(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: -)
معجم المسائل النحوية والصرفية الواردة في القرآن الكريم القسم: علوم القرآن وأصول التفسير
الكتاب: معجم المسائل النحوية والصرفية الواردة في القرآن الكريم
المؤلف: الدكتور ف. عبد الرحيم [فانيامبادي عبد الرحيم]
الناشر: مجمع الملك فهد لطباعة المصحف الشريف بالمدينة المنورة
الطبعة: الأولى
عدد الصفحات: 35
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
পবিত্র কুরআনে বর্ণিত নাহু ও সরফ সংক্রান্ত মাসয়ালাসমূহের অভিধান বিভাগ: কুরআন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানসমূহ এবং তাফসিরের মূলনীতিসমূহ
বই: পবিত্র কুরআনে বর্ণিত নাহু ও সরফ সংক্রান্ত মাসয়ালাসমূহের অভিধান
লেখক: ডক্টর ভি. আবদুর রহিম [ভানিয়াম্বাদি আবদুর রহিম]
প্রকাশক: মদিনাতুল মুনাওয়ারায় অবস্থিত পবিত্র কুরআন মুদ্রণের জন্য বাদশাহ ফাহদ কমপ্লেক্স
সংস্করণ: প্রথম
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৫
[বইয়ের নম্বরকরণ মুদ্রণ সংস্করণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জুলহিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২)
مقدمة:لئن وصفنا عصرنا هذا بعصر الاستقصاء ما كنا بعيدين عن الصواب. فقد قام الباحثون المعاصرون باستقصاء الكلمات والجذور الواردة في المعاجم العربية الضخمة ذات المجلدات المتعددة كلسان العرب وتاج العروس. وقد ساعدهم على ذلك الحواسيب التي تستطيع أن تنجز في بضع ثوانٍ ما لا يستطيع فريق من الباحثين إنجازه في أيام بل في شهور. لقد صممت الآن برامج حاسوبية لاستقصاء مفردات القرآن الكريم، وموضوعاته؛ وبإمكان القارئ أن يستعرض - بلمسة زرٍّ - جميع المواضع التي وردت فيها كلمة ما، أو جميع الآيات التي تعالج موضوعاً ما.
لقد بدأ عصر الاستقصاء في مجال القرآن الكريم عام 1939م عند ما قدّم محمد فؤاد عبد الباقي رحمه الله كتابه الشهير» المعجم المفهرس لألفاظ القرآن الكريم «إلى دار الكتب المصرية بالقاهرة لتقوم بطبعه ونشره على نفقتها، وذلك قبل بدء عصر الحاسوب بمدة. ولا شكَّ أن هذا الكتاب المفيد ساعد - ولا يزال يساعد - الباحثين والقرَّاء في استقصاء المسائل اللغوية، غير أنه لا يسعف من أراد استقصاء مسألة من المسائل النحوية، نحو الآيات التي وردت فيها» إن «الشرطية، أو» لَمَّا «الحينية، أو الآيات التي تحتوي على ضمير من الضمائر - مثلاً -، إذ لم يذكر فيه المؤلف حروف المعاني ولا الضمائر.
وقد سدَّ هذا الفراغ المؤلفان الدكتور إسماعيل أحمد عمايرة، والدكتور عبد الحميد مصطفى السيد بكتابهما القيم» معجم الأدوات والضمائر في القرآن الكريم «الذي أصدراه عام 1407هـ/ 1986م.
وفي عام 1417هـ/ 1996م صدر كتاب آخر في الموضوع نفسه وهو» معجم حروف المعاني في القرآن الكريم «لمؤلفه محمد حسن الشريف.
ভূমিকা:আমরা যদি আমাদের এই বর্তমান যুগকে নিবিড় অনুসন্ধান (استقصاء)-এর যুগ হিসেবে অভিহিত করি, তবে আমরা সত্য থেকে খুব একটা দূরে থাকব না। আধুনিক গবেষকগণ 'লিসানুল আরব' ও 'তাজুল আরুস'-এর মতো বহু খণ্ডে সমাপ্ত বিশাল আরবি অভিধানগুলোতে বিদ্যমান শব্দাবলি ও মূলধাতুসমূহ নিয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান (استقصاء) চালিয়েছেন। কম্পিউটার এক্ষেত্রে তাঁদের প্রভূত সহায়তা করেছে, যা গবেষকদের একটি দলের পক্ষে কয়েক দিনে এমনকি কয়েক মাসে যা করা সম্ভব নয়, তা মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সম্পন্ন করতে সক্ষম। বর্তমানে পবিত্র কুরআনের শব্দাবলি ও বিষয়সমূহ অনুসন্ধানের জন্য বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রাম ডিজাইন করা হয়েছে; যার ফলে একজন পাঠক কেবল একটি বোতাম স্পর্শ করেই কোনো নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহারের সকল স্থান অথবা কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচিত সকল আয়াত অবলোকন করতে পারেন।
পবিত্র কুরআনের ক্ষেত্রে নিবিড় অনুসন্ধান (استقصاء)-এর এই যুগ শুরু হয়েছিল ১৯৩৯ সালে, যখন মুহাম্মাদ ফুয়াদ আব্দুল বাকি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'আল-মুজামুল মুফাহরাস লি-আলফাজিল কুরআনিল কারিম' কায়রোর দারুল কুতুব আল-মিসরিয়ার নিকট তাদের নিজস্ব অর্থায়নে মুদ্রণ ও প্রকাশের জন্য পেশ করেন। এটি কম্পিউটারের যুগ শুরু হওয়ার বেশ কিছুকাল আগের ঘটনা। নিঃসন্দেহে এই উপকারী গ্রন্থটি ভাষাতাত্ত্বিক বিষয়াবলি অনুসন্ধানে গবেষক ও পাঠকদের সহায়তা করেছে—এবং এখনো করে যাচ্ছে—তবে এটি ব্যাকরণগত কোনো বিষয়ের নিবিড় অনুসন্ধানে (استقصاء) তেমন ফলপ্রসূ নয়। যেমন—যেসব আয়াতে শর্তবাচক (شرطية) 'ইন' অথবা সময়বাচক (حينية) 'লাম্মা' এসেছে, কিংবা যেসব আয়াতে কোনো সর্বনাম (ضمير) রয়েছে—উদাহরণস্বরূপ—সেগুলো খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে এটি সহায়ক নয়। কারণ লেখক এতে অর্থপূর্ণ অব্যয় (حروف المعاني) বা সর্বনামসমূহ (الضمائر) উল্লেখ করেননি।
এই শূন্যতা পূরণ করেছেন দুই লেখক ডক্টর ইসমাইল আহমদ আমায়িরাহ এবং ডক্টর আব্দুল হামিদ মুস্তফা আল-সাইয়্যেদ তাঁদের মূল্যবান গ্রন্থ 'মুজামুল আদাওয়াত ওয়া আদ-দামা-ইর ফিল কুরআনিল কারিম'-এর মাধ্যমে, যা তাঁরা ১৪০৭ হিজরি/ ১৯৮৬ সালে প্রকাশ করেন।
অতঃপর ১৪১৭ হিজরি/ ১৯৯৬ সালে একই বিষয়ে 'মুজামু হুরুফিল মাআনি ফিল কুরআনিল কারিম' শিরোনামে আরেকটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়, যার লেখক হলেন মুহাম্মাদ হাসান আল-শরীফ।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ৩)
وكان قد صدر قبلهما (عام 1392هـ/1972م) كتاب له صلة بهذا الموضوع، وهو كتاب» دراسات لأسلوب القرآن الكريم «للشيخ محمد عبد الخالق عضيمة.
وفيما يلي سنقوم بدراسة هذه الكتب الأربعة بشيء من التفصيل.
এই দুটির পূর্বে (১৩৯২ হিজরি/১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে) এই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল, আর সেটি হলো শেখ মুহাম্মদ আব্দুল খালিক আদিমাহ-এর ‘দিরাসাত লি-উসলুবিল কুরআনিল কারিম’ নামক গ্রন্থটি।
নিম্নে আমরা এই চারটি গ্রন্থ সম্পর্কে কিছুটা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم
تمهيد:الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
أما بعد: فهذا بحث بعنوان» معجم المسائل النحوية والصرفية الواردة في القرآن الكريم «أعددته للمشاركة به في ندوة» عناية المملكة العربية السعودية بالقرآن الكريم وعلومه «التي تعقدها وزارة الشؤون الإسلامية والأوقاف والدعوة والإرشاد ممثلة في مجمع الملك فهد لطباعة المصحف الشريف بالمدينة المنورة. ويندرج هذا البحث في موضوع» دراسة إمكانية إضافة معاجم جديدة خادمة، أو مكملة لنقص سابق «وهو من موضوعات المحور الرابع الذي بعنوان» المعاجم في خدمة القرآن «.
والله أسال أن يجعله خالصاً لوجهه، وأن ينفع به المسلمين، إنه سميع مجيب.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
উপক্রমণিকা:সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী ও রাসুলদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর।
অতঃপর: এটি ‘পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ব্যাকরণ ও রূপতত্ত্ব সংক্রান্ত মাসআলাসমূহের অভিধান’ শীর্ষক একটি গবেষণা। আমি এটি মদিনা মুনাওয়ারায় অবস্থিত বাদশাহ ফাহদ কুরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্সের প্রতিনিধিত্বে ইসলাম বিষয়ক, ওয়াকফ, দাওয়াত ও ইরশাদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত ‘পবিত্র কুরআন ও এর ইলমসমূহের প্রতি সৌদি আরব সাম্রাজ্যের যত্ন’ শীর্ষক সেমিনারে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত করেছি। এই গবেষণাটি ‘পূর্বের কোনো ঘাটতি পূরণ অথবা সেবামূলক নতুন অভিধান সংযোজনের সম্ভাবনা যাচাই’ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত, যা ‘কুরআনের সেবায় অভিধানসমূহ’ নামক চতুর্থ মূল প্রতিপাদ্যের একটি বিষয়।
আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন একে একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন এবং এর মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও কবুলকারী।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ৪)
المعجم المفهرس لألفاظ القرآن الكريم:يمكننا أن نستفيد من هذا المعجم في مجال المسائل النحوية في حدود ضيّقة، وذلك في المسائل النحوية المرتبطة بالألفاظ كبعض الأسماء، والأفعال، والحروف.
ففي مجال الأسماء يمكن دراسة بعض الأسماء الخمسة، وبعض الظروف مثل: قبل، وبعد، ولدى، ولدن، وفوق، وتحت.
وفي مجال الأفعال يتسنى لنا جمع الآيات التي وردت فيها الأفعال الناقصة كـ:» كان «وأخواتها، وبعض أفعال المقاربة، و» ظنَّ «وبعض أخواتها.
وفي مجال الحروف يسهل علينا استقصاء الآيات الواردة فيها» ليت «، و» لعل «، و» سوف «، و» بلى «، فهي من الحروف القليلة التي ذكرها محمد فؤاد عبد الباقي في معجمه.
আল-মু'জামুল মুফাহরাস লি-আলফাজিল কুরআনিল কারিম:আমরা এই অভিধানটি থেকে ব্যাকরণিক মাসআলা (المسائل النحوية) এর ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে উপকৃত হতে পারি, আর তা হলো শব্দ সংশ্লিষ্ট ব্যাকরণিক মাসআলা (المسائل النحوية) যেমন কিছু বিশেষ্য (الأسماء), ক্রিয়া (الأفعال) এবং অব্যয় (الحروف)।
বিশেষ্য (الأسماء) এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পাঁচটি বিশেষ্য (الأسماء الخمسة) এবং কিছু কাল ও স্থানবাচক শব্দ (الظروف) যেমন: পূর্বে (قبل), পরে (بعد), নিকট (لدى), কাছে (لدن), উপরে (فوق) এবং নিচে (تحت) সম্পর্কে অধ্যয়ন করা সম্ভব।
ক্রিয়া (الأفعال) এর ক্ষেত্রে আমাদের জন্য সেই আয়াতগুলো সংগ্রহ করা সহজ হয় যেগুলোতে অসম্পূর্ণ ক্রিয়া (الأفعال الناقصة) যেমন: 'কানা' (كان) ও তার সমগোত্রীয় শব্দগুলো, কিছু আসন্নতাজ্ঞাপক ক্রিয়া (أفعال المقاربة) এবং 'জান্না' (ظن) ও তার সমগোত্রীয় শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে।
অব্যয় (الحروف) এর ক্ষেত্রে আমাদের জন্য 'লাইতা' (ليت), 'লায়াল্লা' (لعل), 'সাওফা' (سوف) এবং 'বালা' (بلى) সম্বলিত আয়াতসমূহ অনুসন্ধান করা সহজ হয়, কারণ এগুলো সেই অল্প সংখ্যক অব্যয় (الحروف) এর অন্তর্ভুক্ত যা মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকি তার অভিধানে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ৫)
معجم الأدوات والضمائر في القرآن الكريم:هذا المعجم – كما يدلّ عليه اسمه – يفهرس الأدوات والضمائر الواردة في القرآن الكريم. ولا بدّ هنا من توضيح المراد بـ» الأدوات «في هذا المعجم، قال واضعاه:
((ونستميح القارئ عذراً عن استخدام كلمة» الأدوات «بدلاً من المصطلح الشائع» حروف المعاني «، فهذه الكلمة أوفى بالحاجة من المصطلح المركب من كلمتين (حروف المعاني) فإن من الحروف ما هو خالص في الحرفية كالباء والفاء وبل، ومنها ما يجمع بين الاسمية والحرفية والفعلية كـ» ما «و» حاشا «و» عدا «، وهو على أيّ حال مصطلح كوفيّ قديم فضلاً عن تجدد استعماله لدى المحدثين. (1) اهـ
يفهم من كلامهما هذا أن الأدوات هي حروف المعاني نفسها، غير أنهما يفضلان مصطلح الأدوات لكونها أشمل فتندرج تحتها الحروف وغير الحروف. وهذه التسمية لا غبار عليها، فقد استعملها السيوطي في الإتقان، وقال: "وأعني بالأدوات الحروف وما شاكلها من الأسماء والأفعال والظروف" (2) . وقد ذكر الذين ألَّفوا في حروف المعاني أسماءً مثل: أيّ، وغير، وكلّ، ومَن؛ وظروفاً مثل: إذا، وثمَّ، ومتى، ومع؛ وأفعالاً مثل خلا، وعدا، وعسى، وليس.
