(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: -)
رحلة ابن بطوطة ط أكاديمية المملكة المغربية (ابن بطوطة)
القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: رحلة ابن بطوطة (تحفة النظار في غرائب الأمصار وعجائب الأسفار)
المؤلف: محمد بن عبد الله بن محمد بن إبراهيم اللواتي الطنجي، أبو عبد الله، ابن بطوطة (ت 779هـ)
الناشر: أكاديمية المملكة المغربية، الرباط
عام النشر: 1417 هـ
عدد الأجزاء: 5
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে বতুতার সফরনামা, মরক্কো রাজকীয় একাডেমি সংস্করণ (ইবনে বতুতা)
বিভাগ: দেশ ও ভ্রমণকাহিনী
কিতাব: ইবনে বতুতার সফরনামা (তুহফাতুন নুজজার ফি গারায়িবিল আমসার ওয়া আজায়িবিল আসফার)
লেখক: মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আল-লাওয়াতি আত-তানজি، আবু আব্দুল্লাহ، ইবনে বতুতা (মৃত ৭৭৯ হিজরি)
প্রকাশক: মরক্কো রাজকীয় একাডেমি، রাবাত
প্রকাশের বছর: ১৪১৭ হিজরি
খণ্ড সংখ্যা: ৫
[বইটির নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
[المجلد الاول][مقدمة المحقق]من حوافز التّفكير في هذا النشر الجديد …لقد كان في صدر ما دفعنا لمراجعة الرحلة البحث عن مدى صحة المقولة التي تذكر أنّ الرحلة الموجودة بين أيدينا إن هي إلا" تلخيص" على حد تعبير ابن جزي نفسه، تلخيص من" تقييد" صاحب الرحلة … وأن هناك أثرا للنص الكامل لذلك التقييد الأصلي …وقد دعتنا للبحث حول هذا الموضوع فقرات وردت عند بعض الذين تحدثوا عن ابن بطوطة، نقلوها على أنها من أخباره في الرحلة …وقد كان في صدر هؤلاء لسان الدين بن الخطيب 776- 1374 الذي نقل عن شيخه أبي البركات البلفيقي" أن ابن بطوطة أخبر أنه دخل الكنيسة العظمى بالقسطنطينية، وهي على قدر مدينة مسقفة كلّها، وفيها اثنا عشر ألف أسقف … " «1»هذا إلى فقرات نقلها أبو الحسن علي التمجروتي عن مدينة قابس في رحلته (997- 1589) وأنها كذا وكذا، ثم إلى فقرات ساقها أبو القاسم الزّياني تتحدث عن" حوار" تم بين ابن بطوطة والسلطان أبي عنان في أعقاب زيارة الرّحالة المغربي لبلاد السودان.قال الزّياني- نقلا كما يزعم عن البلوي في رحلته-: إن أبا عنان لما أحضر ابن بطوطة بين يديه عاتبه على عدم الاجتماع به لمّا قدم لفاس … فقال: «يا مولانا إنما أتيت بقصد المثول بين يديك، ولكن لما دخلت المدرسة التي شيدتها ولم أكن وقفت على مثلها فيما شاهدته في المعمور كلّه، قلت: والله لابد لي أن أتمم عملي وأبرّ في قسمي بالوصول إلى أقاليم السودان حتى أشاهده وأقسم أنّ ليس في المعمور كلّه مثلها! فحقق الله ظني وأبرّ يميني، هذا موجب تأخيري عن المثول بين يديك". «2»وها نحن نرى أولا أن ابن بطوطة في الرحلة التي بين أيدينا يصرح أنه لم يدخل إلى الكنيسة، وإنما دخل حرمها … وأنه لم يذكر عددا محددا لأساقفتها … كما أن الرحلة- ثانيا- لم تتحدث عن قابس بمثل ما تحدث به التمگروتي، كما أنها لم تتحدث إطلاقا عن حوار جرى بين السلطان أبي عنان وبين ابن بطوطة على ما زعمه الزّياني «3» ، ونتيجة لكل
[প্রথম খণ্ড][সম্পাদকের ভূমিকা]এই নতুন সংস্করণ প্রকাশের চিন্তার পেছনে থাকা কিছু প্রেরণা …ভ্রমণবৃত্তান্তটি (রিহলা) পর্যালোচনার ক্ষেত্রে আমাদের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল সেই উক্তির সত্যতা অনুসন্ধান করা, যাতে বলা হয়েছে যে বর্তমানে আমাদের হাতে থাকা এই ভ্রমণবৃত্তান্তটি ইবনে জুজাইয়ের নিজের অভিব্যক্তি অনুযায়ী মূল লেখকের ‘নোট’ বা ‘লিপিবদ্ধ বর্ণনা’র একটি ‘সারসংক্ষেপ’ মাত্র... এবং সেই মূল লিপির পূর্ণাঙ্গ পাঠের কোনো চিহ্ন বিদ্যমান রয়েছে কি না...এই বিষয়টি অনুসন্ধানে আমাদের উদ্বুদ্ধ করেছে এমন কিছু অনুচ্ছেদ, যা ইবনে বতুতা সম্পর্কে আলোচনাকারীদের লেখায় পাওয়া যায়। তারা এগুলোকে ইবনে বতুতার ভ্রমণবৃত্তান্তের তথ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন...এই লেখকদের অগ্রভাগে ছিলেন লিসানুদ্দিন বিন আল-খতিব (৭৭৬-১৩৭৪), যিনি তার উস্তাদ আবু আল-বারাকাত আল-বালফিকি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ‘ইবনে বতুতা জানিয়েছেন তিনি কনস্টান্টিনোপলের মহা-গির্জায় প্রবেশ করেছিলেন, যা একটি সম্পূর্ণ ছাদযুক্ত শহরের সমান বড় এবং তাতে বারো হাজার বিশপ ছিলেন...’ «১»এর সাথে যোগ হয়েছে সেইসব অনুচ্ছেদ যা আবুল হাসান আলি আত-তামগুরুতি (৯৯৭-১৫৮৯) তার ভ্রমণকাহিনীতে কাবেস শহর সম্পর্কে উদ্ধৃত করেছেন যে শহরটি এমন এবং তেমন। এরপর রয়েছে আবুল কাসিম আজ-জাইয়ানি কর্তৃক উপস্থাপিত কিছু অনুচ্ছেদ, যা মরক্কোর এই পর্যটকের সুদান ভ্রমণের পর তার এবং সুলতান আবু ইনানের মধ্যে সংঘটিত একটি ‘কথোপকথন’ সম্পর্কে আলোচনা করে।আজ-জাইয়ানি বলেন—যেমনটি তিনি আল-বালউয়ি-র ভ্রমণকাহিনী থেকে উদ্ধৃত করেছেন বলে দাবি করেন—: আবু ইনান যখন ইবনে বতুতাকে তার সম্মুখে উপস্থিত করলেন, তখন তিনি ফেজ-এ আসার পর তার সাথে দেখা না করার কারণে তাকে তিরস্কার করলেন... তখন তিনি (ইবনে বতুতা) বললেন: «হে আমার অভিভাবক, আমি তো আপনার সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার উদ্দেশ্যেই এসেছি, কিন্তু আপনি যে মাদ্রাসাটি নির্মাণ করেছেন আমি যখন তাতে প্রবেশ করলাম এবং এই পৃথিবীর কোথাও যখন এর সমতুল্য কিছু দেখিনি, তখন আমি মনে মনে বললাম: আল্লাহর কসম, আমাকে অবশ্যই আমার কাজ সম্পন্ন করতে হবে এবং সুদান অঞ্চলে পৌঁছানোর মাধ্যমে আমার শপথ পূর্ণ করতে হবে, যাতে আমি তা প্রত্যক্ষ করে কসম করতে পারি যে সমগ্র জনবসতিপূর্ণ পৃথিবীতে এর মতো আর কিছু নেই! অতঃপর আল্লাহ আমার ধারণা সত্য করেছেন এবং আমার শপথ পূর্ণ করেছেন; আপনার সামনে উপস্থিত হতে বিলম্ব হওয়ার কারণ এটাই ছিল।’ «২»এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, প্রথমত আমাদের হাতে থাকা ভ্রমণবৃত্তান্তটিতে ইবনে বতুতা স্পষ্টভাবে বলছেন যে তিনি গির্জার ভেতরে প্রবেশ করেননি, বরং কেবল এর প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছিলেন... এবং তিনি বিশপদের কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যাও উল্লেখ করেননি... দ্বিতীয়ত, ভ্রমণকাহিনীতে কাবেস সম্পর্কে সেরকম কিছু বলা হয়নি যেমনটি আত-তামগুরুতি বর্ণনা করেছেন। তদুপরি, আজ-জাইয়ানির দাবি অনুযায়ী সুলতান আবু ইনান এবং ইবনে বতুতার মধ্যে কোনো কথোপকথনের কথাও এতে মোটেও উল্লেখ করা হয়নি «৩»। আর এর ফলাফলস্বরূপ...
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
ذلك فإن نقل البلفيقي حول الكنيسة ونقل التمگروتي عنه حول قابس ونقل الزّياني عن ذلك (الحوار) … كل ذلك يبقى في عهدة رواته، سامحهم الله! ولم يسلم ابن بطوطة من الذين تقوّلوا عليه حتى في عصرنا الحديث هذا، فهناك من نقل عنه أنه خرج مغاضبا لذويه وانه لم يكن متعلقا بأسرته! ومنهم من ذكر أنه أي ابن بطوطة تأثر بما قيل إنه حديث (اطلبوا العلم ولو بالصّين) فشدّ الرحلة من اجل ذلك للصين! بل وفى العلماء من نسب إليه حديثه عن البلهارسيا في مصر … وفي علماء الهند من حكى لي عن وقائع غريبة تروي عن ابن بطّوطة هناك … !!غير أنه إذا كان البحث قد أدى بنا إلى أنه ليست هناك زيادات كثيرة على" تلخيص" ابن جزي لتقييد ابن بطوطة، فقد اكتشفنا إضافات فرضت علينا أن نقف أمامها معقّبين أو مصلّحين أو مستدركين. وحملتنا على الاقتناع حقّا بأن نشر الرحلة من قبل الأستاذين ديفريميري (DEFREMERY) وسانگينيتي (SANGUINETTI) في منتصف القرن الماضي معتمدين على المخطوطات الثلاث، أصبح متجاوزا فعلا سيما مع ما عثرنا عليه من تحريف لبعض الكلمات أو نقص في بعض الألفاظ مما سيقع التّنبيه عليه في مكانه بحول الله بعد أن توفّرنا على نحو من ثلاثين مخطوطة …وقد كان من حوافز نشر الرحلة كذلك رغبة ملحة في الاستجابة لأمنية غالية شعرت بأهميتها عند ما انتسبت للمؤتمر العالمي للأسماء الجغرافية، تلك هي ضبط المواقع الجغرافية التي ذكرها الرحالة، وهي زهاء ألف علم جغرافي ورد ذكرها في الرحلة إلى القارات الثلاث، وهذه ثروة هائلة كان علينا أن نحافظ عليها كما أداها لنا ابن بطوطة.نحن نعلم أنّ السبب في تأليف ياقوت الحموي لموسوعته العظيمة: (معجم البلدان) هو ضبط علم جغرافي ورد في حديث نبوي شريف. لقد كان ياقوت بمرو الشاه خان «4» في مجلس يناقش موضوع أسواق العرب في الجاهلية وضبط كلمة (حباشة) حيث كان الرسول صلى الله عليه وسلم يتّجر لحساب السيدة خديجة، فرأى ياقوت أنها بضم الحاء، ورأى أحد المحدثين أنها بفتح الحاء، فاندفه ياقوت يبحث عن نصوص تؤيد ما ذهب اليه وطال بحثه حتى وقع على ما يؤيد رأيه … وهنا فكّر في وضع موسوعة لضبط أسماء البلدان والمواقع على ما يقوله هو في المقدمة مغتنما هذه الفرصة ليردّ على المثل القائل: " ما ترك الأول للآخر شيئا"، ومردّدا قوله الجاحظ: ليس هناك أضر على العلم من هذا المثل الذي يفتّر الهمة ويضعف المنّة!! وهكذا جمعت عددا من الخرائط من ذات المقياس الواسع الذي يصل احيانا إلى مقياس واحد على خمسين ألفا. وهنا وجدت نفسي فعلا أنني أمام عالم واسع فسيح الأرجاء..
