(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث القراءة في صلاة الفجر جمعا ودراسة   (إبراهيم العبيد)

القسم: مسائل فقهية


الكتاب: أحاديث القراءة في صلاة الفجر جمعاً ودراسة

المؤلف: إبراهيم بن علي بن عبيد العبيد

الناشر: الجامعة الاسلامية بالمدينة المنورة

الطبعة: السنة 33 - العدد - 113 - 1421هـ/2001م

عدد الصفحات: 292

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ: সংকলন ও পর্যালোচনা   (ইব্রাহিম আল-উবাইদ)

বিভাগ: ফিকহী মাসআলাসমূহ


কিতাব: ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ: সংকলন ও পর্যালোচনা

লেখক: ইব্রাহিম বিন আলী বিন উবাইদ আল-উবাইদ

প্রকাশক: মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়

সংস্করণ: ৩৩তম বর্ষ - সংখ্যা - ১১৩ - ১৪২১ হিজরি/২০০১ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯২

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১১)
أحاديث القراءة في صلاة الفجر جمعا ودراسة

إعداد

د. إبراهيم بن علي العبيد

الأستاذ المشارك في كلية الحديث والدراسات الإسلامية

ال‌‌مقدمة

إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له وأشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمد عبده ورسوله.

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلَاّ وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} 1.

{يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيباً} 2.

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلاً سَدِيداً يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزاً عَظِيماً} 3.

أما بعد:

فهذا بحث متواضع في القراءة في صلاة الفجر جمعت فيه الأحاديث الواردة في القراءة في صلاة الفجر وسميته:

"أحاديث القراءة في صلاة الفجر جمعاً ودراسة"

وقسمته إلى مقدمة وثلاثة مباحث هي:

المبحث الأول: أحاديث القراءة في صلاة الفجر.

المبحث الثاني: أحاديث القراءة في صلاة الفجر يوم الجمعة.

--------------------------------------------

1 آل عمران، الآية (102) .

2 النساء، الآية (1) .

3 الأحزاب، الآية (70، 71) .
ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ: সংকলন ও বিশ্লেষণ

প্রস্তুতকরণে

ড. ইবরাহীম বিন আলী আল-উবাইদ

হাদিস ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক

ভূমিকা

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা চাই। আমরা আমাদের নফসের অকল্যাণ এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে হেদায়েত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল।

{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} ১।

{হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন আর তাঁদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যার দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।} ২।

{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে।} ৩।

অতঃপর:

এটি ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত একটি বিনম্র গবেষণা, এতে আমি ফজর সালাতে কিরাত সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহ সংকলন করেছি এবং এর নাম দিয়েছি:

"ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ: সংকলন ও বিশ্লেষণ"

আমি একে একটি ভূমিকা ও তিনটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত করেছি, যা হলো:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জুমার দিন ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ।

--------------------------------------------

১ আল ইমরান, আয়াত (১০২)।

২ আন-নিসা, আয়াত (১)।

৩ আল-আহযাব, আয়াত (৭০, ৭১)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১২)
المبحث الثالث: أحاديث القراءة في الصلاة غير مقيدة بالفجر ولا غيرها.

وخاتمة اشتملت على أهم النتائج في هذا البحث.

وقد جمعت مادة هذا البحث من كتب السنة من مضانها مع تخريجها والحكم عليها بناءً على قواعد المحدثين، فإن كان الحديث في الصحيحين أو أحدهما فإني أكتفي بالعزو إلى من أخرجه من أصحاب الكتب الستة دون غيرهم فإن لم يكن في الصحيحين أو أحدهما فإني أجتهد في تخريجه من دواوين السنة الصحاح والسنن والمسانيد والمعاجم وكتب الزوائد وغيرها.

- أرتب الأحاديث في كل مبحث على حسب درجتها الصحيحة فالحسنة فالضعيفة مالم يكن له شاهد من الأحاديث الصحيحة أو الحسنة فإني أجعله عقبه للعلاقة بينهما.

- إذا صح الحديث من أحد طرقه فإني لا ألتزم الحكم على جميع طرق الحديث اكتفاءً بصحته.

- أنقل أقوال أهل العلم في الحكم على الحديث إن وجدت.

-إذا كان ضعف الحديث ظاهراً فإني لا أستطرد في الكلام عليه.

-أترجم للرواة الذين تدعو الحاجة إلى الترجمة لهم -كمن يدور عليه الحكم على الحديث- من كتاب الكاشف للحافظ الذهبي والتقريب للحافظ ابن حجر مالم أخالفهما بناءً على كلام حفاظ آخرين فإني أبين ذلك.

- إذا لم يكن الراوي من رجال التقريب والكاشف فإني أترجم له من كتب الجرح والتعديل الأخرى.

- أبين الغريب الذي يحتاج إلى بيان من كتب الغريب واللغة.
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: নামাজে কিরাত সংক্রান্ত হাদিসসমূহ যা ফজর বা অন্য কোনো ওয়াক্তের সাথে নির্দিষ্ট নয়।

এবং একটি উপসংহার যা এই গবেষণার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে।

আমি এই গবেষণার উপকরণসমূহ সুন্নাহর কিতাবসমূহের মূল উৎস থেকে সংগ্রহ করেছি, পাশাপাশি মুহাদ্দিসগণের নীতিমালার আলোকে সেগুলোর উৎস নির্ণয় (تخريج) এবং সেগুলোর ওপর মানদণ্ড নির্ধারণ (الحكم عليها) করেছি। যদি হাদিসটি সহিহাইন অথবা উভয়ের কোনো একটিতে থাকে, তবে আমি কুতুবে সিত্তাহর অন্তর্ভুক্ত অন্য সংকলকদের সূত্র উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়েছি। আর যদি হাদিসটি সহিহাইন-এর কোনোটিতে না থাকে, তবে আমি সুন্নাহর সংকলনসমূহ যেমন সহিহ গ্রন্থসমূহ, সুনান, মুসনাদসমূহ, মা'জামসমূহ, যাওয়ায়েদ গ্রন্থসমূহ এবং অন্যান্য উৎস থেকে এর উৎস নির্ণয়ে (تخريج) সচেষ্ট হয়েছি।

- আমি প্রতিটি পরিচ্ছেদে হাদিসগুলোকে তাদের মান অনুযায়ী ক্রমানুসারে সাজিয়েছি; প্রথমে সহিহ (صحيحة), এরপর হাসান (حسنة) এবং এরপর দুর্বল (ضعيفة)। তবে কোনো দুর্বল হাদিসের যদি সহিহ (صحيحة) অথবা হাসান (حسنة) হাদিস থেকে কোনো সমর্থক বর্ণনা (شاهد) থাকে, তবে উভয়ের মধ্যকার সম্পর্কের কারণে আমি সেটিকে তার পরপরই উল্লেখ করেছি।

- যদি কোনো হাদিস তার কোনো একটি সূত্রের (طرق) মাধ্যমে সহিহ (صح) বলে প্রমাণিত হয়, তবে তার সহিহ হওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট মনে করে আমি উক্ত হাদিসের সকল সূত্রের (طرق) ওপর বিধান প্রদানের আবশ্যকতা পালন করিনি।

- হাদিসের ওপর বিধান প্রদানের (الحكم) ক্ষেত্রে আলেমগণের বক্তব্য পাওয়া গেলে আমি তা উদ্ধৃত করেছি।

- যদি হাদিসের দুর্বলতা (ضعف) স্পষ্ট হয়, তবে আমি সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করিনি।

- আমি প্রয়োজনীয় বর্ণনাকারীদের (رواة) জীবনী আলোচনা করেছি—যেমন যাদের ওপর হাদিসের বিধান (الحكم) নির্ভর করে—হাফিজ যাহাবীর আল-কাশিফ এবং হাফিজ ইবনে হাজারের আত-তাকরিব গ্রন্থ থেকে; যতক্ষণ না অন্য হাফিজগণের (حفاظ) বক্তব্যের ভিত্তিতে আমি তাদের সাথে দ্বিমত পোষণ করি, যা আমি পরবর্তীতে স্পষ্ট করেছি।

- যদি বর্ণনাকারী (الراوي) তাকরিব এবং কাশিফ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত না হন, তবে আমি অন্যান্য জারহ ও তা'দিল (الجرح والتعديل) বিষয়ক গ্রন্থসমূহ থেকে তার জীবনী আলোচনা করেছি।

- যেসব অস্পষ্ট শব্দের (الغريب) ব্যাখ্যা প্রয়োজন, আমি গারিবুল হাদিস ও ভাষার অভিধানসমূহ থেকে তা স্পষ্ট করেছি।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১৩)
- عمل الفهارس العلمية.

- فهرس المصادر والمراجع.

- فهرس المواضيع.

هذا وقد بذلت جهدي في إخراج هذا البحث فما كان فيه من صواب فمن توفيق الله عز وجل وما كان فيه من خطأ فأسأل الله العفو والتوفيق للصواب إنه ولي ذلك والقادر عليه.

وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
গবেষণামূলক নির্ঘণ্ট প্রস্তুতকরণ।

- উৎস ও তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট।

- বিষয়সূচি।

এই গবেষণাপত্রটি উপস্থাপনে আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এতে যা কিছু সঠিক রয়েছে তা মহান আল্লাহর তাওফিকেরই ফল, আর যা কিছু ভুল-ত্রুটি হয়েছে সে জন্য আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং সঠিক বিষয় উপলব্ধির তাওফিক কামনা করছি। নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান।

আল্লাহ তাআলা আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১৪)
‌‌المبحث الأول: الأحاديث الواردة في القراءة في صلاة الفجر

[1] الحديث الأول:

عن أبي برزة الأسلمي رضي الله عنه "أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في الفجر مابين الستين إلى المائة آية".

أخرجه البخاري1 ومسلم2 وأبو داود3 والنسائي4 وابن ماجه5 من طرق عن أبي المنهال6 عن أبي برزة به.

[2] الحديث الثاني:

عن أم سلمة رضي الله عنها قالت: "شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أشتكي" قال: "طوفي من وراء الناس وأنت راكبة" فطفت ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي إلى جنب البيت يقرأ بـ {وَالطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ} "7.

أخرجه البخاري8 ومسلم9 وأبو داود10 عن محمد بن عبد الرحمن والنسائي11 عن أبي الأسود وابن ماجه12 عن محمد بن عبد الرحمن كلاهما عن عروة عن

--------------------------------------------

1 في صحيحه (1/200 رقم 516) كتاب مواقيت الصلاة، باب وقت الظهر عند الزوال وأخرجه برقم (574، 737) .

2 في صحيحه (1/338 رقم 461) كتاب الصلاة، باب القراءة في الصبح.

3 في سننه (1/281 رقم 398) كتاب الصلاة، باب في وقت صلاة النبي صلى الله عليه وسلم وكيف كان يصليها.

4 في سننه (2/157 رقم 948) كتاب الصلاة، باب القراءة في الصبح بالستين إلى المائة.

5 في سننه (1/268رقم818) كتاب إقامة الصلاة والسنة فيها، باب القراءة في صلاة الفجر.

6 سيار بن سلامة الريّاحي أبو المنهال البصري ثقة من الرابعة مات سنة تسع وعشرين ومائة. ع.الكاشف (3/332) التقريب (261) .

7 الطور آية (1) .

8 في صحيحه (1/177 رقم 452) كتاب المساجد، باب إدخال البعير في المسجد للعلة. وأخرجه برقم (1540، 1546، 1552، 4572) .

9 في صحيحه (2/927 رقم 1276) كتاب الحج، باب جواز الطواف على بعير وغيره.

10 في سننه (2/443 رقم 1882) كتاب المناسك، باب الطواف الواجب.

11 في سننه (5/223، 224 رقم 2927) كتاب المناسك، باب طواف الرجال مع النساء.

12 في سننه (2/987 رقم 2961) كتاب المناسك، باب المريض يطوف راكباً.
‌‌প্রথম পরিচ্ছেদ: ফজর সালাতে কিরাত সংক্রান্ত বর্ণিত হাদিসসমূহ

[১] প্রথম হাদিস:

আবু বারযা আল-আসলামি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।"

এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ। তারা সকলে আবু আল-মিনহালের মাধ্যমে আবু বারযা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

[২] দ্বিতীয় হাদিস:

উম্মে সালামা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আমার অসুস্থতার অভিযোগ করলাম।" তিনি বললেন: "তুমি আরোহী অবস্থায় মানুষের পেছন দিয়ে তাওয়াফ করো।" অতঃপর আমি তাওয়াফ করলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবার পাশে সালাত আদায় করছিলেন এবং {ওয়াত-তুর, ওয়া কিতাবিম মাসতুর} তিলাওয়াত করছিলেন।

এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি, মুসলিম এবং আবু দাউদ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, নাসাঈ আবুল আসওয়াদ থেকে এবং ইবনে মাজাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে। তারা উভয়ে উরওয়া থেকে...

--------------------------------------------

১. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/২০০, হাদিস নং ৫১৬), সালাতের ওয়াক্ত অধ্যায়, সূর্য ঢলে পড়ার সময় যোহরের ওয়াক্ত অনুচ্ছেদ; এটি আরও বর্ণনা করেছেন নং (৫৭৪, ৭৩৭) এ।

২. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/৩৩৮, হাদিস নং ৪৬১), সালাত অধ্যায়, ফজরে কিরাত অনুচ্ছেদ।

৩. তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/২৮১, হাদিস নং ৩৯৮), সালাত অধ্যায়, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সালাতের সময় এবং তিনি কীভাবে সালাত আদায় করতেন অনুচ্ছেদ।

৪. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/১৫৭, হাদিস নং ৯৪৮), সালাত অধ্যায়, ফজরে ষাট থেকে একশ আয়াত কিরাত অনুচ্ছেদ।

৫. তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/২৬৮, হাদিস নং ৮১৮), সালাত কায়েম এবং তাতে সুন্নাত অধ্যায়, ফজর সালাতে কিরাত অনুচ্ছেদ।

৬. সাইয়্যার ইবনে সালামাহ আল-রিয়াহি আবু আল-মিনহাল আল-বাসরি। তিনি চতুর্থ স্তরের একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী। মৃত্যু ১২৯ হিজরি। আল-কাশিফ (৩/৩৩২), আত-তাকরিব (২৬১)।

৭. সূরা আত-তুর, আয়াত (১)।

৮. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/১৭৭, হাদিস নং ৪৫২), মসজিদ অধ্যায়, অসুস্থতার কারণে মসজিদে উট প্রবেশ করানো অনুচ্ছেদ। এটি আরও বর্ণনা করেছেন নং (১৫৪০, ১৫৪৬, ১৫৫২, ৪৫৭২) এ।

৯. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (২/৯২৭, হাদিস নং ১২৭৬), হজ অধ্যায়, উট বা অন্য কিছুর পিঠে চড়ে তাওয়াফ করা বৈধ হওয়া অনুচ্ছেদ।

১০. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/৪৪৩, হাদিস নং ১৮৮২), হজের আহকাম অধ্যায়, ওয়াজিব তাওয়াফ অনুচ্ছেদ।

১১. তাঁর সুনান গ্রন্থে (৫/২২৩, ২২৪, হাদিস নং ২৯২৭), হজের আহকাম অধ্যায়, নারীদের সাথে পুরুষদের তাওয়াফ অনুচ্ছেদ।

১২. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/৯৮৭, হাদিস নং ২৯৬১), হজের আহকাম অধ্যায়, অসুস্থ ব্যক্তির আরোহী অবস্থায় তাওয়াফ করা অনুচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১৫)
زينب بنت أبي سلمة1 عن أم سلمة به.

وفي لفظ للبخاري2 من طريق هشام عن عروة عن أم سلمة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم: "إذا أقيمت صلاة الصبح فطوفي على بعيرك والناس يصلون، ففعلت ذلك فلم تصل حتى خرجت".

فبين هشام في هذه الرواية عن عروة أن الصلاة كانت صلاة الصبح.

وفي رواية لابن خزيمة3 أنها صلاة العشاء من طريق ابن وهب عن مالك وابن لهيعة عن أبي4 الأسود عن عروة بن الزبير عن زينب عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت: " … فسمعته يقرأ في العشاء الآخرة وهو يصلي بالناس {وَالطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ} " 5.

لكن بين الحافظ ابن حجر6 أن هذه الرواية شاذة لما ذكر رواية البخاري التي ليس فيها ذكر الصبح فقال: لكن تبين ذلك -أي أن الصلاة صلاة

--------------------------------------------

1 زينب بنت أبي سلمة بن عبد الأسد المخزومية ربيبة النبي صلى الله عليه وسلم ماتت سنة ثلاث وسبعين وحضر ابن عمر جنازتها قبل أن يحج ويموت بمكة. ع.

الكاشف (3/426) التقريب (747) .

2 في صحيحه (2/587، 588، رقم 1546) كتاب الحج، باب من صلى ركعتي الطواف خارجاً من المسجد.

3 في صحيحه (1/263 رقم 523) كتاب الصلاة، باب القراءة في صلاة العشاء.

4 هكذا وقع في الفتح "أبي" وهو الصواب ووقع عند ابن خزيمة "ابن" وهو خطأ لأن أبا الأسود محمد بن عبد الرحمن بن نوفل هو الذي يروي عن عروة.

الفتح (2/253) تهذيب الكمال (20/15) .

5 الطور الآية (1) .

6 الفتح (2/253) .
জয়নাব বিনতে আবি সালামা১ উম্মে সালামা (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

বুখারি২-এর এক পাঠে হিশামের সূত্রে উরওয়াহ হতে এবং তিনি উম্মে সালামা (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছিলেন: "যখন ফজরের নামাজের ইকামত দেয়া হবে, তখন তুমি তোমার উটের পিঠে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করো এমতাবস্থায় যে মানুষ নামাজ পড়তে থাকবে।" তিনি তা-ই করলেন এবং (মক্কা থেকে) বের না হওয়া পর্যন্ত তিনি নামাজ আদায় করেননি।

হিশাম উরওয়াহ থেকে বর্ণিত এই বর্ণনায় (رواية) স্পষ্ট করেছেন যে, সেই নামাজটি ছিল ফজরের নামাজ।

ইবনে খুজাইমা৩-এর এক বর্ণনায় (رواية) এসেছে যে, সেটি ছিল এশার নামাজ। এটি ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে মালিক ও ইবনে লাহিয়া হতে, তারা আবুল আসওয়াদ৪ হতে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল জুবায়ের হতে, তিনি জয়নাব হতে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালামা (রা.) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: " … আমি তাঁকে লোকজনকে নিয়ে এশার নামাজ পড়ানোর সময় পাঠ করতে শুনেছি: {শপথ তূর পর্বতের এবং শপথ লিখিত কিতাবের} " ৫।

তবে হাফেজ ইবনে হাজার৬ স্পষ্ট করেছেন যে, এই বর্ণনাটি (رواية) ব্যতিক্রমী (شاذة), কারণ তিনি বুখারি-এর সেই বর্ণনাটি (رواية) উল্লেখ করেছেন যাতে ফজরের কোনো উল্লেখ নেই। তিনি বলেছেন: তবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে—অর্থাৎ নামাজটি ছিল...

