(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
معجم شيوخ ابن الأعرابي - ط العلمية القسم: كتب السنة
الكتاب: معجم شيوخ ابن الأعرابي
المؤلف: أبو سعيد أحمد بن محمد بن زياد بن الأعرابي البصري (ت 341 هـ)
تحقيق: محمود محمد نصار، السيد يوسف أحمد
الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1419 هـ - 1998 م
عدد الأجزاء: 2
تنبيه: ما بين المعقوفين [ .. ] في هذه الطبعة من زيادات المحققين، ولم ينبهوا على ذلك.
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 26 ذو الحجة 1444
মু'জামু শুয়ূখ ইবনুল আরাবী - ইলমিয়্যাহ সংস্করণ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
বই: মু'জামু শুয়ূখ ইবনুল আরাবী
লেখক: আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ বিন আল-আরাবী আল-বাসরী (মৃত্যু ৩৪১ হিজরী)
সম্পাদনা: মাহমুদ মুহাম্মদ নাসসার, আস-সায়্যেদ ইউসুফ আহমদ
প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হিজরী - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২
সতর্কতা: এই সংস্করণে বন্ধনীভুক্ত [ .. ] অংশগুলো সম্পাদকদের পক্ষ থেকে সংযোজিত হয়েছে, তবে তারা সে বিষয়ে আলাদাভাবে কোনো ইঙ্গিত দেননি।
[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণ সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৬ জিলহজ্জ ১৪৪৪
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
مقدمة
بسم الله الرحمن الرحيم
{. . . وَمَنْ يَكْسِبْ إِثْمًا فَإِنَّمَا يَكْسِبُهُ عَلَى نَفْسِهِ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا (111) وَمَنْ يَكْسِبْ خَطِيئَةً أَوْ إِثْمًا ثُمَّ يَرْمِ بِهِ بَرِيئًا فَقَدِ احْتَمَلَ بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا}. [سورة النساء: الآيتان 111، 112].
--------------------------------------------
ভূমিকা
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
{. . . আর যে কেউ পাপ উপার্জন করে, সে মূলত নিজের বিরুদ্ধেই তা উপার্জন করে; আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (১১১) আর যে ব্যক্তি কোনো অপরাধ কিংবা পাপ করে, অতঃপর তা কোনো নির্দোষ ব্যক্তির ওপর চাপিয়ে দেয়, সে তো এক গুরুতর অপবাদ ও স্পষ্ট পাপের বোঝা বহন করল।} [সূরা আন-নিসা: আয়াত ১১১, ১১২]।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
اهداء* إن هذا العمل قصد به وجه اللَّه سبحانه وتعالى، وابتغاء مرضاته قبل كل شيء، وهو محاولة للتأسي بسلوك سيدنا رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم. ولا سيما بنشر أحاديثه التي قالها وتحقيقها.
* إلى أرواح الشهداء من المسلمين في كل مكان: {وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ (169) فَرِحِينَ بِمَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ وَيَسْتَبْشِرُونَ بِالَّذِينَ لَمْ يَلْحَقُوا بِهِمْ مِنْ خَلْفِهِمْ أَلَّا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُون} [آل عمران: الآيتان 169، 170].
* وإلى كل مسلم باحث بحث عن كتاب المعجم لابن الأعرابي فلم يجده، إن اللَّه قد يسره لك لتتعلم من سُنة رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم أو توثق نصًّا من النصوص المذكورة في المراجع والمنقولة منه.
ونحن نردد مع سيدنا عمر بن الخطاب رضي الله عنه: رحم اللَّه امرءًا أهدى إلينا عيوبنا، فمن وجد خطأ أو نقصًا، أو أراد أن يقدم توجيهًا فليرسل به إلينا على العنوان الآتي: مصر - القاهرة عين شمس الغربية - 7 ش الطاهرة متفرع من ش عرب أبو طويلة - محمود نصار - الدور الثاني. وجزاه اللَّه خيرًا.
ويقول الشيخ السيد يوسف في إهدائه إلى روح أبيه: الحمد للَّه الذي اختار لي اْبي، ذلك الأب الطيب، والذي مع صغر جسمه زاده اللَّه بسطة في العقل والعلم. والذي صيرني في حياتي وبعد مماته إذا ما جلست مع أي فرد جلس معه إلا وأثنى عليه خيرًا.
উৎসর্গ* এই কাজটির মাধ্যমে সর্বাগ্রে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই উদ্দেশ্য, এবং এটি আমাদের নেতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুসরণের একটি প্রয়াস। বিশেষ করে তাঁর বর্ণিত ও যাচাইকৃত হাদিসসমূহ প্রচারের মাধ্যমে।
* সর্বস্থানের মুসলিম শহীদদের আত্মার প্রতি: {আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদের কখনো মৃত মনে করো না; বরং তারা তাদের রবের নিকট জীবিত এবং তারা রিযিকপ্রাপ্ত। আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের যা দান করেছেন তাতে তারা আনন্দিত এবং যারা এখনও তাদের পেছনে রয়ে গেছে এবং তাদের সাথে মিলিত হয়নি, তাদের জন্য তারা খুশী প্রকাশ করে যে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না} [আলে ইমরান: ১৬৯, ১৭০]।
* এবং সেই সকল মুসলিম গবেষকদের প্রতি, যারা ইবনুল আরাবীর 'আল-মুজাম' গ্রন্থটি অনুসন্ধান করেছেন কিন্তু তা খুঁজে পাননি। আল্লাহ তা আপনার জন্য সহজ করে দিয়েছেন যাতে আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন অথবা বিভিন্ন তথ্যসূত্রে বর্ণিত ও এটি থেকে উদ্ধৃত কোনো পাঠ্য যাচাই করতে পারেন।
আমরা আমাদের নেতা উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে কন্ঠ মিলিয়ে বলছি: আল্লাহ সেই ব্যক্তির ওপর রহম করুন যে আমাদের ভুলগুলো আমাদের উপহার দেয়। সুতরাং যদি কেউ কোনো ভুল বা অসম্পূর্ণতা পান, অথবা কোনো দিকনির্দেশনা দিতে চান, তবে তা অনুগ্রহ করে নিম্নোক্ত ঠিকানায় পাঠান: মিশর - কায়রো - পশ্চিম আইন শামস - ৭ আশ-ত্বাহিরা সড়ক, আরব আবু তাওয়িলা সড়কের শাখা - মাহমুদ নাসসার - দ্বিতীয় তলা। আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
শায়খ আস-সায়্যিদ ইউসুফ তাঁর পিতার আত্মার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে গিয়ে বলেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমার জন্য আমার পিতাকে মনোনীত করেছেন, সেই সদাশয় পিতা, যার শারীরিক গঠন ক্ষুদ্র হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ তাকে প্রজ্ঞা ও জ্ঞানের প্রশস্ততা দান করেছিলেন। যিনি আমার জীবনে এবং তাঁর মৃত্যুর পর আমাকে এমন অবস্থায় উপনীত করেছেন যে, আমি যখনই এমন কারো সাথে বসি যে তাঁর সান্নিধ্য লাভ করেছিল, সে তাঁর অত্যন্ত প্রশংসা করে।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
ولعل بوادر الحيرة لدي كانت لسببين:
الأول: أنني ما سألته عن شيء إلا وأجابني عليه بمنطق حكيم، وقول سديد. والثاني: أنني كنت أسأله من أين أتيت بهذه المعلومات فيجيبني: يا ولدي من جلوسنا مع أهل العلم والذكر وسؤالنا لهم المستمر. . . .
لقد كان والدي كثير السجود. فإليك يا أبي أهدي هذا العمل، وأرجو من اللَّه أن يجعل ما فعلته معي في ميزان حسناتك من حُسن تربية، وأدب رفيع، وسلوك قويم، أيها الرجل البسيط الريفي الذي أتيت من قريتنا "البياض - مركز بيلا بمحافظة كفر الشيخ" ساعيًا وراء الرزق حتى تتمكن من تربية أولادك.
إنني أهدي كتابي هذا إلى ولداي مروة ومحمد اللذين كثيرًا ما نهرتهما حتى يوجد الهدوء، ويوفرا لي الوقت حتى أبحث، ولكن كثيرًا ما أعود إلى وجداني فأجد أن من حقهما اللعب ولاسيما في هذه السن الصغيرة من عمرهما، فابنتي مروة محمود محمد ذات الربيع الرابع، ومحمد ذا الربيع الأول، وأضف إلى كليهما نصف ربيع أجدني أحوج معهما إلى روح الأبوة من روح الأستاذ مع طلابه.
وإلى زوجتي إيمان الباز جزاها اللَّه كل خير على ما بذلته من جهد لتوفير الهدوء لي في بحثي هذا.
محمود نصار. . . السيد يوسف أحمد
القاهرة - عين شمس "غ"
الخميس 7 من ربيع الآخر سنة 1417 هـ، 22 أغسطس 1996 م
সম্ভবত আমার বিভ্রান্তির লক্ষণগুলো ছিল দুটি কারণে:
প্রথমত: আমি তাকে যা-ই জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি আমাকে প্রজ্ঞাপূর্ণ যুক্তি এবং সঠিক কথার মাধ্যমে তার উত্তর দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত: আমি তাকে জিজ্ঞাসা করতাম যে আপনি এই তথ্যগুলো কোথা থেকে পেলেন, তখন তিনি আমাকে উত্তর দিতেন: হে আমার বৎস, আলেম ও যিকিরকারীদের সাথে আমাদের ওঠা-বসা এবং তাদের প্রতি আমাদের অবিরাম জিজ্ঞাসার মাধ্যমে। . . .
আমার পিতা প্রচুর সেজদাকারী ছিলেন। তাই হে আব্বু, আপনার প্রতিই আমি এই কর্মটি উৎসর্গ করছি, এবং আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি যে, আপনি আমার সাথে যে উত্তম লালন-পালন, উচ্চাঙ্গের শিষ্টাচার এবং সঠিক আচরণের স্বাক্ষর রেখেছেন, তিনি যেন সেটিকে আপনার নেক আমলের পাল্লায় সওয়াব হিসেবে গণ্য করেন; হে সেই সরল পল্লীবাসী ব্যক্তিত্ব, যিনি আমাদের গ্রাম "আল-বায়াদ - কাফরুশ শাইখ প্রদেশের বিলা কেন্দ্র" থেকে জীবিকার অন্বেষণে এসেছিলেন যাতে আপনি আপনার সন্তানদের লালন-পালন করতে সক্ষম হন।
আমি আমার এই গ্রন্থটি উৎসর্গ করছি আমার দুই সন্তান মারওয়া এবং মুহাম্মাদকে, যাদেরকে আমি শান্ত পরিবেশ বজায় রাখা এবং আমার গবেষণার জন্য সময় বের করার উদ্দেশ্যে প্রায়ই ধমক দিতাম। কিন্তু প্রায়ই আমি আমার বিবেকের কাছে ফিরে আসি এবং দেখতে পাই যে তাদের খেলার অধিকার রয়েছে, বিশেষ করে তাদের জীবনের এই শৈশবকালে; আমার কন্যা মারওয়া মাহমুদ মুহাম্মাদ যার বয়স চার বছর, আর মুহাম্মাদ যার বয়স এক বছর, এবং উভয়ের সাথে আরও অর্ধেক বছর যোগ করলে আমি অনুভব করি যে তাদের সাথে একজন শিক্ষকের চেয়ে একজন পিতার মমতার আমার বেশি প্রয়োজন।
এবং আমার স্ত্রী ইমান আল-বাজের প্রতি, আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন সেই প্রচেষ্টার জন্য যা তিনি আমার এই গবেষণায় নিরিবিলি পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ব্যয় করেছেন।
মাহমুদ নাসসার. . . আস-সাইয়্যেদ ইউসুফ আহমাদ
কায়রো - আইন শামস "গ"
বৃহস্পতিবার, ৭ই রবিউস সানি, ১৪১৭ হিজরি, ২২শে আগস্ট ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
دراسة عن الحديث النبويتعريفه: هو علم يعرف به أقوال النبي صلى الله عليه وسلم، وأفعاله، وأحواله، فاندرج فيه معرفة موضوعه.
غايته: هي الفوز بسعادة الدارين.
أقسامه: ينقسم إلى:
1 - علم الحديث رواية: وهو علم يبحث فيه عن كيمة اتصال الأحاديث بالرسول عليه الصلاة والسلام من حيث أحوال رواتها ضبطًا وعدالة.
ومن حيث كيفية السند اتصالًا وانقطاعًا. . . وغير ذلك.
وقد اشتهر بأصول الحديث.
2 - علم الحديث دراية: وهو علم باحث عن المعنى المفهوم من ألفاظ الحديث.
وعن المراد منها مبنيًا على قواعد العربية، وضوابط الشريعة، ومطابقًا لأحوال النبي صلى الله عليه وسلم.
موضوعه: أحاديث الرسول صلى الله عليه وسلم من حيث دلالتها على المعنى المفهوم، أو المراد.
غايته: التحلي بالآداب النبوية، والتخلي عما يكرهه وينهاه.
منفعته: أعظم المنافع كما لا يخفى على المتأمل.
مبادئه: العلوم العربية كلها، ومعرفة القصص، والأخبار المتعلقة بالنبي صلى الله عليه وسلم، ومعرفة الأصلين والفقه. . . وغير ذلك.
الحديث: أعم من القول، والفعل والتقرير.
নবীজির হাদীস সংক্রান্ত আলোচনাএর সংজ্ঞা: এটি এমন এক বিদ্যা যার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীসমূহ, কার্যাবলি এবং অবস্থাসমূহ জানা যায়; ফলে এতে এর বিষয়বস্তু সংক্রান্ত জ্ঞানও অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।
এর লক্ষ্য: উভয় জগতের সৌভাগ্য লাভ করা।
এর প্রকারভেদ: এটি নিম্নোক্ত ভাগে বিভক্ত:
১ - ইলমে হাদীস রিওয়ায়াত (বর্ণনা সংক্রান্ত): এটি এমন এক বিদ্যা যাতে বর্ণনাকারীদের স্মৃতিশক্তির প্রখরতা এবং ন্যায়পরায়ণতার প্রেক্ষিতে রাসূল আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালামের সাথে হাদীসগুলোর সংযোগের স্বরূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এবং সূত্রের (সনদ) ধরন অনুযায়ী তা নিরবচ্ছিন্ন হওয়া বা বিচ্ছিন্ন হওয়া... এবং এ জাতীয় অন্যান্য বিষয় নিয়ে।
আর এটি উসূলে হাদীস নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।
২ - ইলমে হাদীস দিরায়াত (উপলব্ধি সংক্রান্ত): এটি এমন এক বিদ্যা যা হাদীসের শব্দাবলি থেকে বোধগম্য অর্থ নিয়ে আলোচনা করে।
এবং আরবী ভাষার ব্যাকরণ ও শরীয়তের মূলনীতির ভিত্তিতে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে শব্দের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করে।
এর বিষয়বস্তু: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসসমূহ, বোধগম্য অর্থ বা উদ্দিষ্ট অর্থের নির্দেশক হওয়ার দিক থেকে।
এর লক্ষ্য: নববী আদব বা শিষ্টাচার দ্বারা নিজেকে সুশোভিত করা এবং যা তিনি অপছন্দ করেছেন ও যা থেকে নিষেধ করেছেন তা বর্জন করা।
এর উপকারিতা: এটি অত্যন্ত মহান এক উপকারিতা, যা চিন্তাশীল ব্যক্তির নিকট অস্পষ্ট নয়।
এর ভিত্তি বা উৎসসমূহ: আরবী ভাষা সংক্রান্ত সকল বিদ্যা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কিত ঘটনাবলি ও সংবাদসমূহ জানা এবং দ্বীনের মূলনীতিদ্বয় (আকীদা ও উসূলে ফিকহ) ও ফিকহ শাস্ত্র সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা... ইত্যাদি।
হাদীস: এটি কথা, কাজ এবং মৌন সম্মতির চেয়েও অধিক ব্যাপক।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
منزلة علم الحديث:قال ابن الأثير في "جامع الأصول":
علم الشريعة ينقسم إلى فرض ونفل. والفرض ينقسم إلى فرض عين، وفرض كفاية.
ومن أصول فروض الكفايات علم أحاديث رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم وآثار أصحابه التي هي ثاني أدلة الأحكام.
له أصول وأحكام، وقواعد، واصطلاحات ذكرها العلماء، وشرحها المحدثون والفقهاء يحتاج طالبه إلى معرفتها والوقوف عليها بعد تقديم معرفة اللغة والإعراب اللذين هما أصل لمعرفة الحديث وغيره لورود الشريعة المطهرة على لسان العرب.
وتلك الأشياء كالعلم بالرجال، وأساميهم، وأنسابهم، وأعمارهم، ووقت وفاتهم.
والعلم بصفات الرواة، وشرائطهم التي يجوز معها قبول روايتهم.
والعلم بمستند الرواة، وكيفية أخذهم الحديث، وتقسيم طرقه.
والعلم بلفظ الرواة، وإيرادهم ما سمعوه واتصاله إلى من يأخذه عنهم، وذكر مراتبه.
والعلم: بجواز نقل الحديث بالمعنى، ورواية بعضه، والزيادة فيه، والإضافة إليه ما ليس منه، وانفراد الثقة بزيادة فيه.
والعلم: بالمسند وشرائطه، والعالي منه والنازل.
والعلم: بالمرسل، وانقسامه إلى المنقطع والموقوف، والمعضل. . . وغير ذلك لاختلاف الناس في قبوله ورده.
والعلم: بالجرح والتعديل، وجوازهما ووقوعهما، وبيان طبقات المجروحين.
