(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: -)
أحاديث القراءة في صلاة الفجر جمعا ودراسة القسم: مسائل فقهية
الكتاب: أحاديث القراءة في صلاة الفجر جمعاً ودراسة
المؤلف: إبراهيم بن علي بن عبيد العبيد
الناشر: الجامعة الاسلامية بالمدينة المنورة
الطبعة: السنة 33 - العدد - 113 - 1421هـ/2001م
عدد الصفحات: 292
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ: সংকলন ও পর্যালোচনা বিভাগ: ফিকহী মাসআলাসমূহ
কিতাব: ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ: সংকলন ও পর্যালোচনা
লেখক: ইব্রাহিম বিন আলী বিন উবাইদ আল-উবাইদ
প্রকাশক: মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
সংস্করণ: ৩৩তম বর্ষ - সংখ্যা - ১১৩ - ১৪২১ হিজরি/২০০১ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯২
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১১)
أحاديث القراءة في صلاة الفجر جمعا ودراسة
إعداد
د. إبراهيم بن علي العبيد
الأستاذ المشارك في كلية الحديث والدراسات الإسلامية
ال
مقدمةإن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له وأشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمد عبده ورسوله.
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلَاّ وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} 1.
{يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيباً} 2.
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلاً سَدِيداً يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزاً عَظِيماً} 3.
أما بعد:
فهذا بحث متواضع في القراءة في صلاة الفجر جمعت فيه الأحاديث الواردة في القراءة في صلاة الفجر وسميته:
"أحاديث القراءة في صلاة الفجر جمعاً ودراسة"
وقسمته إلى مقدمة وثلاثة مباحث هي:
المبحث الأول: أحاديث القراءة في صلاة الفجر.
المبحث الثاني: أحاديث القراءة في صلاة الفجر يوم الجمعة.
--------------------------------------------
ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ: সংকলন ও বিশ্লেষণ
প্রস্তুতকরণে
ড. ইবরাহীম বিন আলী আল-উবাইদ
হাদিস ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক
ভূ
মিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের অকল্যাণ এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে হেদায়েত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল।
{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} ১।
{হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন আর তাঁদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যার দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।} ২।
{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে।} ৩।
অতঃপর:
এটি ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত একটি বিনম্র গবেষণা, এতে আমি ফজর সালাতে কিরাত সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহ সংকলন করেছি এবং এর নাম দিয়েছি:
"ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ: সংকলন ও বিশ্লেষণ"
আমি একে একটি ভূমিকা ও তিনটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত করেছি, যা হলো:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জুমার দিন ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১২)
المبحث الثالث: أحاديث القراءة في الصلاة غير مقيدة بالفجر ولا غيرها.
وخاتمة اشتملت على أهم النتائج في هذا البحث.
وقد جمعت مادة هذا البحث من كتب السنة من مضانها مع تخريجها والحكم عليها بناءً على قواعد المحدثين، فإن كان الحديث في الصحيحين أو أحدهما فإني أكتفي بالعزو إلى من أخرجه من أصحاب الكتب الستة دون غيرهم فإن لم يكن في الصحيحين أو أحدهما فإني أجتهد في تخريجه من دواوين السنة الصحاح والسنن والمسانيد والمعاجم وكتب الزوائد وغيرها.
- أرتب الأحاديث في كل مبحث على حسب درجتها الصحيحة فالحسنة فالضعيفة مالم يكن له شاهد من الأحاديث الصحيحة أو الحسنة فإني أجعله عقبه للعلاقة بينهما.
- إذا صح الحديث من أحد طرقه فإني لا ألتزم الحكم على جميع طرق الحديث اكتفاءً بصحته.
- أنقل أقوال أهل العلم في الحكم على الحديث إن وجدت.
-إذا كان ضعف الحديث ظاهراً فإني لا أستطرد في الكلام عليه.
-أترجم للرواة الذين تدعو الحاجة إلى الترجمة لهم -كمن يدور عليه الحكم على الحديث- من كتاب الكاشف للحافظ الذهبي والتقريب للحافظ ابن حجر مالم أخالفهما بناءً على كلام حفاظ آخرين فإني أبين ذلك.
- إذا لم يكن الراوي من رجال التقريب والكاشف فإني أترجم له من كتب الجرح والتعديل الأخرى.
- أبين الغريب الذي يحتاج إلى بيان من كتب الغريب واللغة.
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: নামাজে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ যা ফজর বা অন্য কোনো ওয়াক্তের সাথে নির্দিষ্ট নয়।
এবং একটি উপসংহার যা এই গবেষণার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে।
আমি এই গবেষণার উপকরণসমূহ সুন্নাহর কিতাবসমূহের মূল উৎস থেকে সংগ্রহ করেছি, পাশাপাশি মুহাদ্দিসগণের নীতিমালার আলোকে সেগুলোর উৎস নির্ণয় (تخريج) এবং সেগুলোর ওপর মানদণ্ড নির্ধারণ (الحكم عليها) করেছি। যদি হাদিসটি সহিহাইন অথবা উভয়ের কোনো একটিতে থাকে, তবে আমি কুতুবে সিত্তাহর অন্তর্ভুক্ত অন্য সংকলকদের সূত্র উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়েছি। আর যদি হাদিসটি সহিহাইন-এর কোনোটিতে না থাকে, তবে আমি সুন্নাহর সংকলনসমূহ যেমন সহিহ গ্রন্থসমূহ, সুনান, মুসনাদসমূহ, মা'জামসমূহ, যাওয়ায়েদ গ্রন্থসমূহ এবং অন্যান্য উৎস থেকে এর উৎস নির্ণয়ে (تخريج) সচেষ্ট হয়েছি।
- আমি প্রতিটি পরিচ্ছেদে হাদিসগুলোকে তাদের মান অনুযায়ী ক্রমানুসারে সাজিয়েছি; প্রথমে সহিহ (صحيحة), এরপর হাসান (حسنة) এবং এরপর দুর্বল (ضعيفة)। তবে কোনো দুর্বল হাদিসের যদি সহিহ (صحيحة) অথবা হাসান (حسنة) হাদিস থেকে কোনো সমর্থক বর্ণনা (شاهد) থাকে, তবে উভয়ের মধ্যকার সম্পর্কের কারণে আমি সেটিকে তার পরপরই উল্লেখ করেছি।
- যদি কোনো হাদিস তার কোনো একটি সূত্রের (طرق) মাধ্যমে সহিহ (صح) বলে প্রমাণিত হয়, তবে তার সহিহ হওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট মনে করে আমি উক্ত হাদিসের সকল সূত্রের (طرق) ওপর বিধান প্রদানের আবশ্যকতা পালন করিনি।
- হাদিসের ওপর বিধান প্রদানের (الحكم) ক্ষেত্রে আলেমগণের বক্তব্য পাওয়া গেলে আমি তা উদ্ধৃত করেছি।
- যদি হাদিসের দুর্বলতা (ضعف) স্পষ্ট হয়, তবে আমি সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করিনি।
- আমি প্রয়োজনীয় বর্ণনাকারীদের (رواة) জীবনী আলোচনা করেছি—যেমন যাদের ওপর হাদিসের বিধান (الحكم) নির্ভর করে—হাফিজ যাহাবীর আল-কাশিফ এবং হাফিজ ইবনে হাজারের আত-তাকরিব গ্রন্থ থেকে; যতক্ষণ না অন্য হাফিজগণের (حفاظ) বক্তব্যের ভিত্তিতে আমি তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করি, যা আমি পরবর্তীতে স্পষ্ট করেছি।
- যদি বর্ণনাকারী (الراوي) তাকরিব এবং কাশিফ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত না হন, তবে আমি অন্যান্য জারহ ও তা'দিল (الجرح والتعديل) বিষয়ক গ্রন্থসমূহ থেকে তার জীবনী আলোচনা করেছি।
- যেসব অস্পষ্ট শব্দের (الغريب) ব্যাখ্যা প্রয়োজন, আমি গারিবুল হাদিস ও ভাষার অভিধানসমূহ থেকে তা স্পষ্ট করেছি।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১৩)
- عمل الفهارس العلمية.
- فهرس المصادر والمراجع.
- فهرس المواضيع.
هذا وقد بذلت جهدي في إخراج هذا البحث فما كان فيه من صواب فمن توفيق الله عز وجل وما كان فيه من خطأ فأسأل الله العفو والتوفيق للصواب إنه ولي ذلك والقادر عليه.
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
গবেষণামূলক নির্ঘণ্ট প্রস্তুতকরণ।
- উৎস ও তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট।
- বিষয়সূচি।
এই গবেষণাপত্রটি উপস্থাপনে আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এতে যা কিছু সঠিক রয়েছে তা মহান আল্লাহর তাওফিকেরই ফল, আর যা কিছু ভুল-ত্রুটি হয়েছে সে জন্য আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং সঠিক বিষয় উপলব্ধির তাওফিক কামনা করছি। নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।
আল্লাহ তাআলা আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১৪)
المبحث الأول: الأحاديث الواردة في القراءة في صلاة الفجر[1] الحديث الأول:
عن أبي برزة الأسلمي رضي الله عنه "أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في الفجر مابين الستين إلى المائة آية".
أخرجه البخاري1 ومسلم2 وأبو داود3 والنسائي4 وابن ماجه5 من طرق عن أبي المنهال6 عن أبي برزة به.
[2] الحديث الثاني:
عن أم سلمة رضي الله عنها قالت: "شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أشتكي" قال: "طوفي من وراء الناس وأنت راكبة" فطفت ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي إلى جنب البيت يقرأ بـ {وَالطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ} "7.
أخرجه البخاري8 ومسلم9 وأبو داود10 عن محمد بن عبد الرحمن والنسائي11 عن أبي الأسود وابن ماجه12 عن محمد بن عبد الرحمن كلاهما عن عروة عن
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদ: ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত বর্ণিত হাদিসসমূহ[১] প্রথম হাদিস:
আবু বারযা আল-আসলামি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।"
এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ। তারা সকলে আবু আল-মিনহালের মাধ্যমে আবু বারযা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
[২] দ্বিতীয় হাদিস:
উম্মে সালামা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আমার অসুস্থতার অভিযোগ করলাম।" তিনি বললেন: "তুমি আরোহী অবস্থায় মানুষের পেছন দিয়ে তাওয়াফ করো।" অতঃপর আমি তাওয়াফ করলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবার পাশে সালাত আদায় করছিলেন এবং {ওয়াত-তুর, ওয়া কিতাবিম মাসতুর} তিলাওয়াত করছিলেন।
এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি, মুসলিম এবং আবু দাউদ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, নাসাঈ আবুল আসওয়াদ থেকে এবং ইবনে মাজাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে। তারা উভয়ে উরওয়া থেকে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১৫)
زينب بنت أبي سلمة1 عن أم سلمة به.
