(খণ্ড: ১) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: -)
مسند أبي يعلى - ت حسين أسد   (أبو يعلى الموصلي)

القسم: كتب السنة

الكتاب: مسند أبي يعلى

المؤلف: أبو يعلى أحمد بن علي بن المثُنى بن يحيى بن عيسى بن هلال التميمي، الموصلي (ت 307 هـ)

المحقق: حسين سليم أسد [ت 1443 هـ]

الناشر: دار المأمون للتراث - دمشق

الطبعة: الأولى، 1404 - 1984

عدد الأجزاء: 13

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 28 ربيع الأول 1433

মুসনাদে আবি ইয়ালা - তাহকীক: হুসাইন আসাদ   (আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ

কিতাব: মুসনাদে আবি ইয়ালা

লেখক: আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলি বিন আল-মুসান্না বিন ইয়াহইয়া বিন ঈসা বিন হিলাল আত-তামিমি, আল-মাওসিলি (মৃত ৩০৭ হি.)

গবেষক: হুসাইন সেলিম আসাদ [মৃত ১৪৪৩ হি.]

প্রকাশক: দারুল মামুন লিত-তুরাস - দামেস্ক

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৪ - ১৯৮৪

খণ্ড সংখ্যা: ১৩

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩

(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ৫)
مُسْنَدُ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ
তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহর মুসনাদ
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌629 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ بْنِ قُدَامَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «لِيَجْعَلْ أَحَدُكُمْ بَيْنَ يَدَيْهِ مِثْلَ مُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ ثُمَّ يُصَلِّي»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده حسن
৬২৯ - আবু ইয়ালা আহমদ ইবন আলী ইবন আল-মুসান্না আল-মাওসিলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উবায়দুল্লাহ ইবন উমর আল-কাওয়ারীরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান ইবন মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়িদাহ ইবন কুদামাহ থেকে, তিনি সিমাক ইবন হারব থেকে, তিনি মুসা ইবন তালহা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: «তোমাদের কেউ যেন তার সামনে সওয়ারির পালানের পেছনের অংশের মতো কিছু রাখে, অতঃপর সালাত আদায় করে।»

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ হাসান
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ৬)
‌‌630 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عُبَيْدٍ الطَّنَافِسِيُّ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كُنَّا نُصَلِّي وَالدَّوَابُّ تَمُرُّ بَيْنَ أَيْدِينَا، فَذَكَرْنَا ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «مِثْلُ مُؤْخِرَةِ الرَّحْلِ يَكُونُ بَيْنَ يَدَيْ أَحَدِكُمْ، ثُمَّ لَا يَضُرُّهُ مَا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده حسن
৬৩০ - উবায়দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে উবায়দ আত-তনাফিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি মুসা ইবনে তালহা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা সালাত আদায় করছিলাম এবং চতুষ্পদ জন্তুসমূহ আমাদের সামনে দিয়ে যাতায়াত করছিল। অতঃপর আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন: "তোমাদের কারো সামনে যদি উটের হাওদার পিছনের কাঠের মতো (সুত্রা) থাকে, তবে এরপর তার সামনে দিয়ে যা-ই অতিক্রম করুক না কেন তাতে তার কোনো ক্ষতি হবে না।"

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ হাসান।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌631 - حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ سُكَيْنِ بْنِ سُخَيْتٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَيُّوبَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ عِيسَى بْنِ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، قَالَ: حَدَّثَنِي مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» قَالَ الْفَضْلُ: كَانَ سُلَيْمَانُ هَذَا كُوفِيًّا ثِقَةً

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف ، ومتن الحديث متواتر
631 - আল-ফাদল ইবনে সুকাইন ইবনে সুখাইত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুলায়মান ইবনে আইয়ুব ইবনে সুলায়মান ইবনে ঈসা ইবনে মুসা ইবনে তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসা ইবনে তালহা আমার নিকট তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসন নির্ধারণ করে নেয়।» আল-ফাদল বলেন: এই সুলায়মান কুফাবাসী এবং নির্ভরযোগ্য ছিলেন।

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ দুর্বল, তবে হাদিসের মূল পাঠ (মতন) মুতাওয়াতির।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌632 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَرْعَرَةَ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مَوْلًى لِمُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، أَوْ عَنِ ابْنٍ لِمُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: «كَانَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ مِنْ أَلْبَانِ الْإِبِلِ، وَلُحُومِهَا وَلَا يُصَلِّي فِي أَعْطَانِهَا، وَلَا يَتَوَضَّأُ مِنْ لُحُومِ الْغَنَمِ وَأَلْبَانِهَا، وَيُصَلِّي فِي مَرَابِضِهَا»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف
৬৩২ - আমাদের নিকট ইব্রাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আরআরাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুতামির ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি মুসা ইবনে তালহার জনৈক মুক্তদাস অথবা মুসা ইবনে তালহার জনৈক পুত্র থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের দুধ এবং এর গোশত (আহারের) কারণে ওযু করতেন এবং উটের বিশ্রামস্থলে সালাত আদায় করতেন না। তবে তিনি বকরির গোশত এবং এর দুধের কারণে ওযু করতেন না এবং বকরির খোঁয়াড়ে সালাত আদায় করতেন।"

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর বর্ণনা সূত্র দুর্বল।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌633 - حَدَّثَنَا غَسَّانُ بْنُ الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي النَّصْرِ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، دَعَا بِمَاءٍ لِلْوُضُوءِ وَعِنْدَهُ الزُّبَيْرُ وَطَلْحَةُ وَعَلِيٌّ وَسَعْدٌ، ثُمَّ تَوَضَّأَ وَهُمْ يَنْظُرُونَ، وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ أَفْرَغَ عَلَى يَمِينِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، وَغَسَلَ شِمَالَهُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ، وَرَشَّ عَلَى رِجْلِهِ الْيُمْنَى، ثُمَّ غَسَلَهَا ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ رَشَّ عَلَى رِجْلِهِ الْيُسْرَى، ثُمَّ غَسَلَهَا ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ قَالَ لِلَّذِينَ حَضَرُوا: «أَنْشُدُكُمُ اللَّهَ، أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَتَوَضَّأُ كَمَا تَوَضَّأْتُ الْآنَ؟» قَالُوا: نَعَمْ، وَذَلِكَ لِشَيْءٍ بَلَغَهُ عَنْ وَضُوءِ قَوْمٍ

