(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: -)
البلدان لابن الفقيه (ابن الفقيه)
القسم: البلدان والرحلات
الكتاب: البلدان
المؤلف: أبو عبد الله أحمد بن محمد بن إسحاق الهمداني المعروف بابن الفقيه (ت 365)
المحقق: يوسف الهادي
الناشر: عالم الكتب، بيروت
الطبعة: الأولى، 1416 هـ - 1996 م
عدد الصفحات: 649
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনুল ফকিহ বিরচিত আল-বুলদান (ইবনুল ফকিহ)
বিভাগ: দেশসমূহ ও ভ্রমণকাহিনী
কিতাব: আল-বulদান
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-হামাদানি, যিনি ইবনুল ফকিহ নামে পরিচিত (মৃত্যু: ৩৬৫ হিজরি)
তাহকিক: ইউসুফ আল-হাদি
প্রকাশক: আলমুল কুতুব, বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৬ হিজরি - ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪৯
[কিতাবটির পৃষ্ঠা বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة كتاب البلدان لابن الفقيه الهمذانيبسم الله الرحمن الرحيم قال ياقوت الحموي وهو يردّ على من طلب إليه أن يختصر كتابه (معجم البلدان) : «حكي عن الجاحظ أنه صنّف كتابا وبوّبه أبوابا. فأخذه بعض أهل عصره فحذف منه أشياء وجعله أشلاء. فأحضره وقال له: يا هذا! إنّ المصنّف كالمصوّر.وقد صورت في تصنيفي صورة كانت لها عينان فعورتهما- أعمى الله عينيك- وكان لها أذنان فصلمتهما- صلم الله أذنيك- وكان لها يدان فقطعتهما- قطع الله يديك-.حتى عدّ أعضاء الصورة. فاعتذر إليه الرجل بجهله هذا المقدار وتاب إليه عن المعاودة إلى مثله» «1» .وينطبق ما قاله الجاحظ على من اختصر الكتاب الذي نضعه بين أيدي القراء الكرام، حيث بلغ اختصاره أحيانا حدا أدى إلى غموض الجمل وضياع الأسانيد بما لها من خطورة وأهمية في تحديد أزمان الوقائع. فقد حذف مثلا اسم الرحالة تميم بن بحر المطوعي الذي قام برحلة إلى آسيا الوسطى وحدث بأخبارها ابن الفقيه، وحذف تبعا لذلك الرحلة بكاملها. وحذف المعلومات المهمة التي أوردها ابن الفقيه نقلا عن أبي العباس المروزي عن القبائل التركية والتي نقلها ياقوت فيما بعد عن النسخة الكاملة لكتاب ابن الفقيه. كما حذف أخطر فصول الكتاب على الإطلاق ونعني به الفصل المسمى ب (ذكر بعض مدن الأتراك وعجائبها) الذي نقله
ইবনে আল-ফকিহ আল-হামাদানি রচিত কিতাব আল-বুলদানের ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। ইয়াকুত আল-হামাউই বলেছেন—তিনি সেই ব্যক্তির উত্তর দিচ্ছিলেন যে তাকে তার গ্রন্থ (মু'জাম আল-বুলদান) সংক্ষিপ্ত করার অনুরোধ করেছিল: «আল-জাহিজ সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি একটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন এবং সেটিকে বিভিন্ন অধ্যায়ে বিন্যস্ত করেছিলেন। তার সমসাময়িক কেউ একজন সেটি গ্রহণ করে তা থেকে কিছু বিষয় বাদ দিয়ে সেটিকে খণ্ড-বিখণ্ড করে ফেলেছিল। তিনি তাকে উপস্থিত করে বললেন: হে ব্যক্তি! একজন গ্রন্থকার একজন চিত্রশিল্পীর মতো।আমি আমার রচনায় একটি ছবি এঁকেছিলাম যার দুটি চোখ ছিল, আর তুমি সে দুটিকে অন্ধ করে দিলে—আল্লাহ তোমার চোখ দুটিকে অন্ধ করে দিন—তার দুটি কান ছিল, আর তুমি সে দুটিকে কেটে ফেললে—আল্লাহ তোমার কান দুটিকে কেটে ফেলুন—তার দুটি হাত ছিল, আর তুমি সে দুটিকে কেটে ফেললে—আল্লাহ তোমার হাত দুটিকে কেটে দিন—।এমনকি তিনি ছবির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো গণনা করলেন। এরপর লোকটি এই পরিমাণের ব্যাপারে তার অজ্ঞতার কারণে ক্ষমা চাইল এবং এই ধরনের কাজের পুনরাবৃত্তি থেকে তার নিকট তাওবা করল»।আল-জাহিজ যা বলেছেন তা সেই ব্যক্তির ওপর প্রযোজ্য যে আমাদের পাঠকদের সামনে উপস্থাপিত এই গ্রন্থটিকে সংক্ষিপ্ত করেছে, কারণ তার এই সংক্ষিপ্তকরণ কখনো কখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা বাক্যের অস্পষ্টতা এবং সনদসমূহ হারানোর কারণ হয়েছে, অথচ ঘটনার সময়কাল নির্ধারণে এগুলোর গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। উদাহরণস্বরূপ, তিনি ভ্রমণকারী তামিম বিন বাহর আল-মুতাওয়ি-এর নাম বাদ দিয়েছেন যিনি মধ্য এশিয়ায় ভ্রমণ করেছিলেন এবং ইবনে আল-ফকিহ তার নিকট থেকে সেখানকার সংবাদ বর্ণনা করেছিলেন; সেই সাথে পুরো ভ্রমণ কাহিনীটিই বাদ দিয়েছেন। এছাড়া ইবনে আল-ফকিহ কর্তৃক আবু আল-আব্বাস আল-মারওয়াজি থেকে তুর্কি গোত্রসমূহ সম্পর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোও বাদ দিয়েছেন, যা পরবর্তীতে ইয়াকুত ইবনে আল-ফকিহর পূর্ণাঙ্গ কপি থেকে উদ্ধৃত করেছিলেন। অনুরূপভাবে তিনি গ্রন্থের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টিও বাদ দিয়েছেন এবং তা হলো (তুর্কিদের কিছু শহর ও তাদের বিস্ময়কর বিষয়ের বর্ণনা) নামক অধ্যায়টি যা উদ্ধৃত করেছিলেন...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
ابن الفقيه عن سعيد بن الحسن السمرقندي الذي توغل في معلوماته إلى حدود القبائل الفينية حيث مدينة بسكوف -. (Pskov) كما نرتأي أن تكون آخر المدن التي ذكرها السمرقندي-. ففي هذا الفصل. من المعلومات عن الحياة الاجتماعية لتلك القبائل ممّا لا نجده في أي مصدر آخر.نشير أولا إلى أن المخطوطة التي عثر عليها في المكتبة الرضوية بمدينة مشهد الإيرانية في ربيع 1923 تمثل نصف الكتاب الأصل بعد أن احتمل في بداية الأمر أنها كاملة. والدليل على ذلك ما ورد في الورقة الأولى منها بعد البسملة والصلاة على النبي وآله وهو: «هذا بقية القول في العراق والبصرة وأخبار دار فتحها … »أما مختصر الكتاب فقد حققه العلامة الهولندي دي خويه وطبعه عام 1885 ضمن مسلسل المكتبة الجغرافية الذي اعتمد على نسخة قال إنه تم اختصارها على يد أبي الحسن علي بن جعفر الشزري (أو الشيزري) عام 413 هـ «1» ، فهو يضم النصف الأول من الكتاب الأصل ولكن بصورة مختصرة، ويمكن القول بصورة عامة إنه إذا كان المختصر يضم النصف الأول من الكتاب، فإن مخطوطة المكتبة الرضوية تضم النصف الثاني. وعليه فإن كلا من المختصر والأصل المخطوط يكمل بعضهما بعضا. وقد ارتأينا أن ننشرهما معا أي النصف الأول المختصر الذي نشره دي خويه ثم أتبعناه بالنصف الثاني الذي هو مخطوطة المكتبة الرضوية كما كتبها مؤلفها ابن الفقيه كاملة.ولما كانت بعض أبواب النصف الثاني من المختصر تلتقي مع المخطوطة الأصل فقد أشير إلى مواضع الالتقاء تلك بطباعتها بالحرف المحقّق (الأسود) .ولكي يطلع القارئ الكريم بصورة دقيقة على ما ذكرناه آنفا نكتب هنا أبواب مختصر البلدان جنبا إلى جنب الأبواب الواردة في النسخة الأصل ونشير إلى ما هو
ইবনুল ফকিহ সাঈদ বিন হাসান আস-সামারকান্দি থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি ফিনিশ গোত্রগুলোর সীমানা পর্যন্ত তার তথ্যানুসন্ধান গভীর করেছিলেন, যেখানে প্সকভ (Pskov) শহরটি অবস্থিত - যেমনটি আমরা ধারণা করি যে এটি সামারকান্দি কর্তৃক উল্লিখিত সর্বশেষ শহরগুলোর একটি। এই অধ্যায়ে সেই গোত্রগুলোর সামাজিক জীবন সম্পর্কে এমন তথ্য রয়েছে যা অন্য কোনো উৎসে পাওয়া যায় না।আমরা প্রথমে উল্লেখ করছি যে, ১৯২৩ সালের বসন্তে ইরানের মাশহাদ শহরের রাজাভি লাইব্রেরিতে যে পাণ্ডুলিপিটি পাওয়া গিয়েছিল, তা মূল বইটির অর্ধেক অংশ উপস্থাপন করে, যদিও শুরুতে সম্ভাবনা করা হয়েছিল যে এটি পূর্ণাঙ্গ। এর প্রমাণ হলো বিসমিল্লাহ এবং নবী ও তাঁর পরিবারের ওপর দরূদ পাঠের পর এর প্রথম পাতায় যা বর্ণিত হয়েছে: «এটি ইরাক ও বসরা এবং সেটির বিজিত অঞ্চলের সংবাদ সম্পর্কে অবশিষ্ট বক্তব্য … »গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত রূপটি ওলন্দাজ পণ্ডিত ডি গুয়ে সম্পাদনা করেছেন এবং ১৮৮৫ সালে ভৌগোলিক গ্রন্থাগার সিরিজের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রণ করেছেন। এটি এমন একটি পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা সম্পর্কে তিনি বলেছেন যে এটি ৪১৩ হিজরি সনে আবুল হাসান আলী বিন জাফর আশ-শাযারি (বা আশ-শাইযারি) কর্তৃক সংক্ষিপ্ত করা হয়েছিল «১», এটি মূল বইয়ের প্রথম অর্ধাংশকে সংক্ষিপ্ত আকারে ধারণ করে। সাধারণভাবে বলা যায় যে, যদি সংক্ষিপ্ত সংস্করণটি বইয়ের প্রথম অর্ধাংশ ধারণ করে, তবে রাজাভি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপিটি দ্বিতীয় অর্ধাংশ ধারণ করে। ফলে সংক্ষিপ্ত সংস্করণ এবং মূল পাণ্ডুলিপি একে অপরের পরিপূরক। আমরা এই উভয় অংশ একসাথে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, অর্থাৎ ডি গুয়ে কর্তৃক প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত প্রথম অর্ধাংশ এবং এরপর দ্বিতীয় অর্ধাংশ যা রাজাভি লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া, যেভাবে এর লেখক ইবনুল ফকিহ এটি পূর্ণাঙ্গভাবে লিখেছিলেন।যেহেতু সংক্ষিপ্ত সংস্করণের দ্বিতীয় অর্ধাংশের কিছু পরিচ্ছেদ মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলে যায়, তাই সেই মিল থাকা স্থানগুলোকে গাঢ় অক্ষরে মুদ্রণ করে চিহ্নিত করা হয়েছে।সম্মানিত পাঠক যেন আমরা উপরে যা উল্লেখ করেছি সে সম্পর্কে নির্ভুলভাবে অবগত হতে পারেন, তাই আমরা এখানে মুখতাসার আল-বুলদানের পরিচ্ছেদসমূহ এবং মূল পাণ্ডুলিপিতে বর্ণিত পরিচ্ছেদসমূহ পাশাপাশি উল্লেখ করছি এবং নির্দেশ করছি যা...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
موجود هنا أو مفقود هناك:الأبواب الموجودة في نسخة الرضوية أي أصل الكتاب* الأبواب الموجودة في مختصر الكتاب المطبوع غير موجود القول في خلق الأرض.غير موجود القول في البحار وإحاطتها بالأرض.غير موجود القول في البحار وعجائب ما فيها.غير موجود الفرق ما بين بلاد الصين وبلاد الهند.غير موجود القول في مكة.غير موجود القول في المدينة.غير موجود الفرق بين تهامة والحجاز.غير موجود القول في اليمامة.غير موجود القول في البحرين.غير موجود القول في اليمن.غير موجود باب تصريف الجد إلى الهزل والهزل إلى الجد.غير موجود باب في مدح الغربة والاغتراب.غير موجود القول في مصر والنيل.غير موجود القول في المغرب.غير موجود القول في الشام.غير موجود القول في بيت المقدس.غير موجود القول في دمشق.غير موجود افتخار الشاميين على البصريين.غير موجود القول في الجزيرة.غير موجود القول في الروم.غير موجود في مدح البناء. في ذم البناء.غير موجود القول في العراق.
এখানে বিদ্যমান অথবা সেখানে অনুপস্থিত:রাদ্বাবিয়্যাহ পাণ্ডুলিপিতে অর্থাৎ মূল কিতাবে বিদ্যমান অধ্যায়সমূহ* মুদ্রিত কিতাবের সংক্ষিপ্তসারে বিদ্যমান অধ্যায়সমূহ; বিদ্যমান নেই: পৃথিবী সৃষ্টি সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: সমুদ্রসমূহ এবং পৃথিবীকে তা পরিবেষ্টন করে থাকা সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: সমুদ্রসমূহ এবং তাতে বিদ্যমান বিস্ময়কর বিষয়াদি সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: চীন দেশ এবং হিন্দুস্তান দেশের মধ্যকার পার্থক্য।বিদ্যমান নেই: মক্কা সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: মদিনা সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: তিহামাহ এবং হিজাজের মধ্যকার পার্থক্য।বিদ্যমান নেই: ইয়ামামাহ সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: বাহরাইন সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: ইয়ামেন সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: গাম্ভীর্যকে পরিহাসে এবং পরিহাসকে গাম্ভীর্যে রূপান্তর সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।বিদ্যমান নেই: পরবাস এবং প্রবাস জীবনের প্রশংসার পরিচ্ছেদ।বিদ্যমান নেই: মিসর এবং নীল নদ সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: মাগরিব সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: শাম সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: বাইতুল মুকাদ্দাস সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: দামেস্ক সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: বসরার অধিবাসীদের ওপর শামের অধিবাসীদের শ্রেষ্ঠত্ব বা গর্ব।বিদ্যমান নেই: আল-জাজিরা সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: রোম সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: স্থাপত্যের প্রশংসা ও স্থাপত্যের নিন্দা সংক্রান্ত আলোচনা।বিদ্যমান নেই: ইরাক সংক্রান্ত আলোচনা।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
غير موجود القول في الكوفة.غير موجود افتخار الكوفيين والبصريين عند السفّاح.غير موجود ما جاء في مسجد الكوفة.ما جاء في ذم الكوفة موجود بصورة مختصرة.القول في البصرة موجود بصورة مختصرة.ذم البصرة وفيه مناظرة بين الكوفيين والبصريين عند المأمون غير موجود القول في واسط غير موجود النبط وما جاء فيهم غير موجود القول في مدينة السلام بغداد غير موجود القول في سرّ من رأى غير موجود القول في السواد ووصفته غير موجود القول في الأهواز غير موجود في أبنية البلدان وخواصها وعجائبها توجد بعض نصوصه هنا.القول في فارس تلتقي أغلب نصوصه مع الأصل.القول في كرمان توجد أغلب نصوصه هنا.القول في الجبل وقرماسين وشبديز توجد أغلب نصوصه هنا.القول في همدان تلتقي بعض نصوصه مع الأصل.ذكر ما خصّ الله تعالى كل بلدة.من الأمتعة دون غيرها* تلتقي أغلب نصوصه مع الأصل.القول في نهاوند موجود بكامله تقريبا.القول في إصبهان موجود بكامله تقريبا.القول في قم موجود بكامله تقريبا.القول في قزوين وزنجان وأبهر تلتقي أغلب نصوصه مع الأصل.غير موجود القول في آذربيجان.القول في أرمينية* تلتقي أغلب نصوصه مع الأصل.القول في طبرستان تلتقي أغلب نصوصه مع الأصل.
