(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: -)
تعليقة على العلل لابن أبي حاتم ت جاد الله   (ابن عبد الهادي)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: تعليقة على العلل لابن أبي حاتم

المؤلف: شمس الدين محمد بن أحمد بن عبد الهادي بن يوسف الدمشقي الحنبلي (ت 744هـ)

تحقيق: سامي بن محمد بن جاد الله

تقديم: فضيلة الشيخ المحدث عبد الله بن عبد الرحمن السعد

الناشر: أضواء السلف، الرياض

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2003 م

عدد الصفحات: 297

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আবি হাতিমের 'আল-ইলাল'-এর ওপর টীকা (জাদুল্লাহ সম্পাদিত)   (ইবনে আব্দুল হাদী)

বিভাগ: হাদিসের ত্রুটি ও হাদিস বিষয়ক প্রশ্নসমূহ


গ্রন্থ: ইবনে আবি হাতিমের 'আল-ইলাল'-এর ওপর টীকা

লেখক: শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল হাদী ইবনে ইউসুফ আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলী (মৃত্যু ৭৪৪ হিজরি)

সম্পাদনা: সামি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাদুল্লাহ

উপস্থাপনা: বরেণ্য শায়খ মুহাদ্দিস আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আস-সা'দ

প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ, রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯৭

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ. . .

 

وَسَلَّمَ فَقَالَ: إِنَّ اللَّهَ عز وجل قَدْ أَحْسَنَ الثَّنَاءَ عَلَيْكُمْ فِي الطَّهُورِ: {فِيهِ رِجَالٌ يُحِبُّونَ أَنْ يَتَطَهَّرُوا} [التوبة: 108] ، وَذَكَرَ الاسْتِنْجَاءَ بِالْمَاءِ.

وَرَوَاهُ سَلَمَةُ بْنُ رَجَاءٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، عَنْ سَيَّارٍ، عَنْ شَهْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلامٍ، قَالَ: قَالَ أَبِي: قَدِمَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

وَرَوَاهُ أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ شَهْرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلا.

فَسَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ يَقُولُ: الصَّحِيحُ عِنْدَنَا ـ وَاللَّهُ أَعْلَمَ ـ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَّامٍ قَطْ، لَيْسَ فِيهِ: عَنْ أَبِيهِ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। . .

 

এবং তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা পবিত্রতার বিষয়ে তোমাদের উত্তম প্রশংসা করেছেন: {সেখানে এমন লোক রয়েছে যারা পবিত্রতা অর্জন করতে ভালোবাসে} [আত-তাওবাহ: ১০৮], এবং তিনি পানি দ্বারা শৌচকার্য করার কথা উল্লেখ করেছেন।

সালামাহ ইবনে রাজা এটি মালিক ইবনে মিগওয়াল থেকে, তিনি সাইয়্যার থেকে, তিনি শাহর থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমার পিতা বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আগমন করেছেন।

আবু খালিদ আল-আহমার এটি দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি শাহর থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর আমি আবু যুরআহকে বলতে শুনেছি: আমাদের নিকট সঠিক হচ্ছে—আর আল্লাহই ভালো জানেন—কেবল মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম থেকে; এতে 'তাঁর পিতা থেকে' অংশটি নেই।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
(93) - حَدِيثٌ آخَرُ:

قَالَ التِّرْمِذِيُّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، ثَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ يُوسُفَ بْنُ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا خَرَجَ مِنَ الْخَلاءِ قَالَ: «غُفْرَانَكَ» .

قَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ، لا نَعْرِفُهُ إِلا مِنْ حَدِيثِ
إِسْرَائِيلَ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، وَأَبُو بَرْدَةَ بْنُ أَبِي مُوسَى، اسْمُهُ: عَامِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ، وَلا نَعْرِفُ فِي هَذَا الْبَابِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلا حَدِيثَ عَائِشَةَ.

ذَكَرَ الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ فِي «الأَطْرَافِ» أَنَّ التِّرْمِذِيَّ رَوَاهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ،.

وَالنُّسْخَةُ الَّتِي كَتَبْتُ مِنْهَا قَدِيمَةٌ، وَفِيهَا: (مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ) .

وَقَالَ شَيْخُنَا الْحَافِظُ أَبُو الْحَجَّاجِ: فِي بَعْضِ النُّسَخِ الْمُتَأَخِّرَةِ: مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، بَدَلُ: مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ.
(৯৩) - অন্য একটি হাদিস:

তিরমিজি বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে হুমাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে ইসমাইল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসরাইল থেকে বর্ণিত, ইউসুফ ইবনে আবি বুরদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন শৌচাগার থেকে বের হতেন, তখন বলতেন: "আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি"।

তিরমিজি বলেছেন: এটি একটি হাসান গারিব হাদিস, আমরা এটি কেবল হাদিস হিসেবে জানি
ইসরাইলের, যা ইউসুফ ইবনে আবি বুরদাহ থেকে বর্ণিত। আর আবু বুরদাহ ইবনে আবি মুসা—তাঁর নাম হলো: আমির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কাইস। এবং এই বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আয়েশার হাদিস ছাড়া অন্য কোনো হাদিস আমাদের জানা নেই।

হাফেজ আবুল কাসিম 'আল-আতরাফ' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিরমিজি এটি মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল থেকে, মালিক ইবনে ইসমাইল সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আমি যে পাণ্ডুলিপি থেকে এটি অনুলিপি করেছি তা প্রাচীন, আর তাতে রয়েছে: (মুহাম্মাদ ইবনে হুমাইদ)।

আমাদের শাইখ হাফেজ আবুল হাজ্জাজ বলেছেন: কিছু পরবর্তী সংস্করণে 'মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল'-এর পরিবর্তে 'মুহাম্মাদ ইবনে হুমাইদ' নাম রয়েছে।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ النَّاقِدِ، عَنْ هَاشِمِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ إِسْرَائِيلَ؛ وَرَوَاهُ النِّسَائِيُّ فِي «الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ» عَنْ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ النَّيْسَابُورِيِّ، وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، كِلاهُمَا عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي بُكَيْرٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ.

وَقَالَ الْبَيْهَقِيُّ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمَشٍ الْفَقِيهُ، أَبْنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَطَّانُ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ، ثَنَا طَلْقُ بْنُ غَنَّامٍ، ثَنَا إِسْرَائِيلُ بْنُ يُونُسَ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَرَجَ مِنَ الْغَائِطِ قَالَ: «غُفْرَانَكَ» .

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ هُوَ الأَصَمُّ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، ثَنَا أَبُو النَّضْرِ، ثَنَا إِسْرَائِيلُ بْنُ يُونُسَ،. . . فَذَكَرَهُ بِمِثْلِهِ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَبْنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمَحْبُوبِيُّ بِمَرْوَ، ثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَسْعُودٍ، ثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أَبْنَا إِسْرَائِيلُ بْنُ يُونُسَ،. . . . فَذَكَرَهُ بِنَحْوِهِ، وَذَكَرَ فِيهِ سَمَاعَ أَبِي بُرْدَةَ مِنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، ثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ، أَبْنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ النَّضْرِ، ثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، ثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، ثَنَا إِسْرَائِيلُ. . . فَذَكَرَهُ بِنَحْوَهِ.

وَقَدْ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَافِظُ، أَبْنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَصْبَهَانِيُّ، أَبْنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، ثَنَا أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ،. . . فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ، وَزَادَ: «غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ» .
এই হাদীসটি আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাকিদ থেকে, তিনি হাশিম ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে; এবং আন-নাসাঈ এটি ‘আল-ইয়াওমু ওয়াল-লাইলাহ’ গ্রন্থে আহমাদ ইবনে নাসর আন-নাইসাবুরী থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই ইয়াহইয়া ইবনে আবি বুকাইর থেকে, তিনি ইসরাঈল থেকে।

আল-বাইহাকী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাহমাশ আল-ফকিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-কাত্তান, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইউসুফ, আমাদের বর্ণনা করেছেন তালক ইবনে গান্নাম, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসরাঈল ইবনে ইউনুস ইবনে আমর ইবনে আব্দুল্লাহ, ইউসুফ ইবনে আবি বুরদাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়িশাহ থেকে; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগার থেকে বের হতেন তখন বলতেন: "আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করছি।"

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাস আল-আসাম, আমাদের বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে মুকরিম, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু নাদর, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসরাঈল ইবনে ইউনুস... অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মারভ-এর আবু আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-মাহবুবি, আমাদের বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে মাসউদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসরাঈল ইবনে ইউনুস... অতঃপর তিনি এর কাছাকাছি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন এবং তাতে আয়িশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে আবু বুরদাহ-এর হাদীস শোনার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে ইসহাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুন নাদর, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে আমর, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি বুকাইর, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসরাঈল... অতঃপর তিনি এর কাছাকাছি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী আল-হাফিয, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আসফাহানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুযাইমাহ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু মুসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি বুকাইর... অতঃপর তিনি তার সনদে এটি উল্লেখ করেছেন এবং তাতে বর্ধিতভাবে রয়েছে: "হে আমাদের রব, আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।"
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
قَالَ ابْنُ خُزَيْمَةَ: وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْلَمَ، ثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ.

قَالَ الْبَيْهَقِيُّ: وَهَذِهِ الزِّيَادَةُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ لَمْ أَجِدْهَا إِلا فِي رِوَايَةِ ابْنِ خُزَيْمَةَ وَهُوَ إِمَامٌ، وَقَدْ رَأَيْتُهُ فِي نُسْخَةٍ قَدِيمَةٍ بِكِتَابِ ابْنِ خُزَيْمَةَ لَيْسَ فِيهِ هَذِهِ الزِّيَادَةُ، ثُمَّ أُلْحِقَتْ بِخَطٍّ آخَرَ بِحَاشِيَتِهِ، فَالأَشْبَهُ أَنْ تَكُونَ مُلْحَقَةً بِكِتَابِهِ مِنْ غَيْرِ عِلْمِهِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.

وَقَدْ أَنْبَأَنَا الإِمَامُ أَبُو عُثْمَانَ الصَّابُونِيُّ، أَبْنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، ثَنَا جَدِّي،. . . فَذَكَرَهُ دُونَ هَذِهِ الزِّيَادَةِ، فَصَحَّ بِذَلِكَ بُطْلانُ هَذِهِ الزِّيَادَةِ فِي الْحَدِيثِ.

وَقَالَ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: أَصَحُّ حَدِيثٍ فِي هَذَا الْبَابِ - يَعْنِي: فِي بَابِ الدُّعَاءِ عِنْدَ الْخُرُوجِ مِنَ الْخَلاءِ - حَدِيثُ عَائِشَةَ.

يَعْنِي: حَدِيثَ إِسْرَائِيلَ عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ
ইবনে খুজাইমাহ বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসরাঈল থেকে, এই সনদে অনুরূপ হাদিস।

বায়হাকী বলেছেন: এই হাদিসে এই অতিরিক্ত অংশটি আমি ইমাম ইবনে খুজাইমাহর বর্ণনা ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি। আমি ইবনে খুজাইমাহর কিতাবের একটি প্রাচীন পাণ্ডুলিপিতে দেখেছি যে, তাতে এই অতিরিক্ত অংশটি নেই; বরং পরবর্তীতে অন্য হাতের লেখায় এর পার্শ্বটীকায় এটি সংযুক্ত করা হয়েছে। সুতরাং এটিই অধিকতর স্পষ্ট যে, এটি তাঁর অজান্তেই তাঁর কিতাবে সংযুক্ত করা হয়েছে। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

ইমাম আবু উসমান আস-সাবুনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহের মুহাম্মাদ ইবনুল ফজল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার দাদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন... অতঃপর তিনি এই অতিরিক্ত অংশ ছাড়াই এটি উল্লেখ করেছেন। ফলে এর দ্বারা হাদিসে এই অতিরিক্ত অংশের অসারতা প্রমাণিত হয়েছে।

ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: এই অধ্যায়ে—অর্থাৎ শৌচাগার থেকে বের হওয়ার সময়ের দোয়ার অধ্যায়ে—সবচেয়ে বিশুদ্ধ হাদিস হলো আয়েশার হাদিস।

অর্থাৎ: ইউসুফ ইবনে আবি বুরদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা থেকে ইসরাঈলের বর্ণিত হাদিস।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
(94) - حَدِيثٌ آخَرُ:

قَالَ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ فِي حَدِيثٍ رَوَاهُ ابْنُ لُهَيْعَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هُبَيْرَةَ، عَنْ حَنَشٍ الصَّنْعَانِيِّ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ‌‌ يَخْرُجُ فَيَبُولُ فَيَتَمَسَّحُ بِالتُّرَابِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، الْمَاءُ مِنْكَ قَرِيبٌ! فَقَالَ: «مَا أَدْرِي لَعَلِّي لا أَبْلُغُ» .