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف
633 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন গাসসান ইবনুর রবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস ইবনে সাদ, ইয়াজিদ ইবনে আবু হাবিব থেকে, তিনি আবুল নাসর থেকে বর্ণনা করেন যে, উসমান ইবনে আফফান ওযুর পানি চাইলেন এবং তাঁর নিকট তখন যুবায়ের, তালহা, আলী ও সাদ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) উপস্থিত ছিলেন। এরপর তিনি ওযু করলেন এবং তাঁরা তা দেখছিলেন। তিনি তাঁর মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করলেন, এরপর তাঁর ডান হাতের ওপর তিনবার (পানি) ঢাললেন এবং তাঁর বাম হাত তিনবার ধৌত করলেন, তাঁর মাথা মাসেহ করলেন, তাঁর ডান পায়ের ওপর পানি ছিটালেন এবং তা তিনবার ধৌত করলেন, অতঃপর তাঁর বাম পায়ের ওপর পানি ছিটালেন এবং তা তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তিনি সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের বললেন: «আমি আপনাদের আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি, আপনারা কি জানেন যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবেই ওযু করতেন যেভাবে আমি এখন ওযু করলাম?» তাঁরা বললেন: "হ্যাঁ।" আর এটি ছিল কোনো এক সম্প্রদায়ের ওযু সম্পর্কে তাঁর কাছে পৌঁছানো একটি সংবাদের কারণে।

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ দুর্বল।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌634 - حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، - قَالَ ابْنُ دَاوُدَ أَرَاهُ قَالَ: مَوْلًى لَنَا - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: أَتَى ثَلَاثَةُ نَفَرٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ يَكْفِينِي هَؤُلَاءِ؟» فَكَفَيتُهُمْ، فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْثًا، فَخَرَجَ رَجُلٌ مِنْهُمْ فَقُتِلَ، ثُمَّ مَكَثَ الْآخَرَانِ عِنْدِي، ثُمَّ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْثًا، وَخَرَجَ الْآخَرُ فَقُتِلَ، ثُمَّ مَكَثَ الْآخَرُ عِنْدِي، فَمَرِضَ، فَمَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ، قَالَ طَلْحَةُ: فَأُرِيتُهُمْ فِي الْمَنَامِ كَأَنَّ الَّذِي مَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ كَانَ أَوَّلَهُمْ دُخُولًا الْجَنَّةَ، وَآخِرُهُمْ دُخُولًا الَّذِي قُتِلَ أَوَّلَهُمْ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «وَمَا أَنْكَرْتَ مِنْ هَذَا؟ إِنَّ الْمُؤْمِنَ بِكَذَا وَكَذَا تَسْبِيحَةٍ»، قَالَ ابْنُ دَاوُدَ: هَذَا مَعْنَاهُ

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : رجاله رجال الصحيح
৬৩৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাওয়ারীরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে দাউদ, তালহা ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে — ইবনে দাউদ বলেন, আমি মনে করি তিনি বলেছেন: আমাদের একজন মুক্তদাস — তিনি আবদুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ থেকে, তিনি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তিনজন ব্যক্তি আসলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «কে আমার পক্ষ থেকে এদের দায়িত্ব গ্রহণ করবে?» আমি তাদের দায়িত্ব নিলাম। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাহিনী পাঠালেন, তখন তাদের একজন বের হলেন এবং নিহত হলেন। এরপর বাকি দুইজন আমার কাছে থাকলেন। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় একটি বাহিনী পাঠালেন, দ্বিতীয় জন বের হলেন এবং তিনিও নিহত হলেন। এরপর অবশিষ্ট ব্যক্তিটি আমার কাছে থাকলেন, পরে তিনি অসুস্থ হলেন এবং নিজ বিছানায় মৃত্যুবরণ করলেন। তালহা বলেন: আমি স্বপ্নে তাদের দেখলাম, যেন যে ব্যক্তি বিছানায় মারা গিয়েছিলেন তিনি তাদের মাঝে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করলেন, আর তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি প্রথমে নিহত হয়েছিলেন তিনি সবার শেষে প্রবেশ করলেন। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তা উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: «তুমি এতে কিসের বিস্ময় বোধ করছ? মুমিন ব্যক্তি এত এত তাসবিহ (পাঠ করার) কারণে (মর্যাদা লাভ করে)», ইবনে দাউদ বলেন: এটিই এর মর্মার্থ।

‌‌[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর বর্ণনাকারীগণ সহীহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌635 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كُنَّا مَعَ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَنَحْنُ حُرُمٌ، فَأُهْدِيَ لَهُ طَيْرٌ وَطَلْحَةُ رَاقِدٌ فَأَكَلَ بَعْضُنَا وَبَعْضُنَا تَوَرَّعَ، فَلَمَّا اسْتَيْقَظَ طَلْحَةُ وَفَّقَ مَنْ أَكَلَ وَقَالَ: «أَكَلْنَاهُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده صحيح
635 - উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারিরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির আমার নিকট মুআয ইবনে আবদুর রহমান আত-তাইমি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহর সাথে ছিলাম যখন আমরা ইহরাম অবস্থায় ছিলাম। তখন তাঁকে একটি পাখি উপহার দেওয়া হলো এবং তালহা তখন ঘুমন্ত ছিলেন। আমাদের কেউ কেউ তা খেল এবং কেউ কেউ (সন্দিহান হয়ে) বিরত থাকল। অতঃপর তালহা যখন জাগ্রত হলেন, তখন যারা খেয়েছিল তিনি তাদের সমর্থন করলেন এবং বললেন: "আমরা এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে খেয়েছি।"

[হুসাইন সেলিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ সহীহ
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌636 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَرْعَرَةَ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي أَنَسِ بْنِ أَبِي عَامِرٍ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، فَدَخَلَ عَلَيْهِ رَجُلٌ فَقَالَ: يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، مَا نَدْرِي هَذَا الْيَمَانِي أَعْلَمُ بِرَسُولِ اللَّهِ مِنْكُمْ، أَمْ هُوَ يَقُولُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ يَقُلْ؟ فَقَالَ: «وَاللَّهِ مَا نَشُكُّ أَنَّهُ سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ نَسْمَعْ، وَعَلِمَ مَا لَمْ نَعْلَمْ، إِنَّا كُنَّا أَقْوَامًا أَغْنِيَاءَ لَنَا بُيُوتَاتٌ وَأَهْلُونَ، وَكُنَّا نَأْتِي نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَرَفَيِ النَّهَارِ ثُمَّ نَرْجِعُ، وَكَانَ مِسْكِينًا لَا مَالَ لَهُ وَلَا أَهْلٌ، إِنَّمَا كَانَتْ يَدُهُ مَعَ يَدِ نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَكَانَ يَدُورُ مَعَهُ حَيْثُمَا دَارَ، فَمَا نَشُكُّ أَنَّهُ قَدْ عَلِمَ مَا لَمْ نَعْلَمْ وَسَمِعَ مَا لَمْ نَسْمَعْ، وَلَمْ نَجِدْ أَحَدًا فِيهِ خَيْرٌ يَقُولُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ يَقُلْ» يَعْنِي أَبَا هُرَيْرَةَ