وكان المفروض أن يحدد المؤلفان مرادهما بالأدوات، إذ لم يرد تعريف لها عند العلماء، ولا تحديد لعددها، فبينما ذكر الهرويّ واحداً وأربعين حرفاً
--------------------------------------------
পবিত্র কুরআনের অব্যয় (الأدوات) ও সর্বনামের (الضمائر) অভিধান:এই অভিধানটি – এর নাম থেকে যেমনটি প্রতীয়মান হয় – পবিত্র কুরআনে বর্ণিত অব্যয় (الأدوات) এবং সর্বনামগুলোকে (الضمائر) নির্ঘণ্টবদ্ধ করে। এখানে ‘অব্যয়’ (الأدوات) দ্বারা এই অভিধানে কী বোঝানো হয়েছে তা স্পষ্ট করা আবশ্যক, এর সংকলকদ্বয় বলেছেন:
((প্রচলিত পরিভাষা ‘অর্থবোধক বর্ণ’ (حروف المعاني)-এর পরিবর্তে ‘অব্যয়’ (الأدوات) শব্দটি ব্যবহারের জন্য আমরা পাঠকের নিকট ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ দ্বি-শব্দ বিশিষ্ট পরিভাষা ‘অর্থবোধক বর্ণ’ (حروف المعاني)-এর তুলনায় এই একক শব্দটি প্রয়োজন পূরণে অধিকতর উপযোগী। কেননা বর্ণগুলোর মধ্যে কিছু আছে যা বিশুদ্ধভাবে বর্ণবৃত্তি (حرفية) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: বা (الباء), ফা (الفاء) এবং বাল (بل); আবার কিছু এমন আছে যা বিশেষ্যত্ব (الاسمية), বর্ণবৃত্তি (حرفية) এবং ক্রিয়াগত (الفعلية) বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটায়, যেমন: ‘মা’ (ما), ‘হাশা’ (حاشا) এবং ‘আদা’ (عدا)। এটি যে কোনো বিচারেই একটি প্রাচীন কুফী (كوفي) পরিভাষা, পাশাপাশি আধুনিক গবেষকদের নিকটও এর নবায়নকৃত ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। (১) সমাপ্ত।))
তাদের এই বক্তব্য থেকে এটিই বোধগম্য হয় যে, অব্যয় (الأدوات) মূলত অর্থবোধক বর্ণসমূহ (حروف المعاني) ছাড়া আর কিছু নয়, তবে তারা ‘অব্যয়’ (الأدوات) পরিভাষাটিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন কারণ এটি অধিকতর ব্যাপক (أشمل), যার ফলে এর অধীনে বর্ণ এবং বর্ণ-বহির্ভূত শব্দসমূহও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এই নামকরণে কোনো সংশয় নেই, কারণ ইমাম সুয়ুতী আল-ইতকান গ্রন্থে এটি ব্যবহার করেছেন এবং বলেছেন: "অব্যয় (الأدوات) বলতে আমি বর্ণসমূহ এবং তদনুরূপ বিশেষ্য (الأسماء), ক্রিয়া (الأفعال) ও ক্রিয়া-বিশেষণসমূহকে (الظروف) বুঝিয়েছি।" (২)। যারা অর্থবোধক বর্ণ (حروف المعاني) বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন, তারা আই (أيّ), গাইর (غير), কুল্ল (كلّ) এবং মান (مَن)-এর মতো বিশেষ্য (أسماء); ইযা (إذا), ছুম্মা (ثمَّ), মাতা (متى) এবং মা‘আ (مع)-এর মতো ক্রিয়া-বিশেষণ (الظروف); এবং খালা (خلا), আদা (عدا), আসা (عسى) এবং লাইসা (ليس)-এর মতো ক্রিয়া (الأفعال) উল্লেখ করেছেন।
আর লেখকদের উচিত ছিল অব্যয় (الأدوات) দ্বারা তাদের উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট করা, যেহেতু আলেমগণের নিকট এর কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা (تعريف) পাওয়া যায় না এবং এর সংখ্যাও সুনির্ধারিত নয়। যেখানে আল-হারাউই একচল্লিশটি বর্ণ (حرفًا) উল্লেখ করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ৬)
في الأزهية، ذكر الزجاجي سبعة وثلاثين ومائة حرف في كتابه حروف المعاني. أما مؤلفا معجم الأدوات والضمائر فقد ذكرا 108 أداة، منها أسماء الإشارة كهذا، وهذه، وذلك، وتلك، وهؤلاء، وأولئك، وهذان، وذانك؛ والأسماء الموصولة كـ الذي، والذين، واللذان، والتي، واللائي، واللاتي. ولم يذكر أحد ممن ألَّف في هذا المجال» الذي «وفروعه من ضمن حروف المعاني إلَاّ الإربلِّي في ((جواهر الأدب)) حيث ذكره على أساس كونه حرفاً موصولاً في قوله تعالى: {وَخُضْتُمْ كَالَّذِي خَاضُوا} [التوبة 69] عند بعض النحاة (1) .
مآخذ على الكتاب:
1) لم يسلك المؤلفان مسلكاً موحداً في معالجة الأدوات، فقد ذكرا بعض الأدوات بصورتيها المجرَّدة والمتصلة بالضمائر تحت عنوان واحد كما فعلا بـ» إنَّ «، و» أنَّ «، و» لكنَّ «. وفي أدوات أخرى فَرَّقا بين صورتيها المجردة والمتصلة بالضمائر، بل جعلا صورتها المتَّصلة بكل ضمير أداةً مستقلة كما في» لعلَّ «، و» ليت «، و» مع «. وأدّتْ هذه الطريقة إلى التفريق بين أفراد أسرة واحدة، وإدخال أجنبي بينها، فقد فُرِّقَ بين» أيّكم «و» أيّنا «بـ» أيّما «لأن الترتيب الأبجدي يقتضي ذلك. وكان الأَوْلى أن تذكر الأداة المجردة تحت عنوان رئيس، وتذكر صورها المتصلة بالضمائر تحتها على النحو التالي:
لعلَّ
* لعل
*لعله
--------------------------------------------
আল-আজহিয়া গ্রন্থে, আজ-জাজ্জাজি তাঁর 'হুরুফুল মাআনি' গ্রন্থে একশত সাঁইত্রিশটি অব্যয় উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে 'মুজামুল আদাওয়াত ওয়া আদ-দামাইর' গ্রন্থের লেখকদ্বয় ১০৮টি উপকরণের কথা উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে নির্দেশক সর্বনাম যেমন— হাজা, হাজিহি, জালিকা, তিলকা, হাউলাই, উলাইকা, হাজানি এবং যানিকা; এবং সম্বন্ধসূচক সর্বনাম যেমন— আল্লাজি, আল্লাজিনা, আল্লাজানি, আল্লাতি, আল্লায়ি এবং আল্লাতি। এই বিষয়ে যারা গ্রন্থ রচনা করেছেন তাদের মধ্যে আল-ইরবিল্লির 'জাওয়াহিরুল আদাব' ব্যতীত আর কেউ 'আল্লাজি' এবং এর শাখাগুলোকে অর্থবোধক অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত করেননি। তিনি সেখানে কিছু ব্যাকরণবিদের মতে আল্লাহ তায়ালার বাণী: {এবং তোমরা তেমন নিমগ্ন হয়েছিলে যেমন তারা নিমগ্ন হয়েছিল} [আত-তাওবাহ: ৬৯]-এর ভিত্তিতে একে একটি সংযোগী অব্যয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন (১)।
গ্রন্থটির ওপর কিছু পর্যবেক্ষণ:
১) লেখকদ্বয় উপকরণসমূহ বিন্যাসের ক্ষেত্রে কোনো অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করেননি। তাঁরা কিছু উপকরণের মৌলিক রূপ এবং সর্বনামযুক্ত রূপ উভয়কেই একটি শিরোনামের অধীনে উল্লেখ করেছেন, যেমনটি তাঁরা 'ইন্না', 'আন্না' এবং 'লাকিন্না'-এর ক্ষেত্রে করেছেন। আবার অন্যান্য উপকরণের ক্ষেত্রে তাঁরা সেগুলোর মৌলিক রূপ এবং সর্বনামযুক্ত রূপের মধ্যে পার্থক্য করেছেন, এমনকি প্রতিটি সর্বনামের সাথে যুক্ত রূপকে একটি স্বতন্ত্র উপকরণ হিসেবে গণ্য করেছেন, যেমনটি 'লাআল্লা', 'লাইতা' এবং 'মাআ'-এর ক্ষেত্রে দেখা যায়। এই পদ্ধতির ফলে একই গোত্রের অন্তর্ভুক্ত শব্দগুলোর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটেছে এবং তাদের মধ্যে ভিন্নধর্মী শব্দ ঢুকে পড়েছে। যেমন, বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসের কারণে 'আইয়ুকুম' এবং 'আইয়ুনা'-এর মাঝে 'আইয়ুমা' চলে আসায় বিচ্ছেদ ঘটেছে। অথচ উচিত ছিল মূল উপকরণটিকে একটি প্রধান শিরোনামের অধীনে উল্লেখ করা এবং তার সাথে সর্বনামযুক্ত রূপগুলোকে নিম্নোক্তভাবে উল্লেখ করা:
লাআল্লা
* লাআল্লা
* লাআল্লাহু
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ৭)
* لعلهم
* لعلك
* لعلكم
2) ومن مظاهر تعدد المنهج كذلك: أنهما جعلا نون التوكيد الخفيفة مع الثقيلة في حين أنهما فرَّقا بين» كلَّما «المتصلة و» كلَّ ما «المنفصلة، مع أن الفرق بين النونين فرق في اللفظ، أما في» كلَّما «فهو فرق في الإملاء، وكان الأولى أن يقال إنه في آيتين كتبت» ما «منفصلة في هذه الكلمة.
3) منهج الواضعين في ذكر» الأدوات «هو مراعاة شكلها دون دلالتها، فضمَّا» لما «الحينيَّة إلى» لما «الجازمة، و» لما «الاستثنائية؛ و» إما «العاطفة إلى» إما «الشرطية المكونة من» إنْ «و» ما «الزائدة؛ ولم يفرقا بين أنواع اللام، فذكرا الجارة، والمزحلقة، والفارقة، ولام الابتداء، ولام الأمر، ولام تلقي القسم كلها تحت عنوان اللام. وقالا موضحين منهجهما في ذلك:» إن هذا العمل فهرسة فحسب، وهو يقوم في أساسه على مراعاة الشكل، ولو فعلنا غير ذلك لوجدنا أننا نبتعد عن الهدف، فنحن نرمي بهذه الفهرسة إلى أن نيسِّر السبيل على الدارس، فنضع بين يديه الأداة الواحدة في جميع استعمالاتها القرآنية ضمن سياقها النصيّ (1) «اهـ. وإذا كان المراد بهذا عدم مراعاة الفروق بين دلالات الأداة الواحدة كالظرفية، والمصاحبة، والتعليل في الحرف» في «فهو قول وجيه؛ أما أن تعد» إنْ «الشرطية، و» إنْ «النافية، و» إنْ «المخففة من الثقيلة أداة واحدة لاتفاقها في الشكل فهذا كلام مجانب للصواب. ثم أي تيسير للباحث الذي يزمع دراسة لام الأمر – مثلاً – في أن يجد شواهدها القرآنية مبثوثة في خضمّ من الشواهد للامات مختلفة؟
--------------------------------------------
* সম্ভবত তারা
* সম্ভবত তুমি
* সম্ভবত তোমরা
২) পদ্ধতির বৈচিত্র্যের আরও একটি বহিঃপ্রকাশ হলো: তাঁরা তাকিদ বা গুরুত্ব প্রদানকারী হালকা নুন ও ভারী নুনকে একত্রে স্থান দিয়েছেন, অথচ তাঁরা যুক্ত ‘কুল্লামা’ এবং বিযুক্ত ‘কুল্লা মা’-এর মধ্যে পার্থক্য করেছেন; যদিও উভয় নুনের মধ্যকার পার্থক্য কেবল উচ্চারণে, কিন্তু ‘কুল্লামা’-এর ক্ষেত্রে পার্থক্যটি কেবল লিখনরীতিতে। বরং এটি বলা অধিক সমীচীন ছিল যে, দুটি আয়াতে এই শব্দটিতে ‘মা’ বিযুক্ত অবস্থায় লেখা হয়েছে।
৩) অব্যয়সমূহ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে সংকলকদের পদ্ধতি হলো সেগুলোর অর্থের পরিবর্তে কেবল বাহ্যিক রূপের প্রতি লক্ষ্য রাখা। তাই তাঁরা কালবাচক ‘লাম্মা’-কে জযম প্রদানকারী ‘লাম্মা’ এবং ব্যতিক্রমসূচক ‘লাম্মা’-এর সাথে যুক্ত করেছেন; একইভাবে সংযোজক ‘ইম্মা’-কে ‘ইন’ ও অতিরিক্ত ‘মা’ সহযোগে গঠিত শর্তবাচক ‘ইম্মা’-এর সাথে যুক্ত করেছেন। তাঁরা ‘লাম’-এর বিভিন্ন প্রকারের মধ্যে কোনো পার্থক্য করেননি; ফলে তাঁরা সম্বন্ধসূচক লাম, গুরুত্ববোধক লাম (লাম-ই মুযাহলাকাহ), পার্থক্যকারী লাম, প্রারম্ভিক লাম, আদেশসূচক লাম এবং শপথের উত্তরসূচক লাম—সবগুলোকে কেবল ‘লাম’ শিরোনামের অধীনে উল্লেখ করেছেন। তাঁরা তাঁদের পদ্ধতি স্পষ্ট করতে গিয়ে বলেছেন: “এই কাজটি কেবল একটি নির্ঘণ্ট প্রস্তুতকরণ মাত্র, যা মূলত শব্দের বাহ্যিক রূপের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমরা যদি এর ব্যতিক্রম কিছু করতাম, তবে দেখতাম যে আমরা আমাদের লক্ষ্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। এই নির্ঘণ্টের মাধ্যমে আমাদের উদ্দেশ্য হলো গবেষকদের পথ সুগম করা, যাতে আমরা একটি অব্যয়কে তার পাঠ্যগত প্রসঙ্গের মধ্যে কুরআনী ব্যবহারের সকল ক্ষেত্রে তাঁর সামনে উপস্থাপন করতে পারি” (১)। যদি এর দ্বারা উদ্দেশ্য হয় যে, একটি অব্যয়ের বিভিন্ন অর্থের (যেমন ‘ফী’ হরফের ক্ষেত্রে অধিকরণ, অনুষঙ্গ বা কারণ দর্শানো) মধ্যকার পার্থক্য বজায় না রাখা, তবে তা একটি যুক্তিসঙ্গত কথা; কিন্তু বাহ্যিক রূপ এক হওয়ার কারণে শর্তবাচক ‘ইন’, না-বোধক ‘ইন’ এবং ভারী থেকে হালকা হওয়া ‘ইন’-কে একটিই অব্যয় গণ্য করা সত্যবিচ্যুত কথা। তাছাড়া, একজন গবেষক যিনি উদাহরণস্বরূপ কেবল আদেশসূচক লাম নিয়ে গবেষণা করতে চান, তাঁর জন্য বিভিন্ন প্রকারের লাম-এর ভিড়ের মধ্যে তাঁর কাঙ্ক্ষিত কুরআনী উদাহরণগুলো খুঁজে পাওয়া কতটা সহজসাধ্য হবে?
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ৮)
معجم حروف المعاني في القرآن الكريم:أورد فيه المؤلف 112حرفاً من حروف المعاني الواردة في القرآن الكريم. وهذه الحروف تنقسم خمسة أقسام:
1) حروف المعاني مثل: في، وعلى، ونعم، وهمزة الاستفهام، والسين؛ وعددها نحو ستين.
2) أسماء نحو: أين، وكيف، وغير، وما الموصولة، وما الاستفهامية؛ وعددها نحو 17.
3) حروف البناء الصرفي مثل ألف التأنيث المقصورة، وألف التأنيث الممدودة، وألف جمع المؤنث.
4) حروف الدلالة النحوية مثل: الألف والواو والياء الدالّة على الحالات الإعرابية في الأسماء الخمسة، والمثنى، وجمع المذكر السالم.
5) ألف التثنية كما في» يفعلان «وهي الفاعل.
