(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: -)
المسالك والممالك لابن خرداذبة القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: المسالك والممالك
المؤلف: أبو القاسم عبيد الله بن عبد الله المعروف بابن خرداذبة (ت نحو 280هـ)
الناشر: دار صادر أفست ليدن، بيروت
عام النشر: 1889 م
عدد الصفحات: 265
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক - ইবনে খুরদাদবিহ বিভাগ: দেশ ও সফরনামা
বই: আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক
লেখক: আবুল কাসিম উবায়দুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ, যিনি ইবনে খুরদাদবিহ নামে পরিচিত (মৃত্যু আনুমানিক ২৮০ হিজরি)
প্রকাশক: দার সাদির অফসেট লাইডেন, বৈরুত
প্রকাশের বছর: ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৬৫
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: -)
أبو القاسم عبيد الله بن عبد الله بن خرداذبة المتوفى في حدود 300 هـ.
مؤرخ وجغرافي في القرن الثالث الهجري. قيل أنه أيراني الأصل وكان معتنقاً دين الزردشتية ثم انتحل دين الإسلام على يد البرامكة ويظهر من ذلك أنه كان من أهل خراسان. اختلف المؤرخون في سنة ولادته ووفاته فذكروا تاريخين لولادته أحدهما 205 والآخر 211 هـ.
هاجر ابن خرداذبة في أوائل حياته إلى بغداد وبدأ يتلقى العلوم على يد والده كما وأخذ فن الموسيقى على يد الموسيقي الشهير في ذلك العصر إسحاق الموصلي.
عُهد إليه في أيام خلافة الواثق بالله (227 ج 232 هـ) منصب «صاحب البريد والخبر» ، ويبدو أن عمله هذا أدى إلى أن تتسع دائرة معلوماته عن وضع الطرق ونسبة الخراج والأوضاع الجغرافية والإدارية في إيران والبلدان الإسلامية وغير الإسلامية وسبب تأليفه هذا الكتاب.
تقربه إلى الخليفة المعتمد العباسي وحضوره في مجالسه ومحافله الأدبية والفنية سببت خوض ميادين أخرى غير الجغرافيا كالأدب والموسيقى والطبخ وغيرها مطالعة وتأليفاً.
آثاره
أحصى ابن النديم في فهرسه عن المترجم له ثمانية كتب وهي: أدب السماع، جمهرة أنساب الفرس والنوافل، المسالك والممالك، الطبيخ، اللهو والملاهي، الشراب، الأنواء، الندام والجلساء.
وذُكرت في مصادر أخرى كتابين آخرين وهما: الكبير في التاريخ وأخبار ابن خرداذبة.
ولكن لم يبق من هذه الآثار العشر إلا كتابين وهما: المسالك والممالك ومختار من كتاب اللهو والملاهي.
اعتماد علماء الجغرافيا على ابن خرداذبة
اعتمد على ابن خرداذبة في منهجه الجغرافي الكثير من علماء الجغرافيا التالين له أمثال اليعقوبي وابن فقيه وابن رستة وابن حوقل والمقدسي والجيهاني والمسعودي.
আবুল কাসিম উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন খুরদাদবিহ, যিনি আনুমানিক ৩০০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি তৃতীয় হিজরি শতাব্দীর একজন ইতিহাসবিদ ও ভূগোলবিদ ছিলেন। বলা হয় যে, তিনি মূলত পারস্যের অধিবাসী ছিলেন এবং জরাথ্রুস্টবাদের অনুসারী ছিলেন, অতঃপর বারমাকিদের হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি খোরাসানের অধিবাসী ছিলেন। ঐতিহাসিকগণ তাঁর জন্ম ও মৃত্যু সাল নিয়ে মতভেদ করেছেন; তাঁরা তাঁর জন্মের দুটি তারিখ উল্লেখ করেছেন, যার একটি ২০৫ হিজরি এবং অপরটি ২১১ হিজরি।
ইবন খুরদাদবিহ তাঁর জীবনের শুরুর দিকে বাগদাদে হিজরত করেন এবং তাঁর পিতার কাছে জ্ঞান অর্জন শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি সেই যুগের প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ ইসহাক আল-মাওসিলির কাছে সংগীতবিদ্যা শিক্ষা করেন।
খলিফা আল-ওয়াসিক বিল্লাহর শাসনামলে (২২৭ - ২৩২ হিজরি) তাঁকে ‘সাহিবুল বারিদ ওয়াল খবর’ (ডাক ও সংবাদ বিভাগের প্রধান) পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল। প্রতীয়মান হয় যে, তাঁর এই কর্মসংস্থান ইরানসহ অন্যান্য ইসলামি ও অনৈসলামিক দেশগুলোর রাস্তার অবস্থা, করের অনুপাত এবং ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর জ্ঞানের পরিধিকে প্রশস্ত করেছিল, যা তাঁর এই কিতাবটি রচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
আব্বাসীয় খলিফা আল-মুতামিদের সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁর সাহিত্যিক ও শৈল্পিক মজলিস ও মাহফিলগুলোতে উপস্থিতি ভূগোল ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্র যেমন সাহিত্য, সংগীত, রন্ধনশিল্প ইত্যাদি বিষয়ে অধ্যয়ন ও গ্রন্থ রচনার পথে তাঁকে ধাবিত করেছিল।
তাঁর রচনাবলি
ইবনুল নাদিম তাঁর ফিহরিস্ত গ্রন্থে এই জীবনীকারের আটটি বইয়ের তালিকা দিয়েছেন, সেগুলো হলো: আদাবুস সামা, জামহারাতু আনসাবিল ফুরসি ওয়ান নাওয়াফিল, আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক, আত-তাবিখ, আল-লাহউ ওয়াল মালাহি, আশ-শারাব, আল-আনওয়া এবং আল-নুদ্দাম ওয়াল জুলাসা।
অন্যান্য উৎসসমূহে আরও দুটি বইয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হলো: আল-কাবির ফিত তারিখ এবং আখবারু ইবন খুরদাদবিহ।
তবে এই দশটি নিদর্শনের মধ্যে কেবল দুটি কিতাব অবশিষ্ট রয়েছে, সেগুলো হলো: আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক এবং কিতাবুল লাহউ ওয়াল মালাহি-এর একটি নির্বাচিত অংশ।
ইবন খুরদাদবিহর ওপর ভূগোলবিদদের নির্ভরতা
তাঁর পরবর্তী অনেক ভূগোলবিদ যেমন আল-ইয়াকুবি, ইবন ফকিহ, ইবন রুস্তাহ, ইবন হাওকাল, আল-মাকদিসি, আল-জায়হানি এবং আল-মাসউদি তাঁদের ভৌগোলিক পদ্ধতিতে ইবন খুরদাদবিহর ওপর নির্ভর করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
[خطبة الكتاب]
بسم الله الرحمن الرحيم اطال الله تعالى بقاءك يا ابن السادة الاخيار والائمّة الابرار منار الدين وخيرة الله من الخلق اجمعين وادام الله لك السعادة وكثّر لك الزيادة من جميع الخيرات ووفّقك لسبيل الصالحات وجعلك ممن ارتضى افعاله وزيّن احواله فهمت الذي سألت افهمك الله جميع الخيرات واسعدك الى الممات وافلح فى الدارين سهمك ووفّر فيهما قسمك من رسم ايضاح مسالك الارض وممالكها وصفتها وبعدها وقربها وعامرها وغامرها والمسير بين ذلك منها من مفاوزها واقاصيها ورسوم طرقها وطسوقها على ما رسمه المتقدّمون منها فوجدت بطلميوس قد ابان الحدود واوضح الحجّة فى صفتها بلغة اعجميّة فنقلتها عن لغته باللغة الصحيحة لتقف عليها وقد رسمت رسم لك فوز الحقّ فى جميع مأمولك ومطالبك ما رجوت ان يكون محيطا بمطلوبك وآتيا على ارادتك كالمشاهد لما نأى والخبر بما قرب وصنعته كتابا (2) افتتحته بالحمد لله ذى العزّة المنيعة والنعمة السابغة الذي انشأ الخلق على ما اراد وبيّن سبيل الحقّ للعباد لم تشركه فى خلقه الآراء المتوهّمة ولا ظنون الرّويات تعالى الله عما يشركون وصلّى الله على محمّد نبيّه وعلى الاخيار من عترته وسلّم كثيرا
[গ্রন্থের ভূমিকা]
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। মহান আল্লাহ আপনার হায়াত দীর্ঘ করুন, হে মহৎ সর্দার ও পুণ্যবান ইমামদের বংশধর, দ্বীনের আলোকবর্তিকা এবং সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহর মনোনীত বান্দা। আল্লাহ আপনার সৌভাগ্য চিরস্থায়ী করুন এবং আপনার সকল কল্যাণে প্রাচুর্য দান করুন, আপনাকে নেককারদের পথে চলার তাওফিক দিন এবং আপনাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন যাদের কর্মে তিনি সন্তুষ্ট এবং যাদের অবস্থা তিনি সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছেন। আপনি যা জানতে চেয়েছেন আমি তা বুঝেছি—আল্লাহ আপনাকে সকল কল্যাণের সম্যক জ্ঞান দান করুন, মৃত্যু পর্যন্ত আপনাকে সুখী রাখুন এবং উভয় জাহানে আপনার লক্ষ্য সফল করে আপনার প্রাপ্য অংশ পূর্ণ করুন। আপনি পৃথিবীর পথসমূহ ও রাজ্যসমূহ, সেগুলোর বিবরণ, দূরত্ব ও নৈকট্য, জনপদ ও জনশূন্য এলাকা এবং এগুলোর মধ্যবর্তী মরুভূমি ও দূরবর্তী অঞ্চলসমূহ এবং রাস্তার নকশা ও কর নির্ধারণের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন, যেমনটি পূর্ববর্তীগণ নির্ধারণ করেছিলেন। আমি দেখলাম যে, টলেমি এক অনারব ভাষায় সীমানাগুলো সুস্পষ্ট করেছেন এবং সেগুলোর বর্ণনায় অকাট্য প্রমাণাদি উপস্থাপন করেছেন; তাই আমি তাঁর ভাষা থেকে এটি সঠিক ভাষায় অনুবাদ করেছি যাতে আপনি তা অনুধাবন করতে পারেন। আমি আপনার জন্য এমনভাবে এটি নকশা করেছি যাতে আপনার সকল আশা ও আকাঙ্ক্ষা সত্য হয়; আমি আশা করি এটি আপনার উদ্দেশ্য পূরণ করবে এবং আপনার ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাবে, যেন তা দূরবর্তী বিষয়কে স্বচক্ষে দেখা এবং নিকটবর্তী বিষয়কে সংবাদের মাধ্যমে জানার মতো হয়। আমি এটি একটি গ্রন্থ হিসেবে প্রস্তুত করেছি যা শুরু করেছি সেই আল্লাহর প্রশংসা দিয়ে যিনি সুদৃঢ় সম্মান ও পরিপূর্ণ নেয়ামতের অধিকারী, যিনি সৃষ্টিজগতকে তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী সৃষ্টি করেছেন এবং বান্দাদের জন্য সত্যের পথ স্পষ্ট করেছেন। তাঁর সৃষ্টি কার্যে কোনো কাল্পনিক মতবাদ বা অনুমাননির্ভর চিন্তা শরিক ছিল না; তারা যা শরিক করে আল্লাহ তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে। আল্লাহর অজস্র সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পবিত্র বংশধরদের ওপর।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
