(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: -)
المغانم المطابة في معالم طابة القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: المغانم المطابة في معالم طابة
المؤلف: مجد الدين محمد بن يعقوب الفيروزابادي (729 - 817 هـ)
الناشر: مركز بحوث ودراسات المدينة المنورة
الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م
عدد الأجزاء: 3 (متسلسلة الترقيم)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 11 جُمادَى الآخرة 1444
মায়ালিম তাবার বর্ণনায় উত্তম গণিমতসমূহ বিভাগ: দেশসমূহ ও ভ্রমণ কাহিনী
বই: মায়ালিম তাবার বর্ণনায় উত্তম গণিমতসমূহ
লেখক: মাজদুদ্দীন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-ফায়রূযাবাদী (৭২৯ - ৮১৭ হিজরী)
প্রকাশক: মদীনা মুনাওয়ারা গবেষণা ও অধ্যয়ন কেন্দ্র
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরী - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৩ (ধারাবাহিক সংখ্যায়ন)
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১১ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৪৪
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৫)
-هـ-
العاملون في كتاب المغانم المطابة
أ- الإشراف العام: د. عبد الباسط بدر.
ب- التحقيق والدراسة: أ. د. سليمان بن إبراهيم العايد.
د. عبد الله صالح الفلاح.
د. عبدالعزيز بن محمد فريح.
د. مصطفى عمار منلا.
د. حسن محمد عبه جي.
أ. صفوان داودي.
د. ألبان بن محفوظ.
د. إياد حاج إبراهيم.
جـ - المراجعة: أ. د. عبد الله بن عبد الرحيم العسيلان.
د. إبراهيم بن عامر الرحيلي.
د. أحمد سعد الغامدي.
د. عاصم عبد الله القريوتي.
د. محمود أحمد ميرة.
د. زهير بن ناصر الناصر.
د. عبدالعزيز فاخر.
د. صلاح كزارة.
د- فريق المساندة: إشراف د. مصطفى عمار منلا
مساعد باحث:
أ. عبد الإله صبري الصالح.
أ. ياسر فاروق الفقي.
أ. عبد السلام محمد الحسين.
أ. رفعت ناصر السحاب.
أ. إبراهيم عايش الحمد.
أ. محمد عزيز شندي.
-হ-
আল-মাগানিম আল-মুতাবাহ কিতাবে কর্মরত ব্যক্তিবর্গ
ক- সাধারণ তত্ত্বাবধান: ড. আবদুল বাসিত বদর।
খ- তাহকীক ও গবেষণা: অধ্যাপক ড. সুলায়মান বিন ইব্রাহীম আল-আইদ।
ড. আবদুল্লাহ সালেহ আল-ফাল্লাহ।
ড. আবদুল আজিজ বিন মুহাম্মদ ফুরাইহ।
ড. মুস্তফা আম্মার মানলা।
ড. হাসান মুহাম্মদ আবজি।
উস্তায সাফওয়ান দাউদি।
ড. আলবান বিন মাহফুজ।
ড. ইয়াদ হজ ইব্রাহীম।
গ- পর্যালোচনা: অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ বিন আবদুর রাহিম আল-উসাইলান।
ড. ইব্রাহীম বিন আমির আল-রুহাইলি।
ড. আহমদ সাদ আল-গামদি।
ড. আসিম আবদুল্লাহ আল-কারইউতি।
ড. মাহমুদ আহমদ মিরা।
ড. জুহাইর বিন নাসির আন-নাসির।
ড. আবদুল আজিজ ফাখির।
ড. সালাহ কুজারা।
ঘ- সহায়ক দল: ড. মুস্তফা আম্মার মানলা-এর তত্ত্বাবধানে
সহকারী গবেষক:
উস্তায আবদুল ইলাহ সাবরি আস-সালিহ।
উস্তায ইয়াসির ফারুক আল-ফিকি।
উস্তায আবদুস সালাম মুহাম্মদ আল-হুসাইন।
উস্তায রিফআত নাসির আস-সাহাব।
উস্তায ইব্রাহীম আইশ আল-হামাদ।
উস্তায মুহাম্মদ আজিজ শিন্দি।
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৮)
-ز-
تقديمأولى العلماء المسلمون تاريخ المدن عناية فائقة، فقد ألفوا عن المدن والبلاد الإسلامية مؤلفات عديدة، وحظيت بلاد الحرمين مكة والمدينة بأكبر قدر من هذه المؤلفات في تراثنا الإسلامي، وللمدينة المنورة منزلة كبيرة في نفوس المسلمين عمومًا، فهي التي هاجر إليها الرسول صلى الله عليه وسلم، وأقام فيها هو وأصحابه، ودفن في ثراها الطاهر، وفيها مسجده الذي تشد إليه الرحال، وأصبحت في عهده صلى الله عليه وسلم عاصمة الإسلام الأولى، ومنطلق أعماله صلى الله عليه وسلم -في الدعوة والجهاد، ومهوى أفئدة المتطلعين إلى الرسول صلى الله عليه وسلم، لمعرفة سننه وتوجيهاته، والاقتداء به، ولا غرو إذًا أن تكون مناط اهتمام العلماء والمؤرخين، حيث حرصوا على تدوين تاريخها، والتعرف على كل معلم من معالمها، فكثرت المؤلفات والبحوث والدراسات حولها قديمة وحديثة ومنها كتاب (المغانم المطابة في معالم طابة) لعالم جليل يعد من أشهر علماء القرنين الثامن والتاسع الهجري، وهو محمد بن يعقوب الفيروزابادي الشيرازي الشافعي اللغوي المشهور صاحب القاموس المحيط، له عناية بالحديث والفقه، والتفسير والتاريخ، إلى جانب عنايته الفائقة باللغة العربية وعلومها، ترك مايزيد على خمسين كتابا في هذه الفنون والعلوم، ويعد كتابه هذا من المصادر القيمة في تاريخ المدينة، وتأتي أهميته من أنه أوسع مصدر لتاريخ المدينة قبل جهود السمهودي، إلى جانب اعتماده على مؤلفات قيمة فقد بعضها مثل: تاريخ المدينة للزبير بن بكار الذي لم يقف عليه السمهودي، وتاريخ المدينة لابن زبالة، و أخبار مكة والمدينة لرزين العبدري وغيرها، ولم يغفل المؤلف توجيه النقد لما يجده مجالا للنقد عند بعض المؤلفين حينًا، وحينًا آخر يستدرك مافات
-জ-
ভূমিকামুসলিম পণ্ডিতগণ নগরসমূহের ইতিহাসের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করেছেন; তাঁরা বিভিন্ন মুসলিম শহর ও দেশ সম্পর্কে অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন। আমাদের ইসলামী ঐতিহ্যে মক্কা ও মদিনা—এই দুই পবিত্র ভূমির (হারামাইন শরিফাইন) দেশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক গ্রন্থ রচিত হয়েছে। সাধারণভাবে মুসলমানদের হৃদয়ে মদিনা মুনাওয়ারার এক সুউচ্চ মর্যাদা রয়েছে, কারণ এখানেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরত করেছিলেন, তিনি ও তাঁর সাহাবীগণ এখানে বসবাস করেছেন এবং এর পবিত্র মাটিতেই তিনি সমাহিত হয়েছেন। এখানেই তাঁর সেই মসজিদ অবস্থিত যার দিকে (সওয়াবের নিয়তে) সফর করা হয়। তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুগে এটি ইসলামের প্রথম রাজধানী এবং দাওয়াত ও জিহাদের ময়দানে তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিগণিত হয়েছিল। এটি ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহ ও নির্দেশনা জানতে এবং তাঁর অনুসরণ করতে আগ্রহীদের হৃদয়ের আকর্ষণের কেন্দ্রস্থল। অতএব, মদিনা মুনাওয়ারা যে আলেম ও ঐতিহাসিকদের বিশেষ মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হবে, তাতে কোনো বিস্ময় নেই। তাঁরা এর ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে এবং এর প্রতিটি নিদর্শন সম্পর্কে জানতে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। ফলে মদিনা সম্পর্কে প্রাচীন ও আধুনিক কালে প্রচুর গ্রন্থ, গবেষণা ও অধ্যয়ন সম্পন্ন হয়েছে। এ জাতীয় গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো 'আল-মাগানিমুল মুতাবাহ ফী মাআলমি তাবাহ'। এটি হিজরী অষ্টম ও নবম শতাব্দীর অন্যতম প্রখ্যাত আলেম মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-ফিরোজাবাদী আশ-শিরাজী আশ-শাফিঈর লেখা। তিনি একজন সুপরিচিত ভাষাবিদ এবং বিখ্যাত অভিধান 'আল-কামূসুল মুহীত'-এর রচয়িতা। আরবি ভাষা ও এর বিভিন্ন শাখায় গভীর পাণ্ডিত্যের পাশাপাশি হাদিস, ফিকহ, তাফসীর ও ইতিহাস শাস্ত্রেও তাঁর বিশেষ পাণ্ডিত্য ছিল। তিনি এসব জ্ঞান-বিজ্ঞানে পঞ্চাশটিরও বেশি গ্রন্থ রেখে গেছেন। মদিনার ইতিহাসে তাঁর এই গ্রন্থটি অন্যতম মূল্যবান উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। ইমাম সামহুদীর গবেষণার পূর্বে এটিই ছিল মদিনার ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্তৃত উৎস, যা এর গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি গ্রন্থটি এমন কিছু মূল্যবান উৎসের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে যার কিছু বর্তমানে বিলুপ্ত, যেমন: জুবাইর বিন বাক্কারের 'তারীখুল মদিনা' (যা সামহুদীর নাগালে ছিল না), ইবনে জাবালার 'তারীখুল মদিনা' এবং রাজীন আল-আবদারীর 'আখবারু মাক্কাতা ওয়াল মদিনা' ইত্যাদি। এছাড়া লেখক মাঝেমধ্যে অন্যান্য লেখকদের বর্ণনায় সমালোচনার অবকাশ থাকলে তা সমালোচনা করতে দ্বিধা করেননি এবং কখনো কখনো পূর্ববর্তীদের বাদ পড়া বিষয়গুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সংকলন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৮)
-ح-
بعضهم كما فعل مع ياقوت الحموي فيما يتصل بالمواضع والأماكن في المدينة، وعلى الرغم من أهمية هذا الكتاب إلا أنه بقي زمنا طويلا وهو يعيش طي الكتمان إلى أن قيض الله له شيخنا العلامة حمد الجاسر رحمه الله حيث وقف على مخطوطته، وعرف به وتحدث عنه، وحقق الباب الخامس منه الذي يتعلق بأماكن المدينة ومساكنها، ويمثل ما يقرب من ثلث الكتاب، وصدر عن دار اليمامة في طبعته الأولى عام 1389 هـ - 1969 م، وبقيت الأبواب التي تتعلق بتاريخ المدينة وتراجم أعلامها دون تحقيق أو نشر، وتتطلع إلى من يتولى تحقيقه، ونشره، وكم كنت أود لو تسني لي تحقيق الكتاب بعد أن عرفت قيمته وأهميته من خلال مخطوطته وما نشر منه، غير أن المشاغل والأعباء العلمية التي تلازمني وتحيط بي لم تتح لي هذه الفرصة، فالكتاب في أصله المخطوط كبير إذ يقع في (273) ونصف ورقة أو (547) صفحة، ويحتاج إلى جهد كبير لتحرير نصه، وتوثيقه، والتعليق عليه، وقد يسر الله ذلك لمركز بحوث ودراسات المدينة المنورة، حيث تم اقتراح تحقيقه من قبل المجلس العلمي للمركز، ووافق على ذلك مجلس الإدارة برئاسة صاحب السمو الملكي الأمير عبدالمجيد بن عبدالعزيز، ثم تابع الأمر بعد ذلك صاحب السمو الملكي الأمير مقرن بن عبدالعزيز، ومن ثم شرع المجلس العلمي للمركز في وضع الخطة العلمية المناسبة لتحقيق الكتاب، واقترح عددا من المحققين من ذوي الخبرة والدراية للقيام بتحقيقه، وتابع المركز عمله في الإشراف على تحقيق الكتاب حتى تم إنجازه على أسس علمية تتناسب مع قيمة الكتاب وأهميته، وتبرزه في ثوب علمي قشيب لتتحق الفائدة المرجوة منه، وحينما عزم المركز على طباعته وترامي خبره إلى الرجل المفضال السيد حبيب محمود أحمد، حرص - جزاه الله خيرًا - على أن يتولى طباعته على نفقته الخاصة، ويجعله
তাদের মধ্যে কেউ কেউ মদিনার স্থান ও জায়গাগুলোর ব্যাপারে ইয়াকুত আল-হামাভির সাথে যেমনটি করেছিলেন। এই বইটির গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও, এটি দীর্ঘকাল লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে গিয়েছিল, যতক্ষণ না আল্লাহ আমাদের শাইখ আল্লামা হামাদ আল-জাসিরকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) এর জন্য নির্ধারণ করলেন। তিনি এর পাণ্ডুলিপিটি খুঁজে পান, এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেন এবং এ সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি এর পঞ্চম অধ্যায়টি সম্পাদনা করেন যা মদিনার স্থানসমূহ ও বসতিগুলোর সাথে সম্পর্কিত এবং এটি বইটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এটি ১৩৮৯ হিজরি - ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে দারুল ইয়ামামা থেকে প্রথম সংস্করণে প্রকাশিত হয়। মদিনার ইতিহাস এবং এর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের জীবনী সম্পর্কিত অধ্যায়গুলো সম্পাদনা বা প্রকাশনা ছাড়াই রয়ে গিয়েছিল এবং তা এমন কাউকে প্রত্যাশা করছিল যারা এর সম্পাদনা ও প্রকাশের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। আমি কতই না চেয়েছিলাম যদি এর পাণ্ডুলিপি এবং প্রকাশিত অংশগুলো থেকে এর মান ও গুরুত্ব অনুধাবন করার পর আমি বইটি সম্পাদনা করতে পারতাম, কিন্তু আমার নিরন্তর বৈজ্ঞানিক ব্যস্ততা ও কর্মভার আমাকে এই সুযোগ দেয়নি। পাণ্ডুলিপি হিসেবে মূল বইটি বেশ বড়, কারণ এটি ২৭৩.৫ ফোলিও বা ৫৪৭ পৃষ্ঠা জুড়ে বিস্তৃত এবং এর পাঠ্যটি বিন্যাস, প্রমাণীকরণ ও টীকা সংযোজন করার জন্য প্রচুর শ্রমের প্রয়োজন। আল্লাহ মদিনা মুনাওয়ারা গবেষণা ও শিক্ষা কেন্দ্রের জন্য এটি সহজ করে দিয়েছেন, যেখানে কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক পরিষদ এটি সম্পাদনার প্রস্তাব দিয়েছিল এবং হিজ রয়াল হাইনেস প্রিন্স আব্দুল মজিদ বিন আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে পরিচালনা পর্ষদ তাতে সম্মতি প্রদান করেছিল। এরপর হিজ রয়াল হাইনেস প্রিন্স মুকরিন বিন আব্দুল আজিজ বিষয়টি তদারকি করেন। অতঃপর কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক পরিষদ বইটি সম্পাদনার জন্য উপযুক্ত বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা প্রণয়ন শুরু করে এবং এটি সম্পাদনা করার জন্য অভিজ্ঞ ও দক্ষ বেশ কয়েকজন গবেষকের নাম প্রস্তাব করে। কেন্দ্রটি বইটির সম্পাদনা তদারকি অব্যাহত রাখে যতক্ষণ না এটি বইটির মান ও গুরুত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে সম্পন্ন হয় এবং একে একটি চমৎকার বৈজ্ঞানিক অবয়বে উপস্থাপন করে যাতে এর থেকে কাঙ্ক্ষিত সুফল অর্জন করা যায়। যখন কেন্দ্রটি এটি মুদ্রণের সিদ্ধান্ত নেয় এবং এই সংবাদ মহৎ ব্যক্তি জনাব হাবিব মাহমুদ আহমদের কাছে পৌঁছায়, তখন তিনি—আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন—নিজ খরচে এটি মুদ্রণের দায়িত্ব নিতে অত্যন্ত আগ্রহী হন এবং একে...
