(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: -)
تاريخ واسط   (بحشل)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: تاريخ واسط

المؤلف: أسلم بن سهل بن أسلم بن حبيب الرزّاز الواسطي، أبو الحسن، بَحْشَل (ت 292 هـ)

تحقيق: كوركيس عواد [ت 1413 هـ]

الناشر: عالم الكتب، بيروت

الطبعة: الأولى، 1406 هـ

عدد الصفحات: 359

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ওয়াসিতের ইতিহাস   (বাহশাল)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমষ্টি


গ্রন্থ: ওয়াসিতের ইতিহাস

লেখক: আসলাম বিন সাহল বিন আসলাম বিন হাবীব আর-রাজজাজ আল-ওয়াসিতি, আবুল হাসান, বাহশাল (মৃত্যু ২৯২ হিজরী)

তাহকীক: কুরকিস আওয়াদ [মৃত্যু ১৪১৩ হিজরী]

প্রকাশক: আলামুল কুতুব, বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৬ হিজরী

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৫৯

[বইটির পৃষ্ঠাসংখ্যা মূল মুদ্রণকপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: -)
أسلم بن سهل بن أسلم بن زياد بن حبيب الرزّاز، أبو الحسن المعروف ببحشل الواسطي

 

مؤرخ ومحدث وكاتب. كان من أهالي واسط ومنسوب إلى محلة الرزّازين، المحلة السفلى بواسط، ومسجده وداره هناك.

وكان ممن ضرب بسهم وافر في علم الحديث، حتى عدّه المؤرخون محدّث واسط في عصره، وكان من كبار الحفّاظ الثقات، إماماً، ثبتاً، صدوقاً. وكان لا مزيد عليه في الحفظ والإتقان.

سمع أسلم من أبيه، كما سمع من جدّه لأمّه: وهب بن بقية، ومن عمّ أبيه سعيد بن زياد، ومن محمد بن أبي نعيم، وسليمان بن أحمد الشامي، ومحمد بن خالد الطحان، ومحمد بن الصباح الجرجرائي، ومحمد بن أبان الواسطي، وطبقتهم ممّن كان موجوداً بعد الثلاثين ومائتين.

وحدّث عنه: أبو بكر محمد بن عثمان بن سمعان المعدّل، ومحمد بن عبد الله بن يوسف، وإبراهيم بن يعقوب الهمداني، وعلي بن حميد البزّاز، ومحمد بن جعفر بن الليث الواسطي، وأبو القاسم الطبراني، وآخرون.

لم نجد بين المؤرخين الذين تطرّقوا لذكر أسلم، من أشار إلى سنة ولادته.

أما سنة وفاته، فقد اختلفوا فيها بعض الاختلاف. فذكر ياقوت الحموي أنه «مات في سنة 288 قبلها أو بعدها بقليل» ، ولكنّ الذهبي عيّن سنة وفاته بالذات، فقال أنه «توفي سنة اثنتين وتسعين ومائتين» .
আসলাম বিন সাহল বিন আসলাম বিন যিয়াদ বিন হাবীব আর-রাযযায, আবুল হাসান, যিনি বাহশাল আল-ওয়াসিতী নামে পরিচিত।

 

ইতিহাসবিদ, মুহাদ্দিস এবং লেখক। তিনি ওয়াসিতের অধিবাসী ছিলেন এবং ওয়াসিতের নিম্ন এলাকা আর-রাযযাযীন মহল্লার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। সেখানে তাঁর মসজিদ ও বাড়ি অবস্থিত ছিল।

হাদীস শাস্ত্রে তাঁর ব্যাপক অবদান ছিল, এমনকি ঐতিহাসিকগণ তাঁকে তাঁর সময়ের ওয়াসিতের মুহাদ্দিস হিসেবে গণ্য করতেন। তিনি বড় মাপের নির্ভরযোগ্য হাফেজ (হাদীস বিশারদ), ইমাম, সুদৃঢ় এবং সত্যবাদী ছিলেন। মুখস্থশক্তি ও নিখুঁত বর্ণনায় তাঁর সমকক্ষ কেউ ছিল না।

আসলাম তাঁর পিতার নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। এছাড়াও তিনি তাঁর মাতামহ ওয়াহাব বিন বাকিয়্যাহ, তাঁর পিতার চাচা সাঈদ বিন যিয়াদ, মুহাম্মদ বিন আবি নুআইম, সুলাইমান বিন আহমাদ আশ-শামী, মুহাম্মদ বিন খালিদ আত-তাহহান, মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আল-জারজারাঈ, মুহাম্মদ বিন আবান আল-ওয়াসিতী এবং ২৩০ হিজরীর পরবর্তী সময়কালে বিদ্যমান তাঁদের সমপর্যায়ের মুহাদ্দিসদের নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন।

তাঁর নিকট থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন উসমান বিন সামআন আল-মুআদ্দাল, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ, ইব্রাহীম বিন ইয়াকুব আল-হামাদানী, আলী বিন হুমাইদ আল-বাযযায, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আল-লাইস আল-ওয়াসিতী, আবুল কাসিম আত-তাবারানী এবং আরও অনেকে।

আসলামের কথা উল্লেখ করেছেন এমন ঐতিহাসিকদের মধ্যে আমরা কাউকে পাইনি যিনি তাঁর জন্মসালের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

তাঁর মৃত্যুর সাল নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ রয়েছে। ইয়াকুত আল-হামাউয়ী উল্লেখ করেছেন যে, "তিনি ২৮৮ হিজরীতে বা তার সামান্য আগে বা পরে মৃত্যুবরণ করেছেন"। তবে ইমাম আয-যাহাবী তাঁর মৃত্যুর সঠিক সাল নির্ধারণ করে বলেছেন যে, "তিনি ২৯২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন"।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٥)
‌‌مقدمة المحقق

-‌‌ 1- تمهيد

كان مما اتّخذه المجمع العلمي العراقي من قرارات، العمل على «إحياء» طائفة من المؤلفات العربية القديمة. بالتحقيق والنشر. وقد تفضّل، فعهد الي بتحقيق واحد منها، وهو كتاب «تاريخ واسط» ، تأليف أسلم بن سهل الرزّاز الواسطي المعروف ببحشل، المتوفّى سنة 292 هـ (905 م) .

ولم يكن «تاريخ واسط» هذا من المؤلفات الجديدة عليّ. فان لي به صحبة قديمة ترجع الى سنين طويلة. ذلك انني كنت وقفت في سنة 1938 على نسخة منه منقولة عن نسخة قديمة فريدة، فقرأتها ونشرت عنها بحثا «1» مستفيضا قبل نحو من ثلاثين عاما، تضمّن تعريفا حسنا بالكتاب وبمؤلفه، واشتمل على «نصوص» مختارة من هذا السفر، كانت في واقع الأمر، أول مادة تنشر من هذا الكتاب.

ويسرّني اليوم، أن أضع بين أيدي القرّاء، متن هذا الكتاب، على النحو الذي انتهى الينا في نسخته الخطية الفريدة التي سلمت من غوائل الدهر.

ولا شك في انّ هذا المؤلّف، وهو أقدم كتاب يوضع في تاريخ مدينة
গবেষকের ভূমিকা

-‌‌ ১- ভূমিকা

ইরাকি সায়েন্টিফিক একাডেমি গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল প্রাচীন আরবি রচনাবলির একটি অংশকে গবেষণা ও প্রকাশের মাধ্যমে ‘পুনরুজ্জীবিত’ করার কাজ করা। একাডেমি সদয় হয়ে আমাকে এগুলোর মধ্য থেকে একটির সম্পাদনার দায়িত্ব অর্পণ করে, যা হলো আসলাম বিন সাহল আর-রাজ্জাজ আল-ওয়াসিতি (যিনি বাহশাল নামে পরিচিত, মৃত্যু ২৯২ হি./৯০৫ খ্রি.) রচিত ‘তারিখ ওয়াসিত’ (ওয়াসিতের ইতিহাস) গ্রন্থটি।

এই ‘তারিখ ওয়াসিত’ গ্রন্থটি আমার কাছে নতুন কোনো বিষয় ছিল না। কেননা এর সাথে আমার দীর্ঘ বছরের পুরনো পরিচয় রয়েছে। বিষয়টি হলো, ১৯৩৮ সালে আমি এর একটি পাণ্ডুলিপির সন্ধান পাই যা একটি প্রাচীন ও অনন্য পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করা হয়েছিল। তখন আমি এটি পাঠ করি এবং আজ থেকে প্রায় ত্রিশ বছর আগে এ সম্পর্কে একটি বিস্তারিত গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করি। তাতে গ্রন্থ ও গ্রন্থকার সম্পর্কে উত্তম পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছিল এবং এই পাণ্ডুলিপি থেকে নির্বাচিত কিছু ‘মূল পাঠ’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল; যা প্রকৃতপক্ষে ছিল এই কিতাব থেকে প্রকাশিত হওয়া সর্বপ্রথম বিষয়বস্তু।

আজ আমি পাঠকদের সামনে এই কিতাবের মূল পাঠটি এমনভাবে উপস্থাপন করতে পেরে আনন্দিত, যেভাবে তা কালের বিবর্তনে টিকে থাকা অনন্য এক হাতে লেখা পাণ্ডুলিপির মাধ্যমে আমাদের নিকট এসে পৌঁছেছে।

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই গ্রন্থটি কোনো শহরের ইতিহাসে রচিত প্রাচীনতম গ্রন্থ...
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٦)
واسط، سيكون مرجعا للمؤرّخ والبلداني بوجه عام، وللمحدّث بوجه خاص. وذلك للعناية القصوى التي صرفها مؤلفه في ذكر أشهر محدّثي مدينة واسط الذين نشأوا فيها، أو الذين قدموا اليها، حتى أواخر القرن الثالث للهجرة، وما كان لكل منهم من علم برواية الحديث.

ولا يسعني في هذا المقام، إلا أن أتقدم ببالغ الشكر الى المجمع العلمي العراقي، لتفضّله بالمساعدة على نشر هذا الكتاب.

والله ولي التوفيق.

كوركيس عواد
ওয়াসিত (শহর সম্পর্কিত এই গ্রন্থটি) সাধারণভাবে ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকদের জন্য এবং বিশেষভাবে হাদিস বিশারদগণের জন্য একটি আকর গ্রন্থ বা রেফারেন্স হিসেবে গণ্য হবে। কারণ এর লেখক হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত ওয়াসিত শহরের সেই সকল প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসদের বর্ণনায় সর্বোচ্চ যত্ন ব্যয় করেছেন যারা সেখানে জন্মগ্রহণ করেছেন অথবা সেখানে আগমন করেছেন, এবং হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে তাদের প্রত্যেকের যে জ্ঞান ও পাণ্ডিত্য ছিল তা ফুটিয়ে তুলেছেন।

এই মুহূর্তে ইরাকি সায়েন্টিফিক একাডেমিকে এই গ্রন্থটি প্রকাশে তাদের সদয় সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো আমার কর্তব্য বলে মনে করি।

আল্লাহই তাওফিকের মালিক।

কুরকিস আওয়াদ
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٧)
-‌‌ 2- مخطوطة الكتاب

لهذا الكتاب، نسخة قديمة فريدة في الخزانة التيمورية بدار الكتب في القاهرة (رقم 1483 تاريخ) . سقط شيء يسير من أولها ومن أثنائها:

فهي تنقص ورقة أو ورقتين من مقدمة الكتاب. كما منيت بثلاثة اسقاط اخرى مجهولة المقدار، يقع أولها عند الصفحة 8، وثانيها عند الصفحة 11، وثالثها عند الصفحة 45، وقد مسّت الرطوبة أطرافها، فحالت كتابة المخطوطة وتشوّهت في بعض المواضع، وأضحت قراءتها عسيرة لا تخلو أن تكون مغلقة في بعض الأحيان.

وقوام هذه المخطوطة 98 ورقة، في كل صفحة من صفحاتها 21 سطرا. وخطها معتاد. ولم تسلم سياقة أوراقها- على ما انتهت الينا-، من تشوّش واضطراب. فحصل فيها تقديم وتأخير. ثم جلّدت بهذا الوجه المشوّش المضطرب ورقّمت أوراقها ترقيما حديثا على نحو ما جلّدت به، مما حال بيننا وبين إثبات أرقام صفحات هذه النسخة في تضاعيف النصّ الذي ننشره اليوم.

كان الفراغ من كتابة هذه المخطوطة، في يوم الأحد 18 شهر ربيع الأول سنة 629 هـ (13 كانون الثاني 1232) . وفي الصفحات الخمس من آخرها، سماعات وقراءات للكتاب، فيها ذكر لأشخاص عديدين كان لهم حظّ سماع هذا الكتاب او قراءته.
২- গ্রন্থের পাণ্ডুলিপি

এই গ্রন্থের একটি প্রাচীন ও অনন্য পাণ্ডুলিপি কায়রোর দারুল কুতুবের আল-খিজানাতুত তাইমুরিয়্যায় (নং ১৪৮৩ ইতিহাস) সংরক্ষিত আছে। এর শুরু থেকে এবং মাঝখান থেকে সামান্য কিছু অংশ বিলুপ্ত হয়েছে:

এতে গ্রন্থের ভূমিকা থেকে এক বা দুই পৃষ্ঠা কম রয়েছে। একইভাবে এটি আরও তিনটি অজ্ঞাত পরিমাণের বিলুপ্তির শিকার হয়েছে; যার প্রথমটি ৮ নম্বর পৃষ্ঠায়, দ্বিতীয়টি ১১ নম্বর পৃষ্ঠায় এবং তৃতীয়টি ৪৫ নম্বর পৃষ্ঠায়। আর্দ্রতা এর প্রান্তভাগকে স্পর্শ করেছে, ফলে পাণ্ডুলিপির লেখা বিবর্ণ হয়ে গেছে এবং কিছু স্থানে বিকৃত হয়ে পড়েছে, যার ফলে এর পাঠোদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং মাঝে মাঝে তা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

এই পাণ্ডুলিপিটি ৯৮টি পত্র নিয়ে গঠিত, যার প্রতি পৃষ্ঠায় ২১টি করে লাইন রয়েছে। এর লিপি সাধারণ মানের। আমাদের নিকট এটি যেভাবে পৌঁছেছে, তাতে এর পাতাগুলোর বিন্যাস বিশৃঙ্খলা ও ওলটপালট থেকে মুক্ত ছিল না। ফলে এতে অগ্র-পশ্চাৎ ঘটে গিয়েছে। অতঃপর এই বিশৃঙ্খল ও ওলটপালট অবস্থাতেই এটি বাঁধাই করা হয়েছে এবং যেভাবে বাঁধাই করা হয়েছে সেই অনুযায়ী পাতাগুলোতে আধুনিক সংখ্যায়ন করা হয়েছে; যা আমাদের জন্য বর্তমানে প্রকাশিত পাঠ্যের ভেতরে এই পাণ্ডুলিপির মূল পৃষ্ঠা নম্বরগুলো নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পাণ্ডুলিপিটি প্রতিলিপি করার কাজ শেষ হয়েছিল ৬২৯ হিজরির ১৮ই রবিউল আউয়াল, রবিবার (১৩ই জানুয়ারি ১২৩২ খ্রিস্টাব্দ)। এর শেষ পাঁচটি পৃষ্ঠায় গ্রন্থটির শ্রবণ ও পাঠের বিবরণ রয়েছে, যাতে এমন অনেক ব্যক্তির উল্লেখ আছে যারা এই গ্রন্থটি শোনার বা পাঠ করার সুযোগ লাভ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٨)
لقد كان اعتمادنا في تحقيق الكتاب، على ما يأتي:

1- نسخة مصوّرة بالفوتستات عن هذه النسخة التيمورية، محفوظة في شعبة المخطوطات من مكتبة المتحف العراقي ببغداد، برقم 462 «1» . وقد كانت فيما سبق من مقتنيات خزانة كتب الأب أنستاس ماري الكركملي ببغداد، أم أهديت الى المتحف «2» .