والعلم: بأقسام الصحيح من الحديث والكذب، وانقسام الخبر إليهما، وإلى
ইলমে হাদিসের মর্যাদা:ইবনুল আসির "জামি’উল উসুল" গ্রন্থে বলেছেন:
শরীয়তের জ্ঞান ফরজ ও নফল—এই দুই ভাগে বিভক্ত। আর ফরজ দুই ভাগে বিভক্ত: ফরজে আইন ও ফরজে কিফায়া।
আর ফরজে কিফায়ার অন্যতম মূল ভিত্তি হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস এবং তাঁর সাহাবীদের আসার (বর্ণনা) সংক্রান্ত জ্ঞান, যা হলো শরয়ি বিধানাবলির দ্বিতীয় দলিল।
এর কিছু মূলনীতি, বিধিবিধান, নিয়মাবলি ও পরিভাষা রয়েছে যা ওলামায়ে কেরাম উল্লেখ করেছেন এবং মুহাদ্দিস ও ফকিহগণ তার ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। এই শাস্ত্রের শিক্ষার্থীর জন্য ভাষা ও এরাব (ব্যাকরণগত অবস্থান) সংক্রান্ত জ্ঞান অর্জনের পর এ বিষয়গুলো জানা এবং এ সম্পর্কে অবগত হওয়া প্রয়োজন। কেননা ভাষা ও ব্যাকরণ হলো হাদিস ও অন্যান্য শাস্ত্র জানার মূল ভিত্তি, যেহেতু পবিত্র শরীয়ত আরবি ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে।
আর সেসব বিষয় হলো যেমন: রিজাল (বর্ণনাকারী) সংক্রান্ত জ্ঞান, তাঁদের নাম, বংশপরিচয়, বয়স এবং তাঁদের মৃত্যুর সময়।
বর্ণনাকারীদের গুণাবলি এবং তাঁদের শর্তাবলি সংক্রান্ত জ্ঞান, যা বিদ্যমান থাকলে তাঁদের বর্ণনা গ্রহণ করা বৈধ হয়।
বর্ণনাকারীদের সূত্র, তাঁদের হাদিস গ্রহণের পদ্ধতি এবং এর সনদ বা সূত্রের বিন্যাস সংক্রান্ত জ্ঞান।
বর্ণনাকারীদের শব্দচয়ন, তাঁরা যা শুনেছেন তা বর্ণনা করা, তাঁদের কাছ থেকে যারা গ্রহণ করছেন তাঁদের পর্যন্ত সনদের ধারাবাহিকতা এবং এর স্তরসমূহ উল্লেখ করা সংক্রান্ত জ্ঞান।
জ্ঞান: অর্থের মাধ্যমে হাদিস বর্ণনা করার বৈধতা, হাদিসের কিয়দাংশ বর্ণনা করা, তাতে শব্দ বৃদ্ধি করা, যা হাদিসের অংশ নয় তা তাতে সংযোজন করা এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর একাকী কোনো বর্ধিত অংশ বর্ণনা করা সংক্রান্ত জ্ঞান।
জ্ঞান: মুসনাদ ও এর শর্তাবলি এবং ‘আলি’ (উচ্চতর) ও ‘নাজিল’ (নিম্নতর) সনদ সংক্রান্ত জ্ঞান।
জ্ঞান: মুরসাল এবং এর প্রকারভেদ—মুনকাতি‘, মাওকুফ ও মু’দাল... এবং এ জাতীয় অন্যান্য প্রকার সংক্রান্ত জ্ঞান; যেহেতু এগুলোর গ্রহণযোগ্যতা ও বর্জনের ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে মতভেদ রয়েছে।
জ্ঞান: জারহ ও তা’দিল (সমালোচনা ও সত্যায়ন), এ দুটির বৈধতা ও বাস্তবতা এবং প্রত্যাখ্যাত বর্ণনাকারীদের স্তরসমূহের বর্ণনা সংক্রান্ত জ্ঞান।
জ্ঞান: হাদিসের সহিহ (বিশুদ্ধ) ও মিথ্যা বা বানোয়াট হওয়ার প্রকারভেদ এবং খবর (সংবাদ) এ দুই ভাগে ও অন্যান্যের দিকে বিভক্ত হওয়া সংক্রান্ত জ্ঞান।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
الغريب والحسن وغيرهما.
والعلم: بأخبار التواتر، والآحاد، والناسخ، والمنسوخ، وغير ذلك مما تواضع عليه أئمة الحديث، وهو بينهم متعارف، فمن أتقنها أتى دار هذا العلم من بابها، وأحاط بها من جميع جهاتها، وبقدر ما يفوته منها تنزل درجته وتنحط رتبته.
إلا أن معرفة التواتر، والآحاد، والناسخ، والمنسوخ، وإن تعلقت بعلم الحديث؛ فإن المحدث لا يفتقر إليه؛ لأن ذلك من وظيفة الفقيه؛ لأنه يستنبط الأحكام من الأحاديث فيحتاج إلى معرفة التواتر والآحاد، والناسخ والمنسوخ.
فأما المحدث: فوظيفته أن ينقل، ويروي ما سمعه من الأحاديث كما سمعه، فإن تصدى لما وراءه فزيادة في الفضل.
وأما مبدأ جمع الحديث وتأليفه، وانتشاره فإنه لما كان من أصول الفروض، وجب الاعتناء به، والاهتمام بضبطه، وحفظه، ولذلك يسر اللَّه سبحانه وتعالى للعلماء الثقات الذين حفظوا قوانينه، وأحاطوا فيه فتناقلوه كابرًا عن كابر. وأوصله كما سمعه أول إلى آخر.
وحببه اللَّه تعالى إليهم لحكمة حفظ دينه، وحراسة شريعته فما زال هذا العلم من عهد الرسول عليه الصلاة والسلام أشرف العلوم وأجلها لدى الصحابة والتابعين، وتابعي التابعين خلفًا بعد سلف، لا يشرف بينهم أحد بعد حفظ كتاب اللَّه سبحانه وتعالى إلا بقدر ما يحفظ منه، ولا يعظم في النفوس إلا بحسب ما يسمع من الحديث عنه فتوفرت الرغبات فيه، فما زال لهم من لدن رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم إلى أن انعطفت لهم الهمم على تعلمه حتى لقد كان أحدهم يرحل المراحل ويقطع الفيافي والمفاوز، ويجوب البلاد شرقًا وغربًا في طلب حديث واحد ليسمعه من راويه.
فمنهم: من يكون الباعث له على الرحلة طلب ذلك الحديث لذاته.
ومنهم: من يقرن بتلك الرغبة سماعه من ذلك الراوي بعينه إما لثقته في نفسه، وإما لعلو إسناده، فانبعثت العزائم إلى تحصيله.
وكان اعتمادهم أولًا على الحفظ، والضبط في القلوب غير ملتفتين إلى ما
গারিব, হাসান এবং এ জাতীয় অন্যান্য বিষয়াদি।
আর এই ইলম বা জ্ঞান হলো: মুতাওয়াতির ও আহাদ সংবাদসমূহ, নাসিখ (রহিতকারী) ও মানসুখ (রহিত) এবং হাদিসের ইমামগণ যে সকল বিষয়ের ওপর একমত হয়েছেন এবং যা তাঁদের মাঝে প্রচলিত, সে সম্পর্কিত জ্ঞান। সুতরাং যে ব্যক্তি এই বিষয়গুলোতে পারদর্শিতা অর্জন করল, সে যেন এই ইলমের ঘরে তার প্রধান দরজা দিয়ে প্রবেশ করল এবং এর সকল দিককে পরিবেষ্টন করল। আর এই বিষয়গুলো থেকে তার যতটুকু বাদ পড়বে, সেই অনুপাতে তার মর্যাদা ও স্তর নিচে নেমে যাবে।
তবে মুতাওয়াতির, আহাদ, নাসিখ ও মানসুখ সম্পর্কিত জ্ঞান যদিও হাদিস শাস্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট, তবুও একজন মুহাদ্দিসের জন্য তা অপরিহার্য নয়; কেননা এটি ফকিহ বা ফিকহবিদের কাজ। কারণ তিনি হাদিস থেকে হুকুম বা বিধান ইস্তিম্বাত (উদ্ঘাটন) করেন, তাই তাঁর জন্য মুতাওয়াতির, আহাদ, নাসিখ ও মানসুখ জানার প্রয়োজন রয়েছে।
পক্ষান্তরে মুহাদ্দিসের কাজ হলো তিনি যেভাবে হাদিসগুলো শুনেছেন, সেভাবেই তা বর্ণনা করা ও পৌঁছে দেওয়া। এরপর যদি তিনি এর অতিরিক্ত কিছু (যেমন ইস্তিম্বাত) করেন, তবে তা তাঁর জন্য অতিরিক্ত ফযিলত হিসেবে গণ্য হবে।
আর হাদিস সংগ্রহ, সংকলন এবং এর প্রসারের সূচনা সম্পর্কে বলা যায়—যেহেতু এটি ফরযের মূল ভিত্তিগুলোর অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাই এর প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং একে নিখুঁতভাবে সংরক্ষণ ও মুখস্থ করার বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান করা আবশ্যক ছিল। আর একারণেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এমন সব নির্ভরযোগ্য আলেমদের জন্য পথ সুগম করে দিয়েছেন যারা এর নিয়মকানুনসমূহ হিফজ করেছেন এবং একে পূর্ণাঙ্গভাবে আয়ত্ত করেছেন। ফলে তারা বড়দের থেকে বড়দের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে একে বর্ণনা করেছেন এবং প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যেভাবে শুনেছেন, সেভাবেই তা পৌঁছে দিয়েছেন।
আল্লাহ তাআলা তাঁর দ্বীন সংরক্ষণ এবং শরিয়তকে পাহারাদারি করার হিকমতের কারণে তাঁদের কাছে এই ইলমকে প্রিয় করে দিয়েছেন। ফলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ থেকে শুরু করে সাহাবী, তাবিঈ এবং তাবি-তাবিঈদের নিকট যুগ যুগ ধরে এই ইলমটি ছিল সর্বাধিক সম্মানিত ও মহান ইলম। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কিতাব হিফজ করার পর তাঁদের মধ্যে অন্য কেউ অতটা সম্মানিত হতেন না যতক্ষণ না তিনি হাদিস হিফজ করতেন। আর মানুষের অন্তরেও কারও মহিমা ততটুকুই ছিল যতটুকু সে রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে হাদিস শ্রবণ করেছে। ফলে এর প্রতি মানুষের আগ্রহ বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় থেকে নিয়ে তাদের সংকল্প হাদিস শিক্ষার দিকে এমনভাবে নিবিষ্ট ছিল যে, তাঁদের কেউ কেউ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতেন, প্রান্তর ও মরুভূমি অতিক্রম করতেন এবং মাত্র একটি হাদিস তার বর্ণনাকারীর কাছ থেকে সরাসরি শোনার জন্য পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্তে ভ্রমণ করতেন।
তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন যাদের ভ্রমণের মূল প্রেরণা ছিল স্বয়ং সেই হাদিসটিই অন্বেষণ করা।
আবার তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সেই আকাঙ্ক্ষার সাথে নির্দিষ্ট কোনো বর্ণনাকারীর কাছ থেকে শোনার বিষয়টিও যুক্ত করতেন—হয়তো বর্ণনাকারীর ব্যক্তিগত নির্ভরযোগ্যতার কারণে অথবা তাঁর ইসনাদ বা সূত্রের উচ্চতার (উলুউ) কারণে। ফলে তা অর্জনের জন্য সুদৃঢ় সংকল্প জাগ্রত হতো।
আর শুরুতে তাঁদের নির্ভরতা ছিল মূলত মুখস্থ করা এবং অন্তরে তা গেঁথে নেওয়ার ওপর; তাঁরা অন্য কোনো বিষয়ের দিকে ভ্রূক্ষেপ করতেন না যা...
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
يكتبونه محافظة على هذا العلم كحفظهم كتاب اللَّه سبحانه وتعالى، فلما انتشر الإسلام، واتسعت البلاد، وتفرقت الصحابة في الأقطار، ومات معظمهم، وقل الضبط احتاج العلماء إلى:
تدوين الحديث وتقييده بالكتابة، ولعمري إنها الأصل، فإن الخاطر يغفل، والقلم يحفظ فانتهى الأمر إلى زمن جماعة من الأئمة مثل عبد الملك بن جريج، ومالك ابن أنس، وغيرهما، فدونوا الحديث حتى قيل: إن أول كتاب صنف في الإسلام كتاب ابن جريج، وقيل: "موطأ مالك بن أنس"، وقيل: إن أول من صنف وبوب الربيع بن صبيح بالبصرة، ثم انتشر جمع الحديث، وتدوينه وتسطيره في الأجزاء، والكتب، وكثر ذلك، وعظم نفعه، إلى زمن الإمامين أبي عبد اللَّه محمد بن إسماعيل البخاري، وأبي الحسين مسلم بن الحجاج النيسابوري، فدونا كتابيهما، وأثبتا فيهما من الأحاديث ما قطعا بصحته، وثبت عندهما نقله، وسميا الصحيح من الحديث.
ولقد صدقا فيما قالا، واللَّه مجاز لهما عليه، ولذلك رزقهما اللَّه تعالى حسن القبول شرقًا وغربًا، ثم ازداد انتشار هذا النوع من التصنيف، وكثر في الأيدي، وتفرقت أغراض الناس، وتنوعت مقاصدهم إلى أن انقرض ذلك العصر الذي قد جمعوا وألفوا فيه مثل أبي عيسى محمد بن عيسى الترمذي، ومثل أبي داود سليمان ابن الأشعث السجستاني، وأبي عبد الرحمن بن شعيب النسائي وغيرهم؛ فكان ذلك العصر خلاصة العصور في تحصيل هذا العلم، وإليه المنتهي. ثم نقص ذلك الطلب وقل الحرص، وفترت الهمم فكذلك كل نوع من أنواع العلوم والصنايع والدول وغيرها؛ فإنه يبتديء قليلًا قليلًا، ولا يزال ينمو ويزيد إلى أن يصل إلى غاية هي منتهاه، ثم يعود، وكأن غاية هذا العلم انتهت إلى البخاري ومسلم، ومن كان في عصرهما ثم نزل وتقاصر إلى ما شاء اللَّه.
তারা এই ইলম সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এটি লিখে রাখতেন, যেমন তারা মহান আল্লাহর কিতাবকে সংরক্ষণ করতেন। অতঃপর যখন ইসলাম প্রসারিত হলো, দেশসমূহ বিস্তৃত হলো, সাহাবীগণ বিভিন্ন জনপদে ছড়িয়ে পড়লেন এবং তাঁদের অধিকাংশের মৃত্যু হলো এবং স্মৃতিশক্তির নির্ভুলতা কমে গেল, তখন উলামায়ে কেরাম প্রয়োজন অনুভব করলেন:
হাদিস সংকলন করার এবং তা লেখনীর মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করার। আমার জীবনের শপথ! এটিই হলো মূল ভিত্তি, কারণ মন ভুলে যায় কিন্তু কলম সংরক্ষণ করে। ফলে বিষয়টি একদল ইমামের যুগ পর্যন্ত পৌঁছাল, যেমন আব্দুল মালিক ইবনে জুরাইজ, মালিক ইবনে আনাস এবং তাঁদের পরবর্তীগণ। তাঁরা হাদিস সংকলন করলেন, এমনকি বলা হয় যে, ইসলামে সর্বপ্রথম রচিত গ্রন্থ হলো ইবনে জুরাইজের গ্রন্থ। আবার বলা হয়: "মালিক ইবনে আনাসের মুয়াত্তা"। আরও বলা হয় যে, বসরার রাবী ইবনে সাবিহ সর্বপ্রথম হাদিস সংকলন ও অধ্যায়ভিত্তিক বিন্যাস করেন। এরপর হাদিস সংগ্রহ, সংকলন এবং তা বিভিন্ন খণ্ড ও কিতাবে লিপিবদ্ধ করার কাজ ছড়িয়ে পড়ল। এর বিস্তার ঘটল এবং এর উপকারিতা মহান রূপ লাভ করল দুই ইমাম—আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল বুখারী এবং আবু হুসাইন মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ আল-নিশাপুরীর যুগ পর্যন্ত। তাঁরা তাঁদের কিতাবদ্বয় সংকলন করলেন এবং তাতে সেই সব হাদিস সাব্যস্ত করলেন যেগুলোর বিশুদ্ধতার ব্যাপারে তাঁরা সুনিশ্চিত ছিলেন এবং তাঁদের নিকট যেগুলোর বর্ণনা প্রমাণিত ছিল। তাঁরা একে হাদিসের 'সহিহ' নামে অভিহিত করলেন।
তাঁরা যা বলেছেন তাতে তাঁরা সত্যনিষ্ঠ ছিলেন এবং আল্লাহ তাঁদেরকে এর প্রতিদান দেবেন। একারণেই আল্লাহ তাআলা তাঁদেরকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে উত্তম গ্রহণযোগ্যতা দান করেছেন। অতঃপর এই ধরনের রচনার প্রসার আরও বৃদ্ধি পেল, তা ব্যাপকভাবে মানুষের হাতে পৌঁছাল এবং মানুষের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসমূহ বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠল, এমনকি সেই যুগের অবসান ঘটল যে যুগে ইমামগণ সংকলন ও রচনা করেছেন, যেমন আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা তিরমিযী, আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশআস আস-সিজিস্তানী, আবু আব্দুর রহমান ইবনে শুআইব আন-নাসায়ী এবং অন্যান্যগণ। এই ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে সেই যুগটিই ছিল সকল যুগের নির্যাস এবং এর চূড়ান্ত শিখর। এরপর জ্ঞান অন্বেষণের সেই আকাঙ্ক্ষা হ্রাস পেল, আগ্রহ কমে গেল এবং হিম্মত শিথিল হয়ে পড়ল। প্রতিটি ইলম, শিল্পকলা, রাষ্ট্র এবং অন্যান্য বিষয়ের অবস্থা এমনই হয়; তা অল্প অল্প করে শুরু হয়, এরপর বৃদ্ধি পেতে থাকে যতক্ষণ না তার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছায়, তারপর আবার অবনতি হতে থাকে। মনে হয় যেন এই ইলমের চূড়ান্ত পর্যায় বুখারী, মুসলিম এবং তাঁদের সমসাময়িকদের নিকট পৌঁছে শেষ হয়েছে, এরপর আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী তা নিম্নগামী ও সংকুচিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
مناهج التصنيف في علم الحديث النبويإن هذا العلم على شرفه، وعلو منزلته، كان علمًا عزيزًا، مشكل اللفظ والمعنى، ولذلك كان الناس في تصانيفهم مختلفي الأغراض:
التدوين المطلق
1 - فمنهم: من قصر همته على تدوين الحديث مطلقًا ليحفظ لفظه، ويستنبط منه الحكم، كما فعله عبد اللَّه بن موسى العبسي، وأبو داود الطيالسي، وغيرهما أولًا وثانيًا أحمد بن حنبل، ومن بعده فإنهم أثبتوا الأحاديث في مسانيد روايتها فيذكرون مسند أبي بكر الصديق رضي الله عنه مثلًا، ويثبتون فيه كل ما رووه عنه ثم يذكرون بعده الصحابة واحدًا بعد واحد على هذا النسق.
