(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: -)
الموطأ لابن وهب - قطعة منه - ت الصيني (ابن وهب)
القسم: كتب السنة
الكتاب: موطأ عبد الله بن وهب (قطعة من الكتاب)
المؤلف: أبو محمد عبد الله بن وهب بن مسلم المصري القرشي (ت 197هـ)
تحقيق: هشام إسماعيل الصيني
الناشر: دار ابن الجوزي - الدمام
الطبعة: الثانية، جمادى الثانية، 1420 هـ - 1999 م
عدد الصفحات: 152
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে ওয়াহাব এর মুয়াত্তা - এর একটি অংশ - তাহকীক আস-সিনী (ইবনে ওয়াহাব)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: মুয়াত্তা আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব (কিতাবটির একটি অংশ)
লেখক: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব বিন মুসলিম আল-মিসরি আল-কুরাশি (মৃত্যু ১৯৭ হিজরি)
তাহকীক: হিশাম ইসমাইল আস-সিনী
প্রকাশক: দার ইবনুল জাওজি - দাম্মাম
সংস্করণ: দ্বিতীয়, জুমাদাস সানি, ১৪২০ হিজরি - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৫২
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
1 - أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي صَخْرٍ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ الْبَجَلِيِّ، عَنْ أَبِي الصَّهْبَاءِ الْبَكْرِيِّ، قَالَ: قَامَ ابْنُ الْكَوَّاءِ إِلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَقَالَ: " إِنِّي وَطِئتُ عَلَى دَجَاجَةٍ مَيِّتَةٍ، فَخَرَجَتْ مِنْهَا بَيْضَةٌ، آكُلُهَا؟ قَالَ عَلِيٌّ: «لَا» ، قَالَ: فَإِنِّي أَشْخَصْتُهَا تَحْتَ دَجَاجَةٍ، فَخَرَجَ مِنْهَا فَرْخٌ، آكُلُهُ؟ قَالَ عَلِيٌّ: «نَعَمْ» ، قَالَ: كَيْفَ؟ قَالَ: «لأَنَّهُ حَيُّ خَرَجَ مِنْ مَيِّتٍ»2 - أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ عَامَ الْفَتْحِ، وَهُوَ بِمَكَّةَ: «إِنَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ حَرَّمَ بَيْعَ الْخَمْرِ وَالْمَيْتَةِ وَالْخِنْزِيرِ وَالْأَصْنَامِ» .فَقِيلَ لَهُ عِنْدَ ذَلِكَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، " أَرَأَيْتَ شُحُومَ الْمَيْتَةِ، فَإِنَّهُ يُدْهَنُ بِهِ السِّقَاءُ وَالْجُلُودُ وَيَسْتَصْبِحُ بِهِ النَّاسُ؟ قَالَ: لَا، هِيَ حَرَامٌ ثُمَّ قَالَ عِنْدَ ذَلِكَ قَاتَلَ اللَّهُ يَهُودَ، إِنَّ اللَّهَ لَمَّا حَرَّمَ عَلَيْهِمْ شُحُومَهَا أَجْمَلُوهُ، ثُمَّ بَاعُوهُ فَأَكَلُوا ثَمَنَهُ "3 - أَخْبَرَنِي يَزِيدُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ أَتَاهُ أَصْحَابُ الْوَلِيدِ الَّذِينَ كَانُوا يَجْمَعُونَ الْوَدَكَ بِمِنًى، فَقَالُوا: إِنَّا نَجْمَعُ هَذِهِ الْأَوْدَاكَ مِنَ الْمَيْتَةِ وَغَيْرِهَا، فَإِنَّمَا هِيَ لِلسُّفُنِ وَالْأَدِيمِ؟ قَالَ: «قَاتَلَ اللَّهُ يَهُودَ حَرَّمَ عَلَيْهِمْ شُحُومَهَا، ثُمَّ بَاعُوهَا
১ - ইয়াহিয়া ইবনে আইয়ুব আমাকে খবর দিয়েছেন আবু সাখর থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া আল-বাজালি থেকে, তিনি আবুস সাহবা আল-বাকরি থেকে। তিনি বলেন: ইবনুল কাওয়া মিম্বরে আসীন আলী ইবনে আবি তালিব (রা.)-এর কাছে দাঁড়িয়ে বললেন: "আমি একটি মৃত মুরগির উপর পা দিয়েছিলাম, ফলে তা থেকে একটি ডিম বের হয়েছে। আমি কি তা খেতে পারব?" আলী (রা.) বললেন: "না।" তিনি বললেন: "তবে আমি যদি সেটি একটি মুরগির নিচে বসিয়ে দেই এবং তা থেকে একটি বাচ্চা বের হয়, তবে কি তা খেতে পারব?" আলী (রা.) বললেন: "হ্যাঁ।" তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "কীভাবে?" আলী (রা.) বললেন: "কারণ তা মৃত থেকে বের হওয়া একটি জীবিত প্রাণী।"২ - উসামা ইবনে যায়েদ আমাকে খবর দিয়েছেন আমর ইবনে শুয়াইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে। তিনি বলেন: আমি মক্কা বিজয়ের বছর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মক্কায় থাকা অবস্থায় বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর রাসূল মদ, মৃতদেহ, শূকর এবং মূর্তির কেনাবেচা হারাম করেছেন।"তখন তাঁকে বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, "মৃত পশুর চর্বি সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? কেননা তা দিয়ে মশক ও চামড়ায় প্রলেপ দেওয়া হয় এবং মানুষ তা দিয়ে প্রদীপ জ্বালায়?" তিনি বললেন: "না, তা হারাম।" অতঃপর তিনি বললেন: "আল্লাহ ইহুদিদের ধ্বংস করুন। যখন আল্লাহ তাদের ওপর এগুলোর চর্বি হারাম করলেন, তখন তারা তা গলিয়ে ফেলল, অতঃপর তা বিক্রি করল এবং তার মূল্য ভক্ষণ করল।"৩ - ইয়াজিদ ইবনে ইয়াদ আমাকে খবর দিয়েছেন আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে। তিনি বলেন: যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় আগমন করলেন, তখন ওয়ালিদের সাথীরা তাঁর কাছে আসলেন যারা মিনায় চর্বি সংগ্রহ করতেন। তারা বললেন: "আমরা মৃত পশু ও অন্যান্য উৎস থেকে এই চর্বিগুলো সংগ্রহ করি, যা কেবল নৌকা ও চামড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়।" তিনি বললেন: "আল্লাহ ইহুদিদের ধ্বংস করুন, তাদের ওপর চর্বি হারাম করা হয়েছিল, অতঃপর তারা তা বিক্রি করল..."
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
فَأَكَلُوا أَثْمَانَهَا» .فَنَهَاهُمْ عَنْ ذَلِكَ4 - أَخْبَرَنِي زَمْعَةُ بْنُ صَالِحٍ الْمَكِّيُّ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: بَيْنَا أَنَا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ جَاءَهُ نَاسٌ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ سَفِينَةً لَنَا انْكَسَرَتْ، وَإِنَّا وَجَدْنَا نَاقَةً سَمِينَةً مَيَّتَةً، فَأَرَدْنَا أَنَّ نَدْهِنَ بِهَا سَفِينَتَنَا، وَإِنَّمَا هِيَ عُودٌ هِيَ عَلَى الْمَاءِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا تَنْتَفِعُوا بِشَيْءٍ مِنَ الْمَيْتَةِ، وَلَا تَنْتَفِعُوا بِالْمَيْتَةِ»5 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَسُفْيَانُ بْنُ سَعِيدٍ الثَّوْرِيُّ، أَنَّ حُمَيْدًا الطَّوِيلَ حَدَّثَهُمْ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: «حَجَمَ أَبُو طَيْبَةَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَعْطَاهُ صَاعَيْنِ أَوْ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ وَأَمَرَ أَهْلَهُ أَنْ يُخَفِّفُوا عَنْهُ مِنْ خَرَاجِهِ»6 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرٍو بْنِ عَامِرٍ الْأَنْصَارِيِّ أَخْبَرَهُ، أَنَّهُ مَشَى مَعَ جَارٍ لَهُ حَجَّامٌ إِلَى أَنَسٍ، يَسْأَلَانِهِ عَنْ كَسْبِ الْحَجَّامِ، فَقَالَ لَهُمَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ: «قَدْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَحْتَجِمُ، فَلَمْ يَكُنْ يَظْلِمُ الْحَجَّامَ أَجْرَهُ» .وَقَالَ أَبُو الزِّنَادِ: أَخْبَرَنِي الثِّقَةُ، أَنَّ قُرَيْشًا كَانَتْ تَتَكَرَّمُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ عَنْ كَسْبِ الْحَجَّامِ، وَلَوْ كَانَ حَرَامًا، لَمْ يَقُلْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْأَنْصَارِيِّ: «اجْعَلْهُ فِي عَلَفٍ نَاضِحِ الْيَتِيمِ»7 - أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنِ الْمُثَنَّى بْنِ الصَّبَّاحِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنّ
ফলে তারা তার মূল্য ভোগ করল।অতঃপর তিনি তাদের তা থেকে নিষেধ করলেন।৪ - জামআহ ইবনে সলিহ আল-মাক্কী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুয যুবাইর আল-মাক্কী থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত থাকাকালীন কিছু লোক তাঁর কাছে এল। তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের একটি নৌকা ভেঙে গেছে এবং আমরা একটি হৃষ্টপুষ্ট মৃত উট পেয়েছি। আমরা তা দিয়ে আমাদের নৌকা পিচ্ছিল (তেলাক্ত) করতে চেয়েছিলাম, কারণ এটি পানির উপরে ভাসমান কাঠ মাত্র। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তোমরা মৃত প্রাণীর কোনো কিছুই ব্যবহার করো না এবং মৃত প্রাণী থেকে কোনো উপকার গ্রহণ করো না।"৫ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর, মালিক ইবনে আনাস এবং সুফিয়ান ইবনে সাঈদ আল-সাওরী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, হুমাইদ আত-তবীল তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি বলেন: "আবু তাইবা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে শিঙা লাগিয়েছিলেন। ফলে তিনি তাকে দুই সা’ অথবা এক সা’ খেজুর দান করলেন এবং তার পরিবারকে (মালিকপক্ষকে) নির্দেশ দিলেন যেন তারা তার করের (খাজনার) বোঝা লাঘব করে দেয়।"৬ - আবদুর রহমান ইবনে আবিয যিনাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন তাঁর পিতা থেকে, তাঁকে আমর ইবনে আমির আল-আনসারী সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি তাঁর এক শিঙা লাগানো (হিজামাকারী) প্রতিবেশীর সাথে আনাসের নিকট গিয়েছিলেন শিঙা লাগানো ব্যক্তির উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে। তখন আনাস ইবনে মালিক তাদের বললেন: "আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শিঙা লাগাতেন এবং তিনি শিঙা প্রদানকারীকে তাঁর পারিশ্রমিক প্রদানে কোনো জুলুম করতেন না।"আবুয যিনাদ বলেন: আমাকে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি সংবাদ দিয়েছেন যে, কুরাইশরা জাহেলী যুগে শিঙা লাগানো ব্যক্তির উপার্জনকে মর্যাদাহানিকর মনে করত। যদি তা হারাম হতো, তবে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই আনসারী ব্যক্তিকে বলতেন না: "এটি ইয়াতীমের পানি বহনকারী উটের খাদ্যে ব্যবহার করো।"৭ - ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-মুসান্না ইবনুস সাব্বাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে শুয়াইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে,
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «احْتَجَمَ وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أَجْرَهُ»8 - أَخْبَرَنِي مُسْلِمُ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ كَسْبِ الْأَمَةِ إِلَّا أَنْ يَكُونَ لَهَا عَمَلٌ وَاجِبٌ، أَوْ كَسْبٌ يُعْرَفُ وَجْهُهُ»9 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ قَيْسٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «ثَمَنُ الْكَلْبِ غَيْرِ الصَّائِدِ سُحْتٌ»10 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَيُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ حَدَّثَهُمْ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا مَسْعُودٍ عُقْبَةَ بْنَ عَمْرٍو حَدَّثَهُمْ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَاهُمْ عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ، وَمَهْرِ الْبَغِيِّ، وَحُلْوَانِ الْكَاهِنِ» .إِلَّا أَنَّ يُونُسَ، قَالَ فِي الْحَدِيثِ: «ثَلَاثَةٌ هُنَّ سُحْتٌ»11 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَلْمَانَ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: " ثَلَاثٌ هُنَّ سُحْتٌ: حُلْوَانُ الْكَاهِنِ، وَمَهْرُ الْبَغِيِّ، وَثَمَنُ الْكَلْبِ الْعَقُورِ "12 - ثنا شَمْرُ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ ابْنِ ضُمَيْرَةَ وَهُوَ حُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، «أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ الْعَقُورِ»13 - أَخْبَرَنِي مَعْرُوفُ بْنُ سُوَيْدٍ
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম: «তিনি সিঙা লাগিয়েছেন এবং সিঙা প্রদানকারীকে তার মজুরি দিয়েছেন»৮ - মুসলিম ইবনে খালিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসীর উপার্জন থেকে নিষেধ করেছেন, তবে যদি তার কোনো নির্দিষ্ট কাজ থাকে অথবা এমন উপার্জন হয় যার উৎস সুপরিচিত»৯ - আমর ইবনে কায়স আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «শিকারী নয় এমন কুকুরের মূল্য হারাম»১০ - মালিক ইবনে আনাস, ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ এবং লাইস ইবনে সাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে শিহাব তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু বকর ইবনে আবদুর রহমান থেকে, আর আবু মাসউদ উকবা ইবনে আমর তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদেরকে কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর পারিশ্রমিক এবং গণকের বকশিশ গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন»।তবে ইউনুস হাদিসে বলেছেন: «তিনটি বস্তু হারাম»১১ - আবদুর রহমান ইবনে সালমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি উকাইল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু বকর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "তিনটি বস্তু হারাম: গণকের বকশিশ, ব্যভিচারিণীর পারিশ্রমিক এবং দংশনকারী কুকুরের মূল্য"১২ - শামর ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ধুমাইরা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দংশনকারী কুকুরের মূল্য থেকে নিষেধ করেছেন»১৩ - মারুফ ইবনে সুওয়াইদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
الْجُذَامِيُّ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ رَبَاحٍ اللَّخْمِيَّ حَدَّثَهُمْ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا يَحِلُّ ثَمَنُ الْكَلْبِ، وَلَا حُلْوَانُ الْكَاهِنِ، وَلَا مَهْرُ الْبَغِيِّ» مِنْ كِتَابِ الْأَشْرِبَةِ14 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عُمَرَ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ الْمُنْكَدِرِ حَدَّثَهُ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْخَلِيطَيْنِ أَنْ يُشْرَبَا» ، فَقُلْنَا: وَمَا الْخَلِيطَانِ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «التَّمْرُ وَالزَّبِيبُ، وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ» . 15 - وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يُوسُفَ حَدَّثَهُ، أَنَّ أُمَّ مُغِيثٍ حَدَّثَتْهُ، أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ ذَلِكَ16 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ بُكَيْرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَهُ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْحَارِثِ السُّلَمِيَّ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُنْبَذَ التَّمْرُ وَالزَّبِيبُ جَمِيعًا»17 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، واللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «نَهَى أَنْ يُنْبَذَ التَّمْرُ والزَّبِيبُ جَمِيعًا، وَنَهَى أَنْ يُنْبَذَ التَّمْرُ وَالرُّطَبُ جَمِيعًا» . 18 - وَحَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، وَجَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ حَدَّثَهُمَا، عَنْ جَابِرِ بْنِ