بلغ عدد المداخل في الأقسام الثلاثة الأخيرة نحو ثلاثين مدخلاً.
منهج المؤلف في الكتاب:
قبل إيراد شواهد الحرف من القرآن الكريم، يذكر تعريفاً موجزاً له، ويذكر أنواعه إذا كانت له أنواع، وإذا كانت له أكثر من دلالة، يذكرها، ويضع لكل معنى رمزاً إما بالحرف وإما بالرسم، ويثبت هذه الرمز الدالّ على معناه مع الشاهد القرآني. ذكر لهمزة الاستفهام – مثلاً – اثنين وعشرين معنىً، واختار لكل معنى رمزاً من الرموز المتاحة في الحاسوب كما يتضح من الأمثلة الآتية:
কুরআনের অর্থবোধক অব্যয়সমূহের অভিধান:এতে লেখক পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ১১২টি অর্থবোধক অব্যয় (حروف المعاني) উল্লেখ করেছেন। আর এই অব্যয়গুলো পাঁচটি ভাগে বিভক্ত:
১) অর্থবোধক অব্যয় (حروف المعاني), যেমন: ফী, আলা, নাআম, প্রশ্নবোধক হামজা (همزة الاستفهام) এবং সীন; এগুলোর সংখ্যা প্রায় ষাটটি।
২) বিশেষ্য (أسماء), যেমন: আইনা, কাইফা, গাইর, সম্বন্ধসূচক মা (ما الموصولة) এবং প্রশ্নবোধক মা (ما الاستفهامية); এগুলোর সংখ্যা প্রায় ১৭টি।
৩) রূপতাত্ত্বিক গঠনের বর্ণ (حروف البناء الصرفي), যেমন: আলিফে তানিছ মাকসুরা (ألف التأنيث المقصورة), আলিফে তানিছ মামদুদা (ألف التأنيث الممدودة) এবং বহুবচন স্ত্রীলিঙ্গের আলিফ (ألف جمع المؤنث)।
৪) ব্যাকরণিক অর্থজ্ঞাপক বর্ণ (حروف الدلالة النحوية), যেমন: আলিফ, ওয়াও এবং ইয়া—যা আসমাউল খামসাহ, দ্বিবচন (مثنى) এবং জামা মুজাক্কার সালিম-এর (جمع المذكر السالم) বিভক্তির অবস্থা নির্দেশ করে।
৫) দ্বিবচনের আলিফ (ألف التثنية), যেমন 'ইয়াফ্আলা-নি' শব্দে রয়েছে, যা এখানে কর্তা (فاعل)।
শেষ তিনটি বিভাগে অন্তর্ভুক্ত বিষয়ের সংখ্যা প্রায় ত্রিশটি।
গ্রন্থটিতে লেখকের কর্মপদ্ধতি:
পবিত্র কুরআন থেকে অব্যয়ের উদাহরণ উপস্থাপনের পূর্বে লেখক সেটির একটি সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা প্রদান করেন। যদি সেটির বিভিন্ন প্রকার থাকে তবে তা উল্লেখ করেন। আর যদি সেটির একাধিক অর্থ থাকে, তবে তাও উল্লেখ করেন এবং প্রত্যেক অর্থের জন্য বর্ণ বা চিহ্নের মাধ্যমে একটি সংকেত নির্ধারণ করেন। কুরআনের উদাহরণের সাথে সংশ্লিষ্ট অর্থের নির্দেশক এই সংকেতটি তিনি যুক্ত করে দেন। উদাহরণস্বরূপ, প্রশ্নবোধক হামজার (همزة الاستفهام) জন্য তিনি বাইশটি অর্থ উল্লেখ করেছেন এবং কম্পিউটারে বিদ্যমান প্রতীকসমূহ থেকে প্রতিটি অর্থের জন্য একটি করে সংকেত নির্বাচন করেছেন, যা পরবর্তী উদাহরণগুলো থেকে স্পষ্ট হবে।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ৯)
(:رمز همزة الاستفهام الإنكاري التوبيخي التهكمي.
(: رمز همزة الاستفهام التقريري التوبيخي.
(: رمز همزة الاستفهام التقريري التوبيخي التعجبي.
(: رمز همزة الاستفهام التقريري التعجبي.
(: رمز همزة الاستفهام التقريري التوكيدي.
(: رمز همزة الاستفهام الإنكاري.
((: رمز همزة الاستفهام التقريري بمعنى الأمر.
وحرف» مِنْ «ذكر له المعاني الآتية، واتخذ لهذه المعاني الرموز المذكورة أمامها:
الابتدائية الغائية: (ب) .
التبعيضية: (ع) .
التبيينية: (ت) .
البدلية: (د) .
التفضيلية: (ض) .
السببية أو التعليلية: (س) .
التوكيدية: (و) .
بمعنى الحال: (ح) .
الظرفية (بمعنى في) : (في) .
الاستعلائية (بمعنى على) : (على) .
المجاوزة (بمعنى عن) (عن) .
بمعنى عند: (عند) .
(: তিরস্কার ও উপহাসমূলক অস্বীকৃতিজ্ঞাপক (الإنكاري) প্রশ্নবোধক হামযার সংকেত।
(: স্বীকারোক্তিমূলক ও তিরস্কারমূলক (التقريري التوبيخي) প্রশ্নবোধক হামযার সংকেত।
(: স্বীকারোক্তিমূলক, তিরস্কারমূলক ও বিস্ময়সূচক (التقريري التوبيخي التعجبي) প্রশ্নবোধক হামযার সংকেত।
(: স্বীকারোক্তিমূলক ও বিস্ময়সূচক (التقريري التعجبي) প্রশ্নবোধক হামযার সংকেত।
(: স্বীকারোক্তিমূলক ও জোরালোভাব জ্ঞাপক (التقريري التوكيدي) প্রশ্নবোধক হামযার সংকেত।
(: অস্বীকৃতিজ্ঞাপক (الإنكاري) প্রশ্নবোধক হামযার সংকেত।
((: আদেশ প্রদানের অর্থে ব্যবহৃত স্বীকারোক্তিমূলক (التقريري بمعنى الأمر) প্রশ্নবোধক হামযার সংকেত।
এবং 'মিন' (من) বর্ণটির জন্য নিম্নোক্ত অর্থসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই অর্থগুলোর জন্য তাদের সামনে বর্ণিত সংকেতগুলো গ্রহণ করা হয়েছে:
প্রারম্ভিকতা ও ব্যাপ্তি বুঝাতে (الابتدائية الغائية): (ب) ।
আংশিকত্ব বুঝাতে (التبعيضية): (ع) ।
স্পষ্টকরণ বা ব্যাখ্যামূলক (التبيينية): (ت) ।
বিকল্প বা স্থলাভিষিক্ত বুঝাতে (البدلية): (د) ।
শ্রেষ্ঠত্ব বা আধিক্য বুঝাতে (التفضيلية): (ض) ।
কারণ বা হেতু দর্শাতে (السببية أو التعليلية): (س) ।
নিশ্চয়তা বা গুরুত্ব বুঝাতে (التوكيدية): (و) ।
অবস্থা (الحال) বুঝানোর অর্থে: (ح) ।
অধিকরণ (الظرفية) অর্থে: (في) ।
উচ্চতা বা উপর (الاستعلائية) বুঝানোর অর্থে: (على) ।
অতিক্রম (المجاوزة) করা বুঝানোর অর্থে: (عن) ।
নিকটবর্তী বা কাছে (بمعنى عند) বুঝাতে: (عند) ।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১০)
يثبت المؤلف الرموز في أسفل كل صفحة حتى يسهل على القارئ معرفة مدلولاتها.
مآخذ على الكتاب:
لا يخلو الكتاب من مآخذ، منها:
(1) أن المؤلف يعد الكلمات المتحدة الشكل كلمة واحدة، فيثبتها كلها تحت عنوان واحد، ويشير إلى معنى كل واحدة منها. وهذا خطأ فاحش، فـ» لمّا «الجازمة كلمة مستقلّة، لا صلة لها بـ» لمّا «الحينية، واتفاقهما في الشكل مجرّد مصادفة. وحتّى الكلمة الواحدة التي لها عدّة وظائف نحوية ينبغي تصنيفها بحسب وظائفها، فكلمة» و «– مثلاً – ينبغي أن تذكر تحت العناوين الآتية بحسب وظائفها: (1) واو العطف، (2) واو القسم، (3) واو الحال، وما إلى ذلك.
هاء بعض الحروف التي أثبتها المؤلف تحت عنوان واحد:
* لما الجازمة، ولما الحينية، ولما الاثتثنائية.
* اللامات المختلفة.
* الأنواع المختلفة لـ» ما «.
*» أن «المصدرية، والتفسيرية، والموكدة، والمخففة من الثقيلة.
*» إن «الشرطية، والنافية، والمخففة من الثقيلة.
(2) لم يذكر المؤلف كلمات ينبغي ذكرها بحسب خطّته في الكتاب، فقد ذكر المؤلف ألف التثنية كما في» فعلا «و» يفعلان «، وهو ضمير رفع متصل، وهذا يقتضي أن يذكر ضمائر الرفع المتصلة كلها كواو الجماعة، ونون النسوة، وياء المخاطبة، والتاء، غير أنه لم يذكرها.
লেখক প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচে সংকেতসমূহ (الرموز) স্থাপন করেছেন যাতে পাঠকের পক্ষে সেগুলোর অর্থ বা তাৎপর্য অনুধাবন করা সহজ হয়।
গ্রন্থটির ওপর কিছু সমালোচনা (مآخذ):
গ্রন্থটি সমালোচনা (مآخذ) থেকে মুক্ত নয়, যার মধ্যে রয়েছে:
(১) লেখক অভিন্ন আকৃতির শব্দগুলোকে একটি শব্দ হিসেবে গণ্য করেছেন, ফলে সেগুলোকে একটি শিরোনামের অধীনে স্থাপন করেছেন এবং প্রত্যেকটির অর্থ নির্দেশ করেছেন। এটি একটি মারাত্মক ভুল। কারণ জাযম প্রদানকারী (الجازمة) «লাম্মা» একটি স্বতন্ত্র শব্দ, যার সাথে সময়বাচক (الحينية) «লাম্মা»-র কোনো সম্পর্ক নেই; তাদের আকৃতিগত মিল কেবলই একটি কাকতালীয় বিষয়। এমনকি একটি শব্দ যার একাধিক নাহু বা ব্যাকরণগত ভূমিকা রয়েছে, সেটিকেও তার কার্যাবলি অনুযায়ী বিন্যস্ত করা উচিত। যেমন— «ওয়াও» (و) অক্ষরটিকে তার কার্যাবলি অনুযায়ী নিম্নোক্ত শিরোনামগুলোর অধীনে উল্লেখ করা উচিত ছিল: (১) সংযোজক ওয়াও (واو العطف), (২) শপথের ওয়াও (واو القسم), (৩) অবস্থা নির্দেশক ওয়াও (واو الحال) ইত্যাদি।
লেখক একই শিরোনামে যে বর্ণগুলো উল্লেখ করেছেন তার কয়েকটি নিম্নরূপ:
* জাযম প্রদানকারী (الجازمة) লাম্মা, সময়বাচক (الحينية) লাম্মা এবং ব্যতিক্রমজ্ঞাপক (الاستثنائية) লাম্মা।
* বিভিন্ন প্রকারের লাম (اللامات)।
* «মা» (ما)-এর বিভিন্ন প্রকারভেদ।
* মাসদার গঠনকারী (المصدرية) «আন», ব্যাখ্যাসূচক (التفسيرية), গুরুত্বজ্ঞাপক (المؤكدة) এবং গুরুভার থেকে লঘু করা (المخففة من الثقيلة) «আন»।
* শর্তসূচক (الشرطية) «ইন», না-বোধক (النافية) এবং গুরুভার থেকে লঘু করা (المخففة من الثقيلة) «ইন»।
(২) লেখক এমন কিছু শব্দ উল্লেখ করেননি যা তার গ্রন্থের পরিকল্পনা অনুযায়ী উল্লেখ করা আবশ্যক ছিল। লেখক দ্বিবচনের আলিফ (ألف التثنية) উল্লেখ করেছেন যেমনটি «ফা’আলা» (فعلا) এবং «ইয়াফ’আলানি» (يفعلان) শব্দদ্বয়ে রয়েছে, যা মূলত একটি সংযুক্ত মারফু সর্বনাম (ضمير رفع متصل)। এর দাবি ছিল যে, তিনি যেন সকল সংযুক্ত মারফু সর্বনামসমূহ উল্লেখ করেন, যেমন— বহুবচনের ওয়াও (واو الجماعة), স্ত্রীবাচক নুন (نون النسوة), সম্বোধনবাচক ইয়া (ياء المخاطبة) এবং তা (التاء); কিন্তু তিনি সেগুলো উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১১)
(3) وقع في الكتاب أخطاء في بعض المسائل، منها:
* ذكر المؤلف تحت همزة الطلب أمثلة لفعل الأمر من باب أفعل مثل:» آتِ «و» أحْسِنْ «. ومعلوم أن هذه الهمزة لا دخل لها في إفادة الفعل معنى الأمر، وأنها استمرار للهمزة التي في الفعل الماضي» أَفْعَلَ «.
* ذكر المؤلف تحت همزة الطلب فعل الأمر» أوِّبي «في قوله تعالى {يَا جِبَالُ أَوِّبِي مَعَهُ وَالطَّيْرَ} [سبأ 10] ، وهذا أمر في غاية الغرابة، إذ الهمزة التي في» أوِّبي «هي فاء الفعل، وليس في فعل الأمر من باب» فعَّلَ «همزة.
(৩) গ্রন্থটিতে কিছু মাসআলায় ভুল সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
* লেখক ‘প্রার্থনাসূচক হামজাহ’ (همزة الطلব)-এর অধীনে ‘আফআলা’ (أفعل) পরিচ্ছেদ (باب)-এর অনুজ্ঞাসূচক ক্রিয়া (فعل الأمر)-এর উদাহরণ হিসেবে » আতি « (آتِ) এবং » আহসিন « (أحْسِنْ) উল্লেখ করেছেন। এটি সুবিদিত যে, এই হামজাহটির ক্রিয়াকে আদেশের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা নেই, বরং এটি অতীতকালসূচক ক্রিয়া (الفعل الماضي) ‘আফআলা’ (أَفْعَلَ)-তে বিদ্যমান হামজাহটিরই ধারাবাহিকতা মাত্র।
* লেখক ‘প্রার্থনাসূচক হামজাহ’ (همزة الطلব)-এর অধীনে মহান আল্লাহর বাণী {হে পাহাড়সমূহ, তোমরা তাঁর সাথে তাসবিহ পাঠে বারবার ফিরে আসো (أوِّبي) এবং পাখিরাও} [সাবা: ১০]-তে বর্ণিত অনুজ্ঞাসূচক ক্রিয়া (فعل الأمر) » আউউইবি « (أوِّبي)-কে উল্লেখ করেছেন। এটি অত্যন্ত বিস্ময়কর (غريب) একটি বিষয়; কারণ » আউউইবি « (أوِّبي) শব্দের হামজাহটি হলো ক্রিয়ামূলের প্রথম বর্ণ (فاء الفعل), আর ‘ফাউআলা’ (فعَّلَ) পরিচ্ছেদ (باب)-এর অনুজ্ঞাসূচক ক্রিয়া (فعل الأمر)-তে কোনো হামজাহ থাকে না।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১২)
دراسات لأساليب القرآن الكريم:هو كتاب ضخم يقع في أحد عشر مجلداً، وينقسم إلى ثلاثة أقسام؛ ويحتوي القسم الأول على ثلاثة أجزاء، ويحتوي كل من القسمين الثاني والثالث على أربعة أجزاء. خصص القسم الأول لدراسة حروف المعاني، والقسم الثاني لدراسة مباحث الصرف، والقسم الثالث لدراسة مباحث النحو.