التصنيف على الكتب والأبواب
2 - ومنهم: من يثبت الأحاديث في الأماكن التي هي دليل عليها فيضعون لكل حديث بابًا يختص به، فإن كان في معنى الصلاة ذكروه في باب الصلاة، وإن كان في معنى الزكاة ذكروه فيها كما فعل مالك في الموطأ إلا أنه لقلة ما فيه من الأحاديث قلت أبوابه، ثم اقتدى بهما من جاء بعدهما.
وهذا النوع أسهل مطلبًا من الأول؛ لأن الإنسان قد يعرف المعنى، وإن لم يعرف راويه، بل ربما لا يحتاج إلى معرفة راويه، فإذا أراد في كتاب الصلاة علم الناظر أن ذلك الحديث هو دليل ذلك الحكم؛ فلا يحتاج أن يفكر فيه بخلاف الأول.
التصنيف على الألفاظ والمعاني المشكلة
3 - ومنهم: من استخرج أحاديث تتضمن ألفاظًا لغوية ومعاني مشكلة فوضع لها كتابًا قصره على ذكر متن الحديث، وشرح غريبه، وإعرابه ومعناه، ولم يتعرض لذكر الأحكام كما فعل أبو عبيد القاسم بن سلام، وأبو محمد عبد اللَّه بن مسلم بن قتيبة. . . وغيرهما.
হাদিস শাস্ত্রের সংকলন পদ্ধতিসমূহনিশ্চয়ই এই শাস্ত্র এর মর্যাদা ও সুউচ্চ অবস্থান সত্ত্বেও একটি বিরল শাস্ত্র ছিল, যার শব্দ ও অর্থ অনুধাবন করা ছিল কঠিন। এই কারণে গ্রন্থ রচনায় মানুষের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন ভিন্ন:
সাধারণ সংকলন১ - তাদের মধ্যে এমন কিছু ব্যক্তি ছিলেন: যারা তাদের মনোযোগকে কেবল নিরঙ্কুশভাবে হাদিস লিপিবদ্ধ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন যেন এর শব্দাবলি সংরক্ষিত থাকে এবং তা থেকে বিধান আহরণ করা যায়। যেমনটি করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুসা আল-আবসি, আবু দাউদ আত-তায়ালিসি এবং অন্যান্যরা প্রথম পর্যায়ে, এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে আহমাদ বিন হাম্বল ও তাঁদের পরবর্তীগণ। তারা হাদিসগুলোকে সেগুলোর বর্ণনাকারীদের মুসনাদ অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, তারা আবু বকর আস-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ উল্লেখ করেন এবং তাঁর থেকে বর্ণিত সব হাদিস সেখানে লিপিবদ্ধ করেন, এরপর এই ধারাবাহিকতায় পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সাহাবীদের উল্লেখ করেন।
কিতাব ও অধ্যায় ভিত্তিক সংকলন২ - আবার তাদের মধ্যে এমন কেউ আছেন: যারা হাদিসগুলোকে সেই সব স্থানে লিপিবদ্ধ করেন যেগুলোর জন্য সেগুলো দলিল হিসেবে গণ্য। তারা প্রতিটি হাদিসের জন্য একটি নির্দিষ্ট অধ্যায় নির্ধারণ করেন। যদি হাদিসটি সালাত সংক্রান্ত হয় তবে তা সালাত অধ্যায়ে উল্লেখ করেন, আর যদি তা যাকাত সংক্রান্ত হয় তবে তা যাকাত অধ্যায়ে উল্লেখ করেন। যেমনটি মালিক তাঁর মুয়াত্তা গ্রন্থে করেছেন, তবে এতে হাদিস সংখ্যা কম হওয়ার কারণে এর অধ্যায়গুলোও সীমিত ছিল। অতঃপর তাঁদের পরবর্তীগণ তাঁদের অনুসরণ করেছেন।
আর এই প্রকারটি প্রথম প্রকারের তুলনায় অনুসন্ধান করা সহজ; কারণ মানুষ অনেক সময় অর্থ জানতে পারে যদিও সে বর্ণনাকারীকে না চেনে, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীকে চেনার প্রয়োজনও পড়ে না। ফলে যখন কেউ সালাত অধ্যায়ে অনুসন্ধান করে, তখন পাঠক বুঝতে পারে যে এই হাদিসটি ঐ বিধানের দলিল; ফলে তাকে প্রথম প্রকারের মতো চিন্তা করতে হয় না।
শব্দ ও জটিল অর্থের ভিত্তিতে সংকলন৩ - আবার তাদের মধ্যে এমনও আছেন: যারা এমন হাদিসগুলো চয়ন করেছেন যেগুলোতে ভাষাগত শব্দ এবং জটিল অর্থ রয়েছে। তারা সেগুলোর জন্য এমন কিতাব রচনা করেছেন যা কেবল হাদিসের মূল পাঠ (মতন) উল্লেখ করা, এর দুর্লভ শব্দাবলির ব্যাখ্যা করা, ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ এবং এর অর্থ বর্ণনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছেন। তারা আহকাম বা বিধান বর্ণনার অবতারণা করেননি। যেমনটি করেছেন আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম এবং আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কুতাইবা ও অন্যান্যরা।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
التصنيف على ذكر الأحكام
4 - ومنهم: من أضاف إلى هذا الاختيار ذكر الأحكام، وآراء الفقهاء مثل أبي سليمان حمد بن محمد الخطابي في "معالم السنن"، و"إعلام السنن". . . وغيره من العلماء.
التصنيف على الغريب
5 - ومنهم: من قصد ذكر الغريب دون متن الحديث، واستخرج الكلمات الغريبة، ودونها، ورتبها، وشرحها كما فعل أبو عبيد أحمد بن محمد الهروي، وغيره من العلماء.
التصنيف في الترغيب والترهيب والأحكام الشرعية
6 - ومنهم: من قصد إلى استخراج أحاديث ترغيبًا وترهيبًا، وأحاديث تتضمن أحكامًا شرعية غير جامعة فدونها، وأخرج متونها وحدها كما فعل أبو محمد الحسين بن مسعود البغوي في المصابيح. . . . وغير هؤلاء.
لماذا لم يكن عملهم على أكمل وضع؟ولما كان أولئك الأعلام السابقون فيه لم يأت صنيعهم على أكمل الأوضاع، فإن غرضهم كان أولًا حفظ الحديث مطلقًا، وإثباته، ورفع الكذب عنه، والنظر في طرقه، وحفظ رجاله، وتزكيتهم، واعتبار أحوالهم، والتفتيش عن دخائل أمورهم حتى قدحوا وجرحوا وعدلوا، وأخذوا وتركوا هذا بعد الاحتياط والضبط والتدبر فكان هذا مقصدهم الأكبر وغرضهم الأوفى، ولم يتسع الزمان لهم والعمر لأكثر من هذا الغرض الأعم، والمهم الأعظم.
ولا رأوا في أيامهم أن يشتغلوا بغيره من لوازم هذا الفن التي هي كالتوابع، بل لا يجوز لهم ذلك، فإن الواجب أولًا إثبات الذات، ثم ترتيب الصفات.
والأصل إنما هو عين الحديث، ثم ترتيبه، وتحسين وضعه، ففعلوا ما هو
বিধান বর্ণনার ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস
৪ - এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন যারা এই চয়ন বা সংকলনের সাথে বিধানাবলি এবং ফকিহগণের মতামত যুক্ত করেছেন, যেমন আবু সুলাইমান হামদ ইবনে মুহাম্মদ আল-খাত্তাবি তার "মাআলিমুস সুনান" এবং "ইলামুস সুনান" গ্রন্থে এবং অন্যান্য উলামায়ে কেরাম।
গরীব শব্দের বর্ণনার ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস
৫ - এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ হাদীসের মূল পাঠ (মতন) ব্যতীত কেবল গরীব (অপ্রচলিত শব্দ) শব্দগুলো উল্লেখ করার সংকল্প করেছিলেন এবং গরীব শব্দগুলো আহরণ করে সেগুলো লিপিবদ্ধ করেছেন, বিন্যস্ত করেছেন এবং ব্যাখ্যা করেছেন; যেমনটি করেছেন আবু উবাইদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারাউই এবং অন্যান্য উলামায়ে কেরাম।
তারগীব-তারহীব এবং শরয়ি বিধানের ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস
৬ - এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ তারগীব ও তারহীব (উৎসাহ ও ভীতি প্রদর্শন) বিষয়ক হাদীসসমূহ এবং এমন সব হাদীস যা অ-সার্বিক শরয়ি বিধানকে অন্তর্ভুক্ত করে, সেগুলো চয়নের ইচ্ছা পোষণ করে লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি কেবল সেগুলোর মতন (মূল পাঠ) পৃথকভাবে উদ্ধৃত করেছেন, যেমনটি করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-হুসাইন ইবনে মাসউদ আল-বাগাওয়ি 'আল-মাসাাবিহ' গ্রন্থে এবং তারা ব্যতীত আরও অনেকে।
কেন তাদের কর্মটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি?যেহেতু সেই পূর্ববর্তী বরেণ্য মনিষীদের কাজ পূর্ণাঙ্গরূপে আসেনি; কারণ তাদের প্রথম উদ্দেশ্য ছিল সাধারণভাবে হাদীস সংরক্ষণ করা, তা সাব্যস্ত করা, তা থেকে মিথ্যা অপবাদ দূর করা, এর সনদসমূহ পর্যবেক্ষণ করা এবং হাদীসের বর্ণনাকারীদের তথ্য মুখস্থ রাখা, তাদের স্বচ্ছতা যাচাই করা, তাদের অবস্থা বিবেচনা করা এবং তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়াদি অনুসন্ধান করা। এমনকি তারা চরম সতর্কতা, যথাযথ সংরক্ষণ ও গবেষণার পর বর্ণনাকারীদের দোষারোপ করেছেন এবং ন্যায়পরায়ণ সাব্যস্ত করেছেন এবং হাদীস গ্রহণ বা বর্জন করেছেন। এটিই ছিল তাদের বড় লক্ষ্য এবং পূর্ণাঙ্গ উদ্দেশ্য। সময় ও জীবন তাদের জন্য এই ব্যাপক লক্ষ্য ও সুমহান গুরুত্বপূর্ণ কাজের বাইরে অধিক কিছুর সুযোগ দেয়নি।
তারা তাদের সময়ে এই শাস্ত্রের অন্যান্য অনুষঙ্গ যা আনুষঙ্গিক বিষয়ের মতো, তাতে আত্মনিয়োগ করা সমীচীন মনে করেননি, বরং তাদের জন্য সেটি করা বৈধও ছিল না। কারণ প্রথম কর্তব্য হলো সত্তাকে সাব্যস্ত করা, তারপর গুণাবলিকে বিন্যস্ত করা।
আর মূল ভিত্তি হলো স্বয়ং হাদীস, তারপর এর বিন্যাস ও উপস্থাপনার উন্নয়ন। সুতরাং তারা যা করেছেন তা হলো...
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الفرض المتعين، واخترمتهم المنايا قبل الفراغ والتخلي لما فعله التابعون لهم والمقتدون بهم فتعبو لراحة من بعدهم.
دور الخلف في تدوين وشرح الحديثجاء الخلف الصالح فأحبوا أن يظهروا تلك الفضيلة، ويشيعوا تلك العلوم التي أفنوا أعمارهم في جمعها، إما بإبداع ترتيب، أو بزيادة تهذيب، أو اختصار وتقريب، أو استنباط حكم، وشرح غريب، فمن هؤلاء المتأخرين من جمع بين كتب الأولين بنوع من التصرف والاختصار كمن جمع بين كتابي البخاري ومسلم مثل أبي بكر أحمد ابن محمد البرقاني، وأبي مسعود إبراهيم بن محمد بن عبيد الدمشقي، وأبي عبد اللَّه محمد الحميدي.
فإنهم رتبوا على المسانيد دون الأبواب. . وتلاهم أبو الحسن رزين بن معاوية العبدري فجمع بين كتب البخاري، ومسلم، والموطأ لمالك، وجامع الترمذي، وسنن أبي داود، والنسائي. ورتب على الأبواب إلا أن هؤلاء أودعوا متون الحديث عارية من الشرح.
وكان كتاب رزين أكبرها وأعمها حيث حوى هذه الكتب الستة هي أم كتب الحديث، وأشهرها. وبأحاديثها أخذ العلماء واستدل الفقهاء، وأثبتوا الأحكام، ومصنفوها أشهر علماء الحديث وأكثرهم حفظًا، وإليهم المنتهى.
নির্ধারিত কর্তব্য, এবং তাদের অনুসারী ও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণকারীদের কর্মের জন্য অবসর ও মুক্ত হওয়ার আগেই মৃত্যু তাদের গ্রাস করেছিল; ফলে তারা পরবর্তী প্রজন্মের বিশ্রামের জন্য পরিশ্রম করে গেছেন।
হাদিস সংকলন ও ব্যাখ্যায় পরবর্তীদের ভূমিকাএরপর নেককার উত্তরসূরিগণ আসলেন। তারা চাইলেন সেই মর্যাদা প্রকাশ করতে এবং সেই জ্ঞানসমূহ ছড়িয়ে দিতে যেগুলি সংগ্রহে তারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন; তা হতে পারে নতুন বিন্যাসের মাধ্যমে, অথবা অধিকতর পরিমার্জনের মাধ্যমে, কিংবা সংক্ষিপ্তকরণ ও সহজীকরণের মাধ্যমে, অথবা বিধান আহরণ ও কঠিন শব্দের ব্যাখ্যার মাধ্যমে। এই পরবর্তী আলেমদের মধ্যে এমন কিছু ব্যক্তি ছিলেন যারা এক ধরণের বিন্যাস ও সংক্ষিপ্তকরণের মাধ্যমে পূর্ববর্তীদের কিতাবসমূহকে একত্রিত করেছেন। যেমন তারা যারা বুখারি ও মুসলিমের দুই কিতাবকে একত্রিত করেছেন; যেমন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বারকানি, আবু মাসউদ ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আদ-দিমাশকি এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ আল-হুমায়দি।
কারণ তারা সেগুলিকে অধ্যায়ের পরিবর্তে মুসনাদ অনুযায়ী সাজিয়েছিলেন। তাদের পরে আসলেন আবুল হাসান রাজিন ইবনে মুয়াবিয়া আল-আবদারি। তিনি বুখারি, মুসলিম, মালিকের মুওয়াত্ত্বা, জামি তিরমিজি, সুনানে আবু দাউদ এবং নাসায়িকে একত্রিত করেছিলেন। তিনি এগুলি অধ্যায় অনুসারে সাজিয়েছিলেন, তবে তারা হাদিসের মূল পাঠসমূহকে ব্যাখ্যা ছাড়াই উপস্থাপন করেছিলেন।
আর রাজিনের কিতাবটি ছিল সর্ববৃহৎ ও সবচেয়ে ব্যাপক, কারণ এতে এই ছয়টি কিতাব সংকলিত হয়েছিল যা হাদিসের মূল ও প্রসিদ্ধতম কিতাব। আলেমগণ এই হাদিসগুলো গ্রহণ করেছেন এবং ফকিহগণ এগুলি থেকে দলিল পেশ করেছেন ও বিধানসমূহ সাব্যস্ত করেছেন। আর এই কিতাবগুলোর সংকলকগণ ছিলেন হাদিসের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ এবং শ্রেষ্ঠ হাফেজ আলেম, এবং হাদিস শাস্ত্রে তাদের উপরই চূড়ান্ত নির্ভরতা।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
مصادر ترجمة المؤلف أبي سعيد أحمد بن محمد بن زياد بن الأعرابي246 هـ - 341 هـ
860 م - 952 م
1 - البداية والنهاية [11/ 226].
2 - تاريخ التراث العربي [2/ 477].
3 - تذكرة الحفاظ [3/ 852].
4 - حلية الأولياء [10/ 375 - 376].
5 - الرسالة المستطرفة [137].
6 - سير أعلام النبلاء [15/ 407 - 410].
7 - شذرات الذهب [2/ 354].
8 - طبقات الأولياء لابن الملقن [77].
9 - طبقات الحفاظ [353، 354].
10 - طبقات الصوفية لأبي عبد الرحمن السلمي [427 - 430].
11 - الفهرست لابن خير الأشبيلي [284].
12 - الأعلام للزركلي [1/ 208].
13 - لسان الميزان [1/ 309].
14 - المنتظم [14/ 88 رقم 2532].