فَقَالَ أَبِي: لا يَصِحُّ هَذَا الْحَدِيثُ، وَلا يَصِحُّ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثٌ.

انْتَهَى مَا ذَكَرَهُ.

وَلَمْ يُخَرِّجْ أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِ السُّنَنِ هَذَا الْحَدِيثَ، بَلْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ تَيَمَّمَ وَالْمَاءُ مِنْهُ قَرِيبٌ: قَالَ الشَّافِعِيُّ: أَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ ابْنِ عَجْلانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ أَقْبَلَ مِنَ الْجُرْفِ حَتَّى إِذَا كَانَ بِالْمِرْبَدِ تَيَمَّمَ، فَمَسَحَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، وَصَلَّى الْعَصْرَ، ثُمَّ دَخَلَ الْمَدِينَةَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ، فَلَمْ يُعِدِ الصَّلاةَ.

قَالَ الشَّافِعِيُّ: وَالْجُرْفُ: قَرِيبٌ مِنَ الْمَدِينَةِ.
(৯৪) - অন্য একটি হাদিস:

ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, ইবনে লুহাইআহ বর্ণিত একটি হাদিস সম্পর্কে, যা তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে হুবাইরাহ থেকে, তিনি হানাশ আস-সানআনি থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হতেন এবং প্রস্রাব করতেন, অতঃপর মাটি দিয়ে মাসাহ (তৈয়ম্মুম) করতেন। তখন বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, পানি তো আপনার নিকটেই! তিনি বললেন: "আমি জানি না, সম্ভবত আমি সেখানে পৌঁছাতে পারব না।"

অতঃপর আমার পিতা বললেন: এই হাদিসটি বিশুদ্ধ নয় এবং এই অধ্যায়ে কোনো হাদিসই বিশুদ্ধ নয়।

তার বর্ণিত বক্তব্য এখানেই শেষ।

সুনান গ্রন্থকারদের কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি, বরং ইবনে উমর থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি তায়াম্মুম করেছিলেন অথচ পানি তাঁর নিকটবর্তী ছিল: ইমাম শাফেয়ী বলেন: ইবনে উয়াইনা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আজলান থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আল-জুরফ থেকে আসছিলেন, এমনকি যখন তিনি আল-মিরবাদ নামক স্থানে পৌঁছালেন, তখন তায়াম্মুম করলেন। তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ও হাত মাসাহ করলেন এবং আসরের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি মদীনায় প্রবেশ করলেন তখনো সূর্য বেশ উপরে ছিল, কিন্তু তিনি সালাত পুনরায় আদায় করেননি।

ইমাম শাফেয়ী বলেন: আল-জুরফ মদীনার নিকটবর্তী একটি স্থান।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ صَاعِدٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زُنْبُورٍ، ثَنَا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ تَيَمَّمَ بِمِرْبَدِ النَّعَمِ وَصَلَّى - وَهُوَ عَلَى ثَلاثَةِ أَمْيَالٍ مِنَ الْمَدِينَةِ -، ثُمَّ دَخَلَ الْمَدِينَةَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ فَلَمْ يُعِدْ.

وَقَدْ رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ ابْنِ عَجْلانَ، وَرَوَاهُ يَحْيَى الأَنْصَارِيُّ، وَمَالِكُ، عَنْ نَافِعٍ.

وَقَالَ الْبَيْهَقِيُّ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَبْنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَاتِمٍ الزَّاهِدُ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُعْشُمٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ: تَيَمَّمَ ابْنُ عُمَرَ عَلَى رَأْسِ مِيلٍ أَوْ مِيلَيْنِ مِنَ الْمَدِينَةِ، فَصَلَّى الْعَصْرَ، فَقَدِمَ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ، وَلَمْ يُعِدِ الصَّلاةَ.

هَذَا هُوَ الصَّحِيحُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ نَفْسِهِ.

قَالَ الْبَيْهَقِيُّ: وَقَدْ رُوِيَ مُسْنَدًا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَلَيْسَ بِمَحْفُوظٍ: أَخْبَرَنَاهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ - فِي «الْفَوَائِدِ الْكَبِيرِ» - وَأَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَاضِي، وَأَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيُّ - إِمْلاءً -، وَأَبُو سَعِيدِ بْنُ أَبِي عَمْرٍو - قِرَاءَةً -، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عُبَيْدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَهْدِيٍّ - لَفْظًا -، قَالُوا: أَبْنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ الْقَزَّازُ، ثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي رَزِينٍ، ثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَيَمَّمَ وَهُوَ يَنْظُرُ إِلَى بُيُوتِ الْمَدِينَةِ بِمَكَانٍ يُقَالُ لَهُ: مِرْبَدُ النِّعَمِ.
ইমাম দারাকুতনী বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবনে সায়েদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে জুনবুর আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, ফুযায়েল ইবনে ইয়াদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি নাফে’ থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবনে উমর মদীনা থেকে তিন মাইল দূরে ‘মিরবাদুন নাআম’ নামক স্থানে তায়াম্মুম করলেন এবং সালাত আদায় করলেন, এরপর তিনি মদীনায় প্রবেশ করলেন তখনো সূর্য উপরে ছিল, কিন্তু তিনি সালাত পুনরায় আদায় করেননি।

আর এটি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে আজলান থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং ইয়াহইয়া আল-আনসারী ও মালিক এটি নাফে’ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম বায়হাকী বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইসহাক ইব্রাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাতিম আয-যাহিদ আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে জু’শুম আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান সাওরী থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবনে উমর মদীনা থেকে এক বা দুই মাইল দূরত্বে তায়াম্মুম করলেন এবং আসরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি মদীনায় আসলেন এমতাবস্থায় যে সূর্য তখনো উপরে ছিল, আর তিনি সালাত পুনরায় আদায় করেননি।

এটিই স্বয়ং ইবনে উমর থেকে বর্ণিত বিশুদ্ধ বর্ণনা।

ইমাম বায়হাকী বলেন: এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মারফু সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে, তবে তা সংরক্ষিত (সহীহ) নয়: আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয—'আল-ফাওয়াইদ আল-কাবীর' গ্রন্থে—এবং আবু বকর আহমদ ইবনুল হাসান আল-কাজী, এবং আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী—শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে—এবং আবু সাঈদ ইবনে আবি আমর—পঠনের মাধ্যমে—এবং আবু মুহাম্মদ উবায়দ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহদী—মৌখিক উচ্চারণের মাধ্যমে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা বলেছেন: আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে সিনান আল-কাযযায আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি রাযীন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে হাসসান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার ঘরবাড়িগুলো দৃষ্টিগোচর হওয়া অবস্থায় ‘মিরবাদুন নিআম’ নামক স্থানে তায়াম্মুম করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
وَرَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ، عَنِ ابْنِ صَاعِدٍ، وَالْمَحَامِلِيُّ وَغَيْرُهُمَا عَنِ الْقَزَّازِ.

وَقَالَ الْبَيْهَقِيُّ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْحَارِثِ الْفَقِيهُ، أَبْنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حِبَّانَ الأَصْفَهَانِيُّ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ، ثَنَا أَبُو عَامِرٍ، ثَنَا الْوَلِيدُ يَعْنِي: ابْنَ مُسْلِمٍ، قَالَ: قِيلَ لأَبِي عَمْرٍو يَعْنِي: الأَوْزَاعِيَّ: حَضَرْتُ الصَّلاةَ وَالْمَاءُ جَائِرٌ عَنِ الطَّرِيقِ، أَيَجِبُ عَلَيَّ أَنْ أَعْدِلَ إِلَيْهِ؟ قَالَ: حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ يَسَارٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَكُونَ فِي السَّفَرِ، فَتَحْضُرُهُ الصَّلاةَ، وَالْمَاءُ مِنْهُ عَلَى غَلْوَةٍ أَوْ غَلْوَتَيْنِ وَنَحْوَ ذَلِكَ، ثُمَّ لا يَعْدِلُ إِلَيْهِ.
এবং এটি ইমাম দারা কুতনী ইবনে সাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং মাহামিলী ও অন্যান্যরা কাযযায থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম বায়হাকী বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আল-হারিস আল-ফকীহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ বিন হিব্বান আল-আসফাহানী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আমির, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ওয়ালীদ—অর্থাৎ ইবনে মুসলিম—তিনি বলেন: আবু আমরকে—অর্থাৎ আওযাঈকে—জিজ্ঞাসা করা হলো: নামাযের সময় উপস্থিত হয়েছে এবং পানি রাস্তা থেকে বিচ্যুত বা দূরে অবস্থিত, আমার জন্য কি সেদিকে যাওয়া ওয়াজিব? তিনি বললেন: আমার কাছে মূসা বিন ইয়াসার বর্ণনা করেছেন নাফি’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে যে, তিনি সফরে থাকতেন, অতঃপর নামাযের সময় উপস্থিত হতো এবং পানি তাঁর থেকে এক বা দুই তীরের পাল্লা (গালওয়া) অথবা অনুরূপ দূরত্বে থাকতো, কিন্তু তিনি সেদিকে যেতেন না।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
(95) - حَدِيثٌ آخَرُ:

قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ: حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثَنَا مُسَدَّدٌ، ثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: اغْتَسَلَ بَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي جَفْنَةٍ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِيَتَوَضَّأَ مِنْهَا أَوْ لِيَغْتَسِلَ، فَقَالَتْ لَهُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي كُنْتُ جُنُبًا.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ‌‌ الْمَاءَ لا يَنْجُسُ ".

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّبَرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنْ الثَّوْرِيِّ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ
، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ امْرَأَةً مِنْ نِسَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم اسْتَحَمَّتْ مِنْ جَنَابَةٍ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَتَوَضَّأَ مِنْ فَضْلِهَا، فَقَالَتْ: إِنِّي اغْتَسَلْتُ مِنْهُ: فَقَالَ: إِنَّ الْمَاءَ لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ ".

وَقَالَ الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَأَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، قَالا: ثَنَا أَبُو أَحْمَدَ وَهُوَ الزُّبَيْرِيُّ، ثَنَا سُفْيَانُ، (ح) قَالَ: وَحَدَّثَنَا عُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَبْنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَبْنَا سُفْيَانُ، (ح) قَالَ: وَحَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ جُنَادَةَ، ثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ امْرَأَةً مِنْ أَزْوُاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم اغْتَسَلَتْ مِنْ جَنَابَةٍ، فَتَوَضَّأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَوِ - اغْتَسَلَ - مِنْ فَضْلِهَا.

هَذَا حَدِيثُ وَكِيعٍ، وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ: فَتَوَضَّأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْ فَضْلِهَا.

وَقَالَ أَبُو مُوسَى وَعُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ
(৯৫) - অন্য একটি হাদিস:

আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি বলেছেন: মুআয ইবনুল মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক স্ত্রী একটি বড় গামলায় গোসল করেছিলেন, এরপর নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখান থেকে অজু করতে বা গোসল করতে আসলেন, তখন তিনি তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমি অপবিত্র ছিলাম।

তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয়ই পানি অপবিত্র হয় না।"

আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আদ-দাবারি বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাজ্জাক থেকে, সাওরি থেকে, সিমাক ইবনে হারব থেকে
, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক স্ত্রী জানাবাত থেকে গোসল করেছিলেন, এরপর নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন এবং তাঁর অবশিষ্ট পানি দিয়ে অজু করলেন, তখন তিনি বললেন: আমি তো তা থেকে গোসল করেছি। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই কোনো কিছু পানিকে অপবিত্র করে না।"

এবং ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমাহ বলেছেন: আমাদের নিকট আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না এবং আহমদ ইবনে মানি' বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আবু আহমদ (যিনি আল-জুবাইরি) বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, (হা) তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট উতবাহ ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, (হা) তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট সালম ইবনে জুনাহদাহ বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান থেকে, তিনি সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক স্ত্রী জানাবাত থেকে গোসল করেছিলেন, এরপর নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর অবশিষ্ট পানি দিয়ে অজু করলেন অথবা - গোসল করলেন।

এটি ওয়াকি'-এর বর্ণিত হাদিস, এবং আহমদ ইবনে মানি' বলেছেন: নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর অবশিষ্ট পানি দিয়ে অজু করেছিলেন।

এবং আবু মুসা ও উতবাহ ইবনে আব্দুল্লাহ বলেছেন: এরপর নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অজু করতে আসলেন।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
مِنْ فَضْلِهَا، فَقَالَتْ لَهُ، فَقَالَ: إِنَّ الْمَاءَ لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ ".