وفي لفظ للبخاري2 من طريق هشام عن عروة عن أم سلمة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم: "إذا أقيمت صلاة الصبح فطوفي على بعيرك والناس يصلون، ففعلت ذلك فلم تصل حتى خرجت".
فبين هشام في هذه الرواية عن عروة أن الصلاة كانت صلاة الصبح.
وفي رواية لابن خزيمة3 أنها صلاة العشاء من طريق ابن وهب عن مالك وابن لهيعة عن أبي4 الأسود عن عروة بن الزبير عن زينب عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت: "
… فسمعته يقرأ في العشاء الآخرة وهو يصلي بالناس {وَالطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ} " 5.
لكن بين الحافظ ابن حجر6 أن هذه الرواية شاذة لما ذكر رواية البخاري التي ليس فيها ذكر الصبح فقال: لكن تبين ذلك -أي أن الصلاة صلاة
--------------------------------------------
জয়নাব বিনতে আবি সালামা
১ উম্মে সালামা (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
বুখারি
২-এর এক পাঠে হিশামের সূত্রে উরওয়াহ হতে এবং তিনি উম্মে সালামা (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছিলেন: "যখন ফজরের নামাজের ইকামত দেয়া হবে, তখন তুমি তোমার উটের পিঠে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করো এমতাবস্থায় যে মানুষ নামাজ পড়তে থাকবে।" তিনি তা-ই করলেন এবং (মক্কা থেকে) বের না হওয়া পর্যন্ত তিনি নামাজ আদায় করেননি।
হিশাম উরওয়াহ থেকে বর্ণিত এই বর্ণনায় (رواية) স্পষ্ট করেছেন যে, সেই নামাজটি ছিল ফজরের নামাজ।
ইবনে খুজাইমা
৩-এর এক বর্ণনায় (رواية) এসেছে যে, সেটি ছিল এশার নামাজ। এটি ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে মালিক ও ইবনে লাহিয়া হতে, তারা আবুল আসওয়াদ
৪ হতে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল জুবায়ের হতে, তিনি জয়নাব হতে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালামা (রা.) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: "
… আমি তাঁকে লোকজনকে নিয়ে এশার নামাজ পড়ানোর সময় পাঠ করতে শুনেছি: {শপথ তূর পর্বতের এবং শপথ লিখিত কিতাবের} "
৫।
তবে হাফেজ ইবনে হাজার
৬ স্পষ্ট করেছেন যে, এই বর্ণনাটি (رواية) ব্যতিক্রমী (شاذة), কারণ তিনি বুখারি-এর সেই বর্ণনাটি (رواية) উল্লেখ করেছেন যাতে ফজরের কোনো উল্লেখ নেই। তিনি বলেছেন: তবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে—অর্থাৎ নামাজটি ছিল...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১৬)
الصبح- من رواية أخرى أوردها بعد ستة أبواب1 من طريق يحي بن أبي زكريا الغساني عن هشام بن عروة عن أبيه ولفظه فقال: "إذا أقيمت الصلاة للصبح فطوفي
… ".
وهكذا أخرجه الإسماعيلي من رواية حسان بن إبراهيم عن هشام.
وأما ما أخرجه ابن خزيمة من طريق ابن وهب عن مالك وابن لهيعة جميعاً عن أبي الأسود في هذا الحديث قال فيه: "قالت وهو يقرأ في العشاء الآخرة" فشاذ وأظن سياقه لفظ ابن لهيعة لأن ابن وهب رواه في الموطأ2 عن مالك فلم يعين الصلاة كما رواه أصحاب مالك كلهم أخرجه الدارقطني في الموطأت له من طرق كثيرة عن مالك، منها رواية ابن وهب المذكورة، وإذا تقرر ذلك فابن لهيعة لا يحتج به إذا أنفرد فكيف إذا خالف. وعرف بهذا اندفاع الإعتراض الذي حكاه ابن التين عن بعض المالكية حيث أنكر أن تكون الصلاة المذكورة صلاة الصبح فقال: "ليس في الحديث بيانها، والأولى أن تحمل على النافلة لأن الطواف يمتنع إذا كان الإمام في صلاة الفريضة" انتهى3. وهو رد للحديث الصحيح بغير حجة ا-هـ.
[3] الحديث الثالث:
عن أبي قتادة رضي الله عنه قال: "كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الركعتين الأوليين من صلاة الظهر بفاتحة الكتاب وسورتين يطول في الأولى ويقصر في الثانية ويسمع الآية أحياناً وكان يقرأ في العصر بفاتحة الكتاب وسورتين وكان يطول في الأولى
--------------------------------------------
ফজর- অন্য একটি বর্ণনায় যা তিনি ছয়টি অধ্যায় ১ পরে ইয়াহইয়া বিন আবু জাকারিয়া আল-গাসসানি-এর সূত্রে হিশাম বিন উরওয়াহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন এবং এর শব্দাবলি হলো: তিনি বললেন: "যখন ফজরের নামাজের ইকামত দেয়া হবে, তখন তুমি তাওয়াফ করো
… "।
আর এভাবেই আল-ইসমাঈলি একে হাসসান বিন ইবরাহিমের বর্ণনা হতে হিশামের সূত্রে সংকলন করেছেন।
আর ইবনে খুজাইমাহ ইবনে ওয়াহাব-এর সূত্রে মালিক ও ইবনে লাহিয়াহ উভয়ের পক্ষ থেকে আবুল আসওয়াদ হতে এই হাদিসে যা সংকলন করেছেন, তাতে বলা হয়েছে: "তিনি বললেন, যখন তিনি এশার নামাজে কিরাত পড়ছিলেন", এটি একটি শায (شاذ) বর্ণনা। আমার ধারণা এর বর্ণনাভঙ্গি ইবনে লাহিয়াহ-এর শব্দাবলি, কারণ ইবনে ওয়াহাব এটি মুয়াত্তা ২-এ মালিকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে নামাজের কথা নির্দিষ্ট করেননি, যেমনটি মালিকের সকল সাথী বর্ণনা করেছেন। আল-দারাকুতনি তার মুয়াত্তা গ্রন্থে মালিক হতে বহু সূত্রে এটি সংকলন করেছেন, যার মধ্যে উল্লিখিত ইবনে ওয়াহাবের বর্ণনাটিও রয়েছে। আর যখন এটি প্রতিষ্ঠিত হলো, তখন ইবনে লাহিয়াহ-এর বর্ণনা দলিলযোগ্য নয় (لا يحتج به) যখন তিনি একক বর্ণনা (انفرد) প্রদান করেন, তাহলে যখন তিনি বিরোধিতা (خالف) করেন তখন তা কেমন হবে? এর মাধ্যমে ইবনে তীন কতিপয় মালিকি আলেম হতে যে আপত্তির কথা উল্লেখ করেছেন তার খণ্ডন জানা গেল, যেখানে তিনি উল্লিখিত নামাজটি ফজরের নামাজ হতে অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন: "হাদিসে এর কোনো সুস্পষ্ট বর্ণনা নেই, এবং একে নফল নামাজের ওপর প্রয়োগ করাই উত্তম, কারণ ইমাম যখন ফরজ নামাজে থাকেন তখন তাওয়াফ করা নিষেধ।" সমাপ্ত ৩। আর এটি কোনো প্রমাণ ছাড়াই সহিহ (صحيح) হাদিসকে প্রত্যাখ্যান করার শামিল। ইতি।
[৩] তৃতীয় হাদিস:
আবু কাতাদাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জোহরের নামাজের প্রথম দুই রাকাতে সূরা ফাতিহা ও অন্য দুটি সূরা পড়তেন, প্রথম রাকাতে দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সংক্ষেপ করতেন, আর মাঝে মাঝে আমাদের আয়াত শোনাতেন। তিনি আসরের নামাজেও সূরা ফাতিহা ও অন্য দুটি সূরা পড়তেন এবং প্রথম রাকাত দীর্ঘ করতেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১৭)
وكان يطول في الركعة الأولى من صلاة الصبح ويقصر في الثانية".
أخرجه البخاري1 واللفظ له ومسلم2 وأبو داود3 والنسائي4 وابن ماجه5 من طرق عن يحيى بن أبي كثير6 عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه به.
وعند أبي داود في موضع وابن ماجه عن يحيى بن أبي كثير عن عبد الله بن أبي قتادة وأبي سلمة عن أبي قتادة به.
زاد أبو داود7 وعبد الرزاق8 وابن خزيمة9 وابن حبان10 والبيهقي11 كلهم عن معمر عن يحيى بن أبي كثير عن عبد الله بن أبي قتادة عن
--------------------------------------------
"তিনি ফজরের নামাজের প্রথম রাকাতে দীর্ঘ কেরাত পাঠ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সংক্ষিপ্ত করতেন।"
এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন এবং শব্দাবলি তাঁরই, আরও বর্ণনা করেছেন মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ—তাঁরা সকলেই বিভিন্ন সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
আবু দাউদের এক স্থানে এবং ইবনে মাজাহর বর্ণনায় রয়েছে: ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ ও আবু সালামাহ থেকে, তাঁরা আবু কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
আবু দাউদ, আবদুর রাজ্জাক, ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে হিব্বান এবং বায়হাকি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলেই মা'মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ থেকে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১৮)
أبيه قال: "فظننا أنه يريد بذلك أن يتدارك الناس الركعة الأولى" وسنده صحيح.
ولفظ ابن خزيمة " فكنا نرى أنه بفعل ذلك ليتأدى الناس".
[4] الحديث الرابع:
عن قطبة بن مالك رضي الله عنه قال: "صليت وصلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأ:
{ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} 1 حتى قرأ {وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ} 2 قال: فجعلت أرددها ولا أدري ما قال".
أخرجه مسلم3 عن أبي عوانة وابن عيينة وشعبة، والترمذي4 عن مسعر وسفيان، والنسائي5 عن شعبة، وابن ماجه6 عن شريك وسفيان بن عيينة كلهم عن زياد بن عِلَاقة7 عن قطبة بن مالك به.