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৯)
-ط-
وقفة لله تعالى، وليس ذلك بدعة فقد حرص منذ سنين على نشر وطباعة ما يتعلق بتاريخ المدينة وسيرة الرسول صلى الله عليه وسلم من كتب ومؤلفات على نفقته الخاصة، وهو اتجاه محمود نابع من حبه للمدينة، ذلك الحب الذي دعا به وإليه الرسول صلى الله عليه وسلم حين قال: «اللهم حبب إلينا المدينة كحبنا مكة أو أشد»، وهو حب منبثق من حب الرسول صلى الله عليه وسلم الذي ينبغي أن يفوق حب أي شيء في الدنيا كما جاء في توجيهه صلى الله عليه وسلم قال: «لايؤمن أحدكم حتى أكون أحب إليه من والده وولده والناس أجمعين» فجزاه الله خير الجزاء وأجزل له الأجر والمثوبة هو وكل من شارك في إخراج هذا الكتاب أو تحقيقه ونشره.
والله من وراء القصد، وهو الهادي إلى سواء السبيل.
أ. د. عبدالله بن عبدالرحيم عسيلان عضو المجلس العلمي بمركز بحوث ودراسات المدينة المنورة
-ط-
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে একটি নিবেদন, আর এটি কোনো নতুন বিষয় নয়। বহু বছর যাবত তিনি মদীনার ইতিহাস এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গ্রন্থ ও রচনা নিজস্ব অর্থায়নে প্রকাশ ও মুদ্রণের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী। এটি মদীনার প্রতি তাঁর ভালোবাসার এক প্রশংসনীয় বহিঃপ্রকাশ; যে ভালোবাসার জন্য স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়া করেছিলেন এবং এর প্রতি উদ্বুদ্ধ করে বলেছিলেন: «হে আল্লাহ! মক্কাকে আমরা যেমন ভালোবাসি, মদীনাকেও তেমনি আমাদের কাছে প্রিয় করে দিন অথবা তার চেয়েও বেশি ভালোবাসার বস্তু বানিয়ে দিন।» এটি মূলত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ভালোবাসারই অংশ, যা দুনিয়ার অন্য যেকোনো কিছুর ভালোবাসার চেয়ে অধিক হওয়া বাঞ্ছনীয়। যেমনটি তাঁর নির্দেশনায় এসেছে, তিনি বলেছেন: «তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান এবং সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।» আল্লাহ তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন এবং তাকে ও এই গ্রন্থ প্রকাশ, এর তাহকীক (সম্পাদনা) ও প্রচারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিপুল সওয়াব ও পুরস্কারে ভূষিত করুন।
আল্লাহই মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত এবং তিনিই সঠিক পথের দিশারী।
প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহিম আসীলান, সদস্য, বৈজ্ঞানিক কাউন্সিল, মদীনা মুনাওয়ারা গবেষণা ও শিক্ষা কেন্দ্র।
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: -)
المغانم المطابة في معالم طابة القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: المغانم المطابة في معالم طابة
المؤلف: مجد الدين محمد بن يعقوب الفيروزابادي (729 - 817 هـ)
الناشر: مركز بحوث ودراسات المدينة المنورة
الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م
عدد الأجزاء: 3 (متسلسلة الترقيم)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 11 جُمادَى الآخرة 1444
আল-মাগানিমে আল-মুতাবাহ ফি মা'আলিম তাবাহ বিভাগ: দেশ ও ভ্রমণকাহিনী
গ্রন্থ: আল-মাগানিমে আল-মুতাবাহ ফি মা'আলিম তাবাহ
লেখক: মাজদুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-ফিরোজাবাদি (৭২৯ - ৮১৭ হিজরি)
প্রকাশক: মদিনা মুনাওয়ারা গবেষণা ও অধ্যয়ন কেন্দ্র
সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৩ (ধারাবাহিক পৃষ্ঠা সংখ্যা)
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১১ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৪৪
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১)
ترجمة الفيروزآبادي
حياته
نسبه ونسبته:هو محمد بن يعقوب بن محمد بن إبراهيم بن عمر
(1) الفيروزابادي الشيرازي اللغوي الشافعي. يكنى أبا طاهر، ويلقب بالمجد، وينسب إلى فيروزآباد
(2).
(3).
ولادته:
ولد المؤلف في مدينة (كارزين)
(4) في بلاد فارس، وهي مدينة صغيرة
غير مشهورة تقع جنوبي شيراز وتبعد عنها قرابة (150 كم)
(5).
--------------------------------------------
আল-ফিরোজাবাদীর জীবনী
তাঁর জীবন
তাঁর বংশ ও নিসবত (সম্বন্ধ):তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন উমর
(১) আল-ফিরোজাবাদী আশ-শিরাজি আল-লুগাভি আশ-শাফিয়ি। তাঁর কুনিয়ত আবু তাহির, তাঁর লকব (উপাধি) আল-মাজদ এবং তিনি ফিরোজাবাদের
(২) দিকে নিসবত রাখেন।
(৩)।
জন্ম:
লেখক পারস্যের (কারজিন)
(৪) শহরে জন্মগ্রহণ করেন, যা একটি ছোট শহর।
এটি খুব একটা সুপরিচিত নয়, শিরাজের দক্ষিণে অবস্থিত এবং সেখান থেকে এর দূরত্ব প্রায় (১৫০ কিমি)
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ২)
وقد وهم بعض المؤلفين القدامى
(1) فذكروا أنه ولد في مدينة كازرون
(2) وهي مدينة أخرى. وذكر بعضهم أن اسمها (كارزيات)
(3).
وذكر تلميذه الفاسي أنه ولد بشيراز
(4).
وفاته:توفي رحمه الله ليلة الثلاثاء، العشرين من شهر شوال سنة 817 هـ
(5)، وخالف بعضهم
(6) في العام فذكر أنه توفي في سنة 816 هـ
(7) وتردد بعض آخر بين العامين المذكورين السادس والسابع عشر
(8).
وكان يرجو وفاته بمكة فما قدر له ذلك، و توفي
(9) بزبيد - وهو قاضيها
(10) - وأغلقت البلد بموته
(11)، ودفن
(12) فيها بمقبرة الشيخ إسماعيل
--------------------------------------------
প্রাচীন লেখকদের কেউ কেউ ভুল করেছেন
(১) এবং উল্লেখ করেছেন যে তিনি কাযরুন শহরে
(২) জন্মগ্রহণ করেছেন, যা অন্য একটি শহর। তাদের কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন যে এর নাম (কারযিয়াত)
(৩)।
তাঁর ছাত্র আল-ফাসী উল্লেখ করেছেন যে তিনি শিরাজ-এ
(৪) জন্মগ্রহণ করেছেন।
তাঁর মৃত্যু:আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন, তিনি ৮১৭ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের বিশ তারিখ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ইন্তেকাল করেন
(৫)। সালে ব্যাপারে কেউ কেউ
(৬) ভিন্নমত পোষণ করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে তিনি ৮১৬ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেছেন
(৭)। অন্য কেউ কেউ উল্লিখিত ১৬ ও ১৭—এই দুই বছরের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন
(৮)।
তিনি মক্কায় মৃত্যুবরণ করার আশা করতেন, কিন্তু তাঁর ভাগ্যে তা নির্ধারিত ছিল না। তিনি যাবিদ শহরে ইন্তেকাল করেন
(৯) —সেখানকার বিচারক (কাজী) থাকাকালীন
(১০) —এবং তাঁর মৃত্যুতে পুরো শহর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল
(১১)। সেখানে শেখ ইসমাইলের কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়
(১২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৩)
الجبرتي
(1)، بـ (باب سهام).
وكانت وفاته عن عمر يبلغ الثمانية والثمانين، ومات- وهو متمتع بحواسه بصراً وسمعاً، بحيث إنه قرأ خطاً دقيقاً قبيل موته بيسير
(2).
وقد عقب اثنين من الولد، أولهما ابن اسمه عبدالرحيم محمد وهو ناسخ نسخة (الغرر المثلثة والدرر المبثثة)
(3) الموجودة في مكتبة حسن حسني عبدالوهاب وقد كتب له وصية وجدتها في آخر كتابه (المرقاة الوفية .. )
(4) يقول في أولها: "أوصيك ياولدي ببذل الجهد في صرف الأوقات في أفضل العبادات وأجل الطاعات، وقد اختلف العلماء في ذلك فقالت طائفة: أفضلها أصعبها وأشقها متمسكين بحديث لا أصل له أفضل العبادات .. إلخ".
ويقول في آخرها:" فإذا فهمت حقك فاعلم أن الأفضل في كل وقت وحال إيثار مرضاة الله - تعالى- في ذلك الوقت والحال. والاشتغال بواجب ذلك الوقت ووظيفته ومقتضاه فكن من أهل التعبد المطلق لا من أهل التعبد المقيَّد تكن من المفلحين- إن شاء الله تعالى- والموفق هو الله سبحانه".
وثانيهما: ابنة له زوجها الأشرف إسماعيل صاحب اليمن.
رحلاته وشيوخه:بدأ الفيروزابادي حياته العلمية في كارزين مسقط رأسه على يد والده يعقوب
(5) الذي لم أعثر له على ترجمة وافية، سوى أنه كان من علماء شيراز في اللغة والأدب وتوفي سنة 740 هـ.
--------------------------------------------
জাবারতি
(১), 'ব' বর্ণে (সিহাম অধ্যায়)।
তাঁর মৃত্যু আটাশি বছর বয়সে হয়েছিল এবং তিনি তাঁর দৃষ্টি ও শ্রবণেন্দ্রিয় অক্ষুণ্ণ থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন, এমনকি তাঁর মৃত্যুর অল্পকাল পূর্বে তিনি অত্যন্ত সূক্ষ্ম লিপিও পাঠ করেছিলেন
(২)।
তিনি দুই সন্তান রেখে গেছেন, তাঁদের প্রথমজন হলেন আব্দুর রহিম মুহাম্মদ নামক এক পুত্র, যিনি হাসান হাসানি আব্দুল ওয়াহহাব লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত (আল-গুরার আল-মুছাল্লাছাহ ওয়াদ-দুরার আল-মুবাসসাছাহ)
(৩) পাণ্ডুলিপির লিপিকার। তিনি তাঁর জন্য একটি অসিয়তনামা লিখেছিলেন যা আমি তাঁর (আল-মিরকাত আল-ওয়াফিয়্যাহ...)
(৪) গ্রন্থের শেষে পেয়েছি। তিনি এর শুরুতে বলেন: "হে বৎস, আমি তোমাকে শ্রেষ্ঠ ইবাদত এবং মহান আনুগত্যের কাজে সময় ব্যয় করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর উপদেশ দিচ্ছি। এ বিষয়ে আলেমগণ মতভেদ করেছেন; একদল বলেছেন: শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো সেটি যা সবচেয়ে কঠিন ও শ্রমসাধ্য। তাঁরা এমন একটি ভিত্তিহীন হাদিসের ওপর নির্ভর করেছেন যা হলো 'শ্রেষ্ঠ ইবাদত...' ইত্যাদি।"
তিনি এর শেষে বলেন: "যখন তুমি তোমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব বুঝতে পারবে, তখন জেনে রেখো যে, প্রতি সময়ে ও অবস্থায় শ্রেষ্ঠ কাজ হলো সেই সময় ও অবস্থায় আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং সেই সময়ের ওয়াজিব, নির্ধারিত কাজ ও চাহিদায় মনোনিবেশ করা। সুতরাং তুমি শর্তহীন ইবাদতকারীদের (আহলুত তাআববুদিল মুতলাক) অন্তর্ভুক্ত হও, সীমাবদ্ধ ইবাদতকারীদের (আহলুত তাআববুদিল মুকাইয়্যাদ) অন্তর্ভুক্ত হয়ো না; তবেই তুমি সফলকামদের অন্তর্ভুক্ত হবে—ইনশাআল্লাহ। আর তাওফিকদাতা হলেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা।"
আর দ্বিতীয় সন্তান হলেন তাঁর এক কন্যা, যাঁর সাথে ইয়েমেনের অধিপতি আল-আশরাফ ইসমাইলের বিবাহ হয়েছিল।
তাঁর সফরসমূহ এবং শাইখগণ:ফিরোজাবাদী তাঁর জ্ঞানতাত্ত্বিক জীবন তাঁর জন্মস্থান কারজিনে তাঁর পিতা ইয়াকুবের
(৫) নিকট শুরু করেন। তাঁর (পিতার) ব্যাপারে আমি বিস্তারিত কোনো জীবনী পাইনি, কেবল এটুকু ছাড়া যে, তিনি ভাষা ও সাহিত্যে শিরাজের আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং ৭৪০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৪)
ثم انتقل مع أسرته إلى شيراز حيث أخذ العلم عن:
1 - عبدالله بن محمد بن النجم القوام
(1).