وَقَالَ أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ: حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، ثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمَاءُ لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ» .

رَوَاهُ الإِمَامُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْوَلِيدِ، وَعَنْ وَكِيعٍ، وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ، وَفِيهِ: «الْمَاءُ لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ» .

وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ مُسَدَّدٍ، وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ وَقَالَ: حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ، وَرَوَاهُ النِّسَائِيُّ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ نَصْرٍ، عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ، وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ وَكِيعٍ، نَحْوَهُ.

وَرَوَاهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ فِي «صَحِيحِهِ» كَمَا تَقَدَّمَ؛ وَرَوَاهُ أَبُو حَاتِمٍ الْبُسْتِيُّ، عَنْ الْحَسَنِ بْنِ سُفْيَانَ، عَنْ حِبَّانَ، عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ، وَعَنْ أَبِي يَعْلَى الْمَوْصِلِيِّ، وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْجُنَيْدِ، عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ.
...তার অবশিষ্ট পানি থেকে, অতঃপর তিনি তাঁকে বললেন, তখন তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করে না"।

এবং আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি বলেছেন: আমাদের নিকট আবু মা'মার হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আল-আহওয়াস হাদিস বর্ণনা করেছেন, সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করে না"।

ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল এটি আবদুর রাজ্জাক থেকে, আবদুল্লাহ বিন আল-ওয়ালিদ থেকে, ওয়াকি' থেকে এবং আলী বিন ইসহাক থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে, তাঁরা সকলেই সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তাতে রয়েছে: "পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করে না"।

এবং আবু দাউদ এটি মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিরমিযী এটি কুতাইবা থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহীহ। আর নাসায়ী এটি সুয়াইদ বিন নাসর থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর বিন আবু শায়বা থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে এবং আলী বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি ওয়াকি' থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে খুযাইমাহ এটি তাঁর "সহীহ" গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন যেমনটি পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে; আর আবু হাতিম আল-বুস্তি এটি হাসান বিন সুফিয়ান থেকে, তিনি হিব্বান থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে এবং আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি থেকে এবং মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-জুনাইদ থেকে, তিনি কুতাইবা থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
وَقَالَ الإِمَامُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ فِي «الْمُسْنَدِ» : حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، أَبْنَا شَرِيكٌ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ بِفَضْلِ غُسْلِهَا مِنَ الْجَنَابَةِ.

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، ثَنَا شَرِيكٍ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: أَجْنَبْتُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاغْتَسَلْتُ مِنْ جَفْنَةٍ، فَفَضَلَتْ فَضْلَةٌ، فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيَغْتَسِلَ مِنْهَا، فَقُلْتُ: إِنِّي قَدِ اغْتَسَلْتُ مِنْهَا.

قَالَ: إِنَّ الْمَاءَ لَيْسَ عَلَيْهِ جَنَابَةٌ " أَوْ: «لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ» .

فَاغْتَسَلَ مِنْهُ.

وَقَالَ ابْنُ مَاجَهْ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالُوا: ثَنَا أَبُو دَاوُدَ، ثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ بِفَضْلِ غُسْلِهَا مِنَ الْجَنَابَةِ.

وَقَالَ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ: سَأَلْتُ أَبَا زُرْعَةَ، عَنْ حَدِيثٍ رَوَاهُ سُفْيَانُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ بَعْضَ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم اغْتَسَلَتْ مِنْ جَنَابَةٍ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ لَهُ: فَتَوَضَأَ بِفَضْلِهَا، وَقَالَ: «الْمَاءُ لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ» .

وَرَوَاهُ شَرِيكٌ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ.

فَقَالَ: الصَّحِيحُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، بِلا مَيْمُونَةَ.
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল 'আল-মুসনাদ'-এ বলেছেন: সুলাইমান বিন দাউদ আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি মাইমুনাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর জানাবাতের গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওজু করেছিলেন।

হাশিম বিন আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী মাইমুনাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জানাবাত অবস্থায় (অপবিত্র) ছিলাম। অতঃপর আমি একটি বড় পাত্র থেকে গোসল করলাম এবং কিছু পানি অবশিষ্ট রইল। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা থেকে গোসল করার জন্য আসলেন, তখন আমি বললাম: আমি তো তা থেকে গোসল করেছি।

তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই পানিতে কোনো অপবিত্রতা লেগে থাকে না" অথবা "কোনো কিছুই পানিকে নাপাক করে না"।

অতঃপর তিনি তা থেকে গোসল করলেন।

ইবনে মাজাহ বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না, মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া এবং ইসহাক বিন মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী মাইমুনাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর জানাবাতের গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওজু করেছিলেন।

ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমি আবু যুরআহকে একটি হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যা সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কোনো এক স্ত্রী জানাবাত থেকে গোসল করেছিলেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন এবং তিনি (স্ত্রী) তাঁকে বিষয়টি জানালেন; অতঃপর তিনি তার অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওজু করলেন এবং বললেন: "কোনো কিছুই পানিকে নাপাক করে না।"

শারিক এটি সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এবং তিনি মাইমুনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

তিনি (আবু যুরআহ) বললেন: সঠিক হলো ইবনে আব্বাস থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি, মাইমুনাহর উল্লেখ ব্যতীত।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
(96) - حَدِيثٌ آخَرُ:

قَالَ الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الْخُسْرَوْجِرْدِيُّ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، وَأَبُو سَعِيدِ بْنُ أَبِي عَمْرٍو، وَأَبُو صَادِقٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْفَوَارِسِ الْعَطَّارُ، قَالُوا: ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ الْعَامِرِيُّ، ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ يَعْنِي: ابْنَ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْمَاءِ وَمَا يَنُوبُهُ مِنَ السِّبَاعِ وَالدَّوَابِّ، فَقَالَ: ‌‌«إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلِ الْخَبَثَ» .

وَهَكَذَا رَوَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، وَجَمَاعَةٌ عَنْ أَبِي
أُسَامَةَ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الإِسْفِرَائِنِيُّ، أَبْنَا أَبُو بَحْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ كَوْثَرٍ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الْحُمَيْدِيُّ، ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ حَمَّادُ بْنُ أُسَامَةَ، ثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ الْمَخْزُومِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلْ خَبَثًا» .

وَكَذَلِكَ رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ كَرَامَةَ، وَجَمَاعَةٌ عَنْ أَبِي أُسَامَةَ.

فَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْحَارِثِ الْفَقِيهُ، قَالَ: قَالَ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ
(৯৬) - অন্য একটি হাদিস:

হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-খুসরাওজিরদি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফেজ, আবু সাঈদ বিন আবু আমর এবং আবু সাদিক মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবিল ফাওয়ারিস আল-আত্তার, তারা বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আলী বিন আফফান আল-আমিরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, আল-ওয়ালিদ বিন কাসীর থেকে, মুহাম্মদ বিন জাফর অর্থাৎ ইবনুল জুবায়ের থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পানি এবং তাতে হিংস্র পশু ও চতুষ্পদ জন্তুর যাতায়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: «যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না।»

আর এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম আল-হানজালি এবং একদল বর্ণনাকারী আবু
উসামা থেকে।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-ইসফিরায়িনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বাহর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন কাওসার, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উসামা হাম্মাদ বিন উসামা, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ বিন কাসীর, মুহাম্মদ বিন আব্বাদ বিন জাফর আল-মাখজুমি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না।»

আর অনুরূপভাবে এটি মুহাম্মদ বিন উসমান বিন কারামাহ এবং একদল বর্ণনাকারী আবু উসামা থেকে বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আল-হারিস আল-ফকিহ, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী বিন উমর বলেছেন
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ فِي هَاتَيْنِ الرِّوَايَتَيْنِ: فَلَمَّا اخْتُلِفَ عَلَى أَبِي أُسَامَةَ فِي إِسْنَادِهِ، أَحْبَبْنَا أَنْ نَعْلَمَ مَنْ أَتَى بِالصَّوَابِ، فَنَظَرْنَا فِي ذَلِكَ، فَإِذَا شُعَيْبُ بْنُ أَيُّوبَ قَدْ رَوَاهُ عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ عَلَى الْوَجْهَيْنِ جَمِيعًا، فَصَحَّ الْقَوْلانِ عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، وَصَحَّ أَنَّ الْوَلِيدَ بْنَ كَثِيرٍ رَوَاهُ عَنْهُمَا جَمِيعًا، فَكَانَ أَبُو أُسَامَةَ مَرَّةً يُحَدِّثُ بِهِ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَمَرَّةً يُحَدِّثُ بِهِ عَنِ الْوَلِيدِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.

أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيُّ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ الْحَارِثِ الْفَقِيهُ، قَالا: أَبْنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدَانَ الصَّيْدَلانِيُّ بِوَاسِطٍ، ثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَيُّوبَ، ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنِ الْمَاءِ وَمَا يَنُوبُهُ مِنَ السِّبَاعِ وَالدَّوَابِّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلِ الْخَبَثَ» .

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَبُو بَكْرٍ، قَالا: أَبْنَا عَلِيٌّ، ثَنَا ابْنُ سَعْدَانَ، ثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَيُّوبَ، ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، حَدَّثَنِي أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الإِسْفِرَائِنِيُّ، مِنْ أَصْلِ كِتَابِهِ - وَأَنَا سَأَلْتُهُ - ثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُبَشِّرٍ الْوَاسِطِيُّ، ثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَيُّوبَ، ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، ثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْمَاءِ. . . فَذَكَرَهُ بِمِثْلِهِ.

وَقَدْ رُوِيَ فِي إِحْدَى الرِّوَايَتَيْنِ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، كَمَا
হাফেজ দারাকুতনী এই দুটি বর্ণনার বিষয়ে বলেন: যখন আবু উসামার সনদের বিষয়ে মতপার্থক্য দেখা দিল, তখন আমরা জানতে চাইলাম কে সঠিকটি বর্ণনা করেছেন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখলাম এবং দেখা গেল যে শুআইব বিন আইয়ুব এটি আবু উসামা থেকে, তিনি ওয়ালিদ বিন কাসীর থেকে—উভয় পদ্ধতিতেই বর্ণনা করেছেন। ফলে আবু উসামা থেকে উভয় বক্তব্যই সহীহ সাব্যস্ত হলো, এবং এটিও প্রমাণিত হলো যে ওয়ালিদ বিন কাসীর এটি তাঁদের উভয়ের থেকেই বর্ণনা করেছেন। আবু উসামা কখনো এটি ওয়ালিদ বিন কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন যুবায়ের থেকে বর্ণনা করতেন; আবার কখনো ওয়ালিদ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আব্বাদ বিন জাফর থেকে বর্ণনা করতেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী এবং আবু বকর ইবনুল হারিস আল-ফকীহ। তাঁরা বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন হাফেজ আলী বিন উমর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন সাদান আস-সাইদালানী ওয়াসিত শহরে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শুআইব বিন আইয়ুব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, ওয়ালিদ বিন কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন যুবায়ের থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে পানি এবং তাতে হিংস্র প্রাণী ও চতুষ্পদ জন্তুর আনাগোনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "যখন পানির পরিমাণ দুই কুল্লা হয়, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না।"

এবং আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান এবং আবু বকর। তাঁরা বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আলী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে সাদান। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শুআইব বিন আইয়ুব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, ওয়ালিদ বিন কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আব্বাদ বিন জাফর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এবং আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফেজ। তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আলী মুহাম্মাদ বিন আলী আল-ইসফিরায়িনী তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে—আর আমিই তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন মুবাশির আল-ওয়াসিতী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শুআইব বিন আইয়ুব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উসামা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ বিন কাসীর, মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন যুবায়ের এবং মুহাম্মাদ বিন আব্বাদ বিন জাফর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে পানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো... এরপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেন।

এবং উসমান বিন আবু শাইবা থেকে প্রাপ্ত আবু উসামার সূত্রে বর্ণিত দুই বর্ণনার একটিতে একইভাবে বর্ণিত হয়েছে যে...
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
رَوَاهُ الْعَامِرِيُّ، وَفِي الأُخْرَى كَمَا رَوَاهُ الْحُمَيْدِيُّ.