وفي لفظ لمسلم: "سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الفجر: {وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَهَا طَلْعٌ نَضِيدٌ} "8.
--------------------------------------------
তাঁর পিতা বলেন: "আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি এর মাধ্যমে লোকেদের প্রথম রাকাতটি পাওয়ার সুযোগ করে দিতে চাচ্ছেন।" এবং এর সনদ বিশুদ্ধ (صحيح)।
আর ইবনে খুজায়মার শব্দাবলী হলো: "আমরা মনে করতাম যে, তিনি তা করছেন যাতে লোকেরা (নামাজ) আদায় করতে পারে।"
[4] চতুর্থ হাদিস:
কুতবা ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি সালাত আদায় করলাম এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তখন তিনি তিলাওয়াত করলেন:
{ক্বাফ। শপথ মহিমান্বিত কুরআনের।} ১ যতক্ষণ না তিনি {এবং দীর্ঘকায় খেজুর গাছসমূহ} ২ পর্যন্ত পড়লেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি তা বারবার মনে মনে আওড়াচ্ছিলাম এবং বুঝতে পারছিলাম না তিনি এরপর কী তিলাওয়াত করলেন।"
এটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম৩ আবু আওয়ানা, ইবনে উয়াইনা ও শু'বা থেকে; তিরমিযী৪ মিসআর ও সুফিয়ান থেকে; নাসাঈ৫ শু'বা থেকে এবং ইবনে মাজাহ৬ শারিক ও সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে। তাঁরা সকলেই যিয়াদ ইবনে ইলাকা৭ থেকে, তিনি কুতবা ইবনে মালিক থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।
মুসলিমের অন্য এক শব্দে বর্ণিত হয়েছে: "তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ফজরের সালাতে তিলাওয়াত করতে শুনেছেন: {এবং দীর্ঘকায় খেজুর গাছসমূহ, যার রয়েছে থরে থরে সাজানো মোচা}।" ৮
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২১৯)
وفي لفظ لمسلم أيضاً: "فقرأ في أول ركعة {وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَهَا طَلْعٌ نَضِيدٌ} وربما قال: (ق) ".
وفي لفظ للنسائي: "فقرأ في إحدى الركعتين {وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَهَا طَلْعٌ نَضِيدٌ} قال شعبة: فلقيته في السوق في الزحام فقال: (ق) ".
[5] الحديث الخامس:
عن جابر بن سمرة رضي الله عنه قال: إن النبي صلى الله عليه وسلم "كان يقرأ في الفجر بـ {ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} وكانت صلاته بعد تخفيفاً ".
وفي لفظ عن سماك قال: "سألت جابر بن سمرة عن صلاة النبي صلى الله عليه وسلم؟ " فقال: "كان يخفف الصلاة ولا يصلي صلاة هؤلاء قال: وأنبأني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في الفجر بـ {ق وَالْقُرْآنِ} ونحوها".
أخرجه مسلم1 عن زائدة باللفظ الأول وعن زهير باللفظ الثاني كلاهما عن سماك ابن حرب عن جابر به.
وخالفهما إسرائيل فرواه عن سماك بن حرب عن جابر بن سمرة فذكر الواقعة ولفظه "كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الصلوات كنحو من صلاتكم التي تصلون اليوم، ولكنه كان يخفف، كانت صلاته أخف من صلاتكم، وكان يقرأ في الفجر الواقعة ونحوها من السور".
أخرجه أحمد2 واللفظ له، وعبد الرزاق3، وابن خزيمة4، وابن
--------------------------------------------
মুসলিমের অন্য একটি শব্দবিন্যাসেও (لفظ) বর্ণিত হয়েছে: "তিনি প্রথম রাকাতে {উঁচু খেজুর গাছসমূহ, যার রয়েছে ঘন সন্নিবিষ্ট মোচা} পাঠ করলেন; এবং সম্ভবত তিনি (রাবী) বলেছিলেন: (সূরা ক্বাফ)।"
নাসায়ীর একটি শব্দবিন্যাসে (لفظ) রয়েছে: "তিনি দুই রাকাতের যেকোনো একটিতে {উঁচু খেজুর গাছসমূহ, যার রয়েছে ঘন সন্নিবিষ্ট মোচা} পাঠ করলেন। শু'বাহ বলেন: এরপর আমি ভিড়ের মধ্যে বাজারে তাঁর (সিমাক) সাথে সাক্ষাৎ করলাম, তখন তিনি বললেন: (সূরা ক্বাফ)।"
[৫] পঞ্চম হাদিস:
জাবির ইবনে সামুরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সা.) ফজর সালাতে {ক্বাফ, শপথ মহিমান্বিত কুরআনের} পাঠ করতেন এবং তাঁর পরবর্তী সালাতগুলো ছিল সংক্ষিপ্ত।
সিমাক থেকে বর্ণিত একটি শব্দবিন্যাসে (لفظ) তিনি বলেন: "আমি জাবির ইবনে সামুরাকে নবী (সা.)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম।" তিনি বললেন: "তিনি সালাত সংক্ষেপ করতেন এবং বর্তমানের এদের মতো সালাত আদায় করতেন না। তিনি আমাকে আরও জানালেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ফজর সালাতে {ক্বাফ, শপথ মহিমান্বিত কুরআনের} এবং তদ্রূপ অন্য সূরা পাঠ করতেন।"
মুসলিম এটি প্রথম শব্দবিন্যাসসহ (لفظ) যায়িদাহ থেকে এবং দ্বিতীয় শব্দবিন্যাসসহ (لفظ) যুহাইর থেকে উদ্ধৃত (أخرجه) করেছেন; তাঁরা উভয়ে সিমাক ইবনে হারব থেকে এবং তিনি জাবির থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
ইসরাঈল তাঁদের উভয়ের বিরোধিতা (خالف) করেছেন। তিনি সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি জাবির ইবনে সামুরা থেকে এটি বর্ণনা (رواه) করেছেন এবং তাতে 'আল-ওয়াকিয়াহ' সূরার কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর বর্ণিত শব্দবিন্যাস (لفظ) হলো: "রাসূলুল্লাহ (সা.) তোমাদের বর্তমান কালের সালাতের মতোই সালাত আদায় করতেন, তবে তিনি সংক্ষেপ করতেন; তাঁর সালাত তোমাদের সালাতের চেয়েও হালকা ছিল। তিনি ফজর সালাতে সূরা আল-ওয়াকিয়াহ এবং তদ্রূপ সূরাগুলো পাঠ করতেন।"
আহমাদ এটি উদ্ধৃত (أخرجه) করেছেন এবং শব্দবিন্যাস (لفظ) তাঁরই; এছাড়াও আব্দুর রাজ্জাক, ইবনে খুযাইমাহ এবং ইবনে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২০)
حبان1، والطبراني2، والحاكم3. وصححه الحافظ ابن حجر4.
وتابعه سفيان الثوري عن سماك بذكر الواقعة.
أخرجه البيهقي5.
قال البيهقي6 عقب ذكر رواية زهير وزائدة: "ورواه الثوري وإسرائيل عن سماك وقالا في الحديث: "بالواقعة ونحوها من السور".
وأخرجه الطبراني7 عن إسرائيل عن سماك بذكر "ق" كرواية زهير وزائدة وظاهر سنده أنه حسن.
وفيه اختلاف آخر فقد أخرجه الطبراني8 عن علي بن سعيد الرازي9 قال: حدثنا
--------------------------------------------
ইবনে হিব্বান১, তাবারানি২ এবং হাকেম৩। হাফেজ (الحافظ) ইবনে হাজার৪ একে সহিহ (صححه) বা বিশুদ্ধ আখ্যা দিয়েছেন।
সুফিয়ান আস-সাওরি ‘ওয়াকিয়াহ’ সূরার বর্ণনার ক্ষেত্রে সিমাক থেকে তার অনুসরণ (تابعه) করেছেন।
বায়হাকি৫ এটি বর্ণনা করেছেন।
জুহাইর এবং যায়িদাহ-এর বর্ণনা (رواية) উল্লেখ করার পর বায়হাকি৬ বলেন: "সাওরি এবং ইসরাইল এটি সিমাক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তারা হাদিসের ক্ষেত্রে বলেছেন: 'ওয়াকিয়াহ এবং অনুরূপ সূরাসমূহ'।"
তাবারানি৭ ইসরাইলের সূত্রে সিমাক থেকে ‘ক্বাফ’ সূরার উল্লেখসহ এটি বর্ণনা করেছেন, যেমনটি ছিল জুহাইর এবং যায়িদাহ-এর বর্ণনা (رواية); আর বাহ্যত এর সনদ (سنده) হাসান (حسن)।
এতে আরও একটি মতভেদ রয়েছে, যা তাবারানি৮ আলী ইবনে সাঈদ আর-রাজি৯-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২১)
عبد الله بن عمران الأصبهاني1 قال: حدثنا أبو داود الطيالسي قال: حدثنا شعبة و2 أيوب بن جابر3 عن سماك بن حرب عن جابر بن سمرة " أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في الصبح بـ " ياسين ".
قال الهيثمي4: "ورجاله رجال الصحيح".
وفي هذا نظر فإن شيخ الطبراني وعبد الله بن عمران وأيوب ليسوا من رجال الصحيح ثم إن هذا الطريق يخشى فيه من علي بن سعيد شيخ الطبراني فإنه حدث بأحاديث لم يتابع عليها كما قاله الدارقطني ولعل هذا منها كيف وقد خالف غيره فإن الحديث بذكر (ق) أو الواقعة لا ياسين.
قال الطبراني عقب هذا الحديث: "لم يرو هذا الحديث عن سماك إلا شعبة وأيوب بن جابر ولا رواه عنهما إلا أبو داود تفرد به عبد الله بن عمران".