--------------------------------------------

১ জয়নাব বিনতে আবি সালামা ইবনে আব্দুল আসাদ আল-মাখজুমিয়া, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রবীবা (পালিতা কন্যা) ছিলেন। তিনি তিয়াত্তর হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। ইবনে উমর (রা.) হজে যাওয়ার আগে এবং মক্কায় ইন্তেকাল করার আগে তাঁর জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন। ع।

আল-কাশিফ (৩/৪২৬) আত-তাকরিব (৭৪৭)।

২ তাঁর সহিহ গ্রন্থে (২/৫৮৭, ৫৮৮, নং ১৫৪৬) হজ্জ অধ্যায়, মসজিদের বাইরে তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজ আদায় করা অনুচ্ছেদ।

৩ তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/২৬৩ নং ৫২৩) নামাজ অধ্যায়, এশার নামাজে কিরাত পড়া অনুচ্ছেদ।

৪ ফাতহুল বারীতে এভাবেই 'আবি' এসেছে এবং সেটিই সঠিক। ইবনে খুজাইমার গ্রন্থে 'ইবনে' এসেছে যা ভুল (خطأ); কারণ আবুল আসওয়াদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে নাওফাল-ই উরওয়াহ থেকে বর্ণনা (يروي) করেন।

ফাতহুল বারী (২/২৫৩) তাহজিবুল কামাল (২০/১৫)।

৫ সূরা আত-তূর, আয়াত (১)।

৬ ফাতহুল বারী (২/২৫৩)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১৬)
الصبح- من رواية أخرى أوردها بعد ستة أبواب1 من طريق يحي بن أبي زكريا الغساني عن هشام بن عروة عن أبيه ولفظه فقال: "إذا أقيمت الصلاة للصبح فطوفي … ".

وهكذا أخرجه الإسماعيلي من رواية حسان بن إبراهيم عن هشام.

وأما ما أخرجه ابن خزيمة من طريق ابن وهب عن مالك وابن لهيعة جميعاً عن أبي الأسود في هذا الحديث قال فيه: "قالت وهو يقرأ في العشاء الآخرة" فشاذ وأظن سياقه لفظ ابن لهيعة لأن ابن وهب رواه في الموطأ2 عن مالك فلم يعين الصلاة كما رواه أصحاب مالك كلهم أخرجه الدارقطني في الموطأت له من طرق كثيرة عن مالك، منها رواية ابن وهب المذكورة، وإذا تقرر ذلك فابن لهيعة لا يحتج به إذا أنفرد فكيف إذا خالف. وعرف بهذا اندفاع الإعتراض الذي حكاه ابن التين عن بعض المالكية حيث أنكر أن تكون الصلاة المذكورة صلاة الصبح فقال: "ليس في الحديث بيانها، والأولى أن تحمل على النافلة لأن الطواف يمتنع إذا كان الإمام في صلاة الفريضة" انتهى3. وهو رد للحديث الصحيح بغير حجة ا-هـ.

[3] الحديث الثالث:

عن أبي قتادة رضي الله عنه قال: "كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الركعتين الأوليين من صلاة الظهر بفاتحة الكتاب وسورتين يطول في الأولى ويقصر في الثانية ويسمع الآية أحياناً وكان يقرأ في العصر بفاتحة الكتاب وسورتين وكان يطول في الأولى

--------------------------------------------

1 الفتح (3/486) .

(1/370، 371) كتاب الحج، باب جامع الطواف.

3 أي انتهى كلام ابن التين.
ফজর- অন্য একটি বর্ণনায় যা তিনি ছয়টি অধ্যায় ১ পরে ইয়াহইয়া বিন আবু জাকারিয়া আল-গাসসানি-এর সূত্রে হিশাম বিন উরওয়াহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন এবং এর শব্দাবলি হলো: তিনি বললেন: "যখন ফজরের নামাজের ইকামত দেয়া হবে, তখন তুমি তাওয়াফ করো … "।

আর এভাবেই আল-ইসমাঈলি একে হাসসান বিন ইবরাহিমের বর্ণনা হতে হিশামের সূত্রে সংকলন করেছেন।

আর ইবনে খুজাইমাহ ইবনে ওয়াহাব-এর সূত্রে মালিক ও ইবনে লাহিয়াহ উভয়ের পক্ষ থেকে আবুল আসওয়াদ হতে এই হাদিসে যা সংকলন করেছেন, তাতে বলা হয়েছে: "তিনি বললেন, যখন তিনি এশার নামাজে কিরাত পড়ছিলেন", এটি একটি শায (شاذ) বর্ণনা। আমার ধারণা এর বর্ণনাভঙ্গি ইবনে লাহিয়াহ-এর শব্দাবলি, কারণ ইবনে ওয়াহাব এটি মুয়াত্তা ২-এ মালিকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে নামাজের কথা নির্দিষ্ট করেননি, যেমনটি মালিকের সকল সাথী বর্ণনা করেছেন। আল-দারাকুতনি তার মুয়াত্তা গ্রন্থে মালিক হতে বহু সূত্রে এটি সংকলন করেছেন, যার মধ্যে উল্লিখিত ইবনে ওয়াহাবের বর্ণনাটিও রয়েছে। আর যখন এটি প্রতিষ্ঠিত হলো, তখন ইবনে লাহিয়াহ-এর বর্ণনা দলিলযোগ্য নয় (لا يحتج به) যখন তিনি একক বর্ণনা (انفرد) প্রদান করেন, তাহলে যখন তিনি বিরোধিতা (خالف) করেন তখন তা কেমন হবে? এর মাধ্যমে ইবনে তীন কতিপয় মালিকি আলেম হতে যে আপত্তির কথা উল্লেখ করেছেন তার খণ্ডন জানা গেল, যেখানে তিনি উল্লিখিত নামাজটি ফজরের নামাজ হতে অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন: "হাদিসে এর কোনো সুস্পষ্ট বর্ণনা নেই, এবং একে নফল নামাজের ওপর প্রয়োগ করাই উত্তম, কারণ ইমাম যখন ফরজ নামাজে থাকেন তখন তাওয়াফ করা নিষেধ।" সমাপ্ত ৩। আর এটি কোনো প্রমাণ ছাড়াই সহিহ (صحيح) হাদিসকে প্রত্যাখ্যান করার শামিল। ইতি।

[৩] তৃতীয় হাদিস:

আবু কাতাদাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জোহরের নামাজের প্রথম দুই রাকাতে সূরা ফাতিহা ও অন্য দুটি সূরা পড়তেন, প্রথম রাকাতে দীর্ঘ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সংক্ষেপ করতেন, আর মাঝে মাঝে আমাদের আয়াত শোনাতেন। তিনি আসরের নামাজেও সূরা ফাতিহা ও অন্য দুটি সূরা পড়তেন এবং প্রথম রাকাত দীর্ঘ করতেন

--------------------------------------------

১ আল-ফাতহ (৩/৪৮৬)।

(১/৩৭০, ৩৭১) কিতাবুল হাজ্জ, বাব জামিউত তাওয়াফ।

৩ অর্থাৎ ইবনে তীন-এর বক্তব্য সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১৭)
وكان يطول في الركعة الأولى من صلاة الصبح ويقصر في الثانية".

أخرجه البخاري1 واللفظ له ومسلم2 وأبو داود3 والنسائي4 وابن ماجه5 من طرق عن يحيى بن أبي كثير6 عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه به.

وعند أبي داود في موضع وابن ماجه عن يحيى بن أبي كثير عن عبد الله بن أبي قتادة وأبي سلمة عن أبي قتادة به.

زاد أبو داود7 وعبد الرزاق8 وابن خزيمة9 وابن حبان10 والبيهقي11 كلهم عن معمر عن يحيى بن أبي كثير عن عبد الله بن أبي قتادة عن

--------------------------------------------

1 في صحيحه (1/264 رقم 725) كتاب صفة الصلاة، باب القراءة في الظهر وانظر رقم (728، 743، 745، 746) .

2 في صحيحه (1/333 رقم 451) كتاب الصلاة، باب القراءة في الظهر والعصر.

3 في سننه (1/503، 504 رقم 798، 799) كتاب الصلاة، باب ما جاء في القراءة في الظهر.

4 في سننه (2/164 رقم 974) كتاب الاستفتاح، باب تطويل القيام في الركعة الأولى من صلاة الظهر، وانظر رقم (975، 976، 977، 978) .

5 في سننه (1/268 رقم 819) كتاب إقامة الصلاة، باب القراءة في صلاة الفجر.

6 يحيى بن أبي كثير الطائي مولاهم أبو نصر اليمامي ثقة ثبت لكنه يدلس ويرسل من الخامسة مات سنة اثنين وثلاثين وقيل قبل ذلك.

الكاشف (3/233) التقريب (596) .

7 في سننه (1/504 رقم 800) كتاب الصلاة، باب ما جاء في القراءة في صلاة الظهر.

8 في مصنفه (2/104 رقم 2675) كتاب الصلاة، باب القراءة في الظهر.

9 في صحيحه (3/36 رقم 1580) كتاب الصلاة، باب تطويل الإمام الركعة الأولى من الصلوات ليتلاحق المأمومون.

10 في صحيحه -الإحسان (5/164، 165 رقم 1855) كتاب الصلاة، باب ذكر الخبر الدال على صحة ما تأولنا خبر أبي سعيد الذي ذكرناه قبل.

11 في سننه (2/66) كتاب الصلاة، باب السنة في تطويل الركعة الأولى.
"তিনি ফজরের নামাজের প্রথম রাকাতে দীর্ঘ কেরাত পাঠ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সংক্ষিপ্ত করতেন।"

এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন এবং শব্দাবলি তাঁরই, আরও বর্ণনা করেছেন মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ—তাঁরা সকলেই বিভিন্ন সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদের এক স্থানে এবং ইবনে মাজাহর বর্ণনায় রয়েছে: ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ ও আবু সালামাহ থেকে, তাঁরা আবু কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদ, আবদুর রাজ্জাক, ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে হিব্বান এবং বায়হাকি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলেই মা'মার থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদাহ থেকে...

--------------------------------------------

১. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/২৬৪, হাদিস নং ৭২৫), কিতাব: নামাজের বিবরণ, অধ্যায়: জোহরের নামাজে কেরাত পাঠ। আরও দেখুন নং (৭২৮, ৭৪৩, ৭৪৫, ৭৪৬)।

২. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/৩৩৩, হাদিস নং ৪৫১), কিতাব: নামাজ, অধ্যায়: জোহর ও আসরের নামাজে কেরাত পাঠ।

৩. তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/৫০৩, ৫০৪, হাদিস নং ৭৯৮, ৭৯৯), কিতাব: নামাজ, অধ্যায়: জোহরের নামাজে কেরাত পাঠ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে।

৪. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/১৬৪, হাদিস নং ৯৭৪), কিতাব: ইস্তিফতাহ (নামাজ শুরু করা), অধ্যায়: জোহরের নামাজের প্রথম রাকাতে কিয়াম দীর্ঘ করা। আরও দেখুন নং (৯৭৫, ৯৭৬, ৯৭৭, ৯৭৮)।

৫. তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/২৬৮, হাদিস নং ৮১৯), কিতাব: নামাজ কায়েম করা, অধ্যায়: ফজরের নামাজে কেরাত পাঠ।

৬. ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির আত-তায়ী, তাঁদের মুক্তদাস, আবু নাসর আল-ইয়ামামি; তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), সুদৃঢ় (ثبت), তবে তিনি তাদলিস করতেন (يدلس) এবং মুরসাল বর্ণনা করতেন (يرسل)। তিনি পঞ্চম স্তরের বর্ণনাকারী; ১৩২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, কারও মতে এর আগে।

আল-কাশিফ (৩/২৩৩), আত-তাকরিব (৫৯৬)।

৭. তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/৫০৪, হাদিস নং ৮০০), কিতাব: নামাজ, অধ্যায়: জোহরের নামাজে কেরাত পাঠ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে।

৮. তাঁর মুসান্নাফ গ্রন্থে (২/১০৪, হাদিস নং ২৬৭৫), কিতাব: নামাজ, অধ্যায়: জোহরের নামাজে কেরাত পাঠ।

৯. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (৩/৩৬, হাদিস নং ১৫৮০), কিতাব: নামাজ, অধ্যায়: ইমাম কর্তৃক নামাজের প্রথম রাকাত দীর্ঘ করা যাতে মুক্তাদিরা জামাতে শামিল হতে পারে।

১০. তাঁর সহিহ (আল-ইহসান) গ্রন্থে (৫/১৬৪, ১৬৫, হাদিস নং ১৮৫৫), কিতাব: নামাজ, অধ্যায়: আমরা পূর্বে আবু সাঈদ (রা.)-এর যে বর্ণনাটি উল্লেখ করেছি, তার বিশুদ্ধতা নির্দেশকারী বর্ণনার উল্লেখ।

১১. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/৬৬), কিতাব: নামাজ, অধ্যায়: প্রথম রাকাত দীর্ঘ করার সুন্নত পদ্ধতি।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১৮)
أبيه قال: "فظننا أنه يريد بذلك أن يتدارك الناس الركعة الأولى" وسنده صحيح.

ولفظ ابن خزيمة " فكنا نرى أنه بفعل ذلك ليتأدى الناس".

[4] الحديث الرابع:

عن قطبة بن مالك رضي الله عنه قال: "صليت وصلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأ:

{ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} 1 حتى قرأ {وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ} 2 قال: فجعلت أرددها ولا أدري ما قال".

أخرجه مسلم3 عن أبي عوانة وابن عيينة وشعبة، والترمذي4 عن مسعر وسفيان، والنسائي5 عن شعبة، وابن ماجه6 عن شريك وسفيان بن عيينة كلهم عن زياد بن عِلَاقة7 عن قطبة بن مالك به.

وفي لفظ لمسلم: "سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الفجر: {وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَهَا طَلْعٌ نَضِيدٌ} "8.

--------------------------------------------

1 ق، آية (1) .

2 ق، آية (10) .

3 في صحيحه (1/336 رقم 457) كتاب الصلاة، باب القراءة في الصبح.

4 في سننه (2/108، 109 رقم306) كتاب الصلاة، باب ما جاء في القراءة في صلاة الصبح.

5 في سننه (2/157 رقم 950) كتاب الإفتتاح، باب القراءة في الصبح بقاف.

6 في سننه (1/268 رقم 816) كتاب إقامة الصلاة، باب القراءة في صلاة الفجر.

7 زياد بن علاقة بكسر المهملة وبالقاف الثعلبي أبو مالك الكوفي ثقة رمي بالنصب من الثالثة مات سنة خمس وثلاثين ومائة وقد جاز المائة. ع.

الكاشف (1/261) التقريب (220) .

8 ق، آية (10) .
তাঁর পিতা বলেন: "আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি এর মাধ্যমে লোকেদের প্রথম রাকাতটি পাওয়ার সুযোগ করে দিতে চাচ্ছেন।" এবং এর সনদ বিশুদ্ধ (صحيح)।

আর ইবনে খুজায়মার শব্দাবলী হলো: "আমরা মনে করতাম যে, তিনি তা করছেন যাতে লোকেরা (নামাজ) আদায় করতে পারে।"

[4] চতুর্থ হাদিস:

কুতবা ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি সালাত আদায় করলাম এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তখন তিনি তিলাওয়াত করলেন:

{ক্বাফ। শপথ মহিমান্বিত কুরআনের।} ১ যতক্ষণ না তিনি {এবং দীর্ঘকায় খেজুর গাছসমূহ} ২ পর্যন্ত পড়লেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি তা বারবার মনে মনে আওড়াচ্ছিলাম এবং বুঝতে পারছিলাম না তিনি এরপর কী তিলাওয়াত করলেন।"

এটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম৩ আবু আওয়ানা, ইবনে উয়াইনা ও শু'বা থেকে; তিরমিযী৪ মিসআর ও সুফিয়ান থেকে; নাসাঈ৫ শু'বা থেকে এবং ইবনে মাজাহ৬ শারিক ও সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে। তাঁরা সকলেই যিয়াদ ইবনে ইলাকা৭ থেকে, তিনি কুতবা ইবনে মালিক থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

মুসলিমের অন্য এক শব্দে বর্ণিত হয়েছে: "তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ফজরের সালাতে তিলাওয়াত করতে শুনেছেন: {এবং দীর্ঘকায় খেজুর গাছসমূহ, যার রয়েছে থরে থরে সাজানো মোচা}।" ৮

--------------------------------------------

১. সূরা ক্বাফ, আয়াত (১)।

২. সূরা ক্বাফ, আয়াত (১০)।

৩. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/৩৩৬, নম্বর ৪৫৭), সালাত অধ্যায়, ফজর সালাতে তিলাওয়াত পরিচ্ছেদ।

৪. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/১০৮, ১০৯ নম্বর ৩০৬), সালাত অধ্যায়, ফজর সালাতে যা তিলাওয়াত করা হবে সে সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ।

৫. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/১৫৭ নম্বর ৯৫০), ইফতিতাহ অধ্যায়, ফজর সালাতে সূরা ক্বাফ তিলাওয়াত পরিচ্ছেদ।

৬. তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/২৬৮ নম্বর ৮১৬), সালাত কায়েম অধ্যায়, ফজর সালাতে তিলাওয়াত পরিচ্ছেদ।

৭. যিয়াদ ইবনে ইলাকা—নুকতাহীন 'আইন' বর্ণটি কাসরাহ (জের) যোগে এবং ক্বাফ বর্ণ সহকারে—আস-সা'লাবী, আবু মালিক আল-কুফি। তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة); তাঁর প্রতি আহলে বাইতের প্রতি বিদ্বেষের (النصب) অভিযোগ আনা হয়েছে; তিনি তাবেয়ীদের তৃতীয় স্তরের অন্তর্ভুক্ত। তিনি ১৩৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন এবং তিনি শতবর্ষ অতিক্রম করেছিলেন। (তাঁর থেকে কুতুবে সিত্তাহর সকল ইমাম হাদিস বর্ণনা করেছেন)।

আল-কাশিফ (১/২৬১), আত-তাকরিব (২২০)।

৮. সূরা ক্বাফ, আয়াত (১০)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২১৯)
وفي لفظ لمسلم أيضاً: "فقرأ في أول ركعة {وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَهَا طَلْعٌ نَضِيدٌ} وربما قال: (ق) ".

وفي لفظ للنسائي: "فقرأ في إحدى الركعتين {وَالنَّخْلَ بَاسِقَاتٍ لَهَا طَلْعٌ نَضِيدٌ} قال شعبة: فلقيته في السوق في الزحام فقال: (ق) ".

[5] الحديث الخامس:

عن جابر بن سمرة رضي الله عنه قال: إن النبي صلى الله عليه وسلم "كان يقرأ في الفجر بـ {ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} وكانت صلاته بعد تخفيفاً ".

وفي لفظ عن سماك قال: "سألت جابر بن سمرة عن صلاة النبي صلى الله عليه وسلم؟ " فقال: "كان يخفف الصلاة ولا يصلي صلاة هؤلاء قال: وأنبأني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في الفجر بـ {ق وَالْقُرْآنِ} ونحوها".

أخرجه مسلم1 عن زائدة باللفظ الأول وعن زهير باللفظ الثاني كلاهما عن سماك ابن حرب عن جابر به.

وخالفهما إسرائيل فرواه عن سماك بن حرب عن جابر بن سمرة فذكر الواقعة ولفظه "كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الصلوات كنحو من صلاتكم التي تصلون اليوم، ولكنه كان يخفف، كانت صلاته أخف من صلاتكم، وكان يقرأ في الفجر الواقعة ونحوها من السور".

أخرجه أحمد2 واللفظ له، وعبد الرزاق3، وابن خزيمة4، وابن

--------------------------------------------

1 في صحيحه (1/337 رقم 458) كتاب الصلاة، باب القراءة في الصبح.

2 في مسنده (5/104) .

3 في مصنفه (2/115 رقم 2720) كتاب الصلاة، باب القراءة في صلاة الصبح.

