(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: -)
ابن رجب الحنبلي وأثره في توضيح عقيدة السلف   (عبد الله بن سليمان الغفيلي)

القسم: العقيدة


الكتاب: ابن رجب الحنبلي وأثره في توضيح عقيدة السلف

المؤلف: الدكتور عبد الله بن سليمان الغفيلي

تقديم: الشيخ صالح بن فوزان الفوزان، والشيخ حماد بن محمد الأنصاري

الناشر: دار المسير، الرياض - المملكة العربية السعودية

الطبعة: الأولي، 1418 هـ - 1998 م

عدد الصفحات: 861

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الآخر 1442

ইবনে রজব আল-হাম্বলী এবং সালাফদের আকিদা স্পষ্টকরণে তাঁর প্রভাব   (আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-গুফাইলি)

বিভাগ: আকিদা


বই: ইবনে রজব আল-হাম্বলী এবং সালাফদের আকিদা স্পষ্টকরণে তাঁর প্রভাব

লেখক: ডক্টর আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-গুফাইলি

উপস্থাপনা: শায়খ সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান, এবং শায়খ হাম্মাদ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী

প্রকাশক: দার আল-মুসাইর, রিয়াদ - সৌদি আরব রাজ্য

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৬১

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউস সানি ১৪৪২

(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১)
ابْن رَجَب الحَنبلي

وَأثرهُ في توضِيْح عَقيِدة السَّلفْ

 

تَأليفْ

الدّكتور عَبْد الله بن سُلَيمان الغُفيلي

الأستاذ المشارك بكلية الدّعوة وأصول الديْن

بالجامعة الإسْلاميّة بالمدينة المنورّة

 

تقْديم

الشيْخ صَالِح بنُ فوزان الفَوزانْ

والشيْخ حمّادُ بن محمَّد الأنصَاري

 

دار المسير
ইবনে রজব আল-হাম্বলী

সালাফদের আকিদা স্পষ্টকরণে তাঁর প্রভাব

 

রচনা

ডক্টর আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-গুফাইলি

দাওয়াহ ও উসুলুদ্দীন অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক

মদিনা মুনাওয়ারা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে

 

উপস্থাপনা

শায়খ সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান

এবং শায়খ হাম্মাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারি

 

দারুল মাসীর
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২)
ابْن رَجَبْ الحَنْبلي

وَأثرهُ في توضِيْح عَقِيْدة السَّلفْ

 

تَأليفْ

الدّكتور عَبْد الله بن سُليمَان الغفْيلي

الأستاذ المشارك بكلية الدعْوة وأصول الديْن

بالجامعة الإسْلاميّة بالمدينة المنوّرة

 

تقْديم

الشيْخ صَالِح بنْ فوزان الَفوزانْ

والشيْخ حَمادْ بن محمَّد الأنَصاريْ

 

المجَلّد الأوّل

 

دار المسير
ইবনে রজব আল-হাম্বলী

এবং সালাফগণের আকিদা ব্যাখ্যায় তাঁর প্রভাব

 

রচনায়

ডক্টর আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-গুফাইলি

দাওয়া ও উসুলুদ দ্বীন অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক

মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়

 

উপস্থাপনায়

শাইখ সালেহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান

এবং শাইখ হাম্মাদ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারী

 

প্রথম খণ্ড

 

দারুল মাসীর
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ৩)
جَميْع الحقُوق محْفوظة

الطّبعَة الأولي

1418 هـ/ 1998 م

 

دار المسير

الممْلكة العَربيّة السّعُوديّة

الريَاضْ: 11478 - صَ بْ: 34853

هَاتفْ وفاكسْ: 4300500
সকল স্বত্ব সংরক্ষিত

প্রথম সংস্করণ

১৪১৮ হিজরি/ ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ

 

দার আল-মাসীর

সৌদি আরব সাম্রাজ্য

রিয়াদ: ১১৪৭৮ - পোস্ট বক্স: ৩৪৮৫৩

ফোন ও ফ্যাক্স: ৪৩০০৫০০
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌تقريظ فضيلة الشيخ: صالح بن فوزان الفوزان

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله وحده. والصلاة والسلام على من لا نبي بعده. نبينا محمد وعلى آله وصحبه وبعد: فقد قرأت الكتاب الذي ألفه فضيلة الشيخ الدكتور: عبد الله بن سليمان الغفيلي بعنوان: "ابن رجب الحنبلي وأثره في توضيح عقيدة السلف" فوجدته كتابًا وافيًا في موضوعه مفيدًا في محتواه حيث تناول شخصية علمية من أعظم الشخصيات في الإسلام، ألا وهي شخصية الإمام الحافظ ابن رجب الحنبلي وما قدمه ذلك الإمام من آثار علمية في مجالات مختلفة مما أثرى المكتبة الإسلامية ونقل علم السلف النقي الخالص إلى أتباعهم من الخلف الذين اتبعوهم بإحسان ورفضوا السير خلف غيرهم فكان هذا الكتاب الذي أعده أخونا الشيخ: عبد الله الغفيلي بمثابة المنظار الصافي الذي يطلع من قرأه على مكانة الإمام ابن رجب رحمه الله وقيمة مؤلفاته العلمية في أعظم أبواب العلم وهو باب العقيدة. وتبقى آثاره الحديثية، وآثاره الأصولية، وآثاره الفقهية مجالات أخرى لمن يريد إبرازها من الباحثين وإنها لمفخرة عظيمة أن يقوم الباحثون منا بتجلية مواقف أئمتنا وبيان آثارهم العلمية حتى يحذو حذوهم ويقتدي بهم كل من أراد أن يدعو إلى الله على بصيرة. ومن أراد أن يبين الطريق الصحيح الذي كان عليه سلف الأمة وأئمتها في وقت كثر فيه أدعياء العلم ومن ينتحلون الدعوة وهم على غير بصيرة وإنما ينتهجون مناهج من هنا وهناك مخالفة لمنهج الكتاب والسنة في الدعوة إلى الله
প্রশংসা বাণী সম্মানিত শায়খ: সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর ওপর যাঁর পরে কোনো নবী নেই। আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর। অতপর: আমি সেই বইটি পাঠ করেছি যা রচনা করেছেন সম্মানিত শায়খ ডক্টর: আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-গুফাইলি, যার শিরোনাম: "ইবন রজব আল-হাম্বলী এবং সালাফদের আকিদাহ স্পষ্টীকরণে তাঁর প্রভাব"। আমি এটিকে এর বিষয়ের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ এবং এর বিষয়বস্তুর দিক থেকে একটি উপকারী বই হিসেবে পেয়েছি। এতে ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এক ইলমি ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, আর তিনি হলেন ইমাম হাফিয ইবন রজব আল-হাম্বলী। এই ইমাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে ইলমি অবদান রেখে গেছেন তা ইসলামি লাইব্রেরিকে সমৃদ্ধ করেছে এবং সালাফদের স্বচ্ছ ও বিশুদ্ধ জ্ঞানকে তাঁদের পরবর্তী অনুসারীদের (খালাফ) নিকট পৌঁছে দিয়েছে, যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করেছেন এবং অন্যদের পথ অনুসরণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আমাদের ভাই শায়খ আব্দুল্লাহ আল-গুফাইলি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত এই বইটি একটি স্বচ্ছ দর্পণের ন্যায়, যা এর পাঠকারীকে ইমাম ইবন রজব (রাহিমাহুল্লাহ)-এর মর্যাদা এবং ইলমের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় অর্থাৎ আকিদাহর ক্ষেত্রে তাঁর ইলমি রচনাবলির গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত করে। এছাড়া হাদিস, উসুল এবং ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর অন্যান্য কাজগুলো গবেষকদের জন্য গবেষণার ক্ষেত্র হিসেবে রয়ে গেছে যারা সেগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে চান। এটি আমাদের গবেষকদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয় যে, তাঁরা আমাদের ইমামদের অবস্থান পরিষ্কার করছেন এবং তাঁদের ইলমি অবদানগুলো বর্ণনা করছেন, যাতে যারা বসিরাত বা সুস্পষ্ট জ্ঞানের সাথে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিতে চান তারা যেন তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারেন এবং তাঁদের আদর্শ গ্রহণ করতে পারেন। আর যারা সেই সঠিক পথটি স্পষ্ট করতে চান যার ওপর উম্মাহর সালাফ এবং ইমামগণ অটল ছিলেন, এমন এক সময়ে যখন ইলমের ভণ্ড দাবিদার এবং বসিরাতহীন দাঈদের সংখ্যা বেড়ে গেছে; যারা আল্লাহর দিকে দাওয়াতের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর মানহাজের পরিপন্থী বিভিন্ন ভ্রান্ত মতবাদ ও পদ্ধতি অবলম্বন করছে।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ৬)
ومخالفة لمنهج السلف حتى أصبحت في الغالب دعوة إلى الفتنة والاختلاف. ورحم الله الإمام مالك حيث قال: لا يصلح آخر هذه الأمة إلا ما أصلح أولها، -وأخيرًا نقول للشيخ عبد الله الغفيلي ولإخوانه المتبصرين من شباب هذه الأمة مزيدا من البحث عن مواقف الأئمة المصلحين وآثارهم المفيدة. ليتضح الطريق الصحيح أمام من يريد الحق. ولكم من الله المعونة وجزيل المثوبة ودعوات المخلصين- وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.

 

وكتبه: صالح بن فوزان بن عبد الله الفوزان

عضو اللجنة الدائمة للبحوث العلمية والإفتاء

وعضو هيئة كبار العلماء
এবং এটি সালাফদের মানহাজের পরিপন্থী, এমনকি এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফিতনা এবং মতভেদের আহ্বানে পর্যবসিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইমাম মালিকের ওপর রহম করুন, যখন তিনি বলেছিলেন: "এই উম্মতের শেষাংশকে তা ছাড়া অন্য কিছুই সংশোধন করতে পারবে না, যা এর প্রথমাংশকে সংশোধন করেছিল।" পরিশেষে আমরা শেখ আব্দুল্লাহ আল-গুফাইলি এবং এই উম্মতের দূরদর্শী যুবকদের মধ্যে যারা তাঁর ভাই, তাদের বলব যেন তারা সংস্কারক ইমামগণের অবস্থান এবং তাঁদের উপকারী রচনাবলি সম্পর্কে আরও অধিক অনুসন্ধান করেন; যাতে সত্য অন্বেষণকারীর সম্মুখে সঠিক পথ সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য রয়েছে সাহায্য, মহাপুরস্কার এবং মুখলিসদের দুআ। আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

 

এটি লিখেছেন: সালেহ বিন ফাওজান বিন আব্দুল্লাহ আল-ফাওজান

সদস্য, ইলমি গবেষণা ও ইফতা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি

এবং সদস্য, সিনিয়র উলামা পরিষদ
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌تقريظ فضيلة الشيخ: حماد بن محمد الأنصاري

بسم الله الرحمن الرحيم. وبه ثقتي.

الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على نبينا محمد وآله وصحبه والتابعين لهم بإحسان.

هذا فرسالة الدكتور عبد الله بن سليمان الغفيلي التي تحمل العنوان التالي: "ابن رجب الحنبلي وأثره في العقيدة السلفية" قد بذل فيها الباحث جهدًا مشكورًا على أن هذه الرسالة تعد أول دراسة من نوعها لعقيدة الحافظ عبد الرحمن بن أحمد أبي الفرج الدمشقي الحنبلي السلفية.

وكانت هذه الرسالة قد شملت في دراستها لعقيدة أبي الفرج وجوهًا عديدة:

1 - حصر مؤلفات الحافظ ابن رجب في العقيدة وغيرها مطبوعة ومخطوطة.