وَفِي إِحْدَى الرِّوَايَتَيْنِ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحَارِثِيِّ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، كَمَا رَوَاهُ الْعَامِرِيُّ، وَفِي الأُخْرَى كَمَا رَوَاهُ الْحُمَيْدِيُّ.

وَفِي كُلِّ ذَلِكَ دِلالَةٌ عَلَى صِحَّةِ الرِّوَايَتَيْنِ جَمِيعًا.

أَمَّا الرِّوَايَةُ الأُولَى عَنْ عُثْمَانَ: فَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ قُتَيْبَةَ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ وَعُثْمَانُ ابْنَا أَبِي شَيْبَةَ، قَالا: ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، ثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ. . . فَذَكَرَهُ.

وَأَمَّا الرِّوَايَةُ الأُخْرَى عَنْهُ: فَأَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الرُّوذَبَارِيُّ، أَبْنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ دَاسَةَ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ، ثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ.

وَأَمَّا الرِّوَايَةُ الأُولَى عَنْ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ: فَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، وَأَبُو سَعِيدٍ بْنُ أَبِي عَمْرٍو، قَالا: ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحَارِثِيُّ، ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ الْوَلِيدِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ. . . فَذَكَرَهُ.

وَأَمَّا الرِّوَايَةُ الأُخْرَى: فَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْحَارِثِ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحَارِثِيُّ، ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، ثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ،. . . فَذَكَرَهُ.

وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: أَخْبَرَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَاضِي، ثَنَا حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ، ثَنَا
আল-আমিরী এটি বর্ণনা করেছেন এবং অন্যটিতে আল-হুমায়দী যেভাবে বর্ণনা করেছেন তেমনটি রয়েছে।

আর আহমাদ বিন আব্দুল হামীদ আল-হারিসী থেকে বর্ণিত দুটি বর্ণনার একটিতে আবু উসামা থেকে বর্ণিত যা আল-আমিরী বর্ণনা করেছেন তার অনুরূপ, এবং অন্যটিতে আল-হুমায়দী যা বর্ণনা করেছেন তার অনুরূপ।

আর এই সবকিছুর মধ্যে উভয় বর্ণনাই সঠিক হওয়ার প্রমাণ রয়েছে।

উসমান থেকে বর্ণিত প্রথম বর্ণনাটি হলো: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন কুতাইবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ও উসমান—আবু শায়বাহর দুই পুত্র, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ বিন কাসীর, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আয-যুবাইর থেকে... অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।

আর তাঁর থেকে বর্ণিত অন্য বর্ণনাটি হলো: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আর-রূদবারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন দাসাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আবী শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, আল-ওয়ালীদ বিন কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন আব্বাদ বিন জাফর থেকে।

আর আহমাদ বিন আব্দুল হামীদ থেকে বর্ণিত প্রথম বর্ণনাটি হলো: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয এবং আবু সাঈদ বিন আবী আমর, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুল হামীদ আল-হারিসী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, আল-ওয়ালীদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আয-যুবাইর থেকে... অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।

আর অন্য বর্ণনাটি হলো: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আল-হারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন উমর আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুল হামীদ আল-হারিসী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ বিন কাসীর, মুহাম্মদ বিন আব্বাদ বিন জাফর থেকে... অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করেছেন।

আর মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইয়াসার এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন আয-যুবাইর থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে: আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আল-হাসান আল-কাজী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজিব বিন আহমাদ আত-তূসী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ مُنِيبٍ، ثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ خَلِيٍّ الْحِمْصِيُّ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدِ الْوَهْبِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَسُئِلَ عَنِ الْمَاءِ يَكُونُ بِأَرْضِ الْفَلاةِ، وَمَا يَنُوبُهُ مِنَ الْدَوَابِّ وَالسِّبَاعِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قَدْرَ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلِ الْخَبَثَ» .

لَفْظُ حَدِيثِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظِ.

وَكَذَلِكَ رَوَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ الزُّهْرِيُّ، وَزَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ، وَجَمَاعَةٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَجَاءٍ الأَدِيبُ مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ بَالُوَيْهِ - إِمْلاءً -، ثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الصَّقْرِ، ثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَائِشَةَ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنِ الْمَاءِ يَكُونُ بِالْفَلاةِ وَتَرِدُهُ السِّبَاعُ وَالْكِلابُ، قَالَ: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لا يَحْمِلُ الْخَبَثَ» .

كَذَا قَالَ: (الْكِلابُ وَالسِّبَاعُ) ، وَهُوَ غَرِيبٌ، وَكَذَلِكَ قَالَهُ مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ.
আবদুর রহীম ইবন মুনীব, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন জারীর, তিনি মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক থেকে।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবন ইয়াকুব, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন খালিদ ইবন খালিয়্যুল হিমসী, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন খালিদ আল-ওয়াহবী, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক, তিনি মুহাম্মাদ ইবন জাফর ইবন যুবাইর থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শুনেছি যখন তাঁকে মরুভূমির পানি এবং তাতে বিচরণকারী চতুষ্পদ জন্তু ও হিংস্র প্রাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “যখন পানির পরিমাণ দুই কুল্লা (বিশাল মটকা) সমপরিমাণ হয়, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না।”

এটি আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিযের হাদীসের শব্দ।

এবং একইভাবে এটি বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন সা’দ আয-যুহরী, যায়িদা ইবন কুদামা এবং একদল বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক থেকে।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন রাজা আল-আদীব তাঁর শ্রবণের মূল পাণ্ডুলিপি থেকে, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন বালুওয়াইহি—শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে—, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ইবনুস সাকর, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আয়িশা, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ, তিনি মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন জাফর থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মরুভূমির পানি এবং তাতে আসা হিংস্র প্রাণী ও কুকুর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: “যখন পানির পরিমাণ দুই কুল্লা হয়, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না।”

তিনি এভাবেই বলেছেন: (কুকুর ও হিংস্র প্রাণী), আর এটি গরীব (একক সূত্রীয়), এবং একইভাবে মূসা ইবন ইসমাঈল হাম্মাদ ইবন সালামাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
وَقَالَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ،: (الْكِلابُ وَالدَّوَابُّ) ، إِلا أَنَّ ابْنَ عَيَّاشٍ اخْتُلِفَ عَلَيْهِ فِي إِسْنَادِهِ.

وَرَوَى هَذَا الْحَدِيثَ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ الْمُنْذِرِ بْنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَفِيهِ قُوَّةٌ لِرِوَايَةِ ابْنِ إِسْحَاقَ.

أَخْبَرَنَاهُ أَبُو عَلِىٍّ الرُّوذَبَارِيُّ، أَبْنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ دَاسَةَ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ، ثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثَنَا حَمَّادُ، أَبْنَا عَاصِمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ فَإِنَّهُ لا يَنْجُسُ» .

وَكَذَلِكَ رَوَاهُ بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، وَيَعْقُوبُ الْحَضْرَمْيُّ، وَالْعَلاءُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْمَكِّيُّ، وَعَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، وَأَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، عَنْ حَمَّادٍ.

وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الْفَقِيهُ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالا: ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، وَهُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالا: ثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ الْمُنْذِرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ: دَخَلْتُ مَعَ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بُسْتَانًا فِيهِ مَقْرَى مَاءٍ فِيهِ جِلْدُ بَعِيرٍ مَيِّتٍ، فَتَوَضَّأَ مِنْهُ، فَقُلْتُ: أَتَتَوَضَّأُ مِنْهُ وَفِيهِ جِلْدُ بَعِيرٍ مَيِّتٍ؟ ! فَحَدَّثَنِي عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا بَلَغَ الْمَاءُ قَدْرَ قُلَّتَيْنِ - أَوْ ثَلاثٍ - لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ» .

كَذَلِكَ قَالا: (أَوْ ثَلاثٍ) ، وَكَذَلِكَ قَالَهُ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَكَامِلُ بْنُ طَلْحَةَ، وَرِوَايَةُ الْجَمَاعَةِ الَّذِينَ لَمْ يَشُكُّوا أَوْلَى.
ইসমাইল বিন আইয়াশ মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন: (কুকুর এবং চতুষ্পদ জন্তু), তবে ইবনে আইয়াশের ওপর তার সনদের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।

আর এই হাদিসটি হাম্মাদ বিন সালামাহ আসিম বিন আল-মুনজির বিন আল-জুবায়ের বিন আল-আওয়াম থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং এতে ইবনে ইসহাকের বর্ণনার জন্য শক্তি রয়েছে।

আবু আলী আর-রূজাবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর বিন দাসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু দাউদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন ইসমাইল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আসিম বিন আল-মুনজির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "পানি যখন দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন তা অপবিত্র হয় না।"

অনুরূপভাবে বিশর বিন আল-সিররি, ইয়াকুব আল-হাদরামি, আল-আলা বিন আব্দুল জব্বার আল-মাক্কি, আফফান বিন মুসলিম এবং আবু দাউদ আত-তায়ালিসি হাম্মাদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-ওয়ালিদ আল-ফকিহ এবং আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: আল-হাসান বিন সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন আল-হাজ্জাজ এবং হুদবাহ বিন খালিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেছেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের কাছে আসিম বিন আল-মুনজির বিন আল-জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমরের সাথে একটি বাগানে প্রবেশ করলাম যেখানে পানির একটি চৌবাচ্চা ছিল যাতে একটি মৃত উটের চামড়া ছিল। তিনি সেখান থেকে অজু করলেন। তখন আমি বললাম: আপনি কি সেখান থেকে অজু করছেন অথচ তাতে মৃত উটের চামড়া রয়েছে?! তখন তিনি তার পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "যখন পানি দুই - অথবা তিন - কুল্লা পরিমাণ পৌঁছে, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করে না।"

একইভাবে তারা উভয়ে বলেছেন: (অথবা তিন), এবং একইভাবে ইয়াজিদ বিন হারুন ও কামিল বিন তালহা এটি বলেছেন, তবে যে জামাত সন্দেহ করেননি তাদের বর্ণনাই অধিকতর অগ্রগণ্য।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَارِثِ الْفَقِيهُ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ جَابِرٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْمِصِّيصِيُّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ فَلا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ» .

قَالَ عَلِيٌّ: رَفَعَهُ هَذَا الشَّيْخُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ زَائِدَةَ، وَرَوَاهُ مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَائِدَةَ، مَوْقُوفًا، وَهُوَ الصَّوَابُ.

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، ثَنَا عَلِيٌّ، قَالَ: ثَنَا بِهِ الْقَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّائِغُ، ثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، ثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، مِثْلَهُ مَوْقُوفًا.

انْتَهَى مَا ذَكَرَهُ.

وَقَدْ اسْتَوْفَيْتُ الْكَلامَ عَلَى حَدِيثِ الْقُلَّتَيْنِ فِي مَكَانٍ آِخَرَ، وَذَكَرْتُ الاخْتِلافَ فِي إِسْنَادِهِ وَمَتْنِهِ، وَمَنْ صَحَّحَهُ مِنَ الأَئِمَّةِ مَرْفُوعًا، وَمَنْ صَحَّحَ وَقْفَهُ.

وَقَدْ رَوَاهُ أَصْحَابُ الْمَسَانِيدِ وَالسُّنَنِ، وَلَمْ يَرْوِهِ صَاحِبَا «الصَّحِيحَيْنِ» لأَجْلِ الاخْتِلافِ فِي إِسْنَادِهِ.