15 - مرآة الجنان [2/ 331].
16 - معجم المؤلفين [2/ 103 - 104].
17 - النجوم الزاهرة [3/ 106].
18 - هدية العارفين [5/ 62].
19 - العقد الثمين [3/ 138].
20 - تاريخ الأدب العربي بروكلمان [4/ 76].
গ্রন্থকার আবু সাঈদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ বিন আল-আ’রাবীর জীবনীগ্রন্থের উৎসসমূহ২৪৬ হিজরী - ৩৪১ হিজরী
৮৬০ খ্রিস্টাব্দ - ৯৫২ খ্রিস্টাব্দ
১ - আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া [১১/ ২২৬]।
২ - তারিখুত তুরাছিল আরাবি [২/ ৪৭৭]।
৩ - তাযকিরাতুল হুফফায [৩/ ৮৫২]।
৪ - হিলইয়াতুল আউলিয়া [১০/ ৩৭৫ - ৩৭৬]।
৫ - আর-রিসালাতুল মুস্তাতরাফাহ [১৩৭]।
৬ - সিয়ারু আ’লামিন নুবালা [১৫/ ৪০৭ - ৪১০]।
৭ - শাযারাতুয যাহাব [২/ ৩৫৪]।
৮ - ইবনুল মুলাক্কিন রচিত তাবাকাতুল আউলিয়া [৭৭]।
৯ - তাবাকাতুল হুফফায [৩৫৩, ৩৫৪]।
১০ - আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী রচিত তাবাকাতুস সুফিয়া [৪২৭ - ৪৩০]।
১১ - ইবনে খাইর আল-ইশবিলী রচিত আল-ফিহরিস্ত [২৮৪]।
১২ - আল-যিরিকলী রচিত আল-আ’লাম [১/ ২০৮]।
১৩ - লিসানুল মীযান [১/ ৩০৯]।
১৪ - আল-মুনতাযাম [১৪/ ৮৮, নম্বর ২৫৩২]।
১৫ - মিরাতুল জিনান [২/ ৩৩১]।
১৬ - মু’জামুল মুয়াল্লিফীন [২/ ১০৩ - ১০৪]।
১৭ - আন-নুজুমুয যাহিরাহ [৩/ ১০৬]।
১৮ - হাদিয়্যাতুল আরিফীন [৫/ ৬২]।
১৯ - আল-ইকদুছ ছামীন [৩/ ১৩৮]।
২০ - ব্রোকলম্যান রচিত তারিখুল আদাবিল আরাবি [৪/ ৭৬]।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
الاسم والكنية واللقباسمه: هو الإمام الزاهد الحافظ: أحمد بن محمد بن زياد بن بشر بن درهم.
كنيته: أبو سعيد، ابن الأعرابي.
لقبه: العنزي، البصري.
ضبط ألقابه:الأعرابي: بفتح الألف، وسكون العين المهملة، وفتح الراء، وفي آخرها الباء الموحدة. نسبة إلى الأعراب.
العنزي: بفتح العين المهملة، والنون، وآخره زاي، نسبة إلى عنزة بن أسد بن ربيعة بن نزار بن معد بن عدنان، حي من ربيعة.
ونسبه صاحب "اللباب"
(1) إلى عنز -بفتح العين المهملة، وسكون النون- ابن وائل أخي بكر بن وائل.
ولكن حمل ابن تغربردي في "النجوم الزاهرة"
(2) والفاسي في "العقد الثمين"
(3) هذا اللقب إلى لقبي وهو الغنوي.
مولده: لم يذكر ابن الجوزي وقتًا لمولده
(4)، ولا السيوطي في "طبقات الحفاظ"
(5)، ولا أبي نعيم في "الحلية"
(6).
وقال تلميذه محمد بن أحمد بن مفرج القاضي وغيره: ولد سنة ست وأربعين ومائتين
(7).
--------------------------------------------
নাম, উপনাম ও লকবতাঁর নাম: তিনি হলেন ইমাম, যাহিদ, হাফেজ: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ বিন বিশর বিন দিরহাম।
উপনাম: আবু সাঈদ, ইবনুল আ'রাবী।
লকব: আল-আনাযী, আল-বসরী।
লকবসমূহের বিন্যাস:আল-আ'রাবী: আলিফ বর্ণে ফাতহা (যবর), আইন বর্ণে সুকুন, রা বর্ণে ফাতহা এবং শেষে একটি 'বা' বর্ণ। এটি 'আ'রাব' (মরুবাসী আরব)-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত।
আল-আনাযী: আইন এবং নুন বর্ণে ফাতহা এবং শেষে 'যা' বর্ণ। এটি রবীআহ গোত্রের আনায়া বিন আসাদ বিন রবীআহ বিন নিযার বিন মা'দ বিন আদনান-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত।
এবং 'আল-লুবাব' গ্রন্থের লেখক তাকে আনয (আইন বর্ণে ফাতহা এবং নুন বর্ণে সুকুন) বিন ওয়াইল, যিনি বকর বিন ওয়াইলের ভাই, তাঁর সাথে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন।
তবে ইবনে তাগরিবিরদী 'আন-নুজুম আয-যাহিরা' গ্রন্থে এবং আল-ফাসী 'আল-ইকদ আস-সামীন' গ্রন্থে এই লকবটিকে আমার অন্য একটি লকব অর্থাৎ 'আল-গানাওয়ী' হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
তাঁর জন্ম: ইবনুল জাওযী তাঁর জন্মের কোনো সময় উল্লেখ করেননি, সুয়ূতী 'তাবাকাতুল হুফফাজ' গ্রন্থে তা উল্লেখ করেননি এবং আবু নুআইমও 'আল-হিলইয়া' গ্রন্থে তা উল্লেখ করেননি।
তাঁর ছাত্র মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুফাররাজ আল-কাজী এবং অন্যরা বলেছেন: তিনি ২৪৬ হিজরী সনে জন্মগ্রহণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
لكن الحافظ أبو الحسن بن القطان الفاسي ذهب إلى أقل تقدير من ذلك التاريخ بعام، فقال: إنه ولد ببصرى ونشأ بها وكانت ولادته يوم النحر سنة خمس وأربعين ومائتين
(1).
وهذا يؤكد لنا أن الاهتمام بتاريخ مولده لم يكن يشغل بال كثير من الذين كتبوا عنه، فعلى سبيل المثال في العصر الحديث كارل بروكلمان في موسوعته "تاريخ الأدب العربي"
(2) الصادرة عن دار المعارف بالقاهرة لم تذكر له تاريخ ميلاد.
عائلته: إننا بكل حق نكاد لا نرى ذكر لوالديه في المصادر التي بين أيدينا، والذي نذهب إليه على أقل تقدير هو أن والده كان مهتمًا بالعلم لذا حفزه وشجعه على تحصيله بل وتحمل فراق ابنه عنه للتجول في الأمصار لتحصيله العلم.
لكن أبا نعيم في "حليته"
(3) عن ذكر ترجمة (571) لمحمد بن يعقوب قال: قال اْبو سعيد بن الأعرابي: أخبرني عمي يحيى بن أحمد قال: أخبرني المرزبان الصيقل. . . إلخ.
- ومن هذا النص يتضح أنه من المعلوم بداهة أن جد الإمام ابن الأعرابي هو زياد ابن بشر لكن النص يدل على أن عمه هذا كان والده أحمد، وهذا يدل على أن عمه هذا كان أخو والده من الأم.
البصرة ومكانتها العلمية:ظهرت مدينة البصرة على الخريطة السياسية للعالم الإسلامي سنة أربع عشرة في خلافة عمر بن الخطاب.
والذي قام ببناء مدينة البصرة عتبة بن غزوان رضي الله عنهما.
وحتى تكون مدينة فعالة في حركة التعمير والبناء، وأيضًا للنهضة الفكرية، كان لها نصيبًا وافرًا للعديد من صحابة رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم منهم:
--------------------------------------------
তবে হাফিজ আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান আল-ফাসি সেই তারিখের চেয়ে অন্তত এক বছর কম সময়ের দিকে গিয়েছেন এবং বলেছেন: তিনি বসরায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই বেড়ে উঠেছেন। তার জন্ম ছিল দুইশত পঁয়তাল্লিশ হিজরি সালের কুরবানির দিনে
(১)।
এটি আমাদের নিকট নিশ্চিত করে যে, তার জন্ম তারিখের প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা তাকে নিয়ে যারা লিখেছেন তাদের অনেকেরই চিন্তার বিষয় ছিল না। উদাহরণস্বরূপ, আধুনিক যুগে কার্ল ব্রোকলম্যান কায়রোস্থ দারুল মাআরিফ থেকে প্রকাশিত তার বিশ্বকোষ "তারিখুল আদাবিল আরাবি" (আরবি সাহিত্যের ইতিহাস)
(২)-এ তার জন্মের কোনো তারিখ উল্লেখ করেননি।
তার পরিবার: প্রকৃতপক্ষে আমাদের হাতে থাকা উৎসগুলোতে তার পিতা-মাতার উল্লেখ নেই বললেই চলে। আমরা অন্তত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারি যে, তার পিতা ইলমের প্রতি আগ্রহী ছিলেন, তাই তিনি তাকে ইলম অর্জনে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করেছিলেন। এমনকি তিনি তার পুত্রের ইলম অর্জনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জনপদে ভ্রমণের কারণে সৃষ্ট বিচ্ছেদও সহ্য করেছিলেন।
তবে আবু নুয়াইম তার "হিলয়াহ"
(৩) গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুবের জীবনী (৫৭১ নং) আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন: আবু সাঈদ ইবনুল আরাবি বলেছেন: আমার চাচা ইয়াহইয়া ইবনে আহমাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে মারযুবান আস-সাইকাল সংবাদ দিয়েছেন... ইত্যাদি।
- এই পাঠ্য থেকে এটি স্পষ্ট হয় যে, স্বতঃসিদ্ধভাবে এটি পরিচিত যে ইমাম ইবনুল আরাবির দাদা ছিলেন যিয়াদ ইবনে বিশর, কিন্তু এই পাঠ্যটি ইঙ্গিত দেয় যে এই চাচার পিতা ছিলেন আহমাদ। এটি আরও নির্দেশ করে যে, এই চাচা ছিলেন তার পিতার বৈমাত্রেয় ভাই (মায়ের দিক থেকে ভাই)।
বসরা এবং এর ইলমি মর্যাদা:চৌদ্দ হিজরি সালে উমর ইবনুল খাত্তাবের খিলাফতকালে ইসলামি বিশ্বের রাজনৈতিক মানচিত্রে বসরা নগরীর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
আর যিনি বসরা নগরী নির্মাণ করেছিলেন তিনি হলেন উতবা ইবনে গাযওয়ান (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)।
শহরটি যাতে নির্মাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বুদ্ধিভিত্তিক জাগরণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর নগরী হতে পারে, সেজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনেক সাহাবীর এতে প্রচুর অবদান ছিল, তাদের মধ্যে রয়েছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
1 - أنس بن مالك خادم رسول اللَّه.
2 - عمران بن حصين.
3 - بريدة بن الحصيب.
4 - أبو برزة الأسلمي.
5 - عثمان بن أبي العاص.
6 - عتبة بن غزوان.
7 - عبد الرحمن بن سمرة بن حبيب بن عبد شمس بن عبد مناف بن قصي وكنيته أبا سعيد مات سنة خمسين هجرية.
8 - المهاجربن قنفذ بن عمير بن جدعان بن عمرو بن كعب بن سعد بن تيم.
9 - عبادة بن قرص بن عروة بن بجير بن مالك الأكبر بن قيس بن عامر بن ليث.
10 - فضالة بن وهب بن عروة بن بجير.
11 - عقبة بن مالك.
12 - واثلة بن الأسقع.
13 - مالك بن الحويرث أبو سليمان.
14 - أبو عقرب بن خالد بن عمرو.
15 - أسامة بن عمير بن عامر.
16 - أهبان بن صيفي، غفاري، يكنى أبا مسلم.
17 - نبيشة الخير بن عمرو بن عوف.
18 - معقل بن يسار بن عبد اللَّه.
19، 20 - عائذ ورافع ابنا عمرو بن هلال بن عبيد.
21 - عبد اللَّه بن مغفل.
22 - عبد اللَّه بن سنان.
23 - عبد اللَّه بن سرجس.
24 - عبد اللَّه بن ذرة
(1).
هؤلاء هم الصحابة الذين شكلوا البناء الأول، والقاعدة الأساسية للعقيدة الإسلامية في نفوس الناس، ومن هنا نشأ العديد من التابعين الذين لهم الأثر الطيب في نشر حديث رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم منهم:
1 - محمد بن سيرين.
2 - قتادة بن دعامة السدوسي.
--------------------------------------------
১ - আনাস বিন মালিক, আল্লাহর রাসূলের খাদেম।
২ - ইমরান বিন হুসাইন।
৩ - বুরাইদাহ বিন আল-হুসাইব।
৪ - আবু বারযাহ আল-আসলামী।
৫ - উসমান বিন আবিল আস।
৬ - উতবাহ বিন গাযওয়ান।
৭ - আব্দুর রহমান বিন সামুরাহ বিন হাবিব বিন আব্দ শামস বিন আব্দ মানাফ বিন কুসাই, তাঁর উপনাম আবু সাঈদ, তিনি পঞ্চাশ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন।
৮ - আল-মুহাজির বিন কুনফুয বিন উমাইর বিন জুদআন বিন আমর বিন কাব বিন সাদ বিন তাইম।
৯ - উবাদাহ বিন কুরস বিন উরওয়াহ বিন বুজাইর বিন মালিক আল-আকবার বিন কায়স বিন আমির বিন লাইস।
১০ - ফাদালাহ বিন ওয়াহাব বিন উরওয়াহ বিন বুজাইর।
১১ - উকবাহ বিন মালিক।
১২ - ওয়াসিলা বিন আল-আসকা।
১৩ - মালিক বিন আল-হুওয়াইরিস আবু সুলাইমান।
১৪ - আবু আকরাব বিন খালিদ বিন আমর।
১৫ - উসামা বিন উমাইর বিন আমির।
১৬ - আহবান বিন সায়ফী, গিফারী, তাঁর উপনাম আবু মুসলিম।
১৭ - নাবীশাহ আল-খায়ের বিন আমর বিন আউফ।
১৮ - মাকিল বিন ইয়াসার বিন আব্দুল্লাহ।
১৯, ২০ - আইয এবং রাফে, আমর বিন হিলাল বিন উবাইদের দুই পুত্র।
২১ - আব্দুল্লাহ বিন মুগাফফাল।
২২ - আব্দুল্লাহ বিন সিনান।
২৩ - আব্দুল্লাহ বিন সারজিস।
২৪ - আব্দুল্লাহ বিন যুররাহ
(১)।
এঁরাই হলেন সেই সকল সাহাবী যারা মানুষের অন্তরে ইসলামি আকীদার প্রথম সৌধ এবং মৌলিক ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন, আর এখান থেকেই বহু তাবেয়ীর উদ্ভব হয়েছিল যারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস প্রচারের ক্ষেত্রে উত্তম প্রভাব রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
১ - মুহাম্মদ বিন সিরিন।
২ - কাতাদাহ বিন দিয়ামাহ আস-সাদুসী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
3 - أيوب السختياني.
4 - الحسن البصري.
5 - أبو العالية الرياحي.
وأمثال هؤلاء العديدين الذين تتلمذوا على أيدي الصحابة وفي وسط هذا الجو نشأ ابن الأعرابي.
العلماء الذين سمع منهم ابن الأعرابي:لقد كان لهذا التوهج الفكري، وذلك الرقي العقلي من نشر حديث رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم أيدي التابعين له أثر بالغ في حياة ابن الأعرابي فقد سمع فيها من:
1 - إبراهيم بن صالح - أبو إسحاق.
2 - عبد اللَّه بن محمد بن ناجية، أبو محمد العتكي البصري.
3 - عيسى بن أبي حرب موسى، أبو يحيى الصفار.
4 - العباس بن الفضل أبو العباس البغدادي.
من هنا تكونت لديه سمات الطالب الباحث عن الحقيقة، الذي يريد أن يستزيد من علم رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم الحديث النبوي الشريف، أصبحت لديه القدرة على التحمل فمن هنا رحل إلى بلاد العالم الإسلامي للاستزادة والتعلم.
رحلاته وتنقلاتهحث القرآن الكريم على التعلم منذ نزلت أول آية من آياته فهي تقول: {اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ}.
وحث رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم على تحصيل العلم، والذهاب إليه، بل واعتبر من يخرج في
3 - আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী।
4 - হাসান আল-বাসরী।
5 - আবু আল-আলিয়াহ আর-রিয়াহি।
এবং তাদের মতো আরও অনেক ব্যক্তি যারা সাহাবায়ে কেরামের সান্নিধ্যে থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন এবং এই পরিবেশের মধ্যেই ইবনুল আরাবী লালিত-পালিত হয়েছিলেন।
যেসব আলেমদের নিকট ইবনুল আরাবী হাদিস শ্রবণ করেছেন:তাবেয়ীগণের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস প্রচারের ফলে যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানসিক উৎকর্ষের সৃষ্টি হয়েছিল, ইবনুল আরাবীর জীবনে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব ছিল। তিনি যাদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন তারা হলেন:
1 - ইব্রাহিম বিন সালিহ - আবু ইসহাক।
2 - আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন নাজিয়াহ, আবু মুহাম্মদ আল-আতাকি আল-বাসরি।
3 - ঈসা বিন আবি হারব মুসা, আবু ইয়াহইয়া আস-সাফফার।
4 - আল-আব্বাস বিন আল-ফাদল আবু আল-আব্বাস আল-বাগদাদি।
এখান থেকেই তার মাঝে এমন এক সত্যসন্ধানী শিক্ষার্থীর বৈশিষ্ট্য গড়ে ওঠে, যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জ্ঞান ও পবিত্র হাদিসে নববী থেকে আরও অধিক জ্ঞান অর্জন করতে চেয়েছিলেন। তাঁর মধ্যে হাদিস গ্রহণ ও ধারণের সক্ষমতা তৈরি হয়, যার ফলে তিনি অধিক জ্ঞানার্জন ও শিক্ষার উদ্দেশ্যে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান।
তাঁর সফর ও দেশ ভ্রমণকুরআনুল কারীম তার প্রথম আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার সময় থেকেই জ্ঞানার্জনের প্রতি উৎসাহিত করেছে, যেখানে বলা হয়েছে: {পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন}।
এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জ্ঞান আহরণ ও তার সন্ধানে বের হওয়ার প্রতি উৎসাহিত করেছেন, এমনকি তিনি তাকেই গণ্য করেছেন যে ব্যক্তি বের হয়...