আল-জুযামী থেকে বর্ণিত, আলী ইবনে রাবাহ আল-লাখমী তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কুকুরের মূল্য, গণকের পারিশ্রমিক এবং ব্যভিচারিণীর উপার্জন বৈধ নয়» পানীয় অধ্যায় হতে14 - আমাকে আব্দুল জব্বার ইবনে উমর অবহিত করেছেন যে, মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির তাঁর নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে যে, «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই প্রকারের মিশ্রিত পানীয় পান করতে নিষেধ করেছেন», তখন আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! মিশ্রিত দুই প্রকার কী কী? তিনি বললেন: «শুকনো খেজুর ও কিসমিস, আর প্রতিটি নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম»। 15 - ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, উম্মে মুগীস তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তা বলতে শুনেছেন।16 - আমর ইবনুল হারিস আমাকে অবহিত করেছেন যে, বুকাইর ইবনে আব্দুল্লাহ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনুল হারিস আস-সুলামী আবু কাতাদা আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শুকনো খেজুর ও কিসমিস একত্রে ভিজিয়ে পানীয় প্রস্তুত করতে নিষেধ করেছেন»17 - আমর ইবনুল হারিস এবং লায়স ইবনে সাদ আমাকে আবুল জুবাইর থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে অবহিত করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «শুকনো খেজুর ও কিসমিস একত্রে ভিজিয়ে রাখতে নিষেধ করেছেন এবং শুকনো খেজুর ও তাজা খেজুর একত্রে ভিজিয়ে রাখতেও নিষেধ করেছেন»। 18 - লায়স ইবনে সাদ এবং জারীর ইবনে হাযিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আতা ইবনে আবি রাবাহ তাঁদের নিকট জাবির ইবনে... থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣١)
عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ. 19 - وَحَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «نَهَى عَنْ ذَلِكَ»20 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَخِيهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ امْرَأَةٍ، أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «لَا تَنْبِذُوا التَّمْرَ وَالزَّبِيبَ جَمِيعًا، انْبِذُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا وَحْدَهُ»21 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ قَتَادَةَ بْنَ دِعَامَةَ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يُخْلَطَ التَّمْرُ وَالزَّهْوُ ثُمَّ يُشْرَبَ، وَأَنَّ ذَلِكَ كَانَ عَامَّةَ خُمُورِهِمْ يَوْمَ حُرِّمَتِ الْخَمْرُ»22 - وَأَخْبَرَنِي جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ أَبَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ، أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، كَانَ يَقْطَعُ الرَّطْبَ مِنَ الْبُسْرِ، لَأنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «نَهَى أَنْ يُخْلَطَ بَيْنَ الْبُسْرِ وَالتَّمْرِ وَالزَّبِيبِ وَالتَّمْرِ»23 - أَخْبَرَنِي الْخَلِيلُ بْنُ مُرَّةَ، عَنْ أَبَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ، قَالَ: رَأَيْتُ جَوَارِيَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ «يَضَعْنَ الْبُسْرَ فِي الْمَكَاتِلِ، وَيَأْخُذْنَ السَّكَاكِينَ، وَيَتَتَبَّعْنَ كُلَّ شَيْءٍ أُرْطِبَ فِيهِ، فَيُقَطِّعْنَهُ حَتَّى يُقَطِّعْنَ مِثْلَ الشُّنَامَةِ وَمِثْلَ الْقُمْعِ، مِمَّا أُرْطِبَتْ
আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ১৯ - এবং আমার কাছে মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন জায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা থেকে নিষেধ করেছেন।২০ - আব্দুর রহমান ইবনে সুলাইমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উকাইল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি মা'বাদ ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে, তিনি তাঁর ভাই আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে, তিনি জনৈক মহিলা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: "তোমরা শুকনো খেজুর এবং কিশমিশ একত্রে মিশিয়ে পানীয় (নাবিজ) তৈরি করো না; বরং এগুলোর প্রত্যেকটি পৃথকভাবে ভিজিয়ে পানীয় তৈরি করো।"২১ - আমর ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, কাতাদাহ ইবনে দি'আমাহ তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছেন: "নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শুকনো খেজুর ও আধা-পাকা খেজুর একত্রে মিশ্রিত করে পানীয় তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। আর যেদিন মদ হারাম করা হয়েছিল, সেদিন তাদের অধিকাংশ মদ এভাবেই তৈরি করা হতো।"২২ - এবং জারীর ইবনে হাযিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে যে, আনাস ইবনে মালিক আধা-পাকা খেজুরের পাকা অংশটি কেটে আলাদা করে ফেলতেন; কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আধা-পাকা খেজুর ও শুকনো খেজুর এবং কিশমিশ ও শুকনো খেজুর একত্রে মেশাতে নিষেধ করেছেন।২৩ - খলীল ইবনে মুররাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিকের দাসীদের দেখেছি যে, তারা বড় ঝুড়িতে আধা-পাকা খেজুর রাখত এবং ছুরি নিয়ে সেগুলোর যে অংশটুকু পেকে নরম হয়েছে তা খুঁজে বের করত। অতঃপর তারা সেই পাকা অংশটুকু কেটে আলাদা করত, এমনকি তারা বোঁটার চারপাশের ক্ষুদ্র অংশ বা শীর্ষের অংশটিও কেটে ফেলত যা পেকে নরম হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
كَرَاهِيَةَ أَنْ تَكُونَ بُسْرًا أَوْ تَمْرًا، فَيَكُونُ فَضِيخًا» .قَالَ أَبَانٌ: وَقَالَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ: هَكَذَا كُنَّا نَنْبِذُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم24 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عُمَرَ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ الْمُنْكَدِرِ حَدَّثَهُ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ: قَامَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «لَا تَشْرَبُوا فِي الْمُزَفَّتِ وَالنَّقِيرِ وَالْحَنْتَمِ وَالدُّبَّاءِ، اشْرَبُوا وكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ»25 - أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ هَانِئٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ الْأَجْدَعِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنِّي كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ عَنْ نَبِيذِ الْأَوْعِيَةِ، أَلَا إِنَّ وِعَاءً لَا يُحَرِّمُ شَيْئًا، وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ»26 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَيْمُونٍ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ الْحَكَمَ بْنَ عُتَيْبَةَ يُحَدِّثُهُ بِمَكَّةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ، فَقَالَ: «أَلَا إِنِّي كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ أَنْ تَنْبِذُوا فِي الْحَنْتَمِ وَالدُّبَّاءِ وَالنَّقِيرِ فَانْتَبِذُوا وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ» .قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَيْمُونٍ: فَاسْتَحْيَيْتُ أَنْ أَسْأَلَهُ عَمَّنْ يُحَدِّثُهُ، فَسَأَلْتُ بَعْضَ جُلَسَائِهِ، فَأَخْبَرَنِي أَنَّهُ يُحَدِّثُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ مُعَاذٍ27 - أَخْبَرَنِي الْحَارِثُ بْنُ نَبْهَانَ، عَنْ حَنْظَلَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: " نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ، ثُمَّ قَالَ: انْتَبِذُوا فِيمَا شِئْتُمْ، فَإِنَّ الْآنِيَةَ لَا تُحِلُّ شَيْئًا وَلَا تُحَرِّمُهُ "
এই অপছন্দনীয়তায় যে তা আধপাকা খেজুর বা শুকনো খেজুর হবে, ফলে তা ফাযীখ (এক প্রকার পানীয়) হয়ে যাবে।আবান বলেন: আনাস বিন মালিক বলেছেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এভাবেই নাবীয তৈরি করতাম।২৪ - আবদুল জব্বার বিন উমর আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, মুহাম্মদ বিন মুনকাদির তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেন: «তোমরা মুযাফফাত (আলকাতরা মাখানো পাত্র), নাকীর (খোদাই করা কাঠের পাত্র), হানতাম (মাটির সবুজ পাত্র) এবং দুব্বা (শুকনো লাউয়ের খোল)-তে পান করো না। তোমরা পান করো (অন্য পাত্রে), তবে প্রতিটি মাদকদ্রব্য হারাম»২৫ - ইবনে জুরাইজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আইয়ুব বিন হানি থেকে, মাসরুক আল-আজদা থেকে, আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমি তোমাদের নির্দিষ্ট পাত্রের নাবীয থেকে নিষেধ করেছিলাম। জেনে রেখো, কোনো পাত্রই কোনো কিছুকে হারাম করে না; বরং প্রতিটি মাদকদ্রব্যই হারাম»২৬ - ইবনে লাহিআহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবদুর রহমান বিন মাইমুন তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি মক্কায় হাকাম বিন উতাইবাহকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজ্জের সময় দাঁড়িয়ে বললেন: «সাবধান! আমি তোমাদেরকে হানতাম, দুব্বা এবং নাকীর-এ নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম; এখন তোমরা (সেগুলোতে) নাবীয তৈরি করো, তবে প্রতিটি মাদকদ্রব্যই হারাম»।আবদুর রহমান বিন মাইমুন বলেন: তিনি কার থেকে এটি বর্ণনা করছেন তা জিজ্ঞাসা করতে আমি লজ্জা পাচ্ছিলাম, তাই আমি তাঁর সাথে বসা একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে জানালেন যে, তিনি আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে এবং তিনি মুয়ায থেকে এটি বর্ণনা করছেন।২৭ - হারিস বিন নাবহান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, হানজালা থেকে, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাটির জারে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলেন, অতঃপর তিনি বললেন: তোমরা তোমাদের পছন্দমতো পাত্রে নাবীয তৈরি করো, কারণ পাত্র কোনো কিছুকে হালাল বা হারাম করে না।"
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
28 - حَدَّثَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ اللَّيْثِيُّ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يَحْيَى بْنِ حِبَّانَ أَخْبَرَهُ، أَنَّ وَاسِعَ بْنَ حِبَّانَ حَدَّثَهُ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ حَدَّثَهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «نَهَيْتُكُمْ عَنِ النَّبِيذِ أَلَا فَانْتَبِذُوا، وَلَا أُحِلُّ مُسْكِرًا»29 - أَخْبَرَنِي الْحَارِثُ بْنُ نَبْهَانَ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: «كَانَتْ عَائِشَةُ تَنْبِذُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي جَرٍّ أَخْضَرَ، وَأَنَّ عَائَشَةَ كَانَتْ تَشْرَبُ النَّبِيذَ فِي جَرٍّ أَخْضَرَ» .قَالَ: وَأَخْبَرَنِي أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يَشْرَبُ فِي جَرٍّ أَخْضَرَ30 - أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيرِ، عَنْ جَابِر بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا لَمْ يَجِدْ شَيْئًا يُنْبَذُ لَهُ فِيهِ، نُبِذَ لَهُ فِي تَوْرٍ مِنْ حِجَارَةٍ»31 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: «إِنَّ مِنَ الْعِنَبِ خَمْرًا، وَمِنَ الْعَسَلِ خَمْرًا، وَمِنَ الزَّبِيبِ خَمْرًا، وَمِنَ التَّمْرِ خَمْرًا، وَمِنَ الْحِنْطَةِ خَمْرًا، وأَنَا أَنْهَى عَنْ كُلِّ مُسْكِرٍ»32 - أَخْبَرَنِي مَالِكٌ، وَيُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، تَقُولُ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْبِتْعِ؟ فَقَالَ: «كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ»
২৮ - আমাকে উসামা ইবনে যায়েদ আল-লায়সী বর্ণনা করেছেন যে, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হিব্বান তাকে সংবাদ দিয়েছেন, তাকে ওয়াসি ইবনে হিব্বান বর্ণনা করেছেন যে, তাকে আবু সাঈদ আল-খুদরী বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি তোমাদেরকে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা তা তৈরি করো; তবে আমি কোনো নেশাজাতীয় দ্রব্য বৈধ করি না।"২৯ - হারিস ইবনে নাবহান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আলা ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি আসওয়াদ ইবনে ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "আয়েশা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য সবুজ রঙের মাটির পাত্রে নাবীয তৈরি করতেন এবং আয়েশা নিজেও সবুজ রঙের মাটির পাত্রে নাবীয পান করতেন।" ।তিনি বলেন: এবং তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদও সবুজ রঙের মাটির পাত্রে পান করতেন।৩০ - ইবনে জুরাইজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এমন কিছু পেতেন না যাতে তার জন্য নাবীয তৈরি করা যায়, তখন তার জন্য পাথরের তৈরি পাত্রে নাবীয তৈরি করা হতো।"৩১ - ইবনে লাহীআহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু নাযর থেকে, তিনি সালেম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই আঙ্গুর থেকে মদ হয়, মধু থেকে মদ হয়, কিসমিস থেকে মদ হয়, খেজুর থেকে মদ হয় এবং গম থেকে মদ হয়; আর আমি সকল প্রকার নেশাজাতীয় দ্রব্য নিষেধ করছি।"৩২ - মালিক এবং ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তারা ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশাকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে 'বিত' (মধুর তৈরি মদ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তখন তিনি বলেছিলেন: "প্রত্যেক পানীয় যা নেশা সৃষ্টি করে তা হারাম।"
