ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি রুবা ইবনুল আজজাজ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে কবিতা শুনিয়েছিলাম:
দুটি কল্পনা ঘুরে বেড়াল এবং অসুস্থতা জাগিয়ে তুলল
… তুকনার কল্পনা এবং তাকতুমার কল্পনা
পর্যন্ত: . . . . . . . .
… এবং মসৃণ গোড়ালি
তখন আবু হুরায়রা বললেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জাতীয় বিষয় পছন্দ করতেন)। তখন ইয়াহিয়া ইবনে মাঈন এটি অস্বীকার করলেন, তা প্রতিহত করলেন এবং প্রত্যাখ্যান করলেন।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৮৯)
(64) وقلت ليحيى بن معين: حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يوسف بن يعقوب الضبعي، عن الحجاج بن فرافصة، عن داود الوراق، عن عباد بن راشد قال: شهدت جنازة أم أبي هريرة، فلما خرجوا بها قال: (استغفروا لها غفر الله لكم) . فقال لي يحيى: «ما أعرف يوسف بن يعقوب هذا، ولا أعرف هذا الإسناد، وليس هذا الحديث بشيء» ، قال يحيى: «كان نصر بن علي قد جالس الأصمعي قديماً، وكان من أصحابه» ، وأظنه قال: «وأكثر عنه» .
(65) سألت يحيى بن معين عن زفر بن الهذيل الذي حدثنا عنه أبو نعيم، فقال: «ثقة مأمون، كوفي» .
(66) سألت يحيى عن حديث شريك، عن علي بن علي، عن إبراهيم قال: سمع علقمةُ مؤذناً يؤذن بليل. فقال: (خالف هذا أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم، لو بات على فراشه كان خيراً له) .
(৬৪) এবং আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: নাসর ইবনে আলী আল-জাহদামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আদ-দুবায়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবনে ফারাফিসা থেকে, তিনি দাউদ আল-ওয়াররাক থেকে, তিনি আব্বাদ ইবনে রাশিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু হুরাইরার মায়ের জানাজায় উপস্থিত ছিলাম। যখন তারা তাঁকে নিয়ে (জানাজার উদ্দেশ্যে) বের হলেন, তখন তিনি বললেন: (আপনারা তাঁর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন, আল্লাহ আপনাদের ক্ষমা করুন)। তখন ইয়াহইয়া আমাকে বললেন: «আমি এই ইউসুফ ইবনে ইয়াকুবকে চিনি না, এবং এই সনদটিও চিনি না; আর এই হাদিসটি উল্লেখযোগ্য কিছু নয়»। ইয়াহইয়া আরও বললেন: «নাসর ইবনে আলী দীর্ঘকাল আগে আসমায়ীর মজলিসে বসতেন এবং তাঁর সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন», এবং আমার ধারণা তিনি (ইয়াহইয়া) বলেছেন: «এবং তাঁর থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন»।
(৬৫) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে জুফার ইবনে আল-হুযাইল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যাঁর সম্পর্কে আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: «তিনি বিশ্বস্ত, নির্ভরযোগ্য এবং কুফাবাসী»।
(৬৬) আমি ইয়াহইয়াকে শারিকের বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যা আলী ইবনে আলী থেকে এবং তিনি ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি (ইবরাহিম) বলেন: আলকামা জনৈক মুয়াজ্জিনকে রাতে আজান দিতে শুনলেন। তখন তিনি বললেন: (এই ব্যক্তি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের বিরোধিতা করেছে; সে যদি নিজ বিছানায় রাত কাটাত তবে তার জন্য তাই উত্তম হতো)।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯০)
قلت ليحيى بن معين: من علي بن علي هذا؟ قال: «هذا علي بن السائب، كوفي ثقة، يحدث عنه شريك» ، قلت: من يحدث عنه غير شريك؟ قال: «ما علمت أحداً يحدث عنه غير شريك» .
(67) قلت ليحيى بن معين: غندر سمع من سعيد بن أبي عروبة في الاختلاط أو قبل؟ فقال لي يحيى: «زعموا أنه لم يسمع منه إلا في الصحة، وأن أول من عرف اختلاط سعيد بن أبي عروبة: غندر» .
