(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: -)
من تكلم فيه وهو موثق ت الرحيلي   (شمس الدين الذهبي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: من تكلم فيه وهو موثوق أو صالح الحديث

المؤلف: شمس الدين أبو عبد الله محمد بن أحمد بن عثمان بن قَايْماز الذهبي (ت 748هـ)

المحقق: عبد الله بن ضيف الله الرحيلي

الناشر: -

الطبعة: الأولي 1426هـ - 2005 م

عدد الصفحات: 628

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

যাদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তারা নির্ভরযোগ্য - আল-রুহাইলি   (শামসুদ্দিন আয-যাহাবী)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


বই: যাদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তারা নির্ভরযোগ্য অথবা হাদিস বর্ণনায় উপযুক্ত

লেখক: শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন উসমান বিন কায়মায আয-যাহাবী (মৃত ৭৪৮ হিজরি)

সম্পাদক: আব্দুল্লাহ বিন দয়ফুল্লাহ আল-রুহাইলি

প্রকাশক: -

সংস্করণ: প্রথম ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬২৮

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٣)
‌‌تمهيد

‌‌توطئة

…

تمهيد

وفيه:

- توطئة:

- صحة نسبة هذه الرسالة للإمام الذهَبِيّ.

- موضوع الرسالة.

- الفرق بينها وبين رسالة "الثقات المُتَكَلَّم فيهم بما لا يوجب ردَّهم".

- نُسَخُ الرسالة.

- عنوان الرسالة.

- عملي فيها.

- هل يُرَدُّ كل حديث فيه راوٍ مُتَكَلَّم فيه؟

- ترجمة مختصرة للإمام الذهَبِيّ.
ভূমিকা

প্রস্তাবনা

…

ভূমিকা

এবং এতে রয়েছে:

- প্রস্তাবনা:

- ইমাম যাহাবীর প্রতি এই রিসালাহটির (পুস্তিকা) সম্বন্ধের বিশুদ্ধতা।

- রিসালাহটির বিষয়বস্তু।

- এই রিসালাহ এবং "আস-সিকাতুল মুতাকাল্লামু ফিহিম বিমা লা ইউজিবু রাদ্দাহুম" রিসালাহটির মধ্যে পার্থক্য।

- রিসালাহটির পাণ্ডুলিপিসমূহ।

- রিসালাহটির শিরোনাম।

- এতে আমার সম্পাদিত কর্মপদ্ধতি।

- যে হাদীসের বর্ণনাকারীর ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে, তার প্রতিটি হাদীস কি প্রত্যাখ্যানযোগ্য?

- ইমাম যাহাবীর সংক্ষিপ্ত জীবনী।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم

توطئة:

أحمد لله تبارك وتعالى كما ينبغي لجلال وجهه وعظيم سلطانه، وأشكره على وافر نعمه وجزيل عطائه.

وأصلي وأسلم على رسوله محمد وعلى آله وصحبه ومن تبعه بإحسان إلى يوم الدين.

وبعد: فقد قدر الله تعالى أن أختار تحقيق رسالة: "من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق أو صالح الحديث" للإمام الحافظ شمس الدين محمد بن أحمد بن عثمان الذهَبِيّ رحمه الله تعالى، ودراسة رجالها والبحث فيهم.

والتحقيق في تصحيح الحديث وتضعيفه، وما يتصل بذلك أمر لابد منه، وهو قربة من أفضل القربات إلى الله عز وجل، وهو القاعدة التي يرتكز عليها علم الحديث، لأن في ذلك حفظاً للشريعة، وهو مأمور به شرعاً.

لكن هذا الفرع من العلوم الشرعية -كغيره من العلوم الإسلامية الأخرى- بالإضافة إلى افتقاره لسلامة المقصد وحسن النية، فإنه كذلك يفتقر إلى سلامة الطريق الموصل إلى المقصد، بأن لا يكون طريقا خطأً أو يستند على قاعدة مخطئة أو فهم مخطئ.

فلما تبين لي أن إخلاص النية وحده لا يكفي في العمل اجتهدت في تمحيص منهجي في البحث من الانحراف والزلل ما استطعت فقرأت في مقدمات كتب الرجال، وما جاء عن الأئمة في الجرح والتعديل من القواعد
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

ভূমিকা:

আমি বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহর প্রশংসা করছি যেমনটি তাঁর সত্তার মহিমা এবং তাঁর রাজত্বের বিশালত্বের জন্য উপযুক্ত, এবং তাঁর অঢেল নিয়ামত ও প্রচুর দানের জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করছি।

এবং আমি তাঁর রাসুল মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন, তাঁর সাহাবীগণ এবং কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবেন, তাঁদের প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করছি।

অতঃপর: আল্লাহ তাআলা নির্ধারণ করেছেন যে, আমি ইমাম হাফিজ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান আয-যাহাবি (রহিমাহুল্লাহ)-এর রিসালাহ: "যাঁদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তাঁরা নির্ভরযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী"-এর তাহকিক এবং এর বর্ণনাকারীদের নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনার বিষয়টি বেছে নেব।

হাদিস সহিহ বা জয়িফ হওয়া নির্ধারণে তাহকিক করা এবং এ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি একটি অপরিহার্য কাজ। এটি মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম এবং এটিই ইলমে হাদিসের মূল ভিত্তি; কারণ এতে শরিয়তের সুরক্ষা নিহিত রয়েছে এবং এটি শরিয়ত কর্তৃক আদিষ্ট।

তবে শরয়ি জ্ঞানের এই শাখাটি—অন্যান্য ইসলামি জ্ঞান বিজ্ঞানের মতোই—উদ্দেশ্যের বিশুদ্ধতা এবং নিয়তের সততার প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি গন্তব্যে পৌঁছানোর সঠিক পদ্ধতিরও মুখাপেক্ষী; যেন তা কোনো ভুল পথ না হয় অথবা কোনো ভুল নীতি বা ভুল বুঝের ওপর ভিত্তি করে না হয়।

যখন আমার কাছে স্পষ্ট হলো যে, আমলের জন্য কেবল নিয়তের ইখলাসই যথেষ্ট নয়, তখন আমি আমার গবেষণার পদ্ধতিকে বিচ্যুতি ও ভুলত্রুটি থেকে সাধ্যমতো মুক্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। ফলে আমি রিজাল শাস্ত্রের কিতাবসমূহের ভূমিকা এবং জারহ ও তা’দিল সম্পর্কে ইমামগণের বর্ণিত মূলনীতিসমূহ পাঠ করেছি।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٦)
العلمية المعتبرة في هذا الشأن، كي أَستبين المنهج الصحيح السالم من الشطط والجور، والشدة والتساهل، وما يعتبر وما لا يعتبر من أقوال الرجال.

وللإمام الذهَبِيّ رسالة قيمة للغاية في ثقات الرواة الذين جُرحوا بما لا يؤثر، بَيَّن بمنهجه فيها متى يعتبر الجرح ومتى لا يعتبر في الراوي، لأسباب كثيرة يدركها من يطلع على الرسالة، وهي رسالة غير هذه الرسالة"1".

وكتب الجرح والتعديل تنقل كل ما قيل في الراوي جرحاً أو تعديلاً، لا ليؤخذ بكل ما قيل فيه، ولكن لينظر فيه بعين البصيرة والعدل، وإذا نظر الباحث في تلك الكتب فقد يرى في الراوي الواحد من الأقوال المتعارضة ما يَحَار فيه، فلا ينقذه إلا منهج صحيح يقتضي أَحياناً أن يأخذ بالجرح وحده، ويقتضي أَحياناً أن يأخذ بالتعديل وحده، ويقتضي أَحياناً أن يأخذ بالجرح والتعديل معاً ولا تعارض.

وكان العدل في الحكم في الراوي هو هدف أئمة الحديث رحمهم الله تعالى، فحاولت أن أسلك طريقهم، فلم أعتبر في الجرح والتعديل قول المتشدد ولا قول المتساهل إذا خالفا غيرَهما، وكذا قول الضعيف يضعف الثقة، ونحو ذلك من القواعد المعتبرة المعروفة في مظانها.

وليس عدم اعتباري قول إمام في راوٍ ما، أو تنبيهي على تشدده في الجرح أو تساهله مثلاً -إسقاطاً لذلك الإمام، أو تضعيفاً له، أو طعناً فيه، لكنه تحرِّي الحق والعدل، واعتبارٌ لمعنى النقص الملازم لبني آدم، -حاشا الرسل

--------------------------------------------

1 انظر موضوع الفرق بين الرسالتين، الآتي بعد.
এই বিষয়ের নির্ভরযোগ্য জ্ঞানগর্ভ সূত্রসমূহ, যাতে আমি এমন এক সঠিক পদ্ধতি স্পষ্ট করতে পারি যা অসংলগ্নতা ও অবিচার এবং কঠোরতা ও শিথিলতা থেকে মুক্ত, এবং ব্যক্তিদের বক্তব্যের মধ্যে কোনটি গ্রহণযোগ্য আর কোনটি বর্জনীয় তা নির্ণয় করতে পারি।

ইমাম যাহাবীর একটি অত্যন্ত মূল্যবান পুস্তিকা রয়েছে এমন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে যাদের ওপর এমন সমালোচনা করা হয়েছে যা কোনো প্রভাব ফেলে না। তিনি সেখানে তাঁর পদ্ধতির মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে, একজন বর্ণনাকারীর ক্ষেত্রে কখন সমালোচনা গ্রহণযোগ্য এবং কখন তা গ্রহণযোগ্য নয়; এমন অনেক কারণে যা এই পুস্তিকাটি পাঠকারী অনুধাবন করতে পারবেন। আর এটি বর্তমান এই পুস্তিকাটি থেকে ভিন্ন একটি পুস্তিকা "১"।

জারহ ও তা'দীলের (সমালোচনা ও গুণকীর্তন) গ্রন্থসমূহ বর্ণনাকারী সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে—তা সমালোচনা হোক বা প্রশংসা—সবই উদ্ধৃত করে। এটি এজন্য নয় যে তার সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তার সবটুকুই গ্রহণ করতে হবে, বরং এজন্য যাতে তা প্রজ্ঞা ও ন্যায়ের দৃষ্টিতে বিচার করা যায়। গবেষক যখন সেই গ্রন্থসমূহ দেখেন, তখন তিনি একজন বর্ণনাকারী সম্পর্কে এমন সব পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেখতে পেতে পারেন যা তাকে বিভ্রান্তিতে ফেলে দেয়। এমতাবস্থায় তাকে কেবল একটি সঠিক পদ্ধতিই রক্ষা করতে পারে, যা কখনও দাবি করে শুধুমাত্র সমালোচনা গ্রহণ করতে, কখনও দাবি করে শুধুমাত্র প্রশংসা গ্রহণ করতে, আবার কখনও দাবি করে সমালোচনা ও প্রশংসা উভয়কেই একত্রে গ্রহণ করতে যেখানে কোনো বৈপরীত্য নেই।

বর্ণনাকারীর ব্যাপারে বিচার করার ক্ষেত্রে ইনসাফ বা ন্যায়বিচারই ছিল হাদিসের ইমামগণের (আল্লাহ তাআলা তাঁদের ওপর রহম করুন) লক্ষ্য। তাই আমি তাঁদের পথ অনুসরণ করার চেষ্টা করেছি। ফলে জারহ ও তা'দীলের ক্ষেত্রে আমি কঠোরপন্থী বা শিথিলপন্থীদের বক্তব্য বিবেচনায় নিইনি যখন তারা অন্যদের বিরোধিতা করেছেন। একইভাবে কোনো দুর্বল ব্যক্তির বক্তব্য যা একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে দুর্বল সাব্যস্ত করে—এমন বক্তব্য এবং এ জাতীয় অন্যান্য নির্ভরযোগ্য নীতিমালা যা সংশ্লিষ্ট কিতাবসমূহে সুপরিচিত, সেগুলো আমি অনুসরণ করেছি।

কোনো বর্ণনাকারীর ব্যাপারে কোনো ইমামের বক্তব্য আমার গ্রহণ না করা, কিংবা উদাহরণস্বরূপ তাঁর কঠোরতা বা শিথিলতার প্রতি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করা—সেই ইমামের মর্যাদা হরণ করা, তাঁকে দুর্বল সাব্যস্ত করা কিংবা তাঁর সমালোচনা করা নয়; বরং এটি সত্য ও ন্যায়ের অনুসন্ধান এবং আদম সন্তানদের মজ্জাগত ত্রুটির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া—রাসূলগণ ব্যতীত।

--------------------------------------------

১. সামনে আগত দুই পুস্তিকার মধ্যকার পার্থক্যের বিষয়টি দেখুন।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٧)
صلوات الله وسلامه عليهم- وإلا فإن كان في بعض الأئمة الأعلام نقص ففينا عيوب وعيوب، فنسأله سبحانه العصمة من الزلل، ونعوذ به من سوء العمل.

وأَلْفِتُ نظر القارئ إلى أمر ضروري، وهو أن الحكم على الراوي أَحياناً يستلزم استقراء رواياته وتتبعها في كتب الحديث، لاختبارها بروايات الثقات، ومعرفة أوهامه، وهو عنصر في البحث لم أستطع تحقيقه لما يستلزم من جهد كبير جداً في الراوي الواحد، ووقت طويل، ومراجع كثيرة كذلك، مع أنه ضروري في بعض الرواة فتراني أَحياناً أتوقف في الحكم على الراوي لاحتياج ذلك إلى استقراء رواياته واختبارها بما رواه الثقات، وأَحياناً أجتهد في تقدير الحكم فيه بمجرد النظر إلى أقوال الأئمة فيه بما يفهم من ألفاظهم.