[صفة الارض]
هذا كتاب فيه صفة الارض وبنية الخلق عليها وقبلة اهل كلّ بلد والممالك والمسالك الى نواحى الارض تأليف ابى القاسم عبيد الله بن عبد الله ابن خرداذبه مولى امير المؤمنين قال ابو القاسم صفة الارض انها مدوّرة كتدوير الكرة موضوعة فى جوف الفلك كالمحّة فى جوف البيضة والنسيم حول الارض وهو جاذب لها من جميع جوانبها الى الفلك وبنية الخلق على الارض ان النسيم جاذب لما فى ابدانهم من الخفّة والارض جاذبة لما فى ابدانهم من الثقل لأن الارض بمنزلة الحجر الذي يجتذب الحديد، والارض مقسومة بنصفين بينهما خطّ الاستواء وهو من المشرق الى المغرب وهذا طول الارض وهو (3) اكبر خط فى كرة الارض كما ان منطقة البروج اكبر خطّ فى الفلك وعرض الارض من القطب الجنوبىّ الذي يدور حوله سهيل الى القطب الشمالىّ الذي يدور حوله بنات نعش، فاستدارة الارض فى موضع خطّ الاستواء ثلثمائة وستّون درجة والدرجة خمسة وعشرون فرسخا والفرسخ اثنا عشر الف ذراع والذراع اربع وعشرون اصبعا والاصبع ستّ حبّات شعير مصفوفة بطون بعضها الى بعض يكون ذلك تسعة آلاف فرسخ، وبين خطّ الاستواء وبين كلّ واحد من القطبين تسعون درجة أصطرلابيّة واستدارتها عرضا مثل ذلك الّا ان العمارة فى الارض بعد خطّ الاستواء اربع وعشرون
[পৃথিবীর বিবরণ]
এটি এমন একটি গ্রন্থ যাতে রয়েছে পৃথিবীর বিবরণ, এর ওপর সৃষ্টির গঠন-প্রকৃতি, প্রতিটি ভূখণ্ডের অধিবাসীদের কিবলা এবং পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের রাজ্য ও যাতায়াতের পথসমূহের বর্ণনা। এটি আমীরুল মুমিনীনের মাওলা আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে খোরদাদবেহ-এর রচনা। আবু আল-কাসিম বলেন, পৃথিবীর বৈশিষ্ট্য হলো এটি গোলকের ন্যায় গোলাকার, যা খগোলকের অভ্যন্তরে এমনভাবে অবস্থিত যেমন ডিমের কুসুম ডিমের অভ্যন্তরে থাকে। পৃথিবীর চারপাশে বায়ুমণ্ডল বিদ্যমান যা তাকে চারপাশ থেকে খগোলকের দিকে আকর্ষণ করে। আর পৃথিবীর বুকে সৃষ্টির গঠনতত্ত্ব হলো এই যে, বায়ুমণ্ডল তাদের দেহের লঘুতাকে (হালকা ভাব) আকর্ষণ করে এবং পৃথিবী তাদের দেহের ভারকে আকর্ষণ করে; কারণ পৃথিবী সেই পাথরের সমতুল্য যা লোহাকে আকর্ষণ করে। পৃথিবী দুই ভাগে বিভক্ত এবং এই দুই ভাগের মাঝে রয়েছে বিষুবরেখা (খত-ই-ইস্তিওয়া), যা পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃত। এটিই পৃথিবীর দৈর্ঘ্য এবং এটি ভূ-গোলকের বৃহত্তম রেখা, যেমন রাশিচক্রের বলয় খগোলকের বৃহত্তম রেখা। আর পৃথিবীর প্রস্থ দক্ষিণ মেরু—যার চারদিকে সুহাইল তারকা আবর্তিত হয়—থেকে উত্তর মেরু—যার চারদিকে বানাতি না'শ (সপ্তর্ষি মণ্ডল) আবর্তিত হয়—পর্যন্ত বিস্তৃত। বিষুবরেখায় পৃথিবীর পরিধি তিনশ ষাট ডিগ্রি। প্রতি ডিগ্রি পঁচিশ ফারসাখ। এক ফারসাখ হলো বারো হাজার হাত। এক হাত হলো চব্বিশ আঙুল। আর এক আঙুল হলো ছয়টি যব দানা, যা একটির পিঠের সাথে অন্যটি সারিবদ্ধভাবে রাখা। এই হিসেবে (পৃথিবীর পরিধি) নয় হাজার ফারসাখ। বিষুবরেখা ও মেরুদ্বয়ের প্রত্যেকের মধ্যবর্তী দূরত্ব হলো নব্বই অ্যাস্ট্রোল্যাব ডিগ্রি। প্রস্থের দিকেও এর পরিধি অনুরূপ, তবে বিষুবরেখার পরে পৃথিবীর জনবসতিপূর্ণ এলাকা হলো চব্বিশ...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
درجة ثم الباقى قد غمره البحر الكبير، فنحن على الرّبع الشمالىّ من الارض والربع الجنوبىّ خراب لشدّة الحرّ فيه والنصف الذي تحتنا لا ساكن فيه، وكلّ ربع من الشمالىّ والجنوبىّ سبعة اقاليم وذكر بطلميوس فى كتابه ان مدن الارض على عهده كانت اربعة آلاف ومائتي مدينة
قبلة اهل كلّ بلدفقبلة اهل ارمينية وآذربيجان وبغداد وواسط (4) والكوفة والمدائن والبصرة وحلوان والدينور ونهاوند وهمذان واصبهان والرّىّ وطبرستان وخراسان كلّها وبلاد الخزر وقشمير الهند الى حائط الكعبة الذي فيه بابها وهو من القطب الشمالىّ عن يساره الى وسط المشرق، واما التّبّت وبلاد الترك والصين والمنصورة فخلف وسط المشرق بثمانية اجزاء لقرب قبلتهم من الحجر الاسود، واما قبلة اهل اليمن فصلاتهم الى الركن اليمانىّ ووجوههم الى وجوه اهل ارمينية اذا صلّوا، واما قبلة اهل المغرب وافريقية ومصر والشأم والجزيرة فوسط المغرب وصلاتهم الى الركن الشأمىّ ووجوههم اذا صلّوا الى وجوه اهل المنصورة اذا صلّوا، فهذه قبل القوم والنحو الذي يصلّون اليه
السّوادثم ابتدئ بذكر السواد اذ كانت ملوك الفرس تسمّيه دل ايرانشهر اى قلب العراق فالسواد اثنتا عشرة كورة كلّ كورة أستان وطساسيجه
ডিগ্রি, এরপর বাকি অংশ বিশাল সমুদ্রের নিচে নিমজ্জিত। আমরা পৃথিবীর উত্তর চতুর্থাংশে বাস করছি, আর দক্ষিণ চতুর্থাংশ প্রচণ্ড তাপের কারণে জনমানবহীন। আমাদের নিচের অর্ধাংশে কোনো অধিবাসী নেই। উত্তর ও দক্ষিণ চতুর্থাংশের প্রত্যেকটি সাতটি জলবায়ু অঞ্চলে বিভক্ত। টলেমি তার বইয়ে উল্লেখ করেছেন যে, তার সময়ে পৃথিবীর শহরগুলোর সংখ্যা ছিল চার হাজার দুইশ।
প্রতিটি অঞ্চলের অধিবাসীদের কিবলাআরমেনিয়া, আজারবাইজান, বাগদাদ, ওয়াসিত, কুফা, মাদায়েন, বসরা, হুলওয়ান, দিনাওয়ার, নাহাওয়ান্দ, হামাদান, ইসফাহান, রায়, তাবারিস্থান, সমগ্র খোরাসান, খাজার দেশ এবং ভারতের কাশ্মীরের অধিবাসীদের কিবলা হলো কাবার সেই দেয়ালের দিকে যেখানে তার দরজা অবস্থিত। এটি উত্তর মেরুর বাম দিক থেকে পূর্ব দিগন্তের মধ্যভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত। আর তিব্বত, তুর্কি দেশসমূহ, চীন এবং মানসুরার অবস্থান পূর্ব দিগন্তের মধ্যভাগের আট অংশ পেছনে, কারণ তাদের কিবলা হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথরের নিকটবর্তী। ইয়েমেনের অধিবাসীদের কিবলা হলো রুকনে ইয়ামানি; তারা যখন সালাত আদায় করে, তখন তাদের মুখ থাকে আরমেনিয়ার অধিবাসীদের মুখের দিকে। মাগরিব, আফ্রিকা, মিশর, সিরিয়া এবং জাজিরা অঞ্চলের কিবলা হলো পশ্চিম দিগন্তের মধ্যভাগ। তাদের সালাত রুকনে শামির দিকে এবং তারা যখন সালাত আদায় করে, তখন তাদের মুখ থাকে মানসুরার অধিবাসীদের মুখের দিকে। এই হলো বিভিন্ন জাতির কিবলা এবং তারা যে দিকে ফিরে সালাত আদায় করে।
সাওয়াদএরপর আমি সাওয়াদ সম্পর্কে আলোচনা শুরু করছি, কেননা পারস্যের রাজারা একে 'দিল-ই ইরানশাহর' অর্থাৎ ইরাকের হৃৎপিণ্ড বলতেন। সাওয়াদ বারোটি প্রদেশে বিভক্ত, যার প্রতিটি প্রদেশ জেলা ও উপ-জেলায় বিন্যস্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
ستّون طسّوجا وترجمة الاستان احازة وترجمة الطسّوج ناحية، (5) كورة استان شاذ فيروز وهى حلوان خمسة طساسيج طسّوج فيروز قباذ، وطسّوج الجبل، وطسّوج تامرّا، وطسّوج اربل، وطسّوج خانقين
الجانب الشرقىّ سقى دجلة وتامرّاكورة استان شاذ هرمز سبعة طساسيج طسّوج بزرجسابور، وطسّوج نهر بوق، وطسّوج كلواذى ونهر بين، وطسّوج جازر، وطسّوج المدينة العتيقة، وطسّوج راذان الاعلى، وطسّوج راذان الاسفل كورة استان شاذ قباذ ثمانية طساسيج طسّوج روستقباذ، طسّوج مهروذ، طسّوج سلسل، طسّوج جلولا وجللتا، طسّوج الذيبين، طسّوج البندنيجين، طسّوج براز الرّوز، طسّوج الدّسكرة والرّستاقين كورة استان بازيجان خسرو خمسة طساسيج طسّوج النّهروان الاعلى، طسّوج النّهروان الاوسط، طسّوج النّهروان الاسفل اسكاف
ষাটটি তাসসুজ। আস্তানের অনুবাদ হলো প্রদেশ এবং তাসসুজের অনুবাদ হলো অঞ্চল; (৫) আস্তান শায ফিরুজ জেলা, যা হলো হুলওয়ান, পাঁচটি তাসসুজ নিয়ে গঠিত: ফিরুজ কুবাদ তাসসুজ, আল-জাবাল তাসসুজ, তামাররা তাসসুজ, ইরবিল তাসসুজ এবং খানিকীন তাসসুজ।
পূর্ব পার্শ্ব যা দজলা ও তামাররা দ্বারা সেচকৃতআস্তান শায হুরমুজ জেলা সাতটি তাসসুজ নিয়ে গঠিত: বুযুরজাসাবুর তাসসুজ, নাহর বুক তাসসুজ, কালওয়াযা ও নাহর বিন তাসসুজ, জাযির তাসসুজ, আল-মাদীনাহ আল-আতিকাহ তাসসুজ, উচ্চ রাযান তাসসুজ এবং নিম্ন রাযান তাসসুজ। আস্তান শায কুবাদ জেলা আটটি তাসসুজ নিয়ে গঠিত: রুস্তুকবাদ তাসসুজ, মাহরুয তাসসুজ, সালসিল তাসসুজ, জালুলা ও জালালতা তাসসুজ, আয-যিবাইন তাসসুজ, আল-বান্দানিজাইন তাসসুজ, বারাজ আর-রুয তাসসুজ, আদ-দাসকারাহ ও আর-রুস্তাকাইন তাসসুজ। আস্তান বাযীজান খসরু জেলা পাঁচটি তাসসুজ নিয়ে গঠিত: উচ্চ নাহরাওয়ান তাসসুজ, মধ্য নাহরাওয়ান তাসসুজ এবং নিম্ন নাহরাওয়ান ইসকাফ তাসসুজ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
بنى جنيد جرجرايا ونحوها، طسّوج بادرايا، طسّوج باكسايا (6)