2 - محمد بن يوسف بن الحسن الأنصاري الزرندي المدني الحنفي، شمس الدين (693 - 747 هـ)
(2)، وقرأ عليه صحيح البخاري، وجامع الترمذي درساً بعد درس في شهور سنة (745 هـ)
(3) كما قرأ عليه المشارق للصاغاني
(4).
كما التقى بغيرهم من علماء شيراز.
- العراق (745 - 755 هـ):
مكث في شيراز ثماني سنين ثم رحل عنها طلباً لمزيد من العلم والعلماء إلى بلاد الرافدين في سنة 745 هـ ويدخل واسط ثم بغداد.
والتقى في واسط بالشيخ شهاب الدين أحمد بن علي الديواني
(5) فتلقى عنه القراءات العشر.
ومن ثم رحل إلى بغداد، وأخذ عن بعض مشايخها، ومن هؤلاء جماعة من أصحاب الشيخ رشيد الدين محمد بن أبي القاسم السلامي الحنبلي المتصوف، شيخ المستنصرية (623 - 707 هـ)
(6) فكان ممن لقيهم:
1) إبراهيم بن محمد بن محمد
(7) التفتازاني، وسمع عليه صحيح البخاري.
--------------------------------------------
এরপর তিনি তাঁর পরিবারের সাথে শিরাজ-এ স্থানান্তরিত হন, যেখানে তিনি ইলম অর্জন করেন:
১ - আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবনুন নাজ্ম আল-কাওয়াম
(১)।
২ - মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ ইবনুল হাসান আল-আনসারী আজ-জারান্দী আল-মাদানী আল-হানাফী, শামসুদ্দীন (৬৯৩ - ৭৪৭ হি.)
(২)। তিনি তাঁর নিকট ধারাবাহিকভাবে পাঠ গ্রহণের মাধ্যমে সহীহ আল-বুখারী এবং জামে আত-তিরমিযী ৭৪৫ হিজরী সনের মাসগুলোতে পাঠ করেন
(৩) যেমনটি তিনি তাঁর নিকট সাগানী সংকলিত আল-মাশারিক পাঠ করেছিলেন
(৪)।
এছাড়াও তিনি শিরাজ-এর অন্যান্য আলেমদের সাথেও সাক্ষাৎ করেন।
- ইরাক (৭৪৫ - ৭৫৫ হি.):
তিনি শিরাজ-এ আট বছর অবস্থান করেন, এরপর অধিক ইলম ও আলেমদের অন্বেষণে ৭৪৫ হিজরী সনে মেসোপটেমিয়া (দ্বি-নদী বিধৌত অঞ্চল) অভিমুখে যাত্রা করেন এবং ওয়াসিত ও পরবর্তীতে বাগদাদে প্রবেশ করেন।
তিনি ওয়াসিত-এ শায়খ শিহাবুদ্দীন আহমদ ইবন আলী আদ-দিওয়ানী
(৫)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর নিকট থেকে দশ কিরাত (পঠনপদ্ধতি) গ্রহণ করেন।
অতঃপর তিনি বাগদাদ সফর করেন এবং সেখানকার কিছু শায়খদের নিকট থেকে ইলম অর্জন করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মুসতানসিরিয়ার শায়খ রশীদুদ্দীন মুহাম্মদ ইবন আবিল কাসিম আস-সালামী আল-হাম্বলী আত-তাসাউউফপন্থী (৬২৩ - ৭০৭ হি.)
(৬)-এর একদল ছাত্র। যাঁদের সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন:
১) ইবরাহীম ইবন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ
(৭) আত-তাফতাজানী, তিনি তাঁর নিকট সহীহ আল-বুখারী শ্রবণ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৫)
2) الشيخ شرف الدين عبدالله بن بكتاش
(1) التستري، قاضي بغداد، ومدرس النظامية، وقد سمع منه كتاب (بحر الفناوي في نشر الفتاوي- من تأليفه- وعمل المصنف معيداً عنده في المدرسة النظامية
(2).
3) علي بن أبي اليمن تاج الدين محمد بن السباك الحنفي مدرس المستنصرية (661 - 747 هـ) وقرأ عليه المشارق للصاغاني
(3).
4) الشيخ سراج الدين عمر بن علي بن عمر القزويني الحافظ الكبير محدث العراق (683 - 750 هـ)
(4)، قال ابن حجر:" روى عنه جماعة من آخرهم شيخنا مجد الدين محمد بن يعقوب الشيرازي، صاحب القاموس
(5) " إذ سمع عليه الصحيح
(6)، وقرأ عليه قطعة من أول المشارق، وتناول جميعها
(7)، وروى عنه كتاب الأحكام السلطانية للقاضي أبي يعلى الحنبلي (ت 458 هـ)
(8).
5) الشيخ محمد بن الحسن بن يوسف المطهر الحلي، وسمع عليه كتاب المشارق للصاغاني
(9).
6) الشيخ محمد بن عبدالله بن محمد بن علي بن حماد
… محي الدين الواسطي الأصل، البغدادي، المعروف بابن العاقولي
… المتوفى سنة 768 هـ)
(10).
--------------------------------------------
২) শায়খ শরফুদ্দিন আবদুল্লাহ বিন বকতাশ
(১) আত-তুস্তারি, বাগদাদের কাজি এবং নিযামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। লেখক তাঁর নিকট তাঁরই রচিত গ্রন্থ ‘বাহরুল ফানাওয়ি ফি নাশরি ফাতাউয়ি’ শ্রবণ করেছেন এবং লেখক নিযামিয়া মাদ্রাসায় তাঁর অধীনে সহকারী শিক্ষক (মুয়িদ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন
(২)।
৩) আলি বিন আবিল ইয়ামান তাজউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাক আল-হানাফি, মুস্তানসিরিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক (৬৬১ - ৭৪৭ হিজরি)। লেখক তাঁর নিকট সাগানির ‘মাশারিক’ পাঠ করেছেন
(৩)।
৪) শায়খ সিরাজউদ্দীন উমর বিন আলি bin উমর আল-কাজউইনি, মহান হাফিয এবং ইরাকের মুহাদ্দিস (৬৮৩ - ৭৫০ হিজরি)
(৪)। ইবনে হাজার বলেন: "একদল ব্যক্তি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে সর্বশেষ হলেন আমাদের শায়খ মাজদুদ্দীন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আশ-শিরাজি, যিনি ‘আল-কামুস’ গ্রন্থের প্রণেতা
(৫)।" তিনি তাঁর নিকট ‘সহিহ’ (বুখারি) শ্রবণ করেছেন
(৬), এবং ‘মাশারিক’ গ্রন্থের প্রথম দিক থেকে একটি অংশ পাঠ করেছেন এবং পুরোটির অনুমতি (ইজাযত) লাভ করেছেন
(৭)। এছাড়াও তিনি তাঁর থেকে কাজি আবু ইয়ালা আল-হাম্বলির (মৃত্যু ৪৫৮ হিজরি) ‘আল-আহকামুস সুলতানিয়্যাহ’ গ্রন্থটি বর্ণনা করেছেন
(৮)।
৫) শায়খ মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন ইউসুফ আল-মুতাহার আল-হিল্লি। লেখক তাঁর নিকট সাগানির ‘মাশারিক’ গ্রন্থটি শ্রবণ করেছেন
(৯)।
৬) শায়খ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন হাম্মাদ
... মহিউদ্দীন, মূলে ওয়াসিতি, নিবাসে বাগদাদি, যিনি ইবনুল আকুলি নামে পরিচিত
... (মৃত্যু ৭৬৮ হিজরি)
(১০)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৬)
7) الشيخ محمد بن يوسف بن علي الكرماني، الملقب بشمس الدين (717 - 786 هـ)
(1). وقد كانت بينهما صحبة، وترافقا في بعض الأسفار، واقترح عليه بعض الاقتراحات - فاستجاب لها المجد، قال التقي الكرماني:" ورد بغداد في حدود سنة 754 هـ
(2)، واجتمع بوالدي وقرأ عليه، ورحل معه إلى الشام، ثم إلى مصر، وسمعا بالقاهرة الصحيح على الفارقي " وورد بغداد من مكة في حدود نيف وثمانين، واجتمع بوالدي - أيضاً- ثم ذهب إلى الهند
(3) ".
وكان المجد يجل الشمس الكرماني، ويأخذ بتوجيهاته ويفيد من تنبيهاته وملاحظاته ويستشيره فيما يؤلفه، فقد ألف في مكة القاموس المحيط مطولاً في مجلدات عديدة، ثم أمره الشمس الكرماني باختصاره، فاختصره في مجلد ضخم"
(4).
8) الشيخ نصر الله بن محمد الكتبي (733 - 812 هـ).
ومن كلام الكرماني السابق نعلم أنه دخل بغداد مرة ثانية فيما بين الثمانين والتسعين، وأظن ذلك كان حوالي سنة 787 هـ.
كما دخلها مرة ثالثة بعد حج سنة 792 هـ مع الركب العراقي الذي صحبه إثر رسالة جاءته من السلطان أحمد بن أويس صاحب العراق فقد استدعاه بكتاب كتبه إليه، وأثنى عليه ثناءً وافراً، ومن جملة كتابه:
القائل القول لو فاه الزمان به
كانت لياليه أياماً بلا ظلم
والفاعل الفعلة الغراء لو مزجت
بالنار لم يك مابالنار من حمم
وفيه بعد ذكر هدية إليه من مستدعيه:
ولو نطيق لنهدي الفرقدين لكم
والشمس والبدر والعيوق والفلكا
--------------------------------------------
৭) শাইখ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন আলী আল-কিরমানি, শামসুদ্দিন উপাধিতে ভূষিত (৭১৭ - ৭৮৬ হিজরি)
(১)। তাঁদের মধ্যে গভীর সখ্যতা ছিল এবং কিছু সফরে তাঁরা একে অপরের সঙ্গী হয়েছিলেন। তিনি তাঁকে কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং আল-মাজদ সেগুলো গ্রহণ করেছিলেন। আত-তাকি আল-কিরমানি বলেন: "তিনি ৭৫৪ হিজরির দিকে বাগদাদে আসেন
(২), আমার পিতার সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর কাছে পাঠগ্রহণ করেন। অতঃপর তাঁর সাথে সিরিয়া এবং পরে মিশরে পাড়ি জমান। তাঁরা কায়রোতে আল-ফারিকির নিকট 'সহিহ' শ্রবণ করেন।" তিনি আশি হিজরির কিছু পরে মক্কা থেকে বাগদাদে আসেন এবং পুনরায় আমার পিতার সাথে সাক্ষাৎ করেন, অতঃপর ভারতে গমন করেন
(৩)।
আল-মাজদ শামস আল-কিরমানিকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন, তাঁর দিকনির্দেশনা মেনে চলতেন, তাঁর সতর্কতা ও পর্যবেক্ষণ থেকে উপকৃত হতেন এবং গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে তাঁর পরামর্শ নিতেন। তিনি মক্কায় 'আল-কামুস আল-মুহিত' গ্রন্থটি বহু খণ্ডে বিস্তারিতভাবে রচনা করেছিলেন, এরপর শামস আল-কিরমানি তাঁকে এটি সংক্ষেপ করার নির্দেশ দেন, ফলে তিনি তা একটি বিশাল খণ্ডে সংক্ষিপ্ত করেন
(৪)।
৮) শাইখ নাসরুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কুতুবি (৭৩৩ - ৮১২ হিজরি)।
আল-কিরমানির পূর্বোক্ত বর্ণনা থেকে আমরা জানতে পারি যে, তিনি আশি ও নব্বই হিজরির মাঝামাঝি সময়ে দ্বিতীয়বার বাগদাদে প্রবেশ করেছিলেন, আর আমার ধারণা এটি ছিল ৭৮৭ হিজরির কাছাকাছি সময়ে।
৭৯২ হিজরিতে হজ্জ পালন শেষে ইরাকি কাফেলার সাথে তিনি তৃতীয়বারের মতো সেখানে প্রবেশ করেন। ইরাকের শাসক সুলতান আহমাদ বিন উয়াইসের পক্ষ থেকে একটি পত্র পাওয়ার পর তিনি তাঁর সঙ্গী হন। সুলতান তাঁকে একটি পত্রের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তাতে তাঁর প্রচুর প্রশংসা করেছিলেন। সেই পত্রের কিছু অংশ হলো:
সেই বক্তা, যার কথা যদি কাল (সময়) উচ্চারণ করত
তবে তার রাতগুলো অন্ধকারহীন দিনে পরিণত হতো
সেই কর্ম সম্পাদনকারী, যার উজ্জ্বল কর্ম যদি মিশ্রিত হতো
অগ্নির সাথে, তবে আগুনের দহন অবশিষ্ট থাকত না
এবং আমন্ত্রনকারীর পক্ষ থেকে প্রেরিত উপহারের বর্ণনার পর সেখানে বলা হয়েছে:
যদি আমাদের সামর্থ্য থাকত, তবে আমরা আপনাদের জন্য উপহার দিতাম জোতিষ্কদ্বয়
সূর্য, পূর্ণিমা চাঁদ, আইয়ুক নক্ষত্র এবং সমগ্র মহাকাশকে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৭)
وما عرف خبره بالتفصيل مع السلطان القان أحمد
(1).
- الشام:
دخلها سنة 755 هـ ومكث فيها عدة سنوات.
وكان من أشهر هؤلاء العلماء الذين أفاد منهم:
1) أبو إسحاق إبراهيم
(2) بن محمد بن يونس الدمشقي المعروف بابن القواس (677 - 761 هـ) وقد سمع عليه سنن أبي داود
(3).
2) الشيخ أحمد
(4) بن عبدالرحمن
(5) بن محمد بن عبدالله بن محمد المرداوي، الحنبلي، قاضي حماة (712 - 787 هـ) وسمع
(6) منه المنتقى من أربعين عبدالخالق الشحامي
(7).
3) الإمام شهاب الدين أحمد بن أبي محمد بن مظفر النابلسي، (674 - 758 هـ)
(8) وسمع منه معجم ابن جميع
(9).