عكف المؤلف على إنجازه خمسة وعشرين عاماً، وهو كتاب كبير في مبناه، وعظيم في معناه. أما كبر مبناه فيظهر من قول المؤلف: إنه» الآيات والقراءات في هذا المبحث، أو أشير إليها (28700) «اهـ؛ وأما عظم معناه فيتضح من قول الشيخ محمود محمد شاكر رحمه الله في تصديره للكتاب إن المؤلف أودعه» معرفة واسعة مستوعبة تامة لدقائق علم النحو، وعلم الصرف، وعلم اختلاف الأساليب «.
يرى المؤلف أن هذا الكتاب معجم نحوي صرفي للقرآن الكريم، ويقول موضحاً هدفه من وضعه:» استهدفت أن أضع للقرآن الكريم معجماً نحوياً صرفياً يكون مرجعاً لدارس النحو، فيستطيع أن يعرف متى أراد: أوقع مثل هذا الأسلوب في القرآن أم لا؟ وإذا كان في القرآن فهل ورد كثيراً أو قليلاً، وفي قراءات متواترة أو شاذّة؟ كما أنه يستطيع أن يحتكم إليه في الموازنة بين الأقوال المختلفة كما كان يفعل الصدر الأول في الاحتكام إلى كلام الفصحاء ومشافهتهم قبل أن يدبَّ اللحن إلى الألسنة « (1) .
--------------------------------------------
আল-কুরআনের শৈলী নিয়ে গবেষণা:এটি একটি বিশাল গ্রন্থ যা এগারোটি খণ্ডে বিন্যস্ত এবং তিনটি বিভাগে বিভক্ত। প্রথম বিভাগে রয়েছে তিনটি অংশ, আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ দুটির প্রত্যেকটিতে চারটি করে অংশ রয়েছে। প্রথম বিভাগটি হুরুফুল মা'আনি (অব্যয় ও অর্থবোধক বর্ণসমূহ) অধ্যয়নের জন্য, দ্বিতীয় বিভাগটি সরফ (শব্দরূপান্তর) শাস্ত্রের আলোচনার জন্য এবং তৃতীয় বিভাগটি নাহু (বাক্যতত্ত্ব) শাস্ত্রের আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
লেখক এটি সম্পন্ন করতে দীর্ঘ পঁচিশ বছর সময় ব্যয় করেছেন। গ্রন্থটি এর অবয়বে যেমন বিশাল, এর ভাব ও মাহাত্ম্যেও তেমনি মহান। এর বিশাল অবয়ব লেখকের এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয় যে, এতে ২৮,৭০০টি আয়াত ও কিরাতের আলোচনা বা সেদিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। আর এর মাহাত্ম্য ফুটে ওঠে বইটির ভূমিকায় শায়খ মাহমুদ মুহাম্মদ শাকির (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বক্তব্যে; তিনি বলেন যে, লেখক এতে নাহু ও সরফ শাস্ত্রের সূক্ষ্ম বিষয় এবং রচনাশৈলীর ভিন্নতা সম্পর্কে এক ব্যাপক, সমৃদ্ধ ও পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান সঞ্চিত করেছেন।
লেখক মনে করেন যে, এই বইটি আল-কুরআনের একটি নাহু ও সরফ বিষয়ক অভিধান। এটি রচনার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন: "আমি চেয়েছি আল-কুরআনের জন্য একটি নাহু ও সরফ বিষয়ক অভিধান তৈরি করতে, যা নাহু শাস্ত্রের শিক্ষার্থীর জন্য একটি রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। ফলে সে যখনই চাইবে জানতে পারবে: এ ধরনের শৈলী কি কুরআনে ব্যবহৃত হয়েছে নাকি হয়নি? আর যদি কুরআনে থেকে থাকে, তবে তা কি অধিক পরিমাণে এসেছে নাকি অল্প? সেটি কি মুতাওয়াতির (متواترة) কিরাতে এসেছে নাকি শায (شاذة) কিরাতে? তদুপরি এর মাধ্যমে বিভিন্ন মতামতের মধ্যে তুলনামূলক বিচার করাও সম্ভব হবে, যেমনটি প্রথম যুগের মনীষীগণ ভাষার বিকৃতি ঘটার আগে বিশুদ্ধভাষীদের বক্তব্যের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতেন।" (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১৩)
غير أنه ليس معجماً بالمعنى المعروف والشكل المألوف، إنما هو كتاب يدرس فيه المؤلف المسائل الصرفية والنحوية الواردة في القرآن الكريم، والآيات المجموعة الواردة في الكتاب إنما جمعها المؤلف خدمة لهذه الدراسة. ولكن الكتاب يحوي نواة للمعجم، ويمكن تحويل المواد الواردة فيه إلى معجم.
منهج الكتاب:
1) يبدأ المؤلف دراسة مسألة ما تحت عنوان» لمحات عن دراسة (1) في القرآن الكريم «يذكر فيه ما يمهد لدراسة المسألة دراسة مفصلة في المبحث الذي يليه. يقول المؤلف موضحاً هدفه من هذا العنوان:» رأيت أن أقدم أمام دراسة كل حرف (2) صورة واضحة موجزة لعناصر الدراسة التفصيلية، واخترت لها عنوان (لمحات عن دراسة) ، وهذه اللمحات أشبه بما تفعله الإذاعات في صدر نشراتها الإخبارية من تقديم موجز الأنباء، وآثرت هذا المنهج لأمرين:
أ) تقريب هذه الدراسة إلى نفوس القرَّاء على اختلاف درجاتهم الثقافية، وتيسيرها لهم، فمن شاء اكتفى بهذا القدر، ومن شاء رجع إلى الدراسة التفصيلية.
ب) كفل هذا المنهج لي حريَّة نقل النصوص في الدراسة التفصيلية «.
2) ثم يعقد فصلاً بعنوان» دراسة في القرآن الكريم «يفصل فيه الكلام على وجوهها مع ذكر شواهد كثيرة من القرآن الكريم.
--------------------------------------------
তবে এটি পরিচিত অর্থ ও পরিচিত রূপের কোনো অভিধান (معجم) নয়; বরং এটি এমন একটি গ্রন্থ যেখানে লেখক পবিত্র কুরআনে বর্ণিত রূপতাত্ত্বিক (صرفية) ও ব্যাকরণগত (نحوية) বিষয়সমূহ আলোচনা করেছেন। আর গ্রন্থে সংকলিত আয়াতসমূহ লেখক মূলত এই পর্যালোচনার সুবিধার্থেই সংগ্রহ করেছেন। তবে গ্রন্থটিতে একটি অভিধানের (معجم) মূলবীজ নিহিত রয়েছে এবং এতে বিদ্যমান উপাদানগুলোকে একটি অভিধানে রূপান্তর করা সম্ভব।
গ্রন্থের পদ্ধতি:
১) লেখক কোনো একটি বিষয়ের পর্যালোচনা 'পবিত্র কুরআনে (১) এর পর্যালোচনার একঝলক' শিরোনামে শুরু করেন। এতে তিনি পরবর্তী পরিচ্ছেদে উক্ত বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনার পথ প্রশস্তকারী ভূমিকা উল্লেখ করেন। লেখক এই শিরোনামের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে বলেন: "আমি প্রতিটি বর্ণের (২) (حرف) পর্যালোচনার পূর্বে বিস্তারিত আলোচনার উপাদানগুলোর একটি স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত চিত্র উপস্থাপন করা সমীচীন মনে করেছি এবং এর জন্য 'পর্যালোচনার একঝলক' শিরোনামটি নির্বাচন করেছি। এই একঝলকগুলো ঠিক বেতার কেন্দ্রগুলোর সংবাদ বুলেটিনের শুরুতে প্রধান সংবাদ সংক্ষেপ প্রচার করার মতো। আমি দুটি কারণে এই পদ্ধতিটি পছন্দ করেছি:
ক) বিভিন্ন পর্যায়ের জ্ঞানসম্পন্ন পাঠকদের জন্য এই পর্যালোচনাকে সহজবোধ্য করা এবং তাদের নিকট তা সহজতর করে তোলা। ফলে কেউ চাইলে কেবল এটুকুতেই ক্ষান্ত থাকতে পারবে, আবার কেউ চাইলে বিস্তারিত আলোচনার দিকে ফিরে যেতে পারবে।
খ) এই পদ্ধতিটি বিস্তারিত আলোচনায় উদ্ধৃতিসমূহ (نصوص) হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আমাকে স্বাধীনতা প্রদান করেছে।"
২) এরপর তিনি 'পবিত্র কুরআনে পর্যালোচনা' শিরোনামে একটি পরিচ্ছেদ বিন্যস্ত করেন, যেখানে তিনি পবিত্র কুরআন থেকে প্রচুর প্রমাণ বা উপমা উল্লেখসহ এর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১৪)
لقد وجد الشيخ عضيمة باستقراء بعض المسائل النحوية في القرآن الكريم أن ما جاء في القرآن الكريم يخالف بعض القواعد النحوية التي ذكرها النحاة. يقول الشيخ موضحاً هذه النتائج التي توصَّل إليها:
وللنحويين قوانين كثيرة لم يحتكموا فيها لأسلوب القرآن، فمنعوا أساليب كثيرة جاء نظيرها في القرآن، من ذلك:
1) ذكر سيبويه قبح» كلّ «المضافة إلى نكرة في أن يلي العوامل، فقال (1: 274) :» " أكلت شاة كلَّ شاةٍ " حسن، و" أكلت كلَّ شاة " ضعيف «.
جاء» كلّ «المضافة إلى نكرة مفعولاً به في 36 موضعاً في القرآن الكريم، كما تصرّفت في وجوه كثيرة من الإعراب.
2) منع السهيلي أن تلى» كلّ «المقطوعة عن الإضافة العوامل، نحو:» ضربت كلاً «، و» مررت بكلٍّ « (نتائج الفكر ص 227) .
جاءت» كلّ «المقطوعة عن الإضافة مفعولاً به، ومجرورة بالحرف متأخرة عن فعلها في آيات من القرآن.
3) اشترط الزمخشري في خبر» أنَّ «الواقعة بعد» لو «أن يكون خبرها فعلاً (المفصَّل 2: 216) .
جاء خبرها في القرآن اسماً جامداً، واسماً مشتقاً.
4) منع ابن الطراوة أن يقع المصدر المؤوَّل من» أن «والفعل مضافاً إليه (الهمع 2: 3) .
جاء المصدر المؤوَّل من» أن «والفعل مضافاً إليه في ثلاثة وثلاثين موضعاً في القرآن.
5) منع النحويون وقوع الاستثناء المفرَّغ بعد الإيجاب، وعلَّلوا ذلك بأن وقوعه بعد الإيجاب يتضمن المحال أو الكذب.
শাইখ আদিমাহ পবিত্র কুরআনের কিছু ব্যাকরণিক (نحوية) বিষয় পর্যালোচনার মাধ্যমে দেখতে পেয়েছেন যে, পবিত্র কুরআনে যা এসেছে তা ব্যাকরণবিদদের উল্লেখিত কিছু ব্যাকরণিক নিয়মের পরিপন্থী। শাইখ তাঁর প্রাপ্ত এই ফলাফলগুলো ব্যাখ্যা করে বলেন:
ব্যাকরণবিদদের এমন অনেক নিয়ম রয়েছে যেখানে তারা কুরআনের শৈলীকে মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করেননি। ফলে তারা এমন অনেক পদ্ধতিকে নিষিদ্ধ করেছেন যেগুলোর অনুরূপ কুরআনে বিদ্যমান রয়েছে। যেমন:
১) সিবওয়াইহি অনির্দিষ্ট বিশেষ্যের (نكرة) সাথে সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) 'কুল্লু' (كلّ) শব্দটির কারকীয় প্রভাবকগুলোর (عوامل) পরে আসাকে অনুত্তম বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি (১: ২৭৪) বলেছেন: "আমি বকরী খেয়েছি প্রতিটি বকরী" (أكلت شاة كلَّ شاةٍ) - এটি সুন্দর (حسن), এবং "আমি প্রতিটি বকরী খেয়েছি" (أكلت كلَّ শاة) - এটি দুর্বল (ضعيف)।
পবিত্র কুরআনের ৩৬টি স্থানে অনির্দিষ্ট বিশেষ্যের সাথে সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) 'কুল্লু' (كلّ) শব্দটি কর্ম (مفعول به) হিসেবে এসেছে, এবং এটি বিভিন্ন কারকীয় অবস্থায় (إعراب) ব্যবহৃত হয়েছে।
২) আস-সুহাইলী সম্বন্ধহীন (مقطوع عن الإضافة) 'কুল্লু' (كلّ) শব্দটির প্রভাবক (عوامل)-এর পরে আসাকে নিষিদ্ধ করেছেন। যেমন: "আমি সবাইকে প্রহার করেছি" (ضربت كلاً) এবং "আমি সবার পাশ দিয়ে অতিক্রম করেছি" (مررت بكلٍّ)। (নাতায়িজুল ফিকর, পৃষ্ঠা: ২২৭)।
কুরআনের বেশ কিছু আয়াতে সম্বন্ধহীন (مقطوع عن الإضافة) 'কুল্লু' (كلّ) শব্দটি কর্ম (مفعول به) হিসেবে এবং অব্যয় দ্বারা মাজরুর (مجرور بالحرف) হিসেবে ক্রিয়ার পরে ব্যবহৃত হয়েছে।
৩) আয-যামাখশারী 'লাও' (لو)-এর পরে অবস্থিত 'আন্না' (أنَّ)-এর খবরের (خبر) ক্ষেত্রে শর্তারোপ করেছেন যে, তার খবরটি অবশ্যই ক্রিয়া (فعل) হতে হবে। (আল-মুফাসসাল ২: ২১৬)।
অথচ কুরআনে এর খবর (خبر) হিসেবে স্থির বিশেষ্য (اسم جامد) এবং সাধিত বিশেষ্য (اسم مشتق) উভয়ই এসেছে।
৪) ইবনুত তারাওয়াহ 'আন' (أن) এবং ক্রিয়া দ্বারা গঠিত ব্যাখ্যাকৃত মূলধাতু (مصدر مؤول) সম্বন্ধপদ (مضاف إليه) হিসেবে ব্যবহৃত হওয়াকে নিষিদ্ধ করেছেন। (আল-হাম' ২: ৩)।
কুরআনের ৩৩টি স্থানে 'আন' (أن) এবং ক্রিয়া দ্বারা গঠিত ব্যাখ্যাকৃত মূলধাতু (مصدر مؤول) সম্বন্ধপদ (مضاف إليه) হিসেবে এসেছে।
৫) ব্যাকরণবিদগণ ইতিবাচক বাক্যের (إيجاب) পরে অপূর্ণ ব্যতিক্রম (استثناء مفرغ)-এর ব্যবহারকে নিষিদ্ধ করেছেন এবং এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যে, ইতিবাচক বাক্যের পরে এর ব্যবহার অসম্ভব বা মিথ্যা প্রতিপন্ন হয়।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وفي القرآن ثماني عشرة آية وقع فيها الاستثناء المفرغ بعد الإيجاب، وفي بعضها كان الإيجاب مؤكداً مما يبعد تأويله بالنفي، كقوله تعالى:
* {وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ} (2: 45) .