4 في صحيحه (1/265 رقم 531) كتاب الصلاة، باب القراءة في صلاة الصبح.
মুসলিমের অন্য একটি শব্দবিন্যাসেও (لفظ) বর্ণিত হয়েছে: "তিনি প্রথম রাকাতে {উঁচু খেজুর গাছসমূহ, যার রয়েছে ঘন সন্নিবিষ্ট মোচা} পাঠ করলেন; এবং সম্ভবত তিনি (রাবী) বলেছিলেন: (সূরা ক্বাফ)।"

নাসায়ীর একটি শব্দবিন্যাসে (لفظ) রয়েছে: "তিনি দুই রাকাতের যেকোনো একটিতে {উঁচু খেজুর গাছসমূহ, যার রয়েছে ঘন সন্নিবিষ্ট মোচা} পাঠ করলেন। শু'বাহ বলেন: এরপর আমি ভিড়ের মধ্যে বাজারে তাঁর (সিমাক) সাথে সাক্ষাৎ করলাম, তখন তিনি বললেন: (সূরা ক্বাফ)।"

[৫] পঞ্চম হাদিস:

জাবির ইবনে সামুরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সা.) ফজর সালাতে {ক্বাফ, শপথ মহিমান্বিত কুরআনের} পাঠ করতেন এবং তাঁর পরবর্তী সালাতগুলো ছিল সংক্ষিপ্ত।

সিমাক থেকে বর্ণিত একটি শব্দবিন্যাসে (لفظ) তিনি বলেন: "আমি জাবির ইবনে সামুরাকে নবী (সা.)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম।" তিনি বললেন: "তিনি সালাত সংক্ষেপ করতেন এবং বর্তমানের এদের মতো সালাত আদায় করতেন না। তিনি আমাকে আরও জানালেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ফজর সালাতে {ক্বাফ, শপথ মহিমান্বিত কুরআনের} এবং তদ্রূপ অন্য সূরা পাঠ করতেন।"

মুসলিম এটি প্রথম শব্দবিন্যাসসহ (لفظ) যায়িদাহ থেকে এবং দ্বিতীয় শব্দবিন্যাসসহ (لفظ) যুহাইর থেকে উদ্ধৃত (أخرجه) করেছেন; তাঁরা উভয়ে সিমাক ইবনে হারব থেকে এবং তিনি জাবির থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইসরাঈল তাঁদের উভয়ের বিরোধিতা (خالف) করেছেন। তিনি সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি জাবির ইবনে সামুরা থেকে এটি বর্ণনা (رواه) করেছেন এবং তাতে 'আল-ওয়াকিয়াহ' সূরার কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর বর্ণিত শব্দবিন্যাস (لفظ) হলো: "রাসূলুল্লাহ (সা.) তোমাদের বর্তমান কালের সালাতের মতোই সালাত আদায় করতেন, তবে তিনি সংক্ষেপ করতেন; তাঁর সালাত তোমাদের সালাতের চেয়েও হালকা ছিল। তিনি ফজর সালাতে সূরা আল-ওয়াকিয়াহ এবং তদ্রূপ সূরাগুলো পাঠ করতেন।"

আহমাদ এটি উদ্ধৃত (أخرجه) করেছেন এবং শব্দবিন্যাস (لفظ) তাঁরই; এছাড়াও আব্দুর রাজ্জাক, ইবনে খুযাইমাহ এবং ইবনে...

--------------------------------------------

১ তাঁর সহীহ গ্রন্থে (১/৩৩৭, নং ৪৫৮), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: ফজরে কিরাত পাঠ।

২ তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে (৫/১০৪)।

৩ তাঁর মুসান্নাফ গ্রন্থে (২/১১৫, নং ২৭২০), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: ফজর সালাতে কিরাত পাঠ।

৪ তাঁর সহীহ গ্রন্থে (১/২৬৫, নং ৫৩১), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: ফজর সালাতে কিরাত পাঠ।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২০)
حبان1، والطبراني2، والحاكم3. وصححه الحافظ ابن حجر4.

وتابعه سفيان الثوري عن سماك بذكر الواقعة.

أخرجه البيهقي5.

قال البيهقي6 عقب ذكر رواية زهير وزائدة: "ورواه الثوري وإسرائيل عن سماك وقالا في الحديث: "بالواقعة ونحوها من السور".

وأخرجه الطبراني7 عن إسرائيل عن سماك بذكر "ق" كرواية زهير وزائدة وظاهر سنده أنه حسن.

وفيه اختلاف آخر فقد أخرجه الطبراني8 عن علي بن سعيد الرازي9 قال: حدثنا

--------------------------------------------

1 في صحيحه -الإحسان (5/131 رقم 1823) كتاب الصلاة، باب ذكر خبر ثان يصرح بصحة ما ذكرناه.

2 في المعجم الكبير (2/222 رقم 1914) وفي الأوسط (5/30 رقم 4048) .

3 في المستدرك (1/240) كتاب الصلاة، باب كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في صلاة الفجر بالواقعة ونحوها من السور.

4 نتائج الأفكار في تخريج أحاديث الأذكار (1/438) .

5 في سننه (3/119) كتاب الصلاة، باب قدر قراءة النبي صلى الله عليه وسلم في الصلاة المكتوبة وهو إمام.

6 في سننه (2/389) .

7 في المعجم الكبير (2/225 رقم 1929) .

8 في الأوسط (4/537 رقم 3915) .

9 علي بن سعيد بن بشير بن مهران الحافظ البارع أبو الحسن الرازي عليّك، قال حمزة السهمي سألت الدارقطني عنه فقال: "لم يكن بذاك في حديثه فإنما سمعت بمصر أنه والي قرية وكان يطالبهم بالخراج فما كانوا يعطونه قال فجمع الخنازير في المسجد" فقلت له: "إنما أسأل كيف هو في الحديث؟ " فقال: "حدث بأحاديث لم يتابع عليها" ثم قال: "في نفسي منه وقد تكلم فيه أصحابنا بمصر وأشار بيده وقال هو كذا كذا كأنه ليس هو ثقة".

وقال ابن يونس: "كان يفهم ويحفظ" وقال مرة: "تكلموا فيه"، ووثقه مسلم بن قاسم وكان عبدان بن أحمد الجواليقي يعظمه.

وقال الحافظ: "لعل كلامهم فيه من جهة دخوله في أعمال السلطان".

سؤالات السهمي للدارقطني (244) السير (12/145) الميزان (3/131) اللسان (4/231) بلغة القاصي والداني في تراجم شيوخ الطبراني (226) .
ইবনে হিব্বান১, তাবারানি২ এবং হাকেম৩। হাফেজ (الحافظ) ইবনে হাজার৪ একে সহিহ (صححه) বা বিশুদ্ধ আখ্যা দিয়েছেন।

সুফিয়ান আস-সাওরি ‘ওয়াকিয়াহ’ সূরার বর্ণনার ক্ষেত্রে সিমাক থেকে তার অনুসরণ (تابعه) করেছেন।

বায়হাকি৫ এটি বর্ণনা করেছেন।

জুহাইর এবং যায়িদাহ-এর বর্ণনা (رواية) উল্লেখ করার পর বায়হাকি৬ বলেন: "সাওরি এবং ইসরাইল এটি সিমাক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তারা হাদিসের ক্ষেত্রে বলেছেন: 'ওয়াকিয়াহ এবং অনুরূপ সূরাসমূহ'।"

তাবারানি৭ ইসরাইলের সূত্রে সিমাক থেকে ‘ক্বাফ’ সূরার উল্লেখসহ এটি বর্ণনা করেছেন, যেমনটি ছিল জুহাইর এবং যায়িদাহ-এর বর্ণনা (رواية); আর বাহ্যত এর সনদ (سنده) হাসান (حسن)।

এতে আরও একটি মতভেদ রয়েছে, যা তাবারানি৮ আলী ইবনে সাঈদ আর-রাজি৯-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

১. তাঁর সহিহ গ্রন্থে - আল-ইহসান (৫/১৩১, নং ১৮২৩), নামাজ অধ্যায়, আমরা যা উল্লেখ করেছি তার বিশুদ্ধতা স্পষ্টকারী দ্বিতীয় সংবাদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।

২. আল-মু'জাম আল-কাবির (২/২২২, নং ১৯১৪) এবং আল-আওসাত (৫/৩০, নং ৪০৪৮) গ্রন্থে।

৩. আল-মুস্তাদরাক (১/২৪০) গ্রন্থে, নামাজ অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাজে আল-ওয়াকিয়াহ এবং অনুরূপ সূরাসমূহ পাঠ করতেন।

৪. নাতায়েজ আল-আফকার ফি তাখরিজ আহাদিস আল-আযকার (১/৪৩৮)।

৫. তাঁর সুনান (৩/১১৯) গ্রন্থে, নামাজ অধ্যায়, ইমাম হিসেবে ফরজ নামাজে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিরাআতের পরিমাণ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।

৬. তাঁর সুনান (২/৩৮৯) গ্রন্থে।

৭. আল-মু'জাম আল-কাবির (২/২২৫, নং ১৯২৯) গ্রন্থে।

৮. আল-আওসাত (৪/৫৩৭, নং ৩৯১৫) গ্রন্থে।

৯. আলী ইবনে সাঈদ ইবনে বাশির ইবনে মিহরান আল-হাফেজ (الحافظ) আল-বারিউ আবু হাসান আর-রাজি আলাইক। হামযা আস-সাহমি বলেন, আমি দারা কুতনিকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: "তাঁর বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে তিনি তেমন (সবল) ছিলেন না। আমি মিশরে শুনেছি যে, তিনি একটি গ্রামের ওয়ালি ছিলেন এবং তাদের কাছে খাজনা দাবি করতেন, কিন্তু তারা তা দিত না। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি মসজিদে শূকর একত্রিত করেছিলেন।" আমি তাকে বললাম: "আমি শুধু জিজ্ঞাসা করছি হাদিসের ক্ষেত্রে তিনি কেমন?" তিনি বললেন: "তিনি এমন কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন যার কোনো অনুসরণ (يتابع) পাওয়া যায় না।" এরপর তিনি বললেন: "তাঁর সম্পর্কে আমার মনে সংশয় আছে, মিশরে আমাদের সহকর্মীগণ তাঁর সমালোচনা করেছেন।" তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে বললেন, তিনি এমন এমন, যেন তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) নন।

ইবনে ইউনুস বলেন: "তিনি অনুধাবন করতে পারতেন এবং মুখস্থ রাখতেন।" তিনি আরও একবার বলেছেন: "তাঁরা তাঁর সমালোচনা করেছেন।" মুসলিম ইবনে কাসিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন এবং আবদান ইবনে আহমদ আল-জাওয়ালিকি তাঁকে সম্মান করতেন।

হাফেজ (الحافظ) বলেন: "সম্ভবত তাঁর প্রতি তাঁদের এই সমালোচনা সরকারি কাজে তাঁর সম্পৃক্ততার কারণে ছিল।"

সুয়ালাতুস সাহমি লিদ-দারা কুতনি (২৪৪), আস-সিয়ার (১২/১৪৫), আল-মিজান (৩/১৩১), আল-লিসান (৪/২৩১), বুলগাতুল কাসি ওয়াদ দানি ফি তারাজিম শুয়ুখিত তাবারানি (২২৬)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২১)
عبد الله بن عمران الأصبهاني1 قال: حدثنا أبو داود الطيالسي قال: حدثنا شعبة و2 أيوب بن جابر3 عن سماك بن حرب عن جابر بن سمرة " أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في الصبح بـ " ياسين ".

قال الهيثمي4: "ورجاله رجال الصحيح".

وفي هذا نظر فإن شيخ الطبراني وعبد الله بن عمران وأيوب ليسوا من رجال الصحيح ثم إن هذا الطريق يخشى فيه من علي بن سعيد شيخ الطبراني فإنه حدث بأحاديث لم يتابع عليها كما قاله الدارقطني ولعل هذا منها كيف وقد خالف غيره فإن الحديث بذكر (ق) أو الواقعة لا ياسين.

قال الطبراني عقب هذا الحديث: "لم يرو هذا الحديث عن سماك إلا شعبة وأيوب بن جابر ولا رواه عنهما إلا أبو داود تفرد به عبد الله بن عمران".

قال الحافظ ابن حجر5 بعد ذكره لهذا الطريق بذكر (يس) : "هكذا وقع

--------------------------------------------

1 عبد الله بن عمران بن أبي علي الأسدي أبو محمد الأصبهاني نزيل الري صدوق من كبار الحادية عشرة. ق. ووثقه الذهبي.

الكاشف (2/103) التقريب (316) .

2 كذا في مجمع البحرين في زوائد المعجمين للهيثمي (2/125) بالواو وفي الأوسط «بن» بدال الواو وهو خطأ ولهذا قال الطبراني في الأوسط عقب الحديث: لم يرو هذا الحديث عن سماك إلا شعبة وأيوب … بالواو.

3 أيوب بن جابر بن سيار السُّحيمي مصغراً أبوسليمان اليمامي ثم الكوفي ضعيف من الثامنة. دت.

الكاشف (1/93) التقريب (118) .

4 مجمع الزوائد (2/119) .

5 نتائج الأفكار (1/441) .
আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান আল-আসবাহানি ১ বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ ও ২ আইয়ুব ইবনে জাবির ৩ সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি জাবির ইবনে সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাতে সূরা 'ইয়াসিন' পাঠ করতেন।"

হাইসামি ৪ বলেন: "এর বর্ণনাকারীগণ সহিহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী।"

তবে এ বিষয়ে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে, কেননা তাবারানির উস্তাদ, আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান এবং আইয়ুব সহিহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী নন। তদুপরি, এই সূত্রের (الطريق) ক্ষেত্রে তাবারানির উস্তাদ আলি ইবনে সাঈদ সম্পর্কে আশঙ্কা রয়েছে; কেননা তিনি এমন কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন যার সপক্ষে কোনো সমর্থনকারী বর্ণনা নেই (لم يتابع عليها), যেমনটি দারা কুতনি বলেছেন। সম্ভবত এই হাদিসটিও তদ্রূপ; কারণ তিনি অন্যদের বিরোধিতা করেছেন। মূলত হাদিসটি সূরা 'ক্বফ' অথবা 'ওয়াকিয়া'র উল্লেখসহ বর্ণিত হয়েছে, 'ইয়াসিন' নয়।

তাবারানি এই হাদিসের শেষে বলেন: "সিমাক থেকে শু'বাহ ও আইয়ুব ইবনে জাবির ছাড়া অন্য কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি এবং তাদের দুজনের নিকট থেকে আবু দাউদ ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি; আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান এটি বর্ণনায় একক (تفرد به) হয়ে পড়েছেন।"

হাফিজ ইবনে হাজার ৫ 'ইয়াসিন' সম্বলিত এই সূত্রের (الطريق) বর্ণনার পর বলেন: "এভাবেই বর্ণিত হয়েছে...

--------------------------------------------

১ আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান ইবনে আবি আলি আল-আসাদি আবু মুহাম্মদ আল-আসবাহানি, যিনি রাই নগরে বসবাস করতেন। তিনি সত্যবাদী (صدوق) এবং একাদশ স্তরের বড়দের অন্তর্ভুক্ত। সুনানে ইবনে মাজাহ (ق) গ্রন্থে তাঁর বর্ণনা রয়েছে এবং যাহাবি তাঁকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন।

আল-কাশিফ (২/১০৩), আত-তাকরিব (৩১৬)।

২ হাইসামি রচিত মجمع البحرين في زوائد المعجمين (২/১২৫) গ্রন্থে এভাবেই 'ওয়াও' সহযোগে এসেছে। তবে আল-আওসাত গ্রন্থে 'ওয়াও'-এর পরিবর্তে 'বিন' শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যা একটি ভুল (خطأ)। এজন্যই তাবারানি আল-আওসাত-এ হাদিসের শেষে বলেছেন: "সিমাক থেকে শু'বাহ ও আইয়ুব ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি..." অর্থাৎ 'ওয়াও' সহযোগে।

৩ আইয়ুব ইবনে জাবির ইবনে সাইয়্যার আস-সুহাইমি (তাসগিরসহ), আবু সুলাইমান আল-ইয়ামামি, পরবর্তীতে আল-কুফি; তিনি দুর্বল (ضعيف) এবং অষ্টম স্তরের অন্তর্ভুক্ত। সুনানে আবু দাউদ ও তিরমিজিতে (دت) তাঁর বর্ণনা রয়েছে।

আল-কাশিফ (১/৯৩), আত-তাকরিব (১১৮)।

৪ মাজমাউয যাওয়াইদ (২/১১৯)।

৫ নাতাউইজুল আফকার (১/৪৪১)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২২)
في هذه الرواية وقد أخرجه مسلم من وجه آخر عن شعبة بهذا السند بلفظ:

" كان يقرأ في الظهر بسبح وفي الصبح أطول من ذلك".

فلعل بعض الرواة حمل حديث أيوب بن جابر على حديث شعبة وأيوب ابن جابر ضعيف".أ. هـ

ورواه أبو عوانة عن سماك عن رجل من أهل المدينة أنه صلى خلف النبي صلى الله عليه وسلم فسمعه يقرأ في صلاة الفجر {ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ} و {يَس وَالْقُرْآنِ الْحَكِيمِ} .

أخرجه أحمد1 عن يونس عن أبي عوانة به.

قال الهيثمي2: "ورجاله رجال الصحيح".

وأبو عوانة خالف غيره في ذكر الجمع بين السورتين "ق" و "يس".

[6] الحديث السادس:

عن عبد الله بن السائب رضي الله عنه قال: "صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم الصبح بمكة فاستفتح سورة المؤمنين حتى جاء ذكر موسى وهارون أو ذكر عيسى (محمد بن عباد يشك أو اختلفوا عليه) أخذت النبي صلى الله عليه وسلم سعلة، فركع" وعبد الله بن السائب حاضر ذلك.

أخرجه مسلم3 واللفظ له عن حجاج بن محمد وعبد الرزاق، وأبو داود4 عن عبد الرزاق وأبو عاصم كلهم عن ابن جريج قال: "سمعت محمد بن عباد بن جعفر يقول أخبرني أبو سلمة بن سفيان وعبد الله بن عمرو بن العاص

--------------------------------------------

1 في مسنده (4/34) .

2 مجمع الزوائد (2/119) .

3 في صحيحه (12/336 رقم 455) كتاب الصلاة، باب القراءة في الصبح.

4 في سننه (1/426 رقم 455) كتاب الصلاة، باب القراءة في الصبح.
এই বর্ণনায় (رواية), ইমাম মুসলিম অন্য একটি সূত্রে শু'বাহ থেকে এই সনদ (سند) অনুযায়ী এই শব্দে বর্ণনা করেছেন:

"তিনি যোহরের সালাতে 'সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আলা' (সূরা আল-আলা) পাঠ করতেন এবং ফজরের সালাতে তার চেয়েও দীর্ঘ তিলাওয়াত করতেন।"

সম্ভবত কোনো কোনো বর্ণনাকারী (راوٍ) আইয়ুব ইবনে জাবেরের হাদিসকে শু'বাহর হাদিসের বর্ণনার ওপর আরোপ করেছেন, অথচ আইয়ুব ইবনে জাবের হলেন দুর্বল (ضعيف)। সমাপ্ত।

আর আবু আওয়ানা সিমাক থেকে, তিনি মদিনার জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে সালাত আদায় করেছেন এবং তাঁকে ফজরের সালাতে {ক্বাফ ওয়াল কুরআনিল মাজিদ} এবং {ইয়াসিন ওয়াল কুরআনিল হাকিম} পাঠ করতে শুনেছেন।

ইমাম আহমদ এটি ইউনুস থেকে, তিনি আবু আওয়ানা থেকে এই সনদেই বর্ণনা করেছেন।

আল-হাইতামী বলেন: "এর বর্ণনাকারীগণ (رجال) সহীহ (صحيح)-এর বর্ণনাকারী (رجال)।"

আর আবু আওয়ানা 'ক্বাফ' ও 'ইয়াসিন'—এই দুই সূরা একত্রে পাঠের বর্ণনার ক্ষেত্রে অন্যদের বিরোধিতা করেছেন।

[৬] ষষ্ঠ হাদিস:

আবদুল্লাহ ইবনে সায়েব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। তিনি সূরা আল-মুমিনুন শুরু করলেন, যখন মুসা ও হারুন অথবা ঈসা (আলাইহিমুস সালাম)-এর আলোচনা পর্যন্ত পৌঁছালেন (মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ এ বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন অথবা বর্ণনাকারীরা তাঁর ওপর মতভেদ (اختلاف) করেছেন), তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাশি শুরু হলো, ফলে তিনি রুকুতে গেলেন।" আবদুল্লাহ ইবনে সায়েব তখন উপস্থিত ছিলেন।

ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন এবং শব্দগুলো তাঁর; তিনি হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ ও আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আবু দাউদ আবদুর রাজ্জাক ও আবু আসেম থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলে ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমাকে আবু সালামা ইবনে সুফিয়ান এবং আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস সংবাদ দিয়েছেন..."