وشيء آخر، وهو أن الحكم على الراوي ليس حكماً على كل حديث جاء من طريقه، فقد يكون فيه ضعف يتقوى بمجئ حديثه من طريق آخر، ونحو ذلك، فلهذا لا يجوز أن يعتمد على كل جرح في راوٍ ما من رواة البخاري ومسلم مثلاً في تضعيف ما أخرجاه عنه، لأن الحديث عندهما صحيح، فلم يخرجا رحمهما الله في صحيحيهما حديثاً ينزل عن رتبة الاحتجاج به، ولهذا نرى بعض الأحاديث في الصحيحين بعد البحث أنها في مرتبة "الحسن" أي تنزل عن درجة "الصحيح"، لكن هذا بحسب ما يظهر لنا مما نقل في الراوي، أما عندهما فإنه في رتبة "الصحيح"، لما عندهما من الطرق الأخرى، ولاطلاعهما على حال من رويا عنه، ولاجتهادهما في الحكم في الراوي، والترجيح بين الجرح والتعديل، ولاشك في أن قولهما مقدم على غيرهما في هذا الفن الذي هما فرسا رهانه، وليسا بمعصومين، ولكن
আল্লাহর দরুদ ও সালাম তাঁদের ওপর বর্ষিত হোক— অন্যথায়, যদি কোনো কোনো প্রখ্যাত ইমামগণের মধ্যে কিছু ত্রুটি থাকে, তবে আমাদের মাঝে রয়েছে দোষ আর দোষ। সুতরাং আমরা মহান আল্লাহর কাছে পদস্খলন থেকে সুরক্ষা প্রার্থনা করছি এবং মন্দ আমল থেকে তাঁর আশ্রয় চাচ্ছি।

আমি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি একটি জরুরি বিষয়ের প্রতি; তা হলো, বর্ণনাকারীর ওপর হুকুম প্রদান কখনো কখনো তাঁর বর্ণিত হাদিসসমূহের ব্যাপক অনুসন্ধান এবং হাদিসের গ্রন্থাবলিতে সেগুলোর সূত্র পরম্পরা পর্যালোচনার দাবি রাখে, যাতে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বর্ণনার আলোকে সেগুলো যাচাই করা যায় এবং তাঁর ভুলভ্রান্তিগুলো চেনা যায়। এটি গবেষণার এমন এক অনুষঙ্গ যা আমি সম্পন্ন করতে সক্ষম হইনি; কারণ মাত্র একজন বর্ণনাকারীর ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম, দীর্ঘ সময় এবং প্রচুর তথ্যসূত্রের দাবি রাখে। অথচ কিছু বর্ণনাকারীর ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য। তাই কখনো কখনো আপনি আমাকে কোনো বর্ণনাকারীর ওপর হুকুম প্রদানে বিরত থাকতে দেখবেন, কারণ বিষয়টি তাঁর বর্ণনাগুলোর ব্যাপক অনুসন্ধান এবং নির্ভরযোগ্যদের বর্ণনার সাথে তা যাচাই করার ওপর নির্ভরশীল। আবার কখনো আমি বর্ণনাকারীর বিষয়ে ইমামগণের উক্তি থেকে যা বোঝা যায়, কেবল তাঁদের সেই শব্দের আলোকে তাঁর হুকুম নির্ধারণে সাধ্যমতো চেষ্টা করি।

আরেকটি বিষয় হলো, কোনো বর্ণনাকারীর ওপর হুকুম প্রদান মানেই তাঁর সূত্রে বর্ণিত প্রতিটি হাদিসের ওপর হুকুম প্রদান নয়। কেননা, বর্ণনাকারীর মধ্যে এমন দুর্বলতা থাকতে পারে যা অন্য কোনো সূত্রের মাধ্যমে আসার কারণে শক্তিশালী হয়ে যায়, ইত্যাদি। এই কারণে বুখারি ও মুসলিমের কোনো বর্ণনাকারীর ব্যাপারে বর্ণিত কোনো ‘জারহ’ বা সমালোচনার ওপর নির্ভর করে তাঁদের বর্ণিত হাদিসকে দুর্বল বলা বৈধ নয়। কারণ তাঁদের নিকট হাদিসটি সহিহ। তাঁরা (আল্লাহ তাঁদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন) তাঁদের ‘সহিহ’ গ্রন্থদ্বয়ে এমন কোনো হাদিস সংকলন করেননি যা দলিল হিসেবে উপস্থাপনের যোগ্যতার নিচে অবস্থান করে। এই কারণেই আমরা গবেষণার পর ‘সহিহাইন’-এর কিছু হাদিসকে ‘হাসান’ স্তরের দেখতে পাই, অর্থাৎ যা ‘সহিহ’ স্তরের নিচে নেমে আসে। তবে এটি বর্ণনাকারীর অবস্থা সম্পর্কে আমাদের কাছে যা পৌঁছেছে তার ভিত্তিতে। কিন্তু তাঁদের নিকট তা ‘সহিহ’ স্তরেরই অন্তর্ভুক্ত; যেহেতু তাঁদের কাছে অন্যান্য সূত্র বিদ্যমান ছিল, যাঁদের থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁদের অবস্থা সম্পর্কে তাঁরা সম্যক অবগত ছিলেন এবং বর্ণনাকারীর ওপর হুকুম প্রদানে ও জারহ-তাদিলের মধ্যে অগ্রাধিকার নির্ধারণে তাঁদের নিজস্ব ইজতিহাদ রয়েছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই শাস্ত্রের বিচারে তাঁদের বক্তব্য অন্যদের তুলনায় অগ্রগণ্য, যে শাস্ত্রে তাঁরা হলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী পারদর্শী। তাঁরা ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে নন, তবে...
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٨)
قولهما هو المقدم والمعتمد، لِمَا علم من مكانتهما في الحديث وعلومه، وشدة احتياطهما وورعهما، وصحة منهجهما، ولكثرة المستخرجات على صحيحيهما حتى تأكدنا من ثبوت ما أخرجاه بالسند المتصل في كتابيهما، لتعدد الطرق تعدداً لا يدع مجالاً لتشكيك مشكك، والحمد لله رب العالمين.

وأعتذر عن عدم ذكر لفظة "الإمام" أو "الحافظ" في البحث مقرونة بأسماء الأئمة والعلماء والحفاظ، وذلك لتردد أسمائهم بكثرة كاثرة في الكتاب، مما دعاني إلى تجريد أسمائهم من ذلك فلا أخص أحداً دون أحد منهم بتلك الأوصاف عند ذكرهم، ولا أردد ذلك معهم جميعاً فأطيل وأمل.

وأسجل شكري الجزيل لكل من أعانني بشيء في البحث من أساتذتي الفضلاء وسواهم ممن ساعد برأي أو مرجعٍ أو أي صورة من صور المساعدة، وأسأله عز وجل أن يجزيهم خير الجزاء.
হাদিস এবং এর সংশ্লিষ্ট জ্ঞানসমূহে তাদের উভয়ের সুউচ্চ মর্যাদা, তাদের কঠোর সতর্কতা ও খোদাভীতি এবং তাদের কর্মপদ্ধতির সঠিকতার কারণে তাদের বক্তব্যই অগ্রগণ্য ও নির্ভরযোগ্য। এছাড়া তাদের সহীহ গ্রন্থদ্বয়ের ওপর রচিত 'মুস্তাখরাজ' সমূহের আধিক্যের কারণে তাদের কিতাবদ্বয়ে নিরবচ্ছিন্ন সনদে যা বর্ণিত হয়েছে তার সত্যতা আমাদের কাছে সুনিশ্চিত হয়েছে; কারণ এর সূত্রসমূহ এতই বহুবিধ যে তা কোনো সংশয়বাদীর সংশয়ের বিন্দুমাত্র অবকাশ রাখে না। সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

আমি এই গবেষণায় ইমাম, আলিম এবং হাফিজগণের নামের সাথে "ইমাম" বা "হাফিজ" শব্দগুলো উল্লেখ না করার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। বইটিতে তাদের নাম অত্যধিক বার আসার কারণে আমি তাদের নামসমূহ এসব উপাধি ছাড়াই উল্লেখ করতে বাধ্য হয়েছি, যাতে কাউকে এসব বিশেষণে বিশেষায়িত করে অন্যদের বাদ না দেওয়া হয় এবং সবার নামের ক্ষেত্রে এর পুনরাবৃত্তি করে আলোচনা দীর্ঘ ও বিরক্তিকর না করা হয়।

আমার সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং অন্য যারা এই গবেষণায় কোনো মতামত, তথ্যসূত্র বা যেকোনো প্রকার সাহায্যের মাধ্যমে আমাকে সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাদেরকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٨)
‌‌صحة نسبة هذه الرسالة للإمام الذهبي

…

التحقيق في نسبة هذه الرسالة للذهَبِيّ:

بعد البحث والنظر ثبت لدي أن هذه الرسالة "مَنْ تُكُلِّمَ فِيه وهو موثَّق أو صالح الحديث" للإمام الذهَبِيّ من غير شك.

والدليل على صحة نسبتها إليه ما يأتي:

1- لأنها نسبت في النسخ المخطوطة للذهَبِيّ دون خلاف بينها في ذلك.

2- ويؤكد هذه النسبة تعدد النسخ المخطوطة لهذه الرسالة، فنسخة في الهند، ونسخة في مصر، ونسخة في اليمن، ونسخة في مكة وأصلها من اليمن، ونسخة خامسة في الهند في المكتبة السعيدية.
ইমাম যাহাবীর প্রতি এই পুস্তিকাটির সম্বন্ধের বিশুদ্ধতা

…

যাহাবীর প্রতি এই পুস্তিকাটির সম্বন্ধের ব্যাপারে পর্যালোচনা:

অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার পর আমার নিকট কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়াই এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, "যাদের সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তিনি নির্ভরযোগ্য অথবা হাদীস বর্ণনায় উপযুক্ত" নামক এই পুস্তিকাটি ইমাম যাহাবীরই রচনা।

তাঁর প্রতি এর সম্বন্ধ বিশুদ্ধ হওয়ার দলীলসমূহ নিম্নরূপ:

১- কারণ, পাণ্ডুলিপিসমূহে কোনো প্রকার মতভেদ ছাড়াই এটি ইমাম যাহাবীর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে।

২- এই সম্বন্ধটিকে পুস্তিকাটির একাধিক পাণ্ডুলিপির উপস্থিতি সুদৃঢ় করে; যার একটি পাণ্ডুলিপি ভারতে, একটি মিশরে, একটি ইয়ামেনে, একটি মক্কায় (যার মূল উৎস ইয়ামেন থেকে) এবং পঞ্চম একটি পাণ্ডুলিপি ভারতের সাঈদিয়া লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٩)
وهذان الدليلان لا يكفيان وحدهما دليلاً؛ وذلك لتطرق الاحتمال إليهما، إلا إذا انضم إليهما ما يؤيدهما.

3- السند الذي كتب على النسخة الهندية "ارجع إليه في الكلام على النسخ"، وهو سند ينتهي إلى المؤلف وقد جاء ما يؤيده فصار معتبراً.

4- أسلوب الرسالة هو أسلوب المؤلف في كتبه الأخرى، وموضوعها -الجرح والتعديل- مما يكتب فيه المؤلف عادة.

5- إخبار الثقة المعاصر للمؤلف أن هذه الرسالة من مؤلفات الذهَبِيّ، وأنه كتبها بيده وقرأها على مؤلفها -وهذا وحده كافٍ- قال صلاح الدين خليل بن أيبك الصفدي - أحد تلاميذ الذهَبِيّ- في كتابه: "نَكْت الهميان في نُكَتِ العميان""1": في ترجمة الذهَبِيّ: "ومن تصانيفه: "تاريخ الإسلام" … و"الثلاثين البلدية" و"من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق"، وقد كتبتهما بخطي وقرأتهما عليه".

فأعتقد أنه لا يستزيد متثبت بعد هذه الشهادة والدليل السالم من الاحتمالات والظنون.

