(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: -)
فضائل القرآن - أبو عبيد القسم: علوم القرآن وأصول التفسير
الكتاب: فضائل القرآن للقاسم بن سلام
المؤلف: أبو عُبيد القاسم بن سلاّم بن عبد الله الهروي البغدادي (ت 224 هـ)
تحقيق: مروان العطية [ت 1444 هـ]- محسن خرابة [ت 1440 هـ]- وفاء تقي الدين [توفيتْ 1428 هـ]
الناشر: دار ابن كثير (دمشق - بيروت)
الطبعة: الأولى، 1415 هـ -1995 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 401
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ বিভাগ: কুরআনুল কারীমের জ্ঞান এবং তাফসীরের মূলনীতি
গ্রন্থ: আল-কাসিম ইবনে সাল্লাম রচিত ফাযায়িলুল কুরআন
লেখক: আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লাম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হারাউই আল-বাগদাদি (মৃত্যু: ২২৪ হিজরি)
সম্পাদনা ও যাচাই: মারওয়ান আল-আতিয়াহ [মৃত্যু: ১৪৪৪ হিজরি]- মুহসিন খারাবাহ [মৃত্যু: ১৪৪০ হিজরি]- ওয়াফা তাকিউদ্দীন [মৃত্যু: ১৪২৮ হিজরি]
প্রকাশক: দার ইবনে কাসীর (দামেস্ক - বৈরুত)
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৫ হিজরি - ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪০১
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৪১)
كِتَابُ فَضْلِ الْقُرْآنِ وَمَعَالِمِهِ وَأَدَبِهِ
কুরআন মাজীদের শ্রেষ্ঠত্ব, এর নিদর্শনাবলী এবং এর শিষ্টাচার সংক্রান্ত কিতাব
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৪১)
بَابُ فَضْلِ الْقُرْآنِ وَتَعَلُّمِهِ وَتَعْلِيمِهِ النَّاسَ
কুরআনের মর্যাদা এবং তা শিক্ষা করা ও মানুষকে শিক্ষা দেওয়ার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৪১)
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ أَبُو زُرْعَةَ طَاهِرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَاهِرٍ الْقَزْوِينِيُّ ثُمَّ الْهَمَذَانِيُّ. . . قَدِمَ عَلَيْنَا حَاجًّا، فَنَزَلَ بِالرِّبَاطِ الْمُجَاهِدِيُّ مُقَابِلَ دِجْلَةَ بِقِرَاءَةِ الشَّيْخِ الْأَجَلِّ الْإِمَامِ الْعَالِمِ الْحَافِظِ الْأَوْحَدِ حُجَّةِ الْإِسْلَامِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ فِي جُمَادَى الْأُولَى مِنْ سَنَةِ إِحْدَى وَسِتِّينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْعَالِمُ أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ الْمُقَوَّمِيُّ الْقَزْوِينِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ بِالرَّيّ، قِيلَ ⦗ص: 42⦘ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّبَيْرِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَهْرَوَيْهِ الْبَزَّازُ الْقَزْوِينِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمَكِّيُّ، سَنَةَ ثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ، قَالَ: سَمِعْتُ هَذَا الْكِتَابَ قِرَاءَةً عَلَى أَبِي عُبَيْدٍ، وَسَأَلْتُهُ نَرْوِي عَنْكَ مَا قُرِئَ عَلَيْكَ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ رحمه الله: ⦗ص: 43⦘ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعْدَ بْنَ عُبَيْدَةَ، يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِي ⦗ص: 44⦘ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «إِنَّ أَفْضَلَكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ» حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُثْمَانَ، رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَ ذَلِكَ
সৎ (الصالح) শাইখ আবু জুরআ তাহির বিন মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-কাযউইনি, অতঃপর আল-হামাযানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا)... তিনি হাজি হিসেবে আমাদের নিকট এসেছিলেন এবং দজলা নদীর বিপরীত দিকে রিবাত আল-মুজাহিদিতে অবস্থান করেছিলেন। এটি ৫৬১ হিজরির জমাদিউল আউয়াল মাসে মহান শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, অনন্য হাফিজ (الحافظ), হুজ্জাতুল ইসলাম আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন আহমদ বিন আহমদের নিকট পাঠ (قراءة)-এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তিনি বলেন: বিজ্ঞ শাইখ আবু মানসুর মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমদ আল-মুকাউউমি আল-কাযউইনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا), এটি তাঁর নিকট পাঠ (قراءة) করা হয়েছে এবং আমি রয় শহরে তা শ্রবণ (سماع) করছিলাম। তাকে বলা হলো ⦗পৃষ্ঠা: ৪২⦘: আবু আবদুল্লাহ আল-যুবায়ের বিন মুহাম্মাদ আল-যুবায়েরি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبركم)? তিনি বললেন: আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন মাহরাওয়াইহ আল-বাযযায আল-কাযউইনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (أخبرنا)। তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আলী বিন আব্দুল আজিজ আল-মাক্কি ২৮০ হিজরি সালে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا)। তিনি বলেন: আমি এই বইটি আবু উবাইদের নিকট পাঠ (قراءة)-এর মাধ্যমে শ্রবণ (سمعت) করেছি এবং আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছি: আপনার নিকট যা পাঠ (قرئ) করা হয়েছে, তা কি আমরা আপনার সূত্রে বর্ণনা (نروي) করতে পারি? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আবু উবাইদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ হাজ্জাজ বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন: শুবা বিন আল-হাজ্জাজ আলকামা বিন মারসাদ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন: আমি সাদ বিন উবাইদাহকে বর্ণনা করতে (يحدث) শুনেছি, তিনি আবু ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ আব্দুর রহমান আস-সুলামি থেকে, তিনি উসমান বিন আফফান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা শিক্ষা দেয়»। আব্দুর রহমান বিন মাহদি সুফিয়ান বিন সাঈদ থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি আলকামা বিন মারসাদ থেকে, তিনি আবু আব্দুর রহমান থেকে, তিনি উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ مُوسَى ⦗ص: 45⦘ بْنِ عُلَيِّ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ فِي الصُّفَّةِ فَقَالَ: «أَيُّكُمْ يُحِبُّ أَنْ يَغْدُوَ كُلَّ يَوْمٍ إِلَى بُطْحَانَ أَوِ الْعَقِيقِ، فَيَأْخُذَ نَاقَتَيْنِ كَوْمَاوَيْنِ زَهْرَاوَيْنِ فِي غَيْرِ إِثْمٍ، وَلَا قَطِيعَةِ رَحِمٍ» ؟ قُلْنَا: كُلُّنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ يُحِبُّ ⦗ص: 46⦘ ذَلِكَ. قَالَ: «فَلَأَنْ يَغْدُوَ أَحَدُكُمْ كُلَّ يَوْمٍ إِلَى الْمَسْجِدِ، فَيَتَعَلَّمَ آيَتَيْنِ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ نَاقَتَيْنِ، وَمِنْ ثَلَاثٍ، وَمِنْ أَعْدَادِهِنَّ مِنَ الْإِبِلِ»
আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি মুসা ⦗পৃষ্ঠা: ৪৫⦘ ইবনে উলাই ইবনে রাবাহ এর সূত্রে (عن), তিনি তাঁর পিতার সূত্রে (عن), তিনি উকবাহ ইবনে আমির আল-জুহানি এর সূত্রে (عن) বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বের হয়ে আসলেন যখন আমরা সুফফায় ছিলাম। তখন তিনি বললেন: «তোমাদের মধ্যে কে পছন্দ করে যে সে প্রতিদিন সকালে বুতহান অথবা আকিক উপত্যকায় যাবে এবং কোনো প্রকার পাপ কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা ছাড়াই দুটি বৃহদাকার ও উজ্জ্বল বর্ণের উষ্ট্রী গ্রহণ করবে?» আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা সকলেই ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ তা পছন্দ করি। তিনি বললেন: «তবে তোমাদের কেউ কেন প্রতিদিন সকালে মসজিদে যায় না? সেখানে গিয়ে সে যদি আল্লাহর কিতাব হতে দুটি আয়াত শিক্ষা করে, তবে তা তার জন্য দুটি উষ্ট্রীর চেয়ে উত্তম, তিনটি আয়াত তিনটি উষ্ট্রীর চেয়ে উত্তম এবং অনুরূপ সংখ্যক উটের চেয়েও তা উত্তম হবে»।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ طَارِقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ الْمُحَرَّرِ، ⦗ص: 47⦘ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ الْحَكَمِ، أَنَّ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ، سَمِعَ كَعْبَ الْأَحْبَارِ، يَقُولُ: إِنَّ فِي التَّوْرَاةِ أَنَّ الْفَتَى إِذَا تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَهُوَ حَدِيثُ السِّنِّ، وَحَرَصَ عَلَيْهِ، وَعَمِلَ بِهِ، وَتَابَعَهُ، خَلَطَهُ اللَّهُ بِلَحْمِهِ وَدَمِهِ، وَكَتَبَهُ عِنْدَهُ مِنَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ، وَإِذَا تَعَلَّمَ الرَّجُلُ الْقُرْآنَ وَقَدْ دَخَلَ فِي السِّنِّ، فَحَرَصَ عَلَيْهِ، وَهُوَ فِي ذَلِكَ يُتَابِعُهُ، وَيَتَفَلَّتُ مِنْهُ، كَتَبَ لَهُ أَجْرَهُ مَرَّتَيْنِ
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন, আমর ইবনে আর-রাবি ইবনে তারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), আব্দুল্লাহ ইবনে লাহিয়া থেকে, তিনি খালিদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি বাশির ইবনে আল-মুহাররার থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৪৭⦘ আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে আল-হাকাম থেকে বর্ণিত যে, মারওয়ান ইবনে আল-হাকাম কাব আল-আহবারকে বলতে শুনেছেন: "নিশ্চয়ই তাওরাতে বর্ণিত আছে যে, কোনো যুবক যদি অল্প বয়সে কুরআন শিক্ষা করে এবং সেটির প্রতি যত্নবান হয়, সে অনুযায়ী আমল করে ও তা নিয়মিত তিলাওয়াত করে, তবে আল্লাহ তাআলা তা তার রক্ত ও মাংসের সাথে মিশিয়ে দেন এবং তাকে তাঁর নিকট সম্মানিত ও পুণ্যবান লিপিকারদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে লিপিবদ্ধ করেন। আর যদি কোনো ব্যক্তি বয়স্ক হওয়ার পর কুরআন শিক্ষা করে এবং সেটির প্রতি যত্নবান হওয়া সত্ত্বেও তা তার স্মৃতি থেকে বারবার ছুটে যায়, তবে আল্লাহ তার জন্য দ্বিগুণ সওয়াব লিপিবদ্ধ করেন।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ وَحَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ ⦗ص: 48⦘ يَحْيَى، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَهُوَ بِهِ مَاهِرٌ مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ، وَالَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَهُوَ يَشْتَدُّ عَلَيْهِ فَلَهُ أَجْرَانِ» ⦗ص: 49⦘ حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ ثنا حَجَّاجٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ زُرَارَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَ ذَلِكَ