2- نسخة منقولة عن النسخة التيمورية. كتبها بخط نسخيّ واضح، حسن زيدان طلبة، النسّاخ في دار الكتب المصرية «3» . وهي الآن في مكتبة المتحف العراقي، برقم (6 مخطوطات) «4» . وقد فرغ ناسخها من كتابتها عن النسخة المتقدّم وصفها، في يوم الخميس 12 جمادى الآخرة سنة 1356 هـ (19 آب 1937) . وقد رمزنا الى هذه النسخة في حواشينا، بحرف «ح» وهو الحرف الأول من «حسن» اسم ناسخها المذكور.

ونودّ أن نقول إننا انتفعنا كثيرا بهذه النسخة، لا سيما حين وجدنا بعض المواطن في النسخة المصوّرة واهية لم نظهر بجلاء. هذا الى كون الناسخ قد عني عناية فائقة بتقويم الخلل الحاصل في تسلسل أوراق الكتاب، على ما
আমরা এই বইটি সম্পাদনার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করেছি:

১- এই তাইমুরিয়া পাণ্ডুলিপিটির একটি ফটোস্ট্যাট কপি, যা বাগদাদের ইরাকি মিউজিয়াম লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি বিভাগে ৪৬২ নম্বরে সংরক্ষিত রয়েছে «১»। এটি ইতিপূর্বে বাগদাদের ফাদার আনাস্তাস মারি আল-কারামলির ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারের সংগ্রহে ছিল, অথবা এটি জাদুঘরে উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়েছিল «২»।

২- তাইমুরিয়া পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা একটি কপি। এটি স্পষ্ট নাসখ লিপিতে লিখেছেন হাসান যাইদান তলাবাহ, যিনি মিশরের দারুল কুতুবের একজন লিপিকার ছিলেন «৩»। এটি বর্তমানে ইরাকি মিউজিয়াম লাইব্রেরিতে (৬ পাণ্ডুলিপি) নম্বরে সংরক্ষিত আছে «৪»। এর লিপিকার পূর্বে বর্ণিত পাণ্ডুলিপি থেকে এটি লিখে শেষ করেছেন বৃহস্পতিবার ১২ জমাদিউল আখিরাত ১৩৫৬ হিজরি (১৯ আগস্ট ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দ) তারিখে। আমরা আমাদের পাদটীকাগুলোতে এই পাণ্ডুলিপিটিকে 'হা' বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করেছি, যা এর উল্লিখিত লিপিকারের নাম 'হাসান'-এর প্রথম অক্ষর।

আমরা বলতে চাই যে, আমরা এই কপিটি থেকে অনেক উপকৃত হয়েছি, বিশেষ করে যখন ফটোস্ট্যাট কপির কিছু অংশ অস্পষ্ট ছিল এবং পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। তদুপরি, লিপিকার বইটির পৃষ্ঠাগুলোর ক্রমবিন্যাসের ত্রুটি সংশোধনে অত্যন্ত সযত্ন দৃষ্টি প্রদান করেছেন, যা...
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٩)
سبقت الاشارة اليه. ولكننا، مع ذلك، عثرنا في تضاعيفها على كلمات وجمل كثيرة سها الناسخ عن كتابتها، أو قرأها على غير ما ينبغي ان تقرأ به.

تتألف هذه النسخة من 265 صفحة، في كلّ منها 21 سطرا. وقد كتبت العناوين فيها ورؤوس الفقرات بالحمرة.

وقد اتّخذنا ترقيم صفحاتها أساسا لنا في الأرقام التي أثبتناها بين عضادتين [] في طبعتنا للكتاب، وذلك لتعذّر إثبات صفحات النسخة الأصلية، على ما أسلفنا.

-‌‌ 3- صفة الكتاب

تناول المؤلف في كتابه هذا:

1- نبذة في بناء مدينة واسط، وذكر خططها، وشيء من أخبارها.

2- ذكر أسماء من اشتهر من أبنائها في القرنين الثاني والثالث للهجرة.

وقد تخلل ذلك إشارات الى أسماء بعض المواضع والقرى الواسطية.

ولم يكن من نهج المؤلف، حين ذكر الأشخاص الواسطيين، ان يورد تراجمهم أو يدوّن أخبارهم على نحو ما هو مألوف في كتب التراجم والسير.

وانما اقتصر على ذكر رواة الحديث من أهل واسط، أو ممن طرأ عليها.

فأورد في الغالب بعض ما روى كل منهم من أحاديث نبوية.

وعلى ذلك فهذا الكتاب، هو الى علم الحديث أقرب منه الى علم التاريخ. ولو انّ المؤلف أسمى كتابه «تاريخ محدّثي واسط» ، أو «كتاب المحدّثين من رجال واسط» لطابق هذا العنوان فحوى الكتاب.
এ বিষয়ে পূর্বেই ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও, আমরা এর অভ্যন্তরে এমন বহু শব্দ ও বাক্য খুঁজে পেয়েছি যা অনুলিখনকারী লিখতে ভুল করেছেন অথবা সেগুলোকে পাঠ করার সঠিক নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে পাঠ করেছেন।

এই পাণ্ডুলিপিটি ২৬৫ পৃষ্ঠা বিশিষ্ট, যার প্রতি পৃষ্ঠায় ২১টি করে লাইন রয়েছে। এতে শিরোনাম এবং অনুচ্ছেদের শুরুগুলো লাল কালি দিয়ে লেখা হয়েছে।

বইটির আমাদের এই সংস্করণে আমরা থার্ড ব্র্যাকেটের [] মধ্যে যে সংখ্যাগুলো বসিয়েছি, তার ভিত্তি হিসেবে এই পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠাসংখ্যাকেই গ্রহণ করেছি; কারণ মূল পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠাগুলো হুবহু অনুসরণ করা অসম্ভব ছিল, যেমনটি আমরা আগে উল্লেখ করেছি।

-‌‌ ৩- গ্রন্থের বৈশিষ্ট্য

লেখক তাঁর এই গ্রন্থে আলোচনা করেছেন:

১- ওয়াসিত শহর নির্মাণের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, এর নগরায়ন পরিকল্পনা এবং এর ঘটনাবলির কিয়দাংশ।

২- হিজরি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীতে এই শহরের প্রখ্যাত ব্যক্তিদের নাম।

এর মধ্যে ওয়াসিতের কিছু স্থান ও গ্রামের নামের প্রতিও ইঙ্গিত করা হয়েছে।

ওয়াসিতের ব্যক্তিদের উল্লেখ করার ক্ষেত্রে জীবনী ও ইতিহাস গ্রন্থের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তাঁদের পূর্ণাঙ্গ জীবনী বা বিবরণ লিপিবদ্ধ করা লেখকের কর্মপদ্ধতি ছিল না।

বরং তিনি কেবল ওয়াসিতের স্থায়ী বাসিন্দা অথবা সেখানে আগমনকারী হাদিস বর্ণনাকারীদের উল্লেখ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন।

ফলে তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁদের প্রত্যেকের বর্ণিত কিছু নববী হাদিস উল্লেখ করেছেন।

সে অনুযায়ী, এই গ্রন্থটি ইতিহাস শাস্ত্রের চেয়ে হাদিস শাস্ত্রের অধিক নিকটবর্তী। লেখক যদি তাঁর বইটির নাম 'ওয়াসিতের মুহাদ্দিসগণের ইতিহাস' অথবা 'ওয়াসিতের মুহাদ্দিসগণের পরিচয় গ্রন্থ' রাখতেন, তবে এই শিরোনামটি গ্রন্থের মূল বিষয়ের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ হতো।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٠)
وفي وسعنا القول، إنّ «تاريخ واسط» ، الى فائدته التاريخية، يضيف الى كتب الحديث ورجاله مرجعا جديدا ذا أهمية بالغة.

ولا نعدم أن نجد بين المؤلفين القدامى للتصانيف التاريخية، من جرى في وضع كتابه على غرار ما صنعه مؤلف هذا الكتاب:

فكتاب «تاريخ الرّقّة» للقشيري، و «تاريخ داريّا» للخولاني، و «فضائل الشام ودمشق» للربعي، و «تاريخ بغداد مدينة السلام» ، للخطيب البغدادي، و «تاريخ مدينة دمشق» لابن عساكر، قريبة الشبه بما رمى اليه مؤلف تاريخ واسط من كتابه، على بعد الشقّة بينهم في الزمن، وتفاوت الغرض.

وعلى هذا، فانّ أول من بدأ التأليف في تواريخ البلدان، المحدّثون، إذ كان ذلك حاجة من حاجات علمهم «5» .

وقد يصحّ القول، انّ التواريخ المحلية، أعني التواريخ التي أفردت للمدن، جرى مؤلفوها على نمط واحد خاص بها. فهي تتكون من «مقدمة طبغرافية، يتلوها تعداد للشخصيات التي ولدت، أو عاشت، أو كان لها اتصال ما بذلك المكان. وكانت هذه الشخصيات في البداية مقتصرة على علماء الدين.. وهذا النوع من التاريخ المحلّي، نشأ عن الحاجة الى زيادة الحيطة من اختلاف الأحاديث المكذوبة، بتقرير مواطن الرواة. وأقدم ما وصلنا من هذا النوع، هو تاريخ واسط الذي ألّفه بحشل في أواخر القرن التاسع للميلاد» «6» .

وأول جيل تناولهم بحشل في تاريخه، هم من جاء واسطا من صحابة الرسول، ممن خدمه ورآه ونقل حديثه وسمع كلامه «7» .
আমরা এ কথা বলতে পারি যে, ‘তারিখে ওয়াসিত’ (ওয়াসিতের ইতিহাস) তার ঐতিহাসিক উপযোগিতার পাশাপাশি হাদিস ও রিজাল শাস্ত্রের গ্রন্থসমূহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নতুন উৎস যোগ করে।

ঐতিহাসিক সংকলনসমূহের প্রাচীন লেখকদের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে পেতে আমরা ব্যর্থ হব না, যিনি তাঁর গ্রন্থটি রচনার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থের লেখকের অনুসৃত পদ্ধতির অনুরূপ পথ অবলম্বন করেছেন:

কুশাইরির ‘তারিখে রাক্কা’, খাওলানির ‘তারিখে দারায়্যা’, রাব‘য়ির ‘ফাযায়িলে শাম ওয়া দিমাশক’, খতিব বাগদাদির ‘তারিখে বাগদাদ মদিনাতুস সালাম’ এবং ইবনে আসাকিরের ‘তারিখে মদিনাতে দিমাশক’—এই গ্রন্থগুলো ‘তারিখে ওয়াসিত’-এর লেখকের উদ্দেশ্যের সাথে যথেষ্ট সাদৃশ্যপূর্ণ, যদিও তাদের মধ্যকার সময়ের ব্যবধান অনেক এবং উদ্দেশ্যের ভিন্নতা রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে, শহরগুলোর ইতিহাস রচনায় যারা সর্বপ্রথম হাত দিয়েছিলেন তাঁরা হলেন হাদিস বিশারদগণ; কেননা এটি ছিল তাঁদের ইলমের অন্যতম প্রয়োজন।

এ কথা বলা হয়তো সঠিক হবে যে, আঞ্চলিক ইতিহাস—অর্থাৎ শহরগুলোর জন্য নির্দিষ্ট ইতিহাসসমূহ—রচনাকারীরা তাঁদের নিজস্ব একটি বিশেষ ধারা অনুসরণ করেছেন। এগুলো সাধারণত একটি ‘ভৌগোলিক উপক্রমণিকা দিয়ে শুরু হয়, যার পর ওই স্থানে জন্ম নেওয়া, বসবাস করা অথবা ওই স্থানের সাথে কোনোভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকা বর্ণনা করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এই ব্যক্তিত্বরা কেবল ধর্মীয় আলেমদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। এই ধরণের আঞ্চলিক ইতিহাসের উদ্ভব হয়েছিল বর্ণনাকারীদের আবাসস্থল নির্ধারণের মাধ্যমে মিথ্যা হাদিসের সংমিশ্রণ থেকে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা থেকে। এই ধারার গ্রন্থগুলোর মধ্যে আমাদের কাছে পৌঁছানো প্রাচীনতম গ্রন্থটি হলো ‘তারিখে ওয়াসিত’, যা নবম শতাব্দীর শেষভাগে বাহশাল রচনা করেছিলেন’।

বাহশাল তাঁর ইতিহাসে সর্বপ্রথম যে প্রজন্মের বর্ণনা দিয়েছেন, তাঁরা হলেন রাসূলের সেই সকল সাহাবী যাঁরা ওয়াসিতে এসেছিলেন—যাঁরা তাঁর সেবা করেছেন, তাঁকে দেখেছেন, তাঁর হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর কথা শুনেছেন।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١١)
وقد دوّن بحشل عن كلّ مترجم، أخبارا مقتضبة جدا، «تقتصر عموما على ذكر الراوية، وأحاديثه، ومن روى عنه وحديثهم، ورواية المنسوب الى ذلك الراوي للتعريف بمركز كل شخصية في العلم ودرجة توثيقه» «8» .

-‌‌ 4- الكتب المؤلفة قديما في تاريخ واسط

نظرا الى ما كان لمدينة واسط من شأن عظيم في تاريخ العراق، فقد استرعت اهتمام غير واحد من المؤلفين القدامى، فأفردوا لتاريخها مؤلفات خاصة بها، وقفنا على ذكرها في ما بيدنا من مراجع موثوق بها. انّ تلك التواريخ الواسطية، هي:

1- تاريخ واسط «9» : لأسلم بن سهل الرزاز الواسطيّ، المتوفى سنة 292 هـ (905 م) . وهو هذا الكتاب الذي ننشره اليوم ونضعه في أيدي القراء.

يعدّ هذا السفر أقدم تاريخ وضع لمدينة واسط، بل انه من أقدم التصانيف الموضوعة في تواريخ المدن الاسلامية. وفي تضاعيف مقدمتنا لهذا الكتاب، ترجمة مؤلفه من التعريف بالكتاب نفسه.