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
33 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ دَرَّاجًا أَبَا السَّمْحِ حَدَّثَهُ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْحَكَمِ حَدَّثَهُ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّ نَاسًا مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَلَّمَهُمُ الصَّلَاةَ وَالسُّنَنَ وَالْفَرَائِضَ، ثُمَّ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ لَنَا شَرَابًا نَصْنَعُهُ مِنَ الْقَمْحِ وَالشَّعِيرِ، فَقَالَ: «الْغُبَيْرَا؟» قَالُوا: نَعَمْ، فَقَالَ: «لَا تَطْعَمُوهُ» ثُمَّ لَمَّا أَرَادُوا أَنْ يَنْطَلِقُوا، سَأَلُوهُ عَنْهُ، فَقَالَ: «الْغُبَيْرَا» ؟ قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: «لَا تَطْعَمُوهُ»34 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، وَعَيَّاشِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ وَهُوَ مُرْثَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ، عَنْ دَيْلَمٌ الْجَيْشَانِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّا بِأَرْضٍ بَارِدَةٍ شَدِيدَةِ الْبَرْدِ، وَنَصْنَعُ بِهَا شَرَابًا مِنَ الْقَمْحِ، أَفَيَحِلُّ يَا نَبِيَّ اللَّهِ، قَالَ: «أَلَيْسَ يُسْكِرُ؟» قَالُوا: بَلَى، قَالَ: «فَإِنَّهُ حَرَامٌ»35 - أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، أَنَّ أَبَا وَهْبٍ الْجَيْشَانِيَّ حَدَّثَهُ، عَنْ وَفْدِ جَيْشَانَ الَّذِينَ قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ ذَكَرُوا لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَرَابًا يَصْطَنِعُوهُ مِنَ الدُّرَةِ وَالْحِنْطَةِ.فَقَالَ رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيُسْكِرُ؟» قَالُوا: نَعَمْ، «فَنَهَاهُمْ عَنْهُ»36 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ،
৩৩ - আমর ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, দাররাজ আবুস সামহ তাকে জানিয়েছেন, উমর ইবনুল হাকাম তাকে জানিয়েছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মে হাবিবা থেকে বর্ণিত যে, ইয়েমেনের কিছু লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন। তিনি তাদেরকে সালাত, সুন্নত এবং ফরজ বিধানসমূহ শিক্ষা দিলেন। তারপর তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের একটি পানীয় আছে যা আমরা গম ও বার্লি থেকে তৈরি করি। তিনি বললেন: "আল-গুবাইরা?" তারা বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "তোমরা এটি পান করো না।" এরপর যখন তারা বিদায় নিতে চাইলেন, তখন পুনরায় তাঁর কাছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: "আল-গুবাইরা?" তারা বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "তোমরা এটি পান করো না।"৩৪ - ইবনে লাহিয়া আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব এবং আইয়াশ ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি আবুল খাইর অর্থাৎ মারসাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুজানি থেকে, তিনি দাইলাম আল-জাইশানি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা প্রচণ্ড শীতের এক ভূখণ্ডে বাস করি এবং সেখানে আমরা গম থেকে পানীয় তৈরি করি। হে আল্লাহর নবী, তা কি হালাল হবে? তিনি বললেন: "তা কি নেশা সৃষ্টি করে না?" তারা বললেন: অবশ্যই করে। তিনি বললেন: "তবে তা হারাম।"৩৫ - লাইস ইবনে সাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু ওয়াহাব আল-জাইশানি তাঁকে জাইশানের সেই প্রতিনিধি দল থেকে বর্ণনা করেছেন যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসেছিলেন। তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে একটি পানীয়ের কথা উল্লেখ করলেন যা তারা ভুট্টা এবং গম থেকে তৈরি করত।অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তা কি নেশা সৃষ্টি করে?" তারা বললেন: হ্যাঁ। "তখন তিনি তাদেরকে তা থেকে নিষেধ করলেন।"৩৬ - আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন,
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ: «كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ، وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ»37 - وَأَخْبَرَنِي أَبُو مَعْشَرٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ، وَمَا أَسْكَرَ قَلِيلُهُ، فَكَثِيرُهُ حَرَامٌ»38 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: «مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ، فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ» . 39 - حَدَّثَنِي شَمْرُ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ40 - أَخْبَرَنِي الْحَارِثُ بْنُ نَبْهَانَ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، إِلَّا أَنَّهُ قَالَ: «فَالْحُسْوَةُ مِنْهُ حَرَامٌ»41 - أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ نَشِيطٍ الْوَعْلانِيُّ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ سَعْدٍ ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنِ حُجَيْرَةَ، يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ، وَمَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ» .قَالَ إِبْرَاهِيمُ: فَسَأَلْتُ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حُجَيْرَةَ، عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: صَدُوقٌ.قَالَ ذَلِكَ أَبِي لِعَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مَرْوَانَ42 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ:
মালেক ইবনে আনাস নাফে’ থেকে বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর বলতেন: "প্রতিটি মাদকদ্রব্যই মদ এবং প্রতিটি মাদকদ্রব্যই হারাম।"৩৭ - এবং আমাকে আবু মা’শার অবহিত করেছেন মুসা ইবনে উকবা থেকে, তিনি সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "প্রতিটি মাদকদ্রব্যই মদ, আর যার সামান্য পরিমাণ নেশা তৈরি করে, তার অধিক পরিমাণও হারাম।"৩৮ - আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর আমাকে অবহিত করেছেন আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যার অধিক পরিমাণ নেশা উদ্রেক করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম।" ৩৯ - শামর ইবনে নুমাইর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবু তালিব থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।৪০ - হারিস ইবনে নাবহান আমাকে অবহিত করেছেন লাইস ইবনে আবি সুলাইম থেকে, তিনি কাসেম ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি নবীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রী আয়েশা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে তিনি বলেছেন: "তার এক ঢোক পান করাও হারাম।"৪১ - ইব্রাহিম ইবনে নাশিত আল-ওয়ালানি আমাকে অবহিত করেছেন আম্মার ইবনে সাদ থেকে যে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে হুজাইরাকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "প্রতিটি মাদকদ্রব্যই হারাম, আর যার অধিক পরিমাণ নেশা উদ্রেক করে তার সামান্য পরিমাণও হারাম।"ইব্রাহিম বলেন: আমি আব্দুর রহমান ইবনে হুজাইরার পুত্রকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তিনি সত্যবাদী ছিলেন।আমার পিতা এটি আব্দুল আজিজ ইবনে মারওয়ানের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন।৪২ - মালেক ইবনে আনাস আমাকে অবহিত করেছেন ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবু তালহা থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালেক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
" كُنْتُ أَسْقِي أَبَا عُبَيْدَةَ، وَأَبَا طَلْحَةَ، وَأُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ شَرَابًا مِنْ فَضِيخٍ وَتَمْرٍ، فَأَتَى آتٍ، فَقَالَ: إِنَّ الْخَمْرَ قَدْ حُرِّمَتْ، فَقَال أَبُو طَلْحَةَ: يَا أَنَسُ قُمْ إِلَى هَذِهِ الْجِرَارِ فَاكْسِرْهَا، فَقُمْتُ إِلَى مِهْراسٍ لَنَا، فَضَرَبْتُهَا بِأَسْفَلِهِ حَتَّى تَكَسَّرَتْ "43 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ حِبَّانَ بْنَ وَاسِعٍ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ»44 - أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ابْنِ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، أَوْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ شَرِيكٍ الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِّيِّ، عَنْ رُوَيْفِعِ بْنِ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيِّ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: وَأَخْبَرَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ بِنْتِ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، عَنْ أَبِيهَا، قَالَ: وَأَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، قَالَ: وَإِسْحَاقُ بْنُ طَلْحَةَ التَّيْمِيُّ، أَنَّ عِيسَى بْنَ طَلْحَةَ، وَعُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيرِ، وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ كَانُوا يَشْرَبُونَ الطِّلَاءَ.وَأَنَّ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَشْرَبُهُ بِالشَّامِ، فَقَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ: «أَيَشْرَبُ الطِّلاءَ؟» قَالَ لَهُ سَالِمٌ: نَعَمْ قَدْ كَانَ أَبِي يَشْرَبَهُ45 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ نَشِيطٍ الْوَعْلانِيُّ، وَعَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَبَا مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيَّ حَجَّ، فَدَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ رضي الله عنها زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَجَعَلَتْ تَسْأَلَهُ عَنِ الشَّامِ، وَعَنْ بَرْدِهَا، فَجَعَلَ
আমি আবু উবাইদাহ, আবু তালহা এবং উবাই ইবনে কাবকে কাঁচা খেজুর ও পাকা খেজুরের নির্যাস থেকে প্রস্তুতকৃত পানীয় পান করাচ্ছিলাম। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি আসলেন এবং বললেন, নিশ্চয়ই মদ হারাম করা হয়েছে। তখন আবু তালহা বললেন, হে আনাস! এই মটকাগুলোর কাছে যাও এবং সেগুলো ভেঙে ফেল। অতঃপর আমি আমাদের একটি পাথরের হামানদস্তার কাছে গেলাম এবং এর নিম্নভাগ দিয়ে সেগুলোতে আঘাত করলাম যতক্ষণ না সেগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।৪৩ - আমাকে আমর ইবনুল হারিস সংবাদ দিয়েছেন যে, হিব্বান ইবনে ওয়াসি তাকে তার পিতার সূত্রে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম»৪৪ - আমাকে সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলা থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে; অথবা সাঈদ ইবনে আবি আইয়ুব, শুরাহবিল ইবনে শারিক আল-মাআফিরি থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী রুয়াইফি ইবনে সাবিত আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আর আমাকে মুয়াবিয়া ইবনে সালেহ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলির কন্যা থেকে, তিনি তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আর আমাকে সুলাইমান ইবনে বিলাল সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: এবং ইসহাক ইবনে তালহা আত-তাইমি থেকে বর্ণিত যে, ঈসা ইবনে তালহা, উরওয়াহ ইবনুল জুবায়ের এবং সালিম ইবনে আবদুল্লাহ 'তিলা' (আঙ্গুরের ঘন নির্যাস) পান করতেন।এবং সালিম ইবনে আবদুল্লাহ সিরিয়ায় এটি পান করতেন। তখন উমর ইবনে আবদুল আজিজ বললেন: «সে কি তিলা পান করে?» সালিম তাকে বললেন: হ্যাঁ, আমার পিতা এটি পান করতেন।৪৫ - আমাকে ইব্রাহিম ইবনে নাশিত আল-ওয়ালানি এবং আমর ইবনুল হারিস বর্ণনা করেছেন, তারা সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবু মুসলিম আল-খাওলানি হজ পালন করেছিলেন। অতঃপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার নিকট প্রবেশ করলেন। তিনি তাকে সিরিয়া এবং সেখানকার শীত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন, তখন তিনি...
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
يُخْبِرَهَا، فَقَالَتْ: كَيْفَ تَصْبِرُونَ عَلَى بَرْدِهَا؟ فَقَالَ: يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ، إِنَّهُمْ يَشْرَبُونَ شَرَابًا لَهُمْ يُقَالُ لَهُ: الطِّلاءُ، فَقَالَتْ: صَدَقَ اللَّهُ وَبَلَغَ حَتَّى سَمِعْتُ حِبِّي صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّ نَاسًا مِنْ أُمَّتِي يَشْرَبُونَ الْخَمْرَ، يُسَمُّونَهَا بِغَيْرِ اسْمِهَا»46 - أَخْبَرَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ حَاتِمِ بْنِ كُرَيْبٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غُنْمٍ الْأَشْعَرِيِّ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْعَرِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: «لَيَشْرَبَنَّ أُنَاسٌ مِنْ أُمَّتِي الْخَمْرَ يُسَمُّونَهَا بِغَيْرِ اسْمِهَا، وَيُضْرَبُ عَلَى رُءُوسِهِمُ الْمَعَازِفُ، يَخْسِفُ اللَّهُ بِهِمُ الْأَرْضَ، وَيَجْعَلُ مِنْهُمْ قِرَدَةً وَخَنَازِيرَ»47 - أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيرِ، عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّهَا كَانَتْ تَنْهِي النِّسَاءَ أَنْ يَمْتَشِطْنَ بِالْخَمْرِ»48 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَغَيْرُهُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ السَّبَئِيِّ مِنْ أَهْلِ مِصْرَ، أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ عَمَّا يُعْصَرُ مِنَ الْعِنَبِ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: إِنَّ رَجُلًا أَهْدَى إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَوايَةٌ مِنْ خَمْرٍ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «هَلْ عَلِمْتَ أَنَّ اللَّهَ عز وجل قَدْ حَرَّمَهَا؟» قَالَ: لَا، فَسَارَّ إِنْسَانًا، فَقَال لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «بِمَ سَارَرْتَهُ؟» فَقَالَ: أَمَرْتُهُ أَنْ يَبِيعَهَا، فَقَالَ: «إِنَّ الَّذِي حَرَّمَ شُرْبَهَا، حَرَّمَ بَيْعَهَا» .قَالَ: فَفَتَحَ الْمِزَادَتَيْنِ حَتَّى ذَهَبَ مَا فِيهِمَا ".