2 - تركيزه على ما يتعلق بالعقيدة السلفية من مؤلفات ابن رجب إضافة إلى البحوث التي أخذها الباحث من مختلف كتب ابن رجب.

وقد توج الرسالة بفهارس فنية شاملة تساعد القارئ على ما يريد في هذه الرسالة القيمة الفريدة في موضوعها بيسر وسهولة وأسأل الله العلي القدير أن يجزي جامعها خير الجزاء وأن ينفع بها قارئها وكاتبها والله ولي التوفيق.

 

كتبه أبو عبد اللطيف حماد بن محمد الأنصاري
শ্রদ্ধেয় শাইখ হাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারীর প্রশংসামূলক অভিমত

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। তাঁর ওপরই আমার আস্থা।

সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ এবং নিষ্ঠার সাথে তাদের অনুসারীগণের ওপর।

এটি ডক্টর আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-গুফাইয়্যালীর গবেষণা প্রবন্ধ যার শিরোনাম: "ইবনে রজব আল-হাম্বলী এবং সালাফী আকিদাহর ওপর তাঁর প্রভাব"। গবেষক এতে প্রশংসনীয় প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন; মূলত এই প্রবন্ধটি হাফেজ আব্দুর রহমান বিন আহমাদ আবু আল-ফারাজ আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলীর সালাফী আকিদাহ বিষয়ক গবেষণার ক্ষেত্রে আপন বৈশিষ্ট্যে প্রথম কাজ হিসেবে গণ্য।

এই গবেষণা প্রবন্ধটি আবু আল-ফারাজের আকিদাহ পর্যালোচনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত করেছে:

১ - আকিদাহ ও অন্যান্য বিষয়ে হাফেজ ইবনে রজবের মুদ্রিত ও পাণ্ডুলিপি আকারে বিদ্যমান রচনাবলির তালিকা প্রণয়ন করা।

২ - ইবনে রজবের রচনাবলি থেকে বিশেষ করে সালাফী আকিদাহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ওপর নিবিষ্ট হওয়া, এর পাশাপাশি গবেষক ইবনে রজবের বিভিন্ন কিতাব থেকে যে সকল তাত্ত্বিক আলোচনা আহরণ করেছেন তার সংযোজন।

গবেষণাটির শেষে একটি ব্যাপক কারিগরি নির্ঘণ্ট যুক্ত করে একে পূর্ণতা দেওয়া হয়েছে, যা পাঠককে এই অনন্য ও মূল্যবান গবেষণাপত্র থেকে তার কাঙ্ক্ষিত বিষয়টি অত্যন্ত সহজে ও সাবলীলভাবে খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এর সংকলককে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন এবং এর মাধ্যমে এর পাঠক ও লেখককে উপকৃত করেন। আল্লাহই তাওফিক দাতা।

 

লিখেছেন: আবু আব্দুল লতিফ হাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারী
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ৮)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌المقدمة

إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.

{يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ (102)}(1) {يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا (1)}(2) {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا (71)}(3)(4).

أما بعد: فإن علم التوحيد أشرف العلوم وأجلها قدرًا، وأوجبها

--------------------------------------------

(1) سورة آل عمران آية (102).

(2) سورة النساء آية (1).

(3) سورة الأحزاب الآيتان (70 - 71).

(4) هذه الخطبة تسمى خطبة الحاجة، وهي تشرع بين يدي كل حاجة وهي مأثورة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم. أخرجها مسلم (2/ 593) وأبو داود (1/ 659) والنسائي (1/ 208) وابن ماجه (1/ 609) وغيرهم. وانظر تخريجها للشيخ ناصر الدين الألباني بعنوان "خطبة الحاجة التي كان الرسول صلى الله عليه وسلم يعلمها أصحابه".
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌ভূমিকা

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁরই কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তাকে বিভ্রান্ত করার কেউ নেই; আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসুল।

{হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম হওয়া ছাড়া মৃত্যুবরণ করো না (১০২)}(১) {হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রবের তাকওয়া অবলম্বন করো, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের উভয় থেকে অনেক পুরুষ ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখেন (১)}(২) {হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো (৭০)। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য অর্জন করবে (৭১)}(৩)(৪)।

অতঃপর: নিশ্চয়ই তাওহীদের জ্ঞান ইলমসমূহের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, সম্মানের দিক থেকে মহান এবং সবচেয়ে বেশি আবশ্যিক।

--------------------------------------------

(১) সূরা আলে ইমরান, আয়াত (১০২)।

(২) সূরা আন-নিসা, আয়াত (১)।

(৩) সূরা আল-আহযাব, আয়াতদ্বয় (৭০ - ৭১)।

(৪) এই ভাষণটিকে খুতবাতুল হাজাহ (প্রয়োজনের ভাষণ) বলা হয়। এটি যে কোনো প্রয়োজনের শুরুতে পাঠ করা বিধেয় এবং এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। এটি মুসলিম (২/ ৫৯৩), আবু দাউদ (১/ ৬৫৯), নাসায়ি (১/ ২০৮), ইবনে মাজাহ (১/ ৬০৯) ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। শেখ নাসিরুদ্দীন আলবানী কর্তৃক সম্পাদিত এর তাহকীক দেখুন, যার শিরোনাম: "খুতবাতুল হাজাহ যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের শিক্ষা দিতেন"।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ৯)
مطلبًا لأنه العلم بالله تعالى وبأسمائه وصفاته وحقوقه على عباده، ولأنه مفتاح الطريق إلى الله تعالى، وأساس شرائعه، ولذا أجمعت الرسل على الدعوة إليه قال الله تعالى: {وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلَّا نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدُونِ (25)}(1).

وشهد الله لنفسه تعالى بألوهيته وحده وشهد بها له ملائكته وأهل العلم قال الله تعالى: {شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَالْمَلَائِكَةُ وَأُولُو الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ (18)}(2).

ولما كان هذا شأن التوحيد كان واجبًا على كل مسلم أن يعتني به تعلمًا وتعليمًا واعتقادًا وعملًا ليبني دينه على أساس سليم وطريق قويم يسعد بثمراته ونتائجه في الدنيا والآخرة، فالعقيدة الإسلامية هي قوام المجتمع المسلم الذي لا يمكن أن يكون له بناء بدونها.

وأنا أعتقد اعتقادا جازما أن منهج أهل السنة والجماعة في فهم العقيدة الإسلامية هو المنهج الصحيح الذي يجب السير عليه والعمل بمقتضاه في كل زمان ومكان لمن أراد أن يسلك سبيل النجاة والفلاح، لأن أعداء الإسلام والمسلمين قد بذلوا كل ما يستطيعون لإبعاد المسلمين عن دينهم الحق وعقيدتهم السليمة كي يستطيعوا تحقيق أغراضهم الفاسدة، فابن سبأ(3) اليهودي الذي أدخل على المسلمين عقائد تشوه جمال دينهم وتحطم بنيانه، كان من أول أعداء المسلمين الذين بثوا

--------------------------------------------

(1) سورة الأنبياء آية (25).

(2) سورة آل عمران آية (18).

(3) هو عبد الله بن سبأ رأس الطائفة السبئية، وكانت تقول بألوهية علي، أصله من اليمن، كان يهوديًا، وأظهر الإسلام لتفريق كلمة المسلمين، وكان من غلاة الزنادقة، وكان يقال له "ابن السوداء" لسواد أمه. قال الذهبي: ضال مضل أحسب أن عليًا حرّقه بالنار، هلك سنة 40 هـ.

ميزان الاعتدال (2/ 426) ولسان الميزان (3/ 289) والأعلام للزركلي (4/ 88).
একটি মহত্তম লক্ষ্য; কারণ এটি মহান আল্লাহ সম্পর্কে, তাঁর নামসমূহ, গুণাবলী এবং তাঁর বান্দাদের ওপর তাঁর অধিকার সংক্রান্ত জ্ঞান। এটি মহান আল্লাহর দিকে যাওয়ার পথের চাবিকাঠি এবং তাঁর শরীয়তসমূহের ভিত্তি। এই কারণেই সকল রাসূল একে প্রচার করার ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। মহান আল্লাহ বলেছেন: "আপনার পূর্বে আমি এমন কোনো রাসূল প্রেরণ করিনি যার প্রতি আমি এই ওহী নাযিল করিনি যে, আমি ব্যতীত আর কোনো সত্য উপাস্য নেই, সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদত করো (২৫)"(১)。

মহান আল্লাহ নিজের একত্ববাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তাঁর ফেরেশতামণ্ডলী ও জ্ঞানী ব্যক্তিগণও তাঁর এই একত্ববাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেছেন: "আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, নিশ্চয়ই তিনি ব্যতীত আর কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং ফেরেশতাগণ ও জ্ঞানী ব্যক্তিগণও (সাক্ষ্য দিয়েছেন), তিনি ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি ব্যতীত আর কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় (১৮)"(২)。

তাওহীদের গুরুত্ব যেহেতু এমন, তাই প্রত্যেক মুসলিমের ওপর আবশ্যিক হলো এটি শিক্ষা করা, শিক্ষা দেওয়া, বিশ্বাস করা এবং আমল করার মাধ্যমে এর প্রতি যত্নবান হওয়া; যাতে সে তার দ্বীনকে একটি সঠিক ভিত্তি ও সুদৃঢ় পথের ওপর গড়ে তুলতে পারে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ফল ও পরিণতির মাধ্যমে সৌভাগ্যবান হতে পারে। কেননা ইসলামি আকীদাহ হলো মুসলিম সমাজের মূল ভিত্তি, যা ছাড়া এর কোনো কাঠামো গড়ে ওঠা সম্ভব নয়।

আর আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, ইসলামি আকীদাহ বোঝার ক্ষেত্রে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের মানহাজ বা কর্মপন্থা হলো সঠিক পথ, যার ওপর চলা এবং যার দাবি অনুযায়ী আমল করা প্রতিটি সময় ও স্থানে সেই ব্যক্তির জন্য অপরিহার্য যে মুক্তি ও সফলতার পথ অবলম্বন করতে চায়। কারণ ইসলাম ও মুসলিমদের শত্রুরা মুসলিমদেরকে তাদের সত্য দ্বীন ও সঠিক আকীদাহ থেকে বিচ্যুত করার জন্য তাদের সাধ্যমতো সবকিছুই ব্যয় করেছে যাতে তারা তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারে। ইহুদি ইবনে সাবা(৩), যে মুসলিমদের মধ্যে এমন সব আকীদাহ প্রবেশ করিয়েছিল যা তাদের দ্বীনের সৌন্দর্যকে বিকৃত করে এবং এর ভিত্তিকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, সে ছিল মুসলিমদের সেই প্রথম শত্রুদের অন্তর্ভুক্ত যারা ছড়িয়েছিল...

--------------------------------------------

(১) সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত (২৫)।

(২) সূরা আলে ইমরান, আয়াত (১৮)।

(৩) সে হলো সাবায়িয়া উপদলের প্রধান আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা। এই দলটি আলীর (রা.) রুবুবিয়াত বা প্রভুত্বের দাবি করত। তার আদি নিবাস ছিল ইয়ামান, সে ছিল একজন ইহুদি। মুসলিমদের ঐক্য বিনষ্ট করার জন্য সে বাহ্যিকভাবে ইসলাম প্রকাশ করেছিল। সে ছিল চরমপন্থী যিনদীকদের অন্তর্ভুক্ত। তার মায়ের কৃষ্ণাঙ্গ বর্ণের কারণে তাকে "ইবনুল সাওদা" (কৃষ্ণবর্ণার পুত্র) বলা হতো। ইমাম যাহাবী বলেন: সে ছিল পথভ্রষ্ট ও পথভ্রষ্টকারী, আমার ধারণা আলী (রা.) তাকে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন। সে ৪০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করে।

মীযানুল ইতিদাল (২/৪২৬), লিসানুল মীযান (৩/২৮৯) এবং আয-যিরিকলীর আল-আলাম (৪/৮৮)।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১০)
العقائد الفاسدة في صفوف المسلمين، الأمر الذي أصبح له الأثر الكبير على ما أصاب المسلمين فيما بعد من محن.