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
طلبه فهو في سبيل اللَّه، فقال عليه الصلاة والسلام: "من خرج في طلب العلم فهو في سبيل اللَّه حتى يرجع"
(1).
وقال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم فيما رواه عنه ابن عباس: "مَن يرد اللَّه به خيرًا يفقهه في الدين"
(2).
وروي عن أبي هريرة أن رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم قال: "من سلك طريقًا يلتمس فيه علمًا سهل اللَّه له طريقًا الى الجنة"
(3).
رحل الصحابة السابق أسماءهم إلى مدينة البصرة إليها مع علمهم بأن الصلاة في بيت اللَّه الحرام بمائة ألف صلاة في غيره لأنهم إذا جلسوا بجوار بيت اللَّه الحرام مَن سينشر حديث رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم.
إذن هم سيكونون في جهاد، ومنهم من رحل إلى الشام كمعاوية بن أبي سفيان، وجابر بن عبد اللَّه، وعبد اللَّه بن أنيس.
ورحل إلى مصر عدد كبير حتى قيل إن جامع الفسطاط "عمرو بن العاص حاليًا" بناه أكثر من ثمانين من صحابة رسول اللَّه، قدم إلى مصر أبو أيوب الأنصاري، وفضالة بن عبيد، ومن قرأ كتاب الحافظ جلال الدين السيوطي "درّ السحابة فيمن دخل مصر من الصحابة"
(4) يجد أن عدد الصحابة الذين دخلوا مصر (343) صحابيًا، وسبعة من النسوة من بينهم: أبو اليقظان، وأبو وحوح، وعبد اللَّه بن بريد، وعبد اللَّه بن الحارث، وعبد اللَّه بن حذافة، وغيرهم كثير.
بواعث رحلة الصحابة:
1 - كانت بواعث الرحلة من الصحابة والتابعين، ومن سلك طريقهم من العلماء
--------------------------------------------
সেটি অন্বেষণ করা আল্লাহর পথে থাকা, আর তিনি (সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে বের হয়, সে ফিরে আসা পর্যন্ত আল্লাহর পথে থাকে।"
(১).
এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত এক হাদিসে বলেছেন: "আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করেন।"
(২).
আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি জ্ঞান অনুসন্ধানে কোনো পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন।"
(৩).
পূর্বে উল্লেখিত সাহাবীগণ বসরা নগরীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন, যদিও তাঁরা জানতেন যে মসজিদে হারামে এক সালাত অন্য জায়গার এক লক্ষ সালাতের সমান। কারণ তাঁরা যদি কেবল আল্লাহর ঘরের পাশেই বসে থাকতেন, তবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদিস কারা প্রচার করত?
সুতরাং তাঁরা জিহাদেই নিয়োজিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ শাম অভিমুখে যাত্রা করেছিলেন, যেমন মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আনীস।
এবং বিশাল সংখ্যক সাহাবী মিশরে হিজরত করেছিলেন, এমনকি বলা হয় যে ফুস্তাত জামে মসজিদ (বর্তমানে যা "আমর ইবনুল আস মসজিদ") রাসূলুল্লাহর আশি জনেরও বেশি সাহাবী নির্মাণ করেছেন। মিশরে এসেছিলেন আবু আইয়ুব আল-আনসারী, ফাদালা ইবনে উবাইদ। আর হাফেজ জালালুদ্দিন সুয়ূতীর গ্রন্থ "দুররুস সাহাবা ফীমান দাখালা মিসরা মিনাস সাহাবা"
(৪) পাঠ করলে দেখা যায় যে, মিশরে প্রবেশকারী সাহাবীদের সংখ্যা ছিল (৩৪৩) জন সাহাবী এবং সাত জন নারী; যাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আবুল ইয়াকজান, আবু ওয়াহওয়াহ, আব্দুল্লাহ ইবনে বুরাইদ, আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস, আব্দুল্লাহ ইবনে হুজাফা এবং আরও অনেকে।
সাহাবীদের সফরের কারণসমূহ:
১ - সাহাবী, তাবেঈ এবং তাঁদের পথ অনুসরণকারী আলেমদের সফরের কারণসমূহ ছিল:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
العاملين هو حب اللَّه عز وجل أولًا، ثم حب رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم، قال اللَّه تعالى: {قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ}
(1).
2 - الرغبة في سماع حديث من أحاديث رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم لم يسمعها.
3 - الرغبة في طلب العلو في الإسناد: هذا العامل كان موجودًا عند التابعين من طلاب الحديث، قال أبو علي الجياني: خصّ اللَّه تعالى هذه الأمة بثلاثة أشياء لم يعرفها من قبلها: الإسناد، والأنساب، والإعراب.
ومن أدلة ذلك ما رواه الحاكم وغيره عن مطر الوراق في قوله تعالى: {أَوْ أَثَارَةٍ مِنْ عِلْمٍ}
(2) قال: إسناد الحديث، وسنة بالغة مؤكدة، قال ابن المبارك: الإسناد من الدين لولا الإسناد لقال من شاء ما شاء. أخرجه مسلم.
وقال سفيان بن عيينة: حدث الزهري يومًا بحديث، فقلت: هاته بلا إسناد، فقال الزهري: أترقى السطح بلا سلم.
وقال الثوري: الإسناد سلاح المؤمن، وطلب العلو فيه سنة، وقال أحمد بن حنبل: طلب الإسناد العالي سنة عمن سلف؛ لأن أصحاب عبد اللَّه كانوا يرحلون من الكوفة إلى المدينة فيتعلمون من عمر، ويسمعون منه.
وقال محمد بن أسلم الطوسي: قرب الإسناد قرب -أو قربة- إلى اللَّه، ولهذا استحبت الرحلة. قال الحاكم: ويحتج له بحديث أنس في الرجل الذي أتى النبي صلى الله عليه وسلم وقال: أتانا رسولك فزعم كذا. . . الحديث رواه مسلم.
قال: ولو كان طلب العلو في الإسناد غير مستحب لأنكر عليه سؤاله لذلك، ولأمره بالاقتصار على ما أخبره الرسول عنه
(3).
ولهذا حذر الأئمة من التجافي عن البعد في الأسانيد العالية، وعدم الانتقال والارتحال
--------------------------------------------
আমলকারীদের প্রথম চালিকাশক্তি হলো মহান আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি ভালোবাসা। মহান আল্লাহ বলেন: "বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো তবে আমাকে অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন।"
(১).
২ - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এমন কোনো হাদীস শোনার আকাঙ্ক্ষা যা তিনি আগে শোনেননি।
৩ - সনদে উচ্চতা (ইসনাদ আল-আলি) অন্বেষণের আকাঙ্ক্ষা: হাদীসের ছাত্র তাবিঈদের মাঝে এই চালিকাশক্তি বিদ্যমান ছিল। আবু আলী আল-জয়য়ানি বলেন: মহান আল্লাহ এই উম্মতকে এমন তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যা পূর্ববর্তী কোনো উম্মতকে দেননি: ইসনাদ (সনদ), আনসাব (বংশবিদ্যা) এবং ই'রাব (ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ)।
এর দলীলসমূহের মধ্যে একটি হলো যা আল-হাকিম এবং অন্যান্যরা মাতার আল-ওয়াররাক থেকে মহান আল্লাহর বাণী— "অথবা ইলমের কোনো অবশিষ্টাংশ"
(২)—এর ব্যাখ্যায় বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: এর অর্থ হাদীসের সনদ, যা একটি সুনিশ্চিত ও গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। ইবনুল মুবারক বলেন: ইসনাদ দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত; যদি ইসনাদ না থাকতো তবে যে যা ইচ্ছা তা-ই বলতো। এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ বলেন: ইমাম যুহরী একদিন একটি হাদীস বর্ণনা করলেন, আমি বললাম: এটি সনদ ছাড়াই বর্ণনা করুন। তখন যুহরী বললেন: তুমি কি সিঁড়ি ছাড়াই ছাদে উঠতে চাও?
সাওরী বলেন: ইসনাদ হলো মুমিনের হাতিয়ার, আর এতে উচ্চতা অন্বেষণ করা একটি সুন্নত। আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেন: উচ্চতর সনদ অন্বেষণ করা সালাফদের অনুসৃত একটি সুন্নত; কারণ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের ছাত্ররা কুফা থেকে মদীনায় সফর করতেন যেন তারা উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর কাছ থেকে শিক্ষা লাভ করতে পারেন এবং সরাসরি তাঁর থেকে হাদীস শুনতে পারেন।
মুহাম্মদ ইবনে আসলাম আত-তুসী বলেন: সনদের নিকটবর্তিতা আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম—স্বরূপ, আর একারণেই সফরের গুরুত্ব রয়েছে। আল-হাকিম বলেন: এর স্বপক্ষে আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত সেই ব্যক্তির হাদীস দ্বারা দলিল পেশ করা হয় যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলেছিল: আপনার প্রেরিত দূত আমাদের কাছে এসেছিলেন এবং এমন এমন দাবি করেছেন... হাদীসটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন।
তিনি বলেন: যদি উচ্চতর সনদ অন্বেষণ করা মুস্তাহাব না হতো, তবে নবীজী তাকে এমন প্রশ্ন করার জন্য তিরস্কার করতেন এবং তাঁর প্রেরিত দূতের খবরের ওপরই সন্তুষ্ট থাকতে নির্দেশ দিতেন
(৩)।
এই কারণেই ইমামগণ উচ্চতর সনদ লাভের সুযোগ থেকে বিমুখ থাকা এবং জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে দেশত্যাগ ও সফর না করা সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
في طلب الحديث.
قال يحيى بن معين: أربعة لا تؤنس منهم رشدًا: حارس الدرب، ومنادي القاضي، وابن المحدث، ولا يرحل في طلب الحديث
(1).
4 - أهمية الرحلة في طلب الحديث:
وقال الخطيب البغدادي في "شرف أصحاب الحديث"
(2): ما رواه عن يزيد بن هارون يقول: قلت لحماد بن زيد: يا أبا إسماعيل: هل ذكر اللَّه عز وجل أصحاب الحديث في القرآن؟ فقال: بلى. ألم تسمع إلى قوله: {لِيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ وَلِيُنْذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ}
(3) فهذا في كل من رحل في طلب العلم.
وروي عن أحمد بن حنبل قال: سمعت عبد الرزاق يقول في قوله تعالى: {فَلَوْلَا نَفَرَ مِنْ كُلِّ فِرْقَةٍ مِنْهُمْ طَائِفَةٌ لِيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ وَلِيُنْذِرُوا قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوا إِلَيْهِمْ لَعَلَّهُمْ يَحْذَرُونَ}
(4) قال: هم أصحاب الحديث.
وقال إبراهيم بن أدهم: إن اللَّه تعالى يدفع البلاء عن هذه الأمة برحلة أصحاب الحديث.
المدن التي رحل إليها ابن الأعرابي:رحل ابن الأعرابي -رحمة اللَّه تعالى عليه- إلى معظم حواضر العالم الإسلامي آنذاك، والتي كانت تمثل مراكز للإشعاع الديني، وجامعة من جامعات العلم، بل وحصنًا من حصون الدفاع عن العقيدة، ولذا نراه عدد من الراكز التي انتقل إليها وهي:
بغداد، والكوفة، وسجستان، والرقة، والجزيرة بالعراق، والشام انتقل فيها بين: الرقة، وحلب، وقيسارية، والرملة، وأيلة، وأنطاكية، ودمشق، ومصر، ومكة.
وهؤلاء هم الذين سمعهم في المدن السابقة والبلدان:
--------------------------------------------
হাদীস অন্বেষণে।
ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন: চার শ্রেণির মানুষের মাঝে তোমরা কোনো পরিপক্কতা বা কল্যাণ দেখতে পাবে না: রাস্তার পাহারাদার, বিচারকের ঘোষক, মুহাদ্দিসের ছেলে এবং যে ব্যক্তি হাদীস অন্বেষণে সফর করে না
(১)।
৪ - হাদীস অন্বেষণে সফরের গুরুত্ব:
খতীব বাগদাদী তাঁর "শরাফ আসহাবিল হাদীস" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন
(২): যা তিনি ইয়াযিদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ বলেন: আমি হাম্মাদ ইবনে যায়েদকে বললাম: হে আবু ইসমাঈল! আল্লাহ তাআলা কি কুরআনে হাদীস অন্বেষণকারীদের কথা উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তুমি কি তাঁর এই বাণী শোনোনি: {যাতে তারা দ্বীন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং তাদের স্বজাতির কাছে ফিরে আসার পর তাদের সতর্ক করতে পারে}
(৩)। এটি এমন প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যে জ্ঞান অন্বেষণে সফর করে।
আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রাজ্জাককে আল্লাহ তাআলার এই বাণীর ব্যাপারে বলতে শুনেছি: {তাদের প্রত্যেক দলের মধ্য থেকে একটি অংশ কেন বের হয় না, যাতে তারা দ্বীন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং তাদের স্বজাতির কাছে ফিরে আসার পর তাদের সতর্ক করতে পারে, যাতে তারা সতর্ক থাকতে পারে}
(৪)। তিনি বলেছেন: তারা হলো হাদীস অন্বেষণকারীগণ।
ইবরাহীম ইবনে আদহাম বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা এই উম্মত থেকে বালা-মসিবত দূর করেন হাদীস অন্বেষণকারীদের সফরের মাধ্যমে।
ইবনুল আরাবী যেসব শহরে সফর করেছিলেন:ইবনুল আরাবী—আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন—তৎকালীন ইসলামী বিশ্বের অধিকাংশ প্রধান শহরগুলোতে সফর করেছিলেন, যেগুলো ছিল ধর্মীয় আভার কেন্দ্রবিন্দু, ইলমের উচ্চতর বিদ্যাপীঠ এবং আকিদা রক্ষার এক একটি দুর্গস্বরূপ। তাই আমরা দেখি তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে যাতায়াত করেছেন, সেগুলো হলো:
বাগদাদ, কুফা, সিজিস্তান, রাক্কা, ইরাকের জাজিরা এবং শাম অঞ্চল; শামের মধ্যে তিনি যাতায়াত করেছেন: রাক্কা, আলেপ্পো, কাইসারিয়া, রামলা, আইলা, আনতাকিয়া, দামেস্ক, মিসর ও মক্কায়।
আর তাঁরা হলেন সেই সব ব্যক্তি যাঁদের কাছ থেকে তিনি পূর্বোক্ত শহর ও দেশগুলোতে (হাদীস) শুনেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
1 - إبراهيم بن دحيم: سمعه في دمشق.
2 - أحمد بن حماد بن زغبة التجيبي: سمع منه في مصر.
3 - أحمد بن محمد بن عبد العزيز المعروف بالرقراق: سمع منه في مصر.
4 - أحمد بن محمد بن نافع الطحان: سمع منه في مصر.
5 - أسامة بن أحمد بن أسامة: سمع منه في مصر.
6 - إسحاق بن إبراهيم بن يونس، أبو يعقوب، البغدادي: سمع منه في مصر.
7 - إسماعيل بن محمد، أبو قصي، العذري: سمع منه في دمشق.
8 - أحمد بن إبراهيم بن فيل: سمع منه في الشام.
9 - إسحاق بن خلدون البالسي: سمع منه بالشام.
10 - إبراهيم بن عبد اللَّه العبسي: سمع منه بالكوفة.
11 - أحمد بن عبيد بن إسماعيل بن خالد بن العريان: سمع منه بالكوفة.
12 - إبراهيم بن صالح أبو إسحاق، الشيرازي: سمع منه بالبصرة.
13 - العباس بن الفضل، أبو العباس، البغدادي: سمع منه بالبصرة.
14 - أحمد بن يحيى بن المنذر، أبو عبد اللَّه الحجري: سمع منه في الكوفة.
15 - أحمد بن محمد الصيدلاني: أخذ عنه ببغداد.
16 - الحسن بن يزيد العطار: سمع منه في بغداد.
17 - الحسن بن علي بن عفان العامري: سمع منه بالكوفة.
18 - حفص بن عمر بن الصباح: أخذ عنه بالرقة.
19 - داود بن أبي سليمان بن أيوب بن أبي حجر الأيلي: أخذ عنه بأيلة.
20 - أحمد بن شعيب النسائي: أخذ عنه بمصر.