তাকে সংবাদ দিচ্ছিলেন, তখন তিনি (আয়েশা) বললেন: তোমরা এর ঠাণ্ডা কীভাবে সহ্য করো? তিনি বললেন: হে উম্মুল মুমিনীন, তারা একটি পানীয় পান করে যাকে 'তিলা' বলা হয়। তখন তিনি বললেন: আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং পৌঁছে দিয়েছেন, আমি আমার প্রিয়তম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই আমার উম্মতের কিছু লোক মদ পান করবে, তারা তার ভিন্ন নাম দেবে।"৪৬ - মুয়াবিয়া ইবনে সালেহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাতিম ইবনে কুরাইব থেকে, তিনি মালিক ইবনে আবি মারইয়াম আবদুর রহমান ইবনে গুনম আল-আশআরি থেকে, তিনি আবু মালিক আল-আশআরি থেকে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "অবশ্যই আমার উম্মতের কিছু মানুষ মদ পান করবে এবং তারা এর ভিন্ন নাম দেবে। তাদের মাথার ওপর বাদ্যযন্ত্র বাজানো হবে। আল্লাহ তাদের ভূমিধস ঘটাবেন এবং তাদের মধ্য থেকে কতককে বানর ও শূকরে রূপান্তরিত করবেন।"৪৭ - ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনে যুবাইর থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, "তিনি নারীদের মদ দিয়ে চুল আঁচড়াতে নিষেধ করতেন।"৪৮ - মালিক ইবনে আনাস ও অন্যান্যরা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন জায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি মিশরের অধিবাসী আবদুর রহমান ইবনে ওয়ালা আস-সাবায়ি থেকে যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসকে আঙুর থেকে নিংড়ানো রস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। ইবনে আব্বাস বললেন: এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক মশক মদ উপহার দিয়েছিল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: "তুমি কি জানো যে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এটি হারাম করেছেন?" সে বলল: না। এরপর সে এক ব্যক্তির সাথে চুপিচুপি কথা বলল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: "তুমি তার সাথে কী কানে কানে বললে?" সে বলল: আমি তাকে এটি বিক্রি করার আদেশ দিয়েছি। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই যিনি এটি পান করা হারাম করেছেন, তিনি এর বিক্রয়ও হারাম করেছেন।"বর্ণনাকারী বলেন: তখন সে মশক দুটির মুখ খুলে দিল, ফলে তার ভেতরে যা ছিল তা সব বেরিয়ে গেল।
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
49 - أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ50 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، أَنَّ نَافِعَ بْنَ كَيْسَانَ أَخْبَرَنِي: أَنْ أَبَاهُ كَيْسَانَ أَخْبَرَهُ، أَنَّهُ كَانَ يَتَّجِرُ بِالْخَمْرِ فِي زَمَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْبَلَ مِنَ الشَّامِ وَمَعَهُ خَمْرٌ فِي زِقَاقٍ يُرِيدُ بِهِ التِّجَارَةَ، فَأَتَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ جِئْتُ بِشَرَابٍ جَيِّدٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا كَيْسَانُ إِنَّهَا قَدْ حُرِّمَتْ بَعْدَكَ» .قَالَ كَيْسَانُ: أَفَأَذْهَبُ فَأَبِيعُهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّهَا قَدْ حُرِّمَتْ، وحُرِّمَ ثَمَنُهَا» .فَانْطَلَقَ كَيْسَانُ إِلَى الزِّقَاقِ فَأَخَذَ بِأَرْجُلِهَا ثُمَّ أَهْرَقَهَا جَمِيعًا51 - أَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ عَامِرَ بْنَ يَحْيَى الْمَعَافِرِيَّ حَدَّثَهُ، أَنَّ رَجُلَيْنِ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ أَقْبَلا يُرِيدَانِ الْإِسْلَامَ فَلَمَّا قَدِمَا الْمَدِينَةَ أَتِيَا كَيْسَانَ بَاِئعَ الْخَمْرِ، فَقَالَ: بِعْنَا خَمْرًا، فَإِنَّا نُرِيدُ أَنْ نَشْرَبَ مِنْهَا قَبْلَ أَنْ نُسْلِمَ، فَقَالَ: قَدْ حُرِّمَتِ الْخَمْرُ، وَلَيْسَ عِنْدِي الْآنَ إِلَّا زِقَاقٌ، وَلَا أَدْرِي هَلْ يَحِلُّ بَيْعُهَا، انْظُرْ حَتَّى أَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: انْطَلِقْ، وَلَا تُسَمَّنَا لَهُ.فَذَهَبَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ، فَقَالَ: «مَنْ هُمَا» ؟ فَلَمْ يَسْتَطِعْ إِلَّا أَنْ يُسَمِّيَهُمَا لَهُ، فَقَالَ: " اذْهَبْ فَقُلْ لَهُمَا.الْحَقُّ مِنْ رَبِّكُمْ فَمَنْ شَاءَ فَلْيُؤْمِنْ وَمَنْ شَاءَ فَلْيَكْفُرْ إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلظَّالِمِينَ
৪৯ - সুলায়মান ইবনে বিলাল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে ওয়াল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।৫০ - ইবনে লাহীআহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সুলায়মান ইবনে আবদুর রহমান থেকে যে, নাফি ইবনে কায়সান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন: তার পিতা কায়সান তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে মদের ব্যবসা করতেন। তিনি সিরিয়া থেকে আসলেন এবং তার সাথে চামড়ার মশক ভর্তি মদ ছিল যা তিনি ব্যবসার উদ্দেশ্যে এনেছিলেন। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি উৎকৃষ্ট পানীয় নিয়ে এসেছি। আল্লাহর রাসূল salallahu আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে কায়সান! তোমার (যাওয়ার) পর তা হারাম করা হয়েছে»।কায়সান বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি গিয়ে এগুলো বিক্রি করে দেব? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «নিশ্চয়ই তা হারাম করা হয়েছে এবং এর মূল্যও হারাম করা হয়েছে»।অতঃপর কায়সান মশকগুলোর দিকে গেলেন এবং সেগুলোর তলা ধরে সবটুকু ঢেলে দিলেন।৫১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনুল হারিস যে, আমির ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাআফিরি তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, মক্কাবাসীদের মধ্য থেকে দুইজন লোক ইসলাম গ্রহণের উদ্দেশ্যে আসলেন। তারা যখন মদিনায় পৌঁছালেন, তখন তারা মদ বিক্রেতা কায়সানের কাছে আসলেন এবং বললেন: আমাদের কাছে মদ বিক্রি করো, কারণ আমরা ইসলাম গ্রহণের আগে তা পান করতে চাই। তিনি বললেন: মদ হারাম করা হয়েছে, আর বর্তমানে আমার কাছে মশক ভর্তি মদ আছে ঠিকই কিন্তু আমি জানি না তা বিক্রি করা হালাল হবে কি না। তোমরা অপেক্ষা করো যতক্ষণ না আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করি। তারা বলল: আপনি যান, তবে তাঁর কাছে আমাদের নাম বলবেন না।অতঃপর তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গেলেন এবং তাঁকে জানালেন। তিনি বললেন: «তারা কারা?» তখন তিনি তাদের নাম বলা ছাড়া আর কোনো উপায় পেলেন না। তখন তিনি বললেন: "যাও এবং তাদের বলো।সত্য তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে; সুতরাং যার ইচ্ছা সে ঈমান আনুক এবং যার ইচ্ছা সে কুফরি করুক। নিশ্চয়ই আমি জালেমদের জন্য (আগুন) প্রস্তুত করে রেখেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
نَارًا أَحَاطَ بِهِمْ سُرَادِقُهَا وَإِنْ يَسْتَغِيثُوا يُغَاثُوا بِمَاءٍ كَالْمُهْلِ يَشْوِي الْوُجُوهَ بِئْسَ الشَّرَابُ وَسَاءَتْ مُرْتَفَقًا [الكهف: 29] اذْهَبْ إِلَيْهِمَا فَقُلْ لَهُمَا إِنَّ الَّذِي حَرَّمَ شُرْبَهَا حَرَّمَ ثَمَنَهَا "52 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ الْخَيْرِ الزِّيَادِيُّ ، أَنَّ مَالِكَ بْنَ سَعْدٍ التُّجِيبِيَّ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ: " إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَتَاهُ جِبْرِيلُ، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، إِنَّ اللَّهَ لَعَنَ الْخَمْرَ وَعَاصِرَهَا وَمُعْتَصِرَهَا وَحَامِلَهَا وَالْمَحْمُولَةَ إِلَيْهِ وَشَارِبَهَا وَبَائِعَهَا وَمُبْتَاعَهَا وَمُسْقِيَهَا "53 - أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنَّ أَبَا رَافِعٍ حَدَّثَهُ ، عَنْ زُوَيْدٍ مَوْلَى سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لُعِنَ فِي الْخَمْرِ عَشَرَةٌ، الْعَاصِرُ وَالْمَعْصُورَةُ لَهُ وَالْبَائِعُ وَالْمُشْتَرِي وَالْحَامِلُ وَالْمَحْمُولَةُ وَالسَّاقِي وَالشَّارِبُ وَالْمُكَارِمُ بِهَا، وَالْمَائِدَةُ تُدَارُ عَلَيْهَا»54 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شُرَيْحٍ، وَابْنُ لَهِيعَةَ، والليث بن سعد، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ يَزِيدَ الْخَوْلَانِيِّ أَخْبَرَهُ، أَنَّهُ كَانَ لَهُ عَمٌّ يَبِيعُ الْخَمْرَ، وَكَانَ يَتَصَدَّقُ، فَنَهَيْتُهُ عَنْهَا، فَلَمْ يَنْتَهِ، فَقَدِمْتُ الْمَدِينَةِ، فَلَقِيتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، فَسَأَلْتُهُ عَنِ الْخَمْرِ وَثَمَنِهَا، فَقَالَ: هِيَ حَرَامٌ وَثَمَنُهَا حَرَامٌ، ثُمَّ قَالَ: يَا مَعْشَرَ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ، إِنَّهُ لَوْ كَانَ كِتَابٌ بَعْدَ كِتَابِكُمْ، وَنَبِيٌّ بَعْدَ نَبِيِّكُمْ، لأُنْزِلَ فِيكُمْ كَمَا أُنْزِلَ فِيمَنْ قَبْلَكُمْ، وَلَأُخِّرَ ذَلِكَ مِنْ أَمْرِكُمْ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، وَلَعَمْرِي لَهُوَ أَشَدُّ عَلَيْكُمْ.قَالَ ثَابِتٌ: ثُمَّ
এমন এক আগুন যার বেষ্টনী তাদেরকে পরিবেষ্টন করে আছে। আর যদি তারা পানীয়ের জন্য আর্তনাদ করে তবে তাদেরকে গলিত ধাতুর ন্যায় পানি দেওয়া হবে যা তাদের মুখমণ্ডল দগ্ধ করবে। কতই না নিকৃষ্ট পানীয় এবং কতই না মন্দ আশ্রয়স্থল! [আল-কাহাফ: ২৯] তুমি তাদের উভয়ের নিকট যাও এবং তাদের বলো যে, নিশ্চয়ই যিনি তা পান করা হারাম করেছেন, তিনি তার মূল্যকেও হারাম করেছেন।৫২ - মালিক ইবনুল খাইর আজ-জিয়াদি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, মালিক ইবনে সাদ আত-তুজিবি তাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছেন: "নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জিবরাঈল আসলেন এবং বললেন: হে মুহাম্মদ, নিশ্চয়ই আল্লাহ অভিশাপ দিয়েছেন মদের ওপর, যে তা নিংড়ায়, যার জন্য নিংড়ানো হয়, যে তা বহন করে, যার নিকট তা বহন করা হয়, যে তা পান করে, যে তা বিক্রি করে, যে তা ক্রয় করে এবং যে তা পান করায়।"৫৩ - উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যাইদ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু রাফি তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যুইদ থেকে, যিনি সাঈদ ইবনে আব্দুল্লাহর মুক্তদাস ছিলেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মদের ব্যাপারে দশ ব্যক্তিকে অভিশপ্ত করা হয়েছে: যে তা নিংড়ায়, যার জন্য নিংড়ানো হয়, বিক্রেতা, ক্রেতা, বহনকারী, যার নিকট বহন করা হয়, পরিবেশনকারী, পানকারী, যে এর দ্বারা উপঢৌকন বিনিময় করে এবং সেই দস্তরখান যেখানে মদ পরিবেশন করা হয়।"৫৪ - আব্দুর রহমান ইবনে শুরাইহ, ইবনে লাহীআহ এবং লাইস ইবনে সাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন খালিদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাবিত ইবনে ইয়াজিদ আল-খাওলানি থেকে, যিনি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে: তার এক চাচা ছিলেন যিনি মদ বিক্রি করতেন এবং দান-সদকা করতেন। আমি তাকে এ থেকে নিষেধ করলাম কিন্তু তিনি বিরত হলেন না। এরপর আমি মদিনায় আসলাম এবং ইবনে আব্বাসের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে মদ এবং তার মূল্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: তা হারাম এবং তার মূল্যও হারাম। অতঃপর তিনি বললেন: হে মুহাম্মদী উম্মতের দল! তোমাদের কিতাবের পর যদি কোনো কিতাব থাকত এবং তোমাদের নবীর পর যদি কোনো নবী আসতেন, তবে তোমাদের ব্যাপারেও তাই অবতীর্ণ হতো যা তোমাদের পূর্ববর্তীদের ক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েছিল। আর তোমাদের এই বিষয়টিকে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত বিলম্বিত করা হয়েছে। আর আমার জীবনের কসম! এটি তোমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন।সাবিত বলেন: এরপর...
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
لَقِيتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، فَسَأَلْتُهُ عَنْ ثَمَنِ الْخَمْرِ، فَقَالَ: سَأُخْبِرُكَ عَنِ الْخَمْرِ، إِنِّي كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ، فَبَيْنَا هُوَ مُحْتَبٍ، حَلَّ حَبْوَتَهُ، ثُمَّ قَالَ: «مَنْ كَانَ عِنْدَهُ مِنْ هَذِهِ الْخَمْرِ شَيْءٌ فَلْيَأْتِنِي بِهَا» فَجَعَلَ يَأْتُونَهُ بِهَا، فَيَقُولُ أَحَدُهُمْ: عِنْدِي رِوَايَةٌ ، وَيَقُولُ الْآخِرُ: عِنْدِي زِقٌّ، أَوْ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَكُونَ عِنْدَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اجْمَعُوا بِبَقِيعِ كَذَا وَكَذَا، ثُمَّ آذِنُونِي» .فَفَعَلُوا: ثُمَّ آذَنُوهُ.فَقَامَ وَقُمْتُ مَعَهُ، فَمَشَيْتُ عَنْ يَمِينِهِ، وَهُوَ مُتَّكِئٌ عَلَيَّ، فَلَحِقَنَا أَبُو بَكْرٍ، فَأَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَعَلَنِي عَنْ شِمَالٍ، وَجَعَلَ أَبَا بَكْرٍ مَكَانِي، ثُمَّ لَحِقَنَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَأَخَذَنِي وَجَعَلَهُ عَنْ يَسَارِهِ، فَمَشَى بَيْنَهُمَا، حَتَّى إِذَا وَقَفَ عَلَى الْخَمْرِ، فَقَالَ لِلنَّاسِ: «أَتَعْرِفُونَ هَذِهِ؟» قَالُوا: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذِهِ الْخَمْرُ.فَقَالَ: " صَدَقْتُمْ، قَالَ: فَإِنَّ اللَّهَ لَعَنَ الْخَمْرَ وَعَاصِرَهَا وَمُعْتَصِرَهَا وَشَارِبَهَا وَسَاقِيَهَا وَحَامِلَهَا وَالْمَحْمُولَةَ إِلَيْهِ وَبَائِعَهَا وَمُشْتَرِيَهَا وَآكِلَ ثَمَنِهَا ".ثُمَّ دَعَا بِسِكِّينٍ، فَقَالَ: «اشْحَذُوا» .فَفَعَلُوا: ثُمَّ أَخَذَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُخَرِّقُ بِهَا الزِّقَاقَ، فَقَالَ النَّاسُ: إِنَّ فِي هَذِهِ الزِّقَاقِ مَنْفَعَةً.قَالَ: «أَجَلْ، وَلَكِنِّي إِنَّمَا أَفْعَلُ ذَلِكَ غَضَبًا لِلَّهِ لِمَا فِيهَا مِنْ سَخَطِهِ» .قَالَ عُمَرُ: أَنَا أَكْفِيكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «لَا» .وَبَعْضُهُمْ يَزِيدُ عَلَى بَعْضٍ فِي قِصَّةِ الْحَدِيثِ. 55 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، أَنَّ أَبَا طِعْمَةَ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، يُحَدِّثُ بِهَذَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
আমি আবদুল্লাহ ইবনে উমরের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাকে মদের মূল্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: আমি তোমাকে মদ সম্পর্কে সংবাদ দেব। আমি মসজিদে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম। তখন তিনি দুই হাঁটু খাড়া করে হাত দিয়ে পেঁচিয়ে বসেছিলেন (ইহতিবা), এরপর তিনি তাঁর বসার ভঙ্গি পরিবর্তন করলেন এবং বললেন: “যার কাছে এই মদের কোনো কিছু আছে সে যেন তা নিয়ে আমার কাছে আসে।” তখন তারা তা নিয়ে তাঁর কাছে আসতে শুরু করল। তাদের কেউ বলত: আমার কাছে বড় মটকা আছে, আবার কেউ বলত: আমার কাছে চামড়ার পাত্র আছে, অথবা যা কিছু আল্লাহ তাদের কাছে থাকার ইচ্ছা করেছিলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “তোমরা অমুক অমুক বাকী (নামক স্থানে) এগুলো জমা করো, এরপর আমাকে সংবাদ দাও।”তারা তা করল এবং এরপর তাঁকে সংবাদ দিল।অতঃপর তিনি দাঁড়ালেন এবং আমিও তাঁর সাথে দাঁড়ালাম। আমি তাঁর ডান পাশে হাঁটছিলাম আর তিনি আমার ওপর ভর দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় আবু বকর আমাদের সাথে এসে মিললেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ধরলেন এবং বাম পাশে সরিয়ে দিয়ে আবু বকরকে আমার জায়গায় রাখলেন। এরপর উমর ইবনুল খাত্তাব আমাদের সাথে এসে মিললেন। তিনি আমাকে নিলেন এবং তাঁকে (উমরকে) তাঁর বাম পাশে রাখলেন। ফলে তিনি তাঁদের দুজনের মাঝখান দিয়ে হাঁটলেন। অবশেষে যখন তিনি মদের স্তূপের কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন, তখন লোকদের বললেন: “তোমরা কি এটা চেনো?” তারা বলল: হ্যাঁ হে আল্লাহর রাসূল, এটি মদ।তিনি বললেন: “তোমরা সত্য বলেছ।” তিনি আরও বললেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ অভিশাপ দিয়েছেন মদকে, এর প্রস্তুতকারককে, যার জন্য প্রস্তুত করা হয় তাকে, এর পানকারীকে, এর পরিবেশনকারীকে, এর বহনকারীকে, যার নিকট তা বহন করে নেওয়া হয় তাকে, এর বিক্রেতাকে, এর ক্রেতাকে এবং এর মূল্য ভোগকারীকে।”এরপর তিনি একটি ছুরি চাইলেন এবং বললেন: “এটি ধার দাও।”তারা তা করল। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি নিলেন এবং তা দিয়ে মদের চামড়ার পাত্রগুলো ছিঁড়তে শুরু করলেন। তখন লোকেরা বলল: এই পাত্রগুলোতে তো উপকার (অন্য কাজে ব্যবহারের সুযোগ) ছিল।তিনি বললেন: “হ্যাঁ, কিন্তু আল্লাহর পক্ষ থেকে এতে অসন্তুষ্টি থাকায় আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ক্রোধবশত এরূপ করছি।”উমর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি আপনার পক্ষ থেকে এটি সম্পন্ন করার জন্য যথেষ্ট। তিনি বললেন: “না।”এবং হাদীসের বর্ণনায় তাদের একজন অন্যজনের চেয়ে কিছু বিষয়ে কমবেশি বর্ণনা করেছেন। ৫৫ - ইবনে লাহিয়া আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু তিমা তাঁকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাবকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে এই হাদীসটি বর্ণনা করতে শুনেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤١)