وقد تبع ابن سبأ أناس آخرون ساروا على نهجه في تحطيم كيان الأمة الإسلامية بما يقومون به من أعمال فاسدة أمثال بشر المريسي(1) والجعد بن درهم(2) والجهم بن صفوان(3) وغيرهم.

وقد حاول هؤلاء جميعًا القضاء على الإسلام والمسلمين، ولكن الله سبحانه وتعالى قد تكفل بحفظ هذا الدين كما قال تعالى: {إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ (9)}(4).

--------------------------------------------

(1) هو بشر بن غياث المريسي العدوي، معتزلي، عارف بالفلسفة، وإليه تنتسب الطائفة المريسية القائلة بالإرجاء، وكان أبوه يهوديًا وهو من أهل بغداد ينسب إلى درب المريس، قالوا في وصفه: كان قصيرًا دميم المنظر، وسخ الثياب، وافر الشعر، وقد رد عليه الدارمي رحمه الله في كتاب "النقض على بشر المريسي" هلك سنة 218 هـ.

ميزان الاعتدال (1/ 322) والأعلام للزركلي (2/ 55).

(2) هو الجعد بن درهم أصله من خراسان، مبتدع ضال، زعم أن الله لم يتخذ إبراهيم خليلًا ولم يكلم موسى، وقال بخلق القرآن ونفى القدر، قتله خالد بن عبد الله القسري سنة 118 هـ يوم النحر.

ميزان الاعتدال (1/ 399) والرد على الجهمية للدارمي (113) والأعلام (2/ 120).

(3) هو الجهم بن صفوان السمرقندي، أبو محرز، رأس الجهمية وإليه ينتسبون لأنه أول من نشر المذهب.

قال الذهبي: الضال المبتدع، رأس الجهمية، هلك في زمان أصغر التابعين وما علمته روى شيئًا، ولكنه زرع شرًا عظيمًا، قتله سلم بن أحوز سنة 128 هـ.

ميزان الاعتدال (1/ 426) والكامل لابن الأثير (5/ 343) والخطط للمقريزي (2/ 249).

(4) سورة الحجر آية (9).
মুসলমানদের মধ্যে ভ্রান্ত আকিদা-বিশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে, যা পরবর্তীকালে মুসলমানদের ওপর আপতিত বিপদ-মুসিবতের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল।

ইবনে সাবাকে আরও এমন কিছু লোক অনুসরণ করেছিল যারা তাদের ভ্রষ্ট কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসলামি উম্মাহর সত্তাকে ধ্বংস করার জন্য তার পথেই চলেছিল। যেমন- বিশর আল-মারিসি(১), জা'দ ইবনে দিরহাম(২), জাহম ইবনে সাফওয়ান(৩) এবং অন্যান্যরা।

তারা সকলে ইসলাম ও মুসলমানদের নির্মূল করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এই দ্বীনকে রক্ষা করার দায়িত্ব নিয়েছেন। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমিই উপদেশ (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই এর হেফাজতকারী (৯)"(৪)।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন বিশর ইবনে গিয়াস আল-মারিসি আল-আদাওয়ি, একজন মুতাযিলা, দর্শনশাস্ত্রে পারদর্শী। তার দিকেই মারিসিয়া নামক দলটি সম্পৃক্ত, যারা ইরজা-এর মতবাদে বিশ্বাসী। তার বাবা একজন ইহুদি ছিলেন এবং তিনি বাগদাদের অধিবাসী ছিলেন, তার নিসবত ছিল দারব আল-মারিস এর দিকে। তার বর্ণনায় তারা বলেছেন: তিনি খাটো, কুৎসিত চেহারার, অপরিচ্ছন্ন পোশাক পরিহিত এবং মাথায় অনেক চুল ছিল। ইমাম দারেমি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর 'আন-নাকদু আলা বিশর আল-মারিসি' গ্রন্থে তার প্রতিবাদ করেছেন। তিনি ২১৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

মিজানুল ইতিদাল (১/ ৩২২) এবং আল-আলাম লিয যিরিকলি (২/ ৫৫)।

(২) তিনি হলেন জা'দ ইবনে দিরহাম, তার আদি নিবাস খোরাসান। তিনি একজন পথভ্রষ্ট বিদআতি। তিনি দাবি করেছিলেন যে আল্লাহ ইব্রাহিমকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেননি এবং মূসার সাথে কথা বলেননি। তিনি কুরআন মাখলুক (সৃষ্ট) হওয়ার কথা বলতেন এবং তাকদির অস্বীকার করতেন। খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কাসরি ১১৮ হিজরিতে ঈদুল আযহার দিন তাকে হত্যা করেন।

মিজানুল ইতিদাল (১/ ৩৯৯), আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ লিদ দারেমি (১১৩) এবং আল-আলাম (২/ ১২০)।

(৩) তিনি হলেন জাহম ইবনে সাফওয়ান আস-সামারকান্দি, আবু মুহরিয। তিনি জাহমিয়্যাহদের প্রধান এবং তার দিকেই তাদের নিসবত করা হয়, কারণ তিনি সর্বপ্রথম এই মতবাদ প্রচার করেছিলেন।

ইমাম যাহাবি বলেন: তিনি একজন পথভ্রষ্ট বিদআতি, জাহমিয়্যাহদের প্রধান। তিনি কনিষ্ঠ তাবেঈদের যুগে ধ্বংস হয়েছেন। আমার জানামতে তিনি কোনো হাদিস বর্ণনা করেননি, তবে তিনি মহানিষ্টের বীজ বপন করে গেছেন। সালম ইবনে আহওয়ায ১২৮ হিজরিতে তাকে হত্যা করেন।

মিজানুল ইতিদাল (১/ ৪২৬), আল-কামিল লিইবনিল আসির (৫/ ৩৪৩) এবং আল-খুতাত লিল মাকরিযি (২/ ২৪৯)।

(৪) সূরা আল-হিজর, আয়াত (৯)।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১১)
فقد هيأ تبارك وتعالى من يرد كيد هؤلاء الحاقدين المفسدين في نحورهم إذ تصدى لهم علماء السنة وردوا كيدهم ودحضوا باطلهم بالحجج القوية القاطعة من كتاب الله سبحانه وتعالى وسنة رسوله صلى الله عليه وسلم كالإمام أحمد والبخاري وغيرهما، وأمثال الدارقطني وشيخ الإسلام ابن تيمية وتلميذه ابن قيم الجوزية وغيرهم رحمهم الله جميعًا.

وكان من جملة هؤلاء الأئمة المهتدين والدعاة المصلحين الذين عاشوا في القرن الثامن الهجري العلامة الحافظ عبد الرحمن بن أحمد بن رجب الحنبلي طيب الله ثراه وأكرم في الجنة مثواه، فقد عرف عنه رحمه الله تعالى الورع والعبادة والزهد، وقد ابتدأ في طلب العلم والحديث بصفة خاصة منذ نعومة أظفاره، فقضى حياته رحمه الله تعالى كلها في علم وعمل ودعوة وعبادة وتهجد ووعظ وإرشاد، وقد بارك الله له في أوقاته وعمله، فقد استفاد منه خلق كثير في حياته، ولا زال طلاب العلم ينتفعون بمؤلفاته القيمة حيث أن له رحمه الله تعالى ما يربو على ستين مؤلفًا في فنون مختلفة.

وقد استفاد رحمه الله تعالى كثيرًا من كتب من سبقه من علماء الإسلام وخاصة شيخه ابن قيم الجوزية وشيخ شيخه شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله تعالى.

فقد تتلمذ على الحافظ ابن قيم الجوزية رحمه الله تعالى وسمع عليه بعض مؤلفاته وقرأ عليه النونية في السنة الأخيرة ولازمه حتى الممات مما كان له الأثر الكبير في علمه وثقافته.

ولما كان نظام الجامعة الإسلامية بالمدينة النبوية يطلب من طلاب الدراسات العليا الذين يريدون الحصول على شهادة العالمية العالية "الدكتوراه" أن يكتبوا بحثًا علميًا في مجال تخصصهم رأيت أن أقوم
মহান ও বরকতময় আল্লাহ এমন ব্যক্তিদের প্রস্তুত করেছেন যারা এই বিদ্বেষী ও ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের ষড়যন্ত্র তাদের দিকেই ফিরিয়ে দেবেন। কেননা আহলুস সুন্নাহর উলামায়ে কেরাম তাদের মোকাবিলা করেছেন এবং মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কিতাব ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ থেকে অকাট্য ও শক্তিশালী দলীল-প্রমাণের মাধ্যমে তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছেন ও তাদের বাতিল আকিদাকে চূর্ণ করেছেন। যেমন—ইমাম আহমাদ, বুখারী ও তাঁদের মতো অন্যান্যরা; এছাড়া দারাকুতনী, শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ এবং তাঁর ছাত্র ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ ও তাঁদের মতো আরও অনেকে, আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি রহম করুন।

হিজরি অষ্টম শতাব্দীতে জীবিত সেই পথপ্রাপ্ত ইমাম ও সংস্কারক দাঈদের অন্যতম ছিলেন আল্লামা হাফেজ আবদুর রহমান বিন আহমাদ বিন রজব আল-হাম্বলী, আল্লাহ তাঁর মাটিকে সুগন্ধিময় করুন এবং জান্নাতে তাঁর বাসস্থানকে সম্মানিত করুন। তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) পরহেজগারি, ইবাদত এবং যুহদ বা দুনিয়াবিমুখতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন। শৈশব থেকেই তিনি বিশেষভাবে ইলম ও হাদিস অন্বেষণ শুরু করেন এবং তাঁর পুরো জীবন ইলম, আমল, দাওয়াত, ইবাদত, তাহাজ্জুদ, ওয়াজ ও নসিহতের কাজে ব্যয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর সময়ে ও কাজে বরকত দান করেছেন। তাঁর জীবদ্দশায় অসংখ্য মানুষ তাঁর থেকে উপকৃত হয়েছেন এবং ইলমের শিক্ষার্থীরা এখনও তাঁর মূল্যবান রচনাবলি দ্বারা উপকৃত হচ্ছেন, কেননা বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর ষাটেরও বেশি গ্রন্থ রয়েছে।

তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর পূর্ববর্তী ইসলামের উলামায়ে কেরামের কিতাবসমূহ থেকে ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছেন, বিশেষ করে তাঁর উস্তাদ ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ এবং তাঁর উস্তাদের উস্তাদ শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে।

তিনি হাফেজ ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহর (রাহিমাহুল্লাহ) ছাত্রত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর কাছে তাঁর কিছু রচনাবলি শুনেছিলেন। এমনকি তাঁর জীবনের শেষ বছরে তিনি তাঁর কাছে ‘নূনিয়া’ কাসিদাটি পাঠ করেন এবং তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর সান্নিধ্যে ছিলেন, যা তাঁর ইলম ও প্রজ্ঞার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল।

মদিনা মুনাওয়ারার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী যেহেতু উচ্চতর শিক্ষা বা ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি অর্জনে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিষয়ের ওপর একটি গবেষণাপত্র লিখতে হয়, তাই আমি স্থির করলাম যে আমি সম্পাদন করব:
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১২)
بدراسة علمية لمنهج هذا العالم الجليل وجهوده في توضيح عقيدة السلف، فاستخرت الله سبحانه وتعالى وشاورت في ذلك أهل العلم من مشايخنا الأفاضل في هذه الجامعة المباركة فوجدت منهم استحسانًا وتأييدًا لهذا الموضوع فعزمت عليه وجعلت عنوانه "ابن رجب الحنبلي وأثره في توضيح عقيدة السلف" للحصول على درجة "الدكتوراه" في العقيدة وكان سبب اختياري لهذا الموضوع الأمور التالية:

1 - أنه لم يسبق أن كتب أحد عن الحافظ ابن رجب في مجال العقيدة وجهوده فيها حسب علمي.