তবে গির্জা সম্পর্কে আল-বালফিকির বর্ণনা, গাবিস সম্পর্কে তাঁর থেকে আল-তামগরুতির বর্ণনা এবং (আল-হিওয়ার) থেকে আল-যায়ানির উদ্ধৃতি … এ সবই এর বর্ণনাকারীদের জিম্মায় থাকে, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করুন! ইবনে বতুতা এমন লোকদের থেকেও রেহাই পাননি যারা আমাদের এই আধুনিক যুগেও তাঁর সম্পর্কে ভিত্তিহীন কথা বলেছে। কেউ কেউ বর্ণনা করেছেন যে, তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজনের ওপর রাগান্বিত হয়ে বের হয়েছিলেন এবং পরিবারের প্রতি তাঁর কোনো টান ছিল না! তাদের মধ্যে কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে বতুতা সেই কথা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন যা (চীন দেশে গিয়ে হলেও জ্ঞান অর্জন করো) হাদীস হিসেবে বলা হয়, ফলে তিনি সেই উদ্দেশ্যে চীনের দিকে সফর করেছিলেন! এমনকি আলেমদের মধ্যে কেউ কেউ মিশরে বিলহারজিয়া রোগ সম্পর্কে তাঁর বর্ণনার কথা উল্লেখ করেছেন … ভারতের আলেমদের মধ্যে কেউ কেউ আমাকে ইবনে বতুতা সম্পর্কে সেখানে বর্ণিত অদ্ভুত সব ঘটনার কথা শুনিয়েছেন … !!তবে গবেষণা আমাদের এই সিদ্ধান্তে উপনীত করেছে যে, ইবনে বতুতার বিবরণীর ওপর ইবনে জুজাই-এর "সংক্ষেপন"-এ খুব বেশি সংযোজন নেই, তবুও আমরা এমন কিছু পরিশিষ্ট বা বাড়তি অংশ আবিষ্কার করেছি যা আমাদের সেগুলোর সামনে পর্যালোচক, সংশোধনকারী অথবা পরিপূরক হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য করেছে। আর এটি আমাদের এই বিষয়ে সত্যিই নিশ্চিত করেছে যে, গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে অধ্যাপক ডিফ্রেমেরি (DEFREMERY) এবং সাঙ্গুইনেত্তি (SANGUINETTI) কর্তৃক তিনটি পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে এই ভ্রমণকাহিনী প্রকাশ করা বর্তমানে মান্ধাতা আমলের হয়ে গেছে। বিশেষ করে আমরা যখন কিছু শব্দের বিকৃতি বা কিছু পরিভাষার ঘাটতি খুঁজে পেয়েছি যা আল্লাহর ইচ্ছায় যথাস্থানে উল্লেখ করা হবে, যখন আমাদের কাছে প্রায় ত্রিশটি পাণ্ডুলিপি হস্তগত হয়েছে …এই ভ্রমণকাহিনী প্রকাশের অন্যতম প্রেরণা ছিল একটি মূল্যবান আকাঙ্ক্ষা পূরণের তীব্র ইচ্ছা, যার গুরুত্ব আমি অনুভব করেছিলাম যখন আমি ভৌগোলিক নাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলাম। আর তা হলো পরিব্রাজক কর্তৃক উল্লিখিত ভৌগোলিক স্থানগুলোর সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করা। তিনটি মহাদেশ ভ্রমণে প্রায় এক হাজার ভৌগোলিক নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যা একটি বিশাল সম্পদ এবং ইবনে বতুতা আমাদের কাছে যেভাবে পৌঁছে দিয়েছেন তা সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব ছিল।আমরা জানি যে, ইয়াকুত আল-হামাভি তাঁর মহান বিশ্বকোষ (মু’জামুল বুলদান) রচনার কারণ ছিল একটি পবিত্র হাদীসে বর্ণিত একটি ভৌগোলিক নামের সঠিক রূপ নির্ধারণ করা। ইয়াকুত মার্ভ আল-শাহজানে এক মজলিসে ছিলেন যেখানে জাহেলী যুগে আরবদের বাজারের বিষয় এবং ‘হুবাসাহ’ শব্দটির সঠিক উচ্চারণ নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল, যেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সায়্যিদা খাদিজার ব্যবসার কাজে গিয়েছিলেন। ইয়াকুত মনে করেছিলেন যে এটি ‘হা’ বর্ণে পেশ দিয়ে হবে, আর জনৈক মুহাদ্দিস মনে করেছিলেন যে এটি ‘হা’ বর্ণে যবর দিয়ে হবে। তখন ইয়াকুত তাঁর মতের স্বপক্ষে দলিল খুঁজতে শুরু করেন এবং দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তিনি তাঁর মতের পক্ষে প্রমাণ পান … এখান থেকেই তিনি দেশ ও স্থানের নামসমূহ সঠিকভাবে নির্ধারণের জন্য একটি বিশ্বকোষ রচনার চিন্তা করেন যেমনটি তিনি ভূমিকায় বলেছেন। তিনি এই সুযোগটি গ্রহণ করেন সেই প্রবাদের জবাব দিতে যা বলে: "পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদের জন্য কিছুই বাকি রেখে যায়নি", এবং আল-জাহিজের সেই উক্তিটি পুনরাবৃত্তি করেন যে: জ্ঞান-বিজ্ঞানের জন্য এই প্রবাদের চেয়ে ক্ষতিকর আর কিছু নেই যা উদ্যমকে স্তিমিত করে দেয় এবং শক্তিকে দুর্বল করে দেয়!! এভাবেই আমি বড় স্কেলের বেশ কিছু মানচিত্র সংগ্রহ করেছি যা কখনো কখনো এক অনুপাত পঞ্চাশ হাজারে পৌঁছেছিল। এখানে আমি সত্যিই নিজেকে এক বিশাল ও প্রশস্ত জগতের সামনে খুঁজে পেয়েছি...
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
ولقد حاولنا أن نعيش مع حاضرنا ما أمكن، لذلك تجاوزنا (معجم البلدان) في التعريف ببعض المواقع الجغرافية … كما حاولنا أن نتجاوز التعابير بالفراسخ والأميال والمراحل وما أشبهها إلى التعبير بالكيلوميترات، والتحديد بخطوط الطول والعرض ما أمكن ذلك.ولقد كان ابن جزيّ عظيما عند ما كان يلح في معظم الحالات على تحريك الأسماء الجغرافية أي شكلها بالوصف كما عرفنا … وهي ظاهره كان ابن جزيّ من السبّاقين إليها …لقد لاحظ البارون دوسلان De Slane في مقدمته لكتاب المغرب لأبي عبيد البكري أنّ إهمال ضبط كلمة من أربعة أحرف مثل (يعرف) ، عارية من التّنقيط، يمكن أن تصل احتمالات قراءتها إلى ثلاثمائة طريقة!! ونحن مع الأعلام الجغرافية في الرحلة لابد أن نشير إلى بعض الذين علّقوا على الرحلة واصطدموا ببعض الأسماء الجغرافية التي لم يصلوا إلى الحقيقة حولها، أولئك وجدوا من السهل عليهم أن يشكّكوا في مصداقية مرويات ابن بطوطة عوض أن يقوموا بتحقيق تلك الأعلام في عين المكان ودون ما أن يستسلموا لليأس!! ومع هذا فإنه من المفيد أن نعرف أن كثيرا من الذين اشتغلوا بابن بطوطة لم يفتهم أن يوسّعوا دائرة بحثهم حول المناطق التي زارها الرحالة المغربي. وهكذا نجدهم عند حديث ابن بطوطة عن البحرين مثلا يذكرون أن مدلول البحرين بالأمس كان أوسع بكثير مما هو عليه الأمر اليوم، بمعنى أن البحرين كانت تمتد لتشمل دولة الكويت الحالية وتشمل دولة قطر وتمتد إلى الاحساء. ومثل هذا نقوله عند الحديث عن زيارة ابن بطوطة لبعض الجهات في منطقة عمان (بضم العين) حيث نقرأ عن شمول الزيارة لبعض الإمارات العربية المتحدة اليوم: الشارقة مثلا التي تتبعها كلباء وخور فكان كما وقفنا عليها بالعيان! وعند ما يجدون أنفسهم مع ابن بطوطة في آسيا:- مل جاوة- قمارة، طوالسي، نقرأ عن احتمال زيارته للفيتنام، والطايلاند علاوة على الفيليبين واليابان … ، ومالاكا في ماليزيا،- وسنغافور- والتّبّت- بورما (بره نكار) - الكامبودج والسيام … وفي مصاحبته للأميرة التركية يبقى علينا أن نعرف عن بعض المناطق التي سلكها وعن حظ بعض دوّل أروبا الشرقية في إفادات ابن بطوطة على ما سنشرحه في التعليقات …ومثل هذا نقوله عن زيارته لشرق إفريقيا الذي يحتضن اليوم عددا من الأمم التي لها كيانها الخاص، على نحو ما نقوله عن الدول التي توجد اليوم في إفريقيا الغربية التي كانت خاتمة رحلاته: موريطانيا، السينغال، غامبيا، غينيا، مالي، النيجر …وإلى جانب الأسماء الجغرافية التي كان فيها ما يحرّك … هناك تلك اللائحة الطويلة والعريضة من الأعلام الشخصية للعلماء والملوك والزعماء والقادة والمتصوفة والمحدثين الخ،
আমরা যতটুকু সম্ভব আমাদের বর্তমান সময়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চলার চেষ্টা করেছি, তাই কিছু ভৌগোলিক অবস্থানের পরিচয়ের ক্ষেত্রে আমরা (মু'জামুল বুলদান)-কে অতিক্রম করেছি … একইভাবে আমরা ফারসাখ, মাইল, মানজিল এবং অনুরূপ পরিমাপের পরিবর্তে কিলোমিটারের মাধ্যমে এবং যতটুকু সম্ভব দ্রাঘিমাংশ ও অক্ষাংশের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণের প্রয়াস পেয়েছি।ইবনে জুজাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন যখন তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভৌগোলিক নামগুলোর হরকত বা উচ্চারণ বর্ণনার মাধ্যমে স্পষ্ট করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যা আমরা জানতে পেরেছি … এটি এমন একটি বৈশিষ্ট্য যাতে ইবনে জুজাই ছিলেন অন্যতম অগ্রগামী …ব্যারো ডি স্লেন (De Slane) আবু উবাইদ আল-বাকরীর 'কিতাবুল মাগরিব'-এর ভূমিকায় লক্ষ্য করেছেন যে, (ইউ’রাফু)-এর মতো চারটি অক্ষরের একটি শব্দ যদি নুকতাহীন বা হরকতহীন রাখা হয়, তবে সেটি পড়ার সম্ভাবনা তিনশ পদ্ধতিতে পৌঁছাতে পারে!! এই ভ্রমণকাহিনীতে বর্ণিত ভৌগোলিক নামগুলোর ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই এমন কিছু মন্তব্যকারীর কথা উল্লেখ করতে হবে যারা এমন কিছু ভৌগোলিক নামের সম্মুখীন হয়েছেন যার প্রকৃত রূপ তারা উদ্ধার করতে পারেননি; তারা সেই স্থানগুলোতে গিয়ে সরেজমিনে যাচাই না করে কিংবা হাল না ছেড়ে বরং ইবনে বতুতার বর্ণনার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলাকেই সহজ মনে করেছেন!! তা সত্ত্বেও এটি জানা প্রয়োজন যে, যারা ইবনে বতুতাকে নিয়ে কাজ করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই এই মরক্কান পর্যটকের সফরকৃত অঞ্চলগুলো নিয়ে