* {وَإِنْ كَانَتْ لَكَبِيرَةً إِلَّا عَلَى الَّذِينَ هَدَى اللَّهُ} (2: 143) .
* {لَتَأْتُنَّنِي بِهِ إِلَّا أَنْ يُحَاطَ بِكُمْ} (12: 66) .
ذكر المؤلف أمثلة أخرى، ونحن نكتفي بهذا القدر.
পবিত্র কুরআনে আঠারোটি আয়াত রয়েছে যেখানে ইতিবাচক বিবৃতির (الإيجاب) পর পূর্ণতাসূচক ব্যতিক্রম (الاستثناء المفرغ) ঘটেছে। এগুলোর কয়েকটিতে ইতিবাচক বিবৃতি (الإيجاب) সুদৃঢ় (مؤكد) ছিল, যা একে নেতিবাচকতা (النفي) দ্বারা ব্যাখ্যা করার সম্ভাবনা দূর করে দেয়; যেমন মহান আল্লাহর বাণী:
* {আর তা অবশ্যই অত্যন্ত কঠিন কাজ, তবে বিনীতদের জন্য নয়} (২: ৪৫) ।
* {আর তা অবশ্যই বড়ই কঠিন ছিল, কিন্তু তাদের জন্য নয় যাদেরকে আল্লাহ হিদায়াত করেছেন} (২: ১৪৩) ।
* {তোমরা অবশ্যই তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে, যদি না তোমরা পরিবেষ্টিত হয়ে পড়} (১২: ৬৬) ।
লেখক আরও কিছু উদাহরণ উল্লেখ করেছেন, আমরা এই পরিমাণেই সীমাবদ্ধ থাকছি।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১৬)
نتائج واقتراحات:يتضح من هذه الدراسة أنه لم يوضع إلى الآن معجم شامل للمسائل الصرفية والنحوية الواردة في القرآن الكريم، ونقترح أن يصمم برنامج حاسوبي لمثل هذا المعجم، ويضمَّن إمكان إعادة تصنيف الآيات الخاصة بمسألة ما تصنيفات فرعية، ولنشرح هذه الفكرة بمثال. ففي مجال المفعول المطلق – مثلاً – تظهر أولاً جميع الآيات التي تتضمن المفعول المطلق. وبإمكاننا توزيع هذه الشواهد على أساس الغرض من المصدر، فتتوزع على الأصناف الآتية:
(1) ما جاء فيه المصدر مؤكداً لعامله
(2) ما جاء فيه المصدر مبيناً لنوعه
(3) ما جاء فيه المصدر مبيناً لعدده
(4) ما جاء فيه المصدر نائباً عن فعله
وبلمسة أخرى لأحد المفاتيح نستطيع أن نوزعها على أساس العناصر التي نابت عن المصدر.
مما لا شك فيه أن مثل هذا البرنامج سيمنح الباحثين في مجال النحو إمكانات هائلة لدراسة المسائل النحوية والصرفية الواردة في القرآن الكريم، وكذلك سيساعد مؤلفي كتب النحو الدراسية في اختيار الشواهد المناسبة للمسائل النحوية إن شاء الله.
ونذيل البحث بنموذجين لتصنيف الأدوات تصنيفاً يساعد الباحث على دراستها.
ফলাফল ও প্রস্তাবনা:এই গবেষণা থেকে এটি স্পষ্ট হয় যে, পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ব্যাকরণ (النحو) ও শব্দতত্ত্ব (الصرف) সংক্রান্ত মাসয়ালাগুলোর ওপর এখন পর্যন্ত কোনো পূর্ণাঙ্গ অভিধান সংকলিত হয়নি। আমরা প্রস্তাব করছি যে, এই ধরনের অভিধানের জন্য একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করা হোক, যাতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের আয়াতগুলোকে উপ-শ্রেণিতে পুনরায় বিন্যস্ত করার সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকে। একটি উদাহরণের মাধ্যমে এই ধারণাটি ব্যাখ্যা করা যাক। উদাহরণস্বরূপ, মাফউলে মুতলাক (المفعول المطلق)-এর ক্ষেত্রে প্রথমে সেই সব আয়াত প্রদর্শিত হবে যেগুলোতে মাফউলে মুতলাক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আমরা এই প্রমাণ বা উদাহরণগুলোকে মাসদারের (المصدر) উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে নিম্নোক্ত শ্রেণিতে বিন্যস্ত করতে পারি:
(১) যেখানে মাসদার তার আমেল-কে (عامله) তাকিদ বা দৃঢ়তা প্রদানের জন্য এসেছে।
(২) যেখানে মাসদার তার প্রকার (نوع) স্পষ্ট করার জন্য এসেছে।
(৩) যেখানে মাসদার তার সংখ্যা (عدد) বর্ণনা করার জন্য এসেছে।
(৪) যেখানে মাসদার তার ক্রিয়ার (فعل) স্থলাভিষিক্ত হিসেবে এসেছে।
একটি বোতামের সামান্য স্পর্শে আমরা সেগুলোকে মাসদারের স্থলাভিষিক্ত হওয়া উপাদানগুলোর ভিত্তিতেও বিন্যস্ত করতে পারি।
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই ধরনের প্রোগ্রাম ব্যাকরণ গবেষকদের পবিত্র কুরআনে বর্ণিত নাহু ও সরফ সংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনার ক্ষেত্রে বিশাল সুযোগ করে দেবে। একইভাবে এটি ব্যাকরণ বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক রচয়িতাদের ব্যাকরণিক মাসয়ালাগুলোর জন্য উপযুক্ত প্রমাণ বা উদাহরণ নির্বাচনে সহায়তা করবে, ইনশাআল্লাহ।
গবেষণাটির শেষে আমরা অব্যয় বা উপাদানসমূহের (الأدوات) শ্রেণিবিভাগের দুটি নমুনা সংযুক্ত করছি, যা গবেষককে সেগুলো অধ্যয়নে সহায়তা করবে।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১৭)
اللام المزحلقة:هي لام الابتداء بعد» إنَّ «المكسورة، وسميت مزحلقة لأنها زحلقت عن صدر الجملة كراهية ابتداء الكلام بمؤكدَينِ. حقها أن تدخل على خبر» إن «، وتدخل كذلك:
1) على اسمها إذا تأخر عن الخبر، وكان نكرة.
2) وعلى ضمير الفصل.
3) وعلى ضمير الرفع المنفصل المؤكد للضمير المتَّصل.
(أ) اللام المزحلقة الداخلة على الخبر المفرد
(2: 45) {وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ} .
(2: 70) {وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ لَمُهْتَدُونَ} .
(2: 143) {إِنَّ اللَّهَ بِالنَّاسِ لَرَؤُوفٌ رَحِيمٌ}
(2: 149) {وَإِنَّهُ لَلْحَقُّ مِنْ رَبِّكَ} .
(2: 243) {إِنَّ اللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ} .
(3: 68) {ِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِإِبْرَاهِيمَ لَلَّذِينَ اتَّبَعُو} هُ.
(3: 96) {إِنَّ أَوَّلَ بَيْتٍ وُضِعَ لِلنَّاسِ لَلَّذِي بِبَكَّةَ}
(5: 32) {ثُمَّ إِنَّ كَثِيراً مِنْهُمْ بَعْدَ ذَلِكَ فِي الْأَرْضِ لَمُسْرِفُونَ} .
(5: 49) {وَإِنَّ كَثِيراً مِنَ النَّاسِ لَفَاسِقُونَ} .
(6: 28) {وَإِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ} .
লম মুযাহলাকাহ (اللام المزحلقة):এটি হলো কাসরাযুক্ত (المكسورة) ‘ইন্না’ (إنَّ)-এর পরবর্তী প্রারম্ভিক লম (لام الابتداء)। একে মুযাহলাকাহ (مزحلقة) বা স্থানান্তরিত বলা হয়, কারণ একইসাথে দুটি তাকিদ বা জোরপ্রদানকারী শব্দ দিয়ে বাক্য শুরু হওয়া অপছন্দনীয় হওয়ায় একে বাক্যের শুরু থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এর প্রধান নিয়ম হলো ‘ইন্না’-এর খবরের (خبر) ওপর যুক্ত হওয়া, তবে এটি নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলোতেও যুক্ত হয়:
১) এর ইসিমের (اسم) ওপর, যদি তা খবর (خبر) থেকে পিছিয়ে আসে এবং অনির্দিষ্ট (نكرة) হয়।
২) পৃথককারী সর্বনামের (ضمير الفصل) ওপর।
৩) সংযুক্ত সর্বনামের (الضمير المتصل) তাকিদ প্রদানকারী পৃথক কর্তৃকারক সর্বনামের (ضمير الرفع المنفصل) ওপর।
(ক) একবচন খবরের (الخبر المفرد) ওপর যুক্ত লম মুযাহলাকাহ (اللام المزحلقة)
(২: ৪৫) {আর নিশ্চয় তা অবশ্যই অনেক বড় কাজ, তবে বিনয়ীদের জন্য নয়।}
(২: ৭০) {আর আল্লাহ চাইলে আমরা অবশ্যই সঠিক পথপ্রাপ্ত হবো।}
(২: ১৪৩) {নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অত্যন্ত মমতাশীল, পরম দয়ালু।}
(২: ১৪৯) {আর নিশ্চয় এটি আপনার রবের পক্ষ থেকে আসা ধ্রুব সত্য।}
(২: ২৪৩) {নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের ওপর বড়ই অনুগ্রহশীল।}
(৩: ৬৮) {নিশ্চয় মানুষের মধ্যে ইব্রাহীমের সবচেয়ে নিকটবর্তী তারাই, যারা তার অনুসরণ করেছে।}
(৩: ৯৬) {নিশ্চয় মানুষের জন্য নির্মিত প্রথম ঘর হলো সেটিই, যা বাক্কাহ-তে অবস্থিত।}
(৫: ৩২) {অতঃপর তাদের মধ্যে অনেকেই এরপরও পৃথিবীতে অবশ্যই সীমালঙ্ঘনকারী।}
(৫: ৪৯) {আর নিশ্চয় মানুষের মধ্যে অনেকেই অবশ্যই পাপাচারী।}
(৬: ২৮) {আর নিশ্চয় তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী (كاذبون)।}
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১৮)
(6: 121) {وَإِنَّهُ لَفِسْقٌ} .
(6: 121) {وَإِنْ أَطَعْتُمُوهُمْ إِنَّكُمْ لَمُشْرِكُونَ} .
(6: 134) {إِنَّ مَا تُوعَدُونَ لَآتٍ} .
(6: 146) {وَإِنَّا لَصَادِقُونَ} .
(6: 165) {وَإِنَّهُ لَغَفُورٌ رَحِيمٌ} .
(7: 109) {إِنَّ هَذَا لَسَاحِرٌ عَلِيمٌ} .
(7: 123) {إِنَّ هَذَا لَمَكْرٌ}
(7: 153) {إِنَّ رَبَّكَ مِنْ بَعْدِهَا لَغَفُورٌ رَحِيمٌ} .
(7: 167) {إِنَّ رَبَّكَ لَسَرِيعُ الْعِقَابِ} .
(7: 167) {وَإِنَّهُ لَغَفُورٌ رَحِيمٌ} .
(8: 5) {وَإِنَّ فَرِيقاً مِنَ الْمُؤْمِنِينَ لَكَارِهُونَ} .
(8: 42) {وَإِنَّ اللَّهَ لَسَمِيعٌ عَلِيمٌ} .
(9: 42) {وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِنَّهُمْ لَكَاذِبُونَ} .
(9: 49) {وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمُحِيطَةٌ بِالْكَافِرِينَ} .
(9: 114) {إِنَّ إِبْرَاهِيمَ لَأَوَّاهٌ حَلِيمٌ} .
(10: 53) {قُلْ إِي وَرَبِّي إِنَّهُ لَحَقٌّ}
(10: 60) {إِنَّ اللَّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ} .
(10: 76) {إِنَّ هَذَا لَسِحْرٌ مُبِينٌ} .
(10: 83) {وَإِنَّ فِرْعَوْنَ لَعَالٍ فِي الْأَرْضِ} .
(10: 92) {وَإِنَّ كَثِيراً مِنَ النَّاسِ عَنْ آيَاتِنَا لَغَافِلُونَ} .
(11: 9) {إِنَّهُ لَيَؤُوسٌ كَفُورٌ} .
(11: 10) {إِنَّهُ لَفَرِحٌ فَخُورٌ} .
(6: 121) আর নিশ্চয়ই এটি পাপাচার।
(6: 121) আর যদি তোমরা তাদের আনুগত্য করো, তবে তোমরা নিশ্চয়ই মুশরিক হয়ে যাবে।
(6: 134) তোমাদের যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা অবশ্যই আসবে।
(6: 146) আর নিশ্চয়ই আমরা সত্যবাদী।
(6: 165) আর নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(7: 109) নিশ্চয়ই এ এক দক্ষ জাদুকর।
(7: 123) নিশ্চয়ই এ এক চক্রান্ত।
(7: 153) নিশ্চয়ই তোমার পালনকর্তা এরপরও অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(7: 167) নিশ্চয়ই তোমার পালনকর্তা দ্রুত শাস্তি প্রদানকারী।
(7: 167) আর নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(8: 5) আর নিশ্চয়ই মুমিনদের একটি দল তা অপছন্দ করছিল।
(8: 42) আর নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
(9: 42) আর আল্লাহ জানেন যে, নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী (كاذبون)।
(9: 49) আর নিশ্চয়ই জাহান্নাম কাফেরদের পরিবেষ্টন করে আছে।
(9: 114) নিশ্চয়ই ইবরাহিম অত্যন্ত কোমলহৃদয় ও সহনশীল ছিলেন।
(10: 53) বলুন, হ্যাঁ, আমার পালনকর্তার কসম! নিশ্চয়ই এটি সত্য।
(10: 60) নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের প্রতি পরম অনুগ্রহশীল।
(10: 76) নিশ্চয়ই এটি এক স্পষ্ট জাদু।
(10: 83) আর নিশ্চয়ই ফেরাউন জমিনে অত্যন্ত উদ্ধত ছিল।
(10: 92) আর নিশ্চয়ই মানুষের মাঝে অনেকেই আমাদের নিদর্শনাবলী সম্পর্কে উদাসীন।
(11: 9) নিশ্চয়ই সে অত্যন্ত হতাশ ও অকৃতজ্ঞ।
(11: 10) নিশ্চয়ই সে আনন্দিত ও দর্পিত হয়।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ১৯)
(11: 41) {إِنَّ رَبِّي لَغَفُورٌ رَحِيمٌ} .
(11: 72) {إِنَّ هَذَا لَشَيْءٌ عَجِيبٌ} .
(11: 75) {إِنَّ إِبْرَاهِيمَ لَحَلِيمٌ أَوَّاهٌ مُنِيبٌ} .
(12: 11) {وَإِنَّا لَهُ لَنَاصِحُونَ} .
(12: 12) {وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ} .
(12: 14) {إِنَّا إِذاً لَخَاسِرُونَ} .