--------------------------------------------

1 ص242، مصر، المطبعة الجمالية سنة 1329هـ.
এই দুটি প্রমাণ এককভাবে দলিল হিসেবে যথেষ্ট নয়; কারণ এগুলোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন সম্ভাবনার অবকাশ রয়েছে, যদি না এগুলোর সাথে এমন কিছু যুক্ত হয় যা এদেরকে সমর্থন করে।

৩- ভারতীয় পাণ্ডুলিপির উপর লিখিত সনদ (পাণ্ডুলিপি সংক্রান্ত আলোচনায় এর প্রতি লক্ষ্য করুন), এটি এমন এক সনদ যা গ্রন্থকারের নিকট গিয়ে পৌঁছেছে এবং এটিকে সমর্থন করার মতো প্রমাণ পাওয়া গেছে, ফলে এটি গ্রহণযোগ্য সাব্যস্ত হয়েছে।

৪- এই পুস্তিকার শৈলী হলো গ্রন্থকারের অন্যান্য বইয়ের শৈলীর অনুরূপ, এবং এর বিষয়বস্তু—আল-জারহ ওয়াত-তা’দীল—এমন একটি বিষয় যা নিয়ে গ্রন্থকার সাধারণত লিখে থাকেন।

৫- গ্রন্থকারের সমসাময়িক কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির সংবাদ প্রদান যে, এই পুস্তিকাটি আয-যাহাবীর রচনাবলির অন্তর্ভুক্ত, এবং তিনি এটি নিজ হাতে লিখেছেন ও এর গ্রন্থকারকে পড়ে শুনিয়েছেন—আর এটিই যথেষ্ট—সালাহুদ্দীন খলীল বিন আইবাক আস-সাফাদী—যিনি আয-যাহাবীর অন্যতম ছাত্র—তাঁর ‘নাকতুল হিময়ান ফী নুকাতিল উমইয়ান’ (১) গ্রন্থে আয-যাহাবীর জীবনী আলোচনায় বলেছেন: "তাঁর সংকলনসমূহের মধ্যে রয়েছে: ‘তারীখুল ইসলাম’ ... এবং ‘আস-সালাছুনাল বালদিয়্যাহ’ ও ‘মান তুকুল্লিমা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক’, আমি এই দুটি আমার নিজ হাতে লিখেছি এবং তাঁর নিকট পাঠ করেছি।"

সুতরাং আমি বিশ্বাস করি যে, এই সাক্ষ্য এবং সকল প্রকার সম্ভাবনা ও সংশয়মুক্ত প্রমাণের পর কোনো সত্যানুসন্ধানী ব্যক্তি আর অতিরিক্ত কিছুর প্রয়োজন বোধ করবেন না।

--------------------------------------------

১ পৃষ্ঠা ২৪২, মিসর, আল-মাতবাআতুল জামালিয়্যাহ, ১৩২৯ হিজরি।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٩)
‌‌موضوع الرسالة:

الرسالة تتحدث عن جملة من الرواة الذين خرَّج لهم الأئمة الستة أو بعضهم، وجرحهم بعض أئمة الجرح والتعديل، سواء كان ذلك الجرح مؤثِّراً أو غير مؤثر. فالمذكورون فيها: منهم الثقة الذي لا يؤثر فيه الجرح، ومنهم

--------------------------------------------

1 ص242، مصر، المطبعة الجمالية سنة 1329هـ.
রিসালার বিষয়বস্তু:

এই রিসালাটি এমন একদল বর্ণনাকারী সম্পর্কে আলোচনা করে যাদের হাদীস ছয়জন ইমাম অথবা তাদের কেউ কেউ গ্রহণ করেছেন এবং জারহ ও তা’দীল শাস্ত্রের কতিপয় ইমাম তাদের সমালোচনা করেছেন, চাই সেই সমালোচনা প্রভাব বিস্তারকারী হোক বা না হোক। এতে যাদের উল্লেখ করা হয়েছে: তাদের মধ্যে কেউ এমন নির্ভরযোগ্য যাদের ক্ষেত্রে সমালোচনা কোনো প্রভাব ফেলে না, এবং তাদের মধ্যে...

--------------------------------------------

১. পৃষ্ঠা ২৪২, মিসর, আল-মাতবাআতুল জামালিয়্যাহ, ১৩২৯ হিজরি।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٠)
من فيه لين ما وحديثه حسن يحتج به أو يصلح للاعتبار.

وبعد البحث رأيت منهم من هو ضعيف وهو قليل، والغالب منهم ثقات.

وعدد رجال الرسالة صار عندي بعد مقابلة النسخ ببعضها 405 أربعمائة وخمسة رواة.

وبعد تتبعي لهم في "الميزان" وجدت الذهَبِيّ قد رمز في ترجمة 111 شخصاً إلى أن العمل على توثيقهم، وهذا الرمز هو "صح"، وهو يعني عند الذهَبِيّ أن العمل على توثيق الراوي"1".

--------------------------------------------

1 نقل ابن حجر عن الذهَبِيّ أنه قال: "إذا كتبت صح أول الاسم فهي إشارة إلى أن العمل على توثيق ذلك الرجل". لسان الميزان 1/9.

وقال ابن حجر في اللسان في أول تجريده للأسماء التي حذفها من الميزان: "ومن كتبت قبالته: صح"، فهو من تُكُلِّمَ فيه بلا حجة … " لسان الميزان 7/167.
যাদের মাঝে সামান্য শিথিলতা রয়েছে কিন্তু তাদের বর্ণিত হাদিস হাসান (উত্তম), তাদের দ্বারা দলিল গ্রহণ করা যাবে অথবা তারা বিবেচনার যোগ্য।

অনুসন্ধানের পর আমি দেখেছি যে তাদের মধ্যে কেউ কেউ যঈফ (দুর্বল), তবে তাদের সংখ্যা খুবই কম; আর তাদের অধিকাংশরাই নির্ভরযোগ্য।

পাণ্ডুলিপিগুলো একে অপরের সাথে মিলিয়ে দেখার পর আমার নিকট এই গ্রন্থের বর্ণনাকারীদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০৫ (চারশত পাঁচ) জনে।

"আল-মিজান" গ্রন্থে তাদের অনুসন্ধান করার পর আমি লক্ষ্য করেছি যে, যাহাবি ১১১ জন ব্যক্তির জীবনীর বর্ণনায় এই মর্মে সংকেত প্রদান করেছেন যে, তাদের নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার ওপর আমল বিদ্যমান। আর এই সংকেতটি হলো "সাহ্", যা যাহাবির নিকট বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার আমলকে নির্দেশ করে "১"।

--------------------------------------------

১. ইবনে হাজার আল-যাহাবি থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "যখন আমি নামের শুরুতে 'সাহ্' লিখি, তখন এটি উক্ত ব্যক্তিকে নির্ভরযোগ্য সাব্যস্ত করার আমলের প্রতি ইঙ্গিত করে।" লিসানুল মিজান ১/৯।

এবং ইবনে হাজার 'লিসান' গ্রন্থে, 'মিজান' থেকে তিনি যে নামগুলো বাদ দিয়েছেন তার সংক্ষিপ্ত তালিকার শুরুতে বলেছেন: "আর যার নামের বিপরীতে আমি 'সাহ্' লিখেছি, তিনি এমন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ ছাড়াই কথা বলা হয়েছে … " লিসানুল মিজান ৭/১৬৭।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٠)
‌‌منهج الذهبي في الرسالة:

وطريقة الذهَبِيّ في الكلام عن هؤلاء الرواة هو: أنه يذكر الاسم ثم يذكر حكمه في الراوي، وأَحياناً لا يحكم فيه، وإن اشتبه الراوي بغيره ميَّزه بذكر أحد شيوخه، وذلك قبل الحكم أو بعده، ثم يذكر قول إمام من الأئمة أو أكثر فيه، فإن احتاج الأمر إلى استدراك استدرك، أو احتاج إلى توجيه وجَّه بأقصر عبارة توصل إلى المطلوب، والغالب أنه يترك ذلك ويكتفي بحكمه فيه، واختصر حتى جاءت كثير من التراجم في حدود سطر أو سطرين، وهي مرتبة على حروف الهجاء، ترتيباً فيه تقديم وتأخير في الآخر خاصة، وتركته
রিসালায় আয-যাহাবীর মানহাজ (পদ্ধতি):

এই বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে আলোচনার ক্ষেত্রে আয-যাহাবীর পদ্ধতি হলো: তিনি প্রথমে নাম উল্লেখ করেন এবং এরপর বর্ণনাকারী সম্পর্কে তাঁর সিদ্ধান্ত প্রদান করেন, আবার কখনও কখনও তাঁর সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত দেন না; যদি বর্ণনাকারী অন্য কারো সাথে সদৃশ হওয়ার ফলে বিভ্রান্তির অবকাশ থাকে, তবে তিনি তাঁর একজন উস্তাদের নাম উল্লেখ করে তাঁকে পৃথক করে দেন, যা হয় সিদ্ধান্তের পূর্বে অথবা পরে; এরপর তাঁর বিষয়ে ইমামদের মধ্য থেকে একজন বা একাধিক ইমামের উক্তি উল্লেখ করেন; যদি বিষয়টি সংশোধন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, তবে তিনি তা করেন; অথবা যদি ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়, তবে উদ্দিষ্ট অর্থে পৌঁছানোর জন্য তিনি সংক্ষিপ্ততম শব্দ চয়ন করে ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তিনি তা পরিহার করেন এবং তাঁর প্রদানকৃত সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করেন। তিনি এতটাই সংক্ষেপ করেছেন যে, অনেক জীবনবৃত্তান্ত এক বা দুই লাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এটি বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসে সাজানো, বিশেষ করে শেষের দিকে বিন্যাসে কিছুটা আগে-পরে করা হয়েছে এবং আমি তা সেভাবেই রেখে দিয়েছি।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١١)
كما هو عليه، ووضعت في الآخر فهرساً صحيحاً على حروف المعجم.

وليس مقصود الذهَبِيّ بإيراد هؤلاء هو حصر من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق، لأن في "ميزان الاعتدال" وغيره من كتب الرجال رواةٌ غيرهم وثِّقوا ولُيِّنوا فكأن الحافظ الذهَبِيّ رحمه الله ذَكَرَ هنا الأشهر، وربما الأكثر، والله أعلم، ولا نريد أن نعطي المسألة أكثر مما تستحق فنطيل فيها مع أن النتيجة لا تستحق الإطالة، ومن شاء أن يتأكد فليتتبع كتب الرجال.
যেমনটি তা রয়েছে, এবং আমি শেষে বর্ণানুক্রমিক একটি সঠিক নির্ঘণ্ট যুক্ত করেছি।

এই ব্যক্তিদের উল্লেখ করার মাধ্যমে আয-যাহাবীর উদ্দেশ্য এমন ব্যক্তিদের সীমাবদ্ধ করা নয় যাদের ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তারা নির্ভরযোগ্য; কারণ "মিযানুল ইতিদাল" এবং রিজাল শাস্ত্রের অন্যান্য গ্রন্থে এঁরা ছাড়াও আরও এমন বর্ণনাকারী রয়েছেন যাদের নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে আবার দুর্বলও সাব্যস্ত করা হয়েছে। সুতরাং মনে হয় হাফেজ আয-যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) এখানে সর্বাধিক প্রসিদ্ধদের এবং সম্ভবত অধিকাংশদের উল্লেখ করেছেন, আর আল্লাহই ভালো জানেন। আমরা এই বিষয়টি তার প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দীর্ঘায়িত করতে চাই না, যদিও এর ফলাফল দীর্ঘ আলোচনার দাবি রাখে না; আর যে ব্যক্তি নিশ্চিত হতে চায়, সে যেন রিজাল শাস্ত্রের গ্রন্থসমূহ অনুসন্ধান করে।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١١)
‌‌الفرق بين هذه الرسالة ورسالة "الثقات":

بعد أن تبين موضوع الرسالة وصحة نسبتها للذهَبِيّ لابد أن أبين أن للذهَبِيّ رسالة أخرى طبعت "بمطبعة الظاهر في مصر سنة 1324هـ" بعنوان: "الثقات المتكلم فيهم بما لا يوجب ردهم".

وموضوع الرسالتين متقارب، وكثير من رجال هذه الرسالة أوردهم الذهَبِيّ في تلك الرسالة. وهنا أمران مهمان أريد أن أوضحهما:

فأحدهما: أن هذه الرسالة "من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق أو صالح الحديث" ليست هي الرسالة الآنفة الذكر: "الثقات المُتَكَلَّم فيهم بما لا يوجب ردهم"، وذلك للآتي:

1- حجم الرسالتين متفاوت فـ"من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق" أكبر من الرسالة الأخرى وعدد رجالها أكثر من عدد رجال الثانية فرجال الأولى 405 أشخاص -كما سبق- وعدد رجال الثانية: 96 شخصاً تقريباً بمن ذكرهم في مقدمتها.
এই রিসালাহ এবং "আস-সিকাত" রিসালাহ’র মধ্যকার পার্থক্য:

রিসালাহটির (পুস্তিকাটির) বিষয়বস্তু এবং আয-যাহাবীর প্রতি এর সম্বন্ধের বিশুদ্ধতা স্পষ্ট হওয়ার পর, আমাকে অবশ্যই এটি স্পষ্ট করতে হবে যে, আয-যাহাবীর অন্য একটি রিসালাহ রয়েছে যা ১৩২৪ হিজরিতে মিসরের "মাতবাআহ আজ-জহির" থেকে "আস-সিকাতুল মুতাকাল্লামু ফিহিম বিমা লা ইউজিবু রাদ্দাহুম" শিরোনামে মুদ্রিত হয়েছে।

উভয় রিসালাহর বিষয়বস্তু কাছাকাছি এবং এই রিসালাহর অনেক বর্ণনাকারীকে আয-যাহাবী ওই রিসালাহতেও উল্লেখ করেছেন। এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে যা আমি স্পষ্ট করতে চাই:

প্রথমটি হলো: এই রিসালাহ "মান তুকুল্লিমা ফিহি ওয়া হুয়া মুওয়াস্সাকুন আও সলিহুল হাদিস" পূর্বোক্ত "আস-সিকাতুল মুতাকাল্লামু ফিহিম বিমা লা ইউজিবু রাদ্দাহুম" রিসালাহটি নয়, এর কারণগুলো নিম্নরূপ:

১- উভয় রিসালাহর কলেবর ভিন্ন; "মান তুকুল্লিমা ফিহি ওয়া হুয়া মুওয়াস্সাক" রিসালাহটি অন্য রিসালাহটির চেয়ে বড় এবং এর বর্ণনাকারীর সংখ্যা দ্বিতীয়টির চেয়ে বেশি। প্রথমটির বর্ণনাকারী সংখ্যা ৪০৫ জন—যেমনটি পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে—এবং দ্বিতীয়টির বর্ণনাকারী সংখ্যা এর ভূমিকায় উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় ৯৬ জন।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٢)
2- مقدمة كل من الرسالتين تختلف عن الأخرى حجماً ومعنى، فالرسالة الأولى مقدمتها صفحة واحدة تقريباً، والرسالة الثانية مقدمتها طويلة

-وهي نفيسة ما رأيت مثلها-.