2 - إن إبراز عقيدة هذا الإمام وغيره من أئمة السلف فيها إبراز لعقيدة السلف الصالح.

3 - بيان أن عقيدة ابن رجب رحمه الله تعالى هي عقيدة السلف الصالح رحمهم الله تعالى.

4 - الحرص على بيان عقيدة السلف الصالح ونشرها بين الناس وذلك بإبراز علماء السلف مما يجلي عقيدتهم ويوضحها لدحض ما عداها من عقائد أهل البدع والضلال، فإن العمل في بيان عقيدة أهل السنة والجماعة ومحاربة البدع وأهلها وإبراز علماء السلف من الأعمال الواجبة على أهل السنة والجماعة والفرقة الناجية ليكون ذلك نورًا يهتدي به من أراد أن يسلك الطريق المستقيم طريق الكتاب والسنة. وسلاحًا بأيدي الدعاة والمصلحين يدحضون به كيد أهل الباطل ويدمغون به شبههم الذين نراهم الآن جادين في إخراج تراثهم الباطل ونشر كتبهم الفاسدة وترويج أفكارهم الضالة وكل هذا وراءه أعداء الإسلام والمسلمين الذين يدعمون كل رذيلة وينشرون الكفر والإلحاد، والله سبحانه وتعالى لهم بالمرصاد
এই মহান আলেমের মানহাজ এবং সালাফদের আকিদা স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টার উপর একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে, আমি মহান আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করেছি এবং এই বরকতময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমাদের সম্মানিত শায়খ ও আলেমদের সাথে পরামর্শ করেছি। আমি তাঁদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ের প্রতি সমর্থন এবং ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। তাই আমি এ বিষয়ে দৃঢ় সংকল্প করেছি এবং আকিদা বিষয়ে "পিএইচডি" ডিগ্রি অর্জনের জন্য এর শিরোনাম নির্ধারণ করেছি "ইবনে রজব আল-হাম্বলী এবং সালাফদের আকিদা স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব"। এই বিষয়টি নির্বাচনের কারণগুলো হলো নিম্নরূপ:

১ - আমার জানামতে হাফেজ ইবনে রজবের আকিদা এবং এই ক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টার বিষয়ে ইতিপূর্বে কেউ কিছু লেখেনি।

২ - এই ইমাম এবং সালাফদের অন্যান্য ইমামদের আকিদা তুলে ধরা মানেই হলো সালাফে সালেহীনদের আকিদাকে তুলে ধরা।

৩ - এটি স্পষ্ট করা যে, ইবনে রজব (রহিমাহুল্লাহ)-এর আকিদাই হলো সালাফে সালেহীন (রহিমাহুল্লাহ)-এর আকিদা।

৪ - সালাফে সালেহীনদের আকিদা বর্ণনা করা এবং মানুষের মধ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সচেষ্ট হওয়া। এটি সালাফদের আলেমদের আলোচনা সামনে নিয়ে আসার মাধ্যমে সম্ভব, যা তাঁদের আকিদাকে স্বচ্ছ ও সুস্পষ্ট করে এবং বিদআতি ও পথভ্রষ্টদের আকিদাকে খণ্ডন করে। কেননা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আকিদা বর্ণনা করা, বিদআত ও বিদআতিদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা এবং সালাফী আলেমদের কথা তুলে ধরা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত ও মুক্তিপ্রাপ্ত দলের (ফিরকা নাজিয়া) উপর ওয়াজিব কাজগুলোর অন্তর্ভুক্ত। যাতে এটি এমন একটি আলো হয় যার মাধ্যমে সেই ব্যক্তি সঠিক পথ খুঁজে পায় যে কিতাব ও সুন্নাহর সরল পথে চলতে চায়। আর এটি দাঈ এবং সংস্কারকদের হাতে একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে যার মাধ্যমে তারা বাতিলপন্থীদের ষড়যন্ত্র এবং তাদের সংশয়গুলোকে নস্যাৎ করে দেয়; যাদেরকে আমরা এখন দেখছি যে তারা তাদের ভ্রান্ত ঐতিহ্য প্রকাশ করতে, কলুষিত বই প্রচার করতে এবং তাদের পথভ্রষ্ট চিন্তাগুলোকে ছড়িয়ে দিতে সচেষ্ট। আর এই সবকিছুর পেছনে রয়েছে ইসলাম ও মুসলিমদের শত্রুরা, যারা প্রতিটি অপকর্মকে সমর্থন করে এবং কুফর ও নাস্তিকতা ছড়ায়। আর মহান আল্লাহ তাদের ওপর কড়া নজর রাখছেন।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১৩)
والعاقبة للمتقين {يُرِيدُونَ لِيُطْفِئُوا نُورَ اللَّهِ بِأَفْوَاهِهِمْ وَاللَّهُ مُتِمُّ نُورِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ (8)}(1).

وقد سرت في الموضوع على الخطة التالية:

قسمت البحث إلى مقدمة وثلاثة أبواب وخاتمة:

أما المقدمة فقد اشتملت على ما يأتي:

1 - أسباب اختيار الموضوع.

2 - خطة البحث.

3 - عملي الذي سرت عليه في هذا البحث.

وأما الباب الأول: فقد خصصته للحديث عن العصر الذي عاش فيه ابن رجب رحمه الله تعالى وعن حياته الشخصية والعلمية علمًا أنه قد كتب عن تاريخ ابن رجب وحياته ومؤلفاته وأقوال الناس فيه بعض الدراسات السابقة(2) من قبل بعض الباحثين، وقد استفدت من ذلك كثيرًا.

ولكن أردت بهذا الباب أولا أن أدلي بدلوي مع الدلاء وأسهم بسهم مع الفضلاء وإني وإن لم أكن في مقامهم وسبقهم لأن اللاحق يتبع السابق.

ثانيًا أردت أن أبرز بعض الجوانب التي رأيت أنها بحاجة إلى اهتمام أكثر وهي:

--------------------------------------------

(1) سورة الصف آية (8).

(2) كتب الأستاذ الدكتور محمد بن حمود الوائلي رسالة دكتوراه بعنوان (ابن رجب الحنبلي وأثره في الفقه) سنة 1396 هـ، وكذلك كتبت الدكتورة أمينة الجابر رسالة دكتوراه بعنوان (ابن رجب الحنبلي وآثاره الفقهية) سنة 1404 هـ، وكلاهما من الأزهر.
আর শুভ পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য। {তারা তাদের মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণতাদানকারী, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে (৮)}(১).

আর আমি এ বিষয়ে নিম্নলিখিত পরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রসর হয়েছি:

আমি গবেষণাটিকে একটি ভূমিকা, তিনটি অধ্যায় এবং একটি উপসংহারে বিভক্ত করেছি:

ভূমিকার ক্ষেত্রে তা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করেছে:

১ - বিষয়টি নির্বাচনের কারণসমূহ।

২ - গবেষণার পরিকল্পনা।

৩ - আমার কর্মপদ্ধতি যা আমি এই গবেষণায় অনুসরণ করেছি।

আর প্রথম অধ্যায়: এটি আমি ইবনে রজব (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) যে যুগে বসবাস করেছেন এবং তাঁর ব্যক্তিগত ও জ্ঞানতাত্ত্বিক জীবন সম্পর্কে আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট করেছি; উল্লেখ্য যে, ইবনে রজবের ইতিহাস, জীবন, রচনাবলি এবং তাঁর সম্পর্কে মানুষের মূল্যায়ন নিয়ে ইতিপূর্বে কিছু গবেষকের পক্ষ থেকে কিছু গবেষণা(২) সম্পন্ন হয়েছে এবং আমি তা থেকে অনেক উপকৃত হয়েছি।

তবে এই অধ্যায়ের মাধ্যমে প্রথমত আমি অন্যান্য গবেষকদের ন্যায় আমার সাধ্যমতো সামান্য অবদান পেশ করতে এবং গুণীজনদের সাথে এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণ করতে চেয়েছি; যদিও আমি তাঁদের মর্যাদা ও অগ্রগামিতার সমপর্যায়ের নই, কারণ উত্তরসূরি সর্বদা পূর্বসূরিকেই অনুসরণ করে।

দ্বিতীয়ত, আমি এমন কিছু দিক ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি যা আমি মনে করেছি অধিক গুরুত্ব পাওয়ার যোগ্য, আর তা হলো:

--------------------------------------------

(১) সূরা আস-সাফ, আয়াত (৮)।

(২) প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ বিন হামুদ আল-ওয়াইলি ১৩৯৬ হিজরী সালে ‘ইবনে রজব আল-হাম্বলী এবং ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর প্রভাব’ শিরোনামে একটি ডক্টরেট থিসিস লিখেছেন, এবং একইভাবে ডক্টরা আমিনা আল-জাবের ১৪০৪ হিজরী সালে ‘ইবনে রজব আল-হাম্বলী এবং তাঁর ফিকহী অবদানসমূহ’ শিরোনামে একটি ডক্টরেট থিসিস লিখেছেন; আর তাঁরা উভয়েই আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১৪)
1 - زيادة التحقيق في تاريخ ولادة ابن رجب رحمه الله تعالى خصوصًا وأن الدكتورة أمينة الجابر قد جعلت ذلك موضوع شك ووهمت الدكتور الوائلي في ترجيح تاريخ معين في ولادة ابن رجب رحمه الله تعالى.

2 - تتبع شيوخ وتلاميذ ابن رجب رحمه الله تعالى من كتب التراجم المختلفة وحصرهم، وهذا لم يحصل منه شيء في الدراسات السابقة.

3 - حصر كتب ومؤلفات ابن رجب رحمه الله تعالى مع بيان المطبوع منها والمخطوط مع الإشارة إلى أماكن المخطوط منها بقدر المستطاع.

4 - الإشارة إلى الكتب التي تنسب إلى ابن رجب وهي ليست له أو هي مأخوذة من بعض كتبه ولم يؤلفها هو استقلالًا.

وقد اشتمل هذا الباب على ثلاثة فصول:

الفصل الأول: العصر الذي عاش فيه، وفيه ثلاثة مباحث.

المبحث الأول: الحالة السياسية.

المبحث الثاني: الحالة الاجتماعية.

المبحث الثالث: الحالة العلمية.

الفصل الثاني: حياة ابن رجب الشخصية وفيه المباحث التالية:

المبحث الأول: اسمه ونسبه.

المبحث الثاني: كنيته ولقبه.

المبحث الثالث: مولده.

