(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: -)
مجموعة الحديث على أبواب الفقه - ضمن مؤلفات الشيخ محمد بن عبد الوهاب   (محمد بن عبد الوهاب)

القسم: كتب السنة

الكتاب: مجموعة الحديث على أبواب الفقه (مطبوع ضمن مؤلفات الشيخ محمد بن عبد الوهاب، الجزء السابع، الثامن، التاسع، العاشر)

المؤلف: محمد بن عبد الوهاب بن سليمان التميمي النجدي (ت 1206 هـ)

المحقق: خليل إبراهيم ملا خاطر [ت 1445 هـ]

الناشر: جامعة الإمام محمد بن سعود، الرياض، المملكة العربية السعودية

الطبعة: -

عدد الأجزاء: 4

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ফিকহের অধ্যায়ভিত্তিক হাদিস সংকলন - শাইখ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব-এর রচনাবলির অন্তর্ভুক্ত   (মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

কিতাব: ফিকহের অধ্যায়ভিত্তিক হাদিস সংকলন (শাইখ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব-এর রচনাবলির সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম খণ্ডে মুদ্রিত)

লেখক: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব ইবনে সুলাইমান আত-তামিমি আন-নাজদি (মৃত্যু ১২০৬ হিজরি)

সম্পাদক: খলিল ইবরাহিম মোল্লা খাতির [মৃত্যু ১৪৪৫ হিজরি]

প্রকাশক: ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়, রিয়াদ, সৌদি আরব রাজতন্ত্র

সংস্করণ: -

খণ্ড সংখ্যা: ৪

[বইটির নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌‌‌المجلد الأول

‌‌كتاب الطهارة

*

…

بسم الله الرحمن الرحيم

وبه نستعين

والحمد لله رب العالمين، وصلى الله على محمد وآله وصحبه وسلم.

كتاب الطهارة 1

‌‌1 - عن أبي سعيد قال: (قيل: يا رسول الله أنتوضأ من بئر بضاعة 2 - وهي بئر يلقى فيها الحيضُ 3 ولحوم الكلاب والنّتَن 4 -؟ فقال

--------------------------------------------

1 ليس هذا العنوان في الأصل وإنما أضيف من قبلنا.

2 بكسر الباء وضمها والضم أكثر، وهي دار بني ساعدة بالمدينة، وبئرها معروفة.

3كذا في رواية الترمذي والنسائي: وهي جمع الحيضة بكسر الحاء وبفتحها، فالكسر هي الحالة، والفتح هي المرة الواحدة من الحيض، وفي رواية أبي داود: المحايض، وهي جمع محيضة والمحضة الخرقة التي تستثفر بها المرأة عند الحيض- قاله ابن الأثير في "الشافي".

4 النتن: ما يستقذر من النجاسات كالميتات ونحوها- قاله ابن الأثير أيضا-.
‌‌‌‌প্রথম খণ্ড

‌‌পবিত্রতা অধ্যায়

*

…

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি

সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সঙ্গীদের ওপর।

পবিত্রতা অধ্যায় ১

‌‌১ - আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি বুদাআহ কূপের ২ পানি দিয়ে অজু করব? - যা এমন এক কূপ যাতে ঋতুবতী নারীর ব্যবহৃত কাপড় ৩, কুকুরের গোশত এবং দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু ৪ নিক্ষিপ্ত হয় -? অতঃপর তিনি বললেন

--------------------------------------------

১ এই শিরোনামটি মূল পাণ্ডুলিপিতে নেই, বরং এটি আমাদের পক্ষ থেকে যুক্ত করা হয়েছে।

২ 'বা' বর্ণে কাসরা (বি) অথবা যম্মাহ (বু) সহযোগে, তবে যম্মাহর ব্যবহারই বেশি। এটি মদিনায় বনু সায়েদাহর মহল্লায় অবস্থিত এবং এর কূপটি সুপরিচিত।

৩ তিরমিযী ও নাসাঈর বর্ণনায় এরূপই রয়েছে: এটি 'হায়দাহ' এর বহুবচন, যা 'হা' বর্ণে কাসরা (হি) অথবা ফাতহা (হা) যোগে হতে পারে। কাসরা যোগে হলে এর অর্থ অবস্থা, আর ফাতহা যোগে হলে এর অর্থ একবার ঋতুস্রাব হওয়া। আবু দাউদের বর্ণনায় এসেছে 'আল-মাহায়িদ', যা 'মহীযাহ' এর বহুবচন। আর 'মিহদাহ' হলো সেই কাপড় যা ঋতুবতী নারী রক্ত বন্ধের জন্য ব্যবহার করে - ইবনুল আসীর এটি তাঁর 'আশ-শাফী' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

৪ আন-নাতান: মৃত জীব বা এ জাতীয় ঘৃণিত নাপাক বস্তু - ইবনুল আসীর এটিও উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ১৪)
رسول الله صلى الله عليه وسلم: (إن) "الماء طَهُور لا ينجِّسُه شيء"

حسنه الترمذي وصححه أحمد 1.

‌‌2 - وفي رواية لأحمد وأبي داود 2: (إنه يستقى لك من بئر بضاعة - وهي بئر يطرح فيها حيضُ النساء، ولحم الكلاب، وعذر الناس (.

‌‌3 - وعن أبي هريرة قال: (سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله إنا نركب البحر ونحمل معنا القليل من الماء، فإن توضأنا به عطشنا، أفنتوضأ من ماء البحر؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " هو الطهور ماؤه، الحل ميتته"

رواه الخمسة وصححه الترمذي 3.

--------------------------------------------

1 أخرجه الترمذي: (1: 95) وهذا لفظه- وأبو داود (1: 17) وقال الحافظ في التلخيص (1: 13) : وصححه أحمد بن حنبل، ويحيى ابن معين، وأبو محمد بن حزم. اهـ.

2 مسند أحمد (3: 15 ، 31 ، 86) وأبو داود بلفظ مغاير من تقديم وتأخير (1: 18) ، والحديث أخرجه أيضا الشافعي في اختلاف الحديث، وانظر الشافي (1: 18 ق 2) ، وأخرجه النسائي (1: 174) وأخرجه الدارقطني (1: 29- 32) من ستة طرق، وكذا أخرجه الحاكم في المستدرك، والبيهقي في السنن الكبرى (1: 2) ، وهو صحيح كما قال ابن الأثير.

3 مسند أحمد (2: 378) وسنن أبي داود (1: 21) وسنن الترمذي (1: 100) وسنن النسائي (1: 176) وسنن ابن ماجه =

= (1: 136) وأخرجه أيضا: مالك في الموطأ (1: 22) والشافعي في الأم (انظر الشافي 1: 15 ق آ) وابن خزيمة وابن حبان والحاكم والدارقطني والبيهقي. وقال الحافظ في التلخيص: وصححه البخاري فيما حكاه عنه الترمذي. انظر التلخيص (1: 9) وانظر المستدرك (1: 140) والدارمي (1: 186) وابن الجارود ص (20) .
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (নিশ্চয়ই) "পানি পবিত্র, কোনো কিছুই একে অপবিত্র করে না"

তিরমিজি একে হাসান এবং আহমাদ একে সহিহ বলেছেন ১।

‌‌২ - এবং আহমাদ ও আবু দাউদের এক বর্ণনায় রয়েছে ২: (আপনার জন্য 'বুযাআহ' কূপ থেকে পানি আনা হয় - আর এটি এমন এক কূপ যাতে ঋতুবর্তী নারীদের ন্যাকড়া, কুকুরের মাংস এবং মানুষের মলমূত্র নিক্ষেপ করা হয়)।

‌‌৩ - আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সমুদ্রে সফর করি এবং আমাদের সাথে সামান্য পানি বহন করি, যদি আমরা তা দিয়ে অজু করি তবে আমরা তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ব, তাহলে আমরা কি সমুদ্রের পানি দিয়ে অজু করব? তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "এর পানি পবিত্র এবং এর মৃত প্রাণী হালাল")।

এটি পাঁচজন (ইমাম) বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিজি একে সহিহ বলেছেন ৩।

--------------------------------------------

১ এটি তিরমিজি বর্ণনা করেছেন: (১: ৯৫) এবং এটি তাঁরই শব্দ- এবং আবু দাউদ (১: ১৭)। হাফেজ আত-তালখিস গ্রন্থে (১: ১৩) বলেছেন: একে আহমাদ বিন হাম্বল, ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন এবং আবু মুহাম্মাদ বিন হাজম সহিহ বলেছেন। সমাপ্ত।

২ মুসনাদে আহমাদ (৩: ১৫, ৩১, ৮৬) এবং আবু দাউদ শব্দের কিছু আগে-পিছে ও ভিন্নতা সহকারে এটি বর্ণনা করেছেন (১: ১৮), এবং হাদিসটি শাফেয়িও ইখতিলাফুল হাদিস গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, দেখুন আশ-শাফি (১: ১৮ ক ২), এবং এটি নাসাঈ (১: ১৭৪) বর্ণনা করেছেন এবং দারাকুতনি (১: ২৯-৩২) ছয়টি সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তেমনিভাবে হাকেম আল-মুস্তাদরাক গ্রন্থে এবং বায়হাকি আস-সুনান আল-কুবরা গ্রন্থে (১: ২) এটি বর্ণনা করেছেন, আর এটি সহিহ যেমনটি ইবনুল আসির বলেছেন।

৩ মুসনাদে আহমাদ (২: ৩৭৮), সুনানে আবু দাউদ (১: ২১), সুনানে তিরমিজি (১: ১০০), সুনানে নাসাঈ (১: ১৭৬) এবং সুনানে ইবনে মাজাহ =

= (১: ১৩৬), এবং এটি আরও বর্ণনা করেছেন: মালিক মুয়াত্তা গ্রন্থে (১: ২২), শাফেয়ি আল-উম্ম গ্রন্থে (দেখুন আশ-শাফি ১: ১৫ ক আ), ইবনে খুজাইমা, ইবনে হিব্বান, হাকেম, দারাকুতনি এবং বায়হাকি। হাফেজ আত-তালখিস গ্রন্থে বলেছেন: বুখারি একে সহিহ বলেছেন যেমনটি তিরমিজি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। দেখুন আত-তালখিস (১: ৯), আল-মুস্তাদরাক (১: ১৪০), দারেমি (১: ১৮৬) এবং ইবনুল জারুদ পৃষ্ঠা (২০)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌4 - وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (لا يبولَنّ أحدُكم في الماء الدائم الذي لا يجري، ثم يغتسلُ فيه (1.

‌‌5 - ولمسلم: (ثم يغتسلُ منه) . أخرجاه 2.

‌‌6 - وللترمذي، (ثم يتوضأ منه) 3.

‌‌7 - وعنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (لا يغتسلْ 4 أحدكم في الماء الدائم وهو جنب.

--------------------------------------------

1 هذا لفظ البخاري.

2 أخرجه البخاري في "كتاب الوضوء" "باب البول في الماء الدائم" الفتح (1: 346) وأخرجه مسلم (1: 235) من طريقين.

(1: 100) وأخرجه النسائي (1: 49) بلفظ: " ثم يتوضأ منه" وله في أخرى "ثم يغتسل فيه أو يتوضأ " ورواه ابن خزيمة (1: 37) وابن حبان وأحمد (2: 259) كما رواه ابن ماجه (1: 124) من غير ذكر الوضوء أو الغسل منه أو فيه.

4 في الأصل: لا يغتسلن.
৪ - এবং আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (তোমাদের কেউ যেন এমন স্থির পানিতে প্রস্রাব না করে যা প্রবাহিত হয় না, অতঃপর তাতে গোসল করে।) (১)

৫ - এবং মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে: (অতঃপর তা হতে গোসল করে)। তাঁরা উভয়ে এটি বর্ণনা করেছেন (২)।

৬ - এবং তিরমিযীর বর্ণনায় রয়েছে: (অতঃপর তা হতে ওযু করে) (৩)।

৭ - এবং তাঁর হতেই বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (তোমাদের কেউ যেন অপবিত্র অবস্থায় স্থির পানিতে গোসল না করে।) (৪)

--------------------------------------------

১. এটি বুখারীর শব্দ।

২. বুখারী এটি "ওযু অধ্যায়", "স্থির পানিতে প্রস্রাব করা পরিচ্ছেদ"-এ বর্ণনা করেছেন, আল-ফাতহ (১: ৩৪৬) এবং মুসলিম এটি দুটি সূত্রে বর্ণনা করেছেন (১: ২৩৫)।

৩. তিরমিযী (১: ১০০) এবং নাসাঈ এটি বর্ণনা করেছেন (১: ৪৯) এই শব্দে: "অতঃপর তা হতে ওযু করে" এবং নাসাঈর অন্য বর্ণনায় রয়েছে "অতঃপর তাতে গোসল করে অথবা ওযু করে" এবং ইবনে খুযাইমা (১: ৩৭), ইবনে হিব্বান ও আহমাদ (২: ২৫৯) এটি বর্ণনা করেছেন, যেমন ইবনে মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন (১: ১২৪) ওযু অথবা তা হতে বা তাতে গোসলের উল্লেখ ছাড়াই।

৪. মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি "অবশ্যই যেন গোসল না করে" (তাকিদসহ) শব্দে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ১৬)
فقال1: يا أبا هريرة، كيف يَفعل1؟ قال: يتناوله تناولاً (.

رواه مسلم 2.

‌‌8 - ولأحمد وأبي داود: 3 (لا يبولن أحدكم في الماء الدائم، ولا يغتسل فيه من جنابة (.

‌‌9 - وعن الرُّبَيِّع بنت مُعَوِّذ، (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مسح برأسَه 4 من فضل ماء كان بيده (.

رواه أبو داود، 5 وفيه عبد الله بن محمد بن عقيل، 6 صدوق احتج به أحمد وإسحاق.

‌‌10 - وفي حديث عبد الله بن زيد - في صفة وضوئه صلى الله عليه وسلم بعد ذكره غسل وجهه: (ثم أدخل يده فاستخرجها فغسل

--------------------------------------------

1 في الأصل بصيغة الجمع في الموضعين.

2 صحيح مسلم (1: 236) وأخرجه النسائي من غير سؤال أبي هريرة وجوابه (1: 176) .

3 سنن أبي داود (1: 18) ومسند أحمد (2: 346 ، 433) .

4 في الأصل: رأسه.

5 سنن أبي داود (1: 32) .