(12: 53) {إِنَّ النَّفْسَ لَأَمَّارَةٌ بِالسُّوءِ} .
(12: 61) {وَإِنَّا لَفَاعِلُونَ} .
(12: 68) {وَإِنَّهُ لَذُو عِلْمٍ} .
(12: 70) {إِنَّكُمْ لَسَارِقُونَ} .
(12: 79) {إِنَّا إِذاً لَظَالِمُونَ} .
12: 82) {وَإِنَّا لَصَادِقُونَ} .
(13: 6) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغْفِرَةٍ} .
(13: 6) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَشَدِيدُ الْعِقَابِ} .
(14: 7) {إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيدٌ} .
(14: 8) {فَإِنَّ اللَّهَ لَغَنِيٌّ حَمِيدٌ} .
(14: 34) {إِنَّ الْأِنْسَانَ لَظَلُومٌ كَفَّارٌ}
(14: 39) {إِنَّ رَبِّي لَسَمِيعُ الدُّعَاءِ} .
(15: 6) {إِنَّكَ لَمَجْنُونٌ} .
(15: 43) {وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ أَجْمَعِينَ} .
(15: 59) {إِنَّا لَمُنَجُّوهُمْ أَجْمَعِينَ} .
(15: 64) {وَأَتَيْنَاكَ بِالْحَقِّ وَإِنَّا لَصَادِقُونَ} .
(১১: ৪১) {নিশ্চয়ই আমার রব পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।} .
(১১: ৭২) {নিশ্চয়ই এটি একটি অদ্ভুত বিষয়।} .
(১১: ৭৫) {নিশ্চয়ই ইবরাহিম অত্যন্ত সহনশীল, কোমলহৃদয় ও আল্লাহ-অভিমুখী।} .
(১২: ১১) {আর নিশ্চয়ই আমরা তার শুভাকাঙ্ক্ষী।} .
(১২: ১২) {এবং অবশ্যই আমরা তার রক্ষক।} .
(১২: ১৪) {সেক্ষেত্রে তো আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হব।} .
(১২: ৫৩) {নিশ্চয়ই প্রবৃত্তি মন্দকাজের নির্দেশ দিয়ে থাকে।} .
(১২: ৬১) {আর নিশ্চয়ই আমরা তা করব।} .
(১২: ৬৮) {এবং নিশ্চয়ই তিনি জ্ঞানের অধিকারী।} .
(১২: ৭০) {নিশ্চয়ই তোমরা চোর।} .
(১২: ৭৯) {সেক্ষেত্রে তো আমরা অবশ্যই অবিচারক হব।} .
১২: ৮২) {আর নিশ্চয়ই আমরা সত্যবাদী।} .
(১৩: ৬) {আর নিশ্চয়ই আপনার রব ক্ষমার অধিকারী।} .
(১৩: ৬) {আর নিশ্চয়ই আপনার রব কঠোর শাস্তিদাতা।} .
(১৪: ৭) {নিশ্চয়ই আমার শাস্তি অত্যন্ত কঠোর।} .
(১৪: ৮) {বস্তুত আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, পরম প্রশংসিত।} .
(১৪: ৩৪) {নিশ্চয়ই মানুষ অত্যন্ত অত্যাচারী ও অকৃতজ্ঞ।}
(১৪: ৩৯) {নিশ্চয়ই আমার রব প্রার্থনা শ্রবণকারী।} .
(১৫: ৬) {নিশ্চয়ই তুমি উন্মাদ।} .
(১৫: ৪৩) {আর নিশ্চয়ই জাহান্নাম তাদের সবার প্রতিশ্রুত স্থান।} .
(১৫: ৫৯) {নিশ্চয়ই আমরা তাদের সবাইকে উদ্ধার করব।} .
(১৫: ৬৪) {আর আমরা আপনার নিকট সত্য নিয়ে এসেছি এবং নিশ্চয়ই আমরা সত্যবাদী।} .
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২০)
(15: 85) {وَإِنَّ السَّاعَةَ لَآتِيَةٌ} .
(16: 7) {إِنَّ رَبَّكُمْ لَرَؤُوفٌ رَحِيمٌ} .
(16: 18) {إِنَّ اللَّهَ لَغَفُورٌ رَحِيمٌ} .
(16: 47) {فَإِنَّ رَبَّكُمْ لَرَؤُوفٌ رَحِيمٌ} .
(16: 86) {إِنَّكُمْ لَكَاذِبُونَ} .
(16: 110) {إِنَّ رَبَّكَ مِنْ بَعْدِهَا لَغَفُورٌ رَحِيمٌ} .
(16: 119) {إِنَّ رَبَّكَ مِنْ بَعْدِهَا لَغَفُورٌ رَحِيمٌ} .
(17: 49) {أَإِنَّا لَمَبْعُوثُونَ خَلْقاً جَدِيداً} .
(17: 98) {أَإِنَّا لَمَبْعُوثُونَ خَلْقاً جَدِيداً} .
(18: 8) {وَإِنَّا لَجَاعِلُونَ مَا عَلَيْهَا صَعِيداً جُرُزاً} .
(ب) اللام المزحلقة الداخلة على الخبر الجملة:
(2: 144) {وَإِنَّ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَيَعْلَمُونَ أَنَّهُ الْحَقُّ}
(2: 146) {وَإِنَّ فَرِيقاً مِنْهُمْ لَيَكْتُمُونَ الْحَقَّ} .
(6: 19) {أَإِنَّكُمْ لَتَشْهَدُونَ أَنَّ مَعَ اللَّهِ آلِهَةً أُخْرَى} .
(6: 33) {قَدْ نَعْلَمُ إِنَّهُ لَيَحْزُنُكَ الَّذِي يَقُولُونَ} .
(6: 119) {وَإِنَّ كَثِيراً لَيُضِلُّونَ بِأَهْوَائِهِمْ بِغَيْرِ عِلْمٍ}
(6: 121) {وَإِنَّ الشَّيَاطِينَ لَيُوحُونَ إِلَى أَوْلِيَائِهِمْ} .
(7: 60) {إِنَّا لَنَرَاكَ فِي ضَلالٍ مُبِينٍ} .
(7: 66) {إِنَّا لَنَرَاكَ فِي سَفَاهَةٍ} .
(7: 66) {وَإِنَّا لَنَظُنُّكَ مِنَ الْكَاذِبِينَ} .
(১৫: ৮৫) {আর নিশ্চয় কিয়ামত অবশ্যই আগমনকারী}।
(১৬: ৭) {নিশ্চয় তোমাদের রব অত্যন্ত মমতাময় ও পরম দয়ালু}।
(১৬: ১৮) {নিশ্চয় আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু}।
(১৬: ৪৭) {সুতরাং নিশ্চয় তোমাদের রব অত্যন্ত মমতাময় ও পরম দয়ালু}।
(১৬: ৮৬) {নিশ্চয় তোমরা মিথ্যাবাদী (كاذبون)}।
(১৬: ১১০) {নিশ্চয় আপনার রব এরপরে অবশ্যই অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু}।
(১৬: ১১৯) {নিশ্চয় আপনার রব এরপরে অবশ্যই অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু}।
(১৭: ৪৯) {আমরা কি নতুন সৃষ্টিরূপে অবশ্যই পুনরুত্থিত হব?}।
(১৭: ৯৮) {আমরা কি নতুন সৃষ্টিরূপে অবশ্যই পুনরুত্থিত হব?}।
(১৮: ৮) {এবং এর ওপর যা কিছু রয়েছে, আমরা অবশ্যই তা উদ্ভিদহীন ধূসর ভূমিতে পরিণত করব}।
(খ) জুমলা (বাক্য) সংবলিত খবরের ওপর প্রবেশকারী লাম-এ-মুযাহলাক্বাহ:
(২: ১৪৪) {আর নিশ্চয় যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছে, তারা অবশ্যই জানে যে এটি সত্য}
(২: ১৪৬) {এবং নিশ্চয় তাদের একটি দল অবশ্যই সত্য গোপন করে}।
(৬: ১৯) {তোমরা কি সত্যিই সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য আছে?}।
(৬: ৩৩) {আমরা অবশ্যই জানি যে, তারা যা বলে তা আপনাকে নিশ্চয়ই ব্যথিত করে}।
(৬: ১১৯) {এবং নিশ্চয় অনেকে না জেনে তাদের খেয়াল-খুশি দ্বারা অবশ্যই পথভ্রষ্ট করে}
(৬: ১২১) {আর নিশ্চয় শয়তানরা অবশ্যই তাদের বন্ধুদের প্রতি কুমন্ত্রণা পাঠায়}।
(৭: ৬০) {নিশ্চয় আমরা তোমাকে স্পষ্ট ভ্রষ্টতার মধ্যে দেখছি}।
(৭: ৬৬) {নিশ্চয় আমরা তোমাকে নির্বুদ্ধিতার মধ্যে দেখছি}।
(৭: ৬৬) {এবং নিশ্চয় আমরা তোমাকে মিথ্যাবাদীদের (الكاذبين) অন্তর্ভুক্ত মনে করি}।
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২১)
(7: 81) {إِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ الرِّجَالَ شَهْوَةً مِنْ دُونِ النِّسَاءِ}
(9: 34) {إِنَّ كَثِيراً مِنَ الْأَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ لَيَأْكُلُونَ أَمْوَالَ النَّاسِ بِالْبَاطِلِ} .
(11: 79) {وَإِنَّكَ لَتَعْلَمُ مَا نُرِيدُ} .
(11: 91) {وَإِنَّا لَنَرَاكَ فِينَا ضَعِيفاً} .
(12: 30) {إِنَّا لَنَرَاهَا فِي ضَلالٍ مُبِينٍ} .
(12: 94) {إِنِّي لَأَجِدُ رِيحَ يُوسُفَ} .
(16: 124) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَيَحْكُمُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ} .
(17: 40) {إِنَّكُمْ لَتَقُولُونَ قَوْلاً عَظِيماً} .
(17: 101) {إِنِّي لَأَظُنُّكَ يَا مُوسَى مَسْحُوراً} .
(17: 102) {وَإِنِّي لَأَظُنُّكَ يَا فِرْعَوْنُ مَثْبُوراً} .
(23: 73) {وَإِنَّكَ لَتَدْعُوهُمْ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ} .
(25: 20) {إِلَّا إِنَّهُمْ لَيَأْكُلُونَ الطَّعَامَ وَيَمْشُونَ فِي الْأَسْوَاقِ} .
(27: 6) {وَإِنَّكَ لَتُلَقَّى الْقُرْآنَ مِنْ لَدُنْ حَكِيمٍ عَلِيمٍ} .
(27: 55) {أَإِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ الرِّجَالَ شَهْوَةً مِنْ دُونِ النِّسَاءِ} .
(27: 74) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَيَعْلَمُ مَا تُكِنُّ صُدُورُهُمْ وَمَا يُعْلِنُونَ}
(28: 38) {وَإِنِّي لَأَظُنُّهُ مِنَ الْكَاذِبِينَ} .
(28: 76) {وَآتَيْنَاهُ مِنَ الْكُنُوزِ مَا إِنَّ مَفَاتِحَهُ لَتَنُوءُ بِالْعُصْبَةِ أُولِي الْقُوَّةِ} .
(29: 28) {إِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ الْفَاحِشَةَ} .
(29: 29) {أَإِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ الرِّجَالَ}
(37: 137) {وَإِنَّكُمْ لَتَمُرُّونَ عَلَيْهِمْ مُصْبِحِينَ} .
(37: 151) {أَلا إِنَّهُمْ مِنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ}
(38: 24) {وَإِنَّ كَثِيراً مِنَ الْخُلَطَاءِ لَيَبْغِي بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ} .
(৭: ৮১) {তোমরা তো নারীদের পরিবর্তে কামবশত পুরুষদের নিকট গমন করছ।}
(৯: ৩৪) {নিশ্চয়ই অনেক পন্ডিত ও সন্ন্যাসী মানুষের ধন-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করে।} .
(১১: ৭৯) {আর তুমি তো অবশ্যই জানো আমরা কী চাই।} .
(১১: ৯১) {আর আমরা তো তোমাকে আমাদের মধ্যে দুর্বল (ضعيف) হিসেবেই দেখছি।} .
(১২: ৩০) {আমরা তো তাকে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে লিপ্ত দেখছি।} .
(১২: ৯৪) {আমি তো অবশ্যই ইউসুফের ঘ্রাণ পাচ্ছি।} .
(১৬: ১২৪) {আর তোমার পালনকর্তা অবশ্যই কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন।} .
(১৭: ৪০) {তোমরা তো এক অতি গুরুতর কথা বলছ।} .
(১৭: ১০১) {হে মুসা, আমি তো অবশ্যই তোমাকে জাদুগ্রস্ত মনে করি।} .
(১৭: ১০২) {আর হে ফেরাউন, আমি তো অবশ্যই তোমাকে ধ্বংসপ্রাপ্ত মনে করি।} .
(২৩: ৭৩) {আর তুমি তো অবশ্যই তাদেরকে সরল পথের দিকে আহ্বান করছ।} .
(২৫: ২০) {নিশ্চয়ই তারা তো আহার গ্রহণ করত এবং হাটে-বাজারে চলাফেরা করত।} .
(২৭: ৬) {আর তোমাকে তো এক প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞের পক্ষ থেকে কুরআন প্রদান করা হচ্ছে।} .
(২৭: ৫৫) {তোমরা কি কামবশত নারীদের পরিবর্তে পুরুষদের নিকট গমন করছ?} .
(২৭: ৭৪) {আর তোমার পালনকর্তা অবশ্যই জানেন তাদের অন্তর যা গোপন করে এবং যা তারা প্রকাশ করে।}
(২৮: ৩৮) {আর আমি তো তাকে মিথ্যাবাদী (كذاب) মনে করি।} .
(২৮: ৭৬) {আর আমি তাকে এমন ধনভাণ্ডার দান করেছিলাম যার চাবিগুলো বহন করা একদল শক্তিশালী লোকের পক্ষেও কষ্টকর ছিল।} .
(২৯: ২৮) {তোমরা তো এমন অশ্লীল কাজ করছ।} .
(২৯: ২৯) {তোমরা কি পুরুষদের নিকট গমন করছ?}
(৩৭: ১৩৭) {আর তোমরা তো তাদের (ধ্বংসাবশেষের) ওপর দিয়ে প্রভাতে পথ অতিক্রম করো।} .
(৩৭: ১৫১) {জেনে রেখো, তারা তাদের মিথ্যাচারের বশবর্তী হয়েই বলে।}
(৩৮: ২৪) {আর নিশ্চয়ই অনেক অংশীদার একে অপরের ওপর অবিচার করে থাকে।} .
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২২)
(40: 37) {وَإِنِّي لَأَظُنُّهُ كَاذِباً}
(40: 51) {إِنَّا لَنَنْصُرُ رُسُلَنَا وَالَّذِينَ آمَنُوا}
(41: 9) {قُلْ أَإِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِالَّذِي خَلَقَ الْأَرْضَ فِي يَوْمَيْنِ}
(42: 52) {وَإِنَّكَ لَتَهْدِي إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ} .
(43: 37) {وَإِنَّهُمْ لَيَصُدُّونَهُمْ عَنِ السَّبِيلِ} .
(53: 27) {إِنَّ الَّذِينَ لا يُؤْمِنُونَ بِالْآخِرَةِ لَيُسَمُّونَ الْمَلائِكَةَ تَسْمِيَةَ الْأُنْثَى} .