المبحث الرابع: شهرته.
১ - ইবনে রজব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর জন্ম তারিখ সম্পর্কে অধিকতর অনুসন্ধান করা, বিশেষ করে যেখানে ড. আমিনা আল-জাবির একে সন্দেহের বিষয় হিসেবে গণ্য করেছেন এবং ইবনে রজব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর জন্মের একটি নির্দিষ্ট তারিখকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে ড. আল-ওয়াইলিকে ভ্রান্ত প্রতিপন্ন করেছেন।

২ - বিভিন্ন জীবনীগ্রন্থ থেকে ইবনে রজব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর শিক্ষক ও ছাত্রদের অনুসন্ধান করা এবং তাঁদের তালিকাভুক্ত করা; পূর্ববর্তী কোনো গবেষণায় যা ইতিপূর্বে করা হয়নি।

৩ - ইবনে রজব (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর গ্রন্থ ও রচনাবলির তালিকা প্রণয়ন করা এবং এর মধ্যে মুদ্রিত ও পাণ্ডুলিপিগুলো পৃথক করার পাশাপাশি সাধ্যানুযায়ী পাণ্ডুলিপিগুলোর অবস্থান নির্দেশ করা।

৪ - সেই সকল গ্রন্থের উল্লেখ করা যা ইবনে রজবের প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করা হয় অথচ সেগুলো তাঁর নয়, অথবা সেগুলো তাঁর কোনো কোনো গ্রন্থ থেকে গৃহীত এবং তিনি স্বতন্ত্রভাবে সেগুলো রচনা করেননি।

এই অধ্যায়টি তিনটি পরিচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:

প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর সমসাময়িক কাল, এবং এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম অনুচ্ছেদ: রাজনৈতিক অবস্থা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সামাজিক অবস্থা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: জ্ঞানতাত্ত্বিক অবস্থা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইবনে রজবের ব্যক্তিগত জীবন এবং এতে নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদসমূহ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: তাঁর নাম ও বংশপরিচয়।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: তাঁর উপনাম ও উপাধি।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: তাঁর জন্ম।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: তাঁর খ্যাতি।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১৫)
المبحث الخامس: أسرته.

المبحث السادس: أخلاقه وصفاته.

المبحث السابع: ابن رجب والتصوف.

المبحث الثامن: وفاته.

الفصل الثالث: حياته العلمية ويشتمل على المباحث التالية:

المبحث الأول: طلبه للعلم.

المبحث الثاني: رحلاته في طلب العلم.

المبحث الثالث: شيوخه.

المبحث الرابع: تدريسه.

المبحث الخامس: تلاميذه.

المبحث السادس: ثقافته ومؤلفاته.

المبحث السابع: عقيدته ومذهبه.

المبحث الثامن: مكانته العلمية وثناء العلماء عليه.

الباب الثاني: أثره في توضيح عقيدة السلف في التوحيد وأنواعه ونواقضه ويشتمل على خمسة فصول:

الفصل الأول: تعريف التوحيد وبيان أقسامه والعلاقة بينها وفيه عدة مباحث:

المبحث الأول: تعريف التوحيد لغة.

المبحث الثاني: تعريف التوحيد شرعًا.

المبحث الثالث: أنواع التوحيد.
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: তাঁর পরিবার।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: তাঁর চরিত্র ও গুণাবলি।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: ইবনে রজব ও তাসাউউফ।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: তাঁর ইন্তেকাল।

তৃতীয় অধ্যায়: তাঁর ইলমি জীবন, যা নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর জ্ঞান অন্বেষণ।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জ্ঞান অন্বেষণে তাঁর সফরসমূহ।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর শিক্ষকগণ।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাঁর শিক্ষকতা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: তাঁর ছাত্রগণ।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: তাঁর পাণ্ডিত্য ও গ্রন্থাবলি।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: তাঁর আকিদাহ ও মাযহাব।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: তাঁর ইলমি মর্যাদা ও তাঁর সম্পর্কে উলামায়ে কিরামের প্রশংসা।

দ্বিতীয় খণ্ড: তাওহিদ, এর প্রকারভেদ ও তাওহিদ পরিপন্থী বিষয়সমূহে সালাফদের আকিদাহ স্পষ্টীকরণে তাঁর প্রভাব, যা পাঁচটি অধ্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করে:

প্রথম অধ্যায়: তাওহিদের সংজ্ঞা, এর প্রকারভেদ বর্ণনা এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক; এতে বেশ কয়েকটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: আভিধানিক অর্থে তাওহিদের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শরয়ি পরিভাষায় তাওহিদের সংজ্ঞা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাওহিদের প্রকারভেদ।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১৬)
المبحث الرابع: العلاقة بين أنواع التوحيد.

الفصل الثاني: توحيد الربوبية وفيه عدة مباحث:

المبحث الأول: تعريفه لغة.

المبحث الثاني: تعريفه شرعًا.

المبحث الثالث: دلائل توحيد الربوبية:

1 - دلالة الفطرة.

2 - دلالة النعم.

3 - دلالة خلق السموات والأرض.

4 - دلالة خلق النبات.

الفصل الثالث: توحيد الأسماء والصفات وفيه عدة مباحث:

المبحث الأول: تعريف توحيد الأسماء والصفات.

المبحث الثاني: مذهب السلف في أسماء الله وصفاته وترجيح ابن رجب له.

المبحث الثالث: أدلة توحيد الأسماء والصفات.

المبحث الرابع: بيانه أن مذهب السلف أعلم وأسلم وأحكم.

المبحث الخامس: بيانه أن سورة الإخلاص فيها صفة الرحمن.

المبحث السادس: بيانه أن الاشتراك في الاسم لا يقتضي الاشتراك في المسمى.

المبحث السابع: ذكر جملة من الصفات التي ذكرها ابن رجب رحمه الله تعالى:
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাওহীদের প্রকারসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক।

দ্বিতীয় অধ্যায়: তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ, এতে বেশ কিছু পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: এর আভিধানিক সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এর শরয়ী সংজ্ঞা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহর প্রমাণাদি:

১ - ফিতরাত বা স্বভাবজাত প্রবৃত্তিগত প্রমাণ।

২ - নিয়ামতের প্রমাণ।

৩ - আসমান ও যমীন সৃষ্টির প্রমাণ।

৪ - উদ্ভিদ সৃষ্টির প্রমাণ।

তৃতীয় অধ্যায়: তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত এবং এতে বেশ কিছু পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাতের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: আল্লাহর নাম ও গুণাবলির ক্ষেত্রে সালাফদের মতাদর্শ এবং ইবনে রজব কর্তৃক এর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাতের দলিলসমূহ।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: সালাফদের মতাদর্শ যে অধিকতর ইলমপূর্ণ, নিরাপদ এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ তার বর্ণনা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: সূরা আল-ইখলাসে পরম করুণাময় আল্লাহর গুণাবলি বিদ্যমান থাকার বর্ণনা।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: নামের সাদৃশ্য যে সত্তার সাদৃশ্যকে আবশ্যক করে না তার বর্ণনা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: ইবনে রজব রহিমাহুল্লাহ তা'আলা কর্তৃক উল্লিখিত গুণাবলির বিবরণ:
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১৭)
1 - صفة العلم.

2 - صفة الغنى.

3 - صفة المعية.

4 - صفة المجيء والإتيان.

5 - صفة النزول.

المبحث الثامن: شبهة حول صفة النزول والرد عليها.

المبحث التاسع: رده على المخالفين لمذهب السلف من المعطلة والمشبهة.

المبحث العاشر: تنزيه الله سبحانه وتعالى من نسبة الولد إليه.

المبحث الحادي عشر: علم الكلام وكلام ابن رجب عليه.

الفصل الرابع: توحيد الألوهية. ويشتمل على تمهيد وعدة مباحث:

تمهيد.

المبحث الأول: تعريف توحيد الألوهية.

المبحث الثاني: بيان معنى لا إله إلا الله وفضلها وشروطها. وفيه عدة مطالب:

المطلب الأول: بيان معنى كلمة "إله".

المطلب الثاني: معنى لا إله إلا الله.

المطلب الثالث: فضل لا إله إلا الله.

المطلب الرابع: الجمع بين أحاديث تدل على أنه يحرم على النار من قال لا إله إلا الله، وأخرى تدل على أنه يخرج من النار من قال لا إله إلا الله.
১ - জ্ঞানের গুণ।

২ - অভাবহীনতার গুণ।

৩ - সাথে থাকার গুণ।

৪ - আসা ও আগমনের গুণ।

৫ - অবতরণের গুণ।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: অবতরণের গুণ সম্পর্কে সংশয় এবং তার খণ্ডন।

নবম পরিচ্ছেদ: মুয়াত্তিলা ও মুসাব্বিহাদের মধ্য থেকে সালাফদের মাযহাব বিরোধীদের প্রতি তাঁর খণ্ডন।

দশম পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার প্রতি সন্তান আরোপ করা থেকে তাঁকে পবিত্র ঘোষণা করা।

একাদশ পরিচ্ছেদ: ইলমুল কালাম এবং এ বিষয়ে ইবনে রজবের বক্তব্য।

চতুর্থ অধ্যায়: তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ। এটি একটি ভূমিকা ও বেশ কিছু পরিচ্ছেদ সম্বলিত:

ভূমিকা।

প্রথম পরিচ্ছেদ: তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ-এর সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর অর্থ, মর্যাদা ও শর্তাবলির বর্ণনা। এতে বেশ কিছু অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: "ইলাহ" শব্দের অর্থ বর্ণনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর অর্থ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর মর্যাদা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: সেই সকল হাদীসের মধ্যে সমন্বয় সাধন যা নির্দেশ করে যে, যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলেছে তার জন্য জাহান্নাম হারাম, এবং অন্য হাদীস যা নির্দেশ করে যে, যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলেছে সে জাহান্নাম থেকে বের হবে।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১৮)
المطلب الخامس: شروط الانتفاع بـ"لا إله إلا الله".

المبحث الثالث: تعريف العبادة، وذكر بعض أنواعها.

المبحث الرابع: بيانه أن العبادة لا تقبل إلا بشرطين.

الفصل الخامس: نواقض التوحيد، وما يلحق بها من المسائل. ويشتمل على المباحث الآتية:

المبحث الأول: الشرك وكلام ابن رجب عليه. ويشتمل على عدة مطالب:

المطلب الأول: تعريف الشرك لغة.

المطلب الثاني: تعريف الشرك شرعا وبيان أقسامه.

أمثلة للشرك الأصغر.

كلامه في حكم عمل المرائي.

حمد الناس العبد على الخير لا يعد من الرياء.

المبحث الثاني: النفاق وكلام ابن رجب عليه، وفيه عدة أمور:

1 - تعريف النفاق.

2 - أقسام النفاق.

3 - خوف السلف من النفاق لخطورته وخفائه.

المبحث الثالث: البدع وكلام ابن رجب عليها وفيه عدة مطالب:

المطلب الأول: معنى البدعة في اللغة والشرع والأدلة على التحذير من البدع والبعد عنها.

المطلب الثاني: أنواع البدع.