2- الذيل على تاريخ واسط «10» : لابي الحسن علي بن محمد بن محمد بن
বাহশাল প্রত্যেক জীবনীকৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সংবাদ লিপিবদ্ধ করেছেন, যা সাধারণত «বর্ণনাকারী, তার হাদিসসমূহ, তার থেকে যারা বর্ণনা করেছেন এবং তাদের হাদিসসমূহ উল্লেখ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ, আর সেই বর্ণনাকারীর সাথে সংশ্লিষ্ট বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে যাতে ইলমের ময়দানে প্রত্যেকের অবস্থান এবং তাদের নির্ভরযোগ্যতার স্তর সম্পর্কে পরিচয় পাওয়া যায়» «৮»।

-‌‌ ৪- ওয়াসিতের ইতিহাসে প্রাচীনকালে রচিত গ্রন্থসমূহ

ইরাকের ইতিহাসে ওয়াসিত শহরের যে মহান মর্যাদা ছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে এটি একাধিক প্রাচীন লেখকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল, ফলে তারা এর ইতিহাসের জন্য স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন, নির্ভরযোগ্য যেসব উৎস আমাদের হাতে আছে সেগুলোতে আমরা সেগুলোর উল্লেখ পেয়েছি। ওয়াসিতের সেই ইতিহাস গ্রন্থগুলো হলো:

১- তারিখু ওয়াসিত «৯» : আসলাম ইবনে সাহল আল-রাজ্জাজ আল-ওয়াসিতী (মৃত্যু ২৯২ হি./ ৯০৫ খ্রি.) প্রণীত। এটি সেই কিতাব যা আজ আমরা প্রকাশ করছি এবং পাঠকদের হাতে তুলে দিচ্ছি।

এই গ্রন্থটি ওয়াসিত শহরের জন্য রচিত সবচেয়ে প্রাচীন ইতিহাস হিসেবে গণ্য করা হয়, বরং এটি ইসলামি শহরগুলোর ইতিহাসের ওপর রচিত প্রাচীনতম সংকলনগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই কিতাবের জন্য লিখিত আমাদের ভূমিকার বিভিন্ন অংশে লেখকের জীবনী এবং কিতাবটির পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।

২- আদ-দাইল আলা তারিখি ওয়াসিত «১০» : আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٢)
الطيّب الجلّابي، المعروف بابن المغازلي، المؤرخ، المتوفى سنة 483 هـ (1090 م) . جعله ذيلا على تاريخ واسط لبحشل. وقد فقد.

قال السمعاني فيه: «من أهل واسط العراق. كان فاضلا عارفا برجالات واسط وحديثهم. وكان حريصا على سماع الحديث وطلبه. رأيت له ذيل التاريخ لواسط وطالعته وانتخبت منه» «11» .

3- محاسن أهل واسط والبصرة: تأليف عماد الدين الاصبهاني الكاتب، المتوفى سنة 597 هـ (1201 م) . وهو باب واسع من أبواب موسوعته «خريدة القصر وجريدة العصر» . هذا القسم الواسطي من الكتاب لم يطبع. ومنه نسخة خطية في خزانة جامعة ليدن «12» ، برقم 1125. وهو يقع من المخطوط بين الورقة 1333 ب- 179 ب. وقد آثرنا سلكه في هذا الصنف من المؤلفات، لأنه لو أفرد وطبع، لقام منه كتيب في نحو من مائة صفحة.

4- تاريخ واسط «13» : لأبي عبد الله محمد بن سعيد بن يحيى بن علي بن حجاج الدبيثي «14» الواسطي «15» ، الحافظ المؤرخ، المتوفى سنة
আত-তাইয়িব আল-জাল্লাবি, যিনি ইবনুল মাগাজিলি নামে পরিচিত, একজন ইতিহাসবিদ, মৃত্যু ৪৮৩ হিজরি (১০৯০ খ্রিস্টাব্দ)। তিনি বাহশালের 'তারিখে ওয়াসিত'-এর পরিশিষ্ট হিসেবে এটি রচনা করেছিলেন। তবে এটি হারিয়ে গেছে।

আস-সামআনি তার সম্পর্কে বলেছেন: «তিনি ইরাকের ওয়াসিতের অধিবাসী ছিলেন। তিনি একজন বিদ্বান এবং ওয়াসিতের ব্যক্তিবর্গ ও তাদের হাদিস সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিলেন। তিনি হাদিস শ্রবণ ও অন্বেষণে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। আমি ওয়াসিতের ইতিহাসের ওপর তার রচিত পরিশিষ্টটি দেখেছি, তা পাঠ করেছি এবং তা থেকে তথ্য নির্বাচন করেছি» «১১»।

৩- মাহাসিনু আহলি ওয়াসিত ওয়াল বসরা: ইমাদউদ্দীন আল-ইসফাহানি আল-কাতিবের রচনা, মৃত্যু ৫৯৭ হিজরি (১২০১ খ্রিস্টাব্দ)। এটি তার বিশ্বকোষীয় গ্রন্থ ‘খারীজাতুল কাসর ওয়া জারীদাতুল আসর’-এর একটি বিস্তৃত অধ্যায়। গ্রন্থের ওয়াসিত সংক্রান্ত এই অংশটি মুদ্রিত হয়নি। এর একটি পাণ্ডুলিপি লিডেন বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে «১২» ১১২৫ নম্বর অধীনে সংরক্ষিত আছে। পাণ্ডুলিপিটিতে এটি ১৩৩ খ - ১৭৯ খ পৃষ্ঠার মধ্যে অবস্থিত। আমরা এই শ্রেণির গ্রন্থাবলির মধ্যে একে অন্তর্ভুক্ত করা সমীচীন মনে করেছি, কারণ এটি যদি পৃথকভাবে সম্পাদিত ও মুদ্রিত হতো, তবে তা প্রায় একশ পৃষ্ঠার একটি ক্ষুদ্র গ্রন্থে রূপ নিত।

৪- তারিখে ওয়াসিত «১৩»: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আলি ইবনে হাজ্জাজ আদ-দুবাইসি «১৪» আল-ওয়াসিতি «১৫», হাফিজ ও ইতিহাসবিদ, মৃত্যু বছর
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٣)
637 هـ (1239 م) . ولا نعلم لهذا الكتاب نسخة ما، فهو اليوم في عداد المفقودات. وقد قال فيه بعض المؤرخين إنه «تاريخ كبير» «16» .

5- تاريخ واسط «17» : للسيد جعفر بن محمد بن الحسن المعروف بالجعفري «18» . وقد ضاع كسابقه.

6- تاريخ واسط: لكريم بن اسماعيل بن حبيب كاشف الغطاء المولود سنة 1355 هـ. ذكره محمد الهادي الاميني في معجم «رجال الفكر والأدب في النجف خلال الف عام» (ص 368- الرقم 1537) .

7- عجائب واسط: لابن المهذّب. ذكره الزركلي «19» في أثناء ترجمة السيد أحمد الرفاعي. ولم نقف على خبر نسخة منه.

-‌‌ 5- الدراسات والمباحث المنشورة عن مدينة واسط

حظيت مدينة واسط، بقسط واف من عناية المؤرخين والبلدانيين والآثاريين فكتبوا الفصول والنبذ للتعريف بهذه المدينة الاسلامية التي يرقى زمن تأسيسها الى القرن الأول للهجرة، ولوصف خططها والقرى المحيطة بها، ولذكر حوادثها التاريخية، ولا زاحة الستار عما كشف من آثارها القديمة.

وبين هذه المراجع، القديم، والحديث. وما كتب في العصر الحديث، نجد بعضه مدوّنا باللغة العربية، وبعضه الآخر باللغات الافرنجية. فعمدنا في هذا «الثبت الاجمالي» ، الى جمع؟؟؟ ت هذا وذاك، وترتيبه وفق السياقة الهجائية لشهرة مؤلفيه.
৬৩৭ হিজরি (১২৩৯ খ্রি.)। আমরা এই গ্রন্থের কোনো পাণ্ডুলিপি সম্পর্কে অবগত নই, বর্তমানে এটি নিখোঁজ তালিকার অন্তর্ভুক্ত। কোনো কোনো ইতিহাসবিদ একে "বৃহৎ ইতিহাস" «১৬» বলে অভিহিত করেছেন।

৫- তারিখে ওয়াসিত «১৭»: সাইয়্যিদ জাফর বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান, যিনি আল-জাফরি নামে পরিচিত «১৮»। এটিও আগেরটির ন্যায় হারিয়ে গিয়েছে।

৬- তারিখে ওয়াসিত: কারিম বিন ইসমাইল বিন হাবিব কাশিফ আল-গিতার রচনা, যিনি ১৩৫৫ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। মুহাম্মদ আল-হাদি আল-আমিনি এটি "মু'জামু রিজালিল ফিকর ওয়াল আদাব ফি নাজাফ খিলালা আলফি আম" (পৃষ্ঠা ৩৬৮- ক্রমিক ১৫৩৭)-এ উল্লেখ করেছেন।

৭- আজায়িবু ওয়াসিত: ইবনুল মুহাজ্জাব রচিত। আজ-জিরিকলি «১৯» সাইয়্যিদ আহমদ আর-রিফায়ির জীবনী আলোচনা করার সময় এটি উল্লেখ করেছেন। আমরা এর কোনো পাণ্ডুলিপির সংবাদের সন্ধান পাইনি।

-‌‌ ৫- ওয়াসিত শহর সম্পর্কে প্রকাশিত গবেষণা ও প্রবন্ধসমূহ

ওয়াসিত শহর ইতিহাসবিদ, ভূগোলবিদ ও প্রত্নতাত্ত্বিকদের গভীর মনোযোগ লাভ করেছে। ফলে তাঁরা এই ইসলামী শহরের পরিচিতি তুলে ধরার জন্য বিভিন্ন অধ্যায় ও নিবন্ধ রচনা করেছেন, যার প্রতিষ্ঠার সময়কাল হিজরি প্রথম শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত। তাঁরা এর নগর পরিকল্পনা ও পার্শ্ববর্তী গ্রামসমূহের বর্ণনা প্রদান, ঐতিহাসিক ঘটনাবলি উল্লেখ এবং শহরটির আবিষ্কৃত প্রাচীন নিদর্শনসমূহের রহস্য উন্মোচনে সচেষ্ট হয়েছেন।

এই সূত্রগুলোর মধ্যে যেমন প্রাচীন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আধুনিক। আধুনিক যুগে যা কিছু রচিত হয়েছে, তার কিছু আরবি ভাষায় এবং অন্যগুলো ইউরোপীয় ভাষায়। আমরা এই "সামগ্রিক তালিকায়" উভয় প্রকারের তথ্যসমূহ একত্রিত করার এবং লেখকদের নামের প্রসিদ্ধি অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করার চেষ্টা করেছি।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٤)
‌‌أ- المراجع العربية القديمة «20»

ابن الأثير: الواسطي. (اللباب في تهذيب الأنساب 3: 257) .

ابن بطوطة: مدينة واسط. (رحلة ابن بطوطة 2: 2- 5) .

ابن حوقل: واسط. (صورة الأرض 1: 239) .

ابن سعد: تسمية من كان بواسط من الفقهاء والمحدّثين (الطبقات الكبرى 7 [بيروت] ص 310- 316) .

ابن عبد الحقّ: واسط. (مراصد الاطّلاع 3 [ليدن] ص 269- 271؛ طبعة ايران. ص 411- 412؛ 3 [القاهرة] ص 1419) .

ابن الفقيه الهمداني: واسط. (مختصر كتاب البلدان. ص 93) .

ابن الفوطي: ذكر فتح المدرسة الشرقية الشرابية بواسط. (الحوادث الجامعة. ص 76) .

ابن كثير: بناء واسط. (البداية والنهاية في التاريخ 9: 51) .

ابن الوردي: واسط. (تتمة المختصر في أخبار البشر 1: 179) .

-: واسط (خريدة العجائب. ص 52) .

أبو الفداء: واسط. (تقويم البلدان. ص 306- 307) .

اسحاق بن الحسين: ذكر مدينة واسط. (آكام المرجان. ص 16) .

الاصطخري: واسط. (كتاب الأقاليم. ص 46) .

-: واسط. (المسالك والممالك. طبعة ليدن. ص 82- طبعة القاهرة. ص 58) .

البكري: واسط. (معجم ما استعجم. طبعة القاهرة. ص 1363) .

البلاذري: أمر واسط العراق وأمر البطائح. (فتوح البلدان. ليدن. ص 289- 292- طبعة المنجّد. ص 355- 360) .

السمعاني: الواسطي. (الانساب. طبعة ليدن. ص 576) .
‌ক- প্রাচীন আরবি উৎসসমূহ «২০»

ইবনুল আসির: আল-ওয়াসিতি। (আল-লুবাব ফি তাহজিবিল আনসাব ৩: ২৫৭) ।

ইবনে বতুতা: ওয়াসিত শহর। (রিহলাত ইবনে বতুতা ২: ২- ৫) ।

ইবনে হাওকাল: ওয়াসিত। (সুরাতুল আরদ ১: ২৩৯) ।

ইবনে সাদ: ওয়াসিতে অবস্থানকারী ফকিহ ও মুহাদ্দিসগণের নামকরণ (আত-তাবাকাতুল কুবরা ৭ [বৈরুত] পৃ. ৩১০- ৩১৬) ।

ইবনে আব্দুল হক: ওয়াসিত। (মারাসিদুল ইত্তিলা ৩ [লাইডেন] পৃ. ২৬৯- ২৭১; ইরান সংস্করণ। পৃ. ৪১১- ৪১২; ৩ [কায়রো] পৃ. ১৪১৯) ।

ইবনুল ফাকিহ আল-হামদানি: ওয়াসিত। (মুখতাসারু কিতাবিল বুলদান। পৃ. ৯৩) ।

ইবনুল ফুতি: ওয়াসিতে আল-মাদরাসাতুশ শারকিয়্যাহ আশ-শারাবিয়্যাহ-এর উদ্বোধনের বিবরণ। (আল-হাওয়াদিসুল জামিআহ। পৃ. ৭৬) ।

ইবনে কাসির: ওয়াসিত নির্মাণ। (আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ফিত তারিখ ৯: ৫১) ।

ইবনুল ওয়ার্দি: ওয়াসিত। (তাতিন্মাতুল মুখতাসার ফি আখবারিল বাশার ১: ১৭৯) ।

-: ওয়াসিত (খারিদাতুল আজাইব। পৃ. ৫২) ।

আবুল ফিদা: ওয়াসিত। (তাকবিমুল বুলদান। পৃ. ৩০৬- ৩০৭) ।

ইসহাক বিন আল-হুসাইন: ওয়াসিত শহরের বিবরণ। (আকামুল মুরজান। পৃ. ১৬) ।

আল-ইসতাখরি: ওয়াসিত। (কিতাবুল আকালিম। পৃ. ৪৬) ।

-: ওয়াসিত। (আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক। লাইডেন সংস্করণ। পৃ. ৮২- কায়রো সংস্করণ। পৃ. ৫৮) ।

আল-বাকরি: ওয়াসিত। (মুজাম মা ইস্তা'জাম। কায়রো সংস্করণ। পৃ. ১৩৬৩) ।

আল-বালাজুরি: ইরাকের ওয়াসিত ও বাতাইহ-এর বিষয়াদি। (ফুতুহুল বুলদান। লাইডেন। পৃ. ২৮৯- ২৯২- আল-মুনজিদ সংস্করণ। পৃ. ৩৫৫- ৩৬০) ।

আস-সামআনি: আল-ওয়াসিতি। (আল-আনসাব। লাইডেন সংস্করণ। পৃ. ৫৭৬) ।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٥)
الشابشتي: عمر كسكر. (الديارات. ط 2 ص 274- 283) .