56 - أَخْبَرَنِي عُقْبَةُ بْنُ صَهْبَانَ، وَغَيْرُهُ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلًا مِنَ الْأَنْصَارِ قَدِمَ بِخَمْرٍ، فَأَنْزَلَهَا بِالْمَدِينَةِ، فَذُكِرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَجَاءَهُ، فَقَالُوا لَهُ: مَا أَقْدَمَكَ بِهَذِهِ عَلَيْنَا، فَقَالََ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ لَنَا جِيرَانًا مِنْ يَهُودٍ، فَدَعْنَا نُكَارِمُهُمْ بِهَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ شُرْبَهَا وَبَيْعَهَا وَابْتِيَاعَهَا وَالْمُكَارَمَةَ بِهَا» ، فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالمُدْيَةِ، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: مَا دَرَيْتُ مَا الْمُدْيَةُ قَبْلَ ذَلِكَ الْيَوْمِ، فَأُتِيَ بِالشَّفْرَةِ فَشَقَّهَا حَتَّى أَهْرَاقَ مَا فِيهِ.وَأَحَدُهُمَا يَزِيدُ عَلَى صَاحِبِهِ الْكَلِمَةَ نَحْوَهَا57 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «لَمَّا كَانَ فَتْحُ مَكَّةَ أَهْرَاقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْخَمْرَ وَكَسَر جِرَارَهَا، وَنَهَى عَنْ بَيْعِهَا، وَعَنْ بَيْعِ الْأَصْنَامِ»58 - أَخْبَرَنِي شَبِيبُ بْنُ سَعِيدٍ التَّمِيمِيُّ، أَنَّ أَبَانَ بْنَ أَبِي عَيَّاشٍ، حَدَّثَهُمْ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو بْنِ الْعَاصِ كَانَ عِنْدَهُمْ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ لَعَنَ الْخَمْرَ وَعَاصِرَهَا وَمُعْتَصِرَهَا وَشَارِبَهَا وَسَاقِيَهَا وَحَامِلَهَا وَالْمَحْمُولَةَ إِلَيْهِ وَبَائِعَهَا وَمُشْتَرِيهَا وَآكِلَ ثَمَنِهَا»59 - أَخْبَرَنِي ابْنُ سَمْعَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: ثَمَنُ كُلِّ خَمْرٍ حَرَامٌ.وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «قَاتَلَ اللَّهُ يَهُودًا، حُرِّمَتْ عَلَيْهِمْ
৫৬ - উকবাহ ইবনে সাহবান এবং মদীনার অন্যান্য অধিবাসী আবু আন-নাজর থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, জনৈক আনসারী ব্যক্তি মদ নিয়ে আসলেন এবং তা মদীনায় নামালেন। বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উল্লেখ করা হলো। অতঃপর তিনি তার কাছে আসলেন। তারা তাকে বললো: আপনি এগুলো নিয়ে আমাদের কাছে কেন এসেছেন? তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের কিছু ইহুদি প্রতিবেশী আছে, আমাদের অনুমতি দিন যেন আমরা এগুলো তাদেরকে উপহার হিসেবে দিয়ে তাদের সৌজন্য প্রদর্শন করি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ এর পান করা, বিক্রি করা, ক্রয় করা এবং উপহার দেওয়া হারাম করেছেন।» অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি 'মুদইয়াহ' (বড় ছুরি) আনানোর নির্দেশ দিলেন। আবু হুরায়রা বললেন: আমি সেই দিনের আগে জানতাম না 'মুদইয়াহ' কী। অতঃপর একটি ধারালো ছুরি আনা হলো এবং তিনি তা দিয়ে (মদের পাত্র) চিরে ফেললেন, এমনকি তার ভেতরের সবকিছু ঢেলে দিলেন।এবং তাদের একজন অন্যজনের বর্ণনার চেয়ে অনুরূপ কিছু শব্দ বেশি উল্লেখ করেছেন।৫৭ - ইবনে লাহিয়াহ জাফর ইবনে রাবিয়াহ থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: «মক্কা বিজয়ের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ ঢেলে ফেলেছিলেন এবং মদের মটকাগুলো ভেঙে ফেলেছিলেন, আর তিনি মদ বিক্রি করা এবং মূর্তি বিক্রি করা নিষিদ্ধ করেছিলেন।»৫৮ - শাবিব ইবনে সাঈদ আত-তামিমি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবান ইবনে আবি আইয়াশ তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শহর ইবনে হাওশাব থেকে যে, আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস তাদের নিকট উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আল্লাহ অভিশাপ দিয়েছেন মদের ওপর, যে তা নিংড়ায় (তৈরি করে), যার জন্য নিংড়ানো হয়, যে তা পান করে, যে তা পরিবেশন করে, যে তা বহন করে, যার নিকট তা বহন করে নেওয়া হয়, যে তা বিক্রি করে, যে তা ক্রয় করে এবং যে এর মূল্য ভোগ করে।»৫৯ - ইবনে সামআন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: সকল প্রকার মদের মূল্য হারাম।এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ ইহুদিদের ধ্বংস করুন, তাদের ওপর হারাম করা হয়েছিল...»
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
الشُّحُومَ» .فَبَاعُوهُ وَأَكَلُوا ثَمَنَهُ60 - أَخْبَرَنِي الْحَارِثُ بْنُ نَبْهَانَ، أَنَّ أَبَانَ بْنَ أَبِي عَيَّاشٍ أَخْبَرَهُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ مُنَادِيَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُنَادِي بِتَحْرِيمِ الْخَمْرِ، وَأَبُو طَلْحَةَ فِي نَفَرٍ يَشْرَبُونَ وَأَنَا أَسْقِيهِمْ، وَهُمْ يَشْرَبُونَ فَضِيخًا، وَهِيَ خَمْرُ أَهْلِ الْمَدِينَةِ يَوْمَئِذٍ، قَالَ: فَفَتَحْنَا عَزْلَا الرَّاوِيَةَ، ثُمَّ انْطَلَقْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «أَلَا إِنَّ الْخَمْرَ قَدْ حُرِّمَتْ، فَلَا تَشْرَبُوهَا، وَلَا تَبِيعُوهَا، وَلَا تَبْتَاعُوا بِهَا، فَمَنْ كَانَ عِنْدَهُ مِنْهَا شَيْءٌ فَلْيَهْرِيقَهُ» .فَقَامَ إِلَيْهِ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي جَعَلْتُ فِيهَا مَالُ يَتِيمٍ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «قَاتَلَ اللَّهُ يَهُودًا، حُرِّمَتْ عَلَيْهِمْ الثُّرُوبُ، فَلَفُّوهَا ثُمَّ بَاعُوهَا فَأَكَلُوا بِثَمَنِهَا»61 - أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَيُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، وَابْنُ سَمْعَانَ، وأسامة بن زيد الليثي، أَنَّ نَافِعًا أَخْبَرَهُمْ، قَالَ: أَخَذَ فِي بَيْتِ رَجُلٍ مِنْ ثَقِيفٍ شَرَابٌ، فَأَمَرَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ بِبَيْتِهِ فَأُحْرِقَ، وَكَانَ الرَّجُلُ يُدْعَى رُوَيْشِدٌ، فَقَالَ عُمَرُ: «أَنْتَ فُوَيْسِقٌ» . 62 - أَخْبَرَنِي ابْنُ سَمْعَانَ، وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ اللَّيْثِيُّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتَ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ. 63 - قال: وَأَخْبَرَنِيهِ ابْنُ سَمْعَانَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ64 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ،
চর্বিগুলো।অতপর তারা তা বিক্রয় করল এবং তার মূল্য ভক্ষণ করল।৬০ - হারিস বিন নাবহান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবান বিন আবি আইয়াশ তাকে সংবাদ দিয়েছেন আনাস বিন মালিক থেকে। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক আহ্বানকারীকে ঘোষণা করতে শুনেছেন যে, মদ হারাম করা হয়েছে। সে সময় আবু তালহা একদল লোকের সাথে পান করছিলেন এবং আমি তাদের পরিবেশন করছিলাম। তারা ‘ফাযীখ’ (এক প্রকার খেজুরের মদ) পান করছিলেন, যা ছিল সেই সময়ে মদিনাবাসীদের মদ। আনাস বলেন: অতপর আমরা মদের মটকাগুলো খুলে ফেললাম। এরপর আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গেলাম। তিনি বললেন: "জেনে রেখো, মদ হারাম করা হয়েছে। সুতরাং তোমরা তা পান করো না, তা বিক্রয় করো না এবং তা দিয়ে কিছু ক্রয় করো না। যার কাছে এর কোনো কিছু অবশিষ্ট আছে, সে যেন তা ঢেলে ফেলে দেয়।"তখন এক ব্যক্তি তাঁর কাছে দাঁড়িয়ে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমি এতে একজন এতিমের সম্পদ বিনিয়োগ করেছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "আল্লাহ ইহুদিদের ধ্বংস করুন; তাদের জন্য চর্বি হারাম করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তা একত্রিত করল এবং বিক্রয় করল, অতপর তার মূল্য ভক্ষণ করল।"৬১ - উমর বিন মুহাম্মাদ, আবদুল্লাহ বিন উমর, ইউনুস বিন ইয়াযীদ, ইবনে সামআন এবং উসামা বিন যায়িদ আল-লায়সী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নাফি’ তাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তির ঘরে মদ পাওয়া যায়। তখন উমর বিন খাত্তাব তার ঘরটি পুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। লোকটির নাম ছিল রুওয়ায়েশিদ। উমর বললেন: "তুমি তো একজন পাপাচারী।" ৬২ - ইবনে সামআন এবং উসামা বিন যায়িদ আল-লায়সী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন নাফি’ থেকে, তিনি সাফিয়্যাহ বিনতে আবি উবাইদ থেকে, তিনি উমর বিন খাত্তাব থেকে। ৬৩ - তিনি বলেন: ইবনে সামআন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম বিন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে।৬৪ - আমর বিন হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
أَنَّ عُمَرَ بْنَ السَّائِبِ حَدَّثَهُ، أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ أَبِي الْقَاسِمِ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ قَاصِّ الْأَجْنَادِ بِالْقُسْطَنْطِينَيَّةِ يُحَدِّثُ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنَّهُ قَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمَ الْآخِرِ فَلَا يَقْعُدُ عَلَى مَائِدَةٍ تُدَارُ عَلَيْهَا الْخَمْرُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَدْخُلُ الْحَمَّامَ إِلَّا بِإِزَارٍ، وَمَنْ كَانَتْ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا تَدْخُلُ الْحَمَّامَ»65 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَابْنُ سَمْعَانَ، أَنَّ نَافِعًا أَخْبَرَهُمْ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: «مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا وَلَمْ يَتُبْ مِنْهَا، حُرِمَهَا فِي الْآخَرَةِ، لَمْ يُسْقَهَا»66 - أَخْبَرَنِي حُمَيْدُ بْنُ زِيَادٍ أَبُو صَخْرٍ، أَنَّ رَجُلًا حَدَّثَهُ، عَنْ عِمَارَةَ بْنِ حَزْمٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو بْنِ الْعَاصِ، وَهُوَ فِي الْحِجْرِ بِمَكَّةَ وَسُئِلَ عَنِ الْخَمْرِ، فَقَالَ: وَاللَّهِ إِنَّ عَظِيمًا عِنْدَ اللَّهِ الشَّيْخُ مِثْلِي وَأَخَذَ بِلِحْيَتِهِ يَكْذِبُ فِي هَذَا الْمَقَامِ عَلَى نَبِيِّ اللَّهِ، جَاءَنِي رَجُلٌ وَأَنَا فِي هَذَا الْمَقَامِ، فَسَأَلَنِي عَنِ الْخَمْرِ، فَقُلْتُ: مَا سَمِعْتُ فِيهَا شَيْئًا، وَلَا خَبَّرَهَا ذَاكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، اذْهَبْ وَسَلْهُ وَارْجِعْ إِليَّ فَأَخْبَرَنِي مَا قَالَ لَكَ،
উমর বিন আস-সাইব তাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, কাসেম বিন আবিল কাসেম তাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি কনস্টান্টিনোপলে সেনাবাহিনীর জনৈক কাহিনীকারকে উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তিনি বলেছিলেন: হে লোকসকল! আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন এমন দস্তরখানে না বসে যেখানে মদ পরিবেশন করা হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন লুঙ্গি ব্যতীত গোসলখানায় প্রবেশ না করে। আর যে নারী আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন গোসলখানায় প্রবেশ না করে।»৬৫ - মালেক বিন আনাস এবং ইবনে সামআন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নাফে' তাদেরকে আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করল এবং তা থেকে তওবা করল না, পরকালে সে তা থেকে বঞ্চিত হবে, তাকে তা পান করানো হবে না।»৬৬ - হুমাইদ বিন যিয়াদ আবু সাখর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, জনৈক ব্যক্তি তাকে আমারা বিন হাযম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মক্কার হিজরে থাকা অবস্থায় আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আসকে বলতে শুনেছেন, যখন তাকে মদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহর নিকট এটি একটি গুরুতর বিষয় হবে যদি আমার মতো কোনো বৃদ্ধ—এই বলে তিনি নিজের দাড়ি ধরলেন—এই স্থানে দাঁড়িয়ে আল্লাহর নবীর নামে মিথ্যা বলে। এক ব্যক্তি আমার কাছে এল যখন আমি এই স্থানে ছিলাম, সে আমাকে মদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। আমি বললাম: আমি এ সম্পর্কে কিছু শুনিনি এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এ ব্যাপারে কিছু জানাননি; তুমি যাও এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করো, এরপর আমার কাছে ফিরে এসে আমাকে জানিও তিনি তোমাকে কী বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
قَالَ: فَنَظَرْتُ إِلَيْهِ حَتَّى قَعَدَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ رَجِعَ إِلَيَّ، فَقَالَ لِي: سَأَلْتَهُ عَنِ الْخَمْرِ، فَقَالَ: «هِيَ أَكْبَرُ الْكَبَائِرِ، وَأُمُّ الْفَوَاحِشِ مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ تَرَكَ الصَّلَاةَ، وَوقَعَ عَلَى أُمِّهِ وَخَالَتِهِ وَعَمَّتِهِ»67 - أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «ثَلَاثَةٌ لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، الْعَاقُّ لِوَالِدَيْهِ، وَمُدْمِنُ الْخَمْرِ، وَالْمَنَّانُ بِمَا أَعْطَى»68 - أَخْبَرَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ عَاصِمُ بْنُ حَكِيمٍ، أَنَّ يَحْيَى بْنَ عَمْرٍو الشَّيْبَانِيَّ حَدَّثَهُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ الدَّيْلَمِيِّ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ نَجْرَانَ أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنِ الْخَمْرِ؟ فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " مَنْ شَرِبَ الْخَمْرِ فَسَكِرَ، سَخَطَ اللَّهُ تَعَالَى عَلَيْهِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا، ثُمَّ انْتَظَرَ بِهِ التَّوْبَةَ، فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ، حَتَّى قَالَ: وَإِنْ سَكِرَ الرَّابِعَةَ لَمْ يَرْضَ اللَّهُ عَنْهُ حَتَّى يَلْقَاهُ، وَهُوَ فِي رِدْغَةِ الْخَبَالِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ؛ صَدِيدُ أَهْلِ النَّارِ "69 - أَخْبَرَنِي شَبِيبُ بْنُ سَعِيدٍ التَّمِيمِيُّ، عَنْ أَبَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ شَرِبَ جُرْعَةَ خَمْرٍ لَمْ يَقْبَلْ اللَّهُ لَهُ صَلَاةَ جُمُعَتَيْنِ، فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ، فَإِنْ مَاتَ وَهُوَ يَشْرَبُهَا، مَاتَ كَافِرًا»ثُمَّ قَالَ: أَزِيدُكُمْ؟ قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: " لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ خَمْسَةً، لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةُ مُشْرِكٌ، وَلَا كَاهِنٌ، وَلَا مَنَّانٌ، وَلَا
তিনি বললেন: আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকলাম যতক্ষণ না তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বসলেন। তারপর তিনি আমার কাছে ফিরে আসলেন এবং আমাকে বললেন: আমি তাঁকে মদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: "এটি কবিরা গুনাহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং সকল অশ্লীলতার মূল। যে ব্যক্তি মদ পান করে সে সালাত বর্জন করে এবং সে তার মা, খালা ও ফুফুর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়।"৬৭ - উমর ইবনে মুহাম্মদ আমাকে অবহিত করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি সালিম ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "কিয়ামতের দিন আল্লাহ তিন ব্যক্তির দিকে তাকাবেন না: পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, মদে আসক্ত ব্যক্তি এবং দান করার পর খোটা দানকারী।"৬৮ - আবু মুহাম্মদ আসিম ইবনে হাকিম আমাকে অবহিত করেছেন যে, ইয়াহইয়া ইবনে আমর আশ-শাইবানি তাঁকে হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ আদ-দাইলামি থেকে, নাজরানের জনৈক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসকে মদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি মদ পান করে মাতাল হবে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর চল্লিশ দিন রাগান্বিত থাকবেন। এরপর তিনি তার তাওবার অপেক্ষা করবেন। সে যদি তাওবা করে তবে আল্লাহ তার তাওবা কবুল করবেন। এমনকি তিনি বললেন: সে যদি চতুর্থবার মাতাল হয়, তবে আল্লাহ তার প্রতি ততক্ষণ সন্তুষ্ট হবেন না যতক্ষণ না সে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে; আর কিয়ামতের দিন সে 'রিদগাতুল খাবাল'-এ থাকবে; যা হলো জাহান্নামীদের শরীর নিঃসৃত পুঁজ।"৬৯ - শাবিব ইবনে সাঈদ আত-তামিমি আমাকে অবহিত করেছেন আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি এক ঢোক মদ পান করবে, আল্লাহ তার দুই জুমার সালাত কবুল করবেন না। এরপর যদি সে তাওবা করে তবে আল্লাহ তার তাওবা কবুল করবেন। আর যদি সে তা পান করা অবস্থায় মারা যায়, তবে সে কাফির হিসেবে মারা যাবে।"অতঃপর তিনি বললেন: আমি কি তোমাদের আরও বলব? তারা বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "পাঁচ শ্রেণীর লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে না; জান্নাতে প্রবেশ করবে না কোনো মুশরিক, কোনো গণক, কোনো খোটা দানকারী এবং..."