سقى دجلة والفراتكورة استان شاذ سابور وهى كسكر اربعة طساسيج طسّوج الزّندورد، طسّوج الثرثور، طسّوج الأستان، طسّوج الجوازر كورة استان شاذ بهمن وهى كورة دجلة اربعة طساسيج طسّوج بهمن أردشير، وطسّوج ميسان وهى ملوى، وطسّوج دست ميسان وهى الأبلّة قال غيلان بن سلمة الثّقفىّ ظلّت تحيد من لدّجاج وصوته وصريف باب بالأبلّة يغلق وطسّوج أبزقباذ، وخراج دجلة ثمانية آلاف الف وخمس مائة الف درهم
سقى الفرات ودجيل من غربىّ دجلةكورة استان العالى اربعة طساسيج طسّوج فيروز سابور وهو الأنبار، وطسّوج مسكن قال ابن الرّقيّات انّ الرّزيّة يوم مسكن والمصيبة والفجيعه وطسّوج قطربّل، وطسّوج بادوريا كورة استان أردشير بابكان خمسة طساسيج طسّوج بهرسير، طسّوج الرّومقان، طسّوج كوثى، (7) طسّوج نهر درقيط، طسّوج نهر جوبر
জুনাইদ জুরজারায়া এবং এর অনুরূপ অঞ্চলসমূহ নির্মাণ করেন, তাস্সুজ বাদরায়া, তাস্সুজ বাকসায়া (৬)
দজলা ও ফুরাতের জলসিঞ্চন এলাকাশায সাবুর আস্তান প্রদেশ, যা হলো কাসকার, চারটি তাসাসিজ (উপজেলা) নিয়ে গঠিত: তাস্সুজ আয-যান্দাওয়ার্দ, তাস্সুজ আস-সারসুর, তাস্সুজ আল-আস্তান এবং তাস্সুজ আল-জাওয়াজার। শায বাহমান আস্তান প্রদেশ, যা দজলা প্রদেশ নামে পরিচিত, চারটি তাসাসিজ নিয়ে গঠিত: তাস্সুজ বাহমান আরদাশির, তাস্সুজ মায়সান (যা হলো মালওয়ি), এবং তাস্সুজ দাস্ত মায়সান (যা হলো আল-উবুল্লা)। গায়লান ইবন সালামা আস-সাকাফী বলেন: "সেটি মোরগ ও তার ডাক এবং আল-উবুল্লায় বন্ধ হতে থাকা দরজার ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ থেকে বিমুখ হতে লাগল।" এবং তাস্সুজ আবযাকবায; আর দজলার খারাজ (ভূমি কর) হলো পঁচাশী লক্ষ দিরহাম।
দজলার পশ্চিম দিকে ফুরাত ও দুজাইল দ্বারা সিক্ত এলাকাআস্তানুল আলী প্রদেশ চারটি তাসাসিজ নিয়ে গঠিত: তাস্সুজ ফাইরুয সাবুর (যা হলো আল-আনবার), এবং তাস্সুজ মাসকিন। ইবনুর রুকাইয়াত বলেন: "নিশ্চয়ই মাসকিনের দিনের সেই বিপর্যয় ছিল এক মহাবিপদ ও ট্র্যাজেডি।" এবং তাস্সুজ কুতরুববুল, তাস্সুজ বাদুরিয়া। আরদাশির বাবকান আস্তান প্রদেশ পাঁচটি তাসাসিজ নিয়ে গঠিত: তাস্সুজ বাহরাসীর, তাস্সুজ আর-রুমানগান, তাস্সুজ কূসা, (৭) তাস্সুজ দারকীত নদী এবং তাস্সুজ জাওবার নদী।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
كورة استان به ذيوماسفان وهى الزّوابى ثلثة طساسيج طسّوج الزاب الاعلى، طسّوج الزاب الاوسط، طسّوج الزاب الاسفل كورة استان بهقباذ الاعلى وهى ستّة طساسيج طسّوج بابل، طسّوج خطرنية، طسّوج الفلّوجة العليا، طسّوج الفلّوجة السفلى، طسّوج النّهرين، طسّوج عين التّمر كورة استان بهقباذ الاوسط اربعة طساسيج طسّوج الجبّة والبداة، طسّوج سورا وبربيسما، طسّوج باروسما، طسّوج نهر الملك، ويقال انهما طسّوج واحد وان الطسّوج الرابع السّيبين والوقوف فنقل فى الضياع كورة استان بهقباذ الاسفل خمسة طساسيج طسّوج فرات بادقلى، طسّوج السّيلحين، طسّوج نستر، طسّوج روذمستان، طسّوج هرمزجرد، ويقال ان روذمستان وهرمزجرد ضياع متفرّقة من طساسيج عدّة
تقدير السواد
الجانب الغربىّ سقى الفرات ودجيلطسّوج الأنبار (8) رساتيقه خمسة وبيادره مائتان وخمسون بيدرا الحنطة الفان وثلثمائة كرّ، الشعير الف واربع مائة كرّ، الورق مائة الف وخمسون الف درهم طسّوج قطربّل رساتيقه عشرة بيادره مائتان وعشرون بيدرا الحنطة الفا كرّ، الشعير الف كرّ، الورق ثلثمائة الف درهم
দিউমাসফান প্রদেশ (ইস্তান), যা আল-জাওয়াবি নামে পরিচিত এবং তিনটি তসুজ (প্রশাসনিক অঞ্চল) নিয়ে গঠিত: উচ্চ জাব তসুজ, মধ্য জাব তসুজ এবং নিম্ন জাব তসুজ। উচ্চ বিহকুবাধ প্রদেশ (ইস্তান), যা ছয়টি তসুজ নিয়ে গঠিত: বাবেল তসুজ, খাতারনিয়া তসুজ, উচ্চ ফাল্লুজাহ তসুজ, নিম্ন ফাল্লুজাহ তসুজ, আন-নাহরাইন তসুজ এবং আইন আত-তামর তসুজ। মধ্য বিহকুবাধ প্রদেশ (ইস্তান), যা চারটি তসুজ নিয়ে গঠিত: আল-জুব্বাহ ও আল-বুদাত তসুজ, সুরা ও বারবিসমা তসুজ, বারুসমা তসুজ এবং নাহর আল-মালিক তসুজ। এবং বলা হয়ে থাকে যে, এই শেষোক্ত দুটি মূলত একটি তসুজ এবং চতুর্থ তসুজটি হলো আস-সিবাইন ও আল-উকুফ, যা সরকারি ভূসম্পত্তি হিসেবে স্থানান্তরিত হয়েছে। নিম্ন বিহকুবাধ প্রদেশ (ইস্তান), যা পাঁচটি তসুজ নিয়ে গঠিত: ফুরাত বা দিকলি তসুজ, আস-সাইলাহিন তসুজ, নিস্তার তসুজ, রুদমাস্তান তসুজ এবং হুরমুজজিরদ তসুজ। আরও বর্ণিত আছে যে, রুদমাস্তান ও হুরমুজজিরদ হলো বিভিন্ন তসুজ থেকে পৃথক হওয়া কিছু বিক্ষিপ্ত ভূসম্পত্তি।
সাওয়াদের (উর্বর ভূমি) পরিমাপ
পশ্চিম পার্শ্ব: ফুরাত ও দুজাইল নদীর সেচ এলাকাআনবার তসুজ (৮): এর প্রশাসনিক পল্লি (রুস্তাক) পাঁচটি এবং এর শস্যমাড়াই আঙিনা দুইশত পঞ্চাশটি। গমের পরিমাণ দুই হাজার তিনশত কুর, যবের পরিমাণ এক হাজার চারশত কুর এবং রৌপ্যমুদ্রার পরিমাণ এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দিরহাম। কুতরুব্বুল তসুজ: এর প্রশাসনিক পল্লি দশটি এবং এর শস্যমাড়াই আঙিনা দুইশত বিশটি। গমের পরিমাণ দুই হাজার কুর, যবের পরিমাণ এক হাজার কুর এবং রৌপ্যমুদ্রার পরিমাণ তিন লক্ষ দিরহাম।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
طسّوج مسكن رساتيقه ستّة بيادره مائة وخمسون بيدار الحنطة ثلثة آلاف كرّ، الشعير الفا كرّ، الورق مائة الف وخمسون الفا طسّوج بادوريا رساتيقه اربعة عشر بيادره اربع مائة وعشرون بيدرا الحنطة ثلثة آلاف وخمس مائة كرّ، الشعير الفا كرّ، الورق الفا الف درهم طسّوج بهرسير رساتيقه عشرة بيادره مائتان واربعون بيدرا الحنطة الف وتسع مائة كرّ، الشعير الف وسبع مائة كرّ، الورق مائة الف وخمسون الف درهم طسّوج الرّومقان رساتيقه عشرة بيادره (9) مائتان واربعون بيدرا الحنطة ثلثة آلاف وثلثمائة كرّ، الشعير ثلثة آلاف وخمسون كرّا، الورق مائتا الف وخمسون الف درهم طسّوج كوثى رساتيقه تسعة بيادره مائتان وعشرة بيادر الحنطة ثلثة آلاف كرّ، الشعير الفا كرّ، الورق مائة الف وخمسون الف درهم طسّوج نهر درفيط رساتيقه ثمانية بيادره مائة وخمسة وعشرون بيدرا الحنطة الفا كرّ، الشعير الفا كرّ، الورق مائتا الف درهم طسّوج نهر جوبر رساتيقه عشرة بيادره مائتان وسبعة وعشرون بيدرا الحنطة الف وسبع مائة كرّ، الشعير ستّة الاف كرّ، الورق مائة الف وخمسون الف درهم كورة الزّوابى ثلثة طساسيج رساتيقها اثنا عشر رستاقا بيادرها
মাসকিন তাসসুজ: এর রাসতাক (উপজেলা) ছয়টি, এর খামার একশত পঞ্চাশটি; গম তিন হাজার কুর, যব দুই হাজার কুর, রৌপ্যমুদ্রা এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার। বাদুরিয়া তাসসুজ: এর রাসতাক চৌদ্দটি, এর খামার চারশত বিশটি; গম তিন হাজার পাঁচশত কুর, যব দুই হাজার কুর, রৌপ্যমুদ্রা বিশ লক্ষ দিরহাম। বাহরাসির তাসসুজ: এর রাসতাক দশটি, এর খামার দুইশত চল্লিশটি; গম এক হাজার নয়শত কুর, যব এক হাজার সাতশত কুর, রৌপ্যমুদ্রা এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দিরহাম। রুমাকান তাসসুজ: এর রাসতাক দশটি, এর খামার (৯) দুইশত চল্লিশটি; গম তিন হাজার তিনশত কুর, যব তিন হাজার পঞ্চাশ কুর, রৌপ্যমুদ্রা দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দিরহাম। কুসা তাসসুজ: এর রাসতাক নয়টি, এর খামার দুইশত দশটি; গম তিন হাজার কুর, যব দুই হাজার কুর, রৌপ্যমুদ্রা এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দিরহাম। নহর দরফীত তাসসুজ: এর রাসতাক আটটি, এর খামার একশত পঁচিশটি; গম দুই হাজার কুর, যব দুই হাজার কুর, রৌপ্যমুদ্রা দুই লক্ষ দিরহাম। নহর জওবার তাসসুজ: এর রাসতাক দশটি, এর খামার দুইশত সাতাশটি; গম এক হাজার সাতশত কুর, যব ছয় হাজার কুর, রৌপ্যমুদ্রা এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দিরহাম। জাওয়াবী জেলা: তিনটি তাসসুজ, এর রাসতাক বারোটি, এর খামারসমূহ...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
مائتان واربعة واربعون بيدرا الحنطة الف واربع مائة كرّ، الشعير سبعة آلاف ومائتا كرّ، الورق مائتا الف وخمسون الف درهم طسّوجى بابل وخطرنية الرساتيق ستّة عشر البيادر ثلثمائة وثمانية وسبعون بيدرا الحنطة ثلثة آلاف كرّ، (10) الشعير خمسة آلاف كرّ، الورق ثلثمائة الف وخمسون الفا طسّوج الفلّوجة العليا رساتيقه خمسة عشر بيادره مائتان واربعون بيدرا الحنطة خمس مائة كرّ، الشعير خمس مائة كرّ، الورق سبعون الف درهم طسّوج الفلّوجة السفلى الرساتيق ستّة البيادر اثنان وسبعون بيدرا الحنطة خمس مائة كرّ، الشعير خمس مائة كرّ، الورق سبعون الف درهم طسّوج الفلّوجة السفلى الرساتيق ستّة البيادر اثنان وسبعون بيدرا الحنطة الفا كرّ، الشعير ثلثة آلاف كرّ، الورق مائتا الف وثمانون الف درهم طسّوج النّهرين الرساتيق ثلثة البيادر مائة واحد وثمانون بيدرا الحنطة ثلثمائة كرّ، الشعير اربع مائة كرّ، الورق خمسة واربعون الفا طسّوج عين التّمر الرساتيق ثلثة البيادر اربعة عشر بيدرا الحنطة ثلثمائة كرّ، الشعير اربع مائة كرّ، الورق خمسة واربعون الفا طسّوج الجبّة والبداة الرساتيق ثمانية البيادر احد وسبعون بيدرا الحنطة الف ومائتا كرّ، الشعير الف وستّمائة كرّ، الورق مائة الف وخمسون الف درهم طسّوج سورا وبربيسما الرساتيق عشرة البيادر مائتان وخمسة وستّون بيدرا الحنطة سبع مائة كرّ، (11) الشعير والارزّ الفان واربع مائة كرّ، الورق مائة الف درهم