6 روى عنه السفيانان وقال الترمذي: صدوق سمعت محمدا يقول: كان أحمد وإسحاق والحميدي يحتجون بحديث ابن عقيل. الخلاصة (180) .
তিনি বললেন১: হে আবু হুরায়রা, সে কীভাবে করবে?১ তিনি বললেন: সে তা হাত দিয়ে তুলে নেবে (।

মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন ২।

৮ - এবং আহমদ ও আবু দাউদের বর্ণনায় রয়েছে: ৩ (তোমাদের কেউ যেন স্থির পানিতে প্রস্রাব না করে এবং জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে তাতে গোসল না করে (।

৯ - এবং রুবাই বিনতে মুয়াব্বিয থেকে বর্ণিত যে, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাতে থাকা অবশিষ্ট পানি দিয়ে তাঁর মাথা ৪ মাসহ করেছিলেন (।

এটি আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, ৫ এবং এতে আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আকিল ৬ রয়েছেন, যিনি সত্যবাদী (সাদুক); আহমদ এবং ইসহাক তাঁর মাধ্যমে দলিল পেশ করেছেন।

১০ - এবং আব্দুল্লাহ বিন যাইদের হাদিসে—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওযুর বর্ণনায়—তাঁর মুখমণ্ডল ধৌত করার কথা উল্লেখ করার পর: (অতঃপর তিনি তাঁর হাত প্রবেশ করালেন এবং তা বের করে আনলেন, তারপর ধৌত করলেন

--------------------------------------------

১ মূলে উভয় স্থানে বহুবচন রূপে আছে।

২ সহীহ মুসলিম (১: ২৩৬) এবং নাসাঈ এটি বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রার প্রশ্ন ও উত্তর ব্যতীত (১: ১৭৬)।

৩ সুনানে আবু দাউদ (১: ১৮) এবং মুসনাদে আহমদ (২: ৩৪৬, ৪৩৩)।

৪ মূলে: তাঁর মাথা।

৫ সুনানে আবু দাউদ (১: ৩২)।

৬ তাঁর থেকে দুই সুফইয়ান বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (সাদুক); আমি মুহাম্মদ (বুখারী)-কে বলতে শুনেছি: আহমদ, ইসহাক এবং হুমাইদী ইবনে আকিলের হাদিসকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করতেন। আল-খুলাসাহ (১৮০)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ১৭)
يديه 1 (- ويأتي إن شاء الله.

‌‌11 - وعن جابر: (جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يعودني، وأنا مريض لا أعقل، فتوضأَ وصب وضوءه علي (. أخرجاه 2.

‌‌12 - وعن علي أن النبي صلى الله عليه وسلم وقف بعرفة، وهو مردف أُسامة بن زيد. فذكر الحديث، وفيه: (ثم أفاض رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعا بسجل من ماء زمزم فشرب منه، وتوضأَ (رواه عبد الله بن الإمام أحمد في المسند 3.

‌‌13 - وتوضأَ عمر بالحميم، رواه البخاري 4.

--------------------------------------------

1 الحديث أخرجه الجماعة: البخاري ومسلم وأبو داود والترمذي والنسائي وابن ماجه ومالك والشافعي وأحمد وغيرهم وسوف نذكر- إن شاء الله تعالى تخريجه عند ذكره في الوضوء.

2 أخرجه البخاري في كتاب الطهارة (الفتح 1: 301) ولفظه فيه: "وصب علي من وضوئه" وأخرجه أيضا في مواطن لكن بزيادة أبي بكر في الزيادة فانظر الفتح في (8: 243) (10: 114 ، 132) (12: 3 ، 25) (13: 290) وأخرجه مسلم (3: 1235) من عدة طرق أيضا. والحديث أخرجه أصحاب السنن من روايات متقاربة أيضا بزيادة أبي بكر معه في الزيادة: سنن أبي داود (3: 119) وسنن الترمذي (4: 417) وسنن ابن ماجه (2: 911) .

3 مسند أحمد (1: 76) .

4 أخرجه البخاري تعليقا في كتاب الوضوء (1: 298) من الفتح وتتمة: "ومن بيت نصرانية" قال الحافظ في الفتح: وصله سعيد بن منصور وعبد الرزاق وغيرهما بإسناد صحيح بلفظ: أن عمر كان يتوضأ بالحميم ويغتسل منه.
তাঁর দুই হাত ১ (- এবং এটি ইনশাআল্লাহ সামনে আসবে।

‌‌১১ - এবং জাবির থেকে বর্ণিত: (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন যখন আমি অসুস্থ ছিলাম এবং আমার হিতাহিত জ্ঞান ছিল না। অতঃপর তিনি অজু করলেন এবং তাঁর অজুর পানি আমার উপর ঢেলে দিলেন)। তাঁরা দুজন (বুখারি ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেছেন ২।

‌‌১২ - এবং আলী থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফায় অবস্থান করছিলেন এবং উসামা বিন যায়েদ তাঁর পিছনে আরোহী ছিলেন। অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন, যাতে রয়েছে: (অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্থান করলেন এবং এক বালতি জমজমের পানি চাইলেন, এরপর তা থেকে পান করলেন এবং অজু করলেন)। ইমাম আহমদের পুত্র আবদুল্লাহ এটি মুসনাদে বর্ণনা করেছেন ৩।

‌‌১৩ - এবং উমর গরম পানি দিয়ে অজু করেছেন, এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন ৪।

--------------------------------------------

১ হাদিসটি জামায়াত বর্ণনা করেছেন: বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ, মালিক, শাফেয়ি, আহমদ এবং অন্যান্যরা। অজুর বর্ণনায় যখন এটি আসবে, তখন ইনশাআল্লাহ তাআলা আমরা এর বিস্তারিত উৎস উল্লেখ করব।

২ বুখারি এটি পবিত্রতা অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন (আল-ফাতহ ১: ৩০১) এবং এতে শব্দগুলো হলো: "এবং তাঁর অজুর পানি থেকে আমার উপর ঢেলে দিলেন"। তিনি এটি অন্যান্য স্থানেও বর্ণনা করেছেন তবে আবুবকরের উপস্থিতির বর্ধিত অংশসহ; দেখুন আল-ফাতহ (৮: ২৪৩) (১০: ১১৪, ১৩২) (১২: ৩, ২৫) (১৩: ২৯০)। মুসলিমও (৩: ১২৩৫) বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। সুনান গ্রন্থকারগণও কাছাকাছি বর্ণনায় এটি উদ্ধৃত করেছেন যাতে আবুবকরের সাথে সাক্ষাতের অতিরিক্ত অংশ রয়েছে: সুনানে আবু দাউদ (৩: ১১৯), সুনানে তিরমিজি (৪: ৪১৭) এবং সুনানে ইবনে মাজাহ (২: ৯১১)।

৩ মুসনাদে আহমদ (১: ৭৬)।

৪ বুখারি এটি অজুর অধ্যায়ে (আল-ফাতহ ১: ২৯৮) তালীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এর পরিশিষ্টাংশ হলো: "এবং একজন খ্রিস্টান মহিলার বাড়ি থেকে"। হাফেজ (ইবনে হাজার) আল-ফাতহ-এ বলেন: সাঈদ বিন মানসুর, আবদুর রাজ্জাক এবং অন্যান্যরা এটিকে সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন এই শব্দে: উমর গরম পানি দিয়ে অজু করতেন এবং গোসল করতেন।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌14 - وعن ابن عباس قال: (اغتسل بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم في جفنة، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم (أن) يتوضأ 1 منه " أو يغتسل " 2 فقالت له: يا رسول الله، إني كنت جنباً، فقال: إن الماء لا يجنب (.

صححه الترمذي 3.

‌‌15 - وعنه (أن رسول الله 4 صلى الله عليه وسلم كان يغتسل بفضل ميمونة (. رواه مسلم 5.

‌‌16 - وفي رواية لأحمد 6 (توضأ بفضل غسلها من الجنابة (.

--------------------------------------------

1 في الأصل: ليتوضأ منها. وما أثبتناه هو الموجود في سنن الترمذي في الموضعين.

2 هذه الجملة ليست في سنن الترمذي، وإنما هي في سنن أبي داود فانظرها.

3 في سنن الترمذي (1: 94) حسن صحيح. والحديث أخرجه أيضا: أحمد وأبو داود والنسائي وابن ماجه والدارقطني، وصححه ابن خزيمة والحاكم، وقال: هذا حديث صحيح في الطهارة ولم يخرجاه، ولا يحفظ له علة. ووافقه الذهبي، وانظر مسند أحمد (6: 330) من مسندها وسنن أبي داود (1: 18) وسنن النسائي (1: 173) مختصرا وسنن ابن ماجه (1: 132) وسنن الدارقطني (1: 52) وصحيح ابن خزيمة (1: 57) والمستدرك (1: 159) .

4 في الأصل: النبي. وما أثبتناه هو الموجود في صحيح مسلم.

5 صحيح مسلم (1: 257) وسنن الدارقطني (1: 53) .

6 مسند أحمد (6: 330) ولفظه: عن ابن عباس عن ميمونة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم توضأ … الحديث.
১৪ - এবং ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কোনো এক স্ত্রী একটি বড় পাত্রে গোসল করেছিলেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা থেকে ওযু করতে বা গোসল করতে আসলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি অপবিত্র (জানাবাত অবস্থায়) ছিলাম। তখন তিনি বললেন: নিশ্চয়ই পানি অপবিত্র হয় না।)

তিরমিযী একে সহীহ বলেছেন।

‌১৫ - তাঁর থেকেই বর্ণিত (যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মায়মুনার গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করতেন)। মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।

‌১৬ - এবং আহমাদের এক বর্ণনায় রয়েছে: (তিনি তাঁর জানাবাতের গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযু করেছিলেন)।

--------------------------------------------

১ মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'যাতে তিনি তা থেকে ওযু করতে পারেন'। আর আমরা যা সাব্যস্ত করেছি তা-ই উভয় স্থানে সুনানুত তিরমিযীতে বিদ্যমান রয়েছে।

২ এই বাক্যটি সুনানুত তিরমিযীতে নেই, বরং এটি সুনান আবু দাউদে রয়েছে, তাই সেখানে দেখে নিন।

৩ সুনানুত তিরমিযীতে (১: ৯৪) এটি 'হাসান সহীহ'। হাদিসটি আহমাদ, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ এবং দারা কুতনীও বর্ণনা করেছেন। ইবনে খুযাইমা এবং হাকিম একে সহীহ বলেছেন। হাকিম বলেছেন: এটি পবিত্রতা বিষয়ক একটি সহীহ হাদিস এবং তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) এটি বর্ণনা করেননি, আর এর কোনো ত্রুটি তাঁর জানা নেই। যাহাবী তাঁর সাথে একমত হয়েছেন। দেখুন: মুসনাদে আহমাদ (৬: ৩৩০) তাঁর মুসনাদ থেকে, সুনান আবু দাউদ (১: ১৮), সুনান নাসাঈ (১: ১৭৩) সংক্ষেপে, সুনান ইবনে মাজাহ (১: ১৩২), সুনান দারা কুতনী (১: ৫২), সহীহ ইবনে খুযাইমা (১: ৫৭) এবং আল-মুসতাদরাক (১: ১৫৯)।

৪ মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'নবী'। আর আমরা যা সাব্যস্ত করেছি তা সহীহ মুসলিমে বিদ্যমান রয়েছে।

৫ সহীহ মুসলিম (১: ২৫৭) এবং সুনান দারা কুতনী (১: ৫৩)।

৬ মুসনাদে আহমাদ (৬: ৩৩০) এবং এর শব্দগুলো হলো: ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি মায়মুনা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওযু করেছেন... হাদিসটি।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌17 - وعن الحكم بن عمرو 1 الغفاري (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يتوضأ الرجل بفضل طَهُور المرأَة (. حسنه الترمذي 2.

قال أحمد: "جماعة كرهوه، منهم: عبد الله بن عمر وعبد الله بن سرجس" 3.

‌‌18 - (وتوضأ هو وميمونة وعائشة من إناء واحد (.

أخرجاهما 4.

‌‌19 - وروى أحمد 5: (أن النبي صلى الله عليه وسلم اغتسل من الجنابة فرأى لمعة لم يصبها الماء، فعصر شعره عليها (.

--------------------------------------------

1 في الأصل: عمر، بضم الميم.

2 سنن الترمذي: (1: 93) . والحديث أخرجه أبو داود الطيالسي (1: 42) من المنحة. وأخرجه أيضا أحمد في المسند (5: 66) وأبو داود في السنن (1: 21) وابن ماجه (1: 132) والدارقطني (1: 53) .

3 أخرجه ابن ماجه (1: 133) عن عبد الله بن سرجس قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يغتسل الرجل بفضل وضوء المرأة، والمرأة بفضل الرجل، ولكن يشرعان جميعا، ثم قال ابن ماجه: الصحيح هو الأول، والثاني وهم. اهـ يريد بالأول النهي عن وضوء الرجل بفضل وضوء المرأة وهو حديث الحكم، وبالثاني الغسل: وهو حديث ابن سرجس والله أعلم.

4 أي البخاري ومسلم فهو في البخاري (1: 363) ومسلم (4: 4) عن عائشة، وحديث ميمونة في البخاري (1: 366) وفي مسلم (4: 6) .

5 هو في المسند (1: 243) بلفظ: فأخذ من شعره فبلها. وفي ابن ماجه (1: 217) بمعناه.
‌‌১৭ - আল-হাকাম ইবনে আমর আল-গিফারি ১ থেকে বর্ণিত যে, (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো পুরুষের জন্য নারীর পবিত্রতা অর্জনের পর অবশিষ্ট পানি দিয়ে অজু করতে নিষেধ করেছেন)। তিরমিজি ২ এটিকে হাসান বলেছেন।

আহমাদ বলেন: "একদল আলেম এটিকে অপছন্দ করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর এবং আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস" ৩।

‌‌১৮ - (তিনি এবং মাইমুনা ও আয়েশা একই পাত্র থেকে অজু করেছেন)।

তাঁরা উভয়ে ৪ এটি বর্ণনা করেছেন।

‌‌১৯ - আহমাদ ৫ বর্ণনা করেছেন: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাবাতের গোসল করেছেন, এরপর তিনি একটি শুকনো স্থান দেখলেন যেখানে পানি পৌঁছায়নি, তখন তিনি তাঁর চুল থেকে সেখানে পানি চিপে দিলেন)।

--------------------------------------------

১ মূলে রয়েছে: উমর, মিম অক্ষরে পেশসহ।

২ সুনানে তিরমিজি: (১: ৯৩)। হাদিসটি আবু দাউদ আত-তায়ালিসি 'আল-মিনহাহ' (১: ৪২) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও আহমাদ আল-মুসনাদে (৫: ৬৬), আবু দাউদ আস-সুনানে (১: ২১), ইবনে মাজাহ (১: ১৩২) এবং আদ-দারাকুতনি (১: ৫৩) বর্ণনা করেছেন।

৩ ইবনে মাজাহ (১: ১৩৩) এটি আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো পুরুষের জন্য নারীর অজুর অবশিষ্ট পানি দিয়ে এবং কোনো নারীর জন্য পুরুষের অজুর অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করতে নিষেধ করেছেন, বরং তারা যেন উভয়ই একসাথে পানি নেয়। এরপর ইবনে মাজাহ বলেন: প্রথমটি সঠিক এবং দ্বিতীয়টি ভুল। সমাপ্ত। 'প্রথমটি' বলতে তিনি নারীর অজুর অবশিষ্ট পানি দিয়ে পুরুষের অজু করা নিষেধ হওয়াকে বুঝিয়েছেন যা হাকামের হাদিস, আর 'দ্বিতীয়টি' বলতে গোসল করাকে বুঝিয়েছেন। আল্লাহই ভালো জানেন।

৪ অর্থাৎ বুখারি ও মুসলিম। এটি বুখারিতে (১: ৩৬৩) এবং মুসলিমে (৪: ৪) আয়েশা থেকে বর্ণিত। আর মাইমুনার হাদিসটি বুখারিতে (১: ৩৬৬) এবং মুসলিমে (৪: ৬) বর্ণিত।

৫ এটি মুসনাদে (১: ২৪৩) এই শব্দে আছে: তিনি তাঁর চুল থেকে (পানি) নিলেন এবং তা ভিজিয়ে দিলেন। ইবনে মাজাহতে (১: ২১৭) সমার্থক অর্থে এটি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌20 - وروى مسلم 1 أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (إذا استيقظ أحدكم من نومه، فليغسل يده قبل أن يدخلها 2 في الإناء ثلاثاً؛ فإن أحدكم لا يدري أين باتت يده (.