গবেষণার পরিধি বিস্তৃত করতে ভুল করেননি। যেমন ইবনে বতুতা যখন বাহরাইন সম্পর্কে আলোচনা করেন, তখন তারা উল্লেখ করেন যে অতীতে বাহরাইনের পরিধি বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ছিল, যার অর্থ হলো বাহরাইন বর্তমান কুয়েত, কাতার এবং আল-আহসা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ওমান (আইন বর্ণে পেশসহ) অঞ্চলে ইবনে বতুতার সফরের বিষয়েও আমরা একই কথা বলতে পারি, যেখানে আমরা আজকের সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু অঞ্চলে তার সফরের কথা জানতে পারি: যেমন শারজাহ, যার অধীনে কালবা এবং খোর ফাক্কান রয়েছে, যা আমরা নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছি! আর যখন তারা এশিয়ায় ইবনে বতুতার সাথে ভ্রমণ করেন: যেমন- মুল জাওয়া, কুমারা, তাওয়ালিসি; তখন আমরা তার ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড সফরের সম্ভাবনার কথা পড়ি, পাশাপাশি ফিলিপাইন, জাপান … এবং মালয়েশিয়ার মালাক্কা, সিঙ্গাপুর, তিব্বত, বার্মা (বারাহনাকার), কম্বোডিয়া ও সিয়াম … এবং তুর্কি রাজকুমারীর সাথে তার সফরের বর্ণনায় আমাদের সেই সব অঞ্চল সম্পর্কে জানা বাকি থাকে যেগুলোর মধ্য দিয়ে তিনি অতিক্রম করেছিলেন এবং ইবনে বতুতার বর্ণনায় পূর্ব ইউরোপের কিছু দেশের অবস্থান সম্পর্কে যা আমরা টীকায় ব্যাখ্যা করব …পূর্ব আফ্রিকায় তার সফরের বিষয়েও আমরা একই কথা বলি যা আজ অসংখ্য স্বাধীন জাতিসত্তার আবাসস্থল; ঠিক যেভাবে আমরা পশ্চিম আফ্রিকার বর্তমান দেশগুলো সম্পর্কে বলি যা ছিল তার ভ্রমণের সমাপ্তিস্থল: মৌরিতানিয়া, সেনেগাল, গাম্বিয়া, গিনি, মালি, নাইজার …ভৌগোলিক নামগুলোর পাশাপাশি যেখানে কিছু বিষয় ছিল যা সংশোধনের দাবি রাখে … সেখানে আলেম, বাদশাহ, নেতা, সেনাপতি, সুফি এবং মুহাদ্দিস প্রমুখের নামের একটি দীর্ঘ তালিকা রয়েছে, ইত্যাদি।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
كلّ هؤلاء كان علينا أن نبحث عن تراجمهم في مختلف المصادر المشرقية والمغربية: حياتهم، اهتماماتهم، اتصالاتهم …وقد كان إلحاحنا على تقديم تراجم الرجال الذين ورد ذكرهم في الرحلة والنساء كذلك … مناسبة أخرى للتأكد من مصداقية مرويات ابن بطوطة، فقد تضافرت المصادر التي رجعنا إليها عند التحقيق في حياة أولئك الرجال … ، تضافرت على تزكية ما ورد في الرحلة جملة وتفصيلا حول أولئك الذين كانت لهم فرصة الاجتماع بابن بطوطة أو الاتصال به من بعيد أو قريب. ونرى من واجبنا أن نشيد مرة أخرى بالفائدة الجلّى التي استقيناها من كتاب الدّرر الكامنة في أعيان المائة الثامنة تاليف شيخ الاسلام شهاب الدّين ابن حجر المتوفى سنة 852، فلكأنما بعث الله هذا الرجل ليكون شاهدا صادقا يؤيد كلّ التأييد مرويات الرحالة المغربي عن شيوخه وشيخاته … !وقد تكوّن لدينا من كلّ أولئك الرجال فهرس ثرى يفتح هو ذاته الطريق أمامنا للتعرف على عوالم أخرى. وهكذا تمكنا- والفضل لله- من تصحيح بعض الأسماء التي وردت مغلوطة في بعض المخطوطات أو قرأها بعض الناشرين محرّفة عن الصواب فكتبوها حسبما اتفق لهم … !! ولم يبق علينا إلّا عدد ضئيل وضئيل جدّا من الأسماء التي لم نستطع أن نصل فيها إلى كلمة فاصلة.ومن تلك الأعلام الشخصية ما اقتضى منا- على نحو ما كان منا في الأسماء الجغرافية وبعض المصطلحات- تحرير المراسلات وتبادل الخطابات مما كوّن لدينا ملفا ضخما مليئا بالفوائد التي نظل فيها مدينين لمن استجابوا لاستفساراتنا، وكلّ هذا كان الهدف منه محاولة أداء الرسالة الملقاة على كاهلنا. (تراجع الملاحق)
এই সকল ব্যক্তির জীবনী আমাদের প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন উৎস থেকে অনুসন্ধান করতে হয়েছে: তাদের জীবন, তাদের আগ্রহসমূহ, তাদের যোগাযোগসমূহ …ভ্রমণবৃত্তান্তে উল্লিখিত পুরুষ ও নারীদের জীবনী উপস্থাপনের ক্ষেত্রে আমাদের যে বিশেষ গুরুত্বারোপ ছিল … তা ছিল ইবনে বতুতার বর্ণনাসমূহের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার আরেকটি উপলক্ষ। কেননা সেই সকল ব্যক্তিদের জীবন পর্যালোচনার সময় আমরা যে সকল উৎসের শরণাপন্ন হয়েছি …, সেগুলো ভ্রমণবৃত্তান্তে উল্লিখিত সেই সকল ব্যক্তিদের সম্পর্কে সামগ্রিক ও বিস্তারিত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে যাদের সাথে ইবনে বতুতার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়েছিল অথবা দূর কিংবা নিকট থেকে যোগাযোগের সুযোগ ঘটেছিল। আমরা আমাদের কর্তব্য মনে করছি যে, ৮৫২ হিজরিতে ইন্তেকালকারী শায়খুল ইসলাম শিহাবুদ্দিন ইবনে হাজার কর্তৃক রচিত 'আদ-দুরার আল-কামিনাহ ফি আ'য়ানিল মায়াতিল থামিনাহ' গ্রন্থটি থেকে আমরা যে সুস্পষ্ট উপকারিতা লাভ করেছি তার প্রশংসা করা। আল্লাহ যেন এই ব্যক্তিকে একনিষ্ঠ সাক্ষী হিসেবেই প্রেরণ করেছিলেন, যিনি এই মরক্কীয় পর্যটকের তাঁর শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের সম্পর্কে প্রদত্ত বর্ণনাসমূহকে পূর্ণরূপে সমর্থন করেন … !এই সকল ব্যক্তিদের নিয়ে আমাদের কাছে একটি সমৃদ্ধ নির্ঘণ্ট তৈরি হয়েছে, যা আমাদের সামনে অন্যান্য জগতকে চেনার পথ উন্মোচিত করে দেয়। এভাবেই আমরা—এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর—এমন কিছু নাম সংশোধন করতে সক্ষম হয়েছি যা কিছু পাণ্ডুলিপিতে ভুলভাবে এসেছিল অথবা কোনো কোনো প্রকাশক ভুল পাঠের কারণে নিজেদের খেয়ালখুশিমতো লিখেছিলেন … !! এখন অত্যন্ত নগণ্য সংখ্যক কিছু নামই অবশিষ্ট আছে যেগুলোর ব্যাপারে আমরা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারিনি।এই সকল ব্যক্তিবর্গের মধ্যে কিছু নামের ক্ষেত্রে আমাদের—ভৌগোলিক নাম এবং কিছু পরিভাষার মতো—চিঠিপত্র আদান-প্রদান করতে হয়েছে, যার ফলে আমাদের কাছে এক বিশাল নথিপত্র তৈরি হয়েছে যা অত্যন্ত মূল্যবান তথ্যে পরিপূর্ণ। এই উপকারের জন্য আমরা তাদের কাছে ঋণী যারা আমাদের জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়েছেন। আর এই সবকিছুর লক্ষ্য ছিল আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের প্রচেষ্টা। (পরিশিষ্টসমূহ দ্রষ্টব্য)
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وقد رأيت أنّ مما يقرّبنا إلى الصورة- علاوة على هذا التقديم وعلاوة على التعريف بالأعلام الشخصية وتحديد الأسماء الجغرافية- أن أضع عند بداية كلّ فصل من الفصول الثمان عشرة التي وزّعت الرحلة عليها خريطة جغرافية ترسم معالم الطّريق المسلوك حتى يتسنّى للقارىء أن يستأنس بها لمتابعة خطوات رحّالتنا، على أن أجعل في آخر المجلّدات خريطة شاملة كاملة لمسالك ابن بطوطة من طنجة إلى الصّين. كما رأيت أن أثري كلّ فصل من تلك الفصول بما تيسّر من رسوم وصور تجعلنا تقريبا في الجوّ الذي كان يعيشه ابن بطوطة … وربّما أضفت إلى بعض العناوين التي فصّل بها المؤلف رحلته بعض ما يكشف المبهم منها أو يشدّ القارئ إليها …وقد وجدت نفسي أمام حيرة الاختيار حول أيّة مخطوطة أعتمدها لوضع أرقام تكميلية توثيقية أجعلها على يمين الصفحات لأني اعتمدت- كما سبق أن قلت- عددا من المخطوطات. ولهذا، وحرصا مني على أن تكون الفائدة عامّة وشاملة بالنسبة لكل الذين يهتمون بابن بطوطة منذ أكثر من قرن ونصف القرن … اخترت بدوري أن أوزع الرحلة على أربع مجلدات وأن يكون الرقم الأساسي هو الذي تحمله المجلدات التي طبعت في باريز عام 1858 لأنها المرجع الأصليّ الوحيد لكل الذين درسوا الرحلة دراسة علمية بمختلف اللغات بمن فيهم بعض الذين درسوها باللغة العربية، من أمثال الزّميلين الراحلين: الأستاذ محمد الفاسي الذي تحدث عن الرحلة في العدد الأول والثاني من مجلة المغرب 1934، والدكتور سليم النعيمي الذي تحدث عنها في مجلة المجمع العلمي العراقي، العدد 24- 25- 26 عام 1974- 75 …ثمّ إنّنا بعد هذا وجدنا أن مما يساعد على ضبط الرحلة وتقييد أوابدها أن نقوم- اقتداء بمن سبقونا- على وضع فهرس بل فهارس ترشد لمفاتيحها المتنوّعة. وهكذا خصّصنا مجلدا خامسا لفهارسها التي تجاوزت الثلاثة والثلاثين … تتناول الآيات القرآنية، والأحاديث النبوية، والأشعار والقوافي، والأمثال والأقوال السائرة، والأعلام الشخصية والأسماء الجغرافية، وأسماء القبائل والعشائر والأجناس، ثم الأدوات والآلات، والوسائل والمراكب، والأسلحة، والأمراض، والأنهار، والجواهر والحلي، والحيوان، والعطور، والطّعام والشراب، والعادات، وأسماء الكتب، واللّباس والمعلومات، والأسواق، والحصون، والزوايا والرباطات، والقصور والقلاع، والكنائس والأديرة، والمدارس، والمزارات، والمساجد، والمنشآت المتفرقة، والمواد، والنبات، والنقود، والعملات، والألفاظ الحضارية، وكذلك فهرس لموضوعات الرحلة ثم فهرس لمراجع الرحلة علاوة على الملاحق …لقد رأينا أن هذه الفهارس والملاحق كانت ضرورية للمساعدة على الاستفادة الكاملة من هذا التراث الغنيّ والضخم الذي هو رحلة ابن بطوطة.