দুই শত চুয়াল্লিশটি খামার, গম এক হাজার চার শত কুরর, যব সাত হাজার দুই শত কুরর, রৌপ্যমুদ্রা দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দিরহাম। ব্যবিলন ও খাতুরনিয়াহ এর তাসসুজদ্বয়: রাসাতিক (পল্লী অঞ্চল) ষোলটি, খামার তিন শত আটাত্তরটি, গম তিন হাজার কুরর, (১০) যব পাঁচ হাজার কুরর, রৌপ্যমুদ্রা তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার। উচ্চ ফালুজা তাসসুজ: এর রাসাতিক পনেরটি, এর খামার দুই শত চল্লিশটি, গম পাঁচ শত কুরর, যব পাঁচ শত কুরর, রৌপ্যমুদ্রা সত্তর হাজার দিরহাম। নিম্ন ফালুজা তাসসুজ: রাসাতিক ছয়টি, খামার বাহাত্তরটি, গম পাঁচ শত কুরর, যব পাঁচ শত কুরর, রৌপ্যমুদ্রা সত্তর হাজার দিরহাম। নিম্ন ফালুজা তাসসুজ: রাসাতিক ছয়টি, খামার বাহাত্তরটি, গম দুই হাজার কুরর, যব তিন হাজার কুরর, রৌপ্যমুদ্রা দুই লক্ষ আশি হাজার দিরহাম। আন-নাহরাইন তাসসুজ: রাসাতিক তিনটি, খামার এক শত একাশিটি, গম তিন শত কুরর, যব চার শত কুরর, রৌপ্যমুদ্রা পঁয়তাল্লিশ হাজার। আইনুত তামর তাসসুজ: রাসাতিক তিনটি, খামার চৌদ্দটি, গম তিন শত কুরর, যব চার শত কুরর, রৌপ্যমুদ্রা পঁয়তাল্লিশ হাজার। আল-জুব্বাহ ও আল-বাদাত তাসসুজ: রাসাতিক আটটি, খামার একাত্তরটি, গম এক হাজার দুই শত কুরর, যব এক হাজার ছয় শত কুরর, রৌপ্যমুদ্রা এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার দিরহাম। সুরা ও বারবিসমা তাসসুজ: রাসাতিক দশটি, খামার দুই শত পঁয়ষট্টিটি, গম সাত শত কুরর, (১১) যব ও চাল দুই হাজার চার শত কুরর, রৌপ্যমুদ্রা এক লক্ষ দিরহাম।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
طسّوج باروسما ونهر الملك الرساتيق عشرة البيادر ستّمائة واربعة وستّون بيدرا الحنطة الف وخمس مائة كرّ، الشعير اربعة آلاف وخمس مائة كرّ، الورق مائتا الف وخمسون الفا السيبين والوقوف ضياع جمعت من عدّة طساسيج وصيّرت ضيعة واحدة فهى اعظم قدرا من طسّوجين وتقدير العشر منها من الحنطة خمس مائة كرّ، ومن الشعير خمسة آلاف وخمس مائة كرّ، ومن الورق مائة وخمسون الفا طسّوج فرات بادقلى رساتيقه ستّة عشر بيادره مائتان واحد وسبعون بيدرا الحنطة الفا كرّ، الشعير والارزّ الفان وخمس مائة كرّ، الورق تسع مائة الف درهم طسّوج السّيلحين وفيه الخورنق وطيزناباذ بيادره اربعة وثلثون بيدرا الحنطة الف كرّ، الشعير الف وسبع مائة كرّ، الورق مائة الف واربعون الفا طسّوجى روذمستان وهرمزجرد الحنطة خمس مائة كرّ، الشعير خمس مائة (12) كرّ، الورق عشرة آلاف درهم طسّوج نستر الرساتيق سبعة بيادره مائة وثلثة وسبعون بيدرا الحنطة الف ومائتان وخمسون كرّا، الشعير والارزّ الفا كرّ، الورق ثلثمائة الف درهم ايغار يقطين من عدّة طساسيج تقديره من الورق مائتا الف واربعة آلاف درهم وثمان مائة واربعون درهما بحقّ بيت المال سقى دجلة والفرات
বারুসমা তাসুজ এবং নাহরুল মালিক: এখানে দশটি পল্লী অঞ্চল রয়েছে, শস্যাগার সংখ্যা ছয়শত চৌষট্টিটি। গমের পরিমাণ এক হাজার পাঁচশত কুর, যবের পরিমাণ চার হাজার পাঁচশত কুর এবং রৌপ্যমুদ্রার পরিমাণ দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার। সিবাইন ও উকুফ হলো কয়েকটি তাসুজ থেকে সংগৃহীত কিছু ভূসম্পত্তি যা একটি একক ভূসম্পত্তিতে পরিণত করা হয়েছে, এটি গুরুত্বের দিক থেকে দুটি তাসুজের চেয়েও বড়; এর এক-দশমাংশ বা উশরের পরিমাণ ধরা হয়েছে পাঁচশত কুর গম, পাঁচ হাজার পাঁচশত কুর যব এবং এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার রৌপ্যমুদ্রা। ফুরাত বাদাকলা তাসুজ: এর পল্লী অঞ্চল ষোলটি, শস্যাগার দুইশত একাত্তরটি। গমের পরিমাণ দুই হাজার কুর, যব ও ধানের পরিমাণ দুই হাজার পাঁচশত কুর এবং রৌপ্যমুদ্রার পরিমাণ নয় লক্ষ দিরহাম। আস-সাইলাহিন তাসুজ: এর মধ্যে আল-খাওয়ারনাক ও তিজানাবাদ অবস্থিত; এর শস্যাগার চৌত্রিশটি। গম এক হাজার কুর, যব এক হাজার সাতশত কুর এবং রৌপ্যমুদ্রা এক লক্ষ চল্লিশ হাজার। রুযমাসতান ও হুরমুজজারদ তাসুজদ্বয়: গম পাঁচশত কুর, যব পাঁচশত কুর এবং রৌপ্যমুদ্রা দশ হাজার দিরহাম। নাসতার তাসুজ: পল্লী অঞ্চল সাতটি, শস্যাগার একশত তিয়াত্তরটি। গম এক হাজার দুইশত পঞ্চাশ কুর, যব ও ধানের পরিমাণ দুই হাজার কুর এবং রৌপ্যমুদ্রা তিন লক্ষ দিরহাম। ইয়াকতিনের ইগার (রাজস্বমুক্ত ভূমি): এটি কয়েকটি তাসুজ নিয়ে গঠিত, বায়তুল মালের প্রাপ্য হিসেবে এর রৌপ্যমুদ্রার পরিমাণ মূল্যায়ন করা হয়েছে দুই লক্ষ চার হাজার আটশত চল্লিশ দিরহাম; এটি দজলা ও ফুরাত নদীর পানি দ্বারা সেচকৃত এলাকা।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
كورة كسكر وفيها نهر الصلة وبرقة والرّيّان كان يرتفع فيها من خراجها وسائر ابواب مالها سبعون الف الف درهم تقديرها من الحنطة ثلثة آلاف كرّ، ومن الشعير والارزّ عشرون الف كرّ، ومن الورق مائتا الف درهم
الجانب الشرقىّطسّوج بزرجسابور رساتيقه تسعة بيادره مائتان وثلثة وستّون بيدرا الحنطة الفان وخمس مائة كرّ، الشعير الفان ومائتا كرّ، الورق ثلثمائة الف درهم طسّوج الراذانين رساتيقه ستّة عشر (13) بيادره ثلثمائة واثنان وستّون بيدرا الحنطة اربعة آلاف وثمان مائة كرّ، الشعير اربعة آلاف وثمان مائة كرّ، الورق مائة الف وعشرون الفا طسّوج نهر بوق الحنطة مائتا كرّ، الشعير الف كرّ، الورق مائة الف درهم طسّوج كلواذى ونهر بين الرساتيق ثلثة البيادر اربعة وثلثون بيدرا الحنطة الف وستّمائة كرّ، الشعير الف وخمس مائة كرّ، الورق ثلثمائة الف وثلثون الف درهم طسّوجى جازر والمدينة العتيقة الرساتيق سبعة البيادر مائة وستّة عشر بيدرا الحنطة الف كرّ، الشعير الف وخمس مائة كرّ، الورق مائة الف واربعون الفا
কাসকার জেলা, এতে সিলা নদী, বুরকা এবং রাইয়ান অন্তর্ভুক্ত। এর ভূমি কর এবং রাজস্বের অন্যান্য খাত থেকে সাত কোটি দিরহাম সংগৃহীত হতো; যার আনুমানিক পরিমাণ ছিল তিন হাজার কুর গম, বিশ হাজার কুর যব ও চাল এবং দুই লক্ষ দিরহাম রৌপ্য মুদ্রা।
পূর্ব পার্শ্ববুজুর্গ-সাবুর তাসসুজ, এর গ্রামাঞ্চল নয়টি, শস্য মাড়াইয়ের স্থান দুইশত তেষট্টিটি; গমের পরিমাণ দুই হাজার পাঁচশত কুর, যব দুই হাজার দুইশত কুর এবং রৌপ্য মুদ্রা তিন লক্ষ দিরহাম। আর-রাদানাইন তাসসুজ, এর গ্রামাঞ্চল ষোলটি (১৩), শস্য মাড়াইয়ের স্থান তিনশত বাষট্টিটি; গমের পরিমাণ চার হাজার আটশত কুর, যব চার হাজার আটশত কুর এবং রৌপ্য মুদ্রা এক লক্ষ বিশ হাজার। নহর বুক তাসসুজ, গমের পরিমাণ দুইশত কুর, যব এক হাজার কুর এবং রৌপ্য মুদ্রা এক লক্ষ দিরহাম। কালওয়াদা ও নহর বিন তাসসুজ, এর গ্রামাঞ্চল তিনটি, শস্য মাড়াইয়ের স্থান চৌত্রিশটি; গমের পরিমাণ এক হাজার ছয়শত কুর, যব এক হাজার পাঁচশত কুর এবং রৌপ্য মুদ্রা তিন লক্ষ ত্রিশ হাজার দিরহাম। জাজির ও প্রাচীন শহর তাসসুজদ্বয়, এর গ্রামাঞ্চল সাতটি, শস্য মাড়াইয়ের স্থান একশত ষোলটি; গমের পরিমাণ এক হাজার কুর, যব এক হাজার পাঁচশত কুর এবং রৌপ্য মুদ্রা এক লক্ষ চল্লিশ হাজার।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
طسّوج روستقباذ الحنطة الف كرّ، الشعير والدخن الف واربع مائة كرّ، الورق مائة الف وسبعون الفا طسّوجى مهروذ وسلسل الحنطة الفا كرّ، الشعير الفان وخمس مائة كرّ، الورق مائتا الف وخمسون الفا طسّوجى جلولا وجللتا الرساتيق خمسة البيادر ستّة وسبعون بيدرا الحنطة الف كرّ، (14) الشعير الف كرّ، الورق مائة الف درهم طسّوج الذيبين الرساتيق اربعة البيادر مائتان وثلثون بيدرا الحنطة سبع مائة كرّ، الشعير الف وثلثمائة كرّ، الورق اربعون الفا طسّوج الدّسكرة والرستاقين الرساتيق سبعة البيادر اربعة واربعون بيدرا الحنطة الفا كرّ، الشعير الفا كرّ، الورق سبعون الفا طسّوج براز الرّوز الرساتيق سبعة البيادر ستّة وثمانون بيدرا الحنطة ثلثة آلاف كرّ، الشعير خمسة آلاف وخمس مائة كرّ، الورق مائة الف وعشرون الفا طسّوج البندنيجين الرساتيق خمسة البيادر اربعة وخمسون بيدرا الحنطة ستّمائة كرّ، الشعير خمس مائة كرّ، الورق مائة الف درهم طساسيج النّهروانات الرساتيق احد وعشرون البيادر ثلثمائة وثمانون بيدرا طسّوج النّهروان الاعلى من الحنطة الفان وسبع مائة كرّ، ومن الشعير الف وثمان مائة كرّ، ومن الورق ثلثمائة الف وخمسون الفا