ورواه البخاري، ولم يذكر ثلاثا.

--------------------------------------------

1 صحيح مسلم (1: 233) من رواية أبي هريرة لكن بخلاف هذا اللفظ، فلفظه في مسلم: فلا يغمس يده في الإناء حتى يغسلها ثلاثا، فإنه لا يدري أين باتت يده. اهـ.

وهذا سياق البغوي وأخرجه البخاري في كتاب الوضوء (1: 263) ضمن حديث. والحديث في الموطأ (1: 21) ورواه الشافعي (1: 10) من كتاب الأم، وأخرجه الترمذي في السنن (1: 36) وابن خزيمة (1: 52) وأحمد في المسند (2: 241 ، 253) . وشرح السنة (1: 406) والدارقطني (1: 49) من عدة روايات.

2 في الأصل بالتثنية في الموضعين. وما أثبتناه هو الموجود في الصحيحين وغيرهما.
২০ - এবং মুসলিম (১) বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (তোমাদের কেউ যখন ঘুম থেকে জাগে, সে যেন পাত্রে হাত প্রবেশ করানোর (২) পূর্বে তিনবার হাত ধৌত করে; কারণ তোমাদের কেউ জানে না রাতে তার হাত কোথায় ছিল।)

এবং ইমাম বুখারিও এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি 'তিনবার' কথাটি উল্লেখ করেননি।

--------------------------------------------

১. সহিহ মুসলিম (১: ২৩৩) আবু হুরায়রার বর্ণনা থেকে, তবে এই শব্দের বিপরীতে। মুসলিমে এর শব্দগুলো হলো: সে যেন পাত্রে হাত না ডুবায় যতক্ষণ না তা তিনবার ধৌত করে, কারণ সে জানে না রাতে তার হাত কোথায় ছিল। সমাপ্ত। এটি বাগাওয়ীর শব্দবিন্যাস এবং বুখারি এটি কিতাবুল ওজু-তে (১: ২৬৩) একটি হাদিসের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। হাদিসটি মুয়াত্তায় (১: ২১) রয়েছে এবং শাফেয়ি (১: ১০) কিতাবুল উম্ম-এ এটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিজি সুনানে (১: ৩৬), ইবনে খুজায়মাহ (১: ৫২), আহমাদ মুসনাদে (২: ২৪১, ২৫৩), শারহুস সুন্নাহ (১: ৪০৬) এবং দারাকুতনি (১: ৪৯) একাধিক সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

২. মূল পাণ্ডুলিপিতে উভয় স্থানে দ্বিবচন হিসেবে রয়েছে। আর আমরা যা এখানে স্থির করেছি তা সহিহাইন এবং অন্যান্য গ্রন্থে বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌بابُ الآنية

‌‌21 - عن حذيفة قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: (لا تلبسوا الحرير ولا الديباج، ولا تشربوا في آنية الذهب والفضة، ولا تأكلوا في صحافها؛ فإنها لهم في الدنيا، ولكم في الآخرة (1.

‌‌22 - وعن أم سلمة مرفوعاً: (الذي يشرب في آنية الفضة إنما يُجَرْجِر في بطنه نارَ جهنم (.

أخرجاهما 2.

‌‌23 - ولمسلم 3: (أن الذي يأكل أو يشرب في إناء الذهب والفضة (.

--------------------------------------------

1 صحيح البخاري في كتاب الأطعمة (9: 554) من الفتح وكتاب الأشربة (10: 94 ، 96 ، 291) . وصحيح مسلم (3: 1637 ، 1638) ورواه أيضا أبو داود في سننه (3: 337) والترمذي في سننه (4: 299) والنسائي في مجتباه (8: 198) وابن ماجه في سننه مختصرا (2: 1130، 1187) وهو عند أحمد في المسند.

2 صحيح البخاري في كتاب الأشربة: (10: 96) من الفتح، وصحيح مسلم (3: 1634) وسنن ابن ماجه (2: 1130) وموطأ مالك: (2: 925) .

3 صحيح مسلم (3: 1634) .
পাত্র সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ

২১ - হুযাইফাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: (তোমরা রেশম ও দীবায পরিধান করো না এবং সোনা ও রূপার পাত্রে পান করো না, আর এগুলোর থালা-বাসনে আহার করো না; কারণ এগুলো দুনিয়াতে তাদের জন্য এবং আখিরাতে তোমাদের জন্য।) (১)।

২২ - এবং উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণিত: (যে ব্যক্তি রূপার পাত্রে পান করে, সে মূলত তার পেটে জাহান্নামের আগুন ঢোকায়।) (২)।

তাঁরা উভয়ই এটি বর্ণনা করেছেন (২)।

২৩ - এবং ইমাম মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে (৩): (নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি সোনা ও রূপার পাত্রে আহার করে বা পান করে।)

--------------------------------------------

১. সহীহ বুখারী, খাদ্যদ্রব্য অধ্যায় (৯: ৫৫৪, ফাতহুল বারী হতে) এবং পানীয় অধ্যায় (১০: ৯৪, ৯৬, ২৯১)। সহীহ মুসলিম (৩: ১৬৩৭, ১৬৩৮)। এটি আবু দাউদ তাঁর সুনানে (৩: ৩৩৭), তিরমিযী তাঁর সুনানে (৪: ২৯৯), নাসাঈ তাঁর মুজতাবা গ্রন্থে (৮: ১৯৮) এবং ইবনে মাজাহ সংক্ষেপে তাঁর সুনানে (২: ১১৩০, ১১৮৭) বর্ণনা করেছেন এবং এটি আহমাদ তাঁর মুসনাদেও বর্ণনা করেছেন।

২. সহীহ বুখারী, পানীয় অধ্যায়: (১০: ৯৬, ফাতহুল বারী হতে), সহীহ মুসলিম (৩: ১৬৩৪), সুনানে ইবনে মাজাহ (২: ১১৩০) এবং মুওয়াত্তা মালিক: (২: ৯২৫)।

৩. সহীহ মুসলিম (৩: ১৬৩৪)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌24 - وعن البراء: (نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الشرب في الفضة؛ فإنه من شرب فيها في الدنيا لم يشرب فيها في الآخرة (مختصر من مسلم 1.

‌‌25 - وعن أنس (أن قدح النبي صلى الله عليه وسلم انكسر، فاتخذ مكان الشّعب سِلسِلة من فضة (رواه البخاري 2.

‌‌26 - وعن عبد الله بن زيد قال: (أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخرجنا له ماء في تور من صفر، فتوضأ (.

--------------------------------------------

1 صحيح مسلم: (3: 1636) وقوله: "مختصر من مسلم" يشعر بأن هذا الحديث قد اختصره من رواية مسلم لهذا الحديث. وهذا غير صحيح. فالحديث في صحيح مسلم بهذا إنما هو زيادة في رؤية أشعث بن أبي الشعثاء لهذا الحديث. والحديث في أصله رواه البخاري ومسلم والترمذي والنسائي وابن ماجه وغيرهم. إلا أن هذه الرواية الزائدة انفرد بها "أشعث" عند مسلم فقط. والله أعلم.

2 صحيح البخاري: كتاب فرض الخمس (6: 212) من الفتح وكذا أخرجه في كتاب الأشربة (10: 99) من الفتح بلفظ قريب. قيل: إن الذي جعل السلسلة هو أنس وبذلك جزم ابن الصلاح كما ذكره الحافظ. لكن رواية البخاري في الأشربة تدل على أن الذي جعلها هو النبي صلى الله عليه وسلم. فقد قال البخاري: قال عاصم: وقال ابن سيرين: إنه كان فيه حلقة من حديد فأراد أنس أن يجعل مكانها حلقة من ذهب أو فضة. فقال له أبو طلحة: لا تغيرن شيئا صنعه رسول الله صلى الله عليه وسلم. فتركه اهـ.
২৪ - বারা (রা.) থেকে বর্ণিত: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে রূপার পাত্রে পান করতে নিষেধ করেছেন; কেননা যে ব্যক্তি দুনিয়াতে তাতে পান করবে, সে আখিরাতে তাতে পান করবে না (মুসলিমের বর্ণনার সংক্ষিপ্তসার ১।

২৫ - আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পানপাত্রটি ফেটে গিয়েছিল, ফলে তিনি ফাটা স্থানে রূপার একটি শিকল লাগিয়েছিলেন (বুখারী বর্ণনা করেছেন ২।

২৬ - আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে আসলেন, তখন আমরা তাঁর জন্য একটি পিতলের পাত্রে পানি বের করে দিলাম, এরপর তিনি ওজু করলেন (।

--------------------------------------------

১ সহীহ মুসলিম: (৩: ১৬৩৬) এবং তাঁর কথা: "মুসলিমের বর্ণনার সংক্ষিপ্তসার" দ্বারা মনে হয় যে, এই হাদীসটি তিনি মুসলিমের বর্ণনা থেকে সংক্ষিপ্ত করেছেন। কিন্তু এটি সঠিক নয়। সহীহ মুসলিমে এই হাদীসটি মূলত আশআছ ইবনে আবিশ শা’ছা-এর বর্ণনায় একটি অতিরিক্ত অংশ। হাদীসটি মূলত বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তবে এই অতিরিক্ত বর্ণনাটি শুধুমাত্র মুসলিমের নিকট "আশআছ" এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

২ সহীহ বুখারী: কিতাব ফারদুল খুমুস (৬: ২১২) ফাতহুল বারী থেকে এবং একইভাবে তিনি এটি পানীয় অধ্যায়ে (১০: ৯৯) ফাতহুল বারী থেকে কাছাকাছি শব্দে বর্ণনা করেছেন। বলা হয়ে থাকে যে, যিনি শিকলটি লাগিয়েছিলেন তিনি ছিলেন আনাস এবং ইবনুস সালাহ এটি নিশ্চিত করেছেন যেমনটি হাফেজ (ইবনে হাজার) উল্লেখ করেছেন। কিন্তু পানীয় অধ্যায়ে বুখারীর বর্ণনা নির্দেশ করে যে, যিনি এটি লাগিয়েছিলেন তিনি স্বয়ং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। ইমাম বুখারী বলেন: আসিম বলেছেন: এবং ইবনে সীরীন বলেছেন: তাতে লোহার একটি আংটা ছিল, তাই আনাস তার পরিবর্তে সোনা বা রূপার একটি আংটা লাগাতে চাইলেন। তখন আবু তালহা তাঁকে বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন তার কোনো কিছুই পরিবর্তন করো না। ফলে তিনি তা ছেড়ে দিলেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২৩)
رواه البخاري 1.

‌‌27 - وعن جابر: عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال 2: (أوك سقاك واذكر اسم الله، وخمر إناءك واذكر اسم الله، ولو أن تعرض عليه عوداً (.

أخرجاه 3.

‌‌28 - ولمسلم 4: (غطوا الإناء، وأوكوا السقاء؛ 5 فإن في السنة ليلة ينزل فيها وباء، لا يمر 6 بإناء ليس (عليه) غطاء، أو سقاء ليس عليه وكاء، إلا نزل فيه من ذلك الوباء (.

‌‌29 - وعن أبي ثعلبة (قال) : (قلت يا رسول الله، إنا بأرض قوم أهل الكتاب، أفنأكل في آنيتهم؟.... قال: (أما ما ذكرت من أهل

--------------------------------------------

1 صحيح البخاري في كتاب الوضوء (1: 302 من الفتح) . وأخرجه أيضا أبو داود في سننه (1: 25) وابن ماجه في سننه (1: 159) . وأما أصل الحديث وصفة وضوء النبي صلى الله عليه وسلم فقد أخرجه مالك والشافعي وأحمد والبخاري ومسلم وأبو داود والترمذي والنسائي وابن ماجه وغيرهم.

2 ليست في الأصل، والحديث من كلام النبي صلى الله عليه وسلم لا من قول جابر رضي الله عنه.

3 فتح الباري بشرح صحيح البخاري (10: 88) ومسلم في كتاب الأشربة (3: 1594) .

4 صحيح مسلم: كتاب الأشربة (3: 1596) .

5 في الأصل: الاسقا.

6 في الأصل: "لا يجد إناء".
ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন। ১

‌‌২৭ - জাবির (রা.) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ২: (তোমার পানপাত্রের মুখ বেঁধে রাখো এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করো, আর তোমার পাত্র ঢেকে রাখো এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করো, যদি তার ওপর একটি কাঠিও আড়াআড়িভাবে রেখে দিতে হয় তবুও)।

তারা দুজন (বুখারী ও মুসলিম) এটি উদ্ধৃত করেছেন ৩।

‌‌২৮ - এবং মুসলিমের বর্ণনায় ৪ রয়েছে: (তোমরা পাত্রসমূহ ঢেকে রাখো এবং পানপাত্রের মুখ বেঁধে রাখো; ৫ কেননা বছরে এমন একটি রাত আছে যাতে মহামারি অবতীর্ণ হয়। এমন কোনো পাত্র যার ওপর ঢাকনা নেই অথবা এমন কোনো পানপাত্র যার মুখ বাঁধা নেই, তার পাশ দিয়ে সেই মহামারি অতিক্রম করার সময় তাতে সেই মহামারির কিছু অংশ প্রবেশ করে)। ৬

‌‌২৯ - এবং আবু সা’লাবা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: (আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের ভূমিতে বসবাস করি, আমরা কি তাদের পাত্রে আহার করতে পারি? .... তিনি বললেন: আহলে কিতাবদের ব্যাপারে তুমি যা উল্লেখ করেছ....

--------------------------------------------

১ সহীহ বুখারী, কিতাবুল ওযু (ফাতহুল বারী ১: ৩০২)। এটি আবু দাউদ তাঁর সুনান গ্রন্থে (১: ২৫) এবং ইবনে মাজাহ তাঁর সুনান গ্রন্থে (১: ১৫৯) উদ্ধৃত করেছেন। আর মূল হাদিস এবং নবী (সা.)-এর ওযুর পদ্ধতি মালেক, শাফেয়ী, আহমাদ, বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।

২ এটি মূল পাণ্ডুলিপিতে নেই, আর হাদিসটি নবী (সা.)-এর বাণী, জাবির (রা.)-এর নিজস্ব উক্তি নয়।

৩ ফাতহুল বারী শরহ সহীহ বুখারী (১০: ৮৮) এবং মুসলিম, কিতাবুল আশরিবা (৩: ১৫৯৪)।

৪ সহীহ মুসলিম: কিতাবুল আশরিবা (৩: ১৫৯৬)।

৫ মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি 'আল-ইসকা' (الاسقا) হিসেবে রয়েছে।

৬ মূল পাণ্ডুলিপিতে 'লা ইয়াজিদু ইনাআন' (لا يجد إناء) রয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২৪)
الكتاب) ، فإن 1 وجدتم غيرها فلا تأكلوا فيها، وإن لم تجدوا فاغسلوها وكلوا فيها … (.