(68) سمعت يحيى بن معين يقول: «قال هشام بن عروة: رأيت ابن عمر وأنس بن مالك وسهل بن سعد وجابراً»
(69) قال يحيى بن معين: «وقد روى يحيى بن سعيد الأنصاري عن هشام بن عروة» .
(70) وسمعت يحيى بن معين يقول: «صالح بن كيسان أكبر سناً من الزهري، سمع ابن الزبير وابن عمر» .
(71) سمعت يحيى بن معين يقول: «ابن أبي سمينة البصري،
আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: এই আলী ইবনে আলী কে? তিনি বললেন: «ইনি আলী ইবনে আস-সাইব, কুফার অধিবাসী এবং নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), শারীক তাঁর থেকে বর্ণনা করেন», আমি বললাম: শারীক ছাড়া আর কে তাঁর থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: «শারীক ছাড়া অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেন বলে আমার জানা নেই»।
(৬৭) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বললাম: গুন্দার কি সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ থেকে তাঁর মতিভ্রমের (ইখতিলাত) সময় শুনেছেন নাকি তার আগে? ইয়াহইয়া আমাকে বললেন: «তাঁরা মনে করেন যে তিনি তাঁর থেকে কেবল সুস্থ অবস্থায় থাকাকালীনই শুনেছেন, আর সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহর মতিভ্রম সম্পর্কে প্রথম যিনি জানতে পেরেছিলেন তিনি হলেন গুন্দার»।
(৬৮) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «হিশাম ইবনে উরওয়াহ বলেছেন: আমি ইবনে উমর, আনাস ইবনে মালিক, সাহল ইবনে সাদ এবং জাবিরকে দেখেছি»
(৬৯) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: «ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারী হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন»।
(৭০) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «সালিহ ইবনে কায়সান বয়সে যুহরীর চেয়ে বড় ছিলেন, তিনি ইবনে আয-যুবাইর এবং ইবনে উমর থেকে শুনেছেন»।
(৭১) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «ইবনে আবি সামিনাহ আল-বাসরী,
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯১)
وشباب، وعبيد الله بن / معاذ بن معاذ العنبري، ليسوا أصحاب حديث، ليسوا بشيء» .
(72) سمعت يحيى بن معين يقول: «مثنى بن معاذ لا بأس به» .
(73) سمعت يحيى بن معين يقول: «مات منصور بن المعتمر وأيوب في سنة إحدى وثلاثين ومائة في الطاعون، أو اثنتين وثلاثثين، وأيوب أقدم موتاً من منصور، وقد أدرك منصور المُسَوِّدة» .
(74) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع: حماد بن سلمة، أروى عن هشام بن عروة، أو أبو أسامة؟ فقال: «أبو أسامة» .
(75) سئل يحيى عن ابن أبي ليلى، هل كان ثبتاً في الحديث؟ فقال: «ما كان يثبت في الحديث» .
(76) وسئل يحيى وأنا أسمع عن محمد بن بشر العبدي، فقال: «لم يكن به بأس» ،
(77) قيل: فأبو أسامة أحب إليك أو محمد بن بشر؟ فقال: «أبو أسامة» .
...এবং শাবাব ও উবাইদুল্লাহ ইবনে মুআয ইবনে মুআয আল-আনবারী; তারা হাদিস বিশারদ নন, তারা উল্লেখযোগ্য কেউ নন।
(৭২) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «মুসান্না ইবনে মুআয-এর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (তিনি নির্ভরযোগ্য)»।
(৭৩) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «মানসুর ইবনে আল-মুতামির এবং আইয়ুব একশ একত্রিশ হিজরিতে প্লেগ রোগে মৃত্যুবরণ করেন, অথবা একশ বত্রিশ হিজরিতে; এবং আইয়ুব মানসুরের আগে মৃত্যুবরণ করেছেন। আর মানসুর মুসাউউইদাহ (আব্বাসীয়দের প্রাথমিক যুগ) প্রত্যক্ষ করেছিলেন»।
(৭৪) আমি শুনছিলাম এমতাবস্থায় ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে জিজ্ঞেস করা হলো: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ কি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরযোগ্য, নাকি আবু উসামাহ? তিনি বললেন: «আবু উসামাহ»।
(৭৫) ইয়াহইয়াকে ইবন আবি লায়লা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি কি হাদিসের ক্ষেত্রে সুদৃঢ় ছিলেন? তিনি বললেন: «তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে সুদৃঢ় ছিলেন না»।
(৭৬) আমি শুনছিলাম এমতাবস্থায় ইয়াহইয়াকে মুহাম্মদ ইবনে বিশর আল-আবদি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি বললেন: «তার মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না»,
(৭৭) বলা হলো: আপনার কাছে আবু উসামাহ অধিক পছন্দনীয় নাকি মুহাম্মদ ইবনে বিশর? তিনি বললেন: «আবু উসামাহ»।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯২)
(78) سئل يحيى وأنا أسمع: أيما أحب إليك، محمد بن عبيد، أو يعلى بن عبيد؟ فقال: «يعلى أحب إلي» ، وأراه قال: «وأثبت» .