কুফা সম্পর্কে আলোচনা বিদ্যমান নেই।আস-সাফফাহর দরবারে কুফাবাসী ও বসরার অধিবাসীদের পারস্পরিক শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিবরণ বিদ্যমান নেই।কুফা মসজিদ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তা বিদ্যমান নেই।কুফার নিন্দায় যা বর্ণিত হয়েছে তা সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান রয়েছে।বসরা সম্পর্কে আলোচনা সংক্ষিপ্ত আকারে বিদ্যমান রয়েছে।বসরার নিন্দা এবং তাতে আল-মামুনের দরবারে কুফাবাসী ও বসরার অধিবাসীদের মধ্যকার বিতর্ক বিদ্যমান নেই, ওয়াসিত সম্পর্কে আলোচনা বিদ্যমান নেই, নাবাতী সম্প্রদায় এবং তাদের সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তা বিদ্যমান নেই, মদিনাতুস সালাম বাগদাদ সম্পর্কে আলোচনা বিদ্যমান নেই, সুররা মান রাআ সম্পর্কে আলোচনা বিদ্যমান নেই, সাওয়াদ অঞ্চল এবং এর বর্ণনা সম্পর্কে আলোচনা বিদ্যমান নেই, আহওয়াজ সম্পর্কে আলোচনা বিদ্যমান নেই, শহরগুলোর স্থাপত্য, বৈশিষ্ট্য ও বিস্ময়কর বিষয়াদি সম্পর্কে কিছু পাঠ এখানে বিদ্যমান রয়েছে।পারস্য সম্পর্কে আলোচনার অধিকাংশ পাঠ মূল গ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।কিরমান সম্পর্কে আলোচনার অধিকাংশ পাঠ এখানে বিদ্যমান রয়েছে।জাবাল, কিরমাসিন এবং শাবদিজ সম্পর্কে আলোচনার অধিকাংশ পাঠ এখানে বিদ্যমান রয়েছে।হামাদান সম্পর্কে আলোচনার কিছু পাঠ মূল গ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।আল্লাহ তাআলা প্রতিটি শহরকে যা দিয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছেন তার উল্লেখ।অন্যান্য পণ্যের পরিবর্তে বিশেষ পণ্যসামগ্রী সংক্রান্ত অধিকাংশ পাঠ মূল গ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।নাহাওয়ান্দ সম্পর্কে আলোচনা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিদ্যমান রয়েছে।ইস্পাহান সম্পর্কে আলোচনা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিদ্যমান রয়েছে।কোম সম্পর্কে আলোচনা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিদ্যমান রয়েছে।কাজভিন, জানজান এবং আবহার সম্পর্কে আলোচনার অধিকাংশ পাঠ মূল গ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।আজারবাইজান সম্পর্কে আলোচনা বিদ্যমান নেই।আরমিনিয়া সম্পর্কে আলোচনার অধিকাংশ পাঠ মূল গ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।তাবারিস্তান সম্পর্কে আলোচনার অধিকাংশ পাঠ মূল গ্রন্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
القول في خراسان تلتقي بعض نصوصه مع الأصل القول في الترك غير موجود.ابن الفقيه الهمذانيترجم له ابن النديم ترجمة موجزة جدا نقلها فيما بعد ياقوت الحموي في معجم الأدباء وأضاف إليها- لحسن الحظ- الترجمة التي كتبها له المواطن الهمذاني شيرويه بن شهردار الديلمي (445- 509 هـ) مصنف كتاب تاريخ همذان بلده لمناسبة حديثه عن والد ابن الفقيه وهي:«قال شيرويه: محمد بن إسحاق بن إبراهيم، الفقيه أبو أحمد، والد أبي عبيد الأخباري: روى عن إبراهيم بن حميد البصري وغيره. وروى عنه ابنه أبو عبد الله.وقال شيرويه: أحمد بن محمد بن إسحاق بن إبراهيم الأخباري أبو عبد الله، يعرف بابن الفقيه ويلقّب بحالان، صاحب كتاب البلدان. روى عن أبيه، وإبراهيم بن الحسين بن ديزيل، ومحمد بن أيوب الرازي، وأبي عبد الله الحسين بن أبي السرح الأخباري، وذكر جماعة وقال: وروى عنه: أبو بكر بن لال، وأبو بكر بن روزنة. ولم يذكر وفاته» «1» .وبما أننا لا نعرف على وجه التحديد تاريخ ولادته ولا وفاته، فلا بدّ لنا من معرفة الذين روى عنهم أو رووا عنه ممن ذكر أعلاه على أن نبحث فيما بعد فيمن حدّث عنهم ولم يذكروا هنا، حيث رأينا ياقوتا قد اختصر ذلك بقوله «وذكر جماعة» ، إضافة إلى خطأ الناسخ في بعض تلك الأسماء كقوله عن ابن الفقيه أنه أحمد بن أحمد بن محمد بن إسحاق بإضافة (أحمد) ثانية إلى اسمه. وقوله (ابن روزنة) والصواب (ابن روزبه) وقوله بن أبي السرح. ورجحنا أنه (ابن أبي السري) .أمّا أبوه فليس لدينا سوى ما ذكره شيرويه أعلاه من أنه حدّث عن إبراهيم بن
খোরাসান সংক্রান্ত বর্ণনার কিছু পাঠ মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলে যায়, তবে তুর্কিদের সংক্রান্ত বর্ণনাটি অনুপস্থিত।ইবনুল ফকিহ আল-হামদানিইবনে নাদিম তাঁর সম্পর্কে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত একটি জীবনী উল্লেখ করেছেন, যা পরবর্তীতে ইয়াকুত আল-হামাউয়ি তাঁর 'মু'জামুল উদাবা' গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন। সৌভাগ্যক্রমে, তিনি এর সাথে হামদান নগরীর অধিবাসী এবং 'তারিখে হামদান' গ্রন্থের রচয়িতা শিরওয়াইহ বিন শাহরাদার আদ-দাইলামি (৪৪৫-৫০৯ হিজরি) কর্তৃক লিখিত জীবনীটিও যুক্ত করেছেন, যা শিরওয়াইহ ইবনুল ফকিহ-এর পিতার আলোচনার প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছিলেন। জীবনীটি হলো:«শিরওয়াইহ বলেন: মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম, ফকিহ আবু আহমদ, আবু উবাইদ আল-আখবারির পিতা: তিনি ইব্রাহিম বিন হুমাইদ আল-বসরি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আবু আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন।শিরওয়াইহ আরও বলেন: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-আখবারি আবু আব্দুল্লাহ, যিনি ইবনুল ফকিহ নামে পরিচিত এবং যাঁর উপাধি ছিল 'হালান', তিনি 'কিতাবুল বুলদান' এর রচয়িতা। তিনি তাঁর পিতা, ইব্রাহিম বিন আল-হুসাইন বিন দিজিল, মুহাম্মদ বিন আইয়ুব আর-রাজি এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবুস সারহ আল-আখবারি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি একদল বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করে বলেন: তাঁর থেকে আবু বকর বিন লাল এবং আবু বকর বিন রাওজানাহ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তাঁর মৃত্যুর তারিখ উল্লেখ করেননি» «১» ।যেহেতু আমরা সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর জন্ম বা মৃত্যুর তারিখ জানি না, তাই আমাদের জন্য এটা অপরিহার্য যে উপরে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থাৎ যাদের থেকে তিনি বর্ণনা করেছেন বা যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তাদের সম্পর্কে জানা। এর পাশাপাশি পরবর্তীতে আমাদের তাদের সম্পর্কেও অনুসন্ধান করতে হবে যাদের থেকে তিনি বর্ণনা করেছেন কিন্তু এখানে তাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। কেননা আমরা দেখেছি যে, ইয়াকুত তাঁর বর্ণনায় «একদল বর্ণনাকারীর কথা উল্লেখ করেছেন» বলে বিষয়টি সংক্ষেপ করেছেন। এছাড়া পাণ্ডুলিপি নকলকারীর ভুলের কারণে কিছু নামে ত্রুটি দেখা দিয়েছে; যেমন ইবনুল ফকিহ সম্পর্কে তিনি লিখেছেন 'আহমদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক', যেখানে তাঁর নামের সাথে দ্বিতীয়বার (আহমদ) যুক্ত করা হয়েছে। অনুরূপভাবে, তিনি (ইবনে রাওজানাহ) লিখেছেন, অথচ সঠিক হলো (ইবনে রুজবেহ); এবং তিনি 'বিন আবুস সারহ' লিখেছেন, যদিও আমাদের প্রবল ধারণা এটি (ইবনুল আবিস সারি) হবে।তাঁর পিতার ব্যাপারে আমাদের কাছে শিরওয়াইহ-এর উপরোক্ত বর্ণনা ব্যতীত আর কোনো তথ্য নেই, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি ইব্রাহিম বিন... এর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
حميد البصري، وهو إبراهيم بن حميد بن تيرويه الطويل البصري المتوفى عام 219 هـ «1» .وأمّا إبراهيم بن الحسين الكسائي الهمذاني المعروف بابن ديزيل فهو محدث همذان المشهور جدا توفي عام 281 هـ- وصفه الذهبي بالرّحال «2» . ومحمد بن أيوب الرازي: هو محمد بن أيوب بن ضريس البجلي الرازي شيخ الري ومسندها ولد في حدود 200 وتوفي بالري سنة 294 هـ «3» .أما أبو عبد الله الحسين بن أبي السرح: فنرجح أنه أبو عبد الله الحسين بن أبي السري العسقلاني- نسبة إلى عسقلان وهي محلة من محال بلخ «4» - واسم أبي السري هو المتوكل. فيكون اسمه الحسين بن المتوكل بن عبد الرحمن بن حسان المتوفى عام 240 هـ «5» .أما الذين رووا عنه فهم:أبو بكر بن لال وهو أحمد بن علي الهمذاني «ورد بغداد غير مرة وحدّث بها» «6» . وقال الذهبي: «قال شيرويه: كان ثقة، أوحد زمانه، مفتي البلد- يعني همذان-، يحسن هذا الشأن. له مصنفات في علوم الحديث غير أنه كان مشهورا
হামিদ আল-বসরি, তিনি হলেন ইবরাহিম বিন হামিদ বিন তিরওয়াইহ আত-তওয়িল আল-বসরি, যিনি ২১৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন «১»।আর ইবরাহিম বিন আল-হুসাইন আল-কিসায়ি আল-হামদানি, যিনি ইবনে দিজিল নামে পরিচিত, তিনি হামদানের অত্যন্ত সুপ্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস, যিনি ২৮১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন—যাহাবি তাকে ‘রাহহাল’ (বিখ্যাত পর্যটক) হিসেবে অভিহিত করেছেন «২»। এবং মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব আর-রাজি: তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব বিন দোরয়াইস আল-বাজালি আর-রাজি, রাই শহরের শাইখ ও মুসনিদ, তিনি আনুমানিক ২০০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২৯৪ হিজরিতে রাই শহরে ইন্তেকাল করেন «৩»।আর আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবি আস-সারহ: আমাদের প্রবল ধারণা এই যে, তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবি আস-সারি আল-আসকালানি—আসকালানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত, যা বালখ শহরের এলাকাগুলোর মধ্য হতে একটি এলাকা «৪»—এবং আবু আস-সারির নাম হলো আল-মুতাওয়াক্কিল। সুতরাং তার নাম হবে আল-হুসাইন বিন আল-মুতাওয়াক্কিল বিন আব্দুর রহমান বিন হাসসান, যিনি ২৪০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন «৫»।আর যারা তার থেকে বর্ণনা করেছেন তারা হলেন:আবু বকর বিন লাল, তিনি হলেন আহমাদ বিন আলি আল-হামদানি «তিনি একাধিকবার বাগদাদে আগমন করেছেন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছেন» «৬»। যাহাবি বলেন: «শিরওয়াইহ বলেছেন: তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), নিজ সময়ের অদ্বিতীয় ব্যক্তি, জনপদের মুফতি—অর্থাৎ হামদানের—তিনি এই শাস্ত্রকে সুন্দরভাবে আয়ত্ত করেছিলেন। হাদিস বিজ্ঞানে তার অনেক গ্রন্থ রয়েছে, তবে তিনি প্রসিদ্ধ ছিলেন
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
بالفقه. ورأيت له كتاب (السنن) و (معجم الصحابة) ما رأيت شيئا أحسن منه. ولد سنة ثمان وثلاثمائة وتوفي في سادس عشر ربيع الآخر سنة ثمان وتسعين» «1» . وقد نصّ مترجموه على أن له رحلة لقي بها أبا سعيد أحمد بن محمد بن الأعرابي بمكة «2» .وممن روى عن ابن الفقيه: أبو بكر بن روزبه. وهو عبد الله بن أحمد بن خالد بن روزبه، أبو بكر الفارسي الكسروي المتوفى عام (392 هـ) «3» .والذي يهمنا من جميع من ذكرنا أنه إذا كان قد سمع من ابن أبي السري في نفس السنة التي توفي فيها أي 240 هـ على أضعف الاحتمالات وكان عمره آنذاك 10 سنوات وهو سن لا بأس به لتحمل الحديث. وكان أبو بكر أحمد بن علي بن لال قد سمع من ابن الفقيه وعمره- أي عمر بن لال- 10 سنوات أي في العام 318 هـ، فيكون ابن الفقيه حياً في السنوات الواقعة بين 230 و 318 هـ على الأقل. وعليه، فإن ما ذكره ياقوت من أن ابن الفقيه كان حيا في حدود عام 340 هـ «4» يثير الشكوك. وقد يكون خلط بينه وبين أحمد بن محمد بن إسحاق الشاشي الفقيه الذي توفي عام 344 هـ «5» .ويثار تساؤل آخر وهو: إذا كان ابن الفقيه قد بقي حيا إلى ما بعد العام
ফিকহ শাস্ত্রে। আমি তাঁর (আস-সুনান) এবং (মু'জামুস সাহাবা) গ্রন্থটি দেখেছি; আমি এর চেয়ে সুন্দর কোনো কিছু দেখিনি। তিনি ৩০৮ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৩৯৮ হিজরির ১৬ই রবিউস সানি ইন্তেকাল করেন «১»। তাঁর জীবনীকারগণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর একটি ইলমি সফর ছিল যাতে তিনি মক্কায় আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-আ'রাবির সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন «২»।ইবনুল ফকিহ থেকে যারা বর্ণনা করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন: আবু বকর বিন রুজবাহ। তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন খালিদ বিন রুজবাহ, আবু বকর আল-ফারিসি আল-কাসরাভি, যিনি ৩৯২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন «৩»।আমরা যাদের উল্লেখ করেছি তাদের সকলের মধ্য থেকে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই যে, যদি তিনি ইবনে আবিস সাররি থেকে তাঁর মৃত্যুর বছরেই অর্থাৎ ২৪০ হিজরিতে শুনে থাকেন—সবচেয়ে দুর্বল সম্ভাবনা অনুযায়ী—তবে তখন তাঁর বয়স ছিল ১০ বছর, যা হাদিস গ্রহণের জন্য মন্দ কোনো বয়স নয়। আর আবু বকর আহমদ বিন আলি বিন লাল ইবনুল ফকিহ থেকে শুনেছিলেন যখন তাঁর বয়স—অর্থাৎ ইবনে লালের বয়স—ছিল ১০ বছর, অর্থাৎ ৩১৮ হিজরিতে। ফলে ইবনুল ফকিহ অন্তত ২৩০ থেকে ৩১৮ হিজরির মধ্যবর্তী বছরগুলোতে জীবিত ছিলেন। সেই অনুযায়ী, ইয়াকুত যা উল্লেখ করেছেন যে ইবনুল ফকিহ ৩৪০ হিজরি নাগাদ জীবিত ছিলেন «৪», তা সন্দেহের উদ্রেক করে। হতে পারে তিনি তাঁর সাথে আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আশ-শাশি আল-ফকিহের মধ্যে গুলিয়ে ফেলেছেন, যিনি ৩৪৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন «৫»।আরেকটি প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, আর তা হলো: ইবনুল ফকিহ যদি উক্ত সালের পরেও জীবিত থেকে থাকেন...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