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : رجاله ثقات
636 - ইব্রাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আরআরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওহাব ইবনে জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাককে বলতে শুনেছি, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম থেকে, তিনি আবু আনাস ইবনে আবু আমির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট প্রবেশ করে বলল: হে আবু মুহাম্মদ! আমরা বুঝতে পারছি না এই ইয়ামানী ব্যক্তি আপনাদের চেয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কে বেশি অবগত, নাকি তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নামে এমন কিছু বলছেন যা তিনি বলেননি? তখন তিনি বললেন: «আল্লাহর কসম, আমাদের এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে এমন কিছু শুনেছেন যা আমরা শুনিনি এবং এমন কিছু জেনেছেন যা আমরা জানিনি। আমরা ছিলাম সম্পদশালী লোক, আমাদের ঘরবাড়ি ও পরিবার-পরিজন ছিল; আমরা দিনের দুই প্রান্তে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসতাম এবং পুনরায় ফিরে যেতাম। আর তিনি ছিলেন একজন দরিদ্র মানুষ, যার কোনো সম্পদ ছিল না এবং কোনো পরিবারও ছিল না। তাঁর হাত কেবল আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাতের সাথেই থাকত এবং নবীজি যেখানেই যেতেন তিনি তাঁর সাথে সাথে থাকতেন। সুতরাং আমাদের কোনো সন্দেহ নেই যে তিনি অবশ্যই তা জেনেছেন যা আমরা জানিনি এবং তা শুনেছেন যা আমরা শুনিনি। আর আমরা এমন কোনো ভালো মানুষকে দেখিনি যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নামে এমন কিছু বলবে যা তিনি বলেননি» অর্থাৎ আবু হুরায়রা।

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌637 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا الْخِضْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَبِي عَامِرٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، فَقَالَ: يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، أَرَأَيْتَكَ هَذَا الْيَمَانِيَّ - أَوْ قَالَ: الْخِضْرَ: الْيَمَانِيَّ - هُوَ أَعْلَمُ بِحَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْكُمْ - يَعْنِي أَبَا هُرَيْرَةَ - نَسْمَعُ مِنْهُ أَشْيَاءَ لَا نَسْمَعْهَا مِنْكُمْ؟ فَقَالَ: أَمَّا أَنْ يَكُونَ قَدْ سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ نَسْمَعْ فَلَا أَشُكُّ، وَسَأُخْبِرُكَ عَنْ ذَلِكَ، «إِنَّا كُنَّا أَهْلَ بُيُوتٍ، وَكُنَّا إِنَّمَا نَأْتِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غُدْوَةً وَعَشِيَّةً، وَكَانَ مِسْكِينًا لَا مَالَ لَهُ، إِنَّمَا هُوَ عَلَى بَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَا أَشُكُّ أَنَّهُ قَدْ سَمِعَ مَا لَمْ نَسْمَعْ، وَهَلْ تَجِدُ أَحَدًا فِيهِ خَيْرٌ يَقُولُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ يَقُلْ؟»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : رجاله ثقات
৬৩৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাকিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-খিদর ইবনে মুহাম্মাদ আল-হাররানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে সালামাহ, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি মালিক ইবনে আবি আমির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহর কাছে এসে বলল: হে আবু মুহাম্মাদ, এই ইয়ামানি ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? — অথবা খিদর বলেছেন: ইয়ামানি — তিনি কি আপনাদের চেয়েও আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিস সম্পর্কে অধিক জ্ঞান রাখেন? — অর্থাৎ আবু হুরাইরাহ — আমরা তার কাছ থেকে এমন সব বিষয় শুনি যা আপনাদের থেকে শুনি না? তিনি বললেন: তিনি আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছ থেকে এমন কিছু শুনেছেন যা আমরা শুনিনি — এ ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আর আমি তোমাকে এর কারণ বলছি, «নিশ্চয়ই আমরা ছিলাম পরিবার-পরিজন সম্পন্ন লোক, এবং আমরা আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে কেবল সকাল ও সন্ধ্যায় আসতাম। আর তিনি ছিলেন একজন অভাবী মানুষ, যার কোনো ধন-সম্পদ ছিল না; তিনি সর্বদা আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দরজায় পড়ে থাকতেন। তাই আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, তিনি এমন কিছু শুনেছেন যা আমরা শুনিনি। আর তুমি কি এমন কোনো ভালো মানুষের দেখা পাবে, যে আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নামে এমন কথা বলবে যা তিনি বলেননি?»

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌638 - حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عُمَارَةَ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، وَحَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ تَعَجَّلَّ صَدَقَةَ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ سَنَتَيْنِ»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف جدا
৬৩৮ - হুমাইদ ইবন মাসআদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবন খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবন উমারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাকাম ইবন উতাইবাহ এবং হাবীব ইবন আবী সাবিত থেকে, তিনি মূসা ইবন তালহাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল-আব্বাস ইবন আব্দুল মুত্তালিবের সদাকাহ (যাকাত) দুই বছর অগ্রিম গ্রহণ করেছিলেন»

[হুসাইন সালীম আসাদের হুকুম] : এর সানাদ অত্যন্ত দুর্বল
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌639 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ النِّيلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبيهِ، قَالَ: مَرَرْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى قَوْمٍ فِي رُءُوسِ النَّخْلِ فَقَالَ: «مَا يَصْنَعُ هَؤُلَاءِ؟»، قَالُوا: يُلَقِّحُونَهُ، فَيُجْعَلُونَ الذِّكْرَ فِي الْأُنْثَى فَيَتَلَقَّحُ، قَالَ: «مَا أَظُنُّ ذَلِكَ يُغْنِي شَيْئًا» فَأَخَذُوا بِذَلِكَ فَتَرَكُوهُ، فَأُخْبِرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ فَقَالَ: «إِنْ كَانَ يَنْفَعُهُمْ فَلْيَصْنَعُوهُ فَإِنِّي إِنَّمَا ظَنَنْتُ ظَنًّا، فَلَا تُؤَاخِذُونِي بِالظَّنِّ، وَلَكِنْ إِذَا أَخْبَرْتُكُمْ عَنِ اللَّهِ بِشَيْءٍ فَخُذُوهُ، فَإِنِّي لَنْ أَكْذِبَ عَلَى اللَّهِ شَيْئًا»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده صحيح
৬৩৯ - ইবরাহীম ইবনুল হাজ্জাজ আন-নীলী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি মূসা ইবনে তালহা থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে খেজুর গাছের মাথায় অবস্থানরত একদল লোকের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি বললেন: «এরা কী করছে?», তারা বলল: তারা পরাগায়ন করছে, তারা পুরুষ রেণু স্ত্রী পুষ্পমঞ্জুরিতে স্থাপন করছে ফলে তা ফলবতী হচ্ছে। তিনি বললেন: «আমার মনে হয় না এটি কোনো উপকারে আসবে»। ফলে তারা তা মেনে নিয়ে পরাগায়ন ছেড়ে দিল। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে সংবাদ দেওয়া হলে তিনি বললেন: «যদি এটি তাদের উপকারে আসে তবে তারা যেন তা করে। আমি তো কেবল একটি ধারণা পোষণ করেছিলাম, সুতরাং নিছক ধারণার জন্য তোমরা আমাকে দায়ী করো না। কিন্তু আমি যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের কোনো কিছু জানাব তখন তা গ্রহণ করো, কেননা আমি আল্লাহর নামে কখনো মিথ্যা বলব না»