قال الحافظ ابن حجر5 بعد ذكره لهذا الطريق بذكر (يس) : "هكذا وقع
--------------------------------------------
আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান আল-আসবাহানি ১ বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ ও ২ আইয়ুব ইবনে জাবির ৩ সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি জাবির ইবনে সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাতে সূরা 'ইয়াসিন' পাঠ করতেন।"
হাইসামি ৪ বলেন: "এর বর্ণনাকারীগণ সহিহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী।"
তবে এ বিষয়ে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে, কেননা তাবারানির উস্তাদ, আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান এবং আইয়ুব সহিহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী নন। তদুপরি, এই সূত্রের (الطريق) ক্ষেত্রে তাবারানির উস্তাদ আলি ইবনে সাঈদ সম্পর্কে আশঙ্কা রয়েছে; কেননা তিনি এমন কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন যার সপক্ষে কোনো সমর্থনকারী বর্ণনা নেই (لم يتابع عليها), যেমনটি দারা কুতনি বলেছেন। সম্ভবত এই হাদিসটিও তদ্রূপ; কারণ তিনি অন্যদের বিরোধিতা করেছেন। মূলত হাদিসটি সূরা 'ক্বফ' অথবা 'ওয়াকিয়া'র উল্লেখসহ বর্ণিত হয়েছে, 'ইয়াসিন' নয়।
তাবারানি এই হাদিসের শেষে বলেন: "সিমাক থেকে শু'বাহ ও আইয়ুব ইবনে জাবির ছাড়া অন্য কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি এবং তাদের দুজনের নিকট থেকে আবু দাউদ ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি; আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান এটি বর্ণনায় একক (تفرد به) হয়ে পড়েছেন।"
হাফিজ ইবনে হাজার ৫ 'ইয়াসিন' সম্বলিত এই সূত্রের (الطريق) বর্ণনার পর বলেন: "এভাবেই বর্ণিত হয়েছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২২)
في هذه الرواية وقد أخرجه مسلم من وجه آخر عن شعبة بهذا السند بلفظ:
" كان يقرأ في الظهر بسبح وفي الصبح أطول من ذلك".
فلعل بعض الرواة حمل حديث أيوب بن جابر على حديث شعبة وأيوب ابن جابر ضعيف".أ. هـ
ورواه أبو عوانة عن سماك عن رجل من أهل المدينة أنه صلى خلف النبي صلى الله عليه وسلم فسمعه يقرأ في صلاة الفجر {ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} و {يَس وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ} .
أخرجه أحمد1 عن يونس عن أبي عوانة به.
قال الهيثمي2: "ورجاله رجال الصحيح".
وأبو عوانة خالف غيره في ذكر الجمع بين السورتين "ق" و "يس".
[6] الحديث السادس:
عن عبد الله بن السائب رضي الله عنه قال: "صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم الصبح بمكة فاستفتح سورة المؤمنين حتى جاء ذكر موسى وهارون أو ذكر عيسى (محمد بن عباد يشك أو اختلفوا عليه) أخذت النبي صلى الله عليه وسلم سعلة، فركع" وعبد الله بن السائب حاضر ذلك.
أخرجه مسلم3 واللفظ له عن حجاج بن محمد وعبد الرزاق، وأبو داود4 عن عبد الرزاق وأبو عاصم كلهم عن ابن جريج قال: "سمعت محمد بن عباد بن جعفر يقول أخبرني أبو سلمة بن سفيان وعبد الله بن عمرو بن العاص
--------------------------------------------
এই বর্ণনায় (رواية), ইমাম মুসলিম অন্য একটি সূত্রে শু'বাহ থেকে এই সনদ (سند) অনুযায়ী এই শব্দে বর্ণনা করেছেন:
"তিনি যোহরের সালাতে 'সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আলা' (সূরা আল-আলা) পাঠ করতেন এবং ফজরের সালাতে তার চেয়েও দীর্ঘ তিলাওয়াত করতেন।"
সম্ভবত কোনো কোনো বর্ণনাকারী (راوٍ) আইয়ুব ইবনে জাবেরের হাদিসকে শু'বাহর হাদিসের বর্ণনার ওপর আরোপ করেছেন, অথচ আইয়ুব ইবনে জাবের হলেন দুর্বল (ضعيف)। সমাপ্ত।
আর আবু আওয়ানা সিমাক থেকে, তিনি মদিনার জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে সালাত আদায় করেছেন এবং তাঁকে ফজরের সালাতে {ক্বাফ ওয়াল কুরআনিল মাজিদ} এবং {ইয়াসিন ওয়াল কুরআনিল হাকিম} পাঠ করতে শুনেছেন।
ইমাম আহমদ এটি ইউনুস থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে এই সনদেই বর্ণনা করেছেন।
আল-হাইতামী বলেন: "এর বর্ণনাকারীগণ (رجال) সহীহ (صحيح)-এর বর্ণনাকারী (رجال)।"
আর আবু আওয়ানা 'ক্বাফ' ও 'ইয়াসিন'—এই দুই সূরা একত্রে পাঠের বর্ণনার ক্ষেত্রে অন্যদের বিরোধিতা করেছেন।
[৬] ষষ্ঠ হাদিস:
আবদুল্লাহ ইবনে সায়েব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। তিনি সূরা আল-মুমিনুন শুরু করলেন, যখন মুসা ও হারুন অথবা ঈসা (আলাইহিমুস সালাম)-এর আলোচনা পর্যন্ত পৌঁছালেন (মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ এ বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন অথবা বর্ণনাকারীরা তাঁর ওপর মতভেদ (اختلاف) করেছেন), তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাশি শুরু হলো, ফলে তিনি রুকুতে গেলেন।" আবদুল্লাহ ইবনে সায়েব তখন উপস্থিত ছিলেন।
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন এবং শব্দগুলো তাঁর; তিনি হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ ও আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আবু দাউদ আবদুর রাজ্জাক ও আবু আসেম থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলে ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমাকে আবু সালামা ইবনে সুফিয়ান এবং আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস সংবাদ দিয়েছেন..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২৩)
وعبد الله بن المسيب العابدي عن عبد الله بن السائب به".
وأخرجه النسائي1 من طريق خالد قال حدثنا ابن جريج قال: أخبرني محمد بن عباد حديثاً رفعه إلى أبي سفيان عن عبد الله بن السائب بنحوه.
وأخرجه ابن ماجه2 من طريق سفيان بن عيينة عن ابن جريج عن ابن أبي مليكة عن عبد الله بن السائب بنحوه.
قال مسلم: وفي حديث عبد الرزاق: فحذف فركع وفي حديثه وعبد الله ابن عمرو ولم يقل ابن العاص.
وهكذا أيضاً عند أبي داود ليس فيه ابن العاص.
قال النووي3: "قال الحفاظ: قوله ابن العاص غلط والصواب حذفه ليس هذا عبد الله بن عمرو بن العاص الصحابي بل هو عبد الله بن عمرو الحجازي كذا ذكره البخاري في تاريخه وابن أبي حاتم وخلائق من الحفاظ المتقدمين والمتأخرين"4 ا-هـ.
وقال الحافظ5: "وقوله ابن عمرو بن العاص وهم من بعض أصحاب ابن جريج وقد رويناه في مصنف عبد الرزاق فقال: عبد الله بن عمرو القارئ وهو الصواب"6 ا-هـ.
--------------------------------------------
এবং আবদুল্লাহ ইবনুল মুসায়্যিব আল-আবিদি, আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব থেকে উক্ত হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
ইমাম নাসাঈ ১ এটি খালিদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে জুরায়জ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ আমাকে একটি হাদিস শুনিয়েছেন যা তিনি মারফূ (مرفوع) করেছেন আবু সুফিয়ান পর্যন্ত এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
এবং ইবনে মাজাহ ২ এটি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহর সূত্রে ইবনে জুরায়জ থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইমাম মুসলিম বলেন: আবদুর রাজ্জাকের হাদিসে রয়েছে: "অতঃপর তিনি সংক্ষিপ্ত করলেন এবং রুকু করলেন।" আর তাঁর হাদিসে "আবদুল্লাহ ইবনে আমর" রয়েছে এবং তিনি "ইবনুল আস" বলেননি।
অনুরূপভাবে আবু দাউদেও বর্ণিত হয়েছে, সেখানেও "ইবনুল আস" নেই।
ইমাম নববী ৩ বলেন: "হাফিজগণ (الحفاظ) বলেছেন: তাঁর 'ইবনুল আস' বলাটি ভুল (غلط), আর সঠিক (الصواب) হলো তা বাদ দেওয়া। ইনি সাহাবি (صحابي) আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস নন; বরং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল-হিজাজি। ইমাম বুখারি তাঁর তারিখে, ইবনে আবি হাতিম এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অসংখ্য হাফিজ (الحفاظ) এভাবেই উল্লেখ করেছেন।" ৪—সমাপ্ত।
এবং হাফিজ (الحافظ) ৫ বলেন: "তাঁর 'ইবনে আমর ইবনুল আস' বলাটি ইবনে জুরায়জের কোনো কোনো ছাত্রের বিভ্রম (وهم)। আমরা এটি মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে বর্ণনা করেছি, সেখানে বলা হয়েছে: আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল-কারি এবং এটাই সঠিক (الصواب)।" ৬—সমাপ্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২৪)
وأخرج البخاري1 هذا الحديث تعليقاً فقال: "ويُذكر عن عبد الله بن السائب
… " فذكره.
قال الحافظ2: "واختلف في إسناده على ابن جريج فقال ابن عيينة: عنه عن ابن أبي مليكة عن عبد الله بن السائب، أخرجه ابن ماجه.
وقال: أبو عاصم عنه عن محمد بن عباد عن أبي سلمة بن سفيان -أو سفيان بن أبي سلمة- وكأن البخاري علقه بصيغة "يذكر" لهذا الاختلاف مع أن إسناده مما تقوم به الحجة". ا-هـ
[7] الحديث السابع:
عن عمرو بن حريث رضي الله عنه أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الفجر: {وَاللَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ} 3.
أخرجه مسلم4 واللفظ له والنسائي5 عن الوليد بن سريع6 وأبو داود7 وابن ماجه8 عن أصبغ9 مولى عمرو بن حريث كلاهما عن عمرو بن حريث به مرفوعاً.