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) এবং ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি হাম্মাম ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ ইয়াহইয়া থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি যুরারাহ ইবনে আওফা থেকে, তিনি সা'দ ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং সে তাতে পারদর্শী, সে সম্মানিত ও পুণ্যবান ফেরেশতাদের সাথে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং তা তার নিকট কষ্টসাধ্য হয়, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ প্রতিদান» ⦗পৃষ্ঠা: ৪৯⦘ আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন: হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি যুরারাহকে সা'দ ইবনে হিশাম থেকে এবং তিনি আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করতে শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ ثنا أَبُو الْيَقْظَانِ عَمَّارُ بْنُ مُحَمَّدٍ الثَّوْرِيُّ، أَوْ غَيْرُهُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَجَرِيِّ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، ⦗ص: 50⦘ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ مأْدُبَةُ اللَّهِ تَعَالَى، فَتَعَلَّمُوا مِنْ مَأْدُبَتِهِ مَا اسْتَطَعْتُمْ، إِنَّ هَذَا حَبَلُ اللَّهِ عز وجل، وَهُوَ النُّورُ الْمُبِينُ، وَالشِّفَاءُ النَّافِعُ، عِصْمَةٌ لِمَنْ تَمَسَّكَ بِهِ، وَنَجَاةٌ لِمَنْ تَبِعَهُ، لَا يَعْوَجُّ فَيُقَوَّمُ، وَلَا يَزِيغُ فَيُسْتَعْتَبُ، وَلَا تَنْقَضِي عَجَائِبُهُ، وَلَا يَخْلُقُ عَلَى كَثْرَةِ الرَّدِّ؛ فَاتْلُوهُ، فَإِنَّ اللَّهَ يَأْجُرُكُمْ عَلَى تِلَاوَتِهِ بِكُلِّ حَرْفٍ عَشْرَ حَسَنَاتٍ، أَمَا إِنِّي لَا أَقُولُ {الم} [البقرة: 1] وَلَكِنْ أَلِفٌ عَشْرٌ، وَلَامٌ عَشْرٌ، وَمِيمٌ عَشْرٌ "
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবুল ইয়াকজান আম্মার ইবন মুহাম্মাদ আস-সাওরি অথবা অন্য কেউ, তিনি আবু ইসহাক আল-হাজারি হতে (عن), তিনি আবু আল-আহওয়াস হতে (عن), তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ হতে (عن), ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে (عن) বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই এই কুরআন আল্লাহর একটি দস্তরখান; সুতরাং তোমরা তাঁর এই দস্তরখান থেকে সাধ্যমতো শিক্ষা গ্রহণ করো। নিশ্চয়ই এই কুরআন আল্লাহর রশি, এবং এটি সুস্পষ্ট নূর ও কল্যাণকর নিরাময়। যে একে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে তার জন্য এটি সুরক্ষা এবং যে একে অনুসরণ করে তার জন্য এটি মুক্তি। এটি কখনও বাঁকা হয় না যে তাকে সোজা করতে হবে, এবং এটি সত্য থেকে বিচ্যুত হয় না যে এর জন্য ওজরখাহি (সংশোধন) করতে হবে। এর বিস্ময়কর বিষয়গুলো কখনো শেষ হবে না এবং বারবার পাঠ করার ফলে এটি পুরোনো হবে না। অতএব তোমরা এটি তিলাওয়াত করো, কারণ আল্লাহ তোমাদের এর তিলাওয়াতের বিনিময়ে প্রতিটি অক্ষরের জন্য দশটি করে নেকি দান করবেন। জেনে রেখো, আমি বলছি না যে {আলিফ-লাম-মীম} [আল-বাকারাহ: ১] একটি অক্ষর; বরং আলিফ-এর জন্য দশ, লাম-এর জন্য দশ এবং মীম-এর জন্য দশটি নেকি রয়েছে।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا حَجَّاجٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ مَعْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ⦗ص: 51⦘ عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: «إِنَّ كُلَّ مُؤَدِّبٍ يُحِبُّ أَنْ يُؤْتَى أَدَبُهُ، وَإِنَّ أَدَبَ اللَّهِ الْقُرْآنُ»
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (ثنا) মুহাম্মদ বিন তালহা থেকে, তিনি মান বিন আব্দুর রহমান থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ তিনি তাঁর পিতা আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই প্রত্যেক শিষ্টাচার শিক্ষক পছন্দ করেন যে তাঁর নিকট থেকে শিষ্টাচার গ্রহণ করা হোক; আর আল্লাহর শিষ্টাচার হলো এই কুরআন।»
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَبَّارُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، قَالَ: مَرَّ أَعْرَابِيٌّ بِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، وَهُوَ يُقْرِئُ قَوْمًا الْقُرْآنَ، أَوْ قَالَ: وَعِنْدَهُ قَوْمٌ يَتَعَلَّمُونَ الْقُرْآنَ، فَقَالَ: مَا يَصْنَعُ هَؤُلَاءِ؟ فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: «يَقْتَسِمُونَ مِيرَاثَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم»
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু উবাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) উমর বিন আবদুর রহমান আল-আববার, আমাশ থেকে (عن) বর্ণিত, তিনি বলেন: জনৈক গ্রাম্য ব্যক্তি আবদুল্লাহ বিন মাসউদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন এমতাবস্থায় যে তিনি একদল লোককে কুরআন পাঠ করাচ্ছিলেন, অথবা তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তাঁর নিকট একদল লোক কুরআন শিখছিলেন। তখন সেই ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন: এরা কী করছে? ইবনে মাসউদ (রা.) বললেন: "তারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উত্তরাধিকার বণ্টন করছে।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي ⦗ص: 52⦘ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: «لَا يَسْأَلُ عَبْدٌ عَنْ نَفْسِهِ، إِلَّا الْقُرْآنَ، فَإِنْ كَانَ يُحِبُّ الْقُرْآنَ فَإِنَّهُ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ»