3- أسلوب الرسالتين في الترجمة للرواة مختلف، فالأولى أخذت جانب الاختصار والإشارة، أما الثانية فأطالت في كثير من الرواة لا سيما في المقدمة وفيما بعدها، ويظهر فيها أسلوب المناقشة بالحجة أكثر مما في الرسالة الأولى.

4- موضوع الرسالتين وإن تقارب إلا أنه مختلف، وسأوضح هذا أكثر في الأمر الثاني.

ثانيهما: أن بين الرسالتين فرقاً في الموضوع، وهو أن رجال الرسالة الثانية "الصغيرة" ثقات عند الذهَبِيّ، ولا يؤثر فيهم ما رُموا به من الطعن، لأنهم أئمة ثقات مشهورون، والطعن فيهم إنما صدر عن ضعيف، أو قول ضعيف لم يثبت، أو أنه قول لا يراد به رد رواية الراوي جملة وإنما في شيء مخصوص.

ويدل على ما ذكرته عنوان الرسالة نفسها: "الرواة الثقات المُتَكَلَّم فيهم بما لا يوجب ردَّهم". فهي في الثقات الذين جرحهم بعض الأئمة لكن لم يُقْبل منهم ذلك الجرح، وهذه الرسالة هي التي أعنيها بقولي دائما في الحاشية: "وذكره الذهَبِيّ في "الثقات" أو قال في "الثقات" أو "رسالة الثقات" أو نحو هذا.

أما الرسالة الأولى "هذه الرسالة" فهي أصلاً -كما سبق- في الرواة الذين جرحهم بعض الأئمة ووثقهم بعضهم، وهم نوعان: نوع ثقة لا يؤثر فيه ما
২- উভয় রিসালার (পুস্তিকা) ভূমিকা আয়তন এবং অর্থের দিক থেকে একে অপরের থেকে ভিন্ন। প্রথম রিসালাটির ভূমিকা প্রায় এক পৃষ্ঠা দীর্ঘ, আর দ্বিতীয় রিসালাটির ভূমিকা দীর্ঘ

—এবং এটি অত্যন্ত মূল্যবান, আমি এর মতো আর কিছু দেখিনি—।

৩- বর্ণনাকারীদের জীবনী আলোচনার ক্ষেত্রে উভয় রিসালার শৈলী ভিন্ন। প্রথমটি সংক্ষেপণ ও ইশারার পথ অবলম্বন করেছে, পক্ষান্তরে দ্বিতীয়টি অনেক বর্ণনাকারীর আলোচনায় দীর্ঘসূত্রতা অবলম্বন করেছে, বিশেষ করে ভূমিকা এবং তার পরবর্তী অংশে। আর এতে প্রথম রিসালার তুলনায় দলীল-প্রমাণের ভিত্তিতে পর্যালোচনার শৈলী অধিক প্রকাশ পেয়েছে।

৪- উভয় রিসালার বিষয়বস্তু কাছাকাছি হলেও তা ভিন্ন, আর আমি দ্বিতীয় পয়েন্টে এটি আরও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করব।

দ্বিতীয়ত: উভয় রিসালার বিষয়বস্তুর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তা হলো, দ্বিতীয় "ছোট" রিসালার বর্ণনাকারীরা আয-যাহাবীর নিকট নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), এবং তাদের প্রতি যে সমালোচনার তীর ছোঁড়া হয়েছে তা তাদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। কারণ তারা প্রখ্যাত নির্ভরযোগ্য ইমাম। তাদের ব্যাপারে যে সমালোচনা করা হয়েছে তা হয় কোনো দুর্বল ব্যক্তির পক্ষ থেকে এসেছে, অথবা তা এমন কোনো দুর্বল বক্তব্য যা প্রমাণিত নয়, অথবা তা এমন কোনো কথা যার উদ্দেশ্য বর্ণনাকারীর বর্ণনাকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করা নয় বরং নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ বিষয়ে করা হয়েছে।

আমি যা উল্লেখ করেছি তার প্রমাণ স্বয়ং রিসালাটির শিরোনাম: "সেই সকল নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী যাদের সম্পর্কে এমন কথা বলা হয়েছে যা তাদের বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করাকে আবশ্যক করে না"। সুতরাং এটি সেই সকল নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে যাদেরকে কিছু ইমাম জরাহ (সমালোচনা) করেছেন কিন্তু তাদের সেই জরাহ গ্রহণ করা হয়নি। আর এই রিসালাটিকেই আমি টীকাতে সর্বদা আমার এই বক্তব্যের মাধ্যমে বুঝিয়ে থাকি: "আয-যাহাবী একে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন" অথবা "তিনি 'আস-সিকাত' গ্রন্থে বলেছেন" অথবা "'রিসালাতুস সিকাত'" অথবা এই জাতীয় কিছু।

পক্ষান্তরে প্রথম রিসালাটি "এই রিসালা", এটি মূলত —যেমনটি পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে— সেই সকল বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে যাদেরকে কিছু ইমাম জরাহ করেছেন এবং কিছু ইমাম নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তারা দুই প্রকার: এক প্রকার হলো নির্ভরযোগ্য যাদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না যা...
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٣)
جرح به أو يؤثر في روايته مطلقاً، ونوع فيه لِين، ويؤثر فيه ذلك الجرح في حفظه أو غيره، فيجعله "حسن الحديث" أو "صالح الحديث".

وكأن الإمام الذهَبِيّ نظر في هذه الرسالة بعد تأليفها فاستخرج منها الثقات في الرسالة الأخرى، وأفصح عن حالهم ودافع عنهم بشدة، وهذا هو السبب في توافقهما في بعض الرجال، والله أعلم.
যার দ্বারা জরাহ (সমালোচনা) করা হয়েছে অথবা যা তার বর্ণনার ওপর ঢালাওভাবে প্রভাব ফেলে; এবং এমন এক প্রকারের শিথিলতা বা নমনীয়তা রয়েছে যাতে সেই জরাহ তার হিফয (স্মৃতিশক্তি) বা অন্য কোনো বিষয়ের ওপর প্রভাব ফেলে, ফলে তা তাকে 'হাসানুল হাদিস' বা 'সালিহুল হাদিস' পর্যায়ে নিয়ে যায়।

আর এমনটি মনে হয় যে, ইমাম যাহাবী এই রিসালাটি রচনার পর এটি পুনরায় পাঠ করেছেন এবং এর থেকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অন্য একটি রিসালায় চয়ন করেছেন, তাদের অবস্থা স্পষ্ট করেছেন এবং জোরালোভাবে তাদের পক্ষ সমর্থন করেছেন। আর এটিই হলো কিছু বর্ণনাকারীর ক্ষেত্রে উভয় রিসালার মধ্যে মিল থাকার কারণ। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌النُّسَخُ المطبوعة مِن الرسالة:

لم يكن هناك أيُّ نسخةٍ مطبوعة وقت تحقيقي لهذه الرسالة. ولكن، بعد سنوات من تحقيقي لها ظهرتْ طبعتان لها، وهما:

- طَبْعَةٌ بعنوان: "معرفة الرواة المتكلم فيهم بما لا يوجب ردهم"، تحقيق أبي عبد الله إبراهيم سعيداي إدريس"1".

وبلغ عدد الرواة في هذه الطبعة "396" "ثلاث مئة وستة وتسعين راوياً".

قلت: وهذه الطبعة قد خَلَطَ فيها المحقق بين رسالتين مختلفتين، هما: "من تُكُلِّم فيه وهو موثَّق أو صالح الحديث" و"الرواة الثقات المتكلَّم فيهم بما لا يوجب ردّهم"، وقلّد في هذا الخطأ د. بشار عواد"2"، ويبدو أنه حذف بعض الرواة، أو ما أدري ما صنع حتى جعل العدد موافقاً لمجموع الرواة في "الرواة الثقات المتكَلَّم فيهم بما لا يوجب ردّهم"!. وهذا كله يُسْقِط الاعتماد على هذه الطبعة. والله المستعان.

--------------------------------------------

1 بيروت، دار المعرفة، ط. الأولى 1406هـ-1986م.

2 يُنظر: مقدمة المحقق، ص 26، حيث نصّ على ذلك.
রিসালাহটির মুদ্রিত সংস্করণসমূহ:

এই রিসালাহটির তাহকীক (সম্পাদনা) করার সময় এর কোনো মুদ্রিত সংস্করণ ছিল না। তবে আমার তাহকীকের কয়েক বছর পর এর দুটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো হলো:

- একটি সংস্করণ যার শিরোনাম: "মা'রিফাতুর রুওয়াত আল-মুতাকাল্লাম ফিহিম বিমা লা ইউজিবু রাদ্দাহুম" (যে সকল বর্ণনাকারীর সমালোচনা করা হয়েছে কিন্তু তা তাদের প্রত্যাখ্যান করাকে আবশ্যক করে না), আবু আবদুল্লাহ ইব্রাহীম সা'ইদাই ইদরিস-এর তাহকীক "১"।

এই সংস্করণে বর্ণনাকারীর সংখ্যা "৩৯৬" "তিনশ ছিয়ানব্বই জন" পর্যন্ত পৌঁছেছে।

আমি বলি: এই সংস্করণে তাহকীককারী দুটি ভিন্ন রিসালাহর মধ্যে সংমিশ্রণ করে ফেলেছেন, সেগুলো হলো: "মান তুকুল্লিমা ফিহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক আও সালিহুল হাদিস" (যাদের সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তিনি নির্ভরযোগ্য বা হাদিসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য) এবং "আর-রুওয়াতুস সিকাত আল-মুতাকাল্লাম ফিহিম বিমা লা ইউজিবু রাদ্দাহুম" (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী যাদের সমালোচনা করা হয়েছে কিন্তু তা তাদের প্রত্যাখ্যান করাকে আবশ্যক করে না)। এই ভুলের ক্ষেত্রে তিনি ড. বাশার আওয়াদকে "২" অনুসরণ করেছেন। মনে হচ্ছে তিনি কিছু বর্ণনাকারীকে বাদ দিয়েছেন, অথবা আমি জানি না তিনি কী করেছেন যার ফলে সংখ্যাটি "আর-রুওয়াতুস সিকাত আল-মুতাকাল্লাম ফিহিম বিমা লা ইউজিবু রাদ্দাহুম"-এর মোট বর্ণনাকারী সংখ্যার সাথে হুবহু মিলে গেছে! এই সব কিছুই এই সংস্করণের ওপর নির্ভরতাকে বাতিল করে দেয়। আল্লাহই সাহায্যকারী।

--------------------------------------------

১ বৈরুত, দারুল মা'রিফাহ, ১ম সংস্করণ ১৪০৬ হি.-১৯৮৬ খ্রি.।

২ দ্রষ্টব্য: তাহকীককারীর ভূমিকা, পৃষ্ঠা ২৬, যেখানে তিনি এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٤)
- طَبْعَةٌ بعنوان: "ذِكْرُ أسماء من تُكُلِّم فيه وهو موثَّق"، تحقيق وتعليق محمد شكور بن محمود الحاجي أمرير المياديني"1".

وقد اعتمد على نسختين خطِّيّتين أصلهما نسخة واحدة"2"، وهي نسخة المكتبة الآصفية بالهند برقم 59/ رجال، التي اعتمدتُ في تحقيقي على النسخة المنقولة منها، ورمزتُ لها بالحرف "م".

وبَلَغ عدد الرواة في هذه الطبعة "401" "أربعمائة راوٍ، وراوٍ واحد".

وقد أخرج المحقق النص، وعلق حواشيَ على الرواة بذكر ألفاظ الجرح والتعديل الواردة فيهم، ولم يرجّح الراجح في شأنهم، ووقع في هذه الطبعة بعض الأخطاء المطبعية.

ومما يلاحَظ أنّ هاتين الطبعتين صَدَرتا في عامٍ واحد!.

قلت: وبعد اطّلاعي على هاتين الطبعتين من الرسالة تأكد لي عدم إجزائهما عن إخراج تحقيقي للرسالة، هذا على الرغم من أنني حققتها ونوقشت قبل خروج هاتين الطبعتين بنحو ثمان سنين، وأحجمت عن الطباعة، وسُرِرْتُ أوّل الأمر حينما رأيت هاتين الطبعتين، وقلت في نفسي: الحمد لله قد سَقَطَ عَنِّي الواجب تجاه نشر الرسالة؛ ظنّاً من أن ذلك يعفيني من طباعتها، وتمنيتُ لو كان الأمر على ما ظننت لأول وهلة.

--------------------------------------------

1 الأردن، مكتبة المنار، ط. 1، 1406هـ-1986م.