أخرجاه 2.

‌‌30 - ولأحمد وأبي داود: (إنا بأرض أهل الكتاب، وإنهم يأكلون لحم الخنزير، ويشربون الخمر، فكيف نصنع بآنيتهم وقدورهم؟ قال: إن لم تجدوا غيرها فارحضوها بالماء، وكلوا فيها واشربوا (3.

‌‌31 - وعن أنس (أن يهودياً دعا النبي صلى الله عليه وسلم إلى خبز شعير وإهالة سنخة 4 فأجابه (.

رواه أحمد 5.

--------------------------------------------

1 في الأصل: إن.

2 صحيح البخاري: كتاب الذبائح والصيد (9: 604) من الفتح. وصحيح مسلم: كتاب الصيد والذبائح (3: 1532) . وأخرجه أيضا: أبو داود مختصرا في كتاب الصيد (3: 111) وسأذكر روايته الأخرى بعد قليل- إن شاء الله تعالى- وأخرجه الترمذي في ثلاثة مواطن من سننه (4: 64 ، 129 ، 254) وابن ماجه في سننه (2: 955 ، 1069) .

3 سنن أبي داود (3: 363) ، مسند أحمد (4: 194 ، 195) .

4 قوله "سنخة" أي المتغيرة الريح ويقال بالزاي. والإهالة: الودك.

5 مسند أحمد (3: 180 ، 211) .
কিতাবধারী), তবে ১ যদি তোমরা তা ছাড়া অন্য কিছু পাও তবে তাতে আহার করো না, আর যদি না পাও তবে তা ধুয়ে নাও এবং তাতে আহার করো … (।

তাঁরা উভয়ে এটি বর্ণনা করেছেন ২।

‌‌৩০ - এবং আহমাদ ও আবু দাউদের বর্ণনায়: (আমরা আহলে কিতাবদের ভূখণ্ডে আছি, তারা শূকরের মাংস ভক্ষণ করে এবং মদ পান করে; এমতাবস্থায় আমরা তাদের আসবাবপত্র ও হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে কী করব? তিনি বললেন: যদি তোমরা অন্য কিছু না পাও তবে সেগুলো পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলো এবং তাতে আহার ও পান করো (৩।

‌‌৩১ - আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, (একজন ইহুদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যবের রুটি এবং পরিবর্তিত গন্ধযুক্ত চর্বির ৪ দাওয়াত দিয়েছিল, অতঃপর তিনি তাতে সাড়া দিয়েছিলেন (।

আহমাদ এটি বর্ণনা করেছেন ৫।

--------------------------------------------

১ মূলে রয়েছে: ইন (যদি/নিশ্চয়ই)।

২ সহিহ বুখারি: জবাই ও শিকার অধ্যায় (৯: ৬০৪) ফাতহুল বারি থেকে। সহিহ মুসলিম: শিকার ও জবাই অধ্যায় (৩: ১৫৩২)। আবু দাউদ এটি সংক্ষেপে শিকার অধ্যায়ে (৩: ১১১) বর্ণনা করেছেন এবং অচিরেই আমি ইনশাআল্লাহ তাআলা তাঁর অন্য বর্ণনাটি উল্লেখ করব। তিরমিজি তাঁর সুনান গ্রন্থের তিনটি স্থানে (৪: ৬৪, ১২৯, ২৫৪) এবং ইবনে মাজাহ তাঁর সুনানে (২: ৯৫৫, ১০৬৯) এটি উদ্ধৃত করেছেন।

৩ সুনানে আবু দাউদ (৩: ৩৬৩), মুসনাদে আহমাদ (৪: ১৯৪, ১৯৫)।

৪ তাঁর উক্তি "সানিখাহ" অর্থাৎ যার গন্ধ পরিবর্তিত হয়ে গেছে, এটি 'যা' বর্ণ দিয়েও উচ্চারিত হয়। আর 'ইহালাহ' হলো চর্বি।

৫ মুসনাদে আহমাদ (৩: ১৮০, ২১১)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌32- وصح عن النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه (الوضوء من مزادة مشركة (1.

‌‌33 - وعن عمر (الوضوء من جرة نصرانية (2.

‌‌34 - وعن أبي المليح بن أسامة 3 عن أبيه: (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن جلود السباع (.

رواه أحمد وأبو داود والترمذي 4 وزاد: " أن يفترش ".

‌‌35 - وعن المقدام بن معدي كرب أنه قال لمعاوية: (أنشدك الله

--------------------------------------------

1 هو في البخاري (1: 447) ومسلم (5: 189) عن عمران ابن حصين.

2 أخرجه الشافعي معلقا (1: 4) مختصر المزني بهامش الأم; وعبد الرزاق في مصنفه وأخرجه أيضا البخاري تعليقا لكن بلفظ: "من بيت نصرانية" انظر الفتح (1: 298) ، وأخرجه الدارقطني (1: 32) بلفظين أحدهما بلفظ البخاري. والآخر: "أتيته بماء فتوضأ منه".

3 هو أسامة بن عمير بن عامر بن عمير بن عبد الله الهذلي. واسم أبي المليح: عامر، وقيل: زيد، وقيل: زياد.

4 أخرجه أحمد في المسند (5: 74 ، 75) وأبو داود في السنن (4: 69) والترمذي (4: 241) وقال: ولا نعلم أحدا قال: عن أبي المليح عن أبيه غير سعيد بن أبي عروبة، ثم ساق بسنده من طريق شعبة عن يزيد الرِّشْك عن أبي المليح عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى عن جلود السباع: فقال: وهذا أصح. اهـ. فقد قدم المرسل على المتصل المرفوع، والله أعلم. وأما الزيادة المذكورة هنا في الحديث فهي في الرواية الأولى عنده (4: 241) وأخرجه النسائي أيضا (7: 176) .
‌৩২- এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ থেকে বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত হয়েছে (মুশরিক মহিলার পানির পাত্র থেকে অজু করা (১)।

‌‌৩৩ - এবং ওমর থেকে বর্ণিত (খ্রিস্টান মহিলার কলস থেকে অজু করা (২)।

‌‌৩৪ - এবং আবু আল-মালিহ বিন উসামা ৩ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন: (নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিংস্র পশুর চামড়া ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন)।

আহমদ, আবু দাউদ এবং তিরমিজি ৪ এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন: "তা বিছানা হিসেবে ব্যবহার করা"।

‌‌৩৫ - এবং মিকদাম বিন মাদী কারিব থেকে বর্ণিত যে, তিনি মুয়াবিয়াকে বললেন: (আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি...

--------------------------------------------

১ এটি বুখারি (১: ৪৪৭) এবং মুসলিম (৫: ১৮৯)-এ ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণিত।

২ শাফেয়ী এটি তালীক হিসেবে (১: ৪) আল-উম্মের টীকায় মুখতাসার আল-মুজানীতে বর্ণনা করেছেন; এবং আবদুর রাজ্জাক তাঁর মুসান্নাফে। বুখারিও এটি তালীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন কিন্তু "একজন খ্রিস্টান মহিলার ঘর থেকে" শব্দে, ফাতহুল বারি (১: ২৯৮) দেখুন। আর দারাকুতনি (১: ৩২) এটি দুটি পাঠে বর্ণনা করেছেন যার একটি বুখারির শব্দের অনুরূপ। অন্যটি হলো: "আমি তাঁর কাছে পানি নিয়ে আসলাম এবং তিনি তা দিয়ে অজু করলেন।"

৩ তিনি হলেন উসামা বিন উমাইর বিন আমির বিন উমাইর বিন আব্দুল্লাহ আল-হুজালি। আর আবু আল-মালিহ-এর নাম: আমির, এবং বলা হয়: যায়েদ, আবার বলা হয়: জিয়াদ।

৪ আহমদ আল-মুসনাদে (৫: ৭৪, ৭৫), আবু দাউদ আস-সুনানে (৪: ৬৯) এবং তিরমিজি (৪: ২৪১) এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ ব্যতীত অন্য কেউ 'আবু আল-মালিহ তাঁর পিতা থেকে' এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। অতঃপর তিনি শুবা-এর সূত্রে ইয়াজিদ আর-রিশক থেকে আবু আল-মালিহ-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাঁর সনদটি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি হিংস্র পশুর চামড়া ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন: এটিই অধিক বিশুদ্ধ। সমাপ্ত। সুতরাং তিনি মুরসাল বর্ণনাকে মুত্তাসিল মারফু বর্ণনার ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন, আর আল্লাহই ভালো জানেন। আর এখানে হাদিসে যে বর্ধিত অংশটি উল্লিখিত হয়েছে তা তাঁর নিকট প্রথম বর্ণনায় (৪: ২৪১) রয়েছে এবং নাসায়ীও এটি বর্ণনা করেছেন (৭: ১৭৬)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২৬)
هل تعلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس جلود السباع، والركوب عليها؟ قال: نعم (رواه أبو داود والنسائي 1.

‌‌36 - وعن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال 2: (لا تصحب الملائكة رفقة فيها جلد نمر (رواه أبو داود 3

‌‌37 - وفي البخاري: (كان عطاء لا يرى بأساً أن يتخذ منه - أي شعر الإنسان - الخيوط والحبال (4.

وقال حماد: "لا بأس بريش الميتة".

وقال الزهري في عظام الموتى نحو الفيل (وغيره) : (أدركت (ناساً) من " سلف " العلماء يمتشطون بها ويدهنون فيها 5 لا يرون به بأسا (.

--------------------------------------------

1 سنن أبي داود (4: 68) وفي الحديث قصة ساقها بتمامها، وسنن النسائي (7: 176) .

2 في المخطوطة: مرفوعا، وما أثبتناه هو الموجود في السنن.

3 سنن أبي داود (4: 68) .

4 في كتاب الوضوء (1: 272) تعليقا. وقال الحافظ ابن حجر: هذا التعليق وصله محمد بن إسحاق الفاكهي، في أخبار مكة، بسند صحيح إلى عطاء، وهو ابن أبي رباح، أنه كان لا يرى بأسا بالانتفاع بشعور الناس التي تحلق بمنى (الفتح 1: 272) .

5 في المخطوطة: "سلف الأمة يتمشطون بها ويذهبون فيها" والتصحيح من صحيح البخاري.
আপনি কি জানেন যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিংস্র প্রাণীর চামড়া পরিধান করতে এবং তার উপর আরোহণ করতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ (আবু দাউদ ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন) ১।

‌‌৩৬ - আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন ২: (ফেরেশতারা এমন কাফেলার সঙ্গী হয় না যাতে চিতার চামড়া থাকে (আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন ৩)।

‌‌৩৭ - এবং বুখারীতে রয়েছে: (আতা মানুষের চুল থেকে সুতা ও রশি তৈরি করাকে দোষণীয় মনে করতেন না (৪।

হাম্মাদ বলেন: "মৃত প্রাণীর পালকে কোনো অসুবিধা নেই।"

এবং যুহরী মৃত প্রাণীর হাড় যেমন হাতি (এবং অন্যান্য) সম্পর্কে বলেছেন: (আমি পূর্বসূরি আলিমদের মধ্যে এমন কিছু লোককে পেয়েছি যারা এগুলো দিয়ে চিরুনি তৈরি করতেন এবং এতে তেল রাখতেন ৫, তারা এতে কোনো দোষ দেখতেন না)।

--------------------------------------------

১ সুনানে আবু দাউদ (৪: ৬৮) এবং হাদীসটিতে একটি ঘটনা রয়েছে যা তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করেছেন, এবং সুনানে নাসায়ী (৭: ১৭৬)।

২ পাণ্ডুলিপিতে: মারফু হিসেবে রয়েছে, আর আমরা যা সাব্যস্ত করেছি তা সুনান গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান রয়েছে।

৩ সুনানে আবু দাউদ (৪: ৬৮)।

৪ কিতাবুল উজু (১: ২৭২) তালীক হিসেবে। হাফেজ ইবনে হাজার বলেন: এই তালীকটি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-ফাকিহী 'আখবারু মক্কা' গ্রন্থে আতা -যিনি ইবনে আবি রাবাহ- পর্যন্ত সহীহ সনদে সংযুক্ত করেছেন যে, তিনি মিনায় মুণ্ডন করা মানুষের চুল থেকে উপকার গ্রহণ করাকে দোষণীয় মনে করতেন না (ফাতহুল বারী ১: ২৭২)।

৫ পাণ্ডুলিপিতে: "উম্মাহর পূর্বসূরিরা এগুলো দিয়ে চিরুনি করতেন এবং এতে যাতায়াত করতেন" এবং সংশোধনটি সহীহ বুখারী থেকে নেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২৭)
وقال ابن سيرين وإبراهيم: "لا بأس بتجارة العاج 1 ".

‌‌38 - وعن أبي واقد الليثي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (ما قطع من البهيمة وهي حية، فهي ميتة (2.

حسنه الترمذي 3.

‌‌39 - وعن ابن عباس (قال) : (تصدق على مولاة لميمونة بشاة فماتت، فمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: هلا أخذتم إهابها فدبغتموه، فانتفعتم به؟ فقالوا: إنها ميتة، فقال: إنما حرم أكلها (أخرجاه 4.

وليس في البخاري ذكر الدباغ.

--------------------------------------------

1 أخرج الأقوال الثلاثة البخاري تعليقا في كتاب الوضوء (1: 342) ، وقال الحافظ ابن حجر عن أثر حماد: وصله عبد الرزاق عن معمر عنه. وقال عن أثر ابن سيرين: وصله عبد الرزاق بلفظ: "أنه كان لا يرى بالتجارة في العاج بأسا" (الفتح 1: 343) .

2 في الأصل: فهو ميت. والتصحيح من سنن أبي داود والترمذي.

3 سنن أبي داود (3: 111) وسنن الترمذي (3: 74) وقال: حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث زيد بن أسلم، والعمل على هذا عند أهل العلم، وأبو واقد الليثي اسمه: الحرث بن عوف، وأخرجه أيضا أحمد في المسند (5: 218) والدارمي (2: 93) والحاكم في المستدرك والدارقطني (4: 292) .