১ - ইব্রাহিম বিন দুহাইম: তিনি দামেস্কে তাঁর থেকে শুনেছেন।
২ - আহমদ বিন হাম্মাদ বিন জুগবাহ আত-তুজীবি: তিনি মিসরে তাঁর থেকে শুনেছেন।
৩ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ, যিনি আর-রাক্রাক নামে পরিচিত: তিনি মিসরে তাঁর থেকে শুনেছেন।
৪ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন নাফি আত-তাহহান: তিনি মিসরে তাঁর থেকে শুনেছেন।
৫ - উসামা বিন আহমদ বিন উসামা: তিনি মিসরে তাঁর থেকে শুনেছেন।
৬ - ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন ইউনুস, আবু ইয়াকুব আল-বাগদাদি: তিনি মিসরে তাঁর থেকে শুনেছেন।
৭ - ইসমাইল বিন মুহাম্মদ, আবু কুসাই আল-উযরি: তিনি দামেস্কে তাঁর থেকে শুনেছেন।
৮ - আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন ফীল: তিনি শামে তাঁর থেকে শুনেছেন।
৯ - ইসহাক বিন খালদুন আল-বালিসি: তিনি শামে তাঁর থেকে শুনেছেন।
১০ - ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-আবসি: তিনি কুফায় তাঁর থেকে শুনেছেন।
১১ - আহমদ বিন উবাইদ বিন ইসমাইল বিন খালিদ বিন আল-উরইয়ান: তিনি কুফায় তাঁর থেকে শুনেছেন।
১২ - ইব্রাহিম বিন সালিহ আবু ইসহাক আশ-শিরাজি: তিনি বসরায় তাঁর থেকে শুনেছেন।
১৩ - আব্বাস বিন ফাদল, আবুল আব্বাস আল-বাগদাদি: তিনি বসরায় তাঁর থেকে শুনেছেন।
১৪ - আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-মুনজির, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাজরি: তিনি কুফায় তাঁর থেকে শুনেছেন।
১৫ - আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সাইদালানি: তিনি বাগদাদে তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
১৬ - হাসান বিন ইয়াজিদ আল-আত্তার: তিনি বাগদাদে তাঁর থেকে শুনেছেন।
১৭ - হাসান বিন আলী বিন আফফান আল-আমিরি: তিনি কুফায় তাঁর থেকে শুনেছেন।
১৮ - হাফস বিন উমর বিন আস-সাব্বাহ: তিনি রাক্কাহ শহরে তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
১৯ - দাউদ বিন আবু সুলাইমান বিন আইয়ুব বিন আবু হাজার আল-আইলি: তিনি আয়লাতে তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
২০ - আহমদ বিন শুআইব আন-নাসায়ি: তিনি মিসরে তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
21 - عبد الصمد بن عبد اللَّه بن عبد الصمد: سمع منه بدمشق.
22 - عبد اللَّه بن محمد بن ناجية، أبو محمد، العتكي، البصري: أخذ عنه في البصرة.
23 - عبد اللَّه بن محمد بن نصر، البزار، الرملي: سمع منه في مكة.
24 - عبد الملك بن يحيى بن بكير: أخذ عنه في مصر.
25 - علي بن أحمد بن مختار، أبو الحسن.
26 - علي بن محمد بن أبي الحسن القزويني: أخذ عنه بمكة.
27 - عيسى بن أبي حرب موسى، أبو يحيى، الصفار، البصري: أخذ عنه بالبصرة.
28 - عيسى بن محمد بن عيسى، الخراساني: سمع منه ببغداد.
29 - عبيد اللَّه بن رماجس بن محمد: سمعه في الرملة.
30 - سهل بن أحمد بن عثمان، أبو العباس، الواسطي: سمع منه في بغداد.
31 - محمد بن الفضل بن موسى القُسطاني: سمع منه ببغداد.
32 - محمد بن عبيد اللَّه المنادي: سمعه في بغداد.
33 - محمد بن علي بن الحسن، أبو جعفر، الحسني: أخذ عنه في المشرق.
34 - محمد بن يوسف الطباع: أخذ عنه في بغداد.
35 - محمد بن عصمة، أبو عبد اللَّه، الأطروشي: سمع منه في الرملة.
36 - محمد بن الوليد أبو بكر: أخذ عنه بالرملة.
37 - محمد بن عبد الحكم القطري: سمع منه بالرملة.
38 - محمد بن الحسن بن عياش بن أخي الحسن بن عياش: سمع منه بالكوفة.
39 - محمد بن سعيد بن أبي مسعود الخريمي: أخذ منه في دمشق.
২১ - আবদুস সামাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুস সামাদ: দামেস্কে তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
২২ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাজিয়াহ, আবু মুহাম্মদ, আল-আতাকি, আল-বসরি: বসরায় তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
২৩ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর, আল-বাযযার, আর-রামলি: মক্কায় তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
২৪ - আবদুল মালিক ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর: মিসরে তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
২৫ - আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুখতার, আবুল হাসান।
২৬ - আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিল হাসান আল-কাযওয়িনি: মক্কায় তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
২৭ - ঈসা ইবনে আবি হারব মুসা, আবু ইয়াহইয়া, আস-সাফফার, আল-বসরি: বসরায় তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
২৮ - ঈসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা, আল-খুরাসানি: বাগদাদে তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
২৯ - উবাইদুল্লাহ ইবনে রামাজিস ইবনে মুহাম্মদ: রামলায় তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
৩০ - সাহল ইবনে আহমদ ইবনে উসমান, আবুল আব্বাস, আল-ওয়াসিতি: বাগদাদে তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
৩১ - মুহাম্মদ ইবনে আল-ফজল ইবনে মুসা আল-কুস্তানি: বাগদাদে তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
৩২ - মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-মুনাদি: বাগদাদে তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
৩৩ - মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-হাসান, আবু জাফর, আল-হাসানি: মাশরিক তথা পূর্বাঞ্চলে তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
৩৪ - মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আত-তাব্বা: বাগদাদে তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
৩৫ - মুহাম্মদ ইবনে ইসমাহ, আবু আবদুল্লাহ, আল-আতরুশি: রামলায় তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
৩৬ - মুহাম্মদ ইবনে আল-ওয়ালিদ আবু বকর: রামলায় তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
৩৭ - মুহাম্মদ ইবনে আবদুল হাকাম আল-কাতারি: রামলায় তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
৩৮ - মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আইয়াশ, হাসান ইবনে আইয়াশের ভ্রাতুষ্পুত্র: কুফায় তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন।
৩৯ - মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবি মাসউদ আল-খুরাইমি: দামেস্কে তাঁর নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
40 - محمد بن العباس بن الوليد، الدرفس: أخذ عنه بدمشق.
41 - محمد بن عبيد بن وردان: أخذ عنه بدمشق.
42 - محمد بن المبارك: أخذ عنه بأنطاكية.
43 - معاذ بن جبل بن العباس: أخذ عنه بأنطاكية.
44 - المفضل بن محمد بن إبراهيم الشعباني، الجندي: أخذ عنه بمكة.
45 - نجيح بن محمد بن الحسن بن أبي عبد اللَّه، القاضي.
46 - هاشم بن سعيد بن أبي داود، القاضي: أخذ عنه بقيسارية.
47 - وصيف بن عبد اللَّه الرومي: أخذ عنه بأنطاكية.
48 - يحيى بن يزيد بن محمد، الأيلي: أخذ عنه بأيلة.
ثناء العلماء عليه
1 - قال الذهبي في السير عن ابن الأعرابى: كان كبير الشأن، بعيد الصيت، عالى الإسناد
(1).
2 - وقال أبو عبد الرحمن السلمي عنه: كان في وقته شيخ الحرم، ومات بها وصنف للقوم كتبًا
(2).
3 - وقال خير الدين الزركلي: مؤرخ، من علماء الحديث، من أهل البصرة، تصوف، وصحب الجنيد
(3).
4 - وقال مسلمة بن القاسم أحد تلاميذه: كان شيخنا. . . . حسن الأداء، كثير الروايات، كثير التأليف، جليل القدر
(4).
5 - وقال السيوطي: ابن الأعرابي الإمام الحافظ، الزاهد، شيخ الحرم. . . وكان ثقة
--------------------------------------------
৪০ - মুহাম্মদ ইবনুল আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ আদ-দুরাফস: তিনি তাঁর থেকে দামেস্কে ইলম অর্জন করেছেন।
৪১ - মুহাম্মদ ইবনু উবাইদ ইবনু ওয়ারদান: তিনি তাঁর থেকে দামেস্কে ইলম অর্জন করেছেন।
৪২ - মুহাম্মদ ইবনুল মুবারক: তিনি তাঁর থেকে আনতাকিয়ায় ইলম অর্জন করেছেন।
৪৩ - মুয়ায ইবনু জাবাল ইবনুল আব্বাস: তিনি তাঁর থেকে আনতাকিয়ায় ইলম অর্জন করেছেন।
৪৪ - আল-মুফাযযাল ইবনু মুহাম্মদ ইবনু ইবরাহিম আশ-শা’বানি আল-জুন্দি: তিনি তাঁর থেকে মক্কায় ইলম অর্জন করেছেন।
৪৫ - নাজিহ ইবনু মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনু আবি আবদিল্লাহ, আল-কাযি।
৪৬ - হাশিম ইবনু সাঈদ ইবনু আবি দাউদ, আল-কাযি: তিনি তাঁর থেকে কায়সারিয়ায় ইলম অর্জন করেছেন।
৪৭ - ওয়াসিফ ইবনু আবদিল্লাহ আর-রুমি: তিনি তাঁর থেকে আনতাকিয়ায় ইলম অর্জন করেছেন।
৪৮ - ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াযিদ ইবনু মুহাম্মদ আল-আইলি: তিনি তাঁর থেকে আয়লায় ইলম অর্জন করেছেন।
তাঁর সম্পর্কে ওলামায়ে কেরামের প্রশংসা
১ - আয-যাহাবি ‘আস-সিয়ার’ গ্রন্থে ইবনুল আরাবি সম্পর্কে বলেন: তিনি ছিলেন সুউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন, সুদূরপ্রসারী খ্যাতির অধিকারী এবং সুউচ্চ সনদের অধিকারী
(১)।
২ - আবু আবদুর রহমান আস-সুলামি তাঁর সম্পর্কে বলেন: তিনি তাঁর সমসাময়িক কালে হারাম শরিফের শায়খ ছিলেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সুফিদের জন্য অনেক কিতাব রচনা করেছেন
(২)।
৩ - খাইরুদ্দিন আয-যিরিকলি বলেন: তিনি একজন ইতিহাসবিদ, হাদিস বিশারদদের অন্তর্ভুক্ত এবং বসরার অধিবাসী ছিলেন। তিনি তাসাউফ অবলম্বন করেন এবং জুনাইদের সাহচর্য লাভ করেন
(৩)।
৪ - তাঁর অন্যতম ছাত্র মাসলামাহ ইবনুল কাসিম বলেন: তিনি আমাদের শায়খ ছিলেন... তিনি ছিলেন সুন্দর উপস্থাপনার অধিকারী, প্রচুর বর্ণনার অধিকারী, বহু কিতাবের রচয়িতা এবং অত্যন্ত সম্মানিত
(৪)।
৫ - আস-সুয়ুতি বলেন: ইবনুল আরাবি ছিলেন ইমাম, হাফিজ, যাহেদ এবং হারাম শরিফের শায়খ... এবং তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ثبتًا، عارفًا، عابدًا، ربانيًا، كبير القدر، بعيد الصيت
(1).
6 - وقال كارل بروكلمان: عاش فقيهًا، صوفيًا في مكة
(2).
7 - ذهب معظم من ترجم له إلى وصفه بأنه كان شيخ الحرم كالسيوطي
(3)، وابن الجوزي
(4)، وابن كثير
(5) وغيرهم.
وهذه المهمة لا تلقى إلا على كاهل لا ينوء بها وهو قادر على حملها، فهو عالم ضليع بالإفتاء لعلو إسناده، وتمكنه من علوم الحديث، وعلوم الكتاب العزيز القرآن الكريم.
8 - وقال ابن منده: كان شيوخ الدنيا خمسة: ابن فارس بأصبهان، وهو عبد اللَّه بن جعفر بن أحمد بن فارس الأصبهاني الشيخ الإمام، ولد سنة 248 هـ، وتوفي سنة 346 هـ.
والأصم -وهو أبو العباس محمد بن يعقوب بن يوسف، النيسابوري، ولد سنة 247 هـ، وتوفي سنة 347 هـ، وكان ثقة أمينًا- وكان بنيسابور.
وابن الأعرابي: بمكة.
وخيثمة هو خيثمة بن سليمان بن حيدرة، الطرابلسي الإمام المحدث بأرض الشام، ولد سنة 250 هـ، وتوفي سنة 343 هـ، وكان بطرابلس.
وإسماعيل الصفار ببغداد - وهو إسماعيل بن محمد بن إسماعيل الصفار البغدادي الإمام النحوي الأديب ولد سنة 247 هـ، وتوفي سنة 371 هـ.
درجته في التحديثهذه الدرجة التي استحقها ابن الأعرابي لم تكن إلا هبة من اللَّه، وتوفيق منه سبحانه وتعالى، ونتيجة جد واجتهاد، وسهر على العلم، وعكوف على ميراث النبوة، أضف إلى ذلك ما حباه اللَّه من نبوغ وتفوق على أقرانه.
--------------------------------------------
সুদৃঢ়, আধ্যাত্মিক জ্ঞানসম্পন্ন, ইবাদতকারী, রব্বানী, সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী এবং বিশ্ববিখ্যাত।
(১)
৬ - এবং কার্ল ব্রোকেলম্যান বলেছেন: তিনি মক্কায় একজন ফকিহ ও সুফি হিসেবে জীবন অতিবাহিত করেছেন।
(২)
৭ - তাঁর জীবনী রচয়িতাদের অধিকাংশ তাঁকে 'শায়খুল হারাম' হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যেমন সুয়ূতী
(৩), ইবনুল জাওযী
(৪), ইবনে কাসীর
(৫) এবং অন্যান্যরা।
আর এই দায়িত্ব কেবল এমন কাঁধেই অর্পণ করা হয় যা এতে নুয়ে পড়ে না এবং তা বহনে সক্ষম; কেননা তিনি তাঁর উচ্চতর সনদ, হাদিসশাস্ত্রে দক্ষতা এবং মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের জ্ঞানে পারদর্শিতার কারণে ইফতা (ফতোয়া প্রদান) বিষয়ে একজন প্রাজ্ঞ আলেম ছিলেন।
৮ - এবং ইবনে মানদাহ বলেছেন: সারা বিশ্বের (শ্রেষ্ঠ) শায়খ ছিলেন পাঁচজন: আসবাহানে ইবনে ফারিস—তিনি হলেন শায়খুল ইমাম আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ফারিস আল-আসবাহানী, তিনি ২৪৮ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৩৪৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
এবং আল-আসাম—তিনি হলেন আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আন-নিসাবুরী, তিনি ২৪৭ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৩৪৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য ও আমানতদার—তিনি নিসাবুরে ছিলেন।
এবং ইবনুল আরাবী: মক্কায়।
এবং খাইসামাহ—তিনি হলেন খাইসামাহ ইবনে সুলায়মান ইবনে হায়দারাহ আত-তরাবুলুসী, সিরিয়া অঞ্চলের ইমাম ও মুহাদ্দিস, তিনি ২৫০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৩৪৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তিনি ত্রিপোলিতে (তরাবুলুস) ছিলেন।
এবং বাগদাদে ইসমাইল আস-সাফফার—তিনি হলেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আস-সাফফার আল-বাগদাদী, ইমাম, নাহুবিদ ও সাহিত্যিক, তিনি ২৪৭ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৩৭১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
হাদিস বর্ণনায় তাঁর মর্যাদাইবনুল আরাবী যে মর্যাদা অর্জন করেছিলেন, তা ছিল কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে এক দান এবং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে তাওফিক, সেইসাথে কঠোর পরিশ্রম ও সাধনা, জ্ঞানের অন্বেষণে বিনিদ্র রজনী যাপন এবং নবুওয়তের মিরাসের (উত্তরাধিকারের) প্রতি একনিষ্ঠ মনোযোগের ফল। এর সাথে যুক্ত হয়েছিল আল্লাহ প্রদত্ত তাঁর অনন্য প্রতিভা এবং সমসাময়িকদের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
إن العلماء حينما وصفوا لنا ابن الأعرابي مبينين درجته في التحديث لم يكن هذا الحكم إلا حكمًا يشمل أصح ما قيل فيه، وأعدل ما وصف به بالخص عبارة، وأخلص إشارة - بحيث إن كليمات منهم عن شيخنا كانت تشمل اسمه واسم أبيه وجده، ومنتهى أشهر نسبة نسب إليها وهي ابن الأعرابي، وكنيته التي غلبت عليه وهي أبو سعيد، ولقبه لقد ضبطوا ما يشكل من حروف لقبه كالعنزي، ثم وصفوه بما يوصف به من وثوق عندما تدخل علماء الجرح والتعديل واهتموا أيضًا بذكر لبعض أسماء مشايخه وتلاميذه.
1 - لقد وصفه الوصف الزهدي أبو نعيم حين قال: الأغر الأبلج. . . له التصانيف المشهورة.
2 - وثقه العديد من علماء الحديث، وقالوا عنه: المحدث القدوة، الصدوق، الحافظ، شيخ الإسلام، ذكر ذلك الذهبي
(1)، وابن عبد الهادي
(2).
وعند إعطائه وسام التفوف والنبوغ في علم الحديث قالوا عنه: إنه ثقة فممن وثقه: السيوطي
(3)، وأبو الوليد الباجي، والذهبي
(4)، وأبو عبد الرحمن السلمي
(5)، ومسلمة بن القاسم
(6).
ومن العجيب أن نفاجئ بأن يخرج علينا ابن حجر بما لم يقله أحد من المترجمين أو المشتغلين بالحديث فيقول بأنه "له أوهام"
(7) وكنا نتمنى أن يقدم لنا أوهامه هذه التي يحكي عنها هذه شهادة العلماء الذين يزنون الرجال ويعرفون قدرهم، وشهادتهم مملاة من واقع العلم وليس المحاباة.