আমি মনে করেছি যে—এই ভূমিকা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের পরিচয় ও ভৌগোলিক নামসমূহ নির্ধারণ করার পাশাপাশি—চিত্রটিকে আমাদের নিকট আরও স্পষ্ট করার একটি উপায় হলো, সফরনামাটি যে আঠারোটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করা হয়েছে, তার প্রতিটি অধ্যায়ের শুরুতে একটি করে ভৌগোলিক মানচিত্র সংযোজন করা, যা অতিক্রান্ত পথের চিহ্নসমূহ অঙ্কন করবে; যাতে পাঠক আমাদের পর্যটকের পদচিহ্ন অনুসরণে তা থেকে সহায়তা নিতে পারেন। এছাড়া খণ্ডসমূহের শেষে তানজিয়া থেকে চীন পর্যন্ত ইবনে বতুতার সফরের একটি পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তৃত মানচিত্র যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তেমনিভাবে আমি প্রতিটি অধ্যায়কে সহজলভ্য অঙ্কন ও চিত্র দিয়ে সমৃদ্ধ করা সমীচীন মনে করেছি, যা আমাদের ইবনে বতুতার সমকালীন পরিবেশের কাছাকাছি নিয়ে যাবে … এবং লেখক যে সকল শিরোনামে তাঁর সফরনামাকে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন, হয়তো আমি সেগুলোর কোনো কোনোটিতে এমন কিছু যোগ করেছি যা অস্পষ্ট বিষয়গুলোকে স্পষ্ট করে অথবা পাঠকের আগ্রহ বৃদ্ধি করে …পৃষ্ঠার ডান পার্শ্বে সম্পূরক ও প্রামাণিক নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে কোন পাণ্ডুলিপিটির ওপর আমি নির্ভর করব, সে ব্যাপারে আমি দ্বিধায় পড়েছিলাম; কারণ আমি—ইতিপূর্বে যেমনটি বলেছি—একাধিক পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি। এই কারণে এবং দেড় শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে যারা ইবনে বতুতাকে নিয়ে আগ্রহী, তাদের সকলের জন্য উপকারিতা যেন সাধারণ ও ব্যাপক হয় তা নিশ্চিত করতে … আমি সফরনামাটিকে চারটি খণ্ডে বিন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং মূল সংখ্যা হিসেবে ১৮৫৮ সালে প্যারিসে মুদ্রিত খণ্ডগুলোর সংখ্যাকে গ্রহণ করেছি। কারণ এটিই একমাত্র মূল উৎস যা বিভিন্ন ভাষায় সফরনামার বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের জন্য নির্ভরযোগ্য ছিল, এমনকি যারা এটি আরবি ভাষায় অধ্যয়ন করেছেন তাদের জন্যেও। যেমন আমার প্রয়াত দুই সহকর্মী: অধ্যাপক মুহাম্মদ আল-ফাসি, যিনি ১৯৩৪ সালের ‘মাজাল্লাতুল মাগরিব’-এর প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যায় এই সফরনামা নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং ডক্টর সেলিম আন-নুআইমি, যিনি ১৯৭৪-৭৫ সালের ‘ইরাকি সায়েন্টিফিক একাডেমি জার্নাল’-এর ২৪-২৫-২৬তম সংখ্যায় এ নিয়ে আলোচনা করেছেন …অতঃপর আমরা অনুভব করলাম যে, সফরনামাটিকে সুসংহত করতে এবং এর বিরল তথ্যাবলি সংরক্ষণ করতে—পূর্বসূরীদের অনুসরণে—একটি নির্ঘণ্ট বা বরং একাধিক নির্ঘণ্ট প্রস্তুত করা প্রয়োজন, যা এর বিবিধ বিষয়ের দিকনির্দেশক হবে। এভাবেই আমরা এর নির্ঘণ্টগুলোর জন্য একটি পঞ্চম খণ্ড নির্দিষ্ট করেছি, যা সংখ্যায় তেত্রিশটিরও বেশি … এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কুরআনের আয়াত, হাদিস শরিফ, কবিতা ও অন্ত্যমিল, প্রবাদ ও প্রচলিত প্রবচন, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ভৌগোলিক নামসমূহ, গোত্র, বংশ ও জাতিগোষ্ঠীর নাম, এরপর সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি, যাতায়াত ব্যবস্থা ও যানবাহন, অস্ত্রশস্ত্র, রোগব্যাধি, নদ-নদী, মণি-মুক্তা ও অলঙ্কার, জীবজন্তু, সুগন্ধি, খাদ্য ও পানীয়, আচার-আচরণ, গ্রন্থের নাম, পোশাক-পরিচ্ছদ ও তথ্যসমূহ, বাজার, দুর্গ, সুফি খানকাহ ও রিবাতসমূহ, রাজপ্রাসাদ ও কেল্লা, গির্জা ও মঠ, মাদ্রাসা, মাজার ও জিয়ারতগাহ, মসজিদ, বিবিধ স্থাপনা, উপাদান, উদ্ভিদ, মুদ্রা ও অর্থব্যবস্থা এবং সভ্যতার শব্দাবলি। সেই সাথে সফরনামার বিষয়ভিত্তিক নির্ঘণ্ট এবং তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট ও পরিশিষ্টসমূহ যুক্ত করা হয়েছে …আমরা মনে করি যে, ইবনে বতুতার সফরনামার মতো এই সমৃদ্ধ ও সুবিশাল ঐতিহ্য থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে উপকৃত হওয়ার জন্য এই নির্ঘণ্ট ও পরিশিষ্টসমূহ অত্যন্ত জরুরি ছিল।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
وأخيرا أرى دينا علىّ أن أتقدّم مرة أخرى بالشكر الجزيل والتقدير الجم لكل الباحثين الذين تمكنت بفضل ما سبقوني به- عربا وعجما- من أعمال جليلة عظيمة عمّني نفعها وخيرها، وخطوات رائدة أرشدني قبسها ونورها، وتمكنت عن طريقهم من الإدلاء بدلوي في هذا الموضوع" الشّاق والصّعب" الذي قدرت جيّدا تبعته- وأكاديمية المملكة المغربية نرى نشرها- مذكّرا بأن رحلة ابن بطوطة ستبقى في حاجة أكثر إلى استجلاء غوامضها والكشف عن المزيد من أسرارها وفوائدها …وكما كان مني في تأليفي السابقة فإن الشّعار الذي أرفعه وأنا أخوض هذه المغامرة هو نفس الشّعار الذي رفعه قبلي العلامة ابن خلدون الذي اعترف في مقدّمة تاريخه بالعجز وأهاب بمن ياتي بعده- ممّن يزوده الله بعلم صحيح- أن يكمّل ما نقص ويفصّل ما أجمل، ويلحق ما أهمل، ويصلح ما أغفل، والله يعلم وأنتم لا تعلمون.فيلّا بغداد- الرباط 15 يونيه 1996- 28 محرم 1417 د. عبد الهادي التازي.
পরিশেষে, আমি একে নিজের উপর একটি ঋণ বলে মনে করি যে, আমি আবারও সেই সকল গবেষকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা এবং অশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করছি—চাই তাঁরা আরব হোন বা অনারব—যাঁদের মহৎ ও মহান কর্মকাণ্ডের বদৌলতে আমি উপকৃত হয়েছি। তাঁদের সেই পথপ্রদর্শক পদক্ষেপসমূহ এবং তার আলোকচ্ছটা আমাকে পথ দেখিয়েছে। তাঁদের মাধ্যমেই আমি এই "কঠিন ও শ্রমসাধ্য" বিষয়ে আমার সাধ্যমতো অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছি, যে বিষয়ের দায়বদ্ধতা আমি যথাযথভাবে উপলব্ধি করেছি—এবং মরক্কো রাজ্য অ্যাকাডেমি এটি প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এই কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে যে, ইবনে বতুতার সফরনামার অস্পষ্টতা দূর করতে এবং এর আরও অনেক রহস্য ও কল্যাণ উন্মোচন করতে এটি আরও অধিক গবেষণার মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবে ...আমার পূর্ববর্তী রচনাবলির মতো, এই জ্ঞানতাত্ত্বিক অভিযানে লিপ্ত হওয়ার সময় আমি যে মূলমন্ত্রটি ধারণ করেছি, তা হলো সেই একই মূলমন্ত্র যা আমার পূর্বে প্রাজ্ঞ পণ্ডিত ইবনে খালদুন ধারণ করেছিলেন। তিনি তাঁর ইতিহাসের ভূমিকায় নিজের অক্ষমতা স্বীকার করেছেন এবং তাঁর পরে আগত ব্যক্তিদের কাছে—যাঁদের আল্লাহ সঠিক জ্ঞান দান করবেন—আহ্বান জানিয়েছেন যেন তাঁরা অসম্পূর্ণতা পূর্ণ করেন, সংক্ষিপ্ত বিষয়কে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন, যা বাদ পড়েছে তা যুক্ত করেন এবং যা উপেক্ষা করা হয়েছে তা সংশোধন করেন। আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জানো না।ভিলা বাগদাদ- রাবাত, ১৫ জুন ১৯৯৬- ২৮ মহররম ১৪১৭, ড. আব্দুল হাদি আল-তাজি।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
المخطوطات الثلاثون للرحلة
সফরের ত্রিশটি পাণ্ডুলিপি
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
مخطوطات رحلة ابن بطوطة لقد وقفت على عدد كبير من مخطوطات الرحلة في شتى الجهات، وسأقوم بتقديم عرض لما وقفت عليه منها أملا في أن يأخذ الباحث- عند الاقتضاء- فكرة عن أصولها جميعا …1- مخطوطة خزانة جامع القرويين بفاس رقم 561:أذكر أن أبرز جهة ورد على بالي أن أقصدها ليس فقط لأنها قريبة إليّ، ولكن كذلك لأنها محطة الحدث! تلك هي مدينة فاس التي ألقى فيها ابن بطوطة عصا التّسيار على حد تعبير ابن جزي في مقدمته للرحلة- وقد أخذني العجب- وأنا أعد أطروحتي عن جامعة القرويين وخزانتها العلمية- «1» أن أقف على عدد من المخطوطات التي كانت مرجعا للباحثين هناك في الخزانة والتي كان من بينها بعض أسفار تاريخ ابن خلدون التي حبسها على الخزانة المذكورة وعليها خطه عام 799- 1397، ولكني لم أعثر من نسخ رحلة ابن بطوطة التي ألّفت بأمر السلطان أبي عنان إلّا على السفر الثاني من الرحلة (رقم 561) وهو متلاش مبتور الأواخر … وعار عن وثيقة التحبيس التي يمكن أن تكون على صدر السفر الأول … !وأول الموجود منه:" ولما كان بتاريخ الغرة من شهر الله المحرم مفتتح عام أربعة وثلاثين وسبعمائة وصلنا إلى وادي السند المعروف ببنج آب … وآخره في هذه النسخة الناقصة" ذكر وصول الامر الكريم إليّ … " أوراق هذا المخطوط 110، ومستطرته 25، مقياسه 27 على 18.فأين هي تتمة هذه النسخة؟ بل أين هي النسخ الأخرى التي كان من المفروض أن تتوفر عليها خزائن فاس؟ ذلك ما سنقرأ الجواب عنه في الكلمة التي كتبها زميلنا الراحل الأستاذ محمد العابد الفاسي محافظ الخزانة عند ما بكى ضياع الكثير من كتب الخزانة التي لم يبق لها أثر اليوم وأغلبها من وقف بني مرين «2» …
ইবনে বতুতার সফরের পাণ্ডুলিপিসমূহ: আমি বিভিন্ন স্থানে এই সফরের বিপুল সংখ্যক পাণ্ডুলিপি অবলোকন করেছি। আমি যা যা দেখেছি তার একটি উপস্থাপনা পেশ করব, এই আশায় যে গবেষক—প্রয়োজন অনুসারে—সেগুলোর মূল উৎস সম্পর্কে একটি ধারণা পাবেন …১- ফাসের জামে আল-কারউইয়্যিন কুতুবখানার পাণ্ডুলিপি নং ৫৬১:আমি স্মরণ করছি যে, আমার মনে যে প্রধান গন্তব্যটির কথা এসেছিল তা কেবল আমার নিকটবর্তী হওয়ার কারণে নয়, বরং তা ছিল ঘটনার মূল কেন্দ্র হওয়ার কারণে! সেটি হলো ফাস শহর, যেখানে ইবনে বতুতা তার সফরের সমাপ্তি টেনেছিলেন—সফরের ভূমিকায় ইবনে জুযাই-এর অভিব্যক্তি অনুযায়ী। কারউইয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর ইলমি কুতুবখানা নিয়ে আমার থিসিস তৈরি করার সময় আমি অবাক হয়েছিলাম—«১» যে আমি এমন কিছু পাণ্ডুলিপি দেখেছি যা সেখানে গবেষকদের জন্য রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এর মধ্যে ইবনে খালদুনের ইতিহাসের কিছু খণ্ডও ছিল যা তিনি উক্ত কুতুবখানার জন্য ওয়াকফ করেছিলেন এবং যাতে ৭৯৯ হিজরি (১৩৯৭ খ্রিষ্টাব্দ) সালে তার নিজ হাতের লেখা বিদ্যমান। কিন্তু সুলতান আবু ইনানের নির্দেশে সংকলিত ইবনে বতুতার সফরের অনুলিপিগুলোর মধ্যে আমি কেবল সফরের দ্বিতীয় খণ্ডটি (নং ৫৬১) পেয়েছি। এটি জীর্ণশীর্ণ এবং শেষাংশ বিচ্ছিন্ন … এবং এতে ওয়াকফনামার দলিলটিও নেই যা সম্ভবত প্রথম খণ্ডের শুরুতে ছিল … !এতে যা বিদ্যমান তার প্রারম্ভিক অংশ: "যখন আল্লাহর মাস মহররমের পহেলা তারিখ ছিল, যা সাতশ চৌত্রিশ হিজরির শুরু, তখন আমরা সিন্ধু উপত্যকায় পৌঁছলাম যা 'পাঞ্জাব' নামে পরিচিত … এবং এই অসম্পূর্ণ পাণ্ডুলিপির শেষ অংশ হলো: 'আমার কাছে রাজকীয় নির্দেশ পৌঁছানোর উল্লেখ …' এই পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১১০, প্রতি পৃষ্ঠায় লাইনের সংখ্যা ২৫, এবং এর আকার ২৭ বাই ১৮।তাহলে এই অনুলিপির অবশিষ্টাংশ কোথায়? অধিকন্তু, ফাসের কুতুবখানাগুলোতে যে অন্যান্য অনুলিপিগুলো থাকার কথা ছিল সেগুলোই বা কোথায়? আমরা এর উত্তর খুঁজে পাব আমাদের মরহুম সহকর্মী উস্তাদ মুহাম্মদ আল-আবিদ আল-ফাসি (কুতুবখানার কিউরেটর) এর লেখায়, যেখানে তিনি কুতুবখানার বহু কিতাব হারিয়ে যাওয়ার জন্য আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যার কোনো চিহ্ন আজ আর অবশিষ্ট নেই, আর সেগুলোর অধিকাংশই ছিল বনু মারিন বংশের ওয়াকফকৃত «২» …
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
مخطوطة خزانة جامع القرويين رقم 561- الورقة الأولى من السفر الثاني.