4 صحيح البخاري: كتاب الزكاة (3: 355) من الفتح وصحيح مسلم (1: 276) وهذا لفظه. والحديث أخرجه أيضا: أبو داود (4: 65) والترمذي (4: 220) والنسائي (7: 172) وابن ماجه (2: 1193) والدارمي (2: 86) ومالك في الموطأ (2: 498) وأحمد في المسند في مواطن متعددة منها (1: 219 227، 237، ،261) وغيرهم.
ইবনে সীরীন এবং ইবরাহীম বলেছেন: "হাতির দাঁতের ব্যবসায় কোনো অসুবিধা নেই ১।"

‌‌৩৮ - আবু ওয়াকিদ আল-লায়সী থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (জীবিত থাকা অবস্থায় চতুষ্পদ জন্তু থেকে যা বিচ্ছিন্ন করা হয়, তা মৃত ২)।

তিরমিযী এটিকে হাসান বলেছেন ৩।

‌‌৩৯ - ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি (বলেন): (মায়মুনার এক আযাদকৃত দাসীকে একটি ছাগল সদকা করা হয়েছিল, যা পরে মারা যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন: তোমরা কেন এর চামড়াটি নিলে না, যাতে তা পাকা করে ব্যবহার করতে পারতে? তারা বলল: এটি তো মৃত। তিনি বললেন: কেবল তা খাওয়া হারাম করা হয়েছে (উভয় ইমাম এটি বর্ণনা করেছেন ৪)।

বুখারীর বর্ণনায় চামড়া পাকানোর উল্লেখ নেই।

--------------------------------------------

১ আল-বুখারী কিতাবুল ওযুতে (১: ৩৪২) তিনটি উক্তিই তালীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। হাফেজ ইবনে হাজার হাম্মাদ-এর আসর সম্পর্কে বলেছেন: আব্দুর রাজ্জাক মা'মারের সূত্রে তাঁর থেকে এটি মাওসুল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর ইবনে সীরীন-এর আসর সম্পর্কে বলেছেন: আব্দুর রাজ্জাক এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: "তিনি হাতির দাঁতের ব্যবসায় কোনো অসুবিধা দেখতেন না" (আল-ফাতহ ১: ৩৪৩)।

২ মূল পাণ্ডুলিপিতে শব্দটি পুংলিঙ্গ হিসেবে ছিল। আবু দাউদ ও তিরমিযীর বর্ণনা অনুযায়ী তা সংশোধন করা হয়েছে।

৩ সুনানে আবু দাউদ (৩: ১১১) এবং সুনানে তিরমিযী (৩: ৭৪); তিনি বলেছেন: এটি হাসান গরীব, আমরা যায়িদ বিন আসলামের সূত্র ছাড়া এটি জানি না। আলেমদের নিকট আমল এর ওপরই। আবু ওয়াকিদ আল-লায়সীর নাম হলো হারিস বিন আউফ। ইমাম আহমদ তাঁর মুসনাদে (৫: ২১৮), আদ-দারিমী (২: ৯৩), আল-হাকিম মুসতাদরাকে এবং আদ-দারা কুতনী (৪: ২৯২) এটি বর্ণনা করেছেন।

৪ সহীহ আল-বুখারী: কিতাবুয যাকাত (৩: ৩৫৫ - ফাতহুল বারী অনুযায়ী) এবং সহীহ মুসলিম (১: ২৭৬); এটি মুসলিমের শব্দ। হাদীসটি আরও বর্ণনা করেছেন: আবু দাউদ (৪: ৬৫), তিরমিযী (৪: ২২০), নাসাঈ (৭: ১৭২), ইবনে মাজাহ (২: ১১৯৩), আদ-দারিমী (২: ৮৬), মালেক মুয়াত্তায় (২: ৪৯৮), ইমাম আহমদ তাঁর মুসনাদের বিভিন্ন স্থানে (১: ২১৯, ২২৭, ২৩৭, ২৬১) এবং অন্যান্যরা।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌40 - وعن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم 1: (أيما أهاب دبغ فقد طهر (. رواه الأربعة 2.

‌‌41 - ولمسلم 3 (إذا دبغ الإهاب فقد طهر (.

‌‌42 - وعنه 4 قال: (ماتت شاة لسودة بنت زمعة، فقالت: يا رسول الله ماتت فلانة تعني الشاة، فقال: لولا أخذتم مسكها، قالوا نأخذ مسك شاة قد ماتت؟ فقال لها: إنما قال الله تعالى: {قُلْ لا أَجِدُ فِي مَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّماً عَلَى طَاعِمٍ

--------------------------------------------

1 في الأصل: مرفوعا، وما أثبتناه هو الموجود في أصول الحديث فانظرها.

2 سنن أبي داود (4: 66) وسنن الترمذي (4: 221) وسنن النسائي (7: 173) وسنن ابن ماجه (2: 1193) وقال الترمذي: والعمل على هذا عند أكثر أهل العلم، قالوا في جلود الميتة إذا دبغت فقد طهرت، وقال الشافعي: "أيما إهاب ميتة دبغ فقد طهر إلا الكلب والخنزير". وأخرجه مالك في الموطأ (2: 498) .

3 صحيح مسلم (1: 277) .

4 أي ابن عباس رضى الله عنهما.
৪০ - ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যেকোনো কাঁচা চামড়া যখন পাকা করা হয়, তখন তা পবিত্র হয়ে যায়।" চার ইমাম এটি বর্ণনা করেছেন।

‌৪১ - আর মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে: "যখন কাঁচা চামড়া পাকা করা হয়, তখন তা পবিত্র হয়ে যায়।"

‌৪২ - তাঁর থেকেই বর্ণিত, তিনি বলেন: "সাওদা বিনতে জামআহ (রা.)-এর একটি বকরি মারা গেল। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! অমুক মারা গেছে—অর্থাৎ বকরিটি। তিনি বললেন: তোমরা কেন সেটির চামড়া সংগ্রহ করলে না? তারা বলল: আমরা কি মৃত বকরির চামড়া নেব? তখন তিনি তাকে বললেন: মহান আল্লাহ তো কেবল বলেছেন: {বলুন, আমার কাছে যে ওহী পাঠানো হয়েছে তাতে আমি এমন কিছু পাই না যা কোনো আহারকারীর জন্য হারাম...

--------------------------------------------

১ মূল পাণ্ডুলিপিতে 'মারফু' হিসেবে আছে, তবে আমরা যা এখানে সাব্যস্ত করেছি তা-ই হাদিসের মূল গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান, সুতরাং সেগুলো দেখে নিন।

২ সুনানে আবু দাউদ (৪: ৬৬), সুনানে তিরমিযী (৪: ২২১), সুনানে নাসাঈ (৭: ১৭৩), সুনানে ইবনে মাজাহ (২: ১১৯৩)। ইমাম তিরমিযী বলেন: অধিকাংশ আলেমদের আমল এর ওপরই। তারা বলেন, মৃত প্রাণীর চামড়া যখন পাকা করা হয় তখন তা পবিত্র হয়। ইমাম শাফেঈ বলেন: "মৃত প্রাণীর যেকোনো চামড়া পাকা করলে তা পবিত্র হয়, কুকুর ও শুকর ব্যতীত।" ইমাম মালিক এটি মুয়াত্তা-তে (২: ৪৯৮) বর্ণনা করেছেন।

৩ সহিহ মুসলিম (১: ২৭৭)।

৪ অর্থাৎ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ২৯)
يَطْعَمُهُ إِلَّا أَنْ يَكُونَ مَيْتَةً أَوْ دَماً مَسْفُوحاً أَوْ لَحْمَ خِنْزِيرٍ} 1 وأنتم لا تطعمونه أن تدبغوه، فتنتفعوا به، فأَرسلت فسلخت مسكها فدبغته، فاتخذت منه قربة حتى تخرقت عندها (رواه أحمد بإسناد صحيح. 2 وقد طعن أحمد في ذكر الدباغ.

‌‌43 - وعن عبد الله بن عكيم قال: (كتب إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل وفاته بشهر - لا تنتفعوا من الميتة بإهاب ولا عصب (.

رواه الخمسة، 3 وحسنه الترمذي، ولم يذكر المدة، 4 غير أحمد وأبي داود.

--------------------------------------------

1 سورة الأنعام (آية: 145) .

2 مسند أحمد (1: 327) وأصل الحديث عند البخاري في الأيمان والنذور (11: 569) من الفتح.

3 مسند أحمد (4: 310 ، 311) وسنن أبي داود (4: 67) وسنن الترمذي (4: 222) وسنن النسائي (7: 175) وسنن ابن ماجه (2: 1194) . وقد رواه الشافعي- في سنن حرملة- والبخاري في تاريخه والدارقطني والبيهقي وابن حبان عن عبد الله بن عكيم.... وفي رواية الشافعي وأحمد وأبي داود "قبل موته بشهر" وفي رواية لأحمد "بشهر أو بشهرين" قال الترمذي: حسن، وكان أحمد يذهب إليه، ويقول: هذا آخر الأمر، ثم تركه لما اضطربوا في إسناده، (انظر التلخيص لبيان الاضطراب في السند) (1: 47) وما بعد.

4 قلت: قوله "ولم يذكر المدة غير أحمد وأبي داود"، قد ذكرها الترمذي أيضا فقال: وروى هذا الحديث عن عبد الله بن عكيم أنه قال: "أتانا كتاب النبي صلى الله عليه وسلم قبل وفاته بشهرين" فانظره (4: 222) وقال: وليس العمل على هذا عند أكثر أهل العلم. اهـ.
ভক্ষণ করে, যদি না তা মৃত পশু অথবা প্রবাহিত রক্ত অথবা শূকরের মাংস হয়} ১ আর তোমরা তা ভক্ষণ করবে না বরং তা পাকা (দাবাগাত) করবে যাতে তোমরা তা থেকে উপকৃত হতে পারো। তাই আমি লোক পাঠালাম এবং তার চামড়া ছাড়ানো হলো ও আমি তা পাকা করলাম, এরপর আমি তা থেকে একটি পানির মশক তৈরি করলাম যতক্ষণ না সেটি জীর্ণ হয়ে ছিঁড়ে গেল (আহমাদ এটি একটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। ২ আর আহমাদ চামড়া পাকা করার বিষয়টি উল্লেখ করার ক্ষেত্রে আপত্তি প্রকাশ করেছেন)।

‌‌৪৩ - এবং আব্দুল্লাহ ইবনে উকাইম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ইন্তেকালের এক মাস আগে আমাদের কাছে লিখেছিলেন - তোমরা মৃত পশুর চামড়া এবং স্নায়ু থেকে কোনো উপকার গ্রহণ করো না।)

এটি পাঁচজন ইমাম বর্ণনা করেছেন, ৩ এবং তিরমিযী এটিকে হাসান বলেছেন, তবে তিনি সময়কালের কথা উল্লেখ করেননি, ৪ আহমাদ ও আবু দাউদ ব্যতীত।

--------------------------------------------

১ সূরা আল-আনআম (আয়াত: ১৪৫)।

২ মুসনাদে আহমাদ (১: ৩২৭) এবং মূল হাদীসটি বুখারীতে ঈমান ও মানত অধ্যায়ে (১১: ৫৬৯) আল-ফাতহ থেকে বর্ণিত।

৩ মুসনাদে আহমাদ (৪: ৩১০, ৩১১), সুনানে আবু দাউদ (৪: ৬৭), সুনানে তিরমিযী (৪: ২২২), সুনানে নাসাঈ (৭: ১৭৫) এবং সুনানে ইবনে মাজাহ (২: ১১৯৪)। ইমাম শাফেঈ—সুনানে হারমালাহ-তে—এবং বুখারী তাঁর তারিখে, দারাকুতনী, বায়হাকী এবং ইবনে হিব্বান আব্দুল্লাহ ইবনে উকাইম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন... শাফেঈ, আহমাদ ও আবু দাউদের বর্ণনায় আছে "তাঁর মৃত্যুর এক মাস আগে" এবং আহমাদের একটি বর্ণনায় আছে "এক মাস বা দুই মাস আগে"। তিরমিযী বলেন: এটি হাসান, এবং আহমাদ এই মতের দিকে যেতেন এবং বলতেন: এটিই সর্বশেষ নির্দেশ, পরবর্তীতে তিনি এটি ত্যাগ করেন যখন তাঁরা এর সনদে বিশৃঙ্খলা (ইযতিরাব) লক্ষ্য করেন, (সনদের ইযতিরাব বর্ণনার জন্য দেখুন আত-তালখীস) (১: ৪৭) এবং পরবর্তী অংশ।

৪ আমি বলছি: তাঁর উক্তি "আহমাদ ও আবু দাউদ ব্যতীত অন্য কেউ সময়ের উল্লেখ করেননি", এটি তিরমিযীও উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে উকাইম থেকে এই হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্র আমাদের কাছে তাঁর ইন্তেকালের দুই মাস আগে এসেছিল" সুতরাং সেটি দেখুন (৪: ২২২) এবং তিনি বলেছেন: অধিকাংশ আলেমদের নিকট এর উপর আমল নেই। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌44 - وعن سلمة بن الأكوع قال: ( … فلما 1 أمسى (الناس) اليوم فتحت عليهم (فيه خيبر) ، 2 أوقدوا نيراناً كثيرة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ما هذه (النار) 3؟ على أي شيء توقدون؟ قالوا: على لحم، قال: أيُّ لحم؟ قالوا: على لحم الحمر الإنسية. قال: (رسول الله صلى الله عليه وسلم أهريقوها واكسروها. فقال رجل: يا رسول الله أو نهريقها ونغسلها؟ قال: أو ذاك.... (.

‌‌45 - وفي لفظ 4 فقال: (اغسلوا (. أخرجاه 5.

--------------------------------------------

1 في الأصل "لما" ولما كان الحديث جزءا من حديث وفي الصحيحين "فلما" لذا جعلنا مكان الكلام المحذوف نقطا ثم أثبتنا الفاء.

2 لم أجد ما بين القوسين في روايات الصحيحين، لأن الحديث فيهما تكملة لغزوة خيبر.

3 كذا في الأصل "النار" وهي الموجودة في كتاب الدعوات، أما باقي الروايات فهي "النيران" بالجمع، فتنبه.

4 هو في البخاري (5: 121) .

5 صحيح البخاري: كتاب المغازي (7: 463) وكتاب الذبائح (9: 622) وكتاب الأدب (10: 537) وكتاب الدعوات (11: 136) من الفتح. وصحيح مسلم (3: 1427 و 1540) . والحديث أخرجه أيضا: أبو داود (3: 29) والنسائي (6: 31) بأصل القصة دون ما هنا. وابن ماجه (1065) وأحمد في المسند.
৪৪ - এবং সালামাহ ইবনুল আকওয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ( ... তারপর যখন [সেদিন লোকদের] সন্ধ্যা হলো [যাতে খায়বার বিজিত হয়েছিল], তারা অনেকগুলো আগুন জ্বালালো। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: এই [আগুন] কী? তোমরা কিসের ওপর আগুন জ্বালাচ্ছো? তারা বললো: গোশতের ওপর। তিনি বললেন: কোন গোশত? তারা বললো: গৃহপালিত গাধার গোশত। তিনি [আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন: এগুলো ঢেলে ফেলে দাও এবং এগুলো ভেঙে ফেলো। তখন এক ব্যক্তি বললো: হে আল্লাহর রাসূল, নাকি আমরা তা ঢেলে ফেলে দেবো এবং ধৌত করবো? তিনি বললেন: অথবা সেটাই করো...। )

৪৫ - এবং অন্য শব্দে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন: (ধুয়ে নাও)। তারা উভয়ই (ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম) এটি উদ্ধৃত করেছেন।

--------------------------------------------

১ মূল পাণ্ডুলিপিতে "লাম্মা" (যখন) ছিল, আর যেহেতু হাদিসটি একটি দীর্ঘ হাদিসের অংশ এবং সহীহাইন-এ "ফালাম্মা" (অতঃপর যখন) রয়েছে, তাই আমরা উহ্য থাকা কথার স্থানে বিন্দু দিয়েছি এবং এরপর 'ফা' অক্ষরটি যুক্ত করেছি।

২ বন্ধনীভুক্ত শব্দগুলো আমি সহীহাইন-এর বর্ণনাগুলোতে পাইনি, কারণ হাদিসটি সেখানে খায়বার যুদ্ধের বর্ণনা হিসেবে এসেছে।

৩ মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই "আগুন" (একবচন) রয়েছে এবং এটি কিতাবুদ দাওয়াত-এও এভাবেই আছে। তবে অন্যান্য বর্ণনায় এটি "আগুনসমূহ" (বহুবচন) শব্দে এসেছে, সুতরাং এ ব্যাপারে সচেতন থাকুন।

৪ এটি বুখারীতে (৫: ১২১) রয়েছে।

৫ সহীহ বুখারী: কিতাবুল মাগাযী (৭: ৪৬৩), কিতাবুজ জাবাইহ (৯: ৬২২), কিতাবুল আদাব (১০: ৫৩৭) এবং ফাতহুল বারী থেকে কিতাবুদ দাওয়াত (১১: ১৩৬)। সহীহ মুসলিম (৩: ১৪২৭ ও ১৫৪০)। হাদিসটি আরও বর্ণনা করেছেন: আবু দাউদ (৩: ২৯) এবং নাসাঈ (৬: ৩১) মূল ঘটনার বর্ণনা সহ যা এখানে নেই। ইবনে মাজাহ (১০৬৫) এবং আহমাদ মুসনাদে।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌46 - وعن ثوبان (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اشترى لفاطمة قلادة من عصب وسوارين من عاج (.