--------------------------------------------

১ তাঁর মুসনাদে (৪/৩৪)।

২ মাজমাউয যাওয়াইদ (২/১১৯)।

৩ তাঁর সহীহ-এ (১২/৩৩৬, নম্বর ৪৫৫) সালাত অধ্যায়, ফজর সালাতে কিরাত পরিচ্ছেদ।

৪ তাঁর সুনানে (১/৪২৬, নম্বর ৪৫৫) সালাত অধ্যায়, ফজর সালাতে কিরাত পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২৩)
وعبد الله بن المسيب العابدي عن عبد الله بن السائب به".

وأخرجه النسائي1 من طريق خالد قال حدثنا ابن جريج قال: أخبرني محمد بن عباد حديثاً رفعه إلى أبي سفيان عن عبد الله بن السائب بنحوه.

وأخرجه ابن ماجه2 من طريق سفيان بن عيينة عن ابن جريج عن ابن أبي مليكة عن عبد الله بن السائب بنحوه.

قال مسلم: وفي حديث عبد الرزاق: فحذف فركع وفي حديثه وعبد الله ابن عمرو ولم يقل ابن العاص.

وهكذا أيضاً عند أبي داود ليس فيه ابن العاص.

قال النووي3: "قال الحفاظ: قوله ابن العاص غلط والصواب حذفه ليس هذا عبد الله بن عمرو بن العاص الصحابي بل هو عبد الله بن عمرو الحجازي كذا ذكره البخاري في تاريخه وابن أبي حاتم وخلائق من الحفاظ المتقدمين والمتأخرين"4 ا-هـ.

وقال الحافظ5: "وقوله ابن عمرو بن العاص وهم من بعض أصحاب ابن جريج وقد رويناه في مصنف عبد الرزاق فقال: عبد الله بن عمرو القارئ وهو الصواب"6 ا-هـ.

--------------------------------------------

1 في سننه (2/176 رقم 1007) كتاب الافتتاح، باب قراءة بعض السورة.

2 في سننه (1/269 رقم820) كتاب إقامة الصلاة والسنة فيها، باب القراءة في صلاة الفجر.

3 شرح مسلم (4/177) .

4 انظر التاريخ الكبير (5/152) ، الجرح والتعديل (5/117) .

5 الفتح (2/256) .

6 انظر مصنف عبد الرزاق (2/102 رقم 2667) .
এবং আবদুল্লাহ ইবনুল মুসায়্যিব আল-আবিদি, আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব থেকে উক্ত হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম নাসাঈ ১ এটি খালিদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে জুরায়জ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ আমাকে একটি হাদিস শুনিয়েছেন যা তিনি মারফূ (مرفوع) করেছেন আবু সুফিয়ান পর্যন্ত এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে মাজাহ ২ এটি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহর সূত্রে ইবনে জুরায়জ থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম বলেন: আবদুর রাজ্জাকের হাদিসে রয়েছে: "অতঃপর তিনি সংক্ষিপ্ত করলেন এবং রুকু করলেন।" আর তাঁর হাদিসে "আবদুল্লাহ ইবনে আমর" রয়েছে এবং তিনি "ইবনুল আস" বলেননি।

অনুরূপভাবে আবু দাউদেও বর্ণিত হয়েছে, সেখানেও "ইবনুল আস" নেই।

ইমাম নববী ৩ বলেন: "হাফিজগণ (الحفاظ) বলেছেন: তাঁর 'ইবনুল আস' বলাটি ভুল (غلط), আর সঠিক (الصواب) হলো তা বাদ দেওয়া। ইনি সাহাবি (صحابي) আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস নন; বরং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল-হিজাজি। ইমাম বুখারি তাঁর তারিখে, ইবনে আবি হাতিম এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অসংখ্য হাফিজ (الحفاظ) এভাবেই উল্লেখ করেছেন।" ৪—সমাপ্ত।

এবং হাফিজ (الحافظ) ৫ বলেন: "তাঁর 'ইবনে আমর ইবনুল আস' বলাটি ইবনে জুরায়জের কোনো কোনো ছাত্রের বিভ্রম (وهم)। আমরা এটি মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাকে বর্ণনা করেছি, সেখানে বলা হয়েছে: আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল-কারি এবং এটাই সঠিক (الصواب)।" ৬—সমাপ্ত।

--------------------------------------------

১ তাঁর সুনানে (২/১৭৬, নং ১০০৭), কিতাবুল ইফতিতাহ, পরিচ্ছেদ: সূরার একাংশ পাঠ।

২ তাঁর সুনানে (১/২৬৯, নং ৮২০), কিতাব ইকামাতুস সালাত ওয়াস সুন্নাতু ফিহা, পরিচ্ছেদ: ফজরের সালাতে কিরাত।

৩ শারহু মুসলিম (৪/১৭৭)।

৪ দেখুন: আত-তারিখুল কাবির (৫/১৫২), আল-জারহ ওয়াত-তাদিল (৫/১১৭)।

৫ আল-ফাতহ (২/২৫৬)।

৬ দেখুন: মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক (২/১০২, নং ২৬৬৭)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২৪)
وأخرج البخاري1 هذا الحديث تعليقاً فقال: "ويُذكر عن عبد الله بن السائب … " فذكره.

قال الحافظ2: "واختلف في إسناده على ابن جريج فقال ابن عيينة: عنه عن ابن أبي مليكة عن عبد الله بن السائب، أخرجه ابن ماجه.

وقال: أبو عاصم عنه عن محمد بن عباد عن أبي سلمة بن سفيان -أو سفيان بن أبي سلمة- وكأن البخاري علقه بصيغة "يذكر" لهذا الاختلاف مع أن إسناده مما تقوم به الحجة". ا-هـ

[7] الحديث السابع:

عن عمرو بن حريث رضي الله عنه أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الفجر: {وَاللَّيْلِ إِذَا عَسْعَسَ} 3.

أخرجه مسلم4 واللفظ له والنسائي5 عن الوليد بن سريع6 وأبو داود7 وابن ماجه8 عن أصبغ9 مولى عمرو بن حريث كلاهما عن عمرو بن حريث به مرفوعاً.

--------------------------------------------

1 في صحيحه (1/268) كتاب صفة الصلاة، باب الجمع بين السورتين في الركعة.

2 الفتح (2/256) .

3 التكوير، آية (17) .

4 في صحيحه (2/226 رقم 456) كتاب الصلاة، باب القراءة في الصبح.

5 في سننه (2/157رقم 951) كتاب الافتتاح، باب القراءة في الصبح بإذا الشمس كورت.

6 الوليد بن سريع بفتح المهملة الكوفي صدوق من الرابعة. م س.

وقال الذهبي: ثقة.

الكاشف (3/209) التقريب (582) .

7 في سننه (1/511 رقم 817) كتاب الصلاة، باب القراءة في الفجر.

8 في سننه (1/268 رقم 817) كتاب إقامة الصلاة، باب القراءة في صلاة الفجر.

9 أصبغ مولى عمرو بن حريث المخزومي ثقة تغير من الرابعة. دق.

وقال الذهبي: "ثقة".

الكاشف (1/85) التقريب (114) .
ইমাম বুখারি ১ এই হাদিসটি মুআল্লাক হিসেবে (تعليقاً) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: "আব্দুল্লাহ ইবনে সাইব থেকে বর্ণিত …" অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন।

হাফেজ ২ বলেন: "ইবনে জুরাইজের সনদে (إسناد) মতভেদ দেখা দিয়েছে। ইবনে উয়াইনা বলেন: তাঁর সূত্রে, ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সাইব থেকে বর্ণনা করেছেন; যা ইবনে মাজাহ বের করেছেন।

তিনি আরও বলেন: আবু আসিম তাঁর সূত্রে, মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ থেকে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে সুফিয়ান—অথবা সুফিয়ান ইবনে আবু সালামাহ—থেকে বর্ণনা করেছেন। সম্ভবত ইমাম বুখারি এই মতভেদের কারণেই এটি 'বর্ণিত আছে' (يذكر) শব্দযোগে মুআল্লাক হিসেবে (تعليقاً) উল্লেখ করেছেন, যদিও এর সনদ (إسناد) প্রমাণ (حجة) হিসেবে পেশ করার যোগ্য।" — সমাপ্ত।

[7] সপ্তম হাদিস:

আমর ইবনে হুরাইস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ফজরের নামাজে {শপথ রাতের যখন তা অবসান হয়} ৩ তিলাওয়াত করতে শুনেছেন।

এটি ইমাম মুসলিম ৪ বর্ণনা করেছেন এবং শব্দগুলো তাঁরই। এছাড়া ইমাম নাসায়ি ৫ ওয়ালিদ ইবনে সারি ৬-এর সূত্রে এবং আবু দাউদ ৭ ও ইবনে মাজাহ ৮ আমর ইবনে হুরাইসের মুক্তদাস আসবাগ ৯-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই আমর ইবনে হুরাইস থেকে এটি মারফু হিসেবে (مرفوعاً) বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

১ তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/২৬৮), সালাতের বৈশিষ্ট্য অধ্যায়, এক রাকাতে দুই সূরা একত্র করা অনুচ্ছেদ।

২ ফাতহুল বারি (২/২৫৬)।

৩ সূরা আত-তাকওয়ির, আয়াত (১৭)।

৪ তাঁর সহিহ গ্রন্থে (২/২২৬, নম্বর ৪৫৬), সালাত অধ্যায়, ফজরের কিরাত অনুচ্ছেদ।

৫ তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/১৫৭, নম্বর ৯৫১), সালাত শুরু করা অধ্যায়, ফজরের নামাজে 'ইযাশ শামসু কুয়্যিরাত' পাঠ করা অনুচ্ছেদ।

৬ ওয়ালিদ ইবনে সারি, সিন বর্ণে জবরসহ, তিনি কুফাবাসী এবং সত্যবাদী (صدوق), চতুর্থ স্তরের অন্তর্ভুক্ত। মুসলিম ও নাসায়ি।

ইমাম যাহাবি বলেন: নির্ভরযোগ্য (ثقة)।

আল-কাশিফ (৩/২০৯), আত-তাক্রিব (৫৮২)।

৭ তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/৫১১, নম্বর ৮১৭), সালাত অধ্যায়, ফজর নামাজের কিরাত অনুচ্ছেদ।

৮ তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/২৬৮, নম্বর ৮১৭), সালাত কায়েম করা অধ্যায়, ফজরের নামাজে কিরাত অনুচ্ছেদ।

৯ আসবাগ, আমর ইবনে হুরাইস আল-মাখজুমির মুক্তদাস, তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), তবে তাঁর স্মৃতিশক্তির পরিবর্তন ঘটেছিল (تغير), তিনি চতুর্থ স্তরের অন্তর্ভুক্ত। আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ।

ইমাম যাহাবি বলেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)"।

আল-কাশিফ (১/৮৫), আত-তাক্রিব (১১৪)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২৫)
ولفظ أبي داود وابن ماجه {فَلا أُقْسِمُ بِالْخُنَّسِ الْجَوَارِ الْكُنَّسِ} .

ولفظ النسائي {إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ} .

[8] الحديث الثامن:

عن معاذ بن عبد الله الجهني أن رجلاً من جهينة أخبره أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في الصبح {إِذَا زُلْزِلَتِ الأَرْض} 1 في الركعتين كلتيهما فلا أدري أنسي رسول الله صلى الله عليه وسلم أم قرأ ذلك عمداً.

أخرجه أبو داود2 والبيهقي3.

من طريق عمرو بن الحارث4 عن ابن أبي هلال5 عن معاذ بن عبد الله الجهني6 به بإسناد حسن.

--------------------------------------------

1 الزلزلة، آية (1) .

2 في سننه (1/510،511 رقم816) كتاب الصلاة، باب الرجل يعيد سورة واحدة في ركعتين.

3 في سننه (2/390) كتاب الصلاة، باب التجوز في القراءة في صلاة الصبح.

4 عمرو بن الحارث بن يعقوب الأنصاري مولاهم المصري أبو أيوب ثقة فقيه حافظ من السابعة مات قديماً قبل الخمسين ومائة. ع.

الكاشف (2/281) التقريب (419) .

5 هو سعيد بن أبي هلال الليثي مولاهم أبو العلاء المصري قيل مدني الأصل وقال ابن يونس: "بل نشأ بها" صدوق لم أر لابن حزم في تضعيفه سلفاً إلا أن الساجي حكى عن أحمد أنه اختلط، من السادسة مات بعد الثلاثين ومائة وقيل قبلها وقيل قبل الخمسين بسنة. ع.

وقال الساجي: "صدوق"، وقال أبو حاتم: "لا بأس به"، ووثقه غير واحد كابن سعد والدارقطني والذهبي وغيرهم.

الجرح والتعديل (4/71) الطبقات (7/514) تهذيب الكمال (11/94) سنن الدارقطني (1/306) الميزان (2/162) الكاشف (1/297) التقريب (242) .

6 معاذ بن عبد الله بن خُبيب مصغر الجهني المدني صدوق ربما وهم من الرابعة. بخ 4.

وقال الدارقطني: "ليس بذاك" وقال ابن حزم: "مجهول" لكن وثقه ابن معين وأبو داود والذهبي.

تاريخ الدارمي عن ابن معين (رقم 778) المحلي (7/364) الكاشف (3/136) تهذيب الكمال (28/126) تهذيب التهذيب (10/192) التقريب (536) .
এবং আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ-এর শব্দ হলো: {শপথ পিছু হটে যাওয়া নক্ষত্ররাজির, যা অদৃশ্য হয় ও পুনরায় উদিত হয়}।

নাসায়ীর শব্দ হলো: {যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে}।

[৮] অষ্টম হাদিস:

মুআয ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জুহানি থেকে বর্ণিত যে, জুহাইনা গোত্রের এক ব্যক্তি তাকে জানিয়েছেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ফজরের নামাজের উভয় রাকাআতেই {যখন পৃথিবী প্রকম্পিত হবে} (সূরা যিলযাল) পাঠ করতে শুনেছেন। ফলে আমি জানি না যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি ভুলে গিয়েছিলেন নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে তা (উভয় রাকাআতে) পাঠ করেছিলেন।

এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ ও বায়হাকি।

আমর ইবনুল হারিস-এর সূত্রে, তিনি ইবনে আবি হিলাল থেকে, তিনি মুআয ইবনে আব্দুল্লাহ আল-জুহানি থেকে—একটি উন্নত (حسن) সনদে।

--------------------------------------------

১. সূরা যিলযাল, আয়াত (১)।

২. তার সুনান গ্রন্থে (১/৫১০, ৫১১ নম্বর ৮১৬), কিতাবুস সালাত, অধ্যায়: এক ব্যক্তি উভয় রাকাআতেই একই সূরা পুনরাবৃত্তি করা।

৩. তার সুনান গ্রন্থে (২/৩৯০), কিতাবুস সালাত, অধ্যায়: ফজরের নামাজে কিরাত সংক্ষিপ্ত করা।

৪. আমর ইবনুল হারিস ইবনে ইয়াকুব আল-আনসারি, তাদের মুক্তদাস, আল-মিসরি, আবু আইয়ুব; নির্ভরযোগ্য (ثقة), ফকিহ (فقيه), হাফিজ (حافظ); তিনি সপ্তম (السابعة) স্তরের অন্তর্ভুক্ত এবং ১৫০ হিজরির পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেন। (ছয়টি কিতাবের বর্ণনাকারী)।

আল-কাশিফ (২/২৮১), আত-তাকরিব (৪১৯)।

৫. তিনি হলেন সাঈদ ইবনে আবি হিলাল আল-লায়সি, তাদের মুক্তদাস, আবুল আলা আল-মিসরি। বলা হয় তিনি মূলত মদিনার অধিবাসী। ইবনে ইউনুস বলেন: "বরং তিনি সেখানেই বেড়ে উঠেছেন।" তিনি সত্যবাদী (صدوق); তাকে দুর্বল (تضعيف) সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে ইবনে হাজমের পূর্বে আমি কাউকে দেখিনি, তবে সাজি ইমাম আহমদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তার স্মৃতিভ্রম ঘটেছিল (اختلط)। তিনি ষষ্ঠ (السادسة) স্তরের অন্তর্ভুক্ত। তিনি ১৩০ হিজরির পরে মৃত্যুবরণ করেন, কেউ বলেছেন তার আগে, আবার কেউ বলেছেন ১৫০ হিজরির এক বছর আগে। (ছয়টি কিতাবের বর্ণনাকারী)।

সাজি বলেন: "তিনি সত্যবাদী (صدوق)", আবু হাতিম বলেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (لا بأس به)", এবং ইবনে সাদ, দারাকুতনি, যাহাবি সহ একাধিক ইমাম তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আল-জারহ ওয়াত তাদিল (৪/৭১), আত-তাবাকাত (৭/৫১৪), তাহযিবুল কামাল (১১/৯৪), সুনান দারাকুতনি (১/৩০৬), আল-মিযান (২/১৬২), আল-কাশিফ (১/২৯৭), আত-তাকরিব (২৪২)।

৬. মুআয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খুবাইব (তাসগির বা ছোটার্থে পঠিত) আল-জুহানি আল-মাদানি; সত্যবাদী (صدوق), মাঝেমধ্যে বিভ্রান্ত হতেন (ربما وهم)। তিনি চতুর্থ (الرابعة) স্তরের অন্তর্ভুক্ত। (সহিহ বুখারি-আদাবুল মুফরাদ ও চার সুনান গ্রন্থ)।

দারাকুতনি বলেন: "তিনি তেমন মজবুত নন (ليس بذاك)", ইবনে হাজম বলেন: "অজ্ঞাত (مجهول)", কিন্তু ইবনে মাইন, আবু দাউদ ও যাহাবি তাকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) আখ্যা দিয়েছেন।

তারিখু দারমি আন ইবনে মাইন (নম্বর ৭৭৮), আল-মুহাল্লা (৭/৩৬৪), আল-কাশিফ (৩/১৩৬), তাহযিবুল কামাল (২৮/১২৬), তাহযিবুত তাহযিব (১০/১৯২), আত-তাকরিব (৫৩৬)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২৬)
وقال النووي1: "رواه أبو داود بإسناد صحيح".

وقال الحافظ ابن حجر2: "ورواته موثقون".

[9] الحديث التاسع:

عن شبيب أبي روح3 عن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم "أنه صلى صلاة الصبح فقرأ الروم فالتبس عليه فلما صلى قال: "ما بال أقوامٍ يصلون معنا لا يحسنون الطهور فإنما يلبس علينا القرآن أولئك".

أخرجه النسائي4 عن سفيان، وأحمد5 عن شعبة وزائدة وسفيان، وعبد الرزاق6 عن الثوري، وابن أبي عاصم7 والبزار8، والطبراني9، وأبو نعيم10 عن شعبة كلهم عن عبد الملك بن عمير عن شبيب به، إلا عند ابن أبي عاصم والبزار والطبراني وأبي نعيم سمى الصحابي بالأعز.