[হুসাইন সালীম আসাদের হুকুম] : এর সনদ সহীহ
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌640 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا مُجَالِدٌ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرِ، قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ، يَقُولُ لِطَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ: مَا لِي أَرَاكَ شَعِثْتَ وَاغْبَرَرْتَ مُذْ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، لَعَلَّهُ أَنَّ مَا بِكَ إِمَارَةُ ابْنِ عَمِّكَ؟ قَالَ: فَقَالَ: مَعَاذَ اللَّهِ: إِنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «إِنِّي لَأَعْلَمُ كَلِمَةً لَا يَقُولُهَا رَجُلٌ يَحْضُرْهُ الْمَوْتُ إِلَّا وَجَدَ رُوحَهُ لَهَا رَوْحًا حَتَّى تَخْرُجَ مِنْ جَسَدِهِ، وَكَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ» فَلَمْ أَسْأَلْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْهَا، وَلَمْ يُخْبِرْنِي بِهَا، فَذَاكَ الَّذِي دَخَلَنِي، قَالَ عُمَرُ: فَأَنَا أَعْلَمُهَا، قَالَ: فَلِلَّهِ الْحَمْدُ، فَمَا هِيَ؟ قَالَ: الْكَلِمَةُ الَّتِي قَالَهَا لِعَمِّهِ، قَالَ: صَدَقْتَ

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف
৬৪০ - আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুজালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাবী থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ওমর (রা.)-কে তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রা.)-এর উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তেকালের পর থেকে আমি আপনাকে কেন এমন আলুথালু চুলে ও ধূলিমলিন অবস্থায় দেখছি? সম্ভবত আপনার এই অবস্থার কারণ আপনার চাচাতো ভাইয়ের নেতৃত্ব লাভ করা?" তিনি বললেন: আল্লাহর পানাহ! (বরং কারণ হলো) আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: «আমি এমন একটি কালিমা জানি, মৃত্যু উপস্থিত হওয়ার সময় কোনো ব্যক্তি যদি তা পাঠ করে, তবে তার দেহ থেকে রূহ বের হওয়া পর্যন্ত সেটি তার রূহের জন্য প্রশান্তি বয়ে আনবে এবং কিয়ামতের দিন সেটি তার জন্য নূর হবে»। অথচ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিনি এবং তিনিও আমাকে তা বলে যাননি; এই আক্ষেপই আমার মনে বিঁধে আছে। ওমর (রা.) বললেন: আমি সেটি জানি। তিনি বললেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। সেটি কী? ওমর (রা.) বললেন: সেই কালিমা যা তিনি তাঁর চাচার (আবু তালিবের) মৃত্যুর সময় পেশ করেছিলেন। তিনি বললেন: আপনি সত্য বলেছেন।

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ দুর্বল।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৪)
‌‌641 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ حَيَّانَ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو زَيْدٍ الْحَرَشِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: سَمِعْتُ الشَّعْبِيَّ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ سُعْدَى، امْرَأَةِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ طَلْحَةَ، أَنَّهُ قَالَ: سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَلِمَةً لَمْ أَسْأَلْهُ عَنْهَا حَتَّى مَاتَ، أَوْ قُبِضَ، قَالَ: «إِنِّي لَأَعْلَمُ كَلِمَةً لَا يَقُولُهَا رَجُلٌ عِنْدَ مَوْتِهِ إِلَّا كَانَتْ لَهُ نُورًا فِي صَحِيفَتِهِ، وَإِنَّ رُوحَهُ وَجَسَدَهُ لَيَجِدَانِ لَهَا رَاحَةً عِنْدَ الْمَوْتِ» فَقَالَ عُمَرُ: إِنِّي لَأَعْلَمُهَا، هِيَ الْكَلِمَةُ الَّتِي أَرَادَ عَلَيْهَا عَمَّهُ، لَا أُرَاهَا إِلَّا إِيَّاهَا

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف
৬৪১ - মূসা ইবনে হাইয়ান আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যায়েদ আল-হারাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল থেকে, তিনি বলেন: আমি শা'বীকে এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি সু'দা (তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহর স্ত্রী) থেকে, তিনি তালহা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এমন একটি কালিমাহ (বাণী) শুনেছি যা সম্পর্কে তাঁর মৃত্যু বা ওফাত হওয়া পর্যন্ত আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করিনি। তিনি বলেছিলেন: «আমি অবশ্যই এমন একটি কালিমাহ জানি, যা কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর সময় পাঠ করলে তা তার আমলনামায় নূর হয়ে যাবে এবং মৃত্যুর সময় তার রূহ ও শরীর তার মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করবে» অতঃপর উমর (রা.) বললেন: আমি অবশ্যই তা জানি। এটি সেই কালিমাহ যা তিনি তাঁর চাচার (আবু তালিবের) থেকে চেয়েছিলেন; আমি একে সেটি ছাড়া অন্য কিছু মনে করি না।

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ দুর্বল।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৪)
‌‌642 - حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْقَنَّادُ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أُمِّهِ سُعْدَى الْمُرَيَّةِ قَالَتْ: مَرَّ عُمَرُ بِطَلْحَةَ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: مَا لِي أَرَاكَ مُكْتَئِبًا؟، أَيَسُوؤكَ إِمْرَةُ ابْنِ عَمِّكَ؟ قَالَ: لَا، وَلَكِنْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنِّي لَأَعْلَمُ كَلِمَةً لَا يَقُولُهَا عِنْدَ مَوْتِهِ إِلَّا كَانَتْ نُورًا لِصَحِيفَتِهِ، وَإِنَّ جَسَدَهُ وَرُوحَهُ لَيَجِدَانِ لَهَا رَوْحًا عِنْدَ الْمَوْتِ» فَقَالَ: أَنَا أَعْلَمُهَا، هِيَ الَّتِي أَرَادَ عَلَيْهَا عَمَّهُ، وَلَوْ عَلِمَ أَنَّ شَيْئًا أَنْجَى لَهُ مِنْهَا لَأَمَرَهُ