(58: 2) {وَإِنَّهُمْ لَيَقُولُونَ مُنْكَراً مِنَ الْقَوْلِ وَزُوراً} .
(69: 49) {وَإِنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّ مِنْكُمْ مُكَذِّبِينَ} .
(96: 6) {كَلَّا إِنَّ الْأِنْسَانَ لَيَطْغَى} .
(ج) اللام المزحلقة الداخلة على الخبر شبه الجملة:
(2: 130) {وَإِنَّهُ فِي الْآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ} .
(2: 145) {إِنَّكَ إِذاً لَمِنَ الظَّالِمِينَ} .
(2: 176) {وَإِنَّ الَّذِينَ اخْتَلَفُوا فِي الْكِتَابِ لَفِي شِقَاقٍ بَعِيدٍ} .
(2: 252) {وَإِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ} .
(4: 157) {وَإِنَّ الَّذِينَ اخْتَلَفُوا فِيهِ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ}
(5: 53) {إِنَّهُمْ لَمَعَكُمْ} .
(5: 106) {إِنَّا إِذاً لَمِنَ الْآثِمِينَ} .
(5: 107) {إِنَّا إِذاً لَمِنَ الظَّالِمِينَ} .
(7: 21) {وَقَاسَمَهُمَا إِنِّي لَكُمَا لَمِنَ النَّاصِحِينَ} .
(৪০: ৩৭) {আর আমি অবশ্যই তাকে মিথ্যাবাদী (كاذب) মনে করি}
(৪০: ৫১) {নিশ্চয়ই আমি আমার রাসূলগণকে ও মুমিনদেরকে অবশ্যই সাহায্য করব}
(৪১: ৯) {বলুন, তোমরা কি তাঁর সাথে অবশ্যই কুফরি করছ যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দুই দিনে?}
(৪২: ৫২) {আর আপনি অবশ্যই সরল পথের দিকে পথপ্রদর্শন করেন}
(৪৩: ৩৭) {আর তারা অবশ্যই তাদেরকে সৎপথ থেকে বাধা প্রদান করে}
(৫৩: ২৭) {নিশ্চয়ই যারা আখেরাতে ঈমান আনে না, তারা ফেরেশতাদের নারীবাচক নামকরণ করে}
(৫৮: ২) {আর তারা অবশ্যই গর্হিত (منكر) ও মিথ্যা কথা বলে}
(৬৯: ৪৯) {আর আমি অবশ্যই জানি যে তোমাদের মধ্যে মিথ্যা প্রতিপন্নকারী রয়েছে}
(৯৬: ৬) {কখনো নয়, নিশ্চয় মানুষ অবশ্যই সীমালঙ্ঘন করে}
(গ) খবর হিসেবে ব্যবহৃত শিবে জুমলার (বাক্যসদৃশ পদগুচ্ছ) ওপর দাখিল হওয়া লামে মুজাহলাকাহ:
(২: ১৩০) {আর সে পরকালেও অবশ্যই সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত}
(২: ১৪৫) {নিশ্চয়ই তখন আপনি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবেন}
(২: ১৭৬) {আর নিশ্চয়ই যারা কিতাবের ব্যাপারে মতভেদ করেছে, তারা অবশ্যই সুদূরপ্রসারী বিরোধে লিপ্ত}
(২: ২৫২) {আর আপনি অবশ্যই প্রেরিত রাসূলগণের (مرسل) অন্তর্ভুক্ত}
(৪: ১৫৭) {আর নিশ্চয় যারা এ বিষয়ে মতভেদ করেছে, তারা অবশ্যই এ ব্যাপারে সন্দেহের মধ্যে রয়েছে}
(৫: ৫৩) {নিশ্চয়ই তারা অবশ্যই তোমাদের সাথে আছে}
(৫: ১০৬) {সেক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই পাপীদের অন্তর্ভুক্ত হব}
(৫: ১০৭) {সেক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হব}
(৭: ২১) {আর সে তাদের নিকট শপথ করল যে, আমি অবশ্যই তোমাদের হিতাকাঙ্ক্ষীদের অন্তর্ভুক্ত}
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২৩)
(7: 114) {قَالَ نَعَمْ وَإِنَّكُمْ لَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ} .
(9: 56) {وَيَحْلِفُونَ بِاللَّهِ إِنَّهُمْ لَمِنْكُمْ} .
(10: 83) {وَإِنَّهُ لَمِنَ الْمُسْرِفِينَ} .
(11: 31) {إِنِّي إِذاً لَمِنَ الظَّالِمِينَ} .
(11: 62) {وَإِنَّنَا لَفِي شَكٍّ مِمَّا تَدْعُونَا إِلَيْهِ مُرِيبٍ} .
(11: 110) {وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ} .
(12: 8) {إِنَّ أَبَانَا لَفِي ضَلالٍ مُبِينٍ} .
(12: 51) {وَإِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ} .
(12: 95) {قَالُوا تَاللَّهِ إِنَّكَ لَفِي ضَلالِكَ الْقَدِيمِ} .
(13: 5) {أَإِذَا كُنَّا تُرَاباً أَإِنَّا لَفِي خَلْقٍ جَدِيدٍ} .
(14: 9) {وَإِنَّا لَفِي شَكٍّ مِمَّا تَدْعُونَنَا إِلَيْهِ مُرِيبٍ} .
(15: 60) {إِنَّهَا لَمِنَ الْغَابِرِينَ} .
(15: 76) {وَإِنَّهَا لَبِسَبِيلٍ مُقِيمٍ} .
(15: 79) {وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُبِينٍ} .
(16: 122) {وَإِنَّهُ فِي الْآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ}
(21: 59) {إِنَّهُ لَمِنَ الظَّالِمِينَ} .
(22: 53) {وَإِنَّ الظَّالِمِينَ لَفِي شِقَاقٍ بَعِيدٍ}
(22: 67) {إِنَّكَ لَعَلَى هُدىً مُسْتَقِيمٍ}
(24: 6) {فَشَهَادَةُ أَحَدِهِمْ أَرْبَعُ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ}
(24: 8) {وَيَدْرَأُ عَنْهَا الْعَذَابَ أَنْ تَشْهَدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ}
(26: 42) {قَالَ نَعَمْ وَإِنَّكُمْ إِذاً لَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ} .
(26: 196) {وَإِنَّهُ لَفِي زُبُرِ الْأَوَّلِينَ} .
(7: 114) {তিনি বললেন, “হ্যাঁ, এবং নিশ্চয়ই তোমরা নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।”} .
(9: 56) {আর তারা আল্লাহর নামে শপথ করে যে, নিশ্চয়ই তারা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত।} .
(10: 83) {আর নিশ্চয়ই সে সীমালঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।} .
(11: 31) {তবে তো আমি অবশ্যই জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।} .
(11: 62) {আর তোমরা আমাদের যার প্রতি আহ্বান করছ, সে বিষয়ে আমরা অবশ্যই বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে রয়েছি।} .
(11: 110) {আর নিশ্চয়ই তারা এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে রয়েছে।} .
(12: 8) {নিশ্চয়ই আমাদের পিতা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছেন।} .
(12: 51) {আর নিশ্চয়ই সে সত্যবাদীদের (صادقين) অন্তর্ভুক্ত।} .
(12: 95) {তারা বলল, “আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আপনি আপনার সেই পুরাতন বিভ্রান্তিতেই আছেন।”} .
(13: 5) {“তবে কি যখন আমরা মাটি হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুন সৃষ্টিতে থাকব?”} .
(14: 9) {আর তোমরা আমাদের যার প্রতি আহ্বান করছ, সে বিষয়ে আমরা অবশ্যই বিভ্রান্তিকর সন্দেহে রয়েছি।} .
(15: 60) {নিশ্চয়ই সে পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।} .
(15: 76) {আর নিশ্চয়ই তা (শহরটি) বিদ্যমান পথে অবস্থিত।} .
(15: 79) {আর নিশ্চয়ই এ উভয়টিই স্পষ্ট জনপথে অবস্থিত।} .
(16: 122) {আর নিশ্চয়ই পরকালে সে পুণ্যবানদের (صالحين) অন্তর্ভুক্ত হবে।} .
(21: 59) {নিশ্চয়ই সে জালেমদের অন্তর্ভুক্ত।} .
(22: 53) {আর নিশ্চয়ই জালেমরা দূরবর্তী বিরোধে লিপ্ত।} .
(22: 67) {নিশ্চয়ই আপনি সরল হেদায়েতের ওপর প্রতিষ্ঠিত।} .
(24: 6) {তবে তাদের একজনের সাক্ষ্য হবে আল্লাহর নামে চারবার শপথ করা যে, নিশ্চয়ই সে সত্যবাদীদের (صادقين) অন্তর্ভুক্ত।} .
(24: 8) {আর তার থেকে আজাব দূরীভূত করবে আল্লাহর নামে তার চারবার সাক্ষ্য প্রদান যে, নিশ্চয়ই সে মিথ্যাবাদীদের (كاذبين) অন্তর্ভুক্ত।} .
(26: 42) {তিনি বললেন, “হ্যাঁ, এবং তখন নিশ্চয়ই তোমরা নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।”} .
(26: 196) {আর নিশ্চয়ই তা পূর্ববর্তীদের কিতাবসমূহে বিদ্যমান।} .
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২৪)
(29: 27) {وَإِنَّهُ فِي الْآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ} .
(29: 69) {وَإِنَّ اللَّهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِينَ} .
(34: 7) {إِذَا مُزِّقْتُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ إِنَّكُمْ لَفِي خَلْقٍ جَدِيدٍ}
(34: 24) {وَإِنَّا أَوْ إِيَّاكُمْ لَعَلَى هُدىً أَوْ فِي ضَلالٍ مُبِينٍ} .
(36: 3) {إِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ} .
(36: 24) {إِنِّي إِذاً لَفِي ضَلالٍ مُبِينٍ} .
(37: 52) {يَقُولُ أَإِنَّكَ لَمِنَ الْمُصَدِّقِينَ} .
(37: 68) {ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى الْجَحِيمِ} .
(37: 123) {وَإِنَّ إِلْيَاسَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ} .
(37: 133) {وَإِنَّ لُوطاً لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ} .
(37: 139) {وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ} .
(38: 47) {وَإِنَّهُمْ عِنْدَنَا لَمِنَ الْمُصْطَفَيْنَ الْأَخْيَارِ} .
(41: 45) {وَإِنَّهُمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ} .
(42: 14) {وَإِنَّ الَّذِينَ أُورِثُوا الْكِتَابَ مِنْ بَعْدِهِمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ}
(42: 18) {َلا إِنَّ الَّذِينَ يُمَارُونَ فِي السَّاعَةِ لَفِي ضَلالٍ بَعِيدٍ} .
(42: 43) {إِنَّ ذَلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الْأُمُورِ} .
(51: 8) {إِنَّكُمْ لَفِي قَوْلٍ مُخْتَلِفٍ} .
(54: 24) {إِنَّا إِذاً لَفِي ضَلالٍ وَسُعُرٍ} .
(82: 13) {إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ} .
(82: 14) {وَإِنَّ الْفُجَّارَ لَفِي جَحِيمٍ} .
(83: 7) {كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ} .
(83: 18) {كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ}
(২৯: ২৭) {আর নিশ্চয়ই সে পরকালে নেককারদের (الصالحين) অন্তর্ভুক্ত।} .
(২৯: ৬৯) {আর নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের সাথে আছেন।} .
(৩৪: ৭) {যখন তোমরা সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, তখন নিশ্চয়ই তোমরা এক নতুন সৃষ্টিতে পরিণত হবে।}
(৩৪: ২৪) {আর নিশ্চয়ই আমরা অথবা তোমরা হেদায়েতের ওপর অথবা স্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছি।} .
(৩৬: ৩) {নিশ্চয়ই আপনি রাসূলগণের (المرسلين) অন্তর্ভুক্ত।} .
(৩৬: ২৪) {নিশ্চয়ই আমি তখন স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে থাকব।} .
(৩৭: ৫ middle) {সে বলে, তুমি কি সত্যতা নিশ্চিতকারীদের অন্তর্ভুক্ত?} .
(৩৭: ৬৮) {অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে অবশ্যই জাহান্নামের অগ্নিকুণ্ডের দিকে।} .
(৩৭: ১২৩) {আর ইলিয়াস অবশ্যই রাসূলগণের (المرسلين) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।} .
(৩৭: ১৩৩) {আর লুত অবশ্যই রাসূলগণের (المرسلين) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।} .
(৩৭: ১৩৯) {আর ইউনুস অবশ্যই রাসূলগণের (المرسلين) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।} .
(৩৮: ৪৭) {আর তারা আমাদের নিকট অবশ্যই মনোনীত ও শ্রেষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত।} .
(৪১: ৪৫) {আর তারা এ বিষয়ে অবশ্যই বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে রয়েছে।} .
(৪২: ১৪) {আর তাদের পরে যাদেরকে কিতাবের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে, তারা অবশ্যই এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে রয়েছে।}
(৪২: ১৮) {জেনে রেখো, যারা কিয়ামত নিয়ে বিতর্ক করে, তারা অবশ্যই সুদূর বিভ্রান্তিতে লিপ্ত।} .
(৪২: ৪৩) {নিশ্চয়ই তা দৃঢ় সংকল্পের কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত।} .
(৫১: ৮) {নিশ্চয়ই তোমরা পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে লিপ্ত।} .
(৫৪: ২৪) {তবে তো আমরা অবশ্যই পথভ্রষ্টতা ও উন্মাদনার মধ্যে নিমজ্জিত হব।} .
(৮২: ১৩) {নিশ্চয়ই পুণ্যবানরা পরম স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে থাকবে।} .
(৮২: ১৪) {আর নিশ্চয়ই পাপাচারীরা প্রজ্বলিত আগুনের মধ্যে থাকবে।} .
(৮৩: ৭) {কখনোই নয়, নিশ্চয়ই পাপাচারীদের আমলনামা সিজ্জীনে রয়েছে।} .
(৮৩: ১৮) {কখনোই নয়, নিশ্চয়ই পুণ্যবানদের আমলনামা ইল্লিয়্যীনে রয়েছে।}
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২৫)
(83: 22) {إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ} .
(87: 18) {إِنَّ هَذَا لَفِي الصُّحُفِ الْأُولَى} .
(89: 14) {إِنَّ رَبَّكَ لَبِالْمِرْصَادِ} .
(103: 2) {إِنَّ الْأِنْسَانَ لَفِي خُسْرٍ}
(د) اللام المزحلقة الداخلة على اسم إنَّ المؤخر:
(2: 164) {إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لَآياتٍ لِأُولِي الْأَلْبَابِ} .
(2: 248) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً} .
(3: 13) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَعِبْرَةً} .
(3: 49) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً} .
(3: 78) {وَإِنَّ مِنْهُمْ لَفَرِيقاً يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُمْ بِالْكِتَابِ} .
(3: 190) {إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ لَآياتٍ لِأُولِي الْأَلْبَابِ}
(4: 72) {وَإِنَّ مِنْكُمْ لَمَنْ لَيُبَطِّئَنَّ} .
(6: 99) {إِنَّ فِي ذَلِكُمْ لَآياتٍ} .