--------------------------------------------

1 الخلاصة (1/389) المجموع (3/384) .

2 في نتائج الأفكار في تخريج الأذكار (1/443) .

3 شبيب بن نعيم أبو روح ثقة من الثالثة أخطأ من عده في الصحابة. دس.

الكاشف (2/4) التقريب (264) .

4 في سننه (2/156 رقم 947) كتاب الاستفتاح، باب القراءة في الصبح بالروم.

5 في مسنده (3/471، 472 و 5/363، 368) .

6 في مصنفه (2/116، 117 رقم 2725) كتاب الصلاة، باب القراءة في صلاة الصبح.

7 في الآحاد والمثاني (5/40 رقم 2579 و270 رقم 2796) .

8 كما في كشف الأستار (1/234 رقم 477) كتاب الصلاة، باب قراءة الإمام.

9 في المعجم الكبير (1/301 رقم 881) .

10 في معرفة الصحابة (2/403 رقم 1028) .
ইমাম নববী১ বলেন: "আবু দাউদ এটি সহিহ (صحيح) সনদে বর্ণনা করেছেন।"

হাফিজ ইবনে হাজার২ বলেন: "এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (موثقون)।"

[৯] নবম হাদিস:

শাবিব আবু রুহ৩ হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী হতে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, "তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন এবং তাতে সূরা আর-রূম তিলাওয়াত করলেন। তখন তিলাওয়াত তাঁর নিকট বিভ্রান্তিকর হয়ে পড়ল। সালাত শেষে তিনি বললেন: 'সেই সব লোকদের কী হয়েছে যারা আমাদের সাথে সালাত আদায় করে কিন্তু উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে না? মূলত তাদের কারণেই আমাদের ওপর কুরআন তিলাওয়াত বিভ্রান্তিকর হয়ে পড়ে'।"

হাদিসটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ৪ সুফিয়ান থেকে, আহমদ৫ শু'বাহ, জায়িদাহ ও সুফিয়ান থেকে, আবদুর রাজ্জাক৬ সাওরী থেকে এবং ইবনে আবি আসিম৭, বাযযার৮, তাবারানি৯ ও আবু নুআইম১০ শু'বাহ থেকে; তারা সকলেই আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর-এর সূত্রে শাবিব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনে আবি আসিম, বাযযার, তাবারানি এবং আবু নুআইমের বর্ণনায় সাহাবীর নাম 'আল-আ'য' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

--------------------------------------------

১. আল-খুলাসাহ (১/৩৮৯), আল-মাজমু (৩/৩৮৪)।

২. নাতাইজুল আফকার ফি তাখরিজিল আযকার (১/৪৪৩) গ্রন্থে।

৩. শাবিব ইবনে নুআইম আবু রুহ, তিনি তৃতীয় স্তরের একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী। যারা তাকে সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন তারা ভুল করেছেন। (আবু দাউদ ও নাসাঈর বর্ণনাকারী)।

আল-কাশিফ (২/৪), আত-তাকরিব (২৬৪)।

৪. তার সুনান (২/১৫৬ নং ৯৪৭), কিতাবুল ইস্তিফতাহ, পরিচ্ছেদ: ফজরের সালাতে সূরা আর-রূম পাঠ করা।

৫. তার মুসনাদ (৩/৪৭১, ৪৭২ এবং ৫/৩৬৩, ৩৬৮)।

৬. তার মুসান্নাফ (২/১১৬, ১১৭ নং ২৭২৫), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: ফজরের সালাতে কিরাত পাঠ করা।

৭. আল-আহাদ ওয়াল মাসানি (৫/৪০ নং ২৫৭৯ এবং ২৭০ নং ২৭৯৬)।

৮. কাশফুল আস্তার (১/২৩৪ নং ৪৭৭) গ্রন্থে যেমনটি রয়েছে, কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: ইমামের কিরাত পাঠ।

৯. আল-মু'জামুল কাবির (১/৩০১ নং ৮৮১)।

১০. মারিফাতুস সাহাবাহ (২/৪০৩ নং ১০২৮)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২৭)
قال الهيثمي1: "رواه الطبراني في الكبير ورجاله ثقات".

وسند هذا الحديث حسن فإن مداره على عبد الملك بن عمير وقد اختلف فيه، فضعفه الإمام2 أحمد جداً وقال: "مضطرب الحديث جداً مع قلة روايته ما أرى له خمس مائة حديث وقد غلط في كثير منها".

وقال ابن معين3: "مخلط".

وقال أبو حاتم4: "ليس بحافظ هو صالح تغير حفظه قبل موته".

وقال ابن معين5: "ثقة إلا أنه أخطأ في حديث أو حديثين".

وقال ابن نمير6: "كان ثقة ثبتاً في الحديث".

وقال العجلي7: "صالح الحديث". وقال مرة: "ثقة".

وقال النسائي8: "ليس به بأس".

وقال عبد الرحمن بن مهدي9: "كان سفيان الثوري يعجب من حفظ عبد الملك".

وقال الحافظ ابن حجر10: "ثقة فصيح عالم تغير حفظه وربما دلس".

--------------------------------------------

1 مجمع الزوائد (2/114) .

2 الجرح والتعديل (5/360) تهذيب الكمال (18/373) .

3 الجرح والتعديل (5/361) .

4 الجرح والتعديل (5/361) .

5 تهذيب التهذيب (6/413) .

6 تهذيب التهذيب (6/413) .

7 معرفة الثقات (2/104) .

8 تهذيب الكمال (18/375) .

9 الجرح والتعديل (5/361) .

10 التقريب (364) .
হাইসামি ১ বলেছেন: "তাবারানি এটি আল-কাবিরে বর্ণনা করেছেন এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (ثقات)।"

এবং এই হাদিসের সনদটি হাসান (حسن), কারণ এর মূল কেন্দ্রবিন্দু আব্দুল মালিক বিন উমাইরের ওপর, যার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। ইমাম ২ আহমাদ তাকে অত্যন্ত দুর্বল (ضعيف) প্রতিপন্ন করেছেন এবং বলেছেন: "অল্প বর্ণনা থাকা সত্ত্বেও তিনি হাদিসে অত্যন্ত বিশৃঙ্খল (مضطرب الحديث); আমি মনে করি না তার বর্ণনায় পাঁচশত হাদিস আছে এবং তিনি সেগুলোর অনেকগুলোতে ভুল করেছেন।"

এবং ইবনে মাঈন ৩ বলেছেন: "হাদিস সংমিশ্রণকারী (مخلط)।"

এবং আবু হাতিম ৪ বলেছেন: "তিনি হাফিজ (حافظ) ছিলেন না; তিনি যোগ্য (صالح) ছিলেন, তবে মৃত্যুর আগে তার স্মৃতিশক্তি পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল।"

এবং ইবনে মাঈন ৫ বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة), তবে তিনি একটি বা দুটি হাদিসে ভুল করেছেন।"

এবং ইবনে নুমাইর ৬ বলেছেন: "তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও সুদৃঢ় (ثبت) ছিলেন।"

এবং ইজলি ৭ বলেছেন: "হাদিসে যোগ্য (صالح الحديث)।" এবং একবার বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)।"

এবং নাসায়ি ৮ বলেছেন: "তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (ليس به بأس)।"

এবং আব্দুর রহমান বিন মাহদি ৯ বলেছেন: "সুফিয়ান সাওরি আব্দুল মালিকের মুখস্থ শক্তির প্রশংসা করতেন।"

এবং হাফিজ ইবনে হাজার ১০ বলেছেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة), বাগ্মী ও পণ্ডিত ব্যক্তি; তবে তার স্মৃতিশক্তি পরিবর্তিত হয়েছিল এবং সম্ভবত তিনি তাদলিস (دلس) করতেন।"

--------------------------------------------

১ মাজমাউয যাওয়ায়েদ (২/১১৪) ।

২ আল-জারহ ওয়াত তা’দীল (৫/৩৬০), তাহযীবুল কামাল (১৮/৩৭৩) ।

৩ আল-জারহ ওয়াত তা’দীল (৫/৩৬১) ।

৪ আল-জারহ ওয়াত তা’দীল (৫/৩৬১) ।

৫ তাহযীবুত তাহযীব (৬/৪১৩) ।

৬ তাহযীবুত তাহযীব (৬/৪১৩) ।

৭ মা’রিফাতুছ ছিকাত (২/১০৪) ।

৮ তাহযীবুল কামাল (১৮/৩৭৫) ।

৯ আল-জারহ ওয়াত তা’দীল (৫/৩৬১) ।

১০ আত-তাকরীব (৩৬৪) ।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২৮)
وقال أيضاً1: "أحتج به الجماعة وأخرج له الشيخان من رواية القدماء عنه في الاحتجاج، ومن رواية بعض المتأخرين عنه في المتابعات وإنما عيب عليه أنه تغير حفظه لكبر سنه لأنه عاش مائة وثلاث سنين ولم يذكره ابن عدي في الكامل ولا ابن حبان".

وقال الحافظ ابن حجر أيضاً2: "هذا حديث حسن أخرجه أحمد عن محمد بن جعفر عن شعبة بهذا3 السند لكن لم يسم الصحابي قال عن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم.

وأخرجه أحمد أيضاً والنسائي من رواية سفيان الثوري عن عبد الملك كذلك.

وشبيب ثقة عده بعضهم في الصحابة غلطاً وسائر رجاله من رجال الصحيح وهذا يدل على أنه صلى الله عليه وسلم كان ربما قرأ في الصبح من غير المفصل".أ. هـ.

وأخرج أحمد4 هذا الحديث من طريق شريك عن عبد الملك بن عمير عن أبي روح الكلاعي قال: صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكره.

وفي سنده شريك وخالف غيره فلم يذكر الرجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم بل جعله عن أبي روح مرفوعاً.

وأخرجه عبد الرزاق5 عن معمر عن عبد الملك عن النبي صلى الله عليه وسلم وزاد "في

--------------------------------------------

1 هدي الساري (422) .

2 نتائج الأفكار في تخريج أحاديث الأذكار (1/440) .

3 أي عن عبد الملك بن عمير عن شبيب أبي روح به.

4 في مسنده (3/471) .

5 في مصنفه (1/117 رقم 2730) كتاب الصلاة، باب القراءة في صلاة الصبح.
তিনি আরও বলেছেন১: "জামা'আহ (মুহাদ্দিসগণের একটি দল) তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং শাইখান (বুখারি ও মুসলিম) তার নিকট থেকে প্রাচীন বর্ণনাকারীদের রেওয়ায়েত দলিল হিসেবে গ্রহণ (احتجاج) করার ক্ষেত্রে এবং পরবর্তী কিছু বর্ণনাকারীদের রেওয়ায়েত সমর্থনমূলক বর্ণনা (متابعات) হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে উদ্ধৃত করেছেন। তার ওপর কেবল একারণে দোষারোপ করা হয়েছে যে, বার্ধক্যের কারণে তার মুখস্থ শক্তিতে পরিবর্তন এসেছিল, কারণ তিনি একশ তিন বছর বেঁচে ছিলেন। ইবনে আদি 'আল-কামিল' গ্রন্থে এবং ইবনে হিব্বান তাকে উল্লেখ করেননি।"

হাফেজ ইবনে হাজার আরও বলেছেন২: "এই হাদিসটি হাসান (حسن)। ইমাম আহমাদ এটি মুহাম্মদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে এই সনদে (سند)৩ বর্ণনা করেছেন, তবে সাহাবীর নাম উল্লেখ করেননি; তিনি বলেছেন 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনৈক সাহাবী থেকে'।"

ইমাম আহমাদ ও নাসায়ি সুফিয়ান সাওরির সূত্রে আব্দুল মালিক থেকেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এবং শাবিব নির্ভরযোগ্য (ثقة); তাদের কেউ কেউ ভুলবশত তাকে সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আর এর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ সহিহ (صحيح) হাদিসের বর্ণনাকারী। এটি প্রমাণ করে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্ভবত ফজরের নামাজে 'মুফাসসাল' সূরাসমূহ ব্যতিত অন্য সূরা তিলাওয়াত করতেন।" সমাপ্ত।

ইমাম আহমাদ৪ এই হাদিসটি শারিকের সূত্রে আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি আবু রুহ আল-কালাঈ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে নামাজ পড়লেন... (অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন)।

এর সনদে (سند) শারিক রয়েছেন এবং তিনি অন্যদের বিরোধিতা করেছেন; তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীর কথা উল্লেখ করেননি, বরং তিনি এটি আবু রুহ থেকে মারফু (مرفوع) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আর আব্দুর রাজ্জাক৫ এটি মা'মার থেকে, তিনি আব্দুল মালিক থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বর্ধিত করেছেন "এতে...

--------------------------------------------

১ হাদি আস-সারি (৪২২)।

২ নাতায়েজুল আফকার ফি তাখরিজ আহাদিসিল আজকার (১/৪৪০)।

৩ অর্থাৎ আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি শাবিব আবু রুহ থেকে।

৪ তার মুসনাদ গ্রন্থে (৩/৪৭১)।

৫ তার মুসান্নাফ গ্রন্থে (১/১১৭ নং ২৭৩০), কিতাবুস সালাত, ফজরের নামাজে তিলাওয়াত অধ্যায়।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২২৯)
الفجر يوم الجمعة" لكن معمراً خالف غيره أيضاً فلم يذكر شبيباً ولا صاحب الحديث.

تنبيه:

ذكر ابن أبي عاصم1 هذا الحديث في ترجمة الأغر غير منسوب وقال: "لا أدري المزني أو جهني أو غيره".

وذكره الطبراني2 ضمن حديث الأغر المزني.

وذكره أبو نعيم3 غير منسوب عقب ترجمة الأغر المزني وقال: "ذكره بعض الناس وزعم أنه غير الأول وهما واحد".

وسماه البزار: "الأغر المزني".

قال الحافظ4: "ولكن أدخل الطبراني حديثه هذا في أحاديث الأغر المزني وتبعه أبو نعيم وممن غاير بينهما البغوي فأورد حديثه عن زياد ابن يحيى عن مؤمل بسنده وقال فيه: عن الأغر رجل من بني غفار ورواه البزار في مسنده عن زياد بن يحيى بهذا الإسناد فوقع عنده عن الأغر المزني وهو خطأ والله أعلم".أ. هـ

[10] الحديث العاشر:

عن سليمان بن يسار5 عن أبي هريرة رضي الله عنه أنه قال: "ما رأيت رجلاً أشبه بصلاة

--------------------------------------------

1 الآحاد والمثاني (5/270) .

2 في المعجم الكبير (1/301 رقم 881) . وقال الهيثمي: "ورجاله ثقات". المجمع (2/114) .

3 معرفة الصحابة (2/402) .

4 الاصابة (1/56) .

5 سليمان بن يسار الهلالي المدني مولى ميمونة وقيل أم سلمة ثقة فاضل أحد الفقهاء السبعة من كبار الثالثة مات بعد المائة وقبل قبلها. ع.

الكاشف (1/321) التقريب (255) .
"শুক্রবারের ফজরের সালাত," কিন্তু মা'মার অন্যদেরও বিরোধিতা করেছেন, তাই তিনি শাবীব বা হাদিসের বর্ণনাকারীর (صاحب الحديث) নাম উল্লেখ করেননি।

সতর্কবার্তা:

ইবনে আবি আসিম১ আল-আগার এর জীবনীর অধীনে কোনো বংশীয় পরিচয় উল্লেখ ছাড়াই এই হাদিসটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "আমি জানি না তিনি কি মুজানি নাকি জুহানি নাকি অন্য কেউ।"

এবং তাবারানি২ এটি আল-আগার আল-মুজানির হাদিসের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এবং আবু নুআইম৩ আল-আগার আল-মুজানির জীবনীর পর কোনো বংশীয় পরিচয় উল্লেখ ছাড়াই এটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "কিছু লোক এটি উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে তিনি পূর্বোক্ত ব্যক্তি নন, অথচ তারা উভয়েই এক ও অভিন্ন ব্যক্তি।"

এবং আল-বাযযার তাকে "আল-আগার আল-মুজানি" নামে অভিহিত করেছেন।

হাফিজ৪ বলেছেন: "তবে তাবারানি এই হাদিসটি আল-আগার আল-মুজানির হাদিসসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং আবু নুআইম তাকে অনুসরণ করেছেন। আর যারা এই দুইজনের মধ্যে পার্থক্য করেছেন তাদের মধ্যে আল-বাগাভী অন্যতম; তিনি যিয়াদ ইবনে ইয়াহইয়া হতে মুআম্মিল এর সূত্রে তার সনদে (إسناد) এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং তাতে বলেছেন: 'আল-আগার হতে বর্ণিত, যিনি বনু গিফার গোত্রের একজন ব্যক্তি'। আর আল-বাযযার তার মুসনাদ গ্রন্থে যিয়াদ ইবনে ইয়াহইয়ার সূত্রে এই একই সনদে (إسناد) এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তার নিকট এটি 'আল-আগার আল-মুজানি' হিসেবে উল্লেখ হয়েছে, যা একটি ভুল (خطأ); আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।" সমাপ্ত।

[10] দশম হাদিস:

সুলাইমান ইবনে ইয়াসার৫ হতে বর্ণিত, আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন: "আমি সালাতের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে এত অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ দেখিনি...

--------------------------------------------

1 আল-আহাদ ওয়াল-মাসানি (৫/২৭০)।

2 আল-মু'জাম আল-কাবীর-এ (১/৩০১, নম্বর ৮৮১)। এবং হাইসামি বলেছেন: "এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (ثقات)।" আল-মাজমা' (২/১১৪)।

3 মা'রিফাতুস সাহাবা (২/৪০২)।

4 আল-ইসাবাহ (১/৫৬)।

5 সুলাইমান ইবনে ইয়াসার আল-হিলালি আল-মাদানি, মায়মুনাহ এর মুক্তদাস, আবার বলা হয় উম্মে সালামাহ এর; তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও ফযিলতপূর্ণ ব্যক্তি, সাতজন প্রসিদ্ধ ফকিহের একজন এবং তৃতীয় স্তরের বিশিষ্টদের অন্তর্ভুক্ত (من كبار الثالثة)। তিনি ১০০ হিজরির পরে মৃত্যুবরণ করেন, আবার বলা হয় এর আগেই। ع (আইন)।

আল-কাশিফ (১/৩২১), আত-তাকরীব (২৫৫)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩০)
رسول الله صلى الله عليه وسلم من فلان لإمام كان بالمدينة قال سليمان بن يسار: فصليت خلفه فكان يطيل الأوليين من الظهر ويخفف الأخريين ويخفف العصر ويقرأ في الأوليين من المغرب بقصار المفصل ويقرأ في الأوليين من العشاء من وسط المفصل ويقرأ في الغداة بطوال المفصل".

أخرجه النسائي1 عن عبد الله بن الحارث، وابن ماجه2 مختصراً3، وأحمد4 واللفظ له، وابن خزيمة5 عن أبي بكر الحنفي6، والطحاوي7 مختصراً8 عن زيد بن الحباب9 والمغيرة بن عبد الرحمن المخزومي10، وابن

--------------------------------------------

1 في سننه (2/167 رقم 983) كتاب الاستفتاح، باب القراءة في المغرب بقصار المفصل.

2 في سننه (1/270، 271 رقم 827) كتاب إقامة الصلاة، باب القراءة في الظهر والعصر.

3 يذكر صلاة الظهر والعصر فقط.

4 في مسنده (2/329، 330) .

5 في صحيحه (1/261 رقم 520) كتاب الصلاة، باب ذكر الدليل على أن النبي صلى الله عليه وسلم إنما كان يقرأ بطولى الطويليين في الركعتين الأوليين من المغرب لا في ركعة واحدة.