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده صحيح
‌৬৪২ - হারুন ইবন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব আল-কান্নাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মিসআর থেকে, তিনি ইসমাঈল ইবন আবী খালিদ থেকে, তিনি শা'বী থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবন তালহা থেকে, তিনি তাঁর মা সু'দা আল-মুরিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকালের পর উমর (রা.) তালহা (রা.)-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: কী ব্যাপার, আমি তোমাকে বিষণ্ণ দেখছি কেন? তোমার চাচাতো ভাইয়ের নেতৃত্ব কি তোমাকে মর্মাহত করেছে? তিনি বললেন: না, বরং আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আমি এমন একটি কালিমা জানি, মৃত্যুর সময় কোনো ব্যক্তি তা পাঠ করলে তা অবশ্যই তার আমলনামার জন্য নূর হয়ে যাবে এবং তার দেহ ও আত্মা মৃত্যুর সময় এর মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করবে।» তখন উমর (রা.) বললেন: আমি সেটি জানি। এটি সেই কালিমা যা তিনি তাঁর চাচার নিকট কামনা করেছিলেন। আর তিনি যদি জানতেন যে এর চেয়ে অধিক মুক্তিদায়ক আর কিছু আছে, তবে তিনি তাকে সেটিই নির্দেশ দিতেন।

‌‌[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সানাদ সহীহ।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌643 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ سَالِمٍ الْمَكِّيِّ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا، قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ بِحَلُوبَةٍ لِي، فَنَزَلْتُ عَلَى طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ فَقُلْتُ: إِنَّهُ لَا عِلْمَ لِي بِأَهْلِ السُّوقِ، فَلَوْ بِعْتَ لِي، فَقَالَ: «إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَبِيعَ حَاضِرٌ لِبَادٍ، وَلَكِنِ اذْهَبْ إِلَى السُّوقِ فَانْظُرْ مَنْ يُبَايِعُكَ فَشَاوِرْنِي حَتَّى آمُرَكَ أَوْ أَنْهَاكَ»
‌643 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদ আল-আলা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি সালিম আল-মাক্কি থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক বেদুইন বলেছেন: আমি আমার একটি দুগ্ধবতী পশু নিয়ে মদিনায় এলাম। এরপর আমি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহর নিকট অবস্থান করলাম এবং বললাম: বাজারবাসীদের সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই, আপনি যদি আমার হয়ে এটি বিক্রি করে দিতেন। তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো শহরবাসীকে গ্রামবাসীর হয়ে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। তবে তুমি বাজারে যাও এবং দেখো কে তোমার সাথে কেনাবেচা করতে চায়, এরপর আমার সাথে পরামর্শ করো যেন আমি তোমাকে নির্দেশ দিতে পারি অথবা নিষেধ করতে পারি»
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌644 - حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا سَالِمٌ أَبُو النَّضْرِ، عَنْ شَيْخٍ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ قَالَ: جَلَسَ إِلَيَّ وَأَنَا فِي مَسْجِدِ الْبَصْرَةِ فِي زَمَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ يُوسُفَ، وَفِي يَدِهِ عَصَاهُ وَصَحِيفَةٌ يَحْمِلُهَا فِي يَدِهِ، فَقَالَ: يَا عَبْدَ اللَّهِ، تَرَى هَذَا الْكِتَابَ نَافِعِي عِنْدَ صَاحِبِكُمْ هَذَا؟ قُلْتُ: وَمَا هَذَا ‌‌⦗ص: 17⦘ الْكِتَابُ؟ قَالَ: كِتَابٌ كَتَبَهُ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قُلْتُ: وَكَيْفَ كَتَبَهُ لَكُمْ؟ قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ مَعَ أَبِي، وَأَنَا غُلَامٌ شَابٌّ فِي إِبِلٍ جَلَبْنَاهَا إِلَى الْمَدِينَةِ لِنَبِيعَهَا، قَالَ: وَكَانَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ صَدِيقًا لِأَبِي فَنَزَلْنَا عَلَيْهِ، فَقَالَ أَبِي: أَبَا مُحَمَّدٍ، اخْرُجْ مَعَنَا فَبِعْ لَنَا ظَهْرَنَا، فَإِنَّهُ لَا عِلْمَ لَنَا بِهَذِهِ السُّوقِ، قَالَ: أَمَّا أَنْ أَبِيعَ لَكَ فَلَا، إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَبِيعَ حَاضِرٌ لِبَادٍ، وَلَكِنْ سَأَخْرُجُ مَعَكُمَا إِلَى السُّوقِ، فَإِذَا رَضِيتُ لَكُمَا رَجُلًا مِمَّنْ يُبَايعُكُمَا أَمَرْتُكُمَا بِبَيْعِهِ، قَالَ: فَخَرَجْنَا وَخَرَجَ مَعَنَا، فَجَلَسَ فِي نَاحِيَةٍ مِنَ السُّوقِ، وَسَاوَمَنَا الرِّجَالُ بِظَهْرِنَا، حَتَّى إِذَا أَعْطَانَا رَجُلٌ مَا يُرْضِينَا أَتَيْنَاهُ فَاسْتَأْمَرْنَاهُ فِي بَيْعِهِ، فَقَالَ: نَعَمْ، فَبَايَعُوهُ فَقَدْ رَضِيتُ لَكُمَا وَفَاءَهُ وَمَلَأَهُ، قَالَ: فَبَايَعْنَاهُ، وَأَخَذْنَا الَّذِي لَنَا، فَقَالَ لَهُ أَبِي: خُذْ لَنَا كِتَابًا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ لَا يَتَعَدَّى عَلَيْنَا فِي صَدَقَاتِنَا، قَالَ: ذَاكَ لِكُلِّ مُسْلِمٍ، فَقُلْنَا: وَإِنْ كَانَ، قَالَ: فَمَشَى بِنَا فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذَيْنِ يُحِبَّانِ أَنْ تَكْتُبَ لَهُمَا أَنْ لَا يُتَعَدَّى عَلَيْهِمَا فِي صَدَقَاتِهِمَا، قَالَ: «ذَاكَ لِكُلِّ مُسْلِمٍ»، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّهُمَا يُحِبَّانِ أَنْ يَكُونَ عِنْدَهُمَا مِنْكَ كِتَابٌ، قَالَ: فَكَتَبَ لَهُمَا هَذَا الْكِتَابَ، فَتَرَاهُ نَافِعِي عِنْدَ صَاحِبِكُمْ هَذَا، فَقَدْ وَاللَّهِ تَعَدَّى عَلَيْنَا فِي صَدَقَاتِنَا؟ قَالَ: قُلْتُ: لَا أَظُنُّ وَاللَّهِ