(79) سألت يحيى عن أسيد بن زيد الجمال، فقال: «كذاب، قد أتيته ببغداد في الحذائين، فسمعته يحدث بأحاديث كذب» .
(80) سمعت يحيى بن معين يقول: «أهل مكة يتقون اللبن والزبد والجبن، لأن الشاء للمجذمة» .
(81) سمعت يحيى بن معين يقول: «كان أبو معاوية الأسود بطرسوس يخرج فيلتقط أسفل جزرة أو شيئاً مطروحاً لقمة أو عوداً، فيجمع من هذا ثم يطبخه فيأكله، وكان رجل صدق، وكان يقول: (ما ضرهم ما أصابهم في الدنيا إذا جبر الله لهم بالجنة كل مصيبة) » . قال يحيى بن معين: «صدق والله، ما ضر رجلاً اتقى الله على ما أصبح وأمسى من أمر الدنيا، وما الدنيا إلا كحلم، لقد حججت وأنا ابن أربع وعشرين سنة، خرجت راجلاً من بغداد إلى مكة، هذا منذ خمسين سنة، كأنما كان أمس» .
(৭৮) ইয়াহিয়াকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম: মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ এবং ইয়ালা ইবনে উবাইদ—এই দুইজনের মধ্যে আপনার কাছে কে বেশি প্রিয়? তিনি বললেন: «ইয়ালা আমার কাছে বেশি প্রিয়», এবং আমি মনে করি তিনি বলেছিলেন: «এবং অধিক নির্ভরযোগ্য»।
(৭৯) আমি ইয়াহিয়াকে উসাইদ ইবনে যায়েদ আল-জাম্মাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: «চরম মিথ্যাবাদী, আমি বাগদাদে মুচিদের বাজারে তার কাছে গিয়েছিলাম এবং তাকে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি»।
(৮০) আমি ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «মক্কাবাসী দুধ, মাখন এবং পনির এড়িয়ে চলে, কারণ ভেড়াগুলো কুষ্ঠরোগীদের মালিকানাধীন»।
(৮১) আমি ইয়াহিয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি: «তারসুসে আবু মুয়াবিয়া আল-আসওয়াদ বের হতেন এবং গাজরের অবশিষ্টাংশ বা কুড়িয়ে পাওয়া ফেলে দেওয়া কোনো লোকমা বা গাছের ডাল সংগ্রহ করতেন; এরপর তিনি এগুলো একত্রিত করে রান্না করে খেতেন। তিনি একজন সত্যনিষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন এবং বলতেন: (দুনিয়াতে তাদের উপর যা আপতিত হয়েছে তা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, যদি আল্লাহ জান্নাতের বিনিময়ে তাদের প্রতিটি বিপদকে পূরণ করে দেন)»। ইয়াহিয়া ইবনে মাঈন বললেন: «আল্লাহর কসম, তিনি সত্য বলেছেন। যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে চলেছে, দুনিয়ার পরিস্থিতির কারণে তার কোনো ক্ষতি নেই। আর দুনিয়া তো একটি স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি চব্বিশ বছর বয়সে হজ করেছি, বাগদাদ থেকে মক্কায় পায়ে হেঁটে গিয়েছিলাম। এটি পঞ্চাশ বছর আগের কথা, অথচ মনে হয় যেন গতকালের ঘটনা»।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯৩)
(82) سمعت يحيى بن معين وسئل عن عبد العزيز بن أبان، فقال: «كذاب خبيث يضع الحديث» .