6 عبد الكبير بن عبد المجيد بن عبيد البصري أبو بكر الحنفي ثقة من التاسعة مات سنة أربعين ومائتين. ع. وقال الذهبي: "ثقة". الكاشف (3/180) التقريب (360) .

7 في شرح معاني الآثار (1/214) كتاب الصلاة، باب القراءة في صلاة المغرب.

8 بذكر صلاة المغرب فقط.

9 زيد بن الحباب أبو الحسين العُكْلي أصله من خراسان وكان بالكوفة ورحل في الحديث فأكثر منه وهو صدوق يخطئ في حديث الثوري من التاسعة مات سنة ثلاثين ومائة. ل م4.

الكاشف (1/265) التقريب (222) . وقال الذهبي: ل"م يكن به بأس قد يهم".

10 المغيرة بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام المخزومي أبو هشام أو هاشم المدني أخو أبي بكر ثقة جواد من الخامسة مات سنة بضع ومائة. مد.

الكاشف (3/149) التقريب (543) .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত অমুক ব্যক্তির সালাতের সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। মদীনার জনৈক ইমাম সম্পর্কে সুলাইমান ইবনে ইয়াসার বলেন: "আমি তাঁর পেছনে সালাত আদায় করেছি, তিনি যোহরের প্রথম দুই রাকাত দীর্ঘ করতেন এবং শেষ দুই রাকাত হালকা করতেন, আছরের সালাত হালকা করতেন, মাগরিবের প্রথম দুই রাকাতে ‘কিসারুল মুফাসসাল’ (ছোট সূরাসমূহ) পাঠ করতেন, এশার প্রথম দুই রাকাতে ‘আওসাতুল মুফাসসাল’ (মাঝারি সূরাসমূহ) এবং ফজরের সালাতে ‘তিওয়ালুল মুফাসসাল’ (দীর্ঘ সূরাসমূহ) পাঠ করতেন।"

এটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ১ আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে, ইবনে মাজাহ২ সংক্ষেপে (مختصراً)৩, আহমাদ৪ এবং শব্দ বিন্যাস তাঁরই, ইবনে খুজাইমা৫ আবু বকর আল-হানাফী৬ থেকে, ত্বহাবী৭ সংক্ষেপে (مختصراً)৮ যায়েদ ইবনুল হুবাব৯ ও মুগীরা ইবনে আব্দুর রহমান আল-মাখযুমী১০ থেকে, এবং ইবনে

--------------------------------------------

১ তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/১৬৭, হাদিস নং ৯৮৩), কিতাবুল ইসতিফতাহ, মাগরিবের সালাতে ‘কিসারুল মুফাসসাল’ পাঠ করা বিষয়ক পরিচ্ছেদ।

২ তাঁর সুনান গ্রন্থে (১/২৭০, ২৭১ হাদিস নং ৮২৭), কিতাব ইকামাতুস সালাত, যোহর ও আছরের সালাতে কিরাত পাঠ করা বিষয়ক পরিচ্ছেদ।

৩ তিনি শুধুমাত্র যোহর ও আছরের সালাতের কথা উল্লেখ করেছেন।

৪ তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে (২/৩২৯, ৩৩০)।

৫ তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/২৬১, হাদিস নং ৫২০), কিতাবুস সালাত, মাগরিবের প্রথম দুই রাকাতে দীর্ঘ দুই সূরার দীর্ঘতমটি পাঠ করার দলীল সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ—এক রাকাতে নয়।

৬ আব্দুল কাবীর ইবনে আব্দুল মাজীদ ইবনে উবাইদ আল-বাসরী আবু বকর আল-হানাফী। তিনি নবম স্তরের (التاسعة) একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী, ২৪০ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। (আয-যাহাবী ও ইবনে হাজার উভয়ের সংকেত অনুযায়ী)। আয-যাহাবী বলেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)"। আল-কাশিফ (৩/১৮০), আত-তাকরিব (৩৬০)।

৭ শারহু মাআনিল আসার গ্রন্থে (১/২১৪), কিতাবুস সালাত, মাগরিবের সালাতে কিরাত পাঠ করা বিষয়ক পরিচ্ছেদ।

৮ শুধুমাত্র মাগরিবের সালাতের কথা উল্লেখ করে।

৯ যায়েদ ইবনুল হুবাব আবুল হুসাইন আল-উক্লী, তাঁর আদি নিবাস খুরাসান, তিনি কুফায় থাকতেন এবং হাদিসের সন্ধানে দেশভ্রমণ করে অনেক হাদিস সংগ্রহ করেছেন। তিনি সত্যবাদী (صدوق), তবে সাওরী বর্ণিত হাদিসে ভুল করতেন (يخطئ)। তিনি নবম স্তরের (التاسعة) বর্ণনাকারী, ১৩০ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। ল ম৪।

আল-কাশিফ (১/২৬৫), আত-তাকরিব (২২২)। আয-যাহাবী বলেন: "তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না (لم يكن به بأس), তবে কখনও কখনও ভ্রম (يهم) হতো।"

১০ মুগীরা ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে হারিস ইবনে হিশাম আল-মাখযুমী আবু হিশাম বা হাশেম আল-মাদানী, আবু বকরের ভাই। তিনি পঞ্চম স্তরের (الخامسة) একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও দানশীল ব্যক্তি ছিলেন। ১০০ হিজরীর কিছু পরে মৃত্যুবরণ করেন। মদ।

আল-কাশিফ (৩/১৪৯), আত-তাকরিব (৫৪৩)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩১)
حبان1، والبيهقي2 عن أبي بكر الحنفي كلهم عن الضحاك بن عثمان3 قال: حدثني بكير بن عبد الله الأشج قال: حدثنا سليمان بن يسار به.

وحسنه النووي4 وهو كما قال فإن مداره على الضحاك ابن عثمان تكلم فيه ووثقه غير واحد وحديثه حسن.

قال أبو زرعة5: "ليس بقوي"، وقال أبو حاتم6: "يكتب حديثه ولا يحتج به وهو صدوق"، وقال يعقوب بن شيبة7: "صدوق في حديثه ضعف".

ووثقه أحمد8 وابن معين9 وأبو داود10 وابن بكير11 وغيرهم.

وقال الذهبي في المغني12: "لينه ابن القطان وقال في كتابه من تكلم فيه

--------------------------------------------

1 في صحيحه -الإحسان (5/145 رقم 1837) كتاب الصلاة، باب ذكر الإباحة للمرء أن يقتصر على قصار المفصل في القراءة في صلاة المغرب.

2 في سننه (2/391) كتاب الصلاة، باب قدر القراءة في المغرب، وفي (2/388) .

3 الضحاك بن عثمان بن عبد الله بن خالد بن حزام الأسدي الحزامي أبو عثمان المدني صدوق يهم من السابعة. م4.

الكاشف (2/32) التقريب (279) .

4 في خلاصة الأحكام (1/387) .

5 الجرح والتعديل (4/460) .

6 الجرح والتعديل (4/460) .

7 المغني في الضعفاء (1/312) .

8 الجرح والتعديل (4/460) .

9 تاريخ الدارمي عن ابن معين (135) .

10 تهذيب الكمال (13/274) .

11 تهذيب التهذيب (4/447) .

12 المغني في الضعفاء (1/312) .
ইবনে হিব্বান ১, এবং আল-বায়হাকী ২ আবু বকর আল-হানাফী থেকে, তাঁরা সকলেই দাহহাক ইবনে উসমান ৩ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে বুকাইর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আশাজ্জ হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুলাইমান ইবনে ইয়াসার এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম আন-নববী ৪ একে হাসান (حسنه) বলেছেন। বিষয়টি তেমনই যেমন তিনি বলেছেন; কারণ এই হাদিসের সূত্র দাহহাক ইবনে উসমানের ওপর আবর্তিত, তাঁর ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে আবার একাধিক ইমাম তাঁকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন, আর তাঁর হাদিস হাসান (حسن)।

আবু যুরআ ৫ বলেছেন: "তিনি শক্তিশালী নন (ليس بقوي)"। আবু হাতিম ৬ বলেছেন: "তাঁর হাদিস লেখা যাবে কিন্তু তা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় (لا يحتج به), তবে তিনি সত্যবাদী (صدوق)"। ইয়াকুব ইবনে শাইবাহ ৭ বলেছেন: "তিনি সত্যবাদী (صدوق), তবে তাঁর বর্ণিত হাদিসে দুর্বলতা (ضعف) রয়েছে।"

এবং ইমাম আহমাদ ৮, ইবনে মাঈন ৯, আবু দাউদ ১০, ইবনে বুকাইর ১১ এবং অন্যান্যগণ তাঁকে নির্ভরযোগ্য (وثقه) বলেছেন।

এবং ইমাম আয-যাহাবী আল-মুগনী ১২ গ্রন্থে বলেছেন: "ইবনে আল-কাত্তান তাঁকে শিথিল (لينه) বলেছেন এবং তিনি তাঁর 'মান তুকাল্লিমা ফিহি' কিতাবে বলেছেন..."

--------------------------------------------

১ তাঁর সহীহ - আল-ইহসান (৫/১৪৫, নম্বর ১৮৩৭) কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: মাগরিবের নামাজে ক্বিরাতের ক্ষেত্রে কিসারে মুফাসসাল (ছোট সূরাসমূহ)-এর ওপর সীমাবদ্ধ থাকার বৈধতা প্রসঙ্গে।

২ তাঁর সুনান (২/৩৯১) কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: মাগরিবের নামাজে ক্বিরাতের পরিমাণ, এবং (২/৩৮৮) গ্রন্থে।

৩ দাহহাক ইবনে উসমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খালিদ ইবনে হিযাম আল-আসাদী আল-হিযামী আবু উসমান আল-মাদানী; তিনি সত্যবাদী (صدوق) তবে ভ্রম করেন (يهم), তিনি সপ্তম স্তরের বর্ণনাকারী। মুসলিম (৪)।

আল-কাশিফ (২/৩২) আত-তাকরীব (২৭৯)।

৪ খুলাসাতুল আহকাম (১/৩৮৭) গ্রন্থে।

৫ আল-জারহ ওয়াত তাদীল (৪/৪৬০)।

৬ আল-জারহ ওয়াত তাদীল (৪/৪৬০)।

৭ আল-মুগনী ফীদ দুয়াফা (১/৩১২)।

৮ আল-জারহ ওয়াত তাদীল (৪/৪৬০)।

৯ তারীখুদ দারিমী আন ইবনি মাঈন (১৩৫)।

১০ তাহযীবুল কামাল (১৩/২৭৪)।

১১ তাহযীবুত তাহযীব (৪/৪৪৭)।

১২ আল-মুগনী ফীদ দুয়াফা (১/৩১২)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩২)
وهو موثق1: صدوق".

وصحح الحديث ابن رجب2، وابن عبد الهادي3، والحافظ ابن حجر4 وقال: "هذا حديث صحيح من حديث أبي هريرة والمرفوع منه تشبيه أبي هريرة صلاة الأمير المذكور بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم وماعدا ذلك موقوف إن كان الأمير المذكور صحابياً أو مقطوع إن لم يكن".

وقال أيضاً: "فلم يصب من اختصره فإن أبا هريرة لم يتلفظ بقوله كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بقصار المفصل5 إنما تلفظ بالتشبيه وهو لا يستلزم المساواة في جميع صفات الصلاة والله أعلم".

وزاد أحمد والبيهقي6 في هذا الحديث.

قال الضحاك: وحدثني من سمع أنس بن مالك يقول: "ما رأيت أحداً أشبه صلاة بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذا الفتى يعني عمر بن عبد العزيز" قال الضحاك: "فصليت خلف عمر بن عبد العزيز وكان يصنع مثل ما قال سليمان بن يسار".

لكن هذا الطريق فيه رجل مبهم.

قال الحافظ7: "وأما حديث أنس ففي سنده مبهم يمنع من الحكم بصحته

--------------------------------------------

(102) .

2 فتح الباري له (7/29) .

3 في المحرر (1/192) .

4 نتائج الأفكار (1/470) وفي بلوغ المرام (58) .

5 يشير بذلك إلى رواية الطحاوي المختصرة.

6 في سننه (2/388) كتاب الصلاة، باب طول القراءة وقصرها.

7 في نتائج الأفكار (1/470) .
আর তিনি বিশ্বস্ত (موثق) ১: সত্যবাদী (صدوق)।"

এবং ইবন রাজাব ২, ইবন আবদিল হাদী ৩ এবং হাফিজ ইবন হাজার ৪ হাদিসটিকে সহিহ (صحيح) বলে অভিহিত করেছেন এবং তিনি (ইবন হাজার) বলেন: "এটি আবু হুরায়রা বর্ণিত হাদিসসমূহের মধ্যে একটি সহিহ (صحيح) হাদিস। এর মধ্যে মারফু (مرفوع) অংশটি হলো আবু হুরায়রা কর্তৃক উল্লেখিত আমিরের সালাতকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাতের সাথে তুলনা করা; এছাড়া বাকি অংশটুকু মাওকুফ (موقوف) যদি উক্ত আমির সাহাবি (صحابي) হয়ে থাকেন, অন্যথায় তা মাকতু (مقطوع) হিসেবে গণ্য হবে।"

তিনি আরও বলেন: "যিনি এটি সংক্ষেপ করেছেন তিনি সঠিক করেননি; কারণ আবু হুরায়রা নিজ মুখে এ কথা বলেননি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের সালাতে কিসারুল মুফাসসাল (قصار المفصل) তিলাওয়াত করতেন। বরং তিনি কেবল সাদৃশ্যের কথা উল্লেখ করেছেন, যা সালাতের সকল বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে পূর্ণ সমতা হওয়া আবশ্যক করে না। আর আল্লাহই ভালো জানেন।"

এবং আহমাদ ও বায়হাকি ৬ এই হাদিসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন।

দাহহাক বলেন: আমাকে এমন একজন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যিনি আনাস ইবন মালিককে বলতে শুনেছেন: "আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাতের সাথে এই যুবকের অর্থাৎ উমর ইবন আবদুল আজিজের সালাতের চেয়ে অধিক সদৃশ আর কাউকে দেখিনি।" দাহহাক বলেন: "আমি উমর ইবন আবদুল আজিজের পেছনে সালাত আদায় করেছি এবং তিনি সুলাইমান ইবন ইয়াসার যা বলেছিলেন ঠিক সেরূপই করতেন।"

তবে এই সূত্রে একজন অস্পষ্ট (مبهم) বর্ণনাকারী রয়েছেন।

হাফিজ ৭ বলেন: "আর আনাসের হাদিসটির সনদে (سند) অস্পষ্ট (مبهم) বর্ণনাকারী রয়েছে যা এর সহিহ (صحة) হওয়ার হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে অন্তরায়।"

--------------------------------------------

(১০২) ।

২ ফাতহুল বারি (৭/২৯) ।

৩ আল-মুহাররার (১/১৯২) ।

৪ নাতায়েজুল আফকার (১/৪৭০) এবং বুলুগুল মারাম (৫৮) ।

৫ এর মাধ্যমে ইমাম তহাবীর সংক্ষিপ্ত বর্ণনার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

৬ তার সুনান (২/৩৮৮) কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: তিলাওয়াত দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্ত করা।

৭ নাতায়েজুল আফকার (১/৪৭০) ।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩৩)
والمرفوع منه أيضاً التشبيه وما عداه مقطوع".

وقال ابن رجب1 عقب رواية أحمد: "وخرج ابن سعد وغيره حديث أنس عن ابن أبي فديك2 عن الضحاك قال: حدثني يحيى بن سعيد أو شريك بن أبي نمر3 لا يدري أيهما حدثه عن أنس فذكر الحديث4.

والفتى هو عمر بن عبد العزيز كذا قال ابن أبي فديك عن الضحاك بالشك.

ورواه الواقدي عن الضحاك عن شريك من غير شك فهذا حديث صحيح عن أبي هريرة وأنس … "5 أ. هـ

[11] الحديث الحادي عشر:

عن عقبة بن عامر رضي الله عنه أنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن المعوذتين قال عقبة:

"فأمّنا بهما رسول الله صلى الله عليه وسلم في صلاة الفجر". أخرجه النسائي6، وابن

--------------------------------------------

1 فتح الباري له (7/29) .

2 محمد بن إسماعيل بن مسلم بن أبي فديك الديلي مولاهم المدني أبو إسماعيل صدوق من صغار الثامنة مات سنة مائتين على الصحيح. ع. وقال الذهبي: "صدوق".

الكاشف (3/20) التقريب (468) .

3 شريك بن عبد الله بن أبي نمر أبو عبد الله المدني صدوق يخطئ من الخامسة مات في حدود أربعين ومائة. خ م د تم س ق. الكاشف (2/10) التقريب (266) .

4 بنحو حديث سليمان بن يسار.

5 انظر: الطبقات لابن سعد (5/332) .

6 في سننه (2/158 رقم 952) كتاب الاستفتاح، باب القراءة في الصبح بالمعوذتين وفي (8/252 رقم 5434) كتاب الإستعاذة، باب بدون.
"এর মধ্য হতে মারফু (المرفوع) হলো উপমাসূচক বর্ণনা এবং এছাড়া বাকিগুলো বিচ্ছিন্ন (مقطوع)।"

ইবনে রাজাব১ আহমাদের বর্ণনার পর বলেন: "ইবনে সাদ ও অন্যান্যরা ইবনে আবি ফুদাইক২ থেকে যাহহাক সূত্রে আনাস বর্ণিত হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। যাহহাক বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ অথবা শারিক ইবনে আবি নামির৩ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন—বর্ণনাকারী নিশ্চিত নন যে তাঁদের মধ্যে কে আনাস থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন—অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন।৪

আর সেই যুবক হলেন উমর ইবনে আব্দুল আজিজ, ইবনে আবি ফুদাইক যাহহাক থেকে এভাবেই সন্দেহের সাথে বর্ণনা করেছেন।

ওয়াকিদি কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়াই যাহহাক-শারিক সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। সুতরাং আবু হুরায়রা ও আনাস থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি সহিহ (صحيح) … "৫ সমাপ্ত।

[১১] একাদশ হাদিস:

উকবা ইবনে আমির (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুআউওয়াযাতাইন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। উকবা বলেন:

"রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাজে আমাদের নিয়ে এই দুটি সুরার মাধ্যমে ইমামতি করেছিলেন।" এটি বর্ণনা করেছেন নাসায়ি৬, এবং ইবনে

--------------------------------------------

১ তাঁর রচিত ফাতহুল বারি (৭/২৯)।

২ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে মুসলিম ইবনে আবি ফুদাইক আদ-দাইলি, তাঁদের মুক্তদাস, মাদানি, আবু ইসমাইল; তিনি অষ্টম স্তরের কনিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত একজন সত্যবাদী (صدوق) বর্ণনাকারী, সঠিক মতানুসারে (الصحيح) তিনি ২০০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। জামায়াত (ع)। যাহাবি বলেন: "তিনি সত্যবাদী (صدوق)"।

আল-কাশিফ (৩/২০), আত-তাকরিব (৪৬৮)।

৩ শারিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি নামির আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানি; তিনি পঞ্চম স্তরের একজন সত্যবাদী (صدوق) তবে ভুল করেন (يخطئ), তিনি ১৪০ হিজরির কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন। বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযি (শামাইল), নাসায়ি, ইবনে মাজাহ। আল-কাশিফ (২/১০), আত-তাকরিব (২৬৬)।

৪ সুলাইমান ইবনে ইয়াসারের হাদিসের অনুরূপ।

৫ দেখুন: ইবনে সাদের আত-তাবাকাত (৫/৩৩২)।

৬ তাঁর সুনান (২/১৫৮, হাদিস নং ৯৫২), কিতাবুল ইস্তিফতাহ, ফজরের নামাজে মুআউওয়াযাতাইন পাঠ করা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ এবং (৮/২৫২, হাদিস নং ৫৪৩৪), কিতাবুল ইস্তিআযাহ, শিরোনামহীন অনুচ্ছেদে।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩৪)
أبي شيبة1، وأبو يعلي2،وابن خزيمة3، وابن حبان4 والحاكم5، والبيهقي6 كلهم من طريق سفيان عن معاوية بن صالح7عن عبد الرحمن ابن جبير بن نفير8 عن أبيه9 عن عقبة بن عامر به ورجال إسناده ثقات غير معاوية وحديثه حسن بالجملة.