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : رجاله ثقات
৬৪৪ - আল-কাওয়ারীরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে যুরাই' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিম আবু আন-নাদর বনী তামীম গোত্রের জনৈক বৃদ্ধ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের শাসনামলে আমি যখন বসরার মসজিদে ছিলাম, তখন তিনি আমার কাছে বসলেন। তাঁর হাতে ছিল একটি লাঠি এবং একটি লিপি যা তিনি হাতে ধরে রেখেছিলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর বান্দা, তুমি কি মনে করো এই কিতাবটি তোমাদের এই শাসকের কাছে আমার কোনো উপকারে আসবে? আমি বললাম: এই ⦗পৃষ্ঠা: ১৭⦘ কিতাবটি কী? তিনি বললেন: এটি একটি কিতাব যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য লিখে দিয়েছিলেন। আমি বললাম: তিনি কীভাবে এটি আপনাদের জন্য লিখেছিলেন? তিনি বললেন: আমি আমার পিতার সাথে মদিনায় এসেছিলাম, তখন আমি ছিলাম এক তরুণ যুবক। আমরা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কিছু উট মদিনায় নিয়ে এসেছিলাম। তিনি বললেন: তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ আমার পিতার বন্ধু ছিলেন, তাই আমরা তাঁর কাছে অবস্থান করলাম। অতঃপর আমার পিতা বললেন: হে আবু মুহাম্মদ, আমাদের সাথে বের হোন এবং আমাদের এই সওয়ারি পশুগুলো বিক্রি করে দিন; কারণ এই বাজার সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। তিনি বললেন: আমি তোমাদের পক্ষ হয়ে বিক্রি করতে পারব না, কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো শহরবাসীকে গ্রামবাসীর পণ্য বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। তবে আমি তোমাদের সাথে বাজারে যাব। যখন তোমাদের থেকে ক্রয় করতে ইচ্ছুক কোনো ব্যক্তিকে আমি পছন্দ করব, তখন তোমাদেরকে তার কাছে বিক্রির নির্দেশ দেব। তিনি বললেন: অতঃপর আমরা বের হলাম এবং তিনিও আমাদের সাথে বের হলেন। তিনি বাজারের এক পাশে বসলেন এবং মানুষ আমাদের পশুর দাম করতে লাগল। অবশেষে যখন এক ব্যক্তি আমাদের সন্তুষ্টি অনুযায়ী দাম হাঁকাল, তখন আমরা তাঁর কাছে এসে বিক্রির অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেন: হ্যাঁ, তার কাছে বিক্রি করো, কারণ আমি তোমাদের জন্য তার বিশ্বস্ততা ও আর্থিক সচ্ছলতার ব্যাপারে সন্তুষ্ট। তিনি বললেন: অতঃপর আমরা তার কাছে বিক্রি করলাম এবং আমাদের প্রাপ্য বুঝে নিলাম। এরপর আমার পিতা তাঁকে বললেন: আমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে একটি পত্র লিখিয়ে নিন যাতে আমাদের ওপর যাকাত আদায়ে সীমা লঙ্ঘন করা না হয়। তিনি বললেন: এটা তো প্রত্যেক মুসলিমের জন্যই (প্রযোজ্য)। আমরা বললাম: তবুও। তিনি বললেন: অতঃপর তিনি আমাদের সাথে নিয়ে চললেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এরা দু'জন চান যে আপনি তাদের জন্য লিখে দিন যেন তাদের যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে সীমা লঙ্ঘন করা না হয়। তিনি বললেন: "এটা তো প্রত্যেক মুসলিমের জন্যই"। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তারা দু'জন পছন্দ করছেন যে তাদের কাছে আপনার পক্ষ থেকে একটি কিতাব থাকুক। তিনি বললেন: অতঃপর তিনি তাদের জন্য এই কিতাবটি লিখে দিলেন। (বৃদ্ধ বললেন) তবে তুমি কি মনে করো এটি তোমাদের এই শাসকের কাছে আমার কোনো উপকারে আসবে? কারণ আল্লাহর কসম, সে আমাদের ওপর যাকাত আদায়ে সীমা লঙ্ঘন করেছে। আমি বললাম: আল্লাহর কসম, আমি তা মনে করি না।

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌645 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْوَرْدِ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي مُلَيْكَةَ، يَقُولُ: كَانَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ يَقُولُ: لَا أُخْبِرُكُمْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِشَيْءٍ إِلَّا أَنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ مِنْ صَالِحِي قُرَيْشٍ، وَنِعْمَ أَهْلُ الْبَيْتِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَأَمُّ عَبْدِ اللَّهِ، وَعَبْدُ اللَّهِ»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف لانقطاعه
৬৪৫ - আমাদের নিকট আব্দুল আ’লা ইবনে হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল জব্বার ইবনুল ওয়ার্দ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আবি মুলাইকাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ বলতেন: আমি তোমাদের নিকট আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো কিছু বর্ণনা করব না, তবে আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: "আমর ইবনুল আস কুরাইশদের নেককার ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত। আর আবু আব্দুল্লাহ, উম্মু আব্দুল্লাহ এবং আব্দুল্লাহ—এই পরিবারের সদস্যগণ কতই না উত্তম!"

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে দুর্বল।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌646 - حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْوَرْدِ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ: قَالَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ مِنْ صَالِحِي قُرَيْشٍ، وَنِعْمَ أَهْلُ الْبَيْتِ عَبْدُ اللَّهِ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ، وَأَمُّ عَبْدِ اللَّهِ»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف لانقطاعه
৬৪৬ - আমাদের নিকট যুহাইর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল জব্বার ইবনুল ওয়ারদ বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবী মুলায়কা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আমর ইবনুল আস কুরাইশদের নেককার ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত; আর আবদুল্লাহ, আবু আবদুল্লাহ এবং উম্মে আবদুল্লাহ কতই না চমৎকার পরিবার!»