(7: 113) {قَالُوا إِنَّ لَنَا لَأَجْراً إِنْ كُنَّا نَحْنُ الْغَالِبِينَ} .
(10: 6) {إِنَّ فِي اخْتِلافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَمَا خَلَقَ اللَّهُ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ لَآياتٍ}
(10: 67) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ} .
(11: 103) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً} .
(13: 3) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ} .
(13: 4) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ} .
(14: 5) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ}
(15: 72) {لعمرك إنهم لفي سكرتهم يعمهون}
(83: 22) {নিশ্চয়ই পুণ্যবানগণ পরম সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবেন।} .
(87: 18) {নিশ্চয়ই এটি পূর্ববর্তী সহীফাসমূহে বিদ্যমান রয়েছে।} .
(89: 14) {নিশ্চয়ই আপনার প্রতিপালক অতন্দ্র প্রহরায় নিয়োজিত।} .
(103: 2) {নিশ্চয়ই মানুষ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত।}
(দ) ‘ইন্না’-এর বিলম্বিত বিশেষ্যের ওপর প্রবেশকারী সরণশীল লাম (লামে মুযাহলাকাহ):
(2: 164) {নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের বিবর্তনে জ্ঞানবানদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে।} .
(2: 248) {নিশ্চয়ই এতে একটি নিদর্শন রয়েছে।} .
(3: 13) {নিশ্চয়ই এতে অবশ্যই শিক্ষা রয়েছে।} .
(3: 49) {নিশ্চয়ই এতে অবশ্যই একটি নিদর্শন রয়েছে।} .
(3: 78) {এবং তাদের মধ্যে অবশ্যই এমন একদল লোক রয়েছে যারা কিতাব পাঠকালে নিজেদের জিহ্বা বাঁকিয়ে ফেলে।} .
(3: 190) {নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের বিবর্তনে জ্ঞানবানদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে।}
(4: 72) {এবং তোমাদের মধ্যে অবশ্যই এমন লোক রয়েছে যে অবশ্যই গড়িমসি করবে।} .
(6: 99) {নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য এতে বহু নিদর্শন রয়েছে।} .
(7: 113) {তারা বলল, আমরা যদি বিজয়ী হই তবে আমাদের জন্য কি অবশ্যই কোনো পুরস্কার থাকবে?} .
(10: 6) {নিশ্চয়ই রাত ও দিনের বিবর্তন এবং আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন তাতে নিদর্শনাবলী রয়েছে।}
(10: 67) {নিশ্চয়ই এতে নিদর্শনাবলী রয়েছে।} .
(11: 103) {নিশ্চয়ই এতে একটি নিদর্শন রয়েছে।} .
(13: 3) {নিশ্চয়ই এতে অনেক নিদর্শন রয়েছে।} .
(13: 4) {নিশ্চয়ই এতে অনেক নিদর্শন রয়েছে।} .
(14: 5) {নিশ্চয়ই এতে অনেক নিদর্শন রয়েছে।}
(15: 72) {আপনার প্রাণের শপথ! নিশ্চয়ই তারা তাদের মত্ততায় অন্ধ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।}
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২৬)
(15: 75) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ}
(15: 75) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ لِلْمُتَوَسِّمِينَ}
(15: 77) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِلْمُؤْمِنِينَ} .
(16: 11) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ} .
(16: 12) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ لِقَوْمٍ يَعْقِلُونَ} .
(16: 13) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَذَّكَّرُونَ} .
(16: 65) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَسْمَعُونَ} .
(16: 66) {وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً} .
(16: 67) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً} .
(16: 69) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً} .
(16: 79) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ} .
(20: 54) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ} .
(20: 128) {إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآياتٍ لِأُولِي النُّهَى} .
(هـ) اللام المزحلقة الداخلة على ضمير الفصل:
(3: 62) {إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْقَصَصُ الْحَقُّ} .
(3: 62) {وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ} .
(11: 87) {إِنَّكَ لَأَنْتَ الْحَلِيمُ الرَّشِيدُ} .
(12: 90) {أَإِنَّكَ لَأَنْتَ يُوسُفُ}
(22: 58) {وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ} .
(22: 64) {وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ} .
(26: 9) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ} .
(26: 44) {وَقَالُوا بِعِزَّةِ فِرْعَوْنَ إِنَّا لَنَحْنُ الْغَالِبُونَ}
(১৫: ৭৫) {নিশ্চয়ই এতে বহু নিদর্শন রয়েছে}
(১৫: ৭৫) {নিশ্চয়ই এতে পর্যবেক্ষণকারীদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে}
(১৫: ৭৭) {নিশ্চয়ই এতে মুমিনদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে} .
(১৬: ১১) {নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে} .
(১৬: ১২) {নিশ্চয়ই এতে বোধসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে} .
(১৬: ১৩) {নিশ্চয়ই এতে উপদেশ গ্রহণকারী সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে} .
(১৬: ৬৫) {নিশ্চয়ই এতে শ্রবণকারী সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে} .
(১৬: ৬৬) {এবং নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য গবাদি পশুর মধ্যে শিক্ষা রয়েছে} .
(১৬: ৬৭) {নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে} .
(১৬: ৬৯) {নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে} .
(১৬: ৭৯) {নিশ্চয়ই এতে বহু নিদর্শন রয়েছে} .
(২০: ৫৪) {নিশ্চয়ই এতে বহু নিদর্শন রয়েছে} .
(২০: ১২৮) {নিশ্চয়ই এতে প্রজ্ঞাবানদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে} .
(ঙ) বিচ্ছেদসূচক সর্বনামের (ضمير الفصل) ওপর প্রবেশকারী প্রলম্বিত 'লাম' (اللام المزحلقة):
(৩: ৬২) {নিশ্চয়ই এটিই হলো সত্য কাহিনী} .
(৩: ৬২) {এবং নিশ্চয়ই আল্লাহ, তিনি মহা পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়} .
(১১: ৮৭) {নিশ্চয়ই আপনি তো পরম সহিষ্ণু ও সুপথগামী} .
(১২: ৯০) {তবে কি আপনিই ইউসুফ?}
(২২: ৫৮) {এবং নিশ্চয়ই আল্লাহ, তিনিই শ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা} .
(২২: ৬৪) {এবং নিশ্চয়ই আল্লাহ, তিনিই অভাবমুক্ত, প্রশংসিত} .
(২৬: ৯) {এবং নিশ্চয়ই আপনার প্রতিপালক, তিনি মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু} .
(২৬: ৪৪) {এবং তারা বলল: ফিরআউনের মর্যাদার কসম, নিশ্চয়ই আমরাই বিজয়ী হবো}
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২৭)
(26: 68) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ} .
(26: 104) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ}
(26: 122) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ} .
(26: 140) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ} .
(26: 175) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ} .
(26: 191) {وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ}
(27: 16) {إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْفَضْلُ الْمُبِينُ} .
(29: 64) {وَإِنَّ الدَّارَ الْآخِرَةَ لَهِيَ الْحَيَوَانُ}
(37: 60) {إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ} .
(37: 106) {إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْبَلاءُ الْمُبِينُ} .
(37: 165) {وَإِنَّا لَنَحْنُ الصَّافُّونَ} .
(37: 166) {وَإِنَّا لَنَحْنُ الْمُسَبِّحُونَ} .
(37: 172) {إِنَّهُمْ لَهُمُ الْمَنْصُورُونَ} .
(37: 173) {وَإِنَّ جُنْدَنَا لَهُمُ الْغَالِبُونَ} .
(56: 95) {إِنَّ هَذَا لَهُوَ حَقُّ الْيَقِينِ} .
(و) اللام المزحلقة الداخلة على ضمير التوكيد:
(12: 90) {أَإِنَّكَ لَأَنْتَ يُوسُفُ} (1) .
(15: 23) {وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ} .
--------------------------------------------
(২৬: ৬৮) {আর নিশ্চয় আপনার প্রতিপালক, তিনি অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।} .
(২৬: ১০৪) {আর নিশ্চয় আপনার প্রতিপালক, তিনি অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।}
(২৬: ১২২) {আর নিশ্চয় আপনার প্রতিপালক, তিনি অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।} .
(২৬: ১৪০) {আর নিশ্চয় আপনার প্রতিপালক, তিনি অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।} .
(২৬: ১৭৫) {আর নিশ্চয় আপনার প্রতিপালক, তিনি অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।} .
(২৬: ১৯১) {আর নিশ্চয় আপনার প্রতিপালক, তিনি অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।}
(২৭: ১৬) {নিশ্চয় এটিই সুস্পষ্ট অনুগ্রহ।} .
(২৯: ৬৪) {আর নিশ্চয় পরকালীন আবাসই হলো প্রকৃত জীবন।}
(৩৭: ৬০) {নিশ্চয় এটিই মহা সাফল্য।} .
(৩৭: ১০৬) {নিশ্চয় এটিই সুস্পষ্ট পরীক্ষা।} .
(৩৭: ১৬৫) {আর নিশ্চয় আমরাই অবশ্যই সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান।} .
(৩৭: ১৬৬) {আর নিশ্চয় আমরাই অবশ্যই পবিত্রতা ঘোষণাকারী।} .
(৩৭: ১৭২) {নিশ্চয় তারা অবশ্যই সাহায্যপ্রাপ্ত।} .
(৩৭: ১৭৩) {আর নিশ্চয় আমাদের বাহিনীই অবশ্যই বিজয়ী।} .
(৫৬: ৯৫) {নিশ্চয় এটিই ধ্রুব সত্য।} .
(ও) তাকিদসূচক সর্বনামের (ضمير التوكيد) ওপর দাখিল হওয়া লামে মুজাহলাক্বাহ (اللام المزحلقة):
(১২: ৯০) {তুমি কি আসলেই ইউসুফ?} (১) .
(১৫: ২৩) {আর নিশ্চয় আমরাই জীবন দান করি এবং আমরাই মৃত্যু ঘটাই।} .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(ز) اللام المزحلقة الداخلة على الخبر وهو جملة اسمية:
(12: 90) {أَإِنَّكَ لَأَنْتَ يُوسُفُ}
(15: 23) {وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْيِي وَنُمِيتُ} (1) .
--------------------------------------------
(জ) স্থানান্তরিত লাম (اللام المزحلقة) যা বিধেয় (خبر)-এর ওপর যুক্ত হয় এবং তা একটি নামবাচক বাক্য (جملة اسمية):
(১২: ৯০) {আপনি কি সত্যিই ইউসুফ?}
(১৫: ২৩) {এবং নিশ্চয়ই আমরাই জীবন দান করি ও মৃত্যু দান করি।} (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মুজামুল মাসাইলিন নাহউইয়্যাতি ওয়াস সারফিয়্যাতি আল-ওয়ারিদাতি ফিল কুরআনিল কারীম
(পৃষ্ঠা: ২৮)
اللام الموطئة للقسم:هي اللام الداخلة على أداة شرط للإيذان بأن الجواب بعدها مبنيّ على قسم قبلها، لا على الشرط، ومن ثم تسمى اللام الموطئة للقسم لأنها وطَّأت الجواب للقسم أي مهَّدت له؛ وأكثر ما تدخل على» إنْ «؛ وقد تدخل على غيرها، نحو:» منْ «، فقد جاء في القرآن الكريم: {لَمَنْ تَبِعَكَ مِنْهُمْ لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنْكُمْ أَجْمَعِينَ} [الأعراف 18] .
ومن ثم يشترط في جواب» لئنْ «ما يشترط في جواب القسم، وهي:
1) إن كان الجواب جملة اسمية أكد بـ» إنَّ «واللام، أو بإحداهما.
2) وإن كان جملة فعلية مثبتة مصدرة بمضارع مفيد للاستقبال أكد باللام والنون؛ وإن كان مفيداً للحال فباللام فقط، وإن كان مفصولاً عن اللام لم يؤكد.
3) وإن صدِّرت بماضٍ أكد باللام وقد.
4) وإن كان جملة فعلية منفية لم يؤكد، ونفي بـ» ما «، أو» لا «، أو» إنْ «.
5) وإن كان جملة اسمية منفية لم يؤكد.
--------------------------------------------
কসমের ভূমিকা নির্দেশকারী লাম (اللام الموطئة للقسم):এটি এমন একটি লাম (اللام) যা কোনো শর্তবাচক অব্যয় (أداة شرط)-এর শুরুতে যুক্ত হয়ে এই সংকেত প্রদান করে যে, এর পরবর্তী উত্তর বা জওয়াব (جواب) তার পূর্ববর্তী একটি কসম (قسم)-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়েছে, শর্তের (شرط) ওপর নয়। এ কারণেই একে কসমের ভূমিকা নির্দেশকারী লাম (اللام الموطئة للقسم) বলা হয়; কারণ এটি জওয়াবকে কসমের জন্য প্রস্তুত (وطَّأت) বা সুগম (مهَّدت) করে দেয়। এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'ইন' (إنْ) এর ওপর যুক্ত হয়; তবে কখনো কখনো অন্যান্য শব্দের ওপরও আসতে পারে, যেমন: 'মান' (منْ)। পবিত্র কুরআনে এসেছে: {তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ তোমার অনুসরণ করবে, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সকলকে দিয়ে জাহান্নাম পূর্ণ করব।} [সূরা আল-আরাফ: ১৮]।
সুতরাং 'লায়িন' (لئنْ)-এর জওয়াবের (جواب) ক্ষেত্রে সেই সকল শর্তই প্রযোজ্য হবে যা কসমের জওয়াবের (جواب القسم) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, সেগুলো হলো:
১) যদি জওয়াবটি (الجواب) বিশেষ্যমূলক বাক্য (جملة اسمية) হয়, তবে তাকে 'ইন্না' (إنَّ) এবং 'লাম' (اللام) দ্বারা, অথবা এ দুটির যেকোনো একটি দ্বারা তাকীদ (أكد) করা হবে।
২) যদি জওয়াবটি ইতিবাচক ক্রিয়ামূলক বাক্য (جملة فعلية مثبتة) হয় এবং ভবিষ্যৎকাল (استقبال) জ্ঞাপক মুজারি (مضارع) ক্রিয়া দ্বারা শুরু হয়, তবে তাকে 'লাম' (اللام) এবং 'নুন' (النون) দ্বারা তাকীদ (أكد) করা হবে। আর যদি সেটি বর্তমানকাল (حال) জ্ঞাপক হয়, তবে শুধুমাত্র 'লাম' (اللام) দ্বারা তাকীদ হবে। কিন্তু যদি ক্রিয়াটি 'লাম' (اللام) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে তাকীদ (أكد) করা হবে না।
৩) যদি জওয়াবটি অতীতকালীন (ماضٍ) ক্রিয়া দ্বারা শুরু হয়, তবে তাকে 'লাম' (اللام) এবং 'কাদ' (قد) দ্বারা তাকীদ (أكد) করা হবে।
৪) যদি জওয়াবটি নেতিবাচক ক্রিয়ামূলক বাক্য (جملة فعلية منفية) হয়, তবে তাকে তাকীদ (أكد) করা হবে না; এবং এক্ষেত্রে 'মা' (ما), 'লা' (لا) অথবা 'ইন' (إنْ) দ্বারা নেতিবাচক (نفي) করা হবে।
৫) যদি জওয়াবটি নেতিবাচক বিশেষ্যমূলক বাক্য (جملة اسمية منفية) হয়, তবে তাকে তাকীদ (أكد) করা হবে না।
--------------------------------------------