290 هـ- وهو مؤكد طبعا بدليل سماع ابن لال منه- فلماذا لا نجد في كتابه (البلدان) ما يشير إلى زمن أبعد من عام 289 هـ- وهو آخر عام من خلافة المعتضد العباسي حيث ذكره ولم يترحم عليه مما يدل على أن المعتضد كان حيا آنذاك؟المعروف أن المعتضد قد توفي لثمان بقين من شهر ربيع الآخر سنة 289 وقيل لخمس خلون من جمادى الآخرة سنة 289 هـ «1» . وعليه فإن تاريخ الانتهاء من تأليف البلدان كان في أواخر ذلك العام وأوائل 290 هـ.نرجح أنه بعد أن انتهى من تأليف كتابه هذا انهمك في عمله العلمي بوصفه محدّثا وفي تأليف أعمال أخرى التي ذكر منها ابن النديم (ص 171) كتابه: ذكر الشعراء المحدثين والبلغاء منهم والمفحمين.اسم المؤلف وعنوان الكتابهو أحمد بن محمد بن إسحاق بن إبراهيم المعروف بابن الفقيه الهمذاني.وقد وهم ياقوت في بعض مواضع من كتابه معجم البلدان فأسماه: محمد بن أحمد «2» .فاسمه هو أحمد بن محمد … كما في آخر ورقة من مخطوطة المكتبة الرضوية التي ننشرها. وكما هو لدى ابن النديم الذي ألّف كتابه عام 377 هـ.ولدي حسن بن محمد القمي الذي ألّف كتابه عام 378 هـ «3» . والرافعي القزويني من أعلام القرن السادس «4» . إلّا أن العجب كل العجب أن يخلط إدوارد فنديك بينه وبين جغرافي آخر هو أبو محمد الحسن بن حمد بن يعقوب الهمداني
২৯০ হিজরি—আর ইবনে লালের তাঁর থেকে শ্রবণের প্রমাণের ভিত্তিতে এটি অবশ্যই নিশ্চিত—তাহলে কেন আমরা তাঁর (আল-বুলদান) গ্রন্থে ২৮৯ হিজরির পরের কোনো সময়ের ইঙ্গিত পাই না? এটি আব্বাসীয় খলিফা আল-মুতাদিদের খিলাফতের শেষ বছর, যেখানে তিনি তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন কিন্তু তাঁর জন্য করুণা প্রার্থনা (রাহিমাহুল্লাহ) করেননি, যা নির্দেশ করে যে আল-মুতাদিদ তখন জীবিত ছিলেন?এটি সুপরিচিত যে, আল-মুতাদিদ ২৮৯ হিজরির রবিউস সানি মাসের আট দিন বাকি থাকতে মৃত্যুবরণ করেন, আর কেউ কেউ বলেছেন ২৮৯ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসের পাঁচ তারিখ অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি মারা যান «১»। সে অনুযায়ী, 'আল-বুলদান' গ্রন্থ রচনার সমাপ্তিকাল ছিল সেই বছরের শেষভাগ এবং ২৯০ হিজরির শুরুর দিক।আমরা ধারণা করি যে, এই গ্রন্থটি রচনা শেষ করার পর তিনি মুহাদ্দিস হিসেবে তাঁর ইলমি কাজে এবং অন্যান্য গ্রন্থ রচনায় নিমগ্ন হন, যার মধ্য থেকে ইবনুন নাদিম (পৃষ্ঠা ১৭১) তাঁর এই গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছেন: 'যিকরুশ শুআরাইল মুহদাসিনা ওয়াল বুলাগাই মিনহুম ওয়াল মুফহামিন' (আধুনিক কবিদের আলোচনা, তাঁদের মধ্যে যারা সাবলীল এবং যারা নিরুত্তরকারী)।লেখকের নাম এবং গ্রন্থের শিরোনামতিনি হলেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম, যিনি ইবনুল ফকিহ আল-হামদানি নামে পরিচিত।ইয়াকুত তাঁর 'মুজামুল বুলদান' গ্রন্থের কিছু স্থানে ভ্রমবশত তাঁর নাম মুহাম্মদ বিন আহমদ উল্লেখ করেছেন «২»।সুতরাং তাঁর নাম হলো আহমদ বিন মুহাম্মদ … যেমনটি আমাদের প্রকাশিত মাকতাবাতুর রাদাবিয়ার পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠায় রয়েছে। এবং যেমনটি ইবনুন নাদিমের নিকট রয়েছে, যিনি ৩৭৭ হিজরিতে তাঁর গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।এবং হাসান বিন মুহাম্মদ আল-কুম্মির নিকটও তাই, যিনি ৩৭৮ হিজরিতে তাঁর গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন «৩»। আর ষষ্ঠ শতাব্দীর অন্যতম বরেণ্য ব্যক্তিত্ব আর-রাফেয়ি আল-কাযউইনিও তাই উল্লেখ করেছেন «৪»। তবে চরম আশ্চর্যের বিষয় হলো যে, এডওয়ার্ড ভ্যান ডাইক তাঁর সাথে অন্য এক ভূগোলবিদের নাম গুলিয়ে ফেলেছেন, যিনি হলেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইয়াকুব আল-হামদানি।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
المعروف بابن الحائك ويعتبرهما شخصا واحدا رغم بعد الشقة في الأسماء والكنى والألقاب «1» .أما الكتاب فهو: البلدان كما هو لدى ابن النديم (ص 171) والقمي (ص 23، 56، 90) والرافعي القزويني (ص 31) رغم أننا نقرأ في الورقة الأخيرة من المخطوطة أنه كتاب (أخبار البلدان) ويبدو أن كلمة (أخبار) إضافة من ناسخ الكتاب، إذ أن مختصر الكتاب الذي اختصره فيما بعد سمّى مختصره ب (مختصر كتاب البلدان) ولم يقل (مختصر كتاب أخبار البلدان) .مصادر كتاب البلدانأهملنا مصادره التي كان يشير فيها إلى الأسماء مجردة عن أسماء الكتب كقوله «قال المدائني» أو «قال أبو عبيدة معمر بن المثنى» إذ ليس بين أيدينا مؤلفاتهم الجغرافية، ولا ندري إن كان نقل عنها مباشرة أم بالواسطة. إلّا ما هو بين أيدينا من المصادر فقد راجعناه وذكرنا مآخذه عنه. فقوله مثلًا «قال عمرو بن بحر» وجدناه في كتاب الحيوان الذي نقل منه مقاطع طويلة. كما أشار إشارة عابرة إلى البلاذري إلّا أنّ وجود كتابه فتوح البلدان بين أيدينا أتاح لنا معرفة النصوص التي نقلها ابن الفقيه عنه- وهي كثيرة- وكذلك الأمر بالنسبة لابن قتيبة الدينوري وغيره. ومما يعزز إهمالنا لبعض مصادره أنه كان يحوّر في ألفاظ أسانيد الروايات فيوهم قارئه. ففي حديثه عن (عين الجمل) قال: «وسألت بعض المشايخ عن عين جمل لم سميت بهذا الاسم؟ (هـ أ) » . والحقيقة فإن هذا الكلام للبلاذري مع تحوير طفيف جدا. قال البلاذري: «وحدثني بعض المشايخ.....» «2» .أو أن يقول (87 ب) : «وخبّر إبراهيم بن العباس … » وحقيقة الأمر أن هذا الكلام منقول عن الجاحظ في الحيوان حيث قال الجاحظ: «وخبرني
যিনি ইবনে আল-হাইক নামে পরিচিত এবং তিনি তাঁদের উভয়কে একই ব্যক্তি মনে করেন, যদিও নাম, উপনাম এবং উপাধির মধ্যে বিস্তর ব্যবধান রয়েছে «১»।আর গ্রন্থটি হলো: 'আল-বুলদান', যেমনটি ইবনে আন-নাদিম (পৃ. ১৭১), আল-কুম্মি (পৃ. ২৩, ৫৬, ৯০) এবং আল-রাফেয়ী আল-কাযউইনী (পৃ. ৩১)-এর নিকট বর্ণিত হয়েছে; যদিও আমরা পাণ্ডুলিপির শেষ পাতায় পড়ি যে এটি 'আখবারুল বুলদান' গ্রন্থ। মনে হয় যে 'আখবার' শব্দটি পাণ্ডুলিপিকারের একটি সংযোজন, কারণ বইটির যে সংক্ষিপ্তসার পরবর্তীতে করা হয়েছে, তার সংক্ষিপ্তকারী এর নাম দিয়েছেন 'মুখতাসার কিতাবিল বুলদান' (দেশের কিতাবের সংক্ষিপ্তসার) এবং তিনি 'মুখতাসার কিতাবি আখবারিল বুলদান' (দেশসমূহের খবরের কিতাবের সংক্ষিপ্তসার) বলেননি।কিতাবুল বুলদান-এর উৎসসমূহআমরা তাঁর সেই সব উৎস বাদ দিয়েছি যেখানে তিনি বইয়ের নাম উল্লেখ না করে কেবল ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করেছেন, যেমন তাঁর উক্তি: "আল-মাদায়িনী বলেছেন" অথবা "আবু উবায়দা মা'মার ইবনুল মুসান্না বলেছেন"। যেহেতু আমাদের কাছে তাঁদের ভৌগোলিক কোনো রচনা নেই, তাই আমরা জানি না তিনি কি সরাসরি সেগুলো থেকে বর্ণনা করেছেন নাকি কোনো মধ্যস্থতার মাধ্যমে। তবে আমাদের হাতে বিদ্যমান উৎসসমূহ আমরা যাচাই করেছি এবং সেখান থেকে তাঁর গৃহীত অংশগুলো উল্লেখ করেছি। যেমন তাঁর উক্তি— "আমর ইবনে বাহর বলেছেন", এটি আমরা 'কিতাবুল হায়ওয়ান'-এ পেয়েছি যেখান থেকে তিনি দীর্ঘ অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করেছেন। তেমনিভাবে তিনি আল-বালাযুরীর প্রতিও সংক্ষিপ্ত ইঙ্গিত দিয়েছেন, তবে আমাদের হাতে তাঁর 'ফুতুহুল বুলদান' গ্রন্থটি থাকায় ইবনুল ফকিহ তাঁর থেকে যে পাঠগুলো উদ্ধৃত করেছেন তা জানার সুযোগ হয়েছে—আর সেগুলো সংখ্যায় অনেক—এবং একই কথা ইবনে কুতায়বা আদ-দিনাওয়ারী ও অন্যদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমাদের কিছু উৎস বর্জন করার বিষয়টি আরও জোরালো হয় একারণে যে, তিনি বর্ণনার সনদের শব্দাবলীতে পরিবর্তন আনতেন যা পাঠককে বিভ্রান্ত করে। যেমন 'আইনুল জামাল' সম্পর্কে আলোচনায় তিনি বলেছেন: "আমি জনৈক শাইখকে জিজ্ঞাসা করেছি যে আইনুল জামালকে কেন এই নামে নামকরণ করা হয়েছে? (হা আলিফ)"। অথচ প্রকৃতপক্ষে এই কথাটি সামান্য পরিবর্তনসহ আল-বালাযুরীর। আল-বালাযুরী বলেছিলেন: "আমাকে জনৈক শাইখ বর্ণনা করেছেন..." «২»।অথবা তাঁর উক্তি (৮৭ ব): "আর ইব্রাহিম ইবনুল আব্বাস সংবাদ দিয়েছেন …" কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই কথাটি জাহিজের 'আল-হায়ওয়ান' থেকে উদ্ধৃত, যেখানে জাহিজ বলেছেন: "আর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
إبراهيم بن عباس … » «1» . وسوف نفصل ذلك لدى بحثنا في منقولاته عن البلاذري والجاحظ وغيرهما.وسنتناول الآن بالبحث مصادره بقسميها الكتابي والروائي الذي سمعه والذي يبدؤه عادة بقوله: (حدثني) أو (حدّث) أو (سألناه) . وقد نسهب أحيانا في الحديث عن أحد الرواة لأهمية المعلومات التي رواها. فلنبدأ مع الكتب حسب تسلسل ورودها في الكتاب.أخبار الصين والهندمن تأليف سليمان التاجر الذي سافر إلى الهند والصين أكثر من مرة بقصد التجارة «وقد اتفق الباحثون في أخبار الصين والهند على أن هذه الروايات أو الأخبار جمعت حول سنة 237 هـ أي 851 م. ويرى المستشرق فيران أن سليمان هو الذي دون الروايات بنفسه» «2» .وقد نقل ابن الفقيه عنه أخبارا تتعلق بالصين والهند. والكتاب مطبوع متداول بين أيدي القراء.المسالك والممالكنقل عنه ابن الفقيه نصا يتعلق ببناء مسجد دمشق. فإن كان المقصود كتاب ابن خرداذبة فهذا النص ليس موجودا في كتاب المسالك والممالك الذي بين أيدينا. علما بأن دي خويه يرى «أن النص الكامل لمصنف ابن خرداذبة لم يتم العثور عليه بعد» «3» . كما أنه لا يمكن معرفة ما إذا كان المقصود كتاب المسالك والممالك لجعفر بن أحمد المروزي الذي قال ابن النديم أنه أول من ألّف في المسالك والممالك كتابا ولم يتمه. وتوفي بالأهواز وحملت كتبه إلى بغداد وبيعت في طاق الحراني سنة 274 هـ «4» .
ইব্রাহীম ইবনে আব্বাস … » «১» । আল-বালাজুরি, আল-জাহিজ এবং অন্যদের থেকে তাঁর উদ্ধৃতিসমূহ আলোচনার সময় আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করব।এখন আমরা তাঁর উৎসগুলো নিয়ে আলোচনা করব, যা দুই ভাগে বিভক্ত: লিখিত এবং মৌখিক (যা তিনি শুনেছেন)। মৌখিক বর্ণনাগুলো সাধারণত তিনি ‘আমাকে বর্ণনা করেছেন’ বা ‘বর্ণনা করেছেন’ অথবা ‘আমরা তাঁকে জিজ্ঞেস করেছি’ শব্দগুলো দিয়ে শুরু করেন। কখনও কখনও আমরা কোনো একজন বর্ণনাকারী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব, কারণ তাঁর বর্ণিত তথ্যের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সুতরাং বইটিতে যেভাবে এসেছে সেই ক্রম অনুযায়ী আমরা গ্রন্থগুলো দিয়ে শুরু করি।আখবারুস সিন ওয়াল হিন্দ (চীন ও ভারতের সংবাদ)এটি সুলাইমান আত-তাজিরের রচনা, যিনি ব্যবসার উদ্দেশ্যে একাধিকবার ভারত ও চীন ভ্রমণ করেছিলেন। «চীন ও ভারতের সংবাদের গবেষকরা একমত হয়েছেন যে, এই বর্ণনা বা সংবাদগুলো ২৩৭ হিজরি অর্থাৎ ৮৫১ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে সংকলিত হয়েছে। প্রাচ্যবিদ ফেরান মনে করেন যে, সুলাইমান নিজেই এই বর্ণনাগুলো লিপিবদ্ধ করেছিলেন» «২» ।ইবনুল ফকিহ তাঁর থেকে চীন ও ভারত সংক্রান্ত বিভিন্ন সংবাদ উদ্ধৃত করেছেন। বইটি মুদ্রিত অবস্থায় পাঠকদের কাছে সহজলভ্য।আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক (পথ ও রাজ্যসমূহ)ইবনুল ফকিহ তাঁর থেকে দামেস্কের মসজিদ নির্মাণ সংক্রান্ত একটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন। যদি এর দ্বারা ইবনে খুরদাজবিহ-এর গ্রন্থটি উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, তবে আমাদের হাতে থাকা ‘আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক’ গ্রন্থে এই পাঠটি বিদ্যমান নেই। উল্লেখ্য যে, ডি গোয়ে মনে করেন যে, «ইবনে খুরদাজবিহ-এর রচনার পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি» «৩» । তেমনিভাবে এটিও জানার উপায় নেই যে, এর দ্বারা জাফর ইবনে আহমদ আল-মারওয়াজির ‘আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক’ গ্রন্থটি উদ্দেশ্য কি না, যার সম্পর্কে ইবনুন নাদিম বলেছেন যে, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি ‘আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক’ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছিলেন কিন্তু তা সম্পন্ন করতে পারেননি। তিনি আহওয়াজে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বইগুলো বাগদাদে নিয়ে আসা হয় এবং ২৭৪ হিজরিতে তক আল-হারানিতে বিক্রি করা হয় «৪» ।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