আমাদের নিকট আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন (حدثنا), ইসরাঈল থেকে (عن), আবু ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ ইসহাক থেকে (عن), আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ থেকে (عن), আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে (عن) বর্ণিত, তিনি বলেন: «কোনো বান্দা যেন নিজেকে (যাচাইয়ের জন্য) কুরআন ব্যতীত অন্য কিছু জিজ্ঞাসা না করে; কেননা যদি সে কুরআনকে ভালোবাসে, তবে সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকেও ভালোবাসে।»
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ كَانَ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ، فَيَمُرُّ بِالْآيَةِ، فَيَقُولُ لِلرَّجُلِ: «خُذْهَا، فَوَاللَّهِ لَهِيَ خَيْرٌ مِمَّا عَلَى الْأَرْضِ مِنْ شَيْءٍ»
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি কুরআন তিলাওয়াত করতেন। অতঃপর তিনি যখন কোনো আয়াতের নিকট পৌঁছাতেন, তখন কোনো ব্যক্তিকে বলতেন: "এটি গ্রহণ করো; আল্লাহর কসম, এটি পৃথিবীর ওপর থাকা যেকোনো কিছুর চেয়ে উত্তম।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ قَيْسٍ السَّكُونِيُّ، ⦗ص: 53⦘ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، يَقُولُ: «عَلَيْكُمْ بِالْقُرْآنِ فَتَعَلَّمُوهُ، وَعَلِّمُوهُ أَبْنَاءَكُمْ، فَإِنَّكُمْ عَنْهُ تُسْأَلُونَ، وَبِهِ تُجْزَوْنَ، وَكَفَى بِهِ وَاعِظًا لِمَنْ عَقَلَ»
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু উবাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) ইসমাইল বিন আইয়্যাশ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আমর বিন কায়স আস-সাকুনি, ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস-কে বলতে শুনেছি (سمعت), তিনি বলছিলেন: "তোমরা কুরআনকে আঁকড়ে ধরো এবং তা শিক্ষা করো, আর তোমাদের সন্তানদের তা শিক্ষা দাও; কেননা তোমাদেরকে কুরআন সম্পর্কেই জিজ্ঞাসা করা হবে এবং এরই মাধ্যমে তোমাদের প্রতিদান দেওয়া হবে। আর বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য উপদেশদাতা হিসেবে এটিই যথেষ্ট।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ الْمَسْعُودِيِّ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، قَالَ: مَلَّ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَلَّةً، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، حَدِّثْنَا. فَأَنْزَلَ اللَّهُ تبارك وتعالى: {اللَّهُ نَزَّلَ أَحْسَنَ الْحَدِيثِ} [الزمر: 23] قَالَ: ثُمَّ نَعَتَهُ فَقَالَ: {كِتَابًا مُتَشَابِهًا مَثَانِيَ تَقْشَعِرُّ مِنْهُ جُلُودُ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ ثُمَّ تَلِينُ جُلُودُهُمْ وَقُلُوبُهُمْ إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ} [الزمر: 23] إِلَى آخِرِ الْآيَةِ. قَالَ: ثُمَّ مَلُّوا مَلَّةً أُخْرَى، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، حَدِّثْنَا شَيْئًا فَوْقَ الْحَدِيثِ وَدُونَ الْقُرْآنِ، يَعْنُونَ الْقَصَصَ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تبارك وتعالى: {الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ} [يوسف: 1] إِلَى ⦗ص: 54⦘ قَوْلِهِ تَعَالَى: {نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ أَحْسَنَ الْقَصَصِ بِمَا أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ هَذَا الْقُرْآنَ وَإِنْ كُنْتَ مِنْ قَبْلِهِ لِمَنَ الْغَافِلِينَ} [يوسف: 3] قَالَ: فَإِنْ أَرَادُوا الْحَدِيثَ دَلَّهُمْ عَلَى أَحْسَنِ الْحَدِيثِ، وَإِنْ أَرَادُوا الْقَصَصَ دَلَّهُمْ عَلَى أَحْسَنِ الْقَصَصِ: الْقُرْآنِ
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মাসউদী থেকে বর্ণিত, আউন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ একবার ক্লান্তিবোধ করলেন, তখন তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন। তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা অবতীর্ণ করলেন: {আল্লাহ সর্বোত্তম হাদিস নাযিল করেছেন} [সুরা আল-যুমার: ২৩]। তিনি বলেন: এরপর তিনি এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে বললেন: {এমন এক কিতাব যা সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা বারবার পঠিত হয়; এতে তাদের চামড়া শিউরে ওঠে যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করে, অতঃপর তাদের চামড়া ও অন্তর আল্লাহর স্মরণে কোমল হয়} [সুরা আল-যুমার: ২৩] আয়াতের শেষ পর্যন্ত। তিনি বলেন: এরপর তারা পুনরায় ক্লান্তিবোধ করলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের হাদিসের ঊর্ধ্বে এবং কুরআনের নিচে এমন কিছু শোনান—অর্থাৎ তারা কাহিনী (قصص) শুনতে চেয়েছিলেন। তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা অবতীর্ণ করলেন: {আলিফ লাম রা, এগুলি সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত} [সুরা ইউসুফ: ১] থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ৫৪⦘ মহান আল্লাহর এই বাণী পর্যন্ত: {আমি তোমার নিকট সর্বোত্তম কাহিনী (قصص) বর্ণনা করছি এই কুরআন ওহি করার মাধ্যমে, যদিও এর আগে তুমি এ বিষয়ে অনবহিত ছিলে} [সুরা ইউসুফ: ৩]। তিনি বলেন: সুতরাং তারা যদি হাদিস শুনতে চায়, তবে তিনি (আল্লাহ) তাদের সর্বোত্তম হাদিসের পথ দেখিয়েছেন; আর যদি তারা কাহিনী (قصص) শুনতে চায়, তবে তিনি তাদের সর্বোত্তম কাহিনীর (قصص) পথ দেখিয়েছেন, আর তা হলো কুরআন।