وَقَدْ تَكَلَّمَ عَلَيْهِ الإِمَامُ أَبُو عُمَرَ بْنُ عَبْدِ الْبَرِّ فِي كِتَابِ «التَّمْهِيدِ» كَلامًا حَسَنًا، فَقَالَ: وَهُوَ حَدِيثٌ يَرْوِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، وَالْوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ، جَمِيعًا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَبَعْضِ رِوَاةِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ يَقُولُ فِيهِ: عَنْهُ عَنْ مُحَمَّدِ
আহমেদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-হারিস আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবন উমর আল-হাফিজ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন ইসমাইল আল-ফারিসি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবন আল-হুসাইন ইবন জাবির আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবন কাসির আল-মিসসিসি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন জায়েদাহ থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করতে পারে না।"

আলী বলেন: এই শায়খ একে মুহাম্মদ ইবন কাসির থেকে, তিনি জায়েদাহ থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অথচ মুয়াবিয়া ইবন আমর এটি জায়েদাহ থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এটিই সঠিক।

আহমেদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন কাজী আল-হুসাইন ইবন ইসমাইল, জাফর ইবন মুহাম্মদ আস-সায়িগ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুয়াবিয়া ইবন আমর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, জায়েদাহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে অনুরূপ মাওকুফ হিসেবে।

তিনি যা উল্লেখ করেছেন তা এখানেই শেষ।

আর আমি দুই কুল্লার হাদিস সম্পর্কে অন্য স্থানে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। সেখানে আমি এর সনদ ও মতনের মধ্যকার মতপার্থক্য উল্লেখ করেছি এবং ইমামগণের মধ্যে কে একে মারফু হিসেবে বিশুদ্ধ বলেছেন আর কে একে মাওকুফ হিসেবে বিশুদ্ধ বলেছেন তাও উল্লেখ করেছি।

মাসানিদ ও সুনান গ্রন্থকারগণ এটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু 'সহিহাইন'-এর লেখকদ্বয় এর সনদের মতভেদের কারণে এটি বর্ণনা করেননি।

ইমাম আবু উমর ইবন আবদুল বার তার 'আত-তামহিদ' গ্রন্থে এ বিষয়ে চমৎকার আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন: এটি এমন একটি হাদিস যা মুহাম্মদ ইবন ইসহাক এবং ওয়ালিদ ইবন কাসির উভয়েই মুহাম্মদ ইবন জাফর ইবন আল-জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন। ওয়ালিদ ইবন কাসিরের কোনো কোনো বর্ণনাকারী এতে বলেছেন: তার থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে...
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، وَلَمْ يَخْتَلِفْ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، أَنَّهُ قَالَ فِيهِ: عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، يَرْفَعُهُ.

وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ يَقُولُ فِيهِ: عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، مَرْفُوعًا أَيْضًا.

فَالْوَلِيدُ يَجْعَلُهُ: عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ يَجْعَلُهُ: عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ.

وَرَوَاهُ عَاصِمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، فَاخْتُلِفَ فِيهِ عَلَيْهِ أَيْضًا: قَالَ فِيهِ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ: عَنْ عَاصِمِ بْنِ الْمُنْذِرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ.

وَقَالَ فِيهِ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ.

وَقَالَ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ فِيهِ،: (إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ) : وَبَعْضُهُمْ يَقُولُ: (إِذَا كَانَ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلِ الْخَبَثَ) ، وَهَذَا لَفْظٌ مُحْتَمِلٌ لِلتَّأْوِيلِ.

وَمِثْلُ هَذَا الاضْطِرَابِ فِي الإِسْنَادِ يُوجِبُ التَّوَقُّفَ عَنِ الْقَوْلِ بِهَذَا الْحَدِيثِ، إِلَى أَنَّ الْقُلَّتَيْنِ غَيْرُ مَعْرُوفَتَيْنِ، وَمُحَالٌ أَنْ يَتَعَبَّدَ اللَّهُ عِبَادَهُ، بِمَا لا يَعْرِفُونَهُ.

انْتَهَى كَلامُهُ.

وَقَدْ سُئِلَ الْحَافِظُ أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ، عَنْ حَدِيثٍ يُرْوَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، وَعُبَيْدِ اللَّهِ، ابْنَيْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلْ خَبَثًا» .
...ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফর থেকে। আর ওয়ালিদ ইবনে কাসীর থেকে বর্ণনায় কোনো মতভেদ হয়নি যে, তিনি এতে বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হাদিসটিকে মারফু হিসেবে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত) বর্ণনা করেছেন।

এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক এতে বলেন: মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে যুবায়ের থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, এটিও একইভাবে মারফু হিসেবে বর্ণিত।

সুতরাং ওয়ালিদ একে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, আর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক একে বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে।

আর আসিম ইবনুল মুনজির এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তাঁর ক্ষেত্রেও এতে মতভেদ হয়েছে: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ এতে বলেছেন: আসিম ইবনুল মুনজির থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।

আর হাম্মাদ ইবনে যায়েদ এতে বলেছেন: আসিম ইবনুল মুনজির থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে।

আর হাম্মাদ ইবনে সালামাহ এতে বলেছেন: (যখন পানি দুই বা তিন কুল্লা তথা মটকা পরিমাণ হয়, তখন কোনো কিছু একে অপবিত্র করে না): এবং তাদের কেউ কেউ বলেন: (যখন দুই কুল্লা হয়, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না), আর এই শব্দগুচ্ছটি ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে।

সনদ বা বর্ণনাসূত্রের এই প্রকার অস্থিরতা (ইজতিরাব) এই হাদিস অনুযায়ী মত প্রদান থেকে বিরত থাকা আবশ্যক করে, তদুপরি 'কুল্লাতাইন' (দুই কলস) এর পরিমাণও সুপরিজ্ঞাত নয়; আর আল্লাহ তাঁর বান্দাদের এমন কোনো বিষয়ের মাধ্যমে ইবাদত করতে বাধ্য করা অসম্ভব যা তারা জানে না।

তাঁর বক্তব্য সমাপ্ত হলো।

হাফেজ আবুল হাসান আদ-দারা কুতনীকে সেই হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যা আবদুল্লাহ ও উবায়দুল্লাহ—আবদুল্লাহ ইবনে উমরের দুই পুত্র—থেকে বর্ণিত হয়েছে, তাঁরা ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: "যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না।"
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
فَقَالَ فِي رِوَايَةِ عُبَيْدِ اللَّهِ: رَوَاهُ عَبَّادُ بْنُ صُهَيْبٍ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، فَقَالَ: عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ.

وَكَذَلِكَ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، حَدَّثَ بِهِ عَنْهُ جَمَاعَةٌ، مِنْهُمْ: حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، وَعَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ الضَّرِيرُ، وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَجَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْحَرَّانِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ الْوَهْبِيُّ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ زَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ، وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، وَسَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ.

وَرَوَاهُ الْمُغِيرَةُ بْنُ سِقْلابٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، وَوَهِمَ فِيهِ.

وَرَوَاهُ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ ابْنِ إِسْحَاقَ، وَاخْتُلِفَ عَنْهُ: فَرَوَاهُ عَلِيُّ بْنُ سَلَمَةَ اللَّبَقِيُّ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَعِيشَ، عَنْ عَبْدِ الْوَهَّابِ، عَنْ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ.

وَخَالَفَهُمْ يَحْيَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ، فَرَوَاهُ عَنْ عَبْدِ الْوَهَّابِ، عَنْ ابْنِ إِسْحَاقَ، أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَلَمْ يَذْكُرْ إِسْنِادَهُ.
উবায়দুল্লাহর বর্ণনায় তিনি বলেছেন: এটি বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন সুহাইব, ওয়ালিদ বিন কাসীর থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন জাফর বিন যুবায়ের থেকে, অতঃপর তিনি বললেন: উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।

অনুরূপভাবে মুহাম্মদ বিন ইসহাক বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন যুবায়ের থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে। একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ, ইব্রাহীম বিন সা'দ, ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহ, আবদাহ বিন সুলাইমান, আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর, ইয়াযীদ বিন হারুন, জারীর বিন আব্দুল হামীদ, ইসমাঈল বিন আইয়াশ, মুহাম্মদ বিন সালামাহ আল-হাররানী এবং আহমাদ বিন খালিদ আল-ওয়াহবী। অনুরূপভাবে এটি বর্ণনা করেছেন যায়িদাহ বিন কুদামাহ, সুফিয়ান আস-সাওরী এবং সাঈদ বিন যায়িদ, তাঁরা মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে।

আর মুগীরা বিন সিকলাব এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে; আর তিনি এতে ভুল করেছেন।

এবং এটি আব্দুল ওয়াহহাব বিন আতা বর্ণনা করেছেন ইবনে ইসহাক থেকে, আর তাঁর বর্ণনার ক্ষেত্রে মতপার্থক্য ঘটেছে: আলী বিন সালামাহ আল-লাবাকী এবং ইব্রাহীম বিন আহমাদ বিন ইয়ায়ীশ এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব থেকে, তিনি ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।

ইয়াহইয়া বিন আবু তালিব তাঁদের বিরোধিতা করেছেন, তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব থেকে, তিনি ইবনে ইসহাক থেকে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাঁর কাছে পৌঁছেছে; আর তিনি এর সনদ উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
وَقِيلَ: عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَلا يَصِحُّ.

وَالْمَحْفُوظُ: عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ.

وَقَالَ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ: سَأَلْتُ أَبَا زُرْعَةَ عَنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، فَقُلْتُ: إِنَّهُ يَقُولُ: عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

وَرَوَاهُ الْوَلِيدُ بْنُ كَثِيرٍ، فَقَالَ: عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ» .

فَقَالَ أَبُو زُرْعَةَ: ابْنُ إِسْحَاقَ، لَيْسَ يُمْكِنُ أَنْ يُقْضَى لَهُ.

قُلْتُ لَهُ: مَا حَالُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ؟ فَقَالَ: صَدُوقٌ.

فَقُلْتُ لأَبِي: إِنَّ حَجَّاجَ بْنَ حَمْزَةَ، حَدَّثَنَا عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، فَقَالَ: عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

فَقَالَ أَبِي: مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ: ثِقَةٌ، وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ: ثِقَةٌ، وَالْحَدِيثُ لِمُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَشْبَهُ.

وَاللَّهُ الْمُوَفِّقُ لِلصَّوَابِ.
এবং বলা হয়েছে: ইসমাইল ইবনে আইয়াশ থেকে, তিনি ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে; কিন্তু এটি সঠিক নয়।

আর সংরক্ষিত বর্ণনা হলো: ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে যুবায়ের থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।

ইবনে আবু হাতিম বলেন: আমি আবু যুরআহকে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক কর্তৃক বর্ণিত মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে যুবায়েরের হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম: তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে।

আর ওয়ালিদ ইবনে কাসীর এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে যুবায়ের থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করে না।"

তখন আবু যুরআহ বললেন: ইবনে ইসহাকের পক্ষে কোনো চূড়ান্ত ফয়সালা দেওয়া সম্ভব নয়।

আমি তাকে বললাম: মুহাম্মদ ইবনে জাফরের অবস্থা কী? তিনি বললেন: তিনি সত্যবাদী (সদুক)।

অতঃপর আমি আমার পিতাকে বললাম: হাজ্জাজ ইবনে হামযাহ আমাদের কাছে আবু উসামাহ থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে কাসীর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে।

তখন আমার পিতা বললেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে জাফর নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), আর মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে যুবায়েরও নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। তবে হাদিসটি মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে যুবায়েরের বর্ণনা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

আর আল্লাহই সঠিক পথে পরিচালনার তৌফিকদাতা।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
(97) - حَدِيثٌ آخَرُ:

قَالَ ابْنُ مَاجَهْ: حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدِ، وَالْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ الدِّمَشْقِيَّانِ، قَالا: ثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا رِشْدِينُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْمَاءُ لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ إِلا مَا غَلَبَ عَلَى رِيحِهِ وَطَعْمِهِ وَلَوْنِهِ» .

قَالَ الْحَافِظُ عَبْدُ الْغَنِيِّ الْمَقْدِسِيُّ: وَرَوَاهُ
أَبُو مُعَاوِيَةَ مُحَمَّدُ بْنُ خَازِمٍ، وَعِيسَى بْنُ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، وَأَبُو إِسْمَاعِيلَ الْمُؤَدِّبُ، عَنْ الأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلا.

وَرَوَاهُ أَبُو شُرَحْبِيلَ عِيسَى بْنُ خَالِدٍ - ابْنُ أَخِي أَبِي الْيَمَانِ - عَنْ مَرْوَانَ بْنِ مُعَاوِيَةَ، عَنْ رِشْدَيْنٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَاشِدِ بْن سَعْدٍ، عَنْ ثَوْبَانَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: لَمْ يَرْفَعْهُ غَيْرُ رِشْدِينَ بْنِ سَعْدٍ، وَلَيْسَ بِالْقَوِيِّ.