--------------------------------------------
ইমাম বুখারি ১ এই হাদিসটি মুআল্লাক হিসেবে (تعليقاً) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: "আব্দুল্লাহ ইবনে সাইব থেকে বর্ণিত
…" অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।
হাফেজ ২ বলেন: "ইবনে জুরাইজের সনদে (إسناد) মতভেদ দেখা দিয়েছে। ইবনে উয়াইনা বলেন: তাঁর সূত্রে, ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সাইব থেকে বর্ণনা করেছেন; যা ইবনে মাজাহ বের করেছেন।
তিনি আরও বলেন: আবু আসিম তাঁর সূত্রে, মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ থেকে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে সুফিয়ান—অথবা সুফিয়ান ইবনে আবু সালামাহ—থেকে বর্ণনা করেছেন। সম্ভবত ইমাম বুখারি এই মতভেদের কারণেই এটি 'বর্ণিত আছে' (يذكر) শব্দযোগে মুআল্লাক হিসেবে (تعليقاً) উল্লেখ করেছেন, যদিও এর সনদ (إسناد) প্রমাণ (حجة) হিসেবে পেশ করার যোগ্য।" — সমাপ্ত।
[7] সপ্তম হাদিস:
আমর ইবনে হুরাইস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ফজরের নামাজে {শপথ রাতের যখন তা অবসান হয়} ৩ তিলাওয়াত করতে শুনেছেন।
এটি ইমাম মুসলিম ৪ বর্ণনা করেছেন এবং শব্দগুলো তাঁরই। এছাড়া ইমাম নাসায়ি ৫ ওয়ালিদ ইবনে সারি ৬-এর সূত্রে এবং আবু দাউদ ৭ ও ইবনে মাজাহ ৮ আমর ইবনে হুরাইসের মুক্তদাস আসবাগ ৯-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই আমর ইবনে হুরাইস থেকে এটি মারফু হিসেবে (مرفوعاً) বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২৫)
ولفظ أبي داود وابن ماجه {فَلا أُقْسِمُ بِالْخُنَّسِ الْجَوَارِ الْكُنَّسِ} .
ولفظ النسائي {إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ} .
[8] الحديث الثامن:
عن معاذ بن عبد الله الجهني أن رجلاً من جهينة أخبره أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الصبح {إِذَا زُلْزِلَتِ الأَرْض} 1 في الركعتين كلتيهما فلا أدري أنسي رسول الله صلى الله عليه وسلم أم قرأ ذلك عمداً.
أخرجه أبو داود2 والبيهقي3.
من طريق عمرو بن الحارث4 عن ابن أبي هلال5 عن معاذ بن عبد الله الجهني6 به بإسناد حسن.
--------------------------------------------
এবং আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ-এর শব্দ হলো: {শপথ পিছু হটে যাওয়া নক্ষত্ররাজির, যা অদৃশ্য হয় ও পুনরায় উদিত হয়}।
নাসায়ীর শব্দ হলো: {যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে}।
[৮] অষ্টম হাদিস:
মুআয ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জুহানি থেকে বর্ণিত যে, জুহাইনা গোত্রের এক ব্যক্তি তাকে জানিয়েছেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ফজরের নামাজের উভয় রাকাআতেই {যখন পৃথিবী প্রকম্পিত হবে} (সূরা যিলযাল) পাঠ করতে শুনেছেন। ফলে আমি জানি না যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি ভুলে গিয়েছিলেন নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে তা (উভয় রাকাআতে) পাঠ করেছিলেন।
এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ ও বায়হাকি।
আমর ইবনুল হারিস-এর সূত্রে, তিনি ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি মুআয ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জুহানি থেকে—একটি উন্নত (حسن) সনদে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২৬)
وقال النووي1: "رواه أبو داود بإسناد صحيح".
وقال الحافظ ابن حجر2: "ورواته موثقون".
[9] الحديث التاسع:
عن شبيب أبي روح3 عن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم "أنه صلى صلاة الصبح فقرأ الروم فالتبس عليه فلما صلى قال: "ما بال أقوامٍ يصلون معنا لا يحسنون الطهور فإنما يلبس علينا القرآن أولئك".
أخرجه النسائي4 عن سفيان، وأحمد5 عن شعبة وزائدة وسفيان، وعبد الرزاق6 عن الثوري، وابن أبي عاصم7 والبزار8، والطبراني9، وأبو نعيم10 عن شعبة كلهم عن عبد الملك بن عمير عن شبيب به، إلا عند ابن أبي عاصم والبزار والطبراني وأبي نعيم سمى الصحابي بالأعز.
--------------------------------------------
ইমাম নববী১ বলেন: "আবু দাউদ এটি সহিহ (صحيح) সনদে বর্ণনা করেছেন।"
হাফিজ ইবনে হাজার২ বলেন: "এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (موثقون)।"
[৯] নবম হাদিস:
শাবিব আবু রুহ৩ হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী হতে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, "তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন এবং তাতে সূরা আর-রূম তিলাওয়াত করলেন। তখন তিলাওয়াত তাঁর নিকট বিভ্রান্তিকর হয়ে পড়ল। সালাত শেষে তিনি বললেন: 'সেই সব লোকদের কী হয়েছে যারা আমাদের সাথে সালাত আদায় করে কিন্তু উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে না? মূলত তাদের কারণেই আমাদের ওপর কুরআন তিলাওয়াত বিভ্রান্তিকর হয়ে পড়ে'।"
হাদিসটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ৪ সুফিয়ান থেকে, আহমদ৫ শু'বাহ, জায়িদাহ ও সুফিয়ান থেকে, আবদুর রাজ্জাক৬ সাওরী থেকে এবং ইবনে আবি আসিম৭, বাযযার৮, তাবারানি৯ ও আবু নুআইম১০ শু'বাহ থেকে; তারা সকলেই আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর-এর সূত্রে শাবিব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনে আবি আসিম, বাযযার, তাবারানি এবং আবু নুআইমের বর্ণনায় সাহাবীর নাম 'আল-আ'য' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২৭)
قال الهيثمي1: "رواه الطبراني في الكبير ورجاله ثقات".
وسند هذا الحديث حسن فإن مداره على عبد الملك بن عمير وقد اختلف فيه، فضعفه الإمام2 أحمد جداً وقال: "مضطرب الحديث جداً مع قلة روايته ما أرى له خمس مائة حديث وقد غلط في كثير منها".
وقال ابن معين3: "مخلط".
وقال أبو حاتم4: "ليس بحافظ هو صالح تغير حفظه قبل موته".
وقال ابن معين5: "ثقة إلا أنه أخطأ في حديث أو حديثين".
وقال ابن نمير6: "كان ثقة ثبتاً في الحديث".
وقال العجلي7: "صالح الحديث". وقال مرة: "ثقة".
وقال النسائي8: "ليس به بأس".
وقال عبد الرحمن بن مهدي9: "كان سفيان الثوري يعجب من حفظ عبد الملك".
وقال الحافظ ابن حجر10: "ثقة فصيح عالم تغير حفظه وربما دلس".
--------------------------------------------
হাইসামি ১ বলেছেন: "তাবারানি এটি আল-কাবিরে বর্ণনা করেছেন এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (ثقات)।"
এবং এই হাদিসের সনদটি হাসান (حسن), কারণ এর মূল কেন্দ্রবিন্দু আব্দুল মালিক বিন উমাইরের ওপর, যার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। ইমাম ২ আহমাদ তাকে অত্যন্ত দুর্বল (ضعيف) প্রতিপন্ন করেছেন এবং বলেছেন: "অল্প বর্ণনা থাকা সত্ত্বেও তিনি হাদিসে অত্যন্ত বিশৃঙ্খল (مضطرب الحديث); আমি মনে করি না তার বর্ণনায় পাঁচশত হাদিস আছে এবং তিনি সেগুলোর অনেকগুলোতে ভুল করেছেন।"
এবং ইবনে মাঈন ৩ বলেছেন: "হাদিস সংমিশ্রণকারী (مخلط)।"
এবং আবু হাতিম ৪ বলেছেন: "তিনি হাফিজ (حافظ) ছিলেন না; তিনি যোগ্য (صالح) ছিলেন, তবে মৃত্যুর আগে তার স্মৃতিশক্তি পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল।"
এবং ইবনে মাঈন ৫ বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة), তবে তিনি একটি বা দুটি হাদিসে ভুল করেছেন।"
এবং ইবনে নুমাইর ৬ বলেছেন: "তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও সুদৃঢ় (ثبت) ছিলেন।"
এবং ইজলি ৭ বলেছেন: "হাদিসে যোগ্য (صالح الحديث)।" এবং একবার বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)।"
এবং নাসায়ি ৮ বলেছেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)।"
এবং আব্দুর রহমান বিন মাহদি ৯ বলেছেন: "সুফিয়ান সাওরি আব্দুল মালিকের মুখস্থ শক্তির প্রশংসা করতেন।"
এবং হাফিজ ইবনে হাজার ১০ বলেছেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), বাগ্মী ও পণ্ডিত ব্যক্তি; তবে তার স্মৃতিশক্তি পরিবর্তিত হয়েছিল এবং সম্ভবত তিনি তাদলিস (دلس) করতেন।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২৮)
وقال أيضاً1: "أحتج به الجماعة وأخرج له الشيخان من رواية القدماء عنه في الاحتجاج، ومن رواية بعض المتأخرين عنه في المتابعات وإنما عيب عليه أنه تغير حفظه لكبر سنه لأنه عاش مائة وثلاث سنين ولم يذكره ابن عدي في الكامل ولا ابن حبان".
وقال الحافظ ابن حجر أيضاً2: "هذا حديث حسن أخرجه أحمد عن محمد بن جعفر عن شعبة بهذا3 السند لكن لم يسم الصحابي قال عن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم.
وأخرجه أحمد أيضاً والنسائي من رواية سفيان الثوري عن عبد الملك كذلك.
وشبيب ثقة عده بعضهم في الصحابة غلطاً وسائر رجاله من رجال الصحيح وهذا يدل على أنه صلى الله عليه وسلم كان ربما قرأ في الصبح من غير المفصل".أ. هـ.
وأخرج أحمد4 هذا الحديث من طريق شريك عن عبد الملك بن عمير عن أبي روح الكلاعي قال: صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكره.
وفي سنده شريك وخالف غيره فلم يذكر الرجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم بل جعله عن أبي روح مرفوعاً.