4) عبدالله بن محمد بن إبراهيم بن نصر الدمشقي، ثم الصالحي، الحنبلي، المروزي، العطار، أبو محمد، تقي الدين، المعروف بابن قيم الضيائية (669 - 761 هـ)
(10) سمع منه، وقرأ عليه. فمما سمعه مشيخة الفخر بن
--------------------------------------------
সুলতান আল-কান আহমদের সাথে তার বিস্তারিত খবর জানা যায়নি।
(১)- শাম (সিরিয়া):
তিনি সেখানে ৭৫৫ হিজরিতে প্রবেশ করেন এবং কয়েক বছর সেখানে অবস্থান করেন।
যেসব প্রসিদ্ধ আলেম থেকে তিনি উপকৃত হয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন:
১) আবু ইসহাক ইবরাহিম
(২) ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস আদ-দিমাশকি, যিনি ইবনুল কাওয়াস (৬৭৭ - ৭৬১ হিজরি) নামে পরিচিত। তিনি তার নিকট সুনানে আবু দাউদ
(৩) শ্রবণ করেছেন।
২) শেখ আহমদ
(৪) ইবনে আবদুর রহমান
(৫) ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-মারদাউয়ি, আল-হাম্বলি, হামাতের কাজি (৭১২ - ৭৮৭ হিজরি)। তিনি তার নিকট থেকে
(৬) আবদুল খালিক আশ-শাহামির 'আল-মুনতাকা মিন আরবাঈন'
(৭) শ্রবণ করেছেন।
৩) ইমাম শিহাবুদ্দিন আহমদ ইবনে আবি মুহাম্মদ ইবনে মুজাফফর আন-নাবুলুসি, (৬৭৪ - ৭৫৮ হিজরি)
(৮) এবং তিনি তার নিকট থেকে 'মু'জাম ইবনে জামি'
(৯) শ্রবণ করেছেন।
৪) আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে নাসর আদ-দিমাশকি, অতঃপর আস-সালেহি, আল-হাম্বলি, আল-মারওয়াজি, আল-আত্তার, আবু মুহাম্মদ, তাকিউদ্দিন, যিনি ইবনে কায়্যিম আদ-দিয়াঈয়াহ (৬৬৯ - ৭৬১ হিজরি) নামে পরিচিত
(১০)। তিনি তার নিকট শ্রবণ করেছেন এবং তার কাছে পাঠ করেছেন। তিনি যা শ্রবণ করেছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো ফখর ইবনে... এর মাশইয়াখাহ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৮)
البخاري، تخريج ابن الظاهري
(1) عنه، ومما قرأه الترمذي
(2).
5) عبدالوهاب بن علي بن عبدالكافي أبو نصر، تاج الدين السبكي صاحب (طبقات الشافعية الكبرى) (727 - 771 هـ)
(3)، وسمع
(4) منه فيها.
6) علي بن عبدالكافي السبكي، تقي الدين، والد التاج، صاحب (الطبقات الكبرى) السابق ذكره (683 - 756 هـ)
(5) وسمع منه فيها
(6).
7) عمر بن عثمان بن سالم بن خلف بن فضل المقدسي، الحنبلي، المؤدب، أبو حفص (678 - 760)
(7) وسمع منه سنن أبي داود
(8).
8) محمد بن إسماعيل بن إبراهيم بن سالم بن بركات بن سعد بن بركات المعروف بابن الخباز (667 - 756 هـ)
(9) وأخذ عليه بعض صحيح مسلم قراءة وسماعاً
(10) وجزء ابن عرفه، وعوالي مالك للخطيب
(11).
9) محمد بن إسماعيل بن عمر بن المسلم بن حسن عز الدين بن الحموي (680 - 757 هـ)
(12)، وسمع منه، وقرأ عليه صحيح
--------------------------------------------
বুখারি, তার থেকে ইবনুজ জাহিরির তাখরিজ
(১), এবং তিরমিজি যা পাঠ করেছেন
(২)।
৫) আবদুল ওয়াহহাব বিন আলি বিন আবদুল কাফি আবু নাসর, তাজউদ্দিন আস-সুবকি, (তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ আল-কুবরা)-এর লেখক (৭২৭ - ৭৭১ হি.)
(৩), এবং তিনি তার নিকট তাতে শ্রবণ করেছেন
(৪)।
৬) আলি বিন আবদুল কাফি আস-সুবকি, তাকিউদ্দিন, আল-তাজের পিতা, ইতিপূর্বে উল্লিখিত (তাবাকাতুল কুবরা)-এর লেখক (৬৮৩ - ৭৫৬ হি.)
(৫) এবং তিনি তার নিকট তাতে শ্রবণ করেছেন
(৬)।
৭) উমর বিন উসমান বিন সালিম বিন খালাফ বিন ফাদল আল-মাকদিসি, আল-হানবালি, আল-মুআদ্দিব, আবু হাফস (৬৭৮ - ৭৬০ হি.)
(৭) এবং তিনি তার নিকট সুনানে আবু দাউদ শ্রবণ করেছেন
(৮)।
৮) মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম বিন সালিম বিন বারাকাত বিন সাদ বিন বারাকাত, ইবনুল খাব্বাজ নামে পরিচিত (৬৬৭ - ৭৫৬ হি.)
(৯) এবং তিনি পাঠ ও শ্রবণের মাধ্যমে তার নিকট সহিহ মুসলিমের কিছু অংশ গ্রহণ করেছেন
(১০) এবং জুয ইবনে আরাফাহ ও খতিবের আওয়ারিল মালিকও গ্রহণ করেছেন
(১১)।
৯) মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন উমর বিন আল-মুসলিম বিন হাসান ইযযুদ্দিন বিন আল-হামাউয়ি (৬৮০ - ৭৫৭ হি.)
(১২), এবং তিনি তার নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন এবং তার নিকট সহিহ পাঠ করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ৯)
البخاري
(1) والسنن للبيهقي بفوت
(2).
10) أبو عبدالله محمد بن جهبل ناصر الدين، وقد قرأ عليه صحيح مسلم في ثلاثة أيام
(3)، وذكر ذلك في ثلاثة أبيات، فقال:
قرأت بحمد الله جامع مسلم
بجوف دمشق الشام جوفاً لإسلام
على ناصر الدين الإمام ابن جهبل
بحضرة حفاظ مشاهير أعلام
وتم بتوفيق الإله وفضله
قراءة ضبط في ثلاثة أيام
(4)(5) 11) محمد السعودي، المعروف بالشمس، سمع عليه صحيح البخاري بقراءة الشهاب أبي محمود الحافظ
(6).
12) يحيى بن علي بن أبي الحسن مجلي بن أبي الفرج الصالحي ابن الحداد الحنفي (666 - 757 هـ)
(7) سمع منه
(8) الأربعين النووية، عن النووي سماعاً بدعواه، وما قبل ذلك منه
(9).
- القدس:
خرج من دمشق ميمماً شطر بيت المقدس قبل سنة 760 هـ، ولعل ذلك كان عام 756 هـ أو 757 هـ، والتقى هناك بكثير من العلماء، أخذوا عنه، وأخذ عنهم، وقد طالت أيام إقامته في القدس، فبلغت عشر سنين " ولي بها تداريس وتصادير، وحج منها إلى مكة المشرفة عدة مرات
… وجاور ثم رجع إلى بيت
--------------------------------------------
বুখারি
(১) এবং বাইহাকির আস-সুনান কিছু অংশ বাদ থাকা অবস্থায়
(২)।
১০) আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন জাহবাল নাসিরুদ্দিন; তাঁর কাছে সহীহ মুসলিম তিন দিনে পাঠ করা হয়েছে
(৩) এবং তিনি তিনটি পংক্তিতে তা উল্লেখ করে বলেছেন:
আল্লাহর প্রশংসায় আমি জামে' মুসলিম পাঠ করেছি
সিরিয়ার দামেস্কের অভ্যন্তরে যা ইসলামের কেন্দ্রভূমি
ইমাম ইবনে জাহবাল নাসিরুদ্দিনের সমীপে
বিখ্যাত ও সুপরিচিত হাফেজগণের উপস্থিতিতে
এবং আল্লাহর তাওফিক ও অনুগ্রহে সম্পন্ন হয়েছে
তিন দিনে নির্ভুলভাবে পাঠের মাধ্যমে
(৪)(৫) ১১) মুহাম্মদ আস-সাউদি, যিনি আশ-শামস নামে পরিচিত; তিনি শিহাব আবু মাহমুদ আল-হাফিজের পাঠের মাধ্যমে তাঁর কাছে সহীহ বুখারি শ্রবণ করেছেন
(৬)।
১২) ইয়াহইয়া বিন আলী বিন আবুল হাসান মুজাল্লি বিন আবুল ফারাজ আস-সালিহি ইবনুল হাদ্দাদ আল-হানাফি (৬৬৬ - ৭৫৭ হিজরি)
(৭); তিনি তাঁর নিকট থেকে
(৮) ইমাম নববীর আরবাঈন শ্রবণ করেছেন, যা তিনি ইমাম নববীর কাছ থেকে সরাসরি শ্রবণ করেছেন বলে দাবি করেছেন, তবে তাঁর সেই দাবি গৃহীত হয়নি
(৯)।
- কুদস:
তিনি ৭৬০ হিজরির পূর্বে বাইতুল মুকাদ্দাসের উদ্দেশ্যে দামেস্ক ত্যাগ করেন, সম্ভবত এটি ৭৫৬ হিজরি বা ৭৫৭ হিজরির ঘটনা ছিল। সেখানে তিনি বহু আলেমের সাথে সাক্ষাৎ করেন; তাঁরা তাঁর নিকট থেকে ইলম অর্জন করেন এবং তিনিও তাঁদের থেকে ইলম অর্জন করেন। কুদসে তাঁর অবস্থানের সময় দীর্ঘায়িত হয়েছিল এবং তা দশ বছরে পৌঁছেছিল। তিনি বলেন: "সেখানে আমার অধ্যাপনা ও গ্রন্থ রচনার কাজ ছিল এবং সেখান থেকে আমি বেশ কয়েকবার মক্কা মোকাররমায় হজ আদায় করেছি... সেখানে অবস্থান (জাওয়ার) করেছেন এরপর ফিরে এসেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১০)
المقدس، فأقام بها مدة يسيرة"
(1).
وأشهر من أخذ عنهم خلال هذه المدة:
1) إسماعيل بن علي بن الحسن بن سعيد بن صالح القلقشندي، ثم المصري، نزيل القدس، تقي الدين (702 - 778 هـ)
(2) وقد سمع منه، وقرأ عليه بعض صحيح البخاري
(3).
2) خليل بن أيبك بن عبدالله الصفدي صلاح الدين (696 - 764 هـ)
(4) صاحب التصانيف الكثيرة الممتعة، ومصنف (الوافي بالوفيات) يقول الفاسي:
" ولقي جمعاً كثيراً من الفضلاء، وأخذ عنهم، وأخذوا عنه، منهم الصلاح الصفدي"
(5).
3) الحافظ خليل بن كيكلدي بن عبدالله العلائي الدمشقي، أبو سعيد، صلاح الدين (694 - 761 هـ)
(6) فقد قرأ عليه بعض صحيح البخاري
(7)، والأول من مسلسلاته، وغير ذلك
(8).
4) محمد بن إبراهيم البياني الشاهد (686 - 766 هـ)
(9) وقد قرأ عليه
(10)--------------------------------------------
আল-মাকদিস, সেখানে তিনি অল্প সময় অবস্থান করেন"
(১)।
এবং এই সময়ের মধ্যে যাদের কাছ থেকে তিনি ইলম অর্জন করেছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ব্যক্তিগণ হলেন:
১) ইসমাইল বিন আলী বিন হাসান বিন সাঈদ বিন সালেহ আল-কালকাশান্দি, পরবর্তীতে আল-মিসরি, জেরুসালেমের অধিবাসী, তাকিউদ্দীন (৭০২ - ৭৭৮ হিজরি)
(২)। তিনি তাঁর কাছ থেকে হাদিস শুনেছেন এবং তাঁর কাছে সহীহ বুখারীর কিছু অংশ পাঠ করেছেন
(৩)।
২) খলীল বিন আইবাক বিন আব্দুল্লাহ আস-সাফাদী সালাহুদ্দীন (৬৯৬ - ৭৬৪ হিজরি)
(৪)। তিনি বহু চমৎকার ও তথ্যবহুল গ্রন্থাবলির প্রণেতা এবং (আল-ওয়াফী বিল ওয়াফায়াত) গ্রন্থের রচয়িতা। আল-ফাসী বলেন:
"এবং তিনি বহু গুণীজনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন, তাঁদের কাছ থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন এবং তাঁরাও তাঁর কাছ থেকে গ্রহণ করেছেন; তাঁদের মধ্যে আস-সালাহ আস-সাফাদী অন্যতম"
(৫)।
৩) আল-হাফিয খলীল বিন কাইকালদী বিন আব্দুল্লাহ আল-আলাই আদ-দামেশকী, আবু সাঈদ, সালাহুদ্দীন (৬৯৪ - ৭৬১ হিজরি)
(৬)। তিনি তাঁর কাছে সহীহ বুখারীর কিছু অংশ পাঠ করেছেন
(৭), এবং তাঁর মুসালসালাত-এর প্রথম অংশ ও অন্যান্য কিতাব পাঠ করেছেন
(৮)।
৪) মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আল-বায়ানী আশ-শাহিদ (৬৮৬ - ৭৬৬ হিজরি)
(৯)। তিনি তাঁর কাছে পাঠ করেছেন
(১০)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১১)
صحيح مسلم بالمسجد الأقصى في أربعة عشر مجلساً وسمع عليه الصحيحين، ويشك الفاسي في محل السماع أهو مصر أم غيرها
(1).
وخلال إقامته في القدس، كان يرتحل - أحياناً- لمدة قصيرة- إلى البلدان القريبة منه، فنراه تارة في غزة، وأخرى في الرملة وثالثة في حلب، ورابعة في حماة وخامسة في بعلبك، كما قد نراه أحياناً في مكة، أو في مصر.