كَذَا رَأَيْتُهُ بِخَطِّ الْحَافِظِ: عَنْ مَرْوَانَ بْنِ مُعَاوِيَةَ عَنْ رِشْدِينَ، وَإِنَّمَا هُوَ ابْنُ مُحَمَّدٍ.
(৯৭) - অন্য একটি হাদিস:

ইবনে মাজাহ বলেন: আমাদের নিকট মাহমুদ ইবনে খালিদ ও আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ আদ-দিমাশকি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট মারওয়ান ইবনে মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট রিশদিন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‌‌«পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করে না, তবে যা তার ঘ্রাণ, স্বাদ ও রঙের ওপর প্রবল হয়ে যায় তা ব্যতীত।»।

হাফেজ আবদুল গনি আল-মাকদিসি বলেন: এটি আরও বর্ণনা করেছেন
আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মাদ ইবনে খাযিম, ঈসা ইবনে ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক এবং আবু ইসমাইল আল-মুয়াদ্দিব; তাঁরা আল-আহওয়াস ইবনে হাকিম থেকে, তিনি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে মুরসাল হিসেবে।

আর এটি আবু শুরাহবিল ঈসা ইবনে খালিদ - আবু ইয়ামানের ভ্রাতুষ্পুত্র - মারওয়ান ইবনে মুয়াবিয়া থেকে, তিনি রিশদিন থেকে, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ থেকে, তিনি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি সাওবান থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।

আদ-দারাকুতনি বলেন: রিশদিন ইবনে সাদ ব্যতীত অন্য কেউ একে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেননি, আর তিনি শক্তিশালী নন।

হাফেজের হস্তাক্ষরে আমি এভাবেই দেখেছি: মারওয়ান ইবনে মুয়াবিয়া থেকে, রিশদিন থেকে; অথচ তিনি মূলত (মারওয়ান) ইবনে মুহাম্মাদ।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
وَقَالَ الطَّحَاوِيُّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَجَّاجِ،: ثَنَا عَلِيُّ بْنُ مَعْبَدٍ، ثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ الأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمَاءُ لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ إِلا مَا غَلَبَ عَلَى لَوْنِهِ أَوْ طَعْمِهِ» .

قَالَ الطَّحَاوِيُّ: هَذَا مُنْقَطِعٌ، وَأَنْتُمْ لا تُثْبِتُونَ الْمُنْقَطِعَ، وَلا تَحْتَجُّونَ بِهِ.

وَقَالَ أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ فِِِي «الْكَامِلِ» : حَدَّثَنَا ابْنُ جَوْصَا، ثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمَاءُ لا يَنْجُسُ إِلا مَا غَيَّرَ رِيحَهُ أَوْ طَعْمَهُ» .

قَالَ ابْنُ عَدِيٍّ: وَهَذَا الْحَدِيثُ لَيْسَ يُوصِلُهُ عَنْ ثَوْرٍ، إِلا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الأُبَلِّيُّ، وَأَحَادِيثُهُ كُلُّهَا إِمَّا مُنْكَرُ الْمَتْنِ، أَوْ مُنْكَرُ الإِسْنَادِ، وَهُوَ إِلَى الضَّعْفِ أَقْرَبُ، وَرَوَاهُ رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ مَوْصُولا أَيْضًا، وَرَوَاهُ الأَحْوَصُ بْنُ حَكِيمٍ مَعَ ضَعْفِهِ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلا، وَلا يَذْكُرُ أَبَا أُمَامَةَ.

وَقَالَ الْبَيْهَقِيُّ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَقِيهُ، أَبْنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَطَّانُ، ثَنَا أَبُو الأَزْهَرِ، ثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، ثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ
ইমাম তহাবী বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাজ্জাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মাবাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইউনুস, আহওয়াস ইবনে হাকিম থেকে, তিনি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করে না, তবে যা এর রঙ অথবা স্বাদের ওপর প্রবল হয় (তা ছাড়া)।"

তহাবী বলেন: এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন সূত্রবিশিষ্ট), আর আপনারা তো মুনকাতিকে সাব্যস্ত করেন না এবং তা দিয়ে দলিলও পেশ করেন না।

আবু আহমাদ ইবনে আদি 'আল-কামিল' গ্রন্থে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জাওসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমাইয়্যাহ মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে উমর, সাওব ইবনে ইয়াযিদ থেকে, তিনি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "পানি অপবিত্র হয় না, তবে যা এর ঘ্রাণ অথবা স্বাদকে পরিবর্তন করে দেয় (তা ছাড়া)।"

ইবনে আদি বলেন: আর এই হাদিসটি সাওব থেকে হাফস ইবনে উমর আল-উবালী ব্যতীত আর কেউ মুত্তাসিল (সংযুক্ত) হিসেবে বর্ণনা করেননি; আর তার বর্ণিত সকল হাদিস হয় মতন (মূল পাঠ) হিসেবে মুনকার, অথবা সনদ (সূত্র) হিসেবে মুনকার। তিনি দুর্বলতারই অধিক নিকটবর্তী। আর রিশদিন ইবনে সাদ এটি মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ থেকে, তিনি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে মুত্তাসিল হিসেবেও বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে আহওয়াস ইবনে হাকিম তার দুর্বলতা সত্ত্বেও এটি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে আবু উমামাহর নাম উল্লেখ করেননি।

বায়হাকী বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফকিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আল-কাত্তান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আযহার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রিশদিন ইবনে সাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ, রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন...
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمَاءُ لا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ إِلا مَا غَلَبَ عَلَيْهِ طَعْمُهُ أَوْ رِيحُهُ» .

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أَبْنَا أَبُو الْوَلِيدِ الْفَقِيهُ، ثَنَا جَعْفَرٌ الْحَافِظُ، ثَنَا أَبُو الأَزْهَرِ. . . . فَذَكَرَهُ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ إِلا مَا غَلَبَهُ رِيحُهُ أَوْ طَعْمُهُ» .

كَذَا وَجَدْتُهُ، وَلَفْظُ: (الْقُلَّتَيْنِ) فِيهِ غَرِيبٌ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، أَبْنَا أَبُو الْوَلِيدِ، ثَنَا الشَّامَاتِيُّ، ثَنَا عَطِيَّةُ بْنُ بَقِيَّةَ بْنِ الْوَلِيدِ، ثَنَا أَبِي، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: إِنَّ الْمَاءَ طَاهِرٌ إِلا أَنْ يُغَيَّرَ رِيحُهُ أَوْ طَعْمُهُ أَوْ لَوْنُهُ بِنَجَاسَةٍ تَحْدُثُ فِيهِ ".

وَأَخْبَرَنَا أَبُو حَازِمٍ الْحَافِظُ، أَبْنَا أَبُو أَحْمَدَ الْحَافِظُ، أَبْنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عُمَيْرِ بْنِ يُوسُفَ الدِّمَشْقِيُّ بِدِمَشْقَ، ثَنَا أَبُو أُمَيَّةَ - يَعْنِي: مُحَمَّدَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ -، ثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، ثَنَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمَاءُ لا يَنْجُسُ إِلا مَا غُيِّرَ رِيحُهُ أَوْ طَعْمُهُ» .

وَرَوَاهُ عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ الأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلا.

وَرَوَاهُ أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي عَوْنٍ، وَرَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، قَوْلِهِمَا.

وَالْحَدِيثُ غَيْرُ قَوِيٍّ إِلا أَنَّا لا نَعْلَمُ فِي نَجَاسَةِ الْمَاءِ إِذَا تَغَيَّرَ بِالنَّجَاسَةِ خِلافًا، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "পানিকে কোনো কিছুই অপবিত্র করে না, তবে যার ওপর তার (নাপাকির) স্বাদ বা ঘ্রাণ প্রবল হয়ে যায় সেটি ব্যতীত।"

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়ালিদ আল-ফকিহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাফর আল-হাফিজ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আল-আজহার... অতঃপর তিনি তার সনদে অনুরূপ উল্লেখ করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন কোনো কিছুই তাকে অপবিত্র করে না, তবে যার ঘ্রাণ বা স্বাদ তার ওপর প্রবল হয় সেটি ব্যতীত।"

আমি একে এভাবেই পেয়েছি, আর এতে 'দুই কুল্লা' (আল-কুল্লাতাইন) শব্দটির ব্যবহার বিরল।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়ালিদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আশ-শামাতি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আতিয়্যাহ ইবনে বাকিয়্যাহ ইবনে আল-ওয়ালিদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, সাওর ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই পানি পবিত্র, যতক্ষণ না তাতে সৃষ্টি হওয়া কোনো অপবিত্রতার কারণে তার ঘ্রাণ, স্বাদ অথবা বর্ণ পরিবর্তিত হয়।"

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাজিম আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে উমাইর ইবনে ইউসুফ আদ-দিমাশকি দামেস্কে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উমাইয়্যাহ—অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে উমর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাওর ইবনে ইয়াজিদ, রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "পানি অপবিত্র হয় না, তবে যার ঘ্রাণ বা স্বাদ পরিবর্তিত হয় সেটি ব্যতীত।"

এবং ঈসা ইবনে ইউনুস এটি বর্ণনা করেছেন আহওয়াস ইবনে হাকিম থেকে, তিনি রাশিদ ইবনে সাদ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল হিসেবে।

এবং আবু উসামাহ এটি আহওয়াস থেকে, তিনি আবু আউন এবং রাশিদ ইবনে সাদ থেকে তাদের বক্তব্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আর হাদিসটি শক্তিশালী নয়, তবে অপবিত্রতার কারণে পানি পরিবর্তিত হয়ে গেলে তা অপবিত্র হওয়ার ব্যাপারে আমাদের জানা মতে কোনো মতভেদ নেই। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ يَعْقُوبَ، أَبْنَا الرَّبِيعُ، أَبْنَا الشَّافِعِيُّ، قَالَ: وَمَا قُلْتُ مِنْ أَنَّهُ إِذَا تَغَيَّرَ طَعْمُ الْمَاءِ وَرِيحُهُ وَلَوْنُهُ كَانَ نَجِسًا، يُرْوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ وَجْهٍ لا يُثْبِتُ أَهْلُ الْحَدِيثِ مِثْلَهُ، وَهُوَ قَوْلُ الْعَامَّةِ، لا أَعْلَمُ بَيْنَهُمْ فِيهِ خِلافًا.

وَقَالَ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ: سَأَلْتُ أَبِي، عَنْ حَدِيثٍ رَوَاهُ عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ الأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يَنْجُسُ الْمَاءُ إِلا مَا غَلَبَ عَلَيْهِ طَعْمُهُ وَلَوْنُهُ» .

فَقَالَ أَبِي: يُوصِلُهُ رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، يَقُولُ: عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَرِشْدِينُ لَيْسَ بِقَوِيٍّ، وَالصَّحِيحُ مُرْسَلٌ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্বাস ইবনে ইয়াকুব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, রাবি' আমাদের জানিয়েছেন, শাফেঈ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি যা বলেছি যে—যখন পানির স্বাদ, গন্ধ ও বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে যায় তখন তা নাপাক হয়ে যায়—তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এমন একটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যা হাদীস বিশারদগণ নির্ভরযোগ্য মনে করেন না; তবে এটি সর্বসাধারণের মত এবং তাদের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো মতভেদ আছে বলে আমার জানা নেই।

ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমি আমার পিতাকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যা ঈসা ইবনে ইউনুস, আহওয়াস ইবনে হাকিম থেকে এবং তিনি রাশিদ ইবনে সা'দ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "পানি নাপাক হয় না, কেবল সেই নাপাকি ছাড়া যা এর স্বাদ ও বর্ণের ওপর প্রবল হয়ে যায়।"

অতঃপর আমার পিতা বললেন: রিশদিন ইবনে সা'দ একে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) হিসেবে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: আবু উমামাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। তবে রিশদিন শক্তিশালী বর্ণনাকারী নন; বরং সঠিক হলো এটি মুরসাল (বিচ্ছিন্ন)। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
(98) - حَدِيثٌ آخَرُ:

قَالَ الإِمَامُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ: حَدَّثَنَا هَاشِمٌ، ثَنَا عِيسَى - يَعْنِي: ابْنَ الْمُسَيِّبِ -، حَدَّثَنِي أَبُو زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْتِي دَارَ قَوْمٍ مِنَ الأَنْصَارِ، وَدُونَهُمْ دَارٌ، فَشُقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِمْ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، تَأْتِي دَارَ فُلانٍ وَلا تَأْتِي دَارَنَا؟ قَالَ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لأَنَّ فِي دَارِكُمْ كَلْبًا» .

قَالُوا: فَإِنَّ فِي دَارِهِمْ سِنَّوْرًا.

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ‌‌ السِّنَّوْرَ سَبُعٌ ".

وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْقَاضِي، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ الأَصَمِّ، عَنْ
الْعَبَّاسِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ هَاشِمِ بْنِ الْقَاسِمِ.

وَرَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ، عَنْ الْمَحَامِلِيِّ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، وَقَالَ: عِيسَى بْنُ الْمُسَيِّبِ، صَالِحُ الْحَدِيثِ.

ثُمَّ قَالَ: حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ جُنَادَةَ، ثَنَا وَكِيعٌ، وَحَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، ثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ، جَمِيعًا عَنْ عِيسَى بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «السِّنَّوْرُ سَبُعٌ» .