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَسْوَدِ الْمِصْرِيُّ، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الْمُصْعَبِ مِشْرَحِ بْنِ هَاعَانَ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَوْ كَانَ الْقُرْآنُ فِي إِهَابٍ، ثُمَّ أُلْقِيَ فِي النَّارِ مَا احْتَرَقَ» قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ: وَجْهُ هَذَا عِنْدَنَا أَنْ يَكُونَ أَرَادَ بِالْإِهَابِ قَلْبَ الْمُؤْمِنِ وَجَوْفَهُ الَّذِي قَدْ وَعَى الْقُرْآنَ
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবুল আসওয়াদ আল-মিসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে লাহিআহ থেকে, তিনি আবু মুসআব মিশরাহ ইবনে হাআন থেকে, তিনি উকবাহ ইবনে আমির আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যদি কুরআন কোনো চামড়ার আধারে থাকত, অতঃপর তা আগুনে নিক্ষেপ করা হতো, তবে তা দগ্ধ হতো না।" আবু উবাইদ বলেন: আমাদের নিকট এর তাৎপর্য হলো—তিনি 'চামড়া' দ্বারা মুমিনের হৃদয় ও তার অভ্যন্তরীণ সত্তাকে উদ্দেশ্য করেছেন, যা কুরআনকে ধারণ করেছে।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: ⦗ص: 57⦘ «مَا جَالَسَ أَحَدٌ الْقُرْآنَ إِلَّا فَارَقَهُ بِزِيَادَةٍ أَوْ نُقْصَانٍ» . قَالَ: ثُمَّ قَرَأَ: {وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ وَلَا يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إِلَّا خَسَارًا} [الإسراء: 82]
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা (حدثنا) করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে কাসীর আমাদের নিকট বর্ণনা (حدثنا) করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াকিদ হতে (عن), তিনি কাতাদাহ হতে (عن) বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ «কেউ কুরআনের সান্নিধ্যে বসে না, তবে সে (হিদায়াতের) বৃদ্ধি অথবা (বিভ্রান্তির) ঘাটতি নিয়েই সেখান হতে প্রস্থান করে»। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {আর আমি কুরআন হতে এমন বিষয় অবতীর্ণ করি যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত, কিন্তু তা জালিমদের জন্য কেবল ক্ষতিই বৃদ্ধি করে} [আল-ইসরা: ৮২]
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ ثنا النَّضْرُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ خَيْثَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: " عَلَيْكُمْ بِالشِّفَاءَيْنِ: الْقُرْآنِ وَالْعَسَلِ "
আমাদের নিকট আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন, আমাদের নিকট আন-নাদর ইবন ইসমাইল বর্ণনা করেছেন (ثنا), তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি খাইসামাহ ইবন আবদুর রহমান থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: "তোমরা দুটি আরোগ্যদানকারী বিষয়কে নিজেদের জন্য অপরিহার্য করে নাও: কুরআন এবং মধু।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ وَاصِلٍ الْأَحْدَبِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: ⦗ص: 58⦘ مَرَّتِ امْرَأَةٌ عَلَى عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ عليه السلام، فَقَالَتْ: طُوبَى لِحِجْرٍ حَمَلَكَ، وَلِثَدْيَيْنِ رَضَعْتَ مِنْهُمَا فَقَالَ عِيسَى: «طُوبَى لِمَنْ قَرَأَ كِتَابَ اللَّهِ ثُمَّ اتَّبَعَ مَا فِيهِ»
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান আমাদের নিকট সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ওয়াসিল আল-আহদাব থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ জনৈক নারী ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালাম-এর নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: “ধন্য সেই কোল যা আপনাকে বহন করেছে এবং সেই স্তনদ্বয় যা থেকে আপনি দুগ্ধপান করেছেন।” তখন ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন: “ধন্য সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর কিতাব পাঠ করে এবং অতঃপর তাতে যা আছে তা অনুসরণ করে।”
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ الْمِقْدَامِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ الرَّبَذِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ كَعْبٍ الْقُرَظِيَّ يَقُولُ فِي قَوْلِ اللَّهِ تبارك وتعالى {إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلْإِيمَانِ} [آل عمران: 193] قَالَ: «هُوَ الْقُرْآنُ، لَيْسَ كُلُّهُمْ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم»