وخلال هذه الرحلات القصيرة كان يلتقي ببعض العلماء يأخذ عنهم، ويفيد منهم
(2) فكان ممن أخذ عنهم في حماة:
1) الشيخ أبو محمد
(3) عبدالرحيم بن إبراهيم بن هبة الله بن البارزي الملقب بالنجم (708 - 764 هـ) فقد قرأ عليه بعض صحيح مسلم، وبعضه سماعاً
(4) وقرأ جامع الترمذي
(5).
2) أبو حفص الزين
(6) بن البارزي - أخو المتقدم.
3) وفي بعلبك أخذ عن عالمها ومحدثها الشيخ عبدالكريم بن عبدالكريم ابن أبي طالب البعلبكي، صفي الدين، أبوطالب (676 - 760 هـ)
(7)، وقرأ عليه سنن ابن ماجه
(8).
- مصر:
دخل مصر أكثر من مرة والتقى بعدد كبير من علمائها وأساطينها كما التقى
--------------------------------------------
মাসজিদুল আকসায় চৌদ্দটি মজলিসে সহীহ মুসলিম (পঠিত হয়েছে) এবং তাঁর নিকট সহীহাইন শ্রবণ করা হয়েছে। আল-ফাসী শ্রবণের স্থান সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করেছেন যে, সেটি কি মিসর নাকি অন্য কোনো স্থান
(১)।
কুদসে অবস্থানকালীন তিনি মাঝেমধ্যে নিকটবর্তী দেশগুলোতে স্বল্প সময়ের জন্য সফর করতেন। ফলে আমরা তাঁকে কখনও গাজায়, কখনও রামলায়, আবার কখনও হালাবে, কখনও হামায় এবং কখনও বালবেক্কে দেখতে পাই। যেমন মাঝেমধ্যে তাঁকে মক্কায় অথবা মিসরেও দেখা যেত।
এই সংক্ষিপ্ত সফরগুলোর সময় তিনি কিছু আলিমের সাথে সাক্ষাৎ করতেন, তাঁদের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করতেন এবং তাঁদের দ্বারা উপকৃত হতেন
(২)। হামায় তিনি যাঁদের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন:
১) শায়খ আবু মুহাম্মাদ
(৩) আব্দুর রহীম বিন ইবরাহীম বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-বারিযী, যাঁর উপাধি ছিল আন-নাজম (৭০৮ - ৭৬৪ হিজরি)। তিনি তাঁর কাছে সহীহ মুসলিমের কিছু অংশ পাঠ করেছেন এবং কিছু অংশ শ্রবণ করেছেন
(৪) এবং জামে তিরমিযী পাঠ করেছেন
(৫)।
২) আবু হাফস আয-যাইন
(৬) বিন আল-বারিযী - যিনি পূর্বোল্লিখিত ব্যক্তির ভাই।
৩) বালবেক্কে তিনি সেখানকার আলিম ও মুহাদ্দিস শায়খ আব্দুল কারীম বিন আব্দুল কারীম ইবনে আবি তালিব আল-বালবাক্কী, সাফিয়ুদ্দীন আবু তালিব (৬৭৬ - ৭৬০ হিজরি)
(৭)-এর নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন, এবং তাঁর কাছে সুনানে ইবনে মাজাহ পাঠ করেন
(৮)।
- মিসর:
তিনি একাধিকবার মিসরে প্রবেশ করেছেন এবং সেখানকার বিপুল সংখ্যক আলিম ও দিকপালদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন, যেমন তিনি সাক্ষাৎ করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১২)
بعدد آخر في زياراته لها- أثناء إقامته في القدس - وكان ممن لقيهم:
1) أحمد بن محمد بن الحسن الجزائري ابن المرصدي (ت 760 هـ)
(1) وقد سمع
(2) منه الجزء الثاني من مشيخة يوسف بن المبارك الخفاف.
2) عبد الرحيم بن الحسن الإسنوي الشافعي، جمال الدين (704 - 772 هـ)
(3).
3) القاضي عبدالعزيز بن محمد بن إبراهيم بن جماعة الكناني، الحموي الأصل، الدمشقي المولد، ثم المصري، عزالدين، الحافظ (694 - 767 هـ)
(4) وسمع منه
(5) بعض صحيح مسلم، وقرأ بعضاً، وسمع منه
(6) أربعينية التساعيات، وجزءه الكبير، ومنسكه الكبير، والبردة للبوصيري عنه.
4) عبدالله بن عبدالرحمن بهاء الدين بن عقيل القرشي، الهاشمي، إمام النحاة، وصاحب الشرح المشهور (694 - 769 هـ)
(7).
5) عبدالله بن يوسف بن احمد بن عبدالله بن يوسف، أبو محمد، الملقب، بجمال الدين، المعروف بابن هشام (708 - 761 هـ)
(8).
6) العز بن المظفر، وقرأ عليه سنن ابن ماجه
(9).
7) علي بن أحمد بن محمد بن صالح بن ندي العرض علاء الدين، المسند
--------------------------------------------
জেরুজালেমে অবস্থানকালীন তাঁর সফরসমূহে আরও অনেকের সাথে (সাক্ষাৎ হয়েছে)—এবং তিনি যাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:
১) আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাসান আল-জাযাইরি ইবনুল মারসাদি (মৃত্যু ৭৬০ হি.)
(১)। তিনি তাঁর নিকট
(২) ইউসুফ বিন মুবারক আল-খাফফাফের ‘মাশইয়াখাহ’-এর দ্বিতীয় অংশ শ্রবণ করেছেন।
২) আব্দুর রহিম বিন হাসান আল-ইসনাভি আশ-শাফিয়ি, জামালুদ্দিন (৭০৪ - ৭৭২ হি.)
(৩)।
৩) কাযি আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন জামাআহ আল-কিনানি, মূলগতভাবে হামাভি, জন্মসূত্রে দামেস্কি এবং পরবর্তীতে মিসরি, ইযযুদ্দিন, আল-হাফিজ (৬৯৪ - ৭৬৭ হি.)
(৪)। তিনি তাঁর নিকট
(৫) সহিহ মুসলিমের কিছু অংশ শ্রবণ করেছেন এবং কিছু অংশ পাঠ করেছেন। এছাড়া তিনি তাঁর নিকট
(৬) ‘আরবাঈনিয়াতুত তুসা’ইয়াত’, তাঁর ‘আল-জুয আল-কাবীর’, ‘মানাসিক আল-কাবীর’ এবং তাঁর মাধ্যমে বুসিরির ‘বুরদাহ’ শ্রবণ করেছেন।
৪) আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বাহাউদ্দিন বিন আকিল আল-কুরাশি, আল-হাশিমি, ব্যাকরণবিদদের ইমাম এবং বিখ্যাত ভাষ্যের (শরহ) রচয়িতা (৬৯৪ - ৭৬৯ হি.)
(৭)।
৫) আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ, আবু মুহাম্মদ, জামালুদ্দিন উপাধিতে ভূষিত, ইবনে হিশাম নামে পরিচিত (৭০৮ - ৭৬১ হি.)
(৮)।
৬) আল-ইয বিন আল-মুজাফফর। তিনি তাঁর নিকট সুনানে ইবনে মাজাহ পাঠ করেছেন
(৯)।
৭) আলি বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সালিহ বিন নাদি আল-আরদ আলাউদ্দিন, আল-মুসনিদ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
التاجر الدمشقي (677 - 764 هـ)
(1) وقد سمع منه (كتاب الظهور لأبي عبيد، ومعجم ابن جميع، وبعض المسند لابن حنبل
(2).
8) محمد بن أبي القاسم بن إسماعيل الفارقي، ناصر الدين المحدث، قرأ
(3) عليه صحيح البخاري بجامع الأزهر في رمضان سنة 755 هـ
(4) وبعض صحيح مسلم
(5) قراءة وسماعاً، وسمع
(6) عليه رباعيات الترمذي، وكتاب المنتقى الكبير من الغيلانيات وسمع
(7) عليه وعلى القلانسي ثلاثيات المعجم الصغير للطبراني، وغير ذلك.
9) محمد بن محمد بن أبي القاسم بن جميل الربعي، التونسي، ثم المصري، ناصر الدين، المالكي (681 - 763 هـ)
(8).
- الحجاز (مكة):
تردد على مكة أثناء إقامته في القدس، ولعل أول دخوله مكة كان قبل عام 760 هـ
(9) حيث رجع، وعاد إلى بيت المقدس، ليعود إليها مرة أخرى سنة 770 هـ فيقيم بها خمس سنين أو ست (الشك من تلميذه الفاسي)
(10) أي إلى سنة 775 أو 776 هـ. يرحل بعدها إلى أمكنة غير محددة، وفي هذه الفترة ألف
--------------------------------------------
দামেস্কি বণিক (৬৭৭ - ৭৬৪ হিজরি)
(১) এবং তাঁর নিকট থেকে শোনা হয়েছে (আবু উবাইদ-এর কিতাবুজ জুহুর, ইবনে জামি'-এর মু'জাম এবং ইবনে হাম্বলের মুসনাদ-এর একাংশ
(২)।
৮) মুহাম্মদ বিন আবিল কাসিম বিন ইসমাইল আল-ফারিকি, নাসিরুদ্দিন আল-মুহাদ্দিস, তিনি তাঁর কাছে
(৩) ৭৫৫ হিজরি সালের রমজান মাসে জামে আজহারে সহিহ বুখারি পাঠ করেছেন
(৪) এবং সহিহ মুসলিমের একাংশ
(৫) পাঠ ও শ্রবণ করেছেন, আর তাঁর কাছে
(৬) তিরমিযীর রুবাইয়াত এবং গায়লানিয়াত থেকে সংকলিত কিতাবুল মুনতাকা আল-কাবীর শুনেছেন, এবং তাঁর ও কালানিসির কাছে
(৭) তাবারানির আল-মু'জামুস সগির-এর সুলাসিয়াতসমূহ এবং আরও অন্যান্য বিষয় শুনেছেন।
৯) মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আবিল কাসিম বিন জামিল আর-রাবায়ী, আত-তিউনিসি, অতঃপর আল-মিসরি, নাসিরুদ্দিন, আল-মালিকি (৬৮১ - ৭৬৩ হিজরি)
(৮)।
- হিজাজ (মক্কা):
কুদসে অবস্থানের সময় তিনি বারবার মক্কায় যাতায়াত করতেন, সম্ভবত তাঁর প্রথম মক্কায় প্রবেশ ছিল ৭৬০ হিজরির পূর্বে
(৯) যেখান থেকে তিনি ফিরে আসেন এবং বাইতুল মাকদিসে প্রত্যাবর্তন করেন। অতঃপর ৭৭০ হিজরিতে তিনি পুনরায় সেখানে ফিরে আসেন এবং পাঁচ বা ছয় বছর অবস্থান করেন (এই সন্দেহটি তাঁর ছাত্র আল-ফাসির পক্ষ থেকে)
(১০) অর্থাৎ ৭৭৫ বা ৭৭৬ হিজরি পর্যন্ত। এরপর তিনি অনির্ধারিত কিছু স্থানের উদ্দেশ্যে সফর করেন এবং এই সময়ে তিনি রচনা করেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
كتاب (الغرر المثلثة والدرر المبثثة) فقد ذكر في نهاية القسم الأول (المثلث المتفق المعنى): " كان الفراغ من إتمام الكتاب ضحوة نهار الثلاثاء، سابع عشر جمادى الأولى، سنة 771 من الهجرة النبوية، وكان ذلك في المسجد الحرام تجاه الكعبة المعظمة" ص 354. ويقول في نهاية الكتاب:
" كان الفراغ من إتمامه ضحوة نهار الثلاثاء حادي عشر ذي القعدة لسنة اثنتين وسبعين وسبعمائة بمنزلي برباط السدرة بمكة المشرفة" ص 540.
ويعود إلى مكة - تقديراً- سنة 777 هـ فيجاور بها عشر سنين
(1)، يخرج بعدها إلى الهند ممضياً هناك خمس سنين، يعود في نهايتها إلى مكة سنة 792 هـ ويخرج منها في السنة نفسها إلى الطائف، ليدخلها مع الركب العراقي الذي يحمل إليه رسالة من السلطان أحمد بن أويس
(2) - يدخل مع الركب حاجاً، ليصحبهم إلى العراق
(3).
ويعود إلى مكة مرة أخرى سنة 802 هـ حاجاً من اليمن بعد أن استأذن من السلطان الأشرف إسماعيل فأذن له، فيحج ويجاور فيها بقية العام، وشيئاً من أول السنة التالية.
وقد جعل داره التي أنشأها على الصفا مدرسة يقوم بتموينها ودفع نفقاتها الملك الأشرف، وقدّر بها طلبة، وثلاثة مدرسين للحديث والفقه الشافعي والفقه المالكي.
ويزور المدينة النبوية - على ساكنها أفضل الصلاة والسلام- وينشئ سنة 803 هـ فيها مدرسة على غرار مدرسة مكة، ويشتري حديقتين بظاهرها، يوقفهما عليها
(4).