شمس الدين الدمشقي: واسط. (نخبة الدهر في عجائب البرّ والبحر. ص 186 و 272) .

القزويني: واسط. آثار البلاد وأخبار العباد. طبعة غوطا. ص 320- 322- طبعة بيروت 1960 ص 478- 480) .

المسعودي: واسط العراق، (التنبيه والاشراف. طبعة ليدن. ص 360- طبعة القاهرة. ص 311) .

المقدسي: واسط. (أحسن التقاسيم. ص 118- 119) .

الهرويّ: مدينة واسط. (الاشارات الى معرفة الزيارات. ص 80) .

ياقوت الحموي: واسط. (المشترك وضعا والمفترق صقعا. ص 431- 433) .

-: واسط. (معجم البلدان 4 [ليبسك] ص 881- 888) .

اليعقوبي: واسط. (البلدان. طبعة ليدن. ص 322- طبعة النجف. ص 83- 84) .

-: تاريخ اليعقوبي. (طبعة ليدن 2: 233؛- طبعة النجف 3:

23) .

‌‌ب- المراجع العربية الحديثة

أبو النصر (عمر) : بناء واسط. (الحجاج بن يوسف حاكم العراقين.

بيروت 1938؛ ص 166- 167) .

أحمد جمال الدين: معجم جغرافية واسط: معلومات عن جغرافية واسط ومواقع مدنها وأنهارها وآثارها. (سومر 13 [بغداد 1957] ص 119- 147) .

أحمد عيسى (الدكتور) : بيمارستان واسط. (تاريخ البيمارستانات في الاسلام. القاهرة 1939؛ ص 198) .
আশ-শাবাশতি: উমর কাসকার। (আদ-দিয়ারাত। ২য় খণ্ড, পৃ. ২৭৪-২৮৩) ।

শামস আদ-দীন আদ-দিমাশকী: ওয়াসিত। (নুখবাতুদ দাহর ফি আজায়িবিল বাররি ওয়াল বাহর। পৃ. ১৮৬ ও ২৭২) ।

আল-কাযভিনি: ওয়াসিত। (আসারুল বিলাদ ওয়া আখবারুল ইবাদ। গোথা সংস্করণ। পৃ. ৩২০-৩২২— বৈরুত সংস্করণ ১৯৬০, পৃ. ৪৭৮-৪৮০) ।

আল-মাসউদি: ওয়াসিত আল-ইরাক, (আত-তানবিহ ওয়াল ইশরাফ। লাইডেন সংস্করণ। পৃ. ৩৬০— কায়রো সংস্করণ। পৃ. ৩১১) ।

আল-মাকদিসি: ওয়াসিত। (আহসানুত তাকাসিম। পৃ. ১১৮-১১৯) ।

আল-হারাভি: ওয়াসিত শহর। (আল-ইশারাত ইলা মা'রিফাতিয যিয়ারাত। পৃ. ৮০) ।

ইয়াকুত আল-হামাভি: ওয়াসিত। (আল-মুশতারাক ওয়াদ'আন ওয়াল মুফতারাখ সাক'আন। পৃ. ৪৩১-৪৩৩) ।

-: ওয়াসিত। (মু'জামুল বুলদান ৪ [লিপজিগ] পৃ. ৮৮১-৮৮৮) ।

আল-ইয়াকুবি: ওয়াসিত। (আল-বুলদান। লাইডেন সংস্করণ। পৃ. ৩২২— নাজাফ সংস্করণ। পৃ. ৮৩-৮৪) ।

-: তারিখুল ইয়াকুবি। (লাইডেন সংস্করণ ২: ২৩৩;— নাজাফ সংস্করণ ৩:

২৩) ।

‌‌খ- আধুনিক আরবি তথ্যসূত্রসমূহ

আবু আন-নাসর (উমর): ওয়াসিত নির্মাণ। (আল-হাজ্জাজ বিন ইউসুফ হাকিমুল ইরাকাইন। বৈরুত ১৯৩৮; পৃ. ১৬৬-১৬৭) ।

আহমদ জামালুদ্দিন: মু'জামু জুগরাফিয়াতু ওয়াসিত: ওয়াসিতের ভূগোল এবং এর শহরের অবস্থান, নদ-নদী ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সম্পর্কে তথ্যাবলী। (সুমের ১৩ [বাগদাদ ১৯৫৭] পৃ. ১১৯-১৪৭) ।

আহমদ ঈসা (ডক্টর): বিমারিস্তান ওয়াসিত। (তারিখুল বিমারিস্তানাত ফিল ইসলাম। কায়রো ১৯৩৯; পৃ. ১৯৮) ।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٦)
الأصيل (الدكتور ناجي) : واسط الحجاج. (سومر 1 [1945] الجزء 2 ص 10- 14.

بشير فرنسيس: المظاهر الفنية في عواصم العراق الاسلامية القديمة على ضوء الاكتشافات الحديثة: الكوفة، واسط، بغداد، سامراء. (سومر 4 [1948] ص 103- 112) .

-، كوركيس عواد: واسط. (سومر 8 [1952] ص 280) .

الدجيلي (عبد الحميد) : تاريخ واسط لبحشل. (الاعتدال 6 [النجف 1946] ص 59- 62) .

ذياب (فالح محمود) : وسط الامبراطورية العربية، أو مدينة واسط. ما عثر عليه المنقّبون في هذه المدينة التاريخية. (جريدة «البلاد» البغدادية.

19 آذار 1939) .

سركيس (يعقوب) : مدينة العلم العريقة: واسط. (البلاد 17 و 18 و 19 و 20 آب 1936. ثم أعاد نشرها في كتابه «مباحث عراقية» 1 [بغداد 1948] ص 22- 33) .

سفر (فؤاد) : واسط: نتائج الموسم السادس للتنقيب. (القاهرة 1952؛ 54 ص+ 22 ل) .

سوسة (الدكتور أحمد) : مدينة واسط. (ري سامراء في عهد الخلافة العباسية 2 [بغداد 1949] ص 431- 444) .

شاكر حسن سعيد: الخصائص الفنية والاجتماعية لرسوم [يحيى] الواسطي. (بغداد 1964؛ 20 ص) .

شرارة (عبد اللطيف) : واسط. (الحجاج طاغية العرب. بيروت 1950؛ ص 180- 181) .

الشرقي (علي) : بحث في واسط. (الاعتدال 1 [1933] ص 328- 332، 385، 389، 493- 502) .

الصكّار (سامي) : واسط. (سومر 1 [1945] ج 2. ص 150) .

علي بهجت: واسط. (قاموس الأمكنة والبقاع التي يرد ذكرها في كتب
আল-আসিল (ডক্টর নাজি): হাজ্জাজের ওয়াসিত। (সুমের ১ [১৯৪৫] খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১০- ১৪।

বাশির ফ্রান্সিস: আধুনিক আবিষ্কারের আলোকে প্রাচীন ইরাকি ইসলামি রাজধানীগুলোর শৈল্পিক বৈশিষ্ট্যসমূহ: কুফা, ওয়াসিত, বাগদাদ, সামাররা। (সুমের ৪ [১৯৪৮] পৃষ্ঠা ১০৩- ১১২)

-, কুরকিস আওয়াদ: ওয়াসিত। (সুমের ৮ [১৯৫২] পৃষ্ঠা ২৮০)

আদ-দুজাইলি (আব্দুল হামিদ): বাহশালের তারিখু ওয়াসিত (ওয়াসিতের ইতিহাস)। (আল-ইতিদাল ৬ [নাজাফ ১৯৪৬] পৃষ্ঠা ৫৯- ৬২)

জিয়াব (ফালিহ মাহমুদ): আরব সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু, অথবা ওয়াসিত নগরী। এই ঐতিহাসিক নগরীতে প্রত্নতাত্ত্বিকরা যা খুঁজে পেয়েছেন। (বাগদাদীয় «আল-বিলাদ» পত্রিকা।

১৯ মার্চ ১৯৩৯)

সারকিস (ইয়াকুব): ঐতিহ্যের জ্ঞাননগরী: ওয়াসিত। (আল-বিলাদ ১৭ ও ১৮ ও ১৯ ও ২০ আগস্ট ১৯৩৬। এরপর তিনি এটি তাঁর «মাবাহিস ইরাকিয়া» ১ [বাগদাদ ১৯৪৮] গ্রন্থে পুনরায় প্রকাশ করেন, পৃষ্ঠা ২২- ৩৩)

সাফার (ফুয়াদ): ওয়াসিত: ষষ্ঠ মৌসুমের খননকার্যের ফলাফল। (কায়রো ১৯৫২; ৫৪ পৃষ্ঠা + ২২ চিত্রফলক)

সুসা (ডক্টর আহমদ): ওয়াসিত নগরী। (আব্বাসীয় খিলাফত আমলে সামাররার সেচ ২ [বাগদাদ ১৯৪৯] পৃষ্ঠা ৪৩১- ৪৪৪)

শাকির হাসান সাঈদ: [ইয়াহইয়া] আল-ওয়াসিতির চিত্রকর্মের শৈল্পিক ও সামাজিক বৈশিষ্ট্যসমূহ। (বাগদাদ ১৯৬৪; ২০ পৃষ্ঠা)

শারারা (আব্দুল লতিফ): ওয়াসিত। (হাজ্জাজ: আরবদের স্বৈরশাসক। বৈরুত ১৯৫০; পৃষ্ঠা ১৮০- ১৮১)

আশ-শারকি (আলি): ওয়াসিত বিষয়ে গবেষণা। (আল-ইতিদাল ১ [১৯৩৩] পৃষ্ঠা ৩২৮- ৩৩২, ৩৮৫, ৩৮৯, ৪৯৩- ৫০২)

আস-সাক্কার (সামি): ওয়াসিত। (সুমের ১ [১৯৪৫] খণ্ড ২। পৃষ্ঠা ১৫০)

আলি বাহজাত: ওয়াসিত। (স্থান ও অঞ্চলের অভিধান যা বিভিন্ন কিতাবে বর্ণিত হয়েছে...
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٧)
الفتوح. (القاهرة 1906؛ ص 213) .

عوّاد (كوركيس) : مخطوطة في تاريخ واسط مدينة الحجاج. (الأخبار الاسبوعية 1 [بغداد 1938] العدد 7 ص 18- 19، العدد 8 ص 17- 18، العدد 9 ص 18- 19) .

-: تواريخ واسط. (المقتطف 105 [القاهرة 1944] ص 389) .

-: حول واسط والأخيضر. (سومر 3 [1947] ص 3- 11) .

-: لمحات في خزائن الكتب الواسطية. (الغري 8 [النجف 1947] ص 493- 494) .

-: المراجع عن واسط. (سومر 10 [1954] ص 68- 69) . ضمن مقال: «ما طبع عن بلدان العراق باللغة العربية» .

نسترنج (كي) : واسط. (بلدان الخلافة الشرقية. ترجمة بشير فرنسيس وكوركيس عواد. بغداد 1954؛ ص 59- 61) .

محمود رزق سليم: واسط. (الحجاج بن يوسف الثقفي. القاهرة 1957؛ ص 78- 80) .

المدوّر (جميل نخلة) : واسط. (حضارة الاسلام في دار السلام. بولاق 1936؛ ص 14- 17) .

مسكوني (يوسف) : واسط مدينة الحجاج. (النجم 10 [الموصل 1938] ص 377- 382) .

-: واسط مدينة الحجاج. (التفيض 1 [بغداد 1940] ص 332- 336) .

-: الصناعة والتجارة في واسط. (مجلة غرفة تجارة بغداد 5 [بغداد 1942] ص 721- 728؛ وسومر 5 [1949] ص 297- 507) .

-: نصارى كسكر وواسط قبيل الاسلام. (النور 1 [بغداد 1949- 50] العدد 1 ص 9- 16، العدد 2 ص 6- 10، العدد 4 ص 14- 16، العدد 6 ص 20- 22) .
আল-ফুতুহ। (কায়রো ১৯০৬; পৃ. ২১৩) .

আওয়াদ (কুরকিস): আল-হাজ্জাজের শহর ওয়াসিতের ইতিহাসে একটি পাণ্ডুলিপি। (আল-আখবার আল-উসবুইয়্যাহ ১ [বাগদাদ ১৯৩৮] সংখ্যা ৭ পৃ. ১৮-১৯, সংখ্যা ৮ পৃ. ১৭-১৮, সংখ্যা ৯ পৃ. ১৮-১৯) .

-: ওয়াসিতের ইতিহাসসমূহ। (আল-মুকতাতাফ ১০৫ [কায়রো ১৯৪৪] পৃ. ৩৮৯) .

-: ওয়াসিত এবং আল-উখাইদির প্রসঙ্গে। (সুমের ৩ [১৯৪৭] পৃ. ৩-১১) .

-: ওয়াসিতের গ্রন্থাগারগুলোর ওপর এক নজর। (আল-গারি ৮ [নাজাফ ১৯৪৭] পৃ. ৪৯৩-৪৯৪) .

-: ওয়াসিত সম্পর্কিত তথ্যসূত্র। (সুমের ১০ [১৯৫৪] পৃ. ৬৮-৬৯)। "আরবি ভাষায় ইরাকের শহরসমূহ সম্পর্কে যা মুদ্রিত হয়েছে" শীর্ষক প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত। .

লে স্ট্রেঞ্জ (জি): ওয়াসিত। (পূর্বীয় খিলাফতের দেশসমূহ। অনুবাদ: বশির ফ্রান্সিস এবং কুরকিস আওয়াদ। বাগদাদ ১৯৫৪; পৃ. ৫৯-৬১) .

মাহমুদ রিজক সেলিম: ওয়াসিত। (আল-হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ আস-সাকাফি। কায়রো ১৯৫৭; পৃ. ৭৮-৮০) .

আল-মুদাওয়ার (জামিল নাখলা): ওয়াসিত। (দারুস সালামে ইসলামের সভ্যতা। বুলাক ১৯৩৬; পৃ. ১৪-১৭) .

মাসকুনি (ইউসুফ): আল-হাজ্জাজের শহর ওয়াসিত। (আন-নাজম ১০ [মসুল ১৯৩৮] পৃ. ৩৭৭-৩৮২) .