وأخرجه عبد الرزاق5 عن معمر عن عبد الملك عن النبي صلى الله عليه وسلم وزاد "في
--------------------------------------------
তিনি আরও বলেছেন
১: "জামা'আহ (মুহাদ্দিসগণের একটি দল) তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং শাইখান (বুখারি ও মুসলিম) তার নিকট থেকে প্রাচীন বর্ণনাকারীদের রেওয়ায়েত দলিল হিসেবে গ্রহণ (احتجاج) করার ক্ষেত্রে এবং পরবর্তী কিছু বর্ণনাকারীদের রেওয়ায়েত সমর্থনমূলক বর্ণনা (متابعات) হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে উদ্ধৃত করেছেন। তার ওপর কেবল একারণে দোষারোপ করা হয়েছে যে, বার্ধক্যের কারণে তার মুখস্থ শক্তিতে পরিবর্তন এসেছিল, কারণ তিনি একশ তিন বছর বেঁচে ছিলেন। ইবনে আদি 'আল-কামিল' গ্রন্থে এবং ইবনে হিব্বান তাকে উল্লেখ করেননি।"
হাফেজ ইবনে হাজার আরও বলেছেন
২: "এই হাদিসটি হাসান (حسن)। ইমাম আহমাদ এটি মুহাম্মদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে এই সনদে (سند)
৩ বর্ণনা করেছেন, তবে সাহাবীর নাম উল্লেখ করেননি; তিনি বলেছেন 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনৈক সাহাবী থেকে'।"
ইমাম আহমাদ ও নাসায়ি সুফিয়ান সাওরির সূত্রে আব্দুল মালিক থেকেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
এবং শাবিব নির্ভরযোগ্য (ثقة); তাদের কেউ কেউ ভুলবশত তাকে সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আর এর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ সহিহ (صحيح) হাদিসের বর্ণনাকারী। এটি প্রমাণ করে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্ভবত ফজরের নামাজে 'মুফাসসাল' সূরাসমূহ ব্যতিত অন্য সূরা তিলাওয়াত করতেন।" সমাপ্ত।
ইমাম আহমাদ
৪ এই হাদিসটি শারিকের সূত্রে আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি আবু রুহ আল-কালাঈ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে নামাজ পড়লেন... (অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন)।
এর সনদে (سند) শারিক রয়েছেন এবং তিনি অন্যদের বিরোধিতা করেছেন; তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীর কথা উল্লেখ করেননি, বরং তিনি এটি আবু রুহ থেকে মারফু (مرفوع) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আর আব্দুর রাজ্জাক
৫ এটি মা'মার থেকে, তিনি আব্দুল মালিক থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বর্ধিত করেছেন "এতে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২২৯)
الفجر يوم الجمعة" لكن معمراً خالف غيره أيضاً فلم يذكر شبيباً ولا صاحب الحديث.
تنبيه:
ذكر ابن أبي عاصم1 هذا الحديث في ترجمة الأغر غير منسوب وقال: "لا أدري المزني أو جهني أو غيره".
وذكره الطبراني2 ضمن حديث الأغر المزني.
وذكره أبو نعيم3 غير منسوب عقب ترجمة الأغر المزني وقال: "ذكره بعض الناس وزعم أنه غير الأول وهما واحد".
وسماه البزار: "الأغر المزني".
قال الحافظ4: "ولكن أدخل الطبراني حديثه هذا في أحاديث الأغر المزني وتبعه أبو نعيم وممن غاير بينهما البغوي فأورد حديثه عن زياد ابن يحيى عن مؤمل بسنده وقال فيه: عن الأغر رجل من بني غفار ورواه البزار في مسنده عن زياد بن يحيى بهذا الإسناد فوقع عنده عن الأغر المزني وهو خطأ والله أعلم".أ. هـ
[10] الحديث العاشر:
عن سليمان بن يسار5 عن أبي هريرة رضي الله عنه أنه قال: "ما رأيت رجلاً أشبه بصلاة
--------------------------------------------
"শুক্রবারের ফজরের সালাত," কিন্তু মা'মার অন্যদেরও বিরোধিতা করেছেন, তাই তিনি শাবীব বা হাদিসের বর্ণনাকারীর (صاحب الحديث) নাম উল্লেখ করেননি।
সতর্কবার্তা:
ইবনে আবি আসিম১ আল-আগার এর জীবনীর অধীনে কোনো বংশীয় পরিচয় উল্লেখ ছাড়াই এই হাদিসটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আমি জানি না তিনি কি মুজানি নাকি জুহানি নাকি অন্য কেউ।"
এবং তাবারানি২ এটি আল-আগার আল-মুজানির হাদিসের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এবং আবু নুআইম৩ আল-আগার আল-মুজানির জীবনীর পর কোনো বংশীয় পরিচয় উল্লেখ ছাড়াই এটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "কিছু লোক এটি উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে তিনি পূর্বোক্ত ব্যক্তি নন, অথচ তারা উভয়েই এক ও অভিন্ন ব্যক্তি।"
এবং আল-বাযযার তাকে "আল-আগার আল-মুজানি" নামে অভিহিত করেছেন।
হাফিজ৪ বলেছেন: "তবে তাবারানি এই হাদিসটি আল-আগার আল-মুজানির হাদিসসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং আবু নুআইম তাকে অনুসরণ করেছেন। আর যারা এই দুইজনের মধ্যে পার্থক্য করেছেন তাদের মধ্যে আল-বাগাভী অন্যতম; তিনি যিয়াদ ইবনে ইয়াহইয়া হতে মুআম্মিল এর সূত্রে তার সনদে (إسناد) এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং তাতে বলেছেন: 'আল-আগার হতে বর্ণিত, যিনি বনু গিফার গোত্রের একজন ব্যক্তি'। আর আল-বাযযার তার মুসনাদ গ্রন্থে যিয়াদ ইবনে ইয়াহইয়ার সূত্রে এই একই সনদে (إسناد) এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তার নিকট এটি 'আল-আগার আল-মুজানি' হিসেবে উল্লেখ হয়েছে, যা একটি ভুল (خطأ); আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।" সমাপ্ত।
[10] দশম হাদিস:
সুলাইমান ইবনে ইয়াসার৫ হতে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন: "আমি সালাতের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে এত অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ দেখিনি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩০)
رسول الله صلى الله عليه وسلم من فلان لإمام كان بالمدينة قال سليمان بن يسار: فصليت خلفه فكان يطيل الأوليين من الظهر ويخفف الأخريين ويخفف العصر ويقرأ في الأوليين من المغرب بقصار المفصل ويقرأ في الأوليين من العشاء من وسط المفصل ويقرأ في الغداة بطوال المفصل".
أخرجه النسائي1 عن عبد الله بن الحارث، وابن ماجه2 مختصراً3، وأحمد4 واللفظ له، وابن خزيمة5 عن أبي بكر الحنفي6، والطحاوي7 مختصراً8 عن زيد بن الحباب9 والمغيرة بن عبد الرحمن المخزومي10، وابن
--------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত অমুক ব্যক্তির সালাতের সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। মদীনার জনৈক ইমাম সম্পর্কে সুলাইমান ইবনে ইয়াসার বলেন: "আমি তাঁর পেছনে সালাত আদায় করেছি, তিনি যোহরের প্রথম দুই রাকাত দীর্ঘ করতেন এবং শেষ দুই রাকাত হালকা করতেন, আছরের সালাত হালকা করতেন, মাগরিবের প্রথম দুই রাকাতে ‘কিসারুল মুফাসসাল’ (ছোট সূরাসমূহ) পাঠ করতেন, এশার প্রথম দুই রাকাতে ‘আওসাতুল মুফাসসাল’ (মাঝারি সূরাসমূহ) এবং ফজরের সালাতে ‘তিওয়ালুল মুফাসসাল’ (দীর্ঘ সূরাসমূহ) পাঠ করতেন।"
এটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ১ আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে, ইবনে মাজাহ২ সংক্ষেপে (مختصراً)৩, আহমাদ৪ এবং শব্দ বিন্যাস তাঁরই, ইবনে খুজাইমা৫ আবু বকর আল-হানাফী৬ থেকে, ত্বহাবী৭ সংক্ষেপে (مختصراً)৮ যায়েদ ইবনুল হুবাব৯ ও মুগীরা ইবনে আব্দুর রহমান আল-মাখযুমী১০ থেকে, এবং ইবনে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩১)
حبان1، والبيهقي2 عن أبي بكر الحنفي كلهم عن الضحاك بن عثمان3 قال: حدثني بكير بن عبد الله الأشج قال: حدثنا سليمان بن يسار به.
وحسنه النووي4 وهو كما قال فإن مداره على الضحاك ابن عثمان تكلم فيه ووثقه غير واحد وحديثه حسن.
قال أبو زرعة5: "ليس بقوي"، وقال أبو حاتم6: "يكتب حديثه ولا يحتج به وهو صدوق"، وقال يعقوب بن شيبة7: "صدوق في حديثه ضعف".
ووثقه أحمد8 وابن معين9 وأبو داود10 وابن بكير11 وغيرهم.
وقال الذهبي في المغني12: "لينه ابن القطان وقال في كتابه من تكلم فيه
--------------------------------------------
ইবনে হিব্বান ১, এবং আল-বায়হাকী ২ আবু বকর আল-হানাফী থেকে, তাঁরা সকলেই দাহহাক ইবনে উসমান ৩ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে বুকাইর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আশাজ্জ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুলাইমান ইবনে ইয়াসার এটি বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম আন-নববী ৪ একে হাসান (حسنه) বলেছেন। বিষয়টি তেমনই যেমন তিনি বলেছেন; কারণ এই হাদিসের সূত্র দাহহাক ইবনে উসমানের ওপর আবর্তিত, তাঁর ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে আবার একাধিক ইমাম তাঁকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন, আর তাঁর হাদিস হাসান (حسن)।
আবু যুরআ ৫ বলেছেন: "তিনি শক্তিশালী নন (ليس بقوي)"। আবু হাতিম ৬ বলেছেন: "তাঁর হাদিস লেখা যাবে কিন্তু তা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় (لا يحتج به), তবে তিনি সত্যবাদী (صدوق)"। ইয়াকুব ইবনে শাইবাহ ৭ বলেছেন: "তিনি সত্যবাদী (صدوق), তবে তাঁর বর্ণিত হাদিসে দুর্বলতা (ضعف) রয়েছে।"
এবং ইমাম আহমাদ ৮, ইবনে মাঈন ৯, আবু দাউদ ১০, ইবনে বুকাইর ১১ এবং অন্যান্যগণ তাঁকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন।
এবং ইমাম আয-যাহাবী আল-মুগনী ১২ গ্রন্থে বলেছেন: "ইবনে আল-কাত্তান তাঁকে শিথিল (لينه) বলেছেন এবং তিনি তাঁর 'মান তুকাল্লিমা ফিহি' কিতাবে বলেছেন..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩২)
وهو موثق1: صدوق".