জামে আল-কারাউইয়্যিন সংগ্রহশালার পাণ্ডুলিপি নম্বর ৫৬১ - দ্বিতীয় খণ্ডের প্রথম পত্র।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
الورقة الأخيرة من مخطوطة خزانة جامع القرويين
জামে আল-কারাওইয়্যিন গ্রন্থাগারের পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পত্র।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
2- مخطوطة الخزانة الحسنية «3» رقم 8488:تضم هذه المخطوطة السفر الأول، وتقع في 229 ورقة (كل ورقة فيها صفحتان) مسطرتها 19 سطرا، ومقياسها 22- 5. 16، مكتوبة بخط مغربي مجوهر جميل، وتوجد بأطرافها خروم شديدة، مجلدة بغلاف أحمر، ولكنّها مخيطة على غير ترتيب! بالرغم من أنها مرممة بعض الشيء. وتعتبر هذه النسخة، في نظري، في صدر النسخ الصحيحة التي وقفت عليها واعتمدتها كذلك على ما سنرى، مضبوطة، ولو أنها مبتورة مع الأسف في بعض جهاتها حيث نجد بتورا في صفحة 111 أثناء حديث ابن بطوطة عن الصّراع بين الشيعة والسنة في شيراز: حوالي ست صفحات، كما نجد بترا في صفحة 176 وابن بطوطة في مدينة مطرني في آسيا الصّغرى …وعلى خلاف كلّ النسخ التي تنسب المقدمة، خطأ، إلى ابن بطوطة عند بداية الكتاب، فقد كتب على رأس ديباجة الصفحة الأولى ما يأتي:" … الشيخ «4» الفقيه الكاتب البارع الناظم … عبد الله محمد بن الشيخ الفقيه … العالم المتفنن أبي القاسم محمد … الكلبي الغرناطي عفا الله عنه".وهذه النّسخة لا تحمل تاريخا وهي تمضي كسائر النسخ إلى نهاية السفر الأول:" ومن هنالك بعث المخبرون بخبرنا إلى أرض الهند وعرّفوا ملكها بكيفية أحوالنا. وهاهنا ينتهي بنا الكلام في هذا السّفر … "3- مخطوطة الخزانة الحسنية بالرباط رقم 4355:هذه مخطوطة ثانية للسفر الأول من رحلة بن بطوطة تحمل على خلاف المعتاد اسم:(نزهة الخواطر وبهجة الأسماع والنواظر) ، وتقع في 99 ورقة كبيرة، مسطرتها بين 18 و 19 و 24، مقياسها 32- 8. 20 بخطّ مغربي كذلك. كتبت على الصفحة الأولى عبارة (ياكيكتج احفظ هذا الكتاب «5» ) . ولا يحمل هذا السّفر تاريخا للنسخ «6» . وقد تم البيع الأول فيه بتوقيع العدول واشتراه الفقيه عبد الواحد الشفشاوني من الفقيه عبد القادر الغزواني.
২- আল-খিজানাতুল হাসানিয়্যাহ পাণ্ডুলিপি «৩» নম্বর ৮৪৮৮:এই পাণ্ডুলিপিটি প্রথম খণ্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং এটি ২২৯টি পত্রে (প্রতি পত্রে দুটি পৃষ্ঠা) বিন্যস্ত। এর প্রতি পৃষ্ঠায় ১৯টি লাইন রয়েছে এবং এর পরিমাপ ২২-১৬.৫। এটি সুন্দর জওহারি মাগরিবি লিপিতে লিখিত। এর কিনারাগুলোতে মারাত্মক ছিদ্র রয়েছে এবং এটি লাল মলাটে বাঁধাই করা, তবে এটি কোনো ক্রম অনুসরণ না করেই সেলাই করা হয়েছে! যদিও এটি কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। আমার মতে, এই অনুলিপিটি আমার দেখা সঠিক পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে অগ্রগণ্য এবং আমি এটিকেও নির্ভরযোগ্য হিসেবে গ্রহণ করেছি যেমনটি আমরা দেখব। এটি সুসংরক্ষিত ও নির্ভুল, যদিও দুঃখজনকভাবে এর কিছু অংশে অসম্পূর্ণতা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা ১১১ নম্বর পৃষ্ঠায় একটি বিচ্ছিন্নতা পাই যখন ইবনে বতুতা শিরাজ শহরে শিয়া ও সুন্নিদের মধ্যকার দ্বন্দ্বের কথা আলোচনা করছিলেন: প্রায় ছয় পৃষ্ঠা। অনুরূপভাবে, আমরা ১৭৬ নম্বর পৃষ্ঠায় একটি বিচ্ছিন্নতা পাই যখন ইবনে বতুতা এশিয়া মাইনরের মাতরানি শহরে অবস্থান করছিলেন ...এবং বইয়ের শুরুতে ভুলবশত ভূমিকাটিকে ইবনে বতুতার সাথে সম্পর্কিত করা সমস্ত অনুলিপির বিপরীতে, প্রথম পৃষ্ঠার ভূমিকার শুরুতে লেখা আছে: "... শাইখ «৪» ফকিহ, দক্ষ লেখক ও কবি ... আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন শাইখ ফকিহ ... বহুমুখী প্রতিভাধর আলেম আবুল কাসিম মুহাম্মদ ... আল-কালবি আল-গারনাতি, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।"এই অনুলিপিটিতে কোনো তারিখ নেই এবং এটি অন্যান্য অনুলিপির মতোই প্রথম খণ্ডের শেষ পর্যন্ত চলমান:"এবং সেখান থেকে সংবাদদাতারা আমাদের খবর হিন্দুস্তান ভূখণ্ডে পাঠিয়েছিলেন এবং সেখানকার রাজাকে আমাদের অবস্থার বিবরণ সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। এখানেই এই খণ্ডের আলোচনা শেষ হচ্ছে ... "৩- রাবাতের আল-খিজানাতুল হাসানিয়্যাহ পাণ্ডুলিপি নম্বর ৪৩৫৫:এটি ইবনে বতুতার ভ্রমণের প্রথম খণ্ডের একটি দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি, যা সচরাচর ব্যবহারের বিপরীতে একটি বিশেষ নাম বহন করে:(নুজহাতুল খাওয়াতীর ওয়া বাহজাতুল আসমা ওয়াল নাওয়াজীর), এবং এটি ৯৯টি বড় পত্রে বিন্যস্ত। এর প্রতি পৃষ্ঠায় লাইনের সংখ্যা ১৮, ১৯ ও ২৪-এর মধ্যে, এবং এর পরিমাপ ৩২-২০.৮। এটিও মাগরিবি লিপিতে লিখিত। প্রথম পৃষ্ঠায় 'হে কাবিকেজ, এই বইটি রক্ষা করো «৫»' বাক্যটি লেখা আছে। এই খণ্ডটিতে অনুলিপি করার কোনো তারিখ নেই «৬»। এতে প্রথম বিক্রয় প্রক্রিয়াটি সাক্ষীদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল এবং ফকিহ আব্দুল ওয়াহেদ আল-শাফশাওয়ানি এটি ফকিহ আব্দুল কাদির আল-গাজওয়ানির কাছ থেকে ক্রয় করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
الورقة الأولى من مخطوطة الخزانة الملكية (الخزانة الحسنية) رقم 8488، وتعتبر في صدر النسخ الموثوقة وربما كانت بخط ابن جزي
রাজকীয় গ্রন্থাগারের (আল-খাজানা আল-হাসানিয়া) ৮৪৮৮ নম্বর পাণ্ডুলিপির প্রথম পাতা; এটি নির্ভরযোগ্য অনুলিপিগুলোর মধ্যে অগ্রগণ্য হিসেবে বিবেচিত এবং সম্ভবত এটি ইবন জুজাই-এর হস্তাক্ষরে লিখিত।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
الورقة الأخيرة من مخطوطة الخزانة الملكية رقم 8488
রাজকীয় গ্রন্থাগারের ৮৪৮৮ নং পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
4- مخطوطة الخزانة الحسنية رقم 3631:مخطوطة ثالثة من هذا السفر الأول من الرحلة تقع في 205 ورقة، مسطرتها 16 سطرا، مقياسها 23 على 17، مكتوبة بخط مغربي، كثيرة الخروم في سائر أطرافها.وهي تحمل في رأس الصفحة الأولى ما يلي:" قال الشيخ الإمام العالم الأوحد أبو العباس سيدي أحمد بن بطوطة رحمه الله" وقد نسخت بثغر تطاون أوائل المحرم عام اثنين وأربعين وألف. وتحمل الورقة الأولى كذلك عبارة يا كيكتج! وعلى الهامش الأيمن لهذه الصفحة صفقة شراء مؤرخة في رمضان سنة 1194، وهي مطابقة في نصها وترتيبها مطابقة تامة للنسخ المعهودة، بدءا ونهاية.5- مخطوطة الخزانة الحسنية رقم 8218:وهذه جزء من الرحلة يقع في 151 ورقة، مسطرته 14 سطرا، مقياسه 26 على 17، مكتوب بخط مغربي واضح وبأطرافها خروم شديدة، وهو يبدأ فقط من اجتماع الرحالة بناسك عبادان الذي دعا لابن بطوطة بأن يبلغه الله مراده في الدنيا والآخرة.:" فقد بلغت- يقول ابن بطوطة- بحمد الله مرادي في الدنيا وهو السياحة في الأرض وبلغت من ذلك ما لم يبلغه غيري فيما أعلمه، وبقيت الأخرى، والرجاء قوي في رحمة الله وتجاوزه وبلوغ المراد من دخول الجنة".6- مخطوطة الخزانة الحسنية رقم 356:وهذه مخطوطة غابت عن تدوين الأستاذ عنان رحمه الله، وهي تقع في مجلدين أحمرين، عدد أوراق الأول منهما 209 بينما عدد أوراق الثاني 158 ورقة، مسطرتها 33 سطرا ومقياسها 26 على 18.وقد ورد في نهاية السّفر الأول ما يلي:" انتهى في منسلخ محرم سنة 1125" وقد كتب التاريخ بالخط الفاسي أو القلم الرومي: ع- س صى هـ، وبعد هذا يأتي تاريخ نسخ السّفر الثاني:" انتهى الكتاب في منتصف المحرم من نفس السنة"، وقد كتب التّاريخ بنفس الخط الفاسي «7» .