রোস্তাকবায তাসসুজ: গম এক হাজার কুর, যব ও কাউন এক হাজার চারশত কুর, রৌপ্য মুদ্রা এক লক্ষ সত্তর হাজার। মাহরুয ও সালসিল তাসসুজদ্বয়: গম দুই হাজার কুর, যব দুই হাজার পাঁচশত কুর, রৌপ্য মুদ্রা দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার। জালুলা ও জালালতা তাসসুজদ্বয়: রুস্তাক পাঁচটি, খামার ছিয়াত্তরটি, গম এক হাজার কুর, (১৪) যব এক হাজার কুর, রৌপ্য মুদ্রা এক লক্ষ দিরহাম। যীবাইন তাসসুজ: রুস্তাক চারটি, খামার দুইশত ত্রিশটি, গম সাতশত কুর, যব এক হাজার তিনশত কুর, রৌপ্য মুদ্রা চল্লিশ হাজার। দাসকারা ও রুস্তাকাইন তাসসুজ: রুস্তাক সাতটি, খামার চুয়াল্লিশটি, গম দুই হাজার কুর, যব দুই হাজার কুর, রৌপ্য মুদ্রা সত্তর হাজার। বারাজ আর-রুয তাসসুজ: রুস্তাক সাতটি, খামার ছিয়াশিটি, গম তিন হাজার কুর, যব পাঁচ হাজার পাঁচশত কুর, রৌপ্য মুদ্রা এক লক্ষ বিশ হাজার। বন্দনীজাইন তাসসুজ: রুস্তাক পাঁচটি, খামার চুয়ান্নটি, গম ছয়শত কুর, যব পাঁচশত কুর, রৌপ্য মুদ্রা এক লক্ষ দিরহাম। নাহরাওয়ানাত তাসসুজসমূহ: রুস্তাক একুশটি, খামার তিনশত আশিটি। উচ্চ নাহরাওয়ান তাসসুজ: গম থেকে দুই হাজার সাতশত কুর, যব থেকে এক হাজার আটশত কুর এবং রৌপ্য মুদ্রা থেকে তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
طسّوج النّهروان الاوسط من الحنطة الف كرّ، ومن الشعير خمس مائة كرّ، ومن الورق مائة الف درهم طسّوج النّهروان الاسفل من الحنطة الف كرّ، ومن الشعير الف ومائتا كرّ، ومن الورق مائة الف وخمسون الفا طسّوج بادرايا وباكسايا الرساتيق سبعة البيادر مائتان وسبعة بيادر الحنطة اربعة آلاف وسبع مائة كرّ، الشعير خمسة آلاف كرّ، الورق ثلثمائة الف وثلثون الفا كورة استان شاذ فيروز وهى حلوان وظيفة حلوان مع الجابارقة والاكراد من الورق الف الف وثمان مائة الف
مبلغ جباية السوادفاما مبلغ جباية السواد فى القديم فانه جبى لقباذ الملك ابن فيروز مائة الف الف وخمسين الف الف درهم مثاقيل، وامر عمر بن الخطّاب بمسح السواد وطوله من العلث وحربى الى عبّادان وهو مائة وخمسة وعشرون فرسخا وعرضه من عقبة حلوان الى العذيب وهو ثمانون فرسخا فبلغ جربانه (16) ستّة وثلثين الف الف جريب فوضع على كلّ جريب الحنطة اربعة دراهم وعلى جريب الشعير درهمين وعلى جريب النخل ثمانية دراهم وعلى جريب الكرم ستّة دراهم وعلى جريب الرطاب ستّة دراهم وختم على خمس مائة الف انسان للجزية على الطبقات فجبى عمر بن الخطّاب السواد مائة الف الف وثمانية وعشرين الف الف درهم وجباه عمر بن عبد العزيز مائة الف الف واربعة وعشرين الف الف درهم وجباه الحجّاج بن يوسف ثمانية
মধ্য নহরওয়ান তাসসুজ থেকে এক হাজার কুর গম, পাঁচশত কুর যব এবং এক লক্ষ দিরহাম রৌপ্যমুদ্রা; নিম্ন নহরওয়ান তাসসুজ থেকে এক হাজার কুর গম, এক হাজার দুইশত কুর যব এবং এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার (দিরহাম) রৌপ্যমুদ্রা; বাদরায়া ও বাকসায়া তাসসুজ, যার পল্লি অঞ্চল সাতটি এবং শস্য সংগ্রহের স্থান দুইশত সাতটি, সেখান থেকে চার হাজার সাতশত কুর গম, পাঁচ হাজার কুর যব এবং তিন লক্ষ ত্রিশ হাজার (দিরহাম) রৌপ্যমুদ্রা; শায ফিরোজ প্রদেশভুক্ত জেলা যা মূলত হুলওয়ান—জাবারিকা ও কুর্দিদের এলাকাসহ হুলওয়ানের নির্ধারিত কর আঠারো লক্ষ রৌপ্যমুদ্রা।
সাওয়াদ অঞ্চলের রাজস্বের পরিমাণপ্রাচীনকালে সাওয়াদ অঞ্চলের রাজস্বের পরিমাণের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, ফিরোজের পুত্র রাজা কুবাদ-এর জন্য একশত পঞ্চাশ মিলিয়ন দিরহাম মিসকাল সংগৃহীত হতো। উমর ইবনুল খাত্তাব সাওয়াদ অঞ্চল পরিমাপ করার নির্দেশ দেন; এর দৈর্ঘ্য ‘আলস’ ও ‘হারবী’ থেকে ‘আবাদান’ পর্যন্ত একশত পঁচিশ ফারসাখ এবং এর প্রস্থ হুলওয়ানের গিরিপথ থেকে ‘উজাইব’ পর্যন্ত আশি ফারসাখ। এর পরিমাপ দাঁড়ায় ছত্রিশ মিলিয়ন জারিব। অতঃপর তিনি প্রতি জারিব গমের ওপর চার দিরহাম, প্রতি জারিব যবের ওপর দুই দিরহাম, প্রতি জারিব খেজুর বাগানের ওপর আট দিরহাম, প্রতি জারিব আঙুর বাগানের ওপর ছয় দিরহাম এবং প্রতি জারিব শাকসবজি বা পশুখাদ্যের ওপর ছয় দিরহাম কর ধার্য করেন। তিনি বিভিন্ন স্তর অনুযায়ী জিজয়া কর আদায়ের উদ্দেশ্যে পাঁচ লক্ষ মানুষের ওপর মোহর অঙ্কন (নিবন্ধন) করেন। উমর ইবনুল খাত্তাব সাওয়াদ থেকে একশত আটাশ মিলিয়ন দিরহাম রাজস্ব সংগ্রহ করেছিলেন, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ একশত চব্বিশ মিলিয়ন দিরহাম সংগ্রহ করেছিলেন এবং হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ আট...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
عشر الف الف درهم كيس فيها مائة الف الف وذلك لعسفه وخرقه وظلمه واسلفهم الفى الف درهم فحصل له ستّة عشر الف الف درهم ومنع اهل السواد من ذبح البقر لتكثر الحراثة والزراعة فقال الشاعر فى ذلك شكونا اليه خراب السّواد* فحرّم جهلا لحوم البقر وكان اجتبى لكسرى ابرويز خراج مملكته فى سنة ثمان عشرة من ملكه اربع مائة الف الف مثقال وعشرين الف الف مثقال (17) يكون وزن سبعة ستّمائة الف الف ثم بلغت جباية مملكته بعد ذلك ستّمائة الف الف مثقال
ملوك الارض فى اوّل الزمان ومملكتهمكان افريدون قسم الارض بين بنيه الثلاثة فملّك سلم وهو شرم على المغرب فملوك الروم والسّغد من ولده وملّك طوش وهو طوج على المشرق فملوك التّرك والصين من ولده وملّك ايران وهو ايرج على ايرانشهر وهو العراق فالاكاسرة ملوك العراق من ولده قال شاعرهم
দশ মিলিয়ন দিরহাম; একটি থলে যাতে রয়েছে একশত মিলিয়ন, আর তা ছিল তার জবরদস্তি, হঠকারিতা ও জুলুমের কারণে। সে তাদেরকে দুই মিলিয়ন দিরহাম অগ্রিম প্রদান করেছিল, ফলে তার ষোল মিলিয়ন দিরহাম অর্জিত হয়েছিল। সে সাওয়াদের অধিবাসীদের গরু জবাই করা থেকে নিষিদ্ধ করেছিল যাতে হালচাষ ও কৃষিকাজ বৃদ্ধি পায়। এ বিষয়ে কবি বলেছিলেন: "আমরা তার কাছে সাওয়াদের ধ্বংসের অভিযোগ জানালাম, আর সে অজ্ঞতাবশত গরুর গোশত হারাম করে দিল।" কিসরা আবরুইযের জন্য তার রাজত্বের আঠারোতম বছরে তার রাজ্যের খাজনা হিসেবে চারশ মিলিয়ন মিসকাল এবং বিশ মিলিয়ন মিসকাল (১৭) সংগৃহীত হয়েছিল, যার ওজন ছিল সাত [শত] ছয়শ মিলিয়ন; অতঃপর তার রাজ্যের খাজনা আদায় পরবর্তীতে ছয়শ মিলিয়ন মিসকাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল।
প্রাচীনকালের পৃথিবীর রাজন্যবর্গ এবং তাদের রাজ্যসমূহআফরিদুন তার তিন পুত্রের মধ্যে পৃথিবীকে বিভক্ত করেছিলেন। তিনি সালম—যিনি শারম নামেও পরিচিত—তাকে পশ্চিম ভূখণ্ডের অধিপতি করেন, ফলে রোম ও সোগদিয়ার রাজাগণ তারই বংশধর। তিনি তুশ—যিনি তুজ নামেও পরিচিত—তাকে পূর্ব ভূখণ্ডের অধিপতি করেন, ফলে তুর্কি ও চীনের রাজাগণ তারই বংশধর। এবং তিনি ইরান—যিনি ইরাজ নামে পরিচিত—তাকে ইরানশাহর অর্থাৎ ইরাকের অধিপতি করেন, সুতরাং ইরাকের সম্রাট কিসরাগণ তারই বংশধর। তাদের কবি বলেছিলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وقسمنا ملكنا فى دهرنا* قسمة اللّحم على ظهر الوضم فجعلنا الشأم والرّوم الى* مغرب الشّمس الى الغطريف سلم ولطوج جعل التّرك له* وبلاد الصّين يحويها ابن عمّ ولايران جعلنا عنوة* فارس الملك وفزنا بالنّعم
القاب ملوك الارضملك العراق الذي تسمّيه العامّة كسرى وهو شاهانشاه، ملك الروم الذي تسمّيه العامّة قيصر هو باسيل، ملوك الترك (18) والتّبّت والخزر كلّهم خاقان خلا ملك الخرلخ فانهم يسمّونهم جبغويه، ملك الصين بغبور فهؤلاء ولد افريذون، ملك الهند الاكبر بلهرا اى ملك الملوك، ومن ملوك الهند جابة وملك الطافن وملك الجرز وغابة ورهمى وملك قامرون، ملك الزابج الفتجب،
আর আমরা আমাদের রাজত্বকে আমাদের যুগে এমনভাবে বণ্টন করেছি, যেমন কসাইয়ের কাঠের ওপর গোশত বণ্টন করা হয়। আমরা শাম (সিরিয়া) ও রোম থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এলাকা সালমের জন্য নির্ধারণ করেছি। তুজের জন্য তুর্কিদের নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং চীনের ভূখণ্ডসমূহ তার এক আত্মীয়ের অধিকারে এসেছে। আর ইরানের জন্য আমরা পারস্যের রাজত্বকে শক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট করেছি এবং আমরা বিভিন্ন নেয়ামত লাভে সফল হয়েছি।
পৃথিবীর রাজাদের উপাধিইরাকের রাজা, যাকে সাধারণ মানুষ কিসরা বলে ডাকে, তিনি হলেন শাহানশাহ। রোমের রাজা, যাকে সাধারণ মানুষ কায়সার বলে ডাকে, তিনি হলেন বাসিল। তুর্কি (১৮), তিব্বত ও খাজারের রাজারা সবাই খাকান উপাধিতে ভূষিত, তবে খারলুখের রাজা ব্যতীত; কারণ তারা তাকে জাবগুয়াহ বলে ডাকে। চীনের রাজা হলেন ফাগফুর। এরা সবাই আফ্রাইদুনের বংশধর। ভারতের মহান রাজা হলেন বালহারা, অর্থাৎ রাজাধিরাজ। ভারতের অন্যান্য রাজাদের মধ্যে রয়েছেন জাবাহ, তাফানের রাজা, জুরজের রাজা, গাবাহ, রাহমি এবং কামরুন এর রাজা। জাবাজের রাজা হলেন ফাতজাব।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
ملك النوبة كابيل، ملك الحبشة النّجاشى، ملك جزائر البحر الشرقىّ المهراج، ملك الصقالب قناز
الملوك الذين سمّاهم اردشير شاه؟ نبزرك كوشان شاه، كيلان شاه، بوذ أردشيران شاه يعنى الموصل، ميسان شاه، بزرك ارمنيان شاه، آذرباذكان شاه، سجستان شاه، مرو شاه، كرمان شاه، بدشوار كرشاه، يمان شاه، تازيان شاه، كاذش شاه، برجان شاه، اموكان شاه، سابيان شاه، مشكزدان شاه (بخراسان) ، اللان شاه (موقان) ، براشكان شاه (بآذربيجان) ، قفص شاه (بكرمان) ، مكران شاه (بالسند) ، توران شاه (بالترك) ، هندوان شاه، كابلان شاه، شيريان