2 يُنظر، ص 6 من مقدمة المحقق.
"যাদের ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তারা নির্ভরযোগ্য—তাদের নামসমূহের উল্লেখ" শিরোনামের একটি সংস্করণ; এটি সম্পাদনা ও টীকা প্রদান করেছেন মুহাম্মদ শাকুর বিন মাহমুদ আল-হাজি আমরির আল-মায়াদিনি "১"।

তিনি দুটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছেন যার মূল উৎস মূলত একটিই "২"; আর সেটি হলো ভারতের আসফিয়া লাইব্রেরির ৫৯/রিজাল নম্বরের পাণ্ডুলিপি। আমি আমার সম্পাদনায় এই পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি এবং একে "ম" বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করেছি।

এই সংস্করণে বর্ণনাকারীদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে "৪০১" (চারশত এক) জন।

সম্পাদক মূল পাঠটি উপস্থাপন করেছেন এবং বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে বর্ণিত 'জারহ ও তা'দিল' (সমালোচনা ও গুণকীর্তন) এর শব্দগুলো উল্লেখ করে পাদটীকা যুক্ত করেছেন। তবে তিনি তাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্তমূলক মতকে প্রাধান্য দেননি এবং এই সংস্করণে কিছু মুদ্রণজনিত ত্রুটি রয়ে গিয়েছে।

লক্ষণীয় বিষয় হলো, এই দুটি সংস্করণ একই বছরে প্রকাশিত হয়েছে!

আমি বলছি: পুস্তিকাটির এই দুটি সংস্করণ দেখার পর আমার কাছে এটি নিশ্চিত হয়েছে যে, আমার সম্পাদিত সংস্করণটি প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা এর মাধ্যমে ফুরিয়ে যায়নি। যদিও আমি এটি উক্ত দুটি সংস্করণ প্রকাশের প্রায় আট বছর আগেই সম্পাদনা শেষ করেছি এবং এটি আলোচিত হয়েছে, কিন্তু আমি তা মুদ্রণ করা থেকে বিরত ছিলাম। শুরুতে যখন আমি এই দুটি সংস্করণ দেখলাম, তখন আনন্দিত হয়েছিলাম এবং মনে মনে বলেছিলাম: আলহামদুলিল্লাহ, পুস্তিকাটি প্রকাশের দায়িত্ব থেকে আমি অব্যাহতি পেলাম; এই ভেবে যে এটি আমাকে মুদ্রণের ঝামেলা থেকে মুক্তি দেবে। আমি কামনা করেছিলাম বিষয়টি যদি তেমনই হতো যা আমি প্রথম দর্শনে ভেবেছিলাম।

--------------------------------------------

১ জর্ডান, মাকতাবাতুল মানার, ১ম সংস্করণ, ১৪০৬ হিজরি-১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দ।

২ সম্পাদকের ভূমিকার ৬ নং পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٥)
أَمَا وقد انعكس الأمر بعد اطّلاعي على ذلك؛ إذْ كان سبباً لتحريك همتي نحو نشر الرسالة للسبب الذي سأُوضِّحه قريباً، ثم سُررتُ أوّل ما رأيت كلاًّ من الطبعتين.

ويتعين -مع هذا- التأكيد على أمرٍ مهمٍ بشأن ترجيحي في بيان حال الرواة، وهو أنه رأيٌ أرجو أن يُتأكّد من مدى صوابه، قبل الاعتماد عليه في حال الرواة.

الحقيقة أنني ما كنت راغباً في نشر هذه الرسالة بتحقيقي؛ ولذلك لِعِظَمِ المسؤولية في ذلك؛ حيث فيها بعض الرواة المتفردين برواية بعض الأحاديث، فيتوقف قبول تلك الأحاديث، أو ردّها، على ما أُرجِّحه في حال ذلك الراوي.

أسأل الله تعالى أن يعفو عن الزلات، ويوفقنا ويُسدِّدنا، إنه وليُّنا، القادر على كل شيء.

نُسَخُ الرِّسَالَةِ:

النسخ التي اعتمدتها في المقابلة أربع نسخ:

الأولى: في الهند.

الثانية: في مصر "القاهرة".

الثالثة: في اليمن.

الرابعة: في مكة.

وهذه صورة وصفية موجزة عن كل نسخة على الترتيب:
বস্তুত, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর ব্যাপারটি উল্টো হয়ে গেছে; কারণ এটি শীঘ্রই যে কারণটি আমি স্পষ্ট করব, সেই কারণে রিসালাহটি (পুস্তিকাটি) প্রকাশের দিকে আমার উদ্যমকে উৎসাহিত করার মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারপর উভয় মুদ্রণ দেখার পর আমি প্রথমে আনন্দিত হয়েছিলাম।

এর সাথে রাবীদের (বর্ণনাকারীদের) অবস্থা বর্ণনায় আমার পছন্দের (বিশ্লেষণের) বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত করা আবশ্যক, আর তা হলো—এটি এমন একটি মতামত যার সঠিকতার মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার আশা করি, রাবীদের অবস্থার ক্ষেত্রে এর ওপর নির্ভর করার আগে।

সত্য কথা হলো, আমি আমার তাহকীকসহ (সম্পাদনা ও গবেষণা) এই রিসালাহটি প্রকাশ করতে ইচ্ছুক ছিলাম না; এর কারণ হলো এর দায়িত্বের গুরুত্ব। কেননা এতে এমন কিছু রাবী রয়েছেন যারা কিছু হাদীস বর্ণনায় একক, ফলে সেই হাদীসগুলো গ্রহণ করা বা প্রত্যাখ্যান করা নির্ভর করে সেই রাবীর অবস্থার ব্যাপারে আমার পছন্দের (বিশ্লেষণের) ওপর।

আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের পদস্খলনসমূহ ক্ষমা করেন এবং আমাদের তাওফীক দান করেন ও সঠিক পথে পরিচালিত করেন; নিশ্চয়ই তিনি আমাদের অভিভাবক এবং সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

রিসালাহটির পাণ্ডুলিপিসমূহ:

পাঠ মিলিয়ে দেখার ক্ষেত্রে আমি যে পাণ্ডুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করেছি তা সংখ্যায় চারটি:

প্রথমটি: ভারতে।

দ্বিতীয়টি: মিশরে "কায়রো"।

তৃতীয়টি: ইয়েমেনে।

চতুর্থটি: মক্কায়।

নিম্নে ক্রম অনুযায়ী প্রতিটি পাণ্ডুলিপির একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনামূলক চিত্র তুলে ধরা হলো:
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٦)
النسخة الأولى: ورمزت لها بالرمز " م ":

وتوجد في مكتبة الآصفية بالهند برقم /59/ رجال، وقد تحول اسم هذه المكتبة الآن إلى "المكتبة الشرقية للمخطوطات ومعهد البحوث"، وتتكون من 36 ورقة مع ورقة العنوان، في كل ورقة 23 سطراً، في كل سطر ما بين عشر كلمات إلى إحدى عشرة، وحروفها متوسطة الحجم، واضحة الكتابة، معجمة الحروف إلا نادراً، وفيها أخطاء وتصحيفات وليست بكثيرة.

وهي أول نسخة حصلت عليها بدلالة الشيخ الفاضل محمود الميرة، جزاه الله خيراً، وكان حصولي على هذه النسخة هو سبب اختياري تحقيقها.

وفيها كُتب فوق اسم كل راوٍ الرمز لمن خرج له من المحدثين "الأئمة الستة"، وظهر غالب هذه الرموز في التصوير، فما أثبته من هذه الرموز في "الأصل" إنما هو عن هذه النسخة غالباً لهذا السبب.

وكُتبت هذه النسخة سنة 1311هـ في غرة ذي الحجة عن أصل قديم كتب عليه سند روايته عن المؤلف رحمه الله. ولم يظهر لي تاريخ كتابة أصلها القديم الذي نقلت عنه.

وهذا سند روايتها عن المؤلف كما هو منقول في آخرها عن ذلك الأصل:

"أروي هذا الكتاب بالإجازة عن شيخنا عبد الخالق بن أبي بكر الزبيدي عن الحسن بن علي بن يحيى عن البرهان إبراهيم بن محمد الميموني عن"1".. محمد بن أحمد بن حمزة الأنصاري عن أبيه عن الشمس محمد بن عبد الرحمن

--------------------------------------------

1 هنا لفظة لم أحسن قراءتها كأنها: "الشمس".
প্রথম পাণ্ডুলিপি: আমি একে "ম" প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি:

এটি ভারতের আসিফিয়া লাইব্রেরিতে '৫৯/রিজাল' নম্বরে সংরক্ষিত আছে। বর্তমানে এই লাইব্রেরির নাম পরিবর্তন করে "ওরিয়েন্টাল ম্যানুস্ক্রিপ্ট লাইব্রেরি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট" রাখা হয়েছে। এটি শিরোনামের পাতাসহ মোট ৩৬টি পাতা নিয়ে গঠিত। প্রতি পাতায় ২৩টি লাইন এবং প্রতি লাইনে দশ থেকে এগারোটি করে শব্দ রয়েছে। এর অক্ষরগুলো মাঝারি আকৃতির, স্পষ্ট হস্তাক্ষর এবং কদাচিৎ ব্যতিরেকে হরফগুলো নুকতাযুক্ত। এতে কিছু ভুল ও বর্ণবিকৃতি রয়েছে, তবে তা সংখ্যায় খুব বেশি নয়।

এটিই প্রথম পাণ্ডুলিপি যা আমি শ্রদ্ধেয় শাইখ মাহমুদ আল-মিরাহ—আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন—এর নির্দেশনায় লাভ করেছি। এই পাণ্ডুলিপিটি পাওয়াই ছিল আমার এটি সম্পাদনা (তাহকিক) করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল কারণ।

এতে প্রত্যেক বর্ণনাকারীর নামের ওপর মুহাদ্দিসগণের মধ্য থেকে যারা তাঁর হাদিস বর্ণনা করেছেন (ছয় ইমাম), তাঁদের নামের প্রতীক চিহ্ন লিখে দেওয়া হয়েছে। ফটোস্ক্যানে এই প্রতীকগুলোর অধিকাংশই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এই কারণেই আমি "মূল পাঠে" (আসল) যে প্রতীকগুলো সাব্যস্ত করেছি, তা মূলত এই পাণ্ডুলিপি থেকেই গৃহীত।

এই পাণ্ডুলিপিটি ১৩১১ হিজরি সনের জিলহজ মাসের শুরুতে একটি প্রাচীন মূল পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা হয়েছে, যাতে লেখক (রহিমাহুল্লাহ) পর্যন্ত বর্ণনার সনদ লিপিবদ্ধ ছিল। তবে যে প্রাচীন মূল থেকে এটি নকল করা হয়েছে, তার সঠিক লিখনকাল আমার কাছে স্পষ্ট হয়নি।

সেই মূল পাণ্ডুলিপির শেষে লেখক পর্যন্ত যেভাবে এই কিতাবের বর্ণনার সনদটি উদ্ধৃত হয়েছে তা নিম্নরূপ:

"আমি আমাদের শাইখ আব্দুল খালিক বিন আবি বকর আয-যাবিদি-এর নিকট থেকে ইজাজতসূত্রে এই কিতাবটি বর্ণনা করছি, তিনি আল-হাসান বিন আলী বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি বুরহান ইব্রাহিম বিন মুহাম্মাদ আল-মাইমুনি থেকে, তিনি '১'.. মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হামজাহ আল-আনসারি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আশ-শামস মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান থেকে..."

--------------------------------------------

১. এখানে একটি শব্দ রয়েছে যা আমি ভালোভাবে পড়তে পারিনি, সম্ভবত শব্দটি: "আশ-শামস"।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٧)
العامري"1" عن الحافظ [أبي] "2" الفضل العسقلاني عن عبد الرحمن بن الذهَبِيّ عن أبيه، فذكره، وكتبه محمد مرتضى الحسيني حامداً مصلياً مسلماً. تمت على يد أفقر الورى وأحوجهم إلى ربه المنان محمد سليمان، فَتَحَ الله عليه، آمين".

وعلق على هذا الناسخ بقوله:

"هذه العبارة نقلناها بحروفها من النسخة العتيقة التي نقلنا منها هذه النسخة في غرة ذي الحجة سنة 1311هـ" وهذه النسخة تحمل عنوان: "ذكر أسماء من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق للحافظ الذهَبِيّ".

النسخة الثانية: ورمزت لها بالرمز " ز ".

وتوجد في القاهرة بمكتبة الأزهر برقم /160/ مصطلح. وعدد أوراقها 48 ورقة مع ورقة العنوان، في كل ورقة 19 سطراً، في السطر الكامل ما بين عشر كلمات إلى إحدى عشر كلمة. وهي واضحة الخط، وفيها أخطاء وتصحيفات، وليست بكثيرة، وتماثل النسخة الأولى في مقدار الأخطاء تقريباً، وكثيرا ما تتحدان في التصحيفات، على ما يلاحظ في فروق النسخ التي ذكرتها في الحاشية.

وتاريخ كتابتها 15 من رمضان سنة 1323هـ.

وكتب فيها بجوار البسملة في البداية: "كتبت هذه النسخة من نسخة

--------------------------------------------

1 قراءتها في الأصل تحتمل غير "العامري".

