(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: -)
نمو الإنسان من مرحلة الجنين إلى مرحلة المسنين (آمال صادق)
القسم: الطب
الكتاب: نمو الإنسان من مرحلة الجنين إلى مرحلة المسنين
المؤلف: آمال صادق - فؤاد أبو حطب
الناشر: مكتبة الأنجلو المصرية
الطبعة: الرابعة
عدد الصفحات: 720
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ভ্রূণ অবস্থা থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত মানুষের বিকাশ (আমাল সাদিক)
বিভাগ: চিকিৎসা বিজ্ঞান
গ্রন্থ: ভ্রূণ অবস্থা থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত মানুষের বিকাশ
লেখক: আমাল সাদিক - ফুয়াদ আবু হাতাব
প্রকাশক: মাকতাবাতুল আংলো আল-মিসরিয়া
সংস্করণ: চতুর্থ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭২০
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة…تقديم الطبعة الرابعة:تصدر الطبعة الرابعة من كتاب "نمو الإنسان من مرحلة الجنين إلى مرحلة المسنين" بعد أن استقبلت طبعاته السابقة بحمد الله وتوفيقه استقبالًا كريمًا طيبًا من الأروقة الأكاديمية في مصر والعالم العربي، وهو ما يحمل من معاني المسئولية أكبر مما يحمل من الشعور بالفخر والاعتزاز.وهذا الكتاب هو كتابنا المشترك الثاني بعد كتابنا الأول: "علم النفس التربوي"، وإذا كان موضوع هذا الكتاب هو "نمو الإنسان"، فإنه بذلك يعد امتدادًا وتوسيعًا لآفاق كتابنا الأول، فعلم نفس النمو لم يستقل أبدًا عن ميدان علم النفس التربوي مجاله الرحب وأفقه الواسع، فكل بحث في النمو الإنساني وكل دراسة حوله إنما تتم وعين الكاتب وقلب الباحث على طرق تويجه هذا النمو؛ بحيث يتحقق للإنسان في كل مراحل حياته هذا التآلف السعيد بين عالمه الشخصي وعالمه الاجتماعي، وعلماء النفس التربويون هم كتيبة من فيلقٍ عظيم من المتخصصين في العلوم الإنسانية، يسعون جاهدين ليحققوا للإنسان حلمه المنشود.والكتاب الذي بين يديك هو وصف لأبدع رحلات الإنسان، هذه الرحلة المعجزة التي تبدأ به خلية أحاديث التكوين، ويتحول خلالها إلى جنين، فطفل، فمراهق، فشاب، فراشد، فكهل، ثم إلى شيخ، فهرم فانٍ. هذه الرحلة التي وصفها القرآن الكريم في مواضع كثيرة، والتي تتضمن الكثير من آيات الله سبحانه وتعالى وسنته في خلقه.وقد وجَّه تصنيف مراحل النمو في هذا الكتاب تقسيم القرآن الكريم لها.يقول الله تعالى: {اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ ضَعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا وَشَيْبَةً يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْقَدِيرُ} . [الروم: 54] .وقد عبَّر الكتاب عن هذه المراحل الثلاث الكبرى بما نسميه: "المراحل الكبرى" في حياة الإنسان، أو "الأعمال الثلاثة" للإنسان، ومعنى ذلك أن هذا الكتاب لم يلتزم بالتقسيم الشهير لنمو الإنسان، وإنما سار على نحو يتفق مع التقسيم
ভূমিকা...চতুর্থ সংস্করণের উপস্থাপনা:"ভ্রূণ পর্যায় থেকে বার্ধক্য পর্যায় পর্যন্ত মানুষের বিকাশ" শীর্ষক গ্রন্থটির চতুর্থ সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে। আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর তৌফিকে এর পূর্ববর্তী সংস্করণগুলো মিশর ও আরব বিশ্বের বিদ্যায়তনিক অঙ্গনে অত্যন্ত উষ্ণ ও আন্তরিকভাবে সমাদৃত হয়েছে। এই স্বীকৃতি আমাদের জন্য গর্ব ও অহংকারের চেয়ে অধিকতর দায়িত্ববোধের বার্তা বহন করে।এই গ্রন্থটি আমাদের প্রথম গ্রন্থ "শিক্ষা মনোবিজ্ঞান"-এর পর দ্বিতীয় যৌথ রচনা। এই গ্রন্থের বিষয়বস্তু যেহেতু "মানুষের বিকাশ", তাই এটি আমাদের প্রথম গ্রন্থের দিগন্তেরই এক সম্প্রসারণ ও ব্যাপ্তি হিসেবে গণ্য। কেননা বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞান কখনোই শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের সুবিস্তৃত ক্ষেত্র ও বিশাল পরিধি থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। মানব বিকাশ সংক্রান্ত প্রতিটি গবেষণা ও অধ্যয়ন মূলত এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সম্পন্ন হয় যেখানে গবেষক ও লেখকের মূল লক্ষ্য থাকে এই বিকাশকে সঠিক পথে পরিচালিত করা; যেন মানুষের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক জগতের মধ্যে একটি সুন্দর ও সুখময় সমন্বয় সাধিত হয়। শিক্ষা মনোবিজ্ঞানীরা হলেন মানববিজ্ঞানের সেই বিশাল বাহিনীর একটি অংশ, যারা মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।আপনার হাতের এই বইটি মানুষের এক অনন্য ও বিস্ময়কর ভ্রমণের বিবরণ। এটি সেই অলৌকিক যাত্রা যা একটি একক কোষ থেকে শুরু হয় এবং যার মাধ্যমে মানুষ ক্রমান্বয়ে ভ্রূণ, শিশু, কিশোর, তরুণ, পূর্ণবয়স্ক, প্রৌঢ় এবং অবশেষে জরাগ্রস্ত বৃদ্ধে পরিণত হয়। পবিত্র কুরআন বিভিন্ন স্থানে এই যাত্রার বর্ণনা দিয়েছে, যার মধ্যে মহান আল্লাহ তাআলার অসংখ্য নিদর্শন এবং তাঁর সৃষ্টির চিরায়ত নিয়মাবলী নিহিত রয়েছে।এই গ্রন্থে বিকাশের স্তরবিন্যাস করার ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনের বিভাজনকে মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।মহান আল্লাহ বলেন: {আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন দুর্বল অবস্থা থেকে, অতঃপর দুর্বলতার পর দিয়েছেন শক্তি, আবার শক্তির পর দিয়েছেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।} [সূরা আর-রূম: ৫৪] ।এই গ্রন্থটি মানব জীবনের এই তিনটি প্রধান স্তরকে "মহৎ পর্যায়সমূহ" বা মানুষের "তিনটি কর্মকাল" হিসেবে অভিহিত করেছে। এর অর্থ হলো, এই গ্রন্থটি মানুষের বিকাশের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত গতানুগতিক বিভাজন পদ্ধতি অনুসরণ করেনি, বরং এটি এমন একটি ধারায় অগ্রসর হয়েছে যা কুরআনিক বিভাজনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৬)
القرآني إلى مرحلتين للضعف، بينهما مرحلة قوة، هي مرحلة الرشد، والضعف الأول "ضعف الطفولة والصبا والشباب" هو ضعف التحول إلى الرشد، أما الضعف الثاني: "ضعف الشيخوخة والهرم" فهو ضعف التحول عن الرشد.وقد جاءت الطبعة الرابعة من الكتاب في ستة أبواب. تناول الباب الأول الأسس العامة التي تقوم عليها دراسة النمو الإنساني، ويتألف من خمسة فصول. تناول الفصل الأول طبيعة النمو الإنساني وقضاياه الأساسية، وفي الفصل الثاني: عرض لأصول علم النفس في الغرب، وفي الفصل الثالث: محاولة لتحديد الوجهة الإسلامية لعلم نفس النمو، وتطلَّبَ ذلك السعي البحثَ في النمو الإنساني كما ورد في القرآن الكريم والسنة النبوية المطهرة، ثم عند فقهاء المسلمين ومفكريهم وفلاسفتهم، ثم بناء نموذج النمو الإسلامي في هذا الإطار الإسلامي الشامل.وفي الفصل الرابع: عرض لمناهج البحث في النمو الإنساني؛ بدأناه بتوصيف مركز للصلة الوثيقة بين المنهج العلمي في البحث والتصور الإسلامي للمعرفة، ثم تناولنا بشيء من التفصيل والتقويم الطرق المنوعة التي يستخدمها الباحثون المحدثون في هذا الميدان. أما الفصل الخامس: فقد خصصناه للنماذج النظرية للنمو الإنساني، مع التركيز خاصةً على نموذج بياجيه في النمو المعرفي، ونموذ إريكسون في النمو الانفعالي والوجداني، ونموذج كولبرج في النمون الخلقي والاجتماعي.أما الباب الثاني: فيتناول مرحلة الجنين، والتي تعد جزءًا من العمر الأول للإنسان، والعمر الأول للإنسان هو تلك المرحلة الكبرى التي تبدأ بتكوين الجنين في الرحم، وتنتهي بدخول الإنسان عالم الراشدين، هي مرحلة تتسم بالضعف حسب الوصف القرآني لها، إلّا أنه ضعف التحول إلى القوة "أي: الرشد". ولهذا نلاحظ على هذه المرحلة الكبرى تحسنًا مستمرًّا مضطردًا يومًا بعد يوم، وعامًا بعد عام، تحقيقًا لهذه الغاية. وقد جاء الباب الثاني حول أطوار مرحلة الجنين في ثلاثة فصول، التزمنا فيها بالتقسيم القرآني لها؛ ففي الفصل السادس تناولنا تكوين النطفة، وفي الفصل السابع عرضنا لأطوار نمو الجنين ابتداءً من طور النطفة الأمشاج، فطور العلقة، فطور المضغة، فطور تكوين العظام والعضلات "اللحم"، فطور التسوية، ثم خصَّصّنا الفصل الثامن لرعاية الجنين والأم الحامل.ويمتد العمر الأول للإنسان إلى الباب الثالث الذي خصصناه لمرحلة الطفولة.ومرة أخرى التزمنا في تصنيف أطوار هذه المرحلة بالتقسيم الإسلامي لها، وقد
কুরআনীয় বর্ণনা অনুযায়ী মানুষের জীবনকালকে দুর্বলতার দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যবর্তী সময়টি হলো শক্তির পর্যায়, তথা পরিপক্বতা বা রুশদ। প্রথম দুর্বলতাটি হলো "শৈশব ও কৈশোরের দুর্বলতা", যা পরিপক্বতার দিকে ধাবিত হওয়ার দুর্বলতা; আর দ্বিতীয় দুর্বলতাটি হলো "বার্ধক্য ও জরাগ্রস্ততার দুর্বলতা", যা পরিপক্বতা থেকে বিচ্যুতির দুর্বলতা।এই গ্রন্থের চতুর্থ সংস্করণটি ছয়টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত হয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে মানবীয় বিকাশের গবেষণার সাধারণ মূলনীতিসমূহ আলোচিত হয়েছে এবং এটি পাঁচটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত। প্রথম পরিচ্ছেদে মানবীয় বিকাশের প্রকৃতি ও এর মৌলিক বিষয়সমূহ আলোচিত হয়েছে; দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে পাশ্চাত্যের মনোবিজ্ঞানের উৎসসমূহ উপস্থাপিত হয়েছে; এবং তৃতীয় পরিচ্ছেদে বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণের একটি প্রয়াস চালানো হয়েছে। এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর পাশাপাশি মুসলিম ফকিহ, চিন্তাবিদ ও দার্শনিকদের বর্ণনায় মানবীয় বিকাশের স্বরূপ অনুসন্ধান করা হয়েছে, অতঃপর একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি কাঠামোর ভিত্তিতে ইসলামি বিকাশ-মডেল গঠন করা হয়েছে।চতুর্থ পরিচ্ছেদে মানবীয় বিকাশের গবেষণা পদ্ধতিসমূহ উপস্থাপন করা হয়েছে; আমরা এটি শুরু করেছি বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতির সাথে ইসলামি জ্ঞানতাত্ত্বিক ধারণার নিবিড় সম্পর্কের একটি কেন্দ্রীয় বর্ণনার মাধ্যমে। এরপর এই ক্ষেত্রে আধুনিক গবেষকদের ব্যবহৃত বিভিন্ন পদ্ধতির বিস্তারিত আলোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়েছে। আর পঞ্চম পরিচ্ছেদটি আমরা মানবীয় বিকাশের তাত্ত্বিক মডেলগুলোর জন্য নির্ধারণ করেছি, যেখানে বিশেষভাবে পিয়াজের জ্ঞানীয় বিকাশ মডেল, এরিকসনের আবেগীয় ও অনুভূতিমূলক বিকাশ মডেল এবং কোলবার্গের নৈতিক ও সামাজিক বিকাশ মডেলের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।দ্বিতীয় অধ্যায়ে ভ্রূণকাল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যা মানুষের জীবনের প্রথম বয়সের অংশ হিসেবে বিবেচিত। মানুষের জীবনের প্রথম বয়স বলতে সেই দীর্ঘ পর্যায়কে বোঝায় যা জরায়ুতে ভ্রূণ সৃষ্টির মাধ্যমে শুরু হয় এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জগতে প্রবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। কুরআনীয় বর্ণনা অনুযায়ী এটি দুর্বলতার পর্যায়, তবে এটি হলো শক্তির (অর্থাৎ রুশদ বা পরিপক্বতার) দিকে ধাবিত হওয়ার দুর্বলতা। এজন্য আমরা দেখি যে, এই চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে এই দীর্ঘ পর্যায়ে দিনে দিনে এবং বছরে বছরে ক্রমাগত উন্নতি সাধিত হয়। ভ্রূণকালের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে গঠিত এই দ্বিতীয় অধ্যায়টি তিনটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত, যেখানে আমরা কুরআনীয় শ্রেণিবিন্যাস অনুসরণ করেছি। ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে আমরা নুতফা (নিষিক্ত ডিম্বাণু) গঠন নিয়ে আলোচনা করেছি; সপ্তম পরিচ্ছেদে ভ্রূণ বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়—যেমন মিশ্র শুক্রবিন্দু, আলাকা (রক্তপিণ্ড), মুদগা (মাংসপিণ্ড), অস্থি ও পেশি (মাংস) গঠন এবং সবশেষে অবয়ব পূর্ণতা বা তাসওয়িয়া পর্যায়গুলো তুলে ধরেছি। অতঃপর অষ্টম পরিচ্ছেদটি ভ্রূণ ও গর্ভবতী মায়ের যত্নের জন্য বরাদ্দ করেছি।মানুষের জীবনের প্রথম বয়সের বিস্তৃতি তৃতীয় অধ্যায় পর্যন্ত প্রসারিত, যা আমরা শৈশবকালের জন্য নির্ধারণ করেছি।এই পর্যায়ের বিভিন্ন স্তর বিন্যাসের ক্ষেত্রে আমরা আবারও ইসলামি শ্রেণিবিন্যাস অনুসরণ করেছি এবং...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৭)
جاء هذا الباب في أربعة فصول، فتناول الفصل التاسع طور الوليد، والفصل العاشر طور الرضيع، والفصل الحادي عشر طور الحضانة، والفصل الثاني عشر طور التمييز.ومع تقدم الإنسان في النمو في عمر ضعفه الأول تزداد قوته توجهًا نحو الرشد، ولهذا خصصنا الباب الرابع للمرحلة الأخيرة من مراحل هذا العمر الأول، وهي مرحلة المراهقة والشباب، وقد جاء تناولها في فصلين موجهين مرةً أخرى بالمنظور الإسلام؛ ففي الفصل الثالث عشر تناول لطور بلوغ الحلم "أو المراهقة"، وفي الفصل الرابع عشر معالجة لطور بلوغ السعي "أو الشباب".ويتناول الباب الخامس "العمر الثاني للإنسان" وهو الرشد الإنساني والقوة البشرية، والذي يمتد إلى أن يصل بالإنسان إلى ضعفه الجديد مع الشيخوخة، وقد جاء عرضنا لهذه الفترة الكبرى في أربعة فصول، فيعرض الفصل الخامس عشر لحدود الرشد، وكان موجهًا في هذا التحديد بالمحك الإسلامي، وفي تقيسم هذا العمر إلى مراحله وأطواره، وكان التزامنا -كالشأن في المراحل والأطوار السابقة- بالتوجيه الإسلامي، ولهذا تناول الفصل السادس عشر طور بلوغ الرشد "أو ما يسمى الرشد المبكر"، والفصل السابع عشر طور بلوع الأشد "أو ما يسمى وسط العمر"، ثم خصصنا الفصل الثامن عشر لموضوعٍ هو الشغل للمربين المعاصرين، وهو التعلم مدى الحياة للإجابة على السؤال الهام: كيف يتعلم الراشدون؟وفي الباب السادس والأخير: يتناول الكتاب "العمر الثالث للإنسان" أي: مرحلة ضعف المسنين، وقد جاء عرضنا لهذه المرحلة في أربعة فصول موجهة كلها بالمنظور الإسلامي؛ ففي الفصل التاسع عشر عرضنا لحدود الضعف الثاني، وهي حدود الشيخوخة والهرم، وقد تطلَّب ذلك مناقشة مفصلة للمحكّات الشائعة في الوقت الحاضر، ومناقشتها في ضوء المحك الإسلامي، وقد خصصنا لهذا الموضوع الفصل التاسع عشر، أما الفصل العشرون: فقد تناول التغيرات التي تطرأ على الإنسان في طور الشيخوخة، وهو الذي يسميه القرآن الكريم أرذل العمر. وكان لابد أن ينتهي هذا الباب كما ينتهي الكتاب بفصلٍ عن رعاية المسنين، وهو الفصل الثاني والعشرون.وهكذا نجد بإزاء تصور للنمو على أنه "دورة حياة"، وليس مراحل منفصلة متقطعة، وإذا كان هذا التصور لم يشع في كتابات علم نفس النمو إلّا منذ سنوات
এই অধ্যায়টি চারটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত; নবম পরিচ্ছেদে নবজাতক পর্যায়, দশম পরিচ্ছেদে দুগ্ধপোষ্য শিশু পর্যায়, একাদশ পরিচ্ছেদে শৈশবকাল এবং দ্বাদশ পরিচ্ছেদে বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন হওয়ার পর্যায় আলোচনা করা হয়েছে।মানুষের বিকাশের অগ্রগতির সাথে সাথে তার প্রথম দুর্বলতার বয়সে শক্তি বৃদ্ধি পেয়ে পরিপক্বতার দিকে ধাবিত হয়। এই কারণে আমরা চতুর্থ অধ্যায়টি এই প্রথম বয়সের শেষ পর্যায়ের জন্য নির্দিষ্ট করেছি, যা হলো কৈশোর ও তারুণ্য। এটি পুনরায় ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে দুটি পরিচ্ছেদে আলোচিত হয়েছে; ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদে বয়ঃসন্ধি বা কৈশোর পর্যায় এবং চতুর্দশ পরিচ্ছেদে কর্মক্ষমতা অর্জন বা তারুণ্য পর্যায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।পঞ্চম অধ্যায়ে মানুষের "দ্বিতীয় বয়স" তথা মানবিক পরিপক্বতা ও শারীরিক শক্তির পর্যায়টি আলোচিত হয়েছে, যা বার্ধক্যের কারণে মানুষের মধ্যে নতুন করে দুর্বলতা দেখা দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। আমরা এই দীর্ঘ সময়কালকে চারটি পরিচ্ছেদে উপস্থাপন করেছি। পঞ্চদশ পরিচ্ছেদে পরিপক্বতার সীমা নির্দেশ করা হয়েছে এবং এই সীমা নির্ধারণে ইসলামি মানদণ্ডকে অনুসরণ করা হয়েছে। এই বয়সকে বিভিন্ন স্তর ও পর্যায়ে বিভক্ত করার ক্ষেত্রেও—পূর্ববর্তী পর্যায়গুলোর মতো—আমরা ইসলামি নির্দেশনার প্রতি দায়বদ্ধ ছিলাম। ফলে ষোড়শ পরিচ্ছেদে পরিপক্বতায় উপনীত হওয়ার পর্যায় (যাকে প্রারম্ভিক পরিপক্বতা বলা হয়) এবং সপ্তদশ পরিচ্ছেদে পূর্ণ শক্তিতে উপনীত হওয়ার পর্যায় (যাকে মধ্যবয়স বলা হয়) আলোচিত হয়েছে। এরপর অষ্টাদশ পরিচ্ছেদটি সমসাময়িক শিক্ষাবিদদের আগ্রহের বিষয় অর্থাৎ "আজীবন শিক্ষা"র জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে, যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর অন্বেষণ করা যায়: প্রাপ্তবয়স্করা কীভাবে শেখেন?ষষ্ঠ ও শেষ অধ্যায়ে বইটি মানুষের "তৃতীয় বয়স" অর্থাৎ বার্ধক্যের দুর্বলতার পর্যায়টি নিয়ে আলোচনা করে। আমরা এই পর্যায়টিকে চারটি পরিচ্ছেদে উপস্থাপন করেছি যার সবকটিই ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা পরিচালিত। ঊনবিংশ পরিচ্ছেদে আমরা দ্বিতীয় দুর্বলতার সীমা তথা বার্ধক্য ও জরাগ্রস্ততার সীমা বর্ণনা করেছি। এটি বর্তমান সময়ে প্রচলিত মানদণ্ডসমূহ এবং ইসলামি মানদণ্ডের আলোকে সেগুলোর বিস্তারিত পর্যালোচনার দাবি রাখে; তাই এই বিষয়টি ঊনবিংশ পরিচ্ছেদে আলোচিত হয়েছে। বিংশ পরিচ্ছেদে বার্ধক্যকালে মানুষের মধ্যে সংঘটিত পরিবর্তনগুলো আলোচিত হয়েছে, যাকে পবিত্র কুরআন 'আরযালুল উমুর' বা নিকৃষ্টতম বয়স বলে অভিহিত করেছে। বইটির সমাপ্তির সাথে সাথে এই অধ্যায়টিও প্রবীণদের যত্ন ও পরিচর্যা বিষয়ক একটি পরিচ্ছেদের মাধ্যমে শেষ হওয়া আবশ্যক ছিল, যা হলো দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ।এভাবে আমরা বিকাশের এমন একটি ধারণার সম্মুখীন হই যা একে একটি "জীবনচক্র" হিসেবে গণ্য করে, বিচ্ছিন্ন বা খণ্ডিত কোনো পর্যায় হিসেবে নয়। যদিও বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের সাহিত্যে এই ধারণাটি মাত্র কয়েক বছর আগে থেকে প্রচলিত হতে শুরু করেছে।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৮)
قليلة، فإن القرآن الكريم بإعجازه العلميّ الرفيع، عبَّر عنه بأبلغ تعبير منذ أكثر من أربعة عشر قرنًا.يقول الله تعالى في سورة الحج:{يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنْ كُنْتُمْ فِي رَيْبٍ مِنَ الْبَعْثِ فَإِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ تُرَابٍ ثُمَّ مِنْ نُطْفَةٍ ثُمَّ مِنْ عَلَقَةٍ ثُمَّ مِنْ مُضْغَةٍ مُخَلَّقَةٍ وَغَيْرِ مُخَلَّقَةٍ لِنُبَيِّنَ لَكُمْ وَنُقِرُّ فِي الْأَرْحَامِ مَا نَشَاءُ إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى ثُمَّ نُخْرِجُكُمْ طِفْلًا ثُمَّ لِتَبْلُغُوا أَشُدَّكُمْ وَمِنْكُمْ مَنْ يُتَوَفَّى وَمِنْكُمْ مَنْ يُرَدُّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ لِكَيْلَا يَعْلَمَ مَنْ بَعْدِ عِلْمٍ شَيْئًا … } .وهذا الكتاب ما هو إلّا محاولة علمية لخدمة هذه الآيات البينات، ونحن نفضل أن يكون "العلم في خدمة القرآن الكريم"، وقد حاولنا ما استطنا أن نعيد تنظيم المعرفة السيكولوجية المتاحة في هذا الإطار القرآني العظيم، سعيًا لتحديد وجهة إسلامية لعلم نفس النمو، ونرجو من الله سبحانه وتعالى أن نكون قد وفقنا في تحقيق هذه الغاية النبيلة.ولم يبق لنا أن نقول إلّا ما قلناه عند تقديم كتابنا الأول "علم النفس التربوي" وأيضًا في الطبعات السابقة من هذا الكتاب، من أننا نعتبر الجهد الذي بذلناه فيه رسالة ولاء لوطن أحببناه، وعلم كرسّنا حياتنا له، وهو ثمرة أخرى من ثمار عمرنا المشترك الذي قضيناه زوجين ووالدين وجدين ومعلمين وباحثين في علم النفس، والله نسأل أن ينفع به قارئه ودارسه، إنه سبحانه وتعالى هو الموفق إلى سواء السبيل.أ. د فؤاد عبد اللطيف أبو حطبأستاذ علم النفس التربويكلية التربية جامعة عين شمسومدير المركز القومي للإمتحانات والتقويم التربويأ. د آمال أحمد مختار صادقأستاذ علم النفس التربويكلية التربية جامعة حلواننائب رئيس جامعة حلوانلشئون خدمة المجتمع وتنمية البيئةالقاهرةصفر 1419 هـيونية 1998 م