كما نستبعد أن يكون الممالك والمسالك الذي ألّفه أبو عبد الله محمد بن أحمد بن نصر الجيهاني الذي عين وزيرا لنصر بن أحمد الساماني عام 301 هـ والذي وضع كتابه قريبا من عام 310 هـ- بينما كتب ابن الفقيه كتابه عام 290 هـ «1» .الحيوان للجاحظصرح ابن الفقيه باسم الجاحظ أكثر من مرة، وقد وجدناه ينقل مقاطع طويلة عن كتابه (الحيوان) الذي لم يشر إليه بالاسم. وقد أشرنا إلى النصوص المنقولة عنه في هوامش كتابنا هذا. وإن كان استخدم أسلوبا مجحفا بحق الجاحظ إذ كان ينقل عنه أحيانا من غير أن يذكره بالاسم، أو أن يحرّف كما في قوله (وخبّر إبراهيم بن العباس) والحقيقة أن هذا كلام الجاحظ ولكن على الشكل التالي (وخبرني إبراهيم بن العباس) أو يختصر كما في النص المتعلق بالنار وهو طويل جدا وموجود في (الحيوان) .فتوح البلدانأشار إلى اسم البلاذري ثلاث مرات، إلّا أنه نقل مقاطع طويلة عنه من كتابه (فتوح البلدان) دون أن يشير ولا مرة واحدة إلى اسم الكتاب. كما أن المعلومة المتعلقة بكور طبرستان التي صدّرها ب (قال البلاذري) لم نجدها في فتوح البلدان الذي بين أيدينا. وعلينا هنا أن نذكّر بقول ابن النديم من أن للبلاذري كتابين باسم البلدان. أحدهما صغير والآخر كبير ولم يتمه «2» .ويكتفي أحيانا في نقله عن فتوح البلدان بذكر اسم الراوي من غير ذكر اسم الكتاب فهو يقول مثلا (138 ب) قال جعفر بن محمد الرازي. والحقيقة هي أن هذا النص موجود في فتوح البلدان (ص 315) حيث نتبين منه أن جعفرا هذا هو أحد شيوخ البلاذري والنص يبدأ هكذا: «حدثني جعفر بن محمد الرازي … »
একইভাবে আমরা এই সম্ভাবনাকেও নাকচ করে দিই যে এটি আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর আল-জায়হানি কর্তৃক রচিত 'আল-মামালিক ওয়াল-মাসালিক' গ্রন্থটি হবে, যিনি ৩০১ হিজরিতে নাসর ইবনে আহমদ আল-সামানির উজির নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং যিনি ৩১০ হিজরির কাছাকাছি সময়ে তার গ্রন্থটি সংকলন করেছিলেন—যেখানে ইবনে আল-ফকিহ তার গ্রন্থটি ২৯০ হিজরিতে লিখেছিলেন «১»।আল-জাহিজের আল-হায়াওয়ানইবনে আল-ফকিহ একাধিকবার স্পষ্টভাবে আল-জাহিজের নাম উল্লেখ করেছেন এবং আমরা দেখতে পেয়েছি যে তিনি তার 'আল-হায়াওয়ান' গ্রন্থ থেকে দীর্ঘ অনুচ্ছেদগুলো উদ্ধৃত করেছেন, যে গ্রন্থটির নাম তিনি উল্লেখ করেননি। আমরা আমাদের এই গ্রন্থের পাদটীকাগুলোতে তার থেকে উদ্ধৃত পাঠ্যগুলোর দিকে ইঙ্গিত করেছি। যদিও তিনি আল-জাহিজের প্রতি কিছুটা অন্যায় পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন, কারণ তিনি কখনো কখনো তার নাম উল্লেখ না করেই তার থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, অথবা শব্দ পরিবর্তন করেছেন যেমনটি তার এই বক্তব্যে দেখা যায়: (এবং ইব্রাহিম ইবনে আল-আব্বাস সংবাদ দিয়েছেন), অথচ বাস্তবতা হলো এটি আল-জাহিজেরই কথা কিন্তু তা ছিল নিম্নরূপ: (এবং ইব্রাহিম ইবনে আল-আব্বাস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন)। অথবা তিনি সংক্ষিপ্ত করেছেন যেমনটি আগুন সংক্রান্ত পাঠ্যের ক্ষেত্রে ঘটেছে, যা অত্যন্ত দীর্ঘ এবং 'আল-হায়াওয়ান' গ্রন্থে বিদ্যমান রয়েছে।ফুতুহ আল-বুলদানতিনি আল-বালাজুরির নাম তিনবার উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি তার 'ফুতুহ আল-বুলদান' গ্রন্থ থেকে দীর্ঘ অনুচ্ছেদগুলো উদ্ধৃত করেছেন গ্রন্থটির নাম একবারও উল্লেখ না করে। এছাড়া তাবারিস্থানের জেলাসমূহ সংক্রান্ত যে তথ্যটি তিনি (আল-বালাজুরি বলেছেন) বলে শুরু করেছেন, তা আমাদের হাতে থাকা 'ফুতুহ আল-বুলদান' গ্রন্থে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমাদের এখানে ইবনে আল-নাদিমের বক্তব্যের কথা স্মরণ করা উচিত যে, আল-বালাজুরির 'আল-বুলদান' নামে দুটি গ্রন্থ ছিল। যার একটি ছোট এবং অন্যটি বড়, যা তিনি সম্পন্ন করেননি «২»।তিনি কখনো কখনো 'ফুতুহ আল-বুলদান' থেকে উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় গ্রন্থের নাম উল্লেখ না করে কেবল বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হন, যেমন তিনি বলেন (১৩৮ খ): জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-রাজি বলেছেন। বাস্তবতা হলো এই পাঠ্যটি 'ফুতুহ আল-বুলদান' (পৃষ্ঠা ৩১৫)-এ বিদ্যমান, যেখান থেকে আমরা স্পষ্ট হই যে এই জাফর হলেন আল-বালাজুরির অন্যতম শিক্ষক এবং পাঠ্যটি এভাবে শুরু হয়েছে: «জাফর ইবনে মুহাম্মাদ আল-রাজি আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন … »
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وهو يحوّر في بعض كلمات البلاذري أحيانا ولا يكلف نفسه بالإشارة لا إلى (فتوح البلدان) ولا (البلاذري) . ففي نص طويل متعلق بعيون الطف والقطقطانة والرهيمة وعين حمل وقد نقله ابن الفقيه بأسره من البلاذري من غير أن يذكر ذلك. (4 أ) و (4 ب) ويمكن مقارنته بالمطبوع من فتوح البلدان ص 296، نجد ما يلي:ابن الفقيه وسألت بعض المشايخ عن عين جمل لم سميت بهذا الاسم؟ فذكر أنّ جملا مات عندها فنسبت العين إليه.وذكر بعض أهل واسط أن المستخرج لهذه العين يسمى جملا.قال: وسميت عين الصيد لأن السمك كان كثيرا جدا فيها فيصطاد فسميت بهذا الاسم.البلاذري وحدثني بعض المشايخ: أن جملا مات عند عين الجمل فنسبت إليه.وذكر بعض أهل واسط أن المستخرج لها كان يسمى جملا.قالوا: وسميت العين عين الصيد لأن السمك يجتمع فيها.فضائل بغداد وصفتهامن تأليف يزدجرد بن مهبندان الكسروي. قال عنه ابن النديم إنه عاش في أيام المعتضد وله من الكتب: كتاب فضائل بغداد وصفتها. وكتاب الدلائل على التوحيد من كلام الفلاسفة وغيرهم. كبير، رأيته بخطه «1» .وعن كتابه هذا قال القاضي التنوخي: «تجارينا عند القاضي أبي الحسن محمد بن صالح بن علي الهاشمي، ابن أم شيبان في سنة ستين وثلاثمائة عظم بغداد وكثرة أهلها في أيام المقتدر.... وذكرت أنا كتابا رأيته لرجل يعرف بيزدجرد بن مهبندان الكسروي كان على عهد المقتدر بحضرة أبي محمد المهلبي، كان سلّم إليّ وإلى جماعة ممن حضر، كراريس منه لننسخه وننفده إلى الأمير ركن
তিনি কখনও কখনও আল-বালাজুরীর কিছু শব্দ পরিবর্তন করেন এবং 'ফুতুহ আল-বুলদান' কিংবা 'আল-বালাজুরী'—কোনটিরই উল্লেখ করার প্রয়োজনবোধ করেন না। আত-তাফ, আল-কুতকুতানাহ, আর-রুহাইমাহ এবং আইন হামাল-এর ঝরনা সম্পর্কিত একটি দীর্ঘ পাঠ্য রয়েছে যা ইবন আল-ফকিহ আল-বালাজুরী থেকে সম্পূর্ণ উদ্ধৃত করেছেন কোনো উল্লেখ ছাড়াই। (৪-ক) ও (৪-খ) এবং একে ফুতুহ আল-বুলদান-এর মুদ্রিত সংস্করণের ২৯৬ পৃষ্ঠার সাথে তুলনা করলে আমরা নিম্নোক্ত বিষয়গুলো পাই:ইবন আল-ফকিহ: আমি কয়েকজন শায়খকে আইন জামাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে, কেন এর এই নামকরণ করা হয়েছে? তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সেখানে একটি উট মারা গিয়েছিল, তাই ঝরনাটি তার দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে।ওয়াসিতের কিছু অধিবাসী উল্লেখ করেছেন যে, এই ঝরনার খননকারীর নাম ছিল জামাল।তিনি বলেন: আর একে আইনুস সাইদ বলা হয় কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে মাছ ছিল যা শিকার করা হতো, তাই এর এই নামকরণ করা হয়েছে।আল-বালাজুরী: এবং আমাকে কয়েকজন শায়খ বলেছেন যে: আইন আল-জামালের কাছে একটি উট মারা গিয়েছিল, তাই এটি তার সাথে সম্পর্কিত হয়েছে।ওয়াসিতের কিছু অধিবাসী উল্লেখ করেছেন যে, এর খননকারীর নাম ছিল জামাল।তারা বলেছেন: আর ঝরনাটিকে আইনুস সাইদ বলা হয় কারণ সেখানে মাছ জমা হতো।বাগদাদের ফযিলত ও এর বর্ণনাইয়াজদাজিরদ বিন মাহবানদান আল-কিসরাউয়ি কর্তৃক রচিত। ইবনুন নাদিম তার সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি আল-মুতাদিদ-এর আমলে জীবিত ছিলেন এবং তার গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে: 'কিতাব ফাদায়িল বাগদাদ ওয়া সিফাতিহা' (বাগদাদের ফযিলত ও এর বর্ণনা বিষয়ক গ্রন্থ) এবং দার্শনিক ও অন্যদের বক্তব্য থেকে সংকলিত তাওহিদের প্রমাণাদি বিষয়ক একটি বৃহৎ গ্রন্থ। আমি এটি তার নিজ হস্তাক্ষরে দেখেছি (১)।এবং তার এই গ্রন্থ সম্পর্কে কাজি আত-তানুখি বলেছেন: "তিনশত ষাট হিজরি সনে আমরা কাজি আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন সলিহ বিন আলি আল-হাশেমি ইবন উম্মে শাইবানের নিকট আল-মুকতাদির-এর আমলে বাগদাদের বিশালত্ব এবং এর জনসংখ্যার আধিক্য নিয়ে আলোচনা করছিলাম... এবং আমি একটি গ্রন্থের কথা উল্লেখ করলাম যা আমি ইয়াজদাজিরদ বিন মাহবানদান আল-কিসরাউয়ি নামক এক ব্যক্তির দেখেছিলাম, যিনি আল-মুকতাদির-এর আমলে আবু মুহাম্মদ আল-মুহাল্লাবির উপস্থিতিতে ছিলেন। তিনি আমার কাছে এবং উপস্থিত একদলের কাছে এর কিছু পাণ্ডুলিপি হস্তান্তর করেছিলেন যাতে আমরা সেগুলো অনুলিপি করি এবং আমির রুকনের নিকট পাঠিয়ে দেই।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
الدولة، لأنه التمس كتابا في وصف بغداد وإحصاء ما فيها من الحمامات وأنها كانت عشرة آلاف، ذكر في الكتاب مبلغها وعدد من يحتوي عليه البلد من الناس والسفن والملاحين وما يحتاج إليه في كل يوم من الحنطة والشعير والأقوات....» «1» .ولا تعارض بين ما ذكره ابن النديم من أن الرجل عاش في زمن خلافة المعتضد (279- 289 هـ) وقول التنوخي إنه كان في خلافة المقتدر (295- 320 هـ) فمن الممكن أن يكون قد عاش في العهدين.ويضيف رضي الدين علي بن موسى المعروف بابن طاووس (589- 664 هـ-) معلومات مهمة عن يزدجرد هذا وعلمه وأخيه بالنجوم فيقول نقلا عن التنوخي:«وممن وصف بعلم النجوم سهلون ويزدجرد من علماء الإسلام فيما ذكره التنوخي في أربع أجزاء النشوار فقال ما هذا لفظه: حدثني أبو عبد الله محمد الحارثي قال: كان ببغداد في أيام المقتدر إخوان كهلان فاضلان وعندهما من كل فن مليح، وهما من أحرار فارس. قد نشأ ببغداد وتأدبا بها وتعلما علوما كثيرة يقال لأحدهما سهلون وللآخر يزدجرد ابنا مهمندار الكسروي. ويعرفان بذلك لانتسابهما إلى الأكاسرة. وكانا ذوي نعمة قديمة وحالة ضخمة وكنت ألزمهما على طريق الأدب. وكان ليزدجرد منهما كتاب حسن ألّفه في صفة بغداد وعدد سككها وحماماتها....» «2» .وعن كتابه هذا (فضائل بغداد) نقل ابن الفقيه مقاطع طويلة جدا في إحصائيات تتعلق بعدد الحمامات والمساجد والسكك والشوارع وما يدخلها من الأقوات يوميا وما يباع فيها. وهذا الفصل مما حذفه مختصر كتاب البلدان فأتحفتنا به نسختنا الكاملة.
রাষ্ট্র, কারণ তিনি বাগদাদের বর্ণনা এবং তাতে কতটি হাম্মাম (গোসলখানা) আছে তার পরিসংখ্যান সম্বলিত একটি কিতাব অনুসন্ধান করেছিলেন; যাতে উল্লেখ ছিল যে সেখানে দশ হাজার হাম্মাম ছিল। তিনি সেই কিতাবে সেগুলোর সংখ্যা এবং এই শহরে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা, নৌকা, নাবিক এবং প্রতিদিন কী পরিমাণ গম, যব ও খাদ্যের প্রয়োজন হয় তা উল্লেখ করেছেন...। «১»।ইবনে নাদিম কর্তৃক উল্লিখিত এই তথ্য যে ব্যক্তিটি আল-মুতাদিদ-এর খিলাফতকালে (২৭৯-২৮৯ হিজরি) জীবিত ছিলেন এবং আত-তানুখীর এই বক্তব্য যে তিনি আল-মুক্তাদির-এর খিলাফতকালে (২৯৫-৩২০ হিজরি) ছিলেন—এই দুইয়ের মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। কারণ এটি সম্ভব যে তিনি উভয় যুগেই জীবিত ছিলেন।রাযি উদ্দিন আলী বিন মুসা, যিনি ইবনে তাউস (৫৮৯-৬৬৪ হিজরি) নামে পরিচিত, এই ইয়াজদাজিরদ এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানে তার ও তার ভাইয়ের জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যোগ করেছেন। তিনি আত-তানুখী থেকে উদ্ধৃত করে বলেন:«ইসলামি পণ্ডিতদের মধ্যে যাদের জ্যোতির্বিজ্ঞানে পারদর্শী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে তারা হলেন সাহলুন এবং ইয়াজদাজিরদ; যেমনটি আত-তানুখী 'আন-নিশওয়ার'-এর চার খণ্ডে উল্লেখ করেছেন। তিনি এর শব্দাবলী এভাবে বর্ণনা করেছেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আল-হারিসি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মুক্তাদিরের আমলে বাগদাদে দুই প্রৌঢ় ও গুণী ভাই ছিলেন, যাদের কাছে প্রতিটি শাস্ত্রেরই চমৎকার জ্ঞান ছিল। তারা পারস্যের স্বাধীন বংশোদ্ভূত ছিলেন। তারা বাগদাদেই বেড়ে উঠেছেন, সেখানে আদব-কায়দা শিখেছেন এবং অনেক জ্ঞান অর্জন করেছেন। তাদের একজনের নাম ছিল সাহলুন এবং অন্যজন ইয়াজদাজিরদ—মিহমানদার আল-কিসরাভীর দুই পুত্র। কিসরা রাজবংশের সাথে সম্পৃক্ততার কারণে তারা এই নামে পরিচিত ছিলেন। তারা প্রাচীন সম্পদ ও বিশাল মর্যাদার অধিকারী ছিলেন এবং আমি শিষ্টাচারের উদ্দেশ্যে তাদের সাথে লেগে থাকতাম। তাদের মধ্যে ইয়াজদাজিরদের একটি চমৎকার কিতাব ছিল যা তিনি বাগদাদের বৈশিষ্ট্য এবং এর রাস্তা ও হাম্মামগুলোর সংখ্যার বর্ণনায় রচনা করেছিলেন...।» «২»।তার এই কিতাব (ফাযায়িলে বাগদাদ) থেকে ইবনুল ফকিহ হাম্মাম, মসজিদ, গলি ও রাস্তার সংখ্যা এবং সেখানে প্রতিদিন কী পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য প্রবেশ করে ও বিক্রি হয় সেই সংক্রান্ত পরিসংখ্যানে অত্যন্ত দীর্ঘ উদ্ধৃতি নকল করেছেন। এই অধ্যায়টি 'কিতাবুল বুলদান'-এর সংক্ষিপ্তসার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, যা আমাদের এই পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপিটি আমাদের উপহার দিয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
عيون الأخبارلعبد الله بن مسلم بن قتيبة الدينوري (213- 276 هـ-) . وقد نقل عنه نصا يتعلق بمدح أهل خراسان فقال: «وقال عبد الله بن مسلم بن قتيبة: أهل خراسان … » (154 ب) من غير أن يذكر الكتاب الذي نقل عنه إذ إن مؤلفات ابن قتيبة كثيرة كما هو معلوم. وقد وجدنا النص بكامله في عيون الأخبار (1: 204- 205) .الأهوية والبلدان والمياهمن تأليف الطبيب والحكيم اليوناني بقراط (460- 377 ق. م) الذي يشكك المؤرخون في كونه من تأليفه «1» . ومع ذلك فإن أول ترجمة لهذه الرسالة إلى العربية تمت على يد حنين بن إسحاق (194- 260 هـ-) أو الفريق العامل معه «2» . وقد أولع الأطباء والجغرافيون المسلمون بالنقل عن هذه الرسالة. فهناك الطبيب الطبرستاني: علي بن ربّن الطبري المتوفى عام 247 هـ الذي كان أبوه مترجما «3» أيضا. ولدى مقارنة ما نقله ابن الفقيه عن رسالة (الأهوية والبلدان والمياه) التي أسماها ب (الأهوية والأبدان) ، وما نقله علي بن ربّن عنها في كتابه (فردوس الحكمة) نجد تشابها واضحا بين الاثنين سوى أن ابن الفقيه اختصر قليلا