هل وهم ابن الأعرابي؟قال ابن منظور: الوَهْمُ: من خطرات القلب. . . وتوهَّمَ الشيء تخيله، وتمثله، كان في الوجود أو لم يكن. . . وأوهمت الشيء إذا أغفلته. . . ووهم بكسر الهاء غَلط وسها
(8).
--------------------------------------------
ওলামায়ে কেরাম যখন ইবনুল আরাবীর বর্ণনা দিয়েছেন এবং হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁর স্তর স্পষ্ট করেছেন, তখন এই বিচার ছিল কেবল এমন এক সিদ্ধান্ত যা তাঁর সম্পর্কে বলা সবচেয়ে সঠিক কথা এবং সবচেয়ে ন্যায়সঙ্গত বর্ণনাকে অন্তর্ভুক্ত করে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ও বিশুদ্ধ ইশারার মাধ্যমে - এতটাই যে আমাদের শায়েখ সম্পর্কে তাঁদের সামান্য কিছু শব্দ তাঁর নাম, তাঁর পিতার নাম এবং তাঁর দাদার নামকে শামিল করত এবং তাঁর সবচেয়ে প্রসিদ্ধ বংশীয় নিসবত যা 'ইবনুল আরাবী' হিসেবে পরিচিত, তাঁর কুনিয়াত যা তাঁর ওপর প্রাধান্য পেয়েছে অর্থাৎ 'আবু সাঈদ', এবং তাঁর উপাধি। তাঁরা তাঁর উপাধির অক্ষরগুলোর জটিলতাও নিরসন করেছেন যেমন আল-আনাজি। এরপর তাঁরা তাঁকে বিশ্বস্ততার সেই বিশেষণে বিশেষায়িত করেছেন যার মাধ্যমে জারহ ও তাদিল শাস্ত্রের ইমামগণ কাউকে বিশেষায়িত করেন এবং তাঁরা তাঁর কয়েকজন উস্তাদ ও ছাত্রের নাম উল্লেখ করার ব্যাপারেও গুরুত্বারোপ করেছেন।
১ - আবু নুআইম তাঁর যুহদ বা কৃচ্ছ্রতাপূর্ণ বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন: তিনি উজ্জ্বল ও জ্যোতির্ময় ব্যক্তিত্ব... তাঁর অনেক প্রসিদ্ধ গ্রন্থ রয়েছে।
২ - হাদিস শাস্ত্রের অনেক আলেম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বা সিকাহ হিসেবে সত্যায়ন করেছেন এবং তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি হলেন আদর্শ মুহাদ্দিস, অত্যন্ত সত্যবাদী, হাফেজ এবং শাইখুল ইসলাম। আয-যাহাবি
(১) এবং ইবনে আব্দুল হাদি
(২) এটি উল্লেখ করেছেন।
হাদিস শাস্ত্রে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও মেধার স্বীকৃতি প্রদানের সময় তাঁরা বলেছেন যে তিনি নির্ভরযোগ্য। যাঁরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আস-সুয়ুতি
(৩), আবুল ওয়ালিদ আল-বাজি, আয-যাহাবি
(৪), আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি
(৫) এবং মাসলামাহ বিন আল-কাসিম
(৬)।
এটি আশ্চর্যের বিষয় যে, আমরা হঠাৎ করে লক্ষ্য করি ইবনে হাজার এমন এক কথা নিয়ে এসেছেন যা জীবনীকার বা হাদিস গবেষকদের মধ্যে অন্য কেউ বলেননি; তিনি বলেছেন যে তাঁর "ভ্রান্তি রয়েছে"
(৭)। আমরা আশা করেছিলাম তিনি যেন আমাদের কাছে তাঁর এই ভ্রান্তিসমূহ তুলে ধরেন যার কথা তিনি বলছেন। অথচ এটি সেই আলেমদের সাক্ষ্য যারা ব্যক্তিদের বিচার করেন এবং তাঁদের মর্যাদা জানেন, আর তাঁদের সাক্ষ্য জ্ঞানের বাস্তবতা থেকেই উৎসারিত, কোনো পক্ষপাতিত্ব থেকে নয়।
ইবনুল আরাবী কি ভ্রান্তিতে পড়েছিলেন?ইবনে মানজুর বলেছেন: আল-ওয়াহাম বা ভ্রান্তি হলো অন্তরের খটকা... আর কোনো কিছু সম্পর্কে ধারণা করা মানে তা কল্পনা করা ও চিত্রায়িত করা, চাই তা বাস্তবে থাকুক বা না থাকুক... এবং কোনো কিছু সম্পর্কে বিভ্রমে পড়া মানে তা ভুলে যাওয়া বা অবহেলা করা... আর হায়ে কাসরা দিয়ে 'ওয়াহিমা' মানে ভুল করা ও অমনোযোগী হওয়া
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وسبق أن ذكرنا قول ابن حجر العسقلاني عن ابن الأعرابي: أنه له أوهام
(1).
وأرجح أن قول ابن حجر أخذه من كلام الحافظ الدارقطني، فالحافظ الدارقطني أطلق هذا الحكم عن ابن الأعرابي من حديثين هما:
الحديث الأول: ما رواه الدارقطني في كتابه "غرائب حديث مالك" قال: كتب إلي أبو سعيد بن الأعرابي، ثنا علي بن عبد العزيز، ثنا القعنبي، عن مالك، عن نافع بن عمر رضي الله عنهما أن رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم كان يقول: "لا ومقلب القلوب". قال الدارقطني: هذا غير محفوظ عن نافع.
وهذا الحديث رواه البخاري، والترمذي، والنسائي، والدارمي، وأحمد، وابن أبي عاصم، والبيهقي، وأبو نعيم، وابن ماجة.
الحديث الثاني: قال الدارقطني: أخبرني أبو سعيد أحمد بن محمد بن زياد بن الأعرابي في كتابه إلي بخطه:
ثنا الحسين بن المثنى، ثنا عبد اللَّه بن جعفر البرمكي، ثنا معن، ثنا مالك، عن سمي، عن أنس رضي الله عنه قال: "سافرنا مع رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم في رمضان فلم يعب الصائم على المفطر، ولا المفطر على الصائم".
قال الدارقطني: "هذا وهم قبيح، ولا يصح عن سمي، عن أنس شيء، والوهم فيه من شيخنا واللَّه أعلم"
(2).
وهذا الحديث أخرجه مالك، والبخاري، والبيهقي، والطحاوي في "شرح معاني الآثار"، والبغوي في "شرح السنة"، ومسلم، وأبو داود، وابن أبي شيبة.
إذن هذا الوهم الذي اعترى ابن الأعرابي هل كان غفلة منه أو غلط أو سهو، ولعلنا لا نميل إلا إلى المعنى الثالث بدليل كم حديث استطاع الدارقطني أن يستدركها على شيخنا، الواضح والثابت من البحث العلمي أنهما حديثان فهل نلصق صفة الوهم على الشيخ من أجل حديثين حدث له سهو في تغيير الأسانيد أرى أننا إذا ذكرنا أنه وهم لابد أن نقول أنه لم يوهم
--------------------------------------------
আমরা ইতিপূর্বে ইবনে আল-আরাবি সম্পর্কে ইবনে হাজার আল-আসকালানির বক্তব্য উল্লেখ করেছি যে, তাঁর কিছু ভুল-ভ্রান্তি (অহম) রয়েছে
(১)।
এবং আমি প্রবলভাবে মনে করি যে, ইবনে হাজারের এই বক্তব্যটি হাফেজ দারা কুতনির কথা থেকে নেওয়া হয়েছে; কারণ হাফেজ দারা কুতনি ইবনে আল-আরাবির ব্যাপারে এই হুকুমটি দুটি হাদিসের ভিত্তিতে প্রদান করেছেন, যা হলো:
প্রথম হাদিস: দারা কুতনি তাঁর ‘গারাইব হাদিস মালেক’ কিতাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু সাঈদ বিন আল-আরাবি আমার কাছে লিখেছেন: আমাদের কাছে আলী বিন আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আল-কানাবি বর্ণনা করেছেন, মালেক থেকে, তিনি নাফে বিন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন: “না, অন্তর পরিবর্তনকারীর শপথ।” দারা কুতনি বলেন: এটি নাফে থেকে সংরক্ষিত (মাহফুজ) নয়।
এই হাদিসটি বুখারি, তিরমিজি, নাসায়ি, দারিমি, আহমাদ, ইবনে আবি আসিম, বায়হাকি, আবু নুআইম এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।
দ্বিতীয় হাদিস: দারা কুতনি বলেন: আবু সাঈদ আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ বিন আল-আরাবি তাঁর নিজ হাতে লিখিত পত্রে আমাকে অবহিত করেছেন:
হোসাইন বিন আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-বারমাকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা’ন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালেক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুমাই থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “আমরা রমজান মাসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সফর করেছি, তখন রোজা পালনকারী রোজা ভঙ্গকারীর সমালোচনা করত না, আর রোজা ভঙ্গকারীও রোজা পালনকারীর সমালোচনা করত না।”
দারা কুতনি বলেন: “এটি একটি জঘন্য ভুল (অহম), আর সুমাই থেকে আনাসের সূত্রে কোনো কিছুই সহিহ নয়; আর এই ভুলটি আমাদের শায়খের পক্ষ থেকে হয়েছে, আল্লাহই ভালো জানেন”
(২)।
এই হাদিসটি মালেক, বুখারি, বায়হাকি, তহাবি ‘শারহু মাআনিল আসার’-এ, বাগভী ‘শারহুস সুন্নাহ’-তে, মুসলিম, আবু দাউদ এবং ইবনে আবি শায়বা বর্ণনা করেছেন।
সুতরাং, ইবনে আল-আরাবির মধ্যে যে ভুলের (অহম) অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তা কি তাঁর অসতর্কতা, ভুল নাকি বিস্মৃতির কারণে? সম্ভবত আমরা তৃতীয় অর্থের দিকেই ঝুঁকব, যার প্রমাণ হলো দারা কুতনি আমাদের শায়খের ওপর কতটি হাদিস সংশোধন করতে সক্ষম হয়েছেন। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় স্পষ্ট ও প্রমাণিত যে তা মাত্র দুটি হাদিস। তাহলে সনদ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া মাত্র দুটি বিস্মৃতির কারণে কি আমরা শায়খের ওপর ‘ভুলকারী’র তকমা লাগিয়ে দেব? আমার মতে, আমরা যদি তাঁর ভুলের কথা উল্লেখ করি, তবে অবশ্যই এটিও বলতে হবে যে তিনি (আসলে) ভুল করেননি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
إلا في -ونذكر الحديثين- حتى نعطي الرجل قدره، ونوفيه حقه. هكذا ننزل الرجل قدره ومنزلته.
ويمكن لي أن تكون هذه من شهادة الأقران بالنسبة للدارقطني وهي لا تؤخذ على التغليب لهذه الصفة على شيخنا الجليل بدليل أن الأكثرين من الذين ترجموا له وصفوه بأنه "ثقة".
কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া -এবং আমরা হাদিস দুটি উল্লেখ করব- যাতে আমরা এই ব্যক্তিকে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা প্রদান করি এবং তাঁর অধিকার পূর্ণ করি। এভাবেই আমরা ব্যক্তিকে তাঁর যথাযথ মর্যাদা ও অবস্থানে আসীন করি।
আর আমার কাছে এটি সম্ভবপর মনে হয় যে, আদ-দারা কুতনীর ক্ষেত্রে এটি সমসাময়িকদের সাক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত এবং আমাদের শ্রদ্ধেয় শাইখের ওপর এই বৈশিষ্ট্যটিকে প্রধান হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়; যার প্রমাণ হলো, যারা তাঁর জীবনী লিখেছেন তাঁদের অধিকাংশ তাঁকে ‘নির্ভরযোগ্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
حكم أخذ الأجرة على التحديثللعلماء في هذه المسألة رأيين متضادين ففريق منهم يجيز أخذ الأجر، والفريق الآخر يمنع أخذ الأجرة - لكن مع هذا نرى فريقًا يتوسط بين كلا الفريقين وهو أنه لا يباح أخذ الأجر إلا إذا دعت الضرورة إلى ذلك.
الفريق الأول: القائلين بالجواز:نحن نرى أن هذا الفريق أراد أن يرغب في تقوية العلاقة بين الطالب وأستاذه لأن ما دفع له ثمن كان عزيزًا عند طالبه.
1 - روى الخطيب في "شرف أصحاب الحديث"
(1) من طريق محمد بن المبارك قال: حدثنا ابن عياش، عن أبي بكر بن أبي مريم قال:
كتب عمر بن عبد العزيز إلى والي حمص: مُرْ لأهل الصلاح من بيت المال بما يغنيهم لئلا يشغلهم شيء عن تلاوة القرآن، وما حملوا من الأحاديث.
2 - وتقبل الأجر أبو نعيم الفضل بن دكين شيخ البخاري
(2). وهو مشهور بكنيته، فهو ثقة ثبت
(3).
قال علي بن خشرم: سمعت أبا نعيم يقول: يلومونني على الأخذ وفي بيتي ثلاثة عثر نفسًا، وما في بيتي رغيف
(4).
إن أبا نعيم روى عنه أحمد، وإسحاق، وأبو حاتم الرازي، وأصحاب الكتب الستة.
مدحه أحمد فقال: أبو نعيم يزاحم به ابن عيينة، وهو أثبت من وكيع
(5).
--------------------------------------------
হাদিস বর্ণনা করার বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণের বিধানএই মাসআলায় আলেমদের মাঝে দুইটি পরস্পরবিরোধী মত রয়েছে। তাঁদের একটি দল পারিশ্রমিক গ্রহণ বৈধ মনে করেন, আর অন্য দলটি পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে নিষেধ করেন। তবে এর পাশাপাশি আমরা একটি মধ্যপন্থী দলকেও দেখতে পাই যারা মনে করেন যে, প্রয়োজন দেখা না দিলে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা বৈধ নয়।
প্রথম পক্ষ: যারা বৈধতার পক্ষে বলেন:আমরা লক্ষ্য করি যে, এই দলটি ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চেয়েছেন; কারণ যার বিনিময়ে অর্থ ব্যয় করা হয়, তা ছাত্রের নিকট মূল্যবান হয়ে থাকে।
১ - খতীব বাগদাদী তাঁর "শারাফু আসহাবিল হাদীস" গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনুল মুবারক সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে আইয়াশ বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি মারইয়াম থেকে, তিনি বলেন:
উমর বিন আব্দুল আযীয হিমসের গভর্নরের নিকট লিখেছিলেন: নেককার লোকদের জন্য বাইতুল মাল থেকে এমন পরিমাণ অর্থ বরাদ্দের নির্দেশ দিন যা তাদের অভাবমুক্ত করবে, যাতে কুরআন তেলাওয়াত এবং তারা যে সকল হাদিস বহন (সংরক্ষণ ও প্রচার) করছেন তা থেকে কোনো কিছু যেন তাদের বিচ্যুত করতে না পারে।
২ - ইমাম বুখারীর উস্তাদ আবু নুআইম আল-ফাযল বিন দুকাইন পারিশ্রমিক গ্রহণ করতেন। তিনি তাঁর কুনিয়াত (উপনাম) দ্বারাই প্রসিদ্ধ, তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় বর্ণনাকারী ছিলেন।
আলী বিন খাশরাম বলেন: আমি আবু নুআইমকে বলতে শুনেছি: তারা আমাকে পারিশ্রমিক গ্রহণের কারণে নিন্দা করে, অথচ আমার পরিবারে তেরোজন সদস্য রয়েছে এবং আমার ঘরে একটি রুটিও নেই।
নিশ্চয় আবু নুআইম থেকে আহমাদ, ইসহাক, আবু হাতিম আর-রাযী এবং কুতুবে সিত্তার সংকলকগণ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আহমাদ তাঁর প্রশংসা করে বলেছেন: আবু নুআইমকে ইবনে উয়াইনার সমকক্ষ গণ্য করা হয় এবং তিনি ওয়াকী’র চেয়েও অধিক সুদৃঢ় হাফেয।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وقال عنه علي بن جعفر بن خالد: كنا نختلف إلى أبي نعيم نكتب عنه فكان يأخذ منا الدراهم الصحاح، فإذا كان معنا دراهم مكسرة يأخذ عليها صيرفًا
(1).
3 - وعلي بن عبد العزيز البغوي
(2)، أبو الحسن: شيخ الحرم ممن ترخص في أخذ الأجر للشيخ عن تحديثه.
قال عنه الدارقطني: ثقة مأمون. وقال ابن أبي حاتم: صدوق. وأما النسائي فمقته لكونه كان يأخذ على الحديث.
قال ابن السني: بلغني أنه كان إذا عوتب على ذلك قال: يا قوم أنا بين الأخشبين، وإذا ذهب الحاج نادى أبو قبيس قعيقعان يقول: من بقي؟. فيقول المجاورون، فيقول: أطبق. مات سنة 208 هـ.
الفريق الثاني: وهم الرافضون لأخذ الأجر على التحديثوهذا الفريق تأثر تاثيرًا مباشرًا بمن منع أخذ الأجر على تحفيظ القرآن الكريم.