-: আল-হাজ্জাজের শহর ওয়াসিত। (আত-তাফিদ ১ [বাগদাদ ১৯৪০] পৃ. ৩৩২-৩৩৬) .

-: ওয়াসিতে শিল্প ও বাণিজ্য। (বাগদাদ চেম্বার অব কমার্স ম্যাগাজিন ৫ [বাগদাদ ১৯৪২] পৃ. ৭২১-৭২৮; এবং সুমের ৫ [১৯৪৯] পৃ. ২৯৭-৫০৭) .

-: ইসলামের ঠিক পূর্বে কাসকার এবং ওয়াসিতের খ্রিস্টান সম্প্রদায়। (আন-নূর ১ [বাগদাদ ১৯৪৯-৫০] সংখ্যা ১ পৃ. ৯-১৬, সংখ্যা ২ পৃ. ৬-১০, সংখ্যা ৪ পৃ. ১৪-১৬, সংখ্যা ৬ পৃ. ২০-২২) .
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٨)
مصطفى جواد (الدكتور) : خراب واسط. (لغة العرب 9 [بغداد 1931] ص 615- 617) .

-: معجم مواضع واسط وأعيان واسطيّون من حملة العلم والأثر. (مجلة المجمع العلمي العراقي 8 [بغداد 1961] ص 114- 171) .

ناجي معروف: مدارس واسط. (المدارس الشرابية وواسط ومكة. بغداد 1965؛ ص 257- 301) . وقد أفرد هذا البحث في رسالة بعنوان «مدارس واسط» . بغداد 1966، 64 ص) .

الهاشمي (الخطيب علي بن الحسين) : سعيد بن جبير، أو شهيد واسط.

(بغداد 1380 هـ؛ 74 ص) .

واسطي [اسم مستعار] : كلمة حول واسط. (جريدة «الفضيلة] . العدد 38- 39 الصادر في الحلة في 16 أيار 1926) .

واصف (أمين) : واسط. (الفهرست: معجم الخريطة التاريخية للممالك الاسلامية. القاهرة 1916؛ ص 112) .

‌‌ج- المراجع الافرنجية

Brockelmann (C.) ، Geschichte der Arabischen Litteratur (5 vols.،

.Leiden، 1937- 1943)

.Creswell (K.A.C.) ، Early Muslim Architecture. (See:Index)

.Hamd- Allah Mustawfi of Qazwin (in 740 A.H.- 1340 A.D.) ، Wasit

(The Geographical Part of Nuzhat- Al Qulub.Translated By G.Le

.Strange. (Leiden 1919; P.53)

LeStrange (Guy) ، Wasit. (The Lands of The Eastern Caliphate.

. (Cambridge 1905; P.39- 40)

Minorsky (V.) ، Wasit. (Hudud Al- Alam:-- The Regions of The

World،، A Persian Geography:372 A.H.892 A.D.Trans-

.lated.Oxford 1937; P.138)

Perier (Jean) ، Vied'al- Hajjaj (Paris 1904; P.203- 213) .

Safar (Fuad) ، Wasit:The Sixth Season's Excavations. (Cairc 1945) .

Streck (M.) Wasit. (Die Alte Landschaft Babylonien nach den Arabis-

chen Geographen.Leiden 1900- 1901; PP.318- 333) .

--:Wasit، (Encyclopedie de l'Islam.Vol.IV Leiden 1934; pp.

(1192 -1188

.
মোস্তফা জাওয়াদ (ডক্টর): ওয়াসিতের ধ্বংস। (লুগাতুল আরব ৯ [বাগদাদ ১৯৩১] পৃ. ৬১৫-৬১৭) .

-: ওয়াসিতের স্থানসমূহ এবং ইলম ও আছারের বাহক ওয়াসিতী বরেণ্য ব্যক্তিবর্গের অভিধান। (ইরাকি সায়েন্টিফিক একাডেমি ম্যাগাজিন ৮ [বাগদাদ ১৯৬১] পৃ. ১১৪-১৭১) .

নাজি মারুফ: ওয়াসিতের মাদরাসাসমূহ। (শরবিয়া মাদরাসাসমূহ এবং ওয়াসিত ও মক্কা। বাগদাদ ১৯৬৫; পৃ. ২৫৭-৩০১)। এই গবেষণাটি «ওয়াসিতের মাদরাসাসমূহ» শিরোনামে একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধে প্রকাশিত হয়েছে। বাগদাদ ১৯৬৬, ৬৪ পৃ.)।

আল-হাশিমী (খতিব আলী বিন আল-হুসাইন): সাঈদ বিন জুবায়ের, অথবা ওয়াসিতের শহীদ।

(বাগদাদ ১৩৮০ হিজরী; ৭৪ পৃ.)।

ওয়াসিতী [ছদ্মনাম]: ওয়াসিত সম্পর্কে কিছু কথা। (পত্রিকা «আল-ফাদিলা»। সংখ্যা ৩৮-৩৯, হিল্লা থেকে ১৬ মে ১৯২৬ তারিখে প্রকাশিত)।

ওয়াসিফ (আমিন): ওয়াসিত। (আল-ফিহরিস্ত: ইসলামি সাম্রাজ্যসমূহের ঐতিহাসিক মানচিত্রের অভিধান। কায়রো ১৯১৬; পৃ. ১১২) .

‌‌গ- বিদেশি তথ্যসূত্রসমূহ

ব্রোকলম্যান (সি.), আরবি সাহিত্যের ইতিহাস (৫ খণ্ড,

লাইডেন, ১৯৩৭-১৯৪৩)

ক্রেসওয়েল (কে.এ.সি.), প্রারম্ভিক মুসলিম স্থাপত্য। (দেখুন: নির্ঘণ্ট)

কাজউইনের হামদুল্লাহ মুসতাওফী (৭৪০ হিজরী - ১৩৪০ খ্রিস্টাব্দে), ওয়াসিত

(নুজহাতুল কুলুব-এর ভৌগোলিক অংশ। জি. লে স্ট্রেঞ্জ কর্তৃক অনূদিত।

লাইডেন ১৯১৯; পৃ. ৫৩)

লে স্ট্রেঞ্জ (গাই), ওয়াসিত। (পূর্ব খিলাফতের ভূখণ্ডসমূহ।

ক্যামব্রিজ ১৯০৫; পৃ. ৩৯-৪০)

মাইনরস্কি (ভি.), ওয়াসিত। (হুদুদ আল-আলম:-- বিশ্বের অঞ্চলসমূহ,

একটি ফারসি ভূগোল: ৩৭২ হিজরী ৮৯২ খ্রিস্টাব্দ। অনূদিত।

অক্সফোর্ড ১৯৩৭; পৃ. ১৩৮)

পেরিয়ার (জিন), আল-হাজ্জাজের জীবনী (প্যারিস ১৯০৪; পৃ. ২০৩-২১৩)।

সাফার (ফুয়াদ), ওয়াসিত: ষষ্ঠ পর্যায়ের খননকার্য। (কায়রো ১৯৪৫)।

স্ট্রেক (এম.) ওয়াসিত। (আরবি ভূগোলবিদদের বর্ণনায় প্রাচীন ব্যবিলন অঞ্চল।

লাইডেন ১৯০০-১৯০১; পৃ. ৩১৮-৩৩৩)।

--: ওয়াসিত, (ইসলামি বিশ্বকোষ। ৪র্থ খণ্ড, লাইডেন ১৯৩৪; পৃ.

১১৮৮-১১৯২)

(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ١٩)
-‌‌ 6- ترجمة المؤلف

‌‌أ- اسمه:

هو أسلم بن سهل بن أسلم بن زياد بن حبيب الرزّاز، أبو الحسن المعروف ببحشل «21» الواسطي «22» .

والرزّاز: بفتح الراء وتشديد الزاي وبعدها ألف وفي آخرها زاي أخرى: يقال هذا لمن يبيع الرزّ «23» . وذكر غير واحد من المؤرخين، انّ الرزّاز منسوب الى محلة الرزّازين، المحلة السفلى بواسط، ومسجده هناك، وداره «24» .

ولم يكن أسلم أوحد من عرف ببحشل، فقد ذكر التاريخ قبله أحمد بن عبد الرحمن بن وهب القرشي بالولاء، أبا عبيد الله، المعروف ببحشل «25» ، المتوفى سنة 264 هـ (877 م) .

ولم تسلم لفظة بحشل من تصحيف. فقد وردت في بعض المراجع بصورة نحشل «26» ، وفي بعضها بصورة بحسل «27» .

وقد تناول اللغويون لفظة «بحشل» بالشرح والتفسير. والذي أجمعوا عليه في إيراد معناها، هو انّ البحشل والبحشلي من الرجال: الأسود الغليظ،
৬- লেখকের পরিচিতি

ক- তাঁর নাম:

তিনি হলেন আসলাম বিন সাহল বিন আসলাম বিন যিয়াদ বিন হাবিব আর-রাযযায, আবুল হাসান, যিনি বাহশাল «২১» আল-ওয়াসিতি «২২» নামে পরিচিত।

আর 'আর-রাযযায' হলো: রা বর্ণে ফাতহা (যবর), যা বর্ণে তাশদিদ, এরপর আলিফ এবং শেষে অপর একটি যা বর্ণ: এটি চাল বিক্রয়কারীর ক্ষেত্রে বলা হয় «২৩»। একাধিক ঐতিহাসিক উল্লেখ করেছেন যে, 'আর-রাযযায' শব্দটি ওয়াসিত শহরের নিম্নভাগে অবস্থিত রাযযাযিন মহল্লার সাথে সম্পর্কিত, এবং তাঁর মসজিদ ও বাড়ি সেখানেই ছিল «২৪»।

কেবল আসলামই বাহশাল নামে পরিচিত একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন না; ইতিহাস তাঁর পূর্বে আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওয়াহাব আল-কুরাশি (ওয়ালা সূত্রে), আবু উবাইদুল্লাহ-এর কথা উল্লেখ করেছে, যিনি বাহশাল «২৫» নামে পরিচিত ছিলেন এবং ২৬৪ হিজরিতে (৮৭৭ খ্রিস্টাব্দ) মৃত্যুবরণ করেন।

বাহশাল শব্দটি ভুল লিখন (তাসহিফ) থেকে মুক্ত থাকেনি। কিছু সূত্রে এটি 'নাহশাল' «২৬» রূপে এসেছে, আবার কোনো কোনোটিতে এটি 'বাহসাল' «২৭» রূপে এসেছে।

ভাষাবিদগণ 'বাহশাল' শব্দটির ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করেছেন। এর অর্থ বর্ণনায় তাঁরা যে বিষয়ে একমত হয়েছেন তা হলো, পুরুষদের ক্ষেত্রে 'বাহশাল' ও 'বাহশালি' বলতে কৃষ্ণবর্ণের স্থূলকায় ব্যক্তিকে বোঝায়,
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٠)
وهي البحشلة. وقال ابن الأعرابي: بحشل الرجل اذا رقص رقص الزنج «28» .

‌‌ب- حياته:

لم نجد بين المؤرخين الذين تطرّقوا لذكر أسلم، من أشار الى سنة ولادته.

أما سنة وفاته، فقد اختلفوا فيها بعض الاختلاف. فذكر ياقوت الحموي انه «مات في سنة 288 قبلها أو بعدها بقليل» «29» . ولكنّ الذهبي عيّن سنة وفاته بالذات، فقال انه «توفي سنة اثنتين وتسعين ومائتين» «30» (905 م) .

كان أسلم ممن ضرب بسهم وافر في علم الحديث، حتى عدّه المؤرخون محدّث واسط في عصره، كان من كبار الحفاظ الثقات، إماما، ثبتا، صدوقا. وكان لا مزيد عليه في الحفظ والاتقان. وقد جمع تاريخا لواسط، هو أول سفر يؤلف في تاريخ هذه المدينة، ضبط فيه أسماء الرواة ورتّب طبقاتهم «31» .

نوّه أسلم بأبيه في تاريخ واسط «32» وسمع منه، كما سمع من جدّه لأمّه: وهب بن بقية، ومن عمّ أبيه سعيد بن زياد، ومن محمد بن ابي نعيم، وسليمان بن أحمد الشامي، ومحمد بن خالد الطحان، ومحمد بن الصباح الجرجرائي، ومحمد بن أبان الواسطي، وطبقتهم ممّن كان موجودا بعد الثلاثين ومائتين.
এটি হলো বাহশালাহ। ইবনুল আরাবি বলেন: ব্যক্তিটি 'বাহশালা' করেছে যখন সে কৃষ্ণাঙ্গদের ন্যায় নৃত্য করেছে «২৮»।

‌‌খ- তাঁর জীবন:

আসলামের কথা উল্লেখ করেছেন এমন ঐতিহাসিকদের মধ্যে আমরা কাউকে পাইনি যিনি তাঁর জন্মসালের দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

পক্ষান্তরে তাঁর মৃত্যুসালের ব্যাপারে তাঁদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ রয়েছে। ইয়াকুত আল-হামাভি উল্লেখ করেছেন যে তিনি «২৮৮ হিজরি সালে অথবা তার কিছু আগে বা পরে মৃত্যুবরণ করেছেন» «২৯»। কিন্তু আয-যাহাবি সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর মৃত্যুসাল নির্ধারণ করেছেন; তিনি বলেছেন যে তিনি «দুইশত বিরানব্বই হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেছেন» «৩০» (৯০৫ খ্রি.)।

আসলাম ইলমে হাদিসে প্রভূত অবদান রেখেছিলেন, এমনকি ঐতিহাসিকগণ তাঁকে তাঁর সমসাময়িক ওয়াসিত নগরীর মুহাদ্দিস হিসেবে গণ্য করতেন। তিনি ছিলেন প্রখ্যাত নির্ভরযোগ্য হাফিজদের অন্তর্ভুক্ত, একজন ইমাম, সুদৃঢ় বর্ণনাকারী এবং সত্যবাদী। হিফজ ও ইস্তকানের (নিখুঁত বর্ণনা) ক্ষেত্রে তাঁর ঊর্ধ্বে আর কেউ ছিল না। তিনি ওয়াসিতের একটি ইতিহাস সংকলন করেছেন, যা এই শহরের ইতিহাসে রচিত প্রথম গ্রন্থ। এতে তিনি বর্ণনাকারীদের নাম নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তাঁদের স্তর বিন্যাস করেছেন «৩১»।

আসলাম তাঁর ‘তারিখে ওয়াসিত’ গ্রন্থে তাঁর পিতার কথা উল্লেখ করেছেন «৩২» এবং তাঁর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। অনুরূপভাবে তিনি তাঁর মাতামহ ওয়াহাব ইবনে বাকিয়্যাহ, তাঁর পিতার চাচা সাঈদ ইবনে যিয়াদ, মুহাম্মাদ ইবনে আবি নাঈম, সুলাইমান ইবনে আহমাদ আশ-শামি, মুহাম্মাদ ইবনে খালিদ আত-তাহহান, মুহাম্মাদ ইবনে সাব্বাহ আল-জারজারাঈ, মুহাম্মাদ ইবনে আবান আল-ওয়াসিতি এবং তাঁদের সমপর্যায়ের অন্যান্যদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন, যাঁরা দুইশত ত্রিশ হিজরির পরবর্তী সময়ে বিদ্যমান ছিলেন।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢١)
وحدّث عنه: أبو بكر محمد بن عثمان بن سمعان «33» المعدّل، ومحمد بن عبد الله بن يوسف، وابراهيم بن يعقوب الهمداني، وعلي بن حميد البزّاز، ومحمد بن جعفر بن الليث الواسطي، وأبو القاسم الطبراني، وآخرون «34» .