উয়ুনুল আখবারআব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে কুতায়বা আদ-দিনাওয়ারী (২১৩- ২৭৬ হি.) কর্তৃক লিখিত। তাঁর থেকে খোরাসানবাসীর প্রশংসা সম্পর্কিত একটি পাঠ উদ্ধৃত করা হয়েছে, তিনি বলেছেন: «আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে কুতায়বা বলেছেন: খোরাসানবাসী … » (১৫৪ খ), যে গ্রন্থ থেকে এটি উদ্ধৃত করা হয়েছে তার নাম উল্লেখ করা হয়নি, কারণ ইবনে কুতায়বার অনেক রচনা রয়েছে যেমনটি সর্বজনবিদিত। আমরা সম্পূর্ণ পাঠটি উয়ুনুল আখবার (১: ২০৪-২০৫)-এ পেয়েছি।আল-আহওয়িয়া ওয়াল বুলদান ওয়াল মিয়াহগ্রীক চিকিৎসক ও দার্শনিক হিপোক্রেটিস (৪৬০- ৩৭৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) কর্তৃক রচিত, যা তাঁরই রচনা কি না সে বিষয়ে ঐতিহাসিকগণ সংশয় পোষণ করেন «১»। তাসত্ত্বেও, এই অভিসন্দর্ভটির প্রথম আরবি অনুবাদ সম্পন্ন হয়েছিল হুনাইন ইবনে ইসহাক (১৯৪- ২৬০ হি.) অথবা তাঁর সাথে কর্মরত দলের মাধ্যমে «২»। মুসলিম চিকিৎসক ও ভূগোলবিদগণ এই অভিসন্দর্ভ থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণে অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। যেমন তাবারস্তানি চিকিৎসক: আলী ইবনে রাব্বান আত-তাবারি (মৃত্যু ২৪৭ হি.), যাঁর পিতা নিজেও একজন অনুবাদক ছিলেন «৩»। ইবনে আল-ফকিহ (আল-আহওয়িয়া ওয়াল বুলদান ওয়াল মিয়াহ) নামক অভিসন্দর্ভ থেকে যা উদ্ধৃত করেছেন—যাকে তিনি (আল-আহওয়িয়া ওয়াল আবদান) নামে অভিহিত করেছেন—এবং আলী ইবনে রাব্বান তাঁর (ফিরদাউসুল হিকমাহ) গ্রন্থে যা উদ্ধৃত করেছেন, এই দুটির মধ্যে তুলনা করলে আমরা উভয়ের মধ্যে স্পষ্ট সাদৃশ্য দেখতে পাই, তবে ইবনে আল-ফকিহ কিছুটা সংক্ষেপ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
فيما طوّل فيه ابن ربّن «1» . ونحن نعرف من خلاف نقل ابن الفقيه الخبر بعثة جبل دماوند عن ابن ربّن أنه كان لديه نسخة من كتاب (فردوس الحكمة) .نشير أخيرا إلى أن المؤرخ والجغرافي اليعقوبي الذي ألّف كتابه البلدان عام 278 هـ قد نقل مقاطع طويلة من (الأهوية والمياه والبلدان) فيها كثير مما هو موجود لدى ابن ربّن وابن الفقيه «2» . كما نجد مقاطع طويلة منها أيضا في كتاب (هداية المتعلمين في الطب) للأخويني البخاري الذي تحدث عن تأثير فصول السنة على الأمزجة وختم بالقول «ويطول الحديث في هذا، فإن أردت أن تعلم هذه الحقيقة فعليك بقراءة كتاب (الأهوية والمياه والبلدان) لبقراط أو فصول بقراط» «3» .الفلاحةنقل عنه ابن الفقيه بعد انتهائه من الاقتباس من كتاب بقراط فقال «وقال فسطوس في كتاب الفلاحة … » (102 أ) . والصواب أنه قسطوس. يقول الأستاذ فؤاد سزكين أنه قد ترجم عن اليونانية إلى العربية مباشرة عام 212 هـ- من قبل سرجيس بن هليبا الرومي، كما ترجم عن البهلوية بعنوان روزنامه. وقد استفاد العلماء العرب من الترجمتين. فعلي بن ربّن الطبري رجع على سبيل المثال إلى الرواية الفارسية. بينما رجع ابن قتيبة إلى الترجمة المباشرة عن اللغة اليونانية «4» .الطلسماتقال ابن الفقيه «وفي كتاب الطلسمات أن قباذ وجّه بليناس الرومي إلى الري فاتخذ طلسما … » (142 ب) .يوجد كتاب في الطلاسم نقله حنين بن إسحاق إلى العربية اسمه: كتاب
যে বিষয়ে ইবনে রাব্বান দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। ইবনে আল-ফকিহ কর্তৃক দামাউন্দ পর্বতের প্রেরণের খবর ইবনে রাব্বানের উদ্ধৃতিতে বর্ণনার যে ভিন্নতা আমরা জানি, তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে তাঁর কাছে 'ফিরদাউসুল হিকমাহ' গ্রন্থের একটি অনুলিপি ছিল।সবশেষে আমরা উল্লেখ করছি যে, ইতিহাসবিদ ও ভূগোলবিদ আল-ইয়াকুবি, যিনি ২৭৮ হিজরিতে তাঁর 'কিতাব আল-বুলদান' রচনা করেছিলেন, তিনি 'আল-আহউইয়া ওয়াল মিয়াহ ওয়াল বুলদান' (আবহাওয়া, পানি ও ভূখণ্ড) থেকে দীর্ঘ অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করেছেন, যার অনেক অংশ ইবনে রাব্বান ও ইবনে আল-ফকিহর কাছেও পাওয়া যায়। অনুরূপভাবে এর দীর্ঘ অনুচ্ছেদসমূহ আল-আখওয়াইনি আল-বুখারি রচিত 'হিদায়াতুল মুতাআল্লিমিন ফিত তিব্ব' গ্রন্থেও পাওয়া যায়, যেখানে তিনি মেজাজের ওপর ঋতুর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং এই বলে শেষ করেছেন: "এই বিষয়ে আলোচনা দীর্ঘ, যদি আপনি এই সত্যটি জানতে চান তবে আপনার উচিত বুকরাতের (হিপোক্রেটিস) 'আল-আহউইয়া ওয়াল মিয়াহ ওয়াল বুলদান' অথবা 'ফুসুল বুকরাত' (বুকরাতের অধ্যায়সমূহ) গ্রন্থটি পড়া।"কৃষিবিদ্যাবুকরাতের বই থেকে উদ্ধৃতি শেষ করার পর ইবনে আল-ফকিহ তাঁর থেকে বর্ণনা করে বলেন: "ফাস্তুস তাঁর 'কিতাব আল-ফালাহাহ' (কৃষিবিদ্যা বিষয়ক গ্রন্থ) এ বলেছেন..." (১০২ ক)। আর সঠিক নাম হলো কুসতুস। অধ্যাপক ফুয়াদ সেজকিন বলেন যে, এটি ২১২ হিজরিতে সারজিস ইবনে হালিবা আল-রুমি কর্তৃক সরাসরি গ্রিক থেকে আরবিতে অনূদিত হয়েছিল। আবার এটি 'রুজনামাহ' শিরোনামে পাহলভি ভাষা থেকেও অনূদিত হয়েছে। আরব বিজ্ঞানীরা উভয় অনুবাদ থেকেই উপকৃত হয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, আলি ইবনে রাব্বান আল-তাবারি ফারসি সংস্করণটির শরণাপন্ন হয়েছিলেন, যেখানে ইবনে কুতাইবাহ সরাসরি গ্রিক অনুবাদটি ব্যবহার করেছিলেন।তিলিসমাত (যাদুকরী কবচ)ইবনে আল-ফকিহ বলেন, "'কিতাবুত তিলিসমাত'-এ বর্ণিত আছে যে, কুবাজ বালিনাস আল-রুমিকে রাই শহরে পাঠিয়েছিলেন, অতঃপর তিনি একটি তিলিসম তৈরি করেন..." (১৪২ খ)।তিলিসমাত বিষয়ক একটি গ্রন্থ রয়েছে যা হুনাইন ইবনে ইসহাক আরবিতে অনুবাদ করেছেন, যার নাম: কিতাব...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
المدخل الكبير لبليناس إلى رسالة الطلاسم. ويرى الأستاذ سزكين أن كتب أبو لونيوس التياني قد وصلت إلينا باللغة العربية تحت أسماء محرفة مثل: بليناس وبلينس وبولينياس وأبولون «1» .وقد نقل ابن الفقيه كثيرا عن كتاب الطلسمات هذا مما أحدثه من طلسمات في البلدان التي ذهب إليها.فردوس الحكمةاكتفى ابن الفقيه بالقول: «وقال علي بن ربّن كاتب المازيار: وجّهنا جماعة من أهل طبرستان … » (145 ب) . ولم يذكر كتاب فردوس الحكمة وهو كتاب طبي معروف مؤلفه علي بن ربّن الطبري. وحكاية السفارة هذه إلى قمة جبل دماوند ذكرها فيه «2» . وقد نقلها عنه فيما بعد البيروني في الصيدنة وابن إسفنديار في كتابه تاريخ طبرستان الذي ألّفه عام 613 هـ.المسالك والممالكمن تأليف أبي القاسم عبيد الله بن عبد الله المعروف بابن خرداذبه المتوفى في حدود سنة 300 هـ. وقد نقل عنه صفحات طويلة وإن لم يصرح بذلك وأشهر تلك النصوص خبر رحلة سلام الترجمان إلى سد يأجوج ومأجوج بأمر من الخليفة الواثق (227- 232 هـ) التي تناقلها- رغم ما فيها من تفاصيل أسطورية- الجغرافيون والمؤرخون المسلمون وإن كان المحققون منهم قد شككوا فيها مثل ياقوت الذي كتب بعد نقله لعدة أخبار تتعلق بالسد ومنها خبر سلّام الترجمان: «قد
তিলিসম সংক্রান্ত পত্রের প্রতি বলিনাসের বৃহৎ ভূমিকা। অধ্যাপক সেজকিন মনে করেন যে, তিয়ানার অ্যাপোলোনিয়াসের কিতাবসমূহ আমাদের নিকট আরবি ভাষায় বিকৃত নামে পৌঁছেছে, যেমন: বলিনাস, বালিনাস, বলিনিয়াস এবং অ্যাপোলোন «১»।ইবনে আল-ফকিহ এই তিলিসম সংক্রান্ত কিতাবটি থেকে অনেক কিছু উদ্ধৃত করেছেন যা তিনি (বলিনাস) যেসব দেশে গিয়েছিলেন সেখানে প্রস্তুতকৃত তিলিসমসমূহের অন্তর্ভুক্ত ছিল।ফিরদাউসুল হিকমাহইবনে আল-ফকিহ শুধু এইটুকু বলেই ক্ষান্ত হয়েছেন: «মাযিয়ারের লেখক আলী বিন রাব্বান বলেছেন: আমরা তাবারিস্থানের একদল লোককে পাঠিয়েছি … » (১৪৫ খ)। তিনি ফিরদাউসুল হিকমাহ কিতাবটির কথা উল্লেখ করেননি, অথচ এটি একটি সুপরিচিত চিকিৎসা বিষয়ক গ্রন্থ যার লেখক আলী বিন রাব্বান আত-তাবারী। দামাউন্দ পাহাড়ের চূড়ায় এই দূত প্রেরণের কাহিনী তিনি এতে উল্লেখ করেছেন «২»। পরবর্তীতে আল-বিরুনী 'আস-সাইদানাহ' গ্রন্থে এবং ইবনে ইসফান্দিয়ার হিজরি ৬১৩ সনে রচিত তাঁর 'তারিখে তাবারিস্থান' কিতাবে এটি তাঁর থেকে উদ্ধৃত করেছেন।আল-মাসালিক ওয়াল মামালিকএটি আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহর রচনা, যিনি ইবনে খুরদাদবেহ নামে পরিচিত এবং ৩০০ হিজরির দিকে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি (ইবনে আল-ফকিহ) এটি থেকে দীর্ঘ পৃষ্ঠাগুলো উদ্ধৃত করেছেন যদিও তিনি তা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেননি। সেই পাঠ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো খলিফা আল-ওয়াসিকের (২২৭-২৩২ হি.) আদেশে ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরের অভিমুখে সাল্লাম আত-তারজুমানের সফরের বৃত্তান্ত, যা—এর পৌরাণিক বিবরণ থাকা সত্ত্বেও—মুসলিম ভূগোলবিদ এবং ঐতিহাসিকগণ বর্ণনা করেছেন, যদিও তাঁদের মধ্য থেকে গবেষকগণ এ বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন, যেমন ইয়াকুত, যিনি প্রাচীর সংক্রান্ত এবং সাল্লাম আত-তারজুমানের খবরসহ বেশ কিছু বর্ণনা উদ্ধৃত করার পর লিখেছেন: «নিশ্চয়ই...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
كتبت من خبر السد ما وجدته في الكتب ولست أقطع بصحة ما أوردته لاختلاف الروايات فيه والله أعلم بصحته» «1» . ومثل الثعالبي المرغني (350- 429 هـ) الذي قال «والذي حكاه سلام الترجمان في ذكر السدّ من حديث الباب والعضادة ووصف القفل والمفتاح والدندانجات كالأسطوانات، غير معتمد عليه لأنه غير موافق لما نطق به القرآن من وصفه … » «2» .ويفهم من كلام المقدسي البشاري الذي ألف كتابه عام 375 هـ أنه يعزو هذه الرحلة لابن خرداذبه حيث قال: «قرأت في كتاب ابن خرداذبه وغيره في قصة هذا السد على نسق واحد، واللفظ والإسناد لابن خرداذبه لأنه كان وزير الخليفة وأقدر على ودائع علوم خزانة أمير المؤمنين مع أنه يقول حدثني سلّام المترجم. إن الواثق بالله....» «3»كما نقلها بصورة مختصرة مؤلف مجهول كتب كتابه عام 520 هـ «4» .ومما يلفت النظر في كتاب ابن الفقيه التشابه الحرفي بين بعض نصوصه ونصوص المسالك والممالك لابن خرداذبه. وليس بإمكاننا أن نجزم هنا أنه قد نقلها عن ابن خرداذبه الذي ألّف كتابه عام 250 هـ. لأن هناك تداخلا بين كتاب ابن خرداذبه وكتاب آخر للجيهاني الوزير مما سوف نفصله فيما بعد ونكتفي بنقل قول المقدسي- طبقا لأحد مسودات كتابه أحسن التقاسيم-: «ورأيت مختصرين بنيشابور مترجمين، أحدهما للجيهاني والآخر لابن خرداذبه تتفق معانيهما غير أن الجيهاني قد زاد شيئا يسيرا» «5» .
প্রাচীর সম্পর্কে যা আমি কিতাবসমূহে পেয়েছি তা লিখেছি এবং বর্ণনাসমূহের পার্থক্যের কারণে আমি যা উল্লেখ করেছি তার বিশুদ্ধতা সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই, আর আল্লাহই এর বিশুদ্ধতা সম্পর্কে অধিক পরিজ্ঞাত।» «১»। আর আস-সাআলিবী আল-মারগানী (৩৫০- ৪২৯ হি.)-এর মতো তিনিও বলেন, «প্রাচীরের বর্ণনায় সাল্লাম আল-তারজুমান যা দরজা, চৌকাঠ এবং তালা, চাবি ও স্তম্ভের মতো দাঁতগুলোর বিবরণে বর্ণনা করেছেন, তা নির্ভরযোগ্য নয়; কারণ এটি কুরআনে বর্ণিত বিবরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় … » «২»।আল-মাকদিসি আল-বাশারি, যিনি ৩৭৫ হিজরি সালে তাঁর কিতাব রচনা করেছেন, তাঁর কথা থেকে বোঝা যায় যে তিনি এই সফরকে ইবন খুরদাদবিহ-এর দিকে নিসবত করেছেন। তিনি বলেছেন: «আমি ইবন খুরদাদবিহ এবং অন্যদের কিতাবে এই প্রাচীরের কাহিনী একইভাবে পড়েছি। এর শব্দ ও সনদ ইবন খুরদাদবিহ-এর প্রতিই বর্তায়, কারণ তিনি ছিলেন খলিফার উজির এবং আমিরুল মুমিনীনের জ্ঞানভাণ্ডারের আমানতসমূহ আয়ত্ত করার বিষয়ে অধিক সক্ষম ছিলেন, যদিও তিনি বলেন: আমাকে সাল্লাম আল-মুতারজিম বর্ণনা করেছেন যে, আল-ওয়াসিক বিল্লাহ...» «৩»একইভাবে ৫২০ হিজরি সালে একজন অজ্ঞাত লেখক তাঁর কিতাবে এটি সংক্ষিপ্তভাবে উদ্ধৃত করেছেন «৪»।ইবনুল ফাকিহের কিতাবে যা দৃষ্টি আকর্ষণ করে তা হলো, এর কিছু পাঠ এবং ইবন খুরদাদবিহ-এর 'আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক'-এর পাঠের মধ্যে আক্ষরিক সাদৃশ্য। আমরা এখানে নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না যে তিনি এটি ইবন খুরদাদবিহ থেকে উদ্ধৃত করেছেন, যিনি ২৫০ হিজরি সালে তাঁর কিতাব রচনা করেছিলেন। কারণ ইবন খুরদাদবিহ-এর কিতাব এবং উজির আল-জায়হানি-এর অন্য একটি কিতাবের মধ্যে পারস্পরিক সংমিশ্রণ রয়েছে, যা আমরা পরে বিস্তারিত আলোচনা করব। আমরা এখানে মাকদিসি-র উক্তি উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হব—তাঁর কিতাব 'আহসানুত তাকাসিম'-এর একটি পাণ্ডুলিপি অনুযায়ী—: «আমি নিশাপুরে দুটি অনূদিত সংক্ষিপ্তসার দেখেছি, একটি আল-জায়হানি-এর এবং অন্যটি ইবন খুরদাদবিহ-এর; এদের বিষয়বস্তু একরূপ, তবে আল-জায়হানি সামান্য কিছু বৃদ্ধি করেছেন» «৫»।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