--------------------------------------------
'আল-গুরারুল মুসাল্লাসাহ ওয়াদ দুরারুল মুবাসসাসাহ' গ্রন্থ; এর প্রথম অংশের (আল-মুসাল্লাসা আল-মুত্তাফাক আল-মানা) শেষে উল্লেখ করা হয়েছে: "গ্রন্থটি সমাপ্ত করার কাজ শেষ হয়েছিল মঙ্গলবার পূর্বাহ্নে, ১৭ই জুমাদাল উলা, ৭৭১ হিজরি সালে। এটি সম্পন্ন হয়েছিল মসজিদুল হারামে সম্মানিত কাবার সম্মুখে।" পৃষ্ঠা ৩৫৪। এবং তিনি গ্রন্থের শেষে বলেন:
"এটি সমাপ্ত করার কাজ শেষ হয়েছিল মঙ্গলবার পূর্বাহ্নে, ১১ই যিলকদ, ৭৭২ হিজরি সালে মক্কা মুশাররাফায় রিবাতুস সিদরাহ-তে অবস্থিত আমার বাসভবনে।" পৃষ্ঠা ৫৪০।
এবং তিনি আনুমানিক ৭৭৭ হিজরি সালে মক্কায় ফিরে আসেন এবং সেখানে দশ বছর অবস্থান করেন
(১), এরপর তিনি ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং সেখানে পাঁচ বছর অতিবাহিত করেন। এর শেষে ৭৯২ হিজরি সালে তিনি মক্কায় ফিরে আসেন এবং একই বছরে সেখান থেকে তায়েফের উদ্দেশ্যে বের হন, যেন তিনি ইরাকি কাফেলার সাথে সেখানে প্রবেশ করতে পারেন যারা সুলতান আহমদ বিন উওয়াইসের
(২) পক্ষ থেকে তার কাছে একটি চিঠি বহন করে এনেছিল - তিনি হাজি হিসেবে কাফেলার সাথে প্রবেশ করেন, যেন তাদের সাথে ইরাকে গমন করতে পারেন
(৩)।
এবং তিনি ৮০২ হিজরি সালে ইয়েমেন থেকে হাজি হিসেবে পুনরায় মক্কায় ফিরে আসেন, সুলতান আল-আশরাফ ইসমাইলের নিকট অনুমতি চাওয়ার পর এবং তিনি তাকে অনুমতি দিলে। অতঃপর তিনি হজ সম্পাদন করেন এবং বছরের বাকি সময় ও পরবর্তী বছরের শুরুর কিছুকাল সেখানে অবস্থান করেন।
আর তিনি সাফা পাহাড়ের ওপর যে ঘরটি নির্মাণ করেছিলেন সেটিকে একটি মাদরাসায় রূপান্তর করেন, যার রসদ সরবরাহ ও খরচ বহন করতেন বাদশাহ আল-আশরাফ। সেখানে তিনি শিক্ষার্থী এবং হাদিস, শাফেয়ী ফিকহ ও মালিকি ফিকহের জন্য তিনজন শিক্ষক নিযুক্ত করেছিলেন।
তিনি মদিনা মুনাওয়ারা যিয়ারত করেন - এর বাসিন্দার ওপর সর্বোত্তম দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক - এবং ৮০৩ হিজরি সালে সেখানে মক্কার মাদরাসার আদলে একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এর বহির্ভাগে দুটি বাগান ক্রয় করেন এবং তা মাদরাসার জন্য ওয়াকফ করে দেন
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
ثم يعود إلى مكة قاصداً اليمن، وفي طريقه إليها يصله نعي الأشرف إسماعيل، ويستمر مع الناصر - بعد أبيه- كما كان مع أبيه، ويقيم في اليمن حتى السنة الخامسة بعد الثمانمائة، وفيها يستأذن للسفر إلى مكة، فيدخلها في رمضان، ويسافر في بقيتها إلى الطائف قبل الحج. ويحج هذه السنة ويقضي السنة السادسة بين مكة والطائف، ويحج تلك السنة- أيضاً- ثم يسافر إلى المدينة مع الحاج لتقرير ماكان اشتراه بها، فإنه نوزع فيه، ثم يمم وجهته لليمن ماراً بمكة
(1).
وتشاء إرادة الله أن تكون هذه الزيارة خاتمة زياراته لبيت الله الحرام، ويدهمه المنون - وهو على أحرّ من الجمر شوقاً إلى مكة، وتطلعاً إلى بيته الحرام، فقد كان يتمنى أن يموت بمكة، كما سبق بيان ذلك
(2).
ومن خلال ماتقدم نستطيع أن نتبين أنه أقام عدة سنوات في جوار بيت الله، مقتدياً في ذلك ببعض علماء اللغة الذين سبقوه إلى هذا العمل، مثل جار الله الزمخشري (467 - 538 هـ)، والحسن بن محمد الصغاني (577 - 650 هـ).
وكان يحبُّ الانتساب إلى مكة، ويكتب عن نفسه: الملتجئ إلى حرم الله - تعالى - مقتدياً بالرضي الصغاني
(3).
وخلال إقامته المتقطعة في مكة أخذ عن مشايخها، ومن أشهر من أخذ عنه:
1) بكر بن خليل المالكي
(4).
2) خليل بن عبدالرحمن بن محمد القسطلاني المكي المالكي، إمام المالكية بالحرم الشريف (688 - 760 هـ)
(5).
--------------------------------------------
তারপর তিনি ইয়ামেন অভিমুখে মক্কার দিকে ফিরে আসেন এবং তার যাত্রাপথে আল-আশরাফ ইসমাঈলের মৃত্যু সংবাদ তার নিকট পৌঁছে। তিনি তার পিতার মতো আন-নাসিরের সাথেও অবস্থান অব্যাহত রাখেন এবং ইয়ামেনে ৮০৫ হিজরি পর্যন্ত অবস্থান করেন। উক্ত বছরেই তিনি মক্কা ভ্রমণের অনুমতি গ্রহণ করেন এবং রমজান মাসে সেখানে প্রবেশ করেন। হজের পূর্বে অবশিষ্ট সময়ে তিনি তায়েফে সফর করেন। এই বছর তিনি হজ পালন করেন এবং ৮০৬ হিজরি মক্কা ও তায়েফের মাঝে অতিবাহিত করেন। সে বছরও তিনি হজ পালন করেন, অতঃপর হাজীদের সাথে মদিনা সফর করেন সেখানে তার ক্রয়কৃত কোনো জিনিসের মালিকানা সুরাহা করার জন্য, কেননা তা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এরপর তিনি মক্কার পথ ধরে ইয়ামেনের দিকে যাত্রা করেন
(১).
আল্লাহর ইচ্ছায় এই সফরটিই ছিল আল্লাহর পবিত্র ঘরে তার শেষ সফর। মক্কার প্রতি প্রবল অনুরাগ এবং পবিত্র ঘরের দিকে ব্যাকুল দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা অবস্থায় মৃত্যু তাকে গ্রাস করে। তিনি মক্কায় মৃত্যুবরণ করতে চেয়েছিলেন, যেমনটি আগে উল্লেখ করা হয়েছে
(২).
উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারি যে, তিনি আল্লাহর ঘরের সান্নিধ্যে বেশ কয়েক বছর অবস্থান করেছিলেন। এ ক্ষেত্রে তিনি তার পূর্ববর্তী কতিপয় ভাষাবিদদের অনুসরণ করেছেন, যেমন জারুল্লাহ আজ-জামাকশারি (৪৬৭ - ৫৩৮ হিজরি) এবং আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আস-সাগানি (৫৭৭ - ৬৫০ হিজরি)।
তিনি মক্কার সাথে নিজের পরিচয় দিতে ভালোবাসতেন এবং নিজের সম্পর্কে লিখতেন: ‘আল্লাহ তাআলার পবিত্র হারামের আশ্রয়প্রার্থী’, এ বিষয়ে তিনি আর-রাজী আস-সাগানিকে অনুসরণ করতেন
(৩).
মক্কায় তার খণ্ডকালীন অবস্থানকালে তিনি সেখানকার শায়খদের থেকে ইলম অর্জন করেন। যাদের থেকে তিনি ইলম নিয়েছেন তাদের মধ্যে প্রসিদ্ধ হলেন:
১) বকর বিন খলীল আল-মালিকী
(৪).
২) খলীল বিন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ আল-কাসতালানি আল-মাক্কি আল-মালিকী, হারম শরীফে মালিকী মাযহাবের ইমাম (৬৮৮ - ৭৬০ হিজরি)
(৫).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
3) عبدالله بن أسعد بن علي اليافعي، اليمني، نزيل مكة، وشيخ الحرم، الملقب عفيف الدين، ويكنى بأبي السيادة (696 - 768 هـ)
(1).
4) محمد بن أحمد بن عبدالله بن محمد بن عبدالمعطي بن مكي بن طراد الأنصاري الخزرجي، المكي، جمال الدين (702 - 776 هـ)
(2) .. وسمع عليه صحيح
(3) مسلم كله بالمسجد الحرام تجاه الكعبة.
5) محمد بن أحمد بن قاسم بن عبدالرحمن بن أبي بكر العمري قاضي مكة، وخطيبها تقي الدين الحرازي الشافعي، يكنى أبا اليمن (706 - 765 هـ)
(4).
6) نور الدين القسطلاني، وقرأ عليه الموطأ، رواية يحيى بن يحيى
(5) وسمع على آخرين غيرهم.
- اليمن:
وصل إلى عدن في ربيع الأول سنة 796 هـ، وأقام بها مدة، حتى " علم به ملك اليمن الأشرف إسماعيل بن الأفضل فاستدعاه إلى مدينته " تعز" وكتب إلى ناظر عدن يومئذ أن يجهزه بألف دينار، فجهزه بها، وطلع إلى (تعز) فوصلها في اليوم الرابع والعشرين من رمضان. فأكرمه السلطان، وأنزله منزلة تليق بحاله، وحمل إليه للفور أربعة آلاف درهم ضيافة له"
(6).
وأقبل عليه السلطان فأكرم مثواه.
وبعد أن أقام أربعة عشر شهراً في تعز، عينه السلطان على القضاء الأكبر في
--------------------------------------------
৩) আবদুল্লাহ বিন আসআদ বিন আলী আল-ইয়াফেয়ী, আল-ইয়ামানি, মক্কায় অবস্থানকারী এবং হারামাইনের শাইখ, তিনি 'আফীফুদ্দীন' উপাধিতে ভূষিত এবং তাঁর কুনিয়াত 'আবুস সিয়াদাহ' (৬৯৬ - ৭৬৮ হিজরী)
(১)।
৪) মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুতি বিন মাক্কি বিন তরাদ আল-আনসারী আল-খাজরাজী, আল-মাক্কী, জামালুদ্দীন (৭০২ - ৭৭৬ হিজরী)
(২) .. এবং কাবার অভিমুখে মসজিদুল হারামে তাঁর নিকট পূর্ণ সহীহ
(৩) মুসলিম শ্রবণ করেছেন।
৫) মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন কাসিম বিন আব্দুর রহমান বিন আবী বকর আল-উমারী, মক্কার কাযী ও খতীব, তাকিউদ্দীন আল-হারাজী আশ-শাফিঈ, তাঁর কুনিয়াত 'আবুল ইয়ামান' (৭০৬ - ৭৬৫ হিজরী)
(৪)।
৬) নূরুদ্দীন আল-কাসতালানী, তিনি তাঁর নিকট ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়ার বর্ণনায় মুয়াত্তা পাঠ করেছেন
(৫) এবং তাঁরা ব্যতীত অন্যদের নিকট থেকেও শ্রবণ করেছেন।
- ইয়েমেন:
তিনি ৭৯৬ হিজরীর রবীউল আউয়াল মাসে আদনে পৌঁছেন এবং সেখানে কিছুকাল অবস্থান করেন, শেষ পর্যন্ত "ইয়েমেনের বাদশাহ আল-আশরাফ ইসমাঈল বিন আল-আফদাল তাঁর সংবাদ পান এবং তাঁকে নিজের শহর 'তাঈজ'-এ তলব করেন। তিনি আদনের তৎকালীন নাযিরকে (তদারককারী) এই মর্মে পত্র লেখেন যে, তাঁকে যেন এক হাজার দীনার প্রদান করে যাত্রার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। নাযির তাঁকে তা প্রদান করেন এবং তিনি (তাঈজ) অভিমুখে রওয়ানা হয়ে রমজানের চব্বিশ তারিখে সেখানে পৌঁছেন। সুলতান তাঁকে সম্মান প্রদর্শন করেন এবং তাঁর মর্যাদানুযায়ী স্থানে তাঁকে থাকার ব্যবস্থা করেন। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে আতিথেয়তা স্বরূপ তাঁর নিকট চার হাজার দিরহাম প্রেরণ করেন"
(৬)।
অতঃপর সুলতান তাঁর প্রতি মনোযোগী হন এবং তাঁর আবাসনকে মর্যাদাশীল করেন।
তাঈজ-এ চৌদ্দ মাস অবস্থান করার পর, সুলতান তাঁকে প্রধান বিচারপতির পদে নিযুক্ত করেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
أقطار المماليك اليمنية في اليوم السادس من ذي الحجة سنة 797 هـ
(1) فقد كان هذا المنصب شاغراً منذ وفاة القاضي جمال الدين بن محمد بن عبدالله الريمي سنة 792 هـ وكتب له منشوراً بذلك، بلغ إلى أقطار الممالك اليمنية، وبعد هذا التعيين يغادر تعز ليقوم بعمله الجديد.
وبالغ السلطان في إكرامه، وتزوج ابنته، وتمسك به حباً له وتقديراً، حتى أودىبه هذا الحب أن يحول بينه وبين بعض مايشتهي، فقد طلب المجد من السلطان أن يأذن له بالحج سنة 799 هـ في رسالة كتبها إليه. فأجابه السلطان بعبارات تظهر شدة تعلقه به وحرصه على بقائه في اليمن وكان مما قاله: «أن هذا شيء لاينطق به لساني، ولايجري به قلمي، فقد كانت اليمن عمياء فاستنارت، فكيف يمكن أن تتقدم
(2) -وأنت تعلم- أن الله تعالى- قد أحيا بك ما كان ميتاً من العلم، فبالله عليك إلا ما وهبت لنا بقية هذا العمر، والله- يامجد الدين- يميناً بارةً، إني أرى فراق الدنيا ونعيمها، ولافراقك أنت اليمن وأهله».
واستجاب المجد لطلب الملك، وفي سنة 802 هـ أعاد الكرة بطلب الإذن للحج، فإذن له السلطان فحج تلك السنة، وجاور بمكة بقيتها، وشيئاً من أول السنة التي تليها، وجعل داره التي أنشأها على الصفا مدرسة للملك الأشرف، كما زار المدينة، وأنشأ بها مدرسة كتلك التي في مكة، ثم قرر العودة إلى اليمن ماراً بمكة وفي طريقه إليها علم بموت الملك الأشرف، وتَقَلُّد أزمّة الحكم بعده ابنه الناصر، فلازمه المجد وسار معه كما سار مع أبيه ويخلص له الود كما أخلص لأبيه، فنراه يؤلف كتاب " الأحاديث الضعيفة" ليريحه من البحث والتنقيب عنها في كتب الحديث.