قال الذهبي فيه: «ليّنه أبو الحسن الدارقطني «35» ، أراد بذلك انّ أسلم، كان يأخذ الأحاديث باللين، أي انه كان يتساهل في ايرادها.

-‌‌ 7- مدينة واسط في التاريخ

بعث الخليفة الأموي عبد الملك بن مروان 3»

، بعامله الحجّاج بن يوسف الثقفي «37» ، ليتولّى إدارة العراق. فنزل أولا مدينة الكوفة، ثم رأى
এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন উসমান বিন সামআন «৩৩» আল-মুআদ্দাল, মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ, ইব্রাহিম বিন ইয়াকুব আল-হামদানি, আলি বিন হামিদ আল-বাজ্জাজ, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আল-লাইস আল-ওয়াসিতি, আবুল কাসিম আত-তাবারানি এবং অন্যান্যরা «৩৪»।

আয-যাহাবি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: «আবু হাসান আদ-দারা কুতনি «৩৫» তাঁকে শিথিল বা দুর্বল বলেছেন; এর দ্বারা তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে আসলাম শিথিলতার সাথে হাদিস গ্রহণ করতেন, অর্থাৎ তিনি হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে শিথিলতা প্রদর্শন করতেন।

-‌‌ ৭- ইতিহাসে ওয়াসিত নগরী

উমাইয়া খলিফা আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান «৩»

তাঁর গভর্নর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ আস-সাকাফিকে «৩৭» প্রেরণ করেন, যাতে তিনি ইরাকের শাসনভার গ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে কুফা নগরীতে অবতরণ করেন, অতঃপর তিনি দেখলেন
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٢)
انّ من الأصلح له أن يجعل مقرّه في مدينة أخرى غيرها. فأنشأ مدينة «واسط» في موضع من جنوبي العراق، يتوسّط بين الكوفة والبصرة.

ذكر البلدانيون، ان للعرب اثنين وعشرين واسطا «38» في عدة مواضع من المعمورة. في: نجد والحجاز واليمن واليمامة والأندلس. والجزيرة وفي نواحي بغداد بدجيل، ومن قرى نهر الملك من نواحي بغداد. وفي نواحي الحلة وفي الخابور والرقة وحلب والموصل وبلخ وخراسان وفي غيرها من المواضع. ولكنّ أعظم تلك البلدان شأنا وأجلّها كانت «واسط» الحجاج.

وقد اختلف المؤرخون في تعيين زمن بناء مدينة واسط. فذكر بحشل ان بناءها حصل بين سنة 75 و 78 هـ (694- 697 م) . وذكر غيره ان الحجاج استحدث مدينته سنة 83 أو 84 هـ (702 أو 703 م) وانتهى منها سنة 86 هـ (705 م) «39» .

أنفق الحجاج على انشاء هذه المدينة، مبالغ كبيرة من المال. فقال بحشل إن ما أنفقه على هذا العمل، بلغ خراج العراق لمدة خمس سنين «40» . وقال ياقوت الحموي ان ما غرم على بناء المسجد والقصر والخندقين والسور التي تحيط بالمدينة، ما مقداره ثلاثة واربعون مليون درهم «41» .
তার জন্য এটিই অধিকতর কল্যাণকর ছিল যে, তিনি তার সদর দপ্তর অন্য কোনো শহরে নির্ধারণ করবেন। তাই তিনি দক্ষিণ ইরাকের এমন একটি স্থানে 'ওয়াসিত' নগরী প্রতিষ্ঠা করেন, যা কুফা ও বসরার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

ভূগোলবিদগণ উল্লেখ করেছেন যে, জনবসতিপূর্ণ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে আরবদের 'ওয়াসিত' নামক মোট বাইশটি স্থান ছিল। যেমন: নজদ, হিজাজ, ইয়েমেন, ইয়ামামা এবং আন্দালুসিয়া। জাজিরাতে এবং বাগদাদের উপকণ্ঠে দুজাইলে, আর বাগদাদের নিকটবর্তী নহরুল মালিকের গ্রামসমূহে। হিল্লাহর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এবং খাবুর, রাক্কাহ, আলেপ্পো, মসুল, বালখ, খোরাসান ও অন্যান্য স্থানে। তবে সেসব শহরের মধ্যে মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে মহান ও শ্রেষ্ঠ ছিল হাজ্জাজের 'ওয়াসিত'।

ওয়াসিত নগরী নির্মাণের সময়কাল নির্ধারণে ঐতিহাসিকগণ মতভেদ করেছেন। বাহশাল উল্লেখ করেছেন যে, এর নির্মাণ কাজ ৭৫ থেকে ৭৮ হিজরির (৬৯৪-৬৯৭ খ্রিস্টাব্দ) মধ্যে সম্পন্ন হয়েছিল। অন্য ঐতিহাসিকগণ উল্লেখ করেছেন যে, হাজ্জাজ ৮৩ বা ৮৪ হিজরিতে (৭০২ বা ৭০৩ খ্রিস্টাব্দ) তার এই শহরটির পত্তন করেন এবং ৮৬ হিজরিতে (৭০৫ খ্রিস্টাব্দ) এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন।

হাজ্জাজ এই নগরী প্রতিষ্ঠায় বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন। বাহশাল বলেন, এই কাজে তিনি যা ব্যয় করেছিলেন তা ইরাকের টানা পাঁচ বছরের ভূমিরাজস্বের (খরাজ) সমান ছিল। ইয়াকুত আল-হামাভী বলেন, মসজিদ, প্রাসাদ, দু'টি পরিখা এবং শহর পরিবেষ্টনকারী প্রাচীর নির্মাণে যা খরচ হয়েছিল, তার পরিমাণ ছিল তেতাল্লিশ মিলিয়ন দিরহাম।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٣)
لقد كانت مدينة واسط، منذ تأسيسها، ذات شطرين يفصل بينهما نهر دجلة: شطر شرقي وشطر غربي. فقد كان مجرى دجلة القديم يمرّ بواسط.

والشطر الشرقي من واسط، وهو أقدمهما، كان فيه قبل مجيء الحجاج، على ما ذكر اليعقوبي «42» ، بلدة ساسانية يسكنها الفرس والنبط وهم الآراميون. وكانت تدعى «كسكر» التي عرفت في المصادر الآرامية باسم «كشكر» بالشين المعجمة. واستحدث الحجاج بلدته قبالتها على شاطىء دجلة الغربي، وأسكن فيها العرب وحدهم في بادئ الأمر. وبعد وفاة الحجاج سمح لغيرهم من الأقوام بالسكنى فيها. فاختلط العجم والعرب بمرور الزمن. واتّحد الشطران الشرقي والغربي شيئا فشيئا، حتى أصبحا مدينة واحدة.

وتنبىء المراجع التاريخية، ان الحجاج هدم لعمارة مدينته، كثيرا من المدن والقرى المكتنفة بها، ونقل أخشابها وأبوابها، حتى ضج أهل تلك النواحي واحتجوا على ما جرى. فلم يلتفت الى قولهم. وقد نقل الحجاج الى مدينته خمسة أبواب من مدينة الزندورد والدوقرة ودير ما سرجيس وسرابيط وغيرها من الأمكنة في أنحاء واسط «43» .

واحتضن الجانب الغربي من واسط، عمارات ذات شأن. ففيه شيد الحجاج مبانيه العظيمة. فعلى مسافة ما من دجلة، كان يقوم قصره «44» الذي اشتهر بقبته الخضراء. وكانت مساحة القصر أربعمائة ذراع في مثلها «45» .

وللقصر أربعة أبواب، كل منها يفضي الى طريق عرضها ثمانون ذراعا «46» .

ولعل تلك القبة الخضراء كانت في وسط القصر، وهي ولا شك أبرز مبانيه.
ওয়াসিত শহরটি প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দজলা নদী দ্বারা বিভক্ত দুটি অংশে বিভক্ত ছিল: একটি পূর্ব অংশ এবং একটি পশ্চিম অংশ। দজলার প্রাচীন গতিপথটি ওয়াসিতের মধ্য দিয়েই প্রবাহিত হতো।

ওয়াসিতের পূর্ব অংশটি ছিল অপেক্ষাকৃত প্রাচীন। আল-ইয়াকুবী (৪২) যেমন উল্লেখ করেছেন, হাজ্জাজের আগমনের পূর্বে সেখানে একটি সাসানীয় জনপদ ছিল যেখানে পারস্যবাসী এবং নাবাতি তথা আরামীয়রা বসবাস করত। একে 'কাসকার' বলা হতো, যা আরামীয় উৎসসমূহে শিন সহযোগে 'কাশকার' নামে পরিচিত ছিল। হাজ্জাজ দজলার পশ্চিম তীরে এর বিপরীতে তার নতুন শহর নির্মাণ করেন এবং প্রথম দিকে সেখানে কেবল আরবদের বসবাসের সুযোগ দেন। হাজ্জাজের মৃত্যুর পর অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীকেও সেখানে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়। ফলে সময়ের আবর্তে অনারব ও আরবদের মধ্যে মিশ্রণ ঘটে এবং পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশ ধীরে ধীরে একীভূত হয়ে একটি একক শহরে পরিণত হয়।

ঐতিহাসিক সূত্রসমূহ থেকে জানা যায় যে, হাজ্জাজ তার শহর নির্মাণের জন্য পার্শ্ববর্তী অনেক শহর ও গ্রাম ধ্বংস করেছিলেন এবং সেগুলোর কাঠ ও দরজা স্থানান্তর করেছিলেন। এমনকি ওইসব অঞ্চলের মানুষ এতে অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিবাদও করেছিল। তবে তিনি তাদের কথায় কর্ণপাত করেননি। হাজ্জাজ তার শহরের জন্য জান্দাওয়ার্দ, আদ-দুকরা, দাইরে মার সারজিস, সারাবিত এবং ওয়াসিতের চারপাশের অন্যান্য স্থান থেকে পাঁচটি দরজা নিয়ে এসেছিলেন (৪৩)।

ওয়াসিতের পশ্চিম পার্শ্বে গুরুত্বপূর্ণ অট্টালিকাগুলো অবস্থিত ছিল। সেখানেই হাজ্জাজ তার বিশাল সব ভবন নির্মাণ করেন। দজলা নদী থেকে কিছুটা দূরে তার প্রাসাদটি (৪৪) অবস্থিত ছিল, যা তার সবুজ গম্বুজের জন্য প্রসিদ্ধ ছিল। প্রাসাদের আয়তন ছিল চারশত হাত গুণ চারশত হাত (৪৫)।

প্রাসাদের চারটি দরজা ছিল, যার প্রতিটি আশি হাত প্রশস্ত একটি রাস্তার দিকে উন্মুক্ত হতো (৪৬)।

সম্ভবত সেই সবুজ গম্বুজটি প্রাসাদের মাঝখানে ছিল এবং নিঃসন্দেহে এটি ছিল প্রাসাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٤)
فقد كانت شاهقة حتى قيل انها كانت ترى من بلدة فم الصلح «47» الواقعة على سبعة فراسخ شمال واسط «48» .

وبنى الحجاج بجوار قصره مسجدا جامعا «49» مساحته مائتا ذراع في مثلها «50» .

وجعل على مقربة من القصر سوقا عامرة «51» ، فيها كان تجار كل صنف من البضاعة يتعاطون تجارتهم في قطعة خاصة منها. وكانت هذه السوق من الوسع بحيث اقتضت ارضا تمتد من القصر حتى شاطىء دجلة شرقا والى درب الخرازين جنوبا.

وكان في الجانب الغربي أيضا، سجن الحجاج المعروف بالديماس «52» .

ولعل الخندقين والسور التي ذكرها ياقوت الحموي «53» ، كانت تحيط بالشطر الغربي من المدينة فقط، ذلك الشطر الذي تكاملت استحكاماته بشاطئ دجلة فصار معسكرا آمنا منيعا، لا يدخله إلا من اجتاز من أبواب المدينة، ولا يسمح للغرباء بالمبيت فيه، فقد كان عليهم أن يتركوا المدينة قبل إغلاق أبوابها عند المغيب «54» .

وقد سبقت الاشارة الى ان دجلة، كان يشطر مدينة واسط شطرين، يربطهما جسر عائم على السفن، طوله 680 ذراعا.
এটি এতটাই সুউচ্চ ছিল যে বলা হতো এটি ওয়াসিতের সাত ফারসাখ উত্তরে অবস্থিত 'ফামুস সুলহ' «৪৭» নামক শহর থেকেও দেখা যেত «৪৮»।

হাজ্জাজ তার প্রাসাদের পার্শ্ববর্তী স্থানে একটি জামে মসজিদ «৪৯» নির্মাণ করেন, যার আয়তন ছিল দুইশত হাত বাই দুইশত হাত «৫০»।

তিনি প্রাসাদের অদূরে একটি জনাকীর্ণ বাজার «৫১» স্থাপন করেন, যেখানে প্রত্যেক প্রকার পণ্যের ব্যবসায়ীরা তাদের জন্য নির্ধারিত নির্দিষ্ট অংশে ব্যবসা পরিচালনা করতেন। এই বাজারটি এতটাই বিশাল ছিল যে এটি প্রাসাদ থেকে শুরু করে পূর্ব দিকে দজলা নদীর তীর পর্যন্ত এবং দক্ষিণ দিকে 'দারবুল খাররাজিন' (চর্মকারদের গলি) পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

পশ্চিম পার্শ্বে হাজ্জাজের সুপরিচিত কারাগার 'দাইমাস' «৫২» অবস্থিত ছিল।

সম্ভবত ইয়াকুত আল-হামাভী উল্লিখিত «৫৩» দুটি পরিখা এবং প্রাচীর কেবল শহরের পশ্চিম অংশকেই ঘিরে রেখেছিল; সেই অংশ যার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দজলা নদীর তীরের মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করেছিল এবং একটি নিরাপদ ও দুর্ভেদ্য সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছিল। শহরের ফটকসমূহ দিয়ে প্রবেশকারী ব্যতীত অন্য কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারত না এবং বহিরাগতদের সেখানে রাতযাপনের অনুমতি ছিল না; সূর্যাস্তের সময় ফটকগুলো বন্ধ করার আগেই তাদের শহর ত্যাগ করতে হতো «৫৪»।

ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দজলা নদী ওয়াসিত শহরকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছিল, যা নৌকার উপর নির্মিত একটি ভাসমান সেতুর মাধ্যমে সংযুক্ত ছিল এবং এর দৈর্ঘ্য ছিল ৬৮০ হাত।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٥)
وكانت واسط تتألف من محلات. ومما ذكرته المراجع القديمة من أسماء تلك المحلات: محلة الأنباريين، محلة الزيدية، محلة الزبيدية، محلة الرزازين، المحلة الشرقية، الحزّامون، برجونية.