(83) سمعت يحيى بن معين وسئل: سمع غندر من عبد الله بن جعفر المخرمي؟ فقال: «نعم، سمع من عبد الله بن جعفر المخرمي ومالك بن أنس» .
(84) سمعت يحيى بن معين يقول: «عمر بن قيس الماصر مولى لثقيف، ثقة» ، قلت ليحيى: لم سمي الماصر، لعله كان يكون بالماصر؟ قال: «لا أدري لم سمي الماصر» .
(85) سمعت يحيى بن معين وذكر أبا بكر بن عفان ختن مهدي بن حفص، فقال: «كذاب، يكذب، رأيت له حديثًا حدث به عن أبي إسحاق الفزاري كذب» .
(86) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع، وقيل له: ابن جريج قال: حدثني أبو شداد، عن مجاهد، قال: (في اليربوع سخلة) ، مَنْ أبو شداد هذا؟ قال: «شيخ له ما أعلمه يعرف، / ولا أعرفه» .
(87)
(৮২) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে আবদুল আজিজ ইবনে আবান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, তখন তিনি বললেন: «সে একজন নোংরা মিথ্যেবাদী, যে হাদিস জাল করে»।
(৮৩) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তাঁকে প্রশ্ন করা হলো: গুন্দার কি আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আল-মাখরামী থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আল-মাখরামী এবং মালিক ইবনে আনাস থেকে শুনেছেন»।
(৮৪) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «উমর ইবনে কায়স আল-মাসির ছাকিফ গোত্রের মুক্তদাস, সে নির্ভরযোগ্য», আমি ইয়াহইয়াকে বললাম: তাকে কেন আল-মাসির বলা হয়, সম্ভবত সে মাসিরে অবস্থান করত বলে? তিনি বললেন: «আমি জানি না কেন তাকে আল-মাসির বলা হয়»।
(৮৫) আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি মাহদী ইবনে হাফসের জামাতা আবু বকর ইবনে আফফানের কথা উল্লেখ করে বলেন: «সে একজন মিথ্যেবাদী, সে মিথ্যে বলে। আমি তার একটি হাদিস দেখেছি যা সে আবু ইসহাক আল-ফাযারী থেকে বর্ণনা করেছে, সেটি ছিল মিথ্যা»।
(৮৬) ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে প্রশ্ন করা হলো আর আমি শুনছিলাম, তাঁকে বলা হলো: ইবনে জুরাইজ বলেছেন: আবু শাদ্দাদ মুজাহিদ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে: (জেরবোয়া বা মরু-ইঁদুরের বিনিময়ে একটি ছাগলছানা দিতে হবে), এই আবু শাদ্দাদ কে? তিনি বললেন: «সে তার এমন একজন শায়খ যাকে পরিচিত বলে আমার জানা নেই এবং আমি তাকে চিনি না»।
(৮৭)
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯৪)
سمعت يحيى بن معين يقول: «حدثنا سفيان، حدثنا عباس بن عبد الله بن معبد بن عباس قارئُ بني العباس قبل أن يجيئوا في زمانهم» ، قلنا ليحيى: ما الحديث؟ قال: «لا أحفظه» ، فذكر أن له حديثين أو ثلاثة.
(88) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن يحيى بن أبي الحجاج الخاقاني بصري، فقال: «لم يكن بثقة، هو أخو خاقان بن الأهتم» ، قلت: إنه يحدث عنه سعيد بن عامر، قال: «كان سعيد بن عامر لا يبالي عمن حدث» .
(89) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن شبيب بن شيبة بصري، فقال: «لم يكن بثقة» .
(90) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن يوسف السمتي، فقال: «ليس بثقة، كذاب، لا يكتب حديثه» .
আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্বাস বিন আব্দুল্লাহ বিন মাবাদ বিন আব্বাস বর্ণনা করেছেন, যিনি বনু আব্বাসের ক্ষমতা লাভের পূর্বেই তাদের সময়ের ক্বারী ছিলেন।" আমরা ইয়াহইয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম: সেই হাদিসটি কী? তিনি বললেন: "আমার তা মুখস্থ নেই।" এরপর তিনি উল্লেখ করলেন যে তার (আব্বাসের) দুটি বা তিনটি হাদিস রয়েছে।
(৮৮) আমি শ্রবণরত থাকাবস্থায় ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে ইয়াহইয়া বিন আবু আল-হাজ্জাজ আল-খাকানি আল-বাসরি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন না, তিনি খাকান বিন আল-আহতামের ভাই।" আমি বললাম: সাঈদ বিন আমির তার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বললেন: "সাঈদ বিন আমির কার থেকে বর্ণনা করছেন সে বিষয়ে কোনো পরোয়া করতেন না।"
(৮৯) আমি শ্রবণরত থাকাবস্থায় ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে শাবীব বিন শাইবাহ আল-বাসরি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন না।"
(৯০) আমি শ্রবণরত থাকাবস্থায় ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে ইউসুফ আস-সামতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য নন, চরম মিথ্যাবাদী, তার হাদিস লিখে রাখা যাবে না।"
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯৫)
(91) سمعت يحيى بن معين يقول: «قال رجل لعبد الله بن نمير: نحن إنما نمر بوكيع ثم نجيئك -قال يحيى: وكان ابن نمير أكبر من وكيع بعشر سنين أو أكثر-، فقال له ابن نمير: إنما يقرأ من له عقل، ويطلب العلم من له عقل، قد كنت أظن أن لك عقلاً، لا والله لا حدثتك بحديث أبداً» ، وذكر يحيى ابن معين هذا عند سوء أدب بعض أصحاب الحديث.
(92) قلت ليحيى بن معين: ترى أن ينظر الرجل في شيء من الرأي؟ فقال: «أي رأي؟» ، قلت: رأي الشافعي وأبي حنيفة، فقال: «ما أرى لمسلم أن ينظر في رأي الشافعي، ينظر في رأي أبي حنيفة أحب إلي من أن ينظر في رأي الشافعي» .
(93) وسمعت رجلاً يقول ليحيى بن معين: سئل ابن داود الخريبي: شرب النبيذ خيرٌ أو تركه؟، فقال: (شربه) .
(94) سمعت يحيى بن معين يقول: «ترك النبيذ خير من شربه، ومن رخص فيه فيما أسكر كثيره، شريك وسفيان وحسن بن حي ووكيع وابن نمير وهؤلاء، وهم مع ذلك ينهون عن الخليطين،
(৯১) আমি ইয়াহইয়া ইবন মাঈনকে বলতে শুনেছি: «এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবন নুমাইরকে বলল: আমরা কেবল ওয়াকীর নিকট দিয়ে যাই, এরপর আপনার নিকট আসি —ইয়াহইয়া বলেন: ইবন নুমাইর ওয়াকীর চেয়ে দশ বছর বা তার বেশি বড় ছিলেন— তখন ইবন নুমাইর তাকে বললেন: কেবল সেই ব্যক্তিই পাঠ করে যার বুদ্ধি আছে এবং সেই ব্যক্তিই ইলম অন্বেষণ করে যার বুদ্ধি আছে; আমি মনে করেছিলাম তোমার বুদ্ধি আছে, না আল্লাহর কসম! আমি তোমাকে আর কখনও কোনো হাদিস বর্ণনা করব না», ইয়াহইয়া ইবন মাঈন এটি কিছু হাদিস অন্বেষণকারীর আদবের অভাবের প্রেক্ষিতে উল্লেখ করেছেন।
(৯২) আমি ইয়াহইয়া ইবন মাঈনকে বললাম: আপনি কি মনে করেন যে কোনো ব্যক্তির রা’য় (ব্যক্তিগত অভিমত) সংক্রান্ত বিষয়ে পর্যালোচনা করা উচিত? তিনি বললেন: «কোন রা’য়?» আমি বললাম: শাফিঈ এবং আবু হানিফার রা’য়। তিনি বললেন: «আমি কোনো মুসলিমের জন্য শাফিঈর রা’য় অধ্যয়ন করা সমীচীন মনে করি না, শাফিঈর রা’য় দেখার চেয়ে আবু হানিফার রা’য় দেখা আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।»