আবু উবায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসআব ইবনুল মিকদাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মূসা ইবনে উবায়দাহ আর-রাবাজি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে কাব আল-কুরাজিকে মহান ও বরকতময় আল্লাহর বাণী—{নিশ্চয়ই আমরা এক আহ্বানকারীকে ঈমানের দিকে আহ্বান করতে শুনেছি} [আলে ইমরান: ১৯৩]—প্রসঙ্গে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: "তা হলো কুরআন; তাদের সকলেই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেননি।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلَالِ بْنِ يَسَافٍ، ⦗ص: 59⦘ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ} [يونس: 58] قَالَ: «الْإِسْلَامُ» ، {وَبِرَحْمَتِهِ} [يونس: 58] قَالَ: «الْقُرْآنُ»
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু উবাইদ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবদুর রহমান, তিনি সুফিয়ান থেকে (عن), তিনি মনসুর থেকে (عن), তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে (عن), ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ আল্লাহ তাআলার এই বাণী সম্পর্কে: {বলুন, আল্লাহর অনুগ্রহে} [ইউনুস: ৫৮] তিনি বলেন: «তা হলো ইসলাম», এবং {ও তাঁর রহমতে} [ইউনুস: ৫৮] তিনি বলেন: «তা হলো কুরআন»।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عَطِيَّةِ الْعَوْفِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ} [يونس: 58] قَالَ: «الْقُرْآنُ» ، {وَبِرَحْمَتِهِ} [يونس: 58] قَالَ: «أَنْ جَعَلَكُمْ مِنْ أَهْلِهِ»
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আবু উবাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا) আল-হুসাইন বিন আল-হাসান বিন আতিয়্যাহ, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে (عن), তিনি তাঁর দাদা আতিয়্যাহ আল-আওফির সূত্রে (عن), ইবনে আব্বাস থেকে (عن), আল্লাহ তাআলার এই বাণী প্রসঙ্গে: {বলুন, আল্লাহর অনুগ্রহে} [ইউনুস: ৫৮], তিনি বলেন: «কুরআন», এবং {তাঁর দয়ায়} [ইউনুস: ৫৮] প্রসঙ্গে তিনি বলেন: «তা হলো তোমাদেরকে এর অন্তর্ভুক্ত করা»।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، فِي قَوْلِهِ عز وجل: {يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهِ مَنْ يَشَاءُ} [البقرة: 105] قَالَ: «الْقُرْآنُ وَالْإِسْلَامُ» . وَفِي قَوْلِهِ: {فَإِنْ زَلَلْتُمْ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَتْكُمُ الْبَيِّنَاتُ} [البقرة: 209] قَالَ: «الْإِسْلَامُ وَالْقُرْآنُ»
আমাদের নিকট আবু উবায়েদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে জুরায়জ থেকে বর্ণনা করেছেন; মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী— {তিনি যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমতের জন্য মনোনীত করেন} [আল-বাকারা: ১০৫] প্রসঙ্গে তিনি বলেন: “আল-কুরআন ও ইসলাম।” এবং আল্লাহর এই বাণী প্রসঙ্গে— {তোমাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণসমূহ আসার পর যদি তোমাদের পদস্খলন ঘটে} [আল-বাকারা: ২০৯] তিনি বলেন: “ইসলাম ও আল-কুরআন।”
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৬০)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {إِنَّهُ لَقُرْآنٌ كَرِيمٌ. فِي كِتَابٍ مَكْنُونٍ. لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ} [الواقعة: 78] قَالَ: «الْمَلَائِكَةُ»
আমাদের নিকট আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন আমাদের নিকট হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি ইবনে জুরাইজ হতে (عن), তিনি মুজাহিদ হতে (عن) মহান আল্লাহর বাণী: {নিশ্চয় এটি এক সম্মানিত কুরআন। যা সুরক্ষিত কিতাবে রয়েছে। পবিত্রগণ ব্যতীত কেউ তা স্পর্শ করে না।} [আল-ওয়াকিআ: ৭৮] সম্পর্কে বলেন: «ফেরেশতাগণ»।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৬১)
بَابُ فَضْلِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنَ وَالِاسْتِمَاعِ إِلَيْهِ
কুরআন তিলাওয়াত ও তা শ্রবণ করার ফজিলত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৬১)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عُبَيْدٍ الطَّنَافِسِيُّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ السَّبِيعِيِّ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: " تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ وَاتْلُوهُ، فَإِنَّكُمْ تُؤْجَرُونَ فِيهِ بِكُلِّ حَرْفٍ عَشْرَ حَسَنَاتٍ. أَمَا إِنِّي لَا أَقُولُ {الم} [البقرة: 1] ، وَلَكِنْ أَلِفٌ وَلَامٌ وَمِيمٌ ". حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، أَنَّ عَاصِمَ ابْنَ بَهْدَلَةَ، أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ⦗ص: 62⦘ مَسْعُودٍ، مِثْلَ ذَلِكَ إِلَّا أَنَّهُ قَالَ: «أَلْفٌ وَلَامٌ وَمِيمٌ ثَلَاثُونَ سَنَةً» . حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، مِثْلَ ذَلِكَ