নুবিয়ার রাজা কাবিল, আবিসিনিয়ার রাজা নাজ্জাসি, পূর্ব সাগরের দ্বীপপুঞ্জের রাজা মহারাজ, স্লাভদের রাজা কানাজ।
আরদাশির শাহ যাদের রাজা হিসেবে নামাঙ্কিত করেছিলেন?বুজুর্গ কুশান শাহ, গিলান শাহ, বুদ আরদাশিরান শাহ অর্থাৎ মসুল, মাইসান শাহ, বুজুর্গ আরমেনিয়ান শাহ, আজারবাদকান শাহ, সিজিস্তান শাহ, মার্ভ শাহ, কিরমান শাহ, বাদশওয়ার গার শাহ, ইয়ামান শাহ, তাজিয়ান শাহ, কাদিশ শাহ, বুর্জান শাহ, আমুকান শাহ, সাবিয়ান শাহ, মাশকাজদান শাহ (খোরাসানে), আলান শাহ (মুকানে), বারাসকান শাহ (আজারবাইজানে), কুফস শাহ (কিরমানে), মাকরান শাহ (সিন্ধুতে), তুরান শাহ (তুর্কিস্তানে), হিন্দুয়ান শাহ, কাবুলান শাহ, শিরিয়ান।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
شاه (بآذربيجان) ، ريحان شاه (من الهند) ، قيقان شاه (بالسند) ، بلاشجان شاه، داوران شاه (بلاد الداور) ، نخشبان شاه، قشميران شاه، بكردان شاه، كذافت شاه، فهذه اسماء الملوك
خبر المشرقثم نبدأ بالمشرق وهو ربع المملكة ونبدأ بذكر خراسان وكانت تحت يدى اصبهبذها باذوسبان واربعة مرازبة الى كلّ مرزبان ربع خراسان (19) فربع الى مرزبان مرو الشاهجان واعمالها وربع الى مرزبان بلخ وطخارستان وربع الى مرزبان هراة وبوشنج وباذغيش وسجستان قال ابن مفرّغ ويوم هراة أسمعك المنادى ذهبت تياسرا ودعا يمينا وربع الى مرزبان ما وراء النهر
الطريق من مدينة السلام الى اقاصى خراسانمن بغداد الى النهروان اربعة فراسخ، ثم الى دير بازما اربعة فراسخ، ثم الى الدّسكرة ثمانية فراسخ، ثم الى جلولا سبعة فراسخ قال الشاعر
শাহ (আজারবাইজানে), রায়হান শাহ (ভারত হতে), কায়কান শাহ (সিন্ধু দেশে), বালাশজান শাহ, দাওরান শাহ (দাওয়ার ভূখণ্ড), নাখশাবান শাহ, কশ্মীরান শাহ, বাকারদান শাহ, কাযাফত শাহ - এইগুলো হলো রাজাদের নাম।
পূর্বাঞ্চলের বিবরণঅতঃপর আমরা পূর্বাঞ্চল দিয়ে শুরু করছি, যা সাম্রাজ্যের এক-চতুর্থাংশ। আমরা খুরাসানের বর্ণনার মাধ্যমে শুরু করছি; এটি এর ইস্পাহবুয (সেনাপতি) বাযুসপান এবং চারজন মারযবান (সীমান্ত রক্ষক)-এর অধীনে ছিল, প্রত্যেক মারযবানের অধীনে খুরাসানের এক-চতুর্থাংশ ছিল। (১৯) এক-চতুর্থাংশ মার্ভ আল-শাহাজান ও এর অধীনস্থ এলাকাগুলোর মারযবানের জন্য, এক-চতুর্থাংশ বালখ ও তুখারিস্তানের মারযবানের জন্য, এক-চতুর্থাংশ হেরাত, বুশাঞ্জ, বাযগিস ও সিজিস্তানের মারযবানের জন্য। ইবনুল মুফাররিগ বলেন: "হেরাতের দিনে আহ্বানকারী তোমাকে শুনিয়েছিল, তুমি বাম দিকে চলে গিয়েছিলে আর সে ডান দিকে ডেকেছিল।" এবং এক-চতুর্থাংশ মা ওয়ারাউন নাহর (ট্রান্সঅক্সিয়ানা)-এর মারযবানের জন্য।
মাদিনাতুস সালাম (বাগদাদ) হতে খুরাসানের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত রাস্তাবাগদাদ হতে নাহরাওয়ান পর্যন্ত চার ফারসাখ, অতঃপর দাইর বাযমা পর্যন্ত চার ফারসাখ, অতঃপর দাসকারাহ পর্যন্ত আট ফারসাখ, অতঃপর জালুলা পর্যন্ত সাত ফারসাখ। কবি বলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
يوم جلولاء ويوم رستم
… ويوم زحف الملك
المقدّم ثم الى خانقين سبعة فراسخ، ثم الى قصر شيرين ستّة فراسخ، قال حمّاد عجرد جعل الله سدرتى قصر شيرين فداء لنخلتى حلوان فمن اراد شهرزور سار من قصر شيرين الى ديزكران فرسخين، ومن ديزكران الى شهرزور ثمانية عشر فرسخا ومدينتها نيم ازراه اى نصف الطريق من المدائن الى بيت نار الشيز، ومن قصر شيرين الى حلوان خمسة فراسخ، ثم عقبة حلوان ومن حلوان الى ماذرواستان (20) اربعة فراسخ، ثم الى مرج القلعة ستّة فراسخ، ثم الى قصر يزيد اربعة فراسخ، ثم الى الزّبيديّة ستّة فراسخ، ثم الى خشكاريش ثلثة فراسخ، ثم الى قصر عمرو اربعة فراسخ، ثم الى قرميسين ثلثة فراسخ وشبداز اقلّ من فرسخين منها يسرة وانت تريد طريق خراسان، ثم الى الدّكّان تسعة فراسخ، فمن اراد نهاوند واصبهان اخذ من الدّكّان على اليمين الى ماذران ثم الى نهاوند وهى احدى كور الجبل
জালুলার দিন এবং রুস্তমের দিন
… এবং সম্রাটের অভিযানের দিন।
আল-মুকাদ্দাম, অতঃপর খানাকিন পর্যন্ত সাত ফারসাখ, তারপর কাসরে শিরিন পর্যন্ত ছয় ফারসাখ। হাম্মাদ আজরাদ বলেছেন: আল্লাহ কাসরে শিরিনের কুল গাছ দুটিকে হুলওয়ানের খেজুর গাছ দুটির বিনিময়ে উৎসর্গ করুন। সুতরাং যে ব্যক্তি শাহরাযুর গমনের ইচ্ছা করে, সে কাসরে শিরিন থেকে দিযকারান পর্যন্ত দুই ফারসাখ পথ চলবে, আর দিযকারান থেকে শাহরাযুর দূরত্ব আঠারো ফারসাখ। এর প্রধান শহর হলো 'নিম আযরাহ' অর্থাৎ মাদায়েন থেকে আশ-শীয অগ্নিমন্দির পর্যন্ত পথের অর্ধাংশ। কাসরে শিরিন থেকে হুলওয়ান পাঁচ ফারসাখ, অতঃপর হুলওয়ানের গিরিপথ। হুলওয়ান থেকে মাযারওয়াসতান চার ফারসাখ, তারপর মারজুল কাল'আ ছয় ফারসাখ, তারপর কাসরে ইয়াযিদ চার ফারসাখ, তারপর যুবাইদিয়্যাহ ছয় ফারসাখ, তারপর খুশকারীশ তিন ফারসাখ, তারপর কাসরে আমর চার ফারসাখ, তারপর কারমিসীন তিন ফারসাখ। আপনি যখন খুরাসানের পথে অগ্রসর হবেন, শাবদায এর বাম দিকে দুই ফারসাখেরও কম দূরত্বে অবস্থিত। অতঃপর আদ-দুক্কান নয় ফারসাখ। সুতরাং যে ব্যক্তি নেহাওয়ান্দ ও ইসফাহান যাওয়ার ইচ্ছা করে, সে আদ-দুক্কান থেকে ডান দিকে মাযারানের পথ ধরবে এবং তারপর নেহাওয়ান্দ পৌঁছাবে; আর এটি হলো জাবাল প্রদেশের অন্যতম জেলা।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
وكور الجبل ماسبذان ومهرجانقذق وماه الكوفة وهى الدينور وماه البصرة وهى نهاوند وهمذان وقمّ، وخراج الدينور ثلثة آلاف الف وثمان مائة الف درهم، وكانت الفرس قسطت على الجبل وآذربيجان والرىّ وهمذان والماهين وطبرستان ودنباوند وماسبذان ومهرجانقذق وحلوان وقومس ثلثين الف الف درهم وكور اصبهان ثمانون فرسخا فى ثمانين فرسخا وهى سبعة عشر رستاقا فى كلّ رستاق ثلثمائة وخمس وستّون قرية قديمة سوى المحدّثة وخراجها سبعة آلاف الف درهم وهى واسعة الارض كثيرة العمارات طيّبة الهواء
ذكر رساتيق اصبهانرستاق ماربين وفيه قلعة بناها طهمورث فيها بيت نار، رستاق كروان، رستاق برخوار، رستاق اوان، رستاق انار، (21) رستاق الايران، رستاق الباذ، رستاق قهستان، رستاق القمذان، رستاق براآن، رستاق الرّوذ، رستاق رويدشت وفيه يغيض زرنروذ ويخرج بكرمان وبينهما نسعون فرسخا، رستاق
জিবাল (পাহাড়ী অঞ্চল)-এর জেলাসমূহ হলো মাসাবযান, মিহরাজানকাদাক, মাহুল কুফা (যা দীনওয়ার), মাহুল বসরা (যা নিহাওয়ান্দ), হামাদান এবং কুম। দীনওয়ারের ভূমিরাজস্ব হলো আটত্রিশ লক্ষ দিরহাম। পারস্যবাসীরা জিবাল, আজারবাইজান, রায়, হামাদান, আল-মাহাইন, তাবারিস্তান, দুনবাওয়ান্দ, মাসাবযান, মিহরাজানকাদাক, হুলওয়ান এবং কুমিসের ওপর তিন কোটি দিরহাম ধার্য করেছিল। ইসফাহানের জেলাসমূহ আশি ফরসাখ বাই আশি ফরসাখ বিস্তৃত। এটি সতেরোটি রুসতাক (পরগনা) নিয়ে গঠিত; প্রতিটি রুসতাকে নবনির্মিত গ্রামসমূহ বাদে তিনশত পঁয়ষট্টিটি প্রাচীন গ্রাম রয়েছে। এর ভূমিরাজস্ব হলো সত্তর লক্ষ দিরহাম। এটি সুবিস্তৃত ভূমি, প্রচুর স্থাপনা সমৃদ্ধ এবং এর আবহাওয়া মনোরম।
ইসফাহানের রুসতাকসমূহের (পরগনা) বর্ণনামারবিন রুসতাক; এতে তাহমুরসের নির্মিত একটি দুর্গ রয়েছে যেখানে একটি অগ্নিমন্দির বিদ্যমান। কারওয়ান রুসতাক, বারখাওয়ার রুসতাক, আওয়ান রুসতাক, আনার রুসতাক, (২১) আল-ইরান রুসতাক, আল-বায রুসতাক, কুহিস্তান রুসতাক, আল-কামাযান রুসতাক, বারাআন রুসতাক, আর-রূয রুসতাক, রুয়াইদাশত রুসতাক; এখানে যারনারূদ নদী বিলীন হয়ে যায় এবং কিরমানে গিয়ে পুনরায় প্রকাশ পায়, আর এই দুইয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব নব্বই ফরসাখ। রুসতাক...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
اروند، رستاق أردستان، رستاق سرد قاسان، رستاق جرم قاسان، رستاق قمّ، رستاق ساوة، رستاق تيمرة الصغرى، رستاق تيمرة الكبرى، رستاق قايق، رستاق جابلق، رستاق برق الروذ، رستاق ورانقان، رستاق فريذين، رستاق ورده، وخبّرنى الفضل بن مروان انه قبّل اصبهان وقمّ بستّة عشر الف الف درهم بالكفاية على انه لا مؤونة على السلطان وكان كيقاوس ملّك جوذرز عليها ومن الدّكّان الى قصر اللصوص سبعة فراسخ، ثم الى خنداذ سبعة فراسخ، ثم عقبة همذان الى قرية العسل ثلثة فراسخ، ثم الى همذان خمسة فراسخ
من همذان الى قزوينومن همذان على رستاق الخرّقان الى قزوين اربعون فرسخا ومن همذان الى درنوا خمسة فراسخ، ثم الى بوزناجرد خمسة فراسخ، ثم الى زره اربعة فراسخ، ثم الى؟ زرة اربعة فراسخ،