رواه أبو داود 1.

--------------------------------------------

1 سنن أبي داود (4: 87) لكن باختلاف، في سنن أبي داود: عن ثوبان قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سافر كان آخر عهده بإنسان من أهله فاطمة، وأول من يدخل إذا قدم فاطمة، فقدم من غزاة.... وقال: "يا ثوبان اذهب بهذا إلى آل فلان" أهل بيت بالمدينة "إن هؤلاء أهل بيتي أكره أن يأكلوا طيباتهم في حياتهم الدنيا، يا ثوبان، اشتر لفاطمة قلادة من عصب وسوارين من عاج" اهـ.
৪৬ - এবং সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফাতিমার জন্য হাড়ের তৈরি একটি হার এবং হাতির দাঁতের দুটি চুড়ি ক্রয় করলেন।

আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন ১।

--------------------------------------------

১ সুনানে আবু দাউদ (৪: ৮৭); তবে কিছুটা ভিন্ন শব্দে। সুনানে আবু দাউদে সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সফরে বের হতেন, তখন তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সর্বশেষ যাঁর কাছ থেকে বিদায় নিতেন তিনি হলেন ফাতিমা, আর যখন সফর থেকে ফিরে আসতেন তখন সর্বপ্রথম যাঁর কাছে প্রবেশ করতেন তিনিও ফাতিমা। এক যুদ্ধ থেকে ফিরে তিনি... বললেন: "হে সাওবান! এটি অমুক বংশের কাছে নিয়ে যাও" - তারা মদিনার একটি পরিবার - "নিশ্চয়ই এরা আমার পরিবারের সদস্য, আমি অপছন্দ করি যে তারা তাদের জন্য নির্ধারিত পবিত্র ও উত্তম বস্তুসমূহ এই পার্থিব জীবনেই ভোগ করে ফেলুক। হে সাওবান! ফাতিমার জন্য হাড়ের তৈরি একটি হার এবং হাতির দাঁতের দুটি চুড়ি কিনে আনো।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩২)
‌‌باب التخلّي

‌‌47 - عن علي رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (ستر ما بين الجن وعورات بني آدم إذا دخل الكنيف، أن يقول: بسم الله (رواه ابن ماجة، والترمذي وقال: ليس إسناده بالقوي 1.

--------------------------------------------

1 سنن ابن ماجه (1: 109) وسنن الترمذي (2: 504) وقال: هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه، وإسناده ليس بذاك القوي. وقد روى عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم أشياء في هذا. اهـ.

وحديث أنس الذي ذكره الترمذي، ذكره الهيثمي في مجمع الزوائد (1: 205) ولفظه: عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "ستر ما بين أعين الجن وعورات بنى آدم إذا وضعوا ثيابهم أن يقولوا: بسم الله". رواه الطبراني في الأوسط بإسنادين أحدهما فيه سعيد بن مسلمة الأموي ضعفه البخاري وغيره، ووثقه ابن حبان وابن عدي. وبقية رجاله موثوقون. اهـ فهذا شاهد لا بأس به لتقوية حديث الأصل. وانظر تعليق الشيخ أحمد شاكر رحمه الله على سنن الترمذي (2: 504، 505) .
শৌচক্রিয়াপর্ব

৪৭ - আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যখন আদম সন্তান শৌচাগারে প্রবেশ করে, তখন তার সতর এবং জিনের দৃষ্টির মাঝে পর্দা হলো ‘বিসমিল্লাহ’ (আল্লাহর নামে শুরু করছি) বলা।" (ইবনে মাজাহ এবং তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: এর সনদ শক্তিশালী নয়) ১।

--------------------------------------------

১. সুনান ইবনে মাজাহ (১: ১০৯) এবং সুনান তিরমিযী (২: ৫০৪); তিনি বলেছেন: এটি একটি গরীব হাদিস, আমরা এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে জানি না এবং এর সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকেও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে। [উদ্ধৃতি সমাপ্ত]।

আর ইমাম তিরমিযী আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর যে হাদিসটির উল্লেখ করেছেন, হাইতামী সেটি ‘মাজমাউজ জাওয়াইদ’ গ্রন্থে (১: ২০৫) উল্লেখ করেছেন। এর শব্দরূপ হলো: আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "আদম সন্তান যখন তাদের পোশাক খোলে, তখন জিনের চোখ এবং তাদের সতরের মাঝে পর্দা হলো তাদের ‘বিসমিল্লাহ’ বলা।" ইমাম তাবারানী এটি ‘আল-আওসাত’ গ্রন্থে দুটি সনদে বর্ণনা করেছেন। এর একটির সনদে সাঈদ ইবনে মাসলামাহ আল-উমাবী রয়েছেন, যাকে ইমাম বুখারী ও অন্যান্যরা দুর্বল বলেছেন, তবে ইবনে হিব্বান ও ইবনে আদি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। বাকি বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। [উদ্ধৃতি সমাপ্ত]। সুতরাং মূল হাদিসটিকে শক্তিশালী করার জন্য এটি একটি গ্রহণযোগ্য সহায়ক বর্ণনা (শাহেদ)। এ ব্যাপারে সুনান তিরমিযীর ওপর শেখ আহমদ শাকির (রহিমাহুল্লাহ)-এর টীকা দেখুন (২: ৫০৪, ৫০৫)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌48 - وعن أنس، (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء قال: اللهم إني أعوذُ بك من الخُبْثِ والخبَائث (.

متفق عليه 1. زاد سعيد في سننه في أوله: بسم الله.

‌‌49 - وعن أبي أمامة (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: لا يعْجَز أحدُكم إذا دخل مِرْفَقَه أن يقول: اللهم إني أعوذ بك من الرِّجْس النَّجِس الخبيث المُخْبِثِ الشيطان الرجيمِ (. رواه ابن ماجة 2.

‌‌50 - وعن أنس (كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء وضع خاتمه (.

قال الترمذي: صحيح غريب 3.

--------------------------------------------

1 صحيح البخاري: كتاب الوضوء (1: 242) وكتاب الدعوات (11: 129) وصحيح مسلم (1: 283) . والحديث أخرجه أيضا: أبو داود (1: 2) والترمذي (1: 10، 12) والنسائي (1: 20) وابن ماجه (1: 108) والدارمي (1: 171) وأحمد (3: 99 ،101 ،282) والطيالسي.

2 وسنن ابن ماجه (1: 109) .

3 قلت: الموجود في سنن الترمذي (4: 229) قال أبو عيسى: هذا حديث حسن غريب. اهـ. وليس فيه التصحيح. وقد حكم أبو داود عليه بالنكارة فقال بعد أن أخرجه (1: 5) ما لفظه: هذا حديث منكر، "وإنما يعرف عن ابن جريج عن زياد بن سعد عن الزهري عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم اتخذ خاتما من ورق ثم ألقاه " والوهم فيه من همام، ولم يروه إلا همام. اهـ.

ورواه النسائي (8: 178) وابن ماجه (1: 110) .
৪৮ - আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র পুরুষ ও নারী শয়তানদের অনিষ্ট হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি)।

এটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সর্বসম্মত ১। সাঈদ তাঁর সুনানে এর শুরুতে বৃদ্ধি করেছেন: বিসমিল্লাহ (আল্লাহর নামে শুরু করছি)।

৪৯ - আবু উমামাহ (রা.) হতে বর্ণিত (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে প্রবেশ করে, তখন সে যেন এটি বলতে অসমর্থ না হয়: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট কলুষিত, অপবিত্র, মন্দ ও অনিষ্টকারী বিতাড়িত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি)। এটি ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন ২।

৫০ - আনাস (রা.) হতে বর্ণিত (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তখন তাঁর আংটি খুলে রাখতেন)।

ইমাম তিরমিযী বলেছেন: এটি সহীহ গরীব ৩।

--------------------------------------------

১ সহীহ বুখারী: ওযূ অধ্যায় (১: ২৪২) এবং দুআ অধ্যায় (১১: ১২৯) এবং সহীহ মুসলিম (১: ২৮৩)। হাদীসটি আরও বর্ণনা করেছেন: আবু দাউদ (১: ২), তিরমিযী (১: ১০, ১২), নাসাঈ (১: ২০), ইবনে মাজাহ (১: ১০৮), দারেমী (১: ১৭১), আহমাদ (৩: ৯৯, ১০১, ২৮২) এবং তায়ালিসী।

২ এবং সুনানে ইবনে মাজাহ (১: ১০৯)।

৩ আমি বলছি: সুনানে তিরমিযীতে (৪: ২২৯) যা বিদ্যমান রয়েছে তা হলো, আবু ঈসা বলেছেন: এটি হাসান গরীব হাদীস। সমাপ্ত। এতে 'সহীহ' (বিশুদ্ধ) হওয়ার বিষয়টি নেই। আর আবু দাউদ এটি বর্ণনা করার পর (১: ৫) এর উপর 'মুনকার' (অস্বীকৃত) হওয়ার হুকুম দিয়ে বলেছেন: এটি একটি মুনকার হাদীস, "এটি মূলত ইবনে জুরাইজ হতে, তিনি যিয়াদ বিন সাদ হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি আনাস (রা.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপার একটি আংটি গ্রহণ করেছিলেন, অতঃপর তা নিক্ষেপ (ত্যাগ) করেছিলেন"। এতে ভুলটি হাম্মাম-এর পক্ষ থেকে হয়েছে, আর এটি কেবল হাম্মাম-ই বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত। এবং এটি নাসাঈ (৮: ১৭৮) ও ইবনে মাজাহ (১: ১১০) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩৪)
‌‌51 - وعن عائشة (كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا خرج من الخلاء قال: " غفرانك "

رواه أبو داود والترمذي وحسنه 1.

‌‌52 - وعن أنس (كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا خرج من الخلاء قال: " الحمد لله الذي أذهب عني الأذى وعافاني"

رواه 2 وفيه ضعف 3.

--------------------------------------------

1 سنن أبي داود (1: 8) وسنن الترمذي (1: 12) وقال: هذا حديث حسن صحيح: لا نعرفه إلا من حديث إسرائيل عن يوسف بن أبي بردة. اهـ. والحديث رواه أيضا أحمد في المسند (6: 155) وابن ماجه (1: 110) والدارمي (1: 174) وابن خزيمة (1: 48) وابن الجارود في المنتقى (25) وقد صححه أكثر من إمام. منهم أبو حاتم والنووي. وما قاله الترمذي فلأن إسرائيل انفرد به، وإسرائيل ثقة.

2 بياض في الأصل.

3 الحديث أخرجه ابن ماجه (1: 110) وسبب ضعفه وجود إسماعيل بن مسلم قال في الزوائد: هو متفق على تضعيفه، والحديث بهذا اللفظ غير ثابت. اهـ.

قلت: لكن له شاهد من حديث أبي ذر عند النسائي، لكن الدارقطني قال عنه غير محفوظ، وضعفه المنذري أيضا. انظر فيض القدير (5: 122) .
৫১ - আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন শৌচাগার থেকে বের হতেন, তখন বলতেন: "আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি" (গুফরা-নাক)।

আবু দাউদ ও তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী একে হাসান বলেছেন।১

‌‌৫২ - আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন শৌচাগার থেকে বের হতেন, তখন বলতেন: "সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমার থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করেছেন এবং আমাকে সুস্থতা দান করেছেন"।

এটি বর্ণনা করেছেন ২ এবং এতে দুর্বলতা রয়েছে ৩।

--------------------------------------------

১ সুনান আবু দাউদ (১: ৮) ও সুনান তিরমিযী (১: ১২); তিনি (তিরমিযী) বলেছেন: এটি একটি হাসান সহীহ হাদিস; ইউসুফ ইবনে আবি বুরদাহ থেকে ইসরাঈলের বর্ণনা ব্যতীত আমরা এটি সম্পর্কে অবগত নই। সমাপ্ত। হাদিসটি ইমাম আহমাদ তার মুসনাদে (৬: ১৫৫), ইবনে মাজাহ (১: ১১০), দারেমী (১: ১৭৪), ইবনে খুজাইমাহ (১: ৪৮) এবং ইবনুল জারুদ আল-মুনতাকা-তে (২৫) বর্ণনা করেছেন। একাধিক ইমাম একে সহীহ বলেছেন, যাদের মধ্যে আবু হাতিম এবং নববী রয়েছেন। তিরমিযী যা বলেছেন তার কারণ হলো ইসরাঈল এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, অথচ ইসরাঈল একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী।

২ মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে শূন্যস্থান রয়েছে।

৩ হাদিসটি ইবনে মাজাহ (১: ১১০) বর্ণনা করেছেন। এর দুর্বলতার কারণ হলো ইসমাইল ইবনে মুসলিমের উপস্থিতি। আয-যাওয়ায়েদ গ্রন্থে বলা হয়েছে: তার দুর্বলতার বিষয়ে সবাই একমত, আর এই শব্দে হাদিসটি সাব্যস্ত নয়। সমাপ্ত। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: তবে নাসাঈতে আবু যর থেকে বর্ণিত হাদিসে এর একটি সমর্থনকারী বর্ণনা (শাহিদ) রয়েছে, কিন্তু দারাকুতনী সেটিকে 'সংরক্ষিত নয়' (গাইর মাহফুজ) বলেছেন এবং মুনযিরীও একে দুর্বল বলেছেন। দেখুন: ফয়জুল কাদির (৫: ১২২)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩৫)
‌‌53 - وعن ابن عمر (أن رجلا مرَّ ورسول الله صلى الله عليه وسلم يبول، فسلم عليه، فلم يرد عليه (.

رواه مسلم 1.

‌‌54 - وعن أبي سعيد قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول2 (لا يخرج الرجلان (يضربان) 3 الغائط كاشفين عوراتهما يتحدثان، إن الله عز وجل يمقت على ذلك (.