قال محمد بن الحسين: ". . . فأما من قرأ القرآن للدنيا أو لأبناء الدنيا، فإن من أخلاقه أن يكون حافظًا لحروف القرآن مضيعًا لحدوده متعظمًا في نفسه متكبرًا على غيره قد اتخذ القرآن بضاعته، يتأكل به الأغنياء، ويستقضي به الحوائج، يعظم أبناء الدنيا، ويحقر الفقراء، إن علّم الغني رفق به طمعًا في دنياه، وإن علم الفقير زجره وعنفه لأنه لا دنيا له يطمع فيها يستخدم به الفقراء، وينبه به على الأغنياء، وإن كان حسن الصوت أحب أن يقرأ للملوك، ويصلي بهم طمعًا في دنياهم، وإن سأله الفقراء الصلاة بهم ثقل ذلك عليه لقلة الدنيا في أيديهم، إنما طلبه الدنيا حيث كانت ربض عندها يفخر على الناس بالقرآن، ويحتج على من دونه في الحفظ بفضل ما معه من القرآن وزيادة المعرفة بالغرائب من القرآن التي لو عقل لعلم أنه يجب عليه أن لا يقرأ بها فتراه تائهًا متكبرًا، كثير الكلام بغير تمييز، يعيب كل من لم يحفظ كحفظه، ومن علم أنه يحفظ كحفظه طلب عيبه، متكبرًا في جلسته، متعاظمًا في تعليمه لغيره، ليس للخشوع في قلبه موضع، كثير الضحك، والخوض فيما لا يعنيه،
--------------------------------------------
আলী ইবনে জাফর ইবনে খালিদ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "আমরা আবু নুয়াইমের কাছে (হাদিস) লিখতে যাতায়াত করতাম। তিনি আমাদের থেকে পূর্ণাঙ্গ ও নিখুঁত দিরহাম নিতেন। যখন আমাদের কাছে ভাঙা দিরহাম থাকত, তখন তিনি তার ওপর বিনিময় মূল্য (বাট্টা) গ্রহণ করতেন
(১)।
৩ - এবং আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি
(২), আবুল হাসান: তিনি শাইখুল হারাম এবং ঐসব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা হাদিস বর্ণনার বিনিময়ে শাইখের পারিশ্রমিক গ্রহণ করার অনুমতি দিয়েছেন।
আদ-দারা কুতনি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "নির্ভরযোগ্য ও আমানতদার।" ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: "সত্যবাদী।" তবে ইমাম নাসায়ী হাদিসের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণের কারণে তাঁকে অপছন্দ করতেন।
ইবনে আস-সুন্নি বলেন: "আমার কাছে পৌঁছেছে যে, যখন তাঁকে এ বিষয়ে তিরস্কার করা হতো, তখন তিনি বলতেন: হে লোকসকল, আমি মক্কার দুই পাহাড়ের (আখশাবাইন) মাঝখানে অবস্থান করছি; যখন হাজিরা চলে যায়, তখন আবু কুবাইস পাহাড় কুআইক্বিআন পাহাড়কে ডেকে বলে: কে বাকি আছে? তখন মক্কায় অবস্থানকারীরা উত্তর দেয়। এরপর সে (পাহাড়) বলে: তবে (পাহাড় দুটিকে) মিলিয়ে দাও (অর্থাৎ আমাদের ধ্বংস করে দাও)। তিনি ২০৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
দ্বিতীয় দল: যারা হাদিস বর্ণনার বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করাকে প্রত্যাখ্যান করেনএই দলটি সরাসরি তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে যারা পবিত্র কুরআন হিফজ করানোর বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা নিষিদ্ধ করেছেন।
মুহাম্মদ ইবনুল হোসেন বলেন: ". . . পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি দুনিয়ার স্বার্থে বা দুনিয়াদারদের সন্তুষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করে, তার চরিত্র এই যে—সে কুরআনের অক্ষরগুলোর সংরক্ষণকারী হলেও এর হুকুম-আহকাম ও সীমারেখাকে নষ্টকারী। সে মনে মনে আত্মগরিমায় মত্ত এবং অন্যের ওপর অহংকারী। সে কুরআনকে নিজের ব্যবসায়িক পণ্যে পরিণত করেছে, যার মাধ্যমে সে ধনীদের সম্পদ ভক্ষণ করে এবং নিজের প্রয়োজন মেটায়। সে দুনিয়াদারদের সম্মান করে এবং দরিদ্রদের তুচ্ছজ্ঞান করে। যদি সে কোনো ধনী ব্যক্তিকে শিক্ষা দেয়, তবে তার দুনিয়াবি সম্পদের লালসায় তার সাথে নরম ব্যবহার করে। আর যদি কোনো দরিদ্র ব্যক্তিকে শিক্ষা দেয়, তবে তাকে ধমক দেয় ও কঠোরতা করে, কারণ তার কাছে এমন কোনো দুনিয়াবি সম্পদ নেই যার সে লালসা করতে পারে। সে দরিদ্রদের নিজের সেবায় খাটায় এবং ধনীদের সামনে নিজের গুরুত্ব তুলে ধরে। যদি তার কণ্ঠস্বর সুন্দর হয়, তবে সে দুনিয়ার স্বার্থে বাদশাহদের সামনে তিলাওয়াত করতে এবং তাদের ইমামতি করতে পছন্দ করে। কিন্তু দরিদ্ররা যদি তাকে নিয়ে সালাত আদায়ের অনুরোধ করে, তবে তাদের হাতে ধন-সম্পদ কম থাকার কারণে তা তার কাছে ভারী মনে হয়। দুনিয়া যেখানেই থাকুক না কেন, সে সেখানেই তার অন্বেষণে পড়ে থাকে। সে মানুষের ওপর কুরআন নিয়ে বড়াই করে এবং তার চেয়ে যে হিফজে কম তার কাছে নিজের হিফজের শ্রেষ্ঠত্ব ও কুরআনের দুর্লভ বিষয়গুলোর আধিক্য নিয়ে তর্কে লিপ্ত হয়; অথচ সে যদি বুদ্ধিমান হতো তবে জানত যে, তার জন্য এগুলো তিলাওয়াত করা সমীচীন নয়। আপনি তাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট ও অহংকারী হিসেবে দেখতে পাবেন, সে বিচার-বুদ্ধিহীনভাবে অনেক কথা বলে। যে ব্যক্তি তার মতো হিফজ করতে পারেনি তাকে সে দোষারোপ করে, আর যার সম্পর্কে সে জানে যে সে তার মতোই হিফজ করেছে, তার সে দোষ খুঁজে বেড়ায়। সে তার বসার ভঙ্গিতে অহংকারী এবং অন্যকে শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে আত্মম্ভরী। তার হৃদয়ে খুশু বা বিনয়-নম্রতার কোনো স্থান নেই; সে অধিক হাসাহাসি করে এবং অনর্থক বিষয়ে লিপ্ত থাকে।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
يشتغل عمن يأخذ عليه بحديث من جالسه هو إلى استماع حديث جليسه، أصغى منه إلى استماع من يجب عليه أن يستمع له، يروي أنه لم يستمع حافظًا، فهو إلى كلام الناس أشهى منه إلى كلام الرب عز وجل، لا يخشع عند استماع القرآن، ولا يبكي ولا يحزن، ولا يأخذ نفسه بالفكر فيما يتلى عليه، وقد ندب إلى ذلك، راغب في الدنيا، وما قرب منها لها، يغضب ويرضى، إن قصّر رجل في حقه، قال أهل القرآن: لا يقصر في حقوقهم، وأهل القرآن تقضى حوائجهم، يستقضي من الناس حق نفسه، ولا يستقضي من نفسه حق اللَّه عليها، يغضب على غيره زعم للَّه، ولا يغضب على نفسه للَّه، لا يبالي من أين اكتسب من حرام أو من حلال، قد عظمت الدنيا في قلبه إن فاته شيء لا يحل له أخذه حزن على فوته، لا يتأدب بأدب القرآن، ولا يزجر نفسه، عند الوعد والوعيد، لاهٍ غافل عما يتلو، أو يتلى عليه، همته حفظ الحروف، إن أخطأ في حرف ساءه ذلك لئلا ينقص جاهه عند المخلوقين فتنقص رتبته عندهم فتراه محزونًا مهمومًا بذلك، وما قد ضيّعه فيما بينه وبين اللَّه مما أمر به في القرآن أو نهى عنه، غير مكترث به أخلاقه في كثير من أموره أخلاق الجهال الذين لا يعلمون. . . إلخ
(1).
وبعض هذه الصفات يذكرها القائلون بمنع الأجر على التحديث، ومن بين القائلين بمنع الأجر على التحديث:
1 - الإمام أحمد بن حنبل: وقد سئل أيكتب عمن يبيع الحديث؟. قال: لا، ولا كرامة
(2).
2 - وإسحاق بن راهويه
(3)، فقد اجتمع له الحديث، والفقه، والحفظ، والصدق، والورع والزهد.
قال إبراهيم بن محمد الصيدلاني: كنت في مجلس إسحاق بن راهويه فسأله سلمة بن شبيب عن المحدث بحدث بالأجر، قال: لا يكتب عنه
(4).
--------------------------------------------
যে ব্যক্তি তার নিকট থেকে হাদীস গ্রহণ করে, তাদের কথা বাদ দিয়ে সে তার সঙ্গীর কথা শোনার প্রতি মনোযোগী হয়। যার কথা শোনা তার জন্য আবশ্যক, তার চেয়ে সে তার সঙ্গীর কথা অধিক মনোযোগ দিয়ে শোনে। বর্ণিত আছে যে, সে একজন হাফিয বা সংরক্ষক হিসেবে (মনোযোগ দিয়ে) শোনে না। মহান রবের বাণীর চেয়ে মানুষের কথা তার নিকট অধিক আকর্ষণীয়। কুরআন শ্রবণের সময় তার মধ্যে কোনো বিনয়ভাব আসে না, সে ক্রন্দন করে না এবং দুঃখিতও হয় না। তার সামনে যা পাঠ করা হয়, তা নিয়ে সে চিন্তা-ভাবনা করে না, অথচ তাকে এরই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে দুনিয়া এবং দুনিয়ার নিকটবর্তী বিষয়াদির প্রতি আগ্রহী। সে (পার্থিব স্বার্থে) রাগান্বিত হয় এবং সন্তুষ্ট হয়। যদি কোনো ব্যক্তি তার হকের ক্ষেত্রে ত্রুটি করে, তবে সে বলে: ‘কুরআনের ধারকদের হকের ক্ষেত্রে ত্রুটি করা উচিত নয়’ এবং ‘কুরআনের ধারকদের প্রয়োজনসমূহ পূরণ করা উচিত’। সে মানুষের নিকট থেকে নিজের পাওনা আদায় করে নেয়, কিন্তু নিজের ওপর আল্লাহর যে হক রয়েছে তা সে আদায় করে না। সে আল্লাহর দোহাই দিয়ে অন্যের ওপর রাগান্বিত হয়, কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের ওপর রাগান্বিত হয় না। সে কোথা থেকে উপার্জন করল—হারাম না কি হালাল—সে বিষয়ে সে পরোয়া করে না। তার অন্তরে দুনিয়া অনেক বড় হয়ে গেছে। যদি এমন কোনো কিছু তার হাতছাড়া হয়ে যায় যা গ্রহণ করা তার জন্য বৈধ ছিল না, তবে তা হারিয়ে যাওয়ার জন্য সে ব্যথিত হয়। সে কুরআনের আদব বা শিষ্টাচার দ্বারা নিজেকে মার্জিত করে না। প্রতিশ্রুতি ও সতর্কবাণী শ্রবণের সময়ও সে নিজেকে সংযত করে না। সে যা পাঠ করে বা তার সামনে যা পাঠ করা হয়, সে সম্পর্কে সে উদাসীন ও গাফেল। তার মূল লক্ষ্য থাকে কেবল হরফ বা বর্ণসমূহ মুখস্থ রাখা। যদি কোনো একটি বর্ণে সে ভুল করে, তবে তা তাকে ব্যথিত করে এই ভয়ে যে, পাছে মাখলুকের (সৃষ্টির) নিকট তার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এবং তাদের নিকট তার অবস্থান নিচে নেমে যায়। ফলে আপনি তাকে এ নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও চিন্তিত দেখতে পাবেন। অথচ আল্লাহর সাথে তার সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি কুরআনে যা আদেশ করেছেন বা যা নিষেধ করেছেন, তার মধ্য থেকে সে যা কিছু নষ্ট করেছে, সে বিষয়ে সে ভ্রুক্ষেপহীন। তার অনেক আচরণের ক্ষেত্রেই তার স্বভাব হলো সেই সব মূর্খদের মতো যারা কিছুই জানে না... ইত্যাদি।
(১).
যাঁরা হাদীস বর্ণনার বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ নিষিদ্ধ মনে করেন, তাঁরা এই সকল গুণের কিছু উল্লেখ করেন। হাদীস বর্ণনার বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ নিষিদ্ধকারীদের মধ্যে রয়েছেন:
১ - ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল: তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যে ব্যক্তি হাদীস বিক্রি করে তার নিকট থেকে কি হাদীস লেখা যাবে? তিনি বললেন: ‘না, তার কোনো সম্মান নেই’।
(২).
২ - ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ
(৩); তাঁর মধ্যে হাদীস, ফিকহ, হিফয (স্মৃতিশক্তি), সততা, তাকওয়া ও যুহদ (দুনিয়া বিমুখতা) একত্রিত হয়েছিল।
ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ আস-সায়দালানী বলেন: আমি ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহের মজলিসে ছিলাম। তখন সালামাহ ইবনে শাবীব তাঁকে সেই মুহাদ্দিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন যে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে হাদীস বর্ণনা করে। তিনি বললেন: ‘তার নিকট থেকে হাদীস লেখা যাবে না’।
(৪).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামু শুয়ূখি ইবনিল আরাবী - ত ইলমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
3 - وأبو حاتم الرازي محمد بن إدريس بن المنذر بن داود الحنظلي
(1).
قال الخطيب البغدادي عنه: كان أحد الأئمة الحفاظ الأثبات، مشهورًا بالعلم، مذكورًا بالفضل، وثقه النسائي وغيره
(2). ذكر ذلك السيوطي عنه
(3).
4 - روي عن أبي العالية أنه قال: مكتوب في الكتب علم مجانًا كما علمت مجانًا
(4).
الفريق الثالث: الإفتاء بجواز أخذ الأجر على التحديث
1 - محمد بن عبد اللَّه بن عبد الحكم، المصري، أبو عبد اللَّه ولد سنة 182 هـ، وتوفي سنة 262 هـ، قال ابن يونس عنه: كان المفتي بمصر في أيامه.
وقال غيره: كان من العلماء الفقهاء مبرزًا من أهل النظر والمناظرة والحُجة، وإليه كانت الرحلة من المغرب، والأندلس في العلم والفقه، وكان فقيه مصر في عصره على مذهب مالك، ورسخ في مذهب الشافعي
(5).
سأله محمد بن فطيس قائلًا: أصلحك اللَّه. العالم يأخذ على قراءة العلم؟. فضرب الدفتر الذي كان بيدي من أسفله حتى ارتفع إلى وجهي، وشعر فيما ظهر لي أني إنما سألته عن ابن أخي ابن وهب، فقال لي: جائز عفاك اللَّه، حلالًا أن لا أقرأ لك ورقة إلا بدرهم.
ومن أخذني أن أقعد عمك طول النهار، وأدع ما يلزمني من أسبابي، ونفقة عيالي؟
(6).
2 - إبراهيم بن علي بن يوسف الفيروزآبادي، أبو إسحاق الشيرازي
(7)، قال عنه
--------------------------------------------
৩ - এবং আবু হাতিম আর-রাযী মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস ইবনে আল-মুনযির ইবনে দাউদ আল-হানযালী
(১)।
খতীব আল-বাগদাদী তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি ছিলেন ইমামদের মধ্যে অন্যতম হাফেয ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি, ইলমের জন্য প্রসিদ্ধ এবং শ্রেষ্ঠত্বের জন্য স্মরণীয়। আন-নাসায়ী এবং অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন
(২)। আস-সুয়ূতী তাঁর থেকে এটি উল্লেখ করেছেন
(৩)।
৪ - আবুল আলিয়া থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: কিতাবসমূহে লিপিবদ্ধ আছে যে, বিনে পয়সায় শিক্ষা দাও যেভাবে তোমাকে বিনে পয়সায় শিক্ষা দেওয়া হয়েছে
(৪)।
তৃতীয় দল: হাদীস বর্ণনার বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণের বৈধতার ফতোয়া
১ - মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম, আল-মিসরী, আবু আব্দুল্লাহ; তিনি ১৮২ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২৬২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে ইউনুস তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি তাঁর সময়ে মিশরের মুফতি ছিলেন।
অন্যরা বলেছেন: তিনি ফকীহ আলিমদের মধ্যে অত্যন্ত পারদর্শী এবং যুক্তি, বিতর্ক ও প্রমাণের ক্ষেত্রে অগ্রগামী ছিলেন। ইলম ও ফিকহ অর্জনের জন্য মাগরিব এবং আন্দালুস থেকে মানুষ তাঁর নিকট সফর করত। তিনি তাঁর যুগে মালিকী মাযহাব অনুযায়ী মিশরের ফকীহ ছিলেন এবং শাফেয়ী মাযহাবেও গভীর ব্যুৎপত্তি সম্পন্ন ছিলেন
(৫)।
মুহাম্মদ ইবনে ফুতাইস তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন। একজন আলিম কি ইলম পাঠের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারেন? তখন তিনি আমার হাতে থাকা খাতাটির নিচ থেকে এমনভাবে আঘাত করলেন যে তা আমার মুখ পর্যন্ত উঠে গেল। আমার যা প্রতীয়মান হলো তা হলো, তিনি ভেবেছিলেন আমি বোধহয় ইবনে ওয়াহবের ভ্রাতুষ্পুত্র সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছি। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন: এটি জায়েয, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন। তোমার জন্য প্রতি পৃষ্ঠার বিনিময়ে এক দিরহাম না নিয়ে আমার জন্য পাঠ না করা হালাল।
আর কে আমাকে বাধ্য করেছে যে, আমি তোমার জন্য সারাদিন বসে থাকব এবং আমার প্রয়োজনীয় কাজ ও পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণ বর্জন করব?
(৬)।
২ - ইব্রাহিম ইবনে আলী ইবনে ইউসুফ আল-ফিরুযাবাদী, আবু ইসহাক আশ-শিরাযী
(৭), তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে
--------------------------------------------