৪- আল-খিজানা আল-হাসানিয়া পাণ্ডুলিপি নম্বর ৩৬৩১:ভ্রমণকাহিনীর এই প্রথম খণ্ডের একটি তৃতীয় পাণ্ডুলিপি, যা ২০৫টি পত্র সম্বলিত। এর প্রতি পৃষ্ঠায় ১৬টি লাইন রয়েছে এবং এর পরিমাপ হলো ২৩ বাই ১৭। এটি মাগরিবি লিপিতে লিখিত এবং এর চারপাশ জুড়ে প্রচুর ছিদ্র ও ক্ষয়ক্ষতি রয়েছে।এর প্রথম পৃষ্ঠার শীর্ষে নিম্নোক্ত বাক্যটি রয়েছে: "শেখ ইমাম, অদ্বিতীয় আলেম, আবু আব্বাস সিদি আহমদ ইবনে বতুতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বলেছেন।" এটি ১০৪২ হিজরি সনের মহররম মাসের শুরুতে তিতওয়ান বন্দরে অনুলিপি করা হয়েছে। প্রথম পত্রে "ইয়া কিকাতাজ!" শব্দটিও রয়েছে। এই পৃষ্ঠার ডান পার্শ্বের মার্জিনে ১১৯৪ হিজরির রমজান মাসের একটি ক্রয় চুক্তির উল্লেখ রয়েছে। এটি এর পাঠ্য এবং বিন্যাসের দিক থেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রচলিত পাণ্ডুলিপিগুলোর সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।৫- আল-খিজানা আল-হাসানিয়া পাণ্ডুলিপি নম্বর ৮২১৮:এটি ভ্রমণকাহিনীর একটি অংশ যা ১৫১টি পত্র নিয়ে গঠিত। এর প্রতি পৃষ্ঠায় ১৪টি লাইন এবং পরিমাপ ২৬ বাই ১৭। এটি স্পষ্ট মাগরিবি লিপিতে লেখা, তবে এর প্রান্তগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এটি কেবল ভ্রমণকারীর সাথে আবাদানের সেই সন্ন্যাসীর সাক্ষাতের ঘটনা থেকে শুরু হয়েছে, যিনি ইবনে বতুতার জন্য দোয়া করেছিলেন যেন আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তাঁর উদ্দেশ্য পূরণ করেন। ইবনে বতুতা বলেন: "আল্লাহর প্রশংসায় দুনিয়াতে আমার উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়েছে, আর তা হলো পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করা; এবং আমি এই ক্ষেত্রে এমন স্তরে পৌঁছেছি যা আমার জানামতে অন্য কেউ পৌঁছাতে পারেনি। এখন আখেরাতের বিষয়টি বাকি আছে, আর আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভ এবং জান্নাতে প্রবেশের উদ্দেশ্য সফল হওয়ার ব্যাপারে আমার প্রবল আশা রয়েছে।"৬- আল-খিজানা আল-হাসানিয়া পাণ্ডুলিপি নম্বর ৩৫৬:এটি এমন একটি পাণ্ডুলিপি যা মরহুম অধ্যাপক আনানের নথিবদ্ধকরণে বাদ পড়েছিল। এটি দুটি লাল রঙের খণ্ডে বিভক্ত। প্রথম খণ্ডের পত্র সংখ্যা ২০৯ এবং দ্বিতীয় খণ্ডের পত্র সংখ্যা ১৫৮। এর প্রতি পৃষ্ঠায় ৩৩টি লাইন রয়েছে এবং এর পরিমাপ ২৬ বাই ১৮।প্রথম খণ্ডের শেষে নিম্নোক্ত তথ্য পাওয়া যায়: "১১২৫ হিজরি সনের মহররম মাসের শেষে এটি সমাপ্ত হয়েছে।" তারিখটি ফাসি লিপি বা রুমি কলমে লেখা হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় খণ্ডের অনুলিপি সম্পন্ন করার তারিখ এসেছে: "একই বছরের মহররম মাসের মাঝামাঝিতে কিতাবটি সমাপ্ত হয়েছে।" এই তারিখটিও একই ফাসি লিপিতে লেখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
المخطوطة رقم 3631 من الخزانة الملكية وهي تسمي ابن بطوطة أحمد وتكنيه أبا العباس
রাজকীয় গ্রন্থাগারের ৩৬৩১ নম্বর পাণ্ডুলিপি; এটি ইবনে বতুতাকে আহমদ নামে অভিহিত করে এবং তাঁর উপনাম প্রদান করে আবুল আব্বাস।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
الورقة الأخيرة من المخطوط رقم 356 من الخزانة الملكية حيث يلاحظ التاريخ بالقلم الفاسي أو القلم الرومي، آخر السفر الأول وآخر السفر الثاني.
রাজকীয় গ্রন্থাগারের ৩৫৬ নম্বর পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পৃষ্ঠা, যেখানে ফাসি লিপি অথবা রুমি লিপিতে তারিখটি পরিলক্ষিত হয়; প্রথম খণ্ডের সমাপ্তি এবং দ্বিতীয় খণ্ডের সমাপ্তি।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
7- مخطوطة الخزانة الحسنية رقم 151:وهذه نسخة أيضا غابت عن ذكر الأستاذ عنان، نسخة جيدة الخط، ولكنها أحيانا في منتهى التعب، خيطت خياطة سيئة بحيث تجد أوراقا منها تتصل بالسفر الثاني حتى يصل إلى السودان صفحة 136، وهنا ينتقل إلى السفر الأول حتى يصل إلى نهايته!! ص 310 وتتخلل هذه المخطوطة أوراق تحتوي على فوائد لا صلة لها بالرحلة! ومن الطرر التي نقرأها على هامش المخطوطة حديث عن الفدية المالية العظيمة التي تبرّع بها السلطان أبو عنان لتحرير طرابلس من هيمنة احتلال جنوة حيث نقرأ:" يدخل في كلّ شهر لبيت مال المسلمين على يد مولانا إسماعيل ابن الشريف نصره الله أكثر من هذا العدد المذكور الذي تعجب منه مؤلف الأصل".ومعنى هذا أن تاريخ النسخة يرجع لعهد السلطان مولاي إسماعيل الذي استمر حكمه من 1082 هـ إلى 1139 هـ. أوراقها 316، مسطرتها 20، مقياسها 24 على 17.8- مخطوطة الخزانة الحسنية رقم 3030:وبعد هذا نقف على نسخة كاملة موثّقة لابن بطوطة، ويتعلق الأمر بالنسخة التي كانت تقرأ بمجالس السلطان المولى الحسن (الأول) والتي كان يعلق عليها عمّه الأمير المولى العباس أثناء القيام ببعض الحركات السلطانية عام 1294- 1877. «8»لقد كنت أرجع إلى هذه النسخة عند الحاجة لأنها أولا لم تنسب في ديباجة الورقة الأولى من السّفر الأول،" المقدمة" التي كتبها ابن جزي إلى ابن بطوطة! وكان هذا عندي دليلا على مصداقيتها! ثم إنها كانت النسخة المسلوكة قبلي من لدن مولاي العباس الذي نعلم أنه، إلى وظيفته كقائد أعلى للجيش المغربي في فترة حرب تطوان، كان على قدر كبير من الثقافة والدبلوماسية. ولعل من المفيد أن نشير إلى طرة هامة للأمير مولاي العباس وهو يقرأ عن العطاء السخي للسلطان أبي عنان حتى يحرر طرابلس.وجاءت أهمية الطرة من أن مولاي العباس كان هو الواسطة بين المغرب وإسبانيا في أداء المغرب عشرين مليونا من الريالات حتى ترحل إسبانيا عن تطوان التي كانت احتلتها عام 1860 … قالت الطرة:" … واستعظمت الناس ذلك (العطاء من المغرب) جهلا بالواقعة، وما دروا أنه لو بقى الأمر على حاله لعرفت البلاد الوبال … !! " ومن الطريف أن نجد طرة أخرى
৭- আল-খিজানা আল-হাসানিয়া পাণ্ডুলিপি নম্বর ১৫১:এটিও এমন একটি অনুলিপি যা উস্তাদ ইনানের আলোচনা থেকে বাদ পড়েছে। এটি চমৎকার হস্তাক্ষরে লিখিত একটি অনুলিপি, তবে কখনও কখনও এটি অত্যন্ত জীর্ণ অবস্থায় পাওয়া যায়। এটি এমনভাবে ত্রুটিপূর্ণভাবে সেলাই করা হয়েছে যে, এর কিছু পাতা দ্বিতীয় খণ্ডের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে, যা ১৩৬ পৃষ্ঠায় সুদান পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং এখান থেকে এটি পুনরায় প্রথম খণ্ডে ফিরে এসে এর শেষ পর্যন্ত (৩১০ পৃষ্ঠা) চলে গেছে!! এই পাণ্ডুলিপির মাঝে এমন কিছু পাতাও রয়েছে যাতে এমন কিছু টীকা বা তথ্য রয়েছে যার সাথে এই ভ্রমণবৃত্তান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। পাণ্ডুলিপির হাশিয়ায় (পার্শ্বটীকা) আমরা জেনোয়ার দখলদারিত্বের আধিপত্য থেকে ত্রিপোলিকে মুক্ত করার জন্য সুলতান আবু ইনান কর্তৃক প্রদত্ত বিশাল অংকের মুক্তিপণ সম্পর্কে একটি আলোচনা দেখতে পাই। সেখানে আমরা পড়ি: "আমাদের মাওলানা ইসমাইল ইবনে শরিফ—আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করুন—এর হাত ধরে মুসলমানদের বায়তুল মালে প্রতি মাসে এই উল্লিখিত সংখ্যার চেয়েও বেশি অর্থ জমা হয়, যা দেখে মূল গ্রন্থের লেখক বিস্মিত হয়েছেন।"এর অর্থ হলো, এই অনুলিপিটির তারিখ সুলতান মাওলে ইসমাইলের শাসনামলের দিকে ফিরে যায়, যা ১০৮২ হিজরি থেকে ১১৩৯ হিজরি পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩১৬, প্রতি পৃষ্ঠায় লাইন সংখ্যা ২০ এবং এর পরিমাপ ২৪ বাই ১৭ সেন্টিমিটার।৮- আল-খিজানা আল-হাসানিয়া পাণ্ডুলিপি নম্বর ৩০৩০:এরপর আমরা ইবনে বতুতার একটি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য অনুলিপি দেখতে পাই। এটি সেই অনুলিপি যা সুলতান মাওলে হাসান (প্রথম)-এর মজলিসে পাঠ করা হতো এবং যার ওপর ১৮৭৭ (১২৯৪ হিজরি) সালে কিছু রাজকীয় অভিযানের সময় তাঁর চাচা আমির মাওলে আব্বাস টীকা প্রদান করেছিলেন। «৮»আমি প্রয়োজনের সময় এই অনুলিপিটির শরণাপন্ন হতাম। কারণ প্রথমত, প্রথম খণ্ডের প্রথম পাতার প্রারম্ভিক অংশে (দিবাজাহ) ইবনে জুযাই কর্তৃক লিখিত "ভূমিকা" ইবনে বতুতার নামে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হয়নি! এটি আমার কাছে এর নির্ভরযোগ্যতার একটি প্রমাণ ছিল। তদুপরি, এটি ছিল আমার পূর্ববর্তী মাওলে আব্বাসের ব্যবহৃত অনুলিপি। আমরা জানি যে, তেতুয়ান যুদ্ধের সময় মরক্কোর সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হওয়ার পাশাপাশি তিনি অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের সংস্কৃতিবান এবং কূটনীতিতে পারদর্শী ব্যক্তি ছিলেন। সুলতান আবু ইনান ত্রিপোলিকে মুক্ত করার জন্য যে উদার দান করেছিলেন, তা পড়ার সময় আমির মাওলে আব্বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বটীকা উল্লেখ করা সম্ভবত উপকারী হবে।এই টীকাটির গুরুত্ব এ কারণে যে, ১৮৬০ সালে স্পেন যখন তেতুয়ান দখল করেছিল, তখন স্পেনীয়দের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মরক্কো কর্তৃক বিশ মিলিয়ন রিয়াল প্রদানের ক্ষেত্রে মাওলে আব্বাস মরক্কো ও স্পেনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ছিলেন … টীকাটিতে বলা হয়েছে: "… মানুষ প্রকৃত ঘটনা না জানার কারণে মরক্কোর এই দানকে বিশাল মনে করেছিল, অথচ তারা জানত না যে যদি পরিস্থিতি আগের মতোই থাকত তবে দেশ ভয়াবহ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতো … !!" কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, আমরা আরও একটি টীকা দেখতে পাই।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
ورقة من المخطوطة رقم 151 من الخزانة الحسنيه،
আল-খিজানাতুল হাসানিয়্যার ১৫১ নম্বর পাণ্ডুলিপির একটি পৃষ্ঠা,
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
المخطوطة رقم 3030 التي كانت تصحب تحركات السلطان مولاي الحسن وتحتوي على تعليقات بخط الأمير مولاي العباس قائد الجيش المغربي في حرب تطوان. الورقة الأولى من السفر الأول.