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
عَاقٌّ، وَلَا مُدْمِنُ خَمْرٍ.ثُمَّ قَالَ: وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّهُ لَفِي الْكِتَابِ الْأَوَّلِ أَنَّ خَطِيئَتَهَا تَعْلُو كُلَّ خَطِيئَةٍ، كَمَا أَنَّ شَجَرَتَهَا تَعْلُوا كُلَّ الشَّجَرِ "70 - أَخْبَرَنِي مَسْلَمَةُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ الْغَازِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ ْعَلَيْهِ وَسَلَّمَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَوَّلَ مَا يُكْفَأُ هَذَا الدِّينُ عَلَى وَجْهِهِ، كَمَا يُكْفَأُ الْإِنَاءُ لَهِيَ الْخَمْرُ»71 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنِ الْحَارِثِ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ حَدَّثَهُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَهُ، أَنَّ أَوَّلَ مَا حُرِّمَتِ الْخَمْرُ، أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ، وَأَصْحَابًا لَهُ شَرِبُوا فَاقْتَتَلُوا فَكُسِر أَنْفُ سَعْدٍ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى {إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالأَنْصَابُ وَالأَزْلامُ رِجْسٌ مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ} [المائدة: 90] الْآيَةَ72 - أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ اللَّيْثِيُّ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ قَالَ: «فَشُجَّ سعدٌ»73 - أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: " كُنَّا فِي بَيْتِ أَبِي طَلْحَةَ، وأَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ، وَأُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، وَسُهَيْلِ بْنِ الْبَيْضَاءِ، قَالَ: وَكُنْتُ أَسْقِيهِمْ وَشَرَابُهُمْ يَوْمَئِذٍ الْبُسْرُ وَالتَّمْرُ، فَجَاءَ رَجُلٌ، فَقَالَ: إِنَّ الْخَمْرَ قَدْ حُرِّمَتْ، قَالَ: فَوَاللَّهِ مَا انْتَظِرُوا حَتَّى يَعْلَمُوا أَصَادِقٌ الرَّجُلُ أَمْ كَاذِبٌ، قَالُوا: يَا أَنَسُ، اكْفِي مَا بَقِيَ، فَوَاللَّهِ
পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান এবং মদ্যপানে আসক্ত ব্যক্তি।অতঃপর তিনি বললেন: "সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে! নিশ্চয়ই পূর্ববর্তী কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে যে, মদের পাপ সমস্ত পাপের ঊর্ধ্বে, যেমন এর গাছ সমস্ত গাছের ঊর্ধ্বে।"৭০ - মাসলামা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হিশাম ইবনুল গাজ থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন: "নিশ্চয়ই এই দ্বীনকে সর্বপ্রথম উল্টে দেওয়া হবে যেভাবে পাত্রকে উল্টে দেওয়া হয়—আর তা হলো মদ্যপানের মাধ্যমে।"৭১ - আমর ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে শিহাব তাকে বর্ণনা করেছেন সালেম ইবনে আব্দুল্লাহর সূত্রে, তিনি তাকে বর্ণনা করেছেন যে, মদ সর্বপ্রথম যখন হারাম করা হয় তার প্রেক্ষাপট হলো—সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস এবং তাঁর কিছু সাথী মদ্যপান করেছিলেন, এরপর তারা মারামারি করেন এবং সা'দের নাক ভেঙে যায়। তখন আল্লাহ তাআলা অবতীর্ণ করেন: {নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য নির্ধারক শরসমূহ শয়তানের অপবিত্র কাজ, সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো।} [সূরা আল-মায়িদাহ: ৯০] আয়াতটি শেষ পর্যন্ত।৭২ - উসামা ইবনে যায়েদ আল-লাইসী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে শিহাব তাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "অতঃপর সা'দ আহত হলেন।"৭৩ - ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ আত-তবিল থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা আবু তালহা, আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ, উবাই ইবনে কা'ব এবং সুহাইল ইবনুল বায়দা-এর ঘরে ছিলাম। তিনি বলেন: আমি তাদের পানীয় দিচ্ছিলাম এবং সেদিন তাদের পানীয় ছিল আধপাকা ও শুকনো খেজুরের মিশ্রণ। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে বললেন: নিশ্চয়ই মদ হারাম করা হয়েছে। তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ! তারা সেই ব্যক্তি সত্য বলছে নাকি মিথ্যা বলছে তা যাচাই করা পর্যন্ত অপেক্ষা করেননি। তারা বললেন: হে আনাস, অবশিষ্ট যা আছে তা ঢেলে দাও। আল্লাহর শপথ..."
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
مَا عَادُوا إِلَيْهِ حَتَّى لَقُوا اللَّهَ عز وجل "74 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هُبَيْرَةَ، عَنْ أَبِي هُبَيْرَةَ الْكَحْلَانِيِّ، عَنْ مَوْلَى لِعَبْدِ اللَّهِ بْن عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَيْهِمْ ذَاتَ يَوْمٍ وَهُمْ فِي الْمَسْجِدِ، فَقَالَ: «إِنَّ رَبِّي عز وجل حَرَّمَ عَلَيَّ الْخَمْرَ والْمَيْسِرَ وَالْكُوبَةَ والْقِنِّينَ» .وَالْكُوبَةُ الطَّبْلُ75 - أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، وابْن لَهِيعَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْوَلِيدُ بْن عَبْدَةَ، عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ وَكَانَ صَاحِبَ رَايَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «ذَلِكَ وَالْغُبَيْرَا وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ» .قَالَ عَمْرُو بْنُ الْوَلِيدِ: وَبَلَغَنِي عَن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ مِثْلَهُ.وَلَمْ يَذْكُرْ اللَّيْثُ الْقِنِّينَ76 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنِ ابْنِ هُبَيْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ شَيْخًا يُحَدِّثُ أَبَا تَمِيمٍ الْجَيْشَانِيَّ، أَنَّهُ سمِعَ قَيْسَ بْنَ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ وَهُوَ عَلَى مِصْرَ، يَقُولُ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
তারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ না করা পর্যন্ত আর সেদিকে ফিরে আসেনি। ৭৪ - ইবনে লাহিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হুবায়রা থেকে, তিনি আবু হুবায়রা আল-কাহলানি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমরের জনৈক আযাদকৃত দাস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন তাদের নিকট বের হয়ে আসলেন যখন তারা মসজিদে ছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আমার জন্য মদ, জুয়া, আল-কুব্বাহ এবং আল-কিননিন হারাম করেছেন।»আর আল-কুব্বাহ হলো তবলা বা ঢোল।৭৫ - আল-লাইস ইবনে সাদ এবং ইবনে লাহিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আমর ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে আবদাহ থেকে, তিনি কাইস ইবনে সাদ থেকে—যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পতাকাবাহী ছিলেন—যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «ঐগুলো এবং আল-গুবাইরা এবং সকল নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম।»আমর ইবনুল ওয়ালিদ বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে আমার নিকটও অনুরূপ বর্ণনা পৌঁছেছে।আর লাইস আল-কিননিন-এর কথা উল্লেখ করেননি।৭৬ - ইবনে লাহিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে হুবায়রা থেকে, তিনি বলেন: আমি একজন শায়খকে আবু তামীম আল-জাইশানিকে হাদীস শোনাতে শুনেছি যে, তিনি কাইস ইবনে সাদ ইবনে উবাদাহকে যখন তিনি মিশরের দায়িত্বে ছিলেন, বলতে শুনেছেন যে: নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
«مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَضْجَعًا مِنْ جَهَنَّمَ، أَوْ بَيْتًا، أَلَا وَمَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ أَتَى عَطْشَانًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ، وإِيَّاكُمْ وَالْغُبَيْرَا» .قَالَ: ثُمَّ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو، يَقُولُ مِثْلَ ذَلِكَ، فَلَم يَخْتَلِفَا إِلَّا فِي مَضْجَعٍ أَوْ بَيْتٍ77 - أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْن شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ قَالَ: " أَتَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِهِ بِإِيلِيَا بِقَدَحَيْنِ، خَمْرٍ وَلَبَنٍ فَنَظَرَ إِلَيْهِمَا، فَأَخَذَ اللَّبَنَ، فَقَالَ لَهُ جِبْرِيلُ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي هَدَاكَ الْفِطْرَةَ، لَوْ أَخَذْتَ الْخَمْرَ غَوَتْ أُمَّتُكَ "78 - حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ شُعَيْبٍ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ تَرَكَ الصَّلَاةَ سُكْرًا أَرْبَعَ مَرَّاتٍ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ أَنْ يَسْقِيَهُ مِنْ طِينَةِ الْخَبَالِ» .قِيلَ: وَمَا طِينَةِ الْخَبَالِ؟ قَالَ: «عُصَارَةُ أَهْلِ جَهَنَّمَ»79 - أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، أَنَّ أَبَاهُ، قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، يَقُولُ: " اجْتَنِبُوا الْخَمْرَ فَإِنَّهَا أُمُّ الْخَبَائِثُ، إِنَّهُ كَانَ رَجُلٌ مِمَّنْ خَلَا قَبْلَكُمْ يَتَعَبَّدُ وَيَعْتَزِلُ النَّاسَ، فَعَلِقَتْهُ امْرَأَةُ غَوِيَّةٌ فَأَرْسَلَتْ إِلَيْهِ جَارِيَتَهَا، فَقَالَتْ: أَنَا أَدْعُوكَ لِشَهَادَةٍ، فَدَخَلَ مَعَهَا، فَطَفِقَتْ كُلَّمَا دَخَلَ بَابًا أَغْلَقَتْهُ دُونَهُ حَتَّى أَفْضَى إِلَى امْرَأَةٍ وَضِيئَةٍ، عِنْدَهَا غُلَامٌ وَبَاطِيَةُ
«যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার শয্যা অথবা ঘর নির্ধারণ করে নেয়। সাবধান! যে ব্যক্তি মদ পান করবে সে কিয়ামতের দিন তৃষ্ণার্ত অবস্থায় উপস্থিত হবে। আর সকল নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম। তোমরা গুবাইরা (এক প্রকার মদ) থেকে বেঁচে থেকো।»তিনি বলেন: অতঃপর আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আমরকে অনুরূপ বলতে শুনেছি। তাদের বর্ণনায় কেবল 'শয্যা' অথবা 'ঘর' শব্দটির ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভিন্নতা ছিল।৭৭ - ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আমাকে ইবনে শিহাব থেকে এবং তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইসরা-র রাতে ইলিয়ায় মদ ও দুধের দুটি পাত্র দেওয়া হয়েছিল। তিনি সে দুটির দিকে তাকালেন এবং দুধ গ্রহণ করলেন। তখন জিবরাঈল তাকে বললেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আপনাকে ফিতরাতের (স্বভাবজাত ধর্ম) দিশা দিয়েছেন; আপনি যদি মদ গ্রহণ করতেন তবে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত।"৭৮ - আমর ইবনুল হারিস আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবনে শুআইব তার পিতা থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে, আর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চারবার সালাত বর্জন করবে, আল্লাহর ওপর এটি অবধারিত হয়ে যায় যে তিনি তাকে 'তিনাতুল খাবাল' পান করাবেন।»জিজ্ঞেস করা হলো: 'তিনাতুল খাবাল' কী? তিনি বললেন: «জাহান্নামীদের শরীর থেকে নিঃসৃত নির্যাস।»৭৯ - ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আমাকে ইবনে শিহাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনে হিশাম আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তার পিতা বলেছেন: আমি উসমান ইবনে আফফানকে বলতে শুনেছি: "তোমরা মদ পরিহার করো, কেননা তা সকল অশ্লীলতার মূল। তোমাদের পূর্ববর্তী যুগে এক ব্যক্তি ছিল যে ইবাদত করত এবং মানুষের থেকে পৃথক থাকত। জনৈক ভ্রষ্ট নারী তার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে এবং তার নিকট আপন দাসীকে পাঠায়। সে (দাসী) বলল: আমি আপনাকে একটি সাক্ষ্য প্রদানের জন্য আহ্বান করছি। অতঃপর তিনি তার সাথে ভেতরে প্রবেশ করলেন। তিনি যখনই কোনো দরজা দিয়ে ঢুকছিলেন, সে তা বন্ধ করে দিচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি এক সুন্দরী রমণীর কাছে গিয়ে পৌঁছালেন যার নিকট একটি বালক এবং মদের একটি পাত্র ছিল।"
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
خَمْرٍ، فَقَالَتْ: إِنِّي وَاللَّهِ مَا دَعَوْتُكَ لِشَهَادَةٍ، وَلَكِنِّي دَعَوْتُكَ لِتَقَعَ عَلَيَّ وَتَقْتُلَ هَذَا الْغُلامَ، أَوْ تَشْرَبَ هَذِهِ الْخَمْرَ، فَسَقَتْهُ كَأْسًا، فَقَالَ: زِيدُونِي، فَلَمْ يَدُمْ حَتَّى وَقَعَ عَلَيْهَا، وَقَتَلَ النَّفْسَ، فَاجْتَنِبُوا الْخَمْرَ؛ فَإِنَّهَا لَا تَجْتَمِعُ هِيَ وَالْإِيمَانُ أَبَدًا إِلَّا أَوْشَكَ أَحَدُهُمَا أَنْ يَخْرُجَ صَاحِبَهُ "80 - حَدَّثَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هُبَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ أَكْبَرِ الْكَبَائِرِ، فَقَالَ: «شُرْبُ الْخَمْرِ» .ثُمَّ قَصَّ عَلَيْهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو خَبَرَ فَتَى مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانَ مِنْ أَعْبَدِ النَّاسِ ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَ حَدِيثِ ابْنِ شِهَابٍ هَذَا81 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي الرَّيَّانِ، عَنْ أَبِي فِرَاسِ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْروٍ، قَالَ: " إِنَّ فِي كِتَابِ اللَّهِ: أَنَا اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا، خَلَقْتُ الْجَنَّةَ بِيَدِي، وَحَظَّرْتُهَا عَلَى مُسْكِرٍ، أَوْ مُدْمِنٍ فِي الْخَمْرِ سِكِّيرٍ "82 - أَخْبَرَنِي الْحَارِثُ بْنُ نَبْهَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ قَالَ: «لَقَدْ قَرَأْتُ فِي ثَلَاثِ كُتُبٍ أَنَّ الْخَمْرَ مُحَرَّمَةٌ، فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ، وَفِي الْفُرْقَانِ، وَإِنَّهَا فِي التَّوْرَاةِ أُمُّ الْخَبَائِثِ»