2 في المخطوط "ابن"، وهو الحافظ ابن حجر.
আল-আমিরি "১" হাফেজ [আবু] "২" ফজল আল-আসকালানি থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আল-জাহাবি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন এবং এটি লিখেছেন মুহাম্মদ মুরতাজা আল-হুসাইনি, আল্লাহর প্রশংসা, দুরুদ ও সালাম সহকারে। এটি সম্পন্ন হয়েছে সৃষ্টির সবচেয়ে অভাবী এবং তাঁর দাতা রবের প্রতি মুখাপেক্ষী মুহাম্মদ সুলাইমানের হাতে, আল্লাহ তাকে বিজয় দান করুন, আমিন।

এবং এই লিপিকার এর উপর মন্তব্য করে বলেছেন:

"এই বক্তব্যটি আমরা হুবহু সেই প্রাচীন পাণ্ডুলিপি থেকে উদ্ধৃত করেছি যেখান থেকে আমরা এই পাণ্ডুলিপিটি ১৩১১ হিজরির জিলহজ মাসের শুরুতে নকল করেছি।" এবং এই পাণ্ডুলিপিটির শিরোনাম হলো: "হাফেজ আয-জাহাবি কর্তৃক সংকলিত এমন ব্যক্তিদের নামের আলোচনা যাদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তারা নির্ভরযোগ্য"।

দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি: আমি এটিকে "যা" বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করেছি।

এটি কায়রোর আল-আযহার লাইব্রেরিতে ১৬০ নম্বর (পরিভাষা বিভাগ) এর অধীনে সংরক্ষিত আছে। এর পাতার সংখ্যা শিরোনামের পাতাসহ ৪৮ পাতা, প্রতি পাতায় ১৯টি করে লাইন এবং প্রতিটি পূর্ণ লাইনে দশ থেকে এগারোটি শব্দ রয়েছে। এর হস্তাক্ষর স্পষ্ট, এতে কিছু ভুল এবং শব্দগত বিভ্রান্তি রয়েছে, তবে তা খুব বেশি নয়। ভুলের পরিমাণের দিক থেকে এটি প্রায় প্রথম পাণ্ডুলিপির অনুরূপ এবং অনেক সময় শব্দগত বিভ্রান্তির ক্ষেত্রে উভয় পাণ্ডুলিপি এক হয়ে যায়, যা আমি পাদটীকায় পাণ্ডুলিপিগুলোর পার্থক্যের বিবরণে উল্লেখ করেছি।

এর অনুলিপি করার তারিখ ১৩২৩ হিজরির ১৫ রমজান।

এবং এর শুরুতে বিসমিল্লাহর পাশে লেখা আছে: "এই পাণ্ডুলিপিটি সেই পাণ্ডুলিপি থেকে লেখা হয়েছে...

--------------------------------------------

১. মূল পাঠে এটি 'আল-আমিরি' ব্যতীত অন্য কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

২. পাণ্ডুলিপিতে 'ইবনে' রয়েছে, আর তিনি হলেন হাফেজ ইবনে হাজার।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٨)
عتيقة ضعيفة الحروف بخط مؤلفها الحافظ الذهَبِيّ تاريخها سنة أربعين وسبعمائة".

وكتب على صفحة العنوان أيضاً: "كتبت هذه النسخة من نسخة بخط المؤلف تاريخها سنة 740هـ".

وكتب في الختام أيضاً: "النسخة المباركة من نسخةٍ صحيحة عليها خط المؤلف تاريخها سنة 740هـ على يد أفقر الورى سويعي بن أحمد العدوي غفر الله ذنوبه وستر في الدارين عيوبه ووالديه وجميع المسلمين بتاريخ 15 رمضان المعظم سنة 1323هـ ثلاثة وعشرين وثلاثمائة وألف من هجرته عليه السلام".

ويغلب على ظني أن أصل هذه النسخة الذي نقلت منه هو الأصل الذي نقلت منه النسخة الأولى "الهندية" أيضاً لما يأتي:

1- لتوافق النسختين "الأولى والثانية" في غالب التصحيفات، أما ما اختلفتا فيه فيرجع إلى اختلاف تصحيف الناسخين أو تفسيرهما للحروف الضعيفة في الأصل.

2- لأن في سند رواية النسخة الأولى الإمام أبا الفضل ابن حجر العسقلاني، وهو قد كان نازلاً في مصر، فدل على أن أصل النسخة الهندية من مصر أو حولها.

3- لأن كلا النسختين أشير في كل واحدة إلى أنها نقلت من نسخة عتيقة، فكل ما في الأمر أن النسخة الأولى لم يذكر فيها أن أصلها بخط المؤلف، وأن النسخة الثانية لم ينقل فيها سند الرواية، والله أعلم.

إلا أنه يعترضني في هذا الظن عنوان النسختين، فالثانية تحمل عنوان: "من
প্রাচীন এবং অস্পষ্ট অক্ষরের, যা এর লেখক হাফিজ আয-যাহাবির হস্তলিপিতে লিখিত, এর তারিখ সাতশত চল্লিশ হিজরি।

শিরোনামের পৃষ্ঠায় আরও লেখা আছে: "এই কপিটি লেখকের হস্তলিপিতে লিখিত একটি কপি থেকে প্রতিলিপি করা হয়েছে যার তারিখ ৭৪০ হিজরি।"

সমাপ্তিতে আরও লেখা আছে: "এই বরকতময় কপিটি লেখকের হস্তলিপি সম্বলিত একটি সঠিক কপি থেকে সংগৃহীত যার তারিখ ৭৪০ হিজরি। এটি সম্পন্ন হয়েছে সৃষ্টিজগতের মধ্যে সর্বাপেক্ষা মুখাপেক্ষী সুওয়াই বিন আহমাদ আল-আদাওয়ির হাতে, আল্লাহ তার গুনাহ ক্ষমা করুন এবং উভয় জাহানে তার, তার পিতামাতার ও সকল মুসলিমের দোষত্রুটি গোপন রাখুন; তারিখ ১৫ রমজানুল মোয়াজ্জাম, ১৩২৩ হিজরি, তাঁর (রাসূলের) হিজরতের এক হাজার তিনশত তেইশ বছর, তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।"

আমার প্রবল ধারণা এই যে, এই কপির মূল উৎস যেখান থেকে এটি প্রতিলিপি করা হয়েছে, সেটিই সেই মূল উৎস যেখান থেকে প্রথম "ভারতীয়" কপিটিও প্রতিলিপি করা হয়েছিল। এর কারণগুলো নিম্নরূপ:

১- অধিকাংশ লিপিক্রমিক ভুলের ক্ষেত্রে উভয় কপির (প্রথম ও দ্বিতীয়) মধ্যে মিল থাকা; আর যে বিষয়গুলোতে তাদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে, তা মূলত প্রতিলিপিকারীদের নিজস্ব লিপিক্রমিক ভুলের ভিন্নতা অথবা মূল কপির অস্পষ্ট অক্ষরগুলোর ব্যাখ্যার পার্থক্যের কারণে হয়েছে।

২- কারণ প্রথম কপির বর্ণনাসূত্রে ইমাম আবুল ফাদল ইবনে হাজার আল-আসকালানি রয়েছেন, আর তিনি মিসরে অবস্থান করতেন। এটি নির্দেশ করে যে, ভারতীয় কপির মূল উৎস মিসর বা এর আশপাশের কোনো এলাকা থেকে সংগৃহীত।

৩- কারণ উভয় কপির প্রতিটিতেই এই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, এগুলো একটি প্রাচীন কপি থেকে প্রতিলিপি করা হয়েছে। মূল পার্থক্য হলো এই যে, প্রথম কপিতে এর মূল উৎসটি লেখকের হস্তলিপি হওয়ার কথা উল্লেখ নেই, আর দ্বিতীয় কপিতে বর্ণনাসূত্রটি উল্লেখ করা হয়নি, আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

তবে এই ধারণার ক্ষেত্রে উভয় কপির শিরোনাম আমার সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, কারণ দ্বিতীয়টির শিরোনাম হলো: "থেকে...
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ١٩)
تُكُلِّمَ فيه وهو موثق أو صالح الحديث" فلا أدري كيف حدث هذا الاختلاف في العنوان إن كان أصلهما واحداً، هل سها كاتب النسخة الأولى عن نقل لفظة: "أو صالح الحديث"؟ ربما.

النسخة الثالثة: ورمزت لها بالرمز "ي":

وتوجد في صنعاء اليمن في مكتبة الإمام يحيى بمكتبة الجامع الكبير، بدون رقم لأنني عندما زرتها كانت ألغيت الفهرسة القديمة ولَمّا توضع أرقام جديدة للكتب"1" وعدد أوراق هذه النسخة 13 ورقة أي 26 صفحة، متوسطة الحجم، الصفحة الأولى للعنوان، وفي كل صفحة 23 سطرا، وفي كل سطر 12 كلمة تقريباً.

وخطها عريض، بين الرقعة والنسخ، وهو خط واضح، وفيها أخطاء وتصحيفات، وكثير من الكلمات غير معجمة.

وهي في مجموعٍ، وعنوانها كما يأتي: "الجزء فيه من تُكُلِّمَ فيه وهو

--------------------------------------------

1 وهذا تصرف سيء، ويظهر أنه ليس من متخصصين، وإلا لم يَضْربوا على الأرقام القديمة، لأن الأرقام القديمة هي التي عند الناس، وكنت نقلت رقم نسختين في هذه المكتبة عن أوراق الشيخ محمود الميرة عندما سافر لها، وبسبب هذا التصرف رجعت من اليمن ولم أتمكن من الاطلاع على النسختين برقمهما الذي في يدي، إلا واحدة عثرنا عليها بعد تقليب الكتب بمساعدة الشيخ محمد الأكوع، جزاه الله خيراً، ولم أستطع تصويرها، واكتفيت بالمقابلة عليها.

وبهذه المناسبة أقدم شكري الجزيل للإخوة الأعزاء الذين ساعدوني في ذلك، في اليمن وفي خارج اليمن.
"যাদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তারা নির্ভরযোগ্য অথবা হাদিস বর্ণনায় যোগ্য"—আমি জানি না শিরোনামে এই পার্থক্য কীভাবে ঘটল যদি উভয় পাণ্ডুলিপির উৎস এক হয়ে থাকে। প্রথম পাণ্ডুলিপির লেখক কি "অথবা হাদিস বর্ণনায় যোগ্য" শব্দগুচ্ছটি নকল করতে ভুলে গিয়েছেন? সম্ভবত।

তৃতীয় পাণ্ডুলিপি: আমি এটিকে "ইয়া" প্রতীক দিয়ে চিহ্নিত করেছি:

এটি ইয়ামেনের সানায় জামেউল কবির গ্রন্থাগারের ইমাম ইয়াহইয়া লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। এর কোনো নম্বর নেই, কারণ আমি যখন সেখানে গিয়েছিলাম তখন পুরনো সূচিপত্র বাতিল করা হয়েছিল এবং বইগুলোর জন্য নতুন নম্বর তখনও দেওয়া হয়নি "১"। এই পাণ্ডুলিপির পত্রসংখ্যা ১৩টি অর্থাৎ ২৬ পৃষ্ঠা, যা মাঝারি আকারের। প্রথম পৃষ্ঠাটি শিরোনামের জন্য নির্ধারিত, প্রতি পৃষ্ঠায় ২৩টি লাইন রয়েছে এবং প্রতি লাইনে প্রায় ১২টি করে শব্দ আছে।

এর হস্তাক্ষর স্থূল, যা রুক'আ এবং নাসখ লিপির মাঝামাঝি। এটি স্পষ্ট হস্তাক্ষর, তবে এতে কিছু ভুল ও বর্ণবিভ্রাট রয়েছে এবং অনেক শব্দ নুকতাবিহীন।

এটি একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত এবং এর শিরোনাম নিম্নরূপ: "সেই অংশ যাতে তাদের নাম রয়েছে যাদের সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তিনি..."

--------------------------------------------

১. এটি একটি মন্দ কাজ, এবং মনে হয় এটি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা সম্পাদিত হয়নি। অন্যথায় তারা পুরনো নম্বরগুলো কেটে দিতেন না, কারণ পুরনো নম্বরগুলোই মানুষের কাছে পরিচিত ছিল। আমি শেখ মাহমুদ আল-মিরাহ যখন সেখানে সফর করেছিলেন তখন তার নোট থেকে এই লাইব্রেরির দুটি পাণ্ডুলিপির নম্বর সংগ্রহ করেছিলাম। কিন্তু এই অব্যবস্থাপনার কারণে আমি ইয়ামেন থেকে ফিরে এসেছি এবং আমার কাছে থাকা নম্বর অনুযায়ী পাণ্ডুলিপি দুটি দেখতে সক্ষম হইনি। তবে শেখ মুহাম্মদ আল-আকওয়া—আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন—এর সহযোগিতায় অনেক বই খোঁজাখুঁজির পর আমরা কেবল একটির সন্ধান পাই। আমি সেটি ছবি তুলতে পারিনি, কেবল মূল পাঠের সাথে মিলিয়ে দেখার (মুকাবালা) কাজে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

এই সুযোগে আমি সেইসব প্রিয় ভাইদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা ইয়ামেনে এবং ইয়ামেনের বাইরে আমাকে এই কাজে সাহায্য করেছেন।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
موثوق" تأليف الشيخ الإمام الحافظ شمس الدين أبي عبد الله محمد بن أحمد

ابن عثمان الخطيب الشافعي المقرئ، عرف بابن الذهَبِيّ نفع الله به، آمين، آمين، آمين".

ويظهر أن المجموع الذي هي فيه مكتوب بقلمٍ واحد في تاريخ واحد، وضمن المجموع نفسه كتاب الضعفاء للإمام البخاري، وقال الناسخ في آخره: "بقلم يحيى بن محمد بن علي الغشم كان الفراغ من تمامه يوم الجمعة عاشر شهر جمادي الآخرة سنة 1320هـ بعناية سيف الإسلام وزينة الآل الكرام السيد المقام يحيى بن مولانا أمير المؤمنين المنصور بالله رب العالمين".