رواه أحمد وأبو داود وابن خزيمة والحاكم 4.

‌‌55 - وللترمذي وصححه من حديث المغيرة معناه، حديث جابر.

‌‌56 - وعن جابر قال: (خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فكان لا يأتي البراز حتى يغيب، فلا يرى (.

رواه ابن ماجه 5.

--------------------------------------------

1 صحيح مسلم (4: 65) . وأخرجه أبو داود (1: 5 ،90) والترمذي (1: 150) و (5: 71) والنسائي (1: 35) وابن ماجه (1: 127) وابن خزيمة (1: 40) .

2 في الأصل: مرفوعا، وما أثبتناه هو الموجود في المصادر.

3 في المخطوطة "لا يضربان" بزيادة "لا".

4 مسند أحمد (3: 36) وسنن أبي داود (1: 4) وصحيح ابن خزيمة (1: 39) ومستدرك الحاكم (1: 157) وصححه وأقره الذهبي. وقال أبو داود: هذا لم يسنده إلا عكرمة بن عمار. اهـ.

5 سنن ابن ماجه (1: 121) .
৫৩ - এবং ইবনে উমর থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি অতিক্রম করছিল এমতাবস্থায় যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্রাব করছিলেন, এমতাবস্থায় সে ব্যক্তি তাঁকে সালাম দিল, কিন্তু তিনি তার জবাব দেননি।

মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন ১।

‌৫৪ - এবং আবু সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "দুই ব্যক্তি যেন তাদের লজ্জাস্থান অনাবৃত রেখে এবং পরস্পর কথা বলা অবস্থায় মলত্যাগ করতে বের না হয়; কেননা মহান আল্লাহ এতে রাগান্বিত হন।"

আহমদ, আবু দাউদ, ইবনে খুযাইমাহ এবং হাকীম এটি বর্ণনা করেছেন ৪।

‌৫৫ - এবং তিরমিযীতে মুগীরাহ-এর হাদীস হতে একই অর্থে বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি একে সহীহ বলেছেন; এটি জাবিরের হাদীস।

‌৫৬ - এবং জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফরে বের হলাম, তিনি মলত্যাগের জন্য নির্জনে যেতেন যতক্ষণ না তিনি অদৃশ্য হতেন, ফলে তাঁকে আর দেখা যেত না।"

ইবনে মাজাহ এটি বর্ণনা করেছেন ৫।

--------------------------------------------

১ সহীহ মুসলিম (৪: ৬৫)। এবং আবু দাউদ (১: ৫, ৯০), তিরমিযী (১: ১৫০) ও (৫: ৭১), নাসায়ী (১: ৩৫), ইবনে মাজাহ (১: ১২৭), ইবনে খুযাইমাহ (১: ৪০) এটি সংকলন করেছেন।

২ মূল পাণ্ডুলিপিতে: 'মারফু' হিসেবে বর্ণিত, এবং আমরা যা এখানে সাব্যস্ত করেছি তা উৎসগ্রন্থগুলোতে বিদ্যমান রয়েছে।

৩ পাণ্ডুলিপিতে "লা" অতিরিক্ত যুক্ত হয়ে "লা ইয়াদরিবান" পাঠ এসেছে।

৪ মুসনাদে আহমদ (৩: ৩৬), সুনানে আবু দাউদ (১: ৪), সহীহ ইবনে খুযাইমাহ (১: ৩৯), মুস্তাদরাকে হাকীম (১: ১৫৭); তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং আয-যাহাবী তা সমর্থন করেছেন। আবু দাউদ বলেছেন: ইকরিমা ইবনে আম্মার ব্যতীত আর কেউ এটিকে মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা করেননি। সমাপ্ত।

৫ সুনানে ইবনে মাজাহ (১: ১২১)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩৬)
‌‌57 - ولأبي داود 1 (كان إذا أراد البراز انطلق حتى لا يراه أحد (.

‌‌58 - ولأبي داود بأسانيد صحيحة عن المهاجر بن قنفذ قال: (أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يبول، فسلمت عليه، فلم يرد عليَّ حتى توضأَ، ثم اعتذر إليَّ وقال: إني كرهت أن أذكر الله تعالى إلا على طهر - أو قال: على طهارة (2.

‌‌59 - وروى أبو داود من طريق رجل لم يسمه عن ابن عمر أنه صلى الله عليه وسلم (كان إذا أراد (حاجة) 3، لا يرفع ثوبه حتى يدنو من الأرض (4.

--------------------------------------------

1 سنن أبي داود (1: 1) .

2 سنن أبي داود (1: 5) .

3 في الأصل: الحاجة وما أثبتناه هو الموجود في سنن أبي داود.

4 سنن أبي داود (1: 4) وزاد: رواه عبد السلام بن حرب عن الأعمش عن أنس بن مالك وهو ضعيف اهـ. ثم ساق سنده إليه. وهكذا أخرجه الترمذي عن الأعمش عن أنس (1: 21) والدارمي (1: 171) لكن زاد الترمذي: وروى وكيع وأبو يحيى الحماني عن الأعمش قال: قال ابن عمر- ثم ذكر الحديث- ثم قال: وكلا الحديثين مرسل. ويقال: لم يسمع الأعمش من أنس ولا من أحد من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ، وقد نظر إلى أنس بن مالك قال: رأيته يصلي، فذكر عنه حكاية في الصلاة. اهـ.
৫৭ - এবং আবু দাউদের বর্ণনায় রয়েছে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মলত্যাগের ইচ্ছা করতেন, তখন দূরে চলে যেতেন যাতে তাঁকে কেউ দেখতে না পায়)।

৫৮ - এবং আবু দাউদে সহীহ সনদে মুহাজির বিন কুনফুদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম যখন তিনি প্রস্রাব করছিলেন। আমি তাঁকে সালাম দিলাম, কিন্তু তিনি অযু করা পর্যন্ত আমার সালামের উত্তর দিলেন না। অতঃপর তিনি আমার নিকট ওজর পেশ করলেন এবং বললেন: আমি পবিত্রতা ব্যতীত মহান আল্লাহর যিকির করা অপছন্দ করি—অথবা তিনি বলেছিলেন: পবিত্র অবস্থা ব্যতীত)।

৫৯ - এবং আবু দাউদ জনৈক নামহীন ব্যক্তির সূত্রে ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজনের ইচ্ছা করতেন, তখন মাটির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত কাপড় উঠাতেন না)।

--------------------------------------------

১. সুনানে আবু দাউদ (১: ১)।

২. সুনানে আবু দাউদ (১: ৫)।

৩. মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে 'আল-হাজাহ' (প্রয়োজনটি), আর আমরা যা এখানে সাব্যস্ত করেছি তা সুনানে আবু দাউদে বিদ্যমান শব্দ।

৪. সুনানে আবু দাউদ (১: ৪); তিনি আরও বর্ধিত করেছেন: এটি আব্দুস সালাম বিন হারব আমাশ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটি দুর্বল। অতঃপর তিনি এর সনদটি তাঁর পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন। এভাবেই তিরমিযী আমাশ থেকে, তিনি আনাস থেকে (১: ২১) এবং দারেমী (১: ১৭১) বর্ণনা করেছেন। তবে তিরমিযী আরও যোগ করেছেন: ওয়াকি এবং আবু ইয়াহইয়া আল-হিমানী আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে উমর বলেছেন—অতঃপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেছেন—তারপর তিনি বলেছেন: উভয় হাদীসই মুরসাল। বলা হয়ে থাকে যে, আমাশ আনাস কিংবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো সাহাবীর থেকে সরাসরি কিছু শুনেননি। তিনি আনাস বিন মালিককে দেখেছেন এবং বলেছেন: আমি তাঁকে সালাত আদায় করতে দেখেছি, এরপর তিনি তাঁর থেকে সালাত সংক্রান্ত একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩৭)
‌‌60 - وعن عبد الله بن جعفر قال: (كان أحبَّ ما استتر به رسول الله صلى الله عليه وسلم لحاجته هدفٌ 1 أو حائِش نخلٍ (.

رواه مسلم 2.

‌‌61 - وعن أبي هريرة (عن النبي صلى الله عليه وسلم قال 3: من أتى الغائط فليستتر، فإن لم يجد إلا أن يجمع كثيباً من رمل، فليستدبره 4 فإن الشيطان يلعب بمقاعد بني آدم، من فعل فقد أحسن، ومن لا فلا حرج (.

رواه أحمد وأبو داود 5.

--------------------------------------------

1 في المخطوطة: هدفا.

2 صحيح مسلم (1: 269) وأول الحديث عنده: عن عبد الله بن جعفر قال: أردفني رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم خلفه، فأسر إليَّ حديثاً لا أحدث به أحدا من الناس، وكان أحب ما استتر …

قال مسلم: قال ابن أسماء (شيخ مسلم) في حديثه: يعني: حائط نخل. اهـ. يريد حائش نخل. والحديث رواه ابن ماجه (1: 123) وصحيح ابن خزيمة (1: 31) وأحمد في المسند.

3 في المخطوطة: مرفوعا. وما أثبتناه هو الموجود في المصادر.

4 في المخطوطة: "فليستتر به".

5 مسند أحمد (2: 371) وسنن أبي داود (1: 9) وسنن ابن ماجه (1: 122) .
৬০ - আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর প্রয়োজন পূরণের (শৌচকার্য) সময় আড়ালের জন্য কোনো উঁচু ঢিবি অথবা খেজুরের বাগান সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন।"

এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন।

৬১ - আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি শৌচাগারে যায় সে যেন আড়াল গ্রহণ করে। যদি সে বালুর স্তূপ জমা করা ছাড়া অন্য কিছু না পায়, তবে সে যেন তার দিকে পিঠ দিয়ে বসে; কারণ শয়তান বনী আদমের মলদ্বার নিয়ে খেলা করে। যে এটি করল সে ভালো করল, আর যে করল না তাতে কোনো অসুবিধা নেই।"

এটি আহমাদ ও আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

১. পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'হাদাফান'।

২. সহীহ মুসলিম (১: ২৬৯)। সেখানে হাদীসের প্রথমাংশ হলো: আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তাঁর পেছনে বাহনে বসালেন। অতঃপর তিনি আমাকে গোপনে একটি কথা বললেন যা আমি মানুষের কাউকে বলব না। আর আড়ালের জন্য তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ছিল...

ইমাম মুসলিম বলেন: ইবনে আসমা (মুসলিমের উস্তাদ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বলেছেন: অর্থাৎ খেজুরের বাগান। (সমাপ্ত)। তিনি মূলত 'হায়িশে নাখল' বা খেজুরের বাগান বুঝিয়েছেন। হাদীসটি ইবনে মাজাহ (১: ১২৩), সহীহ ইবনে খুযাইমা (১: ৩১) এবং আহমাদ মুসনাদে বর্ণনা করেছেন।

৩. পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'মারফু' হিসেবে। আর আমরা যা এখানে সাব্যস্ত করেছি তা মূল উৎসগুলোতে বিদ্যমান।

৪. পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "সে যেন তা দ্বারা আড়াল করে"।

৫. মুসনাদে আহমাদ (২: ৩৭১), সুনানে আবু দাউদ (১: ৯) এবং সুনানে ইবনে মাজাহ (১: ১২২)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩৮)
‌‌62 - وعن أُميمة بنت رُقَيْقَة 1 قالت: (كان للنبي صلى الله عليه وسلم قدح من عيدان تحت سريره، يبول فيه بالليل

رواه أبو داود 2.

العيدان: يتخذ من جذوع النخل.

‌‌63 - وعن أبي هريرة (عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال) 3: (إذا جلس أحدكم لحاجة، 4 فلا يستقبل القبلة، ولا يستدبرها (.

رواه أحمد ومسلم 5.

‌‌64 - ولأبي داود وغيره 6: (إنما أنا لكم بمنزلة الوالد، أعلمكم.

--------------------------------------------

1 في المخطوطة "زيادة عن أمها" والحديث هو من رواية أميمة بنت رقيقة، لا من رواية رقيقة. وأميمة بنت عبيد أو عبد الله ابن بجاد أو نجاد. وهي صحابية لها حديثان. هذا واحد، والثاني في السنن أيضا- في صفة مبايعة النساء- وهي بنت خالة فاطمة الزهراء رضي الله عنها ولا يروي عنها سوى محمد بن المنكدر- وهو من رهطها- وبنتها حكيمة- بالتصغير- وهذا الحديث من روايتها.

2 سنن أبي داود (1: 7) وسنن النسائي (1: 31) .

3 في المخطوطة (مرفوعا) .

4 لفظ مسلم (على حاجته) .

5 مسند أحمد (2: 247 ، 250) وصحيح مسلم (1: 224) .

6 سنن أبي داود (1: 3) وسنن النسائي (1: 38) وسنن ابن ماجه (1: 114) وصحيح ابن خزيمة (1: 43) .
৬২ - এবং উমাইমাহ বিনতে রুকাইকাহ ১ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খাটের নিচে খেজুর গাছের কাষ্ঠনির্মিত একটি পাত্র ছিল, যাতে তিনি রাতে প্রস্রাব করতেন।)

আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন ২।

আইদান: এটি খেজুর গাছের কাণ্ড থেকে তৈরি করা হয়।

৬৩ - এবং আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন): (তোমাদের কেউ যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বসবে, তখন সে যেন কেবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়।)

আহমদ ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন ৫।

৬৪ - এবং আবু দাউদ ও অন্যদের বর্ণনায় রয়েছে ৬: (আমি তোমাদের জন্য কেবল একজন পিতার মতো, আমি তোমাদের শিক্ষা দেই।)

--------------------------------------------

১ পাণ্ডুলিপিতে "তার মা থেকে বর্ণিত" কথাটি অতিরিক্ত রয়েছে, অথচ হাদিসটি উমাইমাহ বিনতে রুকাইকাহ-এর বর্ণনা থেকে, রুকাইকাহ-এর বর্ণনা থেকে নয়। উমাইমাহ বিনতে উবায়েদ অথবা আব্দুল্লাহ ইবনে বিজাদ বা নিজাদ। তিনি একজন নারী সাহাবী যার দুটি হাদিস রয়েছে। এটি তার একটি, এবং দ্বিতীয়টি 'সুনান' গ্রন্থসমূহেও রয়েছে—নারীদের বায়আত গ্রহণের পদ্ধতিতে—তিনি ফাতিমা আয-যাহরা রাদিয়াল্লাহু আনহার খালাত বোন। মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির—যিনি তার গোত্রের লোক—এবং তার কন্যা হাকীমাহ (তাসগীর তথা হাকীমাহ্ রূপে)—ছাড়া আর কেউ তার থেকে বর্ণনা করেননি—এবং এই হাদিসটি তার বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত।

২ সুনানে আবু দাউদ (১: ৭) এবং সুনানে নাসাঈ (১: ৩১)।

৩ পাণ্ডুলিপিতে (মারফু হিসেবে) রয়েছে।

৪ মুসলিমের শব্দ হলো (তার প্রয়োজনে বসার সময়)।

৫ মুসনাদে আহমদ (২: ২৪৭, ২৫০) এবং সহীহ মুসলিম (১: ২২৪)।

৬ সুনানে আবু দাউদ (১: ৩), সুনানে নাসাঈ (১: ৩৮), সুনানে ইবনে মাজাহ (১: ১১৪) এবং সহীহ ইবনে খুযাইমাহ (১: ৪৩)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৩৯)
فإذا أتى أحدكم الغائط، فلا يستقبل القبلة ولا يستدبرها ولا يستطب بيمينه 1 وكان يأمر بثلاثة أحجار، وينهى عن الروثة والرِّمَّة (.