قال الحاكم: "هذا حديث صحيح على شرط الشيخين ولم يخرجاه وقد تفرد به10 أبو أسامة11 عن الثوري وأبو أسامة ثقة معتمد".

--------------------------------------------

1 في مصنفه (10/539 رقم 10259) كتاب فضائل القرآن، باب في المعوذتين.

2 في مسنده (3/276 رقم 1734) .

3 في صحيحه (1/268 رقم 536) كتاب الصلاة، باب قراءة المعوذتين في الصلاة ضد من زعم أن المعوذتين ليستا من القرآن.

4 في صحيحه -الإحسان (5/125، 126 رقم 1818) كتاب الصلاة، باب ذكر الإباحة للمرء أن يقتصر في القراءة في صلاة الغداة على قصار المفصل.

5 في مستدركه (1/240) كتاب الصلاة، باب كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في صلاة الفجر بالواقعة ونحوها من السور.

6 في سننه (2/394) كتاب الصلاة، باب في المعوذتين.

7 معاوية بن صالح بن حدير الحضرمي أبو عمر أو أبو عبد الرحمن الحمصي قاضي الأندلس صدوق له أوهام من السابعة مات سنة ثمان وخمسين ومائة وقيل بعد السبعين. ر م4.

وقال الذهبي: "صدوق إمام". الكاشف (3/139) التقريب (538) .

8 عبد الرحمن بن جبير بن نفير الحضرمي الحمصي ثقة من الرابعة مات سنة ثماني عشر ومائة. بخ م4. وقال الذهبي: "ثقة". الكاشف (2/142) التقريب (338) .

9 جبير بن نفير بن مالك بن عامر الحضرمي الحمصي ثقة جليل من الثانية مخضرم ولأبيه صحبة فكأنه هو ما وفد إلا في عهد عمر مات سنة ثمانين وقيل بعدها. بخ م4.

وقال الذهبي: "ثقة". الكاشف (1/125) التقريب (138) .

10 لم يتفرد به أبو أسامة بل تابعه زيد بن أبي الزرقاء كما عند ابن خزيمة وابن حبان وسنده صحيح إليه.

11 هو حماد بن أسامة القرشي مولاهم الكوفي أبو أسامة مشهور بكنيته ثقة ثبت ربما دلس وكان بآخرة يحدث من كتب غيره من كبار التاسعة مات سنة إحدى ومائتين وهو ابن ثمانين. ع.

وقال الذهبي: "حجة عالم إخباري". الكاشف (1/186) التقريب (177) .
আবু শায়বাহ, আবু ইয়ালা, ইবনে খুযাইমাহ, ইবনে হিব্বান, হাকেম এবং বায়হাকি—তাঁরা সকলেই সুফিয়ানের সূত্রে মুয়াবিয়া ইবনে সালেহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে জুবায়ের ইবনে নুফাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমিরের সূত্রে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। এই সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (ثقات), তবে মুয়াবিয়া ব্যতীত; আর তার বর্ণিত হাদিস সামগ্রিকভাবে হাসান (حسن)।

হাকেম বলেন: "এই হাদিসটি দুই শাইখের (বুখারি ও মুসলিম) শর্তানুসারে সহিহ (صحيح), কিন্তু তাঁরা এটি বর্ণনা করেননি। আবু উসামা একা সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন (تفرد), আর আবু উসামা হলেন একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও নির্ভরযোগ্য (معتمد) রাবী।"

--------------------------------------------

১. তাঁর গ্রন্থ মুসান্নাফে (১০/৫৩৯, নম্বর ১০২৫৯), কিতাব ফাদাইলুল কুরআন, মুআউবিযাতাইন (সুরা ফালাক ও নাস) বিষয়ক অধ্যায়।

২. তাঁর গ্রন্থ মুসনাদে (৩/২৭৬, নম্বর ১৭৩৪)।

৩. তাঁর গ্রন্থ সহিহ ইবনে খুযাইমাহ-তে (১/২৬৮, নম্বর ৫৩৬), কিতাবুস সালাত, নামাজে মুআউবিযাতাইন পাঠ করা বিষয়ক অধ্যায়, যারা ধারণা করে যে মুআউবিযাতাইন কুরআনের অংশ নয় তাদের বিপক্ষ।

৪. তাঁর গ্রন্থ সহিহ ইবনে হিব্বান (আল-ইহসান) এ (৫/১২৫, ১২৬ নম্বর ১৮১৮), কিতাবুস সালাত, ফজরের নামাজে কেবল কিসারুল মুফাসসাল (ছোট সুরা) পাঠের অনুমতির বর্ণনা বিষয়ক অধ্যায়।

৫. তাঁর গ্রন্থ আল-মুস্তাদরাক-এ (১/২৪০), কিতাবুস সালাত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাজে সুরা ওয়াকিয়া ও তার অনুরূপ সুরা পাঠ করতেন বিষয়ক অধ্যায়।

৬. তাঁর গ্রন্থ সুনান আল-বায়হাকি-তে (২/৩৯৪), কিতাবুস সালাত, মুআউবিযাতাইন বিষয়ক অধ্যায়।

৭. মুয়াবিয়া ইবনে সালেহ ইবনে হুদাইর আল-হাদরামি আবু আমর অথবা আবু আবদুর রহমান আল-হিমসি, আন্দালুসের বিচারক; তিনি সত্যবাদী তবে ভ্রমপ্রবণ (صدوق له أوهام), সপ্তম স্তরের রাবী, একশ আটান্ন হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, কেউ কেউ বলেন সত্তর হিজরির পর। র ম৪।

যাহাবি বলেন: "তিনি সত্যবাদী ইমাম (صدوق إمام)"। আল-কাশিফ (৩/১৩৯), আত-তাকরিব (৫৩৮)।

৮. আবদুর রহমান ইবনে জুবায়ের ইবনে নুফাইর আল-হাদরামি আল-হিমসি; তিনি চতুর্থ স্তরের নির্ভরযোগ্য (ثقة) রাবী, একশ আঠারো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। بخ ম৪। যাহাবি বলেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)"। আল-কাশিফ (২/১৪২), আত-তাকরিব (৩৩৮)।

৯. জুবায়ের ইবনে নুফাইর ইবনে মালিক ইবনে আমির আল-হাদরামি আল-হিমসি; তিনি দ্বিতীয় স্তরের একজন নির্ভরযোগ্য ও সুমহান (ثقة جليل) রাবী, মুখাদরাম (مخضرم)। তাঁর পিতার সাহচর্য (সাহাবিয়াত) ছিল, আর তিনি নিজে উমর (রা.)-এর যুগে মদীনায় আগমন করেন। তিনি আশি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, কেউ কেউ বলেন এর পর। بخ ম৪।

যাহাবি বলেন: "নির্ভরযোগ্য (ثقة)"। আল-কাশিফ (১/১২৫), আত-তাকরিব (১৩৮)।

১০. আবু উসামা এটি এককভাবে বর্ণনা করেননি (لم يتفرد به), বরং যায়েদ ইবনুল আবিয যারকা তাঁর অনুসরণ করেছেন (تابعه), যেমনটি ইবনে খুযাইমাহ ও ইবনে হিব্বানের নিকট বর্ণিত হয়েছে এবং তাঁর পর্যন্ত এর সনদ সহিহ (سنده صحيح)।

১১. তিনি হলেন হাম্মাদ ইবনে উসামা আল-কুরাশি, তাঁদের মুক্তদাস, কুফি, আবু উসামা উপনামেই প্রসিদ্ধ; তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় (ثقة ثبت), সম্ভবত তিনি তাদলিছ (دلس) করতেন এবং শেষ বয়সে অন্যের কিতাব থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন। তিনি নবম স্তরের বড় রাবীদের অন্তর্ভুক্ত, দুইশ এক হিজরিতে আশি বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ع।

যাহাবি বলেন: "তিনি দলিল (حجة), বিজ্ঞ আলেম ও ইতিহাসবিদ।" আল-কাশিফ (১/১৮৬), আত-তাকরিব (১৭৭)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩৫)
لكن هذا الطريق اختلف فيه على معاوية بن صالح فرواه عنه سفيان عن عبد الرحمن ابن جبير عن أبيه عن عقبة به كما سلف.

ورواه ابن وهب وعبد الرحمن بن مهدي وزيد بن الحباب عنه عن العلاء بن الحارث1 عن القاسم بن عبد الرحمن عن عقبة بن عامر بنحوه مرفوعاً وزادوا أن ذلك كان في السفر.

أخرجه أبو داود2، والنسائي3 عن ابن وهب، وأحمد4 عن ابن مهدي، وابن خزيمة5 عن ابن مهدي وزيد بن الحباب، والحاكم6 عن ابن مهدي، والبيهقي7 عن ابن وهب كلهم عن العلاء بن الحارث به.

قال البيهقي8: "كذا قال9 العلاء بن كثير". وقال ابن وهب: "عن معاوية

--------------------------------------------

1 العلاء بن الحارث بن عبد الوارث الحضرمي أبو وهب الدمشقي صدوق فقيه لكن رمي بالقدر وقد اختلط من الخامسة مات سنة ست وثلاثين ومائة وهو ابن سبعين سنة. م4.

وقال الذهبي: "وثقوه".

الكاشف (2/308) التقريب (434) .

2 في سننه (2/152 رقم 1462) كتاب الصلاة، باب في المعوذتين.

3 في سننه (8/252 رقم 5436) كتاب الإستعاذة، باب بدون.

4 في مسنده (4/153) .

5 في صحيحه (1/268 رقم 535) كتاب الصلاة، باب قراءة المعوذتين في الصلاة.

6 في مستدركه (1/240) كتاب الصلاة، باب كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في صلاة الفجر بالواقعة ونحوها من السور.

7 في سننه (2/394) كتاب الصلاة، باب في المعوذتين.

8 في سننه (2/394) .

9 أي زيد بن الحباب فإنه رواه عن معاوية بن صالح عن العلاء بن كثير عن القاسم به.

أخرجه البيهقي.
তবে মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ-এর ক্ষেত্রে এই সূত্রে মতভেদ হয়েছে। সুফিয়ান তাঁর থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি উকবা থেকে পূর্বের ন্যায় এটি বর্ণনা করেছেন।

পক্ষান্তরে ইবনে ওয়াহাব, আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী এবং যায়েদ ইবনে আল-হুবাব তাঁর (মুয়াবিয়া) সূত্রে আল-আলা ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি কাসিম ইবনে আব্দুর রহমান থেকে এবং তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে অনুরূপ মারফু (مرفوعاً) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর তাঁরা অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন যে, তা সফর অবস্থায় ছিল।

এটি ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে আবু দাউদ ও নাসায়ি; ইবনে মাহদীর সূত্রে আহমদ; ইবনে মাহদী ও যায়েদ ইবনে আল-হুবাবের সূত্রে ইবনে খুজাইমা; ইবনে মাহদীর সূত্রে হাকেম এবং ইবনে ওয়াহাবের সূত্রে বায়হাকি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সবাই আল-আলা ইবনে আল-হারিসের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

বায়হাকি বলেন: "আল-আলা ইবনে কাসির এমনটিই বলেছেন।" আর ইবনে ওয়াহাব বলেন: "মুয়াবিয়া থেকে..."

--------------------------------------------

১. আল-আলা ইবনে আল-হারিস ইবনে আব্দুল ওয়ারিস আল-হাদরামি আবু ওয়াহাব আদ-দিমাশকি; তিনি সত্যবাদী (صدوق) ফকিহ (فقيه), তবে তাঁর বিরুদ্ধে কদরিয়া মতবাদের অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি শেষ বয়সে স্মৃতিভ্রষ্ট (اختلط) হয়েছিলেন। তিনি পঞ্চম স্তরের অন্তর্ভুক্ত এবং একশ ছত্রিশ হিজরিতে সত্তর বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ম৪।

ইমাম যাহাবি বলেন: "তাঁকে আইম্মায়ে কেরাম নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করেছেন (وثقوه)।"

আল-কাশিফ (২/৩০৮), আত-তাক্বরীব (৪৩৪)।

২. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/১৫২, নম্বর ১৪৬২), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: আল-মুআউবিজাতাইন প্রসঙ্গে।

৩. তাঁর সুনান গ্রন্থে (৮/২৫২, নম্বর ৫৪৩৬), কিতাবুল ইস্তিআজাহ, শিরোনামহীন পরিচ্ছেদ।

৪. তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে (৪/১৫৩)।

৫. তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/২৬৮, নম্বর ৫৩৫), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: সালাতে আল-মুআউবিজাতাইন পাঠ করা।

৬. তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে (১/২৪০), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতে সূরা আল-ওয়াকিআহ ও এই জাতীয় সূরা পাঠ করতেন।

৭. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/৩৯৪), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: আল-মুআউবিজাতাইন প্রসঙ্গে।

৮. তাঁর সুনান গ্রন্থে (২/৩৯৪)।

৯. অর্থাৎ যায়েদ ইবনে আল-হুবাব; কেননা তিনি এটি মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ থেকে, তিনি আল-আলা ইবনে কাসির থেকে এবং তিনি কাসিম থেকে বর্ণনা করেছেন। বায়হাকি এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩৬)
عن العلاء ابن الحارث وهو أصح".أ. هـ1.

ورواه عبد الرحمن بن مهدي عنه عن العلاء بن الحارث عن مكحول عن عقبة بنحوه.

أخرجه النسائي2 عن محمد بن بشار عن عبد الرحمن بن مهدي به. ورواية ابن وهب وعبد الرحمن بن مهدي ومن تابعهما أرجح.

وهذا الحديث له طرق أخرى غير طريق معاوية بن صالح وهي:

الأول: من طريق الوليد بن مسلم3 حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن جابر4 عن القاسم أبي عبد الرحمن عن عقبة بن عامر قال: "بينا أقود برسول الله صلى الله عليه وسلم في نقب من تلك النقاب إذ قال: "ألا تركب يا عقبة" فأجللت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أركب مركب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال: "ألا تركب يا عقبة" فأشفقت أن يكون معصية فنزل وركبت هنيهة ونزلت وركب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال: "ألا أعلمك سورتين من خير سورتين قرأ بهما الناس" فأقرأني {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ} و {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ} فأقيمت الصلاة فتقدم فقرأ بهما ثم مر بي فقال: "كيف

--------------------------------------------

1 وقد تابع ابن وهب -على قوله العلاء بن الحارث- عبد الرحمن بن مهدي وزيد بن الحباب أيضاً كما تقدم.

2 في سننه (8/252 رقم 5435) كتاب الإستعاذة، باب بدون.

3 الوليد بن مسلم القرشي مولاهم أبو العباس الدمشقي ثقة لكنه كثير التدليس والتسوية من الثامنة مات آخر سنة أربع أو أول سنة خمس وتسعين ومائة.4.

وقال الذهبي بعدما حكى توثيقه: "قلت كان مدلساً فيتقى من حديثه ما قال فيه عن".

الكاشف (3/213) التقريب (584) .

4 عبد الرحمن بن يزيد بن جابر الأزدي أبو عتبة الشامي الداراني ثقة من السابعة مات سنة بضع وخمسين ومائة. ع. وقال الذهبي: ثقة.

الكاشف (2/168) التقريب (353) .
"...আলা ইবনে আল-হারিস থেকে বর্ণিত এবং এটিই অধিক সঠিক (أصح)।" সমাপ্ত।১

আর আবদুর রহমান ইবনে মাহদি তাঁর থেকে, তিনি আলা ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি উকবা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

নাসায়ি এটি মুহাম্মদ ইবনে বাশার থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে মাহদি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে ওয়াহাব ও আবদুর রহমান ইবনে মাহদি এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছেন, তাদের বর্ণনাটিই অধিক অগ্রগণ্য (أرجح)।

মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ-এর সূত্র (طريق) ব্যতীত এই হাদিসের আরও কিছু সূত্র (طرق) রয়েছে, সেগুলো হলো:

প্রথমটি: ওয়ালিদ ইবনে মুসলিমের সূত্র (طريق) থেকে; তিনি বলেন, আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ ইবনে জাবির আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি কাসিম আবু আবদুর রহমান থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (উকবা) বলেন: "একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উট পাহাড়ি কোনো একটি সংকীর্ণ পথ দিয়ে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি বললেন: 'হে উকবা, তুমি কি সওয়ার হবে না?' আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সওয়ারিতে আরোহণ করাকে সম্মানের বরখেলাপ মনে করলাম। অতঃপর তিনি আবার বললেন: 'হে উকবা, তুমি কি সওয়ার হবে না?' তখন আমি ভয় পেলাম যে, (আরোহণ না করা) অবাধ্যতা হতে পারে। তখন তিনি নেমে গেলেন এবং আমি সামান্য সময়ের জন্য সওয়ার হলাম। এরপর আমি নেমে গেলাম এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরোহণ করলেন। এরপর তিনি বললেন: 'আমি কি তোমাকে এমন দুটি উত্তম সূরা শেখাব না, যা মানুষ পাঠ করে থাকে?' অতঃপর তিনি আমাকে {ক্বুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক} এবং {ক্বুল আউযু বিরাব্বিন নাস} পাঠ করে শোনালেন। এরপর সালাতের ইকামত দেওয়া হলে তিনি সামনে এগিয়ে গেলেন এবং ওই সূরা দুটি পাঠ করলেন। এরপর তিনি আমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: 'কেমন দেখলে...'

--------------------------------------------

১. ইবনে ওয়াহাবকে—আলা ইবনে আল-হারিসের বর্ণনার ক্ষেত্রে—আবদুর রহমান ইবনে মাহদি এবং যাইদ ইবনে আল-হুবাবও অনুসরণ (متابعة) করেছেন, যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

২. তাঁর সুনানে (৮/২৫২, নম্বর ৫৪৩৫), কিতাবুল ইস্তিআযা, অনুচ্ছেদবিহীন।

৩. ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আল-কুরাশি, তাদের মুক্তদাস, আবু আব্বাস আদ-দিমাশকি; তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) তবে তিনি প্রচুর পরিমাণে তাদলিস (تدليس) এবং তাসবিয়াহ (تسوية) করতেন। তিনি অষ্টম স্তরের বর্ণনাকারী। তিনি ১৯৫ হিজরির শেষদিকে অথবা ১৯৬ হিজরির শুরুতে মৃত্যুবরণ করেন। ৪.

যাহাবি তাঁর নির্ভরযোগ্যতা (توثيق) বর্ণনা করার পর বলেছেন: "আমি বলছি, তিনি মুদাল্লিস (مدلس) ছিলেন, তাই তাঁর বর্ণনার মধ্যে যেখানে তিনি 'আন' (عن) শব্দ ব্যবহার করেছেন, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।"

আল-কাশিফ (৩/২১৩), আত-তাক্বরিব (৫৮৪)।

৪. আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ ইবনে জাবির আল-আজদি, আবু উতবাহ আশ-শামি আদ-দারানি; তিনি সপ্তম স্তরের একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী। তিনি একশত পঞ্চাশের কিছুকাল পরে মৃত্যুবরণ করেন। (আউন/জামাত)। যাহাবি বলেছেন: নির্ভরযোগ্য (ثقة)।

আল-কাশিফ (২/১৬৮), আত-তাক্বরিব (৩৫৩)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩৭)
رأيت يا عقبة بن عامر إقرأ بهما كلما نمت وقمت".