النسخة الرابعة"1": ورمزت لها بالرمز " أ ":

وتوجد في مكة في مكتبة جامعة الملك عبد العزيز في قسم المخطوطات برقم/122/ وهي في مجموعٍ أيضاً كالتي قبلها ويحتوي مجموعها على: الضعفاء للبخاري وأسماء الثقات لابن شاهين، والضعفاء للمنذري، والمختلف فيهم للمنذري.

وهذه النسخة تتكون من 34 ورقة متوسطة الحجم، في كل ورقة 19 سطراً في كل سطر ما بين 8 كلمات إلى 9 كلمات، وخطها لا بأس به، وفيها أخطاء وتصحيفات تتفق فيها غالباً مع النسخة الثالثة، وهاتان النسختان أقل جودة من سابقتهما، وتاريخ كتابة هذه النسخة لم يبين فيها

--------------------------------------------

1 تفضل الشيخ حماد الأنصاري رحمه الله بمقابلة هذه النسخة معي على النسخة الهندية النسخة الأولى فجزاه الله خيراً.
"নির্ভরযোগ্য" এটি শায়খ ইমাম হাফিজ শামসুদ্দিন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ

ইবনে উসমান আল-খতিব আশ-শাফিয়ি আল-মুকরি-এর রচনা, যিনি ইবনে যাহাবি নামে পরিচিত, আল্লাহ তাঁর দ্বারা (আমাদের) উপকৃত করুন, আমিন, আমিন, আমিন।

এবং এটি প্রতীয়মান হয় যে, এটি যে সংকলনের অন্তর্ভুক্ত তা একই হস্তাক্ষরে এবং একই তারিখে লিখিত। সেই একই সংকলনের মধ্যে ইমাম বুখারির 'কিতাবুজ জুয়াফা'ও রয়েছে। অনুলিপিকার এর শেষে বলেছেন: "ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-গাশমের কলমে এটি সম্পন্ন হয়েছে ১৩২০ হিজরি সনের ১০ই জুমাদিউল আখিরাত, জুমুয়াবার; সাইফুল ইসলাম ও সম্মানিত বংশের অলঙ্কার মহান সায়্যিদ ইয়াহইয়া ইবনে মাওলানা আমিরুল মুমিনিন আল-মানসুর বিল্লাহ রাব্বিল আলামিনের তত্ত্বাবধানে।"

চতুর্থ পাণ্ডুলিপি "১": এবং আমি একে "আলিফ" প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি:

এটি মক্কায় কিং আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি বিভাগে ১২২ নম্বর ক্রমিকে সংরক্ষিত রয়েছে। এটিও পূর্ববর্তীটির মতো একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত এবং এই সংকলনে রয়েছে: বুখারির জুয়াফা, ইবনে শাহিনের আসমাউস সিকাত, মুনযিরির জুয়াফা এবং মুনযিরির মুখতালাফ ফিহিম।

এই পাণ্ডুলিপিটি মাঝারি আকারের ৩৪টি পৃষ্ঠা নিয়ে গঠিত। প্রতিটি পৃষ্ঠায় ১৯টি লাইন এবং প্রতিটি লাইনে ৮ থেকে ৯টি শব্দ রয়েছে। এর হস্তাক্ষর মোটামুটি ভালো, তবে এতে কিছু ভুল ও লিপিক্রমিক বিকৃতি রয়েছে যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে তৃতীয় পাণ্ডুলিপির সাথে মিলে যায়। এই দুটি পাণ্ডুলিপি পূর্বের দুটির তুলনায় নিম্নমানের। এই পাণ্ডুলিপিটি অনুলিপি করার তারিখ এতে উল্লেখ করা হয়নি।

--------------------------------------------

১. শায়খ হাম্মাদ আল-আনসারি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) আমার সাথে এই পাণ্ডুলিপিটি ভারতীয় পাণ্ডুলিপি তথা প্রথম পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখার অনুগ্রহ করেছেন, আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٢١)
إلا أن في المجموع نفسه في آخر كتاب الثقات لابن شاهين ما يأتي: "كان الفراغ من رقمه ليلة الأحد ثالث عشر من شهر رجب أحد شهور سنة ثلاث وسبعين ومائة وألف من الهجرة..". والقلم الذي كتب به المجموع يبدو أنه قلم واحد.

وظهر لي بوضوح أن أصل هذه النسخة الذي أخذت عنه هو النسخة التي قبلها، وذلك بالنظر إلى التوافق في التصحيف، وبالنظر إلى التاريخ، وعبارة الختام، حيث جاء في ختام هذه النسخة ما يأتي: "هذا آخر الجزء، والحمد لله رب العالمين وصلى الله على سيدنا محمد وآله، عدتهم ثلاثمائة [وواحد] "1" وتسعون رجلاً ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم".

وجاء في ختام النسخة الثالثة: "تم الجزء المبارك، والحمد لله الذي بنعمته تتم الصالحات، وعلى النبي وآله أفضل الصلوات، وعدتهم ثلاثمائة وتسعون رجلاً ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم"، وزيادة على ما تقدم من الأدلة على أن هذه النسخة من اليمن وقد نقلت عن النسخة التي قبلها وزيادة على ذلك أنها كانت بيد رجل يمني"2" والله أعلم.

ملحوظة:

عدد الرجال المذكورين في النسخ يتفاوت قلة وكثرة، وأشير إلى ذلك في

--------------------------------------------

1 في المخطوط: "واحد".

2 فتبين مما تقدم أن هذه النسخة: يمنية الولادة والمنشأ، نزيلة مكة، أطال الله عمرها ونفع بها!.
তবে এই সংকলনেই ইবনে শাহীনের 'কিতাবুস সিকাত'-এর শেষে নিম্নোক্ত বক্তব্য রয়েছে: "এটি লিপিবদ্ধ করা শেষ হয়েছে হিজরি এক হাজার একশত তেহাত্তর সনের রজব মাসের তেরো তারিখ রবিবার দিবাগত রাতে..."। আর মনে হচ্ছে পুরো সংকলনটি একই কলম দিয়ে লেখা হয়েছে।

আমার কাছে এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, এই পাণ্ডুলিপির মূল উৎস—যা থেকে এটি গ্রহণ করা হয়েছে—হলো এর পূর্ববর্তী পাণ্ডুলিপিটি। এটি শব্দের ভুল বিকৃতিতে (তাসহিফ) মিল থাকা, তারিখ এবং সমাপ্তি বাক্যের বিচারে প্রতীয়মান হয়। যেখানে এই পাণ্ডুলিপির শেষে নিম্নোক্ত কথাটি এসেছে: "এটিই খণ্ডের শেষাংশ। সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর দরুদ বর্ষিত হোক। তাঁদের সংখ্যা তিনশত [একানব্বই] "১" জন। সুউচ্চ মহান আল্লাহ ব্যতীত আর কারো কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই।"

আর তৃতীয় পাণ্ডুলিপির শেষে এসেছে: "বরকতময় খণ্ডটি সমাপ্ত হলো। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যাঁর অনুগ্রহে নেক কাজসমূহ পূর্ণতা লাভ করে এবং নবীর ও তাঁর পরিবারের ওপর উত্তম দরুদ বর্ষিত হোক। তাঁদের সংখ্যা তিনশত নব্বই জন। সুউচ্চ মহান আল্লাহ ব্যতীত আর কারো কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই।" এই পাণ্ডুলিপিটি যে ইয়ামেনের এবং এটি যে তার আগের পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করা হয়েছে—তার উপরে বর্ণিত প্রমাণাদি ছাড়াও আরও একটি অতিরিক্ত প্রমাণ হলো যে, এটি একজন ইয়ামেনি "২" ব্যক্তির কাছে ছিল। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

পাণ্ডুলিপিগুলোতে উল্লেখিত ব্যক্তিদের সংখ্যা কম-বেশি হওয়ার ক্ষেত্রে তারতম্য রয়েছে এবং আমি সেদিকে ইঙ্গিত করেছি...

--------------------------------------------

১ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "এক"।

২ সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটি স্পষ্ট হলো যে, এই পাণ্ডুলিপিটি: জন্ম ও উৎপত্তিতে ইয়ামেনি এবং বর্তমানে মক্কায় সংরক্ষিত। আল্লাহ এর স্থায়িত্ব দীর্ঘায়িত করুন এবং এর দ্বারা উপকৃত করুন!
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
الحاشية عندما يأتي رجل في بعض النسخ دون بعض.
পার্শ্বটীকাটি তখন, যখন কিছু পাণ্ডুলিপিতে 'পা' শব্দটি আসে এবং অন্যগুলোতে আসে না।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
‌‌عنوان الرسالة في النسخ:

في العنوان اختلاف يسير بين النسخ -كما تقدم- فهو في الأولى: "ذكر أسماء من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق".

وفي الثانية: " … من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق أو صالح الحديث".

وفي الثالثة: "من تُكُلِّمَ فيه وهو موثوق".

وفي الرابعة: "من تُكُلِّمَ فيه وهو موثق".

وقد اخترت عنوان الثانية لأنه هو المطابق لحقيقة الرسالة حيث اشتملت على من هو صالح الحديث زيادة على الثقات أيضاً، على ما ظهر لي من خلال دراسة الرسالة، وتدل مقدمة هذه النسخة على ذلك كما أشرت إليه في حاشية المقدمة، والله أعلم.
রিসালাহ-র শিরোনাম পাণ্ডুলিপিগুলোতে:

শিরোনামের ক্ষেত্রে পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে সামান্য পার্থক্য রয়েছে—যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে—প্রথমটিতে এটি হলো: "যাঁদের সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তাঁরা নির্ভরযোগ্য, তাঁদের নামের আলোচনা"।

দ্বিতীয়টিতে: " … যাঁদের সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তাঁরা নির্ভরযোগ্য অথবা সালিহুল হাদিস"।

তৃতীয়টিতে: "যাঁদের সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তাঁরা বিশ্বস্ত"।

চতুর্থটিতে: "যাঁদের সমালোচনা করা হয়েছে অথচ তাঁরা নির্ভরযোগ্য"।

আমি দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপির শিরোনামটি নির্বাচন করেছি, কারণ এটি রিসালাহ-র প্রকৃত বিষয়বস্তুর সাথে অধিক সংগতিপূর্ণ। কেননা রিসালাহটি অধ্যয়নের মাধ্যমে আমার কাছে যা প্রতীয়মান হয়েছে তা হলো, এতে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের পাশাপাশি 'সালিহুল হাদিস' বর্ণনাকারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই পাণ্ডুলিপির ভূমিকাও সেটিরই প্রমাণ দেয়, যেমনটি আমি ভূমিকার টীকায় উল্লেখ করেছি। আর আল্লাহ-ই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
‌‌عملي في الرسالة:

عملي في الرسالة بعد نسخ الرسالة ومقابلها بالنسخ، وإثبات الفروق بينها، يتلخص فيما يلي:

1- حققت النص:

أ - وذلك بأن عزوت الأقوال لمصادرها بالإحالة إلى مكان القول من مؤلَّف قائله أو أقرب مؤلف إليه؛ فأقوال الإمام أحمد مثلاً أعزوها إلى كتابه "العلل ومعرفة الرجال" الذي كتبه ابنه عبد الله، أو أعزوها إلى "كتاب الجرح والتعديل"، لابن أبي حاتم؛ لأنه لا فرق بينه وبين "كتاب العلل
গবেষণাপত্রে আমার কাজ:

পাণ্ডুলিপিটি অনুলিপি করা, বিভিন্ন অনুলিপির সাথে তা মিলিয়ে দেখা এবং তাদের মধ্যকার পাঠভেদগুলো নিরূপণ করার পর, এই গবেষণাপত্রে আমার কাজ নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে সংক্ষেপিত:

১- আমি মূল পাঠ যাচাই-বাছাই করেছি:

ক - তা এভাবে যে, আমি উক্তিগুলোকে তাদের মূল উৎসের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছি এবং উক্তিদাতার নিজস্ব গ্রন্থ বা তার নিকটতম কোনো গ্রন্থে উক্ত বাণীর অবস্থানের প্রতি ইঙ্গিত করেছি। উদাহরণস্বরূপ, ইমাম আহমদের উক্তিগুলোকে আমি তাঁর পুত্র আবদুল্লাহর সংকলিত তাঁর কিতাব "আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল"-এর দিকে অথবা ইবনে আবি হাতিমের "কিতাবুল জারহি ওয়াত তাদীল"-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছি; কারণ এটি এবং "কিতাবুল ইলাল"-এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
ومعرفة الرجال" في الاعتبار، فإنه أخذ أقوال الإمام أحمد عن ابنه عبد الله فيما كتب إليه.

ب- وبينت التصحيف والخطأ في النص المنقول عن الإمام الذهَبِيّ بسبب بعض الناسخين.

جـ- وأشرت في الحاشية إلى اختلاف النسخ، وعلّقت على ما يحتاج إلى تعليق.

د- واعتنيت بـ"علامات الترقيم"، إذ بها يتحقق غرضُ فَصْلِ الأقوال عن بعضها، وبداية كل قول ونهايته، وبها يتبين المعطوف من المستأنف، مما يكون له الأثر الكبير في فهم النصوص على حقيقتها، والعناية بعلامات الترقيم من الفروق الأساسية بين الكتاب المحقق والكتاب غير المحقق.

هـ- اعتمدت منهج الجمع بين النسخ الخطية، واختيار الصواب من بينها، دون الاعتماد على اختيار واحدة منها لتكون أصلاً.

و انتهجت في البحث أن أضع خطاً تحت كلمة "قلت" إذا كانت لي.