--------------------------------------------
৭৯৭ হিজরি সনের ৬ই জিলহজ তারিখে ইয়েমেনি সালতানাতের বিভিন্ন অঞ্চলে [এই নিয়োগ কার্যকর হয়]
(১); মূলত ৭৯২ হিজরিতে কাজী জামালুদ্দিন বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-রাইমি-এর মৃত্যুর পর থেকে এই পদটি শূন্য ছিল। তাঁর জন্য এ মর্মে একটি রাজকীয় ফরমান লেখা হয় যা ইয়েমেনি সালতানাতের সকল প্রান্তে পৌঁছে যায়। এই নিয়োগের পর তিনি তাঁর নতুন দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে তাইজ ত্যাগ করেন।
সুলতান তাঁকে সম্মান প্রদর্শনে অত্যধিক গুরুত্ব দেন এবং তাঁর কন্যাকে বিবাহ করেন। তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ থেকে তিনি তাঁকে নিজের কাছে আগলে রাখেন, এমনকি এই ভালোবাসাই একপর্যায়ে তাঁর কিছু ইচ্ছার মাঝে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। আল-মাজদ ৭৯৯ হিজরিতে সুলতানের কাছে লেখা এক পত্রে হজের অনুমতি প্রার্থনা করেন। সুলতান তাঁর উত্তরে এমন কিছু বাক্য লিখলেন যা তাঁর প্রতি সুলতানের গভীর আসক্তি এবং তাঁকে ইয়েমেনে রেখে দেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে। সুলতান যা বলেছিলেন তার মধ্যে ছিল: «এটি এমন এক বিষয় যা আমার জিহ্বা উচ্চারণ করতে পারে না এবং আমার কলমও তা লিখতে অপারগ। ইয়েমেন তো অন্ধ ছিল, তারপর তা আলোকিত হয়েছে। তবে কীভাবে তা সম্ভব হতে পারে
(২) —অথচ আপনি জানেন— আল্লাহ তাআলা আপনার মাধ্যমে ইলমের (জ্ঞানের) মৃতপ্রায় অংশগুলোকে পুনর্জীবিত করেছেন। আল্লাহর দোহাই, আপনি আপনার জীবনের অবশিষ্টাংশ আমাদের জন্য উৎসর্গ করুন। হে মাজদুদ্দিন! আল্লাহর কসম—এটি একটি সত্য শপথ—আমি দুনিয়া ও এর নেয়ামতসমূহ ত্যাগ করাকে সহজ মনে করি, কিন্তু আপনার বিচ্ছেদ নয়; আপনিই তো ইয়েমেন এবং এর অধিবাসী।»
আল-মাজদ বাদশাহর অনুরোধ রক্ষা করেন। অতঃপর ৮০২ হিজরিতে তিনি পুনরায় হজের অনুমতির আবেদন করেন এবং সুলতান তাঁকে অনুমতি দেন। সেই বছর তিনি হজ পালন করেন এবং বছরের অবশিষ্ট সময় মক্কায় অবস্থান করেন, এমনকি পরবর্তী বছরের শুরুর কিছু সময়ও সেখানে অতিবাহিত করেন। সাফা পাহাড়ে তিনি যে বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন, সেটিকে তিনি 'মালিক আল-আশরাফ'-এর নামে একটি মাদরাসায় রূপান্তরিত করেন। তদ্রূপ তিনি মদিনা সফর করেন এবং সেখানেও মক্কার মতো একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর তিনি মক্কা হয়ে ইয়েমেনে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। পথিমধ্যে তিনি মালিক আল-আশরাফের মৃত্যুসংবাদ এবং তাঁর পুত্র আল-নাসিরের ক্ষমতাগ্রহণের খবর পান। আল-মাজদ তাঁর সান্নিধ্যে থাকতে শুরু করেন এবং তাঁর পিতার সাথে যেমন ছিলেন তাঁর সাথেও ঠিক সেভাবেই পথ চলেন। পিতার প্রতি যেমন অনুগত ও একনিষ্ঠ ছিলেন, পুত্রের প্রতিও তেমনি আন্তরিক ভালোবাসা পোষণ করেন। আমরা দেখতে পাই যে, তিনি তাঁকে (সুলতানকে) হাদিসের কিতাবসমূহে দুর্বল হাদিস খোঁজা ও যাচাই-বাছাইয়ের পরিশ্রম থেকে মুক্তি দিতে 'আল-আহাদিস আদ-দায়িফাহ' (দুর্বল হাদিসসমূহ) নামক গ্রন্থটি রচনা করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وفي سنة (805 هـ) حج مرة أخرى، ومكث بعد إنهاء حجه، بين مكة والطائف، حتى وافاه حج سنة (806 هـ) فحج من الطائف، ثم توجه إلى المدينة، ثم عاد إلى اليمن ماراً بمكة، آخذاً في طريقه طريق السراة، وأقام " بالحلف" و" الحليف"
(1) تسعة أشهر، واصل بعدها سفره إلى "زبيد".
واستقر به- هذه المرة- المقام في اليمن، يرى مرة في زبيد، وتارة في تعز، حيث فوّض التدريس في بعض المدارس فيها كالمدرسة المؤيدية والمدرسة المجاهدية وغير ذلك.
ورغم كثرة أسفاره، ظل محتفظاً بمنصب رئيس قضاة اليمن، حتى لقد كانت الكتب والرسائل توقّع بتوقيعه نيابة عنه، وكان ينوب عنه في القضاء القاضي جمال الدين محمد بن أحمد المقري
(2)، في أوائل دولة الناصر.
" وكانت مدة ولايته قضاء القضاة باليمن عن الملك الأشرف إسماعيل ابن الأفضل وعن ولده الملك الناصر عشرين سنة"
(3).
وأكرمه السلطان الأشرف وابنه السلطان الناصر، لعلمه، وفضله، حتى إنه صنّف للأشرف كتاباً، وأهداه له، على أطباق، فملأها له دراهم، وصنّف للناصر كتابي " تسهيل الوصول إلى الأحاديث الزائدة على جامع الأصول" و" الإصعاد إلى رتبة الاجتهاد" في أربعة أسفار
(4).
هذا ماذكره ابن حجر، على حين يذكر الخزرجي في " العقود اللؤلؤية": " أن المجد أفرغ كتابه المسمى بـ " الإصعاد" في اليوم الخامس عشر من شعبان سنة (800 هـ) وحمل إلى باب السلطان مرفوعاً بالطبول والمغاني، وحضر سائر الفقهاء
--------------------------------------------
এবং ৮০৫ হিজরিতে তিনি পুনরায় হজ পালন করেন এবং হজ সমাপ্তির পর মক্কা ও তায়েফের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করেন, এমনকি ৮০৬ হিজরির হজের সময় উপস্থিত হলে তিনি তায়েফ থেকে হজ আদায় করেন। এরপর তিনি মদীনার অভিমুখে রওয়ানা হন এবং পুনরায় মক্কা হয়ে ইয়েমেনে ফিরে আসেন। ফেরার পথে তিনি 'সারাত' এর পথ অবলম্বন করেন এবং 'আল-হালফ' ও 'আল-হালিফ'
(১) নামক স্থানে নয় মাস অবস্থান করেন। এরপর তিনি 'জাবিদ' এর দিকে তাঁর সফর অব্যাহত রাখেন।
এবার তিনি ইয়েমেনে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন; কখনও তাঁকে জাবিদে দেখা যেত, আবার কখনও তায়েজে। সেখানে তিনি কিছু মাদ্রাসায় পাঠদানের দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন, যেমন- আল-মুআয়্যিদিয়াহ মাদ্রাসা, আল-মুজাহিদিয়াহ মাদ্রাসা এবং আরও অন্যান্য।
তাঁর সফরের আধিক্য সত্ত্বেও তিনি ইয়েমেনের প্রধান বিচারপতির পদটি ধরে রেখেছিলেন, এমনকি তাঁর পক্ষ থেকে বইপত্র ও চিঠিপত্রগুলোতে তাঁরই স্বাক্ষর প্রদান করা হতো। নাসেরের শাসনামলের শুরুর দিকে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে বিচারকার্য পরিচালনা করতেন বিচারপতি জামালুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মুকরি
(২)।
"মালিক আশরাফ ইসমাইল ইবনুল আফজাল এবং তাঁর পুত্র মালিক নাসেরের অধীনে ইয়েমেনে তাঁর প্রধান বিচারপতির পদে আসীন থাকার মেয়াদ ছিল বিশ বছর"
(৩)।
সুলতান আশরাফ এবং তাঁর পুত্র সুলতান নাসের তাঁর ইলম এবং শ্রেষ্ঠত্বের কারণে তাঁকে অত্যন্ত সম্মানিত করেছিলেন। এমনকি তিনি সুলতান আশরাফের জন্য একটি গ্রন্থ রচনা করে তা বড় পাত্রে সাজিয়ে উপহার দিয়েছিলেন, যার বিনিময়ে সুলতান সেই পাত্রগুলো দিরহাম দিয়ে পূর্ণ করে দিয়েছিলেন। এছাড়া তিনি সুলতান নাসেরের জন্য চারটি খণ্ডে 'তাস-হিলুল উসুল ইলাল আহাদিসিল যায়িদা আলা জামিয়িল উসুল' এবং 'আল-ইসআদ ইলা রুতবাতিল ইজতিহাদ' নামক দুটি গ্রন্থ রচনা করেন
(৪)।
ইবনে হাজার এটিই উল্লেখ করেছেন; অন্যদিকে খাজরাজি 'আল-উকুদুল লু'লুইয়্যাহ' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে: "মাজদ তাঁর 'আল-ইসআদ' নামক কিতাবটি ৮০০ হিজরির শাবান মাসের পনেরো তারিখে সম্পন্ন করেন এবং এটি ঢোল ও বাদ্যযন্ত্র সহকারে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে সুলতানের দরবারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সকল ফকিহ সেখানে উপস্থিত ছিলেন..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ১৯)
والقضاة، والطلبة، وساروا أمام الكتاب، إلى باب السلطان- وكان الكتاب ثلاثة مجلدات- يحمله ثلاثة رجال على رؤوسهم، فلما دخل على السلطان، وتصفحه أجاز مصنفه المذكور بثلاثة آلاف دينار"
(1).
ومن ظاهر هذا النص نستطيع أن نقول:" إن المصنف أهدى مؤلفه (الإصعاد) إلى السلطان الأشرف، لا إلى السلطان الناصر، كما ذكر ابن حجر.
ولم يقتصر الإكرام على السلطان وابنه، بل أكرمه وأحبه الناس جميعاً، كما حظي بتقدير ومحبة العلماء والقضاة، والفقهاء وطلاب العلم، لما يجدونه عنده من علم جمّ يفيض عليهم من سحابته .. فقد قصده الطلبة، والعلماء، والقضاة، والفقهاء، يأخذون منه " ففي أول يوم من رجب سنة (801 هـ) اجتمع الفقهاء بزبيد، وقصدوا القاضي مجد الدين محمد بن يعقوب، الشيرازي قاضي القضاة يومئذ، وسألوا منه أن يسمعهم (صحيح البخاري) فأجابهم إلى ذلك، وكانت القراءة في منزله- يومئذ- في البستان الذي له عند باب النخل، فاجتمع لذلك خلق كثير من الفقهاء، والأعيان، واستمرت قراءة الكتاب إلى أن ختمه
(2) ".
وظل مقيماً في اليمن بقية عمره، حتى وافاه الأجل في شوال سنة 817 هـ.
وقد جال في البلاد شرقاً وغرباً، وجنوباً وشمالاً، والتقى بعدد كبير من علماء وقته، ومشايخ زمانه، غير من ذكر أخذ عنهم، واستفاد مماعندهم " كحمزة بن محمد" فقد قرأ عليه المصابيح
(3) و" غضنفر"
(4) و" ابن البخاري"
(5)،
--------------------------------------------
এবং বিচারকগণ ও ছাত্রবৃন্দ। তারা কিতাবটির সামনে দিয়ে সুলতানের দরজার দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন—কিতাবটি ছিল তিন খণ্ডের—তিনজন ব্যক্তি তা তাদের মাথায় করে বহন করছিলেন। যখন সেটি সুলতানের নিকট আনা হলো এবং তিনি তা উল্টিয়ে দেখলেন, তখন তিনি এর উক্ত লেখককে তিন হাজার দিনার পুরস্কার প্রদান করলেন"
(১)।
এই পাঠ্যের বাহ্যিক রূপ থেকে আমরা বলতে পারি: "নিশ্চয়ই লেখক তার রচিত গ্রন্থ (আল-ইসআদ) সুলতান আল-আশরাফকে উপহার দিয়েছিলেন, সুলতান আন-নাসিরকে নয়, যেমনটি ইবনে হাজার উল্লেখ করেছেন।
সম্মান ও সমাদর কেবল সুলতান ও তাঁর পুত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সকল মানুষই তাঁকে সম্মান করতেন এবং ভালোবাসতেন। পাশাপাশি তিনি উলামা, বিচারক, ফকিহ এবং ইলম অন্বেষণকারীদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা লাভ করেছিলেন, কারণ তাঁর কাছে তাঁরা প্রচুর জ্ঞান পেয়েছিলেন যা তাঁর মেঘমালা থেকে তাঁদের ওপর বর্ষিত হতো... তাই ছাত্র, আলেম, বিচারক এবং ফকিহগণ তাঁর কাছে আসতেন তাঁর থেকে জ্ঞান আহরণ করার জন্য। "৮০১ হিজরি সালের রজব মাসের প্রথম দিনে জাবিদ শহরে ফকিহগণ একত্রিত হন এবং তৎকালীন প্রধান বিচারপতি কাজী মাজদুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আশ-শিরাজীর নিকট গমন করেন। তাঁরা তাঁর কাছে (সহিহ আল-বুখারি) শ্রবণ করার অনুরোধ করেন, তিনি তাঁদের অনুরোধ রক্ষা করেন। তখন পাঠের আসরটি তাঁর বাড়িতে—বাবুন নাখলের কাছে তাঁর যে বাগান ছিল সেখানে—অনুষ্ঠিত হতো। এতে বহু ফকিহ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তি সমবেত হতেন। কিতাবটি সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত পাঠ অব্যাহত ছিল
(২)।"
তিনি তাঁর জীবনের অবশিষ্ট সময় ইয়েমেনেই অবস্থান করেন, অবশেষে ৮১৭ হিজরি সালের শাওয়াল মাসে তাঁর মৃত্যু হয়।
তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য এবং উত্তর ও দক্ষিণ—সর্বত্র ভ্রমণ করেন এবং তাঁর সময়ের বিপুল সংখ্যক আলেম ও শাইখদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। যাদের কথা আগে উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরা ছাড়াও আরও অনেকের নিকট থেকে তিনি শিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং তাঁদের জ্ঞান থেকে উপকৃত হয়েছেন, যেমন "হামজা ইবনে মুহাম্মদ", যাঁর কাছে তিনি আল-মাসাবিহ পাঠ করেছিলেন
(৩), এবং "গাজানফার"
(৪) ও "ইবনুল বুখারি"
(৫),
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ২০)
وتلاميذ " الشرف الدمياطي"
(1) وتلاميذ " النجيب الحراني"
(2). وقد جمع مشيخته
(3)، وخرجها الجمال بن موسى المراكشي
(4).