[হুসাইন সেলিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ দুর্বল, কারণ এটি বিচ্ছিন্ন।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌647 - حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ: قَالَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّ عَمْرَو بْنَ الْعَاصِ مِنْ صَالِحِي قُرَيْشٍ، وَنِعْمَ أَهْلُ الْبَيْتِ عَبْدُ اللَّهِ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ، وَأَمُّ عَبْدِ اللَّهِ»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف لانقطاعه
৬৪৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাওয়ারীরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে মাহদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল জাব্বার, ইবনে আবী মুলাইকাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আমর ইবনুল আস কুরাইশদের নেককারদের অন্তর্ভুক্ত; আর আব্দুল্লাহ, আবু আব্দুল্লাহ এবং উম্মে আব্দুল্লাহ কতই না উত্তম পরিবারের সদস্য!»

[হুসাইন সেলিম আসাদের সিদ্ধান্ত] : এর সনদ দুর্বল, কারণ এতে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌648 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ، أَخْبَرَنِي مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلَيْنِ مِنْ بُلِيٍّ أَسْلَمَا، فَقُتِلَ أَحَدُهُمَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَأُخِّرَ الْآخَرُ بَعْدَ الْمَقْتُولِ سَنَةً ثُمَّ مَاتَ، قَالَ طَلْحَةُ: رَأَيْتُ الْجَنَّةَ فِي الْمَنَامِ، فَرَأَيْتُ الْآخِرَ مِنَ الرِّجْلَيْنِ أُدْخِلَ الْجَنَّةَ قَبْلَ الْأَوَّلِ، فَأَصْبَحْتُ فَحَدَّثْتُ النَّاسَ بِذَلِكَ، فَبَلَغَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «أَلَيْسَ قَدْ صَامَ بَعْدَهُ رَمَضَانَ، وَصَلَّى بَعْدَهُ سِتَّةَ آلَافِ رَكْعَةٍ، وَكَذَا وَكَذَا رَكْعَةً؟»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : رجاله رجال الصحيح
৬৪৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল—অর্থাৎ ইবনে জাফর, তিনি বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ—অর্থাৎ ইবনে আমর, আবু সালামাহ থেকে, তিনি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, বুলি গোত্রের দুই ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তাদের একজন আল্লাহর পথে শহীদ হলেন এবং অপরজন নিহতের এক বছর পর পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন, এরপর মৃত্যুবরণ করলেন। তালহা বলেন: আমি স্বপ্নে জান্নাত দেখলাম। সেখানে দেখলাম যে ব্যক্তি পরে মারা গিয়েছেন তাকে প্রথম ব্যক্তির আগে জান্নাতে প্রবেশ করানো হলো। পরদিন সকালে আমি মানুষের নিকট তা বর্ণনা করলাম। বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছালে তিনি বললেন: "সে কি তার পরে রমজানের রোজা রাখেনি এবং তার পরে ছয় হাজার রাকাত এবং আরও এত এত রাকাত সালাত আদায় করেনি?"

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর বর্ণনাকারীগণ সহীহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌649 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، قَالَا: حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ، قَالَ: «لَمْ يَبْقَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي تِلْكَ الْأَيَّامِ الَّتِي كَانَ يُقَاتِلُ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَيرُ طَلْحَةَ وَسَعْدٍ، عَنْ حَدِيثِهِمَا»

‌‌⦗ص: 21⦘

 

‌‌650 - وَحَدَّثَنَا عِدَّةُ، عَنْ مُعْتَمِرٍ، بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده صحيح
৬৪৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদ আল-আ’লা এবং মুহাম্মদ ইবন আবু বকর আল-মুকাদ্দামী, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মু’তামির ইবন সুলায়মান, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসমান, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দিনগুলোতে যুদ্ধ করেছিলেন, সেই দিনগুলোতে তাঁর সাথে তালহা এবং সা’দ ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট ছিলেন না—এটি তাঁদের বর্ণিত হাদীস থেকে সংগৃহীত।»

‌‌⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘

 

‌‌৬৫০ - এবং আমাদের নিকট একাধিক বর্ণনাকারী মু’তামির থেকে তাঁর সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

‌‌[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ সহীহ।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌651 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنْ يَحْيَى، وَعِيسَى ابْنَيْ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِمَا، قَالَ: مُرَّ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِبَعِيرٍ قَدْ وُسِمَ فِي وَجْهِهِ فَقَالَ: «لَوْ أَنَّ أَهْلَ هَذَا الْبَعِيرِ عَزَلُوا النَّارَ عَنْ هَذِهِ الدَّابَّةِ؟» قَالَ: فَقُلْتُ: لَأَسِمَنَّ فِي أَبْعَدِ مَكَانٍ مِنْ وَجْهِهَا، قَالَ: «فَوَسَمْتُ فِي عَجْبِ الذَّنَبِ»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده صحيح
৬৫১ - আবু কুরায়ব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউনুস বিন বুকায়র আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তালহা বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ইয়াহইয়া এবং ঈসা বিন তালহা থেকে, তাঁরা তাঁদের পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দিয়ে একটি উট নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল যার মুখে আগুনের দাগ দেওয়া হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: «এই উটের মালিকরা যদি এই পশুর মুখ থেকে আগুন দূরে রাখত (অর্থাৎ মুখে দাগ না দিত)?» তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: তখন আমি বললাম: আমি অবশ্যই এর মুখ থেকে দূরতম স্থানে দাগ দেব। তিনি বলেন: «অতঃপর আমি লেজের গোড়ায় দাগ দিলাম।»

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সানাদ সহীহ।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌652 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا مُجَمِّعُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مَوْهَبٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ عَلِمْنَا كَيْفَ السَّلَامُ عَلَيْكَ، فَكَيْفَ الصَّلَاةُ؟ قَالَ: " قُولُوا: اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ "

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده صحيح
৬৫২ - আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে বিশর আল-আবদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুজাম্মি ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে মাওহাব থেকে, তিনি মুসা ইবনে তালহা থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার প্রতি সালাম পেশ করার পদ্ধতি তো আমরা জেনেছি, কিন্তু আপনার প্রতি সালাত (দরুদ) পাঠ করব কিভাবে? তিনি বললেন: "তোমরা বলো: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারবর্গের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমনিভাবে আপনি রহমত বর্ষণ করেছেন ইব্রাহিম ও ইব্রাহিমের পরিবারবর্গের ওপর; নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। আর আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারবর্গের ওপর বরকত দান করুন, যেমনিভাবে আপনি বরকত দান করেছেন ইব্রাহিম ও ইব্রাহিমের পরিবারবর্গের ওপর; নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।"

[হুসাইন সালিম আসাদের সিদ্ধান্ত] : এর সনদ সহিহ
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌653 - حَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا مُجَمِّعُ بْنُ يَحْيَى الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مَوْهَبٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَيْفَ الصَّلَاةُ عَلَيْكَ؟ فَقَالَ: «قُلِ اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ»