وَقَالَ وَكِيعٌ: «الْهِرُّ سَبُعٌ» .

وَقَالَ الْعُقَيْلِيُّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا الْبَلْخِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ
(৯৮) - অন্য একটি হাদিস:

ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: হাশিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা — অর্থাৎ ইবনুল মুসাইয়্যিব — আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জুরআ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক গোত্রের ঘরে আসতেন, অথচ তাদের নিকটবর্তী অন্য একটি ঘরে আসতেন না। এটি তাদের নিকট কষ্টদায়ক মনে হলো, তাই তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি অমুকের ঘরে আসেন অথচ আমাদের ঘরে আসেন না? তিনি বললেন: তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "কারণ তোমাদের ঘরে কুকুর আছে।"

তারা বললেন: তাদের ঘরে তো বিড়াল আছে।

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: নিশ্চয়ই‌‌ বিড়াল একটি শিকারী জন্তু।"

এটি বায়হাকী বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ ইবনুল হাসান আল-কাজী থেকে, তিনি আবুল আব্বাস আল-আসাম থেকে, তিনি
আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু আন-নাদর হাশিম ইবনুল কাসিম থেকে।

এটি দারা কুতনী বর্ণনা করেছেন মাহামিলী থেকে, তিনি আহমাদ ইবনে মানসুর থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে এবং তিনি বলেছেন: ঈসা ইবনুল মুসাইয়্যিবের হাদিস গ্রহণযোগ্য (সালিহুল হাদিস)।

অতঃপর তিনি বলেন: হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালম ইবনে জুনাদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; এবং হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে রাবিআ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা সকলেই ঈসা ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু জুরআ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "বিড়াল একটি শিকারী জন্তু।"

ওয়াকি বলেন: "বিড়াল একটি শিকারী জন্তু।"

উকায়লী বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে জাকারিয়া আল-বালখী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবান এবং মুহাম্মদ ইবনে...
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
الصَّبَّاحِ، قَالا: ثَنَا وَكِيعُ، ثَنَا عِيسَى بْنُ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَذَكَرَ الْهِرَّ، فَقَالَ: «هِيَ سَبُعٌ» .

قَالَ الْعُقَيْلِيُّ فِي عِيسَى: لا يُتَابِعُهُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ إِلا مَنْ هُوَ مِثْلُهُ أَوْ دُونَهُ.

وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ الْحَاكِمُ وَصَحَّحَهُ، وَقَدْ خُولِفَ فِي تَصْحِيحِهِ.

وَقَالَ أَبُو حَاتِمِ بْنُ حِبَّانَ فِي عِيسَى: رَوَى عَنْهُ وَكِيعٌ، وَأَبُو نُعَيْمٍ، كَانَ مِمَّنْ يَقْلِبُ الأَخْبَارَ وَلا يَعْلَمُ، وَيُخْطِئُ فِي الآثَارِ وَلا يَفْهَمُ، حَتَّى خَرَجَ عَنْ حَدِّ الاحْتِجَاجِ بِهِ.

حَدَّثَنَا مَكْحُولٌ، ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَبَانٍ،: سَأَلْتُ يَحْيَى بْنَ مَعِينٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ الْمُسَيِّبِ، فَقَالَ: لَيْسَ بِشَيْءٍ.

وَقَدْ ضَعَّفَ عِيسَى: أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ.

وَقَالَ أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ: حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَوْدُودٍ، قَالَ: ثَنَا هَوْبَرُ بْنُ مُعَاذٍ الْكَلْبِيُّ، ثَنَا مِسْكِينٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ عِيسَى بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ
আস-সাব্বাহ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াকী’, তিনি ঈসা ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু যুরআ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিড়ালের কথা উল্লেখ করে বললেন: "সেটি একটি হিংস্র প্রাণী।"

আল-উকায়লী ঈসা সম্পর্কে বলেন: এই হাদীসের ক্ষেত্রে তাঁর অনুসরণ কেবল তাঁর মতো বা তাঁর চেয়ে নিম্নমানের বর্ণনাকারী ছাড়া আর কেউ করে না।

আর হাকেম এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং একে সহীহ বলেছেন, তবে তাঁর এই সহীহ বলার ক্ষেত্রে বিরোধিতা করা হয়েছে।

আবু হাতিম ইবনে হিব্বান ঈসা সম্পর্কে বলেন: তাঁর থেকে ওয়াকী’ ও আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন; তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা না জেনেই বর্ণনা উল্টে ফেলতেন এবং না বুঝেই আছারসমূহে ভুল করতেন, এমনকি তিনি দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য হওয়ার সীমা থেকে বেরিয়ে গেছেন।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মাকহুল, তিনি জা’ফর ইবনে আবান থেকে, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে ঈসা ইবনুল মুসাইয়িব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: "তিনি কিছুই নন।"

আবু দাউদ ও নাসাঈ ঈসাকে যয়ীফ বলেছেন।

আবু আহমাদ ইবনে আদী বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাওদুদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাওবার ইবনে মুয়ায আল-কালবী, তিনি মিসকীন আল-হাদ্দা থেকে, তিনি ঈসা ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু যুরআ থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَأْتِي أَهْلَ بَيْتٍ مِنَ الأَنْصَارِ فَيَدْخُلُ عَلَيْهِمْ، وَكَانَ دُونَهُمْ أَهْلُ بَيْتٍ لا يَدْخُلُ عَلَيْهِمْ، فَشَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِمْ، وَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ تَدْخُلُ عَلَى أَهْلِ بَيْتِ فُلانٍ، وَلا تَدْخُلُ عَلَيْنَا! قَالَ: إِنَّ فِي بَيْتِكُمْ كَلْبًا ".

قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ فِي الْبَيْتِ الَّذِي تَدْخُلُ عَلَيْهِمْ سِنَّوْرًا.

قَالَ: إِنَّ السِّنَّوْرَ سَبُعٌ ".

قَالَ ابْنُ عَدِيٍّ: وَهَذَا لا يَرْوِيهِ غَيْرُ عِيسَى بْنِ الْمُسَيِّبِ بِهَذَا الإِسْنَادِ، وَلِعِيسَى بْنِ الْمُسَيِّبِ غَيْرُ هَذَا الْحَدِيثِ، وَهُوَ صَالِحٌ فِيمَا يَرْوِيهِ.

وَقَالَ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ: سَمِعْتُ أَبَا زُرْعَةَ يَقُولُ فِي حَدِيثٍ رَوَاهُ وَكِيعٌ، عَنْ عِيسَى بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الْهِرُّ سَبُعٌ» .

فَقَالَ أَبُو زُرْعَةَ: لَمْ يَرْفَعْهُ أَبُو نُعَيْمٍ، وَهُوَ أَصَحُّ، وَعِيسَى لَيْسَ بِقَوِيٍّ.
আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের একটি পরিবারের নিকট আসতেন এবং তাদের ঘরে প্রবেশ করতেন। তাদের সন্নিকটে অন্য একটি পরিবার ছিল যাদের ঘরে তিনি প্রবেশ করতেন না। বিষয়টি তাদের নিকট বেদনাদায়ক মনে হলো, ফলে তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি অমুক পরিবারের ঘরে প্রবেশ করেন, অথচ আমাদের ঘরে প্রবেশ করেন না! তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তোমাদের ঘরে কুকুর আছে।"

তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যাদের ঘরে প্রবেশ করেন তাদের ঘরে তো বিড়াল রয়েছে।

তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই বিড়াল হলো শিকারি প্রাণী।"

ইবনে আদি বলেন: ঈসা ইবনুল মুসাইয়্যিব ব্যতীত অন্য কেউ এই সনদে এটি বর্ণনা করেননি। ঈসা ইবনুল মুসাইয়্যিবের এই হাদিসটি ছাড়াও অন্যান্য হাদিস রয়েছে এবং তিনি যা বর্ণনা করেন তাতে তিনি নির্ভরযোগ্য।

ইবনে আবি হাতিম বলেন: আমি আবু যুরআ’কে ওয়াকি হতে বর্ণিত একটি হাদিস সম্পর্কে বলতে শুনেছি, যা তিনি ঈসা ইবনুল মুসাইয়্যিব হতে, তিনি আবু যুরআ ইবনে আমর ইবনে জারীর হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "বিড়াল হলো শিকারি প্রাণী।"

অতঃপর আবু যুরআ’ বললেন: আবু নুআ’ইম এটিকে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেননি, আর সেটিই অধিকতর বিশুদ্ধ; এবং ঈসা শক্তিশালী নন।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
(99) - حَدِيثٌ آخَرُ: قَالَ ابْنُ أَبِي حَاتِمٍ: سَأَلْتُ أَبِي، وَأَبَا زُرْعَةَ، عَنْ حَدِيثِ ابْنِ مَسْعُودٍ فِي الْوُضُوءِ بِالنَّبِيذِ.

فَقَالا: هَذَا حَدِيثٌ لَيْسَ بِقَوِيٍّ، لأَنَّهُ لَمْ يَرْوِهِ غَيْرُ أَبِي فَزَارَةَ، عَنْ أَبِي زَيْدٍ، وَحَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ، وَعَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ: لَيْسَ بِقَوِيٍّ، وَأَبُو زَيْدٍ شَيْخٌ مَجْهُولٌ، لا يُعْرَفُ؛ وَعَلْقَمَةُ يَقُولُ: لَمْ يَكُنْ عَبْدُ اللَّهِ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْجِنِّ، فَوَدِدْتُ أَنَّهُ كَانَ مَعَهُ.

قُلْتُ لَهُمَا: فَإِنَّ مُعَاوِيَةَ بْنَ سَلَّامٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَخِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ ابْنِ غَيْلانَ، عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ.

قَالا: وَهَذَا أَيْضًا لَيْسَ بِشَيْءٍ، ابْنُ غَيْلانَ مَجْهُولٌ، وَلا يَصِحُّ فِي هَذَا الْبَابِ شَيْءٌ.

انْتَهَى كَلامُهُ.

وَقَدْ تَقَدَّمَ حَدِيثُ أَبِي زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، وَالْكَلامُ عَلَيْهِ، وَكَذَلِكَ حَدِيثُ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ.

وَأَمَّا حَدِيثُ مُعَاوِيَةَ بْنِ سَلَّامٍ، عَنْ أَخِيهِ: فَرَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ فِي «سُنَنَهِ» ، فَقَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، ثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي حَسَّانٍ، ثَنَا
(৯৯) - অন্য একটি হাদিস: ইবনু আবি হাতিম বলেন: আমি আমার পিতা এবং আবু যুরআহকে নাবিয (খেজুরের রস) দিয়ে অযু করা বিষয়ক ইবনু মাসউদের হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি।

তাঁরা বললেন: এই হাদিসটি শক্তিশালী নয়, কারণ এটি আবু ফাযারাহ ছাড়া আবু যায়িদ থেকে অন্য কেউ বর্ণনা করেননি; এবং হাম্মাদ ইবনে সালামাহ বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে যায়িদ থেকে, তিনি আবু রাফি থেকে, তিনি ইবনু মাসউদ থেকে। আলি ইবনে যায়িদ শক্তিশালী নন এবং আবু যায়িদ একজন অপরিচিত শাইখ, যাকে চেনা যায় না। আর আলকামা বলেন: জিনদের রাতে আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলেন না, অথচ আমি কামনা করেছিলাম যদি তিনি তাঁর সাথে থাকতেন।

আমি তাঁদের দুজনকে বললাম: মুয়াবিয়া ইবনে সাল্লাম তো তাঁর ভাই থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি ইবনু গায়লান থেকে, তিনি ইবনু মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁরা বললেন: এটিও উল্লেখযোগ্য কিছু নয়, ইবনু গায়লান অপরিচিত এবং এই অধ্যায়ে কোনো কিছুই বিশুদ্ধ নয়।

তাঁদের কথা এখানেই শেষ।

ইতিপূর্বে ইবনু মাসউদ থেকে বর্ণিত আবু যায়িদের হাদিস এবং সে সংক্রান্ত আলোচনা অতিক্রান্ত হয়েছে, অনুরূপভাবে আলি ইবনে যায়িদ থেকে বর্ণিত হাম্মাদ ইবনে সালামাহর হাদিসটিও আলোচিত হয়েছে।

আর মুয়াবিয়া ইবনে সাল্লাম তাঁর ভাই থেকে যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: ইমাম দারা কুতনী তাঁর 'সুনান' গ্রন্থে তা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবি হাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
هِشَامُ بْنُ خَالِدٍ الأَزْرَقُ، ثَنَا الْوَلِيدُ، ثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلَّامٍ، عَنْ أَخِيهِ زَيْدٍ، عَنْ جَدِّهِ أَبِي سَلَّامٍ، عَنْ فُلانِ بْنِ غَيْلانَ الثَّقَفِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، يَقُولُ: دَعَانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْجِنِّ بِوَضُوءٍ،‌‌ فَجِئْتُهُ بِإِدَاوَةٍ، فَإِذَا فِيهَا نَبِيذٌ، فَتَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: الرَّجُلُ
الثَّقَفِيُّ، الَّذِي رَوَاهُ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ: مَجْهُولٌ، قِيلَ: اسْمُهُ عَمْرٌو، وَقِيلَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ غَيْلانَ.