وصحح الحديث ابن رجب2، وابن عبد الهادي3، والحافظ ابن حجر4 وقال: "هذا حديث صحيح من حديث أبي هريرة والمرفوع منه تشبيه أبي هريرة صلاة الأمير المذكور بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم وماعدا ذلك موقوف إن كان الأمير المذكور صحابياً أو مقطوع إن لم يكن".
وقال أيضاً: "فلم يصب من اختصره فإن أبا هريرة لم يتلفظ بقوله كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بقصار المفصل5 إنما تلفظ بالتشبيه وهو لا يستلزم المساواة في جميع صفات الصلاة والله أعلم".
وزاد أحمد والبيهقي6 في هذا الحديث.
قال الضحاك: وحدثني من سمع أنس بن مالك يقول: "ما رأيت أحداً أشبه صلاة بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذا الفتى يعني عمر بن عبد العزيز" قال الضحاك: "فصليت خلف عمر بن عبد العزيز وكان يصنع مثل ما قال سليمان بن يسار".
لكن هذا الطريق فيه رجل مبهم.
قال الحافظ7: "وأما حديث أنس ففي سنده مبهم يمنع من الحكم بصحته
--------------------------------------------
আর তিনি বিশ্বস্ত (موثق) ১: সত্যবাদী (صدوق)।"
এবং ইবন রাজাব ২, ইবন আবদিল হাদী ৩ এবং হাফিজ ইবন হাজার ৪ হাদিসটিকে সহিহ (صحيح) বলে অভিহিত করেছেন এবং তিনি (ইবন হাজার) বলেন: "এটি আবু হুরায়রা বর্ণিত হাদিসসমূহের মধ্যে একটি সহিহ (صحيح) হাদিস। এর মধ্যে মারফু (مرفوع) অংশটি হলো আবু হুরায়রা কর্তৃক উল্লেখিত আমিরের সালাতকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাতের সাথে তুলনা করা; এছাড়া বাকি অংশটুকু মাওকুফ (موقوف) যদি উক্ত আমির সাহাবি (صحابي) হয়ে থাকেন, অন্যথায় তা মাকতু (مقطوع) হিসেবে গণ্য হবে।"
তিনি আরও বলেন: "যিনি এটি সংক্ষেপ করেছেন তিনি সঠিক করেননি; কারণ আবু হুরায়রা নিজ মুখে এ কথা বলেননি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের সালাতে কিসারুল মুফাসসাল (قصار المفصل) তিলাওয়াত করতেন। বরং তিনি কেবল সাদৃশ্যের কথা উল্লেখ করেছেন, যা সালাতের সকল বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে পূর্ণ সমতা হওয়া আবশ্যক করে না। আর আল্লাহই ভালো জানেন।"
এবং আহমাদ ও বায়হাকি ৬ এই হাদিসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন।
দাহহাক বলেন: আমাকে এমন একজন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যিনি আনাস ইবন মালিককে বলতে শুনেছেন: "আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাতের সাথে এই যুবকের অর্থাৎ উমর ইবন আবদুল আজিজের সালাতের চেয়ে অধিক সদৃশ আর কাউকে দেখিনি।" দাহহাক বলেন: "আমি উমর ইবন আবদুল আজিজের পেছনে সালাত আদায় করেছি এবং তিনি সুলাইমান ইবন ইয়াসার যা বলেছিলেন ঠিক সেরূপই করতেন।"
তবে এই সূত্রে একজন অস্পষ্ট (مبهم) বর্ণনাকারী রয়েছেন।
হাফিজ ৭ বলেন: "আর আনাসের হাদিসটির সনদে (سند) অস্পষ্ট (مبهم) বর্ণনাকারী রয়েছে যা এর সহিহ (صحة) হওয়ার হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে অন্তরায়।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩৩)
والمرفوع منه أيضاً التشبيه وما عداه مقطوع".
وقال ابن رجب1 عقب رواية أحمد: "وخرج ابن سعد وغيره حديث أنس عن ابن أبي فديك2 عن الضحاك قال: حدثني يحيى بن سعيد أو شريك بن أبي نمر3 لا يدري أيهما حدثه عن أنس فذكر الحديث4.
والفتى هو عمر بن عبد العزيز كذا قال ابن أبي فديك عن الضحاك بالشك.
ورواه الواقدي عن الضحاك عن شريك من غير شك فهذا حديث صحيح عن أبي هريرة وأنس
… "5 أ. هـ
[11] الحديث الحادي عشر:
عن عقبة بن عامر رضي الله عنه أنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن المعوذتين قال عقبة:
"فأمّنا بهما رسول الله صلى الله عليه وسلم في صلاة الفجر". أخرجه النسائي6، وابن
--------------------------------------------
"এর মধ্য হতে মারফু (المرفوع) হলো উপমাসূচক বর্ণনা এবং এছাড়া বাকিগুলো বিচ্ছিন্ন (مقطوع)।"
ইবনে রাজাব১ আহমাদের বর্ণনার পর বলেন: "ইবনে সাদ ও অন্যান্যরা ইবনে আবি ফুদাইক২ থেকে যাহহাক সূত্রে আনাস বর্ণিত হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। যাহহাক বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ অথবা শারিক ইবনে আবি নামির৩ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন—বর্ণনাকারী নিশ্চিত নন যে তাঁদের মধ্যে কে আনাস থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন—অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন।৪
আর সেই যুবক হলেন উমর ইবনে আব্দুল আজিজ, ইবনে আবি ফুদাইক যাহহাক থেকে এভাবেই সন্দেহের সাথে বর্ণনা করেছেন।
ওয়াকিদি কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়াই যাহহাক-শারিক সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। সুতরাং আবু হুরায়রা ও আনাস থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি সহিহ (صحيح) … "৫ সমাপ্ত।
[১১] একাদশ হাদিস:
উকবা ইবনে আমির (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুআউওয়াযাতাইন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। উকবা বলেন:
"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাজে আমাদের নিয়ে এই দুটি সুরার মাধ্যমে ইমামতি করেছিলেন।" এটি বর্ণনা করেছেন নাসায়ি৬, এবং ইবনে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩৪)
أبي شيبة1، وأبو يعلي2،وابن خزيمة3، وابن حبان4 والحاكم5، والبيهقي6 كلهم من طريق سفيان عن معاوية بن صالح7عن عبد الرحمن ابن جبير بن نفير8 عن أبيه9 عن عقبة بن عامر به ورجال إسناده ثقات غير معاوية وحديثه حسن بالجملة.
قال الحاكم: "هذا حديث صحيح على شرط الشيخين ولم يخرجاه وقد تفرد به10 أبو أسامة11 عن الثوري وأبو أسامة ثقة معتمد".
--------------------------------------------
আবু শায়বাহ, আবু ইয়ালা, ইবনে খুযাইমাহ, ইবনে হিব্বান, হাকেম এবং বায়হাকি—তাঁরা সকলেই সুফিয়ানের সূত্রে মুয়াবিয়া ইবনে সালেহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে জুবায়ের ইবনে নুফাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমিরের সূত্রে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। এই সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (ثقات), তবে মুয়াবিয়া ব্যতীত; আর তার বর্ণিত হাদিস সামগ্রিকভাবে হাসান (حسن)।
হাকেম বলেন: "এই হাদিসটি দুই শাইখের (বুখারি ও মুসলিম) শর্তানুসারে সহিহ (صحيح), কিন্তু তাঁরা এটি বর্ণনা করেননি। আবু উসামা একা সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন (تفرد), আর আবু উসামা হলেন একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও নির্ভরযোগ্য (معتمد) রাবী।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩৫)
لكن هذا الطريق اختلف فيه على معاوية بن صالح فرواه عنه سفيان عن عبد الرحمن ابن جبير عن أبيه عن عقبة به كما سلف.
ورواه ابن وهب وعبد الرحمن بن مهدي وزيد بن الحباب عنه عن العلاء بن الحارث1 عن القاسم بن عبد الرحمن عن عقبة بن عامر بنحوه مرفوعاً وزادوا أن ذلك كان في السفر.
أخرجه أبو داود2، والنسائي3 عن ابن وهب، وأحمد4 عن ابن مهدي، وابن خزيمة5 عن ابن مهدي وزيد بن الحباب، والحاكم6 عن ابن مهدي، والبيهقي7 عن ابن وهب كلهم عن العلاء بن الحارث به.
قال البيهقي8: "كذا قال9 العلاء بن كثير". وقال ابن وهب: "عن معاوية
--------------------------------------------
তবে মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ-এর ক্ষেত্রে এই সূত্রে মতভেদ হয়েছে। সুফিয়ান তাঁর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি উকবা থেকে পূর্বের ন্যায় এটি বর্ণনা করেছেন।
পক্ষান্তরে ইবনে ওয়াহাব, আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী এবং যায়েদ ইবনে আল-হুবাব তাঁর (মুয়াবিয়া) সূত্রে আল-আলা ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি কাসিম ইবনে আব্দুর রহমান থেকে এবং তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে অনুরূপ মারফু (مرفوعاً) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর তাঁরা অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন যে, তা সফর অবস্থায় ছিল।
এটি ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে আবু দাউদ ও নাসায়ি; ইবনে মাহদীর সূত্রে আহমদ; ইবনে মাহদী ও যায়েদ ইবনে আল-হুবাবের সূত্রে ইবনে খুজাইমা; ইবনে মাহদীর সূত্রে হাকেম এবং ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে বায়হাকি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সবাই আল-আলা ইবনে আল-হারিসের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
বায়হাকি বলেন: "আল-আলা ইবনে কাসির এমনটিই বলেছেন।" আর ইবনে ওয়াহাব বলেন: "মুয়াবিয়া থেকে..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩৬)
عن العلاء ابن الحارث وهو أصح".أ. هـ1.
ورواه عبد الرحمن بن مهدي عنه عن العلاء بن الحارث عن مكحول عن عقبة بنحوه.
أخرجه النسائي2 عن محمد بن بشار عن عبد الرحمن بن مهدي به. ورواية ابن وهب وعبد الرحمن بن مهدي ومن تابعهما أرجح.