মদ। তখন সে বলল: আল্লাহর কসম, আমি আপনাকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ডাকিনি, বরং আমি আপনাকে ডেকেছি যাতে আপনি আমার সাথে মিলিত হন এবং এই বালকটিকে হত্যা করেন, অথবা এই মদ পান করেন। এরপর সে তাকে এক পেয়ালা পান করাল। তখন সে বলল: আমাকে আরও দাও। এরপর সে দেরি না করেই তার সাথে মিলিত হলো এবং সেই প্রাণটিকে হত্যা করল। সুতরাং তোমরা মদ পরিহার করো; কারণ মদ ও ঈমান কখনও একত্রে থাকতে পারে না, শীঘ্রই তাদের একজন অপরজনকে বের করে দেয়।৮০ - ইবনে লাহিয়া আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে হুবায়রা থেকে যে, এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসকে সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: "মদ পান করা।"এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে আমর তাকে বনী ইসরাঈলের এক যুবকের কাহিনী শোনালেন যে মানুষের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদতকারী ছিল। এরপর তিনি ইবনে শিহাবের এই হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন।৮১ - ইবনে লাহিয়া আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুয়াবিয়া ইবনে আবি রাইয়ান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমরের মুক্তদাস আবু ফিরাস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহর কিতাবে রয়েছে: আমিই আল্লাহ, আমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি জান্নাতকে আমার হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছি এবং কোনো মাতাল বা মদে আসক্ত চরম মাতালের জন্য তা নিষিদ্ধ করেছি।"৮২ - হারিস ইবনে নাবহান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "আমি তিনটি কিতাবে পড়েছি যে মদ হারাম—তাওরাত, ইঞ্জিল এবং ফুরকানে (কুরআন); আর তাওরাতে একে সকল অপকর্মের জননী বলা হয়েছে।"
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
مِنْ كِتَابِ الْمَنَاسِكِ83 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عِرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، «أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الصَّلَاةَ بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ، وَأَنَّ أَبَا بَكْرٍ صَلَّاهَا بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ، وَأَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ صَلَّاهَا بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ»84 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَيُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عمَرَ، كَانَ يَكُونُ بِمَكَّةَ، فَإِذَا خَرَجَ إِلَى مِنَى وَعَرَفَةَ قَصَرَ الصَّلَاةَ "85 - أنا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءَ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ: «لَا يَفُوتُ الْحَجُّ حَتَّى يَنْفَجِرَ الْفَجْرُ مِنْ لَيْلَةِ جَمْعٍ» .قَالَ: قُلْتُ لِعَطَاءٍ: أَبَلَغَكَ ذَلِكَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ عَطَاءُ: «نعم» . 86 - أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ قَالَ ذَلِكَ87 - أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أن سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ حَدَّثَهُ، أنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ: «مَنْ أَدْرَكَ لَيْلَةَ النَّحْرِ قَبْلَ أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ، فَقَدْ أَدْرَكَ الْحَجَّ، وَمَنْ لَمْ يَقِفْ حَتَّى يُصْبِحَ، فَقَدْ فَاتَهُ الْحَجُّ» . 88 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، ويُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، وَغَيْرُهُمَا، أَنَّ نَافِعًا حَدَّثَهُمْ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ مِثْلَهُ
হজ পালন (মানাসিক) অধ্যায় থেকে৮৩ - মালিক ইবনে আনাস আমাকে জানিয়েছেন, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন, এবং আবু বকর মিনায় দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন, এবং উমর ইবনুল খাত্তাব মিনায় দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন।»৮৪ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর এবং ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ আমাকে জানিয়েছেন, তারা নাফে’ থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর মক্কায় অবস্থান করতেন, অতঃপর যখন তিনি মিনা ও আরাফাতের উদ্দেশ্যে বের হতেন, তখন সালাত কসর (সংক্ষিপ্ত) করতেন।৮৫ - ইবনে জুরাইজ আমাকে জানিয়েছেন, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «মুযদালিফার (জাম’) রাতের ফজর উদিত না হওয়া পর্যন্ত হজ ছুটে যায় না।’ তিনি বলেন: আমি আতাকে বললাম, আপনার কাছে কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ সংবাদ পৌঁছেছে? আতা বললেন: «হ্যাঁ।»৮৬ - ইবনে জুরাইজ আমাকে জানিয়েছেন, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনিও একই কথা বলেছেন।৮৭ - উমর ইবনে মুহাম্মদ আমাকে জানিয়েছেন যে, সালেম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোরবানির রাতের ফজর উদিত হওয়ার পূর্বে (আরাফায় অবস্থান) লাভ করল, সে হজ পেল। আর যে ব্যক্তি সকাল হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করতে পারল না, তার হজ ছুটে গেল।’৮৮ - মালিক ইবনে আনাস, ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ এবং অন্যান্যরা আমাকে জানিয়েছেন যে, নাফে’ তাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে অনুরুপ (একই ধরণের) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
89 - أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حُمَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كُلُّ عَرَفَةَ مَوْقِفٌ إِلَّا مَا جَاوَزَ بَطْنَ عُرَنَةَ، وَكُلُّ مُزْدَلِفَةِ مَوْقِفٌ إِلَّا مَا خَلَفَ بَطْنَ مُحَسِّرٍ»90 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ كُرَيْبٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ سمِعَ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ، يَقُولُ: دَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ عَرَفَةَ حَتَّى إِذَا جَاءَ الشِّعْبَ نَزَلَ، فَبَالَ فَتَوَضَّأَ، فَلَمْ يُسْبِغِ الْوُضُوءَ، فَقُلْتُ لَهُ: الصَّلَاةُ، فَقَالَ: «الصَّلَاةُ أَمَامَكَ» .فَرَكِبْتُ حَتَّى إِذَا جَاءَ الْمُزْدَلِفَةَ نَزَلَ فَتَوَضَّأ، فَأَسْبَغَ الْوُضُوءَ، ثُمَّ أُقِيمَتْ الصَّلَاةَ، فَصَلَّى الْمَغْرِبَ، ثُمَّ أَنَاخَ كُلُّ وَاحِدٍ بَعِيرَهُ فِي مَنْزِلِهِ، ثُمَّ أُقِيمَتِ الصَّلَاةَ، فَصَلَّى الْعِشَاءَ، وَلَمْ يُصَلِّ بَيْنَهُمَا شَيْءٍ91 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِم بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْمَزْدَلِفَةِ جَمِيعًا» .قَالَ ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، فِي الْحَدِيثِ: لَمْ يُنَادِ فِي كُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا إِلَّا بِإِقَامَةٍ، وَلَمْ يُسَبِّحْ بَيْنَهُمَا، وَلَا عَلَى أَثَرِ وَاحَدَةٍ مِنْهُمَا92 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ بِالْمُزْدَلِفَةِ ، وَأَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ، وَعُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ»
৮৯ - মুহাম্মদ ইবনে আবি হুমাইদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুনকাদির থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “উরানাহ উপত্যকা ব্যতিরেকে সমগ্র আরাফাহ অবস্থানের স্থান, এবং মুহাসসির উপত্যকার পেছনের অংশ ব্যতিরেকে সমগ্র মুযদালিফাহ অবস্থানের স্থান।”৯০ - মালিক ইবনে আনাস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মূসা ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস কুরায়ব থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়েদকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাহ থেকে রওনা হলেন, এরপর যখন তিনি গিরিপথে পৌঁছালেন তখন অবতরণ করলেন এবং পেশাব করে ওজু করলেন, তবে ওজু পূর্ণাঙ্গ করলেন না। তখন আমি তাঁকে বললাম: সালাত? তিনি বললেন: “সালাত তোমার সামনে (মুযদালিফায়)।”অতঃপর আমি আরোহণ করলাম যতক্ষণ না তিনি মুযদালিফায় পৌঁছালেন। তিনি সেখানে অবতরণ করে ওজু করলেন এবং পূর্ণাঙ্গরূপে ওজু করলেন। এরপর সালাতের একামত দেওয়া হলো এবং তিনি মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর প্রত্যেকে যার যার উট নিজ নিজ স্থানে বসাল। এরপর পুনরায় সালাতের একামত দেওয়া হলো এবং তিনি এশার সালাত আদায় করলেন। তিনি এই দুই সালাতের মাঝে অন্য কোনো সালাত আদায় করেননি।৯১ - মালিক ইবনে আনাস এবং ইবনে আবি যি’ব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে যে, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন।”ইবনে আবি যি’ব হাদিসটিতে বলেছেন: এই দুই সালাতের প্রতিটির জন্য শুধুমাত্র একামত ছাড়া (আজান) দেওয়া হয়নি। আর তিনি এই দুই সালাতের মাঝে কিংবা কোনোটির শেষে নফল সালাত আদায় করেননি।৯২ - আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন নাফে থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে যে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার সালাত একত্রে আদায় করতেন; এবং আবু বকর সিদ্দিক, উমর ইবনুল খাত্তাব ও আব্দুল্লাহ ইবনে উমরও (অনুরূপ করতেন)।”
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٥١)
93 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ أَبَا الزُّبَيْرِ الْمَكِّيَّ أَخْبَرَهُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُقَدِّمُ الْعِيَالَ وَالضَّعَفَةَ إِلَى مِنَى مِنْ مُزْدَلِفَةٍ»94 - أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «كُنْتُ فِيمَنْ يُقَدِّمُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى مِنَى مِنَ الْمُزْدَلِفَةِ مِنَ الْعِيَالِ»95 - أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ شُعْبَةَ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «بُعِثَ بِهِ مَعَ أَهْلِهِ إِلَى مِنَى يَوْمَ النَّحْرِ، فَرَمَوُا الْجَمْرَةَ مَعَ الْفَجْرِ»96 - أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُقَدِّمُ ضَعَفَةَ أَهْلِهِ، فَيَقِفُونَ عِنْدَ الْمَشْعَرِ الْحَرَامِ بِالْمُزْدَلِفَةِ بِلَيْلٍ، فَيَذْكُرُونَ اللَّهِ مَا بَدَا لَهُمْ، ثُمَّ يُدْفَعُونَ قَبْلَ أَنْ يَقِفَ الْإِمَامُ، قَبْلَ أَنْ يُدْفَعَ، فَمِنْهُمْ مَنْ يَقْدِمُ مِنًى لِصَلَاةِ الْفَجْرِ، وَمِنْهُمْ مَنْ يَقْدِمُ بَعْدَ ذَلِكَ، فَإِذَا قَدِمُوا رَمَوُا الْجَمْرَةَ، وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَقُولُ: «أَرْخَصَ فِي أُولَئِكَ رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»97 - أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، وَمَالِكٌ، وَغَيْرُهُمَا، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ أَخْبَرَهُمْ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ بْن عُبَيْدِ اللَّهِ أَخْبَرَهُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَفَ بِالنَّاسِ عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ يَسْأَلُونَهُ، فَجَاءَ رَجُلٌ، فَقَالَ، يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَمْ أَشْعُرْ فَنَحَرْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ؟ فَقَالَ: «ارْمِ وَلَا
৯৩ - আমর ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু যুবায়র আল-মাক্কী তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর পরিবারের সদস্য এবং দুর্বলদের মুজদালিফা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে আগে পাঠিয়ে দিতেন।"৯৪ - আমর ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আমর ইবনে দীনার থেকে, ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি পরিবারের সেই সব সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম যাদের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজদালিফা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে আগে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।"৯৫ - ইবনে আবু জিব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস শু'বাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সাথে নহরের দিন মিনার উদ্দেশ্যে আগে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন, অতঃপর তারা ফজরের সময় জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেছিলেন।৯৬ - ইউনুস ইবনে ইয়াযীদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে শিহাব থেকে, সালিম ইবনে আবদুল্লাহ তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) তাঁর পরিবারের দুর্বলদের আগে পাঠিয়ে দিতেন। তারা রাতে মুজদালিফার মাশআরুল হারামের নিকট অবস্থান করতেন এবং যতক্ষণ ইচ্ছা আল্লাহর জিকির করতেন। অতঃপর ইমামের অবস্থান করার এবং তাঁর রওনা হওয়ার আগেই তারা রওনা হতেন। তাদের কেউ ফজরের নামাজের সময় মিনায় পৌঁছাতেন, আবার কেউ এর পরে পৌঁছাতেন। যখন তারা পৌঁছাতেন তখন জামরায় পাথর নিক্ষেপ করতেন। ইবনে উমর (রা.) বলতেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের জন্য এ বিষয়ে অনুমতি প্রদান করেছেন।"৯৭ - ইউনুস ইবনে ইয়াযীদ, মালিক এবং অন্যান্যরা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনে শিহাব তাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা ইবনে তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, বিদায় হজের বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মানুষের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন যেন তারা তাকে প্রশ্ন করতে পারে। তখন এক ব্যক্তি এসে বলল, "হে আল্লাহর রাসূল! আমি বুঝতে পারিনি, ফলে পাথর নিক্ষেপ করার আগেই কুরবানি করে ফেলেছি।" তিনি বললেন: "পাথর নিক্ষেপ করো এবং কোনো..."