أخرجه النسائي1، وأحمد2، وأبو يعلي3 وابن خزيمة4.

ورجال إسناده ثقات والوليد بن مسلم صرح بالتحديث عن شيخه عند من خرجه وعن شيخ شيخه عند ابن خزيمة وتابعه ابن المبارك عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر عن القاسم عن عقبة بنحوه لكنه مختصر.

أخرجه النسائي في عمل اليوم والليلة5.

الطريق الثاني: من طريق محمد بن إسحاق عن سعيد بن أبي سعيد6 عن أبيه7 عن عقبة بن عامر بنحو وفيه قال: "وسمعته يؤمنا بهما في الصلا ة" لم يذكر أنها الفجر وذكر أنه في السفر.

أخرجه أبو داود8 والبيهقي9 وفيه عنعنة ابن إسحاق.

الطريق الثالث: من طريق هشام بن الغاز10 عن سليمان بن

--------------------------------------------

1 في سننه (8/253 رقم 5437) كتاب الإستعاذة، باب بدون.

2 في مسنده (4/144) .

3 في مسنده (3/278 رقم 1736) .

4 في صحيحه (1/266، 267 رقم 534) كتاب الصلاة، باب قراءة المعوذتين في الصلاة.

(504 رقم 889) ما يقال إذا نام وإذا قام.

6 سعيد بن أبي سعيد: كيسان المقبري أبو سعيد المدني ثقة من الثالثة تغير قبل موته بأربع سنين وروايته عن عائشة وأم سلمة مرسلة مات في حدود العشرين ومائة وقيل قبلها وقيل بعدها. ع.

الكاشف (1/287) التقريب (236) .

7كيسان أبو سعيد المقبري المدني مولى أم شريك ويقال هو الذي يقال له صاحب العباء ثقة ثبت من الثانية مات سنة مائة. ع. الكاشف (3/10) التقريب (463) .

8 في سننه (2/153 رقم 1463) كتاب الصلاة، باب في المعوذتين.

9 في سننه (2/394) كتاب الصلاة، باب في المعوذتين.

10 هشام بن الغاز بن ربيعة الجُرشي الدمشقي نزيل بغداد ثقة من كبار السابعة مات سنة بضع وخمسين ومائة. خت 4. وقال الذهبي: "صدوق عابد".

الكاشف (3/197) التقريب (573) .
হে উকবা ইবনে আমির! দেখ, তুমি যখনই ঘুমাতে যাবে এবং জাগ্রত হবে, তখনই এই সূরা দুটি পাঠ করবে।

এটি নাসায়ি (১), আহমদ (২), আবু ইয়ালা (৩) এবং ইবনে খুযাইমা (৪) বর্ণনা করেছেন।

এর সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (ثقات)। ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম তার শায়খের পক্ষ থেকে সরাসরি শ্রবণের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন তাদের নিকট যারা এটি সংকলন করেছেন এবং ইবনে খুযাইমার নিকট তিনি তার শায়খের শায়খের থেকেও সরাসরি শ্রবণের কথা উল্লেখ করেছেন। ইবনে মুবারক, আবদুর রহমান ইবনে ইয়াযিদ ইবনে জাবির থেকে, তিনি কাসিম থেকে, তিনি উকবা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করে তার অনুসরণ করেছেন, তবে এটি সংক্ষিপ্ত।

এটি নাসায়ি 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ' (৫) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

দ্বিতীয় পথ: মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের সূত্রে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ (৬) থেকে, তিনি তার পিতা (৭) থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এতে বলা হয়েছে: "আমি তাকে সালাতে এই সূরা দুটি দিয়ে আমাদের ইমামতি করতে শুনেছি।" এতে ফজর সালাতের কথা উল্লেখ করা হয়নি, তবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি সফর অবস্থায় ছিল।

এটি আবু দাউদ (৮) ও বায়হাকি (৯) বর্ণনা করেছেন এবং এতে ইবনে ইসহাকের 'আনআনা' (عنعنة) রয়েছে।

তৃতীয় পথ: হিশাম ইবনুল গায (১০) এর সূত্রে, তিনি সুলায়মান ইবনে...

--------------------------------------------

১. তার সুনান গ্রন্থে (৮/২৫৩, হাদিস নং ৫৪৩৭), ইস্তিআযাহ অধ্যায়, শিরোনামহীন পরিচ্ছেদ।

২. তার মুসনাদ গ্রন্থে (৪/১৪৪)।

৩. তার মুসনাদ গ্রন্থে (৩/২৭৮, হাদিস নং ১৭৩৬)।

৪. তার সহিহ গ্রন্থে (১/২৬৬, ২৬৭, হাদিস নং ৫৩৪), সালাত অধ্যায়, সালাতে মুআওবিযাতাইন (সূরা ফালাক ও নাস) পাঠ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।

(৫০৪, হাদিস নং ৮৮৯), ঘুমানোর সময় এবং ঘুম থেকে জাগার সময় যা বলতে হয়।

৬. সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ: কায়সান আল-মাকবুরি আবু সাঈদ আল-মাদানি। তিনি তৃতীয় স্তরের একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী। মৃত্যুর চার বছর আগে তার স্মৃতিশক্তির পরিবর্তন ঘটেছিল। আয়িশা ও উম্মে সালামাহ থেকে তার বর্ণনা বিচ্ছিন্ন (مرسلة)। তিনি ১২০ হিজরির দিকে মৃত্যুবরণ করেন, কেউ বলেন এর আগে, আবার কেউ বলেন এর পরে। (ع)।

আল-কাশিফ (১/২৮৭), আত-তাকরিব (২৩৬)।

৭. কায়সান আবু সাঈদ আল-মাকবুরি আল-মাদানি, উম্মে শারিকের আযাদকৃত গোলাম। বলা হয়, তাকেই 'সাহিবুল আবা' বলা হয়। তিনি দ্বিতীয় স্তরের একজন সুদৃঢ় নির্ভরযোগ্য (ثقة ثبت) বর্ণনাকারী। তিনি ১০০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। (ع)। আল-কাশিফ (৩/১০), আত-তাকরিব (৪৬৩)।

৮. তার সুনান গ্রন্থে (২/১৫৩, হাদিস নং ১৪৬৩), সালাত অধ্যায়, মুআওবিযাতাইন সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।

৯. তার সুনান গ্রন্থে (২/৩৯৪), সালাত অধ্যায়, মুআওবিযাতাইন সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।

১০. হিশাম ইবনুল গায ইবনে রাবিআ আল-জুরাশি আদ-দিমাশকি, বাগদাদে বসবাসকারী। তিনি সপ্তম স্তরের বড়দের অন্তর্ভুক্ত একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) বর্ণনাকারী। তিনি ১৫০ হিজরির কিছুকাল পরে মৃত্যুবরণ করেন। (خت 4)। যাহাবি বলেন: "তিনি সত্যবাদী (صدوق) ও ইবাদতগুজার ছিলেন।"

আল-কাশিফ (৩/১৯৭), আত-তাকরিব (৫৭৩)।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩৮)
موسى1 عن عقبة بن عامر الجهني قال: " كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فلما طلع الفجر أذن وأقام ثم أقامني عن يمينه فقرأ بالمعوذتين فلما انصرف قال: "كيف رأيت؟ " قلت: "قد رأيت يا رسول الله" قال: "فاقرأ بهما كلما نمت وكلما قمت".

أخرجه ابن أبي شيبة2 عن وكيع عن هشام به.

قال البخاري3: "سليمان لم يدرك أحداً من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم".

وبالجملة فهذا الحديث بمجموع هذه الطرق يتقوى وأصله في مسلم4 بذكر فضل المعوذتين دون ذكر القراءة بهما في الصلاة من طريق قيس بن أبي حازم عن عقبة مرفوعاً.

[12] الحديث الثاني عشر:

عن عمرو بن عبسة رضي الله عنه قال: "إن النبي صلى الله عليه وسلم قرأ في الصبح {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ} و {قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ} وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "الفلق: جهنم".

أخرجه أبو يعلى5 من طريق مغلس الخراساني6 عن أيوب بن

--------------------------------------------

1 سليمان بن موسى الأموي مولاهم الدمشقي الأشدق صدوق فقيه في حديثه بعض لين وخولط قبل موته بقليل من الخامسة. م4. وقال الذهبي: "أحد الأئمة". أ. هـ والأكثر على توثيقه.

تهذيب الكمال (12/92) الكاشف (1/320) التقريب (254) .

2 في مصنفه (1/366، 367) كتاب الصلاة، باب من كان يخفف القراءة في السفر.

وفي (10/539 رقم 10260) كتاب فضائل القرآن، باب في المعوذتين.

3 العلل الكبير للترمذي (1/313) تحفة المراسيل للعراقي (لوحه 23) .

4 في صحيحه (1/558 رقم 814) كتاب صلاة المسافرين، باب فضل قراءة المعوذتين.

5 في مسنده -إتحاف الخيرة المهرة بزوائد المسانيد العشرة (2/364 رقم 1895) كتاب الصلاة، باب فضل صلاة الصبح وما يقرأ فيها، والمطالب العالية (1/198 رقم 448) كتاب الصلاة باب مقدار القراءة في الصلاة.

6 لم أجد له ترجمة وذكر ابن أبي حاتم في الجرح والتعديل (8/433) وابن حبان في الثقات (9/195) مغلس بن زياد أبو الوليد العامري كوفي.
মুসা ১ উকবাহ ইবনে আমির আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। যখন ফজর উদিত হলো, তিনি আজান ও ইকামত দিলেন, এরপর আমাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করালেন। এরপর তিনি মুআউবিজাতাইন পাঠ করলেন। যখন তিনি নামাজ শেষ করলেন, তখন বললেন: 'তুমি কেমন দেখলে?' আমি বললাম: 'হে আল্লাহর রাসুল, আমি দেখেছি।' তিনি বললেন: 'যখনই তুমি ঘুমাতে যাবে এবং যখনই তুমি ঘুম থেকে উঠবে, এই দুটি পাঠ করবে'।"

ইবনে আবি শাইবাহ ২ এটি ওয়াকি' থেকে, তিনি হিশাম থেকে একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

বুখারি ৩ বলেছেন: "সুলায়মান নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবিদের মধ্য থেকে কারোর সাক্ষাৎ পাননি।"

সারসংক্ষেপ হলো, এই হাদিসটি এই সকল সূত্রের সমষ্টির মাধ্যমে শক্তিশালী (يتقوى) হয়। এর মূল বর্ণনাটি মুসলিমে ৪ কায়েস ইবনে আবি হাজিম থেকে, তিনি উকবাহ থেকে মারফু (مرفوعاً) হিসেবে মুআউবিজাতাইনের ফজিলতের উল্লেখসহ বর্ণিত হয়েছে, তবে নামাজে সেগুলো পাঠ করার উল্লেখ নেই।

[১২] দ্বাদশ হাদিস:

আমর ইবনে আবাসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাজে {কুল আউজু বিরাব্বিল ফালাক} এবং {কুল আউজু বিরাব্বিন নাস} পাঠ করেছেন এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'ফালাক হলো জাহান্নাম'।"

আবু ইয়ালা ৫ এটি মুগাল্লাস আল-খুরাসানি ৬-এর সূত্রে আইয়ুব ইবনে... থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

১ সুলায়মান ইবনে মুসা আল-উমাবি, তাদের আযাদকৃত গোলাম, আদ-দিমাশকি আল-আশদাক; তিনি সত্যবাদী (صدوق) ও ফকিহ (فقيه), তবে তাঁর বর্ণিত হাদিসে কিছুটা শিথিলতা (لين) আছে এবং মৃত্যুর অল্পকাল আগে তাঁর কিছুটা স্মৃতিভ্রম (خولط) হয়েছিল; তিনি পঞ্চম (الخامسة) স্তরের বর্ণনাকারী। ইমাম মুসলিম (৪)। যাহাবি বলেছেন: "তিনি অন্যতম ইমাম।" অধিকাংশ মুহাদ্দিস তাঁকে নির্ভরযোগ্য (توثيقه) সাব্যস্ত করেছেন।

তাহজিবুল কামাল (১২/৯২), আল-কাশিফ (১/৩২০), আত-তাকরিব (২৫৪)।

২ তাঁর মুসান্নাফ গ্রন্থে (১/৩৬৬, ৩৬৭), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি সফরে কিরাত সংক্ষেপ করতেন।

এবং (১০/৫৩৯, নং ১০২৬০), কিতাবু ফাদাইলিল কুরআন, পরিচ্ছেদ: মুআউবিজাতাইন প্রসঙ্গে।

৩ তিরমিজির আল-ইলাল আল-কাবির (১/৩১৩), ইরাকির তুহফাতুল মারাসিল (পৃষ্ঠা ২৩)।

৪ তাঁর সহিহ গ্রন্থে (১/৫৫৮, নং ৮১৪), কিতাব সালাতিল মুসাফিরিন, পরিচ্ছেদ: মুআউবিজাতাইন পাঠের ফজিলত।

৫ তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে - ইতহাফুল খায়ারাতিল মাহারা বি যাওয়ায়িদিল মাসানিদিল আশারা (২/৩৬৪, নং ১৮৯৫), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: ফজরের নামাজের ফজিলত এবং তাতে যা পাঠ করা হবে; এবং আল-মাতালিবুল আলিয়া (১/১৯৮, নং ৪৪৮), কিতাবুস সালাত, পরিচ্ছেদ: নামাজে কিরাতের পরিমাণ।

৬ আমি তাঁর কোনো জীবনী (ترجمة) খুঁজে পাইনি। তবে ইবনে আবি হাতিম আল-জারহ ওয়াত তাদিল (الجرح والتعديل) গ্রন্থে (৮/৪৩৩) এবং ইবনে হিব্বান নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণ (الثقات) বিষয়ক গ্রন্থে (৯/১৯৫) মুগাল্লাস ইবনে জিয়াদ আবুল ওয়ালিদ আল-عامরি আল-কুফির কথা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আহাদীসুল কিরাআহ ফী সালাতিল ফাজরি জামআন ওয়া দিরাসাতান (পৃষ্ঠা: ২৩৯)
يزيد1 عن أبي رزين2 عن عمرو بن عبسة به وسنده ضعيف.

[13] الحديث الثالث عشر:

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال: "قدمت المدينة ورسول الله صلى الله عليه وسلم بخيبر فوجدت رجلاً من بني غفار يؤم الناس في صلاة فقرأ في الركعة الأولى سورة مريم وفي الثانية {وَيْلٌ لِلْمُطَفِّفِينَ} أحسبه قال: في صلاة الفجر".

أخرجه البزار3 من طريق عثمان بن أبي سليمان4 عن عراك بن مالك5 عن أبي هريرة به وسنده صحيح.

قال الهيثمي6: "ورجاله رجال الصحيح".

--------------------------------------------

1 أيوب بن يزيد ويقال بن أبي يزيد عن بعض التابعين قال أبو حاتم والذهبي: "مجهول".

الجرح والتعديل (2/262) المغني في الضعفاء (1/99) اللسان (1/492) .

2 أبو رزين جماعة لم يتبين لي من هو.

انظر: الكنى والأسماء للإمام مسلم (1/325) الإستغناء في معرفة المشهورين من حملة العلم بالكنى (2/1185) المقتنى في سرد الكنى (1/236) الجرح والتعديل (9/371) الكنى للإمام البخاري (32) الكنى للدولابي (176) .

3 في مسنده -كشف الأستار (1/234 رقم 478) كتاب الصلاة، باب قراءة الإمام، ومختصر زوائد البزار (1/263 رقم 380) كتاب الصلاة، باب صفة الصلوات.

4 عثمان بن أبي سليمان بن جبير بن مطعم القرشي النوفلي المكي قاضيها ثقة من السادسة خت م د تم س ق.

الكاشف (2/219) التقريب (384) .

5 عراك بن مالك الغفاري الكناني المدني ثقة فاضل من الثالثة مات في خلافة يزيد بن عبد الملك بعد المائة. ع.

الكاشف (2/227) التقريب (388) .

6 مجمع الزوائد (2/119) .
ইয়াজিদ১ আবু রাজিন২ থেকে, তিনি আমর ইবনে আবাসা (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং এর সনদ দুর্বল (ضعيف)।

[১৩] ত্রয়োদশ হাদিস:

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি মদিনায় আসলাম যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খায়বারে ছিলেন। আমি বনী গিফার গোত্রের এক ব্যক্তিকে লোকদের নামাজে ইমামতি করতে দেখলাম। তিনি প্রথম রাকাতে সূরা মারইয়াম এবং দ্বিতীয় রাকাতে {দুর্ভোগ তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়} পাঠ করলেন। আমার ধারণা তিনি বলেছিলেন: ফজর নামাজে।"

এটি আল-বাজজার৩ ওসমান ইবনে আবি সুলাইমান৪-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইরাক ইবনে মালিক৫ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এবং এর সনদ সহিহ (صحيح)।

আল-হাইতামী৬ বলেন: "এর বর্ণনাকারীগণ সহিহ (الصحيح) গ্রন্থের বর্ণনাকারী।"

--------------------------------------------

১. আইয়ুব ইবনে ইয়াজিদ, তাকে ইবনে আবি ইয়াজিদও বলা হয়; তিনি জনৈক তাবিঈ থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম এবং আয-যাহাবি বলেছেন: "অপরিচিত (مجهول)।"

আল-জারহ ওয়াত তাদীল (২/২৬২), আল-মুগনি ফীদ দুয়াফা (১/৯৯), আল-লিসান (১/৪৯২)।

২. আবু রাজিন একদল বর্ণনাকারীর উপনাম, তিনি কে তা আমার কাছে স্পষ্ট নয়।

দেখুন: ইমাম মুসলিমের আল-কুনা ওয়াল আসমা (১/৩২৫), আল-ইসতিগনা ফি মারিফাতি আল-মাশহুরিনা মিন হামালাতি আল-ইলমি বিল কুনা (২/১১৮৫), আল-মুকতানা ফি সারদিল কুনা (১/২৩৬), আল-জারহ ওয়াত তাদীল (৯/৩৭১), ইমাম বুখারীর আল-কুনা (৩২), আদ-দুলাবীর আল-কুনা (১৭৬)।

৩. তার মুসনাদে - কাশফুল আসতার (১/২৩৪, হাদিস নং ৪৭৮), কিতাবুস সালাত, ইমামের কিরাত পাঠ পরিচ্ছেদ; এবং মুখতাসার জাওয়াইদিল বাজজার (১/২৬৩, হাদিস নং ৩৮০), কিতাবুস সালাত, নামাজের বৈশিষ্ট্য পরিচ্ছেদ।

৪. ওসমান ইবনে আবি সুলাইমান ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতয়িম আল-কুরাশি আন-নাওফালি আল-মাক্কি, মক্কার বিচারক, নির্ভরযোগ্য (ثقة), তিনি ষষ্ঠ স্তরের অন্তর্ভুক্ত। [খত, ম, দ, ত, স, ক]

আল-কাশিফ (২/২১৯), আত-তাকরীিব (৩৮৪)।

৫. ইরাক ইবনে মালিক আল-গিফারি আল-কিনানি আল-মাদানি, নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও ফাজিল (মর্যাদাবান), তৃতীয় স্তরের অন্তর্ভুক্ত। তিনি একশত হিজরির পর ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল মালিকের খিলাফতকালে ইন্তেকাল করেন। [আইন]

আল-কাশিফ (২/২২৭), আত-তাকরীিব (৩৮৮)।

৬. মাজমাউজ জাওয়াইদ (২/১১৯)।