حرب جوذرز وبيرانقال ابن الفقيه: «وقرأت في كتاب حرب جوذرز وبيران....»(154 ب) .لا يمكننا معرفة ما إذا كان هذا كتابا مستقلا أم جزءا من كتاب قسّم على كتب؟ والكتاب يتعلق بالتاريخ الأسطوري للفرس في الأعصار السحيقة وهي الفترة التي تمتاز كأمثالها من الفترات الزمنية لكل الأمم- بالغموض والتناقض وتضارب المعلومات حتى أن حمزة الأصفهاني المؤرخ المعروف شكا من ذلك فقال عن تواريخ الفرس: «وتواريخهم كلها مدخولة غير صحيحة لأنه نقلت بعد مائة وخمسين سنة من لسان إلى لسان، ومن خط متشابه رقوم الأعداد إلى خط متشابه رقوم العقود فلم يكن لي في حكاية ما يقتضي هذا الباب ملجأ إلّا إلى جمع النسخ المختلفة النقل فاتفق لي ثماني نسخ وهي.... فلما اجتمعت هذه النسخ ضربت بعضها ببعض حتى استوفيت منها حق هذا الباب» «1» .ومع ذلك يذكر الشاعر الملحمي الإيراني أسدي طوسي المتوفى عام 465 هـ- كتابا باسم كتاب بيران ويسه «2» .الإنجيليقول ابن الفقيه: «وقرأت في الإنجيل أن المسيح عليه السلام قال: بحق أقول لكم، ليأتين قوم من المشرق … » (158 أ) .أورد ذلك بعد ذكره لحديث ذوي الرايات السود القادمين من قبل المشرق المروي عن النبي صلى الله عليه وسلم . وقد وجدنا في رؤيا يوحنا اللاهوتي من العهد الجديد (رؤيا 16: 12- 16) نصا يتعلق بمعركة هرمجدون التي قيل أنها ستقع في آخر
জওদারজ ও পীরানের যুদ্ধইবনে আল-ফকিহ বলেন: «এবং আমি জওদারজ ও পীরানের যুদ্ধের কিতাবে পড়েছি....»(১৫৪ খ) ।এটি কি একটি স্বতন্ত্র কিতাব ছিল নাকি এটি কোনো কিতাবের অংশ ছিল যা বিভিন্ন খণ্ডে বিভক্ত ছিল, তা আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব নয়। কিতাবটি অতি প্রাচীনকালে পারস্যের পৌরাণিক ইতিহাসের সাথে সংশ্লিষ্ট, আর এই সময়কালটি—অন্যান্য সকল জাতির অনুরূপ সময়ের মতোই—অস্পষ্টতা, বৈপরীত্য এবং তথ্যের পরস্পরবিরোধী বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। এমনকি প্রখ্যাত ঐতিহাসিক হামজা আল-ইসফাহানি এ বিষয়ে অভিযোগ করে পারস্যের ইতিহাস সম্পর্কে বলেছেন: «তাদের ইতিহাসসমূহ সবই ত্রুটিপূর্ণ ও অশুদ্ধ, কারণ এগুলো একশত পঞ্চাশ বছর পর এক মুখ থেকে অন্য মুখে এবং সংখ্যার প্রতীকের সদৃশ লিপি থেকে দশকের প্রতীকের সদৃশ লিপিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। তাই এই অধ্যায়ের বর্ণনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পাঠ সংবলিত পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় ছিল না। আমি আটটি পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করতে সক্ষম হই এবং সেগুলো হলো.... অতঃপর যখন এই পাণ্ডুলিপিগুলো একত্রিত হলো, তখন আমি একটির সাথে অন্যটির তুলনা করি যাতে এই অধ্যায়ের পূর্ণ হক আদায় করা যায়» (১)।তা সত্ত্বেও ৪৬৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণকারী ইরানি মহাকাব্যিক কবি আসাদি তুসি ‘পীরান উইসাহ’ (২) নামে একটি কিতাবের কথা উল্লেখ করেছেন।ইঞ্জিলইবনে আল-ফকিহ বলেন: «আমি ইঞ্জিলে পড়েছি যে, মসীহ (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: আমি তোমাদের সত্য বলছি, অবশ্যই পূর্ব দিক থেকে একদল লোক আসবে … » (১৫৮ ক)।তিনি এটি উল্লেখ করেছেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত পূর্ব দিক থেকে আগত কালো পতাকাধারীদের হাদিসটি উল্লেখ করার পর। আমরা নিউ টেস্টামেন্টের যোহনের প্রকাশিত বাক্য (১৬: ১২-১৬)-তে আর্মাগেডন যুদ্ধ সংক্রান্ত একটি পাঠ পেয়েছি, যার সম্পর্কে বলা হয়েছে যে এটি শেষ জামানায় সংঘটিত হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الزمان فلعله هو المقصود من خلال قرينة ما ذكر فيه وهو: (الملوك الذين من مشرق الشمس) .أما الحديث المتعلق بالرايات السود فقد وجدناه لدى نعيم بن حماد المتوفى عام 229 هـ- وللمقارنة نذكره هنا، إذ يبدو أن ابن الفقيه قد اختصره.قال نعيم:«حدثنا محمد بن فضيل وعبد الله بن إدريس وجرير، عن يزيد عن (الصواب: بن) أبي زياد، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله رضي الله عنه قال: بينما نحن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم ، إذ جاء فتية من بني هاشم فتغير لونه. فقلنا: يا رسول الله ما نزل؟ نرى في وجهك شيئا نكرهه. قال: إنّا أهل بيت اختار الله لنا الآخرة على الدنيا، وأن أهل بيتي هؤلاء سيقتلون (الصواب: سيلقون) بعدي بلاء وتطريدا وتشريدا حتى يأتي قوم من هاهنا من نحو المشرق، أصحاب رايات سود يسألون الحق فلا يعطونه- مرتين أو ثلاثا- فيقاتلون فينصرون فيعطون ما سألوا فلا يقبلوها (كذا) حتى يدفعوها إلى رجل من أهل بيتي فيملؤها عدلا كما ملؤوها ظلما. فمن أدرك ذلك منكم فليأتهم ولو حبوا على الثلج فإنه المهدي «1» .ونفس الخبر موجود في دلائل الإمامة لمحمد بن جرير بن رستم الطبري الذي عاش في النصف الأول من القرن الخامس حيث نعلم منه سند الخبر بصورة أوضح وهو «عن صباح بن يحيى ومطر بن خليفة عن يزيد بن أبي زياد، عن إبراهيم النخعي، عن علقمة بن قيس، عن عبد الله بن مسعود....»«2» . وذكر أبو أحمد عبد الله بن عدي الجرجاني (277- 365) في كتابه الكامل في ضعفاء المحدثين «وهذا الحديث لا أعلم من يرويه بهذا الإسناد عن إبراهيم [النخعي] غير يزيد بن أبي زياد ويرويه عنه يزيد بن فضيل» «3» .وإلى هنا ينتهي بنا المطاف- وبعد أن انتهينا من الكتب- إلى الحديث عن
সময়, সম্ভবত এটিই উদ্দেশ্য, যা সেখানে উল্লেখিত একটি ইঙ্গিতের মাধ্যমে বোঝা যায়, আর তা হলো: (সূর্যোদয়ের দিক থেকে আগত রাজন্যবর্গ)।আর কালো পতাকাসমূহ সংক্রান্ত হাদীসটি আমরা ২২৯ হিজরিতে ইন্তেকালকারী নুয়াইম ইবনে হাম্মাদের কাছে পেয়েছি। তুলনার সুবিধার্থে আমরা তা এখানে উল্লেখ করছি, কেননা মনে হচ্ছে ইবনুল ফকিহ এটি সংক্ষেপ করেছেন।নুয়াইম বলেন:«আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ফুদাইল, আবদুল্লাহ ইবনে ইদ্রিস এবং জারীর বর্ণনা করেছেন, তারা ইয়াযিদ (সঠিক: ইবনে) আবি যিয়াদ থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় বনু হাশিমের একদল যুবক সেখানে এল, তখন তাঁর চেহারার রঙ বদলে গেল। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, কী অবতীর্ণ হয়েছে? আমরা আপনার চেহারায় এমন কিছু দেখছি যা আমাদের নিকট অপছন্দনীয়। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আমরা এমন এক আহলে বাইত, যাদের জন্য আল্লাহ দুনিয়ার তুলনায় আখিরাতকে পছন্দ করেছেন। আর আমার এই আহলে বাইত আমার পরে বিপদ-আপদ, বিতাড়ন ও দেশান্তরের সম্মুখীন হবে (সঠিক: সইবে) যতক্ষণ না এদিক থেকে অর্থাৎ পূর্ব দিক থেকে এক কওম আসবে, যারা হবে কালো পতাকার অধিকারী। তারা তাদের হক চাইবে কিন্তু তাদের তা দেওয়া হবে না—এরূপ দুই বা তিনবার ঘটবে—অতঃপর তারা যুদ্ধ করবে এবং বিজয়ী হবে। এরপর তাদের যা চাওয়া হয়েছিল তা দেওয়া হবে, কিন্তু তারা তা গ্রহণ করবে না, যতক্ষণ না তারা তা আমার আহলে বাইতের এক ব্যক্তির হাতে সমর্পণ করবে। তিনি পৃথিবীকে ন্যায়বিচারে পূর্ণ করবেন, যেমনভাবে তারা একে অন্যায়-অবিচারে পূর্ণ করেছিল। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সেই সময়ের দেখা পাবে, সে যেন তাদের কাছে আসে, যদিও বরফের ওপর হামাগুড়ি দিয়ে আসতে হয়, কারণ তিনিই হলেন মাহদী «১»।একই বর্ণনা মুহাম্মাদ ইবনে জারীর ইবনে রুস্তম আত-তাবারীর 'দালাইলুল ইমামাহ' গ্রন্থেও পাওয়া যায়, যিনি পঞ্চম শতাব্দীর প্রথমার্ধে জীবিত ছিলেন। সেখান থেকে আমরা এই বর্ণনার সনদটি আরও স্পষ্টভাবে জানতে পারি, যা হলো: «সাবাহ ইবনে ইয়াহইয়া এবং মাতার ইবনে খলিফা থেকে, তারা ইয়াযিদ ইবনে আবি যিয়াদ থেকে, তিনি ইব্রাহীম আন-নাখায়ী থেকে, তিনি আলকামা ইবনে কায়স থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে....»«২»। আবু আহমাদ আবদুল্লাহ ইবনে আদি আল-জুরজানি (২৭৭-৩৬৫) তাঁর 'আল-কামিল ফি দুআফাউল মুহাদ্দিসিন' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: «এই হাদীসটি ইব্রাহীম [আন-নাখায়ী] থেকে এই সনদে ইয়াযিদ ইবনে আবি যিয়াদ ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, এবং তাঁর থেকে এটি ইয়াযিদ ইবনে ফুদাইল বর্ণনা করেছেন» «৩»।এখানেই আমাদের পরিক্রমা শেষ হচ্ছে—এবং গ্রন্থসমূহ নিয়ে আলোচনা শেষ করার পর আমরা এখন কথা বলব—
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
شيوخه الذين روى عنهم ممن ذكرهم بكلمة (حدثني) أو (سألته) أو ممن يدل نوع المعلومات على نوع من الصلة له معهم.أبو يوسف يعقوب بن إسحاققال ابن الفقيه: «وحدثني أبو يوسف يعقوب بن إسحاق قال حدثني إبراهيم بن الجنيد، عن إبراهيم بن رويم الخوارزمي قال: فيما بين خراسان وأرض الهند نمل أمثال الكلاب السلوقية … » (163 أ) .وفي الورقة (71 أ) : «وقال يعقوب بن إسحاق: سمعت أبي يقول: سمعت يزيد بن هارون … » .عند بحثنا عمن يكون إسحاق هذا الذي يروي عن يزيد بن هارون الواسطي (118- 206 هـ-) فوجدناهم بالعشرات في كتب الرجال والحديث. وعليه فلن نقطع بشيء إلى حين ظهور مرجّح.أبو إسحاق إبراهيم بن محمد البيهقيله ترجمة مطولة في تاريخ بيهق وقال إن لقبه هو المغيثي نسبة إلى المغيثة وهي قرية من قرى بيهق. ثم ذكر شيوخه فقال إنهم المبرد وثعلب. وإنه هجا البحتري، وإن ابن الرومي قال فيه … ولكنه لم يذكر سنة وفاته «1» .وقد روى عنه ابن الفقيه بقوله: «وحدثني أبو إسحاق إبراهيم بن محمد البيهقي قال أنشدني حماد بن إسحاق الموصلي لأبيه....» (74 أ) .أبو عمرو عبد العزيز بن محمد بن الفضلقال ابن الفقيه: «حدثنا أبو عمرو عبد العزيز بن محمد بن الفضل، حدثنا إبراهيم بن الجنيد، حدثنا بشر بن محمد بن أبان … » (90 أ) .لم نعثر حتى الآن على ترجمة لأبي عمرو عبد العزيز. فأما إبراهيم بن
তাঁর শিক্ষকগণ যাঁদের থেকে তিনি বর্ণনা করেছেন এবং যাঁদের ক্ষেত্রে ‘তিনি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন’ অথবা ‘আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছি’ শব্দগুলো ব্যবহার করেছেন, অথবা যাঁদের তথ্যের ধরন তাঁদের সাথে তাঁর এক ধরণের সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়।আবু ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে ইসহাকইবনুল ফকিহ বলেন: “আবু ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইব্রাহিম ইবনুল জুনাইদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইব্রাহিম ইবনে রুওয়াইম আল-খোয়ারিজমি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: খোরাসান এবং হিন্দুস্তানের মধ্যবর্তী অঞ্চলে সালুকি কুকুরের মতো বড় বড় পিঁপড়া রয়েছে...” (১৬৩ ক)।এবং (৭১ ক) নং পৃষ্ঠায় রয়েছে: “ইয়াকুব ইবনে ইসহাক বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াজিদ ইবনে হারুনকে বলতে শুনেছি...”।ইয়াজিদ ইবনে হারুন আল-ওয়াসিতি (১১৮-২০৬ হি.) থেকে বর্ণনা করা এই ইসহাক কে হতে পারেন—তা নিয়ে অনুসন্ধানের সময় আমরা রিজাল ও হাদিসের গ্রন্থসমূহে এমন কয়েক ডজন ব্যক্তিকে পেয়েছি। তাই কোনো শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া না যাওয়া পর্যন্ত আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাব না।আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-বাইহাকি‘তারিখে বাইহাক’-এ তাঁর একটি দীর্ঘ জীবনী রয়েছে, সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে তাঁর উপাধি হলো আল-মুগিসি, যা বাইহাকের গ্রামসমূহের অন্যতম ‘মুগিসা’র সাথে সম্পর্কিত। এরপর তাঁর শিক্ষকদের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে তাঁরা হলেন আল-মুবররাদ এবং সা’লাব। তিনি আল-বুহুতুরিকে ব্যঙ্গ করেছিলেন এবং ইবনুর রুমি তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন... কিন্তু তিনি তাঁর মৃত্যুর সাল উল্লেখ করেননি [১]।ইবনুল ফকিহ তাঁর থেকে বর্ণনা করে বলেছেন: “আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-বাইহাকি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মাওসিলি আমাকে তাঁর পিতার একটি কবিতা শুনিয়েছেন...।” (৭৪ ক)।আবু আমর আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফজলইবনুল ফকিহ বলেন: “আবু আমর আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফজল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম ইবনুল জুনাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন...।” (৯০ ক)।আমরা এখন পর্যন্ত আবু আমর আব্দুল আজিজের কোনো জীবনী খুঁজে পাইনি। আর ইব্রাহিম ইবনে...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
الجنيد، فهو إبراهيم بن عبد الله بن الجنيد أبو إسحاق قال الذهبي: «له تصانيف وتاريخ ورحلة لم أجد له وفاة» «1» وقال في تذكرة الحفاظ: «وكأن وفاته في حدود 260 هـ-» «2» وفي سير أعلام النبلاء «أنه بقي إلى قرب سنة سبعين ومائتين» «3» .وقال الخطيب البغدادي: «إبراهيم بن عبد الله بن الجنيد أبو إسحاق المعروف بالختّلي صاحب كتب الزهد والرقائق. بغدادي سكن سر من رأى» «4» .وأما بشر بن محمد بن أبان. فقد وصفه الذهبي بالواسطي السكري أبو أحمد «5» .أبو علي محمد بن هارون بن زيادقال ابن الفقيه: «وقال لي أبو علي محمد بن هارون بن زياد- وكان حكيما فيلسوفا- وقد تجارينا ذكر شبديز....» (97 ب) .لا نعرف شيئا عن أبي علي هذا.أبو حامد أحمد بن جعفر المستمليقال ابن الفقيه: «وحدثني أبو حامد أحمد بن جعفر المستملي قال: حدثني عبد الله بن عمرو بن بشر البلخي قال: حدثني أبي … » (148 ب) . ولأبي حامد هذا ترجمة في تاريخ بغداد قال فيها إنه حدّث عن محمد بن يحيى الأزدي الذي توفي عام 252 هـ. وروى عنه- عن أبي حامد- عبد الصمد بن علي بن محمد بن مكرم الوكيل المعروف بالطستي (266- 346 هـ) . ولم يذكر لأبي حامد تاريخا لوفاته «6» .