وهذا الحديث له طرق أخرى غير طريق معاوية بن صالح وهي:
الأول: من طريق الوليد بن مسلم3 حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن جابر4 عن القاسم أبي عبد الرحمن عن عقبة بن عامر قال: "بينا أقود برسول الله صلى الله عليه وسلم في نقب من تلك النقاب إذ قال: "ألا تركب يا عقبة" فأجللت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أركب مركب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال: "ألا تركب يا عقبة" فأشفقت أن يكون معصية فنزل وركبت هنيهة ونزلت وركب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال: "ألا أعلمك سورتين من خير سورتين قرأ بهما الناس" فأقرأني {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ} و {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ} فأقيمت الصلاة فتقدم فقرأ بهما ثم مر بي فقال: "كيف
--------------------------------------------
"...আলা ইবনে আল-হারিস থেকে বর্ণিত এবং এটিই অধিক সঠিক (أصح)।" সমাপ্ত।১
আর আবদুর রহমান ইবনে মাহদি তাঁর থেকে, তিনি আলা ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি উকবা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
নাসায়ি এটি মুহাম্মদ ইবনে বাশার থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে মাহদি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে ওয়াহাব ও আবদুর রহমান ইবনে মাহদি এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছেন, তাদের বর্ণনাটিই অধিক অগ্রগণ্য (أرجح)।
মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ-এর সূত্র (طريق) ব্যতীত এই হাদিসের আরও কিছু সূত্র (طرق) রয়েছে, সেগুলো হলো:
প্রথমটি: ওয়ালিদ ইবনে মুসলিমের সূত্র (طريق) থেকে; তিনি বলেন, আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ ইবনে জাবির আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি কাসিম আবু আবদুর রহমান থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (উকবা) বলেন: "একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উট পাহাড়ি কোনো একটি সংকীর্ণ পথ দিয়ে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি বললেন: 'হে উকবা, তুমি কি সওয়ার হবে না?' আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সওয়ারিতে আরোহণ করাকে সম্মানের বরখেলাপ মনে করলাম। অতঃপর তিনি আবার বললেন: 'হে উকবা, তুমি কি সওয়ার হবে না?' তখন আমি ভয় পেলাম যে, (আরোহণ না করা) অবাধ্যতা হতে পারে। তখন তিনি নেমে গেলেন এবং আমি সামান্য সময়ের জন্য সওয়ার হলাম। এরপর আমি নেমে গেলাম এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরোহণ করলেন। এরপর তিনি বললেন: 'আমি কি তোমাকে এমন দুটি উত্তম সূরা শেখাব না, যা মানুষ পাঠ করে থাকে?' অতঃপর তিনি আমাকে {ক্বুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক} এবং {ক্বুল আউযু বিরাব্বিন নাস} পাঠ করে শোনালেন। এরপর সালাতের ইকামত দেওয়া হলে তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন এবং ওই সূরা দুটি পাঠ করলেন। এরপর তিনি আমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: 'কেমন দেখলে...'
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩৭)
رأيت يا عقبة بن عامر إقرأ بهما كلما نمت وقمت".
أخرجه النسائي1، وأحمد2، وأبو يعلي3 وابن خزيمة4.
ورجال إسناده ثقات والوليد بن مسلم صرح بالتحديث عن شيخه عند من خرجه وعن شيخ شيخه عند ابن خزيمة وتابعه ابن المبارك عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر عن القاسم عن عقبة بنحوه لكنه مختصر.
أخرجه النسائي في عمل اليوم والليلة5.
الطريق الثاني: من طريق محمد بن إسحاق عن سعيد بن أبي سعيد6 عن أبيه7 عن عقبة بن عامر بنحو وفيه قال: "وسمعته يؤمنا بهما في الصلا ة" لم يذكر أنها الفجر وذكر أنه في السفر.
أخرجه أبو داود8 والبيهقي9 وفيه عنعنة ابن إسحاق.
الطريق الثالث: من طريق هشام بن الغاز10 عن سليمان بن
--------------------------------------------
হে উকবা ইবনে আমির! দেখ, তুমি যখনই ঘুমাতে যাবে এবং জাগ্রত হবে, তখনই এই সূরা দুটি পাঠ করবে।
এটি নাসায়ি (১), আহমদ (২), আবু ইয়ালা (৩) এবং ইবনে খুযাইমা (৪) বর্ণনা করেছেন।
এর সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (ثقات)। ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম তার শায়খের পক্ষ থেকে সরাসরি শ্রবণের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন তাদের নিকট যারা এটি সংকলন করেছেন এবং ইবনে খুযাইমার নিকট তিনি তার শায়খের শায়খের থেকেও সরাসরি শ্রবণের কথা উল্লেখ করেছেন। ইবনে মুবারক, আবদুর রহমান ইবনে ইয়াযিদ ইবনে জাবির থেকে, তিনি কাসিম থেকে, তিনি উকবা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করে তার অনুসরণ করেছেন, তবে এটি সংক্ষিপ্ত।
এটি নাসায়ি 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ' (৫) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
দ্বিতীয় পথ: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের সূত্রে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ (৬) থেকে, তিনি তার পিতা (৭) থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এতে বলা হয়েছে: "আমি তাকে সালাতে এই সূরা দুটি দিয়ে আমাদের ইমামতি করতে শুনেছি।" এতে ফজর সালাতের কথা উল্লেখ করা হয়নি, তবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি সফর অবস্থায় ছিল।
এটি আবু দাউদ (৮) ও বায়হাকি (৯) বর্ণনা করেছেন এবং এতে ইবনে ইসহাকের 'আনআনা' (عنعنة) রয়েছে।
তৃতীয় পথ: হিশাম ইবনুল গায (১০) এর সূত্রে, তিনি সুলায়মান ইবনে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩৮)
موسى1 عن عقبة بن عامر الجهني قال: " كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فلما طلع الفجر أذن وأقام ثم أقامني عن يمينه فقرأ بالمعوذتين فلما انصرف قال: "كيف رأيت؟ " قلت: "قد رأيت يا رسول الله" قال: "فاقرأ بهما كلما نمت وكلما قمت".
أخرجه ابن أبي شيبة2 عن وكيع عن هشام به.
قال البخاري3: "سليمان لم يدرك أحداً من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم".
وبالجملة فهذا الحديث بمجموع هذه الطرق يتقوى وأصله في مسلم4 بذكر فضل المعوذتين دون ذكر القراءة بهما في الصلاة من طريق قيس بن أبي حازم عن عقبة مرفوعاً.
[12] الحديث الثاني عشر:
عن عمرو بن عبسة رضي الله عنه قال: "إن النبي صلى الله عليه وسلم قرأ في الصبح {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ} و {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ} وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "الفلق: جهنم".
أخرجه أبو يعلى5 من طريق مغلس الخراساني6 عن أيوب بن
--------------------------------------------
মুসা ১ উকবাহ ইবনে আমির আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। যখন ফজর উদিত হলো, তিনি আজান ও ইকামত দিলেন, এরপর আমাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করালেন। এরপর তিনি মুআউবিজাতাইন পাঠ করলেন। যখন তিনি নামাজ শেষ করলেন, তখন বললেন: 'তুমি কেমন দেখলে?' আমি বললাম: 'হে আল্লাহর রাসুল, আমি দেখেছি।' তিনি বললেন: 'যখনই তুমি ঘুমাতে যাবে এবং যখনই তুমি ঘুম থেকে উঠবে, এই দুটি পাঠ করবে'।"
ইবনে আবি শাইবাহ ২ এটি ওয়াকি' থেকে, তিনি হিশাম থেকে একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
বুখারি ৩ বলেছেন: "সুলায়মান নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবিদের মধ্য থেকে কারোর সাক্ষাৎ পাননি।"
সারসংক্ষেপ হলো, এই হাদিসটি এই সকল সূত্রের সমষ্টির মাধ্যমে শক্তিশালী (يتقوى) হয়। এর মূল বর্ণনাটি মুসলিমে ৪ কায়েস ইবনে আবি হাজিম থেকে, তিনি উকবাহ থেকে মারফু (مرفوعاً) হিসেবে মুআউবিজাতাইনের ফজিলতের উল্লেখসহ বর্ণিত হয়েছে, তবে নামাজে সেগুলো পাঠ করার উল্লেখ নেই।
[১২] দ্বাদশ হাদিস:
আমর ইবনে আবাসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাজে {কুল আউজু বিরাব্বিল ফালাক} এবং {কুল আউজু বিরাব্বিন নাস} পাঠ করেছেন এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'ফালাক হলো জাহান্নাম'।"
আবু ইয়ালা ৫ এটি মুগাল্লাস আল-খুরাসানি ৬-এর সূত্রে আইয়ুব ইবনে... থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান
(পৃষ্ঠা: ২৩৯)
يزيد1 عن أبي رزين2 عن عمرو بن عبسة به وسنده ضعيف.
[13] الحديث الثالث عشر:
عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: "قدمت المدينة ورسول الله صلى الله عليه وسلم بخيبر فوجدت رجلاً من بني غفار يؤم الناس في صلاة فقرأ في الركعة الأولى سورة مريم وفي الثانية {وَيْلٌ لِلْمُطَفِّفِينَ} أحسبه قال: في صلاة الفجر".
أخرجه البزار3 من طريق عثمان بن أبي سليمان4 عن عراك بن مالك5 عن أبي هريرة به وسنده صحيح.
قال الهيثمي6: "ورجاله رجال الصحيح".
--------------------------------------------
ইয়াজিদ১ আবু রাজিন২ থেকে, তিনি আমর ইবনে আবাসা (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং এর সনদ দুর্বল (ضعيف)।
[১৩] ত্রয়োদশ হাদিস:
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি মদিনায় আসলাম যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খায়বারে ছিলেন। আমি বনী গিফার গোত্রের এক ব্যক্তিকে লোকদের নামাজে ইমামতি করতে দেখলাম। তিনি প্রথম রাকাতে সূরা মারইয়াম এবং দ্বিতীয় রাকাতে {দুর্ভোগ তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়} পাঠ করলেন। আমার ধারণা তিনি বলেছিলেন: ফজর নামাজে।"
এটি আল-বাজজার৩ ওসমান ইবনে আবি সুলাইমান৪-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইরাক ইবনে মালিক৫ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এবং এর সনদ সহিহ (صحيح)।
আল-হাইতামী৬ বলেন: "এর বর্ণনাকারীগণ সহিহ (الصحيح) গ্রন্থের বর্ণনাকারী।"
--------------------------------------------