تلاميذه:كان لرحلاته الآنفة الذكر أثر كبير في ضخامة عدد شيوخه، وفي عدد تلاميذه أيضاً.
ومن أشهر من أخذ عنه:
إبراهيم بن رضوان الشيخ برهان الدين الحلبي الشافعي. (ت 850 هـ)
(5) … .
أبو الحسن إبراهيم بن عمر بن حسن الرباط بن علي بن أبي بكر البقاعي (809 - 885 هـ)
(6).
الموفق الأبي
(7).
أحمد بن إسماعيل بن العباس، الملك الرسولي (ت 827 هـ)
(8).
--------------------------------------------
এবং "আশ-শরাফ আদ-দামিয়াতি"
(১)-এর ছাত্রগণ ও "আন-নাজীব আল-হাররানি"
(২)-এর ছাত্রগণ। তিনি তাঁর মাশায়াখদের তালিকা (মাশয়াখাহ্)
(৩) সংকলন করেছেন এবং আল-জামাল বিন মুসা আল-মাররাকুশি
(৪) তা তাখরিজ করেছেন।
তাঁর ছাত্রগণ:পূর্বোক্ত তাঁর সফরসমূহের বড় ধরনের প্রভাব ছিল তাঁর শাইখদের এবং সেই সাথে তাঁর ছাত্রদের সংখ্যার বিশালতার ওপর।
যাঁরা তাঁর কাছ থেকে জ্ঞান আহরণ করেছেন তাঁদের মধ্যে প্রসিদ্ধ হলেন:
ইব্রাহিম বিন রিদওয়ান শাইখ বুরহানউদ্দিন আল-হালাবি আশ-শাফিয়ি। (মৃত্যু ৮৫০ হিজরি)
(৫) … ।
আবুল হাসান ইব্রাহিম বিন উমর বিন হাসান আর-রিবাত বিন আলি বিন আবু বকর আল-বিকাঈ (৮০৯ - ৮৮৫ হিজরি)
(৬)।
আল-মুওয়াফফাক আল-উবি
(৭)।
আহমদ বিন ইসমাঈল বিন আল-আব্বাস, আল-মালিক আর-রাসুলি (মৃত্যু ৮২৭ হিজরি)
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ২১)
أحمد بن علي بن حجر الحافظ (773 - 852 هـ)
(1).
أحمد بن علي بن عبدالقادر، تقي الدين، المقريزي، الحنفي، مؤرخ الديار المصرية، صاحب كتاب (خطط المقريزي) (766 - 845 هـ)
(2).
الأشرف إسماعيل بن العباس، أبو الناصر المتقدم، من ملوك الدولة الرسولية، (761 - 803)
(3).
خليل بن أيبك بن عبدالله الصفدي، صلاح الدين
(4).
التقي بن فهد المكي
(5).
عبدالرحيم الإسنوي الشافعي، أبو محمد جمال الدين، صاحب الطبقات (704 - 772)
(6).
عبدالله بن عبدالرحمن بن عقيل (694 - 769 هـ)
(7).
عبدالله الناشري، اليمني، نزيل مكة (ت 886 هـ)
(8).
عبدالله بن يوسف، المعروف بابن هشام (708 - 761 هـ)
(9).
نور الدين علي بن محمد بن الحسن المعروف بـ (العليف)، العكي، العدناني، المكي، الشافعي (870 - 847 هـ)
(10).
--------------------------------------------
আহমদ ইবনে আলী ইবনে হাজার আল-হাফিজ (৭৭৩ - ৮৫২ হিজরি)
(১).
আহমদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল কাদির, তাকিউদ্দীন, আল-মাকরিজি, আল-হানাফি, মিশরের ইতিহাসবিদ, (খিতাত আল-মাকরিজি) গ্রন্থের লেখক (৭৬৬ - ৮৪৫ হিজরি)
(২).
আল-আশরাফ ইসমাইল ইবনুল আব্বাস, আবু আল-নাসির আল-মুতাকদ্দিম, রাসুলি রাজবংশের রাজাদের অন্যতম, (৭৬১ - ৮০৩)
(৩).
খলিল ইবনে আইবাক ইবনে আব্দুল্লাহ আল-সাফাদি, সালাহুদ্দীন
(৪).
আল-তাকি ইবনে ফাহাদ আল-মাক্কি
(৫).
আব্দুর রহিম আল-ইসনাওয়ি আল-শাফেয়ি, আবু মুহাম্মদ জামালুদ্দীন, আত-তবকাত গ্রন্থের লেখক (৭০৪ - ৭৭২)
(৬).
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আকিল (৬৯৪ - ৭৬৯ হিজরি)
(৭).
আব্দুল্লাহ আল-নাশিরি, আল-ইয়ামানি, মক্কায় বসবাসকারী (মৃত্যু ৮৮৬ হিজরি)
(৮).
আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ, ইবনে হিশাম নামে পরিচিত (৭০৮ - ৭৬১ হিজরি)
(৯).
নূরুদ্দীন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান (আল-আলিফ) নামে পরিচিত, আল-আক্কি, আল-আদনানি, আল-মাক্কি, আল-শাফেয়ি (৮৭০ - ৮৪৭ হিজরি)
(১০).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ২২)
ابن قحروان المقرئ
(1).
محمد بن إبراهيم بن أحمد بن أبي بكر بن عبدالوهاب، الجمال، أبو المحاسن، المكي، الحنفي (770 - 839 هـ).
تقي الدين محمد بن أحمد الحسني الفاسي المكي (775 - 833 هـ)
(2).
محمد بن عبد الله بن ظهيرة بن أحمد بن عطية، بن ظهيرة، القرشي المكي (817 هـ).
جمال الدين محمد بن موسى المراكشي المكي، أبو البركات، سبط الشيخ عبد الله اليافعي (787 - 823 هـ)
(3).
يحيى بن محمد بن يوسف السعيدي، تقي الدين ابن الكرماني، أبوه شمس الدين الكرماني (762 - 833 هـ)
(4).
تصانيفه:
أولاً: في التفسير:تذكر المصادر أنه ألف في التفسير عدداً من الكتب والرسائل وهي:
بصائر ذوي التمييز في لطائف الكتاب العزيز
(5).
تنوير المقباس في تفسير ابن عباس
(6).
كتاب تيسير فاتحة الإهاب في تفسير فاتحة الكتاب
(7).
--------------------------------------------
ইবনে কাহরুওয়ান আল-মুকরি
(১)।
মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আহমাদ বিন আবি বকর বিন আব্দুল ওয়াহাব, আল-জামাল, আবু আল-মাহাসিন, আল-মাক্কি, আল-হানাফি (৭৭০ - ৮৩৯ হিজরি)।
তাকিউদ্দীন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-হাসানি আল-ফাসি আল-মাক্কি (৭৭৫ - ৮৩৩ হিজরি)
(২)।
মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জুহাইরা বিন আহমাদ বিন আতিয়্যাহ, বিন জুহাইরা, আল-কুরাশি আল-মাক্কি (৮১৭ হিজরি)।
জামালউদ্দীন মুহাম্মদ বিন মুসা আল-মাররাকুশি আল-মাক্কি, আবু আল-বারাকাত, শায়খ আব্দুল্লাহ আল-ইয়াফি-এর দৌহিত্র (৭৮৭ - ৮২৩ হিজরি)
(৩)।
ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আস-সাঈদি, তাকিউদ্দীন ইবনুল কিরমানি, তাঁর পিতা শামসুদ্দীন আল-কিরমানি (৭৬২ - ৮৩৩ হিজরি)
(৪)।
তাঁর রচনাবলি:
প্রথমত: তাফসীর শাস্ত্রে:উৎসসমূহ উল্লেখ করে যে, তিনি তাফসীর বিষয়ে বেশ কিছু গ্রন্থ ও পুস্তিকা রচনা করেছেন, সেগুলো হলো:
বাসাইরু যাউয়িত তাময়িয ফি লাতায়েফিল কিতাবিল আজিজ
(৫)।
তানভীরুল মিকবাস ফি তাফসীর ইবনে আব্বাস
(৬)।
কিতাবু তায়সিরি ফাতিহাতিল ইহাব ফি তাফসীরি ফাতিহাতিল কিতাব
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ২৩)
حاصل كورة الخلاص في فضائل سورة الإخلاص
(1).
الدر النظيم المرشد إلى مقاصد القرآن العظيم
(2).
شرحان لخطبة الكشاف، أولهما:" قطبة الخشاف لحل خطبة الكشاف".
… وثانيهما:" نغبة الرشاف من خطبة الكشاف
(3).
ثانياً: في الحديث:كتب المجد عدداً من المؤلفات في الحديث ومايتصل به من علوم، وكانت معظم مؤلفاته جمعاً لأحاديث في موضوع معين أو شرحاً لكتاب في الحديث، وقد اختفت أكثر كتبه، وأهمها:
الأحاديث الضعيفة - مجلدات
(4) - قال صاحب الري الصادي: في أربع مجلدات
(5)، وقد عمله للناصر
(6).
أرجوزة في مصطلح الحديث.
امتضاض السهاد في افتراض الجهاد- مجلد
(7) -.
بلاغ التلقين في غرائب اللعين
(8).
--------------------------------------------
সূরা ইখলাসের ফযীলত সম্পর্কে মুক্তির সারসংক্ষেপ
(১)।
মহাগ্রন্থ কুরআনের লক্ষ্যসমূহের পথপ্রদর্শক সুশৃঙ্খল মুক্তামালা
(২)।
কাশশাফের খুতবার দুটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ, প্রথমটি হলো: "কাশশাফের খুতবা সমাধানের জন্য কুতবাতুল খাশশাফ"।
... এবং দ্বিতীয়টি হলো: "কাশশাফের খুতবা থেকে এক ঢোক পানীয়"
(৩)।
দ্বিতীয়ত: হাদীস শাস্ত্রে:আল-মাজদ হাদীস এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট জ্ঞানশাখাসমূহে বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর অধিকাংশ রচনাই ছিল কোনো বিশেষ বিষয়ের হাদীস সংকলন অথবা কোনো হাদীস গ্রন্থের ব্যাখ্যা। তাঁর অধিকাংশ কিতাবই হারিয়ে গেছে, সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো:
দুর্বল হাদীসসমূহ - কয়েক খণ্ড
(৪) - 'আর-রাইয়ুস সাদি'র লেখক বলেছেন: এটি চার খণ্ডে সমাপ্ত
(৫), এবং তিনি এটি আন-নাসিরের জন্য রচনা করেছিলেন
(৬)।
হাদীস পরিভাষা বিষয়ক একটি কাব্যগ্রন্থ।
জিহাদ ফরয হওয়া প্রসঙ্গে অনিদ্রার দহন - এক খণ্ড
(৭) -।
অভিশপ্তের বিচিত্র বিষয়াবলি বর্ণনায় শিক্ষাদান
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-মাগানিমুল মুতাবা ফি মাআলিম তাবা
(পৃষ্ঠা: ২৪)
التجاريح في فوائد متعلقة بأحاديث المصابيح، والمصابيح هي مصابيح السنة للبغوي (- 516 هـ)
(1).
تسهيل طريق الوصول إلى الأحاديث الزائدة على جامع الأصول " ألفه للناصر بن الأشرف
(2)، وهي في أربعة مجلدات
(3).
تعيُّن الغرفات للمعين على عين عرفات
(4).
الدّرُّ الغالي في الأحاديث العوالي
(5).
رسالة في بيان مالم يثبت فيه حديث صحيح من الأبواب.
شوارق الأسرار العلية، في شرح مشارق الأنوار النبوية، من صحاح الأخبار المصطفوية
(6). وهو -كما يدل عليه اسمه- شرح لكتاب الصغاني " مشارق الأنوار ..
(7) " وهو أربع مجلدات
(8).
الصلات والبشر في الصلاة على خير البشر
(9).
عُدّة الحكام في شرح عمدة الأحكام" مجلدان - وهو شرح لعمدة الأحكام عن سيد الأنام- لعبدالغني عبدالواحد (600 هـ)
(10).
--------------------------------------------
'আত-তাজারীহ ফী ফাওয়াইদা মুতাআল্লিকা বি-আহাদীসিল মাসাবীহ', আর 'আল-মাসাবীহ' হলো আল-বাগাওয়ী (মৃ. ৫১৬ হি.)-এর 'মাসাবীহুস সুন্নাহ'
(১)।
'তাসহীলু ত্বরীকিল উসূল ইলাল আহাদীসিয যাইদা আলা জামিউল উসূল'। এটি তিনি আন-নাসির বিন আল-আশরাফের জন্য রচনা করেছেন
(২), যা চার খণ্ডে সমাপ্ত
(৩)।
'তায়ীনুল গুরাফাত লিল মুঈন আলা আইনি আরাফাত'
(৪)।
'আদ-দুররুল গালী ফিল আহাদীসিল আওয়ালী'
(৫)।
অধ্যায়সমূহের মধ্যে যেসব বিষয়ে সহীহ হাদীস প্রমাণিত নেই তার বর্ণনা সম্বলিত পুস্তিকা।
'শাওয়ারিকুল আসরারিল আলিয়্যাহ, ফী শারহি মাশারিকিল আনওয়ারিন নাবাওয়িয়্যাহ, মিন সিহাহিল আখবারিল মুসত্বাফাওয়িয়্যাহ'
(৬)। এটি—যেমনটি এর নাম নির্দেশ করে—আস-সাগানী রচিত 'মাশারিকিল আনওয়ার...' কিতাবের ব্যাখ্যাগ্রন্থ
(৭)। এটি চার খণ্ডে বিভক্ত
(৮)।
'আস-সিলাতু ওয়াল বিশরু ফিস সলাতি আলা খইরিল বাশার'
(৯)।
'উদ্দাতুল হুক্কাম ফী শারহি উমদাতিল আহকাম' দুই খণ্ড—এটি আব্দুল গনী আব্দুল ওয়াহিদ (মৃ. ৬০০ হি.) রচিত 'উমদাতুল আহকাম আন সাইয়্যিদিল আনাম'-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ
(১০)।
--------------------------------------------