আরওয়ান্দ, আরদাস্তানের রুস্তাক, সারদ কাসানের রুস্তাক, জারম কাসানের রুস্তাক, কুম-এর রুস্তাক, সাওয়াহর রুস্তাক, ক্ষুদ্র তায়মোরার রুস্তাক, বৃহৎ তায়মোরার রুস্তাক, কায়িকের রুস্তাক, জাবালুকের রুস্তাক, বারকুল রূদ-এর রুস্তাক, ওয়ারানাকানের রুস্তাক, ফারিযীনের রুস্তাক, ওয়ারদাহর রুস্তাক; এবং ফাদল ইবনে মারওয়ান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ইসফাহান ও কুমের ইজারা ষোলো মিলিয়ন দিরহামের বিনিময়ে এই শর্তে গ্রহণ করেছিলেন যে, সুলতানের ওপর কোনো ব্যয়ের বোঝা থাকবে না। আর কায়কাউস গুদারযকে এর অধিপতি করেছিলেন। এবং আদ-দুক্কান থেকে কাসরুল লুসুস পর্যন্ত সাত ফারসাখ, তারপর খানদায পর্যন্ত সাত ফারসাখ, এরপর হামাদানের গিরিপথ থেকে কারয়াতুল আসাল পর্যন্ত তিন ফারসাখ, তারপর হামাদান পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ।
হামাদান থেকে কাজভীন পর্যন্তহামাদান থেকে খাররাকানের রুস্তাক হয়ে কাজভীন পর্যন্ত চল্লিশ ফারসাখ এবং হামাদান থেকে দারনাওয়া পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, তারপর বুযনাজিরদ পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, তারপর যুররাহ পর্যন্ত চার ফারসাখ, তারপর যুররাহ পর্যন্ত চার ফারসাখ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
ثم الى الأساورة اربعة فراسخ، ثم الى بوسته وروذه ثلثة فراسخ، ثم الى داودآباذ اربعة فراسخ، ثم الى سوسنقين ثلثة فراسخ، ثم الى دروذ اربعة فراسخ، (22) ثم الى ساوة خمسة فراسخ، ثم الى مشكويه تسعة فراسخ، ثم الى قسطانة ثمانية فراسخ، ثم الى الرّىّ سبعة فراسخ، فذلك مائة وسبعة وستّون فرسخا، قال ابو العتاهية ليصلح الرّىّ وأقطارها ويمطر الخير بها من يده وخراج الرىّ عشرة آلاف الف درهم ومن الرىّ الى قزوين ذات اليسار سبعة وعشرون فرسخا، ومن قزوين الى أبهر اثنا عشر فرسخا، ومن ابهر الى زنجان خمسة عشر فرسخا ومن الرىّ الى مفضّل أباذ اربعة فراسخ، ثم الى كاسب ستّة فراسخ، ثم الى افريذين ثمانية فراسخ، ثم الى الخوار ستّة فراسخ، ثم الى قصر الملح سبعة فراسخ، ثم الى رأس الكلب
অতঃপর আসাওয়িরাহ পর্যন্ত চার ফারসাখ, তারপর বুস্তাহ ও রুজাহ পর্যন্ত তিন ফারসাখ, তারপর দাউদাবাদ পর্যন্ত চার ফারসাখ, তারপর সুসানকিন পর্যন্ত তিন ফারসাখ, তারপর দুরুজ পর্যন্ত চার ফারসাখ, (২২) অতঃপর সাওয়াহ পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, তারপর মাশকুয়াহ পর্যন্ত নয় ফারসাখ, তারপর কুস্তানা পর্যন্ত আট ফারসাখ, তারপর রায় পর্যন্ত সাত ফারসাখ; আর তা হলো মোট একশত সাতষট্টি ফারসাখ। আবুল আতাহিয়া বলেছেন: "যেন রায় ও তার চারপাশ সংশোধিত হয় এবং তাঁর হাত থেকে সেখানে কল্যাণের বৃষ্টি বর্ষিত হয়।" রায়ের ভূমি রাজস্ব হলো এক কোটি দিরহাম। আর রায় থেকে বামদিকের কাজউইন পর্যন্ত সাতাশ ফারসাখ, এবং কাজউইন থেকে আবহার পর্যন্ত বারো ফারসাখ, এবং আবহার থেকে জানজান পর্যন্ত পনেরো ফারসাখ। আর রায় থেকে মুফাদদাল আবাদ পর্যন্ত চার ফারসাখ, তারপর কাসিব পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, তারপর আফরিজিন পর্যন্ত আট ফারসাখ, তারপর খাওয়ার পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, তারপর কাসরুল মিলহ পর্যন্ত সাত ফারসাখ, অতঃপর রাসুল কালব পর্যন্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
سبعة فراسخ، ثم الى سمنان ثمانية فراسخ، ثم الى آخرين تسعة فراسخ، ثم الى قومس ثمانية فراسخ، فمن الرى البها ثلثة وستّون فرسخا ثم الى الحدّادة سبعة فراسخ، ثم الى بذش سبعة فراسخ، ثم الى ميمد اثنا عشر فرسخا، ثم الى هفتكند سبعة فراسخ، ثم الى أسداباذ سبعة فراسخ، ثم الى بهمن آباذ ستّة فراسخ، ثم الى النّوق ستّة فراسخ، ثم الى خسروجرد ستّة فراسخ، ثم الى حسين آباذ ستّة فراسخ، ثم الى سنكردر خمسة فراسخ، (23) ثم الى بيسكند خمسة فراسخ، ثم الى نيسابور خمسة فراسخ، ولنيسابور قهندز، فمن بغداد الى نيسابور
সাত ফারসাখ, অতঃপর সেমনান পর্যন্ত আট ফারসাখ, অতঃপর আখারিন পর্যন্ত নয় ফারসাখ, অতঃপর কুমিস পর্যন্ত আট ফারসাখ; সুতরাং রায় হতে সেখানে পর্যন্ত তেষট্টি ফারসাখ। অতঃপর আল-হাদ্দাদাহ পর্যন্ত সাত ফারসাখ, অতঃপর বাদাশ পর্যন্ত সাত ফারসাখ, অতঃপর মায়মাদ পর্যন্ত বারো ফারসাখ, অতঃপর হাফতাকান্দ পর্যন্ত সাত ফারসাখ, অতঃপর আসাদাবাদ পর্যন্ত সাত ফারসাখ, অতঃপর বাহমানাবাদ পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, অতঃপর আন-নুক পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, অতঃপর খুসরুজারদ পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, অতঃপর হুসাইনাবাদ পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, অতঃপর সানকারদার পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, (২৩) অতঃপর বায়সাকান্দ পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, অতঃপর নিশাপুর পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ। নিশাপুরের একটি প্রাচীন কেল্লা (কুহানদিজ) রয়েছে; সুতরাং বাগদাদ হতে নিশাপুর পর্যন্ত...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ثلثمائة وخمسة فراسخ، ولها من المدن زام وباخرز وجوين وبيهق ثم الى بغيس اربعة فراسخ، ثم الى الحمراء ستّة فراسخ، ثم الى المثقّب من طوس خمسة فراسخ، ثم الى النّوقان خمسة فراسخ، ثم الى مزدوران ستّة فراسخ، ثم الى ابكينة ثمانية فراسخ، ثم الى سرخس ستّة فراسخ، فذلك ثلثمائة وخمسة واربعون فرسخا ثم الى قصر النجار ثلثة فراسخ، ثم الى أشترمغاك خمسة فراسخ، ثم الى تلستانة ستّة فراسخ، ثم الى الدّندانقان ستّة فراسخ، ثم الى ينوجرد خمسة فراسخ، ثم الى مرو الشاهجان خمسة فراسخ، فذلك ثلثمائة وخمسة وسبعون فرسخا
তিনশত পাঁচ ফারসাখ; এর শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে জাম, বাখারজ, জুওয়াইন এবং বাইহাক। তারপর বাগিস পর্যন্ত চার ফারসাখ, তারপর আল-হামরা পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, তারপর তুস-এর আল-মুসাক্কাব পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, তারপর আন-নুকান পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, তারপর মাজদুরান পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, তারপর আবকিনা পর্যন্ত আট ফারসাখ, তারপর সারাখস পর্যন্ত ছয় ফারসাখ; আর তা হলো মোট তিনশত পঁয়তাল্লিশ ফারসাখ। তারপর কাসর আল-নাজ্জার পর্যন্ত তিন ফারসাখ, তারপর আশতারমাগাক পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, তারপর তালিসতানা পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, তারপর আদ-দানদানাকান পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, তারপর ইয়ানুজিরদ পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, তারপর মার্ভ আল-শাহিজান পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ; আর তা হলো মোট তিনশত পঁচাত্তর ফারসাখ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ولمرو قهندز قال الشاعر أدارت مرو رأس أبى السّرايا وأبقت عبرة للعابرينا ومن مرو طريقان احدهما الى الشاش وبلاد الترك والآخر الى بلخ وطخارستان، (24)
فامّا طريق الشاش والتركفمن مرو الى كشماهن خمسة فراسخ، ثم الى الديواب ستّة فراسخ، ثم الى المنصف ستّة فراسخ، ثم الى الأحساء ثمانية فراسخ، ثم الى بئر عثمان ثلثة فراسخ، ثم الى آمل ثمانية فراسخ، فمن مرو الى آمل ستّة وثلثون فرسخا ومن آمل الى شطّ نهر بلخ فرسخ، ويعبر الى فربر فرسخ، ثم الى حصن امّ جعفر مفازة ستّة فراسخ، ومنها الى بيكند ستّة فراسخ، ثم الى باب حائط بخارا فرسخان، ثم الى ماستين فرسخ ونصف، ثم الى بخارا فرسخ ونصف، فمن آمل الى بخارا تسعة عشر فرسخا ولبخارا قهندز ولها من المدن كرمينية وطواويس وبمجكث ووردانة وبيكند مدينة التجار وفربر ومن بخارا الى شرغ اربعة فراسخ، ثم الى طواويس ثلثة
মার্ভের একটি দুর্গ রয়েছে। কবি বলেছেন: মার্ভ আবুস সারায়ার মস্তক ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং পথচারীদের জন্য এক শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত রেখে গেছে। মার্ভ থেকে দুটি পথ রয়েছে, যার একটি শাশ ও তুর্কি ভূমির দিকে এবং অন্যটি বালখ ও তুখারিস্তানের দিকে। (২৪)
শাশ ও তুর্কি ভূমির পথের বিবরণমার্ভ থেকে কুশমাহান পাঁচ ফারসাখ, তারপর দিউয়াব ছয় ফারসাখ, এরপর মুনসিফ ছয় ফারসাখ, তারপর আহসা আট ফারসাখ, এরপর বির উসমান তিন ফারসাখ এবং তারপর আমুল আট ফারসাখ। সুতরাং মার্ভ থেকে আমুল পর্যন্ত মোট ছত্রিশ ফারসাখ। আমুল থেকে বালখ নদীর তীর পর্যন্ত এক ফারসাখ এবং সেখান থেকে ফারাবর পর্যন্ত পার হতে এক ফারসাখ। এরপর উম্মে জাফরের দুর্গ পর্যন্ত একটি মরুভূমি রয়েছে যা ছয় ফারসাখ, সেখান থেকে বাইকান্দ ছয় ফারসাখ, তারপর বুখারার প্রাচীরের ফটক পর্যন্ত দুই ফারসাখ, এরপর মাসতিন দেড় ফারসাখ এবং সেখান থেকে বুখারা পর্যন্ত দেড় ফারসাখ। সুতরাং আমুল থেকে বুখারা পর্যন্ত উনিশ ফারসাখ। বুখারার একটি দুর্গ রয়েছে এবং এর অন্তর্ভুক্ত শহরগুলো হলো কারমিনিয়া, তাওয়ায়িস, বামজিকাস, ওয়ারদানা, বণিকদের শহর বাইকান্দ এবং ফারাবর। বুখারা থেকে শারগ চার ফারসাখ, তারপর তাওয়ায়িস তিন ফারসাখ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