সামান্য হলেও, পবিত্র কুরআন তার সুউচ্চ বৈজ্ঞানিক অলৌকিকতার মাধ্যমে চৌদ্দশ বছরেরও বেশি সময় আগে অত্যন্ত প্রাঞ্জলভাবে তা প্রকাশ করেছে।মহান আল্লাহ সূরা আল-হজ্জে ইরশাদ করেন:{হে মানুষ! পুনরুত্থান সম্পর্কে যদি তোমরা সন্দেহে থাক, তবে জেনে রেখো যে, আমি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি, এরপর বীর্য থেকে, এরপর জমাট রক্ত থেকে, এরপর পূর্ণাকৃতি কিংবা অপূর্ণাকৃতি গোশতপিণ্ড থেকে—যাতে আমি তোমাদের নিকট বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করি। আর আমি যা ইচ্ছা করি তা এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জরায়ুতে স্থির রাখি, এরপর আমি তোমাদেরকে শিশুরূপে বের করে আনি, যাতে তোমরা পরে তোমাদের পূর্ণ যৌবনে উপনীত হও। তোমাদের মধ্যে কারো কারো মৃত্যু ঘটে এবং কাউকে নিকৃষ্টতম বয়সে (বার্ধক্যে) ফিরিয়ে নেওয়া হয়, যাতে সে জ্ঞান লাভের পর সবকিছু ভুলে যায় … } ।আর এই বইটি এই সুস্পষ্ট আয়াতসমূহের খিদমতের জন্য একটি বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা মাত্র। আমরা চাই যে "বিজ্ঞান যেন পবিত্র কুরআনের খিদমতে" নিয়োজিত থাকে। আমরা আমাদের সাধ্যমতো এই মহান কুরআনিক কাঠামোর মধ্যে বিদ্যমান মনস্তাত্ত্বিক জ্ঞানকে পুনর্গঠন করার চেষ্টা করেছি, যাতে বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের একটি ইসলামি দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা যায়। মহান আল্লাহর কাছে আমাদের প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের এই মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তাওফিক দান করেন।আমাদের প্রথম গ্রন্থ "শিক্ষামূলক মনোবিজ্ঞান" এর ভূমিকা এবং এই গ্রন্থের পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোতে যা বলেছিলাম, তার পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর কিছু বলার বাকি নেই; তা হলো—আমরা এতে যে শ্রম ব্যয় করেছি তাকে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির প্রতি একটি আনুগত্যের বার্তা এবং যে বিজ্ঞানের জন্য আমরা জীবন উৎসর্গ করেছি তার প্রতি নিবেদন বলে মনে করি। এটি আমাদের যৌথ জীবনের আরেকটি ফল, যা আমরা দম্পতি, পিতা-মাতা, পিতামহ-পিতামহি এবং মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে অতিবাহিত করেছি। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন পাঠক ও শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে উপকৃত হয়। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহই সঠিক পথে পরিচালিত করার মালিক।প্রফেসর ড. ফুয়াদ আব্দুল লতিফ আবু হাতাবশিক্ষামূলক মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপকশিক্ষা অনুষদ, আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়এবং জাতীয় পরীক্ষা ও শিক্ষামূলক মূল্যায়ন কেন্দ্রের পরিচালকপ্রফেসর ড. আমাল আহমাদ মুখতার সাদিকশিক্ষামূলক মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপকশিক্ষা অনুষদ, হেলওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ভাইস-প্রেসিডেন্ট, হেলওয়ান বিশ্ববিদ্যালয় (জনসেবা ও পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক)কায়রোসফর ১৪১৯ হিজরিজুন ১৯৯8 খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৩)
الباب الأول: الأسس العامةالفصل الأول: طبيعة النمو الإنسانيمدخل…الباب الأول: الأسس العامةالفصل الأول: طبيعة النمو الإنسانيإن الذين يبحثون عن إجاباتٍ سهلة لأسئلتهم، وحلول جاهزة لمشكلاتهم، سوف يجدون النمو الإنساني موضوعًا محبطًا لتوقعاتهم، أما الذين يتسامحون مع الغموض، ويحبون التعامل مع الأسئلة التي لم يجب عنها بعد، بل الذين يفضلون الموضوعات التي تطرح المزيد من الأسئلة أكثر مما تقدم من إجابات، فسوف يجدون فيه موضوعًا للتحدي والاستثارة، بل والإبداع العلمي.والسؤال الذي نبدأ به هذا الكتاب هو: ما النمو؟ إن معظم دارسي هذا الموضوع -كغيرهم من دارسي الفروع الأخرى من علم النفس- يختلفون عن دارسي العلوم الطبيعية والبيولوجية، في أنهم يشعرون بأن موضوعهم مألوفٌ لديهم قبل البدء في أي دراسة منظمة له، فنحن جميعًا نعرف شيئًا عن أنفسنا في مراحل عمرنا المختلفة، وكلٌّ منا لاحظ عن قرب شخصًا آخر ينمو، طفلًا أو شابًا أو راشدًا أو كهلًا أو شيخًا، وكثيرون منا ساهموا في هذه العملية من خلال أدوار الوالدية، أو عمليات التنشئة والتطبيع، ومعظمنا سمع البرامج، وشاهد الأفلام، وقرأ ما هو شائع عن تقدم الإنسان وتدهوره في مختلف مراحل حياته، ولهذا السبب ربما يكون موضوع النمو هو الموضوع الوحيد من بين موضوعات مختلف العلوم الإنسانية والاجتماعية الذي يجعل قارئه مشاركًا مع كاتبه في حوار دائم، يتفق معه ويختلف، بل قد يشعر في كثير من الأحيان أن خبرته الشخصية لا تدعم النتائج التي تَمَّ التوصل إليها.إلَّا أن الألفة الشديدة بموضوع البحث قد تكون عائقًا أكثر منها ميزة؛ فهناك خطر حقيقيٌّ على الفهم العلمي عندما يقترب المرء من موضوع البحث مزودًا بأفكار مسبقة راسخة عنه، وخاصة إذا كانت هذه الأفكار هي من نوع المعتقدات الشائعة في الحكمة الشعبية أو الفهم العام، وبالطبع فإن الفهم العام قد يتفق أحيانًا مع الملاحظة العلمية، إلّا أنه في كثير من الأحيان لا يتفق، خذه بعض الأمثلة على ذلك: يذكر الفولكلور التربوي أن الأطفال الذين يحظون بالاهتمام الوالديّ المباشر عند كل صيحة تصدر عنهم، سوف يصبحون مدلَّلِين معتمدين. كما يذكر أيضًا
প্রথম অধ্যায়: সাধারণ ভিত্তিপ্রথম পরিচ্ছেদ: মানব বিকাশের প্রকৃতিভূমিকা...প্রথম অধ্যায়: সাধারণ ভিত্তিপ্রথম পরিচ্ছেদ: মানব বিকাশের প্রকৃতিযারা তাদের প্রশ্নের সহজ উত্তর এবং সমস্যার তৈরি সমাধান খুঁজছেন, তারা মানব বিকাশকে তাদের প্রত্যাশার তুলনায় একটি হতাশাজনক বিষয় হিসেবে দেখতে পাবেন। তবে যারা অস্পষ্টতাকে মেনে নিতে পারেন এবং এমন সব প্রশ্ন নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন যার উত্তর এখনও মেলেনি, বরং যারা এমন সব বিষয় পছন্দ করেন যা উত্তরের চেয়ে বেশি প্রশ্ন উত্থাপন করে, তারা একে একটি চ্যালেঞ্জিং, উদ্দীপনামূলক এবং এমনকি বৈজ্ঞানিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্র হিসেবে খুঁজে পাবেন।এই বইটি আমরা যে প্রশ্নটি দিয়ে শুরু করছি তা হলো: বিকাশ কী? মনোবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার শিক্ষার্থীদের মতো এই বিষয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীও প্রাকৃতিক এবং জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের থেকে ভিন্ন; কারণ তারা কোনো সুশৃঙ্খল অধ্যয়ন শুরু করার আগেই অনুভব করেন যে বিষয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। আমরা সবাই আমাদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নিজেদের সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানি। আমাদের প্রত্যেকেই কোনো না কোনো ব্যক্তিকে বেড়ে উঠতে নিবিড়ভাবে লক্ষ্য করেছি—তা সে শিশু, কিশোর, প্রাপ্তবয়স্ক, প্রৌঢ় বা বৃদ্ধই হোক না কেন। আমাদের মধ্যে অনেকে পিতামাতার ভূমিকা অথবা লালন-পালন ও সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই বিকাশে অবদান রেখেছেন। আমাদের অধিকাংশরাই বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুনেছেন, চলচ্চিত্র দেখেছেন এবং মানুষের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে অগ্রগতি ও অবনতি সম্পর্কে প্রচলিত তথ্যাদি পড়েছেন। আর এই কারণেই হয়তো মানব বিকাশ হচ্ছে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে একমাত্র বিষয় যা তার পাঠককে লেখকের সাথে একটি নিরন্তর সংলাপে অংশগ্রহণে বাধ্য করে, যেখানে তিনি একমত হন বা দ্বিমত পোষণ করেন; এমনকি তিনি অনেক সময় অনুভব করতে পারেন যে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা গবেষণালব্ধ ফলাফলের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।তবে গবেষণার বিষয়ের সাথে অত্যধিক পরিচিতি কোনো সুবিধার চেয়ে বরং বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। যখন কেউ কোনো গবেষণার বিষয়ে পূর্বনির্ধারিত বদ্ধমূল ধারণা নিয়ে অগ্রসর হয়, তখন তার বৈজ্ঞানিক উপলব্ধির ক্ষেত্রে এক বাস্তব ঝুঁকি তৈরি হয়; বিশেষ করে যদি সেই ধারণাগুলো লোকজ প্রজ্ঞা বা সাধারণ বুদ্ধির প্রচলিত বিশ্বাসের অন্তর্ভুক্ত হয়। অবশ্য সাধারণ উপলব্ধি অনেক সময় বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের সাথে মিলে যেতে পারে, তবে অনেক ক্ষেত্রে তা মেলে না। এর কিছু উদাহরণ গ্রহণ করা যাক: শিক্ষামূলক লোকগাঁথায় (Folklore) উল্লেখ করা হয় যে, কান্নাকাটি করার সাথে সাথেই যে শিশুরা পিতামাতার তাৎক্ষণিক মনোযোগ পায়, তারা ভবিষ্যতে আদুরে ও পরনির্ভরশীল হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে আরও উল্লেখ করা হয় যে...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৪)
إنه إذا غابت العصا "أي: العقاب" يفسد الطفل. ويذكر ثالثًا أن الأطفال الذين ينشأون وسط عائلات كبيرة يكون محصولهم اللغوي أكبر من أطفال الأسر الصغيرة، ناهيك أنه قد ظهرت على مدى التاريخ الإنساني وجهات نظر متباينة حول طبيعة الطفل، ومن ذلك مثلًا: هل يولد الطفل وشخصيته الأساسية كاملة التكوين؟ أم أن هذه الشخصية تحددها أساليب التنشئة الاجتماعية وخاصة التنشئة الوالدية؟ هل الأطفال متوحشون صغار؟ ودور المجتمع أن يعلمهم السلوك المدني؟ أم أنهم يولدون كائنات أخلاقية ويعلمهم المجتمع الجشع والأنانية؟ هذه بعض أفكار الفهم العام التي لا يوجد دليل علمي يدعمها، بل إن بعضها توجد حوله ثروة من الأدلة التي تدحضه.ولم يتطور العلم إلّا عندما أنشأ مناهجه في البحث وطرقه في الدراسة، والتي بها نزداد فهما للقضايا الخلافية، فالخبرة الشخصية والفهم العام قد يكون نقطة البداية في دراسة النمو، إلّا أن اللجوء إلى الملاحظة العلمية المنظمة يساعد على ترشيد فهمنا لنمو السلوك الإنساني على أساس أدلة الواقع وشواهده، بالإضافة إلى أنها تعيننا على تغيير نظرتنا، وتوسيع آفاق وعينا، وكلما ازددنا تعلمًا بالأسلوب العلمي، يمكننا أن نرى أبعادًا جديدة في التفاصيل الكثيرة المألوفة في دورة الحياة الإنسانية.
বস্তুত যখন দণ্ড (অর্থাৎ শাস্তি) অনুপস্থিত থাকে, তখন শিশু বখে যায়। তৃতীয়ত এটি উল্লেখ করা হয় যে, যে সকল শিশু বৃহৎ পরিবারের পরিবেশে বেড়ে ওঠে, তাদের ভাষাগত জ্ঞান ক্ষুদ্র পরিবারের শিশুদের তুলনায় অধিক সমৃদ্ধ হয়। এমনকি মানব ইতিহাসের পরিক্রমায় শিশুর প্রকৃতি সম্পর্কে বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় দৃষ্টিভঙ্গি পরিলক্ষিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ: শিশু কি তার মৌলিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ রূপ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে? নাকি এই ব্যক্তিত্ব সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া এবং বিশেষ করে পিতামাতার লালন-পালনের পদ্ধতির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়? শিশুরা কি এক প্রকার ক্ষুদ্র বন্য সত্তা? আর সমাজের দায়িত্ব কি তাদের সভ্য আচরণ শিক্ষা দেওয়া? নাকি তারা নৈতিক সত্তা হিসেবে জন্মগ্রহণ করে এবং সমাজই তাদের লোভ ও স্বার্থপরতা শেখায়? এগুলি সাধারণ উপলব্ধির এমন কিছু ধারণা যার সমর্থনে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই; বরং এর মধ্যে কিছু ধারণা এমনও রয়েছে যা খণ্ডন করার জন্য প্রচুর প্রমাণ বিদ্যমান।বিজ্ঞান কেবল তখনই বিকশিত হয়েছে যখন এটি নিজস্ব গবেষণা পদ্ধতি এবং অধ্যয়নের ধারা প্রবর্তন করেছে, যার মাধ্যমে আমরা বিতর্কমূলক বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে অনুধাবন করতে পারি। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ বোধশক্তি বিকাশের অধ্যয়নে একটি প্রারম্ভিক বিন্দু হতে পারে, তবে সুশৃঙ্খল বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের আশ্রয় গ্রহণ বাস্তব তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে মানুষের আচরণগত বিকাশ সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিকে যৌক্তিক ও সঠিক করতে সহায়তা করে। তদুপরি, এটি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে এবং সচেতনতার দিগন্তকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে। আর আমরা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যতটা বেশি জ্ঞান অর্জন করব, মানব জীবনচক্রের পরিচিত খুঁটিনাটি বিষয়গুলোর মধ্যে ততই নতুন নতুন মাত্রা প্রত্যক্ষ করতে সক্ষম হব।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৪)
موضوع علم نفس النمو:النمو الإنساني أرض مشتركة لعدد من العلوم الإنسانية الاجتماعية والبيولوجية الفيزيائية، وتشمل علم النفس وعلم الاجتماع والأنثروبولوجيا وعلم الأجنة وعلم الوراثة وعلم الطب، إلّا أن علم النفس يقف بين هذه العلوم بتميزه الواضح يتناول هذه الظاهرة، وأنشأ فرعًا منه يختص بدراستها، هو علم نفس النمو "أو علم النفس الارتقائي، كما يسمى أحيانًا" Developmental psychology، ومع ذلك فإن تنوع المعارف التي زودتنا بها العلوم الأخرى، ووفرة هذه المعلومات تدعونا إلى وصف هذا المجال بأنه من نوع المجالات العلمية المشتركة Interdisciplinary، التي يحتاج أصحابها إلى كل ما توفر مصادر المعرفة الأخرى الوثيقة الصلة به.وعلم نفس النمو هو فرع علم النفس الذي يهتم بدراسة التغيرات التي تطرأ على سلوك الإنسان من المهد -بل وقبله- إلى اللحد، ويحدد بجنر "Bigner، 1983: 5" الاهتمامات التي تشغل العلماء في هذا الميدان بالأسئلة العشرة الآتية:
বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু:মানব বিকাশ হলো বেশ কিছু মানবিক-সামাজিক এবং জৈবিক-ভৌত বিজ্ঞানের একটি সাধারণ ক্ষেত্র; যার অন্তর্ভুক্ত হলো মনোবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, ভ্রূণতত্ত্ব, বংশগতিবিদ্যা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান। তবে মনোবিজ্ঞান এই বিজ্ঞানসমূহের মাঝে তার সুস্পষ্ট স্বকীয়তার সাথে এই বিষয়টি পর্যালোচনা করে এবং এটি অধ্যয়নের জন্য একটি বিশেষ শাখা তৈরি করেছে, যা হলো 'বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞান' (বা একে কখনও কখনও 'বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান'ও বলা হয়)। তা সত্ত্বেও অন্যান্য বিজ্ঞানের প্রদানকৃত জ্ঞানের বৈচিত্র্য এবং তথ্যের প্রাচুর্য আমাদের এই ক্ষেত্রটিকে একটি 'সমন্বিত বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র' (Interdisciplinary) হিসেবে অভিহিত করতে উদ্বুদ্ধ করে, যেখানে সংশ্লিষ্ট গবেষকদের এই বিষয়ের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত অন্যান্য জ্ঞান-উৎসগুলোর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞান হলো মনোবিজ্ঞানের সেই শাখা যা দোলনা থেকে—বরং তারও আগে থেকে—কবর পর্যন্ত মানুষের আচরণের মধ্যে আসা পরিবর্তনগুলো নিয়ে আলোচনা করে। বিগনার (Bigner, ১৯৮৩: ৫) এই ক্ষেত্রের বিজ্ঞানীদের ব্যাপৃত রাখা বিষয়গুলোকে নিম্নোক্ত দশটি প্রশ্নের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করেছেন:
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৫)
"1" ما نمط التغير الذي يطرأ على الإنسان مع نموه؟"2" ما التنظيم الذي تتخذه حياة الإنسان في دورتها الكلية أو مداها الكامل؟"3" ما الخصائص المميزة للنمو في كل مرحلة من مراحل دورة الحياة؟"4" ما الذي نتوقعه من الفرد في كل مرحلة من مراحل حياته؟"5" ما درجة الاتساق في التغير من مرحلة إلى أخرى في حياة الإنسان؟"6" ما درجة العمومية والتفرد في الشخصية الإنسانية في مراحل حياة الإنسان المختلفة؟"7" ما الذي يمكن أن نقدمه للإنسان حتى يفهم مسيرة حياته تجنبًا لمشاعر القلق أو الخوف من المستقبل؟"8" ما الذي يمكن أن تقدمه دراستنا لنمو سلوك الآخرين في فهم نمونا الذتي؟"9" ما العوامل والقوى والمتغيرات التي تؤثر في النمو الإنساني عبر مدى الحياة؟"10" ما الذي يمكن أن تقدمه دراسة النمو في مواجهة متطللبات الإنسان في الماضي والحاضر والمستقبل؟وقد حاول علماء النفس الإجابة على بعض هذه الأسئلة طوال أكثر من مائة عام انقضت حتى الآن "عام 1998" منذ النشأة العلمية المنظمة لعلم نفس النمو.وفي كل مرحلة من مراحل نمو هذا العلم سادت بعض الاهتمامات وتضاءلت أخرى.فعندما ظهر هذا العلم في أواخر القرن التاسع عشر، كان تركيزه على فترات عمرية خاصة، وظلَّ على هذا النحو لعقود طويلة متتابعة، وكانت الاهتمامات المبكرة مقتصرة على أطفال المدارس، ثم امتدَّ الاهتمام إلى سنوات ما قبل المدرسة، وبعد ذلك إلى سن المهد "الوليد والرضيع"، فإلى مرحلة الجنين "مرحلة ما قبل الولادة".وبعد الحرب العلامية الأولى بقليل، بدأت البحوث حول المراهقة في الظهور والذيوع، وخلال فترة ما بين الحربين ظهرت بعض الدراسات حول الرشد المبكر، إلّا أنها لم تتناول النمو في هذه المرحلة بالمعنى المعتاد، بل ركزت على قضايا معينة مثل ذكاء الراشدين وسمات شخصياتهم، ويذكر مايلز miles، 1933" أنه حتى عام 1933 لم تتجاوز بحوث سيكولوجية النمو السنوات الخمس والعشرين الأولى من حياة الإنسان، بينما تركت السنوات الخمسون أو الستون التالية "والتي
"১" বিকাশের সাথে সাথে মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের ধরণটি কেমন হয়?"২" সামগ্রিক জীবনচক্র বা পূর্ণ জীবনব্যাপ্তিতে মানুষের জীবন কোন ধরণের কাঠামো বা সংগঠন গ্রহণ করে?"৩" জীবনচক্রের প্রতিটি পর্যায়ে বিকাশের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?"৪" জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে আমরা কী প্রত্যাশা করি?"৫" মানুষের জীবনের এক পর্যায় থেকে অন্য পর্যায়ে পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সঙ্গতির মাত্রা কতটুকু?"৬" মানব জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষের ব্যক্তিত্বের মধ্যে সাধারণতা ও অনন্যতার মাত্রা কতটুকু?"৭" ভবিষ্যৎ সম্পর্কে উদ্বেগ বা ভীতি এড়াতে একজন মানুষ যাতে তার জীবনযাত্রাকে বুঝতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা তাকে কী প্রদান করতে পারি?"৮" অন্যের আচরণের বিকাশ সম্পর্কিত আমাদের অধ্যয়ন নিজস্ব বিকাশের অনুধাবনে কী অবদান রাখতে পারে?"৯" জীবনব্যাপ্তি জুড়ে মানুষের বিকাশকে কোন সব উপাদান, শক্তি এবং চলকগুলো প্রভাবিত করে?"১০" অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মানবিক চাহিদা পূরণে বিকাশ সংক্রান্ত অধ্যয়ন কী ভূমিকা পালন করতে পারে?বিকাশ মনোবিজ্ঞানের সুসংগঠিত বৈজ্ঞানিক সূচনার পর থেকে গত এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে (১৯৯৮ সাল পর্যন্ত) মনোবিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নগুলোর কিছু উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।এই বিজ্ঞানের বিকাশের প্রতিটি পর্যায়ে কিছু বিশেষ বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং কিছু বিষয়ের গুরুত্ব হ্রাস পেয়েছে।উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যখন এই বিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে, তখন এর মনোযোগ ছিল নির্দিষ্ট কিছু বয়সের ওপর এবং দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে এটি এই অবস্থায় ছিল। প্রাথমিক আগ্রহগুলো কেবল স্কুলগামী শিশুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এরপর তা প্রাক-স্কুল পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে শৈশবকাল (নবজাতক ও দুগ্ধপোষ্য শিশু) থেকে ভ্রূণ পর্যায় (জন্মপূর্ব পর্যায়) পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কিছুকাল পরেই কৈশোরকাল সংক্রান্ত গবেষণাগুলো দৃশ্যমান হতে থাকে এবং বিস্তার লাভ করে। দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে আদি প্রাপ্তবয়স্ক কাল নিয়ে কিছু গবেষণা দেখা গেলেও সেগুলো প্রথাগত অর্থে বিকাশ নিয়ে আলোচনা করেনি, বরং প্রাপ্তবয়স্কদের বুদ্ধিমত্তা এবং ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যের মতো নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেছিল। মাইলস (১৯৩৩) উল্লেখ করেন যে, ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত বিকাশ মনোবিজ্ঞানের গবেষণাগুলো মানুষের জীবনের প্রথম পঁচিশ বছরের বেশি অতিক্রম করেনি, যেখানে পরবর্তী পঞ্চাশ বা ষাট বছর (যা...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৬)
تشمل مراحل الرشد والشيخوخة" للتراث القصصي والفولكلور النفسي والاجتماعي والانطباعات الشخصية.ومنذ الحرب العالمية الثانية ازداد الاهتمام التدريجي بالرشد، وخاصةً مع زيادة الاهتمام بحركة تعليم الكبار، أما الاهتمام بالمسنين فلم يظهر بشكلٍ واضحٍ إلّا منذ مطلع الستيات من هذا القرن، وكان السبب الجوهري في ذلك الزيادة السريعة في عددهم، ونسبتهم في الإحصاءات السكانية العامة، وما تتطلب ذلك من دراسة لمشكلاتهم، وتحديد أنواع الخدمات التي يجب أن توجه إليهم.وتذكر هيرلوك "Hurlock، 1980" سببين جوهرين لهذا الاهتمام غير المتكافئ بمراحل العمر المختلفة في مجال علم نفس النمو هما:1- الحاجة إلى حل المشكلات العملية التطبيقية:من الدوافع الهامة التي وجَّهَت البحث في مجال علم نفس النمو الضروروات العملية، والرغبة في حلِّ المشكلات التي يعاني منها الأفراد في مرحلة عمرية معينة، ومن ذلك أن بحوث الطفولة بدأت في أصلها للتغلب على الصعوبات التربوية والتعليمية لتلاميذ المدرسة الابتدائية، ثم توجهت إلى المشكلات المرتبطة بطرق تنشئة الأطفال على وجه العموم، ووجّه البحث في محلة المهد الرغبة في معرفة ما يتوافر لدى الوليد من استعدادات يولد مزودًا بها، أما البحث في مرحلة الرشد فقد وجهه الدافع إلى دراسة المشكلات العملية المتصلة بالتوافق الزواجي، وأثر تهدم الأسرة على الطفل، وقد أشرنا فيما سبق إلى العوامل التي وجهت البحث في مجال الشيخوخة.2- الصعوبات المنهجية في دراسة بعض مراحل العمر:على الرغم من الاهتمام بدراسة المراحل المختلفة لدورة الحياة لدى العامة المتخصصين على حدٍّ سواء، إلّا أن البحث في بعض هذه المراحل عاقته بعض الصعوبات المنهجية، فالحصول على عينات البحث مثلًا أسهل في حالة تلاميذ المدارس وطلاب الجامعات، وتؤثر بعض الاتجاهات الوالدية في تعويق البحث في بعض المراحل، كأن ترفض الأمهات والآباء تعرض أطفالهم الرضع للبحث العلمي خوفًا عليهم من الأذى، وبالإضافة إلى ذلك، فإن الحصول على المعلومات من الراشدين سواء بتطبيق الاختبارات عليهم، أو إجراء المقابلات الشخصية معهم دونه خرط القتاد، وتزداد هذه الصعوبة مع تقدم الإنسان في السن، ولعل هذا يفسر لنا تركيز بحوث المسنين الحديثة على المودعين بمؤسسات الرعاية، وهم عادةً لا يمثلون الأصل الإحصائي العام في المجتمع.
পূর্ণবয়স্কতা ও বার্ধক্যের পর্যায়সমূহ গল্প-ঐতিহ্য, মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক লোকগাথা এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাসমূহের অন্তর্ভুক্ত।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পূর্ণবয়স্কতার প্রতি ক্রমশ আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে থাকে, বিশেষত বয়স্ক শিক্ষা আন্দোলনের প্রসারের ফলে। তবে বৃদ্ধদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের বিষয়টি বর্তমান শতাব্দীর ষাটের দশকের শুরুর আগ পর্যন্ত স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়নি। এর মূল কারণ ছিল জনসংখ্যার সাধারণ পরিসংখ্যানে তাদের সংখ্যা ও আনুপাতিক হারের দ্রুত বৃদ্ধি। আর এর ফলেই তাদের সমস্যাগুলো নিয়ে গবেষণা এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবার ধরণ নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।হারলক "Hurlock, ১৯৮০" বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতি এই অসম গুরুত্ব প্রদানের পেছনে দুটি মৌলিক কারণ উল্লেখ করেছেন:১- ব্যবহারিক ও প্রায়োগিক সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয়তা:বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গবেষণাকে পরিচালিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ ছিল ব্যবহারিক প্রয়োজনীয়তা এবং জীবনের নির্দিষ্ট পর্যায়ে ব্যক্তি যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয় তার সমাধানের আকাঙ্ক্ষা। উদাহরণস্বরূপ, শৈশবকালীন গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত জটিলতাগুলো কাটিয়ে ওঠা। পরবর্তীতে এটি সাধারণত শিশুদের লালন-পালন সংক্রান্ত সমস্যার দিকে ধাবিত হয়। আবার শৈশবের একেবারে শুরুর পর্যায়ের গবেষণা পরিচালিত হয়েছিল নবজাতকের জন্মগত সক্ষমতা বা প্রবণতা সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকে। অন্যদিকে পূর্ণবয়স্কতা পর্যায়ের গবেষণার নেপথ্যে ছিল বৈবাহিক অভিযোজন সংক্রান্ত ব্যবহারিক সমস্যা এবং পরিবারের ভাঙন শিশুর ওপর কী প্রভাব ফেলে তা পর্যালোচনার তাড়না। বার্ধক্যের ক্ষেত্রে গবেষণার কারণসমূহ আমরা ইতোপূর্বেই উল্লেখ করেছি।২- জীবনের কিছু পর্যায় গবেষণার ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত জটিলতা:সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞ নির্বিশেষে জীবনচক্রের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে গবেষণার আগ্রহ থাকলেও পদ্ধতিগত কিছু সমস্যার কারণে কতিপয় পর্যায়ের গবেষণা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কাছ থেকে গবেষণার নমুনা সংগ্রহ করা তুলনামূলক সহজ। আবার কিছু ক্ষেত্রে পিতামাতার দৃষ্টিভঙ্গি গবেষণার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়; যেমন অনেক মা-বাবা তাদের দুগ্ধপোষ্য শিশুদের ওপর বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাতে দিতে রাজি হন না পাছে তাদের কোনো ক্ষতি হয়। তদুপরি, প্রাপ্তবয়স্কদের ওপর পরীক্ষা চালানো কিংবা তাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত দুঃসাধ্য কাজ। মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই জটিলতা আরও বৃদ্ধি পায়। সম্ভবত এটিই আধুনিককালে বৃদ্ধদের নিয়ে করা গবেষণাগুলো কেন বৃদ্ধাশ্রম বা সেবাকেন্দ্রগুলোতে অবস্থানরতদের ওপর কেন্দ্রীভূত থাকে তার ব্যাখ্যা দেয়, যদিও তারা সাধারণত সমাজের সাধারণ পরিসংখ্যানে বৃদ্ধদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করে না।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৭)
أهداف البحث في علم نفس النمو:يمكن القول أن لسيكولوجية النمو هدفين أساسيين: أولهما الوصف الكامل والدقيق قدر الإمكان للعمليات النفسية عند الناس في مختلف أعمارهم، واكتشاف خصائص التغير الذي يطرأ على هذه العمليات في كل عمر. وثانيهما تفسير التغيرات العمرية "الزمنية" في السلوك، أي: اكتشاف العوامل والقوى والمتغيرات التي تحدد هذه التغيرات، والهدف الثاني حديث نسبيًّا، فمن الوجهة التاريخية يمكن القول أن البحث في هذا الميدان منذ نشأته حتى وقتنا الحاضر، تركز على دراسة طبيعة التغير ومعدلاته في الجوانب المختلفة للسلوك؛ مثل: القدرة الحسية والحركية، ووظائف الإدراك والذكاء، والاستجابات الاجتماعية والانفاعالية وغيرها، وهي جميعًا تدخل في باب الوصف، وقد ازداد الاهتمام في السنوات الأخيرة بهدف التفسير، ثم أضيفت أهداف أخرى تتصل بالرعاية والمعاونة والتحكم والتنبؤ، أو باختصار التدخل في التغيرات السلوكية.1- وصف التغيرات السلوكية:على الرغم من أن هدف الوصف هو أبسط أهداف العلم إلّا أن أكثرها أساسية، فبدونه يعجز العلم عن التقدم إلى أهدافه الأخرى، والوصف مهمته الجوهرية أن يحقق للباحث "فهمًا" أفضل للظاهرة موضع البحث. ولذلك، فالباحث في علم نفس النمو عليه أن يجيب أولًا على أسئلة هامة مثل: متى تبدأ عملية نفسية معينة في الظهور؟ وما هي الخطوات التي تسير فيها، سواءً نحو التحسن أو التدهور؟ وكيف تؤلف مع غيرها من العمليات النفسية الأخرى أنماطًا معينة من النمو؟خذ مثلًا على ذلك: إننا جميعًا نلاحظ تعلق الرضيع بأمه، وأن الأم تبادل طفلها هذا الشعور، والسؤال هنا: متى يبدأ شعور التعلق attachment في الظهور؟ وما هي مراحل تطوره؟ وهل الطفل المتعلق بأمه تعلقًا آمنًا يكون أكثر قدرة على الاتصال بالغرباء، أم أن هذه القدرة تكون أكبر لدى الطفل الأقل تعلقًا بأمه؟ هذه وغيرها أسئلة من النوع الوصفي.ويجاب عن هذه الأسئلة بالبحث العلمي الذي يعتمد على الملاحظة، أي: من خلال مشاهدة الأطفال والاستماع إليهم، وتسجيل ملاحظتنا بدقة وموضوعية.وكانت أقدم الملاحظات المنظمة المسجلة التي تتعلق بنمو الأطفال ما يسمى: "سير الأطفال"، والتي ظهرت في أواخر القرن الثامن عشر، وخلال القرن التاسع
বিকাশীয় মনোবিজ্ঞানে গবেষণার লক্ষ্যসমূহ:বলা যেতে পারে যে, বিকাশীয় মনোবিজ্ঞানের প্রধান লক্ষ্য দুটি: প্রথমটি হলো মানুষের বিভিন্ন বয়সে মানসিক প্রক্রিয়াসমূহের যতটা সম্ভব পূর্ণাঙ্গ ও সূক্ষ্ম বর্ণনা প্রদান করা এবং প্রতিটি বয়সে এই প্রক্রিয়াগুলোতে যে পরিবর্তনের বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা দেয় তা আবিষ্কার করা। আর দ্বিতীয়টি হলো আচরণের বয়সজনিত "কালানুক্রমিক" পরিবর্তনসমূহের ব্যাখ্যা প্রদান করা; অর্থাৎ এই পরিবর্তনগুলো নির্ধারণকারী উপাদান, শক্তি ও চলকসমূহ অনুসন্ধান করা। দ্বিতীয় লক্ষ্যটি তুলনামূলকভাবে আধুনিক। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় যে, এই ক্ষেত্রে গবেষণা তার সূচনা লগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আচরণের বিভিন্ন দিকের পরিবর্তনের প্রকৃতি এবং এর হারের ওপরই গুরুত্বারোপ করেছে; যেমন: সংবেদনশীল ও মোটর সক্ষমতা, সংজ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যাবলি, সামাজিক ও আবেগীয় প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি। এ সবই বর্ণনামূলক শাখার অন্তর্ভুক্ত। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাখ্যামূলক লক্ষ্যের প্রতি গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর সাথে যত্ন, সহায়তা, নিয়ন্ত্রণ ও পূর্বানুমান অথবা সংক্ষেপে বলতে গেলে আচরণগত পরিবর্তনে হস্তক্ষেপের মতো আরও কিছু লক্ষ্য যুক্ত হয়েছে।১- আচরণগত পরিবর্তনের বর্ণনা:যদিও বর্ণনামূলক লক্ষ্যটি বিজ্ঞানের লক্ষ্যসমূহের মধ্যে সবচেয়ে সরল, তবুও এটি সবচেয়ে মৌলিক। এটি ছাড়া বিজ্ঞান তার অন্যান্য লক্ষ্য অর্জনে অগ্রসর হতে সক্ষম হয় না। বর্ণনার মূল কাজ হলো গবেষকের কাছে গবেষণাধীন বিষয়বস্তু সম্পর্কে আরও ভালো "উপলব্ধি" নিশ্চিত করা। তাই বিকাশীয় মনোবিজ্ঞানের গবেষককে প্রথমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়, যেমন: একটি নির্দিষ্ট মানসিক প্রক্রিয়া কখন শুরু হয়? এর অগ্রগতির ধাপগুলো কী কী, তা উন্নতি বা অবনতি যে দিকেই হোক না কেন? এবং কীভাবে এটি অন্যান্য মানসিক প্রক্রিয়ার সাথে মিলে বিকাশের নির্দিষ্ট ধরণ তৈরি করে?উদাহরণস্বরূপ: আমরা সবাই লক্ষ্য করি যে শিশু তার মায়ের প্রতি আসক্ত বা সংযুক্ত থাকে এবং মা-ও তার সন্তানের প্রতি একই অনুভূতি পোষণ করেন। এখানে প্রশ্ন হলো: এই আসক্তি বা সংযুক্তির (attachment) অনুভূতি কখন শুরু হয়? এর বিকাশের পর্যায়গুলো কী কী? মায়ের প্রতি নিরাপদ আসক্তি থাকা শিশু কি অপরিচিতদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে বেশি সক্ষম হয়, নাকি মায়ের প্রতি কম আসক্তি থাকা শিশুর মধ্যে এই ক্ষমতা বেশি থাকে? এগুলো এবং এই জাতীয় অন্যান্য প্রশ্নগুলো বর্ণনামূলক প্রকৃতির।এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে দেওয়া হয় যা পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভরশীল; অর্থাৎ শিশুদের দেখা, তাদের কথা শোনা এবং আমাদের পর্যবেক্ষণসমূহ সূক্ষ্ম ও বস্তুনিষ্ঠভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে।শিশুদের বিকাশ সংক্রান্ত প্রাচীনতম পদ্ধতিগত লিপিবদ্ধ পর্যবেক্ষণগুলোকে বলা হতো: "শিশুদের জীবনবৃত্তান্ত", যা আঠারো শতকের শেষভাগে এবং উনিশ শতকের দিকে প্রকাশিত হয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৮)
عشر، وتتلخص في وصف نمو طفل واحد "هو في العادة ابن الباحث أو قريبه" في محاولة لتتبع التغيرات في النواحي الحسية والحركة واللغوية والقدرة العقلية.وعلى الرغم من أن هذه الأعمال لا تعد من نوع الملاحظات العلمية؛ لأنها تتسم بالتحيز والانتقائية، إلّا أنها أثارت اهتمامًا كبيرًا بدراسة الأطفال، وبالمشكلات الجوهرية في سيكولوجية النمو.وفي نهاية القرن التاسع عشر، أجرى عالم النفس الأمريكي ج. ستانلي هول، أول بحث منظم حول ما أسماه: "محتويات عقول الأطفال"، وقد استخدم لأول مرة مجموعة من الأسئلة يمكن أن يجيب عنها كتابة مجموعات كبيرة من الأطفال. وأعدت هذه "الاستخبارات" لجمع معلومات عن سلوك الأطفال والمرهقين، واتجاهاتهم وميولهم، وقد كان غرض هول -مثل غرض كتاب سير الأطفال- وصف طبيعة "محتويات العقول" وصفًا دقيقًا، ويشمل ذلك الأفكار والمشاعر والانفعالات.وبزيادة الاهتمام بميدان سيكولوجية النمو ابتكر علماء النفس طرقًا أفضل، وجمعوا بيانات أدق تصف لنا الجوانب المختلفة للنمو، وقد زودتنا نتائج هذه البحوث الوصفية بثروة هائلة من الحقائق الجزئية التفصيلية إلى حد يدفعنا إلى القول بأنه: لا يوجد فرع آخر من فروع علم النفس توافر له ما توافر لعلم نفس النمو من تفاصيل ودقائق المعرفة.والغرض الذي يسعى إليه الوصف في العلم هو تحقيق درجة عالية من الفهم، ولا شك أن ما يعيننا على مزيد من الفهم، أن ملاحظتنا الوصفية في مجال علم نفس النمو لا تكون عادة منفصلة، وإنما تتخذ في الأغلب صورة النمط أو المتوالية، وحالما يستطيع الباحث أن يصف اتجاهات نمائية معينة، ويحدد موضع الطفل أو المراهق أو الراشد فيها، فإنه يمكنه الوصول إلى الأحكام الصحيحة حول معدل نموه، وهكذا نجد أن هدف الوصف في علم نفس النمو يمر بمرحلتين أساسيتين؛ أولاهما: الوصف المفصل للحقائق النمائية، وثانيتهما: ترتيب هذه الحقائق في اتجاهات أو "أنماط" وصفية كما يسميها فشبن "Fishbein، 1984: 7"، وهذه الأنماط قد تكون متآنية في مرحلة معينة، أو متتابعة عبر المراحل العمرية المختلفة.2- تفسير التغيرات السلوكية:الهدف الثاني لعلم نفس النمو هو التعمق فيما وراء الأنماط السلوكية التي تقبل الملاحظة، والبحث عن أسباب حدوثها، أي: هدف التفسير، والتفسير يعين الباحث على تعليل الظواهر موضع البحث من خلال الإجابة على سؤال: لماذا؟ بينما
অষ্টাদশ শতাব্দীর এই প্রচেষ্টাগুলো মূলত একটিমাত্র শিশুর বৃদ্ধির বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল (যে শিশুটি সাধারণত গবেষকের সন্তান কিংবা নিকটাত্মীয় হতো)। এর উদ্দেশ্য ছিল শিশুর ইন্দ্রিয়জাত, সঞ্চালনমূলক, ভাষাগত এবং মানসিক ক্ষমতার পরিবর্তনসমূহ পর্যবেক্ষণ করা।যদিও এই কাজগুলো বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের মর্যাদা লাভ করতে পারেনি, কারণ এগুলোতে পক্ষপাতিত্ব ও বাছাইকৃত তথ্যের প্রাধান্য ছিল; তবুও এগুলো শিশু নিয়ে গবেষণা এবং বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের মৌলিক সমস্যাবলির প্রতি ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছিল।ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে, আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী জি. স্ট্যানলি হল তাঁর কথিত ‘শিশুর মনের বিষয়বস্তু’ (Contents of Children's Minds) শীর্ষক প্রথম সুসংগঠিত গবেষণাটি পরিচালনা করেন। শিশুদের বড় কোনো দলের কাছ থেকে লিখিত উত্তর সংগ্রহের জন্য তিনি প্রথমবারের মতো একগুচ্ছ প্রশ্ন ব্যবহার করেন। শিশু ও কিশোরদের আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রবণতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য এই ‘প্রশ্নমালা’ (Questionnaires) তৈরি করা হয়েছিল। হলের উদ্দেশ্য ছিল—শিশু জীবনীকারদের মতোই—চিন্তা, অনুভূতি এবং আবেগসহ ‘মনের বিষয়বস্তুর’ প্রকৃতি নিখুঁতভাবে বর্ণনা করা।বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আগ্রহ বৃদ্ধির সাথে সাথে মনোবিজ্ঞানীগণ উন্নততর পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন এবং বিকাশের বিভিন্ন দিক বর্ণনাকারী আরও নির্ভুল উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এই বর্ণনামূলক গবেষণার ফলাফলসমূহ আমাদের তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার উপহার দিয়েছে, যা থেকে এ কথা বলা যায় যে: মনোবিজ্ঞানের অন্য কোনো শাখায় বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের মতো এত সুনিপুণ ও বিস্তারিত জ্ঞান বর্তমান নেই।বিজ্ঞানে বর্ণনার মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চতর পর্যায়ের উপলব্ধি অর্জন করা। নিঃসন্দেহে যা আমাদের উপলব্ধি বৃদ্ধিতে সহায়ক হয় তা হলো, বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আমাদের বর্ণনামূলক পর্যবেক্ষণগুলো সাধারণত বিচ্ছিন্ন হয় না, বরং এগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধারা বা অনুক্রমের (Pattern or Sequence) রূপ পরিগ্রহ করে। যখন একজন গবেষক নির্দিষ্ট কিছু বিকাশগত প্রবণতা বর্ণনা করতে পারেন এবং তাতে শিশু, কিশোর কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির অবস্থান নির্ধারণ করতে পারেন, তখন তিনি তার বৃদ্ধির হার সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হন। সুতরাং আমরা দেখতে পাই যে, বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানে বর্ণনার লক্ষ্য দুটি মৌলিক পর্যায় অতিক্রম করে; প্রথমত: বিকাশগত তথ্যের বিস্তারিত বর্ণনা এবং দ্বিতীয়ত: ফিশবাইন (Fishbein, ১৯৮৪: ৭) এর পরিভাষা অনুযায়ী এই তথ্যগুলোকে বর্ণনামূলক ‘ধারা’ বা ‘প্যাটার্ন’-এ বিন্যস্ত করা। এই প্যাটার্নগুলো বিকাশের কোনো নির্দিষ্ট পর্যায়ে সমকালীন হতে পারে অথবা বিভিন্ন বয়সের পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক হতে পারে।২- আচরণগত পরিবর্তনের ব্যাখ্যা প্রদান:বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো পর্যবেক্ষণযোগ্য আচরণিক কাঠামোর গভীরে প্রবেশ করা এবং সেগুলো ঘটার কারণ অনুসন্ধান করা, অর্থাৎ ‘ব্যাখ্যা প্রদানের লক্ষ্য’। এই ব্যাখ্যা গবেষককে ‘কেন?’—এই প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে গবেষণাধীন বিষয় বা প্রপঞ্চগুলোর কারণ দর্শাতে সাহায্য করে। যেখানে...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ৯)
الوصف يجب على السؤال: ماذا؟ وكيف؟وقد ظلَّ وصف اتجاهات النمو هدفًَا سائدًا في هذا الميدان لسنوات طويلة، ولم تتحول البحوث إلّا في الربع الأخير من القرن العشرين إلى الهدف الثاني، وهو تفسير التغيرات السلوكية التي نلاحظها مع تقدم الإنسان في العمر. ومن الأسئلة التفسيرية: لماذا يتخلف الطفل في المشي، أو يكون أكثر طلاقة في الكلام، أو أكثر قدرة على حل المشكلات المعقدة بتقدمه في العمر؟ وإلى أيّ حدٍّ ترجع هذه التغيرات إلى "الفطرة" التي تشمل فيما تشمل الخصائص البيولوجية والعوامل الوراثية ونضج الجهاز العصبي، أو إلى "الخبرة" أي: التعلم واستثارة البيئة؟والإجابة على مثل هذه الأسئلة تتطلب من الباحث أن يسير في اتجاهين؛ أحدهما: يجيب على السؤال: لماذا تبدأ متوالية سلوكية معينة في الظهور؟ وثانيهما: لماذا تستمر هذه المتوالية السلوكية في النمو؟ وعادة ما تبدأ الإجابة بتقصي الدور النسبي للفطرة "الوراثة"، والخبرة "البيئة".فمثلًا إذا كان الأطفال المتقدمون في الكلام في عمر معين يختلفون وراثيًّا عن المتخلفين نسبيًّا فيه، نستنتج من هذا أن معدل التغير في اليسر اللغوي يعتمد ولو جزئيًّا على الوراثة، أما إذا كشفت البحوث عن أن الأطفال المتقدمين في الكلام يلقون تشجيعًا أكثر على إنجازهم اللغوي، ويمارسون الكلام أكثر من غيرهم، فإننا نستنتج أن التحسن في القدرة اللغوية الحادث مع التقدم في العمر يمكن أن يعزى -جزئيًّا على الأقل- إلى الزيادة في الاستثارة البيئية.وفي الأغلب نجد أن من الواجب علينا لتفسير ظواهر النمو أن نستخدم المعارف المتراكمة في ميادين كثيرة أخرى من علم النفس وغيره من العلوم؛ مثل: نتائج البحوث في مجالات التعلم والإدراك والدافعية، وعلم النفس الاجتماعي، وسيكولوجية الشخصية، والوراثة، وعلم وظائف الأعضاء "الفسيولوجيا"، والأنثروبولوجيا وعلم الاجتماع.وإليك بعض الأمثلة على العلاقات بين هذه الموضوعات المتعددة؛ فبعض الخصائص مثل المظهر الجسمي ومعدلات النمو الجسمي والذكاء، وبعض صور الضعف العقلي والمرض العقلي، تتحدد جزئيًّا بالوراثة، ولكي نفهم هذه النواحي فهمًا كاملًا، فإن الأخصائي في سيكولوجية النمو يحتاج إلى بعض المعلومات من علم الوراثة، كما أن التغيرات الجسمية والسلوكية السريعة التي تحدث في فترة المراهقة تتحدد كثيرًا بعمليات فسيولوجية أساسية، منها نشاط الغدد الصماء، والكيمياء الحيوية لجهاز الدم في الجسم، ولبحث هذه الظواهر يجب على علم
বর্ণনাকে অবশ্যই এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে: কী? এবং কীভাবে?দীর্ঘদিন ধরে এই ক্ষেত্রে বিকাশের ধারা বর্ণনা করা একটি প্রধান লক্ষ্য ছিল। বিংশ শতাব্দীর শেষ চতুর্থাংশেই কেবল গবেষণা দ্বিতীয় লক্ষ্যের দিকে মোড় নেয়, আর তা হলো মানুষের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের পরিলক্ষিত আচরণগত পরিবর্তনগুলোর ব্যাখ্যা প্রদান করা। ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে: কেন একটি শিশু হাঁটতে পিছিয়ে থাকে, অথবা কেন সে কথা বলায় অধিক সাবলীল হয়, অথবা বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে জটিল সমস্যা সমাধানে অধিকতর সক্ষম হয়ে ওঠে? এবং এই পরিবর্তনগুলো কতটুকু 'প্রকৃতি' বা 'ফিতরাত'-এর দিকে ফিরে যায়—যার অন্তর্ভুক্ত হলো জৈবিক বৈশিষ্ট্যসমূহ, বংশগতিগত প্রভাবক এবং স্নায়ুতন্ত্রের পরিপক্কতা; অথবা কতটুকু 'অভিজ্ঞতা' অর্থাৎ শিখন ও পরিবেশগত উদ্দীপনার ওপর নির্ভরশীল?এই ধরণের প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে গবেষককে দুটি দিকে অগ্রসর হতে হয়; প্রথমটি হলো এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া: কেন একটি নির্দিষ্ট আচরণিক ধারাবাহিকতা প্রকাশ পেতে শুরু করে? এবং দ্বিতীয়টি হলো: কেন এই আচরণিক ধারাবাহিকতা বিকাশের পথে অব্যাহত থাকে? সাধারণত উত্তরের সূচনা হয় 'ফিতরাত' (বংশগতি) এবং 'অভিজ্ঞতা' (পরিবেশ)-এর আপেক্ষিক ভূমিকা অনুসন্ধানের মাধ্যমে।উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি নির্দিষ্ট বয়সে কথা বলায় অগ্রসর শিশুরা অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা শিশুদের তুলনায় বংশগতিগতভাবে আলাদা হয়, তবে আমরা এখান থেকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে ভাষাগত সাবলীলতার পরিবর্তনের হার আংশিকভাবে হলেও বংশগতির ওপর নির্ভরশীল। পক্ষান্তরে, যদি গবেষণায় দেখা যায় যে কথা বলায় অগ্রসর শিশুরা তাদের ভাষাগত অর্জনে অধিক উৎসাহ লাভ করছে এবং অন্যদের তুলনায় কথা বলার চর্চা বেশি করছে, তবে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাষাগত সক্ষমতার যে উন্নতি ঘটে, তা অন্তত আংশিকভাবে পরিবেশগত উদ্দীপনার বৃদ্ধির কারণেই হতে পারে।অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, বিকাশের ঘটনাবলি ব্যাখ্যা করার জন্য আমাদের মনোবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা এবং অন্যান্য বিজ্ঞানের পুঞ্জীভূত জ্ঞান ব্যবহার করা আবশ্যক; যেমন: শিখন, উপলব্ধি, প্রেষণা, সামাজিক মনোবিজ্ঞান, ব্যক্তিত্বের মনোবিজ্ঞান, বংশগতিবিদ্যা, শারীরবিদ্যা (ফিজিওলজি), নৃবিজ্ঞান এবং সমাজবিজ্ঞানের গবেষণালব্ধ ফলাফল।এই বহুমুখী বিষয়গুলোর মধ্যবর্তী সম্পর্কের কিছু উদাহরণ এখানে উপস্থাপন করা হলো; কিছু বৈশিষ্ট্য যেমন শারীরিক অবয়ব, শারীরিক বৃদ্ধির হার এবং বুদ্ধিমত্তা, সেইসাথে মানসিক দুর্বলতা ও মানসিক রোগের কিছু ধরন আংশিকভাবে বংশগতি দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই দিকগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে উপলব্ধি করার জন্য বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞের বংশগতিবিদ্যা থেকে কিছু তথ্যের প্রয়োজন হয়। একইভাবে কৈশোরকালে যে দ্রুত শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন ঘটে, তা অনেকাংশেই মৌলিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া দ্বারা নির্ধারিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির সক্রিয়তা এবং শরীরের রক্ত সংবহনতন্ত্রের প্রাণরসায়ন। এই ঘটনাবলি অনুসন্ধানের জন্য বিজ্ঞানের...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১০)
النفس أن يحصل على نتائج علم الفسيولوجيا وعلم الغدد الصماء، ومن البحوث التي تجرى في ميدان طب الأطفال تحصل على معلومات هامة عن تأثيرات المرض وسوء التغذية والعقاقير في النمو الجسمي والنفسي.وكثير من دوافع الشخص ومشاعره واتجاهاته وميوله، تتحدد إلى حدٍّ كبير بالجماعة التي ينتمي إليها، سواء كانت طبقة اجتماعية، أو جماعة دينية، أو جغرافية، أو عنصرية، وقد قدَّم لنا علم الأنثربولوجيا وعلم الاجتماع حقائق هامة عن أثر البيئة الاجتماعية والثقافة في نمو الشخصية، وفي النمو الاجتماعي للإنسان.ومن الواضع من هذا كله أن الفهم الشامل لسيكولوجية النمو، والتغيرات النمائية والميكانيزمات والعمليات المحددة له، يتطلب تكامل أنواع عديدة من المعارف التي نحصل عليها من مصادر متعددة للعلم.وحتى يمكننا الحكم على نتائج البحوث التي أجريت في ميدان النمو، يجب أن نميِّز دائمًا بين الوصف والتفسير؛ فالظواهر يجب أن توصف قبل أن تفسير، ولكن الوصف في حدِّ ذاته لا يعطينا تعليلًا يوضح لماذا تحدث الظاهرة، أو يشرح العوامل أو المحددات التي تؤثر فيها. خذ مثلًا على ذلك إذا وجد الباحث أن الطفل من سن 3 سنوات يميل إلى أن يصبح أكثر ميلًَا إلى السلوك السلبي والمعارضة والعناد من طفل سن الثالثة، هذه النتيجة هي مجرد وصف، ولا تعطي أي معلومات عن الأسباب التي تؤدي بالطفل إلى هذا السلوك، وأخطر ما في الأمر أن يميل المرء إلى تفسير سلوك هذا الطفل في ضوء العمر الزمني وحده، وكأنه بذلك يقول: إن الطفل يميل إلى المعارضة لأن عمره ثلاث سنوات، إن هذه العبارة ليست دقيقة علميًّا، كما أنها ليست مقنعة منطقيًّا.3- التدخل في التغيرات السلوكية:الهدف الثالث من أهداف الدراسة العلمية لنمو السلوك الإنساني هو التدخل في التغيرات السلوكية سعيًا للتحكم فيها، حتى يمكن ضبطها وتوجيهها والتنبؤ بها.ولا يمكن أن يصل العلم إلى تحقيق هذا الهدف إلّا بعد وصف جيد لظواهره وتفسيرٍ دقيق صحيح لها من خلال تحديد العوامل المؤثرة فيها، لنفرض أن البحث العلمي أكد لنا أن التاريخ التربوي الخاطيء للطفل يؤدي به إلى أن يصبح بطيئًَا في عمله المدرسي، ثائرًا متمردًا في علاقاته مع الأفراد، إن هذا التفسير يفيد في أغراض العلاج؛ من خلال تصحيح نتائج الخبرات الخاطئة، والتدريب على مهارات التعامل الاجتماعي مع الآخرين، وقد يتخذ ذلك صورًا عديدة لعل أهمها
মনস্তত্ত্ব যাতে শরীরতত্ত্ব ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বিজ্ঞানের ফলাফলগুলো অর্জন করতে পারে; আর শিশুরোগবিদ্যার ক্ষেত্রে পরিচালিত গবেষণাসমূহ থেকে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ওপর ব্যাধি, অপুষ্টি এবং ওষুধের প্রভাব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লাভ করা যায়।একজন ব্যক্তির বহুবিধ প্রেষণা, অনুভূতি, দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রবণতা অনেকাংশেই তার অন্তর্ভুক্ত গোষ্ঠী দ্বারা নির্ধারিত হয়—তা সামাজিক শ্রেণি, ধর্মীয়, ভৌগোলিক কিংবা জাতিগত গোষ্ঠী যাই হোক না কেন। নৃবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান আমাদের ব্যক্তিত্বের বিকাশ এবং মানুষের সামাজিক বিবর্তনে সামাজিক পরিবেশ ও সংস্কৃতির প্রভাব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি প্রদান করেছে।এ সবকিছু থেকে এটি স্পষ্ট যে, বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞান এবং এর বিকাশগত পরিবর্তনসমূহ ও একে নির্ধারণকারী কলাকৌশল ও প্রক্রিয়াগুলোর একটি সামগ্রিক অনুধাবনের জন্য বিজ্ঞানের বহুমুখী উৎস থেকে প্রাপ্ত নানা প্রকার জ্ঞানের সমন্বয় প্রয়োজন।বিকাশের ক্ষেত্রে পরিচালিত গবেষণালব্ধ ফলাফলগুলোর ওপর বিচার-বিশ্লেষণ করতে হলে আমাদের সর্বদা বর্ণনা ও ব্যাখ্যার মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। যেকোনো বিষয়কে ব্যাখ্যা করার পূর্বে অবশ্যই তাকে বর্ণনা করতে হয়; তবে বর্ণনা নিজেই কোনো ঘটনার কারণ দর্শায় না যে কেন সেই বিষয়টি ঘটছে, কিংবা এটি এর ওপর প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান বা নির্ধারকসমূহকেও ব্যাখ্যা করে না। উদাহরণস্বরূপ, একজন গবেষক যদি দেখেন যে, তিন বছর বয়সী একটি শিশু তিন বছর বয়সের অন্য শিশুর তুলনায় অধিকতর নেতিবাচক আচরণ, বিরোধিতা ও জেদ প্রদর্শনের প্রবণতা রাখে, তবে এই ফলাফলটি নিছক একটি বর্ণনা মাত্র। এটি শিশুর এই আচরণের পেছনের কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রদান করে না। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় হলো, কেবল কালানুক্রমিক বয়সের প্রেক্ষাপটে এই শিশুর আচরণকে ব্যাখ্যা করার প্রবণতা; যেন কেউ বলছেন: শিশুটি বিরোধিতা করছে কারণ তার বয়স তিন বছর। এই বক্তব্যটি যেমন বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়, তেমনি যৌক্তিকভাবেও সন্তোষজনক নয়।৩- আচরণগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ:মানব আচরণের বিকাশের বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার তৃতীয় উদ্দেশ্য হলো আচরণগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা, যাতে একে নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি সুশৃঙ্খল করা, দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং এর সম্পর্কে পূর্বাভাস প্রদান করা সম্ভব হয়।বিজ্ঞান ততক্ষণ পর্যন্ত এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারে না যতক্ষণ না এর বিষয়বস্তুগুলোর যথাযথ বর্ণনা এবং সেগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহ নির্ধারণের মাধ্যমে সঠিক ও সূক্ষ্ম ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়। ধরা যাক, বৈজ্ঞানিক গবেষণা আমাদের নিশ্চিত করল যে, শিশুর ভুল শিক্ষাগত ইতিহাস বা লালন-পালন তাকে স্কুলের কাজে ধীরগতির করে তোলে এবং অন্যদের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদ্রোহী ও অবাধ্য করে তোলে। এই ব্যাখ্যাটি চিকিৎসার ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়; এটি ভুল অভিজ্ঞতার ফলাফলগুলো সংশোধন করতে এবং অন্যদের সাথে সামাজিক যোগাযোগের দক্ষতাসমূহ প্রশিক্ষণে সহায়তা করে। এর বহুবিধ রূপ হতে পারে, যার মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১১)
التربية التعويضية Compensatory education، والتعلم العلاجي Rmedial Learning.ولعل هذا الهدف يقودنا إلى مهمة عاجلة لسيكولوجية النمو، وهي مهمة الرعاية والمساعدة، والمتخصص في علم نفس النمو لا يستطيع ذلك إلّا إذا توافر له من الفهم من خلال الوصف والقدرة على التعليل من خلال التفسير ما يمكِّنُه من اقتراح نوع الرعاية المناسبة، وبالطبع فإن الرغبة في المساعدة والرعاية يشترك فيها الأخصائي النفسي مع آخرين غيره؛ منهم الآباء والأمهات والمعلمون والأطباء والممرضون والأخصائيون الاجتماعيون والدعاة والوعاظ والإعلاميون، ومهمة علم نفس النمو أن يقدم لهؤلاء وغيرهم الفهم الواضح، والتعليل الدقيق لظواهر النمو الإنساني.
প্রতিপূরক শিক্ষা এবং নিরাময়মূলক শিখন।সম্ভবত এই লক্ষ্যটি আমাদের বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের একটি জরুরি কাজের দিকে পরিচালিত করে, আর তা হলো যত্ন ও সহায়তার কাজ। বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের একজন বিশেষজ্ঞ ততক্ষণ পর্যন্ত এটি করতে সক্ষম হন না, যতক্ষণ না বর্ণনার মাধ্যমে তাঁর পর্যাপ্ত বোধগম্যতা এবং ব্যাখ্যার মাধ্যমে এমন কারণ দর্শানোর সক্ষমতা অর্জিত হয়, যা তাঁকে উপযুক্ত যত্নের ধরন প্রস্তাব করতে সমর্থ করে। অবশ্য সাহায্য এবং যত্নের এই আকাঙ্ক্ষায় মনোবিজ্ঞানীর পাশাপাশি আরও অনেকে অংশীদার হন; যাদের মধ্যে রয়েছেন পিতা-মাতা, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, সমাজকর্মী, দায়ী, ধর্মীয় বক্তা এবং গণমাধ্যমকর্মী। বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের কাজ হলো তাঁদের এবং অন্যদের সামনে মানব বিকাশের প্রপঞ্চসমূহের সুস্পষ্ট ধারণা এবং নির্ভুল কারণ ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১১)
خصائص النمو الإنسانيالنمو عملية تغير…خصائص النمو الإنساني:حتى يتوجه فهمنا لطبيعة النمو الإنساني وجهةً صحيحةً نعرض فيما يلي الخصائص الجوهرية لهذه العملية الهامة.1- النمو عملية تغير:كل نمو في جوهره تغير، ولكن ليس كل تغير يعد نموًّا حقيقيًّا، وتستخدم كلمة نمو في التراث السيكولوجي العربي المعاصر ترجمة لكلمة Development، ولو أنها ليست الترجمة الدقيقة، فالأصح أن تترجم هذه الكلمة الإنجليزية بكلمة "تنمية"، وهناك ترجمة محدودة للكلمة بمعنى: "ارتقاء"، حين يستخدم مصطلح "علم النفس الارتقائي"، ترجمة لعبارة Developmental Psychology كما أشرنا. وفي هذا الصدد قد يقتصر استخدام كلمة نمو على أن تكون ترجمة لكلمة Growth، والتي يقصر البعض استخدامها على الزيادة الإضافية في مقدار الخاصية أو الصفة السلوكية.وعمومًا يمكن القول أن علم نفس النمو يهتم بالتغيرات السلوكية التي ترتبط ارتباطًا منتظمًا بالعمر الزمني، فإذا كانت هذه التغيرات تطرأ على النواحي البيولوجية والفسيولوجية والنيرولوجية، وتحدث في بنية الجسم الإنساني ووظائف أعضائه نتيجة للعوامل الوراثية "الفطرة" في أغلب الأحيان، فإن هذه التغيرت تسمى نضجًا Maturation، أما إذا كانت هذه التغيرات ترجع في جوهرها إلى آثار الظروف البيئية "الخبرة"، تسمى تعلمًا Learing.
মানব বিকাশের বৈশিষ্ট্যসমূহবিকাশ একটি পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া…মানব বিকাশের বৈশিষ্ট্যসমূহ:মানব বিকাশের প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিকে সঠিক দিশা প্রদানের লক্ষ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ার মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে উপস্থাপন করা হলো।১- বিকাশ একটি পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া:প্রতিটি বিকাশই মূলত একটি পরিবর্তন, কিন্তু প্রতিটি পরিবর্তনই প্রকৃত বিকাশ নয়। সমকালীন আরবি মনস্তাত্ত্বিক ঐতিহ্যে 'Development' শব্দের অনুবাদ হিসেবে 'বিকাশ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যদিও এটি সুক্ষ্মতম অনুবাদ নয়; বরং এই ইংরেজি শব্দটির অধিকতর সঠিক অনুবাদ হলো 'উন্নয়ন'। আবার ক্ষেত্রবিশেষে শব্দটির সীমিত অনুবাদ 'উত্তরণ' হিসেবেও করা হয়; যেমনটি আমরা ইতিপূর্বে 'Developmental Psychology'-এর অনুবাদ হিসেবে 'উত্তরণমূলক মনোবিজ্ঞান' পরিভাষাটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উল্লেখ করেছি। এই প্রসঙ্গে, 'বিকাশ' শব্দটির ব্যবহার কেবল 'Growth'-এর অনুবাদ হিসেবে সীমাবদ্ধ হতে পারে, যা কেউ কেউ শুধুমাত্র কোনো বৈশিষ্ট্য বা আচরণগত গুণের পরিমাণগত বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকেন।সাধারণভাবে বলা যায় যে, বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞান সেইসব আচরণগত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে, যা কালানুক্রমিক বয়সের সাথে নিয়মিতভাবে সম্পর্কিত। যদি এই পরিবর্তনগুলো জৈবিক, শারীরবৃত্তীয় এবং স্নায়বিক ক্ষেত্রে ঘটে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে বংশগত উপাদানের (ফিতরাত বা প্রকৃতি) প্রভাবে মানবদেহের গঠন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যাবলীতে পরিলক্ষিত হয়, তবে এই পরিবর্তনগুলোকে 'পরিপক্কতা' (Maturation) বলা হয়। পক্ষান্তরে, এই পরিবর্তনগুলো যদি মূলত পরিবেশগত পরিস্থিতির (অভিজ্ঞতা) প্রভাবে ঘটে, তবে তাকে 'শিখন' (Learning) বলা হয়।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১২)
وفي كلتا الحالتين: النضج والتعلم، قد تدل التغيرات على تحسن أو تدهور، وعادة ما يكون التدهور في الحالتين في المراحل المتأخرة من العمر "فؤاد أبو حطب 1972، 1975".وهكذا يمكن القول أن المعنى السابق لكلمتي "تنمية" و"ارتقاء"، متضمن في استخدام كلمة "نمو"، الأكثر شيوعًا واستخدامًا في اللغة السيكولوجية العربية، ولهذا فإن موقفنا في هذا الكتاب هو اسخدام كلمة "نمو" لتدل على التغيرات الارتقائية أو التنموية التي أشرنا إليها، ولعل مما يفيد أغراض هذا الاستخدام أن من معاني كلمة Development الإنجليزية، كلمات مثل: نمو Growth، وتطور Evolution، وفيهما لا تتبع حالة معينة حالة أخرى فحسب، وإنما لا بد أيضًا أن تنبثق الحالة الراهنة من حالة سابقة، وقد يكون النمو أو التنمية في هذه الحالة تدريجيًّا "أي: تطور"، أو تحوليًّا "أي: ثورة" Revolution.أما التغيرات غير النمائية، فإنها على العكس تعد نوعًا من حالة الانتقال التي لا تتطلب ثورة، أو تطورًا، أو تنمية بالمعنى السابق؛ فالشخص قد يغير ملابسه إلّا أن ذلك لا يعني نموًّا، فتتابع الأحداث في هذا المثال لا يتضمن وجود علاقة بين الحالة الراهنة للشخص وحالته السابقة، ومن السخف، بل من العبث، أن نفترض مثلًا أن ملابس الشخص التي كان يرتديها في العام الماضي نمت بالتطور أو الثورة إلى ما يرتديه الآن.وهناك خاصية أخيرة في التغيرات النمائية أنها شبه دائمة باعتبارها نتاج كلٍّ من التعلم والنضج، وفي هذا تختلف عن التغيرات المؤقتة أو العارضة أو الطارئة؛ مثل: حالات التعب أو النوم أو الوقوع تحت تأثير مخدر، فكلها ألوان من التغير المؤقت في السلوك، ولكنها ليست نموًّا؛ لأن هذه التغيرات جميعًا تزول بزوال العوامل المؤثرة فيها، وتعود الأحوال إلى ما كانت عليه من قبل.
উভয় ক্ষেত্রেই: পরিপক্বতা এবং শিখন, পরিবর্তনসমূহ উন্নতি বা অবনতির ইঙ্গিত দিতে পারে এবং সাধারণত জীবনের শেষ পর্যায়গুলোতে এই উভয় ক্ষেত্রেই অবনতি পরিলক্ষিত হয় "ফুয়াদ আবু হাতাব ১৯৭২, ১৯৭৫" ।এভাবে বলা যায় যে, "উন্নয়ন" এবং "ক্রমবিকাশ" শব্দদ্বয়ের পূর্বোক্ত অর্থ "বৃদ্ধি" শব্দের ব্যবহারের মধ্যেই নিহিত রয়েছে, যা আরবি মনস্তাত্ত্বিক পরিভাষায় অধিক প্রচলিত ও ব্যবহৃত। এই কারণেই বর্তমান গ্রন্থে আমাদের অবস্থান হলো, আমরা সেই বিবর্তনমূলক বা উন্নয়নমূলক পরিবর্তনসমূহ নির্দেশ করতে "বৃদ্ধি" শব্দটি ব্যবহার করব যেগুলোর প্রতি আমরা ইঙ্গিত করেছি। সম্ভবত এই ব্যবহারের উদ্দেশ্যকে যা সার্থক করে তোলে তা হলো, ইংরেজি Development শব্দের অর্থের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে Growth (বৃদ্ধি) এবং Evolution (বিবর্তন)-এর মতো শব্দসমূহ; যেখানে একটি নির্দিষ্ট অবস্থা কেবল অন্য একটি অবস্থার অনুগামী হয় না, বরং বর্তমান অবস্থাকে অবশ্যই পূর্ববর্তী অবস্থা থেকে উদ্ভূত হতে হয়। এক্ষেত্রে বৃদ্ধি বা উন্নয়ন হতে পারে ক্রমিক (অর্থাৎ বিবর্তন) অথবা পরিবর্তনকামী (অর্থাৎ বিপ্লব বা রেভোলিউশন)।পক্ষান্তরে অ-বিকাশমূলক পরিবর্তনসমূহকে এক প্রকারের উত্তরণকালীন অবস্থা হিসেবে গণ্য করা হয়, যার জন্য পূর্বোক্ত অর্থে কোনো বিপ্লব, বিবর্তন বা উন্নয়নের প্রয়োজন হয় না। একজন ব্যক্তি তার পোশাক পরিবর্তন করতে পারেন, তবে এর অর্থ "বৃদ্ধি" নয়। এই উদাহরণের ঘটনাপ্রবাহে ব্যক্তির বর্তমান অবস্থার সাথে তার পূর্ববর্তী অবস্থার কোনো সম্পর্কের উপস্থিতি নেই। এটি অত্যন্ত হাস্যকর, এমনকি নিরর্থক যে, আমরা যদি উদাহরণস্বরূপ এমন ধারণা করি যে গত বছর কোনো ব্যক্তি যে পোশাক পরিধান করেছিলেন তা বিবর্তন বা বিপ্লবের মাধ্যমে বর্তমানে পরিহিত পোশাকে বর্ধিত হয়েছে।বিকাশমূলক পরিবর্তনের একটি চূড়ান্ত বৈশিষ্ট্য হলো—শিখন ও পরিপক্বতা উভয়েরই ফলাফল হওয়ার কারণে এগুলো প্রায় স্থায়ী প্রকৃতির। এই দিক থেকে তা সাময়িক, আকস্মিক বা আপদকালীন পরিবর্তনসমূহ থেকে ভিন্ন; যেমন: ক্লান্তি, ঘুম বা মাদকের প্রভাবে আচ্ছন্ন হওয়ার অবস্থা। এগুলোর প্রতিটিই আচরণের সাময়িক পরিবর্তনের একেকটি রূপ, কিন্তু এগুলো "বৃদ্ধি" নয়; কারণ প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহ অপসারিত হওয়ার সাথে সাথেই এই পরিবর্তনগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং পরিস্থিতি পুনরায় পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৩)
2- النمو عملية منتظمة:توجد أدلة تجريبية على أن تغيرات النمو تحدث بطريقة منتظمة، على الأقل في الظروف البيئية العادية، ومن هذه الأدلة ما يتوافر من دراسة الأطفال المبتسرين "الذين يولدون بعد فترة حمل تقل عن 38 أسبوعًا"، والذين يوضع الواحد منهم في محضن يتشابه مع بيئة الرحم لاكتمال نموه كجنين، فقد لوحظ أنهم ينمون بيولوجيًّا وفسيولوجيًّا وعصبيًّا بنفس معدل نمو الأجنة الذين يبقون في الرحم نفس الفترة الزمنية.وتحدث تغيرات منتظمة مماثلة بعد الولادة، واشهر الأدلة على ذلك جاء من بحوث جيزل وزملائه الذين درسوا النمو الحركي للأطفال في السنوات الأولى من حياتهم، فقد لاحظوا الأطفال في فترات منتظمة، وفي ظروف مقننة، ووصفوا سلوكهم وصفًا دقيقًا، ووجدوا نمطًا تتابعيًّا للنمو الحركي، حتى أن جيزل اقترح لوصف هذ التتابع المنتظم الثابت تسمية خاصة هي "المورفولوجيا النفسية". ومن أمثلة ذلك "الاتجاه من أعلى إلى أسفل" الذي أشار إليه كوجهل وغيره، و"الاتجاه من الوسط إلى الأطراف"، كما تظهر خصائص الانتظام في سلوك الحبو والوقوف والمشي واستخدام الأيدي والأصابع والكلام، هذه الألوان من السلوك تظهر في معظم الأطفال بترتيبٍ وتتابعٍ يكاد يكون واحدًا؛ ففي نضج المهارات الحركية عند الأطفال نجد أن الجلوس يسبق الحبو، والحبو يسبق الوقوف، والوقوف يسبق المشي، وهكذا. فكل مرحلة تمهد الطريق للمرحلة التالية، وتتابع المراحل على نحو موحد.وقد تثير هذه الخاصية مرةً أخرى مسألة العلاقة بين النمو والعمر الزمني التي أشرنا إليها في وصفنا للتغيرات النمائية، لقد أدَّى ذلك بكثير من الباحثين إلى الاهتمام بوضع قوائم بالأحداث التي تطرأ على حياة الإنسان مع تقدمه في العمر.ومع ذلك لم يقدم ذلك الجهد إسهامًا يذكر في فهمنا لطبيعة عملية النمو، والأجدى بالطبع هو وصف الأنماط السلوكية التي تنتج عن التكامل بين الذخيرة السلوكية المتوافرة لدى الفرد في وقت ما، والخبرات الجديدة التي يتعرض لها، ولهذا نجد كيسن "Kessen، 1960" يقول: إن العمر في حد ذاته ليس هو المعادل الموضوعي للنمو، والعمر -في رأينا- ليس "زمنًا أجوف"، كما أن النمو لا يمكن أن يحدث في "فراغ زمني" وإنما يحدث فيه دائمًا هذا التفاعل والتكامل بين الخبرة الراهنة والبنى السلوكية التي تكونت من قبل لدى الفرد، وهو التفاعل والتكامل الذي يؤدي إلى تغيير طريقة الفرد في التفاعل مع البيئة، وعلى نحوٍ يؤدي به إلى مستويات أعلى من هذا التفاعل والتكامل "في حالة التحسن"، أو إلى مشتويات أدنى منهما "في حالة التدهور"، وهما وجها النمو. والخلاصة هنا أن النمو الإنساني يحدث في فترة محددة من الزمن، إلّا أن الزمن وحده ليس شرطًا كافيًا لحدوث النمو، وباختصار نقول: إن التغيرات النمائية هي المحتوى السلوكي للزمن.
২- বিকাশ একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া:অন্তত স্বাভাবিক পরিবেশগত পরিস্থিতিতে বিকাশের পরিবর্তনগুলো একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে ঘটে বলে অভিজ্ঞতামূলক প্রমাণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম প্রমাণ পাওয়া যায় অকালজাত শিশুদের (যাঁরা ৩৮ সপ্তাহের কম গর্ভকাল পার করে জন্মগ্রহণ করেন) ওপর পরিচালিত গবেষণায়, যাঁদের বিকাশের পূর্ণতার জন্য ভ্রূণ হিসেবে জরায়ুর পরিবেশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ একটি ইনকিউবেটরে রাখা হয়। সেখানে লক্ষ্য করা গেছে যে, তাঁরা জৈবিক, শারীরবৃত্তীয় এবং স্নায়বিকভাবে ঠিক সেই হারেই বৃদ্ধি পান, যে হারে জরায়ুতে থাকা ভ্রূণগুলো একই সময়কাল জুড়ে বেড়ে ওঠে।জন্মের পরেও অনুরূপ সুশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটে। এর সবচেয়ে প্রসিদ্ধ প্রমাণ পাওয়া যায় গেসেল ও তাঁর সহকর্মীদের গবেষণা থেকে, যাঁরা শিশুদের জীবনের প্রাথমিক বছরগুলোতে চালক ক্রিয়ার (মোটর ডেভেলপমেন্ট) বিকাশ নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। তাঁরা নিয়মিত বিরতিতে এবং নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে শিশুদের পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তাঁদের আচরণের সূক্ষ্ম বর্ণনা দিয়েছেন। তাঁরা চালক ক্রিয়ার বিকাশের একটি ধারাবাহিক বিন্যাস খুঁজে পেয়েছেন, এমনকি গেসেল এই সুশৃঙ্খল ও স্থিতিশীল ধারাবাহিকতাকে বর্ণনা করতে 'মনস্তাত্ত্বিক অঙ্গসংস্থানবিদ্যা' নামক একটি বিশেষ পরিভাষা প্রস্তাব করেছেন। এর উদাহরণ হলো 'উপর থেকে নিচে অভিমুখিতা' যেটির প্রতি কোহেল ও অন্যরা ইঙ্গিত করেছেন এবং 'কেন্দ্র থেকে প্রান্তের অভিমুখিতা'। হামাগুড়ি দেওয়া, দাঁড়ানো, হাঁটা, হাত ও আঙুলের ব্যবহার এবং কথা বলার আচরণের মধ্যেও এই শৃঙ্খলার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। এই ধরণের আচরণ অধিকাংশ শিশুর ক্ষেত্রে প্রায় অভিন্ন ধারাবাহিকতা ও ক্রম অনুসরণ করে প্রকাশ পায়। শিশুদের চালক দক্ষতার পরিপক্কতার ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বসা হামাগুড়ি দেওয়ার আগে আসে, হামাগুড়ি দাঁড়ানোর আগে এবং দাঁড়ানো হাঁটার আগে আসে—এভাবেই প্রতিটি পর্যায় পরবর্তী পর্যায়ের পথ প্রশস্ত করে এবং পর্যায়গুলো সুষমভাবে একে অপরের অনুগামী হয়।এই বৈশিষ্ট্যটি পুনরায় বিকাশ এবং কালানুক্রমিক বয়সের মধ্যকার সম্পর্কের বিষয়টি উত্থাপন করতে পারে, যা আমরা বিকাশমূলক পরিবর্তনের বর্ণনায় উল্লেখ করেছি। এটি অনেক গবেষককে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষের জীবনে ঘটা ঘটনাবলির তালিকা তৈরি করতে আগ্রহী করে তুলেছে।তবুও সেই প্রচেষ্টা বিকাশের প্রক্রিয়ার প্রকৃতি বুঝতে তেমন উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেনি। অধিকতর ফলপ্রসূ হলো সেই আচরণগত বিন্যাসগুলো বর্ণনা করা, যা কোনো ব্যক্তির নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যমান আচরণভাণ্ডার এবং তার সম্মুখীন হওয়া নতুন অভিজ্ঞতার মধ্যকার সমন্বয়ের ফলে সৃষ্টি হয়। এ কারণেই আমরা দেখি কেসেন (১৯৬০) বলেছেন: বয়স নিজে নিজেই বিকাশের বস্তুনিষ্ঠ সমার্থক নয়। আমাদের মতে, বয়স কোনো 'শূন্য সময়' নয়, তেমনি বিকাশ কোনো 'কালগত শূন্যতা'র মধ্যে ঘটতে পারে না, বরং এতে সর্বদা বর্তমান অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তির পূর্বে গঠিত আচরণগত কাঠামোর মধ্যে মিথস্ক্রিয়া ও সমন্বয় ঘটে। এই মিথস্ক্রিয়া ও সমন্বয়ই পরিবেশের সাথে ব্যক্তির মিথস্ক্রিয়ার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনে, যা তাকে এই মিথস্ক্রিয়া ও সমন্বয়ের উচ্চতর স্তরে নিয়ে যায় (উন্নতির ক্ষেত্রে) অথবা নিম্নতর স্তরে নিয়ে যায় (অবনতির ক্ষেত্রে)। এই উভয়ই হলো বিকাশের দুটি দিক। সারকথা হলো, মানব বিকাশ একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘটে, তবে কেবল সময়ই বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত শর্ত নয়। সংক্ষেপে আমরা বলতে পারি: বিকাশমূলক পরিবর্তন হলো সময়ের আচরণগত বিষয়বস্তু।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৪)
3- النمو عملية كلية:يلجأ بعض مؤلفي كتب النمو إلى تناول الموضوع حسب مظاهر النمو ومجالاته، فيخصصون فصولًا أو كتبًا كاملة حول النمو الجسمي أو النمو العقلي أو النمو الوجداني أو النمو الاجتماعي عبر عدة مراحل لحياة الإنسان، وهذا أسلوب له حدوده، فقد يوحي بأن المكونات الجسمية والعقلية والاجتماعية والوجدانية الانفعالية من النشاط الإنساني، أو الشخصية الإنسانية، يمكن الفصل بينها، وتداول كل منها على أنه مظهر مستقل بالفعل، وهذا بالطبع مستحيل؛ فالنمو عملية كلية Holistic تحدث مظاهرها كلها متآنية وبينها علاقات متداخلة. والتركيز على تحليل المكونات قد يوقع القارئ في خطأ تجاهل ما يجب أن تكون عليه كل مرحلة من مراحل الحياة من تكامل واتساق.وأيّ مبتدئ في علم النفس يعلم أن تحليل النمو إلى مكوناته هو أمر اصطناعي، على الرغم من أهميته. فالباحثون الذين يعملون في أي مجال من مجالات النمو، يلاحظون أن التغير في أحد مظاهر النمو له تضميناته وآثاره في المظاهر الأخرى؛ فالنمو اللغوي لا يعتمد فقط على المهارات اللغوية والنمو العقلي، وإنما يعتمد في كثير من جوانبه على النمو الاجتماعي والوجداني للطفل، وعلى ذلك فمن الواجب على المهتم بعلم نفس النمو أن يتبع منهجه التحليلي بنظرة تركيبية، وإلّا افتقد "وحدة" الشخصية، "وتكامل" السلوك. وقد وصف أحد مؤلفي هذا الكتاب دور كل من التحليل والتركيب في دراسة السلوك الإنساني في موضع آخر "فؤاد أبو حطب، 1996"، وفي جميع الأحوال يجب أن نكون على وعيٍ بأن الكائن الإنساني هو مخلوق جسمي ومعرفي ووجداني واجتماعي في آنٍ واحد، وكل مكون من هذه المكونات يعتمد -جزئيًّا على الأقل- على التغيرات التي تحدث في المكونات الأخرى.وعلى الرغم من أن المنحى الكليّ في النظر إلى النمو يعود بأصوله إلى سمتس عام 1962. "Smuts، 1926"، حين نحت مصطلح Holism، إلّا أن توظيفه في علم نفس النمو لم يظهر بشكل جادٍّ إلّا على يد شوستر وآشبورن "Schuster & Ashburn 1992"، والذي ظهر في الطبعة الأولى من كتابهما عام 1980، وعندهما أن المنظور الكلي يجب أن يتسع ليشمل المنحى التكاملي Inregrated في دراسة النمو الإنساني، والذي يتطلب دراسة أسرة الفرد وتاريخه وبيئته وأهدافه وأدواره، ولعل هذا يذكرنا بالمنظور التكاملي للنمو الذي قدمه عالم النفس المصري الرائد يوسف مراد، منذ أواخر الأربعينيات، وهو ما تناوله أحد مؤلفي هذا الكتاب في دراسة مستقلة "فؤاد أبو حطب 1996".
৩- বিকাশ একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া:বিকাশ বিষয়ক গ্রন্থের কোনো কোনো রচয়িতা বিকাশের বিভিন্ন রূপ ও ক্ষেত্র অনুযায়ী বিষয়টিকে আলোচনা করার পথ অবলম্বন করেন। তারা মানুষের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে দৈহিক বিকাশ, মানসিক বিকাশ, আবেগীয় বিকাশ বা সামাজিক বিকাশের ওপর পৃথক অধ্যায় বা পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ উৎসর্গ করেন। এই পদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে; এটি এমন ধারণার উদ্রেক করতে পারে যে, মানবীয় কর্মকাণ্ড বা মানব ব্যক্তিত্বের দৈহিক, মানসিক, সামাজিক ও আবেগীয় উপাদানগুলোকে পৃথক করা সম্ভব এবং প্রত্যেকটি বিষয়কে প্রকৃতপক্ষে একটি স্বাধীন সত্তা হিসেবে গণ্য করা যায়। অবশ্যই এটি অসম্ভব; কারণ বিকাশ একটি সামগ্রিক (Holistic) প্রক্রিয়া, যার সকল রূপ যুগপৎভাবে সংঘটিত হয় এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। উপাদানগুলো বিশ্লেষণের ওপর অতিরিক্ত গুরুত্বারোপ পাঠককে জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সংহতি ও সামঞ্জস্যকে উপেক্ষা করার ভুলের দিকে ঠেলে দিতে পারে।মনোবিজ্ঞানের যেকোনো শিক্ষানবিশ জানেন যে, বিকাশের উপাদানসমূহের বিশ্লেষণ একটি কৃত্রিম বিষয়, যদিও এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। বিকাশের যেকোনো ক্ষেত্রে কর্মরত গবেষকগণ লক্ষ্য করেন যে, বিকাশের কোনো একটি দিকের পরিবর্তন অন্য দিকগুলোর ওপর প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া বিস্তার করে। যেমন- ভাষাগত বিকাশ কেবল ভাষাগত দক্ষতা ও মানসিক বিকাশের ওপরই নির্ভরশীল নয়, বরং এটি অনেকাংশেই শিশুর সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশের ওপর নির্ভর করে। অতএব, বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানে আগ্রহীদের উচিত তাদের বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতির পাশাপাশি একটি সংশ্লেষণধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করা, অন্যথায় ব্যক্তিত্বের "একত্ব" এবং আচরণের "সামগ্রিকতা" হারিয়ে যাবে। এই গ্রন্থের অন্যতম লেখক অন্য এক স্থানে মানব আচরণের অধ্যয়নে বিশ্লেষণ ও সংশ্লেষণের ভূমিকা বর্ণনা করেছেন (ফুয়াদ আবু হাতাব, ১৯৯৬)। সর্বাবস্থায় আমাদের সচেতন থাকতে হবে যে, মানুষ একই সাথে একটি দৈহিক, জ্ঞানীয়, আবেগীয় এবং সামাজিক সত্তা; এবং এই উপাদানগুলোর প্রতিটি অন্তত আংশিকভাবে হলেও অন্যান্য উপাদানের পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল।যদিও বিকাশের প্রতি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির উৎস ১৯২৬ সালে স্মাটস (Smuts, 1926)-এর কাছে ফিরে যায়, যখন তিনি 'হোলিজম' (Holism) শব্দটি উদ্ভাবন করেন, তবে বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানে এর গুরুত্বসহকারে প্রয়োগ শুস্টার ও অ্যাশবার্ন (Schuster & Ashburn, 1992)-এর মাধ্যমেই শুরু হয়, যা ১৯৮০ সালে তাদের গ্রন্থের প্রথম সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছিল। তাদের মতে, সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বিস্তৃত করে মানব বিকাশের অধ্যয়নে একটি সমন্বিত (Integrated) পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, যা ব্যক্তির পরিবার, ইতিহাস, পরিবেশ, লক্ষ্য ও ভূমিকার পর্যালোচনার দাবি রাখে। সম্ভবত এটি আমাদের অগ্রগামী মিশরীয় মনোবিজ্ঞানী ইউসুফ মুরাদের সেই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির কথা মনে করিয়ে দেয়, যা তিনি চল্লিশের দশকের শেষভাগ থেকে উপস্থাপন করে আসছিলেন এবং এই গ্রন্থের অন্যতম লেখক একটি স্বতন্ত্র গবেষণায় তা আলোচনা করেছেন (ফুয়াদ আবু হাতাব, ১৯৯৬)।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৫)
4- النمو عملية فردية:يتسم النمو الإنساني بأنَّ كل فرد ينمو بطريقته وبمعدله، ومع ذلك فإن الموضوع يخضع للدراسة العلمية المنظمة، فمن المعروف أن البحث العلمي يتناول حالات فردية من أي ظاهرة فيزيائية أو نفسية، ثم يعمم من هذه الحالات إلى الظواهر المماثلة، إلّا أن شرط التعميم العلمي الصحيح أن يكون عدد هذه الحالات عينة ممثلة للأصل الإحصائي الذي تنتسب إليه، وبالطبع فإن هذا التعميم في العلوم الإنسانية يتم بدرجة من الثقة أقل منه في العلوم الطبيعية، وذلك بسبب طبيعة السلوك الإنساني، الذي هو موضوع البحث في الفئة الأولى من هذه العلوم.والنمو الإنساني -على وجه الخصوص- خبرة فريدة، ولهذا فإن ما يسمى القوانين السلوكية قد لا تطبق على كل فرد بسبب تعقد سلوك الإنسان، وتعقد البيئة التي يعيش فيها، وتعقد التفاعل بينهما، ومن المعلوم في فلسفة العلم أن التعميم لا يقدِّم المعنى الكلي للقانون إذا لم يتضمن معالجة مفصلة لكل حالة من الحالات التي يصدق عليها، ومعنى هذا أن علم نفس النمو له الحق في الوصول إلى قوانينه وتعميماته، إلّا أننا يبقى معنا الحق دائمًا في التعامل مع الإنسان موضع البحث فيه على أنه كائن فريد، ولعلنا بذلك نحقق التوازن بين المنحى الناموسي العام Nomothtic، والمنحى الفردي الخاص Ldiographic، وهو ما لا يكاد يحققه أي فرع آخر من فروع علم النفس.
৪- বিকাশ একটি ব্যক্তিগত প্রক্রিয়া:মানব বিকাশ এই বৈশিষ্ট্যে মণ্ডিত যে, প্রতিটি ব্যক্তি নিজস্ব পদ্ধতিতে এবং নিজস্ব গতিতে বৃদ্ধি পায়। তা সত্ত্বেও এই বিষয়টি সুশৃঙ্খল বৈজ্ঞানিক গবেষণার অধীন। এটি সর্বজনবিদিত যে, বৈজ্ঞানিক গবেষণা যেকোনো ভৌত বা মনস্তাত্ত্বিক প্রপঞ্চের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করে এবং পরবর্তীতে এই ক্ষেত্রগুলো থেকে সমজাতীয় প্রপঞ্চের ওপর সাধারণীকরণ করা হয়। তবে সঠিক বৈজ্ঞানিক সাধারণীকরণের শর্ত হলো, এই ক্ষেত্রগুলোর সংখ্যাকে সেই পরিসংখ্যানগত মূলের একটি প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনা হতে হবে যার সাথে এটি সম্পৃক্ত। আর স্বাভাবিকভাবেই, মানবিক বিজ্ঞানে এই সাধারণীকরণ প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের তুলনায় কম নিশ্চয়তার সাথে সম্পন্ন হয়। এর কারণ হলো মানব আচরণের প্রকৃতি, যা এই বিজ্ঞানের প্রথম শ্রেণির গবেষণার বিষয়বস্তু।বিশেষত মানব বিকাশ হলো এক অনন্য অভিজ্ঞতা। এই কারণেই তথাকথিত আচরণগত সূত্রগুলো হয়তো প্রতিটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না; কারণ মানুষের আচরণ অত্যন্ত জটিল, তার বসবাসের পরিবেশ জটিল এবং এই দুয়ের মধ্যবর্তী পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াও অত্যন্ত জটিল। বিজ্ঞানের দর্শনে এটি স্বীকৃত যে, সাধারণীকরণ ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো সূত্রের সামগ্রিক তাৎপর্য প্রকাশ করে না, যতক্ষণ না তা প্রতিটি ক্ষেত্রের বিস্তারিত বিশ্লেষণকে অন্তর্ভুক্ত করে যার ওপর সেই সূত্রটি প্রযোজ্য হয়। এর অর্থ এই যে, বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের নিজস্ব নিয়ম এবং সাধারণীকরণে উপনীত হওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে; তবে আমাদের এই অধিকারও সর্বদা অক্ষুণ্ণ থাকে যে, গবেষণাধীন মানুষকে একজন অনন্য সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা। সম্ভবত এর মাধ্যমেই আমরা সাধারণ নিয়মকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি (Nomothetic) এবং ব্যক্তিগত বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গির (Idiographic) মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষা করতে পারি, যা মনোবিজ্ঞানের অন্য কোনো শাখায় সচরাচর পরিলক্ষিত হয় না।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৫)
5- النمو عملية فارقة:على الرغم من أن كثيرًا من العلومات التي تتناولها بحوث النمو تشتق مما يسمى المعاير السلوكية، إلّا أننا يجب أن نحذر دائمًا من تحويل هذه المعايير إلى قيود، وهذا ما نبَّه إليه نيوجارتن وزملاؤه "Neugartten et al 1965" منذ عام 1965. وهذا التحفظ ضروري وإلّا وقع الناس في خطأ فادحٍ يتمثل في إجبار أنفسهم وإجبار الآخرين على الالتزام بما تحدده هذه المعايير، ويدركونه بالطبع على أنه النمط "المثالي" للنمو، ومعنى ذلك أن ما يؤديه الناس على أنه السلوك المعتاد أو المتوسط، أو ما يؤدى بالفعل، "وهو جوهر المفهوم الأساسي للمعاير" يتحول في هذه الحالة ليصبح ما يجب أن يؤدى، ولعل هذا هو سبب ما يشيع بين الناس من الاعتقاد في وجود أوقات ومواعيد "ملائمة" لكل سلوك.وهكذا يصبح المعيار العملي البسيط تقليدًا اجتماعيًّا، ويقع الناس أسرى لما يسميه هيوز ونوب "Hughes & Noppe، 1985" بالساعة الاجتماعية؛ بها يحكمون على كل نشاط من الأنشطة العظمى في حياتهم بأنه في "وقته تمامًا" أو أنه "مبكر" أو "متأخر" عنه، يصدق هذا على دخوله المدرسة أو إنهاء الدراسة أو الالتحاق بالعمل أو الزواج أو التقاعد، ما دام لكل ذلك معاييره، فحينما ينتهي الفرد من تعليمه الجامعيّ مثلًا في سن الثلاثين، فإنه يوصف "بالتأخير" حسب الساعة الاجتماعية، بينما إنجازه في سن السابعة عشرة يجعله "مبكرًا".
৫- বিকাশ একটি স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রক্রিয়া:যদিও বিকাশ সংক্রান্ত গবেষণায় আলোচিত তথ্যাবলির অধিকাংশই তথাকথিত আচরণগত মানদণ্ডসমূহ থেকে উদ্ভূত, তথাপি এই মানদণ্ডগুলোকে সীমাবদ্ধতায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকা আবশ্যক। আর এটিই সেই বিষয় যা সম্পর্কে নিউগার্টেন এবং তাঁর সহকর্মীবৃন্দ (Neugartten et al 1965) ১৯৬৫ সাল থেকেই সতর্ক করে আসছেন। এই সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি, অন্যথায় মানুষ নিজেদের এবং অন্যদের এই মানদণ্ডগুলো দ্বারা নির্ধারিত বিষয়সমূহ মেনে চলতে বাধ্য করার মতো এক মারাত্মক ভুলের মধ্যে নিপতিত হবে। তারা স্বাভাবিকভাবেই একে বিকাশের 'আদর্শ' রূপ হিসেবে গণ্য করবে। এর অর্থ হলো, মানুষ যা সাধারণ বা গড়পড়তা আচরণ হিসেবে সম্পন্ন করে, কিংবা বাস্তবে যা সম্পাদিত হয়—যা মূলত মানদণ্ডের মৌলিক ধারণার সারমর্ম—তা এক্ষেত্রে একটি অবশ্যপালনীয় বিষয়ে পরিণত হয়। সম্ভবত এটিই মানুষের মাঝে প্রতিটি আচরণের জন্য 'উপযুক্ত' সময় ও ক্ষণ থাকার ব্যাপারে প্রচলিত বিশ্বাসের মূল কারণ।এভাবে একটি সরল প্রায়োগিক মানদণ্ড সামাজিক প্রথায় রূপান্তর লাভ করে এবং মানুষ সেই বিষয়ের দাসে পরিণত হয় যাকে হিউজ এবং নোপ (Hughes & Noppe, 1985) 'সামাজিক ঘড়ি' বলে অভিহিত করেছেন। এর মাধ্যমেই তারা তাদের জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডকে 'সঠিক সময়', 'অসময়ে' বা 'বিলম্বে' সম্পন্ন হয়েছে বলে বিচার করে থাকে। এটি স্কুলে ভর্তি হওয়া, পড়াশোনা শেষ করা, কর্মক্ষেত্রে যোগদান, বিবাহ কিংবা অবসর গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যেহেতু এই সবকিছুরই নির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যখন কোনো ব্যক্তি ৩০ বছর বয়সে তার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা সমাপ্ত করে, তখন সামাজিক ঘড়ি অনুযায়ী তাকে 'বিলম্বে সম্পন্নকারী' হিসেবে অভিহিত করা হয়; অন্যদিকে ১৭ বছর বয়সে তা অর্জন করলে তাকে 'সময়ের অগ্রবর্তী' হিসেবে গণ্য করা হয়।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وتوجد بالطبع أسباب صحيحة لكثير من قيود العمر، فمن المنطقي مثلًا أن ينصح طبيب الولادة سيدة في منتصف العمر بعدم الحمل، كما أن من العبث أن نتوقع من طفل في العاشرة من عمره أن يقود السيارة، إلّا أن هناك الكثير من قيود العمر التي ليس لها معنى على الإطلاق فيما عدا أنها تمثل ما تعود الناس عليه، كأن تعتبر العشرينات أنسب عمر للزواج في المعيار الأمريكي "Neugarten et al، 1965"، وهذه المجموعة الأخيرة من القيود هي التي نحذّر منها، حتى لا يقع النمو الإنساني في شرك "القولية" والجمود، بينما هو في جوهره مرن على أساس مسلمة الفروق الفردية التي تؤكد التنوع والاختلاف بين البشر.
অবশ্যই বয়সজনিত বহু বিধিনিষেধের পেছনে যথাযথ কারণ বিদ্যমান। উদাহরণস্বরূপ, একজন প্রসূতি বিশেষজ্ঞ কর্তৃক মধ্যবয়সী কোনো নারীকে গর্ভধারণ না করার পরামর্শ দেওয়া যেমন যুক্তিগ্রাহ্য, তেমনি দশ বছর বয়সী কোনো শিশুর নিকট গাড়ি চালানোর প্রত্যাশা করাও নিরর্থক। তবে বয়সগত এমন অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে যেগুলোর প্রথাগত রীতিনীতির প্রতিফলন ছাড়া অন্য কোনো তাৎপর্য নেই; যেমন—আমেরিকান মানদণ্ড অনুযায়ী বিশের কোঠাকে বিবাহের সর্বাধিক উপযুক্ত বয়স হিসেবে বিবেচনা করা (নিউগার্টেন ও অন্যান্য, ১৯৬৫)। আমরা মূলত এই শেষোক্ত শ্রেণির সীমাবদ্ধতাগুলো সম্পর্কেই সতর্ক করছি, যেন মানবীয় বিকাশ 'গতানুগতিক ছাঁচ' ও স্থবিরতার জালে নিপতিত না হয়; অথচ মানবীয় বিকাশ তার সারসত্তায় ব্যক্তিগত পার্থক্যের সেই স্বতঃসিদ্ধ নীতির ভিত্তিতে নমনীয়, যা মানুষের মধ্যকার বৈচিত্র্য ও ভিন্নতাকে সুনিশ্চিত করে।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৬)
6- النمو عملية مستمرة:الخاصية السادسة والأكثر أهمية من خصائص النمو تتصل في جوهرها بمفهوم مدى الحياة Life-span، والذي يؤكده المنظور الإسلامي للنمو كما سنبين فيما بعد، ومعنى ذلك أن التغيرات السلوكية التي تعتمد في جوهرها على النضج والتعلم تحدث باستمرار في جميع مراحل العمر، ويمكن التدليل على ذلك من شواهد كثيرة من مختلف مراحل العمر، ابتداءً من مرحلة الجنين، وحتى الشيخوخة.وهكذا يصبح النمو تيارًا متصلًا لا نقاطًا متقطعة، ويمكن أن نشبه دراستنا لأجزاء منفصلة من مدى الحياة الإنسانية بدراسة أجزاء مقتطفة من فيلم أو رواية أو مسرحية، ولك أن تتصور مدى الصعوبة التي تنتابك في الفهم أو في تتبع شخصيات الرواية أو أحداثها، إذا لم تشاهد منها إلّا الفصل الثاني من بين فصولها الثلاثة. وبالمثل كيف يمكننا فهم نمو الفرد الإنساني إذا لاحظناه فقط في مرحلة الطفولة أو المراهقة أو الشيخوخة؟ فكما أن الفصل الثاني في المسرحية يتطور من الفصل الأول، ويعتمد عليه، وفي نفس الوقت يؤلف الأساس الذي يبنى عليه الفصل الثالث، فإن مراهقة الإنسان تتطور من خبرات طفولته، وتعتمد عليها وتؤلف أساس خبرات الرشد التالية.ولأغراض الفهم العلمي تنقسم دورة الحياة في العادة إلى مراحل متعددة، وقد أطلق عليها ليفنسون "Levinson، 1978" مصطلح "مواسم" الحياة، بل إن معظم كتب علم نفس النمو تركز على بعض المراحل دون سواها، ولعل المرحلتين الأكثر شيوعًا هما الطفولة والمراهقة، وهو الطابع الغالب على معظم ما صدر في هذ الميدان من كتب باللغة العربية إذا استثنينا كتاب الرائد الراحل فؤاد البهي السيد "الأسس النفسية للنمو من الطفولة إلى الشيخوخة" "فؤاد أبو حطب، 1997"، بل إن معظم الكليات والمعاهد الجامعية تقدم مقررات حول نمو الطفل ونمو المراهق ونمو الراشد وهكذا.
৬- বিকাশ একটি নিরন্তর প্রক্রিয়া:বিকাশের ষষ্ঠ এবং সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যটি মূলত 'জীবনব্যাপ্তি' (Life-span) ধারণার সাথে সম্পৃক্ত, যা বিকাশের ক্ষেত্রে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিও দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে, যেমনটি আমরা পরবর্তীতে বর্ণনা করব। এর অর্থ হলো, আচরণগত পরিবর্তনসমূহ যা মূলত পরিপক্বতা এবং শিখনের ওপর নির্ভরশীল, তা জীবনের সকল পর্যায়ে নিরন্তর ঘটতে থাকে। ভ্রূণ অবস্থা থেকে শুরু করে বার্ধক্য পর্যন্ত জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের বহু নিদর্শনের মাধ্যমে এটি প্রমাণ করা সম্ভব।এভাবে বিকাশ কোনো বিচ্ছিন্ন বিন্দু নয়, বরং একটি অবিচ্ছিন্ন প্রবাহে পরিণত হয়। মানব জীবনের বিভিন্ন অংশকে পৃথকভাবে অধ্যয়ন করাকে একটি চলচ্চিত্র, উপন্যাস বা নাটকের খণ্ডিত অংশ অধ্যয়নের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। আপনি কল্পনা করুন, তিনটি অংকের কোনো নাটকের কেবল দ্বিতীয় অংকটি দেখলে নাটকের চরিত্রসমূহ উপলব্ধি করতে বা এর ঘটনাপ্রবাহ অনুসরণ করতে আপনি কতটা সমস্যার সম্মুখীন হতেন। একইভাবে, আমরা যদি কোনো ব্যক্তিকে কেবল শৈশব, কৈশোর বা বার্ধক্য পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ করি, তবে তার বিকাশকে পূর্ণাঙ্গভাবে বোঝা কীভাবে সম্ভব? নাটকের দ্বিতীয় অংকটি যেমন প্রথম অংক থেকে বিকশিত হয় এবং তার ওপর নির্ভর করে, আবার একই সাথে এটি তৃতীয় অংকের ভিত্তি তৈরি করে; তেমনি মানুষের কৈশোরও তার শৈশবের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বিকশিত হয় এবং তার ওপর নির্ভর করে, যা পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের অভিজ্ঞতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।বৈজ্ঞানিক উপলব্ধির প্রয়োজনে জীবনচক্রকে সাধারণত একাধিক পর্যায়ে বিভক্ত করা হয়। লেভিনসন (Levinson, ১৯৭৮) একে জীবনের 'ঋতুসমূহ' হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রকৃতপক্ষে বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের অধিকাংশ গ্রন্থই নির্দিষ্ট কিছু পর্যায়ের ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করে থাকে, যার মধ্যে শৈশব ও কৈশোর পর্যায় দুটিই সর্বাধিক আলোচিত। প্রয়াত পথিকৃৎ ফুয়াদ আল-বাহী আল-সাইয়্যেদ-এর গ্রন্থ 'শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত বিকাশের মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তি' (ফুয়াদ আবু হাতাব, ১৯৯৭) ব্যতীত আরবি ভাষায় রচিত এই বিষয়ের অধিকাংশ গ্রন্থের চিত্র এমনই। এমনকি অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও শিশুর বিকাশ, কিশোরের বিকাশ এবং প্রাপ্তবয়স্কের বিকাশের মতো পৃথক পাঠ্যক্রম পড়ানো হয়।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وعلى الرغم من ملائمة مفهوم المرحلة النمائية للأغراض الأكاديمية إلّا أنه قد يؤدي إلى نوعين من سوء الفهم: أولهما: الشعور بأن مراحل الحياة منفصلة منعزلة، بينما هي ليست كذلك بحكم أنها جزء من تيار الحياة المتدفق، والواقع أن هذه المراحل يتطور بعضها من بعض بشكل مستمر، وثانيهما: الحصول على انطباع زائف عن أن مراحل الحياة ثابتة، بينما هي في الواقع تتضمن تغيرت وتحولات دائمة في داخلها، ومن ذلك مثلًا أن الفرد لا يبقى معطلًا في مرحلة المراهقة، حتى يصبح مستعدًا للقفز إلى الأمام في مرحلة الرشد المبكر. وما يحدث بالفعل أنه يوجد نمو دائم داخل المراهقة، كما هو الحال في جميع مراحل الحياة.والرشد المبكر لا يتبع المراهقة فحسب، ولكنه يتطور تدريجيًّا منها، ومعظم ما نحن عليه في مرحلة معينة من مراحل حياتنا هو نتاج لما كنا عليه في المراحل السابقة.ولعل هذا هو ما دفعنا إلى أن يتمركز كتابنا هذا حول مفهوم "النمو مدى الحياة" Life - Span Edvelopment، حتى يتجنب القارئ سوء الفم الذي ينشأ حتميًّا على التركيز المستمر على مراحل الحياة مع الفشل في إدراك الاستمرار والتواصل في أنماط النمو لدى الفرد، ونحن حين نركز على مفهوم "مدى الحياة" في دراسة النمو، فإننا بذلك ندمج الماضي في المستقبل على نحوٍ يقودنا إلى وعي "حاضر" باتصال الحياة، فالماضي والمستقبل هما المحوران الرئيسيان للزمن السيكولوجي "فؤاد أبو حطب، آمال صادق، 1985".ولعل مفهوم "مدى الحياة" الذي شاع كثيرًا في دراسات سيكولوجية النمو ابتداء من الربع الأخير من القرن العشرين "على الرغم من جذوره الأصيلة في الثقافة العربية الإسلامية كما سنتبين فيما بعد" هو الذي دفع مارجريت ميد "mead، 1972" إلى المطالبة بتوظيف هذا المفهوم في فهم طبيعة العلاقة بين الأجيال "وخاصة جيل الأحفاد وجيل الأجداد"، فكل منهما يتعلم من الآخر معنى اتصال الحياة؛ فالجد يقدِّمُ لحفيده آصرة الماضي، والحفيد يقدم لجده الإحساس بالمستقبل، ومن خلال تفاعلهما يتشكل الماضي والمستقبل في بوتقة الحاضر.ومفهوم مدى الحياة يقودنا إلى مسألة هامة أخرى، وهي أن النمو لا يعني التحسن المستمر في مختلف مراحل العمر، وقد اقترح أحد مؤلفي هذا الكتاب "فؤاد أبو حطب، 1983، 1985" نسقًا ارتقائيًّا تطوريًّا لدورة الحياة، وجوهر هذا النسق أن مسار الحياة Life -Path، أو مدى الحياة يتضمن متوالية معقدة حتى الأحداث والظواهر التي يشهدها الإنسان من لحظة الإخصاب في رحم الأم حتى
বিকাশমূলক পর্যায়ের ধারণাটি তাত্ত্বিক বা প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্যে অত্যন্ত উপযোগী হওয়া সত্ত্বেও এটি দুই ধরণের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে পারে। প্রথমত: জীবনের পর্যায়গুলোকে পরস্পর বিচ্ছিন্ন ও স্বতন্ত্র মনে হওয়া; অথচ বাস্তবে জীবনের প্রবাহমান ধারার অংশ হিসেবে এগুলো মোটেও বিচ্ছিন্ন নয়। প্রকৃতপক্ষে, এই পর্যায়গুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে একটি থেকে অন্যটিতে বিবর্তিত হয়। দ্বিতীয়ত: জীবনের পর্যায়গুলো স্থবির—এমন একটি কৃত্রিম ধারণা সৃষ্টি হওয়া; অথচ বাস্তবে প্রতিটি পর্যায়ের অভ্যন্তরেই সর্বদা পরিবর্তন ও রূপান্তর বিদ্যমান। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তি কৈশোর পর্যায়ে স্থবির হয়ে থাকে না যে সে পরবর্তী সময়ে তারুণ্যের প্রাথমিক পর্যায়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য প্রস্তুত হবে। বরং যা ঘটে তা হলো, জীবনের অন্যান্য পর্যায়ের মতো কৈশোরের মধ্যেও সর্বদা বিকাশমান প্রক্রিয়া সচল থাকে।আর প্রারম্ভিক তারুণ্য কেবল কৈশোরের অনুগামী নয়, বরং এটি কৈশোর থেকেই ধীরে ধীরে বিকশিত হয়। জীবনের কোনো একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে আমাদের যে পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়, তার অধিকাংশ হলো পূর্ববর্তী পর্যায়সমূহেরই ফল।সম্ভবত এই কারণেই আমরা আমাদের এই গ্রন্থটিকে "জীবনব্যাপী বিকাশ" (Life-Span Development) ধারণার ওপর কেন্দ্রীভূত করেছি, যাতে পাঠক সেই ভুল বোঝাবুঝি থেকে বেঁচে থাকতে পারেন যা বিকাশের ধারার নিরবচ্ছিন্নতা অনুধাবনে ব্যর্থতা এবং জীবনের পর্যায়গুলোর ওপর ক্রমাগত অতি-গুরুত্ব প্রদানের ফলে অনিবার্যভাবে তৈরি হয়। বিকাশের অধ্যয়নে যখন আমরা "জীবনব্যাপী" ধারণার ওপর গুরুত্বারোপ করি, তখন আমরা অতীতকে ভবিষ্যতের সাথে এমনভাবে সমন্বিত করি যা আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্যতা সম্পর্কে এক "বর্তমান" সচেতনতার দিকে নিয়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে, অতীত ও ভবিষ্যৎ হলো মনস্তাত্ত্বিক সময়ের প্রধান দুটি অক্ষ (ফুয়াদ আবু হাতাব, আমাল সাদিক, ১৯৮৫)।বিংশ শতাব্দীর শেষ চতুর্থাংশ থেকে বিকাশের মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় "জীবনব্যাপী" ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে (যদিও আরব-ইসলামি সংস্কৃতিতে এর সুগভীর শিকড় রয়েছে, যা আমরা পরবর্তীতে স্পষ্ট করব)। এই ধারণাই মার্গারেট মিডকে (১৯৭২) প্রজন্মের মধ্যকার সম্পর্কের প্রকৃতি (বিশেষ করে নাতি-নাতনি ও দাদা-দাদি/নানা-নানির প্রজন্ম) অনুধাবনের ক্ষেত্রে এই ধারণাটি ব্যবহারের আহ্বান জানাতে উদ্বুদ্ধ করেছে। তাদের প্রত্যেকেই একে অপরের কাছ থেকে জীবনের প্রবহমানতার তাৎপর্য শিক্ষা লাভ করে; বয়োজ্যেষ্ঠরা কনিষ্ঠদের অতীতের বন্ধন উপহার দেন, আর কনিষ্ঠরা জ্যেষ্ঠদের ভবিষ্যতের অনুভূতি দান করেন। তাদের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে অতীত ও ভবিষ্যৎ বর্তমানের আধারে পূর্ণতা পায়।জীবনব্যাপী বিকাশের এই ধারণাটি আমাদের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে পরিচালিত করে, আর তা হলো—বিকাশ মানেই জীবনের সকল পর্যায়ে কেবল ক্রমাগত উন্নতি নয়। এই গ্রন্থের অন্যতম লেখক (ফুয়াদ আবু হাতাব, ১৯৮৩, ১৯৮৫) জীবনচক্রের একটি ক্রমবিকাশমান কাঠামোর প্রস্তাব করেছেন। এই কাঠামোর মূল কথা হলো, জীবনের গতিপথ বা জীবনকাল এমন এক জটিল ধারাবাহিকতা ও ঘটনার সমষ্টি, যা মাতৃগর্ভে ভ্রূণ সৃষ্টির মুহূর্ত থেকে শুরু করে...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৮)
لحظة الاستلقاء على فراش الموت، إلّا أن هذه المتوالية لا تتضمن تصورًا خطيًّا لحدوثها، وإنما هي في معناها الحقيقي دورة، أو إذا شئت الدقة: منحنى يصوره الإعجاز الإلهي في قول القرآن الكريم:{اللَّهُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ ضَعْفٍ ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ ضَعْفٍ قُوَّةً ثُمَّ جَعَلَ مِنْ بَعْدِ قُوَّةٍ ضَعْفًا وَشَيْبَةً يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْقَدِيرُ} [الروم: 54] .منحنى يمثل قوة بين ضعفين، ووسطًا بين طرفين، ويعد الصبا young-hood بكل ما فيه من نمو في الطفولة والمراهقة طرف الضعف الأول، أما الشيخوخة ageing بكل ما فيها من تدهور، فهي طرف الضف الثاني، وبينهما قوة الرشد Adulthood، وهذ التصور القرآني للنمو مدى الحياة هو الموجه العام لبناء هذا الكتاب.
মৃত্যুশয্যায় শায়িত হওয়ার মুহূর্ত; তবে এই ধারাবাহিকতাটি কোনো রৈখিক ধারণা নয়, বরং এটি তার প্রকৃত অর্থে একটি চক্র, অথবা আপনি যদি আরও নির্ভুলভাবে বলতে চান: এটি একটি বক্ররেখা যা পবিত্র কুরআনের অলৌকিক বাণীতে চিত্রিত হয়েছে:“আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন দুর্বল অবস্থায়, অতঃপর দুর্বলতার পর তিনি দান করেন শক্তি, শক্তির পর আবার দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন এবং তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।” [সূরা আর-রূম: ৫৪]এটি এমন এক বক্ররেখা যা দুই দুর্বলতার মাঝে এক শক্তির এবং দুই প্রান্তের মাঝে এক মধ্যবর্তী অবস্থার প্রতিনিধিত্ব করে। শৈশব ও কৈশোরের সমস্ত বিকাশসহ তারুণ্য (young-hood) হলো প্রথম দুর্বলতার প্রান্ত, আর বার্ধক্য (ageing) তার সমস্ত ক্ষয়িষ্ণুতা নিয়ে হলো দ্বিতীয় দুর্বলতার প্রান্ত। এই দুইয়ের মাঝে রয়েছে পূর্ণবয়স্কতার (Adulthood) শক্তি। জীবনব্যাপী মানবীয় বিকাশের এই কুরআনিক দৃষ্টিভঙ্গিই এই গ্রন্থ রচনার মূল চালিকাশক্তি।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ১৯)
الفصل الثاني: أصول علم نفس النمو في ثقافة الغربأولاً: المنظور اليوناني للنمو الإنساني…الفصل الثاني: أصول علم نفس النمو في ثقافة الغربلمفاهيم النمو الإنساني ماضٍ طويل يمتد بأصوله إلى التصور الديني والتأمل الفلسفي والخبرة الشخصية للإنسان. أما الدراسة المنظمة لهذا الموضوع، والتي تعتمد في جوهرها على الأسلوب العلمي في البحث القائم على الملاحظة، فلها تاريخ قصير لا يتجاوز المائة عام. ونعرض فيما يلي هذا الماضي الطويل والتاريخ القصير بشيء من الاختصار يتسع له المقام، وهذا العرض ليس هدفه مجرد الاستطراد التاريخي، وإنما الإشارة إلى الأصول النظرية والفلسفية التي استندت إليها الدراسات العلمية الحديثة، سواء بشكل مباشر أو غير مباشر، أو بشكل مضمر أو صريح، وبهذا قد تتحدد أوجه الاتفاق والخلاف التي تبدو لنا غير مفهومة إذا نظرنا إليها من السطح، بينما التعمق فيها وسبر أغوارها يكشف لنا الكثير من الفهم والحكمة والتبصر.ونتناول هذا العرض من خلال منظورين للنمو، هما: المنظور الغربي والمنظور الإسلامي، ونخصص هذا الفصل للمنظور الأول من خلال الفكر اليوناني ودوره في تطور مفاهيم الحضارة الغربية عن الطبيعة البشرية ونمو الإنسان، ثم نخص الفصل التالي للمنظور الإسلامي، مع إشارة خاصة إلى كيفية توجيه بحوث النمو في العالمين العربي والإسلامي، على نحوٍ جديد.أولًا: المنظور اليوناني للنمو الإنسانيعلى الرغم من أن الحضارة اليونانية هي أحدث الحضارات القديمة نشأت، إلّا أن هناك إشارات متكررة لدى الحضارات القديمة الأخرى السابقة عليها إلى مسائل تتصل بطبيعة الإنسان، وعلى وجه الخصوص في الحضارة المصرية القديمة التي أظهرت رعايةً واهتمامًا كبيرين بالطفل، باعتباره كائنًا عاجزًا وضعيفًا، وفي حاجة إلى إشباع متطلباته الجسمية؛ من تغذية وحركة، بالإضافة إلى حاجته الاجتماعية للعب. "فؤاد أبو حطب، تحت الطبع". كما أن قوانين حمواربي
দ্বিতীয় অধ্যায়: পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের উৎসপ্রথমত: মানব বিকাশের গ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি…দ্বিতীয় অধ্যায়: পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতে বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের উৎসমানব বিকাশের ধারণাগুলোর এক দীর্ঘ অতীত রয়েছে, যার উৎস ধর্মীয় কল্পনা, দার্শনিক চিন্তাধারা এবং মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মধ্যে বিস্তৃত। তবে এই বিষয়ের পদ্ধতিগত অধ্যয়ন, যা মূলত পর্যবেক্ষণ-ভিত্তিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার ওপর নির্ভরশীল, তার ইতিহাস খুবই সংক্ষিপ্ত—যা একশ বছরের বেশি নয়। আমরা নিম্নে এই দীর্ঘ অতীত এবং সংক্ষিপ্ত ইতিহাসকে প্রাসঙ্গিক সংক্ষিপ্তাকারে উপস্থাপন করছি। এই উপস্থাপনার উদ্দেশ্য কেবল ঐতিহাসিক বিবরণ প্রদান নয়, বরং আধুনিক বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এবং প্রচ্ছন্ন বা প্রকাশ্যভাবে যেসব তাত্ত্বিক ও দার্শনিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করা। এর মাধ্যমে ঐকমত্য ও মতভেদের এমন কিছু দিক নির্ধারিত হতে পারে যা উপরিভাগ থেকে দেখলে আমাদের কাছে অবোধগম্য মনে হতে পারে; অথচ এর গভীরে প্রবেশ করলে এবং তা বিশ্লেষণ করলে অনেক উপলব্ধি, প্রজ্ঞা ও অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচিত হয়।আমরা এই আলোচনাটি বিকাশের দুটি দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে উপস্থাপন করব: পাশ্চাত্য দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি। বর্তমান অধ্যায়টি আমরা গ্রিক চিন্তাধারা এবং মানব প্রকৃতি ও মানুষের বিকাশ সম্পর্কে পাশ্চাত্য সভ্যতার ধারণাসমূহ বিবর্তনে এর ভূমিকার মাধ্যমে প্রথম দৃষ্টিভঙ্গিটির জন্য নির্দিষ্ট করেছি। পরবর্তী অধ্যায়টি আমরা ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বরাদ্দ করব, যেখানে বিশেষত আরব ও মুসলিম বিশ্বে বিকাশের গবেষণাসমূহকে কীভাবে নতুন আঙ্গিকে পরিচালিত করা যায়, তার প্রতি ইঙ্গিত থাকবে।প্রথমত: মানব বিকাশের গ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিগ্রিক সভ্যতা প্রাচীন সভ্যতাগুলোর মধ্যে নবীনতর হওয়া সত্ত্বেও, এর পূর্ববর্তী অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে মানব প্রকৃতি সংক্রান্ত বিষয়াদির ঘনঘন উল্লেখ পাওয়া যায়। বিশেষ করে প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় শিশুর প্রতি ব্যাপক যত্ন ও গুরুত্বারোপ পরিলক্ষিত হয়; শিশুকে সেখানে এক অক্ষম ও দুর্বল সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে যার পুষ্টি ও শারীরিক সঞ্চালনের মতো শারীরিক চাহিদাগুলো পূরণ করা প্রয়োজন, সেই সাথে তার খেলার সামাজিক প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। "ফুয়াদ আবু হাতাব, যন্ত্রস্থ (প্রকাশনাধীন)"। একইভাবে হাম্মুরাবির আইনসমূহও...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ২০)
في حضارة بابل تضمنت ضرورة المحافظة على الطفل "Borstelmanm 1983" ونجد استبصارات لا تقل أهميةً في حضارات فارس والهند والصين، إلّا أن هذا التراث العظيم لم يعرض بالتنظيم والتفصيل الكافيين الذين عرض بهما تراث اليونانيين لأسباب تعود في جوهرها إلى تحيز مؤرخي العلم لدى الغرب، الذين يبدأون عادة باليونان، ثم يقفزون إلى عصر النهضة الأوربية، وهي قضية تناولها بالتفصيل فؤاد أبو حطب في عدد من دراساته "فؤاد أبو حطب، تحت الطبع 197، 1993"، Abou-hatab، 1996، 1997"، ولا يتسع المقام لتناول هذه المسألة بالتفصيل، وحسبنا أن نحيل القارئ للدراسات التي أشرنا إليها.وما دام هذا الفصل قد خصصناه لأصول علم نفس النمو في ثقافة الغرب، فسوف نعرض لهذه الأصول ابتداءً من اليونان، على النحو الذي عرفته كتابات مؤرخي الغرب للعلم والثقافة، ثم نتولى تصحيح هذا الموقف في الفصل التالي من خلال عرض النمو الإنساني من المنظور الإسلامي.وبالطبع، لا يتسع المقام لعرض تفاصيل الفكر الفلسفي اليوناني حول الموضوع منذ عصر ما قبل سقراط، وحسبنا أن نشير إلى الاتجاهين الأساسين الذين مثلهما أفلاطون وأرسطو على وجه الخصوص، وهما الاتجاه المثالي من ناحية، والاتجاه الواقعي من ناحية أخرى.1- مثالية أفلاطون:يرى أفلاطون "427-347ق. م" في تصوره للطبيعة البشرية، أن النفس "وهي مفهوم فلسفي يقابل ما يسمى في علم النفس الحديث الشخصية" تتألف من الشهوة والإرادة والعقل، وتظهر الشهوات "وهي الرغبات والانفعالات" في الإنسان عند ميلاده، وتسيطر على حياة الوليد، وسنوات طفولته المبكرة، وتبدو على وجه الخصوص في الحاجات الجسيمة والانفعالية للفرد، وتنمو الإرادة خلال الطفولة المتأخرة والمراهقة، وتمثل نزوع الشخص وشجاعته وخلقه واعتقاده، ومع النضج يسيطر المكون العقلي للنفس.ويصور لنا أفلاطون في محاورة فيداروس العلاقةَ بين هذه المكونات الثلاثة في أسطورة العربة التي يشبه فيها النفس بعربة يجرها جوادان ويقودها سائق.وأحد الجوادين عريق الأصل، سلس القيادة "الإرادة"، أما الآخر فرديء الطبع، جامح غضوب عصي "الرغة أو الشهوة"، وسائق العربة هو العقل؛ فالعقل هو الذي يقود سلوك الإنسان، والمكونان الآخران يزودانه بالقوة والطاقة.وفي الفلسفة المثالية لأفلاطون، أن القدرة على الاستدلال والتفكير والتعقل هي
ব্যবিলনীয় সভ্যতায় শিশুকে সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা অন্তর্ভুক্ত ছিল "বোর্স্টেলম্যান ১৯৮৩" এবং আমরা পারস্য, ভারত ও চীনের সভ্যতাসমূহেও সমান গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি খুঁজে পাই। তবে এই মহান ঐতিহ্য ততোটা সুসংগঠিত ও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপিত হয়নি যতটা গ্রিক ঐতিহ্য হয়েছে। এর মূল কারণ হলো পশ্চিমা বিজ্ঞান ঐতিহাসিকদের পক্ষপাতিত্ব, যারা সাধারণত গ্রিস থেকে শুরু করেন এবং তারপর সরাসরি ইউরোপীয় রেনেসাঁয় চলে যান। এটি এমন একটি বিষয় যা ফুয়াদ আবু হাতাব তার বেশ কিছু গবেষণায় বিস্তারিত আলোচনা করেছেন "ফুয়াদ আবু হাতাব, মুদ্রণাধীন ১৯৭, ১৯৯৩", "আবু-হাতাব, ১৯৯৬, ১৯৯৭"। এই স্থানে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ নেই, পাঠকদের জন্য আমাদের উল্লিখিত গবেষণাগুলো দেখে নেয়াই যথেষ্ট হবে।যেহেতু এই অধ্যায়টি আমরা পশ্চিমা সংস্কৃতিতে বিকাশমূলক মনোবিজ্ঞানের উৎসের জন্য নির্ধারিত করেছি, তাই আমরা পশ্চিমা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি ঐতিহাসিকদের রচনায় যেভাবে স্বীকৃত সেভাবেই গ্রিস থেকে শুরু করে এই উৎসগুলো তুলে ধরব। অতঃপর পরবর্তী অধ্যায়ে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে মানব বিকাশ উপস্থাপনের মাধ্যমে আমরা এই অবস্থানটি সংশোধন করব।স্বাভাবিকভাবেই প্রাক-সক্রেটিস যুগ থেকে এই বিষয়ে গ্রিক দার্শনিক চিন্তাধারার বিস্তারিত উপস্থাপনের সুযোগ এখানে নেই। আমাদের জন্য কেবল দুটি প্রধান ধারার দিকে ইঙ্গিত করাই যথেষ্ট হবে যা বিশেষ করে প্লেটো ও এরিস্টটল প্রতিনিধিত্ব করেছেন; একদিকে আদর্শবাদী ধারা এবং অন্যদিকে বাস্তববাদী ধারা।১- প্লেটোর আদর্শবাদ:প্লেটো (৪২৭-৩৪৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) মানব প্রকৃতির ধারণায় মনে করেন যে, আত্মা (যা আধুনিক মনোবিজ্ঞানের 'ব্যক্তিত্ব' শব্দের সমার্থক একটি দার্শনিক ধারণা) প্রবৃত্তি, ইচ্ছা এবং বুদ্ধি দ্বারা গঠিত। প্রবৃত্তি বা লালসা (যা আকাঙ্ক্ষা ও আবেগ) মানুষের জন্মের সময় প্রকাশ পায় এবং নবজাতকের জীবন ও শৈশবের শুরুর বছরগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে; এটি বিশেষ করে ব্যক্তির শারীরিক ও আবেগীয় চাহিদার মধ্যে প্রকাশ পায়। পরবর্তী শৈশব ও কৈশোরে ইচ্ছাশক্তির বিকাশ ঘটে, যা ব্যক্তির ঝোঁক, সাহস, চরিত্র ও বিশ্বাসকে প্রতিনিধিত্ব করে। আর পরিপক্কতার সাথে সাথে আত্মার বুদ্ধিবৃত্তিক উপাদানটি আধিপত্য বিস্তার করে।প্লেটো তার 'ফিড্রাস' সংলাপে এই তিনটি উপাদানের মধ্যকার সম্পর্ককে একটি রথের রূপকের মাধ্যমে চিত্রিত করেছেন, যেখানে তিনি আত্মাকে দুটি ঘোড়া দ্বারা চালিত এবং একজন সারথি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি রথের সাথে তুলনা করেছেন।ঘোড়া দুটির মধ্যে একটি উচ্চবংশজাত এবং সহজে পরিচালনাযোগ্য (ইচ্ছা), অন্যটি মন্দ স্বভাবের, অবাধ্য, ক্রুদ্ধ ও জেদি (লালসা বা প্রবৃত্তি)। রথের সারথি হলো বুদ্ধি; বুদ্ধিই মানুষের আচরণকে পরিচালনা করে, আর বাকি দুটি উপাদান তাকে শক্তি ও প্রাণশক্তি জোগায়।প্লেটোর আদর্শবাদী দর্শনে, যুক্তি প্রদান, চিন্তা ও বিচারবুদ্ধির ক্ষমতা হলো
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ২১)
التي تميز جوهريًّا بين الإنسان والحيوان، وعلى الرغم من أنه لم ينكر الجانب اللاعقلاني في الطبيعة البشرية إلّا أنه يرى أن التدريب على التفكير قد يعين الإنسان على تخطي الشهوة والنزوع، ومع ذلك فإنه يرى أنه نتيجة للتكوين الفطري للإنسان، فقد يكون لأحد هذه المكونات الثلاثة الغلبة والسيطر على "نفس" معينة، ولهذا يرى أفلاطون في "الجمهورية" أن تحدد المهام التي يسمح للطفل أن يقوم بها لمصلحة الدولة في ضوء إمكاناته الفطرية، ثم تربيته تبعًا لذلك، فمعظم الناس عند أفلاطون تحكمهم الشهوات والعواطف، وبالتالي يجب تدريبهم على أن يصبحوا عمّالًا، وبعضهم تسيطر عليه الإرادة والنزوع، ولهذا يجب عليهم خدمة الأمة كجنود، أما الأقلية التي يسيطر عليها العقل، فهم ساسة المجتمع وفلاسفته.وهكذا، فإن الطبيعة البشرية عند أفلاطون تحكمها الفطرة، ومهمة البيئة أو الخبرة، أن تنشط هذه الفطرة وتصل إلى أقصى حدودها الممكنة، وهي ما يسميه أفلاطون "المثل" الموجودة بالفعل داخل العقل، أما الخبرة أو التعلم فهما محض خداع.وكذا كان أفلاطون أول فيلسوف يصوغ الاتجاه الذي عرف في تاريخ الفكر الإنساني بالمثالية أو العقلانية، والتي تتميز بثنائي الجسم والعقل، وهو الاتجاه الذي أثَّر في علم النفس الغربي الحديث بمعالمه الأربعة: الفطرة، ولكلية، والحدس، والحيوية، وهي المعالم التي عرضها هولس وزميلاه "ترجمة فؤاد أبو حطب، آمال صادق، 1982".2- واقعية أرسطو:في مقابل مثالية وفطرية أفلاطون، كان أرسطو "384-323 ق. م" يرى أن جوهر الطبيعة البشرية ليس "مثلًا" محددة مقدمًا بالفطرة، وإنما هي طبيعة محددة أساسًا بالخبرة، وهكذا ظهر أول صراع في التاريخ بين أنصار الفطرة وأنصار الخبرة؛ فالعقل عند أرسطو يتألف من الإحساسات الأساسية التي تترابط معًا بقوانين التداعي، ولعله بذلك كان أول من عَبَّر عن الفكرة التي شاعت بعد ذلك في الفلسفة الغربية وفي علم النفس الغربي الحديث، وهي أن الطفل يولد وعقله صفحة بيضاء، وفي هذا الصدد يوحد أرسطو بين العقل والجسم. وخبرات الإنسان عنده "وخاصة ملاحظاته الدقيقة" تعين على توضيح الحقيقة، وليس تشويهها، أو سوء عرضها "ما يرى أفلاطون".وبيما كان أفلاطون يشك في الدليل الذي تقدمه الانطباعات الحسية، فإن أرسطو كان أكثر شكًّا في قدرة العقل وحده على إدراك الحقيقة دون خطأ، وعنده أن الحقيقة لا يتم البرهان عليها إلّا بالاتفاق المتبادل على الملاحظات. وأي
যা মৌলিকভাবে মানুষ ও প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। যদিও তিনি মানব প্রকৃতির যুক্তিহীন দিকটিকে অস্বীকার করেননি, তবে তিনি মনে করেন যে চিন্তার প্রশিক্ষণ মানুষকে লালসা ও প্রবৃত্তিকে অতিক্রম করতে সাহায্য করতে পারে। তা সত্ত্বেও, তিনি মনে করেন যে মানুষের সহজাত গঠনের ফলে, এই তিনটি উপাদানের মধ্যে যে কোনো একটি নির্দিষ্ট "আত্মার" ওপর প্রাধান্য ও আধিপত্য বিস্তার করতে পারে। একারণেই প্লেটো তাঁর "দ্য রিপাবলিক" গ্রন্থে মনে করেন যে, রাষ্ট্রের কল্যাণে একটি শিশুকে যে কাজগুলো করার অনুমতি দেওয়া হবে, তা তার সহজাত সক্ষমতার আলোকে নির্ধারিত হওয়া উচিত এবং সেই অনুযায়ী তাকে গড়ে তোলা উচিত। প্লেটোর মতে, অধিকাংশ মানুষ তাদের লালসা ও আবেগ দ্বারা পরিচালিত হয়, তাই তাদের শ্রমিক হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত; কারও কারও ওপর ইচ্ছা ও প্রবণতা প্রাধান্য পায়, তাই তাদের সৈনিক হিসেবে জাতির সেবা করা উচিত; আর যে সংখ্যালঘু অংশের ওপর বুদ্ধি বা প্রজ্ঞা প্রাধান্য পায়, তারাই সমাজের রাজনীতিবিদ ও দার্শনিক।এভাবে প্লেটোর নিকট মানব প্রকৃতি সহজাত স্বভাব বা ফিতরাত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। পরিবেশ বা অভিজ্ঞতার কাজ হলো এই সহজাত প্রবণতাকে সক্রিয় করা এবং একে তার সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সীমায় পৌঁছে দেওয়া, যাকে প্লেটো বুদ্ধির ভেতরে ইতিমধ্যে বিদ্যমান "আদর্শরূপ" বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, অভিজ্ঞতা বা শিক্ষা নিছক বিভ্রান্তি মাত্র।একইভাবে প্লেটো ছিলেন প্রথম দার্শনিক যিনি সেই ধারার রূপরেখা তৈরি করেছিলেন যা মানব চিন্তার ইতিহাসে ভাববাদ বা যুক্তিবাদ নামে পরিচিত, যা দেহ ও মনের দ্বৈততা দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। এটি এমন একটি ধারা যা আধুনিক পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞানকে তার চারটি বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে প্রভাবিত করেছে: সহজাত প্রবৃত্তি, সামগ্রিকতা, স্বজ্ঞা এবং জীবনীশক্তি; এই বৈশিষ্ট্যগুলোই হোলস এবং তাঁর দুই সহকর্মী উপস্থাপন করেছেন (ফুয়াদ আবু হাতাব ও আমাল সাদেকের অনুবাদ, ১৯৮২)।২- এরিস্টটলের বাস্তববাদ:প্লেটোর ভাববাদ ও সহজাতবাদের বিপরীতে এরিস্টটল (৩৮৪-৩২৩ খ্রিষ্টপূর্ব) মনে করতেন যে, মানব প্রকৃতির সারবত্তা কোনো আগে থেকে নির্ধারিত "আদর্শরূপ" নয়, বরং এটি মূলত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নির্ধারিত একটি প্রকৃতি। এভাবেই ইতিহাসে সহজাতবাদী ও অভিজ্ঞতাবাদীদের মধ্যে প্রথম দ্বন্দ্বের সূচনা হয়। এরিস্টটলের মতে, মন এমন কিছু মৌলিক সংবেদন দ্বারা গঠিত যা অনুষঙ্গের নিয়মে একে অপরের সাথে যুক্ত। সম্ভবত তিনিই প্রথম সেই ধারণাটি ব্যক্ত করেছিলেন যা পরবর্তীতে পাশ্চাত্য দর্শন এবং আধুনিক পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞানে ব্যাপক পরিচিতি পায়, তা হলো—শিশু যখন জন্মগ্রহণ করে তখন তার মন থাকে একটি "অলিখিত ফলক" বা সাদা কাগজের মতো। এই প্রসঙ্গে এরিস্টটল মন ও দেহের মধ্যে ঐক্য স্থাপন করেন। তাঁর মতে, মানুষের অভিজ্ঞতা (বিশেষ করে তার সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ) সত্যকে স্পষ্ট করতে সাহায্য করে, সত্যকে বিকৃত বা ভুলভাবে উপস্থাপন করে না (যা প্লেটো মনে করতেন)।যেখানে প্লেটো ইন্দ্রিয়জাত প্রতীতি বা অভিজ্ঞতার দেওয়া প্রমাণের ব্যাপারে সন্দিহান ছিলেন, সেখানে এরিস্টটল কেবল বুদ্ধিবৃত্তির মাধ্যমে ভুলহীনভাবে সত্য উপলব্ধির সক্ষমতার বিষয়ে অধিকতর সন্দিহান ছিলেন। তাঁর মতে, পর্যবেক্ষণের পারস্পরিক ঐকমত্য ছাড়া সত্য প্রমাণিত হয় না। এবং...
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ২২)
ملاحظات يتفق عليها على أنها تمثل الحقيقة، يجب التعبير عنها منطقيًّا، وهي وحدها التي تقودنا إلى تفسير الأحداث أو السلوك، أي: بالبحث عن أسبابها، وعللها، ومرة أخرى نقول: إن أرسطو كان أول من صاغ معالم هذا الاتجاه المضاد الذي يُسَمَّى الواقعية أو المادية، والذي تتحدد معالمه الأربعة في الطرفية والاختزالية والترابطية والأمبريقية، وهي المعالم التي لعبت دورًا خطيرًا في تطور علم النفس الحديث "هولس وآخران، ترجمة فؤاد أبو حطب، آمال صادق، 1982".3- طفل إسبرطة:كانت إسبرطة هي المقابل الحضاري لأثينا، وإذا كانت أثينا "الديمقراطية" قد أنتجت عمالقة للفكر الإنساني؛ مثل: أفلاطون وأرسطو، فإن إسبرطة "الديكتاتورية" لم تنتج فكرًا، وإنما أفرزت ممارسة عملية في تنشئة الطفل يكمن وراءها تصور معين للطبيعة البشرية، وتتلخص هذه الممارسة في أن الطفل عقب ولادته مباشرة يعرض على "مجلس الحكماء"، الذي يتولى فحصه لتحديد مدى قوته وصحته وصلاحيته للبقاء في المدينة، فإذا كان الطفل ضعيفًا أو معوقًا يؤخذ إلى البرية ويتترك فيها ليموت "أليس في هذا بذور فكرة البقاء للأصلح التي أشاعتها نظرية التطور في القرن التاسع عشر؟! "، أما الطفل السعيد: فهو الذي يعلن المجلس أنه صحيح. وعندئذ يتعرض لبرنامج من التدريب القاسي لتقويته وتدريبه للمهنة الشاقة، وهي خدمة الدولة العسكرية، وفي هذا التدريب "الذي يشمل حمامات الماء البارد في عز الشتاء الأوروبي" لا يسمح للطفل بالصراخ؛ لأنه علامة على ضعف الخلق، وفي سن السابعة يؤخذ الطفل من منزل أسرته ويعيش في معسكرات عامة، ويتعرض في حياته الجديدة لنظام أكثر مشقة وقسوة.وحتى يكتسب الطفل صفات النظام والصلابة العقلية، كان قادة هذه المعسكرات يستخدمون أساليب العقاب البدني العنيف والحرمان من الطعام لعدة أيام، وطوال حياة الأطفال في هذه المعسكرات، والتي تستمر لأكثر من عشر سنوات، يغلب على تربيتهم الاهتمام بالجانب الجسمي على حساب النواحي العقلية والوجدانية.وفي سن الثامنة عشرة وحتى سن العشرين، يتدرب الشاب تدريبًا مباشرًا على العمل العسكري وفنون القتال، ثم يلتحق بصفوف الجيش ويظل فيه لمدة عشر سنوات أخرى، في حياة أكثر خشونة وقسوة، وفي سن الثلاثين يتم الاعتراف للفرد بحقوق المواطنة الكاملة، وعندئذ يمكنه أن يتزوج وأن يسهم في إدارة المدينة.ولم يعترف الإسبرطيون بالفروق بين الجنسين، إلّا أن تدريب البنات على المهام لم يتطلب التحاقهم بمعسكرت، وإنما كان يتم في ساحات المدينة العامة بإشراف الأمهات، أما الهدف في الالتين فكان واحدًا: إعداد الذكور الأقوياء جسميًّا للدفاع عن الدولة، وإعداد الإناث القويات جسميًّا لإنجاب الأطفال الأقوياء للقيام بنفس المهام.
এমন পর্যবেক্ষণ যা সত্যের প্রতিনিধিত্ব করে বলে স্বীকৃত, সেগুলোকে অবশ্যই যৌক্তিকভাবে প্রকাশ করতে হবে; এবং এগুলোই একমাত্র আমাদের ঘটনা বা আচরণের ব্যাখ্যায় উপনীত করে, অর্থাৎ সেগুলোর কারণ ও উৎস অনুসন্ধানের মাধ্যমে। পুনরায় উল্লেখ করা যায় যে, অ্যারিস্টটলই প্রথম এই বিপ্রতীপ মতাদর্শের রূপরেখা প্রণয়ন করেছিলেন যাকে বাস্তববাদ বা বস্তুবাদ বলা হয়; যার চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্রান্তিকতা, লঘুকরণবাদ, অনুষঙ্গবাদ এবং অভিজ্ঞতাবাদ। আধুনিক মনোবিজ্ঞানের বিবর্তনে এই বৈশিষ্ট্যগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (হালস ও অন্যান্য, অনুবাদ: ফুয়াদ আবু হাতাব, আমাল সাদিক, ১৯৮২)।৩- স্পার্টার শিশু:স্পার্টা ছিল অ্যাথেন্সের এক সাংস্কৃতিক প্রতিপক্ষ। 'গণতান্ত্রিক' অ্যাথেন্স যখন প্লেটো ও অ্যারিস্টটলের মতো মানব চিন্তাধারার মহীরুহদের জন্ম দিয়েছিল, তখন 'স্বৈরাচারী' স্পার্টা কোনো দর্শনের জন্ম দেয়নি; বরং তারা শিশু লালন-পালনের ক্ষেত্রে এক বিশেষ ব্যবহারিক পদ্ধতির উদ্ভব ঘটিয়েছিল, যার পেছনে মানব প্রকৃতি সম্পর্কে এক নির্দিষ্ট ধারণা বিদ্যমান ছিল। এই পদ্ধতির সারসংক্ষেপ হলো—শিশু জন্মানোর পরপরই তাকে 'প্রাজ্ঞ পরিষদে'র সামনে উপস্থাপন করা হতো। পরিষদ শিশুটির শক্তি, স্বাস্থ্য এবং নগরে বসবাসের উপযুক্ততা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা করত। যদি শিশুটি দুর্বল বা প্রতিবন্ধী হতো, তবে তাকে জনমানবহীন প্রান্তরে নিয়ে গিয়ে ফেলে আসা হতো যেন সে মৃত্যুবরণ করে ("এর মাঝে কি ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিবর্তনবাদ প্রচারিত 'যোগ্যতমের টিকে থাকা' ধারণার বীজ নিহিত নেই?!")। আর সেই শিশুটিই সৌভাগ্যবান বিবেচিত হতো, যাকে পরিষদ সুস্থ ঘোষণা করত। এরপর তাকে এক কঠোর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যেতে হতো যাতে সে শক্তিশালী হয় এবং রাষ্ট্রের সামরিক চাকরির মতো কঠোর পেশার জন্য গড়ে ওঠে। এই প্রশিক্ষণে (যার মধ্যে ইউরোপের হাড়কাঁপানো শীতে ঠাণ্ডা পানিতে গোসলও অন্তর্ভুক্ত ছিল) শিশুর চিৎকার করা নিষিদ্ধ ছিল; কারণ এটি দুর্বল চরিত্রের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হতো। সাত বছর বয়সে শিশুকে তার পরিবার থেকে সরিয়ে নেওয়া হতো এবং সে সাধারণ ছাউনিগুলোতে বসবাস শুরু করত। তার এই নতুন জীবনে তাকে আরও কঠোর ও রুক্ষ নিয়মের মুখোমুখি হতে হতো।শিশুরা যেন শৃঙ্খলাবোধ এবং মানসিক দৃঢ়তা অর্জন করতে পারে, সেজন্য এই ছাউনিগুলোর পরিচালকরা কঠোর শারীরিক শাস্তি এবং কয়েক দিন পর্যন্ত অভুক্ত রাখার পদ্ধতি অবলম্বন করতেন। এই ছাউনিগুলোতে শিশুদের জীবন দশ বছরেরও বেশি সময় স্থায়ী হতো এবং এই পুরো সময়ে তাদের লালন-পালনে মানসিক ও আবেগীয় দিকের তুলনায় শারীরিক দিকের প্রতিই অধিক গুরুত্ব প্রদান করা হতো।আঠারো থেকে বিশ বছর বয়স পর্যন্ত যুবকটি সরাসরি সামরিক কাজ এবং যুদ্ধবিদ্যায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করত। এরপর সে সেনাবাহিনীতে যোগদান করত এবং আরও দশ বছর সেখানে অত্যন্ত রুক্ষ ও কঠোর জীবন অতিবাহিত করত। ত্রিশ বছর বয়সে একজন ব্যক্তিকে পূর্ণ নাগরিক অধিকার প্রদান করা হতো এবং তখন সে বিবাহ করতে পারত ও নগরের শাসনকার্যে অবদান রাখতে পারত।স্পার্টানরা লিঙ্গভেদে কোনো পার্থক্য স্বীকার করত না, তবে মেয়েদের প্রশিক্ষণের জন্য ছাউনিতে থাকার প্রয়োজন হতো না; বরং মায়েদের তত্ত্বাবধানে নগরের উন্মুক্ত চত্বরে তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হতো। উভয় ক্ষেত্রেই উদ্দেশ্য ছিল অভিন্ন: রাষ্ট্রকে রক্ষার জন্য শারীরিকভাবে শক্তিশালী পুরুষ গড়ে তোলা এবং একই দায়িত্ব পালনের জন্য শক্তিশালী শিশু জন্ম দিতে সক্ষম এমন শক্তিশালী নারী প্রস্তুত করা।
(খণ্ড: ১)
নুমুউল ইনসান মিন মারহালাতিল জানিন ইলা মারহালাতিল মুসিন্নিন
(পৃষ্ঠা: ২৩)
ثانيًا: النمو الإنساني في العصور ر الوسطى في أوربا…ثانيًا: النمو الإنساني في العصور الوسطى في أوربامن الملفت للنظر حقًّا أنه في الوقت الذي كان الطفل يتمتع بحقوقه التي نظمتها الشريعة في المجتمعات الإسلامية، كان يعامل في أوروبا العصور الوسطى على أنه من "ممتلكات" الأسرة، أو من مواردها التي تعطي لللآباء حق استخدامها على النحو الذي يشاءون، وظل الأمر كذلك حتى القرن الثاني عشر الميلادي، حينما صدر تشريع مدني جعل قتل الأطفال جريمة قتل كاملة، وقبل ذلك كان الطفل يلقى الرعاية حتى سن السادسة حين يستطيع الاعتماد على نفسه، وعند السادسة يلبس ملابس الكبار، ويبدأ العمل معهم في المنزل أو المتجر أو الحقل "وعادة ما يكون هؤلاء الكبار هم الآباء أو الأقارب"، ولم تكن القوانين حينئذ تميز بين الأطفال والراشدين في الممارسات الاجتماعية السوية أو غير السوية؛ فمثلًا حين كان طفل العاشرة يسرق يعامل كلص، وتطبق عليه العقوبة الواجبة على الكبار، ويستنتج آريس "Aries، 1962" من ذلك "أنه حتى مطلع القرن السابع عشر الميلادي، لم يكن في أوروبا مفهوم واضح "للطفولة"، وإنما كان الطفل يعامل كما لو كان "راشدًا مصغرًا".وهكذا يمكن أن تعتبر فترة العصور الوسطى في أوربا فترة تجاهل كامل للمسائل الخاصة بالنمو الإنساني، وزاد من هذا التجاهل طبيعة النظام السياسي الاجتماعي الاقتصادي السائد "وهو النظام الإقطاعي"، وسيطرة الأمية الكاملة، وعدم الاعتراف بوجود أيّ حاجات خاصة بالأطفال والمراهقين، والاهتمام الضئيل بفضل العقل على النحو الذي كان موجودًا في الفلسفة اليونانية من ناحية، وعند علماء المسلمين من ناحية أخرى.ولم يحدث تغير في البنية المعرفية للعصور الوسطى في أوروبا إلّا بعد أن انتقلت أفكار علماء المسلمين إلى أوروبا، "ومعها بالطبع أفكار أفلاطون وأرسطو التي حافظت عليها الحضارة الإسلامية من الزوال بفضل الترجمة"، وعندئذ حاول بعض الفلاسفة المسيحيين في العصور الوسطى المواءمة بين الفلسفة اليونانية والديانة المسيحية، وظهر لديهم اهتمام غير مباشر بالنمو الإنساني. ومن ذلك مثلًا: أن توماس الأكويني وأغسطين كانا يريان أن هذا النمو يجب أن يسير في طريق محدد، وهو طريق التربية الدينية الصارمة للتغلب على "الخطيئة الأصلية".
দ্বিতীয়ত: মধ্যযুগের ইউরোপে মানব বিকাশ…দ্বিতীয়ত: মধ্যযুগের ইউরোপে মানব বিকাশএটি সত্যিই লক্ষ্যণীয় যে, যখন মুসলিম সমাজগুলোতে শিশুরা শরিয়াহ নির্ধারিত অধিকার ভোগ করছিল, তখন মধ্যযুগের ইউরোপে শিশুদের পরিবারের "সম্পদ" বা এমন এক উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হতো যা পিতামাতাকে তাদের ইচ্ছামতো ব্যবহারের অধিকার দিত। দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত পরিস্থিতি এমনই ছিল, যখন একটি দেওয়ানি আইন জারি করে শিশুহত্যাকে পূর্ণাঙ্গ নরহত্যা হিসেবে গণ্য করা হয়। এর আগে শিশু ছয় বছর বয়স পর্যন্ত যত্ন পেত যখন সে নিজের ওপর নির্ভর করতে পারত। ছয় বছর বয়সে সে বড়দের পোশাক পরিধান করত এবং বাড়িতে, দোকানে বা মাঠে তাদের সাথে কাজ শুরু করত "আর সাধারণত এই বড়রা ছিল পিতামাতা বা নিকটাত্মীয়"। তৎকালীন আইনসমূহ স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক সামাজিক আচরণের ক্ষেত্রে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করত না; উদাহরণস্বরূপ, যখন দশ বছরের কোনো শিশু চুরি করত, তখন তাকে চোর হিসেবে গণ্য করা হতো এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত দণ্ড তার ওপর প্রয়োগ করা হতো। অ্যারিস (Aries, ১৯৬২) এ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, "সপ্তদশ শতাব্দীর শুরু পর্যন্ত ইউরোপে 'শৈশব' সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না, বরং শিশুকে 'ক্ষুদ্র সংস্করণ প্রাপ্তবয়স্ক' হিসেবে বিবেচনা করা হতো।"এভাবে ইউরোপের মধ্যযুগকে মানব বিকাশের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর প্রতি পূর্ণ অবজ্ঞার কাল হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তৎকালীন প্রচলিত আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থা "অর্থাৎ সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা", চরম নিরক্ষরতা, শিশু ও কিশোরদের কোনো বিশেষ চাহিদার অস্বীকৃতি এবং একদিকে গ্রিক দর্শনে ও অন্যদিকে মুসলিম পণ্ডিতদের মাঝে বিদ্যমান বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি নগণ্য আগ্রহ এই অবজ্ঞাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।ইউরোপের মধ্যযুগের জ্ঞানতাত্ত্বিক কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন আসেনি যতক্ষণ না মুসলিম পণ্ডিতদের চিন্তাধারা ইউরোপে স্থানান্তরিত হয়েছে, "আর এর সাথে অবশ্যই প্লেটো ও অ্যারিস্টটলের চিন্তাধারাও ছিল যা ইসলামি সভ্যতা অনুবাদের মাধ্যমে বিলুপ্তি থেকে রক্ষা করেছিল"। তখন মধ্যযুগের কিছু খ্রিস্টান দার্শনিক গ্রিক দর্শন ও খ্রিস্টধর্মের মধ্যে সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করেন এবং তাদের মধ্যে মানব বিকাশ সম্পর্কে পরোক্ষ আগ্রহের সৃষ্টি হয়। এর উদাহরণস্বরূপ: থমাস অ্যাকুইনাস এবং অগাস্টিন মনে করতেন যে, এই বিকাশ একটি নির্দিষ্ট পথে চলতে হবে, আর তা হলো "আদি পাপ" (Original Sin) কাটিয়ে ওঠার জন্য কঠোর ধর্মীয় শিক্ষার পথ।