পাণ্ডুলিপি নম্বর ৩০৩০ যা সুলতান মৌলে হাসানের সফরের সময় তাঁর সাথে থাকত এবং এতে তেতুয়ান যুদ্ধে মরক্কোর সেনাবাহিনীর সেনাপতি আমির মৌলে আব্বাসের হস্তাক্ষরে লিখিত টীকা বিদ্যমান। প্রথম খণ্ডের প্রথম পৃষ্ঠা।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الورقة الأخيرة من السفر الثاني من المخطوطة 3030
৩০৩০ নম্বর পাণ্ডুলিপির দ্বিতীয় খণ্ডের সর্বশেষ পত্র।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
تقول في آخر ورقة من المخطوط:" الحمد لله فرغنا من مطالعة جميع الرحلة المباركة في يوم الأربعاء الخامس من شهر شعبان عام أربعة وتسعين ومائتين وألف (15 غشت 1877) بمحلّة مولانا أمير المؤمنين المؤيد بنصر الله الكريم المتين مولانا الحسن بن أخينا سيدي محمد رحمه الله، أدام الله نصره في الخافقين وأعانه بمنه آمين وأعلى مناره في علّيين، ببلاد زمور بقرب؟ ضاية رومي … "عدد أوراق المخطوط بسفريها 714، مسطرتها 21 مقياسها 29 على 21.9) مخطوطة الخزانة العامة «9» رقم 2399/ك:هي السّفر الثاني من الرحلة وكانت في الأصل ملكا للخزانة الكتانية، ولذلك يرمز لها بحرف الكاف. أوراقها تصل إلى 360 ورقة، مسطرتها 19 سطرا، مقياسها: 24- 18.النسخة خيطت بالغلط على نحو النسخة السابقة التي تحمل في الخزانة الحسنية رقم 8488، وهي مبتورة الأول على عادة معظم المخطوطات، لكن البتر البيّن فيها والذي كان على ما يبدو متعمدا هو الذي يتصل بزيارة ابن بطوطة للأندلس. وموضوع الزيارة هذا هو الذي اهتم به المستشرق المعروف الأستاذ ليفي بروفنصال الذي كان على ما نعلم، صديقا للشيخ عبد الحي الكتاني. فلا يبعد أن يكون الشيخ أعاره هذه الورقات الخاصة بالأندلس فلم يعدها بروفنصال إلى صاحبها على عكس ما كان بالنسبة لمخطوطة صلة الصلة لابن الزبير «10» وهذه النسخة الكتانية لها شبه بالنسخة التي تحمل رقم 8488 في الخزانة الحسنية في ضبطها وتوثيقها وتصحيحها اعتمادا على النسخة الأصلية على ما يبدو من بعض الهوامش التي كتبها الشيخ الكتاني رحمه الله …
পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে: "সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা এই বরকতময় সফরের সম্পূর্ণ অধ্যয়ন সমাপ্ত করেছি ১২৯৪ হিজরি সালের ৫ই শাবান, বুধবার (১৫ আগস্ট ১৮৭৭), মহান দয়াময় ও শক্তিশালী আল্লাহর সাহায্যের ধন্য আমাদের নেতা আমীরুল মুমিনীন, আমাদের নেতা হাসান ইবনে আমাদের ভাই সিদি মুহাম্মাদ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর শিবিরের অবস্থানে; আল্লাহ উভয় জগতে তাঁর বিজয় অব্যাহত রাখুন এবং তাঁর অনুগ্রহে তাঁকে সাহায্য করুন, আমীন, আর ইল্লিয়্যিনে তাঁর মর্যাদাকে সুউচ্চ করুন, জিম্মুর অঞ্চলের দাইয়াত রুমি-র নিকটে … "পাণ্ডুলিপিটির উভয় খণ্ড মিলে পৃষ্ঠাসংখ্যা ৭১৪, এর প্রতি পৃষ্ঠার লাইন সংখ্যা ২১ এবং পরিমাপ ২৯ বাই ২১।৯) আল-খিজানাতুল আম্মাহ-এর পাণ্ডুলিপি «৯» নম্বর ২৩৯৯/কাফ:এটি সফরের দ্বিতীয় খণ্ড এবং মূলত এটি কাত্তানিয়া গ্রন্থাগারের মালিকানাধীন ছিল, তাই একে 'কাফ' বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পৃষ্ঠাসংখ্যা ৩৬০ পর্যন্ত, প্রতি পৃষ্ঠার লাইন সংখ্যা ১৯ এবং পরিমাপ ২৪-১৮।কপিটি ভুলবশত হাসানিয়া গ্রন্থাগারের ৮৪৮৮ নম্বর আগের কপিটির মতো সেলাই করা হয়েছে। অধিকাংশ পাণ্ডুলিপির মতোই এর শুরু থেকে কিছু অংশ বিচ্ছিন্ন, তবে এর মধ্যে যে সুস্পষ্ট বিচ্ছিন্নতা রয়েছে যা দৃশ্যত ইচ্ছাকৃত বলে মনে হয়, তা হলো ইবনে বতুতার আন্দালুস সফরের বর্ণনার সাথে সংশ্লিষ্ট অংশ। এই সফরের বিষয়টি প্রখ্যাত প্রাচ্যবিদ প্রফেসর লেভি প্রোভেনসালকে বিশেষভাবে আগ্রহী করেছিল, যিনি আমাদের জানামতে শায়খ আব্দুল হাই আল-কাত্তানির বন্ধু ছিলেন। তাই এমন হওয়া অসম্ভব নয় যে, শায়খ তাঁকে আন্দালুস সম্পর্কিত এই পৃষ্ঠাগুলো ধার দিয়েছিলেন এবং প্রোভেনসাল তা তার মালিকের কাছে আর ফেরত দেননি, যা ইবনুয যুবায়েরের 'সিলাতুস সিলা' (১০) পাণ্ডুলিপির ক্ষেত্রে যা ঘটেছিল তার বিপরীত। এই কাত্তানিয়া কপিটির সাথে হাসানিয়া গ্রন্থাগারের ৮৪৮৮ নম্বর কপির মিল রয়েছে এর বিন্যাস, প্রমাণীকরণ এবং মূল কপির ওপর ভিত্তি করে সংশোধনের ক্ষেত্রে, যা শায়খ কাত্তানি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) কর্তৃক লিখিত কিছু পার্শ্বটিকা থেকে প্রতীয়মান হয় …
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
مخطوطة الخزانة العامة رقم 2399/ك، وتقتصر على السفر الثاني، وتعتبر من أوثق النسخ وأقربها إلى عصر المؤلف … مبتور الأول … والوسط، الورقة الأولى.
আল-খিজানাতুল আম্মাহ পাণ্ডুলিপি নম্বর ২৩৯৯/কাফ, এবং এটি দ্বিতীয় খণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ, এটি অন্যতম নির্ভরযোগ্য অনুলিপি এবং লেখকের সময়ের সবচেয়ে নিকটবর্তী হিসেবে বিবেচিত … প্রথমাংশ বিচ্ছিন্ন … এবং মধ্যভাগ, প্রথম পাতা।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
الورقة الأخيرة من مخطوط الخزانة العامة رقم 2399/ك
আল-খিজানাতুল আম্মাহর ২৩৯৯/কাফ নং পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পৃষ্ঠা।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
10- مخطوطة الخزانة العامة رقم:D 2541هذه نسخة" كاملة" بالخزانة العامة لكنها تبتدىء بنسبة المقدمة لابن بطوطة! " قال الشيخ الفقيه السائح الثقة أبو عبد الله محمد بن إبراهيم اللواتي الطنجي شمس الدين ابن بطوطة المعروف بالشريف الغرناطي تغمده الله برحمته".وكان الفراغ من انتساخ السّفر الأول يوم 20 محرم 1133 وانتهى نسخ السفر الثاني صبيحة يوم الخميس الرابع من صفر الخير عام ثلاث وثلاثين ومائة وألف …عدد أوراقها: 499، مسطرتها 32 سطرا … مقياسها 28/21.11- مخطوطة الخزانة العامة 247 ق:هذه المخطوطة" مما امتن الله به على الزاوية الناصرية" اكتمل نسخها يوم الأحد مستهل شهر رجب الفرد المبارك عام ستة وعشرين وتسعمائة عرّفنا الله خيره".ويلاحظ حرف (القاف) الذي يقترن بالرقم- وهو يشير للأوقاف-. والمخطوط فعلا من مخطوطات الأوقاف على الزاوية المذكورة.نسخة مكتوبة بعناية كبيرة، وقد صورت بالميكروفيلم الذي يحمل رقم 325.عدد أوراق المجلد 452، مسطرته 19، مقياسه 29 على 20. وتحمل هذه النسخة الناصرية عددا من الطرر المفيدة والطريفة، فقد علق صاحبها مثلا على قول: إن أم المؤمنين عائشة سمعت الحديث في موضع بجامع دمشق: قال: إن هذا خطأ صراح! فإن عائشة توفيت قبل بناء المسجد بمدة كثيرة … والعجب من ابن جزي كيف أثبت هذا مع علمه واطلاعه. وكتبه محمد المكي بن محمد ناصر الذي كان بفاس عام 1160، ولقى شيخه الأديب محمد ونّان التواتي الملّوكي «11» .12- مخطوطة الخزانة العامة 248 ق:هذه المخطوطة مما" نسخ لخزانة مولانا السلطان أمير المسلمين أبي عبد الله محمد الشيخ من دولة بني وطّاس نصر الله أعلامه وأمدّ في خير وعافية أيامه" … فهي تحمل تاريخ شهر رمضان المعظم من سنة تسع وثمانين وثمانمائة: 889. والغريب في هذه النسخة أنها تشعرنا بأن كتاب الرحلة قسم على أسفار وليس على سفرين، وهكذا فإن هذا السفر الذي نعت بالثاني إنما هو تكملة للجزء الأول فهو يبتدئ بأخبار سلطان شيراز …
১০- আল-খিজানাহ আল-আম্মাহ পাণ্ডুলিপি নম্বর: D ২৫৪১এটি আল-খিজানাহ আল-আম্মাহ-তে রক্ষিত একটি "পূর্ণাঙ্গ" অনুলিপি, তবে এটি ইবনে বতুতার নামে ভূমিকাটি আরোপ করার মাধ্যমে শুরু হয়েছে! "ফকিহ শায়খ, পর্যটক ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-লাওয়াতি আত-তানজি শামসউদ্দীন ইবনে বতুতা, যিনি আশ-শরিফ আল-গরনাতি হিসেবে পরিচিত—আল্লাহ তাঁকে তাঁর রহমতের চাদরে আবৃত করুন—বলেন।"প্রথম খণ্ডটি অনুলিপি করার কাজ ১১৩৩ হিজরির ২০ মুহাররম সমাপ্ত হয় এবং দ্বিতীয় খণ্ডটির অনুলিপি সম্পন্ন হয় ১১৩৩ হিজরি বছরের বরকতময় সফর মাসের চার তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে ...এর পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৯৯, প্রতি পৃষ্ঠায় ৩২টি লাইন ... এর মাপ ২৮/২১।১১- আল-খিজানাহ আল-আম্মাহ ২৪৭ ক্বাফ:এই পাণ্ডুলিপিটি "আল্লাহর পক্ষ থেকে জাবিয়া আন-নাসিরিয়ার জন্য বিশেষ অনুগ্রহের অংশ", এর অনুলিপি ৯২৬ হিজরি সনের বরকতময় একক রজব মাসের প্রথম দিন রবিবারে সম্পন্ন হয়েছে, আল্লাহ আমাদের এর কল্যাণ সম্পর্কে অবগত করুন।লক্ষ্যণীয় যে, সংখ্যার সাথে (ক্বাফ) অক্ষরটি যুক্ত রয়েছে—যা আওকাফ (ওয়াকফ) নির্দেশ করে। আর পাণ্ডুলিপিটি বাস্তবিকই উল্লিখিত জাবিয়ার আওকাফভুক্ত পাণ্ডুলিপিসমূহের অন্তর্ভুক্ত।এটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে লেখা একটি অনুলিপি, যা ৩২৫ নম্বর মাইক্রোফিল্মের মাধ্যমে ধারণ করা হয়েছে।খণ্ডটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৫২, প্রতি পৃষ্ঠায় ১৯টি লাইন, মাপ ২৯ বাই ২০। এই নাসিরিয়া পাণ্ডুলিপিটিতে বেশ কিছু দরকারী ও চমৎকার পার্শ্বটীকা রয়েছে; উদাহরণস্বরূপ, এর লেখক একটি বক্তব্যের ওপর মন্তব্য করেছেন যে, মুমিন জননী আয়েশা দামেস্কের জামে মসজিদের একটি স্থানে হাদিস শুনেছেন: তিনি বলেন: এটি একটি স্পষ্ট ভুল! কারণ মসজিদ নির্মাণের অনেক আগেই আয়েশা ইন্তেকাল করেছেন ... ইবনে জুযাইয়ের জ্ঞান ও পাণ্ডিত্য থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে এটি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করলেন, তা বিস্ময়কর। এটি লিখেছেন মুহাম্মদ আল-মাক্কি বিন মুহাম্মদ নাসির, যিনি ১১৬০ হিজরিতে ফেজে ছিলেন এবং তাঁর শায়খ প্রথিতযশা সাহিত্যিক মুহাম্মদ ওন্নান আত-তাওয়াতি আল-মাল্লুকির সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন।১২- আল-খিজানাহ আল-আম্মাহ ২৪৮ ক্বাফ:এই পাণ্ডুলিপিটি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত যা "আমাদের অভিভাবক সুলতান আমিরুল মুসলিমিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আশ-শায়খ—যিনি বানু ওয়াত্তাস রাজবংশের—তাঁর কুতুখানায় রাখার জন্য অনুলিপি করা হয়েছে, আল্লাহ তাঁর পতাকাসমূহকে বিজয় দান করুন এবং তাঁর জীবনকাল কল্যাণ ও নিরাপত্তার সাথে দীর্ঘায়িত করুন" ... এটি ৮৮৯ হিজরি সালের মহান রমজান মাসের তারিখ বহন করে। এই পাণ্ডুলিপির অদ্ভুত বিষয়টি হলো এটি আমাদের এই ধারণা দেয় যে সফরনামার বইটি বেশ কয়েকটি খণ্ডে বিভক্ত ছিল, কেবল দুটি খণ্ডে নয়। এভাবে, যে খণ্ডটিকে দ্বিতীয় খণ্ড হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, সেটি মূলত প্রথম খণ্ডের পরিশিষ্ট মাত্র এবং এটি শিরাজের সুলতানের সংবাদ দিয়ে শুরু হয়েছে ...