فراسخ، ثم الى كوكشيبغن ستّة فراسخ ومما يلى الجنوب من هذا الموضع جبال الصين، ومن كوكشيبغن الى كرمينية اربعة فراسخ، ثم الى الدّبوسية خمسة فراسخ، ثم الى أربنجن خمسة فراسخ، ثم الى زرمان خمسة فراسخ، ثم الى قصر علقمة خمسة فراسخ، ثم الى سمرقند فرسخان، (25) فمن بخارا اليها تسعة وثلثون فرسخا قال ابو التّقىّ العبّاس بن طرخان سمرقند كند مند بزينت كى أفكند أز شاش نه بهى همى شه نه جهى ولسمرقند قهندز ولها من المدن الدّبوسية وأربنجن وكشانية واشتيخن وكسّ ونسف وخجندة ومن سمرقند الى باركث اربعة فراسخ، ثم الى خشوفغن مفازة اربعة فراسخ، ثم الى بورنمذ خمسة فراسخ، ثم الى زامين
ফারসাখ, অতঃপর কুকশিবগন পর্যন্ত ছয় ফারসাখ এবং এই স্থানের দক্ষিণ দিকে চীনের পর্বতমালা অবস্থিত। কুকশিবগন থেকে কারমিনিয়্যাহ চার ফারসাখ, অতঃপর আদ-দাব্বুসিয়্যাহ পাঁচ ফারসাখ, অতঃপর আরবিনজান পাঁচ ফারসাখ, অতঃপর যারমান পাঁচ ফারসাখ, অতঃপর কাসরে আলকামা পাঁচ ফারসাখ, অতঃপর সমরকন্দ দুই ফারসাখ, (২৫) সুতরাং বুখারা থেকে সেখানে মোট ঊনচল্লিশ ফারসাখ। আবু আত-তকি আল-আব্বাস ইবনে তারখান বলেছেন: সমরকন্দ এক সুশোভিত জনপদ যা সৌন্দর্যে মন্ডিত, যা শাশ থেকে শ্রেষ্ঠ নয় আবার কোনো শাসকের জন্য তুচ্ছও নয়। সমরকন্দের একটি কেল্লা বা দুর্গ রয়েছে এবং এর অধীনস্থ শহরগুলো হলো আদ-দাব্বুসিয়্যাহ, আরবিনজান, কাশানিয়্যাহ, ইশতিখান, কাস, নাসাফ এবং খুজান্দাহ। সমরকন্দ থেকে বারাকাস চার ফারসাখ, অতঃপর খুশুফাগান মরুপ্রান্তর চার ফারসাখ, অতঃপর বুরনামায পাঁচ ফারসাখ, অতঃপর যামিন...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
اربعة فراسخ مفازة، وزامين مفرق طريقين الى الشاش والترك والى فرغانة فطريق الشاش من زامين الى خاوص سبعة فراسخ مفازة، ثم الى شطّ نهر الشاش جسر تسعة فراسخ، ويعبر الى بناكت فمنها الى نهر ترك اربعة فراسخ، ثم يعبر نهر ترك الى شطوركث فالى بنونكت ثلثة فراسخ، ثم الى الشاش فرسخان، فمن سمرقند الى الشاش اثنان واربعون فرسخا ومن الشاش الى معدن الفضّة سبعة فراسخ وهى ايلاق وبلانكنك، ثم الى باب الحديد ميلان، ثم الى كبال فرسخان ثم الى غركرد ستّة فراسخ، ثم الى اسبيجاب مفازة اربعة فراسخ، فمن الشاش اليها ثلثة عشر فرسخا
চার ফারসাখ মরুভূমি। জামিন হলো শাশ ও তুর্কিস্তান এবং ফারগানার দিকে যাওয়ার রাস্তার সংযোগস্থল। জামিন থেকে খাওস পর্যন্ত শাশের রাস্তাটি হলো সাত ফারসাখ বিস্তৃত মরুভূমি। এরপর শাশ নদীর তীরের সেতু পর্যন্ত নয় ফারসাখ। নদী পার হয়ে বিনাকাত এবং সেখান থেকে তুর্ক নদী পর্যন্ত চার ফারসাখ। এরপর তুর্ক নদী পার হয়ে শাতুরকাথ, সেখান থেকে বানুনাকাত পর্যন্ত তিন ফারসাখ। অতঃপর শাশ পর্যন্ত দুই ফারসাখ। সুতরাং সমরকন্দ থেকে শাশ পর্যন্ত বিয়াল্লিশ ফারসাখ। শাশ থেকে রৌপ্য খনি পর্যন্ত সাত ফারসাখ, যা হলো ইলাক ও বালানকাঙ্ক। এরপর বাবুল হাদিদ পর্যন্ত দুই মাইল। এরপর কাবাল পর্যন্ত দুই ফারসাখ। তারপর গুরকার্দ পর্যন্ত ছয় ফারসাখ। এরপর ইস্পিজাব পর্যন্ত চার ফারসাখ মরুভূমি। সুতরাং শাশ থেকে সেখানে তেরো ফারসাখ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
ثم الى شاراب (26) اربعة فراسخ، ثم الى بدوخكت خمسة فراسخ، ثم الى تمتاج اربعة فراسخ، ثم الى ابارجاج اربعة فراسخ، ثم الى منزل على النهر ستّة فراسخ، وبابارجاج تلّ حوله الف عين تجرى الى المشرق تسمّى بركوب اى الماء المقلوب صيده تدارج سود، ثم يعبر الى جويكت خمسة فراسخ، ثم الى طراز ثلثة فراسخ، فمن اسبيجاب اليها ستّة وعشرون فرسخا ثم الى كويكت سبعة فراسخ، ومنها الى موضع ملك كيماك مسيرة ثمانين يوما يحمل فيه الطعام ومن طراز الى نوشجان السفلى ثلثة فراسخ، ثم الى كصرى باس فرسخان وهى جرميّة تشتو بها الخرلخيّة ويقربها مشتى الخلجيّة، ثم الى كول شوب اربعة فراسخ، ثم الى جل شوب اربعة فراسخ، ثم الى كولان قرية غنّاء اربعة فراسخ، ثم
অতঃপর শারাব (২৬) পর্যন্ত চার ফারসাখ, তারপর বাদুখকাত পাঁচ ফারসাখ, তারপর তামতাজ চার ফারসাখ, তারপর আবারজাজ চার ফারসাখ, তারপর নদী তীরবর্তী একটি মঞ্জিল পর্যন্ত ছয় ফারসাখ। আবারজাজ হলো একটি টিলা যার চারপাশে এক হাজার প্রস্রবণ পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়; একে 'বারকুব' বলা হয়, যার অর্থ উল্টানো পানি। সেখানকার শিকার হলো কালো তাদারজ (পাখি)। অতঃপর জুয়িকাত অতিক্রম করতে হয় পাঁচ ফারসাখ, তারপর তরাজ তিন ফারসাখ। সুতরাং আসবিজাব থেকে তরাজ পর্যন্ত দূরত্ব হলো ছাব্বিশ ফারসাখ। অতঃপর কুয়িকাত সাত ফারসাখ; এবং সেখান থেকে কাইমাকের রাজার অবস্থানস্থল পর্যন্ত আশি দিনের পথ, যেখানে খাদ্য সামগ্রী বহন করে নিয়ে যেতে হয়। তরাজ থেকে নিম্ন নুশজান তিন ফারসাখ, অতঃপর কাসরা বাস দুই ফারসাখ, যা একটি উষ্ণ অঞ্চল যেখানে খারলুখিয়ারা শীত যাপন করে এবং এর নিকটেই খালজিয়াদের শীতকালীন আবাসস্থল। তারপর কুল শুব চার ফারসাখ, অতঃপর জুল শুব চার ফারসাখ, এরপর সমৃদ্ধ গ্রাম কুলান চার ফারসাখ, তারপর...
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الى بركى قرية عظيمة اربعة فراسخ، ثم الى أسبرة اربعة فراسخ، ثم الى نوزكت قرية عظيمة ثمانية فراسخ، ثم الى خرنجوان قرية عظيمة اربعة فراسخ، ثم الى جول اربعة فراسخ، ثم الى سارغ قرية عظيمة سبعة فراسخ، ثم الى مدينة خاقان التّركشىّ اربعة فراسخ، ثم الى نواكت اربعة فراسخ، ثم الى كبال ثلثة فراسخ، ثم الى نوشجان الاعلى وهو حدّ الصّين (27) مسيرة خمسة عشر يوما للقوافل فى المرعى فاما لبريد الترك فمسيرة ثلثة ايّام
الطريق من زامين الى فرغانةمن زامين الى ساباط فرسخان، ثم الى أسروشنة سبعة فراسخ منها فرسخان فى سهل وخمسة فراسخ فى استقبال ماء جار من ناحية المدينة، فمن سمرقند الى اسروشنة ستّة وعشرون فرسخا ومن ساباط الى غلوك ستّة فراسخ، ثم الى خجندة اربعة
বারকী নামক এক বৃহৎ গ্রাম পর্যন্ত চার ফারসাখ; অতঃপর আসবারাহ পর্যন্ত চার ফারসাখ; অতঃপর নউযাকাত নামক এক বৃহৎ গ্রাম পর্যন্ত আট ফারসাখ; অতঃপর খারাঞ্জুওয়ান নামক এক বৃহৎ গ্রাম পর্যন্ত চার ফারসাখ; অতঃপর জূল পর্যন্ত চার ফারসাখ; অতঃপর সারগ নামক এক বৃহৎ গ্রাম পর্যন্ত সাত ফারসাখ; অতঃপর তুর্কি খাকানের শহর পর্যন্ত চার ফারসাখ; অতঃপর নাওয়াকাত পর্যন্ত চার ফারসাখ; অতঃপর কাবাল পর্যন্ত তিন ফারসাখ; অতঃপর উচ্চ নুশাজান পর্যন্ত, যা চীনের সীমানা (২৭), চারণভূমির মধ্য দিয়ে কাফেলাসমূহের পনেরো দিনের পথ, তবে তুর্কি ডাক ব্যবস্থার (বারীদ) জন্য তা তিন দিনের পথ।
যামিন থেকে ফারগানা পর্যন্ত পথযামিন থেকে সাবাত পর্যন্ত দুই ফারসাখ; অতঃপর উসরুশানা পর্যন্ত সাত ফারসাখ, যার মধ্যে দুই ফারসাখ সমতলে এবং পাঁচ ফারসাখ শহরের দিক থেকে প্রবাহিত পানির অভিমুখে; সুতরাং সমরকন্দ থেকে উসরুশানা পর্যন্ত ছাব্বিশ ফারসাখ এবং সাবাত থেকে গালুক পর্যন্ত ছয় ফারসাখ, অতঃপর খুজান্দাহ পর্যন্ত চার ফারসাখ।
(খণ্ড: ১)
আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক লি ইবনি খুরদাদবাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
فراسخ، ثم الى صامغار خمسة فراسخ، ثم الى خاجستان اربعة فراسخ، ثم الى ترمقان سبعة فراسخ، ثم الى مدينة باب ثلثة فراسخ، ثم الى فرغانة اربعة فراسخ، فمن سمرقند الى فرغانة ثلثة وخمسون فرسخا، وكان أنوشروان بناها ونقل اليها من كلّ بيت قوما وسمّاها أزهرخانه اى من كلّ بيت وخجندة من فرغانة ثم الى مدينة قبا عشرة فراسخ، ثم الى مدينة أوش عشرة فراسخ، ثم الى أوزكند مدينة خورتكين سبعة فراسخ، ثم الى العقبة مسيرة يوم، ثم الى اطباش مسيرة يوم، ثم الى نوشجان الاعلى مسيرة ستّة ايّام لا قرى فيها، واطباش هذه مدينة على عقبة مرتفعة بين التّبّت وفرغانة، ونوشجان الاعلى والتّبّت وسط المشرق (28) ومن نوشجان الاعلى الى مدينة خاقان التغزغز مسيرة ثلثة
ফারসাখ, তারপর সামগার পর্যন্ত পাঁচ ফারসাখ, তারপর খাজিস্তান পর্যন্ত চার ফারসাখ, তারপর তিরমকান পর্যন্ত সাত ফারসাখ, তারপর বাব শহর পর্যন্ত তিন ফারসাখ, তারপর ফারগানা পর্যন্ত চার ফারসাখ। সুতরাং সমরকন্দ থেকে ফারগানা পর্যন্ত মোট তিপ্পান্ন ফারসাখ। আর আনুশিরওয়ান এটি নির্মাণ করেছিলেন এবং সেখানে প্রতিটি ঘর থেকে একদল লোক স্থানান্তর করেছিলেন এবং এর নাম দিয়েছিলেন 'আযহারখানা', অর্থাৎ প্রতিটি ঘর থেকে। আর খুজান্দা ফারগানা থেকে, তারপর কুবা শহর পর্যন্ত দশ ফারসাখ, তারপর উশ শহর পর্যন্ত দশ ফারসাখ, তারপর খুরতকিনের শহর উজকান্দ পর্যন্ত সাত ফারসাখ, তারপর গিরিপথ পর্যন্ত একদিনের পথ, তারপর আতবাশ পর্যন্ত একদিনের পথ, তারপর উচ্চ নুশজান পর্যন্ত ছয় দিনের পথ যাতে কোনো জনপদ নেই। আর এই আতবাশ হলো তিব্বত ও ফারগানার মধ্যবর্তী একটি উঁচু গিরিপথের ওপর অবস্থিত একটি শহর। উচ্চ নুশজান এবং তিব্বত পূর্বাঞ্চলের মধ্যস্থলে অবস্থিত (২৮)। আর উচ্চ নুশজান থেকে তুগুযগুযের খাকানের শহর পর্যন্ত তিন দিনের পথ।