المطلب الثالث: الرد على محسني البدع وكلام ابن رجب على ذلك.
পঞ্চম অনুচ্ছেদ: "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" থেকে উপকৃত হওয়ার শর্তাবলি।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইবাদতের সংজ্ঞা এবং এর কিছু প্রকারের বর্ণনা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ইবাদত কবুল হওয়ার জন্য দুটি শর্তের বর্ণনা।

পঞ্চম অধ্যায়: তাওহীদ বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট মাসআলাসমূহ। এতে নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: শিরক এবং এর ওপর ইবনে রজবের আলোচনা। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: শাব্দিক অর্থে শিরকের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: শরয়ি পরিভাষায় শিরকের সংজ্ঞা এবং এর প্রকারভেদ।

শিরকে আসগার বা ছোট শিরকের উদাহরণসমূহ।

লোক দেখানো আমলকারীর আমলের বিধান সম্পর্কে তাঁর আলোচনা।

ভালো কাজের জন্য মানুষের প্রশংসা করা রিয়া বা লোক দেখানো কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নিফাক এবং এর ওপর ইবনে রজবের আলোচনা। এতে কয়েকটি বিষয় রয়েছে:

১ - নিফাকের সংজ্ঞা।

২ - নিফাকের প্রকারভেদ।

৩ - নিফাকের ভয়াবহতা এবং এর সূক্ষ্মতার কারণে সালাফদের ভীতি।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: বিদআত এবং এর ওপর ইবনে রজবের আলোচনা। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: শাব্দিক ও শরয়ি অর্থে বিদআতের অর্থ এবং বিদআত থেকে সতর্ক করা ও দূরে থাকার দলিলসমূহ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বিদআতের প্রকারভেদ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: বিদআতকে ভালো মনেকারীদের খণ্ডন এবং এর ওপর ইবনে রজবের আলোচনা।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ১৯)
المطلب الرابع: نماذج من البدع وكلام ابن رجب عليها.

المطلب الخامس: حكم البدع وأهلها.

المبحث الرابع: الغلو وكلام ابن رجب عليه.

المبحث الخامس: مسائل متفرقة متعلقة بهذا الفصل.

1 - التنجيم.

2 - التطير والتشاؤم.

3 - الجمع بين قوله صلى الله عليه وسلم: "لا عدوى ولا طيرة" وقوله: "فر من المجذوم فرارك من الأسد"، وقوله: "لا يورد ممرض على مصح".

4 - معنى قوله صلى الله عليه وسلم: "لا عدوى ولا طيرة والشؤم في ثلاث".

5 - النهي عن البناء على القبور واتخاذها مساجد.

6 - النهي عن سب الدهر.

الباب الثالث: أثره في توضيح عقيدة السلف في مباحث الإيمان وما يتعلق بها من مسائل:

الفصل الأول: معنى الإيمان وبيان أهميته وما يتعلق به من مسائل ويشتمل على عدة مباحث:

المبحث الأول: أهمية الإيمان.

المبحث الثاني: تعريف الإيمان لغة.

المبحث الثالث: تعريف الإيمان شرعًا.

المبحث الرابع: زيادة الإيمان ونقصانه.

المبحث الخامس: العلاقة بين مسمى الإيمان والإسلام.
চতুর্থ উপ-অনুচ্ছেদ: বিদআতের কিছু উদাহরণ এবং সেগুলোর বিষয়ে ইবনে রজবের বক্তব্য।

পঞ্চম উপ-অনুচ্ছেদ: বিদআত ও বিদআতীদের বিধান।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: বাড়াবাড়ি (গুলু) এবং এ বিষয়ে ইবনে রজবের বক্তব্য।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: এই অধ্যায় সংশ্লিষ্ট বিবিধ মাসআলা।

1 - জ্যোতিষশাস্ত্র।

2 - কুলক্ষণ গ্রহণ এবং অশুভ ধারণা পোষণ।

3 - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই বাণীসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন: "সংক্রমণ ও কুলক্ষণ গ্রহণ বলতে কিছু নেই", "কুষ্ঠরোগী থেকে তেমনভাবে পলায়ন করো যেমনটা সিংহ থেকে পলায়ন করো" এবং "অসুস্থ পশুকে যেন সুস্থ পশুর সাথে না মেশানো হয়"।

4 - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই বাণীর অর্থ: "সংক্রমণ ও কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই, আর অশুভ বা অমঙ্গল যদি থেকে থাকে তবে তা তিনটি বস্তুর মাঝে থাকে"।

5 - কবরের ওপর ইমারত নির্মাণ এবং সেগুলোকে মসজিদে রূপান্তর করার নিষেধাজ্ঞা।

6 - সময়কে গালি দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা।

তৃতীয় অধ্যায়: ঈমানের আলোচনা এবং এ সংক্রান্ত মাসআলাসমূহে সালাফদের আকীদা স্পষ্টকরণে তাঁর প্রভাব:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ঈমানের অর্থ, এর গুরুত্বের বর্ণনা এবং এ সংশ্লিষ্ট মাসআলাসমূহ; যা কয়েকটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ঈমানের গুরুত্ব।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: শাব্দিক অর্থে ঈমানের সংজ্ঞা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: শরয়ী পরিভাষায় ঈমানের সংজ্ঞা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: ঈমানের বৃদ্ধি ও হ্রাস।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: ঈমান ও ইসলাম শব্দদ্বয়ের মধ্যকার সম্পর্ক।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২০)
المبحث السادس: حكم مرتكب الكبيرة.

المبحث السابع: مسألة تكفير الكبائر بالأعمال الصالحة.

الفصل الثاني: الإيمان بالرسل والملائكة والكتب. ويشتمل على عدة مباحث:

المبحث الأول: تعريف النبي والرسول لغة وشرعًا.

المبحث الثاني: معنى الإيمان بالأنبياء والرسل عليهم الصلاة والسلام.

المبحث الثالث: الغرض من بعثة الرسل عليهم الصلاة والسلام.

المبحث الرابع: التفاضل بين الرسل والأنبياء عليهم الصلاة والسلام.

المبحث الخامس: بعض خصائص الرسل عليهم الصلاة والسلام.

المبحث السادس: الإيمان بنبوة نبينا محمد صلى الله عليه وسلم.

المبحث السابع: كلامه في دعوة نبينا محمد صلى الله عليه وسلم.

المبحث الثامن: بيانه فضل إرسال النبي صلى الله عليه وسلم.

المبحث التاسع: النجاة والسعادة في طاعة الرسول صلى الله عليه وسلم.

المبحث العاشر: الإيمان بالملائكة والكتب.

الفصل الثالث: الإيمان بالقضاء والقدر. ويشتمل على عدة مباحث:

المبحث الأول: تعريف القضاء والقدر.

المبحث الثاني: معنى الإيمان بالقضاء والقدر والأدلة على ذلك.

المبحث الثالث: مراتب الإيمان بالقضاء والقدر.
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: কবিরা গুনাহগার ব্যক্তির বিধান।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: নেক আমলের মাধ্যমে কবিরা গুনাহ মোচনের মাসআলা।

দ্বিতীয় অধ্যায়: রাসূলগণ, ফেরেশতাগণ ও কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান। এটি বেশ কয়েকটি পরিচ্ছেদ সম্বলিত:

প্রথম পরিচ্ছেদ: আভিধানিক ও শরয়ি দৃষ্টিকোণ থেকে নবী ও রাসূলের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নবী ও রাসূলগণের (তাদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) প্রতি ঈমানের অর্থ।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: রাসূলগণের (তাদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) প্রেরণের উদ্দেশ্য।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: রাসূল ও নবীগণের (তাদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) মধ্যকার মর্যাদাগত পার্থক্য।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: রাসূলগণের (তাদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) কিছু বৈশিষ্ট্য।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নবুওয়াতের প্রতি ঈমান।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দাওয়াতের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রেরণের ফযিলত সম্পর্কে তাঁর বর্ণনা।

নবম পরিচ্ছেদ: রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আনুগত্যের মধ্যে মুক্তি ও সৌভাগ্য।

দশম পরিচ্ছেদ: ফেরেশতা ও কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান।

তৃতীয় অধ্যায়: কাজা ও কদরের প্রতি ঈমান। এটি বেশ কয়েকটি পরিচ্ছেদ সম্বলিত:

প্রথম পরিচ্ছেদ: কাজা ও কদরের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: কাজা ও কদরের প্রতি ঈমানের অর্থ ও এর প্রমাণাদি।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: কাজা ও কদরের প্রতি ঈমানের স্তরসমূহ।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২১)
المبحث الرابع: النهي عن الخوض في القدر.

المبحث الخامس: الرضا بالقضاء والقدر.

المبحث السادس: حكم تمني الموت وعلاقته بالقضاء والقدر.

المبحث السابع: القضاء والقدر وفعل الأسباب.

المبحث الثامن: الاحتجاج بالقدر على المعاصي وبيان معنى حديث "فحج آدم موسى".

الفصل الرابع: الإيمان باليوم الآخر، وفيه عدة مباحث:

المبحث الأول: أهمية الإيمان باليوم الآخر.

المبحث الثاني: الإيمان بأشراط الساعة.

أولا: العلامات الصغرى: ومنها:

1 - بعثة النبي صلى الله عليه وسلم.

2 - ظهور الفتن.

3 - انشقاق القمر.

4 - ظهور نار بالحجاز.

5 - ولادة الأمة ربتها وتطاول الحفاة العراة في البنيان.

6 - خراب البيت ورفع القرآن وبعث ريح طيبة لقبض أرواح المؤمنين.

ثانيًا: العلامات الكبرى: ومنها:

1 - طلوع الشمس من مغربها.

2 - فتنة المسيح الدجال.
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাকদির নিয়ে অনর্থক গভীরে প্রবেশ বা তর্কে লিপ্ত হওয়া নিষেধ।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: কাজা ও তাকদিরে সন্তুষ্টি।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: মৃত্যু কামনা করার বিধান এবং কাজা ও তাকদিরে সাথে এর সম্পর্ক।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: কাজা ও তাকদির এবং উপায়-উপকরণ গ্রহণ।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: পাপের সপক্ষে তাকদিরকে দলিল হিসেবে পেশ করা এবং "আদম মূসার সাথে তর্কে জয়ী হলেন" হাদিসটির মর্মার্থ বর্ণনা।

চতুর্থ অধ্যায়: পরকালের প্রতি ঈমান, এতে বেশ কিছু পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: পরকালের প্রতি ঈমানের গুরুত্ব।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: কিয়ামতের আলামতসমূহের প্রতি ঈমান।

প্রথমত: ছোট আলামতসমূহ: এর মধ্যে রয়েছে:

১ - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রেরণ।

২ - ফিতনার প্রাদুর্ভাব।

৩ - চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়া।

৪ - হিজাজে অগ্নিকাণ্ড প্রকাশ পাওয়া।

৫ - দাসী কর্তৃক তার মনিবকে প্রসব করা এবং নগ্নপদ বস্ত্রহীনদের সুউচ্চ অট্টালিকা নির্মাণে প্রতিযোগিতা করা।

৬ - কাবা ঘর ধ্বংস হওয়া, কুরআন উঠিয়ে নেওয়া এবং মুমিনদের রুহ কবজ করার জন্য পবিত্র বায়ু প্রবাহিত হওয়া।

দ্বিতীয়ত: বড় আলামতসমূহ: এর মধ্যে রয়েছে:

১ - পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়া।

২ - মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২২)
3 - نزول عيسى بن مريم عليه السلام.

4 - خروج نار تحشر الناس.

المبحث الثالث: الإيمان بعذاب القبر ونعيمه وفتنته: أنواع من عذاب القبر.

المبحث الرابع: الأعمال التي يعذب أو ينعم بها العبد في القبر.

المبحث الخامس: مستقر الأرواح.

المبحث السادس: الصراط.

المبحث السابع: بيان المراد بالورود في قوله تعالى: {وَإِنْ مِنْكُمْ إِلَّا وَارِدُهَا}.

المبحث الثامن: الشفاعة.

المبحث التاسع: الجنة ونعيمها.

المبحث العاشر: رؤية الله سبحانه وتعالى في الجنة.

المبحث الحادي عشر: النار وعذابها.

المبحث الثاثي عشر: خلق الجنة والنار.

المبحث الثالث عشر: الجنة والنار باقيتان لا تفنيان أبدًا.

الخاتمة: وتشتمل على أهم النتائج التي توصلت إليها في هذا البحث.