وَقَدْ ذَكَرَ الْبَيْهَقِيُّ حَدِيثَ ابْنِ مَسْعُودٍ وَغَيْرِهِ فِي الْوُضُوءِ بِالنَّبِيذِ، ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ الَّذِي فِيهِ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ لَمْ يَكُنْ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْجِنِّ، وَاسْتَوْفَى الْكَلامَ فِي ذَلِكَ بَعْضَ الاسْتِيفَاءِ، فَأَنَا أُورِدُ مَا ذَكَرَهُ فِي ذَلِكَ، قَالَ رحمه الله: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ السُّكَّرِيُّ بِبِغْدَادَ، أَبْنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ الرَّمَادِيُّ، أَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنَا الثَّوْرِيُّ، عَنْ أَبِي فَزَارَةَ الْعَبْسِيِّ، ثَنَا أَبُو زَيْدٍ مَوْلَى عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: لَمَّا كَانَتْ لَيْلَةُ الْجِنِّ تَخَلَّفَ مِنْهُمْ - يَعْنِي: مِنَ الْجِنِّ - رَجُلانِ.

قَالَ الرَّمَادِيُّ: أَحْسِبُ عَبْدَ الرَّزَّاقِ قَالَ: فَقَالا: نَشْهَدُ الصَّلاةَ مَعَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ.

قَالَ: فَلَمَّا حَضَرَتِ الصَّلاةُ قَالَ لِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «هَلْ مَعَكَ وَضُوءٌ؟» .

قَالَ: قُلْتُ: لا، مَعِيَ إِدَاوَةٌ فِيهَا نَبِيذٌ.

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «تَمْرَةٌ طَيِّبَةٌ وَمَاءٌ طَهُورٌ» .

فَتَوَضَّأَ.
হিশাম ইবনে খালিদ আল-আযরাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআবিয়া ইবনে সাল্লাম, তাঁর ভাই যাইদ থেকে, তাঁর দাদা আবু সাল্লাম থেকে, অমুক ইবনে গায়লান আস-সাকাফি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিনের রাতে আমাকে ওযুর পানি আনতে ডাকলেন,‌‌ আমি একটি পাত্র নিয়ে তাঁর কাছে এলাম, দেখা গেল তাতে নবীয রয়েছে, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা দিয়ে ওযু করলেন।

আদ-দারা কুতনী বলেছেন: সেই ব্যক্তিটি
আস-সাকাফি, যিনি ইবনে মাসউদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন: তিনি মাজহুল (অজ্ঞাতনামা), বলা হয়েছে যে তাঁর নাম আমর, এবং আরও বলা হয়েছে যে তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে গায়লান।

এবং ইমাম বায়হাকী নবীয দিয়ে ওযু করার বিষয়ে ইবনে মাসউদ ও অন্যদের হাদীস উল্লেখ করেছেন, অতঃপর তিনি সেই হাদীসটি উল্লেখ করেছেন যাতে রয়েছে যে ইবনে মাসউদ জিনের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন না এবং তিনি এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করেছেন। সুতরাং তিনি এ বিষয়ে যা উল্লেখ করেছেন তা আমি এখানে উপস্থাপন করছি। তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সুককারী বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মানসুর আর-রামারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আস-সাওরী, আবু ফাযারাহ আল-আবসী থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যায়েদ—যিনি আমর ইবনে হুরাইসের মুক্তদাস—আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি বলেন: যখন জিনের রাত ছিল, তখন তাদের থেকে—অর্থাৎ জিনদের থেকে—দুইজন ব্যক্তি পেছনে রয়ে গেল।

আর-রামাদী বলেন: আমার ধারণা আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন: তখন তারা দুজনে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা আপনার সাথে সালাতে উপস্থিত হতে চাই।

তিনি বলেন: যখন সালাতের সময় উপস্থিত হলো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: "তোমার সাথে কি ওযুর পানি আছে?"।

তিনি বলেন: আমি বললাম: না, তবে আমার সাথে একটি পাত্র আছে যাতে নবীয রয়েছে।

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "পবিত্র খেজুর এবং পরিষ্কার পানি"।

অতঃপর তিনি ওযু করলেন।
(খণ্ড: ১) তালিকাতুন আলাল ইলাল লি-ইবনি আবী হাতিম তা জাদুল্লাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
وَأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ جَنَاحُ بْنُ نَذِيرِ بْنِ جَنَاحٍ الْمُحَارِبِيُّ بِالْكُوفَةِ، أَبْنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ دُحَيْمٍ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَازُمِ بْنِ أَبِي غَرْزَةَ، أَبْنَا أَبُو غَسَّانَ، ثَنَا قَيْسٌ ـ هُوَ ابْنُ الرَّبِيعِ، ـ أَنَا أَبُو فَزَارَةَ الْعَبْسِيُّ، عَنْ أَبِي زَيْدٍ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ، قَالَ: أَتَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «إِنِّي قَدْ أُمِرْتُ أَنْ أَقْرَأَ عَلَى إِخْوَانَكُمْ مِنَ الْجِنِّ، لِيَقُمْ مَعِيَ رَجُلٌ مِنْكُمْ، وَلا يَقُمْ مَعِيَ رَجُلٌ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ كِبْرٍ» .

قَالَ: فَقُمْتُ مَعَهُ وَمَعِيَ إِدَاوَةٌ مِنْ مَاءٍ - كَذَا قَالَ -، حَتَّى إِذَا بَرَزْنَا، خَطَّ حَوْلِي خَطَّةً، ثُمَّ قَالَ: «لا تَخْرُجُنَ مِنْهَا، فَإِنَّكَ إِن خَرَجْتَ مِنْهَا لَمْ تَرَنِي وَلَمْ أَرَكَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ» .

قَالَ: ثُمَّ انِطَلَقَ حَتَّى تَوَارَى عَنِّي.

قَالَ: فَثَبَتُّ قَائِمًا، حَتَّى إِذَا طَلَعَ النَّجْمُ أَقْبَلَ، قَالَ: «مَا لِي أَرَاكَ قَائِمًا؟» .

قَالَ: قُلْتَ مَا قَعَدْتُ، خَشِيتُ أَنْ أَخْرُجَ مِنْهَا.

قَالَ: أَمَّا إِنَّكَ لَوْ خَرَجْتَ لَمْ تَرَنِي وَلَمْ أَرَكَ إِلى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، هَلْ مَعَكَ مِنْ وَضُوءٍ؟ ".

قلت: لا.

قَالَ: «فَمَاذَا فِي الإِدَاوَةِ؟» .

قُلْتُ: نَبِيذٌ.

قَالَ: «تَمْرَةٌ حُلْوَةٌ، وَمَاءٌ طَيِّبٌ» .

ثُمَّ تَوَضَّأَ وَأَقَامَ الصَّلاةَ، فَلَمَّا أَنْ قَضَى الصَّلاةَ قَامَ إِلَيْهِ رَجُلانِ مِنَ الْجِنِّ فَسَأَلاهُ الْمَتَاعَ، فَقَالَ: «أَوَ لَمْ آمُرَ لَكُمَا وَلِقَوْمِكُما مَا يُصْلِحُكَمَا» .

قَالَ: بَلَى، وَلَكِنَّا أَحْبَبْنَا أَنْ يَحْضُرَ بَعْضُنَا مَعَكَ الصَّلاةَ.

قَالَ: «مِمَّنْ أَنْتُمَا؟» قَالا: مِنْ أَهْلِ نَصِيبِينَ.

قَالَ: «قَدْ أَفْلَحَ هَذَانِ، وَأَفْلَحَ قَوْمُهُمَا» .

وَأَمَرَ لَهُمَا بِالْعِظَامِ وَالْرَّجِيعِ، طَعَامًا وَعَلَفًا، وَنَهَانَا أَنْ نَسْتَنْجَيَ بِعَظْمٍ أَوْ رَوْثٍ.

وَأَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَالِينِيُّ، ثَنَا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ الْحَافِظُ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ حَمَّادٍ، يَقُولُ: قَالَ: مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ رحمه الله،: أَبُو زَيْدٍ - الَّذِي رَوَى حَدِيثَ ابْنَ مَسْعُودٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «تَمْرَةٌ طَيِّبَةٌ،
এবং কুফায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ জানাহ ইবনে নাযীর ইবনে জানাহ আল-মুহারিবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে দুহায়ম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে হাযুম ইবনে আবি গারযা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গাসসান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কায়স — তিনি হলেন ইবনুর রাবী —, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ফাযারা আল-আবসি, আবু যায়িদ থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন এবং বললেন: "আমাকে তোমাদের জিন ভাইদের নিকট (কুরআন) পাঠ করে শুনানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং তোমাদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি যেন আমার সাথে দাঁড়ায়। আর এমন কোনো ব্যক্তি যেন আমার সাথে না দাঁড়ায় যার অন্তরে সরিষা দানা পরিমাণ অহংকার রয়েছে।"

তিনি বলেন: অতঃপর আমি তাঁর সাথে দাঁড়ালাম এবং আমার সাথে পানির একটি পাত্র ছিল — তিনি (বর্ণনাকারী) এমনই বলেছেন —, যতক্ষণ না আমরা লোকালয়ের বাইরে খোলা ময়দানে পৌঁছালাম। তিনি আমার চারপাশে একটি রেখা টেনে দিলেন, অতঃপর বললেন: "তুমি এ থেকে বের হবে না। কারণ তুমি যদি এ থেকে বের হও, তবে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তুমি আমাকে দেখতে পাবে না এবং আমিও তোমাকে দেখতে পাব না।"

তিনি বলেন: অতঃপর তিনি চলে গেলেন এবং শেষ পর্যন্ত আমার দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলেন।

তিনি বলেন: আমি দাঁড়িয়ে অটল থাকলাম, এমনকি যখন নক্ষত্র উদিত হলো তখন তিনি ফিরে আসলেন এবং বললেন: "কী হলো, আমি তোমাকে দাঁড়িয়ে দেখছি কেন?"

তিনি বলেন: আমি বললাম, আমি বসিনি এই ভয়ে যে, পাছে আমি এই গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাই।

তিনি বললেন: "জেনে রেখো, তুমি যদি বের হতে তবে কিয়ামত পর্যন্ত তুমি আমাকে দেখতে পেতে না এবং আমিও তোমাকে দেখতে পেতাম না। তোমার সাথে কি ওযুর পানি আছে?"

আমি বললাম: না।

তিনি বললেন: "তাহলে পাত্রটিতে কী আছে?"

আমি বললাম: নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি)।

তিনি বললেন: "মিষ্টি খেজুর এবং পবিত্র পানি।"

অতঃপর তিনি ওযু করলেন এবং সালাত কায়েম করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন জিনদের মধ্য থেকে দুইজন লোক তাঁর নিকট আসলো এবং তারা তাঁর নিকট পাথেয় প্রার্থনা করল। তিনি বললেন: "আমি কি তোমাদের জন্য এবং তোমাদের সম্প্রদায়ের জন্য যা উপযোগী তার ব্যবস্থা করার আদেশ দেইনি?"

তারা বলল: অবশ্যই দিয়েছেন, কিন্তু আমরা চেয়েছি আমাদের মধ্য থেকে কেউ যেন আপনার সাথে সালাতে উপস্থিত থাকে।

তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তোমরা কোন এলাকার লোক?" তারা বলল: নাসীবীন এলাকার অধিবাসী।

তিনি বললেন: "এই দুইজন সফল হয়েছে এবং তাদের সম্প্রদায়ও সফল হয়েছে।"

আর তিনি তাদের জন্য হাড় এবং গোবরকে খাদ্য ও পশুর খাদ্য হিসেবে নির্ধারণ করে দিলেন। আর আমাদের হাড় বা গোবর দ্বারা শৌচকার্য করতে নিষেধ করলেন।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মালিনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ ইবনে আদি আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্মাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী (আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন) বলেছেন: আবু যায়িদ — যিনি ইবনে মাসউদের সেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "পবিত্র খেজুর..."