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
المخطوطة رقم 2541/د- وهي تنعت ابن بطوطة بالشريف الغرناطي؟
পাণ্ডুলিপি নং ২৫৪১/দ—যা ইবনে বতুতাকে ‘শরিফ আল-গরনাতি’ হিসেবে অভিহিত করে?
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
المخطوطة رقم 247 ق- من الخزانة العامة، وقد كانت تابعة للزاوية الناصرية في تامگروت جنوب المغرب، وتعتبر من النسخ المصححة.
পাণ্ডুলিপি নম্বর ২৪৭ ক- সাধারণ গ্রন্থাগার থেকে সংগৃহীত, যা দক্ষিণ মরক্কোর তামগ্রুতের নাসিরি জাবিয়ার অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এটি একটি সংশোধিত অনুলিপি হিসেবে বিবেচিত।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
الورقة الأخيرة من المخطوطة رقم 248 ق، السفر الثاني، نسخت برسم السلطان محمد الشيخ من دولة بني وطّاس.
২৪৮ ক নং পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পাতা, দ্বিতীয় খণ্ড, বনু ওয়াত্তাস সাম্রাজ্যের সুলতান মুহাম্মদ আশ-শাইখের জন্য অনুলিপি করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
وحتى نعرف عن مدى اهتمام الملوك الوطاسيين بالرحلة وتيسيرها للعامة لقراءتها، وجدنا أن هذه النسخة المخصصة للخزانة الملكية «12» تشكل شكلا تاما … ويلاحظ أن عليها طابع الزاوية الناصرية، وكانت تحمل فيها رقم 1070. وتعتبر هذه النسخة من أقدم النسخ التي تتوفر عليها الخزائن المغربية. ويحمل الميكروفيلم لهذه المخطوطة رقم 326.ويدل بعض أوراقها، بما تحمله من تعاليق وطرر، على أن الحجاج المغاربة وخاصة منهم المثقفين كانوا يصحبون معهم رحلة ابن بطوطة للاستئناس بها.عدد الأوراق 262 المسطرة 17 المقياس 28- 17.13- مخطوطة خزانة وزّان 31:هذه نسخة تحتوي على السّفرين الاثنين من الرحلة، كنت وقفت على أثرها منذ صيف 1941 لما زرت خزانة وزان لأول مرة أيام قاضي المدينة الفقيه ابن جلون رحمه الله وكتبت عنها مذكرة ما تزال ضمن مقيداتي.ويبتدئ السّفر الأول بعد البسملة على العادة هكذا:" قال الشيخ الإمام الفقيه الصالح الثقة أبو عبد الله بن ابراهيم اللواتي الطنجي المعروف بابن بطوطة رحمه الله ورضي عنه … "وقد كانت في ملك بعض الأشراف من أهل وزان: محمد بن عبد الجبار بن علي بن أحمد وانتقلت إلى ولده محمد ثم دخلت في أحباس المسجد الأعظم بالشراء من ورثة الشريف أعلاه …وينتهي السفر الثاني بذكر تاريخ النسخ الذي هو سنة 1211، أوراقها: الأول 201 ورقة، والثاني 124 ورقة (كل ورقة بها صفحتان) مسطرتها 19 مقياسها 22- 17.14- مخطوطة خزانة مراكش رقم 412:هذه النسخة الأنيقة تحتوي على السّفرين معا في مجلّد واحد" وكان الفراغ من تسويدها لستّ ليال خلون من جمادى الأولى صبيحة يوم الجمعة سنة تسع ومائة وألف.وبالنسخة خروم" قليلة في الصفحات الأولى، وكانت حبسا عام 1158 من السلطان مولاي عبد الله على مسجد القطب سيدي أبي العباس أحمد السبتي دفين مراكش عام 601 هـ.
এমনকি ওয়াত্তাসি রাজাদের এই ভ্রমণকাহিনীর প্রতি কতটা আগ্রহ ছিল এবং সাধারণ জনগণের পড়ার জন্য এটি কতটা সহজলভ্য করে তোলা হয়েছিল তা জানতে গিয়ে আমরা দেখতে পাই যে, রাজকীয় গ্রন্থাগারের জন্য সংরক্ষিত এই ১২ নম্বর পাণ্ডুলিপিটি একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পরিগ্রহ করেছে … লক্ষ্য করা যায় যে, এতে জাউয়িয়া নাসিরিয়ার সিলমোহর রয়েছে এবং এটিতে ১০৭০ নম্বরটি অঙ্কিত ছিল। এই পাণ্ডুলিপিটি মরক্কোর গ্রন্থাগারগুলোতে বিদ্যমান প্রাচীনতম পাণ্ডুলিপিগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পাণ্ডুলিপির মাইক্রোফিল্ম নম্বর হলো ৩২৬।এর কিছু পাতায় থাকা টীকা ও প্রান্তীয় মন্তব্যসমূহ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, মরক্কোর হাজীরা, বিশেষ করে তাদের মধ্যে যারা শিক্ষিত ছিলেন, তারা মানসিক খোরাক ও বিনোদনের জন্য ইবনে বতুতার সফরনামা সাথে রাখতেন।পাতার সংখ্যা ২৬২, লাইনের সংখ্যা ১৭, মাপ ২৮-১৭।১৩- ওয়াজ্জান গ্রন্থাগারের পাণ্ডুলিপি ৩১:এটি এমন একটি সংস্করণ যাতে ভ্রমণকাহিনীর দুটি খণ্ডই বিদ্যমান। ১৯৪১ সালের গ্রীষ্মকালে আমি প্রথমবার যখন ওয়াজ্জান গ্রন্থাগার পরিদর্শন করি, তখন আমি এর সন্ধান পেয়েছিলাম। সেই সময় শহরের কাজী ছিলেন ফকিহ ইবনে জাল্লুন (আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন)। আমি এটি সম্পর্কে একটি নোট লিখেছিলাম যা এখনও আমার সংকলনগুলোর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।প্রথা অনুযায়ী বিসমিল্লাহর পর প্রথম খণ্ডটি এভাবে শুরু হয়েছে: "শাইখ, ইমাম, ফকিহ, সৎকর্মশীল ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব আবু আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম আল-লাওয়াতি আত-তানজি, যিনি ইবনে বতুতা নামে পরিচিত (আল্লাহ তার ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) তিনি বলেছেন … "এটি ওয়াজ্জান নিবাসী কিছু আশরাফ বা সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির মালিকানাধীন ছিল: মুহাম্মদ বিন আব্দুল জব্বার বিন আলী বিন আহমদ; অতঃপর এটি তার পুত্র মুহাম্মদের নিকট হস্তান্তরিত হয়। এরপর উপরে উল্লিখিত সেই সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির ওয়ারিশদের কাছ থেকে ক্রয়ের মাধ্যমে এটি মাসজিদুল আজমের ওয়াকফভুক্ত হয় …দ্বিতীয় খণ্ডটি অনুলিপি করার তারিখ উল্লেখের মাধ্যমে শেষ হয়েছে যা হলো ১২১১ হিজরি। এর পাতা সংখ্যা: প্রথম খণ্ড ২০১ পাতা এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১২৪ পাতা (প্রতি পাতায় দুই পৃষ্ঠা রয়েছে), লাইনের সংখ্যা ১৯, মাপ ২২-১৭।১৪- মারাক্কেশ গ্রন্থাগারের পাণ্ডুলিপি নম্বর ৪১২:এই মার্জিত সংস্করণটিতে একই সাথে এক খণ্ডে দুটি ভাগই রয়েছে। এর পাণ্ডুলিপি তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছিল ১১০৯ হিজরি সালের জুমাদাল উলা মাসের ছয় রাত অতিবাহিত হওয়ার পর শুক্রবার সকালে।পাণ্ডুলিপিটির প্রথম পৃষ্ঠাগুলোতে সামান্য কিছু অংশ বিচ্যুতি বা ছেঁড়া রয়েছে। এটি ১১৫৮ হিজরিতে সুলতান মুলাই আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে কুতুব সিদি আবুল আব্বাস আহমদ আস-সাবতি (মৃত্যু ৬০১ হিজরি, মারাক্কেশে সমাহিত) এর মসজিদের জন্য ওয়াকফ করা হয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
রিহলাতু ইবনে বাতুতাহ ত আকাদেমিয়াহ আল-মামলাকাহ আল-মাগরিবিয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
الورقة الأولى والأخيرة من مخطوطة خزانة المسجد الأعظم لمدينة وزان رقم 31 وهي تحتوي على السفرين كاملين، وكانت ملكا للشريف سيدي محمد بن عبد الجبار بن علي بن أحمد الوزّاني.
ওজান শহরের আল-মসজিদ আল-আযম গ্রন্থাগারের ৩১ নম্বর পাণ্ডুলিপির প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠা। এটি পূর্ণাঙ্গ দুটি খণ্ড সম্বলিত এবং এটি শরীফ সিদি মুহাম্মদ বিন আব্দুল জব্বার বিন আলী বিন আহমদ আল-ওয়াজ্জানির মালিকানাধীন ছিল।