هذا وقد كان منهجي الذي اتبعته في إعداد رسالتي هذه ما يأتي:

1 - قمت بجمع مؤلفات ابن رجب رحمه الله تعالى وذلك عن طريق البحث والسفر والسؤال والمراسلة لأهل الخبرة والشأن حتى استطعت بحمد الله وتوفيقه أن أحصل تقريبًا على جميع مؤلفات ابن رجب المطبوع منها والمخطوط الذي لم يفقد.
৩ - ঈসা ইবনে মারইয়াম আলাইহিস সালামের অবতরণ।

৪ - মানুষের হাশরের জন্য অগ্নির নির্গমন।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: কবরের আযাব, নেয়ামত ও ফিতনার ওপর ঈমান: কবরের আযাবের প্রকারভেদ।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: সেই সকল আমল যার কারণে কবরে বান্দাকে আযাব দেওয়া হয় অথবা নেয়ামত প্রদান করা হয়।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: রুহসমূহের অবস্থানস্থল।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: সিরাত।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহর বাণী: {তোমাদের প্রত্যেকেই তা অতিক্রম করবে}-তে 'অতিক্রম করা' (উরুদে)র উদ্দেশ্য বর্ণনা।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: সুপারিশ (শাফায়াত)।

নবম পরিচ্ছেদ: জান্নাত ও তার নেয়ামতসমূহ।

দশম পরিচ্ছেদ: জান্নাতে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার দর্শন।

একাদশ পরিচ্ছেদ: জাহান্নাম ও তার আযাব।

দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি।

ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ: জান্নাত ও জাহান্নাম চিরস্থায়ী, যা কখনো ধ্বংস হবে না।

উপসংহার: এটি এই গবেষণায় প্রাপ্ত প্রধান ফলাফলসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে।

এই গবেষণাপত্রটি প্রস্তুত করতে আমি যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছি তা নিম্নরূপ:

১ - আমি ইবনে রজব রহমাতুল্লাহি আলাইহির রচনাবলি সংগ্রহ করেছি গবেষণা, সফর, জিজ্ঞাসাবাদ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ও উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে। ফলে আল্লাহর প্রশংসা ও তাওফিকে আমি ইবনে রজবের প্রায় সকল মুদ্রিত এবং হারিয়ে যায়নি এমন পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২৩)
2 - حصرت مباحث العقيدة التي اشتملت عليها كتب ابن رجب وذلك بعد قراءة جميع ما تيسر لي من كتبه المطبوعة والمخطوطة، ثم جمعت الأقوال التي تتعلق بكل مبحث على حده في بطاقات، وجعلت لها عنوانًا يتناسب مع ما تدل عليه، ثم بينت ما تدل عليه من مسألة اعتقادية حسب جهدي -وهو جهد مقل- مستعينًا في ذلك بأقوال أهل العلم الذين لهم جهود في توضيح العقيدة الإسلامية من علماء سلفنا الصالح.

3 - أحيانًا أكرر الكلام الواحد لابن رجب في أكثر من موضع وذلك لاشتماله على أكثر من مسألة من مسائل العقيدة، فاضطر إلى إعادة الكلام وتكراره في عدة مواضع من مباحث الرسالة.

4 - التزمت عند النقل من أي مرجع أو الاستفادة منه الإشارة إلى رقم جزئه وصفحته بالإضافة إلى ذكر طبعات هذه المراجع في فهرست المصادر والمراجع في آخر الرسالة.

5 - بينت مواضع الآيات التي وردت في الرسالة بذكر اسم السورة ورقم الآية.

6 - عزوت الأحاديث التي وردت في هذه الرسالة إلى مصادرها من كتب السنة المعتمدة بذكر الجزء والصفحة مع الإشارة في الغالب إلى درجة الحديث من خلال أقوال المحدثين إذا كان الحديث في غير الصحيحين أو أحدهما، لأن مجرد العزو إلى الصحيحين أو أحدهما معلم بالصحة.

7 - ترجمت للأعلام الذين ورد ذكرهم في الرسالة ما عدا المشهورين، فإني لم أترجم لهم لعدم خفاء أحوالهم وذلك ككبار الصحابة والأئمة الأربعة وأصحاب الكتب الستة وغيرهم.
2 - ইবনু রজবের কিতাবসমূহে অন্তর্ভুক্ত আকিদাহ সংক্রান্ত বিষয়াবলি আমি নির্দিষ্ট করেছি; আর তা তাঁর মুদ্রিত ও পাণ্ডুলিপি আকারে সহজলভ্য সকল কিতাব পাঠ করার পর। অতঃপর প্রতিটি বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যসমূহকে পৃথক পৃথক কার্ডে সংগ্রহ করেছি এবং সেগুলোর মর্মার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শিরোনাম নির্ধারণ করেছি। এরপর আমার ক্ষুদ্র সামর্থ্য অনুযায়ী—যা অত্যন্ত নগণ্য—সেগুলো থেকে উদ্ভূত আকিদাগত মাসআলাসমূহ স্পষ্ট করেছি। এক্ষেত্রে আমি আমাদের নেককার পূর্বসূরি (সালাফে সালেহীন) আলেমদের মধ্যে যারা ইসলামি আকিদাহ স্পষ্টীকরণে অবদান রেখেছেন, তাদের বক্তব্যের সহায়তা নিয়েছি।

3 - কখনও কখনও আমি ইবনু রজবের একটি বক্তব্য একাধিক স্থানে পুনরাবৃত্তি করেছি, কারণ তাতে আকিদাহর একাধিক মাসআলা অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফলে অভিসন্দর্ভের বিভিন্ন আলোচনার স্থানে সেই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করতে আমি বাধ্য হয়েছি।

4 - কোনো উৎস থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ বা তা থেকে উপকৃত হওয়ার ক্ষেত্রে আমি সংশ্লিষ্ট গ্রন্থের খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ করার বিষয়টি আবশ্যিক হিসেবে গ্রহণ করেছি। এর পাশাপাশি অভিসন্দর্ভের শেষে গ্রন্থপঞ্জি ও তথ্যসূত্র তালিকায় ওই সকল গ্রন্থের সংস্করণসমূহ উল্লেখ করেছি।

5 - অভিসন্দর্ভে বর্ণিত আয়াতসমূহের অবস্থান নির্ণয়ে সূরার নাম ও আয়াত নম্বর উল্লেখ করেছি।

6 - এই অভিসন্দর্ভে উল্লিখিত হাদিসগুলোকে সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য মূল উৎসগ্রন্থের দিকে সম্বন্ধ করেছি এবং খণ্ড ও পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ করেছি। যদি হাদিসটি সহীহাইন (বুখারি ও মুসলিম) বা এই দুটির কোনো একটিতে না থাকে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মুহাদ্দিসগণের বক্তব্যের আলোকে হাদিসের মান বা স্তরের দিকে ইঙ্গিত করেছি। কারণ, কেবল সহীহাইন বা এর কোনো একটির দিকে হাদিসকে সম্বন্ধ করাই তার সহীহ হওয়ার পরিচায়ক।

7 - এই অভিসন্দর্ভে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে আমি তাদের জীবনী আলোচনা করেছি, তবে যারা সুপ্রসিদ্ধ তাদের জীবনী উল্লেখ করিনি। কারণ তাদের পরিচয় ও অবস্থা কারো কাছে অস্পষ্ট নয়; যেমন: প্রবীণ সাহাবায়ে কেরাম, চার ইমাম, কুতুবে সিত্তাহর সংকলকগণ এবং অন্যান্য বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২৪)
8 - عرفت بالفرق والطوائف التي ورد ذكرها في الرسالة تعريفًا موجزًا.

9 - شرحت المفردات الغريبة التي وردت في الرسالة مستعينًا في ذلك بكتب الغريب والمعاجم اللغوية.

10 - إذا تكرر الحديث في أكثر من موضع فإني أخرجه أول مرة ثم أحيل عليه في المرات التي تليه.

11 - ضبطت الكلمات التي قد يشكل على القارئ ضبطها، وقد حاولت أن أضبط كل كلمة مرت عليّ في هذا البحث وأرى أن قراءتها تشكل على القارئ.

12 - وضعت فهارس علمية عامة للرسالة تعين على الرجوع إلى المراد منها بيسر وسهولة، وقد اشتملت على ما يلي:

أ - فهرس الآيات القرآنية حسب ترتيب سور القرآن.

ب - فهرس الأحاديث الشريفة ورتبتها على الحروف الهجائية.

جـ - فهرس الآثار ورتبتها على الحروف الهجائية.

د - فهرس الأعلام المترجم لهم ورتبتهم حسب الحروف الهجائية.

هـ - فهرس الفرق والطوائف والمصطلحات.

و- فهرس المصادر والمراجع وقد رتبتها على الحروف الهجائية.

ز - فهرس الموضوعات وقد بينت فيه أبواب الرسالة وفصولها ومباحثها وما تتضمنه من فروع وجزئيات.

وبعد فإني أحمد الله تعالى وأشكره وأثني عليه الخير كله، لا أحصي ثناءً عليه، هو كما أثنى على نفسه، فله الحمد والشكر كله حيث وفقني لاختيار هذا الموضوع الذي شعرت بفائدته الكبيرة منذ أن بدأت
8 - আমি এই পত্রে উল্লিখিত বিভিন্ন ফিরকা এবং দলগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেছি।

9 - এই পত্রে আসা অপরিচিত এবং কঠিন শব্দাবলি আমি 'গারীব' বিষয়ক গ্রন্থাবলি এবং ভাষাতাত্ত্বিক অভিধানের সাহায্যে ব্যাখ্যা করেছি।

10 - যদি কোনো হাদিস একাধিক স্থানে পুনরাবৃত্ত হয়, তবে আমি প্রথমবার সেটির তাখরীজ (উৎস নির্দেশ) করেছি এবং পরবর্তী বারগুলোতে পূর্বের রেফারেন্সের দিকে ইঙ্গিত করেছি।

11 - আমি এমন শব্দগুলোতে হরকত প্রদান করেছি যা পাঠকের কাছে অস্পষ্ট হতে পারে। এই গবেষণায় আমার সামনে আসা এমন প্রতিটি শব্দই আমি যথাযথভাবে হরকতবদ্ধ করার চেষ্টা করেছি যা পড়ার ক্ষেত্রে পাঠকের জন্য কঠিন হতে পারে বলে আমি মনে করেছি।

12 - আমি এই পত্রের জন্য সাধারণ বৈজ্ঞানিক সূচিপত্রসমূহ যুক্ত করেছি, যা উদ্দিষ্ট বিষয়ে সহজে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ফিরে যেতে সাহায্য করবে; এতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

ক - কুরআনের সূরার বিন্যাস অনুযায়ী কুরআনের আয়াতসমূহের সূচিপত্র।

খ - বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত হাদিসে শারীফের সূচিপত্র।

গ - বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত আছার (সাহাবী ও তাবেয়ীদের বাণী)-এর সূচিপত্র।

ঘ - বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত ঐ সকল বরেণ্য ব্যক্তিত্বের সূচিপত্র যাদের সংক্ষিপ্ত জীবনী আলোচনা করা হয়েছে।

ঙ - বিভিন্ন ফিরকা, সম্প্রদায় এবং পরিভাষাসমূহের সূচিপত্র।

চ - উৎস ও তথ্যসূত্রের সূচিপত্র এবং আমি এগুলোকে বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছি।

ছ - বিষয়ভিত্তিক সূচিপত্র, যাতে আমি এই পত্রের অধ্যায়, পরিচ্ছেদ, উপ-পরিচ্ছেদ এবং এর অন্তর্ভুক্ত শাখা-প্রশাখা ও বিস্তারিত বিষয়াবলি বর্ণনা করেছি।

পরিশেষে, আমি আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করছি, তাঁর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এবং তাঁর সকল কল্যাণের প্রশংসা করছি। আমি তাঁর প্রশংসার সীমা নির্ধারণ করতে সক্ষম নই; তিনি তেমনই যেমন তিনি নিজে নিজের প্রশংসা করেছেন। সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা তাঁরই প্রাপ্য, যেহেতু তিনি আমাকে এই বিষয়টি নির্বাচন করার তাওফিক দিয়েছেন, যার সুদূরপ্রসারী উপকারিতা আমি কাজ শুরু করার পর থেকেই অনুভব করেছি।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২৫)
فيه، ذلك لأنني قرأت وعرفت كثيرًا من كتب العقيدة المفيدة النافعة.