(৯৩) আমি এক ব্যক্তিকে ইয়াহইয়া ইবন মাঈনকে বলতে শুনেছি: ইবন দাউদ আল-খুরায়বীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: নাবীজ পান করা উত্তম নাকি তা বর্জন করা? তিনি বললেন: (পান করা)।
(৯৪) আমি ইয়াহইয়া ইবন মাঈনকে বলতে শুনেছি: «নাবীজ বর্জন করা তা পান করার চেয়ে উত্তম। আর যারা এমন পানীয়ের অনুমতি দিয়েছেন যার অধিক পরিমাণ নেশাগ্রস্ত করে —যেমন শরীক, সুফিয়ান, হাসান ইবন হাই, ওয়াকী, ইবন নুমাইর এবং তাঁদের মতো ব্যক্তিবর্গ— তাঁরাও কিন্তু দুই ধরণের ফলের মিশ্রিত পানীয় থেকে নিষেধ করতেন,
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯৬)
وعن المنادمة والمعاقرة والجلوس عليه، والنقيع عندهم خمر، والبصريون يرخصون في النقيع، ويقولون: هو حلال» ، قال يحيى: «وكل نبيذ يجوز ثلاثة أيام فلا خير فيه عندهم، وعند سفيان وشريك وابن حي وابن نمير ووكيع وأبي معاوية، كلهم يكرهه» . قال يحيى بن معين: «وحديث النبي صلى الله عليه وسلم: (كل مسكر حرام) عندي صحيح، أبو سلمة عن عائشة» . قال يحيى بن معين: «من عاقر على النبيذ وسكر وأداروا الأقداح، فهؤلاء لا مروءة لهم، ولا تقبل شهادتهم، ولا يصلى خلفهم» ، وأراه قال: «هم فُسَّاق» .
(95) نعيت ليحيى بن معين محرز بن عون، فاستغفر له، وترحم عليه، وقال: «كان شيخ صدق، لا بأس به» .
(96) سمعت يحيى بن معين وسئل عن ابن جريج، عن مظاهر بن مظاهر،
এবং মদ্যপানের সঙ্গী হওয়া, তাতে আসক্ত হওয়া এবং তার মজলিসে বসা সম্পর্কে; তাদের নিকট 'নাকী' হলো মদ, তবে বসরার অধিবাসীরা নকীর ব্যাপারে শিথিলতা প্রদর্শন করেন এবং বলেন: এটি হালাল। ইয়াহইয়া বলেন: "যেকোনো নাবীজ যা তিন দিন অতিবাহিত করে, তাদের নিকট তাতে কোনো কল্যাণ নেই। সুফিয়ান, শারিক, ইবনুল হাই, ইবনু নুমাইর, ওয়াকি এবং আবু মুয়াবিয়া—তারা সকলেই একে অপছন্দ করেন।" ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস: 'প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম'—এটি আমার নিকট সহিহ, যা আবু সালামা আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন।" ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন বলেন: "যারা নাবীজ পানে মত্ত হয় এবং মাতাল হয় ও মদের পেয়ালা আদান-প্রদান করে, তাদের কোনো আত্মমর্যাদা নেই, তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে না এবং তাদের পেছনে সালাত আদায় করা যাবে না।" আমি মনে করি তিনি আরও বলেছিলেন: "তারা ফাসেক।"
(৯৫) ইয়াহইয়া ইবনু মাঈনের নিকট মুহরিয ইবনু আউনের মৃত্যুর সংবাদ দেওয়া হলে তিনি তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেন ও রহমতের দোয়া করলেন এবং বললেন: "তিনি একজন সত্যনিষ্ঠ শাইখ ছিলেন, তাতে কোনো সমস্যা নেই।"
(৯৬) আমি ইয়াহইয়া ইবনু মাঈনকে ইবনু জুরাইজ থেকে মুযাহির ইবনু মুযাহির সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হতে শুনেছি,
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯৭)
من مظاهر هذا؟
قال: «هذا مظاهر بن أسلم، شيخ له ليس بشيء، قد سمع منه أبو عاصم النبيل أيضًا» يعني: من مظاهر هذا.
(97) سمعت يحيى بن معين يقول: «إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، وإسماعيل بن عبد الله بن أبي طلحة، وعبد الله بن عبد الله بن أبي طلحة إخوة مدنيون» ، قلت ليحيى: ثقات هم؟ قال: «نعم، ثقات» .