2- تتبعت حكم الذهَبِيّ في رواة هذه الرسالة في كتبه الآتية:

أ - "ميزان الاعتدال".

ب- "الكاشف".

جـ- "المغني".

د- "تذكرة الحفاظ".

هـ- "الرواة الثقات المُتَكَلَّم فيهم بما لا يوجب رد أخبارهم -وقد سبق أن تحدثت عنها وعن الفرق بينها وبين هذه الرسالة-.
এবং ‘মারিফাতুর রিজাল’ (বর্ণনাকারীদের পরিচিতি) এর বিষয়টি বিবেচনায় রেখে, তিনি ইমাম আহমাদের উক্তিগুলো তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহর নিকট থেকে তাঁর প্রতি লিখিত বিষয়াবলির মাধ্যমে গ্রহণ করেছেন।

খ- এবং কিছু লিপিকারের অসতর্কতার কারণে ইমাম আয-যাহাবীর নিকট থেকে বর্ণিত পাঠে যে লিপিক্রমিক বিকৃতি (তাশহিফ) ও ভুল সংঘটিত হয়েছে, তা আমি স্পষ্ট করেছি।

গ- আমি পাদটীকায় পাণ্ডুলিপিগুলোর পাঠভেদ নির্দেশ করেছি এবং যেখানে ব্যাখ্যার প্রয়োজন সেখানে প্রয়োজনীয় টীকা প্রদান করেছি।

ঘ- আমি "বিরামচিহ্নের" প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছি; কেননা এর মাধ্যমেই উক্তিগুলোকে একে অপরের থেকে পৃথক করা, প্রতিটি উক্তির শুরু ও শেষ নির্ধারণ করা এবং সংযোজক বাক্য থেকে প্রারম্ভিক বাক্যকে আলাদা করা সম্ভব হয়। এটি পাঠ্যের প্রকৃত অর্থ অনুধাবনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে। বিরামচিহ্নের যথাযথ প্রয়োগই হলো একটি সম্পাদিত (মুহাক্কাক) এবং অসম্পাদিত গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম মৌলিক পার্থক্য।

ঙ- আমি পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং সেগুলোর মধ্য থেকে সঠিক পাঠটি বেছে নেওয়ার পদ্ধতি অবলম্বন করেছি; কোনো একটি নির্দিষ্ট পাণ্ডুলিপিকে মূল হিসেবে গ্রহণ করার ওপর নির্ভর করিনি।

চ- আমি গবেষণায় এই নীতি অনুসরণ করেছি যে, "আমি বললাম" (কুলতু) শব্দটি যদি আমার নিজস্ব মন্তব্য হয়, তবে আমি তার নিচে রেখা টেনে দিয়েছি।

২- এই রিসালাহর বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে ইমাম আয-যাহাবীর মূল্যায়ন আমি তাঁর নিম্নোক্ত কিতাবসমূহ থেকে অনুসন্ধান করেছি:

ক- "মীযানুল ইতিদাল"।

খ- "আল-কাশিফ"।

গ- "আল-মুগনি"।

ঘ- "তাযকিরাতুল হুফফাজ"।

ঙ- "আর-রুওয়াতুস সিকাত আল-মুতাকাল্লামু ফিহিম বিমা লা ইউজিবু রাদ্দা আখবারিহিম" - এই গ্রন্থটি সম্পর্কে এবং বর্তমান রিসালাহর সাথে এর পার্থক্যের বিষয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
و "الديوان"، إلا أنه لم أحصل عليه إلا متأخرا فبعض الأشخاص لم أرجع فيهم إليه.

فـ- "تذكرة الحفاظ" و"الديوان" تتبعت حكمه فيهما لا على الاستقصاء، لكن أثبتُّ حكمه فيهما في أكثر الأشخاص.

وأما باقي كتب الذهَبِيّ التي ذكرت فإنني نقلت كل حكم له فيها في كل راوٍ هنا على الاستقصاء في الحاشية مشيراً إليه برقمٍ في المتن، وأكتب ذلك الرقم عادة عند حكم الذهَبِيّ على الراوي في هذه الرسالة إنْ حكم فيه.

والسبب في هذا التتبع أمران:

1- لأن في ذلك إيضاحاً أكثر للحكم في الراوي جرحاً أو تعديلاً، لا سيما عند الذهَبِيّ المحقق المنصف في هذا الشأن.

2- ولأن في استقصاء آرائه في هؤلاء الرجال فائدة، وهي المقارنة بينها وبين الرأي المنقول عنه في هذه الرسالة للتأكد من كون هذا الرأي الذي في الرسالة هو رأي الإمام الذهَبِيّ نفسه أو ليس برأيه كما حصل أن عرفنا بيقين أن لفظة "ليس بثقة" الواردة في ترجمة "277- غالب القطان" ليست من كلام الذهَبِيّ.

وهذا التتبع ييسر على الباحث الذي يَوَدُّ الاطلاع على ما حكم به الذهَبِيّ في راوٍ ما من هؤلاء في كل كتبه تلك، حيث يجد كل ذلك بين يديه في الصفحة التي يقرؤها، فكأن هذا الكتاب اشتمل على عصارة الكتب التي ذكرتُ.

وكذلك هذا يفيد من يريد أن يكتب دراسة عن الذهَبِيّ بصفته ناقداً
এবং "আদ-দিওয়ান", তবে এটি আমি বেশ দেরিতে হাতে পেয়েছি, যার ফলে কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে আমি সেটির সাহায্য নিতে পারিনি।

ফলে "তাযকিরাতুল হুফফায" এবং "আদ-দিওয়ান"-এ আমি তাঁর প্রদত্ত হুকুমগুলো অনুসন্ধান করেছি, যদিও তা পূর্ণাঙ্গভাবে নয়; তবে অধিকাংশ ব্যক্তির ক্ষেত্রে আমি উক্ত গ্রন্থদ্বয়ে বর্ণিত তাঁর হুকুমগুলো উল্লেখ করেছি।

আর ইমাম যাহাবীর অন্যান্য যেসকল কিতাবের কথা আমি উল্লেখ করেছি, সেখানে বর্ণিত প্রত্যেক বর্ণনাকারীর ব্যাপারে তাঁর দেওয়া প্রতিটি হুকুম আমি এখানে পাদটীকায় পূর্ণাঙ্গভাবে উদ্ধৃত করেছি, এবং মূল পাঠে নাম্বারের মাধ্যমে সেদিকে ইঙ্গিত করেছি। সাধারণত এই অভিসন্দর্ভে কোনো বর্ণনাকারীর ব্যাপারে যাহাবীর কোনো হুকুম থাকলে আমি সেই নাম্বারের পাশে তা লিখে দিই।

এই অনুসন্ধানের পিছনে দুটি কারণ রয়েছে:

১- কারণ এর মাধ্যমে বর্ণনাকারীর ব্যাপারে হুকুম (দোষ বা গুণ বর্ণনা) অধিকতর স্পষ্ট হয়, বিশেষ করে এই বিষয়ের একজন অভিজ্ঞ ও ন্যায়পরায়ণ গবেষক ইমাম যাহাবীর ক্ষেত্রে।

২- এবং যেহেতু এই ব্যক্তিদের ব্যাপারে তাঁর মতামতগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে অনুসন্ধানের একটি উপকারিতা রয়েছে, আর তা হলো—সেগুলোর সাথে এই অভিসন্দর্ভে তাঁর পক্ষ থেকে উদ্ধৃত মতামতের তুলনা করা; যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এই অভিসন্দর্ভে বিদ্যমান মতটি খোদ ইমাম যাহাবীর কি না। যেমনটি আমরা নিশ্চিতভাবে জানতে পেরেছি যে, "২৭৭- গালিব আল-কাত্তান"-এর জীবনীতে উল্লিখিত "নির্ভরযোগ্য নয়" শব্দটি ইমাম যাহাবীর বক্তব্য নয়।

এই অনুসন্ধান সেই গবেষকের কাজ সহজ করে দেয়, যিনি এই ব্যক্তিদের মধ্য থেকে কোনো বর্ণনাকারীর ব্যাপারে উক্ত সকল কিতাবে যাহাবীর প্রদত্ত হুকুমগুলো দেখতে চান। তিনি তাঁর পঠিত পৃষ্ঠাতেই সেই সবকিছু হাতের নাগালে পেয়ে যাবেন। ফলে মনে হবে যেন এই কিতাবটি উল্লিখিত কিতাবসমূহের সারনির্যাস ধারণ করেছে।

একইভাবে এটি তাঁদের জন্যও ফলপ্রসূ হবে, যাঁরা সমালোচক হিসেবে ইমাম যাহাবীর ওপর কোনো গবেষণা করতে চান।
(খণ্ড: ১) মান তাকাল্লামা ফীহি ওয়া হুয়া মুওয়াসসাক ত আর-রুহাইলী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
للرجال، وهو جدير بهذه الدراسة، وقد عشت حياة طيبة قضيتها مع الإمام الذهَبِيّ رحمه الله في تراجمه للرجال تبدَّي لي فيها غزارة علمه، وشدة ورعه، ودقة إنصافه.

3- كتبت ترجمة لكل راوٍ تحت ترجمة الذهَبِيّ له، لأبين بعض ما تركه الذهَبِيّ، مما هو لازمٌ، لمعرفة الراوي، وذلك كما يأتي:

أ - أستقصي ما استطعت المخرِّجين للراوي من أصحاب الحديث، فأُثبتُ ما أراه الصواب، بدلاً من التعليق على التصحيف أو الخطأ أو النقص في رموز الأصل، أو بدلاً من إصلاحها في حين أنه لا يحق لي التصرف فيها، لذلك فإن المعتمد لدي من الرموز هو ما أثبته في التراجم التي كتبت أنا، أما الرموز التي في الأصل فقد اعتراها التصحيف أَحياناً، والخطأ أَحياناً، وعدم الوضوح في النسخ المصورة أَحياناً، ولكثرة ذلك لم أشر إليه، وأَعتبر ما أثبته أسفل منه "أي في التراجم التي كتبت" بمثابة الاستدراك أو التأكيد.

ب- أذكر اسم الراوي، وإن احتاج إلى زيادة توضيح أوضحه.

جـ- التزمت في كل راوٍ رَمَزَ الذهَبِيّ في "الميزان" للعمل على توثيقه أن أذكر فيه ذلك الرمز وهو: "صح""1".

د- أبين سنة وفاته إن عرفتها.

هـ- أذكر نوع روايته في الصحيحين إن توصلت إلى معرفة ذلك واعتمدت

--------------------------------------------

1 انظر مبحث: "موضوع الرسالة".
বর্ণনাকারীদের বিষয়ে, যা এই গবেষণার জন্য উপযুক্ত। আমি ইমাম আয-যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনাকারীদের জীবনীগ্রন্থগুলোর সাথে একটি উত্তম সময় অতিবাহিত করেছি, যাতে আমার নিকট তাঁর ইলমের গভীরতা, তাঁর প্রবল তাকওয়া এবং তাঁর ইনসাফের সূক্ষ্মতা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

৩- আমি যাহাবীর কৃত প্রতিটি বর্ণনাকারীর জীবনীর নিচে নিজের পক্ষ থেকে একটি জীবনী লিখেছি, যাতে যাহাবী যা বাদ দিয়েছেন এবং যা বর্ণনাকারীকে চেনার জন্য আবশ্যক, তা স্পষ্ট করতে পারি। আর তা নিম্নরূপ:

ক - আমি সাধ্যমতো হাদীস বিশারদদের মধ্য থেকে বর্ণনাকারীর হাদীস যারা সংকলন করেছেন তাদের অনুসন্ধান করেছি। মূল পাণ্ডুলিপির প্রতীকগুলোতে কোনো বিকৃতি, ভুল বা অসম্পূর্ণতার ওপর মন্তব্য করার পরিবর্তে অথবা আমার যেখানে মূল পাঠে হস্তক্ষেপের অধিকার নেই সেখানে সেগুলো সংশোধনের পরিবর্তে আমি যা সঠিক মনে করেছি তা-ই সাব্যস্ত করেছি। তাই আমার নিকট নির্ভরযোগ্য প্রতীক হলো সেগুলোই যা আমি নিজের লিখিত জীবনীগুলোতে সাব্যস্ত করেছি। আর মূল পাণ্ডুলিপির প্রতীকগুলোতে কখনো বিকৃতি, কখনো ভুল এবং কখনো ফটোকপি করা পাণ্ডুলিপির অস্পষ্টতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এর আধিক্যের কারণে আমি সেদিকে ইঙ্গিত করিনি এবং আমি নিচে যা সাব্যস্ত করেছি (অর্থাৎ আমার লিখিত জীবনীগুলোতে), তাকে আমি পরিমার্জন বা সমর্থন হিসেবে গণ্য করেছি।

খ- আমি বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করি, আর যদি অধিকতর ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয় তবে তা স্পষ্ট করি।

গ- যাহাবী 'আল-মিযান'-এ যে বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে যে প্রতীক ব্যবহার করেছেন, আমি সেই প্রতীকটি উল্লেখ করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকেছি এবং সেটি হলো: "সাহ" "১"।

ঘ- আমি তার মৃত্যুর বছর বর্ণনা করি যদি তা আমার জানা থাকে।

ঙ- আমি যদি তা জানতে পারি তবে সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ তার বর্ণনার ধরন উল্লেখ করি এবং নির্ভর করি

--------------------------------------------

১ দেখুন: "গবেষণার বিষয়বস্তু" পরিচ্ছেদ।