وبعد حمد الله وشكره أتقدم بجزيل شكري وعظيم امتناني إلى فضيلة شيخي العلامة حماد بن محمد الأنصاري حفظه الله المشرف على هذه الرسالة فقد قرأت عليه هذه الرسالة من أولها إلى آخرها، فاستفدت كثيرًا من توجيهاته العلمية الهادفة وإرشاداته القيمة، وآرائه السديدة، وأعطاني من علمه ووقته الشيء الكثير بدون تقييد بزمن الإشراف المحدد، ووجدت منه كل الإخلاص والنصح والمحبة فجزاه الله عني وعن العلم وأهله خير الجزاء، وتقبل منه جهده وإخلاصه ووهب له مزيدًا من التوفيق وأمده بالصحة والعافية، وبارك له في عمره إنه القادر على ذلك وهو حسبنا ونعم الوكيل.

كما لا يفوتني أن أتوجه بالشكر الجزيل والثناء الحسن لفضيلة الدكتور محمد بن حمود الوائلي الذي وجدت منه تشجيعًا كبيرًا لهذا الموضوع والذي أعطاني كل ما عنده من كتب ومخطوطات تتعلق بهذا الموضوع فأسأل الله عز وجل أن يجزيه خير الجزاء كما لا يفوتني أن أشكر كل من له سمات بارزة في النهوض بهذه الجامعة وأخص منهم معالي رئيس الجامعة الإسلامية.

كما أشكر المسؤولين في الدراسات العليا على ما قدموه لي من تسهيلات وعلى رأسهم فضيلة رئيس الدراسات العليا الشيخ: عبد الله بن محمد الغنيمان كما أتقدم بالشكر الجزيل للأستاذين الفاضلين فضيلة الدكتور: محمد بن حمود الوائلي الأستاذ بكلية الشريعة ورئيس قسم الفقه فيها، وفضيلة الدكتور: أحمد بن سعد الغامدي الأستاذ المشارك بقسم العقيدة بكلية الدعوة وأصول الدين اللذين قاما بقراءة الرسالة وتقويمها.

وأخيرًا أتوجه بالشكر وفائق الاحترام والتقدير إلى جميع الإخوة الذين ساعدوني وتعاونوا معي على إنجاز هذه الرسالة، والله أسأل أن
এতে, কারণ আমি আকিদাহ বিষয়ক অনেক উপকারী ও ফলপ্রসূ কিতাব পাঠ করেছি এবং সেগুলো সম্পর্কে জেনেছি।

অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায়ের পর, আমি আমার সম্মানিত শায়খ আল্লামাহ হাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারী (হাফিযাহুল্লাহ)—যিনি এই গবেষণাপত্রের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন—তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আমি তার কাছে এই গবেষণাপত্রটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠ করেছি। ফলে আমি তার লক্ষ্যভেদী ইলমি দিকনির্দেশনা, মূল্যবান পরামর্শ এবং সঠিক মতামত থেকে অনেক উপকৃত হয়েছি। তিনি নির্ধারিত তত্ত্বাবধানের সময়ের সীমাবদ্ধতা ছাড়াই আমাকে তার ইলম ও সময়ের অনেকটা অংশ দিয়েছেন। আমি তার মাঝে পূর্ণ ইখলাস, সদুপদেশ ও মহব্বত খুঁজে পেয়েছি। আল্লাহ তাআলা তাকে আমার পক্ষ থেকে এবং ইলম ও আহলে ইলমের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন। তার প্রচেষ্টা ও ইখলাস কবুল করুন, তাকে আরও অধিক তাওফিক দান করুন, তাকে সুস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দান করুন এবং তার হায়াতে বরকত দিন। নিশ্চয়ই তিনি এর ওপর সক্ষম এবং তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট ও উত্তম কর্মবিধায়ক।

একইভাবে আমি ফাদিলাতুশ শায়খ ডক্টর মুহাম্মাদ বিন হাম্মুদ আল-ওয়াইলি-এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও উত্তম প্রশংসা জ্ঞাপন করতে ভুলে যাচ্ছি না, যার কাছ থেকে আমি এই বিষয়ের ওপর ব্যাপক উৎসাহ পেয়েছি এবং তিনি এই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট তার কাছে থাকা সকল কিতাব ও পাণ্ডুলিপি আমাকে প্রদান করেছেন। আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন। সেই সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে যাদের বিশেষ অবদান রয়েছে তাদের সকলকে আমি ধন্যবাদ জানাই, বিশেষভাবে মহামান্য ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টকে।

তদ্রূপ আমি উচ্চশিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের তারা আমাকে যেসব সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ জানাই, যাদের শীর্ষে রয়েছেন উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রধান শায়খ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-গুনাইমান। আমি আরও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই দুই সম্মানিত শিক্ষক—কুল্লিয়াশ শারিয়াহর প্রফেসর ও ফিকহ বিভাগের প্রধান ফাদিলাতুশ শায়খ ডক্টর মুহাম্মাদ বিন হাম্মুদ আল-ওয়াইলি এবং কুল্লিয়াতুদ দাওয়াহ ওয়া উসুলুদ দ্বীনের আকিদাহ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফাদিলাতুশ শায়খ ডক্টর আহমাদ বিন সা’দ আল-গামিদীর প্রতি, যারা এই গবেষণাপত্রটি পাঠ করেছেন এবং এর মূল্যায়ন করেছেন।

সবশেষে, আমি ঐ সমস্ত ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই যারা এই গবেষণাপত্রটি সম্পন্ন করতে আমাকে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন...
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২৬)
يتقبل من الجميع تعاونهم وأن يوفقنا وإياهم إلى العمل المستمر في التعاون على البر والتقوى، وأن يجعل عملي خالصًا لوجهه الكريم.

وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين وصلى الله على سيدنا ونبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.
তিনি যেন সকলের পক্ষ থেকে তাঁদের সহযোগিতা কবুল করেন এবং আমাদের ও তাঁদেরকে পুণ্য ও তাকওয়ার কাজে সর্বদা পরস্পর সহযোগিতা অব্যাহত রাখার তাওফিক দান করেন এবং আমার এ আমলকে যেন কেবল তাঁর মহান চেহারার জন্য একনিষ্ঠ করেন।

আমাদের শেষ কথা হলো, সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আর আল্লাহ সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন আমাদের নেতা ও নবি মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীবৃন্দের ওপর।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌الباب الأول حياة ابن رجب وآثاره العلمية

ويشتمل على الفصول التالية:

1 - الفصل الأول: العصر الذي عاش فيه ابن رجب الحنبلي.

2 - الفصل الثاني: حياة ابن رجب الشخصية.

3 - الفصل الثالث: حياة ابن رجب العلمية.
প্রথম অধ্যায়: ইবনে রজবের জীবন ও তাঁর জ্ঞানগত কর্মসমূহ

এবং এটি নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে:

1 - প্রথম পরিচ্ছেদ: ইবনে রজব আল-হাম্বলী যে যুগে বসবাস করেছেন।

2 - দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইবনে রজবের ব্যক্তিগত জীবন।

3 - তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইবনে রজবের জ্ঞানগত জীবন।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌الفصل الأول العصر الذي عاش فيه ابن رجب رحمه الله تعالى

ويشتمل على المباحث التالية:

تمهيد.

المبحث الأول: الحالة السياسية.

المبحث الثاني: الحالة الاجتماعية.

المبحث الثالث: الحالة العلمية.
প্রথম অধ্যায়: ইবনে রজব (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) যে যুগে বসবাস করতেন

এটি নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে:

ভূমিকা।

প্রথম পরিচ্ছেদ: রাজনৈতিক অবস্থা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সামাজিক অবস্থা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: জ্ঞানতাত্ত্বিক অবস্থা।
(খণ্ড: ১) ইবনে রজব আল-হাম্বলী ওয়া আসারুহু ফী তাওদীহি আকীদাতুস সালাফ (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌تمهيد

من المعلوم أنه من أراد أن يعطي فكرة عن شخصية من الشخصيات وبيانًا لأثرها في المجتمع لاسيما إذا كان لتلك الشخصية آثار وأعمال يتوارد ذكرها متناثرًا في كتب العلماء أن يدرس الظروف المحيطة بها والبيئة التي عاشت فيها حتى يتمكن الباحث من الوقوف على العوامل والمؤثرات التي أدت إلى ظهور تلك الشخصية ونبوغها واتجاهها وذلك أن الشخص عادة يتأثر بالأحوال المحيطة به كما يتأثر بالبيئة وبمن حوله من شيوخه ومعلميه كما يؤثر هو في تلاميذه وطلابه ومن يحيطون به ويعاشرونه، وللأحوال السياسية والاجتماعية والعلمية وغيرها أثر كبير في تكييف اتجاهه ومنهجه الذي يسلكه، من أجل ذلك كله كان لابد ونحن ندرس شخصية ابن رجب الحنبلي رحمه الله تعالى من أن نعطي فكرة موجزة عن العصر الذي عاش فيه من النواحي التالية:

1 - الناحية السياسية.

2 - الناحية الاجتماعية.

3 - الناحية العلمية.
ভূমিকা

এটি সুবিদিত যে, কোনো ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা প্রদান এবং সমাজে তাঁর প্রভাব বর্ণনা করতে হলে—বিশেষত যদি সেই ব্যক্তিত্বের এমন সব জ্ঞানগর্ভ নিদর্শন ও কার্যাবলি থাকে যা আলেমদের কিতাবসমূহে বিক্ষিপ্তভাবে উদ্ধৃত হয়েছে—তবে তাঁর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও পরিবেশ নিয়ে অধ্যয়ন করা আবশ্যক। এর ফলে গবেষক সেই সকল উপাদান ও প্রভাবক সম্পর্কে অবগত হতে পারেন যা সেই ব্যক্তিত্বের আত্মপ্রকাশ, মেধার বিকাশ ও লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক হয়েছে। কারণ মানুষ সাধারণত তার চারপাশের অবস্থা, পরিবেশ এবং তাঁর শায়খ ও শিক্ষকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়; ঠিক যেমন তিনি তাঁর ছাত্র ও সাহচর্যে থাকা ব্যক্তিদের প্রভাবিত করেন। রাজনৈতিক, সামাজিক ও জ্ঞানতাত্ত্বিক পরিস্থিতি কোনো ব্যক্তির চিন্তাধারা ও কর্মপন্থা গঠনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এ সব কারণেই যখন আমরা ইবনে রজব হাম্বলী (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন)-এর ব্যক্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করছি, তখন তিনি যে যুগে জীবন অতিবাহিত করেছেন সেই যুগ সম্পর্কে নিম্নোক্ত দিকগুলো থেকে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়া অপরিহার্য:

১ - রাজনৈতিক দিক।

২ - সামাজিক দিক।

৩ - জ্ঞানতাত্ত্বিক দিক।