حافظت مدينة واسط على مقامها وعزها بين أخواتها من المدن العراقية. فلبثت معظم زمن الخلافة الأموية عاصمة العراق ومقر ولاته، وبقيت طوال الحكم العباسي ذات منزلة مرموقة.

وقد أنجبت هذه المدينة على مر العصور، جماعة من أعيان العلماء والأدباء، وانشىء فيها كثير من المدارس.

وكانت واسط ذات زراعة حسنة، نظرا الى وفرة مائها وخصب أرضها.

أما تجارتها فكاتب رائجة، يساعدها على ذلك موضعها الجغرافي الذي تتوسط فيه بين الكوفة والبصرة وبغداد والأهواز وبلاد الجبل.

وفي القرن الثاني للهجرة، كانت مدينة واسط عامرة ذات مبان محكمة، ولا سيما قصر الحجاج الذي لم يزل ماثلا الى الربع الأخير من هذا القرن والناس يسمّونه الخضراء.

وكانت واسط في القرنين الثالث والرابع، مدينتين عظيمتين على شاطىء دجلة، تحفّ بها البادية غربا بعد مزارع يسيرة.

وقد ازدهرت واسط في غضون القرن الخامس والسادس، وبلغت فيها الحضارة مبلغها، وراجت فيها سوق الأدب والعلم. ولكن تاريخها كان مليئا بالحوادث والفتن، وتنازعها أمراء البطائح التي تبطّحت حولها منذ بداية القرن الخامس. فقد حدث بواسط خرق في أسفل كسكر، فاستوسع، واعورّت دجلة من عدة مواضع فأهملت وتكونت بطائح واسط.

وفي القرن الثامن للهجرة، زارها الرحالة المغربي الشهير ابن بطوطة، فوصفها بقوله: «حسنة الأقطار، كثيرة البساتين والأشجار، بها اعلام يهدي الخير شاهدهم، وتهدي الاعتبار مشاهدهم. وأهلها من خيار أهل العراق،
ওয়াসিত শহরটি কয়েকটি মহল্লা বা পাড়া নিয়ে গঠিত ছিল। প্রাচীন উৎসসমূহে সেই মহল্লাগুলোর যেসব নাম উল্লেখিত হয়েছে, সেগুলো হলো: আম্বারিইয়ীন মহল্লা, যাইদিয়া মহল্লা, যুবাইদিয়া মহল্লা, রাযযাযীন মহল্লা, পূর্ব মহল্লা, হাজ্জামুন এবং বারজুনিয়া।

ইরাকের অন্যান্য শহরগুলোর মধ্যে ওয়াসিত তার মর্যাদা ও মহিমা অক্ষুণ্ণ রেখেছিল। উমাইয়া খিলাফতের অধিকাংশ সময় এটি ইরাকের রাজধানী এবং এর গভর্নরদের আবাসস্থল হিসেবে ছিল এবং পুরো আব্বাসীয় শাসনামলে এটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে বহাল ছিল।

যুগ যুগ ধরে এই শহরটি একদল বিশিষ্ট আলেম ও সাহিত্যিক জন্ম দিয়েছে এবং এখানে বহু মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছিল।

প্রচুর পানির সহজলভ্যতা এবং ভূমির উর্বরতার কারণে ওয়াসিতে কৃষিকাজ অত্যন্ত উন্নত ছিল।

এর ব্যবসা-বাণিজ্যও ছিল রমরমা, যা এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সহজতর হয়েছিল; কারণ এটি কুফা, বসরা, বাগদাদ, আহওয়াজ এবং জাবাল অঞ্চলের মাঝখানে অবস্থিত ছিল।

হিজরি দ্বিতীয় শতাব্দীতে ওয়াসিত শহরটি সুদৃঢ় অট্টালিকা সমৃদ্ধ একটি আবাদি শহর ছিল, বিশেষ করে হাজ্জাজের প্রাসাদটি, যা এই শতাব্দীর শেষ চতুর্থাংশ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল এবং লোকে একে 'আল-খাজরা' নামে ডাকত।

তৃতীয় ও চতুর্থ শতাব্দীতে দজলা নদীর তীরে ওয়াসিত দুটি বিশাল শহর হিসেবে বিস্তৃত ছিল, যার পশ্চিম পাশে সামান্য কিছু ফসলি জমির পরেই মরুভূমি বিস্তৃত ছিল।

পঞ্চম ও ষষ্ঠ শতাব্দীতে ওয়াসিত সমৃদ্ধির শিখরে পৌঁছেছিল এবং সেখানে সভ্যতা তার পূর্ণতা লাভ করেছিল; সাহিত্য ও বিজ্ঞানের বাজার ছিল সেখানে জমজমাট। তবে এর ইতিহাস ছিল নানা ঘটনা ও ফিতনায় পরিপূর্ণ। পঞ্চম শতাব্দীর শুরু থেকে এর চারপাশের জলাভূমি অঞ্চলের আমীরগণ এটি দখলের জন্য দ্বন্দ্বে লিপ্ত ছিল। নিম্ন কাসকার অঞ্চলে একটি ভাঙন দেখা দেয় যা পরবর্তীতে বিস্তৃত হয় এবং দজলা নদী বিভিন্ন স্থানে তার গতিপথ হারায়, ফলে এলাকাটি অবহেলিত হয় এবং ওয়াসিতের জলাভূমি অঞ্চল তৈরি হয়।

হিজরি অষ্টম শতাব্দীতে বিখ্যাত মরক্কীয় পর্যটক ইবনে বতুতা শহরটি সফর করেন এবং এর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন: «এর অঞ্চলসমূহ অত্যন্ত সুন্দর, বাগান ও বৃক্ষলতায় পরিপূর্ণ; এখানে এমন সব মনীষী রয়েছেন যাঁদের সান্নিধ্য কল্যাণের পথ দেখায় এবং তাঁদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ শিক্ষা প্রদান করে। আর এখানকার অধিবাসীগণ ইরাকের শ্রেষ্ঠ মানুষদের অন্তর্ভুক্ত।»
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٦)
بل هم خيرهم على الاطلاق. أكثرهم يحفظون القرآن الكريم ويجيدون تجويده بالقراءة الصحيحة، واليهم يأتي أهل بلاد العراق برسم تعلم ذلك.

وكان في القافلة التي وصلنا فيها جماعة من الناس أتوا برسم تجويد القرآن على من بها من الشيوخ. وبها مدرسة عظيمة حافلة فيها نحو ثلاث مائة خلوة ينزلها الغرباء القادمون لتعلم القرآن، عمّرها الشيخ تقي الدين بن عبد المحسن الواسطي، وهو من كبار أهلها وفقهائها، ويعطي لكل متعلم بها كسوة في السنة ويجري له نفقته في كل يوم، ويقعد هو وأخوانه وأصحابه لتعليم القرآن بالمدينة. وقد لقيته وأضافني وزوّدني تمرا ودراهم» «55» .

وجاء القرن التاسع للهجرة على واسط، وهي كما وصفها ابن الوردي، بقوله: «هي مدينتان على جانبي دجلة، وبينهما قنطرة كبيرة مصنوعة على جسر من سفن يعبر عليها من جانب الى جانب. فالغربية تسمّى كسكرا، والشرقية تسمّى واسط العراق. وهما في الحسن والعمارة سواء وهما من أعمر بلاد العراق، وعليهما معوّل ولاة بغداد» «56» .

لقد حلّ بمدينة واسط محن كثيرة، وكان آخر عهدها بتلك المحن، الغارة الشعواء التي شنّها عليها محمد المشعشع في شوال سنة 844 هـ (1441 م) للاستيلاء عليها. ولكنه لم ينل منها مأربا. ثم هاجمها من بعده ابنه علي بن محمد المشعشع، فقاومه أهلها دون جدوى، فاستولى عليها بعد أن أصابها الدمار. وجلا كثير من أهلها عنها وانحدروا الى البصرة. وهكذا خربت واسط الحجاج.

ثم قامت على أنقاضها وقريب منها، واسط الثانية. ذلك ان الواسطيين بعد مقتل علي، أخذوا يتراجعون الى ديارهم السابقة، فأسسوا واسطا الثانية تحت الأولى بمسافة هيّنة وفي غربيها. ولم يكن لواسط الثانية هذه شأن كبير، كما انها لم تعش أكثر من قرنين.
বরং তারা সামগ্রিকভাবে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম। তাদের অধিকাংশই কুরআনুল কারীম মুখস্থ রাখেন এবং বিশুদ্ধ কিরাআতের মাধ্যমে এর তাজউইদ সুন্দরভাবে আদায় করেন। ইরাকের বিভিন্ন অঞ্চলের অধিবাসীরা এটি শেখার উদ্দেশ্যেই তাদের কাছে আসে।

আমরা যে কাফেলায় পৌঁছেছিলাম, সেখানে একদল লোক ছিল যারা সেখানকার শাইখদের কাছে কুরআনের তাজউইদ শেখার সংকল্প নিয়ে এসেছিল। সেখানে একটি বিশাল ও সমৃদ্ধ মাদ্রাসা ছিল যাতে প্রায় তিনশটি প্রকোষ্ঠ রয়েছে, যেখানে কুরআন শিখতে আসা বহিরাগতরা অবস্থান করত। এটি নির্মাণ করেছিলেন শাইখ তাকিউদ্দীন ইবনে আব্দুল মুহসিন আল-ওয়াসিতী, যিনি সেখানকার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ও ফকিহ ছিলেন। তিনি সেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে এক সেট পোশাক দিতেন এবং প্রতিদিন তাদের জন্য খোরাকি বরাদ্দ করতেন। তিনি নিজে এবং তাঁর ভাইয়েরা ও সঙ্গীরা শহরে কুরআন শিক্ষা দেওয়ার জন্য বসতেন। আমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছি; তিনি আমাকে আতিথেয়তা করেছেন এবং পাথেয় হিসেবে খেজুর ও দিরহাম প্রদান করেছেন। «৫৫» ।

নবম হিজরি শতাব্দীতে ওয়াসিতের অবস্থা সম্পর্কে ইবনুল ওয়ারদী তাঁর বর্ণনায় বলেছেন: «এটি দজলা নদীর দুই তীরে অবস্থিত দুটি শহর, যার মাঝখানে নৌকার ওপর নির্মিত একটি বড় সেতু রয়েছে এবং এর ওপর দিয়ে এক পার থেকে অন্য পারে পারাপার হওয়া যায়। পশ্চিম অংশকে কাসকার এবং পূর্ব অংশকে ওয়াসিতুল ইরাক বলা হয়। সৌন্দর্য ও স্থাপত্যে উভয় শহরই সমান এবং এ দুটি ইরাকের সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যার ওপর বাগদাদের শাসনকর্তাদের নির্ভরতা বিদ্যমান» «৫৬» ।

ওয়াসিত শহরে অনেক বিপদ-আপদ আপতিত হয়েছে। সেই সব বিপদের মধ্যে সর্বশেষ ছিল ৮৪৪ হিজরির (১৪৪১ খ্রিষ্টাব্দ) শাওয়াল মাসে শহরটি দখলের জন্য মুহাম্মাদ আল-মুশা'শা'র চালানো ভয়াবহ হামলা। কিন্তু তিনি তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হন। এরপর তাঁর পুত্র আলী ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুশা'শা' আক্রমণ করেন। শহরের অধিবাসীরা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও তা সফল হয়নি; ফলে ধ্বংসলীলা চালানোর পর তিনি শহরটি দখল করে নেন। এতে অনেক অধিবাসী সেখান থেকে প্রস্থান করে বসরার দিকে পাড়ি জমান। এভাবেই হাজ্জাজের সেই ওয়াসিত জনপদটি ধ্বংস হয়ে যায়।

অতঃপর এর ধ্বংসাবশেষের ওপর এবং নিকটবর্তী স্থানে দ্বিতীয় ওয়াসিত প্রতিষ্ঠিত হয়। এর কারণ হলো, আলী নিহত হওয়ার পর ওয়াসিতবাসীরা তাদের পূর্বের আবাসভূমিতে ফিরতে শুরু করে এবং তারা প্রথমটির চেয়ে সামান্য দূরত্বে এর পশ্চিম দিকে দ্বিতীয় ওয়াসিত প্রতিষ্ঠা করে। তবে এই দ্বিতীয় ওয়াসিতের তেমন কোনো বিশেষ গুরুত্ব ছিল না এবং এটি দুই শতাব্দীর বেশি স্থায়ী হয়নি।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٧)
ثم تنازلت واسط عن عظمتها، وانقلبت من كونها مدينة الى قرية تقع في الجانب الغربي من واسط الثانية وتبعد عنها قليلا، وهي واسط الثالثة التي كانت على صدر الغرّاف أو فوهته الأولى التي كانت تأخذ من دجلة واسط يوم كانت دجلة تستقيم من هناك. والغرّافيون يسمّون ذلك الصدر أو ذلك المجرى ب «الشطّ الأعمى» ، لأنه لما تحوّلت دجلة، تحوّلت فوهة الغراف وصارت تأخذ مما يقابل كوت الامارة. فعمي ذلك الصدر.

وقد بقيت واسط الثالثة الى أواخر القرن الثالث عشر للهجرة، ثم بادت، ونشأت مدينة الحي «57» ، وهي حي واسط أي حيّ العشارين الذين كانت حكومة واسط تقيمهم على مفترق الأنهر المتفرعة من دجلة تحت واسط «58» .

أما بقايا واسط الحجاج، فهي اليوم تلول وأخربة، تقع في بلقع من الأرض، على 36 ميلا شمال شرقي الشطرة. وأبرز آثارها الشاخصة، باب، والى جانبه منارة سقط برجها.

وقد عنيت مديرية الآثار العامة، بأطلال واسط. فأجرت فيها تنقيبات بين سنة 1936 و 1942 «59» ، ثم صانت بعض أطلالها سنة 1946- 1965 «60» .
এরপর ওয়াসিত তার গৌরব থেকে অবনমিত হলো এবং একটি শহর থেকে গ্রামে রূপান্তরিত হলো, যা দ্বিতীয় ওয়াসিতের পশ্চিম পাশে এবং তা থেকে সামান্য দূরে অবস্থিত ছিল। এটি হলো তৃতীয় ওয়াসিত, যা আল-গারাফ এর মোহনায় বা তার প্রথম মুখে অবস্থিত ছিল, যা সে সময় ওয়াসিতের দজলা নদী থেকে পানি গ্রহণ করত যখন দজলা সেখান থেকে সোজা পথে প্রবাহিত হতো। আর গারাফবাসীরা সেই মোহনা বা সেই প্রবাহপথকে "আশ-শাত্তুল আমা" (অন্ধ নদী) বলে অভিহিত করে। কারণ, দজলা নদী যখন গতিপথ পরিবর্তন করল, তখন আল-গারাফের মুখও পরিবর্তিত হয়ে গেল এবং তা কুত আল-ইমারার বিপরীত দিক থেকে পানি নিতে শুরু করল। ফলে সেই মোহনাটি অন্ধ হয়ে গেল।

এই তৃতীয় ওয়াসিত হিজরি ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত টিকে ছিল, এরপর তা বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং আল-হাই শহরের উদ্ভব ঘটে «৫৭»। এটি হলো ওয়াসিতের 'হাই' (বসতি), অর্থাৎ 'আশারিন' (শুল্ক সংগ্রাহক)-দের বসতি, যাদেরকে ওয়াসিতের সরকার ওয়াসিতের নিম্নদেশে দজলা থেকে উৎপন্ন শাখা নদীসমূহের সংযোগস্থলে নিয়োজিত করত «৫৮»।

আর হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের নির্মিত ওয়াসিতের অবশিষ্টাংশ বর্তমানে টিলা ও ধ্বংসস্তূপ মাত্র, যা আশ-শাতরার ৩৬ মাইল উত্তর-পূর্বে এক নির্জন প্রান্তরে অবস্থিত। এর দৃশ্যমান নিদর্শনসমূহের মধ্যে প্রধান হলো একটি তোরণ এবং তার পার্শ্ববর্তী একটি মিনার, যার বুরুজটি ধসে পড়েছে।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়াসিতের ধ্বংসাবশেষের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। তারা ১৯৩৬ থেকে ১৯৪২ সালের মধ্যে সেখানে খননকার্য পরিচালনা করে «৫৯» এবং পরবর্তীতে ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৫ সালের মধ্যে এর কিছু ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণ করে «৬০»।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٨)
صفحة من اواخر نسخة الخزانة التيمورية وهي اليوم في دار الكتب بالقاهرة
তৈমুরিয়া গ্রন্থাগারের শেষদিকের একটি পাণ্ডুলিপির পৃষ্ঠা, যা বর্তমানে কায়রোর দারুল কুতুবে সংরক্ষিত আছে।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٢٩)
تاريخ واسط تأليف أسلم بن سهل الرّزّاز الواسطىّ المعروف ببحشل المتوفى سنة 292 هـ (905 م)
ওয়াসিতের ইতিহাস, রচনায় আসলাম বিন সাহল আল-রাজ্জাজ আল-ওয়াসিতি, যিনি বাহশাল নামে পরিচিত, মৃত্যু ২৯২ হিজরি (৯০৫ খ্রিস্টাব্দ)
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٣١)
[2] بسم الله الرحمن الرحيم

[خطبة الكتاب]

… «1»

[3] العلم من بعدهم. ومن نشأ بها قرنا بعد قرن من أهل العلم.

وما اتصل بنا من قد بلغ أعمار بعضهم وتاريخهم. وخبر من شخص منهم ومن قدم من الأمصار اليهم. نسأل الله تعالى أن يجعل ذلك فيه وله. وبالله التوفيق وهو «2» المستعان. ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم. وصلى الله على سيدنا مُحَمَّد وآله وسلم تسليما.

ذكر كسكر

حدثنا أسلم، قَالَ: ثنا «3» وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ شَابُورَ، قَالَ:

أنا «4» حَفْصُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبِي حَفْصٍ الْوَاسِطِيُّ، فَقَالَ: ثنا أَبُو عثمان المدني عن دثار بن محارب عن «5» لَمَّا خَرَّبَ بُخْتَنَصَّرُ بَيْتَ الْمَقْدِسِ، بَكَتِ الأَرْضُونَ وَكَانَتْ كَسْكَرُ أَكْثَرَهَا بُكَاءً. فَأَوْحَى اللَّهُ تَعَالَى وَعَزَّ إِلَيْهَا: إِنِّي مُبْنِيكِ مَسْجِدًا يَكْثُرُ فِيهِ ذِكْرِي وَدُعَائِي. فَكَانُوا يَذْكُرُونَ أَنَّهُ مَسْجِدُ وَاسِطٍ.
[2] পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

[গ্রন্থের ভূমিকা]

… «১»

[৩] তাদের পরবর্তী জ্ঞান। এবং ইলম অন্বেষণকারীদের মধ্য থেকে যারা সেখানে যুগের পর যুগ বেড়ে উঠেছেন।

এবং তাদের মধ্য থেকে যাদের বয়স ও ইতিহাস আমাদের নিকট পৌঁছেছে। আর তাদের মধ্য থেকে যারা প্রস্থান করেছেন এবং বিভিন্ন শহর থেকে যারা তাদের নিকট এসেছেন তাদের সংবাদ। আমরা মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি একে তাঁরই সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন। আল্লাহর সাহায্যেই তাওফিক মেলে এবং তিনিই একমাত্র সাহায্যকারী। মহান ও শ্রেষ্ঠ আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই। আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত ও অধিক হারে শান্তি বর্ষিত হোক।

কাসকারের বর্ণনা

আসলম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াহাব ইবনে বাকিয়্যাহ ইবনে উবাইদ ইবনে শাবুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

হাফস ইবনে উমর ইবনে আবি হাফস আল-ওয়াসিতি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু উসমান আল-মাদানি দিসার ইবনে মুহারিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে: যখন বুখতানাসসার বাইতুল মাকদিস ধ্বংস করল, তখন জমিনসমূহ ক্রন্দন করল এবং কাসকার তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্রন্দন করেছিল। তখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তার প্রতি ওহি পাঠালেন যে: আমি তোমার মাঝে এমন একটি মসজিদ নির্মাণ করব যেখানে আমার জিকির ও দোয়া অধিক পরিমাণে হবে। অতঃপর তারা উল্লেখ করতেন যে, সেটি হলো ওয়াসিতের মসজিদ।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٣٢)
حدثنا أسلم، قَالَ: ثنا أبو خالد يزيد بن مخلد بن عبد الرحمن بن يزيد الصيرفي قَالَ: حدثني أبي عن عوانة بن الحكم بن عوانة الكلبي عن أبيه، قَالَ: كنت مع الحجاج وهو يرتاد موضعا يبنيه. فبينا نحن نطوف معه، إذ رأى راهبا راكبا على حمار له، فراث الحمار، فنزل الراهب فأخذ الروث في ثوبه. فدعاه الحجاج فقال: ما هذا الذي صنعت؟ قَالَ: أيها الأمير إنا نجد في كتبنا أنه لما كان يوم الطوفان، انقطعت أرض من الأرض المقدسة فصارت إلى ما ههنا، فهي هذه. فكرهت [4] أن يكون روث حماري فيها. فقال الحجاج لأصحابه انزلوا. ثم أمر بالتقدير والبناء.

قَالَ أبو الحسن «6» : سمعت عن عبد الحميد بن بيان يذكر عن أبيه نحوا من هذا الكلام.

قصة الراهب

قَالَ أبو الحسن: حدثنا بعض أصحابنا، قَالَ: سمعت أبي يقول «7» الروبدي يقول: سمعت عمرو بن عون يذكر نحو هذا الكلام.

قَالَ أبو الحسن أسلم بن سهل: ثنا أَحْمَد بن بشير الأموي، قَالَ: ثنا سليمان بن منصور، قَالَ: حدثني خالي مُحَمَّد بن الحكم الشيباني، قَالَ:

سمعت هشيما يقول: ما كان أعلم عوانة بهذا الاسناد.

حدثنا أسلم، قَالَ: ثنا مُحَمَّد بن الصباح، قَالَ سليمان بن الحكم بن عوانة ودلنا عليه محمد بن يزيد.

حدثنا أسلم، قال: ثنا وهب بن بقية، قال: أخبرني مُحَمَّد بن يزيد عن سليمان بن الحكم بن ح وحدثنا أسلم قَالَ. ثنا أَحْمَد بن بشير الأموي، قَالَ: ثنا سليمان بن منصور قَالَ: ثنا صالح بن سليمان بن بشر بن أبي حكيم
আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু খালিদ ইয়াজিদ ইবনে মুখাল্লাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ আস-সাইরাফি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আওয়ানা ইবনে আল-হাকাম ইবনে আওয়ানা আল-কালবি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি হাজ্জাজের সাথে ছিলাম যখন তিনি (শহর) নির্মাণের জন্য একটি স্থান খুঁজছিলেন। আমরা যখন তাঁর সাথে ঘুরে দেখছিলাম, তখন তিনি এক সন্ন্যাসীকে তাঁর গাধার পিঠে চড়ে আসতে দেখলেন। এমতাবস্থায় গাধাটি গোবর ত্যাগ করল, তখন সন্ন্যাসী নিচে নেমে তাঁর কাপড়ে সেই গোবরটুকু তুলে নিলেন। হাজ্জাজ তাঁকে ডাকলেন এবং বললেন: তুমি এটি কী করলে? সে বলল: হে আমির, আমরা আমাদের কিতাবসমূহে পাই যে, মহাপ্লাবনের দিন পবিত্র ভূমির একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে এখানে এসে পড়েছিল, আর এটিই সেই স্থান। তাই আমি অপছন্দ করলাম যে আমার গাধার গোবর এখানে থাকুক। তখন হাজ্জাজ তাঁর সাথীদের বললেন, তোমরা এখানে অবতরণ করো। অতঃপর তিনি পরিমাপ ও নির্মাণের নির্দেশ দিলেন।

আবুল হাসান বলেন: আমি আবদুল হামিদ ইবনে বায়ান থেকে শুনেছি, তিনি তাঁর পিতা থেকে এই কথার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

সন্ন্যাসীর কাহিনী

আবুল হাসান বলেন: আমাদের জনৈক সাথী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আর-রুবাদি বলতেন: আমি আমর ইবনে আউনকে এই কথার অনুরূপ উল্লেখ করতে শুনেছি।

আবুল হাসান আসলাম ইবনে সাহল বলেন: আহমাদ ইবনে বশির আল-উমাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার মামা মুহাম্মদ ইবনে আল-হাকাম আশ-শায়বানি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি হুশাইমকে বলতে শুনেছি: এই ইসনাদ (সূত্র) সম্পর্কে আওয়ানা কতই না বিজ্ঞ ছিলেন।

আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আস-সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান ইবনে আল-হাকাম ইবনে আওয়ানা বলেছেন এবং মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ আমাদের এটি দেখিয়েছেন।

আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াহাব ইবনে বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ সুলায়মান ইবনে আল-হাকাম থেকে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন— (হাদীসটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে) আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে বশির আল-উমাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিহ ইবনে সুলায়মান ইবনে বিশর ইবনে আবি হাকিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তারিখু ওয়াসিত (পৃষ্ঠা: ٣٣)
عن أبي العطار، قَالَ: كانت دجلة قد انصرفت عن مجراها الأول إلى مجراها هذا. وكان يقال للفرس إن سلطانكم لا يذهب حتى تنصرف دجلة عن مجراها. فلما قدم أبو موسى الأشعري للبصرة «8» ، ذكر له أمر دجلة.

فانصرف، فصار إلى واسط القصب «9» ليرد دجلة [5] إلى مجراها الأول.

فأمر بعمل القناطر. فرأى النفقة كثيرة فانصرف وتركها. فلما ولي الحجاج مر بها، فذكر له أمرها. فصار إلى فم الصلح «10» فجعل ينظر ويقدر، فقال له دهقان «11» كبير السن قد أدرك سلطان الفرس: كنت مع أبي وكان مع كسرى. فوقف في هذا الموضع ليصرف دجلة إلى مجراها الأول. فقال له أبي: إنا نجدها في الكتاب تلعب بملك ينفق عليها. ثم لا ترجع إلى موضعها الأول. فتركها وانصرف.

وَقَالَ أبو الحسن: بلغني أن موضع دجلة الأول، في الموضع الذي يقال له دجلة العوراء تأخذ من نحو المبارك «12» . فبلغني أنها انفجرت في هذا الموضع ليلة ولد النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم.

حدّثنا أسلم، قَالَ: ثنا مُحَمَّد بن أَحْمَد بن سليمان بن منصور بن أبي شيخ عن جده سليمان بن أبي شيخ عن صالح بن سليمان عن أبي حكيم بنحو هذه القصة.
আবু আল-আত্তার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: দজলা নদী তার আদি গতিপথ থেকে সরে এসে বর্তমানে এই পথে প্রবাহিত হচ্ছিল। পারসিকদের বলা হতো যে, দজলা তার গতিপথ থেকে সরে না যাওয়া পর্যন্ত তোমাদের রাজত্ব শেষ হবে না। যখন আবু মুসা আল-আশআরি বসরায় আসলেন, তখন দজলার এই বিষয়টি তার নিকট উল্লেখ করা হলো।

অতঃপর তিনি প্রস্থান করলেন এবং দজলাকে তার আদি গতিপথে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ওয়াসিত আল-কাসাবে পৌঁছালেন।

তিনি বাঁধ নির্মাণের নির্দেশ দিলেন। কিন্তু দেখলেন এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে, তাই তিনি তা ছেড়ে ফিরে আসলেন। এরপর হাজ্জাজ যখন দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন, তখন তিনি সেই স্থান দিয়ে অতিক্রম করছিলেন এবং তাকে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়া হলো। তিনি ফুম আল-সুলহ নামক স্থানে পৌঁছালেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করতে লাগলেন। তখন পারসিক রাজত্বকাল প্রত্যক্ষকারী এক বৃদ্ধ দেহকান তাকে বললেন: আমি আমার পিতার সাথে ছিলাম এবং তিনি কিসরার সাথে ছিলেন। তিনি এই স্থানে দাঁড়িয়েছিলেন যাতে দজলাকে তার আদি গতিপথে ফিরিয়ে দেওয়া যায়। তখন আমার পিতা তাকে বললেন: আমরা কিতাবে পেয়েছি যে, এটি এমন এক রাজাকে নিয়ে খেলবে যে এর পেছনে সম্পদ ব্যয় করবে। এরপরও এটি তার আদি স্থানে ফিরে যাবে না। ফলে তিনি তা ছেড়ে চলে গেলেন।

আবু আল-হাসান বলেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, দজলার আদি অবস্থান ছিল সেই জায়গায় যাকে দজলা আল-আওরা বলা হয়, যা মুবারক অভিমুখে প্রবাহিত হতো। আমার কাছে আরও সংবাদ পৌঁছেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের রাতে এই স্থানে নদীটি ফেটে নতুন পথ তৈরি করেছিল।

আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে সুলাইমান ইবনে মানসুর ইবনে আবু শায়খ তার দাদা সুলাইমান ইবনে আবু শায়খ থেকে, তিনি সালিহ ইবনে সুলাইমান থেকে এবং তিনি আবু হাকিম থেকে এই কাহিনীর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।