‌‌65 - وعن ابن عمر قال: (رقيت يوماً على بيت حفصة، فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم على حاجته، مستقبل الشام مستدبر الكعبة (.

أخرجاه 2.

‌‌66 - وعن مروان الأصفر قال: (رأيت ابن عمر أناخ راحلته مستقبل القبلة يبول إليها، فقلت: يا أبا عبد الرحمن أليس قد نهى عن هذا؟ قال: بلى، إنما نهى عن ذلك في الفضاء، فإذا كان بينك وبين القبلة شيء يسترك فلا بأس (رواه أبو داود 3.

‌‌67 - وعن أبي موسى قال: (مال النبي صلى الله عليه وسلم إلى دَمثٍ إلى جنب حائط فبال وقال: إذا بال أحدكم فلْيَرْتَدْ لبوله (.

--------------------------------------------

1 في سنن ابن ماجه "ونهى أن يستطيب بيمينه، وفي المخطوطة: ولا يستطيب".

2 صحيح البخاري: كتاب الوضوء (1: 247 ، 250) وكتاب فرض الخمس (6: 210) وصحيح مسلم (1: 225) .

والحديث أخرجه أيضا: أبو داود (1: 4) والترمذي (1: 16) ولفظه له. وأخرجه النسائي (1: 23) وابن ماجه (1: 116) ومالك في الموطأ (1: 194) والدارمي (1: 171) وأحمد في المسند (2: 41 ، 99) وغيرهم.

3 سنن أبي داود (1: 3) .
সুতরাং যখন তোমাদের কেউ মলত্যাগের জন্য আসে, সে যেন কেবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠও না দেয়, আর সে যেন তার ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন না করে ১। তিনি তিনটি পাথর ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও পুরনো হাড্ডি ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন।

‌‌৬৫ - এবং ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (একদিন আমি হাফসা (রা.)-এর ঘরের ছাদে আরোহণ করলাম, তখন আমি নবী (সা.)-কে তাঁর প্রয়োজনে সিরিয়ার দিকে মুখ করে এবং কাবার দিকে পিঠ দিয়ে বসা অবস্থায় দেখলাম।)

তাঁরা উভয়ে এটি বর্ণনা করেছেন ২।

‌‌৬৬ - এবং মারওয়ান আল-আসফার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (আমি ইবনে উমর (রা.)-কে দেখলাম যে, তিনি তাঁর সওয়ারি উটটিকে কেবলার দিকে মুখ করে বসিয়ে সেটির দিকে ফিরে প্রস্রাব করছেন। আমি বললাম: হে আবু আব্দুর রহমান! এ কাজ করতে কি নিষেধ করা হয়নি? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তা কেবল খোলা ময়দানে নিষেধ করা হয়েছে। তবে যখন তোমার ও কেবলার মাঝে এমন কিছু থাকে যা তোমাকে আড়াল করে, তখন তাতে কোনো সমস্যা নেই।) এটি আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন ৩।

‌‌৬৭ - এবং আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (নবী (সা.) একটি দেয়ালের পাশে নরম মাটির দিকে গেলেন এবং সেখানে প্রস্রাব করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: যখন তোমাদের কেউ প্রস্রাব করতে চায়, সে যেন প্রস্রাবের জন্য নরম স্থান খুঁজে নেয়।)

--------------------------------------------

১ সুনান ইবনে মাজাহ-তে রয়েছে "এবং তিনি ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য করতে নিষেধ করেছেন", এবং পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "এবং সে যেন শৌচকার্য না করে"।

২ সহীহ বুখারি: কিতাবুল অজু (১: ২৪৭, ২৫০) এবং কিতাবু ফারদিল খুমুস (৬: ২১০) এবং সহীহ মুসলিম (১: ২২৫)। হাদিসটি আরও বর্ণনা করেছেন: আবু দাউদ (১: ৪) এবং তিরমিজি (১: ১৬) আর শব্দাবলি তাঁর। এছাড়াও বর্ণনা করেছেন নাসায়ি (১: ২৩), ইবনে মাজাহ (১: ১১৬), মুয়াত্তা মালিকে মালিক (১: ১৯৪), দারেমি (১: ১৭১), মুসনাদে আহমদে আহমদ (২: ৪১, ৯৯) এবং অন্যান্যরা।

৩ সুনান আবু দাউদ (১: ৩)।
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৪০)
رواه أحمد وأبو داود 1.

‌‌68 - وعن عبد الله بن سرجس (أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يبال في الجحر (قالوا لقتادة: (ما يكره من البول في الجحر؟ قال: إنه يقول 2 إنها مساكن الجن (.

رواه أحمد وأبو داود. 3

‌‌69 - وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: 4 (اتقوا اللاعِنَيْن 5، قالوا: وما اللَاّعِنَان يا رسول الله؟ قال: الذي يتخلى في طريق الناس وفي ظلهم (.

--------------------------------------------

1 مسند أحمد (4: 396 ، 399 ، 414) وسنن أبي داود (1: 2) ولفظه عنده "كتب عبد الله- بن عباس- إلى أبي موسى يسأله عن أشياء، فكتب إليه أبو موسى: إني كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم فأراد أن يبول فأتى دمثا في أصل جدار- فبال، ثم قام … "الحديث. وفيه راو مجهول، لأن في السند: أخبرنا أبو التياح حدثني شيخ قال:..

وقوله "دمثا" أي الأرض السهلة الرخوة. وقوله: "فليرتد" أي فليختر.

2 لفظ أبي داود: "كان يقال".

3 مسند أحمد (5: 82) وسنن أبي داود (1: 8) وسنن النسائي (1: 33 ، 34) .

4 في المخطوطة: "مرفوعا".

5 كذا في المخطوطة في الموضعين، وليس هذا لفظ مسلم. وإنما هو لفظ أبي داود. أما لفظ مسلم فهو "اتقوا اللعّانَيْن" قالوا: وما اللعَّانان؟.
আহমাদ ও আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন ১।

‌‌৬৮ - এবং আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস (রা.) থেকে বর্ণিত যে, (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্তে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন। (লোকেরা কাতাদাহকে জিজ্ঞেস করল: (গর্তে প্রস্রাব করা কেন অপছন্দনীয়? তিনি বললেন: তিনি বলেন ২ যে, এগুলো জিনদের বাসস্থান।)

আহমাদ ও আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন। ৩

‌‌৬৯ - এবং আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ৪ (তোমরা অভিশাপ বয়ে আনা দুটি কাজ থেকে বেঁচে থাকো ৫, তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল, অভিশাপ বয়ে আনা সেই দুটি কাজ কী? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি মানুষের চলাচলের পথে অথবা তাদের বিশ্রামের ছায়ায় মলমূত্র ত্যাগ করে।)

--------------------------------------------

১. মুসনাদে আহমাদ (৪: ৩৯৬, ৩৯৯, ৪১৪) এবং সুনানে আবু দাউদ (১: ২)। সেখানে তাঁর শব্দগুলো হলো: "আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস আবু মুসার কাছে কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে চিঠি লিখলেন। আবু মুসা তাকে উত্তরে লিখলেন: আমি একদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, তিনি প্রস্রাব করার ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি একটি দেয়ালের গোড়ায় নরম মাটিতে আসলেন এবং প্রস্রাব করলেন, তারপর তিনি উঠলেন …" হাদিস। এতে একজন অজ্ঞাত বর্ণনাকারী রয়েছেন, কারণ সনদে রয়েছে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল তায়্যাহ, তিনি বলেন আমার কাছে একজন শাইখ বর্ণনা করেছেন যে:..

আর তাঁর কথা "দামসান" (دمثا) এর অর্থ হলো সহজ ও নরম ভূমি। আর তাঁর কথা "ফালইয়ারতাদ" (فليرتد) এর অর্থ হলো সে যেন পছন্দ করে নেয় বা বেছে নেয়।

২. আবু দাউদের শব্দ হলো: "বলা হতো"।

৩. মুসনাদে আহমাদ (৫: ৮২), সুনানে আবু দাউদ (১: ৮) এবং সুনানে নাসায়ী (১: ৩৩, ৩৪)।

৪. পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "মারফু হিসেবে"।

৫. পাণ্ডুলিপিতে উভয় স্থানে এভাবেই আছে, তবে এটি মুসলিমের শব্দ নয়। বরং এটি আবু দাউদের শব্দ। পক্ষান্তরে মুসলিমের শব্দ হলো "তোমরা লানতকারী (অভিশপ্ত) দুটি বিষয় থেকে বেঁচে থাকো", তারা বলল: সেই লানতকারী বিষয় দুটি কী?
(খণ্ড: ১) মাজমুআতুল হাদীস আলা আবওয়াবিল ফিকহ - দিমন মুয়াল্লাফাতুশ শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (পৃষ্ঠা: ৪১)
رواه مسلم. 1

‌‌70 - وعن أبي سعيد الحميري 2 عن معاذ (قال:) قال رسول الله صلى الله عليه وسلم3: (اتقوا الملاعِنَ الثلاثَ: البرازَ في المواردِ، وقارعة الطريقِ، والظِّلِّ (.

رواه أبو داود، وقال: مرسل 4.

--------------------------------------------

1 صحيح مسلم (1: 226) وانظر سنن أبي داود (1: 7) ومسند أحمد (2: 372) . والمراد باللعانين أو اللاعنين: فقد قال الخطابي: يريد باللاعنين الأمرين الجالبين للعن الحاملين الناس عليه والداعيين إليه، وذلك أن من فعلهما شتم ولعن. يعني عادة الناس لعنه، فلما صارا سببا لذلك أضيف اللعن إليهما. قال: وقد يكون اللاعن بمعنى الملعون، والملاعن مواضع اللعن. قال النووي: وأما رواية مسلم فمعناها- والله أعلم- اتقوا فعل اللعانين أي صاحبَي اللعن، وهما اللذان يلعنهما الناس في العادة- والله أعلم-. اهـ النووي على مسلم (3: 161- 162) .

2 في المخطوطة: الخدري.

3 في المخطوطة "مرفوعا".

4 سنن أبي داود (1: 7) وسنن ابن ماجه (1: 119) . أما قوله: وقال مرسل: فلم أجدها في سنن أبي داود ولا في سنن ابن ماجه، نعم في زوائد ابن ماجه: إسناده ضعيف. وقد نسب صاحب المنتقى القول بالإرسال لابن ماجه، ولم أجده فيه أيضا. مع أن الإسناد منقطع وذلك لأن أبا سعيد الحميري لم يسمع من معاذ فقد قال الحافظ في التلخيص (1: 105) بعد ذكره لتخريج الحاكم له أيضا: وصححه ابن السكن والحاكم، وفيه نظر لأن أبا سعيد لم يسمع من معاذ، ولا يعرف هذا الحديث بغير هذا الإسناد - قاله ابن القطان-. اهـ وانظر التلخيص لمعرفة روايات هذا الحديث وطرقه.
মুসলিম বর্ণনা করেছেন। ১

‌‌৭০ - আবু সাঈদ আল-হিময়ারী ২ হতে বর্ণিত, মুআয (রা.) হতে (তিনি বলেন:) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৩ বলেছেন: (তোমরা অভিশাপ বয়ে আনা তিনটি কাজ থেকে বেঁচে থাকো: পানির উৎসসমূহে মলত্যাগ করা, রাস্তার মাঝখানে এবং ছায়াযুক্ত স্থানে।)

আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: এটি মুরসাল ৪।

--------------------------------------------

১ সহীহ মুসলিম (১: ২২৬); আরও দেখুন: সুনানে আবু দাউদ (১: ৭) এবং মুসনাদে আহমাদ (২: ৩৭২)। 'আল-লা'আনাইন' বা 'আল-লা'ইনিন' দ্বারা উদ্দেশ্য সম্পর্কে খাত্তাবী বলেছেন: 'আল-লা'ইনিন' দ্বারা তিনি এমন দুটি কাজ বুঝিয়েছেন যা অভিশাপ ডেকে আনে এবং মানুষকে অভিশাপ দিতে প্ররোচিত ও বাধ্য করে। কারণ, যে ব্যক্তি এই কাজগুলো করে তাকে গালি দেওয়া ও অভিশাপ দেওয়া হয়। অর্থাৎ, মানুষের অভ্যাস হলো তাকে অভিশাপ দেওয়া। যেহেতু এই কাজ দুটি অভিশাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাই অভিশাপকে এগুলোর সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন: 'লা-ইন' শব্দটি 'মালউন' (অভিশপ্ত) অর্থেও হতে পারে, আর 'মালায়িন' হলো অভিশাপের স্থানসমূহ। ইমাম নববী বলেছেন: আর মুসলিমের বর্ণনার অর্থ হলো—আল্লাহই ভালো জানেন—তোমরা 'লা-আনাইন' অর্থাৎ অভিশাপ সৃষ্টিকারী দুই ব্যক্তির কাজ থেকে বেঁচে থাকো, অর্থাৎ সেই দুই ব্যক্তি যাদেরকে মানুষ সাধারণত অভিশাপ দিয়ে থাকে—আল্লাহই ভালো জানেন। সমাপ্ত, শরহুল মুসলিম নববী (৩: ১৬১-১৬২)।

২ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আল-খুদরী।

৩ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে "মারফু' হিসেবে"।

৪ সুনানে আবু দাউদ (১: ৭) এবং সুনানে ইবনে মাজাহ (১: ১১৯)। আর লেখকের উক্তি: "এবং তিনি বলেছেন: এটি মুরসাল": আমি এটি সুনানে আবু দাউদ বা সুনানে ইবনে মাজাহ-এর কোথাও খুঁজে পাইনি। তবে 'যাওয়াইদে ইবনে মাজাহ'-তে রয়েছে: এর সনদ দুর্বল। 'আল-মুনতাকা' গ্রন্থের লেখক মুরসাল হওয়ার কথাটি ইবনে মাজাহ-এর দিকে সম্বন্ধ করেছেন, কিন্তু আমি সেখানেও এটি খুঁজে পাইনি। অথচ এর সনদটি বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি), কারণ আবু সাঈদ আল-হিময়ারী মুআয থেকে শোনেননি। হাফেজ (ইবনে হাজার) 'আত-তালখিস' (১: ১০৫) গ্রন্থে হাকেম কর্তৃক হাদিসটি উদ্ধৃত করার পর বলেছেন: ইবনুস সাকান এবং হাকেম একে সহীহ বলেছেন, তবে এতে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে; কারণ আবু সাঈদ মুআয থেকে শোনেননি এবং এই সনদ ব্যতীত এই হাদিসটি আর কোনো সূত্রে জানা যায় না—এটি ইবনুল কাত্তান বলেছেন। সমাপ্ত। এই হাদিসের বর্ণনা ও সূত্রগুলো জানতে 'আত-তালখিস' দেখুন।