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), উমর ইবন উবাইদ আত-তানাফিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি আবু ইসহাক আস-সাবি'ঈ থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "তোমরা কুরআন শিক্ষা করো এবং তা তিলাওয়াত করো, কেননা এর প্রতিটি অক্ষরের বিনিময়ে তোমাদের দশটি করে নেকি প্রদান করা হবে। সাবধান! আমি বলছি না যে {الم} [আল-বাকারা: ১] একটি অক্ষর; বরং আলিফ, লাম এবং মিম (পৃথক পৃথক অক্ষর)।" আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), ইবন জুরাইজ থেকে, তিনি বলেন: আতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন (أخبرني) যে, আসিম ইবন বাহদালা তাকে সংবাদ দিয়েছেন (أخبره) আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন ⦗পৃষ্ঠা: ৬২⦘ মাসউদ থেকে অনুরূপ (مثل ذلك) বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি বলেছেন: "আলিফ, লাম এবং মিম হলো ত্রিশটি বছর (سنة)।" আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), শু'বা থেকে, তিনি আতা ইবনুস সাইব থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে অনুরূপ (مثل ذلك) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৬২)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ: قِيلَ لِعَبْدِ اللَّهِ: إِنَّكَ لَتُقِلُّ الصَّوْمَ؟ قَالَ: «إِنَّهُ يُضْعِفُنِي عَنْ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ، وَقِرَاءَةُ الْقُرْآنِ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْهُ»
আবু উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি বলেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), আল-আ’মাশ থেকে (عن), তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে (عن); তিনি বলেন: আবদুল্লাহকে বলা হলো: “নিশ্চয়ই আপনি রোজা খুব কম রাখেন?” তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই এটি আমাকে কুরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে দুর্বল করে দেয়, আর কুরআন তিলাওয়াত আমার নিকট এর চেয়ে অধিক প্রিয়।”
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৬২)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ ثنا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «مَنْ سَمِعَ آيَةً مِنْ كِتَابِ اللَّهِ عز وجل تُتْلَى كَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
আবু উবায়েদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا); তিনি বলেন, হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (حدثنا), তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে (عن) বর্ণনা করেন; তিনি বলেন, ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন: "যে ব্যক্তি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কিতাব থেকে কোনো আয়াত তিলাওয়াত করতে শুনবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য একটি নূর হবে।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَبَاحٍ، وَيَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ، قَالَ: بَيْنَا هُوَ يَقْرَأُ مِنَ الْقُرْآنِ بِسُورَةِ الْبَقَرَةِ، وَفَرَسُهُ مَرْبُوطَةٌ عِنْدَهُ، إِذْ جَالَتِ الْفَرَسُ، فَسَكَتَ فَسَكَنَتْ، ثُمَّ قَرَأَ فَجَالَتِ الْفَرَسُ، فَسَكَتَ فَسَكَنَتْ، ثُمَّ قَرَأَ فَجَالَتِ الْفَرَسُ، فَسَكَتَ فَسَكَنَتْ، ثُمَّ قَرَأَ فَجَالَتْ، فَانْصَرَفَ إِلَى ابْنِهِ يَحْيَى، وَكَانَ قَرِيبًا مِنْهَا، فَأَشْفَقَ أَنْ تُصِيبَهُ، فَلَمَّا اجْتَرَّهُ، رَفَعَ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ، فَإِذَا هُوَ بِمِثْلِ الظُّلَّةِ، فِيهَا أَمْثَالُ الْمَصَابِيحِ عَرَجَتْ إِلَى السَّمَاءِ حَتَّى مَا يَرَاهَا، فَلَمَّا أَصْبَحَ حَدَّثَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَتَدْرِي مَا ذَاكَ» ؟ قَالَ: لَا يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «تِلْكَ الْمَلَائِكَةُ دَنَتْ لِصَوْتِكَ، وَلَوْ ⦗ص: 64⦘ قَرَأْتَ لَأَصْبَحَتْ يَنْظُرُ النَّاسُ إِلَيْهَا لَا تَتَوَارَى مِنْهُمْ» . قَالَ ابْنُ الْهَادِ: وَحَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَبَّابٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ بِهَذَا الْحَدِيثِ. حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ اللَّيْثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ، ⦗ص: 65⦘ أَنَّهُ كَانَ عَلَى ظَهْرِ بَيْتِهِ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ، وَهُوَ حَسَنُ الصَّوْتِ، ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَ هَذَا الْحَدِيثِ. حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ مِثْلَ هَذَا قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، بَيْنَا أَنَا أَقْرَأُ الْبَارِحَةَ بِسُورَةٍ، فَلَمَّا انْتَهَيْتُ إِلَى آخِرِهَا سَمِعْتُ رَجَّةً مِنْ خَلْفِي حَتَّى ظَنَنْتُ أَنَّ فَرَسِي تُطْلَقُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اقْرَأْ أَبَا عَتِيكٍ» مَرَّتَيْنِ، قَالَ: فَالْتَفَتُّ إِلَى أَمْثَالِ الْمَصَابِيحِ ، مِلْءُ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اقْرَأْ أَبَا عَتِيكٍ» . فَقَالَ: وَاللَّهِ مَا اسْتَطَعْتُ أَنْ أَمْضِيَ. فَقَالَ: «تِلْكَ الْمَلَائِكَةُ نَزَلَتْ لِقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ، أَمَا إِنَّكَ لَوْ مَضَيْتَ لَرَأَيْتَ الْأَعَاجِيبَ»