 

‌‌654 - حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّازُ، وَغَيْرُهُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ، بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده صحيح
৬৫৩ - আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বিশর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুজাম্মি‘ ইবনে ইয়াহইয়া আল-আনসারী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে মাওহাব, মুসা ইবনে তালহা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার ওপর কীভাবে সালাত পাঠ করতে হবে? তিনি বললেন: «বলো: হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদের ওপর সালাত বর্ষণ করুন যেমন আপনি ইবরাহীমের ওপর সালাত বর্ষণ করেছেন, নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। আর আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর বরকত নাযিল করুন যেমন আপনি ইবরাহীম ও ইবরাহীমের পরিবারের ওপর বরকত নাযিল করেছেন, নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত»

 

‌৬৫৪ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুসা হারুন ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বায্যায এবং অন্যান্যরা, মুহাম্মদ ইবনে বিশর থেকে, তাঁর সনদে অনুরূপ।

‌[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ সহীহ
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌655 - حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا مُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ عَبْثَرُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ طَلْحَةَ، قَالَ: رَأَى عُمَرُ، طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ حَزِينًا فَقَالَ: مَا لِكَ؟ قَالَ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنِّي لَأَعْلَمُ كَلِمَاتٍ لَا يَقُولُهُنَّ عَبْدٌ عِنْدَ الْمَوْتِ إِلَّا نُفِّسَ عَنْهُ، وَأَشْرَقَ لَوْنُهُ، وَرَأَى مَا يَسُرُّهُ» فَمَا مَنَعَنِي أَنْ أَسْأَلَهُ عَنْهَا إِلَّا الْقُدْرَةُ عَلَيْهَا، فَقَالَ عُمَرُ: إِنِّي لَأَعْلَمُ مَا هِيَ، قَالَ طَلْحَةُ: «مَا هِيَ؟» قَالَ: هَلْ تَعْلَمُ كَلِمَةً هِيَ أَفْضَلُ مِنْ كَلِمَةٍ دَعَا إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَمَّهُ عِنْدَ الْمَوْتِ؟ قَالَ طَلْحَةُ: هِيَ وَاللَّهِ هِيَ، قَالَ عُمَرُ: «لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده صحيح
৬৫৫ - আমাদের নিকট আবু খাইসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুআল্লা ইবনে মনসুর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু জুবাইদ আবসার ইবনুল কাসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুতাররিফ বর্ণনা করেছেন, তিনি আমির থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে তালহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর (রা.) তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রা.)-কে বিষণ্ণ অবস্থায় দেখলেন এবং বললেন, "আপনার কী হয়েছে?" তিনি বললেন, "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: 'আমি অবশ্যই এমন কিছু বাক্য জানি যা কোনো বান্দা মৃত্যুর সময় পাঠ করলে তার উৎকণ্ঠা দূর হয়ে যায়, তার চেহারা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং সে এমন কিছু দেখতে পায় যা তাকে আনন্দিত করে।' কিন্তু আমি তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করার সুযোগ পাওয়ার আগেই (তা অতিক্রান্ত হয়ে গেল)।" অতঃপর উমর (রা.) বললেন, "আমি জানি সেটি কী।" তালহা (রা.) বললেন, "সেটি কী?" তিনি বললেন, "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর চাচাকে মৃত্যুর সময় যে কালিমার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন, আপনি কি তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোনো বাক্য সম্পর্কে জানেন?" তালহা (রা.) বললেন, "আল্লাহর কসম, সেটিই সেই কালিমা।" উমর (রা.) বললেন, "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই)।"

[হুসাইন সালিম আসাদের সিদ্ধান্ত]: এর সনদ সহিহ।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌656 - حَدَّثَنَا مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، حَدَّثَنَا شَيْخٌ، لَنَا، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنْ مُحِلٍّ أَصَابَ صَيْدًا أَيَأْكُلُهُ الْمُحْرِمُ؟ قَالَ: «نَعَمْ»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : إسناده ضعيف
৬৫৬ - মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান থেকে, মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, আমাদের একজন শায়খ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জনৈক ইহরামমুক্ত ব্যক্তির শিকার করা পশু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন যে, ইহরাম অবস্থায় থাকা ব্যক্তি কি তা খেতে পারবে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

[হুসাইন সালিম আসাদের হুকুম] : এর সনদ দুর্বল।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌657 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، حَدَّثَنَا شَيْخٌ لَنَا، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنْ مُحِلٍّ أَصَابَ صَيْدًا، أَيَأْكُلُهُ الْمُحْرِمُ؟ قَالَ: «نَعَمْ»
৬৫৭ - উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান বিন মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির থেকে বর্ণিত, আমাদের এক শায়খ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তালহা বিন উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জনৈক ইহরামমুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক শিকার করা জন্তু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন যে, ইহরামকারী ব্যক্তি কি তা খেতে পারবে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ"।
(খণ্ড: ২) মুসনাদু আবী ইয়ালা - তাহকীক হুসাইন আসাদ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌658 - حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ، قَالَ: خَرَجْنَا حُجَّاجًا مَعَ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَأُتِينَا بِصَيْدٍ، فَأَكَلَ بَعْضُنَا وَتَرَكَ بَعْضٌ، فَقَامَ مِنْ نَوْمَتِهِ، وَكَانَ نَائِمًا، فَأَخْبَرْنَاهُ، فَقَالَ: «أَحْسَنَ مَنْ أَكَلَ، قَدْ أَكَلْنَاهُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»

‌‌[حكم حسين سليم أسد] : بشر بن الوليد الكندي ضعفه بعضهم ووثقه الدارقطني وباقي رجاله رجال الصحيح
৬৫র - বিশর ইবনুল ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফুলইহ ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে উসমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহর সাথে হজ্জ পালনকারী হিসেবে বের হলাম। আমাদের নিকট শিকারকৃত পশু আনা হলো; তখন আমাদের কেউ কেউ তা খেল এবং কেউ কেউ বিরত থাকল। তিনি (তালহা) ঘুমন্ত ছিলেন, অতঃপর যখন জাগ্রত হলেন তখন আমরা তাকে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন: "যে খেয়েছে সে উত্তম কাজ করেছে, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এটি খেয়েছি।"

[হুসাইন সালিম আসাদের মন্তব্য] : বিশর ইবনুল ওয়ালিদ আল-কিন্দিকে কেউ কেউ দুর্বল বলেছেন এবং দারা কুতনী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন; আর এর অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ সহীহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী।