(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: -)
تخريج أحاديث فضائل الشام ودمشق لأبي الحسن الربعي القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: تخريج أحاديث فضائل الشام ودمشق لأبي الحسن علي بن محمد الربعي
المؤلف: أبو عبد الرحمن محمد ناصر الدين، بن الحاج نوح بن نجاتي بن آدم، الأشقودري الألباني (ت 1420هـ)
الناشر: مكتبة المعارف للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى للطبعة الجديدة 1420هـ- 2000م
عدد الصفحات: 80
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু হাসান আল-রাবায়ি রচিত শাম ও দামেস্কের ফযিলত বিষয়ক হাদিসসমূহের তাখরিজ বিভাগ: তাখরিজ ও আতরাফ
কিতাব: আবু হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ আল-রাবায়ি রচিত শাম ও দামেস্কের ফযিলত বিষয়ক হাদিসসমূহের তাখরিজ
লেখক: আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন, বিন আল-হাজ নূহ বিন নাজাতি বিন আদম, আল-আশকুদারী আল-আলবানি (মৃত্যু ১৪২০ হিজরি)
প্রকাশক: মাকতাবাতুল মাআরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
সংস্করণ: নতুন সংস্করণের প্রথম মুদ্রণ ১৪২০ হিজরি- ২০০০ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮০
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর ছাপানো কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৩)
مقدمات
مقدمة الطبعة الجديدة…بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة هذه الطبعة الجديدة:
الحمد لله رب العالمين، وصلاته وسلامه على سيد المرسلين، وعلى آله وصحابته أجمعين، ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين.
أمّا بعد؛ فقد سبق أن طُبِعَ هذا الكتاب بعد الطبعة الأولى مرات؛ بعضها شرعية، وكلها طبق الطبعة الأولى.
أما هذه الطبعة؛ فتتميز عن سابقاتها بأنها منقحة ومزيدة، وفيها فوائد عديدة، وتحقيقات جديدة؛ في التصحيح والتخريج، والاستفادة مما طُبِعَ أو صُوِّرَ حديثًا من الأصول الحديثية، من أهمها: "تاريخ دمشق الشام" للحافظ ابن عساكر -رحمه الله تعالى، فقد نقلت منه بعض الفوائد العزيزة، التي يندر وجودها عند غيره.
ভূমিকাসমূহনতুন সংস্করণের ভূমিকা…পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এই নতুন সংস্করণের ভূমিকা:
সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর তাঁর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলগণের সরদারের ওপর, এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর, আর কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যারা ইহসানের সাথে তাঁদের অনুসরণ করবে তাদের ওপর।
অতঃপর; ইতিপূর্বে এই কিতাবটি প্রথম সংস্করণের পর কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে; যার কিছু ছিল বৈধ, আর সবগুলোই ছিল প্রথম সংস্করণ অনুযায়ী।
তবে এই সংস্করণটি পূর্ববর্তী সংস্করণগুলো থেকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এটি পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত এবং এতে রয়েছে বহুবিধ ফায়দা ও নতুন সব তাহকীক; বিশেষ করে সংশোধন ও তাখরীজ করার ক্ষেত্রে এবং হাদীসের মূল উৎসসমূহ থেকে যা অতি সম্প্রতি মুদ্রিত বা চিত্রায়িত হয়েছে তা থেকে উপকৃত হওয়ার ক্ষেত্রে। যার মধ্যে অন্যতম হলো: হাফেয ইবনে আসাকির (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) রচিত "তারীখু দিমাশক আশ-শাম"। আমি তা থেকে এমন কিছু বিরল ফায়দা গ্রহণ করেছি যা অন্যদের কাছে সচরাচর পাওয়া যায় না।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৪)
ومن تلك الفوائد الرد على بعض الأحزاب والأشخاص من أهل البدع والأهواء الذين يردون الأحاديث الصحيحة؛ لمجرد مخالفتها لآرائهم الفاسدة؛ كالشيخ أحمد الغماري، وغيره.
ومنها التنبيه على وهمٍ لشيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله في تصحيحه لحديثٍ ضعيف إسناده! وعلى عزوه لحديثٍ آخر لـ "الصحيح"، وليس فيه! وغير ذلك من الفوائد التي ستمرُّ بالقراء -إن شاء الله تعالى.
أسأل الله تعالى أن ينفع بذلك -وبكل ما أكتب -إخواني المسلمين في مشارق الأرض ومغاربها، وأن يتقبَّل ذلك مني قبولًا حسنًا، ويدَّخر لي ثوابه ليوم الحشر؛ {يَوْمَ لا يَنْفَعُ مَالٌ وَلا بَنُونَ، إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ} [الشعراء: 88-89] ، إنه هو البَرُّ الرحيم الكريم، والحمد لله رب العالمين.
عمان 7 ذي الحجة سنة 1408هـ.
محمد ناصر الدين الألباني
أبو عبد الرحمن
সেই সকল উপকারের মধ্যে রয়েছে বিদআতপন্থী এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসারী এমন কিছু দল ও ব্যক্তির প্রতিবাদ করা, যারা সহিহ হাদিসসমূহকে কেবল তাদের ভ্রান্ত মতামতের বিরোধী হওয়ার কারণে প্রত্যাখ্যান করে; যেমন শেখ আহমদ আল-গুমারী এবং অন্যান্যরা।
আরও একটি উপকার হলো শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর একটি ভুল সম্পর্কে সতর্ক করা, যেখানে তিনি এমন একটি হাদিসকে সহিহ বলেছেন যার সনদ দুর্বল! এবং অন্য একটি হাদিসকে তিনি "সহিহ"-এর দিকে সম্বন্ধ করেছেন অথচ সেটি সেখানে নেই! এছাড়াও আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে যা পাঠকদের সামনে আসবে—ইনশাআল্লাহ তায়ালা।
আমি আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি এর মাধ্যমে—এবং আমার লিখিত সকল বিষয়ের মাধ্যমে—পৃথিবীর পূর্ব ও পশ্চিমের মুসলিম ভাইদের উপকৃত করেন। তিনি যেন আমার পক্ষ থেকে একে উত্তমভাবে কবুল করেন এবং হাশরের দিনের জন্য এর সওয়াব আমার জন্য সঞ্চিত রাখেন; {যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো উপকারে আসবে না, কেবল সে ব্যক্তি ব্যতীত যে আল্লাহর নিকট বিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে উপস্থিত হবে} [আশ-শুআরা: ৮৮-৮৯]। নিশ্চয়ই তিনি পরম কল্যাণময়, অসীম দয়ালু ও অতি দাতা। আর সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
আম্মান, ৭ই জিলহজ, ১৪০৮ হিজরি।
মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী
আবু আবদুর রহমান
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة الطبعة الأولى:الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، وآله وصحبه ومَنْ والاه.
أما بعد؛ فهذه أحاديثٌ في فضائل الشام ودمشق، استخرجتها من كتاب الحافظ أبي الحسن الربعي "ت: 444"، المسمى بـ "فضائل الشام ودمشق"، الذي قام بطبعه المجْمَع العلمي العربي بدمشق سنة "1370هـ/ 1950م"1، مع ملاحق له، أحدها في تخريج أحاديثه المرفوعة إلى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، بقلمي وتحقيقي، وقد رأينا أن نجرد هذه الأحاديث من أصلها في رسالةٍ مع تخريجها المشار إليه، محذوفة الأسانيد تسهيلًا للاطلاع عليها، وتعميمًا
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
প্রথম সংস্করণের ভূমিকা:সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের ওপর, তাঁর পরিবার-পরিজন, তাঁর সাহাবীগণ এবং যারা তাঁকে অনুসরণ করেছেন তাঁদের ওপর।
অতঃপর; এগুলো শাম (সিরিয়া) ও দামেস্কের ফযীলত বিষয়ক কিছু হাদীস, যা আমি হাফেয আবুল হাসান আর-রিবয়ী (মৃত্যু: ৪৪৪ হি.) রচিত "ফাযায়েলুশ শাম ওয়া দামিশক" নামক গ্রন্থ থেকে চয়ন করেছি। গ্রন্থটি দামেস্কের 'আরবি সায়েন্টিফিক একাডেমি' ১৩৭০ হিজরী/১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশ করেছিল ১, যার সাথে কিছু পরিশিষ্টও যুক্ত ছিল। তার মধ্যে একটি পরিশিষ্ট ছিল আমার নিজ কলমে ও গবেষণায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত (মারফু) হাদীসগুলোর তাখরীজ (উৎসনির্দেশ) বিষয়ক। আমি এই হাদীসগুলোকে তার মূল উৎস থেকে পৃথক করে উল্লেখিত তাখরীজসহ একটি পুস্তিকা আকারে পেশ করা সমীচীন মনে করেছি, যেখানে পাঠকদের সুবিধার্থে এবং এর ব্যাপক প্রসারের লক্ষ্যে হাদীসের সনদসমূহ বাদ দেওয়া হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৬)
للاستفادة منها، حتى يعلم الناس أن في فضل الشام أحاديث كثيرة صحيحة، خلافًا لظنِّ بعض الكُتَّاب، وحتى يعرف المستوطنون فيه فضل ما أنعم الله به عليهم، فيقوموا بشكره بالعمل الصالح، وإخلاص العبادة لوجهه سبحانه وتعالى، وإلّا فإن الأمر كما قال سلمان الفارسي لأبي الدرداء رضي الله عنهما.
"إن الأرض المُقدسة لا تقدس أحدًا، وإنما يُقدس الإنسان عمله".
رواه مالك في "الموطأ" "2/ 235".
نسأل الله تعالى أن ينفع بها المُسلمين، ويتقبلها منَّا قبولًا حسنًا، إنه سميع مُجيب.
دمشق 3/ 7/ 1379م.
محمد ناصر الدين الألباني
এগুলো থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য, যাতে মানুষ জানতে পারে যে শামের মর্যাদার বিষয়ে অনেক সহিহ হাদিস রয়েছে, যা কিছু লেখকের ধারণার বিপরীত; এবং যাতে সেখানে বসবাসকারীরা তাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের মর্যাদা সম্পর্কে জানতে পারে, ফলে তারা নেক আমলের মাধ্যমে তাঁর শুকরিয়া আদায় করতে পারে এবং ইবাদতকে শুধুমাত্র তাঁর চেহারার জন্য একনিষ্ঠ করতে পারে (তিনি পবিত্র ও মহান)। অন্যথায় বিষয়টি তেমনই, যেমনটি সালমান ফারসি আবু দারদা (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন)-কে বলেছিলেন।
"নিশ্চয়ই পবিত্র ভূমি কাউকে পবিত্র করে না, বরং মানুষকে তার আমলই পবিত্র করে।"
মালিক এটি "মুয়াত্তা" (২/ ২৩৫) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি এর মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করেন এবং আমাদের পক্ষ থেকে একে উত্তমভাবে কবুল করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও উত্তরদানকারী।
দামেস্ক ৩/ ৭/ ১৩৭৯ খ্রি.
মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৭)
مدخل…بسم الله الرحمن الرحيم
إن الحمد لله، نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، وسيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلّا الله، وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.
وبعد؛ فقد رأينا أن نقدِّمَ بين يدي القراء -قبل الشروع في المقصود- كلمة حول الأخبار الواردة في كتاب "فضائل الشام"، زيادةً في الفائدة.
بلغت مجموع أخبار الكتاب "119" خبرًا، وهي تنقسم إلى ثلاثة أقسام:
1- أحاديث مرفوعة إلى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وأكثرها صحيح، وبعضها ضعيف، وبعضها موضوع، ومجموعها مع المُكرر "41" حديثًا.
2- أحاديث موقوفة على بعض الصحابة وغيرهم من
ভূমিকা…পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে হিদায়াত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসূল।
অতঃপর; আমরা মূল বিষয়ে প্রবেশের পূর্বে—উপকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে—"ফাযায়িলে শাম" গ্রন্থে বর্ণিত বর্ণনাগুলো সম্পর্কে পাঠকদের সামনে কিছু কথা উপস্থাপন করা সমীচীন মনে করেছি।
গ্রন্থটির মোট বর্ণনার সংখ্যা ১১৯টি এবং সেগুলো তিন ভাগে বিভক্ত:
১- নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত (মারফু) হাদীসসমূহ। এগুলোর অধিকাংশ সহীহ, কিছু যয়ীফ এবং কিছু মওযু (জাল); আর পুনরাবৃত্তিসহ এগুলোর মোট সংখ্যা ৪১টি।
২- কিছু সাহাবী এবং অন্যদের থেকে বর্ণিত স্থগিত (মাওকুফ) বর্ণনাসমূহ যা...
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৮)
التابعين ومن دونهم، وجُلُّها لا تصحُّ أسانيدها؛ لأن مدارها على مجاهيل وضعفاء، ومجموعها "47" حديثًا موقوفًا.
3- إسرائيليات، وأكثرها يدور على كعب الأحبار، وكل الأسانيد إليه لا تصحُّ.
والباقي منها عن غيره، وفيهم ثلاثة من الصحابة: عبد الله بن سلام، وعبد الله بن عباس، وعبد الرحمن بن عائش الحضرمي، وفي صحبة هذا خلاف، والأسانيد إلى غيرهم قد تبين لي ضعفها إلّا القليل منها، فإن القطع فيها صحةً أو ضعفًا متوقفٌ على مُراجعة تراجم بعض الرواة في "تاريخ ابن عساكر"، وذلك غير متيسر الآن، وإن كنت أشعر بضعفها أيضًا.
ومن غرائب ما في هذه الإسرائيليات، أن بعضها ينتهي إسناده إلى رجلٍ يونانيّ، انظر رقم "40".
وقد كان بودي أن أتكلم عليها مفصلًا، ولكن المجال ضيق، فاكتفيت بالإشارة إلى ذلك.
وبعد هذا العرض الموجز أعود إلى تخريج الاحاديث المرفوعة، فأقول:
তাবিঈন এবং তাদের পরবর্তী স্তরের ব্যক্তিদের থেকে বর্ণিত, আর এগুলোর অধিকাংশের সনদ সহীহ নয়; কারণ এগুলোর ভিত্তি হলো অজ্ঞাত ও দুর্বল বর্ণনাকারীগণ, আর এগুলোর সর্বমোট সংখ্যা হচ্ছে ৪৭টি মাওকুফ হাদীস।
৩- ইসরাঈলী বর্ণনা, আর এগুলোর অধিকাংশই কাব আল-আহবারকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, এবং তার পর্যন্ত পৌঁছানো সকল সনদই সহীহ নয়।
আর এর অবশিষ্টাংশ অন্যদের থেকে বর্ণিত, যাদের মধ্যে তিনজন সাহাবী রয়েছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস এবং আব্দুর রহমান ইবনে আইশ আল-হাদরামী। শেষোক্ত ব্যক্তির সাহাবী হওয়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। অন্যদের দিকে সম্পৃক্ত সনদগুলোর দুর্বলতা আমার নিকট স্পষ্ট হয়েছে সামান্য কিছু ব্যতীত; কারণ সেগুলোর বিশুদ্ধতা বা দুর্বলতার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া 'তারিখে ইবনে আসাকির'-এ কিছু বর্ণনাকারীর জীবনী পর্যালোচনার ওপর নির্ভরশীল, যা বর্তমানে সহজসাধ্য নয়, যদিও আমি সেগুলোর দুর্বলতাও অনুভব করছি।
এই ইসরাঈলী বর্ণনাগুলোর একটি বিস্ময়কর বিষয় হলো, এগুলোর কোনো কোনোটির সনদ একজন গ্রিক ব্যক্তির কাছে গিয়ে শেষ হয়েছে, দেখুন নম্বর ৪০।
আমার ইচ্ছা ছিল এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার, কিন্তু পরিসর সংক্ষিপ্ত হওয়ায় আমি কেবল সেদিকে ইঙ্গিত করেই ক্ষান্ত হলাম।
এই সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনার পর আমি মারফু হাদীসসমূহের উৎস অনুসন্ধানের দিকে ফিরে যাচ্ছি, আমি বলছি:
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৯)
الحديث الأول:عن زيد بن ثابت الأنصاري رضي الله عنه قال: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ -صَلَّى اللَّهُ عليه سلم:
"يا طوبَى للشام، يا طوبَى للشام، يا طوبَى للشام1، قالوا: يا رسول الله! وبِمَ ذلك؟ قال: تلك ملائكة الله باسطو أجنحتها على الشام".
قلت: هو حديث صحيح، أخرجه الترمذي "2/ 331، طبع بولاق"، وقال: "حديث حسن"، وزاد في بعض النسخ: "صحيح".
والفسوي في "التاريخ" "2/ 301"، وابن حبان في "صحيحه" "2311، موارد الظمآن"، والحاكم في "المستدرك" "2/ 229"، وأحمد في "المسند" "5/ 184"، وابن عساكر في "تاريخ دمشق" "1/ 112-115"، وقال الحاكم:
"صحيح على شرط الشيخين"، ووافقه الذهبيّ، وهو كما قالَا، وقال المنذري في "الترغيب" "4/ 63":
رواه ابن حبان في "صحيحه"، والطبراني بإسناد صحيح.
--------------------------------------------
প্রথম হাদীস:যায়েদ ইবনে সাবিত আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি:
"শাম ধন্য হোক, শাম ধন্য হোক, শাম ধন্য হোক। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! তা কিসের কারণে? তিনি বললেন: ওই যে আল্লাহর ফেরেশতারা শামের ওপর তাদের ডানাগুলো বিস্তার করে আছেন।"
আমি বলি: এটি একটি সহীহ হাদীস। তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন (২/৩৩১, বুলাক সংস্করণ) এবং তিনি বলেছেন: "এটি হাসান হাদীস"। কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে "সহীহ" শব্দটিও অধিক বর্ণিত হয়েছে।
এছাড়া ফাসাবী তাঁর "তারীখ" গ্রন্থে (২/৩০১), ইবনে হিব্বান তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে (২৩১১, মাওয়ারিদুয যামান), হাকেম তাঁর "মুস্তাদরাক" গ্রন্থে (২/২২৯), আহমাদ তাঁর "মুসনাদ" গ্রন্থে (৫/১৮৪) এবং ইবনে আসাকির তাঁর "তারীখে দামেশক" গ্রন্থে (১/১১২-১১৫) এটি বর্ণনা করেছেন। হাকেম বলেছেন:
"এটি শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর শর্তানুসারে সহীহ।" আয-যাহাবী তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন এবং বিষয়টি তেমনই যেমন তাঁরা দু'জন বলেছেন। আল-মুনযিরী তাঁর "আত-তারগীব" গ্রন্থে (৪/৬৩) বলেছেন:
ইবনে হিব্বান তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে এবং তাবারানী এটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১০)
الحديث الثاني:عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
"ستنجدون أجنادًا، جُنْدًا بِالشَّامِ، وجُنْدًا بِالْعِرَاقِ، وَجُنْدًا باليَمَنِ"، قال عبد الله: فقمت، قلت: خِرْ لي يا رسول الله! فقال: "وعليكم بِالشَّامِ، فَمَنْ أَبَى فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ، وَلْيَسْتَقِ مِنْ غُدُرِه، فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل قَدْ تكفَّل لِي بالشام وأهله".
قال ربيعة: فسمعت أبا إدريس يحدث بهذا الحديث، يقول: وَمَنْ تكفَّل اللَّهُ بِهِ فَلا ضيعة عليه.
قلت: حديث صحيح جدًّا؛ فإن له أربعة طرق:
الأولى: طريق المُصنف، وهي من طريق مكحول، عن ابن حوالة، على خلافٍ عليه فيه.
أخرجه الحاكم "4/ 510"، وأحمد "5/ 33"، وابن عساكر "1/ 47-56"، وقال الحاكم:
দ্বিতীয় হাদিস:আবদুল্লাহ ইবনে হাওয়ালা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"অচিরেই তোমরা বিভিন্ন সেনাদলে বিভক্ত হয়ে পড়বে; একদল সিরিয়ায়, একদল ইরাকে এবং একদল ইয়ামেনে।" আবদুল্লাহ বলেন: তখন আমি দাঁড়িয়ে বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য পছন্দ করে দিন। তিনি বললেন: "তোমাদের সিরিয়া অবলম্বন করা উচিত। আর যে ব্যক্তি তাতে অসম্মতি জানায়, সে যেন ইয়ামেনে চলে যায় এবং তার জলাধারগুলো থেকে পানি পান করে। কেননা আল্লাহ তাআলা আমার খাতিরে সিরিয়া ও তার অধিবাসীদের জিম্মাদারি গ্রহণ করেছেন।"
রাবিয়াহ বলেন: আমি আবু ইদ্রিসকে এই হাদিসটি বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "আর আল্লাহ যার জিম্মাদার হন, তার কোনো ধ্বংস বা ক্ষতির সম্ভাবনা নেই।"
আমি বলছি: এটি অত্যন্ত সহিহ হাদিস; কারণ এর চারটি সূত্র রয়েছে:
প্রথম: গ্রন্থকারের সূত্র, এটি মাখহুল থেকে ইবনে হাওয়ালা সূত্রে বর্ণিত, যদিও এতে কিছু মতভেদ রয়েছে।
হাকিম (৪/ ৫১০), আহমাদ (৫/ ৩৩), এবং ইবনে আসাকির (১/ ৪৭-৫৬) এটি বর্ণনা করেছেন এবং হাকিম বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১১)
"صحيح الإسناد"، ووافقه الذهبي.
والطريق الثاني: أخرجه أبو داود "1/ 388"، وأحمد "4/ 110" من طريق أبي قتيلة، عن ابن حوالة. وإسناده صحيح.
والثالث: أخرجه أحمد أيضًا "5/ 288" من طريق سليمان بن شمير عنه.
والرابع: أخرجه الطحاوي في "مُشْكَل الآثار" "2/ 35"، عن جبير بن نفير عنه.
وله طريق خامس رواه المُصنّف، وسيأتي الكلام عليه في الحديث التاسع.
وله شواهد من حديث أبي الدرداء وغيره.
"সনদটি সহীহ", এবং আয-যাহাবী তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন।
দ্বিতীয় সূত্র: এটি আবু দাউদ (১/৩৮৮) এবং আহমাদ (৪/১১০) আবু কুতাইলাহ-এর সূত্রে ইবনে হাওয়ালাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং এর সনদ সহীহ।
তৃতীয়টি: এটিও আহমাদ (৫/২৮৮) সুলাইমান ইবনে শুমাইরের সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
চতুর্থটি: এটি আত-তাহাবী "মুশকিলাল আসার" (২/৩৫) গ্রন্থে জুবাইর ইবনে নুফাইরের সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
এর একটি পঞ্চম সূত্র রয়েছে যা গ্রন্থকার বর্ণনা করেছেন, এবং নবম হাদীসে এ বিষয়ে আলোচনা আসবে।
আবু দারদা ও অন্যদের বর্ণিত হাদীসে এর সপক্ষে সমর্থনকারী বর্ণনা (শাওয়াহিদ) রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১২)
الحديث الثالث:عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رضي الله عنهما قَالَ: قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
"إني رأيت عمودَ الْكِتَابِ انْتُزِعَ مِنْ تَحْتِ وِسَادَتِي، فنظرتُ فَإِذَا هُوَ نورٌ ساطعٌ عُمِدَ بِهِ إِلَى الشَّامِ، أَلا إِنَّ الإِيمَانَ -إِذَا وَقَعَتِ الفتن- بالشام".
حديث صحيح، أخرجه الفسوي "2/ 290-291 و300 و311 و523"، والحاكم "4/ 509"، وأبو نعيم في "الحلية" "5/ 252"، وابن عساكر "1/ 92-98"، وقال الحاكم:
"صحيح على شرط الشيخين، ووافقه الذهبي.
وقد وَهِمَا في قولهما: "إنه على شرطهما، وإنما هو صحيح فقط؛ لأن في السند يونس بن ميسرة بن حلبس، ولم يخرِّج له الشييخان شيئًا، وهو ثقة.
والحديث أورده الهيثمي في "المجمع" "10/ 58"، وقال:
"رواه الطبراني" في "الكبير" و"الأوسط" بإسنادين،
তৃতীয় হাদিস:আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"নিশ্চয়ই আমি দেখলাম কিতাবের খুঁটিটি আমার বালিশের নিচ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হলো। অতঃপর আমি তাকালাম এবং দেখলাম সেটি একটি উজ্জ্বল নূর, যা শামের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জেনে রাখো, যখন ফিতনা প্রকাশ পাবে, তখন ঈমান হবে শামে।"
হাদিসটি সহিহ, আল-ফাসাওয়ি (২/ ২৯০-২৯১, ৩০০, ৩১১ এবং ৫২৩), আল-হাকিম (৪/ ৫০৯), আবু নুয়াইম 'আল-হিলয়াহ' গ্রন্থে (৫/ ২৫২), এবং ইবনে আসাকির (১/ ৯২-৯৮) এটি বর্ণনা করেছেন। আল-হাকিম বলেছেন:
"এটি শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এর শর্ত অনুযায়ী সহিহ", এবং আয-যাহাবি তার সাথে একমত হয়েছেন।
তবে তাদের উভয়ের এই বক্তব্যে বিভ্রম হয়েছে যে: "এটি তাদের উভয়ের শর্ত অনুযায়ী", বরং এটি কেবল সহিহ; কারণ এর সনদে ইউনুস ইবনে মাইসারা ইবনে হালবাস রয়েছেন, যার থেকে শাইখাইন কোনো হাদিস বর্ণনা করেননি, অথচ তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)।
হাইসামি 'আল-মাজমা' গ্রন্থে (১০/ ৫৮) হাদিসটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন:
"তাবারানি এটি 'আল-কাবির' এবং 'আল-আওসাত' গ্রন্থে দুটি সনদে বর্ণনা করেছেন,"
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وفي أحدهما ابن لهيعة، وهو حسن الحديث، وقد توبع على هذا، وبقية رجاله رجال الصحيح.
وله عند ابن عساكر طريق أخرى، وحسنه.
وله شواهد من حديث عمرو بن العاص وأبي الدرداء.
رواهما أحمد "4/ 198 و5/ 198 و199"، وإسناده الثاني صحيح.
ومن حديث عبد الله بن عمر، وعبد الله بن حوالة عند المُصنِّف، وسيأتي الكلام عليهما، فانظر الحديث التاسع والعاشر.
এবং তাদের একটি সনদে ইবনে লাহিআ রয়েছেন, তিনি হাসানুল হাদিস (উত্তম হাদিস বর্ণনাকারী), এবং এই বর্ণনায় তাকে অনুসরণ করা হয়েছে (অর্থাৎ এর মুতাবি’ বা সমর্থনকারী বর্ণনা রয়েছে), আর এর অবশিষ্ট বর্ণনাকারীগণ সহীহ গ্রন্থের বর্ণনাকারী।
ইবনে আসাকিরের নিকট এর অন্য একটি সূত্র রয়েছে এবং তিনি একে হাসান বলেছেন।
এবং আমর ইবনুল আস ও আবু আদ-দারদা বর্ণিত হাদিস থেকে এর স্বপক্ষে সাক্ষ্যমূলক বর্ণনা (শাওয়াহিদ) রয়েছে।
ইমাম আহমাদ এ দুটি বর্ণনা করেছেন "৪/ ১৯৮ এবং ৫/ ১৯৮ ও ১৯৯", আর এর দ্বিতীয় সনদটি সহীহ।
এবং গ্রন্থকারের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ও আব্দুল্লাহ ইবনে হাওয়ালা বর্ণিত হাদিস থেকেও বর্ণনা রয়েছে, শীঘ্রই এ দুটির বিষয়ে আলোচনা আসবে, সুতরাং নবম ও দশম হাদিসটি দেখুন।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
الحديث الرابع:عن أبي ذر رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
"الشام أرض المحشر والمنشر".
قلت: حديث صحيح، تفرَّدَ المُصنِّفُ بإخراجه من هذا الوجه، وهو ضعيف الإسناد جدًّا.
لكن أخرجه الإمام أحمد "6/ 257"، ومن طريقه ابن عساكر "1/ 164"، من وجهٍ آخر في حديثٍ لأبي ذر موقوفًا عليه، وفيه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أقره على ذلك، ولم ينكره عليه، فهو في حكم المرفوع، بَيْدَ أن إسناده ضعيف.
لكن له طريق أخرى في حديث آخر لأبي ذر، أخرجه ابن عساكر "1/ 163-164"، وقد صححه الحاكم "4/ 509" على شرط الشيخين، ووافقه الذهبي، وهو كما قالا، وهو في "صحيح الترغيب" "رقم 1162".
وله شاهد أخرجه أحمد "6/ 436"، وابن ماجه "1/ 429 و430"، من حديث ميمونة بنت سعد مولاة النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قالت: يا نبي الله! أَفْتِنَا في بيت المقدس؟ فقال:
"أرض المحشر والمنشر
… " الحديث.
চতুর্থ হাদিস:আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"শাম হলো হাশর ও নশর (পুনরুত্থান ও সমাবেশের) ময়দান।"
আমি বলছি: এটি সহিহ হাদিস, লেখক এককভাবে এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে এর সানাদ (বর্ণনাসূত্র) অত্যন্ত দুর্বল।
তবে ইমাম আহমাদ (৬/২৫৭) এবং তাঁর সূত্রে ইবনে আসাকির (১/১৬৪) এটি অন্য একটি সূত্রে আবু যার থেকে মাওকুফ (সাহাবীর উক্তি) হিসেবে বর্ণনা করেছেন; সেখানে দেখা যায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর এই বক্তব্যের অনুমোদন দিয়েছেন এবং একে অস্বীকার করেননি, ফলে এটি মারফু-এর হুকুমভুক্ত (রাসূলের বাণীর সমতুল্য), যদিও এর সানাদ দুর্বল।
তবে আবু যারের অন্য একটি হাদিসে এর ভিন্ন একটি সূত্র রয়েছে, যা ইবনে আসাকির (১/১৬৩-১৬৪) বর্ণনা করেছেন। আল-হাকিম (৪/৫০৯) একে শাইখাইনের (বুখারি ও মুসলিম) শর্তানুসারে সহিহ বলেছেন এবং আয-যাহাবি তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন। বিষয়টি ঠিক তেমনি যেমন তাঁরা বলেছেন এবং এটি "সহিহুত তারগিব" (নং ১১৬২)-এ বিদ্যমান।
এর একটি সমর্থক বর্ণনা (শাহিদ) রয়েছে যা আহমাদ (৬/৪৩৬) ও ইবনে মাজাহ (১/৪২৯ ও ৪৩০) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মুক্তদাসী মাইমুনা বিনতে সাদ-এর হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: হে আল্লাহর নবী! বাইতুল মাকদিস সম্পর্কে আমাদের ফতোয়া দিন? তিনি বললেন:
"এটি হাশর ও নশরের (পুনরুত্থান ও সমাবেশের) ময়দান
… " হাদিসের শেষ পর্যন্ত।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وإسناده صحيح، كما قال الحافظ أحمد بن أبي بكر البوصيري في "زوائده"، وقوَّاه النووي في "المجموع"، وقد تكلمنا عليه مفصلًا في كتابنا "الثمر المستطاب في فقه السنة والكتاب" في "المساجد".
تم تبيَّنَ لي أنه معلول، ولذلك نقلته من "صحيح أبي داود" إلى "ضعيفه" "68".
وبالجملة؛ فالحديث بشاهده وطريقه الأخرى صحيح قويّ؛ لذلك نرى أن الأستاذ/ صلاح الدين المُنجد، قد أخطأ حين أورد الحديث في الأحاديث الموضوعة التي نَبَّه عليها في مقدمة الكتاب "ص10"1، وليس يسوغ له ذلك قوله في خاتمتها:
"ونحن في ترجيحنا أن هذه الأحاديث موضوعة، قد اعتمدنا على النقد الداخلي، أعني: نقد المتن في الحديث، ولو صحَّ سنده"؛ لأنه:
أولًا: ليس لهذا النقد الداخلي قواعد محررة، وضوابط مقررة، يمكن الاعتماد عليها، والرجوع
--------------------------------------------
এবং এর বর্ণনাধারা (সনদ) সহীহ, যেমনটি হাফেজ আহমদ ইবনে আবি বকর আল-বুসিরি তাঁর "যাওয়াইদ" গ্রন্থে বলেছেন এবং নববী "আল-মাজমু" গ্রন্থে একে শক্তিশালী বলেছেন। আমরা আমাদের গ্রন্থ "আস-সামারুল মুস্তাতাব ফী ফিকহিস সুন্নাহ ওয়াল কিতাব"-এর "মসজিদ" অধ্যায়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
অতঃপর আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে এটি ত্রুটিপূর্ণ (মালুল), আর একারণেই আমি একে "সহীহ আবু দাউদ" থেকে "যয়ীফ আবু দাউদ" (নম্বর ৬৮)-এ স্থানান্তর করেছি।
সামগ্রিকভাবে; হাদিসটি তার সমর্থক বর্ণনা ও অন্যান্য সূত্রের মাধ্যমে সহীহ ও শক্তিশালী; তাই আমরা মনে করি যে উস্তাদ সালাহউদ্দিন আল-মুনজিদ ভুল করেছেন যখন তিনি হাদিসটিকে সেই জাল হাদিসগুলোর মধ্যে উল্লেখ করেছেন যেগুলোর ব্যাপারে তিনি বইয়ের ভূমিকার ১০ নম্বর পৃষ্ঠায় সতর্ক করেছেন। আর তাঁর উপসংহারে এই কথা বলা সংগত নয়:
"এই হাদিসগুলো জাল হওয়ার ব্যাপারে আমাদের অগ্রাধিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা অভ্যন্তরীণ সমালোচনার ওপর নির্ভর করেছি, অর্থাৎ: হাদিসের মূল পাঠের (মতন) সমালোচনা, যদিও তার বর্ণনাধারা (সনদ) সহীহ হয়"; কারণ:
প্রথমত: এই অভ্যন্তরীণ সমালোচনার কোনো সুসংজ্ঞায়িত নীতিমালা এবং নির্ধারিত নিয়মকানুন নেই যার ওপর নির্ভর করা বা প্রত্যাবর্তন করা যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
الاختلاف إليها، خلافًا للنقد الخارجي، أي: نقد السند، فقد وضع له علماؤنا رحمهم الله من القواعد والضوابط ما لا يمكن الزيادة عليه، كما تَجِدُ ذلك مفصلًا في كتب مصطلح علم الحديث، ومن أجمعها "قواعد التحديث" للشيخ جمال الدين القاسمي رحمه الله.
وثانيًا: أن الأستاذ لم يبيّن وجه كون الحديث موضوعًا متنًا حتى يمكن النظر في ذلك، ومجال الكلام في هذا البحث الخطير لا يتسع له هذا الملحق.
এতে মতভেদ রয়েছে, যা বাহ্যিক সমালোচনা তথা সনদের সমালোচনার বিপরীত। আমাদের উলামায়ে কেরাম (রহিমাহুমুল্লাহ) এর জন্য এমন সব মূলনীতি ও মানদণ্ড নির্ধারণ করেছেন যাতে নতুন কোনো কিছু যোগ করার অবকাশ নেই। যেমনটি আপনি ইলমে হাদিসের পরিভাষা সংক্রান্ত গ্রন্থসমূহে বিস্তারিতভাবে পাবেন; আর এ বিষয়ের সর্বাধিক সংকলিত গ্রন্থ হলো শায়খ জামাল উদ্দিন আল-কাসিমি (রহিমাহুল্লাহ) রচিত 'কাওয়ায়েদুত তাহদিস'।
দ্বিতীয়ত: উস্তাদ হাদিসটির মতন (মূল পাঠ) জাল হওয়ার দিকটি স্পষ্ট করেননি যাতে এ বিষয়ে পর্যালোচনা করা সম্ভব হয়। আর এই গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়ে আলোচনার অবকাশ এই পরিশিষ্টে নেই।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
الحديث الخامس:عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ أبيه رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
"إِذَا هَلَكَ [أهلُ] الشَّامِ فَلا خيرَ فِي أُمتي، وَلا تزالُ طائفة من أُمتي على الحق يقاتلون الدجال".
قلت: هو بهذا اللفظ ضعيف؛ تفرَّدَ به المُصنِّفُ، وفي إسناده عِمْرَانُ بْنُ إِسْحَاقَ أَبُو هَارُونَ، قال الذهبي في "الميزان": "لا يُدْرَى من هو".
قُلت: ومن طريقه، أخرجه ابن عساكر "1/ 254"، وأشار إلى جهالته.
والصحيح في لفظه ما أخرجه الطيالسي في "مُسنده" "ص145 رقم 1076"، عن شعبة، عن معاوية به مرفوعًا:
"إِذَا فسدَ أهلُ الشامِ فَلا خيرَ فِيكُمْ، لا تزالُ طائفةٌ من أُمتي منصورين، لا يضرُّهم مَنْ خَذَلَهم حَتَّى تقومَ الساعةُ". وإسناده صحيح.
পঞ্চম হাদীস:মুয়াবিয়া ইবনে কুররাহ থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
"যখন শামের অধিবাসীরা ধ্বংস হয়ে যাবে, তখন আমার উম্মতের মধ্যে আর কোনো কল্যাণ থাকবে না; আর আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা হকের ওপর অটল থেকে দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে।"
আমি বলছি: এই শব্দে হাদীসটি দুর্বল; গ্রন্থকার এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এর সনদে ইমরান বিন ইসহাক আবু হারুন রয়েছেন, যার সম্পর্কে আয-যাহাবী 'আল-মিজান' গ্রন্থে বলেছেন: "জানা নেই সে কে।"
আমি বলছি: তাঁর সূত্রেই ইবনে আসাকির (১/২৫৪) এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর পরিচয়হীনতার (জাহালাত) প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।
আর এই হাদীসের শব্দের ক্ষেত্রে যা সহীহ (সঠিক) তা হলো যা আত-তায়ালিসি তাঁর 'মুসনাদ' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ১৪৫, হাদীস নং ১০৭৬) শু'বাহ থেকে, তিনি মুয়াবিয়া থেকে মারফূ সূত্রে বর্ণনা করেছেন:
"যখন শামের অধিবাসীরা কলুষিত হয়ে যাবে, তখন তোমাদের মাঝে কোনো কল্যাণ থাকবে না। আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা সাহায্যপ্রাপ্ত থাকবে, কিয়ামত কায়েম হওয়া পর্যন্ত যারা তাদের পরিত্যাগ করবে তারা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।" এবং এর সনদ সহীহ।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ومن طريقه، أخرجه الترمذي "2/ 30"، وقال: "حديث حسن صحيح".
وأخرجه أحمد "3/ 436 و5/ 35"، وروى ابن ماجه "1/ 6-7" الشطر الثاني، وابن حبان في "صحيحه" "2313- موارد"، وأبو نعيم "7/ 230-231"، والخطيب "8/ 417 و418 و10/ 182" الشطر الأول، والفسوي "2/ 295"، وابن عساكر "1/ 292-294"، وقال: "وتَفَرَّدَ به شعبة".
قلت: وهو ثقة حجة إمام.
وللشطر الثاني منه شواهد كثيرة في "الصحيحين" وغيرهما عن جَمْعٍ من الصحابة، يأتي تسميتهم قريبًا.
তাঁর সূত্র থেকেই ইমাম তিরমিযী (২/৩০) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: "এটি হাসান সহীহ হাদীস।"
ইমাম আহমাদ (৩/৪৩৬ ও ৫/৩৫) এটি বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ (১/৬-৭) এর দ্বিতীয় অংশটি বর্ণনা করেছেন। এছাড়া ইবনে হিব্বান তাঁর "সহীহ" (২৩১৩- মাওয়ারিদ) গ্রন্থে, আবু নুয়াইম (৭/২৩০-২৩১), খতীব (৮/৪১৭ ও ৪১৮ এবং ১০/১৮২) এর প্রথম অংশটি, ফাসাবী (২/২৯৫) এবং ইবনে আসাকির (১/২৯২-২৯৪) এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: "শু'বাহ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।"
আমি বলছি: তিনি নির্ভরযোগ্য, প্রামাণ্য এবং একজন ইমাম।
এর দ্বিতীয় অংশের সপক্ষে "সহীহাইন" ও অন্যান্য গ্রন্থে একদল সাহাবী থেকে বহু শাহিদ (সমর্থনকারী বর্ণনা) বিদ্যমান রয়েছে, যাদের নাম শীঘ্রই উল্লেখ করা হবে।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
الحديث السادس:عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:$
"لن تَبْرَحَ هذه الأمةُ منصورين أينما توجهوا، لا يضرُّهم من خَذَلَهم من الناس حتى يأتي أمر الله، أكثرهم أهلُ الشام".
حديث صحيح دون قوله: "وأكثرهم أهل الشام"؛ فإن هذه الزيادة منكرة عندي، تَفَرَّدَ بها المصنف بهذا الإسناد، ورواه ابن عساكر أيضًا "1/ 244-245"، وفيه جبير بن عبيدة الحمصي، وهو راويه عن أبي هريرة، قال الذهبي في ترجمته: "لا يُدرى من ذا".
ولا يغتر بتوثيق ابن حبان إياه، فإن من عادته في كتابه "الثقات"، توثيق المجهولين عند الأئمة الأثبات، كما نبَّه على ذلك الحافظ في مقدمة "اللسان"، وابن عبد الهادي في "الصارم المنكيّ"، ثم بيَّنا ذلك في ردِّنَا على الشيخ الحبشيّ "ص19-21"، ثم في الطبعة الجديدة بـ "تمام المنة" "ص 20-25"، لكن ليس ذلك على إطلاقه كما يظنُّ كثيرٌ من
ষষ্ঠ হাদীস:আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"এই উম্মত যেখানেই অভিমুখ করুক না কেন তারা সর্বদা সাহায্যপ্রাপ্ত থাকবে, যারা তাদের সহযোগিতা বর্জন করবে তারা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না যতক্ষণ না আল্লাহর নির্দেশ উপস্থিত হয়; তাদের অধিকাংশ হলো শামবাসী।"
হাদীসটি সহীহ, তবে "তাদের অধিকাংশ হলো শামবাসী" উক্তিটি ব্যতীত; কারণ এই বর্ধিত অংশটি আমার নিকট মুনকার (অগ্রহণযোগ্য), মুসান্নিফ (গ্রন্থকার) এই সনদে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইবনু আসাকিরও এটি বর্ণনা করেছেন (১/ ২৪৪-২৪৫), এতে জুবাইর ইবনু উবাইদাহ আল-হিমসী রয়েছেন, যিনি আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম যাহাবী তার জীবনীতে বলেছেন: "জানা নেই তিনি কে।"
ইবনু হিব্বান কর্তৃক তাকে নির্ভরযোগ্য বলায় প্রতারিত হওয়া যাবে না, কারণ প্রথিতযশা ইমামদের নিকট যারা অপরিচিত (মাজহুল), নিজের "আস-সিকাত" গ্রন্থে তাদের নির্ভরযোগ্য বলা তার অভ্যাস। যেমনটি হাফিয (ইবনু হাজার) "আল-লিসান" গ্রন্থের ভূমিকায় এবং ইবনু আব্দিল হাদী "আস-সারিমুল মুনকি" গ্রন্থে এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। অতঃপর আমরা শায়খ হাবাশীর খণ্ডনে (পৃষ্ঠা ১৯-২১) এবং "তামামুল মিন্নাহ" গ্রন্থের নতুন সংস্করণে (পৃষ্ঠা ২০-২৫) বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছি; তবে বিষয়টি ঢালাওভাবে সেরকম নয় যেমনটি অনেকে মনে করেন...
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২০)
الباحثين، بل فيه تفصيل ذكرته في "تمام المنة" "ص 204-207"، طبعة المكتبة الإسلامية.
وقد روى هذا الحديث عن أبي هريرة عمير بن الأسود، وكثير بن مرة الحضرميّ، عند ابن ماجه "1/ 7"، وأبو صالح عند أحمد "2/ 321 و340 و379"، وليس في حديثهم تلك الزيادة.
وكذلك صحَّ الحديث عن عمر بن الخطاب، وثوبان، وعمران، وجابر بن سمرة، والمغيرة بن شعبة، وعقبة بن عامر، وجابر بن عبد الله، ومعاوية، وغيرهم، وقد ساق بعضها ابن عساكر "1/ 249-257"، وأحاديثهم مُخَرَّجَةٌ عندي1، وبعضها في "الصحيحين"، لكن في حديث معاوية عندهما عن معاذ بن جبل أنه قال: "وهم بالشام".
ويشهد له ما رواه مُسلم وغيره من حديث سعد بن أبي وقاص مرفوعًا:
--------------------------------------------
গবেষকদের নিকট, বরং এতে এমন বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে যা আমি 'তামামুল মিন্নাহ' (পৃ. ২০৪-২০৭), মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ সংস্করণে উল্লেখ করেছি।
আবু হুরায়রা থেকে এই হাদীসটি উমায়ের ইবনুল আসওয়াদ এবং কাসীর ইবনে মুররা আল-হাদরামি বর্ণনা করেছেন, যা ইবনে মাজাহ-তে (১/৭) রয়েছে; আর আবু সালিহ বর্ণনা করেছেন যা আহমাদে (২/৩২১, ৩৪০ এবং ৩৭৯) রয়েছে, এবং তাদের বর্ণিত হাদীসে সেই অতিরিক্ত অংশটুকু নেই।
অনুরূপভাবে উমর ইবনুল খাত্তাব, সাওবান, ইমরান, জাবির ইবনে সামুরা, মুগীরা ইবনে শু'বা, উকবা ইবনে আমির, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ, মুআবিয়া এবং অন্যান্যদের থেকে হাদীসটি সহীহ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। ইবনে আসাকির (১/২৪৯-২৫৭) এর কিছু অংশ উদ্ধৃত করেছেন এবং তাদের বর্ণিত হাদীসসমূহ আমার নিকট তাহরীজকৃত অবস্থায় রয়েছে১, যার কিছু অংশ 'সহীহাইন'-এ রয়েছে; তবে সেই দুই গ্রন্থে মুআবিয়া বর্ণিত হাদীসে মুআয ইবনে জাবাল থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: "এবং তারা সিরিয়ায় থাকবে।"
আর এর স্বপক্ষে সাক্ষ্য দেয় যা মুসলিম ও অন্যান্যরা সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে মারফু' হিসেবে বর্ণনা করেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২১)
"لا يزال أهلُ الغربِ ظاهرين على الحقِّ حتى تقوم الساعةُ" على اعتبار أن أهل الغرب هم أهل الشام، كما قال الإمام أحمد، وأيَّدَه شيخ الإسلام ابن تيمية في "فضل الشام وأهله"1 من وجهين:
الأول: ورود ذلك صراحةً في بعض الأحاديث.
الثاني: أن لغته صلى الله عليه وسلم وأهل مدينته في أهل الغرب؛ أنهم أهل الشام، فراجعه فإنه مهم، ومفيد جدًّا، ولعل من نفى ذلك من المعاصرين، وذهب إلى أن المُراد بذلك "المغاربة" الذين يسكنون شمال غرب "أفريقية"؛ لم يقف على لغته صلى الله عليه وسلم المذكورة.
وقد روي الحديث عن أبي هريرة من وجهين آخرين بزيادة أخرى قريبة من هذه في المعنى، ولا تصحُّ أيضًا، كما سيأتي في الحديث السابع والعشرين، والتاسع والعشرين.
--------------------------------------------
"পশ্চিমের অধিবাসীরা কিয়ামত কায়েম হওয়া পর্যন্ত সত্যের ওপর বিজয়ী থাকবে" - এই বিবেচনায় যে পশ্চিমের অধিবাসী বলতে শামদেশের অধিবাসীদের বোঝানো হয়েছে, যেমনটি ইমাম আহমাদ বলেছেন এবং শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ তাঁর "শাম ও তার অধিবাসীদের মর্যাদা" গ্রন্থে দুটি দিক থেকে এর সমর্থন করেছেন:
প্রথমত: কিছু হাদিসে এটি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
দ্বিতীয়ত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মদিনাবাসীদের পরিভাষায় পশ্চিমের অধিবাসী বলতে শামদেশের অধিবাসীদের বোঝানো হতো; বিষয়টি গুরুত্বের সাথে লক্ষ্য করুন, কেননা এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং উপকারী। সম্ভবত সমসাময়িকদের মধ্যে যারা এটি অস্বীকার করেছেন এবং এই মত পোষণ করেছেন যে এর দ্বারা উত্তর-পশ্চিম "আফ্রিকা"য় বসবাসরত "মাগরেববাসীদের" বোঝানো হয়েছে, তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উল্লিখিত সেই পরিভাষা সম্পর্কে অবগত হতে পারেননি।
আবু হুরায়রা থেকে হাদিসটি আরও দুটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যেখানে এর কাছাকাছি অর্থের অতিরিক্ত অংশ রয়েছে, তবে সেগুলোও সহিহ নয়, যেমনটি সাতাশ এবং উনত্রিশ নম্বর হাদিসে সামনে আসবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২২)
الحديث السابع:عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
"أهْلُ الشام وأزواجهم وذريَّاتُهم وعبيدُهم وإماؤُهم إلى منتهى الجزيرة مرابطون1 في سبيل الله، فمن احتل منها مدينة من المدائن فهو في رباط، ومن احتلّ منها ثغرًا من الثغور فهو في جهادٍ".
قلت: حديث ضعيف؛ لأن راويه عن أبي الدرداء لم يُسَمَّ، فهو مجهول، ومن طريقه رواه الطبراني كما في "المجمع" "10/ 60"، وابن عساكر "1/ 169"، وقال:
"وقد روي بإسناد آخر أمثل من هذا؛ إلّا أنه غريب".
قلت: ثم ساقه بنحوه، وفيه شهر بن حوشب، وهو ضعيف.
--------------------------------------------
সপ্তম হাদিস:আবু দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"শামবাসী এবং তাদের স্ত্রীগণ, তাদের বংশধরগণ, তাদের দাস ও দাসীগণ—জাজিরার শেষ সীমানা পর্যন্ত—আল্লাহর পথে পাহারাদার১; সুতরাং তাদের মধ্য থেকে কেউ যদি কোনো শহরে অবস্থান গ্রহণ করে, তবে সে পাহারায় (রিবাত) রত আছে, আর যে কোনো সীমান্তে অবস্থান গ্রহণ করে, সে জিহাদে রত আছে।"
আমি বলছি: এটি একটি যয়িফ (দুর্বল) হাদিস; কারণ আবু দারদা থেকে এর বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করা হয়নি, ফলে সে মাজহুল (অজ্ঞাত)। তার মাধ্যমেই তাবারানি এটি বর্ণনা করেছেন, যেমনটি 'আল-মাজমা' (১০/৬০) এবং ইবনে আসাকির (১/১৬৯)-এ রয়েছে। তিনি (ইবনে আসাকির) বলেছেন:
"এটি এর চেয়ে উত্তম অন্য একটি সনদেও বর্ণিত হয়েছে; তবে সেটি গরিব (একক)।"
আমি বলছি: এরপর তিনি অনুরূপ একটি বর্ণনা নিয়ে এসেছেন, যার বর্ণনাকারীদের মধ্যে শাহর বিন হাওশাব রয়েছেন, আর তিনি যয়িফ (দুর্বল)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الحديث الثامن:عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال: صلَّى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الفجر، ثم أقبل على القوم، فقال:
"اللهم بارك لنا في مدينتنا، وبارك لنا في مُدِّنَا وصاعِنَا، اللهم بارك لنا في حَرَمِنَا، وبارك لنا في شَامِنَا".
فقال رجل: وفي العراق؟ فسكت، ثم أعاد، قال الرجل: وفي عراقنا، فسكت، ثم قال:
"اللهم بارك لنا في مدينتا، وبارك لنا في مُدِّنَا وصاعِنَا، اللهم بارك لنا في شامِنَا، اللهم اجعل مع البركة بركةً، والذي نفسي بيده، ما من المدينة شِعْبٌ ولا نَقْبٌ، إلا وعليه ملكان يحرسانها تقدموا عليها
… " وذكر الحديث1.
قلت: حديث صحيح، وإن كنت لم أقف عليه بهذا
--------------------------------------------
অষ্টম হাদিস:আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাত আদায় করলেন, তারপর লোকদের দিকে অভিমুখী হলেন এবং বললেন:
"হে আল্লাহ, আমাদের জন্য আমাদের মদিনায় বরকত দান করুন, আমাদের মুদ্দ ও সা'-এ বরকত দিন। হে আল্লাহ, আমাদের জন্য আমাদের হারামে বরকত দিন এবং আমাদের শামে বরকত দান করুন।"
এক ব্যক্তি বললেন: এবং ইরাকেও? তিনি চুপ থাকলেন। তারপর তিনি পুনরায় (দোয়া) করলেন, তখন ঐ ব্যক্তি বললেন: এবং আমাদের ইরাকেও? তিনি চুপ থাকলেন। এরপর তিনি বললেন:
"হে আল্লাহ, আমাদের জন্য আমাদের মদিনায় বরকত দিন, আমাদের মুদ্দ ও সা'-এ বরকত দিন। হে আল্লাহ, আমাদের শামে বরকত দিন। হে আল্লাহ, আপনি বরকতের সাথে আরও বরকত যুক্ত করুন। সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, মদিনার এমন কোনো পাহাড়ি পথ বা গিরিপথ নেই যার ওপর দুজন ফেরেশতা নিয়োজিত থেকে তাকে পাহারা দিচ্ছেন না, যতক্ষণ না তোমরা তাতে প্রবেশ করো
… " এবং তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেছেন১।
আমি বলছি: এটি একটি সহিহ হাদিস, যদিও এই শব্দে আমি এটি আগে পাইনি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
التمام فيما عندي من كتب السنة، وإنما وقفت عليه مفرَّقًا من حديث ابن عمر دون قوله في آخره: "اللهم اجعل مع البركة بركة
… "، فإنما هو من حديث أبي سعيد الخدري في حديثٍ له أخرجه مسلم "4/ 117"، لكنه قال: "
… البركة بركتين".
وأما حديث ابن عمر فأخرجه أبو نعيم "6/ 133"، وابن عساكر إلى قوله: "وفي العراق"، وزاد: فأعرض عنه، فقال: "فيها الزلازل والفتن، وبها يطلع قرن الشيطان".
وإسناده صحيح.
ورواه الطبراني في "الكبير" "3/ 201/ 1" من طريق أخرى عن ابن عمر، وسنده صحيح.
وقد أورده في "المجمع" "3/ 305"، وقال: "رواه الطبراني في "الأوسط"، ورجاله ثقات".
وأخرجه أحمد "2/ 143" مختصرًا عنه بلفظ:
"قال: رأيت رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم يشير
আমার নিকট সুন্নাহর যেসব কিতাব আছে তাতে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে রয়েছে; তবে আমি ইবনে উমরের হাদীস থেকে এটি বিক্ষিপ্তভাবে পেয়েছি, এর শেষের এই কথাটি ব্যতীত: "হে আল্লাহ! বরকতের সাথে আরও বরকত দান করুন
…", কারণ এটি আবু সাঈদ আল-খুদরীর হাদীসের অন্তর্ভুক্ত যা মুসলিম বর্ণনা করেছেন "৪/ ১১৭", তবে তিনি বলেছেন: "
… বরকতকে দ্বিগুণ (করুন)"।
আর ইবনে উমরের হাদীসটি আবু নুআইম "৬/ ১৩৩" এবং ইবনে আসাকির "এবং ইরাকে" কথাটি পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন এবং বর্ধিতভাবে উল্লেখ করেছেন যে: অতঃপর তিনি তার থেকে বিমুখ হলেন এবং বললেন: "সেখানে ভূমিকম্প ও ফিতনা রয়েছে এবং সেখান থেকেই শয়তানের শিং উদিত হবে।"
এবং এর সনদ সহীহ।
আর তাবারানী এটি "আল-কাবীর" "৩/ ২০১/ ১" গ্রন্থে ইবনে উমর থেকে অন্য সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং এর সনদ সহীহ।
এবং তিনি এটি "আল-মাজমা" "৩/ ৩০৫" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "তাবারানী এটি 'আল-আওসাত' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।"
এবং আহমাদ "২/ ১৪৩" এটি তাঁর থেকে সংক্ষেপে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন:
"তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামকে ইশারা করতে দেখেছি..."
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
بيده يؤم العراق: ها إن الفتنة ههنا -ثلاث مرات- من حيث يطلعُ قرن الشيطان".
وإسناده صحيح على شرط مُسلم، وقد أخرج في "صحيحه" "8/ 181" نحوه.
وفي رواية له من وجه آخر، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قال:
"يا أهل العراق! ما أسألكم عن الصغيرة وأركبكم للكبيرة؟! " سمعت أبي عبد الله بن عمر يقول: فذكره.
وأخرجه البخاري ومسلم أيضًا من وجه آخر عن سالم به مرفوعًا.
وأخرج البخاري "13/ 38، بشرح العسقلاني"، وأحمد "2/ 118"، وابن عساكر من طريق نافع عن ابن عمر مرفوعًا:
"اللهم بارك لنا في شَامِنَا، اللهم بارك لنا في يَمَنِنَا، قالوا: وفي نَجْدِنَا، قال: هناك الزلازل
… " الحديث.
وأخرجه الترمذي وصححه، وعزَّاه المنذري في "الترغيب" "4/ 61" للترمذي وحده، فوهم.
"তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইরাকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন: 'জেনে রেখো, নিশ্চয়ই ফিতনা এখানে -তিনবার বললেন- যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়।'"
আর এর সনদ ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহিহ, এবং তিনি তাঁর "সহিহ" গ্রন্থের "৮/১৮১" পৃষ্ঠায় এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
আর তাঁর অন্য একটি সূত্রে সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:
"হে ইরাকবাসী! ছোটখাটো বিষয়ে তোমাদের প্রশ্ন করা আর বড় গুনাহে তোমাদের লিপ্ত হওয়া কতই না আশ্চর্যের বিষয়! আমি আমার পিতা আব্দুল্লাহ ইবনে ওমরকে বলতে শুনেছি..." এরপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেন।
আর বুখারি ও মুসলিমও সালেমের সূত্রে এটি মারফু হিসেবে অন্য পথে বর্ণনা করেছেন।
আর বুখারি "১৩/৩৮, আসকালানির ব্যাখ্যাসহ", আহমদ "২/১১৮" এবং ইবনে আসাকির নাফে’র সূত্রে ইবনে ওমর হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন:
"হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের শামে বরকত দিন, হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামেনে বরকত দিন। তাঁরা বললেন: এবং আমাদের নজদেও? তিনি বললেন: সেখানে হবে ভূমিকম্প
… " হাদীসটি।
আর তিরমিজি এটি বর্ণনা করেছেন এবং একে সহিহ বলেছেন, এবং মুনজিরি "আত-তারগিব" (৪/৬১) গ্রন্থে এটি কেবল তিরমিজির দিকে সম্বন্ধ করেছেন, যা তাঁর একটি ভুল।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وله عند أحمد "2/ 126" طريق أخرى عن ابن عمر.
ولحديثه الأول عند أبي نعيم شاهد من حديث ابن عباس، ساق لفظه الهيثمي، وقال:
"رواه الطبراني في "الكبير" "12/ 84/ 12552"، ورجاله ثقات.
وروى بعضه الخطيب في "تاريخه" "1/ 24 و25"، ومن طريقه ابن عساكر من حديث معاذ بن جبل.
فيُسْتَفَادُ من مجموع طرق الحديث أن المراد من "نجد" في رواية البخاري، ليس هو الإقليم المعروف اليوم بهذا الاسم، وإنما العراق، وبذلك فسَّره الإمام الخطَّابِيّ والحافظ بن حجر العسقلاني، وتجد كلامهما في ذلك في "شرح كتاب الفتن" من "صحيح البخاري" للحافظ.
وقد تحقق ما أنبأ به عليه السلام، فإن كثيرًا من الفتن الكبرى كان مصدرها العراق، كالقتال بين سيدنا علي ومعاوية، وبين علي والخوارج، وبين علي وعائشة، وغيرها مما هو مذكور في كتب التاريخ؛ فالحديث من معجزاته صلى الله عليه وسلم وأعلام نبوته.
ومن ذلك تعلم أن الأستاذ/ صلاح الدين المُنجد، أخطأ في حشر هذا الحديث في الأحاديث الموضوعة في المقدمة، والله المُستعان.
ইমাম আহমাদ (২/১২৬) ইবনু উমর থেকে বর্ণিত এই হাদিসের আরেকটি সূত্র উল্লেখ করেছেন।
আবু নুআয়িমের নিকট তাঁর প্রথম হাদিসের একটি সমর্থনমূলক বর্ণনা ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত হয়েছে; আল-হাইসামি এর শব্দগুলো উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন:
"আত-তাবারানি এটি 'আল-কাবীর' (১২/৮৪/১২৫৫২) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।"
আল-খাতীব তাঁর 'তারিখ' (১/২৪ ও ২৫) গ্রন্থে এর কিছু অংশ বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্র ধরে ইবনু আসাকির মুআয বিন জাবাল থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
হাদিসের সকল সূত্রের সমষ্টি থেকে এটিই প্রতীয়মান হয় যে, বুখারীর বর্ণনায় 'নাজদ' বলতে বর্তমানে এই নামে পরিচিত অঞ্চলটি উদ্দেশ্য নয়, বরং ইরাক উদ্দেশ্য। ইমাম আল-খাত্তাবী এবং হাফিয ইবনু হাজার আল-আসকালানি এভাবেই এর ব্যাখ্যা করেছেন। হাফিযের 'সহীহ বুখারী'র 'কিতাবুল ফিতান'-এর ব্যাখ্যায় তাঁদের এই বক্তব্য পাওয়া যাবে।
নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তা বাস্তবায়িত হয়েছে; কেননা অনেক বড় বড় ফিতনার উৎস ছিল ইরাক, যেমন—সায়্যিদিনা আলী ও মুয়াবিয়ার মধ্যকার যুদ্ধ, আলী ও খারেজীদের মধ্যকার যুদ্ধ, আলী ও আয়িশার মধ্যকার যুদ্ধ এবং ইতিহাসের কিতাবগুলোতে উল্লিখিত অন্যান্য ঘটনাবলি। সুতরাং এই হাদিসটি তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্যতম মুজিযা এবং নবুওয়াতের নিদর্শন।
এর থেকে আপনি জানতে পারলেন যে, উস্তাদ সালাহুদ্দীন আল-মুনাজজিদ তাঁর ভূমিকার জাল হাদিসগুলোর মধ্যে এই হাদিসটিকে অন্তর্ভুক্ত করে ভুল করেছেন। আর আল্লাহর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা করি।
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
الحديث التاسع:عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ أنه قال: يا رسول الله! اكتب لي بلدًا أكون فيه، فلو أعلم أنك تبقى لم أختر على قربك.
قال:
"عليك بالشام "ثلاثًا".
فلما رأي النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كراهيته للشام فقال:
"هل تدرون ما يقول الله عز وجل؟ يقول: يا شامُ يا شامُ! يدي عليم يا شامُ، أنت صفوتي من بلادي، أُدخِلُ فيكِ خيرتي من عبادي، أنت سيفُ نقمتي، وسوطُ عذابي، أنت الأندرُ، وإليك المحشرُ.
ورأيت ليلة أسرى بي عمودًا أبيض كأنه لؤلؤٌ تحملُه الملائكةُ، قلتُ: ما تحملون؟ قالوا: نحملُ عمودَ الإسلامِ، أُمرنا أن نضعَه بالشامِ.
নবম হাদিস:আবদুল্লাহ ইবনে হাওয়ালা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: হে আল্লাহর রাসুল! আমার জন্য এমন একটি ভূখণ্ডের নাম লিখে দিন যেখানে আমি বসবাস করব; আমি যদি জানতাম যে আপনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন, তবে আপনার সান্নিধ্যের ওপর আমি অন্য কিছুকে প্রাধান্য দিতাম না।
তিনি বললেন:
"তুমি শামকে (সিরিয়া অঞ্চল) আঁকড়ে ধরো" (তিনবার)।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন শামের প্রতি তার অনীহা লক্ষ্য করলেন, তখন বললেন:
"তোমরা কি জান মহান আল্লাহ কী বলেন? তিনি বলেন: হে শাম, হে শাম! হে শাম, তোমার ওপর আমার হাত রয়েছে; আমার ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে তুমিই আমার মনোনীত, আমার বান্দাদের মধ্যে যারা শ্রেষ্ঠ তাদের আমি তোমার মাঝে প্রবিষ্ট করাই। তুমি আমার প্রতিশোধের তলোয়ার এবং আমার শাস্তির চাবুক। তুমিই শস্যক্ষেত্র (মূল কেন্দ্র) এবং তোমার দিকেই হবে হাশর (একত্রিতকরণ)।
আর যে রাতে আমাকে ভ্রমণ করানো হয়েছিল, সেদিন আমি একটি সাদা স্তম্ভ দেখেছিলাম যা যেন মুক্তার মতো শুভ্র, ফেরেশতারা তা বহন করছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম: তোমরা কী বহন করছ? তারা বলল: আমরা ইসলামের স্তম্ভ বহন করছি, আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন আমরা তা শামে স্থাপন করি।"
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وبينا أنا نائم رأيت كتابًا اخْتُلِسَ من تحت وسادتي، فظننت أن الله تخلَّى من أهل الأرض، فأتبعت بصري، فإذا هو نور ساطع بين يدي، حتى وُضِعَ بالشام، فمن أبى أن يلحق بالشام، فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ، وَلْيَسْتَقِ مِنْ غُدُرِهِ، فإن الله قَدْ تكفَّل لِي بِالشَّامِ وَأَهْلِهِ".
قلت: حديث صحيح دون قوله: "يا شام يا شام! يدي عليك يا شام! "، وقوله "أنت سيف نقمتي، وسوط عذابي، أنت الأندر"، فإن هذا القدر مما لم أقف عليه في غير هذا الحديث.
وفي إسناده أبو عليّ خفيف بن عبد الله الغازي.
وقد ذكره ابن عساكر في "تاريخه"، ولم يذكر فيه تعديلًا؛ فهو علة الحديث، وساق له هذا الحديث وحده من طريق المُصنف.
ثم وجدت لخفيف هذا متابعين كما يأتي، فبرئت عهدته منه، وإنما علته صالح بن رستم أبو عبد السلام، وهو مولى بني هاشم في رواية المؤلف، وهو مجهول، وهو غير أبي عبد السلام الذي روى عن ثوبان على الصحيح؛ كما
আমি যখন ঘুমে ছিলাম তখন দেখলাম আমার বালিশের নিচ থেকে একটি কিতাব ছিনিয়ে নেওয়া হলো, তখন আমি মনে করলাম যে আল্লাহ পৃথিবীবাসীকে পরিত্যাগ করেছেন। তারপর আমি সেটি দেখার জন্য দৃষ্টি অনুসরণ করলাম, হঠাৎ দেখলাম সেটি আমার চোখের সামনে একটি উজ্জ্বল জ্যোতি হয়ে আছে এবং অবশেষে সেটি শামে রাখা হলো। অতএব যে ব্যক্তি শামে যেতে অস্বীকার করে, সে যেন তার ইয়ামেনে চলে যায় এবং এর জলাধার থেকে পানি পান করে। কেননা আল্লাহ আমার জন্য শাম ও তার অধিবাসীদের দায়িত্ব নিয়েছেন।
আমি বলেছি: হাদিসটি সহিহ, তবে তাঁর এই উক্তিটুকু ছাড়া: "হে শাম! হে শাম! তোমার ওপর আল্লাহর হাত রয়েছে হে শাম!" এবং তাঁর উক্তি: "তুমি আমার প্রতিশোধের তলোয়ার এবং আমার আজাবের চাবুক, তুমি হলে শস্য মাড়াইয়ের স্থান"; কারণ এই অংশটুকু আমি এই হাদিসটি ছাড়া অন্য কোথাও পাইনি।
এবং এর বর্ণনাসূত্রে আবু আলী খাফিফ বিন আব্দুল্লাহ আল-গাজী রয়েছেন।
ইবনে আসাকির তাঁর "তারিখ" গ্রন্থে তাকে উল্লেখ করেছেন এবং তার ব্যাপারে কোনো নির্ভরযোগ্যতার কথা উল্লেখ করেননি; ফলে তিনি হাদিসটির ত্রুটি হিসেবে গণ্য। তিনি গ্রন্থকারের সূত্রে কেবল এই হাদিসটিই বর্ণনা করেছেন।
অতঃপর আমি এই খাফিফের জন্য পরবর্তী বর্ণনাসমূহে সমর্থনকারী পেয়েছি, ফলে তিনি এর দায় থেকে মুক্ত হয়েছেন। বরং এর আসল ত্রুটি হলো সালেহ বিন রুস্তম আবু আব্দুস সালাম। তিনি গ্রন্থকারের বর্ণনায় বনী হাশিমের আযাদ করা দাস এবং তিনি একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি। সঠিক মতানুসারে তিনি সেই আবু আব্দুস সালাম নন যিনি সাওবান থেকে বর্ণনা করেছেন; যেমন...
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
قال الحافظ في "التقريب".
وقد أورده الهيثميّ مفرقًا في موضعين "10/ 58 و58-59"، وقال: "رواه الطبراني، ورجاله رجال الصحيح، غير صالح بن رستم، وهو ثقة".
فهذا من أوهامه؛ لأن ابن رستم هذا مجهول؛ كما عرفت آنفًا.
وروى ابن عساكر "1/ 101-102" منه قوله: "رأيت ليلة أسرى بي
… "، إلى قوله: "حتى وُضِعَ بالشام"، وزاد: "فقال ابن حوالة: يَا رَسُولَ اللَّهِ! خِرْ لِي، فقال: عليك بالشام". وهي عند الطبراني.
وعنه رواها ابن عساكر، قال: ثنا أحمد بن المعلَّى الدمشقيّ، عن هشام بن عمار، شيخ خفيف بن عبد الله، وأحمد هذا ثقة.
ثم رواه ابن عساكر "1/ 62" من طريق الطبراني أيضًا: نا أحمد بن المعلّى، وأحمد بن أنس بن مالك: نا
হাফিজ 'আত-তাক্বরীব'-এ বলেছেন।
হাইসামি এটি দুটি ভিন্ন স্থানে (১০/৫৮ এবং ৫৮-৫৯) পৃথকভাবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "এটি তাবারানি বর্ণনা করেছেন এবং এর বর্ণনাকারীরা সহীহ্-এর বর্ণনাকারী, সালিহ ইবনে রুস্তম ব্যতীত, আর তিনি নির্ভরযোগ্য।"
এটি তার ভুলসমূহের অন্তর্ভুক্ত; কারণ এই ইবনে রুস্তম অজ্ঞাত; যেমনটি আপনি ইতিপূর্বে জেনেছেন।
এবং ইবনে আসাকির (১/১০১-১০২) এর অংশবিশেষ বর্ণনা করেছেন: "যে রাতে আমাকে পরিভ্রমণ করানো হয়েছিল আমি দেখলাম
… ", তার এই কথা পর্যন্ত: "যতক্ষণ না তা শামে রাখা হলো", এবং তিনি আরও বৃদ্ধি করেছেন: "অতঃপর ইবনে হাওয়ালা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য (একটি স্থান) পছন্দ করে দিন, তখন তিনি বললেন: তুমি শামকে আঁকড়ে ধরো।" এটি তাবারানির নিকট রয়েছে।
এবং তাঁর সূত্রেই এটি ইবনে আসাকির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনুল মুআল্লা আদ-দিমাশকি, হিশাম ইবনে আম্মার থেকে, যিনি খাফিফ ইবনে আব্দুল্লাহর উস্তাদ, আর এই আহমাদ নির্ভরযোগ্য।
অতঃপর ইবনে আসাকির (১/৬২) তাবারানির সূত্রেও এটি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনুল মুআল্লা এবং আহমাদ ইবনে আনাস ইবনে মালিক: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
هشام بن عمار بسنده المذكور عند المؤلف إلى ابن حوالة.. الحديث بتمامه.
وأما سائر الحديث فصحيح؛ لورود بعضه من طرق أربعة، وقد سبق ذكرها في الحديث الثاني.
وقوله: "وإليك المحشر" معناه في الحديث الرابع.
وقد رُوِيَ من حديث أبي أمامة عند الحاكم:4/ 509"، وصححه، وخُولِفَ، والطبراني، ومن حديث العرباض بن سارية، رواه الطبراني، ورواته ثقات؛ كما قال المنذري "4/ 62"، والهيثمي "10/ 59"، ومن حديث ابن حوالة نفسه بلفظ: "
… عليك بالشام، فإنه خيرة الله من أرضه، يجتبي إليها خيرته من عباده". رواه أبو داود وأحمد بسندٍ صحيح؛ كما تقدَّم في تخريج الحديث الثاني.
ومن ذلك تعلم أن الحكم على الحديث بالوضع -كما فعل الشيخ الغماري في "المغير" "ص61-62" لمجرد الضعف الماشر إليه في حديث أبي أمامة، لا يخفى بعده عن القواعد الحديثية، فإن مجيء الحديث من عدة طرق -ولو ضعيفة- يخرجه عن الوضع، فكيف وبعضها صحيح؟!
হিশাম ইবনে আম্মার লেখকের নিকট উল্লেখিত তাঁর সনদে ইবনে হাওয়ালা থেকে বর্ণনা করেছেন... হাদিসটি পূর্ণাঙ্গভাবে।
আর হাদিসটির অবশিষ্টাংশ সহীহ; কারণ এর কিছু অংশ চারটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যা ইতিপূর্বে দ্বিতীয় হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে।
এবং তাঁর উক্তি: "এবং আপনার দিকেই হাশর (একত্রিত হওয়া)" এর অর্থ চতুর্থ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
আর এটি আবু উমামাহর হাদিস থেকে হাকেম (৪/৫০৯) বর্ণনা করেছেন এবং একে সহীহ বলেছেন, তবে এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করা হয়েছে। আর তাবারানি বর্ণনা করেছেন; এবং ইরবাদ ইবনে সারিয়ার হাদিস থেকে তাবারানি বর্ণনা করেছেন, এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য; যেমনটি মুনযিরী (৪/৬২) এবং হাইতামী (১০/৫৯) বলেছেন; এবং স্বয়ং ইবনে হাওয়ালার হাদিস থেকে এই শব্দে বর্ণিত হয়েছে: "
… তুমি শামকে আঁকড়ে ধরো, কারণ এটি আল্লাহর জমিনের মধ্যে তাঁর মনোনীত ভূখণ্ড, তিনি এখানে তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে পছন্দনীয় ব্যক্তিদের বেছে নেন।" এটি আবু দাউদ ও আহমাদ সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন; যেমনটি দ্বিতীয় হাদিসের তাখরীজে পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে।
এ থেকে আপনি জানতে পারবেন যে, হাদিসটিকে জাল হিসেবে গণ্য করা—যেমনটি শাইখ আল-গুমারী তাঁর "আল-মুগীর" (পৃষ্ঠা ৬১-৬২) গ্রন্থে শুধুমাত্র আবু উমামাহর হাদিসে নির্দেশিত দুর্বলতার কারণে করেছেন—তা হাদিস শাস্ত্রের মূলনীতি থেকে কতটা দূরে তা অস্পষ্ট নয়। কেননা একটি হাদিস একাধিক সূত্রে বর্ণিত হওয়া—যদিও তা দুর্বল হয়—তাকে জাল হওয়ার পর্যায় থেকে বের করে আনে, তাহলে এর কিছু সূত্র সহীহ হলে তো কথাই নেই!
(খণ্ড: ১)
তাখরিজু আহাদিসি ফাদাইলিশ শাম ওয়া দিমাসক লি আবিল হাসানির রিবয়ি
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الحديث العاشر:عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قَالَ: قَالَ لنا النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يومًا:
"إني رأيتُ الملائكة في المنامِ أخذوا عمود الكتاب، فعمدوا به إلى الشام، فإذا وقعت الفتنُ فإن الإيمان بالشام".
قلت: حديث صحيح، فإنه بمعنى حديث عبد الله بن عمر المتقدِّم وغيره.
والحديث رواه ابن عساكر من طريق المُصنِّف، ودلَّت روايته على أنه قد سقط من إسناد الكتاب ثلاثة أشخاص: ريحان بن سعيد، نا عباد بن منصور عن أيوب، وذلك بين يحيى بن محمد بن السكن، وأبي قلابة.
ثم رواه ابن عساكر من طريق أخرى عن ريحان بن سعيد به، ثم قال: "بشير هو ابن كعب".
ورُوِيَ من وجهٍ آخر عن أيوب، عن أبي قلابة، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، من غير ذكر بشير، ثم ساقه من طريق معمر عن أيوب به.
দশম হাদিস:আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বললেন:
"আমি স্বপ্নে দেখেছি যে ফেরেশতারা কিতাবের খুঁটিটি গ্রহণ করল এবং তারা সেটি নিয়ে শামের দিকে চলে গেল। অতঃপর যখন ফিতনা দেখা দেবে, তখন ঈমান শামেই থাকবে।"
আমি বলছি: হাদিসটি সহিহ, কেননা এটি পূর্বে বর্ণিত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমরের হাদিস ও অন্যান্য হাদিসের অর্থেরই অনুরূপ।
হাদিসটি ইবনে আসাকির গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তার বর্ণনাটি নির্দেশ করে যে কিতাবটির সনদ থেকে তিনজন ব্যক্তি বাদ পড়েছেন: রায়হান বিন সাঈদ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন মানসুর থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে; আর এই বিচ্যুতিটি ঘটেছে ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাকান এবং আবু কিলাবার মধ্যবর্তী স্থানে।
অতঃপর ইবনে আসাকির অন্য একটি সূত্রে রায়হান বিন সাঈদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: "বশির হচ্ছেন ইবনে কাব"।
এটি আইয়ুব থেকে, আবু কিলাবা থেকে এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে অন্য একটি সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে যেখানে বশিরের উল্লেখ নেই। অতঃপর তিনি মামারের সূত্রে আইয়ুব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।