জুনাইদ: তিনি হলেন ইব্রাহিম ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল জুনাইদ আবু ইসহাক। আয-যাহাবি বলেছেন: «তার বহু রচনা, ইতিহাস এবং ভ্রমণ রয়েছে; আমি তার মৃত্যুর সাল খুঁজে পাইনি» «১»। তিনি 'তাযকিরাতুল হুফফাজ'-এ বলেছেন: «সম্ভবত তার মৃত্যু ২৬০ হিজরির কাছাকাছি হয়েছে» «২» এবং 'সিয়ারু আ'লামিন নুবালা'-তে বলেছেন: «তিনি আনুমানিক ২৭০ হিজরি পর্যন্ত জীবিত ছিলেন» «৩»।খতিব আল-বাগদাদি বলেছেন: «ইব্রাহিম ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল জুনাইদ আবু ইসহাক, যিনি আল-খুত্তালি নামে পরিচিত। তিনি যুহদ (পরহেজগারি) এবং রাቃইক (হৃদয়স্পর্শী আলোচনা) বিষয়ক গ্রন্থাবলীর লেখক। তিনি বাগদাদি ছিলেন এবং সামাররায় বসবাস করতেন» «৪»।আর বিশর ইবন মুহাম্মদ ইবন আবান প্রসঙ্গে আয-যাহাবি তাকে আল-ওয়াসিতি আস-সুক্কারি আবু আহমাদ বলে অভিহিত করেছেন «৫»।আবু আলী মুহাম্মদ ইবন হারুন ইবন যিয়াদইবনুল ফাকিহ বলেছেন: «আবু আলী মুহাম্মদ ইবন হারুন ইবন যিয়াদ—যিনি একজন প্রজ্ঞাবান দার্শনিক ছিলেন—আমাকে বলেছিলেন, যখন আমরা শাবদিয সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম...» (৯৭ খ)।এই আবু আলী সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না।আবু হামিদ আহমাদ ইবন জাফর আল-মুস্তামলিইবনুল ফাকিহ বলেছেন: «আবু হামিদ আহমাদ ইবন জাফর আল-মুস্তামলি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবন বিশর আল-বালখি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন … » (১৪৮ খ)। এই আবু হামিদের একটি জীবনী 'তারিখু বাগদাদ'-এ রয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে তিনি মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া আল-আযদি থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, যিনি ২৫২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আর তার (আবু হামিদের) থেকে বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন মাকরাম আল-ওয়াকিল, যিনি আত-তস্তি (২৬৬-৩৪৬ হিজরি) নামে পরিচিত। সেখানে আবু হামিদের মৃত্যুর কোনো তারিখ উল্লেখ করা হয়নি «৬»।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وقال ابن الفقيه أيضا: «وحدثني أحمد بن جعفر، حدثني أبو حفص عمر بن مدرك قال: كنت عند أبي إسحاق الطالقاني يوما بمرو على الرزيق في المسجد الجامع، فقال أبو إسحاق: كنا يوما عند ابن المبارك.....» (160 ب) .أما أبو حفص عمر بن مدرك، فهو- كما في تاريخ بغداد- «القاص الرازي ويقال البلخي. وأراه بلخيا سكن الري وقدم بغداد وحدّث بها … مات سنة 270 هـ» «1» .وفي الخبر: إبراهيم بن إسحاق بن عيسى أبو إسحاق الطالقاني المتوفى عام 215 هـ «2» .وفيه: عبد الله بن المبارك بن واضح الحنظلي التميمي مولاهم أبو عبد الرحمن المروزي (118- 181 هـ) أحد الأئمة المعروفين «3» والغزاة المطوّعة كما كان شاعرا.تميم بن بحر المطوعيلو لم تقع مخطوطة المكتبة الرضوية الكاملة، ما عرفنا باسم تميم المطوعي هذا الذي قام برحلة إلى آسيا على بريد أنفذه إليه خاقان التغزغزي. وفي أخباره من المعلومات كل ما هو مهم وخطير. حيث نجد هذا السؤال الموجّه إليه من ابن الفقيه الذي ورد بصيغة «وسألناه عن طريق كيماك من طراز، فذكر أن الطريق … » الذي عرفنا منه أن ابن الفقيه التقى به. ثم إن خبر تميم قد نقله ياقوت باختصار دون أن يعزوه لأحد. فقد افتتح كلامه في مادة تركستان وأورد
ইবনুল ফাকিহ আরও বলেন: «আহমদ ইবনে জাফর আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবু হাফস ওমর ইবনে মুদরিক আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদিন আমি মার্ভের রুজাইক নামক স্থানে জামে মসজিদে আবু ইসহাক আত-তালিকানি-এর নিকট ছিলাম, তখন আবু ইসহাক বললেন: আমরা একদিন ইবনুল মুবারকের নিকট ছিলাম...» (১৬০ খ)।আবু হাফস ওমর ইবনে মুদরিকের ব্যাপারে 'তারিখে বাগদাদ'-এ যেমনটি বর্ণিত হয়েছে— তিনি হলেন «রাযযি-এর গল্পকার (কাস), তাকে বালখি-ও বলা হয়। আমি তাকে বালখি হিসেবেই দেখি যিনি রাই-তে বসবাস করতেন এবং বাগদাদে আগমন করে সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছেন … তিনি ২৭০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন» «১»।উক্ত বর্ণনায় রয়েছেন: ইব্রাহিম ইবনে ইসহাক ইবনে ঈসা আবু ইসহাক আত-তালিকানি, যিনি ২১৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন «২»।এবং আরও রয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক ইবনে ওয়াদিহ আল-হানজালি আত-তামিমি আল-মাওয়ালি, আবু আবদুর রহমান আল-মারওয়াযি (১১৮- ১৮১ হিজরি), যিনি অন্যতম প্রসিদ্ধ ইমাম «৩» এবং স্বেচ্ছাসেবী মুজাহিদ ও কবি ছিলেন।তামিম ইবনে বাহর আল-মুতাউয়িইযদি রিজভী লাইব্রেরির পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপিটি হস্তগত না হতো, তবে আমরা এই তামিম আল-মুতাউয়িই-এর নাম জানতে পারতাম না, যিনি তুগুযগুয-এর খাকান কর্তৃক প্রেরিত ডাক ব্যবস্থার মাধ্যমে এশিয়ায় এক সফর পরিচালনা করেছিলেন। তার বর্ণিত তথ্যাবলির মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সংবাদ রয়েছে। যেখানে আমরা ইবনুল ফাকিহ কর্তৃক তাকে করা একটি প্রশ্ন লক্ষ্য করি যা এই সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, «এবং আমরা তাকে তরায থেকে কাইমাক যাওয়ার রাস্তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি উল্লেখ করলেন যে রাস্তাটি …» এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে ইবনুল ফাকিহ তার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। অতঃপর তামিমের এই সংবাদ ইয়াকুত (আল-হামাউই) কারো উদ্ধৃতি প্রদান ছাড়াই সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। তিনি 'তুর্কিস্তান' ভুক্তিতে তার আলোচনা শুরু করেন এবং সেখানে উল্লেখ করেন যে...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
خبر تميم فيها بصورة مختصرة عما هو عليه في أصل كتاب البلدان. وحين وصل إلى خبر (حجر المطر) الذي لدى الترك، ذكر اسم ابن الفقيه ونقل عنه الخبر الذي رواه عيسى بن محمد المروزي. فأوهم ياقوت قارئه أن خبر تميم منقول عن مصدر آخر. بينما الحقيقة غير ذلك وهو موجود لدى ابن الفقيه الذي التقى به وسأله تفصيلات عن رحلته تلك. ومهما يكن فليس لدينا أي معلومات عن تميم بن بحر المطوعي سوى كونه مطّوعا وهم طائفة من المتطوعين الذين كانوا يرابطون في ثغور البلاد الإسلامية لدفع هجمات الدول والقبائل التي كانت تجتاح بين الحين والآخر حدود البلاد الإسلامية كالروم والأتراك- قبل إسلامهم-. ويعرف المطّوعة هؤلاء أخبارا ووقائع مهمة عن البلاد غير الإسلامية حيث كان بعضهم يسافر إليها، وأشهر أولئك، إبراهيم بن شماس الذي كان يذهب بين الحين والآخر إلى بلاد الغزية لشراء الأسرى وكان يلتقي بملكهم جبغويه «1» .أبو عبد الله الحسين بن أستاذويهقال ابن الفقيه: «وحدثني أبو عبد الله الحسين بن أستاذويه، حدثني أبو إسحاق إبراهيم بن الحسن، حدثنا هشام بن لهراسب السائب الكلبي … »(170 أ) .لم نجد لابن أستاذويه ذكرا في كتب التراجم، اللهم إلّا أن يكون أبا عبد الله الحسين بن شاذويه الذي ترجم له النجاشي فقال: «الحسين بن شاذويه أبو عبد الله الصفار وكان صحافا فيقال الصحاف … » «2» وقال: الرجالي ابن الغضائري إنه قمي زعم القميون أنه كان غاليا «3» . وأما شيخه أبو إسحاق إبراهيم بن الحسن.فنحتمله أنه الفنديني الرازي الذي يروي عن أحمد بن سيار المروزي «4»
কিতাবুল বুলদানের মূল পাণ্ডুলিপিতে তামিমে প্রতিবেদনটি যেভাবে রয়েছে, এখানে তা সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণিত হয়েছে। যখন তিনি তুর্কিদের কাছে থাকা ‘বৃষ্টির পাথর’ (হাজরুল মাতার) সংক্রান্ত বিবরণে পৌঁছালেন, তখন তিনি ইবনুল ফাকিহের নাম উল্লেখ করলেন এবং তার নিকট থেকে সেই সংবাদটি উদ্ধৃত করলেন যা ঈসা ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন। ইয়াকুত তার পাঠককে এই ধারণা দিয়েছেন যে, তামিমে প্রতিবেদনটি অন্য কোনো উৎস থেকে সংগৃহীত হয়েছে। অথচ প্রকৃত সত্য এর বিপরীত; এটি ইবনুল ফাকিহের নিকট বিদ্যমান ছিল, যিনি তার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং তার সেই সফর সম্পর্কে বিস্তারিত জিজ্ঞাসা করেছিলেন। যাই হোক না কেন, তামিমি ইবনে বাহর আল-মুত্তাউয়ি সম্পর্কে আমাদের কাছে এই তথ্য ছাড়া আর কিছু নেই যে, তিনি একজন ‘মুত্তাউয়ি’ ছিলেন। তারা ছিল স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দল যারা রোমান ও তুর্কিদের (তাদের ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) মতো বিভিন্ন রাষ্ট্র ও গোত্র—যারা মাঝেমধ্যে ইসলামি ভূখণ্ডের সীমান্তে আক্রমণ চালাত—তাদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য ইসলামি দেশগুলোর সীমান্ত চৌকিতে অবস্থান করত। এই মুত্তাউয়িগণ অমুসলিম দেশগুলো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ও ঘটনাবলি জানতেন, কারণ তাদের মধ্যে কেউ কেউ সেখানে সফর করতেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ছিলেন ইব্রাহিম ইবনে শাম্মাস, যিনি বন্দীদের মুক্ত করার জন্য মাঝেমধ্যে গুযিয়া অঞ্চলে যেতেন এবং তাদের রাজা জাবগুওয়াহ-এর সাথে সাক্ষাৎ করতেন।আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে উস্তাযুওয়াইহইবনুল ফাকিহ বলেন: “আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে উস্তাযুওয়াইহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনুল হাসান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে লাহরাসাব আস-সাইব আল-কালবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ... ”(১৭০ ক) ।জীবনীগ্রন্থগুলোতে আমরা ইবনে উস্তাযুওয়াইহ-এর কোনো উল্লেখ পাইনি; যদি না তিনি আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে শাযুওয়াইহ হন, যার জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে আন-নাজাশী বলেছেন: “আল-হুসাইন ইবনে শাযুওয়াইহ আবু আবদুল্লাহ আস-সাফফার, তিনি একজন বই বাঁধাইকারী ছিলেন, তাই তাকে আল-সাহহাফ বলা হতো ... ”। রিজাল শাস্ত্রবিদ ইবনুল গাদাইরি বলেন যে, তিনি কোম নিবাসী ছিলেন এবং কোমবাসীরা দাবি করত যে তিনি একজন গালি (চরমপন্থী) ছিলেন। আর তার উস্তাদ আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনুল হাসানের ব্যাপারে...আমরা ধারণা করছি যে তিনি আল-ফিনদিনি আর-রাযী, যিনি আহমদ ইবনে সাইয়্যার আল-মারওয়াযী থেকে বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(198- 268 هـ-) وأحمد بن منصور الرمادي (المتوفى عام 265 هـ-) .أبو العباس عيسى بن محمد بن عيسى المروزيروى عنه ابن الفقيه بقوله: «وحدّث أبو العباس عيسى....» (170 ب) وليس واضحا ما إذا كان قد التقاه رغم أن المروزي كان معاصرا لابن الفقيه. وقد روى عنه أسطورة حجر المطر الذي لدى الترك والذي يستجلبون به المطر إذا خافوا من الأعداء.وقد أدى لقبه (المروزي) وكنيته (أبو العباس) إلى أن يسهو قلم العالم الحجة في الدراسات الجغرافية ونعني به أغناطيوس كراتشكوفسكي، فيرى فيه مروزيا آخر توفي قبل عام 274 هـ- بقليل فقال:«أبو عباس جعفر بن محمد بن أحمد المروزي. ابن النديم يذكر أنه أول من صنّف في المسالك والممالك … قد تنسب إليه حكايات من وقت لآخر عند الجغرافيين المتأخرين. فابن الفقيه يروي عنه أسطورة تتعلق بحجر المطر، كما ينقل عنه روايات عديدة عن القبائل التركية» «1» .ولأهمية شخصية هذا الرجل ولكونه رحالة في البلاد ذا علاقة بالأمراء وكبار الشخصيات ولأهمية المعلومات التي قدمها- إذا أسقطنا الجانب الأسطوري منها- فسنفصل القول فيه.قال السمعاني: «أبو العباس عيسى بن محمد بن عيسى بن عبد الرحمن بن سليمان المروزي الكاتب المعروف بالطّهماني. أظن أنه من ولد إبراهيم بن طهمان. وهو إمام في اللغة والعلم وأحد أشراف خراسان بنفسه وآبائه وأسلافه» «2» .أما والده محمد بن عيسى بن عبد الرحمن بن سليمان المروزي الكاتب فقد
(১৯৮- ২৬৮ হিজরি) এবং আহমাদ ইবনে মানসুর আল-রামাদি (মৃত্যু ২৬৫ হিজরি)।আবু আল-আব্বাস ঈসা ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আল-মারওয়াযিইবনুল ফাকিহ তাঁর সম্পর্কে বর্ণনা করে বলেছেন: «আবু আল-আব্বাস ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...» (১৭০ বি) এবং মারওয়াযি ইবনুল ফাকিহের সমসাময়িক হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন কি না তা স্পষ্ট নয়। তিনি তাঁর থেকে তুর্কিদের কাছে থাকা বৃষ্টি-পাথরের কিংবদন্তি বর্ণনা করেছেন, যার মাধ্যমে তারা শত্রুদের ভয় পেলে বৃষ্টির আহ্বান জানায়।তাঁর লকব (আল-মারওয়াযি) এবং কুনিয়াত (আবু আল-আব্বাস) ভৌগোলিক গবেষণার প্রামাণ্য পণ্ডিত ইগনাশিয়াস ক্র্যাচকোভস্কির কলমে বিচ্যুতি ঘটিয়েছে, ফলে তিনি তাঁকে অন্য এক মারওয়াযি হিসেবে গণ্য করেছেন যিনি ২৭৪ হিজরির কিছু আগে ইন্তেকাল করেন। তিনি বলেন:«আবু আব্বাস জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-মারওয়াযি। ইবনে নাদিম উল্লেখ করেছেন যে, তিনিই প্রথম 'আল-মাসালিক ওয়াল মামালিক' (পথ ও দেশসমূহ) বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন … পরবর্তী ভূগোলবিদদের কাছে মাঝে মাঝে তাঁর প্রতি কিছু গল্পারোপ করা হয়। ইবনুল ফাকিহ তাঁর থেকে বৃষ্টি-পাথর সংক্রান্ত কিংবদন্তি বর্ণনা করেছেন, ঠিক যেমন তিনি তাঁর থেকে তুর্কি গোত্রগুলো সম্পর্কে অসংখ্য বর্ণনা উদ্ধৃত করেছেন» «১»।এই ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের গুরুত্বের কারণে এবং তিনি বিভিন্ন দেশে ভ্রমণকারী একজন পর্যটক হওয়ার পাশাপাশি আমির ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল বলে এবং তাঁর প্রদানকৃত তথ্যের গুরুত্বের কারণে—যদি আমরা এর কিংবদন্তি অংশটুকু বাদ দিই—তবে আমরা তাঁর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।আস-সামআনি বলেন: «আবু আল-আব্বাস ঈসা ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে সুলাইমান আল-মারওয়াযি আল-কাতিব, যিনি আত-তাহমানি নামে পরিচিত। আমি মনে করি তিনি ইব্রাহিম ইবনে তাহমানের বংশধর। তিনি ভাষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের একজন ইমাম এবং তিনি নিজে, তাঁর পিতা ও তাঁর পূর্বপুরুষদের সূত্রে খোরাসানের অন্যতম সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি» «২»।আর তাঁর পিতা মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে সুলাইমান আল-মারওয়াযি আল-কাতিব সম্পর্কে বলা যায় যে...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
استوزره طاهر بن عبد الله بمدينة مرو عام 240 هـ- «1» ويظهر اسمه في الحوادث الخطيرة والشغب الذي حدث ببغداد خلال عام 255 هـ- وما بعده حيث كان مع الجيش القادم من خراسان مع سليمان بن عبد الله بن طاهر، وقبلها في أحداث عام 252 هـ- «2» . ونورد هنا ما تمكنا من جمعه من علماء هذه العائلة وشخصياتهم السياسية.عيسى بن عبد الرحمن المروزي «3» محمد بن عيسى بن عبد الرحمن بن سليمان المروزي الكاتب «وزر لطاهر عام 240 هـ-» .عيسى بن محمد بن عيسى (المتوفى سنة 298 هـ-) (كاتب الأمير إسماعيل بن أحمد الساماني) «4» .محمد بن عيسى بن محمد أبو صالح المروزي (العارض بجرجان) «5» .قال الذهبي عن عيسى بن محمد المروزي (الذي روى ابن الفقيه عنه) بعد أن
২৪০ হিজরি সনে মার্ভ শহরে তাহির ইবনে আবদুল্লাহ তাকে উজির (মন্ত্রী) হিসেবে নিযুক্ত করেন «১»। ২৫৫ হিজরি সন ও তার পরবর্তী সময়ে বাগদাদে সংঘটিত ভয়াবহ ঘটনাবলি ও দাঙ্গার বিবরণে তার নাম পাওয়া যায়, কারণ তখন তিনি সুলায়মান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে তাহিরের সাথে খোরাসান থেকে আগত সেনাবাহিনীর সাথে অবস্থান করছিলেন। এর আগে ২৫২ হিজরি সনের ঘটনাবলিতেও তার নাম উল্লেখ রয়েছে «২»। আমরা এখানে এই পরিবারের আলেম ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্য থেকে যাদের তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি, তাদের বিবরণ পেশ করছি।ঈসা ইবনে আবদুর রহমান আল-মারওয়াযি «৩» মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে সুলায়মান আল-মারওয়াযি আল-কাতিব (যিনি ২৪০ হিজরি সনে তাহিরের উজির ছিলেন)।ঈসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা (মৃত্যু ২৯৮ হিজরি), তিনি আমির ইসমাইল ইবনে আহমদ আস-সামানির সচিব (কাতিব) ছিলেন «৪»।মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে মুহাম্মদ আবু সালেহ আল-মারওয়াযি (জোরজানের সামরিক পরিদর্শক বা আরিদ) «৫»।ইমাম আয-যাহাবি ঈসা ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযি (যার থেকে ইবনুল ফকিহ বর্ণনা করেছেন) সম্পর্কে বলেন যে, এরপর...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
ذكر شيوخه في الحديث ومن روى عنه: «كان رئيسا نبيلا كثير الفضائل …توفي عام 293 هـ-» «1» . كان كثير التنقل في البلاد الخراسانية ومدن الأتراك. ويبدو أنه كان يعنى بأخبار الخوارق والعجائب. فقد روى إضافة إلى ما نقله ابن الفقيه عنه من أخبار تدور حول حجر المطر- خبر المرأة التي عاشت نيفا وعشرين سنة لا تأكل ولا تشرب (!!!) حتى إنه ذكر خبرها لأبي العباس أحمد بن محمد بن طلحة بن طاهر والي خوارزم وذلك في سنة 266 هـ- ولما عجب الوالي من ذلك أمر بإحضارها ووكّل أمّه بمراعاتها وإنها بقيت عندها نحوا من شهرين في بيت لا تخرج منه فلم يروها تأكل ولا تشرب «2» .كما رحل إلى جرجان وحدّث بها «3» . وفي رواية ابن الفقيه في البلدان أنه كان ببلاد الشاش حيث التقى هناك أحد شيوخ الكتاب القدماء المدعو حبيب بن عيسى الذي وصفه بأنه جمع في كتاب أخبار وقائع نوح بن أسد وحروبه مع الترك «4» .وكانت صلته بأمير خراسان إسماعيل بن أحمد الذي حكم بين (287- 295 هـ-) «5» قد أتاحت له معرفة الكثير مما يتعلق بالبلاد الخراسانية وما وراء النهر.