আবু উবাইদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা (حدثنا) করেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে সাবাহ এবং ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উসামা ইবনুল হাদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল হারিস আত-তাইমি থেকে, তিনি উসাইদ ইবনে হুদাইর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (উসাইদ) বলেন: একদা তিনি কুরআন থেকে সূরা আল-বাকারাহ তিলাওয়াত করছিলেন, আর তার নিকট তার ঘোড়াটি বাঁধা ছিল। হঠাৎ ঘোড়াটি অস্থির হয়ে উঠল। তিনি চুপ হয়ে গেলেন, ফলে ঘোড়াটিও শান্ত হলো। পুনরায় তিনি তিলাওয়াত করলেন এবং ঘোড়াটিও অস্থির হয়ে উঠল। তিনি চুপ হয়ে গেলেন এবং ঘোড়াটিও শান্ত হলো। পুনরায় তিনি তিলাওয়াত করলেন এবং ঘোড়াটিও অস্থির হয়ে উঠল। তিনি চুপ হয়ে গেলেন এবং ঘোড়াটিও শান্ত হলো। পুনরায় তিনি তিলাওয়াত করলেন এবং ঘোড়াটি (আবার) অস্থির হলো। তখন তিনি তার পুত্র ইয়াহইয়ার কাছে গেলেন, যে ঘোড়াটির নিকটেই ছিল। তিনি ভয় পাচ্ছিলেন যে ঘোড়াটি তাকে আঘাত করতে পারে। যখন তিনি তাকে সরিয়ে আনলেন, তখন তিনি আকাশের দিকে মাথা তুললেন। হঠাৎ তিনি মেঘের ছায়ার মতো কিছু দেখতে পেলেন যার মধ্যে প্রদীপের মতো বস্তুসমূহ ছিল। সেগুলো আকাশের দিকে আরোহণ করল এমনকি তিনি আর তা দেখতে পেলেন না। যখন ভোর হলো, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সে সম্পর্কে অবহিত করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তুমি কি জানো ওটা কী ছিল?" তিনি বললেন: না, হে আল্লাহর রাসূল। তিনি (সা.) বললেন: "ওগুলো ছিল ফেরেশতা, যারা তোমার কণ্ঠস্বরের কারণে নিকটবর্তী হয়েছিল। আর যদি ⦗পৃষ্ঠা: ৬৪⦘ তুমি তিলাওয়াত চালিয়ে যেতে, তবে ভোরে মানুষ তাদের দেখতে পেত, তারা মানুষের দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য হতো না।" ইবনুল হাদ বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে খাব্বাব আমার নিকট আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে, তিনি উসাইদ ইবনে হুদাইর থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা (حدثني) করেছেন। আবু উবাইদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা (حدثنا) করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা (ثنا) করেছেন লাইস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে, তিনি উসাইদ ইবনে হুদাইর থেকে বর্ণনা করেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৬৫⦘ যে তিনি তার ঘরের ছাদের ওপর কুরআন তিলাওয়াত করছিলেন এবং তিনি সুকণ্ঠের অধিকারী ছিলেন। এরপর তিনি এই হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। আবু উবাইদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা (حدثنا) করেছেন, কাবিসা ইবনে উকবা আমাদের নিকট বর্ণনা (حدثنا) করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লাইলা থেকে, তিনি উসাইদ ইবনে হুদাইর থেকে এই হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, গত রাতে আমি যখন একটি সূরা তিলাওয়াত করছিলাম, যখন আমি এর শেষ প্রান্তে পৌঁছালাম, তখন আমার পেছন থেকে একটি ঘড়ঘড় শব্দ শুনলাম, এমনকি আমি মনে করলাম আমার ঘোড়াটি বুঝি ছুটে যাচ্ছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "হে আবু আতিক, পড়তে থাকো," তিনি দুইবার এ কথা বললেন। উসাইদ (রা.) বলেন: তখন আমি প্রদীপের মতো কিছু বস্তুর দিকে তাকালাম যা আকাশ ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থান পূর্ণ করে ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "হে আবু আতিক, পড়তে থাকো।" তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ, আমি আর চালিয়ে যেতে সক্ষম ছিলাম না। তখন তিনি (সা.) বললেন: "ওগুলো ফেরেশতা ছিল যারা কুরআন তিলাওয়াতের জন্য অবতরণ করেছিল। জেনে রেখো, যদি তুমি চালিয়ে যেতে তবে অবশ্যই বিস্ময়কর অনেক কিছু দেখতে পেতে।"
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَبَّادٍ، ⦗ص: 66⦘ عَنْ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، عَنْ عَمِّهِ جَرِيرِ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ أَشْيَاخَ أَهْلِ الْمَدِينَةِ حَدَّثُوهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قِيلَ لَهُ: أَلَمْ تَرَ ثَابِتَ بْنَ قَيْسِ بْنِ شَمَّاسٍ لَمْ تَزَلْ دَارُهُ الْبَارِحَةَ تُزْهِرُ مَصَابِيحَ؟ قَالَ: «فَلَعَلَّهُ قَرَأَ بِسُورَةِ الْبَقَرَةِ» . قَالَ: فَسُئِلَ ثَابِتٌ ، فَقَالَ: قَرَأْتُ سُورَةَ الْبَقَرَةِ
আমাদের নিকট আবু উবাইদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্বাদ ইবনে আব্বাদ বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৬৬⦘ জারির ইবনে হাজিম থেকে, তিনি তাঁর চাচা জারির ইবনে যাইদ থেকে বর্ণনা করেন যে, মদিনার প্রবীণ ব্যক্তিবর্গ (أشياخ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হলো: “আপনি কি সাবিত ইবনে কায়েস ইবনে শামমাসকে দেখেননি যে গত রাতে তাঁর ঘর প্রদীপের ন্যায় উজ্জ্বল হয়ে ছিল?” তিনি বললেন: “সম্ভবত তিনি সূরা আল-বাকারা পাঠ করছিলেন।” বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর সাবিতকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: “আমি সূরা আল-বাকারা পাঠ করছিলাম।”
(খণ্ড: ১)
ফাযায়িলুল কুরআন - আবু উবাইদ
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
بَابُ فَضْلِ الْحَضِّ عَلَى الْقُرْآنِ وَالْإِيصَاءِ بِهِ وَإِيثَارِهِ عَلَى مَا سِوَاهُ
কুরআনের প্রতি উৎসাহিত করা, এর প্রতি অসিয়ত করা এবং অন্য সবকিছুর ওপর একে অগ্রাধিকার প্রদানের মর্যাদা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