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
حَرَجَ» ، قَالَ آخِرُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي لَمْ أَشْعُرْ فَحَلَقْتُ رَأْسِي قَبْلَ أَنْ أَذْبَحَ؟ فَقَالَ: «اذْبَحْ وَلَا حَرَجَ» ، قَالَ: فَمَا سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَئِذٍ عَنْ شَيْءٍ قُدِّمَ أَوْ أُخِّرَ إِلَّا قَالَ: «افْعَلْ وَلَا حَرَجَ»98 - أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ اللَّيْثِيُّ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِر بْنِ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَرَفَةُ مَوْقِفٌ، وَكُلُّ مُزُدَلِفَةٍ مَوْقِفٍ، وَكُلُّ مِنَى مَنْحَرٍ، وَكُلُّ فِجَاجِ مَكَّةَ طَرِيقٌ ومَنْحَرٌ»99 - أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «لَمْ يَرْمُلْ فِي السَّبْعِ الَّتِي أَفَاضَ فِيهَا» ، قَالَ: قَالَ عَطَاءُ: لَا رَمْلٌ فِيهِ100 - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَغَيْرُهُمَا، أَنَّ نَافِعًا أَخْبَرَهُمْ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «اللَّهُمَّ ارْحَمِ الْمُحَلِّقِينَ» ، قَالُوا: وَالْمُقَصِّرِينَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «اللَّهُمَّ ارْحَمِ الْمُحَلِّقِينَ» .قَالُوا: وَالْمُقَصِّرِينَ يَا رَسُولَ اللَّهِ.قَالَ: «اللَّهُمَّ ارْحَمِ الْمُحَلِّقِينَ» ، قَالُوا: وَالْمُقَصِّرِينَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «وَالْمُقَصِّرِينَ»101 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْن عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَلَقَ رَأْسَهُ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ»102 - أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ،
অসুবিধা নেই।" অপর একজন বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! আমি বুঝতে পারিনি, তাই জবেহ করার আগেই মাথা মুণ্ডিয়ে ফেলেছি।" তিনি বললেন, "জবেহ করো, কোনো অসুবিধা নেই।" বর্ণনাকারী বলেন, সেদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আগে বা পরে করা কোনো কাজ সম্পর্কেই জিজ্ঞাসা করা হয়নি যাতে তিনি বলেননি: "করো, কোনো অসুবিধা নেই।"৯৮ - উসামা ইবনে যায়েদ আল-লাইসী আমাকে অবহিত করেছেন যে, আতা ইবনে আবি রাবাহ তাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "সম্পূর্ণ আরাফাত অবস্থান করার স্থান, সম্পূর্ণ মুজদালিফাহ অবস্থান করার স্থান, সম্পূর্ণ মিনা জবেহ করার স্থান এবং মক্কার সমস্ত অলিগলি পথ ও জবেহ করার স্থান।"৯৯ - ইবনে জুরাইজ আমাকে আতা ইবনে আবি রাবাহ-এর সূত্রে ইবনে আব্বাস থেকে অবহিত করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তওয়াফে ইফাদাহর সাত চক্করে 'রমল' (দ্রুত পদে চলা) করেননি। আতা বলেন, এতে কোনো রমল নেই।১০০ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর, মালিক ইবনে আনাস এবং অন্যান্যেরা আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নাফে' তাদের অবহিত করেছেন ইবনে উমর থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "হে আল্লাহ! মাথা মুণ্ডনকারীদের প্রতি রহম করুন।" তারা বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! যারা চুল ছোট করে তাদের জন্যও (দুআ করুন)।" তিনি বললেন, "হে আল্লাহ! মাথা মুণ্ডনকারীদের প্রতি রহম করুন।"তারা বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! যারা চুল ছোট করে তাদের জন্যও (দুআ করুন)।"তিনি বললেন, "হে আল্লাহ! মাথা মুণ্ডনকারীদের প্রতি রহম করুন।" তারা বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! যারা চুল ছোট করে তাদের জন্যও (দুআ করুন)।" তিনি বললেন, "এবং যারা চুল ছোট করে তাদের জন্যও।"১০১ - আবদুল্লাহ ইবনে উমর আমাকে নাফে'-এর সূত্রে ইবনে উমর থেকে অবহিত করেছেন যে, "আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজে তাঁর মাথা মুণ্ডন করেছিলেন।"১০২ - লাইস ইবনে সাদ আমাকে অবহিত করেছেন,
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
وَغَيْرُهُ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّهُ قَالَ: «حَلَقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَطَائِفَةٌ مِنْ أَصْحَابِهِ، وَقصَّرَ بَعْضَهُمْ»103 - أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، وابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةَ أَوَّلَ يَوْمِ ضُحَى، وَهِيَ وَاحِدَةٌ، وَأَمَّا بَعْدُ ذَلِكَ، فَبَعْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ»104 - أَخْبَرَنِي سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عِمْرَانَ، يُحَدِّثَ أَنَّ قُدَامَةَ بْنَ عَمَّارٍ الْكِلَابِيَّ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَرْمِي الْجَمْرَةَ عَلَى نَاقَةٍ صَهْبَاءَ، لَا ضَرْبَ وَلَا طَرْدَ وَلَا إِلَيْكَ»105 - أَخْبَرَنِي الْحَارِثُ بْنُ نَبْهَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يقوم بَيْنَ الْجَمْرَتَيْنِ، فَيُطِيلُ الْقِيَامَ، وَيَقُومُ عِنْدَ الْجَمْرَةَ الْأُخْرَى أَقَلُّ مِنْ ذَلِكَ، وَلَا يَقُومُ عِنْدَ جَمْرَةِ الْعَقَبَةِ»106 - أَخْبَرَنِي ابْن لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْخُذُ حَصَى الْخَذْفِ، وَيَرْمِي عَلَى رَاحِلَتِهِ، ويَقُولُ: «خُذُوا مِنَّا مَنَاسِكَكُمْ، فَإِنِّي لَا أَدْرِي لَعَلِّي غَيْرَ حَاجٍّ بَعْدَ حَجَّتِي هَذِهِ»107 - أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ الْأَسْلَمِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ هُنَيْدَةَ، أَنَّ حَرْمَلَةَ ابْنَ عَمْرٍو الأَسْلَمِيَّ حَدَّثَهُ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعَرَفَةَ،
এবং অন্যান্যরা নাফে থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের একটি দল মাথা মুণ্ডন করেছিলেন এবং তাঁদের কেউ কেউ চুল ছোট করেছিলেন»103 - ইবনে লাহিয়া ও ইবনে জুরাইজ আমাকে আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: «আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে তিনি প্রথম দিন চাশতের সময়ে জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপ করেছেন, আর সেটি ছিল একটিই; আর এর পরবর্তী দিনগুলোতে তিনি সূর্য ঢলে পড়ার পর পাথর নিক্ষেপ করেছেন»104 - সুফিয়ান সাওরি আমাকে জানিয়েছেন যে তিনি আবু ইমরানকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে কুদামাহ ইবনে আম্মার আল-কিলাবি বলেছেন: «আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি লালচে সাদা রঙের উটনীর পিঠে আরোহী অবস্থায় জামরায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি, সেখানে (লোকদের) কোনো প্রহার করা, তাড়িয়ে দেওয়া বা 'সরে যাও সরে যাও' বলার মতো কোনো বিষয় ছিল না»105 - আল-হারিস ইবনে নাবহান আমাকে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করে জানিয়েছেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই জামরার মাঝখানে দাঁড়াতেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন। এরপর অন্য জামরার নিকট এর চেয়ে কম সময় দাঁড়াতেন। তবে তিনি জামরাতুল আকাবার নিকট দাঁড়াতেন না»106 - ইবনে লাহিয়া আমাকে আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ছোট ছোট পাথর গ্রহণ করতে দেখেছি এবং তিনি নিজের সওয়ারিতে আরোহী অবস্থায় পাথর নিক্ষেপ করছিলেন আর বলছিলেন: «তোমরা আমাদের নিকট থেকে তোমাদের হজের নিয়ম-কানুন শিখে নাও, কারণ আমি জানি না সম্ভবত আমার এই হজের পর আমি আর হজ করতে পারব না»107 - ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাকে আব্দুর রহমান ইবনে হারমালাহ আল-আসলামি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে হুনাইদাহ থেকে বর্ণনা করে জানিয়েছেন যে, হারমালাহ ইবনে আমর আল-আসলামি তাঁকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আরাফাতের ময়দানে দেখেছি,
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
وَعَمِّي مُرْدِفِي، وَهُوَ وَاضِعٌ أُصْبُعَيْهِ أَحَدَهُمَا عَلَى الأُخْرَى، فَقُلْتُ لِعَمِّي: مَاذَا يَقُولُ: قَالَ يَقُولُ: «ارْمُوا الْجَمْرَةَ بِمِثْلِ حَصَى الَخَذَفِ»108 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْن حَزْمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ أَبَا الْبَدَّاحِ أَخْبَرَهُ، عَنْ أَبِيهِ عَاصِمٍ بنْ عَدِي، أَخْبَرَهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «أَنَّهُ رَخَّصَ لِرِعَاءِ الإِبِلِ فِي الْبَيْتُوتَةِ يَرْمُونَ يَوْمَ النَّحْرِ، ثُمَّ يَرْمُونَ الْغَدَ وَبَعْدَ الْغَدَ لِيَوْمَيْنِ، ثُمَّ يَرْمُونَ يَوْمُ النَّفْرِ»109 - أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «رَخَّصَ لِرِعَاءِ الإِبِلِ أَنْ يَرْمُونَ الْجِمَارِ بِاللَّيْلِ»110 - أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الرَّاعِي يَرْمِي بِاللَّيْلِ، وَيَرْعَى بِالنَّهَارِ» . 111 - أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ عُمَارَةَ بْن غَزِيَّةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ
আর আমার চাচা আমাকে তাঁর পিছনে বাহনে আরোহণ করিয়েছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি তাঁর এক আঙুল অন্য আঙুলের ওপর রেখেছিলেন। তখন আমি আমার চাচাকে জিজ্ঞাসা করলাম: তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ) কী বলছেন? তিনি বললেন: তিনি বলছেন: "তোমরা খাযাফের কঙ্করের (ছোট ছোট পাথর) ন্যায় পাথর দিয়ে জামরায় নিক্ষেপ করো।"১০৮ - মালিক ইবনে আনাস আমাকে খবর দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে হাযম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, আবুল বাদ্দাহ তাঁকে খবর দিয়েছেন তাঁর পিতা আসিম ইবনে আদি থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি উট রাখালদের জন্য (মিনায়) রাত কাটানোর ব্যাপারে শিথিলতা প্রদান করেছেন; তারা কুরবানির দিন পাথর নিক্ষেপ করবে, এরপর পরবর্তী দিন এবং তার পরের দিনের জন্য (একত্রে) পাথর নিক্ষেপ করবে, অতঃপর তারা প্রস্থানের দিন পাথর নিক্ষেপ করবে।১০৯ - ইবনে জুরাইজ আমাকে খবর দিয়েছেন আতা ইবনে আবু রাবাহ থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উট রাখালদের জন্য রাতে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করার অনুমতি দিয়েছেন।১১০ - উমর ইবনে কায়েস আমাকে খবর দিয়েছেন আতা থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "রাখাল রাতে পাথর নিক্ষেপ করবে এবং দিনে পশুপাল চরাবে।" ১১১ - ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব আমাকে খবর দিয়েছেন উমারা ইবনে গাজিয়্যাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুয়াত্তা লি-ইবনি ওয়াহাব - কিতআ মিনহু - ত: আস-সাইনি
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
112 - أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَغَيْرُهُمَا، أَنَّ أَيُّوبَ بْنَ أَبِِي تَمِيمَةَ أَخْبَرَهُمْ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْن عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ: «مَنْ نَسِيَ مِنْ نُسُكِهِ شَيْئًا أَوْ تَرَكَهُ، فَلْيَهْرِيقَ دَمًا»113 - أَخْبَرَنِي طَلْحَةُ بْنُ عَمْرٍو، أَنَّهُ سَمِعَ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ، يَذْكُرُ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: «طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ النَّحْرِ بَعْدَ رَمْيِ الْجَمْرَةِ الْعَقَبَةِ، قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ»114 - أَخْبَرَنِي سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنِ الْحَسَنِ الْعُرَنِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أنَّهُ قَالَ: «إِذَا رَمَيْتَ الْجَمْرَةَ فَقَدْ حَلَلْتُمْ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ كَانَ عَلَيْكُمْ حَرَامًا، إِلَّا النِّسَاءُ حَتَّى تَطُوفُوا بِالْبَيْتِ» ، فَقَالَ رَجُلٌ: وَالطِّيبُ يَا أَبَا الْعَبَّاسِ؟ فَقَالَ لَهُ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُضَمِّخُ رَأْسَهُ بِالْمِسْكِ، أَفَطِيبٌ هُوَ أَمْ لَا؟»115 - أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَغَيْرُ وَاحِدٍ، أَنَّ نَافِعًا حَدَّثَهُم، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أن عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، خَطَبَ النَّاسِ بِعَرَفَةَ يُعَلِّمُهُمْ أَمْرُ الْحَجِّ، وكَانَ فِيمَا قَالَ: «إِذَا جِئْتُمْ مِنَى، فَمَنْ رَمَى الْجَمْرَةَ فَقَدْ حَلَّ لَهُ مَا حُرِّمَ عَلَيْهِ
১১২ - আমাকে আব্দুল্লাহ বিন উমর, মালিক বিন আনাস এবং আরও অনেকে জানিয়েছেন যে, আইয়ুব বিন আবি তামীমা তাঁদেরকে সাঈদ বিন জুবাইর থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি তার হজের কোনো নিয়ম (আমল) ভুলে যায় বা ছেড়ে দেয়, সে যেন রক্ত প্রবাহিত করে (অর্থাৎ কোরবানি দেয়)।"১১৩ - আমাকে তালহা বিন আমর জানিয়েছেন যে, তিনি আতা বিন আবি রাবাহকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী আয়েশা থেকে উল্লেখ করতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: "আমি কুরবানির দিন জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপের পর এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করার পূর্বে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছিলাম।"১১৪ - আমাকে সুফিয়ান সাওরি জানিয়েছেন সালামাহ বিন কুহাইল থেকে, তিনি হাসান আল-উরানি থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "যখন তোমরা জামরায় পাথর নিক্ষেপ করবে, তখন তোমাদের জন্য সে সব কিছু হালাল হয়ে যাবে যা তোমাদের জন্য হারাম ছিল, শুধু নারী (সহবাস) ব্যতীত যতক্ষণ না তোমরা বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করো।" জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল: হে আবু আব্বাস, সুগন্ধিও কি? তিনি তাকে বললেন: "আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর মাথায় মিশক মাখতে দেখেছি; ওটা কি সুগন্ধি নাকি অন্য কিছু?"১১৫ - আমাকে মালিক বিন আনাস এবং আরও অনেকে জানিয়েছেন যে, নাফে’ তাঁদের কাছে আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব আরাফায় জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন এবং তাঁদেরকে হজের নিয়ম-কানুন শিক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি যা বলেছিলেন তার মধ্যে ছিল: "যখন তোমরা মিনায় আসবে, অতঃপর যে ব্যক্তি জামরায় পাথর নিক্ষেপ করবে, তার জন্য তা হালাল হয়ে যাবে যা তার ওপর হারাম ছিল..."