হাদীসে তাঁর উস্তাদগণ এবং তাঁর থেকে যারা বর্ণনা করেছেন তাদের আলোচনা: «তিনি ছিলেন একজন মহান ও উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন নেতা এবং বহু গুণের অধিকারী …২৯৩ হিজরীতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন» «১»। তিনি খোরাসান অঞ্চল এবং তুর্কিদের শহরগুলোতে প্রচুর ভ্রমণ করতেন। প্রতীয়মান হয় যে, তিনি অলৌকিক ও আশ্চর্যজনক ঘটনাবলীর খবরের প্রতি বিশেষভাবে আগ্রহী ছিলেন। ইবনে আল-ফকিহ তাঁর সূত্রে 'বৃষ্টির পাথর' কেন্দ্রিক যে সংবাদগুলো বর্ণনা করেছেন, তার অতিরিক্ত তিনি (গ্রন্থকার) এমন এক মহিলার খবর বর্ণনা করেছেন যে বিশ বছরেরও কিছু বেশি সময় পানাহার ছাড়াই বেঁচে ছিল (!!!)। এমনকি তিনি এই মহিলার সংবাদটি ২৬৬ হিজরীতে খাওয়ারিজমের গভর্নর আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে তালহা ইবনে তাহিরের নিকট উল্লেখ করেছিলেন। গভর্নর এই ঘটনায় বিস্মিত হয়ে তাকে উপস্থিত করার আদেশ দেন এবং তার দেখাশোনার ভার নিজের মায়ের ওপর অর্পণ করেন। সে মহিলার কাছে একটি ঘরে প্রায় দুই মাস অবস্থান করেছিল, যেখান থেকে সে বের হতো না; তারা তাকে পানাহার করতে দেখেনি «২»।অনুরূপভাবে তিনি জুরজানেও সফর করেছিলেন এবং সেখানে হাদীস বর্ণনা করেছিলেন «৩»। ইবনে আল-ফকিহ-এর ‘আল-বুলদান’ গ্রন্থের বর্ণনা মতে, তিনি শাশ অঞ্চলে ছিলেন এবং সেখানে হাবিব ইবনে ঈসা নামক একজন প্রাচীন উস্তাদ ও লেখকের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি তার পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন যে, উক্ত ব্যক্তি নূহ ইবনে আসাদের জীবনের ঘটনাবলী এবং তুর্কিদের সাথে তাঁর যুদ্ধের সংবাদসমূহ একটি গ্রন্থে সংকলন করেছিলেন «৪»।খোরাসানের আমীর ইসমাইল ইবনে আহমদের সাথে তাঁর সুসম্পর্ক ছিল—যিনি (২৮৭-২৯৫ হিজরী) পর্যন্ত শাসনকার্য পরিচালনা করেছিলেন «৫»—যা তাঁকে খোরাসান অঞ্চল এবং মা-ওয়ারা-আন-নহর (ট্রান্সঅক্সিয়ানা) সম্পর্কিত অনেক তথ্য লাভের সুযোগ করে দিয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
قدم إلى بغداد وحدث بها. وذكر أبو سعيد أحمد بن محمد بن الأعرابي (246- 340 هـ-) مؤلف طبقات النساك المعروف بشيخ الحرم أنه سمع منه ببغداد. كما سمع منه فيها عبد الباقي بن قانع (265- 351 هـ-) «1» أما حجر المطر الذي يوجد لدى الترك ويقول ابن الفقيه إنهم «إذا أرادوا المطر حرّكوا منه شيئا يسيرا فينشأ الغيم فيوافي المطر. وإن هم أرادوا الثلج والبرد، زادوا فيه فيوافي الثلج والبرد. ويقال إنهم إذا أومأوا إلى جهة من الجهات، مطرت تلك الجهة وأبردت» (171 أ) ، فأمره لا يخلو من طرافة في عالم الفولكلور الآسيوي. فقد قال أبو دلف (الرحلة 177 ب) إنه لدى الترك الكيماك.ونقل البيروني عن كتاب النخب لجابر بن حيان (توفي عام 200 هـ-) أنه «حجر اليشب وهو حجر الغلبة تستعمله الترك ليغلبوا» «2» .ويزيد الأمر وضوحا فيقول في الآثار الباقية: وهو يتحدث عن عدة ظواهر في الطبيعة: «وفي الجبل الذي بأرض الترك، فإنه إذا اجتاز عليه الغنم شدّت أرجلها بالصوف لئلا تصطك حجارته فيعقبه المطر الغزير وقد يحمل منها الأتراك فيحتالون منها في دفع مضرة العدو إذا أحيط بهم فينسب من لا يعرف ذلك إلى السحر منهم» «3» .ونظرا للروح العلمية التي لدى البيروني فقد طلب إلى أحد الأتراك الذين حملوا إليه شيئا من تلك الأحجار أن يجلب بها المطر. فرماها إلى السماء مع همهمة وصياح فلم ينزل شيء من المطر. وعلّق على ذلك قائلا: «وأعجب من ذلك أن الحديث به يستفيض. وفي طباع الخاصة فضلا عن العامة منطبع يلاحون فيه من غير تحقق» «4»
তিনি বাগদাদে আগমন করেন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করেন। 'তাবাকাতুন নুসসাক'-এর লেখক, 'শাইখুল হারাম' নামে পরিচিত আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-আরাবি (২৪৬-৩৪০ হিজরি) উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বাগদাদে তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তেমনিভাবে আবদুল বাকি বিন কানি'ও (২৬৫-৩৫১ হিজরি) সেখানে তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন [১]। বৃষ্টির পাথরের ক্ষেত্রে, যা তুর্কিদের কাছে পাওয়া যায় এবং যে সম্পর্কে ইবনে আল-ফকিহ বলেন যে, "যখন তারা বৃষ্টির প্রয়োজন বোধ করে, তখন তারা এর সামান্য অংশ নাড়া দেয়, ফলে মেঘ সৃষ্টি হয় এবং বৃষ্টি বর্ষিত হয়। আর যদি তারা তুষার বা শিলাবৃষ্টি চায়, তবে তারা এর নাড়াচাড়া বাড়িয়ে দেয়, ফলে তুষার ও শিলাবৃষ্টি হয়। আরও বলা হয় যে, তারা যদি কোনো নির্দিষ্ট দিকে ইঙ্গিত করে, তবে সেদিকেই বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি বর্ষিত হয়" (১৭১ ক)। এ বিষয়টি এশীয় লোকগাথার জগতে বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। আবু দুলাফ (আল-রিহলা ১৭৭ খ) বলেছেন যে, এটি কিমাক তুর্কিদের কাছে পাওয়া যায়।আল-বিরুনি জাবির বিন হাইয়্যান-এর (মৃত্যু ২০০ হিজরি) 'কিতাবুল নুখাব' থেকে উদ্ধৃত করেছেন যে, "এটি হলো ইয়াশাব পাথর, যা বিজয়ের পাথর হিসেবে পরিচিত এবং তুর্কিরা জয়ী হওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করে" [২]।বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে তিনি 'আল-আসারুল বকিয়্যাহ' গ্রন্থে প্রকৃতির বিভিন্ন বৈচিত্র্য নিয়ে আলোচনার সময় বলেন: "তুর্কিদের ভূখণ্ডে অবস্থিত পাহাড়ে যখন মেষের পাল অতিক্রম করে, তখন সেগুলোর পা পশম দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয় যাতে পাথরের সাথে ঘর্ষণ না লাগে। কারণ ঘর্ষণ লাগলে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তুর্কিরা কখনও কখনও এই পাথর বহন করে নিয়ে যায় এবং শত্রুরা যখন তাদের ঘেরাও করে ফেলে, তখন তারা শত্রুর ক্ষতি এড়াতে এর মাধ্যমে কৌশল অবলম্বন করে। যারা এ বিষয়ে জানে না, তারা তুর্কিদের এই কাজকে জাদু বলে মনে করে" [৩]।আল-বিরুনির বৈজ্ঞানিক মানসিকতার কারণে তিনি জনৈক তুর্কির কাছে—যে তাঁর কাছে কিছু পাথর নিয়ে এসেছিল—সেগুলো দিয়ে বৃষ্টি নামানোর অনুরোধ করলেন। সে পাথরগুলো বিড়বিড় করে মন্ত্র পড়ে এবং চিৎকার করে আকাশের দিকে ছুঁড়ে মারল, কিন্তু কোনো বৃষ্টিই হলো না। এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন: "সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই কথাটি লোকমুখে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। সাধারণ মানুষের কথা তো ছেড়েই দিলাম, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মজ্জায়ও এটি এমনভাবে গেঁথে আছে যে, তারা কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই এ নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয়" [৪]।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
ويبدو من كلام الكاشغري الذي كتب كتابه عام 466 هـ- أن استجلاب المطر كان من وظائف الكهان حيث قال: «إن الأمير أمر بالكاهن حتى تكهن وجاء بالريح والأمطار. وذلك معروف في ديار الترك يستجلب الريح والبرد والمطر بالحجر» «1» وبعد أن يورد شهمردان بن أبي الخير الذي ألّف كتابه بين 488 و 513 هـ- أسطورة حجر المطر- يبدو أنها نقلها عن البيروني- يشير إلى حجر جالب للريح والرعود والأمطار في واد عظيم ببلاد الهند وذلك إذا غنّى أحد في ذلك الوادي.ولذا فإن الناس يجتازونه ولا يغنون إطلاقا كما لا يتكلمون مع بعضهم» «2» .ومهما يكن فقد ظلت هذه الأسطورة حية بعد ذلك حتى أن الدنيسري الذي ألّف كتابه عام 669 هـ- نقلها وقال إن الحجر يوجد في تركستان من غير أن يحدد مكانا بعينه «3» . كما ذكرها القزويني (600- 682 هـ-) وأضاف «ورأيت من شاهد هذا» «4» .محمد بن أبي مريمذكره ابن الفقيه- كما هو في 264 من مختصر البلدان المطبوع- وهو يتحدث عن مقدار خراج قم: «أخبرني محمد بن أبي مريم قال: مبلغ وظيفة الخراج بكورة قم....» .وهو محمد بن إبراهيم عامل مدينة قم الذي نستخلص من خلال وصول لجنة برئاسة بشر بن فرج إلى قم في رجب عام 284 من قبل المعتضد للنظر في شكاوى أهلها من ثقل الضرائب، أن محمد بن أبي مريم وأخاه أحمد قد تولى كل منهما
৪৬৬ হিজরিতে গ্রন্থ রচনা করা আল-কাশগরীর কথা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বৃষ্টি নামানো ছিল গণকদের কাজের একটি অংশ। তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমীর গণককে নির্দেশ দিলেন, অতঃপর সে গণকি করল এবং বাতাস ও বৃষ্টি নিয়ে আসল। তুর্কিদের দেশে এটি সুপরিচিত যে, পাথরের মাধ্যমে বাতাস, শিলাবৃষ্টি এবং বৃষ্টি নামানো হয়।» এরপর শাহমারদান বিন আবিল খায়ের, যিনি ৪৮৮ থেকে ৫১৩ হিজরির মধ্যে তার গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন—বৃষ্টির পাথরের কিংবদন্তিটি উল্লেখ করার পর (যা সম্ভবত তিনি আল-বিরুনির কাছ থেকে গ্রহণ করেছেন)—ভারতের একটি বিশাল উপত্যকায় বাতাস, বজ্রপাত এবং বৃষ্টি আনয়নকারী একটি পাথরের কথা উল্লেখ করেছেন, যা ঘটে যখন কেউ সেই উপত্যকায় গান গায়।একই কারণে মানুষ সেটি অতিক্রম করার সময় মোটেও গান গায় না এবং একে অপরের সাথে কথাও বলে না।»যা-ই হোক, এই কিংবদন্তিটি পরবর্তীকালেও জীবন্ত ছিল, এমনকি ৬৬৯ হিজরিতে গ্রন্থ রচনা করা আদ-দুনাইসিরি এটি উদ্ধৃত করেছেন এবং বলেছেন যে, পাথরটি তুর্কিস্তানে পাওয়া যায়, তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো স্থানের নাম উল্লেখ করেননি। আল-কাযউইনিও (৬০০-৬৮২ হি.) এটি উল্লেখ করেছেন এবং যোগ করেছেন যে, «আমি এমন একজনকে দেখেছি যে এটি প্রত্যক্ষ করেছে।»মুহাম্মদ বিন আবি মারিয়ামইবনুল ফকিহ তাকে উল্লেখ করেছেন—যেমনটি মুদ্রিত মুখতাসারুল বুলদানের ২৬৪ পৃষ্ঠায় রয়েছে—যখন তিনি কোমের ভূমি রাজস্বের পরিমাণ সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন: «মুহাম্মদ বিন আবি মারিয়াম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে: কোম অঞ্চলে নির্ধারিত ভূমি রাজস্বের পরিমাণ হলো....»।তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম, কোম শহরের গভর্নর। আল-মো'তাদিদের পক্ষ থেকে করের বোঝার বিষয়ে সেখানকার অধিবাসীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য ২৮৪ হিজরির রজব মাসে বিশর বিন ফরাজের নেতৃত্বে একটি কমিটির কোমে পৌঁছানোর ঘটনা থেকে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, মুহাম্মদ বিন আবি মারিয়াম এবং তার ভাই আহমদ—উভয়ই এই পদের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলদান লিইবনিল ফাকীহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
منصب عامل قم في الفترة الواقعة بين 282 و 284 هـ- «1» .عمر بن الأزرق الكرمانيأورده ابن الفقيه بقوله: «قال عمر بن الأزرق الكرماني» (161 أ) حيث ذكر ابن الأزرق معلومات مهمة عن معبد النوبهار بمدينة بلخ الذي قيل أنه كان يوجد فيه بيت من أكبر بيوت المجوس «2» . وإن كان الأرجح أنه كان بيتا للأصنام، حيث يقول من يرى ذلك «إنّ كلمة (بهار) تأتي أيضا في الأدب الفارسي بمعنى معبد للأصنام» «3» . وحتى بعد أن هدم هذا المعبد على يد قيس بن هيثم السلمي عام 41 هـ-، ظل مكانه موثلا للكثير من الزائرين. يقول أبو بكر الواعظ الذي كان حيا عام 588 هـ- في كتابه فضايل بلخ نقلا عن المحدث عبد الله بن شوذب البلخي (86- 156 هـ-) :«روي عن ابن شوذب أنه حلول رأس السنة الشمسية كان الأكابر والأشراف من بلاد طخارستان والهند وتركستان ومن بلاد العراق والشام يأتون إلى هذه المدينة (بلخ) ويعيّدون سبعة أيام في موقع النوبهار» «4» .إن المعلومات التي قدمها ابن الأزرق عن النوبهار فريدة لا نراها في أي مصدر آخر. فمن يكون عمر بن الأزرق هذا؟ لم نجد له ذكرا في كتب الرجال والتاريخ. وهناك بصيص ضعيف من الأمل في أن يكون هو الذي روى عن المدعو ابن سيار معلومة طبية من بلاد الروم. ففي كتاب في الأدوية ومنافعها ألّف على عهد منصور بن نوح الساماني أي بين 350 و 366 هـ-، قال مؤلفه:«روى ابن الأزرق عن ابن سيار أنه قال: رأيت في بلاد الروم أنه عند ظهور
২৮২ থেকে ২৮৪ হিজরির মধ্যবর্তী সময়ে কুমের আমিলের পদ। «১»।উমর বিন আল-আজরাক আল-কিরমানিইবনুল ফাকিহ এটি তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে উদ্ধৃত করেছেন: «উমর বিন আল-আজরাক আল-কিরমানি বলেছেন» (১৬১ ক) যেখানে ইবনুল আজরাক বালখ শহরের নাওবাহার উপাসনালয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ করেছেন, যার সম্পর্কে বলা হতো যে সেখানে অগ্নিপূজকদের অন্যতম বড় একটি ঘর বিদ্যমান ছিল «২»। যদিও অধিকতর সঠিক মত এই যে, এটি একটি প্রতিমাপূজার ঘর ছিল, কেননা যারা এই মত পোষণ করেন তারা বলেন «ফারসি সাহিত্যে (বাহার) শব্দটি প্রতিমাপূজার মন্দির অর্থেই আসে» «৩»। এমনকি ৪১ হিজরিতে কায়েস বিন হাইসাম আস-সুলামির হাতে এই উপাসনালয়টি ধ্বংস হওয়ার পরেও এর স্থানটি বহু দর্শনার্থীর মিলনস্থল হিসেবে রয়ে যায়। আবু বকর আল-ওয়ায়েজ, যিনি ৫৮৮ হিজরিতে জীবিত ছিলেন, তার ফাযায়েল-এ-বালখ গ্রন্থে মুহাদ্দিস আব্দুল্লাহ বিন শাওযাব আল-বালখি (৮৬-১৫৬ হি.) থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন:«ইবনে শাওযাব থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, সৌর নববর্ষের শুরুতে তাখারিস্তান, হিন্দুস্তান, তুর্কিস্তান এবং ইরাক ও শাম দেশ থেকে উচ্চপদস্থ ও অভিজাত ব্যক্তিরা এই শহরে (বালখ) আসতেন এবং নাওবাহারের স্থানে সাত দিন ধরে উৎসব পালন করতেন» «৪»।নাওবাহার সম্পর্কে ইবনুল আজরাক যে তথ্য প্রদান করেছেন তা অনন্য, যা আমরা অন্য কোনো উৎসে দেখি না। তাহলে এই উমর বিন আল-আজরাক কে? আমরা রিজাল ও ইতিহাসের গ্রন্থগুলোতে তার কোনো উল্লেখ খুঁজে পাইনি। তবে একটি ক্ষীণ আশার আলো রয়েছে যে, তিনিই সম্ভবত সেই ব্যক্তি যিনি ইবনে সাইয়ার নামক ব্যক্তি থেকে রোম দেশের একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য বর্ণনা করেছেন। ওষুধ ও তার উপকারিতা বিষয়ক একটি গ্রন্থে, যা সামানি শাসক মনসুর বিন নূহ-এর আমলে অর্থাৎ ৩৫০ থেকে ৩৬৬ হিজরির মধ্যে সংকলিত হয়েছিল, তার লেখক বলেছেন:«ইবনুল আজরাক ইবনে সাইয়ার থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: আমি রোম দেশে দেখেছি যে, যখন প্রকাশ পায়