(98) سئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن حديث مبارك، عن الحسن قال: أخبرني أبو الأحوص، عن عبد الله، فقال يحيى: «هو صحيح» .
(99) وسئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن حماد بن زيد، عن خطاب بن يعقوب، فقال: «هذا شيخ بصري» .
(100) سمعت يحيى بن معين يذكر أنه رأى عبد الله بن وهب بمكة ما يلتفت إليه أحد، فقال رجل ليحيى: كان ابن ستين سنة؟ قال: «لا، قد كان له سنّ» .
(101) سمعت يحيى بن معين وذكر حديثاً عن سفيان بن عيينة، فقال: «قد حدث به البار أيضاً - يعني: شعبة -، عن محمد بن عبد الرحمن مولى
এই মুজাহির কে?
তিনি বললেন: «ইনি মুজাহির বিন আসলাম, তিনি এমন একজন শাইখ যার কোনো গুরুত্ব নেই, আবু আসিম আন-নাবিলও তাঁর থেকে শুনেছেন» অর্থাৎ: এই মুজাহির কে।
(৯৭) আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে বলতে শুনেছি: «ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি তালহা, ইসমাঈল বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি তালহা এবং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি তালহা—তাঁরা মদিনার অধিবাসী ভাই», আমি ইয়াহইয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম: তাঁরা কি নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, নির্ভরযোগ্য»।
(৯৮) ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে মুবারাক থেকে বর্ণিত হাসানের হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যখন আমি শুনছিলাম, তিনি (হাসান) বলেছিলেন: আবু আল-আহওয়াস আমাকে আব্দুল্লাহর সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন; তখন ইয়াহইয়া বললেন: «এটি সহীহ»।
(৯৯) ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণিত খাত্তাব বিন ইয়াকুব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যখন আমি শুনছিলাম, তিনি বললেন: «ইনি বসরার একজন শাইখ»।
(১০০) আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে উল্লেখ করতে শুনেছি যে, তিনি মক্কায় আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহবকে দেখেছিলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর দিকে কেউ ভ্রুক্ষেপ করছিল না। তখন এক ব্যক্তি ইয়াহইয়াকে জিজ্ঞাসা করল: তাঁর বয়স কি ষাট বছর ছিল? তিনি বললেন: «না, তিনি বেশ বয়স্ক ছিলেন»।
(১০১) আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে সুফিয়ান বিন উয়ায়নাহ থেকে একটি হাদীস উল্লেখ করতে শুনেছি, তখন তিনি বললেন: «আল-বাররও এটি বর্ণনা করেছেন—অর্থাৎ শু'বাহ—মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান থেকে, যিনি মুক্তদাস...»
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯৮)
آل طلحة، عن سليمان بن يسار، عن عبد الله بن عتبة، عن عمر قال: (يتزوج العبد اثنتين، ويطلق تطليقتين، وتعتد حيضتين أو شهراً ونصفاً» .
(102) سمعت يحيى بن معين وسئل أيضاً عن يونس بن بكير، فقال: «كان ثقة صدوقاً، إلا أنه كان مع جعفر بن يحيى البرمكي، وكان موسراً» ، فقال له رجل: إنهم يرمونه بالزندقة بكذا وكذا، فقال: «كذب» ، ثم قال يحيى: «رأيت ابني أبي شيبة أتياه، فأقصاهما، وسألاه كتاباً، فلم يعطهما؛ فذهبا يتكلمان فيه» . قال يحيى بن معين: «قد كتبت عنه» ، قال أبو خيثمة: «قد كتبت عنه» .
(103) سمعت يحيى وسئل عن سعيد القداح، فقال: «ثقة» .
(104) وسئل يحيى بن معين وأنا أسمع عن جابر بن نوح الحماني،
তালহা পরিবার থেকে, সুলাইমান ইবন ইয়াসার থেকে, আবদুল্লাহ ইবন উতবাহ থেকে, উমর বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (ক্রীতদাস দুইজন নারীকে বিবাহ করতে পারে, দুই তালাক দিতে পারে এবং [তার স্ত্রীর] ইদ্দত হবে দুই ঋতুস্রাব অথবা দেড় মাস)।
(১০২) আমি ইয়াহইয়া ইবন মাঈনকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে ইউনুস ইবন বুকায়র সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী ছিলেন, তবে তিনি জাফর ইবন ইয়াহইয়া আল-বারমাকীর সাথে যুক্ত ছিলেন এবং তিনি সচ্ছল ছিলেন।" তখন এক ব্যক্তি তাকে বলল: "লোকেরা তো তার বিরুদ্ধে অমুক অমুক কারণে যিন্দিক হওয়ার অপবাদ দেয়।" তিনি বললেন: "মিথ্যা কথা।" এরপর ইয়াহইয়া বললেন: "আমি ইবন আবু শায়বার দুই ছেলেকে দেখেছি যে তারা তার কাছে এসেছিল, কিন্তু তিনি তাদের দূরে সরিয়ে দেন। তারা তার কাছে একটি কিতাব চেয়েছিল, কিন্তু তিনি তাদের তা দেননি; ফলে তারা তার সমালোচনা করতে শুরু করে।" ইয়াহইয়া ইবন মাঈন বলেন: "আমি তার থেকে হাদীস লিখেছি।" আবু খায়সামাহ বলেন: "আমিও তার থেকে হাদীস লিখেছি।"
(১০৩) আমি ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি যখন তাকে সাঈদ আল-কাদ্দাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেন: "নির্ভরযোগ্য।"
(১০৪) ইয়াহইয়া ইবন মাঈনকে জাবির ইবন নুহ আল-হিমমানী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম,
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতু ইবনিল জুনাইদ লি-ইয়াহইয়া বিন মাইন
(পৃষ্ঠা: ২৯৯)
فضعفه وقال: «رأيت حفص بن غياث يضحك منه يهزأ به» ، ثم قال يحيى: «ليس بشيء» .
(105) سمعت أبا حذيفة بن مروان بن معاوية قال: «كان مروان يكنى أبا عبد الله» .
(106) سمعت يحيى بن معين يحدث أبا حذيفة، فقال: «رأيت مروان جاء مرةً إلى سفيان بن عيينة يستأذن عليه، نادى: يا أبا محمد، يا أبا محمد» .
(107) وسمعت يحيى يقول: «لما قدم مروان قيل لي، فأتيته في خان منارة، فإذا عنده معلى بن منصور وهو يسأله في قرطاس، فلما رآني طوى القرطاس، ثم لم أره عنده بعد ذلك، ولزمناه فكتبنا عنه» .
(108) قلت ليحيى بن معين: حدثنا سعيد بن منصور، عن رواد بن الجراح، عن سفيان الثوري، عن الزبير بن عدي، عن أنس بن مالك
তিনি তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন এবং বলেছেন: «আমি হাফস বিন গিয়াসকে তার কারণে হাসতে ও তাকে উপহাস করতে দেখেছি», অতঃপর ইয়াহইয়া বলেন: «সে কিছুই নয়»।
(১০৫) আমি আবু হুযাইফা বিন মারওয়ান বিন মুয়াবিয়াকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «মারওয়ানের উপনাম ছিল আবু আব্দুল্লাহ»।
(১০৬) আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে আবু হুযাইফার সাথে কথা বলতে শুনেছি, তিনি বললেন: «আমি মারওয়ানকে একবার সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহর কাছে আসতে এবং ভেতরে প্রবেশের অনুমতি চাইতে দেখেছি, সে ডাকছিল: হে আবু মুহাম্মদ, হে আবু মুহাম্মদ»।
(১০৭) আমি ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি: «যখন মারওয়ান এলেন তখন আমাকে সংবাদ দেওয়া হলো, অতঃপর আমি তার কাছে খান মানারা-তে গেলাম। সেখানে মুয়াল্লা বিন মানসুর তার কাছে ছিলেন এবং একটি কাগজে তাকে প্রশ্ন করছিলেন। যখন তিনি আমাকে দেখলেন, তখন কাগজটি ভাঁজ করে ফেললেন। এরপর আমি তাকে আর তার কাছে দেখিনি। আমরা তার সাথে লেগে থাকলাম এবং তার থেকে হাদিস লিখলাম»।
(১০৮) আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে বললাম: আমাদের কাছে সাঈদ বিন মানসুর বর্ণনা করেছেন, তিনি রাওয়াদ ইবনুল জাররাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি জুবাইর বিন আদি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে...